এনটিআরসিএ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০২৪: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ২০২৪। ৯২টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →- গণিত (২০)
- ইংরেজি (২৩)
- বাংলা (২৩)
- বাংলাদেশ (১২)
- আন্তর্জাতিক (৭)
- সাধারণ জ্ঞান (২)
- বিজ্ঞান (৪)
- কম্পিউটার ও আইসিটি (১)
গণিত
- ১. ৯ জন শ্রমিক ৪ দিনে ১৮০০ টাকা আয় করেন। ৬ জন শ্রমিক কত দিনে সমপরিমাণ অর্থ আয় করবেন?
- ক. ৫(১/৩)
- খ. ৬
- গ. ৯
- ঘ. ১৮
উত্তর: খ. ৬
মোট কাজের পরিমাণকে শ্রমিক-দিন হিসেবে ধরলে হিসাব সহজ হয়। ৯ জন শ্রমিক ৪ দিনে ১৮০০ টাকা আয় করেন, তাই মোট শ্রম = 9 × 4 = 36 শ্রমিক-দিন।
একই পরিমাণ টাকা আয় করতে একই পরিমাণ শ্রম লাগবে, তাই ৬ জন শ্রমিকের লাগবে 36 ÷ 6 = 6 দিন।
মনে রাখুন: শ্রমিক সংখ্যা ও দিনের সংখ্যা ব্যস্ত অনুপাতে থাকে, শ্রমিক কমলে দিন বাড়ে। সূত্র: M1 × D1 = M2 × D2। - ২. পুত্র ও পিতার বর্তমান বয়সের পার্থক্য ২০। ৮ বছর পর তাদের বয়সের সমষ্টি ৭২ বছর হলে পুত্রের বর্তমান বয়স-
- ক. ১৮ বছর
- খ. ১৬ বছর
- গ. ১২ বছর
- ঘ. ৮ বছর
উত্তর: ক. ১৮ বছর
ধরি পুত্রের বর্তমান বয়স x বছর, তাহলে পিতার বয়স (x + 20) বছর।
৮ বছর পর দুজনের বয়স হবে (x + 8) ও (x + 28)।
শর্ত অনুযায়ী, (x + 8) + (x + 28) = 72
⇒ 2x + 36 = 72 ⇒ x = 18।
তাই পুত্রের বর্তমান বয়স ১৮ বছর, আর পিতার ৩৮ বছর।
মনে রাখুন: বয়সের পার্থক্য সময়ের সঙ্গে কখনো বদলায় না, কিন্তু সমষ্টি প্রতি বছর ২ করে বাড়ে। - ৩. ৬৩০০ সংখ্যাটিকে কত দ্বারা গুণ করলে সংখ্যাটি পূর্ণবর্গ হবে?
- ক. ২
- খ. ৩
- গ. ৫
- ঘ. ৭
উত্তর: ঘ. ৭
কোনো সংখ্যা পূর্ণবর্গ হতে হলে তার প্রতিটি মৌলিক উৎপাদক জোড়ায় জোড়ায় থাকতে হয়। তাই আগে 6300-কে মৌলিক উৎপাদকে ভাঙি:
6300 = 2 × 2 × 3 × 3 × 5 × 5 × 7 = 2² × 3² × 5² × 7।
এখানে কেবল 7 জোড়াহীন, তাই 7 দিয়ে গুণ করলে সংখ্যাটি পূর্ণবর্গ হবে: 6300 × 7 = 44100 = 210²।
মনে রাখুন: পূর্ণবর্গ বানাতে ভাগ করতে বললেও একই নিয়ম, তখন জোড়াহীন উৎপাদক দিয়ে ভাগ করতে হয় (6300 ÷ 7 = 900 = 30²)। - ৪. একটি সমিতিতে যতজন সদস্য আছে প্রত্যেকে তত ১৫.০০ টাকা করে চাঁদা দেওয়ায় মোট ৭৩৫ টাকা হলো। সদস্য সংখ্যা কত?
- ক. ৩ জন
- খ. ৫ জন
- গ. ৭ জন
- ঘ. ১৫ জন
উত্তর: গ. ৭ জন
সদস্য সংখ্যা যত, প্রত্যেকে তত গুণ ১৫ টাকা করে চাঁদা দিয়েছে। ধরি সদস্য সংখ্যা n, তাহলে প্রত্যেকের চাঁদা 15n টাকা।
মোট চাঁদা = n × 15n = 15n² = 735
⇒ n² = 735 ÷ 15 = 49 ⇒ n = 7।
তাই সদস্য সংখ্যা ৭ জন, প্রত্যেকে দিয়েছেন ১০৫ টাকা।
মনে রাখুন: ‘যত জন, তত টাকা’ ধরনের অঙ্কে মোট টাকাকে সংখ্যার বর্গ হিসেবে ভাবলেই সমাধান দ্রুত হয়। - ৫. সরল সুদে কোনো আসল ১২ বছরে সুদে-আসলে চারগুণ হলে সুদের হার কত?
- ক. ৫%
- খ. ১০%
- গ. ১২%
- ঘ. ২৫%
উত্তর: ঘ. ২৫%
আসল P হলে ১২ বছরে সুদে-আসলে 4P হয়েছে, তাই ১২ বছরের সুদ = 4P − P = 3P।
সরল সুদের সূত্র: সুদ = P × r × t / 100
⇒ 3P = P × r × 12 / 100 ⇒ r = 300/12 = 25%।
মনে রাখুন: সরল সুদে আসল n গুণ হতে t বছর লাগলে সুদের হার = (n − 1) × 100 / t। এখানে (4 − 1) × 100 / 12 = 25%। - ৬. ২৪০ টাকায় ১২টি কমলা ক্রয় করে ২০০ টাকায় ৮টি কমলা বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ বা ক্ষতি হবে?
- ক. ২৫% লাভ
- খ. ২৫% ক্ষতি
- গ. ২০% লাভ
- ঘ. ২০% ক্ষতি
উত্তর: ক. ২৫% লাভ
প্রতিটি কমলার ক্রয়মূল্য = 240 ÷ 12 = 20 টাকা।
প্রতিটি কমলার বিক্রয়মূল্য = 200 ÷ 8 = 25 টাকা।
প্রতিটিতে লাভ = 25 − 20 = 5 টাকা।
শতকরা লাভ = (5/20) × 100 = 25%।
মনে রাখুন: লাভ বা ক্ষতির শতকরা হার সবসময় ক্রয়মূল্যের ওপর হিসাব করা হয়। - ৭. দুইটি সংখ্যার অনুপাত ৪ : ৫ এবং তাদের ল.সা.গু. ১৬০ হলে ক্ষুদ্রতর সংখ্যাটি কত?
- ক. ৩২
- খ. ৪০
- গ. ৪২
- ঘ. ৪৫
উত্তর: ক. ৩২
অনুপাত ৪ : ৫ হলে সংখ্যা দুটি 4k ও 5k। ৪ ও ৫ সহমৌলিক, তাই এদের ল.সা.গু. = 4 × 5 × k = 20k।
শর্ত অনুযায়ী, 20k = 160 ⇒ k = 8।
তাই ক্ষুদ্রতর সংখ্যা = 4 × 8 = 32, আর বৃহত্তর সংখ্যা = 40।
মনে রাখুন: এখানে k-ই সংখ্যা দুটির গ.সা.গু.। দুটি সংখ্যার গুণফল = ল.সা.গু. × গ.সা.গু. (32 × 40 = 160 × 8 = 1280)। - ৮. কোনো একটি শ্রেণিতে ১১ জন শিক্ষার্থীর বয়সের গড় ১৩ বছর। ৩ শিক্ষার্থী নতুন ভর্তি হওয়ায় বয়সের গড় হলো ১২ বছর। নতুন ৩ জন শিক্ষার্থীর বয়সের সমষ্টি কত বছর?
- ক. ২৫
- খ. ৩৫
- গ. ৪৫
- ঘ. ৫২
উত্তর: ক. ২৫
১১ জনের বয়সের সমষ্টি = 11 × 13 = 143 বছর।
নতুন ৩ জন যোগ হওয়ায় শিক্ষার্থী হলো ১৪ জন, আর তাদের বয়সের সমষ্টি = 14 × 12 = 168 বছর।
তাই নতুন ৩ জনের বয়সের সমষ্টি = 168 − 143 = 25 বছর।
মনে রাখুন: গড়ের অঙ্কে আগে মোট সমষ্টি বের করে নিলে প্রায় সব প্রশ্ন বিয়োগ করেই সমাধান হয়ে যায়। - ৯. ৫০ ও ১০০ এর মধ্যবর্তী বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যাদ্বয়ের গড় কত?
- ক. ৭৪
- খ. ৭৫
- গ. ৭৬
- ঘ. ৭৭
উত্তর: খ. ৭৫
যে সংখ্যার ১ ও সেই সংখ্যা ছাড়া অন্য কোনো উৎপাদক নেই, তাকে মৌলিক সংখ্যা (Prime Number) বলে। ৫০-এর পরের প্রথম মৌলিক সংখ্যা ৫৩ (৫১ = ৩ × ১৭ বলে মৌলিক নয়), আর ১০০-এর আগের শেষ মৌলিক সংখ্যা ৯৭।
গড় = (53 + 97) ÷ 2 = 150 ÷ 2 = 75।
মনে রাখুন: ৫০ থেকে ১০০-এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা ১০টি: 53, 59, 61, 67, 71, 73, 79, 83, 89, 97। আর ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত মোট মৌলিক সংখ্যা ২৫টি। - ১০. x + y + z = 7 এবং xy + yz + zx = 10 হলে, x² + y² + z² এর মান-
- ক. 29
- খ. 32
- গ. 35
- ঘ. 45
উত্তর: ক. 29
সূত্র: (x + y + z)² = x² + y² + z² + 2(xy + yz + zx)।
তাই x² + y² + z² = (x + y + z)² − 2(xy + yz + zx)
= 7² − 2 × 10 = 49 − 20 = 29।
মনে রাখুন: তিন রাশির যোগফলের বর্গের এই সূত্রটি সরাসরি মনে রাখলে এ ধরনের অঙ্ক এক লাইনেই শেষ হয়। - ১১. 2 × 4³ˣ⁻⁵ = 512 হলে, x এর মান-
- ক. 2
- খ. 3
- গ. 4
- ঘ. 5
উত্তর: খ. 3
2 × 4^(3x−5) = 512
⇒ 4^(3x−5) = 256 = 4⁴ (কারণ 4 × 4 × 4 × 4 = 256)।
ভিত্তি সমান হলে সূচকও সমান হবে, তাই 3x − 5 = 4 ⇒ 3x = 9 ⇒ x = 3।
যাচাই: x = 3 হলে 2 × 4⁴ = 2 × 256 = 512।
মনে রাখুন: সূচকের সমীকরণে দুই পাশকে একই ভিত্তির ঘাতে প্রকাশ করাই সমাধানের মূল কৌশল। - ১২. log 2√2 x = 4 হলে, x এর মান-
- ক. 16
- খ. 32
- গ. 48
- ঘ. 64
উত্তর: ঘ. 64
লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী, logₐ x = n হলে x = aⁿ।
এখানে ভিত্তি a = 2√2 এবং n = 4, তাই x = (2√2)⁴।
(2√2)² = 4 × 2 = 8, তাই (2√2)⁴ = 8² = 64।
মনে রাখুন: 2√2 = 2^(3/2), তাই (2√2)⁴ = 2^(3/2 × 4) = 2⁶ = 64। ভিত্তিকে 2-এর ঘাতে লিখলে এ ধরনের হিসাব আরও সহজ হয়। - ১৩. x – y = 3 হলে, x³ – y³ – 9xy এর মান-
- ক. 27
- খ. 18
- গ. 9
- ঘ. 6
উত্তর: ক. 27
সূত্র: x³ − y³ = (x − y)³ + 3xy(x − y)।
x − y = 3 বসালে, x³ − y³ = 27 + 3xy × 3 = 27 + 9xy।
তাই x³ − y³ − 9xy = 27 + 9xy − 9xy = 27।
মনে রাখুন: এ ধরনের প্রশ্নে xy-এর মান না জেনেও উত্তর বের হয়, কারণ xy-যুক্ত পদগুলো কেটে যায়। - ১৪. একটি খুঁটির ছায়ার দৈর্ঘ্য তার উচ্চতার √3 গুণ হলে, সূর্যের উন্নতি কোণ-
- ক. 30°
- খ. 45°
- গ. 60°
- ঘ. 90°
উত্তর: ক. 30°
খুঁটি, ছায়া আর সূর্যের আলো মিলে একটি সমকোণী ত্রিভুজ তৈরি হয়। ধরি খুঁটির উচ্চতা h, তাহলে ছায়ার দৈর্ঘ্য √3h।
সূর্যের উন্নতি কোণ θ হলে, tanθ = উচ্চতা/ছায়া = h/(√3h) = 1/√3।
আমরা জানি tan30° = 1/√3, তাই θ = 30°।
মনে রাখুন: ছায়া উচ্চতার সমান হলে উন্নতি কোণ 45°, আর ছায়া উচ্চতার 1/√3 গুণ হলে কোণ 60°। সূর্য যত ওপরে ওঠে, ছায়া তত ছোট হয়। - ১৫. একটি বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য 4√2 একক হলে, বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা কত একক?
- ক. 4
- খ. 8
- গ. 16
- ঘ. 32
উত্তর: গ. 16
বর্গক্ষেত্রের বাহু a হলে কর্ণ = √2a।
শর্ত অনুযায়ী, √2a = 4√2 ⇒ a = 4 একক।
পরিসীমা = 4a = 4 × 4 = 16 একক।
মনে রাখুন: বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল কর্ণ দিয়েও বের করা যায়: ক্ষেত্রফল = কর্ণ²/2। এখানে (4√2)²/2 = 32/2 = 16 বর্গ একক। - ১৬. একটি আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা 44 মিটার। এর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ অপেক্ষা 4 মিটার বেশি। উহার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত কত?
- ক. 2 : 3
- খ. 5 : 6
- গ. 6 : 5
- ঘ. 13 : 9
উত্তর: ঘ. 13 : 9
আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = 2(দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) = 44, তাই দৈর্ঘ্য + প্রস্থ = 22।
আবার দৈর্ঘ্য − প্রস্থ = 4।
দুটি যোগ করে, 2 × দৈর্ঘ্য = 26 ⇒ দৈর্ঘ্য = 13 মিটার, আর প্রস্থ = 22 − 13 = 9 মিটার।
তাই দৈর্ঘ্য : প্রস্থ = 13 : 9।
মনে রাখুন: দুটি রাশির যোগফল ও বিয়োগফল জানা থাকলে বড়টি = (যোগফল + বিয়োগফল)/2, ছোটটি = (যোগফল − বিয়োগফল)/2। - ১৭. একটি ট্রাপিজিয়ামের সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্য 10 সেমি. ও 8 সেমি.। উহার ক্ষেত্রফল 63 বর্গসেমি. হলে, সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের মধ্যবর্তী দূরত্ব কত সেমি?
- ক. 7
- খ. 14
- গ. 21
- ঘ. 63
উত্তর: ক. 7
ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল = ১/২ × (সমান্তরাল বাহু দুটির যোগফল) × মধ্যবর্তী দূরত্ব।
63 = (1/2) × (10 + 8) × h = 9h
⇒ h = 63 ÷ 9 = 7 সেমি।
মনে রাখুন: সমান্তরাল বাহু দুটির গড়কে উচ্চতা দিয়ে গুণ করলেই ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল পাওয়া যায়, তাই সূত্রটি মনে রাখা সহজ। - ১৮. একটি বৃত্তের ক্ষেত্রফলের দ্বিগুণের সাথে পরিধির অনুপাত হলো-
- ক. জ্যা
- খ. ব্যাস
- গ. ব্যাসার্ধ
- ঘ. বৃত্তকলা
উত্তর: গ. ব্যাসার্ধ
বৃত্তের ব্যাসার্ধ r হলে ক্ষেত্রফল πr² এবং পরিধি 2πr।
ক্ষেত্রফলের দ্বিগুণ ÷ পরিধি = 2πr² ÷ 2πr = r।
তাই অনুপাতটি বৃত্তের ব্যাসার্ধের সমান।
মনে রাখুন: শুধু ক্ষেত্রফল ÷ পরিধি নিলে পাওয়া যায় r/2, অর্থাৎ ব্যাসার্ধের অর্ধেক। ‘দ্বিগুণ’ শব্দটি না দেখলে উত্তর ভুল হয়ে যায়। - ১৯. একটি বৃত্তে একই চাপের উপর অবস্থিত কেন্দ্রস্থ কোণ 140° হলে, উক্ত চাপের উপর অবস্থিত বৃত্তস্থ কোণের মান-
- ক. 10°
- খ. 60°
- গ. 70°
- ঘ. 280°
উত্তর: গ. 70°
বৃত্তের একটি উপপাদ্য হলো, একই চাপের ওপর দাঁড়ানো বৃত্তস্থ কোণ কেন্দ্রস্থ কোণের অর্ধেক।
তাই বৃত্তস্থ কোণ = 140° ÷ 2 = 70°।
মনে রাখুন:
একই চাপের ওপর অবস্থিত সব বৃত্তস্থ কোণ পরস্পর সমান।
অর্ধবৃত্তস্থ কোণ সবসময় এক সমকোণ, কারণ তখন কেন্দ্রস্থ কোণ 180°। - ২০. ABCD রম্বসের ∠ABC = 120° এবং কর্ণদ্বয়ের ছেদবিন্দু O। OE ⊥ AB হলে, ∠BOE = কত?
- ক. 30°
- খ. 45°
- গ. 60°
- ঘ. 120°
উত্তর: ক. 30°
রম্বসের কর্ণ দুটি পরস্পরকে সমকোণে সমদ্বিখণ্ডিত করে এবং শীর্ষকোণগুলোকেও সমদ্বিখণ্ডিত করে।
তাই ∠ABO = 120° ÷ 2 = 60°।
এখন △OEB-তে OE ⊥ AB, তাই ∠OEB = 90°।
ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি 180°, অতএব ∠BOE = 180° − 90° − 60° = 30°।
মনে রাখুন: রম্বসের কর্ণ দুটি সমান হয় না, কিন্তু সবসময় পরস্পরের ওপর লম্ব থাকে।
ইংরেজি
- ২১. “To read between the lines” means–
- ক. to concentrate
- খ. to read leaving space
- গ. to grasp the hidden meaning
- ঘ. to read quickly
উত্তর: গ. to grasp the hidden meaning
To read between the lines একটি idiom, যার অর্থ লেখা বা কথার আড়ালে থাকা গোপন অর্থ বুঝে নেওয়া, অর্থাৎ to grasp the hidden meaning। লেখক যা সরাসরি বলেননি, অথচ ইঙ্গিতে বোঝাতে চেয়েছেন, তা ধরতে পারাকেই এভাবে বলা হয়।
উদাহরণ: His letter seemed cheerful, but reading between the lines, I could see he was unhappy.
মনে রাখুন: Between the devil and the deep sea মানে উভয় সংকটে পড়া। - ২২. –––– mother rose in her.
- ক. the
- খ. a
- গ. an
- ঘ. no article
উত্তর: ক. the
'A mother rose in her' বাক্যে mother বলতে কোনো একজন মা-কে বোঝানো হয়নি, বরং মায়ের মতো স্নেহ বা মাতৃভাবকে বোঝানো হয়েছে। কোনো common noun যখন একটি গুণ বা ভাব বোঝাতে abstract noun-এর মতো ব্যবহৃত হয়, তখন তার আগে the বসে। তাই 'The mother rose in her' মানে তার মধ্যে মাতৃভাব জেগে উঠল।
মনে রাখুন: একই নিয়মে বলা হয় The patriot in him was aroused আর The poet in him was awakened। - ২৩. ––––, I would have called her.
- ক. If I saw him
- খ. If Rina had seen me
- গ. If Rina sees me
- ঘ. If Rina would seen me
উত্তর: খ. If Rina had seen me
বাক্যের দ্বিতীয় অংশে would have called আছে, যা তৃতীয় ধরনের conditional (Third Conditional) নির্দেশ করে। এই কাঠামোতে if-clause-এ past perfect বসে: If + subject + had + past participle। তাই সঠিক বাক্য: If Rina had seen me, I would have called her. এখানে her সর্বনামটি রিনাকে বোঝায়, তাই প্রথম বিকল্পের him অর্থের সঙ্গে মেলে না।
মনে রাখুন: Third conditional অতীতের এমন অবস্থা বোঝায় যা ঘটেনি, অর্থাৎ রিনা আমাকে দেখেনি, তাই ডাকাও হয়নি। - ২৪. Do you enjoy teaching? The underlined word is–
- ক. noun
- খ. participle
- গ. gerund
- ঘ. pronoun
উত্তর: গ. gerund
Enjoy verb-এর পরে object হিসেবে অন্য কোনো কাজ বসাতে হলে সেটি -ing রূপে বসে। Do you enjoy teaching বাক্যে teaching হলো enjoy-এর object, আর -ing যুক্ত verb যখন noun-এর কাজ করে, তাকে Gerund বলে।
মনে রাখুন: যেসব verb-এর পরে gerund বসে: enjoy, avoid, finish, mind, practise, keep, stop।
উদাহরণ: I don’t mind waiting. He finished writing the letter. - ২৫. English ––– across the world.
- ক. speaks
- খ. is speaking
- গ. is spoken
- ঘ. has been spoken
উত্তর: গ. is spoken
ইংরেজি ভাষা নিজে কথা বলে না, মানুষ এই ভাষায় কথা বলে। তাই বাক্যটি passive voice-এ হবে, আর সাধারণ সত্য বোঝাতে present indefinite passive: is + past participle। সঠিক বাক্য: English is spoken across the world.
মনে রাখুন: যখন কাজটি কে করছে তা গুরুত্বপূর্ণ নয় বা সবাই করছে, তখন passive voice-এ by-phrase বাদ দেওয়া হয়।
উদাহরণ: Rice is grown in Bangladesh. - ২৬. Who will help you? The passive form is–
- ক. By whom will you be helped?
- খ. By whom you will be helped?
- গ. By whom will you helped?
- ঘ. By whom would be helped?
উত্তর: ক. By whom will you be helped?
Who দিয়ে শুরু হওয়া প্রশ্নকে passive করতে who-এর বদলে By whom বসাতে হয়। মূল বাক্যটি future indefinite tense-এ, তাই passive-এ will + be + past participle লাগে। প্রশ্নবোধক বাক্য বলে auxiliary will বসবে subject-এর আগে। সুতরাং: By whom will you be helped?
মনে রাখুন: Interrogative passive-এর কাঠামো: By whom + auxiliary + subject + be/been/being + past participle?
উদাহরণ: Who wrote this? → By whom was this written? - ২৭. I am used ––– in crowded places.
- ক. to study
- খ. to studying
- গ. to studied
- ঘ. studing
উত্তর: খ. to studying
Be used to মানে কোনো কিছুতে অভ্যস্ত হওয়া। এখানে to একটি preposition, তাই এর পরে verb বসলে তা -ing রূপে বসে। সঠিক বাক্য: I am used to studying in crowded places, অর্থাৎ আমি ভিড়ের মধ্যে পড়াশোনা করতে অভ্যস্ত।
মনে রাখুন: used to (be ছাড়া) অতীতের অভ্যাস বোঝায়, আর তখন এর পরে verb-এর মূল রূপ বসে।
উদাহরণ: I used to study at night (আগে রাতে পড়তাম)। - ২৮. A speech full of many words is–
- ক. a large speech
- খ. an ornamental speech
- গ. maiden speech
- ঘ. a verbose speech
উত্তর: ঘ. a verbose speech
Verbose শব্দের অর্থ বাগাড়ম্বরপূর্ণ, অর্থাৎ প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি শব্দ ব্যবহার করা। তাই অনেক শব্দে ভরা বক্তৃতাকে বলা হয় a verbose speech। Maiden speech মানে কারও প্রথম বক্তৃতা, বিশেষ করে সংসদে।
মনে রাখুন: Verbose-এর সমার্থক wordy, long-winded। এর বিপরীত শব্দ concise বা brief। - ২৯. The enemy gave in at last. Here “gave in” means–
- ক. fled away
- খ. fainted
- গ. yielded
- ঘ. moved back
উত্তর: গ. yielded
Give in একটি phrasal verb, যার অর্থ হার মেনে নেওয়া বা আত্মসমর্পণ করা, অর্থাৎ yield। The enemy gave in at last মানে শত্রু অবশেষে হার মানল।
মনে রাখুন: give-এর আরও কিছু phrasal verb: give up (ছেড়ে দেওয়া), give away (বিলিয়ে দেওয়া), give out (ফুরিয়ে যাওয়া), give off (গন্ধ বা ধোঁয়া ছড়ানো)। - ৩০. The phrase “get the axe” means–
- ক. get a new job
- খ. lose the job
- গ. cut off relationship
- ঘ. get an opportunity
উত্তর: খ. lose the job
Get the axe একটি idiom, যার অর্থ চাকরি হারানো বা বরখাস্ত হওয়া। কুঠার দিয়ে যেমন কিছু কেটে বাদ দেওয়া হয়, তেমনি কর্মী ছাঁটাই বোঝাতে কথাটি ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ: Fifty workers got the axe when the factory closed.
মনে রাখুন: একই অর্থে ব্যবহৃত হয় get the sack ও be fired। - ৩১. The spectator was a lady, –––?
- ক. isn’t she
- খ. was she
- গ. wasn’t she
- ঘ. was she not
উত্তর: গ. wasn’t she
Tag question তৈরির নিয়ম হলো: মূল বাক্য affirmative হলে tag negative হবে, আর tag-এ মূল বাক্যের auxiliary verb ও subject-এর সর্বনাম বসবে। মূল বাক্যে verb was এবং subject the spectator, যে একজন নারী, তাই সর্বনাম she। সুতরাং: The spectator was a lady, wasn’t she?
মনে রাখুন: tag-এ negative রূপ সবসময় সংক্ষিপ্ত হয় (wasn’t, isn’t, don’t)। - ৩২. Now many women are working ––– home with men.
- ক. out
- খ. off
- গ. staying out
- ঘ. outside
উত্তর: ঘ. outside
বাক্যটির অর্থ হলো এখন অনেক নারী পুরুষের পাশাপাশি ঘরের বাইরে কাজ করছেন। ঘরের বাইরে বোঝাতে ইংরেজিতে preposition outside বসে, তাই সঠিক বাক্য: Now many women are working outside home with men. Out একা home-এর আগে বসে না, বললে বলতে হয় out of home।
মনে রাখুন: outside the house, outside the country, কিন্তু out of the room, out of sight। - ৩৩. The verb form of ‘deceit’ is–
- ক. deceive
- খ. decisive
- গ. deceiving
- ঘ. deceitful
উত্তর: ক. deceive
Deceit একটি noun, যার অর্থ প্রতারণা। এর verb রূপ deceive, অর্থাৎ প্রতারণা করা। Deceitful হলো adjective (প্রতারণাপূর্ণ), আর deceiving হলো verb-এর -ing রূপ।
মনে রাখুন: একই পরিবারের আরেকটি noun deception।
একই রকম রূপ বদল: receipt → receive, conceit → conceive। - ৩৪. The singular form of ‘criteria’ is–
- ক. criterium
- খ. criterion
- গ. criteri
- ঘ. criterius
উত্তর: খ. criterion
Criteria শব্দটি গ্রিক ভাষা থেকে ইংরেজিতে এসেছে, আর এটি বহুবচন রূপ। এর একবচন criterion, যার অর্থ মানদণ্ড বা বিচারের ভিত্তি। গ্রিক থেকে আসা কিছু শব্দে -on দিয়ে একবচন আর -a দিয়ে বহুবচন হয়।
মনে রাখুন: একই রকম শব্দ: phenomenon → phenomena।
ল্যাটিন থেকে আসা শব্দে: datum → data, medium → media, curriculum → curricula। - ৩৫. Move and die. ––– Make it simple:
- ক. If you move, you will die.
- খ. By moving you will die.
- গ. Without moving you will die.
- ঘ. If you do not move, you will die.
উত্তর: খ. By moving you will die.
Move and die বাক্যে দুটি স্বাধীন clause and দিয়ে যুক্ত, তাই এটি compound sentence, আর এর অর্থ ‘নড়লে মরবে’। Simple sentence-এ একটি মাত্র finite verb থাকে, তাই প্রথম কাজটিকে By + gerund বানিয়ে একটি phrase করতে হয়: By moving you will die।
If you move, you will die বাক্যটিও অর্থে ঠিক, তবে এতে if-clause থাকায় এটি complex sentence।
মনে রাখুন: Compound থেকে simple করতে সাধারণত by + -ing, participle বা infinitive ব্যবহার করা হয়। - ৩৬. The synonym of ‘intimidate’ is–
- ক. weaken
- খ. depress
- গ. encourage
- ঘ. frighten
উত্তর: ঘ. frighten
Intimidate মানে ভয় দেখিয়ে কাউকে দমিয়ে রাখা বা হুমকি দেওয়া, তাই এর সমার্থক frighten। Weaken মানে দুর্বল করা, depress মানে বিষণ্ন করা, আর encourage মানে উৎসাহ দেওয়া, যা প্রায় বিপরীত অর্থ।
মনে রাখুন: Intimidate-এর অন্য সমার্থক threaten, terrify, cow। এর বিশেষ্য intimidation। - ৩৭. Choose the correct answer:
- ক. A few number of students were present.
- খ. A few number of students was present.
- গ. A few number of student were present.
- ঘ. A small number of students were present
উত্তর: ঘ. A small number of students were present
A few গণনাযোগ্য বিশেষ্যের আগে সরাসরি বসে, যেমন a few students। এর সঙ্গে আবার number শব্দ জুড়ে a few number of বলা ভুল। সংখ্যা কম বোঝাতে number-এর আগে small বসাতে হয়: a small number of। আর a number of এর পরে plural noun ও plural verb বসে। তাই শুদ্ধ বাক্য: A small number of students were present.
মনে রাখুন:
A number of students were present (অনেক শিক্ষার্থী)।
The number of students was small (শিক্ষার্থীর সংখ্যা, তাই singular verb)। - ৩৮. The antonym of the word ‘delete’ is–
- ক. start
- খ. delay
- গ. insert
- ঘ. hide
উত্তর: গ. insert
Delete মানে মুছে ফেলা বা বাদ দেওয়া, যেমন লেখা থেকে কোনো শব্দ মুছে দেওয়া। এর বিপরীত কাজ হলো নতুন কিছু ঢুকিয়ে দেওয়া, যাকে বলে insert। Delay মানে দেরি করা, আর hide মানে লুকানো, এগুলো delete-এর বিপরীত নয়।
মনে রাখুন: কম্পিউটারের কি-বোর্ডেও Delete ও Insert পাশাপাশি দুটি বিপরীত কাজের বোতাম। - ৩৯. “A letter is going to be written by me” –Make it active:
- ক. I am going to write a letter.
- খ. I will write a letter.
- গ. I am writing a letter.
- ঘ. I will be going to write a letter.
উত্তর: ক. I am going to write a letter.
Passive বাক্যটি is going to be written রূপে আছে, যা ভবিষ্যতের পরিকল্পনা বোঝানো be going to-এর passive। Active করতে by-এর পরের me-কে subject I বানাই, আর be going to + verb-এর মূল রূপ রাখি। Subject I বলে is বদলে am হবে। তাই active: I am going to write a letter.
মনে রাখুন: I will write a letter-এর passive হয় A letter will be written by me, তাই be going to আর will গুলিয়ে ফেলা যাবে না। - ৪০. ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর- Correct translation in English:
- ক. Smoking is bad for health.
- খ. Smoking is telling upon health.
- গ. Smoking was a bad habit.
- ঘ. Smoking is dangerous for health.
উত্তর: ক. Smoking is bad for health.
‘ক্ষতিকর’ মানে ক্ষতি করে এমন, ইংরেজিতে harmful বা bad for। তাই ‘ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর’ বাক্যের সরল ও সঠিক অনুবাদ: Smoking is bad for health. অন্যদিকে dangerous মানে বিপজ্জনক, যা ক্ষতিকরের চেয়ে আলাদা ও জোরালো অর্থ দেয়, আর tell upon মানে ধীরে ধীরে খারাপ প্রভাব ফেলা।
মনে রাখুন: প্রচলিত আনুষ্ঠানিক রূপ: Smoking is injurious to health. Injurious-এর পরে preposition to বসে। - ৪১. He visits the school off and on. “Off and on” means–
- ক. regularly
- খ. frequently
- গ. never at all
- ঘ. occasionally
উত্তর: ঘ. occasionally
Off and on একটি idiom, যার অর্থ মাঝে মাঝে, নিয়মিত নয়, অর্থাৎ occasionally। He visits the school off and on মানে সে মাঝে মাঝে স্কুলে আসে। Regularly মানে নিয়মিত, আর frequently মানে ঘন ঘন, তাই এগুলো ঠিক অর্থ দেয় না।
মনে রাখুন: একই অর্থে on and off এবং now and then ব্যবহৃত হয়। - ৪২. I have left the room but he (enter) the room:
- ক. enters
- খ. entered
- গ. has entered
- ঘ. is entering
উত্তর: গ. has entered
বাক্যের প্রথম অংশ I have left the room present perfect tense-এ আছে। But দিয়ে যুক্ত দুটি clause একই সময়ের কথা বললে দ্বিতীয় clause-ও একই tense-এ রাখা হয়, তাই এখানে he has entered the room বসবে। অর্থাৎ আমি ঘর থেকে বেরিয়ে গেছি, কিন্তু সে ঘরে ঢুকেছে, দুটি কাজই সদ্য শেষ হয়েছে।
মনে রাখুন: Present perfect-এর সঙ্গে নির্দিষ্ট অতীত সময় (yesterday, last week) বসে না, তখন past indefinite লাগে। - ৪৩. What is the time ––– your watch?
- ক. in
- খ. at
- গ. by
- ঘ. to
উত্তর: গ. by
ঘড়ি দেখে সময় জানতে চাইলে ইংরেজিতে preposition by ব্যবহার করা হয়: What is the time by your watch? অর্থাৎ তোমার ঘড়ি অনুযায়ী এখন কয়টা বাজে। By এখানে ‘অনুযায়ী’ অর্থ দিচ্ছে।
মনে রাখুন: by-এর এই অর্থের আরও কিছু প্রয়োগ: by profession (পেশায়), by birth (জন্মসূত্রে), by name (নামে)।
বাংলা
- ৪৪. বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন কোনটি?
- ক. চর্যাপদ
- খ. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য
- গ. বঙ্গবাণী
- ঘ. অন্নদামঙ্গল কাব্য
উত্তর: ক. চর্যাপদ
চর্যাপদ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রথম বা আদি নিদর্শন। আনুমানিক দশম থেকে দ্বাদশ শতকের মধ্যে বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকেরা এই গানগুলো রচনা করেন। ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এটি আবিষ্কার করেন।
মনে রাখুন:
মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন বড়ু চণ্ডীদাসের ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’।
‘বঙ্গবাণী’ কবিতার রচয়িতা আবদুল হাকিম, আর ‘অন্নদামঙ্গল’ ভারতচন্দ্রের রচনা। - ৪৫. মধ্যযুগের শেষ কবি কে?
- ক. আব্দুল হাকিম
- খ. বড়ু চণ্ডীদাস
- গ. আলাওল
- ঘ. ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর
উত্তর: ঘ. ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর
মধ্যযুগের সময়সীমা ধরা হয় ১২০১ থেকে ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দ। ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর ১৭৬০ সালে মারা যান, আর তাঁর মৃত্যুর মধ্য দিয়েই মধ্যযুগের সাহিত্যধারার সমাপ্তি ঘটে। তাই তাঁকে মধ্যযুগের শেষ কবি বলা হয়।
মনে রাখুন:
ভারতচন্দ্রের শ্রেষ্ঠ কাব্য ‘অন্নদামঙ্গল’।
ভারতচন্দ্রের মৃত্যু থেকে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের আবির্ভাব পর্যন্ত (১৭৬০-১৮৬০) সময়কে যুগসন্ধিক্ষণ বলা হয়। - ৪৬. যুগসন্ধিক্ষণের কবি হিসেবে পরিচিতি করে?
- ক. বিহারীলাল চক্রবর্তী
- খ. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
- গ. ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
- ঘ. আলাওল
উত্তর: খ. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
মধ্যযুগ শেষ হয়ে আধুনিক যুগ শুরু হওয়ার মাঝের সময়কে যুগসন্ধিক্ষণ বলা হয়। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের কবিতায় একদিকে মধ্যযুগের ধরন, অন্যদিকে আধুনিক যুগের নাগরিক জীবন ও সমাজ-সচেতনতা মিশে আছে। এই দুই যুগের বৈশিষ্ট্য একসঙ্গে বহন করায় তাঁকে যুগসন্ধিক্ষণের কবি বলা হয়।
মনে রাখুন:
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১৮৩১ সালে ‘সংবাদ প্রভাকর’ পত্রিকা প্রকাশ করেন।
বিহারীলাল চক্রবর্তীকে ‘ভোরের পাখি’ বলা হয়, তিনি বাংলা গীতিকবিতার প্রবর্তক। - ৪৭. চতুর্দশপদী কবিতা বা সনেটের প্রবর্তক কে?
- ক. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
- খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গ. অমিয় চক্রবর্তী
- ঘ. বিষ্ণু দে
উত্তর: ক. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
১৪ চরণ ও নির্দিষ্ট মিলবিন্যাসে লেখা কবিতাকে সনেট (Sonnet) বা চতুর্দশপদী কবিতা বলে। মাইকেল মধুসূদন দত্ত ইতালীয় কবি পেত্রার্কের অনুসরণে বাংলায় প্রথম সনেট রচনা করেন, তাই তাঁকে বাংলা সনেটের প্রবর্তক বলা হয়। ১৮৬৬ সালে তাঁর ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’ প্রকাশিত হয়।
মনে রাখুন:
সনেটে সাধারণত প্রথম ৮ চরণে (অষ্টক) ভাব আর শেষ ৬ চরণে (ষটক) ভাবের পরিণতি থাকে।
মধুসূদন বাংলা অমিত্রাক্ষর ছন্দেরও প্রবর্তক। - ৪৮. কোনটি সঠিক বানান?
- ক. নিশিথিনী
- খ. নীশিথিনী
- গ. নিশীথিনী
- ঘ. নিশিথিনি
উত্তর: গ. নিশীথিনী
‘নিশীথ’ শব্দের অর্থ গভীর রাত, আর এর বানানে ‘নি’-তে হ্রস্ব ই-কার ও ‘শী’-তে দীর্ঘ ঈ-কার বসে। ‘নিশীথ’-এর সঙ্গে স্ত্রীবাচক ‘ইনী’ প্রত্যয় যোগে হয় ‘নিশীথিনী’, অর্থাৎ রাত্রি। তাই শুদ্ধ বানান ‘নিশীথিনী’।
মনে রাখুন: স্ত্রীবাচক ‘ইনী’ প্রত্যয়ের শেষে দীর্ঘ ঈ-কার বসে, যেমন মায়াবিনী, কাঙালিনী, অভাগিনী। - ৪৯. ‘রিক্সা’ কোন ভাষার শব্দ?
- ক. তুর্কি
- খ. কোরিয়ান
- গ. জাপানি
- ঘ. পর্তুগিজ
উত্তর: গ. জাপানি
‘রিকশা’ শব্দটি জাপানি ভাষা থেকে এসেছে। জাপানি ‘জিনরিকিশা’ শব্দের অর্থ মানুষে টানা গাড়ি, আর এর সংক্ষিপ্ত রূপ থেকেই বাংলায় ‘রিকশা’ শব্দটি চালু হয়েছে।
মনে রাখুন:
বাংলায় আরও কিছু জাপানি শব্দ: হারিকিরি, সুনামি, জুডো, ক্যারাটে, হাসনুহানা।
পর্তুগিজ শব্দ: আলমারি, চাবি, বালতি, গির্জা। - ৫০. ‘ভানুসিংহ’ কার ছদ্মনাম?
- ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. কাজী নজরুল ইসলাম
- গ. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- ঘ. বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
উত্তর: ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কিশোর বয়সে বৈষ্ণব কবিদের অনুকরণে ব্রজবুলি ভাষায় কিছু পদ লেখেন এবং সেগুলো ‘ভানুসিংহ’ ছদ্মনামে প্রকাশ করেন। পরে এগুলো ‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী’ নামে বই আকারে বের হয় (১৮৮৪)।
মনে রাখুন:
রবীন্দ্রনাথের আরেকটি ছদ্মনাম ‘দিকশূন্য ভট্টাচার্য’।
কাজী নজরুল ইসলামের ছদ্মনাম ‘ধূমকেতু’, আর বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম ‘বনফুল’। - ৫২. “সঞ্চয়িতা” কার রচনা?
- ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. কাজী নজরুল ইসলাম
- গ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
- ঘ. জসীম উদদীন
উত্তর: ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
‘সঞ্চয়িতা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নিজের নির্বাচিত কবিতার সংকলন, প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৩১ সালে। তাঁর বিভিন্ন কাব্যগ্রন্থ থেকে বাছাই করা কবিতা এতে স্থান পেয়েছে।
মনে রাখুন:
কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার সংকলনের নাম ‘সঞ্চিতা’, যা তিনি রবীন্দ্রনাথকে উৎসর্গ করেন। দুটি নাম গুলিয়ে ফেলা খুব সাধারণ ভুল।
রবীন্দ্রনাথের আরেকটি কবিতা-সংকলন ‘চয়নিকা’। - ৫৩. কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- ক. মাসিক মোহম্মদী
- খ. সাপ্তাহিক বিজলী
- গ. দৈনিক নবযুগ
- ঘ. ধূমকেতু
উত্তর: খ. সাপ্তাহিক বিজলী
কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কবিতা ‘বিদ্রোহী’ প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালের ৬ জানুয়ারি ‘সাপ্তাহিক বিজলী’ পত্রিকায়। কবিতাটি প্রকাশের পরপরই ব্যাপক সাড়া পড়ে যায়, আর এর মধ্য দিয়েই তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’ নামে পরিচিত হন। পরে এটি তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নিবীণা’য় (১৯২২) স্থান পায়।
মনে রাখুন: নজরুল সম্পাদিত পত্রিকা ‘ধূমকেতু’ (অর্ধসাপ্তাহিক, ১৯২২) এবং ‘লাঙল’। দৈনিক ‘নবযুগ’-এর যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন নজরুল ও মুজফ্ফর আহমদ। - ৫৪. ‘পাবক’ এর সমার্থক শব্দ কোনটি?
- ক. অগ্নি
- খ. নয়ন
- গ. পুত্র
- ঘ. অধিপতি
উত্তর: ক. অগ্নি
‘পাবক’ শব্দের অর্থ যা পবিত্র করে, আর আগুন সবকিছু পুড়িয়ে শুদ্ধ করে বলে আগুনকে পাবক বলা হয়। তাই ‘পাবক’-এর সমার্থক শব্দ অগ্নি।
মনে রাখুন: আগুনের আরও কিছু সমার্থক শব্দ: অনল, বহ্নি, হুতাশন, বৈশ্বানর, দহন, কৃশানু। - ৫৫. ‘অলীক’ এর বিপরীত শব্দ কোনটি?
- ক. মিথ্যা
- খ. সত্য
- গ. সচল
- ঘ. হিংসা
উত্তর: খ. সত্য
‘অলীক’ মানে মিথ্যা, অবাস্তব বা কাল্পনিক, যার কোনো ভিত্তি নেই। এর বিপরীত শব্দ ‘সত্য’ বা ‘বাস্তব’। ‘মিথ্যা’ এর সমার্থক শব্দ, বিপরীত নয়।
মনে রাখুন: ‘অলীক কুনাট্য রঙ্গে মজে লোক রাঢ়ে বঙ্গে’ পঙ্ক্তিটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের, যেখানে অলীক মানে অবাস্তব। - ৫৬. ‘সুলতানার স্বপ্ন’ বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত-
- ক. উপন্যাস
- খ. কাব্যগ্রন্থ
- গ. প্রবন্ধগ্রন্থ
- ঘ. নাটক
উত্তর: ক. উপন্যাস
‘সুলতানার স্বপ্ন’ বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের লেখা একটি কল্পকাহিনিমূলক উপন্যাস (নভেলা)। এটি প্রথমে ইংরেজিতে ‘Sultana’s Dream’ নামে ১৯০৫ সালে মাদ্রাজের ‘দ্য ইন্ডিয়ান লেডিস ম্যাগাজিন’-এ প্রকাশিত হয়। এতে এমন এক কাল্পনিক দেশের ছবি আছে, যেখানে নারীরা দেশ পরিচালনা করে আর পুরুষরা ঘরে থাকে।
মনে রাখুন:
রোকেয়ার অন্য উপন্যাস ‘পদ্মরাগ’, প্রবন্ধগ্রন্থ ‘মতিচূর’ ও ‘অবরোধবাসিনী’।
‘সুলতানার স্বপ্ন’কে নারীবাদী বিজ্ঞান কল্পকাহিনির প্রথম দিকের নিদর্শন ধরা হয়। - ৫৭. ‘বন্দী শিবির থেকে’ গ্রন্থটি কার লেখা?
- ক. কাজী নজরুল ইসলাম
- খ. শামসুর রাহমান
- গ. আহসান হাবীব
- ঘ. আবুল হাসান
উত্তর: খ. শামসুর রাহমান
‘বন্দী শিবির থেকে’ কবি শামসুর রাহমানের কাব্যগ্রন্থ, প্রকাশিত হয় ১৯৭২ সালে। ১৯৭১ সালের অবরুদ্ধ ঢাকায় বসে লেখা কবিতাগুলোতে পাকিস্তানি দখলদারদের অত্যাচার আর মুক্তির আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পেয়েছে। প্রাণের ঝুঁকি থাকায় তিনি তখন কলকাতার পত্রিকায় ‘মজলুম আদিব’ ছদ্মনামে লিখতেন।
মনে রাখুন: এ গ্রন্থের দুটি বিখ্যাত কবিতা ‘স্বাধীনতা তুমি’ এবং ‘তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা’। - ৫৮. ‘আকাশ কুসুম’ বাগ্ধারাটির অর্থ কী?
- ক. আকাঙ্ক্ষিত বস্তু
- খ. অপ্রত্যাশিত
- গ. প্রচুর ব্যবধান
- ঘ. অসম্ভব কল্পনা
উত্তর: ঘ. অসম্ভব কল্পনা
আকাশে কখনো ফুল ফোটে না, তাই ‘আকাশ কুসুম’ মানে এমন কল্পনা, যা কখনো বাস্তবে সম্ভব নয়। এ কারণে বাগধারাটির অর্থ অসম্ভব কল্পনা।
মনে রাখুন:
একই রকম অর্থে ‘গাছে কাঁঠাল, গোঁফে তেল’ ব্যবহৃত হয়, যার মানে পাওয়ার আগেই ভোগের আয়োজন।
‘আকাশ পাতাল’ মানে প্রচুর ব্যবধান। - ৫৯. ‘ Ratio’ শব্দটির পারিভাষিক রূপ কোনটি?
- ক. নিত্যক্রম
- খ. ভগ্নাংশ
- গ. অনুপাত
- ঘ. সারি
উত্তর: গ. অনুপাত
ইংরেজি পরিভাষা (Terminology) Ratio-এর বাংলা রূপ অনুপাত। দুটি একই জাতীয় রাশির তুলনা বোঝাতে অনুপাত ব্যবহার করা হয়, যেমন ৩ : ৫।
মনে রাখুন:
Fraction → ভগ্নাংশ।
Proportion → সমানুপাত।
Routine → নিত্যক্রম।
Series → ধারা বা সারি। - ৬০. অর্থানুসারে শব্দ কত প্রকার?
- ক. ২ প্রকার
- খ. ৩ প্রকার
- গ. ৪ প্রকার
- ঘ. ৫ প্রকার
উত্তর: খ. ৩ প্রকার
অর্থের দিক থেকে বাংলা শব্দকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়: যৌগিক, রূঢ়ি ও যোগরূঢ়। যে শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের অর্থ মিলেই শব্দের অর্থ হয়, তা যৌগিক (যেমন গায়ক)। যে শব্দ ব্যুৎপত্তির অর্থ ছেড়ে অন্য অর্থ বোঝায়, তা রূঢ়ি (যেমন হস্তী)। আর যে শব্দ ব্যুৎপত্তির অর্থের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট অর্থে স্থির হয়, তা যোগরূঢ় (যেমন পঙ্কজ, যার অর্থ শুধু পদ্ম)।
মনে রাখুন: উৎপত্তি বা উৎস অনুযায়ী শব্দ ৫ প্রকার: তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি। - ৬১. ‘বাবা বাড়ি নেই’- বাক্যটিতে বাড়ি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
- ক. কর্তায় শূন্য
- খ. করণে শূন্য
- গ. অপাদানে শূন্য
- ঘ. অধিকরণে শূন্য
উত্তর: ঘ. অধিকরণে শূন্য
ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার স্থান, কাল বা বিষয়কে অধিকরণ কারক বলে। ‘বাবা বাড়ি নেই’ বাক্যে বাবা কোথায় নেই, এই প্রশ্নের উত্তর ‘বাড়ি’, অর্থাৎ এটি স্থান বোঝাচ্ছে। শব্দটির সঙ্গে কোনো বিভক্তি দৃশ্যমান নেই (বাড়িতে না বলে বাড়ি বলা হয়েছে), তাই এটি অধিকরণে শূন্য বিভক্তি।
মনে রাখুন: একই রকম উদাহরণ: আমি ঢাকা যাব, তিনি অফিস গেছেন, এখানেও স্থান বোঝাতে শূন্য বিভক্তি। - ৬২. ‘তেপান্তর’ কোন সমাসের উদাহরণ?
- ক. দ্বন্দ্ব সমাস
- খ. অব্যয়ীভাব সমাস
- গ. দ্বিগু সমাস
- ঘ. কর্মধারয় সমাস
উত্তর: গ. দ্বিগু সমাস
যে সমাসে প্রথম পদটি সংখ্যাবাচক এবং সমস্ত পদটি সমষ্টি বা মিলন বোঝায়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে। ‘তেপান্তর’ শব্দের ব্যাসবাক্য ‘তে (তিন) প্রান্তরের সমাহার’, যেখানে প্রথম পদ ‘তে’ সংখ্যা বোঝাচ্ছে। তাই এটি দ্বিগু সমাস।
মনে রাখুন: আরও কিছু দ্বিগু সমাস: ত্রিভুবন, শতাব্দী, পঞ্চবটী, সপ্তাহ, চৌরাস্তা।
কিন্তু সংখ্যাবাচক পদ থাকলেই দ্বিগু নয়: ‘দোতলা’ (দুই তলা যার) বহুব্রীহি সমাস। - ৬৩. ‘অন্যদিকে মন নেই যার’ বাক্যটির এক কথায় প্রকাশ কোনটি?
- ক. অনন্যমনা
- খ. অন্যপেক্ষ
- গ. অগত্যা
- ঘ. অনন্যোপায়
উত্তর: ক. অনন্যমনা
‘অনন্যমনা’ শব্দটি গঠিত হয়েছে ন + অন্য + মনা থেকে, অর্থাৎ অন্য কোনো দিকে মন নেই যার। তাই যে ব্যক্তি একটি বিষয়েই মন দিয়ে থাকে, তাকে অনন্যমনা বলা হয়।
মনে রাখুন:
অনন্যোপায়: অন্য উপায় নেই যার।
অনন্যসাধারণ: যা অন্য সাধারণের মতো নয়, অর্থাৎ অসাধারণ।
অগত্যা: আর কোনো উপায় না থাকায়। - ৬৪. ‘কর্তব্য’ শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয় কোনটি?
- ক. কব + তব্য
- খ. কব্ + তব্য
- গ. কর্তা + অব্য
- ঘ. কৃ + তব্য
উত্তর: ঘ. কৃ + তব্য
‘কর্তব্য’ শব্দের অর্থ যা করা উচিত। শব্দটি ‘কৃ’ ধাতুর সঙ্গে ‘তব্য’ প্রত্যয় যোগে গঠিত, আর প্রত্যয় যোগের সময় ‘কৃ’ বদলে ‘কর্’ হয়। তাই কৃ + তব্য = কর্তব্য।
মনে রাখুন: ‘তব্য’ প্রত্যয় দিয়ে ‘উচিত’ অর্থ বোঝানো হয়। একই রকম উদাহরণ: দা + তব্য = দাতব্য, জ্ঞা + তব্য = জ্ঞাতব্য, শ্রু + তব্য = শ্রোতব্য। - ৬৫. উপসর্গ কোন জাতীয় শব্দাংশ?
- ক. বিশেষ্য
- খ. সর্বনাম
- গ. অব্যয়
- ঘ. বিশেষণ
উত্তর: গ. অব্যয়
উপসর্গ শব্দ বা ধাতুর আগে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে, কিন্তু এর নিজের কোনো স্বাধীন অর্থ বা রূপ পরিবর্তন নেই। লিঙ্গ, বচন, কারক অনুযায়ী উপসর্গের রূপ কখনো বদলায় না, তাই উপসর্গকে অব্যয়সূচক শব্দাংশ বলা হয়।
মনে রাখুন: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ উপসর্গকে ‘অব্যয়সূচক শব্দাংশ’ বলেছেন। বাংলায় উপসর্গ তিন ধরনের: বাংলা, তৎসম ও বিদেশি। - ৬৬. কমা অপেক্ষা বেশি বিরতির প্রয়োজন হলে কোন বিরাম চিহ্ন বসে?
- ক. দাড়ি
- খ. কোলন
- গ. সেমিকোলন
- ঘ. ড্যাস
উত্তর: গ. সেমিকোলন
বাক্য পড়ার সময় কমার চেয়ে বেশি কিন্তু দাঁড়ির চেয়ে কম বিরতি দিতে চাইলে সেমিকোলন (;) বসে। সাধারণত পরস্পর সম্পর্কিত দুটি স্বাধীন বাক্যকে আলাদা করতে এটি ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখুন: বিরতির সময় সম্পর্কে প্রচলিত হিসাব:
কমা: ১ বলতে যে সময় লাগে।
সেমিকোলন: ১ বলার দ্বিগুণ সময়।
দাঁড়ি: এক সেকেন্ড।
কোলন: এক সেকেন্ড। - ৬৭. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে সম্মানসূচক ডিলিট ডিগ্রি প্রদান করে কোন বিশ্ববিদ্যালয়?
- ক. কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
- খ. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
- গ. বিশ্বভারতী
- ঘ. শান্তিনিকেতন
উত্তর: খ. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
অপরাজেয় কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে ১৯৩৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্মানসূচক ডি.লিট. ডিগ্রি প্রদান করে। বাংলা কথাসাহিত্যে তাঁর অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এই সম্মান দেওয়া হয়।
মনে রাখুন:
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ১৯২৩ সালে ‘জগত্তারিণী স্বর্ণপদক’ দেয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রবীন্দ্রনাথকেও ১৯৩৬ সালে সম্মানসূচক ডি.লিট. দেয়।
বাংলাদেশ
- ৫১. কত সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘জুলিও কুরি’ পদকে ভূষিত করা হয়?
- ক. ১৯৬৮
- খ. ১৯৭১
- গ. ১৯৭২
- ঘ. ১৯৭৩
উত্তর: গ. ১৯৭২
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় অবদানের জন্য বিশ্ব শান্তি পরিষদ ১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর চিলির সান্তিয়াগোতে অনুষ্ঠিত সভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘জুলিও কুরি’ শান্তি পদকে ভূষিত করার সিদ্ধান্ত নেয়। পরে ১৯৭৩ সালের ২৩ মে ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে পরিষদের মহাসচিব রমেশ চন্দ্র আনুষ্ঠানিকভাবে পদকটি তাঁর হাতে তুলে দেন।
মনে রাখুন: ফরাসি বিজ্ঞানী জঁ ফ্রেদেরিক জুলিও কুরির নামে এই পদক দেওয়া হয়। এই অনুষ্ঠানেই বঙ্গবন্ধুকে ‘বিশ্ববন্ধু’ বলে সম্বোধন করা হয়। - ৬৮. পুণ্ড্রনগর কোন জেলায় অবস্থিত?
- ক. কুমিল্লা
- খ. নওগাঁ
- গ. বগুড়া
- ঘ. দিনাজপুর
উত্তর: গ. বগুড়া
পুণ্ড্রনগর ছিল প্রাচীন বাংলার পুণ্ড্র জনপদের রাজধানী। এর ধ্বংসাবশেষ বর্তমান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় করতোয়া নদীর তীরে মহাস্থানগড় নামে পরিচিত। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন নগরের নিদর্শন।
মনে রাখুন:
মহাস্থানগড় থেকে পাওয়া ব্রাহ্মী লিপির শিলালিপি বাংলার প্রাচীনতম লিখিত নিদর্শনগুলোর একটি।
নওগাঁর পাহাড়পুরে আছে সোমপুর মহাবিহার, আর কুমিল্লায় ময়নামতি। - ৬৯. বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
- ক. কক্সবাজার
- খ. নোয়াখালী
- গ. বরগুনা
- ঘ. ভোলা
উত্তর: ক. কক্সবাজার
কক্সবাজারের খুরুশকুলে নির্মিত ৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্র। ২০২৩ সালে এটি জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করে।
মনে রাখুন:
দেশের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্র ফেনীর সোনাগাজীতে, চালু হয় ২০০৫ সালে।
কুতুবদিয়াতেও একটি ছোট বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্প আছে। - ৭০. পুলিশী সাহায্য পাওয়ার শর্টকোড কোনটি?
- ক. ১০৬
- খ. ৩৩৩
- গ. ৯৯৯
- ঘ. ১২১
উত্তর: গ. ৯৯৯
জরুরি পুলিশি সহায়তা, ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্স সেবা পেতে বাংলাদেশে বিনা খরচে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করা হয়। ২০১৭ সালে এই জাতীয় জরুরি সেবা চালু হয়, আর বর্তমানে এটি বাংলাদেশ পুলিশ পরিচালনা করে।
মনে রাখুন:
৩৩৩: সরকারি তথ্য ও সেবা জানার জাতীয় কল সেন্টার।
১০৯: নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে হেল্পলাইন।
১০৬: দুর্নীতি দমন কমিশনের হটলাইন। - ৭১. দেশের প্রথম টানেলের দৈর্ঘ্য কত কিলোমিটার?
- ক. ২.৪৫
- খ. ৩.৩২
- গ. ৩.৪০
- ঘ. ৩.৪৩
উত্তর: খ. ৩.৩২
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল দেশের এবং দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম নদী তলদেশের সড়ক টানেল। মূল টানেলের দৈর্ঘ্য ৩.৩২ কিলোমিটার। ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর এটি উদ্বোধন করা হয়।
মনে রাখুন:
টানেলের সঙ্গে সংযোগ সড়ক মিলিয়ে মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৯.৩৯ কিলোমিটার।
টানেলে দুটি টিউব আছে, প্রতিটি দুই লেনের।
নির্মাণে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা দিয়েছে চীন। - ৭২. বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ গণহত্যাটি কোথায় হয়?
- ক. আসামদিয়া
- খ. মোহাম্মদপুর বিধবা পল্লী
- গ. চুকনগর
- ঘ. রায়ের বাজার
উত্তর: গ. চুকনগর
১৯৭১ সালের ২০ মে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগরে পাকিস্তানি সেনারা ভারতে আশ্রয় নিতে যাওয়া হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করে। মাত্র কয়েক ঘণ্টায় প্রায় ১০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হন বলে ধারণা করা হয়, তাই চুকনগরের গণহত্যাকে মুক্তিযুদ্ধের সবচেয়ে বড় গণহত্যা বলা হয়।
মনে রাখুন:
ঢাকার রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবীদের লাশ পাওয়া যায়।
শেরপুরের নালিতাবাড়ীর সোহাগপুর গ্রামকে ‘বিধবা পল্লী’ বলা হয়, কারণ ১৯৭১ সালের ২৫ জুলাই সেখানে গণহত্যায় গ্রামের প্রায় সব পুরুষ নিহত হন। - ৭৪. সার্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা বিল-২০২৩ পাস হয় কবে?
- ক. ১৪ জানুয়ারি, ২০২৩
- খ. ২৪ জানুয়ারি, ২০২৩
- গ. ১৫ অক্টোবর, ২০২৩
- ঘ. ২৫ অক্টোবর, ২০২৩
উত্তর: খ. ২৪ জানুয়ারি, ২০২৩
দেশের সব নাগরিককে বৃদ্ধ বয়সে পেনশনের আওতায় আনার জন্য ২০২৩ সালের ২৪ জানুয়ারি জাতীয় সংসদে ‘সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা বিল-২০২৩’ পাস হয়। এর ভিত্তিতে ২০২৩ সালের ১৭ আগস্ট সর্বজনীন পেনশন স্কিম চালু হয়।
মনে রাখুন:
শুরুতে চারটি স্কিম চালু করা হয়: প্রবাস, প্রগতি, সুরক্ষা ও সমতা।
১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সী নাগরিকরা এতে অংশ নিতে পারেন। - ৭৫. “আমার দেখা নয়াচীন” কে লিখেছেন?
- ক. মওলানা ভাসানী
- খ. আবুল ফজল
- গ. শহীদুল্লাহ কায়সার
- ঘ. শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর: ঘ. শেখ মুজিবুর রহমান
‘আমার দেখা নয়াচীন’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা একটি ভ্রমণকাহিনি। ১৯৫২ সালের অক্টোবরে পিকিংয়ে অনুষ্ঠিত এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের শান্তি সম্মেলনে যোগ দেওয়ার অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি ১৯৫৪ সালে কারাগারে বসে এটি লেখেন। বইটি প্রকাশিত হয় ২০২০ সালে।
মনে রাখুন: বঙ্গবন্ধুর অন্য দুটি বই ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ (২০১২) এবং ‘কারাগারের রোজনামচা’ (২০১৭)। - ৭৬. ‘সিন্দুরী’ বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে কীসের নাম?
- ক. বেগুন
- খ. আম
- গ. আলু
- ঘ. টমেটো
উত্তর: গ. আলু
বাংলাদেশে বহু দিন ধরে চাষ হয়ে আসা কিছু দেশি আলুর জাত আছে, আর ‘সিন্দুরী’ তার একটি। এই আলুর খোসা লালচে, আকারে ছোট এবং স্বাদ ভালো বলে বাজারে এর বিশেষ চাহিদা আছে।
মনে রাখুন:
দেশি আলুর অন্য জাত: শীল বিলাতি, লাল পাকড়ি, হাগরাই।
উচ্চফলনশীল আলুর জাত: ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, গ্রানোলা। - ৭৭. জাতীয় পতাকা ১৯৭১ সালের কোন তারিখে প্রথম উত্তোলিত হয়?
- ক. ২৬ মার্চ
- খ. ২৫ মার্চ
- গ. ৭ মার্চ
- ঘ. ২ মার্চ
উত্তর: ঘ. ২ মার্চ
১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের বটতলায় এক ছাত্রসমাবেশে ডাকসুর তৎকালীন ভিপি আ স ম আবদুর রব প্রথম বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন। তখনকার পতাকার লাল বৃত্তের মাঝে বাংলাদেশের হলুদ মানচিত্র আঁকা ছিল।
মনে রাখুন:
২৩ মার্চ ১৯৭১ বঙ্গবন্ধু ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাসভবনে পতাকা উত্তোলন করেন।
১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি মানচিত্র বাদ দিয়ে পতাকার বর্তমান রূপ সরকারিভাবে গৃহীত হয়। - ৮৬. জাতীয় সংবিধান দিবস কত তারিখে পালিত হয়?
- ক. ৩ ডিসেম্বর
- খ. ৩ নভেম্বর
- গ. ৪ ডিসেম্বর
- ঘ. ৪ নভেম্বর
উত্তর: ঘ. ৪ নভেম্বর
১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর থেকে তা কার্যকর হয়। সংবিধান গৃহীত হওয়ার দিনটিকে স্মরণ করে প্রতিবছর ৪ নভেম্বর জাতীয় সংবিধান দিবস পালন করা হয়।
মনে রাখুন:
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
সংবিধানের হস্তলিখিত মূল কপির অঙ্গসজ্জা করেন শিল্পী জয়নুল আবেদিন, আর লেখেন এ কে এম আবদুর রউফ। - ৯১. বর্তমান বৃহত্তম ঢাকা জেলা প্রাচীনকালে কোন জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
- ক. সমতট
- খ. পুন্ড্র
- গ. বঙ্গ
- ঘ. হরিকেল
উত্তর: গ. বঙ্গ
প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে বঙ্গ ছিল বর্তমান ঢাকা, ফরিদপুর, বিক্রমপুর ও আশপাশের এলাকা নিয়ে গঠিত। তাই বৃহত্তর ঢাকা জেলা প্রাচীনকালে বঙ্গ জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল। এই বঙ্গ নাম থেকেই পরে সমগ্র অঞ্চলের নাম বাংলা হয়।
মনে রাখুন:
পুণ্ড্র: বগুড়া, রাজশাহী, দিনাজপুর অঞ্চল।
সমতট: কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল।
হরিকেল: সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চল।
আন্তর্জাতিক
- ৭৩. ভারত কর্তৃক সম্প্রতি চাঁদে প্রেরিত চন্দ্রযানের নাম কী?
- ক. চন্দ্রযান-৩
- খ. চন্দ্রযান-২
- গ. বিক্রম
- ঘ. অশোক
উত্তর: ক. চন্দ্রযান-৩
ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ISRO ২০২৩ সালের ১৪ জুলাই চন্দ্রযান-৩ উৎক্ষেপণ করে। এর ল্যান্ডার ‘বিক্রম’ ২৩ আগস্ট চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে সফলভাবে অবতরণ করে, আর ল্যান্ডার থেকে নেমে রোভার ‘প্রজ্ঞান’ চাঁদের মাটিতে অনুসন্ধান চালায়।
মনে রাখুন:
চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে প্রথম অবতরণকারী দেশ ভারত।
চাঁদে সফল অবতরণে ভারত চতুর্থ দেশ, এর আগে যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন ও চীন সফল হয়। - ৭৮. ২০২৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন কে?
- ক. নার্গিস মোহাম্মদী
- খ. শিরিন এবাদী
- গ. নাগিব মাহফুজ
- ঘ. প্রফেসর আবদুস সালাম
উত্তর: ক. নার্গিস মোহাম্মদী
ইরানে নারীদের ওপর নিপীড়নের বিরুদ্ধে এবং মানবাধিকার ও স্বাধীনতার পক্ষে লড়াইয়ের জন্য ২০২৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান ইরানের মানবাধিকারকর্মী নার্গিস মোহাম্মদী। পুরস্কার ঘোষণার সময় তিনি তেহরানের এভিন কারাগারে বন্দি ছিলেন।
মনে রাখুন:
শিরিন এবাদী ইরানের প্রথম নারী নোবেলজয়ী (২০০৩)।
নাগিব মাহফুজ মিসরের সাহিত্যে নোবেলজয়ী (১৯৮৮), আর আবদুস সালাম পাকিস্তানের পদার্থবিজ্ঞানে নোবেলজয়ী (১৯৭৯)। - ৭৯. বান্দুং শহরটি কোন দেশে অবস্থিত?
- ক. চীন
- খ. ইন্দোনেশিয়া
- গ. মালয়েশিয়া
- ঘ. যুগোস্লাভিয়া
উত্তর: খ. ইন্দোনেশিয়া
বান্দুং ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপের একটি শহর। ১৯৫৫ সালে এখানে এশিয়া ও আফ্রিকার ২৯টি দেশের একটি সম্মেলন হয়, যা বান্দুং সম্মেলন নামে পরিচিত। এই সম্মেলন থেকেই পরে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (NAM) ভিত্তি তৈরি হয়।
মনে রাখুন:
জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের প্রথম শীর্ষ সম্মেলন হয় ১৯৬১ সালে যুগোস্লাভিয়ার বেলগ্রেডে।
ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা। - ৮৪. বৌদ্ধ ধর্মের বিখ্যাত নিদর্শন তক্ষশীলা কোথায় অবস্থিত?
- ক. নেপাল
- খ. শ্রীলংকা
- গ. পাকিস্তান
- ঘ. থাইল্যান্ড
উত্তর: গ. পাকিস্তান
তক্ষশীলা প্রাচীন গান্ধার অঞ্চলের একটি বিখ্যাত নগরী ও শিক্ষাকেন্দ্র, যার ধ্বংসাবশেষ বর্তমান পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডির কাছে অবস্থিত। এখানে বৌদ্ধ স্তূপ ও বিহারের বহু নিদর্শন পাওয়া গেছে, আর ১৯৮০ সালে ইউনেসকো একে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় তোলে।
মনে রাখুন:
তক্ষশীলাকে প্রাচীন বিশ্বের প্রথম দিকের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একটি বলা হয়।
চাণক্য (কৌটিল্য) তক্ষশীলার শিক্ষক ছিলেন বলে মনে করা হয়। - ৮৭. কোনটি উপদ্বীপ?
- ক. জার্মান
- খ. কোরিয়া
- গ. সৌদি আরব
- ঘ. মিয়ানমার
উত্তর: খ. কোরিয়া
যে স্থলভাগের তিন দিক পানি দিয়ে ঘেরা এবং এক দিক মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত, তাকে উপদ্বীপ (Peninsula) বলে। কোরিয়া পুরোপুরি এমন একটি উপদ্বীপের ওপর অবস্থিত, যার পূর্বে জাপান সাগর, পশ্চিমে পীত সাগর আর উত্তরে চীনের মূল ভূখণ্ড। তাই দেশটিকে উপদ্বীপ বলা হয়।
মনে রাখুন:
বিশ্বের বৃহত্তম উপদ্বীপ আরব উপদ্বীপ, যার বেশির ভাগ অংশে সৌদি আরব অবস্থিত।
ইউরোপের পরিচিত উপদ্বীপ: স্ক্যান্ডিনেভিয়া, আইবেরিয়া ও ইতালি। - ৯০. বিশ্ব অটিজম দিবস কবে পালিত হয়?
- ক. ২ এপ্রিল
- খ. ২ ফেব্রুয়ারি
- গ. ২ জুন
- ঘ. ২ জুলাই
উত্তর: ক. ২ এপ্রিল
অটিজম (Autism) বা অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডার সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে প্রতিবছর ২ এপ্রিল বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস পালিত হয়। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২০০৭ সালে এই দিবস ঘোষণা করে, আর প্রস্তাবটি এনেছিল কাতার।
মনে রাখুন:
অটিজম সচেতনতার প্রতীকী রং নীল, তাই এ দিনে ‘Light It Up Blue’ কর্মসূচি পালিত হয়।
৩ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস। - ৯২. লোহিত সাগর কোন দুটি মহাদেশকে আলাদা করেছে?
- ক. ইউরোপ ও আফ্রিকা
- খ. এশিয়া ও ইউরোপ
- গ. এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়া
- ঘ. আফ্রিকা ও এশিয়া
উত্তর: ঘ. আফ্রিকা ও এশিয়া
লোহিত সাগর (Red Sea) আফ্রিকা ও এশিয়া মহাদেশের মাঝখানে অবস্থিত একটি সরু সাগর। এর পশ্চিম তীরে মিসর, সুদান, ইরিত্রিয়ার মতো আফ্রিকান দেশ, আর পূর্ব তীরে সৌদি আরব ও ইয়েমেন। উত্তরে সুয়েজ খাল এটিকে ভূমধ্যসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে।
মনে রাখুন:
লোহিত সাগরকে পৃথিবীর সবচেয়ে লবণাক্ত সাগরগুলোর একটি ধরা হয়।
বাব-এল-মান্দেব প্রণালী লোহিত সাগরকে এডেন উপসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে।
সাধারণ জ্ঞান
- ৮০. গ্রিন পিস কী?
- ক. জাতীয়তাবাদী সংগঠন
- খ. রাজনৈতিক সংগঠন
- গ. মানবতাবাদী সংগঠন
- ঘ. পরিবেশবাদী সংগঠন
উত্তর: ঘ. পরিবেশবাদী সংগঠন
গ্রিনপিস (Greenpeace) একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংগঠন। ১৯৭১ সালে কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠন পারমাণবিক পরীক্ষা, সমুদ্রদূষণ, বন উজাড় ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালায়। এর বর্তমান সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডামে।
মনে রাখুন: আরও দুটি পরিবেশবাদী সংগঠন: WWF (World Wide Fund for Nature), যার প্রতীক পান্ডা, এবং IUCN। - ৮৯. গ্রিনিচ মান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশের সময় কত ঘণ্টা আগে?
- ক. ৬ ঘণ্টা
- খ. ৫ ঘণ্টা
- গ. ৪ ঘণ্টা
- ঘ. ৩ ঘণ্টা
উত্তর: ক. ৬ ঘণ্টা
পৃথিবী নিজ অক্ষে পশ্চিম থেকে পূর্বে ঘোরে, তাই পূর্বের দেশগুলোতে আগে সূর্য ওঠে এবং সময় এগিয়ে থাকে। প্রতি ১ ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য ৪ মিনিট। বাংলাদেশের প্রমাণ সময় ধরা হয় ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা অনুযায়ী, তাই গ্রিনিচের চেয়ে সময় এগিয়ে থাকে 90 × 4 = 360 মিনিট, অর্থাৎ ৬ ঘণ্টা।
মনে রাখুন: বাংলাদেশের প্রমাণ সময় GMT+6। ২০০৯ সালে একবার দিবালোক সংরক্ষণের জন্য ঘড়ির কাঁটা ১ ঘণ্টা এগিয়ে নেওয়া হয়েছিল, পরে তা বাতিল করা হয়।
বিজ্ঞান
- ৮১. খাদ্যশক্তি কীসের মাধ্যমে পরিমাপ করা হয়?
- ক. জুল
- খ. কিলো জুল
- গ. ক্যালোরী
- ঘ. কিলো ক্যালোরী
উত্তর: গ. ক্যালোরী
খাদ্য থেকে শরীর যে শক্তি পায়, তা পরিমাপ করা হয় ক্যালরি (Calorie) এককে। ১ গ্রাম পানির তাপমাত্রা ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়াতে যে তাপ লাগে, তাকে ১ ক্যালরি বলে। খাদ্যের লেবেলে যে ‘ক্যালরি’ লেখা থাকে, তা আসলে কিলোক্যালরি, অর্থাৎ ১০০০ ক্যালরি।
মনে রাখুন:
১ গ্রাম শর্করা বা আমিষ থেকে প্রায় ৪ কিলোক্যালরি, আর ১ গ্রাম চর্বি থেকে প্রায় ৯ কিলোক্যালরি শক্তি পাওয়া যায়।
শক্তির আন্তর্জাতিক (SI) একক জুল, ১ ক্যালরি = 4.2 জুল। - ৮২. অতিবেগুনি রশ্মি কোথা থেকে আসে?
- ক. চন্দ্র
- খ. তারকা
- গ. সূর্য
- ঘ. ব্লাক হোল
উত্তর: গ. সূর্য
অতিবেগুনি রশ্মি (Ultraviolet Ray) এক ধরনের অদৃশ্য আলো, যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেগুনি আলোর চেয়েও ছোট। পৃথিবীতে এর প্রধান প্রাকৃতিক উৎস সূর্য। বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তর এর বেশির ভাগ শোষণ করে নেয়, তাই আমরা ক্ষতি থেকে অনেকটা রক্ষা পাই।
মনে রাখুন:
অল্প পরিমাণ অতিবেগুনি রশ্মি ত্বকে ভিটামিন ডি তৈরিতে সাহায্য করে।
বেশি পরিমাণে এটি ত্বকের ক্যানসার ও চোখের ছানি সৃষ্টি করতে পারে। - ৮৫. কোথায় বস্তুর ওজন সবচেয়ে কম?
- ক. ভূ-পৃষ্ঠে
- খ. মেরু অঞ্চলে
- গ. নিরক্ষীয় অঞ্চলে
- ঘ. পৃথিবীর কেন্দ্রে
উত্তর: ঘ. পৃথিবীর কেন্দ্রে
কোনো বস্তুকে পৃথিবী যে বলে নিজের দিকে টানে, তাই হলো বস্তুর ওজন (W = mg)। পৃথিবীর কেন্দ্রে বস্তুর চারপাশের সব দিক থেকে ভূপৃষ্ঠের ভর সমানভাবে টানে, ফলে টানগুলো একে অন্যকে কাটাকাটি করে দেয়। তাই সেখানে অভিকর্ষজ ত্বরণ g শূন্য, আর বস্তুর ওজনও শূন্য, যা সবচেয়ে কম।
মনে রাখুন:
ভূপৃষ্ঠে বস্তুর ওজন মেরু অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি এবং নিরক্ষীয় অঞ্চলে সবচেয়ে কম।
বস্তুর ভর কিন্তু সব জায়গায় একই থাকে, বদলায় কেবল ওজন। - ৮৮. ব্যাকটেরিয়া কী?
- ক. জড়বস্তু
- খ. প্রাণী
- গ. উদ্ভিদ
- ঘ. অণুজীব
উত্তর: ঘ. অণুজীব
ব্যাকটেরিয়া এককোষী, আদিকোষী (Prokaryotic) জীব, যাদের খালি চোখে দেখা যায় না, কেবল অণুবীক্ষণ যন্ত্রে দেখা যায়। তাই এরা অণুজীব (Microorganism)। এদের কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে না, আর এরা উদ্ভিদ বা প্রাণী কোনো দলেই পড়ে না, আলাদা রাজ্য মনেরার অন্তর্ভুক্ত।
মনে রাখুন:
ব্যাকটেরিয়া আবিষ্কার করেন অ্যান্টনি ভ্যান লিউয়েনহুক (১৬৭৫)।
ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া রোগ: যক্ষ্মা, কলেরা, টাইফয়েড, ধনুষ্টংকার।
কম্পিউটার ও আইসিটি
- ৮৩. কম্পিউটার শব্দের অর্থ কী?
- ক. হিসাবকারী যন্ত্র
- খ. গণনাকারী যন্ত্র
- গ. পরীক্ষার যন্ত্র
- ঘ. বিমান চালানোর যন্ত্র
উত্তর: খ. গণনাকারী যন্ত্র
‘কম্পিউটার’ শব্দটি এসেছে ল্যাটিন শব্দ ‘Computare’ থেকে, যার অর্থ গণনা করা। আর ইংরেজি Compute মানেও হিসাব বা গণনা করা। তাই কম্পিউটার শব্দের আক্ষরিক অর্থ গণনাকারী যন্ত্র। প্রথম দিকে কম্পিউটার তৈরি হয়েছিল মূলত বড় বড় গাণিতিক হিসাব দ্রুত করার জন্য।
মনে রাখুন: চার্লস ব্যাবেজকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়, তিনি ‘ডিফারেন্স ইঞ্জিন’ ও ‘অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন’ নামে গণনাযন্ত্রের নকশা করেন।
এনটিআরসিএ: অন্যান্য পরীক্ষা
- এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৫
- এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৫
- এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৫
- এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৬
- এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৬
- এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৬
- এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৭
- এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৭
- এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৭
- এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০২২
- এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০২২
- এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০২২
- এনটিআরসিএ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০২৪
- এনটিআরসিএ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০২৪
- এনটিআরসিএ ৮ম প্রতিষ্ঠান প্রধান নিবন্ধন (প্রধান শিক্ষক) পরীক্ষা ২০২৬
- এনটিআরসিএ ৮ম প্রতিষ্ঠান প্রধান নিবন্ধন (অধ্যক্ষ) পরীক্ষা ২০২৬
- এনটিআরসিএ ৮ম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১২
- এনটিআরসিএ ৮ম প্রতিষ্ঠান প্রধান নিবন্ধন (সুপার, দাখিল মাদ্রাসা) পরীক্ষা ২০২৬
- এনটিআরসিএ ৯ম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৩
আরও শিক্ষক নিয়োগ ও নিবন্ধন পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ১৪৯১) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ২৫৯৪) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ৩৬৯৭) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ২৮১৫) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৪০২১) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৫১২৪) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৮৪৩৩) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ; ১২ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২০১৪ সালের স্থগিত পরীক্ষা, ১৪ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২০১৪ সালের স্থগিত পরীক্ষা, ১৫ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২০১৪ সালের স্থগিত পরীক্ষা, ২০ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (বরিশাল বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (চট্টগ্রাম বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (ঢাকা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (খুলনা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (রাজশাহী বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (সিলেট বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (চট্টগ্রাম বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (ঢাকা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (খুলনা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (পিইডিপি-২) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (রাজশাহী বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (সিলেট বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (বরিশাল বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৭
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন