লিয়ানা বুকস

এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৪: প্রশ্ন ও সমাধান

পরীক্ষা হয়েছে ১২ ডিসেম্বর ২০১৪। ৯৭টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।

সময় ধরে পরীক্ষা দিন →

বাংলা

  1. ১. শিরোনামের প্রধান অংশ কোনটি ?
    • ক. ডাকটিকিট
    • খ. পোস্টাল কোড
    • গ. প্রেরকের ঠিকানা
    • ঘ. প্রাপকের ঠিকানা
    উত্তর: ঘ. প্রাপকের ঠিকানা
    চিঠির খামের ওপর প্রাপকের নাম-ঠিকানা লেখা অংশটিকে শিরোনাম বলে। শিরোনামের প্রধান অংশ প্রাপকের ঠিকানা, কারণ ঠিকানা ঠিক না থাকলে ডাক বিভাগ চিঠিটি প্রাপকের কাছে পৌঁছাতে পারে না। ডাকটিকিট, পোস্টাল কোড বা প্রেরকের ঠিকানাও জরুরি, তবে এগুলো সহায়ক অংশ।
    মনে রাখুন: চিঠির ভেতরের অংশগুলো হলো মঙ্গলসূচক শব্দ, তারিখ, সম্ভাষণ, মূল বক্তব্য, বিদায় সম্ভাষণ ও স্বাক্ষর।
  2. ২. নিচের কোনটি অর্ধ-তৎসম শব্দ ?
    • ক. গিন্নী
    • খ. হস্ত
    • গ. গঞ্জ
    • ঘ. তসবি
    উত্তর: ক. গিন্নী
    সংস্কৃত থেকে বাংলায় আসা যে শব্দ কিছুটা বিকৃত হয়েছে কিন্তু পুরোপুরি বদলে যায়নি, তাকে অর্ধতৎসম শব্দ বলে। সংস্কৃত ‘গৃহিণী’ শব্দ মুখে মুখে এভাবে বদলে ‘গিন্নি’ হয়েছে। অন্যদিকে ‘হস্ত’ অবিকৃত তৎসম, ‘গঞ্জ’ ফারসি আর ‘তসবি’ আরবি শব্দ।
    মনে রাখুন: অর্ধতৎসম শব্দের আরও উদাহরণ: জোছনা, কুচ্ছিত, ছেরাদ্দ, বোষ্টম।
  3. ৩. সমাসের রীতি কোন ভাষা থেকে আগত ?
    • ক. আরবি
    • খ. ফারসি
    • গ. সংস্কৃত
    • ঘ. ইংরেজি
    উত্তর: গ. সংস্কৃত
    সমাস (Compound) মানে অর্থসম্পর্ক আছে এমন একাধিক পদ মিলে একটি নতুন পদ তৈরি করা। এই রীতি বাংলা ভাষা সংস্কৃত থেকে গ্রহণ করেছে, তাই বাংলা সমাসের নামগুলোও সংস্কৃত, যেমন দ্বন্দ্ব, তৎপুরুষ, বহুব্রীহি। সংস্কৃতে সমাসের ব্যবহার অনেক ব্যাপক ও দীর্ঘ।
    মনে রাখুন: সমাস শব্দের অর্থ সংক্ষেপ, আর সমাসের রীতিতে ভাষা সংক্ষিপ্ত ও শ্রুতিমধুর হয়।
  4. ৪. ’মনস্তাপ’- এর সন্ধিবিচ্ছেদ –
    • ক. মন + তাপ
    • খ. মনস + তাপ
    • গ. মনো + তাপ
    • ঘ. মনঃ + তাপ
    উত্তর: ঘ. মনঃ + তাপ
    মনস্তাপ শব্দটি বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ। বিসর্গের পরে ত বা থ থাকলে বিসর্গ বদলে দন্ত্য স হয়ে যায়, আর সেই স পরের ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়। তাই মনঃ + তাপ = মনস্তাপ। মনস্তাপ মানে মনের কষ্ট বা অনুশোচনা।
    উদাহরণ:
    নমঃ + তে = নমস্তে
    দুঃ + তর = দুস্তর
    নিঃ + তেজ = নিস্তেজ
  5. ৫. শুদ্ধ বানান কোনটি ?
    • ক. শিরোচ্ছেদ
    • খ. শিরচ্ছেদ
    • গ. শিরশ্ছেদ
    • ঘ. শিরোঃচ্ছেদ
    উত্তর: গ. শিরশ্ছেদ
    শিরশ্ছেদ শব্দটি এসেছে শিরঃ + ছেদ থেকে। বিসর্গের পরে চ বা ছ থাকলে বিসর্গ বদলে তালব্য শ হয়, তাই শিরঃ + ছেদ = শিরশ্ছেদ। শব্দটির অর্থ মাথা কেটে ফেলা।
    মনে রাখুন: একই নিয়মে নিঃ + চয় = নিশ্চয়, দুঃ + চরিত্র = দুশ্চরিত্র আর নিঃ + চল = নিশ্চল হয়েছে।
  6. ৬. ’শ্রবণ’ শব্দটির প্রকৃতি ও প্রত্যয় কোনটি ?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০২২
    • ক. শ্রবণ + অ
    • খ. √শ্রী + অন
    • গ. √শ্রু + অন
    • ঘ. √শ্রব + অন
    উত্তর: গ. √শ্রু + অন
    শ্রবণ মানে শোনা। শোনা অর্থের ধাতু √শ্রু, আর এর সঙ্গে কৃৎ প্রত্যয় অন (অনট্) যোগ হয়ে শ্রবণ শব্দ তৈরি হয়েছে। প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার সময় ধাতুর উ-কার গুণ হয়ে 'অব' হয়, আর ণত্ব বিধানে র-এর পরে ন বদলে ণ হয়।
    মনে রাখুন: একই ধরনের গঠন আছে √শী + অন = শয়ন, √নী + অন = নয়ন আর √ভূ + অন = ভবন শব্দে।
  7. ৭. ’হাত ধুয়ে বসা’ বাগধারার অর্থ কী ?
    • ক. খেতে বসা
    • খ. শুরু করা
    • গ. ভণ্ডামি করা
    • ঘ. সাধু সাজা
    উত্তর: ঘ. সাধু সাজা
    'হাত ধুয়ে বসা' বাগধারাটির প্রচলিত অর্থ সাধু সাজা। কেউ কোনো ঝামেলার কাজে জড়িত থেকেও যখন হাত ধুয়ে নিজেকে নির্দোষ দেখায় এবং দায় এড়িয়ে নিশ্চিন্ত হয়ে বসে থাকে, তখন এই কথাটি বলা হয়। কোনো কোনো সংকলনে এর অর্থ আশা ছেড়ে দেওয়া বা দায়িত্ব থেকে সরে আসাও দেওয়া আছে, তবে প্রশ্নের বিকল্পগুলোর মধ্যে সাধু সাজাই সঠিক।
    মনে রাখুন: 'হাত ভারী' মানে কৃপণ আর 'হাতটান' মানে চুরির অভ্যাস।
  8. ৮. গিন্নী, কেষ্ট শব্দ দুটি কোন ধরনের শব্দ ?
    • ক. তৎসম
    • খ. অর্ধ-তৎসম
    • গ. দেশি
    • ঘ. বিদেশি
    উত্তর: খ. অর্ধ-তৎসম
    যেসব সংস্কৃত শব্দ মানুষের মুখে মুখে কিছুটা বদলে বাংলায় এসেছে, সেগুলোকে অর্ধ-তৎসম শব্দ বলে। গিন্নী এসেছে সংস্কৃত 'গৃহিণী' থেকে, আর কেষ্ট এসেছে 'কৃষ্ণ' থেকে। দুটি শব্দই পুরোপুরি বদলে যায়নি, আবার হুবহু সংস্কৃতও নেই, তাই এরা অর্ধ-তৎসম।
    মনে রাখুন: অর্ধ-তৎসম শব্দের আরও উদাহরণ জ্যোৎস্না থেকে জোছনা, শ্রাদ্ধ থেকে ছেরাদ্দ আর কুৎসিত থেকে কুচ্ছিত।
  9. ৯. Blue print – এর পারিভাষিক শব্দ কোনটি ?
    • ক. চলচ্চিত্র
    • খ. জীবনবৃত্তান্ত
    • গ. প্রতিচিত্র
    • ঘ. পটভূমি
    উত্তর: গ. প্রতিচিত্র
    Blue print বলতে বোঝায় কোনো ভবন, যন্ত্র বা পরিকল্পনার মূল নকশা, যার ওপর ভিত্তি করে পরে আসল কাজটি করা হয়। বাংলা একাডেমির পরিভাষায় এর বাংলা প্রতিচিত্র বা নীলনকশা। আগে নকশার কপি নীল কাগজে ছাপা হতো, সেখান থেকেই নামটির জন্ম।
    মনে রাখুন:
    Biodata মানে জীবনবৃত্তান্ত।
    Background মানে পটভূমি।
    Film মানে চলচ্চিত্র।
  10. ১০. নিচের কোনটি নিত্য সমাস ?
    • ক. পঞ্চনদ
    • খ. বেয়াদব
    • গ. দেশান্তর
    • ঘ. ভালোমন্দ
    উত্তর: গ. দেশান্তর
    যে সমাসে সমস্যমান পদগুলো দিয়ে ব্যাসবাক্য তৈরি করা যায় না, অন্য পদ দিয়ে অর্থ বোঝাতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে। ‘দেশান্তর’ মানে অন্য দেশ, এখানে ‘দেশ’ ও ‘অন্তর’ দিয়ে ব্যাসবাক্য না করে ‘অন্য দেশ’ বলতে হয়, তাই এটি নিত্য সমাস।
    মনে রাখুন:
    নিত্য সমাসের আরও উদাহরণ: গ্রামান্তর (অন্য গ্রাম), তন্মাত্র (কেবল তা), কালান্তর (অন্য কাল)।
    পঞ্চনদ দ্বিগু আর ভালোমন্দ দ্বন্দ্ব সমাস।
  11. ১২. নিচের কোনটিতে বিরামচিহ্ন যথাযথভাবে ব্যবহৃত হয়নি ?
    • ক. ডিসেম্বর ১৬, ১৯৭১
    • খ. ২৬ মার্চ, ১৯৯১
    • গ. ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২
    • ঘ. পয়লা বৈশাখ, চৌদ্দশো একুশ
    উত্তর: গ. ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২
    তারিখ লেখার সময় দিন ও মাসের পরে আর বছরের আগে কমা বসানো হয়, যেমন ২৬ মার্চ, ১৯৯১। ‘ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২’-তে স্থানের পরে কমা থাকলেও ফেব্রুয়ারি ও ১৯৫২-এর মাঝে কমা নেই, তাই এখানে বিরামচিহ্ন যথাযথভাবে ব্যবহৃত হয়নি। ঠিক রূপ হবে ‘ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২’।
    মনে রাখুন: চিঠি বা দলিলে স্থান ও তারিখ লেখার সময় প্রতিটি অংশ কমা দিয়ে আলাদা করা হয়।
  12. ১৩. নারীকে সম্বোধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে –
    • ক. কল্যাণীয়েষু
    • খ. সুচরিতেষু
    • গ. শ্রদ্ধাস্পদাসু
    • ঘ. প্রীতিভাজনেষু
    উত্তর: গ. শ্রদ্ধাস্পদাসু
    চিঠিতে সম্বোধনের পদ লিঙ্গভেদে আলাদা হয়। শ্রদ্ধেয় নারীকে লেখার সময় ‘শ্রদ্ধাস্পদাসু’ লেখা হয়, এর পুরুষবাচক রূপ ‘শ্রদ্ধাস্পদেষু’। ‘-এষু’ দিয়ে শেষ হওয়া কল্যাণীয়েষু, সুচরিতেষু ও প্রীতিভাজনেষু পুরুষের জন্য ব্যবহৃত হয়।
    মনে রাখুন:
    স্নেহের ছোট নারীকে: কল্যাণীয়াসু
    সমবয়সী বা অনাত্মীয় নারীকে: সুচরিতাসু
  13. ১৪. ’পেয়ারা’ কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ ?
    • ক. হিন্দি
    • খ. উর্দু
    • গ. পোর্তুগিজ
    • ঘ. গ্রিক
    উত্তর: গ. পোর্তুগিজ
    ‘পেয়ারা’ শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। ষোড়শ শতকে পর্তুগিজরা ভারতীয় উপমহাদেশে এলে ফল, খাবার ও দৈনন্দিন জিনিসের অনেক নাম আমাদের ভাষায় ঢুকে পড়ে।
    মনে রাখুন:
    পর্তুগিজ শব্দ: পাউরুটি, পেঁপে, আনারস, কামরা, বালতি, আলমারি।
    হিন্দি শব্দ: খানা, পানি।
    গ্রিক শব্দ: কেন্দ্র, দাম।
  14. ১৫. বাংলা ব্যাকরণ কোন পদে সংস্কৃতের লিঙ্গের নিয়ম মানে না ?
    • ক. বিশেষণ
    • খ. অব্যয়
    • গ. সর্বনাম
    • ঘ. বিশেষ্য
    উত্তর: ক. বিশেষণ
    সংস্কৃতে বিশেষ্যের লিঙ্গ অনুযায়ী বিশেষণেরও লিঙ্গ বদলে যায়, যেমন 'সুন্দরী নারী'। কিন্তু বাংলায় সাধারণত এমন হয় না। আমরা বলি 'সুন্দর ছেলে' আবার 'সুন্দর মেয়ে', বিশেষণটি একই থাকে। তাই বাংলা ব্যাকরণ বিশেষণ পদে সংস্কৃতের লিঙ্গের নিয়ম মানে না।
    মনে রাখুন: অব্যয় পদের কোনো লিঙ্গ নেই, সংস্কৃতেও নয়। বাংলায় বিশেষণের লিঙ্গভেদ কেবল কিছু তৎসম শব্দে টিকে আছে, যেমন বিদুষী নারী।
  15. ১৬. ’আমি’ শব্দটি কোন লিঙ্গ ?
    • ক. পুংলিঙ্গ
    • খ. স্ত্রীলিঙ্গ
    • গ. ক্লীব লিঙ্গ
    • ঘ. উভয় লিঙ্গ
    উত্তর: ঘ. উভয় লিঙ্গ
    'আমি' শব্দটি দিয়ে বক্তা নিজেকে বোঝায়। ছেলে বা মেয়ে, পুরুষ বা নারী, যে-ই কথা বলুক না কেন, নিজের জন্য 'আমি' বলে। যে শব্দ দিয়ে পুরুষ ও নারী দুজনকেই বোঝায়, তাকে উভয় লিঙ্গ বলে, তাই 'আমি' উভয় লিঙ্গ।
    মনে রাখুন: উভয় লিঙ্গের আরও উদাহরণ সন্তান, শিশু, শিক্ষার্থী, তুমি, সে।
    যে শব্দে প্রাণহীন বস্তু বোঝায় তা ক্লীব লিঙ্গ, যেমন বই, কলম, টেবিল।
  16. ১৭. ক্ষীয়মাণ-এর বিপরীত শব্দ কী ?
    • ক. বৃহৎ
    • খ. বর্ধিষ্ণু
    • গ. বর্তমান
    • ঘ. বৃদ্ধিপ্রাপ্ত
    উত্তর: খ. বর্ধিষ্ণু
    ‘ক্ষীয়মাণ’ মানে যা ক্রমশ ক্ষয় পাচ্ছে বা কমে যাচ্ছে। এর বিপরীত ‘বর্ধিষ্ণু’, অর্থাৎ যা ক্রমশ বেড়ে উঠছে বা উন্নতি করছে।
    উদাহরণ: ক্ষীয়মাণ চাঁদ, বর্ধিষ্ণু গ্রাম।
    মনে রাখুন: ‘বৃদ্ধিপ্রাপ্ত’ মানে যা ইতিমধ্যে বেড়ে গেছে, তাতে চলমান বৃদ্ধির ভাব নেই, তাই এটি সঠিক বিপরীত শব্দ নয়।
  17. ১৮. পাণিনি কে ছিলেন ?
    • ক. ভাষাবিদ
    • খ. ঋগ্বেদবিদ
    • গ. বৈয়াকরণ
    • ঘ. আখ্যানবিদ
    উত্তর: গ. বৈয়াকরণ
    পাণিনি খ্রিষ্টপূর্ব পঞ্চম বা চতুর্থ শতকের প্রাচীন ভারতের বিখ্যাত বৈয়াকরণ, অর্থাৎ ব্যাকরণবিদ। তাঁর লেখা ‘অষ্টাধ্যায়ী’ সংস্কৃত ব্যাকরণের ভিত্তি হিসেবে গণ্য হয়, যেখানে প্রায় চার হাজার সূত্রে সংস্কৃত ভাষার নিয়ম সাজানো আছে।
    মনে রাখুন: বাংলা ভাষায় প্রথম ব্যাকরণ লেখেন পর্তুগিজ পাদরি মনোএল দা আসসুম্পসাঁও (১৭৪৩)।
  18. ১৯. বাংলা ভাষায় যতি বা ছেদ চিহ্ন মোট কয়টি ?
    • ক. ৯ টি
    • খ. ১০ টি
    • গ. ১১ টি
    • ঘ. ১২ টি
    উত্তর: ঘ. ১২ টি
    বাংলা ব্যাকরণে মোট ১২টি যতি বা ছেদচিহ্ন ধরা হয়। এগুলো বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করে এবং পড়ার সময় কোথায় কতক্ষণ থামতে হবে তা নির্দেশ করে।
    মনে রাখুন: ১২টি যতিচিহ্ন হলো কমা, সেমিকোলন, দাঁড়ি, প্রশ্নবোধক, বিস্ময়সূচক, কোলন, কোলন ড্যাস, ড্যাস, হাইফেন, ইলেক বা লোপচিহ্ন, উদ্ধরণচিহ্ন এবং বন্ধনী।
  19. ২০. ‘মুক্ত’ শব্দের সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় কোনটি ?
    • ক. √মু + ক্ত
    • খ. √মহ + ক্ত
    • গ. √মুচ + ক্ত
    • ঘ. √মৃচ + ক্ত
    উত্তর: গ. √মুচ + ক্ত
    'মুক্ত' শব্দটি গঠিত হয়েছে √মুচ্ ধাতুর সঙ্গে ক্ত প্রত্যয় যোগে। মুচ্ ধাতুর অর্থ ছেড়ে দেওয়া বা মোচন করা, আর ক্ত প্রত্যয় যোগ হলে ধাতুর শেষের চ্ বদলে ক হয়ে যায়, তাই মুচ্ + ক্ত = মুক্ত। ক্ত প্রত্যয় যোগে সাধারণত অতীত অর্থের বিশেষণ তৈরি হয়।
    মনে রাখুন: একইভাবে √সিচ্ + ক্ত = সিক্ত, √ত্যজ্ + ক্ত = ত্যক্ত, √ভুজ্ + ক্ত = ভুক্ত।
  20. ২১. পাশাপাশি দুটি ধ্বনি বা বর্ণের মিলনকে কী বলে ?
    • ক. উপসর্গ
    • খ. অনুসর্গ
    • গ. সমাস
    • ঘ. সন্ধি
    উত্তর: ঘ. সন্ধি
    দুটি ধ্বনি পাশাপাশি এলে যখন মিলে একটি নতুন ধ্বনি বা রূপ তৈরি হয়, তখন সেই মিলনকে সন্ধি (Euphony) বলে। যেমন হিম + আলয় = হিমালয়। উপসর্গ হলো শব্দের আগে বসা অংশ, যেমন প্র, পরা। অনুসর্গ হলো শব্দের পরে বসা অব্যয়, যেমন দ্বারা, জন্য। আর সমাসে দুই বা তার বেশি পদ মিলে একটি পদ হয়, যেমন রাজার পুত্র = রাজপুত্র।
    মনে রাখুন: সন্ধি তিন রকম: স্বরসন্ধি, ব্যঞ্জনসন্ধি ও বিসর্গ সন্ধি।
  21. ২২. ’চলচ্চিত্র’ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি ?
    • ক. চলৎ + চিত্র
    • খ. চল + চিত্র
    • গ. চলচ + চিত্র
    • ঘ. চলিচ + চিত্র
    উত্তর: ক. চলৎ + চিত্র
    চলচ্চিত্র শব্দটি ব্যঞ্জন সন্ধির উদাহরণ। এখানে চলৎ + চিত্র মিলেছে, আর ৎ-এর পরে চ থাকায় ৎ বদলে চ্ হয়ে পরের চ-এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। এভাবেই চলচ্চিত্র শব্দটি তৈরি, যার অর্থ চলমান ছবি।
    মনে রাখুন: একই নিয়মে সৎ + চরিত্র = সচ্চরিত্র আর উৎ + চারণ = উচ্চারণ হয়েছে।
  22. ২৩. ’আগুন’ – এর সমার্থক শব্দ কোনটি ?
    • ক. সুবর্ন
    • খ. অনল
    • গ. মার্তণ্ড
    • ঘ. কর
    উত্তর: খ. অনল
    ‘অনল’ মানে আগুন, তাই এটি আগুনের সমার্থক। অন্য বিকল্পগুলোর অর্থ আলাদা: সুবর্ণ মানে সোনা, মার্তণ্ড মানে সূর্য আর কর মানে হাত, কিরণ বা খাজনা।
    মনে রাখুন: আগুনের আরও প্রতিশব্দ: অগ্নি, বহ্নি, পাবক, হুতাশন, বৈশ্বানর।
  23. ২৪. কোনটি শুদ্ধ বানান ?
    • ক. আলস্যতা
    • খ. অলস্য
    • গ. আলস্য
    • ঘ. আলসতা
    উত্তর: গ. আলস্য
    ‘অলস’ বিশেষণের সঙ্গে ষ্ণ্য প্রত্যয় যোগে বিশেষ্য ‘আলস্য’ তৈরি হয়, যার মধ্যেই অলসতার ভাব আছে। তাই এর সঙ্গে আবার ‘তা’ প্রত্যয় যোগ করে ‘আলস্যতা’ লেখা ভুল, এতে একই অর্থের দুটি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যায়। তবে ‘অলস’ থেকে ‘অলসতা’ শুদ্ধ।
    মনে রাখুন: একই ধরনের ভুল সৌজন্যতা, দারিদ্র্যতা, ঐক্যতা; শুদ্ধ রূপ সৌজন্য, দারিদ্র্য, ঐক্য।
  24. ২৫. বাংলা ভাষা কোন মূল ভাষার অন্তর্গত ?
    • ক. দ্রাবিড়
    • খ. ইউরালীয়
    • গ. ইন্দো-ইউরোপীয়
    • ঘ. সেমেটিক
    উত্তর: গ. ইন্দো-ইউরোপীয়
    বাংলা ভাষা ইন্দো-ইউরোপীয় (Indo-European) ভাষাবংশের অন্তর্গত। এই বংশের একটি শাখা ভারতীয় আর্যভাষা, যার ধারায় বৈদিক ও সংস্কৃত থেকে প্রাকৃত হয়ে মাগধী অপভ্রংশের মধ্য দিয়ে বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে। ইংরেজি, ফারসি, হিন্দি ও সংস্কৃতও এই একই ভাষাবংশের সদস্য।
    মনে রাখুন: তামিল, তেলুগু ও কন্নড় দ্রাবিড় ভাষাবংশের ভাষা। আরবি ও হিব্রু সেমেটিক ভাষাবংশের।

ইংরেজি

  1. ১১. ‘Superstitions’ শব্দের অর্থ –
    • ক. জাদুবিদ্যা
    • খ. সেতুবন্ধন
    • গ. কুসংস্কারাচ্ছন্ন
    • ঘ. উপাসনা
    উত্তর: গ. কুসংস্কারাচ্ছন্ন
    Superstition মানে কুসংস্কার, অর্থাৎ যুক্তি ও প্রমাণ ছাড়া কোনো কিছুতে অন্ধ বিশ্বাস। যেমন বিড়াল রাস্তা পার হলে অমঙ্গল হবে, এমন বিশ্বাস হলো কুসংস্কার। প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে 'কুসংস্কারাচ্ছন্ন' অর্থটি এর সবচেয়ে কাছাকাছি, যদিও শব্দটি আসলে Superstitious বিশেষণের অর্থ।
    মনে রাখুন: Superstitious (adjective) মানে কুসংস্কারাচ্ছন্ন। জাদুবিদ্যার ইংরেজি Magic আর উপাসনার ইংরেজি Worship।
  2. ২৬. The fruit is sweet ______ the taste.
    • ক. by
    • খ. with
    • গ. for
    • ঘ. to
    উত্তর: ঘ. to
    স্বাদ, স্পর্শ বা দেখার মতো অনুভূতির ক্ষেত্রে কোনো জিনিস কেমন লাগে বোঝাতে adjective-এর পরে 'to the taste', 'to the touch' ইত্যাদি বসে। তাই 'The fruit is sweet to the taste' মানে ফলটি খেতে মিষ্টি। এটি একটি নির্দিষ্ট preposition-এর ব্যবহার, যা মুখস্থ রাখতে হয়।
    উদাহরণ:
    The cloth is soft to the touch.
    The medicine is bitter to the taste.
  3. ২৭. Did he see anyone in the room? (assertive)
    • ক. He saw no one in the room.
    • খ. He did not see someone in the room.
    • গ. He saw anyone in the room.
    • ঘ. He saw someone in the room.
    উত্তর: ক. He saw no one in the room.
    'Did he see anyone in the room?' প্রশ্নটি আসলে একটি অলংকারিক প্রশ্ন, যার ভেতরের ভাব হলো সে ঘরে কাউকে দেখেনি। প্রশ্নবোধক বাক্যকে assertive করার সময় এই নেতিবাচক ভাবটি ধরে রাখতে হয়, তাই হয় 'He saw no one in the room'। এখানে প্রশ্নের anyone assertive বাক্যে no one হয়ে গেছে।
    মনে রাখুন: Affirmative প্রশ্ন assertive করলে negative হয়, আর negative প্রশ্ন assertive করলে affirmative হয়। যেমন Is there any hope? থেকে There is no hope।
  4. ২৮. I have no money ________ hand.
    • ক. in
    • খ. by
    • গ. at
    • ঘ. on
    উত্তর: ক. in
    'In hand' মানে হাতে আছে বা মজুত আছে এমন। তাই 'I have no money in hand' মানে আমার হাতে এখন কোনো টাকা নেই। টাকা বা সময় হাতে থাকা বোঝাতে ইংরেজিতে এই phrase-টিই প্রচলিত।
    মনে রাখুন:
    At hand মানে কাছেই বা আসন্ন, যেমন The exam is at hand।
    By hand মানে হাতে তৈরি বা হাতে হাতে পাঠানো।
    On the other hand মানে অন্যদিকে।
  5. ২৯. It is health which is _____.
    • ক. asset
    • খ. wealth
    • গ. valuable
    • ঘ. precious
    উত্তর: খ. wealth
    বাক্যটি 'Health is wealth' প্রবাদের ভিত্তিতে তৈরি, যার অর্থ স্বাস্থ্যই সম্পদ। এখানে health-কে জোর দিয়ে বলার জন্য 'It is ... which ...' গঠন ব্যবহার করা হয়েছে, একে cleft sentence বলে। তাই 'It is health which is wealth' সঠিক।
    মনে রাখুন: Cleft sentence-এ যে অংশে জোর দিতে চাই তাকে It is/was-এর পরে বসিয়ে বাকি অংশ who/which/that দিয়ে জুড়ে দিই, যেমন It was Rahim who broke the glass।
  6. ৩০. If we practised speaking English, we ________ speak better.
    • ক. could
    • খ. could have
    • গ. can
    • ঘ. would have
    উত্তর: ক. could
    বাক্যটি দ্বিতীয় ধরনের conditional, যেখানে বর্তমানের একটি কাল্পনিক শর্তের কথা বলা হয়। এমন বাক্যে if-clause-এ past indefinite থাকলে principal clause-এ could বা would-এর পরে verb-এর মূল রূপ বসে। তাই 'we could speak better' সঠিক।
    মনে রাখুন:
    If + present → will + verb (If you read, you will learn)
    If + past → would/could + verb (If I were rich, I would help)
    If + past perfect → would have + V3 (If he had tried, he would have won)
  7. ৩১. He and I ______ well.
    • ক. am
    • খ. is
    • গ. are
    • ঘ. been
    উত্তর: গ. are
    দুটি subject যখন ‘and’ দিয়ে যুক্ত হয়, তখন মিলিতভাবে তারা plural subject হিসেবে গণ্য হয়। ‘He and I’ মিলে ‘we’-এর মতো, তাই verb হবে plural ‘are’। ফলে বাক্যটি ‘He and I are well’।
    মনে রাখুন: ভদ্রতার নিয়মে ইংরেজিতে second person, third person ও first person এই ক্রমে বসে, যেমন You, he and I।
  8. ৩২. এটা যেন বিনা মেঘে বজ্রপাত।
    • ক. It is as if a thunder from the clouds.
    • খ. It is a bolt from the blue.
    • গ. It is a strong thunder.
    • ঘ. It is bolts from the blues.
    উত্তর: খ. It is a bolt from the blue.
    'বিনা মেঘে বজ্রপাত' মানে হঠাৎ এমন কোনো বিপদ, যা কেউ একেবারেই আশা করেনি। ইংরেজিতে এই ভাবের প্রচলিত idiom হলো 'a bolt from the blue', অর্থাৎ নীল আকাশ থেকে বজ্রপাত। তাই 'It is a bolt from the blue' সঠিক অনুবাদ।
    মনে রাখুন: Idiom অনুবাদের সময় শব্দে শব্দে অনুবাদ না করে সমার্থক idiom খুঁজতে হয়। যেমন 'মরার ওপর খাঁড়ার ঘা' এর ইংরেজি To add insult to injury।
  9. ৩৩. সে এক সপ্তাহ যাবৎ অসুস্থ।
    • ক. He has been ill since a week.
    • খ. He has been ill till a week.
    • গ. He has been ill for a week.
    • ঘ. He has been ill during a week.
    উত্তর: গ. He has been ill for a week.
    এক সপ্তাহ যাবৎ মানে কাজটি অতীতে শুরু হয়ে এখনো চলছে, তাই present perfect বা present perfect continuous বসে। আর সময়ের দৈর্ঘ্য বোঝাতে for ব্যবহার হয়, since নয়। তাই 'He has been ill for a week' সঠিক।
    মনে রাখুন:
    For বসে সময়ের পরিমাণের আগে, যেমন for two hours, for a week।
    Since বসে নির্দিষ্ট শুরুর সময়ের আগে, যেমন since Monday, since 2010।
  10. ৩৪. দাঁড়াও, আমি এখনি আসছি।
    • ক. Stand, I come now.
    • খ. Wait, I am coming now.
    • গ. Keep standing, I am coming now.
    • ঘ. Stand here, I am coming.
    উত্তর: খ. Wait, I am coming now.
    এখানে 'দাঁড়াও' মানে আসলে দাঁড়িয়ে থাকা নয়, বরং একটু অপেক্ষা করো। তাই ইংরেজিতে stand না বলে wait বলতে হয়। আর 'এখনি আসছি' বোঝাতে খুব কাছের ভবিষ্যতের কাজের জন্য present continuous ব্যবহার হয়, ফলে 'Wait, I am coming now' সঠিক।
    মনে রাখুন: অনুবাদে শব্দের আক্ষরিক অর্থের চেয়ে বাক্যের ভাব বেশি জরুরি।
  11. ৩৫. জ্ঞানীরা বেশি কথা বলেন না।
    • ক. The wises do not talk much.
    • খ. The wise does not talk much.
    • গ. The wise do not talk much.
    • ঘ. The wise men does not talk much.
    উত্তর: গ. The wise do not talk much.
    'The + adjective' দিয়ে কোনো বিশেষ শ্রেণির সব মানুষকে বোঝানো যায়, আর তখন এটি plural noun-এর মতো কাজ করে। তাই 'the wise' মানে জ্ঞানী লোকেরা, এবং এর সঙ্গে plural verb 'do' বসবে। ফলে 'The wise do not talk much' সঠিক।
    মনে রাখুন: এমন adjective-এর শেষে s যোগ হয় না, তাই 'the wises' ভুল।
    উদাহরণ: The poor are honest. The rich are not always happy.
  12. ৩৬. He came to Dhaka with a view to ______ a new place.
    • ক. visit
    • খ. visiting
    • গ. watch
    • ঘ. look
    উত্তর: খ. visiting
    With a view to কথাটির অর্থ কোনো উদ্দেশ্যে। এখানে to আসলে infinitive-এর অংশ নয়, বরং একটি preposition, আর preposition-এর পরে verb বসাতে হলে তাকে gerund বা ing রূপে লিখতে হয়। তাই সঠিক বাক্য: He came to Dhaka with a view to visiting a new place.
    মনে রাখুন: look forward to, be used to, be accustomed to, object to, in addition to ইত্যাদির পরেও verb + ing বসে।
    উদাহরণ: I look forward to meeting you.
  13. ৩৭. Some interesting facts about your past have just come to light. Here ‘come to light’ means ______
    • ক. go near to light
    • খ. to become known
    • গ. to realize
    • ঘ. to lit a light
    উত্তর: খ. to become known
    'Come to light' একটি phrasal idiom, যার অর্থ প্রকাশ পাওয়া বা জানাজানি হওয়া। বাক্যটির মানে হলো, তোমার অতীত সম্পর্কে কিছু মজার তথ্য সবে প্রকাশ পেয়েছে। তাই এর অর্থ to become known।
    মনে রাখুন: Bring to light মানে প্রকাশ করা, আর Come to an end মানে শেষ হওয়া।
  14. ৩৮. The passive form of ‘Don’t do it’ is ______
    • ক. Let not it be done.
    • খ. Let it be not done.
    • গ. Let it be done.
    • ঘ. Let it not be done.
    উত্তর: ঘ. Let it not be done.
    নিষেধসূচক imperative বাক্যকে passive করতে 'Let + object + not + be + past participle' গঠন ব্যবহার হয়। 'Don't do it' বাক্যে object হলো it, তাই passive হবে 'Let it not be done'। এখানে not বসে be-এর ঠিক আগে।
    মনে রাখুন: ইতিবাচক imperative-এর passive হয় 'Let + object + be + V3', যেমন Do it থেকে Let it be done।
  15. ৩৯. The synonym of the word ‘scream’ is ______.
    • ক. yell
    • খ. sound
    • গ. cry
    • ঘ. loudly
    উত্তর: ক. yell
    Scream মানে ভয়, ব্যথা বা উত্তেজনায় তীক্ষ্ণ স্বরে জোরে চিৎকার করা। Yell শব্দের অর্থও জোরে চিৎকার করা, তাই এটিই scream-এর সবচেয়ে কাছের সমার্থক শব্দ। Sound মানে শুধু শব্দ, আর loudly একটি adverb, যার মানে জোরে।
    মনে রাখুন: Scream-এর আরও সমার্থক শব্দ shriek, screech ও shout।
  16. ৪০. I (help) you if I could.
    • ক. I would help
    • খ. I would be helped
    • গ. I helped
    • ঘ. I would have helped
    উত্তর: ক. I would help
    'If I could' দিয়ে বোঝা যায় বক্তা এখন সাহায্য করতে পারছে না, অর্থাৎ এটি বর্তমানের একটি অবাস্তব শর্ত। এমন conditional বাক্যের principal clause-এ would-এর পরে verb-এর মূল রূপ বসে। তাই 'I would help you if I could' সঠিক।
    মনে রাখুন: অতীতের অবাস্তব শর্তে would have + past participle বসে, যেমন I would have helped you if I had known।
  17. ৪১. He is so dishonest that he cannot speak the truth. (simple)
    • ক. He is too dishonest that he cannot speak the truth.
    • খ. He is too dishonest to be spoken the truth.
    • গ. He is too dishonest to speak the truth.
    • ঘ. He is very dishonest and cannot speak the truth.
    উত্তর: গ. He is too dishonest to speak the truth.
    'so ... that ... cannot' দিয়ে গঠিত complex বাক্যকে simple করার নিয়ম হলো 'too ... to' ব্যবহার করা। 'too' নিজেই নেতিবাচক অর্থ বহন করে, তাই এর পরে আর not বসে না। ফলে 'He is too dishonest to speak the truth' সঠিক।
    মনে রাখুন: উল্টো দিকে too ... to থেকে complex করতে হলে so ... that ... cannot/could not বসে, যেমন He is too weak to walk থেকে He is so weak that he cannot walk।
  18. ৪২. He is the best player. (Negative)
    • ক. No other player is as better as he.
    • খ. No other player is as good as he.
    • গ. No other player is as best as he.
    • ঘ. No other player is considered as best as he.
    উত্তর: খ. No other player is as good as he.
    Superlative degree-কে negative করতে 'No other ... as + positive form + as' গঠন ব্যবহার হয়। Best হলো good-এর superlative রূপ, তাই এখানে good বসবে। ফলে 'No other player is as good as he' সঠিক।
    মনে রাখুন: একই বাক্যের comparative রূপ হয় 'He is better than any other player'।
  19. ৪৩. Read to learn. (Complex)
    • ক. By reading, you will learn
    • খ. Read and learn
    • গ. If you read, you will learn
    • ঘ. In case of failure to read, you will not learn
    উত্তর: গ. If you read, you will learn
    'Read to learn' মানে পড়লে শিখবে, অর্থাৎ বাক্যটির ভেতরে একটি শর্তের ভাব আছে। Complex বাক্যে এই শর্ত প্রকাশ করতে if দিয়ে একটি subordinate clause তৈরি করতে হয়। তাই 'If you read, you will learn' সঠিক।
    মনে রাখুন: একই বাক্যের compound রূপ হলো 'Read and you will learn'।
  20. ৪৪. Look before you leap. The word ‘before’ used in the sentence is _____.
    • ক. preposition
    • খ. conjunction
    • গ. adverb
    • ঘ. noun
    উত্তর: খ. conjunction
    'Look before you leap' বাক্যে দুটি clause আছে, 'Look' আর 'you leap'। এখানে before এই দুটি clause-কে জুড়ে দিয়েছে এবং কাজ দুটির সময়ের সম্পর্ক বোঝাচ্ছে। দুটি clause যুক্ত করে বলে before এখানে conjunction।
    মনে রাখুন: Before-এর পরে শুধু noun বা pronoun থাকলে তা preposition, যেমন before the class। আর একা বসলে adverb, যেমন I have seen him before।
  21. ৪৫. Please look above. Here ‘above’ is ______
    • ক. adjective
    • খ. adverb
    • গ. noun
    • ঘ. conjunction
    উত্তর: খ. adverb
    'Please look above' বাক্যে above শব্দটি verb look-কে বিশেষিত করছে, অর্থাৎ কোথায় তাকাতে হবে তা জানাচ্ছে। Above-এর পরে কোনো noun বা pronoun নেই, তাই এটি preposition নয়। যে শব্দ verb-এর স্থান বা ধরন বোঝায় তাকে adverb বলে, তাই এখানে above একটি adverb।
    মনে রাখুন: Above-এর পরে noun থাকলে তা preposition, যেমন The bird flew above the tree। আর noun-এর আগে বিশেষণ হিসেবে বসলে adjective, যেমন the above statement।
  22. ৪৬. Grasp all, ______
    • ক. lost all
    • খ. losing all
    • গ. loses all
    • ঘ. lose all
    উত্তর: ঘ. lose all
    প্রবাদটি হলো 'Grasp all, lose all', যার বাংলা রূপ 'অতি লোভে তাঁতি নষ্ট'। এর অর্থ, সবকিছু একসঙ্গে আঁকড়ে ধরতে চাইলে শেষে সবই হারাতে হয়। প্রবাদে দুটি অংশই imperative-এর মতো verb-এর মূল রূপে থাকে, তাই grasp-এর সঙ্গে মিলিয়ে lose বসে।
    মনে রাখুন: Covet all, lose all প্রবাদটিও একই অর্থ বহন করে।
  23. ৪৭. Death is ____ to dishonour.
    • ক. prefer
    • খ. preferrence
    • গ. preferable
    • ঘ. referring
    উত্তর: গ. preferable
    Be verb-এর পরে এখানে একটি adjective দরকার, যা death-এর গুণ বোঝাবে। Prefer একটি verb, আর এর adjective রূপ preferable, যার পরে to বসে। তাই 'Death is preferable to dishonour' মানে অসম্মানের চেয়ে মৃত্যু শ্রেয়।
    মনে রাখুন: Preferable, superior, inferior, senior, junior এ ধরনের শব্দের পরে than না বসে to বসে।
  24. ৪৮. It takes two ______ make a quarrel.
    • ক. too
    • খ. for
    • গ. to
    • ঘ. in order to
    উত্তর: গ. to
    প্রবাদটি হলো 'It takes two to make a quarrel', যার বাংলা রূপ 'এক হাতে তালি বাজে না'। 'It takes + someone + to + verb' গঠনে take-এর পরে infinitive বসে, তাই এখানে to make হবে। Too মানে অতিরিক্ত, আর in order to এখানে প্রবাদের রূপ ভেঙে দেয়।
    মনে রাখুন: একই অর্থে ইংরেজিতে বলা হয় It takes two to tango।
  25. ৪৯. The synonym of the word ‘call’ is ______.
    • ক. summon
    • খ. exile
    • গ. impede
    • ঘ. recollection
    উত্তর: ক. summon
    Call মানে ডাকা। Summon শব্দের অর্থও কাউকে ডেকে পাঠানো বা তলব করা, যেমন আদালত সাক্ষীকে summon করে। তাই call-এর সমার্থক summon। বাকিগুলোর অর্থ আলাদা: exile মানে নির্বাসন, impede মানে বাধা দেওয়া আর recollection মানে স্মৃতি।
    মনে রাখুন: Summon থেকে noun summons, যার অর্থ আদালতের তলবনামা।
  26. ৫০. The antonym of the word ‘liberty’ is _______.
    • ক. liberal
    • খ. bondage
    • গ. frugal
    • ঘ. diversity
    উত্তর: খ. bondage
    Liberty মানে স্বাধীনতা বা মুক্তি। এর বিপরীত অবস্থা হলো বন্দিত্ব বা দাসত্ব, যার ইংরেজি bondage। তাই liberty-এর বিপরীত শব্দ bondage। Liberal মানে উদার, frugal মানে মিতব্যয়ী আর diversity মানে বৈচিত্র্য।
    মনে রাখুন: Liberty-এর সমার্থক শব্দ freedom ও independence, আর বিপরীত শব্দ slavery ও captivity।

গণিত

  1. ৫১. ΔABC – এর BC বাহুকে D পর্যন্ত বর্ধিত করা হলো। ∠A = 60° এবং ∠B = 90° হলে, ∠ACD = কত ?
    • ক. 90°
    • খ. 60°
    • গ. 120°
    • ঘ. 150°
    উত্তর: ঘ. 150°
    ত্রিভুজের কোনো বাহু বাড়ালে যে বহিঃস্থ কোণ তৈরি হয়, তা বিপরীত দুই অন্তঃস্থ কোণের যোগফলের সমান। এখানে ∠ACD-এর বিপরীত অন্তঃস্থ কোণ ∠A ও ∠B।
    ∠ACD = ∠A + ∠B = 60° + 90° = 150°
    যাচাই: ∠ACB = 180° − 150° = 30°, এবং 60° + 90° + 30° = 180°।
  2. ৫২. ১ ইঞ্চি = কত সে.মি. ?
    • ক. ৫.২৪ সে.মি.
    • খ. ৪.২৫ সে.মি.
    • গ. ২.৫৪ সে.মি.
    • ঘ. ৪.৫২ সে.মি.
    উত্তর: গ. ২.৫৪ সে.মি.
    দৈর্ঘ্যের ব্রিটিশ একক ইঞ্চি আর মেট্রিক একক সেন্টিমিটারের সম্পর্ক আন্তর্জাতিকভাবে নির্দিষ্ট করা আছে: 1 ইঞ্চি = 2.54 সেন্টিমিটার। এই মানটি মনে রাখলে দৈর্ঘ্যের অনেক রূপান্তর সহজ হয়।
    মনে রাখুন:
    1 ফুট = 12 ইঞ্চি = 30.48 সে.মি.
    1 মিটার ≈ 39.37 ইঞ্চি
    1 মাইল ≈ 1.609 কিলোমিটার
  3. ৫৩. চতুর্ভুজের চার কোণের অনুপাত 1 : 2 : 2 : 3 হলে, বৃহত্তম কোণের পরিমাণ কত হবে ?
    • ক. 100°
    • খ. 115°
    • গ. 135°
    • ঘ. 225°
    উত্তর: গ. 135°
    চতুর্ভুজের চার কোণের সমষ্টি 360°। কোণগুলোর অনুপাত 1 : 2 : 2 : 3, অর্থাৎ মোট অংশ 1 + 2 + 2 + 3 = 8। তাই এক অংশ = 360° ÷ 8 = 45°।
    বৃহত্তম কোণ তিন অংশের সমান, অর্থাৎ 3 × 45° = 135°।
    মনে রাখুন: ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি 180°, আর n বাহুর বহুভুজের কোণের সমষ্টি (2n - 4) সমকোণ।
  4. ৫৪. sinθ = 4/5 হলে, tanθ = কত ?
    • ক. 4/3
    • খ. 3/4
    • গ. 3/5
    • ঘ. 5/4
    উত্তর: ক. 4/3
    sinθ = লম্ব/অতিভুজ = 4/5 হলে লম্ব 4 ও অতিভুজ 5 ধরা যায়। পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী ভূমি = √(5² − 4²) = √9 = 3।
    tanθ = লম্ব/ভূমি = 4/3
    মনে রাখুন: একই ত্রিভুজ থেকে cosθ = 3/5।
  5. ৫৫. 2 সে.মি. বাহুবিশিষ্ট একটি বর্গের অভ্যন্তরে অন্তঃবৃত্ত অঙ্কিত হলো। বৃত্ত দ্বারা বর্গের অনধিকৃত অংশের ক্ষেত্রফল কত বর্গ সে.মি. ?
    • ক. π – 4
    • খ. 4 – π2
    • গ. 4 – π
    • ঘ. 2 – π
    উত্তর: গ. 4 – π
    বর্গের ভেতরে আঁকা অন্তর্বৃত্ত বর্গের চারটি বাহুকেই স্পর্শ করে, তাই বৃত্তের ব্যাস বর্গের বাহুর সমান।
    বর্গের ক্ষেত্রফল = 2² = 4 বর্গ সে.মি.
    বৃত্তের ব্যাসার্ধ = 2/2 = 1 সে.মি., ক্ষেত্রফল = π × 1² = π বর্গ সে.মি.
    বৃত্তের বাইরে থাকা অংশ = 4 − π বর্গ সে.মি.
    মনে রাখুন: π ≈ 3.1416 ধরলে এই অংশের মান প্রায় 0.86 বর্গ সে.মি.।
  6. ৫৬. একটি রম্বসের কর্ণদ্বয় 5 সে.মি. ও 6 সে.মি. হলে, এর ক্ষেত্রফল কত ?
    • ক. 30 বর্গ সে.মি.
    • খ. 25 বর্গ সে.মি.
    • গ. 20 বর্গ সে.মি.
    • ঘ. 15 বর্গ সে.মি.
    উত্তর: ঘ. 15 বর্গ সে.মি.
    রম্বসের কর্ণ দুটি পরস্পরকে সমকোণে সমদ্বিখণ্ডিত করে, তাই রম্বসটি চারটি সমান সমকোণী ত্রিভুজে ভাগ হয়ে যায়। এ কারণে রম্বসের ক্ষেত্রফল কর্ণ দুটির গুণফলের অর্ধেক।
    ক্ষেত্রফল = ½ × d₁ × d₂ = ½ × 5 × 6 = 15 বর্গ সে.মি.
    মনে রাখুন: বর্গের ক্ষেত্রেও একই সূত্র খাটে, কারণ বর্গ একটি বিশেষ রম্বস।
  7. ৫৭. 5 সে.মি. বাহুবিশিষ্ট বর্গের কর্ণের দৈর্ঘ্য কত ?
    • ক. 2√5 সে.মি.
    • খ. √10 সে.মি.
    • গ. 5√2 সে.মি.
    • ঘ. 3√5 সে.মি.
    উত্তর: গ. 5√2 সে.মি.
    বর্গের কর্ণ বর্গটিকে দুটি সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজে ভাগ করে, আর কর্ণটি হয় সেই ত্রিভুজের অতিভুজ। পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী,
    কর্ণ² = 5² + 5² = 50, তাই কর্ণ = √50 = 5√2 সে.মি.
    মনে রাখুন: বাহু a হলে বর্গের কর্ণ a√2, আর কর্ণ d জানা থাকলে ক্ষেত্রফল d²/2।
  8. ৫৮. একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল কত হবে, যেখানে উহার সমান সমান বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্য 50 সে.মি. ও ভূমি 60 সে.মি. ?
    • ক. 10000 বর্গ সে.মি.
    • খ. 11000 বর্গ সে.মি.
    • গ. 1200 বর্গ সে.মি.
    • ঘ. 1100 বর্গ সে.মি.
    উত্তর: গ. 1200 বর্গ সে.মি.
    সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের শীর্ষ থেকে ভূমিতে আঁকা লম্ব ভূমিকে সমান দুই ভাগে ভাগ করে। তাই প্রতিটি অর্ধেক 30 সে.মি., আর সমান বাহুটি অতিভুজ।
    উচ্চতা = √(50² − 30²) = √(2500 − 900) = √1600 = 40 সে.মি.
    ক্ষেত্রফল = ½ × ভূমি × উচ্চতা = ½ × 60 × 40 = 1200 বর্গ সে.মি.
    মনে রাখুন: সমান বাহু a ও ভূমি b হলে ক্ষেত্রফল = (b/4)√(4a² − b²)।
  9. ৫৯. একটি সংখ্যা ও তার গুণাত্মক বিপরীতের সমষ্টি 2 হলে, সংখ্যাটি কত ?
    • ক. -1
    • খ. 1
    • গ. 2
    • ঘ. 1/2
    উত্তর: খ. 1
    সংখ্যাটি x হলে তার গুণাত্মক বিপরীত 1/x, আর শর্ত অনুযায়ী x + 1/x = 2।
    x² + 1 = 2x, তাই x² − 2x + 1 = 0, অর্থাৎ (x − 1)² = 0।
    ফলে x = 1।
    মনে রাখুন: ধনাত্মক x-এর জন্য x + 1/x-এর ন্যূনতম মান 2, আর তা পাওয়া যায় কেবল x = 1 হলে।
  10. ৬০. (x/2)^(a + 1) = 1 হলে, a এর মান কত?
    • ক. 0
    • খ. 2
    • গ. 1
    • ঘ. – 1
    উত্তর: ঘ. – 1
    শূন্য ছাড়া যেকোনো রাশির শূন্য ঘাত 1 হয়। তাই কোনো রাশির ঘাত 1-এর সমান হতে হলে সাধারণভাবে ঘাতটিকে শূন্য হতে হবে।
    (x/2)^(a + 1) = 1 = (x/2)⁰
    সুতরাং a + 1 = 0, অর্থাৎ a = −1
    মনে রাখুন: a⁰ = 1 সূত্রটি কেবল a ≠ 0 হলে খাটে, কারণ 0⁰ অনির্ণেয়।
  11. ৬১. 3·2ⁿ – 4·2ⁿ⁻² = কত?
    • ক. 1
    • খ. 2ⁿ⁺¹
    • গ. 3
    • ঘ. 2ⁿ
    উত্তর: খ. 2ⁿ⁺¹
    দুটি পদেই 2-এর ঘাত আছে, তাই 4-কে 2² লিখে ঘাতের নিয়ম খাটাই।
    4 × 2ⁿ⁻² = 2² × 2ⁿ⁻² = 2ⁿ
    তাই 3 × 2ⁿ − 4 × 2ⁿ⁻² = 3 × 2ⁿ − 2ⁿ = 2 × 2ⁿ = 2ⁿ⁺¹
    মনে রাখুন: একই ভিত্তির গুণে ঘাত যোগ হয়, aᵐ × aⁿ = aᵐ⁺ⁿ।
  12. ৬২. logₓ5 = 2 হলে, x = কত ?
    • ক. √5
    • খ. 25
    • গ. -√5
    • ঘ. ±√5
    উত্তর: ক. √5
    লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী logₐb = c মানে aᶜ = b। তাই logₓ5 = 2 মানে x² = 5, অর্থাৎ x = ±√5। কিন্তু লগারিদমের ভিত্তি সবসময় ধনাত্মক এবং 1 ছাড়া অন্য সংখ্যা হতে হয়, তাই ঋণাত্মক মানটি বাদ যায় এবং x = √5।
    মনে রাখুন: logₐ1 = 0 আর logₐa = 1, যেকোনো বৈধ ভিত্তি a-এর জন্য।
  13. ৬৩. 0, 2, 3 এর গ.সা.গু কত ?
    • ক. 3
    • খ. 2
    • গ. 1
    • ঘ. 0
    উত্তর: গ. 1
    গ.সা.গু. হলো সেই বৃহত্তম সংখ্যা, যা প্রদত্ত সব সংখ্যাকে নিঃশেষে ভাগ করে। শূন্যকে যেকোনো অশূন্য সংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে ভাগশেষ থাকে না, তাই 0 থাকলেও গ.সা.গু. নির্ভর করে বাকি সংখ্যাগুলোর ওপর। এখানে 2 ও 3 সহমৌলিক, তাদের সাধারণ গুণনীয়ক কেবল 1, তাই 0, 2, 3-এর গ.সা.গু. 1।
    মনে রাখুন: দুটি সংখ্যার গ.সা.গু. 1 হলে তাদের সহমৌলিক (Co-prime) বলে।
  14. ৬৪. একটি সংখ্যা ও তার গুণাত্মক বিপরীতে সমষ্টি √3. ঐ সংখ্যার ঘন ও ঘন-এর গুণাত্মক বিপরীতের সমষ্টি কত ?
    • ক. – 2√3
    • খ. 0
    • গ. 2√3
    • ঘ. 3√3
    উত্তর: খ. 0
    ধরা যাক সংখ্যাটি x, তাহলে x + 1/x = √3। এখন ঘনের সূত্র ব্যবহার করি।
    x³ + 1/x³ = (x + 1/x)³ − 3(x + 1/x)
    = (√3)³ − 3√3 = 3√3 − 3√3 = 0
    মনে রাখুন: x³ + 1/x³ = (x + 1/x)³ − 3(x + 1/x) এবং x³ − 1/x³ = (x − 1/x)³ + 3(x − 1/x)।
  15. ৬৫. দুইটি সংখ্যার বর্গের সমষ্টি ও অন্তরফল যথাক্রমে 61 ও 11 হলে, সংখ্যা দুইটি কী কী ?
    • ক. (7,6)
    • খ. (7,4)
    • গ. (12,1)
    • ঘ. (6,5)
    উত্তর: ঘ. (6,5)
    সংখ্যা দুটি a ও b ধরি। তাহলে a² + b² = 61 এবং a² − b² = 11।
    দুটি সমীকরণ যোগ করলে 2a² = 72, তাই a² = 36 ও a = 6
    বিয়োগ করলে 2b² = 50, তাই b² = 25 ও b = 5
    সংখ্যা দুটি 6 ও 5। যাচাই: 36 + 25 = 61 এবং 36 − 25 = 11।
  16. ৬৬. 2a² + 6a – 80 এর একটি উৎপাদক কোনটি ?
    • ক. 2(a – 8)
    • খ. (a + 5)
    • গ. (a – 4)
    • ঘ. (a + 8)
    উত্তর: ঘ. (a + 8)
    প্রথমে সাধারণ উৎপাদক 2 বের করি: 2a² + 6a − 80 = 2(a² + 3a − 40)।
    এবার a² + 3a − 40 ভাঙতে হলে এমন দুটি সংখ্যা লাগে যাদের গুণফল −40 এবং যোগফল 3, সেগুলো 8 ও −5। তাই a² + 3a − 40 = (a + 8)(a − 5)।
    সুতরাং রাশিটি = 2(a + 8)(a − 5) এবং একটি উৎপাদক (a + 8)।
    মনে রাখুন: 2(a − 8) নয়, কারণ a = 8 বসালে রাশি শূন্য হয় না।
  17. ৬৭. ৬০ লিটার পানি ও চিনির মিশ্রণের অনুপাত ৭ : ৩ । ঐ মিশ্রণে আর কত লিটার চিনি মিশালে অনুপাত ৩ : ৭ হবে ?
    • ক. ৭০ লিটার
    • খ. ৬০ লিটার
    • গ. ৮০ লিটার
    • ঘ. ৫০ লিটার
    উত্তর: গ. ৮০ লিটার
    ৬০ লিটার মিশ্রণে পানি ও চিনির অনুপাত 7 : 3 হলে পানি 42 লিটার ও চিনি 18 লিটার। শুধু চিনি মেশানো হচ্ছে, তাই পানির পরিমাণ 42 লিটারই থাকবে।
    নতুন অনুপাত 3 : 7 হলে চিনি = 42 × 7/3 = 98 লিটার।
    আরও মেশাতে হবে 98 − 18 = 80 লিটার চিনি।
  18. ৬৮. টাকায় ১০ টি ও টাকায় ১৫ টি দরে সমান সংখ্যক লিচু কিনে সবগুলো লিচু টাকায় ১২ টি দরে বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ বা ক্ষতি হবে ?
    • ক. ২৫% লাভ হবে
    • খ. ২৫% ক্ষতি হবে
    • গ. ৩০% লাভ হবে
    • ঘ. লাভ বা ক্ষতি কিছুই হবে না
    উত্তর: ঘ. লাভ বা ক্ষতি কিছুই হবে না
    হিসাব সহজ করতে দুই দামেই এমন সংখ্যক লিচু ধরি, যা 10 ও 15 দুটিরই গুণিতক, যেমন 30টি করে।
    টাকায় 10টি দরে 30টির দাম = 3 টাকা
    টাকায় 15টি দরে 30টির দাম = 2 টাকা
    মোট 60টি লিচুর ক্রয়মূল্য = 5 টাকা
    টাকায় 12টি দরে 60টির বিক্রয়মূল্য = 60/12 = 5 টাকা
    ক্রয়মূল্য ও বিক্রয়মূল্য সমান, তাই লাভ বা ক্ষতি কিছুই হয় না।
  19. ৬৯. বার্ষিক (১০/৩)% হার সুদে ১৩৫০ টাকা কত বছরে সুদে-আসলে ১৬২০ টাকা হবে ?
    • ক. ৫ বছরে
    • খ. ৮ বছরে
    • গ. ৭ বছরে
    • ঘ. ৬ বছরে
    উত্তর: ঘ. ৬ বছরে
    সরল সুদে প্রতি বছর একই পরিমাণ সুদ হয়, তাই মোট সুদকে বার্ষিক সুদ দিয়ে ভাগ করলেই সময় পাওয়া যায়।
    মোট সুদ = 1620 − 1350 = 270 টাকা
    বার্ষিক সুদ = 1350 × (10/3)/100 = 45 টাকা
    সময় = 270 ÷ 45 = 6 বছর
    মনে রাখুন: সরল সুদের সূত্র I = Prn, যেখানে r শতকরা হারকে 100 দিয়ে ভাগ করা মান।
  20. ৭০. ৭৫ সংখ্যাটি কোন সংখ্যার ২৫% ?
    • ক. ২০০
    • খ. ৩০০
    • গ. ১০০
    • ঘ. ৪০০
    উত্তর: খ. ৩০০
    25% মানে 100 ভাগের 25 ভাগ, অর্থাৎ পুরো সংখ্যার চার ভাগের এক ভাগ। তাই কোনো সংখ্যার 25% যদি 75 হয়, তবে পুরো সংখ্যাটি তার চার গুণ।
    সংখ্যা = 75 × 100/25 = 75 × 4 = 300
    যাচাই: 300-এর 25% = 300 × 25/100 = 75।
  21. ৭১. ঘণ্টায় x মাইল বেগে y মাইল দূরত্ব অতিক্রম করতে কত সময় লাগবে ?
    • ক. x/y ঘণ্টা
    • খ. x ঘণ্টা
    • গ. y ঘণ্টা
    • ঘ. y/x ঘণ্টা
    উত্তর: ঘ. y/x ঘণ্টা
    বেগ মানে একক সময়ে অতিক্রান্ত দূরত্ব, তাই দূরত্ব = বেগ × সময়। এখান থেকে সময় = দূরত্ব ÷ বেগ।
    দূরত্ব y মাইল এবং বেগ ঘণ্টায় x মাইল হলে সময় = y/x ঘণ্টা
    মনে রাখুন: যেমন ঘণ্টায় 40 কিমি বেগে 120 কিমি যেতে সময় লাগে 120/40 = 3 ঘণ্টা।
  22. ৭২. দুইটি সংখ্যার ল.সা.গু ৩৬ ও গ.সা.গু ৬। একটি সংখ্যা ১২ হলে, অপর সংখ্যাটি কত ?
    • ক. ৯
    • খ. ১২
    • গ. ১৫
    • ঘ. ১৮
    উত্তর: ঘ. ১৮
    দুটি সংখ্যার গুণফল সবসময় তাদের ল.সা.গু. ও গ.সা.গু.-এর গুণফলের সমান। এই সম্পর্ক ব্যবহার করলে অপর সংখ্যাটি সহজে বের হয়।
    গুণফল = 36 × 6 = 216
    অপর সংখ্যা = 216 ÷ 12 = 18
    যাচাই: 12 ও 18-এর গ.সা.গু. 6 আর ল.সা.গু. 36।
  23. ৭৩. ৬০ থেকে ৮০ এর মধ্যবর্তী বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যাদ্বয়ের গড় কত?
    • ক. ৭০
    • খ. ৬৭
    • গ. ৮০
    • ঘ. ৭৭
    উত্তর: ক. ৭০
    60 থেকে 80-র মধ্যে মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো 61, 67, 71, 73 ও 79। এদের মধ্যে ক্ষুদ্রতম 61 আর বৃহত্তম 79।
    গড় = (61 + 79)/2 = 140/2 = 70
    মনে রাখুন: একই দুটি সংখ্যার অন্তর 79 − 61 = 18, আর 1 থেকে 100-র মধ্যে মোট মৌলিক সংখ্যা 25টি।

বাংলাদেশ

  1. ৭৪. উয়ারী বটেশ্বর কোথায় অবস্থিত ?
    • ক. বগুড়া
    • খ. চট্টগ্রাম
    • গ. নরসিংদী
    • ঘ. ঝিনাইদহ
    উত্তর: গ. নরসিংদী
    উয়ারী-বটেশ্বর নরসিংদী জেলার বেলাব ও শিবপুর উপজেলায় অবস্থিত একটি প্রাচীন প্রত্নস্থান। এখানে প্রায় আড়াই হাজার বছর আগের দুর্গনগর, ইটের রাস্তা, ছাপাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রা ও পাথরের পুঁতির নিদর্শন পাওয়া গেছে। স্থানীয় স্কুলশিক্ষক হানিফ পাঠান ও তাঁর ছেলে হাবিবুল্লাহ পাঠান প্রথম এর নিদর্শন সংগ্রহ শুরু করেন।
    মনে রাখুন: মহাস্থানগড় বগুড়ায়, আর ময়নামতি কুমিল্লায়।
  2. ৭৭. বাংলাদেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প কোনটি ?
    • ক. গঙ্গা-কপোতাক্ষ প্রকল্প
    • খ. তিস্তা সেচ প্রকল্প
    • গ. কাপ্তাই সেচ প্রকল্প
    • ঘ. ফেনী সেচ প্রকল্প
    উত্তর: খ. তিস্তা সেচ প্রকল্প
    নীলফামারী জেলার ডালিয়ায় তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত তিস্তা ব্যারাজ সেচ প্রকল্প দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প। ব্যারাজ হলো নদীতে বাঁধ দিয়ে পানি আটকে রেখে প্রয়োজনমতো ছাড়ার ব্যবস্থা। এই প্রকল্প রংপুর, দিনাজপুরসহ উত্তরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকায় শুকনো মৌসুমে সেচের পানি দেয়, ফলে সেখানে বোরো ধানের উৎপাদন বাড়ে।
    মনে রাখুন:
    গঙ্গা-কপোতাক্ষ প্রকল্প (জি-কে প্রকল্প) কুষ্টিয়ায় অবস্থিত, যা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে সেচ ও পানি সরবরাহ করে।
    কাপ্তাই প্রকল্প জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত।
  3. ৮৫. সতীদাহ প্রথা কত সালে বিলুপ্ত হয় ?
    • ক. ১৭২৯ সালে
    • খ. ১৮২৯ সালে
    • গ. ১৬২৯ সালে
    • ঘ. ১৮২৮ সালে
    উত্তর: খ. ১৮২৯ সালে
    সতীদাহ ছিল এমন এক নিষ্ঠুর প্রথা, যেখানে স্বামীর মৃত্যুর পর বিধবা স্ত্রীকে স্বামীর চিতায় জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হতো। রাজা রামমোহন রায় এই প্রথার বিরুদ্ধে দীর্ঘ আন্দোলন করেন। তাঁর প্রচেষ্টার ফলে ১৮২৯ সালে গভর্নর জেনারেল লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক আইন করে সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধ করেন।
    মনে রাখুন: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রচেষ্টায় ১৮৫৬ সালে বিধবা বিবাহ আইন পাস হয়।
  4. ৮৬. বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা কত ?
    • ক. ১২ নটিক্যাল মাইল
    • খ. ২০০ নটিক্যাল মাইল
    • গ. ১৪ নটিক্যাল মাইল
    • ঘ. ৪০০ নটিক্যাল মাইল
    উত্তর: ক. ১২ নটিক্যাল মাইল
    জাতিসংঘের সমুদ্র আইন কনভেনশন (UNCLOS) অনুযায়ী উপকূলের ভিত্তিরেখা থেকে ১২ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত এলাকা কোনো রাষ্ট্রের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা বা রাষ্ট্রীয় সমুদ্র (Territorial sea)। এই এলাকায় রাষ্ট্রের পূর্ণ সার্বভৌমত্ব থাকে, ঠিক স্থলভাগের মতো।
    মনে রাখুন:
    সংলগ্ন অঞ্চল (Contiguous zone) ২৪ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত।
    অর্থনৈতিক অঞ্চল (EEZ) ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত।
    ১ নটিক্যাল মাইল প্রায় ১.৮৫২ কিলোমিটার।
  5. ৯৬. বাংলাদেশ রেলওয়ের সর্ববৃহৎ কারখানা কোথায় ?
    • ক. চট্টগ্রাম
    • খ. পাকশি
    • গ. সৈয়দপুর
    • ঘ. আখাউড়া
    উত্তর: গ. সৈয়দপুর
    নীলফামারী জেলার সৈয়দপুরে বাংলাদেশ রেলওয়ের সবচেয়ে বড় কারখানা (Railway Workshop) অবস্থিত। ব্রিটিশ আমলে ১৮৭০ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এখানে রেলের যাত্রীবাহী বগি ও ইঞ্জিন মেরামত এবং নির্মাণের কাজ হয়। তাই সৈয়দপুর বাংলাদেশের রেল শিল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।
    মনে রাখুন:
    পাকশী (পাবনা) রেলওয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগীয় কেন্দ্র, যার কাছেই হার্ডিঞ্জ ব্রিজ।
    চট্টগ্রামে রেলের কেন্দ্রীয় কারখানা আছে, কিন্তু আকারে সৈয়দপুরের চেয়ে ছোট।
  6. ৯৭. বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগরকেন্দ্র কোনটি ?
    • ক. ময়নামতি
    • খ. পাহাড়পুর
    • গ. মহাস্থানগড়
    • ঘ. সোনারগাঁও
    উত্তর: গ. মহাস্থানগড়
    বগুড়া জেলার মহাস্থানগড় প্রাচীন পুণ্ড্রনগরের ধ্বংসাবশেষ, যা ছিল পুণ্ড্রবর্ধন জনপদের রাজধানী। এখানে খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতকের মৌর্য যুগের একটি শিলালিপি পাওয়া গেছে। এত পুরোনো নগরজীবনের প্রমাণ থাকায় মহাস্থানগড়কে বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগরকেন্দ্র ধরা হয়।
    মনে রাখুন: মহাস্থানগড় করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত। ময়নামতি কুমিল্লায় আর পাহাড়পুর নওগাঁয় অবস্থিত।

আন্তর্জাতিক

  1. ৭৫. ৮৬ তম অস্কার পুরস্কার-২০১৪-এর সেরা চলচ্চিত্র কোনটি ?
    • ক. টুয়েন্টি ফিট ফ্রম স্টাবডম
    • খ. হিলিয়াম
    • গ. টুয়েলভ ইয়ার্স অ্যাস স্লেভ
    • ঘ. গ্রাভিটি
    উত্তর: গ. টুয়েলভ ইয়ার্স অ্যাস স্লেভ
    ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত ৮৬তম অস্কার আসরে সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কার পায় '১২ ইয়ার্স অ্যা স্লেভ' (12 Years a Slave)। ছবিটি উনিশ শতকের আমেরিকায় অপহৃত হয়ে দাসত্বে বিক্রি হওয়া এক কৃষ্ণাঙ্গ মানুষ সলোমন নর্থাপের সত্য কাহিনি নিয়ে তৈরি, আর এর পরিচালক স্টিভ ম্যাককুইন। সেবার সবচেয়ে বেশি, সাতটি পুরস্কার জেতে 'গ্র্যাভিটি' এবং এর পরিচালক আলফোনসো কুয়ারন পান সেরা পরিচালকের পুরস্কার।
  2. ৭৮. ২০১৪ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলে গোল্ডেন বল লাভ করেন কে ?
    • ক. হামেস রদ্রিগেজ
    • খ. টমাস মুলার
    • গ. লিওনেল মেসি
    • ঘ. নেইমার
    উত্তর: গ. লিওনেল মেসি
    ২০১৪ সালের বিশ্বকাপ ফুটবল হয়েছিল ব্রাজিলে, আর টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে গোল্ডেন বল (Golden Ball) পান আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। সেবার ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে জার্মানি চ্যাম্পিয়ন হয়।
    মনে রাখুন:
    সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে গোল্ডেন বুট পান কলম্বিয়ার হামেস রদ্রিগেজ (৬ গোল)।
    সেরা গোলরক্ষকের গোল্ডেন গ্লাভস পান জার্মানির ম্যানুয়েল নয়্যার।
  3. ৭৯. ২০১৪ সালে শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন কে ?
    • ক. জ্যঁ তিহল
    • খ. মালালা ইউসুফজাই
    • গ. ড. ইউনূস
    • ঘ. বারাক ওবামা
    উত্তর: খ. মালালা ইউসুফজাই
    ২০১৪ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার যৌথভাবে পান পাকিস্তানের মালালা ইউসুফজাই ও ভারতের কৈলাশ সত্যার্থী। শিশুদের শিক্ষার অধিকার ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে সংগ্রামের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁদের এই পুরস্কার দেওয়া হয়। মাত্র ১৭ বছর বয়সে পুরস্কার পেয়ে মালালা ইতিহাসের সবচেয়ে কম বয়সী নোবেলজয়ী হন।
    মনে রাখুন: ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংক শান্তিতে নোবেল পান ২০০৬ সালে, আর বারাক ওবামা পান ২০০৯ সালে।
  4. ৮০. আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারকের সংখ্যা কত ?
    • ক. ১২ জন
    • খ. ১৪ জন
    • গ. ১৬ জন
    • ঘ. ১৫ জন
    উত্তর: ঘ. ১৫ জন
    আন্তর্জাতিক আদালত (International Court of Justice) জাতিসংঘের প্রধান বিচারিক অঙ্গ, এর সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে। এই আদালতে ১৫ জন বিচারক থাকেন, যাঁরা জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ও নিরাপত্তা পরিষদের ভোটে ৯ বছরের জন্য নির্বাচিত হন। একই দেশ থেকে একসঙ্গে দুজন বিচারক থাকতে পারেন না।
    মনে রাখুন: আন্তর্জাতিক আদালত প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৫ সালে, আর কাজ শুরু করে ১৯৪৬ সালে।
  5. ৮১. আন্তর্জাতিক শিক্ষক দিবস কোনটি ?
    • ক. ২ অক্টোবর
    • খ. ৪ অক্টোবর
    • গ. ৫ অক্টোবর
    • ঘ. ৬ অক্টোবর
    উত্তর: গ. ৫ অক্টোবর
    প্রতি বছর ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস (World Teachers' Day) পালিত হয়। ১৯৬৬ সালের এই দিনে ইউনেস্কো ও আইএলও শিক্ষকদের মর্যাদা নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ গ্রহণ করে। সেই ঘটনার স্মরণে ১৯৯৪ সাল থেকে ইউনেস্কোর উদ্যোগে দিনটি পালন করা হচ্ছে।
    মনে রাখুন:
    ৮ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস।
    ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
  6. ৮৩. ‘BIMSTEC’ – এর সদর দপ্তর কোথায় ?
    • ক. কলম্বো
    • খ. ম্যানিলা
    • গ. ঢাকা
    • ঘ. নিউইয়র্ক
    উত্তর: গ. ঢাকা
    বিমসটেক (BIMSTEC) হলো বঙ্গোপসাগর উপকূলীয় ও নিকটবর্তী সাতটি দেশের আঞ্চলিক জোট: বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, নেপাল ও ভুটান। ১৯৯৭ সালে ব্যাংককে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০১৪ সালে জোটটির স্থায়ী সচিবালয় ঢাকায় স্থাপিত হয়।
    মনে রাখুন: এর পূর্ণরূপ Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation।
  7. ৮৮. ইউনিসেফের ২০১৪ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী বাল্যবিবাহে শীর্ষ দেশ কোনটি ?
    • ক. নাইজার
    • খ. বাংলাদেশ
    • গ. শাদ
    • ঘ. মালি
    উত্তর: ক. নাইজার
    ইউনিসেফের ২০১৪ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী বাল্যবিবাহের হারে বিশ্বে শীর্ষে ছিল পশ্চিম আফ্রিকার দেশ নাইজার। সেখানে প্রতি চারজন মেয়ের প্রায় তিনজনের বিয়ে হতো ১৮ বছর বয়সের আগেই। একই প্রতিবেদনে দক্ষিণ এশিয়ায় বাল্যবিবাহের হার সবচেয়ে বেশি ছিল বাংলাদেশে, আর বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল শীর্ষ কয়েকটি দেশের মধ্যে।
    মনে রাখুন: বাংলাদেশে মেয়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৮ এবং ছেলেদের ২১ বছর।
  8. ৯২. সার্ক কোন বছর প্রতিষ্ঠিত হয় ?
    • ক. ১৯৭৫
    • খ. ১৯৮৫
    • গ. ১৯৮৭
    • ঘ. ১৯৯০
    উত্তর: খ. ১৯৮৫
    ১৯৮৫ সালের ৭-৮ ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত প্রথম শীর্ষ সম্মেলনে দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা সার্ক (SAARC) প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রথম এ জোট গঠনের প্রস্তাব দেন।
    মনে রাখুন: সার্কের সচিবালয় নেপালের কাঠমান্ডুতে, সদস্য দেশ ৮টি, আর সর্বশেষ সদস্য আফগানিস্তান (২০০৭)।
  9. ৯৫. বাংলাদেশ জাতিসংঘের কততম সদস্য ?
    • ক. ১৩৬ তম
    • খ. ১৩৭ তম
    • গ. ১৩৮ তম
    • ঘ. ১৩৯ তম
    উত্তর: ক. ১৩৬ তম
    বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য। ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে। ওই বছরই ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলায় ভাষণ দেন। বঙ্গবন্ধুই জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দেওয়া প্রথম ব্যক্তি।
    মনে রাখুন:
    জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠা ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর।
    সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে।

বিজ্ঞান

  1. ৭৬. নিচের কোনটি জীবাশ্ম জ্বালানি নয়?
    • ক. পেট্রোল
    • খ. কয়লা
    • গ. প্রাকৃতিক গ্যাস
    • ঘ. বায়োগ্যাস
    উত্তর: ঘ. বায়োগ্যাস
    লক্ষ লক্ষ বছর আগে মাটির নিচে চাপা পড়া উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহাবশেষ থেকে তৈরি জ্বালানিকে জীবাশ্ম জ্বালানি (Fossil fuel) বলে, যেমন কয়লা, পেট্রোল ও প্রাকৃতিক গ্যাস। বায়োগ্যাস তৈরি হয় গোবর, পচা লতাপাতা ইত্যাদি জৈব বর্জ্য অল্প কয়েক দিনে পচিয়ে, তাই এটি জীবাশ্ম জ্বালানি নয়, বরং নবায়নযোগ্য জ্বালানি।
    মনে রাখুন: বায়োগ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন।
  2. ৮২. তেঁতুলে কোন ধরনের এসিড থাকে ?
    • ক. সাইট্রিক এসিড
    • খ. টারটারিক এসিড
    • গ. এসকরবিক এসিড
    • ঘ. ফসফরিক এসিড
    উত্তর: খ. টারটারিক এসিড
    তেঁতুলের টক স্বাদের প্রধান কারণ টারটারিক এসিড (Tartaric acid)। আঙুরেও এই এসিড প্রচুর থাকে। খাবার সোডার সঙ্গে মিশিয়ে বেকিং পাউডার তৈরিতে টারটারিক এসিড ব্যবহৃত হয়।
    মনে রাখুন:
    লেবু: সাইট্রিক এসিড
    আপেল: ম্যালিক এসিড
    টমেটো: অক্সালিক এসিড
    আমলকী: অ্যাসকরবিক এসিড
  3. ৮৭. ‘ইবোলা’ ভাইরাস-এর উৎপত্তিস্থল কোথায় ?
    • ক. সিয়েরালিওন
    • খ. কঙ্গো
    • গ. লিবিয়া
    • ঘ. ইথিওপিয়া
    উত্তর: খ. কঙ্গো
    ইবোলা ভাইরাস প্রথম শনাক্ত হয় ১৯৭৬ সালে, তখনকার জায়ার অর্থাৎ বর্তমান গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গোতে। সেখানকার ইবোলা নদীর কাছের একটি গ্রামে রোগটি ছড়িয়েছিল, তাই নদীর নাম থেকেই ভাইরাসটির নাম রাখা হয় ইবোলা। একই বছর দক্ষিণ সুদানেও প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। ইবোলা আক্রান্ত মানুষের রক্ত ও শরীরের তরলের সংস্পর্শে ছড়ায় এবং এতে তীব্র জ্বর ও রক্তক্ষরণ হয়।
    মনে রাখুন: ২০১৪ সালে পশ্চিম আফ্রিকার গিনি, লাইবেরিয়া ও সিয়েরা লিওনে ইবোলার সবচেয়ে বড় প্রাদুর্ভাব ঘটে।
  4. ৯০. কীটপতঙ্গ সম্পর্কিত বিদ্যা হলো –
    • ক. জিওলোজি
    • খ. অ্যানথ্রপলোজি
    • গ. এনটোমলজি
    • ঘ. নিউরোলজি
    উত্তর: গ. এনটোমলজি
    কীটপতঙ্গ নিয়ে বিজ্ঞানের যে শাখায় আলোচনা হয়, তাকে কীটতত্ত্ব বা এন্টোমোলজি (Entomology) বলে। শব্দটি গ্রিক 'entomon' থেকে এসেছে, যার অর্থ পোকা। ফসলের ক্ষতিকর পোকা দমন থেকে শুরু করে মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণ পর্যন্ত নানা কাজে এই বিদ্যা দরকার হয়।
    মনে রাখুন:
    জিওলজি (Geology) মানে ভূতত্ত্ব।
    অ্যানথ্রপলজি (Anthropology) মানে নৃবিজ্ঞান।
    নিউরোলজি (Neurology) মানে স্নায়ুবিজ্ঞান।
  5. ৯১. সাবান তৈরির উপজাত হিসেবে পাওয়া যায় –
    • ক. গ্লিসারিন
    • খ. সিলিকন
    • গ. ইথানল
    • ঘ. সোডিয়াম
    উত্তর: ক. গ্লিসারিন
    চর্বি বা তেলের সঙ্গে কস্টিক সোডা (NaOH) বা কস্টিক পটাশের দ্রবণ ফোটালে সাবান তৈরি হয়, এ প্রক্রিয়াকে সাবানায়ন (Saponification) বলে। এ বিক্রিয়ায় সাবানের পাশাপাশি গ্লিসারিন উপজাত হিসেবে পাওয়া যায়।
    মনে রাখুন: গ্লিসারিন প্রসাধনী, ওষুধ ও বিস্ফোরক নাইট্রোগ্লিসারিন তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

সাধারণ জ্ঞান

  1. ৮৪. বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে বরেন্দ্রভূমি আছে ?
    • ক. মধুপুর
    • খ. রংপুর
    • গ. রাজশাহী
    • ঘ. কুমিল্লা
    উত্তর: গ. রাজশাহী
    বরেন্দ্রভূমি বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে রাজশাহী বিভাগের রাজশাহী, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাজুড়ে বিস্তৃত। এটি প্লাইস্টোসিন যুগের উঁচু ভূমি, তাই আশপাশের প্লাবনভূমির চেয়ে কিছুটা উঁচু এবং এর মাটি লালচে ও শক্ত। পানির অভাবের কারণে এই অঞ্চলের কৃষি অনেকটাই সেচনির্ভর।
    মনে রাখুন: একই যুগের আরেকটি উঁচু ভূমি মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়, আর তৃতীয়টি কুমিল্লার লালমাই পাহাড়।
  2. ৮৯. নায়াগ্রা জলপ্রপাত কোথায় অবস্থিত ?
    • ক. যুক্তরাষ্ট্র – কানাডা
    • খ. যুক্তরাষ্ট্র – মেক্সিকো
    • গ. কানাডা – অস্ট্রেলিয়া
    • ঘ. যুক্তরাষ্ট্র – ব্রাজিল
    উত্তর: ক. যুক্তরাষ্ট্র – কানাডা
    নায়াগ্রা জলপ্রপাত উত্তর আমেরিকায় যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্য ও কানাডার অন্টারিও প্রদেশের সীমান্তে অবস্থিত। ইরি হ্রদ থেকে অন্টারিও হ্রদে যাওয়ার পথে নায়াগ্রা নদীর ওপর এই জলপ্রপাত সৃষ্টি হয়েছে। এটি আসলে তিনটি প্রপাতের সমষ্টি, যার সবচেয়ে বড়টি হর্সশু ফলস।
    মনে রাখুন: পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু জলপ্রপাত ভেনেজুয়েলার অ্যাঞ্জেল ফলস।
  3. ৯৪. বাংলাদেশের কোন বনাঞ্চলকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট ঘোষণা করা হয়েছে ?
    • ক. মধুপুর বন
    • খ. সুন্দরবন
    • গ. বান্দরবান
    • ঘ. হিমছড়ি বন
    উত্তর: খ. সুন্দরবন
    ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্য (World Heritage Site) হিসেবে ঘোষণা করে। সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম একক ম্যানগ্রোভ বন, যা বাংলাদেশের খুলনা অঞ্চল ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গজুড়ে বিস্তৃত। রয়েল বেঙ্গল টাইগার ও চিত্রা হরিণের আবাস হিসেবে বনটি বিখ্যাত, আর এর নামকরণ হয়েছে সুন্দরী গাছের নাম থেকে।
    মনে রাখুন: বাংলাদেশের অন্য দুটি বিশ্ব ঐতিহ্য হলো পাহাড়পুরের সোমপুর মহাবিহার ও বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদসহ ঐতিহাসিক মসজিদের শহর, দুটিই ১৯৮৫ সালে স্বীকৃতি পায়।

কম্পিউটার ও আইসিটি

  1. ৯৩. http – এর সংক্ষিপ্ত রূপ কোনটি ?
    • ক. Hyper Text Transfer Protocol
    • খ. High Test Termination Procedure
    • গ. Harvard Teletext Proof
    • ঘ. Highest Times Technical Professional
    উত্তর: ক. Hyper Text Transfer Protocol
    HTTP-এর পূর্ণরূপ HyperText Transfer Protocol। প্রোটোকল (Protocol) মানে কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম, যা মেনে দুটি যন্ত্র পরস্পরের সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদান করে। আমরা যখন ব্রাউজারে কোনো ওয়েবসাইটের ঠিকানা লিখি, তখন ব্রাউজার HTTP নিয়ম মেনে ওয়েব সার্ভারের কাছে পাতাটি চায়, আর সার্ভার একই নিয়মে পাতাটি পাঠিয়ে দেয়।
    মনে রাখুন:
    HTTPS-এর S মানে Secure, এতে তথ্য গোপন সংকেতে পাঠানো হয়।
    HTML মানে HyperText Markup Language, যা দিয়ে ওয়েবপেজ লেখা হয়।
    WWW-এর উদ্ভাবক টিম বার্নার্স-লি।

এনটিআরসিএ: অন্যান্য পরীক্ষা

আরও শিক্ষক নিয়োগ ও নিবন্ধন পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান

বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন