এনটিআরসিএ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০২৪: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ২০২৪। ৮৯টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →- বাংলা (২৩)
- ইংরেজি (২৪)
- গণিত (২০)
- বাংলাদেশ (১১)
- বিজ্ঞান (২)
- সাধারণ জ্ঞান (২)
- কম্পিউটার ও আইসিটি (১)
- আন্তর্জাতিক (৬)
বাংলা
- ১. চলিত রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়া কেমন হয়?
- ক. দীর্ঘ
- খ. অতিদীর্ঘ
- গ. সংক্ষিপ্ত
- ঘ. অপরিবর্তিত
উত্তর: গ. সংক্ষিপ্ত
সাধু রীতির সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ পূর্ণ ও দীর্ঘ রূপে থাকে, কিন্তু চলিত রীতিতে এগুলো ছোট হয়ে সংক্ষিপ্ত রূপ নেয়। যেমন সাধুতে ‘তাহারা করিয়াছিল’, চলিত রীতিতে ‘তারা করেছিল’। এ কারণে চলিত রীতি মুখের ভাষার কাছাকাছি এবং বলতে সহজ।
উদাহরণ:
সাধু: তাহাকে, যাহারা, খাইতেছি, যাইব।
চলিত: তাকে, যারা, খাচ্ছি, যাব।
মনে রাখুন: সাধু রীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল, তাই এটি নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতার জন্য অনুপযোগী। - ২. কোনো অংশ বাদ দিতে চাইলে কোন চিহ্ন বসবে?
- ক. কমা
- খ. কোলন
- গ. সেমিকোলন
- ঘ. ত্রিবিন্দু
উত্তর: ঘ. ত্রিবিন্দু
উদ্ধৃতি বা লেখার কোনো অংশ ইচ্ছা করে বাদ দেওয়া হলে সেই বাদ পড়া জায়গায় ত্রিবিন্দু (…) বসানো হয়। একে লোপ চিহ্নও বলা হয়, কারণ এটি পাঠককে জানিয়ে দেয় যে এখানে কিছু কথা উহ্য রাখা হয়েছে।
উদাহরণ: তিনি বললেন, ‘আমি যা বলতে চাই… থাক, পরে বলব।’
মনে রাখুন: ইলেক বা লোপ চিহ্ন (’) বসে কোনো শব্দের একটি বর্ণ বাদ পড়লে, যেমন ‘মাথার ’পরে’ (ওপরে)। - ৩. কোন বানানটি শুদ্ধ?
- ক. আশীষ
- খ. শিরচ্ছেদ
- গ. দ্বন্দ্ব
- ঘ. মুমুর্ষূ
উত্তর: গ. দ্বন্দ্ব
‘দ্বন্দ্ব’ শব্দটির শুদ্ধ বানানে দুটি অংশেই ‘দ’-এর সঙ্গে ব-ফলা থাকে: দ্ব-ন্দ্ব। এর অর্থ বিরোধ বা দুইয়ের মিলন, আর ব্যাকরণে একটি সমাসের নামও দ্বন্দ্ব।
বাকিগুলোর শুদ্ধ রূপ: আশীষ নয় ‘আশিস’ (আশীর্বাদ অর্থে), শিরচ্ছেদ নয় ‘শিরশ্ছেদ’ (শিরঃ + ছেদ) এবং মুমুর্ষূ নয় ‘মুমূর্ষু’ (মরণাপন্ন)।
মনে রাখুন: ‘শিরঃ’-এর বিসর্গ ছ-এর আগে ‘শ’ হয়ে যায়, তাই শিরশ্ছেদ। - ৪. ‘Memorandum’ এর পরিভাষা কী?
- ক. পরীক্ষাগার
- খ. গণসংযোগ
- গ. স্মারকলিপি
- ঘ. অবতরণ
উত্তর: গ. স্মারকলিপি
Memorandum হলো কোনো দাবি বা বক্তব্য লিখিত আকারে কর্তৃপক্ষের কাছে পেশ করার দলিল। এর বাংলা পরিভাষা স্মারকলিপি। এ ছাড়া অফিসের চিঠিপত্রে এর সংক্ষিপ্ত রূপ Memo-কে স্মারক বলা হয়।
মনে রাখুন:
Laboratory → পরীক্ষাগার।
Public Relation → জনসংযোগ।
Landing → অবতরণ। - ৫. সাধু ও চলিত রীতির শব্দ একই বাক্যে ব্যবহার করলেতাকে কী বলে?
- ক. গুরুদোষ
- খ. লঘুদোষ
- গ. মিশ্রদোষ
- ঘ. গুরুচণ্ডালী
উত্তর: ঘ. গুরুচণ্ডালী
সাধু ও চলিত রীতির শব্দ একই বাক্যে মিশিয়ে ফেললে বাক্যটি শুনতে বেমানান হয়, একে গুরুচণ্ডালী দোষ বলে। ‘গুরু’ (মর্যাদাপূর্ণ সাধু রীতি) আর ‘চণ্ডাল’ (সাধারণ রীতি) একসঙ্গে বসানোর ধারণা থেকে নামটি এসেছে।
উদাহরণ: ‘গরুর গাড়ি’ শুদ্ধ, কিন্তু ‘গরুর শকট’ বললে গুরুচণ্ডালী দোষ হয়। আবার ‘তাহারা আসছে’ বাক্যে সাধু সর্বনাম ‘তাহারা’ ও চলিত ক্রিয়া ‘আসছে’ মিশে গেছে।
মনে রাখুন: শুদ্ধ রূপ: ‘তারা আসছে’ অথবা ‘তাহারা আসিতেছে’। - ৬. ‘আমড়াগাছি করা’ কী বুঝাতে ব্যবহার করা হয়?
- ক. অযথা তর্ক করা
- খ. অযথা রাগারাগি করা
- গ. অযথা তোষামোদ করা
- ঘ. অযথা আলসেমি করা
উত্তর: গ. অযথা তোষামোদ করা
‘আমড়াগাছি করা’ বাগধারাটির অর্থ অযথা তোষামোদ করা বা কারও মন জোগাতে অহেতুক প্রশংসা করা। কোনো স্বার্থে কাউকে খুশি রাখতে অপ্রয়োজনীয় খোশামোদ করাকেই এভাবে বলা হয়।
মনে রাখুন: একই অর্থে ব্যবহৃত আরও কিছু বাগধারা: তেল দেওয়া, খোশামোদ করা, পায়ে তেল দেওয়া।
‘আমড়া কাঠের ঢেঁকি’ কিন্তু আলাদা বাগধারা, এর অর্থ অপদার্থ। - ৭. হাইফেন কোথায় বসে?
- ক. দুই বাক্যের সংযোগ দেখাতে।
- খ. দুই শব্দের সংযোগ দেখাতে।
- গ. বাক্যে উদ্ধৃতি প্রয়োগ করতে।
- ঘ. উক্তি বা প্রত্যুক্তি বোঝাতে
উত্তর: খ. দুই শব্দের সংযোগ দেখাতে।
হাইফেন (-) বা সংযোগ চিহ্ন বসে দুটি শব্দকে জুড়ে দিতে, বিশেষ করে সমাসবদ্ধ পদের অংশগুলো আলাদা করে দেখাতে। এর ফলে শব্দ দুটি একসঙ্গে একটি অর্থ প্রকাশ করে, আবার আলাদা করে পড়তেও সুবিধা হয়।
উদাহরণ: সুখ-দুঃখ, মা-বাবা, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক।
মনে রাখুন: ড্যাশ (—) হাইফেনের চেয়ে লম্বা, এটি বসে বাক্যের অংশের সংযোগ বা ব্যাখ্যা দেখাতে। - ৮. ‘Look before you leap’ এর সঠিক অনুবাদ কোনটি?
- ক. লাফ দেওয়ার আগে তাকাও।
- খ. ভাবিয়া করিও কাজ।
- গ. দেখে তারপর লাফ দাও।
- ঘ. আকাশকুসুম ভাবিও না।
উত্তর: খ. ভাবিয়া করিও কাজ।
‘Look before you leap’ একটি ইংরেজি প্রবাদ, যার আক্ষরিক অর্থ লাফ দেওয়ার আগে তাকাও। কিন্তু প্রবাদের অনুবাদে আক্ষরিক অর্থ নয়, ভাবটি নিতে হয়। এর মূল ভাব হলো কোনো কাজ করার আগে ভালো করে ভেবে নেওয়া, আর বাংলায় এই ভাবের প্রচলিত প্রবাদ ‘ভাবিয়া করিও কাজ’।
মনে রাখুন: পুরো প্রবাদটি হলো ‘ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও না’।
আরেকটি উদাহরণ: Empty vessels sound much → খালি কলসি বাজে বেশি। - ৯. ‘সর্বনাশ’ অর্থে কোন বাগ্ধারাটি যথোপযুক্ত?
- ক. ভরাডুবি
- খ. রাবণের চিতা
- গ. জগদ্দল পাথর
- ঘ. শাপেবর
উত্তর: ক. ভরাডুবি
‘ভরাডুবি’ মানে মালভর্তি নৌকা ডুবে যাওয়া, অর্থাৎ সবকিছু একসঙ্গে হারানো। এখান থেকে বাগধারাটির অর্থ দাঁড়িয়েছে সর্বনাশ বা সম্পূর্ণ বিপর্যয়।
মনে রাখুন:
রাবণের চিতা: চির অশান্তি।
জগদ্দল পাথর: গুরুভার বা দুর্বহ বোঝা।
শাপে বর: অনিষ্টের মধ্যে ইষ্টলাভ। - ১০. ‘অনাথ’ এর স্ত্রীলিঙ্গ কী?
- ক. অনাথীনি
- খ. অনাথিনী
- গ. অনাথি
- ঘ. নাথবতী
উত্তর: খ. অনাথিনী
পুরুষবাচক ‘অনাথ’ শব্দের সঙ্গে স্ত্রীবাচক ‘ইনী’ প্রত্যয় যোগ করে স্ত্রীলিঙ্গ ‘অনাথিনী’ গঠিত হয়, এর অর্থ যে নারীর কোনো আশ্রয় বা অভিভাবক নেই। ‘ইনী’ প্রত্যয়ের শেষে দীর্ঘ ঈ-কার বসে, তাই ‘অনাথীনি’ বানানটি ভুল।
মনে রাখুন: একই নিয়মে কাঙাল → কাঙালিনী, মায়াবী → মায়াবিনী, অভাগা → অভাগিনী। - ১১. ‘ যে নারীর হাসি পবিত্র’-তাকে কী বলে?
- ক. সুচিস্মিতা
- খ. শুচিস্মিতা
- গ. সুহাসিনী
- ঘ. সুহাস্য
উত্তর: খ. শুচিস্মিতা
‘শুচি’ মানে পবিত্র, আর ‘স্মিত’ মানে মৃদু হাসি। তাই ‘শুচিস্মিতা’ মানে যে নারীর হাসি পবিত্র। এখানে ‘শুচি’ শব্দটি তালব্য ‘শ’ দিয়ে লিখতে হয়, দন্ত্য ‘স’ দিয়ে ‘সুচি’ লিখলে অর্থ বদলে যায় (সুচি মানে তালিকা)।
মনে রাখুন:
সুহাসিনী: যে নারী সুন্দর করে হাসে।
মৃদুভাষিণী: যে নারী মৃদু স্বরে কথা বলে। - ১২. ‘দেখা যায়নি যা’-
- ক. অদৃষ্ট
- খ. অদৃশ্য
- গ. অদৃষ্টপূর্ব
- ঘ. অদেখা
উত্তর: ক. অদৃষ্ট
‘অদৃষ্ট’ শব্দটি ন + দৃষ্ট থেকে এসেছে, এর ব্যুৎপত্তিগত অর্থ যা দেখা যায়নি। ভাগ্যকে চোখে দেখা যায় না, তাই প্রচলিত অর্থে অদৃষ্ট মানে ভাগ্য। ‘অদৃশ্য’ মানে যা দেখা যায় না, অর্থাৎ বর্তমানে দৃষ্টির বাইরে।
মনে রাখুন:
অদৃষ্টপূর্ব: যা আগে কখনো দেখা যায়নি।
অভূতপূর্ব: যা আগে কখনো ঘটেনি। - ১৩. ‘আমি কি ডরাই সখি ভিখারী রাঘবে? -বাক্যে ‘রাঘবে’শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
- ক. করণে সপ্তমী
- খ. অপাদানে সপ্তমী
- গ. কর্মে সপ্তমী
- ঘ. অপাদানে শূন্য
উত্তর: খ. অপাদানে সপ্তমী
যা থেকে কোনো কিছু ভীত হয়, চ্যুত হয় বা উৎপন্ন হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। ‘আমি কি ডরাই সখি ভিখারী রাঘবে?’ বাক্যে বক্তা রাঘবকে ভয় পাচ্ছে কি না জানতে চাইছে, অর্থাৎ ভয়ের উৎস রাঘব। আর শব্দটির সঙ্গে ‘এ’ বিভক্তি যুক্ত হয়েছে, তাই এটি অপাদানে সপ্তমী।
মনে রাখুন: পঙ্ক্তিটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ থেকে নেওয়া, আর ‘রাঘব’ মানে রামচন্দ্র।
একই রকম উদাহরণ: বাঘে ভয় পায় সবাই। - ১৪. ‘কুন্তল’ শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
- ক. অংশু
- খ. কেশ
- গ. কুবলয়
- ঘ. কমল
উত্তর: খ. কেশ
‘কুন্তল’ শব্দের অর্থ চুল বা কেশ, তাই এর সমার্থক শব্দ কেশ। ‘কুন্তলীন’ নামে একসময় চুলের একটি বিখ্যাত তেল পাওয়া যেত, এ থেকেও শব্দটির অর্থ মনে রাখা সহজ।
মনে রাখুন:
চুলের আরও কিছু সমার্থক শব্দ: চিকুর, অলক, কুন্তল, শিরোরুহ।
অংশু মানে কিরণ, কুবলয় মানে নীলপদ্ম, আর কমল মানে পদ্ম। - ১৫. ‘আত্মজা’ শব্দের সমার্থক শব্দ নয় কোনটি?
- ক. দুহিতা
- খ. তনয়া
- গ. পুত্র
- ঘ. কন্যা
উত্তর: গ. পুত্র
‘আত্মজা’ শব্দের অর্থ নিজের থেকে জন্মেছে যে মেয়ে, অর্থাৎ কন্যা। দুহিতা, তনয়া ও কন্যা সবই এর সমার্থক শব্দ, কিন্তু ‘পুত্র’ মানে ছেলে, তাই এটি আত্মজার সমার্থক নয়।
মনে রাখুন: ছেলে বোঝাতে পুংলিঙ্গ রূপ আত্মজ, তনয়, সুত, নন্দন।
একইভাবে মেয়ে বোঝাতে আত্মজা, তনয়া, সুতা, নন্দিনী, দুহিতা। - ১৬. ‘ভূত’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কী?
- ক. প্রেত
- খ. বর্তমান
- গ. ভবিষ্যৎ
- ঘ. অতীত
উত্তর: গ. ভবিষ্যৎ
‘ভূত’ শব্দের একটি অর্থ অতীত, অর্থাৎ যা ঘটে গেছে। সময়ের হিসাবে অতীতের বিপরীত ভবিষ্যৎ, তাই ‘ভূত’-এর বিপরীত শব্দ ‘ভবিষ্যৎ’। ‘অতীত’ এর সমার্থক শব্দ, বিপরীত নয়।
মনে রাখুন: ব্যাকরণে ক্রিয়ার কালকে ভূত (অতীত), বর্তমান ও ভবিষ্যৎ, এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়। - ১৭. ‘সন্ধি’ শব্দের অর্থ কী?
- ক. সংক্ষেপণ
- খ. মিলন
- গ. একপদীকরণ
- ঘ. চিহ্ন
উত্তর: খ. মিলন
‘সন্ধি’ শব্দের অর্থ মিলন। পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধ্বনি মিলে গেলে তাকে সন্ধি বলে, যেমন বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়। সন্ধির উদ্দেশ্য হলো উচ্চারণ সহজ করা ও শব্দকে শ্রুতিমধুর করা।
মনে রাখুন: বাংলায় সন্ধি দুই প্রকার: স্বরসন্ধি ও ব্যঞ্জনসন্ধি। তৎসম শব্দে আরেকটি প্রকার আছে, বিসর্গ সন্ধি।
‘সমাস’ শব্দের অর্থ সংক্ষেপ। - ১৮. ‘সতীশ’ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কী হবে?
- ক. সতি + ইশ
- খ. সতি + ঈশ
- গ. সতী + ঈশ
- ঘ. সতী + ইশ
উত্তর: গ. সতী + ঈশ
‘সতীশ’ শব্দটি গঠিত হয়েছে সতী + ঈশ থেকে। এখানে সতীর শেষের ‘ঈ’ আর ঈশের প্রথম ‘ঈ’ মিলে একটি ‘ঈ’ হয়েছে, তাই হয়েছে সতীশ। এটি স্বরসন্ধির নিয়ম: ই বা ঈ-এর পরে ই বা ঈ থাকলে উভয়ে মিলে ঈ হয়।
মনে রাখুন: একই নিয়মে গিরি + ঈশ = গিরীশ, রবি + ইন্দ্র = রবীন্দ্র, মহী + ইন্দ্র = মহীন্দ্র। - ১৯. ‘মাতা’ শব্দের সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় কোনটি?
- ক. √মা + তৃচ/তা
- খ. √মাতৃ + আ
- গ. √মাত্ + আ
- ঘ. √মাতা + অ
উত্তর: ক. √মা + তৃচ/তা
‘মাতা’ শব্দটি মা ধাতুর সঙ্গে তৃচ্ প্রত্যয় যোগে গঠিত। তৃচ্ প্রত্যয় যোগে মূল শব্দ হয় ‘মাতৃ’, আর প্রথমার একবচনে সেটি ‘মাতা’ রূপ নেয়। তাই √মা + তৃচ্ = মাতা।
মনে রাখুন: একই প্রত্যয়ে গঠিত শব্দ: পা + তৃচ্ = পিতা, দা + তৃচ্ = দাতা, কৃ + তৃচ্ = কর্তা, ভ্রাতা। - ২০. ‘কর পল্লবের ন্যায়’ -ব্যাসবাক্যটি কোন সমাস?
- ক. মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
- খ. উপমিত কর্মধারয়
- গ. উপমান কর্মধারয়
- ঘ. বহুব্রীহি সমাস
উত্তর: খ. উপমিত কর্মধারয়
উপমিত কর্মধারয় সমাসে উপমেয় (যাকে তুলনা করা হয়) ও উপমান (যার সঙ্গে তুলনা করা হয়) মিলে সমাস হয়, আর সাধারণ গুণটি উহ্য থাকে। ‘করপল্লব’ সমাসে হাতকে (কর) পল্লবের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে, আর কোমলতার গুণটি বলা নেই। তাই ‘কর পল্লবের ন্যায়’ ব্যাসবাক্যটি উপমিত কর্মধারয় সমাসের।
মনে রাখুন: উপমান কর্মধারয়ে সাধারণ গুণটি উল্লেখ থাকে, যেমন তুষারশুভ্র (তুষারের ন্যায় শুভ্র), অরুণরাঙা। - ২১. ‘জন্মান্ধ’ কোন সমাস?
- ক. তৎপুরুষ
- খ. বহুব্রীহি
- গ. কর্মধারয়
- ঘ. অব্যয়ীভাব
উত্তর: ক. তৎপুরুষ
‘জন্মান্ধ’ শব্দের অর্থ জন্ম থেকেই অন্ধ। এর ব্যাসবাক্য ‘জন্ম থেকে অন্ধ’, যেখানে পূর্বপদ ‘জন্ম’-এর সঙ্গে ‘থেকে’ অনুসর্গ লোপ পেয়েছে এবং পরপদ ‘অন্ধ’-এর অর্থ প্রধান। অপাদান কারকের চিহ্ন লোপ পাওয়ায় এটি অপাদান তৎপুরুষ সমাস।
মনে রাখুন: আরও কিছু অপাদান তৎপুরুষ: বিলাতফেরত, স্কুলপালানো, জলাতঙ্ক, পদচ্যুত। - ২২. ‘বর্ধমান’ শব্দের সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় কোনটি?
- ক. √বর্ধ + মান
- খ. √বৃদ্ধি + মান
- গ. √বৃধ্ + মান
- ঘ. √বর্ধন + মান
উত্তর: গ. √বৃধ্ + মান
‘বর্ধমান’ মানে যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। শব্দটি বৃধ্ ধাতুর সঙ্গে শানচ্ (মান) প্রত্যয় যোগে গঠিত, আর প্রত্যয় যোগের সময় ‘বৃধ্’ বদলে ‘বর্ধ’ হয়। তাই √বৃধ্ + মান = বর্ধমান।
মনে রাখুন: একই প্রত্যয়ে গঠিত শব্দ: চল্ + মান = চলমান, দীপ্ + মান = দীপ্যমান, বিদ্ + মান = বিদ্যমান। - ২৩. ‘অনাবিল’ শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?
- ক. অননাবিল
- খ. আবিল
- গ. আবিলতা
- ঘ. অন্যগত
উত্তর: খ. আবিল
‘আবিল’ মানে ঘোলা বা ময়লাযুক্ত। এর আগে ‘অন’ যোগ হয়ে ‘অনাবিল’ মানে নির্মল, পরিষ্কার বা ময়লাহীন। তাই ‘অনাবিল’-এর বিপরীত শব্দ ‘আবিল’।
মনে রাখুন: ‘আবিলতা’ এর বিশেষ্য রূপ, তাই বিপরীত শব্দ হিসেবে এটি ঠিক নয়।
উদাহরণ: অনাবিল আনন্দ, অনাবিল হাসি।
ইংরেজি
- ২৪. Translate the sentence into English– “তার সব চেষ্টাই ব্যর্থ হলো”
- ক. All his efforts ended in smoke.
- খ. All his efforts ended in the smoke.
- গ. All his efforts ended in a smoke.
- ঘ. All his efforts ended in smoking.
উত্তর: ক. All his efforts ended in smoke.
End in smoke একটি idiom, যার অর্থ ব্যর্থ হওয়া বা কোনো ফল না দেওয়া। ধোঁয়া যেমন মিলিয়ে যায়, তেমনি সব চেষ্টা বৃথা গেলে এভাবে বলা হয়। Idiom-এর গঠন বদলানো যায় না, তাই smoke-এর আগে কোনো article বসে না। সঠিক অনুবাদ: All his efforts ended in smoke.
মনে রাখুন: একই রকম idiom: end in a fiasco (চরমভাবে ব্যর্থ হওয়া), come to nothing (নিষ্ফল হওয়া)। - ২৫. Being “down to earth” means–
- ক. close to nature
- খ. thrown to ground
- গ. hopeful
- ঘ. realistic
উত্তর: ঘ. realistic
Down to earth একটি idiom, যার অর্থ বাস্তববাদী ও সহজ-সরল, যে মানুষ কল্পনার জগতে না থেকে বাস্তব নিয়ে ভাবে এবং অহংকার করে না। তাই এর সঠিক অর্থ realistic।
উদাহরণ: Despite being famous, she is very down to earth.
মনে রাখুন: এর বিপরীত ভাব বোঝাতে বলা হয় have one’s head in the clouds, অর্থাৎ কল্পনার জগতে থাকা। - ২৬. We should respect our teacher.(Imperative)
- ক. Respect our teacher.
- খ. Let us respect our teacher.
- গ. We may not hate our teacher.
- ঘ. Our teacher should be respected.
উত্তর: খ. Let us respect our teacher.
Should দিয়ে করা কর্তব্যবাচক বাক্যকে imperative করতে let দিয়ে বাক্য শুরু করা হয়। যেখানে বক্তা নিজেও কাজটির অংশ (we), সেখানে Let us + verb-এর মূল রূপ বসে। তাই We should respect our teacher → Let us respect our teacher.
মনে রাখুন: Let us দিয়ে প্রস্তাব বা অনুপ্রেরণা বোঝায়।
উদাহরণ: We should help the poor → Let us help the poor. - ২৭. Man hardly believes a liar, –––?
- ক. does he
- খ. doesn’t he
- গ. are they
- ঘ. aren’t they
উত্তর: ক. does he
Hardly, scarcely, seldom, never এই ধরনের শব্দ বাক্যকে negative অর্থ দেয়, যদিও এতে not থাকে না। তাই Man hardly believes a liar বাক্যটি negative, আর এর tag হবে positive। Subject man তৃতীয় পুরুষ একবচন বলে tag-এ বসবে does he। সুতরাং: Man hardly believes a liar, does he?
মনে রাখুন: negative বাক্য → positive tag, positive বাক্য → negative tag। - ২৮. Verb form of the word ‘apology’ is–
- ক. apological
- খ. apologise
- গ. apologify
- ঘ. enapology
উত্তর: খ. apologise
Apology একটি noun, যার অর্থ ক্ষমাপ্রার্থনা। এর verb রূপ apologise, যার অর্থ ক্ষমা চাওয়া। আমেরিকান ইংরেজিতে এর বানান apologize, তবে দুটিই শুদ্ধ। Apological, apologify বা enapology বলে কোনো শব্দ ইংরেজিতে নেই।
মনে রাখুন:
Apology (n) - Apologise (v) - Apologetic (adj)।
Apologise-এর পরে for বসে, যেমন He apologised for his mistake। - ২৯. A person whose head is in the clouds is–
- ক. proud
- খ. a day dreamer
- গ. an aviator
- ঘ. a philanthropist
উত্তর: খ. a day dreamer
Have one’s head in the clouds একটি idiom, যার অর্থ বাস্তব থেকে দূরে কল্পনার জগতে থাকা। তাই যার মাথা মেঘের মধ্যে থাকে, সে a day dreamer বা দিবাস্বপ্নে বিভোর মানুষ।
মনে রাখুন: Aviator মানে বৈমানিক, আর philanthropist মানে মানবহিতৈষী বা জনদরদি ব্যক্তি। - ৩০. It is high time we (change) our food habit, Here the correct form of verb is---
- ক. change
- খ. will change
- গ. changed
- ঘ. should change
উত্তর: গ. changed
It is time বা It is high time এর পরে subject বসলে verb-টি past indefinite রূপে বসে, যদিও অর্থটি বর্তমান বা ভবিষ্যতের। এর মাধ্যমে বোঝানো হয় যে কাজটি এখনই করা উচিত, বরং দেরি হয়ে গেছে। তাই সঠিক বাক্য: It is high time we changed our food habit.
মনে রাখুন: subject না থাকলে It is high time-এর পরে to + verb বসে।
উদাহরণ: It is high time to change our food habit. - ৩১. The idiom ‘bring to book’ means-
- ক. Book written by a famous writer
- খ. Punish
- গ. Valueless Person
- ঘ. Impose
উত্তর: খ. Punish
Bring someone to book একটি idiom, যার অর্থ অপরাধের জন্য কাউকে বিচারের মুখোমুখি করা বা শাস্তি দেওয়া, অর্থাৎ punish। অপরাধীকে আইনের খাতায় তুলে জবাবদিহি করানো থেকে কথাটির এই অর্থ এসেছে।
উদাহরণ: The criminals must be brought to book.
মনে রাখুন: একই অর্থে call to account এবং take to task কথাগুলোও ব্যবহৃত হয়, তবে take to task মানে মূলত তিরস্কার করা। - ৩২. We eat to live. (Complex)
- ক. We eat and want to live.
- খ. We eat so that we may live.
- গ. We eat so that we could live.
- ঘ. Although we eat, we live.
উত্তর: খ. We eat so that we may live.
We eat to live বাক্যে to live উদ্দেশ্য বোঝাচ্ছে, অর্থাৎ বাঁচার জন্য আমরা খাই। উদ্দেশ্যবোধক infinitive থেকে complex sentence করতে so that + subject + may/can + verb ব্যবহার করা হয়। মূল বাক্যটি present tense-এ, তাই may বসবে: We eat so that we may live.
মনে রাখুন: মূল বাক্য past tense-এ হলে might বা could বসে।
উদাহরণ: He worked hard to pass → He worked hard so that he might pass. - ৩৩. He behaved as though he _____everything.
- ক. knows
- খ. knew
- গ. has known
- ঘ. had known
উত্তর: ঘ. had known
As if ও as though দিয়ে এমন কিছু বোঝানো হয়, যা আসলে সত্য নয়। প্রধান clause past tense-এ থাকলে (behaved) as though-এর পরে past perfect বসে, কারণ এখানে অতীতের অবাস্তব অবস্থার কথা বলা হচ্ছে। তাই সঠিক বাক্য: He behaved as though he had known everything.
মনে রাখুন: প্রধান clause present tense-এ থাকলে as if-এর পরে past indefinite বসে।
উদাহরণ: He talks as if he knew everything. - ৩৪. Too much cooks spoil the___.
- ক. lunch
- খ. juice
- গ. broth
- ঘ. food
উত্তর: গ. broth
প্রবাদটির পূর্ণ ও প্রচলিত রূপ: Too many cooks spoil the broth. এর অর্থ অনেক রাঁধুনি মিলে রান্না করলে ঝোল নষ্ট হয়ে যায়, অর্থাৎ এক কাজে অনেকে নাক গলালে কাজটি পণ্ড হয়। Broth মানে মাংস বা সবজি সিদ্ধ করা পাতলা ঝোল। বাংলায় এর কাছাকাছি প্রবাদ ‘অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট’।
মনে রাখুন: Cooks গণনাযোগ্য, তাই প্রমিত রূপে Too many বসে, Too much নয়। - ৩৫. The antonym of ‘Honorary’ is-
- ক. honour
- খ. paid
- গ. monetary
- ঘ. respect
উত্তর: খ. paid
Honorary শব্দের অর্থ অবৈতনিক বা সম্মানসূচক, অর্থাৎ যে পদের জন্য কোনো বেতন দেওয়া হয় না। এর বিপরীত শব্দ paid, যার অর্থ বেতনভুক্ত। Honour একটি noun (সম্মান), আর monetary মানে আর্থিক বা মুদ্রাসংক্রান্ত।
উদাহরণ: He is an honorary member of the club.
মনে রাখুন: Honorary আর honourable এক নয়, honourable মানে সম্মানিত। - ৩৬. Put the right word in the blank. “Hereached the ___ of his literary career.
- ক. abattori
- খ. acme
- গ. admonish
- ঘ. penury
উত্তর: খ. acme
Acme শব্দের অর্থ চূড়া বা সর্বোচ্চ শিখর, অর্থাৎ কোনো কিছুর সবচেয়ে উন্নত অবস্থা। তাই বাক্যটি হবে: He reached the acme of his literary career, অর্থাৎ তিনি তাঁর সাহিত্যজীবনের শীর্ষে পৌঁছালেন।
মনে রাখুন:
Acme-এর সমার্থক শব্দ: zenith, pinnacle, peak, summit।
Admonish মানে সতর্ক করা বা ভর্ৎসনা করা, penury মানে চরম দারিদ্র্য, আর abattoir মানে কসাইখানা। - ৩৭. No one can ____ that he is clever.
- ক. defy
- খ. denounce
- গ. admire
- ঘ. deny
উত্তর: ঘ. deny
'Deny' মানে অস্বীকার করা, অর্থাৎ কোনো কিছু সত্য নয় বলা। বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায়, কেউ অস্বীকার করতে পারে না যে সে বুদ্ধিমান। বাকি শব্দগুলো এখানে অর্থ প্রকাশ করে না।
মনে রাখুন:
Defy মানে অমান্য করা বা প্রতিরোধ করা।
Admire মানে প্রশংসা করা।
Denounce মানে প্রকাশ্যে নিন্দা করা। - ৩৮. “ভাসা ভাসা পড়ায় কাজ হবে না।” The correctEnglish translation of the sentence is-
- ক. Reading by fits and starts will not do.
- খ. Reading by a bird’s eye view will not do.
- গ. Reading at a glance will not do.
- ঘ. Reading intermittently will not do.
উত্তর: খ. Reading by a bird’s eye view will not do.
‘ভাসা ভাসা পড়া’ মানে গভীরে না গিয়ে ওপর থেকে দ্রুত চোখ বুলিয়ে যাওয়া। ইংরেজিতে এই ভাব প্রকাশে bird’s eye view কথাটি ব্যবহৃত হয়, যার অর্থ পাখির চোখে ওপর থেকে দেখার মতো সাধারণ ধারণা নেওয়া। তাই প্রচলিত অনুবাদ: Reading by a bird’s eye view will not do.
মনে রাখুন: By fits and starts মানে থেমে থেমে বা অনিয়মিতভাবে, তাই এটি ভাসা ভাসা অর্থ দেয় না। - ৩৯. ‘Tooth and nail’ means-
- ক. get by heart
- খ. go with heart
- গ. try hard
- ঘ. get hard
উত্তর: গ. try hard
Tooth and nail একটি idiom, যার অর্থ সর্বশক্তি দিয়ে চেষ্টা করা বা প্রাণপণে লড়া, অর্থাৎ try hard। দাঁত ও নখ দিয়ে লড়াই করা মানে শরীরের সব শক্তি কাজে লাগানো, এখান থেকেই এই অর্থ এসেছে।
উদাহরণ: They fought tooth and nail to save their land.
মনে রাখুন: Get by heart মানে মুখস্থ করা। - ৪০. Antonym for ‘Adieu’ is-
- ক. farewell
- খ. good bye
- গ. hello
- ঘ. valediction
উত্তর: গ. hello
'Adieu' ফরাসি শব্দ, যার অর্থ বিদায়। এর বিপরীত অর্থ হলো সম্ভাষণ বা অভ্যর্থনা, তাই antonym হলো 'Hello'। Farewell, good bye ও valediction তিনটিই বিদায় অর্থে ব্যবহৃত হয়, ফলে এগুলো adieu-এর synonym।
মনে রাখুন:
Valediction মানে বিদায়ী ভাষণ বা বিদায় জানানোর কথা। - ৪১. Which poet is known as the ‘Poet of Nature’?
- ক. John Keats
- খ. William Wordsworth
- গ. W.B. Yeats
- ঘ. John Milton
উত্তর: খ. William Wordsworth
ইংরেজ রোমান্টিক কবি William Wordsworth প্রকৃতিকে জীবন্ত সত্তা ও শিক্ষকের মতো দেখেছেন। নদী, পাহাড়, ফুল আর গ্রামীণ জীবন নিয়ে তাঁর কবিতায় প্রকৃতির প্রতি গভীর ভালোবাসা প্রকাশ পেয়েছে, তাই তাঁকে Poet of Nature বলা হয়।
মনে রাখুন:
তাঁর বিখ্যাত কবিতা: Daffodils, The Solitary Reaper, Tintern Abbey।
১৭৯৮ সালে Coleridge-এর সঙ্গে প্রকাশিত Lyrical Ballads দিয়ে ইংরেজি সাহিত্যে রোমান্টিক যুগের সূচনা হয়। - ৪২. He said that he was innocent. (simple).
- ক. He said and he was innocent
- খ. He was innocent so he said it
- গ. That he was innocent was said by him
- ঘ. He declared his innocence
উত্তর: ঘ. He declared his innocence
He said that he was innocent একটি complex sentence, কারণ that দিয়ে একটি noun clause যুক্ত। Simple sentence করতে clause-টিকে noun phrase-এ রূপান্তর করতে হয়: he was innocent → his innocence। সেই সঙ্গে said-এর বদলে declared বসালে অর্থ ঠিক থাকে। তাই: He declared his innocence.
মনে রাখুন: Simple sentence-এ একটিই finite verb থাকে, এখানে কেবল declared। - ৪৩. I am looking forward to ___ you.
- ক. meet
- খ. meeting
- গ. met
- ঘ. meets
উত্তর: খ. meeting
Look forward to মানে কোনো কিছুর জন্য আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করা। এখানে to একটি preposition, infinitive-এর অংশ নয়, তাই এর পরে verb বসলে তা -ing রূপে বসে। সঠিক বাক্য: I am looking forward to meeting you.
মনে রাখুন: যেসব কথায় to-এর পরে -ing বসে: look forward to, be used to, with a view to, object to, be accustomed to। - ৪৪. He lives ____ honest means.
- ক. on
- খ. with
- গ. by
- ঘ. for
উত্তর: গ. by
কোনো উপায়ে জীবিকা নির্বাহ করা বোঝাতে live by কথাটি ব্যবহৃত হয়। তাই সৎ উপায়ে জীবনযাপন বোঝাতে বলা হয়: He lives by honest means. এখানে by মানে ‘উপায়ে’।
মনে রাখুন:
live on: কোনো খাবার বা আয়ের ওপর নির্ভর করে বাঁচা (live on rice, live on a small salary)।
live by: কোনো উপায় বা পেশার মাধ্যমে বাঁচা (live by farming)। - ৪৫. The new job offer was alluring. Here ‘alluring’ means-
- ক. Unexpected
- খ. Tempting
- গ. Ordinary
- ঘ. Dreary
উত্তর: খ. Tempting
Alluring শব্দের অর্থ আকর্ষণীয় বা প্রলোভনময়, যা মনকে টানে। তাই The new job offer was alluring মানে নতুন চাকরির প্রস্তাবটি লোভনীয় ছিল, আর এর সমার্থক tempting। Dreary মানে নিরানন্দ বা একঘেয়ে, যা প্রায় বিপরীত অর্থ।
মনে রাখুন: Allure-এর মূল অর্থ প্রলুব্ধ করা। এর সমার্থক attractive, enticing, captivating। - ৪৬. The main objective of a ‘Conjunction’ is-
- ক. To separate
- খ. To connect
- গ. To improve
- ঘ. To degrade
উত্তর: খ. To connect
Conjunction হলো সেই শব্দ, যা দুটি শব্দ, phrase বা clause-কে যুক্ত করে। Conjunction শব্দটিই এসেছে ল্যাটিন coniungere থেকে, যার অর্থ একসঙ্গে জোড়া দেওয়া। তাই এর মূল উদ্দেশ্য to connect।
উদাহরণ: Rahim and Karim are friends. He is poor but honest. I will go if you come.
মনে রাখুন: Conjunction দুই প্রকার: Coordinating (and, but, or) এবং Subordinating (because, if, although)। - ৪৭. Reza ran fast lest he _____ the train.
- ক. miss
- খ. missed
- গ. should miss
- ঘ. will miss
উত্তর: গ. should miss
Lest মানে ‘যাতে না’। প্রচলিত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী lest-এর পরে subject + should + verb-এর মূল রূপ বসে, আর lest নিজেই negative অর্থ দেয় বলে এর সঙ্গে not বসে না। তাই সঠিক বাক্য: Reza ran fast lest he should miss the train, অর্থাৎ ট্রেন যাতে ফেল না করে, সেজন্য রেজা জোরে দৌড়াল।
মনে রাখুন: lest-কে so that … not দিয়েও প্রকাশ করা যায়: Reza ran fast so that he might not miss the train.
গণিত
- ৪৮. দুটি সংখ্যার অনুপাত ৫ : ৬ এবং তাদের গ.সা.গু ৪ হলে সংখ্যা দুটির ল.সা.গু কত?
- ক. ৯০
- খ. ১১০
- গ. ১২০
- ঘ. ১৩০
উত্তর: গ. ১২০
অনুপাত ৫ : ৬ এবং গ.সা.গু. ৪ হলে সংখ্যা দুটি 5 × 4 = 20 এবং 6 × 4 = 24।
৫ ও ৬ সহমৌলিক, তাই ল.সা.গু. = 5 × 6 × 4 = 120।
যাচাই: দুটি সংখ্যার গুণফল = ল.সা.গু. × গ.সা.গু., অর্থাৎ 20 × 24 = 480 = 120 × 4।
মনে রাখুন: অনুপাত a : b (সহমৌলিক) ও গ.সা.গু. h হলে ল.সা.গু. = a × b × h। - ৪৯. 10 টি সংখ্যার যোগফল 380। এদের প্রথম 4টি গড় 40 এবং শেষ 5 টির গড় 30 হলে, ৫ম সংখ্যাটি কত?
- ক. 50
- খ. 60
- গ. 70
- ঘ. 80
উত্তর: গ. 70
১০টি সংখ্যার মোট যোগফল 380।
প্রথম ৪টির যোগফল = 4 × 40 = 160।
শেষ ৫টির যোগফল = 5 × 30 = 150।
প্রথম ৪টি আর শেষ ৫টি মিলে ৯টি সংখ্যা, বাকি থাকে শুধু ৫ম সংখ্যাটি।
তাই ৫ম সংখ্যা = 380 − (160 + 150) = 70।
মনে রাখুন: গড়ের অঙ্কে গড়কে সংখ্যার পরিমাণ দিয়ে গুণ করে আগে যোগফল বের করলে হিসাব সহজ হয়। - ৫০. রিতু ও সিতু একটি কাজ একত্রে ৮ দিনে করতে পারে। তারা ৬ দিন কাজ করার পর সিতু চলে গেল। কাজটির কত অংশ বাকি থাকবে?
- ক. 1/4
- খ. 1/2
- গ. 1/3
- ঘ. 1/5
উত্তর: ক. 1/4
রিতু ও সিতু একসঙ্গে ৮ দিনে পুরো কাজ করে, তাই একসঙ্গে ১ দিনে করে কাজের 1/8 অংশ।
৬ দিনে করে 6 × 1/8 = 3/4 অংশ।
সিতু চলে যাওয়ার সময় কাজ বাকি থাকে 1 − 3/4 = 1/4 অংশ।
মনে রাখুন: প্রশ্নে বাকি কাজের অংশ চাওয়া হয়েছে, তাই সিতু চলে যাওয়ার পর রিতু একা কতদিনে শেষ করবে, তা জানার দরকার নেই। - ৫১. পিতার বর্তমান বয়স পুত্রের বয়সের তিন গুণ। ৫ বছর পূর্বে পিতার বয়স, পুত্রের বয়সের চারগুণ ছিল। পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়স কত?
- ক. ৫৪ ও ১৮
- খ. ৪২ ও ১৪
- গ. ৪৫ ও ১৫
- ঘ. ৩৯ ও ১৩
উত্তর: গ. ৪৫ ও ১৫
ধরি পুত্রের বর্তমান বয়স x বছর, তাহলে পিতার বয়স 3x বছর।
৫ বছর আগে পিতার বয়স ছিল (3x − 5), পুত্রের (x − 5)।
শর্ত অনুযায়ী, 3x − 5 = 4(x − 5) = 4x − 20
⇒ x = 15।
তাই পুত্রের বয়স ১৫ বছর এবং পিতার বয়স 3 × 15 = 45 বছর।
যাচাই: ৫ বছর আগে পিতা ৪০, পুত্র ১০, আর 40 = 4 × 10। - ৫২. একটি গাড়ির চাকা প্রতি মিনিটে ১০ বার ঘুরে। চাকাটি ৫ সেকেন্ডে কত ডিগ্রি ঘুরে?
- ক. ৫০
- খ. ৩০০
- গ. ৩৬০
- ঘ. ৩০০০
উত্তর: খ. ৩০০
চাকা প্রতি মিনিটে, অর্থাৎ ৬০ সেকেন্ডে, ১০ বার ঘোরে।
তাই ৫ সেকেন্ডে ঘোরে 10 × 5/60 = 5/6 বার।
একবার পূর্ণ ঘূর্ণনে কোণ হয় 360°, তাই 5/6 ঘূর্ণনে কোণ = 360° × 5/6 = 300°।
মনে রাখুন: ঘূর্ণনের অঙ্কে আগে সময়ের একক মিলিয়ে নিতে হয়, এখানে মিনিটকে সেকেন্ডে রূপান্তর করা হয়েছে। - ৫৩. ৪টি আপেল ২০ টাকায় কিনে ৩০ টাকায় বিক্রি করলে কত শতাংশ লাভ হয়?
- ক. ৩৫%
- খ. ৫০%
- গ. ২০%
- ঘ. ৫৫%
উত্তর: খ. ৫০%
৪টি আপেলের ক্রয়মূল্য ২০ টাকা, বিক্রয়মূল্য ৩০ টাকা।
লাভ = 30 − 20 = 10 টাকা।
শতকরা লাভ = (10/20) × 100 = 50%।
মনে রাখুন: এখানে আপেলের সংখ্যা একই থাকায় প্রতিটির দাম আলাদা করে বের করার দরকার নেই, মোট দাম দিয়েই হিসাব করা যায়। - ৫৪. ৮টি করে ৫ টাকায় ক্রয় করে, ১৬টি দ্রব্য কত টাকায় বিক্রয় করলে ১০% লাভ হবে?
- ক. ৯
- খ. ১০
- গ. ১১
- ঘ. ১২
উত্তর: গ. ১১
৮টির ক্রয়মূল্য ৫ টাকা, তাই ১৬টির ক্রয়মূল্য = 5 × 2 = 10 টাকা।
১০% লাভ করতে হলে বিক্রয়মূল্য = 10 + 10-এর 10% = 10 + 1 = 11 টাকা।
মনে রাখুন: বিক্রয়মূল্য = ক্রয়মূল্য × (100 + লাভের হার)/100। এখানে 10 × 110/100 = 11 টাকা। - ৫৫. a³ + 3√3 এর উৎপাদক নিচের কোনটি?
- ক. a2 + √3
- খ. a + √3
- গ. a2 – √3
- ঘ. a – √3
উত্তর: খ. a + √3
3√3 = (√3)³, কারণ √3 × √3 × √3 = 3√3।
তাই a³ + 3√3 = a³ + (√3)³।
সূত্র: x³ + y³ = (x + y)(x² − xy + y²)।
অতএব a³ + (√3)³ = (a + √3)(a² − √3a + 3), আর এর একটি উৎপাদক (a + √3)।
মনে রাখুন: ঘনের যোগফলের একটি উৎপাদক সবসময় দুই রাশির যোগফল, আর ঘনের বিয়োগফলের একটি উৎপাদক দুই রাশির বিয়োগফল। - ৫৬. 4(a + b), 10 (a – b) এবং 12(a2 – b2) এর গ.সা.গু কত?
- ক. a – b
- খ. a + b
- গ. 12 (a2 – b2)
- ঘ. 2
উত্তর: ঘ. 2
তিনটি রাশির গ.সা.গু. বের করতে সংখ্যাগুলোর গ.সা.গু. ও বীজগাণিতিক অংশের সাধারণ উৎপাদক আলাদা করে দেখি।
সংখ্যা: 4, 10, 12 এর গ.সা.গু. = 2।
বীজগাণিতিক অংশ: (a + b), (a − b) এবং (a² − b²) = (a + b)(a − b)। প্রথম দুটির মধ্যে কোনো সাধারণ উৎপাদক নেই, তাই তিনটিরই সাধারণ উৎপাদক শুধু 1।
অতএব গ.সা.গু. = 2।
মনে রাখুন: গ.সা.গু.-তে কেবল সেই উৎপাদক নেওয়া হয়, যা সবগুলো রাশিতে একসঙ্গে আছে। - ৫৭. দুটি সংখ্যার যোগফল, তাদের বিয়োগফলের দ্বিগুণ। সংখ্যা দুটির অনুপাত কত?
- ক. 2 : 1
- খ. 3 : 1
- গ. 4 : 3
- ঘ. 3 : 2
উত্তর: খ. 3 : 1
ধরি সংখ্যা দুটি x ও y (x > y)।
শর্ত অনুযায়ী, x + y = 2(x − y) = 2x − 2y
⇒ 3y = x ⇒ x : y = 3 : 1।
যাচাই: সংখ্যা দুটি ৩ ও ১ হলে যোগফল ৪, বিয়োগফল ২, আর ৪ = ২ × ২। - ৫৮. একটি বৃত্তের ব্যাসার্ধ 17 সে.মি. হলে এর পরিধি কত?
- ক. 17π
- খ. 34π
- গ. 26π
- ঘ. 51π
উত্তর: খ. 34π
বৃত্তের পরিধি = 2πr।
r = 17 সেমি হলে পরিধি = 2 × π × 17 = 34π সেমি।
মনে রাখুন: π ≈ 3.1416 ধরলে পরিধি প্রায় 106.8 সেমি। আর এই বৃত্তের ক্ষেত্রফল হবে πr² = 289π বর্গসেমি। - ৫৯. 35 বর্গ সে.মি. ক্ষেত্রফলবিশিষ্ট একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য x সে.মি. এবং প্রস্থ (x – 2) সে.মি. হলে, x এর মান কত?
- ক. 7
- খ. 5
- গ. – 5
- ঘ. – 7
উত্তর: ক. 7
আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ।
x(x − 2) = 35 ⇒ x² − 2x − 35 = 0
⇒ (x − 7)(x + 5) = 0 ⇒ x = 7 অথবা x = −5।
দৈর্ঘ্য কখনো ঋণাত্মক হতে পারে না, তাই x = 7।
যাচাই: দৈর্ঘ্য 7, প্রস্থ 5, ক্ষেত্রফল 35 বর্গসেমি। - ৬০. দুটি ক্রমিক সংখ্যার বর্গের অন্তর 119 হলে, ছোট সংখ্যাটি কত?
- ক. 38
- খ. 59
- গ. 60
- ঘ. 78
উত্তর: খ. 59
ধরি ক্রমিক সংখ্যা দুটি n ও (n + 1)।
(n + 1)² − n² = 2n + 1 = 119
⇒ 2n = 118 ⇒ n = 59।
তাই ছোট সংখ্যাটি ৫৯, বড়টি ৬০।
মনে রাখুন: দুটি ক্রমিক সংখ্যার বর্গের অন্তর সবসময় সংখ্যা দুটির যোগফলের সমান, এখানে 59 + 60 = 119। - ৬১. একটি রেখাংশের উপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্র ঐ রেখাংশের এক তৃতীয়াংশের উপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রের কত গুণ?
- ক. ২ গুণ
- খ. ৬ গুণ
- গ. ৯ গুণ
- ঘ. দ্বিগুণ
উত্তর: গ. ৯ গুণ
ধরি রেখাংশের দৈর্ঘ্য a, তাহলে এর ওপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল a²।
রেখাংশের এক-তৃতীয়াংশ a/3, তার ওপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল (a/3)² = a²/9।
অনুপাত = a² ÷ (a²/9) = 9।
মনে রাখুন: বাহু k গুণ হলে বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল k² গুণ হয়। তাই বাহু ৩ গুণ বড় হলে ক্ষেত্রফল ৯ গুণ। - ৬২. (x/5)ᵖ = 1 হলে, p এর মান কত?
- ক. 0
- খ. 1
- গ. –5
- ঘ. 5
উত্তর: ক. 0
সূচকের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো অশূন্য রাশির ঘাত 0 হলে তার মান 1 হয়, অর্থাৎ a⁰ = 1 (a ≠ 0)।
তাই (x/5)ᵖ = 1 = (x/5)⁰ হলে, p = 0।
মনে রাখুন: x/5 = 1 হলে, অর্থাৎ x = 5 হলে, যেকোনো p-এর জন্যই সমীকরণটি সত্য হয়, তাই সাধারণভাবে উত্তর ধরা হয় p = 0। - ৬৩. একটি খাড়া খুঁটি মাটি থেকে 5 মিটার উপরে ভেঙ্গে বিচ্ছিন্ন না হয়ে অন্যপ্রান্ত ভূমিতে 5 মিটার দূরত্বে স্পর্শ করলে, খুঁটিটির উচ্চতা কত?
- ক. 2√5
- খ. 10
- গ. 5(1 + √2)
- ঘ. 5 + 2√5
উত্তর: গ. 5(1 + √2)
খুঁটিটি ভেঙে একটি সমকোণী ত্রিভুজ তৈরি করেছে। দাঁড়িয়ে থাকা অংশ (লম্ব) = 5 মিটার, গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত মাটিতে দূরত্ব (ভূমি) = 5 মিটার, আর ভাঙা অংশটি অতিভুজ।
পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী, ভাঙা অংশ = √(5² + 5²) = √50 = 5√2 মিটার।
খুঁটির পূর্ণ উচ্চতা = 5 + 5√2 = 5(1 + √2) মিটার।
মনে রাখুন: ভাঙা খুঁটির অঙ্কে মোট উচ্চতা = দাঁড়িয়ে থাকা অংশ + অতিভুজ। - ৬৪. একটি বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্যের দ্বিগুণ 6 একক হলে, এর কর্ণের দৈর্ঘ্যের দ্বিগুণ কত একক?
- ক. 3
- খ. 2√2
- গ. 6√2
- ঘ. 8√2
উত্তর: গ. 6√2
বাহুর দৈর্ঘ্যের দ্বিগুণ 6 একক, তাই বাহু a = 3 একক।
বর্গক্ষেত্রের কর্ণ = √2a = 3√2 একক।
কর্ণের দ্বিগুণ = 2 × 3√2 = 6√2 একক।
মনে রাখুন: বর্গক্ষেত্রের কর্ণ সবসময় বাহুর √2 গুণ, তাই বাহুর দ্বিগুণকে সরাসরি √2 দিয়ে গুণ করলেও কর্ণের দ্বিগুণ পাওয়া যায় (6 × √2)। - ৬৫. কোনো ত্রিভুজের তিনটি বাহুকে বর্ধিত করলে উৎপন্ন বহিঃস্থ কোণ তিনটির সমষ্টি কত হবে?
- ক. 180°
- খ. 270°
- গ. 360°
- ঘ. 580°
উত্তর: গ. 360°
ত্রিভুজের প্রতিটি শীর্ষে অন্তঃস্থ কোণ ও বহিঃস্থ কোণ মিলে এক সরলকোণ, অর্থাৎ 180°। তিনটি শীর্ষে মোট 3 × 180° = 540°।
এর মধ্যে অন্তঃস্থ তিন কোণের সমষ্টি 180°, তাই বহিঃস্থ তিন কোণের সমষ্টি = 540° − 180° = 360°।
মনে রাখুন: যেকোনো উত্তল বহুভুজের বহিঃস্থ কোণগুলোর সমষ্টি সবসময় 360°, বাহুর সংখ্যা যত হোক। - ৬৬. নাজিম ২ বছরের জন্য ৩০০ টাকা এবং ৫ বছরের জন্য ৫০০ টাকা ঋণ নিল এবং মোট ১৫৫ টাকা সুদ দিল। উভয় ক্ষেত্রে সুদের হার সমান হলে, সুদের হার কত ছিল?
- ক. ৪%
- খ. ৫%
- গ. ৫.৫%
- ঘ. ৬%
উত্তর: খ. ৫%
ধরি সুদের হার r%।
৩০০ টাকার ২ বছরের সুদ = 300 × r × 2/100 = 6r।
৫০০ টাকার ৫ বছরের সুদ = 500 × r × 5/100 = 25r।
মোট সুদ: 6r + 25r = 31r = 155 ⇒ r = 5।
তাই সুদের হার ৫%।
মনে রাখুন: সরল সুদ = আসল × হার × সময় / 100। - ৬৭. x + y = 3, x² + y² = 5 হলে, x³ + y³ = ?
- ক. 34
- খ. 9
- গ. 45
- ঘ. 54
উত্তর: খ. 9
আগে xy বের করি: (x + y)² = x² + y² + 2xy
⇒ 9 = 5 + 2xy ⇒ xy = 2।
সূত্র: x³ + y³ = (x + y)³ − 3xy(x + y)
= 27 − 3 × 2 × 3 = 27 − 18 = 9।
মনে রাখুন: x + y ও xy জানা থাকলে x² + y², x³ + y³ সবকিছুই সূত্র দিয়ে বের করা যায়।
বাংলাদেশ
- ৬৮. বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়বিশিষ্ট দ্বীপ-
- ক. পাহাড়পুর
- খ. সেন্টমার্টিন
- গ. নিঝুমদ্বীপ
- ঘ. মহেশখালী
উত্তর: ঘ. মহেশখালী
কক্সবাজার জেলার মহেশখালী বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ। দ্বীপটির মাঝ দিয়ে মৈনাক পাহাড়সহ ছোট ছোট পাহাড়ের সারি চলে গেছে, আর পাহাড়ের চূড়ায় বিখ্যাত আদিনাথ মন্দির অবস্থিত।
মনে রাখুন:
মহেশখালী পান চাষের জন্য বিখ্যাত।
মহেশখালীর মাতারবাড়ীতে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মিত হয়েছে।
পাহাড়পুর কোনো দ্বীপ নয়, নওগাঁ জেলার একটি প্রত্নস্থান। - ৭০. নিম্নলিখিত কোন জেলায় জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম?
- ক. পটুয়াখালী
- খ. খাগড়াছড়ি
- গ. রাঙামাটি
- ঘ. বান্দরবান
উত্তর: ঘ. বান্দরবান
জনসংখ্যার ঘনত্ব মানে প্রতি বর্গকিলোমিটারে গড়ে কতজন মানুষ বাস করে। ২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী বান্দরবানের ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে মাত্র প্রায় ৯০ জনের কাছাকাছি, যা দেশে সবচেয়ে কম। পাহাড়ি ভূপ্রকৃতির কারণে এখানে বসতি কম।
মনে রাখুন:
আয়তনে দেশের বৃহত্তম জেলা রাঙামাটি, তবে ঘনত্বে এটি বান্দরবানের চেয়ে একটু বেশি।
জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকা জেলায়। - ৭১. বাঙালি জাতীয়তাবাদের মূল ভিত্তি হলো-
- ক. ভাষা ও সংস্কৃতি
- খ. ধর্ম
- গ. আঞ্চলিকতা
- ঘ. রাজনীতি
উত্তর: ক. ভাষা ও সংস্কৃতি
বাঙালি জাতীয়তাবাদ গড়ে উঠেছে বাংলা ভাষা ও বাঙালি সংস্কৃতির ঐক্যকে কেন্দ্র করে। ধর্ম ভিন্ন হলেও এই অঞ্চলের মানুষ একই ভাষায় কথা বলে এবং একই সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বহন করে। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে এই চেতনা জোরালো হয় এবং পরে স্বাধীনতা সংগ্রামের মূল শক্তিতে পরিণত হয়।
মনে রাখুন: বাংলাদেশের সংবিধানের ৯ অনুচ্ছেদে বাঙালি জাতীয়তাবাদের কথা বলা আছে। সংবিধানের চার মূলনীতি: জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা। - ৭৩. প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী দেশের মোট উপজেলা কয়টি?
- ক. ৪৮০টি
- খ. ৪৮৬টি
- গ. ৪৯০টি
- ঘ. ৪৯৫টি
উত্তর: ঘ. ৪৯৫টি
২০২২ সালে অনুষ্ঠিত দেশের প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী বাংলাদেশে মোট উপজেলা ৪৯৫টি। এই জনশুমারিতে দেশের মোট জনসংখ্যা পাওয়া যায় প্রায় ১৬ কোটি ৯৮ লাখ।
মনে রাখুন:
এটি ছিল বাংলাদেশের ষষ্ঠ জনশুমারি, পরিচালনা করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।
বাংলাদেশে বিভাগ ৮টি এবং জেলা ৬৪টি। - ৭৪. পদ্মা সেতু দিয়ে যাত্রীবাহী ট্রেনের বাণিজ্যিক চলাচল শুরু হয় কবে?
- ক. ১০ অক্টোবর, ২০২৩
- খ. ২৮ অক্টোবর, ২০২৩
- গ. ১ নভেম্বর, ২০২৩
- ঘ. ৪ নভেম্বর, ২০২৩
উত্তর: গ. ১ নভেম্বর, ২০২৩
২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের ঢাকা-ভাঙ্গা অংশের উদ্বোধন হয়। এরপর ২০২৩ সালের ১ নভেম্বর থেকে এই পথে যাত্রীবাহী ট্রেনের বাণিজ্যিক চলাচল শুরু হয়।
মনে রাখুন:
পদ্মা সেতু দোতলা, ওপরে সড়ক ও নিচে রেলপথ। সড়ক সেতু চালু হয় ২০২২ সালের ২৫ জুন।
সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার। - ৭৫. দেশের প্রথম ‘এলিফ্যান্ট ওভারপাস’ কোথায় অবস্থিত?
- ক. লাংলোক, বান্দরবান
- খ. লোহাগাড়া, চট্টগ্রাম
- গ. সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম
- ঘ. নালিতাবাড়ী, শেরপুর
উত্তর: খ. লোহাগাড়া, চট্টগ্রাম
চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত রেলপথটি গেছে চুনতি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের ভেতর দিয়ে। বন্য হাতির চলাচলের পথ যাতে বন্ধ না হয়, সেজন্য চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতিতে রেললাইনের ওপর দিয়ে দেশের প্রথম ‘এলিফ্যান্ট ওভারপাস’ নির্মাণ করা হয়। এর ওপর দিয়ে হাতি পার হয় আর নিচ দিয়ে ট্রেন চলে।
মনে রাখুন: দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথ উদ্বোধন হয় ২০২৩ সালের ১১ নভেম্বর। - ৭৬. ২০২৩ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম সেঞ্চুরি করেন কে?
- ক. সাকিব আল হাসান
- খ. মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ
- গ. মুশফিকুর রহিম
- ঘ. লিটন দাস
উত্তর: খ. মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ
২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ ক্রিকেট অনুষ্ঠিত হয় ভারতে। এই আসরে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে তিনি ১১১ রান করেন।
মনে রাখুন:
মাহমুদুল্লাহ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরির (৩টি) মালিক।
২০২৩ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া। - ৭৭. শেখ মুজিবুর রহমান ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত হন কবে?
- ক. ২ মার্চ, ১৯৭০
- খ. ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯
- গ. ২৬ মার্চ, ১৯৭১
- ঘ. ২৩ মার্চ, ১০৭১
উত্তর: খ. ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে মুক্তি পাওয়ার পর ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) কেন্দ্রীয় ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ শেখ মুজিবুর রহমানকে এক বিশাল সংবর্ধনা দেয়। এই সভায় ডাকসুর তৎকালীন ভিপি তোফায়েল আহমেদ তাঁকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করেন।
মনে রাখুন: ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ পল্টন ময়দানে বঙ্গবন্ধুকে ‘জাতির পিতা’ ঘোষণা করা হয়। - ৭৮. “প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা” বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে?
- ক. অনুচ্ছে-৭
- খ. অনুচ্ছেদ-৫
- গ. অনুচ্ছেদ-৩
- ঘ. অনুচ্ছেদ-১৩
উত্তর: গ. অনুচ্ছেদ-৩
বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম ভাগে প্রজাতন্ত্রের মৌলিক বিষয়গুলো বলা আছে। এর ৩ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা’।
মনে রাখুন:
অনুচ্ছেদ ১: বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র।
অনুচ্ছেদ ৪: জাতীয় সংগীত, পতাকা ও প্রতীক।
অনুচ্ছেদ ৫: রাজধানী ঢাকা।
অনুচ্ছেদ ৭: সংবিধানের প্রাধান্য। - ৭৯. দেশের প্রথম বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোন জেলায় অবস্থিত?
- ক. ফেনী
- খ. কক্সবাজার
- গ. চাঁদপুর
- ঘ. পটুয়াখালী
উত্তর: ক. ফেনী
বাংলাদেশের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপিত হয় ফেনী জেলার সোনাগাজীর মুহুরী প্রকল্প এলাকায়। ২০০৫ সালে চালু হওয়া এই কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ছিল প্রায় ০.৯ মেগাওয়াট।
মনে রাখুন:
দেশের বৃহত্তম বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্র কক্সবাজারের খুরুশকুলে, ক্ষমতা ৬০ মেগাওয়াট।
কুতুবদিয়া দ্বীপেও একটি বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্প আছে। - ৮৭. বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) বাংলাদেশকে কোন রোগ মুক্ত ঘোষণা করেছে?
- ক. পোলিও
- খ. ফাইলেরিয়া
- গ. কালাজ্বর
- ঘ. সবগুলো
উত্তর: ঘ. সবগুলো
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশকে কয়েকটি রোগ থেকে মুক্ত ঘোষণা করেছে। ২০১৪ সালে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের সঙ্গে বাংলাদেশ পোলিওমুক্ত হয়। ২০২৩ সালের মে মাসে জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে ফাইলেরিয়া (গোদ রোগ) এবং একই বছরের অক্টোবরে কালাজ্বর নির্মূলের স্বীকৃতি পায়। তাই দেওয়া তিনটি রোগের সবগুলো থেকেই বাংলাদেশকে মুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে।
মনে রাখুন: কালাজ্বর নির্মূলে বাংলাদেশ বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে WHO-র স্বীকৃতি পায়।
বিজ্ঞান
- ৬৯. বন-জঙ্গল ধ্বংস করার ফলে বায়ুমণ্ডলে কোন গ্যাসের পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে?
- ক. CO
- খ. CO2
- গ. S2O
- ঘ. CFC
উত্তর: খ. CO2
গাছ সালোকসংশ্লেষণের সময় বাতাস থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO₂) শোষণ করে এবং অক্সিজেন ছাড়ে। বন উজাড় করলে CO₂ শোষণের পরিমাণ কমে যায়, আবার গাছ পোড়ালে বা পচলে জমে থাকা কার্বন CO₂ হয়ে বাতাসে মেশে। ফলে বায়ুমণ্ডলে CO₂-এর পরিমাণ বাড়ে এবং বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি পায়।
মনে রাখুন: প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস: কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, জলীয় বাষ্প ও সিএফসি। - ৮২. বজ্রবৃষ্টির ফলে মাটিতে উদ্ভিদের কোন খাদ্য উপাদান বৃদ্ধি পায়?
- ক. পটাশিয়াম
- খ. অক্সিজেন
- গ. নাইট্রোজেন
- ঘ. ফসফরাস
উত্তর: গ. নাইট্রোজেন
বজ্রপাতের সময় প্রচণ্ড বিদ্যুৎ ও তাপে বাতাসের নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন মিলে নাইট্রোজেনের অক্সাইড তৈরি হয়। এগুলো বৃষ্টির পানিতে দ্রবীভূত হয়ে নাইট্রিক এসিড হিসেবে মাটিতে পড়ে এবং নাইট্রেট লবণে পরিণত হয়। ফলে মাটিতে উদ্ভিদের খাদ্য উপাদান নাইট্রোজেন বাড়ে।
মনে রাখুন:
উদ্ভিদের তিনটি প্রধান মুখ্য পুষ্টি উপাদান নাইট্রোজেন, ফসফরাস ও পটাশিয়াম (NPK)।
শিম জাতীয় উদ্ভিদের মূলের গুটিতে থাকা রাইজোবিয়াম ব্যাকটেরিয়াও বাতাসের নাইট্রোজেন মাটিতে সংবন্ধন করে।
সাধারণ জ্ঞান
- ৭২. রাষ্ট্রের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো-
- ক. নির্দিষ্ট ভূখণ্ড
- খ. জনসংখ্যা
- গ. সরকার
- ঘ. সার্বভৌমত্ব
উত্তর: ঘ. সার্বভৌমত্ব
রাষ্ট্রের উপাদান চারটি: জনসমষ্টি, নির্দিষ্ট ভূখণ্ড, সরকার ও সার্বভৌমত্ব। এর মধ্যে সার্বভৌমত্ব (Sovereignty) মানে রাষ্ট্রের চূড়ান্ত ও অবাধ ক্ষমতা, যা অন্য কারও অধীন নয়। বাকি তিনটি উপাদান থাকলেও সার্বভৌমত্ব না থাকলে কোনো অঞ্চল স্বাধীন রাষ্ট্র হতে পারে না, তাই এটিই রাষ্ট্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
উদাহরণ: ১৯৭১ সালের আগে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ, ভূখণ্ড ও প্রাদেশিক সরকার সবই ছিল, কিন্তু সার্বভৌমত্ব ছিল না, তাই তা রাষ্ট্র ছিল না। - ৮০. কোনটি নবায়নযোগ্য সম্পদ?
- ক. প্রাকৃতিক গ্যাস
- খ. বায়ু
- গ. চুনাপাথর
- ঘ. কয়লা
উত্তর: খ. বায়ু
যে সম্পদ ব্যবহারের পরও প্রকৃতিতে আবার তৈরি হয় বা কখনো ফুরিয়ে যায় না, তাকে নবায়নযোগ্য সম্পদ (Renewable Resource) বলে। বায়ুপ্রবাহ প্রকৃতিতে প্রতিনিয়ত চলছে, তাই বায়ু নবায়নযোগ্য সম্পদ। অন্যদিকে প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা ও চুনাপাথর লক্ষ লক্ষ বছরে তৈরি হয়েছে, একবার ব্যবহার করলে সহজে আর ফিরে আসে না।
মনে রাখুন: নবায়নযোগ্য শক্তির অন্য উৎস: সৌরশক্তি, জলবিদ্যুৎ, জোয়ার-ভাটা, বায়োগ্যাস ও ভূতাপীয় শক্তি।
কম্পিউটার ও আইসিটি
- ৮১. কোন প্রযুক্তিটি চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সাথে সম্পৃক্ত নয়?
- ক. টেলিগ্রাফ
- খ. রোবোটিক্স
- গ. থ্রি-ডি প্রিন্টিং
- ঘ. আইওটি
উত্তর: ক. টেলিগ্রাফ
চতুর্থ শিল্পবিপ্লব (Fourth Industrial Revolution) বলতে ডিজিটাল, জৈব ও ভৌত প্রযুক্তির মিলনে তৈরি নতুন যুগকে বোঝায়। এর মূল প্রযুক্তি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিক্স, ইন্টারনেট অব থিংস (IoT), থ্রি-ডি প্রিন্টিং, ব্লকচেইন ইত্যাদি। টেলিগ্রাফ উনিশ শতকের প্রযুক্তি, তাই এটি চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়।
মনে রাখুন:
প্রথম শিল্পবিপ্লব: বাষ্পীয় ইঞ্জিন (১৭৮৪)।
দ্বিতীয়: বিদ্যুৎ ও ব্যাপক উৎপাদন।
তৃতীয়: কম্পিউটার ও ইন্টারনেট।
‘চতুর্থ শিল্পবিপ্লব’ কথাটি জনপ্রিয় করেন ক্লাউস শোয়াব।
আন্তর্জাতিক
- ৮৩. ‘V-20’ গ্রুপ কীসের সাথে সম্পর্কিত?
- ক. জলবায়ু পরিবর্তন
- খ. কৃষি উন্নয়ন
- গ. দারিদ্র্য বিমোচন
- ঘ. মানবাধিকার
উত্তর: ক. জলবায়ু পরিবর্তন
V20 বা Vulnerable Twenty Group হলো জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর অর্থমন্ত্রীদের একটি জোট। ২০১৫ সালে পেরুর লিমায় এটি গঠিত হয়, শুরুতে সদস্য ছিল ২০টি দেশ, এখন সদস্যসংখ্যা অনেক বেড়েছে। জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় অর্থায়ন জোগাড় করাই এর মূল লক্ষ্য।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশ V20-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং ২০২০-২২ মেয়াদে এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করে।
জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর আরেকটি ফোরাম CVF (Climate Vulnerable Forum)। - ৮৪. কোন দেশটি এশিয়া মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত নয়?
- ক. সিরিয়া
- খ. লিবিয়া
- গ. ইরাক
- ঘ. জর্দান
উত্তর: খ. লিবিয়া
লিবিয়া উত্তর আফ্রিকার দেশ, ভূমধ্যসাগরের তীরে অবস্থিত, তাই এটি এশিয়া মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত নয়। অন্যদিকে সিরিয়া, ইরাক ও জর্দান পশ্চিম এশিয়া বা মধ্যপ্রাচ্যের দেশ।
মনে রাখুন:
লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলি।
আরবি ভাষাভাষী হলেও মিসর, লিবিয়া, তিউনিসিয়া, আলজেরিয়া ও মরক্কো আফ্রিকার দেশ। তবে মিসরের সিনাই উপদ্বীপ এশিয়ায় পড়েছে। - ৮৫. ‘পালাউ’ দেশটি কোন মহাদেশে অবস্থিত?
- ক. এশিয়া
- খ. ইউরোপ
- গ. আফ্রিকা
- ঘ. ওশেনিয়া
উত্তর: ঘ. ওশেনিয়া
পালাউ প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিম অংশে অবস্থিত একটি ছোট দ্বীপরাষ্ট্র, যা মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলের অংশ। প্রশান্ত মহাসাগরের অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও দ্বীপদেশগুলোকে একসঙ্গে ওশেনিয়া বলা হয়, তাই পালাউ ওশেনিয়া মহাদেশে অবস্থিত।
মনে রাখুন:
পালাউ ১৯৯৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তত্ত্বাবধান থেকে স্বাধীন হয়ে জাতিসংঘের সদস্য হয়।
ওশেনিয়ার অন্য অঞ্চল দুটি মেলানেশিয়া ও পলিনেশিয়া। - ৮৬. ২০২৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন কে?
- ক. নার্গিস মোহাম্মদি
- খ. ফ্রেদেরিক পার্সি
- গ. জন হিউম
- ঘ. লিউ জিয়াওবো
উত্তর: ক. নার্গিস মোহাম্মদি
২০২৩ সালের শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান ইরানের মানবাধিকারকর্মী নার্গিস মোহাম্মদী। ইরানে নারীর অধিকার, মানবাধিকার ও মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে সংগ্রামের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। পুরস্কার ঘোষণার সময় তিনি কারাবন্দি ছিলেন।
মনে রাখুন:
ফ্রেদেরিক পাসি প্রথম শান্তিতে নোবেলজয়ীদের একজন (১৯০১)।
জন হিউম উত্তর আয়ারল্যান্ডের শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯৯৮ সালে এবং চীনের লিউ জিয়াওবো ২০১০ সালে শান্তিতে নোবেল পান। - ৮৮. টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs) কয়টি?
- ক. ১৭
- খ. ১৮
- গ. ১৯
- ঘ. ২১
উত্তর: ক. ১৭
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (Sustainable Development Goals, SDGs) মোট ১৭টি। ২০১৫ সালে জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলো ২০৩০ সালের মধ্যে এই লক্ষ্যগুলো অর্জনের অঙ্গীকার করে। এর আওতায় মোট ১৬৯টি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য (Target) আছে।
মনে রাখুন:
SDG-এর আগে ছিল সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (MDG), যা ছিল ৮টি এবং মেয়াদ ছিল ২০০০-২০১৫।
SDG-এর প্রথম লক্ষ্য দারিদ্র্য বিলোপ, দ্বিতীয় লক্ষ্য ক্ষুধামুক্তি। - ৮৯. বাংলাদেশ স্কয়ার কোথায় অবস্থিত?
- ক. সিয়েরালিওন
- খ. সুদান
- গ. লাইবেরিয়া
- ঘ. নাইজেরিয়া
উত্তর: গ. লাইবেরিয়া
লাইবেরিয়ায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা বড় অবদান রাখেন। তাঁদের কাজের স্মৃতি হিসেবে ২০০৮ সালে লাইবেরিয়ার গবার্নগা শহরে শান্তিরক্ষীরা একটি বিনোদন ও শিক্ষা কমপ্লেক্স গড়ে তোলেন, যা ‘বাংলাদেশ স্কয়ার’ নামে পরিচিত।
মনে রাখুন:
আফ্রিকার আরেক দেশ সিয়েরা লিওন বাংলা ভাষাকে ২০০২ সালে সম্মানসূচক দাপ্তরিক ভাষার মর্যাদা দেয়, এটিও বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের অবদানের স্বীকৃতি।
বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে শীর্ষ সৈন্য প্রেরণকারী দেশগুলোর একটি।
এনটিআরসিএ: অন্যান্য পরীক্ষা
- এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৪
- এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৫
- এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৫
- এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৫
- এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৬
- এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৬
- এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৬
- এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৭
- এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৭
- এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৭
- এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০১৯
- এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০২২
- এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০২২
- এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) পরীক্ষা ২০২২
- এনটিআরসিএ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০২৪
- এনটিআরসিএ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) পরীক্ষা ২০২৪
- এনটিআরসিএ ৮ম প্রতিষ্ঠান প্রধান নিবন্ধন (প্রধান শিক্ষক) পরীক্ষা ২০২৬
- এনটিআরসিএ ৮ম প্রতিষ্ঠান প্রধান নিবন্ধন (অধ্যক্ষ) পরীক্ষা ২০২৬
- এনটিআরসিএ ৮ম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১২
- এনটিআরসিএ ৮ম প্রতিষ্ঠান প্রধান নিবন্ধন (সুপার, দাখিল মাদ্রাসা) পরীক্ষা ২০২৬
- এনটিআরসিএ ৯ম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) পরীক্ষা ২০১৩
আরও শিক্ষক নিয়োগ ও নিবন্ধন পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ১৪৯১) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ২৫৯৪) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ৩৬৯৭) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ২৮১৫) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৪০২১) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৫১২৪) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৮৪৩৩) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ; ১২ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২০১৪ সালের স্থগিত পরীক্ষা, ১৪ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২০১৪ সালের স্থগিত পরীক্ষা, ১৫ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (২০১৪ সালের স্থগিত পরীক্ষা, ২০ জেলা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (বরিশাল বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (চট্টগ্রাম বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (ঢাকা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (খুলনা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (রাজশাহী বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (সিলেট বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (চট্টগ্রাম বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (ঢাকা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (খুলনা বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (পিইডিপি-২) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (রাজশাহী বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (সিলেট বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক (বরিশাল বিভাগ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৭
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন