এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৭: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ২৫ আগস্ট ২০১৭। ৯৪টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →- বাংলা (২২)
- ইংরেজি (২৫)
- গণিত (২২)
- সাধারণ জ্ঞান (৩)
- বাংলাদেশ (১১)
- বিজ্ঞান (৬)
- আন্তর্জাতিক (৩)
- কম্পিউটার ও আইসিটি (১)
- ব্যাংকিং ও অর্থনীতি (১)
বাংলা
- ১. ‘বাংলা ভাষার উদ্ভব ও বিকাশ’ গ্রন্থের রচয়িতার নাম-
- ক. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- খ. বিদ্যাপতি
- গ. ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
- ঘ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
উত্তর: গ. ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
‘বাংলা ভাষার উদ্ভব ও বিকাশ’ (The Origin and Development of the Bengali Language) গ্রন্থটি লিখেছেন ভাষাবিজ্ঞানী ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়। ১৯২৬ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থে তিনি বাংলা ভাষার জন্ম থেকে বিকাশ পর্যন্ত ইতিহাস বৈজ্ঞানিকভাবে বিশ্লেষণ করেন, আর এটি ভাষাতত্ত্বের একটি ক্লাসিক গ্রন্থ হিসেবে পরিচিত। গ্রন্থটি সংক্ষেপে ODBL নামেও পরিচিত।
মনে রাখুন: সুনীতিকুমারের মতে বাংলা ভাষার জন্ম মাগধী প্রাকৃত থেকে, দশম শতকে। - ২. বাংলা সাহিত্য চতুর্দশপদী কবিতা বা সনেটের প্রবর্তক কে?
- ক. প্যারীচাঁদ মিত্র
- খ. মোহিতালাল মজুমদার
- গ. বিহারীলাল চক্রবর্তী
- ঘ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
উত্তর: ঘ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ইতালীয় কবি পেত্রার্কের ধাঁচে চৌদ্দ চরণের কবিতা বা সনেট (Sonnet) বাংলায় প্রথম লেখেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। তিনি এর নাম দেন চতুর্দশপদী কবিতা, আর ১৮৬৬ সালে তাঁর ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’ প্রকাশিত হয়। ফ্রান্সের ভার্সাই নগরে থাকার সময় তিনি এই কবিতাগুলো লেখেন।
মনে রাখুন: মধুসূদন বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দেরও প্রবর্তক, আর এই ছন্দে লেখা তাঁর মহাকাব্য ‘মেঘনাদবধ কাব্য’। - ৩. ‘চর্যাপদ’ আবিষ্কৃত হয় কত সালে?
- ক. ১৯০৯
- খ. ১৭৯৮
- গ. ১৯০৭
- ঘ. ১৭০৯
উত্তর: গ. ১৯০৭
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ ১৯০৭ সালে আবিষ্কৃত হয়। মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে পুঁথিটি খুঁজে পান, আর ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ‘হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা’ নামে এটি প্রকাশিত হয়।
মনে রাখুন:
চর্যাপদ বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের রচনা, পদকর্তা ২৪ জন।
সবচেয়ে বেশি পদ লিখেছেন কাহ্নপা।
চর্যাপদের ভাষাকে ‘সন্ধ্যাভাষা’ বলা হয়। - ৪. ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ কী ধরনের রচনা?
- ক. ছোটগল্প
- খ. কাব্যনাটক
- গ. উপন্যাস
- ঘ. পত্রপন্যাস
উত্তর: খ. কাব্যনাটক
যে নাটকের সংলাপ গদ্যে না লিখে কবিতার ছন্দে লেখা হয়, তাকে কাব্যনাটক (Verse drama) বলে। সৈয়দ শামসুল হকের ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা এমনই একটি কাব্যনাটক, যেখানে একটি গ্রামের মানুষের মুক্তিযুদ্ধে জেগে ওঠার কাহিনি আছে।
মনে রাখুন:
সৈয়দ শামসুল হকের আরেকটি বিখ্যাত কাব্যনাটক ‘নূরলদীনের সারাজীবন’।
তাঁকে ‘সব্যসাচী লেখক’ বলা হয়। - ৫. বাংলা গদ্যের জনক বলা হয় কাকে?
- ক. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গ. প্যারীচাঁদ মিত্র
- ঘ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
উত্তর: ক. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যে প্রথম যতিচিহ্নের সুষ্ঠু ব্যবহার করেন এবং বাক্যকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করে সুন্দর ছন্দ বা গতি আনেন। এর ফলে বাংলা গদ্য কেবল কাজের ভাষা না থেকে সাহিত্যের ভাষা হয়ে ওঠে, তাই তাঁকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়।
মনে রাখুন:
বিদ্যাসাগরের রচনা: বেতাল পঞ্চবিংশতি, শকুন্তলা, সীতার বনবাস।
প্যারীচাঁদ মিত্রের ‘আলালের ঘরের দুলাল’ বাংলা ভাষার প্রথম উপন্যাস হিসেবে পরিচিত। - ৬. তাসের ঘর- শব্দের অর্থ কী?
- ক. সর্বনাশ
- খ. তামাশা
- গ. ক্ষণস্থায়ী
- ঘ. ভন্ড
উত্তর: গ. ক্ষণস্থায়ী
তাস দিয়ে ঘর বানালে সামান্য বাতাস বা ছোঁয়াতেই তা ভেঙে পড়ে। এই ছবি থেকেই ‘তাসের ঘর’ বাগধারাটি এসেছে, যার অর্থ ক্ষণস্থায়ী বা সহজে ভেঙে পড়ার মতো কিছু।
উদাহরণ: মিথ্যার ওপর গড়া সম্পর্ক তাসের ঘরের মতোই ভেঙে যায়।
মনে রাখুন:
বালির বাঁধ: ক্ষণস্থায়ী।
ভিজে বিড়াল: কপটচারী, ভণ্ড। - ৭. কমা (Comma)- এর বাংলা কী?
- ক. পূর্ণচ্ছেদ
- খ. দৃষ্টান্তছেদ
- গ. পাদচ্ছেদ
- ঘ. অর্ধচ্ছেদ
উত্তর: গ. পাদচ্ছেদ
বাক্যের মধ্যে অল্প সময় থামার জন্য যে চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাকে কমা (Comma) বলে, আর বাংলায় এর নাম পাদচ্ছেদ। কমায় থামতে হয় মোটামুটি ‘এক’ বলতে যতক্ষণ লাগে, ততক্ষণ।
মনে রাখুন:
দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ (।): বাক্যের শেষে বসে।
সেমিকোলন (;): এর বাংলা নাম অর্ধচ্ছেদ।
কোলন (:): এর বাংলা নাম দৃষ্টান্তছেদ। - ৮. কোনটি নিত্য সমাসের উদাহরণ?
- ক. অন্যগৃহ
- খ. মিলের অভাব
- গ. স্ত্রী’র অভাব
- ঘ. প্রকৃষ্ট গতি
উত্তর: ক. অন্যগৃহ
যে সমাসে সমস্যমান পদগুলো সবসময় সমাসবদ্ধ থাকে এবং ব্যাসবাক্য করতে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে। ‘অন্য গৃহ’ থেকে গঠিত সমস্তপদ ‘গৃহান্তর’, যার ব্যাসবাক্যে ‘অন্তর’ শব্দের বদলে ‘অন্য’ শব্দ ব্যবহার করতে হয়, তাই এটি নিত্য সমাসের উদাহরণ। অন্যদিকে ‘মিলের অভাব’ থেকে ‘গরমিল’ আর ‘স্ত্রীর অভাব’ থেকে ‘বিপত্নীক’ জাতীয় শব্দ হয়, আর ‘প্রকৃষ্ট গতি’ থেকে হয় ‘প্রগতি’, যা প্রাদি সমাস।
উদাহরণ:
অন্য দেশ = দেশান্তর, অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর, কেবল দর্শন = দর্শনমাত্র। - ৯. ‘অগ্নি’ এর সমার্থক শব্দ নয় কোনটি?
- ক. হুতাশন
- খ. কৃশানু
- গ. বায়ুসখা
- ঘ. দ্যুতি
উত্তর: ঘ. দ্যুতি
‘দ্যুতি’ শব্দের অর্থ আলো, দীপ্তি বা উজ্জ্বলতা, তাই এটি অগ্নির সমার্থক শব্দ নয়। অন্য তিনটি শব্দই আগুনের প্রতিশব্দ। ‘হুতাশন’ মানে যে যজ্ঞের হবি গ্রহণ করে, ‘কৃশানু’ আগুনের একটি প্রাচীন নাম, আর বাতাস আগুনকে বাড়িয়ে তোলে বলে আগুনকে ‘বায়ুসখা’ বলা হয়।
মনে রাখুন:
আগুনের প্রতিশব্দ: অনল, পাবক, বহ্নি, হুতাশন, কৃশানু, বৈশ্বানর, বায়ুসখা, সর্বশুচি।
বাতাসের প্রতিশব্দ: অনিল, সমীরণ, পবন, মারুত। - ১০. “ধুমকেতু” পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?
- ক. বুদ্ধদেব বসু
- খ. শামসুর রহমান
- গ. কাজী নজরুল ইসলাম
- ঘ. শওকত ওসমান
উত্তর: গ. কাজী নজরুল ইসলাম
কাজী নজরুল ইসলাম ১৯২২ সালের আগস্টে নিজের সম্পাদনায় অর্ধসাপ্তাহিক ‘ধূমকেতু’ পত্রিকা প্রকাশ করেন। পত্রিকাটির জন্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আশীর্বাণী পাঠিয়েছিলেন। এর পাতায় নজরুলের ‘আনন্দময়ীর আগমনে’ কবিতা প্রকাশিত হলে ব্রিটিশ সরকার তাঁকে রাজদ্রোহের অভিযোগে কারাদণ্ড দেয়।
মনে রাখুন:
‘লাঙল’ পত্রিকাও নজরুল সম্পাদনা করেন।
‘কবিতা’ পত্রিকার সম্পাদক বুদ্ধদেব বসু।
‘সবুজপত্র’ পত্রিকার সম্পাদক প্রমথ চৌধুরী। - ১১. কোনটি তৎসম শব্দ?
- ক. কিংবদন্তি
- খ. হাতি
- গ. চাঁদ
- ঘ. তেঁতুল
উত্তর: ক. কিংবদন্তি
সংস্কৃত ভাষার যে শব্দ কোনো পরিবর্তন ছাড়াই সরাসরি বাংলায় ব্যবহৃত হয়, তাকে তৎসম (Tatsama) শব্দ বলে। ‘কিংবদন্তি’ শব্দটি এভাবেই সংস্কৃত থেকে অপরিবর্তিত রূপে এসেছে, তাই এটি তৎসম শব্দ। অন্যদিকে হাতি এসেছে ‘হস্তী’ থেকে, চাঁদ এসেছে ‘চন্দ্র’ থেকে আর তেঁতুল এসেছে ‘তিন্তিড়ী’ থেকে, অর্থাৎ এগুলো বদলে গিয়ে তদ্ভব শব্দ হয়েছে।
মনে রাখুন:
তৎসম শব্দ: চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, ভবন, ধর্ম, পাত্র।
তদ্ভব শব্দ: হাত (হস্ত), চামার (চর্মকার), দই (দধি)। - ১২. স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে কী বলে?
- ক. ফলা
- খ. কার
- গ. ধ্বনি
- ঘ. অক্ষর
উত্তর: খ. কার
স্বরবর্ণ যখন ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়, তখন সেটি পূর্ণরূপে না বসে সংক্ষিপ্ত একটি চিহ্নের রূপ নেয়, যেমন া, ি, ী, ু। স্বরবর্ণের এই সংক্ষিপ্ত রূপকে ‘কার’ বলে, যেমন আ-কার, ই-কার, উ-কার। অন্যদিকে ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে ‘ফলা’ বলে, যেমন য-ফলা, র-ফলা, ব-ফলা।
মনে রাখুন: বাংলায় কার আছে ১০টি, কারণ অ-এর কোনো কার নেই। আর ফলা প্রধানত ৬টি: ন, ম, য, র, ল ও ব ফলা। - ১৩. “উদ্যম বিহনে কার পুরে মনোরথ”- এখানে ‘উদ্যম বিহনে’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
- ক. কর্তৃকারকে ৭মী
- খ. অধিকরণে ৭মী
- গ. অপাদানে ১মা
- ঘ. কর্মে ৭মী
উত্তর: খ. অধিকরণে ৭মী
ক্রিয়া সম্পাদনের সময়, স্থান, বিষয় বা অবস্থাকে অধিকরণ কারক বলে। ‘উদ্যম বিহনে কার পুরে মনোরথ’ চরণে বলা হয়েছে, উদ্যম না থাকলে কারও মনের আশা পূর্ণ হয় না। এখানে ‘উদ্যম বিহনে’ অংশটি মনোরথ পূরণ না হওয়ার অবস্থা বা পরিস্থিতি বোঝাচ্ছে, তাই একে অধিকরণ কারক ধরা হয়। শব্দটির সঙ্গে ‘এ’ বিভক্তি যুক্ত আছে, যা সপ্তমী বিভক্তি।
মনে রাখুন: ‘বিহনে’ শব্দটির অর্থ বিনা বা ছাড়া। চরণটি কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদারের লেখা বলে পরিচিত। - ১৪. বীর সন্তান প্রসব করে যে নারী- এর এক কথায় প্রকাশ কর-
- ক. বীরভোগ্যা
- খ. রত্মগর্ভা
- গ. বীরপ্রসূ
- ঘ. স্বর্ণমাতা
উত্তর: গ. বীরপ্রসূ
‘প্রসূ’ শব্দের অর্থ যিনি প্রসব করেন বা জন্ম দেন। তাই যে নারী বীর সন্তান প্রসব করেন, তাঁকে এক কথায় ‘বীরপ্রসূ’ বলে। অন্যদিকে ‘রত্নগর্ভা’ মানে যে নারীর গর্ভে রত্নের মতো গুণী সন্তান জন্মেছে, আর ‘বীরভোগ্যা’ মানে যা কেবল বীরেরাই ভোগ করতে পারে, যেমন বীরভোগ্যা বসুন্ধরা।
মনে রাখুন:
যে নারীর সন্তান বাঁচে না = মৃতবৎসা।
যে নারীর কোনো সন্তান হয়নি = বন্ধ্যা।
একই গর্ভে জন্ম যার = সহোদর। - ১৫. ‘ক্রিয়ার কাল ও পুরুষ’ ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত হয়?
- ক. ধ্বনিতত্ত্বে
- খ. রূপতত্ত্বে
- গ. বাক্যতত্ত্বে
- ঘ. অর্থতত্ত্বে
উত্তর: খ. রূপতত্ত্বে
ব্যাকরণের যে অংশে শব্দের গঠন, শব্দের রূপ বদল ও পদ নিয়ে আলোচনা হয়, তাকে রূপতত্ত্ব বা শব্দতত্ত্ব (Morphology) বলে। ক্রিয়ার কাল ও পুরুষ বদলালে ক্রিয়াপদের রূপও বদলায়, যেমন করি, করছি, করেছিল, করবে। এই রূপ বদলের আলোচনা তাই রূপতত্ত্বের অন্তর্গত।
মনে রাখুন:
ধ্বনিতত্ত্ব: ধ্বনি, বর্ণ, সন্ধি, ণত্ব-ষত্ব বিধান।
বাক্যতত্ত্ব: বাক্যের গঠন, বাচ্য, উক্তি, যতিচিহ্ন।
অর্থতত্ত্ব: শব্দ ও বাক্যের অর্থ। - ১৬. শরীর>শরীল- শব্দটিতে ধ্বনি পরিবর্তনের কোন ধরণের নিয়ম প্রযোজ্য?
- ক. সমীভবন
- খ. বিষমীভবন
- গ. অসমীভবন
- ঘ. ধ্বনিবিপর্যয়
উত্তর: খ. বিষমীভবন
একই শব্দে পাশাপাশি বা কাছাকাছি দুটি একই ধ্বনি থাকলে উচ্চারণের সুবিধার জন্য তাদের একটি বদলে অন্য ধ্বনি হয়ে যায়, এ নিয়মকে বিষমীভবন (Dissimilation) বলে। ‘শরীর’ শব্দে দুটি ‘র’ আছে, আর শেষের ‘র’ বদলে ‘ল’ হয়ে ‘শরীল’ হয়েছে। তাই এখানে বিষমীভবনের নিয়ম প্রযোজ্য।
উদাহরণ:
লাল > নাল, লাঙ্গল > নাঙ্গল, শরীর > শরীল।
মনে রাখুন: এর উল্টো ঘটনা সমীভবন, যেখানে দুটি ভিন্ন ধ্বনি একই রকম হয়ে যায়, যেমন জন্ম > জম্ম, গল্প > গপ্প। - ১৭. ‘দুর্যোগ’- এর সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
- ক. দুহঃ+যোগ
- খ. দুঃ+যোগ
- গ. দুর+যোগ
- ঘ. দুরঃ+যোগ
উত্তর: খ. দুঃ+যোগ
‘দুর্যোগ’ শব্দটি ‘দুঃ’ উপসর্গ আর ‘যোগ’ শব্দ মিলে তৈরি হয়েছে। বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী অ বা আ ছাড়া অন্য স্বরের পরে থাকা বিসর্গের পরে বর্গের তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম বর্ণ কিংবা য, র, ল, ব, হ এলে বিসর্গ ‘র’ হয়ে যায়। তাই দুঃ + যোগ = দুর্যোগ।
মনে রাখুন: একই নিয়মে নিঃ + আকার = নিরাকার, দুঃ + গতি = দুর্গতি, আশীঃ + বাদ = আশীর্বাদ। - ১৮. উপকণ্ঠ- শব্দটির সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি?
- ক. কণ্ঠের সমীপে
- খ. কণ্ঠের সদৃশ
- গ. উপ যে কণ্ঠ
- ঘ. কণ্ঠ পর্যন্ত
উত্তর: ক. কণ্ঠের সমীপে
পূর্বপদে অব্যয় যোগ হয়ে অব্যয়ের অর্থ প্রধান হলে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। ‘উপকণ্ঠ’ শব্দে ‘উপ’ অব্যয়টি সমীপ বা কাছে অর্থ প্রকাশ করছে, তাই এর ব্যাসবাক্য ‘কণ্ঠের সমীপে’। শব্দটি দিয়ে সাধারণত শহরের কাছের এলাকা বোঝানো হয়, যেমন ঢাকার উপকণ্ঠ।
মনে রাখুন:
সামীপ্য অর্থে: উপকূল, উপকণ্ঠ।
সাদৃশ্য অর্থে: উপশহর, উপবন।
পর্যন্ত অর্থে: আমরণ, আসমুদ্র। - ১৯. তামার বিষ- বাগধারাটির অর্থ কী?
- ক. অর্থের অভাব
- খ. অর্থের প্রাচুর্য্য
- গ. অর্থের কু-প্রভাব
- ঘ. অর্থের অহংকার
উত্তর: গ. অর্থের কু-প্রভাব
‘তামার বিষ’ বাগধারায় তামা বলতে তামার পয়সা বা টাকা-কড়ি বোঝানো হয়েছে। টাকার জোর পেলে মানুষ অনেক সময় অহংকারী হয়ে ওঠে বা অন্যায় কাজে জড়িয়ে পড়ে, আর টাকার এই খারাপ প্রভাবকেই বলা হয় তামার বিষ, অর্থাৎ অর্থের কুপ্রভাব।
মনে রাখুন:
কলুর বলদ: একটানা খাটুনি করা লোক।
কাঁঠালের আমসত্ত্ব: অসম্ভব বস্তু। - ২০. প্রথম বাংলা ভাষার ব্যাকরণগ্রন্থ কে লেখেন?
- ক. রামমোহন রায়
- খ. নাথিনিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড
- গ. উইলিয়াম কেরী
- ঘ. সুনীতিকুমার চট্টোপধ্যায়
উত্তর: খ. নাথিনিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড
প্রশ্নে দেওয়া নামগুলোর মধ্যে সবার আগে বাংলা ভাষার ব্যাকরণ লেখেন ইংরেজ পণ্ডিত নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড। ১৭৭৮ সালে হুগলি থেকে তাঁর ‘A Grammar of the Bengal Language’ প্রকাশিত হয়, আর এই বইতেই প্রথম বাংলা অক্ষর ছাপার হরফে ব্যবহার করা হয়। চার্লস উইলকিন্স এর জন্য বাংলা হরফ তৈরি করেছিলেন। তবে বাংলা ভাষার সবচেয়ে পুরোনো ব্যাকরণটি পর্তুগিজ ধর্মযাজক মানোএল দ্য আস্সুম্পসাঁওয়ের লেখা, যা ১৭৪৩ সালে লিসবন থেকে রোমান হরফে প্রকাশিত হয়।
মনে রাখুন: বাঙালির লেখা প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রাজা রামমোহন রায়ের ‘গৌড়ীয় ব্যাকরণ’ (১৮৩৩)। - ২১. বাংলা ভাষায় সংস্কৃত উপসর্গ কয়টি?
- ক. ২২টি
- খ. ২১টি
- গ. ২০টি
- ঘ. ২৩টি
উত্তর: গ. ২০টি
শব্দের আগে বসে যে অব্যয় নতুন অর্থের শব্দ তৈরি করে, তাকে উপসর্গ (Prefix) বলে। বাংলায় তিন ধরনের উপসর্গ চলে: সংস্কৃত বা তৎসম, খাঁটি বাংলা এবং বিদেশি। এর মধ্যে সংস্কৃত উপসর্গ ২০টি, যেমন প্র, পরা, অপ, সম্, নি, অনু, অভি।
মনে রাখুন:
খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি, যেমন অ, অঘা, অজ, অনা, আ।
উপসর্গের নিজস্ব কোনো অর্থ নেই, কিন্তু অর্থদ্যোতকতা আছে। - ২২. ‘ইংরেজি’ শব্দটি কোন ভাষা থেকে নেওয়া হয়েছে?
- ক. গ্রিক
- খ. তুর্কি
- গ. ফারসি
- ঘ. পর্তুগিজ
উত্তর: ঘ. পর্তুগিজ
‘ইংরেজি’ শব্দটি এসেছে পর্তুগিজ ভাষা থেকে। ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে পর্তুগিজরাই প্রথমে এ অঞ্চলে আসে, তাই তাদের ভাষার অনেক শব্দ আমাদের দৈনন্দিন কথায় মিশে গেছে।
উদাহরণ:
পর্তুগিজ শব্দ: আনারস, বালতি, বোতাম, পেয়ারা, জানালা, গির্জা, চাবি, আলমারি।
মনে রাখুন:
ফারসি শব্দ: কারখানা, চশমা, দোকান।
তুর্কি শব্দ: চাকর, দারোগা, কাঁচি, বন্দুক।
ইংরেজি শব্দ: স্কুল, কলেজ, টেবিল।
ইংরেজি
- ২৩. Identify the correct sentence-
- ক. She had faith on & hopes for the future.
- খ. She had faith & hopes for the future.
- গ. She had faith & hopes in the future.
- ঘ. She had faith in & hopes for the future.
উত্তর: ঘ. She had faith in & hopes for the future.
Faith ও hope দুটি শব্দের পরে আলাদা preposition বসে: faith-এর পরে in আর hope-এর পরে for। দুটি শব্দ and দিয়ে যুক্ত হয়ে একই object-এর সঙ্গে বসলে প্রত্যেকটির নিজস্ব preposition আলাদাভাবে লিখতে হয়। তাই ‘She had faith in and hopes for the future.’ শুদ্ধ বাক্য।
মনে রাখুন:
Faith in, Hope for, Confidence in, Interested in।
একই কারণে বলা হয়: He is fond of and devoted to music। - ২৪. She argued ____ me about the marriage.
- ক. with
- খ. for
- গ. to
- ঘ. from
উত্তর: ক. with
কারও সঙ্গে তর্ক করা বোঝাতে argue-এর পরে with বসে, আর কোনো বিষয় নিয়ে তর্ক হলে সেই বিষয়ের আগে about বসে। তাই ‘She argued with me about the marriage.’ শুদ্ধ, অর্থাৎ সে বিয়ের ব্যাপারে আমার সঙ্গে তর্ক করল।
মনে রাখুন:
Argue with someone = কারও সঙ্গে তর্ক করা।
Argue about/over something = কোনো বিষয়ে তর্ক করা।
Argue for/against something = কোনো কিছুর পক্ষে বা বিপক্ষে যুক্তি দেওয়া। - ২৫. Choose the appropriate meaning of the idiom ‘Swan Song’.
- ক. first work
- খ. last work
- গ. middle work
- ঘ. early work
উত্তর: খ. last work
‘Swan song’ বাগ্ধারার অর্থ কারও শেষ কাজ, শেষ পরিবেশনা বা শেষ রচনা। প্রচলিত বিশ্বাস, রাজহাঁস সারা জীবন নীরব থাকে এবং মৃত্যুর ঠিক আগে একবার অপূর্ব সুরে গান গায়। সেখান থেকেই এই বাগ্ধারার জন্ম।
উদাহরণ: That film was the actor’s swan song.
মনে রাখুন: Swan song-এর সমার্থক last work, farewell performance। - ২৬. শিশুটি হাসতে হাসতে আমার কাছে এলো-
- ক. The baby come to me to laughing
- খ. The baby came to me laughing
- গ. The baby came to me in laughing
- ঘ. The baby come to me by laughing
উত্তর: খ. The baby came to me laughing
ঘটনাটি অতীতে ঘটেছে, তাই verb হবে past tense came। আর ‘হাসতে হাসতে’ বোঝাচ্ছে আসার সময় শিশুটি একই সঙ্গে হাসছিল, এমন একসঙ্গে চলা কাজ বোঝাতে present participle (verb + ing) ব্যবহার করা হয়, আগে কোনো preposition লাগে না। তাই ‘The baby came to me laughing.’ শুদ্ধ অনুবাদ।
উদাহরণ:
He went away crying.
The boy came running.
মনে রাখুন: বাংলায় ‘করতে করতে’ বা ‘করে’ অর্থ প্রকাশে ইংরেজিতে প্রায়ই participle ব্যবহৃত হয়। - ২৭. The Antonym of ‘inimical’-
- ক. hostile
- খ. friendly
- গ. indifferent
- ঘ. angry
উত্তর: খ. friendly
Inimical শব্দের অর্থ শত্রুভাবাপন্ন বা ক্ষতিকর। এর বিপরীত শব্দ Friendly, যার অর্থ বন্ধুসুলভ। Hostile হলো Inimical-এর সমার্থক শব্দ, তাই বিপরীত নয়। Indifferent মানে উদাসীন, আর Angry মানে রাগান্বিত।
উদাহরণ: Smoking is inimical to health.
মনে রাখুন: Inimical-এর সমার্থক শব্দ Hostile, Harmful, Adverse। - ২৮. He waited until the plane –
- ক. did not take off
- খ. take off
- গ. had no taken off
- ঘ. had taken off
উত্তর: ঘ. had taken off
বাক্যে দুটি অতীতের কাজ আছে: বিমান ওড়া আর তার অপেক্ষা করা। Until দিয়ে বোঝানো হচ্ছে বিমান উড়ে যাওয়ার কাজটি সম্পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত সে অপেক্ষা করেছিল, তাই সম্পন্ন কাজটিতে past perfect (had + past participle) বসে: He waited until the plane had taken off.
মনে রাখুন: অতীতের দুটি কাজের মধ্যে যেটি আগে শেষ হয় সেটি past perfect, আর পরেরটি past indefinite হয়। - ২৯. My uncle arrived while I ___ the dinner.
- ক. would cook
- খ. had cooked
- গ. cook
- ঘ. was cooking
উত্তর: ঘ. was cooking
চাচা যখন পৌঁছালেন, তখন রান্নার কাজটি চলছিল। অতীতে একটি কাজ চলার সময় আরেকটি কাজ ঘটলে চলমান কাজটি past continuous (was/were + verb-ing) আর হঠাৎ ঘটা কাজটি past indefinite হয়। তাই সঠিক বাক্য: My uncle arrived while I was cooking the dinner.
মনে রাখুন: while-এর পরে সাধারণত continuous tense বসে।
উদাহরণ: The phone rang while we were eating. - ৩০. Which is the correct sentence?
- ক. I shall avail the opportunity
- খ. I shall avail of the opportunity
- গ. I shall avail for the opportunity
- ঘ. I shall avail myself of the opportunity
উত্তর: ঘ. I shall avail myself of the opportunity
Avail শব্দটি ‘সুযোগ গ্রহণ করা’ অর্থে ব্যবহার করতে হলে এর পরে একটি reflexive pronoun (myself, himself ইত্যাদি) এবং তারপর preposition of বসে। তাই কাঠামোটি হলো avail oneself of something, আর সঠিক বাক্য I shall avail myself of the opportunity। reflexive pronoun বাদ দিয়ে avail of লেখা প্রমিত ইংরেজিতে ভুল ধরা হয়।
উদাহরণ: You should avail yourself of this chance.
মনে রাখুন: passive গঠনে The opportunity was availed of লেখা যায়। - ৩১. ___ mother arose in her.
- ক. A
- খ. The
- গ. An
- ঘ. No Article
উত্তর: খ. The
'A mother rose in her' বাক্যে mother বলতে কোনো একজন মা-কে বোঝানো হয়নি, বরং মায়ের মতো স্নেহ বা মাতৃভাবকে বোঝানো হয়েছে। কোনো common noun যখন একটি গুণ বা ভাব বোঝাতে abstract noun-এর মতো ব্যবহৃত হয়, তখন তার আগে the বসে। তাই 'The mother rose in her' মানে তার মধ্যে মাতৃভাব জেগে উঠল।
মনে রাখুন: একই নিয়মে বলা হয় The patriot in him was aroused আর The poet in him was awakened। - ৩২. Jerry was deprived of motherly affection. Here the word `motherly’ is –
- ক. an adverb
- খ. an adjective
- গ. a noun
- ঘ. none
উত্তর: খ. an adjective
কোনো শব্দ noun-এর গুণ, ধরন বা অবস্থা বোঝালে সেটি adjective। ‘motherly affection’ কথায় motherly শব্দটি affection নামের noun-টিকে বিশেষিত করছে, অর্থাৎ কেমন স্নেহ তা বোঝাচ্ছে, তাই এটি adjective। শব্দের শেষে -ly থাকলেই তা adverb হয় না, কারণ noun-এর সঙ্গে -ly যোগ করে অনেক adjective তৈরি হয়।
মনে রাখুন: Noun + ly = adjective, যেমন friendly, lovely, manly, costly, daily। আর adjective + ly = adverb, যেমন quickly, slowly। - ৩৩. Panic seized me. The passive form will be –
- ক. I was seized by panic
- খ. I was seized from panic
- গ. I was seized with panic
- ঘ. I was seized into panic
উত্তর: গ. I was seized with panic
Active বাক্যকে passive করলে সাধারণত by বসে, কিন্তু কিছু verb-এর past participle-এর পরে প্রচলিত ব্যবহারে অন্য preposition বসে। Seize শব্দটি যখন ভয়, আতঙ্ক বা কোনো আবেগে আচ্ছন্ন হওয়া বোঝায়, তখন passive-এ এর পরে with বসে। তাই ‘Panic seized me’ বাক্যের passive রূপ ‘I was seized with panic.’
মনে রাখুন:
Seized with, Filled with, Covered with, Known to, Surprised at, Interested in। - ৩৪. The singular form of ‘criteria’ is-
- ক. criterion
- খ. criterium
- গ. criterii
- ঘ. criterius
উত্তর: ক. criterion
Criteria শব্দটি গ্রিক থেকে ইংরেজিতে এসেছে এবং এটি একটি বহুবচন শব্দ, যার অর্থ মানদণ্ডসমূহ। গ্রিক নিয়মে -on দিয়ে শেষ হওয়া শব্দের বহুবচনে -on বদলে -a হয়, তাই criteria-র একবচন criterion।
মনে রাখুন:
Phenomenon - Phenomena।
Criterion - Criteria।
লাতিন থেকে আসা Datum - Data, Medium - Media, Curriculum - Curricula। - ৩৫. The Second World War broke ____ in September, 1939.
- ক. out
- খ. through
- গ. away
- ঘ. in
উত্তর: ক. out
যুদ্ধ, আগুন, মহামারি বা দাঙ্গার মতো কোনো খারাপ ঘটনা হঠাৎ শুরু হলে ইংরেজিতে break out phrasal verb ব্যবহার করা হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানির পোল্যান্ড আক্রমণের মধ্য দিয়ে শুরু হয়, তাই ‘The Second World War broke out in September, 1939.’ শুদ্ধ।
মনে রাখুন:
Break out = হঠাৎ শুরু হওয়া।
Break through = বাধা ভেদ করা।
Break away = আলাদা হয়ে যাওয়া।
Break in = জোর করে ঢোকা। - ৩৬. He will come in no time. Here the idiom `in no time’ means-
- ক. never in future
- খ. soon
- গ. not in future
- ঘ. not ever
উত্তর: খ. soon
In no time একটি idiom, যার অর্থ খুব তাড়াতাড়ি বা অল্প সময়ের মধ্যে। কথাটিতে no শব্দ থাকলেও এর অর্থ না-বোধক নয়, বরং বোঝায় কাজটি হতে প্রায় কোনো সময়ই লাগবে না। তাই ‘He will come in no time’ মানে সে শিগগিরই আসবে, অর্থাৎ soon।
মনে রাখুন:
In no time = খুব শিগগির।
At times = মাঝে মাঝে।
In time = যথাসময়ে।
On time = ঠিক সময়ে। - ৩৭. I am entitled ____ a share of the profit. The correct preposition is –
- ক. to
- খ. for
- গ. from
- ঘ. into
উত্তর: ক. to
কোনো কিছুর ন্যায্য অধিকারী হওয়া বোঝাতে entitled শব্দের পরে to বসে। তাই ‘I am entitled to a share of the profit.’ শুদ্ধ, যার অর্থ মুনাফার একটি অংশ পাওয়ার অধিকার আমার আছে। Entitled-এর পরে কোনো কাজ বোঝাতে to-এর পরে verb-এর মূল রূপও বসতে পারে, যেমন You are entitled to vote।
মনে রাখুন: Entitled to, Eligible for, Qualified for, Liable to। - ৩৮. What kind of verb is the word ‘went’ in the sentence: “The dog went mad”?
- ক. Transitive verb
- খ. Causative verb
- গ. Factitive verb
- ঘ. Copulative verb
উত্তর: ঘ. Copulative verb
যে verb নিজে কোনো কাজ বোঝায় না, বরং subject-কে তার অবস্থা বা গুণের সঙ্গে জুড়ে দেয়, তাকে copulative বা linking verb বলে। ‘The dog went mad’ বাক্যে went শব্দটি কোথাও যাওয়া বোঝাচ্ছে না, বরং কুকুরটি পাগল হয়ে গেল, অর্থাৎ তার অবস্থার পরিবর্তন বোঝাচ্ছে। তাই এখানে went একটি copulative verb, আর mad হলো subject-এর complement।
মনে রাখুন: Be, become, seem, appear, look, grow, turn, go ইত্যাদি verb অনেক সময় copulative হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যেমন The milk turned sour। - ৩৯. The correct translation of “দুঃখের প্রয়োজনীয়তা মধুর” is-
- ক. Sweet are the uses of adversity.
- খ. Sweet is the uses of adversity.
- গ. Sweet uses of adversity.
- ঘ. Sweet do not uses the adversity.
উত্তর: ক. Sweet are the uses of adversity.
‘Sweet are the uses of adversity’ কথাটি শেক্সপিয়রের নাটক ‘As You Like It’-এর একটি বিখ্যাত উক্তি, যার অর্থ দুঃখ বা বিপদেরও মধুর উপকারিতা আছে। এখানে জোর দেওয়ার জন্য adjective sweet বাক্যের শুরুতে এসেছে, আর আসল subject ‘the uses’ বহুবচন বলে verb হয়েছে are। তাই এটিই শুদ্ধ অনুবাদ।
মনে রাখুন: জোর দিতে complement বাক্যের শুরুতে এলে subject ও verb-এর জায়গা উল্টে যায়, যেমন Great is his glory। - ৪০. The antonym of ‘Honorary’ is-
- ক. Literary
- খ. Honorable
- গ. Salaried
- ঘ. Official
উত্তর: গ. Salaried
Honorary শব্দের অর্থ এমন পদ বা দায়িত্ব, যেটি সম্মানের জন্য দেওয়া হয় এবং যার জন্য কোনো বেতন বা পারিশ্রমিক নেওয়া হয় না। যেমন honorary secretary মানে অবৈতনিক সচিব। এর বিপরীত হলো Salaried, অর্থাৎ বেতনভুক্ত। Official মানে সরকারি বা দাপ্তরিক, তা honorary-র বিপরীত নয়। আর Honorable মানে সম্মানিত, যা বরং কাছাকাছি অর্থের।
মনে রাখুন: Honorary-র সমার্থক শব্দ unpaid, voluntary, nominal।
উদাহরণ: He was given an honorary degree by the university. - ৪১. A person who treats mental illness is called-
- ক. a psychiatrist
- খ. a psychologist
- গ. a therapist
- ঘ. a psychoanalyst
উত্তর: ক. a psychiatrist
যিনি মানসিক রোগের চিকিৎসা করেন তাঁকে psychiatrist বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞ বলা হয়। তিনি একজন চিকিৎসক, তাই রোগ নির্ণয় করে ওষুধও দিতে পারেন। অন্যদিকে psychologist বা মনোবিজ্ঞানী মানুষের মন ও আচরণ নিয়ে গবেষণা ও পরামর্শ দেন, কিন্তু সাধারণত ওষুধ দেন না।
মনে রাখুন:
Psychiatrist = মনোরোগ চিকিৎসক।
Psychologist = মনোবিজ্ঞানী।
Psychoanalyst = মনঃসমীক্ষক, যিনি ফ্রয়েডীয় পদ্ধতিতে মনের গভীর বিশ্লেষণ করেন।
Therapist = যেকোনো ধরনের থেরাপি বা চিকিৎসা দেন এমন ব্যক্তি। - ৪২. No article is used before
- ক. a pronoun
- খ. an adjective
- গ. a noun
- ঘ. an adverb
উত্তর: ক. a pronoun
Article (a, an, the) সাধারণত noun-এর আগে বসে, আর noun-এর আগে adjective থাকলে article সেই adjective-এর আগেও বসে, যেমন a good boy। কিন্তু pronoun নিজেই নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝায়, তাই এর আগে কোনো article বসে না। আমরা কখনো ‘a he’ বা ‘the they’ বলি না।
মনে রাখুন: Article-কে এক ধরনের adjective হিসেবেও গণ্য করা হয়, কারণ এটি noun সম্পর্কে নির্দিষ্ট বা অনির্দিষ্ট ধারণা দেয়। - ৪৩. A person whose `head’ is in the `clouds’ is-
- ক. proud
- খ. a day dreamer
- গ. an aviator
- ঘ. useless
উত্তর: খ. a day dreamer
‘Head in the clouds’ একটি idiom, যার মানে বাস্তব জগৎ থেকে দূরে কল্পনার জগতে ডুবে থাকা। তাই যে মানুষের মাথা সবসময় মেঘের মধ্যে থাকে, সে একজন day dreamer বা দিবাস্বপ্ন দেখা মানুষ। Aviator মানে বৈমানিক, যা শব্দের আক্ষরিক অর্থ থেকে আসা একটি ফাঁদ মাত্র।
মনে রাখুন: To build castles in the air মানেও আকাশকুসুম কল্পনা করা। - ৪৪. I do not think you will have any difficulty ___ a driving license.
- ক. to get
- খ. in getting
- গ. for getting
- ঘ. get
উত্তর: খ. in getting
Difficulty শব্দের পরে কোনো কাজ করতে অসুবিধা বোঝাতে in + verb-ing বসে। তাই ‘I do not think you will have any difficulty in getting a driving license.’ শুদ্ধ, অর্থাৎ ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে তোমার কোনো অসুবিধা হবে বলে আমি মনে করি না।
মনে রাখুন: একইভাবে বলা হয় have trouble in doing, have problem in doing। কথ্য ইংরেজিতে in অনেক সময় বাদ দেওয়া হয়, যেমন I had difficulty finding the house। - ৪৫. I decided to go ___ with my friend as I needed some exercise.
- ক. to a walk
- খ. for walking
- গ. for a walk
- ঘ. walk
উত্তর: গ. for a walk
হাঁটতে বের হওয়া বোঝাতে ইংরেজিতে নির্দিষ্ট phrase হলো go for a walk। এখানে walk একটি noun, তাই এর আগে article ‘a’ এবং preposition ‘for’ বসে: I decided to go for a walk with my friend.
মনে রাখুন: একই ধাঁচের phrase: go for a swim, go for a drive, go for a ride। কিন্তু কাজের নাম gerund হলে for লাগে না: go walking, go swimming। - ৪৬. If I had known you were coming –
- ক. I would go to the station
- খ. I has gone to the station
- গ. I would have gone to the station
- ঘ. I would be going to the station
উত্তর: গ. I would have gone to the station
If-clause-এ past perfect tense (had + past participle) থাকলে principal clause-এ would/could/might + have + past participle বসে। এ ধরনের বাক্য দিয়ে অতীতের এমন শর্তের কথা বলা হয় যা পূরণ হয়নি। তাই ‘If I had known you were coming, I would have gone to the station.’ শুদ্ধ, যার অর্থ তুমি আসছ জানলে আমি স্টেশনে যেতাম, কিন্তু আসলে জানতাম না বলে যাওয়া হয়নি।
মনে রাখুন: Had I known you were coming বলেও একই অর্থ প্রকাশ করা যায়। - ৪৭. Which is the correct sentence?
- ক. Each boy and each girl have a pen.
- খ. Each boy and each girl are having a pen.
- গ. Each boy and each girl has a pen.
- ঘ. Each boy and each were having a pen.
উত্তর: গ. Each boy and each girl has a pen.
Each বা every দিয়ে শুরু হওয়া দুটি subject and দিয়ে যুক্ত হলেও প্রত্যেককে আলাদা করে একজন হিসেবে ধরা হয়। তাই এ ধরনের subject-এর পরে verb সবসময় একবচন হয়। ফলে ‘Each boy and each girl has a pen.’ শুদ্ধ বাক্য।
মনে রাখুন: Every man and every woman was present, Each of the students has a book, এসব বাক্যেও verb একবচন। আর have শব্দটি অধিকার বোঝালে সাধারণত continuous tense-এ বসে না।
গণিত
- ৪৮. ১৫ জন লোক একটি কাজ শেষ করে ৩ ঘণ্টায়। ৫ জন লোক ঐ কাজ কত সময়ে শেষ করবে?
- ক. ৬ ঘণ্টায়
- খ. ৫ ঘণ্টায়
- গ. ৩ ঘণ্টায়
- ঘ. ৯ ঘণ্টায়
উত্তর: ঘ. ৯ ঘণ্টায়
লোকসংখ্যা কমলে একই কাজ শেষ করতে বেশি সময় লাগে, অর্থাৎ লোক ও সময় ব্যস্তানুপাতিক। তাই মোট কাজকে জন-ঘণ্টায় হিসাব করা যায়।
মোট কাজ = 15 × 3 = 45 জন-ঘণ্টা
5 জনের লাগবে = 45 ÷ 5 = 9 ঘণ্টা
মনে রাখুন: লোক 3 ভাগের 1 ভাগ হয়ে গেলে সময় 3 গুণ হয়ে যায়, তাই 3 × 3 = 9 ঘণ্টা। - ৪৯. পিতা ও পুত্রের বয়সের গড় ৪০ বছর এবং মাতা ও ঐ পুত্রের বয়সের গড় ৩৫ বছর। মাতার বয়স ৫০ বছর হলে, পিতার বয়স কত?
- ক. ৫০ বছর
- খ. ৬০ বছর
- গ. ৪০ বছর
- ঘ. ৮৫ বছর
উত্তর: খ. ৬০ বছর
দুজনের বয়সের গড় জানা থাকলে তাদের বয়সের যোগফল বের করা যায়, কারণ যোগফল = গড় × সংখ্যা।
পিতা + পুত্র = 40 × 2 = 80 বছর
মাতা + পুত্র = 35 × 2 = 70 বছর
মাতার বয়স 50 বছর হলে পুত্রের বয়স = 70 − 50 = 20 বছর
পিতার বয়স = 80 − 20 = 60 বছর
মনে রাখুন: দুটি যোগফলের পার্থক্য সরাসরি পিতা ও মাতার বয়সের পার্থক্য দেয়, এখানে 80 − 70 = 10 বছর। - ৫০. একটি দ্রব্য ক্রয় করে ২৪% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হলো। বিক্রয়মূল্য এবং ক্রয়মূল্যের অনুপাত কত?
- ক. ১৯ : ২৫
- খ. ২৪ : ২৫
- গ. ২০ : ২৫
- ঘ. ১৮ : ২৫
উত্তর: ক. ১৯ : ২৫
ধরি ক্রয়মূল্য 100 টাকা। 24% ক্ষতিতে বিক্রি করলে বিক্রয়মূল্য হয় 100 − 24 = 76 টাকা।
বিক্রয়মূল্য : ক্রয়মূল্য = 76 : 100
উভয়কে 4 দিয়ে ভাগ করে = 19 : 25
মনে রাখুন: x% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য : ক্রয়মূল্য = (100 − x) : 100, আর x% লাভে বিক্রয়মূল্য : ক্রয়মূল্য = (100 + x) : 100। - ৫১. দুইটি সংখ্যার ল.সা.গু ১৪৪ এবং গ.সা.গু ১২। একটি সংখ্যা ৪৮ হলে অপরটি কত?
- ক. ১৮
- খ. ৩৬
- গ. ১২
- ঘ. ২৪
উত্তর: খ. ৩৬
দুটি সংখ্যার গুণফল সবসময় তাদের ল.সা.গু. ও গ.সা.গু.-র গুণফলের সমান হয়। এই নিয়ম ব্যবহার করে অপর সংখ্যাটি বের করা যায়।
অপর সংখ্যা = (ল.সা.গু. × গ.সা.গু.) ÷ প্রদত্ত সংখ্যা
= (144 × 12) ÷ 48
= 1728 ÷ 48 = 36
যাচাই: 48 ও 36-এর গ.সা.গু. 12 এবং ল.সা.গু. 144, দুটোই মিলে যায়। - ৫২. ৪০ হতে ১০০ এর মধ্যবর্তী বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যাদ্বয়ের গড় কত?
- ক. ৬১
- খ. ৬৯
- গ. ৭১
- ঘ. ৭৩
উত্তর: খ. ৬৯
40 থেকে 100-এর মধ্যে সবচেয়ে ছোট মৌলিক সংখ্যা 41, কারণ এটি 1 ও নিজের ছাড়া আর কোনো সংখ্যা দিয়ে বিভাজ্য নয়। আর 100-এর আগে সবচেয়ে বড় মৌলিক সংখ্যা 97, কারণ 98 ও 99 যৌগিক।
গড় = (41 + 97) ÷ 2 = 138 ÷ 2 = 69
মনে রাখুন: 1 থেকে 100-এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা 25টি, আর 41 থেকে 97 পর্যন্ত আছে 13টি। - ৫৩. একটি খাতা ৩৬ টাকায় বিক্রয় করলে যত ক্ষতি হয় ৭২ টাকায় বিক্রয় করলে তার দ্বিগুণ লাভ হয়, খাতাটির ক্রয়মূল্য কত?
- ক. ৬০ টাকা
- খ. ৪৮ টাকা
- গ. ২৪ টাকা
- ঘ. ১২ টাকা
উত্তর: খ. ৪৮ টাকা
ধরি, খাতাটির ক্রয়মূল্য x টাকা।
36 টাকায় বিক্রি করলে ক্ষতি = x − 36
72 টাকায় বিক্রি করলে লাভ = 72 − x
শর্তমতে, 72 − x = 2(x − 36)
⇒ 72 − x = 2x − 72 ⇒ 3x = 144 ⇒ x = 48
যাচাই: ক্ষতি 48 − 36 = 12 টাকা, লাভ 72 − 48 = 24 টাকা, যা ক্ষতির ঠিক দ্বিগুণ। - ৫৪. একটি ক্রমিক সমানুপাতের ১ম ও ৩য় রাশি যথাক্রমে ৪ ও ১৬ হলে, এর মধ্য সমানুপাতী কত?
- ক. ১২
- খ. ৮
- গ. ১৪
- ঘ. ২০
উত্তর: খ. ৮
a : b = b : c আকারের সমানুপাতকে ক্রমিক সমানুপাত বলে, আর মাঝের রাশি b-কে মধ্যসমানুপাতী বলা হয়। এ ক্ষেত্রে b² = ac হয়।
b² = 4 × 16 = 64
b = √64 = 8
যাচাই: 4 : 8 = 1 : 2 এবং 8 : 16 = 1 : 2, দুটি অনুপাত সমান।
মনে রাখুন: দুটি সংখ্যার মধ্যসমানুপাতী তাদের গুণফলের বর্গমূল, যাকে গুণোত্তর গড়ও বলা হয়। - ৫৫. শতকরা কত টাকা হার মুনাফার ৬৫০ টাকার ৬ বছরের মুনাফা ২৭৩ টাকা হবে?
- ক. ৭
- খ. ৬.৫০
- গ. ৬
- ঘ. ৮
উত্তর: ক. ৭
সরল মুনাফার সূত্র I = Pnr/100, যেখানে I মুনাফা, P আসল, n সময় আর r শতকরা হার। এখান থেকে হার বের করার সূত্র পাওয়া যায়।
r = (I × 100)/(P × n)
= (273 × 100)/(650 × 6)
= 27300/3900 = 7
তাই মুনাফার হার 7%।
যাচাই: 650 টাকার 7% = 45.50 টাকা, আর 6 বছরে 45.50 × 6 = 273 টাকা। - ৫৬. একটি কাজ ‘ক’ ৩ দিনে ‘খ’ ৬ দিনে করতে পারে। ক ও খ একত্রে কাজটি কত দিনে করতে পারে?
- ক. ৫ দিন
- খ. ৪ দিন
- গ. ৩ দিন
- ঘ. ২ দিন
উত্তর: ঘ. ২ দিন
কাজের প্রশ্নে প্রথমে প্রত্যেকে এক দিনে কাজের কত অংশ করে তা বের করে নিলে সুবিধা হয়।
ক এক দিনে করে = 1/3 অংশ
খ এক দিনে করে = 1/6 অংশ
একত্রে এক দিনে = 1/3 + 1/6 = (2 + 1)/6 = 3/6 = 1/2 অংশ
তাই পুরো কাজ করতে লাগবে 2 দিন।
মনে রাখুন: দুজন আলাদাভাবে a ও b দিনে কাজটি করলে একসঙ্গে করতে সময় লাগে ab/(a + b) দিন, এখানে (3 × 6)/(3 + 6) = 18/9 = 2 দিন। - ৫৭. একটি আয়তাকার বাগানের দৈর্ঘ্য এর প্রস্থের তিনগুণ এবং পরিসীমা ২৪ মিটার, বাগানটির ক্ষেত্রফল কত?
- ক. ২৭ বর্গমিটার
- খ. ৩০ বর্গমিটার
- গ. ১৮ বর্গমিটার
- ঘ. ৯ মিটার
উত্তর: ক. ২৭ বর্গমিটার
ধরি বাগানের প্রস্থ x মিটার, তাহলে দৈর্ঘ্য 3x মিটার। আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = 2(দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)।
2(3x + x) = 24
8x = 24, তাই x = 3
প্রস্থ = 3 মিটার, দৈর্ঘ্য = 9 মিটার
ক্ষেত্রফল = 9 × 3 = 27 বর্গমিটার
মনে রাখুন: ক্ষেত্রফলের একক সবসময় বর্গ একক হয়, তাই শুধু ‘মিটার’ এককে ক্ষেত্রফল লেখা ভুল। - ৫৮. কোন শর্তে $\log_a a = 1$?
- ক. a > 0
- খ. a ≠ 1
- গ. a > 0, a ≠ 1
- ঘ. a ≠ 0, a > 2
উত্তর: গ. a > 0, a ≠ 1
লগারিদমের (Logarithm) সংজ্ঞা অনুযায়ী logₐ N = x মানে aˣ = N। যেকোনো সংখ্যার 1 ঘাত সেই সংখ্যাই, অর্থাৎ a¹ = a, তাই logₐ a = 1। তবে লগারিদমের ভিত্তি হিসেবে a-কে অবশ্যই ধনাত্মক হতে হবে এবং 1-এর সমান হওয়া চলবে না, কারণ 1-এর যেকোনো ঘাতই 1, তাই 1 ভিত্তিতে লগ নির্দিষ্ট হয় না। ফলে শর্তটি হলো a > 0, a ≠ 1।
মনে রাখুন: একই শর্তে logₐ 1 = 0, কারণ a⁰ = 1। - ৫৯. $x + \frac1x = 5$ হলে, $\frac{x}{x^2 + x + 1}$ এর মান কত?
- ক. 1/2
- খ. 1/3
- গ. 1/4
- ঘ. 1/6
উত্তর: ঘ. 1/6
রাশিটির লব ও হর দুটিকেই x দিয়ে ভাগ করলে প্রদত্ত মান x + 1/x সরাসরি বসানো যায়।
x/(x² + x + 1) = 1/(x + 1 + 1/x)
= 1/((x + 1/x) + 1)
= 1/(5 + 1) = 1/6
মনে রাখুন: x² + x + 1-কে x দিয়ে ভাগ করলে x + 1 + 1/x হয়। লব ও হরকে একই অশূন্য রাশি দিয়ে ভাগ করলে ভগ্নাংশের মান বদলায় না। - ৬০. $x = 1 + \sqrt3$ হলে $x^3$ = কত?
- ক. 4 + 3√3
- খ. 5 + 6√3
- গ. 10 + 9√3
- ঘ. 10 + 6√3
উত্তর: ঘ. 10 + 6√3
প্রথমে x² বের করে তারপর তাকে আবার x দিয়ে গুণ করলে x³ পাওয়া যায়।
x² = (1 + √3)² = 1 + 2√3 + 3 = 4 + 2√3
x³ = x² × x = (4 + 2√3)(1 + √3)
= 4 + 4√3 + 2√3 + 2 × 3
= 4 + 6√3 + 6 = 10 + 6√3
মনে রাখুন: (a + b)³ = a³ + 3a²b + 3ab² + b³ সূত্রেও একই উত্তর আসে: 1 + 3√3 + 9 + 3√3 = 10 + 6√3। - ৬১. $(17)^0 \times x$ = কত?
- ক. 17x
- খ. 17
- গ. x
- ঘ. 1
উত্তর: গ. x
সূচকের নিয়ম অনুযায়ী শূন্য ছাড়া যেকোনো সংখ্যার শূন্য ঘাত 1, অর্থাৎ a⁰ = 1। তাই (17)⁰ = 1।
(17)⁰ × x = 1 × x = x
মনে রাখুন: aᵐ ÷ aᵐ = aᵐ⁻ᵐ = a⁰, আবার যেকোনো সংখ্যাকে নিজেকে দিয়ে ভাগ করলে 1 হয়, এ থেকেই a⁰ = 1 নিয়মটি আসে। তবে 0⁰ অনির্ণেয়। - ৬২. tanθ = √3 হলে cosθ = কত?
- ক. √3/2
- খ. 1/√2
- গ. 1/2
- ঘ. 1
উত্তর: গ. 1/2
আমরা জানি tan60° = √3, তাই tanθ = √3 হলে θ = 60° (সূক্ষ্মকোণ ধরে)। আর cos60° = 1/2।
অন্যভাবে, tanθ = লম্ব/ভূমি = √3/1 হলে অতিভুজ = √(3 + 1) = 2
cosθ = ভূমি/অতিভুজ = 1/2
মনে রাখুন:
sin30° = cos60° = 1/2
sin60° = cos30° = √3/2
tan30° = 1/√3, tan45° = 1 - ৬৩. যদি a + b + c = 5 এবং $a^2 + b^2 + c^2 = 9$ হয়, তবে ab + bc + ca = কত?
- ক. 16
- খ. 8
- গ. 34
- ঘ. 12
উত্তর: খ. 8
তিনটি রাশির যোগফলের বর্গের সূত্রে বর্গগুলোর যোগফল আর গুণফলগুলোর যোগফল একসঙ্গে থাকে, তাই সূত্রটি ব্যবহার করলেই উত্তর বের হয়।
(a + b + c)² = a² + b² + c² + 2(ab + bc + ca)
5² = 9 + 2(ab + bc + ca)
25 − 9 = 2(ab + bc + ca)
ab + bc + ca = 16/2 = 8
মনে রাখুন: একই সূত্র থেকে a² + b² + c² = (a + b + c)² − 2(ab + bc + ca)। - ৬৪. তলের মাত্রা কয়টি?
- ক. 2টি
- খ. 3টি
- গ. 4টি
- ঘ. 6টি
উত্তর: ক. 2টি
তলের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ আছে, কিন্তু কোনো উচ্চতা বা বেধ নেই, তাই তলের মাত্রা (Dimension) ২টি। একটি কাগজের পাতার ওপরের অংশকে আমরা তলের উদাহরণ হিসেবে ভাবতে পারি, যদিও বাস্তবের কাগজের সামান্য পুরুত্ব থাকে।
মনে রাখুন:
বিন্দুর মাত্রা = ০।
রেখার মাত্রা = ১ (শুধু দৈর্ঘ্য)।
তলের মাত্রা = ২ (দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ)।
ঘনবস্তুর মাত্রা = ৩ (দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা)। - ৬৫. একটি ট্রপিজিয়ামের উচ্চতা 8 সে.মি. এবং সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্য যথাক্রমে 9 সে.মি. এবং 7 সে.মি. হলে এর ক্ষেত্রফল কত বর্গ সে.মি.?
- ক. 24
- খ. 64
- গ. 96
- ঘ. 100
উত্তর: খ. 64
ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল = ½ × (সমান্তরাল বাহু দুটির যোগফল) × উচ্চতা। আসলে এটি সমান্তরাল বাহু দুটির গড়কে উচ্চতা দিয়ে গুণ করার সমান।
ক্ষেত্রফল = ½ × (9 + 7) × 8
= ½ × 16 × 8
= 64 বর্গ সে.মি.
মনে রাখুন: ট্রাপিজিয়ামের উচ্চতা হলো সমান্তরাল বাহু দুটির মধ্যবর্তী লম্বদূরত্ব। - ৬৬. $a^2 - c^2 - 2ab + b^2$ এর সঠিক উৎপাদক কোনটি?
- ক. (a + b + c) (a – b + c)
- খ. (a – b – c) (a – b + c)
- গ. (a – b – c) (a + b – c)
- ঘ. (a + b + c) (a – b – c)
উত্তর: খ. (a – b – c) (a – b + c)
পদগুলোকে সাজিয়ে লিখলে প্রথম তিনটি পদ মিলে একটি পূর্ণবর্গ হয়, আর তখন পুরো রাশিটি দুটি বর্গের অন্তরে পরিণত হয়।
a² − c² − 2ab + b² = (a² − 2ab + b²) − c²
= (a − b)² − c²
= (a − b − c)(a − b + c)
মনে রাখুন: x² − y² = (x − y)(x + y), এখানে x = a − b এবং y = c। - ৬৭. একটি বৃত্তের ব্যাস 26 সে.মি. হলে এর পরিধি কত?
- ক. 13π সে.মি.
- খ. 26π সে.মি.
- গ. 52π সে.মি.
- ঘ. 39π সে.মি.
উত্তর: খ. 26π সে.মি.
বৃত্তের পরিধি = 2πr, আর ব্যাস d = 2r, তাই পরিধিকে πd হিসেবেও লেখা যায়। এখানে ব্যাস 26 সে.মি. দেওয়া আছে।
পরিধি = π × 26 = 26π সে.মি.
মনে রাখুন: ব্যাসার্ধ হবে 13 সে.মি., আর ক্ষেত্রফল হবে π × 13² = 169π বর্গ সে.মি.। π-এর আসন্ন মান 3.1416 বা 22/7। - ৬৮. ABC সমবাহু ত্রিভুজের প্রত্যেক বাহুর দৈর্ঘ্য x হলে, ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত?
- ক. x³
- খ. (√3/4)x²
- গ. (4/√3)x²
- ঘ. (√3/4)x³
উত্তর: খ. (√3/4)x²
সমবাহু ত্রিভুজের তিনটি বাহুই সমান। বাহুর দৈর্ঘ্য x হলে পিথাগোরাসের উপপাদ্য থেকে উচ্চতা পাওয়া যায়:
h = √(x² − (x/2)²) = (√3/2)x
ক্ষেত্রফল = ½ × ভূমি × উচ্চতা = ½ × x × (√3/2)x = (√3/4)x²
মনে রাখুন: ক্ষেত্রফল সবসময় দৈর্ঘ্যের বর্গ এককে হয়, তাই x³ যুক্ত কোনো রাশি ক্ষেত্রফল হতে পারে না। - ৬৯. একটি চর্তুভুজের চারটি কোণের অনুপাত 1 : 2 : 2 : 3 হলে বৃহত্তম কোণের পরিমাণ কত?
- ক. 100°
- খ. 115°
- গ. 135°
- ঘ. 225°
উত্তর: গ. 135°
চতুর্ভুজের চার কোণের সমষ্টি 360°। কোণগুলোর অনুপাত 1 : 2 : 2 : 3, অর্থাৎ মোট অংশ 1 + 2 + 2 + 3 = 8। তাই এক অংশ = 360° ÷ 8 = 45°।
বৃহত্তম কোণ তিন অংশের সমান, অর্থাৎ 3 × 45° = 135°।
মনে রাখুন: ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি 180°, আর n বাহুর বহুভুজের কোণের সমষ্টি (2n - 4) সমকোণ।
সাধারণ জ্ঞান
- ৭০. বরেন্দ্র বলতে বুঝায় কোনটি?
- ক. পূর্ববঙ্গ
- খ. পশ্চিমবঙ্গ
- গ. উত্তর বঙ্গ
- ঘ. দক্ষিণবঙ্গ
উত্তর: গ. উত্তর বঙ্গ
বরেন্দ্র বা বরেন্দ্রভূমি হলো বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের লাল ও হলদে রঙের মাটির একটি উঁচু অঞ্চল। রাজশাহী, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, বগুড়া, জয়পুরহাট ও দিনাজপুরের কিছু অংশ নিয়ে এই অঞ্চল গঠিত, তাই বরেন্দ্র বলতে উত্তরবঙ্গকে বোঝায়। এটি বাংলাদেশের প্লাইস্টোসিনকালের সোপান বা পুরোনো উঁচু ভূমিগুলোর একটি।
মনে রাখুন: প্লাইস্টোসিনকালের অন্য দুটি সোপান হলো মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লার লালমাই পাহাড়। - ৯০. ওজন স্তর ক্ষয়ের জন্য দায়ী কোনটি?
- ক. CO2
- খ. SO2
- গ. CO
- ঘ. CFC
উত্তর: ঘ. CFC
ফ্রিজ, এসি ও স্প্রেতে ব্যবহৃত ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (Chlorofluorocarbon, CFC) বায়ুমণ্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে উঠে গেলে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে ভেঙে ক্লোরিন পরমাণু ছাড়ে। একটি ক্লোরিন পরমাণুই হাজার হাজার ওজোন অণু ভেঙে ফেলতে পারে, তাই ওজোন স্তর ক্ষয়ের প্রধান কারণ CFC। অন্যদিকে CO₂ মূলত বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য দায়ী।
মনে রাখুন:
ওজোন স্তর সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি আটকে দেয়।
ওজোন স্তর রক্ষার আন্তর্জাতিক চুক্তি মন্ট্রিল প্রটোকল (১৯৮৭)। - ৯৩. গ্রিনিচ মান মন্দির কোথায় অবস্থিত?
- ক. চীন
- খ. জাপান
- গ. রাশিয়া
- ঘ. যুক্তরাজ্য
উত্তর: ঘ. যুক্তরাজ্য
গ্রিনিচ মানমন্দির (Royal Observatory, Greenwich) যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনের গ্রিনিচ এলাকায় অবস্থিত। এর ওপর দিয়ে যাওয়া দ্রাঘিমারেখাকে ০° বা মূল মধ্যরেখা (Prime Meridian) ধরা হয়, আর এখান থেকেই বিশ্বের প্রমাণ সময় GMT গোনা হয়।
মনে রাখুন:
প্রতি ১° দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য ৪ মিনিট।
বাংলাদেশের প্রমাণ সময় GMT-এর চেয়ে ৬ ঘণ্টা এগিয়ে।
বাংলাদেশ
- ৭১. বঙ্গবন্ধুর গ্রামটি কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
- ক. মধুমতি
- খ. বাইগার
- গ. কুমার
- ঘ. ভৈরব
উত্তর: খ. বাইগার
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মস্থান গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রাম, আর গ্রামটি বাইগার নদীর তীরে অবস্থিত। ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ তিনি এই গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন, আর এখানেই তাঁর সমাধি রয়েছে। বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’তেও টুঙ্গিপাড়ার মধুমতী ও বাইগার নদীর কথা এসেছে।
মনে রাখুন: গোপালগঞ্জ জেলার প্রধান নদী মধুমতী, আর বাইগার নদী মধুমতীর একটি শাখা নদী। - ৭২. তারামন বিবি কোন সেক্টরে যুদ্ধ করেন?
- ক. ৮
- খ. ৯
- গ. ১০
- ঘ. ১১
উত্তর: ঘ. ১১
বীর মুক্তিযোদ্ধা তারামন বিবি কুড়িগ্রাম জেলার রাজীবপুর এলাকায় যুদ্ধ করেন, যা মুক্তিযুদ্ধের ১১ নম্বর সেক্টরের অন্তর্গত ছিল। সাহসিকতার জন্য তিনি বীর প্রতীক খেতাব পান। ১১ নম্বর সেক্টরের অধিনায়ক ছিলেন মেজর আবু তাহের।
মনে রাখুন:
বীর প্রতীক খেতাব পাওয়া নারী মুক্তিযোদ্ধা দুজন: তারামন বিবি ও ডা. সেতারা বেগম।
মুক্তিযুদ্ধের সময় সারা দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। - ৭৪. বাংলাদেশের সাহিত্যে সর্বোচ্চ পুরষ্কার কোনটি?
- ক. ২১শে পদক
- খ. স্বাধীনতা দিবস পুরষ্কার
- গ. বাংলা একাডেমি পুরষ্কার
- ঘ. শিশু একাডেমি পুরষ্কার
উত্তর: গ. বাংলা একাডেমি পুরষ্কার
শুধু সাহিত্যে অবদানের জন্য বাংলাদেশে সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার হলো বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার। ১৯৬০ সাল থেকে বাংলা একাডেমি কবিতা, উপন্যাস, প্রবন্ধ, নাটকসহ সাহিত্যের নানা শাখায় এই পুরস্কার দিয়ে আসছে। অন্যদিকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক পুরস্কার, আর একুশে পদক দ্বিতীয় সর্বোচ্চ, তবে এ দুটি সাহিত্যসহ নানা ক্ষেত্রে দেওয়া হয়।
মনে রাখুন: স্বাধীনতা পুরস্কার চালু হয় ১৯৭৭ সালে, আর একুশে পদক চালু হয় ১৯৭৬ সালে। - ৭৫. দহগ্রাম ছিটমহলটি কোন জেলার অর্ন্তগত?
- ক. পঞ্চগড়
- খ. কুড়িগ্রাম
- গ. লালমনিরহাট
- ঘ. নীলফামারী
উত্তর: গ. লালমনিরহাট
দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহলটি লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার অন্তর্গত। ভারতের ভূখণ্ড দিয়ে ঘেরা এই অংশটি তিনবিঘা করিডর দিয়ে বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত। ২০১৫ সালের ছিটমহল বিনিময়ের পরেও দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা বাংলাদেশেরই রয়ে গেছে।
মনে রাখুন:
তিনবিঘা করিডর ২০১১ সাল থেকে ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকে।
২০১৫ সালের ৩১ জুলাই মধ্যরাতে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ১৬২টি ছিটমহল বিনিময় হয়। - ৭৮. বাংলা নববর্ষে পহেলা বৈশাখ চালু করেন কে?
- ক. লক্ষ্মন সেন
- খ. ইলিয়াস শাহ
- গ. আকবর
- ঘ. বিজয় সেন
উত্তর: গ. আকবর
মুঘল সম্রাট আকবর ফসল তোলার মৌসুমের সঙ্গে মিলিয়ে খাজনা আদায় সহজ করার জন্য বাংলা সন চালু করেন। তাঁর নির্দেশে রাজজ্যোতিষী আমির ফতেহউল্লাহ সিরাজী হিজরি চান্দ্র সন আর সৌর সনের ভিত্তিতে নতুন এই সন তৈরি করেন, আর তখন থেকে পহেলা বৈশাখে নববর্ষ পালনের রীতি গড়ে ওঠে।
মনে রাখুন:
বাংলা সন গণনা শুরু হয় ১৫৫৬ খ্রিষ্টাব্দ থেকে, আকবরের সিংহাসনে বসার বছর ধরে।
পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ছায়ানট রমনা বটমূলে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান করে। - ৭৯. কার সময়ে বঙ্গভঙ্গ হয়?
- ক. লর্ড কার্জন
- খ. লর্ড হার্ডিঞ্জ
- গ. লর্ড ক্যানিং
- ঘ. লর্ড ওয়েলেসলী
উত্তর: ক. লর্ড কার্জন
ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জন প্রশাসনিক সুবিধার কথা বলে ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর বাংলা প্রদেশকে দুই ভাগ করেন। নতুন ‘পূর্ববঙ্গ ও আসাম’ প্রদেশের রাজধানী হয় ঢাকা। এর বিরুদ্ধে স্বদেশী আন্দোলন ছড়িয়ে পড়লে ১৯১১ সালে লর্ড হার্ডিঞ্জের সময় বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয়।
মনে রাখুন:
বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন সম্রাট পঞ্চম জর্জ, দিল্লির দরবারে।
বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ ‘আমার সোনার বাংলা’ গানটি লেখেন। - ৮০. ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের কয় দফা ছিল?
- ক. ৬টি
- খ. ১১টি
- গ. ২১টি
- ঘ. ৮টি
উত্তর: গ. ২১টি
১৯৫৪ সালের পূর্ববঙ্গ প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী মুসলিম লীগ, কৃষক শ্রমিক পার্টি, নেজামে ইসলাম ও গণতন্ত্রী দল মিলে যুক্তফ্রন্ট গঠন করে। তারা ২১ দফা কর্মসূচি নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেয়, যার প্রথম দফা ছিল বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা। নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট বিপুল জয় পায় এবং শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক মুখ্যমন্ত্রী হন।
মনে রাখুন: যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা, আর এই নির্বাচনে মুসলিম লীগের ভরাডুবি হয়। - ৮১. মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কত সালে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি লাভ করেন?
- ক. ১৯৭০
- খ. ১৯৬৯
- গ. ১৯৬৮
- ঘ. ১৯৬৬
উত্তর: খ. ১৯৬৯
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে মুক্তি পাওয়ার পর ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) শেখ মুজিবুর রহমানকে বিশাল গণসংবর্ধনা দেওয়া হয়। সেখানে কেন্দ্রীয় ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের পক্ষে তোফায়েল আহমেদ তাঁকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করেন। এরপর থেকেই তিনি বঙ্গবন্ধু নামে পরিচিত হন।
মনে রাখুন: ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ আ স ম আব্দুর রব তাঁকে ‘জাতির পিতা’ ঘোষণা করেন। - ৮২. বাংলাদেশে মণিপুরী নাচ কোন অঞ্চলের ঐতিহ্য?
- ক. সিলেট
- খ. ময়মনসিংহ
- গ. রাজশাহী
- ঘ. কুষ্টিয়া
উত্তর: ক. সিলেট
মণিপুরী জনগোষ্ঠীর বেশিরভাগ মানুষ বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলে, বিশেষ করে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ ও সিলেট শহরের আশপাশে বাস করে। তাদের ধর্মীয় উৎসবে কোমল ও ছন্দময় যে নাচ পরিবেশিত হয়, সেটিই মণিপুরী নাচ, তাই এটি সিলেট অঞ্চলের ঐতিহ্য। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৯ সালে সিলেট সফরে এই নাচ দেখে মুগ্ধ হয়ে শান্তিনিকেতনে এর চর্চা শুরু করেন।
মনে রাখুন: ভারতের মণিপুর রাজ্য এই নাচের আদি উৎস। - ৮৭. মুজিব নগর কোন জেলায় অবস্থিত?
- ক. যশোর
- খ. কুষ্টিয়া
- গ. মেহেরপুর
- ঘ. চুয়াডাঙ্গা
উত্তর: গ. মেহেরপুর
১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলার আমবাগানে বাংলাদেশের প্রথম সরকার, অর্থাৎ মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে। বঙ্গবন্ধুর নামে জায়গাটির নাম রাখা হয় মুজিবনগর, আর এটি এখন মেহেরপুর জেলার একটি উপজেলা।
মনে রাখুন:
মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় ১০ এপ্রিল ১৯৭১।
এই সরকারের রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু, অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ। - ৯১. BARD- এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
- ক. জনাব আব্দুল হামিদ খান
- খ. ড. আখতার হামিদ খান
- গ. জনাব আলতাফ হামিদ খান
- ঘ. অধ্যক্ষ আব্দুল লতিফ খান
উত্তর: খ. ড. আখতার হামিদ খান
বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (Bangladesh Academy for Rural Development, BARD) ১৯৫৯ সালে কুমিল্লার কোটবাড়িতে প্রতিষ্ঠা করেন ড. আখতার হামিদ খান। তিনি গ্রামের মানুষকে সমবায়ের মাধ্যমে সংগঠিত করার যে পদ্ধতি চালু করেন, তা ‘কুমিল্লা মডেল’ নামে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পায়।
মনে রাখুন:
বগুড়ায় অবস্থিত পল্লী উন্নয়ন একাডেমির নাম RDA।
ড. আখতার হামিদ খান ১৯৬৩ সালে র্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার পান।
বিজ্ঞান
- ৭৩. পিঁপড়ার কামড়ে কোন এসিড থাকে?
- ক. অক্সালিক এসিড
- খ. সাইট্রিক এসিড
- গ. ফরমিক এসিড
- ঘ. নাইট্রিক এসিড
উত্তর: গ. ফরমিক এসিড
পিঁপড়া কামড়ানোর সময় শরীরে ফরমিক এসিড (Formic acid) ঢুকিয়ে দেয়, তাই কামড়ের জায়গায় জ্বালা করে এবং ফুলে যায়। লাতিন শব্দ ‘formica’ মানে পিঁপড়া, আর এ থেকেই এসিডটির নাম এসেছে। মৌমাছির হুলেও এক ধরনের এসিড থাকে, তাই সেখানে চুন বা খাবার সোডার মতো ক্ষারীয় কিছু লাগালে জ্বালা কমে।
মনে রাখুন:
লেবুতে = সাইট্রিক এসিড।
টমেটোতে = অক্সালিক এসিড।
তেঁতুলে = টারটারিক এসিড।
দইয়ে = ল্যাকটিক এসিড। - ৭৭. চিকনগুনিয়া রোগটি কোন মাধ্যম বাহিত রোগ?
- ক. পানিবাহিত
- খ. পতঙ্গবাহিত
- গ. বায়ুবাহিত
- ঘ. রক্তবাহিত
উত্তর: খ. পতঙ্গবাহিত
চিকনগুনিয়া (Chikungunya) একটি ভাইরাসজনিত রোগ, আর এই ভাইরাস ছড়ায় এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে। মশা একটি পতঙ্গ, তাই চিকনগুনিয়াকে পতঙ্গবাহিত রোগ বলা হয়। এ রোগে তীব্র জ্বরের সঙ্গে শরীরের গিঁটে গিঁটে প্রচণ্ড ব্যথা হয়, আর বাংলাদেশে ২০১৭ সালে ঢাকায় এর বড় প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়।
মনে রাখুন:
এডিস মশা = ডেঙ্গু, চিকনগুনিয়া, জিকা।
অ্যানোফিলিস মশা = ম্যালেরিয়া।
কিউলেক্স মশা = ফাইলেরিয়া বা গোদ রোগ। - ৮৩. করোনারী থ্রম্বসিস অসুখটি-
- ক. যকৃতের
- খ. হৃৎপিন্ডের
- গ. অগ্ন্যাশয়ের
- ঘ. কিডনীর
উত্তর: খ. হৃৎপিন্ডের
হৃৎপিণ্ডের পেশিতে রক্ত সরবরাহ করে করোনারি ধমনি (Coronary artery)। এই ধমনির ভেতরে রক্ত জমাট বেঁধে প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে তাকে করোনারি থ্রম্বসিস (Coronary thrombosis) বলে, আর এর ফলে হৃৎপেশি অক্সিজেন পায় না এবং হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। তাই এটি হৃৎপিণ্ডের অসুখ।
মনে রাখুন:
হেপাটাইটিস = যকৃতের রোগ।
ডায়াবেটিস = অগ্ন্যাশয়ের ইনসুলিন হরমোনের ঘাটতিজনিত রোগ।
নেফ্রাইটিস = কিডনির রোগ। - ৮৪. নিচের কোনটিকে আদর্শ খাদ্য বলে?
- ক. ভাত
- খ. মাছ
- গ. দুধ
- ঘ. ফল
উত্তর: গ. দুধ
যে খাদ্যে শরীরের প্রয়োজনীয় প্রায় সব উপাদান থাকে, তাকে আদর্শ খাদ্য বলে। দুধে আমিষ, শর্করা, স্নেহ পদার্থ, ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি, এই ছয়টি উপাদানই থাকে, তাই দুধকে আদর্শ খাদ্য বলা হয়। বিশেষ করে শিশুদের হাড় ও দাঁত গঠনে দুধের ক্যালসিয়াম খুব গুরুত্বপূর্ণ।
মনে রাখুন: দুধে ভিটামিন সি ও লৌহ খুব কম থাকে, তাই কেবল দুধ খেলে এ দুটির অভাব পূরণ হয় না। দুধের প্রধান আমিষ কেসিন আর প্রধান শর্করা ল্যাকটোজ। - ৮৫. ভারী পানির সংকেত কোনটি?
- ক. H2O
- খ. H2SO4
- গ. NH4
- ঘ. D2O
উত্তর: ঘ. D2O
সাধারণ পানির অণুতে হাইড্রোজেনের দুটি পরমাণু থাকে (H₂O)। এই হাইড্রোজেনের জায়গায় এর ভারী আইসোটোপ ডিউটেরিয়াম (Deuterium) থাকলে তাকে ভারী পানি বলে, আর এর সংকেত D₂O। ডিউটেরিয়ামের নিউক্লিয়াসে একটি নিউট্রন বেশি থাকে বলে এই পানি সাধারণ পানির চেয়ে ভারী হয়।
মনে রাখুন: পারমাণবিক চুল্লিতে নিউট্রনের গতি কমানোর জন্য মডারেটর হিসেবে ভারী পানি ব্যবহার করা হয়। ভারী পানি আবিষ্কার করেন হ্যারল্ড ইউরে। - ৮৯. জীব জগতের জন্য সবচাইতে ক্ষতিকর রশ্মি কোনটি?
- ক. আলফা রশ্মি
- খ. বিটা রশ্মি
- গ. গামা রশ্মি
- ঘ. আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মী
উত্তর: গ. গামা রশ্মি
তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি বের হয়। এর মধ্যে গামা রশ্মির শক্তি সবচেয়ে বেশি এবং ভেদন ক্ষমতাও সবচেয়ে বেশি, ফলে এটি দেহের গভীরে ঢুকে কোষ ও ডিএনএ ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। আলফা রশ্মি এক টুকরো কাগজেই আটকে যায়, আর বিটা রশ্মি পাতলা ধাতুর পাতে থেমে যায়। তাই জীবজগতের জন্য গামা রশ্মি সবচেয়ে ক্ষতিকর।
মনে রাখুন:
ভেদন ক্ষমতার ক্রম: গামা > বিটা > আলফা।
আয়নিত করার ক্ষমতার ক্রম: আলফা > বিটা > গামা।
আন্তর্জাতিক
- ৭৬. রাশিয়ার মুদ্রার নাম কী?
- ক. রিংগিত
- খ. রুবল
- গ. লিরা
- ঘ. ক্রোনা
উত্তর: খ. রুবল
রাশিয়ার মুদ্রার নাম রুবল (Ruble)। রুবল বহু শতাব্দী ধরে রাশিয়ার মুদ্রা, আর সোভিয়েত ইউনিয়নের সময়েও এই নামটিই চালু ছিল। প্রশ্নের অন্য মুদ্রাগুলোর মধ্যে রিংগিত মালয়েশিয়ার, লিরা তুরস্কের আর ক্রোনা সুইডেন ও চেক প্রজাতন্ত্রের মুদ্রা।
মনে রাখুন:
জাপান = ইয়েন।
চীন = ইউয়ান।
থাইল্যান্ড = বাথ।
মিয়ানমার = কিয়াত। - ৯২. ২০১৭ সালে আই.সি.সি চ্যাম্পিয়ন ট্রফি কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
- ক. ভারত
- খ. ইংল্যান্ড
- গ. অষ্ট্রেলিয়া
- ঘ. নিউজিল্যান্ড
উত্তর: খ. ইংল্যান্ড
২০১৭ সালের আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে অনুষ্ঠিত হয়। ওভালে অনুষ্ঠিত ফাইনালে পাকিস্তান ভারতকে ১৮০ রানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো শিরোপা জেতে। এই আসরে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো সেমিফাইনালে ওঠে, যেখানে তারা ভারতের কাছে হেরে যায়।
মনে রাখুন: প্রথম চ্যাম্পিয়নস ট্রফি (তখন নাম ছিল আইসিসি নকআউট) অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশে, আর চ্যাম্পিয়ন হয় দক্ষিণ আফ্রিকা। - ৯৪. বিখ্যাত ওয়াটারলু যুদ্ধক্ষেত্র কোথায় অবস্থিত?
- ক. রাশিয়া
- খ. ব্রাজিল
- গ. লণ্ডন
- ঘ. বেলজিয়াম
উত্তর: ঘ. বেলজিয়াম
১৮১৫ সালের ১৮ জুন ব্রিটিশ সেনাপতি ডিউক অব ওয়েলিংটন ও প্রুশিয়ার সম্মিলিত বাহিনীর কাছে ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্ট চূড়ান্তভাবে পরাজিত হন। এই যুদ্ধ হয়েছিল ওয়াটারলু নামের একটি জায়গায়, যা বর্তমান বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসের কাছে অবস্থিত। পরাজয়ের পর নেপোলিয়নকে আটলান্টিক মহাসাগরের সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসনে পাঠানো হয়।
মনে রাখুন: ইংরেজিতে ‘meet one's Waterloo’ মানে চূড়ান্ত পরাজয়ের মুখোমুখি হওয়া।
কম্পিউটার ও আইসিটি
- ৮৬. কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদান প্রযুক্তিকে কী বলা হয়?
- ক. ইন্টারকম
- খ. ইন্টারনেট
- গ. ই-মেইল
- ঘ. ইন্টারস্পীড
উত্তর: খ. ইন্টারনেট
পৃথিবীজুড়ে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য কম্পিউটার ও নেটওয়ার্ককে যুক্ত করা বিশাল নেটওয়ার্ককে ইন্টারনেট (Internet) বলে, আর এর মাধ্যমেই এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদান হয়। ই-মেইল এই ইন্টারনেটের একটি সেবা মাত্র, আর ইন্টারকম হলো একই ভবনের মধ্যে কথা বলার ফোন ব্যবস্থা।
মনে রাখুন: ইন্টারনেটে তথ্য পাঠানোর মূল নিয়মকানুন বা প্রটোকলের নাম TCP/IP।
ব্যাংকিং ও অর্থনীতি
- ৮৮. বাংলাদেশে সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী ক্ষেত্র কোনটি?
- ক. পাট
- খ. তৈরী পোশাক
- গ. হিমায়িত মৎস্য
- ঘ. চা
উত্তর: খ. তৈরী পোশাক
বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশের বেশি আসে তৈরি পোশাক (Readymade Garments) খাত থেকে, তাই বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে এটি সবার শীর্ষে। এক সময় পাট ছিল প্রধান রপ্তানি পণ্য, তাই পাটকে ‘সোনালি আঁশ’ বলা হতো, কিন্তু ১৯৮০-এর দশক থেকে পোশাক খাত এগিয়ে যায়।
মনে রাখুন:
রপ্তানির বাইরে বৈদেশিক মুদ্রা আসার আরেক বড় উৎস প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স।
পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশ বিশ্বে চীনের পরে দ্বিতীয়।
এনটিআরসিএ: অন্যান্য পরীক্ষা
- এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৫
- এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৫
- এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৫
- এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৬
- এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৬
- এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৬
- এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৭
- এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৭
- এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০২২
- এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০২২
- এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০২২
- এনটিআরসিএ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০২৪
- এনটিআরসিএ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০২৪
- এনটিআরসিএ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০২৪
- এনটিআরসিএ ৮ম প্রতিষ্ঠান প্রধান নিবন্ধন (প্রধান শিক্ষক) পরীক্ষা ২০২৬
- এনটিআরসিএ ৮ম প্রতিষ্ঠান প্রধান নিবন্ধন (অধ্যক্ষ) পরীক্ষা ২০২৬
- এনটিআরসিএ ৮ম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১২
- এনটিআরসিএ ৮ম প্রতিষ্ঠান প্রধান নিবন্ধন (সুপার, দাখিল মাদ্রাসা) পরীক্ষা ২০২৬
- এনটিআরসিএ ৯ম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৩
আরও শিক্ষক নিয়োগ ও নিবন্ধন পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ১৪৯১) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ২৫৯৪) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ৩৬৯৭) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ২৮১৫) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৪০২১) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৫১২৪) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৮৪৩৩) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ; ১২ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২০১৪ সালের স্থগিত পরীক্ষা, ১৪ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২০১৪ সালের স্থগিত পরীক্ষা, ১৫ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২০১৪ সালের স্থগিত পরীক্ষা, ২০ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (বরিশাল বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (চট্টগ্রাম বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (ঢাকা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (খুলনা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (রাজশাহী বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (সিলেট বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (চট্টগ্রাম বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (ঢাকা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (খুলনা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (পিইডিপি-২) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (রাজশাহী বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (সিলেট বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (বরিশাল বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৭
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন