লিয়ানা বুকস

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৮৪৩৩) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯: প্রশ্ন ও সমাধান

পরীক্ষা হয়েছে ২০১৯। ৭৭টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।

সময় ধরে পরীক্ষা দিন →

বাংলা

  1. ১. ‘আকাশে চাঁদ উঠেছে’- এখানে ‘আকাশ’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
    • ক. করণে ষষ্ঠী
    • খ. অধিকরণে সপ্তমী
    • গ. কর্মে শূন্যর
    • ঘ. সম্প্রদানে চতুর্থী
    উত্তর: খ. অধিকরণে সপ্তমী
    ক্রিয়ার কাল ও আধারকে অধিকরণ কারক বলে। বাক্যটিকে ‘চাঁদ কোথায় উঠেছে?’ প্রশ্ন করলে উত্তর আসে ‘আকাশে’, অর্থাৎ শব্দটি ক্রিয়াটি ঘটার স্থান বা আধার বোঝাচ্ছে। তাই এটি অধিকরণ কারক। শব্দটির সঙ্গে ‘এ’ বিভক্তি যুক্ত হয়েছে, আর ‘এ’ হলো সপ্তমী বিভক্তি। ফলে উত্তর হয় অধিকরণে সপ্তমী।
    মনে রাখুন: অধিকরণ কারকের আধার তিন রকম হতে পারে।
    উদাহরণ: তিলে তেল আছে (ব্যাপ্তিমূলক), পুকুরে মাছ আছে (ঐকদেশিক), সকালে সূর্য ওঠে (কালাধিকরণ)।
  2. ৮. ‘কাজলকালো’-এর সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি?
    • ক. কাজলের ন্যায় কালো
    • খ. কাজল ও কালো
    • গ. কাজল রূপ কালো
    • ঘ. কালো ও কাজল
    উত্তর: ক. কাজলের ন্যায় কালো
    ‘কাজলকালো’ মানে কাজলের মতো কালো। এখানে কাজলের সঙ্গে কোনো কিছুর কালো রঙের তুলনা করা হচ্ছে, তাই কাজল হলো উপমান আর কালো হলো দুটির সাধারণ গুণ বা সাধারণ ধর্ম। উপমান পদের সঙ্গে সাধারণ ধর্মবাচক পদের সমাস হলে তাকে উপমান কর্মধারয় সমাস বলে, এবং এর ব্যাসবাক্য হয় ‘কাজলের ন্যায় কালো’।
    মনে রাখুন: উপমান কর্মধারয়ের আরও কিছু পরিচিত উদাহরণ আছে।
    উদাহরণ: তুষারশুভ্র (তুষারের ন্যায় শুভ্র), অরুণরাঙা (অরুণের ন্যায় রাঙা), কুসুমকোমল (কুসুমের ন্যায় কোমল)।
  3. ৯. ‘একেই কি বলে সভ্যতা’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
    • ক. টেকচাঁদ ঠাকুর
    • খ. মীর মশাররফ হোসেন
    • গ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    • ঘ. কাজী নজরুল ইসলাম
    উত্তর: গ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    ‘একেই কি বলে সভ্যতা’ মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা একটি প্রহসন (Farce), যা ১৮৬০ সালে প্রকাশিত হয়। এতে তখনকার ইংরেজি শিক্ষিত ‘ইয়ং বেঙ্গল’ তরুণদের মদ্যপান ও উচ্ছৃঙ্খল জীবনকে ব্যঙ্গ করা হয়েছে। একই বছরে প্রকাশিত তাঁর আরেকটি প্রহসন ‘বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ’, যেখানে সমাজের বয়স্ক ভণ্ড মানুষদের কটাক্ষ করা হয়েছে।
    মনে রাখুন:
    মধুসূদন বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক।
    তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য ‘মেঘনাদবধ কাব্য’।
    বাংলা ভাষায় প্রথম সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতাও তিনিই লেখেন।
  4. ১১. জিভের সামনের অংশের সাহায্যে উচ্চারিত স্বরধ্বনিগুলোকে কী বলে?
    • ক. নিম্ন-স্বরধ্বনি
    • খ. অগ্র-স্বরধ্বনি
    • গ. জিভ-স্বরধ্বনি
    • ঘ. সম্মুখ-স্বরধ্বনি
    উত্তর: ঘ. সম্মুখ-স্বরধ্বনি
    স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় জিভের কোন অংশ উঁচু হচ্ছে, তার ভিত্তিতে স্বরধ্বনিকে ভাগ করা হয়। জিভের সামনের অংশ উঁচু হয়ে যে স্বরধ্বনিগুলো উচ্চারিত হয়, সেগুলোকে সম্মুখ স্বরধ্বনি (Front Vowel) বলে। বাংলায় ই, এ ও অ্যা হলো সম্মুখ স্বরধ্বনি।
    মনে রাখুন:
    জিভের পেছনের অংশ উঁচু হয়ে উচ্চারিত উ, ও ও অ হলো পশ্চাৎ স্বরধ্বনি।
    জিভ মাঝামাঝি অবস্থানে থেকে উচ্চারিত আ হলো কেন্দ্রীয় স্বরধ্বনি।
  5. ১৪. ‘নদীটি উত্তরমুখে প্রবাহিত’- এখানে ‘মুখ’ কোন অর্থ প্রকাশ করে?
    • ক. প্রত্যঙ্গ বিশেষ
    • খ. গতিরস্কার
    • গ. দিক
    • ঘ. মর্যাদা
    উত্তর: গ. দিক
    ‘নদীটি উত্তরমুখে প্রবাহিত’ বাক্যের অর্থ নদীটি উত্তর দিকে বয়ে চলেছে। এখানে ‘মুখ’ শব্দটি শরীরের অঙ্গ বোঝাচ্ছে না, বরং কোন দিকে যাচ্ছে সেটি বোঝাচ্ছে। তাই শব্দটি এখানে দিক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। বাংলায় একই শব্দ প্রসঙ্গ অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন অর্থ দেয়, এ কারণে বাক্যের ভাব দেখে অর্থ ঠিক করতে হয়।
    মনে রাখুন: ‘মুখ’ শব্দের আরও কিছু ব্যবহার আছে।
    উদাহরণ: মুখ রাখা (সম্মান রক্ষা করা), মুখে চুনকালি (অপমান), নদীর মুখ (মোহনা), মুখ চলা (অনবরত খাওয়া বা কথা বলা)।
  6. ১৫. কোন বানানটি শুদ্ধ?
    • ক. রীতিনীতি
    • খ. রীতিনিতি
    • গ. রিতীনীতি
    • ঘ. রিতীনিতী
    উত্তর: ক. রীতিনীতি
    ‘রীতিনীতি’ শব্দটি রীতি ও নীতি, এই দুটি তৎসম শব্দ মিলে তৈরি। দুটি শব্দের বানানেই প্রথম অক্ষরে দীর্ঘ ঈ-কার আর শেষ অক্ষরে হ্রস্ব ই-কার বসে। শব্দ দুটি জোড়া লাগলেও তাদের নিজস্ব বানান বদলায় না, তাই শুদ্ধ রূপ হলো রীতিনীতি। এর অর্থ প্রচলিত নিয়ম ও আচার-আচরণ।
    মনে রাখুন: একই রকম বানানের কিছু শব্দ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
    উদাহরণ: নীতি, প্রীতি, ভীতি, গীতি, কীর্তি, দীপ্তি।
  7. ১৮. বিনা যত্নে উৎপন্ন হয় যা – এর বাক্য সংকোচন কী?
    • ক. অনায়াসলব্ধ
    • খ. অযত্নসম্ভূত
    • গ. অযত্নজাত
    • ঘ. অযত্নলব্ধ
    উত্তর: খ. অযত্নসম্ভূত
    যা কোনো যত্ন বা পরিচর্যা ছাড়াই আপনা-আপনি জন্মায়, তাকে এক কথায় অযত্নসম্ভূত বলে, যেমন বনের লতাগুল্ম বা আগাছা। ‘সম্ভূত’ মানে উৎপন্ন বা জাত।
    মনে রাখুন:
    অনায়াসলব্ধ: বিনা পরিশ্রমে পাওয়া যায় যা।
    অযাচিত: না চাইতেই পাওয়া যায় যা।
    স্বয়ম্ভূ: যে নিজে নিজে জন্মেছে।
  8. ২০. কোনটি শুদ্ধ বাক্য?
    • ক. তার সৌজন্যতায় আমি সুযোগটি পেয়েছি।
    • খ. তাহার সৌজন্যতায় আমি সুযোগটি পেয়েছি।
    • গ. তার সৌজন্যে আমি সুযোগটি পেয়েছি।
    • ঘ. তাহার সৌজন্যে আমি সুযোগটি পেয়েছি।
    উত্তর: গ. তার সৌজন্যে আমি সুযোগটি পেয়েছি।
    ‘সৌজন্য’ শব্দটি নিজেই একটি বিশেষ্য, এর অর্থ ভদ্রতা বা সুজনের আচরণ। বিশেষ্যের সঙ্গে আবার ‘তা’ প্রত্যয় যোগ করে ‘সৌজন্যতা’ লেখা ভুল, কারণ এতে একই অর্থ দুবার প্রকাশ পায়। আবার সাধু রীতির সর্বনাম ‘তাহার’-এর সঙ্গে চলিত রীতির ক্রিয়া ‘পেয়েছি’ বসালে সাধু-চলিতের মিশ্রণ বা গুরুচণ্ডালী দোষ ঘটে। তাই ‘তার সৌজন্যে আমি সুযোগটি পেয়েছি’ বাক্যটিই শুদ্ধ।
    মনে রাখুন: একই ধরনের আরও কিছু ভুল প্রায়ই দেখা যায়।
    উদাহরণ: দৈন্যতা নয় দৈন্য, সখ্যতা নয় সখ্য, ঔদার্যতা নয় ঔদার্য।
  9. ২২. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত বছর বয়সে সাহিত্যে নোবেল পান?
    • ক. ৬১
    • খ. ৫২
    • গ. ৫৫
    • ঘ. ৫৭
    উত্তর: খ. ৫২
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ সালের ৭ মে কলকাতার জোড়াসাঁকোতে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’র ইংরেজি অনুবাদ ‘Song Offerings’-এর জন্য তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার (Nobel Prize) পান। তাই ১৯১৩ থেকে ১৮৬১ বাদ দিলে নোবেল পাওয়ার সময় তাঁর বয়স হয় ৫২ বছর।
    মনে রাখুন:
    রবীন্দ্রনাথ প্রথম এশীয় হিসেবে নোবেল পুরস্কার পান।
    ইংরেজি গীতাঞ্জলির ভূমিকা লিখেছিলেন আইরিশ কবি ডব্লিউ বি ইয়েটস।
    রবীন্দ্রনাথ ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২ শ্রাবণ ১৩৪৮) মারা যান।
  10. ২৯. তালব্য বর্ণ কোনগুলো?
    • ক. খ, উ, ম, ল
    • খ. স, ও, ঘ, ত
    • গ. খ, ব, ড়, ঢ়, ভ
    • ঘ. ই, জ, ঞ, য়
    উত্তর: ঘ. ই, জ, ঞ, য়
    জিভের সামনের অংশ শক্ত তালু স্পর্শ করে বা তার কাছাকাছি গিয়ে যে ধ্বনিগুলো উচ্চারিত হয়, সেগুলোকে তালব্য ধ্বনি বলে, আর এই ধ্বনির চিহ্নগুলো তালব্য বর্ণ। ই, জ, ঞ ও য় সবগুলোই তালু থেকে উচ্চারিত হয়, তাই এগুলো তালব্য বর্ণ। অন্য বিকল্পগুলোতে কণ্ঠ্য, ওষ্ঠ্য, দন্ত্য ও মূর্ধন্য বর্ণ মিশে আছে।
    মনে রাখুন:
    তালব্য বর্ণ: ই, ঈ, চ, ছ, জ, ঝ, ঞ, য, য়, শ।
    কণ্ঠ্য বর্ণ: অ, আ, ক, খ, গ, ঘ, ঙ, হ।
    ওষ্ঠ্য বর্ণ: উ, ঊ, প, ফ, ব, ভ, ম।
  11. ৩৩. ‘সংলাপ’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
    • ক. সম্+লাপ
    • খ. সং+ আলাপ
    • গ. সম + লাপ
    • ঘ. সংলাপ
    উত্তর: ক. সম্+লাপ
    ‘সংলাপ’ শব্দটি এসেছে সম্ + লাপ থেকে। ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে ম্-এর পরে য, র, ল, ব, শ, ষ, স বা হ এলে ম্ বদলে অনুস্বার (ং) হয়ে যায়। তাই সম্ + লাপ মিলে সংলাপ হয়েছে। এখানে ‘সম্’ উপসর্গটি হসন্তযুক্ত, হসন্ত ছাড়া ‘সম’ লিখলে সন্ধির নিয়মটিই খাটে না।
    মনে রাখুন: একই নিয়মে আরও কিছু শব্দ গঠিত।
    উদাহরণ: সম্ + সার = সংসার, সম্ + বাদ = সংবাদ, সম্ + যম = সংযম, সম্ + হার = সংহার।
  12. ৩৭. ‘গরিবের জন্য বড়লোকের দরদটা মাছের মায়ের পুত্রশোকের মতোই’-এ বাক্যে ‘মাছের মায়ের পুত্রশোক’ কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
    • ক. মিথ্যা শোক
    • খ. নিষ্ঠুর
    • গ. মমত্ববোধ
    • ঘ. শোকে পাথর
    উত্তর: ক. মিথ্যা শোক
    মাছের মা নিজেই নিজের অনেক পোনা খেয়ে ফেলে, তাই পোনা মারা গেলে তার শোক আসলে লোক দেখানো। এ থেকে ‘মাছের মায়ের পুত্রশোক’ বাগধারাটির অর্থ হয়েছে মিথ্যা বা কপট শোক। বাক্যে বলা হয়েছে, গরিবের প্রতি বড়লোকের দরদও এমনই ভান মাত্র, ভেতরে কোনো আন্তরিকতা নেই।
    মনে রাখুন: কাছাকাছি অর্থের আরও কিছু বাগধারা প্রচলিত।
    উদাহরণ: মায়াকান্না (কপট কান্না), কুম্ভীরাশ্রু (মিথ্যা দুঃখপ্রকাশ), বিড়ালতপস্বী (ভণ্ড সাধু)।
  13. ৪০. ‘তাঁর টাকা আছে কিন্তু তিনি দান করেন না’ কোন ধরনের বাক্য?
    • ক. যৌগিক
    • খ. সরল
    • গ. খণ্ড
    • ঘ. জটিল
    উত্তর: ক. যৌগিক
    ‘তাঁর টাকা আছে’ এবং ‘তিনি দান করেন না’, এ দুটি অংশ আলাদাভাবেও পূর্ণ বাক্য হিসেবে দাঁড়াতে পারে, অর্থাৎ দুটিই স্বাধীন বাক্য। এদের ‘কিন্তু’ নামের একটি সংযোজক অব্যয় দিয়ে জোড়া লাগানো হয়েছে। দুই বা ততোধিক স্বাধীন বাক্য অব্যয় দিয়ে যুক্ত হয়ে একটি বাক্য তৈরি করলে তাকে যৌগিক বাক্য (Compound Sentence) বলে।
    মনে রাখুন: যৌগিক বাক্যে সাধারণত এবং, ও, কিন্তু, অথবা, অথচ, কিংবা, তবু প্রভৃতি অব্যয় থাকে। অন্যদিকে জটিল বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের সঙ্গে নির্ভরশীল খণ্ডবাক্য থাকে, যেমন ‘যে পরিশ্রম করে, সে সফল হয়’।
  14. ৫১. কোনটি ‘তদ্ভব’ শব্দ?
    • ক. সূর্য
    • খ. চাঁদ
    • গ. চন্দ্র
    • ঘ. গগন
    উত্তর: খ. চাঁদ
    যেসব সংস্কৃত শব্দ প্রাকৃত ভাষার মধ্য দিয়ে আসার সময় রূপ বদলে বাংলায় এসেছে, তাদের তদ্ভব শব্দ বলে। সংস্কৃত ‘চন্দ্র’ শব্দটি প্রাকৃতে ‘চন্দ’ হয়ে বাংলায় ‘চাঁদ’ হয়েছে, তাই চাঁদ তদ্ভব শব্দ। অন্যদিকে সূর্য, চন্দ্র ও গগন সংস্কৃত থেকে অবিকৃত অবস্থায় এসেছে, তাই এগুলো তৎসম শব্দ।
    মনে রাখুন: আরও তদ্ভব শব্দ: হাত (হস্ত), মাথা (মস্তক), কাজ (কার্য), দুধ (দুগ্ধ)।
  15. ৫৬. সমজাতীয় একাধিক পদ পরপর থাকলে কোন বিরামচিহ্ন বসে?
    • ক. বিন্দু
    • খ. সেমিকোলন
    • গ. কোলন
    • ঘ. কমা
    উত্তর: ঘ. কমা
    বাক্যে একই ধরনের কয়েকটি পদ, যেমন কয়েকটি বিশেষ্য বা কয়েকটি বিশেষণ, পরপর বসলে তাদের আলাদা করে দেখাতে মাঝখানে কমা (Comma) বসে।
    উদাহরণ: সুখ, দুঃখ, আশা, নিরাশা নিয়েই মানুষের জীবন।
    মনে রাখুন: কমা আরও বসে সম্বোধনের পরে, যেমন ‘রহিম, এদিকে এসো।’ এবং তারিখ লেখার সময় মাসের পরে, যেমন ‘২৬ মার্চ, ১৯৭১’।
  16. ৫৯. কোনটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ?
    • ক. অব
    • খ. ইতি
    • গ. অতি
    • ঘ. পরি
    উত্তর: খ. ইতি
    উপসর্গ হলো এমন শব্দাংশ, যা শব্দের আগে বসে নতুন শব্দ গঠন করে বা অর্থ বদলে দেয়। উপসর্গের উৎস ভেদে তিন রকম: খাঁটি বাংলা, সংস্কৃত ও বিদেশি। ‘ইতি’ খাঁটি বাংলা উপসর্গ, যেমন ইতিকথা ও ইতিউতি। অতি, পরি ও অব সংস্কৃত থেকে আসা উপসর্গ, যেমন অতিরিক্ত, পরিবর্তন ও অবসান।
    মনে রাখুন:
    খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি, যেমন: অ, অনা, আ, আড়, নি, কু, সু, বি, স, সা, হা, ভর।
    সংস্কৃত উপসর্গ ২০টি।
    বিদেশি উপসর্গ আরবি, ফারসি ও ইংরেজি থেকে এসেছে, যেমন: বে, না, দর, হর।
  17. ৬০. কোন বানানটি শুদ্ধ?
    • ক. কনিষ্ঠ
    • খ. কণিষ্ঠ
    • গ. কনিষ্ট
    • ঘ. কণিষ্ট
    উত্তর: ক. কনিষ্ঠ
    ‘কনিষ্ঠ’ একটি তৎসম শব্দ, এর অর্থ সবচেয়ে ছোট। শব্দটিতে প্রথমে দন্ত্য ন বসে, কারণ এখানে ণত্ব বিধানের কোনো কারণ নেই। আবার ষত্ব বিধানের নিয়মে ষ-এর সঙ্গে যুক্ত বর্ণ ট-বর্গের হয়, আর এ শব্দে ষ-এর সঙ্গে ঠ যুক্ত হয়ে ষ্ঠ হয়েছে। তাই শুদ্ধ বানান কনিষ্ঠ।
    মনে রাখুন: একই ধরনের ষ্ঠ যুক্ত কিছু শব্দ আছে।
    উদাহরণ: জ্যেষ্ঠ, শ্রেষ্ঠ, নিষ্ঠা, প্রতিষ্ঠা, ওষ্ঠ।
  18. ৬৭. ‘মা খোকাকে চাঁদ দেখাচ্ছে’- এ বাক্যে ‘দেখাচ্ছে’ কোন ক্রিয়া?
    • ক. দ্বিকর্মক
    • খ. অসমাপিকা
    • গ. প্রযোজক
    • ঘ. সমাপিকা
    উত্তর: গ. প্রযোজক
    যে ক্রিয়া কর্তা নিজে না করে অন্যকে দিয়ে করায়, তাকে প্রযোজক ক্রিয়া (Causative Verb) বলে। ‘মা খোকাকে চাঁদ দেখাচ্ছে’ বাক্যে দেখার কাজটি করছে খোকা, আর মা তাকে দিয়ে কাজটি করাচ্ছেন। তাই ‘দেখাচ্ছে’ প্রযোজক ক্রিয়া। এখানে মা হলেন প্রযোজক কর্তা আর খোকা প্রযোজ্য কর্তা। বাংলা ব্যাকরণ বইয়ে প্রযোজক ক্রিয়া বোঝাতে এই বাক্যটিই সবচেয়ে পরিচিত উদাহরণ হিসেবে দেওয়া হয়।
    মনে রাখুন: মূল ধাতুর সঙ্গে ‘আ’ যুক্ত হয়ে প্রযোজক ধাতু তৈরি হয়।
    উদাহরণ: দেখ্ থেকে দেখা, পড়্ থেকে পড়া, শোন্ থেকে শোনা, যেমন ‘শিক্ষক ছাত্রকে পড়াচ্ছেন’।
  19. ৬৮. কোন শব্দটিতে বিদেশি প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়েছে?
    • ক. চালবাজ
    • খ. কানকাটা
    • গ. বেআক্কেল
    • ঘ. দিগঞ্জ
    উত্তর: ক. চালবাজ
    ‘চালবাজ’ শব্দটি চাল ও বাজ মিলে তৈরি। এখানে ‘বাজ’ একটি ফারসি প্রত্যয়, যা শব্দের শেষে বসে কোনো কাজে অভ্যস্ত বা পটু ব্যক্তিকে বোঝায়। তাই চালবাজ মানে যে চালাকি বা কৌশল করতে ওস্তাদ। লক্ষ করার মতো বিষয় হলো, ‘বেআক্কেল’ শব্দের ‘বে’ও ফারসি, কিন্তু সেটি শব্দের শুরুতে বসেছে বলে উপসর্গ, প্রত্যয় নয়।
    মনে রাখুন: বিদেশি প্রত্যয়যুক্ত আরও কিছু শব্দ আছে।
    উদাহরণ: ধোঁকাবাজ, মামলাবাজ (ফারসি বাজ), দোকানদার, জমিদার (ফারসি দার), বাবুগিরি (ফারসি গিরি)।
  20. ৭৫. কোনটি সঠিক বানান?
    • ক. শৌজন্য
    • খ. সৌজন্যতা
    • গ. সৌজন্য
    • ঘ. সৌজন্নতা
    উত্তর: গ. সৌজন্য
    ‘সৌজন্য’ শব্দের অর্থ ভদ্রতা বা সুজনের মতো আচরণ। শব্দটি সুজন থেকে ষ্ণ্য প্রত্যয়ে গঠিত হয়ে নিজেই একটি বিশেষ্য, তাই এর সঙ্গে আবার ‘তা’ যোগ করে ‘সৌজন্যতা’ লেখা ভুল। শব্দটির শুরুতে দন্ত্য স, তারপর ঔ-কার এবং শেষে ন্য যুক্তবর্ণ বসে।
    মনে রাখুন: ‘তা’ বা ‘ত্ব’ প্রত্যয় দুবার বসানোর ভুল আরও কিছু শব্দে দেখা যায়।
    উদাহরণ: দৈন্য (দৈন্যতা নয়), সখ্য (সখ্যতা নয়), উৎকর্ষ (উৎকর্ষতা নয়)।

গণিত

  1. ২. x² – 3x – 2 কে x + 1 দ্বারা ভাগ করলে ভাগশেষ কী হবে?
    • ক. 4
    • খ. 0
    • গ. 2
    • ঘ. 6
    উত্তর: গ. 2
    ভাগশেষ উপপাদ্য অনুযায়ী, কোনো বহুপদী f(x)-কে (x − a) দিয়ে ভাগ করলে ভাগশেষ হয় f(a)। এখানে x + 1 = x − (−1), তাই a = −1।
    f(−1) = (−1)² − 3(−1) − 2 = 1 + 3 − 2 = 2
    সুতরাং ভাগশেষ 2।
    মনে রাখুন: ভাগশেষ শূন্য হলে (x − a) রাশিটির একটি উৎপাদক হয়।
  2. ১৯. একটি বোতলে আমের জুসের পরিমাণ ৩৫০ মিলি। ২৪টি বোতলে জুসের পরিমাণ কত লিটার?
    • ক. ৬.৪
    • খ. ৭.৪
    • গ. ৮.৪
    • ঘ. ৯.৪
    উত্তর: গ. ৮.৪
    প্রথমে মোট জুসের পরিমাণ মিলিলিটারে বের করে তারপর লিটারে রূপান্তর করতে হবে। ১ লিটার সমান ১০০০ মিলিলিটার, তাই মিলিলিটারকে ১০০০ দিয়ে ভাগ করলে লিটার পাওয়া যায়।
    মোট জুস = 24 × 350 = 8400 মিলি
    লিটারে = 8400 ÷ 1000 = 8.4 লিটার
    মনে রাখুন: ১ লিটার = ১০০০ মিলিলিটার এবং ১ ঘনসেন্টিমিটার = ১ মিলিলিটার। আবার ১ ঘনমিটার = ১০০০ লিটার।
  3. ২১. ৫৩৫ টাকায় একটি জামা বিক্রি করে শতকরা ৭ ভাগ লাভ হয়। জামাটি কত টাকায় বিক্রি করলে শতকরা ২০ ভাগ ক্ষতি হবে?
    • ক. ৪০০
    • খ. ৫০০
    • গ. ৫৫০
    • ঘ. ৪৫০
    উত্তর: ক. ৪০০
    প্রথমে জামাটির ক্রয়মূল্য বের করতে হবে। ৭% লাভে বিক্রি হওয়া মানে ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য ১০৭ টাকা।
    ক্রয়মূল্য = 535 × 100/107 = 500 টাকা
    ২০% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = 500 × 80/100 = 400 টাকা
    মনে রাখুন: লাভ বা ক্ষতির শতকরা হিসাব সবসময় ক্রয়মূল্যের ওপর করা হয়, বিক্রয়মূল্যের ওপর নয়।
  4. ২৪. ৮০, ৯৬, ?, ১২৮ শূন্যস্থানের সংখ্যাটি কত হবে?
    • ক. ১১২
    • খ. ১২০
    • গ. ৮৮
    • ঘ. ৬৪
    উত্তর: ক. ১১২
    ধারাটির পদগুলোর পার্থক্য লক্ষ করলে দেখা যায়, ৮০ থেকে ৯৬ হতে বেড়েছে ১৬। অর্থাৎ প্রতিটি পদ আগের পদের চেয়ে ১৬ করে বেশি, এটি একটি সমান্তর ধারা (Arithmetic Series)।
    96 + 16 = 112
    112 + 16 = 128
    শেষ পদ ১২৮-এর সঙ্গে মিলে যাওয়ায় শূন্যস্থানের সংখ্যাটি ১১২ নিশ্চিত হয়।
    মনে রাখুন: ধারার প্রশ্নে প্রথমে পরপর দুটি পদের পার্থক্য দেখুন, না মিললে অনুপাত বা গুণের সম্পর্ক খুঁজুন।
  5. ৩০. নির্দিষ্ট দামে একটি দ্রব্য বিক্রি করাতে ২০% ক্ষতি হলো। এটি ৬০ টাকা বেশি মূল্যে বিক্রি করতে পারলে ১০% লাভ হতো। দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য কত টাকা?
    • ক. ২০০
    • খ. ২২০
    • গ. ৩০০
    • ঘ. ১৬০
    উত্তর: ক. ২০০
    ক্রয়মূল্য C টাকা ধরি। ২০% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য হয় 0.8C, আর ১০% লাভে বিক্রয়মূল্য হতো 1.1C। এ দুই বিক্রয়মূল্যের পার্থক্যই ৬০ টাকা।
    1.1C − 0.8C = 60
    0.3C = 60
    C = 200 টাকা
    অর্থাৎ ২০% ক্ষতি থেকে ১০% লাভে যেতে মোট ৩০% পরিবর্তন দরকার, আর এই ৩০% সমান ৬০ টাকা।
    মনে রাখুন: ক্ষতি থেকে লাভে গেলে শতকরা হার যোগ হয়, আর দুই রকম লাভ বা দুই রকম ক্ষতির মধ্যে তুলনায় হার বিয়োগ হয়।
  6. ৩৮. 2 + 4 + 8 + 16 +… এই ধারাটির কততম পদের মান 128?
    • ক. 7
    • খ. 5
    • গ. 6
    • ঘ. 8
    উত্তর: ক. 7
    ধারাটির প্রতিটি পদ আগের পদের ২ গুণ, তাই এটি একটি গুণোত্তর ধারা (Geometric Series)। এর প্রথম পদ a = 2 এবং সাধারণ অনুপাত r = 2।
    n তম পদ = arⁿ⁻¹ = 2 × 2ⁿ⁻¹ = 2ⁿ
    2ⁿ = 128 = 2⁷
    n = 7
    অর্থাৎ ধারাটির ৭ম পদের মান 128।
    মনে রাখুন: গুণোত্তর ধারার n তম পদের সূত্র arⁿ⁻¹, আর সমান্তর ধারার n তম পদের সূত্র a + (n − 1)d।
  7. ৩৯. মনির ও তপনের আয়ের অনুপাত ৪:৩। তপন ও রবিনের আয়ের অনুপাত ৫:৪। মনিরের আয় ১২০ টাকা হলে, রবিনের আয় কত?
    • ক. ৭২ টাকা
    • খ. ৭৫ টাকা
    • গ. ৭৮ টাকা
    • ঘ. ৮০ টাকা
    উত্তর: ক. ৭২ টাকা
    মনিরের আয় 120 টাকা এবং মনির : তপন = 4 : 3।
    তপনের আয় = 120 × 3/4 = 90 টাকা
    আবার তপন : রবিন = 5 : 4
    রবিনের আয় = 90 × 4/5 = 72 টাকা
    মনে রাখুন: ধারাবাহিক অনুপাত করলেও একই উত্তর মেলে: মনির : তপন : রবিন = 20 : 15 : 12, আর 120 × 12/20 = 72।
  8. ৪৪. ৬০ লিটার ফলের রসে আম ও কমলার অনুপাত ২:১। কমলার রসের পরিমাণ কত লিটার বৃদ্ধি করলে অনুপাতটি ১:২ হবে?
    • ক. ৫০
    • খ. ৬০
    • গ. ৭০
    • ঘ. ৮০
    উত্তর: খ. ৬০
    মিশ্রণে আম ও কমলার অনুপাত 2 : 1, আর মোট রস 60 লিটার।
    আমের রস = 60 × 2/3 = 40 লিটার, কমলার রস = 60 × 1/3 = 20 লিটার
    শুধু কমলার রস বাড়ানো হবে, তাই আম 40 লিটারই থাকবে। অনুপাত 1 : 2 করতে কমলার রস লাগবে 40 × 2 = 80 লিটার।
    বাড়াতে হবে = 80 − 20 = 60 লিটার
    যাচাই: 40 : 80 = 1 : 2।
  9. ৪৬. x + (1/x) = 2 হয়, তাহলে x এর মান হবে-
    • ক. 2
    • খ. 1
    • গ. 1/2
    • ঘ. 1/4
    উত্তর: খ. 1
    সমীকরণটির উভয় পক্ষকে x দিয়ে গুণ করলে ভগ্নাংশ দূর হয়ে একটি দ্বিঘাত সমীকরণ পাওয়া যায়।
    x + 1/x = 2
    x² + 1 = 2x
    x² − 2x + 1 = 0
    (x − 1)² = 0
    x = 1
    যাচাই: 1 + 1/1 = 2, তাই উত্তর মিলে যায়।
    মনে রাখুন: ধনাত্মক x-এর জন্য x + 1/x-এর ক্ষুদ্রতম মান 2, আর এই মান কেবল x = 1 হলেই পাওয়া যায়।
  10. ৪৮. log₈(2) = কত?
    • ক. 1
    • খ. 1/2
    • গ. 2/3
    • ঘ. 1/3
    উত্তর: ঘ. 1/3
    লগারিদম (Logarithm) মানে কোনো ভিত্তিকে কত ঘাত দিলে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যা পাওয়া যায়। এখানে জানতে হবে, 8-কে কত ঘাতে তুললে 2 পাওয়া যায়।
    ধরি log₈2 = x, তাহলে 8ˣ = 2
    (2³)ˣ = 2¹
    3x = 1
    x = 1/3
    মনে রাখুন: logₐb = 1/log_b a, তাই log₈2 = 1/log₂8 = 1/3। আবার যেকোনো ভিত্তিতে logₐa = 1 এবং logₐ1 = 0।
  11. ৪৯. শামীমের আয় ও ব্যয়ের অনুপাত ২০:১৫ হলে, তার মাসিক সঞ্চয় আয়ের শতকরা কত ভাগ?
    • ক. 2%
    • খ. 25%
    • গ. 150%
    • ঘ. ১৫%
    উত্তর: খ. 25%
    আয় ও ব্যয়ের অনুপাত 20 : 15, অর্থাৎ আয় 20 টাকা হলে ব্যয় 15 টাকা।
    সঞ্চয় = আয় − ব্যয় = 20 − 15 = 5 টাকা
    আয়ের শতকরা সঞ্চয় = (5/20) × 100% = 25%
    মনে রাখুন: অনুপাতকে সরল করলেও ফল একই থাকে, কারণ 20 : 15 = 4 : 3, আর সঞ্চয় 1/4 অংশ, অর্থাৎ 25%।
  12. ৫০. ৬০ লিটার কেরোসিন ও পেট্রোলের মিশ্রণের অনুপাত ৭:৩। ঐ মিশ্রণে আর কত লিটার পেট্রোল মিশালে অনুপাত ৩:৭ হবে?
    • ক. ৭০
    • খ. ৮০
    • গ. ৯০
    • ঘ. ৯৮
    উত্তর: খ. ৮০
    মিশ্রণে কেরোসিন ও পেট্রোলের অনুপাত 7 : 3, আর মোট 60 লিটার।
    কেরোসিন = 60 × 7/10 = 42 লিটার, পেট্রোল = 60 × 3/10 = 18 লিটার
    শুধু পেট্রোল মেশানো হবে, তাই কেরোসিন 42 লিটারই থাকবে। অনুপাত 3 : 7 করতে পেট্রোল লাগবে 42 × 7/3 = 98 লিটার।
    আরও মেশাতে হবে = 98 − 18 = 80 লিটার
    মনে রাখুন: প্রশ্নে মোট পেট্রোল নয়, কতটা মেশাতে হবে তা জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই 98 নয়, 80।
  13. ৫৪. দুটি কোণের পরিমাপের যোগফল দুই সমকোণ হলে কোন দুটি পরস্পর-
    • ক. সম্পূরক কোণ
    • খ. সন্নিহিত কোণ
    • গ. বিপ্রতীপ কোণ
    • ঘ. পূরক কোণ
    উত্তর: ক. সম্পূরক কোণ
    দুটি কোণের পরিমাপের যোগফল দুই সমকোণ, অর্থাৎ 180° হলে কোণ দুটিকে পরস্পরের সম্পূরক কোণ (Supplementary Angle) বলে। যেমন 120° ও 60° কোণ দুটি সম্পূরক, কারণ 120° + 60° = 180°।
    মনে রাখুন:
    দুটি কোণের যোগফল এক সমকোণ বা 90° হলে তারা পূরক কোণ (Complementary Angle)।
    দুটি সরলরেখা পরস্পরকে ছেদ করলে বিপরীত দিকের কোণ দুটি বিপ্রতীপ কোণ, এবং এরা সবসময় সমান।
    যে দুটি কোণের একটি সাধারণ বাহু ও শীর্ষবিন্দু থাকে, তারা সন্নিহিত কোণ।
  14. ৫৮. ছয়টি পরপর পূর্ণ সংখ্যা দেওয়া আছে। ১ম তিনটির যোগফল ২৭ হলে শেষ ৩টির যোগফল কত?
    • ক. ৩৬
    • খ. ৩২
    • গ. ৩০
    • ঘ. ২৭
    উত্তর: ক. ৩৬
    ছয়টি পরপর পূর্ণসংখ্যার প্রথমটি n ধরলে প্রথম তিনটি হয় n, n + 1 ও n + 2।
    n + (n + 1) + (n + 2) = 27
    3n + 3 = 27
    n = 8
    তাহলে সংখ্যা ছয়টি 8, 9, 10, 11, 12, 13।
    শেষ তিনটির যোগফল = 11 + 12 + 13 = 36
    মনে রাখুন: শেষ তিনটির প্রতিটি প্রথম তিনটির সংশ্লিষ্ট সংখ্যার চেয়ে ৩ বেশি। তাই সরাসরি 27 + 3 × 3 = 36 লিখেও উত্তর পাওয়া যায়।
  15. ৬২. একটি সংখ্যার বর্গ তার বর্গমূলের চেয়ে ৭৮ বেশি হলে সংখ্যাটি-
    • ক. ১২
    • খ. ৮
    • গ. ৬
    • ঘ. ৯
    উত্তর: ঘ. ৯
    সংখ্যাটি x ধরলে শর্ত অনুযায়ী x² − √x = 78। এ ধরনের সমীকরণ সরাসরি সমাধান করার চেয়ে বিকল্পগুলো বসিয়ে যাচাই করা সহজ, তবে বর্গমূল পূর্ণসংখ্যা হবে এমন সংখ্যা আগে দেখতে হয়।
    x = 9 হলে x² = 81 এবং √x = 3
    81 − 3 = 78
    শর্তটি মিলে যায়, তাই সংখ্যাটি 9।
    মনে রাখুন: বর্গ ও বর্গমূল দুটিই যেখানে আছে, সেখানে পূর্ণবর্গ সংখ্যা (যেমন 4, 9, 16) দিয়ে পরীক্ষা শুরু করলে দ্রুত উত্তর মেলে।
  16. ৬৪. দুটি লাইন একে অন্যের থেকে ২ মিটার দূরে সমান্তরালভাবে চলে যাচ্ছে। তারা একে অন্যের সাথে মিলিত হবে কত মিটার দূরে?
    • ক. ৪০০
    • খ. ২০০
    • গ. ৬০০
    • ঘ. কখনই নয়
    উত্তর: ঘ. কখনই নয়
    একই সমতলে থাকা যে দুটি সরলরেখা সব জায়গায় পরস্পর থেকে সমান দূরত্ব বজায় রাখে, তাদের সমান্তরাল রেখা (Parallel Lines) বলে। এদের মধ্যকার দূরত্ব কখনো কমে না, তাই রেখা দুটিকে দুই দিকে যত দূরেই বাড়ানো হোক না কেন, তারা কখনো মিলিত হয় না।
    মনে রাখুন:
    দুটি সমান্তরাল রেখাকে একটি ছেদক রেখা ছেদ করলে একান্তর কোণগুলো পরস্পর সমান হয়।
    রেলপথের দুটি লাইন সমান্তরাল রেখার পরিচিত উদাহরণ।
  17. ৭৪. ১০২৪ এর বর্গমূল কত?
    • ক. ৫২
    • খ. ৪২
    • গ. ৩২
    • ঘ. ২২
    উত্তর: গ. ৩২
    যে সংখ্যাকে নিজের সঙ্গে গুণ করলে ১০২৪ পাওয়া যায়, সেটিই ১০২৪-এর বর্গমূল। ৩০-এর বর্গ ৯০০, আর ১০২৪ এর চেয়ে কিছু বড়, তাই উত্তর ৩০-এর একটু ওপরে হবে। শেষ অঙ্ক ৪ বলে বর্গমূলের শেষ অঙ্ক ২ বা ৮ হতে পারে, এখান থেকে ৩২ পরীক্ষা করি।
    32 × 32 = 1024
    আবার 1024 = 2¹⁰, তাই √1024 = 2⁵ = 32।
    মনে রাখুন: ২-এর ঘাতগুলো চিনে রাখলে অনেক হিসাব সহজ হয়, যেমন 2⁸ = 256, 2⁹ = 512 ও 2¹⁰ = 1024।
  18. ৭৬. a = √3 + √2 হলে, a³ + 3a + 3a⁻¹ + a⁻³ এর মান কত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৪
    • ক. 18√3
    • খ. 18√2
    • গ. 24√3
    • ঘ. 16√2
    উত্তর: গ. 24√3
    রাশিটি সাজিয়ে লিখলে দেখা যায় এটি আসলে (a + 1/a)³-এর বিস্তার, কারণ (a + 1/a)³ = a³ + 3a + 3/a + 1/a³।
    a = √3 + √2 হলে 1/a = 1/(√3 + √2) = (√3 − √2)/(3 − 2) = √3 − √2
    a + 1/a = (√3 + √2) + (√3 − √2) = 2√3
    রাশিটির মান = (2√3)³ = 8 × 3√3 = 24√3
    মনে রাখুন: (√3 + √2)(√3 − √2) = 1 হওয়ায় এ দুটি পরস্পরের বিপরীত সংখ্যা, এই বৈশিষ্ট্যটি অনেক প্রশ্নে কাজে লাগে।

বাংলাদেশ

  1. ৩. বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়-
    • ক. ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর
    • খ. ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ
    • গ. ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল
    • ঘ. ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ
    উত্তর: গ. ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল
    ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়, আর একই দিনে আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয়। এরপর ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আমবাগানে এই সরকার শপথ নেয়, আর জায়গাটির নাম রাখা হয় মুজিবনগর।
    মনে রাখুন:
    গঠনের তারিখ ১০ এপ্রিল, শপথের তারিখ ১৭ এপ্রিল।
    স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র এখন সংবিধানের সপ্তম তফসিলে যুক্ত।
  2. ১২. ‘পোড়ামাটি-নীতি’ কোন বাহিনীর জন্য প্রযোজ্য ছিল?
    • ক. ভারত সেনাবাহিনী
    • খ. পাকিস্তান সেনাবাহিনী
    • গ. পাক-ভারত বাহিনী
    • ঘ. পাকিস্তান বিমানবাহিনী
    উত্তর: খ. পাকিস্তান সেনাবাহিনী
    পোড়ামাটি নীতি (Scorched Earth Policy) মানে শত্রুর কাজে লাগতে পারে এমন সবকিছু পুড়িয়ে বা ধ্বংস করে দেওয়া। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তান সেনাবাহিনী এই নীতি নিয়ে বাংলাদেশের অসংখ্য গ্রাম, বাড়িঘর, ফসল ও হাটবাজার জ্বালিয়ে দেয়। তাদের উদ্দেশ্য ছিল মুক্তিযোদ্ধারা যেন গ্রামে আশ্রয়, খাবার ও সাধারণ মানুষের সহায়তা না পান।
    মনে রাখুন:
    ২৫ মার্চ ১৯৭১ রাতে পাকিস্তানি বাহিনী ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে গণহত্যা শুরু করে।
    এ সময় পূর্ব পাকিস্তানের সামরিক গভর্নর ছিলেন জেনারেল টিক্কা খান, যাঁকে ‘বাংলার কসাই’ বলা হয়।
  3. ৩১. বাহাদুর শাহ পার্ক কোথায় অবস্থিত?
    • ক. ঢাকায়
    • খ. দিল্লিতে আগ্রায়
    • গ. রাজশাহীতে
    • ঘ. চট্টগ্রামে
    উত্তর: ক. ঢাকায়
    বাহাদুর শাহ পার্ক পুরান ঢাকার সদরঘাটের কাছে লক্ষ্মীবাজারে অবস্থিত। ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহে (Sepoy Mutiny) অংশ নেওয়া বহু সিপাহিকে ইংরেজরা এখানে প্রকাশ্যে ফাঁসি দিয়েছিল। এর আগে জায়গাটির নাম ছিল আন্টাঘর ময়দান, পরে রানি ভিক্টোরিয়ার নামে হয় ভিক্টোরিয়া পার্ক। ১৯৫৭ সালে বিদ্রোহের শতবর্ষ উপলক্ষে শেষ মোগল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহের নামে পার্কটির নামকরণ করা হয়।
    মনে রাখুন: পার্কের ভেতরে সিপাহি বিদ্রোহের শহিদদের স্মরণে একটি স্মৃতিস্তম্ভ আছে।
  4. ৪৫. ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু কোথায় ভাষণ দিয়েছিলেন?
    • ক. ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে
    • খ. ঢাকার প্রেসিডেন্ট ভবনে
    • গ. পার্লামেন্ট ভবনে
    • ঘ. ঢাকার রমনা পার্কে
    উত্তর: ক. ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে
    ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে লাখো মানুষের সমাবেশে ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। এ ভাষণে তিনি ঘোষণা করেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’। রেসকোর্স ময়দানের বর্তমান নাম সোহরাওয়ার্দী উদ্যান।
    মনে রাখুন:
    ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো এ ভাষণকে ‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টার’-এ অন্তর্ভুক্ত করে।
    ভাষণটি প্রায় ১৮ মিনিটের ছিল এবং এটি লিখিত ছিল না।
  5. ৬১. বাংলাদেশ কোন সালে আইসিসি ট্রফিতে চ্যাম্পিয়ন হয়?
    • ক. ১৯৯৭
    • খ. ১৯৯৮
    • গ. ১৯৯৫
    • ঘ. ১৯৯৬
    উত্তর: ক. ১৯৯৭
    ১৯৯৭ সালে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত আইসিসি ট্রফির ফাইনালে বাংলাদেশ কেনিয়াকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়। এই জয়ের ফলে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো ১৯৯৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পায়। দলটির অধিনায়ক ছিলেন আকরাম খান।
    মনে রাখুন:
    ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে বাংলাদেশ পাকিস্তানকে হারিয়ে বড় চমক দেখায়।
    বাংলাদেশ ২০০০ সালে টেস্ট মর্যাদা পায় এবং দশম টেস্ট খেলুড়ে দেশ হয়।
  6. ৭২. বাংলাদেশের প্রথম EPZ কোথায় গড়ে উঠেছে?
    • ক. নারায়ণগঞ্জ
    • খ. খুলনা
    • গ. চট্টগ্রাম
    • ঘ. ঢাকা
    উত্তর: গ. চট্টগ্রাম
    বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ ও রপ্তানি বাড়ানোর জন্য বাংলাদেশে ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রামে প্রথম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (Export Processing Zone, EPZ) চালু হয়। এরপর ১৯৯৩ সালে ঢাকার সাভারে দ্বিতীয় ইপিজেড গড়ে ওঠে।
    মনে রাখুন:
    ইপিজেড পরিচালনা করে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (BEPZA)।
    দেশের ৮টি ইপিজেড: চট্টগ্রাম, ঢাকা, মোংলা, কুমিল্লা, ঈশ্বরদী, উত্তরা (নীলফামারী), আদমজী ও কর্ণফুলী।
  7. ৭৩. বাংলাদেশ সরকার ব্যবস্থা কোন ধরনের?
    • ক. ফেডারেল সরকার
    • খ. মন্ত্রিপরিষদ শাসিত
    • গ. লিবারেল সরকার
    • ঘ. রাষ্ট্রপতি শাসিত
    উত্তর: খ. মন্ত্রিপরিষদ শাসিত
    বাংলাদেশে মন্ত্রিপরিষদ শাসিত বা সংসদীয় সরকারব্যবস্থা চালু আছে। ১৯৭৫ সালে চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা চালু হয়েছিল, পরে ১৯৯১ সালের দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে আবার সংসদীয় ব্যবস্থায় ফিরে আসা হয়। এ ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী সরকারপ্রধান, আর রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপ্রধান।
    মনে রাখুন:
    বাংলাদেশ এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র, তাই এখানে ফেডারেল সরকার নেই।
    মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের কাছে দায়ী থাকে।

বিজ্ঞান

  1. ৪. ‘রিকেটস’ কোন ভিটামিনের অভাবে দেখা দেয়?
    • ক. ভিটামিন ‘এ’
    • খ. ভিটামিন ‘বি’
    • গ. ভিটামিন ‘ই’
    • ঘ. ভিটামিন ‘ডি’
    উত্তর: ঘ. ভিটামিন ‘ডি’
    ভিটামিন ডি (Vitamin D) শরীরে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষণে সাহায্য করে, আর এই দুটি খনিজ হাড় শক্ত রাখে। তাই ভিটামিন ডি-এর অভাব হলে শিশুদের হাড় নরম ও দুর্বল হয়ে বেঁকে যায়, এ রোগকে রিকেটস (Rickets) বলে। বড়দের ক্ষেত্রে একই অভাবে হাড় নরম হওয়ার রোগকে অস্টিওম্যালেশিয়া বলে।
    মনে রাখুন:
    সূর্যের আলো ত্বকে পড়লে আমাদের দেহ নিজেই ভিটামিন ডি তৈরি করতে পারে।
    ভিটামিন এ-এর অভাবে রাতকানা, ভিটামিন সি-এর অভাবে স্কার্ভি এবং ভিটামিন বি১-এর অভাবে বেরিবেরি রোগ হয়।
  2. ৩৪. রূপান্তরিত পাতার উদাহরণ কোনটি?
    • ক. আকর্ষী
    • খ. নারিকেল পাতা
    • গ. জবাপাতা
    • ঘ. গোলপাতা
    উত্তর: ক. আকর্ষী
    কিছু উদ্ভিদের পাতা বিশেষ কাজের জন্য আকার বদলে ফেলে, এদের রূপান্তরিত পাতা (Modified Leaf) বলে। মটরশুঁটির মতো লতানো গাছের পাতার অগ্রভাগ সরু সুতার মতো আকর্ষী (Tendril) হয়ে যায়, আর এই আকর্ষী দিয়ে গাছটি কোনো অবলম্বন জড়িয়ে ওপরে ওঠে। নারিকেল, জবা বা গোলের পাতা সাধারণ পাতা, এগুলো খাদ্য তৈরির স্বাভাবিক কাজই করে।
    মনে রাখুন:
    ফণিমনসার কাঁটা পাতার রূপান্তর, এতে পানির অপচয় কমে।
    কলসপত্রী উদ্ভিদের পাতা কলসের আকার নিয়ে পোকা ধরে।
    পেঁয়াজের রসালো খোসা হলো খাদ্য জমানো রূপান্তরিত পাতা।
  3. ৪১. পৃথিবী এবং অন্য যে কোনো বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ তাকে বলা হয়-
    • ক. অতিযোজন
    • খ. মাধ্যাকর্ষণ
    • গ. ত্বরণ
    • ঘ. মহাকর্ষ
    উত্তর: খ. মাধ্যাকর্ষণ
    পৃথিবী নিজের কেন্দ্রের দিকে সব বস্তুকে টানে। পৃথিবী এবং অন্য যে-কোনো বস্তুর মধ্যে এই আকর্ষণকে অভিকর্ষ (Gravity) বা মাধ্যাকর্ষণ বলা হয়। ওপরে ছুড়ে দেওয়া ঢিল যে আবার মাটিতে ফিরে আসে, তার কারণ এই টান। আর মহাবিশ্বের যে-কোনো দুটি বস্তু একে অপরকে যে বলে আকর্ষণ করে, তাকে বলে মহাকর্ষ (Gravitation)। অর্থাৎ অভিকর্ষ হলো মহাকর্ষেরই একটি বিশেষ রূপ, যেখানে একটি বস্তু পৃথিবী। অতিযোজন জীববিজ্ঞানের ধারণা, আর ত্বরণ হলো বেগ বদলের হার, তাই এ দুটি আকর্ষণের নাম নয়।
    মনে রাখুন:
    পৃথিবীপৃষ্ঠে অভিকর্ষজ ত্বরণ g-এর মান প্রায় 9.8 m/s²।
    মহাকর্ষ সূত্র দিয়েছেন আইজাক নিউটন।
    পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে যত ওপরে যাওয়া যায়, g-এর মান ততই কমে।
  4. ৪২. বস্তুর ভর ভূপৃষ্ঠে বা ভূপৃষ্ঠের উপরে অবস্থানের পরিবর্তনের সাথে-
    • ক. পরিবর্তিত হয় না
    • খ. পরিবর্তিত হয়
    • গ. হ্রাস পায়
    • ঘ. ৬ গুণ বৃদ্ধি পায়
    উত্তর: ক. পরিবর্তিত হয় না
    ভর (Mass) হলো কোনো বস্তুর মধ্যে থাকা মোট পদার্থের পরিমাণ, তাই বস্তুকে পৃথিবীর যেকোনো জায়গায়, পাহাড়ের চূড়ায় বা এমনকি চাঁদে নিয়ে গেলেও এর ভর বদলায় না। অন্যদিকে ওজন W = mg, আর অভিকর্ষজ ত্বরণ g স্থানভেদে বদলায় বলে ওজন জায়গাভেদে কমবেশি হয়।
    মনে রাখুন:
    ভরের SI একক কিলোগ্রাম, আর ওজনের একক নিউটন।
    চাঁদে বস্তুর ওজন পৃথিবীর ৬ ভাগের ১ ভাগ, কিন্তু ভর একই থাকে।
  5. ৫৭. কোন ভিটামিনের অভাবে রাতকানা রোগ হয়?
    • ক. ভিটামিন ‘ডি’
    • খ. ভিটামিন ‘বি’ কমপ্লেক্স
    • গ. ভিটামিন ‘সি’
    • ঘ. ভিটামিন ‘এ’
    উত্তর: ঘ. ভিটামিন ‘এ’
    ভিটামিন এ আমাদের চোখের রেটিনায় রোডপসিন নামে একটি রঞ্জক তৈরিতে সাহায্য করে, যা কম আলোয় দেখতে সাহায্য করে। তাই ভিটামিন এ-এর অভাবে সন্ধ্যার পর বা কম আলোয় চোখে দেখতে সমস্যা হয়, একে রাতকানা রোগ বলে। গাজর, মিষ্টিকুমড়া, কলিজা ও সবুজ শাকসবজিতে প্রচুর ভিটামিন এ থাকে।
    মনে রাখুন:
    ভিটামিন ডি-এর অভাবে রিকেটস।
    ভিটামিন সি-এর অভাবে স্কার্ভি।
    ভিটামিন বি১-এর অভাবে বেরিবেরি।

আন্তর্জাতিক

  1. ৫. SDG লক্ষ্যমাত্রা কোন সালের মধ্যে অর্জন করতে হবে?
    • ক. ২০৩৫ সালে
    • খ. ২০৪৫ সালে
    • গ. ২০৫০ সালে
    • ঘ. ২০৩০ সালে
    উত্তর: ঘ. ২০৩০ সালে
    টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (Sustainable Development Goals বা SDG) ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়। এতে মোট ১৭টি অভীষ্ট ও ১৬৯টি লক্ষ্যমাত্রা আছে, যেগুলো ২০৩০ সালের মধ্যে অর্জন করার কথা। এ কারণে এই কর্মসূচিকে ‘এজেন্ডা ২০৩০’ নামেও ডাকা হয়।
    মনে রাখুন:
    SDG-এর আগে ছিল সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (MDG), যার মেয়াদ ছিল ২০০০ থেকে ২০১৫ সাল এবং অভীষ্ট ছিল ৮টি।
    SDG-এর প্রথম অভীষ্ট হলো সব জায়গা থেকে দারিদ্র্য দূর করা।
  2. ২৬. কোন দেশটি Schengen-ভুক্ত নয়?
    • ক. ফিনল্যান্ড
    • খ. চায়লেও
    • গ. ব্রিটেন
    • ঘ. নেদারল্যান্ডস
    উত্তর: গ. ব্রিটেন
    শেনজেন চুক্তি (Schengen Agreement) ১৯৮৫ সালে লুক্সেমবার্গের শেনজেন শহরে স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তিভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সীমান্তে পাসপোর্ট পরীক্ষা ছাড়াই মানুষ চলাচল করতে পারে। যুক্তরাজ্য বা ব্রিটেন কখনো শেনজেন অঞ্চলে যোগ দেয়নি, তারা সবসময় নিজের সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রেখেছে। অন্যদিকে ফিনল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডস শেনজেনের সদস্য।
    মনে রাখুন:
    আয়ারল্যান্ড ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য হলেও শেনজেনের বাইরে।
    সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে ও আইসল্যান্ড ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য না হয়েও শেনজেনভুক্ত।
  3. ২৮. পুত্রজায়া হলো-
    • ক. মালির রাজধানী
    • খ. মালদ্বীপের রাজধানী
    • গ. মালউইর রাজধানী
    • ঘ. মালয়েশিয়ার প্রশাসনিক রাজধানী
    উত্তর: ঘ. মালয়েশিয়ার প্রশাসনিক রাজধানী
    পুত্রজায়া (Putrajaya) মালয়েশিয়ার প্রশাসনিক রাজধানী। রাজধানী কুয়ালালামপুরের ভিড় কমাতে ১৯৯০-এর দশকে পরিকল্পিতভাবে এই শহরটি গড়ে তোলা হয়, এবং প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরসহ বেশির ভাগ মন্ত্রণালয় এখানে সরিয়ে আনা হয়। তবে দেশটির সাংবিধানিক রাজধানী এখনো কুয়ালালামপুর, যেখানে রাজার প্রাসাদ ও সংসদ ভবন আছে।
    মনে রাখুন:
    মালির রাজধানী বামাকো, মালদ্বীপের রাজধানী মালে আর মালাউইর রাজধানী লিলংওয়ে।
    পুত্রজায়া নামটি এসেছে মালয়েশিয়ার প্রথম প্রধানমন্ত্রী টুংকু আবদুর রহমান পুত্রার নাম থেকে।
  4. ৫২. জাতিসংঘের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
    • ক. নিউইয়র্ক
    • খ. লন্ডন
    • গ. প্যারিস
    • ঘ. ওয়াশিংটন
    উত্তর: ক. নিউইয়র্ক
    জাতিসংঘের সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের ম্যানহাটনে অবস্থিত। সদর দপ্তরের জমিটি দান করেছিলেন মার্কিন ধনকুবের জন ডি রকফেলার জুনিয়র, আর ১৯৫২ সালে ভবনটির নির্মাণ শেষ হয়।
    মনে রাখুন:
    জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর।
    জাতিসংঘের ইউরোপীয় দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়।
    নিরাপত্তা পরিষদ ও সাধারণ পরিষদের সভাও নিউইয়র্কের সদর দপ্তরেই হয়।
  5. ৫৫. ‘আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস’ পালিত হয় কোন তারিখে?
    • ক. ৯ আগস্ট
    • খ. ৮ সেপ্টেম্বর
    • গ. ১০ সেপ্টেম্বর
    • ঘ. ৬ আগস্ট
    উত্তর: খ. ৮ সেপ্টেম্বর
    প্রতি বছর ৮ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস (International Literacy Day) পালিত হয়। ইউনেস্কো ১৯৬৬ সালে দিবসটি ঘোষণা করে এবং ১৯৬৭ সাল থেকে এটি পালিত হয়ে আসছে। দিবসটির উদ্দেশ্য হলো মানুষের মর্যাদা ও অধিকার হিসেবে সাক্ষরতার গুরুত্ব তুলে ধরা।
    মনে রাখুন:
    ৯ আগস্ট বিশ্ব আদিবাসী দিবস।
    ৬ আগস্ট হিরোশিমা দিবস, এদিন জাপানের হিরোশিমায় পারমাণবিক বোমা ফেলা হয়েছিল।
    ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস।
  6. ৬৯. আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কোন দেশে অবস্থিত?
    • ক. শ্রীলংকা
    • খ. ভিয়েতনাম
    • গ. জাপান
    • ঘ. ফিলিপাইন
    উত্তর: ঘ. ফিলিপাইন
    আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (International Rice Research Institute, IRRI) ১৯৬০ সালে ফিলিপাইনের লস বানোসে প্রতিষ্ঠিত হয়। উচ্চফলনশীল ধানের জাত উদ্ভাবন করে এশিয়ার খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে এই প্রতিষ্ঠান বড় ভূমিকা রেখেছে, যার ফলে সবুজ বিপ্লব সম্ভব হয়।
    মনে রাখুন:
    বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI) গাজীপুরে অবস্থিত।
    IRRI উদ্ভাবিত বিখ্যাত জাত IR-8, যাকে ‘মিরাকল রাইস’ বলা হয়।

ইংরেজি

  1. ৬. ‘Bottom line’ means-
    • ক. the end of a road
    • খ. the last line of a book
    • গ. the essential point
    • ঘ. the final step
    উত্তর: গ. the essential point
    Bottom line কথাটি এসেছে হিসাবের খাতা থেকে। আয়-ব্যয়ের হিসাবের একেবারে শেষ লাইনে লাভ বা ক্ষতির চূড়ান্ত ফল লেখা থাকে, যেটি সবচেয়ে জরুরি তথ্য। সেখান থেকে শব্দগুচ্ছটির অর্থ দাঁড়িয়েছে মূল কথা বা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, অর্থাৎ the essential point।
    উদাহরণ: The bottom line is that we need more money. (মূল কথা হলো, আমাদের আরও টাকা দরকার।)
    মনে রাখুন: একই অর্থে the crux of the matter বা the gist কথাগুলোও ব্যবহার করা হয়।
  2. ৭. Karim as well as Rahim _ praise.
    • ক. deserve
    • খ. deserves
    • গ. are deserving
    • ঘ. is deserving
    উত্তর: খ. deserves
    দুটি কর্তা as well as দিয়ে যুক্ত হলে verb প্রথম কর্তার সঙ্গে মিল রেখে বসে, পরের অংশটিকে শুধু বাড়তি তথ্য ধরা হয়। এখানে প্রথম কর্তা Karim, যা third person singular, তাই present tense-এ verb-এর সঙ্গে s যোগ হয়ে deserves হবে। বাক্যটি হবে: Karim as well as Rahim deserves praise. Deserve একটি stative verb, তাই সাধারণত continuous রূপে is deserving লেখা হয় না।
    মনে রাখুন: along with, together with, with, besides, in addition to দিয়ে যুক্ত হলেও verb প্রথম কর্তা অনুযায়ী বসে।
    উদাহরণ: The teacher along with his students was present.
  3. ১০. What is the noun of ‘deny’?
    • ক. Deny
    • খ. Deniable
    • গ. Refuse
    • ঘ. Denial
    উত্তর: ঘ. Denial
    Deny একটি verb, যার অর্থ অস্বীকার করা। এর noun রূপ Denial, অর্থাৎ অস্বীকৃতি বা অস্বীকার। Deniable একটি adjective, যার অর্থ অস্বীকার করা যায় এমন, আর Refuse সম্পূর্ণ আলাদা একটি verb, যার অর্থ প্রত্যাখ্যান করা।
    উদাহরণ: His denial of the charge surprised everyone.
    মনে রাখুন: verb-এর শেষে y থাকলে অনেক সময় -ial যোগ করে noun তৈরি হয়, যেমন try থেকে trial, bury থেকে burial।
  4. ১৩. ‘Ensure’ means-
    • ক. Profuse
    • খ. Make certain
    • গ. Make progress
    • ঘ. Encourage
    উত্তর: খ. Make certain
    Ensure শব্দের অর্থ নিশ্চিত করা, অর্থাৎ কোনো কিছু যে অবশ্যই ঘটবে সে ব্যবস্থা করা। তাই এর সমার্থক হলো Make certain। বাকি শব্দগুলোর অর্থ মেলে না: Profuse মানে প্রচুর, Make progress মানে অগ্রগতি করা আর Encourage মানে উৎসাহ দেওয়া।
    উদাহরণ: Please ensure that all the windows are closed.
    মনে রাখুন: Ensure, insure ও assure কাছাকাছি শোনালেও আলাদা। Insure মানে বিমা করা, আর assure মানে কাউকে আশ্বাস দেওয়া।
  5. ১৬. ‘A burning question’ means-
    • ক. an important question
    • খ. a hard question
    • গ. a uncommon question
    • ঘ. a false question
    উত্তর: ক. an important question
    A burning question বলতে এমন প্রশ্ন বা সমস্যা বোঝায়, যা নিয়ে এখনই ভাবতে হবে এবং যার সমাধান খুব জরুরি। আগুন জ্বলতে থাকলে যেমন সঙ্গে সঙ্গে নেভাতে হয়, তেমনি এ প্রশ্নও ফেলে রাখা যায় না। তাই এর অর্থ an important question, অর্থাৎ জ্বলন্ত বা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
    উদাহরণ: Climate change is the burning question of our time.
    মনে রাখুন: একই অর্থে a burning issue কথাটিও ব্যবহৃত হয়।
  6. ১৭. The study of religion is-
    • ক. Phonology
    • খ. Theology
    • গ. Etymology
    • ঘ. Morphology
    উত্তর: খ. Theology
    Theology শব্দটি এসেছে গ্রিক theos (ঈশ্বর) ও logia (বিদ্যা) থেকে, তাই ধর্ম ও ঈশ্বর সম্পর্কিত পড়াশোনাকে theology বা ধর্মতত্ত্ব বলে।
    মনে রাখুন:
    Phonology: ধ্বনিতত্ত্ব।
    Etymology: শব্দের উৎপত্তি ও ইতিহাসবিষয়ক বিদ্যা।
    Morphology: শব্দের গঠনবিষয়ক বিদ্যা বা রূপতত্ত্ব।
  7. ২৩. I __ him only one letter up to now.
    • ক. sent
    • খ. have sent
    • গ. shall send
    • ঘ. had sent
    উত্তর: খ. have sent
    Up to now কথাটির অর্থ এখন পর্যন্ত, অর্থাৎ অতীতে শুরু হওয়া একটি সময় বর্তমান মুহূর্ত পর্যন্ত চলে এসেছে। অতীতের কাজ যার ফল বা সময়সীমা বর্তমানের সঙ্গে যুক্ত, তা বোঝাতে present perfect tense বসে। তাই বাক্যটি হবে: I have sent him only one letter up to now.
    মনে রাখুন: so far, till now, up to now, yet, already, just, ever, never ইত্যাদি শব্দ থাকলে সাধারণত present perfect tense ব্যবহৃত হয়।
    উদাহরণ: She has not finished her work yet.
  8. ২৫. Synonym for ‘Magnificent’
    • ক. Splendid
    • খ. Interesting
    • গ. Beautiful
    • ঘ. Impressive
    উত্তর: ক. Splendid
    Magnificent শব্দের অর্থ জমকালো, চমৎকার বা অপূর্ব সুন্দর, যা দেখে মুগ্ধ হতে হয়। এর সবচেয়ে কাছের সমার্থক শব্দ Splendid, যার অর্থও জাঁকালো ও চমৎকার। Beautiful বা Impressive কাছাকাছি হলেও জাঁকজমকের ভাবটি পুরোপুরি প্রকাশ করে না, আর Interesting মানে আকর্ষণীয়।
    উদাহরণ: The Taj Mahal is a magnificent building.
    মনে রাখুন: Magnificent-এর আরও সমার্থক শব্দ হলো Grand, Glorious ও Majestic।
  9. ২৭. The child cried for __ mother.
    • ক. His
    • খ. Her
    • গ. Its
    • ঘ. None
    উত্তর: গ. Its
    Child শব্দটির লিঙ্গ উল্লেখ না থাকলে বা সাধারণভাবে শিশুকে বোঝালে ইংরেজিতে তার জন্য সর্বনাম it ও possessive its ব্যবহার করা হয়। তাই সঠিক বাক্য: The child cried for its mother.
    মনে রাখুন: একইভাবে baby ও animal-এর ক্ষেত্রেও লিঙ্গ জানা না থাকলে it/its বসে। আর it's মানে it is, এটি possessive নয়।
  10. ৩২. ‘Black and blue’ অর্থ কী?
    • ক. কাল ও নীল
    • খ. উত্তম মধ্যম
    • গ. রঙিন
    • ঘ. ধূসর
    উত্তর: খ. উত্তম মধ্যম
    কাউকে খুব মারলে শরীরে কালো ও নীল রঙের দাগ পড়ে যায়, সেখান থেকে black and blue কথাটির অর্থ হয়েছে বেদম প্রহার। বাংলায় একই অর্থে আমরা উত্তম-মধ্যম বা বেধড়ক মার কথাটি ব্যবহার করি।
    উদাহরণ: The thief was beaten black and blue by the mob.
    মনে রাখুন: রঙ দিয়ে তৈরি আরও কিছু বাগধারা আছে। In black and white মানে লিখিতভাবে, আর once in a blue moon মানে কালেভদ্রে।
  11. ৩৫. Which one is always used as singular?
    • ক. Bread
    • খ. Horse
    • গ. Custom
    • ঘ. Staff
    উত্তর: ক. Bread
    Bread একটি uncountable noun, অর্থাৎ একে গোনা যায় না। এ ধরনের noun-এর সাধারণত plural রূপ হয় না, তাই এটি সবসময় singular হিসেবে বসে এবং এর সঙ্গে singular verb ব্যবহৃত হয়। গুনে বলতে চাইলে আমরা a loaf of bread বা two slices of bread বলি। অন্যদিকে Horse ও Custom countable, তাই এদের horses ও customs রূপ আছে। Staff একটি collective noun, যা অর্থভেদে plural verb-ও নিতে পারে।
    মনে রাখুন: Information, advice, furniture, luggage, scenery, poetry প্রভৃতি শব্দও সবসময় singular।
  12. ৩৬. ‘Let the book be read by you’ বাক্যের Active Form হচ্ছে-
    • ক. Read the book.
    • খ. Let read the book by you.
    • গ. Let the book be reading by you.
    • ঘ. You are to read the book.
    উত্তর: ক. Read the book.
    Let দিয়ে শুরু হওয়া passive বাক্যের কাঠামো হলো Let + object + be + past participle + by + agent। এ ধরনের বাক্য আসলে একটি সাধারণ আদেশ বাক্যের passive রূপ। এখানে আদেশটি করা হচ্ছে you-কে, তাই active করলে you উহ্য থাকে এবং verb দিয়ে বাক্য শুরু হয়। ফলে Let the book be read by you-এর active রূপ হয় Read the book.
    মনে রাখুন: উল্টো দিকে আদেশ বাক্যকে passive করতে Let বসাতে হয়।
    উদাহরণ: Open the door. = Let the door be opened.
  13. ৪৩. ‘At home’-এর অর্থ হচ্ছে-
    • ক. home made of bricks
    • খ. one who has lost home
    • গ. time to make a home
    • ঘ. familiar with
    উত্তর: ঘ. familiar with
    At home শব্দগুচ্ছের আক্ষরিক অর্থ বাড়িতে, কিন্তু idiom হিসেবে এর অর্থ কোনো বিষয়ে স্বচ্ছন্দ বা দক্ষ হওয়া। নিজের বাড়িতে যেমন আমরা স্বস্তিতে থাকি, তেমনি কোনো বিষয়ে ভালো জানা থাকলে সে বিষয়েও স্বচ্ছন্দ বোধ করি। তাই এর অর্থ familiar with।
    উদাহরণ: He is quite at home in mathematics. (তিনি গণিতে বেশ পারদর্শী।)
    মনে রাখুন: Make yourself at home মানে নিজের বাড়ির মতো স্বচ্ছন্দে থাকুন।
  14. ৪৭. কোন বানানটি শুদ্ধ?
    • ক. Parelel
    • খ. Paralell
    • গ. Parallel
    • ঘ. Peralel
    উত্তর: গ. Parallel
    Parallel শব্দের অর্থ সমান্তরাল, অর্থাৎ পাশাপাশি চলে কিন্তু কখনো মেলে না এমন। এর বানানে প্রথমে একটি r, তারপর পাশাপাশি দুটি l এবং শেষে আরেকটি l বসে, অর্থাৎ P-a-r-a-l-l-e-l। বানানটি মনে রাখার একটি সহজ কৌশল হলো, শব্দের মাঝের দুটি l নিজেরাই দুটি সমান্তরাল রেখার মতো দাঁড়িয়ে আছে।
    উদাহরণ: The railway lines run parallel to each other.
    মনে রাখুন: এর noun রূপ Parallelism।
  15. ৫৩. কোনটি শুদ্ধ বানান?
    • ক. Remittance
    • খ. Remmitence
    • গ. Remittence
    • ঘ. Remettance
    উত্তর: ক. Remittance
    Remittance শব্দের অর্থ কোথাও টাকা পাঠানো বা পাঠানো টাকা, যেমন প্রবাসীরা দেশে যে টাকা পাঠান। শব্দটি এসেছে remit (পাঠানো) থেকে, আর remit-এর শেষে t থাকায় -ance যোগ করার সময় t দ্বিত্ব হয়ে tt হয়। তাই শুদ্ধ বানান R-e-m-i-t-t-a-n-c-e, যেখানে m একটি, t দুটি আর শেষে -ance।
    মনে রাখুন: বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের দ্বিতীয় বড় উৎস, প্রথম উৎস তৈরি পোশাক রপ্তানি।
  16. ৬৩. I would like _ information, please.
    • ক. an
    • খ. few
    • গ. some
    • ঘ. the
    উত্তর: গ. some
    Information একটি uncountable noun, অর্থাৎ একে এক, দুই করে গোনা যায় না। Uncountable noun-এর আগে a বা an বসে না, আবার few শুধু countable noun-এর সঙ্গে বসে। কিছু পরিমাণ বোঝাতে uncountable noun-এর আগে some ব্যবহার করা হয়, তাই বাক্যটি হবে: I would like some information, please.
    মনে রাখুন: অনুরোধ বা প্রস্তাবের প্রশ্নেও some বসে, যেমন Would you like some tea? আর গোনা যায় না এমন জিনিসের অল্প পরিমাণ বোঝাতে few-এর বদলে little ব্যবহৃত হয়।
  17. ৬৬. Which one is Reflexive Pronoun?
    • ক. Myself
    • খ. Who
    • গ. He
    • ঘ. Each
    উত্তর: ক. Myself
    যে pronoun দিয়ে বোঝানো হয় কর্তার কাজ কর্তার নিজের ওপরেই ফিরে আসছে, তাকে reflexive pronoun বলে। -self বা -selves যুক্ত pronoun, যেমন myself, yourself, himself, themselves, এই কাজ করে।
    উদাহরণ: I hurt myself.
    মনে রাখুন:
    Who: interrogative বা relative pronoun।
    He: personal pronoun।
    Each: distributive pronoun।
  18. ৭০. He addressed Mr. Rahman and wished him good morning. বাক্যটির direct speech হবে-
    • ক. He said, “Good morning, Mr. Rahman.”
    • খ. He said, “Good morning to Mr. Rahman.”
    • গ. He bade good morning to Mr. Rahman.
    • ঘ. He said to Mr. Rahman, “Good morning.”
    উত্তর: ক. He said, “Good morning, Mr. Rahman.”
    Indirect বাক্যে addressed Mr. Rahman কথাটি বোঝায় যে বক্তা মিস্টার রহমানকে সম্বোধন করেছিলেন, আর wished him good morning মানে তাঁকে সুপ্রভাত জানিয়েছিলেন। Direct speech-এ সম্বোধন ও শুভেচ্ছা দুটিই উদ্ধৃতির ভেতরে চলে আসে, এবং reporting verb হয় শুধু said। তাই সঠিক রূপ: He said, “Good morning, Mr. Rahman.”
    মনে রাখুন: Good morning, good night, thank you, congratulations ইত্যাদি শুভেচ্ছাবাক্য indirect করলে wished, bade, thanked বা congratulated ব্যবহার করা হয়।
    উদাহরণ: He said to me, “Thank you.” = He thanked me.
  19. ৭১. Kamal did not join the army. Here the word ‘army’ is-
    • ক. a collective noun
    • খ. a material noun
    • গ. an abstract noun
    • ঘ. a common noun
    উত্তর: ক. a collective noun
    Army বলতে একজন সৈন্যকে বোঝায় না, বরং অনেক সৈন্য মিলে গঠিত একটি দলকে একক হিসেবে বোঝায়। একই জাতীয় অনেক ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টিকে একটি নামে প্রকাশ করলে তাকে collective noun বলে, তাই army একটি collective noun।
    মনে রাখুন: পরিচিত কিছু collective noun হলো team, class, family, committee, jury, crowd, flock ও audience। দলটিকে একক হিসেবে ধরলে এদের সঙ্গে singular verb বসে, যেমন The army is ready.
  20. ৭৭. কোনটি Present Perfect Tense-এর উদাহরণ?
    • ক. I shall have the news.
    • খ. I have had the news.
    • গ. I have the news.
    • ঘ. I had the news.
    উত্তর: খ. I have had the news.
    Present perfect tense গঠিত হয় subject + have বা has + verb-এর past participle দিয়ে। I have had the news বাক্যে have-এর পরে বসেছে had, যা have verb-এর past participle রূপ, তাই এটি present perfect tense। বাক্যটির অর্থ, আমি খবরটি পেয়েছি। বাকি বাক্যগুলোর মধ্যে I have the news present indefinite, I had the news past indefinite আর I shall have the news future indefinite।
    মনে রাখুন: have-এর তিন রূপ have, had, had। তাই have had দেখে বিভ্রান্ত হওয়ার কিছু নেই, প্রথম have সাহায্যকারী verb আর দ্বিতীয় had মূল verb।

সাধারণ জ্ঞান

  1. ৬৫. ফারাক্কা বাঁধ তৈরি করা হয়েছে কোন নদীর উপর?
    • ক. তিস্তা
    • খ. সমাজনীয়
    • গ. গঙ্গা
    • ঘ. জামালী
    উত্তর: গ. গঙ্গা
    ফারাক্কা বাঁধ (Farakka Barrage) ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় গঙ্গা নদীর ওপর নির্মিত। কলকাতা বন্দরের নাব্যতা বাড়াতে গঙ্গার পানি ভাগীরথী-হুগলি নদীতে সরিয়ে নেওয়ার জন্য বাঁধটি তৈরি করা হয় এবং ১৯৭৫ সালে এটি চালু হয়। এর ফলে শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশের পদ্মা নদীতে পানি অনেক কমে যায়।
    মনে রাখুন:
    ১৯৭৬ সালের ১৬ মে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ফারাক্কা অভিমুখে লংমার্চের নেতৃত্ব দেন।
    ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তি হয়।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর: অন্যান্য পরীক্ষা

আরও শিক্ষক নিয়োগ ও নিবন্ধন পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান

বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন