প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পিটিআই ইন্সট্রাক্টর (শিক্ষাবিজ্ঞানসহ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ২০১৯। ৯২টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →- শিক্ষাবিজ্ঞান (৩৫)
- ইংরেজি (১৯)
- বাংলা (১৭)
- ব্যাংকিং ও অর্থনীতি (২)
- বাংলাদেশ (৫)
- সাধারণ জ্ঞান (২)
- আন্তর্জাতিক (১০)
- বিজ্ঞান (২)
শিক্ষাবিজ্ঞান
- ১. শিক্ষাক্রমের উপাদান কোনগুলো?
- ক. লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও পদ্ধতি
- খ. উদ্দেশ্য, প্রান্তিক যোগ্যতা, বিষয়বস্তু ও মূল্যায়ন
- গ. উদ্দেশ্য, বিষয়বস্তু, পদ্ধতি ও মূল্যায়ন
- ঘ. লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, বিষয়বস্তু ও মূল্যায়ন
উত্তর: গ. উদ্দেশ্য, বিষয়বস্তু, পদ্ধতি ও মূল্যায়ন
শিক্ষাক্রম (Curriculum) হলো শিক্ষার্থীরা কী শিখবে, কেন শিখবে, কীভাবে শিখবে এবং শেখা হলো কি না তা কীভাবে যাচাই হবে, তার একটি পূর্ণ পরিকল্পনা। এ চারটি প্রশ্নের উত্তর থেকেই শিক্ষাক্রমের চারটি মূল উপাদান পাওয়া যায়: উদ্দেশ্য, বিষয়বস্তু, শিখন-শেখানো পদ্ধতি এবং মূল্যায়ন। উপাদানগুলো একে অপরের ওপর নির্ভরশীল, উদ্দেশ্য ঠিক হলে সে অনুযায়ী বিষয়বস্তু ও পদ্ধতি বাছাই হয় এবং মূল্যায়ন দিয়ে উদ্দেশ্য অর্জন যাচাই করা হয়।
মনে রাখুন: প্রান্তিক যোগ্যতা ও শিখনফল আসলে শিক্ষাক্রমের উদ্দেশ্যেরই বিস্তারিত রূপ। - ২. একীভূত শিক্ষা সম্পর্কে কোন বক্তব্যটি সর্বাপেক্ষা পূর্ণাঙ্গ?
- ক. একীভূত শিক্ষা বিদ্যালয়ে ভর্তি এবং প্রবেশগম্যতা নিশ্চিত করে ও মানসম্মত শিক্ষায় সক্রিয় অংশগ্রহণ শিখন ফল অর্জন
- খ. ভিন্নতা কোন দুর্বলতা নয়; বরং বৈচিত্র্যই মানবজাতির সফলতা
- গ. একীভূত শিক্ষা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন বা প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষা নিশ্চিত করে
- ঘ. একীভূত শিক্ষা সকল শিক্ষার্থীর বিদ্যালয়ে ভর্তি এবং প্রবেশগম্যতা নিশ্চিত করে
উত্তর: ক. একীভূত শিক্ষা বিদ্যালয়ে ভর্তি এবং প্রবেশগম্যতা নিশ্চিত করে ও মানসম্মত শিক্ষায় সক্রিয় অংশগ্রহণ শিখন ফল অর্জন
একীভূত শিক্ষা (Inclusive Education) বলতে বোঝায় জাতি, ধর্ম, লিঙ্গ, আর্থিক অবস্থা বা প্রতিবন্ধিতা নির্বিশেষে সব শিশুকে একই বিদ্যালয়ে একসঙ্গে শেখার সুযোগ দেওয়া। এটি শুধু ভর্তি বা বিদ্যালয়ে প্রবেশগম্যতা নিশ্চিত করেই থেমে থাকে না, বরং প্রত্যেক শিশু যেন মানসম্মত শিক্ষায় সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে পারে এবং প্রত্যাশিত শিখনফল অর্জন করে, সেটিও নিশ্চিত করে। তাই ভর্তি, প্রবেশগম্যতা, অংশগ্রহণ ও শিখনফল অর্জন, সবকিছু একসঙ্গে বলা বক্তব্যটিই সবচেয়ে পূর্ণাঙ্গ।
মনে রাখুন: একীভূত শিক্ষা কেবল প্রতিবন্ধী শিশুর শিক্ষা নয়, আর ১৯৯৪ সালের সালামাঙ্কা ঘোষণা এ ধারণাকে আন্তর্জাতিকভাবে জোরালো করে। - ৫. বাংলাদেশে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার ব্যবস্থাপনায় কোন সংস্থা কাজ করে?
- ক. উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো
- খ. কারিগরী শিক্ষা অধিদপ্তর
- গ. উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা অধিদপ্তর
- ঘ. প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর
উত্তর: ক. উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো
বাংলাদেশে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা (Non-formal Education) পরিচালনার দায়িত্বে আছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো (Bureau of Non-Formal Education বা BNFE)। আগে এ কাজ করত উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা অধিদপ্তর, যা বিলুপ্ত হওয়ার পর ২০০৫ সালে ব্যুরোটি গঠিত হয়। বিদ্যালয়ের বাইরে থাকা শিশু, ঝরে পড়া কিশোর-কিশোরী ও নিরক্ষর বয়স্কদের শিক্ষার ব্যবস্থা করা এর প্রধান কাজ।
মনে রাখুন: উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ২০১৪ সালে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা আইন পাস হয়। - ৮. আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা কাকে কেন্দ্র করে বেড়ে উঠেছে?
- ক. শিক্ষক
- খ. শিশু
- গ. বয়স্ক ব্যক্তি
- ঘ. শিক্ষায়তন
উত্তর: খ. শিশু
আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা শিশুকেন্দ্রিক (Child-centred), অর্থাৎ শিশুর আগ্রহ, সামর্থ্য, বয়স ও প্রয়োজনকে কেন্দ্র করে শিক্ষার বিষয় ও পদ্ধতি ঠিক করা হয়। আগের দিনে শিক্ষা ছিল শিক্ষককেন্দ্রিক, যেখানে শিক্ষক বলতেন আর শিশু চুপচাপ মুখস্থ করত। আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষক বরং সহায়ক বা পথপ্রদর্শকের ভূমিকা পালন করেন।
মনে রাখুন:
শিশুকেন্দ্রিক শিক্ষার ধারণার পথিকৃৎ ফরাসি দার্শনিক রুশো, তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘এমিল’।
ফ্রয়েবেল কিন্ডারগার্টেন এবং মারিয়া মন্তেসরি মন্তেসরি পদ্ধতির প্রবর্তক। - ৯. প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করা কোন প্রতিষ্ঠানের মূল দায়িত্ব?
- ক. প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (DPE)
- খ. এনসিটিবি (NCTB)
- গ. নেপ (NAPE)
- ঘ. শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (IER)
উত্তর: ক. প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (DPE)
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (Directorate of Primary Education বা DPE) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন সেই প্রতিষ্ঠান, যার মূল দায়িত্বই হলো প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়ন। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা, শিক্ষক নিয়োগ, উপবৃত্তি, বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন ও তদারকির কাজ এ অধিদপ্তর করে। অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজ আলাদা, যেমন NCTB শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যবই তৈরি করে আর NAPE শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও গবেষণায় কাজ করে।
মনে রাখুন:
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ১৯৮১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, এর কার্যালয় ঢাকার মিরপুরে।
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (NAPE) ময়মনসিংহে অবস্থিত।
শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (IER) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিষ্ঠান। - ১২. বাংলাদেশে ৫+ বছর বয়সী শিশুদের জন্য এক বছর মেয়াদি প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষাকে কী হিসেবে দেখা হচ্ছে?
- ক. পারিবারিক শিক্ষার বিকল্প
- খ. দক্ষ মানব সম্পদের উন্নয়নের প্রস্তুতি
- গ. আনুষ্ঠানিক শিক্ষার প্রস্তুতি
- ঘ. শিশুর বিকাশে সহায়ক
উত্তর: গ. আনুষ্ঠানিক শিক্ষার প্রস্তুতি
বাংলাদেশে ৫+ বছর বয়সী শিশুদের জন্য এক বছর মেয়াদি প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা চালু আছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো শিশুকে প্রথম শ্রেণির আনুষ্ঠানিক শিক্ষার জন্য প্রস্তুত করা। খেলা, ছড়া, গান ও ছবির মাধ্যমে শিশু এ সময় বিদ্যালয়ের পরিবেশ, শিক্ষক ও সহপাঠীদের সঙ্গে পরিচিত হয়, ফলে পরে বিদ্যালয়ে মানিয়ে নেওয়া সহজ হয় এবং ঝরে পড়ার ঝুঁকি কমে।
মনে রাখুন: জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০-এ প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা চালুর সুপারিশ করা হয়, আর এখন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে এক বছর মেয়াদি প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণি চালু আছে। - ১৩. একজন শিক্ষক তিনটি আমের ছবি দেখিয়ে তিন সংখ্যাটি শিক্ষার্থীদের শিখালেন তিনি কোন ধরনের উপকরণ ব্যবহার করলেন?
- ক. বিমূর্ত
- খ. অর্ধবিমূর্ত
- গ. অর্ধবাস্তব
- ঘ. বাস্তব
উত্তর: গ. অর্ধবাস্তব
শিক্ষণ উপকরণকে বাস্তবতার মাত্রা অনুযায়ী ভাগ করা হয়। আসল বস্তু, যেমন সত্যিকারের তিনটি আম দেখালে উপকরণটি হয় বাস্তব (Concrete)। আমের ছবি দেখালে আসল বস্তু থাকে না, কিন্তু তার রূপটি দেখা যায়, তাই ছবি হলো অর্ধবাস্তব (Semi-concrete) উপকরণ। এই শিক্ষক তিনটি আমের ছবি দেখিয়েছেন, তাই তিনি অর্ধবাস্তব উপকরণ ব্যবহার করেছেন।
মনে রাখুন:
বাস্তব উপকরণ: আসল বস্তু, যেমন আম, কাঠি, মার্বেল।
অর্ধবাস্তব উপকরণ: ছবি, চিত্র, মডেল।
বিমূর্ত উপকরণ: সংখ্যা বা প্রতীক, যেমন ‘৩’ লেখা।
গণিত শেখানোর সময় সাধারণত বাস্তব থেকে অর্ধবাস্তব হয়ে বিমূর্তের দিকে এগোতে হয়। - ১৪. শিক্ষার্থীর পূর্বজ্ঞানের ওপর ভিত্তি করে তার নতুন ধারণ নির্মাণে সহায়তা দেয়া কোন মতবাদের প্রয়োগ?
- ক. সামাজিক-সাংস্কৃতিক তত্ত্ব
- খ. চিন্তনবাদ
- গ. গঠনবাদ
- ঘ. আচরণবাদ
উত্তর: গ. গঠনবাদ
গঠনবাদ (Constructivism) অনুযায়ী শিক্ষার্থী খালি পাত্র নয়, বরং সে নিজের পূর্বজ্ঞান ও অভিজ্ঞতার সঙ্গে নতুন তথ্য মিলিয়ে নিজেই নতুন জ্ঞান গড়ে তোলে। তাই শিক্ষক যখন শিক্ষার্থীর আগের জানা বিষয় থেকে শুরু করে তার ওপর নতুন ধারণা নির্মাণে সাহায্য করেন, তখন তিনি গঠনবাদের নীতি প্রয়োগ করেন।
মনে রাখুন:
জ্ঞানমূলক গঠনবাদের প্রবক্তা সুইস মনোবিজ্ঞানী জাঁ পিয়াজে।
সামাজিক গঠনবাদের প্রবক্তা রুশ মনোবিজ্ঞানী লেভ ভাইগটস্কি।
আচরণবাদের প্রবক্তাদের মধ্যে আছেন প্যাভলভ, থর্নডাইক ও স্কিনার। - ১৭. প্রাথমিক শিক্ষা স্তরকে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ স্তর ধরা হলে এই স্তর শেষে শিক্ষার্থীগণ যে জ্ঞান, দক্ষতা, দৃষ্টিভঙ্গি ও মূল্যবোধ অর্জন করে তার সমষ্টি হলো-
- ক. অর্জন উপযোগী প্রান্তিক যোগ্যতা
- খ. বিষয়ভিত্তিক প্রান্তিক যোগ্যতা
- গ. শিখন ফল
- ঘ. প্রান্তিক যোগ্যতা
উত্তর: ঘ. প্রান্তিক যোগ্যতা
প্রাথমিক শিক্ষাকে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ স্তর ধরে, এই স্তর শেষে একজন শিক্ষার্থী যে জ্ঞান, দক্ষতা, দৃষ্টিভঙ্গি ও মূল্যবোধ অর্জন করবে বলে আশা করা হয়, তার সমষ্টিকে প্রান্তিক যোগ্যতা (Terminal Competency) বলে। প্রান্তিক যোগ্যতাগুলোকে ভেঙে প্রতিটি বিষয়ের জন্য বিষয়ভিত্তিক প্রান্তিক যোগ্যতা, শ্রেণিভিত্তিক অর্জন উপযোগী যোগ্যতা এবং পাঠভিত্তিক শিখনফল তৈরি করা হয়।
মনে রাখুন: বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষাক্রমে মোট ২৯টি প্রান্তিক যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়েছে। - ১৮. কোন সময়ে সর্বপ্রথম প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সরকারিকরণ করা হয়?
- ক. ১৯৭৮
- খ. ১৯৮৫
- গ. ১৯৭৩
- ঘ. ১৯৭৫
উত্তর: গ. ১৯৭৩
স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সরকার প্রথমবারের মতো দেশের প্রায় ৩৬ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারিকরণ বা জাতীয়করণ করে। এর মাধ্যমে দেড় লক্ষাধিক শিক্ষকের চাকরি সরকারি হয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা রাষ্ট্রের সরাসরি দায়িত্বে আসে।
মনে রাখুন:
২০১৩ সালে আরও প্রায় ২৬ হাজার রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হয়।
প্রাথমিক শিক্ষা (বাধ্যতামূলককরণ) আইন পাস হয় ১৯৯০ সালে। - ২০. বর্তমানে বাংলাদেশে কোন শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা বাধ্যতামূলক?
- ক. ষষ্ঠ
- খ. অষ্টম
- গ. চতুর্থ
- ঘ. পঞ্চম
উত্তর: ঘ. পঞ্চম
প্রাথমিক শিক্ষা (বাধ্যতামূলককরণ) আইন, ১৯৯০ অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা বাধ্যতামূলক, আর এ আইন ১৯৯৩ সাল থেকে সারা দেশে কার্যকর হয়। অর্থাৎ ৬ থেকে ১০ বছর বয়সী প্রতিটি শিশুকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠানো অভিভাবকের আইনগত দায়িত্ব।
মনে রাখুন:
সংবিধানের ১৭ অনুচ্ছেদে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষার কথা বলা হয়েছে।
জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০-এ প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হলেও তা এখনো পুরোপুরি কার্যকর হয়নি। - ২১. শ্রেণি কার্যক্রম পরিকল্পনার ক্ষেত্রে শিক্ষক কোনটির ওপর সবচেয়ে বেশি খেয়াল রাখবেন?
- ক. বিষয়বস্তু
- খ. প্রযুক্তির লভ্যতা
- গ. পরীক্ষার প্রস্তুতি ও প্রশ্ন
- ঘ. নির্ধারিত শিখন ফল
উত্তর: ঘ. নির্ধারিত শিখন ফল
শ্রেণি কার্যক্রম পরিকল্পনার সময় শিক্ষককে সবার আগে ভাবতে হয়, পাঠ শেষে শিক্ষার্থীরা কী জানবে বা কী করতে পারবে। এই প্রত্যাশিত অর্জনকেই নির্ধারিত শিখনফল (Learning Outcome) বলে। শিখনফল ঠিক থাকলে সে অনুযায়ী বিষয়বস্তু, শিক্ষণ পদ্ধতি, উপকরণ ও মূল্যায়নের কৌশল বাছাই করা যায়। তাই পরিকল্পনার কেন্দ্রে থাকে নির্ধারিত শিখনফল।
মনে রাখুন: ভালো শিখনফল পরিমাপযোগ্য ক্রিয়াপদ দিয়ে লেখা হয়, যেমন ‘শিক্ষার্থীরা ১ থেকে ১০ পর্যন্ত গুনতে পারবে’। - ২৩. একজন শিক্ষার্থী একটি সাইকেল চালানো শিখলো- এটি তার কী ধরনের শিখন হয়েছে?
- ক. মনোপেশীজ
- খ. প্রয়োগমূলক
- গ. আবেগিক
- ঘ. জ্ঞানমূলক
উত্তর: ক. মনোপেশীজ
সাইকেল চালানো শিখতে মস্তিষ্ক ও শরীরের পেশিকে একসঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে হয়, ভারসাম্য রাখা, প্যাডেল ঘোরানো আর হ্যান্ডেল ধরা সবই এর অংশ। মন ও পেশির এমন সমন্বয়ে যে দক্ষতা গড়ে ওঠে, তাকে মনোপেশিজ (Psychomotor) শিখন বলে। তাই সাইকেল চালানো শেখা মনোপেশিজ শিখন।
মনে রাখুন: ব্লুম ও তাঁর সহকর্মীদের শ্রেণিবিন্যাসে শিখনের তিনটি ক্ষেত্র আছে।
জ্ঞানমূলক (Cognitive): তথ্য জানা, বোঝা ও প্রয়োগ।
আবেগিক (Affective): দৃষ্টিভঙ্গি ও মূল্যবোধ।
মনোপেশিজ (Psychomotor): হাতে-কলমে দক্ষতা, যেমন লেখা, আঁকা, সাঁতার। - ২৯. SLIP-এর পূর্ণরূপ কী?
- ক. School Learning Improvement Plan
- খ. School Learning Improvement Program
- গ. School Level Improvement Plan
- ঘ. School Level Induction Plan
উত্তর: গ. School Level Improvement Plan
SLIP-এর পূর্ণরূপ School Level Improvement Plan, অর্থাৎ বিদ্যালয় পর্যায়ের উন্নয়ন পরিকল্পনা। এ কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক, বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি ও অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনা করে নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী একটি উন্নয়ন পরিকল্পনা তৈরি করে, আর সে অনুযায়ী সরকার থেকে অনুদান পায়। এতে স্থানীয় মানুষের অংশগ্রহণে বিদ্যালয়ের মান উন্নয়ন সহজ হয়।
মনে রাখুন: SLIP কার্যক্রম প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (PEDP)-এর অংশ হিসেবে বাস্তবায়িত হচ্ছে। - ৩১. জেন্ডারের ধারণা প্রকাশ করে কোন বক্তব্যটি?
- ক. শুধু নারী ও পুরুষের মাঝে জৈবিক পার্থক্যের ইঙ্গিত দেয়
- খ. নারীর প্রতি বৈষম্য
- গ. সামাজিকভাবে নারী ও পুরুষের জন্য সৃষ্ট ভূমিকা বা বৈশিষ্ট্য
- ঘ. জেন্ডারের শব্দটি লিঙ্গ শব্দের প্রতিশব্দ
উত্তর: গ. সামাজিকভাবে নারী ও পুরুষের জন্য সৃষ্ট ভূমিকা বা বৈশিষ্ট্য
জেন্ডার (Gender) বলতে নারী ও পুরুষের সেসব ভূমিকা, দায়িত্ব, আচরণ ও বৈশিষ্ট্য বোঝায়, যেগুলো সমাজ ও সংস্কৃতি তৈরি করে দিয়েছে। যেমন ‘ছেলেরা কাঁদে না’ বা ‘রান্না মেয়েদের কাজ’, এ ধারণাগুলো জন্মগত নয়, সমাজের তৈরি। তাই জেন্ডার সমাজভেদে ও সময়ের সঙ্গে বদলায়। অন্যদিকে নারী ও পুরুষের জন্মগত শারীরিক বা জৈবিক পার্থক্য বোঝাতে লিঙ্গ (Sex) শব্দটি ব্যবহৃত হয়, যা সাধারণত বদলায় না।
মনে রাখুন: জেন্ডার সমতা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (SDG) ৫ নম্বর অভীষ্ট। - ৩৩. কোনটি উৎপাদনমূলক ভাষাদক্ষতা নির্দেশ করে?
- ক. শোনা ও বলা
- খ. লেখা ও বলা
- গ. বলা ও পড়া
- ঘ. লেখা ও পড়া
উত্তর: খ. লেখা ও বলা
ভাষার চারটি মৌলিক দক্ষতা হলো শোনা, বলা, পড়া ও লেখা। এর মধ্যে বলা ও লেখার সময় শিক্ষার্থী নিজের ভাবনা থেকে নতুন বাক্য তৈরি করে প্রকাশ করে, তাই এ দুটিকে উৎপাদনমূলক বা প্রকাশমূলক দক্ষতা (Productive Skill) বলে। অন্যদিকে শোনা ও পড়ার সময় শিক্ষার্থী অন্যের ভাষা গ্রহণ করে বোঝে, তাই এ দুটি গ্রহণমূলক দক্ষতা (Receptive Skill)।
মনে রাখুন: ভাষা শেখার স্বাভাবিক ক্রম হলো শোনা, বলা, পড়া, লেখা। শিশু প্রথমে শোনে, তারপর বলতে শেখে, এরপর পড়ে এবং শেষে লেখে। - ৩৬. একজন শিক্ষার্থী ছন্দ ও ছড়ার মাধ্যমে শিখতে পছন্দ করে এবং ভালোভাবে শেখে। এ বিষয়টি কোন শিখন তত্ত্বে গুরুত্ব সহকারে নেয়া হয়েছে?
- ক. গঠনবাদ
- খ. বহুমুখী বুদ্ধিমত্তা তত্ত্ব
- গ. করন শিখন
- ঘ. চিরায়ত সাপেক্ষণ তত্ত্ব
উত্তর: খ. বহুমুখী বুদ্ধিমত্তা তত্ত্ব
মার্কিন মনোবিজ্ঞানী হাওয়ার্ড গার্ডনার ১৯৮৩ সালে বহুমুখী বুদ্ধিমত্তা তত্ত্ব (Theory of Multiple Intelligences) প্রস্তাব করেন। এ তত্ত্ব অনুযায়ী বুদ্ধিমত্তা একটি নয়, বরং মানুষের নানা ধরনের বুদ্ধিমত্তা থাকে, আর প্রত্যেক শিশু ভিন্ন ভিন্ন উপায়ে ভালো শেখে। এর একটি হলো সাংগীতিক বা ছন্দভিত্তিক বুদ্ধিমত্তা (Musical Intelligence)। তাই যে শিশু ছন্দ ও ছড়ার মাধ্যমে ভালো শেখে, তার বিষয়টি এই তত্ত্বে বিশেষ গুরুত্ব পায়।
মনে রাখুন: গার্ডনারের তত্ত্বে ভাষাগত, যৌক্তিক-গাণিতিক, স্থানিক, সাংগীতিক, শারীরিক-গতিসংক্রান্ত, আন্তঃব্যক্তিক, অন্তঃব্যক্তিক ও প্রকৃতিবিষয়ক মিলে ৮ ধরনের বুদ্ধিমত্তার কথা বলা হয়েছে। - ৩৭. সামাজিক দক্ষতা বিকাশে সহায়তা করে কোন ধরনের কার্যক্রম?
- ক. জনসেবামূলক কার্যক্রম
- খ. বিশেষ ক্লাস
- গ. সামাজিক দক্ষতা বিষয়ক পরীক্ষা
- ঘ. সহশিক্ষা ক্রমিক কার্যক্রম
উত্তর: ঘ. সহশিক্ষা ক্রমিক কার্যক্রম
পাঠ্যসূচির বাইরে খেলাধুলা, বিতর্ক, স্কাউটিং, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বাগান করা বা শিক্ষাসফরের মতো যেসব কাজ বিদ্যালয়ে হয়, সেগুলোকে সহশিক্ষাক্রমিক কার্যক্রম (Co-curricular Activities) বলে। এসব কাজে শিক্ষার্থীরা দলবদ্ধভাবে অংশ নেয়, ফলে তাদের মধ্যে সহযোগিতা, নেতৃত্ব, সহমর্মিতা, যোগাযোগ ও দায়িত্ববোধের মতো সামাজিক দক্ষতা গড়ে ওঠে।
মনে রাখুন: সহশিক্ষাক্রমিক কার্যক্রম শিক্ষার্থীর শারীরিক, মানসিক, সামাজিক ও আবেগিক, অর্থাৎ সার্বিক বিকাশে সহায়তা করে। - ৩৮. প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীর জন্য ‘পরিবেশ পরিচিতি সমাজ ও বিজ্ঞান (সমন্বিত)’ বিষয়টির পাঠ পরিচালনার জন্য কোনটি রয়েছে?
- ক. শিক্ষক সংস্করণ
- খ. শিক্ষক শিক্ষাক্রম গাইড
- গ. পাঠ্যপুস্তক
- ঘ. শিক্ষক সহায়িকা
উত্তর: ঘ. শিক্ষক সহায়িকা
প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে ‘পরিবেশ পরিচিতি সমাজ ও বিজ্ঞান (সমন্বিত)’ বিষয়ের জন্য শিক্ষার্থীদের হাতে কোনো পাঠ্যবই দেওয়া হয় না। এত ছোট বয়সে বইয়ের বোঝা না চাপিয়ে আশপাশের পরিবেশ দেখে, কথা বলে আর খেলার ছলে শেখানোই এর উদ্দেশ্য। তাই শিক্ষক কীভাবে পাঠ পরিচালনা করবেন, সেই নির্দেশনা দিয়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (NCTB) একটি শিক্ষক সহায়িকা (Teacher's Guide) তৈরি করেছে। শিক্ষক এই সহায়িকা দেখে প্রতিটি পাঠের লক্ষ্য, কাজ ও মূল্যায়নের ধাপ ঠিক করেন।
মনে রাখুন: তৃতীয় শ্রেণি থেকে এই বিষয়টি ভাগ হয়ে ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ এবং ‘প্রাথমিক বিজ্ঞান’ নামে আলাদা পাঠ্যবই হিসেবে পড়ানো হয়। - ৩৯. ‘শিখন হচ্ছে শিক্ষার্থীদের আচরণের পরিবর্তন-যা পর্যবেক্ষণযোগ্য ও পরিমাপ যোগ্য’-শিখনের কোন শিখন তত্ত্ব অনুযায়ী?
- ক. সামাজিক সাংস্কৃতিক তত্ত্ব
- খ. চিন্তনবাদ
- গ. গঠন বাদ
- ঘ. আচরণবাদ
উত্তর: ঘ. আচরণবাদ
আচরণবাদ (Behaviourism) মনে করে, মনের ভেতরে কী ঘটছে তা সরাসরি দেখা যায় না, তাই শিখনকে মাপতে হবে বাইরের আচরণ দিয়ে। এই মত অনুযায়ী উদ্দীপকের (Stimulus) প্রতি সাড়া (Response) বদলে গেলেই বোঝা যায় শিখন হয়েছে, আর সেই পরিবর্তন চোখে দেখা ও মাপা যায়। এ কারণে প্রশ্নের সংজ্ঞাটি আচরণবাদী তত্ত্বের।
মনে রাখুন:
আচরণবাদের প্রবক্তা: প্যাভলভ, থর্নডাইক, ওয়াটসন ও স্কিনার।
চিন্তনবাদ (Cognitivism) জোর দেয় মনের ভেতরের চিন্তাপ্রক্রিয়ায়, আর গঠনবাদ (Constructivism) বলে শিক্ষার্থী নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে জ্ঞান গড়ে তোলে। - ৪০. শ্রেণিতে শিক্ষা সহায়ক উপকরণ ব্যবহারের মূল বিবেচ্য বিষয় কী?
- ক. আকর্ষণীয় কিনা
- খ. শিক্ষার্থীদের বয়স উপযোগী কিনা
- গ. উপকরণটি সহজলভ্য কিনা
- ঘ. শিখনফল অর্জনে সহায়ক কিনা
উত্তর: ঘ. শিখনফল অর্জনে সহায়ক কিনা
শিক্ষা উপকরণ (Teaching Aid) শ্রেণিতে আনা হয় একটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে, সেটি হলো পাঠের শিখনফল (Learning Outcome) অর্জন সহজ করা। কোনো উপকরণ দেখতে যত সুন্দর বা যত সহজলভ্যই হোক, যদি সেটি নির্ধারিত শিখনফল অর্জনে সাহায্য না করে, তবে তা শ্রেণিতে ব্যবহারের কোনো মানে থাকে না। আকর্ষণীয়তা, বয়স-উপযোগিতা আর সহজলভ্যতাও বিবেচনা করতে হয়, তবে সেগুলো আসে এর পরে।
মনে রাখুন: স্থানীয়ভাবে পাওয়া যায় এমন কম খরচের বা বিনা খরচের উপকরণ (যেমন পাতা, পাথর, বোতল) প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়া হয়। - ৪১. ডিপিএড উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের কোন প্রতিষ্ঠান সনদ প্রদান করে?
- ক. এনসিটিবি
- খ. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
- গ. পিটিআই
- ঘ. নেপ
উত্তর: ঘ. নেপ
ডিপ্লোমা ইন প্রাইমারি এডুকেশন (DPEd) হলো প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য দেড় বছরের একটি পেশাগত প্রশিক্ষণ কোর্স। কোর্সটি সারা দেশের প্রাইমারি ট্রেনিং ইনস্টিটিউট বা পিটিআইগুলোতে পড়ানো হয়, কিন্তু এর পরীক্ষা নেওয়া ও সনদ দেওয়ার দায়িত্ব জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (NAPE), যাকে সংক্ষেপে নেপ বলা হয়। তাই পিটিআই প্রশিক্ষণ দেয়, আর সনদ দেয় নেপ।
মনে রাখুন: নেপ ময়মনসিংহে অবস্থিত এবং এটি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন। ডিপিএড চালুর আগে শিক্ষকদের জন্য সি-ইন-এড (C-in-Ed) কোর্স ছিল। - ৪৩. শিক্ষাক্রম বলা যায় কোনটিকে?
- ক. সমাপনী পরীক্ষায় কোন বিষয়বস্তু অন্তর্ভুক্ত থাকবে তার বিস্তারিত বর্ণনা
- খ. বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী কী শিখবে, কেন শিখবে, কীভাবে শিখবে তার পরিকল্পনা
- গ. আগামী দশ বছর শিক্ষা কীভাবে পরিচালিত হবে তার কর্মকৌশল
- ঘ. শিক্ষা কীভাবে পরিচালিত হবে তার নীতিমালা
উত্তর: খ. বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী কী শিখবে, কেন শিখবে, কীভাবে শিখবে তার পরিকল্পনা
শিক্ষাক্রম (Curriculum) শব্দটি শুধু বইয়ের তালিকা বা পরীক্ষার সিলেবাস বোঝায় না। এটি একটি পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা, যেখানে ঠিক করা থাকে শিক্ষার্থী কী শিখবে, কেন শিখবে, কীভাবে শিখবে এবং শেখা কতটা হলো তা কীভাবে যাচাই করা হবে। পরীক্ষার বিষয়বস্তু বা শিক্ষানীতি এই বড় পরিকল্পনার একেকটি অংশ মাত্র, তাই সেগুলোকে শিক্ষাক্রম বলা যায় না।
মনে রাখুন: শিক্ষাক্রমের মূল উপাদান চারটি: উদ্দেশ্য বা শিখনফল, বিষয়বস্তু, শিখন-শেখানো পদ্ধতি এবং মূল্যায়ন। - ৪৪. লেভ ভাইগটস্কির সামাজিক-সাংস্কৃতিক তত্ত্বের (Socio cultural theory) মূল বক্তব্য কী?
- ক. মানুষের বুদ্ধি বহুমাত্রিক
- খ. অধিক জানা কারো সাথে মিথস্ক্রিয়ায় শিখন বাড়ে
- গ. চেষ্টা করতে করতে ভুল কমে আসে, ফলে শিখন বাড়ে
- ঘ. শিখন বৃদ্ধিতে প্রেষণা গুরুত্বপূর্ণ
উত্তর: খ. অধিক জানা কারো সাথে মিথস্ক্রিয়ায় শিখন বাড়ে
রুশ মনোবিজ্ঞানী লেভ ভাইগটস্কি (Lev Vygotsky) মনে করতেন, শিশু একা একা নয়, বরং সমাজের মানুষের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়ার (Interaction) মধ্য দিয়ে শেখে। শিক্ষক, মা-বাবা বা বেশি জানা কোনো সঙ্গীর সাহায্য পেলে শিশু নিজের সামর্থ্যের চেয়ে অনেক দূর এগোতে পারে। এই কারণে তাঁর তত্ত্বকে সামাজিক-সাংস্কৃতিক তত্ত্ব বলা হয়।
মনে রাখুন:
শিশু একা যা পারে আর সাহায্য পেলে যা পারে, তার মাঝের এলাকাকে নিকটবর্তী বিকাশ অঞ্চল (Zone of Proximal Development, ZPD) বলে।
এই সাময়িক সাহায্যকে স্ক্যাফোল্ডিং (Scaffolding) বলা হয়।
বহুমাত্রিক বুদ্ধির তত্ত্ব হাওয়ার্ড গার্ডনারের, আর প্রচেষ্টা ও ভুলের তত্ত্ব থর্নডাইকের। - ৪৫. শিশুর সুষম আবেগিক বিকাশে পিতামাতার ভূমিকা কী?
- ক. শিশুর প্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণের ব্যবস্থা
- খ. খেলাধুলার ব্যবস্থা
- গ. শিশুর পুষ্টির ব্যবস্থা
- ঘ. শিশুর শিক্ষার ব্যবস্থা
উত্তর: ক. শিশুর প্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণের ব্যবস্থা
শিশুর আবেগ সুষমভাবে বিকশিত হয় তখনই, যখন সে ভালোবাসা, নিরাপত্তা, মনোযোগ ও স্বীকৃতির মতো প্রয়োজনীয় চাহিদাগুলো পরিবারে পায়। এসব চাহিদা অপূর্ণ থাকলে শিশুর মধ্যে ভয়, রাগ, জেদ বা হীনম্মন্যতা দেখা দিতে পারে। তাই আবেগিক বিকাশে পিতামাতার মূল ভূমিকা হলো শিশুর শারীরিক ও মানসিক সব প্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণের ব্যবস্থা করা। খেলাধুলা, পুষ্টি বা শিক্ষার ব্যবস্থা এই বড় দায়িত্বেরই একেকটি অংশ। - ৫০. বাংলাদেশের প্রাথমিক বিজ্ঞান শিক্ষা শেখানোর ক্ষেত্রে কোন এপ্রোচ বা পদ্ধতি অনুসরণ করতে বলা হয়েছে?
- ক. প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে শিক্ষা
- খ. অনুসন্ধানমূলক শিক্ষা
- গ. আলোচনার মাধ্যমে শিক্ষা
- ঘ. প্রদর্শন পদ্ধতি
উত্তর: খ. অনুসন্ধানমূলক শিক্ষা
প্রাথমিক বিজ্ঞানের শিক্ষাক্রমে অনুসন্ধানমূলক শিখন (Inquiry-based Learning) পদ্ধতি অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। এ পদ্ধতিতে শিক্ষার্থী নিজে প্রশ্ন তোলে, পর্যবেক্ষণ ও ছোট পরীক্ষা করে, তথ্য মিলিয়ে দেখে এবং শেষে নিজেই সিদ্ধান্তে পৌঁছায়। ফলে বিজ্ঞান মুখস্থের বিষয় না হয়ে খুঁজে দেখার আনন্দের বিষয় হয়ে ওঠে। প্রশ্নোত্তর, আলোচনা বা প্রদর্শন পদ্ধতি এই অনুসন্ধানের কাজে সহায়ক কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
মনে রাখুন: অনুসন্ধানমূলক শিখনের ধাপগুলো মোটামুটি এ রকম: প্রশ্ন করা, অনুমান করা, পরীক্ষা বা পর্যবেক্ষণ, ফলাফল বিশ্লেষণ এবং সিদ্ধান্ত। - ৫১. কোন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের শিক্ষাক্রম প্রণয়ন করে?
- ক. এনসিটিবি (NCTB)
- খ. পিটিআই (PTT)
- গ. প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (DPE)
- ঘ. নেপ (NAPE)
উত্তর: ক. এনসিটিবি (NCTB)
বাংলাদেশে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাক্রম তৈরি করে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (National Curriculum and Textbook Board, NCTB)। এই বোর্ড শুধু শিক্ষাক্রম প্রণয়নই করে না, সেই অনুযায়ী পাঠ্যবই লেখায়, ছাপায় এবং বছরের শুরুতে বিনামূল্যে বিতরণের ব্যবস্থাও করে। অন্যদিকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (DPE) বিদ্যালয় পরিচালনা দেখে, আর নেপ (NAPE) ও পিটিআই শিক্ষক প্রশিক্ষণের কাজ করে।
মনে রাখুন: NCTB-র প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে এবং এটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন। - ৫২. কোন ধরনের অভীক্ষায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত প্রভাব আসার সম্ভাবনা কম?
- ক. নৈর্ব্যক্তিক অভীক্ষা
- খ. মৌলিক অভীক্ষা
- গ. ব্যবহারিক অভীক্ষা
- ঘ. রচনামূলক অভীক্ষা
উত্তর: ক. নৈর্ব্যক্তিক অভীক্ষা
নৈর্ব্যক্তিক অভীক্ষায় (Objective Test) প্রতিটি প্রশ্নের একটি নির্দিষ্ট সঠিক উত্তর থাকে। ফলে খাতা যিনিই দেখুন, একই উত্তরে একই নম্বর পড়ে, পরীক্ষকের পছন্দ-অপছন্দ বা শিক্ষার্থীর হাতের লেখার প্রভাব থাকে না। এ কারণে এ ধরনের অভীক্ষাকে বস্তুনিষ্ঠ বলা হয়। অন্যদিকে রচনামূলক অভীক্ষায় উত্তর লম্বা ও নিজের ভাষায় লেখা হয়, তাই সেখানে পরীক্ষকের ব্যক্তিগত বিচারের প্রভাব সবচেয়ে বেশি।
মনে রাখুন: বহুনির্বাচনি প্রশ্ন, সত্য-মিথ্যা, শূন্যস্থান পূরণ ও মিলকরণ নৈর্ব্যক্তিক অভীক্ষার উদাহরণ। - ৫৩. জ্যাঁ পিয়াজের অনুসারে শিশুর বয়স বাস্তব প্রায়োগিক স্তর (Concrete operational period) কোনটি?
- ক. ৭-১১ বছর
- খ. ০-২ বছর
- গ. ১১-১৫ বছর
- ঘ. ২-৭ বছর
উত্তর: ক. ৭-১১ বছর
সুইস মনোবিজ্ঞানী জ্যাঁ পিয়াজে (Jean Piaget) শিশুর বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশকে চারটি স্তরে ভাগ করেছেন। এর তৃতীয় স্তর বাস্তব প্রায়োগিক স্তর (Concrete Operational Stage), যা ৭ থেকে ১১ বছর বয়স পর্যন্ত চলে। এ সময় শিশু হাতের কাছের বাস্তব জিনিস নিয়ে যুক্তি দিয়ে ভাবতে পারে এবং সংরক্ষণ (Conservation) ধারণা বুঝতে শেখে, তবে বিমূর্ত বিষয় নিয়ে চিন্তা তখনও কঠিন থাকে।
মনে রাখুন:
সংবেদন-সঞ্চালন স্তর (Sensorimotor): ০-২ বছর।
প্রাক-প্রায়োগিক স্তর (Pre-operational): ২-৭ বছর।
বাস্তব প্রায়োগিক স্তর: ৭-১১ বছর।
যৌক্তিক বা আনুষ্ঠানিক প্রায়োগিক স্তর (Formal Operational): ১১ বছর থেকে পরবর্তী সময়। - ৬৮. নিজের আবেগ অনুভূতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারা শিশুর কোন ধরনের বিকাশ?
- ক. ভাষাগত ও যোগাযোগ দক্ষতার বিকাশ
- খ. সামাজিক ও আবেগিক বিকাশ
- গ. শারীরিক বিকাশ
- ঘ. বৃদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ
উত্তর: খ. সামাজিক ও আবেগিক বিকাশ
রাগ, ভয়, হিংসা বা আনন্দের মতো অনুভূতি চিনতে পারা এবং পরিস্থিতি বুঝে সেগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে পারা শিশুর সামাজিক ও আবেগিক বিকাশের (Social and Emotional Development) অংশ। যে শিশু নিজের আবেগ সামলাতে পারে, সে অন্যদের সঙ্গে সহজে মিশতে পারে, বন্ধুত্ব গড়ে তোলে এবং দলে কাজ করতে শেখে। তাই আবেগ নিয়ন্ত্রণ আর সামাজিক আচরণ একসঙ্গে বিবেচনা করা হয়।
মনে রাখুন: শিশুর বিকাশের প্রধান ক্ষেত্রগুলো হলো শারীরিক, বুদ্ধিবৃত্তিক, ভাষাগত ও যোগাযোগ, এবং সামাজিক ও আবেগিক বিকাশ। - ৭২. সাক্ষরতা সম্পর্কিত কোন বক্তব্যটি সঠিক?
- ক. পড়ে বোঝা, লিখে প্রকাশ করা এবং হিসাব-নিকাশ করতে পারা
- খ. শুনে বুঝতে পারা
- গ. সাক্ষরতা আর শিক্ষা একই
- ঘ. ব্যক্তির পড়তে পারার দক্ষতা
উত্তর: ক. পড়ে বোঝা, লিখে প্রকাশ করা এবং হিসাব-নিকাশ করতে পারা
সাক্ষরতা (Literacy) বলতে শুধু অক্ষর চেনা বা পড়তে পারা বোঝায় না। একজন মানুষকে সাক্ষর বলা হয় তখন, যখন তিনি পড়ে বুঝতে পারেন, নিজের মনের কথা লিখে প্রকাশ করতে পারেন এবং দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ হিসাব-নিকাশ করতে পারেন। এই তিনটি দক্ষতা একসঙ্গে থাকলেই তাকে কার্যকর সাক্ষরতা বলা হয়। শিক্ষা আরও বড় ধারণা, যার একটি অংশ হলো সাক্ষরতা।
মনে রাখুন: পড়া, লেখা ও গণনার এই তিন দক্ষতাকে একসঙ্গে ‘থ্রি আর’ (3R: Reading, Writing, Arithmetic) বলা হয়। প্রতি বছর ৮ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত হয়। - ৭৬. প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নির্দেশনার কাজে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন কে?
- ক. অভিভাবক
- খ. শ্রেণি শিক্ষক
- গ. সমাজকর্মী
- ঘ. প্রধান শিক্ষক
উত্তর: ঘ. প্রধান শিক্ষক
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শুধু প্রশাসনিক প্রধান নন, তিনি বিদ্যালয়ের একাডেমিক নেতাও। শিক্ষকদের পাঠ পর্যবেক্ষণ করা, প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া, শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা ও আচরণ বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া এবং অভিভাবকদের সঙ্গে সমন্বয় করার দায়িত্ব তাঁর। তাই বিদ্যালয়ে নির্দেশনার (Guidance) কাজে প্রধান শিক্ষকই অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন, আর শ্রেণি শিক্ষক ও অভিভাবকেরা তাঁকে সহায়তা করেন। - ৮৩. বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন কত সালে প্রণীত হয়?
- ক. ১৯৯০
- খ. ১৯৯৯
- গ. ১৯৮৮
- ঘ. ১৯৮৯
উত্তর: ক. ১৯৯০
বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষা (বাধ্যতামূলককরণ) আইন প্রণীত হয় ১৯৯০ সালে। এই আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট বয়সের প্রত্যেক শিশুকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করানো অভিভাবকের দায়িত্ব। প্রথমে ১৯৯২ সালে কিছু উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে চালুর পর ১৯৯৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে সারা দেশে এটি কার্যকর হয়।
মনে রাখুন: একই ১৯৯০ সালে থাইল্যান্ডের জমতিয়েনে ‘সবার জন্য শিক্ষা’ (Education for All) বিশ্ব সম্মেলন হয়। ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ সরকার প্রায় ৩৬ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করে। - ৮৮. প্রাথমিক শিক্ষায় স্বল্পকালীন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ে শিক্ষকদের পেশাগত উন্নয়নে সহায়তা প্রদানের মূল দায়িত্ব কার?
- ক. পিটিআই
- খ. উপজেলা রিসোর্স
- গ. জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস
- ঘ. উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস
উত্তর: খ. উপজেলা রিসোর্স
মাঠ পর্যায়ে প্রাথমিক শিক্ষকদের বিষয়ভিত্তিক স্বল্পমেয়াদি প্রশিক্ষণ দেওয়ার মূল দায়িত্ব উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের (Upazila Resource Centre, URC)। প্রতিটি উপজেলায় অবস্থিত এই কেন্দ্রগুলো শিক্ষকদের হাতের কাছে থেকে নিয়মিত ছোট ছোট প্রশিক্ষণ দেয়, ফলে শিক্ষকদের দূরে যেতে হয় না। অন্যদিকে পিটিআই দেয় ডিপিএডের মতো দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ, আর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস মূলত প্রশাসনিক ও তদারকির কাজ করে।
মনে রাখুন: URC-এর প্রধানকে ইন্সট্রাক্টর বলা হয়। - ৯০. শিক্ষার্থীদের শিখনের ফলাবর্তন দেয়া কোন মূল্যায়নের মূল উদ্দেশ্য?
- ক. ডায়াগনস্টিক
- খ. সামষ্টিক
- গ. মূল্যায়ন
- ঘ. গাঠনিক
উত্তর: ঘ. গাঠনিক
গাঠনিক মূল্যায়ন (Formative Assessment) হয় শিখন চলার সময়, আর এর মূল উদ্দেশ্য শিক্ষার্থীকে ফলাবর্তন (Feedback) দেওয়া। শিক্ষক পাঠের মাঝে প্রশ্ন, কাজ বা পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে দেখেন শিক্ষার্থী কোথায় ভালো করছে আর কোথায় পিছিয়ে আছে, তারপর সঙ্গে সঙ্গে সাহায্য করেন। ফলে শেখার ঘাটতি পরে জমে না থেকে তখনই পূরণ হয়।
মনে রাখুন:
সামষ্টিক মূল্যায়ন (Summative): কোর্স বা বছর শেষে, মূলত গ্রেড বা সনদ দেওয়ার জন্য।
নিরূপণমূলক মূল্যায়ন (Diagnostic): শেখার সমস্যার কারণ খুঁজে বের করার জন্য।
ইংরেজি
- ৩. We are in need – furniture.
- ক. from
- খ. at
- গ. of
- ঘ. for
উত্তর: গ. of
In need of একটি নির্দিষ্ট শব্দগুচ্ছ, যার অর্থ কোনো কিছুর প্রয়োজন থাকা। এখানে need-এর পরে সবসময় of বসে, তাই বাক্যটি হবে: We are in need of furniture.
উদাহরণ: The flood victims are in need of food and medicine.
মনে রাখুন: একই ধরনের আরও কিছু শব্দগুচ্ছ হলো in search of, in favour of, in spite of, in charge of ও in front of, এদের সবগুলোর পরেই of বসে। - ২৪. There are black sheep in every community’Black sheep’ means
- ক. bad character
- খ. none of these
- গ. a sheep with black colour
- ঘ. black sheep and goat
উত্তর: ক. bad character
কালো ভেড়া সাদা ভেড়ার পালে আলাদা হয়ে চোখে পড়ে, আর আগের দিনে কালো পশমের দাম কম হওয়ায় একে অপছন্দের মনে করা হতো। সেখান থেকে black sheep কথাটির অর্থ হয়েছে কোনো পরিবার বা দলের সেই সদস্য, যে খারাপ কাজ করে সবার বদনাম ঘটায়। তাই এর অর্থ bad character, অর্থাৎ কুলাঙ্গার বা দুশ্চরিত্র ব্যক্তি।
উদাহরণ: He is the black sheep of the family.
মনে রাখুন: বাংলায় একই অর্থে ‘কুলাঙ্গার’ বা ‘ঘরের শত্রু বিভীষণ’ কথাগুলো ব্যবহৃত হয়। - ২৫. Noun form of the word ‘Fly’ is
- ক. flew
- খ. flight
- গ. plight
- ঘ. fleet
উত্তর: খ. flight
Fly একটি verb, যার অর্থ ওড়া। এর noun রূপ Flight, যার অর্থ উড়ান বা উড্ডয়ন। Flew হলো fly-এর past form, Fleet মানে নৌবহর বা যানবাহনের বহর, আর Plight মানে দুর্দশা।
উদাহরণ: Our flight to Chattogram was delayed by two hours.
মনে রাখুন: একইভাবে কিছু verb থেকে -t যোগে noun তৈরি হয়, যেমন weigh থেকে weight এবং see থেকে sight। - ৩০. ‘Pass away’ means
- ক. erase
- খ. fall
- গ. disappear
- ঘ. die
উত্তর: ঘ. die
Pass away একটি phrasal verb, যার অর্থ মারা যাওয়া, অর্থাৎ die-এর ভদ্র রূপ। কারও মৃত্যুর খবর নরমভাবে বলতে আমরা এটি ব্যবহার করি, যেমন: His grandfather passed away last year। অন্য বিকল্পগুলোর অর্থ আলাদা: Fall মানে পতিত হওয়া, Disappear মানে অদৃশ্য হওয়া এবং Erase মানে মুছে ফেলা।
মনে রাখুন:
Pass out মানে অজ্ঞান হওয়া।
Pass on মানে হস্তান্তর করা।
Pass by মানে পাশ দিয়ে চলে যাওয়া। - ৩২. More ivory is obtained from elephants in Africa-elephants in Asia.
- ক. than from
- খ. rather than
- গ. as well as
- ঘ. more than
উত্তর: ক. than from
বাক্যে দুটি উৎসের তুলনা করা হচ্ছে, আফ্রিকার হাতি আর এশিয়ার হাতি। More দিয়ে তুলনা করলে তার পরে than বসে, আর তুলনার দুই অংশ যেন একই গঠনের হয়, সেজন্য from শব্দটি আবার বসাতে হয়। তাই সঠিক বাক্য: More ivory is obtained from elephants in Africa than from elephants in Asia.
মনে রাখুন: তুলনার দুই পাশে একই ধরনের শব্দগুচ্ছ রাখাকে parallel structure বলে।
উদাহরণ: I like swimming more than running. - ৩৪. He lives – Mirpur road in Dhaka.
- ক. into
- খ. from
- গ. on
- ঘ. at
উত্তর: গ. on
কোনো রাস্তা বা সড়কের নামের আগে সাধারণত on বসে, কারণ বাড়িটি রাস্তার ওপর বা পাশে অবস্থিত বোঝানো হয়। তাই বাক্যটি হবে: He lives on Mirpur Road in Dhaka. বড় এলাকা বা শহরের নামের আগে in বসে, যেমন in Dhaka, আর নির্দিষ্ট ঠিকানা বা বাড়ির নম্বরের আগে at বসে।
উদাহরণ: He lives at 25 Mirpur Road. She lives in Rajshahi.
মনে রাখুন: আমেরিকান ইংরেজিতে রাস্তার নামের আগে on বেশি চলে, ব্রিটিশ ইংরেজিতে কখনো কখনো in-ও ব্যবহৃত হয়। - ৪২. He said that he-be unable to come.
- ক. should
- খ. would
- গ. will
- ঘ. shall
উত্তর: খ. would
বক্তার কথা পরোক্ষ উক্তিতে (Indirect speech) প্রকাশ করার সময় reporting verb অতীত কালের হলে ভেতরের verb-ও অতীতমুখী হয়। এখানে ‘He said’ অতীত, তাই সরাসরি উক্তির ‘will’ পরোক্ষ উক্তিতে ‘would’ হয়। তাই ‘He said that he would be unable to come’ ঠিক।
মনে রাখুন: পরোক্ষ উক্তিতে will-এর জায়গায় would, can-এর জায়গায় could, may-এর জায়গায় might হয়।
উদাহরণ: She said, “I will go.” → She said that she would go. - ৪৭. Which of the following is plural?
- ক. everyone
- খ. none of these
- গ. anybody
- ঘ. nobody
উত্তর: খ. none of these
Everyone, anybody আর nobody হলো indefinite pronoun, এবং এগুলো সবসময় একবচন (singular) হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাই এদের পরে singular verb বসে, যেমন Everyone is present, Nobody knows the answer। তালিকার কোনো শব্দই বহুবচন নয়, তাই ‘none of these’ বেছে নিতে হয়।
মনে রাখুন: -one, -body ও -thing দিয়ে শেষ হওয়া indefinite pronoun (someone, anybody, nothing ইত্যাদি) একবচন। অন্যদিকে both, few, many, several সবসময় বহুবচন। - ৫৯. There are-parts of speech.
- ক. six
- খ. eight
- গ. four
- ঘ. five
উত্তর: খ. eight
প্রচলিত ইংরেজি ব্যাকরণে শব্দকে কাজ অনুযায়ী আট ভাগে ভাগ করা হয়, এগুলোকে parts of speech বলে। একটি বাক্যে শব্দটি কী কাজ করছে, তার ওপর নির্ভর করে শব্দটি কোন part of speech হবে।
মনে রাখুন: আটটি parts of speech হলো Noun, Pronoun, Adjective, Verb, Adverb, Preposition, Conjunction ও Interjection। বাংলা ব্যাকরণে পদ পাঁচ প্রকার: বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, ক্রিয়া ও অব্যয়। - ৬০. If something does not make sense, it is not –
- ক. funny
- খ. experience
- গ. nice
- ঘ. logical
উত্তর: ঘ. logical
কোনো কথা বা যুক্তি make sense না করা মানে সেটির কোনো মাথামুণ্ডু নেই, অর্থাৎ তা যুক্তিসংগত নয়। ইংরেজিতে যুক্তিসংগত বোঝাতে logical শব্দটি ব্যবহার হয়, তাই বাক্যটি দাঁড়ায় If something does not make sense, it is not logical। Funny মানে মজার, nice মানে চমৎকার, আর experience একটি noun, যা এখানে অর্থ বা ব্যাকরণ কোনোভাবেই মেলে না।
মনে রাখুন: logical-এর বিপরীত শব্দ illogical, আর এর noun রূপ logic। - ৬১. Between’ is a preposition that is used when -people are involved.
- ক. four
- খ. many
- গ. two
- ঘ. three
উত্তর: গ. two
Between preposition সাধারণত দুইজন মানুষ বা দুটি জিনিসের মাঝে কোনো সম্পর্ক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই শূন্যস্থানে two বসবে। দুইয়ের বেশি হলে সাধারণত among ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ:
Divide the mango between the two brothers.
Divide the mangoes among the five boys.
মনে রাখুন: প্রতিটির সঙ্গে আলাদাভাবে সম্পর্ক বোঝালে দুইয়ের বেশি হলেও between বসতে পারে, যেমন a treaty between three countries। - ৬২. I have no pen to write-
- ক. with
- খ. upon
- গ. on
- ঘ. in
উত্তর: ক. with
কলম দিয়ে লেখা হয়, অর্থাৎ কলম এখানে একটি উপকরণ (instrument)। ইংরেজিতে কোনো কাজ করার উপকরণ বোঝাতে ‘with’ preposition ব্যবহার করা হয়, তাই বাক্যটি হবে ‘I have no pen to write with’। এখানে preposition-টি বাক্যের শেষে বসেছে, কারণ এর কর্ম ‘pen’ আগেই এসে গেছে।
উদাহরণ:
I need a knife to cut the bread with.
She has no friend to play with.
মনে রাখুন: কাগজের ওপর লেখা বোঝাতে বলা হয় ‘paper to write on’। - ৬৩. The sea is-the hotel.
- ক. at side of
- খ. close
- গ. beside
- ঘ. near by
উত্তর: গ. beside
Beside একটি preposition, যার অর্থ পাশে বা কাছে। তাই The sea is beside the hotel মানে সমুদ্রটি হোটেলের পাশেই। বাকি বিকল্পগুলো ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ: at side of-এর আগে the লাগে, close-এর পরে to লাগে, আর nearby সাধারণত object ছাড়াই adverb হিসেবে বসে।
মনে রাখুন: Beside আর Besides আলাদা। Beside মানে পাশে, আর Besides মানে এ ছাড়াও, যেমন Besides English, he knows French। - ৭০. What is the adjective form of the word ‘home’?
- ক. homely
- খ. homage
- গ. homeful
- ঘ. home-like
উত্তর: ক. homely
Home একটি noun, আর এর সঙ্গে -ly যোগ করে adjective হয় homely। এর অর্থ ঘরোয়া, সাদামাটা বা আরামদায়ক, যেমন a homely atmosphere। Homage দেখতে কাছাকাছি হলেও এটি আলাদা একটি noun, যার অর্থ শ্রদ্ধা নিবেদন। Homeful বলে কোনো প্রচলিত শব্দ নেই।
মনে রাখুন: noun-এর সঙ্গে -ly যোগ করে আরও কিছু adjective হয়, যেমন friend থেকে friendly, love থেকে lovely, man থেকে manly। - ৭৪. The word ‘solar’ is related to-
- ক. Mars
- খ. Sun
- গ. Globe
- ঘ. Electricity
উত্তর: খ. Sun
‘Solar’ শব্দটি লাতিন ‘sol’ থেকে এসেছে, যার মানে সূর্য (Sun)। তাই ‘solar’ মানে সূর্যসংক্রান্ত বা সৌর। ‘Solar system’ সৌরজগৎ, ‘solar energy’ সৌরশক্তি এবং ‘solar eclipse’ সূর্যগ্রহণ।
মনে রাখুন:
Lunar = চন্দ্রসংক্রান্ত (moon), যেমন lunar eclipse মানে চন্দ্রগ্রহণ।
Stellar = নক্ষত্রসংক্রান্ত (star)।
Terrestrial = পৃথিবীসংক্রান্ত (earth)।
Martian = মঙ্গলগ্রহসংক্রান্ত (Mars)। - ৭৮. I- to hospital last Sunday.
- ক. have to go
- খ. had to go
- গ. had go
- ঘ. have gone
উত্তর: খ. had to go
বাক্যে ‘last Sunday’ একটি অতীত সময় নির্দেশ করে, তাই ক্রিয়াটি অবশ্যই অতীত কালে (past tense) হতে হবে। ‘Have to’-র অতীত রূপ ‘had to’, যা অতীতে কোনো বাধ্যবাধকতা বোঝায়। তাই সঠিক বাক্য হবে ‘I had to go to hospital last Sunday’, অর্থাৎ গত রবিবার আমাকে হাসপাতালে যেতে হয়েছিল।
মনে রাখুন:
yesterday, last week, ago-এর মতো নির্দিষ্ট অতীত সময়ের সঙ্গে present perfect (have gone) বসে না।
‘had go’ ব্যাকরণগতভাবে ভুল গঠন। - ৮০. A dove is the symbol of-
- ক. struggle
- খ. anger
- গ. peace
- ঘ. fight
উত্তর: গ. peace
Dove বা সাদা ঘুঘু সারা পৃথিবীতে শান্তির (peace) প্রতীক হিসেবে পরিচিত। প্রায়ই ঘুঘুকে ঠোঁটে জলপাই পাতার ডাল নিয়ে আঁকা হয়, আর এই ছবিটি শিল্পী পাবলো পিকাসোর আঁকা ‘Dove of Peace’ থেকে আরও জনপ্রিয় হয়। তাই struggle, anger বা fight-এর মতো সংঘাতের শব্দ এখানে খাটে না।
মনে রাখুন: যুদ্ধপ্রিয় মানুষকে ইংরেজিতে hawk আর শান্তিপ্রিয় মানুষকে dove বলা হয়। - ৮৪. The plane has not yet arrived, and I wonder when-
- ক. it will come
- খ. it comes
- গ. it came
- ঘ. it has come
উত্তর: ক. it will come
বাক্যের প্রথম অংশ The plane has not yet arrived বলছে বিমানটি এখনো আসেনি, তাই আসার ঘটনাটি ঘটবে ভবিষ্যতে। ভবিষ্যতের কাজ বোঝাতে future tense লাগে, ফলে I wonder when it will come সঠিক। It came বা it has come লিখলে মনে হবে বিমান আগেই এসে গেছে, যা প্রথম অংশের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
মনে রাখুন: I wonder when / I wonder whether-এর পরের অংশটি indirect question, তাই সেখানে প্রশ্নবোধক ক্রম না বসে সাধারণ ক্রম (subject + verb) বসে, যেমন I wonder when he will come। - ৮৬. When he arrived I was about to-
- ক. go
- খ. leave
- গ. left
- ঘ. be leaving
উত্তর: খ. leave
Be about to মানে কোনো কাজ ঠিক করতে যাচ্ছিলাম, আর এর পরে verb-এর মূল রূপ (base form) বসে। বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায়, সে যখন এল, আমি তখন ঠিক বেরিয়ে যাচ্ছিলাম। কোথাও যাওয়ার কথা না বলে জায়গা ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়া বোঝাতে leave শব্দটিই সবচেয়ে স্বাভাবিক। Left হলো past form, আর be leaving এখানে ব্যাকরণে মানায় না।
উদাহরণ: The train is about to leave the station.
বাংলা
- ৪. স্কুল > ইস্কুল-এখানে কোন ধরনের পরিবর্তন ঘটেছে?
- ক. বিপ্রকর্ষ
- খ. অন্ত্য স্বরাগম
- গ. আদি স্বরাগম
- ঘ. মধ্য স্বরাগম
উত্তর: গ. আদি স্বরাগম
উচ্চারণ সহজ করার জন্য শব্দের শুরুতে একটি স্বরধ্বনি যুক্ত হলে তাকে আদি স্বরাগম (Prothesis) বলে। ইংরেজি ‘স্কুল’ শব্দের শুরুতে দুটি ব্যঞ্জন পাশাপাশি থাকায় বাঙালির মুখে তা উচ্চারণ করা কঠিন, তাই সামনে ‘ই’ যুক্ত হয়ে হয়েছে ‘ইস্কুল’। এখানে স্বরধ্বনিটি শব্দের আদিতে যুক্ত হয়েছে বলে এটি আদি স্বরাগম।
মনে রাখুন:
আদি স্বরাগম: স্টেশন > ইস্টিশন, স্পর্ধা > আস্পর্ধা।
মধ্য স্বরাগম বা বিপ্রকর্ষ: রত্ন > রতন, ধর্ম > ধরম।
অন্ত্য স্বরাগম: দিশ্ > দিশা, পোখ্ত > পোক্ত। - ৭. আধুনিক বাংলা গদ্যের জনক কে?
- ক. মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
- খ. প্রমথ চৌধুরী
- গ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- ঘ. রাজা রামমোহন রায়
উত্তর: গ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়, কারণ তিনিই প্রথম বাংলা গদ্যে যতিচিহ্নের (punctuation) সার্থক ব্যবহার করে তাকে শিল্পসম্মত, সুশৃঙ্খল ও সুখপাঠ্য রূপ দেন। তাঁর আগে বাংলা গদ্য লেখা হলেও তাতে ছন্দ ও প্রবাহ ছিল না। ‘বেতাল পঞ্চবিংশতি’, ‘শকুন্তলা’ ও ‘সীতার বনবাস’ তাঁর উল্লেখযোগ্য গদ্যগ্রন্থ।
মনে রাখুন:
বিদ্যাসাগরের প্রকৃত নাম ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়।
প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক। - ১০. ‘অক্কা পাওয়া’ বাগধারার প্রকৃত অর্থ কোনটি?
- ক. মরে যাওয়া
- খ. ঝরে যাওয়া
- গ. নিষ্কৃতি পাওয়া
- ঘ. পড়ে যাওয়া
উত্তর: ক. মরে যাওয়া
‘অক্কা পাওয়া’ বাগধারাটির অর্থ মারা যাওয়া। কথাটি সাধারণত হালকা বা ব্যঙ্গের সুরে কারও মৃত্যুর কথা বলতে ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ: পুরোনো রেডিওটা শেষ পর্যন্ত অক্কা পেয়েছে।
মনে রাখুন: মৃত্যু অর্থে আরও কয়েকটি বাগধারা প্রচলিত।
উদাহরণ: পটল তোলা, পঞ্চত্ব প্রাপ্তি, ভবলীলা সাঙ্গ হওয়া, চোখ বোজা। - ১১. ‘জজসাহেব’ কোন সমাস?
- ক. তৎপুরুষ
- খ. বহুব্রীহি
- গ. দ্বন্দ্ব
- ঘ. কর্মধারয়
উত্তর: ঘ. কর্মধারয়
যে সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণ বা দুটি বিশেষ্য পদ একই ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। ‘জজসাহেব’-এর ব্যাসবাক্য ‘যিনি জজ তিনিই সাহেব’, এখানে জজ ও সাহেব একই ব্যক্তি, তাই এটি কর্মধারয় সমাস।
উদাহরণ:
যিনি রাজা তিনিই ঋষি = রাজর্ষি; যিনি জ্ঞানী তিনিই গুণী = জ্ঞানীগুণী।
মনে রাখুন: দ্বন্দ্ব সমাসে দুটি পদের অর্থই সমান প্রধান থাকে, যেমন মা-বাবা। - ২২. ‘হরতাল’ শব্দটি কোন ভাষার?
- ক. হিন্দি
- খ. গুজরাটি
- গ. ওলন্দাজ
- ঘ. তুর্কি
উত্তর: খ. গুজরাটি
‘হরতাল’ শব্দটি গুজরাটি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। গুজরাটে দোকানপাট বন্ধ রেখে প্রতিবাদ জানানোর রীতি থেকে শব্দটির জন্ম, আর মহাত্মা গান্ধীর অসহযোগ আন্দোলনের সময় এটি গোটা উপমহাদেশে ছড়িয়ে পড়ে। বাংলায় এমন বিদেশি শব্দকে আমরা অন্য ভাষার শব্দ বা বিদেশি শব্দ (loanword) বলি।
মনে রাখুন:
গুজরাটি ভাষা থেকে আসা আরও দুটি শব্দ খদ্দর ও জয়ন্তী।
ওলন্দাজ শব্দ: তুরুপ, হরতন, ইস্কাপন; তুর্কি শব্দ: চাকু, বাবা, কাঁচি। - ২৮. কোনটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ?
- ক. অজ
- খ. অপ
- গ. প্র
- ঘ. পরা
উত্তর: ক. অজ
যে উপসর্গ খাঁটি বাংলা শব্দের আগে বসে নতুন অর্থের শব্দ তৈরি করে, তাকে খাঁটি বাংলা উপসর্গ বলে। ‘অজ’ এমনই একটি উপসর্গ, যা নিন্দিত বা একেবারে অর্থ দেয়, যেমন অজপাড়াগাঁ, অজমূর্খ। অন্যদিকে অপ, প্র, পরা হলো তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ।
মনে রাখুন:
বাংলা উপসর্গ ২১টি, যেমন অ, অনা, আ, আড়, আন, পাতি, ভর।
তৎসম উপসর্গ ২০টি, যেমন প্র, পরা, অপ, সম, নি। - ৩৫. কবি জসীমউদদীন কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?
- ক. মাদারীপুর
- খ. ঢাকা
- গ. ফরিদপুর
- ঘ. শরীয়তপুর
উত্তর: গ. ফরিদপুর
পল্লিকবি জসীমউদ্দীন ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে নানাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক বাড়ি ফরিদপুরের গোবিন্দপুর গ্রামে। গ্রামবাংলার মানুষ, প্রকৃতি ও লোকজীবন তাঁর কবিতার প্রধান বিষয়, এজন্যই তাঁকে পল্লিকবি বলা হয়।
মনে রাখুন:
তাঁর বিখ্যাত কাহিনিকাব্য ‘নকশী কাঁথার মাঠ’ ও ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’।
ছাত্রাবস্থায় লেখা ‘কবর’ কবিতা প্রবেশিকা পরীক্ষার পাঠ্য হয়েছিল।
তিনি ১৯৭৬ সালে মারা যান। - ৪৮. বাংলা ভাষায় মুদ্রিত প্রথম গ্রন্থ কোনটি?
- ক. সবুজপত্র
- খ. কথোপকথন
- গ. সম্বাদ কৌমুদী
- ঘ. সংবাদ প্রভাকর
উত্তর: খ. কথোপকথন
বাংলা ভাষায় মুদ্রিত প্রথম গ্রন্থ হিসেবে উইলিয়াম কেরির ‘কথোপকথন’ (১৮০১) সাধারণত উল্লেখ করা হয়। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বিদেশি ছাত্রদের বাংলা শেখানোর জন্য তিনি সমাজের নানা শ্রেণির মানুষের মুখের ভাষা সংকলন করে বইটি তৈরি করেন। শ্রীরামপুর মিশন প্রেস থেকে এটি ছাপা হয়।
মনে রাখুন:
বাংলা অক্ষরে মুদ্রিত প্রথম ব্যাকরণ ন্যাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেডের ‘A Grammar of the Bengal Language’ (১৭৭৮), যা ইংরেজিতে লেখা।
‘সম্বাদ কৌমুদী’ রাজা রামমোহন রায়ের সম্পাদিত পত্রিকা। - ৪৯. ‘তিতাস একটি নদীর নাম’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?
- ক. অদ্বৈত মল্লবর্মণ
- খ. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
- গ. হাসান আজিজুল হক
- ঘ. সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ
উত্তর: ক. অদ্বৈত মল্লবর্মণ
‘তিতাস একটি নদীর নাম’ উপন্যাসটি লিখেছেন অদ্বৈত মল্লবর্মণ। তিনি নিজে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদীর তীরের মালো জেলে পরিবারের সন্তান ছিলেন, তাই উপন্যাসে মালো সম্প্রদায়ের জীবন, উৎসব আর দুঃখ-দারিদ্র্য এত জীবন্তভাবে ফুটে উঠেছে। লেখকের মৃত্যুর পর ১৯৫৬ সালে বইটি প্রকাশিত হয়।
মনে রাখুন: চলচ্চিত্রকার ঋত্বিক ঘটক ১৯৭৩ সালে এই উপন্যাস থেকে একই নামে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। নদীকেন্দ্রিক আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পদ্মানদীর মাঝি’। - ৫৭. কোন শব্দটি যোগরূঢ় শব্দের উদাহরণ?
- ক. প্রবীণ
- খ. সহজ
- গ. জলদ
- ঘ. সন্দেশ
উত্তর: গ. জলদ
প্রত্যয় ও প্রকৃতির মিলিত অর্থের বদলে যে শব্দ একটি বিশেষ অর্থ বোঝায়, তাকে যোগরূঢ় শব্দ বলে। ‘জলদ’ মানে আক্ষরিকভাবে যে জল দেয়, কিন্তু শব্দটি কেবল মেঘ অর্থেই ব্যবহৃত হয়, তাই এটি যোগরূঢ় শব্দ।
উদাহরণ:
পঙ্কজ (পদ্ম), রাজপুত (একটি জাতি), মহাযাত্রা (মৃত্যু)।
মনে রাখুন: ‘প্রবীণ’ ও ‘সন্দেশ’ রূঢ়ি শব্দ, কারণ তাদের প্রচলিত অর্থ ব্যুৎপত্তিগত অর্থ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা; আর ‘সহজ’-কে কেউ কেউ যোগরূঢ় বললেও ‘জলদ’ এর প্রতিষ্ঠিত উদাহরণ। - ৫৮. কোন উপন্যাসটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচনা নয়?
- ক. শ্রীকান্ত
- খ. মেজদিদি
- গ. দেবদাস
- ঘ. মৃত্যুক্ষুধা
উত্তর: ঘ. মৃত্যুক্ষুধা
‘মৃত্যুক্ষুধা’ কাজী নজরুল ইসলামের লেখা উপন্যাস, তাই এটি শরৎচন্দ্রের রচনা নয়। উপন্যাসটিতে কৃষ্ণনগরের দরিদ্র মানুষের ক্ষুধা আর দুঃখের ছবি আঁকা হয়েছে। অন্যদিকে ‘শ্রীকান্ত’, ‘দেবদাস’ ও ‘মেজদিদি’ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা, যিনি সাধারণ মানুষের জীবন সহজ ভাষায় তুলে ধরে ‘অপরাজেয় কথাশিল্পী’ নামে পরিচিত হন।
মনে রাখুন:
নজরুলের উপন্যাস তিনটি: বাঁধনহারা, মৃত্যুক্ষুধা ও কুহেলিকা।
শরৎচন্দ্রের অন্যান্য উপন্যাস: গৃহদাহ, পল্লীসমাজ, চরিত্রহীন, পথের দাবী। - ৬৭. বাংলা নাট্যসাহিত্যে ‘নাট্যাচার্য’ কার উপাধি?
- ক. আতাউর রহমান
- খ. ড. ইনামুল হক
- গ. সাইদ আহমেদ
- ঘ. সেলিম আল দীন
উত্তর: ঘ. সেলিম আল দীন
সেলিম আল দীনকে বাংলা নাট্যসাহিত্যে ‘নাট্যাচার্য’ বলা হয়। তিনি পশ্চিমা নাটকের ছাঁচ ভেঙে বাংলার নিজস্ব কথানাট্য, পাঁচালি ও মঙ্গলকাব্যের রীতি নাটকে ফিরিয়ে আনেন। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেন এবং ঢাকা থিয়েটারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
মনে রাখুন: তাঁর উল্লেখযোগ্য নাটক কিত্তনখোলা, কেরামতমঙ্গল, হাত হদাই, চাকা ও যৈবতী কন্যার মন। বাংলা নাটকের ‘নাট্যগুরু’ বলা হয় নুরুল মোমেনকে। - ৬৯. ‘আকাশলীনা’ কবিতার রচয়িতা কে?
- ক. জীবনানন্দ দাশ
- খ. কাজী নজরুল ইসলাম
- গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ঘ. সুফিয়া কামাল
উত্তর: ক. জীবনানন্দ দাশ
‘আকাশলীনা’ কবিতাটি জীবনানন্দ দাশের লেখা, এটি তাঁর ‘সাতটি তারার তিমির’ কাব্যগ্রন্থে আছে। কবিতাটি শুরু হয় ‘সুরঞ্জনা, ওইখানে যেয়োনাকো তুমি’ পঙ্ক্তি দিয়ে, যেখানে কবি প্রিয় মানুষটিকে দূরে চলে না যেতে অনুরোধ করেন।
মনে রাখুন: জীবনানন্দ দাশকে ‘রূপসী বাংলার কবি’ ও ‘নির্জনতার কবি’ বলা হয়। তাঁর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ ঝরা পালক, ধূসর পাণ্ডুলিপি, বনলতা সেন, মহাপৃথিবী ও রূপসী বাংলা। - ৭৩. কোন কবিতা রচনার জন্য কাজী নজরুল ইসলামের কারাদণ্ড হয়?
- ক. আনন্দময়ীর আগমনে
- খ. বিদ্রোহী
- গ. কাণ্ডারী হুশিয়ার
- ঘ. অগ্রপথিক
উত্তর: ক. আনন্দময়ীর আগমনে
১৯২২ সালে কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদিত ‘ধূমকেতু’ পত্রিকার পূজা সংখ্যায় ‘আনন্দময়ীর আগমনে’ কবিতাটি প্রকাশিত হয়। কবিতায় দেবী দুর্গার রূপকে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ডাক দেওয়া হয়েছিল, তাই রাজদ্রোহের অভিযোগে নজরুলকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। কারাগারে বসেই তিনি আদালতে ‘রাজবন্দীর জবানবন্দী’ রচনা করেন।
মনে রাখুন:
নজরুলের প্রথম নিষিদ্ধ গ্রন্থ ‘যুগবাণী’।
কারাবন্দি নজরুলকে রবীন্দ্রনাথ ‘বসন্ত’ গীতিনাট্য উৎসর্গ করেন। - ৮২. ‘নীলদর্পণ’ নাটকের নাট্যকার কে?
- ক. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
- খ. মুনীর চৌধুরী
- গ. দীনবন্ধু মিত্র
- ঘ. শ্যামল মিত্র
উত্তর: গ. দীনবন্ধু মিত্র
‘নীলদর্পণ’ নাটকটি দীনবন্ধু মিত্রের লেখা, এটি ১৮৬০ সালে ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়। নাটকে বাংলার কৃষকদের ওপর ইংরেজ নীলকরদের অত্যাচার এত তীব্রভাবে ফুটে উঠেছে যে এটি নীলবিদ্রোহের সময় মানুষকে নাড়া দেয়। নাটকটির ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশ করার জন্য পাদ্রি জেমস লং-এর কারাদণ্ড ও জরিমানা হয়েছিল।
মনে রাখুন: ‘নীলদর্পণ’-এর ইংরেজি অনুবাদ ‘Nil Durpan’ মাইকেল মধুসূদন দত্ত করেছিলেন বলে প্রচলিত। দীনবন্ধু মিত্রের প্রহসন ‘সধবার একাদশী’ ও ‘বিয়ে পাগলা বুড়ো’। - ৯১. ‘ভানুসিংহ’ কার ছদ্মনাম?
- ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গ. ঈশ্বর গুপ্ত
- ঘ. অক্ষয় কুমার বড়াল
উত্তর: ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কিশোর বয়সে বৈষ্ণব পদাবলির অনুকরণে ব্রজবুলি ভাষায় কিছু পদ লেখেন এবং সেগুলো ‘ভানুসিংহ’ ছদ্মনামে প্রকাশ করেন। এসব পদ পরে ১৮৮৪ সালে ‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী’ নামে বই হিসেবে বের হয়। ‘ভানু’ মানে সূর্য, আর ‘রবি’ নামেরও একই অর্থ, তাই ছদ্মনামটি তাঁর নিজের নামেরই প্রতিশব্দ।
মনে রাখুন:
রবীন্দ্রনাথের আরেকটি ছদ্মনাম ‘অকপটচন্দ্র ভাস্কর’।
ঈশ্বর গুপ্ত সম্পাদিত পত্রিকা ‘সংবাদ প্রভাকর’। - ৯২. কোনটি তৎসম শব্দ ?
- ক. তসবি
- খ. খারিজ
- গ. চন্দ্র
- ঘ. অঘ্রান
উত্তর: গ. চন্দ্র
যে শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই বাংলায় এসেছে, তাকে তৎসম (Tatsama) শব্দ বলে। ‘চন্দ্র’ শব্দটি সংস্কৃতেও ঠিক এই রূপে আছে, তাই এটি তৎসম। এর তদ্ভব রূপ হলো ‘চাঁদ’, যা সংস্কৃত থেকে প্রাকৃতের পথ ঘুরে বদলে গেছে। তালিকার ‘তসবি’ ফারসি ও ‘খারিজ’ আরবি শব্দ, আর ‘অঘ্রান’ এসেছে সংস্কৃত ‘অগ্রহায়ণ’ থেকে, তাই এটি তদ্ভব।
মনে রাখুন: আরও কিছু তৎসম শব্দ হলো সূর্য, ধর্ম, পত্র, ভবন, মনুষ্য।
ব্যাংকিং ও অর্থনীতি
- ৬. বাংলাদেশের কোন জেলায় দারিদ্র্যের হার সবচেয়ে কম?
- ক. চট্টগ্রাম
- খ. নারায়ণগঞ্জ
- গ. ঢাকা
- ঘ. বরিশাল
উত্তর: খ. নারায়ণগঞ্জ
খানা আয়-ব্যয় জরিপ ২০১৬ (HIES 2016) অনুযায়ী বাংলাদেশের জেলাগুলোর মধ্যে দারিদ্র্যের হার সবচেয়ে কম ছিল নারায়ণগঞ্জে, প্রায় ২.৬ শতাংশ। এ জেলায় পোশাক ও বস্ত্রশিল্পসহ অনেক কলকারখানা থাকায় কাজের সুযোগ বেশি, তাই মানুষের আয়ও তুলনামূলকভাবে বেশি। অন্যদিকে দারিদ্র্যের হার সবচেয়ে বেশি ছিল কুড়িগ্রামে, প্রায় ৭০.৮ শতাংশ।
মনে রাখুন:
খানা আয়-ব্যয় জরিপ পরিচালনা করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।
বিভাগের হিসাবে দারিদ্র্যের হার সবচেয়ে বেশি রংপুর বিভাগে। - ৬৬. বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ হতে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উঠার যোগ্যতা অর্জনের জন্য মোট কয়টি মানদণ্ড (Criteria) পূরণ করতে হয়েছে?
- ক. ৪টি
- খ. ৫টি
- গ. ৩টি
- ঘ. ২টি
উত্তর: গ. ৩টি
স্বল্পোন্নত দেশ (Least Developed Country, LDC) থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের জন্য জাতিসংঘের উন্নয়ন নীতি কমিটি (CDP) তিনটি মানদণ্ড দেখে। এগুলো হলো মাথাপিছু জাতীয় আয়, মানবসম্পদ সূচক এবং অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা সূচক। এর মধ্যে অন্তত দুটি মানদণ্ড পর পর দুটি মূল্যায়নে পূরণ করলে একটি দেশ উত্তরণের সুপারিশ পায়, তবে বাংলাদেশ তিনটিই পূরণ করেছিল।
মনে রাখুন: বাংলাদেশ ২০১৮ সালে প্রথমবার এবং ২০২১ সালে দ্বিতীয়বার তিনটি মানদণ্ডই পূরণ করে। জাতিসংঘের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০২৬ সালে বাংলাদেশের উত্তরণ কার্যকর হওয়ার কথা।
বাংলাদেশ
- ১৫. ‘যদি রাত পোহালে শোনা যেতো/বঙ্গবন্ধু মরে নাই’ গানটির গীতিকার কে?
- ক. হাসান মতিউর রহমান
- খ. কবির বকুল
- গ. নজরুল ইসলাম বাবু
- ঘ. মোঃ মনিরুজ্জামান
উত্তর: ক. হাসান মতিউর রহমান
‘যদি রাত পোহালে শোনা যেত, বঙ্গবন্ধু মরে নাই’ গানটির গীতিকার হাসান মতিউর রহমান। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর রচিত এ গানে জাতির গভীর শোক ও বেদনা প্রকাশ পেয়েছে। গানটির সুর করেন মলয় কুমার গাঙ্গুলী এবং এতে কণ্ঠ দেন সাবিনা ইয়াসমিন।
মনে রাখুন:
‘শোনো একটি মুজিবরের থেকে লক্ষ মুজিবরের কণ্ঠস্বরের ধ্বনি’ গানের গীতিকার গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার। - ২৬. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট কয়টি অনুচ্ছেদ রয়েছে?
- ক. ১৫০টি
- খ. ১৩০টি
- গ. ৯৫টি
- ঘ. ১৫৩টি
উত্তর: ঘ. ১৫৩টি
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ (article) রয়েছে, যা ১১টি ভাগে সাজানো। এর সঙ্গে আছে একটি প্রস্তাবনা (preamble) ও সাতটি তফসিল (schedule)। সংবিধানটি ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ থেকে কার্যকর হয়।
মনে রাখুন:
সংবিধানের প্রথম অনুচ্ছেদে বাংলাদেশকে একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র বলা হয়েছে।
সংবিধানের হস্তলিখিত মূল কপির অঙ্গসজ্জা করেন শিল্পী হাশেম খান। - ৭৫. ‘সংশপ্তক’ ভাস্কর্যটি কোথায় অবস্থিত?
- ক. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
- খ. জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
- গ. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
- ঘ. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর: ক. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
‘সংশপ্তক’ ভাস্কর্যটি সাভারের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অবস্থিত। শিল্পী হামিদুজ্জামান খান ১৯৯০ সালে ব্রোঞ্জ দিয়ে এটি নির্মাণ করেন। ভাস্কর্যে দেখা যায় একজন মুক্তিযোদ্ধা এক পা ও এক হাত হারিয়েও অস্ত্র উঁচিয়ে লড়ে যাচ্ছেন। ‘সংশপ্তক’ শব্দের অর্থ যে যোদ্ধা জয় অথবা মৃত্যু ছাড়া যুদ্ধক্ষেত্র ছাড়ে না।
মনে রাখুন:
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেকটি ভাস্কর্য ‘অমর একুশে’।
‘অপরাজেয় বাংলা’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং ‘সাবাস বাংলাদেশ’ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে। - ৮৫. ইউনেস্কো বাংলাদেশের কোন মসজিদকে বিশ্ব ঐতিহ্য ঘোষণা করেছে!
- ক. কুসম্বা মসজিদ
- খ. ষাট গম্বুজ মসজিদ
- গ. ছোট সোনা মসজিদ
- ঘ. আতিয়া জামে মসজিদ
উত্তর: খ. ষাট গম্বুজ মসজিদ
বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদ ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান পেয়েছে। পনেরো শতকে খান জাহান আলী এই মসজিদ নির্মাণ করেন, আর এটিসহ বাগেরহাটের প্রাচীন মসজিদের শহরকে (Historic Mosque City of Bagerhat) ১৯৮৫ সালে বিশ্ব ঐতিহ্য ঘোষণা করা হয়। নামে ষাট গম্বুজ হলেও মসজিদটির ছাদে আসলে ৭৭টি গম্বুজ আছে, আর চার কোণের মিনারের গম্বুজ ধরলে সংখ্যা ৮১।
মনে রাখুন: বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্য হলো বাগেরহাটের মসজিদের শহর ও পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার (দুটিই ১৯৮৫) এবং সুন্দরবন (১৯৯৭)। - ৮৯. লোকসংস্কৃতিতে কে ‘শিল্পকলা পদক-২০১৭’ পাওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন?
- ক. কাঙ্গালিনী সুফিয়া বেগম
- খ. উকিল মুন্সী
- গ. জসীমউদ্দীন
- ঘ. আব্দুর রহমান বয়াতী
উত্তর: ক. কাঙ্গালিনী সুফিয়া বেগম
কাঙ্গালিনী সুফিয়া লোকসংগীতে অবদানের জন্য শিল্পকলা পদক ২০১৭ লাভ করেন। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি প্রতি বছর সংগীত, নৃত্য, নাট্যকলা, চারুকলা ও লোকসংস্কৃতির মতো ক্ষেত্রে গুণী শিল্পীদের এই পদক দেয়। রাজবাড়ী জেলার মেয়ে সুফিয়া খাতুন গ্রামের পালাগান ও লোকগান গেয়ে ‘কাঙ্গালিনী সুফিয়া’ নামে পরিচিত হন। তাঁর গাওয়া ‘কোন বা পথে নিতাইগঞ্জ যাই’ গানটি খুব জনপ্রিয়। তালিকার উকিল মুন্সী, জসীমউদ্দীন ও আব্দুর রহমান বয়াতী ২০১৭ সালের আগেই প্রয়াত হয়েছিলেন।
সাধারণ জ্ঞান
- ১৬. মূল্যবোধের প্রতিফলন ঘটে-
- ক. ব্যক্তির স্বতন্ত্র সত্তার স্বীকৃতিতে
- খ. রাষ্ট্রীয় মূলনীতিতে
- গ. সম্পদ বণ্টন প্রক্রিয়ায়
- ঘ. ব্যক্তির আচরণে
উত্তর: ঘ. ব্যক্তির আচরণে
মূল্যবোধ (Values) হলো মানুষের ভেতরের সেসব বিশ্বাস, আদর্শ ও নীতি, যেগুলো দিয়ে সে ভালো-মন্দ, উচিত-অনুচিত বিচার করে। মূল্যবোধ চোখে দেখা যায় না, কিন্তু মানুষ কেমন আচরণ করে তার মধ্য দিয়েই তা প্রকাশ পায়। যেমন একজন সৎ মানুষের সততা বোঝা যায় তার কাজকর্ম ও আচরণ থেকে। তাই মূল্যবোধের প্রতিফলন ঘটে ব্যক্তির আচরণে।
মনে রাখুন: মূল্যবোধের কয়েকটি ধরন হলো নৈতিক মূল্যবোধ, সামাজিক মূল্যবোধ, রাজনৈতিক মূল্যবোধ ও ধর্মীয় মূল্যবোধ। সততা, শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও দায়িত্ববোধ মূল্যবোধের উদাহরণ। - ৮১. গণতান্ত্রিক জীবনে কোনটি অধিক লক্ষণীয়?
- ক. সহযোগিতা
- খ. সমধর্মিতা
- গ. সহনশীলতা
- ঘ. সহমর্মিতা
উত্তর: গ. সহনশীলতা
গণতন্ত্রে (Democracy) নানা মত, ধর্ম ও দলের মানুষ পাশাপাশি বাস করে এবং সবাই নিজের মত প্রকাশের অধিকার রাখে। এই অবস্থায় অন্যের মত পছন্দ না হলেও তা শোনা ও মেনে নেওয়ার মানসিকতা, অর্থাৎ সহনশীলতা (Tolerance), না থাকলে মতভেদ খুব সহজে সংঘাতে রূপ নেয়। তাই গণতান্ত্রিক জীবনের সবচেয়ে লক্ষণীয় গুণ সহনশীলতা। সহযোগিতা ও সহমর্মিতাও ভালো গুণ, তবে গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি পরমতসহিষ্ণুতা।
মনে রাখুন: পরমতসহিষ্ণুতাকে গণতন্ত্রের প্রাণ বলা হয়।
আন্তর্জাতিক
- ১৯. কোন দেশের সংবিধান অলিখিত?
- ক. ইতালি
- খ. যুক্তরাজ্য
- গ. ফ্রান্স
- ঘ. যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর: খ. যুক্তরাজ্য
যুক্তরাজ্যের সংবিধান কোনো একটি লিখিত দলিলে সংকলিত নয়, তাই একে অলিখিত সংবিধান বলা হয়। এটি দীর্ঘদিনের প্রথা ও রীতিনীতি, সংসদের পাস করা গুরুত্বপূর্ণ আইন, আদালতের রায় এবং ঐতিহাসিক কিছু সনদ মিলে গড়ে উঠেছে। অন্যদিকে ইতালি, ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান লিখিত।
মনে রাখুন:
যুক্তরাজ্যের সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ উৎস ১২১৫ সালের ম্যাগনা কার্টা।
যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান বিশ্বের প্রথম লিখিত সংবিধান, যা ১৭৮৭ সালে গৃহীত হয়।
ভারতের সংবিধান বিশ্বের দীর্ঘতম লিখিত সংবিধান। - ২৭. ‘অষ্টম সার্ক চলচ্চিত্র উৎসব-২০১৮’-এ কোন দেশের চলচ্চিত্র শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র হিসেবে পুরস্কার লাভ করেছে?
- ক. বাংলাদেশ
- খ. ভারত
- গ. শ্রীলঙ্কা
- ঘ. নেপাল
উত্তর: ক. বাংলাদেশ
২০১৮ সালের মে মাসে শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে অনুষ্ঠিত অষ্টম সার্ক চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ‘হালদা’ শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রের পুরস্কার পায়। ছবিটি পরিচালনা করেন তৌকীর আহমেদ, আর এর কাহিনি চট্টগ্রামের হালদা নদী ও সেখানকার জেলেদের জীবন নিয়ে। উৎসবে ছবিটি শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রহণ, শ্রেষ্ঠ সম্পাদনা ও শ্রেষ্ঠ আবহসংগীতসহ মোট চারটি পুরস্কার জেতে।
মনে রাখুন: হালদা নদী দক্ষিণ এশিয়ায় রুই জাতীয় মাছের একমাত্র প্রাকৃতিক প্রজননক্ষেত্র, এবং ২০২০ সালে একে ‘বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ’ ঘোষণা করা হয়। - ৪৬. ‘টেলস্টার’ কিসের নাম?
- ক. টেনিসবল
- খ. ফুটবল
- গ. বাস্কেটবল
- ঘ. ভলিবল
উত্তর: খ. ফুটবল
টেলস্টার (Telstar) হলো ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলে ব্যবহৃত একটি বলের নাম। জার্মান প্রতিষ্ঠান অ্যাডিডাস ১৯৭০ সালের মেক্সিকো বিশ্বকাপের জন্য বলটি তৈরি করে, আর সেই থেকে বিশ্বকাপের বল বানানোর দায়িত্ব তাদের হাতে। মজার ব্যাপার হলো, সাদা-কালো ছক কাটা বলটি টেলিভিশনে স্পষ্ট দেখা যেত, আর নামটি এসেছিল ‘টেলস্টার’ নামের একটি যোগাযোগ উপগ্রহ থেকে।
মনে রাখুন: ২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপের বলের নাম ছিল ‘টেলস্টার ১৮’ এবং ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের বল ছিল ‘আল রিহলা’। - ৫৪. ‘ভিক্টোরিয়া ক্রস’ কোন দেশের সর্বোচ্চ খেতাব?
- ক. চীন
- খ. যুক্তরাজ্য
- গ. অস্ট্রেলিয়া
- ঘ. কানাডা
উত্তর: খ. যুক্তরাজ্য
ভিক্টোরিয়া ক্রস (Victoria Cross) যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ সামরিক বীরত্বসূচক পদক। ক্রিমিয়ার যুদ্ধে সাহসিকতার স্বীকৃতি দিতে রানি ভিক্টোরিয়া ১৮৫৬ সালে এটি চালু করেন, আর তাঁর নামেই পদকটির নাম। শত্রুর মুখোমুখি অসাধারণ সাহস দেখালে এটি দেওয়া হয়। কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের মতো কমনওয়েলথ দেশেও নিজস্ব ভিক্টোরিয়া ক্রস আছে, তবে মূল পদকটি যুক্তরাজ্যের।
মনে রাখুন: বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব ‘বীরশ্রেষ্ঠ’, আর ভারতের সর্বোচ্চ সামরিক পদক ‘পরমবীর চক্র’। - ৫৫. আন্তর্জাতিক পরমাণু সংস্থা (IAEA) কোন সালে গঠিত হয়েছে?
- ক. ১৯৫৫
- খ. ১৯৫৭
- গ. ১৯৫৮
- ঘ. ১৯৬০
উত্তর: খ. ১৯৫৭
আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (International Atomic Energy Agency, IAEA) ১৯৫৭ সালে গঠিত হয়। পরমাণু শক্তি যেন যুদ্ধে নয়, বরং বিদ্যুৎ উৎপাদন, চিকিৎসা ও কৃষির মতো শান্তিপূর্ণ কাজে ব্যবহৃত হয়, সেটি নিশ্চিত করাই এর মূল লক্ষ্য। এর সদর দপ্তর অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায়।
মনে রাখুন: ২০০৫ সালে IAEA এবং এর তৎকালীন মহাপরিচালক মোহাম্মদ এলবারাদেই যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান। বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে এর সদস্য হয়। - ৫৬. ‘ওভাল’ কোন খেলার জন্য বিখ্যাত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৪
- ক. টেনিস
- খ. ফুটবল
- গ. ক্রিকেট
- ঘ. হকি
উত্তর: গ. ক্রিকেট
ওভাল (The Oval) লন্ডনের কেনিংটনে অবস্থিত একটি বিখ্যাত ক্রিকেট মাঠ। ১৮৮০ সালে ইংল্যান্ডের মাটিতে প্রথম টেস্ট ম্যাচ এখানেই খেলা হয়, আর ১৮৮২ সালে এই মাঠে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ইংল্যান্ডের হারের পরেই ‘অ্যাশেজ’ লড়াইয়ের জন্ম। সাধারণত ইংল্যান্ডের গ্রীষ্মকালীন টেস্ট মৌসুমের শেষ ম্যাচটি এখানে হয়।
মনে রাখুন: লন্ডনের আরেকটি বিখ্যাত ক্রিকেট মাঠ লর্ডস (Lord's), যাকে ‘ক্রিকেটের মক্কা’ বলা হয়। টেনিসের জন্য বিখ্যাত উইম্বলডন। - ৬৪. বিশ্ব পরিবেশ দিবস কত তারিখে পালন করা হয়?
- ক. ৫ মে
- খ. ৫ জুলাই
- গ. ৫ এপ্রিল
- ঘ. ৫ জুন
উত্তর: ঘ. ৫ জুন
প্রতি বছর ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস (World Environment Day) পালিত হয়। ১৯৭২ সালে সুইডেনের স্টকহোমে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের মানব পরিবেশ সম্মেলনের প্রথম দিনটিকে স্মরণ করে দিবসটি ঠিক করা হয়, আর ১৯৭৪ সাল থেকে এটি নিয়মিত পালিত হচ্ছে। জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) প্রতি বছর একটি প্রতিপাদ্য ঠিক করে দেয়।
মনে রাখুন:
বিশ্ব ধরিত্রী দিবস ২২ এপ্রিল।
বিশ্ব জলবায়ু দিবস ২৩ মার্চ।
UNEP-এর সদর দপ্তর কেনিয়ার নাইরোবিতে। - ৭১. খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO)-এর প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
- ক. ভিয়েনা
- খ. নিউইয়র্ক
- গ. জেনেভা
- ঘ. রোম
উত্তর: ঘ. রোম
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (Food and Agriculture Organization, FAO) প্রধান কার্যালয় ইতালির রাজধানী রোমে। ১৯৪৫ সালের ১৬ অক্টোবর সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়, তাই প্রতি বছর ১৬ অক্টোবর বিশ্ব খাদ্য দিবস পালিত হয়। ক্ষুধা দূর করা, খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষির উন্নয়ন এর মূল লক্ষ্য।
মনে রাখুন:
রোমে জাতিসংঘের আরও দুটি খাদ্যবিষয়ক সংস্থা আছে: বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP) ও আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (IFAD)।
জাতিসংঘের সদর দপ্তর নিউইয়র্কে। - ৭৭. ইরানের সাথে ছয় বিশ্ব শক্তির পরমাণু চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে কত সালে?
- ক. ২০১৬ সালে
- খ. ২০১৫ সালে
- গ. ২০১৭ সালে
- ঘ. ২০১৪ সালে
উত্তর: খ. ২০১৫ সালে
২০১৫ সালের ১৪ জুলাই অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় ইরান ও ছয় বিশ্বশক্তির মধ্যে পরমাণু চুক্তি সই হয়। ছয় শক্তি হলো জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া, চীন) এবং জার্মানি, এদের একসঙ্গে P5+1 বলা হয়। চুক্তির আনুষ্ঠানিক নাম জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অব অ্যাকশন (JCPOA)। এর আওতায় ইরান পরমাণু কর্মসূচি সীমিত করে, আর বিনিময়ে তার ওপর থেকে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা তোলা হয়।
মনে রাখুন: ২০১৮ সালে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমলে যুক্তরাষ্ট্র এই চুক্তি থেকে বেরিয়ে যায়। - ৮৭. ‘ডন’ কোন্ দেশের পত্রিকা?
- ক. শ্রীলঙ্কা
- খ. পাকিস্তান
- গ. ভারত
- ঘ. চীন
উত্তর: খ. পাকিস্তান
ডন (Dawn) পাকিস্তানের সবচেয়ে পুরোনো ও প্রভাবশালী ইংরেজি দৈনিক পত্রিকা। মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ ১৯৪১ সালে দিল্লিতে এটি প্রতিষ্ঠা করেন মুসলিম লীগের মুখপত্র হিসেবে, আর দেশভাগের পর থেকে পত্রিকাটি করাচি থেকে প্রকাশিত হচ্ছে।
মনে রাখুন:
ভারত: দ্য হিন্দু, দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া।
শ্রীলঙ্কা: ডেইলি নিউজ।
চীন: পিপলস ডেইলি।
বিজ্ঞান
- ৬৫. বাষ্পীয় ইঞ্জিন কে আবিষ্কার করেন?
- ক. জেমস্ ওয়াট
- খ. আইজ্যাক নিউটন
- গ. হেনরিক মার্জ
- ঘ. স্টিফেন হকিংস
উত্তর: ক. জেমস্ ওয়াট
স্কটিশ প্রকৌশলী জেমস ওয়াট (James Watt) ১৭৬৯ সালে বাষ্পীয় ইঞ্জিনের উন্নত ও কার্যকর রূপ তৈরি করেন। তাঁর আগে টমাস নিউকোমেনের একটি বাষ্পীয় ইঞ্জিন ছিল, কিন্তু সেটি প্রচুর কয়লা খরচ করত। ওয়াট আলাদা কনডেনসার যোগ করে জ্বালানির অপচয় অনেক কমিয়ে দেন, আর এই ইঞ্জিনই কারখানা ও যানবাহনে ছড়িয়ে পড়ে শিল্পবিপ্লবকে এগিয়ে নেয়।
মনে রাখুন: ক্ষমতার একক ওয়াট (W) তাঁর নামে রাখা হয়েছে। বাষ্পীয় রেল ইঞ্জিনের জনক জর্জ স্টিফেনসন। - ৭৯. ‘ইনসুলিন’ হরমোনের অভাবে কোন রোগ হয়?
- ক. ষ্কার্ভি
- খ. রিকেট
- গ. রাতকানা
- ঘ. ডায়াবেটিস
উত্তর: ঘ. ডায়াবেটিস
ইনসুলিন (Insulin) হলো অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স নামের কোষগুচ্ছ থেকে নিঃসৃত একটি হরমোন। এটি রক্তের গ্লুকোজকে কোষে ঢুকতে সাহায্য করে এবং বাড়তি গ্লুকোজকে যকৃতে গ্লাইকোজেন হিসেবে জমা রাখে। ইনসুলিন কম তৈরি হলে বা ঠিকমতো কাজ না করলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায়, আর এই অবস্থাকেই ডায়াবেটিস মেলিটাস (Diabetes Mellitus) বলে।
মনে রাখুন:
স্কার্ভি হয় ভিটামিন সি-এর অভাবে।
রিকেট হয় ভিটামিন ডি-এর অভাবে।
রাতকানা হয় ভিটামিন এ-এর অভাবে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর: অন্যান্য পরীক্ষা
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পিটিআই ইন্সট্রাক্টর (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ১৪৯১) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ২৫৯৪) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ৩৬৯৭) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ২৮১৫) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৪০২১) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৫১২৪) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৮৪৩৩) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পিটিআই ইন্সট্রাক্টর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ; ১২ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২০১৪ সালের স্থগিত পরীক্ষা, ১৪ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২০১৪ সালের স্থগিত পরীক্ষা, ১৫ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২০১৪ সালের স্থগিত পরীক্ষা, ২০ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (বরিশাল বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (চট্টগ্রাম বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (ঢাকা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (খুলনা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (রাজশাহী বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (সিলেট বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (চট্টগ্রাম বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (ঢাকা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (খুলনা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (পিইডিপি-২) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (রাজশাহী বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (সিলেট বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (বরিশাল বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৭
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (চট্টগ্রাম বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৭
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (ঢাকা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৭
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (খুলনা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৭
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (রাজশাহী বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৭
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (সিলেট বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৭
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (ধানসিঁড়ি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (দড়াটানা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (যমুনা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (কংস) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (মেঘনা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (পদ্মা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (হেমন্ত; মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য বিশেষ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১০
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (ইছামতি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১০
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (কপোতাক্ষ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১০
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (করতোয়া) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১০
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (সুরমা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১০
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (বসন্ত) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১০
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (তিস্তা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১০
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (তিতাস) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১০
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (যমুনা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (কর্ণফুলী) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (মেঘনা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (পদ্মা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (বুড়িগঙ্গা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (দাজলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (দানিয়ুব) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (হোয়াংহো) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (যমুনা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (ঝিলাম) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (করতোয়া) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (মেঘনা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (মিসিসিপি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (পদ্মা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (রাইন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (শীতলক্ষ্যা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (সুরমা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (ভলগা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (আলফা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৪
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (বিটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৪
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (ডেলটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৪
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (গামা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৪
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৪
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৪
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৪
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিদ্যুৎ বিভাগ বিদ্যুৎ পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন