প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ২৫৯৪) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ২০১৯। ৬৭টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →- বাংলা (১৮)
- আন্তর্জাতিক (৪)
- গণিত (১৩)
- ইংরেজি (১৮)
- বাংলাদেশ (৯)
- বিজ্ঞান (২)
- মানসিক দক্ষতা (২)
- সাধারণ জ্ঞান (১)
বাংলা
- ১. ‘রাতুল’ শব্দের অর্থ কী?
- ক. কালো
- খ. লাল
- গ. নীল
- ঘ. সাদা
উত্তর: খ. লাল
রাতুল একটি কাব্যিক শব্দ, যার অর্থ লাল বা রক্তবর্ণ। পুরোনো কবিতায় রাতুল চরণ বলতে লাল রঙের কোমল পা বোঝানো হতো। গদ্যে শব্দটির ব্যবহার কম, তবে কবিতা ও গানে এখনো দেখা যায়। লাল অর্থে বাংলায় আরও অনেক শব্দ আছে।
মনে রাখুন:
লালের সমার্থক: রক্তিম, লোহিত, অরুণ, রাঙা, রাতুল।
কালোর সমার্থক: কৃষ্ণ, অসিত, শ্যাম। - ৬. কোনটি দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ?
- ক. কানাকানি
- খ. গাছপাকা
- গ. ভাইবোন
- ঘ. সিংহাসন
উত্তর: গ. ভাইবোন
যে সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ দুটিরই অর্থ সমানভাবে প্রধান থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। ‘ভাইবোন’ মানে ভাই ও বোন, এখানে দুটি পদই সমান গুরুত্ব পেয়েছে, তাই এটি দ্বন্দ্ব সমাস।
মনে রাখুন:
কানাকানি: ব্যতিহার বহুব্রীহি।
গাছপাকা: সপ্তমী তৎপুরুষ (গাছে পাকা)।
সিংহাসন: মধ্যপদলোপী কর্মধারয় (সিংহ চিহ্নিত আসন)।
দ্বন্দ্ব সমাসের আরও উদাহরণ: মা-বাবা, দিনরাত, হাতপা। - ৮. নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
- ক. আমি সাক্ষী দিলাম
- খ. আমি সাক্ষী দিয়েছি
- গ. আমি সাক্ষ্য দিয়েছি
- ঘ. আমি সাক্ষী দিতেছি
উত্তর: গ. আমি সাক্ষ্য দিয়েছি
সাক্ষী আর সাক্ষ্য দুটি আলাদা শব্দ। সাক্ষী হলেন সেই ব্যক্তি যিনি কোনো ঘটনা নিজের চোখে দেখেছেন, আর সাক্ষ্য হলো সেই ব্যক্তির দেওয়া বিবরণ বা প্রমাণ। মানুষ সাক্ষী হয়, কিন্তু দেয় সাক্ষ্য। তাই ‘আমি সাক্ষ্য দিয়েছি’ শুদ্ধ বাক্য। অন্য বাক্যগুলোতে ব্যক্তিবাচক সাক্ষী শব্দটিকে ভুলভাবে দেওয়ার বিষয় হিসেবে বসানো হয়েছে, আর ‘দিতেছি’ সাধু রূপ হওয়ায় চলিত বাক্যে মিশ্রণ দোষও ঘটেছে।
মনে রাখুন: একইভাবে আমরা বলি সে আদালতে সাক্ষী হিসেবে হাজির হলো, কিন্তু সে আদালতে সাক্ষ্য দিল। - ৯. ‘তিলে তৈল হয়’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
- ক. সম্প্রদান কারকে চতুর্থ
- খ. কর্তৃকারকে প্রথমা
- গ. অধিকরণ কারকে
- ঘ. অপাদান কারকে সপ্তমী
উত্তর: ঘ. অপাদান কারকে সপ্তমী
তিল থেকে তেল তৈরি হয়, অর্থাৎ তিল এখানে তেলের উৎস। যা থেকে কিছু উৎপন্ন, চ্যুত, গৃহীত বা ভীত হয়, তাকে অপাদান কারক (Ablative case) বলে। ‘তিলে’ পদে ‘এ’ বিভক্তি আছে, যা সপ্তমী বিভক্তি, তাই এটি অপাদান কারকে সপ্তমী।
মনে রাখুন: একই ধাঁচের উদাহরণ: মেঘে বৃষ্টি হয়, দুধে দই হয়, খেজুর রসে গুড় হয়। - ১৫. শুদ্ধ বাক্য কোনটি?
- ক. তুমি, শফিক ও আমি সিনেমা দেখতে যাব।
- খ. রফিক, তুমি ও আমি সিনেমা দেখতে যাব।
- গ. আমি, শফিক ও তুমি সিনেমা দেখতে যাব
- ঘ. তুমি, আমি ও শফিক সিনেমা দেখতে যাব।
উত্তর: ক. তুমি, শফিক ও আমি সিনেমা দেখতে যাব।
বাংলা বাক্যে একাধিক পুরুষ একসঙ্গে থাকলে একটি নির্দিষ্ট ক্রম মানা হয়: আগে মধ্যম পুরুষ (তুমি), তারপর নাম পুরুষ (সে বা কোনো ব্যক্তির নাম), আর সবশেষে উত্তম পুরুষ (আমি)। ভদ্রতা ও বিনয় প্রকাশের জন্য বক্তা নিজেকে সবার শেষে রাখেন। ‘তুমি, শফিক ও আমি’ বাক্যে এই ক্রম ঠিকঠাক মানা হয়েছে, তাই বাক্যটি শুদ্ধ।
মনে রাখুন: ইংরেজিতেও প্রায় একই নিয়ম মানা হয়, যেমন You, he and I will go। তবে দোষ স্বীকারের সময় ইংরেজিতে I আগে বসে, যেমন I, you and he are to blame। - ১৮. কোনগুলো ওষ্ঠ্য ধ্বনি?
- ক. ত, থ, দ, ধ, ন
- খ. চ, ছ, জ, ঝ, ঞ
- গ. ক, খ, গ, ঘ, ঙ
- ঘ. প, ফ, ব, ভ, ম
উত্তর: ঘ. প, ফ, ব, ভ, ম
যে ধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময় দুই ঠোঁট পরস্পর মিলিত হয় বা কাছাকাছি আসে, তাদের ওষ্ঠ্য ধ্বনি বলে। প, ফ, ব, ভ, ম উচ্চারণে ঠোঁট দুটি মিলে যায়, তাই এগুলো ওষ্ঠ্য ধ্বনি। এদের প-বর্গীয় ধ্বনিও বলা হয়।
মনে রাখুন:
ক, খ, গ, ঘ, ঙ: কণ্ঠ্য বা জিহ্বামূলীয় ধ্বনি।
চ, ছ, জ, ঝ, ঞ: তালব্য ধ্বনি।
ত, থ, দ, ধ, ন: দন্ত্য ধ্বনি।
ট, ঠ, ড, ঢ, ণ: মূর্ধন্য ধ্বনি। - ২০. ‘পরাজয়ের’ শব্দটিতে কোনটি উপসর্গ?
- ক. জয়ের
- খ. এর
- গ. জয়
- ঘ. পরা
উত্তর: ঘ. পরা
শব্দের আগে বসে নতুন অর্থের শব্দ তৈরি করে যে অব্যয়, তাকে উপসর্গ (Prefix) বলে। ‘পরাজয়ের’ শব্দটি পরা + জয় + এর মিলে গঠিত, এখানে ‘পরা’ উপসর্গটি জয়ের বিপরীত অর্থ তৈরি করেছে। শব্দের শেষে যুক্ত ‘এর’ হলো বিভক্তি, আর ‘জয়’ মূল শব্দ।
মনে রাখুন: ‘পরা’ উপসর্গযুক্ত আরও শব্দ: পরাভব, পরাক্রম, পরাকাষ্ঠা। - ২৭. শুদ্ধ বানান কোনটি লেখা হয়েছে?
- ক. পুন্য
- খ. ত্রিভুজ
- গ. শূণ্য
- ঘ. ভূবন
উত্তর: খ. ত্রিভুজ
ত্রিভুজ শব্দটি তৈরি হয়েছে ত্রি (তিন) ও ভুজ (বাহু) মিলে, আর ভুজ বানানে ভ-এর সঙ্গে হ্রস্ব উ-কার বসে। তাই ত্রিভুজ বানানটি শুদ্ধ। বাকি তিনটি বানান ভুল। ণত্ব বিধান অনুযায়ী ‘পুণ্য’ শব্দে মূর্ধন্য ণ হয়, অথচ ‘শূন্য’ শব্দে দন্ত্য ন বসে। আর ভুবন বানানে ভ-এর সঙ্গে হ্রস্ব উ-কার হয়।
মনে রাখুন: শুদ্ধ বানান পুণ্য, শূন্য, ভুবন ও ত্রিভুজ। একই ভুজ শব্দ থেকে এসেছে চতুর্ভুজ ও বহুভুজ। - ৩৪. ‘পক্ষী’ শব্দের সংযুক্ত বর্ণ কোন কোন বর্ণ নিয়ে গঠিত?
- ক. ক + ষ
- খ. ক + খ
- গ. য + ন
- ঘ. ষ + ঞ
উত্তর: ক. ক + ষ
দুই বা ততোধিক ব্যঞ্জনবর্ণ মিলে যে বর্ণ তৈরি হয়, তাকে যুক্তবর্ণ বা সংযুক্ত বর্ণ বলে। ‘পক্ষী’ শব্দের ‘ক্ষ’ যুক্তবর্ণটি ক ও ষ মিলে গঠিত। দেখতে আলাদা বর্ণের মতো লাগলেও ক্ষ আসলে ক + ষ।
মনে রাখুন:
জ্ঞ = জ + ঞ।
হ্ম = হ + ম।
ঞ্চ = ঞ + চ।
ষ্ণ = ষ + ণ। - ৩৭. মৌলিক স্বরবর্ণ কয়টি?
- ক. ৫টি
- খ. ৭টি
- গ. ৯টি
- ঘ. ৩টি
উত্তর: খ. ৭টি
যে স্বরধ্বনিকে ভেঙে আর ছোট করা যায় না, তাকে মৌলিক স্বর বলে। বাংলা ভাষায় এমন মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি: অ, আ, ই, উ, এ, ও, অ্যা। অন্য দিকে ঐ (অ + ই) ও ঔ (অ + উ) দুটি স্বরের মিলনে তৈরি, তাই এরা যৌগিক স্বর। ঈ, ঊ ও ঋ বর্ণমালায় থাকলেও উচ্চারণে আলাদা মৌলিক ধ্বনি তৈরি করে না।
মনে রাখুন: বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১টি, কিন্তু মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি। অ্যা ধ্বনিটির আলাদা কোনো বর্ণ নেই। - ৪১. শিশুগণ দেয় মন নিজ নিজ ‘পাঠে’ বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি ?
- ক. অধিকরণে সপ্তমী
- খ. কর্মে সপ্তমী
- গ. অপাদানে সপ্তমী
- ঘ. করণে সপ্তমী
উত্তর: ক. অধিকরণে সপ্তমী
এই পঙ্ক্তিতে শিশুরা নিজ নিজ পাঠে মন দিচ্ছে, অর্থাৎ পাঠ হলো সেই বিষয় যার মধ্যে মন নিবিষ্ট করা হচ্ছে। ক্রিয়া সম্পাদনের আধার, স্থান, সময় বা বিষয় বোঝালে তাকে অধিকরণ কারক বলে। এখানে বিষয় বোঝানো হয়েছে, আর পাঠ শব্দের সঙ্গে ‘এ’ বিভক্তি যুক্ত হয়েছে, যা সপ্তমী। তাই পাঠে হলো অধিকরণে সপ্তমী, একে বিষয়াধিকরণও বলে।
মনে রাখুন: অধিকরণ কারক চার রকম, কালাধিকরণ (সকালে সূর্য ওঠে), আধারাধিকরণ (পুকুরে মাছ আছে), বিষয়াধিকরণ (পড়াশোনায় মন দাও) ও ভাবাধিকরণ (সূর্যোদয়ে অন্ধকার দূর হয়)। - ৪২. ‘চারটা বাজলে স্কুল ছুটি হবে’ বাক্যে ‘বাজলে’ কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- ক. সম্ভাব্যতা
- খ. কারণ
- গ. আবশ্যকতা
- ঘ. ইচ্ছা
উত্তর: ক. সম্ভাব্যতা
‘বাজলে’ একটি অসমাপিকা ক্রিয়া, যা দিয়ে বাক্যের কথা শেষ হয় না। ‘চারটা বাজলে’ অংশটি দিয়ে বোঝানো হচ্ছে যে ভবিষ্যতে একটি ঘটনা ঘটবে বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে, আর সেটি ঘটলে তবেই স্কুল ছুটি হবে। তাই ‘লে’ প্রত্যয়যুক্ত এই অসমাপিকা ক্রিয়াটি এখানে সম্ভাব্যতা বা শর্ত অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
মনে রাখুন: ‘লে’ প্রত্যয়যুক্ত অসমাপিকা ক্রিয়া সাধারণত শর্ত বা সম্ভাবনা বোঝায়।
উদাহরণ: বৃষ্টি হলে ফসল ভালো হবে। পরিশ্রম করলে সফল হবে। - ৪৪. ‘উগ্র’ শব্দের বিপরীতার্থক কোনটি?
- ক. চপল
- খ. বিজ্ঞ
- গ. মেজাজ
- ঘ. সৌম্য
উত্তর: ঘ. সৌম্য
উগ্র মানে প্রচণ্ড, রুক্ষ বা কড়া স্বভাবের। এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে সৌম্য শব্দটি, যার মানে শান্ত, কোমল ও সুন্দর চেহারা বা স্বভাবের। চপল মানে চঞ্চল, বিজ্ঞ মানে জ্ঞানী আর মেজাজ মানে মনের অবস্থা, তাই এগুলো উগ্রের বিপরীত নয়।
মনে রাখুন: সৌম্য শব্দটি সোম (চাঁদ) থেকে এসেছে। চাঁদের মতো স্নিগ্ধ বলেই এটি শান্ত ও কোমল ভাব বোঝায়। - ৪৯. ‘সর্বজন’-এর বিশেষণ কী?
- ক. বিশ্বজনীন
- খ. সর্বজনীন
- গ. ঐশ্বরিক
- ঘ. বিশ্বজনীন
উত্তর: খ. সর্বজনীন
সর্বজন মানে সব মানুষ। এর সঙ্গে ঈন প্রত্যয় যোগ করে বিশেষণ সর্বজনীন গঠিত হয়, যার অর্থ সবার জন্য বা সবার মঙ্গলের জন্য, যেমন সর্বজনীন ভোটাধিকার। অনেকে এটিকে সার্বজনীন লেখেন, কিন্তু প্রমিত বানানে সর্বজনীন শুদ্ধ। বিশ্বজনীন শব্দটি বিশ্বজন থেকে গঠিত, তাই এটি সর্বজনের বিশেষণ নয়, আর ঐশ্বরিক এসেছে ঈশ্বর থেকে।
মনে রাখুন: সার্বজনীন রূপটিকে কেউ কেউ ‘সর্বজনের মধ্যে প্রচলিত’ অর্থে আলাদা শব্দ ধরলেও পরীক্ষায় সর্বজন-এর বিশেষণ হিসেবে সর্বজনীনই লেখা হয়। - ৫৪. কোনটি যৌগিক বাক্য?
- ক. তুমি আমার বাড়িতে আসলে আমি খুশি হব
- খ. তুমি আমার বাড়িতে এস, আমি খুশি হব
- গ. তুমি যদি আমার বাড়িতে আস আমি খুশি হব
- ঘ. তুমি আমার বাড়িতে না আসলে আমি অখুশি হব
উত্তর: খ. তুমি আমার বাড়িতে এস, আমি খুশি হব
যৌগিক বাক্যে দুটি বা তার বেশি স্বাধীন বাক্য থাকে, যার প্রতিটি আলাদাভাবে পূর্ণ অর্থ দেয়। ‘তুমি আমার বাড়িতে এস’ এবং ‘আমি খুশি হব’ এখানে দুটিই স্বাধীন বাক্য, যারা পাশাপাশি বসে একটি বাক্য গঠন করেছে, তাই এটি যৌগিক বাক্য। অন্য দিকে ‘আসলে’ বা ‘না আসলে’ অসমাপিকা ক্রিয়া হওয়ায় সেগুলো একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়ার সরল বাক্য, আর ‘যদি’ থাকায় তৃতীয় বাক্যটি জটিল বাক্য।
মনে রাখুন: যৌগিক বাক্যে প্রতিটি অংশে একটি করে সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, আর সরল বাক্যে সমাপিকা ক্রিয়া থাকে একটিই। - ৫৭. বাক্যে একের পর অন্য পদ শোনার ইচ্ছাকে কী বলে?
- ক. আকাঙ্ক্ষা
- খ. দৃঢ়তা
- গ. আসত্তি
- ঘ. যোগ্যতা
উত্তর: ক. আকাঙ্ক্ষা
বাক্যের অর্থ পুরোপুরি বোঝার জন্য একটি পদ শোনার পর পরের পদ শোনার যে আগ্রহ জাগে, তাকে আকাঙ্ক্ষা বলে। যেমন ‘আমি ভাত...’ বললে শ্রোতা জানতে চায় বক্তা ভাত কী করছে, তাই বাক্য সম্পূর্ণ করতে ‘খাই’ শোনার আকাঙ্ক্ষা থাকে।
মনে রাখুন: সার্থক বাক্যের তিনটি গুণ:
আকাঙ্ক্ষা: পরের পদ শোনার আগ্রহ।
আসত্তি: পদগুলোর ঠিক ক্রমে পাশাপাশি বসা।
যোগ্যতা: পদগুলোর অর্থের মিল, যেমন ‘সূর্য পশ্চিমে ওঠে’ বাক্যে যোগ্যতা নেই। - ৬১. ‘সংবিধান’ শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
- ক. সং + বিধান
- খ. সম্ + বিধান
- গ. সং + অবিধান
- ঘ. চায় সং + অবিধান
উত্তর: খ. সম্ + বিধান
সংবিধান শব্দটি সম্ উপসর্গ আর বিধান শব্দ মিলে গঠিত। ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে ম্-এর পরে অন্তঃস্থ ধ্বনি (য, র, ল, ব) বা শিস ধ্বনি (শ, ষ, স, হ) এলে ম্ অনুস্বারে (ং) পরিণত হয়। এখানে ম্-এর পরে ব এসেছে, তাই সম্ + বিধান = সংবিধান।
মনে রাখুন: একই নিয়মে গঠিত আরও শব্দ:
সম্ + যম = সংযম
সম্ + লাপ = সংলাপ
সম্ + সার = সংসার
সম্ + হার = সংহার - ৬৭. ‘শশব্যস্ত’ কোন সমাস?
- ক. অব্যয়ীভাব
- খ. তৎপুরুষ
- গ. কর্মধারয়
- ঘ. বহুব্রীহি
উত্তর: গ. কর্মধারয়
‘শশব্যস্ত’ শব্দের ব্যাসবাক্য শশকের ন্যায় ব্যস্ত, অর্থাৎ খরগোশের মতো ব্যস্ত। এখানে শশক বা খরগোশ হলো উপমান, যার সঙ্গে ব্যস্ততার গুণ তুলনা করা হয়েছে, তাই এটি উপমান কর্মধারয় সমাস।
মনে রাখুন:
উপমান কর্মধারয়ের আরও উদাহরণ: তুষারশুভ্র, কাজলকালো, ঘনশ্যাম।
উপমিত কর্মধারয়ের উদাহরণ: মুখচন্দ্র, পুরুষসিংহ।
রূপক কর্মধারয়ের উদাহরণ: বিষাদসিন্ধু, জ্ঞানপ্রদীপ।
আন্তর্জাতিক
- ২. কোন দেশের প্রধানমন্ত্রী বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী?
- ক. শ্রীলঙ্কা
- খ. ভারত
- গ. যুক্তরাজ্য
- ঘ. ইসরাইল
উত্তর: ক. শ্রীলঙ্কা
১৯৬০ সালে শ্রীলঙ্কার (তখনকার নাম সিলন) সিরিমাভো বন্দরনায়েকে বিশ্বের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হন। তাঁর স্বামী প্রধানমন্ত্রী সলোমন বন্দরনায়েকে আততায়ীর হাতে নিহত হওয়ার পর তিনি রাজনীতিতে আসেন। পরে তিনি আরও দুই দফা প্রধানমন্ত্রী হন। তাঁর মেয়ে চন্দ্রিকা কুমারাতুঙ্গা পরে শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন।
মনে রাখুন:
ভারতের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী (১৯৬৬)।
মুসলিম বিশ্বের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তানের বেনজির ভুট্টো (১৯৮৮)।
যুক্তরাজ্যের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার (১৯৭৯)। - ৭. ‘স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড’ কোথায় অবস্থিত?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ৩৬৯৭) ২০১৯
- ক. স্কটল্যান্ড
- খ. মায়ামী
- গ. লন্ডন
- ঘ. ম্যানচেস্টার
উত্তর: গ. লন্ডন
স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড (Scotland Yard) হলো লন্ডনের মেট্রোপলিটন পুলিশ সার্ভিসের সদর দপ্তর। ১৮২৯ সালে যে ভবনে এটি প্রথম বসেছিল, তার পেছনের দরজাটি গ্রেট স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড নামের একটি রাস্তার দিকে খুলত, সেখান থেকেই নামটি এসেছে। তাই নামে স্কটল্যান্ড থাকলেও এর সঙ্গে স্কটল্যান্ডের কোনো সম্পর্ক নেই, এটি ইংল্যান্ডের রাজধানী লন্ডনে অবস্থিত।
মনে রাখুন:
যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল তদন্ত সংস্থা এফবিআই (FBI)-এর সদর দপ্তর ওয়াশিংটন ডিসিতে।
আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের সদর দপ্তর ফ্রান্সের লিয়নে। - ২১. কবে জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদের মূল দলিল স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত করা হয়?
- ক. 1990 সালের 26 জানুয়ারি
- খ. 1990 সালের 26 আগস্ট
- গ. 1990 সালের 26 নভেম্বর
- ঘ. 1990 সালের 26 মে
উত্তর: ক. 1990 সালের 26 জানুয়ারি
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ১৯৮৯ সালের ২০ নভেম্বর শিশু অধিকার সনদ (Convention on the Rights of the Child) গ্রহণ করে। এর পরে ১৯৯০ সালের ২৬ জানুয়ারি সনদটির মূল দলিল সদস্য দেশগুলোর স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। বাংলাদেশ সেদিনই সনদে স্বাক্ষর করে, আর ৩ আগস্ট ১৯৯০ অনুসমর্থনের মাধ্যমে বাস্তবায়নের অঙ্গীকার নেয়।
মনে রাখুন:
প্রয়োজনীয় সংখ্যক দেশের অনুসমর্থনের পর সনদটি কার্যকর হয় ১৯৯০ সালের ২ সেপ্টেম্বর।
বিশ্ব শিশু দিবস পালিত হয় ২০ নভেম্বর, সনদ গ্রহণের দিনটিকে স্মরণ করে। - ২৪. কোন খ্রিষ্টাব্দে দিল্লির সুলতানি শাসনের অবসান হয়?
- ক. ১৫২৭
- খ. ১৫২৬
- গ. ১৫২৩
- ঘ. ১৫২৪
উত্তর: খ. ১৫২৬
১৫২৬ সালে পানিপথের প্রথম যুদ্ধে মধ্য এশিয়া থেকে আসা জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর দিল্লির সুলতান ইব্রাহিম লোদিকে পরাজিত করেন। ইব্রাহিম লোদি ছিলেন লোদি বংশের শেষ সুলতান, তাই তাঁর পতনের সঙ্গে দিল্লির সুলতানি শাসনেরও অবসান ঘটে। একই যুদ্ধের মাধ্যমে ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্যের ভিত্তি স্থাপিত হয়।
মনে রাখুন:
দিল্লি সুলতানির পাঁচটি বংশ: দাস (মামলুক), খলজি, তুঘলক, সৈয়দ ও লোদি।
পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ হয় ১৫৫৬ সালে (আকবর ও হিমু) আর তৃতীয় যুদ্ধ ১৭৬১ সালে।
গণিত
- ৩. একটি শেয়ারের মূল্য গতকাল ২৫% বেড়ে গেল। আজকে আবার ২৫% কমে গেলো। প্রকৃত বাড়া/কমার হার কত?
- ক. ৬.২৫
- খ. ০.০২
- গ. ২০০
- ঘ. ০.২
উত্তর: ক. ৬.২৫
শতকরা বাড়া ও কমা সব সময় তখনকার দামের ওপর হিসাব হয়, তাই ২৫% বেড়ে আবার ২৫% কমলে দাম আগের জায়গায় ফেরে না।
ধরি, শুরুর দাম 100 টাকা।
25% বেড়ে দাম = 125 টাকা
125-এর 25% = 31.25 টাকা কমে দাম = 93.75 টাকা
প্রকৃত পরিবর্তন = 100 − 93.75 = 6.25, অর্থাৎ 6.25% কমেছে।
মনে রাখুন: কোনো কিছু x% বেড়ে আবার x% কমলে মোট ক্ষতি হয় x²/100 শতাংশ, এখানে 25²/100 = 6.25%। - ৪. 32 এর 2 ভিত্তিক লগারিদম কত?
- ক. ৩
- খ. ৪
- গ. ৫
- ঘ. ৬
উত্তর: গ. ৫
লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী, যদি a^x = N হয়, তবে log_a N = x। এখানে 2⁵ = 32, তাই log₂32 = 5।
মনে রাখুন: 2-এর ঘাতগুলো মুখস্থ থাকলে লগারিদমের মান দ্রুত বের করা যায়: 2¹ = 2, 2² = 4, 2³ = 8, 2⁴ = 16, 2⁵ = 32, 2⁶ = 64। - ১১. 0.4×0.02 × 0.08 = ?
- ক. 6.4
- খ. 0.64
- গ. 0.064
- ঘ. 0.00064
উত্তর: ঘ. 0.00064
দশমিক সংখ্যার গুণে প্রথমে দশমিক বাদ দিয়ে গুণ করি, পরে দশমিকের ঘর গুনে বসাই।
4 × 2 × 8 = 64
দশমিকের পরের অঙ্ক: 0.4-এ 1টি, 0.02-এ 2টি, 0.08-এ 2টি, মোট 5টি
তাই গুণফল = 0.00064
যাচাই: 0.4 × 0.02 = 0.008, আর 0.008 × 0.08 = 0.00064। - ১২. ৮% সরল মুনাফায় ৬,০০০ টাকা বিনিয়োগে ৫ বছরে যে মুনাফা হয়, কোন সরল হারে বিনিয়োগে ১০,০০০ টাকার ৩ বছরে ঐ মুনাফা হবে?
- ক. ০.১
- খ. ০.০৮
- গ. ০.১২
- ঘ. ০.০৯
উত্তর: খ. ০.০৮
প্রথম বিনিয়োগে মোট মুনাফা কত হয় তা বের করে, সেই মুনাফা দ্বিতীয় বিনিয়োগে পেতে হার কত লাগবে তা হিসাব করতে হবে।
মুনাফা = আসল × হার × সময় = 6000 × 8/100 × 5 = 2400 টাকা
দ্বিতীয় ক্ষেত্রে: 10000 × r × 3 = 2400
r = 2400/30000 = 0.08, অর্থাৎ 8%
মজার ব্যাপার হলো, হার একই থেকে গেছে, কারণ 6000 × 5 = 30000 এবং 10000 × 3 = 30000, দুটি গুণফল সমান।
মনে রাখুন: সরল মুনাফা I = Pnr, যেখানে P আসল, n সময় আর r মুনাফার হার। - ১৩. এক ব্যক্তি স্রোতের অনুকূলে নৌকা বেয়ে ঘণ্টায় ১০ কিমি বেগে চলে কোনো স্থানে গেলো এবং ঘণ্টায় ৬ কিমি বেগে স্রোতের প্রতিকূলে চলে যাত্রারম্ভের স্থানে ফিরে এলো। যাতায়াতে তার গড় গতিবেগ ঘণ্টায় কত কিলোমিটার?
- ক. ৭.৫
- খ. ৫.৫
- গ. ৬.৫
- ঘ. ৮.৫
উত্তর: ক. ৭.৫
যাওয়া আর আসার দূরত্ব সমান কিন্তু বেগ আলাদা হলে গড় বেগ দুই বেগের সাধারণ গড় হয় না, কারণ ধীরগতিতে বেশি সময় লাগে।
ধরি, দূরত্ব 30 কিমি।
যেতে সময় = 30/10 = 3 ঘণ্টা, ফিরতে সময় = 30/6 = 5 ঘণ্টা
গড় বেগ = মোট দূরত্ব ÷ মোট সময় = 60 ÷ 8 = 7.5 কিমি/ঘণ্টা
সূত্রে: গড় বেগ = 2 × 10 × 6/(10 + 6) = 120/16 = 7.5
মনে রাখুন: এখান থেকে নৌকার বেগ (10 + 6)/2 = 8 কিমি/ঘণ্টা আর স্রোতের বেগ (10 − 6)/2 = 2 কিমি/ঘণ্টা। - ১৯. এক দোকানদার ১২.৫% ক্ষতিতে একটি দ্রব্য বিক্রি করেন। যে মূল্য দিয়ে তিনি দ্রব্যটি বিক্রি করলেন তার চাইতে ৩০ টাকা বেশি মূল্যে বিক্রি করলে ক্রয়মূল্যের উপর ২৫% লাভ হতো। দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য কত?
- ক. ৮৫
- খ. ৭৫
- গ. ৮০
- ঘ. ৯০
উত্তর: গ. ৮০
ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য আর লাভে বিক্রয়মূল্যের পার্থক্যটিই এখানে ৩০ টাকা। ক্রয়মূল্য ১০০ ধরে নিলে শতকরা হিসাবে এই পার্থক্য কত তা বের করা যায়।
12.5% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = 100 − 12.5 = 87.5
25% লাভে বিক্রয়মূল্য = 125
পার্থক্য = 125 − 87.5 = 37.5
37.5 টাকা বেশি হলে ক্রয়মূল্য 100 টাকা
30 টাকা বেশি হলে ক্রয়মূল্য = 100 × 30/37.5 = 80 টাকা
যাচাই: 80-এর 87.5% = 70 টাকা, আর 125% = 100 টাকা, পার্থক্য ঠিক 30 টাকা। - ২২. সমকোণী ত্রিভুজের বাহুগুলোর অনুপাত কোনটি?
- ক. ১৩:১২:৫
- খ. ৬:৪:৩
- গ. ৬:৫:৩
- ঘ. ১২:৮:৪
উত্তর: ক. ১৩:১২:৫
সমকোণী ত্রিভুজে পিথাগোরাসের উপপাদ্য খাটে: বৃহত্তম বাহু বা অতিভুজের বর্গ অন্য দুই বাহুর বর্গের যোগফলের সমান।
13 : 12 : 5-এর ক্ষেত্রে 12² + 5² = 144 + 25 = 169 = 13², তাই এটি সমকোণী ত্রিভুজের বাহুর অনুপাত।
6 : 4 : 3-এর ক্ষেত্রে 4² + 3² = 25, কিন্তু 6² = 36, তাই মেলে না।
মনে রাখুন: পরিচিত পিথাগোরীয় ত্রয়ী: (3, 4, 5), (5, 12, 13), (8, 15, 17), (7, 24, 25)। - ২৫. একটি সংখ্যা থেকে ৪০% বিয়োগ করলে ৩০ থাকে। সংখ্যাটি কত?
- ক. ৫০
- খ. ৬০
- গ. ৫৬
- ঘ. ১০০
উত্তর: ক. ৫০
কোনো সংখ্যা থেকে তার ৪০% বিয়োগ করলে বাকি থাকে সংখ্যাটির 100% − 40% = 60%।
সংখ্যাটির 60% = 30
সংখ্যাটি = 30 × 100/60 = 50
যাচাই: 50-এর 40% = 20, আর 50 − 20 = 30।
মনে রাখুন: x% কমানোর পর যদি মান A হয়, তবে মূল সংখ্যা = A × 100/(100 − x)। - ৩৩. যদি ১৫ জন ছাত্র ইংরেজিতে গড়ে শতকরা ৮০ নম্বর এবং ১০ জন ছাত্র গড়ে শতকরা ৯০ নম্বর পায়, তাহলে ২৫ জন ছাত্রের শতকরা হিসেবে গড় নম্বর কত?
- ক. ৮৫
- খ. ৮৬
- গ. ৮৮
- ঘ. ৮৪
উত্তর: ঘ. ৮৪
দুই দলের গড় আলাদা হলে সব ছাত্রের গড় বের করতে প্রতিটি দলের মোট নম্বর যোগ করে মোট ছাত্রসংখ্যা দিয়ে ভাগ করতে হয়।
15 জনের মোট নম্বর = 15 × 80 = 1200
10 জনের মোট নম্বর = 10 × 90 = 900
25 জনের মোট নম্বর = 1200 + 900 = 2100
গড় = 2100 ÷ 25 = 84
মনে রাখুন: দুই গড়ের সাধারণ গড় (80 + 90)/2 = 85 হয় না, কারণ দুই দলে ছাত্রসংখ্যা সমান নয়। একে ভারযুক্ত গড় (Weighted Average) বলে। - ৪০. y-এর মান কত হলে 16x² – xy + 25 একটি পূর্ণবর্গ রাশি হবে?
- ক. 40
- খ. 64
- গ. 25
- ঘ. 36
উত্তর: ক. 40
পূর্ণবর্গের সূত্র (a − b)² = a² − 2ab + b² অনুযায়ী 16x² = (4x)² এবং 25 = 5²।
তাহলে (4x − 5)² = 16x² − 2·4x·5 + 25 = 16x² − 40x + 25
প্রদত্ত রাশি 16x² − xy + 25-এর সঙ্গে মেলালে xy = 40x, অর্থাৎ y = 40।
মনে রাখুন: মাঝের পদটি সবসময় প্রথম ও শেষ পদের বর্গমূলের গুণফলের দ্বিগুণ। - ৪৭. কোন বৃহত্তম সংখ্যা দ্বারা ২৭, ৪০ ও ৬৫ কে ভাগ করলে যথাক্রমে ৩, ৪ ও ৫ ভাগশেষ থাকবে?
- ক. ১০
- খ. ১৬
- গ. ১৪
- ঘ. ১২
উত্তর: ঘ. ১২
যে সংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে নির্দিষ্ট ভাগশেষ থাকে, সেটি বের করতে প্রথমে প্রতিটি সংখ্যা থেকে ভাগশেষ বাদ দিতে হয়।
27 − 3 = 24, 40 − 4 = 36, 65 − 5 = 60
এখন 24, 36 ও 60-এর গ.সা.গু. = 12
12 প্রতিটি ভাগশেষের চেয়ে বড়, তাই নির্ণেয় বৃহত্তম সংখ্যা 12।
যাচাই: 27 ÷ 12-এ ভাগশেষ 3, 40 ÷ 12-এ 4, আর 65 ÷ 12-এ 5। - ৫০. বাবু ও তপুর কাছে কিছু মার্বেল আছে। বাবু যদি তপুকে ১০টি মার্বেল দিয়ে দেয় তবে তাদের মার্বেলের সংখ্যা সমান হবে। আবার তপু যদি বাবুকে ২০টি মার্বেল দেয় তবে বাবুর মার্বেলের সংখ্যা দ্বিগুণ হবে। বাবুর কাছে কতটি মার্বেল আছে?
- ক. ২০০
- খ. ১০০
- গ. ৯০
- ঘ. ১২০
উত্তর: খ. ১০০
বাবু ১০টি দিলে দুজনের সমান হয়, অর্থাৎ বাবুর আছে তপুর চেয়ে ২০টি বেশি। দ্বিতীয় শর্ত দিয়ে সমীকরণ বানালে উত্তর বের হয়।
ধরি, তপুর আছে T টি, তাহলে বাবুর আছে T + 20 টি।
তপু 20টি দিলে: বাবুর হয় T + 40, তপুর থাকে T − 20
T + 40 = 2(T − 20)
T + 40 = 2T − 40
T = 80
বাবুর মার্বেল = 80 + 20 = 100টি
যাচাই: বাবু ১০টি দিলে দুজনেরই ৯০টি হয়, আর তপু ২০টি দিলে বাবুর ১২০টি ও তপুর ৬০টি হয়। - ৫৮. স্থূলকোণী ত্রিভুজের সূক্ষ্মকোণের সংখ্যা
- ক. ৩টি
- খ. ২টি
- গ. ১টি
- ঘ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. ২টি
যে ত্রিভুজের একটি কোণ ৯০°-এর চেয়ে বড়, তাকে স্থূলকোণী ত্রিভুজ (Obtuse Triangle) বলে। ত্রিভুজের তিন কোণের যোগফল ১৮০°, তাই একটি কোণ ৯০°-এর বেশি হলে বাকি দুই কোণের যোগফল ৯০°-এর কম হয়। ফলে বাকি দুটি কোণই সূক্ষ্মকোণ, অর্থাৎ স্থূলকোণী ত্রিভুজে সূক্ষ্মকোণ থাকে ২টি।
মনে রাখুন:
যেকোনো ত্রিভুজে কমপক্ষে দুটি কোণ সূক্ষ্মকোণ হয়।
সমকোণী ত্রিভুজেও সূক্ষ্মকোণ ২টি, আর সূক্ষ্মকোণী ত্রিভুজে ৩টি।
ইংরেজি
- ৫. What is the adjective of the word ‘Heart’?
- ক. Heartening
- খ. Hearty
- গ. Heart
- ঘ. Heartful
উত্তর: খ. Hearty
Heart একটি noun, যার অর্থ হৃদয়। এর সঙ্গে -y যোগ করে adjective তৈরি হয় hearty, যার মানে আন্তরিক বা হৃদয়গ্রাহী, যেমন a hearty welcome মানে আন্তরিক অভ্যর্থনা। Heartening শব্দটি verb hearten (উৎসাহ দেওয়া) থেকে তৈরি, তাই heart-এর মূল adjective হিসেবে hearty-ই বেশি উপযুক্ত।
মনে রাখুন: heart থেকে আরও adjective: heartless (নিষ্ঠুর), heartfelt (আন্তরিক), heartbroken (মর্মাহত)। - ১৬. ‘কোন মানুষ একা বাস করতে পারে না’- সঠিক ইংরেজি কী?
- ক. No man can live alone.
- খ. No one can live alone.
- গ. None can live alone.
- ঘ. Nobody can live alone.
উত্তর: ক. No man can live alone.
বাংলা বাক্যের ‘কোনো মানুষ’ কথাটির সরাসরি ইংরেজি হলো no man, আর ‘একা বাস করতে পারে না’ হলো can live alone। তাই বাক্যটির সবচেয়ে নিখুঁত অনুবাদ No man can live alone। কথাটি একটি পরিচিত প্রবাদের মতো, যার ভাব হলো মানুষ সামাজিক জীব, সমাজ ছাড়া সে টিকে থাকতে পারে না। ইংরেজ কবি জন ডান-এর বিখ্যাত পঙ্ক্তি No man is an island-ও একই ভাব প্রকাশ করে।
মনে রাখুন: no man-এর পরে verb সব সময় singular হয়, যেমন No man is perfect। - ১৭. The Ambassador called _ the president.
- ক. on
- খ. in
- গ. none of them
- ঘ. at
উত্তর: ক. on
কোনো ব্যক্তির সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে দেখা বা সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে যাওয়া বোঝাতে ইংরেজিতে call on ব্যবহার করা হয়। রাষ্ট্রদূত প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন, তাই বাক্যটি হবে The Ambassador called on the president। অন্য দিকে কোনো স্থানে যাওয়া বোঝাতে call at বসে, যেমন He called at my house।
মনে রাখুন:
call off = বাতিল করা
call for = দাবি করা বা প্রয়োজন হওয়া
call up = স্মরণ করা বা ফোন করা
call in = ডেকে পাঠানো - ২৩. Choose the correctly spelt word-
- ক. Voluntory
- খ. Volantory
- গ. Volantary
- ঘ. Voluntary
উত্তর: ঘ. Voluntary
Voluntary শব্দটি এসেছে volunteer ও লাতিন voluntas (ইচ্ছা) থেকে, তাই প্রথম অংশে vol-un থাকে, vol-an নয়। শেষের প্রত্যয়টি -ary, -ory নয়। ফলে সঠিক বানান voluntary, যার মানে স্বেচ্ছামূলক বা ইচ্ছাকৃত।
মনে রাখুন:
-ary দিয়ে শেষ হয় এমন কিছু শব্দ: dictionary, library, necessary, temporary।
-ory দিয়ে শেষ হয় এমন কিছু শব্দ: history, factory, memory, compulsory। - ২৬. ‘Dog days’ means-
- ক. a period of being care free
- খ. hot weather
- গ. a period of misfortune
- ঘ. a time when dogs roam the street
উত্তর: খ. hot weather
Dog days একটি idiom, যার অর্থ গ্রীষ্মকালের সবচেয়ে গরম দিনগুলো, অর্থাৎ hot weather। প্রাচীন রোমানরা লক্ষ করেছিল, বছরের সবচেয়ে গরম সময়ে লুব্ধক নক্ষত্র (Sirius), যার আরেক নাম Dog Star, সূর্যের সঙ্গে একসঙ্গে ওঠে। সেখান থেকেই কথাটির জন্ম।
উদাহরণ: During the dog days of summer, people stay indoors.
মনে রাখুন: Dog days দিয়ে কখনো কখনো নিষ্ক্রিয় বা মন্দার সময়ও বোঝায়। - ২৯. The synonym of ‘Stringent is-.
- ক. Rigorous
- খ. Shrill
- গ. Dry
- ঘ. Strained
উত্তর: ক. Rigorous
Stringent শব্দের অর্থ কঠোর বা কড়া, বিশেষ করে নিয়মকানুনের ক্ষেত্রে, যেমন stringent rules মানে কড়া নিয়ম। Rigorous শব্দেরও অর্থ কঠোর, নিখুঁত ও কড়াকড়িভাবে মানা, তাই এটি সমার্থক। Shrill মানে তীক্ষ্ণ বা কর্কশ শব্দ, dry মানে শুকনো আর strained মানে টানটান বা চাপগ্রস্ত।
মনে রাখুন: Stringent-এর আরও সমার্থক শব্দ strict, severe, rigid, আর বিপরীত শব্দ lenient বা flexible। - ৩০. All of the people at the conference are-
- ক. mathematic teachers
- খ. mathematics teachers
- গ. mathematics teacher
- ঘ. mathematic’s teacher
উত্তর: খ. mathematics teachers
‘Mathematics teachers’ মানে গণিতের শিক্ষকেরা। এখানে Mathematics শব্দটি অন্য একটি noun (teachers)-এর আগে বসে সেটির বিশেষণের কাজ করেছে, তাই এর রূপ বদলায় না এবং ‘s যুক্ত হয় না। Mathematics একটি বিষয়ের নাম, ‘Mathematic’ রূপে এটি ইংরেজিতে প্রচলিত নয়। আবার ‘All of the people’ অংশটি বহুবচন, তাই teachers শব্দটিও বহুবচনে থাকবে, এ কারণে ‘Mathematics teacher’ চলে না।
মনে রাখুন:
Mathematics, Physics, Economics, Politics-এর মতো বিষয়ের নাম দেখতে বহুবচনের মতো হলেও এগুলো এক বচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ: Mathematics is my favourite subject. - ৩১. ‘কর্তৃপক্ষ তাকে তিরস্কার করলো’- সঠিক ইংরেজি কী?
- ক. The authority criticised him.
- খ. The authority took him to book.
- গ. The authority gave reins to him.
- ঘ. The authority took him to task.
উত্তর: ঘ. The authority took him to task.
Take someone to task একটি ইংরেজি বাগধারা (Idiom), যার মানে কাউকে কড়াভাবে তিরস্কার বা ভর্ৎসনা করা। তাই ‘কর্তৃপক্ষ তাকে তিরস্কার করলো’ বাক্যের সঠিক অনুবাদ The authority took him to task। Criticise মানে সমালোচনা করা, যা তিরস্কারের সমান নয়, আর took him to book বা gave reins to him প্রচলিত বাগধারা নয়।
মনে রাখুন:
bring someone to book = কাউকে শাস্তির মুখোমুখি করা
give the reins to someone = কাউকে নিয়ন্ত্রণ বা দায়িত্ব দেওয়া - ৩২. ‘Look before you leap’
- ক. লাফ দেয়ার আগে তাকাও
- খ. ভাবিয়া করিও কাজ
- গ. আগে ভাবিয়া পরে লাফ দাও
- ঘ. দেখে নাও পরে লাফ দাও
উত্তর: খ. ভাবিয়া করিও কাজ
Look before you leap প্রবাদটির আক্ষরিক অর্থ লাফ দেওয়ার আগে তাকিয়ে নাও। তবে প্রবাদের অনুবাদে আক্ষরিক অর্থ নয়, ভাবটাই আসল। এর ভাব হলো কোনো কাজ করার আগে ভালো করে ভেবে নেওয়া উচিত। বাংলায় এই ভাবের প্রবাদ ‘ভাবিয়া করিও কাজ’, যার পরের অংশ ‘করিয়া ভাবিও না’।
মনে রাখুন:
Haste makes waste = তাড়াহুড়ায় কাজ নষ্ট হয়।
Think before you speak = ভেবেচিন্তে কথা বলো। - ৩৫. AFTER: BEFORE
- ক. successor: predecessor
- খ. first: second
- গ. contemporary: historic
- ঘ. present: past
উত্তর: ক. successor: predecessor
After মানে পরে আর before মানে আগে, তাই জোড়াটি সময়ের দিক থেকে পরে ও আগে এই বিপরীত সম্পর্ক বোঝায়। Successor হলেন যিনি কারও পরে পদে আসেন, আর predecessor হলেন যিনি আগে ওই পদে ছিলেন। তাই successor : predecessor জোড়ায় একই ক্রম মেনে পরে ও আগের সম্পর্ক আছে। Present : past জোড়ায় বর্তমান ও অতীত বোঝায়, কিন্তু after-এর মতো পরে আসা বোঝায় না।
মনে রাখুন: Analogy প্রশ্নে শুধু সম্পর্ক নয়, শব্দ দুটির ক্রমও মিলিয়ে দেখতে হয়। - ৩৬. The lady prides herself_____her beauty.
- ক. upon
- খ. of
- গ. in
- ঘ. about
উত্তর: ক. upon
Pride oneself একটি নির্দিষ্ট প্রকাশভঙ্গি, যার মানে কোনো কিছু নিয়ে গর্ব করা। এর পরে on বা upon preposition বসে, যেমন She prides herself on her beauty। প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে upon আছে, তাই সেটিই সঠিক। মজার ব্যাপার হলো, একই অর্থে be proud of এবং take pride in-ও বলা যায়, কিন্তু preposition বদলে যায়।
মনে রাখুন:
pride oneself on/upon
be proud of
take pride in - ৩৯. I cannot _ to pay such high prices.
- ক. afford
- খ. able
- গ. try
- ঘ. but
উত্তর: ক. afford
'I cannot afford to pay such high prices' বাক্যে afford মানে সামর্থ্য থাকা বা খরচ বহনের ক্ষমতা থাকা। Afford সাধারণত can, could বা be able to-এর সঙ্গে ব্যবহার হয় এবং এর পর to + verb বসে। Able-এর পর to থাকলে আগে be verb লাগে (cannot be able নয়)। But এখানে অর্থ মেলে না, আর try বসালে বাক্যটি বেমানান হয়।
উদাহরণ: We can't afford to waste time. (আমাদের সময় নষ্ট করার সুযোগ নেই।) - ৪৬. The synonym of ‘Sanguine’ is-
- ক. Sparkle
- খ. Cheerful
- গ. Careful
- ঘ. Scared
উত্তর: খ. Cheerful
Sanguine শব্দের অর্থ আশাবাদী ও প্রফুল্ল, অর্থাৎ যে কঠিন অবস্থাতেও ভালো কিছুর আশা রাখে। তাই এর সবচেয়ে কাছাকাছি synonym cheerful। Scared মানে ভীত, যা প্রায় বিপরীত অর্থ দেয়।
উদাহরণ: She is sanguine about her chances of success.
মনে রাখুন: Sanguine শব্দটি লাতিন sanguis (রক্ত) থেকে এসেছে, আর এর antonym pessimistic বা gloomy। - ৫২. At least one of the students __ full marks every time.
- ক. have got
- খ. get
- গ. are getting
- ঘ. gets
উত্তর: ঘ. gets
At least one of the students বাক্যাংশে আসল কর্তা হলো one, আর of the students অংশটি কেবল কর্তাকে বর্ণনা করছে। One একবচন, তাই এর সঙ্গে verb-ও একবচন হবে। Every time শব্দগুচ্ছ বারবার ঘটা বা অভ্যাস বোঝায়, তাই present indefinite tense বসবে। Third person singular কর্তার সঙ্গে present indefinite-এ verb-এর সঙ্গে s যোগ হয়, ফলে সঠিক রূপ gets।
মনে রাখুন: One of + plural noun-এর পরে verb সব সময় singular হয়।
উদাহরণ: One of my friends lives in Dhaka. Each of the boys has a pen. - ৫৩. ‘Ambiguous’ means
- ক. Unclear
- খ. Eager
- গ. Large
- ঘ. Increase
উত্তর: ক. Unclear
Ambiguous শব্দের অর্থ দ্ব্যর্থক বা অস্পষ্ট, অর্থাৎ যে কথার একাধিক অর্থ করা যায় এবং ঠিক কী বোঝানো হয়েছে তা পরিষ্কার নয়। তাই এর সবচেয়ে কাছাকাছি অর্থ unclear। Eager মানে আগ্রহী, large মানে বড় আর increase মানে বৃদ্ধি, এগুলোর সঙ্গে অর্থের মিল নেই।
মনে রাখুন: Ambiguous-এর বিপরীত শব্দ clear, explicit বা unambiguous, আর এর বিশেষ্য রূপ ambiguity। - ৫৫. ‘Frequency’ is
- ক. Noun
- খ. Adverb
- গ. Verb
- ঘ. Adjective
উত্তর: ক. Noun
Frequency মানে কোনো কিছু কতবার ঘটে তার হার বা পৌনঃপুনিকতা। শব্দটি একটি অবস্থা বা পরিমাণের নাম বোঝায়, তাই এটি noun। একই মূল থেকে অন্য পদগুলোও তৈরি হয়েছে, যেমন frequent (adjective, ঘন ঘন), frequently (adverb, প্রায়ই) এবং frequent (verb, প্রায়ই কোথাও যাওয়া)।
মনে রাখুন: ইংরেজিতে -ency বা -ancy দিয়ে শেষ হওয়া শব্দ সাধারণত noun হয়, যেমন urgency, efficiency, vacancy, emergency। - ৬৫. Which one is plural?
- ক. Each
- খ. Anyone
- গ. Someone
- ঘ. None of these
উত্তর: ঘ. None of these
Each, someone ও anyone তিনটিই Singular pronoun, কারণ এগুলো একজন বা একটি বোঝায়। এদের সঙ্গে ক্রিয়াও একবচন হয়, যেমন: Each of the boys has a pen। কোনোটিই বহুবচন নয়, তাই উত্তর None of these।
মনে রাখুন:
Plural pronoun-এর উদাহরণ: both, few, many, several।
Singular pronoun-এর উদাহরণ: everyone, nobody, either, neither। - ৬৬. ‘Counsel’ means-
- ক. Cabinet
- খ. Advice
- গ. Meeting
- ঘ. Trade
উত্তর: খ. Advice
Counsel শব্দের অর্থ পরামর্শ বা উপদেশ, তাই এর সমার্থক advice। যেমন He gave me wise counsel মানে তিনি আমাকে ভালো পরামর্শ দিলেন। আইনের ভাষায় counsel মানে আদালতে মামলা পরিচালনাকারী আইনজীবীও বোঝায়। অনেকে এটিকে council শব্দের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেন। Council মানে পরিষদ বা সভা, যা একেবারে আলাদা শব্দ।
মনে রাখুন:
counsel = পরামর্শ, counsellor = পরামর্শদাতা
council = পরিষদ, councillor = কাউন্সিলর বা পরিষদ সদস্য
বাংলাদেশ
- ১০. ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
- ক. শেখ মুজিবুর রহমান
- খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গ. কাজী নজরুল ইসলাম
- ঘ. আবুল মনসুর আহমেদ
উত্তর: ক. শেখ মুজিবুর রহমান
‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা। ১৯৬৭ সালের দিকে কারাগারে বন্দি থাকার সময় তিনি খাতায় এটি লিখতে শুরু করেন, আর ২০১২ সালে বইটি প্রকাশিত হয়। এতে তাঁর শৈশব থেকে ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত জীবন ও রাজনৈতিক সংগ্রামের কথা আছে।
মনে রাখুন:
আবুল মনসুর আহমদের আত্মজীবনী ‘আত্মকথা’, আর রাজনৈতিক স্মৃতিকথা ‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’।
বঙ্গবন্ধুর অন্য দুটি বই: ‘কারাগারের রোজনামচা’ ও ‘আমার দেখা নয়াচীন’। - ১৪. মাৎস্যন্যায় কোন শাসন আমলে দেখা দেয়?
- ক. খিলজি শাসন আমলে
- খ. সেন শাসন আমলে
- গ. মোগল শাসন আমলে
- ঘ. পাল তাম্র শাসন আমলে
উত্তর: ঘ. পাল তাম্র শাসন আমলে
রাজা শশাঙ্কের মৃত্যুর পর সপ্তম শতকের মাঝামাঝি থেকে প্রায় একশো বছর বাংলায় কোনো স্থায়ী কেন্দ্রীয় শাসক ছিল না। তখন শক্তিশালীরা দুর্বলদের ওপর অত্যাচার চালাত, ঠিক যেমন পুকুরের বড় মাছ ছোট মাছকে খেয়ে ফেলে। এই অরাজকতাকেই মাৎস্যন্যায় বলা হয়। পাল রাজা ধর্মপালের খালিমপুর তাম্রশাসনে (Copper Plate) এই অবস্থার কথা লেখা আছে, আর গোপালের সিংহাসনে বসার মাধ্যমে পাল শাসনের সূচনায় এর অবসান ঘটে।
মনে রাখুন:
আনুমানিক ৭৫০ খ্রিষ্টাব্দে জনগণ বা প্রধানরা গোপালকে রাজা নির্বাচন করেন।
পাল বংশ প্রায় ৪০০ বছর বাংলা শাসন করে, যা বাংলার ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ রাজবংশ। - ৪৩. বাংলাদেশের কোন নৃ-গোষ্ঠীর ভাষার নাম ‘আচিক খুসিক’?
- ক. মারমা
- খ. সাঁওতাল
- গ. চাকমা
- ঘ. গারো
উত্তর: ঘ. গারো
গারোরা নিজেদের ‘আচিক মান্দি’ বা পাহাড়ের মানুষ বলে পরিচয় দেয়। তাদের নিজস্ব ভাষার নাম আচিক খুসিক, যা তিব্বতি-বর্মি (Tibeto-Burman) ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। বাংলাদেশে গারোরা প্রধানত ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, শেরপুর ও টাঙ্গাইলের মধুপুর এলাকায় বাস করে। গারো সমাজ মাতৃতান্ত্রিক, অর্থাৎ সেখানে সম্পত্তির উত্তরাধিকার মায়ের দিক থেকে মেয়েরা পায়।
মনে রাখুন:
গারোদের প্রধান উৎসব ওয়ানগালা।
চাকমাদের ভাষা চাকমা, আর মারমাদের ভাষা মারমা নামে পরিচিত। - ৪৫. ঢাকার ‘ধোলাইখাল’ কে খনন করেন?
- ক. ঈসা খান
- খ. শায়েস্তা খান
- গ. পরীবিবি
- ঘ. ইসলাম খান
উত্তর: ঘ. ইসলাম খান
মুঘল সুবাদার ইসলাম খান ১৬১০ সালে ঢাকাকে বাংলার রাজধানী করেন এবং সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামে শহরের নাম রাখেন জাহাঙ্গীরনগর। নগর রক্ষা ও নৌপথে চলাচলের সুবিধার জন্য তিনি ধোলাইখাল খনন করান।
মনে রাখুন:
শায়েস্তা খানের আমলে টাকায় আট মণ চাল পাওয়া যেত।
পরীবিবি ছিলেন শায়েস্তা খানের কন্যা, তাঁর সমাধি লালবাগ কেল্লায়।
ঈসা খান ছিলেন বারো ভূঁইয়াদের প্রধান। - ৪৮. প্রতি বছর কোন তারিখে বাংলাদেশের জাতীয় জনসংখ্যা দিবস উদযাপন করা হয়?
- ক. ২ ফেব্রুয়ারি
- খ. ২১ ফেব্রুয়ারি
- গ. ৬ মার্চ
- ঘ. ১ মে
উত্তর: ক. ২ ফেব্রুয়ারি
বাংলাদেশে প্রতি বছর ২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় জনসংখ্যা দিবস পালিত হয়। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও জনসংখ্যাকে জনসম্পদে পরিণত করার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোই এর লক্ষ্য।
মনে রাখুন:
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ১১ জুলাই।
২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশের জনসংখ্যা প্রায় ১৬ কোটি ৯৮ লাখ।
জনসংখ্যায় বাংলাদেশ বিশ্বে অষ্টম। - ৫৯. কত সালে পাণ্ডুলিপিবিহীন এবং অলিখিত কোনো বিষয়কে ইউনেস্কো World International Heritage Register-এ তালিকাভুক্ত করেন?
- ক. ২০১৫
- খ. ২০১৭
- গ. ২০১৮
- ঘ. ২০১৬
উত্তর: খ. ২০১৭
২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণকে মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টারে (Memory of the World International Register) তালিকাভুক্ত করে। এই রেজিস্টারে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক দলিল সংরক্ষণ করা হয়। মজার ব্যাপার হলো, ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে দেওয়া প্রায় ১৯ মিনিটের এই ভাষণটি কোনো লিখিত পাণ্ডুলিপি ছাড়াই দেওয়া হয়েছিল।
মনে রাখুন:
ভাষণটির বিখ্যাত পঙ্ক্তি ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’।
রেসকোর্স ময়দানের বর্তমান নাম সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। - ৬০. ভাষা আন্দোলন পূর্ব বাংলায় কোন ভাবাদর্শ ছড়িয়ে দেয়?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ৩৬৯৭) ২০১৯
- ক. দ্বিজাতিতত্ত্ব
- খ. বাঙালি জাতীয়তাবাদ
- গ. অসাম্প্রদায়িক মনোভাব
- ঘ. স্বজাত্যবোধ
উত্তর: খ. বাঙালি জাতীয়তাবাদ
পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠিত হয়েছিল ধর্মভিত্তিক দ্বিজাতিতত্ত্বের ওপর। কিন্তু ১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে পূর্ব বাংলার মানুষ ধর্মের বদলে নিজেদের ভাষা ও সংস্কৃতির ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হয়। এর ফলে বাঙালি জাতীয়তাবাদের (Bengali Nationalism) চেতনা ছড়িয়ে পড়ে, যা পরে ছয় দফা, গণঅভ্যুত্থান এবং মুক্তিযুদ্ধের মূল প্রেরণা হয়ে ওঠে।
মনে রাখুন:
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষার দাবিতে সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ অনেকে শহিদ হন।
১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলা পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি পায়। - ৬২. মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী কে ছিলেন?
- ক. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- খ. ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
- গ. মীর কৃক১
- ঘ. এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান
উত্তর: খ. ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল শপথ নেওয়া মুজিবনগর সরকারে অর্থমন্ত্রী ছিলেন ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী। তিনি জাতীয় চার নেতার একজন, আর ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আরও তিন নেতার সঙ্গে তাঁকে হত্যা করা হয়।
মনে রাখুন:
স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসনমন্ত্রী: এ এইচ এম কামারুজ্জামান।
উপরাষ্ট্রপতি ও অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
পরে বঙ্গবন্ধু সরকারের সময় এম মনসুর আলী প্রধানমন্ত্রীও হয়েছিলেন। - ৬৩. বাংলাদেশে মুসলিম শাসনের সূত্রপাত করেন-
- ক. আলাউদ্দিন খলজি
- খ. সম্রাট বাবর
- গ. ফকরুদ্দিন মোবারক শাহ
- ঘ. ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি
উত্তর: ঘ. ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি
তুর্কি সেনাপতি ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি ১২০৪ সালে মাত্র ১৭ জন অশ্বারোহী নিয়ে সেন রাজধানী নদীয়া আক্রমণ করেন। আকস্মিক এই আক্রমণে রাজা লক্ষ্মণ সেন প্রাসাদের পেছনের দরজা দিয়ে পূর্ববঙ্গে পালিয়ে যান। এর মাধ্যমে বাংলায় মুসলিম শাসনের সূত্রপাত হয়, আর বখতিয়ার লখনৌতিকে রাজধানী করে শাসন শুরু করেন।
মনে রাখুন:
বাংলায় স্বাধীন সুলতানি শাসনের সূচনা করেন ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ (১৩৩৮)।
বখতিয়ার খলজির বাংলা বিজয়ের কথা জানা যায় মিনহাজ-ই-সিরাজের ‘তবকাত-ই-নাসিরী’ গ্রন্থ থেকে।
বিজ্ঞান
- ২৮. সৌরজগতে গ্রহের সংখ্যা কয়টি?
- ক. ৮
- খ. ৭
- গ. ৬
- ঘ. ১০
উত্তর: ক. ৮
২০০৬ সালে আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ইউনিয়ন (IAU) গ্রহের নতুন সংজ্ঞা ঠিক করে প্লুটোকে বামন গ্রহ (Dwarf Planet) ঘোষণা করে। তখন থেকে সৌরজগতে গ্রহের সংখ্যা ৮টি। সূর্য থেকে দূরত্বের ক্রমে এরা হলো বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন।
মনে রাখুন:
সবচেয়ে বড় গ্রহ বৃহস্পতি, আর সবচেয়ে ছোট গ্রহ বুধ।
সবচেয়ে উত্তপ্ত গ্রহ শুক্র, যাকে শুকতারা বা সন্ধ্যাতারাও বলা হয়। - ৬৪. কচুরিপানা পানিতে ভাসে কেন?
- ক. পাতা হালকা বলে
- খ. পানির ঘনত্ব বেশি বলে
- গ. শিকড় শক্ত বলে
- ঘ. কাণ্ড ফাঁপা বলে
উত্তর: ঘ. কাণ্ড ফাঁপা বলে
কচুরিপানার পাতার বোঁটা ফুলে বলের মতো মোটা হয়ে যায়, আর তার ভেতরটা স্পঞ্জের মতো অসংখ্য ছোট ছোট বায়ুকুঠুরিতে ভরা থাকে। এই ফাঁপা অংশে বাতাস জমে থাকে বলে পুরো উদ্ভিদের গড় ঘনত্ব পানির চেয়ে কমে যায়, ফলে এটি সহজেই পানিতে ভেসে থাকে। প্রশ্নে এই ফাঁপা অংশটিকেই কাণ্ড বলা হয়েছে।
মনে রাখুন:
কচুরিপানা ভাসমান জলজ উদ্ভিদ (Hydrophyte), যা খুব দ্রুত বংশ বিস্তার করে।
কোনো বস্তুর ঘনত্ব পানির চেয়ে কম হলে তা পানিতে ভাসে, এটি আর্কিমিডিসের প্লবতার নীতির ফল।
মানসিক দক্ষতা
- ৩৮. ৫টি বিড়াল ৫টি ইঁদুর ধরতে ৫ মিনিট সময় লাগায়। ১০০টি বিড়াল ১০০ টি ইঁদুর ধরতে কত মিনিট সময় লাগাবে?
- ক. ২০
- খ. ৫
- গ. ১০
- ঘ. ১৫
উত্তর: খ. ৫
৫টি বিড়াল ৫ মিনিটে ৫টি ইঁদুর ধরে মানে প্রতিটি বিড়াল একসঙ্গে কাজ করে ৫ মিনিটে ১টি করে ইঁদুর ধরে। বিড়াল ও ইঁদুর দুটোর সংখ্যাই যদি একসঙ্গে বাড়ে, তবে প্রতিটি বিড়ালের ভাগে তখনো ১টি ইঁদুরই থাকে। তাই ১০০টি বিড়াল একসঙ্গে ১০০টি ইঁদুর ধরতেও ৫ মিনিটই লাগবে।
মনে রাখুন: এ ধরনের ধাঁধায় অনেকে ভুল করে সংখ্যা বাড়ার অনুপাতে সময়ও বাড়িয়ে ফেলেন। আসলে কাজের পরিমাণ ও কাজের লোক একই অনুপাতে বাড়লে সময় বদলায় না। - ৫১. ২, ৩, ৫, ৮, ১৩, ২১, ৩৪,… ধারাটির পরের সংখ্যাটি কত?
- ক. ১৬
- খ. ৫৫
- গ. ১৩
- ঘ. ৩৫
উত্তর: খ. ৫৫
ধারাটির প্রতিটি পদ আগের দুটি পদের যোগফল:
2 + 3 = 5, 3 + 5 = 8, 5 + 8 = 13, 8 + 13 = 21, 13 + 21 = 34
তাই পরের পদ = 21 + 34 = 55
মনে রাখুন: এ ধরনের ধারাকে ফিবোনাচি ধারা (Fibonacci sequence) বলে, যার শুরু 0, 1, 1, 2, 3, 5, 8...। প্রকৃতিতে সূর্যমুখী ফুলের বীজ বা আনারসের খোসার নকশায়ও এই ধারা দেখা যায়।
সাধারণ জ্ঞান
- ৫৬. নিচের কোনটি প্রবাল দ্বীপ?
- ক. কুতুবদিয়া
- খ. মনপুরা
- গ. মহেশখালী
- ঘ. সেন্ট মার্টিন
উত্তর: ঘ. সেন্ট মার্টিন
সেন্ট মার্টিন বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ (Coral Island)। সমুদ্রের অগভীর পানিতে প্রবাল নামের ছোট সামুদ্রিক প্রাণীর কঙ্কাল হাজার বছর ধরে জমে এমন দ্বীপ তৈরি হয়। দ্বীপটি কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত, আর এর স্থানীয় নাম নারিকেল জিঞ্জিরা। অন্য দিকে কুতুবদিয়া, মনপুরা ও মহেশখালী পলি জমে তৈরি দ্বীপ।
মনে রাখুন:
সেন্ট মার্টিনের দক্ষিণে ছেঁড়া দ্বীপ হলো বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের ভূখণ্ড।
মহেশখালী বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ, আর ভোলা সবচেয়ে বড় দ্বীপ।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর: অন্যান্য পরীক্ষা
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পিটিআই ইন্সট্রাক্টর (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ১৪৯১) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ৩৬৯৭) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ২৮১৫) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৪০২১) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৫১২৪) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৮৪৩৩) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পিটিআই ইন্সট্রাক্টর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পিটিআই ইন্সট্রাক্টর (শিক্ষাবিজ্ঞানসহ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ; ১২ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২০১৪ সালের স্থগিত পরীক্ষা, ১৪ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২০১৪ সালের স্থগিত পরীক্ষা, ১৫ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২০১৪ সালের স্থগিত পরীক্ষা, ২০ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (বরিশাল বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (চট্টগ্রাম বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (ঢাকা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (খুলনা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (রাজশাহী বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (সিলেট বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (চট্টগ্রাম বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (ঢাকা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (খুলনা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (পিইডিপি-২) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (রাজশাহী বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (সিলেট বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (বরিশাল বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৭
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (চট্টগ্রাম বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৭
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (ঢাকা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৭
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (খুলনা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৭
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (রাজশাহী বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৭
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (সিলেট বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৭
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (ধানসিঁড়ি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (দড়াটানা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (যমুনা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (কংস) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (মেঘনা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (পদ্মা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (হেমন্ত; মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য বিশেষ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১০
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (ইছামতি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১০
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (কপোতাক্ষ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১০
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (করতোয়া) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১০
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (সুরমা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১০
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (বসন্ত) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১০
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (তিস্তা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১০
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (তিতাস) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১০
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (যমুনা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (কর্ণফুলী) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (মেঘনা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (পদ্মা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (বুড়িগঙ্গা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (দাজলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (দানিয়ুব) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (হোয়াংহো) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (যমুনা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (ঝিলাম) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (করতোয়া) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (মেঘনা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (মিসিসিপি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (পদ্মা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (রাইন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (শীতলক্ষ্যা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (সুরমা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (ভলগা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (আলফা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৪
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (বিটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৪
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (ডেলটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৪
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (গামা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৪
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৪
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৪
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৪
আরও শিক্ষক নিয়োগ ও নিবন্ধন পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৫
- এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৫
- এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৫
- এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৬
- এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৬
- এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৬
- এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৭
- এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৭
- এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৭
- এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০২২
- এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০২২
- এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০২২
- এনটিআরসিএ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০২৪
- এনটিআরসিএ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০২৪
- এনটিআরসিএ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০২৪
- এনটিআরসিএ ৮ম প্রতিষ্ঠান প্রধান নিবন্ধন (প্রধান শিক্ষক) পরীক্ষা ২০২৬
- এনটিআরসিএ ৮ম প্রতিষ্ঠান প্রধান নিবন্ধন (অধ্যক্ষ) পরীক্ষা ২০২৬
- এনটিআরসিএ ৮ম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১২
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন