লিয়ানা বুকস

বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮: প্রশ্ন ও সমাধান

পরীক্ষা হয়েছে ৮ মার্চ ২০১৮। ৯৯টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।

সময় ধরে পরীক্ষা দিন →

আন্তর্জাতিক

  1. ১. 'চির শান্তির শহর' বলা হয় কোন শহরকে?
    • ক. ভিয়েনা
    • খ. মিলান
    • গ. রোম
    • ঘ. ভেনিস
    উত্তর: গ. রোম
    ইতালির রাজধানী রোমকে চির শান্তির শহর বা ইটারনাল সিটি (Eternal City) বলা হয়। শহরটি হাজার হাজার বছরের ইতিহাসের সাক্ষী, প্রাচীন রোমান সাম্রাজ্যের কেন্দ্রও ছিল এখানেই। তাই যুগ যুগ ধরে টিকে থাকা এই শহরকে এমন নামে ডাকা হয়। অন্য বিকল্পগুলোর পরিচয় আলাদা: ভেনিস খালের শহর হিসেবে বিখ্যাত, আর মিলান ফ্যাশন ও ব্যবসার শহর। ভিয়েনা অস্ট্রিয়ার রাজধানী, যা সংগীতের শহর নামে পরিচিত।
    মনে রাখুন:
    রোমের আরও নাম: সাত পাহাড়ের শহর।
    ভেনিসকে বলা হয় অ্যাড্রিয়াটিকের রানি।
    মিলান ইতালির ফ্যাশন ও শিল্পের শহর।
    রোম ইতালির টাইবার নদীর তীরে অবস্থিত।
  2. ১৭. 'ন্যাটো' অন্তর্ভুক্ত একমাত্র মুসলিম দেশ কোনটি?
    • ক. মিশর
    • খ. তুরস্ক
    • গ. ইরান
    • ঘ. সৌদি আরব
    উত্তর: খ. তুরস্ক
    ন্যাটো (NATO) হলো উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা। প্রশ্নের চার দেশের মধ্যে একমাত্র তুরস্কই এর সদস্য, তারা ১৯৫২ সালে ন্যাটোতে যোগ দেয়। মিশর, ইরান ও সৌদি আরব ন্যাটোর সদস্য নয়। তাই দেওয়া বিকল্পগুলোর মধ্যে উত্তর তুরস্ক। ন্যাটো গঠিত হয়েছিল ১৯৪৯ সালে, সোভিয়েত প্রভাবের বিরুদ্ধে পশ্চিমা দেশগুলোর যৌথ নিরাপত্তার জন্য।
    মনে রাখুন:
    ন্যাটোর মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য আসলে দুটি, তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
    ন্যাটোর সদর দপ্তর ব্রাসেলসে।
    ন্যাটো ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়।
  3. ১৮. ২০১৭ সালে প্রথমবারের মতো মিস হুইল চেয়ার ওয়ার্ল্ড সুন্দরী প্রতিযোগিতায় সেরা সুন্দরী নির্বাচিত হয়েছেন আলেকজান্দ্রা চিচিকোভা। তিনি কোন দেশের নাগরিক?
    • ক. পোল্যান্ড
    • খ. ব্রাজিল
    • গ. বেলারুশ
    • ঘ. ফিনল্যান্ড
    উত্তর: গ. বেলারুশ
    প্রথম মিস হুইলচেয়ার ওয়ার্ল্ড (Miss Wheelchair World) প্রতিযোগিতা ২০১৭ সালে পোল্যান্ডের ওয়ারশতে অনুষ্ঠিত হয়। এতে বেলারুশের আলেকসান্দ্রা চিচিকোভা প্রথম বিজয়ী হন। আয়োজন করেছিল ‘অনলি ওয়ান’ ফাউন্ডেশন। অর্থাৎ আয়োজক দেশ পোল্যান্ড হলেও বিজয়ীর দেশ বেলারুশ। প্রশ্নে পোল্যান্ড বিকল্পটি তাই প্রলোভন হিসেবে আছে, কিন্তু সেটি আয়োজকের দেশ, বিজয়ীর নয়। এই প্রতিযোগিতা শুধু সৌন্দর্যের নয়, প্রতিবন্ধী মানুষের সক্ষমতা ও আত্মমর্যাদা তুলে ধরার জন্যও আয়োজিত হয়।
    মনে রাখুন: প্রশ্নে আয়োজক দেশ ও বিজয়ীর দেশের পার্থক্য খেয়াল রাখতে হয়।
  4. ২৫. পরবর্তী বিশ্বকাপ ক্রিকেট কোন সালে অনুষ্ঠিত হবে?
    • ক. ২০১৮ সালে
    • খ. ২০১৯ সালে
    • গ. ২০২০ সালে
    • ঘ. ২০২১ সালে
    উত্তর: খ. ২০১৯ সালে
    প্রশ্নটি ২০১৮ সালের মার্চে করা, তখন সর্বশেষ ক্রিকেট বিশ্বকাপ হয়েছিল ২০১৫ সালে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে, যেখানে অস্ট্রেলিয়া চ্যাম্পিয়ন হয়। ক্রিকেট বিশ্বকাপ প্রতি চার বছর পরপর হয়, তাই পরবর্তী আসরটি ছিল ২০১৯ সালে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে।
    মনে রাখুন:
    প্রথম ক্রিকেট বিশ্বকাপ হয় ১৯৭৫ সালে ইংল্যান্ডে, চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
    বাংলাদেশ প্রথম বিশ্বকাপ খেলে ১৯৯৯ সালে।
    হালনাগাদ: ২০১৯ সালে ইংল্যান্ড প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হয়। এর পরের আসর ২০২৩ সালে ভারতে হয়, সেখানে অস্ট্রেলিয়া চ্যাম্পিয়ন হয়। পরবর্তী আসর হবে ২০২৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ায়।
  5. ৩১. উত্তমাশা অন্তরীপ কোন দেশে অবস্থিত?
    • ক. নাইজেরিয়া
    • খ. দক্ষিণ আফ্রিকা
    • গ. লিবিয়া
    • ঘ. অস্ট্রেলিয়া
    উত্তর: খ. দক্ষিণ আফ্রিকা
    উত্তমাশা অন্তরীপ (Cape of Good Hope) দক্ষিণ আফ্রিকার পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত। স্থলভাগ সরু হয়ে সমুদ্রে ঢুকে গেলে তাকে অন্তরীপ বলে। পর্তুগিজ নাবিক বার্থোলোমিউ দিয়াজ প্রথম এই পথ আবিষ্কার করেন। এটি ইউরোপ থেকে সমুদ্রপথে এশিয়ায় যাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ। পরে সুয়েজ খাল চালু হলে জাহাজ এই দীর্ঘ পথ এড়িয়ে সংক্ষিপ্ত পথে যেতে পারে।
    মনে রাখুন:
    ভাস্কো দা গামা এই পথেই ভারতে আসেন, তিনি ১৪৯৮ সালে কালিকট বন্দরে পৌঁছান।
    দিয়াজ অন্তরীপটি ঘুরে আসেন ১৪৮৮ সালে।
    উত্তমাশা অন্তরীপের আগের নাম ছিল ঝড়ের অন্তরীপ (Cape of Storms)।
  6. ৩৬. জাপানের আইনসভার নাম কী?
    • ক. পার্লামেন্ট
    • খ. নেসেট
    • গ. ডায়েট
    • ঘ. জাতীয় সংসদ
    উত্তর: গ. ডায়েট
    জাপানের আইনসভার নাম ডায়েট (Diet)। এর দুটি কক্ষ আছে: প্রতিনিধি পরিষদ ও কাউন্সিলরদের পরিষদ। ডায়েট নামটি অন্য দেশেও চলে, যেমন সুইডেনের আইনসভাকে বলে রিক্সদাগ। প্রশ্নে পার্লামেন্ট ও জাতীয় সংসদ এমন বিকল্প আছে, কিন্তু সেগুলো যথাক্রমে যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের আইনসভার নাম।
    মনে রাখুন:
    ইসরায়েলের আইনসভা নেসেট।
    যুক্তরাজ্যের আইনসভা পার্লামেন্ট।
    বাংলাদেশের আইনসভা জাতীয় সংসদ।
    ভারতের আইনসভা লোকসভা ও রাজ্যসভা নিয়ে গঠিত।
    রাশিয়ার আইনসভা ডুমা।
  7. ৪০. ২০১৭ সালে শান্তিতে নোবেল পেয়েছে পরমাণু অস্ত্র বিরোধী জোট (ICAN)। এই জোটে বাংলাদেশের কয়টি সংগঠন আছে?
    • ক. একটি
    • খ. দুইটি
    • গ. তিনটি
    • ঘ. চারটি
    উত্তর: খ. দুইটি
    ২০১৭ সালের শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পায় ICAN, পুরো নাম International Campaign to Abolish Nuclear Weapons। ক্যাম্পেইনটির বাংলাদেশের সহযোগী সংগঠন দুটি, যাদের একটি সেন্টার ফর বাংলাদেশ স্টাডিজ। তাই উত্তর দুইটি। ICAN পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধ করার একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য কাজ করেছিল, আর সেই কাজের স্বীকৃতিতেই নোবেল পায়।
    মনে রাখুন:
    ICAN-এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়।
    সংস্থাটির তৎকালীন নির্বাহী পরিচালক বিয়াত্রিস ফিন।
    হালনাগাদ: ২০২৫ সালে শান্তিতে নোবেল পান ভেনেজুয়েলার মারিয়া কোরিনা মাচাদো।
  8. ৪৫. বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস কত তারিখে পালন করা হয়?
    • ক. ১১ অক্টোবর
    • খ. ১৪ নভেম্বর
    • গ. ৭ এপ্রিল
    • ঘ. ১৫ অক্টোবর
    উত্তর: ঘ. ১৫ অক্টোবর
    বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত হয় ১৫ অক্টোবর। সাবান দিয়ে হাত ধুলে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ার মতো অনেক রোগ ঠেকানো যায়, এ কথা মনে করিয়ে দিতেই এই দিবস। শিশুদের ও খাবার তৈরি করার আগে হাত ধোয়ার অভ্যাস বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। প্রশ্নের অন্য তারিখগুলো ভিন্ন দিবসের।
    মনে রাখুন:
    ১১ অক্টোবর আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস।
    ১৪ নভেম্বর বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস।
    ৭ এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস।
    ১৬ অক্টোবর বিশ্ব খাদ্য দিবস।
  9. ৮৮. ইউনেস্কোর নতুন মহাপরিচালক আদ্রে আজুলে কোন দেশের নাগরিক?
    • ক. ফ্রান্স
    • খ. জার্মানি
    • গ. সুইডেন
    • ঘ. যুক্তরাষ্ট্র
    উত্তর: ক. ফ্রান্স
    ২০১৭ সালের ১৩ অক্টোবর ইউনেস্কোর নির্বাহী পরিষদ ফ্রান্সের সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী আদ্রে আজুলেকে ইউনেস্কোর মহাপরিচালক নির্বাচিত করে। তিনি ২০১৭ সালের নভেম্বরে দায়িত্ব নেন। তাই তিনি ফ্রান্সের নাগরিক।
    মনে রাখুন:
    ইউনেস্কোর সদর দপ্তর ফ্রান্সের প্যারিসে।
    তাঁর আগের মহাপরিচালক ছিলেন বুলগেরিয়ার ইরিনা বোকোভা।
    হালনাগাদ: ২০২৫ সালের নভেম্বরে মিসরের খালেদ এল-এনানি ইউনেস্কোর নতুন মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নেন।
  10. ৯০. সার্কের অন্তর্ভুক্ত সর্বশেষ রাষ্ট্র কোনটি?
    • ক. মালদ্বীপ
    • খ. শ্রীলঙ্কা
    • গ. নেপাল
    • ঘ. আফগানিস্তান
    উত্তর: ঘ. আফগানিস্তান
    সার্কে (SAARC) প্রথমে সাতটি সদস্য ছিল: বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান ও মালদ্বীপ। ২০০৭ সালের ৩ এপ্রিল আফগানিস্তান অষ্টম সদস্য হিসেবে যোগ দেয়। তাই ২০১৮ সালে সর্বশেষ সদস্য ছিল আফগানিস্তান।
    মনে রাখুন:
    সার্কের সদর দপ্তর নেপালের কাঠমান্ডুতে।
    সার্কের প্রতিষ্ঠা ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর, ঢাকায়।
    সার্ক গঠনের প্রস্তাব দেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।
  11. ৯৫. ব্রাজিলের রাষ্ট্রীয় ভাষা কী?
    • ক. পর্তুগিজ
    • খ. গ্রিক
    • গ. ডাচ
    • ঘ. ইংরেজি
    উত্তর: ক. পর্তুগিজ
    দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ব্রাজিল একসময় পর্তুগালের উপনিবেশ ছিল, তাই সেখানকার রাষ্ট্রীয় ভাষা পর্তুগিজ। দক্ষিণ আমেরিকার বেশির ভাগ দেশে স্প্যানিশ ভাষা চলে, ব্রাজিলই ব্যতিক্রম। গ্রিক ভাষা গ্রিসের, আর ডাচ ভাষা নেদারল্যান্ডসের, তাই এগুলো ব্রাজিলের ভাষা নয়।
    মনে রাখুন:
    পর্তুগিজ ভাষা পর্তুগাল, অ্যাঙ্গোলা ও মোজাম্বিকেরও রাষ্ট্রীয় ভাষা।
    ব্রাজিলের রাজধানী ব্রাসিলিয়া।
    ব্রাজিল ১৮২২ সালে পর্তুগালের কাছ থেকে স্বাধীনতা পায়।

বাংলা

  1. ২. বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়ে সাধিত শব্দ কোনটি?
    • ক. লাগোয়া
    • খ. ঝলক
    • গ. চামার
    • ঘ. ঘাটতি
    উত্তর: গ. চামার
    যে প্রত্যয় শব্দের শেষে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে, তাকে প্রত্যয় বলে। প্রত্যয় দুই রকম: ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হলে কৃৎ প্রত্যয়, আর শব্দের সঙ্গে যুক্ত হলে তদ্ধিত প্রত্যয় (Taddhita)। ‘চামার’ শব্দটি চাম (চামড়া) নামের একটি শব্দের সঙ্গে ‘আর’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে তৈরি, যার অর্থ যে চামড়ার কাজ করে। তাই এটি তদ্ধিত প্রত্যয়ে সাধিত। অন্য শব্দগুলো ধাতু থেকে এসেছে: লাগা + ওয়া = লাগোয়া এবং ঝল্ + অক = ঝলক, তাই এগুলো কৃৎ প্রত্যয়ের উদাহরণ। কোনো প্রত্যয়ান্ত শব্দ দেখলে আমরা আগে ভেবে নিই, প্রত্যয়ের আগের অংশটি ধাতু, নাকি পূর্ণ একটি শব্দ।
    মনে রাখুন:
    ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হলে কৃৎ, শব্দের সঙ্গে যুক্ত হলে তদ্ধিত।
    উদাহরণ, কৃৎ প্রত্যয়: পড়া (পড় + আ), চলন্ত (চল্ + অন্ত)।
    উদাহরণ, তদ্ধিত প্রত্যয়: ঢাকাই (ঢাকা + ই), গাছি (গাছ + ই)।
  2. ৭. রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত গ্রন্থ কোনটি?
    • ক. পদ্মগোখরা
    • খ. পদ্মরাগ
    • গ. পদ্মাবতী
    • ঘ. পদ্মপুরাণ
    উত্তর: খ. পদ্মরাগ
    ‘পদ্মরাগ’ বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের রচনা, এটি ১৯২৪ সালে প্রকাশিত হয়। এতে তিনি নারীদের দুঃখ-কষ্ট ও তাদের আত্মনির্ভর হয়ে ওঠার কথা তুলে ধরেছেন। বাকি তিনটি নাম বিভ্রান্তিকর: পদ্মাবতী আলাওলের কাব্য, পদ্মপুরাণ মনসামঙ্গলের আরেক নাম, আর পদ্মগোখরা নামে সাপের কথা আমরা জানি। রোকেয়া সমাজে নারীর অধিকার ও শিক্ষার জন্য আজীবন লিখে ও কাজ করে গেছেন, তাই তাঁর প্রায় সব রচনাতেই নারীর জাগরণের কথা আছে।
    মনে রাখুন:
    রোকেয়ার অন্যান্য রচনা: মতিচুর, সুলতানার স্বপ্ন (Sultana’s Dream), অবরোধবাসিনী।
    তিনি ১৯১১ সালে কলকাতায় সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন।
    তাঁর জন্ম রংপুরের পায়রাবন্দে।
  3. ৮. কোন সঙ্গীতটির রচয়িতা হাসন রাজা?
    • ক. এমন মানব জমিন রইল পতিত, আবাদ করলে ফলতো সোনা
    • খ. যে জন প্রেমের ভাব জানে না, তার সাথে নাই লেনাদেনা
    • গ. পাবে সামান্যে কি তার দেখা, বেদে নাই যার রূপ লেখা
    • ঘ. লোকে বলে, বলরে, ঘরবাড়ি ভালা না আমার
    উত্তর: ঘ. লোকে বলে, বলরে, ঘরবাড়ি ভালা না আমার
    মরমি কবি হাসন রাজার (১৮৫৪–১৯২২) বিখ্যাত গান ‘লোকে বলে, বলরে, ঘরবাড়ি ভালা না আমার’। তিনি সিলেট অঞ্চলের জমিদার ছিলেন, কিন্তু তাঁর গানে সংসারের মায়া ও আত্মার সন্ধানের কথা ফুটে উঠেছে। অন্য গানগুলো তাঁর নয়: ‘এমন মানব জমিন রইল পতিত’ রামপ্রসাদ সেনের গান, আর বাকি গানগুলো হাসন রাজার রচনা নয়। হাসন রাজার গানে নিজের জীবনের পরিবর্তনের কথা বারবার এসেছে, বিলাসী জীবন ছেড়ে তিনি ধীরে ধীরে আধ্যাত্মিক পথে ঝুঁকে পড়েন।
    মনে রাখুন:
    হাসন রাজার গানের সংকলনের নাম ‘হাসন উদাস’।
    তিনি ‘হাসন রাজা’ নামেই সবার কাছে পরিচিত, আসল নাম দেওয়ান হাসন রাজা চৌধুরী।
  4. ৯. 'চণ্ডীমঙ্গল' কাব্যে কোন চরিত্রটি পাওয়া যায়?
    • ক. বড়ায়ি
    • খ. বেহুলা
    • গ. ঈশ্বরী
    • ঘ. ফুল্লরা
    উত্তর: ঘ. ফুল্লরা
    চণ্ডীমঙ্গল কাব্যে দেবী চণ্ডীর মাহাত্ম্য বর্ণিত হয়েছে। এর কালকেতু-ফুল্লরার কাহিনিতে ব্যাধ কালকেতুর স্ত্রী হিসেবে ফুল্লরা চরিত্রটি পাওয়া যায়। অন্য চরিত্রগুলো অন্য কাব্যের: বেহুলা মনসামঙ্গলের এবং বড়ায়ি শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের চরিত্র। এই কাব্যের আরেকটি পরিচিত কাহিনি ধনপতি সদাগরের, যার স্ত্রীর নাম লহনা ও খুল্লনা। চণ্ডীমঙ্গল তাই দুটি বড় কাহিনি নিয়ে গড়া: আখেটিক খণ্ড (কালকেতুর কাহিনি) ও বণিক খণ্ড (ধনপতির কাহিনি)।
    মনে রাখুন:
    চণ্ডীমঙ্গলের শ্রেষ্ঠ কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তী, তাঁর উপাধি কবিকঙ্কণ।
    আরও কবি: মানিক দত্ত, দ্বিজ মাধব।
    মনসামঙ্গলের চরিত্র: বেহুলা, লখিন্দর, চাঁদ সদাগর।
  5. ১০. শামসুর রাহমান রচিত কোন কবিতাটি মুক্তিযুদ্ধ-নির্ভর?
    • ক. টানাপোড়েন
    • খ. তুমি বলেছিলে
    • গ. ভালোবাসা তুমি
    • ঘ. আসাদের শার্ট
    উত্তর: খ. তুমি বলেছিলে
    শামসুর রাহমানের ‘তুমি বলেছিলে’ কবিতাটি মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা। এতে একজন মুক্তিযোদ্ধার ফিরে আসার প্রতিশ্রুতি এবং অপেক্ষার বেদনা ফুটে উঠেছে। ‘আসাদের শার্ট’ কবিতাটি অবশ্য ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানের শহিদ আসাদকে নিয়ে লেখা, তাই সেটি মুক্তিযুদ্ধ-নির্ভর নয়, গণ-অভ্যুত্থান-নির্ভর। শামসুর রাহমান আমাদের স্বাধীনতা, ভাষা ও সংগ্রামের কবি হিসেবে পরিচিত।
    মনে রাখুন:
    মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক শামসুর রাহমানের আরও কবিতা: স্বাধীনতা তুমি, বন্দী শিবির থেকে।
    তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে’ (১৯৬০)।
    তিনি ১৯২৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ২০০৬ সালে মারা যান।
  6. ১৩. কোনটি 'নারী' শব্দের সমার্থক শব্দ?
    • ক. ধ্বনি
    • খ. দারা
    • গ. সখি
    • ঘ. ধনি
    উত্তর: খ. দারা
    ‘দারা’ শব্দের অর্থ স্ত্রী বা নারী, তাই এটি ‘নারী’ শব্দের সমার্থক। ‘নারী’-র আরও প্রতিশব্দ হলো রমণী, অবলা, মহিলা, অঙ্গনা, বনিতা, কামিনী ও ললনা। ‘ধ্বনি’ মানে শব্দ বা আওয়াজ, তাই এটি সমার্থক নয়। আর ‘সখি’ মানে বান্ধবী, যা নারীর সাধারণ প্রতিশব্দ নয়। সমার্থক শব্দ মুখস্থ রাখার সময় আমরা লক্ষ করি, কোন শব্দের অর্থ ঠিক একই বিষয় বোঝায়।
    মনে রাখুন:
    ‘ধনি’ শব্দটিরও অর্থ সুন্দরী নারী, কিন্তু পরীক্ষার প্রচলিত উত্তর হলো ‘দারা’।
    ‘পুরুষ’ শব্দের প্রতিশব্দ: মানব, নর, পুঙ্গব।
    ‘স্ত্রী’ শব্দের প্রতিশব্দ: ভার্যা, পত্নী, দারা, জায়া।
  7. ১৫. 'এখন' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
    • ক. তখন
    • খ. যখন
    • গ. সেক্ষণ
    • ঘ. পরক্ষণ
    উত্তর: ক. তখন
    ‘এখন’ শব্দটি বর্তমান সময় বোঝায়, আর ‘তখন’ বোঝায় সেই সময়, যা বর্তমান নয়। তাই ‘এখন’-এর বিপরীতার্থক শব্দ ‘তখন’। ‘যখন’ একটি সাপেক্ষ সর্বনাম, আর ‘সেক্ষণ’ ও ‘পরক্ষণ’ সময়ের অন্য রকম প্রকাশ, তাই এগুলো ঠিক বিপরীত শব্দ নয়। এভাবে সময়বাচক শব্দের জোড়া আমরা প্রায়ই পরীক্ষায় দেখি।
    মনে রাখুন:
    এখানে-সেখানে, এদিক-ওদিক, এখন-তখন, এমন-তেমন, এই রকম জোড়া মনে রাখা ভালো।
    আজ-কাল, সকাল-সন্ধ্যা, আগে-পরে, এগুলোও সময়ের বিপরীত জোড়া।
  8. ১৯. মীর মশাররফ হোসেন রচিত গ্রন্থ কোনটি?
    • ক. বাউণ্ডেলের আত্মকাহিনী
    • খ. জাত রাখার কি উপায়
    • গ. কলিকাতা কমলালয়
    • ঘ. গাজী মিয়ার বস্তানী
    উত্তর: ঘ. গাজী মিয়ার বস্তানী
    ‘গাজী মিয়ার বস্তানী’ মীর মশাররফ হোসেনের রচনা, এটি ১৮৯৯ সালে প্রকাশিত হয়। তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম সাহিত্যিক। অন্য বইগুলো তাঁর নয়: ‘কলিকাতা কমলালয়’ ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচনা। এছাড়া ‘জাত রাখার কি উপায়’ ও ‘বাউণ্ডেলের আত্মকাহিনী’ নামের বইগুলোও মীর মশাররফের পরিচিত রচনার তালিকায় পড়ে না। তাই লেখকের নামের সঙ্গে বইয়ের নাম মিলিয়ে মুখস্থ করা ভালো।
    মনে রাখুন:
    মীর মশাররফ হোসেনের বিখ্যাত বই: বিষাদ-সিন্ধু (১৮৮৫–৯১), জমীদার দর্পণ (নাটক), উদাসীন পথিকের মনের কথা।
    তিনি কুষ্টিয়ার লাহিনীপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
    তাঁর ছদ্মনাম গাজী মিয়া।
  9. ২০. অনুরোধ প্রকাশ পেয়েছে কোন বাক্যে?
    • ক. 'সুরঞ্জনা, ওইখানে যেও নাকো তুমি।'
    • খ. 'আরমান, আমার চিঠিটা দিয়ে এসো তো।'
    • গ. আমি যদি জন্ম নিতাম কালিদাসের কালে।
    • ঘ. দোয়া করি, ধনী নয়, মানুষের মতো মানুষ হও।
    উত্তর: খ. 'আরমান, আমার চিঠিটা দিয়ে এসো তো।'
    যে বাক্যে অনুরোধ, আদেশ বা উপদেশ বোঝায়, তাকে অনুজ্ঞা বাক্য বলে। ‘আরমান, আমার চিঠিটা দিয়ে এসো তো’ বাক্যে বক্তা একজনকে নম্রভাবে কাজটি করে দিতে অনুরোধ করছেন, তাই এখানে অনুরোধ প্রকাশ পেয়েছে। প্রথম বাক্যে নিষেধ, আর শেষ বাক্যে আশীর্বাদ ও উপদেশ আছে, আর তৃতীয়টি ইচ্ছা প্রকাশ করছে। বাক্যের অর্থ ভালো করে বুঝে নিলে ভাব আলাদা করা সহজ হয়।
    মনে রাখুন:
    অনুজ্ঞা বাক্যের ভাব: আদেশ, অনুরোধ, উপদেশ, নিষেধ, আশীর্বাদ।
    এসব বাক্যে সাধারণত ক্রিয়া অনুজ্ঞাসূচক রূপে থাকে, যেমন ‘করো’, ‘এসো’, ‘যেও না’।
  10. ৩০. কোন শব্দটি শুদ্ধ বানানে লেখা হয়েছে?
    • ক. শূণ্য
    • খ. রুগ্ণ
    • গ. পুর্ণ
    • ঘ. পূণ্য
    উত্তর: খ. রুগ্ণ
    শুদ্ধ বানান হলো রুগ্ণ। অন্য বিকল্পগুলোর শুদ্ধ রূপ: শূন্য, পূর্ণ ও পুণ্য। ‘শূণ্য’ ও ‘পূণ্য’ ভুল, কারণ এখানে ণ নয়, ন বসে (শূন্য) এবং পূ নয়, পু বসে (পুণ্য)। ‘পুর্ণ’ ভুল, কারণ এখানে দীর্ঘ ঊ-কার বসে (পূর্ণ)। এসব শব্দ সংস্কৃত থেকে এসেছে বলে এদের বানান নিয়ম দিয়ে ঠিক করতে হয়, উচ্চারণ শুনে নয়।
    মনে রাখুন:
    ঋ, র, ষ-এর পরে ণ বসে, যেমন কৃষ্ণ, রুগ্ণ।
    ট-বর্গের আগে ণ বসে, যেমন ঘণ্টা, কণ্ঠ।
    অনেক শব্দে ণ নিয়মে বসে না, যেমন সরণি, দর্পণ।
  11. ৩৩. 'অদ্রীশ' শব্দের শুদ্ধ সন্ধিবিচ্ছেদ হবে কোনটি?
    • ক. অদ্রি + ঈশ
    • খ. অদ্রী + ঈশ
    • গ. অদ্রি + ইশ
    • ঘ. অদ্রী + ইশ
    উত্তর: ক. অদ্রি + ঈশ
    ‘অদ্রীশ’ শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ অদ্রি + ঈশ। অদ্রি মানে পর্বত, আর ঈশ মানে ঈশ্বর বা প্রভু। এটি স্বরসন্ধি। ইকার পরে ঈকার থাকলে মিলে দীর্ঘ ঈকার হয় (ই + ঈ = ঈ)। তাই ‘অদ্রীশ’-এ দীর্ঘ ঈ পাওয়া যায়। ‘ইশ’ বলে কোনো মূল শব্দ নেই, তাই ইশ-যুক্ত বিকল্পগুলো ঠিক নয়। আবার অদ্রী নামেও কোনো মূল শব্দ নেই, তাই প্রথম অংশে হ্রস্ব ই-কারান্ত অদ্রি হবে।
    উদাহরণ:
    গিরি + ঈশ = গিরীশ, কবি + ইন্দ্র = কবীন্দ্র।
    মনে রাখুন: ই বা ঈ-এর পরে ই বা ঈ এলে দুটি মিলে দীর্ঘ ঈ হয়, যেমন পরি + ঈক্ষা = পরীক্ষা।
  12. ৩৫. 'মনসামঙ্গল' কাব্যের রচয়িতা কোন কবি?
    • ক. বিজয়গুপ্ত
    • খ. লোচনদাস
    • গ. রায়বিনোদ
    • ঘ. রামাই পণ্ডিত
    উত্তর: ক. বিজয়গুপ্ত
    মনসামঙ্গলের কবিদের মধ্যে বিজয়গুপ্ত বিখ্যাত, তিনি ১৪৯৪ সালে তাঁর কাব্য রচনা করেন। বাকিরা অন্য ধারার: লোচনদাস চৈতন্যমঙ্গল লেখেন এবং রামাই পণ্ডিত শূন্যপুরাণের রচয়িতা। মনসামঙ্গল কাব্যে সাপের দেবী মনসার মাহাত্ম্য বর্ণিত হয়েছে, আর এর কেন্দ্রীয় চরিত্র বেহুলা ও চাঁদ সদাগর।
    মনে রাখুন:
    মনসামঙ্গলের অন্য কবি: কানা হরিদত্ত, নারায়ণ দেব, বিপ্রদাস পিপিলাই, কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ।
    কানা হরিদত্ত এই ধারার আদি কবি।
    মঙ্গলকাব্যের তিন প্রধান ধারা: মনসামঙ্গল, চণ্ডীমঙ্গল ও ধর্মমঙ্গল।
  13. ৩৮. শাহ মুহম্মদ সগীর প্রণীত উপাখ্যান কোনটি?
    • ক. লায়লী মজনু
    • খ. লোরচন্দ্রানী
    • গ. সতীময়না
    • ঘ. ইউসুফ জোলেখা
    উত্তর: ঘ. ইউসুফ জোলেখা
    শাহ মুহম্মদ সগীর মধ্যযুগের প্রথম মুসলমান কবি। তিনি ‘ইউসুফ জোলেখা’ কাব্য রচনা করেন, যা বাংলা সাহিত্যের প্রথম রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান। এর কাহিনি ধর্মগ্রন্থ থেকে নেওয়া। ‘লায়লী মজনু’ দৌলত উজির বাহরাম খানের এবং ‘সতীময়না’ দৌলত কাজীর রচনা। ‘লোরচন্দ্রানী’ নামটিও দৌলত কাজীর কাব্যের, কারণ তাঁর কাব্যটি ‘সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী’ নামে পরিচিত।
    মনে রাখুন:
    শাহ মুহম্মদ সগীর সুলতান গিয়াসউদ্দীন আযম শাহের সভাকবি ছিলেন।
    আলাওলের বিখ্যাত কাব্য ‘পদ্মাবতী’।
    দৌলত কাজী ছিলেন আরাকান রাজসভার কবি।
  14. ৪৪. সর্বনাম পদ ব্যবহৃত হয়েছে কোন বাক্যে?
    • ক. যদি ডাক পাই, নিশ্চয়ই যাব।
    • খ. কে আমারে লহিবে ডাকিয়া কাছে?
    • গ. ওরে, আজ যাসনে ঘরের বাইরে।
    • ঘ. ডাক দিয়েছ ভোর-সকালে, শুনিনি তো!
    উত্তর: খ. কে আমারে লহিবে ডাকিয়া কাছে?
    যে শব্দ বিশেষ্যের বদলে বসে, তাকে সর্বনাম (Pronoun) বলে। ‘কে আমারে লহিবে ডাকিয়া কাছে?’ বাক্যে ‘কে’ ও ‘আমারে’ দুটিই সর্বনাম। ‘কে’ একটি প্রশ্নবাচক সর্বনাম। অন্য বাক্যগুলোতে সর্বনাম নেই: ‘ওরে’ সম্বোধন সূচক অব্যয়। প্রথম বাক্যে ‘যদি’ সংযোজক অব্যয়, আর শেষ বাক্যে ‘ডাক’ বিশেষ্য ও ‘দিয়েছ’ ক্রিয়া।
    মনে রাখুন:
    কে, কী, কোন প্রশ্নবাচক সর্বনামের উদাহরণ।
    আমি, তুমি, সে ব্যক্তিবাচক সর্বনামের উদাহরণ।
    যে, সে, যিনি, তিনি সাপেক্ষ বা সম্বন্ধবাচক সর্বনামের উদাহরণ।
  15. ৫৫. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত 'বিষবৃক্ষ' উপন্যাসে কোন চরিত্রটি পাওয়া যায়?
    • ক. মৃণালিনী
    • খ. শৈবলিনী
    • গ. সূর্যমুখী
    • ঘ. রাধারাণী
    উত্তর: গ. সূর্যমুখী
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘বিষবৃক্ষ’ (১৮৭৩) উপন্যাসের কেন্দ্রে আছে নগেন্দ্রনাথ, তাঁর স্ত্রী সূর্যমুখী ও কুন্দনন্দিনী। অন্য চরিত্রগুলো অন্য উপন্যাসের: মৃণালিনী ‘মৃণালিনী’ উপন্যাসের, শৈবলিনী ‘চন্দ্রশেখর’-এর এবং রাধারাণী ‘রাজনী’ বা ‘রাধারাণী’-র চরিত্র। বঙ্কিমের উপন্যাসের চরিত্রগুলোকে তাই উপন্যাসের নামের সঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখা দরকার।
    মনে রাখুন:
    বঙ্কিমের প্রথম বাংলা উপন্যাস ‘দুর্গেশনন্দিনী’ (১৮৬৫)।
    তাঁর অন্য উপন্যাস: কপালকুণ্ডলা (১৮৬৬), আনন্দমঠ (১৮৮২)।
    বঙ্কিমচন্দ্রকে ‘সাহিত্য সম্রাট’ বলা হয়।
  16. ৫৬. সেলিনা হোসেন রচিত গল্প হচ্ছে–
    • ক. সীমানা
    • খ. মানুষ
    • গ. আসন্ন
    • ঘ. জাহাজী
    উত্তর: খ. মানুষ
    কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের একটি পরিচিত গল্পের নাম ‘মানুষটি’। প্রশ্নের বিকল্পে ‘মানুষ’ ছাপা হয়েছে, যা ‘মানুষটি’-র সংক্ষিপ্ত রূপ ধরে নিলে বাকি তিনটি বিকল্পের মধ্যে এটিই সবচেয়ে কাছাকাছি। বাকি নামগুলো তাঁর গল্প হিসেবে পরিচিত নয়। সেলিনা হোসেন গল্প ও উপন্যাস দুই ধারাতেই লিখেছেন এবং মুক্তিযুদ্ধ ও গ্রামীণ জীবন তাঁর লেখার বড় বিষয়।
    মনে রাখুন:
    সেলিনা হোসেনের বিখ্যাত উপন্যাস হাঙর নদী গ্রেনেড, গায়ত্রী সন্ধ্যা, পোকামাকড়ের ঘরবসতি।
    তাঁর প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘উৎস থেকে নিরন্তর’ (১৯৬৯)।
    তিনি ১৯৮০ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান।
  17. ৫৭. ঈশ্বরগুপ্ত সম্পাদিত পত্রিকা কোনটি?
    • ক. সম্বাদ কৌমুদী
    • খ. সমাচার দর্পণ
    • গ. সংবাদ প্রভাকর
    • ঘ. সম্বাদ ভাস্কর
    উত্তর: গ. সংবাদ প্রভাকর
    ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ‘সংবাদ প্রভাকর’ পত্রিকার সম্পাদক। পত্রিকাটি ১৮৩১ সালে প্রথম প্রকাশিত হয় এবং পরে দৈনিক হয়। তাঁকে যুগসন্ধির কবি বলা হয়, কারণ তাঁর লেখায় মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের সংযোগ ধরা পড়ে। অন্য পত্রিকাগুলো অন্যদের: ‘সমাচার দর্পণ’ শ্রীরামপুরের মিশনারিদের এবং ‘সম্বাদ কৌমুদী’ রামমোহন রায়ের।
    মনে রাখুন:
    ‘সম্বাদ ভাস্কর’-এর সম্পাদক গৌরীশংকর তর্কবাগীশ।
    সমাচার দর্পণ প্রকাশিত হয় ১৮১৮ সালে।
    সম্বাদ কৌমুদী প্রকাশিত হয় ১৮২১ সালে।
  18. ৬৩. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'গতিবাদ-তত্ত্ব' প্রকাশিত হয়েছে কোন কাব্যে?
    • ক. বলাকা
    • খ. চৈতালি
    • গ. নৈবেদ্য
    • ঘ. কণিকা
    উত্তর: ক. বলাকা
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘বলাকা’ (১৯১৬) কাব্যে গতিবাদ তত্ত্বের প্রকাশ ঘটেছে। কবি এতে বলেছেন, জগৎ সবসময় চলমান, কোনো কিছুই থেমে থাকে না। কাব্যের নামও এসেছে উড়ন্ত বলাকার বা বকের সারি থেকে। এর সঙ্গে সবুজপত্র পত্রিকার যোগ আছে, কারণ বলাকার অনেক কবিতা প্রথমে সেখানেই ছাপা হয়েছিল।
    মনে রাখুন:
    বাকি কাব্যের প্রকাশকাল: কণিকা ১৮৯৯, নৈবেদ্য ১৯০১, চৈতালী ১৮৯৬।
    সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন প্রমথ চৌধুরী।
    রবীন্দ্রনাথ ১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’র ইংরেজি অনুবাদের জন্য নোবেল পুরস্কার পান।
  19. ৬৬. কোন সারির সব শব্দ বিদেশি উপসর্গ যোগ করে গঠিত?
    • ক. আচার, বিচার, নাচার
    • খ. সরব, নীরব, কুরব
    • গ. বজ্জাত, বেহায়া, সজোর
    • ঘ. নাচার, বনাম, নারাজ
    উত্তর: ঘ. নাচার, বনাম, নারাজ
    বাংলায় ব্যবহৃত বিদেশি উপসর্গের মধ্যে ফারসি উপসর্গ বেশি, যেমন না, ব, বে, বদ, কম। ‘নাচার’-এ ‘না’, ‘বনাম’-এ ‘ব’ এবং ‘নারাজ’-এ ‘না’ উপসর্গ আছে, তাই তিনটিই বিদেশি উপসর্গযুক্ত। প্রথম সারিতে ‘আচার’ ও ‘বিচার’-এ সংস্কৃত উপসর্গ (আ, বি) আছে, এবং বাকি সারিতেও সংস্কৃত উপসর্গ বা সংস্কৃত শব্দ আছে। তৃতীয় সারির ‘বজ্জাত’ ও ‘বেহায়া’ বিদেশি উপসর্গযুক্ত হলেও ‘সজোর’-এ সংস্কৃত ‘স’ আছে, তাই পুরো সারিটি মেলে না।
    মনে রাখুন:
    ফারসি উপসর্গের উদাহরণ: বেহায়া, বদমেজাজ, কমজোর।
    আরবি উপসর্গ: আম, খাস, লা।
    ইংরেজি উপসর্গ: হাফ, ফুল, হেড, সাব।
  20. ৭২. 'চর্যাপদ' মূলত–
    • ক. প্রেমবিষয়ক গান
    • খ. সাধন সম্পর্কিত গীত
    • গ. জীবনযাপনের চিত্র
    • ঘ. সমাজজীবনের ছবি
    উত্তর: খ. সাধন সম্পর্কিত গীত
    চর্যাপদ বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের রচিত সাধন-ভজনের গান। এর ভাষা ও রূপক গভীর, সাধনার নিগূঢ় কথা এতে প্রকাশ পেয়েছে। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন। ১৯০৭ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এর পুঁথি আবিষ্কার করেন। এর ভাষাকে আলো-আঁধারি বা সন্ধ্যা ভাষা বলা হয়, কারণ এর অর্থ সহজে বোঝা যায় না। প্রেম বা সমাজের ছবি এতে থাকলেও সেটি মূল বিষয় নয়, মূল বিষয় সাধনতত্ত্ব।
    মনে রাখুন:
    চর্যাপদের আদি কবি লুইপা।
    আরও কবি: কাহ্নপা, ভুসুকুপা, কুক্কুরীপা, শবরপা।
    পুঁথিটি ১৯১৬ সালে ‘হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা’ নামে ছাপা হয়।
  21. ৭৩. কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রেমমূলক কাব্যগ্রন্থ?
    • ক. ছায়ানট
    • খ. সর্বহারা
    • গ. চক্রবাক
    • ঘ. মৃত্যুক্ষুধা
    উত্তর: গ. চক্রবাক
    কাজী নজরুল ইসলামের ‘চক্রবাক’ (১৯২৯) প্রেমের কবিতার সংকলন। তাতে বিরহ ও মিলনের সুর প্রধান। ‘সর্বহারা’ সাম্য ও মানবতার কবিতার বই, আর ‘মৃত্যুক্ষুধা’ তাঁর একটি উপন্যাস। ‘ছায়ানট’-এও প্রেমের কবিতা আছে, তবে পরীক্ষায় প্রেমমূলক কাব্য হিসেবে ‘চক্রবাক’ই প্রচলিত উত্তর। চক্রবাক পাখির জোড়া সারা রাত পরস্পরের থেকে আলাদা থাকে, তাই নামটিও বিরহের ভাবকে ইঙ্গিত করে।
    মনে রাখুন:
    নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নি-বীণা’ (১৯২২)।
    ছায়ানট ১৯২৫ সালে এবং সর্বহারা ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়।
    ‘মৃত্যুক্ষুধা’ (১৯৩০) নজরুলের একটি উপন্যাস।
  22. ৭৭. মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপন্যাস কোনটি?
    • ক. নেকড়ে অরণ্য
    • খ. পিঙ্গল আকাশ
    • গ. পলাশী ব্যারাক
    • ঘ. দোজখের ওম
    উত্তর: ক. নেকড়ে অরণ্য
    শওকত ওসমানের ‘নেকড়ে অরণ্য’ (১৯৭৩) মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা উপন্যাস। এতে পাকিস্তানি বাহিনীর নৃশংসতা ও মানুষের লড়াইয়ের কথা এসেছে। ‘দোজখের ওম’ আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের গল্পগ্রন্থ, উপন্যাস নয়। অন্য দুটি বিকল্প মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপন্যাস হিসেবে প্রচলিত নয়।
    মনে রাখুন:
    শওকত ওসমানের আরও মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস: জাহান্নাম হইতে বিদায়, জলাংগী, দুই সৈনিক।
    তাঁর বিখ্যাত অন্য উপন্যাস ‘ক্রীতদাসের হাসি’ (১৯৬২)।
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের উপন্যাস চিলেকোঠার সেপাই ও খোয়াবনামা।
  23. ৮১. দ্বন্দ্ব সমাস-জাত শব্দ কোনটি?
    • ক. মহাজন
    • খ. রেলগাড়ি
    • গ. আলোছায়া
    • ঘ. বাগ্দত্তা
    উত্তর: গ. আলোছায়া
    যে সমাসে সব পদের অর্থ সমান গুরুত্বপূর্ণ, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। ‘আলো ও ছায়া’ মিলে ‘আলোছায়া’ হয়েছে, দুটি পদের গুরুত্বই সমান। তাই এটি দ্বন্দ্ব সমাস। অন্যগুলো: মহাজন কর্মধারয়, রেলগাড়ি মধ্যপদলোপী কর্মধারয়, আর বাগ্দত্তা তৎপুরুষ সমাস। দ্বন্দ্ব সমাসের ব্যাসবাক্যে সাধারণত ‘ও’ বা ‘এবং’ বসে।
    উদাহরণ:
    মা-বাবা, ভাই-বোন, দিনরাত।
    মনে রাখুন: দ্বন্দ্ব সমাসে সব পদের অর্থই প্রধান, কর্মধারয়ে বিশেষ্য ও বিশেষণ মিলে একটি পদ হয়।
  24. ৯৪. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অনুবাদ গ্রন্থটি হচ্ছে–
    • ক. অতি অল্প হইল
    • খ. ভ্রান্তিবিলাস
    • গ. ব্রজবিলাস
    • ঘ. প্রভাবতী সম্ভাষণ
    উত্তর: খ. ভ্রান্তিবিলাস
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ‘ভ্রান্তিবিলাস’ (১৮৬৯) শেক্সপিয়ারের ‘কমেডি অব এররস’ নাটকের গদ্য অনুবাদ। বাকি তিনটি অনুবাদগ্রন্থ নয়: ‘অতি অল্প হইল’ ও ‘ব্রজবিলাস’ তাঁর ছদ্মনামে লেখা ব্যঙ্গ রচনা, আর ‘প্রভাবতী সম্ভাষণ’ তাঁর নিজের লেখা শোকগাথা। বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যকে সহজ ও সুশৃঙ্খল রূপ দিয়েছিলেন, তাই তাঁকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়।
    মনে রাখুন:
    বিদ্যাসাগরের অন্যান্য অনুবাদ: বেতালপঞ্চবিংশতি (১৮৪৭), শকুন্তলা (১৮৫৪), সীতার বনবাস (১৮৬০)।
    তাঁর রচিত বর্ণপরিচয় (১৮৫৫) আজও পরিচিত।
    ১৮৫৬ সালে তাঁর উদ্যোগে বিধবা বিবাহ আইন পাস হয়।

ইংরেজি

  1. ৩. Do not look down— the poor.
    • ক. on
    • খ. over
    • গ. with
    • ঘ. for
    উত্তর: ক. on
    Look down on কথাটি একটি phrasal verb, যার অর্থ নিজেকে বড় ভেবে কাউকে ছোট বা তুচ্ছ মনে করা। এই অর্থে look down-এর পরে সবসময় preposition on বসে। তাই বাক্যটি হবে: Do not look down on the poor, অর্থাৎ গরিবদের তুচ্ছ করো না। অন্য preposition বসালে অর্থ মেলে না। যেমন look down for বা look down with বলে কোনো প্রচলিত phrasal verb নেই।
    মনে রাখুন:
    Look up to মানে শ্রদ্ধা করা, আর look down on মানে অবজ্ঞা করা।
    Look after মানে যত্ন নেওয়া, look for মানে খোঁজা।
    উদাহরণ:
    We should look up to our teachers.
  2. ৬. 'Come with me.' This is an—
    • ক. imperative sentence
    • খ. interrogative sentence
    • গ. assertive sentence
    • ঘ. exclamatory sentence
    উত্তর: ক. imperative sentence
    যে বাক্যে আদেশ, অনুরোধ, উপদেশ বা নিষেধ বোঝায়, তাকে imperative sentence বলে। ‘Come with me.’ বাক্যে কাউকে সঙ্গে আসতে বলা হচ্ছে, আর বাক্যটি verb দিয়ে শুরু হয়েছে। তাই এটি imperative। এখানে প্রশ্ন নেই বলে এটি interrogative নয়, আবার কোনো তথ্য জানানো হচ্ছে না বলে assertive-ও নয়।
    মনে রাখুন:
    Imperative বাক্যে সাধারণত subject (you) উহ্য থাকে।
    Interrogative মানে প্রশ্নবোধক, assertive মানে বিবৃতিমূলক, exclamatory মানে বিস্ময়সূচক বাক্য।
    উদাহরণ:
    Open the door. (আদেশ)
    Please help me. (অনুরোধ)
    Do not make noise. (নিষেধ)
  3. ১১. The expression 'in a fix' means—
    • ক. in a difficult situation
    • খ. very slow
    • গ. not able to move
    • ঘ. without change
    উত্তর: ক. in a difficult situation
    In a fix একটি idiom, যার অর্থ কঠিন বা বিপজ্জনক অবস্থায় পড়া, অর্থাৎ উভয়সংকটে পড়া। যেমন: He was in a fix when he lost his wallet. অর্থাৎ মানিব্যাগ হারিয়ে সে বিপদে পড়েছিল। তাই সঠিক উত্তর in a difficult situation। বাকি অর্থগুলো এই idiom-এর সঙ্গে মেলে না: very slow মানে খুব ধীর, not able to move মানে নড়তে না পারা, without change মানে পরিবর্তন ছাড়া।
    মনে রাখুন:
    In a fix-এর কাছাকাছি idiom: in hot water (বিপদে পড়া), in a tight corner (কঠিন অবস্থায়)।
    উদাহরণ:
    I am in a fix, so I need your advice.
  4. ১২. Identify the correct spelling :
    • ক. precarrious
    • খ. precarious
    • গ. pricareous
    • ঘ. precarrous
    উত্তর: খ. precarious
    সঠিক বানান precarious, যার অর্থ অনিশ্চিত বা বিপজ্জনক। শব্দটির গঠন pre-car-i-ous, এখানে r একটিই, দুটি নয়। মনে রাখার সহজ উপায় হলো এটিকে ভাগ করে নেওয়া: pre + car + i + ous। অন্য বিকল্পগুলোতে হয় r দুবার বসেছে, নয়তো অক্ষরের ক্রম উল্টে গেছে, তাই সেগুলো ভুল।
    উদাহরণ:
    He was in a precarious position on the edge of the cliff.
    মনে রাখুন:
    Precarious-এর সমার্থক শব্দ: risky, unsafe, uncertain।
    Precarious-এর বিপরীত শব্দ: secure, safe।
  5. ২৩. — small, the room is well furnished.
    • ক. Despite
    • খ. If
    • গ. Although
    • ঘ. Unless
    উত্তর: গ. Although
    বাক্যটির অর্থ: যদিও ঘরটি ছোট, তবু সেটি ভালোভাবে সাজানো। দুটি বিপরীত কথাকে জুড়তে Although (যদিও) ব্যবহার করা হয়। Although small মানে Although it is small, এখানে ‘it is’ বাদ গেছে। Despite-এর পরে noun বা gerund বসে, তাই Despite small ঠিক নয়। If মানে যদি, আর Unless মানে যদি না, এগুলো অর্থ মেলায় না।
    উদাহরণ:
    Although poor, he was honest.
    মনে রাখুন:
    Although ও though একই অর্থে চলে, দুটির পরেই clause বসে।
    Despite ও in spite of-এর পরে noun বা gerund বসে, যেমন Despite the rain, we went out.
  6. ২৪. You can ask for help— you need it.
    • ক. because
    • খ. whenever
    • গ. unless
    • ঘ. although
    উত্তর: খ. whenever
    বাক্যের অর্থ: তোমার যখনই সাহায্যের প্রয়োজন, তখনই সাহায্য চাইতে পারো। ‘যখনই’ বোঝাতে Whenever বসে। Because মানে কারণ, Unless মানে যদি না, আর Although মানে যদিও, এগুলো এখানে অর্থ প্রকাশ করে না। Whenever দিয়ে একটি শর্ত ও সময় একসঙ্গে বোঝানো যায়, যার মানে ‘যেকোনো সময়ে’।
    উদাহরণ:
    Call me whenever you need me.
    মনে রাখুন:
    Wherever মানে যেখানেই, whoever মানে যে-ই, whatever মানে যা-ই।
  7. ২৭. Identify the word that means the opposite of 'splendid' :
    • ক. extraordinary
    • খ. ordinary
    • গ. pompous
    • ঘ. precious
    উত্তর: খ. ordinary
    Splendid মানে জমকালো বা চমৎকার, আর ordinary মানে সাধারণ, যার মধ্যে বিশেষত্ব নেই। তাই ordinary হলো splendid-এর বিপরীত। বাকিগুলোর অর্থ আলাদা: extraordinary মানে অসাধারণ, pompous মানে আড়ম্বরপূর্ণ আর precious মানে মূল্যবান। এখানে extraordinary-কে অনেকে বিপরীত ভাবে, কিন্তু সেটি splendid-এর কাছাকাছি অর্থ বহন করে।
    মনে রাখুন:
    Splendid-এর সমার্থক শব্দ magnificent ও grand।
    Ordinary-এর সমার্থক শব্দ common ও usual।
    উদাহরণ:
    The palace looked splendid at night.
  8. ২৮. What do we mean by 'tooth and nail'?
    • ক. very strong
    • খ. desperately
    • গ. to the core
    • ঘ. dangerous
    উত্তর: খ. desperately
    Tooth and nail একটি idiom, যার অর্থ প্রাণপণে বা মরিয়া হয়ে। কেউ যখন দাঁত ও নখ দিয়ে লড়াই করে, তখন বোঝায় সে সব শক্তি দিয়ে লড়ছে। এই ভাবটি desperately শব্দে প্রকাশ পায়। অন্য বিকল্পগুলো এই অর্থ ধরে না: very strong মানে খুব শক্ত, to the core মানে একেবারে ভেতর পর্যন্ত, আর dangerous মানে বিপজ্জনক।
    উদাহরণ:
    They fought tooth and nail to save their home.
    মনে রাখুন:
    আরও কাছাকাছি idiom: by hook or by crook মানে যেভাবেই হোক, hand and glove মানে খুব ঘনিষ্ঠ।
  9. ৩২. I wanted a red shirt. But they only had—.
    • ক. a one orange
    • খ. one orange
    • গ. an orange one
    • ঘ. an orange
    উত্তর: গ. an orange one
    বাক্যটির অর্থ: আমি লাল জামা চেয়েছিলাম, কিন্তু ওদের কাছে শুধু কমলা রঙেরটা ছিল। এখানে shirt আগে উল্লেখ করা হয়েছে, তাই পুনরাবৃত্তি এড়াতে one বসে। Orange স্বরধ্বনি দিয়ে শুরু, তাই এর আগে an বসে। ফলে ঠিক রূপ an orange one। ‘a one orange’ বা ‘one orange’ গঠনের দিক থেকে ঠিক নয়।
    মনে রাখুন:
    আগে বলা countable noun-এর বদলে one ব্যবহার করা হয়, বহুবচনে ones বসে।
    উদাহরণ:
    I don’t like the black shoes. I prefer the brown ones.
  10. ৩৭. — a child can understand it.
    • ক. Though
    • খ. Even
    • গ. Although
    • ঘ. Since
    উত্তর: খ. Even
    Even কোনো কথাকে জোর দিতে বসে, যার অর্থ ‘এমনকি’। বাক্যটি Even a child can understand it, অর্থাৎ এমনকি একটি শিশুও এটা বুঝতে পারে। Though ও Although পরে একটি পূর্ণ clause চান, আর Since এখানে অর্থ মেলায় না। তাই বাক্যে ‘a child’ কথাটি সরাসরি Even-এর পরে বসেছে।
    উদাহরণ:
    Even a child knows this.
    মনে রাখুন:
    Even শব্দ জোর দেওয়া ছাড়া তুলনাতেও আসে, যেমন even better মানে আরও ভালো।
    Even though মানে যদিও, যার পরে clause বসে।
  11. ৪১. The singular form of 'data' is—আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) ২০১৯
    • ক. deta
    • খ. detum
    • গ. datam
    • ঘ. datum
    উত্তর: ঘ. datum
    Data শব্দটি আসলে datum-এর plural form, তাই singular হলো datum। এটি ল্যাটিন ভাষা থেকে এসেছে। ল্যাটিন শব্দের এমন plural ইংরেজিতে আরও আছে। যদিও আজকাল দৈনন্দিন ইংরেজিতে data শব্দটি singular হিসেবেও ব্যবহৃত হয়, পরীক্ষায় ব্যাকরণ অনুযায়ী datum-ই singular।
    উদাহরণ:
    medium – media, bacterium – bacteria, curriculum – curricula।
    মনে রাখুন:
    আরও ল্যাটিন ও গ্রিক plural: criterion – criteria, phenomenon – phenomena, analysis – analyses, crisis – crises।
  12. ৪৩. Choose the word that has the same meaning as 'frightful' :
    • ক. awesome
    • খ. terrific
    • গ. terrible
    • ঘ. unpleasant
    উত্তর: গ. terrible
    Frightful মানে ভয়ংকর বা ভীষণ খারাপ। Terrible শব্দের অর্থও ভয়ংকর, তাই এটিই সমার্থক। Awesome মানে বিস্ময়কর, terrific মানে চমৎকার (বা অতি ভীতিকর, প্রসঙ্গভেদে) আর unpleasant মানে অপ্রীতিকর। দৈনন্দিন ইংরেজিতে terrific সাধারণত প্রশংসা বোঝায়, তাই পরীক্ষায় আমরা এই বিভ্রান্তি এড়াতে terrible-কেই সবচেয়ে সঠিক ধরি।
    উদাহরণ:
    The accident was a frightful sight.
    মনে রাখুন: Frightful-এর আরও সমার্থক শব্দ dreadful ও horrible।
  13. ৫৪. 'Do you see the flower'? Identify the correct passive form of the above sentence.
    • ক. Is the flower was seen by you?
    • খ. Is the flower being seen by you?
    • গ. Has the flower seen by you?
    • ঘ. Is the flower seen by you?
    উত্তর: ঘ. Is the flower seen by you?
    Do you see the flower? বাক্যটি Present Indefinite Tense-এর প্রশ্নবোধক বাক্য। এর Passive-এর গঠন: Am/Is/Are + object + past participle + by + subject। তাই হবে Is the flower seen by you? অন্য বিকল্পগুলোতে ‘was’ বা ‘being’ বসানো হয়েছে, যা tense মেলায় না। ‘Has the flower seen’ আবার গঠনের দিক থেকেই ভুল, কারণ সেখানে been বাদ গেছে।
    মনে রাখুন:
    Present Indefinite Passive-এ be-verb হিসেবে am/is/are বসে।
    Present Continuous-এর Passive: Is the flower being seen by you?
    Past Indefinite-এর Passive: Was the flower seen by you?
  14. ৬৪. 'Please speak slowly' Here the word 'slowly' is a/an—
    • ক. adjective
    • খ. adverb
    • গ. verb
    • ঘ. conjunction
    উত্তর: খ. adverb
    যে শব্দ verb, adjective বা অন্য adverb-কে বিশেষিত করে, তাকে adverb বলে। ‘Please speak slowly’ বাক্যে slowly শব্দটি speak ক্রিয়াটি কীভাবে করতে হবে তা বলছে, তাই এটি adverb। Slowly শব্দটি slow (adjective) + ly যুক্ত হয়ে গঠিত। Conjunction দুটি বাক্য বা অংশকে জোড়া দেয়, কিন্তু এখানে slowly সেই কাজ করছে না।
    উদাহরণ:
    She sings beautifully.
    মনে রাখুন:
    সাধারণত adjective-এর শেষে ly যুক্ত হলে adverb হয়, যেমন quick – quickly।
    কিছু adverb-এর রূপ adjective-এর মতোই, যেমন fast ও hard।
  15. ৬৫. He has been working here— three years.
    • ক. since
    • খ. for
    • গ. in
    • ঘ. during
    উত্তর: খ. for
    Present perfect continuous tense-এ সময়ের দৈর্ঘ্য (Period of time) বোঝাতে for বসে, যেমন for three years। আর সময়ের শুরুর বিন্দু বোঝাতে since ব্যবহার হয়, যেমন since 2020। এই বাক্যে three years একটি সময়ের পরিমাণ, শুরুর নির্দিষ্ট বিন্দু নয়, তাই since বসানো যাবে না।
    উদাহরণ:
    He has been living here for ten years.
    He has been living here since 2015.
    মনে রাখুন: Since-এর পরে নির্দিষ্ট সময়ের বিন্দু (সাল, মাস, দিন) বসে, আর for-এর পরে সময়ের পরিমাণ (দিন, মাস, বছর) বসে।
  16. ৬৯. He came to Bangladesh— November, 1993.
    • ক. in
    • খ. on
    • গ. at
    • ঘ. since
    উত্তর: ক. in
    মাসের নামের আগে in বসে। November একটি মাস, তাই বাক্যটি হবে: He came to Bangladesh in November, 1993. Since বসানো যাবে না, কারণ since-এর পর সময়ের শুরুর বিন্দু আসে এবং বাক্যের tense সেটির সঙ্গে মেলাতে হয়। এখানে tense past, তাই since ঠিক নয়।
    মনে রাখুন:
    নির্দিষ্ট তারিখ বা বারের আগে on (on 5 November)।
    নির্দিষ্ট সময়ের আগে at (at 5 pm)।
    মাস, ঋতু ও বছরের আগে in।
    উদাহরণ:
    He was born in 1990.
    We met on Monday.
  17. ৭৪. Choose the correct indirect speech : He said, "What a beautiful bird!"
    • ক. He said that what a beautiful bird it was.
    • খ. He exclaimed that it was a very beautiful bird.
    • গ. He exclaimed that it was a beautiful bird.
    • ঘ. He said that it was a very beautiful bird.
    উত্তর: খ. He exclaimed that it was a very beautiful bird.
    বিস্ময়সূচক (Exclamatory) বাক্যের indirect speech করতে said-এর বদলে exclaimed বা cried out ব্যবহার করা হয়, তার পরে that বসে। আর What a বা How থাকলে সাধারণত very বা great বসিয়ে adjective-কে জোর দিতে হয়। তাই সঠিক রূপ: He exclaimed that it was a very beautiful bird. প্রথম বিকল্পে said ও what রয়ে গেছে, যা ঠিক নয়। তৃতীয় বিকল্পে exclaimed ঠিক আছে, কিন্তু very বাদ যাওয়ায় বিস্ময়ের জোর হারিয়ে গেছে।
    মনে রাখুন:
    Interjection-এর অংশ যেমন Hurrah হলে exclaimed with joy বসে।
    Alas থাকলে exclaimed with sorrow বসে।
    উদাহরণ:
    He said, "How clever the boy is!" → He exclaimed that the boy was very clever.
  18. ৭৫. A person who thinks and talks too much about himself is called a/an—
    • ক. selfish
    • খ. egocentric
    • গ. egotism
    • ঘ. egoist
    উত্তর: ঘ. egoist
    Egoist বলতে সেই ব্যক্তিকে বোঝায়, যে নিজেকে নিয়েই বেশি ভাবে এবং নিজের কথাই বেশি বলে। তাই এটি প্রশ্নের বর্ণনার সঙ্গে মেলে। বাকি শব্দের অর্থ আলাদা: selfish মানে স্বার্থপর, egocentric মানে আত্মকেন্দ্রিক বিশেষণ, আর egotism মানে অহংবাদ, যা ব্যক্তি নয়, ভাব বোঝায়। এভাবে একটি ব্যক্তিকে বোঝানোর শব্দ বেছে নিতে হলে আমরা লক্ষ করি, শব্দটি person বোঝায়, নাকি গুণ বা ভাব।
    মনে রাখুন:
    Egoist-এর বিপরীত শব্দ altruist (পরার্থপর ব্যক্তি)।
    Philanthropist মানে মানবহিতৈষী।
    Misanthrope মানে মানুষকে ঘৃণা করে যে।
  19. ৭৬. Is he jealous— her fame?
    • ক. of
    • খ. for
    • গ. with
    • ঘ. over
    উত্তর: ক. of
    Jealous শব্দটির পরে preposition of বসে, যার অর্থ ঈর্ষান্বিত বা পরশ্রীকাতর। বাক্যটি: Is he jealous of her fame? অর্থাৎ সে কি তার খ্যাতিতে ঈর্ষান্বিত? এই ধরনের adjective-এর পরে কোন preposition বসবে, তা নিয়ম দিয়ে নয়, অভ্যাস ও চর্চা দিয়ে মনে রাখতে হয়।
    মনে রাখুন:
    একই ধরনের শব্দ: afraid of, proud of, fond of।
    Envious-এর পরেও of বসে।
    উদাহরণ:
    She is proud of her son.
  20. ৮০. The flower smells—.
    • ক. sweet
    • খ. sweetly
    • গ. fragrantly
    • ঘ. pleasant
    উত্তর: ক. sweet
    Smell, taste, look, feel, sound-এর মতো ক্রিয়া সাধারণত linking verb, যার পরে adverb নয়, adjective বসে। বাক্যটির অর্থ: ফুলটির মিষ্টি গন্ধ। তাই sweet বসে। Sweetly একটি adverb, আর pleasant বসালে বাক্যে ‘pleasantly’ লাগত। Fragrantly বসালেও ভুল হতো, কারণ এখানে ক্রিয়াটি কাজ বোঝাচ্ছে না, ফুলের গুণ বোঝাচ্ছে।
    উদাহরণ:
    The soup tastes good.
    মনে রাখুন:
    কিন্তু এই ক্রিয়া সাধারণ কাজ বোঝালে adverb বসে, যেমন She smelled the flower carefully.
  21. ৮২. The party was a disaster. There— there.
    • ক. wasn't nobody
    • খ. was anybody
    • গ. was nobody
    • ঘ. was somebody
    উত্তর: গ. was nobody
    বাক্যটির অর্থ: পার্টিটি ছিল বিপর্যয়, সেখানে কেউ ছিল না। এখানে was nobody বসে। Nobody নিজেই negative শব্দ, তাই এর সঙ্গে wasn’t বসালে double negative হয়ে যায়, যা ঠিক নয়। Anybody ও somebody বসালে অর্থ মেলে না। Was anybody বসালে বাক্যটি প্রশ্ন বা না-বাচক কাঠামোর দাবি করত, কিন্তু এখানে কোনো না-বাচক শব্দ নেই।
    উদাহরণ:
    There was nothing to eat.
    মনে রাখুন: ইংরেজিতে একটি বাক্যে দুটি negative শব্দ একসঙ্গে বসে না।
  22. ৮৭. The noun form of the word 'Prevent' is—
    • ক. preventable
    • খ. prevention
    • গ. prevented
    • ঘ. preventing
    উত্তর: খ. prevention
    Prevent একটি verb, যার অর্থ প্রতিরোধ করা। এর noun form prevention, যার অর্থ প্রতিরোধ। Preventable হলো adjective (যা প্রতিরোধযোগ্য), আর prevented ও preventing verb-এর অন্য রূপ। Verb-এর শেষে -ion যুক্ত করে অনেক noun হয়, যা ভাবকে বোঝায়।
    উদাহরণ:
    Prevention is better than cure.
    মনে রাখুন: আরও কিছু উদাহরণ: act – action, collect – collection, protect – protection।
  23. ৯২. Which one is correct?
    • ক. Sundarban
    • খ. The Sundarbans
    • গ. The Sundarban
    • ঘ. Sundarbans
    উত্তর: খ. The Sundarbans
    সুন্দরবন অনেকগুলো দ্বীপ ও বনের সমষ্টি, তাই ইংরেজিতে এটি plural হিসেবে ব্যবহৃত হয়: the Sundarbans। নদী, পর্বতমালা ও দ্বীপপুঞ্জের নামের আগে সাধারণত the বসে, তাই এখানেও article the লাগে। অন্য বিকল্পগুলোতে হয় the নেই, নয়তো শব্দটি singular রূপে লেখা হয়েছে।
    উদাহরণ:
    the Himalayas, the Andes, the Maldives.
    মনে রাখুন:
    নদীর নামের আগেও the বসে, যেমন the Padma।
    দেশের নামের আগে সাধারণত the বসে না, তবে বহুবচন বা সমষ্টি হলে বসে, যেমন the Netherlands।
  24. ৯৮. The phrasal verb 'break into' means—
    • ক. stop suddenly
    • খ. move very fast
    • গ. enter by force
    • ঘ. attack violently
    উত্তর: গ. enter by force
    Break into একটি phrasal verb, যার অর্থ জোর করে ঢোকা, যেমন চোরের ঘরে ঢোকা। তাই এর অর্থ enter by force। Break শব্দের সঙ্গে ভিন্ন preposition বসালে অর্থ বদলে যায়, তাই phrasal verb আলাদা করে শিখতে হয়।
    উদাহরণ:
    Thieves broke into the shop last night.
    মনে রাখুন:
    break down মানে ভেঙে পড়া বা অচল হওয়া।
    break out মানে হঠাৎ শুরু হওয়া, যেমন যুদ্ধ।
    break up মানে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়া বা টুকরো হওয়া।
  25. ৯৯. 'Walking is a good exercise' The word 'walking' in the above sentence is a—
    • ক. participle
    • খ. verb
    • গ. gerund
    • ঘ. phrase
    উত্তর: গ. gerund
    Verb-এর সঙ্গে -ing যুক্ত হয়ে যখন noun-এর কাজ করে, তখন তাকে gerund বলে। ‘Walking is a good exercise’ বাক্যে walking বাক্যের subject, অর্থাৎ ‘হাঁটা’ একটি কাজকে বিশেষ্য হিসেবে বোঝাচ্ছে। তাই এটি gerund। Participle হলে এটি adjective বা verb-এর কাজ করত।
    উদাহরণ:
    Swimming is good for health.
    মনে রাখুন:
    Gerund আর present participle দেখতে একই, কিন্তু gerund noun-এর কাজ করে।
    উদাহরণ: A walking stick-এ walking একটি gerund, কারণ এটি লাঠির কাজ বোঝায়।

বাংলাদেশ

  1. ৪. 'শহিদ জননী' কাকে বলা হয়?
    • ক. বেগম রোকেয়া
    • খ. সেলিনা হোসেন
    • গ. কাঁকন বিবি
    • ঘ. জাহানারা ইমাম
    উত্তর: ঘ. জাহানারা ইমাম
    জাহানারা ইমামকে ‘শহিদ জননী’ বলা হয়। মুক্তিযুদ্ধের সময় তাঁর বড় ছেলে রুমী মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে যুদ্ধে অংশ নেন এবং পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে ধরা পড়ে শহিদ হন। সন্তান হারানোর পরেও তিনি থেমে যাননি, পরে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে গড়ে ওঠা আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। এই কারণে মানুষ তাঁকে শুধু এক সন্তানের মা নয়, সব শহিদের মা হিসেবে সম্মান করে। অন্য নামগুলোর পরিচয় আলাদা: বেগম রোকেয়া নারীশিক্ষার অগ্রদূত, আর কাঁকন বিবি মুক্তিযুদ্ধের এক সাহসী নারী যোদ্ধা।
    মনে রাখুন:
    জাহানারা ইমামের জন্ম ১৯২৯ সালে, মৃত্যু ১৯৯৪ সালে।
    তাঁর বিখ্যাত বই ‘একাত্তরের দিনগুলি’।
    তিনি ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
  2. ১৬. বাংলাদেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
    • ক. চন্দ্রঘোনা
    • খ. রাঙামাটি
    • গ. বান্দরবান
    • ঘ. কাপ্তাই
    উত্তর: ঘ. কাপ্তাই
    বাংলাদেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র কর্ণফুলী নদীর ওপর রাঙামাটি জেলার কাপ্তাইয়ে অবস্থিত। কর্ণফুলী নদীতে বাঁধ দিয়ে কৃত্রিম হ্রদ তৈরি করা হয়েছে, আর সেই জমা পানির স্রোত দিয়ে টারবাইন ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। কেন্দ্রটি ১৯৬২ সালে চালু হয়। প্রশ্নে চন্দ্রঘোনা ও রাঙামাটি নাম থাকলেও কেন্দ্রটির মূল এলাকা কাপ্তাই হিসেবেই পরিচিত। মজার ব্যাপার হলো, নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ আটকে দেওয়ার কারণে একটি বিশাল হ্রদের সৃষ্টি হয়েছে।
    মনে রাখুন:
    কাপ্তাই হ্রদ দেশের সবচেয়ে বড় কৃত্রিম হ্রদ।
    কেন্দ্রটি চট্টগ্রাম বন্দর থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরে।
    জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র চালাতে নদীর বাঁধ ও উঁচু থেকে পানি পড়ার শক্তি কাজে লাগে।
  3. ২৬. আহসান মঞ্জিল নামকরণ কে করেন?
    • ক. নবাব আলিম উল্লাহ
    • খ. নবাব আবদুল গনি
    • গ. নবাব আব্দুল লতিফ
    • ঘ. নবাব মতি উল্লাহ
    উত্তর: খ. নবাব আবদুল গনি
    ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত আহসান মঞ্জিলের নামকরণ করেন নবাব আবদুল গনি। তিনি তাঁর পুত্র খাজা আহসানউল্লাহর নামে প্রাসাদটির নাম রাখেন। এটি ১৮৫৯ থেকে ১৮৭২ সালের মধ্যে নির্মিত হয়। এখন এটি জাদুঘর। প্রাসাদটির আগের ইতিহাসও জানার মতো, এখানে আগে ফরাসি বণিকদের কুঠি ছিল, পরে নবাব পরিবার সেই জায়গা কিনে নেয়। গোলাপি রঙের কারণে একে অনেকে ‘গোলাপি প্রাসাদ’ও বলে।
    মনে রাখুন:
    ১৯৯২ সালে আহসান মঞ্জিলকে জাদুঘরে রূপ দেওয়া হয়।
    নবাব আবদুল গনির পুত্র খাজা আহসানউল্লাহ ও নাতি নবাব সলিমুল্লাহ।
    নবাব সলিমুল্লাহর উদ্যোগে ১৯০৬ সালে ঢাকায় মুসলিম লীগ গঠিত হয়।
  4. ৪৬. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান কত তারিখে গণপরিষদে গৃহীত হয়?
    • ক. ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর
    • খ. ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর
    • গ. ১৯৭৩ সালের ২৬ মার্চ
    • ঘ. ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর
    উত্তর: খ. ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর
    বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়। এরপর ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ থেকে এটি কার্যকর হয়। অর্থাৎ গৃহীত হওয়ার তারিখ এবং কার্যকর হওয়ার তারিখ আলাদা। দিনটি বেছে নেওয়া হয়েছিল বিজয় দিবসের স্মরণে। প্রশ্নের অন্য তারিখগুলো এই দুই তারিখের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলার জন্য দেওয়া হয়েছে।
    মনে রাখুন:
    সংবিধানের মূল কপি হাতে লেখা ও চিত্রিত, শিল্পী আবদুর রউফ।
    বাংলাদেশের সংবিধান একটি লিখিত সংবিধান।
    সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
    মূল সংবিধানে ১১টি ভাগ ও ১৫৩টি অনুচ্ছেদ ছিল।
  5. ৫০. 'মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি'– গানটির প্রথম গায়ক কে?
    • ক. প্রবাল চৌধুরী
    • খ. আজাদ রহমান
    • গ. মো. আবদুল জব্বার
    • ঘ. আপেল মাহমুদ
    উত্তর: ঘ. আপেল মাহমুদ
    ‘মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি’ গানটি মুক্তিযুদ্ধের সময়কার একটি জনপ্রিয় গান। এর গীতিকার গোবিন্দ হালদার, আর সুর দিয়ে গানটি প্রথম গেয়েছিলেন আপেল মাহমুদ। তিনি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী ছিলেন। যুদ্ধের দিনগুলোতে এই গান মানুষের মনে সাহস জুগিয়েছিল, কারণ এতে ফুলের মতো সুন্দর স্বাধীন দেশের স্বপ্ন ফুটে উঠেছে।
    মনে রাখুন:
    গোবিন্দ হালদারের আরও বিখ্যাত গান ‘এক সাগর রক্তের বিনিময়ে’ (সুর ও কণ্ঠ আপেল মাহমুদ)।
    স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র ১৯৭১ সালে কলকাতার বালিগঞ্জে প্রতিষ্ঠিত হয়।
    গোবিন্দ হালদারের আরেকটি পরিচিত গান ‘শোন একটি মুজিবরের থেকে লক্ষ মুজিবরের কণ্ঠস্বরের ধ্বনি’।
  6. ৫৯. আমাদের 'মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর' কোথায় অবস্থিত?
    • ক. সেগুনবাগিচা
    • খ. শাহবাগ
    • গ. মতিঝিল
    • ঘ. আগারগাঁও
    উত্তর: ঘ. আগারগাঁও
    মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ১৯৯৬ সালের ২২ মার্চ ঢাকার সেগুনবাগিচায় একটি ভাড়া বাড়িতে প্রতিষ্ঠিত হয়। পরে আগারগাঁওয়ে নিজস্ব নতুন ভবন তৈরি হলে ২০১৭ সালের এপ্রিলে সেখানে জাদুঘরটি স্থানান্তরিত হয়। তাই এখন এটি আগারগাঁওয়ে অবস্থিত। পুরোনো ঠিকানা সেগুনবাগিচা প্রশ্নে বিকল্প হিসেবে আছে, কিন্তু সেটি এখন আর জাদুঘরের ঠিকানা নয়।
    মনে রাখুন:
    জাদুঘরটি একটি ট্রাস্টের অধীনে বেসরকারি উদ্যোগে গড়ে উঠেছে।
    ঢাকার জাতীয় জাদুঘর শাহবাগে অবস্থিত।
    বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কে অবস্থিত।
  7. ৬২. জাতিসংঘের তথ্য মতে বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় কত লক্ষ মানুষ মোট জনসংখ্যার সাথে যুক্ত হচ্ছে?
    • ক. ১০ লাখ
    • খ. ২০ লাখ
    • গ. ৪০ লাখ
    • ঘ. ৩০ লাখ
    উত্তর: ঘ. ৩০ লাখ
    বাংলাদেশ ঘনবসতিপূর্ণ দেশ, তাই প্রতি বছর জনসংখ্যার সঙ্গে বিপুল সংখ্যক মানুষ যুক্ত হচ্ছে। পরীক্ষার প্রচলিত উত্তর অনুযায়ী এই সংখ্যা প্রায় ৩০ লাখ। জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমানো তাই দেশের উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। জনসংখ্যা বাড়লে খাদ্য, বাসস্থান, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের ওপর চাপ বাড়ে।
    মনে রাখুন:
    জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ও মোট সংখ্যা সময়ের সঙ্গে বদলায়, তাই সবসময় নির্দিষ্ট সালের তথ্য দেখতে হয়।
    ২০২২ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা প্রায় ১৭ কোটি।
  8. ৬৭. কোন নৃ-গোষ্ঠী তিব্বত থেকে এসেছে?
    • ক. গারো
    • খ. ম্রো
    • গ. ওঁরাও
    • ঘ. খাসিয়া
    উত্তর: ক. গারো
    গারো সম্প্রদায়কে মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত বলা হয়, যারা তিব্বত-বর্মন ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। জনশ্রুতি অনুযায়ী তারা তিব্বত থেকে এসেছে। বাংলাদেশে গারোরা প্রধানত ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও শেরপুর অঞ্চলে বাস করে। তাদের সমাজ মাতৃসূত্রীয়, অর্থাৎ বংশ চলে মায়ের দিক থেকে। প্রশ্নের অন্য নৃ-গোষ্ঠীগুলোর উৎপত্তির ইতিহাস আলাদা।
    মনে রাখুন:
    ওঁরাও দ্রাবিড় বংশোদ্ভূত, আর খাসিয়ারা মন-খেমার ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্গত।
    গারোদের নিজেদের ভাষাকে আচিক বলা হয়।
    ম্রো সম্প্রদায় প্রধানত বান্দরবানে বাস করে।
  9. ৭৯. ছিয়াত্তরের মন্বন্তর হয়েছিল বাংলা কত সালে?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৯
    • ক. ১৮৭৬ সালে
    • খ. ১৩৭৬ সালে
    • গ. ১২৭৬ সালে
    • ঘ. ১১৭৬ সালে
    উত্তর: ঘ. ১১৭৬ সালে
    ১১৭৬ বঙ্গাব্দে বাংলায় এক ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ হয়, যা ইতিহাসে ‘ছিয়াত্তরের মন্বন্তর’ নামে পরিচিত। বাংলা সন ১১৭৬ মানে ইংরেজি ১৭৭০ সাল, কারণ বঙ্গাব্দ খ্রিস্টাব্দের চেয়ে ৫৯৩ বছর কম। এই দুর্ভিক্ষে বাংলার জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মারা যায়। তখন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলার দেওয়ানি পেয়ে খাজনা আদায় করছিল, কিন্তু প্রজাদের সুরক্ষার ব্যবস্থা নেয়নি।
    মনে রাখুন:
    তখন বাংলায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন চলছিল।
    ১৩৫০ বঙ্গাব্দের দুর্ভিক্ষকে বলা হয় পঞ্চাশের মন্বন্তর, যা ১৯৪৩ সালে হয়েছিল।
    বঙ্কিমচন্দ্রের ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাসের পটভূমিতে এই মন্বন্তরের ছায়া আছে।
  10. ৮৯. বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গা শিশুদের লেখাপড়ার সুবিধা দেয়ার জন্য জাতিসংঘের একটি শাখাকে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শাখাটির নাম কী?
    • ক. ইউনেস্কো
    • খ. ইউনিসেফ
    • গ. সার্ক
    • ঘ. ইউএনডিপি
    উত্তর: খ. ইউনিসেফ
    জাতিসংঘের শিশু তহবিল ইউনিসেফ (UNICEF) শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সুরক্ষার জন্য কাজ করে। কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরে রোহিঙ্গা শিশুদের জন্য ইউনিসেফ শিক্ষাকেন্দ্র চালায়। ইউনেস্কো শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির সংস্থা, আর ইউএনডিপি উন্নয়ন কর্মসূচি। সার্ক জাতিসংঘের শাখা নয়, এটি দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সংস্থা। প্রশ্নে বলা হয়েছে ‘জাতিসংঘের একটি শাখা’, তাই সার্ক আগেই বাদ যায়।
    মনে রাখুন:
    ইউনিসেফের সদর দপ্তর নিউইয়র্কে।
    ইউনেস্কোর সদর দপ্তর প্যারিসে।
    ২০১৭ সালের আগস্টের পর মিয়ানমার থেকে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়।
  11. ৯৩. বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব কে ছিলেন?
    • ক. মীর কাশিম
    • খ. মীর জাফর
    • গ. মীর জুমলা
    • ঘ. সিরাজউদ্দৌলা
    উত্তর: ঘ. সিরাজউদ্দৌলা
    নবাব সিরাজউদ্দৌলা বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব। ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর যুদ্ধে ইংরেজদের কাছে তিনি পরাজিত হন। এই যুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলায় ইংরেজ শাসনের সূচনা হয়। মীর জাফর ও মীর কাশিম পরবর্তী সময়ে ইংরেজদের পুতুল নবাব ছিলেন। মীর জুমলা কোনো নবাব ছিলেন না, তিনি মোগল আমলে বাংলার সুবাদার ছিলেন।
    মনে রাখুন:
    মীর জাফর সিরাজের সেনাপতি হয়েও ষড়যন্ত্রে যোগ দেন, ফলে যুদ্ধে পরাজয় ঘটে।
    ইংরেজ পক্ষের সেনাপতি ছিলেন রবার্ট ক্লাইভ।
    সিরাজউদ্দৌলা ১৭৫৬ সালে তাঁর নানা আলীবর্দী খাঁর মৃত্যুর পর নবাব হন।
  12. ৯৬. বাংলাদেশের প্রথম সরকারের নাম কী?
    • ক. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
    • খ. মহাজোট সরকার
    • গ. মুজিবনগর সরকার
    • ঘ. চারদলীয় জোট সরকার
    উত্তর: গ. মুজিবনগর সরকার
    বাংলাদেশের প্রথম সরকার মুজিবনগর সরকার। ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল এর গঠন ঘোষণা করা হয় এবং ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আমবাগানে শপথ নেয়। পরে জায়গাটির নাম হয় মুজিবনগর। এটিকে প্রবাসী সরকারও বলা হয়। অন্য বিকল্পগুলো স্বাধীনতার পরের সময়ের সরকার, তাই প্রথম সরকার হতে পারে না।
    মনে রাখুন:
    রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান (অনুপস্থিত), উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ।
    মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন কর্নেল এম এ জি ওসমানী।
    অধ্যাপক ইউসুফ আলী স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।

বিজ্ঞান

  1. ৫. যে রং বেশি দূর থেকে দেখা যায় তা হলো—
    • ক. লাল
    • খ. বেগুনি
    • গ. হলুদ
    • ঘ. কমলা
    উত্তর: ক. লাল
    আলোর রং নির্ভর করে তরঙ্গদৈর্ঘ্যের (Wavelength) ওপর। দৃশ্যমান আলোর মধ্যে লাল রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি। বড় তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো বাতাসের কণায় কম বিক্ষিপ্ত (Scattering) হয়, ফলে অনেক দূর পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। এ কারণেই লাল রং সবচেয়ে বেশি দূর থেকে দেখা যায়, আর বিপদসংকেতে লাল আলো ব্যবহার করা হয়। মজার ব্যাপার হলো, ট্রাফিক সিগনালে থামার জন্য লাল বাতি রাখার কারণও এটাই।
    মনে রাখুন:
    বেগুনি রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম, তাই এর বিক্ষেপণ সবচেয়ে বেশি।
    আকাশ নীল দেখায় কারণ নীল আলো বেশি বিক্ষিপ্ত হয়।
    রামধনুর সাত রং: বেগুনি, নীল, আসমানি, সবুজ, হলুদ, কমলা, লাল।
  2. ১৪. রক্তের কোন কণিকা বৃদ্ধি পেলে ব্লাড ক্যান্সার হয়?
    • ক. লোহিত কণিকা
    • খ. শ্বেত কণিকা
    • গ. শ্বেত ও লোহিত কণিকা
    • ঘ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: খ. শ্বেত কণিকা
    শ্বেত রক্তকণিকা (White Blood Cell) আমাদের দেহকে জীবাণুর হাত থেকে রক্ষা করে। কিন্তু এই কণিকা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেলে রক্তের ক্যান্সার হয়, যাকে লিউকেমিয়া (Leukemia) বলে। অন্যদিকে লোহিত রক্তকণিকা (Red Blood Cell) দেহের কোষে অক্সিজেন পৌঁছে দেয়, আর এটি কমে গেলে রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া দেখা দেয়। তাই কোন কণিকা বাড়লে বা কমলে কী রোগ হয়, এই পার্থক্যটা আমাদের জানা দরকার।
    মনে রাখুন:
    লিউকেমিয়ায় অস্থিমজ্জায় অস্বাভাবিক শ্বেত কণিকা তৈরি হতে থাকে।
    লোহিত কণিকা কমলে অ্যানিমিয়া হয়।
    অণুচক্রিকা (Platelet) রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে।
  3. ২১. কোনটি হৃদরোগের কারণ?
    • ক. পরিমিত ঘুম
    • খ. ধূমপান
    • গ. সুষম খাদ্যগ্রহণ
    • ঘ. রক্তপাত
    উত্তর: খ. ধূমপান
    ধূমপান হৃদরোগের একটি প্রধান কারণ। সিগারেটের ধোঁয়ায় নিকোটিনসহ অনেক ক্ষতিকর পদার্থ থাকে, যা রক্তনালিকে সংকুচিত করে এবং রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়। ফলে হৃৎপিণ্ডকে বেশি পরিশ্রম করতে হয়। অন্যদিকে পরিমিত ঘুম ও সুষম খাদ্য আমাদের সুস্থ রাখে, আর রক্তপাত সরাসরি হৃদরোগ সৃষ্টি করে না, এটি দেহ থেকে রক্ত হারানোর অবস্থা। এছাড়া অতিরিক্ত তেলে ভাজা খাবার, স্থূলতা ও পরিশ্রমহীন জীবনও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
    মনে রাখুন:
    ধূমপান হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক ও ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকিও বাড়ায়।
    তামাকের প্রধান ক্ষতিকর উপাদান নিকোটিন।
    উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসও হৃদরোগের কারণ।
  4. ২৯. হিমোগ্লোবিন কোন জাতীয় পদার্থ?
    • ক. আয়োডিন
    • খ. আমিষ
    • গ. স্নেহ
    • ঘ. ভিটামিন
    উত্তর: খ. আমিষ
    হিমোগ্লোবিন (Haemoglobin) লোহিত রক্তকণিকায় থাকে। এটি হিম নামের লৌহযুক্ত অংশ ও গ্লোবিন নামের প্রোটিন দিয়ে গঠিত, তাই এটি আমিষ জাতীয় পদার্থ। হিমোগ্লোবিন ফুসফুস থেকে অক্সিজেন নিয়ে দেহের কোষে পৌঁছে দেয়। দেহে আয়রনের অভাব হলে হিমোগ্লোবিন কম তৈরি হয় এবং রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া দেখা দেয়।
    মনে রাখুন:
    এটির রঙ লাল, কারণ এর লোহা অক্সিজেনের সঙ্গে যুক্ত হয়।
    লোহিত কণিকা অস্থিমজ্জায় তৈরি হয় এবং এর আয়ু প্রায় ১২০ দিন।
    কার্বন মনোক্সাইড হিমোগ্লোবিনের সঙ্গে সহজে যুক্ত হয়ে অক্সিজেন পরিবহন বন্ধ করে দেয়।
  5. ৩৯. পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই যে দুর্যোগ সংঘটিত হয় তা হলো-
    • ক. ঘূর্ণিঝড়
    • খ. বন্যা
    • গ. খরা
    • ঘ. ভূমিকম্প
    উত্তর: ঘ. ভূমিকম্প
    ভূমিকম্পে মাটির নিচের বিপুল শক্তি হঠাৎ বের হয়ে আসে। তাই এটি কোনো পূর্বাভাস ছাড়াই ঘটে। অন্যদিকে ঘূর্ণিঝড় ও বন্যার আগে আবহাওয়া দপ্তর সাধারণত সতর্কসংকেত দিতে পারে, আর খরা ধীরে ধীরে তৈরি হয়। আমরা তাই ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার জন্য আগে থেকে প্রস্তুতি নিতে পারি, কিন্তু ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে সেই সুযোগ খুবই কম।
    মনে রাখুন:
    ভূমিকম্প মাপার যন্ত্র সিসমোগ্রাফ (Seismograph), আর মাপার একক রিখটার স্কেল।
    ভূমিকম্পের উৎসস্থলের ঠিক ওপরের ভূপৃষ্ঠের বিন্দুকে কেন্দ্র বা এপিসেন্টার (Epicentre) বলে।
    ভূমিকম্প বিষয়ক বিজ্ঞানের নাম সিসমোলজি।
  6. ৪২. মানবদেহে পানির পরিমাণ শতকরা কত ভাগ?
    • ক. ৫০%
    • খ. ৬০%
    • গ. ৭০%
    • ঘ. ৮০%
    উত্তর: খ. ৬০%
    মানবদেহের ওজনের একটি বড় অংশ পানি। পূর্ণবয়স্ক মানুষের দেহে এর পরিমাণ গড়ে প্রায় ৬০ শতাংশ। শিশুদের শরীরে পানির অনুপাত আরও বেশি থাকে। পানি রক্ত ও কোষে বিভিন্ন পুষ্টি পরিবহনে এবং দেহের তাপমাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে। ঘামের মাধ্যমে দেহ থেকে পানি বের হয়ে গেলে আমরা গরম থেকে স্বস্তি পাই, এভাবেই তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ হয়।
    মনে রাখুন:
    একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কের প্রতিদিন প্রায় ২ থেকে ৩ লিটার পানি পান করা উচিত।
    রক্তরসের (Plasma) প্রায় ৯০ ভাগই পানি।
    দেহে পানির অভাব হলে ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা হয়।
  7. ৫৩. বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্ট যে ধাতু দিয়ে তৈরি তা হলো-
    • ক. পিতল
    • খ. তামা
    • গ. সীসা
    • ঘ. টাংস্টেন
    উত্তর: ঘ. টাংস্টেন
    বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্ট টাংস্টেন (Tungsten) ধাতু দিয়ে তৈরি। এর গলনাঙ্ক প্রায় ৩৪১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা সব ধাতুর চেয়ে বেশি। তাই খুব গরম হয়ে সাদা আলো দিলেও এটি গলে যায় না। পিতল, তামা বা সীসার গলনাঙ্ক অনেক কম, তাই ফিলামেন্ট হিসেবে ব্যবহার করা যায় না। প্রথম দিকের বাল্বে কার্বনের ফিলামেন্ট ব্যবহার হতো, পরে টাংস্টেন সেই জায়গা নেয়।
    মনে রাখুন:
    বাল্বের ভেতরে সাধারণত নিষ্ক্রিয় গ্যাস ভরা থাকে, যাতে ফিলামেন্ট পুড়ে না যায়।
    টাংস্টেনের রাসায়নিক প্রতীক W।
    বৈদ্যুতিক ফিউজ তারে সীসা ও টিনের সংকর ব্যবহার হয়, কারণ এর গলনাঙ্ক কম।
  8. ৭১. হাড় ও দাঁতকে মজবুত করে-
    • ক. ফসফরাস
    • খ. আয়োডিন
    • গ. আয়রন
    • ঘ. পটাসিয়াম
    উত্তর: ক. ফসফরাস
    আমাদের হাড় ও দাঁত প্রধানত ক্যালসিয়াম ফসফেট দিয়ে গঠিত, তাই ফসফরাস হাড় ও দাঁতকে মজবুত করে। ক্যালসিয়ামের সঙ্গে মিলে এটি এই কাজটি করে। আয়োডিন থাইরয়েড গ্রন্থির হরমোন তৈরিতে লাগে, আয়রন হিমোগ্লোবিন তৈরি করে এবং পটাসিয়াম স্নায়ু ও পেশির কাজে সাহায্য করে। হাড় শক্ত রাখতে ক্যালসিয়ামও সমান জরুরি, আর ভিটামিন ডি এই ক্যালসিয়াম শোষণে সাহায্য করে।
    মনে রাখুন:
    দুধ, ডিম ও মাছ ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের ভালো উৎস।
    ভিটামিন ডি-এর অভাবে শিশুদের রিকেট রোগ হয়।
    আয়োডিনের অভাবে গলগণ্ড রোগ হয়।

গণিত

  1. ২২. ছয় অঙ্কের বৃহত্তম সংখ্যার সাথে কোন ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি যোগ করলে ২, ৩, ৪, ৫ ও ৬ দ্বারা নিঃশেষে বিভাজ্য হবে?
    • ক. ১৯
    • খ. ২০
    • গ. ২১
    • ঘ. ৩০
    উত্তর: গ. ২১
    ২, ৩, ৪, ৫ ও ৬ দিয়ে বিভাজ্য হতে হলে সংখ্যাটিকে এদের ল.সা.গু. দিয়ে বিভাজ্য হতে হবে।
    ল.সা.গু. = 60
    ছয় অঙ্কের বৃহত্তম সংখ্যা 999999। 999999 ÷ 60 = 16666, ভাগশেষ 39।
    তাই 60 − 39 = 21 যোগ করলে সংখ্যাটি 60 দিয়ে নিঃশেষে বিভাজ্য হবে।
    যাচাই: 999999 + 21 = 1000020 এবং 1000020 ÷ 60 = 16667, কোনো ভাগশেষ থাকে না। তবে যোগ করার পর সংখ্যাটি সাত অঙ্কের হয়ে গেছে, প্রশ্নে সেটাই চাওয়া হয়েছে।
    মনে রাখুন:
    ভাগশেষ r হলে যোগ করতে হয় (ভাজক − r)।
    আর বিয়োগ করতে হলে ভাগশেষটিই বিয়োগ করতে হয়।
  2. ৩৪. log_x √৩৪৩ = ৩/২ হলে x=?
    • ক. √7
    • খ. 7
    • গ. 7√7
    • ঘ. 7²
    উত্তর: খ. 7
    লগের সংজ্ঞা অনুযায়ী log_x √343 = 3/2 হলে x^(3/2) = √343।
    √343 = (7³)^(1/2) = 7^(3/2)
    তাই x^(3/2) = 7^(3/2)
    উভয় পাশে ঘাতের নিচের মান সমান, আবার ঘাতও একই (3/2), তাই ভিত্তি সমান হতে হবে। অর্থাৎ x = 7।
    যাচাই: log_7 √343 = log_7 7^(3/2) = 3/2, সংখ্যাটি মিলে যায়।
    মনে রাখুন: log_a b = c হলে a^c = b হয়, আর log_a a = 1।
  3. ৪৭. দুটি সংখ্যার গুণফল ২২৫০ এবং ভাগফল ৯/১০। সংখ্যা দুটির অন্তর—
    • ক. ৫
    • খ. ৬
    • গ. ৪৫
    • ঘ. ৫০
    উত্তর: ক. ৫
    ধরি সংখ্যা দুটি x ও y। xy = 2250 এবং x/y = 9/10, তাই x = 9y/10।
    গুণফলে বসিয়ে পাই (9y/10) × y = 2250, অর্থাৎ y² = 2500, তাই y = 50।
    তাহলে x = 45।
    যাচাই: 45 × 50 = 2250 এবং 45/50 = 9/10, দুটি শর্তই মেলে।
    অন্তর = 50 − 45 = 5।
    মনে রাখুন: দুটি সংখ্যার অনুপাত a : b হলে সংখ্যা দুটিকে ak ও bk ধরলেও সহজে সমাধান হয়, এখানে 9k ও 10k ধরলে 90k² = 2250, k = 5।
  4. ৪৮. ০.২ × ০.১ = ?
    • ক. ০.২
    • খ. ০.০২
    • গ. ২
    • ঘ. ১/২
    উত্তর: খ. ০.০২
    দশমিকের গুণ করতে প্রথমে দশমিক ছাড়া গুণ করা হয়, তারপর দশমিকের পরের মোট অঙ্কসংখ্যা অনুযায়ী দশমিক বসানো হয়।
    2 × 1 = 2
    দুই সংখ্যায় দশমিকের পরে মোট 2টি অঙ্ক আছে, তাই 0.02।
    বিকল্প পদ্ধতিতে ভগ্নাংশ করেও দেখা যায়: 0.2 × 0.1 = 2/10 × 1/10 = 2/100 = 0.02।
    মনে রাখুন: গুণ করলে ফল ছোট হয়ে যায় না, যদি গুণক 1-এর চেয়ে ছোট হয় তাহলেই ফল ছোট হয়। তাই 0.2 × 0.1 উত্তর 0.2-এর চেয়ে ছোট।
  5. ৪৯. একটি সোনার গহনার ওজন ২৫ গ্রাম। এতে সোনা ও তামার অনুপাত ৩ : ২। কী পরিমাণ সোনা মিশালে অনুপাত ৫ : ১ হবে?
    • ক. ১০ গ্রাম
    • খ. ১৫ গ্রাম
    • গ. ৩৫ গ্রাম
    • ঘ. ৪০ গ্রাম
    উত্তর: গ. ৩৫ গ্রাম
    গহনায় সোনা = 25 × 3/5 = 15 গ্রাম, তামা = 25 × 2/5 = 10 গ্রাম।
    তামা অপরিবর্তিত থাকবে। x গ্রাম সোনা মেশালে (15 + x) : 10 = 5 : 1।
    15 + x = 50
    x = 35 গ্রাম।
    যাচাই: নতুন সোনা = 15 + 35 = 50 গ্রাম, তামা 10 গ্রাম, অনুপাত 50 : 10 = 5 : 1।
    মনে রাখুন: মিশ্রণের প্রশ্নে যে উপাদানের পরিমাণ বদলায় না, সেটি ধরে অনুপাত মেলাতে হয়।
  6. ৫১. a² = 3a − 1 হলে (a⁸+1)/a⁴ এর মান—
    • ক. ৪৭
    • খ. ৪৯
    • গ. ৫১
    • ঘ. ৫৩
    উত্তর: ক. ৪৭
    a² = 3a − 1 হলে a² − 3a + 1 = 0, দুই পাশে a দিয়ে ভাগ করে পাই a + 1/a = 3।
    (a⁸ + 1)/a⁴ = a⁴ + 1/a⁴।
    a² + 1/a² = 3² − 2 = 7
    a⁴ + 1/a⁴ = 7² − 2 = 47।
    একই নিয়মে আরও এগোলে a⁸ + 1/a⁸ = 47² − 2 = 2207 পাওয়া যায়।
    মনে রাখুন:
    x + 1/x = k হলে x² + 1/x² = k² − 2।
    একইভাবে x − 1/x = k হলে x² + 1/x² = k² + 2।
  7. ৫২. একটি বিদ্যালয়ে ৪৫০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৪৮% ছাত্রী। ঐ বিদ্যালয়ে ছাত্র সংখ্যা কত?
    • ক. ২১৬ জন
    • খ. ২২৪ জন
    • গ. ২৩২ জন
    • ঘ. ২৩৪ জন
    উত্তর: ঘ. ২৩৪ জন
    ছাত্রী ৪৮%, তাই ছাত্র (100 − 48) = 52%।
    ছাত্র সংখ্যা = 450 × 52/100 = 234 জন।
    যাচাই: ছাত্রী = 450 × 48/100 = 216 জন, এবং 216 + 234 = 450, মিলে যায়।
    মনে রাখুন: প্রশ্নে ছাত্রী সংখ্যা চাওয়া হয়েছে কি ছাত্র সংখ্যা, তা আগে দেখে নিতে হয়। এখানে 216 হলো ছাত্রীর সংখ্যা, যা বিকল্পে প্রলোভন হিসেবে আছে।
  8. ৫৮. ৯০ কোন সংখ্যার ৭৫%?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৫
    • ক. ১২০
    • খ. ১২৫
    • গ. ১৩০
    • ঘ. ১৩৫
    উত্তর: ক. ১২০
    ধরি সংখ্যাটি x। x-এর 75% = 90।
    x × 75/100 = 90
    x = 90 × 100/75 = 120।
    যাচাই: 120-এর 75% = 120 × 3/4 = 90, মিলে যায়।
    মনে রাখুন: 75% মানে 3/4। তাই কোনো সংখ্যার 3/4 অংশ 90 হলে সংখ্যাটি 90 × 4/3 = 120।
  9. ৬০. (2 tanθ)/(1+tan²θ) = কত?
    • ক. tan2θ
    • খ. 2cos²(θ/2)
    • গ. 2sinθ cosθ
    • ঘ. cos2θ
    উত্তর: গ. 2sinθ cosθ
    tanθ = sinθ/cosθ এবং 1 + tan²θ = sec²θ = 1/cos²θ।
    2tanθ/(1 + tan²θ) = 2(sinθ/cosθ) × cos²θ = 2sinθcosθ।
    এটি আসলে sin2θ-এর সমান, কিন্তু প্রশ্নের বিকল্পে sin2θ নেই, বরং তার বিস্তৃত রূপ 2sinθcosθ আছে।
    মনে রাখুন:
    2sinθcosθ = sin2θ।
    cos2θ = (1 − tan²θ)/(1 + tan²θ)।
    tan2θ = 2tanθ/(1 − tan²θ)।
  10. ৬১. a − {a − (a + 1)} = কত?
    • ক. a−1
    • খ. 1
    • গ. a
    • ঘ. a+1
    উত্তর: ঘ. a+1
    ভেতরের বন্ধনী থেকে শুরু করতে হয়।
    a − (a + 1) = −1
    a − {−1} = a + 1।
    যাচাই: a = 5 ধরলে 5 − {5 − 6} = 5 − (−1) = 6 = a + 1।
    মনে রাখুন:
    বন্ধনীর আগে বিয়োগ চিহ্ন থাকলে বন্ধনী খোলার সময় ভেতরের প্রতিটি চিহ্ন উল্টে যায়।
    বন্ধনী খোলার ক্রম: প্রথমে (), তারপর {}, শেষে []।
  11. ৬৮. (5·3ⁿ − 27·3ⁿ⁻²)/(3ⁿ − 3ⁿ⁻¹) এর মান—
    • ক. ০
    • খ. ১
    • গ. ২
    • ঘ. ৩
    উত্তর: ঘ. ৩
    3ⁿ⁻² = 3ⁿ/9 এবং 3ⁿ⁻¹ = 3ⁿ/3।
    অংশ = 5·3ⁿ − 27·3ⁿ/9 = 5·3ⁿ − 3·3ⁿ = 2·3ⁿ
    হর = 3ⁿ − 3ⁿ/3 = 2·3ⁿ/3
    মান = 2·3ⁿ ÷ (2·3ⁿ/3) = 3।
    এখানে লক্ষ করতে হবে, n-এর মান যা-ই হোক, 3ⁿ উভয় পাশ থেকে কেটে যায়, তাই উত্তর সবসময় 3।
    মনে রাখুন:
    aᵐ × aⁿ = aᵐ⁺ⁿ এবং aᵐ ÷ aⁿ = aᵐ⁻ⁿ।
    সূচকযুক্ত প্রশ্নে সবচেয়ে ছোট ঘাত সাধারণ উৎপাদক হিসেবে বের করা সুবিধাজনক।
  12. ৭০. ৪৩ থেকে ৬০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা কয়টি?
    • ক. ৫
    • খ. ৩
    • গ. ৭
    • ঘ. ৪
    উত্তর: ঘ. ৪
    যে সংখ্যার ১ ও নিজের ছাড়া অন্য কোনো গুণনীয়ক নেই, তা মৌলিক সংখ্যা।
    ৪৩ থেকে ৬০-এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা হলো 43, 47, 53 ও 59।
    মোট ৪টি।
    বাকি সংখ্যাগুলো যৌগিক, যেমন 49 = 7 × 7, 51 = 3 × 17, 57 = 3 × 19।
    মনে রাখুন:
    ৪৩ থেকে শুরু বলে ৪৩ গণনায় ধরা হয়েছে।
    ২ একমাত্র জোড় মৌলিক সংখ্যা।
    ১ মৌলিকও নয়, যৌগিকও নয়।
  13. ৭৮. f(x) = x³ − 2x + 10 হলে f(0) = কত?
    • ক. 1
    • খ. 0
    • গ. 5
    • ঘ. 10
    উত্তর: ঘ. 10
    f(x) = x³ − 2x + 10 হলে x-এর জায়গায় 0 বসিয়ে পাই:
    f(0) = 0³ − 2 × 0 + 10 = 10।
    অর্থাৎ ফাংশনের মান বের করতে চাইলে যে সংখ্যাটির মান চাওয়া হয়েছে, তা সব x-এর জায়গায় বসাতে হয়।
    মনে রাখুন:
    পূর্ণসংখ্যা শক্তি ছাড়া শূন্যের শক্তি ধরলে ফল 0 হয়, তাই f(0)-এ শুধু ধ্রুবক পদটি, এখানে 10, থাকে।
    আবার f(1) = 1 − 2 + 10 = 9।
  14. ৮৩. a³ + b³ = 16, এবং a + b = 4 হলে ab = ?
    • ক. 1
    • খ. 2
    • গ. 3
    • ঘ. 4
    উত্তর: ঘ. 4
    a³ + b³ = (a + b)³ − 3ab(a + b)।
    16 = 4³ − 3ab × 4
    16 = 64 − 12ab
    12ab = 48
    ab = 4।
    যাচাই: a + b = 4 এবং ab = 4 হলে a = b = 2, তখন a³ + b³ = 8 + 8 = 16, মিলে যায়।
    মনে রাখুন:
    a³ + b³ = (a + b)(a² − ab + b²) এবং a³ − b³ = (a − b)(a² + ab + b²)।
  15. ৮৪. ১ মিটার সমান কত ইঞ্চি?
    • ক. ৩৯.৪৭
    • খ. ৩৭.৩৯
    • গ. ৩৯.৩৭
    • ঘ. ৩৭.৪৯
    উত্তর: গ. ৩৯.৩৭
    ১ মিটার = ৩৯.৩৭ ইঞ্চি। আরও জানা থাকলে সুবিধা: ১ ইঞ্চি = ২.৫৪ সেন্টিমিটার, তাই ১ মিটারে 100 ÷ 2.54 ≈ 39.37 ইঞ্চি।
    মনে রাখুন:
    ১ মিটার ≈ ৩.২৮ ফুট।
    ১ ফুট = ১২ ইঞ্চি।
    ১ ইঞ্চি = ২.৫৪ সেমি।
    ১ মাইল ≈ ১.৬১ কিলোমিটার।
  16. ৮৫. কোনো সংখ্যার ১/২ অংশের সাথে ৬ যোগ করলে সংখ্যাটির ২/৩ অংশ হবে?
    • ক. ৫৩
    • খ. ৬৩
    • গ. ৩৬
    • ঘ. ৩৫
    উত্তর: গ. ৩৬
    ধরি সংখ্যাটি x। শর্ত অনুযায়ী x/2 + 6 = 2x/3।
    2x/3 − x/2 = 6
    (4x − 3x)/6 = 6
    x = 36।
    যাচাই: 36-এর অর্ধেক 18, তার সঙ্গে 6 যোগ করলে 24, আর 36-এর 2/3 অংশও 24, তাই শর্ত মেলে।
    মনে রাখুন: ভগ্নাংশের সমীকরণে ল.সা.গু. দিয়ে গুণ করলে হিসাব সহজ হয়, এখানে 6 দিয়ে গুণ করা যায়।
  17. ৮৬. বর্গক্ষেত্রের একটি কর্ণের দৈর্ঘ্য 5√2 একক হলে উহার এক বাহুর দৈর্ঘ্য—
    • ক. 5 একক
    • খ. 25 একক
    • গ. 50 একক
    • ঘ. 100 একক
    উত্তর: ক. 5 একক
    বর্গক্ষেত্রের বাহু a হলে কর্ণ = a√2।
    a√2 = 5√2
    তাই a = 5 একক।
    যাচাই: বাহু 5 হলে পিথাগোরাস অনুযায়ী কর্ণ = √(5² + 5²) = √50 = 5√2, মিলে যায়।
    মনে রাখুন:
    বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = a² = 25 বর্গ একক।
    পরিসীমা = 4a = 20 একক।
  18. ৯১. x + y = 12 এবং x − y = 2 হলে xy = ?
    • ক. 35
    • খ. 140
    • গ. 70
    • ঘ. 144
    উত্তর: ক. 35
    x + y = 12 এবং x − y = 2 যোগ করলে 2x = 14, তাই x = 7। তখন y = 5।
    xy = 7 × 5 = 35।
    শর্টকাট: xy = ((x + y)² − (x − y)²)/4 = (144 − 4)/4 = 35।
    যাচাই: 7 + 5 = 12 এবং 7 − 5 = 2, দুটি শর্তই মেলে।
    মনে রাখুন: (x + y)² − (x − y)² = 4xy।
  19. ৯৭. একটি সংখ্যার তিনগুণের সাথে দ্বিগুণ যোগ করলে ৯০ হয়। সংখ্যাটি কত?
    • ক. ১৬
    • খ. ১৮
    • গ. ২০
    • ঘ. ২৪
    উত্তর: খ. ১৮
    ধরি সংখ্যাটি x। তিনগুণ ও দ্বিগুণের যোগফল পাঁচগুণ।
    3x + 2x = 90
    5x = 90
    x = 18।
    যাচাই: 18-এর তিনগুণ 54 এবং দ্বিগুণ 36, দুটি যোগ করলে 90 হয়।
    মনে রাখুন: এমন প্রশ্নে একই সংখ্যার বিভিন্ন গুণফল একসঙ্গে যোগ করে নিলে সমীকরণ একটি পদে নেমে আসে।

বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর: অন্যান্য পরীক্ষা

আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান

বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন