লিয়ানা বুকস

এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৬: প্রশ্ন ও সমাধান

পরীক্ষা হয়েছে ১৩ মে ২০১৬। ৯৮টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।

সময় ধরে পরীক্ষা দিন →

বাংলা

  1. ১. কোন বানানটি শুদ্ধ ?
    • ক. মাষ্টার
    • খ. পোশাক
    • গ. জিনিষ
    • ঘ. পোষ্ট অফিস
    উত্তর: খ. পোশাক
    বাংলা একাডেমির প্রমিত বানানের নিয়মে বিদেশি শব্দে মূর্ধন্য ষ ব্যবহার করা হয় না, তাই ইংরেজি থেকে আসা মাস্টার ও পোস্ট অফিস এবং ফারসি থেকে আসা জিনিস শব্দে দন্ত্য স বসে। ‘পোশাক’ শব্দটি ফারসি থেকে এসেছে, আর এর মূল উচ্চারণে শ-ধ্বনি থাকায় তালব্য শ দিয়েই লেখা হয়। তাই ‘পোশাক’ বানানটি শুদ্ধ।
    মনে রাখুন:
    বিদেশি শব্দে স: স্টেশন, পোস্ট, মাস্টার, জিনিস।
    বিদেশি শব্দে শ (sh ধ্বনি): শহর, শরবত, শাবাশ, পোশাক।
  2. ২. কোন বিরাম চিহ্নের বিরতিকাল নেই ?
    • ক. হাইফেন
    • খ. কমা
    • গ. সেমিকোলন
    • ঘ. কোলন
    উত্তর: ক. হাইফেন
    বিরামচিহ্ন বাক্যে কোথায় কতটুকু থামতে হবে তা নির্দেশ করে, কিন্তু হাইফেন (-) সেই কাজ করে না। হাইফেন দুটি শব্দকে জুড়ে দিয়ে একটি শব্দের মতো পড়াতে সাহায্য করে, যেমন মা-বাবা, সুখে-দুঃখে, তাই এখানে থামার কোনো প্রয়োজন হয় না। এ কারণে হাইফেনের কোনো বিরতিকাল নেই।
    মনে রাখুন:
    কমা = ১ বলতে যে সময় লাগে।
    সেমিকোলন = ১ বলার দ্বিগুণ সময়।
    কোলন = ১ সেকেন্ড।
    হাইফেন, ইলেক বা লোপচিহ্ন (’) ও উদ্ধৃতিচিহ্নের কোনো বিরতিকাল নেই।
  3. ৩. কোন বানানটি শুদ্ধ ?
    • ক. বিভিষিকা
    • খ. বিভীষিকা
    • গ. বিভিষীকা
    • ঘ. বিভীষীকা
    উত্তর: খ. বিভীষিকা
    ‘বিভীষিকা’ শব্দের অর্থ ভয়ংকর দৃশ্য বা ভীষণ আতঙ্ক। শব্দটির মূলে আছে ভয় বোঝানো ‘ভী’, যেখান থেকে ‘ভীষণ’ শব্দটিও এসেছে, তাই ‘ভী’-তে দীর্ঘ ঈ-কার বসে। আর ‘ষি’ অংশে হ্রস্ব ই-কার থাকে। ফলে শুদ্ধ বানান ‘বিভীষিকা’।
    মনে রাখুন: একই রকম কঠিন বানান হলো মুমূর্ষু, পিপীলিকা, উচ্ছ্বাস, ভৌগোলিক।
  4. ৪. আলালি বা হুতোমি ভাষা বলা হয় কোন ভাষাকে ?
    • ক. সাধু
    • খ. চলিত
    • গ. ইংরেজি
    • ঘ. সংস্কৃত
    উত্তর: খ. চলিত
    উনিশ শতকে প্যারীচাঁদ মিত্র ‘আলালের ঘরের দুলাল’ আর কালীপ্রসন্ন সিংহ ‘হুতোম প্যাঁচার নকশা’ রচনা করেন। এই দুটি বই সাধু ভাষার গাম্ভীর্য ছেড়ে মানুষের মুখের ভাষার কাছাকাছি ঢঙে লেখা হয়েছিল। এই বই দুটির নাম অনুসারে তখন সেই কথ্য ভাষাকে আলালি ভাষা বা হুতোমি ভাষা বলা হতো, আর এটিই পরে চলিত ভাষার ভিত্তি গড়ে দেয়।
    মনে রাখুন:
    ‘আলালের ঘরের দুলাল’-কে বাংলা ভাষার প্রথম উপন্যাস বলা হয়, এর লেখকের ছদ্মনাম টেকচাঁদ ঠাকুর।
    কালীপ্রসন্ন সিংহ মহাভারতের বাংলা অনুবাদের জন্যও বিখ্যাত।
  5. ৫. দুহিতা-এর বিপরীত শব্দ কোনটি ?
    • ক. পুত্র
    • খ. কন্যা
    • গ. স্ত্রী
    • ঘ. স্বামী
    উত্তর: ক. পুত্র
    ‘দুহিতা’ শব্দের অর্থ কন্যা বা মেয়ে। তাই এর বিপরীত শব্দ ‘পুত্র’, যা ছেলে সন্তানকে বোঝায়। ‘কন্যা’ শব্দটি দুহিতার সমার্থক, বিপরীত নয়, আর ‘স্ত্রী’ ও ‘স্বামী’ শব্দ দুটি দাম্পত্য সম্পর্ক বোঝায়।
    মনে রাখুন:
    দুহিতার প্রতিশব্দ: কন্যা, তনয়া, আত্মজা, নন্দিনী, সুতা।
    পুত্রের প্রতিশব্দ: তনয়, আত্মজ, নন্দন, সুত।
  6. ৭. ’জায়া’ শব্দের সমার্থক শব্দ –আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০২২
    • ক. অর্ধাঙ্গী
    • খ. কন্যা
    • গ. নন্দিনী
    • ঘ. ভগিনী
    উত্তর: ক. অর্ধাঙ্গী
    ‘জায়া’ শব্দের অর্থ স্ত্রী বা পত্নী। স্ত্রীকে স্বামীর দেহ ও জীবনের অর্ধেক অঙ্গ হিসেবে কল্পনা করে ‘অর্ধাঙ্গী’ বা ‘অর্ধাঙ্গিনী’ বলা হয়, তাই এটি জায়ার সমার্থক শব্দ। অন্যদিকে ‘কন্যা’ ও ‘নন্দিনী’ মানে মেয়ে আর ‘ভগিনী’ মানে বোন।
    মনে রাখুন:
    স্ত্রীর প্রতিশব্দ: জায়া, পত্নী, ভার্যা, দারা, গৃহিণী, সহধর্মিণী, অর্ধাঙ্গী।
  7. ৮. ’চতুষ্পদ’ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি ?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০২২
    • ক. চতুর + পদ
    • খ. চতুষ + পদ
    • গ. চতু + পদ
    • ঘ. চতুঃ + পদ
    উত্তর: ঘ. চতুঃ + পদ
    ‘চতুঃ’ শব্দের শেষে বিসর্গ আছে। বিসর্গ সন্ধির নিয়মে ই-কার বা উ-কারের পরের বিসর্গের পরে ক, খ, প, ফ এলে বিসর্গ বদলে ‘ষ্’ হয়ে যায়। তাই চতুঃ + পদ = চতুষ্পদ, যার অর্থ চার পা-বিশিষ্ট প্রাণী।
    উদাহরণ:
    নিঃ + পাপ = নিষ্পাপ, দুঃ + কর = দুষ্কর, আবিঃ + কার = আবিষ্কার, নিঃ + ফল = নিষ্ফল।
  8. ৯. ’সিংহপুরুষ’ কোন সমাস ?
    • ক. উপমান কর্মধারয়
    • খ. উপপদ তৎপুরুষ
    • গ. উপমিত কর্মধারয়
    • ঘ. অব্যয়ীভাব
    উত্তর: গ. উপমিত কর্মধারয়
    উপমেয় ও উপমান দুটোই থাকলে কিন্তু তাদের সাধারণ গুণের উল্লেখ না থাকলে উপমিত কর্মধারয় সমাস হয়। ‘সিংহপুরুষ’ শব্দে পুরুষকে সিংহের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে, অর্থাৎ পুরুষ সিংহের ন্যায়, কিন্তু কোন গুণে তুলনা, অর্থাৎ সাহস বা বীরত্ব, তা বলা নেই। তাই এটি উপমিত কর্মধারয় সমাস।
    মনে রাখুন:
    উপমিত কর্মধারয়: মুখচন্দ্র, পুরুষসিংহ, করপল্লব।
    উপমান কর্মধারয়: তুষারশুভ্র, কাজলকালো, অরুণরাঙা।
  9. ১০. ’মানব’ শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয় কোনটি ?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০২২
    • ক. মনু + ষ্ণ
    • খ. মনু + অব
    • গ. মা + নব
    • ঘ. মান + অব
    উত্তর: ক. মনু + ষ্ণ
    শব্দের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয়, তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে। ‘মনু’ শব্দের সঙ্গে সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় ‘ষ্ণ’ যুক্ত হয়ে মনুর বংশধর অর্থে ‘মানব’ শব্দটি গঠিত হয়েছে। এই প্রত্যয় যোগ হলে শব্দের প্রথম স্বর বৃদ্ধি পায়, তাই ‘ম’-এর অ বদলে আ হয়ে ‘মা’ হয়েছে এবং উ বদলে ‘অব’ হয়েছে।
    উদাহরণ:
    রঘু + ষ্ণ = রাঘব, যদু + ষ্ণ = যাদব, পাণ্ডু + ষ্ণ = পাণ্ডব।
  10. ১১. যে উপকারীর অপকার করে –
    • ক. কৃতজ্ঞ
    • খ. অকৃতজ্ঞ
    • গ. কৃতঘ্ন
    • ঘ. অকৃতঘ্ন
    উত্তর: গ. কৃতঘ্ন
    যে ব্যক্তি উপকারীর উপকার স্বীকার না করে উল্টো অপকার করে, তাকে কৃতঘ্ন বলে। ‘কৃত’ মানে করা উপকার আর ‘ঘ্ন’ মানে নাশ করা, তাই কৃতঘ্ন হলো যে করা উপকারকে নষ্ট করে। ‘কৃতজ্ঞ’ হলো যে উপকার স্বীকার করে, আর ‘অকৃতজ্ঞ’ হলো যে উপকার স্বীকার করে না, কিন্তু অপকার করে না। ‘অকৃতঘ্ন’ শব্দটির কোনো প্রচলিত অর্থ নেই।
    মনে রাখুন: কৃতজ্ঞ = যে উপকার মনে রাখে, কৃতঘ্ন = যে উপকারীর ক্ষতি করে।
  11. ১২. ’পাপে বিরত থাকো’ – কোন কারকে কোন বিভক্তি ?
    • ক. অপাদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি
    • খ. করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি
    • গ. অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি
    • ঘ. কর্মকারকে সপ্তমী বিভক্তি
    উত্তর: ক. অপাদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি
    কোনো কিছু থেকে বিরত থাকা, ভয় পাওয়া, রক্ষা পাওয়া বা উৎপন্ন হওয়া বোঝালে, অর্থাৎ ‘থেকে’ অর্থ প্রকাশ পেলে অপাদান কারক হয়। ‘পাপে বিরত থাকো’ মানে পাপ থেকে বিরত থাকো, তাই ‘পাপে’ অপাদান কারক। শব্দটিতে ‘এ’ বিভক্তি যুক্ত, যা সপ্তমী বিভক্তি, ফলে এটি অপাদানে সপ্তমী।
    মনে রাখুন: একই রকম উদাহরণ ‘বাঘে ভয় পায়’ বা ‘তিলে তেল হয়’।
  12. ১৪. ’রাত্রি’ শব্দের সমার্থক শব্দ নয় কোনটি ?
    • ক. শর্বরী
    • খ. ত্রিযামা
    • গ. ক্ষণদা
    • ঘ. ভানু
    উত্তর: ঘ. ভানু
    ‘ভানু’ শব্দের অর্থ সূর্য, তাই এটি রাত্রির সমার্থক শব্দ নয়। অন্য তিনটি শব্দ রাতকেই বোঝায়। ‘ত্রিযামা’ নামটি এসেছে রাতের তিন প্রহর থেকে, আর ‘ক্ষণদা’ মানে যে উৎসব বা বিশ্রামের ক্ষণ দান করে, অর্থাৎ রাত।
    মনে রাখুন:
    রাত্রির প্রতিশব্দ: রজনী, যামিনী, শর্বরী, নিশা, বিভাবরী, ত্রিযামা, ক্ষণদা, তমস্বিনী।
    সূর্যের প্রতিশব্দ: ভানু, রবি, তপন, দিবাকর, সবিতা।
  13. ১৫. ’পূর্বে ছিল এখন নেই’ বাক্য সংকোচন কোনটি ?
    • ক. ভূতপূর্ব
    • খ. অভূতপূর্ব
    • গ. অতীত
    • ঘ. বর্তমান
    উত্তর: ক. ভূতপূর্ব
    যা আগে ছিল কিন্তু এখন আর নেই, তাকে এক কথায় ‘ভূতপূর্ব’ বলে। এখানে ‘ভূত’ শব্দের অর্থ অতীত, যেমন ভূতপূর্ব অধ্যক্ষ মানে আগে যিনি অধ্যক্ষ ছিলেন। এর সঙ্গে সহজেই গুলিয়ে যায় ‘অভূতপূর্ব’, যার অর্থ যা আগে কখনো ঘটেনি।
    মনে রাখুন:
    ভূতপূর্ব = যা আগে ছিল, এখন নেই।
    অভূতপূর্ব = যা আগে কখনো হয়নি।
    অদৃষ্টপূর্ব = যা আগে কখনো দেখা যায়নি।
  14. ১৬. ’কেতা দুরস্ত’ বাগধারার অর্থ কী ?
    • ক. অলস
    • খ. পরিশ্রমী
    • গ. পরিপাটি
    • ঘ. দীর্ঘজীবী
    উত্তর: গ. পরিপাটি
    ‘কেতা’ শব্দের অর্থ আদবকায়দা বা চালচলন, আর ‘দুরস্ত’ মানে ঠিকঠাক বা নিখুঁত। তাই ‘কেতা দুরস্ত’ বাগধারা দিয়ে এমন মানুষকে বোঝানো হয় যিনি চলনে-বলনে, পোশাকে-আচরণে পরিপাটি। শব্দ দুটি ফারসি থেকে এসেছে।
    মনে রাখুন:
    লেফাফা দুরস্ত = বাইরে থেকে ঠিকঠাক বা পরিপাটি।
    কেতা দুরস্ত = পরিপাটি, আদবকায়দায় নিখুঁত।
  15. ১৭. সন্ধি ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত হয় ?
    • ক. রূপতত্ত্বে
    • খ. বাক্যতত্ত্বে
    • গ. অর্থতত্ত্বে
    • ঘ. ধ্বনিতত্ত্বে
    উত্তর: ঘ. ধ্বনিতত্ত্বে
    সন্ধি মানে পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধ্বনির মিলন, যেমন বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়। এখানে ধ্বনির পরিবর্তনই মূল বিষয়, তাই ব্যাকরণের ধ্বনিতত্ত্ব (Phonology) অংশে সন্ধি আলোচিত হয়।
    মনে রাখুন:
    ধ্বনিতত্ত্ব: ধ্বনি, বর্ণ, সন্ধি, ণত্ব-ষত্ব বিধান
    রূপতত্ত্ব: শব্দ, সমাস, প্রত্যয়, বিভক্তি
    বাক্যতত্ত্ব: বাক্য, বাচ্য, উক্তি, যতিচিহ্ন
  16. ১৮. বাংলা ভাষায় যতি চিহ্নের প্রচলন করেন কে ?
    • ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • খ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    • গ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    • ঘ. প্যারিচাঁদ মিত্র
    উত্তর: গ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    বাংলা গদ্যে যতিচিহ্ন বা বিরামচিহ্ন (Punctuation) প্রথম ব্যবহার করেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। তাঁর ‘বেতাল পঞ্চবিংশতি’ (১৮৪৭) বইয়ে যতিচিহ্ন দেখা যায়। এর ফলে বাংলা গদ্য পড়ার ও বোঝার কাজ সহজ হয়েছিল। এজন্য তাঁকে ‘বাংলা গদ্যের জনক’ বলা হয়।
    মনে রাখুন:
    প্যারীচাঁদ মিত্রকে আলালী ভাষারীতির প্রবর্তক বলা হয়।
    বঙ্কিমচন্দ্রকে সাহিত্যসম্রাট বলা হয়।
  17. ১৯. ’মহিমা’ শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয় কোনটি ?
    • ক. মহি + মা
    • খ. মহৎ + ইমন
    • গ. মহা + ইমা
    • ঘ. মহিম + আ
    উত্তর: খ. মহৎ + ইমন
    ‘মহিমা’ শব্দের প্রকৃতি মহৎ এবং প্রত্যয় ইমন। অর্থাৎ মহৎ + ইমন = মহিমা। ইমন সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়, যা সাধারণত গুণবাচক শব্দ থেকে ভাববাচক বিশেষ্য গড়তে ব্যবহৃত হয়। প্রত্যয় যোগ হলে মূল শব্দের শেষ বর্ণ ও স্বর বদলে যেতে পারে, তাই ‘মহৎ’ থেকে ‘মহি’ হয়েছে।
    উদাহরণ:
    নীল + ইমন = নীলিমা।
    লঘু + ইমন = লঘিমা।
    গুরু + ইমন = গরিমা।
  18. ২০. ’আবির্ভাব’ – এর বিপরীত শব্দ কোনটি ?
    • ক. অভাব
    • খ. স্বভাব
    • গ. তিরোভাব
    • ঘ. অনুভাব
    উত্তর: গ. তিরোভাব
    ‘আবির্ভাব’ মানে প্রকাশ পাওয়া বা আগমন। এর বিপরীত ‘তিরোভাব’, অর্থাৎ অদৃশ্য হয়ে যাওয়া বা অন্তর্ধান। ‘আবিঃ’ ও ‘তিরঃ’ উপসর্গ একই ‘ভাব’ শব্দের সঙ্গে বসে বিপরীত অর্থ তৈরি করেছে।
    মনে রাখুন: মহাপুরুষের জন্মকে আবির্ভাব আর মৃত্যুকে তিরোভাব বা তিরোধান বলা হয়।
  19. ২১. ’দহরম মহরম’ – এর বিপরীত বাগধারা কোনটি ?
    • ক. জিলাপির প্যাঁচ
    • খ. অহিনকুল
    • গ. দুধের মাছি
    • ঘ. বসন্তের কোকিল
    উত্তর: খ. অহিনকুল
    ‘দহরম মহরম’ বাগধারার অর্থ অত্যন্ত ঘনিষ্ঠতা বা মাখামাখি সম্পর্ক। এর বিপরীত অবস্থা হলো চিরশত্রুতা, আর সেটি বোঝাতে ‘অহিনকুল’ বাগধারা ব্যবহৃত হয়। ‘অহি’ মানে সাপ আর ‘নকুল’ মানে বেজি, এরা স্বভাবতই একে অপরের চিরশত্রু।
    মনে রাখুন:
    জিলাপির প্যাঁচ = কুটিল বুদ্ধি।
    দুধের মাছি ও বসন্তের কোকিল = সুসময়ের বন্ধু।
  20. ২২. নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ ?
    • ক. ন্যুনতম
    • খ. নূন্যতম
    • গ. ন্যূনতম
    • ঘ. নুন্যতম
    উত্তর: গ. ন্যূনতম
    ‘ন্যূনতম’ শব্দটি এসেছে ‘ন্যূন’ শব্দ থেকে, যার অর্থ কম বা অল্প। এর সঙ্গে ‘তম’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে অর্থ হয়েছে সবচেয়ে কম। মূল শব্দে ন-এর সঙ্গে য-ফলা এবং তারপর দীর্ঘ ঊ-কার আছে, তাই শুদ্ধ বানান ‘ন্যূনতম’।
    মনে রাখুন: ন্যূন শব্দের বিপরীত হলো অধিক, আর ‘ন্যূনপক্ষে’ মানে কমপক্ষে।
  21. ২৩. সৌম্য শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি ?
    • ক. শান্ত
    • খ. সুন্দর
    • গ. উগ্র
    • ঘ. কৃষ্ণ
    উত্তর: গ. উগ্র
    ‘সৌম্য’ মানে শান্ত, স্নিগ্ধ ও প্রসন্ন, যেমন সৌম্য চেহারা। এর বিপরীত ‘উগ্র’, অর্থাৎ রুক্ষ, প্রচণ্ড বা ভয়ংকর। ‘শান্ত’ সৌম্যের কাছাকাছি অর্থের শব্দ, বিপরীত নয়।
    মনে রাখুন: আরও কয়েকটি বিপরীত জোড়: শিষ্ট ও দুষ্ট, কোমল ও কঠোর।
  22. ২৪. ’ডাক্তার ডাক’ কোন কারকে কোন বিভক্তি ?
    • ক. কর্তৃকারকে ষষ্ঠী বিভক্তি
    • খ. কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি
    • গ. করণ কারকে শূন্য বিভক্তি
    • ঘ. কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তি
    উত্তর: খ. কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি
    যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্ম কারক বলে। ‘ডাক্তার ডাক’ বাক্যে কর্তা উহ্য আছে (তুমি), আর ডাকার কাজটি করা হচ্ছে ডাক্তারকে, তাই ‘ডাক্তার’ কর্ম কারক। শব্দটির সঙ্গে কোনো বিভক্তিচিহ্ন যুক্ত নেই, তাই এটি শূন্য বিভক্তি।
    মনে রাখুন: ক্রিয়াকে ‘কী’ বা ‘কাকে’ প্রশ্ন করলে কর্ম পাওয়া যায়। এখানে ‘কাকে ডাকবে?’ প্রশ্নের উত্তর ‘ডাক্তার’। একই রকম উদাহরণ: ‘পুলিশ ডাক’, ‘ঘোড়া ছোটাও’।
  23. ২৫. ’মৌমাছি’ কোন সমাস ?
    • ক. কর্মধারয় সমাস
    • খ. বহুব্রীহি সমাস
    • গ. দ্বিগু সমাস
    • ঘ. অব্যয়ীভাব সমাস
    উত্তর: ক. কর্মধারয় সমাস
    কর্মধারয় সমাসের ব্যাসবাক্যে মাঝখানের পদ লোপ পেলে তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে। ‘মৌমাছি’ শব্দের ব্যাসবাক্য ‘মৌ আহরণকারী মাছি’, আর এখানে মাঝের ‘আহরণকারী’ পদটি লোপ পেয়েছে। তাই এটি কর্মধারয় সমাস, আরও নির্দিষ্ট করে বললে মধ্যপদলোপী কর্মধারয়।
    উদাহরণ:
    সিংহাসন = সিংহ চিহ্নিত আসন।
    স্মৃতিসৌধ = স্মৃতি রক্ষার্থে সৌধ।
    জ্যোৎস্নারাত = জ্যোৎস্না শোভিত রাত।
  24. ৯৮. ’আরেক ফাল্গুন’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে ?
    • ক. জহির রায়হান
    • খ. শওকত ওসমান
    • গ. সৈয়দ শামসুল হক
    • ঘ. সেলিনা হোসেন
    উত্তর: ক. জহির রায়হান
    ‘আরেক ফাল্গুন’ উপন্যাসটি লিখেছেন জহির রায়হান, আর এটি ১৯৬৯ সালে প্রকাশিত হয়। উপন্যাসটির পটভূমি ১৯৫৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শহিদ দিবস পালনকে কেন্দ্র করে ছাত্রদের আন্দোলন, তাই এটিকে ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম উপন্যাস বলা হয়। জহির রায়হান একজন বিখ্যাত চলচ্চিত্রকারও ছিলেন, আর তাঁর ‘জীবন থেকে নেয়া’ চলচ্চিত্রটি মুক্তিযুদ্ধের আগে মানুষকে প্রেরণা জুগিয়েছিল।
    মনে রাখুন: জহির রায়হানের অন্য উপন্যাস ‘হাজার বছর ধরে’, ‘শেষ বিকেলের মেয়ে’ ও ‘বরফ গলা নদী’। ১৯৭২ সালে ভাই শহীদুল্লা কায়সারকে খুঁজতে গিয়ে তিনি নিখোঁজ হন।

ইংরেজি

  1. ৬. ‘Autonomous’ শব্দের অর্থ –
    • ক. স্বাক্ষর
    • খ. স্বায়ত্তশাসিত
    • গ. সত্যায়িত
    • ঘ. সংশোধিত
    উত্তর: খ. স্বায়ত্তশাসিত
    Autonomous শব্দটি গ্রিক auto (নিজে) এবং nomos (আইন) থেকে এসেছে, অর্থাৎ যে নিজের আইনে নিজে চলে। তাই এর বাংলা অর্থ স্বায়ত্তশাসিত। কোনো প্রতিষ্ঠান সরকারের সরাসরি নিয়ন্ত্রণের বাইরে নিজের নিয়মে চললে তাকে autonomous body বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান বলা হয়।
    মনে রাখুন: Autonomy (n) মানে স্বায়ত্তশাসন। অন্য শব্দগুলোর ইংরেজি হলো স্বাক্ষর = Signature, সত্যায়িত = Attested, সংশোধিত = Amended বা Revised।
  2. ১৩. ‘Edition’ শব্দের অর্থ –আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০২২
    • ক. সংস্করণ
    • খ. সম্পাদক
    • গ. সম্পাদকীয়
    • ঘ. অনুসন্ধান
    উত্তর: ক. সংস্করণ
    Edition শব্দের অর্থ সংস্করণ, অর্থাৎ কোনো বই বা পত্রিকার একবারে ছাপা নির্দিষ্ট রূপ। যেমন কোনো বই প্রথমবার ছাপা হলে তাকে first edition বলে, পরে সংশোধন করে আবার ছাপলে second edition হয়। এই শব্দের কাছাকাছি দেখতে আরও কয়েকটি শব্দ আছে, যাদের অর্থ আলাদা।
    মনে রাখুন:
    Editor = সম্পাদক।
    Editorial = সম্পাদকীয়।
    Edit = সম্পাদনা করা।
    Addition = যোগ বা সংযোজন।
  3. ২৬. Educating all people _____ a mammoth task.
    • ক. are
    • খ. is
    • গ. be
    • ঘ. have
    উত্তর: খ. is
    বাক্যের subject হলো ‘Educating all people’, যা একটি gerund phrase। এখানে people শব্দটি বহুবচন হলেও সেটি subject নয়, বরং ‘সবাইকে শিক্ষিত করা’ কাজটিই subject। কোনো gerund বা gerund phrase subject হলে তাকে একবচন ধরা হয়, তাই verb হবে is।
    উদাহরণ:
    Reading books is a good habit.
    Walking in the morning keeps us fit.
    মনে রাখুন: Infinitive subject-এর ক্ষেত্রেও একই নিয়ম, যেমন To err is human।
  4. ২৭. Man has no escape ______ death.
    • ক. before
    • খ. from
    • গ. by
    • ঘ. in
    উত্তর: খ. from
    Escape শব্দের পরে কোনো কিছু থেকে রেহাই বা নিষ্কৃতি বোঝাতে from বসে। তাই ‘Man has no escape from death.’ বাক্যটির অর্থ মানুষের মৃত্যু থেকে রেহাই নেই। Escape noun হিসেবে ব্যবহৃত হোক বা verb হিসেবে, দুই ক্ষেত্রেই from-এর ব্যবহার প্রচলিত।
    মনে রাখুন:
    Escape from (রেহাই পাওয়া)।
    Refrain from, Abstain from, Prevent from, Free from।
  5. ২৮. Today the world is passing through _______ juncture.
    • ক. minimum
    • খ. a lot of
    • গ. limited
    • ঘ. critical
    উত্তর: ঘ. critical
    Juncture শব্দের অর্থ কোনো ঘটনার গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত বা সন্ধিক্ষণ। একে সাধারণত critical (সংকটময়) বিশেষণের সঙ্গে ব্যবহার করা হয়, তাই ‘Today the world is passing through critical juncture.’ বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায় আজ বিশ্ব এক সংকটময় সন্ধিক্ষণ পার করছে। Minimum, limited বা a lot of শব্দগুলো juncture-এর সঙ্গে অর্থপূর্ণভাবে বসে না।
    মনে রাখুন: At this juncture মানে এই মুহূর্তে বা এই পর্যায়ে।
  6. ২৯. The old man cannot help ______ a cup of tea.
    • ক. take
    • খ. drink
    • গ. to drink
    • ঘ. having
    উত্তর: ঘ. having
    Cannot help কথাটির অর্থ কোনো কাজ না করে পারা যায় না। এই phrase-এর পরে verb সবসময় gerund রূপে, অর্থাৎ verb + ing হিসেবে বসে। তাই ‘The old man cannot help having a cup of tea.’ বাক্যটির অর্থ বৃদ্ধ লোকটি এক কাপ চা না খেয়ে পারেন না।
    মনে রাখুন: Cannot help-এর মতো আরও কিছু phrase-এর পরে gerund বসে: look forward to, with a view to, be used to, mind, avoid, enjoy।
  7. ৩০. There is _______ milk in the bottle.
    • ক. very few
    • খ. any
    • গ. very little
    • ঘ. many
    উত্তর: গ. very little
    Milk একটি uncountable noun, তাই এর আগে few বা many বসে না, কারণ এগুলো countable noun-এর সঙ্গে ব্যবহৃত হয়। অল্প পরিমাণ বোঝাতে uncountable noun-এর আগে little বসে, ফলে বাক্যটি হবে ‘There is very little milk in the bottle’।
    মনে রাখুন: affirmative বাক্যে সাধারণত any বসে না, এটি negative ও প্রশ্নবোধক বাক্যে বেশি ব্যবহৃত হয়।
  8. ৩১. কলমটি তার।
    • ক. The pen is mine.
    • খ. The pen is his.
    • গ. He is the owner of the pen.
    • ঘ. He belongs to the pen.
    উত্তর: খ. The pen is his.
    ‘কলমটি তার’ বাক্যে কলমটির মালিকানা বোঝানো হয়েছে, আর এখানে ‘তার’ দিয়ে একজন তৃতীয় ব্যক্তিকে বোঝানো হচ্ছে। ইংরেজিতে মালিকানা বোঝাতে possessive pronoun ব্যবহার করা হয়, আর he-এর possessive pronoun হলো his। তাই ‘The pen is his.’ সবচেয়ে সরল ও নিখুঁত অনুবাদ। ‘The pen is mine’ মানে কলমটি আমার, যা ভিন্ন অর্থ দেয়।
    মনে রাখুন: Possessive pronoun-এর পরে noun বসে না, যেমন mine, yours, his, hers, ours, theirs।
  9. ৩২. বিনয় মহত্ত্বের ভূষণ।
    • ক. Modesty are embellishment of greatness.
    • খ. Modesty is embellishment on greatness.
    • গ. Modesty is embellishment to greatness.
    • ঘ. Modesty is embellishment of greatness.
    উত্তর: ঘ. Modesty is embellishment of greatness.
    ‘ভূষণ’ মানে অলংকার বা সৌন্দর্য বাড়ায় এমন জিনিস, যার ইংরেজি embellishment বা ornament। বাক্যের subject ‘Modesty’ একবচন ও uncountable, তাই verb হবে is। আর ‘মহত্ত্বের ভূষণ’ বোঝাতে ‘of greatness’ ব্যবহার করতে হয়, কারণ ‘এর’ বিভক্তির সম্পর্ক প্রকাশে of বসে। তাই ‘Modesty is embellishment of greatness.’ শুদ্ধ অনুবাদ।
    মনে রাখুন: একই অর্থে বলা যায় ‘Modesty is the ornament of greatness.’
  10. ৩৩. কেটলিতে পানি টগ্‌বগ্‌ করছে।
    • ক. The water is simmering in the kettle.
    • খ. The water is boiling in the kettle.
    • গ. The water is rising high in the kettle.
    • ঘ. The kettle is over flowing.
    উত্তর: ক. The water is simmering in the kettle.
    Simmer শব্দের অর্থ পানি বা কোনো তরল ফোটার মুখে এসে টগবগ বা ফুটফুট করা। ‘কেটলিতে পানি টগবগ করছে’ বাক্যে এই অবস্থাটিই বোঝানো হয়েছে, তাই ‘The water is simmering in the kettle.’ উপযুক্ত অনুবাদ। Boiling শব্দ দিয়ে সাধারণভাবে পানি ফুটছে বোঝায়, কিন্তু টগবগ করার শব্দময় অবস্থা বোঝাতে simmer শব্দটি বেশি মানানসই।
    মনে রাখুন:
    Simmer = টগবগ করা।
    Sizzle = ছ্যাঁক ছ্যাঁক করা।
    Boil = ফোটা।
  11. ৩৪. ট্রেনটি ঢাকা যাবে।
    • ক. The train is going to Dhaka
    • খ. The train is bound for Dhaka
    • গ. The train is leaving for Dhaka
    • ঘ. The train will go to Dhaka
    উত্তর: খ. The train is bound for Dhaka
    কোনো জাহাজ, ট্রেন বা বাস নির্দিষ্ট গন্তব্যের দিকে যাওয়ার জন্য নির্ধারিত হলে ইংরেজিতে bound for কথাটি ব্যবহার করা হয়। ‘ট্রেনটি ঢাকা যাবে’ বাক্যে ট্রেনটির গন্তব্য বোঝানো হচ্ছে, তাই ‘The train is bound for Dhaka.’ সবচেয়ে উপযুক্ত অনুবাদ। ‘The train will go to Dhaka’ ব্যাকরণগতভাবে ভুল নয়, তবে গন্তব্য বোঝাতে ইংরেজিতে bound for-ই প্রচলিত ও স্বাভাবিক।
    উদাহরণ:
    The ship is bound for Singapore.
    মনে রাখুন: Bound to মানে বাধ্য, যেমন He is bound to obey the law।
  12. ৩৫. The shirt is _______
    • ক. after my taste
    • খ. before my taste
    • গ. after one’s taste
    • ঘ. according to my taste
    উত্তর: ক. after my taste
    After one's taste একটি idiom, যার অর্থ কারও রুচি বা পছন্দ অনুযায়ী। বাক্যে কার পছন্দের কথা বলা হচ্ছে তা নির্দিষ্ট করতে one's-এর জায়গায় possessive রূপ বসাতে হয়, তাই ‘The shirt is after my taste.’ শুদ্ধ, যার অর্থ শার্টটি আমার পছন্দমতো। ‘after one's taste’ রূপটি শুধু idiom-এর সাধারণ রূপ, বাক্যে সেভাবে বসে না।
    মনে রাখুন: একই অর্থে বলা যায় ‘The shirt is to my taste’ বা ‘after my own heart’।
  13. ৩৬. What is the meaning of ‘prior to’ ________?
    • ক. on
    • খ. after
    • গ. before
    • ঘ. beside
    উত্তর: গ. before
    Prior to কথাটির অর্থ কোনো কিছুর আগে, অর্থাৎ before। এটি সাধারণত আনুষ্ঠানিক লেখায়, যেমন অফিসের চিঠি বা নোটিশে ব্যবহৃত হয়। যেমন ‘Prior to the meeting, all members must submit their reports’ মানে সভার আগে সব সদস্যকে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
    মনে রাখুন:
    Prior to = before।
    Subsequent to = after।
    Prior (adj) মানে আগের, আর Priority মানে অগ্রাধিকার।
  14. ৩৭. The suffering of the poor man ________.
    • ক. beyond description
    • খ. beggars description
    • গ. out of description
    • ঘ. beggar description
    উত্তর: খ. beggars description
    Beggar description একটি idiom, যার অর্থ এত বেশি যে ভাষায় বর্ণনা করা যায় না। এখানে beggar শব্দটি verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। বাক্যের subject ‘The suffering’ third person singular এবং বাক্যটি present indefinite tense-এ, তাই verb-এর সঙ্গে s যোগ হয়ে beggars হবে। ফলে ‘The suffering of the poor man beggars description.’ শুদ্ধ।
    মনে রাখুন: Beyond description কথাটির অর্থও একই, তবে সেখানে বাক্যে is বসাতে হতো, যেমন The suffering is beyond description।
  15. ৩৮. I wish I had seen you before. (Exclamatory)
    • ক. Wow! I seen you before.
    • খ. Had I seen you before!
    • গ. Oh! I seen you before.
    • ঘ. If I seen you before
    উত্তর: খ. Had I seen you before!
    I wish I had... কাঠামো দিয়ে অতীতের এমন ইচ্ছার কথা বলা হয়, যা পূরণ হয়নি। এ ধরনের বাক্যকে exclamatory করতে If বাদ দিয়ে auxiliary verb had-কে কর্তার আগে আনা হয় এবং শেষে বিস্ময়চিহ্ন বসে। তাই ‘Had I seen you before!’ সঠিক রূপ, যার অর্থ ইস্, যদি তোমাকে আগে দেখতাম! অন্য বিকল্পগুলোর ‘I seen’ ব্যাকরণগতভাবেই ভুল।
    মনে রাখুন: I wish I were a bird বাক্যের exclamatory রূপ হলো ‘Had I been a bird!’ বা ‘Would that I were a bird!’
  16. ৩৯. Besides going to the book fair, I bought a number of books. (Compound)
    • ক. I not only went to the book fair but also bought a number of books.
    • খ. I went to the book fair and bought a number of books.
    • গ. Going to the book fair, I bought a number of books.
    • ঘ. I bought a number of books when I went to the book fair.
    উত্তর: ক. I not only went to the book fair but also bought a number of books.
    Besides দিয়ে শুরু হওয়া simple sentence-এ দুটি কাজের কথা থাকে, যার একটির সঙ্গে আরেকটি যোগ হয়। এ ধরনের বাক্যকে compound করতে সাধারণত not only... but also ব্যবহার করা হয়, কারণ এতে দুটি কাজই সমান গুরুত্ব পায়। তাই ‘I not only went to the book fair but also bought a number of books.’ সঠিক রূপ।
    মনে রাখুন: Compound sentence-এ দুটি বা তার বেশি independent clause থাকে, যা and, but, or, so, not only... but also ইত্যাদি দিয়ে যুক্ত হয়।
  17. ৪০. Do you find your payment too little? (Passive)
    • ক. Is your payment found too little to you?
    • খ. Are your payment found too little to you?
    • গ. Are your payment found too little by you?
    • ঘ. Is your payment found too little by you?
    উত্তর: ঘ. Is your payment found too little by you?
    Interrogative বাক্যকে passive করলেও প্রশ্নের রূপ ঠিক রাখতে হয়। Active বাক্যটি present indefinite tense-এ, আর এর object ‘your payment’ একবচন, তাই passive-এ বাক্য শুরু হবে Is দিয়ে। এরপর object আসবে subject-এর জায়গায়, verb হবে past participle (found), আর active-এর subject you হবে by you। ফলে ‘Is your payment found too little by you?’ শুদ্ধ রূপ।
    মনে রাখুন: Present indefinite tense-এর passive গঠন: am/is/are + past participle।
  18. ৪১. There is little milk in the glass. (Interrogative)
    • ক. Is there little milk in the glass ?
    • খ. Isn’t there little milk in the glass ?
    • গ. Is there any milk in the glass ?
    • ঘ. Isn’t there any milk in the glass ?
    উত্তর: গ. Is there any milk in the glass ?
    ‘Little’ শব্দের অর্থ প্রায় নেই, তাই ‘There is little milk in the glass’ বাক্যে আসলে একটি না-বোধক ভাব আছে। Assertive বাক্যকে interrogative করার সময় এই ভাব ঠিক রাখতে হলে এমনভাবে প্রশ্ন করতে হয় যার উত্তরে প্রায় ‘না’ আসে। তাই ‘Is there any milk in the glass?’ শুদ্ধ রূপ, কারণ এটি ইঙ্গিত দেয় যে গ্লাসে দুধ নেই বললেই চলে।
    মনে রাখুন: Little ও few-এর অর্থ না-বোধক, কিন্তু a little ও a few-এর অর্থ হ্যাঁ-বোধক (সামান্য আছে)।
  19. ৪২. I know him better than you. (Positive)
    • ক. You do not know him as good as I.
    • খ. You do not know him as well as I.
    • গ. You do not know him as well as me.
    • ঘ. You do not know him as good as me.
    উত্তর: খ. You do not know him as well as I.
    Comparative degree-কে positive করতে হলে তুলনার পক্ষ দুটির জায়গা বদল করে not so/as... as ব্যবহার করা হয়। Know ক্রিয়াকে বিশেষিত করছে বলে এখানে adjective good নয়, adverb well বসবে, কারণ better শব্দটি well-এর comparative রূপ। আর তুলনার পরের অংশে subject হিসেবে I বসে, কারণ পুরো বাক্যটি আসলে as well as I know him। তাই ‘You do not know him as well as I.’ শুদ্ধ।
    মনে রাখুন: Well-এর comparative better, superlative best।
  20. ৪৩. I am sure that he (pass) the examination.
    • ক. will pass
    • খ. passed
    • গ. will be passed
    • ঘ. pass
    উত্তর: ক. will pass
    I am sure that... কথাটির পরে সাধারণত ভবিষ্যতে কী ঘটবে সে বিষয়ে নিশ্চিত বিশ্বাস প্রকাশ করা হয়। পরীক্ষায় পাস করার ঘটনাটি এখনো ঘটেনি, ভবিষ্যতে ঘটবে, তাই that-clause-এ future indefinite tense বসে এবং বাক্যটি হয় ‘I am sure that he will pass the examination.’ ‘Will be passed’ passive রূপ, যা এখানে অর্থের সঙ্গে মেলে না।
    মনে রাখুন: I hope, I think, I am sure, I believe ইত্যাদির পরে ভবিষ্যৎ বোঝাতে সাধারণত will + verb বসে।
  21. ৪৪. Walk carefully lest ________.
    • ক. you will fall
    • খ. you should stumble
    • গ. you would have fallen
    • ঘ. you might lose the way
    উত্তর: খ. you should stumble
    Lest একটি conjunction, যার অর্থ ‘যাতে না’ বা ‘পাছে’। এর পরে সাধারণত should + verb বসে, আর lest-এর মধ্যেই না-বোধক অর্থ থাকে বলে বাক্যে আলাদা করে not বসাতে হয় না। তাই ‘Walk carefully lest you should stumble.’ শুদ্ধ, যার অর্থ সাবধানে হাঁটো যাতে হোঁচট না খাও।
    মনে রাখুন: Lest-এর পরে কখনো not বসে না। ‘Read attentively lest you should fail’ বাক্যটিও একই নিয়মে গঠিত।
  22. ৪৫. People (talk) his courage even after his death.
    • ক. talk of
    • খ. talk
    • গ. will talk
    • ঘ. talks of
    উত্তর: ক. talk of
    কোনো কিছু নিয়ে কথা বলা বা আলোচনা করা অর্থে talk-এর পরে of বা about বসে। বাক্যের subject ‘People’ বহুবচন, তাই verb-এর সঙ্গে s যোগ হবে না। আর মানুষ সব সময়ই তার সাহসের কথা বলে, এমন চিরন্তন বা অভ্যাসগত কাজ বোঝাতে present indefinite tense ব্যবহৃত হয়। ফলে ‘People talk of his courage even after his death.’ শুদ্ধ।
    মনে রাখুন: People, cattle, police শব্দগুলো দেখতে একবচনের মতো হলেও সবসময় বহুবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
  23. ৪৬. Three-fourths of the work ______ finished.
    • ক. have been
    • খ. is
    • গ. are
    • ঘ. has been
    উত্তর: ঘ. has been
    Fraction (three-fourths, half) বা percentage-এর পরে of + noun থাকলে verb সেই noun-এর বচন অনুযায়ী বসে। এখানে ‘the work’ একবচন ও uncountable, তাই verb হবে singular। কাজটি সম্পন্ন হয়ে গেছে বোঝাতে present perfect passive ‘has been finished’ সবচেয়ে উপযুক্ত।
    মনে রাখুন: Three-fourths of the students have passed, এখানে students plural বলে have বসেছে।
  24. ৪৭. We felt very tired. The word ‘tired’ used in the sentence is ______
    • ক. adjective
    • খ. noun
    • গ. verb
    • ঘ. none
    উত্তর: ক. adjective
    Feel, seem, look, become ধরনের verb-কে linking verb বলে, কারণ এরা subject-কে তার অবস্থা বা গুণের সঙ্গে যুক্ত করে। ‘We felt very tired’ বাক্যে felt একটি linking verb, আর tired শব্দটি subject ‘We’-এর অবস্থা বর্ণনা করছে। Subject-এর গুণ বা অবস্থা বোঝায় বলে এখানে tired একটি adjective, আর এর আগের very শব্দটি adverb হিসেবে adjective-টিকে বিশেষিত করছে।
    মনে রাখুন: Linking verb-এর পরে adverb নয়, adjective বসে, যেমন The flower smells sweet।
  25. ৪৮. The verb of the word ‘beautiful’ is _____.
    • ক. beauty
    • খ. beautify
    • গ. beautification
    • ঘ. beautifully
    উত্তর: খ. beautify
    Beautiful হলো adjective, যার অর্থ সুন্দর। এর থেকে ‘সুন্দর করা’ অর্থের verb হলো beautify, যেমন They beautified the park। আর beauty noun, beautification noun এবং beautifully adverb।
    মনে রাখুন: -ify প্রত্যয় দিয়ে verb তৈরির আরও উদাহরণ: simple → simplify, pure → purify, class → classify।
  26. ৪৯. The synonym of the word ‘huge’ is _____.
    • ক. sanctified
    • খ. tiny
    • গ. colossal
    • ঘ. momentary
    উত্তর: গ. colossal
    Huge শব্দের অর্থ বিশাল বা প্রকাণ্ড। Colossal শব্দের অর্থও অতিকায় বা বিরাট, তাই এটি huge-এর সমার্থক। শব্দটি এসেছে প্রাচীন গ্রিসের রোডস দ্বীপের বিশাল মূর্তি Colossus থেকে। অন্য শব্দগুলোর অর্থ আলাদা: tiny মানে অতি ক্ষুদ্র, যা huge-এর বিপরীত, sanctified মানে পবিত্র করা আর momentary মানে ক্ষণস্থায়ী।
    মনে রাখুন: Huge-এর অন্য সমার্থক শব্দ হলো enormous, gigantic, immense, massive, vast।
  27. ৫০. The antonym of the word ‘unique’ is _______.
    • ক. popular
    • খ. common
    • গ. distinctive
    • ঘ. deciduous
    উত্তর: খ. common
    Unique শব্দের অর্থ অনন্য, অর্থাৎ যার মতো আর কিছু নেই। এর বিপরীত হলো common, যার অর্থ সাধারণ বা সচরাচর দেখা যায় এমন। Distinctive মানে স্বতন্ত্র, যা unique-এর কাছাকাছি অর্থ দেয়, আর popular মানে জনপ্রিয়। Deciduous শব্দটি ব্যবহৃত হয় সেই গাছের ক্ষেত্রে, যার পাতা নির্দিষ্ট ঋতুতে ঝরে যায়।
    মনে রাখুন: Unique শব্দের আগে more বা most বসানো ব্যাকরণগতভাবে ঠিক নয়, কারণ শব্দটির অর্থই সর্বোচ্চ স্বাতন্ত্র্য।

গণিত

  1. ৫১. ছয়টি ক্রমিক পূর্ণসংখ্যার প্রথম তিনটির যোগফল ২৭ হলে, শেষ তিনটির যোগফল –
    • ক. ৩৬
    • খ. ৩৩
    • গ. ৩২
    • ঘ. ৩০
    উত্তর: ক. ৩৬
    ক্রমিক পূর্ণসংখ্যা মানে একটির পর একটি, যারা প্রতিবার 1 করে বাড়ে। প্রথম সংখ্যাটি n ধরলে প্রথম তিনটির যোগফল থেকে n বের করা যায়।
    n + (n + 1) + (n + 2) = 27
    3n + 3 = 27, তাই n = 8
    ছয়টি সংখ্যা: 8, 9, 10, 11, 12, 13
    শেষ তিনটির যোগফল = 11 + 12 + 13 = 36
    মনে রাখুন: শেষ তিনটির প্রতিটি সংখ্যা প্রথম তিনটির সংশ্লিষ্ট সংখ্যার চেয়ে 3 বেশি, তাই সংক্ষেপে যোগফল = 27 + 3 × 3 = 36।
  2. ৫৩. দুইটি সংখ্যার ল.সা.গু. a এবং গ.সা.গু. b। একটি সংখ্যা c হলে, অপর সংখ্যাটি –
    • ক. ab
    • খ. bc
    • গ. ab/c
    • ঘ. ac/b
    উত্তর: গ. ab/c
    দুটি সংখ্যার গুণফল সবসময় তাদের ল.সা.গু. ও গ.সা.গু.-র গুণফলের সমান হয়। এখানে ল.সা.গু. a, গ.সা.গু. b আর একটি সংখ্যা c, তাই অপর সংখ্যাকে x ধরে সমীকরণ তৈরি করা যায়।
    c × x = a × b
    x = ab/c
    মনে রাখুন: সংখ্যা দিয়েও এটি সহজে যাচাই করা যায়। 12 ও 18-এর ল.সা.গু. 36 আর গ.সা.গু. 6, এবং 36 × 6 = 216 = 12 × 18।
  3. ৫৪. একটি লেবু ৪ টাকায় কিনে ৫ টাকায় বিক্রি করলে লাভ –
    • ক. ২৫%
    • খ. ২০%
    • গ. ১০%
    • ঘ. ৫%
    উত্তর: ক. ২৫%
    লেবুটি 4 টাকায় কিনে 5 টাকায় বিক্রি করলে লাভ হয় 1 টাকা। শতকরা লাভ সবসময় ক্রয়মূল্যের ভিত্তিতে হিসাব করা হয়, বিক্রয়মূল্যের ভিত্তিতে নয়।
    লাভ = 5 − 4 = 1 টাকা
    শতকরা লাভ = (1/4) × 100 = 25%
    মনে রাখুন: বিক্রয়মূল্যের ভিত্তিতে হিসাব করলে (1/5) × 100 = 20% আসত, যা এ ধরনের প্রশ্নে একটি সাধারণ ভুল।
  4. ৫৫. ১০০ টাকা ৫ বছরে সুদে-আসলে ২০০ টাকা হলে, সুদের হার –
    • ক. ৫%
    • খ. ১০%
    • গ. ২০%
    • ঘ. ২৫%
    উত্তর: গ. ২০%
    আসল 100 টাকা আর সুদে-আসলে 200 টাকা, তাই 5 বছরে মোট সুদ হয়েছে 100 টাকা। সরল সুদের সূত্র I = Prn থেকে সুদের হার বের করা যায়।
    100 = 100 × r × 5
    r = 100/500 = 0.20 = 20%
    সহজভাবে, 5 বছরে 100 টাকায় সুদ 100 টাকা হলে 1 বছরে সুদ 20 টাকা, অর্থাৎ হার 20%।
    মনে রাখুন: সরল সুদে কোনো টাকা দ্বিগুণ হতে n বছর লাগলে সুদের হার = 100/n %।
  5. ৫৬. নিচের কোন ভগ্নাংশটি ২/৩ থেকে ছোটো ?
    • ক. ৭/৮
    • খ. ৫/৬
    • গ. ৩/৪
    • ঘ. ৩/৫
    উত্তর: ঘ. ৩/৫
    ভগ্নাংশ তুলনা করার সহজ উপায় হলো দশমিকে রূপান্তর করা বা আড়াআড়ি গুণ করা। 2/3 ≈ 0.667, আর বিকল্পগুলোর মধ্যে 7/8 = 0.875, 5/6 ≈ 0.833, 3/4 = 0.75 এবং 3/5 = 0.6। তাই কেবল 3/5 ভগ্নাংশটিই 2/3-এর চেয়ে ছোট।
    আড়াআড়ি গুণে যাচাই: 3/5 ও 2/3 তুলনায় 3 × 3 = 9 এবং 2 × 5 = 10, যেহেতু 9 < 10, তাই 3/5 < 2/3।
    মনে রাখুন: লব ও হরের পার্থক্য 1 হলে (যেমন 3/4, 5/6, 7/8) হর যত বড়, ভগ্নাংশটি তত বড়।
  6. ৫৭. ১৫ জন লোক একটি কাজ ২০ দিনে করলে, ঐ কাজটি ১ দিনে করতে লোক লাগবে –
    • ক. ১০০ জন
    • খ. ১৫০ জন
    • গ. ২০০ জন
    • ঘ. ৩০০ জন
    উত্তর: ঘ. ৩০০ জন
    কোনো কাজে লোকসংখ্যা ও দিনসংখ্যা ব্যস্তানুপাতিক, অর্থাৎ লোক বাড়লে সময় কমে। তাই মোট কাজের পরিমাণকে জন-দিনে হিসাব করা যায়।
    মোট কাজ = 15 × 20 = 300 জন-দিন
    1 দিনে করতে লোক লাগবে = 300 ÷ 1 = 300 জন
    মনে রাখুন: M₁D₁ = M₂D₂ সূত্রটি এ ধরনের সব প্রশ্নে কাজে লাগে, এখানে 15 × 20 = M₂ × 1।
  7. ৫৮. ৩ বছর পূর্বে মা ও মেয়ের বয়স যথাক্রমে ২৭ বছর ও ২ বছর ছিল। ৫ বছর পর তাদের বয়সের অনুপাত –
    • ক. ৩ : ২
    • খ. ৭ : ২
    • গ. ২৭ : ২
    • ঘ. ২৭ : ৫
    উত্তর: খ. ৭ : ২
    প্রথমে বর্তমান বয়স বের করে নিলে হিসাব সহজ হয়। 3 বছর আগে মায়ের বয়স 27 আর মেয়ের 2 বছর ছিল, তাই এখন মায়ের বয়স 30 আর মেয়ের 5 বছর।
    5 বছর পর মায়ের বয়স = 30 + 5 = 35 বছর
    5 বছর পর মেয়ের বয়স = 5 + 5 = 10 বছর
    অনুপাত = 35 : 10 = 7 : 2
    মনে রাখুন: দুজনের বয়সের পার্থক্য সবসময় একই থাকে, এখানে 25 বছর।
  8. ৫৯. একটি সংখ্যার ৫ গুণের সাথে তার বর্গ বিয়োগ করলে এবং ৬ বিয়োগ করলে যোগফল শূন্য হয়। সংখ্যাটি –
    • ক. ১ অথবা ২
    • খ. ৩ অথবা ৪
    • গ. ২ অথবা ৩
    • ঘ. ৩ অথবা ৪
    উত্তর: গ. ২ অথবা ৩
    ধরি সংখ্যাটি x। এর 5 গুণ থেকে বর্গ বিয়োগ করে আবার 6 বিয়োগ করলে শূন্য হয়, এখান থেকে একটি দ্বিঘাত সমীকরণ পাওয়া যায়।
    5x − x² − 6 = 0
    x² − 5x + 6 = 0
    (x − 2)(x − 3) = 0
    x = 2 অথবা 3
    যাচাই: x = 2 হলে 10 − 4 − 6 = 0, আর x = 3 হলে 15 − 9 − 6 = 0।
    মনে রাখুন: x² − (a + b)x + ab = (x − a)(x − b)।
  9. ৬০. প্রথম দশটি স্বাভবিক সংখ্যার গড় –
    • ক. ৫
    • খ. ৫.৫০
    • গ. ১০
    • ঘ. ৫৫.৫০
    উত্তর: খ. ৫.৫০
    প্রথম দশটি স্বাভাবিক সংখ্যা হলো 1 থেকে 10। ক্রমিক সংখ্যার গড় প্রথম ও শেষ সংখ্যার গড়ের সমান হয়।
    যোগফল = 10 × 11/2 = 55
    গড় = 55 ÷ 10 = 5.5
    অথবা, গড় = (1 + 10)/2 = 5.5
    মনে রাখুন: প্রথম n টি স্বাভাবিক সংখ্যার গড় = (n + 1)/2, আর প্রথম n টি জোড় সংখ্যার গড় = n + 1।
  10. ৬১. a : b = 4 : 5 এবং b : c = 6 : 7 হলে, a : b : c =
    • ক. 20 : 35 : 42
    • খ. 24 : 30 : 35
    • গ. 35 : 30 : 24
    • ঘ. 42 : 35 : 20
    উত্তর: খ. 24 : 30 : 35
    দুটি অনুপাতকে একসঙ্গে লিখতে হলে দুটিতে থাকা সাধারণ রাশি b-এর মান সমান করতে হয়। প্রথম অনুপাতে b = 5 আর দ্বিতীয়টিতে b = 6, এদের ল.সা.গু. 30।
    a : b = 4 : 5 = 24 : 30 (6 দিয়ে গুণ করে)
    b : c = 6 : 7 = 30 : 35 (5 দিয়ে গুণ করে)
    তাই a : b : c = 24 : 30 : 35
    মনে রাখুন: সংক্ষেপে a : b : c = (4 × 6) : (5 × 6) : (5 × 7) লিখেও একই উত্তর পাওয়া যায়।
  11. ৬২. log₍2√5₎ 20 (অর্থাৎ 2√5 ভিত্তিক 20-এর লগ) এর মান –
    • ক. 2
    • খ. √5
    • গ. – 2
    • ঘ. 4
    উত্তর: ক. 2
    লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী logₐ N = k মানে aᵏ = N। এখানে ভিত্তি 2√5, তাই খুঁজতে হবে 2√5-এর কোন ঘাত 20 দেয়।
    (2√5)² = 2² × (√5)² = 4 × 5 = 20
    তাই log₂√₅ 20 = 2
    মনে রাখুন: logₐ(a²) = 2 এবং logₐ a = 1। ভিত্তিকে বর্গ করে সংখ্যাটি পাওয়া গেলে লগের মান সবসময় 2।
  12. ৬৩. {(a – b)/ab} + {(b – c)/bc} + {(c – a)/ca} এর মান –
    • ক. 2
    • খ. 1
    • গ. 0
    • ঘ. -1
    উত্তর: গ. 0
    প্রতিটি ভগ্নাংশকে দুটি আলাদা ভগ্নাংশে ভেঙে লিখলে পদগুলো একে অপরকে কেটে দেয়।
    (a − b)/ab = a/ab − b/ab = 1/b − 1/a
    (b − c)/bc = 1/c − 1/b
    (c − a)/ca = 1/a − 1/c
    যোগ করলে: (1/b − 1/a) + (1/c − 1/b) + (1/a − 1/c) = 0
    মনে রাখুন: একই ধরনের চক্রাকার রাশি (a − b) + (b − c) + (c − a)-এর মানও সবসময় 0।
  13. ৬৪. 8^(2x + 3) = 2^(3x + 6) হলে, x এর মান –
    • ক. – 3
    • খ. – 1
    • গ. 0
    • ঘ. 4
    উত্তর: খ. – 1
    দুই পাশের ভিত্তি একই করতে পারলে সূচকগুলো সমান ধরা যায়। 8 = 2³, তাই বাম পাশকে 2-এর ঘাত হিসেবে লেখা যায়।
    8^(2x + 3) = (2³)^(2x + 3) = 2^(6x + 9)
    2^(6x + 9) = 2^(3x + 6)
    6x + 9 = 3x + 6
    3x = −3, তাই x = −1
    যাচাই: x = −1 হলে বাম পাশ 8¹ = 8 আর ডান পাশ 2³ = 8।
  14. ৬৫. x – 1/x = 3 হলে, (x⁴ + 1)/x² এর মান –
    • ক. 11
    • খ. 10
    • গ. 9
    • ঘ. 7
    উত্তর: ক. 11
    প্রথমে রাশিটিকে x² + 1/x² আকারে লিখি, কারণ (x⁴ + 1)/x² = x⁴/x² + 1/x² = x² + 1/x²।
    x² + 1/x² = (x − 1/x)² + 2 = 3² + 2 = 11
    মনে রাখুন: x + 1/x দেওয়া থাকলে x² + 1/x² = (x + 1/x)² − 2।
  15. ৬৬. x > y এবং z < 0 হলে, নিচের কোনটি সঠিক ?
    • ক. xz > yz
    • খ. x/z > y/z
    • গ. z/x < z/y
    • ঘ. xz < yz
    উত্তর: ঘ. xz < yz
    অসমতার দুই পাশকে একটি ধনাত্মক সংখ্যা দিয়ে গুণ করলে চিহ্ন একই থাকে, কিন্তু ঋণাত্মক সংখ্যা দিয়ে গুণ বা ভাগ করলে চিহ্ন উল্টে যায়। x > y এবং z < 0 বলে xz < yz।
    উদাহরণ: 5 > 3, আর z = −2 হলে −10 < −6।
    মনে রাখুন: একই কারণে x/z < y/z হবে, x/z > y/z নয়।
  16. ৬৭. 3x³ + 2x² – 21x – 20 রাশিটির একটি উৎপাদক –
    • ক. x + 2
    • খ. x – 2
    • গ. x + 1
    • ঘ. x – 1
    উত্তর: গ. x + 1
    উৎপাদক উপপাদ্য অনুযায়ী x = a বসিয়ে রাশির মান শূন্য হলে (x – a) একটি উৎপাদক। x = –1 বসালে 3(–1)³ + 2(–1)² – 21(–1) – 20 = –3 + 2 + 21 – 20 = 0। তাই (x + 1) উৎপাদক। অন্যগুলো মেলে না, যেমন x = –2 বসালে –24 + 8 + 42 – 20 = 6 ≠ 0।
    যাচাই: (x + 1)(3x² – x – 20) = 3x³ + 2x² – 21x – 20।
  17. ৬৮. x + y = 3, x – y = 1 হলে, 4xy এর মান –
    • ক. 4
    • খ. 2
    • গ. – 8
    • ঘ. 8
    উত্তর: ঘ. 8
    দুটি সমীকরণ যোগ ও বিয়োগ করলে x ও y-এর মান সহজে বের হয়।
    (x + y) + (x − y) = 3 + 1, তাই 2x = 4, x = 2
    (x + y) − (x − y) = 3 − 1, তাই 2y = 2, y = 1
    4xy = 4 × 2 × 1 = 8
    আরেকটি সুন্দর উপায় হলো সূত্র ব্যবহার করা: 4xy = (x + y)² − (x − y)² = 3² − 1² = 9 − 1 = 8।
    মনে রাখুন: (a + b)² − (a − b)² = 4ab।
  18. ৬৯. সমকোণী ত্রিভুজের অপর কোণদ্বয় –
    • ক. 55°, 35°
    • খ. 35°, 45°
    • গ. 45°, 55°
    • ঘ. 55°, 60°
    উত্তর: ক. 55°, 35°
    ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি 180°, আর সমকোণী ত্রিভুজে একটি কোণ 90°। তাই বাকি দুটি কোণের যোগফল 180° − 90° = 90° হতে হবে, অর্থাৎ কোণ দুটি পরস্পরের পূরক। বিকল্পগুলোর মধ্যে কেবল 55° + 35° = 90° হয়।
    মনে রাখুন: সমকোণী ত্রিভুজের অন্য দুটি কোণ সবসময় সূক্ষ্মকোণ হয়, আর সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজে কোণ দুটি 45° করে।
  19. ৭০. একটি ত্রিভুজের কোণগুলোর অনুপাত 2 : 3 : 5। এর বৃহত্তম কোণটি –
    • ক. 18°
    • খ. 36°
    • গ. 54°
    • ঘ. 90°
    উত্তর: ঘ. 90°
    ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি 180°। কোণগুলোর অনুপাত 2 : 3 : 5 হলে অনুপাতের মোট অংশ 2 + 3 + 5 = 10, আর বৃহত্তম কোণটি 5 অংশ।
    বৃহত্তম কোণ = 180° × 5/10 = 90°
    অন্য কোণ দুটি = 180° × 2/10 = 36° এবং 180° × 3/10 = 54°
    মনে রাখুন: বৃহত্তম কোণ 90° হওয়ায় ত্রিভুজটি একটি সমকোণী ত্রিভুজ।
  20. ৭১. ABCD সামান্তরিকের AB = 12 সে.মি. এবং D বিন্দু থেকে AB এর লম্বদূরত্ব 6 সে.মি.। সামান্তরিকটির ক্ষেত্রফল –
    • ক. 18 বর্গ সে.মি.
    • খ. 36 বর্গ সে.মি.
    • গ. 72 বর্গ সে.মি.
    • ঘ. 144 বর্গ সে.মি.
    উত্তর: গ. 72 বর্গ সে.মি.
    সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল = ভূমি × উচ্চতা, যেখানে উচ্চতা হলো ভূমি থেকে বিপরীত বাহুর লম্বদূরত্ব। এখানে ভূমি AB = 12 সে.মি., আর D বিন্দু বিপরীত বাহু CD-এর ওপর অবস্থিত বলে AB থেকে D-এর লম্বদূরত্বই উচ্চতা।
    ক্ষেত্রফল = 12 × 6 = 72 বর্গ সে.মি.
    মনে রাখুন: সামান্তরিকের যেকোনো কর্ণ একে সমান ক্ষেত্রফলের দুটি ত্রিভুজে ভাগ করে, তাই এখানে প্রতিটি ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল 36 বর্গ সে.মি.।
  21. ৭২. সমবাহু ত্রিভুজের এক বাহুর দৈর্ঘ্য 2√3 একক হলে, ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল –
    • ক. (3√3)/4 বর্গ একক
    • খ. 3√3 বর্গ একক
    • গ. 9 বর্গ একক
    • ঘ. 3 একক
    উত্তর: খ. 3√3 বর্গ একক
    সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফলের সূত্র (√3/4)a², যেখানে a হলো বাহুর দৈর্ঘ্য। এখানে a = 2√3 একক।
    a² = (2√3)² = 4 × 3 = 12
    ক্ষেত্রফল = (√3/4) × 12 = 3√3 বর্গ একক
    মনে রাখুন: সমবাহু ত্রিভুজের উচ্চতা = (√3/2)a, আর পরিসীমা = 3a। এখানে উচ্চতা হবে (√3/2) × 2√3 = 3 একক।
  22. ৭৩. বৃত্তের ব্যাস 3 গুণ বৃদ্ধি করলে ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পাবে –
    • ক. 4
    • খ. 9
    • গ. 12
    • ঘ. 16
    উত্তর: খ. 9
    বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πd²/4, অর্থাৎ ক্ষেত্রফল ব্যাসের বর্গের সমানুপাতিক। ব্যাস ৩ গুণ করলে নতুন ক্ষেত্রফল হয় আগের 3² = 9 গুণ।
    মনে রাখুন: ব্যাস বা ব্যাসার্ধ দ্বিগুণ হলে ক্ষেত্রফল হয় ৪ গুণ।
  23. ৭৪. ত্রিভুজের তিনটি বাহুকে চক্রাকারে বর্ধিত করলে উৎপন্ন বহিঃস্থ কোণ তিনটির যোগফল –
    • ক. 180°
    • খ. 150°
    • গ. 270°
    • ঘ. 360°
    উত্তর: ঘ. 360°
    ত্রিভুজের তিনটি বাহু চক্রাকারে, অর্থাৎ একই দিকে বাড়ালে প্রতিটি শীর্ষে একটি করে বহিঃস্থ কোণ তৈরি হয়। প্রতিটি শীর্ষে অন্তঃস্থ ও বহিঃস্থ কোণ মিলে 180°, তাই তিন শীর্ষে মোট 540°। এর থেকে অন্তঃস্থ কোণত্রয়ের যোগফল 180° বাদ দিলে বহিঃস্থ কোণ তিনটির যোগফল 360°।
    মনে রাখুন: এই 360° নিয়মটি যেকোনো উত্তল বহুভুজের জন্য সত্য।

সাধারণ জ্ঞান

  1. ৫২. এক নটিক্যাল মাইল সমান –
    • ক. ১৬৫০.১৮ মিটার
    • খ. ১৮৫৩.১৮ মিটার
    • গ. ১৯৫৩.১৮ মিটার
    • ঘ. ১৭৫০.১৮ মিটার
    উত্তর: খ. ১৮৫৩.১৮ মিটার
    সমুদ্র ও আকাশপথে দূরত্ব মাপার একক নটিক্যাল মাইল (Nautical mile)। পুরোনো ব্রিটিশ অ্যাডমিরালটি হিসাবে ১ নটিক্যাল মাইল = ৬০৮০ ফুট, অর্থাৎ প্রায় ১৮৫৩.১৮ মিটার। আন্তর্জাতিকভাবে এখন এটি ঠিক ১৮৫২ মিটার ধরা হয়, যা পৃথিবীর এক মিনিট অক্ষাংশের দূরত্বের কাছাকাছি।
    মনে রাখুন: জাহাজের গতি মাপার একক নট (Knot), অর্থাৎ ঘণ্টায় ১ নটিক্যাল মাইল।

বাংলাদেশ

  1. ৭৫. বাংলাদেশের সাথে কয়টি দেশের সীমান্ত রয়েছে ?
    • ক. ২ টি
    • খ. ৩ টি
    • গ. ৪ টি
    • ঘ. একটিও না
    উত্তর: ক. ২ টি
    বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত আছে মাত্র দুটি দেশের সঙ্গে: ভারত ও মিয়ানমার। দেশের পশ্চিম, উত্তর ও পূর্ব দিকের বেশির ভাগ জুড়ে ভারত, দক্ষিণ-পূর্বে মিয়ানমার আর দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর।
    মনে রাখুন:
    ভারতের সঙ্গে সীমান্ত: প্রায় ৪১৫৬ কিলোমিটার
    মিয়ানমারের সঙ্গে সীমান্ত: প্রায় ২৭১ কিলোমিটার
    বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী একমাত্র মিয়ানমারঘেঁষা বিভাগ চট্টগ্রাম।
  2. ৭৬. গারো পাহাড় কোন জেলায় অবস্থিত?
    • ক. চট্টগ্রাম
    • খ. ময়মনসিংহ
    • গ. সিলেট
    • ঘ. কক্সবাজার
    উত্তর: খ. ময়মনসিংহ
    গারো পাহাড়ের মূল অংশ ভারতের মেঘালয় রাজ্যে, তবে এর পাদদেশ ও কিছু টিলা বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলে বিস্তৃত, বিশেষ করে শেরপুর ও নেত্রকোনা এলাকায়। তাই বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে গারো পাহাড়কে ময়মনসিংহের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। এই অঞ্চলে গারো বা মান্দি জনগোষ্ঠীর বসবাস বেশি, আর তাদের নাম থেকেই পাহাড়ের নাম এসেছে।
    মনে রাখুন:
    লালমাই পাহাড় = কুমিল্লা।
    চিম্বুক ও নীলগিরি = বান্দরবান।
    চন্দ্রনাথ পাহাড় = চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড।
  3. ৭৭. বাংলাদেশের নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
    • ক. ঢাকা
    • খ. চট্টগ্রাম
    • গ. ফরিদপুর
    • ঘ. বরিশাল
    উত্তর: গ. ফরিদপুর
    বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট (River Research Institute) ফরিদপুরে অবস্থিত। প্রতিষ্ঠানটি নদীর গতিপথ, ভাঙন, পলি জমা এবং বাঁধ ও সেতুর মতো পানিসম্পদ প্রকল্পের মডেল নিয়ে গবেষণা করে। এটি পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়।
    মনে রাখুন:
    চা গবেষণা ইনস্টিটিউট = শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
    ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট = ঈশ্বরদী, পাবনা।
    ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট = গাজীপুর।
  4. ৭৮. বাংলাদেশের রুটির ঝুড়ি বলা হয় কোন জেলাকে ?
    • ক. নাটোর
    • খ. নওগাঁ
    • গ. দিনাজপুর
    • ঘ. ঠাকুরগাঁও
    উত্তর: গ. দিনাজপুর
    দিনাজপুর জেলায় প্রচুর ধান ও গম উৎপাদিত হয়, আর এখানকার কাটারিভোগ ও চিনিগুঁড়া চাল সারা দেশে বিখ্যাত। খাদ্যশস্য উৎপাদনে এই প্রাচুর্যের কারণে দিনাজপুরকে বাংলাদেশের রুটির ঝুড়ি (Bread Basket) বলা হয়। দেশের একমাত্র কয়লাখনি বড়পুকুরিয়াও এই জেলায় অবস্থিত।
    মনে রাখুন:
    কান্তজীর মন্দির = দিনাজপুর।
    রামসাগর দিঘি = দিনাজপুর।
    নাটোরকে উত্তরা গণভবনের জেলা বলা হয়।
  5. ৭৯. বাংলাদেশ কমনওয়েলথ-এর কততম সদস্য রাষ্ট্র?
    • ক. ৩৬ তম
    • খ. ৩২ তম
    • গ. ৩৮ তম
    • ঘ. ৪২ তম
    উত্তর: খ. ৩২ তম
    স্বাধীনতার পরপরই ১৯৭২ সালের ১৮ এপ্রিল বাংলাদেশ কমনওয়েলথের সদস্যপদ লাভ করে, আর তখন বাংলাদেশ ছিল এর ৩২তম সদস্য। বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রতিবাদে পাকিস্তান তখন কমনওয়েলথ ছেড়ে যায়, পরে ১৯৮৯ সালে আবার ফিরে আসে। কমনওয়েলথ মূলত একসময় ব্রিটিশ শাসনের অধীনে থাকা দেশগুলোর একটি স্বেচ্ছামূলক সংগঠন।
    মনে রাখুন: কমনওয়েলথের সদর দপ্তর লন্ডনে অবস্থিত, আর প্রধান হলেন ব্রিটেনের রাজা বা রানি।
  6. ৮০. বাংলাদেশের কোন মসজিদকে ইউনেস্কো বিশ্বঐতিহ্য স্থান ঘোষনা করেছে ?
    • ক. কুসুম্বা মসজিদ
    • খ. ষাট গম্বুজ মসজিদ
    • গ. আতিয়া জামে মসজিদ
    • ঘ. ছোটো সোনা মসজিদ
    উত্তর: খ. ষাট গম্বুজ মসজিদ
    ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো বাগেরহাটের ঐতিহাসিক মসজিদের শহরকে (Historic Mosque City of Bagerhat) বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা করে। এই শহরের সবচেয়ে বিখ্যাত ও প্রধান স্থাপনা হলো ষাট গম্বুজ মসজিদ, যা পনেরো শতকে খান জাহান আলী নির্মাণ করেন। নামে ষাট গম্বুজ হলেও এতে আসলে ৮১টি গম্বুজ আছে বলে ধারণা করা হয়।
    মনে রাখুন: বাংলাদেশের বিশ্ব ঐতিহ্য তিনটি: বাগেরহাটের মসজিদের শহর, পাহাড়পুরের সোমপুর মহাবিহার (১৯৮৫) এবং সুন্দরবন (১৯৯৭)।
  7. ৮৩. বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখ চালু করেন কে?
    • ক. সম্রাট আকবর
    • খ. আবুল ফজল
    • গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • ঘ. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
    উত্তর: ক. সম্রাট আকবর
    মুঘল সম্রাট আকবর ফসল তোলার মৌসুমে খাজনা আদায়ের সুবিধার জন্য ‘ফসলি সন’ চালু করেন, যা পরে বঙ্গাব্দ বা বাংলা সন নামে পরিচিত হয়। পহেলা বৈশাখ এই সনের প্রথম দিন। তাঁর নির্দেশে রাজজ্যোতিষী আমির ফতেহউল্লাহ সিরাজি হিজরি চান্দ্র সন ও ভারতীয় সৌর সনের ভিত্তিতে নতুন পঞ্জিকা তৈরি করেন।
    মনে রাখুন: আবুল ফজল আকবরের সভাসদ ও ‘আইন-ই-আকবরী’ গ্রন্থের রচয়িতা।
  8. ৮৪. কেন্দ্রীয় শহিদমিনারের স্থপতি কে?
    • ক. মাইনুল হোসেন
    • খ. হামিদুর রহমান
    • গ. শামীম শিকদার
    • ঘ. হামিদুজ্জামান খান
    উত্তর: খ. হামিদুর রহমান
    ঢাকার কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের মূল নকশা করেন শিল্পী হামিদুর রহমান। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহিদদের স্মরণে তৈরি এই মিনারের কাজে তাঁর সঙ্গে ভাস্কর নভেরা আহমেদও যুক্ত ছিলেন। পরে পাকিস্তানি সেনারা ১৯৭১ সালে মিনারটি ভেঙে দেয়, আর স্বাধীনতার পর মূল নকশা অনুসরণ করে এটি আবার গড়ে তোলা হয়।
    মনে রাখুন:
    জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
    স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্যের শিল্পী শামীম শিকদার।
  9. ৮৭. নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস কবে ?
    • ক. ২৪ মে
    • খ. ২৬ মে
    • গ. ২৮ মে
    • ঘ. ৩০ মে
    উত্তর: গ. ২৮ মে
    মা ও নবজাতকের মৃত্যু কমাতে এবং গর্ভকালীন যত্ন সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে বাংলাদেশে প্রতি বছর ২৮ মে নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস পালিত হয়। ১৯৯৭ সাল থেকে বাংলাদেশে দিনটি পালন শুরু হয়। গর্ভাবস্থায় অন্তত চারবার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাওয়া এবং দক্ষ ধাত্রীর হাতে প্রসব করানোর ওপর এই দিনে জোর দেওয়া হয়।
    মনে রাখুন:
    বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস = ৭ এপ্রিল।
    বিশ্ব মা দিবস = মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার।
  10. ৮৯. মহাকর্ষীয় তরঙ্গ আবিষ্কারক দীপংকর তালুকদারের নিজ জেলা কোনটি ?
    • ক. বরিশাল
    • খ. বরগুনা
    • গ. ঝালকাঠি
    • ঘ. পটুয়াখালী
    উত্তর: খ. বরগুনা
    ২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের লাইগো (LIGO) গবেষণাগার প্রথমবারের মতো মহাকর্ষীয় তরঙ্গ (Gravitational Wave) শনাক্ত করার ঘোষণা দেয়। এই আবিষ্কারী দলে বাংলাদেশি বিজ্ঞানী দীপঙ্কর তালুকদার ছিলেন, আর তাঁর বাড়ি বরগুনা জেলার বামনা উপজেলায়। আলবার্ট আইনস্টাইন প্রায় একশো বছর আগে তাঁর সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্বে এই তরঙ্গের পূর্বাভাস দিয়েছিলেন।
    মনে রাখুন: মহাকর্ষীয় তরঙ্গ শনাক্তের জন্য ২০১৭ সালে রাইনার ওয়েস, ব্যারি ব্যারিশ ও কিপ থর্ন পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান।
  11. ৯১. কোন জেলাকে শস্যভান্ডার বলা হয় ?
    • ক. রংপুর
    • খ. বরিশাল
    • গ. যশোর
    • ঘ. ময়মনসিংহ
    উত্তর: খ. বরিশাল
    বরিশাল অঞ্চলের মাটি নদীবাহিত পলিতে গঠিত এবং খুবই উর্বর, তাই এখানে প্রচুর ধান উৎপন্ন হয়। এই প্রাচুর্যের জন্য বরিশালকে বাংলার শস্যভান্ডার বলা হয়। নদী-খালের আধিক্যের কারণে বরিশাল ‘বাংলার ভেনিস’ নামেও পরিচিত, আর ধান, নদী ও খাল নিয়েই প্রচলিত কথা ‘ধান-নদী-খাল, এই তিনে বরিশাল’।
    মনে রাখুন:
    শস্যভান্ডার = বরিশাল।
    রুটির ঝুড়ি = দিনাজপুর।
    প্রাচ্যের ভেনিস = বরিশাল।
  12. ৯৭. বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী দ্বিতীয় দেশ কোনটি?
    • ক. ভারত
    • খ. ভুটান
    • গ. মালয়েশিয়া
    • ঘ. সেনেগাল
    উত্তর: ক. ভারত
    ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভুটান প্রথম দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়, আর একই দিনে কয়েক ঘণ্টা পরে ভারত স্বীকৃতি দেয়। সেই হিসেবে ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী দ্বিতীয় দেশ। কিছু বইয়ে ভারতকে প্রথম বলা হলেও প্রচলিত মত হলো ভুটানের বার্তাটি আগে পৌঁছেছিল।
    মনে রাখুন:
    স্বাধীনতার পর প্রথম স্বীকৃতিদানকারী দেশ পূর্ব জার্মানি (১১ জানুয়ারি ১৯৭২)।
    প্রথম মুসলিম দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় সেনেগাল, আর প্রথম আরব দেশ ইরাক।

ব্যাংকিং ও অর্থনীতি

  1. ৮১. সুইফ্‌ট কোডের সংখ্যা কত ?
    • ক. ৬
    • খ. ৮
    • গ. ১০
    • ঘ. ১২
    উত্তর: খ. ৮
    আন্তর্জাতিক লেনদেনে প্রতিটি ব্যাংককে আলাদাভাবে চেনার জন্য সুইফট কোড (SWIFT Code) ব্যবহার করা হয়। এই কোডের মূল অংশ ৮ অক্ষরের, যেখানে প্রথম ৪টি অক্ষর ব্যাংকের, পরের ২টি দেশের আর শেষ ২টি অবস্থানের পরিচয় দেয়। নির্দিষ্ট শাখা বোঝাতে এর সঙ্গে আরও ৩টি অক্ষর যুক্ত করে ১১ অক্ষরের কোডও ব্যবহার করা হয়।
    মনে রাখুন: SWIFT-এর পূর্ণরূপ Society for Worldwide Interbank Financial Telecommunication, আর এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামে।

কম্পিউটার ও আইসিটি

  1. ৮২. HTML – এর পূর্ণরূপ কী ?
    • ক. High Time Made up Language
    • খ. Hyper Test Multi Language
    • গ. Hyper Text Mark up Language
    • ঘ. High Teller Maximum Language
    উত্তর: গ. Hyper Text Mark up Language
    HTML-এর পূর্ণরূপ HyperText Markup Language। এটি ওয়েব পেজ তৈরির মূল ভাষা, যেখানে ট্যাগ (Tag) দিয়ে লেখা, ছবি ও লিংক চিহ্নিত করে ব্রাউজারকে জানানো হয় কোনটি কীভাবে দেখাতে হবে। ১৯৯১ সালে টিম বার্নার্স-লি HTML-এর ধারণা দেন।
    মনে রাখুন: HTML প্রোগ্রামিং ভাষা নয়, এটি মার্কআপ ভাষা, আর ওয়েব পেজের সাজসজ্জার জন্য ব্যবহৃত হয় CSS।

আন্তর্জাতিক

  1. ৮৫. মালয়েশিয়ার মুদ্রার নাম কী ?
    • ক. রিংগিট
    • খ. রুবল
    • গ. পেসো
    • ঘ. সীম
    উত্তর: ক. রিংগিট
    মালয়েশিয়ার মুদ্রার নাম রিংগিট (Ringgit)। মালয় ভাষায় রিংগিট শব্দের অর্থ খাঁজকাটা, কারণ একসময় সে অঞ্চলে চলা স্প্যানিশ রুপার মুদ্রার কিনারা খাঁজকাটা ছিল। অন্য নামগুলো ভিন্ন দেশের মুদ্রা।
    মনে রাখুন:
    রুবল: রাশিয়া ও বেলারুশ।
    পেসো: ফিলিপাইন, মেক্সিকো, আর্জেন্টিনাসহ কয়েকটি দেশ।
    সিঙ্গাপুরের মুদ্রা সিঙ্গাপুর ডলার, আর ইন্দোনেশিয়ার রুপিয়াহ।
  2. ৮৮. টেস্ট ক্রিকেটে দ্রুততম সেঞ্চুরি করেন কে?
    • ক. ব্রায়ান লারা
    • খ. ভিভ রিচার্ডস
    • গ. এবিডি ভিলিয়ার্স
    • ঘ. ব্রেন্ডন ম্যাককালাম
    উত্তর: ঘ. ব্রেন্ডন ম্যাককালাম
    ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ক্রাইস্টচার্চে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের ব্রেন্ডন ম্যাককালাম মাত্র ৫৪ বলে সেঞ্চুরি করেন। এটি টেস্ট ক্রিকেটের দ্রুততম সেঞ্চুরি, আর এর মাধ্যমে তিনি ভিভ রিচার্ডস ও মিসবাহ-উল-হকের ৫৬ বলের যৌথ রেকর্ড ভেঙে দেন। মজার ব্যাপার হলো, এটি ছিল ম্যাককালামের ক্যারিয়ারের শেষ টেস্ট।
    মনে রাখুন:
    ওয়ানডেতে দ্রুততম সেঞ্চুরি = এবি ডি ভিলিয়ার্স, ৩১ বলে।
    টেস্টে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ রান = ব্রায়ান লারা, ৪০০ রান।
  3. ৯০. বিশ্বের সর্বাধিক ব্যবহৃত ভাষার মধ্যে বাংলার অবস্থান কততম ?
    • ক. ৪র্থ
    • খ. ৫ম
    • গ. ৬ষ্ঠ
    • ঘ. ৭ম
    উত্তর: ঘ. ৭ম
    মাতৃভাষা ও দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে মোট ভাষাভাষীর সংখ্যার হিসাবে পরীক্ষার সময় বাংলা ছিল পৃথিবীর সপ্তম বৃহত্তম ভাষা। বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা ও আসামের বরাক উপত্যকায় বাংলা ব্যাপকভাবে প্রচলিত। এথনোলগের সাম্প্রতিক হিসাবেও বাংলাকে সাধারণত সপ্তম অবস্থানে দেখানো হয়, তবে শুধু মাতৃভাষীর হিসাবে কোনো কোনো জরিপে বাংলা পঞ্চম বা ষষ্ঠ অবস্থানে আসে।
    মনে রাখুন: ব্যবহারকারীর সংখ্যায় শীর্ষে আছে ইংরেজি ও ম্যান্ডারিন চীনা, এরপর হিন্দি ও স্প্যানিশ।
  4. ৯২. ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয় কত সালের কত তারিখে ?
    • ক. ১৭ নভেম্বর, ১৯৯৯
    • খ. ১৮ নভেম্বর, ১৯৯৯
    • গ. ১৯ নভেম্বর, ১৯৯৯
    • ঘ. ২০ নভেম্বর, ১৯৯৯
    উত্তর: ক. ১৭ নভেম্বর, ১৯৯৯
    ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর প্যারিসে ইউনেস্কোর ৩০তম সাধারণ সম্মেলনে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহিদদের স্মরণে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়, আর ২০০০ সাল থেকে দিনটি বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে। প্রস্তাবটির পেছনে কানাডাপ্রবাসী রফিকুল ইসলাম ও আবদুস সালামের উদ্যোগ ছিল উল্লেখযোগ্য।
    মনে রাখুন: ২০১০ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদও দিবসটিকে স্বীকৃতি দেয়।

বিজ্ঞান

  1. ৮৬. হিউম্যান প্যাপিলোমা কী ?
    • ক. ছত্রাক
    • খ. ব্যাকটেরিয়া
    • গ. ভাইরাস
    • ঘ. অণুজীব
    উত্তর: গ. ভাইরাস
    হিউম্যান প্যাপিলোমা (Human Papilloma Virus বা HPV) একটি ভাইরাস। এটি ত্বক ও শ্লেষ্মা ঝিল্লিতে সংক্রমণ ঘটায়, আর এর কিছু ধরন নারীদের জরায়ুমুখ ক্যানসারের (Cervical Cancer) প্রধান কারণ। এই ক্যানসার প্রতিরোধে HPV টিকা দেওয়া হয়, আর বাংলাদেশে ২০২৩ সাল থেকে কিশোরী মেয়েদের জন্য সরকারিভাবে এই টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে।
    মনে রাখুন: ভাইরাসকে জীব ও জড়ের মাঝামাঝি বলা হয়, কারণ জীবকোষের বাইরে এটি নিষ্ক্রিয় থাকে।
  2. ৯৩. কীসের অভাবে গলগণ্ড রোগ হয় ?
    • ক. আমিষ
    • খ. শর্করা
    • গ. আয়োডিন
    • ঘ. ভিটামিন
    উত্তর: গ. আয়োডিন
    আমাদের গলার সামনে থাইরয়েড (Thyroid) নামে একটি গ্রন্থি আছে, যা থাইরক্সিন হরমোন তৈরি করে। এই হরমোন তৈরিতে আয়োডিন অপরিহার্য, তাই খাবারে আয়োডিনের অভাব হলে গ্রন্থিটি বেশি কাজ করতে গিয়ে ফুলে ওঠে। গলার এই ফোলা অবস্থাকে গলগণ্ড বা ঘ্যাগ (Goitre) বলে। এ কারণেই বাংলাদেশে খাবার লবণে আয়োডিন মেশানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
    মনে রাখুন: আয়োডিনের প্রধান উৎস সামুদ্রিক মাছ, শৈবাল ও আয়োডিনযুক্ত লবণ।
  3. ৯৪. লাল গ্রহ কাকে বলা হয় ?
    • ক. মঙ্গল গ্রহ
    • খ. বুধ গ্রহ
    • গ. বৃহস্পতি গ্রহ
    • ঘ. শনি গ্রহ
    উত্তর: ক. মঙ্গল গ্রহ
    মঙ্গল গ্রহের মাটি ও পাথরে প্রচুর আয়রন অক্সাইড আছে, যা আসলে এক ধরনের মরিচা। এই মরিচার রঙের কারণে দূর থেকে গ্রহটিকে লালচে দেখায়, তাই মঙ্গলকে লাল গ্রহ (Red Planet) বলা হয়। মঙ্গলের দুটি উপগ্রহ আছে, ফোবোস ও ডিমোস।
    মনে রাখুন:
    সবচেয়ে বড় গ্রহ = বৃহস্পতি।
    সূর্যের নিকটতম গ্রহ = বুধ।
    সবচেয়ে উজ্জ্বল গ্রহ = শুক্র।
    বলয়ের জন্য বিখ্যাত = শনি।
  4. ৯৫. এপি কালচার কী ?
    • ক. পাখি পালন বিদ্যা
    • খ. মৌমাছি পালন বিদ্যা
    • গ. মৎস্য পালন বিদ্যা
    • ঘ. গুটি পোকা চাষবিদ্যা
    উত্তর: খ. মৌমাছি পালন বিদ্যা
    লাতিন শব্দ ‘apis’ মানে মৌমাছি, তাই এপিকালচার (Apiculture) হলো মৌমাছি পালন বিদ্যা। এতে বাক্স বা মৌচাকে মৌমাছি পালন করে মধু ও মোম সংগ্রহ করা হয়। মৌমাছি ফুলে ফুলে ঘুরে পরাগায়নেও সাহায্য করে, তাই সরিষার মতো ফসলের ক্ষেতে মৌচাষ করলে ফলনও বাড়ে।
    মনে রাখুন:
    এভিকালচার (Aviculture) = পাখি পালন।
    পিসিকালচার (Pisciculture) = মাছ চাষ।
    সেরিকালচার (Sericulture) = রেশম চাষ।
    হর্টিকালচার (Horticulture) = উদ্যান চাষ।
  5. ৯৬. সিসমোগ্রাফ কী ?
    • ক. রক্তচাপ মাপক যন্ত্র
    • খ. ভূমিকম্প মাপক যন্ত্র
    • গ. বৃষ্টি মাপক যন্ত্র
    • ঘ. সমুদ্রের গভীরতা মাপক যন্ত্র
    উত্তর: খ. ভূমিকম্প মাপক যন্ত্র
    ভূমিকম্পের সময় মাটির নিচ থেকে যে কম্পন ছড়িয়ে পড়ে, তা শনাক্ত ও রেকর্ড করার যন্ত্রকে সিসমোগ্রাফ (Seismograph) বলে। গ্রিক শব্দ ‘seismos’ মানে কম্পন বা ভূমিকম্প, সেখান থেকেই নামটি এসেছে। ভূমিকম্পের মাত্রা সাধারণত রিখটার স্কেলে প্রকাশ করা হয়।
    মনে রাখুন:
    রক্তচাপ মাপার যন্ত্র = স্ফিগমোম্যানোমিটার।
    বৃষ্টি মাপার যন্ত্র = রেইনগেজ।
    সমুদ্রের গভীরতা মাপার যন্ত্র = ফ্যাদোমিটার।

এনটিআরসিএ: অন্যান্য পরীক্ষা

আরও শিক্ষক নিয়োগ ও নিবন্ধন পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান

বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন