এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৪: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ৩০ মে ২০১৪। ৯৬টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →- বাংলা (২৩)
- ইংরেজি (২৪)
- গণিত (২৫)
- বাংলাদেশ (৯)
- ব্যাংকিং ও অর্থনীতি (১)
- আন্তর্জাতিক (৫)
- সাধারণ জ্ঞান (৩)
- বিজ্ঞান (৫)
- কম্পিউটার ও আইসিটি (১)
বাংলা
- ১. ব্যাকরণ ও ভাষার মধ্যে কোনটি আগে সৃষ্টি হয়েছে?
- ক. ব্যাকরণ
- খ. ভাষা
- গ. ব্যাকরণ ও ভাষা উভয়ই একসাথে
- ঘ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. ভাষা
ভাষা মানুষ কথা বলার মাধ্যমে আগেই তৈরি করে ফেলেছে, কিন্তু ভাষা কীভাবে চলে তার নিয়ম পরে খুঁজে বের করে লিখে রাখা হয়েছে। সেই লিখিত নিয়মগুলোর সংকলনই ব্যাকরণ। তাই ব্যাকরণ ভাষাকে অনুসরণ করে, ভাষা ব্যাকরণকে নয়। অর্থাৎ ভাষা আগে সৃষ্টি হয়েছে, ব্যাকরণ এসেছে তারপর। আমরা ছোটবেলায় ব্যাকরণ না শিখেও কথা বলতে শিখে যাই, এটিই তার প্রমাণ। ব্যাকরণ আসলে এই চলমান ভাষাকে বিশ্লেষণ করে নিয়মের আকারে সাজায়।
মনে রাখুন:
ব্যাকরণ শব্দের অর্থ হলো যা দিয়ে ভাষাকে বিশ্লেষণ করা যায়।
ভাষার নিয়মের লিখিত রূপই ব্যাকরণ, ভাষা নিজে কোনো লিখিত নিয়ম মেনে জন্মায় না। - ২. “ফুলে ফুলে ঘর ভরেছে।’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
- ক. কর্মকারকে সপ্তমী বিভক্তি
- খ. অপাদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি
- গ. করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি
- ঘ. অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি
উত্তর: গ. করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি
‘ফুলে ফুলে ঘর ভরেছে’ বাক্যে ঘর ভরানোর কাজটি হয়েছে ফুল দিয়ে, অর্থাৎ ফুল এখানে কাজের উপকরণ। ক্রিয়া যার সাহায্যে বা যা দিয়ে সম্পন্ন হয়, তাকে করণ কারক বলে। আর ‘ফুলে’ শব্দে যে ‘এ’ বিভক্তি যুক্ত হয়েছে, সেটি সপ্তমী বিভক্তি। তাই এটি করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি।
মনে রাখুন: ক্রিয়াকে ‘কী দিয়ে’ বা ‘কীসের দ্বারা’ প্রশ্ন করলে যে উত্তর আসে, সেটিই করণ কারক।
উদাহরণ: কলমে লেখা হয় (করণে সপ্তমী)। ছাত্ররা বল খেলছে (করণে শূন্য)। - ৩. নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
- ক. চক্ষুস্মান
- খ. চক্ষুষ্মান
- গ. চক্ষুশ্মান
- ঘ. চক্ষুম্মাণ
উত্তর: খ. চক্ষুষ্মান
‘চক্ষুষ্মান’ শব্দটি গঠিত হয়েছে চক্ষুস্ ও মান (মতুপ্ প্রত্যয়) যোগে, এর অর্থ যার চোখ আছে বা দৃষ্টিশক্তিসম্পন্ন। সন্ধির নিয়মে ই বা উ-কারের পরে থাকা স্ ধ্বনি মূর্ধন্য-ষ হয়ে যায়, তাই এখানে ‘স্ম’ না হয়ে ‘ষ্ম’ বসেছে। ফলে শুদ্ধ বানান ‘চক্ষুষ্মান’।
মনে রাখুন: একই নিয়মে লেখা হয় আয়ুষ্মান, জ্যোতিষ্মান ও বপুষ্মান। আর ‘মান’ প্রত্যয়ে শেষে দন্ত্য-ন থাকে, মূর্ধন্য-ণ নয়। - ৪. নিচের কোনটি তদ্ভব শব্দের উদাহরণ?
- ক. মই
- খ. জোছনা
- গ. পাতা
- ঘ. কাগজ
উত্তর: গ. পাতা
যে শব্দ সংস্কৃত থেকে প্রাকৃতের মধ্য দিয়ে রূপ বদলে বাংলায় এসেছে, তাকে তদ্ভব (Tadbhava) শব্দ বলে। ‘পাতা’ শব্দটি এসেছে সংস্কৃত ‘পত্র’ থেকে, প্রাকৃতে যা ‘পত্ত’ হয়ে পরে বাংলায় ‘পাতা’ হয়েছে, তাই এটি তদ্ভব। তালিকার ‘মই’ দেশি শব্দ, ‘জোছনা’ সংস্কৃত ‘জ্যোৎস্না’ থেকে কিছুটা বদলে আসা অর্ধ-তৎসম শব্দ, আর ‘কাগজ’ ফারসি শব্দ।
মনে রাখুন: আরও তদ্ভব শব্দ: হাত (হস্ত), চাঁদ (চন্দ্র), মাছ (মৎস্য), কান (কর্ণ)। - ৫. নিচের কোনটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ?
- ক. মা
- খ. মেয়ে
- গ. ছাত্রী
- ঘ. সতীন
উত্তর: ঘ. সতীন
যে শব্দের কোনো পুরুষবাচক রূপ নেই, শুধু স্ত্রীবাচক রূপই আছে, তাকে নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ বলে। ‘সতীন’ এমন একটি শব্দ, কারণ এর কোনো পুরুষবাচক প্রতিরূপ নেই। অন্যদিকে মা-এর পুরুষবাচক বাবা, মেয়ের ছেলে আর ছাত্রীর ছাত্র।
মনে রাখুন: নিত্য স্ত্রীবাচক আরও শব্দ: সৎমা, এয়ো, সধবা, বিধবা, অর্ধাঙ্গিনী, কুলটা। - ৬. কোন সমাসে সাধারণ ধর্মের উল্লেখ থাকে না?
- ক. উপমিত কর্মধারয়
- খ. রূপক কর্মধারয়
- গ. উপমান কর্মধারয়
- ঘ. মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
উত্তর: ক. উপমিত কর্মধারয়
উপমিত কর্মধারয় সমাসে উপমেয় ও উপমান দুটিই থাকে, কিন্তু কোন গুণে দুটির মিল, অর্থাৎ সাধারণ ধর্ম, উল্লেখ থাকে না। যেমন ‘পুরুষসিংহ’ মানে পুরুষ সিংহের ন্যায়, এখানে পুরুষ উপমেয় আর সিংহ উপমান, কিন্তু সাহস বা শক্তির কথা বলা নেই, তা বুঝে নিতে হয়।
মনে রাখুন:
উপমান কর্মধারয়ে উপমান ও সাধারণ ধর্ম থাকে, উপমেয় থাকে না, যেমন তুষারশুভ্র (তুষারের ন্যায় শুভ্র)।
রূপক কর্মধারয়ে উপমেয়কে উপমানের সঙ্গে অভিন্ন ধরা হয়, যেমন বিষাদসিন্ধু (বিষাদ রূপ সিন্ধু)। - ৭. অলুক দ্বন্দ্ব সমাস সাধিত শব্দ কোনটি?
- ক. দুধে-ভাতে
- খ. মাতাপিতা
- গ. কমবেশি
- ঘ. সাত-পাঁচ
উত্তর: ক. দুধে-ভাতে
যে দ্বন্দ্ব সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক দ্বন্দ্ব সমাস বলে। ‘দুধে-ভাতে’ শব্দের ব্যাসবাক্য ‘দুধে ও ভাতে’, আর সমাস হওয়ার পরেও দুই পদেই ‘এ’ বিভক্তি থেকে গেছে, তাই এটি অলুক দ্বন্দ্ব। অন্যদিকে ‘মাতাপিতা’, ‘কমবেশি’ ও ‘সাত-পাঁচ’ শব্দে কোনো বিভক্তি নেই, এগুলো সাধারণ দ্বন্দ্ব সমাস।
উদাহরণ: হাতে-কলমে, পথে-ঘাটে, জলে-স্থলে, মনে-প্রাণে। - ৮. ‘বিধি’ শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?
- ক. বিরোধ
- খ. অবিধি
- গ. নিষেধ
- ঘ. নিষিদ্ধ
উত্তর: গ. নিষেধ
‘বিধি’ শব্দের অর্থ নিয়ম বা কোনো কাজ করার নির্দেশ। এর বিপরীত ‘নিষেধ’, অর্থাৎ কোনো কাজ না করার নির্দেশ। এই দুটি শব্দ একসঙ্গে মিলে ‘বিধিনিষেধ’ শব্দটি তৈরি হয়েছে, যার অর্থ কী করা যাবে আর কী যাবে না তার নিয়ম। ‘নিষিদ্ধ’ বিশেষণ, আর এটি ‘বিহিত’ শব্দের বিপরীত।
মনে রাখুন: আরও কিছু বিপরীত শব্দজোড়: বিধি ও নিষেধ, বিহিত ও নিষিদ্ধ, আসক্ত ও নিরাসক্ত। - ৯. ‘উজানের কৈ’-এই বাগধারাটির অর্থ কী?
- ক. বিরাট আয়োজন
- খ. সহজলভ্য
- গ. অপদার্থ
- ঘ. সামান্য পার্থক্য
উত্তর: খ. সহজলভ্য
বর্ষাকালে কই মাছ স্রোতের উল্টো দিকে উজানে উঠে আসে, তখন খুব সহজেই এদের ধরা যায়। সেখান থেকে ‘উজানের কৈ’ বাগধারার অর্থ দাঁড়িয়েছে সহজলভ্য, অর্থাৎ যা অনায়াসে পাওয়া যায়।
মনে রাখুন:
ডুমুরের ফুল: দুর্লভ বস্তু
অমাবস্যার চাঁদ: দুর্লভ বস্তু - ১০. ‘নূপুরের ধ্বনি’ এক কথায় কী বলে?
- ক. শিঞ্জন
- খ. রুমঝুম
- গ. ঝংকার
- ঘ. নিক্কণ
উত্তর: ঘ. নিক্কণ
নূপুরের ধ্বনিকে এক কথায় ‘নিক্কণ’ বলা হয়। এটি সংস্কৃত থেকে আসা তৎসম শব্দ, আর নূপুরের রিনিঝিনি শব্দ বোঝাতেই কাব্যে শব্দটি বেশি ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে ‘শিঞ্জন’ মানে অলংকারের ঝনঝন বা রিনরিন শব্দ, আর ‘ঝংকার’ মানে বাদ্যযন্ত্রের তারের শব্দ।
মনে রাখুন:
হাতির ডাক: বৃংহণ।
ময়ূরের ডাক: কেকা।
ঘোড়ার ডাক: হ্রেষা।
মেঘের ডাক: গর্জন। - ১১. নিচের কোনটি শুদ্ধ বানান?
- ক. রুগনো
- খ. রুগ্ন
- গ. রুগন
- ঘ. রুগ্ণ
উত্তর: ঘ. রুগ্ণ
‘রুগ্ণ’ শব্দটি সংস্কৃত √রুজ্ ধাতু থেকে এসেছে, আর এর শেষে আছে ‘গ’ ও মূর্ধন্য-ণ মিলে যুক্তবর্ণ ‘গ্ণ’। তাই প্রমিত বানান ‘রুগ্ণ’, যার অর্থ অসুস্থ বা রোগা। লেখায় প্রায়ই ‘রুগ্ন’ দেখা গেলেও বাংলা একাডেমির প্রমিত বানানে শুদ্ধ রূপ ‘রুগ্ণ’।
মনে রাখুন: একই রকম কিছু বানান যেখানে মূর্ধন্য-ণ বসে: পূর্বাহ্ণ, অপরাহ্ণ, তৃষ্ণা, বিষ্ণু, উষ্ণ। - ১২. তারিখ লিখতে কোন যতি চিহ্নের ব্যবহার হয়?
- ক. সেমিকোলন
- খ. কমা
- গ. দাঁড়ি
- ঘ. কোলন
উত্তর: খ. কমা
তারিখ লেখার সময় দিন, মাস ও সাল আলাদা করতে কমা (,) ব্যবহার করা হয়। যেমন ‘১৬ই ডিসেম্বর, ১৯৭১’ বা ‘২১শে ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার’। কমা বাক্যের মাঝে অল্প বিরতির চিহ্ন, তাই তারিখের অংশগুলো পরপর লেখার সময় এটি স্বাভাবিকভাবে বসে।
মনে রাখুন:
সম্বোধনের পরে কমা বসে, যেমন রশিদ, এদিকে এসো।
বাড়ির ঠিকানা লেখার সময়ও কমা ব্যবহৃত হয়।
একই পদের একাধিক শব্দ পরপর বসলে কমা দিয়ে আলাদা করা হয়। - ১৩. অনুবাদের অর্থ কী?
- ক. অনুসরণ
- খ. ভাবান্তর
- গ. ভাষান্তরকরণ
- ঘ. সমার্থকরণ
উত্তর: গ. ভাষান্তরকরণ
‘অনুবাদ’ শব্দের অর্থ এক ভাষার লেখা বা কথাকে অন্য ভাষায় রূপান্তর করা, তাই এর অর্থ ভাষান্তরকরণ। যেমন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজের ‘গীতাঞ্জলি’র কবিতাগুলো ইংরেজিতে অনুবাদ করেছিলেন। ভাবান্তর মানে মনের ভাবের পরিবর্তন, আর অনুসরণ মানে পেছনে পেছনে চলা, তাই এগুলো অনুবাদের অর্থ নয়।
মনে রাখুন: ভালো অনুবাদে শব্দ ধরে নয়, বরং মূল লেখার ভাব ঠিক রেখে লক্ষ্যভাষার স্বাভাবিক রীতিতে লিখতে হয়। - ১৪. ‘ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
- ক. সুকুমার সেন
- খ. সুকুমারী ভট্টাচার্য
- গ. নিহার রঞ্জন রায়
- ঘ. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
উত্তর: ঘ. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
‘ভাষা-প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ’ গ্রন্থটি লিখেছেন বিশিষ্ট ভাষাবিজ্ঞানী সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়। এটি ১৯৩৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং বাংলা ব্যাকরণের একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ হিসেবে পরিচিত। তিনি বাংলা ভাষার উৎপত্তি নিয়ে গবেষণার জন্য বিখ্যাত, আর তাঁর মতে বাংলা ভাষা মাগধী প্রাকৃত থেকে এসেছে।
মনে রাখুন: সুনীতিকুমারের বিখ্যাত ইংরেজি গ্রন্থ ‘The Origin and Development of the Bengali Language’ (ODBL), যা ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়। - ১৫. ইতর-এর বিপরীত শব্দ কোনটি?
- ক. অভদ্র
- খ. মিথ্যা
- গ. উত্তম
- ঘ. ভদ্র
উত্তর: ঘ. ভদ্র
‘ইতর’ শব্দের অর্থ নীচ, অভদ্র বা অশিষ্ট, তাই এর বিপরীত শব্দ ‘ভদ্র’। মজার ব্যাপার হলো, সংস্কৃতে ‘ইতর’ শব্দের মূল অর্থ ছিল অন্য বা সাধারণ, যেমন ‘ইতরবিশেষ’ মানে সামান্য পার্থক্য। বাংলায় শব্দটির অর্থ বদলে গিয়ে নীচ বা অভদ্র বোঝাতে শুরু করে। তালিকার ‘অভদ্র’ আসলে ইতরের সমার্থক।
মনে রাখুন: আরও কিছু বিপরীত শব্দ: শিষ্ট ও অশিষ্ট, সভ্য ও অসভ্য, ভদ্র ও ইতর। - ১৬. নিচের কোনটি অভিনন্দন বা সংবর্ধনা পত্র?
- ক. আমন্ত্রণপত্র
- খ. মানপত্র
- গ. নিমন্ত্রণপত্র
- ঘ. স্মারক পত্র
উত্তর: খ. মানপত্র
কোনো সম্মানিত ব্যক্তিকে অভিনন্দন বা সংবর্ধনা জানাতে যে পত্র লেখা হয়, তাকে মানপত্র বলে। সাধারণত বিদায় অনুষ্ঠান বা সংবর্ধনা সভায় এটি পাঠ করে সুন্দর করে বাঁধিয়ে সেই ব্যক্তির হাতে তুলে দেওয়া হয়। মানপত্রের ভাষা হয় আবেগময় ও শ্রদ্ধাপূর্ণ, আর এতে ব্যক্তির গুণ ও অবদানের কথা তুলে ধরা হয়।
মনে রাখুন: আমন্ত্রণপত্র বা নিমন্ত্রণপত্র দিয়ে কাউকে অনুষ্ঠানে আসার অনুরোধ জানানো হয়, আর স্মারকপত্র বা স্মারকলিপি দিয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে কোনো দাবি জানানো হয়। - ১৭. ‘অর্ণব’ এর প্রতিশব্দ -
- ক. ঝড়
- খ. সূর্য
- গ. বায়ু
- ঘ. সমুদ্র
উত্তর: ঘ. সমুদ্র
‘অর্ণব’ শব্দের অর্থ সমুদ্র। সংস্কৃতে ‘অর্ণস্’ মানে জল বা তরঙ্গ, আর যেখানে প্রচুর জল ও ঢেউ আছে, তাই অর্ণব। তালিকার ঝড়, সূর্য বা বায়ুর সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখুন:
সমুদ্রের প্রতিশব্দ: সাগর, সিন্ধু, জলধি, জলনিধি, পারাবার, রত্নাকর, বারিধি।
সূর্যের প্রতিশব্দ: রবি, তপন, ভানু, অর্ক, দিবাকর।
বায়ুর প্রতিশব্দ: পবন, অনিল, সমীরণ, মারুত। - ১৮. কোনটি সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ?
- ক. মানব
- খ. পানীয়
- গ. জয়
- ঘ. স্মরণীয়
উত্তর: ক. মানব
শব্দ বা নাম-প্রকৃতির সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়, তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে, আর ধাতুর সঙ্গে যুক্ত প্রত্যয়কে কৃৎ প্রত্যয় বলে। ‘মানব’ শব্দটি তৈরি হয়েছে ‘মনু’ শব্দের সঙ্গে সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় ‘ষ্ণ’ (অ) যুক্ত হয়ে, তাই এটি সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ। অন্যদিকে ‘পানীয়’ (√পা + অনীয়), ‘জয়’ (√জি + অ) ও ‘স্মরণীয়’ (√স্মৃ + অনীয়) ধাতু থেকে গঠিত, তাই এগুলো কৃৎ প্রত্যয়।
মনে রাখুন: একই ‘ষ্ণ’ প্রত্যয়ে গঠিত আরও শব্দ: শিব থেকে শৈব, যদু থেকে যাদব। - ১৯. অর্বাচীন শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?
- ক. প্রাচীন
- খ. নবীন
- গ. নির্বাচিত
- ঘ. অনির্বাচিত
উত্তর: ক. প্রাচীন
‘অর্বাচীন’ শব্দের মূল অর্থ নবীন বা আধুনিক, আর প্রচলিত অর্থে অপরিণামদর্শী বা অজ্ঞ। নতুন অর্থের বিপরীত শব্দ ‘প্রাচীন’, অর্থাৎ পুরোনো। তাই অর্বাচীনের বিপরীত প্রাচীন।
মনে রাখুন: ‘নবীন’ অর্বাচীনের সমার্থক, বিপরীত নয়। - ২০. কোনটি পারিভাষিক শব্দ?
- ক. কলেজ
- খ. নথি
- গ. রেডিও
- ঘ. অক্সিজেন
উত্তর: খ. নথি
পারিভাষিক শব্দ (Technical Term) হলো ইংরেজি বা অন্য ভাষার কোনো বিশেষ অর্থের শব্দের জন্য বাংলায় তৈরি করে নেওয়া নির্দিষ্ট প্রতিশব্দ। দাপ্তরিক কাজে ব্যবহৃত ইংরেজি ‘File’ শব্দের পারিভাষিক বাংলা ‘নথি’। অন্যদিকে কলেজ, রেডিও ও অক্সিজেন ইংরেজি শব্দ, এগুলোর বাংলা পরিভাষা না করে মূল শব্দটিই বাংলায় চলে আসছে।
মনে রাখুন: আরও কিছু পারিভাষিক শব্দ: Gazette — গেজেট বা রাজপত্র, Postgraduate — স্নাতকোত্তর, Ordinance — অধ্যাদেশ, Memorandum — স্মারকলিপি। - ২১. ‘পাখি’ শব্দের সমার্থক শব্দ নয় কোনটি?
- ক. বিহগ
- খ. গরুড়
- গ. পৃপ
- ঘ. বিহঙ্গ
উত্তর: গ. পৃপ
বিহগ ও বিহঙ্গ দুটিই পাখির প্রতিশব্দ, কারণ এরা বিহায়স বা আকাশে চলে। গরুড় পুরাণে বর্ণিত পাখিদের রাজা, তাই পাখির প্রতিশব্দ হিসেবে শব্দটি প্রচলিত। কিন্তু ‘পৃপ’ বলে পাখির কোনো প্রতিশব্দ বাংলায় নেই, তাই এটিই পাখির সমার্থক নয়।
মনে রাখুন: পাখির আরও কিছু প্রতিশব্দ: খেচর, দ্বিজ, অণ্ডজ, শকুন্ত, পক্ষী, বিহঙ্গম। - ২২. ’ঢাকের কাঠি’ এই বাগধারাটির সাথে কোন বাগধারাটির মিল আছে?
- ক. তাসের ঘর
- খ. চোখের বালি
- গ. গুড়ে বালি
- ঘ. খয়ের খাঁ
উত্তর: ঘ. খয়ের খাঁ
‘ঢাকের কাঠি’ বাগধারার অর্থ তোষামোদকারী বা মোসাহেব, অর্থাৎ যে ব্যক্তি সবসময় অন্যের তালে তাল মিলিয়ে চলে। ঢোল বা ঢাক যেমন কাঠির আঘাতে বাজে, তেমনি এ ধরনের লোক মনিবের ইচ্ছামতো কথা বলে। ‘খয়ের খাঁ’ বাগধারার অর্থও চাটুকার বা তোষামোদকারী, তাই দুটির অর্থে মিল আছে।
মনে রাখুন:
তাসের ঘর: ক্ষণস্থায়ী বস্তু।
চোখের বালি: চক্ষুশূল বা শত্রু।
গুড়ে বালি: আশায় নৈরাশ্য। - ২৩. ব্যাকরণ শব্দটি কোন ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে?
- ক. নব্য ভারতীয় আর্যভাষা
- খ. ফারসি
- গ. সংস্কৃত
- ঘ. অসমীয়া
উত্তর: গ. সংস্কৃত
‘ব্যাকরণ’ শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে অপরিবর্তিত রূপে বাংলায় এসেছে, তাই এটি তৎসম শব্দ। সংস্কৃতে বি ও আ উপসর্গের সঙ্গে √কৃ ধাতু এবং অন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দটি তৈরি, যার অর্থ বিশেষভাবে বিশ্লেষণ করা। ব্যাকরণ যেহেতু ভাষাকে বিশ্লেষণ করে তার নিয়ম দেখায়, তাই নামটি সার্থক।
মনে রাখুন: ব্যাকরণ শব্দের ব্যুৎপত্তি: বি + আ + √কৃ + অন। বাংলা ব্যাকরণের প্রথম গ্রন্থ মানোএল দা আসসুম্পসাঁওয়ের লেখা, যা ১৭৪৩ সালে পর্তুগিজ ভাষায় লিসবন থেকে প্রকাশিত হয়।
ইংরেজি
- ২৪. Prevention is better than-
- ক. nothing
- খ. healing
- গ. cure
- ঘ. remedy
উত্তর: গ. cure
পূর্ণ প্রবাদটি হলো Prevention is better than cure, অর্থাৎ রোগ হওয়ার পর সারানোর চেয়ে আগে থেকেই রোগ প্রতিরোধ করা ভালো। প্রবাদ বা proverb-এর শব্দগুলো নির্দিষ্ট থাকে, তাই healing বা remedy অর্থে কাছাকাছি হলেও এখানে বসে না। বাংলায় একই ভাব প্রকাশ করে ‘সাবধানের মার নেই’ প্রবাদটি।
মনে রাখুন: আরও কিছু পরিচিত proverb: A stitch in time saves nine (সময়ের এক ফোঁড়, অসময়ের দশ ফোঁড়), Haste makes waste (তাড়াহুড়োয় কাজ নষ্ট)। - ২৫. Knowledge is-
- ক. strength
- খ. power
- গ. gravity
- ঘ. comfort
উত্তর: খ. power
Knowledge is power একটি বিখ্যাত উক্তি, যার অর্থ জ্ঞানই শক্তি। ইংরেজ দার্শনিক ফ্রান্সিস বেকনের (Francis Bacon) নামে কথাটি প্রচলিত। জ্ঞান থাকলে মানুষ সমস্যা বুঝতে পারে, সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে এবং অন্যকে প্রভাবিত করতে পারে, তাই জ্ঞানকে শক্তির সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। Strength অর্থে কাছাকাছি হলেও প্রবাদের নির্দিষ্ট শব্দ power।
মনে রাখুন: ফ্রান্সিস বেকনকে ইংরেজি প্রবন্ধের জনক বলা হয়। - ২৬. What is lotted cannot be ________
- ক. blotted
- খ. broken
- গ. endured
- ঘ. updated
উত্তর: ক. blotted
পূর্ণ প্রবাদটি What is lotted cannot be blotted, অর্থাৎ ভাগ্যে যা লেখা আছে তা মুছে ফেলা যায় না। এখানে lot মানে ভাগ্য, আর blot মানে কালি দিয়ে মুছে দেওয়া। দুটি শব্দের ছন্দমিল প্রবাদটিকে মনে রাখার মতো করেছে। বাংলায় একই ভাব প্রকাশ পায় ‘কপালের লিখন, না যায় খণ্ডন’ প্রবাদে।
মনে রাখুন: প্রবাদের শব্দ বদলানো যায় না, তাই broken বা updated অর্থে কাছাকাছি মনে হলেও এখানে বসে না। - ২৭. সে ইংরেজিতে ভালো ।
- ক. He is well in English.
- খ. He is expert in English.
- গ. He is good at English.
- ঘ. He is better in English
উত্তর: গ. He is good at English.
কোনো বিষয়ে দক্ষ বা পারদর্শী বোঝাতে ইংরেজিতে good at ব্যবহার করা হয়, তাই ‘সে ইংরেজিতে ভালো’-এর সঠিক অনুবাদ He is good at English। Well হলো adverb, তাই He is well in English ভুল। Expert-এর আগে article লাগে এবং পরে সাধারণত in বা at বসে, তবে ‘ভালো’ বোঝাতে এটি বাড়াবাড়ি। Better হলো comparative, যা এখানে তুলনা বোঝায় না।
মনে রাখুন: দুর্বল বোঝাতে বলা হয় weak in, যেমন He is weak in Mathematics। - ২৮. জীবন পুষ্পশয্যা নয় ৷
- ক. The life is not bed of roses.
- খ. A life is not bed of roses.
- গ. Life is not bed of roses.
- ঘ. Life is not a bed of roses.
উত্তর: ঘ. Life is not a bed of roses.
Life শব্দটি এখানে সাধারণ অর্থে জীবন বোঝাচ্ছে, তাই abstract noun হিসেবে এর আগে কোনো article বসে না। অন্যদিকে a bed of roses একটি idiom, যার অর্থ সুখের জীবন বা আরামের অবস্থা, আর এই idiom-এ article a থাকে। দুটি নিয়ম মিলিয়ে সঠিক বাক্য Life is not a bed of roses।
মনে রাখুন: abstract noun সাধারণ অর্থে article ছাড়াই বসে, যেমন Honesty is the best policy। কিন্তু নির্দিষ্ট করলে the বসে, যেমন The life of Nazrul was full of sorrow। - ২৯. ইংরেজি শেখা সহজ।
- ক. English is easy for learning.
- খ. The English is easy to learn.
- গ. It is easy to learning English.
- ঘ. It is easy to learn English.
উত্তর: ঘ. It is easy to learn English.
ইংরেজিতে ‘কোনো কাজ করা সহজ বা কঠিন’ বোঝাতে সাধারণত It is + adjective + to + verb (base form) গঠন ব্যবহার হয়। এখানে It হলো introductory subject, আর আসল subject হলো to learn English। তাই সঠিক অনুবাদ It is easy to learn English। ‘to learning’ ভুল, কারণ to-infinitive-এর পরে verb-এর মূল রূপ বসে। আর ভাষার নামের আগে the বসে না।
মনে রাখুন: একই অর্থে English is easy to learn-ও শুদ্ধ। - ৩০. The journey was pleasant. Here ‘pleasant’ is ______
- ক. noun
- খ. pronoun
- গ. adjective
- ঘ. adverb
উত্তর: গ. adjective
The journey was pleasant বাক্যে pleasant শব্দটি বলছে ভ্রমণটি কেমন ছিল, অর্থাৎ noun journey-র গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করছে। যে শব্দ noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ, অবস্থা বা পরিমাণ বোঝায়, তাকে adjective বলে। এখানে adjective-টি linking verb was-এর পরে বসেছে, একে predicative adjective বলা হয়।
মনে রাখুন: noun-এর আগে বসলে attributive adjective, যেমন a pleasant journey। একই শব্দ বাক্যে কোথায় কী কাজ করছে, তা দেখেই part of speech ঠিক করতে হয়। - ৩১. Lovely comes here regularly. Here ‘Lovely’ is ______
- ক. noun
- খ. pronoun
- গ. adjective
- ঘ. adverb
উত্তর: ক. noun
এই বাক্যে Lovely শব্দটি একজন মানুষের নাম এবং বাক্যের subject, কারণ সে-ই নিয়মিত এখানে আসে। কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, স্থান বা বস্তুর নাম বোঝালে তা proper noun হয়, তাই এখানে Lovely একটি noun। সাধারণভাবে lovely শব্দটি adjective, যেমন a lovely flower, কিন্তু বাক্যে এর কাজ বদলে গেছে।
মনে রাখুন: Part of speech নির্ভর করে শব্দটি বাক্যে কী কাজ করছে তার ওপর। Proper noun-এর প্রথম অক্ষর সবসময় বড় হাতের (capital letter) হয়। - ৩২. The noun form of ‘lose’ is-
- ক. losing
- খ. loss
- গ. lost
- ঘ. loose
উত্তর: খ. loss
Lose একটি verb, যার অর্থ হারানো। এর noun রূপ loss, অর্থ ক্ষতি বা হারানো, যেমন a heavy loss। Lost হলো lose-এর past ও past participle রূপ, আর losing হলো -ing রূপ। Loose দেখতে কাছাকাছি হলেও এটি সম্পূর্ণ আলাদা শব্দ, যার অর্থ ঢিলা।
মনে রাখুন: lose (হারানো) ও loose (ঢিলা) বানান ও উচ্চারণে আলাদা: lose-এ একটি o এবং উচ্চারণ ‘লুজ’, আর loose-এ দুটি o এবং উচ্চারণ ‘লুস’। - ৩৩. It is our duty to (obey) _________ our parents.
- ক. obey
- খ. obeying
- গ. obeyed
- ঘ. be obeyed
উত্তর: ক. obey
বাক্যে duty শব্দের পরে to বসেছে, আর to-infinitive-এর পরে সবসময় verb-এর মূল রূপ (base form) বসে। তাই It is our duty to obey our parents সঠিক, অর্থাৎ মা-বাবার কথা মানা আমাদের কর্তব্য। obeying, obeyed বা be obeyed বসালে to-infinitive-এর নিয়ম ভাঙে অথবা অর্থ passive হয়ে যায়, যা এখানে খাটে না।
মনে রাখুন: It is + noun/adjective + to + verb গঠনটি খুব প্রচলিত, যেমন It is easy to learn English, It is our duty to help the poor। - ৩৪. Charity (to begin)- at home.
- ক. is beginning
- খ. began
- গ. begins
- ঘ. has begun
উত্তর: গ. begins
Charity begins at home একটি প্রবাদ, যার অর্থ দানের শুরু হয় নিজের ঘর থেকে, অর্থাৎ আগে নিজের পরিবারের দায়িত্ব পালন করতে হয়। প্রবাদ ও চিরন্তন সত্য সবসময় present indefinite tense-এ লেখা হয়। Subject charity একবচন ও third person, তাই verb-এর সঙ্গে s যোগ হয়ে begins হবে।
মনে রাখুন: চিরন্তন সত্যের আরও উদাহরণ: The sun rises in the east. Honesty is the best policy. - ৩৫. Something is better than ______
- ক. everything
- খ. nothing
- গ. anything
- ঘ. all
উত্তর: খ. nothing
পূর্ণ প্রবাদটি Something is better than nothing, অর্থাৎ কিছুই না পাওয়ার চেয়ে অল্প কিছু পাওয়াও ভালো। বাংলায় একই ভাব প্রকাশ করে ‘নাই মামার চেয়ে কানা মামা ভালো’ প্রবাদটি। প্রবাদের শব্দ নির্দিষ্ট থাকে, আর এখানে something-এর বিপরীত হিসেবে nothing বসেই অর্থটি পূর্ণ হয়।
মনে রাখুন: কাছাকাছি অর্থের আরেকটি প্রবাদ Half a loaf is better than no bread। - ৩৬. Many men, many _______
- ক. faces
- খ. lives
- গ. minds
- ঘ. thoughts
উত্তর: গ. minds
পূর্ণ প্রবাদটি Many men, many minds, অর্থাৎ যত মানুষ, তত মত। প্রত্যেক মানুষের চিন্তা ও দৃষ্টিভঙ্গি আলাদা, তাই একই বিষয়ে নানা জনের নানা মত থাকে। বাংলায় এর সমতুল্য প্রবাদ ‘নানা মুনির নানা মত’। এখানে mind শব্দটি মত বা মনোভাব অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
মনে রাখুন: Too many cooks spoil the broth প্রবাদের বাংলা ‘অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট’। - ৩৭. Out of sight, out of ________
- ক. life
- খ. might
- গ. mind
- ঘ. right
উত্তর: গ. mind
প্রবাদটির পূর্ণ রূপ ‘Out of sight, out of mind’। এর অর্থ, কেউ চোখের আড়ালে চলে গেলে ধীরে ধীরে মন থেকেও সরে যায়। বাংলায় একে বলা হয় ‘চোখের আড়াল হলেই মনের আড়াল’।
মনে রাখুন: কাছাকাছি আরেকটি প্রবাদ ‘Absence makes the heart grow fonder’, যার অর্থ ঠিক উল্টো। - ৩৮. Only the moon was visible. (Negative)
- ক. The moon was not visible.
- খ. The moon was not invisible.
- গ. Nothing but the moon was visible.
- ঘ. None but the moon was visible
উত্তর: গ. Nothing but the moon was visible.
Only যুক্ত affirmative বাক্যকে negative করতে হলে only তুলে দিয়ে তার জায়গায় বসাতে হয় none but বা nothing but। ব্যক্তির ক্ষেত্রে none but, আর বস্তু বা জিনিসের ক্ষেত্রে nothing but ব্যবহৃত হয়। চাঁদ একটি বস্তু, তাই Only the moon was visible-এর negative রূপ Nothing but the moon was visible।
উদাহরণ:
Only Rahim can do it. → None but Rahim can do it.
He drinks only water. → He drinks nothing but water. - ৩৯. Dhaka is one of the biggest cities in Bangladesh. (Positive)
- ক. No other cities in Bangladesh are as big as Dhaka.
- খ. Very few cities in Bangladesh are as big as Dhaka.
- গ. Very few cities in Bangladesh is as big as Dhaka.
- ঘ. Some cities in Bangladesh is as big as Dhaka.
উত্তর: খ. Very few cities in Bangladesh are as big as Dhaka.
One of the + superlative degree যুক্ত বাক্যকে positive করতে Very few + plural noun + plural verb + as + positive adjective + as গঠন ব্যবহার করা হয়। তাই Dhaka is one of the biggest cities in Bangladesh-এর positive রূপ Very few cities in Bangladesh are as big as Dhaka। Few-এর পরে plural noun ও plural verb বসে, তাই is ব্যবহার করা বাক্যটি ভুল। আর No other দিয়ে লিখলে ঢাকাকে একমাত্র বড় শহর বোঝায়, যা মূল বাক্যের অর্থ নয়।
মনে রাখুন: No other দিয়ে positive হয় তখন, যখন মূল বাক্যে one of the না থেকে শুধু the + superlative থাকে। - ৪০. Never tell a lie. (Passive)
- ক. A lie is never told.
- খ. A lie is never be told.
- গ. Let a lie never be told.
- ঘ. Let not a lie be told ever.
উত্তর: গ. Let a lie never be told.
Never tell a lie একটি imperative বা আদেশসূচক বাক্য। এ ধরনের বাক্যকে passive করতে Let + object + be + past participle গঠন ব্যবহার করা হয়, আর never বসে be-এর আগে। তাই এর passive রূপ Let a lie never be told। A lie is never told বাক্যটি assertive, আদেশের ভাব এতে নেই।
মনে রাখুন: Do it → Let it be done। Do not do it → Let it not be done। Never বা not সবসময় be-এর আগে বসে। - ৪১. I have no pen that I can lend you? (Simple)
- ক. Having no pen, I can lend you.
- খ. Without any pen, I can lend you.
- গ. I have no pen to lend you.
- ঘ. I have not enough pen to lend
উত্তর: গ. I have no pen to lend you.
I have no pen that I can lend you একটি complex sentence, যেখানে that I can lend you একটি adjective clause। Complex sentence-কে simple করতে এমন clause-কে to-infinitive দিয়ে প্রকাশ করা যায়। তাই that I can lend you হয়ে যায় to lend you, আর সঠিক simple রূপ I have no pen to lend you। প্রথম দুটি বিকল্পে অর্থই উল্টে গেছে, কারণ সেখানে বলা হচ্ছে কলম না থাকলেও ধার দিতে পারি।
মনে রাখুন: He has no money that he can spend → He has no money to spend। - ৪২. The synonym of the word ‘increase’ is ______
- ক. augment
- খ. decrease
- গ. quick
- ঘ. lessen
উত্তর: ক. augment
Increase মানে বাড়ানো বা বৃদ্ধি করা। Augment শব্দের অর্থও কোনো কিছুর আকার, পরিমাণ বা মান বৃদ্ধি করা, তাই এটি সমার্থক। অন্যদিকে decrease ও lessen মানে কমানো, যা increase-এর বিপরীত, আর quick মানে দ্রুত।
উদাহরণ: He took a second job to augment his income. - ৪৩. The antonym of the word ‘alien’ is __________
- ক. new comer
- খ. native
- গ. adverse
- ঘ. foreigner
উত্তর: খ. native
Alien শব্দের অর্থ বিদেশি, বহিরাগত বা ভিনদেশি, আর বিজ্ঞান কল্পকাহিনিতে অন্য গ্রহের প্রাণীকেও alien বলা হয়। এর বিপরীত শব্দ native, অর্থাৎ স্থানীয় বা দেশীয়। Foreigner ও new comer আসলে alien-এর সমার্থক, আর adverse মানে প্রতিকূল।
মনে রাখুন: Native-এর আরও কিছু অর্থ: জন্মসূত্রে কোনো স্থানের মানুষ, যেমন a native of Dhaka, আর native language মানে মাতৃভাষা। - ৪৪. The word ‘usual’ is the synonym of ________
- ক. normal
- খ. certain
- গ. unusual
- ঘ. strange
উত্তর: ক. normal
Usual শব্দের অর্থ সাধারণ, স্বাভাবিক বা প্রচলিত, তাই এর সমার্থক শব্দ normal। Unusual ও strange আসলে usual-এর বিপরীত অর্থ বোঝায়, আর certain মানে নিশ্চিত, যা আলাদা অর্থের শব্দ।
মনে রাখুন: usual-এর আরও কিছু সমার্থক শব্দ: common, ordinary, customary, regular। as usual মানে বরাবরের মতো, যেমন He came late as usual। - ৪৫. He is proud of his aristocracy. Here ‘aristocracy’ means ______
- ক. bad blood
- খ. blue blood
- গ. good blood
- ঘ. cold blood
উত্তর: খ. blue blood
Aristocracy শব্দের অর্থ অভিজাত শ্রেণি বা উঁচু বংশ। ইংরেজিতে অভিজাত বংশে জন্ম বোঝাতে idiom blue blood ব্যবহার করা হয়, তাই এখানে aristocracy বলতে blue blood বোঝায়। মজার ব্যাপার হলো, পুরোনো স্পেনের অভিজাতদের ফর্সা ত্বকের নিচে শিরা নীল দেখাত, সেখান থেকেই কথাটির জন্ম।
মনে রাখুন: bad blood মানে শত্রুতা বা বিদ্বেষ, আর in cold blood মানে ঠান্ডা মাথায় নিষ্ঠুরভাবে। - ৪৬. The man did the work as my direction. Here ‘as’ indicates the idiom _____
- ক. as regards
- খ. by all means
- গ. according to
- ঘ. at random
উত্তর: গ. according to
The man did the work as my direction বাক্যে as শব্দটি বোঝাচ্ছে লোকটি আমার নির্দেশ অনুযায়ী কাজটি করল। ইংরেজিতে ‘অনুযায়ী’ অর্থ প্রকাশ করে phrase according to, তাই এখানে as বলতে according to বোঝানো হয়েছে। শুদ্ধ ইংরেজিতে বাক্যটি দাঁড়ায় The man did the work according to my direction বা as I directed।
মনে রাখুন: as regards মানে সম্পর্কে, by all means মানে অবশ্যই, আর at random মানে এলোমেলোভাবে। - ৪৭. Smoking tells upon our body. Here ‘tell upon’ means ______
- ক. benefits
- খ. harms
- গ. indicates
- ঘ. strengthens
উত্তর: খ. harms
Tell upon একটি phrasal verb, যার অর্থ কারও ওপর খারাপ প্রভাব ফেলা বা ক্ষতি করা। ধূমপান আমাদের ফুসফুস, হৃৎপিণ্ড ও সারা শরীরের ক্ষতি করে, তাই Smoking tells upon our body বাক্যে tell upon মানে harms। Benefits বা strengthens এর বিপরীত অর্থ দেয়।
মনে রাখুন: Hard work tells upon health (কঠোর পরিশ্রম স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে)। কাছাকাছি অর্থের আরেকটি phrase হলো take a toll on।
গণিত
- ৪৮. A = {x : x জোড় মৌলিক সংখ্যা}, তালিকা পদ্ধতিতে কী হবে?
- ক. [2]
- খ. 2-1
- গ. (2)
- ঘ. {2}
উত্তর: ঘ. {2}
সেট-গঠন পদ্ধতিতে A হলো সব জোড় মৌলিক সংখ্যার সেট। মৌলিক সংখ্যা হলো যার ১ ও সেই সংখ্যা ছাড়া কোনো উৎপাদক নেই। ২ ছাড়া বাকি সব জোড় সংখ্যা ২ দিয়ে বিভাজ্য, তাই সেগুলো মৌলিক নয়। ফলে একমাত্র জোড় মৌলিক সংখ্যা ২। তালিকা পদ্ধতিতে সেটের উপাদান দ্বিতীয় বন্ধনী { } দিয়ে লিখতে হয়, তাই A = {2}।
মনে রাখুন: যে সেটে মাত্র একটি উপাদান থাকে, তাকে একক সেট (Singleton Set) বলে। - ৪৯. একটি সমবাহু ত্রিভুজের এক বাহুর দৈর্ঘ্য 10 সে. মি. হলে, তার ক্ষেত্রফল কত বর্গ সে. মি.?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৫
- ক. 25√3 বর্গ সে.মি.
- খ. 25√2 বর্গ সে.মি.
- গ. 100 বর্গ সে.মি.
- ঘ. 50 বর্গ সে.মি.
উত্তর: ক. 25√3 বর্গ সে.মি.
সমবাহু ত্রিভুজের এক বাহু a হলে ক্ষেত্রফল = (√3/4)a²। এখানে a = 10 সে.মি., তাই,
ক্ষেত্রফল = (√3/4) × 10² = (√3/4) × 100 = 25√3 বর্গ সে.মি.
মনে রাখুন: সমবাহু ত্রিভুজের উচ্চতা = (√3/2)a এবং পরিসীমা = 3a। এখানে উচ্চতা 5√3 সে.মি. এবং পরিসীমা 30 সে.মি.। - ৫০. ABCD সামান্তরিকের DC ভূমিকে E পর্যন্ত বর্ধিত করা হলো। ∠BAD = 100° হলে, ∠BCE= কত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৯
- ক. 60°
- খ. 80°
- গ. 90°
- ঘ. 100°
উত্তর: খ. 80°
সামান্তরিকের বিপরীত কোণগুলো পরস্পর সমান, তাই ∠BCD = ∠BAD = 100°। এখন DC বাহুকে E পর্যন্ত বাড়ালে D, C ও E একই সরলরেখায় থাকে, ফলে C বিন্দুতে ∠BCD ও ∠BCE মিলে একটি সরলকোণ তৈরি করে।
∠BCE = 180° − ∠BCD = 180° − 100° = 80°
মনে রাখুন: সামান্তরিকের পাশাপাশি দুটি কোণের যোগফল 180°, তাই এখানে ∠ABC = 80°, আর ∠BCE-ও 80°, কারণ AB ∥ DE এবং এরা একান্তর কোণ। - ৫১. log₄2 এর মান কত?
- ক. 1/3
- খ. 2
- গ. 1/2
- ঘ. 4
উত্তর: গ. 1/2
লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী log₄2 = x মানে 4ˣ = 2। আমরা জানি 4 = 2², তাই,
(2²)ˣ = 2¹
2^(2x) = 2¹
2x = 1, অর্থাৎ x = 1/2
সহজ কথায়, 4-এর বর্গমূল 2, তাই 4-কে 1/2 ঘাতে তুললে 2 পাওয়া যায়।
মনে রাখুন: logₐa = 1, logₐ1 = 0 এবং log_(aⁿ) a = 1/n। - ৫২. (a + 1/a)² = 3 হলে, a³ + 1/a³ এর মান কত?
- ক. 3√3
- খ. 18
- গ. 9
- ঘ. 0
উত্তর: ঘ. 0
(a + 1/a)² = 3 হলে a + 1/a = √3 (ধনাত্মক মূল ধরে)। ঘনের সূত্র থেকে:
a³ + 1/a³ = (a + 1/a)³ − 3(a + 1/a) = (√3)³ − 3√3 = 3√3 − 3√3 = 0
মনে রাখুন: a + 1/a = −√3 ধরলেও উত্তর 0-ই আসে। - ৫৩. √289 এর বর্গমূল হলো _____।
- ক. মূলদ
- খ. অমূলদ
- গ. স্বাভাবিক সংখ্যা
- ঘ. পূর্ণ সংখ্যা
উত্তর: খ. অমূলদ
প্রথমে √289 বের করি। 17 × 17 = 289, তাই √289 = 17। এখন প্রশ্ন চাইছে 17-এর বর্গমূল, অর্থাৎ √17। 17 কোনো পূর্ণবর্গ সংখ্যা নয় (16 ও 25-এর মাঝে), তাই √17-কে দুটি পূর্ণসংখ্যার অনুপাত p/q আকারে লেখা যায় না। এমন সংখ্যাকে অমূলদ সংখ্যা (Irrational Number) বলে।
মনে রাখুন: পূর্ণবর্গ নয় এমন যেকোনো স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গমূল অমূলদ, যেমন √2, √3, √5। আর π-ও একটি অমূলদ সংখ্যা। - ৫৪. 0, 5, 7 এর গড় কত?
- ক. 6
- খ. 0
- গ. 4
- ঘ. 1
উত্তর: গ. 4
গড় বের করতে সবগুলো সংখ্যার যোগফলকে সংখ্যার মোট সংখ্যা দিয়ে ভাগ করতে হয়।
যোগফল = 0 + 5 + 7 = 12
গড় = 12 ÷ 3 = 4
এখানে লক্ষ করার বিষয় হলো, 0 মান যোগফলে কিছু যোগ না করলেও এটি একটি রাশি হিসেবে গণনায় আসে, তাই ভাগ করতে হবে 3 দিয়ে, 2 দিয়ে নয়।
মনে রাখুন: গড় = রাশিগুলোর সমষ্টি ÷ রাশির সংখ্যা। - ৫৫. কোন সংখ্যার ৭৫% = ৩?
- ক. ৮
- খ. ১৬
- গ. ২
- ঘ. ৪
উত্তর: ঘ. ৪
ধরি সংখ্যাটি x। প্রশ্ন অনুযায়ী,
x-এর 75% = 3
x × 75/100 = 3
x = 3 × 100/75 = 4
যাচাই: 4-এর 75% = 4 × 3/4 = 3।
মনে রাখুন: 75% = 3/4, 25% = 1/4, 50% = 1/2। এই ভগ্নাংশগুলো মনে রাখলে শতকরার অনেক অঙ্ক মুখে মুখে করা যায়। - ৫৬. একটি দ্রব্য ক্রয় করে ২৪% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হলো। বিক্রয়মূল্য ও ক্রয়মূল্যের অনুপাত কত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৭
- ক. ১৮ : ২৫
- খ. ২০ : ২৫
- গ. ২৪ : ২৫
- ঘ. ১৯ : ২৫
উত্তর: ঘ. ১৯ : ২৫
ধরি ক্রয়মূল্য 100 টাকা। 24% ক্ষতিতে বিক্রি করলে বিক্রয়মূল্য হয় 100 − 24 = 76 টাকা।
বিক্রয়মূল্য : ক্রয়মূল্য = 76 : 100
উভয়কে 4 দিয়ে ভাগ করে = 19 : 25
মনে রাখুন: x% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য : ক্রয়মূল্য = (100 − x) : 100, আর x% লাভে বিক্রয়মূল্য : ক্রয়মূল্য = (100 + x) : 100। - ৫৭. একটি নির্দিষ্ট কাজ শেষ করতে শ্রমিক সংখ্যা দ্বিগুণ করতে হলে, কাজটি করতে পূর্বের কতগুণ সময় লাগবে?
- ক. ৪ গুণ
- খ. ১/৪ গুণ
- গ. ২ গুণ
- ঘ. ১/২ গুণ
উত্তর: ঘ. ১/২ গুণ
একটি নির্দিষ্ট কাজের ক্ষেত্রে শ্রমিকের সংখ্যা আর কাজ শেষ করতে প্রয়োজনীয় সময় ব্যস্তানুপাতিক (Inversely Proportional), অর্থাৎ একটি বাড়লে অন্যটি একই অনুপাতে কমে। শ্রমিক সংখ্যা দ্বিগুণ হলে প্রত্যেকে ভাগ করে কাজ করবে, ফলে সময় লাগবে অর্ধেক, অর্থাৎ পূর্বের ১/২ গুণ।
উদাহরণ: 10 জন শ্রমিক একটি কাজ 12 দিনে করলে, 20 জন শ্রমিক করবে 10 × 12 ÷ 20 = 6 দিনে। - ৫৮. ১ মাইল = কত কিলোমিটার?
- ক. ১.৬০৯ কি.মি.
- খ. ০.৬২ কি.মি.
- গ. ১ কি.মি.
- ঘ. ১.১ কি.মি.
উত্তর: ক. ১.৬০৯ কি.মি.
১ মাইল সমান প্রায় ১.৬০৯ কিলোমিটার, অর্থাৎ মাইল কিলোমিটারের চেয়ে বড় একক। মাইল হলো ব্রিটিশ বা এফপিএস (FPS) পদ্ধতির দূরত্বের একক, আর কিলোমিটার মেট্রিক পদ্ধতির। দুটি পদ্ধতির মধ্যে রূপান্তরে এই মানটি কাজে লাগে।
মনে রাখুন:
১ কিলোমিটার ≈ ০.৬২ মাইল।
১ মাইল = ১৭৬০ গজ।
১ ইঞ্চি = ২.৫৪ সেন্টিমিটার।
১ মিটার ≈ ৩৯.৩৭ ইঞ্চি। - ৫৯. a ≠ 0 হলে a⁰ = কত?
- ক. 0
- খ. a
- গ. 1
- ঘ. অনির্ণেয়
উত্তর: গ. 1
শূন্য ছাড়া যেকোনো সংখ্যার শূন্য ঘাত 1। এর কারণ সূচকের ভাগের নিয়ম থেকে বোঝা যায়:
aᵐ ÷ aᵐ = a^(m − m) = a⁰
আবার যেকোনো অশূন্য রাশিকে তার নিজের দিয়ে ভাগ করলে ফল হয় 1, তাই aᵐ ÷ aᵐ = 1।
অতএব a⁰ = 1 (a ≠ 0)।
মনে রাখুন: a = 0 হলে 0⁰-কে অনির্ণেয় ধরা হয়, তাই শর্তে a ≠ 0 বলা হয়েছে। - ৬০. শতকরা বার্ষিক ৫ টাকা হার সুদে কোন আসল কত বছরে সুদে আসলে দ্বিগুণ হবে?
- ক. ১ বছরে
- খ. ২০ বছরে
- গ. ৫ বছরে
- ঘ. ১০০ বছরে
উত্তর: খ. ২০ বছরে
আসল দ্বিগুণ হওয়া মানে সুদের পরিমাণ আসলের সমান হওয়া, অর্থাৎ সুদ হবে আসলের 100%। সরল সুদে বছরে 5% করে সুদ যুক্ত হলে,
সময় = 100 ÷ 5 = 20 বছর
সূত্র ব্যবহার করলে: আসল P, সুদ I = P, তাই P = P × 5 × n/100, ফলে n = 20।
মনে রাখুন: সরল সুদে আসল দ্বিগুণ হতে সময় লাগে 100/r বছর, আর তিনগুণ হতে লাগে 200/r বছর, যেখানে r হলো শতকরা হার। - ৬১. x² – y² এর উৎপাদক কত?
- ক. (x + y) (x + y)
- খ. (x + y) (x – y)
- গ. (x – y) (x – y)
- ঘ. (y + x) (y – x)
উত্তর: খ. (x + y) (x – y)
দুটি বর্গের অন্তরকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করার সূত্র হলো a² − b² = (a + b)(a − b)। এখানে a = x এবং b = y, তাই x² − y² = (x + y)(x − y)।
যাচাই: (x + y)(x − y) = x² − xy + xy − y² = x² − y²।
মনে রাখুন: বিকল্প (y + x)(y − x) গুণ করলে পাওয়া যায় y² − x², যা প্রদত্ত রাশির বিপরীত চিহ্নের। আর (x + y)² = x² + 2xy + y²। - ৬২. 4ab এর সঠিক প্রয়োগ কোনটি?
- ক. (a + b)² − (a − b)²
- খ. (a − b)² − (a + b)²
- গ. (a + b)²/2 + (a − b)²/2
- ঘ. (a + b/2)² − (a − b/2)²
উত্তর: ক. (a + b)² − (a − b)²
দুটি বর্গের সূত্র বিস্তার করে বিয়োগ করলে দেখা যায়,
(a + b)² = a² + 2ab + b²
(a − b)² = a² − 2ab + b²
(a + b)² − (a − b)² = 2ab − (−2ab) = 4ab
তাই 4ab প্রকাশ করার সঠিক সূত্র (a + b)² − (a − b)²।
মনে রাখুন: (a + b)² + (a − b)² = 2(a² + b²), আর ab = {(a + b)/2}² − {(a − b)/2}²। - ৬৩. aˣ = n হলে নিচের কোন সম্পর্কটি সঠিক?
- ক. x = an
- খ. x = ln x
- গ. a = xn
- ঘ. x = logₐn
উত্তর: ঘ. x = logₐn
লগারিদম (Logarithm) আসলে একটি ঘাত বা সূচক। কোনো ভিত্তি a-কে কত ঘাতে তুললে n পাওয়া যায়, সেই ঘাতটিই হলো n-এর a ভিত্তিক লগ। তাই aˣ = n হলে x = logₐn।
উদাহরণ: 2³ = 8, তাই log₂8 = 3। আবার 10² = 100, তাই log₁₀100 = 2।
মনে রাখুন: লগের ভিত্তি সবসময় ধনাত্মক এবং 1 ছাড়া অন্য সংখ্যা হয়। 10 ভিত্তিক লগকে সাধারণ লগ, আর e ভিত্তিক লগকে স্বাভাবিক লগ (ln) বলে। - ৬৪. x + y, x – y, x² – y² এর গ.সা.গু কত?
- ক. 0
- খ. 1
- গ. x2 – y2
- ঘ. x + y
উত্তর: খ. 1
রাশি তিনটিকে উৎপাদকে লিখলে পাই:
x + y = (x + y)
x − y = (x − y)
x² − y² = (x + y)(x − y)
গ.সা.গু. হতে হলে উৎপাদকটি তিনটি রাশিতেই থাকতে হবে। (x + y) প্রথম ও তৃতীয় রাশিতে আছে, কিন্তু দ্বিতীয়টিতে নেই। আবার (x − y) দ্বিতীয় ও তৃতীয়টিতে আছে, কিন্তু প্রথমটিতে নেই। তাই তিনটি রাশির কোনো সাধারণ বীজগণিতীয় উৎপাদক নেই, আর গ.সা.গু. 1।
মনে রাখুন: এই তিন রাশির ল.সা.গু. হবে x² − y²। - ৬৫. a, b, c ক্রমিক সমানুপাতী হলে, নিচের কোন সিদ্ধান্তটি সঠিক?
- ক. b = ac
- খ. c² = ab
- গ. b² = ac
- ঘ. b = ac
উত্তর: গ. b² = ac
a, b, c ক্রমিক সমানুপাতী হওয়ার অর্থ a : b = b : c, অর্থাৎ a/b = b/c। আড়গুণন করলে b × b = a × c, তাই b² = ac। এখানে b-কে a ও c-এর মধ্য সমানুপাতী (Mean proportional) বলে।
উদাহরণ: 2, 4, 8 ক্রমিক সমানুপাতী, কারণ 4² = 2 × 8 = 16। - ৬৬. ত্রিকোণমিতিক অনুপাতে কোন সম্পর্কটি ব্যবহার করা হয়?
- ক. sinθ = 1 + cos²θ
- খ. sin²θ = 1 − cos²θ
- গ. sin²θ − cos²θ = 1
- ঘ. sin²θ = 1/cosθ
উত্তর: খ. sin²θ = 1 − cos²θ
ত্রিকোণমিতির সবচেয়ে মৌলিক অভেদ হলো sin²θ + cos²θ = 1। সমকোণী ত্রিভুজে পিথাগোরাসের উপপাদ্য থেকেই এই সম্পর্ক পাওয়া যায়। অভেদটির দুই পাশ থেকে cos²θ বিয়োগ করলে পাই sin²θ = 1 − cos²θ, তাই এই সম্পর্কটিই সঠিক।
মনে রাখুন:
sec²θ − tan²θ = 1
cosec²θ − cot²θ = 1
sinθ = 1/cosecθ এবং cosθ = 1/secθ - ৬৭. বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত কত?
- ক. π
- খ. πr
- গ. 2
- ঘ. 2r
উত্তর: ক. π
যেকোনো বৃত্তের পরিধিকে তার ব্যাস দিয়ে ভাগ করলে সবসময় একই ধ্রুবক সংখ্যা পাওয়া যায়, এর নাম π (পাই)। এর মান প্রায় 3.1416 বা 22/7, এবং এটি একটি অমূলদ সংখ্যা।
মনে রাখুন: পরিধি = πd = 2πr, আর ক্ষেত্রফল = πr²। - ৬৮. একটি ত্রিভুজের তিন কোণ অপর একটি ত্রিভুজের তিন কোণের সমান হলে, ত্রিভুজদ্বয় কীরূপ হবে?
- ক. সমান
- খ. সর্বসম
- গ. অসমান
- ঘ. সদৃশকোণী
উত্তর: ঘ. সদৃশকোণী
দুটি ত্রিভুজের তিনটি কোণ পরস্পর সমান হলে তাদের আকৃতি একই হয়, কিন্তু বাহুর দৈর্ঘ্য আলাদা হতে পারে, অর্থাৎ একটি অন্যটির ছোট বা বড় সংস্করণ। এমন ত্রিভুজকে সদৃশকোণী (Equiangular) ত্রিভুজ বলে, আর সদৃশকোণী ত্রিভুজের অনুরূপ বাহুগুলো সমানুপাতিক হয়। সর্বসম হতে হলে শুধু কোণ নয়, বাহুগুলোও সমান হতে হয়।
মনে রাখুন: সব সর্বসম ত্রিভুজ সদৃশ, কিন্তু সব সদৃশ ত্রিভুজ সর্বসম নয়। - ৬৯. একটি আয়তাকার ঘরের দৈর্ঘ্য প্রস্থ অপেক্ষা 4 মিটার বেশি। ঘরটির পরিসীমা 32 মিটার হলে, এর ক্ষেত্রফল কত?
- ক. 6 ব.মি.
- খ. 60 ব.মি.
- গ. 10 ব.মি.
- ঘ. 64 ব.মি.
উত্তর: খ. 60 ব.মি.
ধরি প্রস্থ x মিটার, তাহলে দৈর্ঘ্য (x + 4) মিটার। আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = 2(দৈর্ঘ্য + প্রস্থ), তাই,
2(x + 4 + x) = 32
2x + 4 = 16
x = 6
অর্থাৎ প্রস্থ 6 মিটার, দৈর্ঘ্য 10 মিটার।
ক্ষেত্রফল = 10 × 6 = 60 বর্গমিটার
মনে রাখুন: আয়তক্ষেত্রের কর্ণ = √(দৈর্ঘ্য² + প্রস্থ²), এখানে কর্ণ √136 মিটার। - ৭০. aˣ = 1 হলে, x এর মান কত?
- ক. 1
- খ. 0
- গ. অনির্ণেয়
- ঘ. 2
উত্তর: খ. 0
শূন্য ছাড়া যেকোনো সংখ্যার শূন্য ঘাত 1, অর্থাৎ a⁰ = 1। তাই aˣ = 1 = a⁰ লিখলে, ভিত্তি সমান বলে ঘাতও সমান হবে, ফলে x = 0। এখানে ধরে নেওয়া হয় a ≠ 0 এবং a ≠ 1, কারণ a = 1 হলে x-এর যেকোনো মানেই 1ˣ = 1 হয়।
মনে রাখুন: aˣ = aʸ হলে x = y (a > 0, a ≠ 1)। এটি সূচকীয় সমীকরণ সমাধানের মূল নিয়ম। - ৭১. ট্রাপিজিয়ামের দুটি সমান্তরাল বাহু a সে.মি. ও b সে.মি। তাদের মধ্যবর্তী দূরত্ব h সে.মি. হলে, এর ক্ষেত্রফল কত?
- ক. (a + b) h
- খ. 2(a + b) h
- গ. 1/2 × (a + b) × h
- ঘ. 1/2 (a – b) h
উত্তর: গ. 1/2 × (a + b) × h
ট্রাপিজিয়ামের (Trapezium) দুটি বাহু সমান্তরাল থাকে। এর ক্ষেত্রফল হলো সমান্তরাল বাহু দুটির যোগফলের অর্ধেককে তাদের মধ্যবর্তী লম্ব দূরত্ব দিয়ে গুণ করলে যা পাওয়া যায়:
ক্ষেত্রফল = ½ × (a + b) × h
উদাহরণ: সমান্তরাল বাহু 8 সে.মি. ও 6 সে.মি. এবং উচ্চতা 5 সে.মি. হলে, ক্ষেত্রফল = ½ × 14 × 5 = 35 বর্গ সে.মি.।
মনে রাখুন: ট্রাপিজিয়ামকে কর্ণ বরাবর দুটি ত্রিভুজে ভাগ করলেই এই সূত্রটি পাওয়া যায়। - ৭২. 1³ + 2³ + 3³ + … + n³ = কত?
- ক. n(n + 1)/2
- খ. n(n + 1)(2n + 1)/2
- গ. {n(n + 1)/2}²
- ঘ. একটিও নয়
উত্তর: গ. {n(n + 1)/2}²
প্রথম n স্বাভাবিক সংখ্যার ঘনের যোগফলের সূত্র হলো,
1³ + 2³ + 3³ + … + n³ = {n(n + 1)/2}²
মজার ব্যাপার হলো, এটি প্রথম n স্বাভাবিক সংখ্যার যোগফলের বর্গের সমান।
যাচাই: n = 3 হলে 1 + 8 + 27 = 36, আবার {3 × 4/2}² = 6² = 36।
মনে রাখুন:
1 + 2 + 3 + … + n = n(n + 1)/2
1² + 2² + … + n² = n(n + 1)(2n + 1)/6
বাংলাদেশ
- ৭৩. ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
- ক. খুলনা
- খ. যশোর
- গ. বাগেরহাট
- ঘ. রাজশাহী
উত্তর: গ. বাগেরহাট
ষাট গম্বুজ মসজিদ বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত। পনেরো শতকে খান জাহান আলী এটি নির্মাণ করেন। নাম ষাট গম্বুজ হলেও এর ছাদে গম্বুজ আছে ৭৭টি, আর চার কোণের মিনারের ওপরের ৪টি নিয়ে মোট ৮১টি। ১৯৮৩ সালে ইউনেস্কো বাগেরহাটের মসজিদের শহরকে বিশ্ব ঐতিহ্য ঘোষণা করে।
মনে রাখুন: মসজিদটির ভেতরে ৬০টি স্তম্ভ আছে, অনেকের মতে সেখান থেকেই এর নাম। - ৭৪. বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করা হয় কোন সনে?
- ক. ১৭০০ সনে
- খ. ১৭৬২ সনে
- গ. ১৯৬৫ সনে
- ঘ. ১৭৯৩ সনে
উত্তর: ঘ. ১৭৯৩ সনে
১৭৯৩ সালে গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিস বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত (Permanent Settlement) চালু করেন। এ ব্যবস্থায় জমিদারেরা নির্দিষ্ট পরিমাণ খাজনা নিয়মিত দেওয়ার শর্তে জমির স্থায়ী মালিক হন। খাজনা জমা দিতে দেরি হলে সূর্যাস্ত আইন অনুযায়ী জমিদারি নিলামে উঠত।
মনে রাখুন: ১৯৫০ সালের পূর্ববঙ্গ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনে জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হয়। - ৭৫. মুজিবনগর কোন জেলায় অবস্থিত?
- ক. ঝিনাইদহ
- খ. মেহেরপুর
- গ. যশোর
- ঘ. কুষ্টিয়া
উত্তর: খ. মেহেরপুর
মুজিবনগর মেহেরপুর জেলায় অবস্থিত। ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল এখানকার বৈদ্যনাথতলার আমবাগানে বাংলাদেশের প্রথম সরকার শপথ নেয় এবং জায়গাটির নাম রাখা হয় মুজিবনগর। বর্তমানে এটি মেহেরপুর জেলার একটি উপজেলা।
মনে রাখুন: মুজিবনগরে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিসৌধের স্থপতি তানভীর করিম। - ৭৭. সাগরকন্যা কোন জেলার ভৌগোলিক নাম?
- ক. ভোলা
- খ. খুলনা
- গ. কক্সবাজার
- ঘ. পটুয়াখালী
উত্তর: ঘ. পটুয়াখালী
পটুয়াখালী জেলার কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতের জন্য এই জেলাকে ‘সাগরকন্যা’ বলা হয়। কুয়াকাটা দেশের এমন একটি সৈকত, যেখানে একই জায়গায় দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দুটিই দেখা যায়।
মনে রাখুন:
দ্বীপকন্যা: ভোলা
বাংলার ভেনিস: বরিশাল
পর্যটন রাজধানী: কক্সবাজার - ৭৮. বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত কত?
- ক. ৯ : ৬
- খ. ১১ : ৭
- গ. ১০ : ৬
- ঘ. ৮ : ৬
উত্তর: গ. ১০ : ৬
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত ১০ : ৬। গাঢ় সবুজ আয়তক্ষেত্রের মাঝে একটি লাল বৃত্ত থাকে, যার ব্যাসার্ধ পতাকার দৈর্ঘ্যের পাঁচ ভাগের এক ভাগ। বৃত্তের কেন্দ্র পতাকার মাঝখান থেকে একটু বাঁ দিকে, হাতলের দিকে সরানো।
মনে রাখুন: জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশাকার পটুয়া কামরুল হাসান। - ৭৯. জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি কে?
- ক. মাজহারুল হক
- খ. লুই আইক্যান
- গ. এফ. আর খান
- ঘ. নভেরা আহম্মদ
উত্তর: খ. লুই আইক্যান
ঢাকার শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত জাতীয় সংসদ ভবনের নকশা করেন মার্কিন স্থপতি লুই আই কান (Louis I. Kahn)। ১৯৬১ সালে এর নির্মাণকাজ শুরু হয় এবং ১৯৮২ সালে শেষ হয়। ভবনটি আধুনিক স্থাপত্যের এক অনন্য নিদর্শন হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
মনে রাখুন: বিশ্বখ্যাত প্রকৌশলী এফ আর খান শিকাগোর সিয়ার্স টাওয়ারের নকশাকার। - ৮০. প্রাচীন চন্দ্রদ্বীপের বর্তমান নাম কী?
- ক. ব-দ্বীপ
- খ. হাতিয়া
- গ. সন্দ্বীপ
- ঘ. বরিশাল
উত্তর: ঘ. বরিশাল
প্রাচীন বাংলার চন্দ্রদ্বীপ বলতে বর্তমান বরিশাল অঞ্চলকে বোঝানো হতো। মধ্যযুগে এখানে চন্দ্রদ্বীপ নামে একটি স্বাধীন রাজ্যও ছিল। পরে এই অঞ্চল বাকলা নামেও পরিচিত হয়।
মনে রাখুন:
বাংলার শস্যভান্ডার: বরিশাল
প্রাচীন হরিকেল: সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চল - ৮১. ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশ কয়টি সেক্টরে বিভক্ত ছিল?
- ক. ১২টি
- খ. ৯টি
- গ. ৮টি
- ঘ. ১১টি
উত্তর: ঘ. ১১টি
মুক্তিযুদ্ধ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য পুরো দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল, প্রতিটি সেক্টরের দায়িত্বে ছিলেন একজন সেক্টর কমান্ডার। এর মধ্যে ১০ নম্বর সেক্টরে কোনো নিয়মিত কমান্ডার ছিলেন না, এটি নৌ কমান্ডোদের নিয়ে গঠিত হয়।
মনে রাখুন: মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন জেনারেল এম এ জি ওসমানী। - ৮২. পরিবেশের ওপর বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘ম্যাগসাসে’ পুরস্কার-২০১২ প্রাপ্ত হন -
- ক. অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সাঈদ
- খ. ড. আইনুন নিশাত
- গ. সৈয়দা রেজোয়ানা হাসান
- ঘ. ড. হাসান মাহমুদ
উত্তর: গ. সৈয়দা রেজোয়ানা হাসান
পরিবেশ রক্ষায় আইনি লড়াইয়ের স্বীকৃতি হিসেবে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ২০১২ সালে র্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার (Ramon Magsaysay Award) পান। তিনি বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী হিসেবে জাহাজভাঙা শিল্পের দূষণ, নদী দখল ও পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করে অনেক গুরুত্বপূর্ণ রায় আদায় করেন। এর আগে ২০০৯ সালে তিনি গোল্ডম্যান পরিবেশ পুরস্কারও পেয়েছিলেন।
মনে রাখুন: ম্যাগসাইসাই পুরস্কার ফিলিপাইনের প্রয়াত প্রেসিডেন্ট র্যামন ম্যাগসাইসাইয়ের নামে দেওয়া হয়, একে ‘এশিয়ার নোবেল’ বলা হয়। অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সাঈদ ২০০৪ সালে এই পুরস্কার পান।
ব্যাংকিং ও অর্থনীতি
- ৭৬. বাংলাদেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত কী?
- ক. রেডিমেড গার্মেন্টস
- খ. পাট
- গ. চামড়া
- ঘ. তুলা
উত্তর: ক. রেডিমেড গার্মেন্টস
বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮০ শতাংশের বেশি আসে তৈরি পোশাক (Readymade Garments, RMG) খাত থেকে, তাই এটিই সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী রপ্তানি খাত। স্বাধীনতার পরের দশকগুলোতে পাট ছিল প্রধান রপ্তানি পণ্য, তাই তখন পাটকে সোনালি আঁশ বলা হতো।
মনে রাখুন: রপ্তানির বাইরে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সও দেশের বৈদেশিক মুদ্রার আরেকটি বড় উৎস।
আন্তর্জাতিক
- ৮৩. বিশ্বের প্রাচীনতম সভ্যতা কোথায় গড়ে উঠেছিল?
- ক. গ্রিসে
- খ. রোমে
- গ. মেসোপটেমিয়ায়
- ঘ. ভারতে
উত্তর: গ. মেসোপটেমিয়ায়
টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর মাঝের উর্বর অঞ্চলকে মেসোপটেমিয়া বলা হয়, গ্রিক ভাষায় যার অর্থ ‘দুই নদীর মধ্যবর্তী ভূমি’। এই এলাকা বর্তমান ইরাকে অবস্থিত। এখানে সুমেরীয় সভ্যতার মধ্য দিয়ে প্রায় ৩৫০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে বিশ্বের প্রাচীনতম সভ্যতাগুলোর একটি গড়ে ওঠে। সুমেরীয়রা কিউনিফর্ম লিপি আবিষ্কার করেন এবং চাকার ব্যবহার শুরু করেন।
মনে রাখুন:
মেসোপটেমিয়ার আরও সভ্যতা: ব্যাবিলনীয় ও অ্যাসিরীয়।
মিসরের সভ্যতা নীল নদের তীরে, আর সিন্ধু সভ্যতা সিন্ধু নদের তীরে গড়ে উঠেছিল। - ৮৪. ইন্টারপোলের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
- ক. নিউইয়র্ক
- খ. লন্ডন
- গ. লিওঁ
- ঘ. রোম
উত্তর: গ. লিওঁ
আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের (Interpol) সদর দপ্তর ফ্রান্সের লিওঁ শহরে। ১৯২৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থাটি বিভিন্ন দেশের পুলিশের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান ও অপরাধী ধরতে সহযোগিতা করে।
মনে রাখুন: ইউরোপোলের সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের হেগে। - ৮৫. জাতিসংঘ কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
- ক. ১৯৪৮
- খ. ১৯৪৬
- গ. ১৯৪৫
- ঘ. ১৯৪৭
উত্তর: গ. ১৯৪৫
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বশান্তি রক্ষার উদ্দেশ্যে ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়। এর আগে একই বছরের ২৬ জুন সানফ্রান্সিসকো সম্মেলনে ৫০টি দেশ জাতিসংঘ সনদে স্বাক্ষর করে।
মনে রাখুন: জাতিসংঘের সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে, আর এর আগের সংস্থা লিগ অব নেশনস প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯২০ সালে। - ৮৬. ‘ওভাল’ কোন খেলার জন্য বিখ্যাত?
- ক. টেনিস
- খ. ফুটবল
- গ. হকি
- ঘ. ক্রিকেট
উত্তর: ঘ. ক্রিকেট
ওভাল (The Oval) লন্ডনের কেনিংটনে অবস্থিত একটি বিখ্যাত ক্রিকেট মাঠ। ১৮৮০ সালে ইংল্যান্ডের মাটিতে প্রথম টেস্ট ম্যাচ এখানেই খেলা হয়, আর ১৮৮২ সালে এই মাঠে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ইংল্যান্ডের হারের পরেই ‘অ্যাশেজ’ লড়াইয়ের জন্ম। সাধারণত ইংল্যান্ডের গ্রীষ্মকালীন টেস্ট মৌসুমের শেষ ম্যাচটি এখানে হয়।
মনে রাখুন: লন্ডনের আরেকটি বিখ্যাত ক্রিকেট মাঠ লর্ডস (Lord's), যাকে ‘ক্রিকেটের মক্কা’ বলা হয়। টেনিসের জন্য বিখ্যাত উইম্বলডন। - ৮৮. বাংলাদেশ কত সালে ইসলামি সম্মেলন সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে?
- ক. ১৯৭২
- খ. ১৯৭৩
- গ. ১৯৭৪
- ঘ. ১৯৭৫
উত্তর: গ. ১৯৭৪
১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তানের লাহোরে ইসলামি সম্মেলন সংস্থার (OIC) দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলন হয়। সেই সম্মেলনে বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেখানে যোগ দেন। বর্তমানে সংস্থাটির নাম ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা।
মনে রাখুন: ওআইসির সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায়, আর ১৯৭৪ সালেই বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য হয়।
সাধারণ জ্ঞান
- ৮৭. বিশ্ব ধরিত্রী সম্মেলন কত তারিখে অনুষ্ঠিত হয়?
- ক. জুন, ১৯৯২
- খ. জুলাই, ১৯৯৫
- গ. জুন, ১৯৭২
- ঘ. জুলাই, ১৯৯২
উত্তর: ক. জুন, ১৯৯২
জাতিসংঘের পরিবেশ ও উন্নয়ন বিষয়ক সম্মেলন, যা ধরিত্রী সম্মেলন (Earth Summit) নামে পরিচিত, ১৯৯২ সালের ৩ থেকে ১৪ জুন ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে অনুষ্ঠিত হয়। এ সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক কাঠামো সনদ (UNFCCC), জীববৈচিত্র্য সনদ এবং টেকসই উন্নয়নের কর্মপরিকল্পনা ‘এজেন্ডা ২১’ গৃহীত হয়।
মনে রাখুন: ১৯৭২ সালের জুনে সুইডেনের স্টকহোমে জাতিসংঘের প্রথম মানব পরিবেশ সম্মেলন হয়, আর সেই সম্মেলনের স্মরণে ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়। - ৮৯. নিশীথ সূর্যের দেশ কোনটি?
- ক. থাইল্যান্ড
- খ. জাপান
- গ. কানাডা
- ঘ. নরওয়ে
উত্তর: ঘ. নরওয়ে
নরওয়ে সুমেরুবৃত্তের কাছে অবস্থিত। গ্রীষ্মকালে পৃথিবীর উত্তর মেরু সূর্যের দিকে হেলে থাকায় দেশটির উত্তরাঞ্চলে কয়েক সপ্তাহ ধরে মধ্যরাতেও সূর্য দিগন্তের ওপরে দেখা যায়। এ জন্য নরওয়েকে নিশীথ সূর্যের দেশ (Land of the Midnight Sun) বলা হয়।
মনে রাখুন:
সূর্যোদয়ের দেশ: জাপান
হাজার হ্রদের দেশ: ফিনল্যান্ড - ৯৫. কোন গ্যাস ওজোনস্তর ক্ষয়ের জন্য দায়ী?
- ক. CO₂
- খ. CH₄
- গ. CFC
- ঘ. N₂
উত্তর: গ. CFC
ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (Chlorofluorocarbon, CFC) ওজোনস্তর ক্ষয়ের জন্য প্রধানত দায়ী। রেফ্রিজারেটর, এয়ারকন্ডিশনার ও স্প্রে ক্যান থেকে বের হওয়া CFC বায়ুমণ্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে পৌঁছে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে ভেঙে যায় এবং ক্লোরিন পরমাণু মুক্ত করে। একটি ক্লোরিন পরমাণু হাজার হাজার ওজোন (O₃) অণু ভেঙে ফেলতে পারে, ফলে ওজোনস্তর পাতলা হয়ে যায়।
মনে রাখুন: ওজোনস্তর রক্ষায় ১৯৮৭ সালে মন্ট্রিল প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়, আর প্রতি বছর ১৬ সেপ্টেম্বর বিশ্ব ওজোন দিবস পালিত হয়। CO₂ ও CH₄ মূলত গ্রিনহাউস গ্যাস।
বিজ্ঞান
- ৯০. বাষ্পীয় ইঞ্জিন আবিষ্কার করেন কে?
- ক. আইজাক নিউটন
- খ. স্টিফেন হকিংস
- গ. হেনরিক মার্জ
- ঘ. জেমস ওয়াট
উত্তর: ঘ. জেমস ওয়াট
বাষ্পীয় ইঞ্জিনের কার্যকর ও উন্নত রূপ উদ্ভাবন করেন স্কটিশ প্রকৌশলী জেমস ওয়াট (James Watt), ১৭৬৯ সালে তিনি এর পেটেন্ট নেন। তাঁর আগে টমাস নিউকোমেনের ইঞ্জিন চালু ছিল, কিন্তু সেটি অনেক জ্বালানি নষ্ট করত। ওয়াট আলাদা কনডেনসার যুক্ত করে যন্ত্রটিকে অনেক বেশি দক্ষ করে তোলেন, ফলে কারখানা, খনি ও পরিবহনে বাষ্পশক্তির ব্যবহার ছড়িয়ে পড়ে এবং শিল্পবিপ্লব এগিয়ে যায়।
মনে রাখুন: ক্ষমতার SI একক ওয়াট (W) তাঁর নামে রাখা হয়েছে, আর ‘অশ্বক্ষমতা’ (Horsepower) ধারণাটিও তিনিই চালু করেন। - ৯১. শব্দের তীক্ষ্ণতা মাপা হয় কী দিয়ে?
- ক. ডেসিবল
- খ. অ্যাম্পিয়ার
- গ. ক্যালরি
- ঘ. জুল
উত্তর: ক. ডেসিবল
শব্দ মাপার একক হিসেবে তালিকায় আছে কেবল ডেসিবেল (Decibel, dB)। আমাদের কানে শব্দ কতটা জোরালো লাগবে, তা নির্ভর করে শব্দের তীব্রতার ওপর, আর এই তীব্রতার মাত্রা ডেসিবেল এককে প্রকাশ করা হয়। সাধারণ কথাবার্তার শব্দ প্রায় ৬০ ডেসিবেল, আর ৮৫ ডেসিবেলের বেশি শব্দ দীর্ঘক্ষণ শুনলে শ্রবণশক্তির ক্ষতি হতে পারে। তালিকার অ্যাম্পিয়ার তড়িৎপ্রবাহের, আর ক্যালরি ও জুল তাপ বা শক্তির একক।
মনে রাখুন: শব্দের তীক্ষ্ণতা বা সুরের উঁচু-নিচু নির্ভর করে কম্পাঙ্কের ওপর, যার একক হার্জ (Hz)। মানুষ ২০ থেকে ২০,০০০ হার্জের শব্দ শুনতে পায়। - ৯৩. ইনসুলিনের অভাবে কী রোগ হয়?
- ক. রাতকানা
- খ. রিকেট
- গ. ডায়াবেটিস
- ঘ. স্কার্ভি
উত্তর: গ. ডায়াবেটিস
ইনসুলিন (Insulin) অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্সের বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত একটি হরমোন। এটি রক্তের গ্লুকোজকে দেহকোষে ঢুকতে সাহায্য করে এবং বাড়তি গ্লুকোজকে যকৃতে জমা রাখে। ইনসুলিন কম তৈরি হলে বা ঠিকমতো কাজ না করলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায়, আর এই অবস্থাকে ডায়াবেটিস মেলিটাস বলে।
মনে রাখুন: ১৯২১ সালে কানাডার বিজ্ঞানী ফ্রেডরিক ব্যান্টিং ও চার্লস বেস্ট ইনসুলিন আবিষ্কার করেন। রাতকানা হয় ভিটামিন এ-এর, রিকেট ভিটামিন ডি-এর আর স্কার্ভি ভিটামিন সি-এর অভাবে। - ৯৪. পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন ________
- ক. আলেকজান্ডার ফ্লেমিং
- খ. লুই পাস্তুর
- গ. আইকম্যান
- ঘ. উইলিয়াম হার্ভে
উত্তর: ক. আলেকজান্ডার ফ্লেমিং
১৯২৮ সালে স্কটিশ বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার ফ্লেমিং লক্ষ করেন, পেনিসিলিয়াম নোটেটাম নামের এক ছত্রাকের চারপাশে ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারছে না। এই ছত্রাক থেকেই তিনি পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন, যা পৃথিবীর প্রথম অ্যান্টিবায়োটিক। এর জন্য ১৯৪৫ সালে তিনি নোবেল পুরস্কার পান।
মনে রাখুন:
লুই পাস্তুর: জলাতঙ্কের টিকা ও পাস্তুরায়ন
উইলিয়াম হার্ভে: রক্ত সঞ্চালন - ৯৬. সহজে সর্দি-কাশি হয় কোন ভিটামিনের অভাবে?
- ক. ভিটামিন-ই
- খ. ভিটামিন-কে
- গ. ভিটামিন-সি
- ঘ. ভিটামিন-বি
উত্তর: গ. ভিটামিন-সি
ভিটামিন সি দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং শ্বেত রক্তকণিকাকে জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে। তাই দেহে এর ঘাটতি হলে সহজেই ঠান্ডা লেগে সর্দি-কাশি হয়, আর ক্ষত শুকাতেও দেরি হয়। দীর্ঘদিন বেশি অভাব থাকলে স্কার্ভি রোগ দেখা দেয়, যাতে দাঁতের মাড়ি ফুলে রক্ত পড়ে।
মনে রাখুন: আমলকী, পেয়ারা, লেবু, কমলা ও কাঁচা মরিচে প্রচুর ভিটামিন সি থাকে। ভিটামিন ই-এর অভাবে প্রজননক্ষমতা কমে যায়, আর ভিটামিন কে-এর অভাবে রক্ত জমাট বাঁধতে দেরি হয়।
কম্পিউটার ও আইসিটি
- ৯২. ROM-এর পূর্ণ অর্থ কী?
- ক. Random Only Memory
- খ. Read Only Memory
- গ. Radio Only Memory
- ঘ. Ranging Only Memory
উত্তর: খ. Read Only Memory
ROM-এর পূর্ণরূপ Read Only Memory। নাম থেকেই বোঝা যায়, এই মেমোরিতে রাখা তথ্য শুধু পড়া যায়, সাধারণভাবে নতুন করে লেখা বা মুছে ফেলা যায় না। কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় যে প্রাথমিক নির্দেশনা (যেমন BIOS) দরকার হয়, তা কারখানাতেই ROM-এ রেখে দেওয়া হয়। ROM স্থায়ী মেমোরি, তাই বিদ্যুৎ চলে গেলেও এর তথ্য মুছে যায় না।
মনে রাখুন: RAM-এর পূর্ণরূপ Random Access Memory, এটি অস্থায়ী মেমোরি, বিদ্যুৎ চলে গেলে এর তথ্য মুছে যায়। PROM, EPROM ও EEPROM হলো ROM-এর বিভিন্ন প্রকার।
এনটিআরসিএ: অন্যান্য পরীক্ষা
- এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৫
- এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৫
- এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৫
- এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৬
- এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৬
- এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৬
- এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৭
- এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৭
- এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৭
- এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০২২
- এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০২২
- এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০২২
- এনটিআরসিএ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০২৪
- এনটিআরসিএ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০২৪
- এনটিআরসিএ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০২৪
- এনটিআরসিএ ৮ম প্রতিষ্ঠান প্রধান নিবন্ধন (প্রধান শিক্ষক) পরীক্ষা ২০২৬
- এনটিআরসিএ ৮ম প্রতিষ্ঠান প্রধান নিবন্ধন (অধ্যক্ষ) পরীক্ষা ২০২৬
- এনটিআরসিএ ৮ম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১২
- এনটিআরসিএ ৮ম প্রতিষ্ঠান প্রধান নিবন্ধন (সুপার, দাখিল মাদ্রাসা) পরীক্ষা ২০২৬
- এনটিআরসিএ ৯ম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৩
আরও শিক্ষক নিয়োগ ও নিবন্ধন পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ১৪৯১) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ২৫৯৪) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ৩৬৯৭) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ২৮১৫) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৪০২১) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৫১২৪) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৮৪৩৩) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ; ১২ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২০১৪ সালের স্থগিত পরীক্ষা, ১৪ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২০১৪ সালের স্থগিত পরীক্ষা, ১৫ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২০১৪ সালের স্থগিত পরীক্ষা, ২০ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (বরিশাল বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (চট্টগ্রাম বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (ঢাকা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (খুলনা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (রাজশাহী বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (সিলেট বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (চট্টগ্রাম বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (ঢাকা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (খুলনা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (পিইডিপি-২) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (রাজশাহী বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (সিলেট বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (বরিশাল বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৭
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন