লিয়ানা বুকস

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯: প্রশ্ন ও সমাধান

পরীক্ষা হয়েছে ২০১৯। ৭৪টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।

সময় ধরে পরীক্ষা দিন →

বাংলা

  1. ১. বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাবিহীন বর্ণ কয়টি?
    • ক. ১০
    • খ. ১১
    • গ. ৯
    • ঘ. ৮
    উত্তর: ক. ১০
    যে বর্ণের মাথায় মাত্রা বা ওপরের রেখা থাকে না, তাকে মাত্রাহীন বর্ণ বলে। বাংলা বর্ণমালায় এমন বর্ণ ১০টি: স্বরবর্ণের মধ্যে এ, ঐ, ও, ঔ এবং ব্যঞ্জনবর্ণের মধ্যে ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ।
    মনে রাখুন:
    পূর্ণমাত্রার বর্ণ ৩২টি।
    অর্ধমাত্রার বর্ণ ৮টি: ঋ, খ, গ, ণ, থ, ধ, প, শ।
    তিন রকম মিলিয়ে ৩২ + ৮ + ১০ = ৫০টি বর্ণ।
  2. ৫. শুদ্ধ বানান কোনটি?
    • ক. সমিচীন
    • খ. সমীচীন
    • গ. সমিচিন
    • ঘ. সমীচিন
    উত্তর: খ. সমীচীন
    শুদ্ধ বানান 'সমীচীন', যার অর্থ উচিত, সংগত বা যথাযথ। এটি একটি তৎসম শব্দ, আর এর বানানে 'মী' ও 'চী', দুই জায়গাতেই দীর্ঘ ঈ-কার বসে। উচ্চারণে দুটি ই-ধ্বনি কাছাকাছি শোনায় বলে অনেকেই হ্রস্ব-দীর্ঘ গুলিয়ে ফেলেন।
    মনে রাখুন: একই ধরনের দীর্ঘ ঈ-কারের বানান: প্রাচীন, অর্বাচীন, উদাসীন, প্রতীচী (পশ্চিম দিক)।
  3. ৯. ‘রবীন্দ্র’-এর সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
    • ক. রবি + ঈন্দ্র
    • খ. রব + ইন্দ্র
    • গ. রবী + ইন্দ্র
    • ঘ. রবি + ইন্দ্র
    উত্তর: ঘ. রবি + ইন্দ্র
    ‘রবীন্দ্র’ শব্দটি দুটি শব্দের সন্ধিতে তৈরি, রবি + ইন্দ্র। এখানে প্রথম অংশের শেষে ই-কার আছে এবং পরের অংশের শুরুতে ‘ই’ আছে। এমন হলে দুটি মিলে দীর্ঘ ঈ-কার হয়, তাই রবি + ইন্দ্র = রবীন্দ্র। প্রথম শব্দটি ‘রবী’ নয়, ‘রবি’ (সূর্য), তাই অন্য বিকল্পগুলো ঠিক হয় না। ইন্দ্র শব্দের মানে দেবরাজ বা প্রধান, তাই রবীন্দ্র মানে সূর্যের রাজা, আর এভাবেই রবীন্দ্রনাথ নামটিও এসেছে। এটি স্বরসন্ধির একটি নিয়ম।
    উদাহরণ:
    অতি + ইত = অতীত
    পরি + ঈক্ষা = পরীক্ষা
    গিরি + ইন্দ্র = গিরীন্দ্র
    মনে রাখুন: অ-কার বা আ-কারের সঙ্গে অ বা আ মিললে আ হয়, যেমন হিম + আলয় = হিমালয়।
  4. ১১. বিরামচিহ্নের অপর নাম কী?
    • ক. ছেদ চিহ্ন
    • খ. স্থির চিহ্ন
    • গ. বিশ্রাম চিহ্ন
    • ঘ. বিভাজন চিহ্ন
    উত্তর: ক. ছেদ চিহ্ন
    বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করতে লেখার সময় যেসব চিহ্ন ব্যবহার করা হয় এবং পড়ার সময় কোথায় কতক্ষণ থামতে হবে তা বোঝানো হয়, সেগুলোকে বিরামচিহ্ন বলে। এসব চিহ্ন বাক্যে থামা বা ছেদ নির্দেশ করে, তাই বিরামচিহ্নের অপর নাম ছেদচিহ্ন। একে যতিচিহ্নও বলা হয়।
    মনে রাখুন: বাংলা গদ্যে প্রথম যথাযথভাবে বিরামচিহ্ন ব্যবহার করেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
  5. ১২. ইতিহাস রচনা করেন যিনি
    • ক. ইতিহাস লেখক
    • খ. ঐতিহাসিক
    • গ. ইতিহাসবেত্তা
    • ঘ. ঐতিহাসিকতা
    উত্তর: খ. ঐতিহাসিক
    যিনি ইতিহাস রচনা করেন বা ইতিহাস বিষয়ে গবেষণা করেন, তাঁকে এক কথায় ঐতিহাসিক বলা হয়। শব্দটি ইতিহাস + ষ্ণিক প্রত্যয়ে গঠিত, তাই প্রথম স্বর ই বৃদ্ধি পেয়ে ঐ হয়েছে। 'ঐতিহাসিকতা' একটি বিশেষ্য, যার অর্থ ঐতিহাসিক সত্যতা, তাই এটি কোনো ব্যক্তিকে বোঝায় না।
    মনে রাখুন: ইতিহাস জানেন যিনি তাঁকে ইতিহাসবিদ বা ইতিহাসবেত্তা বলা হয়।
  6. ১৩. কোনটি শুদ্ধ বাক্য?
    • ক. আমার বড় দূরাবস্থা
    • খ. আমার বড় দুরবস্থা
    • গ. আমার বড় দূরবস্থা
    • ঘ. আমার বড় দুরাবস্থা
    উত্তর: খ. আমার বড় দুরবস্থা
    শুদ্ধ শব্দটি 'দুরবস্থা', যার অর্থ খারাপ অবস্থা। শব্দটি গঠিত হয়েছে দুর্ + অবস্থা মিলে, যেখানে দুর্ উপসর্গে হ্রস্ব উ-কার এবং অবস্থা শব্দের অ যুক্ত হয়ে 'রব' হয়েছে। তাই এখানে দীর্ঘ ঊ-কার বা আ-কার আসার কোনো সুযোগ নেই, এবং শুদ্ধ বাক্য 'আমার বড় দুরবস্থা'।
    মনে রাখুন: একই রকম গঠন: দুর্ + অন্ত = দুরন্ত, দুর্ + আশা = দুরাশা, দুর্ + আচার = দুরাচার।
  7. ২১. ‘অক্ষির সমীপে’র সংক্ষেপ হলো-
    • ক. নিরপেক্ষ
    • খ. পরোক্ষ
    • গ. সমক্ষ
    • ঘ. প্রত্যক্ষ
    উত্তর: গ. সমক্ষ
    ‘অক্ষি’ শব্দের অর্থ চোখ, আর ‘সমীপ’ মানে কাছে বা নিকটে। চোখের কাছে বা চোখের সামনে যা ঘটে, সেটিকে বোঝাতে ‘অক্ষির সমীপে’ বাক্যাংশের সংক্ষিপ্ত রূপ ‘সমক্ষ’। যেমন, ‘সকলের সমক্ষে কথাটি বলা হলো’ বললে বোঝায়, সবার সামনেই বলা হয়েছে। অন্যদিকে চোখের অগোচরে যা ঘটে, সেটি পরোক্ষ। ‘প্রত্যক্ষ’ শব্দে ‘অক্ষি’-র অভিমুখে বা সরাসরি দেখাকে বোঝায়, আর ‘নিরপেক্ষ’ শব্দের অর্থ পক্ষপাতহীন।
    মনে রাখুন:
    অক্ষির অগোচরে = পরোক্ষ।
    অক্ষির অভিমুখে = প্রত্যক্ষ।
    যা গতিশীল নয় = স্থাবর।
    যা গতিশীল = জঙ্গম।
  8. ২৩. ‘অলীক’-এর বিপরীত শব্দ-
    • ক. সত্য
    • খ. মিথ্যা
    • গ. আশা
    • ঘ. অনীত
    উত্তর: ক. সত্য
    ‘অলীক’ শব্দের অর্থ মিথ্যা, কাল্পনিক বা অবাস্তব, যার বাস্তবে কোনো অস্তিত্ব নেই। তাই এর বিপরীত শব্দ (Antonym) সত্য।
    উদাহরণ: অলীক কল্পনায় ডুবে থাকলে জীবনে উন্নতি করা যায় না।
    মনে রাখুন:
    অলীক-এর সমার্থক: মিথ্যা, ভুয়া, কাল্পনিক।
    আরও বিপরীত শব্দজোড়া: আসল-নকল, বাস্তব-কাল্পনিক, স্থাবর-জঙ্গম।
  9. ২৫. ‘আমি’, ‘আমরা’-এগুলো কোন সর্বনাম পদ?
    • ক. ব্যতিহারিক
    • খ. সাকুল্যবাচক
    • গ. আত্মবাচক
    • ঘ. ব্যক্তিবাচক
    উত্তর: ঘ. ব্যক্তিবাচক
    যে সর্বনাম ব্যক্তির নামের পরিবর্তে বসে, তাকে ব্যক্তিবাচক বা পুরুষবাচক সর্বনাম বলে। 'আমি' ও 'আমরা' বক্তা নিজের বা নিজেদের নামের বদলে ব্যবহার করেন, তাই এগুলো ব্যক্তিবাচক সর্বনাম। এ ধরনের সর্বনামের আরও উদাহরণ তুমি, আপনি, সে, তারা।
    মনে রাখুন:
    আত্মবাচক: নিজে, স্বয়ং, খোদ।
    সাকল্যবাচক: সব, সকল, সমুদয়।
    ব্যতিহারিক: আপনা-আপনি, নিজে নিজে, পরস্পর।
  10. ৩৯. ভাষার মূল উপকরণ কী?
    • ক. শব্দ
    • খ. বাক্য
    • গ. ধ্বনি
    • ঘ. বর্ণ
    উত্তর: খ. বাক্য
    ভাষার সবচেয়ে ছোট একক ধ্বনি, তাই ধ্বনিকে ভাষার মূল উপাদান বলা হয়। কিন্তু মনের ভাব পুরোপুরি প্রকাশ পায় বাক্যের মাধ্যমে, একটি একক শব্দ দিয়ে সাধারণত সম্পূর্ণ ভাব বোঝানো যায় না। এজন্য প্রচলিত ব্যাকরণে বাক্যকে ভাষার মূল উপকরণ বলা হয়।
    মনে রাখুন:
    ভাষার মূল উপাদান: ধ্বনি।
    ভাষার মূল উপকরণ: বাক্য।
    বাক্যের মূল উপাদান: শব্দ।
  11. ৪০. শুদ্ধ বানান কোনটি?
    • ক. আশক্তি
    • খ. আযক্তি
    • গ. আসক্তী
    • ঘ. আসক্ত
    উত্তর: ঘ. আসক্ত
    আসক্ত শব্দটি তৎসম, এর গঠন আ + √সন্‌জ্‌ + ক্ত। তাই বানানে দন্ত্য স আর যুক্তবর্ণ ক্ত থাকে। এর বিশেষ্য রূপ আসক্তি, যার শেষে হ্রস্ব ই-কার বসে। অন্য বানানগুলোতে কোথাও তালব্য শ, কোথাও য, আবার কোথাও শেষে দীর্ঘ ঈ-কার দেওয়া হয়েছে, যা ভুল।
    মনে রাখুন: সংস্কৃত ক্তি প্রত্যয়ে গঠিত বিশেষ্যের শেষে সব সময় হ্রস্ব ই-কার হয়, যেমন আসক্তি, শক্তি, ভক্তি, মুক্তি।
  12. ৪৫. ‘ষোড়শ’-এর সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
    • ক. ষট্ + দশ
    • খ. ষট + অশ
    • গ. ষট্ + অশ
    • ঘ. ষো + দশ
    উত্তর: ক. ষট্ + দশ
    ‘ষোড়শ’ শব্দের অর্থ ষোলো, আর এটি ষট্ + দশ মিলে গঠিত। এখানে সাধারণ সন্ধির নিয়ম খাটে না, ট্ ও দ মিলে ড় হয়েছে আর আগের অ বদলে ও হয়েছে। এমন সন্ধিকে নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি বলে।
    মনে রাখুন: নিপাতনে সিদ্ধ আরও কয়েকটি ব্যঞ্জনসন্ধি: আ + চর্য = আশ্চর্য, পর + পর = পরস্পর, বন + পতি = বনস্পতি, বৃহৎ + পতি = বৃহস্পতি।
  13. ৪৮. নিত্য সমাসের উদাহরণ কোনটি?
    • ক. অপব্যয়
    • খ. বাগদত্তা
    • গ. দেশান্তর
    • ঘ. বনজ
    উত্তর: গ. দেশান্তর
    যে সমাসে সমস্যমান পদগুলো নিত্য বা সবসময় সমাসবদ্ধ থাকে এবং ওই পদগুলো দিয়ে ব্যাসবাক্য গড়া যায় না, তাকে নিত্য সমাস বলে। এর অর্থ বোঝাতে অন্য শব্দের সাহায্য নিতে হয়। দেশান্তর শব্দের অর্থ অন্য দেশ, এখানে অন্তর শব্দ দিয়ে সরাসরি ব্যাসবাক্য হয় না, তাই এটি নিত্য সমাস। অন্য দিকে বাগদত্তা (বাক্য দ্বারা দত্তা) তৃতীয়া তৎপুরুষ, অপব্যয় (অপ বা মন্দ ব্যয়) প্রাদি সমাস আর বনজ (বনে জাত) উপপদ তৎপুরুষ সমাস।
    মনে রাখুন: নিত্য সমাসের আরও উদাহরণ হলো কালান্তর (অন্য কাল), গ্রামান্তর (অন্য গ্রাম), কেবল দুধ (দুধমাত্র), তন্মাত্র (কেবল তা)।
  14. ৫৬. ‘বেলা অবেলা কালবেলা’র লেখক কে?
    • ক. সুকান্ত ভট্টাচার্য
    • খ. জীবনানন্দ দাশ
    • গ. কাজী নজরুল ইসলাম
    • ঘ. সিকান্দার আবু জাফর
    উত্তর: খ. জীবনানন্দ দাশ
    ‘বেলা অবেলা কালবেলা’ রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশের একটি কাব্যগ্রন্থ। তাঁর মৃত্যুর পরে ১৯৬১ সালে বইটি প্রকাশিত হয়। জীবনানন্দ দাশ ১৯৫৪ সালে কলকাতায় ট্রাম দুর্ঘটনায় মারা যান, তাই তাঁর অনেক লেখাই মৃত্যুর পরে আলোর মুখ দেখে। বুদ্ধদেব বসু তাঁকে নির্জনতম কবি বলেছিলেন।
    মনে রাখুন:
    জীবনানন্দের কাব্যগ্রন্থ: ঝরা পালক (প্রথম), ধূসর পাণ্ডুলিপি, বনলতা সেন, মহাপৃথিবী, সাতটি তারার তিমির, রূপসী বাংলা।
    উপন্যাস: মাল্যবান, সুতীর্থ।
  15. ৬২. ‘দিন যায় কথা থাকে’-এখানে ‘যায়’ কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
    • ক. গমন
    • খ. অতিবাহিত
    • গ. বলা
    • ঘ. ধারাবাহিকতা
    উত্তর: খ. অতিবাহিত
    বাংলায় একই ক্রিয়া বাক্যভেদে নানা অর্থে বসে। ‘দিন যায়’ মানে সময় কেটে যায় বা দিন পার হয়ে যায়, এখানে কেউ কোথাও চলে যাচ্ছে না। তাই ‘যায়’ শব্দটি এখানে অতিবাহিত হওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। পুরো প্রবাদটির ভাব হলো, সময় চলে যায় কিন্তু মানুষের কথা বা কাজের স্মৃতি থেকে যায়।
    উদাহরণ:
    সে বাড়ি যায় (গমন)
    কথাটা মেনে নেওয়া যায় (সম্ভাবনা)
    জামাটা ছিঁড়ে যায় (ঘটনা ঘটা)
  16. ৬৩. ‘কুসুমিত’ শব্দের প্রকৃতি-প্রত্যয় কোনটি?
    • ক. কুসুম+ত
    • খ. কুসুম+ঈত
    • গ. কুসুম+ইত
    • ঘ. কুসুম+উত
    উত্তর: গ. কুসুম+ইত
    কুসুম মানে ফুল। বিশেষ্য শব্দের সঙ্গে সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় ‘ইত’ যুক্ত হলে ‘যুক্ত’ বা ‘জাত’ অর্থে বিশেষণ তৈরি হয়। তাই কুসুম + ইত = কুসুমিত, অর্থাৎ ফুলে ভরা বা পুষ্পিত। এখানে প্রত্যয়টি হ্রস্ব ই দিয়ে, দীর্ঘ ঈ দিয়ে নয়।
    মনে রাখুন: একই ইত প্রত্যয়ে গঠিত আরও শব্দ হলো পুষ্পিত (পুষ্প + ইত), পল্লবিত (পল্লব + ইত), দুঃখিত (দুঃখ + ইত), আনন্দিত (আনন্দ + ইত)।
  17. ৬৪. ‘কিরণ’-এর সমার্থক নয়–
    • ক. রশ্মি
    • খ. প্রভা
    • গ. কর
    • ঘ. রবি
    উত্তর: ঘ. রবি
    কিরণ মানে সূর্য বা কোনো আলোর উৎস থেকে বের হওয়া আলোর রেখা। রশ্মি, প্রভা আর কর তিনটিই এই আলোর অর্থ দেয়, যেমন সূর্যকরে আলোকিত বলতে সূর্যের কিরণে আলোকিত বোঝায়। কিন্তু রবি মানে সূর্য নিজেই, সূর্যের আলো নয়। তাই রবি কিরণের সমার্থক নয়।
    মনে রাখুন:
    কিরণের সমার্থক: রশ্মি, কর, প্রভা, অংশু, ময়ূখ, মরীচি।
    সূর্যের সমার্থক: রবি, দিবাকর, ভানু, তপন, অর্ক, ভাস্কর।
  18. ৬৯. ‘হাট-বাজার’ কোন অর্থে দ্বন্দ্ব সমাস?
    • ক. বিপরীতার্থে
    • খ. সমার্থে
    • গ. মিলনার্থে
    • ঘ. বিরোধার্থে
    উত্তর: খ. সমার্থে
    যে সমাসে সব পদই সমান গুরুত্ব পায়, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। হাট-বাজার শব্দে হাট ও বাজার দুটিই প্রায় একই অর্থের শব্দ, অর্থাৎ সমার্থক। তাই একে সমার্থে দ্বন্দ্ব সমাস বলা হয়। এখানে দুটি পদ পরস্পর মিলনের বা বিরোধের কথা বলছে না, বরং কাছাকাছি অর্থ বোঝাচ্ছে।
    দ্বন্দ্ব সমাসের অর্থভেদ অনুযায়ী আরও উদাহরণ:
    মিলনার্থে: মা-বাপ
    বিরোধার্থে: দা-কুমড়া
    বিপরীতার্থে: আয়-ব্যয়
    মনে রাখুন: দ্বন্দ্ব সমাসে ব্যাসবাক্যে সাধারণত ও, এবং বা আর শব্দ যুক্ত হয়।
  19. ৭১. ‘তাসের ঘর’ অর্থ কী?
    • ক. পূর্ণস্থায়ী
    • খ. ক্ষণস্থায়ী
    • গ. তাস খেলার ঘর
    • ঘ. দীর্ঘস্থায়ী
    উত্তর: খ. ক্ষণস্থায়ী
    তাস দিয়ে বানানো ঘর সামান্য বাতাস বা হাতের ছোঁয়াতেই ভেঙে পড়ে। এই ছবি থেকেই ‘তাসের ঘর’ বাগধারার জন্ম, যার অর্থ ক্ষণস্থায়ী বা ভঙ্গুর কোনো কিছু।
    উদাহরণ: দুর্নীতির ওপর গড়া প্রতিষ্ঠান তাসের ঘরের মতোই ভেঙে পড়ে।
    মনে রাখুন:
    বালির বাঁধ: ক্ষণস্থায়ী বস্তু।
    কাঁঠালের আমসত্ত্ব: অসম্ভব বস্তু।
  20. ৭৩. ‘অঘারাম বাস করে অজপাড়া গাঁয়ে’ ‘অঘা’ ও ‘অজ’ কোন ধরনের উপসর্গ?
    • ক. খাঁটি বাংলা
    • খ. বিদেশি
    • গ. তৎসম
    • ঘ. তদ্ভব
    উত্তর: ক. খাঁটি বাংলা
    অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, উন, কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা এই ২১টি খাঁটি বাংলা উপসর্গ। অঘা উপসর্গ বোকা অর্থে বসে, যেমন অঘারাম মানে বোকা লোক। অজ উপসর্গ নিতান্ত বা নিকৃষ্ট অর্থ দেয়, যেমন অজপাড়াগাঁ মানে একেবারে প্রত্যন্ত গ্রাম। তাই দুটিই খাঁটি বাংলা উপসর্গ।
    মনে রাখুন:
    বাংলা ভাষায় তৎসম উপসর্গ ২০টি, যেমন প্র, পরা, অপ, সম্।
    বিদেশি উপসর্গের উদাহরণ: বে (বেহায়া), গর (গরমিল), না (নারাজ)।

বাংলাদেশ

  1. ২. পলাশীর যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৭৫৭ সালের-
    • ক. ২২ জুন
    • খ. ২৩ জুন
    • গ. ২৪ জুন
    • ঘ. ২১ জুন
    উত্তর: খ. ২৩ জুন
    ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশীর আম্রকাননে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে রবার্ট ক্লাইভের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাহিনীর যুদ্ধ হয়। প্রধান সেনাপতি মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতায় নবাব পরাজিত হন, আর এর মধ্য দিয়ে বাংলায় ইংরেজ শাসনের সূচনা হয়।
    মনে রাখুন: পলাশী বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের নদিয়া জেলায়। যুদ্ধে নবাবের পক্ষে বীরত্বের সঙ্গে লড়েছিলেন মীর মদন ও মোহনলাল।
  2. ৭. ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জাতীয় পরিষদে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের আসন কতটি ছিল?
    • ক. ১৩৫
    • খ. ১৬৭
    • গ. ১৬৩
    • ঘ. ১৬৯
    উত্তর: ঘ. ১৬৯
    ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য মোট আসন ছিল ১৬৯টি। এর মধ্যে ১৬২টি সাধারণ আসন এবং ৭টি সংরক্ষিত নারী আসন। আওয়ামী লীগ এই ১৬৯টির মধ্যে ১৬৭টি আসন পেয়ে জাতীয় পরিষদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
    মনে রাখুন: জাতীয় পরিষদের মোট আসন ছিল ৩১৩টি। পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের ৩১০টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ পায় ২৯৮টি।
  3. ১৭. আমেরিকান ম্যাগাজিন নিউজ উইকে ‘Poet of Politics’ বা রাজনীতির কবি নামে আখ্যায়িত করা হয়–
    • ক. ইন্দিরা গান্ধীকে
    • খ. সুভাষ বসুকে
    • গ. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে
    • ঘ. মহাত্মা গান্ধীকে
    উত্তর: গ. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে
    মার্কিন সাপ্তাহিক সাময়িকী নিউজউইক (Newsweek) ১৯৭১ সালের ৫ এপ্রিল সংখ্যায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে প্রচ্ছদ প্রতিবেদন প্রকাশ করে এবং তাঁকে 'Poet of Politics' বা রাজনীতির কবি বলে আখ্যায়িত করে। তাঁর ভাষণের ছন্দময় শক্তি আর লাখো মানুষকে এক সুরে জাগিয়ে তোলার ক্ষমতার জন্যই এই উপাধি।
    মনে রাখুন: ২০১৭ সালে ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণকে বিশ্বের প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত করে।
  4. ২৪. বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন-
    • ক. মাননীয় স্পিকার
    • খ. মাননীয় চিফ হুইপ
    • গ. মহামান্য রাষ্ট্রপতি
    • ঘ. মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
    উত্তর: গ. মহামান্য রাষ্ট্রপতি
    বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন, প্রয়োজনে স্থগিত করেন এবং সংসদ ভেঙে দিতে পারেন। অধিবেশন শুরু হওয়ার পর এর কার্যক্রম পরিচালনা করেন স্পিকার, তাই দুটি দায়িত্ব গুলিয়ে ফেলা চলবে না।
    মনে রাখুন:
    দুই অধিবেশনের মাঝে ৬০ দিনের বেশি বিরতি থাকতে পারে না।
    সংসদের কোরাম পূর্ণ হতে কমপক্ষে ৬০ জন সদস্য উপস্থিত থাকতে হয়।
  5. ৩৪. রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্র কোন জেলায়?
    • ক. পাবনা
    • খ. রাজশাহী
    • গ. খুলনা
    • ঘ. নাটোর
    উত্তর: ক. পাবনা
    বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুরে পদ্মা নদীর তীরে নির্মিত হচ্ছে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান রোসাটমের সহায়তায় এখানে ১২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার দুটি ইউনিট, মোট ২৪০০ মেগাওয়াট, তৈরি হচ্ছে।
    মনে রাখুন:
    এই কেন্দ্রে রাশিয়ার তৃতীয় প্রজন্মের VVER-1200 প্রযুক্তির চুল্লি ব্যবহৃত হচ্ছে।
    পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি হিসেবে ইউরেনিয়াম ব্যবহার করা হয়।
  6. ৩৮. বঙ্গবন্ধু কর্তৃক ‘ছয় দফা’ ঘোষিত হয় কবে?
    • ক. ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
    • খ. ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
    • গ. ৩ জানুয়ারি, ১৯৬৮
    • ঘ. ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯
    উত্তর: খ. ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
    ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে পাকিস্তানের বিরোধী দলগুলোর একটি জাতীয় সম্মেলন বসেছিল। সেখানে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসনের দাবি হিসেবে ছয় দফা (Six-point Movement) পেশ করেন। পরে একই বছরের ২৩ মার্চ লাহোরেই আনুষ্ঠানিকভাবে দাবিগুলো ঘোষণা করা হয়। ছয় দফাকে বাঙালির মুক্তির সনদ (Magna Carta) বলা হয়, কারণ এই দাবিই পরে স্বাধীনতা আন্দোলনের ভিত তৈরি করে।
    মনে রাখুন:
    ছয় দফা দিবস পালিত হয় ৭ জুন, কারণ ১৯৬৬ সালের এই দিনে ছয় দফার পক্ষে হরতালে পুলিশের গুলিতে অনেকে শহিদ হন।
    ছয় দফার প্রথম দফা ছিল লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার গঠন।
  7. ৫৮. ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরতার খবর প্রথম বহির্বিশ্বে প্রচার করেন কোন সাংবাদিক?
    • ক. মতিউর রহমান
    • খ. সাইমন ড্রিং
    • গ. এম. আর. আখতার মুকুল
    • ঘ. অ্যালেন গিন্সবার্গ
    উত্তর: খ. সাইমন ড্রিং
    সাইমন ড্রিং ছিলেন লন্ডনের দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ (The Daily Telegraph) পত্রিকার সাংবাদিক। ২৫ মার্চ রাতে গণহত্যা শুরুর পর পাকিস্তানি সরকার বিদেশি সাংবাদিকদের দেশ থেকে বের করে দেয়, কিন্তু তিনি হোটেলে লুকিয়ে থেকে ঢাকা ঘুরে খবর সংগ্রহ করেন। ১৯৭১ সালের ৩০ মার্চ তাঁর ‘ট্যাংকস ক্র্যাশ রিভোল্ট ইন পাকিস্তান’ শিরোনামের প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে বিশ্ব প্রথম এই বর্বরতার কথা জানতে পারে।
    মনে রাখুন:
    মার্কিন কবি অ্যালেন গিন্সবার্গ লিখেছিলেন ‘September on Jessore Road’ কবিতা।
    এম. আর. আখতার মুকুল স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে ‘চরমপত্র’ পাঠ করতেন।
  8. ৬৫. মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী কে ছিলেন?
    • ক. এম. মনসুর আলী
    • খ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান
    • গ. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
    • ঘ. তাজউদ্দীন আহমদ
    উত্তর: ক. এম. মনসুর আলী
    ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল শপথ নেওয়া মুজিবনগর সরকারে অর্থমন্ত্রী ছিলেন ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী। এই সরকারে প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ, স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসনমন্ত্রী এ এইচ এম কামারুজ্জামান, আর অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
    মনে রাখুন:
    মুজিবনগর সরকারের প্রধান সেনাপতি ছিলেন কর্নেল (অব.) এম এ জি ওসমানী।
    এই সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন চারজন।
  9. ৬৬. বাংলাদেশের একমাত্র স্যাটেলাইটটি কোন দেশ থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়?
    • ক. ইতালি
    • খ. ফ্রান্স
    • গ. যুক্তরাষ্ট্র
    • ঘ. জার্মানি
    উত্তর: গ. যুক্তরাষ্ট্র
    বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ নামে বাংলাদেশের প্রথম যোগাযোগ উপগ্রহটি ২০১৮ সালের ১২ মে (বাংলাদেশ সময় ১২ মে ভোররাতে) যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়। এটিকে মহাকাশে নিয়ে যায় স্পেসএক্স (SpaceX) কোম্পানির ফ্যালকন-৯ রকেট। উপগ্রহটি তৈরি করেছিল ফ্রান্সের থালেস অ্যালেনিয়া স্পেস, তাই ফ্রান্স বিকল্পটি নিয়ে অনেকে ভুল করেন। পরীক্ষার সময় এটিই ছিল দেশের একমাত্র স্যাটেলাইট।
    মনে রাখুন:
    স্যাটেলাইটটির অবস্থান ১১৯.১° পূর্ব দ্রাঘিমায়।
    বাংলাদেশ বিশ্বের ৫৭তম দেশ হিসেবে নিজস্ব স্যাটেলাইটের মালিক হয়।
  10. ৭২. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় কোন সনে?
    • ক. ১৯০৫
    • খ. ১৯১১
    • গ. ১৯২০
    • ঘ. ১৯২১
    উত্তর: ঘ. ১৯২১
    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯২১ সালের ১ জুলাই যাত্রা শুরু করে। ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ হলে পূর্ববঙ্গের মুসলমান নেতারা হতাশ হয়ে পড়েন, তাঁদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ব্রিটিশ সরকার ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দেয়। ১৯২০ সালে ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইন’ পাস হয়, আর পরের বছর পাঠদান শুরু হয়।
    মনে রাখুন:
    প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে নবাব স্যার সলিমুল্লাহ ও নবাব নওয়াব আলী চৌধুরীর বড় ভূমিকা ছিল।
    প্রথম উপাচার্য স্যার পি জে হার্টগ।

গণিত

  1. ৩. একটি জারে দুধ ও পানির অনুপাত ৫:১। দুধের পরিমাণ যদি পানি অপেক্ষা ৮ লিটার বেশি হয়, তবে পানির পরিমাণ কত লিটার?
    • ক. ৬
    • খ. ২
    • গ. ৮
    • ঘ. ১০৮
    উত্তর: খ. ২
    দুধ ও পানির অনুপাত 5 : 1, তাই ধরি দুধ 5x লিটার এবং পানি x লিটার।
    শর্তমতে, 5x − x = 8 ⇒ 4x = 8 ⇒ x = 2
    সুতরাং পানির পরিমাণ 2 লিটার, আর দুধ 10 লিটার।
    যাচাই: 10 − 2 = 8 লিটার, আর 10 : 2 = 5 : 1।
  2. ৬. 4x² + 9y² এর সাথে কত যোগ করলে যোগফল পূর্ণবর্গ রাশি হবে?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৯
    • ক. 12xy
    • খ. 35
    • গ. 2xy
    • ঘ. 24xy
    উত্তর: ক. 12xy
    পূর্ণবর্গের সূত্র (a + b)² = a² + 2ab + b²।
    এখানে 4x² = (2x)² এবং 9y² = (3y)²।
    তাই পূর্ণবর্গ পেতে মাঝের পদ লাগবে 2 × 2x × 3y = 12xy।
    4x² + 12xy + 9y² = (2x + 3y)²
    মনে রাখুন: 12xy বিয়োগ করলেও পূর্ণবর্গ হয়: 4x² − 12xy + 9y² = (2x − 3y)²।
  3. ১৪. কোন ৩টি বাহু দিয়ে ত্রিভুজ গঠন করা যাবে না?
    • ক. ২, ৪, ৫
    • খ. ৪, ৫, ৬
    • গ. ২, ৪, ৭
    • ঘ. ৩, ৪, ৬
    উত্তর: গ. ২, ৪, ৭
    ত্রিভুজ গঠনের শর্ত হলো, যেকোনো দুই বাহুর যোগফল তৃতীয় বাহুর চেয়ে বড় হতে হবে।
    2, 4, 7-এর ক্ষেত্রে 2 + 4 = 6, যা 7-এর চেয়ে ছোট, তাই এই বাহুগুলো দিয়ে ত্রিভুজ হবে না।
    অন্যগুলো যাচাই: 2 + 4 > 5, 4 + 5 > 6, 3 + 4 > 6, তাই এগুলো দিয়ে ত্রিভুজ গঠন সম্ভব।
    মনে রাখুন: সবচেয়ে ছোট দুই বাহুর যোগফল বড় বাহুর চেয়ে বেশি কি না দেখলেই যথেষ্ট।
  4. ১৮. একটি সমকোণী ত্রিভুজের ভূমির দৈর্ঘ্য লম্বের দৈর্ঘ্য অপেক্ষা ১ মিটার কম এবং লম্ব অপেক্ষা অতিভুজের দৈর্ঘ্য ১ মিটার বেশি হলে ত্রিভুজটির অতিভুজের দৈর্ঘ্য কত?
    • ক. ৫
    • খ. ৭
    • গ. ৬
    • ঘ. ৮
    উত্তর: ক. ৫
    ধরি, লম্ব x মিটার। তাহলে ভূমি (x − 1) মিটার এবং অতিভুজ (x + 1) মিটার।
    পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী, (x − 1)² + x² = (x + 1)²
    x² − 2x + 1 + x² = x² + 2x + 1
    x² = 4x, তাই x = 4
    অতিভুজ = 4 + 1 = 5 মিটার
    যাচাই: 3² + 4² = 9 + 16 = 25 = 5²।
  5. ২৮. একটি ত্রিভুজের তিনটি কোণের অনুপাত ১:২:৩। ত্রিভুজটি হবে–
    • ক. সমবাহু
    • খ. সূক্ষ্মকোণী
    • গ. স্থূলকোণী
    • ঘ. সমকোণী
    উত্তর: ঘ. সমকোণী
    ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি 180°। অনুপাতের অংশগুলোর যোগফল 1 + 2 + 3 = 6।
    কোণগুলো: 180° × 1/6 = 30°, 180° × 2/6 = 60°, 180° × 3/6 = 90°
    একটি কোণ 90° বলে ত্রিভুজটি সমকোণী।
    মনে রাখুন: 30°-60°-90° ত্রিভুজে বাহুগুলোর অনুপাত 1 : √3 : 2।
  6. ২৯. একটি গাড়ির চাকা প্রতি মিনিটে ১২ বার ঘুরে। চাকাটি ৫ সেকেন্ডে কত ডিগ্রি ঘুরবে?
    • ক. ৯০ ডিগ্রি
    • খ. ৩০০ ডিগ্রি
    • গ. ৩৬০ ডিগ্রি
    • ঘ. ১৮০ ডিগ্রি
    উত্তর: গ. ৩৬০ ডিগ্রি
    চাকা 1 মিনিটে, অর্থাৎ 60 সেকেন্ডে 12 বার ঘোরে।
    তাই 1 বার ঘুরতে সময় লাগে 60 ÷ 12 = 5 সেকেন্ড।
    একবার পূর্ণ ঘূর্ণনে চাকা 360° ঘোরে, তাই 5 সেকেন্ডে চাকাটি 360° ঘুরবে।
    বিকল্প হিসাব: 5 সেকেন্ডে ঘূর্ণন = 12 × 5/60 = 1 বার = 360°।
  7. ৩৩. একটি আয়তাকার বাগানের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ যথাক্রমে ১৫০ মিটার ও ১০০ মিটার। বাগানটির দৈর্ঘ্য ২০% এবং প্রস্থ ১০% বৃদ্ধি করলে নতুন বাগানটির ক্ষেত্রফল কত বর্গমিটার হবে?
    • ক. ১৮৫০০
    • খ. ১৫৫০০
    • গ. ১৯৮০০
    • ঘ. ২০৫০০
    উত্তর: গ. ১৯৮০০
    শতকরা বৃদ্ধি হিসাব করলে নতুন মাপ পাওয়া যায়, তারপর দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ গুণ করলেই ক্ষেত্রফল আসে।
    নতুন দৈর্ঘ্য = 150 + 150 × 20/100 = 150 + 30 = 180 মিটার
    নতুন প্রস্থ = 100 + 100 × 10/100 = 100 + 10 = 110 মিটার
    নতুন ক্ষেত্রফল = 180 × 110 = 19800 বর্গমিটার
    আগের ক্ষেত্রফল ছিল 150 × 100 = 15000 বর্গমিটার, তাই ক্ষেত্রফল বেড়েছে 4800 বর্গমিটার, অর্থাৎ ৩২%।
    মনে রাখুন: দৈর্ঘ্য x% ও প্রস্থ y% বাড়লে ক্ষেত্রফল বাড়ে (x + y + xy/100)%, এখানে 20 + 10 + 2 = 32%।
  8. ৩৬. ১০ থেকে ৬০ পর্যন্ত যে সকল মৌলিক সংখ্যার একক স্থানীয় অংক ৯, তাদের সমষ্টি কত?
    • ক. ১৩০
    • খ. ১০৭
    • গ. ১১৩
    • ঘ. ১৪৬
    উত্তর: খ. ১০৭
    10 থেকে 60-এর মধ্যে যেসব সংখ্যার একক স্থানীয় অঙ্ক 9: 19, 29, 39, 49, 59।
    এদের মধ্যে 39 = 3 × 13 এবং 49 = 7 × 7, তাই এ দুটি মৌলিক নয়।
    মৌলিক সংখ্যাগুলো 19, 29 ও 59।
    সমষ্টি = 19 + 29 + 59 = 107
  9. ৪২. একটি শ্রেণির প্রতি বেঞ্চে ৪ জন করে ছাত্র বসালে ৩টি বেঞ্চ খালি থাকে। আবার, প্রতি বেঞ্চে ৩ জন করে ছাত্র বসালে ৬ জন ছাত্রকে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। ঐ শ্রেণির ছাত্র সংখ্যা কত?
    • ক. ৬৬
    • খ. ৫৫
    • গ. ৬০
    • ঘ. ৬৫
    উত্তর: গ. ৬০
    ধরি, বেঞ্চের সংখ্যা x।
    প্রতি বেঞ্চে 4 জন বসালে 3টি বেঞ্চ খালি থাকে, তাই ছাত্র = 4(x − 3)
    প্রতি বেঞ্চে 3 জন বসালে 6 জন দাঁড়িয়ে থাকে, তাই ছাত্র = 3x + 6
    শর্তমতে, 4x − 12 = 3x + 6 ⇒ x = 18
    ছাত্র সংখ্যা = 3 × 18 + 6 = 60 জন
    যাচাই: 4 × (18 − 3) = 4 × 15 = 60।
  10. ৪৪. x² + 7x + p যদি x – 5 দ্বারা বিভাজ্য হয়, তবে p এর মান কত হবে?
    • ক. -60
    • খ. -30
    • গ. 10
    • ঘ. 30
    উত্তর: ক. -60
    উৎপাদক উপপাদ্য (Factor Theorem) অনুযায়ী কোনো বহুপদী f(x) যদি (x − a) দ্বারা বিভাজ্য হয়, তবে f(a) = 0 হবে। এখানে x − 5 দ্বারা বিভাজ্য, তাই x = 5 বসালে রাশিটির মান শূন্য হবে।
    f(5) = 5² + 7 × 5 + p = 0
    25 + 35 + p = 0
    p = −60
    যাচাই: x² + 7x − 60 = (x − 5)(x + 12), তাই সত্যিই x − 5 একটি উৎপাদক।
    মনে রাখুন: f(a) শূন্য না হলে f(a)-এর মানই হয় ভাগশেষ, একে ভাগশেষ উপপাদ্য (Remainder Theorem) বলে।
  11. ৪৬. ৬ জন পুরুষ, ৮ জন স্ত্রীলোক এবং ১ জন বালকের বয়সের গড় ৩৫ বছর। পুরুষদের বয়সের গড় ৪০ বছর এবং স্ত্রীলোকদের বয়সের গড় ৩৪ বছর। বালকের বয়স কত?
    • ক. ১৪ বছর
    • খ. ১৫ বছর
    • গ. ১৬ বছর
    • ঘ. ১৩ বছর
    উত্তর: ঘ. ১৩ বছর
    গড় থেকে মোট বের করতে গড়কে সংখ্যা দিয়ে গুণ করতে হয়। সবার মোট বয়স থেকে পুরুষ ও নারীদের মোট বয়স বাদ দিলেই বালকের বয়স পাওয়া যাবে।
    মোট সদস্য = 6 + 8 + 1 = 15 জন
    সবার মোট বয়স = 15 × 35 = 525 বছর
    পুরুষদের মোট বয়স = 6 × 40 = 240 বছর
    স্ত্রীলোকদের মোট বয়স = 8 × 34 = 272 বছর
    বালকের বয়স = 525 − (240 + 272) = 525 − 512 = 13 বছর
    মনে রাখুন: গড় = মোট রাশির যোগফল ÷ রাশির সংখ্যা, তাই মোট = গড় × সংখ্যা।
  12. ৪৭. ৪০ ডিগ্রি কোণের পূরক কোণ কোনটি?
    • ক. ২০ ডিগ্রি
    • খ. ৫০ ডিগ্রি
    • গ. ২০ ডিগ্রি
    • ঘ. ৪০ ডিগ্রি
    উত্তর: খ. ৫০ ডিগ্রি
    দুটি কোণের যোগফল ৯০° হলে তাদের একটিকে অপরটির পূরক কোণ (Complementary Angle) বলা হয়। তাই ৪০° কোণের পূরক কোণ হবে 90° − 40° = 50°।
    মনে রাখুন:
    দুটি কোণের যোগফল ১৮০° হলে তারা পরস্পরের সম্পূরক কোণ (Supplementary Angle), যেমন ৪০° কোণের সম্পূরক কোণ ১৪০°।
    পূরক কোণ দুটিই সূক্ষ্মকোণ হয়, কারণ তাদের যোগফল মাত্র ৯০°।
  13. ৫২. ০, ১, ২ এবং ৩ দ্বারা গঠিত চার অঙ্কের বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম সংখ্যার বিয়োগফল–
    • ক. ২৯৯০
    • খ. ২১৮৭
    • গ. ২২৮৭
    • ঘ. ৩১৪৫
    উত্তর: খ. ২১৮৭
    চার অঙ্কের বৃহত্তম সংখ্যা পেতে বড় অঙ্কগুলো বাঁ দিকে বসাই: 3210।
    ক্ষুদ্রতম সংখ্যা পেতে ছোট অঙ্ক আগে বসাতে হবে, কিন্তু 0 প্রথমে বসলে সংখ্যাটি চার অঙ্কের থাকে না। তাই প্রথমে 1, তারপর 0, 2, 3 বসিয়ে ক্ষুদ্রতম সংখ্যা 1023।
    বিয়োগফল = 3210 − 1023 = 2187
    মনে রাখুন: 2187 = 3⁷, যা একটি মজার কাকতাল।
  14. ৫৫. একটি ত্রিভুজের ৩টি বাহুর দৈর্ঘ্য ৪, ৫ ও ৩ হলে ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত?
    • ক. ৮
    • খ. ৬
    • গ. ৭
    • ঘ. ৯
    উত্তর: খ. ৬
    ৩, ৪ ও ৫ বাহুর ত্রিভুজে 3² + 4² = 9 + 16 = 25 = 5², তাই পিথাগোরাসের উপপাদ্য (Pythagorean Theorem) অনুযায়ী এটি একটি সমকোণী ত্রিভুজ। এর অতিভুজ ৫, আর সমকোণ সংলগ্ন বাহু দুটি ৩ ও ৪, যাদের একটিকে ভূমি ও অন্যটিকে উচ্চতা ধরা যায়।
    ক্ষেত্রফল = 1/2 × ভূমি × উচ্চতা = 1/2 × 3 × 4 = 6 বর্গএকক
    হেরনের সূত্রেও মেলে: s = (3 + 4 + 5)/2 = 6, ক্ষেত্রফল = √(6 × 3 × 2 × 1) = √36 = 6।
    মনে রাখুন: ৩-৪-৫, ৫-১২-১৩, ৮-১৫-১৭ ও ৭-২৪-২৫ হলো পরিচিত পিথাগোরীয় ত্রয়ী।
  15. ৫৯. 4 × 5 × 0 × 7 × 1 = কত?
    • ক. 480
    • খ. 0
    • গ. 210
    • ঘ. 140
    উত্তর: খ. 0
    শূন্যকে যেকোনো সংখ্যা দিয়ে গুণ করলে গুণফল শূন্যই হয়। তাই একটি গুণফলের মধ্যে একটিও শূন্য থাকলে বাকি সংখ্যাগুলো যত বড়ই হোক, পুরো গুণফল শূন্য হয়ে যায়।
    4 × 5 × 0 × 7 × 1 = (4 × 5) × 0 × 7 × 1 = 20 × 0 × 7 = 0
    মনে রাখুন:
    যেকোনো সংখ্যাকে ১ দিয়ে গুণ করলে সংখ্যাটি অপরিবর্তিত থাকে, তাই ১-কে গুণের অভেদক বলে।
    শূন্য দিয়ে কোনো সংখ্যাকে ভাগ করা যায় না, এর মান অসংজ্ঞায়িত।
  16. ৭৪. ১৪৩ টাকাকে ২:৪:৫ অনুপাতে ভাগ করলে বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম অংশের পার্থক্য কত টাকা হবে?
    • ক. ৪২
    • খ. ৩৬
    • গ. ৩৯
    • ঘ. ৪৪
    উত্তর: গ. ৩৯
    অনুপাতের অংশগুলোর যোগফল = 2 + 4 + 5 = 11
    প্রতি অংশ = 143 ÷ 11 = 13 টাকা
    বৃহত্তম অংশ = 5 × 13 = 65 টাকা, ক্ষুদ্রতম অংশ = 2 × 13 = 26 টাকা
    পার্থক্য = 65 − 26 = 39 টাকা
    মনে রাখুন: সরাসরি (5 − 2) × 13 = 39 করেও পার্থক্য বের করা যায়।

আন্তর্জাতিক

  1. ৪. ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সদস্য সংখ্যা কতটি?
    • ক. ২৮টি
    • খ. ১৭টি
    • গ. ১৮টি
    • ঘ. ২৭টি
    উত্তর: ক. ২৮টি
    ২০১৯ সালের এই পরীক্ষার সময় যুক্তরাজ্য তখনো ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য ছিল, তাই সদস্য দেশ ছিল ২৮টি। ২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি ব্রেক্সিটের (Brexit) মাধ্যমে যুক্তরাজ্য জোট থেকে বেরিয়ে যায়, ফলে এখন সদস্য ২৭টি।
    মনে রাখুন:
    ইইউ-এর সর্বশেষ সদস্য ক্রোয়েশিয়া, যোগ দেয় ২০১৩ সালে।
    ইইউ গঠিত হয় ১৯৯৩ সালে, ম্যাসট্রিখট চুক্তির মাধ্যমে।
    ইউরো মুদ্রা চালু হয় ১৯৯৯ সালে।
  2. ৪৯. মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের বিরোধিতা করেছিল জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের কোন দুটি স্থায়ী রাষ্ট্র?
    • ক. যুক্তরাজ্য ও চীন
    • খ. চীন ও যুক্তরাষ্ট্র
    • গ. যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্স
    • ঘ. রাশিয়া ও ফ্রান্স
    উত্তর: খ. চীন ও যুক্তরাষ্ট্র
    ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের (Security Council) দুটি স্থায়ী সদস্য যুক্তরাষ্ট্র ও চীন পাকিস্তানের পক্ষ নিয়েছিল। তারা যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব এনে বাংলাদেশের বিজয় ঠেকাতে চেয়েছিল। অন্য দিকে তখনকার সোভিয়েত ইউনিয়ন বারবার ভেটো (Veto) দিয়ে সেই প্রস্তাবগুলো আটকে দেয়, ফলে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বড় সহায়তা হয়।
    মনে রাখুন:
    যুক্তরাষ্ট্র তাদের সপ্তম নৌবহর বঙ্গোপসাগরের দিকে পাঠিয়েছিল।
    চীন প্রথম ভেটো প্রয়োগ করে ১৯৭২ সালে, বাংলাদেশের জাতিসংঘ সদস্যপদের বিরুদ্ধে।
  3. ৭০. স্কাউটের প্রতিষ্ঠাতা কে?
    • ক. লর্ড ব্যাডেন পাওয়েল
    • খ. লর্ড মুরিং
    • গ. লর্ড স্টিফেন
    • ঘ. লর্ড কার্জন
    উত্তর: ক. লর্ড ব্যাডেন পাওয়েল
    স্কাউট আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ব্রিটিশ সেনা কর্মকর্তা লর্ড রবার্ট ব্যাডেন পাওয়েল। ১৯০৭ সালে তিনি ইংল্যান্ডের ব্রাউনসি দ্বীপে কিশোরদের নিয়ে প্রথম পরীক্ষামূলক স্কাউট ক্যাম্প করেন। পরের বছর তাঁর লেখা ‘স্কাউটিং ফর বয়েজ’ বইটি প্রকাশিত হলে আন্দোলনটি দ্রুত সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।
    মনে রাখুন:
    স্কাউটের মূলমন্ত্র ‘প্রস্তুত থাকো’ (Be Prepared)।
    বাংলাদেশ স্কাউটস গঠিত হয় ১৯৭২ সালে, আর এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক রাষ্ট্রপতি।

ইংরেজি

  1. ৮. Phosphates to most farm lands in Bangladesh.
    • ক. need to be adding
    • খ. need to be added
    • গ. need added
    • ঘ. need to add
    উত্তর: খ. need to be added
    ফসফেট নিজে কোনো কাজ করছে না, বরং কৃষকেরা জমিতে ফসফেট যোগ করেন, তাই এখানে subject phosphates কাজের গ্রহীতা। এমন অবস্থায় need-এর পরে passive infinitive, অর্থাৎ to be + past participle বসে, তাই বাক্যটি হবে Phosphates need to be added to most farm lands in Bangladesh।
    মনে রাখুন: একই অর্থে need-এর পরে gerund-ও বসতে পারে, যেমন The room needs cleaning = The room needs to be cleaned।
  2. ১৫. As the sun______, I decided to go out.
    • ক. was shining
    • খ. have shone
    • গ. shine
    • ঘ. shines
    উত্তর: ক. was shining
    বাক্যের দ্বিতীয় অংশ I decided to go out past tense-এ আছে। সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় সূর্যের আলো ছড়ানোর কাজটি চলছিল, তাই অতীতে চলমান কাজ বোঝাতে past continuous (was/were + verb-ing) বসবে। সঠিক বাক্য: As the sun was shining, I decided to go out.
    মনে রাখুন: Complex sentence-এ principal clause past tense হলে subordinate clause-ও সাধারণত past tense-এর কোনো রূপে বসে।
  3. ১৯. Change the voice: Who is creating this mess?
    • ক. Who has been created this mess?
    • খ. By whom has this mess been created?
    • গ. By whom this mess is being created?
    • ঘ. By whom is this mess being created?
    উত্তর: ঘ. By whom is this mess being created?
    Who দিয়ে শুরু হওয়া Present Continuous বাক্যের Passive-এ ‘By whom’ বাক্যের শুরুতে বসে। কাঠামো হলো: By whom + is/are + Subject + being + Verb-এর Past Participle। তাই ‘Who is creating this mess?’ হয়ে যায় ‘By whom is this mess being created?’। বাকি বিকল্পের কোনোটিতে Tense বদলে Perfect হয়ে গেছে, আবার কোনোটিতে ‘By whom’-এর পরে is না বসে ‘this mess’ বসেছে, যা প্রশ্নের গঠনে ঠিক নয়।
    মনে রাখুন:
    Continuous Tense-এর Passive-এ ‘being’ থাকে।
    Present Perfect-এ হয় has/have been, যেমন By whom has this mess been created?
  4. ২০. The book ‘Treasure Island’ is by
    • ক. Stevenson
    • খ. James Joyce
    • গ. Arthur Miller
    • ঘ. Homer
    উত্তর: ক. Stevenson
    Treasure Island স্কটিশ লেখক রবার্ট লুই স্টিভেনসন (Robert Louis Stevenson)-এর লেখা বিখ্যাত দুঃসাহসিক উপন্যাস, যা ১৮৮৩ সালে বই আকারে প্রকাশিত হয়। জলদস্যুদের লুকানো গুপ্তধনের খোঁজে কিশোর জিম হকিন্সের সমুদ্রযাত্রা এর কাহিনি, আর লং জন সিলভার এর বিখ্যাত চরিত্র।
    মনে রাখুন: স্টিভেনসনের আরেকটি বিখ্যাত বই The Strange Case of Dr Jekyll and Mr Hyde। James Joyce লিখেছেন Ulysses, Arthur Miller লিখেছেন Death of a Salesman, আর Homer লিখেছেন Iliad ও Odyssey।
  5. ২৬. The professor was given _ to materials in the research laboratory.
    • ক. allusion
    • খ. access
    • গ. excess
    • ঘ. time
    উত্তর: খ. access
    Access মানে কোনো জায়গায় ঢোকার বা কোনো কিছু ব্যবহারের অনুমতি বা সুযোগ, আর এর পরে preposition to বসে। অধ্যাপককে গবেষণাগারের উপকরণ ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল, তাই বাক্যটি হবে The professor was given access to materials in the research laboratory। Excess মানে আধিক্য, আর allusion মানে পরোক্ষ উল্লেখ, যা এখানে অর্থ মেলায় না।
    মনে রাখুন: access ও excess উচ্চারণে কাছাকাছি হলেও অর্থে সম্পূর্ণ আলাদা।
  6. ২৭. Every driver must be held _ his own actions.
    • ক. responsible to
    • খ. blamed for
    • গ. liable to
    • ঘ. responsible for
    উত্তর: ঘ. responsible for
    ‘Responsible for’ বলতে কাজ বা বিষয়ের দায়িত্ব বোঝায়, আর ‘responsible to’ বলতে কোনো ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষের কাছে জবাবদিহি করা বোঝায়। এখানে ‘actions’ বা কাজের দায়ের কথা বলা হচ্ছে, তাই সঠিক বাক্য ‘Every driver must be held responsible for his own actions.’
    উদাহরণ:
    He is responsible for the accident.
    He is responsible to his manager.
    মনে রাখুন: Liable to মানে কোনো কিছুর প্রবণতা বা আইনি দায় থাকা।
  7. ৩০. ‘Amenable’ শব্দের সাথে সঠিক preposition-টি কী হবে?
    • ক. with
    • খ. to
    • গ. after
    • ঘ. for
    উত্তর: খ. to
    Amenable শব্দের অর্থ কোনো কিছু মেনে নিতে রাজি বা সহজে বশ্য। কাকে বা কীসের কাছে মানুষটি নমনীয়, তা বোঝাতে এর পরে preposition to বসে।
    উদাহরণ: He is amenable to reason. / The patient was amenable to treatment.
    মনে রাখুন: amenable-এর সমার্থক agreeable, cooperative, আর বিপরীত শব্দ obstinate বা stubborn।
  8. ৩১. What is the antonym of the word ‘unwitting’?
    • ক. stupid
    • খ. unintentional
    • গ. intentional
    • ঘ. clever
    উত্তর: গ. intentional
    Unwitting মানে অজান্তে বা না বুঝে করা, অর্থাৎ যা ইচ্ছা করে করা হয়নি। এর বিপরীত intentional, অর্থাৎ জেনেবুঝে বা ইচ্ছাকৃতভাবে করা। Unintentional শব্দটি unwitting-এর সমার্থক, বিপরীত নয়, আর stupid বা clever বুদ্ধির মাপ বোঝায়।
    মনে রাখুন: unwitting-এর আরও বিপরীত শব্দ deliberate ও knowing। এর adverb রূপ unwittingly, যেমন He unwittingly broke the rule।
  9. ৩২. The Feminine of ‘Ram’ is–
    • ক. Ewe
    • খ. Hind
    • গ. Mare
    • ঘ. Sow
    উত্তর: ক. Ewe
    Ram মানে পুরুষ ভেড়া, আর এর feminine বা স্ত্রীবাচক রূপ ewe, মানে মাদি ভেড়া। এখানে পুরুষ ও স্ত্রীবাচক শব্দ দুটি সম্পূর্ণ আলাদা।
    মনে রাখুন:
    Stag-এর feminine hind (হরিণ)।
    Stallion বা horse-এর feminine mare (ঘোড়া)।
    Boar-এর feminine sow (শূকর)।
    Bull-এর feminine cow, আর dog-এর bitch।
  10. ৩৫. Which of the following sentences is correct?
    • ক. He was hung for murder.
    • খ. He was hanged for murder.
    • গ. He was hunged for murder.
    • ঘ. He had been hung for murder.
    উত্তর: খ. He was hanged for murder.
    Hang ক্রিয়ার দুটি আলাদা রূপ আছে, আর অর্থ অনুযায়ী রূপ বদলায়। কোনো জিনিস ঝোলানো বা টাঙানো বোঝালে এর past ও past participle হয় hung, যেমন He hung the picture on the wall। কিন্তু ফাঁসি দিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা বোঝালে রূপটি হয় hanged। খুনের দায়ে ফাঁসি হওয়ার কথা বলা হচ্ছে বলে এখানে hanged বসবে। Hunged বলে ইংরেজিতে কোনো শব্দ নেই।
    মনে রাখুন:
    hang (ঝোলানো) – hung – hung
    hang (ফাঁসি দেওয়া) – hanged – hanged
  11. ৩৭. Which one is plural?
    • ক. Oasis
    • খ. Vertex
    • গ. Terminus
    • ঘ. Bureaux
    উত্তর: ঘ. Bureaux
    Bureau শব্দটি ফরাসি ভাষা থেকে ইংরেজিতে এসেছে, আর ফরাসি নিয়মে এর বহুবচন হয় bureaux (bureaus রূপটিও চলে)। বাকি তিনটি শব্দ একবচন, এদেরও বহুবচন বিদেশি নিয়মে হয়। Oasis (মরূদ্যান) শব্দের বহুবচন oases, vertex (শীর্ষবিন্দু) শব্দের বহুবচন vertices আর terminus (প্রান্তিক স্টেশন) শব্দের বহুবচন termini।
    মনে রাখুন:
    plateau – plateaux, tableau – tableaux
    crisis – crises, axis – axes
    index – indices, radius – radii
  12. ৪১. Choose the English translation of – তুমি কি কখনো কক্সবাজার গিয়েছো?
    • ক. Have you gone to Cox’s Bazar?
    • খ. Have you ever gone Cox’s Bazar?
    • গ. Have you ever been to Cox’s Bazar?
    • ঘ. Did you ever go to Cox’s Bazar?
    উত্তর: গ. Have you ever been to Cox’s Bazar?
    কোনো জায়গায় কখনো গিয়ে ঘুরে আসার অভিজ্ঞতা জানতে চাইলে ইংরেজিতে present perfect tense-এ have been to ব্যবহার করা হয়। Have gone to বললে বোঝায় লোকটি সেখানে গিয়েছে এবং এখনো সেখানেই আছে, ফিরে আসেনি। প্রশ্নে কখনো শব্দটি আছে বলে বাক্যে ever বসাতে হবে, তাই সঠিক অনুবাদ হলো Have you ever been to Cox’s Bazar?
    মনে রাখুন:
    He has gone to Dhaka. (সে ঢাকায় গেছে, এখনো সেখানে)
    He has been to Dhaka. (সে ঢাকা ঘুরে এসেছে)
  13. ৪৩. I have a boat ‘made of wood’. The queatation phrase is
    • ক. an adverbial phrase
    • খ. perfect participle phrase
    • গ. present participle phrase
    • ঘ. past participle phrase
    উত্তর: ঘ. past participle phrase
    বাক্যে underlined অংশ 'made of wood' একটি phrase, যা 'boat' শব্দকে বর্ণনা করছে। 'Made' হলো make ক্রিয়ার past participle, এবং এটি বিশেষণের কাজ করে boat কী দিয়ে তৈরি তা জানাচ্ছে। তাই পুরো অংশটি past participle phrase। এটি adverbial phrase নয়, কারণ এটি কোনো ক্রিয়াকে নয়, noun-কে modify করছে। আবার present participle হলে ক্রিয়ার সঙ্গে ing থাকত।
    মনে রাখুন:
    Past participle phrase উদাহরণ: A letter written in haste is often wrong।
    Present participle phrase: A boy standing at the door is my friend।
  14. ৫০. Mr. Atique _ rather not invest that money in the stock market.
    • ক. must
    • খ. has to
    • গ. could
    • ঘ. would
    উত্তর: ঘ. would
    Would rather একটি বাঁধা প্রকাশভঙ্গি, যার মানে বরং কিছু করতে চাওয়া বা পছন্দ করা। এর পরে verb-এর মূল রূপ বসে, আর না-বোধক করতে হলে would rather-এর ঠিক পরে not বসাতে হয়। বাক্যে rather not invest আছে, তাই শূন্যস্থানে would বসলে বাক্যটি দাঁড়ায় Mr. Atique would rather not invest that money in the stock market, অর্থাৎ তিনি বরং টাকাটা শেয়ারবাজারে খাটাতে চান না। must, has to বা could-এর সঙ্গে rather এভাবে বসে না।
    মনে রাখুন: would rather-এর পর দুটি জিনিসের তুলনা করলে than বসে, যেমন I would rather walk than take a bus।
  15. ৫১. The plural of ‘Fez’ is–
    • ক. Fez
    • খ. Fezees
    • গ. Feezes
    • ঘ. Fezes
    উত্তর: ঘ. Fezes
    Fez হলো লাল রঙের উঁচু তুর্কি টুপি। শব্দটির শেষে z আছে বলে বহুবচনে -es যোগ হয়, আর অভিধানে fezzes ও fezes দুই বানানই দেওয়া আছে। প্রদত্ত বিকল্পের মধ্যে কেবল Fezes বানানটিই এই নিয়ম মেনে চলে, Fezees বা Feezes বলে কোনো শব্দ নেই।
    মনে রাখুন: শব্দের শেষে s, ss, sh, ch, x বা z থাকলে বহুবচনে -es যোগ হয়, যেমন box – boxes, quiz – quizzes, church – churches।
  16. ৫৩. A person who writes and edits dictionaries is called a–
    • ক. Lithographer
    • খ. Topographer
    • গ. Lexicographer
    • ঘ. Laryngographer
    উত্তর: গ. Lexicographer
    যিনি অভিধান লেখেন ও সম্পাদনা করেন, তাঁকে lexicographer বা অভিধানপ্রণেতা বলে। শব্দটি এসেছে গ্রিক lexikon (শব্দভান্ডার) ও graphein (লেখা) থেকে।
    মনে রাখুন:
    Lithographer: পাথর বা ধাতুর পাত থেকে ছাপার কাজ করেন যিনি।
    Topographer: কোনো এলাকার ভূপ্রকৃতির মানচিত্র তৈরি করেন যিনি।
    ইংরেজি ভাষার বিখ্যাত অভিধানপ্রণেতা ড. স্যামুয়েল জনসন।
  17. ৫৪. Which one is the correct spelling?
    • ক. iresistible
    • খ. iresistable
    • গ. irresistible
    • ঘ. irresistable
    উত্তর: গ. irresistible
    শব্দটি তৈরি হয়েছে ir উপসর্গ আর resistible মিলে। resist শব্দের আগে ir বসায় দুটি r পাশাপাশি এসেছে, আর শেষে প্রত্যয়টি -ible, -able নয়। তাই সঠিক বানান irresistible, যার অর্থ অপ্রতিরোধ্য বা যাকে ঠেকানো যায় না।
    মনে রাখুন: r দিয়ে শুরু হওয়া শব্দের আগে না-বোধক in উপসর্গ ir হয়ে যায়, যেমন irregular, irrelevant, irresponsible, irreversible।
  18. ৬০. Which one is the correct spelling?
    • ক. Supercede
    • খ. Superceed
    • গ. Superseede
    • ঘ. Supersede
    উত্তর: ঘ. Supersede
    Supersede শব্দটি লাতিন supersedere থেকে এসেছে, যার মানে কারও জায়গা দখল করা বা প্রতিস্থাপন করা। মূল লাতিন শব্দে s আছে বলে এর শেষে -sede লেখা হয়, -cede নয়। মজার ব্যাপার হলো, ইংরেজিতে -sede দিয়ে শেষ হওয়া প্রচলিত শব্দ প্রায় এটিই একমাত্র।
    মনে রাখুন:
    -ceed দিয়ে শেষ হয় তিনটি শব্দ: exceed, proceed, succeed।
    -cede দিয়ে শেষ হয় অনেক শব্দ: precede, concede, recede, intercede।

বিজ্ঞান

  1. ১০. কোন প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ খাদ্য তৈরি করে?
    • ক. প্রস্বেদন
    • খ. অভিস্রবণ
    • গ. সালোকসংশ্লেষণ
    • ঘ. শ্বসন
    উত্তর: গ. সালোকসংশ্লেষণ
    সবুজ উদ্ভিদ পাতার ক্লোরোফিলের সাহায্যে সূর্যের আলো শোষণ করে এবং পানি ও কার্বন ডাই-অক্সাইড থেকে শর্করা বা গ্লুকোজ তৈরি করে। এই প্রক্রিয়ার নাম সালোকসংশ্লেষণ (Photosynthesis), আর এর উপজাত হিসেবে অক্সিজেন বাতাসে মুক্ত হয়।
    6CO₂ + 6H₂O → C₆H₁₂O₆ + 6O₂ (আলো ও ক্লোরোফিলের উপস্থিতিতে)
    মনে রাখুন:
    প্রস্বেদন: পাতা দিয়ে পানি বাষ্প আকারে বের হওয়া।
    অভিস্রবণ: অর্ধভেদ্য পর্দা দিয়ে পানি চলাচল।
    শ্বসন: খাদ্য জারিত করে শক্তি উৎপাদন।
  2. ১৬. খাওয়ার লবণের সংকেত কোনটি?
    • ক. কোনোটিই নয়
    • খ. NaCO₃
    • গ. NaCl
    • ঘ. NaOH
    উত্তর: গ. NaCl
    খাওয়ার লবণের রাসায়নিক নাম সোডিয়াম ক্লোরাইড, আর এর সংকেত NaCl। এটি সোডিয়াম (Na) ও ক্লোরিন (Cl) পরমাণুর আয়নিক বন্ধনে গঠিত একটি যৌগ। আমাদের দেহে পানির ভারসাম্য রক্ষা ও স্নায়ুর কাজে লবণ দরকার।
    মনে রাখুন:
    কস্টিক সোডা: NaOH।
    খাবার সোডা: NaHCO₃।
    কাপড় কাচা সোডা: Na₂CO₃।
  3. ২২. পানির স্ফুটনাঙ্ক কত?
    • ক. ১৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস
    • খ. ১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট
    • গ. ৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস
    • ঘ. ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস
    উত্তর: ঘ. ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস
    স্বাভাবিক বা প্রমাণ বায়ুচাপে বিশুদ্ধ পানি 100° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ফোটে, এটিই পানির স্ফুটনাঙ্ক। ফারেনহাইট স্কেলে এই তাপমাত্রা 212°F, তাই 100° ফারেনহাইট লেখা বিকল্পটি ভুল। বায়ুচাপ কমলে স্ফুটনাঙ্ক কমে যায়, এ কারণে উঁচু পাহাড়ে পানি 100°-এর কম তাপমাত্রায় ফোটে।
    মনে রাখুন: পানির হিমাঙ্ক 0°C বা 32°F। সেলসিয়াস থেকে ফারেনহাইটে নিতে F = (9/5)C + 32।
  4. ৬৭. পাটের জীবন রহস্য উন্মোচনকারী দলের নেতা-
    • ক. ফরিদুল আলম
    • খ. মাকসুদুল আলম
    • গ. শহীদুল আলম
    • ঘ. মোঃ জলিল
    উত্তর: খ. মাকসুদুল আলম
    বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিজ্ঞানী ড. মাকসুদুল আলমের নেতৃত্বে একদল দেশীয় গবেষক ২০১০ সালে তোষা পাটের জীবনরহস্য বা জিনোম সিকোয়েন্স (Genome sequence) উন্মোচন করেন। জিনোম হলো কোনো জীবের সব জিনের সম্পূর্ণ নকশা, তাই এটি জানা গেলে উন্নত জাতের পাট উদ্ভাবন সহজ হয়।
    মনে রাখুন:
    এই গবেষণা প্রকল্পের নাম ছিল ‘স্বপ্নযাত্রা’।
    ড. মাকসুদুল আলম ২০১৪ সালে মারা যান।

শিক্ষাবিজ্ঞান

  1. ৫৭. পৃথিবীর কোন দেশের প্রাথমিক শিক্ষার মান সবচেয়ে উন্নত–
    • ক. কানাডা
    • খ. ফিনল্যান্ড
    • গ. ইংল্যান্ড
    • ঘ. যুক্তরাষ্ট্র
    উত্তর: খ. ফিনল্যান্ড
    বিভিন্ন আন্তর্জাতিক তুলনায় ফিনল্যান্ডের প্রাথমিক শিক্ষাকে বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত শিক্ষাব্যবস্থাগুলোর একটি ধরা হয়। সেখানে শিশুরা সাধারণত সাত বছর বয়সে স্কুলে যায়, প্রাথমিক স্তরে পরীক্ষার চাপ খুব কম রাখা হয় আর খেলাধুলা ও হাতে-কলমে শেখার ওপর জোর দেওয়া হয়। মজার ব্যাপার হলো, সেখানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হতেও স্নাতকোত্তর (Master's) ডিগ্রি লাগে, তাই শিক্ষকতা খুব সম্মানের পেশা।
    মনে রাখুন: বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষা অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক করা হয় ১৯৯০ সালের প্রাথমিক শিক্ষা (বাধ্যতামূলককরণ) আইনে, যা কার্যকর হয় ১৯৯৩ সাল থেকে।

সাধারণ জ্ঞান

  1. ৬১. কোন দেশটির সাথে সমুদ্রসীমা নেই?
    • ক. বাংলাদেশ
    • খ. ভারত
    • গ. নেপাল
    • ঘ. পাকিস্তান
    উত্তর: গ. নেপাল
    নেপাল হিমালয়ের কোলে অবস্থিত একটি স্থলবেষ্টিত দেশ (Landlocked Country)। এর উত্তরে চীনের তিব্বত আর বাকি তিন দিকে ভারত, তাই সমুদ্রে যাওয়ার কোনো সরাসরি পথ নেই। বাংলাদেশ ও ভারতের পাশে আছে বঙ্গোপসাগর, আর পাকিস্তানের দক্ষিণে আছে আরব সাগর।
    মনে রাখুন:
    দক্ষিণ এশিয়ার আরেকটি স্থলবেষ্টিত দেশ ভুটান, আর আফগানিস্তানও সমুদ্রসীমাহীন।
    নেপাল সমুদ্রপথে বাণিজ্যের জন্য ভারতের কলকাতা বন্দর এবং বাংলাদেশের মোংলা বন্দর ব্যবহারের সুযোগ পায়।
  2. ৬৮. জোয়ার-ভাটার প্রধান কারণ-
    • ক. পৃথিবীর আকর্ষণ
    • খ. চাঁদের আকর্ষণ
    • গ. বায়ুপ্রবাহ
    • ঘ. সূর্যের আকর্ষণ
    উত্তর: খ. চাঁদের আকর্ষণ
    সমুদ্রের পানি নিয়মিত ফুলে ওঠা ও নেমে যাওয়াকে জোয়ার-ভাটা (Tide) বলে। এর প্রধান কারণ চাঁদের মহাকর্ষ বল, কারণ চাঁদ পৃথিবীর অনেক কাছে আছে। সূর্য অনেক বড় হলেও বহু দূরে, তাই জোয়ার সৃষ্টিতে সূর্যের প্রভাব চাঁদের প্রায় অর্ধেক। পৃথিবীর আবর্তনের কারণে প্রতিটি জায়গায় প্রতিদিন দুবার জোয়ার ও দুবার ভাটা হয়।
    মনে রাখুন:
    অমাবস্যা ও পূর্ণিমায় সূর্য, চাঁদ ও পৃথিবী এক সরলরেখায় থাকে, তখন হয় ভরা কটাল বা তেজকটাল (Spring Tide)।
    অষ্টমী তিথিতে হয় মরা কটাল (Neap Tide)।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা: সব বছর

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা: ৩ বছরের প্রশ্ন আর বিষয়ভিত্তিক মানবণ্টন একসঙ্গে

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর: অন্যান্য পরীক্ষা

আরও শিক্ষক নিয়োগ ও নিবন্ধন পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান

বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন