প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পিটিআই ইন্সট্রাক্টর (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯। ৯৬টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। শুধু সাধারণ অংশ। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →বাংলা
- ১. বাংলাদেশে নতুনধারার নাটকের পথিকৃৎ কে?
- ক. আলাউদ্দীন আল আজাদ
- খ. সেলিম আল-দীন
- গ. আবদুল্লাহ আল মামুন
- ঘ. সৈয়দ শামসুল হক
উত্তর: খ. সেলিম আল-দীন
সেলিম আল-দীনকে বাংলাদেশের নতুন ধারার নাটকের পথিকৃৎ বলা হয়। তিনি পাশ্চাত্যের ঢাঁচা অনুকরণ না করে আমাদের পাঁচালি, যাত্রা, কীর্তনের মতো লোকজ ও দেশীয় পরিবেশনারীতি নাটকে ফিরিয়ে আনেন। এর ফলে নাটক আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতির সঙ্গে আরও গভীরভাবে মিশে যায়।
মনে রাখুন:
সেলিম আল-দীনের উল্লেখযোগ্য নাটক: কিত্তনখোলা, কেরামতমঙ্গল, হাত হদাই, চাকা।
সৈয়দ শামসুল হকের বিখ্যাত নাটক: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়, নূরলদীনের সারাজীবন। - ৪. 'জ্ঞ' যুক্তবর্ণটি কীভাবে গঠিত হয়েছে?
- ক. ঞ + ন
- খ. জ্ + ণ
- গ. জ্ + ঞ
- ঘ. ন্ + জ
উত্তর: গ. জ্ + ঞ
‘জ্ঞ’ একটি যুক্তবর্ণ, যা জ্ ও ঞ মিলে তৈরি হয়েছে। অর্থাৎ জ্ + ঞ = জ্ঞ। উচ্চারণে এটি ‘গ্য’ ধ্বনির মতো শোনায়, যেমন ‘জ্ঞান’ শব্দটি আমরা বলি ‘গ্যান’।
মনে রাখুন:
ক্ষ = ক্ + ষ, যেমন ‘ক্ষমা’।
ঞ্চ = ঞ্ + চ, যেমন ‘পঞ্চ’।
যুক্তবর্ণ চেনার সময় দেখতে হয় কোন দুটি ধ্বনি মিলে তৈরি হয়েছে এবং কোনটি আগে বসেছে। - ৫. কোন বাক্যটি প্রমিত চলিত রীতিতে লেখা হয়েছে?
- ক. খেয়ে দেয়ে শুয়ে পড়লাম
- খ. খাইয়া দাইয়া শুইয়া পড়িলাম
- গ. খাইয়া দাইয়া শুয়ে পড়লাম
- ঘ. খেয়ে দেয়ে শুইয়া পড়লাম
উত্তর: ক. খেয়ে দেয়ে শুয়ে পড়লাম
চলিত রীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম সংক্ষিপ্ত রূপ নেয়, যেমন খেয়ে, দেয়ে, শুয়ে, পড়লাম। ‘খেয়ে দেয়ে শুয়ে পড়লাম’ বাক্যের সব পদই চলিত রীতির, তাই এটি প্রমিত চলিত রীতির বাক্য। বাকি অপশনে সাধু ও চলিত রীতি এলোমেলোভাবে মিশে গেছে, যেটাকে গুরুচণ্ডালী দোষ বলে।
মনে রাখুন:
সাধু রীতি: খাইয়া, শুইয়া, পড়িলাম।
চলিত রীতি: খেয়ে, শুয়ে, পড়লাম।
একই বাক্যে দুই রীতি মেশানো ঠিক নয়। - ১০. শামসুর রাহমান রচিত কাব্যগ্রন্থটি হচ্ছে—
- ক. আর্ত শব্দাবলী
- খ. সোনালী কাবিন
- গ. নিরালোকে দিব্যরথ
- ঘ. হৃদয়ের জনপদ
উত্তর: গ. নিরালোকে দিব্যরথ
‘নিরালোকে দিব্যরথ’ কবি শামসুর রাহমানের কাব্যগ্রন্থ, এটি প্রকাশিত হয় ১৯৬৮ সালে। শামসুর রাহমান আধুনিক বাংলা কবিতার একজন প্রধান কবি, যাঁর কবিতায় নগরজীবন, স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা ও মানুষের বেদনা বারবার ফিরে এসেছে। ‘সোনালী কাবিন’ নামের বিখ্যাত কাব্য অবশ্য আল মাহমুদের।
মনে রাখুন:
শামসুর রাহমানের প্রথম কাব্য ‘প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে’ (১৯৬০)।
তাঁর আরও কাব্য: রৌদ্র করোটিতে, বিধ্বস্ত নীলিমা, বন্দী শিবির থেকে। - ১৩. 'ভাঁড়ুদত্ত' চরিত্রটি পাওয়া যায় কোন গ্রন্থে?
- ক. মনসামঙ্গল কাব্যে
- খ. অন্নদামঙ্গল কাব্যে
- গ. চণ্ডীমঙ্গল কাব্যে
- ঘ. ধর্মমঙ্গল কাব্যে
উত্তর: গ. চণ্ডীমঙ্গল কাব্যে
ভাঁড়ু দত্ত চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের একটি বিখ্যাত খল চরিত্র। কালকেতু যখন গুজরাট নগর গড়ে তোলেন, তখন ভাঁড়ু দত্ত ছলচাতুরী করে তাঁর কাছ থেকে সুবিধা আদায় করতে চায়। এই চরিত্র বাংলা সাহিত্যে ধূর্ত ও প্রতারক মানুষের প্রতীক হয়ে আছে।
মনে রাখুন:
চণ্ডীমঙ্গলের প্রধান কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তী (কবিকঙ্কণ)।
অন্যান্য চরিত্র: কালকেতু, ফুল্লরা, ধনপতি, খুল্লনা, শ্রীমন্ত।
অন্নদামঙ্গলের কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর। - ১৫. রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত গ্রন্থ কোনটি?
- ক. অবরোধবাসিনী
- খ. মাধবী কঙ্কণ
- গ. পদ্মগোখরা
- ঘ. অচলায়তন
উত্তর: ক. অবরোধবাসিনী
‘অবরোধবাসিনী’ (১৯৩১) বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের রচনা। তখনকার সমাজে পর্দার নামে মেয়েদের ওপর যে কঠোর নিয়ন্ত্রণ চলত, বইটিতে তিনি ছোট ছোট সত্য ঘটনার মধ্য দিয়ে তা তুলে ধরেছেন। রোকেয়া (১৮৮০–১৯৩২) ছিলেন নারীজাগরণের অগ্রদূত। তিনি ১৯১১ সালে কলকাতায় সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন।
মনে রাখুন:
রোকেয়ার অন্য রচনা: মতিচূর, পদ্মরাগ, সুলতানা’স ড্রিম।
‘মাধবীকঙ্কণ’ রমেশচন্দ্র দত্তের উপন্যাস।
‘পদ্মগোখরো’ নজরুলের গল্প, ‘অচলায়তন’ রবীন্দ্রনাথের নাটক। - ১৮. বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস হচ্ছে–
- ক. নয়নতারা
- খ. বিজয়বসন্ত
- গ. নববাবুবিলাস
- ঘ. দুর্গেশনন্দিনী
উত্তর: ঘ. দুর্গেশনন্দিনী
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘দুর্গেশনন্দিনী’ (১৮৬৫) বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস। এতে কাহিনি, চরিত্র ও ভাষার গঠন প্রথমবার পূর্ণাঙ্গ উপন্যাসের রূপ পায়। ‘নববাবুবিলাস’ ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যঙ্গাত্মক রচনা, উপন্যাসের পূর্ণ ধরন তাতে ছিল না।
মনে রাখুন:
বঙ্কিমের অন্য উপন্যাস: কপালকুণ্ডলা, বিষবৃক্ষ, কৃষ্ণকান্তের উইল, আনন্দমঠ, দেবী চৌধুরাণী।
প্যারীচাঁদ মিত্রের ‘আলালের ঘরের দুলাল’ (১৮৫৮) প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাংলা উপন্যাসের চেষ্টা বলে গণ্য হয়। - ২২. 'আঁধার যুগে'-র রচনা বলা হয় কোনটিকে?
- ক. চর্যাপদ
- খ. মনসামঙ্গল
- গ. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
- ঘ. প্রাকৃতপৈঙ্গল
উত্তর: ঘ. প্রাকৃতপৈঙ্গল
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ১২০১ থেকে ১৩৫০ সাল পর্যন্ত সময়কে অন্ধকার যুগ বলা হয়। তুর্কি আক্রমণের পরের এই সময়ের সাহিত্যের নিদর্শন খুব কম মেলে। ‘প্রাকৃতপৈঙ্গল’ এই যুগের একটি নিদর্শন বলে ধরা হয়, তবে সেখানে ছিল প্রাকৃত ও অপভ্রংশের ছন্দের উদাহরণ।
মনে রাখুন:
অন্ধকার যুগের অন্য নিদর্শন: শূন্যপুরাণ, সেক শুভোদয়া।
চর্যাপদ প্রাচীন যুগের, শ্রীকৃষ্ণকীর্তন ও মনসামঙ্গল মধ্যযুগের।
চর্যাপদ আবিষ্কার করেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী (১৯০৭, নেপাল থেকে)। - ৩০. নিচের কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রণীত শিক্ষাবিষয়ক গ্রন্থ?
- ক. শিক্ষাতত্ত্ব
- খ. শিক্ষার বুনিয়াদ
- গ. শিক্ষার রূপরেখা
- ঘ. শিক্ষার হেরফের
উত্তর: ঘ. শিক্ষার হেরফের
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শিক্ষা নিয়ে বহু প্রবন্ধ লিখেছেন, যার মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত ‘শিক্ষার হেরফের’ (১৮৯২)। এতে তিনি বলেছেন, মুখস্থ বিদ্যায় ও বিদেশি ভাষার চাপে শিশুর স্বাভাবিক বিকাশ বাধা পায়। অন্য তিনটি নাম রবীন্দ্রনাথের শিক্ষাবিষয়ক রচনা হিসেবে পরিচিত নয়।
মনে রাখুন:
রবীন্দ্রনাথের শিক্ষাভাবনার প্রবন্ধ ‘শিক্ষা’ (১৯০৮) গ্রন্থে সংকলিত।
তিনি ১৯০১ সালে শান্তিনিকেতনে ব্রহ্মচর্যাশ্রম এবং ১৯২১ সালে বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠা করেন। - ৩২. অক্ষর হচ্ছে–
- ক. শব্দের অংশ
- খ. পদের অংশ
- গ. বাক্যের অংশ
- ঘ. ধ্বনির অংশ
উত্তর: ক. শব্দের অংশ
অক্ষর (Syllable) হলো একবারের ঝোঁকে বা শ্বাসের একটি ধাক্কায় উচ্চারিত ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছ। একটি শব্দ এক বা একাধিক অক্ষর নিয়ে গড়ে ওঠে। তাই অক্ষর শব্দের অংশ।
উদাহরণ:
বন্ধন = বন্ + ধন (দুই অক্ষর)।
আকাশ = আ + কাশ (দুই অক্ষর)।
মনে রাখুন: একটি অক্ষর একাধিক ধ্বনি দিয়েও গড়া হতে পারে, তাই এটিকে শুধু ধ্বনির অংশ বলা ঠিক নয়। - ৩৬. 'গরল' শব্দের বিপরীত অর্থবোধক শব্দ কোনটি?
- ক. মরণ
- খ. অসন
- গ. অমর
- ঘ. অমৃত
উত্তর: ঘ. অমৃত
গরল মানে বিষ। যে জিনিস মানুষের প্রাণ নিতে পারে, তাকেই আমরা বিষ বা গরল বলি। এর বিপরীত অর্থের শব্দ অমৃত, অর্থাৎ যে পানীয় জীবন দেয়, সুধা। পুরাণে সমুদ্রমন্থনে বিষ ও অমৃত দুটিই উঠেছিল বলে গল্প আছে, তাই এই জোড়া শব্দ বাংলায় বহুল ব্যবহৃত। ‘অমর’ শব্দের অর্থ যার মৃত্যু নেই, সেটি বিশেষণ, আর ‘মরণ’ মানে মৃত্যু, তাই এগুলো গরলের বিপরীত নয়।
মনে রাখুন:
গরলের সমার্থক শব্দ বিষ, হলাহল।
অমৃতের সমার্থক সুধা, পীযূষ। - ৪১. মধুসূদন দত্ত রচিত ঐতিহাসিক নাটক কোনটি?
- ক. পদ্মাবতী
- খ. শর্মিষ্ঠা
- গ. মায়াকানন
- ঘ. কৃষ্ণকুমারী
উত্তর: ঘ. কৃষ্ণকুমারী
মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘কৃষ্ণকুমারী’ (১৮৬১) বাংলা সাহিত্যের প্রথম ঐতিহাসিক নাটক, যার কাহিনি রাজপুতানার ইতিহাস থেকে নেওয়া। আমাদের জানা পৌরাণিক কাহিনি থেকে সরে এসে এটি ইতিহাসভিত্তিক গল্প বলায় নতুন ধারা আনে।
মনে রাখুন:
‘শর্মিষ্ঠা’ ও ‘পদ্মাবতী’ পৌরাণিক কাহিনির ওপর রচিত।
‘মায়াকানন’ মধুসূদনের শেষ নাটক।
তাঁর দুটি বিখ্যাত প্রহসন: একেই কি বলে সভ্যতা, বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ। - ৪২. কোনটি ধ্বন্যাত্মক শব্দের উদাহরণ?
- ক. নীল নীল
- খ. শনশন
- গ. লাল নীল
- ঘ. রাশি রাশি
উত্তর: খ. শনশন
ধ্বন্যাত্মক শব্দ (Onomatopoeia) হলো এমন শব্দ, যা কোনো প্রাকৃতিক বা কাল্পনিক ধ্বনির অনুকরণে তৈরি। ‘শনশন’ বাতাস বয়ে যাওয়ার শব্দের অনুকরণ, তাই এটি ধ্বন্যাত্মক শব্দ। বাকি অপশনে ধ্বনির অনুকরণ নেই: ‘নীল নীল’ ও ‘রাশি রাশি’ একই শব্দের পুনরাবৃত্তি, যাকে শব্দদ্বৈত বলে, আর ‘লাল নীল’ দুটি আলাদা শব্দ, যা বিশেষণ হিসেবে পাশাপাশি বসেছে।
মনে রাখুন:
ধ্বন্যাত্মক শব্দের আরও উদাহরণ: ঝমঝম, কুহু কুহু, ঘেউ ঘেউ, কুট কুট।
ধ্বনির অনুকরণ ছাড়া কেবল একই শব্দের পুনরাবৃত্তিকে বলে শব্দদ্বৈত। - ৪৪. 'গহ্বর' শব্দের অর্থ কী?
- ক. বিবর
- খ. মর্মর
- গ. বর্বর
- ঘ. খবর
উত্তর: ক. বিবর
গহ্বর শব্দের অর্থ গর্ত, গুহা বা গভীর খাদ। এর সমার্থক শব্দ বিবর, কারণ বিবর শব্দেও ফাঁকা গর্তের ধারণা আছে। অন্য শব্দগুলো দেখতে কাছাকাছি হলেও অর্থ আলাদা: মর্মর মানে পাতার খসখস শব্দ (আবার একধরনের শ্বেত পাথরও), বর্বর মানে অসভ্য, আর খবর মানে সংবাদ। শব্দের ধ্বনি বা শেষ অংশ মিলে গেলেই অর্থ মিলে যায় না, তাই অর্থ দেখে বিকল্প বাছতে হয়।
মনে রাখুন:
‘বিবর’ শব্দটি সাধারণত ইঁদুর বা সাপের গর্ত বোঝাতেও ব্যবহৃত হয়।
গহ্বরের আরও সমার্থক শব্দ কোটর, গুহা। - ৫১. আহমদ শরীফ রচিত প্রবন্ধগ্রন্থটি হচ্ছে–
- ক. মানবতন্ত্র
- খ. লোকসাহিত্য
- গ. মীরমানস
- ঘ. বিচিত্র চিন্তা
উত্তর: ঘ. বিচিত্র চিন্তা
‘বিচিত্র চিন্তা’ আহমদ শরীফের একটি প্রবন্ধগ্রন্থ। তিনি (১৯২১–১৯৯৯) ছিলেন বাংলা সাহিত্যের গবেষক, মননশীল প্রাবন্ধিক এবং মানবতাবাদী চিন্তাবিদ। তাঁর লেখায় ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে যুক্তি ও মুক্তচিন্তার ডাক বারবার এসেছে। অন্য বিকল্পগুলো তাঁর বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ হিসেবে পরিচিত নয়। যেমন ‘লোকসাহিত্য’ গ্রন্থটির সঙ্গে বরং রবীন্দ্রনাথের নাম জড়ানো আছে।
মনে রাখুন: আহমদ শরীফের আরও প্রবন্ধগ্রন্থ: সাহিত্য সংস্কৃতি চিন্তা, স্বদেশ অন্বেষা, যুগ যন্ত্রণা, কালিক ভাবনা, বাঙালির চিন্তা-চেতনার বিবর্তনধারা। - ৫৯. 'সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই'– এই উক্তিটি কার?
- ক. বিদ্যাপতি
- খ. রামকৃষ্ণ পরমহংস
- গ. চণ্ডীদাস
- ঘ. বিবেকানন্দ
উত্তর: গ. চণ্ডীদাস
‘সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই’ এই বিখ্যাত পঙ্ক্তিটি চণ্ডীদাসের। এর মধ্য দিয়ে বোঝানো হয়েছে যে ধর্ম, জাতি বা সম্পদের চেয়ে মানুষের পরিচয়ই সবচেয়ে বড়। চণ্ডীদাস বৈষ্ণব পদাবলির কবি এবং রাধাকৃষ্ণের প্রেমকাহিনি নিয়ে পদ লিখেছেন। তাঁর পদে মানবতাবাদী ভাবনার কথা আলাদা করে মনে রাখার মতো।
মনে রাখুন:
বিদ্যাপতি মৈথিলি ভাষার কবি, যাঁকে বাংলা পদাবলির কবিদের সঙ্গে ধরা হয়।
শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের কবি বড়ু চণ্ডীদাস। পুঁথিটি ১৯০৯ সালে আবিষ্কৃত হয়। - ৬১. নিচের কোন শব্দটি শুদ্ধ বানানে লিখিত হয়েছে?
- ক. বিদ্বান
- খ. মুহুর্ত
- গ. আকাংখা
- ঘ. রাবন
উত্তর: ক. বিদ্বান
‘বিদ্বান’ বানানটি শুদ্ধ। শব্দটি সংস্কৃত বিদ্ ধাতু (জানা) থেকে এসেছে এবং এর অর্থ জ্ঞানী বা পণ্ডিত ব্যক্তি। এর স্ত্রীলিঙ্গ রূপ বিদুষী। বাকি তিনটি বানান ভুল: মুহুর্ত-এর শুদ্ধ রূপ মুহূর্ত, আকাংখা-র শুদ্ধ রূপ আকাঙ্ক্ষা এবং রাবন-এর শুদ্ধ রূপ রাবণ। ণ-ত্ব বিধি অনুযায়ী তৎসম শব্দে ঋ, র, ষ-এর পরে ন বসলে তা সাধারণত ণ হয়ে যায়, তাই ‘রাবণ’ লিখতে হয়।
মনে রাখুন: মুহূর্ত বানানে ‘হূ’ দীর্ঘ-ঊ-কার, ‘র্ত’ ফলাযুক্ত। - ৬২. কোন জন চর্যাপদ-র পদকর্তা?
- ক. শবরপা
- খ. বিদ্যাপতি
- গ. চণ্ডীদাস
- ঘ. ভারতচন্দ্র
উত্তর: ক. শবরপা
শবরপা চর্যাপদের একজন পদকর্তা। চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন, যা বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের রচিত সাধনসংগীত। বাকিরা অন্য যুগের কবি: বিদ্যাপতি ও চণ্ডীদাস বৈষ্ণব পদাবলির এবং ভারতচন্দ্র অন্নদামঙ্গল কাব্যের কবি। অর্থাৎ তাঁরা মধ্যযুগের কবি, আর শবরপা প্রাচীন যুগের।
মনে রাখুন:
আদি কবি লুইপা।
চর্যাপদে সবচেয়ে বেশি পদ লিখেছেন কাহ্নপা।
১৯০৭ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল থেকে পুঁথিটি আবিষ্কার করেন। - ৬৫. মুক্তিযুদ্ধ-ভিত্তিক রচিত শওকত ওসমানের উপন্যাস কোনটি?
- ক. নেত্রপথ
- খ. চৌরসন্ধি
- গ. ডিগবাজী
- ঘ. জলাঙ্গী
উত্তর: ঘ. জলাঙ্গী
‘জলাঙ্গী’ শওকত ওসমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। মুক্তিযুদ্ধের সময়কার মানুষের জীবন, ভয় ও সংগ্রাম এখানে উঠে এসেছে। প্রশ্নের বাকি তিন নাম শওকত ওসমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হিসেবে প্রসিদ্ধ নয়, তাই ‘জলাঙ্গী’ই সঠিক উত্তর। শওকত ওসমান কথাসাহিত্যে আধুনিক ও প্রগতিশীল দৃষ্টিভঙ্গির জন্য পরিচিত।
মনে রাখুন:
শওকত ওসমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অন্য রচনা: জাহান্নাম হইতে বিদায়, দুই সৈনিক, নেকড়ে অরণ্য।
‘ক্রীতদাসের হাসি’ তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস।
‘জননী’ও তাঁর উপন্যাস। - ৬৭. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
- ক. সন্ধ্যাসংগীত
- খ. কবিকাহিনী
- গ. জন্মদিনে
- ঘ. সোনারতরী
উত্তর: খ. কবিকাহিনী
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রকাশিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘কবিকাহিনী’ (১৮৭৮)। তিনি তখন মাত্র ১৭ বছরের কিশোর। এই আখ্যানকাব্যে এক কবির প্রেম ও বিশ্বপ্রেমের উপলব্ধি ফুটে উঠেছে। ‘সন্ধ্যাসংগীত’ (১৮৮২) প্রকাশিত হয় এর পরে, তাই সেটিকে প্রথম বলা যায় না। অনেকে ‘সন্ধ্যাসংগীত’কে তাঁর নিজস্ব সুরের প্রথম কাব্য বললেও প্রকাশের হিসাবে প্রথম ‘কবিকাহিনী’।
মনে রাখুন:
‘সোনার তরী’ প্রকাশিত হয় ১৮৯৪ সালে।
‘জন্মদিনে’ কবির জীবনের শেষ দিকের কাব্য (১৯৪১)। - ৭০. 'অহিনকুল' শব্দটি কোন নিয়মে গঠিত হয়েছে?
- ক. প্রত্যয়
- খ. সমাস
- গ. সন্ধি
- ঘ. উপসর্গ
উত্তর: খ. সমাস
‘অহিনকুল’ শব্দটি ভাঙলে পাওয়া যায় অহি ও নকুল। অহি মানে সাপ আর নকুল মানে বেজি, আর এই দুই প্রাণীর মধ্যে চিরশত্রুতা। যে সমাসে দুই বা তার বেশি পদের সমান গুরুত্ব থাকে এবং মাঝে ‘ও’ বা ‘এবং’ জাতীয় যোগ বোঝায়, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস (Copulative Compound) বলে। তাই শব্দটি সমাসের নিয়মে গঠিত।
মনে রাখুন:
অহিনকুল, দা-কুমড়া, আলো-আঁধার ইত্যাদি দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ।
প্রত্যয় ও উপসর্গ শব্দের শুরু বা শেষে বসে নতুন শব্দ গড়ে, আর সন্ধিতে দুটি ধ্বনি মিলে যায়। এখানে এর কোনোটিই ঘটেনি। - ৭২. নিচের কোন বানানটি সঠিক?
- ক. সাক্ষ্যরতা
- খ. স্বাক্ষ্যরতা
- গ. সাক্ষরতা
- ঘ. স্বাক্ষরতা
উত্তর: গ. সাক্ষরতা
‘সাক্ষরতা’ বানানটিই শুদ্ধ। শব্দটি এসেছে ‘সাক্ষর’ থেকে, যার অর্থ যে অক্ষর চেনে ও লিখতে-পড়তে জানে। সাক্ষর শব্দের সঙ্গে ‘তা’ যুক্ত হয়ে সাক্ষরতা হয়েছে, অর্থাৎ অক্ষরজ্ঞান। এখানে ‘স্ব’ নেই, কারণ ‘স্বাক্ষর’ শব্দের মানে নিজের নাম লেখা বা সই করা, যা সম্পূর্ণ আলাদা অর্থ। আবার ‘সাক্ষ্য’ মানে সাক্ষীর দেওয়া বিবরণ, তাই ‘সাক্ষ্যরতা’ ভুল।
মনে রাখুন:
সাক্ষর = অক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন, স্বাক্ষর = নিজের নাম লেখা বা সই।
বাংলাদেশ
- ২. বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় কোন পদ্ধতিতে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে?
- ক. মসজিদ-মন্দিরের মাধ্যমে
- খ. দূরশিক্ষণের মাধ্যমে
- গ. কমিউনিটি স্কুলের মাধ্যমে
- ঘ. স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মাধ্যমে
উত্তর: খ. দূরশিক্ষণের মাধ্যমে
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় দূরশিক্ষণ (Distance Education) পদ্ধতিতে শিক্ষা দেয়। এখানে শিক্ষার্থীকে ক্লাসে এসে নিয়মিত বসতে হয় না। বই, রেডিও-টেলিভিশন অনুষ্ঠান ও অনলাইন কনটেন্ট থেকে তারা নিজের জায়গায় থেকেই পড়ে, আর নির্দিষ্ট আঞ্চলিক কেন্দ্রে মাঝেমধ্যে টিউটরিয়াল ও পরীক্ষায় অংশ নেয়।
মনে রাখুন:
বিশ্ববিদ্যালয়টি ১৯৯২ সালে আইনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।
এর মূল ক্যাম্পাস গাজীপুরের বোর্ডবাজারে।
এটি দেশের একমাত্র সরকারি উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। - ৬. বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি কোন জেলায় অবস্থিত?
- ক. দিনাজপুর
- খ. রাজশাহী
- গ. সিলেট
- ঘ. রংপুর
উত্তর: ক. দিনাজপুর
বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলায় অবস্থিত। ১৯৮৫ সালে ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর এই কয়লার সন্ধান পায়। বাংলাদেশে বর্তমানে এটিই একমাত্র চালু কয়লাখনি, যেখানে মাটির নিচে সুড়ঙ্গ খুঁড়ে কয়লা তোলা হয়।
মনে রাখুন:
খনির কয়লা পাশের বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহার হয়।
দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা তোলার প্রস্তাব ছিল, কিন্তু তা বাস্তবায়িত হয়নি।
রংপুরের খালাশপীর, দিনাজপুরের দীঘিপাড়া ও জয়পুরহাটের জামালগঞ্জেও কয়লার সন্ধান মিলেছে। - ৭. উপজেলা রিসোর্স সেন্টার গঠনের উদ্দেশ্য কী?
- ক. প্রাথমিক বিদ্যালয় সুপারভিশন
- খ. প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদান
- গ. প্রাথমিক শিক্ষকদের বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণ দেয়া
- ঘ. প্রাথমিক শিক্ষকদের সি-ইন-এড প্রশিক্ষণ দেয়া
উত্তর: গ. প্রাথমিক শিক্ষকদের বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণ দেয়া
উপজেলা রিসোর্স সেন্টার (Upazila Resource Centre, সংক্ষেপে URC) প্রতিটি উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য গড়ে তোলা প্রশিক্ষণ ও সহায়তা কেন্দ্র। এখানে শিক্ষকদের বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় এবং শিক্ষকরা একসঙ্গে বসে শেখার কাজ করেন। সেই সঙ্গে এর প্রশিক্ষকেরা বিদ্যালয়ে গিয়ে শিক্ষকদের একাডেমিক সহায়তাও দেন। তবে বিদ্যালয়ের সরকারি প্রশাসনিক তদারকি মূলত উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাজ। আর সি-ইন-এড নামের বড় কোর্সটির প্রশিক্ষণ এখানে হতো না।
মনে রাখুন:
সি-ইন-এড প্রশিক্ষণ হতো প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে (PTI), উপজেলা রিসোর্স সেন্টারে নয়।
উপবৃত্তি দেওয়ার কাজটি আলাদা কর্মসূচির আওতায় হয়। - ৮. বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতির নাম কী?
- ক. শেখ মুজিবুর রহমান
- খ. জনাব এ.এইচ. এম কামারুজ্জামান
- গ. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- ঘ. জনাব তাজউদ্দীন আহমদ
উত্তর: ক. শেখ মুজিবুর রহমান
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি তখন পাকিস্তানের কারাগারে বন্দী থাকায় উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় (মুজিবনগর) এই সরকার শপথ নেয়।
মনে রাখুন:
প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দীন আহমদ।
স্বরাষ্ট্র ও ত্রাণমন্ত্রী: এ এইচ এম কামারুজ্জামান।
স্বাধীন দেশে ১৯৭২ সালের শুরুতে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন আবু সাঈদ চৌধুরী। - ১১. উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার মূল লক্ষ্যদল কারা?
- ক. ঝরে পড়া শিক্ষার্থী
- খ. প্রতিবন্ধীতাসম্পন্ন শিক্ষার্থী
- গ. অমনোযোগী শিক্ষার্থী
- ঘ. কম পারদর্শী শিক্ষার্থী
উত্তর: ক. ঝরে পড়া শিক্ষার্থী
উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা (Non-formal Education) হলো প্রচলিত স্কুলের বাইরে নমনীয় সময় ও পদ্ধতিতে দেওয়া শিক্ষা। এর মূল লক্ষ্যদল তারা, যারা নানা কারণে স্কুলে ভর্তি হতে পারেনি বা মাঝপথে ঝরে পড়েছে এবং বিশেষ করে বয়স্ক ও কর্মজীবী শিশু-কিশোরেরা। ঝরে পড়াদের আবার শিক্ষার মূল ধারায় ফেরানোই এর বড় উদ্দেশ্য।
মনে রাখুন: বাংলাদেশে উপানুষ্ঠানিক ও গণশিক্ষা নিয়ে কাজ করে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো। - ২০. ব্যানবেইস (BANBEIS) কোন কাজ করে?
- ক. শিক্ষাসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও প্রকাশ করে
- খ. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন ও পরিবীক্ষণ করে
- গ. মাধ্যমিক শিক্ষকদের নিবন্ধন দেয়
- ঘ. মাধ্যমিক শিক্ষকদের এমপিওভুক্ত করে
উত্তর: ক. শিক্ষাসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও প্রকাশ করে
ব্যানবেইস (BANBEIS) পুরো নাম Bangladesh Bureau of Educational Information and Statistics। এটি দেশের সব স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থী নিয়ে তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও প্রকাশ করে। সরকারের শিক্ষা পরিকল্পনা ও নীতি নির্ধারণে এই তথ্য দরকার হয়, তাই একে শিক্ষার ‘তথ্যভান্ডার’ বলা চলে।
মনে রাখুন:
প্রতিষ্ঠানটি ১৯৭৭ সালে চালু হয়।
শিক্ষক নিবন্ধন করে নন-গভর্নমেন্ট টিচার্স রেজিস্ট্রেশন অ্যান্ড সার্টিফিকেশন অথরিটি (NTRCA)।
প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের কাজ করে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর। - ২৪. শিক্ষাক্রম প্রণয়ন ও পরিমার্জনের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান কোনটি?
- ক. ইউজিসি
- খ. নায়েম
- গ. ব্যানবেইস
- ঘ. এনসিটিবি
উত্তর: ঘ. এনসিটিবি
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (National Curriculum and Textbook Board, NCTB) দেশের শিক্ষাক্রম তৈরি, সময়ে সময়ে তার পরিমার্জন এবং পাঠ্যবই লেখা, ছাপানো ও বিতরণ করার দায়িত্ব পালন করে। অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজ ভিন্ন: ইউজিসি (বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন) বিশ্ববিদ্যালয়গুলো দেখে, ব্যানবেইস (BANBEIS) শিক্ষার তথ্য ও পরিসংখ্যান রাখে, আর নায়েম (NAEM) শিক্ষাপ্রশাসকদের প্রশিক্ষণ দেয়।
মনে রাখুন:
প্রতিষ্ঠানটি বর্তমান নামে গঠিত হয় ১৯৮৩ সালে।
প্রতি বছর ১ জানুয়ারি শিক্ষার্থীদের হাতে বিনামূল্যে পাঠ্যবই তুলে দেওয়া হয়। - ২৬. পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য কত?
- ক. ৯.১৫ কিমি
- খ. ৬.১৫ কিমি
- গ. ৪.৫ কিমি
- ঘ. ৫.১৫ কিমি
উত্তর: খ. ৬.১৫ কিমি
পদ্মা বহুমুখী সেতুর মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ১৮.১০ মিটার। এটি দ্বিতল সেতু, যার ওপর দিয়ে সড়ক ও নিচ দিয়ে রেলপথ গেছে। সেতুটি মুন্সীগঞ্জের মাওয়া ও শরীয়তপুরের জাজিরাকে যুক্ত করেছে।
মনে রাখুন:
সেতুতে স্প্যান ৪১টি এবং পিলার ৪২টি।
২০২২ সালের ২৫ জুন সেতুটি উদ্বোধন হয়, ২৬ জুন থেকে যান চলাচল শুরু হয়।
নির্মাণ করেছে চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি। - ২৯. বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে গৃহীত প্রকল্প কোনটি?
- ক. HEQEP
- খ. SEQAEP
- গ. TQI-II
- ঘ. PEDP-3
উত্তর: ক. HEQEP
HEQEP-এর পূর্ণরূপ Higher Education Quality Enhancement Project। বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (UGC) এটি বাস্তবায়ন করেছে, উদ্দেশ্য বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষাদান, গবেষণা ও প্রশাসনের মান বাড়ানো। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো প্রকল্প জমা দিয়ে একাডেমিক ইনোভেশন ফান্ড থেকে অর্থ পায়।
মনে রাখুন:
SEQAEP মাধ্যমিক শিক্ষার মান ও প্রবেশগম্যতা বাড়ানোর প্রকল্প।
TQI-II মাধ্যমিক শিক্ষক শিক্ষার মান বাড়ানোর প্রকল্প।
PEDP-3 প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির তৃতীয় ধাপ। - ৩১. বাংলাদেশে শিক্ষার আইনগত ভিত্তির প্রধান উৎস কোনটি?
- ক. সরকারি আদেশ-নির্দেশ
- খ. জাতিসংঘের ঘোষণাবলি
- গ. সংবিধান
- ঘ. Acts and Ordinances
উত্তর: গ. সংবিধান
বাংলাদেশের সংবিধান দেশের সর্বোচ্চ আইন, তাই শিক্ষার আইনগত প্রধান ভিত্তি এটিই। সংবিধানের ১৭ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্র সব বালক-বালিকাকে একই ধরনের গণমুখী ও সার্বজনীন শিক্ষা এবং অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা দেবে। অন্যান্য আইন, অধ্যাদেশ ও সরকারি আদেশ এই সাংবিধানিক নির্দেশের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়।
মনে রাখুন: সংবিধানের ১৭ অনুচ্ছেদ রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির অংশ, অর্থাৎ আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য নয়। - ৩৩. বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ দেয় কোন প্রতিষ্ঠান?
- ক. NAPE
- খ. DSHE
- গ. শিক্ষাবোর্ড
- ঘ. NAEM
উত্তর: ঘ. NAEM
NAEM-এর পূর্ণরূপ National Academy for Educational Management। এটি শিক্ষা প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনায় প্রশিক্ষণ দেওয়া জাতীয় প্রতিষ্ঠান, যেখানে বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ হয়। এছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও শিক্ষা কর্মকর্তারাও এখানে প্রশিক্ষণ পান।
মনে রাখুন:
NAPE প্রাথমিক শিক্ষা বিষয়ে জাতীয় একাডেমি, ময়মনসিংহে অবস্থিত।
DSHE হলো মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, যা প্রশাসনিক দপ্তর, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান নয়। - ৩৫. মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ কোন জেলায় অবস্থিত?আরও এসেছে: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার ২০১৫
- ক. যশোর
- খ. মেহেরপুর
- গ. কুষ্টিয়া
- ঘ. বাগেরহাট
উত্তর: খ. মেহেরপুর
মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর উপজেলায় বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে অবস্থিত। এখানেই ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল প্রবাসী মুজিবনগর সরকার শপথ নেয়। এই ঐতিহাসিক ঘটনার স্মৃতিতে জায়গাটির পুরোনো নাম বৈদ্যনাথতলা বদলে মুজিবনগর রাখা হয়। মুক্তিযুদ্ধের সময় এটিই ছিল বাংলাদেশের প্রথম রাজধানী। যশোর, কুষ্টিয়া বা বাগেরহাটের সঙ্গে এই শপথ অনুষ্ঠানের কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই।
মনে রাখুন:
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র গৃহীত হয় ১০ এপ্রিল ১৯৭১।
স্মৃতিসৌধের স্থপতি তানভীর করিম। - ৩৮. জনপ্রতি দৈনিক কত কিলোক্যালরির নিচে খাদ্য গ্রহণকে চরম দারিদ্র্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়?
- ক. ২,০১৫
- খ. ১,৯০৫
- গ. ১,৮০৫
- ঘ. ২,১২২
উত্তর: গ. ১,৮০৫
দারিদ্র্য মাপার একটি পদ্ধতিতে মানুষ প্রতিদিন কত কিলোক্যালরি খাদ্য পাচ্ছে, তা দেখা হয়। এটিকে বলা হয় খাদ্যশক্তি গ্রহণ পদ্ধতি (Direct Calorie Intake)। এই হিসাবে জনপ্রতি দৈনিক ২,১২২ কিলোক্যালরির কম খাদ্য গ্রহণকারী মানুষ দরিদ্র। আর ১,৮০৫ কিলোক্যালরির নিচে হলে তাঁরা চরম দরিদ্র বা হতদরিদ্র। প্রশ্নে চরম দারিদ্র্যের কথা বলায় উত্তর ১,৮০৫। ২,১২২ হলো সাধারণ দারিদ্র্যের সীমা।
মনে রাখুন:
২,১২২ কিলোক্যালরি হলো দারিদ্র্যরেখা।
১,৮০৫ কিলোক্যালরি হলো চরম দারিদ্র্যরেখা। - ৩৯. বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করে কবে আইন প্রণীত হয়?
- ক. ১৯৯০ সালে
- খ. ২০০০ সালে
- গ. ১৯৭৩ সালে
- ঘ. ১৯৭৫ সালে
উত্তর: ক. ১৯৯০ সালে
বাংলাদেশে সব শিশুকে স্কুলে পাঠানোর লক্ষ্যে ‘বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন’ পাস হয় ১৯৯০ সালে। এই আইনের ফলে নির্দিষ্ট বয়সের শিশুকে বিদ্যালয়ে ভর্তি করা অভিভাবকের দায়িত্ব হয়ে ওঠে। আইনটি প্রথমে কিছু এলাকায় এবং পরে ধাপে ধাপে সারা দেশে কার্যকর করা হয়। অন্য সালগুলো আলাদা ঘটনার সঙ্গে জড়িত।
মনে রাখুন:
১৯৭৩ সালে সরকার সব প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করে।
সংবিধানের ১৭ অনুচ্ছেদে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষার কথা আগেই বলা আছে। - ৪৩. উপজেলা পর্যায়ে প্রাথমিক শিক্ষায় একাডেমিক সুপারভিশনের কাজ করে কোন দপ্তর?
- ক. উপজেলা শিক্ষা পরিবীক্ষণ দপ্তর
- খ. উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার দপ্তর
- গ. উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তর
- ঘ. উপজেলা রিসোর্স সেন্টার
উত্তর: ঘ. উপজেলা রিসোর্স সেন্টার
উপজেলা পর্যায়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের একাডেমিক সহায়তা ও তদারকির কাজ হয় উপজেলা রিসোর্স সেন্টার (URC) থেকে। সেখানকার প্রশিক্ষকেরা বিদ্যালয়ে গিয়ে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান দেখেন, শিক্ষকদের পরামর্শ দেন এবং প্রয়োজনে প্রশিক্ষণ দেন। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার দপ্তরের কাজ মূলত প্রশাসনিক, যেমন বদলি, বেতন ও প্রশাসনিক নথির কাজ। তাই একাডেমিক সুপারভিশনের দপ্তর হিসেবে রিসোর্স সেন্টারকেই ধরা হয়।
মনে রাখুন: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরাসরি শিক্ষার একাডেমিক তদারকি করেন না, তিনি উপজেলার সার্বিক প্রশাসন দেখেন। - ৫২. কার সময়ে বঙ্গভঙ্গ হয়?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৭, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার ২০১৫
- ক. লর্ড ডালহৌসি
- খ. লর্ড ম্যাকলে
- গ. লর্ড কার্জন
- ঘ. লর্ড ক্লাইভ
উত্তর: গ. লর্ড কার্জন
১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর বাংলা প্রদেশ দুই ভাগে ভাগ হয়, তখন ভারতের গভর্নর জেনারেল ও ভাইসরয় ছিলেন লর্ড কার্জন। পূর্ববঙ্গ ও আসাম নামে নতুন প্রদেশ হয়, যার রাজধানী ঢাকা। ব্রিটিশ সরকার প্রশাসনিক সুবিধার কথা বললেও এর পেছনে বিভাজনের উদ্দেশ্য ছিল বলে হিন্দু সমাজ প্রবল বিরোধিতা করে।
মনে রাখুন:
বঙ্গভঙ্গ রদ হয় ১৯১১ সালে, তখন ভাইসরয় ছিলেন লর্ড হার্ডিঞ্জ।
লর্ড ডালহৌসি 'স্বত্ববিলোপ নীতি' চালু করেন।
লর্ড ক্লাইভ ১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধে জয়ী হন। - ৫৪. ডিপিএড-এর পূর্ণরূপ কোনটি?
- ক. ডিপ্লোমা ফর প্রাইমারি এডুকেশন
- খ. ডিগ্রি ইন প্রাইমারি এডুকেশন
- গ. ডিপ্লোমা ইন প্রাইমারি এডুকেশন
- ঘ. ডিপ্লোমা ইন-এডুকেশন
উত্তর: গ. ডিপ্লোমা ইন প্রাইমারি এডুকেশন
ডিপিএড-এর পূর্ণরূপ ডিপ্লোমা ইন প্রাইমারি এডুকেশন (Diploma in Primary Education)। এটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ কোর্স, যা আগের সি-ইন-এড (Certificate in Education) কোর্সের জায়গায় চালু হয়েছে। অর্থাৎ আগের সার্টিফিকেট-স্তরের কোর্স উন্নত হয়ে ডিপ্লোমা-স্তরে এসেছে। প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটগুলোতে (PTI) এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। Diploma for Primary Education বা Degree in Primary Education নামে কোনো কোর্স নেই।
মনে রাখুন: মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণের সাধারণ কোর্স বি.এড (Bachelor of Education)। - ৫৫. বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক টেস্ট ক্রিকেটের জন্য মোট কয়টি ভেন্যু আছে?
- ক. ৫টি
- খ. ৬টি
- গ. ৭টি
- ঘ. ৮টি
উত্তর: ঘ. ৮টি
২০১৯ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৮টি স্টেডিয়ামে টেস্ট ক্রিকেট খেলা হয়েছে। এগুলো হলো ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম ও শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম, চট্টগ্রামের এম এ আজিজ স্টেডিয়াম ও জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম, ফতুল্লা, খুলনা, বগুড়া এবং সিলেট।
মনে রাখুন: বাংলাদেশ টেস্ট খেলুড়ে দল হিসেবে স্বীকৃতি পায় ২০০০ সালে এবং প্রথম টেস্ট খেলে ঢাকায় ভারতের বিপক্ষে। - ৫৮. বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে জাতীয় সংসদ প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে?
- ক. ৭৮
- খ. ৯৬
- গ. ৬৮
- ঘ. ৬৫
উত্তর: ঘ. ৬৫
বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদে জাতীয় সংসদ প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে। এখানে বলা আছে, ‘জাতীয় সংসদ’ নামে সংসদ থাকবে এবং আইনপ্রণয়নের ক্ষমতা তার হাতে থাকবে। বর্তমানে সংসদে ৩৫০ আসন, এর ৩০০ আসনে সরাসরি নির্বাচন হয় এবং ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসন।
মনে রাখুন:
অনুচ্ছেদ ৬৮: সংসদ সদস্যদের পারিশ্রমিক।
অনুচ্ছেদ ৭৮: সংসদের কার্যধারা ও সদস্যদের বিশেষ অধিকার।
অনুচ্ছেদ ৯৬: সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের অপসারণ। - ৬৮. 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' গানটি কার রচনা?
- ক. আবদুল গাফফার চৌধুরী
- খ. আলতাফ মাহমুদ
- গ. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান
- ঘ. আবু হেনা মোস্তফা কামাল
উত্তর: ক. আবদুল গাফফার চৌধুরী
‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানের রচয়িতা আবদুল গাফফার চৌধুরী। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে তিনি এই গান লেখেন। এটি পরে আমাদের অমর একুশের সবচেয়ে প্রিয় গান হয়ে ওঠে। আজকের প্রচলিত সুরটি করেছেন আলতাফ মাহমুদ।
মনে রাখুন:
গানটির প্রথম সুর করেছিলেন আবদুল লতিফ। পরে আলতাফ মাহমুদ নতুন করে সুর দেন।
আবদুল গাফফার চৌধুরী বিখ্যাত সাংবাদিক ও কলামিস্টও ছিলেন। - ৬৯. বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে মোট কয়টি অভিন্ন নদী আছে?
- ক. ৫৪
- খ. ৫১
- গ. ১৫৩
- ঘ. ৫৩
উত্তর: ক. ৫৪
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্য দিয়ে বা সীমান্ত ধরে বয়ে যাওয়া অভিন্ন নদীর (Common Rivers) সংখ্যা সাধারণত ৫৪টি বলে ধরা হয়। এগুলো দুই দেশের যৌথ নদী কমিশন (Joint Rivers Commission) বা জেআরসির তালিকাভুক্ত। বাংলাদেশের মোট আন্তঃসীমান্ত নদীর সংখ্যা ৫৭টি, কারণ ভারত ছাড়া মিয়ানমারের সঙ্গেও ৩টি অভিন্ন নদী আছে।
মনে রাখুন:
অভিন্ন নদী: ভারতের সঙ্গে ৫৪টি, মিয়ানমারের সঙ্গে ৩টি।
গঙ্গা নদীর পানি বণ্টনের জন্য ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর ৩০ বছর মেয়াদি চুক্তি হয়েছিল।
তিস্তা নদীর পানি বণ্টন নিয়ে এখনো চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি। - ৭৪. প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে কোন প্রতিষ্ঠানটি কাজ করে?
- ক. NAPE
- খ. UGC
- গ. NAEM
- ঘ. HSTTI
উত্তর: ক. NAPE
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (National Academy for Primary Education, সংক্ষেপে NAPE) ময়মনসিংহে অবস্থিত। এটি প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করে এবং প্রাথমিক শিক্ষার প্রশিক্ষকদের ও কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেয়। বাকি প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজ ভিন্ন: UGC বা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন উচ্চশিক্ষা দেখে, NAEM (National Academy for Educational Management) শিক্ষা ব্যবস্থাপনার প্রশিক্ষণ দেয়, আর HSTTI (Higher Secondary Teachers' Training Institute) উচ্চমাধ্যমিকের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেয়।
মনে রাখুন: প্রাথমিক শিক্ষকদের ডিপ্লোমা প্রশিক্ষণ হয় প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে (PTI)। - ৭৬. কোন সংস্থাটি বাংলাদেশে পাঠ সমীক্ষা (Lesson study) প্রচলনে উদ্যোগ নিয়েছে?
- ক. NORAD
- খ. USAID
- গ. JICA
- ঘ. DFID
উত্তর: গ. JICA
পাঠ সমীক্ষা (Lesson Study) হলো এমন একটি পদ্ধতি, যেখানে শিক্ষকেরা একসঙ্গে একটি পাঠ পরিকল্পনা করেন, একজন সেটি শ্রেণিকক্ষে পড়ান, আর বাকিরা পর্যবেক্ষণ করে আলোচনার মাধ্যমে পাঠটি আরও ভালো করেন। এই পদ্ধতির জন্ম জাপানে। তাই বাংলাদেশে পাঠ সমীক্ষা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে জাপানের উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা জাইকা (JICA, Japan International Cooperation Agency)।
মনে রাখুন:
NORAD নরওয়ের, USAID যুক্তরাষ্ট্রের এবং DFID যুক্তরাজ্যের উন্নয়ন সহায়তা সংস্থা।
বিজ্ঞান
- ৩. রক্তের গ্রুপ কয়টি?
- ক. ৫টি
- খ. ২টি
- গ. ৪টি
- ঘ. ৬টি
উত্তর: গ. ৪টি
মানুষের রক্তকে লোহিত কণিকার গায়ে থাকা অ্যান্টিজেন (Antigen) এবং রক্তরসে থাকা অ্যান্টিবডির (Antibody) ভিত্তিতে ৪টি প্রধান গ্রুপে ভাগ করা হয়। এই চারটি গ্রুপ হলো A, B, AB ও O। ১৯০১ সালে কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার এই ABO রক্তগ্রুপ আবিষ্কার করেন।
মনে রাখুন:
O গ্রুপের রক্ত প্রায় সবাইকে দেওয়া যায়, তাই একে সর্বজনীন দাতা বলা হয়।
AB গ্রুপের মানুষ সব গ্রুপের রক্ত নিতে পারেন, তাই তাঁদের সর্বজনীন গ্রহীতা বলা হয়।
আরএইচ (Rh) ফ্যাক্টরের কারণে প্রতিটি গ্রুপ আবার পজিটিভ ও নেগেটিভ হয়।
আন্তর্জাতিক
- ৯. CEDAW ঘোষণা কী বিষয় নিয়ে?
- ক. শিশু অধিকার ও শিক্ষা
- খ. শিক্ষায় প্রযুক্তি
- গ. নারীশিক্ষা ও ক্ষমতায়ন
- ঘ. শিক্ষায় বিনিয়োগ
উত্তর: গ. নারীশিক্ষা ও ক্ষমতায়ন
CEDAW-এর পূর্ণরূপ Convention on the Elimination of All Forms of Discrimination Against Women, বাংলায় ‘নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ সনদ’। এই সনদ নারীর শিক্ষা, কর্মসংস্থান, রাজনীতি ও পরিবারে সমান অধিকার নিশ্চিত করে নারীর ক্ষমতায়নের কথা বলে। তাই অপশনগুলোর মধ্যে এটির সঙ্গে সবচেয়ে মেলে নারীশিক্ষা ও ক্ষমতায়ন।
মনে রাখুন:
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ এটি গ্রহণ করে ১৯৭৯ সালের ১৮ ডিসেম্বর।
সনদটি কার্যকর হয় ১৯৮১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর।
সনদে মোট ৩০টি ধারা আছে। - ১৪. দক্ষিণ এশিয়ার কোন দেশটির সাক্ষরতার হার বেশি?
- ক. পাকিস্তান
- খ. শ্রীলঙ্কা
- গ. বাংলাদেশ
- ঘ. ভারত
উত্তর: খ. শ্রীলঙ্কা
দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে মালদ্বীপ ও শ্রীলঙ্কার সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি। অপশনের চার দেশের মধ্যে শ্রীলঙ্কার সাক্ষরতার হার ৯০ শতাংশের ওপরে, যেখানে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানে তা অনেক কম। পাকিস্তান এই চার দেশের মধ্যে সবচেয়ে পিছিয়ে।
মনে রাখুন: সাক্ষরতার হার বলতে বোঝায় ১৫ বছর বা তার বেশি বয়সী মানুষের মধ্যে কতজন পড়তে ও লিখতে পারে। সংখ্যাগুলো প্রতিবছর বদলায়, তবে এই ক্রম বদলায়নি। - ১৯. জমতিয়েন সম্মেলন ১৯৯০ এর ঘোষণা কোনটি?
- ক. সবার জন্য শিক্ষা
- খ. সবার জন্য পুষ্টি
- গ. সবার জন্য বিদ্যালয়
- ঘ. সবার জন্য পাঠ্যবই
উত্তর: ক. সবার জন্য শিক্ষা
থাইল্যান্ডের জমতিয়েন শহরে ১৯৯০ সালে ‘সবার জন্য শিক্ষা’ (Education for All) বিষয়ে বিশ্ব সম্মেলন হয়। সেখানে ঘোষণা করা হয় যে প্রতিটি শিশু, কিশোর ও বয়স্ক মানুষের মৌলিক শিক্ষার সুযোগ থাকতে হবে। এই ঘোষণা পৃথিবীর বহু দেশের প্রাথমিক শিক্ষানীতিকে প্রভাবিত করে।
মনে রাখুন:
এর পরের বড় সম্মেলন ২০০০ সালে সেনেগালের ডাকারে, যেখানে ২০১৫ সালের মধ্যে লক্ষ্য পূরণের অঙ্গীকার হয়।
২০১৫ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার ইনচিয়নে শিক্ষা-২০৩০ কর্মসূচি গৃহীত হয়। - ২৫. 'A Brief History of Time' গ্রন্থের লেখক কে?আরও এসেছে: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার ২০১৫
- ক. প্লেটো
- খ. পাবলো নেরুদা
- গ. স্টিফেন হকিং
- ঘ. জওহরলাল নেহেরু
উত্তর: গ. স্টিফেন হকিং
‘A Brief History of Time’ বইয়ের লেখক বিখ্যাত ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং। বইটি ১৯৮৮ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে সহজ ভাষায় মহাবিশ্বের সৃষ্টি, কৃষ্ণগহ্বর (Black hole) ও সময়ের স্বরূপ ব্যাখ্যা করা হয়েছে। বিজ্ঞানের কঠিন বিষয় সাধারণ পাঠককে বোঝানোর কারণে বইটি সারা পৃথিবীতে বিপুল জনপ্রিয় হয়। প্লেটো, নেরুদা বা নেহেরুর কেউই এ ধরনের বিজ্ঞানগ্রন্থ লেখেননি।
মনে রাখুন:
স্টিফেন হকিং ২০১৮ সালের ১৪ মার্চ মারা যান।
প্লেটো গ্রিক দার্শনিক, পাবলো নেরুদা চিলির কবি, আর জওহরলাল নেহেরু ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী। - ২৭. আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF)-এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
- ক. লন্ডন
- খ. জেনেভা
- গ. নিউইয়র্ক
- ঘ. ওয়াশিংটন ডি.সি.
উত্তর: ঘ. ওয়াশিংটন ডি.সি.
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (International Monetary Fund) বা IMF-এর সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডি.সি.-তে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করার জন্য ১৯৪৪ সালের ব্রেটন উডস সম্মেলনে এর পরিকল্পনা করা হয় এবং সংস্থাটি কাজ শুরু করে ১৯৪৫ সালে। সদস্য দেশগুলোর অর্থনৈতিক সংকটে, বিশেষ করে লেনদেন ভারসাম্যের ঘাটতিতে, এটি ঋণ ও পরামর্শ দেয়।
মনে রাখুন:
বিশ্বব্যাংকের সদর দপ্তরও ওয়াশিংটন ডি.সি.-তে।
জাতিসংঘের সদর দপ্তর নিউইয়র্কে, আর বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সদর দপ্তর জেনেভায়। - ৩৭. SDG বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ৪নং লক্ষ্যমাত্রা ফোকাস কোনটি?
- ক. কর্মমুখী শিক্ষা
- খ. টেকসই উন্নয়নে শিক্ষা
- গ. সবার জন্য শিক্ষা
- ঘ. মানসম্মত শিক্ষা
উত্তর: ঘ. মানসম্মত শিক্ষা
জাতিসংঘের ২০১৫ সালে গৃহীত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় (Sustainable Development Goals) মোট ১৭টি লক্ষ্য আছে। এর ৪ নম্বর লক্ষ্যের মূল কথা ‘মানসম্মত শিক্ষা’ (Quality Education), অর্থাৎ সবার জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমতাভিত্তিক মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং আজীবন শেখার সুযোগ দেওয়া।
মনে রাখুন:
লক্ষ্য ১: দারিদ্র্য নির্মূল।
লক্ষ্য ২: ক্ষুধা মুক্তি।
লক্ষ্য ৩: সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ।
লক্ষ্য ৫: লিঙ্গ সমতা।
লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের সময়সীমা ২০৩০ সাল। - ৪৫. নিচের কোন রাষ্ট্রটি নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য নয়?
- ক. যুক্তরাজ্য
- খ. যুক্তরাষ্ট্র
- গ. জাপান
- ঘ. ফ্রান্স
উত্তর: গ. জাপান
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য ১৫টি। এর মধ্যে ৫টি স্থায়ী সদস্য এবং ১০টি অস্থায়ী সদস্য। স্থায়ী সদস্য হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন, যাঁরা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিজয়ী শক্তি। জাপান স্থায়ী সদস্য নয়, তবে একাধিকবার অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়েছে। প্রশ্নের তিনটি বিকল্প দেশ, অর্থাৎ যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্স, স্থায়ী সদস্য।
মনে রাখুন:
স্থায়ী সদস্যদের ভেটো (Veto) ক্ষমতা আছে।
অস্থায়ী সদস্যের মেয়াদ ২ বছর।
জার্মানি, ভারত, ব্রাজিল ও জাপান স্থায়ী সদস্যপদ চায়। - ৫৬. বহুল আলোচিত ব্যক্তি জামাল খাসোগী কে ছিলেন?
- ক. একজন সাংবাদিক
- খ. সাহিত্যিক
- গ. একজন রাজনীতিবিদ
- ঘ. বিজ্ঞানী
উত্তর: ক. একজন সাংবাদিক
জামাল খাশোগি ছিলেন সৌদি আরবের বিখ্যাত সাংবাদিক ও কলামিস্ট, যিনি ওয়াশিংটন পোস্টে লিখতেন। সৌদি রাজপরিবারের নীতির সমালোচক হওয়ায় তিনি দেশ ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে বাস করছিলেন। ২০১৮ সালের ২ অক্টোবর কাগজপত্রের কাজে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটে ঢোকার পর তাঁকে হত্যা করা হয়। ঘটনাটি নিয়ে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোচনা হয় এবং সৌদি শাসনের প্রতি সমালোচনা বাড়ে। এই কারণে তিনি সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার একটি পরিচিত প্রতীক হয়ে ওঠেন।
মনে রাখুন: তিনি সাংবাদিক ছিলেন, রাজনীতিবিদ, সাহিত্যিক বা বিজ্ঞানী ছিলেন না। - ৬৪. আয়তনে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দেশ কোনটি?আরও এসেছে: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার ২০১৫
- ক. রাশিয়া
- খ. যুক্তরাষ্ট্র
- গ. চীন
- ঘ. কানাডা
উত্তর: ক. রাশিয়া
আয়তনের হিসাবে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দেশ রাশিয়া, যার আয়তন প্রায় ১ কোটি ৭১ লাখ বর্গকিলোমিটার। দেশটি পূর্ব ইউরোপ থেকে উত্তর এশিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত। এর পরের স্থানে আছে কানাডা। যুক্তরাষ্ট্র ও চীন আয়তনে এদের পরে, আর দুটির আয়তন কাছাকাছি।
মনে রাখুন:
আয়তনে সবচেয়ে ছোট দেশ ভ্যাটিকান সিটি।
জনসংখ্যায় ২০২০ সালে সবচেয়ে বড় দেশ ছিল চীন।
হালনাগাদ: ২০২৩ সাল থেকে জনসংখ্যায় ভারত চীনকে ছাড়িয়ে সবচেয়ে বড় দেশ। - ৬৬. সার্কের সচিবালয় কোথায় অবস্থিত?
- ক. দিল্লি
- খ. ইসলামাবাদ
- গ. ঢাকা
- ঘ. কাঠমান্ডু
উত্তর: ঘ. কাঠমান্ডু
সার্কের (দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা, SAARC) সচিবালয় নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অবস্থিত। সদস্য দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা বাড়ানোই সংস্থাটির উদ্দেশ্য। সচিবালয়টি ১৯৮৭ সালের ১৬ জানুয়ারি চালু হয়। সংস্থাটির প্রতিষ্ঠার পেছনে বড় ভূমিকা ছিল বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রস্তাবের।
মনে রাখুন:
১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকায় সার্ক গঠিত হয়।
সার্কের সদস্য ৮টি দেশ।
সার্কের সচিবালয় ঢাকা, দিল্লি বা ইসলামাবাদে নয়। - ৭৫. সুয়েজ খাল কোথায় অবস্থিত?আরও এসেছে: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার ২০১৫
- ক. মিসর
- খ. কুয়েত
- গ. মরক্কো
- ঘ. ইরাক
উত্তর: ক. মিসর
সুয়েজ খাল মিসরে অবস্থিত। এটি মানুষের তৈরি একটি খাল, যা ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে যুক্ত করেছে। এর ফলে ইউরোপ থেকে এশিয়ায় যেতে আফ্রিকা ঘুরে আসতে হয় না, পথ অনেক ছোট হয়ে যায়। খালটির খনন শুরু হয় ১৮৫৯ সালে এবং ১৮৬৯ সালে এটি নৌ চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়।
মনে রাখুন:
১৯৫৬ সালে মিসর খালটি জাতীয়করণ করে, যার ফলে সুয়েজ সংকট দেখা দেয়।
আমেরিকা মহাদেশে পানামা খাল প্রশান্ত ও আটলান্টিক মহাসাগরকে যুক্ত করেছে।
ইংরেজি
- ১২. The noun form of the word 'spontaneous' is—
- ক. spanteneously
- খ. spontaneity
- গ. Spontaneousity
- ঘ. spontaneausible
উত্তর: খ. spontaneity
Spontaneous একটি adjective, যার অর্থ স্বতঃস্ফূর্ত, অর্থাৎ যা কারও আদেশ বা পরিকল্পনা ছাড়া নিজে থেকেই ঘটে। যখন কোনো adjective-কে noun বানাতে চাই, তখন সাধারণত শেষে -ity, -ness ইত্যাদি suffix যোগ করা হয়। এভাবে spontaneous থেকে spontaneity (স্বতঃস্ফূর্ততা) হয়। Spontaneousness শব্দটিও noun হিসেবে চলে, তবে অপশনে শুধু spontaneity ঠিক আছে। Spontaneously হলো adverb, তাই সেটি noun নয়। বাকি দুটি অপশনের কোনো অর্থই নেই।
মনে রাখুন: এ ধরনের আরও noun: generous থেকে generosity, curious থেকে curiosity, simultaneous থেকে simultaneity। - ১৬. Put the correct preposition in the blank. I am quite — home in Algebra.
- ক. at
- খ. for
- গ. in
- ঘ. of
উত্তর: ক. at
‘At home in something’ মানে কোনো বিষয়ে স্বচ্ছন্দ বা দক্ষ হওয়া। তাই বাক্যটির অর্থ ‘আমি বীজগণিতে বেশ দক্ষ’ এবং এখানে preposition হিসেবে at বসে, যাতে at home in-এর আগের অংশ পূর্ণ হয়: I am quite at home in Algebra।
মনে রাখুন: একই ধরনের idiom, যেমন at home with someone মানে কারও সঙ্গে সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করা। - ১৭. — the letter tonight, Rahim will post it tomorrow.
- ক. Finishing
- খ. Finished
- গ. To finish
- ঘ. Finish
উত্তর: ক. Finishing
বাক্যের দুটি কাজের কর্তা একই ব্যক্তি রহিম, সে প্রথমে চিঠিটি শেষ করবে এবং তারপর ডাকে দেবে। এমন ক্ষেত্রে প্রথম কাজটি present participle দিয়ে বলা যায়: Finishing the letter tonight, Rahim will post it tomorrow। Finished, To finish বা Finish এখানে ব্যাকরণগতভাবে মেলে না।
মনে রাখুন: Participle phrase-এর অব্যবহিত পরের পদটিই সেই কাজের কর্তা হওয়া উচিত, নইলে বাক্যে অসঙ্গতি তৈরি হয়। - ২১. 'In black and white' means—
- ক. Directly
- খ. Painted
- গ. In writing
- ঘ. Orally
উত্তর: গ. In writing
‘In black and white’ ইডিয়মের অর্থ লিখিত আকারে, অর্থাৎ In writing। যেমন, ‘Please give me the promise in black and white’ মানে, প্রতিশ্রুতিটি লিখে দিন। এছাড়া ‘to see things in black and white’ বললে বোঝায় কোনো বিষয়কে শুধু ভালো বা শুধু মন্দ হিসেবে দেখা।
মনে রাখুন: Orally মানে মুখে মুখে, Directly মানে সরাসরি, Painted মানে রং করা, কোনোটিই এই অর্থ বোঝায় না। - ২৩. Which of the following is the correct sentence?
- ক. He is tired of the job.
- খ. He is tired to his job.
- গ. He is tired by the job.
- ঘ. He is tired with the job.
উত্তর: ক. He is tired of the job.
Tired of something মানে কোনো কিছুতে বিরক্ত বা ক্লান্ত হয়ে পড়া। তাই ‘He is tired of the job’ বাক্যে preposition of সঠিক। কাজটির প্রতি তার আর আগ্রহ নেই, এমন ভাব এতে প্রকাশ পায়।
মনে রাখুন:
Tired from মানে কোনো পরিশ্রমের ফলে শারীরিক ক্লান্তি, যেমন tired from the journey।
Be tired of এবং be fed up with প্রায় একই অর্থ বোঝায়। - ২৮. A person who performs tricks with hands is called—
- ক. conspirator
- খ. magician
- গ. conjurer
- ঘ. juggler
উত্তর: গ. conjurer
যে ব্যক্তি হাতের কৌশল বা সূক্ষ্ম হাতসাফাইয়ে চোখ ধাঁধানো খেলা দেখায়, তাকে conjurer বলে। বাক্যে বলা আছে ‘tricks with hands’, অর্থাৎ হাতের কৌশলে ভেলকি। Magician শব্দটিও জাদুকর বোঝায়, তবে সেটি আরও ব্যাপক অর্থে, যেমন অলৌকিক শক্তির অধিকারী। তাই এখানে হাতের কৌশলের কথা বলায় conjurer সবচেয়ে মানানসই উত্তর। Conjure ক্রিয়াটির অর্থ ম্যাজিকের মতো কিছু হাজির করা।
মনে রাখুন:
Conspirator মানে ষড়যন্ত্রকারী।
Juggler একসঙ্গে অনেক বল বা বস্তু শূন্যে ছুড়ে খেলা দেখায়। - ৩৪. The correct passive form of the sentence 'I saw him fall from the tree' is—
- ক. He was seen by me to fall from the tree
- খ. The tree was seen to fall by me.
- গ. He was seen to fall from the tree by me
- ঘ. He was seen falling from the tree by me.
উত্তর: গ. He was seen to fall from the tree by me
I saw him fall from the tree বাক্যে saw একটি অনুভূতিবাচক ক্রিয়া এবং fall-এর আগে to নেই। Active-এ এমন bare infinitive থাকলে passive-এ তার আগে to বসে। তাই passive হয়: He was seen to fall from the tree by me।
মনে রাখুন: Active-এ -ing থাকলে passive-এও -ing থাকে, যেমন I saw him falling → He was seen falling by me। এই বাক্যে fall আছে, falling নেই, তাই to-infinitive-ই ঠিক। - ৪০. It's time you — your mistakes.
- ক. have realized
- খ. had realized
- গ. realizede
- ঘ. realized
উত্তর: ঘ. realized
‘It is time’ বা ‘It’s high time’-এর পর subject থাকলে সাধারণত verb-এর past form বসে, যদিও অর্থ বর্তমান বা ভবিষ্যৎ নিয়ে। তাই সঠিক বাক্য: It’s time you realized your mistakes। অর্থাৎ, এখন সময় হয়েছে তোমার ভুল বোঝার।
উদাহরণ:
It is time we left.
It’s high time he apologised.
মনে রাখুন: ‘It is time to + verb’ কাঠামোতেও একই ভাব প্রকাশ করা যায়, যেমন It’s time to leave। - ৪৬. Which of the following has the correct spelling?
- ক. joandice
- খ. johnice
- গ. jondice
- ঘ. jaundice
উত্তর: ঘ. jaundice
Jaundice (জন্ডিস) শব্দের সঠিক বানান j-a-u-n-d-i-c-e। এটি রক্তে বিলিরুবিন নামের পদার্থ বেড়ে গিয়ে ত্বক ও চোখের সাদা অংশ হলুদ হয়ে যাওয়ার রোগ। শব্দটি ফরাসি jaune (হলুদ) থেকে এসেছে, তাই ‘jaun-’ অংশটি মনে রাখলে বানান সহজ হয়। ‘Jaundiced view’ বললে বোঝায় হিংসা বা বিদ্বেষে ভরা দৃষ্টিভঙ্গি। বাকি তিনটি বানানে ‘au’ ও ‘ice’ ঠিকভাবে বসেনি।
মনে রাখুন: ভুল বানানের ফাঁদে ফেলার মতো আরও কিছু শব্দ: pneumonia, rhythm, committee। - ৪৭. The synonym of the word 'lunatic' is—
- ক. lazy
- খ. hypnotized
- গ. wise
- ঘ. mad
উত্তর: ঘ. mad
Lunatic মানে পাগল বা মানসিকভাবে অস্থির ব্যক্তি, এর সমার্থক শব্দ mad। শব্দটি এসেছে ল্যাটিন luna (চাঁদ) থেকে, কারণ পুরোনো দিনে মানুষ ভাবত চাঁদের প্রভাবে মানুষের মাথা খারাপ হয়। বাংলায় ‘চন্দ্রাহত’ ধরনের কল্পনার সঙ্গে এর মিল আছে। এই উৎস মনে রাখলে lunar (চাঁদ-সংক্রান্ত) শব্দটির সঙ্গেও এর সম্পর্ক বোঝা যায়।
মনে রাখুন:
Lazy মানে অলস, hypnotized মানে সম্মোহিত, wise মানে জ্ঞানী। এগুলো lunatic-এর সমার্থক নয়।
Lunatic-এর আরও সমার্থক: insane, crazy। - ৪৮. Choose the right sentence :
- ক. Gold is a precious metal
- খ. Gold is precious metal
- গ. The gold is a precious metal
- ঘ. A gold is precious metal
উত্তর: ক. Gold is a precious metal
‘Gold is a precious metal’ সঠিক বাক্য। এখানে দুটি আলাদা noun আছে। Gold একটি পদার্থের নাম (material noun), যা সাধারণ অর্থে ব্যবহার হলে এর আগে article বসে না। আর metal একটি গণনীয় (countable) noun, তাই একবচনে এর আগে ‘a’ বসাতে হয়, ফলে ‘a precious metal’ বলতে হয়। Option B-তে metal-এর আগে article নেই, আবার C ও D-তে gold-এর আগে অনাবশ্যক article আছে।
মনে রাখুন:
Countable singular noun-এর আগে a/an বসে।
Common material noun (gold, iron, water) সাধারণ অর্থে ব্যবহার হলে আগে article লাগে না। - ৪৯. Find out the correct spelling :
- ক. Buroaucacy
- খ. Buorocracy
- গ. Burocracy
- ঘ. Bureaucracy
উত্তর: ঘ. Bureaucracy
সঠিক বানান Bureaucracy, অর্থ আমলাতন্ত্র। শব্দটি ফরাসি bureau (দপ্তর বা লেখার টেবিল) এবং গ্রিক kratos (শাসন) থেকে তৈরি। অর্থাৎ যেখানে সরকারি কাজ কর্মকর্তাদের নিয়মের বেড়াজালে চলে। বানান মনে রাখার উপায় হলো শুরুতে bureau লিখে তার পরে cracy যোগ করা। Burocracy বা Buorocracy-র মতো বানানে ‘ea’ অক্ষর বাদ পড়ে গেছে, তাই সেগুলো ভুল।
মনে রাখুন: এর ব্যক্তিবাচক রূপ bureaucrat, আর বিশেষণ bureaucratic।
আরও -cracy শব্দ: democracy (গণতন্ত্র), aristocracy (অভিজাততন্ত্র)। - ৫০. He was accused— inciting others to revolt.
- ক. under
- খ. of
- গ. by
- ঘ. for
উত্তর: খ. of
Accuse ক্রিয়া কোনো কাজের অভিযোগ করার সময় preposition ‘of’ সঙ্গে নেয়: accuse someone of doing something। তাই বাক্যটি হবে ‘He was accused of inciting others to revolt’, অর্থাৎ অন্যদের বিদ্রোহে উসকানি দেওয়ার অভিযোগ তার ওপর আনা হয়েছে। Preposition এখানে ‘of’-এর জায়গায় by, under বা for বসালে idiom ঠিক থাকে না। এ ধরনের বাক্যে verb-এর সঙ্গে নির্দিষ্ট preposition মুখস্থ রাখতে হয়।
মনে রাখুন:
Charge someone with (অভিযোগে আসামি করা)।
Convict of (দোষী সাব্যস্ত করা)।
Suspect of (সন্দেহ করা)। - ৫৩. — English are industrious.
- ক. A
- খ. No articles
- গ. The
- ঘ. An
উত্তর: গ. The
জাতি বা জনগোষ্ঠী বোঝাতে nationality-বাচক শব্দের আগে the বসে। ‘The English’ মানে ইংরেজ জাতি, তাই ‘The English are industrious’ বাক্যে the সঠিক। A/An একবচন গণনীয় নামের আগে বসে, আর এখানে জাতিবাচক বহুবচন অর্থ বোঝাচ্ছে।
মনে রাখুন:
The Bangladeshis, the French, the Chinese একই নিয়মে লেখা হয়।
ভাষা বোঝালে article লাগে না, যেমন English is an international language। - ৫৭. 'A cock and bull story' means—
- ক. a tragedy
- খ. a false story
- গ. an animal story
- ঘ. a story about a cock and a bull
উত্তর: খ. a false story
‘A cock and bull story’ হলো মনগড়া, অবিশ্বাস্য বা আষাঢ়ে গল্প, অর্থাৎ a false story। কেউ এমন গল্প বললে বোঝা যায় যে তা সত্য নয়, কেবল বানানো কথা। শব্দগুলোর আক্ষরিক অর্থ (মোরগ ও ষাঁড়ের গল্প) এখানে খাটে না।
মনে রাখুন: এ ধরনের আরও ইডিয়ম: a white elephant (অকেজো ও ব্যয়বহুল বস্তু), a blue moon (খুবই বিরল ঘটনা)। - ৬০. A fantasy is—
- ক. a history record
- খ. a real-life event
- গ. an imaginary story
- ঘ. a funny film
উত্তর: গ. an imaginary story
Fantasy মানে অলীক কল্পনা, অর্থাৎ বাস্তবে যা ঘটে না কিন্তু কল্পনায় গড়া হয়, তেমন গল্প বা ভাবনা। তাই অপশনের মধ্যে ‘an imaginary story’ সঠিক। ‘A real-life event’ এর বিপরীত, আর ‘a history record’ বা ‘a funny film’ এই শব্দের অর্থ নয়।
উদাহরণ:
Harry Potter একটি fantasy গল্প।
মনে রাখুন: Fantasy-র বিশেষণ fantastic আর এর বিপরীত reality। - ৬৩. A specialist in eye disease is called a/an—
- ক. Optician
- খ. Neurologist
- গ. Cardiologist
- ঘ. Ophthalmologist
উত্তর: ঘ. Ophthalmologist
চক্ষুরোগের চিকিৎসাবিশেষজ্ঞকে Ophthalmologist বলে। এঁরা চোখের রোগ নির্ণয় করেন, ওষুধ দেন এবং প্রয়োজনে অস্ত্রোপচারও করেন। Optician চশমা বানায় ও চোখের পরীক্ষা অনুযায়ী লেন্স জোগান দেয়, কিন্তু রোগের চিকিৎসা করে না। Neurologist স্নায়ুরোগের এবং Cardiologist হৃদরোগের চিকিৎসক। ‘Ophthalmo-’ অংশটি গ্রিক শব্দ থেকে এসেছে, যার অর্থ চোখ।
মনে রাখুন: আরও কয়েকটি বিশেষজ্ঞ: Dermatologist (চর্মরোগ), Pediatrician (শিশুরোগ), Orthopedist (হাড়ের রোগ)। - ৭১. Alfred Tennyson is a—
- ক. dramatist
- খ. painter
- গ. novelist
- ঘ. poet
উত্তর: ঘ. poet
আলফ্রেড টেনিসন (Alfred Tennyson, ১৮০৯–১৮৯২) ভিক্টোরীয় যুগের একজন প্রধান ইংরেজ কবি। তাঁর কবিতায় সুরের মাধুর্য ও গীতিময়তা বিশেষভাবে চোখে পড়ে। ১৮৫০ সালে ওয়ার্ডসওয়ার্থের মৃত্যুর পর তিনি ইংল্যান্ডের রাজকবি (Poet Laureate) নিযুক্ত হন। তাই তিনি নাট্যকার, চিত্রশিল্পী বা ঔপন্যাসিক হিসেবে নয়, কবি হিসেবেই পরিচিত।
মনে রাখুন:
টেনিসনের বিখ্যাত রচনা: In Memoriam, Ulysses, The Charge of the Light Brigade, Idylls of the King। - ৭৩. The synonym of the word 'beginner' is—
- ক. adroit
- খ. fresh
- গ. novice
- ঘ. expert
উত্তর: গ. novice
Beginner মানে যে কোনো কাজ বা বিষয়ে সবে শুরু করেছে, অর্থাৎ নবিস বা শিক্ষানবিশ। Novice শব্দেরও এই একই অর্থ, তাই এটিই সমার্থক। বাকি শব্দগুলোর অর্থ আলাদা: Adroit মানে নিপুণ বা দক্ষ, Fresh মানে টাটকা বা সতেজ, আর Expert মানে বিশেষজ্ঞ, যা Beginner-এর ঠিক উল্টো অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখুন: Novice-এর সমার্থক Amateur, Tyro, Greenhorn। বিপরীত শব্দ Expert, Veteran, Adept। - ৭৭. 'Whom do you want?' — the correct passive form of this sentence will be—
- ক. Whom is wanted by you?
- খ. Who is wanted by you?
- গ. By whom are you wanted?
- ঘ. By whom you are wanted?
উত্তর: খ. Who is wanted by you?
‘Whom do you want?’ বাক্যটি Present Indefinite Tense-এর, এবং এখানে ‘Whom’ হলো কর্ম (Object)। প্রশ্নবোধক বাক্যে কর্ম যখন Passive-এ কর্তা হয়ে যায়, তখন ‘Whom’-এর জায়গায় ‘Who’ বসে। কাঠামোটি হলো Who + is/am/are + verb-এর past participle + by + কর্তার objective রূপ। তাই বাক্যটি হয় ‘Who is wanted by you?’। ‘By whom are you wanted?’ বাক্যে অর্থ উল্টে যায়, কারণ তাতে ‘you’ হয়ে যায় যাকে চাওয়া হচ্ছে সে, অথচ মূল বাক্যে ‘you’ হলো যে চাইছে সে।
মনে রাখুন:
Who do you want? → Who is wanted by you? (Whom-এর Passive-এ Who হয়)
Who-এর Passive-এ By whom ব্যবহার হয়, যেমন Who did it? → By whom was it done?
শিক্ষাবিজ্ঞান
- ৭৮. Andragogy বলতে কী বোঝায়?
- ক. শিশু শিখন তত্ত্ব ও তার প্রয়োগ
- খ. বয়স্ক শিখন তত্ত্ব ও তার প্রয়োগ
- গ. শিক্ষায় মনোবৈজ্ঞানিক তত্ত্ব্যের প্রয়োগ
- ঘ. উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা বিজ্ঞান
উত্তর: খ. বয়স্ক শিখন তত্ত্ব ও তার প্রয়োগ
Andragogy শব্দটি এসেছে গ্রিক ‘andr’ (পূর্ণবয়স্ক পুরুষ) আর ‘agogos’ (পরিচালনা করা) থেকে, তাই এর অর্থ বয়স্কদের শিখনের তত্ত্ব ও তার প্রয়োগ। মার্কিন শিক্ষাবিদ ম্যালকম নোলস (Malcolm Knowles) এই ধারণাটি জনপ্রিয় করেন। তাঁর মতে বয়স্করা নিজের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে, নিজের প্রয়োজন বুঝে এবং বাস্তব সমস্যা সমাধানের জন্য শেখে।
মনে রাখুন: শিশুদের শেখানোর বিদ্যাকে Pedagogy বলে, আর শিক্ষার্থী নিজেই নিজের শেখা পরিচালনা করলে তাকে Heutagogy বলা হয়। - ৭৯. স্কিমা কী?
- ক. মানসিক বিকাশের ধাপ
- খ. চিন্তার এক বিশেষ কাঠামো
- গ. সুগঠিত কাজ করার ক্ষমতা
- ঘ. পিয়াজের তত্ত্বের একটি মানসিক অবস্থা
উত্তর: খ. চিন্তার এক বিশেষ কাঠামো
স্কিমা (Schema) হলো মনের ভেতরে জ্ঞানকে সাজিয়ে রাখার একটি কাঠামো, যার সাহায্যে আমরা নতুন অভিজ্ঞতাকে বুঝে নিই। যেমন একটি শিশুর মনে ‘কুকুর’ সম্পর্কে একটি স্কিমা থাকে: চার পা, লেজ আছে, ঘেউ ঘেউ করে। জ্যাঁ পিয়াজের মতে নতুন অভিজ্ঞতা পেলে শিশু হয় তা পুরোনো স্কিমায় মিলিয়ে নেয়, নয়তো স্কিমাটি বদলে ফেলে, আর এভাবেই চিন্তার কাঠামো বড় হয়।
মনে রাখুন:
আত্তীকরণ (Assimilation): নতুন তথ্য পুরোনো স্কিমায় মিলিয়ে নেওয়া।
উপযোজন (Accommodation): নতুন তথ্যের জন্য স্কিমা বদলে নেওয়া। - ৮০. করণ শিখন তত্ত্বের প্রধান প্রত্যয় যুগল কোনটি?
- ক. প্রেষণা ও সন্তুষ্টি
- খ. ভুল ও সংশোধন
- গ. পরিবেশ ও উদ্দীপনা
- ঘ. পুরস্কার ও শাস্তি
উত্তর: ঘ. পুরস্কার ও শাস্তি
করণ শিখন (Operant Conditioning) তত্ত্বটি দিয়েছেন মার্কিন মনোবিজ্ঞানী বি. এফ. স্কিনার (B. F. Skinner)। এই তত্ত্ব অনুযায়ী কোনো আচরণের পরে কী ফল আসে, তার ওপর নির্ভর করে আচরণটি আবার ঘটবে কি না। আচরণের পর পুরস্কার পেলে আচরণটি জোরদার হয়, আর শাস্তি পেলে তা কমে যায়। তাই এ তত্ত্বের প্রধান প্রত্যয় যুগল পুরস্কার ও শাস্তি।
মনে রাখুন: স্কিনার তাঁর পরীক্ষায় ইঁদুর ও কবুতর ব্যবহার করেছিলেন, আর যে বাক্সে পরীক্ষাটি হয় তাকে ‘স্কিনার বক্স’ বলে। প্যাভলভের তত্ত্বকে বলা হয় সাপেক্ষ বা ধ্রুপদি শিখন (Classical Conditioning)। - ৮১. জাঁ পিয়াজে কোন তত্ত্বের মাধ্যমে শিক্ষায় অবদান রেখেছেন?
- ক. বহুমাত্রিক বুদ্ধিমত্তা তত্ত্ব
- খ. জ্ঞানমূলক তত্ত্ব
- গ. অভিযোজন তত্ত্ব
- ঘ. প্রেষণী তত্ত্ব
উত্তর: খ. জ্ঞানমূলক তত্ত্ব
জ্যাঁ পিয়াজে শিশুর চিন্তা ও বোঝার ক্ষমতা কীভাবে ধাপে ধাপে গড়ে ওঠে, তা গবেষণা করে ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর এই তত্ত্বকে জ্ঞানমূলক বা প্রজ্ঞাবিকাশের তত্ত্ব (Cognitive Development Theory) বলা হয়। তিনি দেখিয়েছেন যে শিশু ছোট আকারের বড় মানুষ নয়, প্রতিটি বয়সে তার চিন্তার ধরন আলাদা। তাই শিক্ষাক্রম ও পাঠদান শিশুর বিকাশের স্তর অনুযায়ী সাজানো উচিত।
মনে রাখুন: বহুমাত্রিক বুদ্ধিমত্তার তত্ত্ব হাওয়ার্ড গার্ডনারের, আর প্রেষণার চাহিদা স্তরের তত্ত্ব আব্রাহাম মাসলোর। - ৮২. ব্যাপক অর্থে ‘শিক্ষা’র ধারণা কোনটি অধিক গ্রহণযোগ্য?
- ক. অভিজ্ঞতা অর্জনের মাধ্যমে আচরণের পরিবর্তন
- খ. মানব জীবনের বিকাশ সাধন
- গ. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন
- ঘ. সাক্ষরতা ও জীবন দক্ষতা অর্জন
উত্তর: খ. মানব জীবনের বিকাশ সাধন
সংকীর্ণ অর্থে শিক্ষা বলতে বিদ্যালয়ে বই পড়ে জ্ঞান অর্জন বোঝায়। কিন্তু ব্যাপক অর্থে শিক্ষা জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত চলতে থাকা একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে মানুষের শরীর, মন, আবেগ ও নৈতিকতার সার্বিক বিকাশ ঘটে। পরিবার, সমাজ, প্রকৃতি ও অভিজ্ঞতা সবই এখানে শিক্ষকের কাজ করে। তাই ব্যাপক অর্থে শিক্ষা হলো মানবজীবনের বিকাশ সাধন। আচরণের পরিবর্তন বা প্রতিষ্ঠানে দক্ষতা অর্জন এই বড় ধারণার একেকটি অংশ। - ৮৩. ‘সবার জন্য শিক্ষা’ বলতে প্রকৃতপক্ষে কী বোঝায়?
- ক. সমাজের সর্বস্তরের জনগণের জীবন দক্ষতা অর্জন
- খ. জ্ঞান অন্বেষ (Learning Society) গড়ে তোলা
- গ. একটি দেশের সমগ্র জনগোষ্ঠীর মৌলিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণ
- ঘ. ৬-১০ বছরের সকল শিশুর জন্য প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণ
উত্তর: গ. একটি দেশের সমগ্র জনগোষ্ঠীর মৌলিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণ
সবার জন্য শিক্ষা (Education for All, EFA) ধারণাটি ১৯৯০ সালে থাইল্যান্ডের জমতিয়েন সম্মেলনে গৃহীত হয়। এর মূল কথা হলো, দেশের শিশু, কিশোর, যুবক ও বয়স্ক সব মানুষের মৌলিক শিক্ষার চাহিদা পূরণ করতে হবে। শুধু ৬ থেকে ১০ বছরের শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করা এর একটি অংশ মাত্র, কারণ বয়স্ক নিরক্ষর মানুষও এই লক্ষ্যের ভেতরে পড়েন।
মনে রাখুন: ২০০০ সালে সেনেগালের ডাকার সম্মেলনে ২০১৫ সালের মধ্যে সবার জন্য শিক্ষার ৬টি লক্ষ্য ঠিক করা হয়। - ৮৪. শিক্ষায় সর্বাপেক্ষা নতুন ধারণা কোনটি?
- ক. ধারাবাহিক মূল্যায়ন
- খ. ই-লার্নিং
- গ. কারিগরি শিক্ষা
- ঘ. সৃজনশীল মূল্যায়ন
উত্তর: খ. ই-লার্নিং
তালিকার ধারণাগুলোর মধ্যে ই-লার্নিং (E-learning) সবচেয়ে নতুন। কম্পিউটার, মোবাইল ফোন আর ইন্টারনেট সহজলভ্য হওয়ার পরেই অনলাইনে ক্লাস করা, ভিডিও দেখে শেখা ও দূর থেকে পরীক্ষা দেওয়ার মতো সুযোগ তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে কারিগরি শিক্ষা বহু পুরোনো, আর ধারাবাহিক মূল্যায়ন ও সৃজনশীল মূল্যায়নও ডিজিটাল যুগের আগে থেকেই শিক্ষায় প্রচলিত।
মনে রাখুন: সরাসরি ক্লাস ও অনলাইন শিখন একসঙ্গে চালালে তাকে মিশ্র শিখন (Blended Learning) বলে। - ৮৫. একজন কাউন্সেলর একটি অপরাধ প্রবণ কিশোরের ধারাবাহিকভাবে তথ্য সংগ্রহ করলেন? তিনি কোন পদ্ধতি ব্যবহার করলেন?
- ক. পর্যবেক্ষণ
- খ. কেস স্টাডি
- গ. ক্রম বিকাশ
- ঘ. পরীক্ষণ
উত্তর: খ. কেস স্টাডি
কোনো একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে গভীরভাবে বোঝার জন্য তার পরিবার, বন্ধু, বিদ্যালয়, স্বাস্থ্য ও অতীত ইতিহাসসহ নানা দিকের তথ্য দীর্ঘ সময় ধরে ধারাবাহিকভাবে সংগ্রহ করাকে কেস স্টাডি বা ব্যক্তি-অধ্যয়ন (Case Study) বলে। একজন অপরাধপ্রবণ কিশোরের সমস্যার শিকড় খুঁজতে কাউন্সেলর ঠিক এই পদ্ধতিই ব্যবহার করেন। পর্যবেক্ষণ, সাক্ষাৎকার বা প্রশ্নমালা হলো কেস স্টাডির ভেতরে তথ্য সংগ্রহের একেকটি কৌশল।
মনে রাখুন: নির্দেশনা ও পরামর্শদান (Guidance and Counselling) কাজে কেস স্টাডিকে সবচেয়ে পূর্ণাঙ্গ পদ্ধতি ধরা হয়। - ৮৬. নিচের কোনটি মনোপেশিজ ক্ষেত্রের শিখন উদ্দেশ্য?
- ক. তথ্য উপাত্ত থেকে লেখচিত্র অঙ্কন
- খ. অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে অণুজীব শনাক্তকরণ
- গ. কবিতার যথার্থ অনুধাবন
- ঘ. গাণিতিক সমস্যা সমাধান
উত্তর: খ. অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে অণুজীব শনাক্তকরণ
মনোপেশিজ ক্ষেত্র (Psychomotor Domain) হলো শিখনের সেই ক্ষেত্র, যেখানে মন ও পেশির সমন্বয়ে হাতে-কলমে কোনো কাজ দক্ষতার সঙ্গে করতে হয়। অণুবীক্ষণ যন্ত্রের ফোকাস ঠিক করা, স্লাইড বসানো এবং চোখ দিয়ে দেখে অণুজীব শনাক্ত করা এমনই একটি সমন্বিত দক্ষতা, তাই এটি মনোপেশিজ উদ্দেশ্য। কবিতা অনুধাবন বা গাণিতিক সমস্যা সমাধান মূলত চিন্তার কাজ, তাই সেগুলো জ্ঞানমূলক ক্ষেত্রের।
মনে রাখুন: বেঞ্জামিন ব্লুম শিখনের উদ্দেশ্যকে তিনটি ক্ষেত্রে ভাগ করেন: জ্ঞানমূলক (Cognitive), আবেগিক (Affective) ও মনোপেশিজ (Psychomotor)। - ৮৭. শিখন-শেখানো কার্যক্রমের কোনো নির্দিষ্ট সমস্যার সমাধানকল্পে কোন ধরনের গবেষণা বেশি উপযোগী?
- ক. Action Research
- খ. Applied Research
- গ. Survey Research
- ঘ. Functional Research
উত্তর: ক. Action Research
শ্রেণিকক্ষের কোনো নির্দিষ্ট সমস্যা, যেমন কয়েকজন শিক্ষার্থী নিয়মিত পড়া না পারা, সমাধানের জন্য শিক্ষক নিজেই যে ছোট পরিসরের গবেষণা করেন, তাকে ক্রিয়া-গবেষণা (Action Research) বলে। এখানে শিক্ষক সমস্যা চিহ্নিত করেন, কারণ খোঁজেন, সমাধানের একটি কৌশল প্রয়োগ করেন এবং ফল যাচাই করেন। এর ফলাফল সঙ্গে সঙ্গে সেই শ্রেণিতেই কাজে লাগানো যায়, তাই শিখন-শেখানোর নির্দিষ্ট সমস্যায় এটিই সবচেয়ে উপযোগী।
মনে রাখুন: ক্রিয়া-গবেষণার ধারণাটি প্রথম দেন মনোবিজ্ঞানী কার্ট লেউইন (Kurt Lewin)। - ৮৮. Net Enrollment Ratio (NER) বলতে কী বোঝায়?
- ক. নির্দিষ্ট বয়সসীমার শিক্ষার্থীদের শিক্ষাস্তর সমাপনের হার
- খ. নির্দিষ্ট বয়সসীমার শিক্ষার্থীদের শ্রেণিতে উপস্থিতি
- গ. নির্দিষ্ট বয়সসীমার শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে ভর্তির হার
- ঘ. নির্দিষ্ট বয়সসীমার শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার হার
উত্তর: গ. নির্দিষ্ট বয়সসীমার শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে ভর্তির হার
নিট ভর্তির হার (Net Enrollment Ratio, NER) বলতে বোঝায়, একটি নির্দিষ্ট শিক্ষাস্তরের জন্য নির্ধারিত বয়সের মোট শিশুর মধ্যে কত শতাংশ সেই স্তরে ভর্তি আছে। যেমন প্রাথমিক স্তরের বয়স ৬-১০ বছর ধরলে, এই বয়সের মোট শিশুর মধ্যে যতজন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি, তার শতকরা হারই NER।
মনে রাখুন: মোট ভর্তির হার (Gross Enrollment Ratio, GER) হিসাবে বয়স না দেখে স্তরের সব শিক্ষার্থীকে গোনা হয়, তাই GER কখনো কখনো ১০০ শতাংশ ছাড়িয়ে যায়, কিন্তু NER কখনো ১০০ ছাড়ায় না। - ৮৯. শিখন-শেখানো প্রক্রিয়ায় কাকে বেশি গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন?
- ক. শিক্ষা প্রশাসক
- খ. শ্রেণি পরিদর্শক
- গ. শিক্ষক
- ঘ. শিক্ষার্থী
উত্তর: ঘ. শিক্ষার্থী
আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক (Learner-centred), অর্থাৎ শিখন-শেখানো প্রক্রিয়ার কেন্দ্রে থাকে শিক্ষার্থী। শেখার কাজটি শেষ পর্যন্ত শিক্ষার্থীকেই করতে হয়, তাই তার আগ্রহ, প্রয়োজন, সামর্থ্য ও শেখার গতিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হয়। শিক্ষক এখানে জ্ঞান ঢেলে দেওয়ার মানুষ নন, বরং সহায়ক (Facilitator) হিসেবে শিক্ষার্থীকে পথ দেখান। শিক্ষা প্রশাসক বা পরিদর্শক এই প্রক্রিয়াকে বাইরে থেকে সহায়তা করেন। - ৯০. বিজ্ঞান শিখন-শেখানোয় কোন এপ্রোচকে বর্তমানে সুপারিশ করা হয়?
- ক. Inquiry based learning
- খ. Hands on training
- গ. Demonstration based teaching
- ঘ. ICT based teaching
উত্তর: ক. Inquiry based learning
বিজ্ঞান শেখানোয় এখন অনুসন্ধানভিত্তিক শিখন (Inquiry Based Learning) সুপারিশ করা হয়। এ পদ্ধতিতে শিক্ষার্থী প্রথমে একটি প্রশ্ন তোলে, তারপর অনুমান করে, পর্যবেক্ষণ বা পরীক্ষা চালায় এবং পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে নিজেই সিদ্ধান্তে পৌঁছায়। ঠিক এভাবেই বিজ্ঞানীরা কাজ করেন, তাই শিক্ষার্থীর মধ্যে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে ওঠে। হাতে-কলমে কাজ, প্রদর্শন বা আইসিটি এই অনুসন্ধানের সহায়ক মাধ্যম, মূল পদ্ধতি নয়। - ৯২. একীভূত শিক্ষার লক্ষ্য দল কারা?
- ক. ঝুঁকিপূর্ণ শিশু
- খ. প্রতিবন্ধী শিশু
- গ. সকল শিশু
- ঘ. সুবিধাবঞ্চিত শিশু
উত্তর: গ. সকল শিশু
একীভূত শিক্ষার (Inclusive Education) মূল কথা হলো, কোনো শিশুকে বাদ দেওয়া যাবে না। জাতি, ধর্ম, লিঙ্গ, আর্থিক অবস্থা বা প্রতিবন্ধিতা যা-ই হোক, সব শিশু একই বিদ্যালয়ে একই শ্রেণিতে একসঙ্গে পড়বে এবং বিদ্যালয় প্রত্যেকের প্রয়োজন অনুযায়ী নিজেকে মানিয়ে নেবে। তাই এর লক্ষ্য দল সকল শিশু। প্রতিবন্ধী, ঝুঁকিপূর্ণ বা সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা এই বড় দলেরই অংশ।
মনে রাখুন: ১৯৯৪ সালে স্পেনের সালামাঙ্কা ঘোষণার মাধ্যমে একীভূত শিক্ষার ধারণা আন্তর্জাতিকভাবে জোরালো হয়। - ৯৩. ‘শিক্ষা হলো মানুষের অন্তর্নিহিত শক্তিসমূহের পরিপূর্ণ বিকাশ সাধন’-এ উক্তিটি কার?
- ক. পেস্তালৎসী
- খ. হারবার্ট
- গ. ডিউই
- ঘ. এরিস্টটল
উত্তর: ক. পেস্তালৎসী
‘শিক্ষা হলো মানুষের অন্তর্নিহিত শক্তিসমূহের স্বাভাবিক, সুষম ও পরিপূর্ণ বিকাশ সাধন’ কথাটি সুইস শিক্ষাবিদ জোহান হেনরিখ পেস্তালৎসির (Pestalozzi)। তিনি বিশ্বাস করতেন, প্রতিটি শিশুর ভেতরে মাথা, হৃদয় ও হাতের শক্তি লুকিয়ে আছে, আর শিক্ষার কাজ সেগুলোকে জাগিয়ে তোলা। এজন্য তিনি মুখস্থের বদলে ইন্দ্রিয় দিয়ে দেখে ও হাতে-কলমে কাজ করে শেখার ওপর জোর দেন।
মনে রাখুন: জন ডিউইর মতে শিক্ষা হলো অভিজ্ঞতার পুনর্গঠন, আর অ্যারিস্টটলের মতে সুস্থ দেহে সুস্থ মন গড়ে তোলাই শিক্ষা। - ৯৪. নব্য সাক্ষর ব্যক্তির সাক্ষরতা ধরে রাখার জন্য কোন ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে?
- ক. আনন্দ বিদ্যালয়
- খ. গ্রাম শিক্ষা কেন্দ্র
- গ. গণবিদ্যালয়
- ঘ. শিক্ষা কেন্দ্র
উত্তর: ঘ. শিক্ষা কেন্দ্র
যিনি সদ্য পড়তে-লিখতে শিখেছেন, তাঁকে নব্য সাক্ষর বলা হয়। চর্চা না থাকলে এমন মানুষ কিছুদিনের মধ্যেই শেখা বিষয় ভুলে যেতে পারেন, তাই সাক্ষরতা ধরে রাখতে গ্রাম বা মহল্লা পর্যায়ে শিক্ষা কেন্দ্র (Community Learning Centre) চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এসব কেন্দ্রে পড়ার বই, পত্রিকা ও আয়বর্ধক দক্ষতা প্রশিক্ষণের সুযোগ থাকে, ফলে মানুষ জীবনব্যাপী শিখতে পারে।
মনে রাখুন: আনন্দ স্কুল ঝরে পড়া শিশুদের জন্য রিচিং আউট অব স্কুল চিলড্রেন (ROSC) প্রকল্পের অধীনে চালু হয়েছিল। - ৯৫. একীভূত শিক্ষার মূল লক্ষ্য কী?
- ক. শিক্ষক একীভূত প্রশিক্ষণ নিশ্চিতকরণ
- খ. প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ
- গ. সকল শিক্ষার্থীর স্বতন্ত্র শিখনচাহিদা পূরণ
- ঘ. বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের কার্যকর শিখন
উত্তর: গ. সকল শিক্ষার্থীর স্বতন্ত্র শিখনচাহিদা পূরণ
একীভূত শিক্ষা মনে করে, প্রত্যেক শিক্ষার্থী আলাদা, আর প্রত্যেকের শেখার ধরন, গতি ও প্রয়োজনও আলাদা। তাই এর মূল লক্ষ্য শুধু প্রতিবন্ধী বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুকে বিদ্যালয়ে আনা নয়, বরং শ্রেণির সব শিক্ষার্থীর স্বতন্ত্র শিখনচাহিদা পূরণ করা। এজন্য শিক্ষক পাঠদান পদ্ধতি, উপকরণ ও মূল্যায়ন প্রয়োজন অনুযায়ী বদলে নেন। প্রতিবন্ধী শিশুর অংশগ্রহণ বা শিক্ষকের প্রশিক্ষণ এই বড় লক্ষ্য পূরণের একেকটি উপায়। - ৯৬. ‘প্রত্যেক শিশুই কোনো না কোনো বিষয়ে বুদ্ধিমান’- কথাটি কার তত্ত্বে পাওয়া যায়?
- ক. জাঁ পিয়াজে
- খ. হাওয়র্ড গার্ডনার
- গ. প্যাভলভ
- ঘ. স্কিনার
উত্তর: খ. হাওয়র্ড গার্ডনার
মার্কিন মনোবিজ্ঞানী হাওয়ার্ড গার্ডনার (Howard Gardner) ১৯৮৩ সালে বহুমাত্রিক বুদ্ধিমত্তার তত্ত্ব (Theory of Multiple Intelligences) দেন। তাঁর মতে বুদ্ধি কেবল একটি সংখ্যা বা আইকিউ দিয়ে মাপা যায় না, বরং মানুষের মধ্যে নানা ধরনের বুদ্ধি থাকে। কোনো শিশু হয়তো অঙ্কে দুর্বল কিন্তু গান বা খেলায় অসাধারণ, তাই প্রত্যেক শিশুই কোনো না কোনো বিষয়ে বুদ্ধিমান।
মনে রাখুন: গার্ডনারের বুদ্ধিমত্তাগুলোর মধ্যে আছে ভাষাগত, যৌক্তিক-গাণিতিক, স্থানিক, সাংগীতিক, শারীরিক, আন্তঃব্যক্তিক, অন্তঃব্যক্তিক ও প্রকৃতিবাদী বুদ্ধিমত্তা।
সাধারণ জ্ঞান
- ৯১. কোন শিক্ষার লক্ষ্য মানুষের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ও মূল্যবোধ গড়ে তোলা?
- ক. উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা
- খ. নৈতিক শিক্ষা
- গ. ধর্ম শিক্ষা
- ঘ. জীবনব্যাপী শিক্ষা
উত্তর: খ. নৈতিক শিক্ষা
নৈতিক শিক্ষার (Moral Education) মূল লক্ষ্য মানুষের মধ্যে সততা, ন্যায়বোধ, দায়িত্ববোধ, সহমর্মিতা ও শ্রদ্ধার মতো মূল্যবোধ গড়ে তোলা। এই মূল্যবোধ থেকেই মানুষের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হয়, ফলে সে ভালো-মন্দ বিচার করে সঠিক আচরণ করতে পারে। ধর্মশিক্ষাও নৈতিকতা শেখায়, তবে মূল্যবোধ গঠনকে সরাসরি লক্ষ্য হিসেবে ধরে নৈতিক শিক্ষা। উপানুষ্ঠানিক ও জীবনব্যাপী শিক্ষা মূলত শিক্ষা দেওয়ার ধরন বোঝায়।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর: অন্যান্য পরীক্ষা
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ১৪৯১) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ২৫৯৪) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ৩৬৯৭) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ২৮১৫) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৪০২১) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৫১২৪) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৮৪৩৩) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পিটিআই ইন্সট্রাক্টর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পিটিআই ইন্সট্রাক্টর (শিক্ষাবিজ্ঞানসহ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ; ১২ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২০১৪ সালের স্থগিত পরীক্ষা, ১৪ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২০১৪ সালের স্থগিত পরীক্ষা, ১৫ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২০১৪ সালের স্থগিত পরীক্ষা, ২০ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (বরিশাল বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (চট্টগ্রাম বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (ঢাকা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (খুলনা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (রাজশাহী বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (সিলেট বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (চট্টগ্রাম বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (ঢাকা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (খুলনা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (পিইডিপি-২) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (রাজশাহী বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (সিলেট বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (বরিশাল বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৭
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (চট্টগ্রাম বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৭
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (ঢাকা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৭
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (খুলনা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৭
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (রাজশাহী বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৭
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (সিলেট বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৭
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (ধানসিঁড়ি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (দড়াটানা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (যমুনা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (কংস) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (মেঘনা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (পদ্মা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (হেমন্ত; মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য বিশেষ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১০
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (ইছামতি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১০
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (কপোতাক্ষ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১০
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (করতোয়া) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১০
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (সুরমা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১০
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (বসন্ত) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১০
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (তিস্তা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১০
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (তিতাস) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১০
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (যমুনা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (কর্ণফুলী) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (মেঘনা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (পদ্মা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (বুড়িগঙ্গা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (দাজলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (দানিয়ুব) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (হোয়াংহো) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (যমুনা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (ঝিলাম) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (করতোয়া) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (মেঘনা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (মিসিসিপি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (পদ্মা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (রাইন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (শীতলক্ষ্যা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (সুরমা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (ভলগা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (আলফা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৪
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (বিটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৪
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (ডেলটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৪
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (গামা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৪
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৪
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৪
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৪
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিদ্যুৎ বিভাগ বিদ্যুৎ পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন