লিয়ানা বুকস

এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৯: প্রশ্ন ও সমাধান

পরীক্ষা হয়েছে ৩০ আগস্ট ২০১৯। ৯৭টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।

সময় ধরে পরীক্ষা দিন →

বাংলা

  1. ১. বাংলা সাধু ভাষার জনক কে?
    • ক. হরলাল রায়
    • খ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    • গ. ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
    • ঘ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    উত্তর: খ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    বাংলা সাধু ভাষার জনক বলা হয় ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে। তাঁর আগে বাংলা গদ্য ছিল আড়ষ্ট ও এলোমেলো, তিনি এতে সুশৃঙ্খল বাক্যগঠন, শ্রুতিমধুর শব্দচয়ন আর যতিচিহ্নের সুষ্ঠু ব্যবহার আনেন। ফলে সাধু গদ্য একটি পরিণত শিল্পরূপ পায়। এ কারণে তাঁকে বাংলা গদ্যের জনকও বলা হয়।
    মনে রাখুন:
    বিদ্যাসাগরের রচনা: বেতাল পঞ্চবিংশতি, শকুন্তলা, সীতার বনবাস, ভ্রান্তিবিলাস
    বাংলা চলিত গদ্যের প্রবর্তক: প্রমথ চৌধুরী
  2. ২. কোন ভাষারীতির পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট?
    • ক. কথ্য ভাষা
    • খ. লেখ্য ভাষা
    • গ. সাধু ভাষা
    • ঘ. চলিত ভাষা
    উত্তর: গ. সাধু ভাষা
    সাধু ভাষা ব্যাকরণের নিয়ম কঠোরভাবে মেনে চলে, তাই এর পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট। এই রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়, যেমন তাহারা, করিয়াছিল। অন্যদিকে চলিত ভাষা মুখের ভাষার কাছাকাছি বলে এর পদবিন্যাস তুলনামূলক নমনীয়, আর এতে সংক্ষিপ্ত রূপ বসে, যেমন তারা, করেছিল। সাধু ভাষা নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতার জন্য অনুপযোগী, কারণ তা গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল।
    মনে রাখুন: সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণকে গুরুচণ্ডালী দোষ বলে।
  3. ৩. ‘মেঘ’ শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
    • ক. অম্বুদ
    • খ. ভূ-ধর
    • গ. শূন্য
    • ঘ. নীর
    উত্তর: ক. অম্বুদ
    অম্বু মানে জল, আর ‘দ’ মানে যে দেয়। তাই অম্বুদ শব্দের অর্থ যে জল দেয়, অর্থাৎ মেঘ। একইভাবে জলদ, নীরদ, বারিদ, তোয়দ শব্দগুলোও জল দেয় অর্থে মেঘকে বোঝায়। অন্যদিকে নীর মানে পানি, ভূধর মানে পর্বত আর শূন্য মানে আকাশ।
    মনে রাখুন: মেঘের আরও সমার্থক শব্দ: জীমূত, জলধর, পয়োধর, ঘন, বলাহক।
  4. ৪. বিরাম চিহ্নের প্রবর্তক কে?
    • ক. প্রমথ চৌধুরী
    • খ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    • গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • ঘ. আব্দুল হাকিম
    উত্তর: খ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    বাংলা গদ্যে কমা, সেমিকোলন, দাঁড়ির মতো বিরামচিহ্নের (Punctuation) সার্থক ও নিয়মিত ব্যবহার প্রথম শুরু করেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। তাঁর আগে বাংলা লেখায় শুধু দাঁড়ি ও দুই দাঁড়ির মতো সামান্য কিছু চিহ্ন ছিল। ইংরেজি গদ্যের অনুসরণে এসব চিহ্ন যুক্ত করায় বাংলা গদ্য পড়া ও বোঝা অনেক সহজ হয়ে যায়।
    মনে রাখুন: এ কারণেই তাঁকে বাংলা গদ্যের জনক এবং বাংলা বিরামচিহ্নের প্রবর্তক বলা হয়।
  5. ৫. সমাসবদ্ধ পদের অংশগুলো বিচ্ছিন্ন করে দেখাবার জন্য কোন চিহ্ন ব্যবহৃত হয়?
    • ক. কোলন
    • খ. সেমিকোলন
    • গ. কমা
    • ঘ. হাইফেন
    উত্তর: ঘ. হাইফেন
    সমাসবদ্ধ পদের অংশগুলোকে আলাদা করে স্পষ্টভাবে দেখাতে হাইফেন (-) ব্যবহার করা হয়। যেমন মা-বাবা, সুখ-দুঃখ, ভাই-বোন। হাইফেন দুটি শব্দকে জুড়েও রাখে, আবার আলাদা অংশ হিসেবেও চিনিয়ে দেয়। কমা বাক্যের মধ্যে ছোট বিরতি বোঝায়, আর কোলন ও সেমিকোলন বাক্যাংশ আলাদা করতে বসে।
    মনে রাখুন:
    কমা (,): এক সেকেন্ড থামা
    সেমিকোলন (;): কমার দ্বিগুণ সময় থামা
    দাঁড়ি (।): এক সেকেন্ডের দ্বিগুণ বা বাক্যের শেষে থামা
  6. ৬. ‘খয়ের খাঁ’ বাগধারাটির অর্থ কী?
    • ক. মন্দভাগ্য
    • খ. তুচ্ছ পদার্থ
    • গ. চাটুকার
    • ঘ. নির্বোধ
    উত্তর: গ. চাটুকার
    ‘খয়ের খাঁ’ বাগধারা দিয়ে এমন লোককে বোঝানো হয় যে সবসময় ক্ষমতাবান কারও মন জুগিয়ে চলে ও তার তোষামোদ করে, অর্থাৎ চাটুকার। ফারসি ‘খয়ের’ মানে মঙ্গল, তাই খয়ের খাঁ বলতে মূলত মনিবের মঙ্গলকামী বোঝাত, পরে ব্যঙ্গার্থে এটি তোষামোদকারী অর্থ পেয়েছে।
    মনে রাখুন:
    ধামাধরা বা ঢাকের কাঠি: তোষামোদকারী।
    অকালকুষ্মাণ্ড: অকেজো বা অপদার্থ।
  7. ৭. ‘চন্দ্র’ শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
    • ক. সোম
    • খ. ভূষণ
    • গ. নকশা
    • ঘ. ভবঃ
    উত্তর: ক. সোম
    সোম শব্দের একটি অর্থ চাঁদ, তাই এটি চন্দ্র শব্দের সমার্থক। সপ্তাহের সোমবার নামটিও এসেছে এই সোম, অর্থাৎ চাঁদ থেকে, যেমন রবিবার এসেছে সূর্য থেকে। বাকি শব্দগুলোর অর্থ আলাদা: ভূষণ মানে অলংকার আর নকশা মানে চিত্র বা পরিকল্পনা।
    মনে রাখুন: চাঁদের আরও সমার্থক শব্দ: শশী, সুধাংশু, হিমাংশু, ইন্দু, শশাঙ্ক, নিশাকর, সুধাকর।
  8. ৮. ‘নৈসর্গিক’ শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?
    • ক. নকল
    • খ. ঐহিক
    • গ. কৃত্রিম
    • ঘ. তামাসিক
    উত্তর: গ. কৃত্রিম
    নৈসর্গিক শব্দটি এসেছে নিসর্গ থেকে, যার অর্থ প্রকৃতি। তাই নৈসর্গিক মানে প্রাকৃতিক বা স্বাভাবিক, যা মানুষ তৈরি করেনি। এর বিপরীত শব্দ কৃত্রিম, অর্থাৎ মানুষের হাতে তৈরি। নকল শব্দটি আসলের বিপরীত, আর ঐহিক মানে ইহলোক সম্পর্কিত, যার বিপরীত পারত্রিক।
    উদাহরণ: সিলেটের নৈসর্গিক সৌন্দর্য পর্যটকদের মুগ্ধ করে।
  9. ৯. নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
    • ক. পিপীলিকা
    • খ. পিপিলিকা
    • গ. পীপিলীকা
    • ঘ. পিপীলীকা
    উত্তর: ক. পিপীলিকা
    শুদ্ধ বানান পিপীলিকা, এর অর্থ পিঁপড়া। বানানটির প্রথম অক্ষরে হ্রস্ব ই-কার (পি), দ্বিতীয় অক্ষরে দীর্ঘ ঈ-কার (পী) আর তৃতীয় অক্ষরে আবার হ্রস্ব ই-কার (লি)। এটি একটি তৎসম শব্দ, তাই এর বানান সংস্কৃত নিয়মে অপরিবর্তিত থাকে।
    মনে রাখুন: বাংলাদেশের প্রথম বাংলা সার্চ ইঞ্জিনের নামও ‘পিপীলিকা’, শব্দটির শুদ্ধ বানান মনে রাখতে এটিও কাজে লাগে।
  10. ১০. কোন বানানটি শুদ্ধ?
    • ক. শমীচিন
    • খ. সমীচীন
    • গ. সমিচীন
    • ঘ. শমীচীন
    উত্তর: খ. সমীচীন
    শুদ্ধ বানান সমীচীন, এর অর্থ উচিত, যথাযথ বা যুক্তিসংগত। বানানটি দন্ত্য স দিয়ে শুরু, আর দ্বিতীয় ও চতুর্থ দুই অক্ষরেই দীর্ঘ ঈ-কার (মী, চী)। এটি একটি তৎসম শব্দ।
    উদাহরণ: এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া সমীচীন হয়নি।
    মনে রাখুন: একই ধরনের আরও কিছু শুদ্ধ বানান: প্রাচীন, অর্বাচীন, নবীন।
  11. ১১. কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
    • ক. দারিদ্রতাই প্রধান সমস্যা
    • খ. দারিদ্রতাই আমাদের মূল সমস্যা
    • গ. দারিদ্র্য আমাদের প্রধান সমস্যা
    • ঘ. দারিদ্রতাই আমাদের প্রধান সমস্যা
    উত্তর: গ. দারিদ্র্য আমাদের প্রধান সমস্যা
    দারিদ্র্য শব্দটি এসেছে দরিদ্র + ষ্ণ্য প্রত্যয় থেকে, আর এতেই দরিদ্রতার ভাব প্রকাশ পায়। এর সঙ্গে আবার ‘তা’ প্রত্যয় যুক্ত করলে একই অর্থ দুবার আসে, ফলে ‘দারিদ্রতা’ একটি ভুল শব্দ। তাই শুদ্ধ বাক্য হলো: দারিদ্র্য আমাদের প্রধান সমস্যা।
    মনে রাখুন: দারিদ্র্য অথবা দরিদ্রতা, দুটির যেকোনো একটি শুদ্ধ। একইভাবে সৌজন্য বা সুজনতা শুদ্ধ, কিন্তু সৌজন্যতা ভুল।
  12. ১২. ‘তপোবন’ কোন সমাস?
    • ক. দ্বন্দ্ব সমাস
    • খ. চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস
    • গ. প্রাদি সমাস
    • ঘ. বহুব্রীহি সমাস
    উত্তর: খ. চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস
    ‘তপোবন’ শব্দের ব্যাসবাক্য তপের নিমিত্ত বন, অর্থাৎ যেখানে ঋষিরা তপস্যা করেন। পূর্বপদে ‘নিমিত্ত’ বা ‘জন্য’ অর্থের চতুর্থী বিভক্তি লোপ পেয়ে সমাস হয়েছে, তাই এটি চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস। এখানে তপঃ + বন সন্ধির ফলে তপোবন হয়েছে।
    মনে রাখুন: চতুর্থী তৎপুরুষের আরও উদাহরণ: বিয়েপাগলা, শিশুসদন, ডাকমাশুল, দেবদত্ত।
  13. ১৩. সন্ধির প্রধান কাজ কী?
    • ক. ধ্বনি পরিবর্তন
    • খ. অর্থের পরিবর্তন
    • গ. পদের পরিবর্তন
    • ঘ. বাক্য সংকোচন
    উত্তর: ক. ধ্বনি পরিবর্তন
    সন্ধি (Euphonic combination) হলো পাশাপাশি থাকা দুটি ধ্বনির মিলন। এই মিলনে কখনো দুটি ধ্বনি মিলে নতুন ধ্বনি তৈরি হয়, কখনো একটি লোপ পায়, যেমন বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়। তাই সন্ধির প্রধান কাজ ধ্বনির পরিবর্তন ঘটানো। আর এর ফলে উচ্চারণ সহজ ও শ্রুতিমধুর হয়, যা সন্ধির প্রধান সুবিধা।
    মনে রাখুন: সন্ধিতে ধ্বনির মিলন হয়, আর সমাসে পদের মিলন হয়।
  14. ১৪. সমাস গঠন প্রক্রিয়ায় সমাসবদ্ধ বা সমাসনিষ্পন্ন পদটির নাম কী?
    • ক. সমস্যমান পদ
    • খ. সমস্তপদ
    • গ. ব্যাসবাক্য
    • ঘ. উত্তর পদ
    উত্তর: খ. সমস্তপদ
    সমাসের প্রক্রিয়ায় একাধিক পদ মিলে যে একটি নতুন পদ তৈরি হয়, তাকে সমস্তপদ বা সমাসবদ্ধ পদ বলে। যেমন সিংহ চিহ্নিত আসন থেকে তৈরি ‘সিংহাসন’ একটি সমস্তপদ।
    মনে রাখুন:
    সমস্যমান পদ: যে পদগুলো মিলে সমাস হয় (সিংহ, আসন)
    ব্যাসবাক্য: সমস্তপদকে ভেঙে যে বাক্যাংশ পাওয়া যায় (সিংহ চিহ্নিত আসন)
    পূর্বপদ ও উত্তরপদ: সমস্তপদের প্রথম ও শেষ অংশ
  15. ১৫. ‘তিলে তৈল হয়’ বাক্যে ‘তিলে’ কোন কারক?
    • ক. কর্মকারক
    • খ. করণ কারক
    • গ. অপাদান কারক
    • ঘ. অধিকরণ কারক
    উত্তর: গ. অপাদান কারক
    যা থেকে কিছু উৎপন্ন হয়, বিচ্যুত হয় বা শুরু হয়, তাকে অপাদান কারক (Ablative case) বলে। তিল থেকে তেল উৎপন্ন হয়, অর্থাৎ তিল এখানে তেলের উৎস। তাই ‘তিলে’ অপাদান কারক, আর এতে ‘এ’ বিভক্তি যুক্ত হয়েছে বলে এটি অপাদানে সপ্তমী।
    মনে রাখুন: ‘তিলে তৈল আছে’ বাক্যে কিন্তু ‘তিলে’ অধিকরণ কারক, কারণ সেখানে তেল তিলের সব অংশে ছড়িয়ে থাকা বোঝায় (অভিব্যাপক অধিকরণ)।
  16. ১৬. ‘সিংহাসন’ কোন সমাস?
    • ক. দ্বন্দ্ব সমাস
    • খ. মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
    • গ. মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি
    • ঘ. অব্যয়ীভাব সমাস
    উত্তর: খ. মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
    ‘সিংহাসন’ শব্দের ব্যাসবাক্য হলো সিংহ চিহ্নিত আসন। এখানে পূর্বপদ ও পরপদের মাঝখানের ‘চিহ্নিত’ পদটি লোপ পেয়ে সমাস হয়েছে, আর পরপদ ‘আসন’-এর অর্থই প্রধান। যে কর্মধারয় সমাসে মাঝের পদ লোপ পায়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় বলে।
    উদাহরণ: ঘিয়ে ভাজা ভাজা = ঘিয়েভাজা, স্মৃতি রক্ষার্থে সৌধ = স্মৃতিসৌধ, পল মিশ্রিত অন্ন = পলান্ন।
  17. ১৭. ‘রেলগাড়িটি স্টেশন ছেড়েছে’ বাক্যে ‘স্টেশন’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
    • ক. অপাদানে শূন্য
    • খ. করণে শূন্য
    • গ. কর্তায় শূন্য
    • ঘ. অধিকরণে শূন্য
    উত্তর: ক. অপাদানে শূন্য
    রেলগাড়িটি স্টেশন ছেড়ে গেছে, অর্থাৎ স্টেশন থেকে সরে গেছে। যা থেকে কোনো কিছু বিচ্যুত বা চলে যায়, তা অপাদান কারক, তাই ‘স্টেশন’ অপাদান কারক। শব্দটির সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত হয়নি, তাই একে অপাদানে শূন্য বিভক্তি বলে।
    উদাহরণ: সে গ্রাম ছেড়ে শহরে গেছে, এখানেও ‘গ্রাম’ অপাদানে শূন্য।
    মনে রাখুন: অপাদানে পঞ্চমী: গাছ থেকে পাতা পড়ে।
  18. ১৮. ‘মেঘের ধ্বনি’-এর বাক্য সংকোচন কোনটি?
    • ক. মৃন্ময়
    • খ. জীমূতমন্দ্ৰ
    • গ. জীমূতেন্দ্ৰ
    • ঘ. শানকি
    উত্তর: খ. জীমূতমন্দ্ৰ
    জীমূত শব্দের অর্থ মেঘ, আর মন্দ্র মানে গম্ভীর ধ্বনি। দুটি মিলে জীমূতমন্দ্র মানে মেঘের গুরুগম্ভীর ধ্বনি বা মেঘগর্জন। তাই ‘মেঘের ধ্বনি’-এর বাক্য সংকোচন জীমূতমন্দ্র।
    মনে রাখুন:
    মৃন্ময়: মাটি দিয়ে তৈরি
    জীমূতেন্দ্র: মেঘের রাজা বা ইন্দ্র
    শানকি: মাটির তৈরি থালা
  19. ১৯. ‘সপ্তকাণ্ড রামায়ণ’ বাগধারাটির অর্থ কী?
    • ক. বৃহৎ বিষয়
    • খ. গ্রন্থ
    • গ. ছোটোগল্প
    • ঘ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: ক. বৃহৎ বিষয়
    রামায়ণ সাতটি কাণ্ড বা খণ্ডে বিভক্ত একটি বিশাল মহাকাব্য, যার কাহিনি অনেক দীর্ঘ। তাই কোনো বিষয়কে অকারণে লম্বা করে বলা বা বিশাল কোনো ব্যাপার বোঝাতে ‘সপ্তকাণ্ড রামায়ণ’ বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।
    উদাহরণ: ছোট একটা প্রশ্নের উত্তরে সে সপ্তকাণ্ড রামায়ণ শুনিয়ে দিল।
    মনে রাখুন:
    রামায়ণের রচয়িতা বাল্মীকি।
    বাংলায় রামায়ণ অনুবাদ করেন কৃত্তিবাস ওঝা।
  20. ২০. ‘সিঁদুরে মেঘ’ বাগধারাটির অর্থ কী?
    • ক. বড়ো বিপদ
    • খ. অল্পে ভয়
    • গ. বিপদের আশঙ্কা
    • ঘ. আকাশ লাল
    উত্তর: গ. বিপদের আশঙ্কা
    ঝড়ের আগে আকাশে সিঁদুরের মতো লালচে মেঘ দেখা যায়, তাই সিঁদুরে মেঘ দেখলে মানুষ ঝড়ের আশঙ্কা করে। এই অভিজ্ঞতা থেকেই ‘সিঁদুরে মেঘ’ বাগধারাটির অর্থ দাঁড়িয়েছে বিপদের আশঙ্কা। এর সঙ্গে জড়িত প্রবাদটি হলো ‘ঘরপোড়া গরু সিঁদুরে মেঘ দেখলে ডরায়’, অর্থাৎ একবার বিপদে পড়লে মানুষ বিপদের সামান্য লক্ষণ দেখেও ভয় পায়।
    মনে রাখুন: তাসের ঘর মানে ক্ষণভঙ্গুর বস্তু, আর শিরে সংক্রান্তি মানে আসন্ন বিপদ।
  21. ২১. ‘লবণ’ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
    • ক. লে + অন
    • খ. লব + অন
    • গ. লো + অন
    • ঘ. ল + বন
    উত্তর: গ. লো + অন
    স্বরসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী ও-কারের পরে অ এলে ও বদলে ‘অব’ হয়ে যায়। তাই লো + অন = ল্ + অব্ + অন = লবণ। এখানে ণত্ব বিধানে ন বদলে ণ হয়েছে।
    উদাহরণ:
    পো + অন = পবন
    ভো + অন = ভবন
    মনে রাখুন: একইভাবে এ-কারের পরে অ এলে এ বদলে ‘অয়’ হয়, যেমন নে + অন = নয়ন, শে + অন = শয়ন।
  22. ২২. নিচের কোনটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ?
    • ক. কুলটা
    • খ. যোগিনী
    • গ. রজকী
    • ঘ. চাতকী
    উত্তর: ক. কুলটা
    যেসব শব্দ শুধু নারীকে বোঝায় এবং যাদের কোনো পুরুষবাচক রূপ নেই, সেগুলোকে নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ বলে। কুলটা মানে অসৎ চরিত্রের নারী, আর এর কোনো পুরুষবাচক রূপ নেই, তাই এটি নিত্য স্ত্রীবাচক। অন্যদিকে যোগিনী-র পুরুষবাচক যোগী, রজকী-র রজক আর চাতকী-র চাতক।
    মনে রাখুন: নিত্য স্ত্রীবাচক আরও শব্দ: সতীন, সধবা, বিধবা, এয়ো, অর্ধাঙ্গী।
  23. ২৩. ‘কালসাপ’ কোন সমাস?
    • ক. নিত্য সমাস
    • খ. দ্বন্দ্ব সমাস
    • গ. বহুব্রীহি সমাস
    • ঘ. কর্মধারয় সমাস
    উত্তর: ক. নিত্য সমাস
    যে সমাসে সমস্যমান পদগুলো নিত্য সমাসবদ্ধ থাকে এবং সেগুলো দিয়ে ব্যাসবাক্য গঠন করা যায় না, অন্য পদের সাহায্যে অর্থ বোঝাতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে। বোর্ডের ব্যাকরণ বইয়ে ‘কালসাপ’-এর ব্যাসবাক্য কাল (যম) তুল্য সাপ, আর এটিকে নিত্য সমাসের উদাহরণ হিসেবে দেখানো হয়েছে।
    উদাহরণ: অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর, অন্য গৃহ = গৃহান্তর, কেবল দর্শন = দর্শনমাত্র।
  24. ২৪. ‘Watery grave’-এর অর্থ কী?
    • ক. পানির নালা
    • খ. সলিল সমাধি
    • গ. পানিযুক্ত কবর
    • ঘ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: খ. সলিল সমাধি
    Watery grave কথাটির আক্ষরিক অর্থ পানির কবর, অর্থাৎ পানিতে ডুবে মারা যাওয়া এবং সেখানেই সমাহিত হওয়া। বাংলায় এই অবস্থাকে সলিল সমাধি বলে, কারণ সলিল শব্দের অর্থ পানি বা জল।
    উদাহরণ: লঞ্চডুবিতে অনেক যাত্রীর সলিল সমাধি ঘটেছে।
    মনে রাখুন: পানির আরও সমার্থক শব্দ: বারি, অম্বু, নীর, তোয়, পয়ঃ।

ইংরেজি

  1. ২৫. মানবজাতি এখন সংকটাপন্ন।
    • ক. Mankind are at a stake now.
    • খ. Mankind are at stake now.
    • গ. Mankind is at stake now.
    • ঘ. Men are at stake now.
    উত্তর: গ. Mankind is at stake now.
    Mankind মানে সমগ্র মানবজাতি, যা একটি Collective noun। এটি পুরো জাতিকে একটি একক হিসেবে বোঝায়, তাই এর সঙ্গে Singular verb is বসে। সংকটাপন্ন বোঝাতে Idiom at stake ব্যবহার করা হয়, আর এর আগে কোনো article বসে না। তাই শুদ্ধ অনুবাদ: Mankind is at stake now.
    মনে রাখুন: At stake মানে ঝুঁকিতে বা বিপন্ন অবস্থায়, যেমন His life is at stake।
  2. ২৬. তার কোনো বন্ধু নাই বললেই চলে।
    • ক. He has no friends
    • খ. He has a few friends.
    • গ. He has few friends.
    • ঘ. He does not have any friends.
    উত্তর: গ. He has few friends.
    ইংরেজিতে few আর a few-এর অর্থ আলাদা। Few মানে প্রায় নেই বললেই চলে, এটি নেতিবাচক অর্থ দেয়, আর a few মানে কয়েকটি আছে। ‘কোনো বন্ধু নাই বললেই চলে’ বোঝাতে তাই বলতে হবে: He has few friends. অন্যদিকে He has no friends মানে তার একেবারেই কোনো বন্ধু নেই।
    মনে রাখুন:
    Few ও a few বসে countable noun-এর আগে।
    Little ও a little বসে uncountable noun-এর আগে, যেমন There is little water in the jug.
  3. ২৭. বিনয় মহত্ত্বের ভূষণ।
    • ক. Modesty is the embellishment of greatness.
    • খ. Modesty is greatness.
    • গ. Modesty is great embellishment.
    • ঘ. Modesty is embellishment to greatness.
    উত্তর: ক. Modesty is the embellishment of greatness.
    বিনয় শব্দের ইংরেজি Modesty, আর ভূষণ মানে অলংকার বা শোভা, যার ইংরেজি embellishment। ‘মহত্ত্বের ভূষণ’ বোঝাতে embellishment-এর পরে of greatness বসে, আর নির্দিষ্ট গুণ বোঝানোয় এর আগে the লাগে। তাই শুদ্ধ অনুবাদ: Modesty is the embellishment of greatness.
    মনে রাখুন: বাংলা প্রবাদ-প্রবচনের অনুবাদে মূল ভাব অক্ষুণ্ণ রাখাই সবচেয়ে জরুরি।
  4. ২৮. What is the antonym of ‘agile’?
    • ক. active
    • খ. nimble
    • গ. lively
    • ঘ. lazy
    উত্তর: ঘ. lazy
    Agile মানে চটপটে, ক্ষিপ্র বা সহজে নড়াচড়া করতে পারে এমন। এর বিপরীত শব্দ lazy, অর্থাৎ অলস বা ধীর। Active, nimble ও lively তিনটি শব্দই সক্রিয় বা প্রাণবন্ত অর্থে Agile-এর সমার্থক।
    উদাহরণ: The goalkeeper was agile enough to save the penalty.
    মনে রাখুন: Agile-এর noun রূপ agility, অর্থাৎ ক্ষিপ্রতা।
  5. ২৯. The antonym of ‘optimism’ is-
    • ক. Pessimism
    • খ. Opportunities
    • গ. Pestilence
    • ঘ. Opulence
    উত্তর: ক. Pessimism
    Optimism মানে আশাবাদ, অর্থাৎ সব কিছুর ভালো দিক দেখা এবং ভালো ফলের আশা রাখা। এর বিপরীত শব্দ Pessimism, অর্থাৎ নৈরাশ্যবাদ বা সব কিছুতে খারাপ দিক দেখা। বাকি শব্দগুলোর অর্থ আলাদা: Pestilence মানে মহামারি আর Opulence মানে প্রাচুর্য।
    মনে রাখুন: যে আশাবাদী সে Optimist, আর যে নৈরাশ্যবাদী সে Pessimist।
  6. ৩০. What is the synonym of ‘alliance’?
    • ক. Enmity
    • খ. Alien
    • গ. Association
    • ঘ. Separation
    উত্তর: গ. Association
    Alliance মানে জোট বা মৈত্রী, অর্থাৎ কোনো উদ্দেশ্যে কয়েকটি দেশ বা দলের একসঙ্গে যুক্ত হওয়া। এর সমার্থক শব্দ Association, যার অর্থ সংঘ বা মেলামেশা। অন্যদিকে Enmity (শত্রুতা) ও Separation (বিচ্ছেদ) এর বিপরীত অর্থ বোঝায়, আর Alien মানে বিদেশি বা অপরিচিত।
    উদাহরণ: NATO is a military alliance of North American and European countries.
  7. ৩১. The synonym of ‘annihilate’ is –
    • ক. restore
    • খ. preserve
    • গ. safe
    • ঘ. destroy
    উত্তর: ঘ. destroy
    Annihilate মানে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করা বা নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া, তাই এর সমার্থক শব্দ Destroy। অন্যদিকে Restore (পুনরুদ্ধার করা) ও Preserve (সংরক্ষণ করা) এর বিপরীত অর্থের শব্দ।
    উদাহরণ: The army annihilated the enemy forces.
    মনে রাখুন: Annihilate-এর noun রূপ annihilation, অর্থাৎ সম্পূর্ণ বিনাশ।
  8. ৩২. Verb form of ‘false’ is-
    • ক. falsify
    • খ. falsely
    • গ. falsification
    • ঘ. falcify
    উত্তর: ক. falsify
    False একটি Adjective, এর অর্থ মিথ্যা বা ভুল। শব্দের শেষে -ify যোগ করে অনেক adjective বা noun থেকে Verb তৈরি হয়, আর false থেকে এভাবে হয় falsify, যার অর্থ মিথ্যা প্রমাণ করা বা জাল করা। Falsely হলো এর Adverb আর falsification হলো Noun।
    মনে রাখুন: একইভাবে pure থেকে purify, simple থেকে simplify, beauty থেকে beautify।
  9. ৩৩. Adverb form of ‘heart’ is
    • ক. heartened
    • খ. heartily
    • গ. hearty
    • ঘ. heartening
    উত্তর: খ. heartily
    Heart একটি Noun, এর Adjective রূপ hearty (আন্তরিক), আর তার শেষে -ly যোগ করে হয় Adverb heartily, অর্থাৎ আন্তরিকভাবে। শব্দের শেষে y থাকলে -ly যোগ করার সময় y বদলে i হয়ে যায়।
    উদাহরণ: We welcomed the guests heartily.
    মনে রাখুন: Hearten (উৎসাহ দেওয়া) হলো এর Verb রূপ, আর heartened ও heartening এর রূপভেদ।
  10. ৩৪. Adjective form of ‘courage’ is-
    • ক. encourage
    • খ. courageous
    • গ. curiosity
    • ঘ. courageable
    উত্তর: খ. courageous
    Courage একটি noun, যার অর্থ সাহস। এর সঙ্গে suffix -ous যোগ করে adjective তৈরি হয় courageous, অর্থাৎ সাহসী। Encourage হলো verb, যার অর্থ উৎসাহ দেওয়া।
    উদাহরণ: The courageous soldier saved his friends.
    মনে রাখুন: -ous যোগে আরও adjective: danger > dangerous, fame > famous, glory > glorious।
  11. ৩৫. What is the verb form of ‘ability’?
    • ক. ableness
    • খ. enable
    • গ. ably
    • ঘ. able
    উত্তর: খ. enable
    Ability একটি Noun, যার অর্থ সক্ষমতা। একই মূল থেকে তৈরি Verb হলো Enable, যার অর্থ সক্ষম করা বা সুযোগ দেওয়া। Able হলো Adjective (সক্ষম), Ably হলো Adverb (দক্ষতার সঙ্গে), আর Ableness আবার Noun, তাই এগুলো Verb নয়। একটি শব্দের এই ভিন্ন ভিন্ন রূপ বোঝা Word form বা Parts of speech-এর প্রশ্নে খুব কাজে লাগে।
    মনে রাখুন:
    Ability (Noun), Enable (Verb), Able (Adjective), Ably (Adverb)।
    উদাহরণ: This course will enable you to speak English.
  12. ৩৬. It’s time you _____ your mistakes.
    • ক. realised
    • খ. realise
    • গ. had realised
    • ঘ. have realised
    উত্তর: ক. realised
    It's time বা It's high time-এর পরে subject থাকলে সাধারণত past tense বসে, যদিও কথাটি বর্তমান সময়ের। অর্থাৎ কাজটা করার সময় এসে গেছে, বরং কিছুটা দেরি হয়ে গেছে। তাই It's time you realised your mistakes। Had realised বা have realised এখানে ঠিক নয়, কারণ এই গঠনে সরল past form ব্যবহার হয়।
    মনে রাখুন:
    Subject না থাকলে It's time to realise এভাবে to + verb বসে।
    উদাহরণ: It's high time we left.
  13. ৩৭. Jamal walks as if he ____ lame.
    • ক. is
    • খ. has been
    • গ. were
    • ঘ. was
    উত্তর: গ. were
    As if বা as though দিয়ে যখন এমন কোনো কাল্পনিক অবস্থা বোঝানো হয় যা আসলে সত্য নয়, তখন subject যা-ই হোক, be verb হিসেবে were বসে। জামাল আসলে খোঁড়া নয়, শুধু তার হাঁটা দেখে এমন মনে হচ্ছে, তাই সঠিক বাক্য: Jamal walks as if he were lame.
    মনে রাখুন: একই নিয়ম wish-এর পরেও খাটে, যেমন I wish I were a bird.
  14. ৩৮. Uneasy lies the head that ____ a crown.
    • ক. wear
    • খ. wears
    • গ. puts
    • ঘ. keep
    উত্তর: খ. wears
    বাক্যে Relative pronoun that-এর Antecedent হলো the head, যা Singular এবং Third person। তাই that-এর পরের verb-ও Singular হবে, অর্থাৎ wears। এটি শেক্সপিয়রের নাটক Henry IV-এর একটি বিখ্যাত উক্তি: Uneasy lies the head that wears a crown, যার অর্থ যে মুকুট পরে, অর্থাৎ ক্ষমতায় থাকে, তার মাথায় দুশ্চিন্তার শেষ নেই।
    মনে রাখুন: মুকুট বা কাপড় পরার ক্ষেত্রে wear বসে, put on বোঝায় পরার কাজটি।
  15. ৩৯. Read diligently lest you ____ fail in the examination.
    • ক. should
    • খ. will
    • গ. shall
    • ঘ. must
    উত্তর: ক. should
    Lest একটি Conjunction, এর অর্থ ‘পাছে’ বা ‘যাতে না’। Lest-এর পরে সবসময় should বসে, আর এর মধ্যেই না-বোধক অর্থ থাকে বলে বাক্যে আলাদা করে not বসে না। তাই বাক্যটি হবে: Read diligently lest you should fail in the examination.
    মনে রাখুন: Lest যুক্ত বাক্যকে so that ... may not দিয়েও লেখা যায়, যেমন Read diligently so that you may not fail।
  16. ৪০. He ___ me while I was reading.
    • ক. interrupts
    • খ. interrupted
    • গ. is interrupting
    • ঘ. interrupting
    উত্তর: খ. interrupted
    অতীতে একটি কাজ চলার সময় (I was reading) আরেকটি কাজ হঠাৎ ঘটলে, চলমান কাজটি Past continuous আর হঠাৎ ঘটা কাজটি Past indefinite হয়। এখানে পড়া চলছিল, আর তখনই সে আমাকে বাধা দিল। তাই বাক্যটি হবে: He interrupted me while I was reading.
    মনে রাখুন: When-এর পরে সাধারণত Past indefinite আর While-এর পরে Past continuous বসে।
  17. ৪১. Corruption is one of the worst evils. (Positive)
    • ক. Very few evils is as bad as corruption.
    • খ. No other evil are as bad as corruption.
    • গ. No other evil is as bad as corruption.
    • ঘ. Very few evils are as bad as corruption.
    উত্তর: ঘ. Very few evils are as bad as corruption.
    Superlative degree-তে one of the + superlative + plural noun থাকলে Positive degree করার নিয়ম হলো Very few + plural noun + plural verb + as + positive + as। তাই Corruption is one of the worst evils-এর Positive রূপ: Very few evils are as bad as corruption.
    মনে রাখুন: No other ... is as bad as দিয়ে বোঝায় একমাত্র সবচেয়ে খারাপ, যা Superlative-এ one of ছাড়া বাক্যের জন্য প্রযোজ্য।
  18. ৪২. We should read books to gain knowledge. (Make it complex)
    • ক. We should read books for gaining knowledge.
    • খ. We should read books and gain knowledge.
    • গ. We should read books so that we can gain knowledge.
    • ঘ. We want to gain knowledge and so we should read books.
    উত্তর: গ. We should read books so that we can gain knowledge.
    To gain knowledge অংশটি উদ্দেশ্য বোঝায়। Complex sentence-এ একটি Principal clause আর একটি Subordinate clause থাকে, আর উদ্দেশ্য বোঝাতে Subordinate clause শুরু হয় so that দিয়ে। তাই উত্তর: We should read books so that we can gain knowledge.
    মনে রাখুন: and দিয়ে যুক্ত করলে বাক্যটি Compound হয়, আর for gaining রাখলে Simple-ই থেকে যায়।
  19. ৪৩. ‘Please, keep quiet’ (Make it passive)
    • ক. You are told for keeping quiet.
    • খ. You are requested to keep quiet.
    • গ. You are requested for keep quiet.
    • ঘ. You are told to keep quiet.
    উত্তর: খ. You are requested to keep quiet.
    Please বা Kindly দিয়ে শুরু হওয়া অনুরোধসূচক Imperative বাক্যকে Passive করতে You are requested to + verb-এর মূল রূপ ব্যবহার করা হয়। তাই Please, keep quiet-এর Passive রূপ: You are requested to keep quiet.
    মনে রাখুন: আদেশসূচক বাক্যের Passive রূপ Let দিয়ে হয়, যেমন Shut the door = Let the door be shut। আর Object না থাকলে You are ordered/requested to ব্যবহার করা হয়।
  20. ৪৪. Trees are considered one of our best friends. (Make it active)
    • ক. It is tree which is our best friend.
    • খ. Trees are our best friends.
    • গ. We considered trees one of our best friends.
    • ঘ. We consider trees one of our best friends.
    উত্তর: ঘ. We consider trees one of our best friends.
    Passive বাক্যটির Active রূপে কর্তা উল্লেখ নেই, তাই সাধারণ কর্তা We বসাতে হয়। বাক্যটি Present tense-এ, তাই verb হবে consider, considered নয়। ফলে Active রূপ: We consider trees one of our best friends। মনে রাখা দরকার, one of the-এর পরে noun সবসময় Plural হয়।
    মনে রাখুন: Trees are our best friends বাক্যটির অর্থ কাছাকাছি হলেও এটি প্রদত্ত বাক্যের Active রূপ নয়।
  21. ৪৫. Cricket is a very exciting game. (Make it Exclamatory)
    • ক. Hurrah! cricket is an exciting game.
    • খ. How exciting game is cricket!
    • গ. How exciting is cricket when it plays!
    • ঘ. What an exciting game cricket is!
    উত্তর: ঘ. What an exciting game cricket is!
    Assertive বাক্যে a/an + adjective + noun থাকলে Exclamatory করতে What দিয়ে শুরু করতে হয়, আর গঠন হয় What + a/an + adjective + noun + subject + verb। তাই Cricket is a very exciting game-এর Exclamatory রূপ: What an exciting game cricket is!
    মনে রাখুন: noun ছাড়া শুধু adjective থাকলে How বসে, যেমন The flower is very beautiful = How beautiful the flower is!
  22. ৪৬. The word ‘Banish’ means-
    • ক. exile
    • খ. emerge
    • গ. drive away
    • ঘ. expel
    উত্তর: ক. exile
    Banish মানে শাস্তি হিসেবে কাউকে দেশ বা কোনো স্থান থেকে বের করে দেওয়া, অর্থাৎ নির্বাসনে পাঠানো। তাই এর সবচেয়ে উপযুক্ত অর্থ Exile। Drive away ও Expel শব্দ দুটিও তাড়িয়ে দেওয়া বোঝায়, তবে দেশ থেকে নির্বাসনের অর্থটি সবচেয়ে নিখুঁতভাবে প্রকাশ করে Exile।
    উদাহরণ: Napoleon was banished to the island of St. Helena.
  23. ৪৭. ‘a cock and bull story’ means
    • ক. an animal story
    • খ. a story about a cock and a bull
    • গ. a tragedy
    • ঘ. a false story
    উত্তর: ঘ. a false story
    A cock and bull story একটি idiom, যার মানে অবিশ্বাস্য, বানানো বা আজগুবি গল্প, অর্থাৎ a false story। এর সঙ্গে মোরগ বা ষাঁড়ের আসল কোনো সম্পর্ক নেই। প্রচলিত ধারণা হলো, ইংল্যান্ডের দুটি সরাইখানা The Cock ও The Bull-এর যাত্রীদের বাড়িয়ে বলা গল্প থেকে কথাটি এসেছে।
    উদাহরণ: He told me a cock and bull story about why he was late.
    মনে রাখুন: একই ধরনের idiom: a tall tale বা a fishy story।
  24. ৪৮. ‘Big bug’ means-
    • ক. terrorist
    • খ. a large bug
    • গ. important person
    • ঘ. a large insect
    উত্তর: গ. important person
    Big bug একটি Idiom, এর অর্থ প্রভাবশালী বা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। আক্ষরিক অর্থে bug মানে পোকা হলেও Idiom-এ শব্দের আক্ষরিক অর্থ ধরা হয় না। একই অর্থে big gun, big shot ও big wig-ও ব্যবহার করা হয়।
    উদাহরণ: He is a big bug in the ministry.
    মনে রাখুন: Small fry মানে এর বিপরীত, অর্থাৎ গুরুত্বহীন মানুষ।
  25. ৪৯. ‘At a stretch’ means-
    • ক. without break
    • খ. stretch mark
    • গ. long way
    • ঘ. decay
    উত্তর: ক. without break
    At a stretch একটি Phrase, এর অর্থ একটানা, অর্থাৎ কোনো বিরতি না দিয়ে। তাই এর সমার্থক without break।
    উদাহরণ: He worked for ten hours at a stretch.
    মনে রাখুন: At a stretch-এর সমার্থক আরও কিছু কথা: continuously, without a pause, in one go।

গণিত

  1. ৫০. $\frac xy$ এর সাথে কত যোগ করলে যোগফল $\frac yx$ হবে?
    • ক. (x² – y²)/xy
    • খ. (2x² – y²)/xy
    • গ. (y² – x²)/xy
    • ঘ. (x² – 2y²)/xy
    উত্তর: গ. (y² – x²)/xy
    যে রাশি যোগ করতে হবে তা হলো যোগফল থেকে প্রথম রাশি বাদ দিলে যা থাকে।
    নির্ণেয় রাশি = y/x − x/y
    হর এক করলে: = (y·y − x·x)/xy = (y² − x²)/xy
    যাচাই: x/y + (y² − x²)/xy = (x² + y² − x²)/xy = y²/xy = y/x।
  2. ৫১. $x^2-11x+30$ এবং $x^3-4x^2-2x-15$ এর গ.সা.গু কত?
    • ক. x – 5
    • খ. x – 6
    • গ. x2 + x – 3
    • ঘ. x2 – x – 3
    উত্তর: ক. x – 5
    প্রথম রাশি x² - 11x + 30 উৎপাদকে ভাঙলে (x - 5)(x - 6)। এখন দ্বিতীয় রাশি x³ - 4x² - 2x - 15-এ x = 5 বসালে 125 - 100 - 10 - 15 = 0, তাই (x - 5) এর একটি উৎপাদক। কিন্তু x = 6 বসালে 216 - 144 - 12 - 15 = 45, যা শূন্য নয়, তাই (x - 6) উৎপাদক নয়। অতএব গ.সা.গু. হলো (x - 5)।
    মনে রাখুন: কোনো বহুপদী f(x)-এ x = a বসালে মান 0 হলে (x - a) তার উৎপাদক।
  3. ৫২. একটি সমবাহু ত্রিভুজের পরিসীমা 9 সে.মি. হলে এর উচ্চতা কত সে.মি.?
    • ক. 3√3/2
    • খ. 2√3
    • গ. 4√3
    • ঘ. 3√3/4
    উত্তর: ক. 3√3/2
    সমবাহু ত্রিভুজের তিনটি বাহু সমান, তাই পরিসীমা ৯ সে.মি. হলে প্রতিটি বাহু 9 ÷ 3 = 3 সে.মি.।
    সমবাহু ত্রিভুজের উচ্চতা = $\frac{\sqrt{3}}{2}a = \frac{\sqrt{3}}{2} \times 3 = \frac{3\sqrt{3}}{2}$ সে.মি.
    এই সূত্র আসে পিথাগোরাস থেকে: উচ্চতা ভূমিকে সমান দুই ভাগ করে, তাই উচ্চতা² = 3² − (1.5)² = 6.75।
    মনে রাখুন: সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = $\frac{\sqrt{3}}{4}a^2$।
  4. ৫৩. a : b = 2 : 3 এবং b : c = 6 : 7 হলে a : c = কত?
    • ক. 2 : 6
    • খ. 3 : 7
    • গ. 2 : 7
    • ঘ. 4 : 7
    উত্তর: ঘ. 4 : 7
    দুটি অনুপাত জুড়তে উভয়টিতে থাকা b-এর মান সমান করতে হয়। প্রথম অনুপাতে b = 3, দ্বিতীয়টিতে b = 6, তাই প্রথমটিকে 2 দিয়ে গুণ করি।
    a : b = 2 : 3 = 4 : 6
    b : c = 6 : 7
    তাই a : b : c = 4 : 6 : 7, অর্থাৎ a : c = 4 : 7
    মনে রাখুন: সরাসরি গুণ করেও পাওয়া যায়: a/c = (a/b) × (b/c) = (2/3) × (6/7) = 4/7।
  5. ৫৪. $\log_{\sqrt2}16$ = কত?
    • ক. 9
    • খ. 8
    • গ. 6
    • ঘ. 4
    উত্তর: খ. 8
    লগের সংজ্ঞা অনুযায়ী $\log_{\sqrt2} 16 = x$ মানে $(\sqrt{2})^x = 16$।
    $(\sqrt{2})^x = 2^{x/2}$, আর $16 = 2^4$
    তাই x/2 = 4, অর্থাৎ x = 8
    যাচাই: $(\sqrt{2})^8 = (\sqrt{2}^2)^4 = 2^4 = 16$।
    মনে রাখুন: ভিত্তি ও সংখ্যা দুটিকেই একই মৌলিক সংখ্যার ঘাতে লিখলে লগের অঙ্ক সহজ হয়।
  6. ৫৫. টাকায় ৬টি লেবু ক্রয় করে টাকায় ৫টি লেবু বিক্রয় করলে লাভের হার কত?
    • ক. ১৫%
    • খ. ২০%
    • গ. ২৫%
    • ঘ. ৩০%
    উত্তর: খ. ২০%
    ক্রয় ও বিক্রয়ের হিসাব একই সংখ্যক লেবুর জন্য করতে ৬ ও ৫-এর ল.সা.গু. ৩০টি লেবু ধরি।
    ৩০টি লেবুর ক্রয়মূল্য = 30 ÷ 6 = 5 টাকা
    ৩০টি লেবুর বিক্রয়মূল্য = 30 ÷ 5 = 6 টাকা
    লাভ = 1 টাকা, লাভের হার = (1/5) × 100 = 20%
    মনে রাখুন: টাকায় a টি কিনে b টি বেচলে লাভের হার = ((a − b)/b) × 100%। এখানে (6 − 5)/5 × 100 = 20%।
  7. ৫৬. $x^2-y(y-2)-1$ এর উৎপাদক নিচের কোনটি?
    • ক. (x – y – 1)(x – y + 1)
    • খ. (x – y + 1)(x + y – 1)
    • গ. (x + y + 1)(x – y – 1)
    • ঘ. (x – y)(x – y + 1)
    উত্তর: খ. (x – y + 1)(x + y – 1)
    প্রথমে রাশিটি খুলে সাজিয়ে লিখি, তারপর বর্গের অন্তরের সূত্র বসাই।
    $x^2 - y(y-2) - 1 = x^2 - y^2 + 2y - 1$
    $= x^2 - (y^2 - 2y + 1) = x^2 - (y-1)^2$
    $= (x + y - 1)(x - y + 1)$
    মনে রাখুন: $a^2 - b^2 = (a+b)(a-b)$, এখানে a = x আর b = y − 1।
  8. ৫৭. একটি সমকোণী ত্রিভুজের সূক্ষ্মকোণদ্বয়ের পার্থক্য ৬°। ক্ষুদ্রতম কোণের মান কত?
    • ক. ৩২°
    • খ. ৩৮°
    • গ. ৪২°
    • ঘ. ৪৮°
    উত্তর: গ. ৪২°
    সমকোণী ত্রিভুজের একটি কোণ 90°, তাই বাকি দুটি সূক্ষ্মকোণের যোগফল 180° − 90° = 90°।
    ধরি, কোণ দুটি x ও y, যেখানে x > y।
    x + y = 90°, x − y = 6°
    বিয়োগ করে পাই 2y = 84°, অর্থাৎ y = 42°।
    তাই ক্ষুদ্রতম কোণ 42° আর অপরটি 48°।
  9. ৫৮. $x^4-x^2-1=0$ হলে $x^2-\frac1{x^2}$ = কত?
    • ক. 0
    • খ. 1
    • গ. 2
    • ঘ. 4
    উত্তর: খ. 1
    সমীকরণটির দুই পাশকে $x^2$ দিয়ে ভাগ করলে সরাসরি চাওয়া রাশিটি পাওয়া যায়।
    $\frac{x^4 - x^2 - 1}{x^2} = 0$
    $x^2 - 1 - \frac{1}{x^2} = 0$
    $x^2 - \frac{1}{x^2} = 1$
    মনে রাখুন: x = 0 হলে সমীকরণটি −1 = 0 হয়, যা অসম্ভব, তাই $x^2$ দিয়ে ভাগ করা নিরাপদ।
  10. ৫৯. 4(x + y), 10(x – y) এবং 12(x² – y²) এর গ.সা.গু কত?
    • ক. x – y
    • খ. x + y
    • গ. 12(x² – y²)
    • ঘ. 2
    উত্তর: ঘ. 2
    গ.সা.গু. বের করতে সংখ্যাসহগ ও বীজগাণিতিক অংশ আলাদা করে দেখি।
    সংখ্যাসহগ ৪, ১০ ও ১২-এর গ.সা.গু. = 2
    $12(x^2 - y^2) = 12(x+y)(x-y)$
    (x + y) আছে প্রথম ও তৃতীয় রাশিতে, কিন্তু দ্বিতীয়টিতে নেই। আবার (x − y) আছে দ্বিতীয় ও তৃতীয়টিতে, কিন্তু প্রথমটিতে নেই। তাই কোনো বীজগাণিতিক উৎপাদক তিনটিতেই সাধারণ নয়, গ.সা.গু. = 2।
  11. ৬০. O কেন্দ্রবিশিষ্ট বৃত্তে OD, AB জ্যা এর উপর লম্ব। AD = 3 সে.মি. হলে AB = কত সে.মি.?
    • ক. 3 সে.মি.
    • খ. 4 সে.মি.
    • গ. 5 সে.মি.
    • ঘ. 6 সে.মি.
    উত্তর: ঘ. 6 সে.মি.
    বৃত্তের কেন্দ্র থেকে কোনো জ্যা-এর উপর লম্ব আঁকলে সেই লম্ব জ্যাটিকে সমান দুই ভাগে ভাগ করে। তাই D বিন্দু AB জ্যা-এর মধ্যবিন্দু, অর্থাৎ AD = DB = 3 সে.মি.।
    AB = AD + DB = 3 + 3 = 6 সে.মি.
    মনে রাখুন: উল্টোটাও সত্য, কেন্দ্র ও জ্যা-এর মধ্যবিন্দুর সংযোজক রেখা জ্যা-এর উপর লম্ব হয়।
  12. ৬১. ২৮° কোণের সম্পূরক কোণের অর্ধেক কত?
    • ক. ৬০°
    • খ. ৪০°
    • গ. ৭৬°
    • ঘ. ৩১°
    উত্তর: গ. ৭৬°
    যে দুটি কোণের যোগফল ১৮০°, তারা পরস্পরের সম্পূরক কোণ (Supplementary angle)।
    ২৮°-এর সম্পূরক কোণ = 180° − 28° = 152°
    এর অর্ধেক = 152° ÷ 2 = 76°
    মনে রাখুন: যে দুটি কোণের যোগফল ৯০°, তারা পরস্পরের পূরক কোণ (Complementary angle)। ২৮°-এর পূরক কোণ ৬২°।
  13. ৬২. দুটি সংখ্যার বর্গের সমষ্টি 13 এবং গুণফল 6 হলে, সংখ্যা দুটির বর্গের অন্তর কত?
    • ক. 4
    • খ. 5
    • গ. 6
    • ঘ. 7
    উত্তর: খ. 5
    ধরি সংখ্যা দুটি a ও b। তাহলে $a^2 + b^2 = 13$ এবং ab = 6।
    $(a + b)^2 = 13 + 12 = 25$, তাই a + b = 5
    $(a - b)^2 = 13 - 12 = 1$, তাই a − b = 1
    বর্গের অন্তর = $a^2 - b^2 = (a+b)(a-b) = 5 \times 1 = 5$
    সংখ্যা দুটি আসলে ৩ ও ২, আর 9 − 4 = 5 দিয়ে যাচাই করা যায়।
  14. ৬৩. একটি ঘনকের প্রতিটি ধার 5 সে.মি. হলে কর্ণের দৈর্ঘ্য কত?
    • ক. 5√3 সে.মি
    • খ. 3√5 সে.মি
    • গ. 5√5 সে.মি
    • ঘ. 5√2 সে.মি
    উত্তর: ক. 5√3 সে.মি
    ঘনকের (Cube) কর্ণ হলো এক কোণ থেকে বিপরীত দূরতম কোণ পর্যন্ত সরলরেখা। ধার a হলে প্রথমে একটি তলের কর্ণ $a\sqrt{2}$, তারপর সেই কর্ণ ও খাড়া ধার মিলে সমকোণী ত্রিভুজ তৈরি করে।
    ঘনকের কর্ণ = $\sqrt{a^2 + a^2 + a^2} = a\sqrt{3} = 5\sqrt{3}$ সে.মি.
    মনে রাখুন: আয়তাকার ঘনবস্তুর কর্ণ = $\sqrt{l^2 + b^2 + h^2}$।
  15. ৬৪. শতকরা বার্ষিক 12 টাকা হার মুনাফায় 500 টাকার কত বছরের সরল মুনাফা 360 টাকা হবে?
    • ক. 5 বছর
    • খ. 6 বছর
    • গ. 3 বছর
    • ঘ. 2 বছর
    উত্তর: খ. 6 বছর
    সরল মুনাফার সূত্র I = Prn থেকে সময় n বের করি।
    এক বছরের মুনাফা = 500 × (12/100) = 60 টাকা
    সময় = 360 ÷ 60 = 6 বছর
    সূত্রে বসিয়ে: n = I/(Pr) = 360/(500 × 0.12) = 6 বছর
    মনে রাখুন: সরল মুনাফায় প্রতি বছর একই পরিমাণ মুনাফা হয়, তাই মোট মুনাফাকে এক বছরের মুনাফা দিয়ে ভাগ করলেই সময় পাওয়া যায়।
  16. ৬৫. 3 + 6 + 9 + …………. ধারাটির কততম পদ 33?
    • ক. 10
    • খ. 12
    • গ. 11
    • ঘ. 13
    উত্তর: গ. 11
    ধারাটি একটি সমান্তর ধারা (Arithmetic series), যার প্রথম পদ a = 3 আর সাধারণ অন্তর d = 3।
    n-তম পদ = a + (n − 1)d = 3 + (n − 1)3 = 3n
    3n = 33, তাই n = 11
    অর্থাৎ ৩৩ ধারাটির ১১তম পদ।
    মনে রাখুন: সমান্তর ধারার প্রথম n পদের সমষ্টি = (n/2){2a + (n − 1)d}।
  17. ৬৬. একটি কলম 10% লাভে বিক্রয় করা হলো। কলমটির বিক্রয়মূল্য ও ক্রয়মূল্যের অনুপাত কত?
    • ক. 11 : 10
    • খ. 9 : 10
    • গ. 10 : 11
    • ঘ. 10 : 9
    উত্তর: ক. 11 : 10
    সুবিধার জন্য কলমটির ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা ধরি।
    ১০% লাভে বিক্রয়মূল্য = 100 + 10 = 110 টাকা
    বিক্রয়মূল্য : ক্রয়মূল্য = 110 : 100 = 11 : 10
    মনে রাখুন: ১০% ক্ষতি হলে অনুপাতটি হতো 90 : 100 = 9 : 10। প্রশ্নে কোনটি আগে চাওয়া হয়েছে, তা খেয়াল রাখতে হয়।
  18. ৬৭. ৩০০০ এর শতকরা ৫ ভাগ অপেক্ষা ৩০০০ এর শতকরা ১০ ভাগ কত বেশি?
    • ক. ১৭৫
    • খ. ১৬০
    • গ. ১৫০
    • ঘ. ১০০
    উত্তর: গ. ১৫০
    শতকরা হিসাবগুলো আলাদা করে বের করে বিয়োগ করি।
    ৩০০০-এর ১০% = 3000 × 10/100 = 300
    ৩০০০-এর ৫% = 3000 × 5/100 = 150
    পার্থক্য = 300 − 150 = 150
    সংক্ষেপে: ১০% − ৫% = ৫%, আর ৩০০০-এর ৫% = ১৫০।
  19. ৬৮. $f(x)=2x^2+3x-1$ হলে f(0) = কত?
    • ক. 6
    • খ. 4
    • গ. 1
    • ঘ. – 1
    উত্তর: ঘ. – 1
    ফাংশনে x-এর জায়গায় ০ বসালেই f(0) পাওয়া যায়।
    f(0) = 2(0)^2 + 3(0) − 1 = 0 + 0 − 1 = −1
    মনে রাখুন: যেকোনো বহুপদী ফাংশনের f(0) সবসময় তার ধ্রুবক পদের সমান, এখানে −1।
  20. ৬৯. $2^{x+1}=32$ হলে x এর মান কত?
    • ক. 4
    • খ. 3
    • গ. 2
    • ঘ. 1
    উত্তর: ক. 4
    উভয় পক্ষকে একই ভিত্তি 2-এর ঘাতে লিখি।
    32 = 2⁵, তাই 2^{x+1} = 2⁵
    ভিত্তি সমান হলে ঘাতও সমান, তাই x + 1 = 5 ⇒ x = 4
    যাচাই: 2^{4+1} = 2⁵ = 32।
    মনে রাখুন: 2-এর ঘাতগুলো মুখস্থ রাখলে এমন অঙ্ক দ্রুত হয়: 2⁴ = 16, 2⁵ = 32, 2⁶ = 64, 2⁷ = 128।
  21. ৭০. ABCD সামান্তরিকের DC বাহুকে E পর্যন্ত বর্ধিত করা হলো। ∠BAD = ১০০° হলে, ∠BCE = কত?
    • ক. ১০০°
    • খ. ৯০°
    • গ. ৮০°
    • ঘ. ৬৫°
    উত্তর: গ. ৮০°
    সামান্তরিকের বিপরীত কোণগুলো পরস্পর সমান, তাই ∠BCD = ∠BAD = 100°।
    DC বাহুকে E পর্যন্ত বাড়ানোয় D, C, E একই সরলরেখায় আছে, ফলে ∠BCD ও ∠BCE মিলে একটি সরলকোণ, অর্থাৎ 180°।
    ∠BCE = 180° − 100° = 80°
    মনে রাখুন: সামান্তরিকের পাশাপাশি দুটি কোণের যোগফল 180°, তাই ∠ABC = 80°, আর ∠BCE ও ∠ABC একান্তর কোণ হিসেবেও সমান।
  22. ৭১. ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ১০০ মিটার দীর্ঘ একটি ট্রেনের ৩০০ মিটার দীর্ঘ একটি প্লাটফর্ম অতিক্রম করতে কত সময় লাগবে?
    • ক. ২০ সেকেন্ড
    • খ. ২৪ সেকেন্ড
    • গ. ২০ মিনিট
    • ঘ. ২৪ মিনিট
    উত্তর: খ. ২৪ সেকেন্ড
    প্লাটফর্ম পুরোপুরি পার হতে ট্রেনকে প্লাটফর্মের দৈর্ঘ্যের সঙ্গে নিজের দৈর্ঘ্যও অতিক্রম করতে হয়।
    মোট দূরত্ব = 100 + 300 = 400 মিটার
    বেগ = 60 কি.মি./ঘণ্টা = 60 × 1000/3600 = 50/3 মিটার/সেকেন্ড
    সময় = 400 ÷ (50/3) = 400 × 3/50 = 24 সেকেন্ড
    মনে রাখুন: কি.মি./ঘণ্টাকে মিটার/সেকেন্ডে নিতে 5/18 দিয়ে গুণ করতে হয়।
  23. ৭২. একটি কোণের মান তার পূরক কোণের মানের অর্ধেকের সমান। কোণটির মান কত?
    • ক. 60°
    • খ. 45°
    • গ. 30°
    • ঘ. 25°
    উত্তর: গ. 30°
    ধরি, কোণটি x°। দুটি কোণের যোগফল 90° হলে একটিকে অপরটির পূরক কোণ বলে, তাই পূরক কোণ = 90° − x।
    শর্তমতে, x = (90 − x)/2
    ⇒ 2x = 90 − x ⇒ 3x = 90 ⇒ x = 30°
    যাচাই: পূরক কোণ 60°, আর 60°-এর অর্ধেক 30°।
    মনে রাখুন: দুটি কোণের যোগফল 180° হলে তাদের সম্পূরক কোণ বলে।

বাংলাদেশ

  1. ৭৩. সর্বপ্রথম ‘বঙ্গ’ দেশের নাম পাওয়া যায় যে গ্রন্থে-
    • ক. আইন-ই-আকবরী
    • খ. বাঙালির ইতিহাস
    • গ. ঐতরেয় আরণ্যক
    • ঘ. রঘুবংশ
    উত্তর: গ. ঐতরেয় আরণ্যক
    ‘বঙ্গ’ নামের প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায় প্রাচীন বৈদিক গ্রন্থ ঐতরেয় আরণ্যক-এ। সেখানে বঙ্গ জনপদের মানুষকে একটি আলাদা জনগোষ্ঠী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে মুঘল সম্রাট আকবরের সভাসদ আবুল ফজল তাঁর ‘আইন-ই-আকবরী’ গ্রন্থে ‘বঙ্গ’ শব্দের সঙ্গে ‘আল’ যুক্ত হয়ে ‘বাঙ্গালা’ নাম হওয়ার ব্যাখ্যা দেন।
    মনে রাখুন: সম্রাট আকবরের সময় পুরো বাংলাকে ‘সুবাহ বাংলা’ বলা হতো।
  2. ৭৪. চাকমাদের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানকে বলা হয়-
    • ক. সাংগ্রেন
    • খ. বিজু
    • গ. তনচংগা
    • ঘ. নও উৎসব
    উত্তর: খ. বিজু
    চাকমা জনগোষ্ঠী চৈত্রসংক্রান্তি ও বাংলা নববর্ষ ঘিরে তিন দিন ধরে ‘বিজু’ উৎসব পালন করে। পার্বত্য চট্টগ্রামের তিনটি প্রধান জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নামের আদ্যক্ষর মিলে তৈরি হয়েছে ‘বৈসাবি’ শব্দটি।
    মনে রাখুন:
    বৈসু: ত্রিপুরাদের বর্ষবরণ
    সাংগ্রাই: মারমাদের বর্ষবরণ
    বিজু: চাকমাদের বর্ষবরণ
  3. ৭৫. মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা কত নম্বর সেক্টরের অধীন ছিল?
    • ক. ১ নং
    • খ. ৩ নং
    • গ. ২ নং
    • ঘ. ১০ নং
    উত্তর: গ. ২ নং
    মুক্তিযুদ্ধের সময় পরিচালনার সুবিধার জন্য সারা দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর ও নোয়াখালীর কিছু অংশ নিয়ে গঠিত হয় ২ নম্বর সেক্টর, তাই ঢাকা ছিল এই সেক্টরের অধীন। এর সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ, পরে মেজর এ টি এম হায়দার।
    মনে রাখুন:
    ঢাকায় গেরিলা আক্রমণ চালানো বিখ্যাত ‘ক্র্যাক প্লাটুন’ ২ নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল।
    ১০ নম্বর সেক্টর ছিল নৌ কমান্ডো, এর নির্দিষ্ট কোনো অধিনায়ক ছিল না।
  4. ৭৭. বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
    • ক. মানিকগঞ্জ
    • খ. রংপুর
    • গ. ঢাকা
    • ঘ. পাবনা
    উত্তর: গ. ঢাকা
    বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (BJRI) ঢাকার শেরেবাংলা নগরে, মানিক মিয়া এভিনিউতে অবস্থিত। এখানকার বিজ্ঞানীরা ড. মাকসুদুল আলমের নেতৃত্বে ২০১০ সালে তোষা পাটের জীবনরহস্য (Genome) উন্মোচন করেন।
    মনে রাখুন:
    চা গবেষণা ইনস্টিটিউট: শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার
    ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট: ঈশ্বরদী, পাবনা
    ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট: জয়দেবপুর, গাজীপুর
    মসলা গবেষণা কেন্দ্র: শিবগঞ্জ, বগুড়া
  5. ৭৮. SPARRSO কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন?
    • ক. শিল্প মন্ত্রণালয়
    • খ. শিক্ষা মন্ত্রণালয়
    • গ. পরিবেশ মন্ত্রণালয়
    • ঘ. প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
    উত্তর: ঘ. প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
    বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান, ইংরেজিতে Space Research and Remote Sensing Organization (SPARRSO), প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ করে। এটি কৃত্রিম উপগ্রহের পাঠানো ছবি বিশ্লেষণ করে আবহাওয়া, ঘূর্ণিঝড়, বন্যা ও ভূমি ব্যবহারের তথ্য দেয়। এ কাজে ছবি থেকে দূর থেকে তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতিকে দূর অনুধাবন (Remote Sensing) বলে।
    মনে রাখুন:
    SPARRSO-র সদর দপ্তর ঢাকার আগারগাঁওয়ে।
    এটি ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
    ঘূর্ণিঝড়ের আগাম সংকেত দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরও কাজ করে, আর সেটি পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের অধীন।
  6. ৮৩. সংবিধানের ১৫ অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কী?
    • ক. জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা
    • খ. সুযোগের সমতা
    • গ. জাতীয় সংস্কৃতি
    • ঘ. মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা
    উত্তর: ঘ. মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা
    বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিগুলো দেওয়া আছে, আর তার ১৫ অনুচ্ছেদের বিষয় মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা। এখানে বলা হয়েছে, নাগরিকদের অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসার মতো জীবনধারণের মৌলিক উপকরণের ব্যবস্থা করা রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব।
    মনে রাখুন:
    ১৭ অনুচ্ছেদ: অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা
    ১৮ অনুচ্ছেদ: জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা
    ১৯ অনুচ্ছেদ: সুযোগের সমতা
    ২৩ অনুচ্ছেদ: জাতীয় সংস্কৃতি
  7. ৮৪. বাংলাদেশে বয়স্ক ভাতা কার্যক্রম কবে প্রথম শুরু হয়?
    • ক. ১৯৯৮ সালে
    • খ. ১৯৯৯ সালে
    • গ. ২০০০ সালে
    • ঘ. ২০০১ সালে
    উত্তর: ক. ১৯৯৮ সালে
    বয়স্ক ও অসহায় মানুষের আর্থিক নিরাপত্তার জন্য ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে, অর্থাৎ ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশে বয়স্ক ভাতা কর্মসূচি চালু হয়। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন সমাজসেবা অধিদপ্তর এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে, আর ভাতাভোগীরা প্রতি মাসে নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা পান।
    মনে রাখুন: বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলা ভাতা চালু হয় ১৯৯৮-৯৯ অর্থবছরে, আর অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা ২০০৫-০৬ অর্থবছরে।
  8. ৮৫. বাংলাদেশের জাতীয় স্বাস্থ্য নীতিমালা কবে প্রণীত হয়েছে?
    • ক. ২০১০ সালে
    • খ. ২০১১ সালে
    • গ. ২০১২ সালে
    • ঘ. ২০১৩ সালে
    উত্তর: খ. ২০১১ সালে
    বাংলাদেশের বর্তমান জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি ২০১১ সালে প্রণয়ন করা হয়। এই নীতির মূল লক্ষ্য সবার জন্য মানসম্মত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা, আর এর আওতায় গ্রামে গ্রামে কমিউনিটি ক্লিনিক চালু রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এর আগে ২০০০ সালেও একটি জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি গৃহীত হয়েছিল।
    মনে রাখুন: জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণীত হয় ২০১০ সালে, আর জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি ২০১১ সালে।
  9. ৮৭. আগরতলা মামলা প্রত্যাহার করা হয়-
    • ক. ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯
    • খ. ২০ মার্চ, ১৯৬৯
    • গ. ১৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭০
    • ঘ. ৫ ডিসেম্বর, ১৯৬৮
    উত্তর: ক. ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯
    ১৯৬৮ সালে পাকিস্তান সরকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে। কিন্তু ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রবল চাপে আইয়ুব খানের সরকার ২২ ফেব্রুয়ারি মামলাটি প্রত্যাহার করে নেয় এবং বন্দিদের মুক্তি দেয়। এর পরদিন, ২৩ ফেব্রুয়ারি রেসকোর্স ময়দানের সংবর্ধনায় শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি দেওয়া হয়।
    মনে রাখুন: এই মামলার অভিযুক্ত সার্জেন্ট জহুরুল হক ১৯৬৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বন্দি অবস্থায় নিহত হন।
  10. ৮৯. মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী কে ছিলেন?
    • ক. ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী
    • খ. তাজউদ্দিন আহম্মদ
    • গ. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
    • ঘ. খন্দকার মোস্তাক আহমেদ
    উত্তর: ক. ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী
    ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত এবং ১৭ এপ্রিল শপথ নেওয়া মুজিবনগর সরকারে অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পান ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী। রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তাঁর অনুপস্থিতিতে উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হন, আর প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ।
    মনে রাখুন:
    পররাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রী: খন্দকার মোশতাক আহমদ।
    স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসনমন্ত্রী: এ এইচ এম কামারুজ্জামান।
    এই চার নেতা ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর কারাগারে নিহত হন, দিনটি জেলহত্যা দিবস।
  11. ৯০. বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারি হয়-
    • ক. ১৯৭৯ সালে
    • খ. ১৯৭২ সালে
    • গ. ১৯৭৩ সালে
    • ঘ. ১৯৭৪ সালে
    উত্তর: ঘ. ১৯৭৪ সালে
    দেশের মোট জনসংখ্যা গণনাকে আদমশুমারি বা জনশুমারি (Census) বলে। স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি হয় ১৯৭৪ সালে, আর এরপর ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১ ও ২০১১ সালে শুমারি হয়েছে। সর্বশেষ ২০২২ সালে প্রথমবারের মতো ডিজিটাল পদ্ধতিতে ‘জনশুমারি ও গৃহগণনা’ অনুষ্ঠিত হয়।
    মনে রাখুন:
    আদমশুমারি পরিচালনা করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।
    ২০২২ সালের শুমারিতে জনসংখ্যা প্রায় ১৬ কোটি ৯৮ লাখ।
  12. ৯১. সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন গঠনের উল্লেখ আছে-
    • ক. ১৩০
    • খ. ১৩১
    • গ. ১৩৭
    • ঘ. ১৪০
    উত্তর: গ. ১৩৭
    বাংলাদেশের সংবিধানের নবম ভাগে সরকারি কর্মকর্তাদের বিষয় আছে। এর দ্বিতীয় পরিচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের কথা বলা হয়েছে। ১৩৭ অনুচ্ছেদে বলা আছে, আইনের মাধ্যমে এক বা একাধিক সরকারি কর্ম কমিশন (Public Service Commission) গঠন করা হবে। পরবর্তী অনুচ্ছেদগুলোতে কমিশনের সদস্য নিয়োগ, মেয়াদ ও কাজের কথা আছে।
    মনে রাখুন:
    সরকারি কর্ম কমিশন বিসিএসসহ সরকারি চাকরির পরীক্ষা নেয়।
    সংবিধানের নবম ভাগের প্রথম পরিচ্ছেদে রাষ্ট্রীয় কর্মের (সার্ভিসেস) কথা আছে।
  13. ৯৬. হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যক্রম কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়?
    • ক. সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
    • খ. মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়
    • গ. স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়
    • ঘ. শিক্ষা মন্ত্রণালয়
    উত্তর: ক. সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
    হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা দরিদ্র ও অসহায় রোগীদের ওষুধ, রক্ত, পথ্য ও অন্যান্য সহায়তা দিতে হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যক্রম চালু আছে। এই কার্যক্রম পরিচালিত হয় সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে, যদিও এর কার্যালয়গুলো সরকারি হাসপাতালের ভেতরেই থাকে। বাংলাদেশে এই কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৫৮ সালে, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।
    মনে রাখুন: বয়স্ক ভাতা ও প্রতিবন্ধী ভাতাও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম।
  14. ৯৭. স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য ‘বীরপ্রতীক’ উপাধি লাভ করেন কত জন?
    • ক. ৭ জন
    • খ. ৬৮ জন
    • গ. ১৭৫ জন
    • ঘ. ৪২৬ জন
    উত্তর: ঘ. ৪২৬ জন
    মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য চার ধরনের খেতাব দেওয়া হয়: বীরশ্রেষ্ঠ (৭ জন), বীরউত্তম (৬৮ জন), বীরবিক্রম (১৭৫ জন) ও বীরপ্রতীক (৪২৬ জন)। এর মধ্যে বীরপ্রতীক খেতাব সবচেয়ে বেশি মানুষ পেয়েছেন, মোট ৪২৬ জন।
    মনে রাখুন:
    সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ, আর সাতজন বীরশ্রেষ্ঠ হলেন মতিউর রহমান, রুহুল আমিন, মোস্তফা কামাল, হামিদুর রহমান, নূর মোহাম্মদ শেখ, মুন্সি আবদুর রউফ ও মোহাম্মদ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর।
    মোট খেতাবপ্রাপ্ত ৬৭৬ জন।

আন্তর্জাতিক

  1. ৭৬. জাপানের বৈদেশিক সাহায্য সংস্থার নাম কী?
    • ক. জাইকা
    • খ. ডিএফআইডি
    • গ. ডানিডা
    • ঘ. ওসিডি
    উত্তর: ক. জাইকা
    জাপানের সরকারি বৈদেশিক সাহায্য ও উন্নয়ন সহযোগিতা সংস্থার নাম জাইকা (JICA), এর পূর্ণরূপ Japan International Cooperation Agency। বাংলাদেশে যমুনা সেতু, ঢাকা মেট্রোরেল ও মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতো বড় প্রকল্পে জাইকা অর্থায়ন করেছে।
    মনে রাখুন:
    ডানিডা (DANIDA): ডেনমার্ক
    ডিএফআইডি (DFID): যুক্তরাজ্য
    ইউএসএআইডি (USAID): যুক্তরাষ্ট্র
    সিডা (SIDA): সুইডেন
  2. ৭৯. NATO কোন ধরনের জোট?
    • ক. অর্থনৈতিক
    • খ. পরিবেশগত
    • গ. রাজনৈতিক
    • ঘ. সামরিক
    উত্তর: ঘ. সামরিক
    উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা (North Atlantic Treaty Organization, NATO) একটি সামরিক জোট। ১৯৪৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে গঠিত এই জোটের মূল নীতি হলো, কোনো একটি সদস্য দেশের ওপর আক্রমণ মানে সব সদস্যের ওপর আক্রমণ, আর তখন সবাই মিলে তা প্রতিরোধ করবে। এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে।
    মনে রাখুন:
    ন্যাটোর সর্বশেষ দুই সদস্য ফিনল্যান্ড (২০২৩) ও সুইডেন (২০২৪), ফলে সদস্য এখন ৩২টি।
    ন্যাটোর বিপরীতে সোভিয়েত নেতৃত্বে গড়া জোট ছিল ওয়ারশ চুক্তি (১৯৫৫)।
  3. ৮০. ভারত ও আফগানিস্তানের মধ্যকার সীমানা চিহ্নিত লাইন –
    • ক. ডুরান্ড লাইন
    • খ. র‍্যাডক্লিফ লাইন
    • গ. এলওসি
    • ঘ. ম্যাজিনো লাইন
    উত্তর: ক. ডুরান্ড লাইন
    ১৮৯৩ সালে ব্রিটিশ ভারতের পররাষ্ট্র সচিব স্যার মর্টিমার ডুরান্ড ও আফগানিস্তানের আমির আবদুর রহমান খানের মধ্যে চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের সীমানা নির্ধারণ করা হয়। এই সীমারেখার নাম তাঁর নামে ডুরান্ড লাইন (Durand Line)। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর এই রেখাই পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমানা হয়ে যায়।
    মনে রাখুন:
    র‍্যাডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তান (বাংলাদেশ)
    ম্যাকমোহন লাইন: ভারত ও চীন
    ম্যাজিনো লাইন: ফ্রান্স ও জার্মানি
  4. ৮১. ‘বাংলাদেশ স্কয়ার’ কোথায় অবস্থিত?
    • ক. লাইবেরিয়া
    • খ. কঙ্গো
    • গ. সোমালিয়া
    • ঘ. সুদান
    উত্তর: ক. লাইবেরিয়া
    জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে (UNMIL) বাংলাদেশি সেনাদের অবদানের নিদর্শন হিসেবে ২০০৮ সালে আফ্রিকার দেশ লাইবেরিয়ার গবার্নগা শহরে ‘বাংলাদেশ স্কয়ার’ প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা এটি গড়ে তোলেন, আর এতে বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণকেন্দ্র ও শিশুদের খেলার মাঠ রয়েছে।
    মনে রাখুন: পশ্চিম আফ্রিকার আরেক দেশ সিয়েরা লিওনে শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সেখানে বাংলাকে দ্বিতীয় সরকারি ভাষার মর্যাদা দেওয়া হয়।
  5. ৮২. বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়-
    • ক. ১০ জুলাই
    • খ. ৫ জুন
    • গ. ২৪ সেপ্টেম্বর
    • ঘ. ১২ এপ্রিল
    উত্তর: খ. ৫ জুন
    প্রতি বছর ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়। ১৯৭২ সালের ৫ থেকে ১৬ জুন সুইডেনের স্টকহোমে জাতিসংঘের প্রথম মানব পরিবেশ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, আর সেই সম্মেলনের প্রথম দিনটির স্মরণে ১৯৭৩ সাল থেকে দিবসটি পালন করা হচ্ছে। এই সম্মেলনেই জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
    মনে রাখুন:
    UNEP-এর সদর দপ্তর কেনিয়ার নাইরোবিতে।
    ২২ এপ্রিল বিশ্ব ধরিত্রী দিবস।
  6. ৮৬. ‘Seven Sisters’ কোন দেশে অবস্থিত?
    • ক. ভারত
    • খ. পাকিস্তান
    • গ. মিয়ানমার
    • ঘ. ভুটান
    উত্তর: ক. ভারত
    ভারতের উত্তর-পূর্ব অংশের সাতটি পাশাপাশি রাজ্যকে একসঙ্গে ‘সেভেন সিস্টার্স’ (Seven Sisters) বলা হয়। রাজ্যগুলো হলো আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা, মিজোরাম, মণিপুর, নাগাল্যান্ড ও অরুণাচল প্রদেশ। এগুলো ভারতের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে শুধু শিলিগুড়ির সরু একটি করিডোর দিয়ে যুক্ত, যাকে ‘চিকেনস নেক’ বলা হয়।
    মনে রাখুন: পরে সিকিমকেও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে যুক্ত করা হয়েছে, তাকে ‘সেভেন সিস্টার্সের ভাই’ বলা হয়। বাংলাদেশের সঙ্গে সীমান্ত আছে আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও মিজোরামের।
  7. ৯৩. ইতিহাসের জনক কে?
    • ক. হেরোডোটাস
    • খ. এরিস্টটল
    • গ. ওয়াশিংটন
    • ঘ. নিউইয়র্ক
    উত্তর: ক. হেরোডোটাস
    প্রাচীন গ্রিসের ইতিহাসবিদ হেরোডোটাসকে ইতিহাসের জনক বলা হয়। খ্রিষ্টপূর্ব পঞ্চম শতকে তিনি গ্রিস ও পারস্যের যুদ্ধের ঘটনাগুলো ঘুরে ঘুরে খোঁজখবর নিয়ে লিখে রাখেন, আর তাঁর বইয়ের নাম ‘হিস্টোরিস’। প্রশ্নের ওয়াশিংটন ও নিউইয়র্ক তো কোনো ব্যক্তিই নন, এগুলো স্থান বা ব্যক্তির নাম হিসেবে বিভ্রান্তি তৈরির জন্য দেওয়া।
    মনে রাখুন:
    অ্যারিস্টটল: রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও জীববিজ্ঞানের জনক।
    হিপোক্রেটিস: চিকিৎসাবিজ্ঞানের জনক।
  8. ৯৪. টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট কবে গৃহীত হয়?
    • ক. ২০১৫ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর
    • খ. ২০১৬ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর
    • গ. ২০১৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর
    • ঘ. ২০১৫ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর
    উত্তর: গ. ২০১৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর
    ২০১৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের শীর্ষ সম্মেলনে ১৯৩টি সদস্য দেশ টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (Sustainable Development Goals বা SDG) গ্রহণ করে। এতে ১৭টি অভীষ্ট ও ১৬৯টি লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে, যা ২০৩০ সালের মধ্যে অর্জন করার কথা। এটি কার্যকর হয় ২০১৬ সালের ১ জানুয়ারি।
    মনে রাখুন: এর আগে ২০০০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত চলেছিল সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (MDG), যাতে ৮টি লক্ষ্য ছিল।
  9. ৯৫. ‘ওয়াটার লু’ যুদ্ধক্ষেত্র কোথায় অবস্থিত?
    • ক. বেলজিয়াম
    • খ. জাপান
    • গ. জার্মানি
    • ঘ. ইংল্যান্ড
    উত্তর: ক. বেলজিয়াম
    ১৮১৫ সালের ১৮ জুন ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্ট যে যুদ্ধে চূড়ান্তভাবে পরাজিত হন, সেটি ওয়াটারলুর যুদ্ধ। ওয়াটারলু বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসের দক্ষিণে অবস্থিত। ব্রিটিশ সেনাপতি ডিউক অব ওয়েলিংটন ও প্রুশিয়ার সম্মিলিত বাহিনী এই যুদ্ধে জয়ী হয়, আর এরপর নেপোলিয়নকে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসনে পাঠানো হয়।
    মনে রাখুন: নেপোলিয়নকে প্রথমবার ১৮১৪ সালে এলবা দ্বীপে নির্বাসিত করা হয়েছিল।

ব্যাংকিং ও অর্থনীতি

  1. ৮৮. বাংলাদেশে সরকারি EPZ মোট কতটি?
    • ক. ৭টি
    • খ. ৮টি
    • গ. ৯টি
    • ঘ. ১০টি
    উত্তর: খ. ৮টি
    বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের (BEPZA) অধীনে সরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (EPZ) মোট ৮টি। এগুলো হলো চট্টগ্রাম, ঢাকা (সাভার), মোংলা, কুমিল্লা, ঈশ্বরদী, উত্তরা (নীলফামারী), আদমজী ও কর্ণফুলী ইপিজেড। দেশের প্রথম ইপিজেড চট্টগ্রাম ইপিজেড, যা ১৯৮৩ সালে চালু হয়।
    মনে রাখুন: বেসরকারি খাতে দেশের প্রথম ইপিজেড চট্টগ্রামের কোরিয়ান ইপিজেড (KEPZ)।

বিজ্ঞান

  1. ৯২. নবায়নযোগ্য শক্তি কোনটি?
    • ক. তেল
    • খ. গ্যাস
    • গ. কয়লা
    • ঘ. সমুদ্রের ঢেউ
    উত্তর: ঘ. সমুদ্রের ঢেউ
    যে শক্তির উৎস প্রকৃতিতে বারবার ফিরে আসে এবং ব্যবহার করলেও ফুরিয়ে যায় না, তাকে নবায়নযোগ্য শক্তি (Renewable energy) বলে। সমুদ্রের ঢেউ বাতাস ও চাঁদের আকর্ষণে অবিরাম তৈরি হয়, তাই ঢেউয়ের শক্তি নবায়নযোগ্য। অন্যদিকে তেল, গ্যাস ও কয়লা লাখো বছর ধরে মাটির নিচে জমা হওয়া জীবাশ্ম জ্বালানি, যা একবার ফুরালে সহজে আর তৈরি হয় না।
    মনে রাখুন: নবায়নযোগ্য শক্তির অন্য উৎস: সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি, জলবিদ্যুৎ, জোয়ার-ভাটা ও বায়োগ্যাস।

এনটিআরসিএ: অন্যান্য পরীক্ষা

আরও শিক্ষক নিয়োগ ও নিবন্ধন পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান

বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন