জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ১২ জানুয়ারি ২০১৮। ৯৮টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →- ইংরেজি (২৪)
- বিজ্ঞান (১১)
- গণিত (১৮)
- বাংলাদেশ (১৩)
- বাংলা (২২)
- কম্পিউটার ও আইসিটি (২)
- আন্তর্জাতিক (৭)
- মানসিক দক্ষতা (১)
ইংরেজি
- ১. Which one is correct?
- ক. The old man was died yesterday.
- খ. The old man had died yesterday.
- গ. The old man has died yesterday.
- ঘ. The old man died yesterday.
উত্তর: ঘ. The old man died yesterday.
Yesterday (গতকাল) একটি নির্দিষ্ট অতীত সময়ের শব্দ। কাজটি কখন ঘটেছে তা যখন স্পষ্ট বলা থাকে, তখন বাক্যে সাধারণ অতীতকালের (Past Indefinite) ক্রিয়া বসে। তাই সঠিক বাক্য হলো The old man died yesterday. অন্য বাক্যগুলো ভুল। was died-এ কর্মবাচ্যের গঠন ঢুকে গেছে, অথচ die ক্রিয়ার কর্ম থাকে না। আর had died ও has died নির্দিষ্ট অতীত সময়ের শব্দ yesterday-এর সঙ্গে মেলে না, কারণ Perfect Tense দিয়ে সময় নির্দিষ্ট করে বলা যায় না।
মনে রাখুন:
yesterday, ago, last year, in 1971 জাতীয় নির্দিষ্ট অতীত সময়ের শব্দের সঙ্গে Past Indefinite Tense বসে, Present Perfect বসে না।
Die একটি অকর্মক ক্রিয়া (Intransitive Verb), তাই এর Passive Voice হয় না।
উদাহরণ:
He died in 1990. (He has died in 1990 লেখা ভুল।)
He has just died. (এখানে নির্দিষ্ট সময় নেই, তাই Present Perfect চলে।) - ৫. The king left — heir.আরও এসেছে: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পিটিআই ইন্সট্রাক্টর ২০১৬
- ক. the
- খ. a
- গ. an
- ঘ. none
উত্তর: গ. an
Article কোন শব্দের আগে বসবে, তা নির্ভর করে শব্দের বানানের ওপর নয়, প্রথম ধ্বনির ওপর। Heir শব্দের h উচ্চারিত হয় না, উচ্চারণ হয় /এয়ার/, অর্থাৎ শব্দটি স্বরধ্বনি দিয়ে শুরু হয়। তাই এর আগে an বসে: The king left an heir (রাজা একজন উত্তরাধিকারী রেখে গেলেন)। এখানে heir শব্দটি আগে একবারও উল্লেখ করা হয়নি এবং কোনো নির্দিষ্ট উত্তরাধিকারীর কথাও বলা হচ্ছে না, তাই the নয়, indefinite article an-ই ঠিক।
উদাহরণ:
an hour, an honest man, an heir (h নীরব)
a university, a one-eyed man (শুরুর ধ্বনি ‘ইউ’ ও ‘ওয়া’)
মনে রাখুন: শব্দের প্রথম অক্ষর স্বর হলেও যদি উচ্চারণ ব্যঞ্জনের মতো হয়, তবে a বসে। আবার প্রথম অক্ষর ব্যঞ্জন হলেও যদি উচ্চারণ স্বরের মতো হয়, তবে an বসে। - ৭. What is the past participle form of 'put'?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ১৪৯১) ২০১৯
- ক. putted
- খ. putter
- গ. had putter
- ঘ. put
উত্তর: ঘ. put
Put একটি অনিয়মিত ক্রিয়া (Irregular Verb), যার তিনটি রূপই একই। অর্থাৎ Present: put, Past: put এবং Past Participle: put। তাই putted বা putter বলে কিছু হয় না। Putter আসলে একটি Noun, যার অর্থ গলফ খেলার একধরনের লাঠি। আর had putter-এর গঠনও ভুল, কারণ had-এর পরে Past Participle বসে, Noun বসে না।
মনে রাখুন:
এই ক্রিয়াগুলোরও তিন রূপ একই: cut, hit, set, let, shut, hurt, cost, read (উচ্চারণ বদলায়, বানান একই)।
নিয়মিত ক্রিয়ায় Past ও Past Participle-এর সঙ্গে -ed যুক্ত হয়, যেমন walk, walked, walked।
উদাহরণ:
He has put the book on the table.
Read-এর Past ও Past Participle উচ্চারণ হয় /রেড/। - ১২. The child cried for — mother.
- ক. his
- খ. her
- গ. its
- ঘ. none
উত্তর: গ. its
Child শব্দটি এখানে লিঙ্গ নির্দিষ্ট না করে সাধারণ অর্থে এসেছে। ছেলে না মেয়ে, তা জানা না থাকলে শিশু বোঝাতে ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী ক্লীব লিঙ্গ (Neuter Gender) ধরে its ব্যবহার করা চলে। তাই The child cried for its mother বাক্যটি গ্রহণযোগ্য। সাধারণত যেসব শব্দে লিঙ্গ আলাদা করে বোঝা যায় না, যেমন child, baby, infant, সেগুলোর ক্ষেত্রে এই নিয়ম খাটে।
মনে রাখুন:
শিশুটির লিঙ্গ জানা থাকলে অবশ্য his বা her বসানো হয়।
উভয়লিঙ্গ বোঝায় এমন শব্দকে Common Gender বলে, যেমন student, teacher, friend, parent।
উদাহরণ:
The baby smiled at its mother.
The little girl cried for her mother. - ১৩. What kind of noun is 'cattle'?
- ক. Proper
- খ. Common
- গ. Material
- ঘ. Collective
উত্তর: ঘ. Collective
Cattle (গবাদিপশু) বলতে একসঙ্গে অনেকগুলো প্রাণীর দল বোঝায়, তাই এটি সমষ্টিবাচক বিশেষ্য (Collective Noun)। দল বা সমষ্টি বোঝানো শব্দকে ইংরেজি ব্যাকরণে এই নামে ডাকা হয়। Cattle শব্দটি নিজে বহুবচনের মতো আচরণ করে, তাই এর ক্রিয়াও বহুবচনের হয়: The cattle are grazing in the field. অন্য অপশনগুলো এখানে মেলে না, কারণ cattle কোনো ব্যক্তির নাম নয় (Proper), একটিমাত্র বস্তুর নামও নয় (Common) এবং কোনো পদার্থের নামও নয় (Material)।
উদাহরণ:
team, army, family, jury, committee, flock, herd
মনে রাখুন: Proper Noun কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা স্থানের নাম, যেমন Dhaka, Rahim। Material Noun পদার্থ বোঝায়, যেমন gold, water, iron। - ১৪. Which one is an interrogative sentence?
- ক. He reads a book.
- খ. Does he read a book?
- গ. He has read a book.
- ঘ. He will read a book.
উত্তর: খ. Does he read a book?
প্রশ্নবোধক বাক্যকে Interrogative Sentence বলে। এর গঠনে সাধারণত সহায়ক ক্রিয়া আগে বসে, তারপর কর্তা, তারপর মূল ক্রিয়া এবং শেষে প্রশ্নচিহ্ন (?) থাকে। এই গঠন Does he read a book? বাক্যে আছে। বাকি তিনটি সাধারণ বিবৃতিমূলক (Assertive) বাক্য, কারণ সেগুলোতে কর্তা আগে বসে একটি তথ্য জানানো হয়েছে।
মনে রাখুন:
Present Indefinite Tense-এ প্রশ্ন করতে Do বা Does দিয়ে বাক্য শুরু হয়। Does বসলে মূল ক্রিয়া আবার মূল রূপে ফিরে যায়, যেমন reads নয়, read।
Past Indefinite-এ প্রশ্নের শুরুতে Did বসে।
উদাহরণ:
He has read a book. → Has he read a book?
He will read a book. → Will he read a book? - ১৬. The greater the demand — the price.
- ক. the higher
- খ. higher
- গ. the high
- ঘ. high
উত্তর: ক. the higher
দুটি বিষয় একসঙ্গে বাড়লে বা কমলে The + comparative, the + comparative গঠন ব্যবহার করা হয়। প্রথম অংশে The greater আছে, তাই দ্বিতীয় অংশেও The higher বসবে: The greater the demand, the higher the price (চাহিদা যত বেশি, দাম তত বেশি)। এখানে higher হলো high-এর Comparative Degree, আর শুরুতে the বসে বোঝায় যে দুটি অংশ পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল। শুধু high বা the high বসালে এই গঠন ভেঙে যায়।
উদাহরণ:
The more you read, the more you learn.
The sooner, the better.
মনে রাখুন: এই গঠনে দুই অংশেই Comparative Degree থাকে এবং দুই অংশের শুরুতেই the বসে। - ২১. 'In no time' means —
- ক. ahead of time
- খ. very quickly
- গ. at the best of times
- ঘ. in good time
উত্তর: খ. very quickly
In no time বাগধারাটির অর্থ খুব অল্প সময়ে বা এক্ষুনি। তাই এর কাছাকাছি অর্থ very quickly (খুব দ্রুত)। বাকি অপশনের অর্থ আলাদা: ahead of time মানে সময়ের আগে, at the best of times মানে সবচেয়ে ভালো অবস্থায়, in good time মানে যথাসময়ে। এখানে ‘সময়ের আগে’ ও ‘দ্রুত’ এক কথা নয়, কারণ একটি সময়সীমার সঙ্গে সম্পর্কিত, অন্যটি কাজ শেষ করার গতির সঙ্গে।
উদাহরণ:
She finished the work in no time.
মনে রাখুন: In no time-এর মতো আরও কিছু বাগধারা: in a flash, in a jiffy, at once। - ২৬. 'Few and far between' means —
- ক. in between
- খ. long distance
- গ. rarely
- ঘ. short distance
উত্তর: গ. rarely
Few and far between বাগধারাটির মানে অত্যন্ত বিরল বা কালেভদ্রে। তাই এর কাছাকাছি অর্থ rarely। বাকি অপশনগুলো দূরত্ব বা মাঝখানের অবস্থান বোঝায়, যা বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না। শব্দ দেখে মনে হতে পারে ‘দূরত্ব’ বোঝানো হচ্ছে, কিন্তু আসলে বাগধারাটি কোনো জিনিস কত কম পাওয়া যায়, সেটাই বোঝায়।
উদাহরণ:
Good teachers are few and far between.
মনে রাখুন: এর সমার্থক কিছু শব্দ: rare, scarce, infrequent। - ২৭. Fill in the blank : I wish I — the wings of a bird.
- ক. have
- খ. had
- গ. were
- ঘ. was
উত্তর: খ. had
I wish বলে যে ইচ্ছা প্রকাশ করা হয়, তা বর্তমানে অপূর্ণ থাকে। এমন ক্ষেত্রে wish-এর পরের অংশে Past Tense বসে। I wish I had the wings of a bird বাক্যে বোঝা যায়, ‘পাখির ডানা থাকলে ভালো হতো’ এমন একটি অবাস্তব ইচ্ছা প্রকাশ পাচ্ছে। তাই have বা was নয়, had-ই ঠিক।
মনে রাখুন:
be verb-এর ক্ষেত্রে সব কর্তার সঙ্গে were বসে, যেমন I wish I were a king.
অতীতের অপূর্ণ ইচ্ছা বোঝাতে wish-এর পরে Past Perfect বসে, যেমন I wish I had studied harder.
উদাহরণ:
I wish I knew the answer.
I wish he were here. - ৩১. The word 'ecological' is related to —
- ক. environment
- খ. atmosphere
- গ. pollution
- ঘ. geography
উত্তর: ক. environment
Ecological শব্দটি Ecology (বাস্তুবিদ্যা) থেকে এসেছে। এই বিদ্যায় জীব ও তার চারপাশের পরিবেশের পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করা হয়। তাই ecological শব্দটি environment (পরিবেশ)-এর সঙ্গে সম্পর্কিত। বাকি অপশনগুলো পরিবেশের অংশ হলেও সরাসরি অর্থ প্রকাশ করে না। যেমন atmosphere মানে বায়ুমণ্ডল, pollution মানে দূষণ এবং geography মানে ভূগোল।
উদাহরণ:
ecological balance (বাস্তুসংস্থানিক ভারসাম্য)
মনে রাখুন: Ecology শব্দটি গ্রিক oikos (ঘর) থেকে এসেছে। অন্য একটি শব্দ ecosystem (বাস্তুতন্ত্র)। - ৩৩. 'He is poor but honest' — In this sentence which is conjunction?
- ক. poor
- খ. honest
- গ. but
- ঘ. he
উত্তর: গ. but
Conjunction হলো সংযোজক অব্যয়, যা শব্দ বা বাক্যাংশকে জুড়ে দেয়। He is poor but honest বাক্যে but শব্দটি poor ও honest-এর মধ্যে বিপরীত ভাব দেখিয়ে সংযোগ ঘটায়। তাই এটি conjunction। বাকি অপশনগুলোর ভূমিকা আলাদা: poor ও honest Adjective এবং He হলো Pronoun।
মনে রাখুন:
and, but, or, so, because, although, if এগুলো সবই conjunction।
বিপরীত ভাব বোঝাতে but, yet, still ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ:
He is rich but unhappy.
She is poor yet honest. - ৫৪. William Wordsworth was a —
- ক. novelist
- খ. historian
- গ. poet
- ঘ. dramatist
উত্তর: গ. poet
উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ (১৭৭০–১৮৫০) ইংরেজ রোমান্টিক যুগের বিখ্যাত কবি। প্রকৃতিকে তিনি কবিতার প্রধান বিষয় করেছিলেন, তাই তাঁকে Poet of Nature বলা হয়। তিনি ঔপন্যাসিক, ঐতিহাসিক বা নাট্যকার হিসেবে পরিচিত নন, তাঁর খ্যাতি কবিতার জন্যই।
মনে রাখুন:
কোলরিজের সঙ্গে মিলে তিনি ‘Lyrical Ballads’ (১৭৯৮) লেখেন।
তাঁর বিখ্যাত কবিতা ‘Daffodils’ ও ‘The Prelude’।
১৮৪৩ সালে তিনি ইংল্যান্ডের Poet Laureate হন। - ৫৭. Find out the correctly spelt word :
- ক. Setallite
- খ. Sattelite
- গ. Satellit
- ঘ. Satellite
উত্তর: ঘ. Satellite
Satellite শব্দের অর্থ উপগ্রহ বা কৃত্রিম উপগ্রহ। এর সঠিক বানান S-a-t-e-l-l-i-t-e। অন্য অপশনে অক্ষর উল্টেপাল্টে বা একটি অক্ষর বাদ পড়ে ভুল বানান হয়েছে, যেমন Setallite-এ প্রথম e ভুল জায়গায় এসেছে, আর Satellit-এ শেষের e বাদ পড়েছে।
মনে রাখুন:
Satellite বানানে দুটি l ও শেষে e থাকে এবং বানানের প্রথমাংশ sat- দিয়ে শুরু।
বাংলাদেশের প্রথম উপগ্রহের নাম বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১, যা ২০১৮ সালে উৎক্ষেপণ করা হয়। - ৫৯. Choose the correct expression—
- ক. Five hundred taka
- খ. Five hundred takas
- গ. Five hundreds taka
- ঘ. Five hundreds takas
উত্তর: ক. Five hundred taka
Taka মুদ্রার নাম, এবং Five hundred সংখ্যাবাচক শব্দের পর এই জাতীয় শব্দ একবচন রূপেই থাকে, তাই Five hundred taka শুদ্ধ। Hundred শব্দের শেষে s যুক্ত হয় না, যখন তার আগে কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা বসে।
উদাহরণ:
five hundred pages, three hundred students
অনির্দিষ্টভাবে বোঝাতে hundreds of people (শত শত মানুষ) লেখা হয়।
মনে রাখুন: dozen, score, thousand ও million শব্দেও একই নিয়ম খাটে, যেমন two dozen eggs, three thousand people। - ৬১. Alas! I am undone. Here 'alas' is —
- ক. noun
- খ. adverb
- গ. interjection
- ঘ. preposition
উত্তর: গ. interjection
Alas! শব্দটি মনের দুঃখ বা আফসোস প্রকাশ করে, তাই এটি Interjection (আবেগসূচক অব্যয়)। Interjection-এর পরে সাধারণত বিস্ময়সূচক চিহ্ন (!) বসে এবং বাক্যের বাকি অংশের সঙ্গে এর ব্যাকরণগত সম্পর্ক থাকে না। Alas কোনো বস্তুর নাম নয় (Noun), ক্রিয়ার বিশেষণও নয় (Adverb), আবার কোনো বিশেষ্যের আগে বসে সম্পর্ক দেখায় না (Preposition)।
উদাহরণ:
Hurrah! (আনন্দ), Alas! (দুঃখ), Oh! (বিস্ময়), Bravo! (প্রশংসা)
মনে রাখুন: আরও কিছু Interjection: Wow, Ah, Fie। - ৬৪. I saw — beggar.
- ক. an one-eyed
- খ. an one-eye
- গ. a one-eye
- ঘ. a one-eyed
উত্তর: ঘ. a one-eyed
One শব্দের উচ্চারণ /ওয়ান/, অর্থাৎ ব্যঞ্জনধ্বনি দিয়ে শুরু। তাই এর আগে an নয়, a বসে। One-eyed একটি যৌগিক বিশেষণ, যার অর্থ এক চোখবিশিষ্ট। সুতরাং সঠিক রূপ a one-eyed beggar (একচক্ষু ভিক্ষুক)। One-eye কোনো বিশেষণ নয়, তাই a one-eye ভুল।
উদাহরণ:
a one-way street, a one-eyed man
মনে রাখুন: একইভাবে a university, a European, a unique idea-তে a বসে, কারণ শব্দগুলোর উচ্চারণ ‘ইউ’ দিয়ে শুরু। - ৬৭. The word parent means-
- ক. Father
- খ. Mother
- গ. Father or mother
- ঘ. Father and mother
উত্তর: গ. Father or mother
Parent (একবচন) মানে বাবা অথবা মা যেকোনো একজন; বাবা ও মা দুজনকে একসঙ্গে বোঝাতে parents বলা হয়। - ৬৮. A girl who is going to be married is —
- ক. wife
- খ. beloved
- গ. bride
- ঘ. bridegroom
উত্তর: গ. bride
যে মেয়ে বিয়ে করতে যাচ্ছে বা সদ্য বিয়ে করেছে, তাকে bride (কনে) বলে। অন্য অপশনে wife মানে স্ত্রী, beloved মানে প্রিয়তমা, আর bridegroom মানে বর। এগুলো কনের সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও অর্থ আলাদা।
মনে রাখুন:
wedding-এর সময় bride ও bridegroom (সংক্ষেপে groom) দুজনেই থাকে।
বাগদত্তা মেয়েকে fiancée এবং বাগদত্ত ছেলেকে fiancé বলে।
একই ধরনের শব্দ: widow (বিধবা) ও widower (বিপত্নীক)। - ৭৯. My friend always goes home — foot.
- ক. on
- খ. with
- গ. of
- ঘ. by
উত্তর: ক. on
Go on foot একটি স্থায়ী বাগধারা, যার অর্থ পায়ে হেঁটে যাওয়া। যানবাহনের ক্ষেত্রে by বসে, যেমন by bus, by car, কিন্তু হাঁটার ক্ষেত্রে on বসে। তাই My friend always goes home on foot বাক্যটি শুদ্ধ। with, of বা by বসালে বাক্যটির অর্থ ও গঠন মেলে না।
উদাহরণ:
He goes to school on foot.
She goes to office by bus.
মনে রাখুন: by + যানবাহন, কিন্তু on foot। ঘোড়ার পিঠে যাওয়া বোঝাতে on horseback বলা হয়। - ৮১. No man can — alone.
- ক. live
- খ. lives
- গ. lived
- ঘ. living
উত্তর: ক. live
Can একটি Modal Auxiliary Verb। এর পরে সবসময় ক্রিয়ার মূল রূপ (Base Form) বসে, কোনো s, ed বা ing যুক্ত হয় না। তাই No man can live alone (কেউ একা বাঁচতে পারে না) শুদ্ধ। Lives, lived ও living বসালে Modal-এর নিয়ম ভেঙে যায়।
মনে রাখুন: can, could, may, might, will, would, shall, should, must-এর পরে সব সময় verb-এর base form বসে।
উদাহরণ:
He can swim.
She must go.
No man can live without food. - ৮৫. A poem of fourteen lines is called —
- ক. elegy
- খ. sonnet
- গ. ode
- ঘ. epic
উত্তর: খ. sonnet
চৌদ্দ লাইনের কবিতাকে Sonnet (চতুর্দশপদী কবিতা) বলে। ইতালীয় কবি পেত্রার্ক এর প্রচলন করেন এবং শেক্সপিয়র এটিকে সমৃদ্ধ করেন। বাংলায় মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রথম এই রীতি এনেছেন। অন্য শব্দগুলোর অর্থ আলাদা: elegy শোকের কবিতা, ode প্রশংসার কবিতা আর epic দীর্ঘ বীরগাথা।
মনে রাখুন:
Elegy: শোককাব্য।
Ode: কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর প্রশংসামূলক কবিতা।
Epic: মহাকাব্য।
মধুসূদন দত্তের চতুর্দশপদী কবিতার সংকলন ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’ (১৮৬৬)। - ৯০. 'If you read, you will learn.' — This sentence is a — sentence.
- ক. simple
- খ. compound
- গ. complex
- ঘ. negative
উত্তর: গ. complex
If you read, you will learn বাক্যে দুটি খণ্ডবাক্য আছে। If you read একটি আশ্রিত বাক্য (Subordinate Clause), যা নিজে পূর্ণ অর্থ দেয় না, আর you will learn স্বাধীন বাক্য (Principal Clause)। একটি স্বাধীন ও এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য নিয়ে যে বাক্য গঠিত হয়, তাকে Complex Sentence বলে।
মনে রাখুন:
if, because, when, although জাতীয় শব্দ সাধারণত আশ্রিত বাক্য শুরু করে।
Simple Sentence-এ একটিই স্বাধীন বাক্য থাকে।
Compound Sentence-এ দুই বা তার বেশি স্বাধীন বাক্য and, but, or দিয়ে যুক্ত হয়।
উদাহরণ:
He is poor but he is honest. (Compound) - ৯২. A friend — need is a friend indeed.
- ক. to
- খ. in
- গ. for
- ঘ. of
উত্তর: খ. in
A friend in need is a friend indeed একটি প্রবাদ, যার অর্থ বিপদের সময় যে পাশে দাঁড়ায়, সেই প্রকৃত বন্ধু। Need এখানে বিপদ বা অভাব বোঝায়, আর in need অর্থ প্রয়োজনের সময়ে। বাক্যটিতে to, for বা of বসালে প্রবাদের গঠন নষ্ট হয়ে যায়।
উদাহরণ:
He helped me when I was ill. A friend in need is a friend indeed.
মনে রাখুন: Indeed শব্দের অর্থ সত্যিই বা প্রকৃতপক্ষে।
বিজ্ঞান
- ২. বিদ্যুৎ শক্তির হিসাব নিকাশে ব্যবহৃত একক—
- ক. অ্যাম্পিয়ার
- খ. ভোল্ট
- গ. কিলোওয়াট ঘণ্টা
- ঘ. ওয়াট
উত্তর: গ. কিলোওয়াট ঘণ্টা
বাড়িতে কত বিদ্যুৎ খরচ হলো, তার হিসাব রাখা হয় কিলোওয়াট ঘণ্টা (kWh) এককে। এক কিলোওয়াট ক্ষমতার যন্ত্র এক ঘণ্টা চললে যে শক্তি খরচ হয়, সেটিই ১ কিলোওয়াট ঘণ্টা। বিদ্যুৎ বিলে যে ‘ইউনিট’ লেখা থাকে, সেটি আসলে এই একক। অ্যাম্পিয়ার, ভোল্ট ও ওয়াট কোনোটিই খরচ হওয়া শক্তির পরিমাণ দেখায় না। এগুলো যথাক্রমে প্রবাহ, বিভব ও ক্ষমতা মাপে। শক্তি পেতে হলে ক্ষমতাকে সময় দিয়ে গুণ করতে হয়, আর সেই কাজটিই কিলোওয়াট ঘণ্টায় হয়।
মনে রাখুন:
তড়িৎপ্রবাহের একক অ্যাম্পিয়ার (A)।
তড়িৎ বিভব বা ভোল্টেজের একক ভোল্ট (V)।
ক্ষমতার একক ওয়াট (W)।
১ কিলোওয়াট ঘণ্টা = ১০০০ ওয়াট × ১ ঘণ্টা = ৩৬ লক্ষ জুল।
ক্ষমতার সূত্র P = VI এবং শক্তির সূত্র E = Pt। - ২৮. বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ-
- ক. কম হয়
- খ. খুব কম হয়
- গ. বেশি হয়
- ঘ. একই থাকে
উত্তর: ঘ. একই থাকে
প্রচলিত রোধকযুক্ত রেগুলেটর দিয়ে পাখা ধীরে চালালে বাড়তি শক্তি রেগুলেটরে তাপ হিসেবে খরচ হয়, ফলে মোট বিদ্যুৎ খরচ প্রায় একই থাকে— এ ধারণা থেকেই উত্তর ‘একই থাকে’। তবে আধুনিক ইলেকট্রনিক রেগুলেটরে ধীরে চালালে খরচ কিছুটা কমে। - ৩০. ভরের আন্তর্জাতিক একক কী?
- ক. পাউন্ড
- খ. আউন্স
- গ. লিটার
- ঘ. কিলোগ্রাম
উত্তর: ঘ. কিলোগ্রাম
SI পদ্ধতিতে ভরের একক কিলোগ্রাম (kg)। পাউন্ড ও আউন্স ব্রিটিশ বা ইম্পেরিয়াল এককের ভর পরিমাপ। লিটার আয়তনের একক, ভরের নয়।
মনে রাখুন:
SI পদ্ধতির সাতটি মৌলিক একক: মিটার (দৈর্ঘ্য), কিলোগ্রাম (ভর), সেকেন্ড (সময়), অ্যাম্পিয়ার (তড়িৎপ্রবাহ), কেলভিন (তাপমাত্রা), মোল (পদার্থের পরিমাণ), ক্যান্ডেলা (দীপন তীব্রতা)।
কিলোগ্রামই একমাত্র, যার নামের আগে আগে থেকেই ‘কিলো’ উপসর্গ আছে।
১ কিলোগ্রাম = ১০০০ গ্রাম। - ৩৬. সূর্য কিরণ থেকে কোন ভিটামিন পাওয়া যায়?
- ক. D
- খ. C
- গ. B
- ঘ. A
উত্তর: ক. D
সূর্যের আলোর অতিবেগুনি রশ্মি আমাদের ত্বকে পড়লে ত্বকেই ভিটামিন D তৈরি হয়। তাই ভিটামিন D-কে সূর্যালোক ভিটামিনও বলে। এই ভিটামিন খাদ্য থেকে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষণে সাহায্য করে এবং এভাবে হাড় ও দাঁত মজবুত রাখে। বাকি ভিটামিনগুলো আমরা মূলত খাবার থেকে পাই, সূর্যের আলো থেকে নয়।
মনে রাখুন:
ভিটামিন D-এর অভাবে শিশুদের রিকেট (Rickets) রোগ হয়। বড়দের ক্ষেত্রে অভাবজনিত রোগ অস্টিওম্যালেসিয়া।
ভিটামিন A-র উৎস দুধ, ডিম ও গাজর, আর এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়।
ভিটামিন C-র উৎস লেবু, আমলকী ও পেয়ারা, আর এর অভাবে স্কার্ভি হয়।
ভিটামিন B১-এর অভাবে বেরিবেরি রোগ হয়। - ৪২. এক গ্যালনে কত লিটার?
- ক. ৫.৫৮৪ লিটার
- খ. ৩.৯৮৪ লিটার
- গ. ৪.৫৪৬ লিটার
- ঘ. ৪.৯৫৪ লিটার
উত্তর: গ. ৪.৫৪৬ লিটার
ইম্পেরিয়াল পদ্ধতিতে ১ গ্যালন ঠিক ৪.৫৪৬ লিটারের সমান। তাই সঠিক অপশন ৪.৫৪৬ লিটার। গ্যালন তরল পদার্থের আয়তন মাপার একক। আগে ব্রিটিশ শাসনের কারণে আমাদের উপমহাদেশেও এটি চালু ছিল।
মনে রাখুন:
যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবহৃত গ্যালনের মান আলাদা, প্রায় ৩.৭৮৫ লিটার।
১ লিটার = ১০০০ ঘন সেন্টিমিটার।
আয়তনের SI একক ঘনমিটার। - ৫১. এক অশ্ব ক্ষমতা কত ওয়াটের সমান?
- ক. ৭৪৬ ওয়াট
- খ. ৮৬৭ ওয়াট
- গ. ৬৭৪ ওয়াট
- ঘ. ৭৮৮ ওয়াট
উত্তর: ক. ৭৪৬ ওয়াট
ক্ষমতার ব্যবহারিক একক অশ্বক্ষমতা (Horse Power বা hp)। ১ অশ্বক্ষমতা প্রায় ৭৪৬ ওয়াটের সমান। গাড়ি ও মোটরের ক্ষমতা সাধারণত এই এককে বলা হয়। অন্য অপশনের সংখ্যাগুলো আসলে এই মানের কাছাকাছি সাজানো ভুল সংখ্যা, তাই ৭৪৬ মনে রাখা দরকার।
মনে রাখুন:
ক্ষমতার SI একক ওয়াট, আর ১ ওয়াট = ১ জুল/সেকেন্ড।
ক্ষমতা = কাজ ÷ সময়।
১ কিলোওয়াট = ১০০০ ওয়াট। - ৫২. সাবান শিল্পে উপজাত হিসেবে পাওয়া যায়—
- ক. ডিটারজেন্ট
- খ. ইথানল
- গ. চর্বি
- ঘ. গ্লিসারিন
উত্তর: ঘ. গ্লিসারিন
তেল বা চর্বিকে ক্ষার, যেমন কস্টিক সোডার সঙ্গে ফুটিয়ে সাবান তৈরি করা হয়। এই বিক্রিয়াকে সাবানীকরণ (Saponification) বলে। বিক্রিয়ায় সাবানের সঙ্গে গ্লিসারিন নামের তরল পদার্থ উপজাত হিসেবে পাওয়া যায়। গ্লিসারিন প্রসাধনী ও ওষুধ তৈরিতে কাজে লাগে। অন্য অপশনগুলো এখানে ঠিক নয়। চর্বি সাবানের কাঁচামাল, উপজাত নয়, আর ডিটারজেন্ট একটি আলাদা কৃত্রিম পরিষ্কারক।
মনে রাখুন:
সাবান হলো উচ্চতর ফ্যাটি অ্যাসিডের সোডিয়াম বা পটাসিয়াম লবণ।
কস্টিক সোডা (NaOH) দিয়ে শক্ত সাবান এবং কস্টিক পটাশ (KOH) দিয়ে নরম সাবান তৈরি হয়। - ৬০. কত ডিগ্রি তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি?আরও এসেছে: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার ২০১৫
- ক. 4° C
- খ. 100° C
- গ. 98° C
- ঘ. 102° C
উত্তর: ক. 4° C
সাধারণত তাপমাত্রা কমলে পদার্থ সংকুচিত হয় এবং ঘনত্ব বাড়ে, কিন্তু পানি এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। ৪° C-এ পানির আয়তন সবচেয়ে কম থাকে, তাই এ তাপমাত্রায় ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি, প্রায় ১০০০ কেজি/ঘনমিটার। এর চেয়ে ঠান্ডা হলে পানি আবার প্রসারিত হতে শুরু করে।
মজার ব্যাপার হলো, এ কারণেই শীতের দেশে হ্রদ ওপর থেকে জমে গেলেও নিচের পানি তরল থাকে এবং মাছ বেঁচে থাকে।
মনে রাখুন:
পানির স্বাভাবিক হিমাঙ্ক ০° C এবং স্ফুটনাঙ্ক ১০০° C।
বরফ পানির চেয়ে হালকা, তাই পানিতে ভাসে। - ৭৮. মৌমাছিতে কোন এসিড থাকে?
- ক. টারটারিক এসিড
- খ. ফরমিক এসিড
- গ. ইরোসিক এসিড
- ঘ. লিনোলিক এসিড
উত্তর: খ. ফরমিক এসিড
মৌমাছির হুলে ফরমিক অ্যাসিড (Formic Acid) থাকে, যা কামড়ানোর পর জ্বালা ও ব্যথা তৈরি করে। এটি সবচেয়ে সরল জৈব অ্যাসিড, যার সংকেত HCOOH। পিঁপড়ার কামড়েও এই অ্যাসিড থাকে। Formica শব্দের অর্থ পিঁপড়া।
মনে রাখুন:
টারটারিক অ্যাসিড: তেঁতুল, আঙুর।
ল্যাকটিক অ্যাসিড: টক দই।
সাইট্রিক অ্যাসিড: লেবু।
অ্যাসেটিক অ্যাসিড: ভিনেগার। - ৮০. 'চিকুনগুনিয়া' কীসের মাধ্যমে ছড়ায়?
- ক. এডিস মশার মাধ্যমে
- খ. পানির মাধ্যমে
- গ. বানরের মাধ্যমে
- ঘ. বাতাসের মাধ্যমে
উত্তর: ক. এডিস মশার মাধ্যমে
চিকুনগুনিয়া ভাইরাসজনিত রোগ, যা এডিস (Aedes) জাতীয় মশার কামড়ে ছড়ায়। এই মশা সাধারণত দিনের বেলা কামড়ায় এবং জমে থাকা পরিষ্কার পানিতে ডিম পাড়ে। ডেঙ্গু রোগও এই মশার মাধ্যমেই ছড়ায়। রোগটি পানি, বাতাস বা বানরের মাধ্যমে সরাসরি ছড়ায় না।
মনে রাখুন:
ম্যালেরিয়া ছড়ায় অ্যানোফিলিস মশায়।
ফাইলেরিয়া ছড়ায় কিউলেক্স মশায়।
চিকুনগুনিয়া নামটি আফ্রিকার মাকোন্দে ভাষা থেকে এসেছে, যার অর্থ ‘বেঁকে যাওয়া’। রোগে জোড়ায় ব্যথা হয় বলে রোগী কুঁজো হয়ে যায়। - ৮৯. এক কিলোমিটার সমান কত মাইল?
- ক. ০.৯১ মাইল
- খ. ১.৬০ মাইল
- গ. ০.৬৫ মাইল
- ঘ. ০.৬২১ মাইল
উত্তর: ঘ. ০.৬২১ মাইল
১ কিলোমিটার প্রায় ০.৬২১ মাইলের সমান। উল্টো দিক থেকে ১ মাইল প্রায় ১.৬০৯ কিলোমিটার। তাই কিলোমিটারকে মাইলে বদলাতে হলে ০.৬২১ দিয়ে গুণ করতে হয়। অপশনের ১.৬০ আসলে ১ মাইলে কত কিলোমিটার, তার মান, ১ কিলোমিটারে কত মাইল তার মান নয়।
মনে রাখুন:
১০০ কিমি ≈ ৬২ মাইল, আর ১০০ মাইল ≈ ১৬১ কিমি।
১ কিলোমিটার = ১০০০ মিটার।
১ মিটার ≈ ৩৯.৩৭ ইঞ্চি।
গণিত
- ৩. ১, ৩, ৫, ৭ অনুক্রমটির ১২তম পদ কোনটি?
- ক. ১৫
- খ. ২৩
- গ. ২৫
- ঘ. ৩০
উত্তর: খ. ২৩
১, ৩, ৫, ৭ অনুক্রমে প্রতিটি পদ আগের পদের চেয়ে ২ বেশি, তাই এটি সমান্তর অনুক্রম (Arithmetic Sequence)। এখানে প্রথম পদ a = 1 এবং সাধারণ অন্তর d = 2। যে অনুক্রমে পরপর দুটি পদের বিয়োগফল সব জায়গায় সমান থাকে, তাকেই সমান্তর অনুক্রম বলে।
n-তম পদ = a + (n − 1)d, সুতরাং ১২তম পদ = 1 + (12 − 1) × 2 = 1 + 22 = 23।
মনে রাখুন:
এই অনুক্রমের n-তম পদ সহজে 2n − 1 লিখে ফেলা যায়, তাই ১২তম পদ 2 × 12 − 1 = 23।
সমান্তর অনুক্রমের প্রথম n সংখ্যক পদের যোগফল S = n/2 × {2a + (n − 1)d}।
এখানে প্রথম n সংখ্যক বিজোড় সংখ্যার যোগফল n², যেমন ১২টি পদের যোগফল 12² = 144। - ৪. গোলকের ব্যাসার্ধ r হলে উহার আয়তন সমান কত?
- ক. 4/3 πr³
- খ. 3/4 πr³
- গ. 4/3 π³r
- ঘ. 3/4 π³r
উত্তর: ক. 4/3 πr³
গোলকের (Sphere) আয়তনের সূত্র হলো V = 4/3 πr³, যেখানে r হলো ব্যাসার্ধ। আয়তন তিন মাত্রার পরিমাপ, তাই সূত্রে r-এর ঘাত ৩ থাকে, আর π কেবল একবারই আসে। এ কারণেই π³r বা 3/4 দিয়ে লেখা অপশনগুলো ঠিক নয়। সূত্রটি মনে রাখার একটি সহজ উপায় আছে। গোলকের পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল 4πr²-কে ব্যাসার্ধের এক-তৃতীয়াংশ দিয়ে গুণ করলেই আয়তন পাওয়া যায়।
মনে রাখুন:
গোলকের পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল = 4πr²
অর্ধগোলকের আয়তন = 2/3 πr³
অর্ধগোলকের সমগ্র পৃষ্ঠতল = 3πr²
ব্যাসার্ধ r এবং উচ্চতা h হলে সিলিন্ডারের আয়তন πr²h, আর শঙ্কুর আয়তন 1/3 πr²h। - ৯. ২৬১ টি আম তিন ভাইয়ের মধ্যে 1/3 : 1/5 : 1/9 অনুপাতে ভাগ করে দিলে প্রথম ভাই কতটি আম পাবে?
- ক. ৮৫
- খ. ৮১
- গ. ৯০
- ঘ. ১৩৫
উত্তর: ঘ. ১৩৫
ভাগের অনুপাত 1/3 : 1/5 : 1/9। ভগ্নাংশের অনুপাত সহজ করতে হরগুলোর ল.সা.গু. নিতে হয়। এখানে ল.সা.গু. ৪৫, তাই প্রত্যেক ভগ্নাংশকে ৪৫ দিয়ে গুণ করলে অনুপাত হয় 15 : 9 : 5। অনুপাতের যোগফল 15 + 9 + 5 = 29।
প্রথম ভাই পাবে 261 × 15/29 = 9 × 15 = 135টি।
শর্টকাট: 261 ÷ 29 = 9, তাই প্রতি এক ভাগে ৯টি আম পড়ে।
যাচাই: অন্য দুই ভাই পাবে 9 × 9 = 81টি এবং 5 × 9 = 45টি, আর 135 + 81 + 45 = 261।
মনে রাখুন: ভগ্নাংশ অনুপাতে ভাগের প্রশ্নে সবচেয়ে বড় ভগ্নাংশ বেশি পায়, তাই 1/3 ভগ্নাংশটি সবচেয়ে বেশি অংশ পাবে। - ১০. 4^(x+1) = 32 হলে, x = কত?
- ক. 2/3
- খ. 1/2
- গ. 3/2
- ঘ. 5/2
উত্তর: গ. 3/2
এখানে সমীকরণটি 4^(x+1) = 32। দুই পাশকে ২-এর ঘাতে লিখলে 4 = 2², তাই 4^(x+1) = 2^(2x+2), আর 32 = 2⁵।
ভিত্তি সমান হওয়ায় ঘাত সমান হবে: 2x + 2 = 5, অর্থাৎ 2x = 3, তাই x = 3/2।
যাচাই: 4^(5/2) = (√4)⁵ = 2⁵ = 32।
মনে রাখুন:
সূচকীয় সমীকরণে দুই পাশের ভিত্তি সমান করতে পারলে ঘাত দুটি সমান ধরা যায়।
২-এর ঘাত: 2¹ = 2, 2² = 4, 2³ = 8, 2⁴ = 16, 2⁵ = 32, 2⁶ = 64।
সূচকের নিয়ম: (a^m)^n = a^(mn)। - ১৯. যদি A = {1, 2, 3}, B = {2, 3, 5} হয়, তবে A\B = কত?
- ক. {2,3}
- খ. {5}
- গ. {1}
- ঘ. {3,5}
উত্তর: গ. {1}
সেট বিয়োগ A\B বলতে বোঝায় A-এর সেসব উপাদান, যেগুলো B-তে নেই। এখানে A = {1, 2, 3} এবং B = {2, 3, 5}। 2 ও 3 দুটোই B-তে আছে, তাই এ দুটি বাদ যায়। বাকি থাকে শুধু 1। সুতরাং A\B = {1}।
মনে রাখুন:
B\A = {5}, তাই A\B আর B\A এক জিনিস নয়।
সংযোগ A ∪ B = {1, 2, 3, 5} এবং ছেদ A ∩ B = {2, 3}।
নিয়ম: A\B = A − (A ∩ B), এখানে {1, 2, 3} থেকে {2, 3} বাদ দিলে {1} থাকে। - ২৯. পরপর চারটি সংখ্যার গুণফল ৩৬০ হলে তাদের যোগফল কত?
- ক. ১২
- খ. ১৫
- গ. ১৮
- ঘ. ২০
উত্তর: গ. ১৮
ক্রমিক চারটি সংখ্যার গুণফল ৩৬০ হলে সংখ্যাগুলো আন্দাজ করা যায়: 3 × 4 × 5 × 6 = 360।
তাই যোগফল 3 + 4 + 5 + 6 = 18।
শর্টকাট: ৩৬০ প্রায় ৪-এর চতুর্থ ঘাতের (২৫৬) কাছাকাছি, তাই সংখ্যাগুলো ৪–৫-এর আশেপাশে খুঁজলেই চলে।
যাচাই: 3 × 4 = 12 এবং 5 × 6 = 30, আর 12 × 30 = 360।
মনে রাখুন: ক্রমিক চারটি সংখ্যার গুণফলের সঙ্গে ১ যোগ করলে একটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা হয়। এখানে 360 + 1 = 361 = 19²। - ৩৭. a = 3, m = 2, n = 1 হলে (aᵐ)ⁿ এর মান কত?
- ক. 9
- খ. 12
- গ. 3
- ঘ. 4
উত্তর: ক. 9
a = 3, m = 2, n = 1 হলে (aᵐ)ⁿ = (3²)¹। এখানে 3² = 9, আর 9¹ = 9। কোনো সংখ্যার ঘাত ১ হলে সংখ্যাটি নিজেই থাকে, তাই ফল ৯।
সূত্র: (aᵐ)ⁿ = a^(mn), তাই 3^(2×1) = 3² = 9।
মনে রাখুন:
ঘাতের ঘাত নিলে ঘাতগুলো গুণ হয়, যোগ হয় না।
aᵐ × aⁿ = a^(m+n) এবং aᵐ ÷ aⁿ = a^(m−n)।
a⁰ = 1, যেখানে a ≠ 0। - ৩৮. 66⅔% সমান কত?
- ক. 2/3
- খ. 1/3
- গ. 1/8
- ঘ. 4/5
উত্তর: ক. 2/3
শতকরা (%) মানে প্রতি ১০০-এ কত। 66⅔% = 200/3 %, তাই ভগ্নাংশে লিখলে 200/3 × 1/100 = 2/3। অর্থাৎ 66⅔% হলো ৩ ভাগের ২ ভাগ।
মনে রাখুন:
33⅓% = 1/3
66⅔% = 2/3
16⅔% = 1/6
83⅓% = 5/6
12.5% = 1/8
এই ভগ্নাংশগুলো মুখস্থ থাকলে হিসাব দ্রুত হয়। - ৪০. দুটি ক্রমিক পূর্ণসংখ্যা নির্ণয় করুন যাদের বর্গের অন্তর ৯ হবে।
- ক. ৪ এবং ৫
- খ. ৫ এবং ৬
- গ. ৬ এবং ৭
- ঘ. ৭ এবং ৮
উত্তর: ক. ৪ এবং ৫
পরপর দুটি পূর্ণসংখ্যা n ও n+1 হলে তাদের বর্গের অন্তর (n+1)² − n² = 2n + 1। এটি ৯ হলে 2n + 1 = 9, তাই n = 4। সংখ্যা দুটি ৪ ও ৫।
যাচাই: 5² − 4² = 25 − 16 = 9।
শর্টকাট: ক্রমিক দুটি সংখ্যার বর্গের অন্তর তাদের যোগফলের সমান, এখানে 4 + 5 = 9।
মনে রাখুন: যেকোনো দুটি সংখ্যার ক্ষেত্রে a² − b² = (a + b)(a − b)। ক্রমিক সংখ্যার বেলায় a − b = 1 হওয়ায় ফল হয় a + b। - ৪৩. একটি সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ বাদে অপর দুই বাহুর দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ৮ মিটার ও ৬ মিটার। ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত?
- ক. ১৫ বর্গমিটার
- খ. ২০ বর্গমিটার
- গ. ২৪ বর্গমিটার
- ঘ. ৩০ বর্গমিটার
উত্তর: গ. ২৪ বর্গমিটার
সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ বাদে অন্য দুই বাহু পরস্পর লম্ব, তাই এ দুটিকে ভূমি ও উচ্চতা ধরা যায়। ক্ষেত্রফল = 1/2 × ভূমি × উচ্চতা = 1/2 × 8 × 6 = 24 বর্গমিটার। প্রশ্নে অতিভুজ বাদ দিয়ে বাকি দুই বাহুর কথা বলা আছে, তাই অতিভুজের মান বের করার দরকার পড়ে না।
মনে রাখুন:
৬, ৮ ও ১০ একটি পিথাগোরিয়ান ত্রয়ী, তাই এখানে অতিভুজ ১০ মিটার।
পিথাগোরাসের সূত্র: অতিভুজ² = ভূমি² + লম্ব²।
আরও কয়েকটি ত্রয়ী: (৩, ৪, ৫), (৫, ১২, ১৩), (৮, ১৫, ১৭)। - ৫৩. চিনির মূল্য ২০% কমলো কিন্তু চিনির ব্যবহার ২০% বৃদ্ধি পেল। এতে চিনি বাবদ ব্যয় শতকরা কত বাড়লো বা কমলো?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৪
- ক. ১% বাড়লো
- খ. ২% কমলো
- গ. ৪% কমলো
- ঘ. ৫% বাড়লো
উত্তর: গ. ৪% কমলো
মূল্য ও ব্যবহার ১০০ ধরি। মূল্য ২০% কমলে হয় ৮০, আর ব্যবহার ২০% বাড়লে হয় ১২০। নতুন ব্যয় = 80 × 120/100 = 96।
তাই ব্যয় কমেছে 100 − 96 = 4, অর্থাৎ ৪%।
শর্টকাট: একটি ২০% বাড়লে এবং অন্যটি ২০% কমলে ফল −(20×20)/100 = −৪%।
মনে রাখুন: একটি রাশি x% বাড়লে এবং আরেকটি x% কমলে মোট পরিবর্তন সবসময় কমের দিকে যায় এবং তা x²/100 শতাংশ। কারণ বাড়া ও কমার ভিত্তি এক নয়। - ৫৬. 13 cm ব্যাসার্ধের বৃত্তের কেন্দ্র হতে 5 cm দূরত্বে অবস্থিত জ্যা-এর দৈর্ঘ্য কত?
- ক. 24cm
- খ. 18cm
- গ. 10cm
- ঘ. 12cm
উত্তর: ক. 24cm
বৃত্তের কেন্দ্র থেকে জ্যা-এর ওপর লম্ব টানলে লম্ব জ্যাকে সমদ্বিখণ্ডিত করে। এখানে OA = 13 এবং OD = 5 (লম্ব)। সমকোণী ত্রিভুজ ODA-তে AD² = 13² − 5² = 169 − 25 = 144, তাই AD = 12 cm।
লম্ব জ্যাকে দুই ভাগ করে, তাই জ্যা AB = 2 × 12 = 24 cm।
মনে রাখুন:
৫, ১২, ১৩ একটি পিথাগোরিয়ান ত্রয়ী, তাই হিসাব না করেও ১২ পাওয়া যায়।
কেন্দ্র থেকে জ্যা-এর দূরত্ব যত কম, জ্যা তত বড় হয়। ব্যাস বৃত্তের বৃহত্তম জ্যা। - ৭২. পাঁচ অঙ্কের ক্ষুদ্রতম ও চার অঙ্কের বৃহত্তম সংখ্যার অন্তর কত?
- ক. -১
- খ. ১
- গ. ৮
- ঘ. ৯
উত্তর: খ. ১
পাঁচ অঙ্কের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা ১০০০০ এবং চার অঙ্কের বৃহত্তম সংখ্যা ৯৯৯৯। এদের অন্তর 10000 − 9999 = 1। অর্থাৎ ৯৯৯৯-এর ঠিক পরের সংখ্যাটিই ১০০০০, তাই দুটির মধ্যে পার্থক্য কেবল ১।
মনে রাখুন:
কোনো সংখ্যার ঠিক পরের সংখ্যা সবসময় ১ বেশি।
এক অঙ্কের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা ১ (শূন্য বাদে), বৃহত্তম ৯। দুই অঙ্কের ক্ষুদ্রতম ১০, বৃহত্তম ৯৯।
তিন অঙ্কের ক্ষুদ্রতম ১০০, বৃহত্তম ৯৯৯। - ৭৩. দুই বৃত্তের ব্যাসার্ধের অনুপাত ৩:২ হলে বৃত্ত দুটির ক্ষেত্রফলের অনুপাত কত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৫, এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৭
- ক. ২:৩
- খ. ৩:৪
- গ. ৪:৯
- ঘ. ৯:৪
উত্তর: ঘ. ৯:৪
বৃত্তের ক্ষেত্রফল πr², অর্থাৎ ক্ষেত্রফল ব্যাসার্ধের বর্গের সমানুপাতিক। ব্যাসার্ধ ৩ : ২ হলে ক্ষেত্রফলের অনুপাত 3² : 2² = 9 : 4। অপশনে ২ : ৩ বা ৪ : ৯ দেখে বিভ্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে, কিন্তু ব্যাসার্ধ বড় হলে ক্ষেত্রফলও বড় হয়, তাই প্রথম বৃত্তের ক্ষেত্রফলের ভাগ বড়, ৯।
শর্টকাট: দৈর্ঘ্যের অনুপাতের বর্গ নিলেই ক্ষেত্রফলের অনুপাত পাওয়া যায়।
মনে রাখুন:
বৃত্তের পরিধি 2πr। পরিধির অনুপাত ব্যাসার্ধের অনুপাতের সমান, এখানে ৩ : ২।
ঘনবস্তুর ক্ষেত্রে আয়তনের অনুপাত দৈর্ঘ্যের অনুপাতের ঘনের সমান। - ৮৪. বৃত্তের একই চাপের উপর কেন্দ্রস্থ কোণ পরিধিস্থ কোণের—
- ক. সমান
- খ. দ্বিগুণ
- গ. অর্ধেক
- ঘ. তিনগুণ
উত্তর: খ. দ্বিগুণ
বৃত্তের একই চাপের ওপর অবস্থিত কেন্দ্রস্থ কোণ পরিধিস্থ কোণের দ্বিগুণ। এটি জ্যামিতির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপপাদ্য। যেমন কোনো চাপের ওপর কেন্দ্রস্থ কোণ 80° হলে সেই চাপের ওপর পরিধিস্থ কোণ হয় 40°।
মনে রাখুন:
অর্ধবৃত্তস্থ কোণ এক সমকোণ। কারণ অর্ধবৃত্তের চাপের ওপর কেন্দ্রস্থ কোণ 180°, আর এর অর্ধেক 90°।
একই চাপের ওপর অবস্থিত সব পরিধিস্থ কোণ পরস্পর সমান।
বৃত্তস্থ চতুর্ভুজের বিপরীত কোণ দুটি পরস্পর সম্পূরক, অর্থাৎ যোগফল 180°। - ৯৫. 2x + y = 8 এবং 3x − 2y = 5 হলে, x ও y এর মান কত?
- ক. (2,3)
- খ. (2,5)
- গ. (1,2)
- ঘ. (3,2)
উত্তর: ঘ. (3,2)
সমীকরণ দুটি 2x + y = 8 ... (1) এবং 3x − 2y = 5 ... (2)। (1)-কে ২ দিয়ে গুণ করলে 4x + 2y = 16। এটি (2)-এর সঙ্গে যোগ করলে 7x = 21, তাই x = 3। তখন y = 8 − 2×3 = 2।
যাচাই: 3×3 − 2×2 = 9 − 4 = 5, ঠিক আছে। সুতরাং (x, y) = (3, 2)।
মনে রাখুন:
এভাবে একটি চলকের সহগ সমান করে যোগ বা বিয়োগ করাকে অপনয়ন পদ্ধতি বলে।
অপশন থেকেও যাচাই করা যায়: (3, 2) প্রথম সমীকরণে বসালে 2×3 + 2 = 8 হয়, তাই এটি মেলে। - ৯৬. নিচের কোন সংখ্যাটি মৌলিক?
- ক. ২
- খ. ৯
- গ. ৩৯
- ঘ. ১২৫
উত্তর: ক. ২
মৌলিক সংখ্যা হলো এমন সংখ্যা, যার ঠিক দুটি উৎপাদক আছে: ১ এবং সংখ্যাটি নিজে। ২-এর উৎপাদক শুধু ১ ও ২, তাই এটি মৌলিক। বাকিগুলো ভাগযোগ্য: 9 = 3 × 3, 39 = 3 × 13, 125 = 5 × 25।
মনে রাখুন:
২ হলো একমাত্র জোড় মৌলিক সংখ্যা এবং ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যা।
১ মৌলিকও নয়, যৌগিকও নয়।
প্রথম কয়েকটি মৌলিক সংখ্যা: ২, ৩, ৫, ৭, ১১, ১৩। - ৯৮. log_√3 81 = কত?
- ক. 4
- খ. 27√3
- গ. 8
- ঘ. 1/8
উত্তর: গ. 8
লগের সংজ্ঞা অনুযায়ী log_a b মানে a-কে কত ঘাতে তুললে b পাওয়া যায়। 81 = 3⁴ = (√3)⁸, কারণ (√3)² = 3। তাই log_√3 81 = 8।
ভিন্ন পথে: log_√3 81 = log 81 / log √3 = 4 log 3 / (1/2 log 3) = 8।
মনে রাখুন:
ভিত্তি √3 অর্থাৎ 3^(1/2) হওয়ায় ঘাতের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়, যেমন log_3 81 = 4, আর log_√3 81 = 8।
log_a a = 1 এবং log_a 1 = 0।
বাংলাদেশ
- ৬. ভাষার জন্য যারা প্রাণ দিয়েছেন, তাদের একজনের নাম উল্লেখ করুন।
- ক. ইকবাল
- খ. আসাদ
- গ. সালাম
- ঘ. নূর হোসেন
উত্তর: গ. সালাম
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে মিছিলে পুলিশের গুলিতে যাঁরা শহীদ হন, তাঁদের মধ্যে আবদুস সালাম একজন। অন্য তিনটি নাম, অর্থাৎ ইকবাল, আসাদ ও নূর হোসেন, ভাষাশহীদের তালিকায় নেই। আসাদ ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ, আর নূর হোসেন ১৯৮৭ সালে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে প্রাণ দেন।
মনে রাখুন:
ভাষাশহীদ হিসেবে পরিচিত রফিকউদ্দিন আহমদ, আবুল বরকত, আবদুল জব্বার ও আবদুস সালাম।
এ ছাড়া শফিউর রহমান, আবদুল আউয়াল ও অহিউল্লাহও শহীদ হন।
১৯৯৯ সালে ইউনেসকো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে, আর ২০০০ সাল থেকে দিনটি বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে। - ১৫. 'সূর্য দীঘল বাড়ী' চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?
- ক. শেখ নিয়ামত আলী
- খ. জহির রায়হান
- গ. সুভাষ দত্ত
- ঘ. খান আতা
উত্তর: ক. শেখ নিয়ামত আলী
‘সূর্য দীঘল বাড়ী’ চলচ্চিত্রটি আবু ইসহাকের একই নামের উপন্যাস অবলম্বনে তৈরি। ছবিটি ১৯৭৯ সালে মুক্তি পায় এবং এর পরিচালনায় ছিলেন শেখ নিয়ামত আলী ও মসিহউদ্দিন শাকের। প্রশ্নের অপশনে শেখ নিয়ামত আলীর নাম থাকায় সেটিই উত্তর। ছবিটি আমাদের চলচ্চিত্রের ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য নাম হিসেবে গণ্য হয়।
মনে রাখুন:
আবু ইসহাকের উপন্যাসটি ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত হয়।
জহির রায়হান পরিচিত ‘জীবন থেকে নেয়া’ ও ‘বেহুলা’ চলচ্চিত্রের জন্য।
সুভাষ দত্ত পরিচিত ‘অরুণ বরুণ কিরণমালা’ ছবির জন্য, আর খান আতাউর রহমান পরিচিত ‘আবার তোরা মানুষ হ’ ছবির জন্য। - ৩৪. 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' গ্রন্থের লেখক—আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ২৫৯৪) ২০১৯, প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) ২০২২
- ক. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- খ. বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
- গ. শেখ মুজিবুর রহমান
- ঘ. তাজউদ্দীন আহমদ
উত্তর: গ. শেখ মুজিবুর রহমান
‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা, যা ২০১২ সালে প্রকাশিত হয়। রাজবন্দি অবস্থায় কারাগারে বসে তিনি খাতায় নিজের জীবনের কথা লিখেছিলেন। এ কারণে বইটি তাঁর জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময়ের দলিল। বইটির অন্য তিনটি অপশনের কেউ এর লেখক নন।
মনে রাখুন:
তাঁর আরেকটি বই ‘কারাগারের রোজনামচা’ (২০১৭)।
আরেকটি বই ‘আমার দেখা নয়াচীন’ (২০২০)।
তাঁর জন্ম ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ টুঙ্গিপাড়ায়। - ৪৪. বাংলা সন প্রবর্তন করেন—
- ক. সম্রাট বাবর
- খ. সম্রাট জাহাঙ্গীর
- গ. সম্রাট আকবর
- ঘ. সম্রাট শাহজাহান
উত্তর: গ. সম্রাট আকবর
বাংলা সন বা বঙ্গাব্দের প্রবর্তক মুঘল সম্রাট আকবর। কৃষকেরা ফসল তোলার পর খাজনা দিত, তাই ঋতুর সঙ্গে মেলানো ক্যালেন্ডারের দরকার ছিল। এই প্রয়োজনে ১৫৮৪ সালে এটি চালু হয়, যদিও গণনা ধরা হয় ১৫৫৬ সালে তাঁর সিংহাসনে বসার সময় থেকে। প্রথমে এর নাম ছিল ‘ফসলি সন’।
মনে রাখুন:
বাংলা সন হিজরি চান্দ্র সন ও সৌর সনের সমন্বয়ে তৈরি।
পরে বাংলা একাডেমি সংস্কার করেছে, ফলে এখন পহেলা বৈশাখ প্রতি বছর ১৪ এপ্রিল পড়ে।
বাংলা সনের প্রথম মাস বৈশাখ, আর শেষ মাস চৈত্র। - ৪৫. ক্রিকেটে বাংলাদেশ কোন সালে টেস্ট মর্যাদা পায়?
- ক. ২০১০
- খ. ১৯৯৯
- গ. ২০০০
- ঘ. ১৯৮৮
উত্তর: গ. ২০০০
২০০০ সালের ২৬ জুন বাংলাদেশ ক্রিকেটে টেস্ট মর্যাদা পায় এবং বিশ্বের দশম টেস্ট খেলুড়ে দেশ হয়। এর আগে ১৯৯৭ সালে আইসিসি ট্রফি জিতে বাংলাদেশ ১৯৯৯ বিশ্বকাপে অংশ নেয়। সেই বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে হারিয়ে দলটি সবাইকে চমকে দেয়, আর এরপরই টেস্ট মর্যাদা পাওয়ার পথ খুলে যায়।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশ তার প্রথম টেস্ট খেলে ২০০০ সালের নভেম্বরে ঢাকায় ভারতের বিপক্ষে।
আইসিসি ট্রফি জয় ১৯৯৭ সালে, বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ ১৯৯৯ সালে। - ৪৭. 'আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি'– গানটির রচয়িতা কে?
- ক. কাজী নজরুল ইসলাম
- খ. জসীমউদদীন
- গ. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
- ঘ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর: ঘ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি’ গানটির রচয়িতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের সময় তিনি গানটি লেখেন। স্বাধীন বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে এর প্রথম ১০ চরণকে জাতীয় সংগীত হিসেবে গ্রহণ করে।
মনে রাখুন:
জাতীয় সংগীতে ‘আমার সোনার বাংলা’-র সুর দিয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ নিজেই, আর এর সুরের ভিত্তি বাউল গগন হরকরার গান।
রবীন্দ্রনাথ ১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’র জন্য নোবেল পুরস্কার পান।
কাজী নজরুল ইসলামের ‘চল চল চল’ আমাদের রণসংগীত। - ৪৮. মারমা উপজাতির পারিবারিক কাঠামো—
- ক. মাতৃতান্ত্রিক
- খ. ভ্রাতৃতান্ত্রিক
- গ. পিতৃতান্ত্রিক
- ঘ. ভগ্নিতান্ত্রিক
উত্তর: গ. পিতৃতান্ত্রিক
মারমা বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, যারা প্রধানত বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি অঞ্চলে বাস করে। মারমা সমাজে বংশ পরিচয় ও সম্পত্তির উত্তরাধিকার পিতার দিক থেকে চলে, তাই পারিবারিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক। চাকমার পরে মারমারা বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী।
মনে রাখুন:
গারো ও খাসিয়া সমাজ মাতৃতান্ত্রিক।
চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরা সমাজ পিতৃতান্ত্রিক।
মাতৃতান্ত্রিক সমাজে বংশ পরিচয় মায়ের দিক থেকে ধরা হয়, আর পিতৃতান্ত্রিক সমাজে পিতার দিক থেকে। - ৪৯. ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়—
- ক. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
- খ. ঢাকা মেডিকেল কলেজ
- গ. ঢাকা কলেজ
- ঘ. জগন্নাথ কলেজ
উত্তর: ক. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯২১ সালের ১ জুলাই যাত্রা শুরু করে। এর আগে বঙ্গভঙ্গ রদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার দাবি ওঠে। নবাব সলিমুল্লাহ এ জন্য জমি দান করেন। অন্য তিনটি প্রতিষ্ঠান আগে বা পরে গড়ে ওঠে, ঠিক ওই বছরে নয়।
মনে রাখুন:
ঢাকা কলেজ ১৮৪১ সালে, ঢাকা মেডিকেল কলেজ ১৯৪৬ সালে এবং জগন্নাথ কলেজ ১৮৫৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য ছিলেন স্যার পি. জে. হার্টগ।
বঙ্গভঙ্গ হয় ১৯০৫ সালে এবং রদ হয় ১৯১১ সালে। - ৫৮. মনপুরা-৭০ কী?
- ক. সমুদ্র বন্দর
- খ. বনভূমি
- গ. একটি চিত্রকর্ম
- ঘ. উপন্যাস
উত্তর: গ. একটি চিত্রকর্ম
‘মনপুরা-৭০’ শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের আঁকা একটি বিখ্যাত চিত্রকর্ম। ১৯৭০ সালের ভোলা ও উপকূলীয় এলাকার ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ের পটভূমিতে তিনি ছবিটি আঁকেন। ছবিতে মানুষের দুঃখ ও প্রকৃতির প্রলয় ফুটে উঠেছে। মনপুরা ভোলা জেলার একটি দ্বীপ, তাই নামটি শুনে বন্দর বা বনভূমি মনে হতে পারে, কিন্তু এটি একটি ছবির নাম।
মনে রাখুন:
জয়নুল আবেদিনের অন্যান্য কাজ ‘সংগ্রাম’, ‘নবান্ন’, ‘গ্রামের বধূ’, ‘ম্যাডোনা-৪৩’।
তাঁর পরিচিত ছবি দুর্ভিক্ষের স্কেচ।
তিনি ১৯৪৮ সালে ঢাকায় আর্ট ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন। - ৭৬. শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক রচিত 'বায়ান্নর দিনগুলো' তে কারাগারে অনশনরত বঙ্গবন্ধুর সঙ্গী কে ছিলেন?
- ক. আবদুর রশিদ তর্কবাগীশ
- খ. মহিউদ্দিন আহমেদ
- গ. মওলানা ভাসানী
- ঘ. খান সাহেব ওসমান আলী
উত্তর: খ. মহিউদ্দিন আহমেদ
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় শেখ মুজিবুর রহমান কারাগারে ছিলেন। ২১ ফেব্রুয়ারির আগে থেকেই তিনি অনশন শুরু করেন। তাঁর সঙ্গে অনশনে ছিলেন মহিউদ্দিন আহমদ। বিষয়টি ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’তে বর্ণিত আছে। বাকি তিনজনও ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন, কিন্তু প্রশ্নে কারাগারে অনশনরত সঙ্গী হিসেবে মহিউদ্দিনের নামই আসে।
মনে রাখুন:
‘বায়ান্নর দিনগুলো’ কোনো আলাদা বই নয়, বরং ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’র একটি অংশ থেকে নেওয়া।
‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ প্রকাশিত হয় ২০১২ সালে।
আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৯ সালে, সভাপতি ছিলেন মওলানা ভাসানী। - ৮২. মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল?
- ক. ১০টি
- খ. ১১টি
- গ. ০৯টি
- ঘ. ০৮টি
উত্তর: খ. ১১টি
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। সেই বছরের জুলাই মাসে কলকাতায় অনুষ্ঠিত সেক্টর কমান্ডার সম্মেলনে এই বিভাজন চূড়ান্ত হয়। মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন কর্নেল এম এ জি ওসমানী।
মনে রাখুন:
১১ নম্বর সেক্টর ছিল ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল অঞ্চল, কমান্ডার মেজর আবু তাহের।
১ নম্বর সেক্টরের প্রথম কমান্ডার ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান, আর ২ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ।
মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল এবং শপথ নেয় ১৭ এপ্রিল। - ৯৩. বাংলাদেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত কোনটি?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৪, এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৭
- ক. চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
- খ. চা
- গ. পাট
- ঘ. তৈরি পোশাক
উত্তর: ঘ. তৈরি পোশাক
বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি রপ্তানি আয় আসে তৈরি পোশাক (RMG) খাত থেকে, যা মোট রপ্তানির প্রায় ৮০ শতাংশের বেশি। ২০১৮ সালেও এ চিত্র একই ছিল। পোশাক খাতে বহু নারী কাজ করেন, তাই এটি অর্থনীতি ও সমাজ দুই দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ।
মনে রাখুন:
পাট একসময় ‘সোনালি আঁশ’ নামে রপ্তানির প্রধান খাত ছিল, কিন্তু পরে তৈরি পোশাক সেই জায়গা নেয়।
বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি শুরু হয় ১৯৭০-এর দশকের শেষ দিকে।
চা ও চামড়াজাত পণ্যও রপ্তানি হয়, তবে আয়ের অংশ অনেক কম। - ৯৭. বরেন্দ্র অঞ্চল বলতে বর্তমানে কোন অঞ্চল বোঝায়?
- ক. দিনাজপুর
- খ. রাজশাহী
- গ. পাবনা
- ঘ. বরিশাল
উত্তর: খ. রাজশাহী
বরেন্দ্র অঞ্চল বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমে পুরোনো পলিমাটির উঁচু এলাকা, যা এখন মূলত রাজশাহী অঞ্চলে পড়ে। এখানকার মাটি লালচে ও ধূসর, আর আশেপাশের প্লাবনভূমি থেকে একটু উঁচু। এই অঞ্চলের কিছু অংশ রংপুর, দিনাজপুর ও বগুড়ায়ও পড়ে। অপশনে দিনাজপুর, পাবনা ও বরিশাল থাকলেও বর্তমানে এ নামটি রাজশাহী অঞ্চলের সঙ্গেই বেশি জড়িত।
মনে রাখুন:
বরেন্দ্র অঞ্চলের শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে এখানে পানির সংকট দেখা যায় এবং সেচের জন্য ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবহার হয়।
ঢাকা ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের পুরোনো উঁচু ভূমির নাম মধুপুর ভূমি।
বাংলা
- ৮. 'সাঁঝের মায়া' কবিতাটির রচয়িতা কে?
- ক. নূরজাহান বেগম
- খ. শামসুন্নাহার মাহমুদ
- গ. সুফিয়া কামাল
- ঘ. সেলিনা হোসেন
উত্তর: গ. সুফিয়া কামাল
‘সাঁঝের মায়া’ কবি সুফিয়া কামালের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত হয়। তিনি নারীজাগরণ ও সামাজিক আন্দোলনেও অগ্রণী ছিলেন এবং ‘বেগম মহিলা সমিতি’র নেতৃত্ব দেন। ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধেও তাঁর সক্রিয় ভূমিকা ছিল, তাই তাঁকে ‘জননী সাহসিকা’ বলা হয়।
মনে রাখুন:
সুফিয়া কামালের অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ: মায়া কাজল, উদাত্ত পৃথিবী, মোর যাদুদের সমাধি-’পরে।
নুরজাহান বেগম ‘বেগম’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
সেলিনা হোসেন প্রধানত ঔপন্যাসিক, তাঁর পরিচিত উপন্যাস ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’।
শামসুন্নাহার মাহমুদ নারী শিক্ষা ও নারী আন্দোলনের একজন অগ্রণী লেখক। - ১১. কবি শামসুর রাহমানের কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
- ক. অলীক স্বপ্ন
- খ. চৈত্রমাসের দিনগুলো
- গ. অবসাদ
- ঘ. প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে
উত্তর: ঘ. প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে
‘প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে’ কবি শামসুর রাহমানের প্রথম কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৬০ সালে প্রকাশিত হয়। বাকি তিনটি নাম, অর্থাৎ অলীক স্বপ্ন, চৈত্রমাসের দিনগুলো ও অবসাদ, তাঁর কাব্যগ্রন্থের তালিকায় পড়ে না। শামসুর রাহমান ঢাকার মানুষ ও ঢাকার জীবন নিয়ে লিখেছেন, আর ‘স্বাধীনতা তুমি’ কবিতায় স্বাধীনতার আনন্দ ধরে রেখেছেন।
মনে রাখুন:
শামসুর রাহমানের অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ: রৌদ্র করোটিতে, বিধ্বস্ত নীলিমা, নিরালোকে দিব্যরথ।
মুক্তিযুদ্ধ-সংক্রান্ত রচনা: বন্দী শিবির থেকে, বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে।
‘উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ’ তাঁর আরেকটি পরিচিত কাব্যগ্রন্থ। - ১৭. বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম দৈনিক পত্রিকা কোনটি?
- ক. সমাচার দর্পণ
- খ. সংবাদ প্রভাকর
- গ. দিগ্দর্শন
- ঘ. ঢাকা প্রকাশ
উত্তর: খ. সংবাদ প্রভাকর
‘সংবাদ প্রভাকর’ ১৮৩১ সালে সাপ্তাহিক হিসেবে শুরু হয় এবং ১৮৩৯ সালে দৈনিক পত্রিকা রূপে প্রকাশিত হতে থাকে। এর সম্পাদক ছিলেন কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত। তাই একে বাংলা ভাষার প্রথম দৈনিক পত্রিকা বলা হয়। প্রশ্নে অন্য তিনটি পত্রিকার নাম থাকায় ভুল হতে পারে, কিন্তু ওই পত্রিকাগুলো মাসিক বা সাপ্তাহিক ছিল, দৈনিক নয়।
মনে রাখুন:
দিগ্দর্শন (১৮১৮): বাংলা ভাষার প্রথম সাময়িকপত্র, মাসিক। এর সম্পাদক জন ক্লার্ক মার্শম্যান।
সমাচার দর্পণ (১৮১৮): প্রথম সাপ্তাহিক পত্রিকা।
ঢাকা প্রকাশ (১৮৬১): ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম বাংলা সাপ্তাহিক। - ২০. বাংলা গদ্য সাহিত্য কোন লেখকের রচনারীতিকে 'আলালি ভাষা' আখ্যা দেয়া হয়?
- ক. প্যারীচাঁদ মিত্র
- খ. রাজনারায়ণ বসু
- গ. কালীপ্রসন্ন সিংহ
- ঘ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
উত্তর: ক. প্যারীচাঁদ মিত্র
প্যারীচাঁদ মিত্র ‘টেকচাঁদ ঠাকুর’ ছদ্মনামে ‘আলালের ঘরের দুলাল’ (১৮৫৮) উপন্যাস লেখেন। এতে তিনি সাধু ভাষার জটিলতা এড়িয়ে মুখের ভাষার কাছাকাছি সহজ ভাষা ব্যবহার করেন। এই রীতিকেই ‘আলালি ভাষা’ বলা হয়। অন্য লেখকদের রচনারীতি ভিন্ন, তাই ওই নাম অন্য কারও রীতিকে বোঝায় না।
মনে রাখুন:
কালীপ্রসন্ন সিংহের ‘হুতোম প্যাঁচার নকশা’র ভাষাকে বলা হয় ‘হুতোমি ভাষা’।
‘আলালের ঘরের দুলাল’কে বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস ধরা হয়।
প্যারীচাঁদ মিত্রের আরেকটি রচনা ‘মদ খাওয়া বড় দায় জাত থাকার কি উপায়’। - ২২. 'দত্তা' উপন্যাসটি কার লেখা?
- ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
- গ. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- ঘ. সুরেন্দ্র পাল
উত্তর: গ. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
‘দত্তা’ (১৯১৮) উপন্যাসের লেখক অপরাজেয় কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। এতে বিজয়া ও নরেনের প্রেমকাহিনি আছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও বহু উপন্যাস লিখেছেন, কিন্তু এই উপন্যাসটি তাঁর নয়। সুধীন্দ্রনাথ দত্ত আধুনিক কবি, উপন্যাসিক নন।
মনে রাখুন:
শরৎচন্দ্রের অন্যান্য উপন্যাস হলো দেবদাস, পল্লীসমাজ, চরিত্রহীন, গৃহদাহ, শ্রীকান্ত, পথের দাবী, শেষ প্রশ্ন।
‘পথের দাবী’ উপন্যাসটি ব্রিটিশ সরকার নিষিদ্ধ করেছিল।
শরৎচন্দ্র ১৮৭৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৩৮ সালে মারা যান। - ২৩. বাংলা বর্ণমালাকে মোট কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়?
- ক. ২ ভাগে
- খ. ৪ ভাগে
- গ. ৩ ভাগে
- ঘ. ৫ ভাগে
উত্তর: ক. ২ ভাগে
বাংলা বর্ণমালার বর্ণকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা হয়: স্বরবর্ণ (Vowel) ও ব্যঞ্জনবর্ণ (Consonant)। স্বরবর্ণ নিজে নিজেই উচ্চারিত হতে পারে, আর ব্যঞ্জনবর্ণ উচ্চারণে স্বরের সাহায্য লাগে। তাই ভাগ দুটিই, এর বেশি নয়।
মনে রাখুন:
স্বরবর্ণ ১১টি।
ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি।
মোট বর্ণ ৫০টি।
স্বরবর্ণের কার-চিহ্ন ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হলে তাকে ‘কার’ বলে, আর ব্যঞ্জনের সংক্ষিপ্ত রূপকে ‘ফলা’ বলে। - ২৪. নিচে উল্লিখিত শব্দজুটির মধ্যে কোনটিকে দ্বিরুক্ত শব্দ বলে?
- ক. কল কাকলি
- খ. মুগ্ধ নয়নে
- গ. পথে-প্রান্তরে
- ঘ. হাতে হাতে
উত্তর: ঘ. হাতে হাতে
একই শব্দ পরপর দুবার ব্যবহার করে নতুন অর্থ বোঝালে তাকে দ্বিরুক্ত শব্দ বলে। ‘হাতে হাতে’ শব্দে ‘হাতে’ পরপর দুবার এসেছে। তাই এটি দ্বিরুক্ত শব্দ। বাকি অপশনের দুটি শব্দ আলাদা, কেবল পাশাপাশি বসেছে। যেমন ‘পথে-প্রান্তরে’ বা ‘কল কাকলি’-তে দুটি ভিন্ন শব্দ আছে, তাই এগুলো দ্বিরুক্ত নয়।
উদাহরণ:
বড় বড়, ঠিক ঠিক, ধীরে ধীরে
মনে রাখুন: ধ্বনির অনুকরণে তৈরি দ্বিরুক্ত শব্দকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে, যেমন ঝমঝম, টপটপ।
দুটি শব্দের অর্থ প্রায় কাছাকাছি হলে তাদের জোড়াকে যুগ্মশব্দ বলে, যেমন হাট-বাজার। - ২৫. 'কবর' কবিতার রচয়িতা কে?আরও এসেছে: গণপূর্ত অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) ২০১৭
- ক. মুনীর চৌধুরী
- খ. কবি শামসুর রাহমান
- গ. নির্মলেন্দু গুণ
- ঘ. জসীমউদদীন
উত্তর: ঘ. জসীমউদদীন
‘কবর’ কবিতাটি পল্লিকবি জসীমউদদীনের লেখা। কবিতায় একজন বৃদ্ধ দাদা তাঁর নাতিকে নিজের প্রিয়জনের মৃত্যুর কথা বলেন, আর সেই সঙ্গে ফুটে ওঠে গভীর শোকের ছবি। কবিতাটি গ্রামবাংলার জীবন ও মৃত্যুর মর্মস্পর্শী ছবি এঁকেছে।
মনে রাখুন:
জসীমউদদীনের আরও দুটি পরিচিত রচনা ‘নকশী কাঁথার মাঠ’ ও ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’।
মুনীর চৌধুরীর ‘কবর’ একটি নাটক, যা কবিতার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়।
‘কবর’ কবিতাটি জসীমউদদীনের ‘রাখালী’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। - ৩২. বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির ব্যবহারের ক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠ পথপ্রদর্শক ছিলেন—
- ক. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- খ. প্রমথ চৌধুরী
- গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ঘ. কাজী নজরুল ইসলাম
উত্তর: খ. প্রমথ চৌধুরী
বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরী। তিনি ‘বীরবল’ ছদ্মনামে লিখতেন এবং ১৯১৪ সালে ‘সবুজপত্র’ পত্রিকা সম্পাদনা শুরু করেন। এই পত্রিকাকে কেন্দ্র করেই চলিত ভাষার আন্দোলন শক্ত ভিত্তি পায়। পরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও চলিত রীতি গ্রহণ করে একে সমৃদ্ধ করেন। শরৎচন্দ্র ও নজরুলও এই রীতিতে লিখেছেন, তবে পথপ্রদর্শকের মর্যাদা প্রমথ চৌধুরীরই।
মনে রাখুন:
প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ ‘বীরবলের হালখাতা’।
তাঁর আরও কয়েকটি রচনা: তেল-নুন-লকড়ি ও নানা কথা।
সাধু ভাষায় ক্রিয়াপদ ও সর্বনামের পূর্ণরূপ থাকে, আর চলিত ভাষায় সংক্ষিপ্ত রূপ বসে। - ৩৫. শুদ্ধ বানান কোনটি?
- ক. প্রতিযোগিতা
- খ. প্রতীযোগিতা
- গ. পতিযোগিতা
- ঘ. প্রতীযোগীতা
উত্তর: ক. প্রতিযোগিতা
শুদ্ধ বানান হলো ‘প্রতিযোগিতা’। শব্দটি ‘প্রতি’ উপসর্গ এবং ‘যোগিতা’ নিয়ে গঠিত, আর এখানে সব জায়গায় হ্রস্ব-ই-কার (ি) বসে। অন্য অপশনে কোথাও দীর্ঘ-ঈকার, কোথাও বা ‘প্র’-এর বদলে ‘প’ বসানো হয়েছে, তাই সেগুলো ভুল।
মনে রাখুন:
‘প্রতিযোগী’ ও ‘প্রতিযোগিতা’ দুটি শব্দেই হ্রস্ব-ই-কার হয়। দীর্ঘ-ঈকার দিয়ে ‘প্রতীযোগী’ লেখা ভুল।
‘প্রতি’ উপসর্গযুক্ত আরও কয়েকটি শব্দ: প্রতিবেশী, প্রতিভা, প্রতিক্রিয়া।
‘প্রতিদ্বন্দ্বী’ শব্দটিও হ্রস্ব-ই-কার দিয়ে লেখা হয়। - ৩৯. 'হাত' শব্দটি উদ্ধৃত কোন বাক্যে দক্ষতা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- ক. লোকটির হাতটান আছে।
- খ. তার লেখার হাত আছে।
- গ. পরের কাছে হাত পেতে না।
- ঘ. করিম রহিমের ডান হাত।
উত্তর: খ. তার লেখার হাত আছে।
একই শব্দ ভিন্ন বাক্যে ভিন্ন অর্থ দেয়। ‘তার লেখার হাত আছে’ বাক্যে ‘হাত’ বলতে লেখার দক্ষতা বা নৈপুণ্য বোঝানো হয়েছে। অন্য বাক্যগুলোতে ‘হাত’ ভিন্ন ভাবে এসেছে। ‘হাতটান’ বলতে অসৎ স্বভাব বোঝায়, ‘হাত পাতা’ বলতে চাওয়া বোঝায় এবং ‘ডান হাত’ বলতে প্রধান সহায়ক বোঝায়।
উদাহরণ:
হাতটান আছে: চুরির অভ্যাস আছে।
হাত পাতা: ভিক্ষা চাওয়া।
ডান হাত: প্রধান সহায়ক।
মনে রাখুন: ‘হাত’ দিয়ে তৈরি আরও কয়েকটি বাগধারা: হাতে খড়ি (শিক্ষা শুরু), হাত পাকা (দক্ষ হওয়া), হাত করা (বশ করা)। - ৪১. 'লালসালু' উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
- ক. সেলিনা হোসেন
- খ. শওকত ওসমান
- গ. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
- ঘ. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
উত্তর: গ. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
‘লালসালু’ (১৯৪৮) উপন্যাসের লেখক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ। মজিদ নামের এক ভণ্ড পীরের গল্পের মধ্য দিয়ে তিনি ধর্মের ব্যবসা আর গ্রামীণ কুসংস্কার তুলে ধরেছেন। মজিদ একটি পুরোনো কবরকে মাজার বলে প্রচার করে লালসালু কাপড় দিয়ে ঢেকে দেয় এবং এভাবে গ্রামবাসীকে নিজের নিয়ন্ত্রণে আনে। এ কারণেই উপন্যাসের নাম ‘লালসালু’।
মনে রাখুন:
তাঁর আরও দুটি উপন্যাস ‘চাঁদের অমাবস্যা’ (১৯৬৪) ও ‘কাঁদো নদী কাঁদো’ (১৯৬৮)।
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর নাটকের নাম ‘বহিপীর’।
শওকত ওসমান পরিচিত ‘জননী’ ও ‘ক্রীতদাসের হাসি’ উপন্যাসের জন্য। - ৫০. 'ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়' চরণটির রচয়িতা কে?
- ক. সুদীপ্ত নারায়ণ চক্রবর্তী
- খ. বিক্রমসেন
- গ. সুকান্ত ভট্টাচার্য
- ঘ. সুকান্ত রায়
উত্তর: গ. সুকান্ত ভট্টাচার্য
‘ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়, পূর্ণিমা-চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি’ চরণটি কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের ‘হে মহাজীবন’ কবিতার। অনাহারী মানুষের কাছে কবিতার সৌন্দর্যের চেয়ে খাবারের প্রয়োজন বড়, এই কথা কবি এখানে বলেছেন। ক্ষুধার্ত মানুষের চোখে পূর্ণিমার চাঁদও একটি রুটির মতো দেখায়, চরণটিতে এই করুণ সত্য ধরা পড়েছে।
মনে রাখুন:
সুকান্তকে ‘কিশোর কবি’ বলা হয়। তাঁর কাব্যগ্রন্থ ‘ছাড়পত্র’ (১৯৪৭) ও ‘ঘুম নেই’।
সুকান্ত মাত্র ২১ বছর বয়সে মারা যান। তাঁর জন্ম ১৯২৬ সালে, মৃত্যু ১৯৪৭ সালে। - ৫৫. 'মহাশ্মশান' মহাকাব্যের রচয়িতা কে?
- ক. কায়কোবাদ
- খ. কাজী নজরুল ইসলাম
- গ. জসীমউদদীন
- ঘ. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
উত্তর: ক. কায়কোবাদ
‘মহাশ্মশান’ কবি কায়কোবাদের মহাকাব্য। এতে ১৭৬১ সালের পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধে মারাঠাদের পরাজয়ের কাহিনি আছে। কায়কোবাদের পুরো নাম কাজেম আল কোরেশী, আর মহাকাব্যের কবি হিসেবে তাঁর নাম সুপরিচিত। অন্য কবিদের মধ্যে নজরুল ও জসীমউদদীন মহাকাব্য লেখেননি, আর দ্বিজেন্দ্রলাল রায় পরিচিত নাটক ও হাসির গানের জন্য।
মনে রাখুন:
‘মহাশ্মশান’ প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯০৪ সালে এবং এটি তিন খণ্ডে বিভক্ত।
কায়কোবাদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অশ্রুমালা’। - ৬২. কোন ভাষা হতে বাংলা ভাষার উদ্ভব হয়েছে?
- ক. সংস্কৃত
- খ. প্রাকৃত
- গ. হিন্দি
- ঘ. পালি
উত্তর: খ. প্রাকৃত
বাংলা ভাষা ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাপরিবারের ইন্দো-আর্য শাখার ভাষা। প্রাচীন প্রাকৃত ভাষা, বিশেষ করে মাগধী প্রাকৃত, পরে অপভ্রংশ রূপ নিয়ে বাংলায় বিবর্তিত হয়। তাই উদ্ভবের দিক থেকে বাংলার সবচেয়ে কাছের উৎস প্রাকৃত। সংস্কৃত আসলে প্রাচীন ভাষা, আর বাংলার অনেক শব্দ সংস্কৃত থেকে এসেছে।
মনে রাখুন:
বাংলা ভাষার জন্ম আনুমানিক ৬৫০ থেকে ১২০০ সালের মধ্যে ধরা হয়।
বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন ‘চর্যাপদ’, যা ১৯০৭ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল থেকে আবিষ্কার করেন। - ৬৫. 'কবর' নাটকের রচয়িতা কে?
- ক. মুনীর চৌধুরী
- খ. কবীর চৌধুরী
- গ. বোরহান উদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
- ঘ. সুভাষ দত্ত
উত্তর: ক. মুনীর চৌধুরী
‘কবর’ নাটকটি মুনীর চৌধুরীর লেখা একাঙ্ক নাটক। ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে ১৯৫৩ সালে কারাগারে বসে তিনি এটি রচনা করেন। এতে ভাষা শহীদদের কবরের মধ্য দিয়ে সমাজের ভণ্ডামি ফুটে উঠেছে। নাটকটি ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি নিয়ে লেখা বাংলা নাটকগুলোর মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত।
মনে রাখুন:
মুনীর চৌধুরীর অন্যান্য নাটক ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ ও ‘চিঠি’।
তিনি ১৯৭১ সালে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের একজন।
জসীমউদদীনের ‘কবর’ একটি কবিতা, যা নাটকের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়। - ৭১. বাংলা ভাষার আধুনিক যুগের সূচনার সাল ধরা হয়?
- ক. ১৭৫০
- খ. ১৮০০
- গ. ১৮৫০
- ঘ. ১৯০০
উত্তর: খ. ১৮০০
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে তিনটি যুগে ভাগ করা হয়। প্রাচীন যুগ আনুমানিক ৬৫০ থেকে ১২০০ সাল, মধ্যযুগ ১২০১ থেকে ১৮০০ সাল, আর আধুনিক যুগ ১৮০০ সালের পর থেকে চলছে। ১৮০১ সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের মাধ্যমে বাংলা গদ্যচর্চার শুরু, তাই এই সময়কেই আধুনিক যুগের সূচনা ধরা হয়।
মনে রাখুন:
মধ্যযুগের শেষ কবি হিসেবে ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরকে ধরা হয়।
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিত রামরাম বসুর ‘রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র’ (১৮০১) এই সময়ের গদ্যগ্রন্থ।
ভারতচন্দ্রের বিখ্যাত কাব্য ‘অন্নদামঙ্গল’। - ৭৪. ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে বাংলা বিভাগ খোলা হয় কত সালে?
- ক. ১৮০০ সালে
- খ. ১৮০১ সালে
- গ. ১৮১৭ সালে
- ঘ. ১৮৩১ সালে
উত্তর: খ. ১৮০১ সালে
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ১৮০০ সালের ৪ মে কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠা করেন তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড ওয়েলেসলি। ইংরেজ কর্মচারীদের দেশীয় ভাষা শেখানোই ছিল উদ্দেশ্য। পরের বছর ১৮০১ সালে উইলিয়াম কেরির নেতৃত্বে এখানে বাংলা বিভাগ খোলা হয়। কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮০০ সালে, কিন্তু বাংলা বিভাগ খোলার সাল ১৮০১, এ দুটিকে গুলিয়ে ফেলা চলবে না।
মনে রাখুন:
এই বিভাগের লেখকদের মধ্যে রামরাম বসু ও মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার ছিলেন।
রামরাম বসুর ‘রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র’ (১৮০১) ফোর্ট উইলিয়ামের সময়ের গ্রন্থ।
মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের গ্রন্থ ‘প্রবোধ চন্দ্রিকা’।
উইলিয়াম কেরির ‘কথোপকথন’ও (১৮০১) এই সময়ের রচনা। - ৭৫. 'আমাদের ছোট নদী চলে বাঁকে বাঁকে' কবিতার চরণটির রচয়িতা কে?
- ক. কাজী নজরুল ইসলাম
- খ. সুকান্ত ভট্টাচার্য
- গ. মদনমোহন তর্কালঙ্কার
- ঘ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর: ঘ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
‘আমাদের ছোট নদী চলে বাঁকে বাঁকে, বৈশাখ মাসে তার হাঁটু জল থাকে’ চরণ দুটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আমাদের ছোট নদী’ কবিতার। কবিতায় গ্রামের একটি ছোট নদীর ছবি সরল ভাষায় ফুটে উঠেছে। এটি শিশুদের জন্য লেখা।
মনে রাখুন:
রবীন্দ্রনাথ নোবেল পুরস্কার পান ১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’র ইংরেজি অনুবাদের জন্য।
রবীন্দ্রনাথের জন্ম ১৮৬১ সালে এবং মৃত্যু ১৯৪১ সালে।
মদনমোহন তর্কালঙ্কারের শিশুপাঠ্য কবিতা ‘পাখি সব করে রব’। - ৮৩. 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' নাটকটির রচয়িতা কে?
- ক. সৈয়দ শামসুল হক
- খ. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন
- গ. ইমদাদুল হক মিলন
- ঘ. মুনতাসীর মামুন
উত্তর: ক. সৈয়দ শামসুল হক
‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ নাটকটি সৈয়দ শামসুল হকের লেখা। এটি মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত কাব্যনাটক, যেখানে একটি গ্রামের মানুষ দূর থেকে আসা পায়ের আওয়াজ শুনে আতঙ্কিত হয়। কাব্যনাটক বলতে সেই নাটক বোঝায়, যার সংলাপ কবিতার ছন্দে লেখা হয়।
মনে রাখুন:
তাঁর আরেকটি বিখ্যাত কাব্যনাটক ‘নূরলদীনের সারাজীবন’, যেটি রংপুরের কৃষকবিদ্রোহের নেতা নূরলদীনের কাহিনি নিয়ে লেখা।
সৈয়দ শামসুল হকের একটি পরিচিত উপন্যাস ‘নিষিদ্ধ লোবান’। - ৮৭. 'রতন' চরিত্রটি কোন ছোটগল্পের অন্তর্গত?
- ক. দুঃখিনী
- খ. কুমুদিনী
- গ. নষ্টনীড়
- ঘ. পোস্টমাস্টার
উত্তর: ঘ. পোস্টমাস্টার
‘রতন’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘পোস্টমাস্টার’ ছোটগল্পের চরিত্র। গল্পে গ্রামের এক অনাথ বালিকা রতন পোস্টমাস্টারের কাজকর্মে সাহায্য করত। পোস্টমাস্টার বদলি হয়ে চলে গেলে সে গভীর কষ্ট পায়। বাকি অপশনগুলোও রবীন্দ্রনাথের বা অন্য সাহিত্যিকদের সঙ্গে সম্পর্কিত, কিন্তু রতন চরিত্রটি এই গল্পেরই।
মনে রাখুন:
‘পোস্টমাস্টার’ গল্পটি ‘গল্পগুচ্ছ’ গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।
রবীন্দ্রনাথের আরও কয়েকটি পরিচিত ছোটগল্প: কাবুলিওয়ালা, ছুটি, ক্ষুধিত পাষাণ।
‘নষ্টনীড়’ রবীন্দ্রনাথের একটি বড় গল্প বা ছোট উপন্যাস, যার ওপর ভিত্তি করে সত্যজিৎ রায় ‘চারুলতা’ চলচ্চিত্র বানান। - ৯১. 'শ্রীকান্ত' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
- ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. ধীরেন বসু
- গ. যোগেন্দ্রনাথ দত্ত
- ঘ. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
উত্তর: ঘ. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
‘শ্রীকান্ত’ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের আত্মজৈবনিক উপন্যাস, যা চার পর্বে প্রকাশিত হয়। এতে শ্রীকান্ত নামের এক ভবঘুরের জীবনের কাহিনি আছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর লেখক নন, আর বাকি দুজনও শরৎচন্দ্রের এই উপন্যাসের সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
মনে রাখুন:
শরৎচন্দ্রের অন্যান্য উপন্যাস ‘দেবদাস’, ‘পল্লীসমাজ’, ‘চরিত্রহীন’ ও ‘গৃহদাহ’।
‘শ্রীকান্ত’-এর কয়েকটি পরিচিত চরিত্র: রাজলক্ষ্মী, অন্নদাদিদি, ইন্দ্রনাথ।
শরৎচন্দ্রকে ‘অপরাজেয় কথাশিল্পী’ বলা হয়।
কম্পিউটার ও আইসিটি
- ১৮. বাংলাদেশের তৈরি প্রথম ল্যাপটপ এর নাম কী?
- ক. শাপলা
- খ. বিজয়
- গ. দোয়েল
- ঘ. অ্যাপল
উত্তর: গ. দোয়েল
বাংলাদেশে তৈরি প্রথম ল্যাপটপের নাম ‘দোয়েল’। এটি ২০১১ সালে বাজারে আসে এবং তৈরি করে টেলিফোন শিল্প সংস্থা (TSS)। নামটি এসেছে বাংলাদেশের জাতীয় পাখি দোয়েল থেকে। দেশীয় প্রযুক্তিতে কম্পিউটার তৈরির উদ্যোগ হিসেবে এটি ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
মনে রাখুন:
‘বিজয়’ হলো বাংলা কি-বোর্ড ও বাংলা লেখার সফটওয়্যার, আর ‘শাপলা’ আমাদের জাতীয় ফুলের নাম।
‘বিজয়’ সফটওয়্যারটি তৈরি করেন মোস্তাফা জব্বার, এবং এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৮৮ সালে।
বাংলাদেশের জাতীয় পাখি দোয়েল, জাতীয় ফুল শাপলা। - ৪৬. ATM-এর পূর্ণরূপ কী?
- ক. Auto Timing Machine
- খ. Automatic Teller Machine
- গ. Auto Touch Mobile
- ঘ. Automatic Talking Machine
উত্তর: খ. Automatic Teller Machine
ATM-এর পূর্ণরূপ Automated Teller Machine, কোথাও কোথাও Automatic Teller Machine-ও বলা হয়। এই যন্ত্রের সাহায্যে ব্যাংকের কর্মী ছাড়াই কার্ড দিয়ে টাকা তোলা, জমা দেওয়া ও হিসাবের তথ্য জানা যায়। Teller শব্দের অর্থ ব্যাংকে টাকা লেনদেনকারী কর্মী। অন্য অপশনের নামগুলো আসলে কোনো প্রচলিত পূর্ণরূপ নয়।
মনে রাখুন:
ATM কার্ডে ব্যবহারকারীকে চেনার জন্য ৪ অঙ্কের গোপন সংখ্যা PIN (Personal Identification Number) লাগে।
কম্পিউটার ও ব্যাংকিংয়ের আরও কিছু সংক্ষিপ্ত রূপ: CPU (Central Processing Unit), SMS (Short Message Service)।
আন্তর্জাতিক
- ৬৩. ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে কোন সংস্থা?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) ২০১৯
- ক. UNICEF
- খ. UNDP
- গ. UNESCO
- ঘ. UNHCR
উত্তর: গ. UNESCO
১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর জাতিসংঘ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা ইউনেসকো (UNESCO) ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে। এর পেছনে ছিল ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে বাংলাদেশের মানুষের আত্মত্যাগ। ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি দিবসটি প্রথমবার বিশ্বে পালিত হয়। অন্য সংস্থাগুলোর কাজ আলাদা: UNICEF শিশুদের, UNDP উন্নয়নের এবং UNHCR শরণার্থীদের নিয়ে কাজ করে।
মনে রাখুন:
ইউনেসকোর সদর দপ্তর ফ্রান্সের প্যারিসে।
দিবসটির প্রস্তাব প্রথম দেন কানাডাপ্রবাসী বাঙালি রফিকুল ইসলাম। - ৬৬. বিশ্বের বৃহত্তম হ্রদের নাম–
- ক. কাস্পিয়ান সাগর
- খ. বৈকাল হ্রদ
- গ. সুপিরিয়র হ্রদ
- ঘ. ভিক্টোরিয়া হ্রদ
উত্তর: ক. কাস্পিয়ান সাগর
কাস্পিয়ান সাগর আয়তনে পৃথিবীর বৃহত্তম হ্রদ, যদিও নামে ‘সাগর’। চারদিকে স্থলভাগ দিয়ে ঘেরা এবং এর পানি লবণাক্ত। রাশিয়া, কাজাখস্তান, তুর্কমেনিস্তান, ইরান ও আজারবাইজান এর তীরবর্তী দেশ। সমুদ্রের সঙ্গে সংযোগ না থাকায় বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এটি হ্রদ।
মনে রাখুন:
বৈকাল হ্রদ (রাশিয়া) বিশ্বের গভীরতম হ্রদ।
সুপিরিয়র হ্রদ আয়তনে মিঠাপানির বৃহত্তম হ্রদ।
ভিক্টোরিয়া হ্রদ আফ্রিকার বৃহত্তম হ্রদ। - ৬৯. গণতন্ত্রের সূচনা হয় কোন দেশে?
- ক. ব্রিটেন
- খ. ফ্রান্স
- গ. ভারত
- ঘ. গ্রিস
উত্তর: ঘ. গ্রিস
গণতন্ত্রের সূচনা প্রাচীন গ্রিসের নগর-রাষ্ট্র এথেন্সে। সেখানে নাগরিকেরা সভায় জড়ো হয়ে সরাসরি আইন ও সিদ্ধান্ত নিত, যা প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র নামে পরিচিত। তাই গ্রিসকে গণতন্ত্রের সূতিকাগার বলা হয়। আধুনিক যুগে ব্রিটেন, ফ্রান্স ও ভারত গণতন্ত্র গড়ে তুলেছে, কিন্তু তাদের আগে এর সূচনা গ্রিসে।
মনে রাখুন:
Democracy শব্দটি গ্রিক demos (জনগণ) ও kratos (শাসন) থেকে এসেছে।
আব্রাহাম লিংকনের সংজ্ঞায় গণতন্ত্র হলো জনগণের, জনগণের দ্বারা, জনগণের জন্য শাসন।
আধুনিক প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রে জনগণ নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে শাসন করে। - ৭০. প্রথম সার্ক সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
- ক. দিল্লি
- খ. ঢাকা
- গ. কাবুল
- ঘ. শ্রীলংকা
উত্তর: খ. ঢাকা
দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা সার্ক (SAARC)-এর প্রথম শীর্ষ সম্মেলন ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনটি হয় ১৯৮৫ সালের ৭–৮ ডিসেম্বর। সার্ক গঠনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন বাংলাদেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ওই সম্মেলনেই সার্ক আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।
মনে রাখুন:
সার্কের সদর দপ্তর নেপালের কাঠমান্ডুতে।
সার্কের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৮। ২০০৭ সালে আফগানিস্তান সদস্য হয়। - ৮৬. ILO সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
- ক. লন্ডনে
- খ. জেনেভায়
- গ. রাশিয়ায়
- ঘ. যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর: খ. জেনেভায়
আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা ILO (International Labour Organization)-র সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়। এটি ১৯১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এখন জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা। শ্রমিকের অধিকার ও কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা নিয়ে এটি কাজ করে।
মনে রাখুন:
জেনেভায় WHO, WTO, ITU ইত্যাদি সংস্থারও সদর দপ্তর।
ILO ১৯৬৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পায়।
আরও কয়েকটি সংস্থার সদর দপ্তর: UNESCO (প্যারিস), IMF ও বিশ্বব্যাংক (ওয়াশিংটন ডি.সি.)। - ৮৮. শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দেয়া হয় কোন দেশ হতে?
- ক. সুইডেন
- খ. ফ্রান্স
- গ. ব্রিটেন
- ঘ. নরওয়ে
উত্তর: ঘ. নরওয়ে
শান্তিতে নোবেল পুরস্কার নরওয়ের রাজধানী অসলো থেকে দেওয়া হয়। এ জন্য নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি আলাদাভাবে কাজ করে। অন্য পাঁচটি ক্ষেত্রের পুরস্কার সুইডেনের স্টকহোম থেকে দেওয়া হয়। তাই সুইডেনের নাম দেখে ভুল করা চলবে না।
মনে রাখুন:
আলফ্রেড নোবেলের ইচ্ছাপত্র অনুযায়ী পুরস্কার ১৯০১ সাল থেকে দেওয়া শুরু হয়।
বাংলাদেশের ড. মুহম্মদ ইউনূস ২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পান।
অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পরে ১৯৬৮ সালে যুক্ত হয়েছে, যা ১৯৬৯ সাল থেকে দেওয়া হয়। - ৯৪. এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB) এর সদর দপ্তর কোন শহরে?
- ক. ঢাকা
- খ. ব্যাংকক
- গ. ম্যানিলা
- ঘ. নয়াদিল্লি
উত্তর: গ. ম্যানিলা
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB)-এর সদর দপ্তর ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায়। এটি ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দারিদ্র্য কমাতে ঋণ ও অনুদান দেয়। ঢাকা, ব্যাংকক বা নয়াদিল্লিতে এর সদর দপ্তর নেই, যদিও এসব দেশে ব্যাংকটির কার্যালয় আছে।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে ADB-র সদস্য হয়।
ADB-র মতো আরেকটি আন্তর্জাতিক ব্যাংক বিশ্বব্যাংক, যার সদর দপ্তর ওয়াশিংটন ডি.সি.-তে।
মানসিক দক্ষতা
- ৭৭. Sky is to 'bird' as water is to —
- ক. boat
- খ. fish
- গ. ship
- ঘ. lotus
উত্তর: খ. fish
এটি একটি সাদৃশ্যের প্রশ্ন (Analogy)। পাখি আকাশে উড়ে বেড়ায়, তাই sky-এর সঙ্গে bird-এর সম্পর্ক বাসস্থান বা চলাফেরার ক্ষেত্রের। একইভাবে পানিতে বাস করে মাছ, তাই water-এর সঙ্গে fish মেলে। নৌকা বা জাহাজ পানির ওপর চলে বটে, কিন্তু সেগুলো প্রাণী নয়, আর পদ্মফুল পানিতে জন্মায় বটে, কিন্তু চলাফেরা করে না।
মনে রাখুন:
সাদৃশ্যের প্রশ্নে আগে প্রথম জোড়ার সম্পর্ক ঠিক করে নিয়ে তবেই দ্বিতীয় জোড়া মেলাতে হয়।
উদাহরণ:
Sky : Bird :: Water : Fish
Land : Animal :: Water : Fish
জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি): অন্যান্য পরীক্ষা
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ক্রাফট ইন্সট্রাক্টর নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) সিনিয়র ইন্সট্রাক্টর নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১
- জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) অফিস সহায়ক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩
- জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিদ্যুৎ বিভাগ বিদ্যুৎ পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন