প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ২৮১৫) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ২০১৯। ৭৫টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →- কম্পিউটার ও আইসিটি (২)
- গণিত (১৭)
- বাংলা (২০)
- ইংরেজি (১৮)
- বাংলাদেশ (৮)
- ব্যাংকিং ও অর্থনীতি (২)
- বিজ্ঞান (৫)
- সাধারণ জ্ঞান (২)
- আন্তর্জাতিক (১)
কম্পিউটার ও আইসিটি
- ১. বিশ্বের প্রথম কম্পিউটারের নাম হলো-
- ক. ENIAC
- খ. MACINTOSH
- গ. IBM
- ঘ. MICROSOFT
উত্তর: ক. ENIAC
এনিয়াক (ENIAC: Electronic Numerical Integrator and Computer) ১৯৪৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে তৈরি হয়। এটিকে বিশ্বের প্রথম সাধারণ কাজের ইলেকট্রনিক ডিজিটাল কম্পিউটার ধরা হয়। এতে প্রায় ১৮ হাজার ভ্যাকুয়াম টিউব ছিল, আর এর ওজন ছিল প্রায় ৩০ টন। অন্য বিকল্পগুলো কম্পিউটারের নাম নয়, বরং প্রতিষ্ঠান বা পরের যুগের পণ্যের নাম।
মনে রাখুন:
এনিয়াক তৈরি করেন জন মশলি ও প্রেসপার একার্ট।
বাংলাদেশে প্রথম কম্পিউটার আসে ১৯৬৪ সালে, পরমাণু শক্তি কেন্দ্রে, মডেল IBM 1620। - ১০. অপটিক্যাল ফাইবার হলো–
- ক. বিলাসিত
- খ. কাচের গুঁড়া যা দিয়ে চশমা বানানো হয়।
- গ. প্লাস্টিকের সুতা যা দিয়ে লেন্স বানানো হয়।
- ঘ. সরু কাচতন্তু যা আলোক রশ্মি বহনের কাজে ব্যবহার হয়।
উত্তর: ঘ. সরু কাচতন্তু যা আলোক রশ্মি বহনের কাজে ব্যবহার হয়।
অপটিক্যাল ফাইবার (Optical Fiber) হলো চুলের মতো সরু, স্বচ্ছ কাচ বা প্লাস্টিকের তন্তু। এর ভেতর দিয়ে আলো পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের (Total Internal Reflection) মাধ্যমে বারবার প্রতিফলিত হয়ে বহু দূর পর্যন্ত চলে যায়। এই আলোর সংকেতের মাধ্যমে তথ্য পাঠানো হয় বলে দ্রুতগতির ইন্টারনেট ও টেলিযোগাযোগে এর ব্যবহার সবচেয়ে বেশি। তামার তারের চেয়ে এতে তথ্য অনেক দ্রুত ও কম ক্ষতিতে যায়।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশ প্রথম সাবমেরিন কেবল SEA-ME-WE 4-এর সঙ্গে যুক্ত হয় ২০০৬ সালে।
এন্ডোস্কোপি যন্ত্রেও অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার করা হয়।
গণিত
- ২. একই হার ও মুনাফায় কোনো আসল ৬ বছরে মুনাফা-আসলে দ্বিগুণ হলে, কত বছরে তা মুনাফা-আসলে তিনগুণ হবে?
- ক. ১০ বছর
- খ. ১২ বছর
- গ. ১৩ বছর
- ঘ. ১৪ বছর
উত্তর: খ. ১২ বছর
সরল মুনাফায় মুনাফা-আসলে দ্বিগুণ হওয়া মানে মুনাফা আসলের সমান হওয়া। ৬ বছরে মুনাফা আসলের সমান হলে প্রতি বছর মুনাফা হয় আসলের ১/৬ অংশ।
তিনগুণ হতে মুনাফা লাগবে আসলের 2 গুণ।
সময় = 2 ÷ (1/6) = 12 বছর
অন্যভাবে: 6 বছরে 100% হলে হার 100/6%, তাই 200% হতে লাগবে 200 ÷ (100/6) = 12 বছর।
মনে রাখুন: সরল মুনাফায় আসল n গুণ হতে সময় লাগে, দ্বিগুণ হওয়ার সময়ের (n − 1) গুণ। - ১৩. একটি সরলরেখার সাথে আর একটি রেখাংশ মিলিত হয়ে যে দুটি সন্নিহিত কোণ উৎপন্ন হয় তাদের সমষ্টি কত হবে?
- ক. ১৬০°
- খ. ১৮০°
- গ. ৯০°
- ঘ. ১২০°
উত্তর: খ. ১৮০°
একটি সরলরেখার কোনো বিন্দুতে আরেকটি রেখাংশ মিলিত হলে দুই পাশে দুটি সন্নিহিত কোণ তৈরি হয়। এ দুটি কোণ মিলে সরলরেখার ওপর একটি সরলকোণ গঠন করে, আর সরলকোণের মান 180°। তাই সন্নিহিত কোণ দুটির সমষ্টি 180°।
উদাহরণ: একটি কোণ 70° হলে অপরটি 180° − 70° = 110°।
মনে রাখুন: এমন দুটি কোণকে পরস্পরের সম্পূরক কোণ বলে। - ১৫. তিনটি ঘণ্টা একত্রে বাজার পর তারা ২ ঘণ্টা, ৩ ঘণ্টা ও ৪ ঘণ্টা পরপর বাজতে থাকল। ১ দিনে তারা কতবার একত্রে বাজবে?
- ক. 3
- খ. 5
- গ. 24
- ঘ. 32
উত্তর: ক. 3
তিনটি ঘণ্টা আবার একসঙ্গে বাজবে এমন এক সময় পরপর, যা ২, ৩ ও ৪ ঘণ্টা দিয়ে নিঃশেষে বিভাজ্য। এমন সবচেয়ে ছোট সময় হলো এদের ল.সা.গু.।
2, 3 ও 4-এর ল.সা.গু. = 12 ঘণ্টা
1 দিন = 24 ঘণ্টা, তাই ঘণ্টাগুলো একসঙ্গে বাজবে শুরুতে (0 ঘণ্টা), 12 ঘণ্টা পরে এবং 24 ঘণ্টা পরে।
শুরুর বাজাসহ মোট 24 ÷ 12 + 1 = 3 বার।
মনে রাখুন: এ ধরনের প্রশ্নে শুরুর মুহূর্তের বাজা গণনায় ধরা হলে 1 যোগ করতে হয়। - ২৮. শতকরা বার্ষিক ৪ টাকা হার সুদে কত টাকার ৫ বছরের সুদ ৪ টাকা হবে?
- ক. ২৫
- খ. ১৫
- গ. ২০
- ঘ. ৩০০
উত্তর: গ. ২০
সরল সুদের সূত্রে সুদ, হার ও সময় জানা থাকলে আসল বের করা যায়।
সুদ = আসল × হার × সময়/100
4 = আসল × 4 × 5/100
আসল = 4 × 100/(4 × 5) = 400/20 = 20 টাকা
যাচাই: 20 টাকার বছরে 4% সুদ = 0.80 টাকা, 5 বছরে 0.80 × 5 = 4 টাকা।
মনে রাখুন: শতকরা বার্ষিক ৪ টাকা হার মানে প্রতি ১০০ টাকায় বছরে ৪ টাকা সুদ, অর্থাৎ ৪%। - ৩১. log₅(x) = 3 হলে, x = কত?
- ক. 375
- খ. 120
- গ. 125
- ঘ. 225
উত্তর: গ. 125
লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী $\log_a x = n$ হলে $x = a^n$। অর্থাৎ ভিত্তিকে লগের মান দিয়ে ঘাত তুললে সংখ্যাটি পাওয়া যায়।
$\log_5 x = 3$
$x = 5^3 = 5 × 5 × 5 = 125$
মনে রাখুন:
$\log_a 1 = 0$, কারণ $a^0 = 1$
$\log_a a = 1$, কারণ $a^1 = a$
লগারিদমের ভিত্তি সব সময় ধনাত্মক এবং ১ নয়। - ৩৪. কমপক্ষে যতগুলো ক্রমিক পূর্ণসংখ্যা নিলে তার গুণফল অবশ্যই ৫০৪০ দ্বারা বিভাজ্য হবে?
- ক. ৮টি
- খ. ৭টি
- গ. ৬টি
- ঘ. ৯টি
উত্তর: খ. ৭টি
৫০৪০ সংখ্যাটি হলো 7! = 1 × 2 × 3 × 4 × 5 × 6 × 7। গণিতের একটি পরিচিত নিয়ম হলো, যেকোনো n টি ক্রমিক পূর্ণসংখ্যার গুণফল সব সময় n! দ্বারা বিভাজ্য। তাই যেকোনো ৭টি ক্রমিক পূর্ণসংখ্যার গুণফল ৫০৪০ দিয়ে বিভাজ্য হবেই। কিন্তু ৬টি নিলে তা নিশ্চিত নয়, যেমন 1 × 2 × 3 × 4 × 5 × 6 = 720, যা ৫০৪০ দিয়ে বিভাজ্য নয়। তাই কমপক্ষে ৭টি ক্রমিক পূর্ণসংখ্যা লাগবে।
মনে রাখুন: যেকোনো ২টি ক্রমিক পূর্ণসংখ্যার গুণফল ২ দিয়ে এবং যেকোনো ৩টির গুণফল ৬ দিয়ে বিভাজ্য। - ৪১. একটি রম্বসের একটি কর্ণ 10 মিটার এবং ক্ষেত্রফল 120 বর্গমিটার হলে, অপর কর্ণের দৈর্ঘ্য কত মিটার?
- ক. 20 মিটার
- খ. 22 মিটার
- গ. 24 মিটার
- ঘ. 26 মিটার
উত্তর: গ. 24 মিটার
রম্বসের দুটি কর্ণ পরস্পরকে সমকোণে সমদ্বিখণ্ডিত করে, তাই কর্ণ দুটির গুণফলের অর্ধেকই রম্বসের ক্ষেত্রফল।
ক্ষেত্রফল = 1/2 × d₁ × d₂
120 = 1/2 × 10 × d₂
120 = 5 × d₂
d₂ = 24 মিটার
মনে রাখুন: এখান থেকে রম্বসের বাহু পাওয়া যায় √(5² + 12²) = √169 = 13 মিটার, কারণ প্রতিটি অর্ধকর্ণ ৫ ও ১২। - ৪৪. দুটি সংখ্যার যোগফল ৮। যদি সংখ্যাগুলো ৩:১ অনুপাতে থাকে তবে সংখ্যাগুলোর গুণফল হবে–
- ক. ১০
- খ. ১২
- গ. ১৫
- ঘ. ১৮
উত্তর: খ. ১২
অনুপাতের পদগুলোর যোগফল দিয়ে মোট সংখ্যাকে ভাগ করলে প্রতি অংশের মান পাওয়া যায়।
অনুপাতের মোট অংশ = 3 + 1 = 4
প্রতি অংশ = 8 ÷ 4 = 2
সংখ্যা দুটি = 3 × 2 = 6 এবং 1 × 2 = 2
গুণফল = 6 × 2 = 12
মনে রাখুন: যোগফল S কে a : b অনুপাতে ভাগ করলে অংশ দুটি হয় S × a/(a + b) ও S × b/(a + b)। - ৫০. a, a², a(a + b) এর লঘিষ্ঠ সাধারণ গুণিতক কোনটি?
- ক. a²(a + b)
- খ. a²
- গ. a(a + b)
- ঘ. a
উত্তর: ক. a²(a + b)
ল.সা.গু. বের করতে প্রতিটি রাশিকে উৎপাদকে ভেঙে প্রতিটি উৎপাদকের সর্বোচ্চ ঘাত নিতে হয়।
a = a
a² = a × a
a(a + b) = a × (a + b)
এখানে a-এর সর্বোচ্চ ঘাত a², আর (a + b)-এর সর্বোচ্চ ঘাত 1।
ল.সা.গু. = a²(a + b)
মনে রাখুন: গ.সা.গু. বের করতে নিতে হয় সাধারণ উৎপাদকের সর্বনিম্ন ঘাত, তাই এই তিনটি রাশির গ.সা.গু. হলো a। - ৫১. ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা সর্বমোট–
- ক. ২২
- খ. ২৩
- গ. ২৫
- ঘ. ২০
উত্তর: গ. ২৫
যে সংখ্যাকে ১ ও সংখ্যাটি নিজে ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দিয়ে ভাগ করা যায় না, তাকে মৌলিক সংখ্যা বলে। ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত এমন সংখ্যা মোট ২৫টি, শুরু ২, ৩, ৫, ৭ দিয়ে আর শেষ ৯৭ দিয়ে।
মনে রাখুন:
প্রতি দশকে মৌলিক সংখ্যা: ১-১০ এ ৪টি, ১১-২০ এ ৪টি, ২১-৩০ এ ২টি, ৩১-৪০ এ ২টি, ৪১-৫০ এ ৩টি, ৫১-৬০ এ ২টি, ৬১-৭০ এ ২টি, ৭১-৮০ এ ৩টি, ৮১-৯০ এ ২টি, ৯১-১০০ এ ১টি।
২ একমাত্র জোড় মৌলিক সংখ্যা। - ৫২. a – b = 7 এবং ab = 60 হলে, a² + b² = কত?
- ক. 170
- খ. 169
- গ. 180
- ঘ. 168
উত্তর: খ. 169
(a − b)²-এর সূত্র থেকে a² + b² সহজে বের করা যায়।
(a − b)² = a² − 2ab + b²
তাই a² + b² = (a − b)² + 2ab
= 7² + 2 × 60
= 49 + 120
= 169
যাচাই: a = 12, b = 5 নিলে a − b = 7, ab = 60 এবং 144 + 25 = 169।
মনে রাখুন: a + b জানা থাকলে a² + b² = (a + b)² − 2ab সূত্রটি ব্যবহার করতে হয়। - ৫৩. একটি সংখ্যা ও তার গুণাত্মক বিপরীতের সমষ্টি ২ হলে সংখ্যাটি কত?
- ক. ১
- খ. -২
- গ. ২
- ঘ. -১
উত্তর: ক. ১
সংখ্যাটি x হলে এর গুণাত্মক বিপরীত (Reciprocal) 1/x। প্রশ্ন অনুযায়ী x + 1/x = 2।
দুই পক্ষে x দিয়ে গুণ করলে x² + 1 = 2x, অর্থাৎ x² − 2x + 1 = 0।
এটি পূর্ণবর্গ (x − 1)² = 0, তাই x = 1।
যাচাই: 1 + 1/1 = 2। মেলে।
মনে রাখুন: কোনো ধনাত্মক সংখ্যা ও তার গুণাত্মক বিপরীতের যোগফল সব সময় 2 বা তার বেশি হয়। যোগফল ঠিক 2 হয় কেবল x = 1 হলে। - ৫৫. লঞ্চ ও স্রোতের গতিবেগ যথাক্রমে ১৮ কিমি ও ৬ কিমি। নদীপথে ৪৮ কিমি অতিক্রম করে পুনরায় ফিরে আসতে সময় লাগবে–
- ক. ৮ ঘণ্টা
- খ. ৫ ঘণ্টা
- গ. ৬ ঘণ্টা
- ঘ. ১০ ঘণ্টা
উত্তর: গ. ৬ ঘণ্টা
স্রোতের অনুকূলে লঞ্চের কার্যকর বেগ = লঞ্চের বেগ + স্রোতের বেগ, আর প্রতিকূলে = লঞ্চের বেগ − স্রোতের বেগ।
অনুকূলে বেগ = 18 + 6 = 24 কিমি/ঘণ্টা, সময় = 48 ÷ 24 = 2 ঘণ্টা
প্রতিকূলে বেগ = 18 − 6 = 12 কিমি/ঘণ্টা, সময় = 48 ÷ 12 = 4 ঘণ্টা
মোট সময় = 2 + 4 = 6 ঘণ্টা - ৫৭. শামীমের আয় ও ব্যয়ের অনুপাত ২০:১৫ হলে তার মাসিক সঞ্চয় আয়ের শতকরা কত ভাগ?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৮৪৩৩) ২০১৯
- ক. ২০%
- খ. ২৫%
- গ. ১৫%
- ঘ. ৩০%
উত্তর: খ. ২৫%
আয় থেকে ব্যয় বাদ দিলে সঞ্চয় পাওয়া যায়, আর সেই সঞ্চয়কে আয়ের সঙ্গে তুলনা করে শতকরা হিসাব করতে হয়।
ধরি, আয় 20 টাকা, ব্যয় 15 টাকা।
সঞ্চয় = 20 − 15 = 5 টাকা
সঞ্চয় আয়ের শতকরা = 5/20 × 100 = 25%
মনে রাখুন: অনুপাত 20 : 15 সরল করলে হয় 4 : 3, তাই সঞ্চয় আয়ের 1/4 অংশ, অর্থাৎ 25%। - ৬২. একটি সংখ্যা ৭৪২ থেকে যত বড়, ৮৩০ থেকে তত ছোট, সংখ্যাটি কত?
- ক. ৭৮৫
- খ. ৭৮৮
- গ. ৭৮৬
- ঘ. ৭৮৭
উত্তর: গ. ৭৮৬
যে সংখ্যা ৭৪২ থেকে যত বড়, ৮৩০ থেকে ঠিক তত ছোট, সেটি দুই সংখ্যার ঠিক মাঝখানে থাকে। দুই সংখ্যার ঠিক মাঝের সংখ্যা হলো তাদের গড়।
সংখ্যাটি = (742 + 830)/2 = 1572/2 = 786
যাচাই: 786 − 742 = 44 এবং 830 − 786 = 44, দুটি পার্থক্যই সমান।
মনে রাখুন: সংখ্যাটি x হলে x − 742 = 830 − x সমীকরণ থেকেও 2x = 1572 পাওয়া যায়। - ৬৮. এক ব্যক্তি বার্ষিক ১০% চক্রবৃদ্ধি সুদে ৬০০ টাকা ব্যাংকে জমা রাখলেন। ২য় বছর শেষে ঐ ব্যক্তি সুদসহ কত টাকা পাবেন?
- ক. ৭২৬ টাকা
- খ. ৭২৫ টাকা
- গ. ৭৩০ টাকা
- ঘ. ৭২৫৬ টাকা
উত্তর: ক. ৭২৬ টাকা
চক্রবৃদ্ধি সুদে (Compound Interest) প্রতি বছরের শেষে সুদ আসলের সঙ্গে যোগ হয়ে পরের বছরের নতুন আসল হয়।
সূত্র: সুদাসল = P(1 + r/100)ⁿ
= 600 × (1 + 10/100)²
= 600 × 1.1 × 1.1
= 600 × 1.21 = 726 টাকা
ধাপে ধাপে: প্রথম বছরে সুদ 60 টাকা, সুদাসল 660 টাকা। দ্বিতীয় বছরে 660-এর 10% = 66 টাকা, সুদাসল 726 টাকা।
মনে রাখুন: একই হারে সরল সুদে ২ বছরে পাওয়া যেত 600 + 120 = 720 টাকা। - ৭৪. a³ – 21a – 20 রাশিটির একটি উৎপাদক হবে নিচের কোনটি?
- ক. a – 2
- খ. a + 2
- গ. a – 1
- ঘ. a + 1
উত্তর: ঘ. a + 1
উৎপাদক উপপাদ্য অনুযায়ী কোনো মান বসিয়ে রাশিটির মান শূন্য হলে সংশ্লিষ্ট রাশিটি উৎপাদক হয়। বিকল্পগুলো থেকে a = −1 বসিয়ে দেখি।
f(−1) = (−1)³ − 21(−1) − 20 = −1 + 21 − 20 = 0
তাই a + 1 রাশিটির একটি উৎপাদক।
পুরো বিশ্লেষণ: a³ − 21a − 20 = (a + 1)(a² − a − 20) = (a + 1)(a − 5)(a + 4)
মনে রাখুন: a = 1 বসালে মান হয় 1 − 21 − 20 = −40, তাই a − 1 উৎপাদক নয়।
বাংলা
- ৩. কোনটি বহুব্রীহি সমাসে নিষ্পন্ন?
- ক. চৌরাস্তা
- খ. প্রাচীত
- গ. চুলাচুলি
- ঘ. সিংহাসন
উত্তর: গ. চুলাচুলি
চুলাচুলি শব্দের অর্থ পরস্পরের চুল ধরে যে লড়াই। একই ধরনের দুটি বিশেষ্য পদ পাশাপাশি বসে যখন পরস্পর একই কাজ করা বোঝায়, তখন তাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস বলে। তাই চুলাচুলি বহুব্রীহি সমাসে নিষ্পন্ন। অন্য দিকে চৌরাস্তা (চার রাস্তার সমাহার) দ্বিগু সমাস আর সিংহাসন (সিংহ চিহ্নিত আসন) মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস।
মনে রাখুন: ব্যতিহার বহুব্রীহির আরও উদাহরণ হলো লাঠালাঠি, কানাকানি, হাতাহাতি, কোলাকুলি, গলাগলি। - ৪. কোনটি ‘মেঘ’ শব্দের প্রতিশব্দ নয়?
- ক. জলদ
- খ. অন্তরিক্ষ
- গ. বারিদ
- ঘ. জীমূত
উত্তর: খ. অন্তরিক্ষ
মেঘ জল দেয় বা বারি ধারণ করে, তাই মেঘের প্রতিশব্দ হিসেবে জলদ, বারিদ, জীমূত, নীরদ, পয়োদ প্রভৃতি শব্দ ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে ‘অন্তরিক্ষ’ শব্দের অর্থ আকাশ, তাই এটি মেঘের প্রতিশব্দ নয়।
মনে রাখুন:
আকাশের প্রতিশব্দ: অন্তরিক্ষ, গগন, নভ, অম্বর, ব্যোম।
মেঘের আরও প্রতিশব্দ: অম্বুদ, ঘন, তোয়দ। - ৫. তার হাতের লেখা খুব ভালো- এখানে ‘খুব’ কী পদ?
- ক. ক্রিয়া
- খ. বিশেষ্য
- গ. অব্যয়
- ঘ. বিশেষণ
উত্তর: ঘ. বিশেষণ
এই বাক্যে ভালো শব্দটি হাতের লেখার গুণ বোঝাচ্ছে, তাই এটি বিশেষণ। আর খুব শব্দটি সেই ভালো বিশেষণটিকে আরও বিশেষিত করে বোঝাচ্ছে, লেখাটি কতটা ভালো। যে বিশেষণ অন্য বিশেষণকে বিশেষিত করে তাকে বিশেষণীয় বিশেষণ বলে। তাই খুব এখানে বিশেষণ পদ।
মনে রাখুন: বিশেষণীয় বিশেষণ ক্রিয়াবিশেষণকেও বিশেষিত করতে পারে।
উদাহরণ: অতি মন্দ কথা, খুব জোরে দৌড়াও, সামান্য একটু ঠান্ডা। - ৬. ‘দন্ত্য বর্ণ’ কোনগুলো?
- ক. প, ফ, ব, ভ
- খ. ট, ঠ, ড, ঢ
- গ. ত, থ, দ, ধ
- ঘ. ক, খ, গ, ঘ
উত্তর: গ. ত, থ, দ, ধ
ত, থ, দ, ধ উচ্চারণের সময় জিভের ডগা ওপরের পাটির দাঁতের গোড়ায় স্পর্শ করে, তাই এদের দন্ত্য বর্ণ বলে। এই বর্গের ন-ও দন্ত্য বর্ণ, তাই একে আমরা দন্ত্য ন বলি। অন্য দিকে ট, ঠ, ড, ঢ উচ্চারণে জিভ ওপরের মাড়ির পেছনের দিকে মূর্ধা স্পর্শ করে, তাই এরা মূর্ধন্য বর্ণ।
মনে রাখুন:
ক-বর্গ (ক খ গ ঘ ঙ): কণ্ঠ্য বা জিহ্বামূলীয়
চ-বর্গ (চ ছ জ ঝ ঞ): তালব্য
প-বর্গ (প ফ ব ভ ম): ওষ্ঠ্য - ৮. কোনটি শুদ্ধ বাক্য?
- ক. চন্দ্রগ্রহণ ও সূর্যগ্রহণ দুটি বিস্ময়কর ঘটনা।
- খ. চন্দ্র অপেক্ষা সূর্যগ্রহণ বিস্ময়কর ঘটনা।
- গ. চন্দ্র সূর্যগ্রহণ অপেক্ষা বিস্ময়কর ঘটনা।
- ঘ. চন্দ্র ও সূর্যগ্রহণ দুটি বিস্ময়কর ঘটনা।
উত্তর: ক. চন্দ্রগ্রহণ ও সূর্যগ্রহণ দুটি বিস্ময়কর ঘটনা।
চন্দ্রগ্রহণ ও সূর্যগ্রহণ দুটি আলাদা প্রাকৃতিক ঘটনা। বাক্যে দুটিকে পূর্ণ নামে লিখলে কোনো অস্পষ্টতা থাকে না, তাই ‘চন্দ্রগ্রহণ ও সূর্যগ্রহণ দুটি বিস্ময়কর ঘটনা’ শুদ্ধ। ‘চন্দ্র ও সূর্যগ্রহণ’ লিখলে চন্দ্র শব্দটি গ্রহণ ছাড়া একা থেকে যায় এবং মনে হতে পারে চাঁদ নিজেই একটি ঘটনা। অন্য দুটি বাক্যে তুলনার গঠন ভুল হওয়ায় অর্থও বদলে গেছে।
মনে রাখুন: পৃথিবী যখন সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে আসে তখন চন্দ্রগ্রহণ হয়, আর চাঁদ সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে এলে সূর্যগ্রহণ হয়। - ৯. ধ্বনি উচ্চারণে মানব শরীরের যেসব প্রত্যঙ্গ জড়িত সেগুলোকে একত্রে কী বলে?
- ক. গলনালি
- খ. বাগ্যন্ত্র
- গ. স্বরযন্ত্র
- ঘ. শ্বাসনালি
উত্তর: খ. বাগ্যন্ত্র
ধ্বনি উচ্চারণের জন্য আমাদের শরীরের অনেকগুলো প্রত্যঙ্গ একসঙ্গে কাজ করে। ফুসফুস থেকে বাতাস বের হয়, স্বরযন্ত্রে কম্পন তৈরি হয়, তারপর জিভ, তালু, দাঁত, ঠোঁট ও নাসিকা মিলে বিভিন্ন ধ্বনি গড়ে তোলে। এই সব প্রত্যঙ্গকে একসঙ্গে বাগ্যন্ত্র (Organs of Speech) বলে। স্বরযন্ত্র এর একটি অংশমাত্র, পুরোটা নয়।
মনে রাখুন: ধ্বনি উৎপাদনের মূল শক্তি আসে ফুসফুস থেকে, আর স্বরযন্ত্রের ভেতরের স্বরতন্ত্রী কেঁপে উঠলেই ঘোষ ধ্বনি তৈরি হয়। - ১১. ‘ঝিনুক থেকে মুক্তা মেলে’- এখানে ‘ঝিনুক’ কোন কারক?
- ক. সম্প্রদান কারক
- খ. কর্ম কারক
- গ. অধিকরণ কারক
- ঘ. অপাদান কারক
উত্তর: ঘ. অপাদান কারক
মুক্তা ঝিনুকের ভেতরেই তৈরি হয় এবং ঝিনুক থেকেই পাওয়া যায়। যা থেকে কোনো কিছু উৎপন্ন, জাত, গৃহীত, বিচ্যুত বা ভীত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। এখানে ঝিনুক হলো মুক্তার উৎস, তাই ঝিনুক অপাদান কারক। ‘থেকে’ অনুসর্গটিও অপাদান কারকের পরিচিত চিহ্ন।
মনে রাখুন: অপাদান কারকের আরও উদাহরণ:
গাছ থেকে পাতা পড়ে (বিচ্যুত)
বাঘকে ভয় পাই না (ভীত)
তিলে তৈল হয় (উৎপন্ন) - ১২. বক্তার প্রত্যক্ষ উক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য কোন বিরামচিহ্ন বসে?
- ক. উদ্ধরণ চিহ্ন
- খ. সেমিকোলন
- গ. হাইফেন
- ঘ. কোলন
উত্তর: ক. উদ্ধরণ চিহ্ন
বক্তার বলা কথা হুবহু তুলে ধরতে উদ্ধরণ চিহ্ন (Quotation Mark) ব্যবহার করা হয়। একে উদ্ধৃতি চিহ্নও বলে, আর এটি লেখা হয় (“ ”) আকারে। যেমন শিক্ষক বললেন, “সবাই মন দিয়ে পড়ো।” এখানে শিক্ষকের নিজের কথাটি উদ্ধরণ চিহ্নের ভেতরে রাখা হয়েছে, এটাই প্রত্যক্ষ উক্তি।
মনে রাখুন:
বাক্যের মধ্যে বিভিন্ন অংশ তালিকা আকারে আনতে কোলন (:) বসে।
দুটি শব্দ জুড়ে সমাসবদ্ধ পদ বোঝাতে হাইফেন (-) বসে, যেমন সুখ-দুঃখ। - ১৮. ‘মেধাবী ছেলেকে তামার বিষে ধরায় সে এবার পরীক্ষায় ফেল করেছে’- এ বাক্যে ‘তামার বিষ’ কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- ক. অহংকার
- খ. অসৎ সঙ্গ
- গ. অর্থের কু-প্রভাব
- ঘ. খারাপ অভ্যাস
উত্তর: গ. অর্থের কু-প্রভাব
তামার বিষ একটি বাগধারা, যার অর্থ টাকাপয়সা বা অর্থের কুপ্রভাব। আগে তামার পয়সা প্রচলিত ছিল, সেখান থেকেই অর্থ বোঝাতে তামা শব্দটি এসেছে। বাক্যে বলা হয়েছে মেধাবী ছেলেটি হাতে টাকা পেয়ে বিপথে গিয়ে পড়ালেখায় মন হারিয়েছে, তাই পরীক্ষায় ফেল করেছে। অর্থাৎ এখানে অর্থের কুপ্রভাবের কথাই বলা হয়েছে।
মনে রাখুন:
গোবর গণেশ = মূর্খ
কাঁচা পয়সা = নগদ উপার্জন
ননীর পুতুল = শ্রমবিমুখ - ১৯. কোনটি অর্ধতৎসম শব্দ?
- ক. হস্তী
- খ. গেঞ্জী
- গ. গিন্নী
- ঘ. লুঙ্গি
উত্তর: গ. গিন্নী
সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ কিছুটা বিকৃত হয়ে বাংলায় এলে তাকে অর্ধতৎসম শব্দ বলে। গিন্নি শব্দটি এসেছে তৎসম গৃহিণী থেকে, উচ্চারণের সুবিধার জন্য রূপ বদলে গেছে, তাই এটি অর্ধতৎসম। হস্তী একটি খাঁটি তৎসম শব্দ, আর গেঞ্জি ও লুঙ্গি বিদেশি বা দেশি উৎসের শব্দ।
মনে রাখুন: অর্ধতৎসম শব্দের আরও উদাহরণ:
জ্যোৎস্না থেকে জোছনা
শ্রাদ্ধ থেকে ছেরাদ্দ
কৃষ্ণ থেকে কেষ্ট
বৈষ্ণব থেকে বোষ্টম - ২৪. ‘লোকটি যদিও ধনী, তবুও সে কৃপণ’ কোন ধরনের বাক্য?
- ক. খণ্ড
- খ. যৌগিক
- গ. সরল
- ঘ. জটিল
উত্তর: ঘ. জটিল
এই বাক্যে ‘লোকটি যদিও ধনী’ একটি আশ্রিত খণ্ডবাক্য, যা একা পূর্ণ অর্থ দেয় না। আর ‘তবুও সে কৃপণ’ হলো প্রধান খণ্ডবাক্য। যদিও ও তবুও জোড়ায় জোড়ায় বসা সাপেক্ষ অব্যয়, যা আশ্রিত খণ্ডবাক্যকে প্রধান খণ্ডবাক্যের সঙ্গে যুক্ত করে। একটি প্রধান খণ্ডবাক্য ও এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য মিলে যে বাক্য গঠিত হয়, তাকে জটিল বা মিশ্র বাক্য বলে।
মনে রাখুন: জটিল বাক্যে যদি-তবে, যে-সে, যখন-তখন, যেমন-তেমন, যদিও-তবুও ইত্যাদি সাপেক্ষ সর্বনাম বা অব্যয় বসে। - ২৫. ‘বাড়ি গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি’-এ বাক্যে ‘গিয়ে’ কোন ক্রিয়া?
- ক. অসমাপিকা
- খ. দ্বিকর্মক
- গ. সমাপিকা
- ঘ. প্রযোজক
উত্তর: ক. অসমাপিকা
‘গিয়ে’ ক্রিয়াপদটি দিয়ে বাক্যের অর্থ শেষ হয় না, এটি শুনলে পরে কী হলো তা জানার আকাঙ্ক্ষা থেকে যায়। যে ক্রিয়া বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করতে পারে না, তাকে অসমাপিকা ক্রিয়া বলে। এই বাক্যে ‘যায়নি’ ক্রিয়াটি অর্থ সম্পূর্ণ করেছে, তাই সেটি সমাপিকা ক্রিয়া।
মনে রাখুন: অসমাপিকা ক্রিয়ার শেষে সাধারণত ইয়া, ইলে, ইতে, এ, লে, তে প্রত্যয় যুক্ত থাকে, যেমন গিয়ে, খেলে, দেখতে, করিয়া। - ৩২. কোন বানানটি শুদ্ধ?
- ক. জঞ্জাট
- খ. জঞ্ঝাট
- গ. ঝঞ্ঝাট
- ঘ. ঝঞ্জাট
উত্তর: গ. ঝঞ্ঝাট
ঝঞ্ঝাট শব্দের অর্থ ঝামেলা বা বিরক্তিকর গোলমাল। এর বানানে প্রথমে ঝ, তারপর ঞ ও ঝ মিলে যুক্তবর্ণ ঞ্ঝ, শেষে ট। ব্যঞ্জনবর্ণের নিয়মে চ-বর্গের আগে নাসিক্য ধ্বনি বসলে তা ঞ হয়, তাই এখানে ঞ্ঝ লেখা হয়। একই শব্দ ঝঞ্ঝা (ঝড়) থেকেও আমরা নিয়মটি মনে রাখতে পারি।
মনে রাখুন: ঞ-এর সঙ্গে চ-বর্গের যুক্তবর্ণ: ঞ্চ (পঞ্চ), ঞ্ছ (বাঞ্ছা), ঞ্জ (গঞ্জ), ঞ্ঝ (ঝঞ্ঝা)। - ৩৮. ‘আবার আসিব ফিরে’ কবিতাটি জীবনানন্দ দাশ-এর কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?
- ক. বনলতা সেন
- খ. ধূসর পাণ্ডুলিপি
- গ. জোয়ার
- ঘ. রূপসী বাংলা
উত্তর: ঘ. রূপসী বাংলা
‘আবার আসিব ফিরে ধানসিড়িটির তীরে এই বাংলায়’ কবিতাটি জীবনানন্দ দাশের ‘রূপসী বাংলা’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। কবিতায় কবি মৃত্যুর পরেও শঙ্খচিল, শালিক বা হাঁস হয়ে বাংলার প্রকৃতিতে ফিরে আসার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। রূপসী বাংলার কবিতাগুলো ১৯৩৪ সালের দিকে লেখা হলেও বইটি প্রকাশিত হয় কবির মৃত্যুর পরে, ১৯৫৭ সালে।
মনে রাখুন:
জীবনানন্দ দাশকে রূপসী বাংলার কবি বলা হয়।
‘বনলতা সেন’ কবিতাটি একই নামের কাব্যগ্রন্থে আছে, যা ১৯৪২ সালে প্রকাশিত। - ৪০. ‘মৃন্ময়’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
- ক. মৃৎ + ময়
- খ. মৃত + ময়
- গ. মৃন + ময়
- ঘ. মৃত + ময়ী
উত্তর: ক. মৃৎ + ময়
মৃৎ শব্দের অর্থ মাটি, আর ময় প্রত্যয়ের মতো অংশটি দিয়ে তৈরি বা পূর্ণ বোঝায়। ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে ৎ-এর পরে নাসিক্য ধ্বনি ম এলে ৎ তার নিজের বর্গের নাসিক্য ধ্বনি ন-তে পরিণত হয়। তাই মৃৎ + ময় = মৃন্ময়, অর্থাৎ মাটির তৈরি।
মনে রাখুন: একই নিয়মে গঠিত আরও শব্দ:
জগৎ + নাথ = জগন্নাথ
উৎ + নয়ন = উন্নয়ন
চিৎ + ময় = চিন্ময় - ৪৩. কোনটি সঠিক বানান?
- ক. স্বতঃস্ফুর্ত
- খ. স্বতঃস্ফূর্ত
- গ. স্বতস্ফূর্ত
- ঘ. সতস্ফুর্ত
উত্তর: খ. স্বতঃস্ফূর্ত
স্বতঃস্ফূর্ত শব্দটি স্বতঃ (নিজে থেকে) এবং স্ফূর্ত (প্রকাশিত) মিলে গঠিত। স্বতঃ শব্দের শেষে বিসর্গ থাকে, আর স্ফূর্ত বানানে ফ-এর সঙ্গে দীর্ঘ ঊ-কার বসে। শব্দের শুরুতে স্ব থাকে, কারণ এটি নিজ অর্থ বোঝায়। তাই শুদ্ধ বানান স্বতঃস্ফূর্ত, যার অর্থ আপনা থেকে প্রকাশিত বা কারও চাপ ছাড়াই হওয়া।
মনে রাখুন: স্ফূর্তি বানানেও দীর্ঘ ঊ-কার বসে। একই স্বতঃ যুক্ত আরেকটি শব্দ স্বতঃসিদ্ধ। - ৬০. ‘গবাদিপশুর পাল’-এর সংক্ষেপ হলো–
- ক. বাথান
- খ. গোশালা
- গ. কস্তা
- ঘ. পশুপাল
উত্তর: ক. বাথান
গরু, মহিষ ইত্যাদি গবাদিপশুর বড় পালকে এবং যেখানে সেগুলো একসঙ্গে রেখে চরানো হয় সেই জায়গাকে বাথান বলে। উত্তরবঙ্গ ও চরাঞ্চলে বাথানে শত শত গরু-মহিষ একসঙ্গে পালন করা হয়। অন্য দিকে গোশালা মানে বাড়িতে গরু রাখার ঘর, যা পাল বোঝায় না।
মনে রাখুন:
গরুর ঘর = গোশালা বা গোয়াল
ঘোড়ার ঘর = আস্তাবল বা মন্দুরা
হাতির ঘর = হাতিশালা - ৬১. ‘প্রচলিত’ শব্দটি কোন প্রত্যয় যোগে গঠিত?
- ক. ই প্রত্যয়
- খ. ত প্রত্যয়
- গ. ঈয় প্রত্যয়
- ঘ. ইত প্রত্যয়
উত্তর: ঘ. ইত প্রত্যয়
‘প্রচলিত’ শব্দটি প্র উপসর্গ, √চল্ ধাতু এবং ‘ইত’ প্রত্যয় মিলে গঠিত: প্র + √চল্ + ইত = প্রচলিত। ‘ইত’ প্রত্যয় যুক্ত হলে সাধারণত সম্পন্ন বা হয়ে গেছে এমন অবস্থা বোঝায়।
মনে রাখুন: ‘ইত’ প্রত্যয়যোগে আরও শব্দ:
√চল্ + ইত = চলিত
√পঠ্ + ইত = পঠিত
√লিখ্ + ইত = লিখিত - ৬৬. কোন শব্দটিতে খাঁটি বাংলা উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে?
- ক. গরমিল
- খ. অজানা
- গ. বেমালুম
- ঘ. আভাস
উত্তর: খ. অজানা
অজানা শব্দটি গঠিত হয়েছে অ উপসর্গ আর জানা শব্দ মিলে, যেখানে অ না-বোধক অর্থ দিয়েছে। অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, উন, কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা এই ২১টি খাঁটি বাংলা উপসর্গের মধ্যে অ অন্যতম। অন্য দিকে গরমিল শব্দের গর এবং বেমালুম শব্দের বে ফারসি উপসর্গ, আর আভাস শব্দের আ একটি তৎসম উপসর্গ।
মনে রাখুন: খাঁটি বাংলা উপসর্গ সাধারণত খাঁটি বাংলা বা তদ্ভব শব্দের আগে বসে, যেমন অচেনা, অকেজো, আকাঁড়া, নিখুঁত। - ৬৭. কোন বানানটি শুদ্ধ?
- ক. মরীচীকা
- খ. মরিচিকা
- গ. মরিচীকা
- ঘ. মরীচিকা
উত্তর: ঘ. মরীচিকা
মরীচিকা শব্দটি এসেছে মরীচি থেকে, যার অর্থ সূর্যের কিরণ। তাই বানানের প্রথম অংশ মরী-তে দীর্ঘ ঈ-কার বসে, আর পরের চি-তে হ্রস্ব ই-কার। মরুভূমিতে প্রখর রোদে দূরে পানি আছে বলে যে মিথ্যা দৃশ্য দেখা যায়, তাকেই মরীচিকা বলে। আলোর প্রতিসরণের কারণে এমন দৃশ্য তৈরি হয়।
মনে রাখুন: ঈ-কার ও ই-কারের এমন ক্রম মেলে আরও কিছু শব্দে, যেমন পিপীলিকা, নিশীথিনী, প্রতীক্ষিত।
ইংরেজি
- ৭. Choose the correct sentence:
- ক. We were discussing about the whole matter.
- খ. We were discussing the matter.
- গ. We were discussing totally about the matter.
- ঘ. We were discussing about the matter.
উত্তর: খ. We were discussing the matter.
Discuss একটি transitive verb, এর অর্থই হলো কোনো বিষয়ে আলোচনা করা। তাই এর পরে সরাসরি object বসে, মাঝে about বসানোর দরকার হয় না। about বসালে একই অর্থ দুবার বলা হয়ে যায়, যা ভুল। সে কারণে We were discussing the matter বাক্যটি সঠিক।
মনে রাখুন: noun হিসেবে discussion-এর পরে about বা on বসতে পারে, যেমন a discussion about the matter। এমন আরও verb যাদের পরে preposition বসে না: enter (the room), reach (Dhaka), attack (the enemy)। - ১৪. The ministers arrived __ a decision last night.
- ক. at
- খ. on
- গ. in
- ঘ. to
উত্তর: ক. at
কোনো সিদ্ধান্তে বা উপসংহারে পৌঁছানো বোঝাতে ইংরেজিতে নির্দিষ্ট phrase হলো arrive at a decision বা arrive at a conclusion। তাই সঠিক বাক্য: The ministers arrived at a decision last night.
মনে রাখুন:
ছোট জায়গায় পৌঁছানো: arrive at (arrive at the station)।
বড় শহর বা দেশে পৌঁছানো: arrive in (arrive in Dhaka)।
Arrive-এর পরে to বসে না। - ১৬. কোনটি Collective Noun?
- ক. Library
- খ. Month
- গ. Boy
- ঘ. Books
উত্তর: ক. Library
যে noun দিয়ে অনেকগুলো ব্যক্তি, প্রাণী বা বস্তুর সমষ্টিকে একটি একক হিসেবে বোঝানো হয়, তাকে collective noun বলে। Library বলতে বহু বইয়ের একটি সংগ্রহ বোঝায়, তাই এখানে এটিকে collective noun ধরা হয়েছে। অন্য দিকে month ও boy একক জিনিস বা ব্যক্তির নাম, তাই এরা common noun, আর books হলো common noun-এর বহুবচন রূপ মাত্র।
মনে রাখুন: পরিচিত collective noun হলো class, team, army, family, crowd, committee, fleet (জাহাজের বহর)। - ২০. ‘The Captain ordered the soldiers to march on’ বাক্যটির direct speech:
- ক. The Captain asked, ‘Soldiers, march on.’
- খ. The Captain said, to the soldiers, ‘Please march on.’
- গ. The Captain said, ‘Soldiers, I ask you to march on.’
- ঘ. The Captain said to the soldiers, ‘March on.’
উত্তর: ঘ. The Captain said to the soldiers, ‘March on.’
Indirect বাক্যে ordered দিয়ে আদেশ বোঝানো হয়েছে, আর to march on অংশটি সেই আদেশ। Direct speech-এ নিতে গেলে reporting verb হবে said to, যার পরে শ্রোতা the soldiers বসে, এবং inverted comma-র ভেতরে আদেশসূচক বাক্যটি verb দিয়ে শুরু হয়। তাই সঠিক রূপ The Captain said to the soldiers, “March on.”
মনে রাখুন:
আদেশ বোঝালে ordered বা commanded, অনুরোধ বোঝালে requested, উপদেশ বোঝালে advised বসে।
Direct-এ Please থাকলে indirect-এ requested হয়, তাই এখানে Please বসানো ভুল। - ২১. I have no pen to write _.
- ক. in
- খ. well
- গ. smooth
- ঘ. with
উত্তর: ঘ. with
কলম দিয়ে লেখা বোঝাতে ইংরেজিতে বলা হয় write with a pen। বাক্যে pen আগে চলে আসায় preposition with বাক্যের শেষে বসে: I have no pen to write with. এ ধরনের বাক্যে শেষের preposition বাদ দিলে অর্থ অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
মনে রাখুন: একই ধাঁচের বাক্য:
I have no chair to sit on.
She has no friend to play with.
I need a knife to cut with. - ২২. He has done no ‘wrong’. The quotation word is a/an–
- ক. pronoun
- খ. adverb
- গ. adjective
- ঘ. noun
উত্তর: ঘ. noun
এই বাক্যে wrong শব্দটি has done ক্রিয়ার object, অর্থাৎ তিনি কী করেননি তার উত্তর দিচ্ছে। এখানে wrong মানে অন্যায় কাজ, যা একটি কাজের নাম। কোনো কিছুর নাম বোঝায় বলে এটি noun, আর তার আগের no শব্দটি adjective হিসেবে সেই noun-কে বিশেষিত করছে।
মনে রাখুন: একই wrong শব্দ বাক্যভেদে নানা পদ হয়।
উদাহরণ:
This is a wrong answer. (adjective)
You have answered wrong. (adverb)
He wronged me. (verb) - ২৩. কোন বানানটি শুদ্ধ?
- ক. Parsonnel
- খ. Personel
- গ. Personnel
- ঘ. Personale
উত্তর: গ. Personnel
কোনো প্রতিষ্ঠানের কর্মী বা লোকবল বোঝাতে ইংরেজিতে personnel শব্দটি ব্যবহার হয়, যার বানানে n দুটি আর শেষে -el। শব্দটি ফরাসি ভাষা থেকে এসেছে বলে শেষ অংশে জোর পড়ে। অনেকে এটিকে personal শব্দের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেন, কিন্তু personal মানে ব্যক্তিগত, যার বানানে n একটি আর শেষে -al।
মনে রাখুন:
personnel = কর্মীবৃন্দ (Personnel Department)
personal = ব্যক্তিগত (personal letter) - ২৬. I wish you __ the problem.
- ক. have solved
- খ. shall solves
- গ. could solve
- ঘ. can solve
উত্তর: গ. could solve
Wish দিয়ে বর্তমান বা ভবিষ্যতের এমন কোনো ইচ্ছা প্রকাশ করলে, যা এখন বাস্তবে ঘটছে না, পরের clause-এ past form বা could বসে। বক্তা চান শ্রোতা সমস্যাটি সমাধান করতে পারুক, তাই সঠিক বাক্য: I wish you could solve the problem. Wish-এর পরে can বা shall বসে না।
মনে রাখুন:
বর্তমানের অপূর্ণ ইচ্ছা: I wish I were rich.
অতীতের অপূর্ণ ইচ্ছা: I wish I had studied harder. - ২৭. I spent _ with the patient.
- ক. some time
- খ. some times
- গ. sometimes
- ঘ. sometime
উত্তর: ক. some time
রোগীর সঙ্গে কিছু সময় কাটানোর কথা বোঝাতে ‘some time’ (দুই শব্দে) বসে। এখানে time মানে সময়ের একটি পরিমাণ, তাই some এই পরিমাণকে বোঝাচ্ছে। ‘Sometime’ এক শব্দে লিখলে অর্থ হয় কোনো একসময়, যা অনির্দিষ্ট। আর ‘sometimes’ মানে মাঝে মাঝে, যা ঘটনার পৌনঃপুনিকতা বোঝায়। ‘Some times’ বসালে সময়ের পরিমাণ নয়, বরং কয়েকবার বোঝায়, তাই বাক্যটির অর্থ মেলে না।
উদাহরণ:
I will meet you sometime next week.
He sometimes visits us.
মনে রাখুন: একই বানানের মতো শব্দ দুই শব্দে লিখলে অর্থ বদলে যায়, যেমন any time ও anytime। - ৩৫. We need to buy some new–
- ক. furnishers
- খ. furnisher
- গ. furniture
- ঘ. furnitures
উত্তর: গ. furniture
Furniture একটি uncountable noun, অর্থাৎ একে গোনা যায় না, আসবাবপত্রের সমষ্টি হিসেবে ধরা হয়। এ ধরনের noun-এর সঙ্গে s যোগ করে বহুবচন করা যায় না, তাই furnitures ভুল। Some শব্দটি uncountable noun-এর সঙ্গে বসতে পারে, তাই বাক্যটি হবে We need to buy some new furniture। Furnisher মানে আসবাব সরবরাহকারী ব্যক্তি, যা এখানে অর্থ দেয় না।
মনে রাখুন: গুনতে চাইলে a piece of furniture বা two pieces of furniture বলতে হয়। একই ধরনের শব্দ information, advice, luggage, equipment। - ৩৬. Which of the following sentences is correct?
- ক. One of my brothers are a doctor.
- খ. One of my brothers is a doctor.
- গ. One of my brothers is doctor.
- ঘ. One of my brother is a doctor.
উত্তর: খ. One of my brothers is a doctor.
One of my brothers বাক্যাংশে আসল কর্তা one, যা একবচন, তাই verb হবে is। আবার one of-এর পরে noun সব সময় plural হয়, তাই brothers ঠিক আছে। পেশা বোঝাতে একবচন countable noun doctor-এর আগে article a বসে। এই তিন নিয়ম মেনে চলেছে কেবল One of my brothers is a doctor বাক্যটি।
মনে রাখুন:
One of + plural noun + singular verb
উদাহরণ: One of the students is absent today. - ৩৯. কোন বানানটি শুদ্ধ?
- ক. Decentry
- খ. Disentery
- গ. Dysentery
- ঘ. Dysentry
উত্তর: গ. Dysentery
আমাশয় রোগের ইংরেজি dysentery শব্দটি গ্রিক dys (খারাপ) ও entera (অন্ত্র) থেকে এসেছে। তাই শুরুতে dys লেখা হয়, dis নয়, আর মাঝখানে entery থাকে। শব্দের মূল অর্থ মনে রাখলে বানানও সহজে মনে থাকে, কারণ রোগটি অন্ত্রের অসুখ।
মনে রাখুন: dys উপসর্গযুক্ত আরও শব্দ dyslexia (পড়তে অসুবিধা), dysfunction (বিকল হওয়া), dyspepsia (বদহজম)। - ৪২. Fifty kg __ really a heavy weight to carry.
- ক. are
- খ. was
- গ. is
- ঘ. were
উত্তর: গ. is
ওজন, দূরত্ব, সময় বা টাকার পরিমাণ সংখ্যায় বহুবচন হলেও যখন পুরোটা মিলে একটি পরিমাণ বোঝায়, তখন তার সঙ্গে singular verb বসে। এখানে fifty kg একটি নির্দিষ্ট ওজন, তাই verb একবচন হবে। আবার বাক্যটি একটি সাধারণ সত্য বলছে বলে present tense প্রয়োজন, তাই শূন্যস্থানে is বসবে।
উদাহরণ:
Twenty kilometres is a long way to walk.
Three hours is enough for the exam. - ৪৬. CONSTITUTION : PREAMBLE ::
- ক. Prelude : Overture
- খ. Opera : Music
- গ. Legislation : Assembly
- ঘ. Book : Preface
উত্তর: ঘ. Book : Preface
সংবিধানের শুরুতে থাকে প্রস্তাবনা (Preamble), যেখানে পুরো দলিলের মূল উদ্দেশ্য ও আদর্শ সংক্ষেপে বলা হয়। একইভাবে একটি বইয়ের শুরুতে থাকে মুখবন্ধ বা ভূমিকা (Preface), যেখানে লেখক বইটির পরিচয় দেন। তাই Constitution : Preamble সম্পর্কের সঙ্গে Book : Preface সবচেয়ে ভালো মেলে, কারণ দুটিতেই প্রথম শব্দটি পুরো জিনিস আর দ্বিতীয়টি তার শুরুর পরিচিতি অংশ।
মনে রাখুন: Prelude ও Overture প্রায় সমার্থক, দুটিই সংগীতের সূচনা অংশ, তাই সেই জোড়ায় পুরো-অংশের সম্পর্ক নেই। - ৪৭. ‘Obese’ means:
- ক. Obnoxious
- খ. Ugly
- গ. Very fat
- ঘ. Tardy
উত্তর: গ. Very fat
Obese মানে অতিরিক্ত মোটা বা স্থূলকায়, অর্থাৎ শরীরে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর মাত্রায় চর্বি জমা থাকা। তাই এর অর্থ very fat। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এর বিশেষ্য রূপ obesity বা স্থূলতা একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য সমস্যা। Obnoxious মানে ঘৃণ্য, ugly মানে কুৎসিত আর tardy মানে দেরি করা বা ধীর।
মনে রাখুন: Obese-এর বিপরীত শব্দ thin, slim বা lean। শরীরের ভর সূচক (BMI) ৩০ বা তার বেশি হলে তাকে obese ধরা হয়। - ৪৮. Synonym for ‘Mouth watering’?
- ক. Delicious
- খ. Wet
- গ. Hot
- ঘ. Sour
উত্তর: ক. Delicious
কোনো খাবার দেখে বা তার গন্ধ পেয়ে মুখে লালা চলে আসা, অর্থাৎ জিভে পানি আসা বোঝাতে mouth-watering বলা হয়। এমন খাবার স্বাভাবিকভাবেই খুব সুস্বাদু হয়, তাই এর সমার্থক delicious। Wet মানে ভেজা, hot মানে গরম বা ঝাল আর sour মানে টক, এগুলো আক্ষরিক অর্থে পানি বা স্বাদের কথা বললেও শব্দটির ভাব প্রকাশ করে না।
মনে রাখুন: Delicious-এর আরও সমার্থক শব্দ tasty, appetizing, yummy, savoury। - ৫৬. কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
- ক. Mr. Jamal is not in the committee.
- খ. Mr. Jamal is not in committee.
- গ. Mr. Jamal is not at the committee
- ঘ. Mr. Jamal is not on the committee.
উত্তর: ঘ. Mr. Jamal is not on the committee.
কোনো কমিটি, বোর্ড বা প্যানেলের সদস্য হওয়া বোঝাতে ইংরেজিতে preposition on বসে, যেমন She is on the board of directors। তাই Mr. Jamal is not on the committee মানে জনাব জামাল কমিটির সদস্য নন। নির্দিষ্ট একটি কমিটির কথা বলা হচ্ছে বলে committee-এর আগে the বসে, তাই the বাদ দেওয়া বাক্যটিও ভুল।
মনে রাখুন: ব্রিটিশ ইংরেজিতে কখনো in the committee-ও শোনা যায়, তবে প্রমিত ও বহুল প্রচলিত রূপ on the committee। - ৭২. What kind of noun is ‘Girl’?
- ক. Collective
- খ. Material
- গ. Proper
- ঘ. Common
উত্তর: ঘ. Common
যে noun একই জাতীয় সব ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝায়, তাকে common noun বলে। Girl কোনো নির্দিষ্ট মেয়েকে নয়, সব মেয়েকে বোঝায়, তাই এটি common noun। Girl-এর জায়গায় Rina লিখলে সেটি নির্দিষ্ট নাম হয়ে proper noun হয়ে যেত।
মনে রাখুন:
Proper noun নির্দিষ্ট নাম, যেমন: Dhaka, Rina।
Collective noun দল বোঝায়, যেমন: team।
Material noun পদার্থ বোঝায়, যেমন: gold।
বাংলাদেশ
- ১৭. ঢাকার আহসান মঞ্জিল কে নির্মাণ করেন?
- ক. নবাব কুতুব উদ্দিন
- খ. নবাব হাফিজুর রহমান
- গ. নবাব আব্দুল গণি
- ঘ. নবাব আব্দুল লতিফ
উত্তর: গ. নবাব আব্দুল গণি
ঢাকার নবাব আবদুল গনি বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে আহসান মঞ্জিল নির্মাণ করেন। ১৮৫৯ সালে নির্মাণ শুরু হয়ে ১৮৭২ সালে কাজ শেষ হয়, আর তিনি ছেলে খাজা আহসানউল্লাহর নামে ভবনটির নাম রাখেন। গোলাপি রঙের এই প্রাসাদটি দীর্ঘদিন ঢাকার নবাব পরিবারের বাসভবন ছিল, আর এখন এটি বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের একটি শাখা জাদুঘর।
মনে রাখুন:
১৯০৬ সালে আহসান মঞ্জিলেই নিখিল ভারত মুসলিম লীগের জন্ম হয়।
প্রাসাদের গম্বুজওয়ালা পূর্ব অংশকে রংমহল বলা হয়। - ৩৩. বাংলাদেশ টেস্ট ক্রিকেটের মর্যাদা লাভ করে–
- ক. ১৯৯৯ সালে
- খ. ২০০০ সালে
- গ. ২০০১ সালে
- ঘ. ২০০২ সালে
উত্তর: খ. ২০০০ সালে
২০০০ সালের ২৬ জুন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (ICC) বাংলাদেশকে দশম টেস্ট খেলুড়ে দেশ হিসেবে পূর্ণ সদস্যপদ দেয়। একই বছরের ১০ নভেম্বর ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ তার প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে, আর সেই ম্যাচে আমিনুল ইসলাম বুলবুল সেঞ্চুরি করেন।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট জয় পায় ২০০৫ সালে, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রামে।
বাংলাদেশ ১৯৯৭ সালে আইসিসি ট্রফি জিতে প্রথম বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পায়। - ৩৭. ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধকালে ANNIHILATE THESE DEMONS শিরোনামের পোস্টারটি কে এঁকেছিলেন?
- ক. শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন
- খ. ভিনসেন্ট ভ্যান গ্যগ
- গ. পাবলো পিকাসো
- ঘ. কামরুল হাসান
উত্তর: ঘ. কামরুল হাসান
মুক্তিযুদ্ধের সময় শিল্পী কামরুল হাসান ইয়াহিয়া খানের দানবের মতো বিকৃত মুখ এঁকে ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে’ শিরোনামে একটি পোস্টার তৈরি করেন। এর ইংরেজি শিরোনাম ছিল Annihilate These Demons। মুজিবনগর সরকারের তথ্য ও প্রচার বিভাগের দায়িত্বে থেকে তিনি পোস্টারটি আঁকেন, আর এটি মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ মানুষকে প্রবলভাবে উদ্দীপ্ত করে।
মনে রাখুন:
কামরুল হাসানকে পটুয়া বলা হয়, আর বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশাকারও তিনি।
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের বিখ্যাত ছবি দুর্ভিক্ষের চিত্রমালা (১৯৪৩)। - ৪৫. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান কোন তারিখ থেকে কার্যকর হয়?
- ক. নভেম্বর ৪, ১৯৭২
- খ. জানুয়ারি ০১, ১৯৭২
- গ. ডিসেম্বর ১৬, ১৯৭১
- ঘ. ডিসেম্বর ১৬, ১৯৭২
উত্তর: ঘ. ডিসেম্বর ১৬, ১৯৭২
বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়, কিন্তু তা কার্যকর হয় প্রথম বিজয় দিবস, অর্থাৎ ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ থেকে। গৃহীত হওয়ার তারিখ আর কার্যকর হওয়ার তারিখ আলাদা, তাই দুটি গুলিয়ে ফেলা চলবে না।
মনে রাখুন:
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
৪ নভেম্বর এখন সংবিধান দিবস হিসেবে পালিত হয়।
সংবিধানের প্রথম সংশোধনী হয় ১৯৭৩ সালে। - ৫৮. বাংলাদেশের কোনো রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীতের কত চরণ বাজানো হয়?
- ক. প্রথম ১২ চরণ
- খ. প্রথম ১০ চরণ
- গ. প্রথম ৪ চরণ
- ঘ. প্রথম ১৯ চরণ
উত্তর: গ. প্রথম ৪ চরণ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ‘আমার সোনার বাংলা’ গানের প্রথম ১০ চরণ বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে গৃহীত। রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে কণ্ঠে গাওয়ার সময় এই ১০ চরণই গাওয়া হয়, তবে বাদ্যযন্ত্রে বাজানোর সময় প্রথম ৪ চরণ বাজানো হয়। প্রশ্নে বাজানোর কথা বলা হয়েছে, তাই উত্তর প্রথম ৪ চরণ।
মনে রাখুন:
জাতীয় সংগীতের ইংরেজি অনুবাদ করেন সৈয়দ আলী আহসান।
জাতীয় রণসংগীত নজরুলের ‘চল চল চল’, যার ২১ চরণ গাওয়া হয়। - ৬৩. বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর সর্বনিম্ন স্তর কোনটি?
- ক. জেলা
- খ. উপজেলা
- গ. ইউনিয়ন
- ঘ. থানা
উত্তর: গ. ইউনিয়ন
বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো ওপর থেকে নিচে বিভাগ, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন এই ক্রমে সাজানো। এর মধ্যে সবচেয়ে নিচের স্তর হলো ইউনিয়ন, যেখানে জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ইউনিয়ন পরিষদ গ্রামের মানুষকে সেবা দেয়। প্রতিটি ইউনিয়ন ৯টি ওয়ার্ডে বিভক্ত থাকে। থানা মূলত পুলিশ প্রশাসনের একক, আর উপজেলা ইউনিয়নের ওপরের স্তর।
মনে রাখুন:
ইউনিয়ন পরিষদের প্রধান চেয়ারম্যান, আর প্রতি ওয়ার্ড থেকে একজন সদস্য নির্বাচিত হন।
গ্রাম পর্যায়ের নিরাপত্তায় কাজ করেন গ্রাম পুলিশ বা চৌকিদার। - ৬৯. ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামক ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ কত সালে ঘটে?
- ক. বাংলা ১০৭৬ সালে
- খ. বাংলা ১৩৭৬ সালে
- গ. বাংলা ১১৭৬ সালে
- ঘ. বাংলা ১২৭৬ সালে
উত্তর: গ. বাংলা ১১৭৬ সালে
বাংলা ১১৭৬ সনে, অর্থাৎ ১৭৭০ খ্রিষ্টাব্দে, বাংলায় এক ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ হয়, যাতে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ মারা যায়। বাংলা সনের শেষ দুই অঙ্ক ৭৬ বলে একে ‘ছিয়াত্তরের মন্বন্তর’ বলা হয়। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দ্বৈত শাসন আর অনাবৃষ্টি এই দুর্ভিক্ষের প্রধান কারণ ছিল।
মনে রাখুন:
তখন বাংলার গভর্নর ছিলেন জন কার্টিয়ার।
‘পঞ্চাশের মন্বন্তর’ হয় বাংলা ১৩৫০ সনে (১৯৪৩)। - ৭৫. ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে বাঙালিদের প্রথম বিদ্রোহের নাম–
- ক. সাঁওতাল বিদ্রোহ
- খ. সিপাহি বিদ্রোহ
- গ. নীল বিদ্রোহ
- ঘ. ফকির ও সন্ন্যাসী বিদ্রোহ
উত্তর: ঘ. ফকির ও সন্ন্যাসী বিদ্রোহ
১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধের পর বাংলায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন ও শোষণ শুরু হয়। এর বিরুদ্ধে ১৭৬০-এর দশক থেকে ফকির ও সন্ন্যাসীরা যে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন, সেটিকেই ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে বাঙালির প্রথম সংগঠিত বিদ্রোহ ধরা হয়। এই বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন ফকির মজনু শাহ এবং পরে মুসা শাহ ও ভবানী পাঠক।
মনে রাখুন:
বঙ্কিমচন্দ্রের ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাস সন্ন্যাসী বিদ্রোহের পটভূমিতে লেখা।
সাঁওতাল বিদ্রোহ হয় ১৮৫৫ সালে, সিপাহি বিদ্রোহ ১৮৫৭ সালে আর নীল বিদ্রোহ ১৮৫৯-৬০ সালে।
ব্যাংকিং ও অর্থনীতি
- ২৯. The word ‘Stagflation’ means–
- ক. cultural dullness
- খ. controlled prices
- গ. economic slow downs
- ঘ. a disintegrating government
উত্তর: গ. economic slow downs
Stagflation শব্দটি stagnation (স্থবিরতা) ও inflation (মূল্যস্ফীতি) মিলে তৈরি। এটি এমন এক অর্থনৈতিক অবস্থা, যেখানে অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি থেমে যায় বা মন্দা চলে, বেকারত্ব বাড়ে, আবার একই সঙ্গে জিনিসপত্রের দামও বাড়তে থাকে। বিকল্পগুলোর মধ্যে economic slow downs বা অর্থনৈতিক মন্দাই এর কাছাকাছি অর্থ।
মনে রাখুন:
Inflation = মুদ্রাস্ফীতি বা মূল্যস্ফীতি
Deflation = মুদ্রা সংকোচন বা দাম কমে যাওয়া
১৯৭০-এর দশকের তেল সংকটের সময় পশ্চিমা দেশগুলোতে স্ট্যাগফ্লেশন দেখা দেয়। - ৭১. IMF-এর পূর্ণরূপ কী?
- ক. International Muslim Federation
- খ. International Monetary Fund
- গ. International Monetary Foundation
- ঘ. Islamic Monetary Fund
উত্তর: খ. International Monetary Fund
আইএমএফ-এর পূর্ণরূপ International Monetary Fund, বাংলায় আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল। ১৯৪৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ব্রেটন উডস সম্মেলনে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে এর প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত হয়, আর ১৯৪৫ সালে এটি যাত্রা শুরু করে। সংস্থাটি সদস্য দেশগুলোর লেনদেনের ভারসাম্য সংকটে ঋণ দেয় এবং বৈশ্বিক মুদ্রাব্যবস্থার স্থিতিশীলতা রক্ষায় কাজ করে। এর সদর দপ্তর ওয়াশিংটন ডিসিতে।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশ আইএমএফের সদস্য হয় ১৯৭২ সালে।
বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফকে একসঙ্গে ব্রেটন উডস যমজ (Bretton Woods Twins) বলা হয়।
বিজ্ঞান
- ৩০. উইন্ডমিলের সাহায্যে কী উৎপাদন করা হয়?
- ক. বায়ু
- খ. তেল
- গ. বিদ্যুৎ
- ঘ. প্রাকৃতিক গ্যাস
উত্তর: গ. বিদ্যুৎ
উইন্ডমিল (Windmill) বা বায়ুকলের বড় পাখাগুলো বাতাসের গতিশক্তিতে ঘোরে। পাখার সঙ্গে যুক্ত জেনারেটর ঘুরে যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে বদলে দেয়, ফলে বিদ্যুৎ তৈরি হয়। এখানে বায়ু শক্তির উৎস, উৎপাদিত বস্তু নয়। তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস মাটির নিচ থেকে তোলা জীবাশ্ম জ্বালানি, উইন্ডমিলে তৈরি হয় না।
মনে রাখুন:
বায়ুশক্তি নবায়নযোগ্য ও পরিবেশবান্ধব।
বাংলাদেশে কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্র আছে।
পুরোনো যুগে বায়ুকল দিয়ে গম ভাঙানো হতো। নেদারল্যান্ডসের বায়ুকল বিশেষভাবে বিখ্যাত।
উদাহরণ:
পাহাড়ি বা উপকূলীয় এলাকায় যেখানে বাতাসের গতি বেশি, সেখানে বায়ুকল বসানো ভালো।
বায়ুকল বিদ্যুতের একটি সস্তা ও কার্বন-মুক্ত উৎস হলেও বাতাস সবসময় একই বেগে থাকে না, তাই এর উৎপাদন অনিয়মিত হয়। - ৫৯. কোনটি ধনুষ্টংকার রোগ সৃষ্টি করে?
- ক. কমা
- খ. স্পাইরাল
- গ. কক্কাস
- ঘ. ব্যাসিলাস
উত্তর: ঘ. ব্যাসিলাস
ধনুষ্টংকার (Tetanus) রোগ হয় ক্লস্ট্রিডিয়াম টেটানি (Clostridium tetani) নামের একটি ব্যাকটেরিয়ার কারণে। এই ব্যাকটেরিয়া দেখতে দণ্ড বা লাঠির মতো, আর দণ্ডাকার ব্যাকটেরিয়াকে ব্যাসিলাস (Bacillus) বলে। মাটি, ধুলা বা মরিচা ধরা পেরেক দিয়ে শরীর কেটে গেলে এর জীবাণু ক্ষতস্থানে ঢুকে পড়ে, আর রোগীর মাংসপেশি শক্ত হয়ে খিঁচুনি হয়।
মনে রাখুন:
আকৃতি অনুযায়ী ব্যাকটেরিয়া: গোলাকার কক্কাস, দণ্ডাকার ব্যাসিলাস, কমা আকৃতির ভিব্রিও (কলেরার জীবাণু) আর প্যাঁচানো স্পাইরিলাম।
ধনুষ্টংকার প্রতিরোধে টিটেনাস টক্সয়েড (TT) টিকা দেওয়া হয়। - ৬৪. ‘কার্ডিওলজি’ কোন রোগের সাথে সম্পৃক্ত?
- ক. হার্ট
- খ. চোখ
- গ. কিডনি
- ঘ. ফুসফুস
উত্তর: ক. হার্ট
কার্ডিওলজি (Cardiology) হলো চিকিৎসাবিজ্ঞানের সেই শাখা, যেখানে হৃৎপিণ্ড ও রক্তনালির গঠন, কাজ ও রোগ নিয়ে আলোচনা করা হয়। শব্দটি এসেছে গ্রিক kardia (হৃদয়) ও logia (বিদ্যা) থেকে। হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে কার্ডিওলজিস্ট বলা হয়।
মনে রাখুন:
চোখ: অপথালমোলজি
কিডনি: নেফ্রোলজি
ফুসফুস: পালমোনোলজি
স্নায়ু: নিউরোলজি
ত্বক: ডার্মাটোলজি - ৬৫. নিচের কোনটি সূর্যের আলোকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তর করতে পারে?
- ক. জেনারেটর
- খ. সূর্যের আলো
- গ. সৌর প্যানেল
- ঘ. গ্যাসের চুলা
উত্তর: গ. সৌর প্যানেল
সৌর প্যানেলে (Solar Panel) অনেকগুলো সৌরকোষ বা সোলার সেল (Solar Cell) পাশাপাশি বসানো থাকে। এই কোষগুলো সাধারণত সিলিকন দিয়ে তৈরি, যার ওপর সূর্যের আলো পড়লে ইলেকট্রন চলতে শুরু করে এবং সরাসরি বিদ্যুৎ তৈরি হয়। এই প্রক্রিয়াকে ফটোভোলটাইক (Photovoltaic) প্রক্রিয়া বলে। জেনারেটর যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করে, সূর্যের আলোকে নয়।
মনে রাখুন:
সৌরকোষ আলোক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে।
সৌরশক্তি নবায়নযোগ্য ও পরিবেশবান্ধব, তাই বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে সোলার হোম সিস্টেম জনপ্রিয়। - ৭০. এসিডের একটি ধর্ম হলো–
- ক. এরা লাল লিটমাসকে হলুদ করে
- খ. এরা লাল লিটমাসকে নীল করে
- গ. এরা নীল লিটমাসকে লাল করে
- ঘ. এরা নীল লিটমাসকে সাদা করে
উত্তর: গ. এরা নীল লিটমাসকে লাল করে
লিটমাস (Litmus) হলো এক ধরনের নির্দেশক, যা দিয়ে কোনো দ্রবণ এসিড না ক্ষার তা চেনা যায়। এসিড নীল লিটমাস কাগজকে লাল করে দেয়, আর এটিই এসিডের একটি পরিচিত ধর্ম। এর উল্টো কাজটি করে ক্ষার, অর্থাৎ ক্ষার লাল লিটমাসকে নীল করে।
মনে রাখুন:
এসিডের স্বাদ টক, আর এর pH মান ৭-এর কম।
ক্ষারের স্বাদ কটু ও স্পর্শে পিচ্ছিল, আর pH মান ৭-এর বেশি।
বিশুদ্ধ পানি নিরপেক্ষ, এর pH ৭।
সাধারণ জ্ঞান
- ৪৯. নবায়নযোগ্য প্রাকৃতিক সম্পদ কোনগুলো?
- ক. তেল, গ্যাস, পানি
- খ. বায়ু, পানি, সূর্যের আলো
- গ. বায়ু, গ্যাস, কয়লা
- ঘ. গ্যাস, কয়লা, তেল
উত্তর: খ. বায়ু, পানি, সূর্যের আলো
যে প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহারের পরেও প্রকৃতিতে আবার তৈরি হয় বা কখনো ফুরিয়ে যায় না, তাকে নবায়নযোগ্য সম্পদ (Renewable Resource) বলে। বায়ু, পানি আর সূর্যের আলো এমন সম্পদ, কারণ প্রকৃতিতে এগুলো বারবার ফিরে আসে। অন্য দিকে তেল, গ্যাস ও কয়লা লাখ লাখ বছর ধরে মাটির নিচে তৈরি হয়েছে, একবার ফুরিয়ে গেলে আর সহজে ফেরে না, তাই এরা অনবায়নযোগ্য।
মনে রাখুন: তেল, গ্যাস ও কয়লাকে জীবাশ্ম জ্বালানি (Fossil Fuel) বলে। এগুলো পোড়ালে কার্বন ডাই-অক্সাইড বের হয়, যা বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বাড়ায়। - ৫৪. কার্তিক ও অগ্রহায়ণ দুই মাস কী কাল?
- ক. শীতকাল
- খ. হেমন্তকাল
- গ. শরৎকাল
- ঘ. বসন্তকাল
উত্তর: খ. হেমন্তকাল
বাংলাদেশে বছরকে ছয়টি ঋতুতে ভাগ করা হয়, আর প্রতিটি ঋতু দুই মাসের। কার্তিক ও অগ্রহায়ণ মাস মিলে হেমন্তকাল। এই সময়ে মাঠে মাঠে আমন ধান পাকে, আর নতুন ধান ঘরে তোলার আনন্দে গ্রামে নবান্ন উৎসব হয়। এ কারণে হেমন্তকে ফসলের ঋতুও বলা হয়।
মনে রাখুন:
গ্রীষ্ম: বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠ
বর্ষা: আষাঢ় ও শ্রাবণ
শরৎ: ভাদ্র ও আশ্বিন
শীত: পৌষ ও মাঘ
বসন্ত: ফাল্গুন ও চৈত্র
আন্তর্জাতিক
- ৭৩. কোন দেশের অধিবাসীরা ‘ডাচ’ নামে পরিচিত?
- ক. নেদারল্যান্ডস
- খ. পর্তুগাল
- গ. হাঙ্গেরী
- ঘ. স্পেন
উত্তর: ক. নেদারল্যান্ডস
নেদারল্যান্ডসের অধিবাসীদের ডাচ (Dutch) বলা হয়, আর তাদের ভাষার নামও ডাচ। দেশটির আরেকটি পরিচিত নাম হল্যান্ড, যদিও হল্যান্ড আসলে দেশটির দুটি প্রদেশের নাম। নেদারল্যান্ডস শব্দের অর্থ নিচু দেশ, কারণ এর বড় অংশ সমুদ্রপৃষ্ঠের চেয়ে নিচে, বাঁধ দিয়ে সমুদ্রকে ঠেকিয়ে রাখা হয়েছে।
মনে রাখুন:
নেদারল্যান্ডসের রাজধানী আমস্টারডাম, তবে সরকার ও আন্তর্জাতিক আদালত দ্য হেগে।
উপমহাদেশে ডাচদের ওলন্দাজ বলা হতো, আর বাংলায় ‘তুরুপ’ ও ‘হরতন’ শব্দ ওলন্দাজ ভাষা থেকে এসেছে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর: অন্যান্য পরীক্ষা
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পিটিআই ইন্সট্রাক্টর (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ১৪৯১) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ২৫৯৪) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ৩৬৯৭) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৪০২১) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৫১২৪) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৮৪৩৩) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পিটিআই ইন্সট্রাক্টর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পিটিআই ইন্সট্রাক্টর (শিক্ষাবিজ্ঞানসহ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ; ১২ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২০১৪ সালের স্থগিত পরীক্ষা, ১৪ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২০১৪ সালের স্থগিত পরীক্ষা, ১৫ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২০১৪ সালের স্থগিত পরীক্ষা, ২০ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (বরিশাল বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (চট্টগ্রাম বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (ঢাকা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (খুলনা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (রাজশাহী বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (সিলেট বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (চট্টগ্রাম বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (ঢাকা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (খুলনা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (পিইডিপি-২) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (রাজশাহী বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (সিলেট বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (বরিশাল বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৭
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (চট্টগ্রাম বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৭
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (ঢাকা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৭
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (খুলনা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৭
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (রাজশাহী বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৭
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (সিলেট বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৭
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (ধানসিঁড়ি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (দড়াটানা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (যমুনা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (কংস) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (মেঘনা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (পদ্মা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (হেমন্ত; মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য বিশেষ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১০
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (ইছামতি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১০
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (কপোতাক্ষ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১০
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (করতোয়া) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১০
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (সুরমা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১০
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (বসন্ত) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১০
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (তিস্তা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১০
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (তিতাস) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১০
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (যমুনা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (কর্ণফুলী) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (মেঘনা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (পদ্মা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (বুড়িগঙ্গা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (দাজলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (দানিয়ুব) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (হোয়াংহো) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (যমুনা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (ঝিলাম) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (করতোয়া) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (মেঘনা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (মিসিসিপি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (পদ্মা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (রাইন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (শীতলক্ষ্যা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (সুরমা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (ভলগা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (আলফা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৪
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (বিটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৪
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (ডেলটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৪
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (গামা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৪
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৪
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৪
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৪
আরও শিক্ষক নিয়োগ ও নিবন্ধন পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৫
- এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৫
- এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৫
- এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৬
- এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৬
- এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৬
- এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৭
- এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৭
- এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৭
- এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০২২
- এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০২২
- এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০২২
- এনটিআরসিএ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০২৪
- এনটিআরসিএ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০২৪
- এনটিআরসিএ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০২৪
- এনটিআরসিএ ৮ম প্রতিষ্ঠান প্রধান নিবন্ধন (প্রধান শিক্ষক) পরীক্ষা ২০২৬
- এনটিআরসিএ ৮ম প্রতিষ্ঠান প্রধান নিবন্ধন (অধ্যক্ষ) পরীক্ষা ২০২৬
- এনটিআরসিএ ৮ম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১২
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন