এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০২২: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ৩০ ডিসেম্বর ২০২২। ৯৩টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →- গণিত (২৩)
- বাংলা (২৫)
- ইংরেজি (২৩)
- বাংলাদেশ (৮)
- ব্যাংকিং ও অর্থনীতি (২)
- বিজ্ঞান (৩)
- আন্তর্জাতিক (৫)
- শিক্ষাবিজ্ঞান (১)
- সাধারণ জ্ঞান (৩)
গণিত
- ১. দুটি তল পরস্পরকে ছেদ করলে কী উৎপন্ন হয়?
- ক. বিন্দু
- খ. রেখা
- গ. স্থান
- ঘ. রশ্মি
উত্তর: খ. রেখা
তল (Plane) হলো দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ আছে এমন সমতল বিস্তার। দুটি তল যখন পরস্পরকে ছেদ করে, তখন যে অংশটি দুই তলেই থাকে সেটি একটি সরলরেখা। ঘরের দুটি দেয়াল যেখানে মিলেছে, সেখানে যে কোনা-রেখা দেখা যায়, সেটিই এর সহজ উদাহরণ।
মনে রাখুন:
দুটি রেখা ছেদ করলে উৎপন্ন হয় বিন্দু।
দুটি তলের ছেদে উৎপন্ন হয় রেখা।
বিন্দুর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ বা বেধ কিছুই নেই। - ২. 51° কোণের সম্পূরক কোণের এক-তৃতীয়াংশ কত?
- ক. 43°
- খ. 86°
- গ. 129°
- ঘ. 153°
উত্তর: ক. 43°
দুটি কোণের যোগফল 180° হলে তারা পরস্পরের সম্পূরক কোণ (Supplementary angle)। তাই 51° কোণের সম্পূরক কোণ = 180° − 51° = 129°। এর এক-তৃতীয়াংশ = 129° ÷ 3 = 43°।
মনে রাখুন: দুটি কোণের যোগফল 90° হলে তারা পূরক কোণ (Complementary angle), যেমন 51°-এর পূরক কোণ 39°। - ৩. রম্বসের কর্ণদ্বয়ের অন্তর্ভুক্ত কোণ কত?
- ক. 45°
- খ. 90°
- গ. 120°
- ঘ. 150°
উত্তর: খ. 90°
রম্বস (Rhombus) এমন একটি চতুর্ভুজ, যার চারটি বাহুই সমান। রম্বসের কর্ণ দুটি পরস্পরকে সমকোণে সমদ্বিখণ্ডিত করে, তাই কর্ণদ্বয়ের অন্তর্ভুক্ত কোণ 90°। এই কারণেই রম্বসের ক্ষেত্রফল বের করা যায় কর্ণ দুটির গুণফলের অর্ধেক নিয়ে।
মনে রাখুন:
রম্বসের ক্ষেত্রফল = ½ × d1 × d2।
বর্গক্ষেত্রও এক ধরনের রম্বস, যার প্রতিটি কোণ সমকোণ। - ৪. ΔABC এর ∠A = x, ∠B = 2x ও ∠C = 3x হলে ত্রিভুজটি কী ত্রিভুজ?
- ক. সূক্ষ্মকোণী ত্রিভুজ
- খ. স্থূলকোণী ত্রিভুজ
- গ. সমকোণী ত্রিভুজ
- ঘ. সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ
উত্তর: গ. সমকোণী ত্রিভুজ
ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি 180°। তাই x + 2x + 3x = 180°, অর্থাৎ 6x = 180° এবং x = 30°। ফলে কোণ তিনটি 30°, 60° ও 90°। যেহেতু একটি কোণ সমকোণ, তাই ত্রিভুজটি সমকোণী ত্রিভুজ।
মনে রাখুন: যে ত্রিভুজের তিনটি কোণই সূক্ষ্মকোণ তা সূক্ষ্মকোণী, আর একটি কোণ 90°-এর বেশি হলে তা স্থূলকোণী। - ৫. কোনো খাদ্য 24 জন লোকের 20 দিন চলে, ঐ একই পরিমান খাদ্যে 40 জন লোকের কত দিন চলবে?
- ক. 10
- খ. 12
- গ. 14
- ঘ. 16
উত্তর: খ. 12
লোক বাড়লে একই খাদ্যে কম দিন চলে, তাই এটি ব্যস্ত অনুপাতের অঙ্ক। মোট খাদ্যকে জন-দিনে প্রকাশ করলে সহজে মেলে।
24 জনের 20 দিন চলে, তাই মোট খাদ্য = 24 × 20 = 480 জন-দিন।
40 জনের চলবে = 480 ÷ 40 = 12 দিন।
মনে রাখুন: M1 × D1 = M2 × D2, এই সূত্রে সরাসরি করা যায়: 24 × 20 = 40 × D2। - ৬. দুইটি সংখ্যার গ.সা.গু ও ল.সা.গু যথাক্রমে ২ ও ৩৬০। একটি সংখ্যা ১০ হলে, অপর সংখ্যাটি কত?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ৩৬৯৭) ২০১৯
- ক. ২৪
- খ. ৪৮
- গ. ৬০
- ঘ. ৭২
উত্তর: ঘ. ৭২
দুটি সংখ্যার গুণফল সবসময় তাদের গ.সা.গু (HCF) ও ল.সা.গু (LCM)-এর গুণফলের সমান।
গুণফল = 2 × 360 = 720
অপর সংখ্যা = 720 ÷ 10 = 72
যাচাই: 10 ও 72-এর গ.সা.গু 2 এবং ল.সা.গু 360, তাই উত্তর মিলে যায়।
মনে রাখুন: গ.সা.গু সবসময় ল.সা.গু-এর একটি উৎপাদক হয়। - ৭. একজন ঘড়ি বিক্রেতা 1200 টাকা দিয়ে একটি ঘড়ি ক্রয় করেছেন। ঘড়িটি কত টাকায় বিক্রয় করলে তার (35/2)% লাভ হবে?
- ক. 1365 টাকা
- খ. 1375 টাকা
- গ. 1395 টাকা
- ঘ. 1410 টাকা
উত্তর: ঘ. 1410 টাকা
(35/2)% মানে 17.5% লাভ। লাভ হিসাব হয় ক্রয়মূল্যের ওপর।
লাভ = 1200 × 17.5/100 = 210 টাকা
বিক্রয়মূল্য = 1200 + 210 = 1410 টাকা
মনে রাখুন: সরাসরি সূত্রে বিক্রয়মূল্য = ক্রয়মূল্য × (100 + লাভ%)/100 = 1200 × 117.5/100 = 1410। - ৮. নিচের কোন শর্তে $\log_a a = 1$ হবে?
- ক. a > 0, a ≠ 1
- খ. a < 0, a ≠ 1
- গ. a > 1, a ≠ 0
- ঘ. a < 0, a ≠ 0
উত্তর: ক. a > 0, a ≠ 1
লগারিদমের (Logarithm) ভিত্তি সবসময় একটি ধনাত্মক সংখ্যা হতে হয়, আর তা ১ হতে পারে না। ভিত্তি ১ হলে এর যেকোনো ঘাতই ১ হয়, ফলে ১ ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যার লগ পাওয়া যায় না। এই শর্তে $a^1 = a$, তাই $\log_a a = 1$।
মনে রাখুন:
$\log_a 1 = 0$, কারণ $a^0 = 1$
$\log_a a = 1$, কারণ $a^1 = a$
শর্ত দুটিই a > 0 এবং a ≠ 1। - ৯. হীরার আয়ের ৩৫% হ্যাপীর আয়ের ২৫% এর সমান। তাদের আয়ের অনুপাত কত?
- ক. ৭ : ৫
- খ. ৫ : ৭
- গ. ৪ : ৩
- ঘ. ৩ : ৪
উত্তর: খ. ৫ : ৭
ধরি, হীরার আয় H এবং হ্যাপীর আয় P।
শর্ত অনুযায়ী, H-এর 35% = P-এর 25%
35H = 25P
H/P = 25/35 = 5/7
তাই হীরা ও হ্যাপীর আয়ের অনুপাত 5 : 7। যার আয়ের কম শতাংশ অন্যের বেশি শতাংশের সমান, তার আয় বেশি হয়, তাই এখানে হ্যাপীর আয় বেশি। - ১০. $x^2+5x+6$ এবং $x^2+3x+2$ এর গ.সা.গু 12 হলে, x এর মান –
- ক. 6
- খ. 8
- গ. 10
- ঘ. 12
উত্তর: গ. 10
প্রথমে দুটি রাশিকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করি।
$x^2 + 5x + 6 = (x + 2)(x + 3)$
$x^2 + 3x + 2 = (x + 1)(x + 2)$
দুটিতেই সাধারণ উৎপাদক (x + 2), তাই গ.সা.গু. = x + 2।
x + 2 = 12, তাই x = 10
যাচাই: x = 10 হলে রাশি দুটি 156 = 12 × 13 এবং 132 = 11 × 12, আর এদের গ.সা.গু. সত্যিই ১২। - ১১. ১.৫ এবং ১৩.৫ এর সমানুপাতটি কত?
- ক. ২.৫
- খ. ৩.২
- গ. ৩.৬
- ঘ. ৪.৫
উত্তর: ঘ. ৪.৫
দুটি সংখ্যা a ও b-এর মধ্যসমানুপাতী (Mean proportional) x হলে a : x = x : b হয়, অর্থাৎ x² = ab। তাই মধ্যসমানুপাতী হলো সংখ্যা দুটির গুণফলের বর্গমূল।
x² = 1.5 × 13.5 = 20.25
x = √20.25 = 4.5
যাচাই: 1.5 : 4.5 = 1 : 3 এবং 4.5 : 13.5 = 1 : 3, দুটি অনুপাত সমান।
মনে রাখুন: a ও b-এর তৃতীয় সমানুপাতী হলো b²/a। - ১২. $\frac12x^2-3x+4$ এর উৎপাদক কোনটি?
- ক. (1/2)(x – 4)(x + 2)
- খ. (1/2)(x + 4)(x – 2)
- গ. (1/2)(x + 4)(x + 2)
- ঘ. (1/2)(x – 4)(x – 2)
উত্তর: ঘ. (1/2)(x – 4)(x – 2)
প্রথমে $\frac{1}{2}$ সাধারণ উৎপাদক হিসেবে বাইরে নিই, তারপর ভেতরের দ্বিঘাত রাশিটি ভাঙি।
$\frac{1}{2}x^2 - 3x + 4 = \frac{1}{2}(x^2 - 6x + 8)$
এমন দুটি সংখ্যা খুঁজি, যাদের গুণফল 8 আর যোগফল −6: সংখ্যা দুটি −4 ও −2।
$= \frac{1}{2}(x - 4)(x - 2)$
যাচাই: x = 4 বসালে 8 − 12 + 4 = 0। - ১৩. 6% হারে নয় মাসে 10,000 টাকার উপর মুনাফা-মূলধন কত হবে?
- ক. 10,500 টাকা
- খ. 10,450 টাকা
- গ. 10,650 টাকা
- ঘ. 10,600 টাকা
উত্তর: খ. 10,450 টাকা
মুনাফা-মূলধন মানে মূলধন আর মুনাফার যোগফল। সরল মুনাফার সূত্র I = Prn, যেখানে সময় n বছরে নিতে হয়, তাই 9 মাস = 9/12 = 3/4 বছর।
মুনাফা = 10000 × 6/100 × 3/4 = 450 টাকা
মুনাফা-মূলধন = 10000 + 450 = 10450 টাকা
মনে রাখুন: মুনাফা-মূলধন A = P(1 + rn)। - ১৪. $(x^2+1)^2=5x^2$ হলে $x-\frac1x$ এর মান কোনটি?
- ক. √5
- খ. 1
- গ. 2√2
- ঘ. 8
উত্তর: খ. 1
দুই পাশের বর্গমূল নিয়ে $x + \frac{1}{x}$-এর মান বের করি, তারপর অন্তরের বর্গ।
$(x^2 + 1)^2 = 5x^2$, তাই $x^2 + 1 = \sqrt{5}x$ (ধনাত্মক মূল নিয়ে)
x দিয়ে ভাগ করে: $x + \frac{1}{x} = \sqrt{5}$
$(x - \frac{1}{x})^2 = (x + \frac{1}{x})^2 - 4 = 5 - 4 = 1$
তাই $x - \frac{1}{x} = \pm 1$, আর প্রদত্ত বিকল্পের মধ্যে মানটি 1।
মনে রাখুন: $(a - b)^2 = (a + b)^2 - 4ab$। - ১৫. $\frac ab+\frac ba=1$ হলে, $a^3+b^3$ এর মান কত?
- ক. 3
- খ. 1
- গ. 0
- ঘ. – 1
উত্তর: গ. 0
প্রদত্ত শর্ত থেকে প্রথমে a ও b-এর একটি সম্পর্ক বের করি।
$\frac{a}{b} + \frac{b}{a} = 1$
$\frac{a^2 + b^2}{ab} = 1$, তাই $a^2 + b^2 = ab$, বা $a^2 - ab + b^2 = 0$
এখন $a^3 + b^3 = (a + b)(a^2 - ab + b^2) = (a + b) \times 0 = 0$
মনে রাখুন: $a^3 + b^3$-এর উৎপাদকে বিশ্লেষণে $(a^2 - ab + b^2)$ অংশটি আসে, তাই এই শর্তে মান সবসময় শূন্য। - ১৬. কতটি স্বতন্ত্র উপাত্ত জানা থাকলে নির্দিষ্ট চতুর্ভুজ আঁকা যায়?
- ক. 2 টি
- খ. 3 টি
- গ. 4 টি
- ঘ. 5 টি
উত্তর: ঘ. 5 টি
একটি নির্দিষ্ট চতুর্ভুজ (Quadrilateral) আঁকতে ৫টি স্বতন্ত্র উপাত্ত জানা দরকার। কারণ শুধু চার বাহু জানা থাকলে চতুর্ভুজটি চেপে বা টেনে নানা আকারে আঁকা যায়, তাই আকার স্থির করতে আরও একটি উপাত্ত, যেমন একটি কোণ বা একটি কর্ণ লাগে।
উদাহরণ: চারটি বাহু ও একটি কোণ, বা চারটি বাহু ও একটি কর্ণ, বা তিনটি বাহু ও দুটি কর্ণ।
মনে রাখুন: একটি নির্দিষ্ট ত্রিভুজ আঁকতে ৩টি স্বতন্ত্র উপাত্ত লাগে। - ১৭. 15 টাকা 25 টাকার শতকরা কত?
- ক. 45%
- খ. 50%
- গ. 60%
- ঘ. 75%
উত্তর: গ. 60%
একটি রাশি অন্য রাশির শতকরা কত, তা বের করতে প্রথমটিকে দ্বিতীয়টি দিয়ে ভাগ করে 100 দিয়ে গুণ করতে হয়।
(15/25) × 100 = 0.6 × 100 = 60%
অর্থাৎ 25 টাকার মধ্যে 15 টাকা মানে প্রতি 100 টাকায় 60 টাকা।
মনে রাখুন: 25 টাকা 15 টাকার শতকরা কত জানতে চাইলে উত্তর হবে (25/15) × 100 ≈ 166.67%। - ১৮. $\log_x\frac1{16}=-2$ হলে, x এর মান কত?
- ক. 4
- খ. 2
- গ. – 2
- ঘ. – 4
উত্তর: ক. 4
লগের সংজ্ঞা অনুযায়ী $\log_x \frac{1}{16} = -2$ মানে $x^{-2} = \frac{1}{16}$।
$\frac{1}{x^2} = \frac{1}{16}$, তাই $x^2 = 16$ এবং x = ±4
কিন্তু লগের ভিত্তি সবসময় ধনাত্মক হতে হয়, তাই x = 4।
যাচাই: $4^{-2} = \frac{1}{16}$।
মনে রাখুন: এখানে −4 বাদ পড়ে লগের ভিত্তির শর্তের কারণে, যদিও তা সমীকরণ $x^2 = 16$ মেনে চলে। - ২৩. $e^{2\ln x}=y$ হলে, y এর মান কত?
- ক. ln x
- খ. ln 2x
- গ. x²
- ঘ. 2x
উত্তর: গ. x²
লগের ঘাতের নিয়ম অনুযায়ী $2\ln x = \ln x^2$। আর $e^x$ ও $\ln x$ পরস্পরের বিপরীত ফাংশন, তাই $e^{\ln a} = a$।
$y = e^{2\ln x} = e^{\ln x^2} = x^2$
মনে রাখুন: ln হলো স্বাভাবিক লগারিদম (Natural logarithm), যার ভিত্তি e ≈ 2.718। তাই $\ln e = 1$। - ২৬. ১০৫ থেকে ১৩৫ পর্যন্ত সংখ্যার মধ্যবর্তী ক্ষুদ্রতম ও বৃহত্তম মৌলিক সংখ্যাদ্বয়ের গড় কত?
- ক. ১১৯
- খ. ১২০
- গ. ১২১
- ঘ. ১২৩
উত্তর: ক. ১১৯
প্রথমে 105 থেকে 135-এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যাগুলো বের করি: 107, 109, 113, 127, 131।
ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যা 107 এবং বৃহত্তম 131। এখানে 133 মৌলিক নয়, কারণ 133 = 7 × 19।
গড় = (107 + 131) ÷ 2 = 238 ÷ 2 = 119
মনে রাখুন: কোনো সংখ্যা মৌলিক কি না যাচাই করতে তার বর্গমূল পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা দিয়ে ভাগ করে দেখলেই যথেষ্ট। - ২৮. যদি $(\frac ab)^{x-3}=(\frac ba)^{x-5}$ হয়, তবে x এর মান কত?
- ক. 3
- খ. 4
- গ. 5
- ঘ. 8
উত্তর: খ. 4
প্রদত্ত সমীকরণ (a/b)^(x − 3) = (b/a)^(x − 5)। ডান পাশের ভগ্নাংশ b/a হলো a/b-এর বিপরীত, তাই (b/a)^(x − 5) = (a/b)^(−(x − 5)) = (a/b)^(5 − x)। এখন দুই পাশেই ভিত্তি (a/b) একই। ভিত্তি সমান হলে সূচক সমান হয়:
x − 3 = 5 − x
2x = 8, তাই x = 4।
যাচাই: x = 4 হলে বাম পাশ (a/b)¹ এবং ডান পাশ (b/a)⁻¹ = a/b। দুটি সমান। - ২৯. $x^2-2x-1=0$ হলে, $x+\frac1x$ = কত?
- ক. 4
- খ. 4√2
- গ. 2√2
- ঘ. 8
উত্তর: গ. 2√2
সমীকরণটিকে x দিয়ে ভাগ করলে $x - \frac{1}{x}$-এর মান পাওয়া যায়।
$x^2 - 2x - 1 = 0$
$x - 2 - \frac{1}{x} = 0$, তাই $x - \frac{1}{x} = 2$
$(x + \frac{1}{x})^2 = (x - \frac{1}{x})^2 + 4 = 4 + 4 = 8$
$x + \frac{1}{x} = \sqrt{8} = 2\sqrt{2}$ (ধনাত্মক মান নিয়ে)
মনে রাখুন: $\sqrt{8} = \sqrt{4 \times 2} = 2\sqrt{2}$। - ৩২. $x^2-4x+k=0$ সমীকরণের মূলদ্বয় একটি অপরটির বিপরীত হলে k এর মান কত?
- ক. 1
- খ. 0
- গ. -1
- ঘ. 2
উত্তর: ক. 1
দুটি মূল একটি অপরটির বিপরীত (Reciprocal) হলে মূল দুটি α ও 1/α, আর তাদের গুণফল 1। দ্বিঘাত সমীকরণ $ax^2 + bx + c = 0$-এর মূলদ্বয়ের গুণফল $\frac{c}{a}$।
এখানে গুণফল = $\frac{k}{1} = k$
তাই k = 1
মনে রাখুন: মূলদ্বয়ের যোগফল $-\frac{b}{a}$, এখানে 4। আর দুটি মূল সমান কিন্তু বিপরীত চিহ্নের হলে যোগফল ০ হয়, অর্থাৎ b = 0 হতে হয়।
বাংলা
- ১৯. বাংলা ভাষায় মোট কয়টি বর্ণ রয়েছে?
- ক. ৪৭ টি
- খ. ৪৮ টি
- গ. ৪৯ টি
- ঘ. ৫০ টি
উত্তর: ঘ. ৫০ টি
বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০টি বর্ণ আছে। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি। স্বরবর্ণ উচ্চারণে অন্য বর্ণের সাহায্য লাগে না, কিন্তু ব্যঞ্জনবর্ণ উচ্চারণে স্বরধ্বনির সাহায্য লাগে।
মনে রাখুন:
মাত্রাহীন বর্ণ ১০টি: এ, ঐ, ও, ঔ, ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ।
অর্ধমাত্রার বর্ণ ৮টি, পূর্ণমাত্রার বর্ণ ৩২টি।
স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে কার আর ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে ফলা বলে। - ২০. ব্যুৎপত্তিগতভাবে ব্যাকরণ শব্দের অর্থ হলো-
- ক. সংক্ষেপণ
- খ. ভাবের বিনিময়
- গ. বিশেষভাবে বিশ্লেষণ
- ঘ. মিলন
উত্তর: গ. বিশেষভাবে বিশ্লেষণ
'ব্যাকরণ' শব্দটি গঠিত হয়েছে বি + আ + √কৃ + অন যোগে। এখানে বি মানে বিশেষভাবে, আ মানে সম্যকভাবে, আর কৃ ধাতুর অর্থ করা, তাই ব্যুৎপত্তিগতভাবে ব্যাকরণ শব্দের অর্থ বিশেষভাবে বিশ্লেষণ। ব্যাকরণ ভাষাকে বিশ্লেষণ করে এর গঠন ও নিয়ম আমাদের সামনে তুলে ধরে।
মনে রাখুন: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, যে শাস্ত্র জানলে বাংলা ভাষা শুদ্ধরূপে লিখতে, পড়তে ও বলতে পারা যায়, তাকে বাংলা ব্যাকরণ বলে। - ২১. পুরুষ বা স্ত্রী নির্দেশক সূত্রকে ব্যাকরণে কী বলে?
- ক. বচন
- খ. লিঙ্গ
- গ. বাক্য
- ঘ. বাগর্থ
উত্তর: খ. লিঙ্গ
যে লক্ষণ দেখে কোনো শব্দ পুরুষ জাতি, স্ত্রী জাতি, না উভয় জাতি বোঝায় তা চেনা যায়, ব্যাকরণে তাকে লিঙ্গ (Gender) বলে। যেমন ছাত্র শব্দটি পুরুষ বোঝায় বলে পুংলিঙ্গ, আর ছাত্রী শব্দটি নারী বোঝায় বলে স্ত্রীলিঙ্গ।
মনে রাখুন: বাংলায় লিঙ্গ ৪ প্রকার।
পুংলিঙ্গ: বাবা, ছেলে।
স্ত্রীলিঙ্গ: মা, মেয়ে।
ক্লীবলিঙ্গ: বই, কলম।
উভয়লিঙ্গ: শিশু, সন্তান, শিক্ষার্থী। - ২২. নিচের কোনটি তৎসম শব্দ?
- ক. চাঁদ
- খ. খোকা
- গ. কাঠ
- ঘ. সন্ধ্যা
উত্তর: ঘ. সন্ধ্যা
যেসব শব্দ সংস্কৃত থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই সরাসরি বাংলায় এসেছে, সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে। 'সন্ধ্যা' শব্দটি সংস্কৃতে যেমন ছিল, বাংলাতেও ঠিক তেমনই আছে, তাই এটি তৎসম। অন্যদিকে চাঁদ এসেছে চন্দ্র থেকে আর কাঠ এসেছে কাষ্ঠ থেকে, অর্থাৎ বদলে গিয়ে এসেছে, তাই এগুলো তদ্ভব শব্দ। খোকা শব্দটি দেশি।
মনে রাখুন: তৎসম শব্দের উদাহরণ চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, ভবন, ধর্ম, পাত্র, মনুষ্য। - ২৪. ‘লোকটি ধনী কিন্তু কৃপণ’- কোন ধরনের বাক্য?
- ক. জটিল
- খ. যৌগিক
- গ. সরল
- ঘ. মিশ্র
উত্তর: খ. যৌগিক
'লোকটি ধনী' এবং '(লোকটি) কৃপণ', এই দুটি স্বাধীন বাক্য 'কিন্তু' সংযোজক অব্যয় দিয়ে যুক্ত হয়েছে। পরস্পর নিরপেক্ষ দুই বা ততোধিক সরল বা মিশ্র বাক্য অব্যয় দিয়ে যুক্ত হয়ে একটি বাক্য গঠন করলে তাকে যৌগিক বাক্য বলে, তাই এটি যৌগিক বাক্য।
মনে রাখুন:
যৌগিক বাক্যের সংযোজক অব্যয়: এবং, ও, কিন্তু, অথবা, অথচ, তবু।
মিশ্র বা জটিল বাক্যে থাকে যে-সে, যদি-তবে, যখন-তখন জাতীয় সাপেক্ষ সর্বনাম বা অব্যয়। - ২৫. কোন বানানটি শুদ্ধ?
- ক. রূপায়ন
- খ. রুপায়ন
- গ. রূপায়ণ
- ঘ. রুপায়ণ
উত্তর: গ. রূপায়ণ
শুদ্ধ বানান 'রূপায়ণ'। শব্দটি রূপ + অয়ন থেকে গঠিত, আর মূল শব্দ রূপ-এ দীর্ঘ ঊ-কার আছে। ণত্ব বিধান অনুযায়ী র, ঋ বা ষ-এর পরে স্বরবর্ণ, ক-বর্গ, প-বর্গ, য, ব, হ ইত্যাদি থাকলেও পরের দন্ত্য ন মূর্ধন্য ণ হয়ে যায়। এখানে র-এর পরে প ও য় থাকায় ন বদলে ণ হয়েছে।
মনে রাখুন: একই নিয়মে রামায়ণ, পরায়ণ, নারায়ণ বানানে ণ বসে। - ২৭. ‘পার হইয়া’ এর চলিত রূপ কোনটি?
- ক. পার হয়ে
- খ. পারি হয়ে
- গ. পার হইয়ে
- ঘ. পারিয়া
উত্তর: ক. পার হয়ে
সাধু রীতির ক্রিয়াপদ চলিত রীতিতে সংক্ষিপ্ত হয়ে যায়। সাধু রীতির অসমাপিকা ক্রিয়া 'হইয়া' চলিত রীতিতে হয় 'হয়ে', তাই 'পার হইয়া'-র চলিত রূপ 'পার হয়ে'। 'পার' শব্দটি দুই রীতিতেই একই থাকে।
মনে রাখুন:
করিয়া → করে।
খাইয়া → খেয়ে।
যাইতেছি → যাচ্ছি।
সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণকে গুরুচণ্ডালী দোষ বলে। - ৩৩. ‘কৃষ্টি‘ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
- ক. কৃ+ক্তি
- খ. কৃষ্+তি
- গ. কৃঃ+তি
- ঘ. কৃষ+টি
উত্তর: খ. কৃষ্+তি
'কৃষ্টি' শব্দটি এসেছে কৃষ্ ধাতুর সঙ্গে 'তি' যোগে। ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে ষ-এর পরে ত থাকলে ত বদলে ট হয়ে যায়, তাই কৃষ্ + তি = কৃষ্টি। শব্দটির মূল অর্থ কর্ষণ বা চাষ, আর সেখান থেকে এসেছে সংস্কৃতি অর্থ, কারণ মনের চর্চাকেও এক ধরনের কর্ষণ ধরা হয়।
মনে রাখুন: একই নিয়মে দৃষ্ + তি = দৃষ্টি, সৃষ্ + তি = সৃষ্টি, বৃষ্ + তি = বৃষ্টি। - ৩৪. বাংলা ভাষায় মোট কয়টি বর্ণ রয়েছে?
- ক. ৪৭ টি
- খ. ৪৮ টি
- গ. ৪৯ টি
- ঘ. ৫০ টি
উত্তর: ঘ. ৫০ টি
বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০টি বর্ণ আছে, এর মধ্যে ১১টি স্বরবর্ণ এবং ৩৯টি ব্যঞ্জনবর্ণ। স্বরবর্ণ অন্য কোনো বর্ণের সাহায্য ছাড়া উচ্চারিত হয়, কিন্তু ব্যঞ্জনবর্ণ উচ্চারণে স্বরধ্বনির সাহায্য লাগে।
মনে রাখুন:
মাত্রাহীন বর্ণ: ১০টি (এ, ঐ, ও, ঔ, ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ)
অর্ধমাত্রার বর্ণ: ৮টি
পূর্ণমাত্রার বর্ণ: ৩২টি
কার-যুক্ত স্বরবর্ণ ১০টি, শুধু ‘অ’-এর কোনো কার নেই। - ৩৫. ‘ব্যর্থ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
- ক. ব্য+অর্থ
- খ. বি+অর্থ
- গ. ব্যা+অর্থ
- ঘ. ব+অর্থ
উত্তর: খ. বি+অর্থ
স্বরসন্ধির নিয়মে ই বা ঈ-এর পরে ই বা ঈ ছাড়া অন্য কোনো স্বর এলে ই বা ঈ বদলে য-ফলা হয়, আর য-ফলা আগের ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়। তাই বি + অর্থ = ব্যর্থ। এখানে বি উপসর্গটি না-বাচক অর্থ দিয়েছে, অর্থাৎ যার অর্থ বা উদ্দেশ্য সিদ্ধ হয়নি।
মনে রাখুন: একই নিয়মে অতি + অন্ত = অত্যন্ত, প্রতি + এক = প্রত্যেক, ইতি + আদি = ইত্যাদি। - ৩৬. ‘মুক্ত‘ শব্দের সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় কোনটি?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৪, এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৬
- ক. √মু+ক্ত
- খ. √মুক+ত
- গ. √মুহ+ক্ত
- ঘ. √মুচ্+ক্ত
উত্তর: ঘ. √মুচ্+ক্ত
'মুক্ত' শব্দটি গঠিত হয়েছে √মুচ্ ধাতুর সঙ্গে ক্ত প্রত্যয় যোগে। মুচ্ ধাতুর অর্থ ছেড়ে দেওয়া বা মোচন করা, আর ক্ত প্রত্যয় যোগ হলে ধাতুর শেষের চ্ বদলে ক হয়ে যায়, তাই মুচ্ + ক্ত = মুক্ত। ক্ত প্রত্যয় যোগে সাধারণত অতীত অর্থের বিশেষণ তৈরি হয়।
মনে রাখুন: একইভাবে √সিচ্ + ক্ত = সিক্ত, √ত্যজ্ + ক্ত = ত্যক্ত, √ভুজ্ + ক্ত = ভুক্ত। - ৩৭. ‘চির অশান্তি‘ অর্থে কোন বাগধারাটি যথোপযুক্ত?
- ক. ভরাডুবি
- খ. রাবণের চিতা
- গ. জগদ্দল পাথর
- ঘ. ঢাকের বাঁয়া
উত্তর: খ. রাবণের চিতা
প্রচলিত বিশ্বাস আছে যে রাবণের চিতার আগুন কখনো নেভে না। সেই কল্পনা থেকে 'রাবণের চিতা' বাগধারাটি চির অশান্তি বা কখনো শেষ না হওয়া দুঃখ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। যে সংসারে সবসময় অশান্তি লেগে থাকে, তাকে আমরা রাবণের চিতার সঙ্গে তুলনা করি।
মনে রাখুন:
ভরাডুবি: সর্বনাশ।
জগদ্দল পাথর: গুরুভার বা দুর্বহ বোঝা।
ঢাকের বাঁয়া: অপ্রয়োজনীয় বা মূল্যহীন সঙ্গী। - ৩৮. ‘গদাই লস্করি চাল‘ বাগধারাটির অর্থ কী?
- ক. তুচ্ছ পদার্থ
- খ. আলসেমি
- গ. অন্ধ অনুকরণ
- ঘ. তুমুল কান্ড
উত্তর: খ. আলসেমি
'গদাই লস্করি চাল' বাগধারাটির অর্থ অতিশয় ধীর গতি বা আলসেমি। কেউ যখন জরুরি কাজেও গা-ছাড়া ভাবে ঢিমেতালে চলে, তখন আমরা বলি তার চলাফেরা গদাই লস্করি চালে। বাগধারাটির মধ্যে একটু ঠাট্টার সুরও থাকে।
মনে রাখুন:
গড্ডলিকা প্রবাহ: অন্ধ অনুকরণ।
কুরুক্ষেত্র কাণ্ড: তুমুল কাণ্ড।
খয়ের খাঁ: চাটুকার। - ৩৯. ‘গরুতে দুধ দেয়‘ বাক্যে ‘গরুতে‘ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
- ক. করণে সপ্তমী
- খ. কর্তৃকারকে সপ্তমী
- গ. অপাদানে সপ্তমী
- ঘ. অধিকরণে সপ্তমী
উত্তর: খ. কর্তৃকারকে সপ্তমী
এই বাক্যে দুধ দেওয়ার কাজটি করছে গরু নিজেই, তাই 'গরুতে' পদটি কর্তা। ক্রিয়ার সঙ্গে যার সম্পর্ক কর্তা হিসেবে, তা কর্তৃকারক, আর এখানে কর্তার সঙ্গে 'তে' বিভক্তি যুক্ত হয়েছে। 'তে' সপ্তমী বিভক্তির চিহ্ন, তাই 'গরুতে' কর্তৃকারকে সপ্তমী বিভক্তি।
মনে রাখুন: এ ধরনের আরও উদাহরণ:
পাগলে কী না বলে।
গুরুজনে কর ভক্তি। - ৪০. কোন বানানটি শুদ্ধ?
- ক. রূপায়ন
- খ. রুপায়ন
- গ. রূপায়ণ
- ঘ. রুপায়ণ
উত্তর: গ. রূপায়ণ
‘রূপায়ণ’ বানানটিই শুদ্ধ। তৎসম শব্দে ণ-ত্ব বিধান অনুযায়ী ‘র’-এর পরে স্বরবর্ণ, প-বর্গ বা য় ইত্যাদি ব্যবধানে থাকলে ‘ন’ বদলে ‘ণ’ হয়। এখানে রূপ + অয়ন = রূপায়ণ। অর্থ হলো কোনো কিছুকে রূপ বা আকার দেওয়া। অন্য তিনটি অপশনের মধ্যে রূপায়ন-এ ণ-ত্ব বিধান মানা হয়নি, আর বাকি দুটিতে রূপ শব্দের ঊ-কার হ্রস্ব হয়ে গেছে।
মনে রাখুন:
‘রুপায়ণ’ ভুল, কারণ রূপ শব্দে দীর্ঘ ঊ-কার (ূ) বসে।
ণ-ত্ব বিধানের আরও উদাহরণ: ভরণ, হরণ, শ্রবণ, কারণ। - ৪১. ‘অহঙ্কার পতনের মূল‘ বাক্যে ‘অহঙ্কার‘ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
- ক. কর্মে শূন্য
- খ. করণে শূন্য
- গ. অপাদানে শূন্য
- ঘ. অধিকরণে শূন্য
উত্তর: খ. করণে শূন্য
'অহঙ্কার পতনের মূল' বাক্যে বলা হচ্ছে অহঙ্কারের কারণেই মানুষের পতন ঘটে। প্রচলিত ব্যাকরণের ব্যাখ্যায় কোনো কাজের হেতু বা কারণ বোঝালে তাকে করণ কারক ধরা হয়, আর অহঙ্কার শব্দের সঙ্গে কোনো বিভক্তিচিহ্ন যুক্ত নেই। তাই প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে করণে শূন্য বিভক্তিই গ্রহণযোগ্য উত্তর।
মনে রাখুন: করণ কারকে সাধারণত দ্বারা, দিয়ে, কর্তৃক অনুসর্গ বা এ, তে বিভক্তি বসে, যেমন কলমে লেখা হয়, ছুরি দিয়ে ফল কাটো। - ৪২. চলিতরীতির প্রবর্তক কে?
- ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. কাজী নজরুল ইসলাম
- গ. প্রমথ চৌধুরী
- ঘ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
উত্তর: গ. প্রমথ চৌধুরী
প্রমথ চৌধুরী ১৯১৪ সালে ‘সবুজপত্র’ পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রচলন করেন। তিনি দেখিয়েছিলেন যে মানুষের মুখের ভাষার কাছাকাছি চলিত রীতিতেও গভীর ও সুন্দর সাহিত্য রচনা সম্ভব। তাঁর ছদ্মনাম ছিল বীরবল।
মনে রাখুন:
সাধু রীতিকে সাহিত্যের মর্যাদা দেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
প্যারীচাঁদ মিত্রের ‘আলালের ঘরের দুলাল’-এর কথ্য ভাষাকে ‘আলালী ভাষা’ বলা হয়। - ৪৩. ‘পার হইয়া’ এর চলিত রূপ কোনটি?
- ক. পার হয়ে
- খ. পারি হয়ে
- গ. পার হইয়ে
- ঘ. পারিয়া
উত্তর: ক. পার হয়ে
সাধু রীতির অসমাপিকা ক্রিয়া ‘হইয়া’ চলিত রীতিতে সংক্ষিপ্ত হয়ে ‘হয়ে’ হয়, আর ‘পার’ শব্দটি দুই রীতিতেই অপরিবর্তিত থাকে। তাই ‘পার হইয়া’-র চলিত রূপ ‘পার হয়ে’।
মনে রাখুন: সাধু থেকে চলিতে ক্রিয়ার রূপান্তর: করিয়া থেকে করে, দেখিয়া থেকে দেখে, যাইতেছি থেকে যাচ্ছি, বলিয়াছিল থেকে বলেছিল। - ৪৪. নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
- ক. মূমূর্ষু
- খ. মূমুষু
- গ. মুমূর্ষু
- ঘ. মুমুর্ষূ
উত্তর: গ. মুমূর্ষু
শুদ্ধ বানান 'মুমূর্ষু', যার অর্থ মৃতপ্রায় বা মরণাপন্ন। বানানটিতে প্রথম 'মু'-তে হ্রস্ব উ-কার, দ্বিতীয় 'মূ'-তে দীর্ঘ ঊ-কার, এরপর রেফ এবং শেষে 'ষু'-তে আবার হ্রস্ব উ-কার বসে। শব্দটি মৃ ধাতু থেকে এসেছে, আর এর বিশেষ্য রূপ মুমূর্ষা।
মনে রাখুন: একই ধরনের কঠিন বানান: মুহুর্মুহু, মুহূর্ত, উজ্জ্বল। - ৪৫. ‘পরভৃত‘ শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
- ক. পিক
- খ. ধেনু
- গ. বিভব
- ঘ. অম্বু
উত্তর: ক. পিক
'পরভৃত' শব্দের অর্থ অন্যের দ্বারা প্রতিপালিত। কোকিল নিজে বাসা বাঁধে না, সে কাকের বাসায় ডিম পাড়ে এবং কাকই সেই ছানাদের লালনপালন করে, তাই কোকিলের আরেক নাম পরভৃত। পিক শব্দটিও কোকিলের প্রতিশব্দ, তাই পরভৃত ও পিক সমার্থক।
মনে রাখুন:
কোকিলের অন্য প্রতিশব্দ: কোয়েল, পরপুষ্ট, বসন্তদূত।
ধেনু মানে গাভী, বিভব মানে ধনসম্পদ, অম্বু মানে পানি। - ৪৬. Ad-hoc এর অর্থ কী?
- ক. তদর্থক
- খ. অস্থায়ী
- গ. শপথপত্র
- ঘ. ক ও খ উভয়ই
উত্তর: ঘ. ক ও খ উভয়ই
Ad-hoc একটি ল্যাটিন শব্দবন্ধ, এর অর্থ ‘এই উদ্দেশ্যে’। কোনো নির্দিষ্ট কাজের জন্য সাময়িকভাবে গঠিত কিছু বোঝাতে শব্দটি ব্যবহৃত হয়, যেমন Ad-hoc committee মানে নির্দিষ্ট কাজের জন্য গঠিত অস্থায়ী কমিটি। তাই বাংলা পারিভাষিক অর্থে এটি তদর্থক এবং অস্থায়ী, দুটিই বোঝায়।
মনে রাখুন: Affidavit-এর পারিভাষিক শব্দ হলফনামা বা শপথপত্র। - ৪৭. সন্ধির প্রধান সুবিধা কী?
- ক. পড়ার সুবিধা
- খ. লেখার সুবিধা
- গ. উচ্চারণের সুবিধা
- ঘ. শোনার সুবিধা
উত্তর: গ. উচ্চারণের সুবিধা
সন্ধি শব্দের অর্থ মিলন। পাশাপাশি থাকা দুটি ধ্বনি মিলে গেলে উচ্চারণ সহজ ও সাবলীল হয়, আর এটাই সন্ধির প্রধান সুবিধা। যেমন ‘বিদ্যা’ ও ‘আলয়’ আলাদা করে বললে উচ্চারণে একটু থামতে হয়, কিন্তু মিলিয়ে ‘বিদ্যালয়’ বললে উচ্চারণ সহজ হয়। লেখা, শোনা বা পড়ার সুবিধা সন্ধির মূল উদ্দেশ্য নয়।
মনে রাখুন:
সন্ধি তিন প্রকার, স্বরসন্ধি, ব্যঞ্জনসন্ধি ও বিসর্গ সন্ধি।
স্বরধ্বনির সঙ্গে স্বরধ্বনির মিলনে স্বরসন্ধি হয়।
সন্ধি বিচ্ছেদ মানে মিলিত শব্দকে ভেঙে আলাদা করা। - ৫৬. ‘ইতিহাস বিষয়ে অভিজ্ঞ যিনি‘-
- ক. ইতিহাসবেত্তা
- খ. ঐতিহাসিক
- গ. ইতিহাসবিজ্ঞ
- ঘ. ইতিহাসবিদ
উত্তর: ক. ইতিহাসবেত্তা
‘ইতিহাস বিষয়ে অভিজ্ঞ যিনি’ এই বাক্যাংশের এক কথায় প্রকাশ হলো ইতিহাসবেত্তা। ‘বেত্তা’ মানে যিনি জানেন, তাই ইতিহাসের গভীর জ্ঞান আছে এমন ব্যক্তিকে ইতিহাসবেত্তা বলা হয়। ‘ঐতিহাসিক’ শব্দটি সাধারণত যিনি ইতিহাস রচনা করেন তাঁর জন্য ব্যবহার হয়। আবার বিশেষণ হিসেবে এটি ইতিহাসে স্থান পাওয়ার মতো কিছু বোঝায়, যেমন ঐতিহাসিক ঘটনা। তাই অপশনে ঐতিহাসিক থাকলেও ‘অভিজ্ঞ’ ভাবটির জন্য ইতিহাসবেত্তাই ঠিক।
মনে রাখুন:
ইতিহাস জানেন যিনি = ইতিহাসবেত্তা।
বিজ্ঞান জানেন যিনি = বিজ্ঞানী।
শাস্ত্র জানেন যিনি = শাস্ত্রজ্ঞ।
আইন জানেন যিনি = আইনজ্ঞ।
সব জানেন যিনি = সর্বজ্ঞ। - ৫৭. বিরাম চিহ্ন কেন ব্যবহৃত হয়?
- ক. বাক্য সংকোচনের জন্য
- খ. বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করার জন্য
- গ. বাক্যের সৌন্দর্যের জন্য
- ঘ. বাক্য অলংকৃত করার জন্য
উত্তর: খ. বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করার জন্য
কথা বলার সময় আমরা ভাব বোঝাতে কোথাও একটু থামি, কোথাও বেশি থামি, আবার কোথাও প্রশ্ন বা বিস্ময়ের সুর আনি। লেখায় এই থামা ও সুর বোঝাতে যেসব চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাদের বিরামচিহ্ন বা যতিচিহ্ন (Punctuation) বলে। এর মূল কাজ বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করা, কারণ ভুল জায়গায় চিহ্ন বসলে অর্থই বদলে যেতে পারে।
উদাহরণ:
তাকে থামতে বলো, যেতে দিয়ো না।
তাকে থামতে বলো না, যেতে দাও। - ৬০. ‘জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব।‘- কোন আন্দোলনের স্লোগান?
- ক. ভাষা আন্দোলন
- খ. শিক্ষা আন্দোলন
- গ. গণনাট্য আন্দোলন
- ঘ. বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন
উত্তর: ঘ. বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন
১৯২৬ সালে ঢাকার 'মুসলিম সাহিত্য সমাজ'-কে কেন্দ্র করে বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন শুরু হয়। এই আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল কুসংস্কার ও অন্ধ বিশ্বাস থেকে মুক্ত হয়ে যুক্তি ও জ্ঞানের চর্চা করা। সংগঠনটির মুখপত্র 'শিখা' পত্রিকার প্রতিটি সংখ্যায় 'জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব' কথাটি লেখা থাকত, তাই একে শিখা গোষ্ঠীও বলা হয়।
মনে রাখুন: এই আন্দোলনের প্রধান ব্যক্তিরা ছিলেন আবুল হুসেন, কাজী আবদুল ওদুদ, কাজী মোতাহার হোসেন ও আবুল ফজল।
ইংরেজি
- ৩০. Early rising is beneficial to health-এর সঠিক অনুবাদ কোনটি?
- ক. যারা সকালে ওঠে তাদের স্বাস্থ্য ভালো থাকে।
- খ. সকালে জাগলে চমৎকার স্বাস্থ্য হয়।
- গ. সকালে ওঠা স্বাস্থ্যবান ও প্রফুল্লতা দেয়।
- ঘ. সকালে ওঠা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।
উত্তর: ঘ. সকালে ওঠা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।
বাক্যটিতে early rising একটি gerund phrase, যার অর্থ সকালে ওঠা বা ভোরে ঘুম থেকে ওঠা। এটিই বাক্যের subject, আর is beneficial to health মানে স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। তাই বাক্যের গঠন ঠিক রেখে সবচেয়ে সঠিক অনুবাদ হলো 'সকালে ওঠা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো'। অন্য অনুবাদগুলোতে মূল বাক্যে না থাকা কথা যোগ হয়েছে বা subject বদলে গেছে।
মনে রাখুন: beneficial-এর পরে preposition to বসে, যেমন Exercise is beneficial to health। - ৩১. Ad-hoc এর অর্থ কী?
- ক. পূর্বনির্ধারিত
- খ. দীর্ঘমেয়াদি
- গ. সাময়িক
- ঘ. অনানুষ্ঠানিক
উত্তর: গ. সাময়িক
Ad hoc একটি ল্যাটিন কথা, যার আক্ষরিক অর্থ for this বা এই উদ্দেশ্যে। কোনো বিশেষ প্রয়োজনে সাময়িকভাবে কিছু করা হলে তাকে ad hoc বলা হয়, তাই এর সবচেয়ে কাছের বাংলা অর্থ সাময়িক বা অস্থায়ী। যেমন ad hoc committee মানে নির্দিষ্ট কাজের জন্য গঠিত অস্থায়ী কমিটি, যা কাজ শেষে ভেঙে যায়। আমাদের দেশে অস্থায়ী নিয়োগ বোঝাতেও 'অ্যাডহক ভিত্তিতে নিয়োগ' কথাটি প্রচলিত।
মনে রাখুন: ad hoc-এর বিপরীত ধারণা permanent বা standing, যেমন standing committee মানে স্থায়ী কমিটি। - ৭১. যারে দেখতে নারি তার চলন বাঁকা।
- ক. Faults are unfair where love is fair.
- খ. Faults are thick where love is thin.
- গ. Faults are counted where there is no love.
- ঘ. Faults are many where love is little.
উত্তর: খ. Faults are thick where love is thin.
'যারে দেখতে নারি তার চলন বাঁকা' প্রবাদটির অর্থ হলো, যাকে আমরা পছন্দ করি না, তার সব কাজেই দোষ খুঁজে পাই। ইংরেজিতে একই ভাব প্রকাশ করে Faults are thick where love is thin, অর্থাৎ যেখানে ভালোবাসা কম, সেখানে দোষ চোখে পড়ে বেশি। অন্য বিকল্পগুলো কাছাকাছি শোনালেও প্রচলিত প্রবাদ নয়।
মনে রাখুন: এর উল্টো ভাবের প্রবাদ Love is blind, অর্থাৎ ভালোবাসলে দোষ চোখে পড়ে না। - ৭২. তুমি কি জানো সে কোথায় থাকে?
- ক. Do you know where does he live?
- খ. Do you know where does he lives?
- গ. Do you know where he lives?
- ঘ. Do you know where he live?
উত্তর: গ. Do you know where he lives?
'তুমি কি জানো সে কোথায় থাকে?' বাক্যে একটি প্রশ্নের ভেতরে আরেকটি প্রশ্ন ঢুকে আছে, একে Embedded question বলে। এমন বাক্যের ভেতরের অংশে প্রশ্নের ক্রম না বসে সাধারণ বাক্যের ক্রম, অর্থাৎ subject + verb বসে, আর does আলাদা করে লাগে না। he তৃতীয় পুরুষ একবচন, তাই verb হয় lives এবং বাক্যটি দাঁড়ায় Do you know where he lives?
মনে রাখুন: Can you tell me what time it is? বাক্যেও একই নিয়ম, এখানে what time is it লেখা ভুল। - ৭৩. আজ বৃষ্টি হতে পারে।
- ক. Today will rain.
- খ. It should be raining today.
- গ. It may rain today.
- ঘ. Today is raining.
উত্তর: গ. It may rain today.
কোনো কিছু ঘটার সম্ভাবনা বোঝাতে ইংরেজিতে modal verb may ব্যবহার হয়। আবহাওয়া, সময় বা দূরত্বের কথা বলার সময় বাক্যে আলাদা কোনো কর্তা থাকে না, তাই সেখানে it কর্তা হিসেবে বসে, একে Introductory it বলে। তাই 'আজ বৃষ্টি হতে পারে'-এর শুদ্ধ অনুবাদ It may rain today। Today will rain লেখা ভুল, কারণ আজ নিজে বৃষ্টি ঝরায় না।
মনে রাখুন: It is raining (বৃষ্টি হচ্ছে), It is cold (ঠান্ডা পড়েছে), It is 5 o'clock (৫টা বাজে)। - ৭৪. What is the antonym of ‘transparent’?
- ক. Transform
- খ. Lubricant
- গ. Pure
- ঘ. Hazy
উত্তর: ঘ. Hazy
Transparent মানে স্বচ্ছ, অর্থাৎ যার মধ্য দিয়ে পরিষ্কার দেখা যায়, যেমন কাচ বা বিশুদ্ধ পানি। Hazy মানে ঝাপসা বা অস্পষ্ট, যার মধ্য দিয়ে পরিষ্কার দেখা যায় না, তাই প্রদত্ত শব্দগুলোর মধ্যে এটিই transparent-এর বিপরীত। Transform মানে রূপান্তর করা, lubricant মানে পিচ্ছিলকারক পদার্থ, আর pure মানে বিশুদ্ধ।
মনে রাখুন: transparent-এর সবচেয়ে প্রচলিত বিপরীত শব্দ opaque (অস্বচ্ছ)। আর translucent মানে আধা-স্বচ্ছ, যেমন ঘষা কাচ। - ৭৫. The synonym of ‘Prestige’ is-
- ক. status
- খ. state
- গ. prestigious
- ঘ. static
উত্তর: ক. status
Prestige মানে সমাজে কোনো মানুষ বা প্রতিষ্ঠানের সম্মান, মর্যাদা ও প্রভাব। Status শব্দটিও সামাজিক মর্যাদা বা পদমর্যাদা বোঝায়, তাই এটিই prestige-এর সমার্থক। State মানে অবস্থা বা রাষ্ট্র, static মানে স্থির, আর prestigious হলো prestige-এর adjective রূপ, সমার্থক শব্দ নয়।
মনে রাখুন: prestige-এর আরও সমার্থক: reputation, honour, esteem। - ৭৭. What is the antonym of ‘antagonistic’?
- ক. Unfriendly
- খ. Friendly
- গ. Hostile
- ঘ. Trivial
উত্তর: খ. Friendly
Antagonistic মানে বিরোধী বা শত্রুভাবাপন্ন, অর্থাৎ যে আচরণে বৈরিতা প্রকাশ পায়। এর বিপরীত অর্থ বন্ধুসুলভ বা friendly। Unfriendly আর hostile দুটিই antagonistic-এর সমার্থক, আর trivial মানে তুচ্ছ।
মনে রাখুন:
antagonist মানে প্রতিপক্ষ বা খলনায়ক, আর protagonist মানে প্রধান চরিত্র বা নায়ক।
antagonistic-এর আরেকটি বিপরীত শব্দ amicable (সৌহার্দ্যপূর্ণ)। - ৭৮. What is the adjective of ‘Laud’?
- ক. Laudable
- খ. Laudful
- গ. Laudy
- ঘ. Lauded
উত্তর: ক. Laudable
Laud একটি verb, যার অর্থ প্রশংসা করা। এর সঙ্গে -able suffix যোগ করলে adjective হয় laudable, অর্থাৎ প্রশংসনীয় বা প্রশংসার যোগ্য। Lauded হলো laud-এর past form, আর laudful বা laudy বলে কোনো শব্দ নেই।
উদাহরণ: His effort to help the poor is laudable.
মনে রাখুন: laud-এর noun রূপ laudation, আর এর সমার্থক praise ও extol। - ৭৯. What is the verb form of ‘Popularity’?
- ক. Popular
- খ. Popularly
- গ. Population
- ঘ. Popularize
উত্তর: ঘ. Popularize
Popularity একটি noun, যার অর্থ জনপ্রিয়তা, আর এর মূল adjective হলো popular। অনেক adjective-এর সঙ্গে -ize যোগ করে verb তৈরি হয়, তাই popular থেকে verb হয় popularize, যার অর্থ জনপ্রিয় করা। Popularly হলো adverb, আর population একটি আলাদা noun, যার অর্থ জনসংখ্যা।
মনে রাখুন: একইভাবে modern → modernize, real → realize, legal → legalize। - ৮০. Noun form of ‘blind’ is
- ক. blind
- খ. blindly
- গ. blindness
- ঘ. blindy
উত্তর: গ. blindness
Blind একটি adjective, যার অর্থ অন্ধ। adjective-এর সঙ্গে -ness যোগ করলে অনেক সময় abstract noun তৈরি হয়, তাই blind থেকে noun হয় blindness, অর্থাৎ অন্ধত্ব। Blindly হলো adverb, আর blindy বলে কোনো শব্দ নেই।
মনে রাখুন: একইভাবে kind → kindness, dark → darkness, happy → happiness। blind শব্দটি নিজেও verb হিসেবে বসতে পারে, যেমন The light blinded him। - ৮২. I will not go out if it –
- ক. rain
- খ. rains
- গ. is raining
- ঘ. would be raining
উত্তর: খ. rains
এটি First Conditional বাক্য, যেখানে ভবিষ্যতে একটি শর্ত পূরণ হলে কী ঘটবে তা বলা হয়। এ ধরনের বাক্যে principal clause-এ will + verb থাকলে if clause-এ Present Indefinite Tense বসে। কর্তা it তৃতীয় পুরুষ একবচন, তাই verb-এর সঙ্গে s যোগ হয়ে বাক্যটি দাঁড়ায় I will not go out if it rains।
মনে রাখুন:
Second Conditional: If it rained, I would not go out.
Third Conditional: If it had rained, I would not have gone out. - ৮৩. One of the boys _ absent yesterday
- ক. was
- খ. is
- গ. were
- ঘ. are
উত্তর: ক. was
'One of the boys' কথাটিতে আসল subject হলো one, আর of the boys অংশটি শুধু বোঝাচ্ছে কাদের মধ্য থেকে একজন। তাই verb একবচন হবে। বাক্যে yesterday থাকায় অতীত কাল বোঝায়, ফলে বাক্যটি দাঁড়ায় One of the boys was absent yesterday।
মনে রাখুন: one of-এর পরে noun সবসময় plural হয়, কিন্তু verb হয় singular, যেমন One of my friends is a doctor। - ৮৪. She talked as though she _ the CEO of the company.
- ক. was
- খ. were
- গ. had
- ঘ. had been
উত্তর: খ. were
as though বা as if দিয়ে এমন কিছু বলা হয়, যা বাস্তবে সত্য নয়, শুধু মনে হওয়ার ভাব। এমন কাল্পনিক অবস্থা বোঝাতে past subjunctive ব্যবহার হয়, যেখানে সব কর্তার সঙ্গেই be verb-এর রূপ were বসে। এখানে মেয়েটি আসলে কোম্পানির প্রধান নির্বাহী নয়, সে শুধু এমন ভাবে কথা বলছিল, তাই She talked as though she were the CEO of the company।
মনে রাখুন: কাল্পনিক অবস্থা আরও আগের সময়ের হলে had been বসে, যেমন He looked as if he had been ill for months। - ৮৫. You had better (to go) there.
- ক. You had better gone there.
- খ. You had better went there.
- গ. You had better go there.
- ঘ. You had better will go there.
উত্তর: গ. You had better go there.
Had better কথাটি দিয়ে কাউকে পরামর্শ দেওয়া হয়, অর্থাৎ বরং কিছু করা ভালো। এর পরে verb-এর মূল রূপ বা bare infinitive বসে, to বসে না এবং verb-এর অতীত রূপও বসে না। তাই বাক্যটি হবে You had better go there।
মনে রাখুন:
negative করতে not বসে better-এর পরে: You had better not go there.
একই নিয়ম would rather-এর ক্ষেত্রেও: I would rather stay home. - ৮৬. Everybody accepts this. (Interrogative)
- ক. Nobody rejects this?
- খ. Does everybody accept this?
- গ. Who does not accept this?
- ঘ. Who accepts this?
উত্তর: গ. Who does not accept this?
Affirmative বাক্যকে Interrogative করার সময় অর্থ অপরিবর্তিত রাখতে হয়। Everybody দিয়ে শুরু হওয়া বাক্যকে প্রশ্নবোধক করলে Who … not ব্যবহার হয়, কারণ 'কে এটা মানে না?' প্রশ্নটির ভেতরেই উত্তর লুকিয়ে আছে যে সবাই মানে। তাই Everybody accepts this-এর প্রশ্নবোধক রূপ Who does not accept this?
মনে রাখুন: উল্টোভাবে Nobody দিয়ে শুরু হলে প্রশ্নে Who বসে, যেমন Nobody trusts a liar → Who trusts a liar? - ৮৭. We will explain why we want to do it. (Passive)
- ক. The reason want to do that will be explained by us.
- খ. All the reasons we explain be explained by us.
- গ. Why we want to be do would be explained by us.
- ঘ. Why we want to do it will be explained by us.
উত্তর: ঘ. Why we want to do it will be explained by us.
বাক্যটির object কোনো একটি শব্দ নয়, বরং পুরো noun clause 'why we want to do it'। Passive করার সময় এই clause-টিই subject হয়ে সামনে চলে আসে। মূল verb explain-এর আগে will আছে, তাই passive-এ বসে will be explained, আর শেষে by us যোগ হয়। ফলে বাক্যটি দাঁড়ায় Why we want to do it will be explained by us।
মনে রাখুন: Future Indefinite Tense-এর passive কাঠামো হলো subject + will be + past participle + by + object। - ৮৮. What is the meaning of the phrase a man of letters?
- ক. A dull-headed person
- খ. A scholar
- গ. A big gun
- ঘ. A wealthy person
উত্তর: খ. A scholar
A man of letters কথাটির অর্থ সাহিত্য ও জ্ঞানচর্চায় পারদর্শী মানুষ, অর্থাৎ পণ্ডিত বা বিদ্বান। এখানে letters শব্দটি চিঠি অর্থে নয়, সাহিত্য বা বিদ্যা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। তাই এর সবচেয়ে কাছের অর্থ a scholar।
মনে রাখুন:
A big gun মানে প্রভাবশালী ব্যক্তি।
A man of straw মানে দুর্বল চিত্তের মানুষ।
A man of word মানে কথা রাখেন এমন মানুষ। - ৮৯. It is high time you __ a business.
- ক. starts
- খ. start
- গ. started
- ঘ. can start
উত্তর: গ. started
It is high time বা It is time কথাটির পরে subject বসলে verb-এর past form ব্যবহার হয়। এতে বোঝায় যে কাজটি আরও আগেই করা উচিত ছিল, এখন আর দেরি করা ঠিক নয়। তাই বাক্যটি হবে It is high time you started a business। এখানে past form হলেও অর্থটি বর্তমান বা ভবিষ্যতের দিকেই ইঙ্গিত করে।
মনে রাখুন: It is high time-এর পরে subject না বসলে to + verb বসে, যেমন It is high time to start a business। - ৯০. Navid told Sumon that he (go) to Khulna the next day.
- ক. went
- খ. had gone
- গ. will go
- ঘ. would go
উত্তর: ঘ. would go
বাক্যটি Indirect Speech-এ লেখা, আর এর reporting verb told অতীত কালে আছে। Direct Speech-এ নাভিদ নিশ্চয়ই বলেছিল 'I will go to Khulna tomorrow'। Reporting verb past হলে reported speech-এর will বদলে would হয় এবং tomorrow বদলে the next day হয়, তাই বাক্যটি দাঁড়ায় Navid told Sumon that he would go to Khulna the next day।
মনে রাখুন: একইভাবে today → that day, yesterday → the previous day, now → then হয়ে যায়। - ৯১. He is a liar, _?
- ক. does he
- খ. isn’t he
- গ. is he
- ঘ. aren’t he
উত্তর: খ. isn’t he
Tag question তৈরির নিয়ম হলো, মূল বাক্য affirmative হলে শেষে negative tag বসে, আর negative হলে affirmative tag বসে। মূল বাক্যে auxiliary verb is আছে এবং কর্তা he, তাই tag হবে isn't he। ফলে বাক্যটি দাঁড়ায় He is a liar, isn't he?
মনে রাখুন:
I am right, aren't I?
Let's go, shall we?
Everybody came, didn't they? - ৯২. ‘Bolt from the blue’ means –
- ক. a danger with waring
- খ. a danger without warning
- গ. hard danger
- ঘ. powerful danger
উত্তর: খ. a danger without warning
Bolt from the blue একটি idiom, যার আক্ষরিক মানে পরিষ্কার নীল আকাশ থেকে হঠাৎ বজ্রপাত। এর অর্থ কোনো পূর্বাভাস বা সতর্কতা ছাড়াই হঠাৎ আসা বিপদ বা চমক, অর্থাৎ a danger without warning। বাংলায় এর কাছাকাছি কথা ‘বিনা মেঘে বজ্রপাত’।
উদাহরণ: The news of his sudden death came as a bolt from the blue.
মনে রাখুন: Out of the blue মানেও হঠাৎ, অপ্রত্যাশিতভাবে। - ৯৩. Adjective form of ‘ambition’ is-
- ক. ambitive
- খ. ambitionally
- গ. ambigious
- ঘ. ambitious
উত্তর: ঘ. ambitious
Ambition একটি Noun, এর অর্থ উচ্চাকাঙ্ক্ষা। শব্দের শেষে -ion বদলে -ious যোগ করে এর Adjective রূপ হয় ambitious, অর্থাৎ উচ্চাকাঙ্ক্ষী। Ambiguous (দ্ব্যর্থক) শব্দটি দেখতে কাছাকাছি হলেও সম্পূর্ণ আলাদা অর্থের।
উদাহরণ: He is an ambitious young man.
মনে রাখুন: একই ধরনের রূপান্তর: caution থেকে cautious, religion থেকে religious, suspicion থেকে suspicious।
বাংলাদেশ
- ৪৮. বাঙালির দৈহিক গড়নে সবচেয়ে বেশি মিল রয়েছে কোন জাতিগোষ্ঠীর সাথে?
- ক. মোঙ্গলয়েড
- খ. অস্ট্রালয়েড
- গ. ককেশয়েড
- ঘ. নিগ্রয়েড
উত্তর: খ. অস্ট্রালয়েড
বাঙালি জাতি নানা জনগোষ্ঠীর মিশ্রণে গড়ে উঠেছে, তবে এর মূল ভিত্তি তৈরি করেছিল প্রাচীন অস্ট্রিক বা প্রাক-দ্রাবিড় জনগোষ্ঠী। নৃবিজ্ঞানীদের মতে, এই জনগোষ্ঠী অস্ট্রালয়েড (Australoid) ধারার মানুষ, তাই দৈহিক গড়নে বাঙালির সঙ্গে অস্ট্রালয়েডদেরই সবচেয়ে বেশি মিল দেখা যায়। মাঝারি উচ্চতা, শ্যামলা গায়ের রং ও চওড়া নাক এর কিছু চিহ্ন।
মনে রাখুন: বাংলাদেশের চাকমা, মারমা, গারো প্রভৃতি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অনেকেই মঙ্গোলয়েড ধারার। - ৪৯. প্রাচীন বাংলার প্রথম স্বাধীন শাসকের নাম কী?
- ক. কনিষ্ক
- খ. শশাঙ্ক
- গ. ধর্মপাল
- ঘ. গোপাল
উত্তর: খ. শশাঙ্ক
সপ্তম শতকের শুরুতে গৌড়ের রাজা শশাঙ্ক বাংলার প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম শাসক হিসেবে পরিচিত। তিনি গুপ্ত সাম্রাজ্যের দুর্বলতার সুযোগে স্বাধীন গৌড় রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন, আর তাঁর রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ, যা বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায়। শশাঙ্কের মৃত্যুর পর বাংলায় প্রায় ১০০ বছর অরাজকতা চলে, যাকে মাৎস্যন্যায় বলা হয়।
মনে রাখুন: মাৎস্যন্যায়ের অবসান ঘটিয়ে গোপাল পাল বংশ প্রতিষ্ঠা করেন, আর ধর্মপাল ছিলেন এই বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা। - ৫১. ভাষা শহিদদের স্মরণে ‘জননী ও গর্বিত বর্ণমালা‘ ভাস্কর্যটির ভাস্কর কে?
- ক. মৃণাল হক
- খ. শামীম শিকদার
- গ. হামিদুজ্জামান খান
- ঘ. নভেরা আহমেদ
উত্তর: ক. মৃণাল হক
ভাষা শহিদদের স্মরণে নির্মিত 'জননী ও গর্বিত বর্ণমালা' ভাস্কর্যটির শিল্পী মৃণাল হক। ভাস্কর্যটিতে দেখা যায় এক মা তাঁর শহিদ সন্তানের নিথর দেহ কোলে নিয়ে বসে আছেন, আর পেছনে বাংলা বর্ণমালা গর্বের সঙ্গে দাঁড়িয়ে আছে। এর মাধ্যমে ভাষার জন্য জীবন দেওয়ার গৌরব ও বেদনা একসঙ্গে ফুটে উঠেছে।
মনে রাখুন: কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের নকশা করেন হামিদুর রাহমান, আর নভেরা আহমেদ তাঁর সহযোগী ছিলেন। - ৫২. বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী অনুষ্ঠান কত তারিখে শুরু হয়?
- ক. ১৭ মার্চ, ২০২০
- খ. ১৭ মার্চ, ২০১৯
- গ. ১৭ মার্চ, ২০২১
- ঘ. ১৭ মার্চ, ২০২২
উত্তর: ক. ১৭ মার্চ, ২০২০
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্মগ্রহণ করেন ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ, গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায়। তাঁর জন্মের ১০০ বছর পূর্তিতে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপন শুরু হয়, আর ২০২০-২১ সালকে মুজিববর্ষ ঘোষণা করা হয়। করোনা মহামারির কারণে মুজিববর্ষের মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়।
মনে রাখুন: বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ১৭ মার্চ জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে পালিত হয়। - ৫৮. বাঙালির দৈহিক গড়নে সবচেয়ে বেশি মিল রয়েছে কোন জাতিগোষ্ঠীর সাথে?
- ক. মোঙ্গলয়েড
- খ. অস্ট্রালয়েড
- গ. ককেশয়েড
- ঘ. নিগ্রয়েড
উত্তর: খ. অস্ট্রালয়েড
নৃবিজ্ঞানীদের মতে বাঙালি একটি সংকর জাতি, এতে নানা জনগোষ্ঠীর রক্ত মিশেছে। তবে বাঙালির মূল ভিত্তি গড়ে উঠেছে অস্ট্রিক বা অস্ট্রালয়েড (Austro-Asiatic) জনগোষ্ঠী থেকে, যাদের ভেড্ডিড বা নিষাদ জাতিও বলা হয়। তাই বাঙালির দৈহিক গড়নে এদের সঙ্গেই সবচেয়ে বেশি মিল দেখা যায়।
মনে রাখুন: বাংলার কৃষিভিত্তিক সভ্যতা ও ধান চাষের প্রচলন অস্ট্রিক জনগোষ্ঠীর অবদান বলে মনে করা হয়। সাঁওতাল, মুন্ডা ও কোল জনগোষ্ঠী এদের উত্তরসূরি। - ৬২. ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
- ক. নুরুল আমিন
- খ. লিয়াকত আলী খান
- গ. মোহাম্মদ আলী
- ঘ. খাজা নাজিমুদ্দীন
উত্তর: ঘ. খাজা নাজিমুদ্দীন
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমুদ্দীন। ১৯৫২ সালের ২৭ জানুয়ারি ঢাকার পল্টন ময়দানে তিনি ‘উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা’ ঘোষণা দিলে আন্দোলন নতুন করে জোরালো হয়। তখন পূর্ববাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নুরুল আমিন, যাঁর সরকারের নির্দেশে ২১ ফেব্রুয়ারি গুলি চলে।
মনে রাখুন:
১৯৪৮ সালে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকায় এসে উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা ঘোষণা করেছিলেন।
পাকিস্তানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান। - ৬৩. বাংলাদেশের সংবিধানে কয়টি তফসিল রয়েছে?
- ক. ৪টি
- খ. ৫টি
- গ. ৬টি
- ঘ. ৭টি
উত্তর: ঘ. ৭টি
বাংলাদেশের সংবিধানে ১১টি ভাগ, ১৫৩টি অনুচ্ছেদ এবং ৭টি তফসিল আছে। মূল সংবিধানে তফসিল ছিল ৪টি, পরে ২০১১ সালের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে আরও কয়েকটি যুক্ত হয়ে এখনকার সংখ্যা ৭টিতে দাঁড়ায়।
মনে রাখুন:
পঞ্চম তফসিল: বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ।
ষষ্ঠ তফসিল: ২৬ মার্চ ১৯৭১-এর স্বাধীনতার ঘোষণা।
সপ্তম তফসিল: ১০ এপ্রিল ১৯৭১-এর স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র। - ৬৯. একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ রানের ইনিংসটি কার?
- ক. সাকিব আল হাসান
- খ. তামিম ইকবাল
- গ. মোহাম্মদ আশরাফুল
- ঘ. লিটন দাস
উত্তর: ঘ. লিটন দাস
২০২০ সালের মার্চে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে লিটন দাস ১৭৬ রানের ইনিংস খেলেন। এটিই একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের কোনো ব্যাটসম্যানের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস। এর মাত্র তিন দিন আগে একই সিরিজে তামিম ইকবাল ১৫৮ রান করে যে রেকর্ড গড়েছিলেন, লিটন সেটি ভেঙে দেন।
মনে রাখুন: একদিনের ক্রিকেটে বিশ্বের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস ভারতের রোহিত শর্মার ২৬৪ রান।
ব্যাংকিং ও অর্থনীতি
- ৫০. বাংলাদেশে VAT চালু হয় কত সালে?
- ক. ১ জুলাই, ১৯৮৯
- খ. ১ জুলাই, ১৯৯০
- গ. ১ জুলাই, ১৯৯১
- ঘ. ১ জুলাই, ১৯৯২
উত্তর: গ. ১ জুলাই, ১৯৯১
বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর বা মূসক (Value Added Tax, VAT) চালু হয় ১৯৯১ সালের ১ জুলাই। পণ্য উৎপাদন ও সেবার প্রতিটি ধাপে যে মূল্য যোগ হয়, তার ওপর এই কর আদায় করা হয়, আর শেষ পর্যন্ত এর বোঝা বহন করেন ভোক্তা। বর্তমানে ভ্যাট জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (NBR) আদায় করা রাজস্বের সবচেয়ে বড় উৎস।
মনে রাখুন: ভ্যাটের সাধারণ হার ১৫%, আর এটি একটি পরোক্ষ কর। ২০১২ সালে নতুন ভ্যাট আইন পাস হয়, যা কার্যকর হয় ২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে। - ৫৩. বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্সের অর্থ প্রেরণ করেন কোন দেশের প্রবাসীরা?
- ক. যুক্তরাষ্ট্র
- খ. যুক্তরাজ্য
- গ. সৌদি আরব
- ঘ. আরব আমিরাত
উত্তর: গ. সৌদি আরব
রেমিট্যান্স (Remittance) হলো প্রবাসীদের দেশে পাঠানো অর্থ। পরীক্ষার সময় বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসত সৌদি আরব থেকে, কারণ সেখানে সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি শ্রমিক কাজ করেন। পরে কোনো কোনো অর্থবছরে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা রেমিট্যান্স শীর্ষে উঠে এসেছে, তাই এ ধরনের প্রশ্নে সালের দিকে খেয়াল রাখা দরকার।
মনে রাখুন: রেমিট্যান্স বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের দ্বিতীয় বড় উৎস, প্রথম উৎস তৈরি পোশাক রপ্তানি।
বিজ্ঞান
- ৫৪. প্রাণঘাতী নভেল করোনা ভাইরাস সর্বপ্রথম কোথায় শনাক্ত করা হয়েছিল?
- ক. চীনের উহানে
- খ. চীনের সাংহাইতে
- গ. চীনের বেইজিংয়ে
- ঘ. ইতালির লোম্বার্ডিতে
উত্তর: ক. চীনের উহানে
২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে প্রথম নভেল করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। ভাইরাসটির বৈজ্ঞানিক নাম SARS-CoV-2, আর এর কারণে যে রোগ হয় তার নাম কোভিড-১৯ (COVID-19)। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০২০ সালের ১১ মার্চ একে বৈশ্বিক মহামারি (Pandemic) ঘোষণা করে।
মনে রাখুন: বাংলাদেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় ২০২০ সালের ৮ মার্চ। COVID-19 কথাটির পূর্ণরূপ Coronavirus Disease 2019। - ৬৪. পরিবেশ ও জীবদেহের সম্পর্ক বিষয়ক বিদ্যাকে কী বলে?
- ক. বায়োলজি
- খ. সোসিওলজি
- গ. এনভায়রনমেন্ট
- ঘ. ইকোলজি
উত্তর: ঘ. ইকোলজি
জীব এবং তার চারপাশের পরিবেশের মধ্যে যে পারস্পরিক সম্পর্ক, তা নিয়ে আলোচনা করে বাস্তুবিদ্যা বা ইকোলজি (Ecology)। শব্দটি এসেছে গ্রিক oikos (বাসস্থান) এবং logos (জ্ঞান) থেকে, আর ১৮৬৬ সালে জার্মান বিজ্ঞানী আর্নস্ট হেকেল প্রথম এই শব্দটি ব্যবহার করেন। বায়োলজি হলো সামগ্রিকভাবে জীববিজ্ঞান, আর সোসিওলজি সমাজবিজ্ঞান।
মনে রাখুন: কোনো নির্দিষ্ট এলাকার জীব ও জড় উপাদান মিলে যে ব্যবস্থা গড়ে ওঠে, তাকে বাস্তুতন্ত্র (Ecosystem) বলে। - ৭৬. আলুর একটি জাতের নাম –
- ক. রূপালী
- খ. ডায়মন্ড
- গ. ড্রামহেড
- ঘ. ব্রিশাইল
উত্তর: খ. ডায়মন্ড
ডায়মন্ড বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি চাষ হওয়া উচ্চফলনশীল আলুর জাতগুলোর একটি। এর আলু বড়, গোলাকার ও হালকা হলুদ রঙের হয়, আর ফলনও ভালো। অন্য নামগুলো ভিন্ন ফসলের জাত: ড্রামহেড বাঁধাকপির জাত, আর রূপালী ও ব্রিশাইল ধানের জাত।
মনে রাখুন:
আলুর আরও কয়েকটি জাত: কার্ডিনাল, গ্রানোলা, এস্টেরিক্স।
বাংলাদেশে আলু গবেষণা করে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (BARI) কন্দাল ফসল গবেষণা কেন্দ্র।
আন্তর্জাতিক
- ৫৫. NATO কবে গঠিত হয়েছিল?
- ক. ১৯৪৭ সালে
- খ. ১৯৪৮ সালে
- গ. ১৯৪৯ সালে
- ঘ. ১৯৫০ সালে
উত্তর: গ. ১৯৪৯ সালে
উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা (North Atlantic Treaty Organization, NATO) গঠিত হয় ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে। স্নায়ুযুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলো এই সামরিক জোট গড়ে তোলে। এর মূল নীতি হলো একটি সদস্যের ওপর হামলা মানে সব সদস্যের ওপর হামলা।
মনে রাখুন: ন্যাটোর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে। প্রতিষ্ঠার সময় সদস্য ছিল ১২টি দেশ, সর্বশেষ যোগ দিয়েছে ফিনল্যান্ড (২০২৩) ও সুইডেন (২০২৪)। - ৬১. SDG এর পূর্ণরূপ কী?
- ক. Successful Development Goals
- খ. Successive Development Goals
- গ. Sustainable Development Goals
- ঘ. Substantial Development Goals
উত্তর: গ. Sustainable Development Goals
SDG-এর পূর্ণরূপ Sustainable Development Goals, বাংলায় টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা। ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে এটি গৃহীত হয়, আর এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত। এতে মোট ১৭টি লক্ষ্য এবং ১৬৯টি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা আছে।
মনে রাখুন: SDG-এর আগে ছিল সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (Millennium Development Goals, MDG), যার মেয়াদ ছিল ২০০০ থেকে ২০১৫ সাল এবং লক্ষ্য ছিল ৮টি। - ৬৫. ব্রেক্সিট কার্যকর হয় কত তারিখে?
- ক. ১ ডিসেম্বর, ২০১৯
- খ. ১ জানুয়ারি, ২০২০
- গ. ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
- ঘ. ১ মার্চ, ২০২০
উত্তর: গ. ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
ব্রেক্সিট (Brexit) কথাটি এসেছে Britain ও exit মিলিয়ে, অর্থাৎ ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে যুক্তরাজ্যের বেরিয়ে যাওয়া। ২০১৬ সালের গণভোটে বেশির ভাগ ভোটার ইইউ ছাড়ার পক্ষে রায় দেন। দীর্ঘ আলোচনার পর ২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি গ্রিনিচ সময় রাত ১১টায়, অর্থাৎ ব্রাসেলসের সময়ে ১ ফেব্রুয়ারির শুরুতে, ব্রেক্সিট কার্যকর হয়। এরপর ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত একটি রূপান্তরকাল চলে।
মনে রাখুন: ব্রেক্সিটের সময় যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন বরিস জনসন। এর ফলে ইইউর সদস্য দাঁড়ায় ২৭টি। - ৬৭. ২০২১ সালে অস্কার পুরস্কারপ্রাপ্ত শ্রেষ্ঠ চলচিত্র হলো-
- ক. প্যারাসাইট
- খ. নোম্যাডল্যান্ড
- গ. সিনারি
- ঘ. ম্যারেজ স্টোরি
উত্তর: খ. নোম্যাডল্যান্ড
২০২১ সালের এপ্রিলে অনুষ্ঠিত ৯৩তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ড বা অস্কারে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রের পুরস্কার পায় 'নোম্যাডল্যান্ড' (Nomadland)। ছবিটির পরিচালক ক্লোয়ি ঝাও শ্রেষ্ঠ পরিচালকের পুরস্কারও জেতেন, আর তিনি এই পুরস্কার পাওয়া প্রথম এশীয় নারী। ছবির প্রধান অভিনেত্রী ফ্রান্সেস ম্যাকডরম্যান্ড পান শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার।
মনে রাখুন: এর আগের বছর, ২০২০ সালে, শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রের অস্কার পেয়েছিল দক্ষিণ কোরিয়ার 'প্যারাসাইট', যা এই পুরস্কার পাওয়া প্রথম অ-ইংরেজি ভাষার ছবি। - ৭০. জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয় কোথায়?
- ক. যুক্তরাজ্যে
- খ. চীনে
- গ. যুক্তরাষ্ট্রে
- ঘ. জাপানে
উত্তর: ঘ. জাপানে
জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয় (United Nations University, UNU) জাপানের রাজধানী টোকিওতে অবস্থিত। ১৯৭৩ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্তে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৭৫ সাল থেকে কাজ শুরু করে। সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো এখানে স্নাতক পর্যায়ে ভর্তি হয় না, এটি মূলত বিশ্বজুড়ে গবেষণা ও নীতিনির্ধারণী শিক্ষার একটি নেটওয়ার্ক।
মনে রাখুন: জাতিসংঘ শান্তি বিশ্ববিদ্যালয় অবস্থিত কোস্টারিকায়।
শিক্ষাবিজ্ঞান
- ৫৯. বাংলাদেশের শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হয় কত সালে?
- ক. ২০১০ সালে
- খ. ২০১৩ সালে
- গ. ২০১৫ সালে
- ঘ. ২০১৭ সালে
উত্তর: ক. ২০১০ সালে
অধ্যাপক কবীর চৌধুরীর নেতৃত্বে গঠিত জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়ন কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে 'জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০' প্রণীত হয় এবং ২০১০ সালে জাতীয় সংসদে তা গৃহীত হয়। এই নীতিতে প্রাথমিক শিক্ষার মেয়াদ পঞ্চম থেকে বাড়িয়ে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত করার প্রস্তাব করা হয়। স্বাধীন বাংলাদেশে এর আগে অনেক শিক্ষা কমিশন গঠিত হলেও সংসদে গৃহীত পূর্ণাঙ্গ শিক্ষানীতি এটিই প্রথম।
মনে রাখুন: স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন ড. কুদরাত-এ-খুদা শিক্ষা কমিশন, যা ১৯৭২ সালে গঠিত হয়।
সাধারণ জ্ঞান
- ৬৬. পৃথিবীর দীর্ঘতম পর্বতমালা কোনটি?
- ক. হিমালয় পর্বতমালা
- খ. আল্পস পর্বতমালা
- গ. আন্দিজ পর্বতমালা
- ঘ. আলাস্কা পর্বতমালা
উত্তর: গ. আন্দিজ পর্বতমালা
দক্ষিণ আমেরিকার পশ্চিম উপকূল ধরে উত্তর থেকে দক্ষিণে প্রায় ৭,০০০ কিলোমিটার বিস্তৃত আন্দিজ (Andes) পৃথিবীর দীর্ঘতম পর্বতমালা। এটি ভেনেজুয়েলা থেকে চিলি পর্যন্ত ৭টি দেশের ওপর দিয়ে গেছে, আর এর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ আর্জেন্টিনার অ্যাকোনকাগুয়া। অন্যদিকে হিমালয় দৈর্ঘ্যে নয়, উচ্চতায় পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতমালা।
মনে রাখুন: সমুদ্রের নিচের পর্বতমালা ধরলে দীর্ঘতম হলো মধ্য-আটলান্টিক শৈলশিরা (Mid-Atlantic Ridge)। - ৬৮. কোন দেশ আফ্রিকা মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত নয়?
- ক. মরক্কো
- খ. লিবিয়া
- গ. তিউনিসিয়া
- ঘ. ইয়েমেন
উত্তর: ঘ. ইয়েমেন
মরক্কো, লিবিয়া ও তিউনিসিয়া, এই ৩টি দেশই উত্তর আফ্রিকায় ভূমধ্যসাগরের তীরে অবস্থিত। অন্যদিকে ইয়েমেন আরব উপদ্বীপের দক্ষিণ প্রান্তে, তাই এটি এশিয়া মহাদেশের দেশ। আফ্রিকা আর ইয়েমেনকে আলাদা করেছে লোহিত সাগর এবং বাব-এল-মান্দেব প্রণালী।
মনে রাখুন: ইয়েমেনের রাজধানী সানা। আফ্রিকার উত্তর-পূর্ব কোণের দেশ মিশরের সিনাই উপদ্বীপ অবশ্য এশিয়ায় পড়ে। - ৮১. কোন দেশ আফ্রিকা মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত নয়?
- ক. মরক্কো
- খ. লিবিয়া
- গ. তিউনিসিয়া
- ঘ. ইয়েমেন
উত্তর: ঘ. ইয়েমেন
মরক্কো, লিবিয়া ও তিউনিসিয়া তিনটিই উত্তর আফ্রিকার দেশ, যেগুলো ভূমধ্যসাগরের তীরে অবস্থিত। কিন্তু ইয়েমেন আরব উপদ্বীপের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে, তাই এটি এশিয়া মহাদেশের অংশ। লোহিত সাগরের সরু বাব-এল-মান্দেব প্রণালী ইয়েমেনকে আফ্রিকার জিবুতি ও ইরিত্রিয়া থেকে আলাদা করেছে।
মনে রাখুন: আফ্রিকার বৃহত্তম দেশ আলজেরিয়া, আর সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যার দেশ নাইজেরিয়া।
এনটিআরসিএ: অন্যান্য পরীক্ষা
- এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৫
- এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৫
- এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৫
- এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৬
- এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৬
- এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৬
- এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৭
- এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৭
- এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৭
- এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০২২
- এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০২২
- এনটিআরসিএ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০২৪
- এনটিআরসিএ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০২৪
- এনটিআরসিএ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০২৪
- এনটিআরসিএ ৮ম প্রতিষ্ঠান প্রধান নিবন্ধন (প্রধান শিক্ষক) পরীক্ষা ২০২৬
- এনটিআরসিএ ৮ম প্রতিষ্ঠান প্রধান নিবন্ধন (অধ্যক্ষ) পরীক্ষা ২০২৬
- এনটিআরসিএ ৮ম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১২
- এনটিআরসিএ ৮ম প্রতিষ্ঠান প্রধান নিবন্ধন (সুপার, দাখিল মাদ্রাসা) পরীক্ষা ২০২৬
- এনটিআরসিএ ৯ম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৩
আরও শিক্ষক নিয়োগ ও নিবন্ধন পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ১৪৯১) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ২৫৯৪) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ৩৬৯৭) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ২৮১৫) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৪০২১) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৫১২৪) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৮৪৩৩) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ; ১২ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২০১৪ সালের স্থগিত পরীক্ষা, ১৪ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২০১৪ সালের স্থগিত পরীক্ষা, ১৫ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২০১৪ সালের স্থগিত পরীক্ষা, ২০ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (বরিশাল বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (চট্টগ্রাম বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (ঢাকা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (খুলনা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (রাজশাহী বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (সিলেট বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (চট্টগ্রাম বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (ঢাকা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (খুলনা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (পিইডিপি-২) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (রাজশাহী বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (সিলেট বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (বরিশাল বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৭
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন