নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮। ৮০টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। শুধু সাধারণ অংশ। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →ইংরেজি
- ১. The passive form of the sentence 'I have killed the bird' is—
- ক. The bird has killed by me
- খ. The bird has been killed by me
- গ. The bird have been killed by me
- ঘ. The bird has been being killed by me
উত্তর: খ. The bird has been killed by me
কোনো বাক্যকে কর্তৃবাচ্য (Active voice) থেকে কর্মবাচ্যে (Passive voice) বদলাতে হলে কর্তা ও কর্মের জায়গা পাল্টাতে হয়। I have killed the bird বাক্যটি Present perfect tense-এ আছে, আর এই tense-এর passive গঠন হলো Object + has/have + been + verb-এর past participle + by + Subject। কর্ম bird একবচন, তাই এখানে have নয়, has বসে এবং বাক্যটি হয় The bird has been killed by me। অন্য বিকল্পগুলোতে ভুল আছে: ‘has killed’-এর আগে been নেই, ‘have been’ বহুবচনের সঙ্গে চলে, আর ‘has been being’ রূপটি ইংরেজিতে শুদ্ধ নয়।
মনে রাখুন:
Present perfect passive: has/have been + past participle।
Present continuous passive: is/am/are being + past participle।
Past perfect passive: had been + past participle।
উদাহরণ: She has written a letter. → A letter has been written by her. - ৩. What type of noun is 'kindness'?আরও এসেছে: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পিটিআই ইন্সট্রাক্টর ২০১৬
- ক. Proper
- খ. Common
- গ. Abstract
- ঘ. Material
উত্তর: গ. Abstract
Kindness শব্দের অর্থ দয়া। দয়াকে আমরা হাত দিয়ে ছুঁয়ে দেখতে পারি না, এটি মানুষের একটি গুণ। যে noun কোনো গুণ, অবস্থা বা কাজের নাম প্রকাশ করে, তাকে ভাববাচক বিশেষ্য (Abstract noun) বলে। তাই kindness হলো Abstract noun। Proper noun হয় কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা স্থানের নাম, Common noun হয় একই জাতীয় সবকিছুর সাধারণ নাম, আর Material noun হয় কোনো পদার্থের নাম, যেমন gold বা water।
উদাহরণ:
গুণ: honesty, bravery।
অবস্থা: poverty, childhood।
কাজ: laughter, movement।
মনে রাখুন: Adjective থেকে Abstract noun তৈরি হয়, যেমন kind → kindness, brave → bravery, wise → wisdom। - ৯. Many people of our country live— hand to mouth.
- ক. on
- খ. with
- গ. from
- ঘ. by
উত্তর: গ. from
ইংরেজিতে দিন এনে দিন খাওয়া বোঝাতে idiom হলো live from hand to mouth। এর অর্থ হলো যা আয় হয় তা দিয়েই কোনোমতে খাবার জোটানো, জমানোর মতো কিছু থাকে না। তাই বাক্যটি হবে Many people of our country live from hand to mouth। On, with বা by বসালে এই প্রচলিত idiom তৈরি হয় না।
মনে রাখুন:
অর্থের দিক থেকে কাছাকাছি idiom হলো to live in poverty।
Idiom-এর preposition বদলানো যায় না, তাই এটি পুরো একটি অংশ হিসেবে মুখস্থ রাখতে হয়।
উদাহরণ: He has been living a hand-to-mouth life since his father died. - ১২. A mayor is an elected person who runs a—
- ক. City
- খ. State
- গ. County
- ঘ. Country
উত্তর: ক. City
Mayor হলেন নির্বাচিত ব্যক্তি, যিনি একটি নগরের (City) প্রশাসন পরিচালনা করেন। বাংলাদেশে সিটি করপোরেশনের প্রধানকে মেয়র বলা হয়। State মানে অঙ্গরাজ্য, County মানে কোনো কোনো দেশে প্রশাসনিক অঞ্চল, আর Country মানে দেশ, তাই এগুলো এখানে মানায় না।
মনে রাখুন:
পৌরসভার প্রধানকেও মেয়র বলা হয়।
২০১১ সালে ঢাকা সিটি করপোরেশনকে ভেঙে ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ নামে দুটি সিটি করপোরেশন করা হয়।
যুক্তরাষ্ট্রে State-এর প্রধান গভর্নর, আর যুক্তরাজ্যে লন্ডনের মেয়র নির্বাচিত হন সরাসরি ভোটে। - ২০. What is the meaning of the word 'post-mortem'?
- ক. Before death
- খ. Autopsy
- গ. Surgical operation
- ঘ. Declare dead
উত্তর: খ. Autopsy
Post-mortem শব্দের অর্থ মৃত্যুর পরে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে মৃত্যুর কারণ জানতে লাশ কাটাছেঁড়া করে পরীক্ষা করাকে post-mortem examination বা Autopsy বলে, যার বাংলা অর্থ ময়নাতদন্ত। বাকি বিকল্পগুলোর অর্থ আলাদা: Before death মানে মৃত্যুর আগে, Surgical operation মানে অস্ত্রোপচার আর Declare dead মানে মৃত ঘোষণা করা।
মনে রাখুন:
Post-mortem-এর বিপরীত শব্দ ante-mortem, যার অর্থ মৃত্যুর আগে।
Post শব্দাংশ মানে পরে, যেমন postpone (পিছিয়ে দেওয়া), postscript (চিঠির শেষে অতিরিক্ত লেখা)। - ৪০. We received— reply.
- ক. no
- খ. none
- গ. not
- ঘ. nothing
উত্তর: ক. no
We received no reply বাক্যে reply একটি noun। Noun-এর ঠিক আগে না-বাচক ভাব আনতে no বসে, যার অর্থ কোনো… নয়। None এবং nothing সরাসরি noun-এর আগে বসে না, এরা নিজেই pronoun, আর not সাধারণত verb-এর সঙ্গে ব্যবহৃত হয়। তাই এখানে no বসবে।
উদাহরণ:
I have no money.
He has no friends.
মনে রাখুন:
None মানে no one বা not any, যেমন None of them came.
Nothing মানে কোনো কিছুই নয়, যেমন I saw nothing.
Not ব্যবহার করলে verb-এর সঙ্গে বসে, যেমন We did not receive any reply. - ৫৩. I am going to— USA.
- ক. a
- খ. an
- গ. the
- ঘ. none of these
উত্তর: গ. the
USA হলো United States of America-এর সংক্ষিপ্ত রূপ। যে দেশের নাম একাধিক রাজ্য বা অংশ মিলিয়ে তৈরি, সেই নামের আগে the বসে। তাই I am going to the USA বাক্যটি শুদ্ধ। সাধারণ দেশের নামের আগে (যেমন Bangladesh, India) the বসে না।
উদাহরণ:
the UK, the UAE, the Netherlands।
মনে রাখুন:
দ্বীপপুঞ্জ বা বহুবচন নামের দেশের আগেও the বসে, যেমন the Philippines, the Maldives।
দেশের নামে Republic বা Kingdom থাকলে the বসে, যেমন the People's Republic of China। - ৫৮. A girl who is going to be married is :
- ক. Wife
- খ. Bride
- গ. Bridegroom
- ঘ. Beloved
উত্তর: খ. Bride
যে নারীর বিয়ে হতে যাচ্ছে বা যে সদ্য বিয়ে করেছে, তাকে bride বলে। Bridegroom হলেন বিয়ের বর। Wife মানে স্ত্রী, আর Beloved মানে অত্যন্ত প্রিয় মানুষ।
মনে রাখুন:
bride শব্দ থেকেই bridegroom এবং bridal (বিয়ে সম্বন্ধীয়) শব্দ তৈরি হয়েছে।
যে নারীর সঙ্গে বিয়ের কথা পাকা হয়েছে, তাকে fiancée বলে, আর পুরুষকে বলে fiancé।
Bride-এর সঙ্গে সম্পর্কিত শব্দ: wedding (বিয়ের অনুষ্ঠান), bridesmaid (কনের সঙ্গিনী)। - ৬২. A friend— need is a friend indeed.
- ক. to
- খ. for
- গ. at
- ঘ. in
উত্তর: ঘ. in
A friend in need is a friend indeed একটি প্রচলিত proverb। এর অর্থ হলো বিপদের সময় যে পাশে দাঁড়ায়, সেই প্রকৃত বন্ধু। এখানে in ব্যবহার করে বলা হয়েছে প্রয়োজনের মুহূর্তে যে বন্ধু। তাই শূন্যস্থানে in বসবে।
মনে রাখুন:
বাংলায় প্রবাদটি হলো বিপদে বন্ধুর পরিচয়।
In need, in trouble, in danger-এর মতো অবস্থা বোঝাতে in ব্যবহৃত হয়।
Proverb অক্ষরে অক্ষরে মুখস্থ রাখতে হয়, তাই preposition বদলানো যায় না। - ৬৮. What is the adjective of the word 'tax'?
- ক. Taxation
- খ. Taxing
- গ. Taxable
- ঘ. Taxability
উত্তর: গ. Taxable
Tax মানে কর। কোনো কিছুর ওপর কর আরোপ করা যায়, এ অর্থে বিশেষণ হলো taxable। Taxation মানে কর আরোপ (noun), Taxing মানে ক্লান্তিকর বা কর আরোপের কাজ, আর Taxability মানে করযোগ্যতা (noun)।
উদাহরণ: This is a taxable income. (এটি করযোগ্য আয়।)
মনে রাখুন:
Tax-free বলতে বোঝায় কর ছাড়া, যেমন a tax-free item।
Tax শব্দটি verb হিসেবেও ব্যবহৃত হয়, যেমন The government taxes cigarettes heavily. - ৭২. What is the plural of 'deer'?
- ক. deers
- খ. deerese
- গ. deeres
- ঘ. deer
উত্তর: ঘ. deer
কিছু noun-এর একবচন ও বহুবচন একই থাকে। Deer তেমনই একটি শব্দ, তাই এক বা একাধিক হরিণ বোঝাতে deer লেখা হয়। Deers, deerese বা deeres ইংরেজিতে শুদ্ধ রূপ নয়।
উদাহরণ:
sheep, fish, swine, series।
মনে রাখুন:
Species, aircraft ও salmon-এর বহুবচনও একই থাকে।
অনিয়মিত বহুবচন: ox → oxen, child → children, man → men, foot → feet। - ৭৩. I was waiting for Ushoshi— she never came.
- ক. but
- খ. and
- গ. while
- ঘ. as
উত্তর: ক. but
বাক্যটির প্রথম অংশে অপেক্ষার কথা আছে, আর দ্বিতীয় অংশে বলা হয়েছে সে কখনো আসেনি। দুটি বিপরীত ভাবকে যুক্ত করার জন্য but ব্যবহার করা হয়। তাই বাক্যটি হবে I was waiting for Ushoshi but she never came। And বা as এখানে অর্থ ঠিক রাখতে পারে না।
মনে রাখুন:
but হলো contrast প্রকাশের conjunction। আরও উদাহরণ: yet, however।
Coordinating conjunction সাতটি: for, and, nor, but, or, yet, so।
While ও as হলো subordinating conjunction, এরা সময় বা কারণ বোঝায়। - ৭৫. Many Freedom fighters died— the country.
- ক. from
- খ. for
- গ. of
- ঘ. at
উত্তর: খ. for
দেশের জন্য প্রাণ দেওয়া বোঝাতে ইংরেজিতে die for ব্যবহার করা হয়। মুক্তিযোদ্ধারা দেশের উদ্দেশ্যে প্রাণ দিয়েছেন, তাই for বসে। Die of ব্যবহার হয় রোগ বা কারণ বোঝাতে, যেমন die of cancer, আর die from ব্যবহার হয় আঘাত বা দুর্ঘটনার ফল বোঝাতে।
উদাহরণ:
He died of cholera.
She died from a fall.
মনে রাখুন: Die of hunger, die of old age-এর মতো প্রকাশেও of বসে। - ৭৭. This children park— half an hour before sunset.
- ক. opens
- খ. starts
- গ. closes
- ঘ. stops
উত্তর: গ. closes
বাক্যের অর্থ হলো, শিশুউদ্যান সূর্য ডোবার আধ ঘণ্টা আগেই বন্ধ হয়ে যায়। তাই এখানে closes বসে। Opens ও starts ঠিক উল্টো ভাব দেয়, আর stops সাধারণত কোনো চলমান কাজ থামার সময় ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ: The shop closes at 9 pm.
মনে রাখুন:
Close-এর বিপরীত শব্দ open।
Sunset মানে সূর্যাস্ত, আর এর বিপরীত sunrise মানে সূর্যোদয়।
বিজ্ঞান
- ২. Exclusive breast feeding কথাটি কতদিন breast feeding করার কথা বুঝায়?
- ক. ১ বছর
- খ. ২ বছর
- গ. ৬ মাস
- ঘ. ১০ মাস
উত্তর: গ. ৬ মাস
শিশুর জন্মের পর প্রথম ৬ মাস মায়ের বুকের দুধ ছাড়া পানি, অন্য দুধ বা কোনো খাবার না দিয়ে শুধু বুকের দুধ খাওয়ানোকে Exclusive breastfeeding বলে। এই সময়ে বুকের দুধই শিশুর পুষ্টি ও রোগ প্রতিরোধের সব চাহিদা মেটাতে পারে। ৬ মাস পূর্ণ হলে বুকের দুধের পাশাপাশি পরিপূরক খাবার শুরু করতে হয়।
মনে রাখুন:
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ অনুযায়ী ২ বছর বা তার বেশি সময় পর্যন্ত বুকের দুধ চালিয়ে যাওয়া ভালো।
শিশু জন্মের পর মায়ের প্রথম যে হলদে ঘন দুধ পায়, তাকে শালদুধ (Colostrum) বলে। এতে রোগ প্রতিরোধী উপাদান বেশি থাকে, তাই জন্মের পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব শিশুকে শালদুধ খাওয়ানো উচিত।
প্রতি বছর ১ থেকে ৭ আগস্ট বিশ্ব বুকের দুধ সপ্তাহ পালিত হয়। - ৫. নিচের কোনটি বিভিন্ন Organ থেকে রক্ত সংগ্রহ করে?
- ক. Veins
- খ. Arteries
- গ. Nerves
- ঘ. Lungs
উত্তর: ক. Veins
আমাদের দেহে রক্ত চলাচলের নল দুই রকম। ধমনি (Artery) হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দেহের বিভিন্ন অঙ্গে নিয়ে যায়, আর শিরা (Vein) অঙ্গপ্রত্যঙ্গ থেকে রক্ত সংগ্রহ করে আবার হৃৎপিণ্ডে ফিরিয়ে আনে। তাই প্রশ্নের কাজটি শিরার। স্নায়ু (Nerve) রক্ত নয়, সংকেত বহন করে, আর ফুসফুস শ্বাসপ্রশ্বাসের অঙ্গ।
মনে রাখুন:
ফুসফুসীয় ধমনিতে অশুদ্ধ রক্ত থাকে এবং ফুসফুসীয় শিরায় শুদ্ধ রক্ত থাকে। এটি সাধারণ নিয়মের ব্যতিক্রম।
ধমনির দেয়াল পুরু ও স্থিতিস্থাপক, শিরার দেয়াল তুলনায় পাতলা এবং শিরায় রক্তের উল্টো প্রবাহ ঠেকানোর জন্য কপাটিকা (Valve) থাকে।
দেহের সবচেয়ে বড় ধমনি মহাধমনি (Aorta)। - ৮. নিচের কোনটি সংক্রামক ব্যাধি?
- ক. ডায়াবেটিস
- খ. উচ্চরক্তচাপ
- গ. হাঁপানী
- ঘ. যক্ষ্মা
উত্তর: ঘ. যক্ষ্মা
যে রোগ রোগজীবাণুর মাধ্যমে একজন থেকে আরেকজনের শরীরে ছড়ায়, তাকে সংক্রামক রোগ (Communicable disease) বলে। যক্ষ্মা মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকুলোসিস নামের ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয় এবং কাশি বা হাঁচির মাধ্যমে বাতাসে ছড়ায়। ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ ও হাঁপানি জীবনযাত্রা, বংশগতি বা অ্যালার্জির মতো কারণে হয় বলে এগুলো অসংক্রামক।
মনে রাখুন:
যক্ষ্মা প্রতিরোধে শিশুকে BCG টিকা দেওয়া হয়।
যক্ষ্মা প্রধানত ফুসফুসকে আক্রান্ত করে। রবার্ট কখ ১৮৮২ সালে এর জীবাণু আবিষ্কার করেন।
২৪ মার্চ বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস। - ১০. Phagocytosis প্রক্রিয়াটি সাধিত হয় কোথায়?
- ক. Eosinophil
- খ. Platelet
- গ. Neutrophil
- ঘ. Red blood cell
উত্তর: গ. Neutrophil
দেহে জীবাণু ঢুকলে কিছু শ্বেত রক্তকণিকা সেগুলোকে গ্রাস করে হজম করে ফেলে। এই প্রক্রিয়ার নাম ফ্যাগোসাইটোসিস (Phagocytosis)। দেহের প্রধান ফ্যাগোসাইট হলো নিউট্রোফিল, কারণ সংক্রমণের জায়গায় সবার আগে এটিই পৌঁছায়। লোহিত কণিকা অক্সিজেন বহন করে এবং অণুচক্রিকা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে, তাই এ দুটি এই কাজ করে না।
মনে রাখুন:
নিউট্রোফিলের পাশাপাশি মনোসাইটও ফ্যাগোসাইটোসিস করে। মনোসাইট কলার ভেতরে গিয়ে ম্যাক্রোফেজ নামে বড় ফ্যাগোসাইটে পরিণত হয়।
ইওসিনোফিল অ্যালার্জি ও পরজীবী সংক্রমণের সময় সক্রিয় হয়, আর লিম্ফোসাইট অ্যান্টিবডি তৈরিতে সাহায্য করে।
ফ্যাগোসাইটোসিস আবিষ্কার করেন রুশ বিজ্ঞানী ইলিয়া মেচনিকভ। - ১১. নিচের কোনটি Milk ejection reflex করে?
- ক. Oxytocin
- খ. Estrogen
- গ. Progesterone
- ঘ. Thyroxin
উত্তর: ক. Oxytocin
শিশু যখন মায়ের স্তনে মুখ লাগিয়ে চোষে, তখন সেই স্পর্শের সংকেত মস্তিষ্কে পৌঁছায়। এতে পিটুইটারি গ্রন্থির পশ্চাৎ খণ্ড থেকে অক্সিটোসিন (Oxytocin) হরমোন নিঃসৃত হয় এবং স্তনের দুধ বের হয়ে আসে। একে Milk ejection reflex বা দুধ নির্গমন প্রতিবর্ত বলে। অন্যদিকে দুধ তৈরি হওয়ার কাজটি করে প্রোল্যাকটিন হরমোন। ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন মূলত গর্ভাবস্থা ও স্তনের বৃদ্ধির সঙ্গে জড়িত, আর থাইরক্সিন বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে।
মনে রাখুন:
অক্সিটোসিন প্রসবের সময় জরায়ুর সংকোচনেও সাহায্য করে।
প্রোল্যাকটিন নিঃসৃত হয় পিটুইটারির অগ্র খণ্ড থেকে। - ১৪. Heart প্রকোষ্ঠ কয়টি?
- ক. চারটি
- খ. তিনটি
- গ. পাঁচটি
- ঘ. ছয়টি
উত্তর: ক. চারটি
মানুষের হৃৎপিণ্ড (Heart) ভেতরে চারটি প্রকোষ্ঠে ভাগ করা। ওপরের দুটি প্রকোষ্ঠকে ডান ও বাম অলিন্দ (Atrium) বলে, আর নিচের দুটিকে ডান ও বাম নিলয় (Ventricle) বলে। অলিন্দ রক্ত গ্রহণ করে, আর নিলয় রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে পাঠিয়ে দেয়। ডান দিকে অশুদ্ধ রক্ত এবং বাম দিকে শুদ্ধ রক্ত থাকে, দুই দিকের রক্ত মেশে না।
মনে রাখুন:
মাছের হৃৎপিণ্ডে ২টি, উভচরের ৩টি এবং সরীসৃপের (কুমির বাদে) ৩টি প্রকোষ্ঠ থাকে।
কুমির, পাখি ও স্তন্যপায়ীর হৃৎপিণ্ডে ৪টি প্রকোষ্ঠ থাকে।
ডান অলিন্দ ও ডান নিলয়ের মাঝখানের কপাটিকা ট্রাইকাসপিড, আর বাম দিকেরটি বাইকাসপিড বা মাইট্রাল কপাটিকা। - ১৮. কোনটি পানিবাহিত রোগ?
- ক. ডেঙ্গু
- খ. টাইফয়েড
- গ. ম্যালেরিয়া
- ঘ. লেপ্রসি
উত্তর: খ. টাইফয়েড
যে রোগের জীবাণু দূষিত পানি পান বা ব্যবহারের মাধ্যমে ছড়ায়, তাকে পানিবাহিত রোগ (Waterborne disease) বলে। টাইফয়েড সালমোনেলা টাইফি নামের ব্যাকটেরিয়ায় হয় এবং দূষিত পানি ও খাবারের মাধ্যমে ছড়ায়। ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়া মশার কামড়ে ছড়ায়, আর কুষ্ঠ (Leprosy) দীর্ঘ সময়ের ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে ছড়ায়।
মনে রাখুন:
কলেরা, আমাশয় ও ডায়রিয়াও পানিবাহিত রোগ। কলেরার জীবাণু ভিব্রিও কলেরি।
হেপাটাইটিস এ ও ই ভাইরাসও দূষিত পানির মাধ্যমে ছড়ায়।
নিরাপদ পানি পান এবং হাত ধোয়া এসব রোগ ঠেকানোর প্রধান উপায়। - ১৯. উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র নিচের কোনটি?
- ক. ওডোমিটার
- খ. ট্যাকোমিটার
- গ. সিসমোগ্রাফ
- ঘ. রিকটার স্কেল
উত্তর: খ. ট্যাকোমিটার
আকাশে ওড়ার সময় উড়োজাহাজের গতিবেগ বোঝার জন্য প্রচলিত বাংলাদেশি পাঠ্যবইয়ে ট্যাকোমিটারকে এই যন্ত্র হিসেবে ধরা হয়। এই প্রশ্নের বিকল্পগুলোর মধ্যে বাকি যন্ত্রগুলো স্পষ্টভাবে অন্য কাজের। ওডোমিটার গাড়ির অতিক্রান্ত দূরত্ব মাপে, সিসমোগ্রাফ ভূমিকম্পের তরঙ্গ মাপে, আর রিখটার স্কেল ভূমিকম্পের তীব্রতার মাত্রা নির্ধারণ করে।
মনে রাখুন:
ট্যাকোমিটার মূলত ইঞ্জিনের ঘূর্ণন গতি (rpm) মাপে।
স্পিডোমিটার গাড়ির তাৎক্ষণিক গতি দেখায়।
অ্যানিমোমিটার বাতাসের বেগ মাপে। - ২২. কোন রোগটির প্রতিষেধক DPT vaccine নয়?
- ক. Diphtheria
- খ. Pneumonia
- গ. Tetanus
- ঘ. Pertussis
উত্তর: খ. Pneumonia
DPT টিকা তিনটি রোগ থেকে রক্ষা করে। D মানে ডিপথেরিয়া (Diphtheria), P মানে হুপিং কাশি (Pertussis) এবং T মানে ধনুষ্টংকার (Tetanus)। নিউমোনিয়ার জন্য আলাদা টিকা আছে, যার নাম PCV, তাই নিউমোনিয়া এই টিকার আওতায় পড়ে না।
মনে রাখুন:
এখন DPT, হেপাটাইটিস বি ও হিব মিলিয়ে একসঙ্গে পেন্টাভ্যালেন্ট টিকা দেওয়া হয়।
ধনুষ্টংকারের জীবাণু ক্লস্ট্রিডিয়াম টেটানি, ডিপথেরিয়ার জীবাণু করিনিব্যাকটেরিয়াম ডিপথেরিয়ে এবং হুপিং কাশির জীবাণু বর্ডেটেলা পারটুসিস।
বাংলাদেশে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (EPI) ১৯৭৯ সালে শুরু হয়। - ২৫. মানব শরীরে সর্বমোট vertebra'র সংখ্যা হলো—
- ক. ৩৬টি
- খ. ৩২টি
- গ. ৩৯টি
- ঘ. ৩৩টি
উত্তর: ঘ. ৩৩টি
মানুষের মেরুদণ্ড মোট ৩৩টি কশেরুকা (Vertebra) দিয়ে গঠিত। এগুলো ৫টি অঞ্চলে ভাগ করা: গ্রীবা অঞ্চলে ৭টি, বক্ষ অঞ্চলে ১২টি, কটি অঞ্চলে ৫টি, ত্রিকাস্থিতে ৫টি এবং অনুত্রিকে ৪টি। সব মিলিয়ে ৭ + ১২ + ৫ + ৫ + ৪ = ৩৩।
মনে রাখুন:
ত্রিকাস্থির ৫টি এবং অনুত্রিকের ৪টি কশেরুকা জোড়া লেগে যায়। তাই বয়স্ক মানুষের মেরুদণ্ডে আলাদা কশেরুকা থাকে ২৬টি।
গ্রীবা অঞ্চলের প্রথম দুটি কশেরুকার নাম অ্যাটলাস ও অ্যাক্সিস।
জিরাফের ঘাড় এত লম্বা হলেও তার গ্রীবা কশেরুকা মানুষের মতো ৭টিই। - ৩০. নিচের কোন এসিড পাকস্থলিতে (Stomach) থাকে?
- ক. Hydrochloric acid
- খ. Acetic acid
- গ. Formic acid
- ঘ. Sulphuric-acid
উত্তর: ক. Hydrochloric acid
আমাদের পাকস্থলীর (Stomach) গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি থেকে গ্যাস্ট্রিক রস নিঃসৃত হয়। এই রসে হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCl) থাকে। এই এসিড খাবারের সঙ্গে আসা জীবাণু মেরে ফেলে এবং পেপসিন এনজাইমের কাজের উপযোগী পরিবেশ তৈরি করে।
মনে রাখুন:
লেবুতে থাকে সাইট্রিক এসিড, ভিনেগারে অ্যাসিটিক এসিড এবং পিঁপড়ার কামড়ে ফরমিক এসিড থাকে।
পেপসিন প্রোটিনকে ভেঙে ছোট অংশে পরিণত করে।
পাকস্থলীর ভেতরের দেয়ালে শ্লেষ্মা (Mucus) থাকে, যা এসিডের ক্ষতি থেকে দেয়ালকে রক্ষা করে। - ৩১. শরীরে Vitamin B₁₂ এর ঘাটতি হলে কী হয়?
- ক. উচ্চ রক্তচাপ
- খ. রিকেট
- গ. রক্তশূন্যতা
- ঘ. স্কার্ভি
উত্তর: গ. রক্তশূন্যতা
ভিটামিন B₁₂ (সায়ানোকোবালামিন) লোহিত রক্তকণিকা তৈরির জন্য দরকার। এর ঘাটতি হলে রক্তকণিকা ঠিকভাবে তৈরি হয় না, ফলে রক্তশূন্যতা (Anaemia) দেখা দেয়। রিকেট হয় ভিটামিন D-এর অভাবে এবং স্কার্ভি হয় ভিটামিন C-এর অভাবে। উচ্চ রক্তচাপ কোনো ভিটামিনের অভাবে হয় না।
মনে রাখুন:
ভিটামিন B₁₂ প্রধানত মাছ, মাংস, ডিম ও দুধে পাওয়া যায়।
এই ভিটামিনের অণুতে কোবাল্ট থাকে।
ভিটামিন B₁-এর অভাবে বেরিবেরি এবং ভিটামিন A-এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়। - ৩২. মস্তিষ্ক (Brain) আঘাত থেকে রক্ষা করার জন্য যে হাড় আবরণ তৈরি করে তার নাম কী?
- ক. Sternum
- খ. Cranium
- গ. Clavicle
- ঘ. Pelvis
উত্তর: খ. Cranium
খুলির যে হাড় মস্তিষ্ককে ঘিরে রেখে আঘাত থেকে রক্ষা করে, তাকে ক্র্যানিয়াম (Cranium) বা করোটি বলে। স্টার্নাম হলো বুকের মাঝখানের হাড়, ক্ল্যাভিকল হলো কণ্ঠার হাড় এবং পেলভিস হলো কটিদেশের হাড়।
মনে রাখুন:
করোটি ৮টি হাড়ের সমন্বয়ে গঠিত।
মুখমণ্ডলের হাড় ১৪টি, আর মাথার খুলি মোট ২২টি হাড় দিয়ে তৈরি।
মস্তিষ্ক তিন স্তরের পর্দা দিয়েও আবৃত থাকে, যাকে মেনিনজেস (Meninges) বলে। - ৩৪. যে হরমোনের ঘাটতির জন্য ডায়াবেটিস হয় তা হলো—
- ক. Glucagon
- খ. Thyroxin
- গ. Insulin
- ঘ. Prolactin
উত্তর: গ. Insulin
অগ্ন্যাশয়ের বিটা কোষ থেকে ইনসুলিন (Insulin) হরমোন নিঃসৃত হয়, যা রক্তের গ্লুকোজকে কোষে ঢুকতে সাহায্য করে। ইনসুলিনের ঘাটতি হলে রক্তে গ্লুকোজ জমে যায় এবং ডায়াবেটিস মেলিটাস রোগ দেখা দেয়। গ্লুকাগন বরং রক্তে গ্লুকোজ বাড়ায়, আর প্রোল্যাকটিন দুধ তৈরিতে কাজ করে।
মনে রাখুন:
থাইরক্সিন বিপাকের হার নিয়ন্ত্রণ করে। আয়োডিনের অভাবে থাইরক্সিন কম তৈরি হলে গলগণ্ড হতে পারে।
ইনসুলিন তৈরি হয় অগ্ন্যাশয়ের ল্যাঙ্গারহ্যান্স দ্বীপপুঞ্জে।
১৯২১ সালে ব্যান্টিং ও বেস্ট ইনসুলিন আবিষ্কার করেন।
১৪ নভেম্বর বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস। - ৩৬. চিকনগুনিয়া রোগটি কিসের মাধ্যমে ছড়ায়?
- ক. এডিস মশা
- খ. এনোফিলিস মশা
- গ. মাছি
- ঘ. ইঁদুর
উত্তর: ক. এডিস মশা
চিকুনগুনিয়া একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যাতে জ্বরের সঙ্গে তীব্র গিঁটে ব্যথা হয়। এডিস (Aedes) মশা কামড়ালে এই ভাইরাস ছড়ায়। ডেঙ্গুও একই এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়, তবে ম্যালেরিয়া ছড়ায় স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশার কামড়ে। মাছি ও ইঁদুর এই রোগ ছড়ায় না।
মনে রাখুন:
এডিস মশা সাধারণত জমে থাকা পরিষ্কার পানিতে ডিম পাড়ে এবং দিনের বেলায় কামড়ায়।
এডিস মশার গায়ে সাদা-কালো ডোরা দাগ থাকে, তাই একে বাঘা মশাও বলা হয়।
জমে থাকা পানি সরিয়ে ফেললে এডিস মশার বংশবৃদ্ধি কমানো যায়। - ৪১. রক্তে Platelet এর কাজ কী?
- ক. O₂ পরিবহণ
- খ. সংক্রমণ প্রতিরোধ
- গ. রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করা
- ঘ. রক্তের pH এর পরিমাণ নির্ধারণ করা
উত্তর: গ. রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করা
অণুচক্রিকা (Platelet) রক্তের একটি ক্ষুদ্র উপাদান। শরীর কেটে গেলে অণুচক্রিকা ক্ষতস্থানে জমা হয় এবং রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। এতে রক্তপাত বন্ধ হয়। অক্সিজেন বহন করা লোহিত কণিকার কাজ, আর সংক্রমণ প্রতিরোধ করা শ্বেত কণিকার কাজ।
মনে রাখুন:
অণুচক্রিকার সংখ্যা কমে গেলে রক্তপাত সহজে থামে না। ডেঙ্গু জ্বরে এ কারণেই অণুচক্রিকার সংখ্যা দেখা হয়।
অণুচক্রিকা অস্থিমজ্জায় তৈরি হয় এবং এর আয়ু প্রায় ৫ থেকে ১০ দিন।
রক্ত জমাট বাঁধার সময় দ্রবণীয় ফাইব্রিনোজেন অদ্রবণীয় ফাইব্রিনে পরিণত হয়।
ভিটামিন K রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। - ৪২. নিচের কোনটি মূত্রতন্ত্রের অংশ নয়?
- ক. Ureter
- খ. Kidney
- গ. Appendix
- ঘ. Urethra
উত্তর: গ. Appendix
মূত্রতন্ত্র (Urinary system) রক্ত থেকে বর্জ্য ছেঁকে মূত্র তৈরি করে এবং তা দেহ থেকে বের করে দেয়। এই তন্ত্রে থাকে কিডনি (Kidney), ইউরেটার, মূত্রথলি ও ইউরেথ্রা। অ্যাপেন্ডিক্স হলো বৃহদন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত একটি ছোট থলি, যা পরিপাকতন্ত্রের অংশ।
মনে রাখুন:
ইউরেটার কিডনি থেকে মূত্রথলিতে মূত্র নিয়ে যায়, আর ইউরেথ্রা মূত্রথলি থেকে দেহের বাইরে বের করে।
কিডনির কার্যকরী একক নেফ্রন (Nephron)।
মানুষের দুটি কিডনি থাকে। - ৪৪. BMI কত হলে Obese বলা হয়?
- ক. > 30
- খ. > 15
- গ. > 24
- ঘ. > 20
উত্তর: ক. > 30
Body Mass Index (BMI) হলো ওজন (কেজি) ভাগ উচ্চতার (মিটার) বর্গ। এর মান দিয়ে বোঝা যায় ওজন উচ্চতার তুলনায় স্বাভাবিক কি না। BMI ৩০-এর বেশি হলে মানুষকে স্থূল (Obese) ধরা হয়, তাই অন্য বিকল্পগুলোর মান স্থূলতার সীমার নিচে পড়ে।
মনে রাখুন:
স্বাভাবিক: ১৮.৫ থেকে ২৪.৯।
অতিরিক্ত ওজন: ২৫ থেকে ২৯.৯।
স্থূলতা (Obese): ৩০ বা তার বেশি।
কম ওজন (Underweight): ১৮.৫-এর কম।
হিসাব: ওজন ৭২ কেজি ও উচ্চতা ১.৮ মিটার হলে BMI = 72/(1.8)² = 72/3.24 ≈ 22.2। - ৪৬. রক্তে হিমোগ্লোবিন হলো একটি—
- ক. Fat
- খ. Antigen
- গ. Platelet
- ঘ. Protein
উত্তর: ঘ. Protein
হিমোগ্লোবিন লোহিত রক্তকণিকায় থাকে। এর ভেতরে আছে হিম নামের লোহাযুক্ত রঞ্জক এবং গ্লোবিন নামের প্রোটিন, তাই হিমোগ্লোবিন একটি প্রোটিন। এটি ফুসফুস থেকে অক্সিজেন নিয়ে দেহের কোষে পৌঁছে দেয় এবং রক্তকে লাল রং দেয়।
মনে রাখুন:
হিমোগ্লোবিন তৈরির জন্য আয়রন প্রয়োজন, তাই আয়রনের অভাবে রক্তশূন্যতা হতে পারে।
হিমোগ্লোবিন কার্বন মনোক্সাইডের সঙ্গে অক্সিজেনের চেয়ে অনেক সহজে যুক্ত হয়, তাই এই গ্যাস বিষাক্ত।
স্তন্যপায়ীর পরিণত লোহিত কণিকায় নিউক্লিয়াস থাকে না। - ৪৭. নিচের কোনটি শ্বাসতন্ত্রের অন্তর্ভুক্ত নয়?
- ক. Pharynx
- খ. Trachea
- গ. Maxilla
- ঘ. Bronchus
উত্তর: গ. Maxilla
শ্বাসতন্ত্র নাক থেকে ফুসফুস পর্যন্ত বাতাস চলাচলের পথ তৈরি করে। এর অংশ হলো নাক, ফ্যারিংক্স (গলনালি), ট্রাকিয়া (শ্বাসনালি), ব্রঙ্কাস ও ফুসফুস। ম্যাক্সিলা হলো উপরের চোয়ালের হাড়, যা কঙ্কালতন্ত্রের অংশ।
মনে রাখুন:
ডান ফুসফুসে ৩টি ও বাম ফুসফুসে ২টি খণ্ড থাকে।
বাম ফুসফুস ছোট, কারণ বাম দিকে হৃৎপিণ্ডের জন্য জায়গা রাখতে হয়।
শ্বাসনালি কার্টিলেজের আংটি দিয়ে গঠিত, তাই এটি সবসময় খোলা থাকে। - ৪৮. Thalassemia হলো—
- ক. Thyroid জনিত রোগ
- খ. রক্তের জন্মগত ত্রুটি
- গ. Osteoporosis
- ঘ. Atherosclerosis
উত্তর: খ. রক্তের জন্মগত ত্রুটি
থ্যালাসেমিয়া মা-বাবার জিনের মাধ্যমে সন্তানের শরীরে আসা একটি রক্তের রোগ। এতে হিমোগ্লোবিন তৈরির ত্রুটি থাকে, ফলে লোহিত রক্তকণিকা ঠিকভাবে তৈরি হয় না এবং রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। তাই এটি রক্তের জন্মগত ত্রুটি। থাইরয়েড, অস্টিওপোরোসিস ও অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস আলাদা ধরনের সমস্যা: প্রথমটি গ্রন্থির, দ্বিতীয়টি হাড়ের এবং তৃতীয়টি ধমনির।
মনে রাখুন:
বিয়ের আগে রক্ত পরীক্ষা করে বাহক শনাক্ত করলে এই রোগ প্রতিরোধ করা যায়।
গুরুতর থ্যালাসেমিয়ায় রোগীকে নিয়মিত রক্ত দিতে হয়।
৮ মে বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস। - ৫০. Heart এর বাইরের আবরণকে বলে—।
- ক. Pleura
- খ. Pericardium
- গ. Peritoneum
- ঘ. Mucosa
উত্তর: খ. Pericardium
হৃৎপিণ্ডের বাইরের দিকে দ্বিস্তরবিশিষ্ট পাতলা আবরণ থাকে, যার নাম পেরিকার্ডিয়াম (Pericardium)। এটি হৃৎপিণ্ডকে আঘাত থেকে রক্ষা করে। প্লুরা ফুসফুসের আবরণ, পেরিটোনিয়াম পেটের গহ্বরের আবরণ, আর মিউকোসা হলো শ্লেষ্মাস্তর।
মনে রাখুন:
দুই স্তরের মাঝখানে পেরিকার্ডিয়াল তরল থাকে, যা হৃৎপিণ্ডের স্পন্দনের সময় ঘর্ষণ কমায়।
হৃৎপিণ্ডের দেয়ালের তিনটি স্তর: এপিকার্ডিয়াম, মায়োকার্ডিয়াম ও এন্ডোকার্ডিয়াম।
মস্তিষ্কের আবরণ মেনিনজেস। - ৫১. যে জীবাণুর সংক্রমণে জরায়ুর মুখে ক্যান্সার হয় তার নাম কী?
- ক. HIV
- খ. HPV
- গ. Hepatitis B Virus
- ঘ. Candida albicans
উত্তর: খ. HPV
জরায়ুমুখের ক্যান্সারের প্রধান কারণ হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (HPV) নামের একটি ভাইরাস। এটি যৌন সংস্পর্শের মাধ্যমে ছড়ায়। HIV এইডস রোগ ঘটায়, হেপাটাইটিস বি ভাইরাস যকৃতের রোগ ঘটায়, আর Candida albicans একটি ছত্রাক, যা সাধারণত ছত্রাকজনিত সংক্রমণ ঘটায়।
মনে রাখুন:
HPV-এর বিরুদ্ধে টিকা আছে, যা কিশোরীদের দিলে জরায়ুমুখের ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেক কমে।
HPV-এর ১৬ ও ১৮ নম্বর ধরন থেকে বেশিরভাগ জরায়ুমুখের ক্যান্সার হয়।
প্যাপ স্মিয়ার পরীক্ষায় জরায়ুমুখের ক্যান্সার আগেভাগে ধরা যায়। - ৫৬. বুকের মাঝখানের হাড়ের নাম হলো—
- ক. Sternum
- খ. Ileum
- গ. Cranium
- ঘ. Humerous
উত্তর: ক. Sternum
বুকের মাঝখানের লম্বাটে চ্যাপ্টা হাড়টির নাম স্টার্নাম (Sternum) বা বক্ষাস্থি। এটি বুকের পাঁজরগুলোকে সামনের দিকে যুক্ত করে এবং হৃৎপিণ্ড ও ফুসফুসকে রক্ষা করে। ক্র্যানিয়াম খুলির হাড়, আর হিউমেরাস বাহুর হাড়। বিকল্পের Ileum আসলে ক্ষুদ্রান্ত্রের শেষ অংশ, আর কটিদেশের হাড়ের অংশটির বানান Ilium।
মনে রাখুন:
ক্ল্যাভিকল বা কণ্ঠাস্থি বুকের ওপরের দিকে আড়াআড়িভাবে থাকে।
মানুষের পাঁজরের হাড় ১২ জোড়া, অর্থাৎ ২৪টি।
উরুর হাড় ফিমার (Femur) দেহের সবচেয়ে বড় ও শক্ত হাড়। - ৬১. Larynx কোন তন্ত্রের অংশ?
- ক. পরিপাকতন্ত্র
- খ. শ্বাসতন্ত্র
- গ. স্নায়ুতন্ত্র
- ঘ. রেচনতন্ত্র
উত্তর: খ. শ্বাসতন্ত্র
ল্যারিংক্স (Larynx) বা স্বরযন্ত্র শ্বাসতন্ত্রের অংশ। এটি গলনালি ও শ্বাসনালির মাঝখানে থাকে। বাতাস এর ভেতর দিয়ে ফুসফুসে যায় এবং এখানকার স্বররজ্জু কাঁপলে শব্দ তৈরি হয়। তাই এটি পরিপাক, স্নায়ু বা রেচনতন্ত্রের অংশ নয়।
মনে রাখুন:
নাক থেকে ফুসফুসে বাতাসের পথ: নাক, ফ্যারিংক্স, ল্যারিংক্স, ট্রাকিয়া, ব্রঙ্কাস, ফুসফুস।
ল্যারিংক্সের মুখে এপিগ্লটিস নামের ঢাকনা থাকে, যা খাবার গিলতে গেলে শ্বাসনালির মুখ বন্ধ করে দেয়।
গলার সামনের উঁচু অংশকে অনেকে অ্যাডামস অ্যাপল বলে, এটি ল্যারিংক্সের অংশ। - ৬৩. Red blood cell-এর life span হলো—
- ক. ১০০ দিন
- খ. ১২০ দিন
- গ. ১৩০ দিন
- ঘ. ১৮০ দিন
উত্তর: খ. ১২০ দিন
লোহিত রক্তকণিকা (Red blood cell) অস্থিমজ্জায় তৈরি হয় এবং প্রায় ১২০ দিন বেঁচে থাকে। এরপর প্লীহা ও যকৃতে এগুলো ভেঙে যায়, তাই প্লীহাকে রক্তকণিকার কবরখানা বলা হয়।
মনে রাখুন:
শ্বেত রক্তকণিকার আয়ু কয়েক দিন থেকে কয়েক মাস।
অণুচক্রিকার আয়ু প্রায় ৫ থেকে ১০ দিন।
লোহিত কণিকা তৈরিতে কিডনি থেকে নিঃসৃত ইরিথ্রোপয়েটিন হরমোন সাহায্য করে। - ৬৬. ভয় পেলে গায়ের লোম খাড়া হয় কোন হরমোনের প্রভাবে?
- ক. অ্যাড্রেনালিন
- খ. ইনসুলিন
- গ. থাইরোক্সিন
- ঘ. গ্লুকাগন
উত্তর: ক. অ্যাড্রেনালিন
ভয় পেলে আমাদের অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি থেকে অ্যাড্রেনালিন (Adrenaline) হরমোন নিঃসৃত হয়। এই হরমোন হৃৎস্পন্দন ও রক্তচাপ বাড়ায় এবং শরীরকে বিপদের মুখে লড়াই বা পালানোর জন্য প্রস্তুত করে। এ কারণেই ভয়ের সময় গায়ের লোম খাড়া হয়ে যায়। একে তাই জরুরি অবস্থার হরমোনও বলা হয়।
মনে রাখুন:
অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি দুই কিডনির ওপরে অবস্থিত।
অ্যাড্রেনালিন তৈরি হয় অ্যাড্রেনাল গ্রন্থির মজ্জা অংশে, আর কর্টেক্স অংশে তৈরি হয় কর্টিসল।
ইনসুলিন অগ্ন্যাশয়ের হরমোন এবং থাইরক্সিন থাইরয়েড গ্রন্থির হরমোন। - ৬৯. নিচের কোনটি Negative ion?
- ক. Chloride
- খ. Sodium
- গ. Calcium
- ঘ. Magnesium
উত্তর: ক. Chloride
যে পরমাণু বা মূলক ইলেকট্রন গ্রহণ করে ঋণাত্মক আধান পায়, তাকে ঋণাত্মক আয়ন (Anion) বলে। ক্লোরিন একটি ইলেকট্রন গ্রহণ করে ক্লোরাইড (Cl⁻) আয়নে পরিণত হয়। সোডিয়াম (Na⁺), ক্যালসিয়াম (Ca²⁺) ও ম্যাগনেসিয়াম (Mg²⁺) ইলেকট্রন ত্যাগ করে ধনাত্মক আয়ন তৈরি করে।
মনে রাখুন:
ধাতু সাধারণত ধনাত্মক আয়ন তৈরি করে এবং অধাতু ঋণাত্মক আয়ন তৈরি করে।
ধনাত্মক আয়নকে ক্যাটায়ন (Cation) বলে।
সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl) হলো Na⁺ ও Cl⁻ আয়নের মিলনে তৈরি যৌগ। - ৭০. এইডস রোগের জন্য দায়ী ভাইরাস কোনটি?
- ক. Herpes simplex
- খ. Picoma virus
- গ. Coxsachie virus
- ঘ. Human immunodeficiency virus
উত্তর: ঘ. Human immunodeficiency virus
এইডস (AIDS) রোগের জন্য দায়ী ভাইরাস হলো এইচআইভি, অর্থাৎ Human Immunodeficiency Virus। এই ভাইরাস শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। ফলে সামান্য সংক্রমণেও শরীর কাবু হয়ে পড়ে। বাকি বিকল্পগুলো অন্য ভাইরাস: Herpes simplex ঠোঁট বা যৌনাঙ্গে ঘা করে, আর Coxsackie ও Picorna ভাইরাস সাধারণত জ্বর ও গলার সংক্রমণ ঘটায়।
মনে রাখুন:
এইচআইভি রক্ত, অনিরাপদ যৌন সংসর্গ এবং সংক্রমিত মায়ের থেকে শিশুর দেহে ছড়াতে পারে। সাধারণ স্পর্শে বা একসঙ্গে খেলে ছড়ায় না।
AIDS-এর পূর্ণরূপ Acquired Immuno Deficiency Syndrome।
১ ডিসেম্বর বিশ্ব এইডস দিবস। - ৭৪. Down syndrome হলো একটি—
- ক. Genetic disorder
- খ. রক্তের সমস্যা
- গ. Thyroid জনিত সমস্যা
- ঘ. কিডনীর সমস্যা
উত্তর: ক. Genetic disorder
মানুষের কোষে সাধারণত ৪৬টি ক্রোমোসোম থাকে। ডাউন সিনড্রোম (Down syndrome) রোগে ২১ নম্বর ক্রোমোসোম দুটির বদলে তিনটি থাকে। তাই এটি একটি জিনগত রোগ (Genetic disorder)। আক্রান্ত শিশুর দৈহিক ও মানসিক বিকাশ ধীরে হয়।
মনে রাখুন:
এই অবস্থাকে ট্রাইসোমি ২১ (Trisomy 21) বলা হয়।
ডাউন সিনড্রোমে আক্রান্ত ব্যক্তির মোট ক্রোমোসোম ৪৭টি।
২১ মার্চ বিশ্ব ডাউন সিনড্রোম দিবস। - ৭৮. The scientific study of and treatment of tumors in the body is—
- ক. Oncology
- খ. Cardiology
- গ. Ophthalmology
- ঘ. Neurology
উত্তর: ক. Oncology
শরীরের টিউমার ও ক্যান্সারের বৈজ্ঞানিক অধ্যয়ন এবং চিকিৎসা নিয়ে কাজ করা চিকিৎসাশাস্ত্রের শাখাকে Oncology বলে। অন্য শব্দগুলো ভিন্ন শাখা: Cardiology হলো হৃদরোগবিদ্যা, Ophthalmology হলো চক্ষুবিদ্যা, আর Neurology হলো স্নায়ুবিদ্যা।
মনে রাখুন:
Oncology-র বিশেষজ্ঞকে oncologist বলা হয়।
অন্য শাখা: Nephrology (কিডনি), Dermatology (ত্বক), Paediatrics (শিশুরোগ), Haematology (রক্ত)। - ৭৯. Spinal nerve কয়টি?
- ক. ৩১ জোড়া
- খ. ৩০ জোড়া
- গ. ১২ জোড়া
- ঘ. ৩৫ জোড়া
উত্তর: ক. ৩১ জোড়া
মানুষের মেরুদণ্ড থেকে ৩১ জোড়া সুষুম্না স্নায়ু (Spinal nerve) বের হয়। এর মধ্যে গ্রীবা অঞ্চলে ৮ জোড়া, বক্ষ অঞ্চলে ১২ জোড়া, কটি অঞ্চলে ৫ জোড়া, ত্রিকাস্থি অঞ্চলে ৫ জোড়া এবং অনুত্রিকে ১ জোড়া। যোগফল ৮ + ১২ + ৫ + ৫ + ১ = ৩১।
মনে রাখুন:
মস্তিষ্ক থেকে বের হওয়া স্নায়ু ১২ জোড়া, এদের করোটিক স্নায়ু বলা হয়।
সুষুম্নাকাণ্ড মেরুদণ্ডের ভেতরের নালিতে থাকে।
বাংলা
- ৪. কবি ঈশ্বরগুপ্ত সম্পাদিত পত্রিকা কোনটি?
- ক. সংবাদ প্রভাকর
- খ. বাঙ্গাল গেজেট
- গ. সম্বাদ কৌমুদী
- ঘ. সমাচার দর্পণ
উত্তর: ক. সংবাদ প্রভাকর
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১৮৩১ সালে ‘সংবাদ প্রভাকর’ নামে পত্রিকা প্রকাশ করেন। প্রথমে এটি সাপ্তাহিক ছিল, পরে বাংলা ভাষার প্রথম দৈনিক পত্রিকা হয়ে ওঠে। তিনি এই পত্রিকার মাধ্যমে নতুন লেখকদেরও তৈরি করেছেন, বঙ্কিমচন্দ্র ও দীনবন্ধু মিত্র তাঁর শিষ্য ছিলেন। বাকি পত্রিকাগুলোর সম্পাদক আলাদা মানুষ।
মনে রাখুন:
বাঙ্গাল গেজেট: গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্য।
সম্বাদ কৌমুদী: রাজা রামমোহন রায়।
সমাচার দর্পণ: জন ক্লার্ক মার্শম্যান।
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে যুগসন্ধির কবি বলা হয়। - ৬. চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের রচয়িতা—
- ক. চণ্ডীদাস
- খ. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
- গ. ভারতচন্দ্র
- ঘ. বিপ্রদাস পিপিলাই
উত্তর: খ. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
‘চণ্ডীমঙ্গল’ কাব্যের শ্রেষ্ঠ কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তী, যিনি কবিকঙ্কণ নামেও পরিচিত। মেদিনীপুরের জমিদার রঘুনাথ রায়ের পৃষ্ঠপোষকতায় তিনি দেবী চণ্ডীর মাহাত্ম্য নিয়ে কাব্যটি লেখেন। এই কাব্যে আছে কালকেতু ও ফুল্লরার কাহিনি এবং ধনপতি সদাগরের কাহিনি। চণ্ডীদাস বৈষ্ণব পদাবলির কবি, ভারতচন্দ্র অন্নদামঙ্গলের কবি, আর বিপ্রদাস পিপিলাই মনসামঙ্গলের কবি, তাই অন্য বিকল্পগুলো চণ্ডীমঙ্গলের নয়।
মনে রাখুন:
মনসামঙ্গলের আদি কবি কানা হরিদত্ত, আর বিপ্রদাস পিপিলাই-এর রচনা ‘মনসাবিজয়’।
চণ্ডীমঙ্গলের আদি কবি মানিক দত্ত।
ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের কাব্য ‘অন্নদামঙ্গল’। - ১৫. নিচের কোনটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস?
- ক. ঘরে বাইরে
- খ. কৃষ্ণকান্তের উইল
- গ. কাশবনের কন্যা
- ঘ. নৌকাডুবি
উত্তর: খ. কৃষ্ণকান্তের উইল
‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সামাজিক উপন্যাস। এতে গোবিন্দলাল, রোহিণী ও ভ্রমরের কাহিনি আছে। ‘ঘরে বাইরে’ ও ‘নৌকাডুবি’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস, আর ‘কাশবনের কন্যা’ শামসুদ্দীন আবুল কালামের।
মনে রাখুন:
বঙ্কিমের অন্য উপন্যাস: দুর্গেশনন্দিনী (১৮৬৫), কপালকুণ্ডলা, বিষবৃক্ষ, চন্দ্রশেখর, আনন্দমঠ।
বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস বঙ্কিমের ‘দুর্গেশনন্দিনী’।
আনন্দমঠ উপন্যাসেই ‘বন্দে মাতরম’ গানটি আছে।
বঙ্কিমচন্দ্র ‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকা সম্পাদনা করতেন। - ১৬. 'কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি' কবিতার রচয়িতা কে?
- ক. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
- খ. শামসুর রাহমান
- গ. মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী
- ঘ. নির্মলেন্দু গুণ
উত্তর: গ. মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী
‘কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’ কবিতাটি লিখেছেন মাহবুব-উল আলম চৌধুরী। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে লেখা এই কবিতাটিকে ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম কবিতা বলা হয়। এর কিছু পঙ্ক্তি পরে সবার মুখে মুখে ফিরেছে।
মনে রাখুন:
আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ: আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি।
শামসুর রাহমান: আসাদের শার্ট, স্বাধীনতা তুমি।
নির্মলেন্দু গুণ: হুলিয়া, স্বাধীনতা এ শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো। - ২৪. নিচের কোন কাব্যগ্রন্থটি আলাওল রচিত কাব্য?
- ক. লাইলী মজনু
- খ. ইউসুফ জোলেখা
- গ. পদ্মাবতী
- ঘ. মনোহর মধুমালতী
উত্তর: গ. পদ্মাবতী
আলাওল মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ কবিদের একজন, যিনি আরাকান রাজসভার কবি ছিলেন। তাঁর বিখ্যাত কাব্য ‘পদ্মাবতী’ মালিক মুহম্মদ জায়সীর ‘পদুমাবৎ’ কাব্য অবলম্বনে লেখা। ‘লাইলী মজনু’ শাহ মুহম্মদ সগীরের নয়, দৌলত উজির বাহরাম খানের রচনা, আর ‘ইউসুফ জোলেখা’ শাহ মুহম্মদ সগীরের। ‘মনোহর মধুমালতী’ রচনা করেছেন মুহম্মদ কবীর।
মনে রাখুন:
আলাওলের অন্য রচনা: সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামাল, সপ্তপয়কর, তোহফা, সিকান্দারনামা।
আরাকান রাজসভার আরেক বিখ্যাত কবি দৌলত কাজী, যাঁর কাব্য ‘সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী’। - ২৬. বিধবা বিবাহ আইন প্রণয়নে কার অবদান ছিল?
- ক. রাজা রামমোহন রায়
- খ. দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গ. মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালংকার
- ঘ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
উত্তর: ঘ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ঊনবিংশ শতকে বাংলায় বিধবাদের পুনরায় বিয়ে দেওয়ার সুযোগ ছিল না। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এই অমানবিক প্রথার বিরুদ্ধে প্রচারণা চালান এবং শাস্ত্র থেকে প্রমাণ দেখিয়ে বই লেখেন। তাঁর আন্দোলনের ফলে ১৮৫৬ সালে হিন্দু বিধবা বিবাহ আইন পাস হয়। রামমোহন রায়, দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ও মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালংকার অন্য ক্ষেত্রে সমাজ ও সাহিত্যে অবদান রেখেছেন, কিন্তু এই আইনের পেছনে মূল উদ্যোগ ছিল বিদ্যাসাগরের।
মনে রাখুন:
রাজা রামমোহন রায়ের আন্দোলনের ফলে সতীদাহ প্রথা ১৮২৯ সালে আইন করে বন্ধ হয়।
বিদ্যাসাগর বাল্যবিবাহ ও বহুবিবাহের বিরুদ্ধেও লিখেছেন।
বিদ্যাসাগরের ‘বর্ণপরিচয়’ প্রকাশিত হয় ১৮৫৫ সালে। - ২৭. 'ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ' কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
- ক. ১৭৯৯
- খ. ১৮০০
- গ. ১৮০১
- ঘ. ১৮০২
উত্তর: খ. ১৮০০
ইংরেজ কর্মকর্তাদের এ দেশের ভাষা ও সংস্কৃতি শেখানোর জন্য লর্ড ওয়েলেসলি কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। কলেজটি শুরু হয় ১৮০০ সালের ৪ মে। পরের বছর, অর্থাৎ ১৮০১ সালে এখানে বাংলা বিভাগ খোলা হয় এবং এর প্রধান ছিলেন উইলিয়াম কেরি।
মনে রাখুন:
এই কলেজের পণ্ডিতরা বাংলা গদ্যে পাঠ্যবই লিখে গদ্যের বিকাশে ভূমিকা রেখেছেন।
রামরাম বসু লিখেছেন ‘রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র’ (১৮০১)।
মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালংকারের গ্রন্থ ‘প্রবোধচন্দ্রিকা’।
উইলিয়াম কেরির ‘কথোপকথন’ (১৮০১) এই সময়ের আরেকটি গ্রন্থ। - ৩৫. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান কবে?
- ক. ১৯১২ সালে
- খ. ১৯১৩ সালে
- গ. ১৯১৪ সালে
- ঘ. ১৯১৯ সালে
উত্তর: খ. ১৯১৩ সালে
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। তাঁর বাংলা ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যের ইংরেজি অনুবাদ ‘Song Offerings’-এর জন্য তিনি এই পুরস্কার লাভ করেন। তিনি এশিয়ার প্রথম নোবেল বিজয়ী।
মনে রাখুন:
‘Song Offerings’-এর ভূমিকা লিখেছিলেন ইংরেজ কবি ডব্লিউ. বি. ইয়েটস।
ব্রিটিশ সরকার ১৯১৫ সালে তাঁকে ‘নাইট’ উপাধি দেয়, কিন্তু ১৯১৯ সালে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তিনি তা ত্যাগ করেন।
বাঙালিদের মধ্যে অমর্ত্য সেন ১৯৯৮ সালে অর্থনীতিতে এবং মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন। - ৩৭. বাংলা গদ্যের জনক বলা হয় কাকে?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৭
- ক. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে
- খ. প্যারীচাঁদ মিত্রকে
- গ. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে
- ঘ. রাজা রামমোহন রায়কে
উত্তর: ক. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে
বাংলা গদ্যকে সুশৃঙ্খল, সুন্দর ও সাবলীল রূপ দিয়েছিলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। তিনি বাক্যে যতিচিহ্নের ব্যবহার শুরু করেন, আর শব্দ ও বাক্যের ছন্দময় বিন্যাসে গদ্যকে শিল্পের মর্যাদা দেন। এ কারণেই তাঁকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়। প্যারীচাঁদ মিত্র ‘আলালের ঘরের দুলাল’-এ কথ্য ভাষার গদ্য ব্যবহার করেছেন, কিন্তু গদ্যের জনকের মর্যাদা বিদ্যাসাগরেরই।
মনে রাখুন:
বিদ্যাসাগরের গ্রন্থ: বেতাল পঞ্চবিংশতি, শকুন্তলা, সীতার বনবাস, ভ্রান্তিবিলাস।
প্যারীচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম টেকচাঁদ ঠাকুর।
‘আলালের ঘরের দুলাল’ ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত হয়। - ৩৮. 'ব্রজবুলি' ভাষার স্রষ্টা কে?
- ক. মাধবাচার্য
- খ. চণ্ডীদাস
- গ. গোবিন্দ দাস
- ঘ. বিদ্যাপতি
উত্তর: ঘ. বিদ্যাপতি
‘ব্রজবুলি’ বাংলা ও মৈথিলি ভাষার মিশ্রণে তৈরি একটি কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা। মিথিলার কবি বিদ্যাপতি এই ভাষায় রাধাকৃষ্ণের পদ রচনা করেছিলেন, তাই তাঁকে এর স্রষ্টা বলা হয়। পরে বাংলার বৈষ্ণব কবিরাও এ ভাষায় পদ লিখেছেন।
মনে রাখুন:
ব্রজবুলিতে পদ লেখা অন্য কবিদের মধ্যে আছেন গোবিন্দদাস, জ্ঞানদাস ও রবীন্দ্রনাথ (ভানুসিংহের পদাবলি)।
ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলি রবীন্দ্রনাথ কিশোর বয়সে লিখেছিলেন।
বিদ্যাপতির গ্রন্থ ‘কীর্তিলতা’ ও ‘পদাবলি’। - ৫৪. মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মস্থান কোনটি?
- ক. মাগুরা
- খ. যশোর
- গ. খুলনা
- ঘ. সাতক্ষীরা
উত্তর: খ. যশোর
মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮২৪ সালে যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ ও সনেটের প্রবর্তক। তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ (১৮৬১)। মাগুরা, খুলনা ও সাতক্ষীরা এই কবির জন্মস্থান নয়।
মনে রাখুন:
তাঁর প্রহসন ‘একেই কি বলে সভ্যতা’ এবং ‘বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ’।
তাঁর প্রথম নাটক ‘শর্মিষ্ঠা’ (১৮৫৯) এবং প্রথম মৌলিক অমিত্রাক্ষর কাব্য ‘তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য’।
তাঁর সনেট সংকলন ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’ এবং পত্রকাব্য ‘বীরাঙ্গনা’।
খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণের পর তাঁর নাম হয় মাইকেল। - ৫৫. নিচের কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্য?
- ক. হাঙর নদী গ্রেনেড
- খ. চিলেকোঠার সেপাই
- গ. নেমেসিস
- ঘ. কবর
উত্তর: ক. হাঙর নদী গ্রেনেড
‘হাঙর নদী গ্রেনেড’ সেলিনা হোসেনের লেখা উপন্যাস, যার বিষয় মুক্তিযুদ্ধ। ‘চিলেকোঠার সেপাই’ আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের উপন্যাস, যা ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের পটভূমিতে লেখা। ‘নেমেসিস’ নাটকের পটভূমি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। ‘কবর’ মুনীর চৌধুরীর নাটক, যা ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে লেখা।
মনে রাখুন:
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আরও উপন্যাস: নিষিদ্ধ লোবান (সৈয়দ শামসুল হক), জাহান্নাম হইতে বিদায় (শওকত ওসমান)।
জাহানারা ইমামের ‘একাত্তরের দিনগুলি’ মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকথা।
আনোয়ার পাশার ‘রাইফেল রোটি আওরাত’ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
মুনীর চৌধুরী ‘কবর’ নাটকটি রচনা করেন জেলে বন্দি থাকা অবস্থায়। - ৫৭. বিদ্যাপতি কোথাকার কবি ছিলেন?
- ক. গৌড়ের
- খ. চট্টগ্রামের
- গ. মিথিলার
- ঘ. নেপালের
উত্তর: গ. মিথিলার
বিদ্যাপতি বর্তমান ভারতের বিহার রাজ্যের মিথিলা অঞ্চলের কবি ছিলেন। তিনি মৈথিলি ভাষায় এবং ব্রজবুলিতে রাধাকৃষ্ণের প্রেমের পদ লিখেছেন। বাংলায় না লিখেও বাঙালির কাছে তিনি সম্মানিত। তাঁকে ‘মৈথিল কোকিল’ ও ‘অভিনব জয়দেব’ বলা হয়।
মনে রাখুন:
চণ্ডীদাস বাংলার কবি, আর বিদ্যাপতি ও চণ্ডীদাস বৈষ্ণব পদাবলির প্রধান দুই কবি।
বিদ্যাপতির গ্রন্থ ‘কীর্তিলতা’ ও ‘পদাবলি’।
চণ্ডীদাসের কাব্য ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ বড়ু চণ্ডীদাসের রচনা বলে ধরা হয়। - ৬০. চর্যাপদের আদি কবি কে?
- ক. লুইপা
- খ. কাহ্নপা
- গ. ঢেণ্ঢণপা
- ঘ. শবরপা
উত্তর: ক. লুইপা
চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন। এতে পদ রচনা করেছেন একাধিক সিদ্ধাচার্য কবি। তাঁদের মধ্যে লুইপা আদি কবি হিসেবে পরিচিত, কারণ তাঁর পদটি চর্যাপদের প্রথম পদ। কাহ্নপা সবচেয়ে বেশি পদ লিখেছেন।
মনে রাখুন:
চর্যাপদ ১৯০৭ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে আবিষ্কার করেন।
১৯১৬ সালে এটি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ‘হাজার বছরের পুরান বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা’ নামে প্রকাশিত হয়।
চর্যাপদের অন্য কবি: ভুসুকুপা, শবরপা, কুক্কুরীপা, ঢেণ্ঢণপা। - ৮০. বাংলা সাহিত্যে 'ভোরের পাখি' কে?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৪
- ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. কাজী নজরুল ইসলাম
- গ. বিহারীলাল চক্রবর্তী
- ঘ. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
উত্তর: গ. বিহারীলাল চক্রবর্তী
বিহারীলাল চক্রবর্তী বাংলা সাহিত্যের আধুনিক গীতিকবিতার পথিকৃৎ। তাঁর কবিতায় প্রথম ব্যক্তিগত আবেগের সুর শোনা যায়, তাই রবীন্দ্রনাথ তাঁকে ‘ভোরের পাখি’ বলেছেন। তাঁর বিখ্যাত কাব্য ‘সারদামঙ্গল’।
মনে রাখুন:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: বিশ্বকবি।
কাজী নজরুল ইসলাম: বিদ্রোহী কবি।
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত: যুগসন্ধির কবি।
জীবনানন্দ দাশ: রূপসী বাংলার কবি।
জসীমউদ্দীন: পল্লিকবি।
গণিত
- ৭. নিচের কোন সমীকরণের উপর (1, −1) ও (3, 5) বিন্দুদ্বয় অবস্থিত?
- ক. 2y = 2x − 4
- খ. 2y = 6x − 8
- গ. 2y = 4x − 6
- ঘ. 2y = 2x + 8
উত্তর: খ. 2y = 6x − 8
দুই বিন্দু (1, −1) ও (3, 5) দিয়ে যাওয়া রেখার ঢাল = (5 − (−1))/(3 − 1) = 6/2 = 3। এখন একটি বিন্দু ও ঢাল জানা থাকলে রেখার সমীকরণ লেখা যায়: y − 5 = 3(x − 3), অর্থাৎ y = 3x − 4। দুই পাশে 2 দিয়ে গুণ করলে 2y = 6x − 8 পাওয়া যায়।
যাচাই: (1, −1) বসালে ডানপক্ষ 6 − 8 = −2 এবং বামপক্ষ 2 × (−1) = −2, মিলে যায়। (3, 5) বসালেও ডানপক্ষ 18 − 8 = 10 এবং বামপক্ষ 2 × 5 = 10, মেলে।
মনে রাখুন:
দুই বিন্দুর রেখার ঢাল = (y₂ − y₁)/(x₂ − x₁)।
ঢাল ও একটি বিন্দু দেওয়া থাকলে সমীকরণ: y − y₁ = m(x − x₁)।
সরলরেখার সাধারণ রূপ: y = mx + c, যেখানে m হলো ঢাল। - ১৩. নিচের কোনটি মৌলিক সংখ্যা?
- ক. ৯
- খ. ৮
- গ. ৪
- ঘ. ২
উত্তর: ঘ. ২
মৌলিক সংখ্যা (Prime number) হলো ১-এর চেয়ে বড় এমন সংখ্যা, যাকে কেবল ১ এবং সেই সংখ্যা নিজে দিয়ে ভাগ করা যায়। ৯ কে ৩ দিয়ে, ৮ ও ৪ কে ২ দিয়ে ভাগ করা যায়, তাই এগুলো মৌলিক নয়। কিন্তু ২ কে ১ ও ২ ছাড়া আর কিছু দিয়ে ভাগ করা যায় না, তাই ২ মৌলিক সংখ্যা।
মনে রাখুন:
২ হলো একমাত্র জোড় মৌলিক সংখ্যা এবং সবচেয়ে ছোট মৌলিক সংখ্যা।
১ মৌলিকও নয়, যৌগিকও নয়।
২০-এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা ৮টি: ২, ৩, ৫, ৭, ১১, ১৩, ১৭, ১৯।
১০০-এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা ২৫টি। - ১৭. 1 cm ব্যাসার্ধবিশিষ্ট গোলকের আয়তন কত?
- ক. π cm³
- খ. (4/3)π cm³
- গ. 2π cm³
- ঘ. 4π cm³
উত্তর: খ. (4/3)π cm³
গোলকের (Sphere) আয়তনের সূত্র হলো V = (4/3)πr³। এখানে r = 1 cm বসালে V = (4/3)π × 1³ = (4/3)π cm³ পাওয়া যায়। অন্য বিকল্পগুলো ভুল, কারণ গোলকের আয়তনে সবসময় 4/3 গুণক থাকে এবং r³ আসে।
মনে রাখুন:
গোলকের পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল = 4πr²।
অর্ধগোলকের আয়তন = (2/3)πr³।
অর্ধগোলকের বক্রতলের ক্ষেত্রফল = 2πr² এবং সমগ্রতলের ক্ষেত্রফল = 3πr²।
সিলিন্ডারের আয়তন = πr²h এবং শঙ্কুর আয়তন = (1/3)πr²h। - ২১. 9x² − 9x − 4 এর উৎপাদক কোনটি?
- ক. (3x + 1)(3x + 4)
- খ. (3 + x)(3x − 4)
- গ. (3x + 1)(3x − 4)
- ঘ. (3x + 1)(4x + 3)
উত্তর: গ. (3x + 1)(3x − 4)
9x² − 9x − 4 কে উৎপাদকে ভাঙতে 9 × (−4) = −36 কে এমন দুই অংশে ভাগ করতে হয়, যাদের যোগফল −9। অংশ দুটি হলো −12 ও +3। তাহলে মাঝের পদ ভেঙে 9x² − 12x + 3x − 4 = 3x(3x − 4) + 1(3x − 4) = (3x + 1)(3x − 4)।
যাচাই: (3x + 1)(3x − 4) = 9x² − 12x + 3x − 4 = 9x² − 9x − 4।
মনে রাখুন:
ax² + bx + c-এর উৎপাদকের জন্য ac গুণফল এবং b যোগফল হয় এমন দুই সংখ্যা খুঁজতে হয়।
উৎপাদকে মান বসিয়েও যাচাই করা যায়: x = 4/3 বসালে রাশিটির মান 0 হয়। - ২৮. ΔABC এ ∠A = 70° এবং ∠B = 20° হলে ত্রিভুজটি কোন প্রকৃতির?
- ক. সমকোণী
- খ. সমদ্বিবাহু
- গ. সূক্ষ্মকোণী
- ঘ. সমবাহু
উত্তর: ক. সমকোণী
ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি 180°। ∠A = 70° এবং ∠B = 20° হলে ∠C = 180° − (70° + 20°) = 180° − 90° = 90°। একটি কোণ 90° বলে ত্রিভুজটি সমকোণী। সমদ্বিবাহু ত্রিভুজে দুটি বাহু সমান থাকে এবং সমবাহুতে তিনটি বাহুই সমান থাকে, কিন্তু এখানে তিনটি কোণই আলাদা (70°, 20°, 90°), তাই এগুলো হতে পারে না।
মনে রাখুন:
সব কোণ 90°-এর চেয়ে ছোট হলে সূক্ষ্মকোণী, আর একটি কোণ 90°-এর চেয়ে বড় হলে স্থূলকোণী ত্রিভুজ হয়।
সমবাহু ত্রিভুজের প্রতিটি কোণ 60°।
সমকোণী ত্রিভুজে পিথাগোরাসের সূত্র খাটে: অতিভুজ² = লম্ব² + ভূমি²। - ২৯. যদি 4a² + 1/a² = 2 হয়, তবে 8a³ + 1/a³ এর মান কত?
- ক. 0
- খ. 1
- গ. 2
- ঘ. 5
উত্তর: ক. 0
প্রথমে (2a + 1/a)²-এর মান বের করি। (2a + 1/a)² = 4a² + 1/a² + 2·2a·(1/a) = 2 + 4 = 6, তাই 2a + 1/a = √6।
এখন 8a³ + 1/a³ = (2a)³ + (1/a)³ = (2a + 1/a)³ − 3·2a·(1/a)·(2a + 1/a) = (√6)³ − 6√6 = 6√6 − 6√6 = 0।
আরেকভাবেও করা যায়: x³ + y³ = (x + y)(x² − xy + y²) সূত্রে x = 2a ও y = 1/a বসালে দ্বিতীয় বন্ধনী হয় 4a² − 2 + 1/a² = 2 − 2 = 0, তাই গুণফলও 0।
সূত্র: x³ + y³ = (x + y)³ − 3xy(x + y)।
মনে রাখুন: x³ − y³ = (x − y)³ + 3xy(x − y)। - ৩৩. বুধ, বৃহস্পতি ও শুক্রবারের গড় তাপমাত্রা ৪০°C এবং বৃহস্পতি, শুক্র ও শনিবারের গড় তাপমাত্রা ৪১°C। শনিবারের তাপমাত্রা ৪২°C হলে বুধবারের তাপমাত্রা কত?
- ক. ৩৮°C
- খ. ৩৯°C
- গ. ৪১°C
- ঘ. ৪২°C
উত্তর: খ. ৩৯°C
তিন দিনের গড় 40°C হলে বুধ, বৃহস্পতি ও শুক্রবারের তাপমাত্রার যোগফল = 3 × 40 = 120। একইভাবে বৃহস্পতি, শুক্র ও শনিবারের যোগফল = 3 × 41 = 123। শনিবার 42°C হলে বৃহস্পতি ও শুক্রের যোগফল = 123 − 42 = 81। তাহলে বুধবার = 120 − 81 = 39°C।
মনে রাখুন:
দুই যোগফলের পার্থক্য থেকেও বের করা যায়: শনি − বুধ = 123 − 120 = 3, তাই বুধ = 42 − 3 = 39।
গড় = সংখ্যাগুলোর যোগফল ÷ সংখ্যার সংখ্যা, তাই যোগফল = গড় × সংখ্যার সংখ্যা। - ৭৬. ১ থেকে ১১ পর্যন্ত ক্রমিক স্বাভাবিক সংখ্যার গড় কত?
- ক. ৮
- খ. ৫
- গ. ৬
- ঘ. ৭
উত্তর: গ. ৬
১ থেকে ১১ পর্যন্ত স্বাভাবিক সংখ্যার যোগফল = ১১ × (১১ + ১)/২ = ৬৬। সংখ্যা আছে ১১টি, তাই গড় = ৬৬ ÷ ১১ = ৬।
শর্টকাট: ১ থেকে n পর্যন্ত সংখ্যার গড় = (n + 1)/2 = (১১ + ১)/২ = ৬।
মনে রাখুন:
ক্রমিক সংখ্যা বিজোড় সংখ্যক হলে গড় হয় মাঝের সংখ্যা। এখানে মাঝের সংখ্যা ৬।
১ থেকে n পর্যন্ত সংখ্যার যোগফল = n(n + 1)/2।
বাংলাদেশ
- ২৩. '৫২ এর ভাষা আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর কে ছিলেন?
- ক. ড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন
- খ. ড. মাহমুদ হাসান
- গ. বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
- ঘ. ড. ফজলুল হালিম চৌধুরী
উত্তর: ক. ড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (Vice Chancellor) ছিলেন ড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন। ২১ ফেব্রুয়ারির ঘটনার সময় তিনি এই পদে ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, আর ভাষা আন্দোলনের বহু ঘটনা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের এলাকাতেই ঘটেছে।
মনে রাখুন:
আবু সাঈদ চৌধুরী পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হয়েছিলেন। তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতিও হয়েছিলেন।
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি পুলিশের গুলিতে সালাম, রফিক, বরকত, জব্বারসহ অনেকে শহীদ হন।
১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে। - ৩৯. বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৪
- ক. ভেড়ামারায়
- খ. গোয়ালপাড়ায়
- গ. সিদ্ধিরগঞ্জে
- ঘ. আশুগঞ্জে
উত্তর: ঘ. আশুগঞ্জে
২০১৮ সালে বাংলাদেশের বৃহত্তম তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ছিল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন, যার মোট উৎপাদন ক্ষমতা ছিল সবচেয়ে বেশি। ভেড়ামারা (কুষ্টিয়া), গোয়ালপাড়া (খুলনা) ও সিদ্ধিরগঞ্জের কেন্দ্রগুলোর ক্ষমতা এর চেয়ে কম।
মনে রাখুন:
তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে গ্যাস, কয়লা বা তেল পুড়িয়ে বাষ্প তৈরি করে টারবাইন ঘোরানো হয়।
বাংলাদেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র কাপ্তাইয়ে (রাঙামাটি)।
পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র হচ্ছে রূপপুরে (পাবনা)।
হালনাগাদ: পরে পায়রা (পটুয়াখালী) ও রামপাল (বাগেরহাট) কেন্দ্র চালু হওয়ায় এগুলোর প্রতিটির ক্ষমতা ১৩২০ মেগাওয়াট, এবং মাতারবাড়ি (কক্সবাজার) কেন্দ্রের ক্ষমতা ১২০০ মেগাওয়াট। এখন একক কেন্দ্র হিসেবে এগুলোকেই বড় ধরা হয়। - ৪৫. সংসদীয় গণতন্ত্রে শাসন বিভাগের সকল ক্ষমতা কার কাছে ন্যস্ত থাকে?
- ক. রাষ্ট্রপতির কাছে
- খ. প্রধানমন্ত্রীর কাছে
- গ. প্রধান বিচারপতির কাছে
- ঘ. আইনমন্ত্রীর কাছে
উত্তর: খ. প্রধানমন্ত্রীর কাছে
সংসদীয় গণতন্ত্রে রাষ্ট্রপতি নামমাত্র প্রধান, কিন্তু আসল ক্ষমতা থাকে মন্ত্রিসভার হাতে এবং সেটির নেতা প্রধানমন্ত্রীর হাতে। বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা রাষ্ট্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করে।
মনে রাখুন:
সরকারের তিনটি বিভাগ হলো আইন বিভাগ, শাসন বিভাগ ও বিচার বিভাগ।
রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারে, যেমন যুক্তরাষ্ট্রে, রাষ্ট্রপতিই প্রকৃত শাসন বিভাগের প্রধান।
বাংলাদেশে ১৯৯১ সালের দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় পদ্ধতি ফিরে আসে। - ৪৯. জেলহত্যা দিবস কবে?
- ক. ৩ অক্টোবর
- খ. ২৬ মার্চ
- গ. ২৫ মার্চ
- ঘ. ৩ নভেম্বর
উত্তর: ঘ. ৩ নভেম্বর
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে চার জাতীয় নেতাকে হত্যা করা হয়। তাই ৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবস।
মনে রাখুন:
নিহত চার নেতা: সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামারুজ্জামান।
মুজিবনগর সরকারের এই চার নেতা মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করেছিলেন।
মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম। - ৫২. মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশে কয়টি সামরিক সেক্টর ছিল?
- ক. ১টি
- খ. ৫টি
- গ. ১২টি
- ঘ. ১১টি
উত্তর: ঘ. ১১টি
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সামরিক সেক্টরে ভাগ করা হয়। প্রধান সেনাপতি ছিলেন জেনারেল এম এ জি ওসমানী। প্রতিটি সেক্টরের দায়িত্বে একজন সেক্টর কমান্ডার ছিলেন।
মনে রাখুন:
নৌ-কমান্ডো তৎপরতা চালানোর জন্য ১০ নম্বর সেক্টর আলাদাভাবে ছিল, তবে এর কোনো নির্দিষ্ট এলাকা ছিল না।
কয়েকজন সেক্টর কমান্ডার: ১ নম্বরে (প্রথম দিকে) মেজর জিয়াউর রহমান, ২ নম্বরে মেজর খালেদ মোশাররফ, ৩ নম্বরে মেজর কে এম শফিউল্লাহ ও ১১ নম্বরে মেজর আবু তাহের।
১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার শপথ নেয়। - ৫৯. বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের প্রথম টেস্ট অধিনায়ক কে?
- ক. আকরাম খান
- খ. আমিনুল ইসলাম বুলবুল
- গ. হাবিবুল বাশার
- ঘ. নাইমুর রহমান দুর্জয়
উত্তর: ঘ. নাইমুর রহমান দুর্জয়
২০০০ সালের ২৬ জুন বাংলাদেশ আইসিসির পূর্ণ সদস্যপদ ও টেস্ট খেলার মর্যাদা পায়। একই বছর ভারতের বিরুদ্ধে ঢাকায় বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট খেলে। সে ম্যাচে দলের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান দুর্জয়।
মনে রাখুন:
১৯৯৭ সালে আইসিসি ট্রফি জেতার সময় অধিনায়ক ছিলেন আকরাম খান।
আমিনুল ইসলাম বুলবুল সেই প্রথম টেস্টে সেঞ্চুরি করেছিলেন।
বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট জেতে ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। - ৬৭. বাংলাদেশ সংসদ ভবনের স্থপতি কে?
- ক. পল রুডলফ
- খ. লুই আই কান
- গ. এফ. রহমান
- ঘ. এফ আর খান
উত্তর: খ. লুই আই কান
ঢাকার শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি লুই আই কান (Louis I. Kahn)। তিনি এস্তোনিয়ায় জন্মগ্রহণ করা একজন মার্কিন স্থপতি। তাঁর নকশায় তৈরি এই ভবনকে বিশ্বের সেরা স্থাপত্যকর্মগুলোর একটি মনে করা হয়।
মনে রাখুন:
সংসদ ভবনের নকশা তৈরি হয় ১৯৬০-এর দশকে, তবে নির্মাণ শেষ হয় ১৯৮২ সালে।
জাতীয় সংসদে ৩০০টি নির্বাচিত আসন আছে।
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিসৌধের স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন, এবং কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নকশা করেন হামিদুর রহমান।
আন্তর্জাতিক
- ৪৩. বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
- ক. ভিয়েনা
- খ. জেনেভা
- গ. রোম
- ঘ. লন্ডন
উত্তর: খ. জেনেভা
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization) জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা। এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে। সংস্থাটি ১৯৪৮ সালের ৭ এপ্রিল কার্যক্রম শুরু করে, আর এ কারণে প্রতি বছর ৭ এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত হয়।
মনে রাখুন:
সংস্থাটির বর্তমান মহাপরিচালক ড. টেড্রস আধানম গেব্রিয়েসুস।
ভিয়েনায় আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (IAEA) এবং রোমে খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO)-র সদর দপ্তর।
জেনেভায় আরও আছে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO) ও বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO)। - ৬৫. RAW কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
- ক. পাকিস্তান
- খ. ইসরাইল
- গ. আফগানিস্তান
- ঘ. ভারত
উত্তর: ঘ. ভারত
RAW বা র-এর পূর্ণরূপ Research and Analysis Wing। এটি ভারতের বহির্দেশীয় গোয়েন্দা সংস্থা, যা ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। অন্য দেশের গোয়েন্দা সংস্থাও মনে রাখা দরকার।
মনে রাখুন:
পাকিস্তান: আইএসআই (ISI)।
ইসরাইল: মোসাদ (Mossad)।
যুক্তরাষ্ট্র: সিআইএ (CIA)।
যুক্তরাজ্য: এমআইসিক্স (MI6)।
বাংলাদেশ: ডিজিএফআই ও এনএসআই। - ৭১. নিচের কোনটি ব্রিটিশ রাজপরিবারের বাসভবন?
- ক. হোয়াইট হাউজ
- খ. ১০ নং ডাউনিং স্ট্রিট
- গ. ক্রেমলিন
- ঘ. বাকিংহাম প্যালেস
উত্তর: ঘ. বাকিংহাম প্যালেস
বাকিংহাম প্যালেস লন্ডনের ওয়েস্টমিনস্টার এলাকায় অবস্থিত। এটি ব্রিটিশ রাজা বা রানির সরকারি বাসভবন ও প্রশাসনিক কেন্দ্র। হোয়াইট হাউস যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির বাসভবন, ক্রেমলিন রাশিয়ার সরকারি কেন্দ্র, আর ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিট ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন।
মনে রাখুন:
ব্রিটিশ রাজা ও প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন আলাদা।
হোয়াইট হাউস ওয়াশিংটন ডি সি-তে এবং ক্রেমলিন মস্কোতে অবস্থিত।
উইন্ডসর ক্যাসল ব্রিটিশ রাজপরিবারের আরেকটি বিখ্যাত প্রাসাদ।
কম্পিউটার ও আইসিটি
- ৬৪. একটি e-mail পাঠানো নিচের কোনটির সমতুল্য?
- ক. Picturing an event
- খ. Narrating a story
- গ. Writing a letter
- ঘ. Creating a drawing
উত্তর: গ. Writing a letter
ই-মেইল (e-mail) বা ইলেকট্রনিক মেইল ইন্টারনেটের মাধ্যমে একজনের কাছ থেকে আরেকজনের কাছে বার্তা পাঠানোর ব্যবস্থা। কাগজে চিঠি লিখে ডাকে পাঠানোর যে কাজ, ই-মেইল ঠিক সেই কাজটিই ইলেকট্রনিক উপায়ে করে। তাই এটি চিঠি লেখার (Writing a letter) সমতুল্য।
মনে রাখুন:
ই-মেইলের ঠিকানায় @ চিহ্ন থাকে, যেমন [email protected]।
রে টমলিনসন ১৯৭১ সালে প্রথম @ চিহ্ন ব্যবহার করে ই-মেইল পাঠান।
CC মানে কপি পাঠানো, আর BCC মানে অন্যদের না জানিয়ে গোপন কপি পাঠানো।
নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা: সব বছর
নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর: অন্যান্য পরীক্ষা
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০২০
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিদ্যুৎ বিভাগ বিদ্যুৎ পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন