বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ১২ মার্চ ২০১৮। ৯৬টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →বাংলাদেশ
- ১. TIN-এর পূর্ণরূপ—
- ক. ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল নেটওয়ার্ক
- খ. ট্যাক্স ইনডেকস নাম্বার
- গ. ট্যাক্সপেয়ার আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার
- ঘ. ট্রান্সফার অব ইনফরমেশন নেটওয়ার্ক
উত্তর: গ. ট্যাক্সপেয়ার আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার
TIN-এর পূর্ণরূপ Taxpayer Identification Number, বাংলায় করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর। যিনি আয়কর দেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) তাঁকে ১২ অঙ্কের একটি আলাদা নম্বর দেয়। এই নম্বর দিয়ে সরকার বোঝে কোন করদাতা কত কর দিয়েছেন। তাই ব্যাংক হিসাব খোলা, ব্যবসার নিবন্ধন কিংবা আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার মতো কাজে TIN লাগে। অন্য অপশনগুলোতে যেসব নাম আছে, সেগুলো এ ধরনের কোনো নম্বরের পূর্ণরূপ নয়।
মনে রাখুন:
TIN-এর T হলো Taxpayer, Tax নয়।
ভ্যাট নিবন্ধনের জন্য আলাদা নম্বর আছে, তার নাম BIN (Business Identification Number)।
আয়কর আদায়ের দায়িত্বে আছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR)। - ১১. শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা কোন সালে ও কোথায় ঘোষণা করেন?
- ক. ১৯৬৬ সালে লাহোরে
- খ. ১৯৬৭ সালে করাচিতে
- গ. ১৯৬৮ সালে চট্টগ্রামে
- ঘ. ১৯৬৮ সালে ঢাকায়
উত্তর: ক. ১৯৬৬ সালে লাহোরে
শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর জাতীয় সম্মেলনে ছয় দফা দাবি উত্থাপন করেন। পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসনের এই দাবিই পরে বাঙালির মুক্তি সনদ হয়ে ওঠে। সম্মেলনের বিষয় নির্ধারণী কমিটিতে তিনি দাবিগুলো তুললেও সেখানে এটি গ্রহণ না হওয়ায় পরে ঢাকায় আওয়ামী লীগ এটি নিজেদের কর্মসূচি হিসেবে প্রচার করে।
মনে রাখুন:
ছয় দফার প্রথম দফা ছিল শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রের প্রকৃতি।
শেষ দফা ছিল পূর্ব পাকিস্তানের জন্য আঞ্চলিক আধাসামরিক বাহিনী গঠনের ক্ষমতা।
১৯৬৬ সালের ৭ জুন ছয় দফার সমর্থনে হরতাল পালিত হয়।
১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর শেখ মুজিবকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি দেওয়া হয়। - ১৫. বাংলাদেশের সংবিধান কোন তারিখ থেকে কার্যকর হয়?
- ক. ১৬ অক্টোবর ১৯৭২
- খ. ১৬ নভেম্বর ১৯৭২
- গ. ৪ নভেম্বর ১৯৭২
- ঘ. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
উত্তর: ঘ. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়। কিন্তু এটি কার্যকর হয় এক মাস পরে, ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২, যেদিন আমরা বিজয় দিবস পালন করি। তারিখটি ইচ্ছা করেই বেছে নেওয়া হয়েছিল, যাতে স্বাধীনতার বিজয়ের দিনটির সঙ্গে সংবিধানের সূচনা এক হয়ে যায়। ৪ নভেম্বর তারিখটি আমরা সংবিধান দিবস হিসেবে স্মরণ করি।
মনে রাখুন:
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য ছিলেন ৩৪ জন।
কমিটির সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
মূল সংবিধানে ৪টি মূলনীতি ছিল: জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা। - ২৮. বঙ্গবন্ধুর লেখা আত্মজীবনীটিতে কত সাল পর্যন্ত ঘটনাবলি স্থান পেয়েছে?
- ক. ১৯৫৫
- খ. ১৯৬৬
- গ. ১৯৫৭
- ঘ. ১৯৬৯
উত্তর: ক. ১৯৫৫
‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা আত্মজীবনী, যেখানে তাঁর শৈশব থেকে ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত ঘটনা আছে। ১৯৬৭ সালে কারাগারে থাকার সময় তিনি খাতায় এটি লিখতে শুরু করেন। বইটি অসমাপ্ত বলেই এর এই নাম, কারণ ১৯৫৫-র পরের জীবন এতে লেখা হয়নি। পরে ২০১২ সালে বইটি ছাপা হয়।
মনে রাখুন:
‘কারাগারের রোজনামচা’ তাঁর আরেকটি বই, যা ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৮ সালের কারাজীবনের দিনলিপি এবং ২০১৭ সালে প্রকাশিত।
‘আমার দেখা নয়াচীন’ প্রকাশিত হয় ২০২০ সালে। - ৩৬. প্রাচীন বাংলার সমতট জনপদের বর্তমান অবস্থান কোনটি?
- ক. বরিশাল অঞ্চল
- খ. খুলনা অঞ্চল
- গ. কুমিল্লা অঞ্চল
- ঘ. রংপুর অঞ্চল
উত্তর: গ. কুমিল্লা অঞ্চল
প্রাচীন বাংলার সমতট জনপদ বর্তমান কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল নিয়ে গড়ে উঠেছিল। কুমিল্লার ময়নামতী-লালমাই এলাকা এই জনপদের কেন্দ্রস্থল ছিল। বরিশাল, খুলনা বা রংপুর অঞ্চল অন্য জনপদের অংশ, তাই এগুলো সমতটের অবস্থান নয়।
মনে রাখুন:
বরেন্দ্র ছিল উত্তরবঙ্গ, হরিকেল ছিল সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চল, আর বঙ্গ ছিল ঢাকা-ফরিদপুরের কাছাকাছি এলাকা।
ময়নামতীর শালবন বিহার প্রাচীন বৌদ্ধ সংস্কৃতির পরিচয় বহন করে।
বগুড়ার মহাস্থানগড় ছিল পুণ্ড্রবর্ধনের কেন্দ্র। - ৪২. রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় কোন সালে?
- ক. ১৯৪৭ সালে
- খ. ১৯৪৮ সালে
- গ. ১৯৪৯ সালে
- ঘ. ১৯৫০ সালে
উত্তর: ক. ১৯৪৭ সালে
ভাষার দাবিতে ১৯৪৭ সালেই প্রথম রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। এর আগে সেপ্টেম্বরে অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে তমদ্দুন মজলিস তৈরি হয়েছিল, আর পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন নুরুল হক ভূঁইয়া। পরে ১৯৪৮ সালের মার্চে নতুন করে আরেকটি সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়, তাই সালের হিসাবে ১৯৪৭ ও ১৯৪৮ দুটিই মনে রাখতে হয়। প্রথম পরিষদের সময় বলেই প্রশ্নের উত্তর ১৯৪৭।
মনে রাখুন:
১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ রাষ্ট্রভাষা দিবস পালিত হয়।
১৯৪৮ সালের ২১ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে জিন্নাহ ঘোষণা করেন, উর্দুই হবে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা।
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের চূড়ান্ত দিন। - ৪৫. বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গঠিত?
- ক. ১১৮
- খ. ১১৯
- গ. ১৩৩
- ঘ. ১৩৭
উত্তর: ঘ. ১৩৭
বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৭ নম্বর অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার কথা বলা আছে। এতে একজন সভাপতি ও আইনে নির্ধারিত অন্যান্য সদস্য নিয়ে কমিশন গঠিত হয়। তাই কমিশনের সাংবিধানিক ভিত্তি ১৩৭ অনুচ্ছেদে। ১১৮ ও ১১৯ নম্বর অনুচ্ছেদ নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সম্পর্কিত, তাই ওই নম্বরগুলো এ প্রশ্নের উত্তর নয়।
মনে রাখুন:
পরবর্তী অনুচ্ছেদগুলোতে (১৩৮-১৪১) কমিশনের সদস্যদের নিয়োগ, মেয়াদ ও কার্যাবলি আছে।
অনুচ্ছেদ ১১৮ নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠার কথা বলে।
অনুচ্ছেদ ১২৭ মহা হিসাব নিরীক্ষকের পদ নিয়ে। - ৪৯. বাংলাদেশে স্থানীয় শাসন ব্যবস্থার প্রবর্তন করেন কে?
- ক. লর্ড রিপন
- খ. লর্ড কার্জন
- গ. লর্ড ডালহৌসী
- ঘ. লর্ড লিটন
উত্তর: ক. লর্ড রিপন
ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় লর্ড রিপন ১৮৮২ সালে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন সংক্রান্ত প্রস্তাব গ্রহণ করেন। এর মাধ্যমে ইউনিয়ন কমিটি, জেলা বোর্ড ও পৌরসভার মতো প্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সুযোগ তৈরি হয়। তাই তাঁকে ভারতীয় উপমহাদেশে স্থানীয় সরকারের জনক বলা হয়।
মনে রাখুন:
লর্ড কার্জন ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ করেছিলেন।
লর্ড ডালহৌসী স্বত্ববিলোপ নীতির জন্য পরিচিত।
লর্ড রিপন ১৮৮০ থেকে ১৮৮৪ সাল পর্যন্ত ভাইসরয় ছিলেন। - ৫১. 'কারাগারের রোজনামচা' গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
- ক. শেখ মুজিবুর রহমান
- খ. শেখ হাসিনা
- গ. সুফিয়া কামাল
- ঘ. সৈয়দ শামসুল হক
উত্তর: ক. শেখ মুজিবুর রহমান
‘কারাগারের রোজনামচা’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা বই। এতে ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৮ সালের কারাজীবনের দিনলিপি আছে। রোজনামচা মানে দৈনন্দিন কথার লিপি, যেখানে তিনি জেলের ভেতরের দিনের পর দিনের ঘটনা লিখে রেখেছিলেন। বইটি প্রকাশিত হয় ২০১৭ সালে।
মনে রাখুন:
তাঁর অন্য বই ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ (২০১২) এবং ‘আমার দেখা নয়াচীন’ (২০২০)।
শেখ হাসিনা ও সৈয়দ শামসুল হক অন্য ধারার লেখক, তাঁদের কেউই এই বইয়ের রচয়িতা নন। - ৫২. 'ছিয়াত্তরের মন্বন্তর' নামক ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ ইংরেজি কোন সালে হয়েছিল?
- ক. ১৬৭৬ খ্রি.
- খ. ১৭৭০ খ্রি.
- গ. ১৭৭৬ খ্রি.
- ঘ. ১৮০৬ খ্রি.
উত্তর: খ. ১৭৭০ খ্রি.
বাংলা ১১৭৬ সালকে সংক্ষেপে ছিয়াত্তর বলা হয়। ইংরেজি হিসাবে সেটি ১৭৭০ খ্রিষ্টাব্দ। সেই বছর বাংলায় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ হয়, যা ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামে পরিচিত। তখন কোম্পানির দ্বৈত শাসনে খাজনার চাপ ও খরায় প্রায় এক কোটি মানুষের মৃত্যু হয় বলে ধারণা করা হয়।
মনে রাখুন:
বাংলা সনের সঙ্গে প্রায় ৫৯৩ বা ৫৯৪ যোগ করলে ইংরেজি সন মেলে।
দ্বৈত শাসন চালু হয় ১৭৬৫ সালে, রবার্ট ক্লাইভের সময়ে।
১৭৭২ সালে ওয়ারেন হেস্টিংস দ্বৈত শাসনের অবসান ঘটান।
বঙ্কিমচন্দ্রের ‘আনন্দমঠ’ এই সময়ের সন্ন্যাসী বিদ্রোহ নিয়ে লেখা। - ৬৫. বাংলাদেশের কোন ব্যাংক নোট প্রচলন করতে পারে?
- ক. সোনালী ব্যাংক
- খ. জনতা ব্যাংক
- গ. বাংলাদেশ ব্যাংক
- ঘ. অগ্রণী ব্যাংক
উত্তর: গ. বাংলাদেশ ব্যাংক
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো বাংলাদেশ ব্যাংক, যা ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর একটি আদেশে প্রতিষ্ঠিত হয়। একমাত্র এই ব্যাংকই দেশের মুদ্রা নোট প্রচলন করে। সোনালী, জনতা ও অগ্রণী ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংক, তাদের কাজ আমানত নেওয়া ও ঋণ দেওয়া।
মনে রাখুন:
এক টাকার নোট ও কয়েন ছাপে অর্থ মন্ত্রণালয়, বাকি নোট ছাপে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধানকে গভর্নর বলে।
সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংক রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক। - ৭০. বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা কত?
- ক. ৪০টি
- খ. ৪৫টি
- গ. ৫০টি
- ঘ. ৫৫টি
উত্তর: গ. ৫০টি
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন ৫০টি। সংরক্ষিত আসন বাড়িয়ে ৫০টি করা হয় ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীতে। মূল সংবিধানে আসন ছিল ১৫টি, পরে ৩০ ও ৪৫টি হয়েছিল। এই আসনে সরাসরি ভোট হয় না, সংসদ সদস্যরা দলের আসনসংখ্যার অনুপাতে সদস্যদের নির্বাচিত করেন।
মনে রাখুন:
মোট সংসদ আসন ৩৫০, এর ৩০০টিতে সরাসরি ভোট হয়।
চৌদ্দতম সংশোধনীতে (২০০৪) সংরক্ষিত আসন ৪৫টি হয়েছিল।
২০১৮ সালের সপ্তদশ সংশোধনীতে সংরক্ষিত আসনের মেয়াদ আরও ২৫ বছর বাড়ানো হয়। - ৭৭. আমন ধান আহরণ করা হয় কোন মাসে?
- ক. বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ
- খ. আষাঢ়-শ্রাবণ
- গ. আশ্বিন-কার্তিক
- ঘ. অগ্রহায়ণ-পৌষ
উত্তর: ঘ. অগ্রহায়ণ-পৌষ
আমন ধানের চারা বর্ষাকালে, আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে রোপণ করা হয়। ধান পাকে হেমন্তে, আর অগ্রহায়ণ-পৌষ মাসে তা কাটা হয়। ‘আহরণ’ মানে সংগ্রহ বা ফসল তোলা, তাই উত্তর অগ্রহায়ণ-পৌষ। নবান্ন উৎসবও এই সময়েই হয়।
মনে রাখুন:
আউশ ধান বসন্ত-গ্রীষ্মে বোনা হয় এবং বর্ষার শুরুতে কাটা হয়।
বোরো ধান শীতকালে রোপণ করা হয় এবং চৈত্র-বৈশাখে কাটা হয়।
বর্তমানে বাংলাদেশে বোরো ধানের উৎপাদন সবচেয়ে বেশি।
গাজীপুরের জয়দেবপুরে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) অবস্থিত। - ৮৪. কোন সালে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়?
- ক. ১৯৫২ সালে
- খ. ১৯৫৪ সালে
- গ. ১৯৫৬ সালে
- ঘ. ১৯৫৮ সালে
উত্তর: গ. ১৯৫৬ সালে
পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান ১৯৫৬ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি গৃহীত হয় এবং ২৩ মার্চ কার্যকর হয়। এই সংবিধানে বাংলা ভাষা উর্দুর পাশাপাশি রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি পায়। এর আগে ১৯৫৪ সালের মে মাসে গণপরিষদে এ বিষয়ে প্রস্তাব পাস হয়েছিল, কিন্তু সাংবিধানিক স্বীকৃতি এল ১৯৫৬ সালে।
মনে রাখুন:
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনে রফিক, জব্বার, বরকত ও সালাম শহীদ হন।
১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেসকো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৩ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা আছে, প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা। - ৮৮. বাংলায় ফরায়েজী আন্দোলনের উদ্যোক্তা কে ছিলেন?
- ক. শাহ ওলি উল্লাহ
- খ. পীর মুহসিন উদ্দিন
- গ. হাজী শরীয়তউল্লাহ
- ঘ. ফকির মজনুশাহ
উত্তর: গ. হাজী শরীয়তউল্লাহ
ফরায়েজি আন্দোলনের সূচনা করেন হাজী শরীয়তউল্লাহ, উনিশ শতকের প্রথম দিকে। ‘ফরজ’ শব্দ থেকে ফরায়েজি নাম এসেছে। এর উদ্দেশ্য ছিল মুসলমানদের ইসলামের ফরজ কাজ পালনে উদ্বুদ্ধ করা এবং কুসংস্কার দূর করা। তাঁর মৃত্যুর পর পুত্র দুদু মিয়া আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন, যাঁর আসল নাম মহসিন উদ্দিন। শাহ ওয়ালিউল্লাহ ছিলেন দিল্লির বিখ্যাত ইসলামি সংস্কারক।
মনে রাখুন:
ফকির মজনু শাহ ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহের নেতা ছিলেন।
হাজী শরীয়তউল্লাহ ১৭৮১ সালে জন্মেছিলেন এবং ১৮৪০ সালে মারা যান।
তিতুমীর ১৮৩১ সালে বারাসাতে বাঁশের কেল্লা বানিয়ে ইংরেজদের বিরুদ্ধে লড়েছিলেন। - ৯২. বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইশতেহার কবে, কোথায় পাঠ করা হয়?
- ক. ১৭ এপ্রিল ১৯৭১, মুজিবনগর
- খ. ১০ এপ্রিল ১৯৭১, কুষ্টিয়া
- গ. ২৬ মার্চ ১৯৭১, ধানমন্ডি
- ঘ. ৩ মার্চ ১৯৭১, পল্টন ময়দান
উত্তর: ঘ. ৩ মার্চ ১৯৭১, পল্টন ময়দান
স্বাধীনতার ইশতেহার ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ ঢাকার পল্টন ময়দানে পাঠ করা হয়। স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদের পক্ষে ছাত্রনেতা শাহজাহান সিরাজ এটি পাঠ করেন। ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ মুজিবনগরে পাঠ করা হয় স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র, যা এই ইশতেহার থেকে আলাদা। ২৬ মার্চের তারিখটি আবার বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণার দিন হিসেবে পরিচিত, ঘোষণাপত্র বা ইশতেহার পাঠের দিন হিসেবে নয়।
মনে রাখুন:
ইশতেহারে বঙ্গবন্ধুকে জাতির পিতা ঘোষণা করা হয়।
মুজিবনগর সরকার শপথ নেয় ১৭ এপ্রিল ১৯৭১, মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায়।
সে সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু, আর তাঁর অনুপস্থিতিতে উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ছিলেন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি।
প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ।
গণিত
- ২. ত্রিভুজের বাহুগুলোর অনুপাত 1 : 1 : √2 হলে ত্রিভুজটি হবে—
- ক. সমকোণী
- খ. সূক্ষ্মকোণী
- গ. স্থূলকোণী
- ঘ. বিষমবাহু
উত্তর: ক. সমকোণী
ত্রিভুজের বাহু তিনটি যদি x, x ও √2x হয়, তবে ছোট দুই বাহুর বর্গের যোগফল হয় x² + x² = 2x²। বড় বাহুর বর্গ (√2x)² = 2x²। দুটি মান সমান, তাই পিথাগোরাসের উপপাদ্য মিলে যায়। ফলে ত্রিভুজটি সমকোণী, আর সমান দুই বাহুর মাঝের কোণটি ৯০°। এটি আসলে সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজ, যার অপর দুটি কোণ ৪৫° করে।
মনে রাখুন:
দুই ছোট বাহুর বর্গের যোগফল বড় বাহুর বর্গের সমান হলে ত্রিভুজ সমকোণী, বেশি হলে সূক্ষ্মকোণী এবং কম হলে স্থূলকোণী হয়।
পিথাগোরীয় ত্রয়ী: 3, 4, 5 এবং 5, 12, 13। - ৫. একটি বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত কোন ধরনের সংখ্যা?
- ক. মৌলিক
- খ. মূলদ
- গ. স্বাভাবিক
- ঘ. অমূলদ
উত্তর: ঘ. অমূলদ
বৃত্তের পরিধি = 2πr এবং ব্যাস = 2r। তাই পরিধি : ব্যাস = 2πr / 2r = π। π-এর মান 3.14159… এমনভাবে অসীম পর্যন্ত চলে এবং কোনো অংশ বারবার ফিরে আসে না। যে সংখ্যাকে p/q আকারে (p, q পূর্ণসংখ্যা এবং q ≠ 0) লেখা যায় না, তাকে অমূলদ সংখ্যা (Irrational number) বলে। সুতরাং অনুপাতটি অমূলদ। বৃত্ত যত বড় বা ছোটই হোক, এই অনুপাত সবসময় একই থাকে।
মনে রাখুন:
22/7 শুধু π-এর একটি আসন্ন মান, π নিজে 22/7 নয়।
√2 ও √3-ও অমূলদ সংখ্যা।
মূলদ সংখ্যা p/q আকারে লেখা যায়, যেমন 1/2, 0.75। - ৬. a + 1/a = 2 হলে a² + a + 1/a + 1/a² = কত?
- ক. 4
- খ. 2
- গ. 0
- ঘ. 8
উত্তর: ক. 4
a + 1/a = 2 থেকে সহজেই a = 1 পাওয়া যায়, কারণ a ও 1/a-এর যোগফল 2 হতে হলে দুটিই 1 হতে হয়। তাহলে রাশিটির মান 1 + 1 + 1 + 1 = 4।
বীজগণিতের নিয়মেও একই উত্তর আসে। a² + 1/a² = (a + 1/a)² − 2 = 2² − 2 = 2, আর a + 1/a = 2। দুটি যোগ করলে 2 + 2 = 4।
মনে রাখুন:
a + 1/a = k হলে a² + 1/a² = k² − 2।
a − 1/a = k হলে a² + 1/a² = k² + 2।
a + 1/a = 2 হলে a-এর মান সবসময় 1 হয়, কারণ ধনাত্মক a-এর জন্য a + 1/a ≥ 2, আর সমতা শুধু a = 1 হলে। - ১২. দুইটি ক্রমিক অখণ্ড সংখ্যার বর্গের অন্তর ৪৯ হলে, ছোট সংখ্যাটি হবে—
- ক. ১৯
- খ. ২০
- গ. ২৪
- ঘ. ২৫
উত্তর: গ. ২৪
পরপর দুটি অখণ্ড সংখ্যা n ও n+1 হলে তাদের বর্গের অন্তর (n+1)² − n² = 2n + 1। এটি ৪৯ হলে 2n = ৪৮, তাই n = ২৪। অর্থাৎ ছোট সংখ্যা ২৪ এবং বড় সংখ্যা ২৫। যাচাই করে দেখি: ২৫² − ২৪² = ৬২৫ − ৫৭৬ = ৪৯।
শর্টকাট: ক্রমিক দুই সংখ্যার বর্গের অন্তর সবসময় সংখ্যা দুটির যোগফলের সমান। তাই ৪৯ কে ২ দিয়ে ভাগ করে ২৪.৫ পাওয়া যায়, এর আগের পূর্ণসংখ্যাটি ২৪।
মনে রাখুন: a² − b² = (a + b)(a − b), আর b = a − 1 হলে a − b = 1 বলে অন্তর হয় a + b। - ১৭. কত টাকার ৩/৫ অংশ ৯০ টাকার ৫/৬ অংশের সমান?
- ক. ১২৫ টাকা
- খ. ১২০ টাকা
- গ. ১১৫ টাকা
- ঘ. ১১০ টাকা
উত্তর: ক. ১২৫ টাকা
ধরি সংখ্যাটি x। প্রথমে ৯০ টাকার ৫/৬ অংশ বের করি: ৯০ × ৫/৬ = ৭৫ টাকা। তাহলে x-এর ৩/৫ অংশ ৭৫ টাকার সমান, অর্থাৎ 3x/5 = 75। দুই পাশকে ৫ দিয়ে গুণ করে 3 দিয়ে ভাগ করলে x = 75 × 5/3 = ১২৫ টাকা।
যাচাই: ১২৫-এর ৩/৫ = ৭৫, যা ৯০-এর ৫/৬-এর সমান।
মনে রাখুন: ‘এর’ বা ‘অংশ’ দেখলে গুণ করতে হয়। কোনো সংখ্যার ৩/৫ অংশ জানা থাকলে পুরো সংখ্যা পেতে ৫/৩ দিয়ে গুণ করতে হয়। - ২৯. log₂√6 + log₂√(2/3) = কত?
- ক. 0
- খ. −1
- গ. 1
- ঘ. 2
উত্তর: গ. 1
লগারিদমের যোগের নিয়মে log a + log b = log(ab)। তাই log₂√6 + log₂√(2/3) = log₂(√6 × √(2/3)) = log₂√4 = log₂2। কিন্তু log₂2 = 1, কারণ 2¹ = 2। তাই মান 1।
মনে রাখুন:
কোনো সংখ্যার ভিত্তি ও সংখ্যা সমান হলে লগের মান ১ হয়, অর্থাৎ log_a a = 1।
log_a 1 = 0।
log(a/b) = log a − log b।
log aⁿ = n log a। - ৩২. ১৯০ টাকায় একটি দ্রব্য বিক্রয় করাতে ৫% ক্ষতি হলে, দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য কত?
- ক. ১৯৫ টাকা
- খ. ২০০ টাকা
- গ. ২০৫ টাকা
- ঘ. ২১০ টাকা
উত্তর: খ. ২০০ টাকা
৫% ক্ষতিতে বিক্রি হলে ১০০ টাকার জিনিস ৯৫ টাকায় বিক্রি হয়। ৯৫ টাকা বিক্রয়মূল্য হলে ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা। তাহলে ১৯০ টাকা বিক্রয়মূল্য হলে ক্রয়মূল্য = (১০০ × ১৯০) ÷ ৯৫ = ২০০ টাকা।
যাচাই: ২০০-এর ৫% = ১০, ২০০ − ১০ = ১৯০।
মনে রাখুন:
ক্ষতি হলে ক্রয়মূল্য = বিক্রয়মূল্য × ১০০ ÷ (১০০ − ক্ষতির হার)।
লাভ হলে ক্রয়মূল্য = বিক্রয়মূল্য × ১০০ ÷ (১০০ + লাভের হার)।
লাভ-ক্ষতির শতকরা হিসাব সবসময় ক্রয়মূল্যের ওপর করা হয়। - ৪৬. 4^(x+1) = 32 হলে x = কত?
- ক. 3/2
- খ. 2/3
- গ. 3
- ঘ. 1/3
উত্তর: ক. 3/2
৪ ও ৩২ দুটোকেই ২-এর ঘাত হিসেবে লিখি: 4 = 2² এবং 32 = 2⁵। তাহলে 4^(x+1) = (2²)^(x+1) = 2^(2x+2) এবং ডানে 2⁵। ভিত্তি সমান হলে ঘাত সমান হয়, তাই 2x + 2 = 5, অর্থাৎ 2x = 3 এবং x = 3/2।
যাচাই: 4^(5/2) = (√4)⁵ = 2⁵ = 32।
মনে রাখুন:
(aᵐ)ⁿ = aᵐⁿ।
a^m = a^n এবং a ≠ 0, ±1 হলে m = n।
2-এর ঘাতগুলো মনে রাখলে এমন অঙ্ক দ্রুত হয়: 2, 4, 8, 16, 32, 64। - ৪৭. ৫ এর গুণিতকের সেট কোন ধরনের সেট?
- ক. সসীম সেট
- খ. সার্বিক সেট
- গ. ফাঁকা সেট
- ঘ. অসীম সেট
উত্তর: ঘ. অসীম সেট
৫-এর গুণিতকের সেট {৫, ১০, ১৫, ২০, ২৫, …}। এই তালিকা কখনো শেষ হয় না, কারণ প্রতিবার ৫ যোগ করে নতুন গুণিতক পাওয়া যায়। যে সেটের উপাদান গুনে শেষ করা যায় না, তাকে অসীম সেট (Infinite set) বলে। সুতরাং এটি অসীম সেট।
মনে রাখুন:
ফাঁকা সেট বলতে উপাদানহীন সেট বোঝায়, যেমন ∅।
সসীম সেটের উপাদান গুনে শেষ করা যায়, যেমন সপ্তাহের দিনগুলোর সেট।
n সংখ্যক উপাদানের সেটের উপসেট থাকে 2ⁿ সংখ্যক। - ৫০. রম্বসের কর্ণদ্বয় পরস্পর d₁ ও d₂ একক হলে, রম্বসটির ক্ষেত্রফল কত বর্গএকক?
- ক. d₁d₂
- খ. ½d₁d₂
- গ. 2d₁d₂
- ঘ. 4d₁d₂
উত্তর: খ. ½d₁d₂
রম্বসের কর্ণ দুটি পরস্পরকে সমকোণে সমদ্বিখণ্ডিত করে, ফলে রম্বস চারটি সমান সমকোণী ত্রিভুজে ভাগ হয়। প্রতিটি ত্রিভুজের ভূমি d₁/2 এবং উচ্চতা d₂/2, তাই একটির ক্ষেত্রফল ½ × d₁/2 × d₂/2 = d₁d₂/8। চারটির মোট ক্ষেত্রফল = d₁d₂/2, অর্থাৎ ½ × d₁ × d₂ বর্গএকক।
মনে রাখুন:
বর্গক্ষেত্রও রম্বসের বিশেষ রূপ, তাই এর ক্ষেত্রফল ½ × কর্ণ² দিয়েও বের করা যায়।
সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল = ভূমি × উচ্চতা।
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = ½ × ভূমি × উচ্চতা। - ৫৮. বৃহত্তম কোন সংখ্যা দ্বারা ২১১ এবং ৯৩৯ কে ভাগ করলে প্রত্যেক ক্ষেত্রে ৩ ভাগশেষ থাকবে?
- ক. ১০২
- খ. ১০৪
- গ. ১০৮
- ঘ. ১১২
উত্তর: খ. ১০৪
কোনো সংখ্যা দিয়ে ২১১ ও ৯৩৯ ভাগ করলে ভাগশেষ ৩ থাকলে সেই সংখ্যা দিয়ে ২১১ − ৩ = ২০৮ এবং ৯৩৯ − ৩ = ৯৩৬ নিঃশেষে ভাগ যাবে। তাই সংখ্যাটি ২০৮ ও ৯৩৬-এর গ.সা.গু.। ৯৩৬ = ৪ × ২০৮ + ১০৪ এবং ২০৮ = ২ × ১০৪, তাই গ.সা.গু. ১০৪।
মনে রাখুন:
ভাজক সবসময় ভাগশেষের চেয়ে বড় হতে হয়। ১০৪, ৩-এর চেয়ে বড়, তাই শর্ত পূরণ হয়।
এই ধরনের অঙ্কে প্রতিবার ভাগশেষ বাদ দিয়ে সংখ্যাগুলোর গ.সা.গু. নিতে হয়।
ভাগশেষ আলাদা হলে প্রতিটি সংখ্যা থেকে তার নিজের ভাগশেষ বাদ দিতে হয়। - ৬০. কোন সংখ্যার দ্বিগুণের সাথে ৩৫ যোগ করলে যোগফল ৬১ হবে?
- ক. ১৩
- খ. ১১
- গ. ১৫
- ঘ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. ১৩
ধরি সংখ্যাটি x। শর্ত অনুযায়ী 2x + 35 = 61। এখান থেকে 2x = 61 − 35 = 26, তাই x = 13।
যাচাই: ১৩-এর দ্বিগুণ ২৬, আর ২৬ + ৩৫ = ৬১।
মনে রাখুন: ‘দ্বিগুণ’ লিখলে সংখ্যাকে 2 দিয়ে গুণ করতে হয়, আর ‘যোগ করলে’ লিখলে + বসে। কথায় লেখা অঙ্ককে আগে সমীকরণে রূপ দিলে সমাধান সহজ হয়। - ৭৩. 5(1−x) + 3(2−x) = −29 সমীকরণের সমাধান হবে—
- ক. 4
- খ. 8
- গ. 5
- ঘ. 10
উত্তর: গ. 5
প্রথমে বন্ধনী খুলে পাই 5 − 5x + 6 − 3x = −29। সমান পদগুলো একত্র করলে 11 − 8x = −29। এবার 11 ডান দিকে সরিয়ে পাই −8x = −40, অর্থাৎ 8x = 40 এবং x = 5।
যাচাই: 5(1−5) + 3(2−5) = −20 − 9 = −29।
মনে রাখুন:
পক্ষান্তর করলে চিহ্ন বদলে যায়।
বন্ধনীর আগে ঋণাত্মক চিহ্ন থাকলে বন্ধনী খোলার সময় ভেতরের প্রতিটি পদের চিহ্ন বদলায়।
সমীকরণের উত্তর বসিয়ে মিলিয়ে দেখা ভালো অভ্যাস। - ৭৪. 16, 33, 67, 135... ধারাটির পরবর্তী পদ কত?
- ক. ২০২
- খ. ২৭০
- গ. ২৭১
- ঘ. ২৭৫
উত্তর: গ. ২৭১
ধারাটির প্রতিটি পদ আগের পদের দ্বিগুণের সঙ্গে ১ যোগ করে পাওয়া যায়: ১৬ × ২ + ১ = ৩৩, ৩৩ × ২ + ১ = ৬৭, ৬৭ × ২ + ১ = ১৩৫। তাই পরের পদ ১৩৫ × ২ + ১ = ২৭১।
আরেকভাবেও মেলানো যায়। পদগুলোর পার্থক্য ১৭, ৩৪, ৬৮, যা প্রতিবার দ্বিগুণ হচ্ছে। পরের পার্থক্য তাই ১৩৬, আর ১৩৫ + ১৩৬ = ২৭১।
মনে রাখুন: ধারার প্রশ্নে প্রথমে পদগুলোর মধ্যে যোগ-বিয়োগের পার্থক্য দেখা ভালো। না মিললে গুণ করে কিছু যোগ বা বিয়োগ করার নিয়ম খুঁজতে হয়। - ৮৩. বার্ষিক ৮% হার সুদে কত বছরে ৩৫০ টাকার সুদ ১৪০ টাকা হবে?
- ক. ৪ বছর
- খ. ৪½ বছর
- গ. ৫ বছর
- ঘ. ৫½ বছর
উত্তর: গ. ৫ বছর
সরল সুদের সূত্র: সুদ = আসল × হার × সময় ÷ 100। এখানে সময় = (সুদ × 100)/(আসল × হার) = (140 × 100)/(350 × 8) = 14000/2800 = ৫ বছর।
যাচাই: ৩৫০ টাকার বার্ষিক সুদ ২৮ টাকা, ৫ বছরে ১৪০ টাকা।
মনে রাখুন:
আসল = (সুদ × 100)/(হার × সময়)।
হার = (সুদ × 100)/(আসল × সময়)।
সুদাসল = আসল + সুদ। - ৮৫. ΔABC এর BC কে D পর্যন্ত বর্ধিত করলে ∠ACD = ?
- ক. ∠A + ∠B + ∠C
- খ. ∠A + ∠C
- গ. ∠A + ∠B
- ঘ. ∠B + ∠C
উত্তর: গ. ∠A + ∠B
ত্রিভুজের কোনো বাহু বাড়ালে যে বহিঃস্থ কোণ তৈরি হয়, তা বিপরীত দুই অন্তঃস্থ কোণের সমষ্টির সমান। এখানে BC কে D পর্যন্ত বাড়ালে বহিঃস্থ কোণ ∠ACD, আর তার বিপরীত অন্তঃস্থ কোণ ∠A ও ∠B। তাই ∠ACD = ∠A + ∠B।
প্রমাণ: ∠ACD + ∠C = 180° (সরলকোণ) এবং ∠A + ∠B + ∠C = 180° (ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি), তাই ∠ACD = ∠A + ∠B।
মনে রাখুন: বহিঃস্থ কোণ বিপরীত অন্তঃস্থ কোণ দুটির প্রতিটির চেয়ে বড় হয়। - ৯৩. x + 2y = 4 এবং x/y = 2 হলে, x = কত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৪
- ক. 2/3
- খ. 3/2
- গ. 2
- ঘ. 1/2
উত্তর: গ. 2
দেওয়া আছে x/y = 2, তাই x = 2y। প্রথম সমীকরণে x-এর মান বসালে 2y + 2y = 4 বা 4y = 4, তাই y = 1। তখন x = 2 × 1 = 2।
যাচাই: 2 + 2 × 1 = 4 এবং 2/1 = 2।
মনে রাখুন:
দুই চলকের সমীকরণে একটি চলককে অন্যটির মাধ্যমে প্রকাশ করে বসিয়ে দিলে সমাধান সহজ হয়। একে প্রতিস্থাপন পদ্ধতি বলে।
এখানে অপশন A, B ও D-এর মান বসালে দ্বিতীয় শর্ত মেলে না। - ৯৫. cosθ = 2/√5 হলে tanθ = ?
- ক. 1/2
- খ. 2
- গ. 1/√2
- ঘ. 1/√3
উত্তর: ক. 1/2
cosθ = ভূমি/অতিভুজ = 2/√5, তাই ভূমি = 2, অতিভুজ = √5। পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী লম্ব = √(5 − 4) = 1। তাহলে tanθ = লম্ব/ভূমি = 1/2।
যাচাই: sin²θ + cos²θ = 1/5 + 4/5 = 1।
মনে রাখুন:
sinθ = লম্ব/অতিভুজ = 1/√5।
tanθ = sinθ/cosθ।
sec²θ − tan²θ = 1। - ৯৬. (x² − 6x + 5)/(x² − 25) এর লঘিষ্ঠ আকারে প্রকাশিত রূপ কোনটি?
- ক. (x−5)/(x+5)
- খ. (x+5)/(x−5)
- গ. (x−1)/(x−5)
- ঘ. (x−1)/(x+5)
উত্তর: ঘ. (x−1)/(x+5)
লবের x² − 6x + 5 উৎপাদকে ভাঙি। এমন দুটি সংখ্যা চাই যাদের গুণফল 5 এবং যোগফল −6, সেগুলো −1 ও −5, তাই x² − 6x + 5 = (x − 1)(x − 5)। হরের x² − 25 = (x + 5)(x − 5)। দুই অংশে সাধারণ উৎপাদক (x − 5) কেটে দিলে থাকে (x − 1)/(x + 5)।
মনে রাখুন:
a² − b² = (a + b)(a − b)।
লঘিষ্ঠ আকারে আনতে লব ও হরের সাধারণ উৎপাদক কাটতে হয়।
(x − 5) কেটে দিলে x ≠ 5 ধরে নিতে হয়, নয়তো হর শূন্য হয়ে যায়।
বাংলা
- ৩. বঙ্কিমচন্দ্রের সাহিত্যচর্চা শুরু হয় কোন পত্রিকার মাধ্যমে?
- ক. বঙ্গদর্শন
- খ. সংবাদ প্রভাকর
- গ. সবুজপত্র
- ঘ. লাঙল
উত্তর: খ. সংবাদ প্রভাকর
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সাহিত্যচর্চা শুরু করেন ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত ‘সংবাদ প্রভাকর’ পত্রিকায় কবিতা লিখে। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ছিলেন যুগসন্ধির কবি, অর্থাৎ প্রাচীন ও আধুনিক যুগের মাঝখানের কবি। তাঁর এই পত্রিকাটি ছিল বাংলা ভাষার প্রথম দৈনিক পত্রিকা। পরে বঙ্কিম নিজেই ১৮৭২ সালে ‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকা সম্পাদনা করেন। বাকি দুটি পত্রিকার সম্পাদকও আলাদা: ‘সবুজপত্র’ প্রমথ চৌধুরীর এবং ‘লাঙল’ কাজী নজরুল ইসলামের।
মনে রাখুন:
বঙ্কিমের প্রথম বাংলা উপন্যাস ‘দুর্গেশনন্দিনী’ (১৮৬৫)।
তাঁর আরও উপন্যাস: কপালকুণ্ডলা, বিষবৃক্ষ, কৃষ্ণকান্তের উইল, আনন্দমঠ।
‘বন্দে মাতরম’ গানটি ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাসে আছে। - ৭. 'চারপায়' শব্দের অর্থ—
- ক. টেবিল
- খ. চেয়ার
- গ. চৌকি
- ঘ. মোড়া
উত্তর: গ. চৌকি
‘চারপায়’ শব্দটির অর্থ চৌকি বা খাট। চার পায়ার ওপর দাঁড়ানো কাঠের যে আসবাবে আমরা বসি বা শুই, গ্রামবাংলায় তাকে এই নামে ডাকা হয়। চৌকি সাধারণত কাঠের তক্তা দিয়ে তৈরি হয়। টেবিল, চেয়ার বা মোড়ার আলাদা নাম ও কাজ আছে, তাই ওগুলো ‘চারপায়’-এর অর্থ নয়। টেবিলে আমরা লেখাপড়া করি বা খাবার রাখি, চেয়ার শুধু বসার জন্য, আর মোড়া বেত বা বাঁশ দিয়ে বানানো ছোট বসার আসন।
মনে রাখুন:
খাটের সমার্থক শব্দ: পালঙ্ক, শয্যা।
দেশি আসবাবের কিছু নাম: চৌকি, মোড়া, মাদুর, জলচৌকি। - ৮. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত 'রেইনকোট' গল্পটি কোন প্রেক্ষাপটে রচিত?
- ক. উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
- খ. ভাষা আন্দোলন
- গ. একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ
- ঘ. সিপাহী বিদ্রোহ
উত্তর: গ. একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ
আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের ‘রেইনকোট’ গল্পটি একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময়কার ঢাকা শহরের আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে লেখা। গল্পে দেখা যায়, যুদ্ধের দিনগুলোতে সাধারণ মানুষ কীভাবে সবসময় ভয়ে ভয়ে দিন কাটাত। গল্পটি তাঁর ‘জাল স্বপ্ন স্বপ্নের জাল’ গ্রন্থে আছে। মুক্তিযুদ্ধের গল্প বলে ভাষা আন্দোলন, সিপাহী বিদ্রোহ বা উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান এর প্রেক্ষাপট নয়।
মনে রাখুন:
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস ১৯৪৩ সালে জন্মেছিলেন এবং ১৯৯৭ সালে মারা যান।
ইলিয়াসের উপন্যাস: চিলেকোঠার সেপাই, খোয়াবনামা।
গল্পগ্রন্থ: অন্য ঘরে অন্য স্বর, খোয়ারি, দুধভাতে উৎপাত, দোজখের ওম।
‘চিলেকোঠার সেপাই’-এর পটভূমি ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান। - ১৬. 'Executive'-এর পরিভাষা—
- ক. উর্ধ্বতন কর্মকর্তা
- খ. নির্বাহী
- গ. সহ
- ঘ. ব্যবস্থাপক
উত্তর: খ. নির্বাহী
Executive শব্দের বাংলা পরিভাষা ‘নির্বাহী’। যিনি সিদ্ধান্ত কার্যকর করেন ও প্রশাসন চালান, তাঁকে এই নামে ডাকা হয়, যেমন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী প্রকৌশলী। ব্যবস্থাপক হলো Manager, তাই সেটি সঠিক নয়। উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলতে Senior Officer বোঝায়, যা Executive শব্দের সরাসরি পরিভাষা নয়।
মনে রাখুন:
Executive হলো শাসন বিভাগ, Legislature হলো আইন বিভাগ এবং Judiciary হলো বিচার বিভাগ। এই তিনটিকে সরকারের তিনটি অঙ্গ বলা হয়।
বাংলাদেশে রাষ্ট্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভার হাতে থাকে। - ১৮. এখনো দেখনি তুমি?- এখানে 'নি' কী হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে?
- ক. ক্রিয়া বিশেষণ
- খ. না-বাচক ক্রিয়া বিশেষণ
- গ. বিশেষণ
- ঘ. সর্বনাম
উত্তর: ক. ক্রিয়া বিশেষণ
যে শব্দ ক্রিয়ার ধরন বা অবস্থা প্রকাশ করে, তাকে ক্রিয়া বিশেষণ (Adverb) বলে। ‘এখনো দেখনি তুমি?’ বাক্যে ‘নি’ অব্যয়টি ‘দেখা’ ক্রিয়াটির না-বাচক অর্থ জানাচ্ছে, অর্থাৎ ক্রিয়াকে বিশেষিত করছে। তাই এটি ক্রিয়া বিশেষণ। বিশেষণ থাকলে সেটি বিশেষ্যের গুণ বোঝাত, আর সর্বনাম কোনো নামের বদলে বসত, কিন্তু ‘নি’ এর কোনোটিই করছে না।
মনে রাখুন:
‘নি’ আসলে ‘নাই’-এর সংক্ষিপ্ত রূপ, আর সাধারণত পুরাঘটিত বা অতীত অর্থে ক্রিয়ার সঙ্গে বসে।
ক্রিয়া বিশেষণ ক্রিয়াকে, বিশেষণকে বা অন্য ক্রিয়া বিশেষণকে বিশেষিত করে।
উদাহরণ: সে ধীরে হাঁটে। (ধীরে হাঁটার ধরন জানাচ্ছে।) - ১৯. 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসের রচয়িতা —
- ক. জহির রায়হান
- খ. জাহানারা ইমাম
- গ. মুনীর চৌধুরী
- ঘ. সুফিয়া কামাল
উত্তর: ক. জহির রায়হান
‘আরেক ফাল্গুন’ জহির রায়হানের উপন্যাস, যেটি ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে লেখা। ১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারির ঘটনাকে এখানে তরুণদের চোখ দিয়ে দেখানো হয়েছে। বাকি তিনজনের পরিচয় আলাদা। জাহানারা ইমাম লিখেছেন ‘একাত্তরের দিনগুলি’, মুনীর চৌধুরী নাট্যকার, আর সুফিয়া কামাল কবি।
মনে রাখুন:
জহির রায়হানের অন্য উপন্যাস হলো হাজার বছর ধরে, বরফ গলা নদী, শেষ বিকেলের মেয়ে ও আর কত দিন।
ভাষা আন্দোলন নিয়ে মুনীর চৌধুরীর বিখ্যাত নাটক ‘কবর’।
জহির রায়হান ১৯৭২ সালের জানুয়ারিতে নিখোঁজ হন। - ২৫. 'তাম্বুল রাতুল হইল অধর পরশে' পঙক্তিটির রচয়িতা—
- ক. শাহ মুহম্মদ সগীর
- খ. আলাওল
- গ. কোরেশী মাগন ঠাকুর
- ঘ. মুহম্মদ কবীর
উত্তর: খ. আলাওল
‘তাম্বুল রাতুল হইল অধর পরশে’ পঙক্তিটি আলাওলের ‘পদ্মাবতী’ কাব্যের পদ্মাবতীর রূপবর্ণনা অংশ থেকে নেওয়া। আলাওল আরাকান রাজসভার কবি ছিলেন এবং মালিক মুহম্মদ জায়সীর হিন্দি কাব্য ‘পদুমাবৎ’ অবলম্বনে এটি লেখেন। বাকি তিন কবির পরিচয় আলাদা: শাহ মুহম্মদ সগীরের কাব্য ‘ইউসুফ-জোলেখা’, কোরেশী মাগন ঠাকুরের ‘চন্দ্রাবতী’ এবং মুহম্মদ কবীরের ‘মধুমালতী’।
মনে রাখুন:
আলাওলের অন্য কাব্য হলো সয়ফুলমুলুক-বদিউজ্জামাল, সিকান্দরনামা, হপ্তপয়কর, তোহফা ও রাগতালনামা।
‘পদ্মাবতী’ রচিত হয় ১৬৪৮ সালের কাছাকাছি সময়ে। - ৩১. নবান্ন কী?
- ক. নতুন ধান
- খ. নতুন বৎসর
- গ. ফসল কাটার উৎসব
- ঘ. ফসল বোনার উৎসব
উত্তর: গ. ফসল কাটার উৎসব
‘নবান্ন’ শব্দের অর্থ নতুন অন্ন। হেমন্তকালে নতুন ধান কাটার পর নতুন চালের পিঠা-পায়েস রান্না করে যে উৎসব হয়, তাকে নবান্ন বলে। তাই এটি ফসল কাটার উৎসব। এটি অগ্রহায়ণ মাসে পালিত হয়। ‘নতুন ধান’ কথাটি ফসলকে বোঝায়, উৎসবকে নয়, আর ‘নতুন বৎসর’ বোঝায় পহেলা বৈশাখকে। ফসল বোনার উৎসব তাই নবান্ন নয়।
মনে রাখুন:
নবান্ন শব্দ গঠিত হয়েছে নব + অন্ন সন্ধি দিয়ে।
বিজন ভট্টাচার্যের একটি বিখ্যাত নাটকের নামও ‘নবান্ন’, যেটি ১৯৪৪ সালে মঞ্চস্থ হয়।
পৌষ মাসের সংক্রান্তিতে পিঠা-পুলির আরেকটি উৎসব হয়, তার নাম পৌষ পার্বণ। - ৩৫. বাংলা গদ্যের জনক কে?
- ক. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- খ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- গ. সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
- ঘ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
উত্তর: ঘ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যকে সুশৃঙ্খল রূপ দেন, যতিচিহ্নের ব্যবহার শেখান এবং বাক্যে ছন্দ ও মাধুর্য আনেন। এর আগে বাংলা গদ্য ছিল এলোমেলো, কোথায় থামতে হবে তা বোঝা কঠিন ছিল। বিদ্যাসাগরের হাতে গদ্য সহজ ও সুন্দর হয়ে ওঠে, এই কারণে তাঁকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়। শরৎচন্দ্র কথাসাহিত্যিক আর সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় আধুনিক কালের লেখক, তাই এঁরা এই উপাধির দাবিদার নন।
মনে রাখুন:
বিদ্যাসাগরের বিখ্যাত গ্রন্থ বেতাল পঞ্চবিংশতি (১৮৪৭), শকুন্তলা, সীতার বনবাস ও ভ্রান্তিবিলাস।
বঙ্কিমচন্দ্রকে বলা হয় বাংলা উপন্যাসের জনক।
১৮৫৬ সালে তাঁর চেষ্টায় বিধবা বিবাহ আইন পাস হয়। - ৩৮. 'যাপিত জীবন' উপন্যাস গ্রন্থের রচয়িতা—
- ক. আহমদ ছফা
- খ. আহমেদ শরীফ
- গ. সেলিনা হোসেন
- ঘ. রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
উত্তর: গ. সেলিনা হোসেন
‘যাপিত জীবন’ কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের উপন্যাস। তিনি বাংলাদেশের ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধ ও নারীর জীবন নিয়ে লিখেছেন। বাকি তিনজনের পরিচয় আলাদা: আহমদ ছফা ‘সূর্যতরুণ’ ও ‘গাভী বৃত্তান্ত’-এর মতো বই লিখেছেন, আহমদ শরীফ প্রধানত গবেষক ও প্রাবন্ধিক, আর রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ‘সুলতানার স্বপ্ন’ ও ‘অবরোধবাসিনী’-র লেখক।
মনে রাখুন:
সেলিনা হোসেনের অন্য উপন্যাস হলো হাঙর নদী গ্রেনেড, পোকামাকড়ের ঘরবসতি, নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি ও গায়ত্রী সন্ধ্যা।
‘হাঙর নদী গ্রেনেড’-এর পটভূমি মুক্তিযুদ্ধ। - ৩৯. শাহ আবদুল করিম রচিত গ্রন্থ—
- ক. ধলমেলা
- খ. সারা দুপুর
- গ. ছায়া হরিণ
- ঘ. নতুন সকাল
উত্তর: ক. ধলমেলা
শাহ আবদুল করিম সিলেট অঞ্চলের বিখ্যাত বাউল শিল্পী ও গীতিকার। তিনি সুনামগঞ্জের উজানধলে জন্মেছিলেন। তাঁর রচিত গ্রন্থের মধ্যে ‘ধলমেলা’ একটি, তাই অপশনের মধ্যে এটিই উত্তর। বাকি বইগুলো অন্য লেখকের: ‘সারা দুপুর’ ও ‘ছায়া হরিণ’ কবি আহসান হাবীবের কাব্যগ্রন্থ।
মনে রাখুন:
শাহ আবদুল করিমের আরও গ্রন্থ হলো আফতাব সংগীত, গণসংগীত, কালনীর ঢেউ ও ভাটির চিঠি।
আহসান হাবীবের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘রাত্রিশেষ’। - ৪৩. 'পুষ্পারতি' শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ—
- ক. পুষ্প + রতি
- খ. পুষ্পা + আরতি
- গ. পুষ্পা + রতি
- ঘ. পুষ্প + আরতি
উত্তর: ঘ. পুষ্প + আরতি
সন্ধিতে দুটি স্বরধ্বনি পাশাপাশি এলে মিলে একটি ধ্বনি হয়। এখানে পুষ্প শব্দের শেষের অ এবং আরতি শব্দের প্রথম আ মিলে ‘আ’ হয়, তাই পুষ্প + আরতি = পুষ্পারতি। আরতি একটি আলাদা শব্দ, যার অর্থ প্রদীপ জ্বেলে দেবতার পূজা। ‘রতি’ ধরলে পুষ্পারতির অর্থ মেলে না, কারণ রতি মানে অনুরাগ।
উদাহরণ:
হিম + আলয় = হিমালয়
বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়
সূর্য + অস্ত = সূর্যাস্ত
মনে রাখুন: এটি স্বরসন্ধির উদাহরণ। স্বরসন্ধিতে অ/আ-এর পরে অ/আ এলে দুটি মিলে আ হয়। - ৫৬. বাংলা উপসর্গ কয়টি?
- ক. ঊনিশটি
- খ. কুড়িটি
- গ. একুশটি
- ঘ. বাইশটি
উত্তর: গ. একুশটি
বাংলা ভাষায় খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি। এগুলো হলো অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, উন, কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা। উপসর্গ হলো এমন শব্দাংশ, যা অন্য শব্দের আগে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে।
মনে রাখুন:
তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ ২০টি।
বিদেশি উপসর্গও আছে, যেমন হর, দর, বে, বদ।
উদাহরণ: অকাজ, অনাসৃষ্টি, কুকাজ, পাতিহাঁস। - ৬২. 'নয়নচারা' কোন শ্রেণির রচনা?
- ক. গল্প
- খ. উপন্যাস
- গ. কাব্য
- ঘ. নাটক
উত্তর: ক. গল্প
‘নয়নচারা’ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লেখা গল্পগ্রন্থ, ১৯৫১ সালে প্রকাশিত। এতে কয়েকটি ছোটগল্প আছে। তাই এটি গল্পের শ্রেণির রচনা, উপন্যাস, কাব্য বা নাটক নয়।
মনে রাখুন:
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস: লালসালু, চাঁদের অমাবস্যা, কাঁদো নদী কাঁদো।
নাটক: বহিপীর, তরঙ্গভঙ্গ, সুড়ঙ্গ।
‘লালসালু’ তাঁর প্রথম উপন্যাস, ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত। - ৬৪. 'গৌরচন্দ্রিকা' বাগধারাটির অর্থ কী?
- ক. ভূমিকা
- খ. মূলবিষয়
- গ. সারাংশ
- ঘ. উপসংহার
উত্তর: ক. ভূমিকা
‘গৌরচন্দ্রিকা’ বাগধারার অর্থ ভূমিকা। বৈষ্ণব পদাবলী কীর্তনে মূল পালা শুরুর আগে শ্রীচৈতন্য বা গৌরাঙ্গ সম্পর্কে একটি পদ গাওয়া হতো, যাকে গৌরচন্দ্রিকা বলা হতো। এর থেকে বাগধারায় ‘মূল কথার আগের ভূমিকা’ অর্থটি এসেছে। মূলবিষয়, সারাংশ বা উপসংহার এর অর্থ নয়।
উদাহরণ:
গৌরচন্দ্রিকা না করে আসল কথায় এসো।
মনে রাখুন: শ্রীচৈতন্যকে ভক্তরা গৌরাঙ্গ বা গৌর বলে ডাকতেন, তাঁর গায়ের রং ফর্সা ছিল বলে। - ৬৬. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনা নয় কোনটি?
- ক. নিষিদ্ধ লোবান
- খ. দুই সৈনিক
- গ. কবর
- ঘ. জীবন আমার বোন
উত্তর: গ. কবর
‘কবর’ মুনীর চৌধুরীর একাঙ্কিকা নাটক, যা ভাষা আন্দোলনের (১৯৫২) পটভূমিতে লেখা। তিনি নাটকটি জেলখানায় বসে লিখেছিলেন। তাই এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনা নয়। ‘নিষিদ্ধ লোবান’ ও ‘জীবন আমার বোন’ মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা, আর ‘দুই সৈনিক’-ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক।
মনে রাখুন:
ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে লেখা প্রথম নাটক ‘কবর’।
মুনীর চৌধুরী ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর শহীদ হন, যে দিনটি আমরা শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস হিসেবে পালন করি।
তাঁর আরেকটি নাটক ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’। - ৬৮. বাংলা সাহিত্যের আদি কবি কে?
- ক. কাহ্নপা
- খ. ঢেন্ডন পা
- গ. লুইপা
- ঘ. ভুসুকুপা
উত্তর: গ. লুইপা
চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন, যা বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের লেখা গানের সংকলন। এর প্রথম পদটি লুইপার রচিত, তাই তাঁকে আদি কবি ধরা হয়। এর মানে চর্যাপদের কবিদের মধ্যে প্রথম হলেন লুইপা। তবে সবচেয়ে বেশি পদ লিখেছেন কাহ্নপা, তাঁর পদের সংখ্যা ১৩টি। সেজন্য ‘আদি কবি’ আর ‘সবচেয়ে বেশি পদের কবি’ দুটি আলাদা প্রশ্ন।
মনে রাখুন:
চর্যাপদ আবিষ্কার করেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে, নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে।
১৯১৬ সালে এটি ‘হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা’ নামে প্রকাশিত হয়।
চর্যাপদের ভাষাকে প্রাচীন বাংলা বলা হয়। - ৭৯. 'অরিন্দম' কে?
- ক. বিভীষণ
- খ. মেঘনাদ
- গ. রাম
- ঘ. লক্ষণ
উত্তর: খ. মেঘনাদ
‘অরিন্দম’ শব্দের অর্থ যে অরি বা শত্রুকে দমন করে। মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘মেঘনাদবধ কাব্যে’ রাবণপুত্র মেঘনাদকে এই নামেও ডাকা হয়েছে। অপশনের মধ্যে তাই মেঘনাদই উত্তর। বিভীষণ রাবণের ভাই, রাম ও লক্ষ্মণ অযোধ্যার রাজপুত্র, কাব্যে এঁদের পরিচয় আলাদা।
মনে রাখুন:
মেঘনাদের অন্য নাম ইন্দ্রজিৎ, কারণ তিনি ইন্দ্রকে জয় করেছিলেন।
‘মেঘনাদবধ কাব্য’ ১৮৬১ সালে প্রকাশিত, এটি অমিত্রাক্ষর ছন্দে লেখা।
মধুসূদনের অন্য রচনা: তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য, ব্রজাঙ্গনা, বীরাঙ্গনা ও চতুর্দশপদী কবিতাবলী। - ৮০. কোন শব্দটি প্রাণিবাচক শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত হয়?
- ক. রাশি
- খ. রাজি
- গ. পুঞ্জ
- ঘ. যূথ
উত্তর: ঘ. যূথ
যূথ শব্দের অর্থ প্রাণীর দল, যেমন হাতির যূথ। রাশি, রাজি ও পুঞ্জ অপ্রাণিবাচক বস্তুর সমষ্টি বোঝায়, যেমন ধানের রাশি, তারার রাজি ও মেঘপুঞ্জ। তাই প্রাণীদের সমষ্টি বোঝাতে যূথ শব্দটিই ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখুন:
প্রাণিবাচক: যূথ, পাল, দল।
অপ্রাণিবাচক: গুচ্ছ, স্তূপ, মালা।
উদাহরণ: ভেড়ার পাল, পাখির ঝাঁক, ফুলের গুচ্ছ, বইয়ের স্তূপ। - ৮৬. 'বনেরা বনে সুন্দর শিশুরা মাতৃক্রোড়ে' উক্তিটির তাৎপর্য হচ্ছে-
- ক. আদিবাসী মানুষ অরণ্য জনপদে বাস করে
- খ. বনের পশু বনে থাকতেই ভালবাসে
- গ. জীবন মাত্রই স্বাভাবিক অবস্থানে সুন্দর
- ঘ. প্রাকৃতিক রূপ সৌন্দর্য আদি ও অকৃত্রিম
উত্তর: গ. জীবন মাত্রই স্বাভাবিক অবস্থানে সুন্দর
পঙক্তিটির অর্থ বনের গাছপালা ও জীব বনেই সুন্দর, আর শিশু সুন্দর মায়ের কোলে। অর্থাৎ প্রত্যেক প্রাণ নিজের স্বাভাবিক পরিবেশে থাকলেই সবচেয়ে সুন্দর লাগে। তাই জীবন মাত্রই স্বাভাবিক অবস্থানে সুন্দর, এটিই সবচেয়ে সঠিক তাৎপর্য। অন্য অপশন শুধু বনবাসী মানুষ, পশু বা প্রকৃতির কথা বলে, পুরো ভাবটি ধরে না। এখানে বন ও শিশু দুটি উদাহরণ মাত্র, আসল কথা হলো স্বাভাবিক পরিবেশে থাকার সৌন্দর্য।
মনে রাখুন: তাৎপর্যের প্রশ্নে শুধু উদাহরণের ওপর নির্ভর করা যায় না। উদাহরণগুলো মিলিয়ে যে সাধারণ ভাব বের হয়, সেটিই উত্তর। - ৮৯. কোনটি 'বিধু' শব্দের সমার্থক?
- ক. সূর্য
- খ. নক্ষত্র
- গ. গ্রহ
- ঘ. চাঁদ
উত্তর: ঘ. চাঁদ
‘বিধু’ শব্দের অর্থ চাঁদ। সূর্য, নক্ষত্র বা গ্রহ এর অর্থ নয়। বাংলায় চাঁদের অনেক সমার্থক শব্দ আছে, আর কবিতা ও প্রবন্ধে এগুলো প্রায়ই ঘুরেফিরে আসে।
মনে রাখুন:
চাঁদ: চন্দ্র, শশী, সুধাকর, হিমাংশু, নিশাকর, ইন্দু, সোম।
সূর্য: রবি, ভানু, দিবাকর, ভাস্কর, প্রভাকর, দিনমণি।
সমার্থক শব্দের প্রশ্নে অপশনে কাছাকাছি অর্থের শব্দ থাকলে মূল অর্থটি ভালো করে মনে রাখতে হয়। - ৯০. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সময়কাল—
- ক. ১৮৬১-১৯৪১
- খ. ১৮৬০-১৯৪১
- গ. ১৮৬০-১৯৪০
- ঘ. ১৮৬১-১৯৪০
উত্তর: ক. ১৮৬১-১৯৪১
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ সালের ৭ মে কলকাতার জোড়াসাঁকোয় জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট মারা যান। তাই তাঁর সময়কাল ১৮৬১-১৯৪১। ১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’র ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। এশিয়ার মধ্যে তিনিই প্রথম নোবেল জয়ী।
মনে রাখুন:
তাঁর বাবা দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ও মা সারদা দেবী।
তিনি ১৯০১ সালে শান্তিনিকেতনে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন এবং ১৯২১ সালে বিশ্বভারতী চালু হয়।
বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত ‘আমার সোনার বাংলা’ তাঁরই রচনা। - ৯৪. 'পরানের গহীন ভিতর' গ্রন্থের রচয়িতা—
- ক. হাসান হাফিজুর রহমান
- খ. আহসান হাবীব
- গ. সৈয়দ শামসুল হক
- ঘ. শহীদ কাদরী
উত্তর: গ. সৈয়দ শামসুল হক
‘পরানের গহীন ভিতর’ সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যগ্রন্থ, যা আঞ্চলিক ভাষায় লেখা। তিনি কবি, ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার। তাঁর জন্ম ১৯৩৫ সালে কুড়িগ্রামে। বাকি তিন কবি হাসান হাফিজুর রহমান, আহসান হাবীব ও শহীদ কাদরী অন্য কাব্যগ্রন্থের জন্য পরিচিত।
মনে রাখুন:
তাঁর কাব্যনাট্য ‘নূরলদীনের সারাজীবন’ রংপুরের কৃষক বিদ্রোহের (১৭৮৩) কাহিনি নিয়ে লেখা।
উপন্যাস ‘নিষিদ্ধ লোবান’ ও ‘এক মহিলার ছবি’।
তিনি ২০১৬ সালে মারা যান।
ইংরেজি
- ৪. Which is the past form of the verb 'wring'?
- ক. wrong
- খ. wrag
- গ. wrung
- ঘ. wringed
উত্তর: গ. wrung
Wring (মোচড়ানো, নিংড়ানো) একটি অনিয়মিত (irregular) verb। এর তিনটি রূপ হলো wring, wrung, wrung, অর্থাৎ past ও past participle দুটোই wrung। তাই wringed লেখা ভুল। Wrong মানে ভুল বা অন্যায়, এটি সম্পূর্ণ আলাদা একটি শব্দ, আর wrag নামে কোনো শব্দই নেই।
উদাহরণ:
She wrung the wet cloth. (সে ভেজা কাপড়টি নিংড়াল।)
মনে রাখুন: একই ধরনের আরও অনিয়মিত verb:
ring, rang, rung
swing, swung, swung
sting, stung, stung
cling, clung, clung - ৯. To err is human, to forgive—
- ক. golden
- খ. divine
- গ. paradise
- ঘ. worldly
উত্তর: খ. divine
‘To err is human, to forgive divine’ কথাটি ইংরেজ কবি Alexander Pope-এর ‘An Essay on Criticism’ (১৭১১) কবিতার একটি বিখ্যাত পঙ্ক্তি। এর অর্থ ভুল করা মানুষের স্বভাব, কিন্তু ক্ষমা করা ঐশ্বরিক গুণ। Divine মানে ঐশ্বরিক বা দেবতুল্য। Golden মানে সোনালি, Paradise মানে স্বর্গ আর Worldly মানে পার্থিব, তাই বাক্যটির ভাব এগুলোতে মেলে না।
মনে রাখুন:
একই কবিতায় আছে ‘A little learning is a dangerous thing’।
Pope-এর আরেকটি বিখ্যাত কাব্য ‘The Rape of the Lock’।
Err মানে ভুল করা, আর এর noun রূপ error। - ১০. 'Hamlet' is a — by Shakespeare.
- ক. poem
- খ. epic
- গ. story
- ঘ. drama
উত্তর: ঘ. drama
Hamlet হলো William Shakespeare-এর লেখা একটি নাটক (Drama)। ডেনমার্কের যুবরাজ হ্যামলেট বাবার মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে গিয়ে নিজেও ধ্বংস হন, এটিই নাটকের মূল কাহিনি। এটি একটি ট্র্যাজেডি। Poem কবিতা, Epic মহাকাব্য এবং Story গল্প, তাই এই তিনটি এখানে খাটে না। Epic-এর উদাহরণ হলো মিল্টনের Paradise Lost।
মনে রাখুন:
শেক্সপিয়ারের চার মহান ট্র্যাজেডি হলো Hamlet, Othello, King Lear ও Macbeth।
Romeo and Juliet তাঁর বিখ্যাত প্রেমের ট্র্যাজেডি।
কমেডির উদাহরণ: A Midsummer Night's Dream, The Merchant of Venice।
শেক্সপিয়ার ১৫৬৪ সালে জন্মেছিলেন এবং ১৬১৬ সালে মারা যান। - ১৩. ‘I wandered lonely as a cloud’ is an example of —
- ক. a symbol
- খ. a simile
- গ. a metaphor
- ঘ. an alliteration
উত্তর: খ. a simile
‘I wandered lonely as a cloud’ লাইনটি William Wordsworth-এর ‘Daffodils’ কবিতার প্রথম পঙ্ক্তি। এখানে কবি নিজেকে মেঘের সঙ্গে তুলনা করেছেন as শব্দ দিয়ে। দুটি আলাদা জিনিসের মধ্যে like বা as দিয়ে তুলনা করাকে উপমা (Simile) বলে। Metaphor-এ এমন শব্দ ছাড়াই সরাসরি একটিকে অন্যটি বলা হয়, আর Alliteration হলো একই ধ্বনির বারবার ব্যবহার।
উদাহরণ:
Simile: She is as brave as a lion.
Metaphor: He is a lion.
মনে রাখুন:
Wordsworth ইংরেজি রোম্যান্টিক যুগের কবি, তিনি ও Coleridge মিলে ১৭৯৮ সালে Lyrical Ballads প্রকাশ করেন।
‘Daffodils’ কবিতাটি ১৮০৭ সালে প্রকাশিত হয়। - ১৪. I look forward to —আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৪, প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) ২০২২
- ক. hearing from you soon
- খ. hear for you soon
- গ. see you soon
- ঘ. have heard from you soon
উত্তর: ক. hearing from you soon
Look forward to কথাটির to এখানে infinitive-এর to নয়, এটি একটি preposition। Preposition-এর পরে verb বসলে সেটি verb + ing রূপে আসে। সেই কারণে hearing from you soon সঠিক। অন্য অপশনে verb-এর মূল রূপ বা ভুল preposition আছে, তাই বাক্য শুদ্ধ হয় না।
উদাহরণ:
I look forward to meeting you.
মনে রাখুন: এই ধরনের আরও কিছু বাক্যাংশে to preposition, তাই তার পরেও verb + ing বসে:
object to
be used to
in addition to
with a view to - ২১. He lives in the suburb of Dhaka. The underlined phrase is — (underlined: in the suburb of Dhaka)
- ক. a noun phrase
- খ. an adjective phrase
- গ. an adverbial phrase
- ঘ. an infinitive phrase
উত্তর: গ. an adverbial phrase
‘in the suburb of Dhaka’ একটি prepositional phrase, যা এখানে ক্রিয়া lives-কে modify করছে এবং জানাচ্ছে সে কোথায় থাকে। যে শব্দগুচ্ছ ক্রিয়া, adjective বা অন্য adverb-কে modify করে এবং স্থান, সময় বা কারণ বোঝায়, তাকে adverbial phrase বলে। Noun phrase noun-এর কাজ করে, আর adjective phrase noun-কে বর্ণনা করে। Infinitive phrase হয় to + verb দিয়ে, যেমন to read a book।
উদাহরণ:
He works in a bank. (স্থান বোঝায়, adverbial)
She came in the morning. (সময় বোঝায়, adverbial)
মনে রাখুন: Adverbial phrase প্রশ্ন করে বের করা যায়: কোথায়, কখন, কীভাবে, কেন। - ২২. She won't dance in the party, —
- ক. will she?
- খ. will not she?
- গ. would she?
- ঘ. wouldn't she?
উত্তর: ক. will she?
মূল বাক্য ‘She won't dance in the party’ negative। Tag question-এর নিয়ম হলো মূল বাক্য negative হলে tag affirmative হয়। Won't আসলে will not, তাই tag-এ auxiliary will বসে এবং subject she হয়ে যায়, অর্থাৎ will she? Would বসলে tense মেলে না, আর wouldn't she? বা will not she? দিলে tag-ও negative হয়ে যায়, যা নিয়মবিরুদ্ধ।
উদাহরণ:
She will dance, won't she?
They can't swim, can they?
মনে রাখুন:
Affirmative বাক্যের tag negative হয়।
Let's দিয়ে শুরু বাক্যের tag হয় shall we?
I am-এর tag হয় aren't I? - ২৩. What is the antonym of 'Apex'?
- ক. top
- খ. peak
- গ. pinnacle
- ঘ. base
উত্তর: ঘ. base
Apex মানে চূড়া বা শীর্ষবিন্দু, তাই এর বিপরীত শব্দ base, যার অর্থ ভিত্তি বা তলদেশ। Top, peak ও pinnacle তিনটিই Apex-এর সমার্থক, মানে চূড়া। এখানে সমার্থক শব্দ বাদ দিয়ে বিপরীত শব্দটি খুঁজতে হয়েছে, তাই উত্তর base।
মনে রাখুন:
Summit-ও Apex-এর আরেকটি সমার্থক শব্দ।
Zenith মানে সর্বোচ্চ বিন্দু, এর বিপরীত শব্দ Nadir মানে সর্বনিম্ন বিন্দু।
Apex-এর বহুবচন apexes বা apices। - ২৪. Choose the correct sentence —
- ক. Repeat it again
- খ. Repeat it
- গ. Repeats it again
- ঘ. Repeat it against.
উত্তর: খ. Repeat it
Repeat মানেই ‘আবার বলা বা করা’। তাই Repeat it again লিখলে পুনরুক্তি হয়, কারণ again-এর অর্থ আগেই repeat-এর ভেতরে আছে। সঠিক বাক্য হলো শুধু Repeat it। Repeats it again-এ আদেশসূচক বাক্যে verb-এ s যুক্ত করা ভুল, আর against অর্থ বিরুদ্ধে, যা এখানে খাটে না।
মনে রাখুন: এ ধরনের অপ্রয়োজনীয় পুনরুক্তিকে tautology বলা যায়। কিছু উদাহরণ:
return back
revert back
reply back
Repeat again - ২৬. The synonym of the word 'glamorous' is —
- ক. cheerful
- খ. gallant
- গ. gluttoning
- ঘ. attractive
উত্তর: ঘ. attractive
Glamorous মানে আকর্ষণীয় বা মোহনীয়, তাই এর কাছাকাছি অর্থ attractive। বাকি শব্দগুলোর অর্থ আলাদা: Cheerful মানে প্রফুল্ল, Gallant মানে সাহসী বা বীরোচিত। Gluttoning নামে প্রচলিত শব্দ নেই, glutton মানে পেটুক, আর এর adjective রূপ gluttonous।
মনে রাখুন:
Glamour (মোহ, চাকচিক্য) হলো noun, আর Glamorous হলো তার adjective।
Glamorous-এর আরও সমার্থক শব্দ: charming, fascinating, alluring।
এর বিপরীত শব্দ plain বা dull। - ২৭. We — always be open to new ideas.
- ক. are
- খ. could
- গ. should
- ঘ. wouldn't.
উত্তর: গ. should
Should modal auxiliary-টি কর্তব্য বা উচিত বোঝায়। বাক্যটির অর্থ ‘আমাদের সবসময় নতুন ধারণার জন্য মুক্ত থাকা উচিত’, তাই should বসে। Are বসালে বাক্যে verb থাকে না, আর could বা wouldn't অর্থ ও ব্যাকরণ দুদিকেই খাপ খায় না।
উদাহরণ:
You should respect your teachers.
মনে রাখুন:
Should-এর পরে verb-এর মূল রূপ (base form) বসে।
Modal auxiliary হলো can, could, may, might, shall, should, will, would, must ও ought to।
Must বাধ্যবাধকতা বোঝায়, আর should তার চেয়ে নরম উপদেশ বা কর্তব্য বোঝায়। - ৪৪. Everybody must be true — his word.
- ক. to
- খ. with
- গ. on
- ঘ. by
উত্তর: ক. to
Be true to one's word বাক্যাংশের অর্থ কথা রাখা বা প্রতিশ্রুতি পালন করা। Faithful, loyal বা true বোঝাতে এই ধরনের শব্দের পরে preposition to বসে। তাই বাক্যটি হবে ‘Everybody must be true to his word’। With, on বা by বসালে এই বাক্যাংশের অর্থ ঠিক থাকে না।
উদাহরণ:
A good citizen is loyal to his country.
মনে রাখুন:
Be loyal to, be faithful to, be kind to: এই তিনটিতেও to বসে।
Appropriate preposition মুখস্থ না রাখলে এমন প্রশ্নে ভুল হয়, তাই বাক্যাংশ হিসেবে শিখতে হয়। - ৪৮. 'Oliver Twist' is a —
- ক. Drama
- খ. Novel
- গ. Epic
- ঘ. Poem
উত্তর: খ. Novel
‘Oliver Twist’ হলো Charles Dickens-এর লেখা উপন্যাস (Novel)। এতে এক অনাথ বালকের লন্ডনের কঠিন জীবনের গল্প আছে। বইটি ১৮৩৮ সালে প্রকাশিত হয়। Drama হলো নাটক, Epic মহাকাব্য এবং Poem কবিতা, তাই এই তিনটি এখানে খাটে না।
মনে রাখুন:
ডিকেন্সের আরও বিখ্যাত উপন্যাস হলো A Tale of Two Cities, David Copperfield, Hard Times ও Great Expectations।
Charles Dickens ইংরেজ ঔপন্যাসিক, ভিক্টোরীয় যুগের সবচেয়ে জনপ্রিয় লেখকদের একজন। - ৫৩. Smoking is addictive — expensive.
- ক. as well
- খ. well
- গ. as well as
- ঘ. well as
উত্তর: গ. as well as
As well as কথাটি দুটি সমজাতীয় শব্দ বা অংশকে যুক্ত করে, অর্থ ‘এবং’ বা ‘ও’। এখানে addictive ও expensive দুটোই adjective, তাই as well as বসে: Smoking is addictive as well as expensive। As well একা বসালে সেটি বাক্যের শেষে ‘ও’ অর্থে আসে, আর well as নামে কোনো সংযোজক নেই। তাই অন্য অপশনে বাক্যের গঠন ঠিক থাকে না।
উদাহরণ:
He is wise as well as honest.
মনে রাখুন:
Not only … but also প্রায় একই অর্থ দেয়।
‘A as well as B’ যুক্ত subject-এ verb বসে A অনুযায়ী। - ৫৫. The term 'Fiction' is related to —
- ক. Fact
- খ. Friction
- গ. Faction
- ঘ. Imagination
উত্তর: ঘ. Imagination
Fiction মানে কল্পকাহিনি, যা লেখকের কল্পনা (Imagination) থেকে তৈরি। এতে বাস্তবে ঘটেনি এমন চরিত্র বা ঘটনাও থাকতে পারে। Fact মানে বাস্তব সত্য, Friction মানে ঘর্ষণ, Faction মানে দলাদলি বা উপদল। এই শব্দগুলোর বানান কাছাকাছি হলেও অর্থ আলাদা।
উদাহরণ:
This novel is a work of fiction.
মনে রাখুন:
Fiction-এর বিপরীত Non-fiction, যেমন জীবনী, ইতিহাস বা ভ্রমণকাহিনি।
উপন্যাস ও ছোটগল্প Fiction-এর অন্তর্গত। - ৫৭. The prefix 'mis' can be added to —
- ক. Foal
- খ. Fire
- গ. Obey
- ঘ. Personal
উত্তর: খ. Fire
Mis- prefix যুক্ত হলে শব্দের অর্থ ভুল বা খারাপ হয়ে যায়। Fire-এর আগে mis বসালে হয় misfire, মানে গুলি না ছোটা বা পরিকল্পনা ব্যর্থ হওয়া। Obey-এর বিপরীত disobey হয়, আর personal-এর বিপরীত impersonal হয়, তাই এদের সঙ্গে mis বসে না। Foal মানে ঘোড়ার বাচ্চা, এর আগেও mis বসে না।
উদাহরণ:
mis + lead = mislead (বিপথে চালানো)
mis + understand = misunderstand (ভুল বোঝা)
মনে রাখুন: Prefix শব্দের আগে বসে, suffix শব্দের পরে বসে। - ৫৯. Flock is a —
- ক. Proper noun
- খ. Common noun
- গ. Collective noun
- ঘ. Abstract noun
উত্তর: গ. Collective noun
Flock মানে এক পাল, যেমন ভেড়া বা পাখির পাল। অনেকগুলো প্রাণী বা বস্তুর সমষ্টি বোঝায় যে noun, তাকে collective noun বলে। Proper noun কোনো বিশেষ নামকে বোঝায়, যেমন Dhaka, আর Abstract noun গুণ বা ভাব বোঝায়, যেমন honesty।
উদাহরণ:
A flock of birds
A herd of cows
A team of players
A bunch of flowers
মনে রাখুন: A swarm of bees এবং a pride of lions-ও collective noun। - ৬৯. Choose the correct sentence—
- ক. Idle man cannot prosper in life
- খ. An idle man cannot prosper in life
- গ. The idle man cannot prosper in life
- ঘ. Idle man cannot prosper at life.
উত্তর: খ. An idle man cannot prosper in life
Idle শব্দের আগে article ছাড়া man ব্যবহার করা যায় না, কারণ man এখানে গণনাযোগ্য একবচন noun। কোনো একজন সাধারণ মানুষকে বোঝাতে তাই article বসাতে হয়। Idle স্বরধ্বনি দিয়ে শুরু হয়, তাই a নয়, an বসে: An idle man cannot prosper in life। The idle man বললে নির্দিষ্ট কোনো একজনকে বোঝায়, যা এখানে অভিপ্রেত নয়। আবার prosper in life-এ in ঠিক আছে, at নয়।
উদাহরণ:
an apple, an honest man, an hour
a university, a European (এগুলো দেখতে স্বরবর্ণ, কিন্তু উচ্চারণ ব্যঞ্জনধ্বনির মতো)
মনে রাখুন: Article বসে বানানের প্রথম অক্ষর দেখে নয়, উচ্চারণের প্রথম ধ্বনি দেখে। - ৭১. Good friends — listen to each other.
- ক. never
- খ. ever
- গ. might
- ঘ. must
উত্তর: ঘ. must
Must modal verb বাধ্যবাধকতা বা অবশ্যকরণীয় বিষয় বোঝায়। ভালো বন্ধুদের একে অপরের কথা শোনা অবশ্য কর্তব্য, তাই must বসে। Never বসালে অর্থ উল্টে যায়, ever এখানে খাপ খায় না, আর might সম্ভাবনা বোঝায়, বাধ্যবাধকতা নয়।
উদাহরণ:
We must obey the law.
He might come tomorrow. (সম্ভাবনা)
মনে রাখুন: Must-এর পরে verb-এর মূল রূপ বসে। Must not নিষেধ বোঝায়। - ৭২. 'A baker's dozen' means —
- ক. Charity
- খ. Allowance
- গ. Twelve
- ঘ. Thirteen
উত্তর: ঘ. Thirteen
A baker's dozen বাগধারার অর্থ তেরো। এক ডজনে বারোটি হলেও রুটি-বিস্কুট বিক্রেতারা ওজনে কম দেওয়ার শাস্তি এড়াতে বারোটির সঙ্গে একটি বাড়তি দিতেন, ফলে এই কথাটি চালু হয়। Twelve মানে সাধারণ ডজন, তাই সেটি এ বাগধারার অর্থ নয়। Charity বা allowance-এর সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখুন:
At sixes and sevens মানে এলোমেলো বা বিশৃঙ্খল অবস্থা।
A stitch in time saves nine: সময়মতো কাজ করলে পরে অনেক ঝামেলা বাঁচে।
এক ডজন = ১২টি, আর এক গ্রোস = ১৪৪টি। - ৭৫. Choose the correct translation of the following sentence : 'যত গর্জে তত বর্ষে না'—
- ক. One sows, another reaps
- খ. All's well that ends well
- গ. Much cry and little water.
- ঘ. O the times, o the rain.
উত্তর: গ. Much cry and little water.
‘যত গর্জে তত বর্ষে না’ প্রবাদটির ইংরেজি সমার্থক প্রবাদ হলো ‘Much cry and little wool’ বা ‘Much cry and little water’। এর অর্থ আড়ম্বর বেশি, কাজ কম। অন্য অপশনগুলো অন্য প্রবাদ: ‘One sows, another reaps’ মানে একজন বোনে, আরেকজন কাটে, আর ‘All's well that ends well’ মানে শেষ ভালো যার সব ভালো তার।
মনে রাখুন:
প্রায় কাছাকাছি ভাবের আরেকটি প্রবাদ: Barking dogs seldom bite.
আরেকটি: Empty vessels make the most noise. (অন্তঃসারশূন্য ব্যক্তি বেশি আওয়াজ করে।)
প্রবাদ অনুবাদ করার সময় শব্দে শব্দে না করে ভাবটি ধরতে হয়। - ৭৬. The fan is not working —?
- ক. isn't it
- খ. will it
- গ. is it
- ঘ. hasn't it
উত্তর: গ. is it
মূল বাক্য ‘The fan is not working’ negative, তাই tag question affirmative হবে। Auxiliary হলো is এবং subject হলো fan, যেটিকে pronoun it দিয়ে বদলাতে হয়। ফলে tag হবে is it? Isn't it বসালে tag-ও negative হয়ে যায়, যা নিয়মবিরুদ্ধ। Will it বা hasn't it-এর auxiliary মূল বাক্যের সঙ্গে মেলে না।
উদাহরণ:
The fan is working, isn't it?
They are not late, are they?
মনে রাখুন:
Negative বাক্যের tag সবসময় affirmative হয়।
Nobody, nothing বা never থাকলে বাক্য negative ধরা হয়, তাই tag affirmative হয়। - ৮১. 'Sedative' means —
- ক. to criticize
- খ. a drug used to calm a person or animal to make them sleep.
- গ. very energetic behaviour of people
- ঘ. in a frightening, violent and powerful way.
উত্তর: খ. a drug used to calm a person or animal to make them sleep.
Sedative মানে এমন ওষুধ, যা উত্তেজনা কমিয়ে মানুষ বা প্রাণীকে শান্ত করে এবং ঘুম পাড়ায়। বাংলায় একে ঘুমের ওষুধ বা প্রশান্তিকর ওষুধ বলা যায়। অন্য অপশনে criticize মানে সমালোচনা করা, আর energetic মানে প্রাণবন্ত। ‘in a frightening, violent and powerful way’ অর্থ প্রচণ্ড ও ভয়ংকরভাবে, যা অন্য একটি শব্দের (যেমন fiercely) সংজ্ঞা।
মনে রাখুন:
Sedative-এর বিপরীত শব্দ stimulant, অর্থাৎ যা উদ্দীপনা বাড়ায়।
Analgesic মানে ব্যথানাশক ওষুধ।
Anaesthetic মানে যে ওষুধ অনুভূতি কমিয়ে দেয়, অস্ত্রোপচারে লাগে। - ৮২. Choose the correct indirect form of the following sentence : He said to me, "I don't believe you".
- ক. He said that he didn't believe you
- খ. He said he hadn't believe me
- গ. He told me that he didn't believe me.
- ঘ. He told me he wouldn't believe me.
উত্তর: গ. He told me that he didn't believe me.
Direct speech-এ ‘said to’ থাকলে indirect-এ সাধারণত told ব্যবহার করা হয়। Reported verb অতীত হওয়ায় present tense don't believe বদলে past tense didn't believe হয়। আর I হয়ে যায় he, you হয়ে যায় me, কারণ you এখানে শ্রোতাকে বোঝায়, আর শ্রোতা এখন বাক্যে ‘me’। তাই সঠিক বাক্য: He told me that he didn't believe me। বাকি অপশনে you রয়ে গেছে, hadn't believe ভুল, আবার wouldn't believe tense-এর নিয়ম ভাঙে।
মনে রাখুন:
Present simple বদলে past simple হয়।
will বদলে would, can বদলে could হয়।
Direct-এ say to থাকলে indirect-এ tell ব্যবহার করতে হয়। - ৮৭. The adjective of 'Time' is —
- ক. temporal
- খ. timrous
- গ. intimely
- ঘ. temperamental
উত্তর: ক. temporal
Time-এর adjective হলো temporal, যার অর্থ সময়-সংক্রান্ত বা সাময়িক। Timorous শব্দের অর্থ ভীতু, যা অন্য অর্থ বহন করে। Intimely নামে প্রচলিত শব্দ নেই। Temperamental মানে মেজাজি।
মনে রাখুন:
Timely মানেও সময়োপযোগী, কিন্তু এখানে অপশনে তা নেই।
এমন আরও noun থেকে adjective: Sun-solar, Moon-lunar, Father-paternal, Mother-maternal।
বিজ্ঞান
- ২০. খনিজ লবণের প্রধান উৎস—
- ক. মাংস, ডিম
- খ. দুধ, কলা
- গ. সবুজ শাকসবজি
- ঘ. সবকটি
উত্তর: গ. সবুজ শাকসবজি
খনিজ লবণ (Minerals) আমাদের শরীরে হাড়, দাঁত ও পেশি গঠন করে এবং এনজাইম ও হরমোন তৈরিতে সাহায্য করে। এর প্রধান উৎস সবুজ শাকসবজি, কারণ গাছ মাটি থেকে নানা খনিজ শুষে নেয়। ফলমূল, দুধ, ডিম ও মাছেও খনিজ লবণ কিছু পরিমাণে থাকে। তবে প্রশ্নে প্রধান উৎস জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই সবুজ শাকসবজিই উত্তর।
মনে রাখুন:
লৌহ রক্তে হিমোগ্লোবিন তৈরি করে, এর অভাবে রক্তশূন্যতা হয়।
ক্যালসিয়াম হাড় ও দাঁত মজবুত রাখে।
আয়োডিনের অভাবে গলগণ্ড রোগ হয়। - ৩৪. প্রাকৃতিক গ্যাসে কোন শক্তি সঞ্চিত থাকে?
- ক. তাপশক্তি
- খ. আলোকশক্তি
- গ. রাসায়নিক শক্তি
- ঘ. সৌরশক্তি
উত্তর: গ. রাসায়নিক শক্তি
প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন (CH₄), যার অণুতে রাসায়নিক বন্ধনের মধ্যে শক্তি জমা থাকে। তাই প্রাকৃতিক গ্যাসে রাসায়নিক শক্তি সঞ্চিত থাকে। গ্যাস পোড়ালে এই শক্তি তাপশক্তি ও আলোকশক্তিতে রূপ নেয়, আর সেই তাপ দিয়ে আমরা রান্না করি বা বিদ্যুৎ তৈরি করি।
মনে রাখুন:
সৌরশক্তি সূর্য থেকে আসে এবং নবায়নযোগ্য, কিন্তু গ্যাসে জমা থাকা শক্তি সৌরশক্তি নয়।
কয়লা, পেট্রোলিয়াম ও খাবারেও রাসায়নিক শক্তি জমা থাকে।
বাংলাদেশে সবার আগে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র সিলেটের হরিপুর (১৯৫৫)। - ৪১. যেসব অণুজীব রোগ সৃষ্টি করে তাদের বলা হয়—
- ক. প্যাথজেনিক
- খ. ইনফেকশন
- গ. টক্সিন
- ঘ. জীবাণু
উত্তর: ক. প্যাথজেনিক
যেসব অণুজীব (Microorganism) মানুষ, প্রাণী বা উদ্ভিদের দেহে রোগ ঘটায়, তাদের রোগজীবাণু বা প্যাথোজেনিক (Pathogenic) অণুজীব বলে। ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও ছত্রাকের মধ্যে এমন অনেক প্রজাতি আছে। ইনফেকশন মানে সংক্রমণ, আর টক্সিন হলো জীবাণুর তৈরি বিষ, তাই এগুলো অণুজীবের নাম নয়। প্রশ্নে ‘জীবাণু’ অপশনটি থাকলেও এটি সাধারণ শব্দ, যে অণুজীব রোগ ঘটায় তাকে বিশেষভাবে প্যাথোজেনিক বলা হয়।
মনে রাখুন:
সব অণুজীব রোগ ঘটায় না। দই তৈরিতে সাহায্যকারী ল্যাকটোব্যাসিলাস উপকারী।
কলেরার জীবাণু Vibrio cholerae নামের ব্যাকটেরিয়া।
ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের কারণে হয়। - ৫৪. নিচের কোনটি কঠিন পদার্থ?
- ক. SO₂
- খ. CO
- গ. NH₃
- ঘ. MgCl₂
উত্তর: ঘ. MgCl₂
MgCl₂ ম্যাগনেসিয়াম ক্লোরাইড, একটি আয়নিক যৌগ। আয়নিক যৌগের আয়নগুলো পরস্পরকে শক্তভাবে টানে, তাই ঘরের তাপমাত্রায় এগুলো কঠিন অবস্থায় থাকে। বাকি তিনটি গ্যাস: SO₂ সালফার ডাই-অক্সাইড, CO কার্বন মনোক্সাইড ও NH₃ অ্যামোনিয়া। এগুলো সবই সমযোজী অণু, যাদের মধ্যে টান কম।
মনে রাখুন:
SO₂ ও CO বায়ুদূষণের জন্য ক্ষতিকর।
অ্যামোনিয়ার ঝাঁঝালো গন্ধ আছে এবং এটি সার তৈরিতে লাগে।
সাধারণ লবণ NaCl-ও আয়নিক যৌগ এবং কঠিন। - ৬১. কোন মাধ্যমে শব্দের বেগ সবচেয়ে বেশি?
- ক. বায়বীয়
- খ. তরল
- গ. শূন্য
- ঘ. কঠিন
উত্তর: ঘ. কঠিন
শব্দ চলতে মাধ্যম লাগে। যে মাধ্যমে কণাগুলো যত কাছাকাছি থাকে, সেখানে কম্পন তত দ্রুত ছড়ায়। কঠিন পদার্থে কণা সবচেয়ে ঘন, তাই শব্দ সেখানে সবচেয়ে দ্রুত চলে। বায়ুতে এই বেগ সবচেয়ে কম।
মনে রাখুন:
শব্দের বেগের ক্রম কঠিন > তরল > গ্যাস।
শূন্যস্থানে শব্দ একেবারেই চলে না।
সাধারণ তাপমাত্রায় বাতাসে শব্দের বেগ প্রায় ৩৪০ মিটার/সেকেন্ড, পানিতে প্রায় ১৫০০ মিটার/সেকেন্ড। - ৬৩. কোন রঙের বস্তুর তাপ শোষণ ক্ষমতা বেশি?
- ক. লাল
- খ. হলুদ
- গ. সাদা
- ঘ. কালো
উত্তর: ঘ. কালো
কালো রঙের বস্তু তার ওপর পড়া প্রায় সব তাপ বিকিরণ শোষণ করে নেয়। তাই কালো বস্তুর তাপ শোষণ ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি। সাদা বস্তু বেশির ভাগ তাপ প্রতিফলিত করে, তাই এর শোষণ ক্ষমতা সবচেয়ে কম। লাল ও হলুদ রং কিছুটা শোষণ করে, কিন্তু কালোর মতো এতটা নয়।
মনে রাখুন:
এ কারণেই গ্রীষ্মকালে সাদা বা হালকা রঙের জামা পরলে কম গরম লাগে।
যে বস্তু ভালো শোষক, সে ভালো বিকিরকও।
চকচকে পৃষ্ঠ তাপ ভালো প্রতিফলন করে।
আন্তর্জাতিক
- ৩০. কোন মুসলিম সেনাপতি সিন্ধু জয় করেন?
- ক. মুহম্মদ-বিন-কাশিম
- খ. মোহাম্মদ ঘোরী
- গ. জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর
- ঘ. ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খিলজী
উত্তর: ক. মুহম্মদ-বিন-কাশিম
আরব সেনাপতি মুহম্মদ বিন কাসিম ৭১২ খ্রিষ্টাব্দে উমাইয়া খলিফার নির্দেশে সিন্ধু জয় করেন এবং সিন্ধুর রাজা দাহিরকে পরাজিত করেন। এর ফলে উপমহাদেশে মুসলিম শাসনের প্রথম ভিত্তি তৈরি হয়। পরে তিনি মুলতানও দখল করেন।
মনে রাখুন:
মোহাম্মদ ঘোরী ১১৯২ সালে তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধে জয়ী হন।
ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি ১২০৪ সালের কাছাকাছি সময়ে বাংলায় মুসলিম শাসন শুরু করেন।
বাবর ১৫২৬ সালে পানিপথের প্রথম যুদ্ধে জিতে মোগল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠা করেন। - ৩৩. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ কখন শুরু হয়?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৫
- ক. ১ সেপ্টেম্বর ১৯৩৯
- খ. ২ সেপ্টেম্বর ১৯৩৯
- গ. ৩ সেপ্টেম্বর ১৯৩৯
- ঘ. ৪ সেপ্টেম্বর ১৯৩৯
উত্তর: ক. ১ সেপ্টেম্বর ১৯৩৯
জার্মানির নেতা অ্যাডলফ হিটলারের বাহিনী ১ সেপ্টেম্বর ১৯৩৯ পোল্যান্ড আক্রমণ করলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়। এর দুই দিন পর, ৩ সেপ্টেম্বর, ব্রিটেন ও ফ্রান্স জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। তাই যুদ্ধ শুরুর তারিখ ১ সেপ্টেম্বর, আর ৩ সেপ্টেম্বর হলো ব্রিটেন-ফ্রান্সের যুদ্ধ ঘোষণার দিন।
মনে রাখুন:
অক্ষশক্তি: জার্মানি, ইতালি ও জাপান।
মিত্রশক্তি: ব্রিটেন, ফ্রান্স, সোভিয়েত ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র প্রভৃতি।
১৯৪৫ সালের ৬ ও ৯ আগস্ট হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা পড়ে, এরপর জাপান আত্মসমর্পণ করলে যুদ্ধ শেষ হয়।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ছিল ১৯১৪ থেকে ১৯১৮ সাল পর্যন্ত। - ৪০. এশিয়ার নগররাষ্ট্র কোনটি?
- ক. সিঙ্গাপুর
- খ. হংকং
- গ. মালদ্বীপ
- ঘ. ভুটান
উত্তর: ক. সিঙ্গাপুর
যে রাষ্ট্র একটিমাত্র নগর নিয়েই গঠিত, তাকে নগররাষ্ট্র (City-state) বলে। এশিয়ায় সিঙ্গাপুর এমনই একটি রাষ্ট্র, যার পুরো ভূখণ্ডই একটি শহর। হংকং একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল, কিন্তু স্বাধীন রাষ্ট্র নয়। মালদ্বীপ দ্বীপরাষ্ট্র এবং ভুটান স্থলবেষ্টিত দেশ।
মনে রাখুন:
ইউরোপের ভ্যাটিকান সিটি ও মোনাকোও নগররাষ্ট্র।
ভুটানের রাজধানী থিম্পু, আর মালদ্বীপের রাজধানী মালে।
প্রাচীন গ্রিসের এথেন্স ও স্পার্টা ছিল বিখ্যাত নগররাষ্ট্র। - ৬৭. যুক্তরাষ্ট্রের মোট অঙ্গরাজ্য কয়টি?
- ক. ৫০টি
- খ. ৫১টি
- গ. ৫২টি
- ঘ. ৫৩টি
উত্তর: ক. ৫০টি
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৫০টি অঙ্গরাজ্য নিয়ে গঠিত। সবশেষ অঙ্গরাজ্য হাওয়াই ১৯৫৯ সালে যুক্ত হয়। এর কিছুদিন আগে আলাস্কা ৪৯তম অঙ্গরাজ্য হিসেবে যোগ দেয়। রাজধানী ওয়াশিংটন ডি.সি. কোনো অঙ্গরাজ্য নয়, এটি বিশেষ ফেডারেল জেলা। তাই ৫১, ৫২ বা ৫৩ সংখ্যাগুলো ভুল।
মনে রাখুন:
যুক্তরাষ্ট্র ১৭৭৬ সালের ৪ জুলাই স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
দেশটির আইনসভার নাম কংগ্রেস, যার দুটি কক্ষ হলো সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদ।
যুক্তরাষ্ট্র ফেডারেল রাষ্ট্র, যেখানে কেন্দ্র ও অঙ্গরাজ্যের মধ্যে ক্ষমতা ভাগ করা আছে। - ৭৮. জনসংখ্যার ভিত্তিতে পৃথিবীর বৃহত্তম মুসলিম রাষ্ট্র কোনটি?
- ক. বাংলাদেশ
- খ. পাকিস্তান
- গ. ইন্দোনেশিয়া
- ঘ. ইরান
উত্তর: গ. ইন্দোনেশিয়া
জনসংখ্যার দিক থেকে ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম রাষ্ট্র, যেখানে প্রায় ২২ কোটির বেশি মুসলিম বাস করেন। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানও বড় মুসলিম দেশ, কিন্তু ইন্দোনেশিয়ার জনসংখ্যা তাদের চেয়ে বেশি। ইরানের জনসংখ্যা এই তিন দেশের তুলনায় অনেক কম।
মনে রাখুন:
ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা।
এটি সতেরো হাজারের বেশি দ্বীপ নিয়ে গঠিত পৃথিবীর বৃহত্তম দ্বীপরাষ্ট্র।
ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (OIC) সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায়।
বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে OIC-র সদস্য হয়। - ৯১. মাদার তেরেসার জন্ম কোন দেশে?
- ক. ভারত
- খ. আলবেনিয়া
- গ. মেসিডোনিয়া
- ঘ. পোল্যান্ড
উত্তর: গ. মেসিডোনিয়া
মাদার তেরেসা ১৯১০ সালে স্কপিয়েতে জন্মেছিলেন। শহরটি এখন উত্তর মেসিডোনিয়ার রাজধানী, আর প্রশ্নের সময়ে দেশটির নাম ছিল মেসিডোনিয়া। তাঁর পূর্বপুরুষ ছিলেন আলবেনীয়, কিন্তু জন্মস্থান আলবেনিয়ায় নয়। পরে ভারতের কলকাতায় তিনি ১৯৫০ সালে মিশনারিজ অব চ্যারিটি গড়ে তোলেন। ১৯৭৯ সালে শান্তিতে নোবেল পান।
মনে রাখুন:
তাঁর আসল নাম অ্যাগনেস গনঝা বয়াজিউ।
তিনি ১৯৯৭ সালে মারা যান।
২০১৬ সালে ক্যাথলিক চার্চ তাঁকে সন্তের মর্যাদা দেয়।
হালনাগাদ: ২০১৯ সালে দেশটির নাম হয়েছে উত্তর মেসিডোনিয়া।
কম্পিউটার ও আইসিটি
- ৩৭. বিশ্বে প্রথম কোন শহরে সেল ফোন চালু হয়?
- ক. বার্লিন
- খ. শিকাগো
- গ. নিউইয়র্ক
- ঘ. প্যারিস
উত্তর: খ. শিকাগো
মোবাইল ফোন প্রথম বাণিজ্যিকভাবে চালু হয় যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরে, ১৯৮৩ সালে, আমেরিকান কোম্পানি Ameritech-এর সেলুলার নেটওয়ার্কে। হাতে ধরা মোবাইল থেকে প্রথম ফোন করা হয় এর আগে, ১৯৭৩ সালে নিউইয়র্কে, মটোরোলার মার্টিন কুপারের হাতে। আবার জাপানে টোকিওতে ১৯৭৯ সালে সবার আগে বাণিজ্যিক সেল নেটওয়ার্ক চালু হয়। তবে প্রশ্নের অপশনগুলোর মধ্যে শিকাগোই প্রচলিত উত্তর।
মনে রাখুন:
সেল ফোনে পুরো এলাকাকে ছোট ছোট ঘরে বা ‘সেল’-এ ভাগ করা হয়, এ থেকেই নামটি এসেছে।
মোবাইল ফোনের জনক হিসেবে মার্টিন কুপারকে ধরা হয়।
বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর: অন্যান্য পরীক্ষা
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয় উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয় সহকারী মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয় সহকারী প্রোগ্রামার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয় উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিদ্যুৎ বিভাগ বিদ্যুৎ পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর সহকারী প্রকৌশলী (পুর)/উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন