এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৪: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ৩০ মে ২০১৪। ৯০টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →- বাংলা (২১)
- ইংরেজি (২৫)
- গণিত (২৩)
- বাংলাদেশ (৮)
- ব্যাংকিং ও অর্থনীতি (১)
- বিজ্ঞান (৬)
- কম্পিউটার ও আইসিটি (১)
- সাধারণ জ্ঞান (৩)
- আন্তর্জাতিক (২)
বাংলা
- ১. ‘ষড়ঋতু’ শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ-
- ক. ষড় + ঋতু
- খ. ষড়ু + ঋতু
- গ. ষট + ঋতু
- ঘ. ষট্ + ঋতু
উত্তর: ঘ. ষট্ + ঋতু
‘ষড়ঋতু’ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ ষট্ + ঋতু। সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী ‘ষট্’ শব্দের শেষের ট্ ধ্বনিটি অঘোষ, আর পরে স্বরধ্বনি ‘ঋ’ এলে অঘোষ ধ্বনি ঘোষ ধ্বনিতে বদলে ড্ হয়। তাই ষট্ + ঋতু = ষড়ঋতু। এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি উদাহরণ।
উদাহরণ: ষট্ + যন্ত্র = ষড়যন্ত্র, ষট্ + আনন = ষড়ানন। - ২. বাক্যে কোন যতি চিহ্নের প্রয়োগে থামার প্রয়োজন নেই?
- ক. হাইফেন
- খ. ড্যাস
- গ. সেমিকোলন
- ঘ. কোলন
উত্তর: ক. হাইফেন
হাইফেন (-) বা সংযোগ চিহ্নের কাজ হলো দুটি শব্দ বা সমাসবদ্ধ পদের অংশগুলোকে জুড়ে দেওয়া, যেমন সুখ-দুঃখ, মা-বাবা। এটি শব্দকে আলাদা না করে বরং একসঙ্গে বাঁধে, তাই হাইফেনে থামার প্রয়োজন হয় না। অন্যদিকে ড্যাশ, সেমিকোলন ও কোলন বাক্যের ভেতরে বিরতির নির্দেশ দেয়, তাই এগুলোতে কিছুটা থামতে হয়।
মনে রাখুন: থামার সময় অনুযায়ী কমায় ১ বলতে যতক্ষণ, সেমিকোলনে তার দ্বিগুণ, আর দাঁড়িতে ১ সেকেন্ড থামতে হয়। হাইফেন, ইলেক ও বিন্দুর মতো চিহ্নে থামার দরকার নেই। - ৪. ‘বক্তব্য’-এর প্রকৃতি প্রত্যয় কোনটি?
- ক. √বক + তব্য
- খ. √বক্ত + ব্য
- গ. √বক্ত + অব্য
- ঘ. √বচ্ + তব্য
উত্তর: ঘ. √বচ্ + তব্য
‘বক্তব্য’ শব্দটি √বচ্ ধাতুর সঙ্গে ‘তব্য’ কৃৎ প্রত্যয় যোগ করে গঠিত। প্রত্যয়টি ‘যা অবশ্য করণীয়’ বা ‘যা বলা উচিত’ অর্থে বসে। √বচ্ + তব্য যোগ হলে ‘চ’ বদলে ‘ক্’ হয়ে ‘বক্তব্য’ হয়।
উদাহরণ:
√কৃ + তব্য = কর্তব্য
√দা + তব্য = দাতব্য
√শ্রু + তব্য = শ্রোতব্য - ৫. ‘উপভাষা’ কোন সমাসের উদাহরণ?
- ক. তৎপুরুষ সমাস
- খ. কর্মধারয় সমাস
- গ. অব্যয়ীভাব সমাস
- ঘ. বহুব্রীহি সমাস
উত্তর: গ. অব্যয়ীভাব সমাস
‘উপভাষা’ শব্দের ব্যাসবাক্য ‘ভাষার সদৃশ’, অর্থাৎ মূল ভাষার মতোই কিন্তু অঞ্চলভেদে কিছুটা আলাদা রূপ। এখানে পূর্বপদ ‘উপ’ একটি অব্যয়, যা সাদৃশ্য বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করছে। যে সমাসে পূর্বপদ অব্যয় হয় এবং অব্যয়ের অর্থই প্রধান থাকে, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে।
উদাহরণ: উপশহর (শহরের সদৃশ), উপকূল (কূলের সমীপে), উপবন (বনের সদৃশ)।
মনে রাখুন: সামীপ্য, বীপ্সা, অভাব, সাদৃশ্য ও পর্যন্ত অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস বেশি হয়। - ৬. বাংলা সাহিত্যে চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক কে?
- ক. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- খ. প্রমথ চৌধুরী
- গ. প্যারীচাঁদ মিত্র
- ঘ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
উত্তর: খ. প্রমথ চৌধুরী
প্রমথ চৌধুরী ১৯১৪ সালে ‘সবুজপত্র’ পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে চলিত গদ্যরীতি প্রবর্তন করেন। তাঁর আগে সাহিত্য লেখা হতো মূলত সাধু ভাষায়। তাঁর ছদ্মনাম ‘বীরবল’, আর বিখ্যাত প্রবন্ধ ‘বইপড়া’।
মনে রাখুন: প্যারীচাঁদ মিত্রের ‘আলালের ঘরের দুলাল’ বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃত, যা চলিত ঘেঁষা আলালি ভাষায় লেখা। - ৭. ‘পৃথিবী’-এর সমার্থক শব্দ নয় কোনটি?
- ক. ভূধর
- খ. অবনী
- গ. ধরিত্রী
- ঘ. ধরণি
উত্তর: ক. ভূধর
অবনী, ধরিত্রী ও ধরণি তিনটিই পৃথিবীর প্রতিশব্দ। কিন্তু ‘ভূধর’ শব্দের অর্থ পর্বত, কারণ ভূ মানে পৃথিবী আর ধর মানে যে ধারণ করে, অর্থাৎ যে পৃথিবীকে ধরে রাখে সে-ই ভূধর। তাই এটি পৃথিবীর সমার্থক নয়।
মনে রাখুন:
পৃথিবীর আরও প্রতিশব্দ: ধরা, বসুধা, বসুন্ধরা, মেদিনী, ক্ষিতি, পৃথ্বী।
পর্বতের প্রতিশব্দ: ভূধর, শৈল, অচল, অদ্রি, গিরি, মহীধর। - ৮. কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
- ক. দারিদ্র্য বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা।
- খ. দরিদ্র্য বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা।
- গ. দারিদ্র্যতা বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা।
- ঘ. দরিদ্র্যতা বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা।
উত্তর: ক. দারিদ্র্য বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা।
‘দরিদ্র’ একটি বিশেষণ, আর এর সঙ্গে ষ্ণ্য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষ্য ‘দারিদ্র্য’ তৈরি হয়েছে, যার অর্থ দরিদ্রতা বা অভাব। ‘দারিদ্র্য’ নিজেই ভাববাচক বিশেষ্য, তাই এর সঙ্গে আবার ‘তা’ প্রত্যয় যোগ করলে একই কাজের প্রত্যয় দুবার বসে যায়, যা ভুল। ফলে ‘দারিদ্র্য বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা’ বাক্যটি শুদ্ধ। চাইলে ‘দরিদ্রতা’ লেখাও শুদ্ধ, কিন্তু ‘দারিদ্র্যতা’ বা ‘দরিদ্র্যতা’ অশুদ্ধ।
মনে রাখুন: একই ভুল হয় ‘সৌজন্যতা’, ‘ঔদার্যতা’ ও ‘দৈন্যতা’ লিখলে; শুদ্ধ রূপ সৌজন্য, ঔদার্য ও দৈন্য। - ৯. শকুনি মামা – এর অর্থ-
- ক. কুৎসিত মামা
- খ. সৎ মামা
- গ. কুচক্রী লোক
- ঘ. পাতানো মামা
উত্তর: গ. কুচক্রী লোক
মহাভারতের শকুনি ছিলেন কৌরবদের মামা। তিনি পাশা খেলায় ছলচাতুরী করে পাণ্ডবদের সর্বস্বান্ত করেন এবং নানা কুটিল ষড়যন্ত্রে কৌরব-পাণ্ডবদের বিরোধ উসকে দেন। তাই ‘শকুনি মামা’ বাগধারার অর্থ কুচক্রী বা কুমন্ত্রণাদাতা লোক।
মনে রাখুন:
বিভীষণ: ঘরের শত্রু
কুম্ভকর্ণ: অতিশয় ঘুমকাতুরে
ধর্মপুত্র যুধিষ্ঠির: সত্যবাদী ব্যক্তি - ১১. তার বয়স বেড়েছে, কিন্তু বুদ্ধি বাড়েনি -
- ক. যৌগিক বাক্য
- খ. মিশ্র বাক্য
- গ. সরল বাক্য
- ঘ. সাধারণ বাক্য
উত্তর: ক. যৌগিক বাক্য
‘তার বয়স বেড়েছে, কিন্তু বুদ্ধি বাড়েনি’ বাক্যে দুটি অংশ আছে, আর প্রতিটি অংশ আলাদাভাবেও সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করতে পারে। এ দুটি স্বাধীন বাক্য ‘কিন্তু’ নামের সংযোজক অব্যয় দিয়ে যুক্ত হয়েছে। পরস্পর নিরপেক্ষ দুই বা ততোধিক সরল বা মিশ্র বাক্য অব্যয় দিয়ে যুক্ত হলে তাকে যৌগিক বাক্য বলে।
মনে রাখুন: যৌগিক বাক্যে সাধারণত এবং, ও, কিন্তু, অথবা, কিংবা, তবু, তাই ইত্যাদি অব্যয় বসে। আর মিশ্র বাক্যে থাকে যে-সে, যদি-তবে, যখন-তখন জাতীয় সাপেক্ষ অব্যয়। - ১২. জল পড়ে, পাতা নড়ে – নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
- ক. কর্তায় শূন্য
- খ. অপাদানে শূন্য
- গ. কর্মে শূন্য
- ঘ. করণে শূন্য
উত্তর: ক. কর্তায় শূন্য
‘জল পড়ে, পাতা নড়ে’ বাক্যে পড়ার কাজটি করছে জল, আর নড়ার কাজটি করছে পাতা। বাক্যে যে নিজে ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্তৃকারক বলে। এখানে কর্তা শব্দগুলোর সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত হয়নি, তাই এদের বলা হয় কর্তায় শূন্য বিভক্তি।
মনে রাখুন: ক্রিয়াকে ‘কে’ বা ‘কারা’ প্রশ্ন করলে কর্তা পাওয়া যায়। কর্তৃকারকে বিভক্তি থাকতে পারে, যেমন ‘পাগলে কী না বলে’ বাক্যে কর্তায় সপ্তমী। - ১৩. ‘যা বলা হয়নি’ এক কথায় প্রকাশ কী হবে?
- ক. অকথ্য
- খ. অনুক্ত
- গ. নির্বাক
- ঘ. মূক
উত্তর: খ. অনুক্ত
‘যা বলা হয়নি’ বাক্যাংশটিকে এক কথায় ‘অনুক্ত’ বলা হয়। ‘উক্ত’ মানে যা বলা হয়েছে, আর এর আগে না-বাচক ‘অন্’ যুক্ত হয়ে ‘অনুক্ত’ হয়েছে। অন্যদিকে ‘অকথ্য’ মানে যা বলা যায় না বা মুখে আনা উচিত নয়, ‘নির্বাক’ মানে যে কথা বলছে না, আর ‘মূক’ মানে যে জন্ম থেকে কথা বলতে পারে না।
মনে রাখুন: যা বলা হয়েছে তা উক্ত, যা পূর্বে বলা হয়েছে তা পূর্বোক্ত, আর যা ওপরে বলা হয়েছে তা উপর্যুক্ত। - ১৪. ‘অন্ধজনে দেহ আলো।’- বাক্যে ‘অন্ধজনে’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
- ক. কর্মে ৭মী
- খ. কর্মে ২য়া
- গ. সম্প্রদানে ৭মী
- ঘ. সম্প্রদানে ৪র্থী
উত্তর: গ. সম্প্রদানে ৭মী
কাউকে কিছু নিঃস্বার্থভাবে দান করলে, যাকে দেওয়া হয় সে সম্প্রদান কারক। এখানে অন্ধ মানুষকে আলো দানের কথা বলা হয়েছে, তাই ‘অন্ধজনে’ সম্প্রদান কারক। শব্দটিতে ‘এ’ বিভক্তি যুক্ত, যা সপ্তমী বিভক্তি, ফলে এটি সম্প্রদানে সপ্তমী।
মনে রাখুন: ফিরিয়ে দেওয়ার শর্তে দিলে বা স্বার্থের জন্য দিলে সম্প্রদান না হয়ে কর্ম কারক হয়, যেমন ধোপাকে কাপড় দাও। - ১৬. অনুবাদ কোন প্রকারের হবে তা কীসের ওপর নির্ভর করে?
- ক. বিষয়ের ওপর
- খ. ভাবের ওপর
- গ. বিন্যাসের ওপর
- ঘ. ভাষার ওপর
উত্তর: খ. ভাবের ওপর
অনুবাদ সাধারণত দুই রকম: আক্ষরিক অনুবাদ, যেখানে শব্দ ধরে ধরে অনুবাদ করা হয়, আর ভাবানুবাদ, যেখানে মূল লেখার ভাব ঠিক রেখে নিজের ভাষার রীতিতে লেখা হয়। কোন পদ্ধতি বেছে নেওয়া হবে তা নির্ভর করে মূল লেখার ভাবের ওপর। তথ্যভিত্তিক বা দাপ্তরিক লেখায় আক্ষরিক অনুবাদ চলে, কিন্তু কবিতা, প্রবাদ বা রসপূর্ণ সাহিত্যে ভাব হারিয়ে যাওয়ার ভয় থাকে বলে ভাবানুবাদই উপযুক্ত।
মনে রাখুন: একটি ভালো অনুবাদে মূল লেখার ভাব, সুর ও বক্তব্য অক্ষুণ্ণ থাকে, অথচ পড়তে নিজের ভাষার মতো স্বাভাবিক লাগে। - ১৭. সাধারণ অর্থের বাইরে যা বিশিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে থাকে তাকে বলে-
- ক. বাগ্বিধি
- খ. সমার্থক শব্দ
- গ. ভিন্নার্থক শব্দ
- ঘ. বিপরীতার্থক শব্দ
উত্তর: ক. বাগ্বিধি
যে শব্দ বা শব্দগুচ্ছ তার সাধারণ আক্ষরিক অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, তাকে বাগ্বিধি বা বাগ্ধারা (Idiom) বলে। যেমন ‘অকাল কুষ্মাণ্ড’ শব্দ ধরে অর্থ করলে দাঁড়ায় অসময়ের কুমড়া, কিন্তু বাগ্ধারা হিসেবে এর অর্থ অপদার্থ বা অকেজো লোক। বাগ্ধারা ভাষাকে সংক্ষিপ্ত, সরস ও প্রাণবন্ত করে।
উদাহরণ: কাঁঠালের আমসত্ত্ব (অসম্ভব বস্তু), গোবর গণেশ (মূর্খ), ভিজে বিড়াল (কপটচারী)। - ১৮. ‘উৎকর্ষ’ শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?
- ক. উৎকৃষ্ট
- খ. অপকৃষ্ট
- গ. নিকৃষ্ট
- ঘ. অপকর্ষ
উত্তর: ঘ. অপকর্ষ
‘উৎকর্ষ’ মানে উন্নতি বা শ্রেষ্ঠত্ব, আর এর বিপরীত ‘অপকর্ষ’, অর্থাৎ অবনতি বা হীনতা। ‘উৎ’ উপসর্গ ঊর্ধ্বমুখী ভাব আর ‘অপ’ উপসর্গ নিম্নমুখী বা মন্দ ভাব প্রকাশ করে, তাই একই মূলের সঙ্গে এ দুটি বসে বিপরীত শব্দজোড় তৈরি হয়েছে।
মনে রাখুন: উৎকৃষ্ট ও অপকৃষ্ট (বা নিকৃষ্ট) হলো বিশেষণ রূপের বিপরীত জোড়। - ১৯. কোন শব্দটি ‘সাগর’ শব্দটির সমার্থক শব্দ নয়?
- ক. জলধি
- খ. পাথার
- গ. অর্ণব
- ঘ. ভূপতি
উত্তর: ঘ. ভূপতি
জলধি, পাথার ও অর্ণব তিনটিই সাগরের প্রতিশব্দ। ‘জলধি’ মানে যে জল ধারণ করে, আর ‘পাথার’ মানে অকূল জলরাশি। কিন্তু ‘ভূপতি’ শব্দের অর্থ রাজা, কারণ ভূ মানে পৃথিবী বা দেশ আর পতি মানে অধিপতি। তাই এটি সাগরের সমার্থক নয়।
মনে রাখুন:
সাগরের আরও প্রতিশব্দ: সমুদ্র, সিন্ধু, পারাবার, রত্নাকর, বারিধি, জলনিধি।
রাজার প্রতিশব্দ: নৃপতি, ভূপতি, নরপতি, ভূপাল, মহীপাল। - ২০. কোন শব্দটির কোনো স্ত্রীবাচক শব্দ হয় না?
- ক. অজ
- খ. নর
- গ. কবিরাজ
- ঘ. কবি
উত্তর: গ. কবিরাজ
‘কবিরাজ’ শব্দটি নিত্য পুরুষবাচক, অর্থাৎ এর কোনো স্ত্রীবাচক রূপ নেই। আগের দিনে কবিরাজ পেশায় সাধারণত পুরুষেরাই যুক্ত থাকতেন, তাই ভাষায় এর আলাদা স্ত্রীবাচক শব্দ গড়ে ওঠেনি। অন্যদিকে ‘অজ’ (ছাগল) শব্দের স্ত্রীবাচক ‘অজা’, আর ‘নর’ শব্দের স্ত্রীবাচক ‘নারী’।
মনে রাখুন: নিত্য পুরুষবাচক আরও কিছু শব্দ: কৃতদার, অকৃতদার, ঢাকী, কাপুরুষ, যোদ্ধা। আর নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ: সতীন, সধবা, বিধবা, এয়ো। - ২১. ‘মতৈক্য’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
- ক. মতঃ + এক
- খ. মতঃ + ঐক্য
- গ. মত + এক
- ঘ. মত + ঐক্য
উত্তর: ঘ. মত + ঐক্য
‘মতৈক্য’ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ মত + ঐক্য। স্বরসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী অ-কারের পরে ঐ-কার থাকলে দুটি মিলে ঐ-কার হয়, আর সেই ঐ-কার আগের বর্ণে যুক্ত হয়। এখানে ‘মত’-এর শেষে অ, আর ‘ঐক্য’-এর শুরুতে ঐ, তাই মিলে হয়েছে ‘মতৈক্য’, যার অর্থ মতের মিল।
উদাহরণ: হিত + ঐষী = হিতৈষী, মহা + ঐশ্বর্য = মহৈশ্বর্য, জন + এক = জনৈক।
মনে রাখুন: অ বা আ-এর পরে এ বা ঐ থাকলে উভয়ে মিলে ঐ হয়। - ২২. ‘রাজপথ’-এর ব্যাসবাক্য কোনটি হবে?
- ক. পথের রাজা
- খ. রাজার পথ
- গ. রাজা নির্মিত পথ
- ঘ. রাজাদের পথ
উত্তর: ক. পথের রাজা
‘রাজপথ’ মানে প্রধান বা বড় রাস্তা, অর্থাৎ পথের রাজা। এখানে শ্রেষ্ঠত্ব বোঝাতে ‘রাজা’ শব্দটি ব্যাসবাক্যের পরের দিক থেকে সমস্তপদের আগে চলে এসেছে। ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসে এমন পূর্বনিপাত দেখা যায়।
উদাহরণ: রাজহাঁস (হাঁসের রাজা), রাজপথ (পথের রাজা)।
মনে রাখুন: ‘রাজার পথ’ লিখলে অর্থ দাঁড়ায় রাজা যে পথে চলেন, যা রাজপথের প্রচলিত অর্থ নয়। - ২৩. চলতি রীতির শব্দ কোনটি?
- ক. শুষ্ক
- খ. শুকনা
- গ. তুলা
- ঘ. তুলো
উত্তর: ঘ. তুলো
‘তুলা’ শব্দের চলিত রূপ ‘তুলো’, তাই এটি চলতি রীতির শব্দ। চলিত ভাষায় শব্দের শেষে থাকা ‘আ’ অনেক সময় ‘ও’ হয়ে যায়, যেমন জুতা থেকে জুতো, মুলা থেকে মুলো। অন্যদিকে ‘শুষ্ক’ তৎসম শব্দ, আর ‘শুকনা’ সাধু রীতির শব্দ, যার চলিত রূপ ‘শুকনো’। আর ‘তুলা’ হলো সাধু রূপ।
মনে রাখুন: সাধু থেকে চলিতে রূপান্তরের আরও উদাহরণ: পূজা → পুজো, মিছা → মিছে, শিয়াল → শেয়াল, উঠিয়া → উঠে। - ৮৬. বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সাহিত্যে নোবেল পান কোন সালে?
- ক. ১৯১৩ সালে
- খ. ১৯১২ সালে
- গ. ১৯১১ সালে
- ঘ. ১৯৩১ সালে
উত্তর: ক. ১৯১৩ সালে
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। তাঁর নিজের অনূদিত ইংরেজি কাব্যগ্রন্থ ‘Song Offerings’ (গীতাঞ্জলি ও অন্যান্য কাব্যের কবিতা নিয়ে) ১৯১২ সালে লন্ডন থেকে প্রকাশিত হয়, আর এই বইয়ের জন্যই তিনি পুরস্কারটি পান। তিনি ছিলেন প্রথম এশীয় এবং প্রথম অ-ইউরোপীয় নোবেলজয়ী।
মনে রাখুন: ‘Song Offerings’-এর ভূমিকা লেখেন আইরিশ কবি ডব্লিউ. বি. ইয়েটস। রবীন্দ্রনাথ ১৯১৫ সালে ব্রিটিশ সরকারের ‘নাইট’ উপাধি পান এবং ১৯১৯ সালে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তা ত্যাগ করেন।
ইংরেজি
- ৩. This collar is too limp এর অর্থ-
- ক. এই কলারটি বড্ড শক্ত
- খ. এই কলারটি বড্ড খসখসে
- গ. এই কলারটি বড্ড নরম
- ঘ. এই কলারটি বড্ড দৃঢ়
উত্তর: গ. এই কলারটি বড্ড নরম
Limp শব্দের অর্থ নরম, ঢিলেঢালা বা শক্তিহীন, যা নিজে থেকে শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না। শার্টের কলার মাড় বা ভেতরের শক্ত অংশ না থাকলে নেতিয়ে পড়ে, তখন তাকে limp বলা হয়। তাই This collar is too limp-এর অর্থ এই কলারটি বড্ড নরম। শক্ত বা দৃঢ় বোঝাতে stiff বা firm, আর খসখসে বোঝাতে rough শব্দ ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখুন: limp verb হিসেবে খোঁড়ানো অর্থেও ব্যবহৃত হয়, যেমন He was limping after the accident। - ১০. To err is human-
- ক. মানুষ মাত্রই মানবিক গুণসম্পন্ন
- খ. মানুষ মরণশীল
- গ. মানুষ মাত্রই ভুল করে
- ঘ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. মানুষ মাত্রই ভুল করে
To err is human একটি বিখ্যাত উক্তি, যার অর্থ ভুল করা মানুষের স্বভাব, অর্থাৎ মানুষ মাত্রই ভুল করে। এখানে err শব্দের অর্থ ভুল করা, আর human মানে মানবিক বা মানুষের বৈশিষ্ট্য। উক্তিটি ইংরেজ কবি আলেকজান্ডার পোপের (Alexander Pope) ‘An Essay on Criticism’ কবিতার একটি পঙ্ক্তি থেকে এসেছে, যার পূর্ণরূপ To err is human, to forgive divine।
মনে রাখুন: পূর্ণ উক্তির দ্বিতীয় অংশের অর্থ, ক্ষমা করা ঐশ্বরিক গুণ। - ১৫. ‘A to Z’ কথাটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- ক. সম্পূর্ণভাবে
- খ. সারাক্ষণ
- গ. শেষ পর্যন্ত
- ঘ. মৃত্যু অবধি
উত্তর: ক. সম্পূর্ণভাবে
A to Z কথাটি এসেছে ইংরেজি বর্ণমালার প্রথম অক্ষর A আর শেষ অক্ষর Z থেকে। প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত সবকিছু বোঝাতে কথাটি ব্যবহৃত হয়, তাই এর অর্থ সম্পূর্ণভাবে বা আদ্যোপান্ত। যেমন He knows the matter from A to Z, অর্থাৎ সে বিষয়টি পুরোপুরি জানে।
মনে রাখুন: একই অর্থে ইংরেজিতে from top to bottom ও from beginning to end ব্যবহার করা হয়। বাংলায় এর কাছাকাছি প্রকাশ ‘আগাগোড়া’ বা ‘আদ্যোপান্ত’। - ২৪. The correct spelling is-
- ক. humouros
- খ. humourious
- গ. humorous
- ঘ. humorious
উত্তর: গ. humorous
রসিক বা হাস্যরসাত্মক অর্থের শব্দটির শুদ্ধ বানান humorous। Noun ‘humour’-এ (ব্রিটিশ বানানে) u থাকলেও adjective তৈরির সময় -ous যোগ হলে মাঝের u বাদ যায়।
মনে রাখুন: একই নিয়মে vigour থেকে vigorous, glamour থেকে glamorous হয়। - ২৫. The man is so weak that he cannot walk. (Simple)
- ক. The man is too weak to walk.
- খ. The man is so weak to walk.
- গ. The man is too weak for him to walk.
- ঘ. The man is so weak for him to walk
উত্তর: ক. The man is too weak to walk.
So + adjective + that + subject + cannot গঠনের complex বাক্যকে simple করতে too + adjective + to + verb ব্যবহার করা হয়। Too-র মধ্যেই ‘এত বেশি যে পারে না’ অর্থটি থাকে, তাই আলাদা করে not বসাতে হয় না। ফলে The man is so weak that he cannot walk-এর simple রূপ The man is too weak to walk। Subject একই থাকলে for him যোগ করা বাহুল্য।
মনে রাখুন: দুই অংশের subject আলাদা হলে for + object বসে, যেমন The box is so heavy that I cannot lift it → The box is too heavy for me to lift। - ২৬. What have you bought? (Passive)
- ক. What are bought by you?
- খ. What is bought by you?
- গ. What are being bought by you?
- ঘ. What has been bought by you?
উত্তর: ঘ. What has been bought by you?
What have you bought? বাক্যটি present perfect tense-এর একটি প্রশ্ন। Present perfect-এর passive গঠন হলো has/have been + past participle। Interrogative pronoun what সাধারণত একবচন ধরা হয়, তাই has বসবে, আর you হয়ে যাবে by you। ফলে সঠিক passive রূপ What has been bought by you?
মনে রাখুন: প্রশ্নবোধক বাক্যের passive-এ wh-word শুরুতেই থাকে, যেমন Who wrote this letter? → By whom was this letter written? - ২৭. Only Rina can do this sum. (Negative)
- ক. Only Rina cannot do this sum.
- খ. Rina cannot do this sum.
- গ. None but Rina can do this sum.
- ঘ. Any one but Rina can do this sum.
উত্তর: গ. None but Rina can do this sum.
Only যুক্ত affirmative বাক্যকে negative করতে only তুলে দিয়ে ব্যক্তির ক্ষেত্রে none but বসাতে হয়। রিনা একজন ব্যক্তি, তাই Only Rina can do this sum-এর negative রূপ None but Rina can do this sum, অর্থাৎ রিনা ছাড়া আর কেউ অঙ্কটি পারে না। অন্য বিকল্পগুলো মূল বাক্যের অর্থ পুরোপুরি বদলে দেয়।
মনে রাখুন: বস্তুর ক্ষেত্রে nothing but বসে, যেমন He has only a pen → He has nothing but a pen। আর সংখ্যা বা পরিমাণের ক্ষেত্রে not more than বসে। - ২৮. All love flower. (Interrogative)আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৯
- ক. Who does not love flower?
- খ. Who do not love flower?
- গ. Who did not love flower?
- ঘ. Do all love flower?
উত্তর: ক. Who does not love flower?
All দিয়ে শুরু হওয়া affirmative বাক্যকে interrogative করতে Who + does not / do not + verb গঠন ব্যবহার হয়। এর অর্থ দাঁড়ায় কে না এটা করে, অর্থাৎ সবাই করে। Who প্রশ্নবোধক সর্বনাম হিসেবে একবচন ধরা হয়, তাই এখানে does not বসবে, আর বাক্যটি present tense-এ থাকবে। ফলে All love flower-এর interrogative রূপ Who does not love flower?
মনে রাখুন: Everybody/All দিয়ে শুরু বাক্য: Who does not…? আর Nobody/None দিয়ে শুরু বাক্য: Who…? যেমন Nobody can do it → Who can do it? - ২৯. ‘Cock and bull story’ means-
- ক. a fable
- খ. a tragedy
- গ. a false story
- ঘ. a wonderful story
উত্তর: গ. a false story
‘Cock and bull story’ মানে এমন আজগুবি বা বানানো গল্প, যা সত্য নয় অথচ কেউ বিশ্বাস করাতে চায়। বাংলায় একে আষাঢ়ে গল্প বা গাঁজাখুরি গল্প বলা যায়। তাই এর অর্থ a false story।
উদাহরণ: He told me a cock and bull story about why he was late. - ৩০. “Apple of one’s eye” means-আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৫
- ক. extremely favorite
- খ. apple like eye
- গ. big eye
- ঘ. apple coloured eye
উত্তর: ক. extremely favorite
Apple of one’s eye একটি idiom, যার অর্থ চোখের মণি বা অত্যন্ত প্রিয় কেউ। পুরোনো ইংরেজিতে চোখের মণি বা pupil-কে apple বলা হতো, আর চোখের মণির মতো যত্নে রাখা মানুষকেই apple of one’s eye বলা হয়। যেমন The little girl is the apple of her father’s eye, অর্থাৎ ছোট মেয়েটি বাবার চোখের মণি। তাই এর অর্থ extremely favourite।
মনে রাখুন: idiom-এর অর্থ শব্দ ধরে হয় না, তাই apple-like eye বা big eye জাতীয় আক্ষরিক অর্থগুলো ভুল। - ৩১. What is the meaning of ‘white elephant”?
- ক. An elephant of white colour
- খ. A black marketer
- গ. A very costly or troublesome possession
- ঘ. A hoarder
উত্তর: গ. A very costly or troublesome possession
‘White elephant’ মানে এমন সম্পদ, যা রাখতে অনেক খরচ ও ঝামেলা কিন্তু কাজে খুব কম লাগে। কথিত আছে, প্রাচীন শ্যামদেশের (থাইল্যান্ড) রাজারা অপছন্দের সভাসদকে সাদা হাতি উপহার দিতেন। পবিত্র বলে সে হাতিকে খাটানো যেত না, অথচ পালতে গিয়ে খরচে মানুষটি সর্বস্বান্ত হতো।
উদাহরণ: The new stadium became a white elephant for the city. - ৩২. Everybody should ________ their old parents.
- ক. look at
- খ. look after
- গ. look up
- ঘ. look into
উত্তর: খ. look after
‘Look after’ phrasal verb-এর অর্থ দেখাশোনা করা বা যত্ন নেওয়া। বৃদ্ধ বাবা-মায়ের যত্ন নেওয়া প্রত্যেকের দায়িত্ব, তাই বাক্যটি হবে ‘Everybody should look after their old parents’।
মনে রাখুন:
look at: তাকানো
look up: অভিধানে খোঁজা
look into: তদন্ত করা - ৩৩. The patient will ______ soon.
- ক. come in
- খ. come off
- গ. come round
- ঘ. come by
উত্তর: গ. come round
Phrasal verb ‘come round’ মানে জ্ঞান ফেরা বা অসুস্থতা থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা। বাক্যটি বলছে রোগী শিগগিরই সুস্থ হবে, তাই come round বসে। অন্য অপশনগুলোর অর্থ আলাদা: come in মানে ভেতরে আসা, come off মানে সফল হওয়া বা খসে পড়া, আর come by মানে কিছু পেয়ে যাওয়া। এক verb-এর সঙ্গে আলাদা preposition বসালে অর্থ পুরো বদলে যায়, তাই phrasal verb বাক্যে ব্যবহার দেখে শেখা ভালো।
উদাহরণ:
He came round after the operation.
মনে রাখুন: Come across = হঠাৎ পাওয়া, come up with = উদ্ভাবন করা। - ৩৪. Would you mind ________ the window?
- ক. open
- খ. to open
- গ. to opening
- ঘ. opening
উত্তর: ঘ. opening
‘Would you mind’ দিয়ে ভদ্রভাবে অনুরোধ করা হয়, আর mind verb-এর পরে gerund (verb + ing) বসে। তাই বাক্যটি হবে ‘Would you mind opening the window?’
মনে রাখুন: mind-এর মতো avoid, enjoy, finish, practise, deny-এর পরেও gerund বসে, যেমন He avoided meeting me. - ৩৫. Choose the correct verb to complete the sentence. You had better _____ a doctor.
- ক. to see
- খ. see
- গ. saw
- ঘ. seen
উত্তর: খ. see
Had better একটি modal-এর মতো phrase, যা দিয়ে পরামর্শ বা উপদেশ দেওয়া হয়, অর্থাৎ ‘তোমার উচিত’। এর পরে সবসময় to ছাড়া verb-এর মূল রূপ (bare infinitive) বসে। তাই You had better see a doctor সঠিক, যার অর্থ তোমার ডাক্তার দেখানো উচিত। দেখতে had past form হলেও অর্থ বর্তমান বা ভবিষ্যৎ বোঝায়।
মনে রাখুন: negative করতে not বসে better-এর পরে, যেমন You had better not go there। একই রকম would rather-এর পরেও bare infinitive বসে। - ৩৬. No sooner had the thief seen the police-
- ক. than he ran away
- খ. than he run away
- গ. than he had run away
- ঘ. when he run away
উত্তর: ক. than he ran away
No sooner had + subject + past participle গঠনের পরে than এবং তারপর past indefinite tense বসে। বাক্যটির অর্থ, চোর পুলিশকে দেখামাত্রই পালিয়ে গেল। প্রথম কাজটি আগে ঘটেছে বলে past perfect (had seen), আর দ্বিতীয় কাজটি তার পরপরই ঘটেছে বলে past indefinite (ran away)। তাই than he ran away সঠিক।
মনে রাখুন: No sooner-এর সঙ্গে than বসে, কিন্তু Hardly ও Scarcely-র সঙ্গে বসে when বা before, যেমন Hardly had I reached the station when the train left। - ৩৭. He is working hard-
- ক. as he can shine in life
- খ. that he can shine in life
- গ. to shining in life
- ঘ. so that he can shine in life
উত্তর: ঘ. so that he can shine in life
কোনো কাজ কেন করা হচ্ছে, অর্থাৎ উদ্দেশ্য বোঝাতে so that ব্যবহার করা হয়, আর এর পরে সাধারণত can, may বা might বসে। সে জীবনে উন্নতি করতে পারবে এই উদ্দেশ্যে কঠোর পরিশ্রম করছে, তাই He is working hard so that he can shine in life সঠিক। শুধু that বা as বসালে উদ্দেশ্যের অর্থ স্পষ্ট হয় না, আর to shining ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
মনে রাখুন: একই অর্থ in order to দিয়েও প্রকাশ করা যায়, যেমন He is working hard in order to shine in life। - ৩৮. রানী ছবি আঁকে।
- ক. Rani draw a picture.
- খ. Rani drew a picture.
- গ. Rani is drawing a picture.
- ঘ. Rani draws a picture.
উত্তর: ঘ. Rani draws a picture.
‘রানী ছবি আঁকে’ বাক্যটি রানীর অভ্যাস বা নিয়মিত কাজ বোঝাচ্ছে, তাই এর অনুবাদ present indefinite tense-এ হবে। Subject Rani third person singular, তাই verb-এর সঙ্গে s যোগ হয়ে draws হবে। ফলে সঠিক অনুবাদ Rani draws a picture। Drew অতীতের কাজ, আর is drawing এখন চলমান কাজ বোঝায়।
মনে রাখুন: Present indefinite-এ he, she, it বা একবচন নামবাচক subject থাকলে verb-এর সঙ্গে s বা es যুক্ত হয়, যেমন He goes, She watches। - ৩৯. লোকটি হাসতে হাসতে আমার কাছে আসলো।
- ক. The man comes to me by laugh.
- খ. The man came to me by laugh.
- গ. The man came to me laughing.
- ঘ. The man coming to me laugh.
উত্তর: গ. The man came to me laughing.
‘হাসতে হাসতে আসলো’ মানে আসার সময় একই সঙ্গে সে হাসছিল, অর্থাৎ দুটি কাজ একসঙ্গে ঘটছে। এমন সহগামী কাজ বোঝাতে ইংরেজিতে মূল verb-এর পরে present participle (verb + ing) বসানো হয়। আসার কাজটি অতীতে ঘটেছে, তাই The man came to me laughing সঠিক। By laugh ইংরেজিতে অর্থহীন।
উদাহরণ: The boy went out singing. She came running to me. - ৪০. সে কি গতকাল এসেছে?
- ক. Did he come yesterday?
- খ. Did he came yesterday?
- গ. Had he come yesterday?
- ঘ. Has he come yesterday?
উত্তর: ক. Did he come yesterday?
বাক্যে yesterday শব্দটি একটি নির্দিষ্ট অতীত সময় বোঝাচ্ছে। নির্দিষ্ট অতীত সময়ের সঙ্গে present perfect বসে না, বসে past indefinite। Past indefinite-এর প্রশ্নে did শুরুতে বসে এবং main verb থাকে মূল রূপে, তাই Did he come yesterday? সঠিক। Did he came ভুল, কারণ did-এর পরে past form বসে না।
মনে রাখুন: yesterday, last week, ago, in 2010 জাতীয় শব্দ থাকলে present perfect ব্যবহার করা যায় না। - ৪১. অপমানের চেয়ে মৃত্যু শ্রেয়।
- ক. Death is better than insult.
- খ. Death is preferable to dishonour.
- গ. Dishonour is preferable than death.
- ঘ. Death is acceptable than dishonour .
উত্তর: খ. Death is preferable to dishonour.
‘শ্রেয়’ মানে তুলনায় বেশি ভালো বা বেশি কাম্য, আর এই অর্থ প্রকাশ করতে ইংরেজিতে preferable to ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার বিষয় হলো, preferable-এর পরে than নয়, to বসে। ‘অপমান’ বোঝাতে dishonour শব্দটি বেশি মানানসই, কারণ এতে সম্মান হারানোর ভাব আছে। তাই Death is preferable to dishonour সঠিক অনুবাদ।
মনে রাখুন: Latin থেকে আসা কিছু comparative শব্দের পরে to বসে, যেমন superior to, inferior to, senior to, junior to, prior to, prefer to। - ৪২. বাংলাদেশ একটি নদীবহুল দেশ।
- ক. Bangladesh is a riverine country.
- খ. Bangladesh is a country of river.
- গ. Bangladesh is surrounded by river.
- ঘ. Bangladesh is situated by river.
উত্তর: ক. Bangladesh is a riverine country.
Riverine শব্দের অর্থ নদীবহুল বা নদী-সংশ্লিষ্ট, তাই ‘বাংলাদেশ একটি নদীবহুল দেশ’-এর সঠিক অনুবাদ Bangladesh is a riverine country। অন্য বিকল্পগুলোতে অর্থ বদলে গেছে, যেমন surrounded by river মানে নদী দিয়ে ঘেরা, আর a country of river-এ river একবচন থাকায় নদীবহুলতার ভাব আসে না।
মনে রাখুন: Bangladesh is a land of rivers বাক্যটিও একই অর্থ প্রকাশ করে। riverine-এর মতো marine মানে সমুদ্র-সংশ্লিষ্ট। - ৪৩. আমার যদি পাখির মতো ডানা থাকত!
- ক. If I would have the wings of a bird!
- খ. Had I the wings of a bird!
- গ. I wish that I would have the wings of a bird!
- ঘ. If I could fly like a bird !
উত্তর: খ. Had I the wings of a bird!
‘আমার যদি পাখির মতো ডানা থাকত’ একটি অবাস্তব ইচ্ছা, কারণ বাস্তবে মানুষের ডানা নেই। এমন ইচ্ছা ইংরেজিতে প্রকাশ করা হয় If I had… বা I wish I had… দিয়ে। If বাদ দিয়ে had-কে subject-এর আগে বসিয়েও একই অর্থ প্রকাশ করা যায়, তাই Had I the wings of a bird! সঠিক। If I would have বা I wish that I would have ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
মনে রাখুন: Were I a king! (যদি আমি রাজা হতাম!) বাক্যেও একইভাবে If উহ্য রেখে verb আগে বসেছে। - ৪৪. মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে।
- ক. It is raining heavily.
- খ. It rains continuously.
- গ. It is raining cats and dogs.
- ঘ. It has been raining seriously.
উত্তর: গ. It is raining cats and dogs.
‘মুষলধারে বৃষ্টি’ বাংলায় একটি বাগধারা, যার অর্থ প্রবল বৃষ্টি। ইংরেজিতে একই ভাব প্রকাশ করে idiom raining cats and dogs। বৃষ্টি এখন চলছে, তাই present continuous tense বসবে, ফলে It is raining cats and dogs সঠিক অনুবাদ। It rains continuously অভ্যাসগত সত্য বোঝায়, আর raining seriously ইংরেজিতে স্বাভাবিক নয়।
মনে রাখুন: একই অর্থে ইংরেজিতে It is pouring বা It is raining in torrents-ও বলা হয়। - ৪৫. সে সাঁতার কাটতে জানে না।
- ক. He does not know how to swim.
- খ. He does not know to swim.
- গ. He donot knows how to swim.
- ঘ. He cannot know to swim
উত্তর: ক. He does not know how to swim.
কোনো কাজ করতে জানা বা কাজটির কৌশল জানা বোঝাতে ইংরেজিতে know how to + verb ব্যবহার করা হয়। তাই ‘সে সাঁতার কাটতে জানে না’-এর সঠিক অনুবাদ He does not know how to swim। শুধু know to swim বসালে ইংরেজিতে স্বাভাবিক হয় না, আর donot knows ভুল, কারণ does not-এর পরে verb-এর মূল রূপ বসে।
মনে রাখুন: একই অর্থ সহজভাবে He cannot swim দিয়েও প্রকাশ করা যায়।
গণিত
- ৪৬. দুইটি সরলরেখা পরস্পর সমাপতিত হলে, সমাধান সংখ্যা কত হবে?
- ক. অসংখ্য
- খ. সমাধান নেই
- গ. দুইটি
- ঘ. একটি
উত্তর: ক. অসংখ্য
দুটি সরলরেখা সমাপতিত হওয়া মানে তারা আসলে একটি রেখার ওপর আরেকটি পুরোপুরি মিশে আছে। তখন একটি রেখার প্রতিটি বিন্দুই অন্য রেখারও বিন্দু, আর রেখায় বিন্দু অসংখ্য, তাই সমীকরণজোটের সমাধানও অসংখ্য। এমন সমীকরণজোটকে সমঞ্জস ও পরস্পর নির্ভরশীল বলে।
মনে রাখুন:
রেখা দুটি একটি বিন্দুতে ছেদ করলে: একটি মাত্র সমাধান।
রেখা দুটি সমান্তরাল হলে: কোনো সমাধান নেই (অসমঞ্জস)।
রেখা দুটি সমাপতিত হলে: অসংখ্য সমাধান। - ৪৭. ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র কোনটি?
- ক. πr²
- খ. (1/2) × ভূমি × উচ্চতা
- গ. ভূমি × উচ্চতা
- ঘ. 2πr
উত্তর: খ. (1/2) × ভূমি × উচ্চতা
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = ½ × ভূমি × উচ্চতা। একটি আয়তক্ষেত্রকে কর্ণ বরাবর কাটলে দুটি সমান ত্রিভুজ পাওয়া যায়, তাই ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল সমান ভূমি ও উচ্চতার আয়তক্ষেত্রের অর্ধেক।
মনে রাখুন:
ভূমি × উচ্চতা: সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল
πr²: বৃত্তের ক্ষেত্রফল
2πr: বৃত্তের পরিধি - ৪৮. চিত্রে ΔABC এর দুই বাহুর দৈর্ঘ্য a এবং b । বাহু দুইটির অন্তর্ভুক্ত কোণ θ। সেক্ষেত্রে ΔABC এর ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র হবে-
- ক. (1/2) ab sinθ
- খ. (1/2) ab sin2θ
- গ. ab cosθ
- ঘ. (1/2) ab ab cos2θ
উত্তর: ক. (1/2) ab sinθ
ত্রিভুজের দুটি বাহু a ও b এবং তাদের অন্তর্ভুক্ত কোণ θ জানা থাকলে আমরা উচ্চতা বের করে ক্ষেত্রফল পাই। a বাহুকে ভূমি ধরলে বিপরীত শীর্ষ থেকে টানা লম্ব, অর্থাৎ উচ্চতা হয় b sinθ। তাই,
ক্ষেত্রফল = ½ × ভূমি × উচ্চতা = ½ × a × b sinθ = ½ab sinθ
মনে রাখুন: θ = 90° হলে sin90° = 1, ফলে ক্ষেত্রফল হয় ½ab, যা সমকোণী ত্রিভুজের পরিচিত সূত্র। - ৪৯. 10 মিটার প্রস্থবিশিষ্ট নদীর তীরে অবস্থিত একটি টাওয়ারের উচ্চতা 10√3 মিটার হলে, অপর তীরে টাওয়ারের অবনতি কোণ কত ডিগ্রি?
- ক. 90°
- খ. 60°
- গ. 45°
- ঘ. 30°
উত্তর: খ. 60°
টাওয়ারের চূড়া থেকে নদীর অপর তীরের দিকে তাকালে যে অবনতি কোণ তৈরি হয়, তা ভূমিতে দাঁড়িয়ে টাওয়ারের চূড়ার উন্নতি কোণের সমান (একান্তর কোণ)। এখানে টাওয়ারের উচ্চতা লম্ব, আর নদীর প্রস্থ ভূমি, তাই,
tanθ = 10√3/10 = √3
আমরা জানি tan60° = √3, তাই θ = 60°।
মনে রাখুন: উচ্চতা ও দূরত্ব সমান হলে কোণ 45°, আর উচ্চতা দূরত্বের 1/√3 গুণ হলে কোণ 30°। - ৫০. বৃত্তের একই চাপের ওপর দণ্ডায়মান কেন্দ্রস্থ কোণ 60° হলে, বৃত্তস্থ কোণ কত?
- ক. 60°
- খ. 30°
- গ. 120°
- ঘ. 180°
উত্তর: খ. 30°
বৃত্তের একটি উপপাদ্য অনুযায়ী, একই চাপের ওপর দণ্ডায়মান বৃত্তস্থ কোণ কেন্দ্রস্থ কোণের অর্ধেক। এখানে কেন্দ্রস্থ কোণ 60°, তাই,
বৃত্তস্থ কোণ = 60° ÷ 2 = 30°
মনে রাখুন: অর্ধবৃত্তস্থ কোণ সবসময় এক সমকোণ (90°), কারণ ব্যাসের ওপর দণ্ডায়মান কেন্দ্রস্থ কোণ 180°। আর একই চাপের ওপর দণ্ডায়মান সব বৃত্তস্থ কোণ পরস্পর সমান। - ৫১. বৃত্তের ব্যাসার্ধ 5 একক হলে, বৃত্তের ক্ষেত্রফল কত বর্গ একক?
- ক. 5π
- খ. 10π
- গ. 20π
- ঘ. 25π
উত্তর: ঘ. 25π
বৃত্তের ক্ষেত্রফলের সূত্র হলো πr², যেখানে r ব্যাসার্ধ। এখানে r = 5 একক, তাই,
ক্ষেত্রফল = π × 5² = 25π বর্গ একক
π ≈ 3.1416 ধরলে ক্ষেত্রফল প্রায় 78.54 বর্গ একক।
মনে রাখুন: বৃত্তের পরিধি = 2πr, তাই এখানে পরিধি 10π একক। বিকল্পের 10π আসলে পরিধির মান, ক্ষেত্রফলের নয়। - ৫২. 50° এর পূরক কোণ কোনটি?
- ক. 130°
- খ. 220°
- গ. 40°
- ঘ. 310°
উত্তর: গ. 40°
দুটি কোণের যোগফল 90° হলে তারা একে অপরের পূরক কোণ (Complementary Angle)। তাই 50°-এর পূরক কোণ = 90° − 50° = 40°।
মনে রাখুন: দুটি কোণের যোগফল 180° হলে তারা সম্পূরক কোণ (Supplementary Angle)। 50°-এর সম্পূরক কোণ 130°, যা বিকল্পে আছে বলে সহজেই ভুল হতে পারে। - ৫৩. সমকোণী ত্রিভুজের একটি কোণ 60° হলে, অপর কোণটি কত?
- ক. 30°
- খ. 120°
- গ. 40°
- ঘ. 0°
উত্তর: ক. 30°
যেকোনো ত্রিভুজের তিন কোণের যোগফল 180°। সমকোণী ত্রিভুজে একটি কোণ 90°, তাই বাকি দুটি কোণের যোগফল 90°। একটি 60° হলে অপরটি 90° − 60° = 30°।
মনে রাখুন: সমকোণী ত্রিভুজের সূক্ষ্মকোণ দুটি পরস্পরের পূরক কোণ। - ৫৪. 9^(x + 3) = 27^(x + 1) হলে, x এর মান কত?
- ক. 2
- খ. -3
- গ. 9
- ঘ. 3
উত্তর: ঘ. 3
দুই পাশকে একই ভিত্তি 3-এর ঘাতে লিখলে সমীকরণ সহজ হয়।
9^(x + 3) = 3^(2x + 6) এবং 27^(x + 1) = 3^(3x + 3)
ভিত্তি সমান হলে ঘাতও সমান: 2x + 6 = 3x + 3, তাই x = 3।
যাচাই: 9⁶ = 3¹² এবং 27⁴ = 3¹²। - ৫৫. (2⁻¹ + 5⁻¹)⁻¹ এর মান কত?
- ক. 7
- খ. 10/7
- গ. 3
- ঘ. 7/10
উত্তর: খ. 10/7
ঋণাত্মক ঘাতের নিয়ম a⁻¹ = 1/a ব্যবহার করে ধাপে ধাপে মান বের করি:
2⁻¹ + 5⁻¹ = 1/2 + 1/5 = 5/10 + 2/10 = 7/10
(7/10)⁻¹ = 10/7
অর্থাৎ কোনো ভগ্নাংশের −1 ঘাত মানে তার লব ও হর উল্টে দেওয়া।
মনে রাখুন: a⁻ⁿ = 1/aⁿ এবং (a/b)⁻ⁿ = (b/a)ⁿ। - ৫৬. x² – y², (x + y)², x³ + y³ এর গ.সা.গু কত?
- ক. x − y
- খ. x + y
- গ. (x² − y²)(x³ + y³)
- ঘ. (x − y)(x + y)²(x² − xy + y²)
উত্তর: খ. x + y
তিনটি রাশিকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করি:
x² − y² = (x + y)(x − y)
(x + y)² = (x + y)(x + y)
x³ + y³ = (x + y)(x² − xy + y²)
তিনটি রাশিতেই সাধারণ উৎপাদক কেবল (x + y), আর এর সর্বনিম্ন ঘাত 1। তাই গ.সা.গু. = x + y।
মনে রাখুন: এই তিন রাশির ল.সা.গু. হবে (x − y)(x + y)²(x² − xy + y²), যা একটি বিকল্পে দেওয়া আছে। - ৫৭. দুইটি সংখ্যার যোগফল 56, যদি সংখ্যা দুইটির অনুপাত 3 : 1 হয়, তবে সংখ্যা দুইটির গুণফল নিচের কোনটি হবে?
- ক. 14
- খ. 42
- গ. 168
- ঘ. 588
উত্তর: ঘ. 588
অনুপাত 3 : 1 মানে সংখ্যা দুটিকে 3x ও x ধরা যায়। প্রশ্ন অনুযায়ী,
3x + x = 56
4x = 56, অর্থাৎ x = 14
সংখ্যা দুটি 3 × 14 = 42 এবং 14।
গুণফল = 42 × 14 = 588
মনে রাখুন: যোগফল ও অনুপাত জানা থাকলে, অনুপাতের রাশিগুলোর যোগফল দিয়ে মোটকে ভাগ করে প্রতিটি অংশ বের করা যায় (56 ÷ 4 = 14)। - ৫৮. 1 + 1/3 + 1/9 + ……………… ধারাটির প্রথম ৫টি পদের সমষ্টি কত?
- ক. 121/81
- খ. 119/81
- গ. 81/121
- ঘ. -121/81
উত্তর: ক. 121/81
ধারাটির প্রতিটি পদ আগের পদের 1/3 গুণ, তাই এটি একটি গুণোত্তর ধারা, যার প্রথম পদ a = 1 এবং সাধারণ অনুপাত r = 1/3। গুণোত্তর ধারার প্রথম n পদের সমষ্টি Sₙ = a(1 − rⁿ)/(1 − r), তাই,
S₅ = 1 × (1 − (1/3)⁵)/(1 − 1/3)
= (1 − 1/243)/(2/3)
= (242/243) × (3/2) = 121/81
যাচাই: 1 + 1/3 + 1/9 + 1/27 + 1/81 = (81 + 27 + 9 + 3 + 1)/81 = 121/81।
মনে রাখুন: |r| < 1 হলে অসীম গুণোত্তর ধারার সমষ্টি a/(1 − r), এখানে তা 3/2। - ৫৯. a = √3 + √2 হলে, a³ + 3a + 3a⁻¹ + a⁻³ এর মান কত?
- ক. 8√2
- খ. 16√2
- গ. 18√3
- ঘ. 24√3
উত্তর: ঘ. 24√3
রাশিটি আসলে (a + 1/a)³-এর বিস্তার, কারণ (a + 1/a)³ = a³ + 3a + 3/a + 1/a³।
a = √3 + √2 হলে 1/a = 1/(√3 + √2) = √3 − √2, কারণ (√3 + √2)(√3 − √2) = 3 − 2 = 1।
তাই a + 1/a = 2√3, এবং (2√3)³ = 8 × 3√3 = 24√3। - ৬০. aˣ = b, bʸ = c, cᶻ = a হলে, নিচের কোন সম্পর্কটি সঠিক?
- ক. a = x/ayz
- খ. a = y/azx
- গ. b = x/cyz
- ঘ. a = aˣʸᶻ
উত্তর: ঘ. a = aˣʸᶻ
প্রদত্ত তিনটি সম্পর্ক পরপর বসালে a-কে a-এর ঘাত হিসেবে পাওয়া যায়:
a = cᶻ
= (bʸ)ᶻ = b^(yz)
= (aˣ)^(yz) = a^(xyz)
তাই সঠিক সম্পর্ক a = aˣʸᶻ। এর থেকে আরও বোঝা যায়, ভিত্তি সমান বলে ঘাতও সমান, অর্থাৎ xyz = 1।
মনে রাখুন: (aᵐ)ⁿ = a^(mn), আর aᵐ = aⁿ হলে (a > 0, a ≠ 1) m = n। - ৬১. √m + 1/√m = 2 হলে, √m – 1/√m = কত?
- ক. 0
- খ. √2
- গ. 2
- ঘ. 4
উত্তর: ক. 0
দুটি রাশির যোগফল ও অন্তরের বর্গের মধ্যে সম্পর্ক হলো (a − b)² = (a + b)² − 4ab। এখানে a = √m এবং b = 1/√m, ফলে ab = 1। তাই,
(√m − 1/√m)² = (√m + 1/√m)² − 4 × 1
= 2² − 4 = 0
অতএব √m − 1/√m = 0।
যাচাই: √m + 1/√m = 2 তখনই হয় যখন √m = 1, অর্থাৎ m = 1, আর তখন 1 − 1 = 0। - ৬২. মুনাফার হার ৮% হলে, ৫০০ টাকার ৪ বছরের মুনাফা কত?
- ক. ৩২ টাকা
- খ. ১৬০ টাকা
- গ. ৪০ টাকা
- ঘ. ২০ টাকা
উত্তর: খ. ১৬০ টাকা
সরল মুনাফার সূত্র I = Pnr, যেখানে P আসল, n সময় এবং r মুনাফার হার। এখানে P = 500 টাকা, r = 8% = 8/100 এবং n = 4 বছর। তাই,
মুনাফা = 500 × (8/100) × 4 = 5 × 8 × 4 = 160 টাকা
মনে রাখুন: প্রতি বছরের মুনাফা 500-এর 8% = 40 টাকা, আর 4 বছরে 40 × 4 = 160 টাকা। বিকল্পের 40 টাকা আসলে এক বছরের মুনাফা। - ৬৩. ক্রয়মূল্য ৩৫০ টাকা হলে, ১২% লাভে বিক্রয়মূল্য কত?
- ক. ১১২ টাকা
- খ. ৩৬২ টাকা
- গ. ৩৯২ টাকা
- ঘ. ৩৮৬ টাকা
উত্তর: গ. ৩৯২ টাকা
লাভ সবসময় ক্রয়মূল্যের ওপর হিসাব করা হয়। এখানে ক্রয়মূল্য 350 টাকা, আর লাভ 12%। তাই,
লাভ = 350 × 12/100 = 42 টাকা
বিক্রয়মূল্য = 350 + 42 = 392 টাকা
সংক্ষেপে: বিক্রয়মূল্য = 350 × 112/100 = 392 টাকা।
মনে রাখুন: x% লাভে বিক্রয়মূল্য = ক্রয়মূল্য × (100 + x)/100, আর x% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = ক্রয়মূল্য × (100 − x)/100। - ৬৪. লাভক্ষতির হিসাবে- i) লাভ বা ক্ষতিকে শতকরায় প্রকাশ করা যায় ii) ২০০ টাকায় ১০% ক্ষতি হলে, ক্ষতির পরিমাণ ১০ টাকা iii) ১০% লাভে ৫০০ টাকার পণ্যের বিক্রয়মূল্য ৫১০ টাকা
- ক. i
- খ. ii
- গ. iii
- ঘ. i,ii,iii
উত্তর: ক. i
তিনটি বক্তব্য আলাদা করে যাচাই করি।
i) লাভ বা ক্ষতিকে ক্রয়মূল্যের শতকরা হারে প্রকাশ করা যায়, তাই এটি সত্য।
ii) 200 টাকায় 10% ক্ষতি = 200 × 10/100 = 20 টাকা, 10 টাকা নয়, তাই এটি মিথ্যা।
iii) 500 টাকার পণ্যে 10% লাভ = 50 টাকা, ফলে বিক্রয়মূল্য 550 টাকা, 510 টাকা নয়, তাই এটিও মিথ্যা।
অতএব শুধু i সঠিক।
মনে রাখুন: শতকরা লাভ-ক্ষতি সবসময় ক্রয়মূল্যকে ১০০ ধরে হিসাব করা হয়। - ৬৫. ৭ জন লোক একদিনে একটি কাজের ১/৭ অংশ করে। ৭ দিনে একজন লোক ঐ কাজের কত অংশ করতে পারবে?
- ক. ১/৪৯ অংশ
- খ. ১/১৪ অংশ
- গ. ১/৭ অংশ
- ঘ. সম্পূর্ণ কাজ
উত্তর: গ. ১/৭ অংশ
আগে একজন লোক একদিনে কতটুকু কাজ করে তা বের করি, তারপর ৭ দিনের হিসাব করি।
7 জন 1 দিনে করে 1/7 অংশ
1 জন 1 দিনে করে 1/7 ÷ 7 = 1/49 অংশ
1 জন 7 দিনে করে 7 × 1/49 = 1/7 অংশ
লক্ষ করি, লোক ৭ গুণ কমেছে আর দিন ৭ গুণ বেড়েছে, তাই মোট কাজের পরিমাণ একই থেকেছে।
মনে রাখুন: কাজের পরিমাণ = লোকসংখ্যা × দিন × একজনের দৈনিক কাজ। - ৬৬. ২৫ : ৮১ দ্বিভাজিত অনুপাত কোনটি?
- ক. ৮১ : ২৫
- খ. ৫ : ৯
- গ. ২৫/২ : ৮১/২
- ঘ. ৯ : ৫
উত্তর: খ. ৫ : ৯
কোনো অনুপাতের পূর্বরাশি ও উত্তররাশির বর্গমূল নিয়ে যে অনুপাত পাওয়া যায়, তাকে দ্বিভাজিত বা উপবর্গ অনুপাত (Sub-duplicate Ratio) বলে। 25 : 81-এর ক্ষেত্রে,
√25 : √81 = 5 : 9
মনে রাখুন:
দ্বিগুণিত বা দ্বিঘাত অনুপাত (Duplicate Ratio): রাশিগুলোর বর্গ, যেমন 5 : 9 → 25 : 81।
ব্যস্ত অনুপাত (Inverse Ratio): রাশি উল্টে দেওয়া, যেমন 25 : 81 → 81 : 25।
ত্রিভাজিত অনুপাত: রাশিগুলোর ঘনমূল। - ৬৭. ১/৪, ৩/১৬, ৯/২০ এর সাধারণ গুণিতক নিচের কোনটি?
- ক. ১/৪
- খ. ৪/৯
- গ. ৯/২০
- ঘ. ৯/৪
উত্তর: ঘ. ৯/৪
ভগ্নাংশের ল.সা.গু. বা সাধারণ ক্ষুদ্রতম গুণিতক বের করার নিয়ম হলো,
ল.সা.গু. = লবগুলোর ল.সা.গু. ÷ হরগুলোর গ.সা.গু.
লব 1, 3, 9-এর ল.সা.গু. = 9
হর 4, 16, 20-এর গ.সা.গু. = 4
তাই ল.সা.গু. = 9/4
যাচাই: (9/4) ÷ (1/4) = 9, (9/4) ÷ (3/16) = 12 এবং (9/4) ÷ (9/20) = 5, তিনটিই পূর্ণসংখ্যা।
মনে রাখুন: ভগ্নাংশের গ.সা.গু. = লবগুলোর গ.সা.গু. ÷ হরগুলোর ল.সা.গু.। - ৬৮. ১৫০ এর ১০% কত?
- ক. ১.৫
- খ. ১৫০
- গ. ১০
- ঘ. ১৫
উত্তর: ঘ. ১৫
কোনো সংখ্যার 10% বের করা মানে সংখ্যাটিকে 10 দিয়ে ভাগ করা, কারণ 10% = 10/100 = 1/10। তাই,
150-এর 10% = 150 × 10/100 = 15
মনে রাখুন: 10% বের করতে দশমিক বিন্দু এক ঘর বাঁয়ে সরালেই হয়, আর 1% বের করতে দুই ঘর বাঁয়ে সরাতে হয়। যেমন 150-এর 1% = 1.5, যা একটি বিকল্পে দেওয়া আছে।
বাংলাদেশ
- ৬৯. বাংলার শেষ নবাব সিরাজউদ্দৌলা কোন যুদ্ধে পরাজিত হন?
- ক. পলাশীর যুদ্ধে
- খ. সিপাহী বিদ্রোহে
- গ. বক্সারের যুদ্ধে
- ঘ. কর্নাটকের যুদ্ধে
উত্তর: ক. পলাশীর যুদ্ধে
১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর আমবাগানে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সেনাপতি রবার্ট ক্লাইভের বাহিনীর কাছে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলা পরাজিত হন। নবাবের সেনাপতি মীর জাফর, জগৎশেঠ ও রায় দুর্লভদের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে বিশাল সেনাবাহিনী থাকা সত্ত্বেও তিনি হেরে যান। এই যুদ্ধের পরেই বাংলায় ইংরেজ শাসনের ভিত্তি তৈরি হয়।
মনে রাখুন: ১৭৬৪ সালের বক্সারের যুদ্ধে মীর কাসিম, অযোধ্যার নবাব ও মুঘল সম্রাট শাহ আলম যৌথভাবে ইংরেজদের কাছে পরাজিত হন। সিপাহি বিদ্রোহ হয় ১৮৫৭ সালে। - ৭০. বাংলাদেশে বাস নেই এমন উপজাতির নাম-
- ক. সাঁওতাল
- খ. মাওরি
- গ. মুরং
- ঘ. গারো
উত্তর: খ. মাওরি
মাওরি (Maori) হলো নিউজিল্যান্ডের আদিবাসী জনগোষ্ঠী, তাদের বসতি বাংলাদেশে নেই। অন্যদিকে সাঁওতাল, মুরং (ম্রো নামেও পরিচিত) ও গারো বাংলাদেশেরই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী। সাঁওতালেরা মূলত উত্তরবঙ্গের রাজশাহী ও দিনাজপুর অঞ্চলে, মুরংরা বান্দরবানের পার্বত্য এলাকায় এবং গারোরা ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল অঞ্চলে থাকে।
মনে রাখুন:
পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রধান তিনটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরা।
গারো সমাজ মাতৃসূত্রীয় বলে পরিচিত, অর্থাৎ সন্তান মায়ের বংশপরিচয় পায়। - ৭৪. বাংলাদেশের কোন জেলার সাথে ভারত এবং মিয়ানমারের সীমান্ত রয়েছে?
- ক. কক্সবাজার
- খ. খাগড়াছড়ি
- গ. বান্দরবান
- ঘ. রাঙামাটি
উত্তর: ঘ. রাঙামাটি
রাঙামাটি বাংলাদেশের একমাত্র জেলা, যার সঙ্গে ভারত ও মিয়ানমার দুই দেশেরই সীমান্ত আছে। জেলাটির উত্তর ও পূর্ব দিকে ভারতের ত্রিপুরা ও মিজোরাম রাজ্য, আর দক্ষিণ-পূর্ব দিকে মিয়ানমারের চিন রাজ্য অবস্থিত। আয়তনে রাঙামাটি দেশের সবচেয়ে বড় জেলা।
মনে রাখুন: বান্দরবান ও কক্সবাজারের সীমান্ত শুধু মিয়ানমারের সঙ্গে, আর খাগড়াছড়ির সীমান্ত শুধু ভারতের সঙ্গে। মিয়ানমারের সঙ্গে সীমান্তযুক্ত জেলা তিনটি: রাঙামাটি, বান্দরবান ও কক্সবাজার। - ৮০. চট্টগ্রামের নাম ‘ইসলামাবাদ’ কে রাখেন?
- ক. ইসলাম খান
- খ. শায়েস্তা খান
- গ. ঈশা খা
- ঘ. মীর জুমলা
উত্তর: খ. শায়েস্তা খান
মুঘল সুবাদার শায়েস্তা খানের নির্দেশে তাঁর পুত্র বুজুর্গ উমেদ খান ১৬৬৬ সালে আরাকানি মগ ও পর্তুগিজ জলদস্যুদের হাত থেকে চট্টগ্রাম জয় করেন। এই বিজয়ের পর শায়েস্তা খান চট্টগ্রামের নাম রাখেন ‘ইসলামাবাদ’। এর ফলে চট্টগ্রাম স্থায়ীভাবে মুঘল সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয় এবং এ অঞ্চলে জলদস্যুদের উৎপাত কমে আসে।
মনে রাখুন: শায়েস্তা খানের আমলে টাকায় আট মণ চাল পাওয়া যেত বলে প্রচলিত আছে। ঢাকার লালবাগ দুর্গের কাজও তিনি এগিয়ে নেন। - ৮১. কত সালে হিন্দু সমাজে বিধবা বিবাহ প্রথা আইন চালু হয়?
- ক. ১৭৫৬
- খ. ১৮৫৬
- গ. ১৮৮৫
- ঘ. ১৮৯৫
উত্তর: খ. ১৮৫৬
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দীর্ঘ আন্দোলনের ফলে ১৮৫৬ সালে হিন্দু বিধবা পুনর্বিবাহ আইন (Hindu Widows' Remarriage Act) পাস হয়। এর আগে হিন্দু সমাজে বিধবাদের আবার বিয়ে করা নিষিদ্ধ ছিল, ফলে অল্প বয়সে বিধবা হওয়া মেয়েদের সারা জীবন কষ্টে কাটাতে হতো। তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড ডালহৌসির সময় আইনটি প্রণীত হয় এবং লর্ড ক্যানিংয়ের সময় কার্যকর হয়।
মনে রাখুন: ১৮২৯ সালে রাজা রামমোহন রায়ের প্রচেষ্টায় লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধ করেন। - ৮২. জাতীয় স্মৃতিসৌধে কয়টি ফলক আছে?
- ক. ৫টি
- খ. ৬টি
- গ. ৭টি
- ঘ. ৯টি
উত্তর: গ. ৭টি
সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধটি সাতটি ত্রিভুজাকার কংক্রিটের ফলক বা মিনার দিয়ে তৈরি, যেগুলো ছোট থেকে ধাপে ধাপে উঁচু হয়ে উঠেছে। সাতটি ফলক বাংলাদেশের স্বাধীনতার পথে সাতটি গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলনের প্রতীক: ১৯৫২-র ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪-র যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৫৮-র সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন, ১৯৬২-র শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬৬-র ছয় দফা, ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ।
মনে রাখুন: স্মৃতিসৌধের স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন, আর এর উচ্চতা ১৫০ ফুট (৪৫.৭২ মিটার)। - ৮৩. বাংলাদেশের বিজ্ঞান জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
- ক. ঢাকার শাহবাগে
- খ. ঢাকার ইসলামপুরে
- গ. ঢাকার আগারগাঁওয়ে
- ঘ. সোনারগাঁয়ে
উত্তর: গ. ঢাকার আগারগাঁওয়ে
জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত। ১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এই জাদুঘরে পদার্থবিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ও প্রযুক্তির নানা মডেল ও যন্ত্রপাতি প্রদর্শন করা হয়, আর সাধারণ মানুষের মধ্যে বিজ্ঞানমনস্কতা গড়ে তোলাই এর উদ্দেশ্য। এখানে একটি আধুনিক মানমন্দির বা অবজারভেটরিও আছে।
মনে রাখুন:
জাতীয় জাদুঘর: ঢাকার শাহবাগে।
লোকশিল্প জাদুঘর: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে।
বঙ্গবন্ধু নভোথিয়েটার: ঢাকার বিজয় সরণিতে। - ৮৯. ১৯৫২ সাল বাংলাদেশের ইতিহাসে যে জন্য বিখ্যাত-
- ক. মুক্তিযুদ্ধ
- খ. ভাষা আন্দোলন
- গ. গণঅভ্যুত্থান
- ঘ. আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা
উত্তর: খ. ভাষা আন্দোলন
১৯৫২ সাল বাংলাদেশের ইতিহাসে ভাষা আন্দোলনের জন্য বিখ্যাত। পাকিস্তান সরকার উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণা দিলে পূর্ব বাংলার মানুষ বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আন্দোলন শুরু করে। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি (৮ ফাল্গুন ১৩৫৮) ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল করলে পুলিশের গুলিতে সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ অনেকে শহীদ হন। শেষ পর্যন্ত ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলা পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি পায়।
মনে রাখুন: গণঅভ্যুত্থান হয় ১৯৬৯ সালে, আর আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হয় ১৯৬৮ সালে।
ব্যাংকিং ও অর্থনীতি
- ৭১. Bkash কোন ব্যাংকের জয়েন্ট ভেঞ্চার হিসেবে কাজ করে?
- ক. ব্র্যাক ব্যাংক
- খ. গ্রামীণ ব্যাংক
- গ. জনতা ব্যাংক
- ঘ. ডাচ-বাংলা ব্যাংক
উত্তর: ক. ব্র্যাক ব্যাংক
বিকাশ (bKash) বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল আর্থিক সেবা (Mobile Financial Service) প্রতিষ্ঠান। এটি ব্র্যাক ব্যাংক ও যুক্তরাষ্ট্রের মানি ইন মোশন এলএলসি-র যৌথ উদ্যোগ (Joint Venture) হিসেবে যাত্রা শুরু করে, আর ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে। ২০১১ সালে চালু হওয়া এই সেবার মাধ্যমে মোবাইল ফোন দিয়ে টাকা পাঠানো, তোলা ও বিল পরিশোধ করা যায়।
মনে রাখুন: ডাচ-বাংলা ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং সেবার নাম ‘রকেট’, আর বাংলাদেশ ডাক বিভাগের সেবার নাম ‘নগদ’।
বিজ্ঞান
- ৭২. সবচেয়ে হালকা গ্যাস কোনটি?
- ক. হাইড্রোজেন
- খ. হিলিয়াম
- গ. নাইট্রোজেন
- ঘ. আর্গন
উত্তর: ক. হাইড্রোজেন
হাইড্রোজেন (Hydrogen) পর্যায় সারণির প্রথম মৌল এবং এর পরমাণুতে মাত্র একটি প্রোটন ও একটি ইলেকট্রন থাকে। তাই এর ঘনত্ব সবচেয়ে কম এবং এটি সবচেয়ে হালকা গ্যাস। এর পারমাণবিক ভর প্রায় 1.008। হিলিয়াম (Helium) দ্বিতীয় হালকা গ্যাস, তবে এটি বিস্ফোরক নয় বলে বেলুন ও এয়ারশিপ ভরতে নিরাপদে ব্যবহার হয়।
মনে রাখুন:
হাইড্রোজেন দাহ্য, হিলিয়াম অদাহ্য।
নাইট্রোজেন বাতাসের প্রায় ৭৮ ভাগ।
আর্গন একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস, যা বাতাসে প্রায় ০.৯৩ ভাগ আছে। - ৭৫. কোন রক্ত গ্রুপকে সার্বিক গ্রহীতা বলে?
- ক. A রক্ত গ্রুপকে
- খ. B রক্ত গ্রুপকে
- গ. AB রক্ত গ্রুপকে
- ঘ. O রক্ত গ্রুপকে
উত্তর: গ. AB রক্ত গ্রুপকে
AB রক্তগ্রুপের মানুষের লোহিত রক্তকণিকায় A ও B দুই ধরনের অ্যান্টিজেন থাকে, কিন্তু রক্তরসে A বা B কোনো অ্যান্টিবডি থাকে না। ফলে অন্য যেকোনো গ্রুপের রক্ত দিলেও তা জমাট বাঁধে না, তাই AB গ্রুপকে সার্বজনীন গ্রহীতা (Universal Recipient) বলা হয়। অন্যদিকে O গ্রুপের রক্তে কোনো অ্যান্টিজেন থাকে না, তাই O গ্রুপকে সার্বজনীন দাতা (Universal Donor) বলে।
মনে রাখুন: রক্তের ABO গ্রুপ আবিষ্কার করেন কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার, ১৯০১ সালে। রক্তদানের আগে Rh ফ্যাক্টরও মিলিয়ে দেখতে হয়। - ৭৭. নাইট্রোজেন গ্যাস থেকে কোন সার প্রস্তুত করা হয়?
- ক. টিএসপি
- খ. সবুজ সার
- গ. পটাশ
- ঘ. ইউরিয়া
উত্তর: ঘ. ইউরিয়া
ইউরিয়া সারের মূল উপাদান নাইট্রোজেন, এতে প্রায় ৪৬ শতাংশ নাইট্রোজেন থাকে। কারখানায় প্রথমে বায়ুর নাইট্রোজেন ও প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে পাওয়া হাইড্রোজেন মিলিয়ে অ্যামোনিয়া তৈরি করা হয়। এরপর অ্যামোনিয়ার সঙ্গে কার্বন ডাইঅক্সাইড বিক্রিয়া করিয়ে ইউরিয়া পাওয়া যায়।
মনে রাখুন: টিএসপি সারে থাকে ফসফরাস, আর পটাশ সারে পটাশিয়াম। - ৭৮. বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ কত?
- ক. 20.01%
- খ. 21.01%
- গ. 20.71%
- ঘ. 21.71%
উত্তর: গ. 20.71%
বায়ুমণ্ডলের প্রধান উপাদান নাইট্রোজেন (প্রায় ৭৮%), এরপরেই অক্সিজেন। জলীয় বাষ্পসহ বায়ুর হিসাবে আমাদের পাঠ্যবইয়ে অক্সিজেনের পরিমাণ ২০.৭১% ধরা হয়, যদিও শুষ্ক বায়ুতে এটি প্রায় ২০.৯৫%। অক্সিজেন ছাড়া প্রাণীর শ্বসন এবং জ্বালানির দহন সম্ভব নয়।
মনে রাখুন: পাঠ্যবইয়ের হিসাবে বায়ুতে নাইট্রোজেন ৭৮.০২%, আর্গন ০.৮০% ও কার্বন ডাইঅক্সাইড ০.০৩%। - ৮৪. সূর্য কিরণ থেকে কোন ভিটামিন পাওয়া যায়?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৭
- ক. ভিটামিন ‘এ’
- খ. ভিটামিন ‘বি’
- গ. ভিটামিন ‘ই’
- ঘ. ভিটামিন ‘ডি’
উত্তর: ঘ. ভিটামিন ‘ডি’
সূর্যের আলোর অতিবেগুনি রশ্মি (Ultraviolet-B) আমাদের ত্বকে পড়লে ত্বকের নিচে থাকা একটি কোলেস্টেরল-জাতীয় যৌগ ভিটামিন ডি-তে রূপান্তরিত হয়। তাই সূর্যকিরণকে ভিটামিন ডি-এর প্রধান প্রাকৃতিক উৎস বলা হয়। এই ভিটামিন অন্ত্র থেকে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষণে সাহায্য করে, ফলে হাড় ও দাঁত মজবুত হয়।
মনে রাখুন: ভিটামিন ডি-এর অভাবে শিশুদের রিকেট আর বড়দের অস্টিওম্যালেশিয়া রোগ হয়। ডিমের কুসুম, কলিজা ও সামুদ্রিক মাছের তেলেও ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। - ৮৫. কীসের সাহায্যে সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করা হয়?
- ক. প্রতিফলন
- খ. প্রতিধ্বনি
- গ. প্রতিসরণ
- ঘ. প্রতিসরণাঙ্ক
উত্তর: খ. প্রতিধ্বনি
শব্দ কোনো বাধায় লেগে ফিরে এলে তাকে প্রতিধ্বনি (Echo) বলে। জাহাজ থেকে পানির নিচে শব্দ পাঠালে তা সমুদ্রের তলায় লেগে প্রতিধ্বনি হয়ে ফিরে আসে। পানিতে শব্দের বেগ জানা থাকায় যাওয়া-আসার সময় থেকে গভীরতা = (বেগ × সময়)/2 সূত্রে হিসাব করা যায়।
মনে রাখুন: এ কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রের নাম সোনার (SONAR) বা ফ্যাদোমিটার।
কম্পিউটার ও আইসিটি
- ৭৩. সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ‘ফেসবুক’-এর প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন-
- ক. বিল গেটস
- খ. টিম বানার্স লি
- গ. মার্ক জুকারবার্গ
- ঘ. এন্ডি গ্রোড
উত্তর: গ. মার্ক জুকারবার্গ
২০০৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মার্ক জাকারবার্গ কয়েকজন সহপাঠীকে নিয়ে ফেসবুক চালু করেন। শুরুতে এটি শুধু হার্ভার্ডের ছাত্রদের জন্য ছিল, পরে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান এখন ‘মেটা’ নামে পরিচিত।
মনে রাখুন:
বিল গেটস: মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা
টিম বার্নার্স-লি: ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের উদ্ভাবক
অ্যান্ড্রু গ্রোভ: ইন্টেলের সাবেক প্রধান
সাধারণ জ্ঞান
- ৭৬. ব্রহ্মপুত্রের প্রধান শাখা কোন নদী?
- ক. পদ্মা
- খ. যমুনা
- গ. সুরমা
- ঘ. মেঘনা
উত্তর: খ. যমুনা
ব্রহ্মপুত্র নদের প্রধান শাখা যমুনা। ১৭৮৭ সালের ভূমিকম্প ও বন্যায় ব্রহ্মপুত্রের তলদেশ উঁচু হয়ে যায়, ফলে এর মূল প্রবাহ পুরোনো পথ ছেড়ে দক্ষিণে নতুন খাত দিয়ে বইতে শুরু করে, আর এই নতুন প্রবাহই যমুনা নামে পরিচিত। যমুনা পরে গোয়ালন্দের কাছে পদ্মার সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
মনে রাখুন: পুরোনো ব্রহ্মপুত্র এখন ময়মনসিংহের ভেতর দিয়ে বয়ে ভৈরবের কাছে মেঘনায় মিশেছে। যমুনার শাখা নদী ধলেশ্বরী, আর উপনদী তিস্তা, ধরলা ও করতোয়া। - ৮৭. পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত কোন জেলায় অবস্থিত?
- ক. কক্সবাজার
- খ. চট্টগ্রাম
- গ. বরিশাল
- ঘ. ফেনী
উত্তর: খ. চট্টগ্রাম
পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত চট্টগ্রাম জেলায়, চট্টগ্রাম শহরের কেন্দ্র থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দক্ষিণে কর্ণফুলী নদীর মোহনায় অবস্থিত। সৈকতটির কাছেই শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ঘাঁটি বিএনএস ঈসা খান। শহরের কাছে বলে এটি চট্টগ্রামবাসীর অন্যতম জনপ্রিয় বিনোদনকেন্দ্র।
মনে রাখুন:
কক্সবাজার: বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্রসৈকত (প্রায় ১২০ কিলোমিটার)।
কুয়াকাটা: পটুয়াখালী জেলায়, এখান থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দুটিই দেখা যায়। - ৯০. বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয় –
- ক. ৫ জুন
- খ. ৫ জুলাই
- গ. ৫ আগস্ট
- ঘ. ৫ মার্চ
উত্তর: ক. ৫ জুন
১৯৭২ সালের ৫ জুন সুইডেনের স্টকহোমে জাতিসংঘের প্রথম মানব পরিবেশ সম্মেলন শুরু হয়। সেই সম্মেলনের স্মরণে ১৯৭৪ সাল থেকে প্রতি বছর ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়ে আসছে। এ সম্মেলনেই জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
মনে রাখুন: UNEP-এর সদর দপ্তর কেনিয়ার নাইরোবিতে, আর ধরিত্রী দিবস পালিত হয় ২২ এপ্রিল।
আন্তর্জাতিক
- ৭৯. পঞ্চম টি-20 বিশ্বকাপ ক্রিকেটে মোট কয়টি দেশ অংশ নিয়েছে?
- ক. ২০টি
- খ. ১৬টি
- গ. ১৪টি
- ঘ. ১২টি
উত্তর: খ. ১৬টি
২০১৪ সালে বাংলাদেশের আয়োজনে অনুষ্ঠিত পঞ্চম আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মোট ১৬টি দেশ অংশ নেয়। প্রথম পর্বে ৮টি দল খেলে, যার মধ্য থেকে ২টি দল মূল পর্বে ওঠে এবং আগে থেকে থাকা ৮টি দলের সঙ্গে যোগ দেয়। মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে শ্রীলঙ্কা প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়।
মনে রাখুন: প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হয় ২০০৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায়, আর সেবার চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত। - ৮৮. সূর্য উদয়ের দেশ কোনটি?
- ক. জাপান
- খ. থাইল্যান্ড
- গ. ইন্দোনেশিয়া
- ঘ. চীন
উত্তর: ক. জাপান
জাপানকে ‘সূর্যোদয়ের দেশ’ (Land of the Rising Sun) বলা হয়। প্রাচীন চীনাদের চোখে জাপান ছিল তাদের দেশের পূর্ব দিকে, যেখান থেকে সূর্য ওঠে বলে মনে হতো। জাপানি ভাষায় দেশটির নাম ‘নিপ্পন’ বা ‘নিহোন’, যার অর্থই হলো সূর্যের উৎস। জাপানের জাতীয় পতাকায়ও সাদা জমিনের মাঝে লাল সূর্যের প্রতীক আঁকা আছে।
মনে রাখুন:
নিশীথ সূর্যের দেশ: নরওয়ে।
সাদা হাতির দেশ: থাইল্যান্ড।
হাজার দ্বীপের দেশ: ইন্দোনেশিয়া।
এনটিআরসিএ: অন্যান্য পরীক্ষা
- এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৫
- এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৫
- এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৫
- এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৬
- এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৬
- এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৬
- এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৭
- এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৭
- এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৭
- এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০২২
- এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০২২
- এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০২২
- এনটিআরসিএ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০২৪
- এনটিআরসিএ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০২৪
- এনটিআরসিএ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০২৪
- এনটিআরসিএ ৮ম প্রতিষ্ঠান প্রধান নিবন্ধন (প্রধান শিক্ষক) পরীক্ষা ২০২৬
- এনটিআরসিএ ৮ম প্রতিষ্ঠান প্রধান নিবন্ধন (অধ্যক্ষ) পরীক্ষা ২০২৬
- এনটিআরসিএ ৮ম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১২
- এনটিআরসিএ ৮ম প্রতিষ্ঠান প্রধান নিবন্ধন (সুপার, দাখিল মাদ্রাসা) পরীক্ষা ২০২৬
- এনটিআরসিএ ৯ম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৩
আরও শিক্ষক নিয়োগ ও নিবন্ধন পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ১৪৯১) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ২৫৯৪) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ৩৬৯৭) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ২৮১৫) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৪০২১) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৫১২৪) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৮৪৩৩) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ; ১২ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২০১৪ সালের স্থগিত পরীক্ষা, ১৪ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২০১৪ সালের স্থগিত পরীক্ষা, ১৫ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২০১৪ সালের স্থগিত পরীক্ষা, ২০ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (বরিশাল বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (চট্টগ্রাম বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (ঢাকা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (খুলনা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (রাজশাহী বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (সিলেট বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (চট্টগ্রাম বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (ঢাকা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (খুলনা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (পিইডিপি-২) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (রাজশাহী বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (সিলেট বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (বরিশাল বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৭
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন