এনটিআরসিএ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০২৪: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ২০২৪। ৯৪টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →- বাংলাদেশ (৯)
- আন্তর্জাতিক (৮)
- ব্যাংকিং ও অর্থনীতি (২)
- সাধারণ জ্ঞান (৩)
- বিজ্ঞান (১)
- কম্পিউটার ও আইসিটি (১)
- গণিত (২০)
- ইংরেজি (২৬)
- বাংলা (২৪)
বাংলাদেশ
- ১. বঙ্গবন্ধু টানেলের দৈর্ঘ্য কত?
- ক. ৩.৩০ কি.মি.
- খ. ৩.৩১ কি.মি.
- গ. ৩.৩২ কি.মি.
- ঘ. ৩.৩৩ কি.মি.
উত্তর: গ. ৩.৩২ কি.মি.
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের মূল সুড়ঙ্গপথের দৈর্ঘ্য ৩.৩২ কিলোমিটার। এটি দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম নদী তলদেশের সড়ক টানেল, উদ্বোধন হয় ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর।
মনে রাখুন:
সংযোগ সড়কসহ টানেল প্রকল্পের মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৯.৩৯ কিলোমিটার।
টানেলটি চট্টগ্রাম শহরের পতেঙ্গার সঙ্গে আনোয়ারা উপজেলাকে যুক্ত করেছে। - ২. বাংলাদেশের বৃহত্তম ব-দ্বীপ কোন জেলা?
- ক. ভোলা
- খ. সাতক্ষীরা
- গ. চাঁদপুর
- ঘ. নোয়াখালী
উত্তর: ক. ভোলা
নদীবাহিত পলি জমে তৈরি ভোলা বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ, আর পুরো জেলাটিই একটি দ্বীপ নিয়ে গঠিত। মেঘনা নদীর মোহনায় অবস্থিত এই দ্বীপকে তাই দেশের বৃহত্তম ব-দ্বীপ জেলা বলা হয়।
মনে রাখুন:
ভোলার পুরোনো নাম ‘শাহবাজপুর’, আর একে ‘দ্বীপের রানি’ বলা হয়।
ভোলায় শাহবাজপুর গ্যাসক্ষেত্র অবস্থিত।
দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন এবং একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ মহেশখালী। - ৩. বাংলাদেশের রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পের সহায়তাকারী দেশ কোনটি?
- ক. ভারত
- খ. চীন
- গ. রাশিয়া
- ঘ. যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর: গ. রাশিয়া
পাবনার রূপপুরে নির্মাণাধীন দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটম এর নির্মাণকাজ করছে, আর প্রকল্পের বেশির ভাগ অর্থ রাশিয়ার ঋণ থেকে আসছে।
মনে রাখুন:
কেন্দ্রটির দুটি ইউনিট মিলে মোট উৎপাদন ক্ষমতা ২,৪০০ মেগাওয়াট।
পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি হিসেবে ইউরেনিয়াম ব্যবহৃত হয়, আর রূপপুর কেন্দ্রটি পদ্মা নদীর তীরে অবস্থিত। - ৪. মহাস্থান গড় কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
- ক. কপোতাক্ষ
- খ. যমুনা
- গ. মেঘনা
- ঘ. করতোয়া
উত্তর: ঘ. করতোয়া
বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে মহাস্থানগড় অবস্থিত। এটি প্রাচীন পুণ্ড্রনগরের ধ্বংসাবশেষ এবং বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন প্রত্নস্থানগুলোর একটি।
মনে রাখুন:
ময়নামতি প্রত্নস্থান কুমিল্লায়, আর পাহাড়পুর নওগাঁয়।
মহাস্থানগড়ে পাওয়া ব্রাহ্মী লিপির শিলালিপি খ্রিষ্টপূর্ব তৃতীয় শতকের বলে ধারণা করা হয়। - ৫. ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য কোন দুই নারীকে ‘বীরপ্রতীক’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়?
- ক. তারামন বিবি ও ময়মুনা বিবি
- খ. সিতারা বেগম ও ময়মুনা বিবি
- গ. তারামন বিবি ও সিতারা বেগম
- ঘ. ময়মুনা বিবি ও তারামন বিবি
উত্তর: গ. তারামন বিবি ও সিতারা বেগম
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য দুজন নারী মুক্তিযোদ্ধাকে ‘বীরপ্রতীক’ খেতাব দেওয়া হয়: তারামন বিবি ও ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম। তারামন বিবি ১১ নম্বর সেক্টরে সম্মুখযুদ্ধে অংশ নেন, আর সিতারা বেগম ২ নম্বর সেক্টরের অধীনে আগরতলার বাংলাদেশ হাসপাতালে আহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা করেন।
মনে রাখুন:
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য খেতাব চারটি: বীরশ্রেষ্ঠ, বীর উত্তম, বীর বিক্রম ও বীরপ্রতীক।
বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব পেয়েছেন ৭ জন। - ৬. ওয়াংগালা কাদের উৎসব?
- ক. তুর্কিদের
- খ. গারোদের
- গ. চাকমাদের
- ঘ. মারমাদের
উত্তর: খ. গারোদের
ওয়াংগালা গারো জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব। নতুন ফসল ঘরে তোলার পর ফসলের দেবতা ‘মিসি সালজং’-কে (সূর্যদেবতা) ধন্যবাদ জানাতে সাধারণত শরৎ বা হেমন্তকালে এই উৎসব পালিত হয়। একে নবান্ন উৎসবও বলা হয়।
মনে রাখুন:
চাকমাদের প্রধান উৎসব বিজু, মারমাদের সাংগ্রাই, আর ত্রিপুরাদের বৈসু। এই তিনটির আদ্যক্ষর মিলে ‘বৈসাবি’।
গারোরা মাতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা মেনে চলে। - ৭. বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারী হয় কবে?
- ক. ১৯৭২ সালে
- খ. ১৯৭৩ সালে
- গ. ১৯৭৪ সালে
- ঘ. ১৯৮১সালে
উত্তর: গ. ১৯৭৪ সালে
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারি (জনশুমারি) অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে। সেই শুমারিতে দেশের জনসংখ্যা পাওয়া যায় প্রায় ৭ কোটি ১৫ লাখ। এরপর ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ এবং ২০২২ সালে জনশুমারি হয়।
মনে রাখুন:
২০২২ সালের জনশুমারিটি ছিল দেশের ষষ্ঠ এবং প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি।
জনশুমারি পরিচালনা করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)। - ৮. বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয় কত সালে?
- ক. ১৯০৫ সালে
- খ. ১৯১১ সালে
- গ. ১৯০৬ সালে
- ঘ. ১৯০৯ সালে
উত্তর: খ. ১৯১১ সালে
লর্ড কার্জনের সময় ১৯০৫ সালে প্রশাসনিক সুবিধার কথা বলে বাংলা প্রদেশকে ভাগ করা হয়, একে বঙ্গভঙ্গ বলে। এর বিরুদ্ধে প্রবল স্বদেশি আন্দোলন গড়ে ওঠে, তাই ১৯১১ সালে দিল্লির দরবারে সম্রাট পঞ্চম জর্জ বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।
মনে রাখুন:
বঙ্গভঙ্গের ফলে গঠিত নতুন প্রদেশ ‘পূর্ববঙ্গ ও আসাম’-এর রাজধানী ছিল ঢাকা।
বঙ্গভঙ্গ রদের সময় ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লিতে সরিয়ে নেওয়া হয়। - ৯. নিচের কোন কর্মসূচিকে ম্যাগনাকার্টা হিসেবে গণ্য করা হয়?
- ক. ১১ দফা
- খ. ২১ দফা
- গ. ৬ দফা
- ঘ. ৪ দফা
উত্তর: গ. ৬ দফা
১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব বাংলার স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে ছয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন। এই কর্মসূচি বাঙালির রাজনৈতিক মুক্তির ভিত্তি রচনা করে, তাই একে বাঙালির ‘ম্যাগনাকার্টা’ বা মুক্তির সনদ বলা হয়।
মনে রাখুন:
ম্যাগনাকার্টা হলো ১২১৫ সালে ইংল্যান্ডের রাজা জনের স্বাক্ষর করা অধিকার সনদ।
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের ইশতেহার ছিল ২১ দফা, আর ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে ছাত্রসমাজের দাবি ছিল ১১ দফা।
আন্তর্জাতিক
- ১০. হিজবুল্লাহ কোন দেশভিত্তিক সংগঠন-
- ক. জর্ডান
- খ. ফিলিস্তিন
- গ. মিশর
- ঘ. লেবানন
উত্তর: ঘ. লেবানন
হিজবুল্লাহ লেবাননভিত্তিক একটি শিয়া রাজনৈতিক দল ও সশস্ত্র সংগঠন। ১৯৮২ সালে লেবাননে ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রেক্ষাপটে এটি গড়ে ওঠে। আরবি শব্দ ‘হিজবুল্লাহ’ মানে আল্লাহর দল।
মনে রাখুন:
ফিলিস্তিনের সংগঠন হামাস ও ফাতাহ।
ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথি।
লেবাননের রাজধানী বৈরুত। - ১১. জাপানের পার্লামেন্টের নাম কী?
- ক. ডায়েট
- খ. কায়েট
- গ. লোকসভা
- ঘ. ন্যাশনাল এসেম্বলী
উত্তর: ক. ডায়েট
জাপানের আইনসভা বা পার্লামেন্টের নাম ডায়েট (Diet), জাপানি ভাষায় ‘কোক্কাই’। এটি দুই কক্ষবিশিষ্ট: নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদ (House of Representatives) এবং উচ্চকক্ষ কাউন্সিলরস পরিষদ (House of Councillors)।
মনে রাখুন:
ভারতের পার্লামেন্ট: লোকসভা ও রাজ্যসভা।
রাশিয়ার: ডুমা (ফেডারেল অ্যাসেম্বলি)।
যুক্তরাষ্ট্রের: কংগ্রেস।
নেপালের: ফেডারেল পার্লামেন্ট। - ১২. ‘ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬’ কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
- ক. যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, মেক্সিকো
- খ. জেনেভা, রাশিয়া, ফ্রান্স
- গ. ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া, ভেনিজুয়েলা
- ঘ. কাতার, দুবাই, বাহরাইন
উত্তর: ক. যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, মেক্সিকো
২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল যৌথভাবে আয়োজন করছে উত্তর আমেরিকার তিনটি দেশ: যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো। ফিফার ইতিহাসে এই প্রথম তিন দেশ মিলে একটি বিশ্বকাপ আয়োজন করছে, আর এবারই প্রথম অংশ নিচ্ছে ৪৮টি দল।
মনে রাখুন:
২০২২ সালের বিশ্বকাপ হয়েছিল কাতারে, চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।
মেক্সিকো প্রথম দেশ, যেখানে তিনবার বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হচ্ছে (১৯৭০, ১৯৮৬ ও ২০২৬)। - ১৩. SDG জাতিসংঘের কততম সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়?
- ক. ৫৫তম
- খ. ৭০তম
- গ. ৭২তম
- ঘ. ৭৩তম
উত্তর: খ. ৭০তম
২০১৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭০তম অধিবেশনে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs) গৃহীত হয়। ‘Transforming our world: the 2030 Agenda for Sustainable Development’ নামের এই প্রস্তাবে ১৭টি লক্ষ্য রাখা হয়, যা ২০১৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।
মনে রাখুন:
SDG-এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল।
এর আগে ২০০০ সালের সহস্রাব্দ শীর্ষ সম্মেলনে ৫৫তম অধিবেশনে MDG গৃহীত হয়েছিল। - ১৪. থাইল্যান্ডের মুদ্রার নাম কী?
- ক. লিরা
- খ. ক্রোনা
- গ. বাথ
- ঘ. রিংগিত
উত্তর: গ. বাথ
থাইল্যান্ডের মুদ্রার নাম বাথ (Baht)। দেশটির রাজধানী ব্যাংকক, আর একে ‘সাদা হাতির দেশ’ বলা হয়।
মনে রাখুন:
তুরস্কের মুদ্রা লিরা।
সুইডেন ও চেক প্রজাতন্ত্রের মুদ্রা ক্রোনা, আর ডেনমার্ক ও নরওয়ের মুদ্রা ক্রোন।
মালয়েশিয়ার মুদ্রা রিংগিত। - ১৫. ২০২৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন কে?
- ক. তাওয়াক্সোল কারমান
- খ. নার্গিস মোহাম্মদী
- গ. মালালা ইউসুফ জাই
- ঘ. শিরিন এবাদী
উত্তর: খ. নার্গিস মোহাম্মদী
ইরানের কারাবন্দি মানবাধিকারকর্মী নার্গিস মোহাম্মদী ২০২৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান। ইরানে নারীর প্রতি নিপীড়ন এবং সবার মানবাধিকার ও স্বাধীনতার জন্য লড়াইয়ের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়।
মনে রাখুন:
তাওয়াক্কুল কারমান ইয়েমেনের নোবেলজয়ী (২০১১)।
মালালা ইউসুফজাই সবচেয়ে কম বয়সী নোবেলজয়ী (২০১৪, ১৭ বছর বয়সে)।
শিরিন এবাদী ইরানের প্রথম নোবেলজয়ী (২০০৩)। - ১৭. জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব কে?
- ক. উ-থান্ট
- খ. ট্রিগভেলী
- গ. দ্যাগ হেমারশোল্ড
- ঘ. গুতেরেস
উত্তর: খ. ট্রিগভেলী
নরওয়ের রাজনীতিবিদ ট্রিগভে লি (Trygve Lie) ছিলেন জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব। তিনি ১৯৪৬ থেকে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
মনে রাখুন:
দ্বিতীয় মহাসচিব সুইডেনের দ্যাগ হ্যামারশোল্ড, যিনি দায়িত্ব পালনকালে বিমান দুর্ঘটনায় মারা যান।
তৃতীয় মহাসচিব মিয়ানমারের উ থান্ট, প্রথম এশীয় মহাসচিব।
বর্তমান মহাসচিব পর্তুগালের আন্তোনিও গুতেরেস। - ১৮. জ্বালানী তেল উৎপাদনে শীর্ষে কোন দেশ?
- ক. যুক্তরাষ্ট্র
- খ. যুক্তরাজ্য
- গ. ইরাক
- ঘ. সৌদি আরব
উত্তর: ক. যুক্তরাষ্ট্র
শেল অয়েল উত্তোলন প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহারের ফলে ২০১৮ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের শীর্ষ অপরিশোধিত তেল উৎপাদনকারী দেশ। বর্তমানে দেশটি প্রতিদিন গড়ে ১ কোটি ২০ লাখ ব্যারেলের বেশি তেল উৎপাদন করে, যা সৌদি আরব ও রাশিয়ার চেয়ে বেশি।
মনে রাখুন:
তেল উৎপাদনে দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে সৌদি আরব ও রাশিয়া।
প্রমাণিত তেলের মজুত সবচেয়ে বেশি ভেনেজুয়েলায়।
ব্যাংকিং ও অর্থনীতি
- ১৬. IMF এর সদর দপ্তর কোথায়?
- ক. ওয়াশিংটন ডিসি
- খ. নিউইয়র্ক
- গ. জেনেভা
- ঘ. রোম
উত্তর: ক. ওয়াশিংটন ডিসি
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত। ১৯৪৪ সালের ব্রেটন উডস সম্মেলনের সিদ্ধান্তে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে এটি গঠিত হয়, আর ১৯৪৫ সালে কার্যক্রম শুরু করে। সদস্য দেশগুলোর মুদ্রা বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখা ও লেনদেনের ভারসাম্যের সংকটে ঋণ দেওয়া এর প্রধান কাজ।
মনে রাখুন:
বিশ্বব্যাংকের সদর দপ্তরও ওয়াশিংটন ডিসিতে।
বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে IMF-এর সদস্য হয়। - ১৯. ‘লেইস ফেয়ার’ নীতি নিচের কোনটির সাথে সম্পর্কযুক্ত?
- ক. সমাজতান্ত্রিক
- খ. খেলাধুলা
- গ. গণতন্ত্র
- ঘ. মুক্তবাজার
উত্তর: ঘ. মুক্তবাজার
Laissez-faire একটি ফরাসি কথা, এর অর্থ ‘যেমন চলছে চলতে দাও’ বা হস্তক্ষেপ না করা। অর্থনীতিতে এই নীতি বলে, সরকার বাজারে হস্তক্ষেপ করবে না, চাহিদা ও জোগানের স্বাভাবিক নিয়মেই বাজার চলবে। এটি মুক্তবাজার অর্থনীতি বা পুঁজিবাদের মূল দর্শন।
মনে রাখুন:
অর্থনীতিবিদ অ্যাডাম স্মিথ এই ধারণার প্রধান প্রবক্তা, তাঁর বিখ্যাত বই ‘The Wealth of Nations’ (১৭৭৬)।
বাজারের এই স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণকে তিনি ‘অদৃশ্য হাত’ (Invisible Hand) বলেছেন।
সাধারণ জ্ঞান
- ২০. কোনটি জলবায়ুর উপাদান নয়?
- ক. বায়ু প্রবাহ
- খ. বারিপাত
- গ. সমুদ্র স্রোত
- ঘ. বায়ুর আর্দ্রতা
উত্তর: গ. সমুদ্র স্রোত
কোনো অঞ্চলের দীর্ঘ সময়ের আবহাওয়ার গড় অবস্থাকে জলবায়ু বলে। জলবায়ুর উপাদান হলো যেগুলো মেপে জলবায়ু বোঝা যায়: তাপমাত্রা, বায়ুপ্রবাহ, বায়ুচাপ, বারিপাত ও আর্দ্রতা। সমুদ্রস্রোত নিজে জলবায়ুর উপাদান নয়, এটি জলবায়ুকে প্রভাবিত করে, তাই একে জলবায়ুর নিয়ামক (Factor) বলা হয়।
মনে রাখুন: জলবায়ুর নিয়ামক: অক্ষাংশ, উচ্চতা, সমুদ্র থেকে দূরত্ব, সমুদ্রস্রোত, ভূপ্রকৃতি ও বায়ুপ্রবাহের দিক। - ২১. সবজি চাষ বিদ্যাকে কী বলে?
- ক. Horticulture
- খ. Arboriculture
- গ. Floriculture
- ঘ. Vegiculture
উত্তর: ক. Horticulture
Horticulture বা উদ্যানবিদ্যা হলো ফল, শাকসবজি, ফুল ও শোভাবর্ধক উদ্ভিদ চাষের বিদ্যা। সবজি চাষ এই উদ্যানবিদ্যারই অংশ, তাই দেওয়া বিকল্পগুলোর মধ্যে Horticulture সঠিক।
মনে রাখুন:
শুধু সবজি চাষের সুনির্দিষ্ট নাম Olericulture।
ফল চাষ Pomology, ফুল চাষ Floriculture, আর গাছপালা লাগানো ও পরিচর্যা Arboriculture।
‘Vegiculture’ নামে কোনো প্রতিষ্ঠিত বিদ্যা নেই। - ২২. বাংলাদেশে সবচেয়ে কম ভূমিকম্প ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল কোনটি?
- ক. উত্তর-পশ্চিম
- খ. দক্ষিণ
- গ. দক্ষিণ-পশ্চিম
- ঘ. মধ্য অঞ্চল
উত্তর: গ. দক্ষিণ-পশ্চিম
ভূকম্পন ঝুঁকির ভিত্তিতে বাংলাদেশকে তিনটি অঞ্চলে ভাগ করা হয়। উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল (সিলেট, ময়মনসিংহ, রংপুর) সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ, মধ্যাঞ্চল (ঢাকা, কুমিল্লা) মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ, আর খুলনা বিভাগসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ভূতাত্ত্বিকভাবে তুলনামূলক শান্ত। তাই দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলই সবচেয়ে কম ভূমিকম্প ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল।
মনে রাখুন: ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপা হয় রিখটার স্কেলে, আর ভূমিকম্প পরিমাপের যন্ত্রের নাম সিসমোগ্রাফ।
বিজ্ঞান
- ২৩. রক্তে Platelet-এর কাজ কী?
- ক. O2 পরিবহন
- খ. সংক্রমণ প্রতিরোধ
- গ. রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে
- ঘ. রক্তে PH এর নির্ধারণ করে
উত্তর: গ. রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে
রক্তের অণুচক্রিকা (Platelet) হলো ছোট, নিউক্লিয়াসবিহীন কোষখণ্ড। শরীরের কোথাও কেটে গেলে অণুচক্রিকাগুলো সেখানে জড়ো হয় এবং থ্রম্বোপ্লাস্টিন নিঃসরণ করে রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়া শুরু করে। ফলে রক্তপাত বন্ধ হয়।
মনে রাখুন:
লোহিত রক্তকণিকা হিমোগ্লোবিনের মাধ্যমে অক্সিজেন পরিবহন করে।
শ্বেত রক্তকণিকা জীবাণুর সংক্রমণ প্রতিরোধ করে।
ডেঙ্গু জ্বরে রক্তে অণুচক্রিকার সংখ্যা কমে যায়।
কম্পিউটার ও আইসিটি
- ২৪. কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদানকে কী বলা হয়?
- ক. ইন্টারনেট
- খ. ইন্টারকম
- গ. ই-মেইল
- ঘ. ইন্টারস্পিড
উত্তর: ক. ইন্টারনেট
ইন্টারনেট (Internet) হলো সারা বিশ্বের কোটি কোটি কম্পিউটার ও নেটওয়ার্ককে যুক্ত করা একটি বিশাল নেটওয়ার্ক, যার মাধ্যমে এক কম্পিউটার থেকে আরেক কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদান করা যায়। দেওয়া বিকল্পগুলোর মধ্যে এটিই কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য বিনিময়ের ব্যবস্থা। ই-মেইল ইন্টারনেটের একটি সেবা মাত্র, আর ইন্টারকম হলো একই ভবনের ভেতরে টেলিফোনে কথা বলার ব্যবস্থা।
মনে রাখুন: ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের মূল নিয়ম বা প্রোটোকল TCP/IP। ইন্টারনেটের সূচনা হয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের ARPANET থেকে (১৯৬৯)।
গণিত
- ২৫. লাবিব, রামিম ও জিদানের বয়সের গড় অপেক্ষা লাবিব, রামিম ও শাফিনের বয়সের গড় ৫ বছর কম। শাফিনের বয়স ২০ বছর হলে জিদানের বয়স কত?
- ক. ২০ বছর
- খ. ২৫ বছর
- গ. ৩০ বছর
- ঘ. ৩৫ বছর
উত্তর: ঘ. ৩৫ বছর
ধরি লাবিব, রামিম, জিদান ও শাফিনের বয়স যথাক্রমে L, R, Z ও S।
শর্ত অনুযায়ী, (L + R + Z)/3 − (L + R + S)/3 = 5
⇒ (Z − S)/3 = 5 ⇒ Z − S = 15।
S = 20 হলে Z = 20 + 15 = 35 বছর।
মনে রাখুন: দুটি দলে একজন করে সদস্য বদলালে গড়ের পার্থক্য × সদস্য সংখ্যা = বদল হওয়া দুজনের বয়সের পার্থক্য। - ২৬. দুইটি দলের সদস্য সংখ্যার ল.সা.গু. ৯০ ও গ.সা.গু ১৫ হলে উভয় দলের সদস্য মোট কত জন?
- ক. ৬৫
- খ. ৭৫
- গ. ৮৫
- ঘ. ৯৫
উত্তর: খ. ৭৫
দুটি সংখ্যার গুণফল = ল.সা.গু. × গ.সা.গু. = 90 × 15 = 1350।
গ.সা.গু. 15 বলে সংখ্যা দুটি 15a ও 15b, যেখানে a ও b সহমৌলিক এবং 15a × 15b = 1350 ⇒ ab = 6।
সহমৌলিক জোড়া (1, 6) বা (2, 3)। প্রথম জোড়ায় সংখ্যা 15 ও 90, যোগফল 105; দ্বিতীয় জোড়ায় সংখ্যা 30 ও 45, যোগফল 75।
বিকল্পে কেবল 75 আছে, তাই দুই দলে মোট ৭৫ জন (৩০ ও ৪৫)।
যাচাই: 30 ও 45 এর ল.সা.গু. 90, গ.সা.গু. 15। - ২৭. কাফি ও খলিল একটি কাজ যথাক্রমে ১০ দিনে ও ১৫ দিনে করতে পারে। তারা একত্রে কাজটি কত দিনে করতে পারবে?
- ক. ৪
- খ. ৫
- গ. ৬
- ঘ. ৭
উত্তর: গ. ৬
কাফি ১ দিনে করে কাজের 1/10 অংশ, খলিল ১ দিনে করে 1/15 অংশ।
একত্রে ১ দিনে করে 1/10 + 1/15 = 3/30 + 2/30 = 5/30 = 1/6 অংশ।
তাই একত্রে পুরো কাজ করতে লাগবে ৬ দিন।
মনে রাখুন: দুজন a ও b দিনে আলাদাভাবে কাজ শেষ করলে একত্রে লাগে ab/(a + b) দিন। এখানে 10 × 15/25 = 6 দিন। - ২৮. একটি লাঠির মোট দৈর্ঘ্যের ৪০% এর সাথে ৪৫ মিটার যোগ করলে সম্পূর্ণ লাঠির দৈর্ঘ্য পাওয়া যায়। লাঠিটির দৈর্ঘ্য কত?
- ক. ৬৫ মিটার
- খ. ৭০ মিটার
- গ. ৭৫ মিটার
- ঘ. ৮০ মিটার
উত্তর: গ. ৭৫ মিটার
ধরি লাঠির দৈর্ঘ্য x মিটার।
শর্ত অনুযায়ী, x-এর 40% + 45 = x
⇒ x − 0.4x = 45 ⇒ 0.6x = 45 ⇒ x = 75 মিটার।
যাচাই: 75-এর 40% = 30, আর 30 + 45 = 75।
মনে রাখুন: এখানে 45 মিটারই লাঠির বাকি 60% অংশ, তাই 45 ÷ 0.6 = 75। - ২৯. বার্ষিক শতকরা ১২(১/২)% সুদে কত টাকার ৪ বছরের সুদ ১০০ টাকা হবে?
- ক. ১০০
- খ. ২০০
- গ. ৩০০
- ঘ. ৪০০
উত্তর: খ. ২০০
সরল সুদের সূত্র: সুদ = আসল × হার × সময় / 100।
100 = P × 12.5 × 4 / 100 = 0.5P
⇒ P = 100 ÷ 0.5 = 200 টাকা।
যাচাই: 200 টাকার বছরে সুদ 25 টাকা, ৪ বছরে 100 টাকা।
মনে রাখুন: আসল = (সুদ × 100)/(হার × সময়)। - ৩০. ৫ টাকায় ৮টি কলা ক্রয় করে ৫ টাকায় ৬টি কলা বিক্রি করলে শতকরা কত টাকা লাভ হবে?
- ক. ৩০(১/৩)%
- খ. ৩১(১/৩)%
- গ. ৩২(১/৩) %
- ঘ. ৩৩(১/৩)%
উত্তর: ঘ. ৩৩(১/৩)%
৮ ও ৬-এর ল.সা.গু. ২৪, তাই ২৪টি কলা ধরে হিসাব করি।
২৪টির ক্রয়মূল্য = 5 × 24/8 = 15 টাকা।
২৪টির বিক্রয়মূল্য = 5 × 24/6 = 20 টাকা।
লাভ = 20 − 15 = 5 টাকা, শতকরা লাভ = (5/15) × 100 = 33⅓%।
মনে রাখুন: একই টাকায় a টি কিনে b টি বিক্রি করলে লাভের হার = (a − b)/b × 100 = (8 − 6)/6 × 100 = 33⅓%। - ৩১. একটি জারে দুধ ও পানির অনুপাত ৫ : ১। দুধের পরিমাণ যদি পানি অপেক্ষা ৮ লিটার বেশি হয় তবে পানির পরিমাণ কত লিটার?
- ক. ২
- খ. ৩
- গ. ৪
- ঘ. ৬
উত্তর: ক. ২
দুধ ও পানির অনুপাত ৫ : ১, তাই দুধ 5k লিটার এবং পানি k লিটার।
দুধ পানির চেয়ে 8 লিটার বেশি: 5k − k = 4k = 8 ⇒ k = 2।
তাই পানির পরিমাণ ২ লিটার, আর দুধ ১০ লিটার।
মনে রাখুন: অনুপাতের অঙ্কে অংশগুলোর পার্থক্যকে প্রকৃত পার্থক্যের সঙ্গে মিলিয়ে একটি অংশের মান বের করাই মূল কৌশল। - ৩২. x³ + 6x²y + 11xy² + 6y³ এর উৎপাদক নিচের কোনটি?
- ক. (x + y) (x + 2y) (x + 3y)
- খ. (x + y) (x – 2y) (x – 3y)
- গ. (x – y) (x – 2y) (x + 3y)
- ঘ. (x – y) (x – 2y) (x – 3y)
উত্তর: ক. (x + y) (x + 2y) (x + 3y)
রাশিটিকে x-এর বহুপদী ধরে y = −x বসালে পাই x³ − 6x³ + 11x³ − 6x³ = 0, তাই (x + y) একটি উৎপাদক।
ভাগ করে পাই x³ + 6x²y + 11xy² + 6y³ = (x + y)(x² + 5xy + 6y²)।
আবার x² + 5xy + 6y² = (x + 2y)(x + 3y)।
তাই উৎপাদক: (x + y)(x + 2y)(x + 3y)।
যাচাই: x = y = 1 বসালে মূল রাশি = 1 + 6 + 11 + 6 = 24, আর (2)(3)(4) = 24। - ৩৩. x = √5 + √4 হলে x² + (1/x²) এর মান কত?
- ক. 36
- খ. 27
- গ. 18
- ঘ. 9
উত্তর: গ. 18
x = √5 + √4 = √5 + 2।
1/x = 1/(√5 + 2) = (√5 − 2)/(5 − 4) = √5 − 2।
তাই x + 1/x = 2√5।
x² + 1/x² = (x + 1/x)² − 2 = (2√5)² − 2 = 20 − 2 = 18।
মনে রাখুন: হরকে মূলদ করতে অনুবন্ধী রাশি দিয়ে গুণ করতে হয়, (a + b)(a − b) = a² − b²। - ৩৪. 18(x + y)³, 24(x + y)² এবং 32(x² – y²) এর গ.সা.গু কোনটি?
- ক. 2 (x + y)
- খ. x – y
- গ. x + y
- ঘ. 2 (x – y)
উত্তর: ক. 2 (x + y)
তিনটি রাশিকে উৎপাদকে ভাঙি:
18(x + y)³ = 2 × 3² × (x + y)³
24(x + y)² = 2³ × 3 × (x + y)²
32(x² − y²) = 2⁵ × (x + y)(x − y)
সংখ্যাগুলোর গ.সা.গু. 2, আর তিনটিতেই সাধারণ বীজগাণিতিক উৎপাদক (x + y) একবার করে আছে।
তাই গ.সা.গু. = 2(x + y)।
মনে রাখুন: x² − y² = (x + y)(x − y), এই সূত্র দিয়েই তৃতীয় রাশিতে (x + y) উৎপাদকটি বেরিয়ে আসে। - ৩৫. (x^(p–q))^(p+q) · (x^(q–r))^(q+r) · (x^(r–p))^(r+p) = কত?
- ক. 0
- খ. p + q
- গ. q + r
- ঘ. 1
উত্তর: ঘ. 1
সূচকের নিয়ম (aᵐ)ⁿ = aᵐⁿ ব্যবহার করে প্রতিটি পদের সূচক বের করি:
(p − q)(p + q) = p² − q²
(q − r)(q + r) = q² − r²
(r − p)(r + p) = r² − p²
গুণফলে সূচকগুলো যোগ হয়: p² − q² + q² − r² + r² − p² = 0।
তাই রাশিটির মান x⁰ = 1।
মনে রাখুন: এ ধরনের চক্রাকার সূচকের অঙ্কে সূচকগুলো সাধারণত কেটে গিয়ে শূন্য হয়, আর উত্তর আসে 1। - ৩৬. log x = –2 হলে, x এর মান কত?
- ক. 0.01
- খ. 0.001
- গ. 0.05
- ঘ. 0.005
উত্তর: ক. 0.01
এখানে লগারিদমের ভিত্তি ১০ (সাধারণ লগারিদম)। লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী log₁₀ x = −2 হলে x = 10⁻²।
10⁻² = 1/10² = 1/100 = 0.01।
মনে রাখুন: log 10 = 1, log 100 = 2, log 0.1 = −1, log 0.01 = −2। দশমিকের পরে যত ঘর, সাধারণ লগের মান তত ঋণাত্মক। - ৩৭. একটি আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা 40 মিটার। এর প্রস্থ 5 মিটার হলে, দৈর্ঘ্য কত মিটার হবে?
- ক. 15
- খ. 20
- গ. 25
- ঘ. 30
উত্তর: ক. 15
আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = 2(দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)।
40 = 2(l + 5) ⇒ l + 5 = 20 ⇒ l = 15 মিটার।
মনে রাখুন: এই আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল হবে 15 × 5 = 75 বর্গমিটার, আর কর্ণ √(15² + 5²) = √250 = 5√10 মিটার। - ৩৮. একটি সমকোণী ত্রিভুজের সূক্ষ্মকোণ দুইটি 30˚ ও 60˚। ত্রিভুজটির বাহু তিনটির অনুপাত কত?
- ক. 1 : √3: 2
- খ. 1 : 3 : √2
- গ. 1 : 2 : 3
- ঘ. 1 : 3 : 2
উত্তর: ক. 1 : √3: 2
৩০°-৬০°-৯০° সমকোণী ত্রিভুজে বাহুগুলোর একটি নির্দিষ্ট অনুপাত থাকে। ৩০° কোণের বিপরীত বাহু x হলে অতিভুজ 2x, কারণ sin30° = 1/2। আর ৬০° কোণের বিপরীত বাহু √3x, কারণ sin60° = √3/2।
তাই বাহু তিনটির অনুপাত (ছোট থেকে বড়) = 1 : √3 : 2।
যাচাই: 1² + (√3)² = 1 + 3 = 4 = 2², পিথাগোরাসের উপপাদ্য মেলে।
মনে রাখুন: ৪৫°-৪৫°-৯০° ত্রিভুজে বাহুর অনুপাত 1 : 1 : √2। - ৩৯. কোনো বৃত্তের যে কোনো একটি চাপের কেন্দ্রস্থ কোণ 30˚ হলে ঐ বৃত্তচাপের বৃত্তস্থ কোণের পূরক কোণের মান কত?
- ক. 15˚
- খ. 45˚
- গ. 60˚
- ঘ. 75˚
উত্তর: ঘ. 75˚
একই চাপের ওপর বৃত্তস্থ কোণ কেন্দ্রস্থ কোণের অর্ধেক, তাই বৃত্তস্থ কোণ = 30° ÷ 2 = 15°।
দুটি কোণের সমষ্টি 90° হলে তারা পরস্পরের পূরক কোণ (Complementary Angle)। তাই 15°-এর পূরক কোণ = 90° − 15° = 75°।
মনে রাখুন: সমষ্টি 90° হলে পূরক কোণ, আর সমষ্টি 180° হলে সম্পূরক কোণ (Supplementary Angle)। এখানে 15°-এর সম্পূরক কোণ হতো 165°। - ৪০. 1 সে.মি., 2 সে.মি., 3 সে.মি. ও 4 সে.মি. দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট্য চারটি রেখাংশ দ্বারা কয়টি ত্রিভুজ অংকন করা যাবে?
- ক. 1
- খ. 2
- গ. 3
- ঘ. 4
উত্তর: ক. 1
ত্রিভুজ গঠনের শর্ত হলো, যেকোনো দুই বাহুর সমষ্টি তৃতীয় বাহুর চেয়ে অবশ্যই বড় হবে। চারটি রেখাংশ থেকে তিনটি করে নিয়ে চারটি জোড় হয়:
(1, 2, 3): 1 + 2 = 3, বড় নয়, তাই ত্রিভুজ হয় না।
(1, 2, 4): 1 + 2 = 3 < 4, হয় না।
(1, 3, 4): 1 + 3 = 4, বড় নয়, হয় না।
(2, 3, 4): 2 + 3 = 5 > 4, ত্রিভুজ হয়।
তাই মাত্র ১টি ত্রিভুজ আঁকা যাবে।
মনে রাখুন: পরীক্ষা করার সময় শুধু ছোট দুই বাহুর যোগফল বড় বাহুর চেয়ে বেশি কি না দেখলেই যথেষ্ট। - ৪১. একটি বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য 8 সে.মি.। ঐ বর্গক্ষেত্রের কর্ণের উপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল কত বর্গ সে.মি.?
- ক. 128
- খ. 130
- গ. 132
- ঘ. 140
উত্তর: ক. 128
বর্গক্ষেত্রের বাহু 8 সেমি হলে কর্ণ = 8√2 সেমি।
কর্ণের ওপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (8√2)² = 64 × 2 = 128 বর্গ সেমি।
মনে রাখুন: কোনো বর্গক্ষেত্রের কর্ণের ওপর আঁকা বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল সবসময় মূল বর্গক্ষেত্রের দ্বিগুণ হয়। এখানে মূল ক্ষেত্রফল 64, তার দ্বিগুণ 128। - ৪২. বৃত্তের কোনো উপচাপে অন্তর্লিখিত কোণটি-
- ক. সূক্ষ্মকোণ
- খ. স্থূলকোণ
- গ. সমকোণ
- ঘ. সরলকোণ
উত্তর: খ. স্থূলকোণ
বৃত্তের ছোট চাপকে উপচাপ (Minor Arc) বলে, আর উপচাপের ভেতরে থাকা বৃত্তাংশটিও ছোট। এমন ছোট বৃত্তাংশে অন্তর্লিখিত কোণ বড় চাপের, অর্থাৎ অধিচাপের, ওপর দাঁড়ায়। অধিচাপের কেন্দ্রস্থ কোণ 180°-এর বেশি, তাই এর অর্ধেক অর্থাৎ বৃত্তস্থ কোণটি 90°-এর বেশি হয়। এ কারণে উপচাপে অন্তর্লিখিত কোণ স্থূলকোণ।
মনে রাখুন:
অধিচাপে অন্তর্লিখিত কোণ সূক্ষ্মকোণ।
অর্ধবৃত্তে অন্তর্লিখিত কোণ সমকোণ। - ৪৩. একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য প্রস্থের দেড়গুণ। ক্ষেত্রফল 216 বর্গমিটার হলে, তার পরিসীমা কত মিটার?
- ক. 20
- খ. 40
- গ. 60
- ঘ. 80
উত্তর: গ. 60
ধরি প্রস্থ x মিটার, তাহলে দৈর্ঘ্য 1.5x মিটার।
ক্ষেত্রফল = 1.5x × x = 1.5x² = 216 ⇒ x² = 144 ⇒ x = 12।
তাই প্রস্থ 12 মিটার এবং দৈর্ঘ্য 18 মিটার।
পরিসীমা = 2(18 + 12) = 60 মিটার।
মনে রাখুন: দৈর্ঘ্য প্রস্থের দেড়গুণ মানে দৈর্ঘ্য : প্রস্থ = 3 : 2। - ৪৪. ক : খ = ৪ : ৫ এবং খ : গ = ৭ : ৮ হলে ক : গ = কত?
- ক. ১ : ২
- খ. ৪ : ৮
- গ. ৭ : ১০
- ঘ. ৫ : ৮
উত্তর: গ. ৭ : ১০
দুটি অনুপাতে খ সাধারণ রাশি, তাই খ-এর মান দুই জায়গায় সমান করে নিলেই ক আর গ-কে তুলনা করা যায়। ক : খ = 4 : 5 এবং খ : গ = 7 : 8, তাই প্রথমটিকে 7 দিয়ে আর দ্বিতীয়টিকে 5 দিয়ে গুণ করি।
ক : খ = 28 : 35, খ : গ = 35 : 40
এখন খ দুই জায়গাতেই 35, ফলে ক : গ = 28 : 40 = 7 : 10।
মনে রাখুন: সংক্ষেপে ক : গ = (ক : খ-এর পূর্বরাশি × খ : গ-এর পূর্বরাশি) : (দুই উত্তররাশির গুণফল), অর্থাৎ (4 × 7) : (5 × 8)।
ইংরেজি
- ৪৫. ‘Pass out’ means-
- ক. die
- খ. faint
- গ. disappear
- ঘ. cross
উত্তর: খ. faint
Pass out একটি phrasal verb, যার সাধারণ অর্থ জ্ঞান হারানো বা অজ্ঞান হয়ে পড়া, অর্থাৎ faint। মজার ব্যাপার হলো, সামরিক বা পুলিশ প্রশিক্ষণ শেষ করে বেরিয়ে আসার অর্থেও pass out ব্যবহার হয়। কিন্তু মারা যাওয়া বোঝাতে আমরা বলি pass away, তাই die এখানে সঠিক নয়।
মনে রাখুন:
Pass away = মারা যাওয়া।
Pass out = অজ্ঞান হওয়া।
Pass by = পাশ দিয়ে যাওয়া। - ৪৬. The police is looking ____ the matter.
- ক. into
- খ. on
- গ. to
- ঘ. at
উত্তর: ক. into
Look into মানে কোনো বিষয় খুঁটিয়ে দেখা বা তদন্ত করা (investigate)। পুলিশ কোনো ঘটনার তদন্ত করছে বোঝাতে তাই look into বসে: The police are looking into the matter. একই look ক্রিয়ার সঙ্গে ভিন্ন preposition বসালে অর্থ পুরো বদলে যায়, এগুলোকে Phrasal verb বলে।
মনে রাখুন:
look for = খোঁজা
look after = দেখাশোনা করা
look at = তাকানো
look down upon = অবজ্ঞা করা
look forward to = অপেক্ষায় থাকা - ৪৭. The Phrase ‘Man of Parts’ means-
- ক. honest
- খ. sincere
- গ. talented
- ঘ. worthless
উত্তর: গ. talented
Man of parts একটি Idiom, এর অর্থ নানা গুণে গুণী বা প্রতিভাবান মানুষ (talented)। এখানে parts শব্দটি অংশ নয়, বরং মানুষের নানা যোগ্যতা ও গুণ বোঝায়।
উদাহরণ: Rabindranath was a man of parts; he was a poet, painter and composer.
মনে রাখুন: Man of letters মানে সাহিত্যিক বা পণ্ডিত, আর Man of straw মানে যার নিজস্ব দৃঢ়তা নেই। - ৪৮. Select the same meaning ___ Pragmatic.
- ক. wasteful
- খ. productive
- গ. practical
- ঘ. fussy
উত্তর: গ. practical
Pragmatic মানে বাস্তববাদী, যে মানুষ তত্ত্বের চেয়ে বাস্তবে কী কাজ করবে সেটি ভেবে সিদ্ধান্ত নেয়, তাই এর সমার্থক Practical। বাকি শব্দগুলোর অর্থ আলাদা: Wasteful মানে অপচয়ী, Productive মানে উৎপাদনশীল আর Fussy মানে খুঁতখুঁতে।
মনে রাখুন: Pragmatic-এর বিপরীত শব্দ Idealistic বা Impractical। - ৪৯. Antonym of ‘Ally’ is-
- ক. friend
- খ. child
- গ. congested
- ঘ. enemy
উত্তর: ঘ. enemy
Ally মানে মিত্র বা সহযোগী, অর্থাৎ যে বিপদে পাশে দাঁড়ায়। এর ঠিক বিপরীত অর্থ শত্রু, তাই Antonym হবে Enemy। Friend শব্দটি Ally-র কাছাকাছি অর্থের, তাই বিপরীত হতে পারে না।
মনে রাখুন: Ally-র আরও দুটি বিপরীত শব্দ Foe ও Adversary, আর সমার্থক শব্দ Supporter ও Partner। - ৫০. Had I the wings of a bird! (make it assertive):
- ক. I wish I had the wings of a bird.
- খ. I had the wings of a bird.
- গ. I should have the wings of a bird.
- ঘ. May I have the wings of a bird.
উত্তর: ক. I wish I had the wings of a bird.
Had I…! ধরনের বাক্য Optative বা ইচ্ছাসূচক বাক্য, এখানে বক্তা এমন কিছু চাইছেন যা বাস্তবে নেই। এ ধরনের অবাস্তব ইচ্ছাকে Assertive করতে I wish বসিয়ে পরের অংশ past tense-এ লিখতে হয়। তাই Had I the wings of a bird! হয়ে যায় I wish I had the wings of a bird.
মনে রাখুন: অতীতের অপূর্ণ ইচ্ছা হলে past perfect বসে, যেমন Had I seen him! = I wish I had seen him. - ৫১. He got ___his illness in two weeks-
- ক. on
- খ. by
- গ. with
- ঘ. over
উত্তর: ঘ. over
Get over মানে অসুখ, দুঃখ বা ধাক্কা কাটিয়ে ওঠা (recover from)। কেউ দুই সপ্তাহে অসুখ থেকে সেরে উঠেছে বোঝাতে তাই বলা হয় He got over his illness in two weeks.
মনে রাখুন:
get on = এগোনো বা মিলেমিশে চলা
get through = পাস করা
get rid of = মুক্তি পাওয়া - ৫২. My uncle arrived while I (cook) the dinner.
- ক. would cook
- খ. had cooked
- গ. cook
- ঘ. was cooking
উত্তর: ঘ. was cooking
অতীতে একটি কাজ চলছিল, এমন সময় আরেকটি ছোট ঘটনা ঘটল, এই অবস্থায় চলতে থাকা কাজটি Past continuous tense-এ আর হঠাৎ ঘটা কাজটি Past indefinite-এ বসে। চাচা এসে পৌঁছানোর সময় রান্না চলছিল, তাই সঠিক রূপ was cooking: My uncle arrived while I was cooking the dinner.
মনে রাখুন: while-এর পরে সাধারণত চলমান কাজ বসে, আর when-এর পরে হঠাৎ ঘটা কাজ বসে। - ৫৩. He advised me (give) smoking.
- ক. giving up
- খ. to give up
- গ. in giving up
- ঘ. from giving up
উত্তর: খ. to give up
‘Advise’ ক্রিয়ার পরে কাউকে (object) উপদেশ দিলে সেই object-এর পরে to-infinitive বসে, এটি advise someone to do something কাঠামো। তাই ‘He advised me to give up smoking’ সঠিক। ‘Giving up’ বা ‘in giving up’ বসালে কাঠামোটি ভুল হয়।
উদাহরণ: The doctor advised him to take rest.
মনে রাখুন: Advise-এর noun রূপ advice (উচ্চারণ ‘অ্যাডভাইস’), আর verb রূপ advise (উচ্চারণ ‘অ্যাডভাইজ’)। - ৫৪. There is ____ tea in the cup.
- ক. very little
- খ. any
- গ. very
- ঘ. many
উত্তর: ক. very little
Tea একটি Uncountable noun, একে গোনা যায় না, শুধু পরিমাণ বোঝানো যায়। পরিমাণ কম বোঝাতে little বসে, আর আরও জোর দিতে very little, তাই বাক্যটি হবে There is very little tea in the cup. Many বসে কেবল গোনা যায় এমন বহুবচন বিশেষ্যের আগে, আর any সাধারণত প্রশ্ন ও না-বোধক বাক্যে বসে।
মনে রাখুন: little মানে প্রায় নেই (না-বোধক ভাব), a little মানে সামান্য কিছু আছে, the little মানে যতটুকু আছে তার সবটুকু। - ৫৫. The old lady cannot help ____ a cup of tea.
- ক. to drink
- খ. take
- গ. to taking
- ঘ. having
উত্তর: ঘ. having
Cannot help মানে না করে পারা যায় না, আর এই phrase-এর পরে সবসময় verb-এর সঙ্গে ing যোগ হয় (Gerund)। তাই বৃদ্ধা মহিলা এক কাপ চা না খেয়ে পারেন না বোঝাতে বলা হয় The old lady cannot help having a cup of tea.
মনে রাখুন: cannot help, would mind, look forward to, with a view to, be used to এই phrase-গুলোর পরে verb + ing বসে। - ৫৬. A true patriot can die ____ his country.
- ক. for
- খ. of
- গ. in
- ঘ. by
উত্তর: ক. for
কোনো উদ্দেশ্য বা কারণের জন্য প্রাণ দেওয়া বোঝাতে die for ব্যবহার হয়, তাই দেশের জন্য প্রাণ দেওয়া হবে die for his country। die-এর সঙ্গে preposition বদলালে মৃত্যুর কারণও বদলে যায়।
মনে রাখুন:
die of = রোগে মারা যাওয়া (die of cholera)
die from = আঘাত বা বাইরের কারণে মারা যাওয়া (die from a wound)
die by = কোনো উপায়ে মারা যাওয়া (die by the sword)
die in = দুর্ঘটনা বা যুদ্ধে মারা যাওয়া - ৫৭. What is lotted cannot be blotted (Active).
- ক. Must be blot we lot
- খ. We cannot blot what we must lot
- গ. We must blot what we cannot lot
- ঘ. We must be blotted what we cannot lot
উত্তর: খ. We cannot blot what we must lot
What is lotted cannot be blotted প্রবাদটির অর্থ কপালের লিখন খণ্ডানো যায় না। বাক্যে দুটি passive অংশ আছে, তাই Active করতে একটি কর্তা (we) বসিয়ে দুই অংশকেই সক্রিয় রূপে আনতে হয়। cannot be blotted হয় we cannot blot, আর is lotted হয় we must lot, ফলে বাক্যটি দাঁড়ায় We cannot blot what we must lot.
মনে রাখুন: Passive থেকে Active করার সময় কর্তা উল্লেখ না থাকলে প্রসঙ্গ বুঝে we, they বা people বসানো হয়। - ৫৮. Lingua Franca means-
- ক. common language
- খ. maiden speech
- গ. second language
- ঘ. mother language
উত্তর: ক. common language
Lingua franca বলতে এমন একটি সাধারণ ভাষা বোঝায়, যা ভিন্ন ভিন্ন মাতৃভাষার মানুষ নিজেদের মধ্যে যোগাযোগের জন্য ব্যবহার করে (common language)। আজকের পৃথিবীতে ইংরেজি এমন একটি lingua franca, কারণ ব্যবসা, বিজ্ঞান ও কূটনীতিতে নানা দেশের মানুষ ইংরেজিতেই কথা বলে।
মনে রাখুন: Maiden speech মানে প্রথম বক্তৃতা, আর Mother tongue মানে মাতৃভাষা। - ৫৯. The work is to be ––– immediately.
- ক. do
- খ. done
- গ. doing
- ঘ. did
উত্তর: খ. done
is to be-এর পরে কাজটি অন্য কেউ করবে এমন passive ভাব বোঝাতে verb-এর Past participle বসে। তাই কাজটি এখনই করতে হবে বোঝাতে বলা হয় The work is to be done immediately. do, doing বা did বসালে বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়।
মনে রাখুন: Infinitive-এর passive রূপ হলো to be + past participle, যেমন The letter is to be posted today. - ৬০. The word ‘Garrulous’ means
- ক. wordless
- খ. talkingless
- গ. speechless
- ঘ. talking too much
উত্তর: ঘ. talking too much
Garrulous মানে বাচাল, অর্থাৎ যে মানুষ বিশেষ দরকার ছাড়াই অনেক বেশি কথা বলে (talking too much)। শব্দটি ল্যাটিন garrire থেকে এসেছে, যার অর্থ বকবক করা।
মনে রাখুন: Garrulous-এর সমার্থক শব্দ Talkative ও Loquacious, আর বিপরীত শব্দ Reticent ও Taciturn (স্বল্পভাষী)। - ৬১. কিছু করার আগে ভালো করে ভেবে নাও।
- ক. Think before you leap.
- খ. Look before you do.
- গ. Think before you do anything.
- ঘ. Look before you leap.
উত্তর: ঘ. Look before you leap.
বাক্যটি একটি উপদেশমূলক ভাবকে প্রকাশ করছে, আর ইংরেজিতে এই ভাবের প্রচলিত প্রবাদ হলো 'Look before you leap'। এর আক্ষরিক অর্থ লাফ দেওয়ার আগে দেখে নাও, অর্থাৎ কিছু করার আগে ভালো করে ভেবে নাও। প্রবাদ বা উপদেশমূলক বাক্যের অনুবাদে প্রচলিত প্রবাদটি ব্যবহার করাই সবচেয়ে উপযুক্ত।
মনে রাখুন:
ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও না = Look before you leap।
অতি লোভে তাঁতি নষ্ট = Grasp all, lose all। - ৬২. What parts of speech is the word ‘Fatherly’?
- ক. adjective
- খ. verb
- গ. adverb
- ঘ. noun
উত্তর: ক. adjective
Fatherly মানে পিতৃসুলভ, শব্দটি father noun-এর সঙ্গে ly যোগে তৈরি এবং এটি কোনো ব্যক্তি বা আচরণের গুণ বোঝায়, তাই এটি Adjective। সাধারণত ly যোগ করলে adverb হয়, কিন্তু noun-এর সঙ্গে ly যুক্ত হলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে adjective তৈরি হয়।
উদাহরণ: He gave me fatherly advice.
মনে রাখুন: friendly, lovely, manly, costly, daily এগুলোও adjective। - ৬৩. Your clock has run –––.
- ক. short
- খ. good
- গ. down
- ঘ. up
উত্তর: গ. down
Run down মানে ঘড়ি বা ব্যাটারির দম বা চার্জ ফুরিয়ে যাওয়া, ফলে ঘড়ি থেমে যায়। তাই Your clock has run down মানে তোমার ঘড়ির দম ফুরিয়ে গেছে।
মনে রাখুন:
run out of = কোনো কিছু শেষ হয়ে যাওয়া
run after = পিছু ধাওয়া করা
run into = হঠাৎ দেখা হওয়া বা ঋণে পড়া - ৬৪. The noun form of approve is-
- ক. approof
- খ. approveness
- গ. approvally
- ঘ. approval
উত্তর: ঘ. approval
Approve একটি verb, এর সঙ্গে al প্রত্যয় যোগ করে noun তৈরি হয় approval, যার অর্থ অনুমোদন। approveness বা approof বলে কোনো শব্দ ইংরেজিতে নেই।
মনে রাখুন: একইভাবে al যোগে noun হয় arrive থেকে arrival, refuse থেকে refusal, deny থেকে denial ও propose থেকে proposal। - ৬৫. লাইনটি কেটে দাও-
- ক. Cut the line.
- খ. Checked the line.
- গ. Give up the line.
- ঘ. Pen through the line.
উত্তর: ঘ. Pen through the line.
কলম দিয়ে কোনো লেখার ওপর দাগ টেনে সেটি বাতিল করা বোঝাতে ইংরেজিতে pen through ব্যবহার হয়, তাই লাইনটি কেটে দাও হবে Pen through the line. Cut the line বললে মনে হয় কাঁচি দিয়ে কাটার কথা বলা হচ্ছে, যা এখানে উদ্দেশ্য নয়।
মনে রাখুন: একই অর্থে Strike out the line বা Cross out the line-ও বলা যায়। - ৬৬. Metro rail is one of the greatest achievements of Bangladesh. Find out the correct sentence.
- ক. Metro rail is a very great achievement of Bangladesh.
- খ. Very few achievements of Bangladesh are as great as Metro rail.
- গ. Metro rail is greater than any other achievement of Bangladesh.
- ঘ. No other achievement of Bangladesh is as great as Metro rail.
উত্তর: খ. Very few achievements of Bangladesh are as great as Metro rail.
one of the greatest দিয়ে Superlative বাক্যকে Positive degree-তে নিতে Very few … as great as কাঠামো ব্যবহার হয়। মেট্রো রেল বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অর্জনগুলোর একটি, অর্থাৎ খুব কম অর্জনই এর সমান বড়, তাই বাক্যটি হয় Very few achievements of Bangladesh are as great as Metro rail. No other … as great as বা greater than any other বসালে মেট্রো রেলকে একমাত্র সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন বলা হয়ে যায়, ফলে অর্থ বদলে যায়।
মনে রাখুন: one of the + superlative থেকে comparative করতে লিখতে হয় greater than most other …। - ৬৭. The synonym of ‘Franchise’ is-
- ক. charter
- খ. license
- গ. privilege
- ঘ. all of the above
উত্তর: ঘ. all of the above
Franchise শব্দের মূল অর্থ সরকার বা কর্তৃপক্ষের দেওয়া কোনো বিশেষ অধিকার। এই অধিকার কখনো সনদ হিসেবে আসে (charter), কখনো ব্যবসা চালানোর অনুমতি হিসেবে (license), আবার কখনো বিশেষ সুবিধা হিসেবে (privilege), তাই তিনটি শব্দই এর সমার্থক। ভোটাধিকার বোঝাতেও franchise শব্দটি ব্যবহার হয়।
মনে রাখুন: Universal adult franchise মানে সর্বজনীন প্রাপ্তবয়স্ক ভোটাধিকার। - ৬৮. Choose the direct speech of the sentence: She told me to stand up.
- ক. She said, “Do stand up”
- খ. She told, “Stand up”
- গ. She said me, “Stand up”
- ঘ. She said to me, “Stand up”
উত্তর: ঘ. She said to me, “Stand up”
Indirect speech-এ told + object + to + verb থাকলে সেটি আদেশ, অনুরোধ বা উপদেশসূচক বাক্য। Direct speech-এ এর রূপ হয় said to + object, তারপর quotation-এর ভেতরে মূল আদেশ। তাই reporting verb told বদলে said to হয়, আর to বাদ দিয়ে verb-এর মূল রূপ quotation-এ বসে। আমরা ‘She told me to stand up’ বাক্যের direct রূপ পাই: She said to me, "Stand up."
উদাহরণ:
He told me to go. → He said to me, "Go."
She requested me to help. → She said to me, "Please help."
মনে রাখুন: ‘Said me’ বা ‘told, ...’ ভুল গঠন, কারণ say-এর পরে সরাসরি object বসে না, বসে to। - ৬৯. He said that he ––– the previous day.
- ক. has come
- খ. came
- গ. arrived
- ঘ. had come
উত্তর: ঘ. had come
‘The previous day’ বা ‘the day before’ বোঝায় যে ঘটনাটি ছিল বক্তা যে সময়ে কথা বলছেন, তার আগে। পরোক্ষ উক্তিতে এমন ক্ষেত্রে সরল অতীত পরিবর্তিত হয়ে past perfect হয়। তাই ‘He said that he had come the previous day’ ঠিক। এখানে ‘has come’ present perfect, যা অতীতের সময়ের সঙ্গে মেলে না, আর ‘came’ বা ‘arrived’ কালের পরিবর্তনের নিয়ম মানে না।
মনে রাখুন: পরোক্ষ উক্তিতে yesterday হয় the previous day, tomorrow হয় the next day, now হয় then। - ৯০. “A bolt from the blue”- বাক্যটির সঠিক বাংলা অনুবাদ কোনটি?
- ক. যতো গর্জে ততো বর্ষে না
- খ. গরিবের ঘোড়া রোগ
- গ. বিনা মেঘে বজ্রপাত
- ঘ. অতিলোভে তাতি নষ্ট
উত্তর: গ. বিনা মেঘে বজ্রপাত
A bolt from the blue বলতে বোঝায় একেবারে অপ্রত্যাশিত, হঠাৎ আসা কোনো দুঃসংবাদ বা ঘটনা। পরিষ্কার নীল আকাশ থেকে হঠাৎ বজ্রপাতের চিত্র থেকেই কথাটির জন্ম, তাই এর বাংলা বিনা মেঘে বজ্রপাত।
মনে রাখুন:
যত গর্জে তত বর্ষে না = Barking dogs seldom bite
গরিবের ঘোড়া রোগ = Beggar's bounty / A beggar's wish
অতি লোভে তাঁতি নষ্ট = Grasp all, lose all
বাংলা
- ৭০. কোনটি চলিত ভাষার নিজস্ব বিশেষ বৈশিষ্ট্য?
- ক. তৎসম শব্দের বহুলতা
- খ. তদ্ভব শব্দের বহুলতা
- গ. প্রাচীনতা
- ঘ. অমার্জিততা
উত্তর: খ. তদ্ভব শব্দের বহুলতা
চলিত ভাষা মুখের ভাষার কাছাকাছি, তাই এতে সংস্কৃত থেকে বদলে আসা সহজ তদ্ভব শব্দের ব্যবহার বেশি। অন্যদিকে সাধু ভাষায় তৎসম শব্দের বহুলতা দেখা যায়, আর সাধু ভাষাই বেশি প্রাচীন। চলিত ভাষা পরিবর্তনশীল ও সংক্ষিপ্ত, এবং এতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদও ছোট রূপে বসে।
উদাহরণ: সাধু: তাহারা করিয়াছিল। চলিত: তারা করেছিল।
মনে রাখুন: চলিত ভাষার আদর্শ ধরা হয় ভাগীরথী তীরবর্তী অঞ্চলের মুখের ভাষাকে। - ৭১. ‘Book Post’ এর পারিভাষিক রূপ কোনটি?
- ক. ডাকঘর
- খ. খোলা ডাক
- গ. উপবিধি
- ঘ. লেখস্বত্ব
উত্তর: খ. খোলা ডাক
Book Post হলো খাম বন্ধ না করে খোলা অবস্থায় বই, পত্রিকা বা ছাপা কাগজ কম মাশুলে পাঠানোর একটি ডাকব্যবস্থা। তাই এর বাংলা পারিভাষিক শব্দ (Technical term) খোলা ডাক। সরকারি কাজে ব্যবহারের জন্য বাংলা একাডেমি এমন অনেক পারিভাষিক শব্দ নির্ধারণ করেছে।
মনে রাখুন:
Post office: ডাকঘর
By-law: উপবিধি
Copyright: লেখস্বত্ব - ৭২. ‘পেয়ারা’ কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ?
- ক. হিন্দি
- খ. উর্দু
- গ. পর্তুগিজ
- ঘ. গ্রিক
উত্তর: গ. পর্তুগিজ
‘পেয়ারা’ শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। ষোড়শ শতকে পর্তুগিজরা ভারতীয় উপমহাদেশে এলে ফল, খাবার ও দৈনন্দিন জিনিসের অনেক নাম আমাদের ভাষায় ঢুকে পড়ে।
মনে রাখুন:
পর্তুগিজ শব্দ: পাউরুটি, পেঁপে, আনারস, কামরা, বালতি, আলমারি।
হিন্দি শব্দ: খানা, পানি।
গ্রিক শব্দ: কেন্দ্র, দাম। - ৭৩. যে সমাসে সমস্যমান প্রত্যেকটি পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে তাকে কোন সমাস বলে?
- ক. দ্বন্দ্ব
- খ. দ্বিগু
- গ. তৎপুরুষ
- ঘ. বহুব্রীহি
উত্তর: ক. দ্বন্দ্ব
দ্বন্দ্ব সমাসে (Copulative compound) যুক্ত হওয়া প্রতিটি পদই সমান গুরুত্ব পায়, কোনো পদ অন্যটির অধীন নয়। মা-বাবা বললে মা ও বাবা দুজনকেই সমানভাবে বোঝায়, তাই এখানে উভয় পদের অর্থ প্রধান। তৎপুরুষে পরপদ, কর্মধারয়ে পরপদ আর বহুব্রীহিতে অন্য একটি পদের অর্থ প্রধান হয়।
উদাহরণ: মা ও বাবা = মা-বাবা, দিন ও রাত = দিনরাত। - ৭৪. নিচের কোনটি তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ?
- ক. হাত + ল = হাতল
- খ. চল্ + অন্ত = চলন্ত
- গ. রাধ্ + না = রান্না
- ঘ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. হাত + ল = হাতল
তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত হয় নাম শব্দ বা বিশেষ্যের সঙ্গে, আর কৃৎ প্রত্যয় যুক্ত হয় ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে। হাত একটি বিশেষ্য, এর সঙ্গে ল প্রত্যয় যোগে হাতল হয়েছে, তাই এটি তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ। অন্যদিকে চল্ ও রাধ্ ধাতু, তাই চলন্ত ও রান্না কৃৎ প্রত্যয়ে গঠিত।
মনে রাখুন: ধাতুর আগে সাধারণত √ চিহ্ন দেওয়া হয়, যেমন √চল্ + অন্ত = চলন্ত। - ৭৫. বাংলা ভাষার যতি বা ছেদ চিহ্ন মোট কয়টি?
- ক. ৯টি
- খ. ১০টি
- গ. ১১টি
- ঘ. ১২টি
উত্তর: ঘ. ১২টি
লেখায় বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করতে এবং পড়ার সময় কোথায় কতটুকু থামতে হবে তা বোঝাতে যতি বা ছেদ চিহ্ন (Punctuation) ব্যবহার করা হয়। প্রচলিত ব্যাকরণে বাংলায় এমন চিহ্ন ১২টি ধরা হয়।
মনে রাখুন: চিহ্নগুলো হলো কমা, সেমিকোলন, দাঁড়ি, প্রশ্নচিহ্ন, বিস্ময়চিহ্ন, কোলন, ড্যাশ, কোলন-ড্যাশ, হাইফেন, ইলেক বা লোপচিহ্ন, উদ্ধৃতিচিহ্ন ও বন্ধনী।
দাঁড়িতে থামতে হয় ১ সেকেন্ড, আর কমায় ১ বলতে যে সময় লাগে ততটুকু। - ৭৬. ‘নদের চাঁদ’ বাগধারাটির অর্থ কী?
- ক. অতি আকাঙ্কিত বন্ধু
- খ. অহমিকাপূর্ণ নির্গুণ ব্যক্তি
- গ. অদৃষ্টের পরিহাস
- ঘ. বিশেষ সম্মানিত ব্যক্তি
উত্তর: খ. অহমিকাপূর্ণ নির্গুণ ব্যক্তি
‘নদের চাঁদ’ বাগধারাটি দিয়ে বোঝানো হয় এমন মানুষকে, যার গুণ বলতে কিছু নেই কিন্তু অহংকার ষোলো আনা। নদীয়ার চাঁদ নিমাই বা চৈতন্যদেবের সঙ্গে তুলনা করে ব্যঙ্গ করে কথাটি বলা হয়।
মনে রাখুন:
অকালকুষ্মাণ্ড = অপদার্থ
কাকতালীয় = দৈবাৎ মিলে যাওয়া ঘটনা
গোবর গণেশ = মূর্খ - ৭৭. ‘যার কোনো মূল্য নেই’- সমার্থক বাগধারা কোনটি?
- ক. ডাকাবুকো
- খ. তুলসী বনের বাঘ
- গ. কাঠের পুতুল
- ঘ. ঢাকের বায়া
উত্তর: ঘ. ঢাকের বায়া
ঢাক বাজানোর সময় ডান হাতের কাঠিই আসল শব্দ তোলে, বাঁ পাশের বায়ার তেমন কোনো ভূমিকা থাকে না। এখান থেকেই ‘ঢাকের বায়া’ বাগধারাটির অর্থ দাঁড়িয়েছে মূল্যহীন বা অপ্রয়োজনীয় ব্যক্তি বা বস্তু।
মনে রাখুন:
ডাকাবুকো = নির্ভীক বা দুঃসাহসী
তুলসী বনের বাঘ = ভণ্ড
কাঠের পুতুল = নিজের ইচ্ছাশক্তিহীন ব্যক্তি - ৭৮. কোন বানানটি শুদ্ধ?
- ক. শ্রদ্ধাঞ্জলী
- খ. দারিদ্রতা
- গ. বৈশিষ্ট
- ঘ. উপর্যুক্ত
উত্তর: ঘ. উপর্যুক্ত
উপরি + উক্ত সন্ধিতে ই-কারের পরে ভিন্ন স্বর আসায় ই বদলে য হয়, তাই শব্দটি উপর্যুক্ত। বাকি বানানগুলোর শুদ্ধ রূপ হলো শ্রদ্ধাঞ্জলি, দারিদ্র্য বা দরিদ্রতা এবং বৈশিষ্ট্য।
মনে রাখুন: দারিদ্র্য শব্দে আগেই ষ্ণ্য প্রত্যয়ের ভাব আছে, তাই এর সঙ্গে আবার তা যোগ করে দারিদ্রতা লেখা ভুল। - ৭৯. অনুবাদ কত প্রকার?
- ক. ২ প্রকার
- খ. ৩ প্রকার
- গ. ৪ প্রকার
- ঘ. ৫ প্রকার
উত্তর: ক. ২ প্রকার
এক ভাষার লেখাকে আরেক ভাষায় রূপ দেওয়াকে অনুবাদ (Translation) বলে। অনুবাদ প্রধানত দুই প্রকার: আক্ষরিক অনুবাদ ও ভাবানুবাদ। আক্ষরিক অনুবাদে মূল লেখার শব্দ ও বাক্যগঠন যতটা সম্ভব হুবহু রাখা হয়, আর ভাবানুবাদে শব্দ ধরে না গিয়ে মূল ভাবটি নতুন ভাষার স্বাভাবিক ঢঙে প্রকাশ করা হয়।
মনে রাখুন: সাহিত্যের অনুবাদে সাধারণত ভাবানুবাদই বেশি সফল হয়, কারণ প্রতিটি ভাষার বাগধারা ও প্রকাশভঙ্গি আলাদা। - ৮০. ‘চলচ্চিত্র’ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
- ক. চলৎ + চিত্র
- খ. চল + চিত্র
- গ. চলন্ত + চিত্র
- ঘ. চলিত + চিত্র
উত্তর: ক. চলৎ + চিত্র
চলচ্চিত্র শব্দটি চলৎ + চিত্র মিলে তৈরি, এটি ব্যঞ্জনসন্ধি। ৎ-এর পরে চ এলে ৎ বদলে চ হয়, তাই চলৎ + চিত্র = চলচ্চিত্র।
মনে রাখুন: একই নিয়মে সৎ + চিন্তা = সচ্চিন্তা, উৎ + চারণ = উচ্চারণ এবং শরৎ + চন্দ্র = শরচ্চন্দ্র। - ৮১. সন্ধির প্রধান সুবিধা কী?
- ক. লেখার সুবিধা
- খ. উচ্চারণের সুবিধা
- গ. পড়ার সুবিধা
- ঘ. শুনার সুবিধা
উত্তর: খ. উচ্চারণের সুবিধা
পাশাপাশি দুটি ধ্বনি মিলে যখন একটি নতুন ধ্বনি তৈরি হয়, তাকে সন্ধি (Euphonic combination) বলে। এর মূল উদ্দেশ্য উচ্চারণ সহজ ও শ্রুতিমধুর করা। যেমন হিম + আলয় আলাদা উচ্চারণের চেয়ে হিমালয় বলা সহজ ও সুন্দর।
মনে রাখুন: সন্ধিতে ধ্বনির মিলন হয়, আর সমাসে পদের মিলন হয়। - ৮২. ‘পুকুরে মাছ আছে’- এখানে পুকুর কোন কারক?
- ক. কর্ম কারক
- খ. অপাদান কারক
- গ. সম্প্রদান কারক
- ঘ. অধিকরণ কারক
উত্তর: ঘ. অধিকরণ কারক
ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার স্থান, কাল বা বিষয়কে অধিকরণ কারক বলে। মাছ কোথায় আছে প্রশ্ন করলে উত্তর আসে পুকুরে, অর্থাৎ পুকুর এখানে আধার বা স্থান, তাই এটি অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি (এ)।
মনে রাখুন: অধিকরণ তিন রকম: আধারাধিকরণ (স্থান), কালাধিকরণ (সময়) ও ভাবাধিকরণ।
উদাহরণ: প্রভাতে সূর্য ওঠে (কালাধিকরণ)। - ৮৩. ‘ডাক্তার ডাক’- কোন কারকে কোন বিভক্তি?
- ক. কর্তৃ কারকে শূন্য বিভক্তি
- খ. কর্ম কারকে শূন্য বিভক্তি
- গ. করণ কারকে শূন্য বিভক্তি
- ঘ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. কর্ম কারকে শূন্য বিভক্তি
বাক্যের কর্তা যাকে আশ্রয় করে কাজ করে, তাকে কর্ম কারক বলে। ‘ডাক্তার ডাক’ বাক্যে কাকে ডাকতে বলা হচ্ছে প্রশ্ন করলে উত্তর ডাক্তার, তাই এটি কর্ম কারক। ডাক্তার শব্দের সঙ্গে কোনো বিভক্তি দেখা যাচ্ছে না, তাই বিভক্তি শূন্য।
মনে রাখুন: অপ্রাণীবাচক ও ইতর প্রাণীবাচক কর্মে সাধারণত বিভক্তি লোপ পায়, যেমন বই পড়, গরু কিনেছি। - ৮৪. নিচের কোনটি নিত্য সমাস?
- ক. পঞ্চনদ
- খ. বেয়াদব
- গ. দেশান্তর
- ঘ. ভালমন্দ
উত্তর: গ. দেশান্তর
যে সমাসের সমস্যমান পদগুলো দিয়ে ব্যাসবাক্য তৈরি করা যায় না, বরং অন্য শব্দের সাহায্যে অর্থ বোঝাতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে। দেশান্তর শব্দের ব্যাসবাক্য অন্য দেশ, এখানে মূল শব্দ দুটি দিয়ে বিগ্রহ হয় না, তাই এটি নিত্য সমাস। পঞ্চনদ দ্বিগু, বেয়াদব নঞ্ বহুব্রীহি আর ভালমন্দ দ্বন্দ্ব সমাস।
মনে রাখুন: নিত্য সমাসের আরও উদাহরণ: গ্রামান্তর (অন্য গ্রাম), কেবল তা = তন্মাত্র, অন্য যুগ = যুগান্তর। - ৮৫. পৃথিবীর সমার্থক শব্দ কোনটি?
- ক. অচল
- খ. অদ্রি
- গ. কনক
- ঘ. অবনী
উত্তর: ঘ. অবনী
অবনী শব্দের অর্থ পৃথিবী বা ভূমি, তাই এটি পৃথিবীর সমার্থক শব্দ। অন্য শব্দগুলোর অর্থ আলাদা: অচল ও অদ্রি মানে পর্বত, আর কনক মানে সোনা।
মনে রাখুন: পৃথিবীর আরও সমার্থক শব্দ ধরা, ধরিত্রী, বসুধা, বসুন্ধরা, মেদিনী, ক্ষিতি ও পৃথ্বী। - ৮৬. ‘কৌমুদী’ শব্দের প্রতিশব্দ হলো-
- ক. চাঁদ
- খ. জ্যোৎস্না
- গ. পদ্মফুল
- ঘ. মুকুল
উত্তর: খ. জ্যোৎস্না
কৌমুদী শব্দের অর্থ চাঁদের আলো বা জ্যোৎস্না। শব্দটি কুমুদ ফুল থেকে এসেছে, কারণ কুমুদ বা শাপলা চাঁদের আলোয় ফোটে বলে ধরা হয়।
মনে রাখুন: জ্যোৎস্নার আরও প্রতিশব্দ চন্দ্রিকা, চন্দ্রালোক ও চন্দ্রিমা, আর চাঁদের প্রতিশব্দ শশী, সুধাংশু, হিমাংশু ও ইন্দু। - ৮৭. ‘যা বলা হয়নি’- এক কথায় তাকে কী বলে?
- ক. অকথ্য
- খ. অনুক্ত
- গ. নির্বাক
- ঘ. মুক
উত্তর: খ. অনুক্ত
উক্ত মানে বলা হয়েছে এমন, এর আগে না-বোধক অ যোগ করলে অনুক্ত, অর্থাৎ যা বলা হয়নি। অকথ্য মানে যা মুখে আনা যায় না বা বলার অযোগ্য, তাই দুটির অর্থ আলাদা।
মনে রাখুন:
যা বলা উচিত নয় = অবাচ্য
যা কখনো শোনা যায়নি = অশ্রুতপূর্ব
যে কথা বলতে পারে না = মূক - ৮৮. ‘চন্দ্র’ এর বিশেষণ রূপ কোনটি?
- ক. চান্দ্র
- খ. চাঁদ
- গ. চন্দ্রা
- ঘ. চান্দ্রা
উত্তর: ক. চান্দ্র
বিশেষ্যের প্রথম স্বর বৃদ্ধি পেয়ে অর্থাৎ অ বদলে আ হয়ে অনেক তৎসম বিশেষণ তৈরি হয়। চন্দ্র থেকে এভাবে হয় চান্দ্র, যার অর্থ চাঁদ সম্পর্কিত, যেমন চান্দ্র মাস।
মনে রাখুন: একই নিয়মে সূর্য থেকে সৌর, মন থেকে মানস ও দেহ থেকে দৈহিক। - ৮৯. কোন অব্যয় বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের পরে যুক্ত হয়ে বিভক্তির কাজ করে?
- ক. সংযোজক
- খ. সমুচ্চয়ী
- গ. অনুকার
- ঘ. অনুসর্গ
উত্তর: ঘ. অনুসর্গ
অনুসর্গ (Post-position) এমন অব্যয়, যা বিশেষ্য বা সর্বনামের পরে আলাদা শব্দ হিসেবে বসে বিভক্তির মতো কাজ করে এবং পদের সঙ্গে বাক্যের সম্পর্ক তৈরি করে। যেমন ‘ছুরি দিয়ে কাটা’ বাক্যে দিয়ে শব্দটি করণ কারকের বিভক্তির কাজ করছে।
মনে রাখুন: অনুসর্গকে কর্মপ্রবচনীয় বা পরসর্গও বলে, আর এর উদাহরণ দ্বারা, দিয়ে, কর্তৃক, থেকে, চেয়ে, জন্য। - ৯১. ‘আমি’ শব্দটি কোন লিঙ্গ?
- ক. পুংলিঙ্গ
- খ. স্ত্রী লিঙ্গ
- গ. ক্লীব লিঙ্গ
- ঘ. উভয় লিঙ্গ
উত্তর: ঘ. উভয় লিঙ্গ
যে শব্দ দিয়ে পুরুষ ও স্ত্রী দুই জাতিকেই বোঝানো যায়, তাকে উভয় লিঙ্গ বলে। আমি শব্দটি একজন পুরুষ বললেও বসে, নারী বললেও বসে, তাই এটি উভয় লিঙ্গ। সন্তান, শিশু, শিক্ষার্থী ও মানুষ শব্দগুলোও একই কারণে উভয় লিঙ্গ।
মনে রাখুন: যে শব্দে পুরুষ বা স্ত্রী কোনোটিই বোঝায় না, যেমন বই, কলম, তাকে ক্লীব লিঙ্গ বলে। - ৯২. ‘শীকর’ শব্দের অর্থ-
- ক. গাছের মূল
- খ. মেনে নেয়া
- গ. জলকণা
- ঘ. রাজত্ব
উত্তর: গ. জলকণা
শীকর শব্দের অর্থ জলকণা বা বৃষ্টির ফোঁটার মতো ছিটে আসা পানি। শব্দটি তৎসম এবং সাধারণত কবিতা ও সাহিত্যে বেশি ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখুন: শীকর আর শিকড় এক নয়, গাছের মূলকে বলে শিকড়।
জলের সমার্থক শব্দ নীর, বারি, সলিল, অম্বু ও পয়ঃ। - ৯৩. কোনটির আগে স্ত্রীবাচক শব্দ যুক্ত করে লিঙ্গান্তর করতে হয়?
- ক. নেতা
- খ. কবি
- গ. দাতা
- ঘ. বাদশাহ
উত্তর: খ. কবি
কিছু শব্দের আলাদা কোনো স্ত্রীবাচক রূপ নেই। এসব শব্দের লিঙ্গান্তর করতে আগে 'মহিলা' বা 'নারী' জাতীয় স্ত্রীবাচক শব্দ জুড়ে দিতে হয়, তাই কবি থেকে হয় মহিলা কবি। অন্যদিকে নেতা থেকে নেত্রী, দাতা থেকে দাত্রী এবং বাদশাহ থেকে বেগম, এদের নিজস্ব স্ত্রীবাচক রূপ আছে।
মনে রাখুন: একইভাবে স্ত্রীবাচক শব্দ জুড়ে লিঙ্গান্তর হয়: ডাক্তার > মহিলা ডাক্তার, সভ্য > মহিলা সভ্য, শিল্পী > মহিলা শিল্পী। - ৯৪. দুটি সমবর্ণের একটি পরিবর্তনকে কী বলে?
- ক. অপগত
- খ. পরাগত
- গ. সমীভবন
- ঘ. বিষমীভবন
উত্তর: ঘ. বিষমীভবন
দুটি একই ধ্বনি পাশাপাশি থাকলে উচ্চারণে একঘেয়ে লাগে, তাই একটি ধ্বনি বদলে যায়, এই ধ্বনি পরিবর্তনকে বিষমীভবন (Dissimilation) বলে। যেমন শরীর থেকে শরীল, লাল থেকে নাল। এর উল্টো প্রক্রিয়া হলো সমীভবন, যেখানে দুটি ভিন্ন ধ্বনি একই রকম হয়ে যায়।
উদাহরণ: সমীভবন: জন্ম > জম্ম, পদ্ম > পদ্দ।
এনটিআরসিএ: অন্যান্য পরীক্ষা
- এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৫
- এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৫
- এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৫
- এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৬
- এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৬
- এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৬
- এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৭
- এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৭
- এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৭
- এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০২২
- এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০২২
- এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০২২
- এনটিআরসিএ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০২৪
- এনটিআরসিএ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০২৪
- এনটিআরসিএ ৮ম প্রতিষ্ঠান প্রধান নিবন্ধন (প্রধান শিক্ষক) পরীক্ষা ২০২৬
- এনটিআরসিএ ৮ম প্রতিষ্ঠান প্রধান নিবন্ধন (অধ্যক্ষ) পরীক্ষা ২০২৬
- এনটিআরসিএ ৮ম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১২
- এনটিআরসিএ ৮ম প্রতিষ্ঠান প্রধান নিবন্ধন (সুপার, দাখিল মাদ্রাসা) পরীক্ষা ২০২৬
- এনটিআরসিএ ৯ম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৩
আরও শিক্ষক নিয়োগ ও নিবন্ধন পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ১৪৯১) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ২৫৯৪) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ৩৬৯৭) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ২৮১৫) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৪০২১) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৫১২৪) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৮৪৩৩) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ; ১২ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২০১৪ সালের স্থগিত পরীক্ষা, ১৪ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২০১৪ সালের স্থগিত পরীক্ষা, ১৫ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২০১৪ সালের স্থগিত পরীক্ষা, ২০ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (বরিশাল বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (চট্টগ্রাম বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (ঢাকা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (খুলনা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (রাজশাহী বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (সিলেট বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (চট্টগ্রাম বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (ঢাকা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (খুলনা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (পিইডিপি-২) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (রাজশাহী বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (সিলেট বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (বরিশাল বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৭
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন