লিয়ানা বুকস

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ১৪৯১) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯: প্রশ্ন ও সমাধান

পরীক্ষা হয়েছে ২০১৯। ৭৪টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।

সময় ধরে পরীক্ষা দিন →

ইংরেজি

  1. ১. Light: Blind ::
    • ক. Speech: Dumb
    • খ. Tongue: Sound
    • গ. Language: Deaf
    • ঘ. Voice: Vibration
    উত্তর: ক. Speech: Dumb
    Light আর Blind শব্দের সম্পর্কটি হলো, যে মানুষ আলো দেখতে পারে না তাকে blind বা অন্ধ বলা হয়। একইভাবে যে মানুষ কথা বলতে পারে না তাকে dumb বা বোবা বলা হয়। তাই Speech : Dumb জোড়াটিতে প্রথম শব্দটি একটি ক্ষমতা আর দ্বিতীয়টি সেই ক্ষমতা না থাকার অবস্থা, যা প্রশ্নের জোড়ার সঙ্গে মিলে যায়।
    মনে রাখুন: একই ধরনের আরেকটি জোড়া Sound : Deaf, কারণ যে শব্দ শুনতে পায় না সে deaf বা বধির। Language : Deaf জোড়ায় এই সম্পর্ক নেই।
  2. ৮. The synonym of ‘Subsequent’ is
    • ক. Current
    • খ. Antecedent
    • গ. Recent
    • ঘ. Consequent
    উত্তর: ঘ. Consequent
    Subsequent শব্দের অর্থ পরবর্তী, অর্থাৎ কোনো ঘটনার পরে যা আসে, যেমন subsequent events মানে পরবর্তী ঘটনাবলি। Consequent শব্দেরও অর্থ কোনো কিছুর ফলে পরে আসা বা পরবর্তী, তাই এটি সবচেয়ে কাছাকাছি সমার্থক। অন্য দিকে antecedent মানে পূর্ববর্তী, যা subsequent-এর বিপরীত। Current মানে চলতি আর recent মানে সাম্প্রতিক।
    মনে রাখুন: Subsequent-এর বিপরীত শব্দ Previous, Prior বা Antecedent।
  3. ৯. Three-fourths of the work __ finished.
    • ক. have been
    • খ. had
    • গ. has been
    • ঘ. were
    উত্তর: গ. has been
    Three-fourths, half, part, most বা percentage-এর মতো শব্দ দিয়ে subject শুরু হলে verb নির্ভর করে of-এর পরের noun-এর ওপর। এখানে of-এর পরে work একটি uncountable noun, তাই verb singular হবে: Three-fourths of the work has been finished.
    মনে রাখুন: of-এর পরে plural noun থাকলে verb plural হয়।
    উদাহরণ: Half of the students were absent.
  4. ১৩. Sanction means-
    • ক. Prohibit
    • খ. Verify
    • গ. Authorization
    • ঘ. Devaluating
    উত্তর: গ. Authorization
    Sanction শব্দের প্রচলিত একটি অর্থ হলো কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন বা অনুমতি, ইংরেজিতে যাকে authorization বলে। যেমন The government sanctioned the project মানে সরকার প্রকল্পটি অনুমোদন করেছে। মজার ব্যাপার হলো, শব্দটির আরেকটি প্রায় উল্টো অর্থও আছে। আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে economic sanctions বলতে কোনো দেশের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা বোঝায়। তবে প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে মূল অর্থ authorization।
    মনে রাখুন: Sanction-এর সমার্থক শব্দ approval, permission, consent।
  5. ১৬. There is no royal road __ learning.
    • ক. from
    • খ. for
    • গ. to
    • ঘ. by
    উত্তর: গ. to
    There is no royal road to learning একটি পরিচিত ইংরেজি প্রবাদ, যার মানে শেখার কোনো সহজ বা সংক্ষিপ্ত পথ নেই। পরিশ্রম করেই জ্ঞান অর্জন করতে হয়। কোনো গন্তব্যে পৌঁছানোর পথ বোঝাতে road-এর পরে to বসে, যেমন the road to success, the road to Dhaka। তাই শূন্যস্থানে to হবে।
    মনে রাখুন: কথাটি গ্রিক গণিতবিদ ইউক্লিডের নামে প্রচলিত। রাজা টলেমি জ্যামিতি শেখার সহজ পথ জানতে চাইলে তিনি বলেছিলেন, জ্যামিতিতে কোনো রাজপথ নেই।
  6. ১৯. The opposite of ‘optimism’ is
    • ক. pestilence
    • খ. pessimism
    • গ. opportunities
    • ঘ. opulence
    উত্তর: খ. pessimism
    Optimism মানে আশাবাদ, অর্থাৎ যেকোনো পরিস্থিতিতে ভালো কিছু ঘটবে বলে বিশ্বাস রাখা। এর ঠিক উল্টো মনোভাব হলো pessimism বা নৈরাশ্যবাদ, যেখানে মানুষ সব কিছুর খারাপ দিকটাই আগে দেখে। বাকি শব্দগুলোর অর্থ আলাদা: pestilence মানে মহামারি, opportunities মানে সুযোগ আর opulence মানে প্রাচুর্য বা ঐশ্বর্য।
    মনে রাখুন: আশাবাদী মানুষকে optimist আর নৈরাশ্যবাদী মানুষকে pessimist বলা হয়।
  7. ২০. Choose the correct spelling:
    • ক. Definetion
    • খ. Difination
    • গ. Definition
    • ঘ. Defination
    উত্তর: গ. Definition
    Definition শব্দটি এসেছে define (সংজ্ঞা দেওয়া) থেকে। define-এর শেষের e বাদ দিয়ে -ition যোগ করলে definition হয়, তাই বানানে তিনটি i থাকে: de-fi-ni-tion। অনেকে উচ্চারণের প্রভাবে Defination লেখেন, কিন্তু এতে a বসানো ভুল।
    মনে রাখুন: একই ধাঁচের আরও শব্দ হলো repetition (repeat থেকে), competition (compete থেকে), definite ও infinite।
  8. ২৫. I wish I _ the wings of a bird.
    • ক. have
    • খ. had
    • গ. owned
    • ঘ. put on
    উত্তর: খ. had
    বর্তমানে যা সম্ভব নয় এমন অবাস্তব ইচ্ছা প্রকাশ করতে wish-এর পরের অংশে past tense ব্যবহার করা হয়। মানুষের পাখির মতো ডানা থাকা বাস্তবে সম্ভব নয়, তাই এখানে have-এর past form had বসবে। পুরো বাক্যটি দাঁড়ায় I wish I had the wings of a bird, অর্থাৎ হায়, যদি আমার পাখির মতো ডানা থাকত।
    মনে রাখুন:
    wish-এর পরে be ক্রিয়া থাকলে সব কর্তার সঙ্গে were বসে, যেমন I wish I were a bird।
    অতীতের অপূর্ণ ইচ্ছার জন্য had + past participle বসে, যেমন I wish I had seen him।
  9. ২৭. The plural form of ‘mouse’ is-
    • ক. mousse
    • খ. mices
    • গ. mice
    • ঘ. mouses
    উত্তর: গ. mice
    Mouse শব্দের plural হলো mice। এটি একটি irregular plural, অর্থাৎ শব্দের শেষে s বা es যোগ না করে ভেতরের স্বরধ্বনি বদলে বহুবচন তৈরি হয়। তাই Mouses, Mices বা Mousse ভুল। Mousse আলাদা একটি শব্দ, যার অর্থ একধরনের মিষ্টান্ন। Mouse কম্পিউটারের যন্ত্রাংশের নামও, কিন্তু সেটির বহুবচনও mice। এমন irregular plural গুলো মুখস্থ রাখতে হয়।
    মনে রাখুন: ভেতরের স্বর বদলে হওয়া plural:
    man → men, woman → women।
    foot → feet, tooth → teeth।
    goose → geese, louse → lice।
    child → children (এটি en যোগে হয়)।
    ox → oxen
    sheep ও deer-এর বহুবচন একই থাকে।
  10. ২৮. ‘Solicit’ means-
    • ক. Legal
    • খ. Bright
    • গ. Give
    • ঘ. Seek
    উত্তর: ঘ. Seek
    Solicit মানে কোনো কিছু আনুষ্ঠানিকভাবে চাওয়া বা অনুরোধ করা, যেমন to solicit help মানে সাহায্য চাওয়া এবং to solicit votes মানে ভোট চাওয়া। তাই এর সবচেয়ে কাছের অর্থ seek। Give শব্দটি বরং উল্টো কাজ বোঝায়, আর legal ও bright শব্দের সঙ্গে এর অর্থের কোনো মিল নেই।
    মনে রাখুন: Solicitor মানে আইনজীবী (বিশেষ করে ব্রিটেনে), আর solicitation মানে আবেদন বা অনুরোধ।
  11. ৩২. What is the verb of the word ‘shortly’?
    • ক. shorter
    • খ. shorten
    • গ. shortness
    • ঘ. short
    উত্তর: খ. shorten
    Shortly একটি ক্রিয়াবিশেষণ (Adverb), যার মূল শব্দ বিশেষণ Short। কোনো বিশেষণের সঙ্গে -en যোগ করে অনেক সময় ক্রিয়া তৈরি হয়। তাই Short থেকে Shorten (ছোট করা) ক্রিয়াটি পাওয়া যায়। Shorter হলো Short-এর তুলনামূলক রূপ, আর Shortness বিশেষ্য।
    মনে রাখুন:
    বিশেষণ থেকে ক্রিয়া: wide → widen, strong → strengthen, bright → brighten।
  12. ৩৫. ‘He came off with flying colours’ মানে-
    • ক. তিনি গৌরবময় সাফল্য অর্জন করেন
    • খ. তিনি উড়ন্ত রং নিয়ে এসেছিলেন
    • গ. তিনি রং ছিটাতে ছিটাতে এসেছিলেন
    • ঘ. বিজয়ের গৌরব নিয়ে তিনি উড়ে এসেছিলেন
    উত্তর: ক. তিনি গৌরবময় সাফল্য অর্জন করেন
    Come off with flying colours একটি ইংরেজি বাগধারা (Idiom), যার মানে দারুণভাবে বা গৌরবের সঙ্গে সফল হওয়া। পুরোনো দিনে যুদ্ধ জিতে জাহাজ যখন মাস্তুলে পতাকা উড়িয়ে বন্দরে ফিরত, সেই দৃশ্য থেকে কথাটির জন্ম। এখানে colours মানে রং নয়, পতাকা। তাই আক্ষরিক অনুবাদের বিকল্পগুলো ভুল।
    উদাহরণ:
    She passed the exam with flying colours. (সে কৃতিত্বের সঙ্গে পরীক্ষায় পাস করেছে।)
  13. ৪৬. What is the past participle form of ‘put’?
    • ক. putten
    • খ. had putten
    • গ. put
    • ঘ. putted
    উত্তর: গ. put
    Put একটি irregular verb, যার তিনটি রূপই এক: put (present), put (past), put (past participle)। তাই putten বা putted বলে কোনো শব্দ নেই।
    উদাহরণ: I have put the book on the table.
    মনে রাখুন: তিন রূপ একই এমন আরও verb: cut, hit, let, set, shut, cost, hurt, spread।
  14. ৫৫. Which is the correct sentence?
    • ক. He is the most perfect judge
    • খ. He is a most perfect judge
    • গ. He is a very perfect judge
    • ঘ. He is a perfect judge
    উত্তর: ঘ. He is a perfect judge
    কিছু বিশেষণ নিজেই চূড়ান্ত বা পূর্ণ অবস্থা বোঝায়, তাই এদের তুলনা হয় না। Perfect মানে নিখুঁত, আর যা নিখুঁত তার চেয়ে বেশি নিখুঁত হওয়া সম্ভব নয়। এ কারণে perfect-এর আগে most, more বা very বসানো ব্যাকরণগতভাবে ভুল। তাই সঠিক বাক্য He is a perfect judge।
    মনে রাখুন: এমন আরও কিছু বিশেষণ হলো unique, complete, ideal, round, square, supreme, excellent। যেমন This is a unique case সঠিক, কিন্তু This is the most unique case ভুল।
  15. ৫৬. নিচের কোনটি personal pronoun?
    • ক. Any
    • খ. This
    • গ. You
    • ঘ. Who
    উত্তর: গ. You
    যে pronoun কোনো ব্যক্তির পরিবর্তে বসে এবং বক্তা, শ্রোতা বা অন্য ব্যক্তিকে বোঝায়, তাকে personal pronoun বলে। You শ্রোতাকে বোঝায়, তাই এটি second person-এর personal pronoun। বাকি বিকল্পগুলো অন্য শ্রেণির: any হলো indefinite pronoun, this হলো demonstrative pronoun আর who হলো interrogative বা relative pronoun।
    মনে রাখুন: personal pronoun-গুলো হলো I, we (first person), you (second person), he, she, it, they (third person) এবং এদের object রূপ me, us, him, her, them।
  16. ৬৩. The word ‘Lunar’ is related to-
    • ক. Light
    • খ. Moon
    • গ. Sun
    • ঘ. Earth
    উত্তর: খ. Moon
    Lunar শব্দটি এসেছে লাতিন luna থেকে, যার অর্থ চাঁদ। তাই lunar মানে চাঁদ সম্পর্কিত, অর্থাৎ এটি moon-এর সঙ্গে সম্পর্কিত।
    উদাহরণ: lunar eclipse (চন্দ্রগ্রহণ), lunar month (চান্দ্রমাস)।
    মনে রাখুন:
    Solar: সূর্য সম্পর্কিত।
    Terrestrial: পৃথিবী বা স্থল সম্পর্কিত।
    Stellar: নক্ষত্র সম্পর্কিত।
  17. ৭১. ‘Look over’ means
    • ক. neglect
    • খ. choose
    • গ. ignore
    • ঘ. examine closely
    উত্তর: ঘ. examine closely
    Look over একটি phrasal verb, যার মানে কোনো কিছু খুঁটিয়ে দেখা বা পরীক্ষা করে দেখা। যেমন Please look over my answer script মানে দয়া করে আমার খাতাটি দেখে দিন। অনেকে এটিকে overlook শব্দের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেন। Overlook মানে উপেক্ষা করা বা চোখ এড়িয়ে যাওয়া, যার অর্থ প্রায় উল্টো। তাই neglect বা ignore এখানে খাটে না।
    মনে রাখুন:
    look after = দেখাশোনা করা
    look into = তদন্ত করা
    look up to = শ্রদ্ধা করা
    look down upon = অবজ্ঞা করা
  18. ৭৪. Which one is similar to ‘Synopsis’?
    • ক. Resume
    • খ. Summary
    • গ. Brief
    • ঘ. Short Note
    উত্তর: খ. Summary
    Synopsis শব্দটি গ্রিক synopsis থেকে এসেছে, যার মানে একনজরে দেখা। ইংরেজিতে এর অর্থ কোনো বই, প্রবন্ধ বা গবেষণার মূল কথাগুলোর সংক্ষিপ্ত সার। তাই এর সবচেয়ে কাছাকাছি সমার্থক শব্দ summary। Brief বা short note দিয়ে ছোট লেখা বোঝালেও সেগুলো ঠিক কোনো বড় লেখার সারসংক্ষেপ বোঝায় না।
    মনে রাখুন: Summary-র অন্যান্য সমার্থক শব্দ হলো abstract, digest, outline, précis।

বাংলাদেশ

  1. ২. বাংলাদেশের কোন নৃ-গোষ্ঠীর উৎসব ‘সোহরাই’?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ৩৬৯৭) ২০১৯
    • ক. সাঁওতাল
    • খ. গারো
    • গ. চাকমা
    • ঘ. মারমা
    উত্তর: ক. সাঁওতাল
    সোহরাই সাঁওতালদের সবচেয়ে বড় উৎসব। পৌষ মাসে ধান কাটা শেষ হলে নতুন ফসল ঘরে তোলার আনন্দে এটি পালন করা হয়। এ সময় গবাদি পশুর মঙ্গল কামনা করা হয়, মেয়েরা নেচে-গেয়ে আনন্দ করে আর ঘরবাড়ি সাজানো হয়। বাংলাদেশে সাঁওতালরা প্রধানত রাজশাহী, দিনাজপুর ও রংপুর অঞ্চলে বাস করে।
    মনে রাখুন:
    সাঁওতালদের আরেকটি বড় উৎসব বাহা, যা ফাল্গুন মাসে ফুল ফোটার সময় পালিত হয়।
    চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরাদের সম্মিলিত উৎসব বৈসাবি, আর গারোদের প্রধান উৎসব ওয়ানগালা।
  2. ৭. অসমাপ্ত ‘অদ্ভুতসাগর’ গ্রন্থটি কে সমাপ্ত করেন?
    • ক. লক্ষ্মণ সেন
    • খ. বল্লাল সেন
    • গ. আলাউদ্দিন খিলজি
    • ঘ. সম্রাট আকবর
    উত্তর: ক. লক্ষ্মণ সেন
    সেন বংশের রাজা বল্লাল সেন নিজে পণ্ডিত ছিলেন এবং ‘দানসাগর’ ও ‘অদ্ভুতসাগর’ নামে দুটি সংস্কৃত গ্রন্থ রচনা করেন। দানসাগর তিনি শেষ করতে পারলেও অদ্ভুতসাগর অসমাপ্ত রেখেই তাঁর মৃত্যু হয়। পরে তাঁর পুত্র লক্ষ্মণ সেন গ্রন্থটি সমাপ্ত করেন। অদ্ভুতসাগর মূলত জ্যোতিষশাস্ত্র ও শুভ-অশুভ লক্ষণ নিয়ে লেখা।
    মনে রাখুন:
    লক্ষ্মণ সেনের সভাকবি ছিলেন ‘গীতগোবিন্দ’-এর রচয়িতা জয়দেব।
    সেন বংশের প্রতিষ্ঠাতা সামন্ত সেন, আর ১২০৪ সালে বখতিয়ার খলজির নদীয়া আক্রমণে লক্ষ্মণ সেন পালিয়ে যান।
  3. ২১. কবে বাংলাদেশ শিশু অধিকার সনদ বাংলাদেশ বাস্তবায়নে অঙ্গীকার নেয়?
    • ক. ১৯৯০ সালের ৩ আগস্ট
    • খ. ১৯০০ সালের ৩ মে
    • গ. ১৯০০ সালের ৩ জুলাই
    • ঘ. ১৯৯০ সালের ৩ সেপ্টেম্বর
    উত্তর: ক. ১৯৯০ সালের ৩ আগস্ট
    জাতিসংঘ ১৯৮৯ সালের ২০ নভেম্বর শিশু অধিকার সনদ (Convention on the Rights of the Child বা CRC) গ্রহণ করে। বাংলাদেশ ১৯৯০ সালের ২৬ জানুয়ারি সনদে স্বাক্ষর করে এবং একই বছরের ৩ আগস্ট অনুসমর্থন করে এটি বাস্তবায়নের অঙ্গীকার নেয়। প্রথম দিকে অনুসমর্থনকারী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম।
    মনে রাখুন:
    এই সনদ অনুযায়ী ১৮ বছরের কম বয়সী সবাই শিশু।
    সনদে মোট ৫৪টি অনুচ্ছেদ আছে, আর এটি কার্যকর হয় ১৯৯০ সালের ২ সেপ্টেম্বর।
  4. ২৪. বাংলায় স্বাধীন সুলতানি শাসন প্রতিষ্ঠা করেন কে?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ৩৬৯৭) ২০১৯
    • ক. ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বখতিয়ার খলজি
    • খ. নবাব সিরাজউদ্দৌলা
    • গ. ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ
    • ঘ. নবাব আলীবর্দী
    উত্তর: গ. ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ
    ১৩৩৮ সালে সোনারগাঁওয়ের শাসনকর্তা বাহরাম খানের মৃত্যু হলে তাঁর বর্মরক্ষক ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ ক্ষমতা দখল করেন। তিনি দিল্লির সুলতানের আনুগত্য অস্বীকার করে নিজেকে স্বাধীন সুলতান ঘোষণা করেন, আর এভাবেই বাংলায় স্বাধীন সুলতানি শাসনের সূচনা হয়। প্রায় ২০০ বছর ধরে এই স্বাধীন সুলতানি যুগ চলে।
    মনে রাখুন:
    শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ ১৩৫২ সালে সমগ্র বাংলাকে প্রথম একত্র করে ‘শাহ-ই-বাঙ্গালাহ’ উপাধি নেন।
    বখতিয়ার খলজি ১২০৪ সালে বাংলায় মুসলিম শাসনের সূচনা করেন, তবে তা ছিল দিল্লির অধীনে।
  5. ৪৩. বাংলাদেশের অস্থায়ী সংবিধান আদেশ কত তারিখে জারি করা হয়?
    • ক. ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ
    • খ. ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর
    • গ. ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর
    • ঘ. ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি
    উত্তর: ঘ. ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি
    পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি দেশে ফেরেন। পরদিন ১১ জানুয়ারি তিনি রাষ্ট্রপতি হিসেবে ‘বাংলাদেশের অস্থায়ী সংবিধান আদেশ’ জারি করেন। এই আদেশের মাধ্যমে দেশে রাষ্ট্রপতিশাসিত ব্যবস্থার বদলে সংসদীয় সরকারব্যবস্থা চালু হয়, আর ১২ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।
    মনে রাখুন:
    গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হয় ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর।
    সংবিধান কার্যকর হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
  6. ৬১. মুজিবনগর সরকারের ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী কে ছিলেন?
    • ক. তাজউদ্দীন আহমদ
    • খ. খন্দকার মোশতাক আহমেদ
    • গ. এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান
    • ঘ. এম. মনসুর আলী
    উত্তর: গ. এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান
    মুজিবনগর সরকারে এ এইচ এম কামারুজ্জামান স্বরাষ্ট্র, কৃষি, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন। এই সরকারে এম মনসুর আলী ছিলেন অর্থমন্ত্রী, খন্দকার মোশতাক আহমদ পররাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রী, আর তাজউদ্দীন আহমদ প্রধানমন্ত্রী।
    মনে রাখুন:
    ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর কারাগারে নিহত জাতীয় চার নেতা: সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এম মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামারুজ্জামান।
    দিনটি জেলহত্যা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
  7. ৬৭. কোন মুসলিম শাসনকালকে ‘স্বর্ণযুগ’ বলা হয়?
    • ক. বখতিয়ার খিলজি
    • খ. হুসেন শাহ
    • গ. সম্রাট শাহজাহান
    • ঘ. সম্রাট বাবর
    উত্তর: খ. হুসেন শাহ
    আলাউদ্দিন হুসেন শাহ ১৪৯৩ থেকে ১৫১৯ সাল পর্যন্ত বাংলা শাসন করেন। তাঁর সময়ে দেশে শান্তি ও সমৃদ্ধি ছিল, রাজ্যের সীমা বাড়ে আর বাংলা সাহিত্যের বিপুল বিকাশ ঘটে। হিন্দু-মুসলিম সবাইকে তিনি সমান মর্যাদা দিতেন, তাই তাঁর আমলকে বাংলার মুসলিম শাসনের স্বর্ণযুগ বলা হয়। তাঁর পৃষ্ঠপোষকতায় মালাধর বসু, বিজয়গুপ্ত ও বিপ্রদাস পিপলাইয়ের মতো কবিরা সাহিত্য রচনা করেন।
    মনে রাখুন:
    তিনি ‘নৃপতি তিলক’ ও ‘জগৎভূষণ’ উপাধি পেয়েছিলেন।
    হুসেন শাহী বংশের প্রতিষ্ঠাতা তিনিই, আর শ্রীচৈতন্যদেব তাঁর সমসাময়িক।

গণিত

  1. ৩. একটি সরলরেখার সাথে আর একটি রেখাংশ মিলিত হয়ে যে সন্নিহিত কোণ উৎপন্ন হয় তাদের সমষ্টি কত হবে?
    • ক. ৯০°
    • খ. ১২০°
    • গ. ১৮০°
    • ঘ. ৬০°
    উত্তর: গ. ১৮০°
    একটি সরলরেখার কোনো বিন্দুতে আরেকটি রেখাংশ এসে মিললে দুই পাশে দুটি কোণ তৈরি হয়। এ দুটি কোণের একটি সাধারণ বাহু ও শীর্ষবিন্দু থাকে, তাই এরা সন্নিহিত কোণ, আর দুটি মিলে একটি সরলকোণ তৈরি করে। সরলকোণের মান 180°, তাই সন্নিহিত কোণ দুটির সমষ্টিও 180°।
    মনে রাখুন:
    যে দুটি কোণের সমষ্টি 180°, তারা পরস্পরের সম্পূরক কোণ।
    যে দুটি কোণের সমষ্টি 90°, তারা পরস্পরের পূরক কোণ।
  2. ১০. √0.000009 = কত?
    • ক. 0.0003
    • খ. 0.03
    • গ. 0.3
    • ঘ. 0.003
    উত্তর: ঘ. 0.003
    দশমিক সংখ্যাকে ভগ্নাংশে লিখলে বর্গমূল সহজে বের করা যায়।
    0.000009 = 9/1000000
    √(9/1000000) = 3/1000 = 0.003
    যাচাই করলেও মেলে, কারণ 0.003 × 0.003 = 0.000009।
    মনে রাখুন: পূর্ণবর্গ দশমিক সংখ্যার দশমিকের পরে যতগুলো অঙ্ক থাকে, বর্গমূলে তার অর্ধেক সংখ্যক অঙ্ক থাকে। এখানে ৬টি অঙ্ক থেকে ৩টি অঙ্ক হয়েছে।
  3. ১৭. কোন কোন স্বাভাবিক সংখ্যা দ্বারা ৩৪৬ কে ভাগ করলে প্রতি ক্ষেত্রে ৩১ অবশিষ্ট থাকবে?
    • ক. ৩৫, ৪০, ৬৫, ১১০, ৩১৫
    • খ. ৩৫, ৪৫, ৭০, ১০৫, ৩১৫
    • গ. ৩৫, ৪৫, ৬৩, ১১০, ৩১৫
    • ঘ. ৩৫, ৪৫, ৬৩, ১০৫, ৩১৫
    উত্তর: ঘ. ৩৫, ৪৫, ৬৩, ১০৫, ৩১৫
    কোনো সংখ্যাকে ভাগ করলে ভাগশেষ ৩১ থাকলে ভাজক সংখ্যাটির 346 − 31 = 315-এর গুণনীয়ক হবে। আবার ভাগশেষ সবসময় ভাজকের চেয়ে ছোট হয়, তাই ভাজক অবশ্যই ৩১-এর চেয়ে বড় হতে হবে। এখন 315 = 3² × 5 × 7। এর গুণনীয়কগুলো 1, 3, 5, 7, 9, 15, 21, 35, 45, 63, 105, 315। এর মধ্যে ৩১-এর চেয়ে বড় গুণনীয়ক হলো 35, 45, 63, 105 ও 315।
    মনে রাখুন: ভাজ্য − ভাগশেষ সংখ্যাটি ভাজক দিয়ে নিঃশেষে বিভাজ্য।
  4. ১৮. ৫৬০ টাকার একটি চেয়ার কিনে কত টাকায় বিক্রয় করলে ২৫% লাভ হবে?
    • ক. ৭০০
    • খ. ৮০০
    • গ. ৬৫০
    • ঘ. ৭৫০
    উত্তর: ক. ৭০০
    লাভের হার সব সময় ক্রয়মূল্যের ওপর হিসাব করা হয়। ক্রয়মূল্য 100 টাকা হলে 25% লাভে বিক্রয়মূল্য হয় 125 টাকা।
    বিক্রয়মূল্য = 560 × 125/100 = 560 × 1.25 = 700 টাকা
    অর্থাৎ লাভ হবে 700 − 560 = 140 টাকা, যা 560-এর 25%।
    মনে রাখুন: x% লাভে বিক্রয়মূল্য = ক্রয়মূল্য × (100 + x)/100, আর x% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = ক্রয়মূল্য × (100 − x)/100।
  5. ২৩. একটি সমকোণী ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল ১৪৪ বর্গএকক। সমকোণ সন্নিহিত বাহুদ্বয়ের একটির দৈর্ঘ্য ১২ একক হলে, অপরটি কত একক?
    • ক. ১০
    • খ. ২৪
    • গ. ৩০
    • ঘ. ২০
    উত্তর: খ. ২৪
    সমকোণী ত্রিভুজে সমকোণের দুই পাশের বাহু দুটি পরস্পরের ওপর লম্ব, তাই একটিকে ভূমি ও অন্যটিকে উচ্চতা ধরা যায়।
    ক্ষেত্রফল = 1/2 × ভূমি × উচ্চতা
    144 = 1/2 × 12 × x
    144 = 6x
    x = 24 একক
    মনে রাখুন: এই ত্রিভুজের অতিভুজ হবে √(12² + 24²) = √720 = 12√5 একক।
  6. ২৯. কোনো শ্রেণিতে ২০ জন ছাত্রের বয়সের গড় ১২ বছর। ৪ জন নতুন ছাত্র ভর্তি হওয়াতে বয়সের গড় ৪ মাস কমে গেল। নতুন ৪ জন ছাত্রের বয়সের গড় কত বছর?
    • ক. ১১
    • খ. ৮
    • গ. ৯
    • ঘ. ১০
    উত্তর: ঘ. ১০
    প্রথমে পুরোনো ছাত্রদের মোট বয়স আর নতুন গড়ে সবার মোট বয়স বের করতে হবে, তাহলে পার্থক্যটাই নতুন ছাত্রদের মোট বয়স।
    20 জনের মোট বয়স = 20 × 12 = 240 বছর
    নতুন গড় = 12 বছর − 4 মাস = 11 বছর 8 মাস = 35/3 বছর
    24 জনের মোট বয়স = 24 × 35/3 = 280 বছর
    নতুন 4 জনের মোট বয়স = 280 − 240 = 40 বছর
    নতুন 4 জনের গড় = 40 ÷ 4 = 10 বছর
    মনে রাখুন: মাসকে বছরে নিতে 12 দিয়ে ভাগ করতে হয়, যেমন 4 মাস = 4/12 = 1/3 বছর।
  7. ৩০. একটি চৌবাচ্চা তিনটি নল দিয়ে যথাক্রমে ৮, ১২ ও ২৪ ঘণ্টা পূর্ণ হতে পারে। তিনটি নল একসঙ্গে খুলে দিলে চৌবাচ্চাটি তিন-চতুর্থাংশ পূর্ণ হতে কত সময় লাগবে?
    • ক. ৪ ঘণ্টা
    • খ. ৫ ঘণ্টা
    • গ. ৩ ঘণ্টা
    • ঘ. ২ ঘণ্টা
    উত্তর: গ. ৩ ঘণ্টা
    প্রতিটি নল ১ ঘণ্টায় চৌবাচ্চার কত অংশ ভরে তা যোগ করলে তিনটির মিলিত কাজ পাওয়া যায়।
    1 ঘণ্টায় পূর্ণ হয় = 1/8 + 1/12 + 1/24 = (3 + 2 + 1)/24 = 6/24 = 1/4 অংশ
    সুতরাং পুরো চৌবাচ্চা পূর্ণ হতে লাগে 4 ঘণ্টা।
    3/4 অংশ পূর্ণ হতে লাগবে 4 × 3/4 = 3 ঘণ্টা।
    মনে রাখুন: কোনো নল x ঘণ্টায় চৌবাচ্চা পূর্ণ করলে ১ ঘণ্টায় করে 1/x অংশ, আর খালি করার নল থাকলে তার অংশটি বিয়োগ করতে হয়।
  8. ৩৬. একটি ঘোড়ার গাড়ির সামনের চাকার পরিধি ৩ মিটার। পিছনের চাকার পরিধি ৪ মিটার। গাড়িটি কত পথ গেলে সামনের চাকা পেছনের চাকার চেয়ে ১০০ বার বেশি ঘুরবে?
    • ক. ১.৬ কিমি
    • খ. ১ কিমি
    • গ. ১.২ কিমি
    • ঘ. ১.৮ কিমি
    উত্তর: গ. ১.২ কিমি
    গাড়ি যতটা পথ যায়, প্রতিটি চাকাও ততটা পথ গড়িয়ে যায়। তাই কোনো চাকা কতবার ঘুরবে তা পাওয়া যায় মোট পথকে চাকার পরিধি দিয়ে ভাগ করলে।
    ধরি, গাড়িটি d মিটার পথ যায়।
    সামনের চাকা ঘোরে d/3 বার, পেছনের চাকা ঘোরে d/4 বার।
    d/3 − d/4 = 100
    (4d − 3d)/12 = 100
    d = 1200 মিটার = 1.2 কিলোমিটার
    মনে রাখুন: ছোট পরিধির চাকা একই পথে বেশিবার ঘোরে, তাই সামনের চাকার ঘূর্ণন সংখ্যা বেশি।
  9. ৪০. কোন সংখ্যার সংখ্যাটির ১/২ অংশের সাথে ৬ যোগ করলে ২/৩ অংশ হবে। সংখ্যাটি কত?
    • ক. ৩৫
    • খ. ৫২
    • গ. ২৩
    • ঘ. ৩৬
    উত্তর: ঘ. ৩৬
    ধরি, সংখ্যাটি x।
    শর্তমতে, x/2 + 6 = 2x/3
    ⇒ 2x/3 − x/2 = 6 ⇒ (4x − 3x)/6 = 6 ⇒ x/6 = 6 ⇒ x = 36
    যাচাই: 36-এর অর্ধেক 18, তার সঙ্গে 6 যোগ করলে 24, আর 36-এর 2/3 অংশও 24।
  10. ৪১. a – [a – a – (a – 1)] =
    • ক. 2a + 1
    • খ. 2a – 1
    • গ. 1
    • ঘ. a + 1
    উত্তর: খ. 2a – 1
    বন্ধনী থাকলে সবচেয়ে ভেতরের বন্ধনী থেকে সরল করা শুরু করতে হয়। বন্ধনীর আগে বিয়োগ চিহ্ন থাকলে বন্ধনী তুলে দেওয়ার সময় ভেতরের প্রতিটি পদের চিহ্ন উল্টে যায়।
    a − [a − a − (a − 1)]
    = a − [a − a − a + 1]
    = a − [−a + 1]
    = a + a − 1
    = 2a − 1
    মনে রাখুন: সরলীকরণে বন্ধনী খোলার ক্রম হলো প্রথমে প্রথম বন্ধনী ( ), তারপর দ্বিতীয় বন্ধনী { }, শেষে তৃতীয় বন্ধনী [ ]।
  11. ৪২. পাঁচটি ঘণ্টা একত্রে বেজে যথাক্রমে ৩, ৫, ৭, ৮ ও ১০ সেকেন্ড অন্তর অন্তর বাজতে লাগলো। কতক্ষণ পরে ঘণ্টাগুলো পুনরায় একত্রে বাজবে?
    • ক. ১০ মিনিট
    • খ. ১৪ মিনিট
    • গ. ৯০ সেকেন্ড
    • ঘ. ২৪০ সেকেন্ড
    উত্তর: খ. ১৪ মিনিট
    ঘণ্টাগুলো আবার একসঙ্গে বাজবে এমন এক সময় পরে, যা প্রতিটি ঘণ্টার বাজার ব্যবধান দিয়ে নিঃশেষে বিভাজ্য। এমন সবচেয়ে ছোট সময় হলো ব্যবধানগুলোর ল.সা.গু. (LCM)।
    3 = 3, 5 = 5, 7 = 7, 8 = 2³, 10 = 2 × 5
    ল.সা.গু. = 2³ × 3 × 5 × 7 = 840 সেকেন্ড
    840 সেকেন্ড = 840 ÷ 60 = 14 মিনিট
    মনে রাখুন: ল.সা.গু. বের করতে প্রতিটি মৌলিক উৎপাদকের সর্বোচ্চ ঘাত নিতে হয়, এখানে 2-এর সর্বোচ্চ ঘাত 2³।
  12. ৪৫. কোনো ছাত্রাবাসে ১৫ জন ছাত্রের ৩২ দিনের খাদ্য আছে। কয়েকজন নতুন ছাত্র আসায় ২০ দিনে ঐ খাদ্য শেষ হলে নতুন ছাত্রের সংখ্যা কত?
    • ক. ৯
    • খ. ১২
    • গ. ৭
    • ঘ. ৬
    উত্তর: ক. ৯
    খাদ্যের পরিমাণ একই থাকলে ছাত্র বাড়লে দিন কমে যায়, অর্থাৎ ছাত্রসংখ্যা ও দিনসংখ্যা ব্যস্ত অনুপাতে থাকে। তাই মোট খাদ্যকে জন-দিন হিসেবে ধরা সুবিধাজনক।
    মোট খাদ্য = 15 × 32 = 480 জন-দিনের
    20 দিনে শেষ হলে ছাত্রসংখ্যা = 480 ÷ 20 = 24 জন
    নতুন ছাত্র = 24 − 15 = 9 জন
    মনে রাখুন: এ ধরনের অঙ্কে প্রথম অবস্থার (লোক × দিন) আর দ্বিতীয় অবস্থার (লোক × দিন) সমান ধরে সমীকরণ গঠন করা যায়।
  13. ৫০. x³ = 64 হলে, x-এর মান কত?
    • ক. 3
    • খ. 4
    • গ. 5
    • ঘ. 6
    উত্তর: খ. 4
    x³ = 64 মানে x-কে তিনবার গুণ করলে 64 হয়, তাই x হলো 64-এর ঘনমূল (Cube Root)।
    64 = 4 × 4 × 4 = 4³
    সুতরাং x = ∛64 = 4
    মনে রাখুন:
    প্রথম কয়েকটি পূর্ণঘন সংখ্যা: 1, 8, 27, 64, 125, 216, 343, 512, 729, 1000।
    বাস্তব সংখ্যায় 64-এর ঘনমূল একটিই, অথচ বর্গমূল দুটি (+8 ও −8)।
  14. ৫১. a + b = 9, a – b = 7 হলে ab কত?
    • ক. 6
    • খ. 10
    • গ. 8
    • ঘ. 4
    উত্তর: গ. 8
    দুটি সমীকরণ যোগ ও বিয়োগ করলে a ও b-এর মান আলাদাভাবে বেরিয়ে আসে।
    (a + b) + (a − b) = 9 + 7, তাই 2a = 16, a = 8
    (a + b) − (a − b) = 9 − 7, তাই 2b = 2, b = 1
    ab = 8 × 1 = 8
    সূত্র দিয়েও করা যায়: 4ab = (a + b)² − (a − b)² = 81 − 49 = 32, তাই ab = 8।
    মনে রাখুন: (a + b)² − (a − b)² = 4ab এবং (a + b)² + (a − b)² = 2(a² + b²)।
  15. ৫৩. x⁴ + x² + 1 এর একটি উৎপাদক x² + x + 1 হলে, অপরটি কত?
    • ক. x² – 1
    • খ. x² + x + 1
    • গ. x² – x + 1
    • ঘ. x² + 1
    উত্তর: গ. x² – x + 1
    রাশিটিকে পূর্ণবর্গের আকারে সাজালে দুটি বর্গের অন্তর পাওয়া যায়, আর তখন সূত্র দিয়ে সহজেই উৎপাদকে বিশ্লেষণ করা যায়।
    x⁴ + x² + 1 = (x⁴ + 2x² + 1) − x²
    = (x² + 1)² − x²
    = (x² + 1 + x)(x² + 1 − x)
    = (x² + x + 1)(x² − x + 1)
    সুতরাং অপর উৎপাদকটি x² − x + 1।
    মনে রাখুন: a² − b² = (a + b)(a − b) সূত্রটি এ ধরনের উৎপাদক বিশ্লেষণে সবচেয়ে বেশি কাজে লাগে।
  16. ৫৮. একটি ঘড়ি দুপুর ১২টা হতে চলতে শুরু করেছে। ৫টা ১০ মিনিটে ঘণ্টার কাঁটাটি কত ডিগ্রিতে ঘুরবে?
    • ক. ১৪৫°
    • খ. ১৫৫°
    • গ. ১৫০°
    • ঘ. ১৬০°
    উত্তর: খ. ১৫৫°
    ঘণ্টার কাঁটা ১২ ঘণ্টায় পুরো ঘড়ি, অর্থাৎ ৩৬০° ঘোরে। তাই এটি প্রতি ঘণ্টায় ৩০° এবং প্রতি মিনিটে আধা ডিগ্রি ঘোরে।
    12টা থেকে 5টা 10 মিনিট পর্যন্ত সময় = 5 ঘণ্টা 10 মিনিট = 310 মিনিট
    ঘণ্টার কাঁটার ঘূর্ণন = 310 × 0.5° = 155°
    অন্যভাবে: 5 × 30° + 10 × 0.5° = 150° + 5° = 155°
    মনে রাখুন: মিনিটের কাঁটা প্রতি মিনিটে ৬° ঘোরে, তাই দুই কাঁটার মধ্যে প্রতি মিনিটে ৫.৫° পার্থক্য তৈরি হয়।
  17. ৭০. শফিক ২৪০ টাকায় কতগুলো কলম কিনলো। সে যদি ঐ টাকায় একটি কলম বেশি পেতো তার প্রতিটি কলমের দাম গড়ে ১ টাকা কম পড়তো। সে কতগুলো কলম কিনলো?
    • ক. ১৫
    • খ. ১৬
    • গ. ১৮
    • ঘ. ১৪
    উত্তর: ক. ১৫
    কলমের সংখ্যা ধরে নিয়ে দুটি অবস্থার প্রতি কলমের দামের পার্থক্যকে ১ টাকা ধরলে সমীকরণ পাওয়া যায়।
    ধরি, কলম কিনেছিল n টি।
    240/n − 240/(n + 1) = 1
    240(n + 1 − n) = n(n + 1)
    n(n + 1) = 240
    15 × 16 = 240, তাই n = 15
    যাচাই: ১৫টি কলমে প্রতিটির দাম 240/15 = 16 টাকা, আর ১৬টি হলে 240/16 = 15 টাকা, পার্থক্য ঠিক 1 টাকা।
    মনে রাখুন: এমন অঙ্কে বিকল্প থেকে পরপর দুটি সংখ্যার গুণফল মিলিয়ে দেখাই সবচেয়ে দ্রুত উপায়।
  18. ৭২. বার্ষিক শতকরা ১০ টাকা হারে সুদে-আসলে কোনো মূলধন কত বছর পর আসলের দ্বিগুণ হবে?
    • ক. ৩৫
    • খ. ১০
    • গ. ২০
    • ঘ. ৩০
    উত্তর: খ. ১০
    সরল সুদে (Simple Interest) আসল দ্বিগুণ হওয়া মানে সুদের পরিমাণ আসলের সমান হওয়া, অর্থাৎ আসলের ১০০% সুদ জমা হওয়া।
    ধরি, আসল 100 টাকা, তাহলে সুদ হবে 100 টাকা।
    সময় = সুদ × 100 / (আসল × হার) = 100 × 100 / (100 × 10) = 10 বছর
    মনে রাখুন: সরল সুদে আসল n গুণ হতে সময় লাগে (n − 1) × 100 / হার বছর। যেমন ১০% হারে তিন গুণ হতে লাগবে 2 × 100/10 = 20 বছর।
  19. ৭৩. ৬, ৮ ও ১০ এর গাণিতিক গড় ৭, ৯ ও x এর গাণিতিক গড়ের সমান হলে x এর মান কত?
    • ক. ৭
    • খ. ৮
    • গ. ৫
    • ঘ. ৬
    উত্তর: খ. ৮
    দুই দলের গড় সমান হলে এবং দুই দলে সংখ্যা সমান হলে তাদের যোগফলও সমান হবে।
    6, 8 ও 10-এর গড় = (6 + 8 + 10)/3 = 24/3 = 8
    তাই 7, 9 ও x-এর গড়ও 8, অর্থাৎ যোগফল = 8 × 3 = 24
    7 + 9 + x = 24
    x = 24 − 16 = 8
    মনে রাখুন: গাণিতিক গড় (Arithmetic Mean) = রাশিগুলোর যোগফল ÷ রাশির সংখ্যা।

বাংলা

  1. ৪. ‘তুমি না বলেছিলে এখানে আসবে’- এখানে ‘না’-এর ব্যবহার কী অর্থে?
    • ক. প্রশ্নবোধক
    • খ. বিস্ময়সূচক
    • গ. না-বোধক
    • ঘ. হ্যাঁ-বোধক
    উত্তর: ঘ. হ্যাঁ-বোধক
    ‘তুমি না বলেছিলে এখানে আসবে’ বাক্যে ‘না’ অস্বীকার বা নিষেধ বোঝাচ্ছে না। বক্তা আসলে জোর দিয়ে মনে করিয়ে দিচ্ছেন যে শ্রোতা আসবে বলে কথা দিয়েছিল, অর্থাৎ এখানে ‘না’ হ্যাঁ-বোধক বা নিশ্চয়তা অর্থে বসেছে।
    মনে রাখুন: ‘না’ অব্যয়টি নানা অর্থে বসে:
    নিষেধ: সেখানে যেও না।
    অনুরোধ: একটু বসো না।
    সংশয় বা প্রশ্ন: সে আসবে না কি?
  2. ৫. ‘বর্ণ’ হচ্ছে-
    • ক. ধ্বনির শ্রুতিগ্রাহ্য রূপ
    • খ. ধ্বনি নির্দেশক প্রতীক
    • গ. একই সঙ্গে উচ্চারিত ধ্বনিগুচ্ছ
    • ঘ. শব্দের ক্ষুদ্রতম অংশ
    উত্তর: খ. ধ্বনি নির্দেশক প্রতীক
    ধ্বনি আমরা মুখে উচ্চারণ করি ও কানে শুনি, কিন্তু তা লিখে রাখতে হলে প্রতিটি ধ্বনির জন্য একটি চিহ্ন বা প্রতীক দরকার হয়। ধ্বনি নির্দেশক এই প্রতীককেই বর্ণ (Letter) বলে, আর সব বর্ণের সমষ্টিকে বর্ণমালা বলা হয়।
    মনে রাখুন:
    বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ ৫০টি।
    একই সঙ্গে উচ্চারিত ধ্বনিগুচ্ছকে অক্ষর (Syllable) বলে।
  3. ৬. ‘তেপান্তর’ কোন সমাসের উদাহরণ?
    • ক. কর্মধারয়
    • খ. বহুব্রীহি
    • গ. দ্বিগু
    • ঘ. অব্যয়ীভাব
    উত্তর: গ. দ্বিগু
    তেপান্তর শব্দের অর্থ তিন প্রান্তরের সমাহার, অর্থাৎ বিশাল খোলা মাঠ। এখানে প্রথম পদ ‘তে’ (তিন) একটি সংখ্যাবাচক শব্দ, আর পুরো সমাসটি দিয়ে সমষ্টি বা সমাহার বোঝানো হয়েছে। সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের সমাস হয়ে সমাহার বোঝালে তাকে দ্বিগু সমাস বলে, তাই তেপান্তর দ্বিগু সমাস।
    উদাহরণ:
    তিন মাথার সমাহার = তেমাথা
    শত অব্দের সমাহার = শতাব্দী
    পঞ্চ বটের সমাহার = পঞ্চবটী
    মনে রাখুন: সংখ্যাবাচক শব্দ থাকলেই দ্বিগু হয় না; সমাহার না বুঝিয়ে অন্য কিছু বোঝালে বহুব্রীহি হয়, যেমন দশানন (দশ আনন যার)।
  4. ১৪. আমি, তুমি ও সে-
    • ক. সবাই
    • খ. আমরা
    • গ. আমাদের
    • ঘ. সকলে
    উত্তর: খ. আমরা
    বক্তা নিজেকে বোঝাতে আমি ব্যবহার করেন, যা উত্তম পুরুষ (First Person)। যখন বক্তা নিজের সঙ্গে শ্রোতা (তুমি, মধ্যম পুরুষ) এবং অন্য কাউকে (সে, নাম পুরুষ) একসঙ্গে বোঝান, তখন সবাইকে মিলিয়ে উত্তম পুরুষের বহুবচন আমরা ব্যবহার করা হয়। কারণ একাধিক পুরুষ একসঙ্গে থাকলে উত্তম পুরুষ সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পায়।
    মনে রাখুন:
    তুমি ও সে = তোমরা (মধ্যম পুরুষ নাম পুরুষের চেয়ে প্রাধান্য পায়)।
    আমি ও তুমি = আমরা।
  5. ১৫. ‘বুঝে শুনে উত্তর দাও নতুবা ভুল হবে’ বাক্যটি কোন শ্রেণির?
    • ক. জটিল
    • খ. মিশ্র
    • গ. যৌগিক
    • ঘ. সরল
    উত্তর: গ. যৌগিক
    এই বাক্যে দুটি অংশ আছে: ‘বুঝে শুনে উত্তর দাও’ আর ‘ভুল হবে’। দুটি অংশই আলাদাভাবে পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করতে পারে, তাই এরা স্বাধীন বাক্য। এদের জুড়ে দিয়েছে নতুবা নামের একটি অব্যয়। দুই বা তার বেশি স্বাধীন বাক্য অব্যয় দিয়ে যুক্ত হয়ে একটি বাক্য তৈরি করলে তাকে যৌগিক বাক্য (Compound Sentence) বলে।
    মনে রাখুন: যৌগিক বাক্যে সাধারণত এবং, ও, কিন্তু, অথবা, নতুবা, অথচ, তবু, সুতরাং ইত্যাদি অব্যয় বসে। অন্য দিকে যদি, যে, যখন ইত্যাদি সাপেক্ষ শব্দ থাকলে বাক্যটি জটিল বা মিশ্র হয়।
  6. ২২. ‘সকল শিক্ষকগণ আজ উপস্থিত’ বাক্যটি কোন দোষে দুষ্ট?
    • ক. গুরুচণ্ডালী দোষ
    • খ. বিদেশি শব্দ দোষ
    • গ. দুর্বোধ্যতা দোষ
    • ঘ. বাহুল্য দোষ
    উত্তর: ঘ. বাহুল্য দোষ
    বাক্যে একই অর্থের শব্দ অপ্রয়োজনে একাধিকবার ব্যবহার করলে তাকে বাহুল্য দোষ বলে। ‘সকল’ ও ‘গণ’ দুটিই বহুবচন বোঝায়, তাই একসঙ্গে ব্যবহার করায় বহুবচন দুবার এসেছে। শুদ্ধ রূপ হবে ‘সকল শিক্ষক আজ উপস্থিত’ অথবা ‘শিক্ষকগণ আজ উপস্থিত’।
    মনে রাখুন:
    গুরুচণ্ডালী দোষ: তৎসম শব্দের সঙ্গে দেশি শব্দের অসংগত মিশ্রণ, যেমন ‘শবদাহ’-এর জায়গায় ‘মড়াদাহ’।
    বাহুল্য দোষের আরেক উদাহরণ: ‘সব মানুষেরা’।
  7. ৩৩. ‘আ মরি বাংলা ভাষা’ এ ‘আ’ দ্বারা কী প্রকাশ করা হয়েছে?
    • ক. আনন্দ
    • খ. আশা
    • গ. আবেগ
    • ঘ. আনুগত্য
    উত্তর: ক. আনন্দ
    ‘আ মরি বাংলা ভাষা’ গানে আ শব্দটি একটি অব্যয়, যা দিয়ে মাতৃভাষার প্রতি মনের গভীর আনন্দ, মুগ্ধতা ও ভালোবাসা প্রকাশ পেয়েছে। এ ধরনের যে অব্যয় বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক না রেখে মনের ভাব প্রকাশ করে, তাকে অনন্বয়ী অব্যয় বলে। ‘মোদের গরব মোদের আশা’ গানটি লিখেছেন অতুলপ্রসাদ সেন।
    মনে রাখুন: অনন্বয়ী অব্যয়ে নানা ভাব প্রকাশ পায়, যেমন আহা (আনন্দ বা দুঃখ), ছি ছি (ঘৃণা), উঃ (যন্ত্রণা), বাহ্ (প্রশংসা)।
  8. ৩৮. শুদ্ধ শব্দগুচ্ছ কোনটি?
    • ক. গণনা, গনিকা, শোনিত
    • খ. গণনা, গণিকা, শোণিত
    • গ. গনণা, গনিকা, শোনিত
    • ঘ. গননা, গণিকা, শোনিত
    উত্তর: খ. গণনা, গণিকা, শোণিত
    ণত্ব বিধান অনুযায়ী কিছু তৎসম শব্দে স্বভাবতই মূর্ধন্য ণ বসে। ‘গণনা’, ‘গণিকা’ ও ‘শোণিত’ এমনই শব্দ, তাই তিনটিতেই মূর্ধন্য ণ লিখতে হবে। শোণিত মানে রক্ত, আর গণনা মানে গোনা। লক্ষ করার বিষয়, গণনা শব্দের দ্বিতীয় ‘না’-তে দন্ত্য ন বসে।
    মনে রাখুন: স্বভাবতই মূর্ধন্য ণ যুক্ত আরও শব্দ: কণা, বাণিজ্য, লবণ, বীণা, গুণ, পণ্য, মাণিক্য।
  9. ৪৪. ‘সিত’ শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
    • ক. বস্ত্র
    • খ. শুক্ল
    • গ. শীত
    • ঘ. অন্ধকার
    উত্তর: খ. শুক্ল
    সিত একটি তৎসম শব্দ, যার অর্থ সাদা বা শুভ্র। শুক্ল শব্দেরও অর্থ সাদা, তাই এ দুটি সমার্থক। চাঁদের যে পক্ষে আলো ক্রমে বাড়তে থাকে তাকে শুক্লপক্ষ বলে, আর এখানেও শুক্ল মানে আলোকিত বা সাদা। অনেকে শীত শব্দের সঙ্গে সিত গুলিয়ে ফেলেন, কিন্তু শীত মানে ঠান্ডা, অর্থ সম্পূর্ণ আলাদা।
    মনে রাখুন:
    সাদার সমার্থক: সিত, শুক্ল, শুভ্র, ধবল, শ্বেত।
    সিত শব্দের বিপরীত অসিত, যার অর্থ কালো।
  10. ৪৮. একই সঙ্গে উচ্চারিত দুটি মিলিত স্বরধ্বনিকে কী বলে?
    • ক. অনাসৃত স্বর
    • খ. যৌগিক স্বর
    • গ. একাক্ষর স্বর
    • ঘ. মৌলিক স্বর
    উত্তর: খ. যৌগিক স্বর
    পাশাপাশি দুটি স্বরধ্বনি দ্রুত উচ্চারণের সময় যদি মিলে গিয়ে একটি মিলিত স্বরধ্বনি হিসেবে এক প্রয়াসে উচ্চারিত হয়, তাকে যৌগিক স্বর বা দ্বিস্বর (Diphthong) বলে। বাংলা বর্ণমালায় এমন দুটি যৌগিক স্বরের নিজস্ব বর্ণ আছে, ঐ এবং ঔ।
    উদাহরণ:
    অ + ই = ঐ (যেমন বৈ)
    অ + উ = ঔ (যেমন মৌ)
    মনে রাখুন: যে স্বরধ্বনিকে আর ভাঙা যায় না, তাকে মৌলিক স্বর বলে। বাংলায় মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি: অ, আ, ই, উ, এ, ও, অ্যা।
  11. ৪৯. ‘নৌকায় নদী পার হলাম’ নৌকায় কোন কারকে কোন বিভক্তি?
    • ক. কর্মে সপ্তমী
    • খ. অধিকরণে পঞ্চমী
    • গ. করণে সপ্তমী
    • ঘ. সম্প্রদানে চতুর্থী
    উত্তর: গ. করণে সপ্তমী
    যার সাহায্যে বা যে উপায়ে কর্তা কাজটি সম্পন্ন করে, তাকে করণ কারক বলে। এই বাক্যে নদী পার হওয়ার কাজটি নৌকার সাহায্যে করা হয়েছে, তাই নৌকা হলো করণ। আর নৌকা শব্দের সঙ্গে যুক্ত ‘য়’ বিভক্তিটি সপ্তমী বিভক্তি, তাই নৌকায় পদটি করণে সপ্তমী।
    মনে রাখুন: বাক্যে ‘কিসের দ্বারা’ প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা করণ কারক, আর ‘কোথায়’ বা ‘কখন’ প্রশ্নের উত্তর অধিকরণ কারক।
    উদাহরণ: কলমে লেখা হয় (করণে সপ্তমী), পুকুরে মাছ আছে (অধিকরণে সপ্তমী)।
  12. ৫২. ‘আমি যাব তবে কাল যাব’ এটি কী ধরনের বাক্য?
    • ক. যৌগিক বাক্য
    • খ. মিশ্র বাক্য
    • গ. জটিল বাক্য
    • ঘ. সরল বাক্য
    উত্তর: ক. যৌগিক বাক্য
    এই বাক্যে ‘আমি যাব’ এবং ‘কাল যাব’ দুটি অংশই নিজে নিজে পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে, তাই এরা দুটি স্বাধীন বাক্য। এদের মাঝখানে বসে আছে তবে নামের একটি অব্যয়, যা দুটি বাক্যকে জুড়ে দিয়েছে। পরস্পর নিরপেক্ষ দুই বা তার বেশি সরল বা মিশ্র বাক্য অব্যয় দিয়ে যুক্ত হয়ে একটি পূর্ণ বাক্য গঠন করলে তাকে যৌগিক বাক্য বলে।
    মনে রাখুন: যৌগিক বাক্যকে সরল বাক্যে রূপান্তর করা যায়, যেমন ‘আমি যাব তবে কাল যাব’ থেকে সরল বাক্য হয় ‘আমি কাল যাব’।
  13. ৫৭. ‘অতিকায়’ শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?
    • ক. অল্প
    • খ. ক্ষুদ্রকায়
    • গ. অণু
    • ঘ. বৃহৎ
    উত্তর: খ. ক্ষুদ্রকায়
    অতিকায় শব্দটি এসেছে অতি ও কায় মিলে, কায় মানে দেহ। তাই অতিকায় মানে বিশাল দেহের অধিকারী, যেমন অতিকায় হাতি বা অতিকায় ডাইনোসর। এর বিপরীত অর্থ হলো খুব ছোট দেহের, আর এই অর্থ দেয় ক্ষুদ্রকায় শব্দটি। অল্প শব্দটি পরিমাণ বোঝায়, দেহের আকার নয়, আর বৃহৎ বরং অতিকায়-এর কাছাকাছি অর্থ দেয়।
    মনে রাখুন: একই গঠনের আরও শব্দ হলো দীর্ঘকায় ও খর্বকায়, স্থূলকায় ও কৃশকায়।
  14. ৫৯. কোন বানানটি শুদ্ধ?
    • ক. কতীলীগে
    • খ. অথিতি
    • গ. অতীথি
    • ঘ. অতিথি
    উত্তর: ঘ. অতিথি
    বাড়িতে আসা মেহমানকে অতিথি বলে। শব্দটি তৎসম, আর এর সঠিক বানানে ‘তি’ ও ‘থি’ দুটিতেই হ্রস্ব ই-কার বসে, অর্থাৎ অতিথি। অনেকে ত ও থ-এর জায়গা বদলে ‘অথিতি’ লেখেন, যা ভুল।
    মনে রাখুন:
    অতিথি শব্দের আদি অর্থ যার আসার কোনো নির্দিষ্ট তিথি বা দিন নেই।
    একই ধরনের শুদ্ধ বানান: পরিধি, সমিতি, প্রতিনিধি।
  15. ৬০. ‘গায়ক’-এর সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
    • ক. গা + অক
    • খ. গৈ + অক
    • গ. গা + য়ক
    • ঘ. গৈ + য়ক
    উত্তর: খ. গৈ + অক
    ‘গায়ক’ শব্দটি গৈ + অক মিলে গঠিত একটি স্বরসন্ধি। নিয়ম হলো, ঐ-কারের পরে কোনো স্বর এলে ঐ বদলে ‘আয়’ হয়ে যায়, তাই গৈ + অক = গায়ক।
    মনে রাখুন:
    একই নিয়মে নৈ + অক = নায়ক।
    এ-কারের পরে স্বর এলে এ বদলে ‘অয়’ হয়: নে + অন = নয়ন, শে + অন = শয়ন।
    ও-কারের পরে স্বর এলে ও বদলে ‘অব’ হয়: পো + অন = পবন।
  16. ৬৮. ‘টাকায় টাকা আনে’-এখানে ‘টাকায়’ কোন কারকে কী বিভক্তি?
    • ক. কর্তৃকারকে সপ্তমী
    • খ. কর্মকারকে সপ্তমী
    • গ. অপাদানে সপ্তমী
    • ঘ. করণ কারকে সপ্তমী
    উত্তর: ক. কর্তৃকারকে সপ্তমী
    এই বাক্যে প্রথম টাকা নিজেই আরও টাকা নিয়ে আসার কাজটি করছে, অর্থাৎ ক্রিয়াটি সম্পন্ন করছে। যে ক্রিয়া সম্পন্ন করে সে কর্তা, তাই টাকায় পদটি কর্তৃকারক। এর সঙ্গে ‘য়’ বিভক্তি যুক্ত হয়েছে, যা সপ্তমী বিভক্তি। সুতরাং টাকায় হলো কর্তৃকারকে সপ্তমী, আর দ্বিতীয় টাকা শব্দটি কর্মকারক।
    মনে রাখুন: কর্তৃকারকে সপ্তমীর আরও উদাহরণ:
    গাঁয়ে মানে না আপনি মোড়ল।
    পাগলে কী না বলে।
    বাঘে-মহিষে এক ঘাটে জল খায়।
  17. ৬৯. শুদ্ধ বাক্য কোনটি?
    • ক. দৈন্যতা নিন্দনীয়
    • খ. দরিদ্রতা অভিশাপ
    • গ. ফুল দেখতে সুন্দর।
    • ঘ. ভুল লিখতে ভুল করো না
    উত্তর: গ. ফুল দেখতে সুন্দর।
    ‘ফুল দেখতে সুন্দর’ বাক্যটিতে শব্দ, অর্থ ও গঠন তিন দিক থেকেই কোনো ভুল নেই। অন্য বাক্যগুলোতে প্রত্যয়ের ভুল বা অর্থের অসংগতি আছে। দীন থেকে দৈন্য শব্দটি নিজেই বিশেষ্য, তার সঙ্গে আবার তা প্রত্যয় জোড়ায় দৈন্যতা ভুল, শুদ্ধ রূপ দৈন্য। একইভাবে প্রমিত রূপে আমরা দারিদ্র্য অভিশাপ লিখি। আর ‘ভুল লিখতে ভুল করো না’ বাক্যটি অর্থের দিক থেকে অসংগত।
    মনে রাখুন: একই শব্দে দুটি বিশেষ্যবাচক প্রত্যয় একসঙ্গে বসে না। তাই সৌজন্যতা, দারিদ্র্যতা, উৎকর্ষতা ভুল, শুদ্ধ রূপ সৌজন্য, দারিদ্র্য, উৎকর্ষ।

আন্তর্জাতিক

  1. ১১. জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে কত বছর নির্ধারণ করা হয়েছে?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ৩৬৯৭) ২০১৯
    • ক. ৮
    • খ. ১৫
    • গ. ১৭
    • ঘ. ২৪
    উত্তর: খ. ১৫
    জাতিসংঘ ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (Sustainable Development Goals বা SDG) গ্রহণ করে। এর মেয়াদ ধরা হয় ২০১৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত, অর্থাৎ ১৫ বছর। এই সময়ের মধ্যে ১৭টি অভীষ্ট ও ১৬৯টি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের কথা বলা হয়েছে।
    মনে রাখুন:
    এসডিজির আগে ছিল সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (MDG), যার মেয়াদ ছিল ২০০০ থেকে ২০১৫ সাল এবং লক্ষ্য ছিল ৮টি।
    এসডিজির প্রথম অভীষ্ট হলো সব জায়গা থেকে সব ধরনের দারিদ্র্য দূর করা।
  2. ২৬. নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক-এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ৩৬৯৭) ২০১৯
    • ক. মস্কো
    • খ. সাংহাই
    • গ. ওয়াশিংটন
    • ঘ. দিল্লি
    উত্তর: খ. সাংহাই
    নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (New Development Bank বা NDB) গঠন করেছে ব্রিকস (BRICS) জোটের পাঁচ দেশ: ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকা। ২০১৪ সালে ব্রাজিলের ফোর্তালেজা সম্মেলনে ব্যাংক গঠনের চুক্তি হয়, আর এর সদর দপ্তর রাখা হয় চীনের সাংহাই শহরে। ২০১৫ সালে ব্যাংকটি কাজ শুরু করে।
    মনে রাখুন:
    বাংলাদেশ ২০২১ সালে এনডিবির সদস্যপদ লাভ করে।
    এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংকের (AIIB) সদর দপ্তর চীনের বেইজিংয়ে।
  3. ৩৪. ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরের মধ্যে কোন প্রণালি অবস্থিত?
    • ক. হরমুজ
    • খ. জিব্রাল্টার
    • গ. বসফরাস
    • ঘ. দার্দানেলিস
    উত্তর: খ. জিব্রাল্টার
    জিব্রাল্টার প্রণালী (Strait of Gibraltar) ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে যুক্ত করেছে। এটি ইউরোপের স্পেন ও আফ্রিকার মরক্কোর মাঝখানে অবস্থিত। অন্য প্রণালীগুলো ভিন্ন জলভাগকে যুক্ত করে। হরমুজ প্রণালী পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে, বসফরাস প্রণালী মর্মর সাগর ও কৃষ্ণ সাগরকে এবং দার্দানেলিস এজিয়ান সাগর ও মর্মর সাগরকে যুক্ত করে।
    মনে রাখুন:
    সুয়েজ খাল ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে যুক্ত করেছে।
    বসফরাস প্রণালী তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরের মধ্য দিয়ে গেছে।
  4. ৩৭. ‘শাহনামা’ গ্রন্থটি কার রচিত?
    • ক. আলাওল
    • খ. শাহ মুহম্মদ সগীর
    • গ. ফেরদৌসী
    • ঘ. বাহরাম খান
    উত্তর: গ. ফেরদৌসী
    ‘শাহনামা’ পারস্যের মহাকবি আবুল কাশেম ফেরদৌসীর লেখা বিখ্যাত মহাকাব্য। প্রায় ৩০ বছর ধরে লেখা এই কাব্যে প্রাচীন ইরানের রাজা ও বীরদের কাহিনি প্রায় ৬০ হাজার শ্লোকে বর্ণনা করা হয়েছে, আর রুস্তম ও সোহরাবের কাহিনি এর সবচেয়ে বিখ্যাত অংশ। গজনির সুলতান মাহমুদের অনুরোধে তিনি কাব্যটি রচনা করেন।
    মনে রাখুন:
    আলাওলের বিখ্যাত কাব্য ‘পদ্মাবতী’।
    শাহ মুহম্মদ সগীর ‘ইউসুফ-জোলেখা’ কাব্যের রচয়িতা।
    বাহরাম খান লিখেছেন ‘লাইলী-মজনু’।
  5. ৬২. ‘বিশ্ব পরিবেশ দিবস’ কোন তারিখে পালিত হয়?
    • ক. ৮ জুন
    • খ. ২০ জুন
    • গ. ৫ জুন
    • ঘ. ১৯ জুন
    উত্তর: গ. ৫ জুন
    ১৯৭২ সালের ৫ জুন সুইডেনের স্টকহোমে জাতিসংঘের প্রথম মানব পরিবেশ সম্মেলন শুরু হয়। সেই দিনটির স্মরণে প্রতি বছর ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়, আর জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) দিবসটির আয়োজন করে।
    মনে রাখুন:
    ৮ জুন বিশ্ব মহাসাগর দিবস।
    ২০ জুন বিশ্ব শরণার্থী দিবস।
    ১৬ সেপ্টেম্বর বিশ্ব ওজোন দিবস।
  6. ৬৫. আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৯ এর সেরা খেলোয়াড় ‘উইলিয়ামসন’ কোন দেশের খেলোয়াড়?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ৩৬৯৭) ২০১৯
    • ক. নিউজিল্যান্ড
    • খ. সাউথ আফ্রিকা
    • গ. ওয়েস্ট ইন্ডিজ
    • ঘ. ইংল্যান্ড
    উত্তর: ক. নিউজিল্যান্ড
    কেন উইলিয়ামসন নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলের অধিনায়ক ছিলেন। ২০১৯ সালে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে অনুষ্ঠিত আইসিসি বিশ্বকাপে তিনি ৫৭৮ রান করে প্লেয়ার অব দ্য টুর্নামেন্ট নির্বাচিত হন। মজার ব্যাপার হলো, সেবার লর্ডসের ফাইনালে ম্যাচ ও সুপার ওভার দুটিই টাই হয়, পরে বেশি বাউন্ডারির নিয়মে ইংল্যান্ড প্রথমবার শিরোপা জেতে।
    মনে রাখুন:
    ২০১৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সাকিব আল হাসান ৬০৬ রান ও ১১ উইকেট নিয়ে দারুণ খেলেন।
    সর্বোচ্চ রান করেন ভারতের রোহিত শর্মা (৬৪৮)।
  7. ৬৬. ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারি শহিদ দিবসকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে কোন তারিখে?
    • ক. ১৯৯৯ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি
    • খ. ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর
    • গ. ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি
    • ঘ. ২০০০ সালের ২৬ মার্চ
    উত্তর: খ. ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর
    ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর প্যারিসে ইউনেস্কোর (UNESCO) ৩০তম সাধারণ সম্মেলনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। পরের বছর ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে সারা বিশ্বে দিবসটি পালিত হচ্ছে। এই স্বীকৃতির পেছনে কানাডাপ্রবাসী দুই বাঙালি রফিকুল ইসলাম ও আবদুস সালামের উদ্যোগ বড় ভূমিকা রাখে।
    মনে রাখুন:
    জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ দিবসটিকে স্বীকৃতি দেয় ২০০৮ সালে।
    ঢাকার সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট অবস্থিত।

বিজ্ঞান

  1. ১২. কোন ধাতু স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকে?
    • ক. তামা
    • খ. দস্তা
    • গ. অ্যালুমিনিয়াম
    • ঘ. পারদ
    উত্তর: ঘ. পারদ
    পারদ (Mercury, Hg) একমাত্র ধাতু যা সাধারণ ঘরের তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকে, কারণ এর গলনাঙ্ক মাত্র −38.8° সেলসিয়াস। এটি সমানভাবে প্রসারিত হয় এবং কাচের গায়ে লেগে থাকে না, তাই একসময় থার্মোমিটার ও ব্যারোমিটারে পারদ ব্যবহার করা হতো।
    মনে রাখুন:
    অধাতুর মধ্যে ব্রোমিন সাধারণ তাপমাত্রায় তরল থাকে।
    গ্যালিয়াম হাতের তালুর তাপেই গলে যায়, এর গলনাঙ্ক প্রায় ৩০° সেলসিয়াস।
  2. ৩৯. অগ্নিনির্বাপক সিলিন্ডারে কী থাকে?
    • ক. তরল কার্বন ডাই-অক্সাইড
    • খ. তরল অ্যামোনিয়া
    • গ. তরল নাইট্রোজেন
    • ঘ. অক্সিজেন তরল আকারে
    উত্তর: ক. তরল কার্বন ডাই-অক্সাইড
    অগ্নিনির্বাপক সিলিন্ডারে উচ্চ চাপে তরল কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO₂) রাখা হয়। সিলিন্ডার খুললে এটি গ্যাস হয়ে বেরিয়ে আসে, আর বাতাসের চেয়ে ভারী বলে আগুনের ওপর চাদরের মতো ছড়িয়ে অক্সিজেনের সরবরাহ বন্ধ করে দেয়। অক্সিজেন ছাড়া কিছু পুড়তে পারে না, তাই আগুন নিভে যায়।
    মনে রাখুন:
    আগুন জ্বলতে তিনটি জিনিস লাগে: জ্বালানি, অক্সিজেন ও প্রয়োজনীয় তাপ।
    কঠিন কার্বন ডাই-অক্সাইডকে শুষ্ক বরফ (Dry ice) বলে।
  3. ৪৭. মানুষের রক্তে লোহিত কণিকা কোথায় সঞ্চিত হয়?
    • ক. হৃদযন্ত্রে
    • খ. বৃক্কে
    • গ. ফুসফুসে
    • ঘ. প্লীহাতে
    উত্তর: ঘ. প্লীহাতে
    প্লীহা (Spleen) পেটের বাঁ দিকে অবস্থিত একটি অঙ্গ, যাকে রক্তের ভান্ডার বলা হয়। এটি লোহিত রক্তকণিকা জমা রাখে এবং দরকার হলে রক্তে সরবরাহ করে, আর পুরোনো ও নষ্ট লোহিত কণিকা ভেঙে ফেলে। প্লীহা রোগ প্রতিরোধেও সাহায্য করে।
    মনে রাখুন:
    লোহিত রক্তকণিকা তৈরি হয় অস্থিমজ্জায়।
    লোহিত কণিকার গড় আয়ু ১২০ দিন।
    ভ্রূণ অবস্থায় যকৃৎ ও প্লীহায় লোহিত কণিকা তৈরি হয়।
  4. ৬৪. রূপান্তরিত মূল কোনটি?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ৩৬৯৭) ২০১৯
    • ক. ওলকপি
    • খ. আদা
    • গ. মিষ্টিআলু
    • ঘ. কচু
    উত্তর: গ. মিষ্টিআলু
    কিছু উদ্ভিদের মূল খাদ্য জমা রেখে মোটা ও রসালো হয়ে যায়, একে রূপান্তরিত মূল (Modified Root) বলে। মিষ্টিআলুর খাওয়ার অংশটি আসলে এমন খাদ্য সঞ্চয়ী মূল, তাই এটি রূপান্তরিত মূল। মজার ব্যাপার হলো, আমরা যে আলু খাই সেটি কিন্তু রূপান্তরিত কাণ্ড, মূল নয়। আদা, কচু ও ওলকপিও রূপান্তরিত কাণ্ড, কারণ এদের গায়ে পর্ব, পর্বমধ্য বা কুঁড়ি থাকে।
    মনে রাখুন:
    রূপান্তরিত মূল: মিষ্টিআলু, মুলা, গাজর, শালগম।
    রূপান্তরিত কাণ্ড: আলু (স্ফীতকন্দ), আদা ও হলুদ (রাইজোম), কচু (গুঁড়িকন্দ), পেঁয়াজ (কন্দ)।

সাধারণ জ্ঞান

  1. ৩১. এশিয়ার দীর্ঘতম নদীর নাম কী?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ৩৬৯৭) ২০১৯, প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৪০২১) ২০১৯
    • ক. ইয়াংসিকিয়াং
    • খ. ইউফ্রেটিস
    • গ. ব্রহ্মপুত্র
    • ঘ. হোয়াংহো
    উত্তর: ক. ইয়াংসিকিয়াং
    চীনের ইয়াংসিকিয়াং (Yangtze) নদী এশিয়ার দীর্ঘতম নদী। তিব্বত মালভূমি থেকে উৎপন্ন হয়ে প্রায় ৬,৩০০ কিলোমিটার পথ পেরিয়ে নদীটি সাংহাইয়ের কাছে পূর্ব চীন সাগরে পড়েছে। এটি শুধু এশিয়ার নয়, পুরো বিশ্বে নীলনদ ও আমাজনের পরে তৃতীয় দীর্ঘতম নদী। এই নদীতেই বিশ্বের সবচেয়ে বড় জলবিদ্যুৎ প্রকল্প থ্রি গর্জেস বাঁধ (Three Gorges Dam) অবস্থিত।
    মনে রাখুন:
    হোয়াংহো চীনের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী, বন্যার কারণে একে চীনের দুঃখ বলা হয়।
    বিশ্বের দীর্ঘতম নদী নীলনদ।

কম্পিউটার ও আইসিটি

  1. ৫৪. নিচের কোনটি অন্য তিনটি থেকে আলাদা ওয়েবসাইট?
    • ক. ফেসবুক
    • খ. ইউটিউব
    • গ. টুইটার
    • ঘ. ইন্সটাগ্রাম
    উত্তর: খ. ইউটিউব
    ফেসবুক, টুইটার (এখন এক্স) ও ইনস্টাগ্রাম মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম (Social Networking Site), যেখানে মানুষ বন্ধু বা অনুসারীর নেটওয়ার্ক গড়ে পোস্ট, ছবি ও খবর ভাগাভাগি করে। ইউটিউব মূলত একটি ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম (Video Sharing Platform), যেখানে মানুষ ভিডিও আপলোড করে আর অন্যরা তা দেখে। তাই কাজের ধরনে ইউটিউব বাকি তিনটি থেকে আলাদা।
    মনে রাখুন:
    ইউটিউব চালু হয় ২০০৫ সালে, আর ২০০৬ সালে গুগল এটি কিনে নেয়।
    ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ, আর ইনস্টাগ্রামের মালিকও এখন ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর: অন্যান্য পরীক্ষা

আরও শিক্ষক নিয়োগ ও নিবন্ধন পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান

বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন