বিদ্যুৎ বিভাগ বিদ্যুৎ পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫। ৫৮টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। শুধু সাধারণ অংশ। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →বাংলা
- ১. বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রাচীনতম মুসলমান কবি কে?
- ক. সৈয়দ হামজা
- খ. দৌলত কাজী
- গ. মুহম্মদ আব্দুল হাই
- ঘ. শাহ মুহম্মদ সগীর
উত্তর: ঘ. শাহ মুহম্মদ সগীর
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রাচীনতম মুসলমান কবি হিসেবে শাহ মুহম্মদ সগীরকে ধরা হয়। তিনি চৌদ্দ-পনেরো শতকের সন্ধিক্ষণে গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দীন আজম শাহের আমলে ‘ইউসুফ-জোলেখা’ কাব্য রচনা করেন। এটি বাংলা ভাষায় লেখা প্রথম মুসলমান কবির কাহিনিকাব্য হিসেবে স্বীকৃত।
মনে রাখুন:
দৌলত কাজী সতেরো শতকের কবি, তাঁর কাব্য ‘সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী’।
সৈয়দ হামজা ‘মধুমালতী’ রচনা করেন।
মুহম্মদ আব্দুল হাই ছিলেন ভাষাবিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ, কবি হিসেবে প্রাচীনতম নন। - ৩. 'বৈরাগ্য সাধনে — সে আমার নয়'। শূন্যস্থান পূরণ করুন।
- ক. ভক্তি
- খ. মুক্তি
- গ. শক্তি
- ঘ. সত্যি
উত্তর: খ. মুক্তি
পঙ্ক্তিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নৈবেদ্য’ কাব্যগ্রন্থের ‘মুক্তি’ কবিতার অংশ: ‘বৈরাগ্য সাধনে মুক্তি, সে আমার নয়।’ কবি এখানে বলতে চেয়েছেন, সংসার ছেড়ে সন্ন্যাসী হয়ে মুক্তি পাওয়া তাঁর পথ নয়। তিনি বরং সংসারের বন্ধনের মধ্যে থেকেই আনন্দের স্বাদ নিতে চান। ভক্তি, শক্তি বা সত্যি বসালে পঙ্ক্তির অর্থ ও মূল ভাব মেলে না।
মনে রাখুন: ‘নৈবেদ্য’-র কিছু কবিতা পরে ইংরেজি ‘Gitanjali’-তে স্থান পেয়েছিল, যার জন্য ১৯১৩ সালে রবীন্দ্রনাথ নোবেল পুরস্কার পান। - ৫. বাংলা ছোটগল্পের রাজা বলা হয় কাকে?
- ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. কাজী নজরুল ইসলাম
- গ. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
- ঘ. প্রেমেন্দ্র মিত্র
উত্তর: ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বাংলা ছোটগল্পের রাজা বলা হয়, কারণ তিনিই বাংলা ছোটগল্পকে শিল্পসম্মত রূপ দেন। তাঁর গল্পে সাধারণ মানুষের জীবন, প্রকৃতি ও মানবমনের সূক্ষ্ম অনুভূতি গভীরভাবে ফুটে ওঠে। তাঁর ছোটগল্পের সংকলনের নাম ‘গল্পগুচ্ছ’। নজরুল মূলত কবি হিসেবে এবং মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ও প্রেমেন্দ্র মিত্র পরবর্তী প্রজন্মের গল্পকার হিসেবে পরিচিত।
মনে রাখুন:
তাঁর প্রথম ছোটগল্প ‘ভিখারিনী’, যা ‘ভারতী’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
‘গল্পগুচ্ছ’-এর বিখ্যাত গল্প: পোস্টমাস্টার, কাবুলিওয়ালা, ছুটি। - ৬. 'সোনালী কাবিন' গ্রন্থের লেখক কে ছিলেন?
- ক. আল মাহমুদ
- খ. ফররুখ আহমদ
- গ. কাজী নজরুল ইসলাম
- ঘ. সুফিয়া কামাল
উত্তর: ক. আল মাহমুদ
‘সোনালী কাবিন’ আল মাহমুদের কাব্যগ্রন্থ, ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয়। এতে সনেটের আদলে লেখা কবিতা আছে এবং এটিকে তাঁর শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ বলা হয়। কাব্যগ্রন্থটিতে গ্রামীণ জীবন, প্রেম ও সময়ের দ্বন্দ্ব ফুটে উঠেছে। ফররুখ আহমদ ‘সাত সাগরের মাঝি’র কবি, আর সুফিয়া কামাল ‘সাঁঝের মায়া’র কবি।
মনে রাখুন: আল মাহমুদের অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ লোক-লোকান্তর, কালের কলস, বখতিয়ারের ঘোড়া এবং একচক্ষু হরিণ। - ৭. কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা 'বিদ্রোহী' কবিতার শতবর্ষ পালিত হয়েছে কত সালে?
- ক. ২০২০ সালে
- খ. ২০২১ সালে
- গ. ২০২২ সালে
- ঘ. ২০২৩ সালে
উত্তর: গ. ২০২২ সালে
কাজী নজরুল ইসলাম ১৯২১ সালের শেষ দিকে ‘বিদ্রোহী’ কবিতা লেখেন। কবিতাটি ১৯২২ সালের জানুয়ারিতে সাপ্তাহিক ‘বিজলী’ পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। প্রকাশের শতবর্ষ পূর্ণ হয় ২০২২ সালে, তাই সেই বছর শতবর্ষ পালিত হয়েছে। কবিতাটি বাঙালির মনে বিদ্রোহী চেতনার জাগরণ ঘটিয়েছিল।
মনে রাখুন:
‘বিদ্রোহী’ পরে ‘অগ্নি-বীণা’ কাব্যগ্রন্থে সংকলিত হয়।
‘অগ্নি-বীণা’ নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ। - ৮. বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের সূচনা কবে?
- ক. উনিশ শতকে
- খ. আঠার শতকে
- গ. বিশ শতকে
- ঘ. সতের শতকে
উত্তর: ক. উনিশ শতকে
বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগ শুরু হয় উনিশ শতকে। ১৮০১ সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে বাংলা বিভাগ চালু হলে গদ্যের নতুন যাত্রা শুরু হয় এবং ক্রমে আধুনিক সাহিত্যের ভিত তৈরি হয়। এর আগের সময়কে ভাগ করা হয় প্রাচীন ও মধ্যযুগে। আঠারো ও সতেরো শতক মধ্যযুগের অন্তর্ভুক্ত, আর বিশ শতক আধুনিক যুগেরই পরবর্তী পর্ব।
মনে রাখুন:
প্রাচীন যুগ আনুমানিক ৬৫০ থেকে ১২০০ খ্রিষ্টাব্দ।
মধ্যযুগ ১২০১ থেকে ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দ।
আধুনিক যুগ ১৮০১ থেকে বর্তমান। - ১৩. কোনটি ভাষার মৌলিক উপাদান নয়?
- ক. ধ্বনি
- খ. রূপমূল
- গ. বর্ণ
- ঘ. অর্থ
উত্তর: ঘ. অর্থ
ভাষা ধ্বনির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। কয়েকটি ধ্বনি মিলে তৈরি হয় অর্থবহ ক্ষুদ্রতম একক রূপমূল, রূপমূল থেকে শব্দ এবং শব্দ থেকে বাক্য। ধ্বনির লিখিত চিহ্নকে বলা হয় বর্ণ। কিন্তু অর্থ ভাষা গঠনের কোনো একক নয়, অর্থ হলো ভাষার ভেতরের বক্তব্য, তাই এটি মৌলিক উপাদান নয়।
মনে রাখুন: ভাষাবিজ্ঞানে ব্যাকরণের চারটি শাখা হলো ধ্বনিতত্ত্ব, রূপতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব ও অর্থতত্ত্ব। - ১৭. কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা কোনটি?
- ক. রিক্তের বেদন
- খ. ছাড়পত্র
- গ. ব্যথার দান
- ঘ. আজ সৃষ্টি সুখের উল্লাসে
উত্তর: ঘ. আজ সৃষ্টি সুখের উল্লাসে
‘আজ সৃষ্টি সুখের উল্লাসে’ কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কবিতা, যা তাঁর ‘অগ্নি-বীণা’ কাব্যগ্রন্থে স্থান পেয়েছে। অন্য অপশনগুলোর মধ্যে ‘রিক্তের বেদন’ ও ‘ব্যথার দান’ নজরুলের গল্পগ্রন্থ, আর ‘ছাড়পত্র’ সুকান্ত ভট্টাচার্যের কাব্যগ্রন্থ। তাই কবিতা হিসেবে কেবল ‘আজ সৃষ্টি সুখের উল্লাসে’-ই মেলে।
মনে রাখুন:
‘ব্যথার দান’ নজরুলের প্রথম গল্পগ্রন্থ।
‘ছাড়পত্র’ সুকান্ত ভট্টাচার্যের প্রথম কাব্যগ্রন্থ। - ১৮. 'কারক' ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত?
- ক. ধ্বনিতত্ত্বে
- খ. রূপতত্ত্বে
- গ. বাক্যতত্ত্বে
- ঘ. অর্থতত্ত্বে
উত্তর: খ. রূপতত্ত্বে
কারক বলতে বাক্যের ক্রিয়াপদের সঙ্গে নামপদের (বিশেষ্য ও সর্বনাম) সম্পর্ককে বোঝায়। যেমন: ‘রহিম বই পড়ে’ বাক্যে রহিম ক্রিয়ার কর্তা, আর বই ক্রিয়ার কর্ম। প্রচলিত বাংলা ব্যাকরণে কারক ও বিভক্তিকে রূপতত্ত্বের অংশ ধরেই আলোচনা করা হয়, কারণ শব্দের রূপ বদলের সঙ্গে এর সম্পর্ক। ধ্বনিতত্ত্বে ধ্বনি এবং অর্থতত্ত্বে শব্দের অর্থ নিয়ে আলোচনা হয়।
মনে রাখুন:
কারক ছয় প্রকার: কর্তৃ, কর্ম, করণ, সম্প্রদান, অপাদান ও অধিকরণ।
কারকের চিহ্নকে বিভক্তি বলে।
উদাহরণ: সে কলম দিয়ে লেখে। (কলম = করণ কারক) - ২১. "আবশ্যকীয় ব্যয়ে কার্পণ্যতা অনুচিত"- এ বাক্যে কোন কারণে অপপ্রয়োগ ঘটেছে?
- ক. শব্দের বাহুল্য ব্যবহারে
- খ. প্রত্যয়ের বাহুল্য ব্যবহারে
- গ. বহুবচনের বাহুল্য ব্যবহারে
- ঘ. গুরুচণ্ডালী দোষজনিত
উত্তর: খ. প্রত্যয়ের বাহুল্য ব্যবহারে
‘আবশ্যকীয় ব্যয়ে কার্পণ্যতা অনুচিত’ বাক্যে ‘কার্পণ্যতা’ শব্দটি ভুল। কৃপণ শব্দ থেকে ভাব বোঝাতে ইতিমধ্যে ‘কার্পণ্য’ শব্দ তৈরি হয়েছে, এর শেষে আবার ‘তা’ প্রত্যয় যোগ করলে প্রত্যয়ের বাহুল্য ঘটে। তাই শুদ্ধ বাক্য: ‘আবশ্যক ব্যয়ে কার্পণ্য অনুচিত।’ এখানে শব্দ বা বহুবচনের বাহুল্য নেই, আবার গুরুচণ্ডালী দোষও নেই।
মনে রাখুন: একই ধরনের ভুল শব্দ ও শুদ্ধ রূপ:
সৌজন্যতা → সৌজন্য
দৈন্যতা → দৈন্য
উজ্জ্বলতা ঠিক, কিন্তু ঔজ্জ্বল্যতা → ঔজ্জ্বল্য - ২৫. 'দেশে বিদেশে' কোন ধরনের রচনা?
- ক. রম্যরচনা
- খ. ভ্রমণকাহিনি
- গ. প্রবন্ধ
- ঘ. উপন্যাস
উত্তর: খ. ভ্রমণকাহিনি
‘দেশে বিদেশে’ সৈয়দ মুজতবা আলীর ভ্রমণকাহিনি। এতে তিনি আফগানিস্তানের কাবুলে থাকার অভিজ্ঞতা সরস ভঙ্গিতে লিখেছেন। বইটিতে আবদুর রহমান নামের একটি স্মরণীয় চরিত্র আছে। সরস ও হালকা ভঙ্গির কারণে বইটিকে অনেকে রম্যরচনা ভাবলেও এটি মূলত ভ্রমণের অভিজ্ঞতার বর্ণনা।
মনে রাখুন:
তাঁর অন্যান্য বই ‘পঞ্চতন্ত্র’, ‘চাচা কাহিনী’ ও ‘ময়ূরকণ্ঠী’।
‘দেশে বিদেশে’ তাঁর প্রথম গ্রন্থ হিসেবে পরিচিত। - ৩৪. 'সঞ্চয়িতা' কোন কবির কাব্য সংকলন?
- ক. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
- খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গ. কাজী নজরুল ইসলাম
- ঘ. জসীমউদ্দীন
উত্তর: খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
‘সঞ্চয়িতা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নিজের কবিতার সংকলন, যা ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হয়। এতে তাঁর বিভিন্ন কাব্যগ্রন্থ থেকে বেছে নেওয়া কবিতা কালানুক্রমে সাজানো হয়েছে। নজরুলের কবিতার সংকলনের নাম ‘সঞ্চিতা’, ফলে নামের মিলে ভুল হতে পারে। সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত ও জসীমউদ্দীনের নামে এই সংকলন পরিচিত নয়।
মনে রাখুন:
‘সঞ্চয়িতা’ রবীন্দ্রনাথের।
‘সঞ্চিতা’ নজরুলের। - ৩৬. বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের লেখা গ্রন্থ কোনটি?
- ক. যোগাযোগ
- খ. কড়ি ও কোমল
- গ. সাঁঝের মায়া
- ঘ. সুলতানার স্বপ্ন
উত্তর: ঘ. সুলতানার স্বপ্ন
‘সুলতানার স্বপ্ন’ বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের রচনা। এটি একটি কল্পবিজ্ঞানধর্মী গল্প, যেখানে নারীরা শাসন করে আর পুরুষেরা অন্দরমহলে থাকে। গল্পটি প্রথম ১৯০৫ সালে ইংরেজিতে ‘Sultana’s Dream’ নামে প্রকাশিত হয়। অন্য অপশনের ‘যোগাযোগ’ ও ‘কড়ি ও কোমল’ রবীন্দ্রনাথের, ‘সাঁঝের মায়া’ সুফিয়া কামালের কাব্যগ্রন্থ।
মনে রাখুন: রোকেয়ার অন্যান্য রচনা মতিচূর, অবরোধবাসিনী ও পদ্মরাগ।
রোকেয়া নারীশিক্ষার অগ্রদূত হিসেবে পরিচিত। - ৩৭. 'অভিমানী' শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?
- ক. অভিমানী
- খ. বিরাগী
- গ. নিরঅভিমানী
- ঘ. নিরভিমানী
উত্তর: ঘ. নিরভিমানী
‘অভিমানী’ মানে যার অভিমান আছে। এর বিপরীত শব্দ ‘নিরভিমানী’, অর্থাৎ যার অভিমান নেই। এখানে ‘নির্’ উপসর্গ ‘না থাকা’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ‘বিরাগী’ শব্দের বিপরীত হলো ‘অনুরাগী’, তাই সেটি অভিমানীর বিপরীত নয়। আর ‘অভিমানী’ নিজেই প্রশ্নের শব্দ, তাই তা উত্তর হতে পারে না।
মনে রাখুন: কিছু বিপরীত জোড়া: গরল - সুধা, সরল - কুটিল, অভিমান - নিরভিমান। - ৪২. দেখার ইচ্ছাকে একক কথায় কী বলে?
- ক. জিজ্ঞাসা
- খ. দিদৃক্ষা
- গ. জিগীষা
- ঘ. দৃশ্যমান
উত্তর: খ. দিদৃক্ষা
কোনো কিছু দেখার ইচ্ছাকে এক কথায় বলে দিদৃক্ষা। এটি ‘দৃশ্’ ধাতুর সঙ্গে ইচ্ছা অর্থ যুক্ত হয়ে তৈরি হয়েছে। অন্য অপশনে ‘জিজ্ঞাসা’ জানার ইচ্ছা, ‘জিগীষা’ জয় করার ইচ্ছা, আর ‘দৃশ্যমান’ যা দেখা যায়, তাই এগুলো দেখার ইচ্ছা বোঝায় না।
মনে রাখুন:
জানার ইচ্ছা - জিজ্ঞাসা
শোনার ইচ্ছা - শুশ্রূষা
ক্ষমা করার ইচ্ছা - তিতিক্ষা
বলার ইচ্ছা - বিবক্ষা - ৪৫. 'পিত্রালয়' শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
- ক. পিত্রা + আলয়
- খ. পিতা + আলয়
- গ. পিত্রি + আলয়
- ঘ. পিতৃ + আলয়
উত্তর: ঘ. পিতৃ + আলয়
‘পিত্রালয়’ শব্দটি পিতৃ + আলয় সন্ধি করে তৈরি। সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী ঋ-কারের পর ঋ ভিন্ন স্বর এলে ঋ স্থানে র হয় এবং সেই র-ফলা হয়ে আগের ব্যঞ্জনে যুক্ত হয়। তাই পিতৃ + আলয় = পিত্র + আলয় = পিত্রালয়। ‘পিতা’ বা ‘পিত্রা’ ধরনের বিচ্ছেদে এই নিয়ম খাটে না, কারণ মূল শব্দ পিতৃ।
মনে রাখুন: একই নিয়মে মাতৃ + আদেশ = মাত্রাদেশ।
পিতৃ শব্দের অর্থ পিতা। - ৫০. মিলনার্থক দ্বন্দ্ব সমাস কোনটি?
- ক. দম্পতি
- খ. কালি কলম
- গ. টাকাকড়ি
- ঘ. জিনপরি
উত্তর: ঘ. জিনপরি
যে দ্বন্দ্ব সমাসে পদগুলোর মধ্যে মিলন বা মিলে থাকার ভাব বোঝায়, সেটি মিলনার্থক দ্বন্দ্ব। ‘জিনপরি’ মানে জিন ও পরি, যারা একই অলৌকিক জগতের প্রাণী হিসেবে মিলে যায়। তাই এটি মিলনার্থক দ্বন্দ্বের উদাহরণ। ‘টাকাকড়ি’ সমার্থক দ্বন্দ্বের উদাহরণ, কারণ দুটি শব্দই প্রায় একই অর্থ দেয়।
মনে রাখুন:
দ্বন্দ্ব সমাসে সাধারণত ‘ও’ বা ‘এবং’ দিয়ে বাক্যে বিগ্রহ হয়, যেমন: ভাইবোন = ভাই ও বোন।
দ্বন্দ্ব সমাসে সব পদ সমান গুরুত্ব পায়। - ৫৬. ব্যাকরণের মৌলিক উপাদানের ক্রম হলো—
- ক. রূপতত্ত্ব, ধ্বনিতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব, অর্থতত্ত্ব
- খ. বাক্যতত্ত্ব, ধ্বনিতত্ত্ব, অর্থতত্ত্ব, রূপতত্ত্ব
- গ. অর্থতত্ত্ব, ধ্বনিতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব, রূপতত্ত্ব
- ঘ. ধ্বনিতত্ত্ব, রূপতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব, অর্থতত্ত্ব
উত্তর: ঘ. ধ্বনিতত্ত্ব, রূপতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব, অর্থতত্ত্ব
ব্যাকরণ ভাষার বিশ্লেষণ করে। এর চারটি মৌলিক উপাদান ক্রমানুসারে ধ্বনিতত্ত্ব, রূপতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব ও অর্থতত্ত্ব। প্রথমে ধ্বনি, তারপর ধ্বনি থেকে শব্দ ও রূপ, এরপর শব্দ থেকে বাক্য এবং সবশেষে অর্থ আলোচিত হয়। অন্য অপশনগুলোর ক্রম এই স্বাভাবিক ধাপের সঙ্গে মেলে না।
মনে রাখুন:
ধ্বনি → শব্দ/রূপ → বাক্য → অর্থ, এই ক্রমে মনে রাখলে সহজে মনে থাকে।
ভাষার ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি। - ৫৭. কোনটি তদ্ভব শব্দ?
- ক. বহু
- খ. ঢেঁকি
- গ. বাতি
- ঘ. কাগজ
উত্তর: গ. বাতি
যেসব শব্দ সংস্কৃত থেকে বদলে বদলে বাংলায় এসেছে তাদের তদ্ভব শব্দ বলে। ‘বাতি’ এমন একটি শব্দ, সংস্কৃত ‘বর্তি’ থেকে এসেছে। ‘বহু’ তৎসম শব্দ, কারণ এটি সংস্কৃত থেকে অপরিবর্তিত এসেছে। ‘কাগজ’ আরবি-ফারসি থেকে আসা বিদেশি শব্দ।
মনে রাখুন:
হাত (হস্ত), কান (কর্ণ), চাঁদ (চন্দ্র), মাছ (মৎস্য) তদ্ভব শব্দ।
বাংলা ভাষার শব্দভান্ডারকে তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি এই কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়।
ইংরেজি
- ২. Which one is a correct sentence?
- ক. She prefers dancing more than singing.
- খ. She prefers to dance than to sing.
- গ. She prefers dancing to singing.
- ঘ. She prefers dance to singing.
উত্তর: গ. She prefers dancing to singing.
Prefer-এর দুটি জিনিসের মধ্যে তুলনা করতে হলে prefer A to B কাঠামো ব্যবহার করা হয়। এখানে দুটি বিষয়ই gerund (dancing ও singing), তাই সঠিক বাক্য: She prefers dancing to singing। প্রথম বাক্যে prefer-এর সঙ্গে more ... than বসানো ভুল। দ্বিতীয় বাক্যে than বসেছে, অথচ prefer-এর সঙ্গে to আসে। চতুর্থ বাক্যে dance noun ও singing gerund হওয়ায় দুই পক্ষ সমান ধরনের হয়নি।
মনে রাখুন: infinitive দিয়ে লিখলে rather than বসে, যেমন: She prefers to dance rather than sing। - ৪. Identify the correctly spelt word :
- ক. massacare
- খ. massacar
- গ. massacre
- ঘ. massakar
উত্তর: গ. massacre
সঠিক বানান massacre। শব্দটির অর্থ নির্বিচারে বহু মানুষের নৃশংস হত্যাকাণ্ড বা গণহত্যা। বানানে মাঝখানে -ac- এবং শেষে -re আছে, শেষে -er বা -ar নয়। অন্য অপশনগুলোতে হয় মাঝখানে বাড়তি স্বর বসেছে, নয়তো শেষটা ভুল।
মনে রাখুন:
massacre-এর মতো শেষে -re যুক্ত আরও কিছু বানান: theatre, centre, metre (ব্রিটিশ ইংরেজিতে)।
উদাহরণ: The massacre shocked the whole world. - ১০. Identify the correct passive form : Who opened the door?
- ক. By whom opened the door?
- খ. By whom was opened the door?
- গ. By whom was the door opened?
- ঘ. The door was opened by whom?
উত্তর: গ. By whom was the door opened?
Active voice-এর বাক্য Who opened the door? Past Indefinite Tense-এর প্রশ্নবোধক বাক্য, যা who দিয়ে শুরু হয়েছে। এটিকে passive করতে who-এর স্থানে By whom বসে, তারপর was/were, object-এর রূপ এবং verb-এর past participle আসে। তাই সঠিক বাক্য: By whom was the door opened? বাকি অপশনগুলোতে হয় সহায়ক ক্রিয়া নেই, নয়তো শব্দক্রম ঠিক নেই।
মনে রাখুন: Who দিয়ে শুরু প্রশ্ন passive করলে By whom আগে বসে।
যেমন: Who wrote the letter? → By whom was the letter written? - ১২. Identify the noun that has no plural form?
- ক. shot
- খ. scenery
- গ. force
- ঘ. light
উত্তর: খ. scenery
Scenery (প্রাকৃতিক দৃশ্য) একটি uncountable noun, তাই এর plural রূপ হয় না। অন্য শব্দগুলোর plural আছে: shot-এর shots, force-এর forces এবং light-এর lights।
মনে রাখুন:
যেসব noun-এর সাধারণত plural হয় না: furniture, luggage, information, advice, equipment, news।
এদের আগে a/an বসে না, এবং এরা singular verb নেয়।
উদাহরণ: The scenery of Bangladesh is beautiful. - ২২. Find the noun form of the word 'successful' :
- ক. succeed
- খ. success
- গ. successive
- ঘ. successfully
উত্তর: খ. success
Successful একটি adjective, যার অর্থ সফল। এর noun রূপ success (সাফল্য)। অন্য অপশনগুলো: succeed হলো verb (সফল হওয়া), successive হলো adjective (পরপর আসা), আর successfully হলো adverb (সফলভাবে)। তাই noun চাইলে কেবল success-ই চলে।
মনে রাখুন: succeed → success → successful → successfully, এভাবে শব্দগুলো একই মূল থেকে নানা রূপে এসেছে।
উদাহরণ: Hard work is the key to success. - ২৪. Select the correct indirect form : He said to me, "Let us go home."
- ক. He suggested to me to go home.
- খ. He proposed to me that we should go home.
- গ. He asked me to go home.
- ঘ. He urged me to go home.
উত্তর: খ. He proposed to me that we should go home.
‘Let us go home’ বাক্যটি প্রস্তাব বোঝায়। Let দিয়ে শুরু হওয়া এমন বাক্য indirect speech-এ বদলাতে reporting verb হিসেবে propose বা suggest বসে, তারপর that এবং should যুক্ত হয়। তাই সঠিক রূপ: ‘He proposed to me that we should go home’। অন্য অপশনগুলোতে কাঠামো ঠিক নেই বা অর্থ বদলে গেছে। ‘Asked me to go’ বা ‘urged me to go’ বসালে আদেশ বা অনুরোধ বোঝায়, প্রস্তাব নয়।
মনে রাখুন: Let us / Let’s দিয়ে প্রস্তাব হলে indirect-এ suggested that we should + verb ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ: He said, “Let’s play.” = He suggested that we should play. - ২৬. The lawyer filed a review petition. Here 'review' is a/an—
- ক. adjective
- খ. noun
- গ. verb
- ঘ. adverb
উত্তর: ক. adjective
The lawyer filed a review petition. বাক্যে review শব্দটি petition নামের noun-এর আগে বসে সেটির ধরন বলছে, অর্থাৎ ‘পুনর্বিবেচনার আবেদন’। কোনো noun-কে বর্ণনা করা শব্দ adjective-এর কাজ করে, তাই এখানে review বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এই শব্দটি অন্য বাক্যে noun বা verb হিসেবেও আসে।
মনে রাখুন:
একই শব্দ ভিন্ন বাক্যে ভিন্ন part of speech হতে পারে।
শব্দটি বাক্যে কী কাজ করছে, তা দেখেই নির্ণয় করতে হয়।
উদাহরণ: She wrote a review of the book. (noun) - ২৭. Which one is masculine gender?
- ক. Cow
- খ. Heir
- গ. Niece
- ঘ. Bee
উত্তর: খ. Heir
Heir (উত্তরাধিকারী) শব্দটিকে masculine ধরা হয়, এর feminine হলো heiress। অন্য অপশনগুলো feminine হিসেবে ধরা হয়: cow-এর masculine ox বা bull, niece-এর masculine nephew, আর bee-এর masculine drone। এভাবে প্রশ্নে যে শব্দটির পুরুষ রূপ অন্যটি নয়, সেটিই উত্তর।
মনে রাখুন: আরও কিছু gender জোড়া: actor - actress, host - hostess, prince - princess। - ২৮. Identify the right tag question : 'She will go home soon, —?
- ক. will she
- খ. wouldn't she
- গ. won't she
- ঘ. isn't she
উত্তর: গ. won't she
Tag question-এর নিয়ম হলো মূল বাক্য হ্যাঁ-বোধক হলে tag না-বোধক হয়। ‘She will go home soon’ হ্যাঁ-বোধক এবং এর verb will, তাই tag হবে won’t she। বাক্যটি দাঁড়ায়: She will go home soon, won’t she? Tag-এ সবসময় subject-এর জায়গায় সর্বনাম বসে এবং মূল বাক্যের সহায়ক ক্রিয়াটিই ব্যবহার হয়।
মনে রাখুন:
Will-এর না-বোধক short form won’t।
মূল বাক্য না-বোধক হলে tag হ্যাঁ-বোধক হয়।
উদাহরণ: He doesn’t smoke, does he? - ৩০. Choose the sentence in which 'right' is a noun :
- ক. I think we made the right decision.
- খ. You guessed right.
- গ. Arabic script is read from right.
- ঘ. Right the wrong.
উত্তর: গ. Arabic script is read from right.
Arabic script is read from right. বাক্যে right শব্দটি ‘ডান দিক’ বোঝাচ্ছে এবং এটি from-এর পরে বসে, তাই এখানে right noun। অন্য অপশনে I think we made the right decision-এ right বিশেষণ, You guessed right-এ adverb এবং Right the wrong-এ verb।
মনে রাখুন:
Right noun হিসেবে ‘অধিকার’ও বোঝায়।
যেমন: Everyone has the right to education।
ডান দিকের বিপরীত left। - ৩১. Pick out the right option : 'If we had a boat, we — the river.'
- ক. will cross
- খ. would cross
- গ. will be crossing
- ঘ. cross
উত্তর: খ. would cross
If দিয়ে শুরু clause-এর verb Past Indefinite (had a boat) হলে এটি Second Conditional, যেখানে কাল্পনিক বা অবাস্তব পরিস্থিতির কথা বলা হয়। এ ধরনের বাক্যে মূল clause-এ would + verb-এর মূল রূপ বসে। তাই সঠিক বাক্য: ‘If we had a boat, we would cross the river’। Will cross বসালে First Conditional-এর গঠন হয়ে যায়, যা এখানে মেলে না।
মনে রাখুন:
First Conditional: If it rains, I will stay home।
Second Conditional: If I were a bird, I would fly। - ৩২. Choose the right option : 'He bought a car after he — enough money.'
- ক. has saved
- খ. saved
- গ. had saved
- ঘ. was saved
উত্তর: গ. had saved
বাক্যে দুটি অতীত ঘটনা আছে। গাড়ি কেনার আগে টাকা জমানোর কাজটি আগে ঘটেছে। যে ঘটনা আগে ঘটেছে তাকে Past Perfect-এ লিখতে হয়, তাই ‘after he had saved enough money’ বসে। পরের ঘটনা bought Past Indefinite-এ আছে। Has saved বসালে Present Perfect হয়, যা অতীত বাক্যে মেলে না, আর was saved ভুল গঠন।
মনে রাখুন: After দিয়ে শুরু clause সাধারণত Past Perfect হয়, আর before দিয়ে শুরু clause-এ Past Indefinite থাকে।
উদাহরণ: After she had eaten, she went out. - ৩৩. Identify the verb form of the word 'survival'.
- ক. survey
- খ. survivor
- গ. serve
- ঘ. survive
উত্তর: ঘ. survive
Survival একটি noun (টিকে থাকা)। এর verb রূপ survive (বেঁচে থাকা)। অন্য শব্দগুলো: survivor (যে বেঁচে যায়, noun), survey (জরিপ করা) এবং serve (সেবা করা)। এদের কোনোটিই survival-এর সরাসরি verb নয়।
মনে রাখুন: -al যুক্ত noun অনেক সময় verb থেকে হয়, যেমন: arrive → arrival, refuse → refusal, approve → approval।
উদাহরণ: Many animals struggle to survive in winter. - ৩৮. I had to go there-এর বাংলা অনুবাদ কী?
- ক. আমি সেখানে গিয়েছিলাম
- খ. আমি বাধ্য হয়ে গিয়েছিলাম
- গ. আমাকে সেখানে যেতে বাধ্য করা হয়েছিল
- ঘ. সেখানে আমাকে যেতে হয়েছিল
উত্তর: ঘ. সেখানে আমাকে যেতে হয়েছিল
‘I had to go there’ বাক্যে had to বাধ্যবাধকতা বোঝায়, তবে এখানে বাধ্য করার কর্তা নেই। তাই স্বাভাবিক অনুবাদ: সেখানে আমাকে যেতে হয়েছিল। ‘আমি সেখানে গিয়েছিলাম’ শুধু যাওয়া বোঝায়, বাধ্যবাধকতা বোঝায় না। ‘আমাকে যেতে বাধ্য করা হয়েছিল’ মানে অন্য কেউ বাধ্য করেছে, যা মূল বাক্যে বলা নেই।
মনে রাখুন: have to / has to / had to মানে বাধ্য হয়ে কিছু করতে হওয়া।
উদাহরণ: I have to finish this today. = আজই আমাকে এটা শেষ করতে হবে। - ৩৯. Choose the right option : I really enjoy — cricket matches on TV.
- ক. to watch
- খ. watching
- গ. for watching
- ঘ. to be watching
উত্তর: খ. watching
Enjoy ক্রিয়াটির পর সরাসরি যে verb আসে তা সব সময় gerund (verb + ing) রূপে থাকে। তাই ‘I really enjoy watching cricket matches on TV’ সঠিক। ‘to watch’ বা ‘for watching’ এখানে ব্যবহার করা যায় না, কারণ enjoy-এর পরে infinitive বা preposition বসে না।
মনে রাখুন: Gerund-এর পরে আসা ক্রিয়া: enjoy, avoid, finish, mind, keep, practise।
যেমন: She avoids speaking in public। - ৪৩. Select the correct option : 'These are the policemen — caught the thief'.
- ক. which
- খ. whose
- গ. who
- ঘ. whom
উত্তর: গ. who
Relative pronoun নির্বাচনের সময় আগের noun কী, তা দেখতে হয়। এখানে policemen মানুষ, তাই pronoun হবে who বা whom। পরের অংশে ক্রিয়া caught-এর কর্তা প্রয়োজন, তাই subject রূপ who বসে: These are the policemen who caught the thief। Which বস্তু বা প্রাণীর জন্য, whose মালিকানা বোঝায়, আর whom object রূপে বসে, তাই এখানে এরা মেলে না।
মনে রাখুন: মানুষের জন্য who/whom, বস্তুর জন্য which, আর মালিকানা বোঝাতে whose।
উদাহরণ: This is the man whom I met yesterday. - ৪৬. A person who has come to settle permanently in a country that is not his/her own is a/an—আরও এসেছে: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পিটিআই ইন্সট্রাক্টর ২০১৬
- ক. emigrant
- খ. migrant
- গ. immigrant
- ঘ. expatriate
উত্তর: গ. immigrant
যে ব্যক্তি নিজের দেশ ছেড়ে অন্য দেশে স্থায়ীভাবে বাস করতে আসে, তাকে immigrant (অভিবাসী) বলে। Emigrant হলো যে নিজের দেশ ছেড়ে চলে যায়। Migrant সাধারণত কাজের খোঁজে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যায়, আর expatriate বিদেশে বাস করা মানুষ।
মনে রাখুন:
Immigrant মানে ‘ভেতরে আসা’ আর emigrant মানে ‘বাইরে যাওয়া’।
একই মানুষ নিজের দেশের জন্য emigrant এবং নতুন দেশের জন্য immigrant। - ৪৭. Select the right antonym of 'mobile' :
- ক. moving
- খ. divided
- গ. portable
- ঘ. fixed
উত্তর: ঘ. fixed
Mobile মানে চলনশীল বা ভ্রাম্যমাণ। এর বিপরীত শব্দ fixed, অর্থাৎ স্থির বা নির্ধারিত। অন্য শব্দগুলোর মধ্যে moving মানে চলমান, portable মানে বহনযোগ্য এবং divided মানে বিভক্ত, এগুলোর কোনোটি mobile-এর বিপরীত নয়।
মনে রাখুন:
Mobile-এর বিপরীত শব্দ হিসেবে stationary (স্থির)ও প্রচলিত।
উদাহরণ: A mobile library moves from village to village. - ৫৩. The idiom 'the ins and outs' means—
- ক. all the details
- খ. summary
- গ. briefly
- ঘ. inside and outside of something
উত্তর: ক. all the details
Idiom the ins and outs মানে কোনো বিষয়ের সব খুঁটিনাটি, অর্থাৎ all the details। যেমন: ‘He knows the ins and outs of the business’, অর্থাৎ সে ব্যবসার প্রতিটি খুঁটিনাটি জানে। এর মানে ভেতর ও বাইরে বোঝানো নয়, যদিও শব্দ দুটির আক্ষরিক অর্থ তেমন মনে হতে পারে।
মনে রাখুন:
সংক্ষিপ্ত বিবরণ বোঝাতে summary বা briefly ব্যবহার করা হয়, ins and outs-এ নয়।
আরেকটি একই ভাবের idiom: the nuts and bolts। - ৫৫. Fill in the blank with the appropriate preposition : Ushashi was tired — walking.
- ক. by
- খ. with
- গ. of
- ঘ. for
উত্তর: গ. of
Tired শব্দের পর কিসের জন্য ক্লান্ত তা বোঝাতে সাধারণত preposition of বসে। তাই সঠিক বাক্য: ‘Ushashi was tired of walking’। এটি কোনো কাজ বা অবস্থায় বিরক্ত বা ক্লান্ত হওয়া বোঝায়। Preposition of-এর পরে verb থাকলে তাতে -ing যুক্ত হয়, তাই walking বসেছে।
মনে রাখুন:
ভিন্ন অর্থে tired from বা tired with-ও হয়, যেমন: tired from work (কাজ করে ক্লান্ত)।
তবে অপশনে দেওয়া সঠিক উত্তর of।
আন্তর্জাতিক
- ৯. হলোকস্ট বলে চিহ্নিত করা যায় কোনটিকে?
- ক. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন ইহুদি নিধন
- খ. হুতো ও তুতসিদের লড়াই
- গ. কৃষ্ণাঙ্গ-শ্বেতাঙ্গ সংঘাত
- ঘ. প্যালেস্টাইন মুসলিম নিধন
উত্তর: ক. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন ইহুদি নিধন
হলোকস্ট (Holocaust) বলতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসি জার্মানির হাতে ইউরোপের ইহুদিদের পরিকল্পিত গণহত্যাকে বোঝায়। আনুমানিক ৬০ লক্ষ ইহুদিকে কনসেনট্রেশন ক্যাম্প ও গ্যাস চেম্বারে হত্যা করা হয়। এই নিধনের নেতৃত্বে ছিলেন জার্মান শাসক অ্যাডলফ হিটলার। বাকি অপশনগুলো আলাদা ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত।
মনে রাখুন: হুতু ও তুতসিদের সংঘাত ছিল ১৯৯৪ সালের রুয়ান্ডা গণহত্যা, যা হলোকস্টের মতো এক আলাদা ঘটনা। - ১৪. ব্রিকসের ১০ম সদস্য হিসেবে যোগ দিয়েছে কোন দেশ?
- ক. সার্বিয়া
- খ. ইন্দোনেশিয়া
- গ. কম্বোডিয়া
- ঘ. থাইল্যান্ড
উত্তর: খ. ইন্দোনেশিয়া
ব্রিকস (BRICS) মূলত ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত ও চীন নিয়ে তৈরি হয়, পরে দক্ষিণ আফ্রিকা যোগ দিলে সদস্য হয় পাঁচটি। ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি মিসর, ইথিওপিয়া, ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত যোগ দেয়। এরপর ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ইন্দোনেশিয়া যোগ দিয়ে সদস্য সংখ্যা ১০-এ পৌঁছায়।
মনে রাখুন:
BRICS শব্দটি Brazil, Russia, India, China ও South Africa-র আদ্যক্ষর নিয়ে তৈরি।
সার্বিয়া, কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ড এই সময় পূর্ণ সদস্য ছিল না। - ১৫. গাজা-ইসরায়েল যুদ্ধ কত তারিখে শুরু হয়?
- ক. ৮ নভেম্বর ২০২৩
- খ. ৭ অক্টোবর ২০২৩
- গ. ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩
- ঘ. ৭ জুলাই ২০২৩
উত্তর: খ. ৭ অক্টোবর ২০২৩
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাস ইসরায়েলের ভেতরে ব্যাপক রকেট হামলা ও অনুপ্রবেশ চালালে গাজা-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হয়। জবাবে ইসরায়েল গাজায় বিমান ও স্থল অভিযান চালায়, যা দুই বছরের বেশি সময় ধরে চলে। তাই যুদ্ধের শুরুর তারিখ হিসেবে ৭ অক্টোবরই ধরা হয়।
মনে রাখুন: গাজা উপত্যকা ভূমধ্যসাগরের তীরে অবস্থিত একটি ছোট ও ঘনবসতিপূর্ণ ভূখণ্ড।
হালনাগাদ: ২০২৫ সালের অক্টোবরে মার্কিন উদ্যোগে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। - ১৬. G-7 (জি-৭)-এর সদস্য দেশ হলো—
- ক. ইতালি
- খ. ব্রাজিল
- গ. ভারত
- ঘ. চীন
উত্তর: ক. ইতালি
জি-৭ বিশ্বের সাতটি শিল্পোন্নত অর্থনীতির জোট। এর সদস্য যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি ও জাপান। তাই দেওয়া অপশনের মধ্যে কেবল ইতালি এই জোটের সদস্য। ব্রাজিল, ভারত ও চীন জি-২০-এর সদস্য, কিন্তু জি-৭-এর নয়।
মনে রাখুন:
একসময় রাশিয়া এই জোটে ছিল এবং তখন নাম ছিল জি-৮।
২০১৪ সালে ক্রিমিয়া দখলের পর রাশিয়াকে বাদ দেওয়া হয়। - ৪০. আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের বর্তমান সদস্য সংখ্যা কত?
- ক. ১১৯টি
- খ. ১২০টি
- গ. ১২৫টি
- ঘ. ১২৭টি
উত্তর: গ. ১২৫টি
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (ICC) গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও আগ্রাসনের মতো গুরুতর অপরাধের বিচার করে। এর সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ শহরে। ২০২৫ সালে ইউক্রেন যোগ দেওয়ার পর রোম সংবিধির সদস্য রাষ্ট্র সংখ্যা ১২৫টি হয়।
মনে রাখুন:
রোম সংবিধি পাস হয় ১৯৯৮ সালে এবং আদালত কার্যকর হয় ২০০২ সালে।
বাংলাদেশ ২০১০ সালে এর সদস্য হয়।
সদস্য সংখ্যা সময়ের সঙ্গে বদলাতে পারে। - ৪৪. বিশ্বব্যাংকের সদর দপ্তর কোথায়?
- ক. জেনেভা
- খ. লন্ডন
- গ. নিউইয়র্ক
- ঘ. ওয়াশিংটন ডিসি
উত্তর: ঘ. ওয়াশিংটন ডিসি
বিশ্বব্যাংকের সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডি.সি.-তে। ১৯৪৪ সালের ব্রেটন উডস সম্মেলনে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত হয়। জাতিসংঘের সদর দপ্তর নিউইয়র্কে, কিন্তু বিশ্বব্যাংকের নয়। জেনেভা আন্তর্জাতিক সংস্থার শহর হিসেবে পরিচিত হলেও বিশ্বব্যাংকের সদর দপ্তর সেখানে নয়।
মনে রাখুন:
বিশ্বব্যাংক গ্রুপের পাঁচটি প্রতিষ্ঠান IBRD, IDA, IFC, MIGA ও ICSID।
আইএমএফের সদর দপ্তরও ওয়াশিংটন ডি.সি.-তে। - ৫১. কোন দুটি দেশকে হরমুজ প্রণালি ভৌগোলিকভাবে পৃথক করেছে?
- ক. ইরাক ও কুয়েত
- খ. সৌদি আরব ও ইয়েমেন
- গ. ইরান ও ওমান
- ঘ. কাতার ও বাহরাইন
উত্তর: গ. ইরান ও ওমান
হরমুজ প্রণালি ইরান ও ওমানের মধ্যে অবস্থিত। এটি পারস্য উপসাগরকে ওমান উপসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। বিশ্বের খনিজ তেলের একটি বড় অংশ এই পথে জাহাজে পরিবহন হয়, তাই এটি অর্থনৈতিক ও সামরিক দিক থেকে খুব গুরুত্বপূর্ণ।
মনে রাখুন:
প্রণালি দুটি বড় জলভাগকে যুক্ত করে এবং দুটি স্থলভাগকে আলাদা করে।
হরমুজ প্রণালির উত্তরে ইরান ও দক্ষিণে ওমানের মুসান্দাম উপদ্বীপ। - ৫২. কোন দেশ আমেরিকাকে 'স্ট্যাচু অব লিবার্টি' উপহার দিয়েছে?
- ক. জার্মানি
- খ. ইংল্যান্ড
- গ. ফ্রান্স
- ঘ. কানাডা
উত্তর: গ. ফ্রান্স
স্ট্যাচু অব লিবার্টি ফ্রান্সের জনগণের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে দেওয়া উপহার। দুই দেশের বন্ধুত্বের প্রতীক হিসেবে এটি ১৮৮৬ সালে উদ্বোধন করা হয়। এটি নিউইয়র্ক বন্দরের লিবার্টি দ্বীপে অবস্থিত। জার্মানি, ইংল্যান্ড বা কানাডা এই মূর্তি উপহার দেয়নি।
মনে রাখুন:
মূর্তিটির ভাস্কর ফ্রেডেরিক অগাস্ট বারথোল্ডি।
ভেতরের কাঠামো নকশা করেন গুস্তাভ আইফেল, যিনি আইফেল টাওয়ারেরও স্থপতি। - ৫৪. কোন তারিখে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ বিরতি হয়?
- ক. ৫ জুন ২০২৫
- খ. ২ জুলাই ২০২৫
- গ. ২৭ মে ২০২৫
- ঘ. ২৪ জুন ২০২৫
উত্তর: ঘ. ২৪ জুন ২০২৫
২০২৫ সালের ১৩ জুন ইসরায়েল ইরানে হামলা চালালে যুদ্ধ শুরু হয়, যা ১২ দিন চলে। ২২ জুন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়। এরপর ২৪ জুন যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।
মনে রাখুন:
ইসরায়েলের এই অভিযানের নাম ছিল ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’।
যুদ্ধটি ‘বারো দিনের যুদ্ধ’ নামেও পরিচিত।
বাংলাদেশ
- ১১. চীনের প্রস্তাবিত এক হাজার শয্যার হাসপাতালের জন্য নির্বাচিত জেলা কোনটি?
- ক. জামালপুর
- খ. গাজীপুর
- গ. নীলফামারী
- ঘ. দিনাজপুর
উত্তর: গ. নীলফামারী
চীন সরকারের সহায়তায় নীলফামারীতে এক হাজার শয্যার একটি বড় হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতাল নামে পরিচিত। উত্তরাঞ্চলের মানুষের উন্নত চিকিৎসার সুযোগ বাড়ানোই এর লক্ষ্য। এটি দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের একটি বড় উদাহরণ।
মনে রাখুন:
নীলফামারী রংপুর বিভাগের একটি জেলা।
রংপুর বিভাগের অন্য জেলা: রংপুর, দিনাজপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়। - ১৯. ঈশা খাঁ এর রাজধানী কোথায় ছিল?
- ক. সোনারগাঁও
- খ. জাহাঙ্গীরনগর
- গ. নদীয়া
- ঘ. বিক্রমপুর
উত্তর: ক. সোনারগাঁও
ঈশা খাঁ বারো ভূঁইয়াদের নেতা ছিলেন এবং তাঁর রাজধানী ছিল সোনারগাঁও। এটি এখন নারায়ণগঞ্জ জেলার একটি উপজেলা। বাংলার ইতিহাসে সোনারগাঁও সুলতানি আমল থেকেই একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কেন্দ্র ছিল। জাহাঙ্গীরনগর হলো ঢাকার মুঘল আমলের নাম, আর নদীয়া ও বিক্রমপুর অন্য এলাকার নাম।
মনে রাখুন:
ঈশা খাঁ ‘মসনদ-ই-আলা’ উপাধি গ্রহণ করেছিলেন।
কিশোরগঞ্জের জঙ্গলবাড়ি ছিল তাঁর একটি দুর্গ।
ঈশা খাঁ মুঘল সম্রাট আকবরের বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। - ২০. বাংলাদেশ কবে সাবমেরিন ক্যাবলে যুক্ত হয়েছে?
- ক. ১০/০৯/২০১৭
- খ. ২১/০৫/২০০৬
- গ. ২১/০৭/২০০৯
- ঘ. ১৬/০৩/২০১০
উত্তর: খ. ২১/০৫/২০০৬
বাংলাদেশ ২০০৬ সালের ২১ মে সাবমেরিন ক্যাবল নেটওয়ার্ক SEA-ME-WE-4 এর সঙ্গে যুক্ত হয়। এর ফলে প্রথমবার আমাদের দেশ উচ্চগতির আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট সংযোগ পায়। কক্সবাজারে এর অবতরণ কেন্দ্র আছে। পরে ২০১৭ সালে বাংলাদেশ SEA-ME-WE-5-এ যুক্ত হয়, তাই ২০১৭ সালের তারিখটি দ্বিতীয় ক্যাবলের সঙ্গে সংযোগের, প্রথমটির নয়।
মনে রাখুন:
SEA-ME-WE মানে South East Asia-Middle East-Western Europe।
সাবমেরিন ক্যাবল পরিচালনা করে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেড (BSCCL)। - ২৩. রাষ্ট্রপতি কর্তৃক জারিকৃত আইনকে কী বলে?
- ক. সংবিধান
- খ. আইন
- গ. বিধি
- ঘ. অধ্যাদেশ
উত্তর: ঘ. অধ্যাদেশ
সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ ভেঙে গেলে বা সংসদের অধিবেশন না চললে রাষ্ট্রপতি জরুরি প্রয়োজনে আইনের মতো কার্যকর আদেশ জারি করতে পারেন। একে অধ্যাদেশ (Ordinance) বলে। অধ্যাদেশ সংসদের পরবর্তী অধিবেশনে উপস্থাপন করতে হয় এবং অধিবেশন বসার ৩০ দিনের মধ্যে অনুমোদন না হলে তা বাতিল হয়ে যায়।
মনে রাখুন:
সংবিধান হলো দেশের মূল আইন।
বিধি হলো আইনের অধীনে সরকারি আদেশ।
সংসদে পাস হওয়া সাধারণ বিধানকে আইন বা আইন (Act) বলে। - ২৯. বাংলাদেশের গভীরতম কয়লা ক্ষেত্র কোনটি?
- ক. বড় পুকুরিয়া, দিনাজপুর
- খ. জামালগঞ্জ, জয়পুরহাট
- গ. ফুলবাড়ি, দিনাজপুর
- ঘ. খালাশপীর, রংপুর
উত্তর: খ. জামালগঞ্জ, জয়পুরহাট
বাংলাদেশের সবচেয়ে গভীর কয়লাক্ষেত্র জয়পুরহাটের জামালগঞ্জ। এখানে কয়লার স্তর প্রায় এক হাজার মিটারের কাছাকাছি বা তার বেশি গভীরে রয়েছে। তাই এখান থেকে কয়লা তোলা সহজ নয়।
মনে রাখুন:
দেশে একমাত্র চালু কয়লাখনি দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া, যেখানে ভূগর্ভস্থ পদ্ধতিতে কয়লা তোলা হয়।
ফুলবাড়ি ও দীঘিপাড়া দিনাজপুরে, খালাশপীর রংপুরে।
কয়লা মূলত বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্পে ব্যবহৃত হয়। - ৩৫. বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর প্রাথমিক উদ্দেশ্য কী?
- ক. ব্যাংকিং খাত নিয়ন্ত্রণ করা
- খ. বাংলাদেশে বিনিয়োগের লক্ষ্যে প্রচার ও বিনিয়োগ সহজীকরণ
- গ. বাংলাদেশে বিনিয়োগের লক্ষ্যে জাতীয় অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা
- ঘ. বিনিয়োগের লক্ষ্যে পরিবেশগত নীতিমালা প্রণয়ন করা
উত্তর: খ. বাংলাদেশে বিনিয়োগের লক্ষ্যে প্রচার ও বিনিয়োগ সহজীকরণ
বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (BIDA) দেশে বিনিয়োগ আকর্ষণ করার জন্য তৈরি। এর কাজ বিনিয়োগ-সংক্রান্ত প্রচার চালানো এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও সেবা সহজ করা। বিডা ওয়ান স্টপ সার্ভিসের মাধ্যমে এক জায়গা থেকে অনেক সেবা দেয়। ব্যাংকিং খাত নিয়ন্ত্রণ, অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়ন বা পরিবেশ নীতি প্রণয়ন এর প্রাথমিক উদ্দেশ্য নয়।
মনে রাখুন: ব্যাংকিং খাত নিয়ন্ত্রণ করে বাংলাদেশ ব্যাংক, আর রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল পরিচালনা করে বেপজা (BEPZA)। - ৪১. কত তারিখে 'বাংলা ব্লকেড' কর্মসূচি পালন করা হয়?
- ক. ১৬ জুলাই ২০২৪
- খ. ৮ জুলাই ২০২৪
- গ. ৬ জুলাই ২০২৪
- ঘ. ৭ জুলাই ২০২৪
উত্তর: ঘ. ৭ জুলাই ২০২৪
সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন শুরু হয়। আন্দোলনকারীরা সারা দেশে সড়ক ও রেলপথ অবরোধ করার জন্য ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচি দেন, যা ৭ জুলাই পালিত হয়। পরের দিনগুলোতে আন্দোলন আরও তীব্র হয়ে ওঠে।
মনে রাখুন:
১৬ জুলাই রংপুরে আবু সাঈদ নিহত হন।
এই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ৫ আগস্ট ২০২৪ শেখ হাসিনার সরকারের পতন হয়। - ৪৮. 'প্রতিবাদী তারুণ্য' ক্যাটাগরিতে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার কে পেয়েছেন?
- ক. আবরার ফাহাদ
- খ. আবু সাইদ
- গ. মীর মুগ্ধ
- ঘ. নভেরা আহমেদ
উত্তর: ক. আবরার ফাহাদ
২০২৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কারে ‘প্রতিবাদী তারুণ্য’ ক্যাটাগরিতে মরণোত্তর পুরস্কার পান বুয়েটের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ। ২০১৯ সালের অক্টোবরে বুয়েটের শেরেবাংলা হলে তিনি নিহত হন। তাঁর মৃত্যুর পর দেশজুড়ে ছাত্র আন্দোলন গড়ে ওঠে।
মনে রাখুন:
স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় পুরস্কার।
এটি প্রতি বছর ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেওয়া হয়। - ৪৯. নভোথিয়েটারের স্থপতি কে?
- ক. লুই কান
- খ. আলী ইমাম
- গ. কামরুল হাসান
- ঘ. শামীম শিকদার
উত্তর: খ. আলী ইমাম
ঢাকার নভোথিয়েটারের স্থপতি আলী ইমাম। এটি বাংলাদেশের প্রথম নভোথিয়েটার। অন্য অপশনগুলো আলাদা কাজের সঙ্গে জড়িত: লুই কান জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি, কামরুল হাসান বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার নকশাকার, আর শামীম শিকদার ভাস্কর। ফলে নভোথিয়েটারের সঙ্গে কেবল আলী ইমামের নামই মেলে।
মনে রাখুন: জাতীয় সংসদ ভবন আমেরিকান স্থপতি লুই আই. কানের নকশায় তৈরি।
শামীম শিকদার ‘রাজু ভাস্কর্য’-এর স্রষ্টা।
বিজ্ঞান
- ৫৮. জলবায়ু পরিবর্তন বলতে বোঝায়—
- ক. পৃথিবীর তাপমাত্রা পরিবর্তন
- খ. পৃথিবীর তাপমাত্রা এবং আবহাওয়ার দীর্ঘমেয়াদী পরিবর্তন
- গ. নতুন ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের সৃষ্টি
- ঘ. ঘন ঘন বন্যা এবং খরা হওয়া
উত্তর: খ. পৃথিবীর তাপমাত্রা এবং আবহাওয়ার দীর্ঘমেয়াদী পরিবর্তন
জলবায়ু (Climate) মানে কোনো অঞ্চলের দীর্ঘ সময়ের, সাধারণত ৩০ বছর বা তার বেশি, আবহাওয়ার গড় অবস্থা। তাই জলবায়ু পরিবর্তন বলতে শুধু তাপমাত্রা নয়, তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত, বাতাসসহ আবহাওয়ার সামগ্রিক দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তন বোঝায়। বন্যা বা খরা এর ফল হতে পারে, কিন্তু সংজ্ঞা নয়।
মনে রাখুন:
আবহাওয়া হলো অল্প সময়ের বায়ুমণ্ডলের অবস্থা, আর জলবায়ু দীর্ঘ সময়ের গড়।
জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে জাতিসংঘের আন্তঃসরকার প্যানেলের নাম IPCC।
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন