এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৬: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ১৩ মে ২০১৬। ৯৩টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →- বাংলা (২৪)
- ইংরেজি (২৫)
- গণিত (২২)
- আন্তর্জাতিক (৫)
- সাধারণ জ্ঞান (৩)
- কম্পিউটার ও আইসিটি (১)
- বাংলাদেশ (৭)
- ব্যাংকিং ও অর্থনীতি (১)
- বিজ্ঞান (৫)
বাংলা
- ১. ’আনারস’ কোন ভাষার শব্দ?
- ক. ওলন্দাজ
- খ. গুজরাটি
- গ. পর্তুগিজ
- ঘ. জাপানি
উত্তর: গ. পর্তুগিজ
‘আনারস’ শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। ষোলো শতকে পর্তুগিজ বণিক ও নাবিকেরা বাণিজ্যের জন্য এদেশে আসে, আর তাদের সঙ্গে আনারস ফলটি যেমন এসেছে, তেমনি এর নামটিও এসেছে। একই সময়ে আরও অনেক পর্তুগিজ শব্দ বাংলায় ঢুকে পড়ে।
মনে রাখুন:
পর্তুগিজ শব্দ: আনারস, আলমারি, আলপিন, চাবি, গির্জা, বালতি, পাউরুটি, পেঁপে।
ওলন্দাজ শব্দ: ইস্কাপন, রুইতন, হরতন, তুরুপ। - ২. নাটকের সংলাপের উপযোগী ভাষার কোন রীতি?
- ক. সাধু
- খ. চলিত
- গ. আঞ্চলিক
- ঘ. মিশ্র
উত্তর: খ. চলিত
নাটকের সংলাপ চরিত্রগুলোর মুখের কথা, তাই এটি সহজ, স্বাভাবিক ও জীবন্ত হওয়া দরকার। চলিত রীতি মানুষের মুখের ভাষার কাছাকাছি এবং সংক্ষিপ্ত, তাই নাটকের সংলাপের জন্য এটিই সবচেয়ে উপযোগী। সাধু রীতি গুরুগম্ভীর ও আড়ষ্ট বলে সংলাপে তা স্বাভাবিক শোনায় না।
মনে রাখুন: চলিত রীতি নাটক, বক্তৃতা ও আলাপ-আলোচনার উপযোগী, আর সাধু রীতি একসময় দলিল-দস্তাবেজ ও সরকারি লেখায় বেশি ব্যবহৃত হতো। - ৩. বিস্ময় বিহ্নের বিরতিকাল কতটুকু?
- ক. এক বলার দ্বিগুণ সময়
- খ. এক সেকেন্ড
- গ. থামার প্রয়োজন নেই
- ঘ. এক বলতে যে সময় প্রয়োজন
উত্তর: খ. এক সেকেন্ড
বিস্ময়চিহ্ন (!) সাধারণত বাক্যের শেষে বসে, তাই দাঁড়ি ও প্রশ্নবোধক চিহ্নের মতো এখানেও ১ সেকেন্ড থামতে হয়। আবেগ, বিস্ময় বা হঠাৎ অনুভূতি প্রকাশ করতে এই চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, যেমন ‘কী সুন্দর দৃশ্য!’।
মনে রাখুন:
কমা = ১ বলতে যে সময় লাগে।
সেমিকোলন = ১ বলার দ্বিগুণ সময়।
দাঁড়ি, প্রশ্নবোধক ও বিস্ময়চিহ্ন = ১ সেকেন্ড।
হাইফেন ও ইলেক = থামার প্রয়োজন নেই। - ৪. ‘চাঁদের হাট’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ কোনটি?
- ক. বিরাট আয়োজন
- খ. সৌভাগ্য লাভ
- গ. সৌভাগ্যের বিষয়
- ঘ. আনন্দের প্রাচুর্য
উত্তর: ঘ. আনন্দের প্রাচুর্য
চাঁদের আলো যেমন সবার মন ভরিয়ে দেয়, তেমনি প্রিয় মানুষেরা একসঙ্গে জড়ো হলে আনন্দে চারদিক ভরে ওঠে। এই আনন্দের প্রাচুর্য বোঝাতেই ‘চাঁদের হাট’ বাগধারাটি (Idiom) ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ: ঈদের ছুটিতে সব ভাইবোন বাড়ি ফেরায় আমাদের ঘরে চাঁদের হাট বসেছে।
মনে রাখুন:
চাঁদ হাতে পাওয়া: অপ্রত্যাশিত সৌভাগ্য লাভ।
গোবরে পদ্মফুল: নিচু পরিবেশে অসাধারণ মানুষের জন্ম। - ৫. ‘ছকড়া নকড়া’ – বাগধারাটির অর্থ কী?
- ক. সস্তা দর
- খ. নষ্ট করা
- গ. দুর্লভ বস্তু
- ঘ. আশায় নৈরাশ্য
উত্তর: ক. সস্তা দর
‘ছকড়া নকড়া’ বাগধারাটির অর্থ সস্তা দর বা অতি তুচ্ছ মূল্যে কোনো কিছু নষ্ট করা। একসময় কড়ি ছিল সবচেয়ে ছোট মুদ্রা, আর ছয় কড়া বা নয় কড়া ছিল একেবারে নগণ্য পরিমাণ। সেখান থেকেই কথাটি এসেছে, যেমন আমরা বলি, এত দামি জিনিস ছকড়া নকড়া দামে বেচে দিলে?
মনে রাখুন:
আকাশকুসুম = অসম্ভব কল্পনা।
ডুমুরের ফুল = দুর্লভ বস্তু।
গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল = আগেই ফলের আশা করা। - ৬. কোন বানানটি সঠিক?
- ক. মুসুর্ষু
- খ. মুমূর্ষু
- গ. মুমুর্সু
- ঘ. মুমুসর্ষ
উত্তর: খ. মুমূর্ষু
মৃত্যুর কাছাকাছি পৌঁছে গেছে এমন মানুষকে মুমূর্ষু বলা হয়। শব্দটি সংস্কৃত থেকে আসা তৎসম শব্দ, তাই এর বানানে প্রথম ‘মু’-তে হ্রস্ব উ-কার, দ্বিতীয় ‘মূ’-তে দীর্ঘ ঊ-কার, আর শেষে মূর্ধন্য ষ-যুক্ত ‘র্ষু’ বসে। মনে রাখার সহজ উপায় হলো, ঋ বা র-এর পরে ষ বসার নিয়ম (ষত্ব বিধান) এখানে কাজ করে।
মনে রাখুন: একই ধরনের কঠিন বানান: মুহূর্ত, ভূয়সী, ঊর্ধ্ব। - ৭. কোনটি শুদ্ধ বানান?
- ক. তিতিক্ষা
- খ. তীতীক্ষা
- গ. তীতিক্ষা
- ঘ. তিতীক্ষা
উত্তর: ক. তিতিক্ষা
‘তিতিক্ষা’ শব্দের অর্থ সহিষ্ণুতা বা কষ্ট সহ্য করার ক্ষমতা। শব্দটি সংস্কৃত থেকে এসেছে, আর এর দুটি ‘তি’ অংশেই হ্রস্ব ই-কার বসে। তাই শুদ্ধ বানান ‘তিতিক্ষা’, আর এর বিশেষণ রূপ ‘তিতিক্ষু’, অর্থাৎ যিনি সহনশীল।
মনে রাখুন: একই রকম হ্রস্ব ই-কারের বানান: তিরস্কার, পিপাসা, শিরিষ, দিদি। - ৮. অনুবাদের পারদর্শিতা কীসের ওপর নির্ভরশীল?
- ক. পড়াশোনার ওপর
- খ. ভাষান্তরের ওপর
- গ. নির্ধারণের ওপর
- ঘ. অভ্যাসের ওপর
উত্তর: ঘ. অভ্যাসের ওপর
ভালো অনুবাদের জন্য দুই ভাষার শব্দ, বাক্যগঠন আর প্রকাশভঙ্গি ভালোভাবে জানা দরকার। এই দক্ষতা একবার পড়ে বা নিয়ম মুখস্থ করে আসে না, নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে ধীরে ধীরে তৈরি হয়। তাই অনুবাদের পারদর্শিতা মূলত অভ্যাসের ওপর নির্ভরশীল।
মনে রাখুন: অনুবাদ প্রধানত দুই প্রকার, আক্ষরিক অনুবাদ ও ভাবানুবাদ। - ৯. Patience has its reward – এ বাক্যের যথার্থ অনুবাদ –
- ক. সবুরে মেওয়া ফলে
- খ. রোগী পুরস্কার পেয়েছে
- গ. রোগীর জন্য পুরস্কার আছে
- ঘ. ধৈর্যের মূল্যায়ন হয়েছে
উত্তর: ক. সবুরে মেওয়া ফলে
‘Patience has its reward’ বাক্যের মূল কথা হলো ধৈর্য ধরলে একসময় তার সুফল পাওয়া যায়। এই ভাবটি বাংলায় প্রকাশ করার সবচেয়ে প্রচলিত ও যথার্থ উপায় হলো প্রবাদ ‘সবুরে মেওয়া ফলে’। এখানে ‘সবুর’ মানে ধৈর্য আর ‘মেওয়া’ মানে ফল বা সুফল। অন্য বিকল্পগুলোতে Patience শব্দটিকে ভুলভাবে Patient, অর্থাৎ রোগী অর্থে ধরা হয়েছে।
মনে রাখুন: প্রবাদ বা বাগধারার অনুবাদে আক্ষরিক অনুবাদ না করে ভাবানুবাদ করতে হয়। - ১০. সমাসবদ্ধ পদগুলো বিচ্ছিন্ন করে দেখানোর জন্য কোন চিহ্ন বসে?
- ক. ড্যাস
- খ. কোলন
- গ. হাইফেন
- ঘ. সেমিকোলন
উত্তর: গ. হাইফেন
একাধিক শব্দ মিলে যখন একটি সমাসবদ্ধ পদ তৈরি হয়, তখন পদের অংশগুলো আলাদা করে দেখাতে হাইফেন (Hyphen) চিহ্ন বসে। হাইফেনে পড়ার সময় থামতে হয় না, এটি কেবল শব্দের অংশগুলোকে জুড়ে রাখে।
উদাহরণ: সুখ-দুঃখ, মা-বাবা, দেশ-বিদেশ।
মনে রাখুন: ড্যাস (Dash) হাইফেনের চেয়ে লম্বা, এটি বাক্যের মধ্যে ব্যাখ্যা বা ভাবের হঠাৎ পরিবর্তন বোঝাতে বসে। - ১১. ‘দুর্যোগ’ – এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৭
- ক. দুর + যোগ
- খ. দুঃ + যোগ
- গ. দু + যোগ
- ঘ. দুরোঃ + যোগ
উত্তর: খ. দুঃ + যোগ
‘দুর্যোগ’ শব্দটি ‘দুঃ’ উপসর্গ ও ‘যোগ’ শব্দ মিলে গঠিত, আর এখানে বিসর্গ সন্ধি হয়েছে। বিসর্গ সন্ধির নিয়মে অ বা আ ছাড়া অন্য স্বরের পরের বিসর্গের পরে বর্গের তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম বর্ণ বা য, র, ল, হ এলে বিসর্গ বদলে ‘র্’ হয়। তাই দুঃ + যোগ = দুর্যোগ, যার অর্থ বিপদ বা প্রাকৃতিক দুর্বিপাক।
উদাহরণ:
দুঃ + গতি = দুর্গতি, নিঃ + জন = নির্জন, আশীঃ + বাদ = আশীর্বাদ, দুঃ + নাম = দুর্নাম। - ১২. ‘আমি কি ডরাই সখি ভিখারি রাঘবে’ – এখানে ‘রাঘবে’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৭
- ক. অপাদানে ৭মী
- খ. কর্তৃকারকে ৭মী
- গ. অধিকরণে ৭মী
- ঘ. কর্মে ৭মী
উত্তর: ক. অপাদানে ৭মী
যা থেকে কোনো কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত বা ভীত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘মেঘনাদবধ কাব্য’-এর এই চরণে বলা হয়েছে, আমি কি ভিখারি রাঘবকে ভয় পাই? এখানে ভয়ের কারণ হলো রাঘব, তাই ‘রাঘবে’ অপাদান কারক। শব্দটির সঙ্গে ‘এ’ বিভক্তি যুক্ত, যা সপ্তমী বিভক্তি, ফলে এটি অপাদানে সপ্তমী।
মনে রাখুন: ভয় পাওয়া অর্থে অপাদান কারক প্রায়ই আসে, যেমন ‘বাঘকে ভয় পায় না কে?’ বাক্যে ‘বাঘকে’ অপাদানে দ্বিতীয়া। - ১৩. ‘সকলের জন্য প্রযোজ্য’ – এক কথায় কী হবে?
- ক. সর্বজনীন
- খ. সার্বজনীন
- গ. সর্বজনস্বীকৃত
- ঘ. সর্বজনগ্রাহ্য
উত্তর: ক. সর্বজনীন
যা সকলের জন্য প্রযোজ্য বা সবার মঙ্গলের জন্য করা হয়, তাকে এক কথায় ‘সর্বজনীন’ বলে। এখানে ‘সর্বজন’ শব্দের সঙ্গে ‘ঈন’ প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। অন্যদিকে ‘সার্বজনীন’ শব্দের অর্থ সকল জনের মধ্যে বিদ্যমান বা সবার মধ্যে ছড়িয়ে থাকা, তাই দুটি শব্দ এক নয়।
উদাহরণ:
সর্বজনীন দুর্গোৎসব, সর্বজনীন ভোটাধিকার।
মনে রাখুন: সবার কাছে গৃহীত হলে ‘সর্বজনগ্রাহ্য’ আর সবাই মেনে নিলে ‘সর্বজনস্বীকৃত’ বলা হয়। - ১৪. কোনটি নিত্য সমাসের সমস্তপদ?
- ক. সেতার
- খ. প্রত্যহ
- গ. গ্রামান্তর
- ঘ. সহোদর
উত্তর: গ. গ্রামান্তর
যে সমাসে সমস্যমান পদগুলো দিয়ে ব্যাসবাক্য গঠন করা যায় না, বরং অন্য পদের সাহায্যে অর্থ বোঝাতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে। ‘গ্রামান্তর’ শব্দের অর্থ অন্য গ্রাম, আর এর ব্যাসবাক্যে ‘অন্তর’ শব্দটি নয়, ‘অন্য’ শব্দটি ব্যবহার করতে হয়। তাই এটি নিত্য সমাসের উদাহরণ। ‘সেতার’ দ্বিগু, ‘প্রত্যহ’ অব্যয়ীভাব আর ‘সহোদর’ বহুব্রীহি সমাস।
উদাহরণ:
দেশান্তর = অন্য দেশ, কালান্তর = অন্য কাল, তন্মাত্র = কেবল তা। - ১৫. ‘সচেষ্ট’ এর সঠিক বিপরীত শব্দ কোনটি?
- ক. অশিষ্ট
- খ. অনিষ্ট
- গ. লঘিষ্ঠ
- ঘ. নিশ্চেষ্ট
উত্তর: ঘ. নিশ্চেষ্ট
‘সচেষ্ট’ শব্দের অর্থ যার চেষ্টা আছে বা যে চেষ্টা করে। এখানে ‘স’ উপসর্গ দিয়ে সহিত বা যুক্ত বোঝানো হয়েছে। এর বিপরীত অর্থ বোঝাতে ‘নিঃ’ উপসর্গ যোগ করা হয়, ফলে নিঃ + চেষ্ট = নিশ্চেষ্ট, অর্থাৎ যার কোনো চেষ্টা নেই। অন্য শব্দগুলোর মধ্যে ‘অশিষ্ট’ মানে অভদ্র আর ‘অনিষ্ট’ মানে ক্ষতি।
মনে রাখুন:
সচেতন-অচেতন, সক্রিয়-নিষ্ক্রিয়, সজীব-নির্জীব, সচল-অচল। - ১৬. ‘গায়ক’ শব্দটির সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয় কোনটি?
- ক. √ গিঃ + অক
- খ. √ গায় + অক
- গ. √ গৈঃ + নক
- ঘ. √ গৈ + ণক
উত্তর: ঘ. √ গৈ + ণক
‘গায়ক’ শব্দটি এসেছে গান করা অর্থের সংস্কৃত ধাতু ‘গৈ’ থেকে। এর সঙ্গে কৃৎ প্রত্যয় ‘ণক’ যুক্ত হলে ‘ণ’ লোপ পায় এবং ‘অক’ থাকে, আর ধাতুর ঐ বদলে আয় হয়ে √গৈ + ণক = গায়ক হয়। এই প্রত্যয় দিয়ে সাধারণত কাজটি যে করে তাকে বোঝানো হয়।
উদাহরণ:
√নী + ণক = নায়ক, √পঠ্ + ণক = পাঠক, √লিখ্ + ণক = লেখক। - ১৭. ’মুক্তি’ শব্দটির সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয় কোনটি?
- ক. √ মুচ্ + তি
- খ. √ মুক্ + ক্তি
- গ. √ মুক + তি
- ঘ. √ মুচ্ + ক্তি
উত্তর: ক. √ মুচ্ + তি
‘মুক্তি’ শব্দের মূলে আছে √মুচ্ ধাতু, যার অর্থ ছেড়ে দেওয়া বা মুক্ত করা। এর সঙ্গে কৃৎ প্রত্যয় (Suffix) ‘তি’ যুক্ত হলে চ্ বদলে ক্ হয়ে যায়, তাই √মুচ্ + তি = মুক্তি। একই ধাতু থেকে √মুচ্ + ক্ত = মুক্ত শব্দটিও এসেছে।
মনে রাখুন: ‘তি’ প্রত্যয়যোগে আরও শব্দ: √শক্ + তি = শক্তি, √ভজ্ + তি = ভক্তি, √যুজ্ + তি = যুক্তি। - ১৮. ‘প্রসূন’ – এর প্রতিশব্দ –আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৯
- ক. ভ্রমর
- খ. পক্ষী
- গ. পুষ্প
- ঘ. ফল
উত্তর: গ. পুষ্প
‘প্রসূন’ শব্দের অর্থ ফুল বা পুষ্প। শব্দটি সংস্কৃত থেকে এসেছে, আর এর মূল অর্থ যা প্রস্ফুটিত বা জন্ম নেয়। প্রশ্নের অন্য শব্দগুলোর অর্থ আলাদা: ভ্রমর মানে মৌমাছির মতো এক ধরনের পতঙ্গ, যারা ফুলের মধু খায়, আর পক্ষী মানে পাখি।
মনে রাখুন:
ফুলের প্রতিশব্দ: পুষ্প, কুসুম, প্রসূন, পুষ্পক, মঞ্জরি।
ভ্রমরের প্রতিশব্দ: অলি, মধুকর, ভৃঙ্গ, ষট্পদ। - ১৯. ‘সংখ্যাবাচক’ শব্দের সাথে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয়, তাকে কী সমাস বলে?
- ক. দ্বন্দ্ব
- খ. দ্বিগু
- গ. কর্মধারয়
- ঘ. বহুব্রীহি
উত্তর: খ. দ্বিগু
যে সমাসে পূর্বপদ সংখ্যাবাচক শব্দ এবং পরপদ বিশেষ্য, আর পুরো সমস্তপদটি সমাহার বা সমষ্টি বোঝায়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে। যেমন তিন মাথার সমাহার তেমাথা, সাত সমুদ্রের সমাহার সাতসমুদ্র। দ্বিগু সমাসকে কর্মধারয় সমাসের একটি বিশেষ রূপ হিসেবেও গণ্য করা হয়।
উদাহরণ:
শতাব্দী, ত্রিফলা, পঞ্চবটী, সপ্তাহ, চৌরাস্তা।
মনে রাখুন: সংখ্যাবাচক পূর্বপদ থাকলেও সমাহার না বুঝিয়ে অন্য অর্থ বোঝালে তা বহুব্রীহি হয়, যেমন দশানন (দশ আনন যার)। - ২০. ‘স্বকীয়’ শব্দটির বিপরীত শব্দ কোনটি?
- ক. অপর
- খ. নিজস্ব
- গ. স্বকীয়তা
- ঘ. পরকীয়
উত্তর: ঘ. পরকীয়
‘স্বকীয়’ শব্দের অর্থ নিজের বা নিজস্ব। এর বিপরীত শব্দ ‘পরকীয়’, যার অর্থ অন্যের বা পরের। এখানে ‘স্ব’ (নিজ) ও ‘পর’ (অন্য) শব্দের সঙ্গে একই প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিপরীত অর্থের দুটি শব্দ তৈরি হয়েছে। ‘নিজস্ব’ শব্দটি স্বকীয়ের সমার্থক, আর ‘স্বকীয়তা’ এর বিশেষ্য রূপ।
মনে রাখুন: স্বকীয়তা মানে নিজস্বতা বা স্বাতন্ত্র্য, যেমন ‘কবির স্বকীয়তা’। - ২১. ‘তেজি’ শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?
- ক. দুর্বল
- খ. নিস্তেজ
- গ. সতেজ
- ঘ. রুগ্ণ
উত্তর: খ. নিস্তেজ
‘তেজী’ শব্দের অর্থ তেজ আছে এমন, অর্থাৎ শক্তিমান বা প্রবল। কোনো কিছুর তেজ না থাকলে আমরা তাকে ‘নিস্তেজ’ বলি। ‘নিঃ’ উপসর্গ যুক্ত হয়ে এখানে অভাব বোঝানো হয়েছে, তাই ‘তেজী’ শব্দের বিপরীত শব্দ ‘নিস্তেজ’। ‘দুর্বল’ শব্দের বিপরীত সাধারণত ‘সবল’ ধরা হয়, আর ‘সতেজ’ শব্দটি তেজী শব্দেরই কাছাকাছি অর্থ দেয়।
মনে রাখুন: নিঃ + তেজ = নিস্তেজ, এখানে বিসর্গ সন্ধিতে বিসর্গ বদলে ‘স্’ হয়েছে। - ২২. ‘শত্রুকে দমন করে যে’ এক কথায় প্রকাশ –
- ক. শত্রুঘ্ন
- খ. অরিন্দম
- গ. শত্রু হত্যা
- ঘ. কৃতঘ্ন
উত্তর: খ. অরিন্দম
সংস্কৃতে ‘অরি’ মানে শত্রু, আর ‘দম’ মানে দমন করা। তাই যে ব্যক্তি শত্রুকে দমন করে তাকে এক কথায় অরিন্দম বলা হয়। শত্রুকে হত্যা করে যে, তাকে বলা হয় শত্রুঘ্ন, অর্থাৎ দুটি শব্দের অর্থ কাছাকাছি হলেও এক নয়।
মনে রাখুন:
কৃতঘ্ন: উপকারীর অপকার করে যে।
কৃতজ্ঞ: উপকারীর উপকার স্বীকার করে যে। - ২৩. ভাষার মূল উপাদান কী?
- ক. বাক্য
- খ. শব্দ
- গ. বর্ণ
- ঘ. ধ্বনি
উত্তর: ঘ. ধ্বনি
মানুষের মুখ থেকে বের হওয়া অর্থবোধক আওয়াজকে ধ্বনি (Sound) বলে। কয়েকটি ধ্বনি মিলে শব্দ তৈরি হয়, শব্দ মিলে বাক্য, আর বাক্যের সাহায্যেই আমরা মনের ভাব প্রকাশ করি। তাই ভাষার সবচেয়ে ছোট ও মূল উপাদান হলো ধ্বনি।
মনে রাখুন:
ধ্বনি লিখে প্রকাশ করার সাংকেতিক চিহ্নকে বর্ণ বলে।
বাক্যের মূল উপাদান শব্দ। - ২৪. ‘নাটিকা’ শব্দটি কোন অর্থে স্ত্রীবাচক?
- ক. সমার্থে
- খ. বিপরীতার্থে
- গ. ক্ষুদ্রার্থে
- ঘ. বৃহদার্থে
উত্তর: গ. ক্ষুদ্রার্থে
নাটক শব্দটি পুরুষবাচক নয়, বরং ছোট আকারের নাটক বোঝাতে এর সঙ্গে ইকা প্রত্যয় যোগ হয়ে নাটিকা শব্দ তৈরি হয়েছে। এখানে ইকা যুক্ত হয়ে ক্ষুদ্র বা ছোট অর্থ বোঝাচ্ছে, আর শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ রূপে গঠিত, তাই নাটিকা ক্ষুদ্রার্থে স্ত্রীবাচক শব্দ। বিপরীতার্থ বা বৃহদার্থ এখানে বোঝানো হয়নি।
মূল শব্দ বা বিশেষ্যের আকার ছোট বোঝাতে এভাবে যে প্রত্যয় বা শব্দাংশ যুক্ত হয়, তাকে ক্ষুদ্রার্থক বলে।
উদাহরণ:
পুস্তক থেকে পুস্তিকা
মালা থেকে মালিকা
গীত থেকে গীতিকা
ইংরেজি
- ২৫. It is health _______ is wealth.
- ক. which
- খ. what
- গ. whatever
- ঘ. whatsoever
উত্তর: ক. which
It is/was ... that/which/who গঠনটি বাক্যের কোনো অংশকে বিশেষ জোর দিয়ে বলতে ব্যবহার করা হয়, একে cleft sentence বলে। এখানে health শব্দটিকে জোর দেওয়া হয়েছে, আর health একটি বস্তু বা বিষয় বলে এর পরে relative pronoun হিসেবে which বা that বসে। তাই ‘It is health which is wealth.’ শুদ্ধ, যার অর্থ স্বাস্থ্যই সম্পদ।
মনে রাখুন: ব্যক্তিকে জোর দিলে who বসে, যেমন It was Karim who helped me। আর what নিজেই ‘the thing which’ অর্থ বহন করে, তাই এখানে বসে না। - ২৬. The boy is _______ answer the question.
- ক. to dull too
- খ. too dull to
- গ. to dull to
- ঘ. to very dull
উত্তর: খ. too dull to
Too... to গঠনটি দিয়ে বোঝানো হয় কোনো কিছু এত বেশি যে একটি কাজ করা সম্ভব হয় না। এর গঠন হলো too + adjective/adverb + to + verb। তাই ‘The boy is too dull to answer the question.’ শুদ্ধ, যার অর্থ ছেলেটি এত বোকা যে প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে না। এখানে too মানে অতিরিক্ত, আর to শব্দটি infinitive-এর অংশ।
মনে রাখুন: Too... to বাক্যকে so... that... not দিয়েও লেখা যায়, যেমন The boy is so dull that he cannot answer the question। - ২৭. I carried an umbrella in case ______
- ক. it was raining
- খ. it rained
- গ. it rains
- ঘ. its raining
উত্তর: খ. it rained
In case কথাটির অর্থ যদি এমন হয় বা সেই আশঙ্কায়। এটি দিয়ে বোঝানো হয়, সম্ভাব্য কোনো ঘটনার জন্য আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। বাক্যের main clause ‘I carried an umbrella’ past tense-এ আছে, তাই in case-এর পরের clause-ও past indefinite-এ হবে। ফলে ‘I carried an umbrella in case it rained.’ শুদ্ধ।
মনে রাখুন: Present tense-এর ক্ষেত্রে বলা হয় I carry an umbrella in case it rains। আর in case-এর পরে should বসিয়েও বলা যায়, যেমন in case it should rain। - ২৮. If I had seen him _____
- ক. I would tell him the matter
- খ. I might tell him the matter
- গ. I will have told him the matter
- ঘ. I might have told him the matter
উত্তর: ঘ. I might have told him the matter
If + had + past participle দিয়ে অতীতের এমন শর্ত বোঝানো হয়, যা বাস্তবে পূরণ হয়নি। এ ধরনের conditional বাক্যে principal clause-এ would, could বা might-এর পরে have + past participle বসে। তাই ‘If I had seen him, I might have told him the matter.’ শুদ্ধ, অর্থাৎ তাকে দেখলে হয়তো বিষয়টি বলতাম।
মনে রাখুন: এই ধরনের বাক্য থেকে বোঝা যায়, আসলে তাকে দেখা হয়নি এবং বলাও হয়নি। - ২৯. হায় ! তার মা আজ জীবিত নেই।
- ক. Alas! His mother is no more today.
- খ. Ah! His mother is died.
- গ. Alas! His mother has died.
- ঘ. Alas! His mother has lost her life.
উত্তর: ক. Alas! His mother is no more today.
‘হায়’ শব্দটি দুঃখ প্রকাশ করে, আর ইংরেজিতে এর জন্য Alas! ব্যবহার করা হয়। কারও মৃত্যুর কথা সম্মানের সঙ্গে বা নরমভাবে বলতে ইংরেজিতে ‘is no more’ কথাটি বলা হয়। তাই ‘হায়! তার মা আজ জীবিত নেই’ বাক্যের যথার্থ অনুবাদ ‘Alas! His mother is no more today.’ ‘His mother is died’ ব্যাকরণগতভাবে ভুল, কারণ die ক্রিয়ার passive হয় না।
মনে রাখুন: Dead একটি adjective, তাই বলা যায় His mother is dead, কিন্তু is died বলা যায় না। - ৩০. মেয়েটি চা অপেক্ষা দুধ বেশি পছন্দ করে।
- ক. The girl likes milk more than tea
- খ. The girl prefers milk to tea
- গ. The girl prefers milk than tea
- ঘ. The girl prefers tea to milk
উত্তর: খ. The girl prefers milk to tea
একটি জিনিসের চেয়ে অন্যটি বেশি পছন্দ করা বোঝাতে prefer শব্দটি ব্যবহার করা হয়, আর তুলনার পরের অংশে to বসে, than নয়। তাই ‘মেয়েটি চা অপেক্ষা দুধ বেশি পছন্দ করে’ বাক্যের শুদ্ধ অনুবাদ ‘The girl prefers milk to tea.’ ‘likes milk more than tea’ কথাটি অর্থের দিক থেকে কাছাকাছি হলেও এ ধরনের অনুবাদে prefer... to-ই প্রচলিত ও যথার্থ।
মনে রাখুন: Prefer, superior, inferior, senior, junior শব্দের পরে তুলনায় than না বসে to বসে। - ৩১. সকাল থেকে মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে।
- ক. It has been raining cats and dogs from morning
- খ. It has been raining cats and dogs since morning
- গ. It is raining cats and dogs since morning
- ঘ. Rains has starts cats and dogs from morning
উত্তর: খ. It has been raining cats and dogs since morning
‘মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে’ বোঝাতে ইংরেজিতে idiom ‘rain cats and dogs’ ব্যবহার করা হয়। কাজটি সকালে শুরু হয়ে এখনো চলছে, তাই present perfect continuous tense (has been + verb-ing) বসবে। আর নির্দিষ্ট সময়ের শুরু বোঝাতে from নয়, since বসে। ফলে ‘It has been raining cats and dogs since morning.’ শুদ্ধ অনুবাদ।
মনে রাখুন: Present perfect continuous-এর সঙ্গে শুরুর বিন্দু বোঝাতে since আর সময়ের ব্যাপ্তি বোঝাতে for বসে। - ৩২. আমার মানিকগঞ্জ যাবার কথা ছিল।
- ক. I was to go to Manikganj
- খ. I am to go to Manikganj
- গ. I have to go to Manikganj
- ঘ. I need to go to Manikganj
উত্তর: ক. I was to go to Manikganj
কোনো কাজ পূর্বনির্ধারিত ছিল বা কথা ছিল, এমন বোঝাতে ইংরেজিতে be + to + verb গঠন ব্যবহার করা হয়। ঘটনাটি অতীতের, তাই এখানে was to বসে। ফলে ‘আমার মানিকগঞ্জ যাবার কথা ছিল’ বাক্যের অনুবাদ ‘I was to go to Manikganj.’ ‘I am to go’ মানে আমার যাওয়ার কথা আছে, যা বর্তমানের পরিকল্পনা বোঝায়।
মনে রাখুন: ‘কথা ছিল কিন্তু হয়নি’ বোঝাতে was/were to have + past participle বসে, যেমন I was to have gone there। - ৩৩. আমি তাকে পড়তে শুনলাম।
- ক. I heard him to read
- খ. I heard him reading
- গ. I have heard him reading
- ঘ. I saw him reading
উত্তর: খ. I heard him reading
Hear, see, watch, feel ধরনের ইন্দ্রিয়বোধক verb-এর পরে object বসলে তারপরে to ছাড়া verb বা verb-এর ing রূপ বসে। কাজটি চলমান অবস্থায় শোনা হয়েছে, অর্থাৎ সে পড়ছিল আর আমি শুনলাম, তাই এখানে ing রূপ মানানসই। ফলে ‘আমি তাকে পড়তে শুনলাম’ বাক্যের অনুবাদ ‘I heard him reading.’ ‘heard him to read’ ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
মনে রাখুন: পুরো কাজটি শোনা বোঝাতে to ছাড়া verb বসে, যেমন I heard him sing a song। - ৩৪. Would that I ______ to college.
- ক. can go
- খ. shall go
- গ. could go
- ঘ. might have gone
উত্তর: গ. could go
Would that কথাটি দিয়ে এমন ইচ্ছা প্রকাশ করা হয় যা পূরণ হওয়া কঠিন বা প্রায় অসম্ভব। বর্তমান সময়ের এমন অপূর্ণ ইচ্ছা বোঝাতে would that-এর পরের clause-এ could বা verb-এর past রূপ বসে। তাই ‘Would that I could go to college.’ শুদ্ধ, যার অর্থ হায়, যদি কলেজে যেতে পারতাম!
মনে রাখুন: Would that, I wish ও If only তিনটিই একই ধরনের অপূর্ণ ইচ্ছা প্রকাশ করে। - ৩৫. I wish I _______ a sweet song.
- ক. sang
- খ. shall sing
- গ. can sing
- ঘ. will sing
উত্তর: ক. sang
I wish দিয়ে বর্তমানের এমন ইচ্ছা প্রকাশ করা হয়, যা বাস্তবে সত্য নয়। এ ধরনের অবাস্তব ইচ্ছা বোঝাতে I wish-এর পরের clause-এ verb-এর past রূপ বসে, যদিও অর্থটি বর্তমানের। তাই ‘I wish I sang a sweet song.’ বাক্যটি নিয়ম অনুযায়ী শুদ্ধ। shall, can বা will এখানে বসে না, কারণ এগুলো বাস্তব সম্ভাবনা বোঝায়।
মনে রাখুন: সামর্থ্য বোঝাতে চাইলে past রূপ could বসে, যেমন I wish I could sing a sweet song। আর be verb-এর ক্ষেত্রে were বসে, যেমন I wish I were a king। - ৩৬. He spoke as though he _______ everything.
- ক. knew
- খ. has known
- গ. had known
- ঘ. knows
উত্তর: গ. had known
As though বা as if দিয়ে এমন কিছু বোঝানো হয়, যা আসলে সত্য নয়, শুধু মনে হয় বা ভান করা হয়। আমাদের দেশের ব্যাকরণ বইয়ে প্রচলিত নিয়ম হলো, main clause present tense-এ থাকলে as though-এর পরে past indefinite বসে, আর main clause past tense-এ থাকলে past perfect বসে। এখানে main clause ‘He spoke’ অতীতে, তাই নিয়ম অনুযায়ী ‘He spoke as though he had known everything.’ উত্তর ধরা হয়।
মনে রাখুন: He talks as if he knew everything (present + past indefinite), আর He talked as if he had known everything (past + past perfect)। - ৩৭. The colour of her eyes _____ blue.
- ক. are
- খ. is
- গ. were
- ঘ. none of the above
উত্তর: খ. is
এই বাক্যে আসল subject হলো ‘The colour’, আর ‘of her eyes’ অংশটি শুধু বলে দিচ্ছে কিসের রং। Subject ও verb-এর মাঝে of দিয়ে কোনো phrase এলে verb সবসময় মূল subject অনুযায়ী বসে, of-এর পরের noun অনুযায়ী নয়। Colour একবচন, তাই verb হবে is। ফলে ‘The colour of her eyes is blue.’ শুদ্ধ।
মনে রাখুন: The quality of these mangoes is good, One of my friends is a doctor, এসব বাক্যেও একই নিয়ম। - ৩৮. ‘Ten to one’ means _______
- ক. very uncertain
- খ. very likely
- গ. almost impossible
- ঘ. not possible at all
উত্তর: খ. very likely
Ten to one একটি idiom, যার অর্থ খুব সম্ভবত বা প্রায় নিশ্চিতভাবে। কথাটি এসেছে বাজির হিসাব থেকে, যেখানে দশের বিপরীতে মাত্র এক ভাগ সম্ভাবনা উল্টো দিকে, অর্থাৎ ঘটনাটি ঘটার সম্ভাবনাই বেশি। যেমন ‘Ten to one he will come’ মানে খুব সম্ভবত সে আসবে।
মনে রাখুন:
Once in a blue moon = কালেভদ্রে।
At sixes and sevens = বিশৃঙ্খল অবস্থায়।
By fits and starts = অনিয়মিতভাবে। - ৩৯. He insisted _______ there.
- ক. over going
- খ. on my going
- গ. to go
- ঘ. is to go
উত্তর: খ. on my going
Insist শব্দের পরে preposition ‘on’ বসে, আর preposition-এর পরে verb থাকলে তা gerund (verb + ing) রূপ নেয়। কাজটি কে করবে তা বোঝাতে gerund-এর আগে possessive form (my, his, their) বসে, তাই He insisted on my going there বাক্যটি শুদ্ধ।
মনে রাখুন: insist on, depend on, rely on, persist in, succeed in প্রভৃতির পরে gerund বসে।
উদাহরণ: She insisted on paying the bill. - ৪০. Jim and Della were as wise as the Magi. (Negative)
- ক. Jim and Della were not as wise as the Magi
- খ. Jim and Della were not less wise than the Magi
- গ. Jim and Della were not to wise as the Magi
- ঘ. Jim and Della were not unwise than the Magi
উত্তর: খ. Jim and Della were not less wise than the Magi
Positive degree-তে as... as দিয়ে লেখা হ্যাঁ-বোধক বাক্যকে অর্থ না বদলে না-বোধক করতে not less... than ব্যবহার করা হয়। ‘Jim and Della were as wise as the Magi’ বাক্যের অর্থ জিম ও ডেলা মেজাইদের মতোই জ্ঞানী ছিল। এর negative রূপ ‘Jim and Della were not less wise than the Magi.’, অর্থাৎ তারা মেজাইদের চেয়ে কম জ্ঞানী ছিল না। ‘not as wise as’ লিখলে অর্থ উল্টে যেত।
মনে রাখুন: বাক্যটি O. Henry-র গল্প ‘The Gift of the Magi’ থেকে নেওয়া, যেখানে জিম ও ডেলা একে অপরকে উপহার দিতে নিজেদের প্রিয় জিনিস বিক্রি করে দেয়। - ৪১. Every man must die. (Interrogative)
- ক. Is there any man who must die?
- খ. Doesn’t any man die?
- গ. Is there any man who will not die?
- ঘ. Is there any man who does not die?
উত্তর: গ. Is there any man who will not die?
Assertive বাক্যকে interrogative করার সময় অর্থ ঠিক রাখতে হয়। ‘Every man must die’ মানে প্রত্যেক মানুষকেই মরতে হবে, কেউ বাদ যাবে না। এই অর্থ প্রশ্নের মাধ্যমে প্রকাশ করতে এমন প্রশ্ন করা হয় যার উত্তর হবে ‘না, এমন কেউ নেই’। তাই ‘Is there any man who will not die?’ শুদ্ধ রূপ। ‘Is there any man who must die?’ প্রশ্নটি উল্টো অর্থ দেয়।
মনে রাখুন: Every-যুক্ত হ্যাঁ-বোধক বাক্যকে interrogative করতে সাধারণত ‘Is there any... who... not...?’ কাঠামো ব্যবহার করা হয়। - ৪২. He worked very hard so that he could succeed in life. (Compound).
- ক. He worked very hard but he could not succeed in life.
- খ. He worked very hard and he succeeded in life.
- গ. He worked very hard in order to suceed in life.
- ঘ. He wanted to succeed in life and so he worked very hard.
উত্তর: ঘ. He wanted to succeed in life and so he worked very hard.
‘He worked very hard so that he could succeed in life’ একটি complex sentence, যেখানে so that দিয়ে কাজের উদ্দেশ্য বোঝানো হয়েছে। Compound করতে হলে দুটি independent clause তৈরি করে coordinating conjunction দিয়ে জুড়তে হয়। এখানে উদ্দেশ্যটি আগে বলে ‘and so’ দিয়ে কাজটি যুক্ত করলে অর্থ ঠিক থাকে, তাই ‘He wanted to succeed in life and so he worked very hard.’ শুদ্ধ। ‘in order to’ দিয়ে লেখা বাক্যটি simple sentence।
মনে রাখুন: Compound বাক্যে কারণ বা উদ্দেশ্য বোঝাতে and so, therefore, so ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়। - ৪৩. Find out the correct synonym of ‘occupy’
- ক. grab
- খ. gain
- গ. receive
- ঘ. reserve
উত্তর: ক. grab
Occupy শব্দের অর্থ দখল করা বা কোনো জায়গা অধিকার করে নেওয়া। বিকল্পগুলোর মধ্যে grab শব্দের অর্থ ছিনিয়ে নেওয়া বা দখলে নেওয়া, তাই এটিই occupy-এর সবচেয়ে কাছাকাছি অর্থ দেয়। অন্য শব্দগুলোর অর্থ আলাদা: gain মানে অর্জন করা, receive মানে গ্রহণ করা আর reserve মানে সংরক্ষণ করা।
মনে রাখুন: Occupy-এর অন্য সমার্থক শব্দ হলো seize, capture, possess, take over। এর noun রূপ Occupation, যার অর্থ দখল বা পেশা। - ৪৪. Find out the correct synonym of ‘defence’
- ক. assault
- খ. resistance
- গ. attack
- ঘ. raid
উত্তর: খ. resistance
Defence শব্দের অর্থ প্রতিরক্ষা বা আক্রমণ ঠেকানোর ব্যবস্থা। Resistance শব্দের অর্থও প্রতিরোধ, তাই এটি defence-এর সমার্থক। অন্যদিকে assault, attack ও raid তিনটি শব্দই আক্রমণ বোঝায়, যা defence-এর ঠিক বিপরীত।
মনে রাখুন: ব্রিটিশ ইংরেজিতে বানান Defence আর আমেরিকান ইংরেজিতে Defense। এর verb রূপ Defend আর adjective রূপ Defensive। - ৪৫. Find out the antonym of ‘assist’.
- ক. hinder
- খ. aid
- গ. support
- ঘ. co-operate
উত্তর: ক. hinder
Assist শব্দের অর্থ সাহায্য করা। এর বিপরীত শব্দ hinder, যার অর্থ বাধা দেওয়া বা কাজে ব্যাঘাত ঘটানো। Aid, support ও co-operate তিনটি শব্দই সাহায্য বা সহযোগিতা বোঝায়, তাই এগুলো assist-এর সমার্থক, বিপরীত নয়।
মনে রাখুন: Hinder-এর অন্য সমার্থক শব্দ হলো obstruct, impede, hamper। Assist-এর noun রূপ Assistance আর ব্যক্তিবাচক রূপ Assistant। - ৪৬. Bad habits should be nipped in the bud. Here the underlined phrase means _______
- ক. crop up
- খ. to be cultivated
- গ. to shun
- ঘ. to be stopped in the beginning
উত্তর: ঘ. to be stopped in the beginning
Nip in the bud একটি idiom, যার অর্থ কোনো সমস্যা বা খারাপ কিছুকে শুরুতেই থামিয়ে দেওয়া। কুঁড়ি অবস্থায় ফুল ছিঁড়ে ফেললে যেমন তা আর ফুটতে পারে না, তেমনি বদভ্যাস শুরুতেই বন্ধ করলে তা আর বাড়তে পারে না। তাই বাক্যটির অর্থ, বদভ্যাস শুরুতেই বন্ধ করা উচিত।
মনে রাখুন:
Crop up = হঠাৎ দেখা দেওয়া।
Shun = এড়িয়ে চলা।
বাংলায় এর কাছাকাছি কথা হলো ‘অঙ্কুরে বিনাশ করা’। - ৪৭. What is the noun form of the word ‘successful’?
- ক. successfully
- খ. succeed
- গ. success
- ঘ. successive
উত্তর: গ. success
Successful শব্দটি adjective, যার অর্থ সফল। এর noun রূপ success, অর্থ সাফল্য। অন্য অপশনগুলো আলাদা শ্রেণির শব্দ। Successive বিশেষণ, মানে পরপর আসা। Successfully ক্রিয়াবিশেষণ। Succeed ক্রিয়া, মানে সফল হওয়া। এভাবে একটি মূল শব্দ থেকে noun, verb, adjective ও adverb আলাদা আলাদা রূপে তৈরি হয়।
মনে রাখুন:
Succeed → success → successful → successfully।
শব্দ-পরিবারের চারটি রূপ একসঙ্গে মনে রাখা ভালো। - ৪৮. Verb of the word ‘apology’ is _______
- ক. apological
- খ. apologise
- গ. apologify
- ঘ. enapology
উত্তর: খ. apologise
Apology একটি noun, যার অর্থ ক্ষমাপ্রার্থনা। এর verb রূপ apologise, যার অর্থ ক্ষমা চাওয়া। আমেরিকান ইংরেজিতে এর বানান apologize, তবে দুটিই শুদ্ধ। Apological, apologify বা enapology বলে কোনো শব্দ ইংরেজিতে নেই।
মনে রাখুন:
Apology (n) - Apologise (v) - Apologetic (adj)।
Apologise-এর পরে for বসে, যেমন He apologised for his mistake। - ৪৯. He is proud of his ______
- ক. bad blood
- খ. blue blood
- গ. block head
- ঘ. broken reed
উত্তর: খ. blue blood
Blue blood একটি idiom, যার অর্থ অভিজাত বা উচ্চ বংশ। কথাটি এসেছে স্প্যানিশ অভিজাতদের কাছ থেকে, যাদের ফর্সা ত্বকের নিচে শিরাগুলো নীলচে দেখাত। কেউ নিজের বংশমর্যাদা নিয়ে গর্ব করলে তাই বলা হয় ‘He is proud of his blue blood.’
মনে রাখুন:
Bad blood = শত্রুতা বা বিদ্বেষ।
Blockhead = বোকা লোক।
Broken reed = অনির্ভরযোগ্য ব্যক্তি।
গণিত
- ৫০. ৪% লাভে বিক্রয়মূল্য ৪৬৮ টাকা হলে, ক্রয়মূল্য কত?
- ক. ৪০০ টাকা
- খ. ৪২০ টাকা
- গ. ৪৪০ টাকা
- ঘ. ৪৫০ টাকা
উত্তর: ঘ. ৪৫০ টাকা
ক্রয়মূল্যকে 100 ধরলে 4% লাভে বিক্রয়মূল্য হয় 104। অর্থাৎ বিক্রয়মূল্য ক্রয়মূল্যের 104%, আর এই 104% হলো 468 টাকা।
ক্রয়মূল্য = 468 × 100/104
= 46800/104 = 450 টাকা
যাচাই: 450 টাকার 4% = 18 টাকা, আর 450 + 18 = 468 টাকা।
মনে রাখুন: ক্রয়মূল্য = বিক্রয়মূল্য × 100/(100 + লাভ%) সূত্রটি এ ধরনের প্রশ্নে সরাসরি ব্যবহার করা যায়। - ৫১. দুটি সংখ্যার সমষ্টি 47 এবং তাদের অন্তর 7 হলে, সংখ্যা দুটি কত?
- ক. 33 এবং 21
- খ. 20 এবং 13
- গ. 27 এবং 34
- ঘ. 27 এবং 20
উত্তর: ঘ. 27 এবং 20
ধরি বড় সংখ্যাটি x আর ছোটটি y। সমষ্টি ও অন্তর দেওয়া থাকলে সমীকরণ দুটি যোগ করলেই বড় সংখ্যাটি পাওয়া যায়।
x + y = 47
x − y = 7
যোগ করে: 2x = 54, তাই x = 27
y = 47 − 27 = 20
যাচাই: 27 + 20 = 47 এবং 27 − 20 = 7।
মনে রাখুন: বড় সংখ্যা = (সমষ্টি + অন্তর)/2 আর ছোট সংখ্যা = (সমষ্টি − অন্তর)/2। - ৫২. x + y = 2, x² + y² = 4 হলে, x³ + y³ এর মান কত?
- ক. 4
- খ. 8
- গ. 12
- ঘ. 16
উত্তর: খ. 8
প্রথমে xy বের করতে হবে, তারপর ঘনের সূত্র কাজে লাগাতে হবে।
(x + y)² = x² + y² + 2xy
⇒ 2² = 4 + 2xy ⇒ 2xy = 0 ⇒ xy = 0
এখন x³ + y³ = (x + y)³ − 3xy(x + y) = 2³ − 3·0·2 = 8
মনে রাখুন: x³ + y³ = (x + y)(x² − xy + y²) সূত্রেও একই উত্তর মেলে: 2 × (4 − 0) = 8। - ৫৩. যদি ƒ(x) = x³ + 9x² – 3x – 6 হয়, তবে ƒ(-2) = কত?
- ক. 28
- খ. – 44
- গ. 32
- ঘ. 26
উত্তর: ক. 28
ƒ(−2) বের করতে রাশিটির প্রতিটি x-এর জায়গায় −2 বসাতে হবে। বিজোড় ঘাতে ঋণাত্মক চিহ্ন থেকে যায়, আর জোড় ঘাতে তা ধনাত্মক হয়।
ƒ(−2) = (−2)³ + 9(−2)² − 3(−2) − 6
= −8 + 9 × 4 + 6 − 6
= −8 + 36 + 6 − 6
= 28
মনে রাখুন: (−2)³ = −8 কিন্তু (−2)² = 4, এই চিহ্নের পার্থক্যই এ ধরনের হিসাবে বেশি ভুলের কারণ হয়। - ৫৪. কোনো বৃত্তের ব্যাসার্ধ ৭ সে. মি. হলে, বৃত্তের বৃহত্তম জ্যা – এর দৈর্ঘ্য নিচের কোনটি?
- ক. 2 সে. মি.
- খ. 6 সে. মি.
- গ. 14 সে. মি.
- ঘ. 12 সে. মি.
উত্তর: গ. 14 সে. মি.
বৃত্তের পরিধির যেকোনো দুটি বিন্দুর সংযোজক রেখাংশকে জ্যা বলে। যে জ্যা বৃত্তের কেন্দ্র দিয়ে যায়, সেটিই সবচেয়ে বড় জ্যা, আর তাকে ব্যাস বলে। ব্যাস ব্যাসার্ধের দ্বিগুণ, তাই এখানে বৃহত্তম জ্যা-এর দৈর্ঘ্য 2 × 7 = 14 সে.মি.।
মনে রাখুন: কেন্দ্র থেকে জ্যা যত দূরে যায়, জ্যা তত ছোট হয়। আর কেন্দ্র থেকে কোনো জ্যা-এর ওপর আঁকা লম্ব ওই জ্যাকে সমদ্বিখণ্ডিত করে। - ৫৫. একটি রম্বসের ক্ষেত্রফল ৫২ বর্গ সে. মি. হলে, এর কর্ণদ্বয়ের গুণফল কত?
- ক. ২৬ বর্গ সে. মি.
- খ. ৫২ বর্গ সে. মি.
- গ. ১০৪ বর্গ সে. মি.
- ঘ. ১০৮ বর্গ সে. মি.
উত্তর: গ. ১০৪ বর্গ সে. মি.
রম্বসের কর্ণ দুটি পরস্পরকে লম্বভাবে সমদ্বিখণ্ডিত করে, আর এ কারণে রম্বসের ক্ষেত্রফল = ½ × কর্ণদ্বয়ের গুণফল। এখানে ক্ষেত্রফল 52 বর্গ সে.মি. দেওয়া আছে।
½ × d₁ × d₂ = 52
d₁ × d₂ = 2 × 52 = 104 বর্গ সে.মি.
মনে রাখুন: রম্বসের চারটি বাহু সমান, আর এর বাহুর দৈর্ঘ্য a হলে a² = (d₁/2)² + (d₂/2)²। - ৫৬. কোনো ত্রিভুজের একটি বহিঃস্থকোণ ও এর অন্তঃস্থ সন্নিহিত কোণের সমষ্টি কত?
- ক. 90°
- খ. 120°
- গ. 180°
- ঘ. 360°
উত্তর: গ. 180°
ত্রিভুজের কোনো বাহুকে বাড়ালে যে কোণ তৈরি হয় তাকে বহিঃস্থ কোণ বলে। এই বহিঃস্থ কোণ আর এর পাশের অন্তঃস্থ কোণ একই সরলরেখার ওপর পাশাপাশি থাকে, তাই এরা মিলে একটি সরলকোণ তৈরি করে। সরলকোণের পরিমাণ 180°, তাই এদের সমষ্টিও 180°।
মনে রাখুন: ত্রিভুজের যেকোনো বহিঃস্থ কোণ তার বিপরীত দুটি অন্তঃস্থ কোণের সমষ্টির সমান। আর তিনটি বহিঃস্থ কোণের সমষ্টি 360°। - ৫৭. একটি সুষম ষড়ভুজের একটি বহিঃস্থ কোণের পরিমাণ কত?
- ক. 120°
- খ. 60°
- গ. 90°
- ঘ. 30°
উত্তর: খ. 60°
যেকোনো উত্তল বহুভুজের সব বহিঃস্থ কোণের যোগফল সবসময় ৩৬০°, বাহু যতগুলোই হোক। সুষম ষড়ভুজের ৬টি বহিঃস্থ কোণ পরস্পর সমান, তাই প্রতিটি কোণ 360° ÷ 6 = 60°।
মনে রাখুন:
অন্তঃস্থ কোণ = 180° − বহিঃস্থ কোণ, তাই সুষম ষড়ভুজের প্রতিটি অন্তঃস্থ কোণ 120°।
n বাহুর বহুভুজের অন্তঃস্থ কোণগুলোর সমষ্টি (2n − 4) সমকোণ। - ৫৮. কোন সংখ্যার ১৫% = ৫৪ হবে?
- ক. ৩০০
- খ. ৩৫০
- গ. ৩৬০
- ঘ. ৩৭৫
উত্তর: গ. ৩৬০
কোনো সংখ্যার 15% মানে সংখ্যাটির 100 ভাগের 15 ভাগ। ধরি সংখ্যাটি x, তাহলে x-এর 15% = 54।
x × 15/100 = 54
x = 54 × 100/15
x = 5400/15 = 360
যাচাই: 360-এর 10% = 36 আর 5% = 18, তাই 15% = 36 + 18 = 54।
মনে রাখুন: কোনো সংখ্যার a% = b হলে সংখ্যাটি = b × 100/a। - ৫৯. পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি ৫৪ বছর এবং অনুপাত ৭ : ২। ১০ বছর পরে তাদের বয়সের অনুপাত কত হবে?
- ক. ৩১ : ১৬
- খ. ২৬ : ১১
- গ. ১৭ : ১২
- ঘ. ২ : ১
উত্তর: খ. ২৬ : ১১
পিতা ও পুত্রের বয়সের অনুপাত 7 : 2, অর্থাৎ মোট বয়সকে 7 + 2 = 9 ভাগে ভাগ করলে পিতার 7 ভাগ আর পুত্রের 2 ভাগ।
পিতার বয়স = 54 × 7/9 = 42 বছর
পুত্রের বয়স = 54 × 2/9 = 12 বছর
10 বছর পরে পিতা 52 আর পুত্র 22 বছর
অনুপাত = 52 : 22 = 26 : 11
মনে রাখুন: বয়সের পার্থক্য সবসময় একই থাকে, এখানে 30 বছর, কিন্তু অনুপাত সময়ের সঙ্গে বদলায়। - ৬০. ১ থেকে ১০০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা কয়টি?
- ক. ২৫
- খ. ২৬
- গ. ২৭
- ঘ. ২৯
উত্তর: ক. ২৫
যে সংখ্যাকে ১ ও সংখ্যাটি নিজে ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দিয়ে ভাগ করা যায় না, তাকে মৌলিক সংখ্যা (Prime number) বলে। ১ থেকে ১০০-এর মধ্যে এমন সংখ্যা মোট ২৫টি, শুরু ২ দিয়ে আর শেষ ৯৭ দিয়ে।
মনে রাখুন:
১ থেকে ৫০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা ১৫টি, ৫১ থেকে ১০০ পর্যন্ত ১০টি।
২ একমাত্র জোড় মৌলিক সংখ্যা, আর ১ মৌলিক বা যৌগিক কোনোটিই নয়। - ৬১. একটি বৃত্তের ব্যাস r হলে, বৃত্তটির ক্ষেত্রফল কত?
- ক. πr²
- খ. πr²/4
- গ. 4πr²
- ঘ. কোনটিই নয়
উত্তর: খ. πr²/4
বৃত্তের ক্ষেত্রফলের সূত্র π × (ব্যাসার্ধ)²। প্রশ্নে ব্যাস r দেওয়া আছে, আর ব্যাসার্ধ ব্যাসের অর্ধেক, তাই ব্যাসার্ধ = r/2।
ক্ষেত্রফল = π(r/2)² = πr²/4
মনে রাখুন: ব্যাস d হলে ক্ষেত্রফল = πd²/4 আর পরিধি = πd। এ ধরনের প্রশ্নে r অক্ষর দেখে তাকে ব্যাসার্ধ ভেবে নেওয়াই সাধারণ ভুল। - ৬২. একটি সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল √3 বর্গমিটার হলে, তার বাহুর দৈর্ঘ্য কত মিটার?
- ক. 2
- খ. 3
- গ. √3
- ঘ. 4
উত্তর: ক. 2
সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফলের সূত্র (√3/4)a², যেখানে a বাহুর দৈর্ঘ্য। ক্ষেত্রফল √3 বর্গমিটার দেওয়া আছে, সেটি সূত্রে বসালে a বের হয়।
(√3/4)a² = √3
a² = 4
a = 2 মিটার
মনে রাখুন: একই নিয়মে ক্ষেত্রফল 4√3 বর্গমিটার হলে a² = 16, অর্থাৎ বাহু হতো 4 মিটার। - ৬৩. (3/2)ˣ = 1 হলে, x এর মান নিচের কোনটি?
- ক. 0
- খ. 2/3
- গ. 1
- ঘ. 3/2
উত্তর: ক. 0
সূচকের নিয়ম অনুযায়ী শূন্য ছাড়া যেকোনো সংখ্যার শূন্য ঘাত 1, অর্থাৎ a⁰ = 1 (a ≠ 0)। এখানে ভিত্তি 3/2, যা শূন্য নয় এবং 1-ও নয়। তাই (3/2)ˣ = 1 = (3/2)⁰ হলে দুই পাশের ভিত্তি সমান বলে সূচকও সমান, ফলে x = 0।
মনে রাখুন: ভিত্তি 1 হলে যেকোনো x-এর জন্য 1ˣ = 1, তাই সেখানে x-এর নির্দিষ্ট মান বের করা যায় না। - ৬৪. x – 2, x² – 4 এবং x + 2 এর গ. সা. গু নিচের কোনটি?
- ক. 0
- খ. 1
- গ. x – 2
- ঘ. x + 2
উত্তর: খ. 1
গ.সা.গু. বের করতে প্রথমে প্রতিটি রাশিকে উৎপাদকে ভাঙতে হয়, তারপর সবগুলোর মধ্যে যে উৎপাদক সাধারণ, সেটিই গ.সা.গু.।
x − 2 = (x − 2)
x² − 4 = (x − 2)(x + 2)
x + 2 = (x + 2)
এখানে (x − 2) প্রথম দুটিতে আছে কিন্তু তৃতীয়টিতে নেই, আর (x + 2) শেষ দুটিতে আছে কিন্তু প্রথমটিতে নেই। তিনটির কোনো সাধারণ উৎপাদক নেই বলে গ.সা.গু. = 1।
মনে রাখুন: এই তিনটি রাশির ল.সা.গু. হবে (x − 2)(x + 2) = x² − 4। - ৬৫. জাওয়াদ মোবইলে 5 মিনিট কথা বলল। প্রতি মিনিটের মূল্য 1.5 টাকা এবং ভ্যাট 15% হলে মোট কত টাকা বিল হবে?
- ক. 8.625 টাকা
- খ. 8.652 টাকা
- গ. 7.500 টাকা
- ঘ. 1.125 টাকা
উত্তর: ক. 8.625 টাকা
প্রথমে ভ্যাট ছাড়া মূল বিল বের করতে হবে, তারপর তার ওপর 15% ভ্যাট যোগ করতে হবে।
মূল বিল = 5 × 1.5 = 7.50 টাকা
ভ্যাট = 7.50 × 15/100 = 1.125 টাকা
মোট বিল = 7.50 + 1.125 = 8.625 টাকা
সংক্ষেপে, মোট বিল = 7.50 × 1.15 = 8.625 টাকা।
মনে রাখুন: ভ্যাট (VAT)-এর পূর্ণরূপ Value Added Tax, অর্থাৎ মূল্য সংযোজন কর। - ৬৬. একই হার মুনাফার কোনো আসল ৭ বছরে মুনাফা – আসলে দ্বিগুণ হলে, কত বছরে মুনাফা-আসলে তিনগুণ হবে?
- ক. ১১
- খ. ১২
- গ. ১৪
- ঘ. ২১
উত্তর: গ. ১৪
সরল মুনাফায় আসল 7 বছরে দ্বিগুণ হওয়া মানে 7 বছরে মুনাফা আসলের সমান হয়েছে। মুনাফা-আসলে তিনগুণ হতে হলে মুনাফা হতে হবে আসলের দ্বিগুণ।
7 বছরে মুনাফা = 1 গুণ আসল
তাই 2 গুণ আসলের সমান মুনাফা হতে সময় = 7 × 2 = 14 বছর
মনে রাখুন: সরল মুনাফায় n বছরে দ্বিগুণ হলে k গুণ হতে সময় লাগে (k − 1) × n বছর। এখানে সুদের হার 100/7 ≈ 14.29%। - ৬৭. (9x² – 4)/(3x – 2) – 2 এর মান কত?
- ক. 3x
- খ. 3x + 2
- গ. 3x – 2
- ঘ. 2x
উত্তর: ক. 3x
লবের রাশিটি দুটি বর্গের অন্তর, তাই একে উৎপাদকে ভাঙলে হরের সঙ্গে একটি উৎপাদক কেটে যায়।
9x² − 4 = (3x)² − 2² = (3x − 2)(3x + 2)
(9x² − 4)/(3x − 2) = 3x + 2
তাই (9x² − 4)/(3x − 2) − 2 = 3x + 2 − 2 = 3x
মনে রাখুন: a² − b² = (a − b)(a + b) সূত্রটি ভগ্নাংশ সরল করতে সবচেয়ে বেশি কাজে লাগে। - ৬৮. আয়ান সাহেব একটি মোবাইল সেট p টাকায় বিক্রয় করে x% লাভ করেছেন। তিনি মোবাইল সেটটি কত টাকায় ক্রয় করেছিলেন?
- ক. 100x/(100 + p)
- খ. 100p/(100 + px)
- গ. 100/(100 + p)
- ঘ. 100p/(100 + x)
উত্তর: ঘ. 100p/(100 + x)
ক্রয়মূল্যকে 100 ধরলে x% লাভে বিক্রয়মূল্য হয় (100 + x)। অর্থাৎ বিক্রয়মূল্য (100 + x) হলে ক্রয়মূল্য 100, এখান থেকে ঐকিক নিয়মে ক্রয়মূল্য বের করা যায়।
বিক্রয়মূল্য (100 + x) টাকা হলে ক্রয়মূল্য 100 টাকা
বিক্রয়মূল্য p টাকা হলে ক্রয়মূল্য = 100p/(100 + x) টাকা
মনে রাখুন: x% ক্ষতি হলে একই নিয়মে ক্রয়মূল্য = 100p/(100 − x) টাকা। - ৬৯. 2x³ – 5x² + 4 = 0 সমীকরণের x এর সহগ কত?
- ক. – 5
- খ. 0
- গ. 2
- ঘ. 4
উত্তর: খ. 0
সমীকরণে কোনো চলকের নির্দিষ্ট ঘাতের পদের সঙ্গে যে সংখ্যা গুণ আকারে থাকে, তাকে ওই পদের সহগ বলে। 2x³ − 5x² + 4 = 0 সমীকরণে x³-এর সহগ 2, x²-এর সহগ −5 আর ধ্রুবপদ 4, কিন্তু x-এর একঘাতবিশিষ্ট কোনো পদ নেই। কোনো পদ না থাকলে তার সহগ 0 ধরা হয়।
মনে রাখুন: সমীকরণটিকে পূর্ণরূপে লিখলে হয় 2x³ − 5x² + 0·x + 4 = 0। - ৭০. 5, 11, 13, 7, 8 এবং 10 সংখ্যাগুলোর গড় কত?
- ক. 6
- খ. 7
- গ. 8
- ঘ. 9
উত্তর: ঘ. 9
গড় বের করতে সবগুলো সংখ্যার যোগফলকে সংখ্যার মোট সংখ্যা দিয়ে ভাগ করতে হয়।
যোগফল = 5 + 11 + 13 + 7 + 8 + 10 = 54
সংখ্যা আছে 6টি
গড় = 54 ÷ 6 = 9
মনে রাখুন: গড়ের সঙ্গে প্রতিটি সংখ্যার পার্থক্যের যোগফল সবসময় শূন্য হয়, এখানে (−4) + 2 + 4 + (−2) + (−1) + 1 = 0। - ৭১. ৩০ জন শ্রমিক ২০ দিনে একটি বাড়ি তৈরি করতে পারে। ১২ জন শ্রমিক কত দিনে ঐ বাড়িটি তৈরি করতে পারবে?
- ক. ৩০ দিনে
- খ. ৪৫ দিনে
- গ. ৫০ দিনে
- ঘ. ৬০ দিনে
উত্তর: গ. ৫০ দিনে
শ্রমিকের সংখ্যা কমলে কাজ শেষ হতে বেশি দিন লাগে, অর্থাৎ শ্রমিক ও দিন ব্যস্তানুপাতিক। তাই মোট কাজকে শ্রমিক-দিনে হিসাব করা যায়।
মোট কাজ = 30 × 20 = 600 শ্রমিক-দিন
12 জন শ্রমিকের লাগবে = 600 ÷ 12 = 50 দিন
মনে রাখুন: M₁D₁ = M₂D₂ সূত্রে 30 × 20 = 12 × D₂, তাই D₂ = 50 দিন।
আন্তর্জাতিক
- ৭২. ভারতের প্রজাতান্ত্রিক দিবস কোনটি?
- ক. ২৬ জানুয়ারি
- খ. ১৫ আগস্ট
- গ. ১৪ আগস্ট
- ঘ. ১৬ ডিসেম্বর
উত্তর: ক. ২৬ জানুয়ারি
১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি ভারতের সংবিধান কার্যকর হয় এবং দেশটি প্রজাতন্ত্রে পরিণত হয়, তাই প্রতি বছর এই দিনটি ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস হিসেবে পালিত হয়। দিনটি বেছে নেওয়ার পেছনে কারণ ছিল, ১৯৩০ সালের ২৬ জানুয়ারি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস পূর্ণ স্বরাজের ঘোষণা দিয়েছিল। অন্যদিকে ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ভারত স্বাধীনতা লাভ করে।
মনে রাখুন:
ভারতের স্বাধীনতা দিবস = ১৫ আগস্ট।
পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস = ১৪ আগস্ট।
বাংলাদেশের বিজয় দিবস = ১৬ ডিসেম্বর। - ৭৩. পরপর তিনবার ফিফা বর্ষসেরা ফুটবলার হন কে?
- ক. ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো
- খ. ম্যারাডোনা
- গ. লিওনেল মেসি
- ঘ. ডেভিড বেকহ্যাম
উত্তর: গ. লিওনেল মেসি
আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি ২০০৯ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত টানা চারবার বিশ্বসেরা ফুটবলারের পুরস্কার জেতেন। তাই পরপর তিনবার বা তারও বেশি সেরা হওয়ার কৃতিত্ব তাঁর। ২০১০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত ফিফা ও ব্যালন ডি’অর পুরস্কার একত্রে ‘ফিফা ব্যালন ডি’অর’ নামে দেওয়া হতো। এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি, মোট ৮ বার ব্যালন ডি’অর জয়ের রেকর্ডও মেসির।
মনে রাখুন: ২০২২ সালে মেসির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা কাতার বিশ্বকাপ জেতে। - ৭৫. বিশ্বের সবচেয়ে বৃহৎ অর্থনৈতিক জোট কোনটি?
- ক. EU
- খ. WTO
- গ. NATO
- ঘ. FIFA
উত্তর: ক. EU
ইউরোপীয় ইউনিয়ন (European Union, EU) ইউরোপের ২৭টি দেশের একটি অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক জোট, যার সদস্যদের মধ্যে একক বাজার চালু আছে এবং বেশিরভাগ সদস্য ইউরো নামে অভিন্ন মুদ্রা ব্যবহার করে। অন্য তিনটি সংস্থা অর্থনৈতিক জোট নয়, কারণ WTO বিশ্ববাণিজ্যের নিয়ম দেখে, NATO একটি সামরিক জোট আর FIFA ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
মনে রাখুন: EU-এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে, আর ২০২০ সালে যুক্তরাজ্য এই জোট ছেড়ে যায় (ব্রেক্সিট)। - ৮৩. সার্কের প্রথম মহাসচিব কে ছিলেন?
- ক. শীল কান্ত শর্মা
- খ. ইব্রাহীম হুসাইন জাকী
- গ. আবুল আহসান
- ঘ. নিহাল রডরিগো
উত্তর: গ. আবুল আহসান
১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকায় দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা বা সার্ক (SAARC) প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৮৭ সালে নেপালের কাঠমান্ডুতে সার্ক সচিবালয় চালু হলে বাংলাদেশের কূটনীতিক আবুল আহসান এর প্রথম মহাসচিব হন। সার্ক গঠনের প্রস্তাবও প্রথম দিয়েছিলেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।
মনে রাখুন: সার্কের সদস্য দেশ ৮টি, আর ২০০৭ সালে আফগানিস্তান সর্বশেষ সদস্য হিসেবে যোগ দেয়। - ৮৯. ‘লাইন অব কন্ট্রোল’ কোন দুটি দেশের মধ্যে?
- ক. ভারত-পাকিস্তান
- খ. ভারত-চীন
- গ. ভারত-বাংলাদেশ
- ঘ. পাকিস্তান-আফগানিস্তান
উত্তর: ক. ভারত-পাকিস্তান
লাইন অব কন্ট্রোল (Line of Control বা LoC) হলো কাশ্মীরে ভারত ও পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রিত অংশের মধ্যকার সামরিক নিয়ন্ত্রণরেখা। ১৯৭২ সালের সিমলা চুক্তির মাধ্যমে এই রেখা নির্ধারিত হয়, তবে এটি আনুষ্ঠানিক আন্তর্জাতিক সীমান্ত নয়। ভারত ও চীনের মধ্যকার এমন রেখাকে বলা হয় লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল (LAC)।
মনে রাখুন:
ডুরান্ড লাইন = পাকিস্তান-আফগানিস্তান।
ম্যাকমোহন লাইন = ভারত-চীন।
র্যাডক্লিফ লাইন = ভারত-পাকিস্তান ও ভারত-বাংলাদেশ।
সাধারণ জ্ঞান
- ৭৪. সবচেয়ে বড় দিন কোনটি?
- ক. ২২ ডিসেম্বর
- খ. ২১ মার্চ
- গ. ২৩ সেপ্টেম্বর
- ঘ. ২১ জুন
উত্তর: ঘ. ২১ জুন
পৃথিবী তার অক্ষের ওপর প্রায় ২৩.৫° হেলে থেকে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। ২১ জুন সূর্য কর্কটক্রান্তি রেখার ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয়, ফলে উত্তর গোলার্ধে এ দিন দিন সবচেয়ে বড় আর রাত সবচেয়ে ছোট হয়। বাংলাদেশ উত্তর গোলার্ধে বলে আমাদের দেশেও ২১ জুন বছরের দীর্ঘতম দিন।
মনে রাখুন:
২২ ডিসেম্বর উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন।
২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত সমান (বিষুব)। - ৮৮. বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয় কোন দিন?
- ক. ৫ মে
- খ. ১৫ মে
- গ. ৫ জুন
- ঘ. ১৫ জুন
উত্তর: গ. ৫ জুন
১৯৭২ সালের ৫ জুন সুইডেনের স্টকহোমে জাতিসংঘের মানব পরিবেশ সম্মেলন শুরু হয়। এই সম্মেলনের স্মরণে ১৯৭৩ সাল থেকে প্রতি বছর ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হচ্ছে। দিবসটির আয়োজন করে জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP), আর প্রতি বছর একটি নির্দিষ্ট প্রতিপাদ্য বিষয় ঠিক করা হয়।
মনে রাখুন:
বিশ্ব পরিবেশ দিবস = ৫ জুন।
বিশ্ব পানি দিবস = ২২ মার্চ।
ধরিত্রী দিবস = ২২ এপ্রিল।
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস = ১১ জুলাই। - ৯১. বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ কোনটি?
- ক. ভোলা
- খ. হাতিয়া
- গ. কুতুবদিয়া
- ঘ. সেন্টমার্টিন
উত্তর: ঘ. সেন্টমার্টিন
প্রবাল (Coral) নামের ক্ষুদ্র সামুদ্রিক প্রাণীর চুনময় দেহাবশেষ জমে জমে যে দ্বীপ গড়ে ওঠে, তাকে প্রবাল দ্বীপ বলে। কক্সবাজার জেলার টেকনাফের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ, যা স্থানীয়ভাবে নারিকেল জিঞ্জিরা নামে পরিচিত।
মনে রাখুন:
সেন্টমার্টিনের দক্ষিণে ছেঁড়া দ্বীপ বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের ভূখণ্ড।
ভোলা বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ, আর কুতুবদিয়া বাতিঘরের জন্য বিখ্যাত।
কম্পিউটার ও আইসিটি
- ৭৬. কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদানের প্রযুক্তিকে কী বলা হয়?
- ক. ই-মেইল
- খ. ইন্টারকম
- গ. ইন্টারনেট
- ঘ. টেলিগ্রাম
উত্তর: গ. ইন্টারনেট
বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে একসঙ্গে যুক্ত করে তথ্য আদান-প্রদানের যে ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে, তাকেই ইন্টারনেট (Internet) বলে। ই-মেইল, ওয়েবসাইট দেখা কিংবা ভিডিও কল সবই এই ইন্টারনেটের ওপর চলা আলাদা আলাদা সেবা। ইন্টারকম হলো একই ভবনের ভেতরে কথা বলার টেলিফোন ব্যবস্থা।
মনে রাখুন: ইন্টারনেটের যাত্রা শুরু হয় ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তরের ARPANET নেটওয়ার্ক দিয়ে।
বাংলাদেশ
- ৭৭. প্রাচীন বাংলার কোন অঞ্চলটি পূর্বাংশে অবস্থিত ছিল?
- ক. হরিকেল
- খ. সমতট
- গ. বরেন্দ্র
- ঘ. রাঢ়
উত্তর: ক. হরিকেল
প্রাচীন বাংলার পূর্বাংশের জনপদ ছিল হরিকেল, যা বর্তমান সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের কাছাকাছি ছিল। বাকিগুলোর অবস্থান আলাদা: বরেন্দ্র উত্তরবঙ্গে, রাঢ় পশ্চিমবঙ্গে এবং সমতট কুমিল্লা-নোয়াখালী অঞ্চলে। সমতটও পূর্বদিকে হলেও প্রশ্নে বাংলাদেশের পূর্বাংশ বলতে হরিকেলকেই ধরা হয়েছে।
মনে রাখুন:
বঙ্গ জনপদ ঢাকা, ফরিদপুর ও বরিশাল অঞ্চলে ছিল।
বরেন্দ্র বর্তমান রাজশাহী-বগুড়া অঞ্চলে।
গৌড় নামের জনপদও প্রাচীন বাংলায় বিখ্যাত ছিল। - ৭৮. ষাট গম্বুজ মসজিদে প্রকৃত গম্বুজ কয়টি?
- ক. ৬০টি
- খ. ৬৬টি
- গ. ৭৭টি
- ঘ. ৮১টি
উত্তর: ঘ. ৮১টি
বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদ নামে ষাট গম্বুজ হলেও এর ছাদে আসলে ৭৭টি গম্বুজ আছে। এর মধ্যে মাঝের সারির ৭টি গম্বুজ চৌচালা ধরনের আর বাকি ৭০টি গোলাকার। এ ছাড়া মসজিদের চার কোণে চারটি মিনার আছে, যাদের মাথাতেও ছোট গম্বুজ রয়েছে। সব মিলিয়ে তাই মসজিদটির গম্বুজের সংখ্যা ৮১টি।
মনে রাখুন: পনেরো শতকে খান জাহান আলী মসজিদটি নির্মাণ করেন, আর ধারণা করা হয় ভেতরের ৬০টি স্তম্ভ থেকেই ‘ষাট গম্বুজ’ নামটি এসেছে। - ৭৯. কুমিল্লার পূর্বনাম কী?
- ক. নাসিরাবাদ
- খ. ত্রিপুরা
- গ. সুধারাম
- ঘ. সুবর্ণগ্রাম
উত্তর: খ. ত্রিপুরা
ব্রিটিশ শাসনামলে বর্তমান কুমিল্লা অঞ্চলটি ত্রিপুরা জেলা নামে পরিচিত ছিল, কারণ একসময় এটি ত্রিপুরা রাজ্যের অংশ ছিল। ১৯৬০ সালে জেলাটির নাম বদলে কুমিল্লা রাখা হয়। কুমিল্লার ময়নামতি ও লালমাই অঞ্চলে প্রাচীন বৌদ্ধ সভ্যতার অনেক নিদর্শন পাওয়া গেছে।
মনে রাখুন:
চট্টগ্রামের পূর্বনাম = ইসলামাবাদ।
ময়মনসিংহের পূর্বনাম = নাসিরাবাদ।
নোয়াখালীর পূর্বনাম = সুধারাম।
সোনারগাঁওয়ের পূর্বনাম = সুবর্ণগ্রাম। - ৮০. ‘ভাওয়াইয়া’ কোন অঞ্চলের গান?
- ক. রংপুর
- খ. রাজশাহী
- গ. ময়মনসিংহ
- ঘ. সিলেট
উত্তর: ক. রংপুর
ভাওয়াইয়া বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের, বিশেষ করে রংপুর অঞ্চলের জনপ্রিয় লোকসংগীত। এ গানে গাড়িয়াল বা গাড়োয়ান, মাহুত ও মৈষাল বন্ধুর জন্য নারীর বিরহ-বেদনার কথা বেশি থাকে, আর সুরে টান ও ভাঙা ভাঙা ঢঙ এর বৈশিষ্ট্য। ‘ওকি গাড়িয়াল ভাই’ গানটি ভাওয়াইয়ার বিখ্যাত উদাহরণ, আর আব্বাসউদ্দীন আহমদ এ গানকে সারা দেশে জনপ্রিয় করেন।
মনে রাখুন:
গম্ভীরা = চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী অঞ্চল।
ভাটিয়ালি = ময়মনসিংহ ও ভাটি অঞ্চল।
হাছন রাজার গান = সিলেট। - ৮২. এগার-দফা আন্দোলন কখন হয়েছিল?
- ক. ১৯৫৪ সালে
- খ. ১৯৬৬ সালে
- গ. ১৯৬৮ সালে
- ঘ. ১৯৬৯ সালে
উত্তর: ঘ. ১৯৬৯ সালে
১৯৬৯ সালের জানুয়ারিতে ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন ও নানা দাবি নিয়ে এগারো দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে। এতে আওয়ামী লীগের ছয় দফাও অন্তর্ভুক্ত ছিল। এগারো দফাকে কেন্দ্র করেই ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান তীব্র হয়, যার ফলে আগরতলা মামলা প্রত্যাহার হয় এবং আইয়ুব খান ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন।
মনে রাখুন:
১৯৫৪ = যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা।
১৯৬৬ = ছয় দফা।
১৯৬৯ = ছাত্রসমাজের ১১ দফা ও গণঅভ্যুত্থান। - ৯২. প্রাচীন জনপদগুলোকে একত্রিত করে গৌড় রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন কে?
- ক. ধর্মপাল
- খ. লক্ষ্মন সেন
- গ. শশাঙ্ক
- ঘ. ইলিয়াস শাহ
উত্তর: গ. শশাঙ্ক
সপ্তম শতকের শুরুতে শশাঙ্ক বাংলার ছোট ছোট জনপদকে একত্র করে গৌড় রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ, যা বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় অবস্থিত। তাঁকে বাংলার প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম রাজা হিসেবে গণ্য করা হয়। শশাঙ্কের মৃত্যুর পর বাংলায় প্রায় একশো বছর অরাজকতা চলে, যাকে মাৎস্যন্যায় বলা হয়।
মনে রাখুন: মাৎস্যন্যায়ের অবসান ঘটিয়ে গোপাল পাল বংশ প্রতিষ্ঠা করেন। - ৯৩. ’জীবন থেকে নেয়া’ চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?
- ক. চাষী নজরুল ইসলাম
- খ. আলমগীর কবির
- গ. জহির রায়হান
- ঘ. সুভাষ দত্ত
উত্তর: গ. জহির রায়হান
‘জীবন থেকে নেয়া’ চলচ্চিত্রটি ১৯৭০ সালে মুক্তি পায় এবং এটি পরিচালনা করেন জহির রায়হান। একটি পরিবারের গল্পের রূপকের মধ্য দিয়ে ছবিতে আইয়ুব খানের স্বৈরশাসন ও বাঙালির মুক্তির আকাঙ্ক্ষা তুলে ধরা হয়েছে, আর এতেই প্রথম ‘আমার সোনার বাংলা’ গানটি চলচ্চিত্রে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখুন:
জহির রায়হানের বিখ্যাত উপন্যাস ‘হাজার বছর ধরে’।
মুক্তিযুদ্ধের ওপর তাঁর প্রামাণ্যচিত্র ‘স্টপ জেনোসাইড’।
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম চলচ্চিত্র ‘ওরা ১১ জন’ পরিচালনা করেন চাষী নজরুল ইসলাম।
ব্যাংকিং ও অর্থনীতি
- ৮১. বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি ওষুধ রপ্তানি হয় কোথায়?
- ক. নেপাল
- খ. মিয়ানমার
- গ. ব্রাজিল
- ঘ. শ্রীলংকা
উত্তর: খ. মিয়ানমার
পরীক্ষার সময়ের হিসাবে বাংলাদেশের ওষুধের সবচেয়ে বড় রপ্তানি বাজার ছিল প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমার। বাংলাদেশের ওষুধশিল্প দেশের চাহিদার প্রায় ৯৮ শতাংশ মিটিয়ে এখন শতাধিক দেশে ওষুধ রপ্তানি করে। পরে যুক্তরাষ্ট্রসহ উন্নত দেশগুলোতেও রপ্তানি অনেক বেড়েছে, তাই সাম্প্রতিক কোনো কোনো বছরে শীর্ষ বাজারের তালিকা বদলেছে।
মনে রাখুন: ১৯৮২ সালের ওষুধনীতিকে বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বিকাশের মূল ভিত্তি মনে করা হয়।
বিজ্ঞান
- ৮৪. কোন খাদ্যে পচন ধরে না?
- ক. ফল
- খ. মধু
- গ. দুধ
- ঘ. চা
উত্তর: খ. মধু
খাবার পচে যায় মূলত ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাকের মতো অণুজীবের কারণে, আর এদের বেঁচে থাকতে পানি লাগে। মধুতে পানির পরিমাণ খুব কম এবং চিনির ঘনত্ব অনেক বেশি, তাই অভিস্রবণের কারণে অণুজীবের কোষ থেকে পানি বেরিয়ে যায় এবং সেগুলো মরে যায়। তা ছাড়া মধু কিছুটা অম্লীয় এবং এতে অল্প পরিমাণ হাইড্রোজেন পারক্সাইড তৈরি হয়, তাই ঠিকভাবে রাখলে মধুতে সহজে পচন ধরে না।
মনে রাখুন: একই কারণে চিনি বা লবণ দিয়ে খাবার সংরক্ষণ করা হয়, যেমন জ্যাম, জেলি ও আচার। - ৮৫. ভিটামিন সি-এর অভাবে কোন রোগ হয়?
- ক. রাতকানা
- খ. বেরিবেরি
- গ. স্কার্ভি
- ঘ. রিকেটস
উত্তর: গ. স্কার্ভি
ভিটামিন সি (Ascorbic acid) শরীরে কোলাজেন নামের প্রোটিন তৈরিতে সাহায্য করে, যা দাঁতের মাড়ি, ত্বক ও রক্তনালিকে মজবুত রাখে। তাই এর অভাবে স্কার্ভি (Scurvy) রোগ হয়, এতে মাড়ি ফুলে যায় ও মাড়ি থেকে রক্ত পড়ে। আমলকী, পেয়ারা, লেবু ও কাঁচামরিচে প্রচুর ভিটামিন সি থাকে।
মনে রাখুন:
ভিটামিন এ-র অভাবে রাতকানা।
ভিটামিন বি১-এর অভাবে বেরিবেরি।
ভিটামিন ডি-এর অভাবে রিকেটস। - ৮৬. নিউমোনিয়া রোগ আক্রান্ত হয় মানবদেহের কোথায়?
- ক. ফুসফুস
- খ. যকৃৎ
- গ. কিডনি
- ঘ. প্লিহা
উত্তর: ক. ফুসফুস
নিউমোনিয়া (Pneumonia) হলো ফুসফুসের সংক্রমণজনিত রোগ। ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা ছত্রাকের আক্রমণে ফুসফুসের বায়ুথলিতে (Alveoli) তরল বা পুঁজ জমে যায়, ফলে রোগীর জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। শিশু ও বয়স্কদের জন্য রোগটি বেশি বিপজ্জনক।
মনে রাখুন:
যক্ষ্মা ও ব্রংকাইটিসও ফুসফুসের রোগ।
জন্ডিস ও হেপাটাইটিস যকৃতের রোগ। - ৮৭. বাংলাদেশের একটি জীবন্ত জীবাশ্ম হলো –
- ক. রাজ কাঁকড়া
- খ. পিপীলিকা
- গ. কেঁচো
- ঘ. সাপ
উত্তর: ক. রাজ কাঁকড়া
কোটি কোটি বছর আগে যেসব প্রাণীর উদ্ভব হয়েছিল এবং আজও প্রায় একই রকম চেহারা নিয়ে টিকে আছে, তাদের জীবন্ত জীবাশ্ম (Living fossil) বলে। রাজকাঁকড়া (Horseshoe crab) প্রায় ৪৫ কোটি বছর ধরে পৃথিবীতে আছে, আর বাংলাদেশের উপকূলে, বিশেষ করে কক্সবাজার ও সুন্দরবন অঞ্চলে, এটি পাওয়া যায়। মজার ব্যাপার হলো, এর রক্ত তামাযুক্ত হিমোসায়ানিনের কারণে নীল রঙের।
মনে রাখুন: আরও কয়েকটি জীবন্ত জীবাশ্ম: সিলাকান্থ মাছ, প্লাটিপাস, গিংকো উদ্ভিদ। - ৯০. আইসিডিডিআরবি হাসপাতালে কোন রোগের চিকিৎসা হয়?
- ক. ম্যালেরিয়া
- খ. যক্ষ্মা
- গ. নিউমোনিয়া
- ঘ. কলেরা
উত্তর: ঘ. কলেরা
আইসিডিডিআর,বি (icddr,b)-এর পূর্ণরূপ International Centre for Diarrhoeal Disease Research, Bangladesh, অর্থাৎ আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র। ঢাকার মহাখালীতে অবস্থিত এর হাসপাতালে মূলত কলেরা ও ডায়রিয়ার চিকিৎসা হয়, তাই সাধারণ মানুষের কাছে এটি ‘কলেরা হাসপাতাল’ নামে পরিচিত। এখান থেকেই খাবার স্যালাইন (ORS) নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা হয়েছে, যা বিশ্বজুড়ে লাখো মানুষের জীবন বাঁচিয়েছে।
মনে রাখুন: কলেরা রোগের জীবাণু Vibrio cholerae নামের একটি ব্যাকটেরিয়া।
এনটিআরসিএ: অন্যান্য পরীক্ষা
- এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৫
- এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৫
- এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৫
- এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৬
- এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৬
- এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৭
- এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৭
- এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৭
- এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০২২
- এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০২২
- এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০২২
- এনটিআরসিএ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০২৪
- এনটিআরসিএ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০২৪
- এনটিআরসিএ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০২৪
- এনটিআরসিএ ৮ম প্রতিষ্ঠান প্রধান নিবন্ধন (প্রধান শিক্ষক) পরীক্ষা ২০২৬
- এনটিআরসিএ ৮ম প্রতিষ্ঠান প্রধান নিবন্ধন (অধ্যক্ষ) পরীক্ষা ২০২৬
- এনটিআরসিএ ৮ম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১২
- এনটিআরসিএ ৮ম প্রতিষ্ঠান প্রধান নিবন্ধন (সুপার, দাখিল মাদ্রাসা) পরীক্ষা ২০২৬
- এনটিআরসিএ ৯ম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৩
আরও শিক্ষক নিয়োগ ও নিবন্ধন পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ১৪৯১) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ২৫৯৪) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ৩৬৯৭) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ২৮১৫) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৪০২১) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৫১২৪) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৮৪৩৩) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ; ১২ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২০১৪ সালের স্থগিত পরীক্ষা, ১৪ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২০১৪ সালের স্থগিত পরীক্ষা, ১৫ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২০১৪ সালের স্থগিত পরীক্ষা, ২০ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (বরিশাল বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (চট্টগ্রাম বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (ঢাকা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (খুলনা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (রাজশাহী বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (সিলেট বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (চট্টগ্রাম বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (ঢাকা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (খুলনা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (পিইডিপি-২) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (রাজশাহী বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (সিলেট বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (বরিশাল বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৭
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন