বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ৩১ জানুয়ারি ২০১৮। ৯৬টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →গণিত
- ১. |x+1| < 3 অসমতার সমাধান সেট হবে—
- ক. −4 < x < 2
- খ. −2 < x < 2
- গ. −4 < x < 4
- ঘ. −4 ≤ x ≤ 2
উত্তর: ক. −4 < x < 2
পরম মান (Absolute value) কোনো সংখ্যার চিহ্ন বিবেচনা না করে শুধু শূন্য থেকে তার দূরত্বকে বোঝায়। তাই |x+1| < 3 মানে হলো x+1 সংখ্যাটি শূন্য থেকে ৩ এককের কম দূরত্বে আছে, অর্থাৎ −3 < x+1 < 3।
এখন তিন পাশ থেকেই 1 বিয়োগ করলে পাওয়া যায় −4 < x < 2। অসমতাটি কঠোর (< চিহ্ন), তাই −4 ও 2 সমাধান সেটের মধ্যে পড়ে না। এই কারণেই ≤ চিহ্নযুক্ত বিকল্পটি ঠিক নয়। আবার −2 < x < 2 হতো যদি অসমতাটি |x| < 2 হতো, কিন্তু এখানে x-এর সঙ্গে 1 যোগ করা আছে বলে সীমা ডান দিকে বা বাঁ দিকে সরে গেছে।
মনে রাখুন:
|x| < a (a > 0) হলে −a < x < a হয়।
|x| > a হলে x > a অথবা x < −a হয়।
|x| ≤ a হলে −a ≤ x ≤ a হয়, তখন সীমার দুই প্রান্তও সমাধানের অংশ। - ৩. (৯+৩) ÷ ৩×২ − (৭−৩×২) = কত?
- ক. ০
- খ. ১
- গ. ৪
- ঘ. ৭
উত্তর: ঘ. ৭
অঙ্কে প্রথমে বন্ধনীর কাজ, তারপর ভাগ ও গুণ বাঁ দিক থেকে ডান দিকে, সবশেষে যোগ-বিয়োগ করতে হয়। এই ক্রম না মানলে একই অঙ্ক থেকে ভিন্ন উত্তর আসতে পারে।
প্রথম বন্ধনী: (৯+৩) = ১২। দ্বিতীয় বন্ধনীর ভেতরেও আবার গুণ আগে করতে হয়: (৭−৩×২) = ৭−৬ = ১।
এবার ১২ ÷ ৩ × ২ হিসাব করি। ভাগ ও গুণ সমান গুরুত্বের, তাই বাঁ দিক থেকে ১২ ÷ ৩ = ৪ এবং ৪ × ২ = ৮। শেষে ৮ − ১ = ৭।
কেউ যদি ৩ × ২ = ৬ আগে করে ১২ ÷ ৬ = ২ ধরে, তাহলে ভুল উত্তর পাবে। সেটি ঠিক নয়, কারণ ভাগ বাঁ দিকেই আগে পড়ে।
মনে রাখুন:
ক্রম মনে রাখার সহজ উপায় হলো বন্ধনী, ভাগ-গুণ, তারপর যোগ-বিয়োগ।
ভাগ ও গুণ সমান গুরুত্বের, তাই বাঁ দিক থেকে করতে হয়। যোগ ও বিয়োগের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম।
বন্ধনীর ক্রম: প্রথম বন্ধনী ( ), তারপর দ্বিতীয় বন্ধনী { }, তারপর তৃতীয় বন্ধনী [ ]। - ১০. 2^(x+2) = 16 হলে, 5^(x−2) এর মান কত?
- ক. 3
- খ. 2
- গ. 1
- ঘ. 0
উত্তর: গ. 1
প্রথমে x-এর মান বের করতে হবে। শর্ত 2^(x+2) = 16 এবং 16 = 2^4। ভিত্তি সমান হলে ঘাতও সমান হয়, তাই x + 2 = 4 এবং x = 2।
এবার 5^(x−2) = 5^(2−2) = 5^0 = 1। অনেকে ভুল করে 5^0 = 0 বা 5 ধরে ফেলে, কিন্তু শূন্য ঘাতের মান সবসময় 1।
মনে রাখুন:
যেকোনো অশূন্য সংখ্যার শূন্য ঘাত সবসময় 1 হয়, যেমন 7^0 = 1।
সূচকের নিয়ম: a^m × a^n = a^(m+n) এবং a^m ÷ a^n = a^(m−n)।
a^(−n) = 1/a^n। যেমন 2^(−3) = 1/8। - ১৪. দুটি ক্রমিক পূর্ণ সংখ্যার বর্গের অন্তর ১৯৯ হলে, বড় সংখ্যাটি কত?
- ক. ৮০
- খ. ৯০
- গ. ১০০
- ঘ. ৯৯
উত্তর: গ. ১০০
ছোট সংখ্যা x হলে বড় ক্রমিক সংখ্যা x + 1। বর্গের অন্তর (x+1)² − x² = x² + 2x + 1 − x² = 2x + 1। এটি 199-এর সমান হলে 2x = 198, তাই x = 99। অতএব বড় সংখ্যা 99 + 1 = 100।
যাচাই: 100² − 99² = 10000 − 9801 = 199। বিকল্প D-এর 99 হলো ছোট সংখ্যা, তাই সেটি উত্তর নয়।
শর্টকাট: দুটি ক্রমিক সংখ্যার বর্গের অন্তর সবসময় সংখ্যা দুটির যোগফলের সমান। তাই যোগফল 199 হলে সংখ্যা দুটি 99 ও 100।
মনে রাখুন:
a² − b² = (a + b)(a − b)।
ক্রমিক সংখ্যার ক্ষেত্রে a − b = 1 হয়, তাই অন্তর = a + b। - ১৫. ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্যের ৪/৫ অংশ হলে, শতকরা কত লাভ হবে?
- ক. ১০%
- খ. ২০%
- গ. ২৫%
- ঘ. ৩০%
উত্তর: গ. ২৫%
বিক্রয়মূল্যকে 5 ধরলে ক্রয়মূল্য হয় 5-এর 4/5 অংশ, অর্থাৎ 4। লাভ = 5 − 4 = 1।
শতকরা লাভ = (লাভ/ক্রয়মূল্য) × 100 = (1/4) × 100 = 25%।
অনেকে ভুল করে লাভকে বিক্রয়মূল্য 5 দিয়ে ভাগ করে 20% লেখে। কিন্তু লাভের শতকরা হার ক্রয়মূল্যের ওপর হিসাব করতে হয়।
মনে রাখুন:
শতকরা লাভ = (লাভ ÷ ক্রয়মূল্য) × 100।
শতকরা ক্ষতি = (ক্ষতি ÷ ক্রয়মূল্য) × 100।
বিক্রয়মূল্য = ক্রয়মূল্য + লাভ, আর ক্ষতি হলে বিক্রয়মূল্য = ক্রয়মূল্য − ক্ষতি। - ১৬. যে আয়তের চারটি বাহু সমান ও সমান্তরাল কিন্তু কর্ণ দুইটি অসমান তাকে বলে—
- ক. আয়তক্ষেত্র
- খ. বর্গক্ষেত্র
- গ. রম্বস
- ঘ. সামান্তরিক
উত্তর: গ. রম্বস
যে চতুর্ভুজের চারটি বাহুই সমান এবং বিপরীত বাহুগুলো সমান্তরাল, সেটি রম্বস বা বর্গ। বর্গের কর্ণ দুটি সমান হয় আর কোণগুলো সমকোণ। যেহেতু এখানে কর্ণ দুটি অসমান, তাই এটি বর্গ হতে পারে না, এটি রম্বস। আয়তক্ষেত্রের কর্ণ সমান হলেও বাহু চারটি সমান নয়। সামান্তরিকের শুধু বিপরীত বাহু সমান ও সমান্তরাল, চারটি বাহু সমান নয়।
মনে রাখুন:
রম্বসের কর্ণ দুটি পরস্পরকে সমকোণে সমদ্বিখণ্ডিত করে।
রম্বসের ক্ষেত্রফল = (কর্ণ দুটির গুণফল) ÷ 2।
আয়তক্ষেত্রের কর্ণ সমান, কিন্তু বাহু চারটি সমান নয়।
বর্গ একই সঙ্গে রম্বস ও আয়তক্ষেত্র, কারণ এর বাহু ও কর্ণ উভয়ই সমান। - ২৭. (2, −5) বিন্দুটি নিচের কোন সরলরেখার উপর অবস্থিত?
- ক. 2x+y=1
- খ. 2x−y+1=0
- গ. 4x−3y=23
- ঘ. 4x+3y=5
উত্তর: গ. 4x−3y=23
কোনো বিন্দু কোনো রেখার ওপর থাকার অর্থ হলো বিন্দুর স্থানাঙ্ক রেখার সমীকরণকে সিদ্ধ করে। তাই প্রতিটি সমীকরণে x = 2 ও y = −5 বসিয়ে দেখতে হয় কোনটি মেলে।
2x + y = 4 − 5 = −1 ≠ 1
2x − y + 1 = 4 + 5 + 1 = 10 ≠ 0
4x − 3y = 8 + 15 = 23 ✓
4x + 3y = 8 − 15 = −7 ≠ 5
তাই বিন্দুটি 4x − 3y = 23 রেখার ওপর আছে।
মনে রাখুন:
কোনো বিন্দু যে রেখার ওপর থাকে, সেই রেখার সমীকরণে বিন্দুর মান বসালে দুই পাশ সমান হয়।
y = −5 বসানোর সময় চিহ্ন ঠিক রাখা জরুরি, যেমন −3y = −3 × (−5) = +15। - ২৯. √3 − 1/x = x হলে, x³ + x + 1/x + 1/x³ = ?
- ক. 0
- খ. √3
- গ. 3√3
- ঘ. 1
উত্তর: খ. √3
শর্ত √3 − 1/x = x থেকে x + 1/x = √3। এখানে সব পদ এক দিকে নিয়ে এলেই x ও 1/x একসঙ্গে আসে।
ঘন করলে x³ + 1/x³ = (x + 1/x)³ − 3(x + 1/x) = (√3)³ − 3√3 = 3√3 − 3√3 = 0।
তাহলে x³ + x + 1/x + 1/x³ = (x + 1/x) + (x³ + 1/x³) = √3 + 0 = √3।
মনে রাখুন:
a³ + b³ বের করার সূত্র হলো (a + b)³ − 3ab(a + b), এখানে ab = 1।
সূত্রটি আবার লেখা যায়: x³ + 1/x³ = (x + 1/x)³ − 3(x + 1/x)।
আরেকটি সূত্র: x² + 1/x² = (x + 1/x)² − 2। - ৪২. কোন ক্ষুদ্রতম সংখ্যা ১২, ১৬ ও ১৮ দ্বারা ভাগ করলে প্রত্যেক ক্ষেত্রে ৭ ভাগশেষ থাকবে?
- ক. ১৪৪
- খ. ১৫১
- গ. ১৩৭
- ঘ. ১৫৮
উত্তর: খ. ১৫১
যে সংখ্যাকে ১২, ১৬ ও ১৮ দিয়ে ভাগ করলে প্রত্যেকবার ভাগশেষ ৭ থাকে, তা ওই তিন সংখ্যার ল.সা.গু.-এর সঙ্গে ৭ যোগ করে পাওয়া যায়। কারণ ল.সা.গু. তিনটি সংখ্যা দ্বারাই নিঃশেষে বিভাজ্য, তাই তার সঙ্গে ৭ যোগ করলে ভাগশেষ ৭ হয়ে যায়।
১২ = 2²×3, ১৬ = 2⁴, ১৮ = 2×3²; তাই ল.সা.গু. = 2⁴×3² = 144।
সংখ্যাটি হলো ১৪৪ + ৭ = ১৫১।
যাচাই: ১৫১ ÷ ১২ = ১২ ভাগশেষ ৭, ১৫১ ÷ ১৬ = ৯ ভাগশেষ ৭ এবং ১৫১ ÷ ১৮ = ৮ ভাগশেষ ৭।
মনে রাখুন:
প্রত্যেক ক্ষেত্রে ভাগশেষ সমান হলে সংখ্যা = ল.সা.গু. + ভাগশেষ।
যদি ভাগশেষের বদলে প্রত্যেক ভাজকের থেকে সমান ঘাটতি থাকত, তাহলে সংখ্যা হতো ল.সা.গু. − ঘাটতি।
১৪৪ নিজেই ল.সা.গু., তাই সেটি নিঃশেষে বিভাজ্য, ভাগশেষ ০ হয়। - ৪৩. A = π/3 ও B = π/3 হলে, sin(A+B) = কত?
- ক. 0
- খ. 1/2
- গ. √3/2
- ঘ. 1
উত্তর: গ. √3/2
A + B = π/3 + π/3 = 2π/3। রেডিয়ান থেকে ডিগ্রিতে নিলে π = 180°, তাই 2π/3 = 120°। তাহলে sin(A+B) = sin 120° = sin(180° − 60°) = sin 60° = √3/2।
বিকল্পে যোগের সূত্রে করলেও একই উত্তর আসে: sin(A+B) = sin A cos B + cos A sin B = (√3/2)(1/2) + (1/2)(√3/2) = √3/4 + √3/4 = √3/2।
মনে রাখুন:
sin(180° − θ) = sin θ, আর sin 60° = √3/2, cos 60° = 1/2।
sin 30° = 1/2, sin 45° = 1/√2, sin 90° = 1।
sin 2A = 2 sin A cos A। এখানে A = π/3 হলে এই সূত্র থেকেও sin(2π/3) পাওয়া যায়। - ৪৪. একটি বাঁশের ২/৫ অংশ লাল, ১/৪ অংশ কালো এবং ১/৩ অংশ সবুজ কাগজে আবৃত। অবশিষ্ট অংশ ৬ মিটার হলে, বাঁশটির দৈর্ঘ্য কত?
- ক. ১২০ মিটার
- খ. ১৮০ মিটার
- গ. ৩০০ মিটার
- ঘ. ৩৬০ মিটার
উত্তর: ঘ. ৩৬০ মিটার
বাঁশের মোট দৈর্ঘ্য ১ ধরলে আবৃত অংশ 2/5 + 1/4 + 1/3। হরগুলোর ল.সা.গু. 60, তাই যোগফল (24 + 15 + 20)/60 = 59/60।
তাহলে অবশিষ্ট অংশ 1 − 59/60 = 1/60।
এই অংশ ৬ মিটার, তাই পুরো বাঁশ ৬ × ৬০ = ৩৬০ মিটার।
যাচাই: ৩৬০-এর 2/5 = ১৪৪, 1/4 = ৯০ এবং 1/3 = ১২০। এদের যোগফল ৩৫৪, আর ৩৬০ − ৩৫৪ = ৬ মিটার, যা প্রশ্নের শর্তের সঙ্গে মেলে।
মনে রাখুন:
কোনো বস্তুর ভগ্নাংশ অংশ বাদ দিয়ে অবশিষ্ট অংশ দেওয়া থাকলে প্রথমে অবশিষ্টের ভগ্নাংশ বের করতে হয়।
তারপর অবশিষ্ট মান ÷ অবশিষ্টের ভগ্নাংশ = পুরো মান। - ৫৪. যদি A = {1, 2} এবং B = {2, 5} হয়, তবে P(A) ∩ P(B) = ?
- ক. {1,5}
- খ. {2}
- গ. {φ,{2}}
- ঘ. {φ}
উত্তর: গ. {φ,{2}}
সেট A-এর সব উপসেটের সেটকে পাওয়ার সেট P(A) বলে। A = {1, 2} হলে P(A) = {φ, {1}, {2}, {1,2}} এবং B = {2, 5} হলে P(B) = {φ, {2}, {5}, {2,5}}।
দুটি সেটে যেসব উপাদান আছে, সেগুলো হলো φ ও {2}। তাই P(A) ∩ P(B) = {φ, {2}}। এখানে {2} নিজেই একটি উপাদান, শুধু 2 নয়।
শর্টকাট: P(A) ∩ P(B) = P(A ∩ B)। এখানে A ∩ B = {2}, আর P({2}) = {φ, {2}}।
মনে রাখুন:
n উপাদানবিশিষ্ট সেটের পাওয়ার সেটের উপাদান সংখ্যা 2^n।
ফাঁকা সেট φ সব সেটের উপসেট, তাই সবার পাওয়ার সেটে φ থাকে। - ৬৬. 1/(x−y) এবং 1/(x+y) এর যোগফলের সাথে কত বিয়োগ করলে বিয়োগফল ২ হবে?
- ক. 2 − 2/(x²−y²)
- খ. 2 − 2x/(x²−y²)
- গ. 2/(x²−y²) − 2
- ঘ. 2x/(x²−y²) − 2
উত্তর: ঘ. 2x/(x²−y²) − 2
প্রথমে দুটি ভগ্নাংশ যোগ করি: 1/(x−y) + 1/(x+y) = [(x+y)+(x−y)]/(x²−y²) = 2x/(x²−y²)। হর সমান করার জন্য (x−y)(x+y) = x²−y² ব্যবহার করা হয়েছে।
ধরি, p বিয়োগ করলে বিয়োগফল 2 হয়। তাহলে 2x/(x²−y²) − p = 2, অর্থাৎ p = 2x/(x²−y²) − 2।
অন্য বিকল্পগুলোতে চিহ্ন বা পদ ভুলভাবে বসেছে, যেমন 2 − 2x/(x²−y²) হলে সেটি উল্টো দিকের পার্থক্য হতো।
মনে রাখুন:
(x−y)(x+y) = x²−y²।
a − p = b হলে p = a − b। - ৬৮. দুটি সংখ্যার গ. সা. গু. ১২ এবং ল. সা. গু. ৩৩৬, একটি সংখ্যা ৪৮ হলে অপর সংখ্যাটি কত?
- ক. ৫২
- খ. ৬৪
- গ. ৭২
- ঘ. ৮৪
উত্তর: ঘ. ৮৪
দুটি সংখ্যার গুণফল তাদের গ.সা.গু. ও ল.সা.গু.-এর গুণফলের সমান। অর্থাৎ ১ম সংখ্যা × ২য় সংখ্যা = গ.সা.গু. × ল.সা.গু.।
৪৮ × ২য় সংখ্যা = ১২ × ৩৩৬, তাই ২য় সংখ্যা = ১২ × ৩৩৬ ÷ ৪৮ = ৮৪।
যাচাই: ৪৮ ও ৮৪-এর গ.সা.গু. ১২ এবং ল.সা.গু. ৩৩৬, যা প্রশ্নের শর্তের সঙ্গে মেলে।
মনে রাখুন:
এই সূত্র শুধু দুটি সংখ্যার ক্ষেত্রে খাটে, তিনটি সংখ্যার ক্ষেত্রে নয়।
সূত্রটি লেখা যায়: a × b = গ.সা.গু. × ল.সা.গু.।
গ.সা.গু. সবসময় ল.সা.গু.-এর একটি গুণনীয়ক, এখানে ১২ ও ৩৩৬। - ৭১. a এর মান কত হলে (9 − 12x + ax²) রাশিটি একটি পূর্ণবর্গ হবে?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৫
- ক. 8
- খ. 6
- গ. 4
- ঘ. 2
উত্তর: গ. 4
পূর্ণবর্গ রাশি (p ± q)²-এর রূপ p² ± 2pq + q²। এখানে 9 = 3² এবং ax² = (√a x)², তাই মধ্যপদ হওয়া উচিত 2·3·√a x = 6√a x।
প্রশ্নের মধ্যপদ 12x, তাই 6√a = 12 এবং √a = 2। অতএব a = 4।
যাচাই: 9 − 12x + 4x² = (3 − 2x)²।
মনে রাখুন:
ax² + bx + c পূর্ণবর্গ হওয়ার শর্ত b² = 4ac। এখানে (−12)² = 144 এবং 4 × 4 × 9 = 144, তাই শর্ত মিলে যায়।
(p − q)² = p² − 2pq + q²। - ৭৯. log_k(aⁿ/bⁿ) + log_k(bⁿ/cⁿ) + log_k(cⁿ/aⁿ) = কত?
- ক. a/b
- খ. log_k(a/b)
- গ. log_k(b/c)
- ঘ. 0
উত্তর: ঘ. 0
লগারিদমের যোগের নিয়মে log(m) + log(n) = log(mn)। তিনটি পদ যোগ করলে পাই log_k[(aⁿ/bⁿ)(bⁿ/cⁿ)(cⁿ/aⁿ)]।
গুণফলের লব ও হর কাটাকাটি হয়ে 1 থাকে, কারণ aⁿbⁿcⁿ লবে ও হরে সমান। তাই log_k 1 = 0।
মনে রাখুন:
যেকোনো ভিত্তির ক্ষেত্রে log 1 = 0 হয়, কারণ k⁰ = 1।
log(m/n) = log m − log n এবং log(mⁿ) = n log m।
log_k k = 1। - ৮০. একটি সংখ্যার ১২% নিলে ৯৬ পাওয়া যায়, সংখ্যাটি কত?
- ক. ৮০০
- খ. ৯২০
- গ. ৯৬০
- ঘ. ১২০০
উত্তর: ক. ৮০০
সংখ্যাটির ১২% = ৯৬, অর্থাৎ ১২ ভাগ = ৯৬। ১ ভাগ = ৯৬ ÷ ১২ = ৮, তাই ১০০ ভাগ = ৮ × ১০০ = ৮০০।
সূত্র: সংখ্যা = ৯৬ × ১০০ ÷ ১২ = ৮০০।
যাচাই: ৮০০-এর ১২% = ৮০০ × ১২/১০০ = ৯৬।
মনে রাখুন:
কোনো সংখ্যার p% জানা থাকলে পুরো সংখ্যা = প্রদত্ত মান × ১০০ ÷ p।
শতকরা মানে প্রতি শতকে। - ৮৫. বৃত্তের কেন্দ্র থেকে সমদূরবর্তী যে বক্ররেখা আঁকা হয় তাকে বলে—
- ক. বৃত্তচাপ
- খ. ব্যাস
- গ. ব্যাসার্ধ
- ঘ. স্পর্শক
উত্তর: ক. বৃত্তচাপ
বৃত্তের কেন্দ্র থেকে সমান দূরত্বে থাকা বিন্দুগুলো যে বক্ররেখা তৈরি করে, তা বৃত্ত। বৃত্তের যেকোনো অংশকে বৃত্তচাপ বলে। বিকল্পগুলোর মধ্যে ব্যাস ও ব্যাসার্ধ সরলরেখা, আর স্পর্শক বৃত্তকে একটি বিন্দুতে ছোঁয়, তাই এখানে বক্ররেখার অংশ হিসেবে বৃত্তচাপই মেলে।
মনে রাখুন:
ব্যাস = ২ × ব্যাসার্ধ।
বৃত্তের পরিধি = 2πr এবং ক্ষেত্রফল = πr²।
কেন্দ্র দিয়ে যাওয়া জ্যা-কে ব্যাস বলে, যা বৃত্তের সবচেয়ে বড় জ্যা। - ৯৪. একটি সংখ্যার একক স্থানীয় মান a এবং দশম স্থানীয় মান b হলে সংখ্যাটি কত?
- ক. 10 ab
- খ. 10 a + b
- গ. a + 10b
- ঘ. ab + 10
উত্তর: গ. a + 10b
দুই অঙ্কের সংখ্যায় একক স্থানের অঙ্কের মান সেই অঙ্ক নিজেই, আর দশক স্থানের অঙ্কের মান অঙ্কের ১০ গুণ। প্রশ্নে একক স্থানের অঙ্ক a ও দশক স্থানের অঙ্ক b, তাই সংখ্যা = 10b + a = a + 10b।
উদাহরণ:
a = 3 ও b = 5 হলে সংখ্যাটি 53।
মনে রাখুন:
তিন অঙ্কের সংখ্যায় শতক, দশক ও একক স্থানের অঙ্ক যথাক্রমে c, b, a হলে সংখ্যা = 100c + 10b + a।
অঙ্ক দুটির স্থান বদল করলে সংখ্যা হয় 10a + b। - ৯৬. ৪০ থেকে ১০০ পর্যন্ত পূর্ণ সংখ্যার মধ্যে বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যা দুটির গড় কত?
- ক. ৭০
- খ. ৬৯
- গ. ৬৮
- ঘ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. ৬৯
৪০ থেকে ১০০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যাগুলোর মধ্যে ক্ষুদ্রতম সংখ্যা ৪১, কারণ ৪১ কে ১ ও নিজে ছাড়া আর কোনো সংখ্যা দিয়ে ভাগ করা যায় না। বৃহত্তম মৌলিক সংখ্যা ৯৭, কারণ ৯৮, ৯৯ ও ১০০ মৌলিক নয়।
গড় = (৪১ + ৯৭) ÷ ২ = ১৩৮ ÷ ২ = ৬৯।
মনে রাখুন:
৪০ থেকে ১০০-এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা: ৪১, ৪৩, ৪৭, ৫৩, ৫৯, ৬১, ৬৭, ৭১, ৭৩, ৭৯, ৮৩, ৮৯, ৯৭।
২ একমাত্র জোড় মৌলিক সংখ্যা, আর ১ মৌলিক নয়।
বাংলাদেশ
- ২. কোনটি বাংলাদেশের একটি রামসার সাইট?
- ক. হাকালুকি হাওর
- খ. টাঙ্গুয়ার হাওর
- গ. মারজাত বাওর
- ঘ. সোনাদিয়া দ্বীপ
উত্তর: খ. টাঙ্গুয়ার হাওর
রামসার কনভেনশন (Ramsar Convention) হলো জলাভূমি সংরক্ষণের একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। ইরানের রামসার শহরে ১৯৭১ সালে এটি স্বাক্ষরিত হয়, আর সেখান থেকেই এর নাম এসেছে। ২০১৮ সালে বাংলাদেশের রামসার সাইট ছিল দুটি, সুন্দরবন এবং সিলেটের সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওর। প্রশ্নের বিকল্পগুলোর মধ্যে কেবল টাঙ্গুয়ার হাওর তখন এই তালিকায় ছিল।
হাকালুকি হাওর ও মারজাত বাওর গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি হলেও সে সময় রামসার সাইট ছিল না। সোনাদিয়া দ্বীপ কক্সবাজারের কাছে একটি পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা, সেটিও রামসার সাইট নয়।
মনে রাখুন:
সুন্দরবন ১৯৯২ সালে বাংলাদেশের প্রথম রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
টাঙ্গুয়ার হাওর ২০০০ সালে বাংলাদেশের দ্বিতীয় রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
টাঙ্গুয়ার হাওর সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা ও তাহিরপুর উপজেলা নিয়ে বিস্তৃত। - ৬. স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য কতজন মহিলাকে 'বীর প্রতীক' উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে?
- ক. ৫ জন
- খ. ১ জন
- গ. ২ জন
- ঘ. ৬ জন
উত্তর: গ. ২ জন
মুক্তিযুদ্ধে অসাধারণ সাহস দেখানোর জন্য মাত্র দুজন নারীকে ‘বীর প্রতীক’ খেতাব দেওয়া হয়েছে। তাঁরা হলেন চিকিৎসক ও মুক্তিযোদ্ধা সেতারা বেগম এবং কুড়িগ্রামের তারামন বিবি। তারামন বিবি সাধারণ গ্রামের মেয়ে হয়েও সম্মুখযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। সেতারা বেগম যুদ্ধের সময় আহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা ও সেবার কাজে যুক্ত ছিলেন। পরীক্ষায় তাই সংখ্যাটি ২ জন বলেই মনে রাখতে হয়।
মনে রাখুন:
মুক্তিযুদ্ধের খেতাবের চারটি স্তর হলো বীরশ্রেষ্ঠ, বীর উত্তম, বীর বিক্রম ও বীর প্রতীক।
বীরশ্রেষ্ঠ পেয়েছেন মোট ৭ জন, বীর উত্তম ৬৮ জন, বীর বিক্রম ১৭৫ জন এবং বীর প্রতীক ৪২৬ জন। সব মিলিয়ে খেতাবপ্রাপ্তের সংখ্যা ৬৭৬।
খেতাবপ্রাপ্ত দুই নারীই বীর প্রতীক পেয়েছেন, বীরশ্রেষ্ঠ কোনো নারী পাননি। - ২৩. বঙ্গবন্ধু কখন পাকিস্তানি কারাগার থেকে প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে আসেন?
- ক. ২৬ মার্চ ১৯৭২
- খ. ১৭ মার্চ ১৯৭২
- গ. ১০ জানুয়ারি ১৯৭২
- ঘ. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
উত্তর: গ. ১০ জানুয়ারি ১৯৭২
পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি থাকার পর ৮ জানুয়ারি ১৯৭২ বঙ্গবন্ধু মুক্তি পান। তিনি লন্ডন ও দিল্লি হয়ে ১০ জানুয়ারি ১৯৭২ স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে আসেন। ঢাকা বিমানবন্দর থেকে তিনি সোজা রেসকোর্স ময়দানে গিয়ে বিশাল জনসভায় ভাষণ দেন। বাকি তারিখগুলো অন্য ঘটনার সঙ্গে জড়িত: ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ বিজয় দিবস, আর ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন।
মনে রাখুন:
১০ জানুয়ারি দিনটি ‘বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস’ হিসেবে পালিত হয়।
দেশে ফেরার দুই দিন পর, ১২ জানুয়ারি ১৯৭২, বঙ্গবন্ধু প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।
২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস।
বঙ্গবন্ধু ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের রাতে গ্রেপ্তার হয়ে পাকিস্তানে নীত হন। - ২৫. বাংলাদেশের রণসংগীতের রচয়িতা কে?
- ক. কবি জসীমউদ্দীন
- খ. কাজী নজরুল ইসলাম
- গ. মোহিতলাল মজুমদার
- ঘ. বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর: খ. কাজী নজরুল ইসলাম
বাংলাদেশের রণসংগীত ‘চল্ চল্ চল্’ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা। তিনি গানটি ‘নতুনের গান’ নামে লিখেছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় এটি সবাইকে সাহস জোগাত, তাই স্বাধীনতার পর এটি বাংলাদেশের রণসংগীত হিসেবে গৃহীত হয়। গানটির শুরু ‘চল্ চল্ চল্, ঊর্ধ্ব গগনে বাজে মাদল’ পঙ্ক্তিতে।
মনে রাখুন:
জাতীয় সংগীত ‘আমার সোনার বাংলা’ লিখেছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
নজরুল ইসলাম ‘বিদ্রোহী কবি’ নামে পরিচিত, তাঁর ‘বিদ্রোহী’ কবিতা তাঁকে বিখ্যাত করে তোলে।
১৯৭২ সালে নজরুলকে ভারত থেকে ঢাকায় আনা হয় এবং তিনি বাংলাদেশের জাতীয় কবির মর্যাদা পান। - ৩০. 'অপরাজেয় বাংলা' কী?
- ক. একটি বই-এর নাম
- খ. মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবাহী ভাস্কর্য
- গ. একটি সড়কের নাম
- ঘ. একটি ছায়াছবির নাম
উত্তর: খ. মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবাহী ভাস্কর্য
‘অপরাজেয় বাংলা’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সামনে স্থাপিত একটি ভাস্কর্য, যা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বহন করে। ভাস্কর সৈয়দ আবদুল্লাহ খালেদ এটি তৈরি করেন এবং ১৯৭৯ সালে এর কাজ শেষ হয়। ভাস্কর্যে তিনজন তরুণ মুক্তিযোদ্ধাকে দেখা যায়। এটি কোনো বই, সড়ক বা চলচ্চিত্রের নাম নয়।
মনে রাখুন:
‘রাজু ভাস্কর্য’ ও ‘শাবাশ বাংলাদেশ’ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বিখ্যাত ভাস্কর্য।
‘রাজু ভাস্কর্য’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদ এলাকায় আছে, আর এটি সৈয়দ আবদুল্লাহ খালেদেরই কাজ।
সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের নকশা করেছেন স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন। - ৩২. মনপুরা-৭০ কী?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৯, এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৯
- ক. একটি উপন্যাসের নাম
- খ. একটি চলচ্চিত্রের নাম
- গ. একটি চিত্রশিল্প
- ঘ. একটি উপজেলা
উত্তর: গ. একটি চিত্রশিল্প
‘মনপুরা ৭০’ শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের আঁকা বিখ্যাত চিত্রকর্ম। ১৯৭০ সালের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে যাঁরা মারা যান, তাঁদের স্মরণে তিনি প্রায় ৩০ ফুট লম্বা এই ছবি আঁকেন। ছবিতে মানুষ ও প্রকৃতির লড়াই ধরা পড়েছে। এটি কোনো উপন্যাস বা চলচ্চিত্রের নাম নয়, একটি চিত্রশিল্প।
মনে রাখুন:
জয়নুল আবেদিনের ‘দুর্ভিক্ষ’ ছবির সিরিজটি ১৯৪৩ সালের মন্বন্তরের ওপর আঁকা।
মনপুরা ভোলা জেলার একটি দ্বীপ উপজেলার নামও।
জয়নুল আবেদিন ১৯৪৮ সালে ঢাকা আর্ট কলেজ (বর্তমান চারুকলা ইনস্টিটিউট) প্রতিষ্ঠায় নেতৃত্ব দেন। - ৩৪. 'নাসিরাবাদ' কোন জেলার পূর্বনাম?
- ক. ময়মনসিংহ
- খ. নরসিংদী
- গ. ঢাকা
- ঘ. বরিশাল
উত্তর: ক. ময়মনসিংহ
‘নাসিরাবাদ’ ছিল ময়মনসিংহের পুরোনো নাম। নামটি আসে বাংলার সুলতান নাসিরউদ্দিন নুসরত শাহের নাম থেকে। পরে ব্রিটিশ আমলে জেলার নাম বদলে ময়মনসিংহ বা মোমেনশাহী হয়। বাকি জেলাগুলোর নাম আলাদা ইতিহাসের সঙ্গে জড়িত।
মনে রাখুন:
ঢাকার পুরোনো নাম জাহাঙ্গীরনগর, বরিশালের পুরোনো নাম চন্দ্রদ্বীপ।
নরসিংদী আগে ঢাকা জেলার অংশ ছিল, ১৯৮৪ সালে এটি আলাদা জেলা হয়।
ময়মনসিংহ ২০১৫ সালে বিভাগীয় মর্যাদা পায়, এটি বাংলাদেশের অষ্টম বিভাগ। - ৩৬. বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় নদীবন্দর কোনটি?
- ক. নারায়ণগঞ্জ
- খ. খুলনা
- গ. বরিশাল
- ঘ. চাঁদপুর
উত্তর: ক. নারায়ণগঞ্জ
নারায়ণগঞ্জ শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের প্রধান ও সবচেয়ে বড় নদীবন্দর। ঢাকার খুব কাছে হওয়ায় এখান থেকে সারা দেশে মালপত্র যায়। পাট ও বস্ত্র ব্যবসার জন্য এই বন্দর একসময় ‘প্রাচ্যের ডান্ডি’ নামে পরিচিত ছিল। বাকি তিনটি বিকল্পও নদীবন্দর, তবে আকারে ও ব্যস্ততায় নারায়ণগঞ্জ এগিয়ে।
মনে রাখুন:
চট্টগ্রাম সবচেয়ে বড় সমুদ্রবন্দর, আর মোংলা দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর।
চাঁদপুর পদ্মা ও মেঘনার সঙ্গমস্থলের কাছে অবস্থিত একটি নদীবন্দর।
দেশের নদীবন্দর দেখাশোনা করে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। - ৩৮. মহাস্থানগড় কোন জেলায়?
- ক. কুমিল্লা
- খ. নারায়ণগঞ্জ
- গ. বগুড়া
- ঘ. দিনাজপুর
উত্তর: গ. বগুড়া
মহাস্থানগড় বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত। এটি প্রাচীন পুণ্ড্রনগর, যা পুণ্ড্রবর্ধন অঞ্চলের রাজধানী ছিল। এখানে পাওয়া ব্রাহ্মী লিপির শিলালিপি বাংলাদেশের প্রাচীনতম লিখিত নিদর্শন। কুমিল্লা, নারায়ণগঞ্জ বা দিনাজপুরে অন্য ঐতিহাসিক স্থান থাকলেও মহাস্থানগড় বগুড়াতেই।
মনে রাখুন:
মহাস্থানগড় বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগরকেন্দ্রগুলোর একটি।
পাহাড়পুরের সোমপুর বিহার নওগাঁ জেলায় আছে।
ময়নামতীর প্রত্নস্থান কুমিল্লায় অবস্থিত। - ৫০. বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার সময়কাল কোনটি?
- ক. ১৯৮০-১৯৮৫
- খ. ১৯৯৭-২০০২
- গ. ১৯৭৩-১৯৭৮
- ঘ. ১৯৯০-১৯৯৫
উত্তর: গ. ১৯৭৩-১৯৭৮
স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ পরিকল্পিত উন্নয়নের পথে হাঁটতে শুরু করে। প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদ ছিল ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠনই ছিল এর মূল লক্ষ্য। পরের বিকল্পগুলো অন্য পরিকল্পনার সময়কাল।
মনে রাখুন:
প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা ১৯৭৩ সালের ১ জুলাই থেকে শুরু হয়।
দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা ১৯৮০-৮৫, তৃতীয় ১৯৮৫-৯০, চতুর্থ ১৯৯০-৯৫ এবং পঞ্চম ১৯৯৭-২০০২।
প্রথম ও দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিকীর মাঝখানে ১৯৭৮-৮০ সালে দুই বছরের একটি পরিকল্পনা ছিল। - ৫৫. মুজিবনগর কোন জেলায় অবস্থিত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৪, এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৭
- ক. কুষ্টিয়া
- খ. চুয়াডাঙ্গা
- গ. মেহেরপুর
- ঘ. ঠাকুরগাঁও
উত্তর: গ. মেহেরপুর
মুক্তিযুদ্ধের সময় ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল প্রথম বাংলাদেশ সরকার গঠিত হয়। ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে সরকারের শপথ হয় এবং জায়গাটির নাম রাখা হয় মুজিবনগর। তাই মুজিবনগর কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা বা ঠাকুরগাঁও নয়, মেহেরপুরে। সরকারকে প্রবাসী সরকারও বলা হয়, কারণ সরকারের কাজ প্রথমে কলকাতা থেকে চলত।
মনে রাখুন:
মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ।
বঙ্গবন্ধু তখন পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি থাকায় সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে কাজ করেন।
১৭ এপ্রিল দিনটি ‘মুজিবনগর দিবস’ হিসেবে পালিত হয়। - ৭৩. বরেন্দ্র জাদুঘর কোন জেলায়?
- ক. বগুড়া
- খ. কুমিল্লা
- গ. রাজশাহী
- ঘ. নারায়ণগঞ্জ
উত্তর: গ. রাজশাহী
বরেন্দ্র জাদুঘর (বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর) রাজশাহীতে অবস্থিত। ১৯১০ সালে এটি স্থাপিত হয় এবং এখন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় একে পরিচালনা করে। প্রাচীন বাংলার মূর্তি, শিলালিপি ও পুঁথির বিশাল সংগ্রহ আছে এখানে। এটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম জাদুঘরগুলোর একটি।
মনে রাখুন:
ঢাকার জাতীয় জাদুঘর ১৯১৩ সালে ‘ঢাকা জাদুঘর’ নামে প্রতিষ্ঠিত হয়, পরে ১৯৮৩ সালে নতুন নামে শাহবাগে স্থানান্তরিত হয়।
বগুড়ার মহাস্থানগড়ে প্রত্নস্থান ও জাদুঘর আছে।
কুমিল্লার ময়নামতী প্রত্নস্থানেও জাদুঘর রয়েছে। - ৮২. 'এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা'- কে লিখেছেন গানটি?আরও এসেছে: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার ২০১৫
- ক. আবু হেনা মোস্তফা কামাল
- খ. গাজী মাযহারুল আনোয়ার
- গ. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান
- ঘ. গোবিন্দ হালদার
উত্তর: ঘ. গোবিন্দ হালদার
‘এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা’ গানটি লিখেছেন গোবিন্দ হালদার। তিনি বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত গীতিকার, যাঁর গানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ফুটে উঠেছে। গানটি গেয়েছেন শিল্পী আব্দুল জব্বার।
মনে রাখুন:
গোবিন্দ হালদার মুক্তিযুদ্ধের অনেক জনপ্রিয় গানের রচয়িতা।
‘একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে’ গানটি গাজী মাযহারুল আনোয়ারের লেখা।
‘শোনো একটি মুজিবরের থেকে’ গানটি লিখেছেন গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার। - ৯৩. প্রথম বাংলাদেশি এভারেস্ট বিজয়ী কে?
- ক. ব্রজেন দাস
- খ. ওয়াসফিয়া নাজরীন
- গ. মুসা ইব্রাহীম
- ঘ. শেরপা তেনজিং
উত্তর: গ. মুসা ইব্রাহীম
২০১০ সালের ২৩ মে মুসা ইব্রাহীম এভারেস্টের চূড়ায় পৌঁছান। তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ এই শৃঙ্গ জয় করেন। এভারেস্টের উচ্চতা প্রায় ৮৮৪৮ মিটার।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশের প্রথম নারী এভারেস্ট বিজয়ী নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালে।
ওয়াসফিয়া নাজরীন ২০১২ সালে এভারেস্ট জয় করেন এবং পরে সাত মহাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ জয় সম্পন্ন করেন।
শেরপা তেনজিং নোরগে এডমন্ড হিলারির সঙ্গে ১৯৫৩ সালে প্রথম এভারেস্ট জয় করেন।
ব্রজেন দাস ইংলিশ চ্যানেল সাঁতরে পার হওয়ার জন্য বিখ্যাত।
বাংলা
- ৪. স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রভাবে রচিত কোন উপন্যাসটি?
- ক. আগুনের পরশমণি
- খ. রুমালি
- গ. কুহক
- ঘ. নন্দিত নরকে
উত্তর: ক. আগুনের পরশমণি
হুমায়ূন আহমেদের ‘আগুনের পরশমণি’ উপন্যাসের পটভূমি মুক্তিযুদ্ধ। এতে যুদ্ধের সময় ঢাকার একটি পরিবারের মানুষের ভয়, সাহস আর ভালোবাসার গল্প বলা হয়েছে। এই উপন্যাসের নামে পরে একটি চলচ্চিত্রও তৈরি হয়েছে, যেটি হুমায়ূন আহমেদ নিজেই পরিচালনা করেন।
বাকি বিকল্পগুলো মুক্তিযুদ্ধের গল্প নয়। ‘রুমালি’ ও ‘কুহক’ একেবারে আলাদা ধরনের রচনা, আর ‘নন্দিত নরকে’ পারিবারিক জীবনের কাহিনি।
মনে রাখুন:
হুমায়ূন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অন্যান্য রচনা: জোছনা ও জননীর গল্প, ১৯৭১, শ্যামল ছায়া।
‘নন্দিত নরকে’ তাঁর প্রথম উপন্যাস, এটি ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়।
তাঁর পরিচালিত অন্য চলচ্চিত্র: শ্রাবণ মেঘের দিন, দুই দুয়ারী, শ্যামল ছায়া। - ৫. 'গ্রাম > গেরাম' — এখানে কোনটি ঘটেছে?
- ক. ব্যঞ্জন বিকৃতি
- খ. পরাগত
- গ. স্বরাগম
- ঘ. অসমীকরণ
উত্তর: গ. স্বরাগম
‘গ্রাম’ শব্দের উচ্চারণে সংযুক্ত ব্যঞ্জন গ্র-এর মাঝখানে একটি স্বরধ্বনি ‘এ’ চলে এসে হয়েছে ‘গেরাম’। উচ্চারণ সহজ করার জন্য শব্দের মধ্যে এভাবে নতুন স্বর ঢুকে পড়াকে মধ্যস্বরাগম বলে, একে বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তিও বলা হয়। এটি স্বরাগমের একটি ধরন। এখানে কোনো ব্যঞ্জন বদলায়নি, শুধু নতুন একটি স্বর যুক্ত হয়েছে, তাই এটি ব্যঞ্জন বিকৃতি বা অসমীকরণ নয়।
উদাহরণ:
রত্ন > রতন, প্রীতি > পিরীতি, ধর্ম > ধরম, শ্লোক > শিলোক।
মনে রাখুন:
শব্দের শুরুতে স্বর এলে আদিস্বরাগম হয়, যেমন স্কুল > ইস্কুল, স্টেশন > ইস্টিশন।
শব্দের শেষে স্বর এলে অন্ত্যস্বরাগম হয়, যেমন সত্য > সত্যি।
শব্দের মাঝখানে স্বর এলে মধ্যস্বরাগম হয়, এর আরেক নাম বিপ্রকর্ষ। - ৯. 'নীলদর্পণ' নাটক কার রচনা?
- ক. মধুসূদন দত্ত
- খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গ. কাজী নজরুল ইসলাম
- ঘ. দীনবন্ধু মিত্র
উত্তর: ঘ. দীনবন্ধু মিত্র
‘নীলদর্পণ’ নাটকটি দীনবন্ধু মিত্রের লেখা, যা ১৮৬০ সালে প্রকাশিত হয়। এতে ইংরেজ নীলকরদের হাতে বাংলার চাষিদের অত্যাচারের কথা তুলে ধরা হয়েছে। নাটকটি এতই আলোড়ন তোলে যে ইংরেজি অনুবাদের কারণে অনুবাদক রেভারেন্ড জেমস লং মামলায় জড়িয়ে পড়েন এবং তাঁকে জরিমানা ও কারাদণ্ড ভোগ করতে হয়। মজার ব্যাপার হলো, নাটকটি ঢাকা থেকেই প্রথম ছাপা হয়েছিল। প্রথমে নাটকটির লেখকের নাম ছাপা হয়নি, কারণ নীলকরদের রোষের ভয় ছিল।
মনে রাখুন:
দীনবন্ধু মিত্রের অন্যান্য রচনা: নবীন তপস্বিনী, লীলাবতী, সধবার একাদশী, জামাই বারিক।
মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাটক: শর্মিষ্ঠা, কৃষ্ণকুমারী, পদ্মাবতী। - ১১. 'সুখের লাগিয়া এ ঘর বাঁধিনু, অনলে পুড়িয়া গেল'— কার রচনা?
- ক. বিদ্যাপতি
- খ. বড়ু চণ্ডীদাস
- গ. জ্ঞানদাস
- ঘ. দ্বিজ চণ্ডীদাস
উত্তর: গ. জ্ঞানদাস
‘সুখের লাগিয়া এ ঘর বাঁধিনু, অনলে পুড়িয়া গেল’ পঙ্ক্তিটি মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলির কবি জ্ঞানদাসের। পদটিতে সুখের আশায় ঘর বাঁধার পর দুঃখে ভরে যাওয়ার বেদনা প্রকাশ পেয়েছে। বৈষ্ণব পদাবলিতে রাধা ও কৃষ্ণের প্রেম এবং রাধার বিরহ-বেদনাই মূল বিষয়।
এই পদের কবি নিয়ে অনেকে বড়ু চণ্ডীদাস বা দ্বিজ চণ্ডীদাসের নাম ভাবেন, কিন্তু পরীক্ষায় এটি জ্ঞানদাসের রচনা বলেই ধরা হয়।
মনে রাখুন:
জ্ঞানদাস চণ্ডীদাসের ভাবশিষ্য হিসেবে পরিচিত, তাঁর আরেকটি বিখ্যাত পঙ্ক্তি ‘রূপ লাগি আঁখি ঝুরে গুণে মন ভোর’।
‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের কবি বড়ু চণ্ডীদাস।
বিদ্যাপতি মৈথিলি ভাষার কবি ছিলেন, তবে বাংলা বৈষ্ণব পদাবলিতেও তাঁর বড় প্রভাব আছে। - ১২. 'রাইফেল রোটি আওরাত'-এর রচয়িতা কে?
- ক. আবু জাফর শামসুদ্দীন
- খ. আনোয়ার পাশা
- গ. মাযহারুল ইসলাম
- ঘ. সরদার জয়েনউদ্দীন
উত্তর: খ. আনোয়ার পাশা
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লেখা প্রথম উপন্যাস ধরা হয় আনোয়ার পাশার ‘রাইফেল রোটি আওরাত’ (১৯৭৩)। এতে যুদ্ধের সময়কার মানুষের জীবন ও সংগ্রামের ছবি আছে। লেখক আনোয়ার পাশা নিজেও ১৯৭১ সালে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের একজন হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের এই শিক্ষককে ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর হত্যা করা হয়।
মনে রাখুন: মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আরও কিছু উপন্যাস:
নিষিদ্ধ লোবান: সৈয়দ শামসুল হক।
জলাংগী: শওকত ওসমান।
হাঙর নদী গ্রেনেড: সেলিনা হোসেন।
আনোয়ার পাশার অন্য উপন্যাস: নীড় সন্ধানী। - ১৭. বাংলা ভাষার উৎপত্তি হয়েছে—
- ক. সপ্তম শতাব্দীতে
- খ. অষ্টম শতাব্দীতে
- গ. নবম শতাব্দীতে
- ঘ. দশম শতাব্দীতে
উত্তর: ক. সপ্তম শতাব্দীতে
বাংলা ভাষার জন্ম নিয়ে পণ্ডিতদের মত আলাদা। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে গৌড়ী প্রাকৃত থেকে সপ্তম শতকে বাংলা ভাষার সূত্রপাত হয়। বাংলাদেশের পাঠ্যবইয়ে সাধারণত এই মতটিই গ্রহণ করা হয়, তাই পরীক্ষায় সপ্তম শতাব্দীই সঠিক উত্তর। বাংলা ভাষা ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাপরিবারের ইন্দো-আর্য শাখার ভাষা।
মনে রাখুন:
ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে মাগধী প্রাকৃত থেকে বাংলা এসেছে এবং এর সূচনা দশম শতকে।
বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ।
বাংলা ভাষার ইতিহাসকে প্রাচীন, মধ্য ও আধুনিক এই তিন যুগে ভাগ করা হয়। - ১৯. 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
- ক. সেলিনা হোসেন
- খ. রশিদ করিম
- গ. মযহারুল ইসলাম
- ঘ. সৈয়দ শামসুল হক
উত্তর: গ. মযহারুল ইসলাম
‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব’ গ্রন্থের লেখক লোকসাহিত্য গবেষক ড. মযহারুল ইসলাম। তিনি বাংলাদেশে ফোকলোর (Folklore) চর্চার অগ্রদূত হিসেবে পরিচিত। ফোকলোর মানে লোকসমাজে প্রচলিত গান, ছড়া, গল্প, প্রবাদ ও রীতিনীতি। অন্য লেখকদের মধ্যে সেলিনা হোসেন ও সৈয়দ শামসুল হক মূলত কথাসাহিত্য ও কবিতার জন্য পরিচিত।
মনে রাখুন:
মযহারুল ইসলামের অন্যান্য গ্রন্থ ‘কবি পাগলা কানাই’, ‘ফোকলোর পরিচিতি ও লোকসাহিত্যের পঠন-পাঠন’।
লোকসাহিত্য সংগ্রহে ময়মনসিংহ গীতিকা সম্পাদনা করেন দীনেশচন্দ্র সেন। - ২৮. বাংলা বিরামচিহ্নের স্রষ্টা কে?
- ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. প্যারীচাঁদ মিত্র
- গ. দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ঘ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
উত্তর: ঘ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
বাংলা বিরামচিহ্নের প্রবর্তক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। ইংরেজি ভাষায় যেমন কমা, দাঁড়ি আছে, তিনি সেগুলো দেখে বাংলা গদ্যে সুশৃঙ্খলভাবে প্রয়োগ করেন, ফলে গদ্য পড়া সহজ হয়ে যায়। এ কারণেই তাঁকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে ‘বাংলা গদ্যের প্রথম যথার্থ শিল্পী’ বলেছেন।
মনে রাখুন:
‘বেতালপঞ্চবিংশতি’ গ্রন্থে তাঁর বিরামচিহ্নের সুন্দর ব্যবহার দেখা যায়।
বিদ্যাসাগরের অন্যান্য রচনা: শকুন্তলা, সীতার বনবাস, ভ্রান্তিবিলাস, বর্ণপরিচয়।
তিনি বিধবাবিবাহ আইন (১৮৫৬) প্রবর্তনে বড় ভূমিকা রাখেন। - ৩১. কবি আলাওল কোন রাজদরবারের কবি ছিলেন?
- ক. ত্রিপুরা
- খ. দিল্লি
- গ. রোসাঙ্গ
- ঘ. মুর্শিদাবাদ
উত্তর: গ. রোসাঙ্গ
মধ্যযুগের কবি আলাওল আরাকানের (রোসাঙ্গ) রাজসভার কবি ছিলেন। রোসাঙ্গ ছিল আজকের মিয়ানমারের রাখাইন অঞ্চল। সেখানকার রাজসভায় মন্ত্রী ও অমাত্যরা বাংলা কাব্যের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। আলাওলের সবচেয়ে বিখ্যাত কাব্য ‘পদ্মাবতী’। এটি মালিক মুহম্মদ জায়সীর হিন্দি কাব্য ‘পদুমাবৎ’ থেকে অনূদিত।
মনে রাখুন:
আলাওলের অন্যান্য কাব্য: সয়ফুলমূলুক বদিউজ্জামাল, হপ্তপয়কর, তোহফা, সিকান্দরনামা।
দৌলত কাজীও রোসাঙ্গ রাজসভার কবি ছিলেন, তাঁর কাব্য ‘সতী ময়না’।
আলাওল ‘পদ্মাবতী’ লিখেছিলেন ১৬৪৮ সালের দিকে। - ৩৫. কোনটি উপন্যাস?
- ক. নতুন চাঁদ
- খ. কন্যাকুমারী
- গ. গডডলিকা
- ঘ. নেমেসিস
উত্তর: খ. কন্যাকুমারী
‘কন্যাকুমারী’ একটি উপন্যাস। উপন্যাস মানে গদ্যে লেখা দীর্ঘ কাহিনি, যেখানে নানা চরিত্র ও ঘটনার মধ্য দিয়ে সমাজ ও জীবনের ছবি আঁকা হয়। বাকিগুলো অন্য ধরনের রচনা। ‘নতুন চাঁদ’ কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থ, ‘গডডলিকা’ রাজশেখর বসুর ব্যঙ্গ-রসাত্মক গল্পগ্রন্থ এবং ‘নেমেসিস’ নুরুল মোমেনের নাটক।
মনে রাখুন:
রাজশেখর বসুর ছদ্মনাম পরশুরাম।
পরশুরামের আরও গল্পগ্রন্থ: কজ্জলী, হনুমানের স্বপ্ন ইত্যাদি।
নুরুল মোমেনের আরও নাটক: রূপান্তর, নয়া খান্দান। - ৩৭. 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' কার রচনা?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৭
- ক. শেখ হাসিনা
- খ. শেখ মুজিবুর রহমান
- গ. হুমায়ূন আহমেদ
- ঘ. আসাদ চৌধুরী
উত্তর: খ. শেখ মুজিবুর রহমান
‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা। আত্মজীবনী মানে নিজের জীবনের কথা নিজে লেখা বই। তিনি জেলে থাকার সময় খাতায় নিজের জীবনের কথা লিখে রেখেছিলেন। বইটি ২০১২ সালের জুন মাসে প্রথম প্রকাশিত হয়। বইটি শেষ হয়নি বলেই নামে ‘অসমাপ্ত’ কথাটি আছে।
মনে রাখুন:
তাঁর আরও দুটি বই ‘কারাগারের রোজনামচা’ ও ‘আমার দেখা নয়াচীন’।
শেখ হাসিনা ও হুমায়ূন আহমেদও লেখক, কিন্তু এই বইটি তাঁদের লেখা নয়।
বঙ্গবন্ধুর ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ভাষণ ইউনেস্কো ২০১৭ সালে বিশ্বপ্রামাণ্য ঐতিহ্য (Memory of the World) হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। - ৩৯. 'জরাসন্ধ' কার ছদ্মনাম?
- ক. চারুচন্দ্র চক্রবর্তী
- খ. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
- গ. নীহাররঞ্জন রায়
- ঘ. সমরেশ বসু
উত্তর: ক. চারুচন্দ্র চক্রবর্তী
‘জরাসন্ধ’ ছদ্মনামে লিখতেন চারুচন্দ্র চক্রবর্তী। ছদ্মনাম মানে লেখকের আসল নামের বদলে যে নামে তিনি লেখেন। তিনি কারাগারের একজন কর্মকর্তা ছিলেন, তাই জেলের জীবন নিয়ে তাঁর ‘লৌহকপাট’ উপন্যাস বিখ্যাত। কারাগারের বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকেই এই ছদ্মনামের লেখাগুলো এসেছে।
মনে রাখুন:
সমরেশ বসু ‘কালকূট’ ছদ্মনামে লিখেছেন। কিন্তু জরাসন্ধ নামটি চারুচন্দ্র চক্রবর্তীরই।
আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের বিখ্যাত উপন্যাস ‘চিলেকোঠার সেপাই’ ও ‘খোয়াবনামা’।
নীহাররঞ্জন রায়ের বিখ্যাত গ্রন্থ ‘বাঙালীর ইতিহাস’। - ৪১. কোনটি বাক্প্রত্যঙ্গ নয়?
- ক. হাত
- খ. জিহ্বা
- গ. দাঁত
- ঘ. ঠোঁট
উত্তর: ক. হাত
কথা বলার সময় যেসব অঙ্গ কাজ করে, তাদের বাক্প্রত্যঙ্গ বলে। এগুলো হলো ঠোঁট, দাঁত, জিহ্বা, তালু, কণ্ঠ ও নাক। ফুসফুস থেকে আসা বাতাস এসব অঙ্গের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে নানা ধ্বনি তৈরি করে। হাত দিয়ে আমরা ধ্বনি উচ্চারণ করি না, তাই হাত বাক্প্রত্যঙ্গ নয়।
মনে রাখুন:
ধ্বনি উচ্চারণের স্থান অনুসারে ব্যঞ্জনধ্বনিকে কণ্ঠ্য, তালব্য, মূর্ধন্য, দন্ত্য ও ওষ্ঠ্য ভাগে ভাগ করা হয়।
ক-বর্গ কণ্ঠ্য, চ-বর্গ তালব্য, ট-বর্গ মূর্ধন্য, ত-বর্গ দন্ত্য এবং প-বর্গ ওষ্ঠ্য ধ্বনি। - ৪৫. ‘মা তোর বদনখানি মলিন হলে আমি নয়ন জলে ভাসি’—কে লিখেছেন?
- ক. কাজী নজরুল ইসলাম
- খ. আসাদ চৌধুরী
- গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ঘ. মোহাম্মদ মনির ছামাদ
উত্তর: গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
‘মা, তোর বদনখানি মলিন হলে, আমি নয়ন জলে ভাসি’ পঙ্ক্তিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ‘আমার সোনার বাংলা’ গানের অংশ। এই গানের প্রথম ১০ লাইন বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত। এখানে ‘মা’ বলতে কবি মাতৃভূমি বাংলাকে বুঝিয়েছেন।
মনে রাখুন:
গানটি ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের সময় লেখা।
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত মুজিবনগর সরকার একে জাতীয় সংগীত হিসেবে গ্রহণ করে।
গানটির সুর বাউল গগন হরকরার ‘আমি কোথায় পাব তারে’ গানের সুরের কাছাকাছি বলে মনে করা হয়।
বাংলাদেশের রণসংগীত নজরুলের ‘চল্ চল্ চল্’। - ৪৬. 'একখানি ছোট খেত আমি একেলা'—রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন কবিতার রচনা?
- ক. সোনারতরী
- খ. চিত্রা
- গ. বলাকা
- ঘ. মানসী
উত্তর: ক. সোনারতরী
‘একখানি ছোট খেত আমি একেলা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘সোনার তরী’ কবিতার প্রথম চরণ। কবিতার সঙ্গে একই নামে তাঁর ‘সোনার তরী’ (১৮৯৪) কাব্যগ্রন্থটিও বের হয়। কবিতায় কৃষকের ফসল তরীতে উঠে গেলেও কৃষকের জন্য আর জায়গা হয় না, এই বেদনা প্রকাশ পেয়েছে। প্রশ্নে ‘কাব্যগ্রন্থ’ বলা হলে তাই সোনারতরী ধরতে হবে।
মনে রাখুন:
‘চিত্রা’ (১৮৯৬), ‘মানসী’ (১৮৯০) ও ‘বলাকা’ (১৯১৬) তাঁর অন্য বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
‘সোনার তরী’ কাব্যগ্রন্থের আরও বিখ্যাত কবিতা: বিশ্বনৃত্য, দুই পাখি, যেতে নাহি দিব।
তিনি ১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’র জন্য নোবেল পুরস্কার পান। - ৪৯. বাংলা ভাষায় উপসর্গ কত প্রকারের পাওয়া যায়?
- ক. ২ প্রকার
- খ. ৩ প্রকার
- গ. ৪ প্রকার
- ঘ. ৫ প্রকার
উত্তর: খ. ৩ প্রকার
উপসর্গ হলো সেই অব্যয়সূচক শব্দাংশ, যা শব্দের আগে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে বা অর্থ বদলে দেয়। বাংলা ভাষায় উপসর্গ তিন প্রকার। যথা, খাঁটি বাংলা (২১টি), তৎসম বা সংস্কৃত (২০টি) এবং বিদেশি (আরবি, ফারসি, ইংরেজি ইত্যাদি)।
উদাহরণ:
খাঁটি বাংলা: অ, অনা, আ, কু, নি।
তৎসম: প্র, পরা, অপ, সম।
বিদেশি: হর, বে, গর, ইন।
মনে রাখুন:
উপসর্গ শব্দের আগে বসে, আর প্রত্যয় শব্দের পরে বসে।
উপসর্গের নিজস্ব অর্থ থাকে না, শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে অর্থ দেয়। - ৫১. প্রত্যেক ভাষারই মৌলিক অংশ কতটি?
- ক. ৩টি
- খ. ৪টি
- গ. ৫টি
- ঘ. ৬টি
উত্তর: খ. ৪টি
ভাষার চারটি মৌলিক অংশ বা উপাদান আছে: ধ্বনি, শব্দ, বাক্য ও অর্থ। প্রথমে ধ্বনি দিয়ে শব্দ গঠিত হয়, শব্দ মিলে বাক্য তৈরি হয় আর বাক্যের মাধ্যমে আমরা অর্থ প্রকাশ করি। এই চারটির কোনোটি বাদ গেলে ভাষা পূর্ণ হয় না।
মনে রাখুন:
ব্যাকরণে এই চারটি অংশ নিয়ে আলাদা আলাদা আলোচনা আছে, যেমন ধ্বনিতত্ত্ব, শব্দতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব ও অর্থতত্ত্ব।
ধ্বনির লিখিত রূপকে বর্ণ বলে।
ব্যাকরণের আরেক নাম ভাষাবিজ্ঞান নয়, ব্যাকরণ ভাষার নিয়মকানুন নিয়ে আলোচনা করে। - ৬১. আলাউদ্দিন আল আজাদের 'ক্ষুধা ও আশা' কোন জাতীয় গ্রন্থ?
- ক. নাটক
- খ. উপন্যাস
- গ. কাব্যগ্রন্থ
- ঘ. প্রবন্ধ
উত্তর: খ. উপন্যাস
‘ক্ষুধা ও আশা’ আলাউদ্দিন আল আজাদের একটি উপন্যাস। তাঁর ‘তেইশ নম্বর তৈলচিত্র’ ও ‘কর্ণফুলী’ও উপন্যাস হিসেবে বিখ্যাত। আজাদ ভাষা আন্দোলনের সময়ের একজন সাহিত্যিক, যিনি ‘স্মৃতিস্তম্ভ’ গল্পগ্রন্থের জন্যও পরিচিত। তিনি নাটক, কাব্যগ্রন্থ বা প্রবন্ধের চেয়ে কথাসাহিত্যের জন্য বেশি পরিচিত।
মনে রাখুন:
তাঁর কাব্যগ্রন্থ ‘মানচিত্র’।
‘কর্ণফুলী’ উপন্যাসে পার্বত্য চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তীরের মানুষের জীবন উঠে এসেছে।
আলাউদ্দিন আল আজাদ ভাষা আন্দোলন নিয়ে লেখা ‘স্মৃতিস্তম্ভ’ গল্পের জন্য আলোচিত। - ৬৫. 'কণিকা' শব্দে 'ণ' বসেছে কোন নিয়মে?
- ক. ক-এর পরে 'ণ' বসে
- খ. 'ক'-এর পূর্বে 'ণ' বসে
- গ. ক এবং ক এর মাঝে 'ণ' বসে
- ঘ. স্বভাবতই 'ণ' বসেছে
উত্তর: ঘ. স্বভাবতই 'ণ' বসেছে
বাংলা বানানে ণ-ত্ব বিধি অনুযায়ী ঋ, র, ষ-এর পরে সাধারণত দন্ত্য ন-এর বদলে মূর্ধন্য ণ বসে, যেমন ঋণ, বর্ণ, ভীষণ। কিন্তু ‘কণিকা’ শব্দে ঋ, র বা ষ কিছুই নেই। কিছু তৎসম শব্দে ণ সংস্কৃত থেকেই এসেছে, এগুলো স্বভাবতই ণ, অর্থাৎ কোনো নিয়মে নয়, শব্দের নিজের গঠনেই ণ থাকে। কণিকা তেমনি একটি শব্দ।
মনে রাখুন:
স্বভাবতই ণ হয় এমন শব্দের উদাহরণ: কণা, গণ, বাণিজ্য, লবণ, বীণা, বিপণি।
ট-বর্গের আগে ণ বসে, যেমন ঘণ্টা, কণ্টক।
ণ-ত্ব বিধির উদাহরণ: ঋণ, তৃণ, বর্ণ, ভীষণ। - ৭৪. কোনটি কণ্ঠধ্বনি নয়?
- ক. ক
- খ. খ
- গ. গ
- ঘ. প
উত্তর: ঘ. প
কণ্ঠ থেকে উচ্চারিত ধ্বনিকে কণ্ঠ্যধ্বনি বলে। ক-বর্গের ধ্বনিগুলো ক, খ, গ, ঘ, ঙ কণ্ঠ্য। প-বর্গের প, ফ, ব, ভ, ম ঠোঁট দিয়ে উচ্চারিত হয়, তাই এগুলো ওষ্ঠ্যধ্বনি। প্রশ্নের চারটি বিকল্পের মধ্যে ক, খ, গ কণ্ঠ্য, কিন্তু প কণ্ঠ্য নয়।
মনে রাখুন:
চ-বর্গ তালব্য, ট-বর্গ মূর্ধন্য এবং ত-বর্গ দন্ত্যধ্বনি।
উচ্চারণ স্থান অনুযায়ী ব্যঞ্জনবর্ণ পাঁচ ভাগে ভাগ হয়: কণ্ঠ্য, তালব্য, মূর্ধন্য, দন্ত্য ও ওষ্ঠ্য।
স্বরবর্ণের মধ্যে অ, আ কণ্ঠ্য, ই, ঈ তালব্য এবং উ, ঊ ওষ্ঠ্য। - ৭৫. চর্যাপদের গান সংখ্যা কতগুলো?
- ক. ৪১টি
- খ. ৫১টি
- গ. ৫৬টি
- ঘ. ৬২টি
উত্তর: খ. ৫১টি
চর্যাপদ বাংলা ভাষার সবচেয়ে প্রাচীন নিদর্শন। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এর পুঁথি উদ্ধার করেন। সাধারণ হিসাবে এতে ৫১টি পদ ছিল, যদিও কয়েকটি পদ অসম্পূর্ণ ছিল। পদগুলো বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের রচনা।
মনে রাখুন:
চর্যাপদের প্রথম পদকর্তা লুইপা।
সবচেয়ে বেশি পদ লিখেছেন কাহ্নপা।
চর্যাপদের সময়কাল ১০ম থেকে ১২শ শতক ধরা হয়।
পুঁথির মূল নাম ‘চর্যাচর্যবিনিশ্চয়’। - ৭৬. কোনটি তৎসম শব্দ?
- ক. ধর্ম
- খ. ডিঙ্গা
- গ. তওবা
- ঘ. দৌলত
উত্তর: ক. ধর্ম
সংস্কৃত থেকে যে শব্দ কোনো বদল ছাড়াই বাংলায় এসেছে, তাকে তৎসম শব্দ বলে। ‘ধর্ম’ সংস্কৃত শব্দ এবং বাংলাতেও একই রূপে ব্যবহার হয়। অন্য বিকল্পগুলো আলাদা: ডিঙ্গা দেশি শব্দ, আর তওবা ও দৌলত আরবি শব্দ।
উদাহরণ:
তৎসম: চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, মনুষ্য।
তদ্ভব: কর্ণ থেকে কান, হস্ত থেকে হাত।
মনে রাখুন:
তদ্ভব শব্দ সংস্কৃত থেকে বদলে বাংলায় এসেছে।
অর্ধতৎসম শব্দ কিছুটা বদলানো তৎসম শব্দ, যেমন কৃষ্ণ থেকে কেষ্ট। - ৮৩. 'বাউণ্ডেলের আত্মকাহিনী'-এর রচয়িতা—
- ক. কাজী নজরুল ইসলাম
- খ. আবুল ফজল
- গ. কাজী ইমদাদুল হক
- ঘ. কায়কোবাদ
উত্তর: ক. কাজী নজরুল ইসলাম
‘বাউণ্ডেলের আত্মকাহিনী’ নজরুলের প্রথম প্রকাশিত গদ্য রচনা, যা ১৯১৯ সালে ‘সওগাত’ পত্রিকায় ছাপা হয়। এটি পরে ‘রিক্তের বেদন’ গল্পগ্রন্থে ঠাঁই পায়। রচনাটির মধ্যে লেখকের নিজের জীবনের ছায়া আছে বলে মনে করা হয়।
মনে রাখুন:
নজরুলের আরও দুটি গল্পগ্রন্থ ‘ব্যথার দান’ ও ‘শিউলিমালা’।
তাঁর প্রথম প্রকাশিত কবিতা ‘মুক্তি’।
তাঁর উপন্যাস: বাঁধনহারা, মৃত্যুক্ষুধা, কুহেলিকা। - ৮৭. মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক নাটক কোনটি?
- ক. সুবচন নির্বাসনে
- খ. রক্তাক্ত প্রান্তর
- গ. নূরলদীনের সারাজীবন
- ঘ. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
উত্তর: ঘ. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যনাটক, যার পটভূমি মুক্তিযুদ্ধ। এতে একটি গ্রামে পাকিস্তানি সেনার আগমনের আতঙ্ক ও তার মধ্যে মানুষের টিকে থাকার লড়াই ফুটে উঠেছে। কাব্যনাটক মানে কবিতার ছন্দে লেখা নাটক।
মনে রাখুন:
তাঁর ‘নূরলদীনের সারাজীবন’ ১৭৮২-৮৩ সালের রংপুর কৃষক বিদ্রোহ নিয়ে লেখা, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নয়।
‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ মুনীর চৌধুরীর নাটক, যা পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের ওপর লেখা।
মুনীর চৌধুরীর ‘কবর’ ভাষা আন্দোলন নিয়ে লেখা নাটক। - ৮৯. কোন বানানটি শুদ্ধ?
- ক. মরিচিকা
- খ. মরীচিকা
- গ. মরিচীকা
- ঘ. মরীচীকা
উত্তর: খ. মরীচিকা
শব্দটির শুদ্ধ বানান মরীচিকা। এর অর্থ মরুভূমিতে দূরে জলের ভ্রম, যা আলোর প্রতিসরণের কারণে দেখা যায়। শব্দটি সংস্কৃত মরীচি থেকে এসেছে, যার অর্থ কিরণ। এতে প্রথম চ-এর আগে দীর্ঘ ঈ-কার (রী) এবং পরে হ্রস্ব ই-কার (চি) বসে।
মনে রাখুন:
‘মরীচিকা’ কথাটি রূপকভাবেও চলে, যেমন মিথ্যা আশার মরীচিকা।
‘মরীচি’ শব্দের অর্থ কিরণ বা আলোর রশ্মি।
অন্যান্য কঠিন বানান: নীহারিকা, বিভীষিকা। - ৯১. বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি কে?
- ক. জাহানারা ইমাম
- খ. চন্দ্রাবতী
- গ. বেগম সুফিয়া কামাল
- ঘ. কামিনী রায়
উত্তর: খ. চন্দ্রাবতী
বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি চন্দ্রাবতী, যিনি ষোড়শ শতকের মধ্যভাগে ময়মনসিংহ অঞ্চলে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মনসামঙ্গলের কবি দ্বিজ বংশীদাস। চন্দ্রাবতী রামায়ণ রচনা করেন, যা মেয়েদের লেখা বাংলা রামায়ণ হিসেবে পরিচিত।
মনে রাখুন:
‘মলুয়া’ ও ‘দস্যু কেনারামের পালা’ তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনা।
কামিনী রায় ছিলেন আধুনিক যুগের কবি, ব্রিটিশ ভারতের প্রথম নারী অনার্স স্নাতক।
বেগম সুফিয়া কামালের কাব্যগ্রন্থ ‘সাঁঝের মায়া’।
জাহানারা ইমাম ‘একাত্তরের দিনগুলি’ গ্রন্থের লেখক।
ইংরেজি
- ৭. Which word is the determiner in the sentence, 'Will it take much time?'
- ক. will
- খ. take
- গ. much
- ঘ. time
উত্তর: গ. much
Determiner (নির্ধারক) এমন শব্দ, যা noun-এর আগে বসে সেই noun-এর পরিমাণ, সংখ্যা বা অধিকার বোঝায়। ‘Will it take much time?’ বাক্যে time হলো uncountable noun, অর্থাৎ যাকে গুনে গুনে বলা যায় না। এর আগে much বসে সময়ের পরিমাণ জানাচ্ছে, তাই much হলো determiner। বাকি শব্দগুলোর কাজ আলাদা: Will হলো auxiliary verb, take মূল verb এবং time হলো noun।
মনে রাখুন:
Uncountable noun-এর আগে much, little ও a little বসে, যেমন much water, little hope।
Countable noun-এর আগে many, few ও a few বসে, যেমন many books, few friends।
Article (a, an, the), possessive (my, his, their) এবং this, that, some, any-ও determiner-এর অন্তর্গত। - ৮. 'Pride and Prejudice' is a—
- ক. drama
- খ. poem
- গ. cinema
- ঘ. novel
উত্তর: ঘ. novel
‘Pride and Prejudice’ ইংরেজ লেখিকা Jane Austen-এর বিখ্যাত উপন্যাস (Novel), যা ১৮১৩ সালে প্রকাশিত হয়। এতে এলিজাবেথ বেনেট ও মি. ডার্সির প্রেম এবং সমাজের অহংকার (Pride) ও পূর্বধারণার (Prejudice) কাহিনি আছে। এটি নাটক, কবিতা বা চলচ্চিত্র হিসেবে লেখা হয়নি, মূলত গদ্যে লেখা উপন্যাস। পরে এর ওপর ভিত্তি করে অনেক চলচ্চিত্র ও টিভি সিরিজ তৈরি হয়েছে, কিন্তু মূল রচনাটি উপন্যাসই।
মনে রাখুন:
Jane Austen-এর আরও উপন্যাস: Emma, Sense and Sensibility, Persuasion, Northanger Abbey ও Mansfield Park।
Austen ১৯ শতকের শুরুর ইংল্যান্ডের মধ্যবিত্ত ও জমিদার পরিবারের জীবন নিয়ে লিখতেন। - ১৮. 'Jumping up he ran away.' This sentence is—
- ক. simple
- খ. compound
- গ. complex
- ঘ. gerund
উত্তর: ক. simple
যে বাক্যে একটি মাত্র subject ও একটি মাত্র finite verb থাকে, সেটি simple sentence। ‘Jumping up he ran away.’ বাক্যে ‘Jumping up’ একটি participle phrase, যা অসমাপিকা ক্রিয়ার মতো কাজ করে, এটি finite verb নয়। বাক্যের একমাত্র finite verb হলো ran away এবং তার subject he, তাই বাক্যটি simple। একে ভেঙে দুটি clause করা হয়নি বলে এটি compound বা complex নয়, আর gerund কোনো বাক্যের ধরন নয়।
মনে রাখুন:
Compound sentence-এ দুটি independent clause থাকে এবং সেগুলো and, but, or ইত্যাদি দিয়ে যুক্ত হয়।
Complex sentence-এ একটি principal clause ও এক বা একাধিক subordinate clause থাকে।
উদাহরণ: He jumped up and ran away. (compound) - ২০. They organized a volunteer corps. Here 'corps' is a—
- ক. Noun
- খ. Adjective
- গ. Adverb
- ঘ. Pronoun
উত্তর: ক. Noun
Corps শব্দের অর্থ সৈন্যদলের একটি ভাগ বা সংগঠিত দল। ‘They organized a volunteer corps.’ বাক্যে ‘volunteer corps’ বলতে স্বেচ্ছাসেবক দল বোঝায়। এখানে corps একটি noun, কারণ এটি একটি দল বা সংগঠনের নাম হিসেবে বসেছে এবং organized ক্রিয়ার object। এর আগে volunteer শব্দটি adjective-এর মতো কাজ করে corps-কে বিশেষিত করছে। উচ্চারণ ‘কোর’, শেষের ps উচ্চারিত হয় না।
মনে রাখুন:
Corps-এর বহুবচনেও বানান একই থাকে (corps), শুধু উচ্চারণ বদলায় (‘কোরজ’)।
এ ধরনের আরও শব্দ: Peace Corps, Marine Corps, Press Corps।
Corpse মানে মৃতদেহ, দুটি শব্দ গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়। - ২১. Longing for something past is—
- ক. Heuristic
- খ. Nostalgia
- গ. Outdated
- ঘ. Radical
উত্তর: খ. Nostalgia
Nostalgia মানে অতীতের কোনো সময় বা স্মৃতির জন্য মনের টান বা আকুলতা, যেমন ছোটবেলার গ্রামের জন্য মন কেমন করা। প্রশ্নের অর্থ ‘অতীতের জন্য আকাঙ্ক্ষা’ ঠিক এটিই। বাকি শব্দগুলোর অর্থ আলাদা: Heuristic মানে অভিজ্ঞতালব্ধ সমাধান পদ্ধতি, Outdated মানে সেকেলে এবং Radical মানে মৌলিক বা চরমপন্থী।
মনে রাখুন:
Nostalgic (adjective) মানে অতীতপ্রেমী বা স্মৃতিকাতর।
Nostalgia শব্দটি গ্রিক nostos (বাড়ি ফেরা) ও algos (ব্যথা) থেকে এসেছে।
Homesickness মানে বাড়ির জন্য মন কেমন করা, যা nostalgia-র কাছাকাছি। - ২৪. The word 'Tributary' means—
- ক. Rivulet
- খ. Lake
- গ. Pond
- ঘ. Estuary
উত্তর: ক. Rivulet
Tributary হলো এমন ছোট নদী বা স্রোত, যা বড় নদীতে এসে মেশে, বাংলায় উপনদী। এর কাছাকাছি অর্থের শব্দ Rivulet, অর্থাৎ ছোট স্রোতধারা বা ঝরনা। বাকি শব্দগুলোর অর্থ আলাদা: Lake মানে হ্রদ, Pond মানে পুকুর এবং Estuary মানে নদীর মোহনা, যেখানে নদী সাগরে মেশে।
মনে রাখুন:
যে নদী বড় নদী থেকে বেরিয়ে যায়, তাকে বলে শাখানদী (Distributary)।
Tributary বড় নদীর দিকে আসে, আর Distributary বড় নদী থেকে দূরে যায়।
Brook ও Stream শব্দ দুটিও ছোট জলধারা বোঝায়। - ২৬. Choose the correct spelling :
- ক. Itenerary
- খ. Etinerary
- গ. Itinarary
- ঘ. Itinerary
উত্তর: ঘ. Itinerary
সঠিক বানান Itinerary, মানে ভ্রমণসূচি বা ভ্রমণের পথের তালিকা। শব্দটির উৎস ল্যাটিন itiner, মানে যাত্রা। বানানটি Itin-er-ary এই তিন অংশে ভেঙে মনে রাখা সহজ। অন্য তিনটি বিকল্পে i ও a-এর বসানো ভুল, তাই সেগুলো ঠিক বানান নয়।
মনে রাখুন:
Itinerant মানে যে ঘুরে ঘুরে বেড়ায়।
Itinerary-র বহুবচন itineraries।
এ ধরনের আরও শব্দের বানান: Necessary, Stationery, Rhythm। - ৩৩. 'Let me do the sum.' Passive voice of it is—
- ক. Let the sum is to be done by me.
- খ. Let the sum done by me.
- গ. Let the sum being done by me.
- ঘ. Let the sum be done by me.
উত্তর: ঘ. Let the sum be done by me.
Let দিয়ে শুরু হওয়া imperative বাক্যকে passive করার সময় একটি নির্দিষ্ট গঠন মেনে চলতে হয়: Let + object + be + past participle + by + agent। ‘Let me do the sum’ বাক্যে do ক্রিয়ার object হলো the sum, তাই passive-এ the sum আগে বসে এবং ক্রিয়া হয় be done। তাহলে বাক্যটি দাঁড়ায় ‘Let the sum be done by me.’ অন্য বিকল্পগুলো ঠিক নয়, কারণ সেগুলোতে is, being বা to be বসে বাক্যের গঠন নষ্ট করেছে। Let-এর পরে সবসময় ক্রিয়ার মূল রূপ (be) বসে।
মনে রাখুন:
Active ‘Let him do it’ হলে passive হবে ‘Let it be done by him’।
Active ‘Let us finish the work’ হলে passive হবে ‘Let the work be finished by us’।
Negative হলে Let-এর পরে not যোগ হয়, যেমন ‘Let the door not be opened by him’। - ৪৭. Choose the correct sentence—
- ক. I care not a straw for him.
- খ. I do not care a straw for him.
- গ. I not care a straw for him
- ঘ. I care a straw for him
উত্তর: খ. I do not care a straw for him.
Negative বাক্য বানাতে সাধারণত auxiliary হিসেবে do/does বসিয়ে not যোগ করা হয়: Subject + do not + verb। তাই আধুনিক ইংরেজিতে সঠিক রূপ ‘I do not care a straw for him.’ ‘I care not’ পুরোনো সাহিত্যিক ভঙ্গি, তাই এটি পরীক্ষায় সঠিক ধরা হয় না। বাকি দুই বাক্য ব্যাকরণসম্মতই নয়, কারণ একটিতে negative বোঝানোর auxiliary নেই, অন্যটি অর্থেও উল্টো।
মনে রাখুন:
‘care a straw’ মানে সামান্যতম পরোয়া করা।
Negative বাক্যের গঠন: Subject + do/does/did + not + verb-এর মূল রূপ।
উদাহরণ: She does not like tea. They did not come. - ৪৮. The party was— when we arrived.
- ক. do the full
- খ. in full swing
- গ. in full
- ঘ. fully going
উত্তর: খ. in full swing
‘In full swing’ একটি idiom, যার অর্থ পুরোদমে চলছে। তাই ‘The party was in full swing when we arrived’ মানে আমরা পৌঁছানোর সময় অনুষ্ঠান জমজমাট অবস্থায় ছিল। বাকি বিকল্পগুলোর কোনো সঠিক idiomatic রূপ নেই।
মনে রাখুন:
‘In full’ মানে সম্পূর্ণভাবে, যেমন ‘pay in full’।
‘In full swing’ কোনো কাজ বা অনুষ্ঠান যখন সবচেয়ে জমে ওঠে, তখনকার অবস্থা বোঝায়।
উদাহরণ: The work was in full swing. The campaign is in full swing. - ৫৩. She sings well enough. Here 'enough' is—
- ক. a verb
- খ. an adjective
- গ. an adverb
- ঘ. noun
উত্তর: গ. an adverb
Adverb এমন শব্দ, যা verb, adjective বা অন্য adverb সম্পর্কে বাড়তি তথ্য দেয়। ‘She sings well enough’ বাক্যে enough শব্দটি well-কে মাত্রা দিয়ে বোঝাচ্ছে সে কতটা ভালো গায়, তাই এটি adverb। Adjective হলে এটি noun-এর আগে বা পরে থাকত, যেমন ‘enough food’। এখানে enough কোনো noun-কে বিশেষিত করছে না, আর এটি verb বা noun-ও নয়।
মনে রাখুন:
Adverb হিসেবে enough সবসময় adjective বা adverb-এর পরে বসে, যেমন ‘old enough’, ‘fast enough’।
Adjective হিসেবে enough noun-এর আগে বসে, যেমন ‘enough money’।
উদাহরণ: He is tall enough to reach the shelf. - ৫৭. A sonnet is a poem having— lines.
- ক. 12
- খ. 14
- গ. 15
- ঘ. 16
উত্তর: খ. 14
Sonnet হলো ১৪ লাইনের একটি কবিতা, যা সাধারণত একটি নির্দিষ্ট ছন্দ ও মিলের কাঠামো মেনে লেখা হয়। শব্দটি ইতালীয় sonetto থেকে এসেছে, যার অর্থ ছোট গান। মধ্যযুগের ইতালিতে এই কবিতার প্রচলন হয়, পরে ইংল্যান্ডে এটি জনপ্রিয় হয়।
মনে রাখুন:
Petrarchan sonnet-এ ৮ লাইনের পর ৬ লাইন থাকে।
Shakespearean sonnet-এ ৪+৪+৪ লাইনের পর শেষে ২ লাইন থাকে।
বাংলায় এর নাম চতুর্দশপদী, প্রবর্তন করেন মধুসূদন দত্ত।
মধুসূদনের চতুর্দশপদী কবিতার সংকলন ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’ (১৮৬৬)। - ৫৯. The verb form of 'Politics' is—
- ক. Political
- খ. Politically
- গ. Politicise
- ঘ. Policy
উত্তর: গ. Politicise
Politics হলো noun, মানে রাজনীতি। এর verb রূপ politicise (আমেরিকান বানানে politicize), অর্থাৎ কিছুকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়া। বাকি বিকল্পগুলো ভিন্ন শব্দশ্রেণির: Political হলো adjective, Politically হলো adverb, আর Policy হলো noun যার অর্থ নীতি।
মনে রাখুন:
-ise বা -ize যোগ করে অনেক শব্দ থেকে verb তৈরি হয়, যেমন modern থেকে modernise এবং legal থেকে legalise।
Politician মানে রাজনীতিবিদ, এটি Politics-এর person noun।
উদাহরণ: Do not politicise the issue. - ৬০. Choose the correct tag question : I ought to complain, —?
- ক. don't I
- খ. shouldn't I
- গ. won't I
- ঘ. oughtn't I
উত্তর: ঘ. oughtn't I
Tag question বানানোর নিয়ম হলো main clause যদি positive হয়, তবে tag negative হবে এবং একই auxiliary ব্যবহার করতে হবে। ‘I ought to complain’ বাক্যে auxiliary হলো ought to, তাই tag হবে oughtn't I। Shouldn't I অর্থে কাছাকাছি হলেও বাক্যের auxiliary ought, should নয়, তাই সেটি ঠিক নয়।
মনে রাখুন:
Main clause negative হলে tag positive হয়, যেমন ‘He can't swim, can he?’
‘I am’ বাক্যের tag হয় aren't I, যেমন ‘I am late, aren't I?’
Let's দিয়ে শুরু হলে tag হয় shall we, যেমন ‘Let's go, shall we?’ - ৬২. A basket of rotten oranges — thrown away.
- ক. were
- খ. was
- গ. have been
- ঘ. have
উত্তর: খ. was
এখানে মূল subject হলো a basket, ‘of rotten oranges’ শুধু basket কেমন তা বোঝাচ্ছে। Basket একবচন, তাই verb-ও একবচন হবে। রাখা কমলাগুলো ফেলে দেওয়া হয়েছে, তাই passive voice-এ was thrown away বসে। Were বসালে ভুল হতো, কারণ তখন oranges-কে subject ধরা হতো, কিন্তু oranges এখানে of-এর পরের object।
মনে রাখুন:
‘A basket of’, ‘a pair of’ বা ‘a bunch of’-এর পর নানা noun থাকলেও verb প্রথম singular noun অনুসারে হয়।
উদাহরণ: A pair of shoes is on the table. A bunch of flowers was sent to her.
ব্যতিক্রম: ‘A number of’ এর পর plural verb বসে, যেমন ‘A number of students are absent.’ - ৬৭. A new moon hung— the mountains.
- ক. by
- খ. around
- গ. over
- ঘ. beside
উত্তর: গ. over
চাঁদ পাহাড়ের ওপরের আকাশে ঝুলে আছে বোঝাতে hung over the mountains বলা স্বাভাবিক। Over মানে ওপরে। ‘Hang around’ মানে ঘোরাঘুরি করা বা অপেক্ষা করা, চাঁদের ক্ষেত্রে এটি খাপ খায় না। By ও beside মানে পাশে, তা-ও এখানে অর্থ ঠিকভাবে দেয় না।
উদাহরণ:
A lamp hung over the table.
মনে রাখুন:
Above মানে কোনো কিছুর ওপরে, কিন্তু স্পর্শ ছাড়াই; over-ও অনেক সময় একই অর্থে চলে।
Over মানে কোনো কিছু ঢেকে রাখা বা ঠিক ওপর দিয়ে যাওয়াও হতে পারে। - ৭৭. The phrase 'Make out' means—
- ক. to prove
- খ. to escape
- গ. to destroy
- ঘ. to repair
উত্তর: ক. to prove
‘Make out’ phrasal verb-এর একটি অর্থ প্রমাণ করা বা কিছু দাবি করা, যেমন ‘He made out a strong case’। এছাড়া এর অর্থ বোঝা বা শনাক্ত করাও। বাকি বিকল্পগুলোর অর্থ আলাদা: escape মানে পালানো, destroy মানে ধ্বংস করা, repair মানে মেরামত করা।
উদাহরণ:
I can't make out his handwriting.
মনে রাখুন:
Make out a cheque মানে চেক লিখে দেওয়া।
Make up মানে বানানো বা মিটমাট করা।
Make off মানে তাড়াতাড়ি পালিয়ে যাওয়া। - ৭৮. Antibiotics— the growth of bacteria.
- ক. inhabit
- খ. jolt
- গ. inhibit
- ঘ. gruesome
উত্তর: গ. inhibit
Antibiotic ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি আটকে দেয়, আর ‘inhibit’ শব্দের অর্থ বাধা দেওয়া বা বৃদ্ধি থামানো। তাই বাক্যটি দাঁড়ায় ‘Antibiotics inhibit the growth of bacteria.’ বাকি শব্দগুলোর অর্থ: inhabit মানে বাস করা, jolt মানে ঝাঁকুনি দেওয়া এবং gruesome মানে ভয়াবহ।
মনে রাখুন:
Inhibit ও inhabit দেখতে প্রায় এক রকম, কিন্তু অর্থ সম্পূর্ণ আলাদা।
Inhibit-এর noun রূপ inhibition, আর inhabit-এর noun রূপ inhabitant।
Antibiotic ভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ করে না, কাজ করে ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে। - ৮৪. Blood is always thicker than—
- ক. water
- খ. honey
- গ. milk
- ঘ. juice
উত্তর: ক. water
‘Blood is thicker than water’ একটি বিখ্যাত প্রবাদ, যার অর্থ আত্মীয়তার বন্ধন অন্য সব সম্পর্কের চেয়ে দৃঢ়। রক্তের সম্পর্ক মানে পরিবারের সম্পর্ক, আর পানি মানে বাইরের মানুষ বা বন্ধুত্ব। তাই খালি জায়গায় water বসে।
মনে রাখুন:
ইংরেজি প্রবাদ মুখস্থ রাখলে এ ধরনের প্রশ্নে ভুল হয় না।
আরও প্রবাদ: A friend in need is a friend indeed, Honesty is the best policy।
প্রবাদের শব্দ বদলানো যায় না, যেমন honey বা milk বসালে অর্থ নষ্ট হয়। - ৮৬. 'Sons and Lovers' is a novel by—
- ক. D. H. Lawrence
- খ. E. M. Forster
- গ. Conrad
- ঘ. V. Woolf
উত্তর: ক. D. H. Lawrence
‘Sons and Lovers’ ইংরেজ ঔপন্যাসিক D. H. Lawrence-এর লেখা উপন্যাস, ১৯১৩ সালে প্রকাশিত। এতে মা ও ছেলের সম্পর্কের জটিলতা ফুটে উঠেছে। বাকি লেখকরাও বিখ্যাত, তবে তাঁদের রচনা আলাদা: E. M. Forster লিখেছেন ‘A Passage to India’, Conrad লিখেছেন ‘Heart of Darkness’ এবং Virginia Woolf লিখেছেন ‘Mrs Dalloway’।
মনে রাখুন:
Lawrence-এর আরও উপন্যাস Women in Love এবং Lady Chatterley's Lover।
D. H. Lawrence-এর পূর্ণ নাম David Herbert Lawrence। - ৮৮. Choose the meaning of 'bring to pass'—
- ক. Cause to happen
- খ. Cause to pass
- গ. Cause to destroy
- ঘ. Cause to carry out.
উত্তর: ক. Cause to happen
‘Bring to pass’ একটি idiom। এর অর্থ কোনো কিছু ঘটানো বা সফল করা। এ কারণে ‘cause to happen’ সঠিক উত্তর। Pass শব্দটির এখানে সাধারণ অর্থ (পার হওয়া) ধরা যাবে না, পুরো অংশটিই একসঙ্গে অর্থ দেয়। অন্য বিকল্পগুলোর কোনোটিই এই idiom-এর অর্থ প্রকাশ করে না।
উদাহরণ:
His efforts brought the plan to pass.
মনে রাখুন:
‘Come to pass’ মানে ঘটে যাওয়া, যেমন ‘It came to pass that…’
এ দুটি idiom প্রায় একই ধরনের, তবে bring সক্রিয়ভাবে ঘটানো বোঝায়। - ৯০. The climate is congenial— health.
- ক. for
- খ. at
- গ. to
- ঘ. in
উত্তর: গ. to
Congenial কোনো কিছুর সঙ্গে ব্যবহৃত হলে সাধারণত preposition to নেয়। ‘Congenial to’ মানে অনুকূল বা উপযোগী। তাই বাক্যটি হয় ‘The climate is congenial to health.’ For, at বা in বসালে এই শব্দের নির্দিষ্ট গঠন নষ্ট হয়।
মনে রাখুন:
Congenial মানে বন্ধুসুলভ বা মনের মতো, যেমন congenial company।
এ ধরনের আরও adjective + to: Similar to, Equal to, Superior to।
উদাহরণ: A quiet place is congenial to study. - ৯২. What is the past participle form of 'Split'?
- ক. spoilt
- খ. spoiled
- গ. split
- ঘ. splitted
উত্তর: গ. split
Split একটি irregular verb, যার তিন রূপই এক: split – split – split। তাই past participle-ও split। Spoilt ও spoiled হলো spoil verb-এর রূপ, আর splitted কোনো স্বীকৃত রূপ নয়। অনেকে ভুল করে regular verb-এর মতো -ed যোগ করে, কিন্তু split-এর ক্ষেত্রে তা হয় না।
মনে রাখুন:
Cut, put, hit, set, shut এই verb-গুলোরও তিন রূপ একই।
উদাহরণ: The wood has split. They split the bill.
Spoilt ও spoiled দুটোই spoil-এর বৈধ past participle।
বিজ্ঞান
- ১৩. পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ—
- ক. সূর্য
- খ. বুধ
- গ. চন্দ্র
- ঘ. শুক্র
উত্তর: গ. চন্দ্র
চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে ঘোরে, তাই একে পৃথিবীর উপগ্রহ (Satellite) বলা হয়। যে বস্তু কোনো গ্রহকে প্রদক্ষিণ করে, সেটিই তার উপগ্রহ। পৃথিবীর প্রাকৃতিক উপগ্রহ একটিই, তার নাম চন্দ্র। সূর্য একটি নক্ষত্র, আর বুধ ও শুক্র গ্রহ। এদের কেউই পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে না, বরং পৃথিবীর মতোই সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে।
মনে রাখুন:
বুধ সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ, আর শুক্র পৃথিবীর সবচেয়ে কাছের গ্রহ।
বুধ ও শুক্র গ্রহের কোনো উপগ্রহ নেই।
মঙ্গলের উপগ্রহ ২টি, ফোবোস ও ডিমোস।
মানুষ তৈরি কৃত্রিম উপগ্রহও আছে, যেমন বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১। - ৫৬. বয়লার অথবা কেটলির তলায় কীসের স্তর পড়ে?
- ক. সোডিয়াম সালফেট
- খ. সোডিয়াম কার্বনেট
- গ. ক্যালসিয়াম কার্বনেট
- ঘ. ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
উত্তর: গ. ক্যালসিয়াম কার্বনেট
খর পানিতে ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের বাইকার্বনেট লবণ দ্রবীভূত থাকে। কেটলি বা বয়লারে এই পানি ফোটালে ক্যালসিয়াম বাইকার্বনেট ভেঙে অদ্রবণীয় ক্যালসিয়াম কার্বনেট তৈরি করে, যা তলায় সাদা স্তর হয়ে জমে। এই জমাটকে বয়লারের স্কেল বলা হয়। সোডিয়াম লবণ পানিতে দ্রবীভূত থাকে, তাই সেগুলো তলায় স্তর তৈরি করে না।
মনে রাখুন:
এ ধরনের কাঠিন্যকে অস্থায়ী খরতা বলে, কারণ ফোটালে এই কাঠিন্য দূর হয়ে যায়।
স্থায়ী খরতা হয় ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের ক্লোরাইড ও সালফেট লবণ থেকে, যা ফোটালে দূর হয় না।
বয়লারে স্কেল জমলে তাপ পরিবহন কমে যায় এবং জ্বালানির খরচ বাড়ে। - ৫৮. নিচের কোনটি পানি দূষণের প্রাকৃতিক কারণ?
- ক. কারখানার বর্জ্য
- খ. কীটনাশক ব্যবহার
- গ. ভূগর্ভস্থ আর্সেনিক
- ঘ. ময়লা ও আবর্জনা
উত্তর: গ. ভূগর্ভস্থ আর্সেনিক
পানি দূষণের কারণ প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট দুই রকম। কারখানার বর্জ্য, কীটনাশক ও ময়লা-আবর্জনা মানুষের কাজ থেকে আসে, তাই এগুলো মানবসৃষ্ট। অন্যদিকে ভূগর্ভের পাথরের স্তর থেকে আর্সেনিক ভূগর্ভস্থ পানিতে মিশে যায়, এটি প্রকৃতিতেই ঘটে, তাই এটি প্রাকৃতিক কারণ। বাংলাদেশের অনেক অঞ্চলের নলকূপের পানিতে এভাবে আর্সেনিক পাওয়া যায়।
মনে রাখুন:
আর্সেনিকযুক্ত পানি দীর্ঘদিন পান করলে চামড়ায় দাগ ও ক্যান্সার হতে পারে।
পানিতে আর্সেনিকের মাত্রা নিরাপদ সীমার বেশি হলে সেই পানি পান করা ঠিক নয়।
কীটনাশক জমির পানিতে মিশে নদী ও পুকুরের পানি দূষিত করে। - ৬৪. তাপের এস. আই. একক কী?
- ক. ক্যালরি
- খ. কিলোক্যালরি
- গ. জুল
- ঘ. ওয়াট
উত্তর: গ. জুল
তাপ এক ধরনের শক্তি, তাই এর এস.আই. (SI) একক শক্তির এককের সমান, অর্থাৎ জুল (Joule)। ক্যালরি ও কিলোক্যালরিও তাপের একক, তবে সেগুলো এস.আই. পদ্ধতির একক নয়। ওয়াট হলো ক্ষমতার একক, যেখানে এক সেকেন্ডে কত শক্তি খরচ হয় তা মাপা হয়।
মনে রাখুন:
১ ক্যালরি ≈ 4.2 জুল।
১ ওয়াট = ১ জুল প্রতি সেকেন্ড।
তাপমাত্রার এস.আই. একক কেলভিন (K)। - ৬৯. DNA কী?
- ক. ক্রোমোজোম
- খ. জাইগোট
- গ. নিউক্লিওপ্লাজম
- ঘ. নিউক্লিক এসিড
উত্তর: ঘ. নিউক্লিক এসিড
DNA-এর পূর্ণরূপ ডিঅক্সিরাইবো নিউক্লিক এসিড (Deoxyribonucleic Acid)। এটি এক ধরনের নিউক্লিক এসিড, যা জীবের বংশগতির তথ্য বহন করে। DNA কোষের নিউক্লিয়াসে ক্রোমোজোমের মধ্যে থাকে, তাই এটি নিজে ক্রোমোজোম বা জাইগোট নয়। নিউক্লিওপ্লাজমও নিউক্লিয়াসের ভেতরের তরল পদার্থ, DNA নয়।
মনে রাখুন:
নিউক্লিক এসিড দুই প্রকার, DNA ও RNA।
DNA-এর দ্বিসূত্রক পেঁচানো গঠনের মডেল ১৯৫৩ সালে ওয়াটসন ও ক্রিক দেন।
জাইগোট হলো নিষিক্ত ডিম্বাণু, যা শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর মিলনে তৈরি হয়। - ৭০. কোনটি মৌলিক পদার্থ?
- ক. চিনি
- খ. নিয়ন
- গ. পানি
- ঘ. লবণ
উত্তর: খ. নিয়ন
যে পদার্থ শুধু এক ধরনের পরমাণু দিয়ে তৈরি, সেটি মৌলিক পদার্থ (Element)। নিয়ন (Ne) এক ধরনের নিষ্ক্রিয় গ্যাস, যা একটি মৌলিক পদার্থ। চিনি, পানি ও লবণ একাধিক মৌল মিলে তৈরি, তাই এগুলো যৌগিক পদার্থ। পানি হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন নিয়ে গঠিত, আর লবণ সোডিয়াম ও ক্লোরিন নিয়ে।
মনে রাখুন:
নিয়ন বিজ্ঞাপনের আলো বা নিয়ন বাতিতে ব্যবহার হয়।
নিষ্ক্রিয় গ্যাস: হিলিয়াম, নিয়ন, আর্গন, ক্রিপ্টন, জেনন ও রেডন।
চিনির সংকেত C12H22O11 এবং লবণের সংকেত NaCl। - ৭২. ভাইরাসজনিত রোগ নয় কোনটি?
- ক. জন্ডিস
- খ. চোখ ওঠা
- গ. এইডস
- ঘ. নিউমোনিয়া
উত্তর: ঘ. নিউমোনিয়া
জন্ডিস (হেপাটাইটিস), চোখ ওঠা ও এইডস ভাইরাস থেকে হয়। অন্যদিকে নিউমোনিয়া মূলত ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে ফুসফুসে হয়, তাই এটিকে ভাইরাসজনিত রোগ ধরা হয় না। এইডস সৃষ্টি করে HIV ভাইরাস, যা দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।
মনে রাখুন:
ভাইরাসজনিত রোগ: হাম, পোলিও, ইনফ্লুয়েঞ্জা, জলবসন্ত।
ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ: যক্ষ্মা, কলেরা, টাইফয়েড।
ম্যালেরিয়া ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া নয়, প্রোটোজোয়া দিয়ে হয়। - ৯৫. নিউমোনিয়া রোগে দেহের কোন অংশ আক্রান্ত হয়?
- ক. ফুসফুস
- খ. গলা
- গ. লিভার
- ঘ. নাক
উত্তর: ক. ফুসফুস
নিউমোনিয়া ফুসফুসের সংক্রমণজনিত রোগ, যাতে ফুসফুসের বায়ুথলিতে প্রদাহ হয়। ফলে জ্বর, কাশি, বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। এটি সাধারণত ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়। গলা, লিভার বা নাক এই রোগের প্রধান আক্রান্ত অঙ্গ নয়।
মনে রাখুন:
শিশু ও বয়স্কদের নিউমোনিয়া বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।
যক্ষ্মাও ফুসফুসের রোগ, যার কারণ ব্যাকটেরিয়া।
হেপাটাইটিস লিভারের রোগ।
আন্তর্জাতিক
- ২২. UNESCO-এর সদর দপ্তর কোথায়?
- ক. নিউইয়র্ক
- খ. প্যারিস
- গ. মস্কো
- ঘ. লন্ডন
উত্তর: খ. প্যারিস
ইউনেস্কো (UNESCO) হলো জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা (United Nations Educational, Scientific and Cultural Organization)। ১৯৪৫ সালে এর প্রতিষ্ঠা হয় এবং সদর দপ্তর ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে। ২০১৮ সালে মহাপরিচালক ছিলেন অড্রে আজুলে। নিউইয়র্কে আছে জাতিসংঘের মূল সদর দপ্তর, আর বাকি দুটি বিকল্প সংস্থাটির সদর দপ্তর নয়।
মনে রাখুন:
বিশ্বঐতিহ্যের তালিকা তৈরি করে ইউনেস্কোই।
বাংলাদেশের সুন্দরবন, পাহাড়পুর বিহার ও ষাটগম্বুজ মসজিদ এই তালিকায় আছে।
বাংলাদেশ থেকে অমর একুশে ফেব্রুয়ারি ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কোর স্বীকৃতিতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হয়, যা ২০০০ সাল থেকে পালিত হচ্ছে। - ৫২. বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী কে?
- ক. মার্গারেট থেচার
- খ. ইন্দিরা গান্ধী
- গ. শ্রীমাভো বন্দরনায়েক
- ঘ. গোল্ডামায়ার
উত্তর: গ. শ্রীমাভো বন্দরনায়েক
বিশ্বের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী শ্রীলঙ্কার শ্রীমাভো বন্দরনায়েক। ১৯৬০ সালে স্বামী সলোমন বন্দরনায়েকের মৃত্যুর পর তিনি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। এরপর ভারতের ইন্দিরা গান্ধী, ইসরায়েলের গোল্ডা মায়ার ও যুক্তরাজ্যের মার্গারেট থ্যাচার প্রধানমন্ত্রী হন, কিন্তু তাঁরা কেউ প্রথম নন।
মনে রাখুন:
ভারতের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী (১৯৬৬)।
যুক্তরাজ্যের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার (১৯৭৯)।
ইসরায়েলের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী গোল্ডা মায়ার (১৯৬৯)।
বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া (১৯৯১)। - ৬৩. জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সংখ্যা কত?
- ক. ১০
- খ. ১৫
- গ. ১৯
- ঘ. ২১
উত্তর: খ. ১৫
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য ১৫টি দেশ। এর মধ্যে ৫টি স্থায়ী সদস্য এবং ১০টি অস্থায়ী সদস্য, যাদের মেয়াদ ২ বছর। অস্থায়ী সদস্যদের সাধারণ পরিষদ নির্বাচন করে। ১০ বা ১৯ বা ২১ নয়, সব মিলিয়ে ১৫টিই নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যসংখ্যা।
মনে রাখুন:
স্থায়ী সদস্য যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন, এবং এদের প্রত্যেকের ভেটো ক্ষমতা আছে।
বাংলাদেশ ২০০০-২০০১ সালে নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য ছিল।
জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৫ সালে। - ৮১. ফিদেল ক্যাস্ত্রো কোন দেশের অধিবাসী ছিলেন?
- ক. মেক্সিকো
- খ. কিউবা
- গ. যুক্তরাষ্ট্র
- ঘ. রাশিয়া
উত্তর: খ. কিউবা
ফিদেল কাস্ত্রো ছিলেন কিউবার বিপ্লবী নেতা। ১৯৫৯ সালে তিনি যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত বাতিস্তা সরকারকে সরিয়ে ক্ষমতায় আসেন এবং কিউবাকে সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলেন। ২০১৬ সালে তাঁর মৃত্যু হয়। মেক্সিকো, যুক্তরাষ্ট্র বা রাশিয়া তাঁর দেশ নয়।
মনে রাখুন:
কিউবার রাজধানী হাভানা, যা যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা উপকূলের কাছেই।
কিউবা মধ্য আমেরিকা-ক্যারিবীয় অঞ্চলের একটি দ্বীপরাষ্ট্র।
কাস্ত্রোর সহযোদ্ধা ছিলেন চে গুয়েভারা, যিনি আর্জেন্টিনায় জন্মেছিলেন।
কম্পিউটার ও আইসিটি
- ৪০. কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারের মধ্যে কয়টি অংশ আছে?
- ক. ৩টি
- খ. ৪টি
- গ. ৫টি
- ঘ. ৬টি
উত্তর: ক. ৩টি
কম্পিউটার সিস্টেম দুটি অংশ নিয়ে গঠিত, একটি হার্ডওয়্যার (Hardware) ও অন্যটি সফটওয়্যার (Software)। হার্ডওয়্যার হলো কম্পিউটারের যেসব অংশ হাতে ছোঁয়া যায়। এর প্রধান তিনটি অংশ হলো ইনপুট ইউনিট, কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট (CPU) এবং আউটপুট ইউনিট। ইনপুট ইউনিট দিয়ে আমরা তথ্য দিই, CPU সেই তথ্য প্রক্রিয়া করে, আর আউটপুট ইউনিট ফলাফল দেখায়।
উদাহরণ:
ইনপুট ইউনিট: কিবোর্ড, মাউস।
আউটপুট ইউনিট: মনিটর, প্রিন্টার।
মনে রাখুন:
সফটওয়্যার হাতে ছোঁয়া যায় না, এটি প্রোগ্রাম বা নির্দেশের সমষ্টি।
CPU-কে কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয়।
বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা: সব বছর
বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর: অন্যান্য পরীক্ষা
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয় উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয় সহকারী মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয় সহকারী প্রোগ্রামার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয় উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিদ্যুৎ বিভাগ বিদ্যুৎ পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর সহকারী প্রকৌশলী (পুর)/উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন