মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ৭ ডিসেম্বর ২০১৮। ৬৭টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →বাংলা
- ১. বাংলা ভাষায় সাধুরীতির বৈশিষ্ট্য কোনটি?
- ক. সর্বনাম ও বিশেষণ এক বিশেষ গঠনপদ্ধতি মেনে চলে
- খ. বিশেষ্য ও সর্বনাম এক বিশেষ গঠনপদ্ধতি মেনে চলে
- গ. সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠনপদ্ধতি মেনে চলে
- ঘ. বিশেষ্য ও বিশেষণ এক বিশেষ গঠনপদ্ধতি মেনে চলে
উত্তর: গ. সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠনপদ্ধতি মেনে চলে
বাংলা গদ্যের দুটি রীতি আছে, সাধু ও চলিত। সাধুরীতি ব্যাকরণের নিয়ম খুব কড়াকড়িভাবে মেনে চলে। এই রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ একটি নির্দিষ্ট পূর্ণরূপে লেখা হয়, যেমন ‘করিতেছি’, ‘তাহারা’, ‘যাহা’। তাই সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের গঠনই সাধুরীতির আসল বৈশিষ্ট্য। বিশেষ্য ও বিশেষণ দুই রীতিতেই প্রায় একই থাকে, এজন্য ওই অপশনগুলো ঠিক নয়। শব্দভান্ডারে তৎসম শব্দের প্রাধান্য থাকায় ভাষাটি গম্ভীর শোনায়, তাই নাটকের সংলাপ বা বক্তৃতার জন্য এটি তেমন মানানসই নয়। অন্যদিকে চলিত রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ সংক্ষিপ্ত হয় এবং মুখের ভাষার কাছাকাছি থাকে।
মনে রাখুন:
সাধুরীতির উদাহরণ: তিনি বিদ্যালয়ে গমন করিয়াছিলেন।
চলিত রীতিতে একই কথা: তিনি স্কুলে গিয়েছিলেন।
সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্য প্রধানত সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের রূপে।
প্রমথ চৌধুরী ‘সবুজপত্র’ পত্রিকার (১৯১৪) মাধ্যমে চলিত রীতির প্রচারে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন। - ২. 'উষ্ণ' শব্দের যুক্তাক্ষরটি কোন কোন বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৯
- ক. ষ্+ঞ
- খ. ষ্+ণ
- গ. ষ্+ন
- ঘ. ষ্+ঙ
উত্তর: খ. ষ্+ণ
‘উষ্ণ’ শব্দের মাঝের যুক্তবর্ণটি ‘ষ্ণ’। মূর্ধন্য ‘ষ’ এবং মূর্ধন্য ‘ণ’ মিলে এটি তৈরি হয়েছে, অর্থাৎ ষ্ + ণ = ষ্ণ। মূর্ধন্য ধ্বনিগুলো একসঙ্গে উচ্চারিত হয় বলে এখানে দন্ত্য ‘ন’ বসে না। ‘উষ্ণ’ শব্দের অর্থ গরম বা তপ্ত। যুক্তাক্ষর ভেঙে লেখার সময় আমরা প্রথমে হসন্তযুক্ত বর্ণ এবং তার পরে পরের বর্ণটি লিখি, তাই ‘ষ্+ন’ বা ‘ষ্+ঞ’ লিখলে যুক্তবর্ণটি মেলে না।
মনে রাখুন:
ক্ষ = ক্ + ষ
জ্ঞ = জ্ + ঞ
হ্ন = হ্ + ন
ঞ্চ = ঞ্ + চ
‘ষ্ণ’ আছে এমন আরও শব্দ: কৃষ্ণ, তৃষ্ণা, জিষ্ণু।
উষ্ণ-এর বিপরীত শব্দ শীতল। - ৩. 'জ্যোৎস্নারাত' কোন সমাস?
- ক. দ্বিগু
- খ. তৎপুরুষ
- গ. বহুব্রীহি
- ঘ. কর্মধারয়
উত্তর: ঘ. কর্মধারয়
‘জ্যোৎস্নারাত’ শব্দের ব্যাসবাক্য হলো ‘জ্যোৎস্নায় শোভিত রাত’। এখানে ‘শোভিত’ পদটি মাঝখান থেকে লোপ পেয়ে সমস্তপদ তৈরি হয়েছে। যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যপদ লোপ পায়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় (Compound with omitted middle term) বলে। তাই এটি কর্মধারয় সমাস। যেখানে পূর্বপদ ও পরপদ একই বিশেষ্যকে বোঝায় এবং একটি পদ অন্যটির বিশেষণ হয়, সেখানে কর্মধারয় হয়। তৎপুরুষে প্রথম পদে কারক-বিভক্তি লোপ পায়, আর বহুব্রীহিতে সমস্তপদটি অন্য কিছুর বিশেষণ হয়ে যায়। কিন্তু এখানে ‘জ্যোৎস্নারাত’ নিজেই এক ধরনের রাত বোঝায়, তাই ওই দুটি ঠিক নয়।
উদাহরণ:
সিংহচিহ্নিত আসন = সিংহাসন
স্মৃতি রক্ষার জন্য সৌধ = স্মৃতিসৌধ
সাহিত্য বিষয়ক সভা = সাহিত্যসভা
ঘি মিশ্রিত অন্ন = ঘৃতান্ন - ৪. কোন বানানটি শুদ্ধ?
- ক. মুমুক্ষু
- খ. মুমূক্ষু
- গ. মূমুক্ষূ
- ঘ. মূমূক্ষু
উত্তর: ক. মুমুক্ষু
‘মুমুক্ষু’ শব্দের অর্থ মুক্তিলাভের ইচ্ছুক। এটি এসেছে ‘মুচ্’ ধাতু থেকে, আর সন্-প্রত্যয়যুক্ত এই শব্দে দুটি ‘মু’-ই হ্রস্ব উ-কার এবং শেষেও হ্রস্ব উ-কার থাকে। অনেকেই শব্দের মাঝে বা শেষে দীর্ঘ ঊ-কার বসিয়ে ভুল করে, সেটি মনে না রাখলে এই বানান ফাঁদে ফেলে। একই ধরনের গঠনের আরেকটি শব্দ ‘বুভুক্ষু’, যার অর্থ ক্ষুধার্ত বা খাওয়ার ইচ্ছুক। এসব শব্দে ইচ্ছা বোঝাতে ধাতুর সঙ্গে সন্ প্রত্যয় যোগ হয়।
মনে রাখুন:
শুদ্ধ বানান: মুমুক্ষু, মূর্ধন্য, সমীচীন, মনীষী, নিশীথিনী, পিপীলিকা, মরীচিকা, বিভীষিকা, গোধূলি, সান্ত্বনা, শিরশ্ছেদ।
মুমুক্ষু মানে মুক্তি চায় যে, মুমূর্ষু মানে মরতে বসেছে যে। দুটি শব্দ গুলিয়ে ফেলা চলবে না। - ৫. কোনটি ভিন্নার্থক শব্দ?
- ক. নৃপতি
- খ. নগেন্দ্র
- গ. ভূপতি
- ঘ. নরেন্দ্র
উত্তর: খ. নগেন্দ্র
রাজাকে বোঝাতে বাংলায় অনেক শব্দ আছে। নৃপতি, ভূপতি ও নরেন্দ্র, তিনটি শব্দেরই অর্থ রাজা। এগুলোর গঠনও একই রকম: নৃ বা নর মানে মানুষ, ভূ মানে পৃথিবী, আর পতি বা ইন্দ্র মানে প্রভু বা শ্রেষ্ঠ। তাই মানুষের বা পৃথিবীর প্রভু, অর্থাৎ রাজা। কিন্তু ‘নগেন্দ্র’ মানে পর্বতের রাজা, অর্থাৎ হিমালয়। ‘নগ’ শব্দের অর্থ পর্বত, এজন্য চারটির মধ্যে নগেন্দ্র ভিন্ন অর্থের শব্দ।
মনে রাখুন:
রাজার প্রতিশব্দ: নৃপ, নৃপতি, ভূপতি, ভূপাল, নরেন্দ্র, নরপতি, মহীপতি।
হিমালয়ের প্রতিশব্দ: নগেন্দ্র, নগাধিরাজ, গিরিরাজ।
পর্বতের প্রতিশব্দ: নগ, অচল, শৈল, ভূধর, গিরি। - ৬. 'দামিনী' শব্দের অর্থ কী?
- ক. রাত্রি
- খ. ধরিত্রী
- গ. জলধি
- ঘ. বিদ্যুৎ
উত্তর: ঘ. বিদ্যুৎ
‘দামিনী’ শব্দের অর্থ বিদ্যুৎ বা বিজলি। আকাশে মেঘের মধ্যে যে আলোর ঝলক দেখা যায়, কবিরা তাকেই দামিনী বলেন। কবিতা ও গানে বৃষ্টির দিনের বর্ণনায় এই শব্দ প্রায়ই আসে। রাত্রি মানে রাত, ধরিত্রী মানে পৃথিবী আর জলধি মানে সাগর, তাই এগুলো এই শব্দের অর্থ নয়।
মনে রাখুন:
বিদ্যুতের প্রতিশব্দ: বিজলি, চপলা, তড়িৎ, সৌদামিনী, ক্ষণপ্রভা, শম্পা।
রাত্রির প্রতিশব্দ: নিশি, রজনী, শর্বরী, যামিনী।
পৃথিবীর প্রতিশব্দ: ধরিত্রী, বসুন্ধরা, ধরণী, মেদিনী।
সাগরের প্রতিশব্দ: জলধি, সিন্ধু, পারাবার, রত্নাকর। - ৭. 'সুধীন্দ্র' শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
- ক. সুধী+ইন্দ্র
- খ. সুধি+ইন্দ্র
- গ. সুধি+ঈন্দ্র
- ঘ. সুধী+ঈন্দ্র
উত্তর: ক. সুধী+ইন্দ্র
‘সুধীন্দ্র’ শব্দটি ভাঙলে পাওয়া যায় সুধী + ইন্দ্র। স্বরসন্ধির নিয়মে হ্রস্ব বা দীর্ঘ ই-কারের পর ই বা ঈ থাকলে দুটি মিলে দীর্ঘ ঈ-কার হয়। এখানে সুধী-র শেষের ঈ এবং ইন্দ্র-র ই মিলে ‘ঈ’ হয়েছে, তাই শব্দে ‘ধী’ থাকে। ‘সুধী’ মানে জ্ঞানী বা পণ্ডিত, আর ‘ইন্দ্র’ মানে শ্রেষ্ঠ, ফলে সুধীন্দ্র মানে জ্ঞানীদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ। অপশনে ‘সুধি’ বা ‘ঈন্দ্র’ বসানো হয়েছে, কিন্তু মূল শব্দ দুটি তা নয়, তাই সেগুলো ঠিক নয়।
উদাহরণ:
শচী + ইন্দ্র = শচীন্দ্র
যোগী + ইন্দ্র = যোগীন্দ্র
ফণী + ইন্দ্র = ফণীন্দ্র
মনে রাখুন:
এটি স্বরসন্ধির দীর্ঘস্বর সন্ধির একটি নিয়ম।
অ/আ + অ/আ = আ, ই/ঈ + ই/ঈ = ঈ, উ/ঊ + উ/ঊ = ঊ। - ৮. নিচের কোন শব্দটি অর্ধতৎসম শব্দ?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৪
- ক. হস্ত
- খ. গঞ্জ
- গ. গিন্নি
- ঘ. পাত্র
উত্তর: গ. গিন্নি
বাংলা শব্দভান্ডারে সংস্কৃত থেকে আসা শব্দ তিন রকমের, তৎসম, অর্ধতৎসম ও তদ্ভব। যেসব সংস্কৃত শব্দ বাংলায় কিছুটা বিকৃত হয়ে এসেছে, তাদের অর্ধতৎসম শব্দ বলে। ‘গিন্নি’ এসেছে সংস্কৃত ‘গৃহিণী’ থেকে, তাই এটি অর্ধতৎসম। ‘হস্ত’ ও ‘পাত্র’ সংস্কৃত থেকে অবিকৃত অবস্থায় এসেছে, তাই এগুলো তৎসম। আর ‘গঞ্জ’ সংস্কৃত থেকে আসা শব্দই নয়, এটি বিদেশি (ফারসি) শব্দ। তদ্ভব শব্দ সংস্কৃত থেকে প্রাকৃতের মধ্য দিয়ে এসে সম্পূর্ণ বদলে গেছে, যেমন ‘হাত’ (হস্ত), ‘মাছ’ (মৎস্য)।
উদাহরণ:
অর্ধতৎসম: জোছনা (জ্যোৎস্না), ছেরাদ্দ (শ্রাদ্ধ), বোষ্টম (বৈষ্ণব), কুচ্ছিত (কুৎসিত)।
মনে রাখুন: অর্ধতৎসমকে ভগ্ন তৎসমও বলা হয়। - ৯. 'চাতুর্য' শব্দের বিশেষণ কোনটি?
- ক. চতুরতা
- খ. চতুর
- গ. চতুরালি
- ঘ. চৈতন্য
উত্তর: খ. চতুর
‘চাতুর্য’ একটি বিশেষ্য পদ, যার অর্থ চতুরতা বা কৌশল। বিশেষ্য থেকে কোনো গুণ বোঝালে সেই গুণের বিশেষণ বের করতে হয়। চাতুর্য যে গুণের নাম, সেই গুণ যার আছে তাকে বলা হয় ‘চতুর’, তাই এটিই বিশেষণ। ‘চতুরতা’ ও ‘চতুরালি’ দুটিই বিশেষ্য, আর ‘চৈতন্য’ সম্পূর্ণ আলাদা অর্থের শব্দ, যার মানে চেতনা বা জ্ঞান। বিশেষ্যের সঙ্গে বিশেষণের এই সম্পর্ক সংস্কৃত থেকে আসা অনেক শব্দেই দেখা যায়, আর পরীক্ষায় প্রায়ই এভাবে প্রশ্ন আসে।
উদাহরণ:
সৌন্দর্য (বিশেষ্য) – সুন্দর (বিশেষণ)
মাধুর্য – মধুর
গাম্ভীর্য – গম্ভীর
দারিদ্র্য – দরিদ্র - ১০. 'আগে প্রতি বছর এখানে খেলা হতো' বাক্যটি কোন ধরনের অতীত কাল নির্দেশ করে?
- ক. নিত্যবৃত্ত অতীত
- খ. পুরাঘটিত অতীত
- গ. ঘটনার অতীত
- ঘ. সাধারণ অতীত
উত্তর: ক. নিত্যবৃত্ত অতীত
অতীতে যে কাজ নিয়মিত বা অভ্যাসবশে ঘটত, তা বোঝালে সেই ক্রিয়ার কালকে নিত্যবৃত্ত অতীত (Habitual Past) বলে। ‘আগে প্রতি বছর এখানে খেলা হতো’ বাক্যে ‘প্রতি বছর’ কথাটি থেকেই বোঝা যায়, কাজটি বারবার হতো। ক্রিয়ার রূপও ‘হতো’, যা নিত্যবৃত্ত অতীতের লক্ষণ। সাধারণ অতীতে কাজটি একবার ঘটে শেষ হয়ে যায়, যেমন ‘সে গতকাল খেলল’। আর পুরাঘটিত অতীতে অতীতের কোনো একটি ঘটনার আগে আরেকটি ঘটনা সম্পন্ন হয়ে গিয়েছিল বোঝায়।
উদাহরণ:
সে রোজ সকালে হাঁটত।
আগে তিনি নিয়মিত ব্যায়াম করতেন।
মনে রাখুন:
অতীত কাল চার প্রকার: সাধারণ অতীত, ঘটমান অতীত, পুরাঘটিত অতীত ও নিত্যবৃত্ত অতীত। - ১১. নারীকে সম্বোধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে কোনটি?
- ক. কল্যাণীয়েষু
- খ. সুচরিতেষু
- গ. শ্রদ্ধাস্পদাসু
- ঘ. প্রীতিভাজনেষু
উত্তর: গ. শ্রদ্ধাস্পদাসু
চিঠির শুরুতে প্রাপকের বয়স, সম্পর্ক ও লিঙ্গ অনুযায়ী আলাদা সম্বোধন বা পাঠ লেখা হয়। শ্রদ্ধার পাত্রী কোনো নারীকে সম্বোধন করতে ‘শ্রদ্ধাস্পদাসু’ লেখা হয়। শব্দের শেষের ‘আসু’ অংশটি নারীবাচক, আর ‘এষু’ অংশটি পুরুষবাচক। তাই ‘কল্যাণীয়েষু’, ‘সুচরিতেষু’ ও ‘প্রীতিভাজনেষু’ পুরুষের জন্য প্রযোজ্য। বয়সে ছোট স্নেহের পাত্রকে লেখা হয় ‘কল্যাণীয়েষু’, আর প্রীতির পাত্রকে ‘প্রীতিভাজনেষু’।
মনে রাখুন:
শ্রদ্ধাভাজন পুরুষকে: শ্রদ্ধাভাজনেষু
শ্রদ্ধেয় নারীকে: শ্রদ্ধাস্পদাসু
স্নেহের নারীকে: কল্যাণীয়াসু
সমবয়সী বা বন্ধুকে সম্বোধনের একটি পাঠ: সুহৃদবরেষু। - ১২. 'সাহেব' শব্দের বহুবচন কোনটি?
- ক. সাহেবগণ
- খ. সাহেবমন্ডলী
- গ. সাহেবকুল
- ঘ. সাহেবান
উত্তর: ঘ. সাহেবান
বচন মানে সংখ্যার ধারণা, যা বাংলায় একবচন ও বহুবচন দুই প্রকার। বহুবচন বানাতে বাংলায় গণ, মণ্ডলী, কুল, রা, দের-এর মতো নানা শব্দ বা বিভক্তি বসে। তবে ফারসি ‘আন’ প্রত্যয় যোগেও বহুবচন হয়। ‘সাহেব’ ফারসি শব্দ, তাই এর বহুবচনও ফারসি রীতিতে ‘সাহেবান’ হয়। ‘গণ’, ‘মণ্ডলী’ ও ‘কুল’ সাধারণত সংস্কৃত শব্দের সঙ্গে বসে, যেমন ‘ছাত্রগণ’, ‘পণ্ডিতমণ্ডলী’, ‘কবিকুল’। বিদেশি শব্দের সঙ্গে সেগুলো বসানোকে তাই স্বাভাবিক ধরা হয় না।
উদাহরণ:
ফারসি শব্দের বহুবচন: হুজুর – হুজুরান, দরবেশ – দরবেশান, সাহেব – সাহেবান।
মনে রাখুন: আরবি শব্দের বহুবচন আরবি রীতিতেও হয়, যেমন ‘আলিম – উলামা’। - ১৩. 'নিজস্ব কোনো অর্থবাচকতা না থাকলেও নতুন শব্দ সৃজনের ক্ষমতা আছে।'– কোনটির?
- ক. অনুসর্গের
- খ. উপসর্গের
- গ. বিভক্তির
- ঘ. পদাশ্রিত অব্যয়ের
উত্তর: খ. উপসর্গের
উপসর্গ (Prefix) এমন অব্যয়সূচক শব্দাংশ, যার নিজের কোনো আলাদা অর্থ নেই। কিন্তু এটি শব্দ বা ধাতুর আগে বসে অর্থের সম্প্রসারণ, সংকোচন বা পরিবর্তন ঘটায় এবং এভাবে নতুন শব্দ তৈরি করে। যেমন ‘হার’ শব্দের আগে ‘আ’ বসালে হয় ‘আহার’, ‘প্র’ বসালে হয় ‘প্রহার’, ‘বি’ বসালে হয় ‘বিহার’ আর ‘সম্’ বসালে হয় ‘সংহার’। বিভক্তি কিংবা অনুসর্গ এভাবে নতুন শব্দ গড়ে না, সেগুলো শুধু শব্দের সঙ্গে বাক্যের অন্য পদের সম্পর্ক বোঝায়।
মনে রাখুন:
বাংলায় উপসর্গ তিন প্রকার: খাঁটি বাংলা, সংস্কৃত (তৎসম) ও বিদেশি।
খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি, যেমন অ, অনা, আড়, কু, নি।
সংস্কৃত উপসর্গ ২০টি, যেমন প্র, পরা, অপ, সম্। - ১৪. কৃৎ প্রত্যয়ের উদাহরণ কোনটি?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৪
- ক. √মিশ + উক
- খ. চোর + আ
- গ. ঢাক + ই
- ঘ. সোনা + আলি
উত্তর: ক. √মিশ + উক
প্রত্যয় দুই প্রকার, কৃৎ ও তদ্ধিত। যে প্রত্যয় ক্রিয়ার মূল অংশ অর্থাৎ ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হয়, তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে। √মিশ ধাতুর সঙ্গে ‘উক’ যুক্ত হয়ে হয় ‘মিশুক’, তাই এটি কৃৎ প্রত্যয়ের উদাহরণ। বাকি অপশনগুলোতে চোর, ঢাক বা সোনার মতো নামশব্দের সঙ্গে প্রত্যয় বসেছে, এগুলো তদ্ধিত প্রত্যয়। কৃৎ প্রত্যয় যোগ করে যে শব্দ পাওয়া যায়, তাকে কৃদন্ত শব্দ বলে। আর তদ্ধিত প্রত্যয় যোগে তৈরি শব্দকে তদ্ধিতান্ত শব্দ বলে।
উদাহরণ:
কৃৎ: √পড় + উয়া = পড়ুয়া, √ঘুর + আন = ঘুরান।
তদ্ধিত: সোনা + আলি = সোনালি, ঢাক + ই = ঢাকি।
মনে রাখুন: ধাতুর সঙ্গে বসলে কৃৎ, নামশব্দের সঙ্গে বসলে তদ্ধিত। - ১৫. 'প্রিয়বেদা যথার্থ কহিয়াছে' বাক্যটির নেতিবাচক রূপ কোনটি?
- ক. প্রিয়বেদা যথার্থ কহে নাই
- খ. প্রিয়বেদা অযথার্থ কহিয়াছে
- গ. প্রিয়বেদা অযথার্থ কহে নাই
- ঘ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. প্রিয়বেদা অযথার্থ কহে নাই
অস্তিবাচক বাক্যকে নেতিবাচক করার সময় মূল অর্থ ঠিক রাখতে হয়। ‘যথার্থ কহিয়াছে’ মানে কথাটি ঠিক ছিল। একই অর্থ নেতিবাচকভাবে বলতে গেলে বলতে হবে ‘অযথার্থ কহে নাই’, অর্থাৎ ভুল কথা বলেনি। শুধু ‘যথার্থ কহে নাই’ লিখলে অর্থ উল্টে যায়, কারণ তখন বোঝায় সে ঠিক কথা বলেনি। আর ‘অযথার্থ কহিয়াছে’ আবার অস্তিবাচকই থাকে। এতে অর্থও বদলে যায়, কারণ সে ভুল কথা বলেছে বোঝায়।
উদাহরণ:
সে সৎ = সে অসৎ নয়।
তিনি ধনী = তিনি গরিব নন।
মনে রাখুন: বাক্যের রূপান্তরে অর্থ বদলানো চলবে না, শুধু প্রকাশের ভঙ্গি বদলায়। - ১৬. 'হরণ করার ইচ্ছা'-কে এককথায় কী বলে?
- ক. জিজ্ঞাসা
- খ. জিহীর্ষা
- গ. জিঘাংসা
- ঘ. জিগীষা
উত্তর: খ. জিহীর্ষা
এক একটি ইচ্ছার জন্য সংস্কৃত থেকে আসা আলাদা শব্দ আছে। ‘হরণ করার ইচ্ছা’ বোঝাতে বলা হয় ‘জিহীর্ষা’। শব্দটি ‘হৃ’ ধাতু থেকে এসেছে, এর সঙ্গে ইচ্ছা বোঝাতে সন্ প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। এই ধরনের শব্দকে সন্নন্ত শব্দ বলা হয়। বাকি অপশনগুলোর অর্থ আলাদা: জিজ্ঞাসা মানে জানার ইচ্ছা, জিঘাংসা মানে বধ করার ইচ্ছা, আর জিগীষা মানে জয় করার ইচ্ছা। পরীক্ষায় এই চারটি শব্দ একসঙ্গে অপশনে দিয়ে গুলিয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয়।
মনে রাখুন:
জানার ইচ্ছা = জিজ্ঞাসা
বধ করার ইচ্ছা = জিঘাংসা
জয় করার ইচ্ছা = জিগীষা
বাঁচার ইচ্ছা = জিজীবিষা
মরার ইচ্ছা = মুমূর্ষা
হরণ করার ইচ্ছা = জিহীর্ষা - ১৭. 'ময়ূর' শব্দের সমার্থক কোনটি?
- ক. শিলীমুখ
- খ. বনিতা
- গ. দ্বিজ
- ঘ. কলাপী
উত্তর: ঘ. কলাপী
ময়ূরের পেখমে অনেক কলা বা রঙের ছটা থাকে, এ থেকেই এর একটি নাম হয়েছে ‘কলাপী’। তাই কলাপী মানে ময়ূর। বাকি অপশনগুলোর অর্থ আলাদা: শিলীমুখ মানে ভ্রমর বা তীর, বনিতা মানে নারী আর দ্বিজ মানে ব্রাহ্মণ বা পাখি। দ্বিজ শব্দের আক্ষরিক অর্থ দুইবার জন্মেছে যে, পাখি ডিম থেকে আর ব্রাহ্মণ উপনয়নে দ্বিতীয়বার জন্ম নেয় বলে ধরা হয়, এজন্য শব্দটির দুটি অর্থই চলে।
মনে রাখুন:
ময়ূরের প্রতিশব্দ: কেকী, শিখী, শিখণ্ডী, বর্হী, কলাপী।
নারীর প্রতিশব্দ: বনিতা, অঙ্গনা, রমণী, ললনা।
পাখির প্রতিশব্দ: বিহগ, বিহঙ্গ, খগ, পক্ষী, দ্বিজ। - ১৮. 'টীকাভাষ্য' অর্থ কী?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৪
- ক. উৎস খোঁজা
- খ. নির্ঘন্ট
- গ. সার কথা
- ঘ. ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ
উত্তর: ঘ. ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ
‘টীকা’ মানে কোনো লেখার ব্যাখ্যা, আর ‘ভাষ্য’ মানে মূল রচনার বিস্তারিত বিশ্লেষণ। দুটি শব্দ মিলে ‘টীকাভাষ্য’ হয়েছে, যার অর্থ ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ। প্রাচীনকালে কঠিন শাস্ত্র বা মূল গ্রন্থ বোঝানোর জন্য পণ্ডিতেরা এরকম টীকা ও ভাষ্য লিখতেন। উৎস খোঁজা অর্থে এই শব্দ ব্যবহৃত হয় না, তাই অন্য অপশনগুলো ঠিক নয়।
মনে রাখুন:
নির্ঘণ্ট মানে বর্ণানুক্রমিক সূচি।
সারকথা মানে মূল বক্তব্য।
টীকা মানে ব্যাখ্যা, আর টিকা মানে রোগ প্রতিরোধের ইনজেকশন, দুটির বানান আলাদা। - ১৯. 'সব ঝিনুকে মুক্তা মেলে না' বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
- ক. অপাদানে সপ্তমী
- খ. কর্তায় দ্বিতীয়া
- গ. অধিকরণে সপ্তমী
- ঘ. কর্মে দ্বিতীয়া
উত্তর: ক. অপাদানে সপ্তমী
কারক হলো বাক্যের ক্রিয়ার সঙ্গে নামপদের সম্পর্ক। যা থেকে কিছু জন্মায়, মেলে, খসে পড়ে বা আলাদা হয়, সেই পদ অপাদান কারক। ‘সব ঝিনুকে মুক্তা মেলে না’ বাক্যে মুক্তা পাওয়া যায় ঝিনুক থেকে, তাই ‘ঝিনুকে’ অপাদান কারক। পদটিতে ‘-এ’ বিভক্তি যুক্ত হয়েছে, যাকে সপ্তমী বিভক্তি বলে। অধিকরণ কারকে ক্রিয়া ঘটার স্থান বা কাল বোঝায়, কিন্তু এখানে ঝিনুক থেকে মুক্তা আলাদা হয়ে আসার ভাব আছে, স্থানের ভাব নয়।
উদাহরণ:
খেজুর রসে গুড় হয়।
পাপে বিরত হও।
মনে রাখুন:
বাংলায় কারক ছয় প্রকার: কর্তা, কর্ম, করণ, সম্প্রদান, অপাদান ও অধিকরণ। - ৬২. 'কালান্তর' প্রবন্ধের লেখক কে?
- ক. ড. আনিসুজ্জামান
- খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গ. কাজী নজরুল ইসলাম
- ঘ. প্রমথ চৌধুরী
উত্তর: খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
‘কালান্তর’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রবন্ধগ্রন্থ, যা ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত হয়। এতে সমাজ, রাজনীতি ও সভ্যতা নিয়ে তাঁর চিন্তা আছে। মজার ব্যাপার হলো, এই বইয়ের ‘সভ্যতার সংকট’ প্রবন্ধটি তাঁর জীবনের শেষ জন্মদিনে পড়া ভাষণ, যেখানে মানুষের ওপর বিশ্বাস হারানোকে তিনি পাপ বলেছিলেন। অন্য অপশনের লেখকরাও প্রবন্ধ লিখেছেন, কিন্তু ‘কালান্তর’ নামটি রবীন্দ্রনাথেরই।
মনে রাখুন:
রবীন্দ্রনাথের আরও প্রবন্ধগ্রন্থ: বিচিত্র প্রবন্ধ, সাহিত্যের পথে।
রবীন্দ্রনাথ ১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’র ইংরেজি অনুবাদের জন্য নোবেল পুরস্কার পান।
প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ ‘বীরবলের হালখাতা’। - ৬৪. কাজী নজরুল ইসলাম কোন ছবিতে অভিনয় করেছিলেন?
- ক. আয়না
- খ. পথে হলো দেরি
- গ. ধ্রুব
- ঘ. রক্তকরবী
উত্তর: গ. ধ্রুব
কাজী নজরুল ইসলাম শুধু কবি ও সুরকার ছিলেন না, চলচ্চিত্রেও কাজ করেছেন। ১৯৩৪ সালের ‘ধ্রুব’ ছবিতে তিনি নারদের ভূমিকায় অভিনয় করেন। একই ছবিতে তিনি গান লিখেছিলেন, সুর দিয়েছিলেন এবং সংগীত পরিচালনাও করেছিলেন। এভাবে ছবিটিতে তাঁর কাজ ছিল বহুমুখী।
মনে রাখুন:
‘পথে হলো দেরি’ ও ‘আয়না’ অন্য নির্মাতাদের ছবি।
নজরুলের জন্ম ১৮৯৯ সালে পশ্চিমবঙ্গের চুরুলিয়ায়, মৃত্যু ১৯৭৬ সালে ঢাকায়।
স্বাধীন বাংলাদেশে তিনি জাতীয় কবির মর্যাদা পান।
ইংরেজি
- ২০. Synonym of the word 'deteriorate' is—
- ক. ameliorate
- খ. improve
- গ. lessen
- ঘ. aggravate
উত্তর: ঘ. aggravate
Deteriorate মানে অবনতি ঘটা বা আরও খারাপ হয়ে যাওয়া। অপশনের মধ্যে aggravate মানে পরিস্থিতিকে আরও খারাপ বা জটিল করে তোলা, তাই অর্থের দিক থেকে এটিই কাছাকাছি। বাকিগুলোর অর্থ উল্টো বা আলাদা: ameliorate মানে উন্নত করা, improve মানে উন্নতি হওয়া এবং lessen মানে কমানো।
মনে রাখুন:
Deteriorate-এর বিপরীত শব্দ improve বা ameliorate।
Deteriorate-এর আরও সমার্থক শব্দ worsen, decline, degenerate।
Aggravate মানে খারাপ করা, আবার কথ্য ইংরেজিতে বিরক্ত করা অর্থেও চলে। - ২১. Which word is correctly spelt?
- ক. Miscellenous
- খ. Miscellaneous
- গ. Misceleneous
- ঘ. Miscelanous
উত্তর: খ. Miscellaneous
সঠিক বানান Miscellaneous, যার অর্থ বিবিধ বা নানা রকম। শব্দটিতে দুটি l এবং পরে ‘-aneous’ আছে। বানান মনে রাখতে একে এভাবে ভাগ করা যায়: mis-cel-la-ne-ous। বাকি অপশনগুলোতে l, e বা a ভুল জায়গায় বসেছে। শব্দটি এসেছে ল্যাটিন miscellus থেকে, যার অর্থ মিশ্রিত।
মনে রাখুন:
Miscellany মানে বিবিধ সংগ্রহ।
একই ধরনের কঠিন বানান: Necessary, Occasion, Accommodation। - ২২. His cousin died — a car accident.
- ক. by
- খ. in
- গ. from
- ঘ. for
উত্তর: খ. in
দুর্ঘটনায় মারা যাওয়া বোঝাতে ইংরেজিতে সাধারণত ‘die in an accident’ বলা হয়। কারণ accident এখানে একটি ঘটনা, যার ভেতরে মৃত্যু ঘটেছে। তাই সঠিক বাক্য: His cousin died in a car accident, অর্থাৎ তার চাচাত ভাই গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা গেল। রোগ বা কারণ বোঝালে অন্য preposition বসে, তাই ভিন্ন ধরনের মৃত্যুর জন্য ভিন্ন preposition মনে রাখা দরকার।
মনে রাখুন:
die of a disease (রোগে মরা)
die from overwork (অতিরিক্ত কাজে মরা)
die for one's country (দেশের জন্য প্রাণ দেওয়া)
die by the sword (তলোয়ারের আঘাতে মরা) - ২৩. An antonym of the word 'rebellious' is —
- ক. Loyal
- খ. Unruly
- গ. Frantic
- ঘ. Bold
উত্তর: ক. Loyal
Rebellious মানে বিদ্রোহী বা অবাধ্য। এর উল্টো অর্থ হলো আনুগত্য দেখানো, যা বোঝায় Loyal শব্দ, অর্থাৎ অনুগত বা বিশ্বস্ত। Unruly-র অর্থ নিয়ম না মানা, তাই এটি rebellious-এর কাছাকাছি, বিপরীত নয়। Frantic মানে উত্তেজিত, Bold মানে সাহসী। এই দুটির কোনোটিই আনুগত্যের বিপরীত ভাব প্রকাশ করে না।
মনে রাখুন:
Rebellious-এর সমার্থক শব্দ defiant, mutinous।
Rebellious-এর বিপরীত শব্দ obedient, submissive, docile।
Rebel (বিদ্রোহী, noun) ও Rebellion (বিদ্রোহ)। - ২৪. Synonym of 'Charlatan' is —.
- ক. Genuine
- খ. Wise
- গ. Sanguine
- ঘ. Imposter
উত্তর: ঘ. Imposter
Charlatan মানে ভণ্ড, যে ব্যক্তি নিজের জ্ঞান বা দক্ষতা নিয়ে মিথ্যা দাবি করে, যেমন হাতুড়ে ডাক্তার। অপশনে Imposter মানে প্রতারক বা ভণ্ড, তাই এটিই সমার্থক। বাকিগুলোর অর্থ আলাদা: Genuine মানে খাঁটি, Wise মানে জ্ঞানী আর Sanguine মানে আশাবাদী। Genuine আসলে Charlatan-এর বিপরীত ভাবের কাছাকাছি।
মনে রাখুন:
Charlatan-এর আরও সমার্থক শব্দ quack, fraud।
Sanguine মানে আশাবাদী, এর বিপরীত pessimistic। - ২৫. Antonym of 'Obscure' is —.
- ক. Hazy
- খ. Gloomy
- গ. Lucid
- ঘ. Concealed
উত্তর: গ. Lucid
Obscure মানে অস্পষ্ট বা দুর্বোধ্য। এর বিপরীত অর্থের শব্দ Lucid, যার অর্থ স্পষ্ট বা সহজে বোঝা যায় এমন। Hazy মানে ঝাপসা এবং Gloomy মানে অন্ধকার, দুটিই obscure-এর কাছাকাছি। Concealed মানে লুকানো, সেটিও বিপরীত নয়।
মনে রাখুন:
Lucid-এর আরও অর্থ পরিষ্কার, যুক্তিপূর্ণ।
Obscure-এর সমার্থক শব্দ vague, unclear, ambiguous।
Obscure-এর বিপরীত শব্দ clear, plain, evident। - ২৬. A bad workman quarrels — his tools.
- ক. with
- খ. for
- গ. about
- ঘ. over
উত্তর: ক. with
Quarrel শব্দের পরে সাধারণত with বসে, যখন কারও সঙ্গে ঝগড়া বোঝানো হয়। এখানে tools-এর সঙ্গে ঝগড়ার কথা বলা হচ্ছে, তাই with-ই ঠিক। বাক্যটি হবে: A bad workman quarrels with his tools। এটি একটি প্রবাদ, যার বাংলা: নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা। যে কাজ জানে না, সে নিজের দোষ না দেখে অন্য কিছুকে দোষ দেয়। Quarrel about বা over বসালে বিষয়ের কারণে ঝগড়া বোঝায়, যন্ত্রপাতির সঙ্গে ঝগড়া নয়।
মনে রাখুন:
Quarrel with someone (কারও সঙ্গে ঝগড়া)
Quarrel about/over something (কোনো বিষয় নিয়ে ঝগড়া)
একই ভাবের আরেকটি প্রবাদ: A good workman never blames his tools। - ২৭. My friend is looking forward — to London.
- ক. to go
- খ. to going
- গ. for going
- ঘ. going
উত্তর: খ. to going
Look forward to-এর এই to একটি preposition, infinitive-এর to নয়। আর preposition-এর পরে verb বসলে সেটি verb + ing রূপে বসে, অর্থাৎ gerund হয়। তাই সঠিক বাক্য: My friend is looking forward to going to London, যার অর্থ আমার বন্ধু লন্ডনে যাওয়ার অপেক্ষায় আছে। To go বসালে preposition-এর পরে infinitive পড়ে যায়, যা ভুল।
মনে রাখুন:
এই নিয়মে চলে এমন আরও কিছু বাক্যাংশ: be used to, object to, in addition to।
উদাহরণ: I am used to waking up early. (ভোরে ওঠায় আমি অভ্যস্ত) - ২৮. It is time he — his mistakes.
- ক. realised
- খ. realises
- গ. should realize
- ঘ. has realised
উত্তর: ক. realised
It is time-এর পর যখন সরাসরি কর্তা (subject) বসে, তখন ক্রিয়া past form-এ বসে। এখানে বোঝানো হচ্ছে, কাজটি করার সময় অনেক আগেই এসে গেছে, অর্থাৎ এখনই করা উচিত। তাই সঠিক বাক্য: It is time he realised his mistakes। Realises বা has realised বসালে নিয়ম ভাঙে। আবার It is time-এর পর subject না থাকলে infinitive বসে, যেমন: It is time to go।
মনে রাখুন:
It is high time he left. (এখন তার চলে যাওয়ার সময় হয়েছে)
It is time we started. (আমাদের শুরু করার সময় হয়েছে)
এই গঠনে High শব্দ বসালে জোর আরও বাড়ে। - ২৯. What is the antonym of 'Cacophony'?
- ক. irony
- খ. telephony
- গ. symphony
- ঘ. euphony
উত্তর: ঘ. euphony
Cacophony মানে কর্কশ বা বেসুরো ধ্বনি। এর বিপরীত অর্থ হলো মধুর ধ্বনি, যা বোঝায় Euphony। বাকি অপশনের অর্থ: Irony মানে বিদ্রূপ, Telephony মানে দূরালাপন আর Symphony মানে ঐকতান। Symphony-তে অনেক বাদ্যযন্ত্র একসঙ্গে সুরেলাভাবে বাজে, তাই এটি দেখতে কাছাকাছি মনে হলেও Euphony-র মতো সরাসরি বিপরীত শব্দ নয়।
মনে রাখুন:
Cacophony শব্দটি গ্রিক kakos (খারাপ) ও phone (ধ্বনি) থেকে এসেছে।
Euphony শব্দে eu মানে ভালো, তাই অর্থ ভালো ধ্বনি।
Cacophonous (কর্কশ ধ্বনিযুক্ত) ও Euphonious (শ্রুতিমধুর) এদের adjective রূপ। - ৩০. It is essential that the patient — medicine regularly.
- ক. takes
- খ. take
- গ. should take
- ঘ. took
উত্তর: খ. take
Essential, necessary, important, imperative, advised বা required জাতীয় শব্দের পরে that clause থাকলে সেখানে subjunctive mood ব্যবহার হয়। এতে subject যা-ই হোক না কেন, verb তার মূল রূপে (base form) বসে। তাই সঠিক বাক্য: It is essential that the patient take medicine regularly। এখানে patient একবচন হলেও takes হয় না, কারণ subjunctive-এ verb-এর সঙ্গে s যোগ হয় না। Should take বসালেও অর্থ ঠিক থাকে, কিন্তু প্রশ্নের অপশনে মূল রূপটিই প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী ঠিক ধরা হয়েছে।
মনে রাখুন:
It is necessary that he come. এখানে comes লেখা হয় না।
I suggest that she be present. এখানে is নয়, মূল রূপ be বসে। - ৩১. My parents got me — inside.
- ক. stay
- খ. stayed
- গ. to stay
- ঘ. staying
উত্তর: গ. to stay
Get কাউকে দিয়ে কিছু করানো বোঝালে কাঠামোটি হয় get + কর্ম + to + verb-এর মূল রূপ। এখানে কর্ম ‘me’, তাই পরে to stay বসে। বাক্যের অর্থ: আমার বাবা-মা আমাকে ভেতরে থাকতে বাধ্য করলেন। Stay বা staying বসালে কাঠামোটি ভেঙে যায়, কারণ get-এর পরে কর্ম থাকলে to-সহ infinitive দরকার হয়।
মনে রাখুন:
Make ও let-এর পরে to বসে না, যেমন: They made me stay।
Have-এর পরেও to বসে না, যেমন: I had him wait।
উদাহরণ: She got her brother to help her. (সে ভাইকে দিয়ে সাহায্য করাল) - ৩২. The boy does not usually mix with others. He is a bit —.
- ক. extrovert
- খ. introvert
- গ. socializer
- ঘ. outgoing
উত্তর: খ. introvert
বাক্যে বলা হচ্ছে ছেলেটি সচরাচর অন্যদের সঙ্গে মেশে না। যে ব্যক্তি লাজুক ও একা থাকতে ভালোবাসে, তাকে Introvert (অন্তর্মুখী) বলে। এর উল্টো হলো Extrovert (বহির্মুখী), যে সবার সঙ্গে সহজে মেশে। Outgoing মানেও মিশুক, তাই এখানে খাপ খায় না। Socializer মানে যে মানুষ সামাজিকতা করে, সেটিও না-মেশার বিপরীত ভাব দেয়।
মনে রাখুন:
Introvert-এর বিপরীত শব্দ Extrovert।
Ambivert বলতে সেই ব্যক্তিকে বোঝায়, যার মধ্যে দুটি স্বভাবই কিছুটা আছে।
Intro মানে ভেতরে, extro মানে বাইরে।
মানসিক দক্ষতা
- ৩৩. 'ক' এর অবস্থান 'খ' এর ৫ কিমি পূর্বে। 'গ' এর অবস্থান 'ক' এর ১০ কিমি দক্ষিণ-পূর্বে। 'খ' থেকে 'গ' এর সর্বনিম্ন দূরত্ব কত কিমি?
- ক. ১১
- খ. ১৪
- গ. ১৩
- ঘ. ১২
উত্তর: খ. ১৪
দিকের এই অঙ্কে একটি সমকোণী ত্রিভুজ আঁকলে হিসাব সহজ হয়। খ থেকে ক ৫ কিমি পূর্বে। ক থেকে গ ১০ কিমি দক্ষিণ-পূর্বে, অর্থাৎ ৪৫° কোণে। তাই গ বিন্দু ক-এর পূর্ব দিকে 10/√2 = 5√2 কিমি এবং দক্ষিণ দিকে 5√2 কিমি সরে আছে।
খ থেকে গ-এর পূর্বের দূরত্ব = 5 + 5√2 ≈ 12.07 কিমি, দক্ষিণের দূরত্ব = 5√2 ≈ 7.07 কিমি।
সুতরাং খ থেকে গ = √(12.07² + 7.07²) = √(145.7 + 50) ≈ 13.99 ≈ 14 কিমি। সর্বনিম্ন দূরত্ব বলতে সরলরেখার দূরত্ব বোঝানো হয়েছে, রাস্তা ধরে হাঁটার দূরত্ব নয়।
মনে রাখুন:
45° কোণে a দূরত্ব গেলে দুই দিকেই a/√2 করে সরা হয়।
দক্ষিণ-পূর্ব মানে পূর্ব ও দক্ষিণ দিকের ঠিক মাঝামাঝি।
সরলরেখার দূরত্ব বের করতে পিথাগোরাসের সূত্র ব্যবহার হয়।
গণিত
- ৩৪. ১৫ সেমি ব্যাসার্ধবিশিষ্ট বৃত্তের একটি জ্যা ২৪ সেমি হলে কেন্দ্র থেকে উক্ত জ্যা এর সর্বনিম্ন দূরত্ব কত?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) ২০২২
- ক. ৮ সেমি
- খ. ৯ সেমি
- গ. ১০ সেমি
- ঘ. ১৫ সেমি
উত্তর: খ. ৯ সেমি
বৃত্তের কেন্দ্র থেকে জ্যা-এর ওপর লম্ব টানলে লম্বটি জ্যা-কে সমান দুই ভাগে ভাগ করে। তাই জ্যা AB = 24 হলে অর্ধেক BD = 12 সেমি। সমকোণী ত্রিভুজ OBD-তে OB = 15 (ব্যাসার্ধ), তাই OD = √(15² − 12²) = √(225 − 144) = √81 = 9 সেমি। কেন্দ্র থেকে জ্যা-এর সবচেয়ে কম দূরত্ব এই লম্ব দূরত্বই, কারণ কেন্দ্র থেকে জ্যা-এর অন্য কোনো বিন্দুর দূরত্ব লম্বের চেয়ে বেশি হয়।
মনে রাখুন:
9-12-15 হলো 3-4-5 ত্রয়ীর তিন গুণ।
ব্যাসই বৃত্তের বৃহত্তম জ্যা, তাই এখানে সর্বোচ্চ জ্যা 30 সেমি।
জ্যা যত বড় হয়, কেন্দ্র থেকে তার দূরত্ব তত কম হয়। - ৩৫. ১০০ জন শিক্ষার্থীর গড় নম্বর ৯০, যার মধ্যে ৭৫ জন শিক্ষার্থীর গড় নম্বর ৯৫। অবশিষ্ট শিক্ষার্থীদের গড় নম্বর কত?
- ক. ৭৫
- খ. ৯০
- গ. ৮০
- ঘ. ৬৫
উত্তর: ক. ৭৫
মোট নম্বর = 100 × 90 = 9000। ৭৫ জনের মোট নম্বর = 75 × 95 = 7125। তাহলে বাকি 25 জনের মোট নম্বর = 9000 − 7125 = 1875। তাদের গড় = 1875 ÷ 25 = 75।
যাচাই: 75 জনের গড় 95 এবং 25 জনের গড় 75 হলে সম্মিলিত গড় = (7125 + 1875)/100 = 90, মিলে যাচ্ছে।
মনে রাখুন:
গড় সবসময় মোট নম্বরকে মোট সংখ্যা দিয়ে ভাগ করে পাওয়া যায়।
মোট নম্বর = গড় × সংখ্যা।
অংশের মোট নম্বর বাদ দিলে বাকি অংশের মোট নম্বর পাওয়া যায়। - ৩৬. ০.০৩, ০.১২, ০.৪৮ ....... ধারাটির ৫ম সংখ্যাটি কত?
- ক. ১.৯২
- খ. ৭.৬৮
- গ. ৩.৮৪
- ঘ. ১২.৪৮
উত্তর: খ. ৭.৬৮
সংখ্যাগুলোর পরপর অনুপাত সমান কি না দেখি: 0.12 ÷ 0.03 = 4 এবং 0.48 ÷ 0.12 = 4। অর্থাৎ এটি একটি গুণোত্তর ধারা, যার প্রথম পদ a = 0.03 এবং সাধারণ অনুপাত r = 4।
গুণোত্তর ধারার n-তম পদ = ar^(n−1)। সুতরাং ৫ম পদ = 0.03 × 4⁴ = 0.03 × 256 = 7.68।
যাচাই: পরপর পদ 0.03, 0.12, 0.48, 1.92, 7.68, প্রতিবার 4 দিয়ে গুণ করা হয়েছে।
মনে রাখুন:
প্রতিবার একই সংখ্যা দিয়ে গুণ হলে ধারা গুণোত্তর, আর একই সংখ্যা যোগ হলে সমান্তর।
4⁴ = 256। - ৩৭. একটি ত্রিভুজের তিন বাহুর দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ৫, ৭, ৮ মিটার। ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত বর্গমিটার?
- ক. ১৪.৬৯
- খ. ১৫.৬৯
- গ. ১৭.৩২
- ঘ. ১৮.৩২
উত্তর: গ. ১৭.৩২
তিন বাহুর দৈর্ঘ্য দেওয়া থাকলে ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল হেরনের সূত্রে বের করা হয়। অর্ধপরিসীমা s = (5 + 7 + 8)/2 = 10।
ক্ষেত্রফল = √{s(s−a)(s−b)(s−c)} = √(10 × 5 × 3 × 2) = √300 = 10√3 ≈ 17.32 বর্গমিটার।
মনে রাখুন:
√3 ≈ 1.732, তাই √300 = 10 × 1.732 = 17.32।
হেরনের সূত্রে a, b, c হলো তিন বাহুর দৈর্ঘ্য এবং s হলো অর্ধপরিসীমা।
উচ্চতা জানা থাকলে ক্ষেত্রফল = ১/২ × ভূমি × উচ্চতা। - ৩৮. ১/২ এর শতকরা কত ৩/৪ হবে?
- ক. ১২০%
- খ. ১২৫%
- গ. ১৪০%
- ঘ. ১৫০%
উত্তর: ঘ. ১৫০%
ধরি, 1/2-এর x% হলো 3/4। তাহলে (1/2) × (x/100) = 3/4, অর্থাৎ x/200 = 3/4। এখান থেকে x = (3 × 200)/4 = 150।
যাচাই: 1/2-এর 150% = 1/2 × 3/2 = 3/4, মিলে যাচ্ছে। ১২৫% বা ১২০% নিলে মান 5/8 বা 3/5 হয়, যা 3/4 নয়।
মনে রাখুন:
কোনো সংখ্যা a-এর কত শতাংশ b জানতে হলে (b ÷ a) × 100 করলেই হয়। এখানে (3/4 ÷ 1/2) × 100 = 150।
শতকরা মানে প্রতি একশতে। - ৩৯. একটি পণ্য ৮০০০ টাকায় বিক্রি করায় কিছু ক্ষতি হলো। ঐ পণ্যটি ৯০০০ টাকায় বিক্রি করলে যত ক্ষতি হয়েছিল তার ২০০/৩ % লাভ হতো। পণ্যটির ক্রয়মূল্য কত টাকা?
- ক. ৮০০০
- খ. ৮৫০০
- গ. ৮৬০০
- ঘ. ৮২০০
উত্তর: গ. ৮৬০০
ধরি, ক্রয়মূল্য C টাকা। ৮০০০ টাকায় বিক্রিতে ক্ষতি x = C − 8000। ৯০০০ টাকায় বিক্রি করলে লাভ হতো 9000 − C, যা ঐ ক্ষতির 200/3 % অর্থাৎ (2/3) গুণ।
সমীকরণ: 9000 − C = (2/3)(C − 8000)
27000 − 3C = 2C − 16000 ⇒ 5C = 43000 ⇒ C = 8600।
যাচাই: ক্ষতি = 600, তার 2/3 = 400, আর 9000 − 8600 = 400, মিলে যায়।
মনে রাখুন:
200/3 % = 200/(3 × 100) = 2/3।
ক্রয়মূল্যের চেয়ে বিক্রয়মূল্য কম হলে ক্ষতি, বেশি হলে লাভ হয়। - ৪০. ১৭, ১৫, ৮ সেমি বাহুবিশিষ্ট ত্রিভুজটি হবে—
- ক. সমবাহু
- খ. সমদ্বিবাহু
- গ. স্থূলকোণী
- ঘ. সমকোণী
উত্তর: ঘ. সমকোণী
তিন বাহু পেলে সমকোণী ত্রিভুজ কি না বোঝার উপায় পিথাগোরাসের সূত্র। সবচেয়ে বড় বাহু ১৭ সেমি, তাই এটি অতিভুজ হলে 17² = 15² + 8² হতে হবে। বাঁ দিক 289 এবং ডান দিক 225 + 64 = 289, দুই দিক সমান। তাই ত্রিভুজটি সমকোণী। তিনটি বাহুর দৈর্ঘ্য আলাদা, তাই ত্রিভুজটি সমবাহু বা সমদ্বিবাহু নয়। আবার একটি কোণ সমকোণ হওয়ায় স্থূলকোণীও নয়।
মনে রাখুন:
8-15-17 একটি পিথাগোরীয় ত্রয়ী। অন্য ত্রয়ী: 3-4-5, 5-12-13, 7-24-25।
বড় বাহুর বর্গ অন্য দুই বাহুর বর্গের যোগফলের চেয়ে বেশি হলে ত্রিভুজ স্থূলকোণী, কম হলে সূক্ষ্মকোণী। - ৪১. 3×0.3÷2 = কত?
- ক. 0.75
- খ. 0.6
- গ. 1.5
- ঘ. 0.45
উত্তর: ঘ. 0.45
গুণ ও ভাগ পাশাপাশি থাকলে বাঁ দিক থেকে করতে হয়। 3 × 0.3 = 0.9, এরপর 0.9 ÷ 2 = 0.45। গুণ আর ভাগ একই অগ্রাধিকারের ক্রিয়া, তাই বাঁ থেকে ডানে গেলেই হিসাব ঠিক থাকে। অন্যভাবে করলেও এখানে একই ফল আসে: 3 × (0.3 ÷ 2) = 3 × 0.15 = 0.45।
মনে রাখুন:
দশমিকের গুণ করার সময় দশমিক ছাড়া গুণ করে পরে দশমিকের ঘর গুনে বসাতে হয়। এখানে 3 × 3 = 9, আর একটি ঘর দশমিকের পরে, তাই 0.9।
যোগ-বিয়োগও একই অগ্রাধিকারের, তাই সেখানেও বাঁ থেকে ডানে হিসাব করতে হয়। - ৪২. x⁴ − x² − 1 = 0 হলে x² − 1/x² = কত?
- ক. 0
- খ. 1
- গ. 2
- ঘ. 4
উত্তর: খ. 1
দেওয়া আছে x⁴ − x² − 1 = 0, তাই x⁴ − 1 = x²। দুই পাশকে x² দিয়ে ভাগ করলে (x⁴ − 1)/x² = 1, অর্থাৎ x² − 1/x² = 1। কারণ x⁴/x² = x² এবং 1/x² = 1/x²।
মনে রাখুন:
x⁴ − 1 কে x² দিয়ে ভাগ করলে x² − 1/x² পাওয়া যায়, তাই কোনো মূল না বের করেই উত্তর মেলে।
এ ধরনের অঙ্কে সমীকরণটিকে এমনভাবে সাজাতে হয়, যাতে প্রশ্নের রাশিটি বের হয়ে আসে। - ৪৩. a + b = 5, a − b = 3 হলে ab এর মান—
- ক. 1
- খ. 2
- গ. 3
- ঘ. 4
উত্তর: ঘ. 4
a + b = 5 এবং a − b = 3 যোগ করলে 2a = 8, তাই a = 4। তখন b = 5 − 4 = 1। সুতরাং ab = 4 × 1 = 4।
শর্টকাট: ab = ((a+b)/2)² − ((a−b)/2)² = (5/2)² − (3/2)² = 25/4 − 9/4 = 4।
মনে রাখুন:
(a+b)² − (a−b)² = 4ab, তাই ab = (25 − 9)/4 = 4।
যোগ করলে b কেটে যায়, বিয়োগ করলে a কেটে যায়। - ৪৪. a + 3 + 1/a = 0 হলে a³ + 1/a³ = কত?
- ক. 18
- খ. 20
- গ. −18
- ঘ. −20
উত্তর: গ. −18
a + 3 + 1/a = 0 থেকে a + 1/a = −3। ঘন বের করার সূত্র: a³ + 1/a³ = (a + 1/a)³ − 3(a + 1/a)।
মান বসিয়ে পাই (−3)³ − 3(−3) = −27 + 9 = −18।
মনে রাখুন:
a + 1/a = k হলে a² + 1/a² = k² − 2 এবং a³ + 1/a³ = k³ − 3k।
এখানে k = −3 হওয়ায় a² + 1/a² = 9 − 2 = 7। - ৪৫. x² − x − 2 এর উৎপাদক কোনটি?
- ক. x + 2
- খ. x − 3
- গ. x + 1
- ঘ. x − 1
উত্তর: গ. x + 1
উৎপাদকে ভাঙতে হলে এমন দুটি সংখ্যা খুঁজি, যাদের গুণফল −2 এবং যোগফল −1 (x-এর সহগ)। সংখ্যা দুটি −2 ও +1। তাই x² − x − 2 = x² − 2x + x − 2 = x(x − 2) + 1(x − 2) = (x − 2)(x + 1)।
অপশনে x + 1 আছে, তাই সেটিই উৎপাদক।
যাচাই: x = −1 বসালে 1 + 1 − 2 = 0, অর্থাৎ (x + 1) উৎপাদক।
মনে রাখুন:
(x − a) উৎপাদক হলে x = a বসালে রাশিটির মান শূন্য হয়, একে উৎপাদক উপপাদ্য বলে।
x = 2 বসালেও 4 − 2 − 2 = 0, তাই (x − 2)-ও উৎপাদক। - ৪৬. দুইটি সংখ্যার গ. সা. গু. 11 এবং ল. সা. গু. 7700। একটি সংখ্যা 275 হলে অপর সংখ্যাটি কত?
- ক. 308
- খ. 318
- গ. 279
- ঘ. 283
উত্তর: ক. 308
দুই সংখ্যার গুণফল তাদের গ.সা.গু এবং ল.সা.গু-র গুণফলের সমান। অর্থাৎ 275 × অপর সংখ্যা = 11 × 7700।
অপর সংখ্যা = (11 × 7700)/275 = 84700/275 = 308।
যাচাই: 275 = 11 × 25 এবং 308 = 11 × 28, আর 25 ও 28-এর গ.সা.গু 1, তাই গ.সা.গু 11 মেলে। ল.সা.গু = 11 × 25 × 28 = 7700।
মনে রাখুন:
দুটি সংখ্যার গুণফল = গ.সা.গু × ল.সা.গু। এই সূত্র শুধু দুটি সংখ্যার ক্ষেত্রে খাটে, তিনটির ক্ষেত্রে নয়।
গ.সা.গু মানে গরিষ্ঠ সাধারণ গুণনীয়ক, ল.সা.গু মানে লঘিষ্ঠ সাধারণ গুণিতক। - ৪৭. ৩/৫ এর লব ও হরের সাথে কোন একই সংখ্যা যোগ করলে ভগ্নাংশটি ৪/৫ হবে?
- ক. 3
- খ. 4
- গ. 5
- ঘ. 6
উত্তর: গ. 5
ধরি, লব ও হর দুটিতেই x যোগ করা হলো। প্রশ্নে ৫/৪ ছাপা হয়েছে, সেটি ৪/৫ হলে অঙ্কটি মেলে। তখন (3 + x)/(5 + x) = 4/5।
আড়গুণ করে 15 + 5x = 20 + 4x, তাই x = 5।
যাচাই: (3+5)/(5+5) = 8/10 = 4/5।
মনে রাখুন:
লব ও হরে একই সংখ্যা যোগ করলে ভগ্নাংশের মান 1-এর দিকে এগোয়।
আড়গুণ মানে বাঁ দিকের লবকে ডান দিকের হর দিয়ে এবং ডান দিকের লবকে বাঁ দিকের হর দিয়ে গুণ করা।
বিজ্ঞান
- ৪৮. পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি কত ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায়?
- ক. 0
- খ. −4
- গ. 4
- ঘ. −1
উত্তর: গ. 4
সাধারণত তাপমাত্রা কমলে পদার্থ সংকুচিত হয়, কিন্তু পানির আচরণ আলাদা। পানিকে ঠান্ডা করতে থাকলে ৪°C পর্যন্ত এর আয়তন কমে, ঘনত্ব বাড়ে। ৪°C-এর নিচে নামলে আবার আয়তন বাড়তে থাকে। তাই ৪°C-এ পানির আয়তন সবচেয়ে কম আর ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি। একে পানির ব্যতিক্রমী প্রসারণ (Anomalous expansion) বলে।
মজার ব্যাপার হলো, এ কারণেই শীতের দেশে পুকুরের ওপরে বরফ জমলেও নিচের পানি ৪°C-এ থাকে এবং মাছ বেঁচে থাকে। বরফ পানির চেয়ে হালকা বলে ভেসে থাকে এবং নিচের পানিকে তাপ হারাতে বাধা দেয়।
মনে রাখুন:
৪°C-এ পানির ঘনত্ব প্রায় ১০০০ কেজি/ঘনমিটার, অর্থাৎ ১ গ্রাম/ঘনসেমি।
পানির হিমাঙ্ক ০°C এবং স্ফুটনাঙ্ক ১০০°C। - ৪৯. বায়ুমণ্ডলে নিচের কোন উপাদানটি সবচেয়ে কম?
- ক. ওজোন
- খ. হাইড্রোজেন
- গ. মিথেন
- ঘ. কার্বন ডাই-অক্সাইড
উত্তর: ক. ওজোন
বায়ুমণ্ডলের প্রধান উপাদান নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন। এর বাইরে কার্বন ডাই-অক্সাইড প্রায় ০.০৪ শতাংশ। মিথেন প্রায় ১.৮ ppm (শতাংশে ০.০০০১৮), হাইড্রোজেন প্রায় ০.৫ ppm। অপশনের চারটি গ্যাসের মধ্যে ওজোনের পরিমাণ সবচেয়ে কম, সাধারণ বাতাসে এর গড় ভাগ খুবই সামান্য। তাই ওজোনই এখানে সবচেয়ে কম থাকা উপাদান।
মনে রাখুন:
ওজোন স্তর স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে বেশি জমে থাকে এবং সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি আটকায়।
বায়ুতে নাইট্রোজেন প্রায় ৭৮ শতাংশ এবং অক্সিজেন প্রায় ২১ শতাংশ।
ওজোনের রাসায়নিক সংকেত O₃। - ৫৬. 'ম্যালেরিয়া' শব্দটি কোন ভাষা থেকে আগত?
- ক. ফ্রেঞ্চ
- খ. ইতালিয়ান
- গ. গ্রিক
- ঘ. পর্তুগিজ
উত্তর: খ. ইতালিয়ান
ম্যালেরিয়া শব্দটি ইতালীয় ভাষার ‘mala aria’ থেকে এসেছে। ‘Mala’ মানে খারাপ, আর ‘aria’ মানে বাতাস। আগে মানুষ ভাবত, জলাভূমির দূষিত বাতাস থেকেই এই রোগ হয়। পরে জানা গেল, রোগটি আসলে প্লাজমোডিয়াম (Plasmodium) নামের এককোষী পরজীবী থেকে হয় এবং স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশা এটি ছড়ায়। তাই নামে বাতাস থাকলেও রোগটি বাতাসে ছড়ায় না।
মনে রাখুন:
ম্যালেরিয়ার জীবাণু একটি প্রোটোজোয়া, ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস নয়।
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া ছড়ায় এডিস মশা।
ম্যালেরিয়ার বাহক স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশা। - ৫৭. মাশরুম এক ধরনের —
- ক. অপুষ্পক উদ্ভিদ
- খ. ফাংগাস
- গ. অর্কিড
- ঘ. পরজীবী উদ্ভিদ
উত্তর: খ. ফাংগাস
মাশরুম বা ব্যাঙের ছাতা একটি ছত্রাক (ফাংগাস, Fungus)। এর দেহে ক্লোরোফিল নেই, তাই এটি নিজে খাদ্য তৈরি করতে পারে না। মৃত জৈব পদার্থ থেকে খাদ্য শোষণ করে বেঁচে থাকে বলে একে মৃতজীবী বলে। ফাংগাস উদ্ভিদ জগতের অংশ নয়, আলাদা জগৎ (Kingdom Fungi) বলে গণ্য হয়। তাই ‘অপুষ্পক উদ্ভিদ’ বলা ঠিক নয়। অর্কিড ফুলগাছ, আর পরজীবী উদ্ভিদ অন্য জীবের ওপর বেঁচে থাকে, মাশরুম সাধারণত তা নয়।
মনে রাখুন:
ইস্ট, পেনিসিলিয়াম ও মাশরুম সবই ফাংগাসের উদাহরণ।
ফাংগাসের কোষপ্রাচীর কাইটিন দিয়ে তৈরি।
পেনিসিলিয়াম থেকে পেনিসিলিন নামের অ্যান্টিবায়োটিক পাওয়া যায়। - ৬৬. নাসা (NASA) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
- ক. ১৯৫২
- খ. ১৯৫৪
- গ. ১৯৫৬
- ঘ. ১৯৫৮
উত্তর: ঘ. ১৯৫৮
মহাকাশ গবেষণায় সোভিয়েত ইউনিয়ন ১৯৫৭ সালে স্পুটনিক পাঠালে যুক্তরাষ্ট্র নতুন সংস্থা গড়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এভাবে ১৯৫৮ সালের ১ অক্টোবর NASA (National Aeronautics and Space Administration) যাত্রা শুরু করে। এর সদর দপ্তর ওয়াশিংটন ডিসিতে। সংস্থাটি আমেরিকার মহাকাশ ও বিমান গবেষণার প্রধান সরকারি প্রতিষ্ঠান।
মনে রাখুন:
নাসা ১৯৬৯ সালে অ্যাপোলো-১১ মিশনে মানুষকে চাঁদে নামায়।
স্পুটনিক-১ ছিল মানুষের তৈরি প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ।
চাঁদে প্রথম পা রাখেন নীল আর্মস্ট্রং। - ৬৭. দুধের মধ্যে যে শর্করা থাকে তার নাম কী?
- ক. সুক্রোজ
- খ. গ্লুকোজ
- গ. হাইড্রোজ
- ঘ. ল্যাকটোজ
উত্তর: ঘ. ল্যাকটোজ
দুধে যে শর্করা থাকে তার নাম ল্যাকটোজ (Lactose), একে দুধ-শর্করা বলে। এটি গ্লুকোজ ও গ্যালাকটোজ মিলে তৈরি একটি দ্বিশর্করা। দুধ বেশিক্ষণ রাখলে ব্যাকটেরিয়া ল্যাকটোজকে ল্যাকটিক এসিডে ভেঙে ফেলে, তাই দুধ টক হয়। হাইড্রোজ নামে কোনো শর্করা নেই, এটি অপশনে ভুলভাবে যোগ করা শব্দ।
মনে রাখুন:
সুক্রোজ আখের চিনি।
গ্লুকোজ ফলে ও রক্তে থাকে।
সুক্রোজ গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ মিলে তৈরি।
ফলের শর্করার নাম ফ্রুক্টোজ।
আন্তর্জাতিক
- ৫০. কোন দেশকে গণতন্ত্রের সূতিকাগার বলা হয়?
- ক. গ্রিস
- খ. যুক্তরাজ্য
- গ. যুক্তরাষ্ট্র
- ঘ. ভারত
উত্তর: ক. গ্রিস
প্রাচীন গ্রিসের এথেন্স নগররাষ্ট্রে প্রথম গণতন্ত্রের চর্চা শুরু হয়। সেখানে নাগরিকরা নিজেরাই সভায় বসে আইন ও সিদ্ধান্ত নিতেন, একে প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র বলে। পেরিক্লিসের সময়ে এই ব্যবস্থা পূর্ণতা পায়। এ কারণেই গ্রিসকে গণতন্ত্রের সূতিকাগার বলা হয়। যুক্তরাজ্যকে আবার সংসদীয় গণতন্ত্রের জননী বলা হয়, তবে সূতিকাগার বলতে গ্রিসকেই বোঝানো হয়।
মনে রাখুন:
‘ডেমোক্রেসি’ শব্দটি গ্রিক ‘demos’ (জনগণ) ও ‘kratos’ (শাসন) থেকে এসেছে।
যুক্তরাজ্যের ম্যাগনা কার্টা (১২১৫) ইংল্যান্ডে রাজার ক্ষমতা সীমিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।
আব্রাহাম লিংকনের মতে, গণতন্ত্র হলো জনগণের, জনগণের দ্বারা, জনগণের জন্য শাসন। - ৫১. মালদ্বীপ কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
- ক. প্রশান্ত
- খ. উত্তর
- গ. আটলান্টিক
- ঘ. ভারত
উত্তর: ঘ. ভারত
মালদ্বীপ ভারত মহাসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপদেশ। দেশটি শ্রীলঙ্কা ও ভারতের দক্ষিণ-পশ্চিমে প্রায় ১২০০টি ছোট প্রবালদ্বীপ নিয়ে গঠিত। এর রাজধানী মালে। আয়তনে এটি এশিয়ার ক্ষুদ্রতম দেশ। প্রবালদ্বীপ বলে এখানকার জমি খুব নিচু এবং সমুদ্র ঘিরে আছে চারদিকে।
মনে রাখুন:
মালদ্বীপ সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে খুব সামান্য উঁচুতে, তাই জলবায়ু পরিবর্তনে সমুদ্রপৃষ্ঠ বাড়লে দেশটি সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়ে।
মালদ্বীপ ১৯৬৫ সালে ব্রিটেন থেকে স্বাধীনতা পায়।
দেশটির মুদ্রার নাম রুফিয়া। - ৫২. 'টিপাইমুখ বাঁধ' ভারতের কোন প্রদেশে অবস্থিত?
- ক. আসাম
- খ. মেঘালয়
- গ. মণিপুর
- ঘ. ত্রিপুরা
উত্তর: গ. মণিপুর
টিপাইমুখ বাঁধ ভারতের মণিপুর রাজ্যে প্রস্তাবিত একটি বাঁধ। বরাক ও তুইভাই নদীর মিলনস্থলের কাছে এটি তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছিল। বরাক নদীর পানিপ্রবাহ বাংলাদেশের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীতে আসে। তাই বাঁধ হলে সিলেট অঞ্চলের নদী ও পরিবেশের ক্ষতি হতে পারে বলে বাংলাদেশের উদ্বেগ আছে। ওই অঞ্চলের কৃষি, মাছ ও হাওর এলাকার পরিবেশ এতে প্রভাবিত হতে পারে।
মনে রাখুন:
বরাক নদী ভারতের মণিপুর থেকে নেমে আসামে ঢুকে বাংলাদেশে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে বিভক্ত হয়।
বাঁধের উদ্দেশ্য প্রধানত জলবিদ্যুৎ উৎপাদন।
অন্য আলোচিত বাঁধ: ফারাক্কা বাঁধ (গঙ্গার ওপর), যা ভারতের পশ্চিমবঙ্গে অবস্থিত। - ৫৩. ইন্টারপোলের সদর দপ্তর কোথায়?
- ক. ইংল্যান্ড
- খ. ফ্রান্স
- গ. স্কটল্যান্ড
- ঘ. জার্মানি
উত্তর: খ. ফ্রান্স
ইন্টারপোল (International Criminal Police Organization) এমন একটি সংস্থা, যা বিভিন্ন দেশের পুলিশকে আন্তর্জাতিক অপরাধ দমনে সহযোগিতা করে। এর সদর দপ্তর ফ্রান্সের লিওঁ (Lyon) শহরে। ১৯২৩ সালে ভিয়েনায় প্রতিষ্ঠিত সংস্থাটির সদর দপ্তর পরে প্যারিস এবং ১৯৮৯ সাল থেকে লিওঁ-এ। ইংল্যান্ড ও স্কটল্যান্ডের নাম দেখে অনেকে ভুল করে, কিন্তু সংস্থাটির দপ্তর সেখানে নয়।
মনে রাখুন:
সংস্থাটির সদস্য দেশ প্রায় ১৯৬টি।
ইন্টারপোল নিজে কাউকে গ্রেপ্তার করে না, সদস্য দেশের পুলিশকে তথ্য দিয়ে সাহায্য করে।
লন্ডনে যুক্তরাজ্যের পুলিশ সদর দপ্তর স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড নামে পরিচিত, সেটি ইন্টারপোল নয়। - ৫৪. বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিষ্ঠা কত সালে?
- ক. ১৯৪৪
- খ. ১৯৪৫
- গ. ১৯৪৮
- ঘ. ১৯৫২
উত্তর: ক. ১৯৪৪
বিশ্বব্যাংকের জন্ম দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশগুলোর পুনর্গঠনের জন্য। ১৯৪৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ব্রেটন উডসে আন্তর্জাতিক সম্মেলনে এর পরিকল্পনা হয়, আর ১৯৪৬ সালের ২৫ জুন থেকে এটি কাজ শুরু করে। এ কারণে প্রতিষ্ঠার সাল হিসেবে প্রশ্নে ১৯৪৪ ধরা হয়েছে। প্রধান কার্যালয় ওয়াশিংটন ডিসিতে। প্রথমে এর নাম ছিল পুনর্গঠন ও উন্নয়নের আন্তর্জাতিক ব্যাংক (IBRD)।
মনে রাখুন:
একই ব্রেটন উডস সম্মেলন থেকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF)-এরও জন্ম হয়।
বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে বিশ্বব্যাংকের সদস্য হয়।
হালনাগাদ: ২০২৩ সাল থেকে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা। - ৫৫. আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবস কোনটি?
- ক. ৫ জুন
- খ. ৭ জুন
- গ. ২৬ ডিসেম্বর
- ঘ. ২৬ জুন
উত্তর: ঘ. ২৬ জুন
মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার রোধে সচেতনতা বাড়াতে জাতিসংঘ প্রতিবছর ২৬ জুন আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস পালন করে। বাংলাদেশেও এই দিনে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে নানা অনুষ্ঠান হয়। বাকি তারিখগুলো আলাদা ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তাই ভুল অপশন বেছে নেওয়ার ঝুঁকি থাকে।
মনে রাখুন:
৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস।
৭ জুন ছয় দফা দিবস।
২৬ ডিসেম্বর বক্সিং ডে।
দিবসগুলোর তারিখ গুলিয়ে ফেলা এড়াতে একসঙ্গে মিলিয়ে মুখস্থ রাখা ভালো।
বাংলাদেশ
- ৫৮. আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় অভিযুক্তের সংখ্যা ছিল —
- ক. ৩৮ জন
- খ. ৪০ জন
- গ. ৩৬ জন
- ঘ. ৩৫ জন
উত্তর: ঘ. ৩৫ জন
১৯৬৮ সালের জানুয়ারিতে পাকিস্তান সরকার একটি মামলা করে, যাতে অভিযোগ ছিল ভারতের সহায়তায় পূর্ব পাকিস্তানকে আলাদা করার ষড়যন্ত্র হয়েছে। এটিই আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা। শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন ১ নম্বর আসামি, আর মোট অভিযুক্ত ছিলেন ৩৫ জন। ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ২২ ফেব্রুয়ারি মামলা প্রত্যাহার হয় এবং সবাই মুক্তি পান।
মনে রাখুন:
এই মুক্তির পর শেখ মুজিব ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি পান।
মামলা চলাকালে ১৯৬৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি সার্জেন্ট জহুরুল হক বন্দি অবস্থায় নিহত হন।
মামলার সরকারি নাম ছিল রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান গং। - ৫৯. ঐতিহাসিক 'কাগমারী সম্মেলন'-এর নেতৃত্ব দেন—
- ক. স্যার সলিমুল্লাহ
- খ. শহীদ তিতুমীর
- গ. মওলানা ভাসানী
- ঘ. সোহরাওয়ার্দী
উত্তর: গ. মওলানা ভাসানী
১৯৫৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে টাঙ্গাইলের কাগমারী (সন্তোষ)-তে আওয়ামী লীগের একটি সম্মেলন হয়, যা কাগমারী সম্মেলন নামে পরিচিত। এর নেতৃত্ব ও সভাপতিত্ব করেন মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী। এই সম্মেলনেই পাকিস্তানের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে ভাসানী ও সোহরাওয়ার্দীর মতভেদ প্রকাশ্যে আসে। তখন সোহরাওয়ার্দী পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। পরে ভাসানী আওয়ামী লীগ ছেড়ে ন্যাপ গঠন করেন।
মনে রাখুন:
ভাসানী ‘মজলুম জননেতা’ নামে পরিচিত।
ন্যাপের পূর্ণ নাম ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি।
কাগমারী সম্মেলনে ভাসানী পাকিস্তানের পশ্চিমা-ঘেঁষা পররাষ্ট্রনীতির বিরোধিতা করেন। - ৬০. ইউনেস্কো সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্য স্বীকৃতি দেয়—
- ক. ৬ জানুয়ারি ১৯৯৭
- খ. ৬ জুন ১৯৯৭
- গ. ৬ অক্টোবর ১৯৯৭
- ঘ. ৬ ডিসেম্বর ১৯৯৭
উত্তর: ঘ. ৬ ডিসেম্বর ১৯৯৭
সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন। এর বাংলাদেশ অংশকে ইউনেস্কো ১৯৯৭ সালের ৬ ডিসেম্বর বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি দেয়। এর আগে ১৯৮৫ সালে পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার ও ষাটগম্বুজ মসজিদ এই স্বীকৃতি পেয়েছিল। ফলে বাংলাদেশে বিশ্ব ঐতিহ্যের মোট তিনটি স্থান, তার মধ্যে সুন্দরবন একমাত্র প্রাকৃতিক স্থান।
মনে রাখুন:
সুন্দরবনের নামকরণ হয়েছে সুন্দরী গাছ থেকে।
সুন্দরবন বাংলাদেশ ও ভারত দুই দেশেই বিস্তৃত।
এই বনের বিখ্যাত প্রাণী রয়েল বেঙ্গল টাইগার। - ৬১. শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক ঘোষণা করা হয়—
- ক. ৩ মার্চ ১৯৭১
- খ. ৭ মার্চ ১৯৭০
- গ. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
- ঘ. ২৬ মার্চ ১৯৭১
উত্তর: ক. ৩ মার্চ ১৯৭১
১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাধীন বাংলার পতাকা প্রথম ওড়ানো হয়। এর পরদিন ৩ মার্চ পল্টন ময়দানে স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সভায় ছাত্রনেতা শাজাহান সিরাজ স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেন। সেই সভাতেই শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক ঘোষণা করা হয়। ইশতেহারে ‘আমার সোনার বাংলা’ গানটিকে জাতীয় সংগীত করার কথাও বলা হয়েছিল।
মনে রাখুন:
৭ মার্চ ১৯৭১ বঙ্গবন্ধু রেসকোর্স ময়দানে ঐতিহাসিক ভাষণ দেন।
২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস এবং ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস। - ৬৩. বাংলাদেশ কোন সনে কমনওয়েলথ-এর সদস্যপদ লাভ করে?
- ক. ১৯৭২
- খ. ১৯৭৩
- গ. ১৯৭৪
- ঘ. ১৯৭৫
উত্তর: ক. ১৯৭২
স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ ক্রমে আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্য হয়। ১৯৭২ সালের ১৮ এপ্রিল দেশটি কমনওয়েলথের ৩২তম সদস্য হয়। কমনওয়েলথ মূলত সাবেক ব্রিটিশ উপনিবেশগুলোর সংগঠন, আর বাংলাদেশ স্বাধীনতার মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই এতে যুক্ত হয়। তাই এই প্রশ্নের উত্তর ১৯৭২।
মনে রাখুন:
১৯৭৩: জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন (ন্যাম)
১৯৭৪: জাতিসংঘ, ওআইসি ও আইডিবি
১৯৭২: বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ - ৬৫. ছয়-দফা দাবি প্রথম কোথায় উত্থাপন করা হয়?
- ক. ঢাকা
- খ. লাহোর
- গ. করাচি
- ঘ. ইসলামাবাদ
উত্তর: খ. লাহোর
১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক জাতীয় সম্মেলন হয়। সেই সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে ছয় দফা উত্থাপন করেন। এটি পরে ‘বাঙালির মুক্তির সনদ’ নামে পরিচিত হয়। দাবিগুলোর মধ্যে ছিল ফেডারেল ও সংসদীয় সরকার, আর কেন্দ্রের হাতে শুধু প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র থাকা।
মনে রাখুন:
ছয় দফা দিবস ৭ জুন।
ছয় দফার সমর্থনে ১৯৬৬ সালের ৭ জুন পূর্ব পাকিস্তানে হরতাল পালিত হয়।
ছয় দফার পর আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা হয় ১৯৬৮ সালে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা: সব বছর
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর: অন্যান্য পরীক্ষা
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর টিকেট ক্লার্ক ও রেকর্ড কিপার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ওয়্যারলেস অপারেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিদ্যুৎ বিভাগ বিদ্যুৎ পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন