জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ২৭ জুন ২০১৬। ১০০টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →- ইংরেজি (২৫)
- গণিত (১৫)
- বিজ্ঞান (১৩)
- বাংলাদেশ (১২)
- আন্তর্জাতিক (৬)
- কম্পিউটার ও আইসিটি (১)
- ব্যাংকিং ও অর্থনীতি (১)
- বাংলা (২৭)
ইংরেজি
- ১. 'Heard melodies are sweet but those unheard are sweeter' is taken from—
- ক. Robert Frost
- খ. William Wordsworth
- গ. John Keats
- ঘ. PB Shelley
উত্তর: গ. John Keats
‘Heard melodies are sweet, but those unheard are sweeter’ লাইনটি ইংরেজ রোমান্টিক কবি জন কিটস (John Keats)-এর বিখ্যাত কবিতা ‘Ode on a Grecian Urn’ থেকে নেওয়া। কবিতায় কিটস একটি প্রাচীন গ্রিক পাত্রের গায়ে আঁকা ছবি দেখেন। সেই ছবিতে বাঁশি বাজছে, কিন্তু সুর শোনা যায় না। তখন কবি বলেন, কানে শোনা সুরের চেয়ে না-শোনা সুর আরও মধুর, কারণ কল্পনায় গড়া সৌন্দর্য কখনো ফুরোয় না। রবার্ট ফ্রস্ট আধুনিক মার্কিন কবি, আর ওয়ার্ডসওয়ার্থ ও শেলি রোমান্টিক যুগের কবি হলেও এই লাইনটি তাঁদের নয়।
মনে রাখুন:
কিটসের আরও কবিতা: Ode to a Nightingale, To Autumn, Endymion।
এই কবিতার শেষ লাইন: ‘Beauty is truth, truth beauty’।
কিটস মাত্র ২৫ বছর বয়সে মারা যান। - ২. The Passive form of the sentence 'We made her recite a poem'-
- ক. a poem was made recite by her
- খ. she was made to recite a poem
- গ. she was made recited a poem
- ঘ. a poem was made to recited
উত্তর: খ. she was made to recite a poem
Active-এ make-এর পরে to ছাড়া verb বসে, কিন্তু passive করলে to ফিরে আসে: She was made to recite a poem। Active-এর object her passive-এ subject she হয়। - ৩. Which one is correct?
- ক. It is quarter to eleven
- খ. It is a quarter to eleven
- গ. It is a quarter of eleven
- ঘ. It is a quarter past eleven
উত্তর: খ. It is a quarter to eleven
পৌনে এগারোটা বোঝাতে a quarter to eleven বলা হয়, অর্থাৎ এগারোটা বাজতে ১৫ মিনিট বাকি। ব্রিটিশ ইংরেজিতে quarter-এর আগে a বসানোই প্রমিত। - ৪. The man along with his neighbours— working for the welfare of the people.
- ক. have
- খ. is
- গ. were
- ঘ. are
উত্তর: খ. is
একটি বাক্যের subject-এর সঙ্গে ‘along with’ দিয়ে অন্য কিছু জুড়ে দিলে সেটি subject-কে বহুবচন বানায় না। এখানে subject ‘The man’, যিনি এক জন, আর ‘along with his neighbours’ অংশটি শুধু বাড়তি তথ্য দেয়। তাই verb হবে singular এবং সঠিক শব্দ ‘is’। বাক্যটি দাঁড়ায় ‘The man along with his neighbours is working for the welfare of the people.’ ‘Have’, ‘were’ ও ‘are’ বহুবচনের verb, তাই এখানে বসে না।
মনে রাখুন:
along with, together with, as well as, with, besides বসলে verb প্রথম subject-এর সঙ্গে মেলে।
কিন্তু ‘and’ দিয়ে দুটি subject জুড়লে verb বহুবচন হয়, যেমন ‘The man and his neighbours are working.’ - ৫. The antonym of the word 'theoretical' is—
- ক. experimental
- খ. bookish
- গ. logical
- ঘ. impractical
উত্তর: ক. experimental
Theoretical মানে তত্ত্বগত, অর্থাৎ যা কেবল তত্ত্ব বা বইয়ের জ্ঞানের ওপর দাঁড়িয়ে আছে, হাতে-কলমে প্রমাণ করা হয়নি। এর বিপরীত ভাব হলো হাতে-কলমে পরীক্ষা করে দেখা, আর সেটির কাছাকাছি শব্দ Experimental (পরীক্ষামূলক)। অন্য অপশনগুলো বিপরীত অর্থ দেয় না: Bookish মানে বইসর্বস্ব, অর্থাৎ প্রায় একই অর্থ, Logical মানে যুক্তিসংগত এবং Impractical মানে অব্যবহারিক।
মনে রাখুন:
Theoretical-এর সবচেয়ে পরিচিত বিপরীত শব্দ Practical।
Theory (তত্ত্ব) noun, Theoretical adjective, আর Theoretically adverb।
Experiment (পরীক্ষা) noun, আর Experimental তার adjective। - ৬. Which of the following phrases means 'to tolerate'?
- ক. put up with
- খ. put off
- গ. put out
- ঘ. put down
উত্তর: ক. put up with
Put up with একটি phrasal verb, যার অর্থ সহ্য করা (to tolerate)। অর্থাৎ কারও খারাপ আচরণ বা কোনো অসুবিধা মেনে নেওয়া। যেমন, ‘I cannot put up with his rudeness.’ বাকি তিনটির অর্থ আলাদা: Put off মানে পিছিয়ে দেওয়া, Put out মানে নিভিয়ে দেওয়া আর Put down মানে নামিয়ে রাখা বা দমন করা।
মনে রাখুন:
put up with-এর সমার্থক শব্দ bear, endure, tolerate, stand।
আরও কিছু phrasal verb: put on (পরা), put away (সরিয়ে রাখা), put through (সংযোগ দেওয়া)। - ৭. —, he would have succeeded.
- ক. If he were sincere
- খ. If he had study
- গ. If he studied regularly
- ঘ. Had he studied regularly
উত্তর: ঘ. Had he studied regularly
বাক্যে ‘he would have succeeded’ অংশটি বলছে, কাজটি অতীতে ঘটেনি, শুধু কল্পনা করা হচ্ছে। এমন অবাস্তব অতীতের শর্ত বোঝাতে আমরা Third Conditional ব্যবহার করি। এর কাঠামো: If + had + past participle, ... would have + past participle। ‘If he had studied regularly, he would have succeeded’ বাক্যে ‘If’ বাদ দিলে ‘had’ subject-এর আগে চলে আসে, ফলে হয় ‘Had he studied regularly, he would have succeeded.’ ‘If he had study’ অপশনে verb-এর রূপ ভুল, আর ‘If he were sincere’ ও ‘If he studied regularly’ বর্তমান বা সাধারণ শর্ত বোঝায়, যা ‘would have succeeded’-এর সঙ্গে খাপ খায় না।
মনে রাখুন:
Third Conditional-এ if-এর জায়গায় Had বসিয়ে inversion করা যায়।
Second Conditional: If + past, would + verb। যেমন ‘If I were a bird, I would fly.’ - ৮. What is the suitable word for 'A hater of mankind'?
- ক. Foe
- খ. Hatred
- গ. Condemner
- ঘ. Misanthrope
উত্তর: ঘ. Misanthrope
Misanthrope মানে যে মানুষ সব মানুষকে ঘৃণা করে, অর্থাৎ মনুষ্যবিদ্বেষী। শব্দটি এসেছে গ্রিক misos (ঘৃণা) ও anthropos (মানুষ) থেকে। বাকি শব্দগুলো আলাদা অর্থের: Foe মানে শত্রু, Hatred মানে ঘৃণা আর Condemner মানে নিন্দুক। লক্ষ করার বিষয়, Hatred একটি noun, ঘৃণাকারী ব্যক্তি নয়।
মনে রাখুন:
Misanthrope = মানুষকে যে ঘৃণা করে।
Misogynist = নারীবিদ্বেষী।
Philanthropist = মানবহিতৈষী।
Misogamist = বিবাহে বিদ্বেষী। - ৯. Times have changed and so —.
- ক. I have
- খ. have I
- গ. am I
- ঘ. I am
উত্তর: খ. have I
‘so’ বা ‘neither’ বাক্যের শুরুতে বসলে তার পরে auxiliary verb আগে আসে, তারপর subject, এটিই inversion। এখানে ‘so’ দিয়ে বোঝানো হচ্ছে, আগের কথাটি দ্বিতীয় ব্যক্তির জন্যও সত্য। প্রথম অংশে ‘have changed’ আছে, তাই auxiliary হবে ‘have’। ফলে বাক্য হয় ‘Times have changed and so have I.’ অর্থাৎ সময় বদলেছে, আমিও বদলেছি।
মনে রাখুন:
‘He is tall and so am I.’ এখানেও একই নিয়ম খাটে।
নেতিবাচক বাক্যে ‘neither’ বা ‘nor’ বসে, যেমন ‘He did not go, neither did I.’
প্রথম অংশে সাধারণ verb থাকলে do, does, did আসে, যেমন ‘She works hard and so does he.’ - ১০. Everybody likes flowers, — ?
- ক. does he
- খ. doesn't he
- গ. can he
- ঘ. don't they
উত্তর: ঘ. don't they
Affirmative বাক্যের tag question negative হয়। Everybody, everyone, somebody, nobody-এর মতো শব্দ একবচন হলেও tag-এ সাধারণত ‘they’ বসে। আবার verb-টি simple present এবং সেখানে auxiliary হলো ‘do’, তাই negative রূপে তা ‘don’t’ হয়। ফলে বাক্য হয় ‘Everybody likes flowers, don’t they?’ ‘Doesn’t he’ হলে ‘he’ বসত, যা সমষ্টিবাচক শব্দের tag-এ সাধারণ রীতি নয়।
মনে রাখুন:
Nobody-র মতো negative অর্থের বাক্যে tag positive হয়, যেমন ‘Nobody came, did they?’
Let’s-এর tag হয় ‘shall we’, যেমন ‘Let’s go, shall we?’
I am-এর tag হয় ‘aren’t I’। - ১১. It— a hot day, we remained in the tent.
- ক. be
- খ. being
- গ. was
- ঘ. having
উত্তর: খ. being
‘It being a hot day’ অংশটি Absolute Participle গঠন। এই গঠনে একটি অংশের subject মূল বাক্যের subject থেকে আলাদা থাকে এবং verb-টি participle রূপে বসে। Complex বা compound বাক্যকে সংক্ষিপ্ত করার সময় is, was, are, were-এর জায়গায় ‘being’ বসে। তাই ‘Since it was a hot day, we remained in the tent’ বাক্যটিই দাঁড়ায় ‘It being a hot day, we remained in the tent.’ ‘Be’ বা ‘having’ বসালে এখানে ঠিক গঠন হয় না।
মনে রাখুন:
Absolute Participle-এর subject আর মূল বাক্যের subject আলাদা হয়, এখানে ‘It’ আর ‘we’।
আরেকটি উদাহরণ: ‘The sun having set, we went home.’ - ১২. Opening the file, the detective took out a newspaper cutting. Here 'opening' is a/an.
- ক. Gerund
- খ. Noun
- গ. Present participle
- ঘ. Adjective
উত্তর: গ. Present participle
Verb-এর সঙ্গে ing যুক্ত হয়ে যখন verb-এর কাজ এবং adjective-এর কাজ একসঙ্গে করে, তাকে Present Participle বলে। এখানে ‘Opening the file’ অংশটি ‘the detective’ কে বর্ণনা করছে, অর্থাৎ কে ফাইলটি খুলল তা বলছে, আবার ‘the file’-কে object হিসেবে নিয়েছে। তাই এটি Present Participle। এটি Gerund নয়, কারণ Gerund noun-এর মতো subject বা object হয়ে বসে।
মনে রাখুন:
Gerund সম্পূর্ণ noun-এর কাজ করে, যেমন ‘Opening the file is easy.’
Present Participle-এর আরেকটি উদাহরণ: ‘Walking along the road, he met a friend.’
Gerund ও Present Participle দুটিরই রূপ verb + ing, তবে কাজ আলাদা। - ১৩. — surprised me.
- ক. What you said
- খ. If you say so
- গ. Because of saying so
- ঘ. What did you say
উত্তর: ক. What you said
বাক্যটিতে ‘surprised’ একটি verb, কিন্তু verb-এর আগে কোনো subject নেই। তাই এমন কিছু বসাতে হবে যা subject-এর কাজ করে। ‘What you said’ একটি noun clause, যা এখানে subject-এর কাজ করেছে, ফলে বাক্য হয় ‘What you said surprised me.’ ‘What did you say’ প্রশ্নবাচক গঠন, তাই subject হিসেবে বসে না। ‘If you say so’ বা ‘Because of saying so’-ও এখানে ঠিক অর্থ দেয় না, কারণ এগুলো অন্য ধরনের অংশ।
মনে রাখুন:
Noun clause-এ প্রশ্নের গঠন (did you say) ব্যবহার হয় না, বরং সাধারণ বাক্যের গঠন (you said) ব্যবহার হয়।
আরেকটি উদাহরণ: ‘I know what he wants.’ এখানে ‘what he wants’ object-এর কাজ করেছে। - ১৪. The sinner will suffer —.আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৪
- ক. in the long run
- খ. on the long run
- গ. after the long run
- ঘ. before the long run
উত্তর: ক. in the long run
‘In the long run’ একটি idiom, যার অর্থ শেষ পর্যন্ত বা পরিণামে। অর্থাৎ কোনো কাজের ফল দীর্ঘ সময় পরে বোঝা যায়। তাই বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায়, পাপী ব্যক্তিকে শেষ পর্যন্ত শাস্তি ভোগ করতে হবে। ‘On the long run’, ‘after the long run’ বা ‘before the long run’ নামে ইংরেজিতে কোনো প্রচলিত idiom নেই, তাই preposition বদলালে বাক্যটি ভুল হয়ে যায়।
মনে রাখুন:
‘In the long run’-এর বিপরীত ‘in the short run’ (স্বল্পমেয়াদে)।
সমার্থক idiom: in the end, eventually।
আরেকটি পরিচিত idiom: in the nick of time (ঠিক শেষ মুহূর্তে)। - ১৫. Death is preferable — humiliation.
- ক. for
- খ. to
- গ. after
- ঘ. than
উত্তর: খ. to
Preferable শব্দের পরে সবসময় ‘to’ বসে, ‘than’ নয়। তাই সঠিক বাক্য ‘Death is preferable to humiliation.’ অর্থাৎ অপমানের চেয়ে মৃত্যু শ্রেয়। Comparative adjective-এর মতো দেখালেও এই শব্দ Latin থেকে আসা, তাই এর সঙ্গে ‘to’ ব্যবহার হয়। সাধারণ comparative শব্দ, যেমন better বা taller, এর পরে ‘than’ বসে, কিন্তু preferable সেই দলে পড়ে না।
মনে রাখুন:
একই নিয়মে চলে superior to, inferior to, senior to, junior to, prefer to।
উদাহরণ: ‘I prefer tea to coffee.’
Prefer-এর সঙ্গে ‘than’ বসে না। - ১৬. A person who writes about his own life writes —.
- ক. a diary
- খ. a biography
- গ. a play
- ঘ. an autobiography
উত্তর: ঘ. an autobiography
যে নিজের জীবনের কাহিনি নিজেই লেখে, সে লেখে Autobiography (আত্মজীবনী)। অন্যের জীবনকাহিনি লিখলে তাকে Biography (জীবনী) বলে। Diary মানে দিনলিপি, যেখানে প্রতিদিনের ঘটনা লেখা থাকে, আর Play মানে নাটক। প্রশ্নে বলা আছে নিজের জীবনের কথা, তাই Biography নয়, Autobiography সঠিক।
মনে রাখুন:
Auto মানে নিজ, Bio মানে জীবন, Graphy মানে লেখা।
Memoir হলো স্মৃতিকথা, অর্থাৎ নিজের জীবনের বিশেষ কিছু অংশের বর্ণনা।
বাংলায় আত্মজীবনীর পরিচিত উদাহরণ ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’। - ১৭. English — across the world.আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) ২০১৯
- ক. speaks
- খ. is speaking
- গ. is spoken
- ঘ. has spoken
উত্তর: গ. is spoken
English একটি ভাষা, যা নিজে কিছু বলে না, বরং মানুষ এই ভাষায় কথা বলে। তাই বাক্যটি passive হবে এবং Present Indefinite-এর passive রূপ ‘is spoken’। পুরো বাক্য ‘English is spoken across the world.’ অর্থাৎ সারা বিশ্বে ইংরেজি বলা হয়। ‘Speaks’ হলে ভাষাটি নিজে বলছে বোঝাত, যা অর্থহীন। আর ‘is speaking’ ও ‘has spoken’ এখানে সময়ের হিসেবে মেলে না।
মনে রাখুন:
Present Indefinite Passive-এর গঠন: is/am/are + past participle।
Past Indefinite Passive: was/were + past participle। যেমন ‘The letter was written.’
সাধারণ সত্য বা সবসময়ের ঘটনা বোঝাতে Present Indefinite ব্যবহার হয়। - ১৮. My wife reminds me —
- ক. of my appointment
- খ. to my appointments
- গ. my appointments
- ঘ. about my appointments
উত্তর: ক. of my appointment
Remind verb-এর পরে যে preposition বসে সেটি ‘of’। কাউকে কোনো কিছু স্মরণ করিয়ে দেওয়ার অর্থে ‘remind someone of something’ ব্যবহৃত হয়। তাই ঠিক বাক্য ‘My wife reminds me of my appointment.’ ‘To’ বা ‘about’ বসালে এই গঠন ঠিক থাকে না, আর preposition ছাড়া ‘reminds me my appointments’ লিখলেও বাক্য অসম্পূর্ণ দেখায়।
মনে রাখুন:
remind someone to do something (কিছু করার কথা মনে করানো) গঠনও আছে, যেমন ‘She reminded me to call him.’
Remind-এর মতোই ‘of’ নেয় think of, dream of, consist of, accuse of।
উদাহরণ: ‘This photo reminds me of my childhood.’ - ১৯. Beautiful : ugly.
- ক. Eradicate : get rid of
- খ. Joy : Sorrow
- গ. Joy : slim
- ঘ. Conservative : tradition
উত্তর: খ. Joy : Sorrow
Analogy-র প্রথম জোড়ায় Beautiful (সুন্দর) ও Ugly (কুৎসিত) পরস্পরের বিপরীত শব্দ। তাই উত্তর হবে এমন জোড়া, যা বিপরীতার্থক। Joy (আনন্দ) আর Sorrow (দুঃখ) সেই রকম একটি জোড়া। Eradicate ও Get rid of সমার্থক, তাই প্রথম অপশনটি মেলে না। অন্য দুটি জোড়ার শব্দের মধ্যে কোনো পরিষ্কার বিপরীত সম্পর্ক নেই।
মনে রাখুন:
Analogy-তে আগে প্রথম জোড়ার সম্পর্ক (সমার্থক, বিপরীতার্থক, কারণ-ফল ইত্যাদি) বুঝে নিতে হয়।
তারপর প্রতিটি অপশনে একই সম্পর্ক আছে কি না, তা মিলিয়ে দেখতে হয়। - ২০. What is the adjective of 'obey'?
- ক. Obediently
- খ. Obedience
- গ. Obedient
- ঘ. Obselete
উত্তর: গ. Obedient
Obey একটি verb, যার অর্থ মান্য করা বা আদেশ পালন করা। এর adjective রূপ Obedient (বাধ্য বা অনুগত)। Obediently হলো adverb, অর্থাৎ বাধ্যের মতো, Obedience হলো noun, অর্থাৎ বাধ্যতা, আর Obsolete একটি আলাদা শব্দ, যার অর্থ সেকেলে।
মনে রাখুন:
Obey (verb) → Obedient (adj) → Obediently (adv) → Obedience (noun)।
বিপরীত শব্দ Disobey (অমান্য করা) ও Disobedient (অবাধ্য)। - ২১. Check the beast — you.
- ক. of
- খ. from
- গ. in
- ঘ. under
উত্তর: গ. in
‘Check the beast in you’ বাক্যটির অর্থ, নিজের ভেতরের পশুবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণে রাখো। মানুষের ভেতর যে হিংস্র বা অসংযত প্রবৃত্তি আছে, সেটিই এখানে ‘beast’। কারও ভেতরে থাকা কিছু বোঝাতে ‘in you’ ব্যবহার হয়, তাই preposition হবে ‘in’। ‘Of you’ বা ‘from you’ বসালে ভেতরের স্বভাব বোঝায় না, আর ‘under you’ বললে সেটি নিচে আছে বোঝায়।
মনে রাখুন:
Check এখানে অর্থ থামানো বা নিয়ন্ত্রণ করা। ‘Check one’s anger’ মানে রাগ সামলানো।
Check-এর আরেক অর্থ যাচাই করা, যেমন ‘Check the answer.’ - ২২. The bag is too heavy — to carry.
- ক. for him
- খ. to him
- গ. by him
- ঘ. on him
উত্তর: ক. for him
‘Too … to’ গঠনে দুটি আলাদা subject থাকলে ‘to’-এর আগে ‘for + objective form’ বসে। এখানে ব্যাগ ভারী, আর বহনকারী হলো ‘he’। তাই বসে ‘for him’, ফলে বাক্য হয় ‘The bag is too heavy for him to carry.’ ‘To him’, ‘by him’ বা ‘on him’ বসালে এই গঠন তৈরি হয় না, কারণ too-এর পরে adjective এবং তার পরে ‘for’ দিয়ে কাজ করা ব্যক্তিকে দেখানো হয়।
মনে রাখুন:
Too ... to-এর অর্থ নেতিবাচক, অর্থাৎ ব্যাগটি এত ভারী যে তার পক্ষে বহন করা সম্ভব নয়।
একই অর্থ দেওয়া যায় so ... that দিয়ে: ‘The bag is so heavy that he cannot carry it.’ - ২৩. It was long since —
- ক. we had been meeting
- খ. we were meeting last
- গ. we had met last
- ঘ. we last met
উত্তর: গ. we had met last
‘It was long since’ বাক্যে মূল clause অতীতের (was), তাই since-এর পরের clause অতীতের আগের ঘটনা বোঝায় এবং Past Perfect হয়। ফলে সঠিক বাক্য ‘It was long since we had met last.’ আর ‘It is long since’ থাকলে পরে Simple Past বসে, যেমন ‘It is long since we last met.’ লক্ষ করতে হবে, বাক্যের শুরুতে was আছে বলে শেষ অংশে had met বসানো হয়েছে, আর ‘we last met’ বর্তমান কাঠামোর জন্য ঠিক।
মনে রাখুন:
Since-এর আগের clause Past হলে পরের clause Past Perfect।
আগের clause Present হলে পরের clause Past। - ২৪. Uneasy lies the head —.
- ক. when wears a crown
- খ. which wear a crown
- গ. that wears a crown
- ঘ. who wears a crown
উত্তর: গ. that wears a crown
‘Uneasy lies the head that wears a crown’ একটি বিখ্যাত উক্তি, যা শেক্সপিয়রের নাটকে পাওয়া যায়। এর অর্থ, যে মাথায় মুকুট থাকে, অর্থাৎ যে শাসক, তার মাথায় সবসময় দুশ্চিন্তা থাকে। ‘head’ একটি জড় বস্তু, তাই এর relative pronoun হবে ‘that’, ‘who’ নয়। আর ‘head’ একবচন বলে verb হবে ‘wears’। ‘When wears’ বা ‘which wear’-এর গঠন ঠিক নয়।
মনে রাখুন:
এই উক্তিটি শেক্সপিয়রের ‘Henry IV, Part 2’ নাটকের।
শেক্সপিয়রের আরও নাটক: Hamlet, Macbeth, Othello, King Lear। - ২৫. He came here with a view to.
- ক. give us a surprise
- খ. giving us a surprise
- গ. he gave us a surprise
- ঘ. be given us a surprise
উত্তর: খ. giving us a surprise
‘With a view to’ বাক্যাংশের মধ্যে ‘to’ একটি preposition, তাই এর পরে verb-এর ing রূপ (gerund) বসে। অর্থ হলো উদ্দেশ্যে। ফলে বাক্য হয় ‘He came here with a view to giving us a surprise.’ অর্থাৎ আমাদের চমকে দেওয়ার উদ্দেশ্যে সে এখানে এল। প্রথম অপশনে verb-এর মূল রূপ বসেছে, যা এখানে ঠিক হয় না, কারণ এই ‘to’ infinitive-এর চিহ্ন নয়।
মনে রাখুন:
একই রকম ‘to’ preposition আছে look forward to, be used to, object to, in addition to-তে। সবখানেই পরে verb+ing বসে।
উদাহরণ: ‘I look forward to meeting you.’
গণিত
- ২৬. চালের মূল্য ১২% কমে যাওয়ায় ৬০০০ টাকায় পূর্বাপেক্ষা ১ কুইন্টাল চাল বেশি পাওয়া যায়। ১ কুইন্টাল চালের বর্তমান মূল্য কত?
- ক. ৭৫০ টাকা
- খ. ৭০০ টাকা
- গ. ৭৭৫ টাকা
- ঘ. ৭২০ টাকা
উত্তর: ঘ. ৭২০ টাকা
ধরি, চালের আগের দাম প্রতি কুইন্টাল p টাকা। ১২% কমলে নতুন দাম 0.88p। ৬০০০ টাকায় আগে পাওয়া যেত 6000/p কুইন্টাল, এখন পাওয়া যায় 6000/(0.88p) কুইন্টাল।
শর্ত অনুযায়ী 6000/(0.88p) − 6000/p = 1, অর্থাৎ (6000/p) × (0.12/0.88) = 1। এ থেকে p = 6000 × 0.12/0.88, আর বর্তমান দাম 0.88p = 6000 × 0.12 = 720 টাকা।
শর্টকাট: ৬০০০ টাকায় ১ কুইন্টাল বেশি পাওয়া যাওয়ার অর্থ হলো, যে অর্থ বাঁচল তা দিয়ে ঠিক ১ কুইন্টাল কেনা যায়। অর্থাৎ ৬০০০ টাকার ১২% হলো নতুন দাম, তাই 6000 × 12/100 = 720।
যাচাই: পুরোনো দাম 720/0.88 ≈ 818.18 টাকা। তখন ৬০০০ টাকায় পাওয়া যেত প্রায় 7.33 কুইন্টাল, আর এখন 6000/720 ≈ 8.33 কুইন্টাল। ঠিক ১ কুইন্টাল বেশি, তাই উত্তর মিলে যায়। - ২৭. (.১ × .০১ × .০০১)/(.২ × .০২ × .০০২) এর মান কত?
- ক. ১/৮
- খ. ১/৮০
- গ. ১/৮০০
- ঘ. ১/৮০০০
উত্তর: ক. ১/৮
লব ও হর আলাদা করে দেখলে লবের প্রতিটি সংখ্যা হরের সংশ্লিষ্ট সংখ্যার ঠিক অর্ধেক, কারণ .১ = .২ ÷ ২, .০১ = .০২ ÷ ২ এবং .০০১ = .০০২ ÷ ২। তাই দশমিকের অংশ একই থাকে এবং লব ও হর থেকে কাটা যায়। ফলে (.১ × .০১ × .০০১)/(.২ × .০২ × .০০২) = (১ × ১ × ১)/(২ × ২ × ২) = ১/৮। অর্থাৎ তিনটি সংখ্যা প্রতিটি অর্ধেক হয়েছে বলে মোট মান হয়েছে ২ × ২ × ২ = ৮ ভাগের ১ ভাগ।
মনে রাখুন:
দশমিক সংখ্যার গুণফলে দশমিকের স্থান সমান থাকলে সেগুলো কেটে শুধু অঙ্কগুলোর অনুপাত নিলেই চলে।
একই নিয়মে (.৩ × .০৪)/(.৬ × .০২) = (৩ × ৪)/(৬ × ২) = ১। - ২৮. একজন ব্যাটসম্যান প্রথম তিনটি T-20 খেলায় ৮২, ৮৫ ও ৯২ রান করেন। চতুর্থ খেলায় কত রান করলে তার গড় রান ৮৭ হবে?
- ক. ৮৬
- খ. ৮৭
- গ. ৮৮
- ঘ. ৮৯
উত্তর: ঘ. ৮৯
গড়ের হিসাবে মোট রানই আসল। প্রথম তিন খেলার মোট রান 82 + 85 + 92 = 259। চার খেলায় গড় 87 হতে হলে মোট রান লাগবে 87 × 4 = 348। এখন প্রথম তিন খেলায় ইতিমধ্যে 259 রান হয়েছে, তাই চতুর্থ খেলায় করতে হবে 348 − 259 = 89 রান।
যাচাই: চার খেলার রান 82, 85, 92 ও 89 যোগ করলে 348 হয়, আর 348 ÷ 4 = 87।
মনে রাখুন:
গড় বের করার সূত্র, গড় = মোট রান ÷ খেলার সংখ্যা।
উল্টো দিক থেকে, মোট = গড় × সংখ্যা।
ক্রিকেটে ব্যাটিং গড় বের করা হয় মোট রানকে আউট হওয়ার সংখ্যা দিয়ে ভাগ করে। - ২৯. কোন বৃহত্তম সংখ্যা দ্বারা ২৭, ৪০ ও ৬৫ কে ভাগ করলে যথাক্রমে ৩, ৪ ও ৫ অবশিষ্ট থাকে।আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ২৫৯৪) ২০১৯
- ক. ১৬
- খ. ১৪
- গ. ১২
- ঘ. ৮
উত্তর: গ. ১২
কোনো সংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে যে অবশিষ্ট থাকে, তা ভাজ্য থেকে বাদ দিলে সংখ্যাটি ওই ভাজক দিয়ে সম্পূর্ণ বিভাজ্য হয়। তাই 27 − 3 = 24, 40 − 4 = 36 এবং 65 − 5 = 60 সংখ্যাগুলোর গ.সা.গু. নিতে হবে, কারণ সবচেয়ে বড় ভাজক চাই।
24 = 2³ × 3, 36 = 2² × 3², 60 = 2² × 3 × 5। সাধারণ উৎপাদক 2² × 3 = 12। ভাজক অবশিষ্টের চেয়ে বড় হতে হয়, আর 12 সব অবশিষ্টের (৩, ৪, ৫) চেয়ে বড়, তাই উত্তর 12।
যাচাই: 27 ÷ 12 = ২ ভাগফল ও ৩ অবশিষ্ট, 40 ÷ 12 = ৩ ভাগফল ও ৪ অবশিষ্ট, 65 ÷ 12 = ৫ ভাগফল ও ৫ অবশিষ্ট।
মনে রাখুন: অবশিষ্ট দেওয়া থাকলে আগে ভাজ্য থেকে অবশিষ্ট বাদ দিয়ে তারপর গ.সা.গু. বের করতে হয়। - ৩০. একটি সংখ্যার ১২% নিলে ৯৬ পাওয়া যায়, সংখ্যাটি কত?
- ক. ১০০০
- খ. ৮২০
- গ. ৮০০
- ঘ. ৯২০
উত্তর: গ. ৮০০
প্রশ্নে বলা হয়েছে, সংখ্যাটির ১২% হলো ৯৬। সংখ্যাটিকে x ধরলে x × 12/100 = 96 হয়। দুই পাশ থেকে সংখ্যাটি বের করলে x = 96 × 100/12 = 800।
যাচাই: 800 এর ১২% = 800 × 0.12 = 96।
শর্টকাট: ১২% মানে ১০০ ভাগের ১২ ভাগ। ১২ ভাগ যদি ৯৬ হয়, তাহলে ১ ভাগ = ৮ আর ১০০ ভাগ = ৮০০।
মনে রাখুন:
শতকরা মান দেওয়া থাকলে মূল সংখ্যা = প্রদত্ত মান × 100 ÷ শতকরা হার।
উদাহরণ: কোনো সংখ্যার ২৫% যদি ৫০ হয়, তবে সংখ্যাটি 50 × 100/25 = 200। - ৩১. x + 2/x = 3 হলে x³ + 8/x³ = কত?
- ক. 16
- খ. 9
- গ. 8
- ঘ. 0
উত্তর: খ. 9
আমরা জানি, (a + b)³ = a³ + b³ + 3ab(a + b)। এখানে a = x এবং b = 2/x, তাই ab = x × 2/x = 2। এবং b³ = 8/x³, সুতরাং a³ + b³ হলো আমাদের নির্ণেয় মান।
তাহলে (x + 2/x)³ = x³ + 8/x³ + 3 × 2 × (x + 2/x), অর্থাৎ 27 = x³ + 8/x³ + 6 × 3। এ থেকে x³ + 8/x³ = 27 − 18 = 9।
মনে রাখুন:
a + b জানা এবং ab জানা থাকলে a³ + b³ = (a + b)³ − 3ab(a + b)।
একই ধরনের আরেকটি সূত্র: a − b জানা থাকলে a³ − b³ = (a − b)³ + 3ab(a − b)।
আবার a² + b² = (a + b)² − 2ab। - ৩২. x² – 3x + 2 এবং x² – 5x + 6 এর ল.সা.গু. = কত?
- ক. (x–1)(x–2)(x–3)
- খ. (x+1)(x–2)(x+3)
- গ. (x–1)(x+2)(x–3)
- ঘ. (x–2)
উত্তর: ক. (x–1)(x–2)(x–3)
ল.সা.গু. বের করতে হলে আগে রাশিগুলোকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করতে হয়। x² − 3x + 2 = x² − x − 2x + 2 = (x − 1)(x − 2) এবং x² − 5x + 6 = x² − 2x − 3x + 6 = (x − 2)(x − 3)। ল.সা.গু. বের করতে সব ভিন্ন উৎপাদক একবার করে নিতে হয়, আর সাধারণ উৎপাদক (x − 2) একবারই থাকবে। তাই ল.সা.গু. = (x − 1)(x − 2)(x − 3)। শেষ অপশন (x − 2) আসলে শুধু সাধারণ উৎপাদক, যা গ.সা.গু.।
মনে রাখুন:
গ.সা.গু. হলো সাধারণ উৎপাদক (x − 2), আর ল.সা.গু. হলো সব উৎপাদকের গুণফল।
দুটি রাশির গুণফল = গ.সা.গু. × ল.সা.গু., এখানে (x² − 3x + 2)(x² − 5x + 6) = (x − 2) × (x − 1)(x − 2)(x − 3)। - ৩৩. দুটি ধনাত্মক সংখ্যার বর্গের অন্তর ৮, গুণফল ৩, সংখ্যা দুটির বর্গের সমষ্টি কত?
- ক. 8
- খ. 10
- গ. 13
- ঘ. 25
উত্তর: খ. 10
ধরি সংখ্যা দুটি x ও y। দেওয়া আছে x² − y² = 8 এবং xy = 3। আমরা জানি, (x² + y²)² = (x² − y²)² + 4x²y², কারণ (a + b)² = (a − b)² + 4ab, যেখানে a = x² এবং b = y²। তাই (x² + y²)² = 64 + 4 × 9 = 100। ধনাত্মক সংখ্যার বর্গের সমষ্টি ধনাত্মক, তাই x² + y² = 10।
যাচাই: x² = 9 ও y² = 1 হলে বর্গের অন্তর 8, আর xy = 3 × 1 = 3, শর্ত মিলে যায়।
মনে রাখুন:
(a + b)² = (a − b)² + 4ab।
(a − b)² = (a + b)² − 4ab।
এই দুটি সূত্র দিয়ে বহু বীজগণিতের অঙ্ক সহজে সমাধান হয়। - ৩৪. (২x–৩y)/(২x+৩y) = ১/৭ হলে x : y = কত?
- ক. 2:3
- খ. 3:2
- গ. 2:1
- ঘ. 1:2
উত্তর: গ. 2:1
(2x − 3y)/(2x + 3y) = 1/7 থেকে আড়গুণন করলে 7(2x − 3y) = 2x + 3y, অর্থাৎ 14x − 21y = 2x + 3y। দুই দিক থেকে x ও y-এর পদ আলাদা করলে 12x = 24y, তাই x/y = 2/1। অর্থাৎ x : y = 2 : 1।
যাচাই: x = 2, y = 1 হলে (4 − 3)/(4 + 3) = 1/7, শর্ত মিলে যায়।
মনে রাখুন:
অনুপাতের অঙ্কে আড়গুণন করে সমীকরণ বানানো সবচেয়ে সহজ উপায়।
বিকল্প উপায়: যোজন-বিয়োজন করে। (2x − 3y)/(2x + 3y) = 1/7 থেকে 2x/3y = (7 + 1)/(7 − 1) = 8/6 = 4/3, তাই x/y = 2/1। - ৩৫. দুটি সংখ্যার গুণফল ১৫৩৬। সংখ্যা দুটির ল.সা.গু. ৯৬ হলে গ.সা.গু. কত?আরও এসেছে: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার ২০১৬
- ক. ১৬
- খ. ১৮
- গ. ২৪
- ঘ. ৩২
উত্তর: ক. ১৬
দুটি সংখ্যার গুণফল তাদের গ.সা.গু. ও ল.সা.গু.-এর গুণফলের সমান। অর্থাৎ গ.সা.গু. × ল.সা.গু. = সংখ্যা দুটির গুণফল। এই সম্পর্ক কাজে লাগিয়ে গ.সা.গু. বের করা যায়, কারণ গুণফল ও ল.সা.গু. দুটিই আমাদের জানা।
তাহলে গ.সা.গু. = 1536 ÷ 96 = 16।
যাচাই: সংখ্যা দুটি ১৬ ও ৯৬ ধরলে গুণফল 16 × 96 = 1536 হয়, আর ১৬ ও ৯৬-এর গ.সা.গু. ১৬ এবং ল.সা.গু. ৯৬।
মনে রাখুন:
এই সূত্র শুধু দুটি সংখ্যার জন্য খাটে, তিন বা বেশি সংখ্যার জন্য নয়।
গ.সা.গু. সবসময় সংখ্যা দুটির ছোটটির সমান বা তার চেয়ে ছোট হয়, আর ল.সা.গু. বড়টির সমান বা তার চেয়ে বড় হয়। - ৩৬. ABC ত্রিভুজের AB = AC এবং ∠A = 80° হলে ∠B = কত?
- ক. 40°
- খ. 50°
- গ. 60°
- ঘ. 80°
উত্তর: খ. 50°
ত্রিভুজ ABC-তে AB = AC, তাই এটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ এবং সমান বাহুর বিপরীত কোণ দুটিও সমান। এখানে AB-এর বিপরীত কোণ ∠C এবং AC-এর বিপরীত কোণ ∠B, তাই ∠B = ∠C। ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি 180°, তাই ∠B + ∠C = 180° − 80° = 100°। দুটি কোণ সমান বলে ∠B = 100° ÷ 2 = 50°।
মনে রাখুন:
সমদ্বিবাহু ত্রিভুজে শীর্ষ কোণ জানা থাকলে ভূমিকোণ = (180° − শীর্ষ কোণ) ÷ 2।
সমবাহু ত্রিভুজের প্রতিটি কোণ 60°।
সমকোণী সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ভূমিকোণ দুটি প্রতিটি 45°। - ৩৭. মূল বিন্দু হতে (–5, 5) এবং (5, k) বিন্দুদ্বয়ের দূরত্ব সমান হলে k-এর মান কত?
- ক. 0
- খ. 3
- গ. 4
- ঘ. 5
উত্তর: ঘ. 5
মূলবিন্দুর স্থানাঙ্ক (0, 0)। এখান থেকে (−5, 5) বিন্দুর দূরত্ব √((−5)² + 5²) = √(25 + 25) = √50। একইভাবে (5, k) বিন্দুর দূরত্ব √(5² + k²) = √(25 + k²)। দূরত্ব সমান হলে 25 + k² = 50, তাই k² = 25 এবং k = ±5। দেওয়া অপশনগুলোর মধ্যে ধনাত্মক মান 5 আছে, তাই উত্তর 5।
মনে রাখুন:
মূলবিন্দু থেকে (x, y) বিন্দুর দূরত্ব = √(x² + y²)।
দুটি বিন্দু (x₁, y₁) ও (x₂, y₂)-এর দূরত্ব = √((x₂ − x₁)² + (y₂ − y₁)²)। - ৩৮. একটি বর্গাকার বাগানের ক্ষেত্রফল 2025 বর্গমিটার। এর চারিদিকে বেড়া দেওয়া আছে। বেড়ার মোট দৈর্ঘ্য কত?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) ২০১৯
- ক. 120 মিটার
- খ. 160 মিটার
- গ. 180 মিটার
- ঘ. 220 মিটার
উত্তর: গ. 180 মিটার
বাগানটি বর্গাকার, তাই এর ক্ষেত্রফল = বাহু²। অতএব বাহু = √2025 = 45 মিটার, কারণ 45 × 45 = 2025। বেড়া দিতে হবে বাগানের চারপাশে, অর্থাৎ বেড়ার দৈর্ঘ্য হলো বাগানের পরিসীমা। বর্গের চার বাহু সমান, তাই পরিসীমা = 4 × 45 = 180 মিটার।
মনে রাখুন:
বর্গের পরিসীমা = 4 × বাহু, আর ক্ষেত্রফল = বাহু²।
বর্গের কর্ণ = বাহু × √2।
আয়তের পরিসীমা = 2 × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ), আর ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ। - ৩৯. শুধু পরিসীমা জানলেই—
i. বর্গ আঁকা সম্ভব ii. সমবাহু ত্রিভুজ আঁকা সম্ভব iii. আয়ত আঁকা সম্ভব
নিচের কোনটি সঠিক?- ক. i ও ii
- খ. i ও iii
- গ. ii ও iii
- ঘ. i, ii ও iii
উত্তর: ক. i ও ii
বর্গের চার বাহু সমান, তাই পরিসীমাকে ৪ ভাগ করলে এক বাহু পাওয়া যায় এবং বর্গ আঁকা যায়। সমবাহু ত্রিভুজের তিন বাহু সমান, তাই পরিসীমাকে ৩ ভাগ করলে এক বাহু পাওয়া যায় এবং ত্রিভুজ আঁকা যায়। কিন্তু আয়তের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ আলাদা, তাই শুধু পরিসীমা জানলে আয়ত আঁকা যায় না, কারণ একই পরিসীমার অসংখ্য আয়ত হতে পারে। যেমন পরিসীমা ২০ হলে ৬ × ৪ বা ৭ × ৩ দুটিই হতে পারে। সুতরাং i ও ii সঠিক।
মনে রাখুন:
আয়ত আঁকতে দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ দুটিই জানা দরকার।
বর্গ আঁকতে একটি বাহু বা একটি কর্ণ জানলেই চলে। - ৪০. ১০টি সংখ্যার যোগফল ৪৬২। প্রথম ৪টি সংখ্যার গড় ৫২ এবং শেষ ৫টি সংখ্যার গড় ৩৮। পঞ্চম সংখ্যাটি কত?
- ক. ৫০
- খ. ৬০
- গ. ৬৪
- ঘ. ৬২
উত্তর: গ. ৬৪
১০টি সংখ্যার যোগফল ৪৬২। প্রথম ৪টির সমষ্টি = 52 × 4 = 208 এবং শেষ ৫টির সমষ্টি = 38 × 5 = 190। প্রথম ৪টি ও শেষ ৫টি মিলে ৯টি সংখ্যা, আর বাকি একটিই হলো পঞ্চম সংখ্যা। তাই পঞ্চম সংখ্যা = 462 − 208 − 190 = 64।
যাচাই: 208 + 64 + 190 = 462, তাই হিসাব মিলে যায়।
মনে রাখুন:
গড়ের অঙ্কে সবসময় গড়কে সংখ্যার সংখ্যা দিয়ে গুণ করে যোগফল বের করে নিতে হয়।
এখানে প্রথম ৪টি, পঞ্চম একটি ও শেষ ৫টি মিলে মোট ১০টি সংখ্যা হয়, তাই কোনো সংখ্যা দুবার গোনা হয়নি।
বিজ্ঞান
- ৪১. কখনো কখনো শিলাবৃষ্টি হয়। এ ধরনের বৃষ্টির কারণ কী?
- ক. মেঘের পানির কণা খুবই উত্তপ্ত হয়ে যায়
- খ. মেঘে পানি কণার চেয়ে ক্লোরিনের পরিমাণ বেশি হয়ে গেলে
- গ. মেঘের পানির কণার সাথে বাতাসের ভাসমান রাসায়নিক পদার্থের বিক্রিয়ার ফলে
- ঘ. মেঘের পানির কণা খুব ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়ায়
উত্তর: ঘ. মেঘের পানির কণা খুব ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়ায়
গ্রীষ্মকালে প্রবল ঝড়ের মেঘে নিচ থেকে ওপরে ওঠা শক্তিশালী বায়ুপ্রবাহ থাকে। এই বাতাসের টানে মেঘের পানির কণা অনেক ওপরে চলে যায়, যেখানে তাপমাত্রা খুব কম। সেখানে কণাগুলো জমে বরফের টুকরো হয়ে যায়। বাতাসে ওঠানামার সময় একে একে আরও পানি জমে স্তর তৈরি হয়, ফলে টুকরোগুলো বড় ও ভারী হয়। তখন আর বাতাসে ভেসে থাকতে পারে না এবং অভিকর্ষ বলের টানে নিচে পড়ে। এটিই শিলাবৃষ্টি (Hailstorm)। তাই কারণ হলো মেঘের পানির কণা খুব ঠান্ডা হয়ে যাওয়া, কণা উত্তপ্ত হয়ে যাওয়া বা রাসায়নিক বিক্রিয়া নয়।
মনে রাখুন:
বসন্ত ও গ্রীষ্মের শুরুতে কালবৈশাখীর সময় শিলাবৃষ্টি বেশি হয়।
শিলাবৃষ্টি সাধারণত কিউমুলোনিম্বাস (Cumulonimbus) মেঘ থেকে হয়।
শিলাবৃষ্টি ফসল ও ঘরবাড়ির ক্ষতি করে। - ৪২. বায়োগ্যাসের কোন উপাদান জ্বালানির কাজে লাগে?
- ক. কার্বন ডাই-অক্সাইড
- খ. অক্সিজেন
- গ. মিথেন
- ঘ. নাইট্রোজেন
উত্তর: গ. মিথেন
গোবর বা জৈব বর্জ্য বাতাসের অনুপস্থিতিতে পচলে জীবাণুর কাজে বায়োগ্যাস (Biogas) তৈরি হয়। এই গ্যাসে সবচেয়ে বেশি থাকে মিথেন (CH₄), প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ, আর অল্প পরিমাণে থাকে কার্বন ডাই-অক্সাইড, হাইড্রোজেন সালফাইড ইত্যাদি। মিথেন সহজে পুড়ে তাপ দেয়, তাই এটিই জ্বালানির কাজে লাগে। কার্বন ডাই-অক্সাইড আগুন নিভিয়ে দেয়, অক্সিজেন পোড়াতে সাহায্য করে কিন্তু নিজে জ্বলে না, আর নাইট্রোজেন জ্বলেও না, জ্বলতেও সাহায্য করে না।
মনে রাখুন:
মিথেনকে জলাভূমির গ্যাসও (Marsh gas) বলা হয়।
প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন, আর বাংলাদেশের রান্নার গ্যাস প্রধানত এটিই।
বায়োগ্যাস তৈরির পর অবশিষ্ট ঘন তরল বা স্লারি উত্তম জৈব সার হিসেবে ব্যবহার হয়। - ৪৩. কোনটির কারণে মরিচ ঝাল লাগে?
- ক. ক্যাপসিসিন
- খ. ভিটামিন
- গ. ভিটামিন-ই
- ঘ. ভিটামিন-A
উত্তর: ক. ক্যাপসিসিন
মরিচে ক্যাপসিসিন (Capsaicin) নামে একটি রাসায়নিক যৌগ থাকে। এটি আমাদের মুখের ও জিভের স্নায়ুকে উত্তেজিত করে, ফলে ঝাল ও জ্বালার অনুভূতি হয়। ভিটামিন (এ, ই ইত্যাদি) ঝালের জন্য দায়ী নয়, কারণ এগুলো দেহের বৃদ্ধি ও সুরক্ষায় কাজে লাগে।
মনে রাখুন:
ক্যাপসিসিন আসলে ঝাল স্বাদের রাসায়নিক পদার্থ, আর এর পরিমাণ যত বেশি, মরিচ তত ঝাল।
মরিচে ভিটামিন সি-ও থাকে।
আদা বা গোলমরিচের ঝাল আসে ভিন্ন যৌগ থেকে, যেমন গোলমরিচে পাইপারিন (Piperine)। - ৪৪. খাদ্যজাত দ্রব্যের মান সঠিক রাখার জন্য প্যাকেটের ভিতর প্রলেপ করার প্রযুক্তি হলো—
- ক. বয়োটেকনোলজি
- খ. ন্যানোটেকনোলজি
- গ. বায়োমেট্রিক্স
- ঘ. জেনিটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
উত্তর: খ. ন্যানোটেকনোলজি
ন্যানোটেকনোলজি (Nanotechnology) অতি ক্ষুদ্র আকারের, অর্থাৎ এক মিটারের একশ কোটি ভাগের এক ভাগ মাপের, বস্তু নিয়ে কাজ করে। এই প্রযুক্তিতে খাবারের প্যাকেটের ভেতরে ন্যানো কণার পাতলা প্রলেপ দেওয়া হয়, যা বাতাস ও জীবাণু ঠেকিয়ে খাবারের মান ও তাজা ভাব অনেক দিন ধরে রাখে। বায়োমেট্রিক্স বা জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এই কাজের প্রযুক্তি নয়।
মনে রাখুন:
জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং জীবের জিন বদলানোর কাজ করে, আর বায়োমেট্রিক্স মানুষের দেহবৈশিষ্ট্য, যেমন আঙুলের ছাপ, দিয়ে পরিচয় শনাক্ত করে।
১ ন্যানোমিটার = ১০⁻⁹ মিটার।
ন্যানোপ্রযুক্তি ওষুধ, ইলেকট্রনিক্স ও কাপড়ের কাজেও ব্যবহার হয়। - ৪৫. হিমশৈল কী?
- ক. উত্তর মেরুর জমাট বাঁধা বরফ
- খ. গ্রিনল্যান্ডের জমাট বাঁধা বরফ
- গ. শীতল সমুদ্র স্রোতে ভেসে আসা বিশাল বরফ খণ্ড
- ঘ. হিমালয়ের চূড়ায় জমাট বাঁধা বরফ
উত্তর: গ. শীতল সমুদ্র স্রোতে ভেসে আসা বিশাল বরফ খণ্ড
হিমশৈল (Iceberg) হলো শীতল সমুদ্রস্রোতে ভেসে আসা বিশাল বরফখণ্ড। মেরু অঞ্চলের হিমবাহ (Glacier) ভেঙে সমুদ্রে পড়লে এগুলো তৈরি হয়। মজার ব্যাপার হলো, হিমশৈলের মাত্র প্রায় ১০ ভাগের ১ ভাগ পানির ওপরে থাকে, বাকিটা ডুবে থাকে, তাই জাহাজের জন্য এগুলো বিপজ্জনক। কেবল মেরু অঞ্চল, গ্রিনল্যান্ড বা হিমালয়ের চূড়ার জমাট বরফকে হিমশৈল বলা যায় না, কারণ হিমশৈলের মূল বৈশিষ্ট্য হলো সেটি ভাসমান।
মনে রাখুন:
১৯১২ সালে আটলান্টিক মহাসাগরে হিমশৈলের সঙ্গে ধাক্কা লেগে টাইটানিক জাহাজ ডুবে যায়।
বরফ পানির চেয়ে হালকা, তাই ভাসে।
হিমবাহ হলো স্থলভাগে ধীরে ধীরে নেমে আসা বরফের নদী। - ৪৬. সিদ্ধ চালে কী পরিমাণ শ্বেতসার থাকে?
- ক. ৭১%
- খ. ৭৩%
- গ. ৭৪%
- ঘ. ৭৯%
উত্তর: ঘ. ৭৯%
চালের প্রধান উপাদান শর্করা বা শ্বেতসার (Starch), যা আমাদের শক্তির মূল জোগানদার। পাঠ্য ও সাধারণ উৎস অনুযায়ী সিদ্ধ চালে প্রায় ৭৯ শতাংশ শ্বেতসার থাকে। বাকি অংশে আছে অল্প পরিমাণ আমিষ, চর্বি ও পানি। ধান থেকে চাল তৈরির সময় যত বেশি তুষ ও কুঁড়া ফেলা হয়, চালের অন্যান্য পুষ্টিগুণ তত কমে যায়।
মনে রাখুন:
ভাত, রুটি, আলুর মতো খাবার থেকেই আমরা বেশি শ্বেতসার পাই, তাই এগুলোকে শক্তিদায়ক খাদ্য বলা হয়।
শ্বেতসার পরীক্ষা করা যায় আয়োডিন দিয়ে, তখন নীল-কালো রং হয়।
এক গ্রাম শর্করা থেকে প্রায় ৪ কিলোক্যালরি শক্তি পাওয়া যায়। - ৪৭. জীবদেহের বৈশিষ্ট্যগুলো বংশানুক্রমে বহন করে—
- ক. ডি এন এ
- খ. আর এন এ
- গ. মাইটোকন্ড্রিয়া
- ঘ. নিউক্লিক এসিড
উত্তর: ক. ডি এন এ
জীবের দেহকোষের নিউক্লিয়াসে ক্রোমোজোম থাকে, আর ক্রোমোজোম গঠিত হয় ডিএনএ (DNA বা ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড) দিয়ে। এই ডিএনএতে বংশগত বৈশিষ্ট্যের তথ্য জমা থাকে, আর প্রজননের সময় তা পিতামাতা থেকে সন্তানে যায়। তাই বংশগতির ধারক ও বাহক হলো ডিএনএ। মাইটোকন্ড্রিয়া কোষের শক্তি উৎপাদনকারী অঙ্গাণু, আর নিউক্লিক অ্যাসিড একটি বৃহত্তর শ্রেণি, যার মধ্যে ডিএনএ ও আরএনএ দুটিই পড়ে, তাই নির্দিষ্ট উত্তর ডিএনএ।
মনে রাখুন:
কিছু ভাইরাসে ডিএনএর বদলে আরএনএ (RNA) এই কাজ করে।
ডিএনএ-র ছোট একটি অংশই জিন (Gene)।
১৯৫৩ সালে ওয়াটসন ও ক্রিক ডিএনএর দ্বিসূত্রক কুণ্ডলী গঠনের মডেল দেন। - ৪৮. স্যাটেলাইট কোন বলের কারণে ঘুরতে থাকে?
- ক. অভিকর্ষজ ত্বরণ
- খ. মাধ্যাকর্ষণ বল
- গ. আপেক্ষিক বল
- ঘ. সমান্তরাল বল
উত্তর: খ. মাধ্যাকর্ষণ বল
পৃথিবী তার চারপাশের সব বস্তুকে নিজের দিকে টানে, একে মাধ্যাকর্ষণ বল (Gravitational force) বলে। কৃত্রিম উপগ্রহ বা স্যাটেলাইট খুব বেগে পৃথিবীর সমান্তরালে ছুটতে থাকে। কিন্তু এই টান তাকে সোজা পথে চলে যেতে না দিয়ে পৃথিবীর দিকে বাঁকিয়ে নেয়, ফলে সে বৃত্তাকার পথে ঘুরতে থাকে। অভিকর্ষজ ত্বরণ একটি বল নয়, ত্বরণ, তাই এখানে বলের নাম মাধ্যাকর্ষণ বল।
মনে রাখুন:
কেন্দ্রমুখী বল হিসেবে এখানে মাধ্যাকর্ষণ বলই কাজ করে।
চাঁদ পৃথিবীর প্রাকৃতিক উপগ্রহ, আর এটিও একই বলের কারণে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে।
বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১, যা ২০১৮ সালে উৎক্ষেপণ করা হয়। - ৪৯. একক ভরের কোনো বস্তুর ওজন বিষুবীয় অঞ্চলে কত?
- ক. ৯.৭৯ নিউটন
- খ. ৯.৭৮ নিউটন
- গ. ৯.৮১ নিউটন
- ঘ. ৯.৮৩ নিউটন
উত্তর: খ. ৯.৭৮ নিউটন
কোনো বস্তুর ওজন = ভর × অভিকর্ষজ ত্বরণ (W = mg)। ১ কেজি ভরের বস্তুর ওজন তাই g-এর মানের সমান। পৃথিবী বিষুবীয় অঞ্চলে একটু ফোলা, তাই সেখানে পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে দূরত্ব বেশি আর g-এর মান কম, প্রায় 9.78 m/s²। ফলে ওজন প্রায় 9.78 নিউটন। বিষুবীয় অঞ্চলে পৃথিবীর ঘূর্ণনের প্রভাবও বেশি, এটিও ওজন কিছুটা কমায়।
মনে রাখুন:
মেরু অঞ্চলে g প্রায় 9.83 m/s², তাই সেখানে ওজন সবচেয়ে বেশি।
গড় মান ধরা হয় 9.8 m/s²।
ভর সব জায়গায় সমান থাকে, কিন্তু ওজন জায়গাভেদে বদলায়। - ৫০. মানবদেহে হাড় ও দাঁত গঠন এবং ফসফোলিপিড তৈরি করে কোন খনিজ লবণ?
- ক. ফসফরাস
- খ. লৌহ
- গ. সোডিয়াম
- ঘ. ম্যাগনেসিয়াম
উত্তর: ক. ফসফরাস
হাড় ও দাঁতের শক্ত অংশ মূলত ক্যালসিয়াম ফসফেট দিয়ে তৈরি, তাই ফসফরাস (Phosphorus) এই গঠনে প্রধান ভূমিকা রাখে। এ ছাড়া কোষপর্দার প্রধান উপাদান ফসফোলিপিড তৈরিতেও ফসফরাস লাগে। এজন্য দেওয়া অপশনের মধ্যে ফসফরাসই সঠিক।
মনে রাখুন:
লৌহ রক্তের হিমোগ্লোবিন তৈরি করে, আর সোডিয়াম দেহে পানি ও লবণের ভারসাম্য রক্ষা করে।
ম্যাগনেসিয়াম পেশি ও স্নায়ুর কাজে সহায়তা করে।
ফসফরাসের উৎস দুধ, মাছ ও ডিম। - ৫৪. কোন প্রাণী নিজের শরীরের চেয়ে পঞ্চাশ গুণ বেশি ভরের বস্তু বহন করতে পারে?
- ক. ঘোড়া
- খ. হাতি
- গ. পিঁপড়া
- ঘ. গাধা
উত্তর: গ. পিঁপড়া
পিঁপড়া তার নিজের দেহের ভরের প্রায় ৫০ গুণ ভার বহন করতে পারে। এর কারণ, পিঁপড়ার দেহ ছোট হওয়ায় তার ওজনের তুলনায় পেশির প্রস্থচ্ছেদ বেশি, তাই পেশির জোরও আপেক্ষিকভাবে বেশি। বড় প্রাণীর দেহ বাড়লে ওজন যত বাড়ে, পেশির শক্তি তত বাড়ে না। ঘোড়া, হাতি বা গাধা তাদের নিজের ওজনের তুলনায় এত বেশি ভার বইতে পারে না।
মনে রাখুন:
কিছু প্রজাতির পিঁপড়া আরও বেশি ভারও তুলতে পারে, তবে সাধারণত ৫০ গুণের কথা বলা হয়।
পিঁপড়া দলবদ্ধ সামাজিক পতঙ্গ, কাজ ভাগ করে নিয়ে কলোনিতে বাস করে।
পিঁপড়ার দেহ তিনটি অংশে বিভক্ত: মাথা, বক্ষ ও উদর। - ৬৭. বাতাসে অক্সিজেনের পরিমাণ কত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৪
- ক. ২২%
- খ. ২৯%
- গ. ৩৩%
- ঘ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. কোনোটিই নয়
বাতাস বিভিন্ন গ্যাসের মিশ্রণ। আয়তনে এতে নাইট্রোজেন প্রায় ৭৮ শতাংশ, অক্সিজেন প্রায় ২১ শতাংশ (আরও নির্দিষ্ট করে ২০.৯৫ শতাংশ) এবং বাকি প্রায় ১ শতাংশ আর্গন, কার্বন ডাই-অক্সাইড ও অন্যান্য গ্যাস। দেওয়া ২২%, ২৯% বা ৩৩% কোনোটিই এই মানের কাছাকাছি নয়, তাই উত্তর কোনোটিই নয়।
মনে রাখুন:
বাতাসের প্রধান উপাদান নাইট্রোজেন, অক্সিজেন নয়।
বাতাসে কার্বন ডাই-অক্সাইড মাত্র প্রায় ০.০৩ থেকে ০.০৪ শতাংশ।
অক্সিজেন শ্বাসপ্রশ্বাস ও দহনে সাহায্য করে। - ৭৫. ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্তের লক্ষণ কি?
- ক. উচ্চ রক্তচাপ
- খ. অনেক জ্বর
- গ. মাড়িতে রক্তক্ষরণ
- ঘ. খিঁচুনি ধরা
উত্তর: খ. অনেক জ্বর
ইবোলা রোগের শুরুতেই হঠাৎ প্রচণ্ড জ্বর হয়, তাই এটি প্রধান লক্ষণ। তবে রোগ বাড়লে মাড়িসহ শরীরের নানা জায়গা থেকে রক্তক্ষরণও হয়, তাই ‘মাড়িতে রক্তক্ষরণ’ও একটি লক্ষণ।
বাংলাদেশ
- ৫১. বাংলাদেশে বসবাসকারী সবচেয়ে বেশি আদিবাসী কোনটি?
- ক. চাকমা
- খ. সাঁওতাল
- গ. মারমা
- ঘ. মুরং
উত্তর: ক. চাকমা
বাংলাদেশে প্রায় ৪৫টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বাস করে। এদের মধ্যে জনসংখ্যায় সবচেয়ে বড় গোষ্ঠী চাকমা, যাদের বসতি মূলত পার্বত্য চট্টগ্রামে। মারমা, সাঁওতাল ও মুরং জনসংখ্যায় চাকমাদের চেয়ে কম, তাই সবচেয়ে বেশি আদিবাসী হিসেবে চাকমাই সঠিক।
মনে রাখুন:
পার্বত্য চট্টগ্রামে চাকমার পর বড় গোষ্ঠী মারমা ও ত্রিপুরা।
সমতলে সবচেয়ে বড় গোষ্ঠী সাঁওতাল।
পার্বত্য চট্টগ্রামের তিনটি জেলা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান। - ৫২. বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী প্রথম দেশ কোনটি?
- ক. রাশিয়া
- খ. ভারত
- গ. ভুটান
- ঘ. জাপান
উত্তর: গ. ভুটান
১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভুটান সবার আগে স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। একই দিনে কিছু পরে ভারত স্বীকৃতি দেয়, ফলে ভারত দ্বিতীয়। তখনো মুক্তিযুদ্ধ চলছিল, কয়েক দিন পরেই ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করে। রাশিয়া (তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন) ও জাপান স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালে, অর্থাৎ যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরে।
মনে রাখুন:
স্বীকৃতিদানে প্রথম ভুটান, দ্বিতীয় ভারত। ভুটানের পর ভারতই প্রথম বড় দেশ।
বাংলাদেশের জাতিসংঘের সদস্যপদ পেতে সময় লেগেছিল, ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হয়। - ৫৩. আলোকিত মানুষ তৈরির কর্মসূচি কোন সংগঠনের?
- ক. ব্র্যাক ব্যাংক
- খ. এশিয়াটিক সোসাইটি
- গ. বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
- ঘ. গ্রামীণ ব্যাংক
উত্তর: গ. বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
‘আলোকিত মানুষ চাই’ কর্মসূচিটি বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের। বইপড়াকে ছড়িয়ে দিয়ে আলোকিত মানুষ গড়ার লক্ষ্যে ১৯৭৮ সালে অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ এই কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেন। কেন্দ্রের অধীনে সারা দেশে বই পড়ার চর্চা, পাঠচক্র ও পাঠাগার চালু হয়েছে। ব্র্যাক ব্যাংক ও গ্রামীণ ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, আর এশিয়াটিক সোসাইটি গবেষণা ও প্রকাশনার সংগঠন, তাই এই কর্মসূচি তাদের নয়।
মনে রাখুন:
এশিয়াটিক সোসাইটি থেকে প্রকাশিত হয়েছে ‘বাংলাপিডিয়া’, আর গ্রামীণ ব্যাংক ক্ষুদ্রঋণের জন্য বিখ্যাত।
আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ ‘বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র’-র প্রতিষ্ঠাতা ও দীর্ঘদিন সভাপতি ছিলেন।
এই কেন্দ্রের সঙ্গে ‘বইপড়া কর্মসূচি’ ও ‘ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি’র মতো উদ্যোগ যুক্ত। - ৫৭. প্রাচীন গৌড় নগরীর অংশবিশেষ কোন জেলায় রয়েছে?
- ক. সিলেট
- খ. খুলনা
- গ. কুষ্টিয়া
- ঘ. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
উত্তর: ঘ. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
প্রাচীন গৌড় নগরীর ধ্বংসাবশেষ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায়, আর এর বাকি অংশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলায় পড়েছে। মধ্যযুগে গৌড় বাংলার রাজধানী ছিল। তাই প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে গৌড় একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম। সিলেট ও খুলনার সঙ্গে এই নগরীর কোনো সম্পর্ক নেই, কুষ্টিয়ারও নয়।
মনে রাখুন:
গৌড়ের ছোট সোনা মসজিদ চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে অবস্থিত।
শিবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর ভারত সীমান্তে অবস্থিত।
সপ্তম শতকে শশাঙ্ক গৌড়ের বিখ্যাত রাজা ছিলেন। - ৫৯. বাংলাদেশের জিডিপিতে কোন খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি?
- ক. সার্ভিস
- খ. কৃষি
- গ. শিল্প
- ঘ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. সার্ভিস
বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (GDP) তিনটি প্রধান খাত আছে, কৃষি, শিল্প ও সেবা (সার্ভিস)। এর মধ্যে সেবা খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি, ২০১৬ সালেও ছিল, এখনো একইভাবে সবচেয়ে বেশি। কৃষির অবদান দিন দিন কমছে, আর শিল্প খাত ধীরে বাড়ছে। তবে কর্মসংস্থানের দিক থেকে কৃষি খাতে এখনো উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ যুক্ত।
মনে রাখুন:
সেবা খাতের মধ্যে আছে পরিবহন, ব্যবসা, ব্যাংক, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য।
কৃষি খাতের অন্তর্ভুক্ত ফসল, প্রাণিসম্পদ, মৎস্য ও বনজ সম্পদ।
শিল্প খাতে তৈরি পোশাক শিল্প সবচেয়ে বড় অবদান রাখে। - ৬০. প্রাচীনকালে 'সমতট' বলতে বাংলাদেশের কোন অংশকে বোঝানো হতো?
- ক. বগুড়া ও দিনাজপুর অঞ্চল
- খ. কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল
- গ. ঢাকা ও ময়মনসিংহ অঞ্চল
- ঘ. বৃহত্তর সিলেট অঞ্চল
উত্তর: খ. কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল
প্রাচীন বাংলার বিভিন্ন অঞ্চল আলাদা নামে পরিচিত ছিল। এর মধ্যে সমতট বলতে মোটামুটি কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চলকে বোঝাত। বগুড়া-দিনাজপুর অঞ্চল ছিল বরেন্দ্র, আর বৃহত্তর সিলেট ছিল হরিকেলের অংশ। ঢাকা ও ময়মনসিংহ অঞ্চল সমতটের অংশ ছিল না, কারণ এটি আলাদা জনপদের এলাকা।
মনে রাখুন:
পুণ্ড্র: বগুড়া-রাজশাহী অঞ্চল।
বঙ্গ: ঢাকা-ফরিদপুর অঞ্চল।
গৌড়: মালদহ-মুর্শিদাবাদ অঞ্চল।
বঙ্গাল নামটি থেকেই ‘বাংলা’ শব্দের উদ্ভব বলে মনে করা হয়। - ৬৩. কোন বিদেশি সাহিত্যিক মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য বীরপ্রতীক খেতাব লাভ করে?
- ক. জ্যা পল সার্ত্রে
- খ. ব্লুডে সিমোন
- গ. ডব্লিউ এ এস ওডারল্যান্ড
- ঘ. কেউ নয়
উত্তর: গ. ডব্লিউ এ এস ওডারল্যান্ড
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য একমাত্র বিদেশি হিসেবে বীরপ্রতীক খেতাব পান ডব্লিউ এ এস ওডারল্যান্ড (W.A.S. Ouderland), তিনি অস্ট্রেলীয় নাগরিক। জ্যাঁ পল সার্ত্র ফ্রান্সের দার্শনিক ও সাহিত্যিক, তিনি মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে কথা বলেছিলেন, কিন্তু খেতাবপ্রাপ্ত নন। তাই ‘কেউ নয়’ অপশনটিও সঠিক নয়।
মনে রাখুন:
মুক্তিযুদ্ধে সাতজন বীরশ্রেষ্ঠ, আর খেতাবের ক্রম বীরশ্রেষ্ঠ, বীরউত্তম, বীরবিক্রম, বীরপ্রতীক।
খেতাবপ্রাপ্ত মোট বীরদের সংখ্যা ৬৭৬।
খেতাবের সংখ্যা: বীরশ্রেষ্ঠ ৭, বীরউত্তম ৬৮, বীরবিক্রম ১৭৫, বীরপ্রতীক ৪২৬। - ৬৬. বাংলাদেশে সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক উপাধি 'বীরশ্রেষ্ঠ' কতজনকে দেয়া হয়েছে?
- ক. ১১ জন
- খ. ১৬ জন
- গ. ৭ জন
- ঘ. ৩ জন
উত্তর: গ. ৭ জন
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য সর্বোচ্চ সম্মান ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ পেয়েছেন সাতজন শহীদ। তাঁরা হলেন মুন্সী আবদুর রউফ, রুহুল আমিন, মোস্তফা কামাল, মোহাম্মদ হামিদুর রহমান, নূর মোহাম্মদ শেখ, মতিউর রহমান ও আবদুল হামিদ। সংখ্যাটি মনে রাখলে ১১ বা ১৬ জনের মতো ভুল অপশন সহজে বাদ দেওয়া যায়।
মনে রাখুন:
খেতাবের ক্রম বীরশ্রেষ্ঠ (৭ জন), বীরউত্তম (৬৮ জন), বীরবিক্রম (১৭৫ জন) ও বীরপ্রতীক (৪২৬ জন)।
বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে মতিউর রহমান বিমানবাহিনীর সদস্য ছিলেন। - ৭০. ২০১৬ সালের ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর কততম জন্মবার্ষিকী পালন করা হলো?
- ক. ৯৭ তম
- খ. ৯৬ তম
- গ. ৯৫ তম
- ঘ. ৯৪ তম
উত্তর: খ. ৯৬ তম
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন। ২০১৬ সালের ১৭ মার্চ হিসাব করলে 2016 − 1920 = 96, অর্থাৎ ৯৬তম জন্মবার্ষিকী। জন্মস্থান গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া। ৯৭ বা ৯৫ নয়, কারণ জন্মবার্ষিকী গুনতে হয় জন্মের বছর থেকে বর্তমান বছর বিয়োগ করে।
মনে রাখুন:
তাঁর জন্মদিন জাতীয় শিশু দিবস হিসেবেও পালিত হয়।
তাঁর মৃত্যু ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট।
১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি তিনি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে স্বদেশে ফিরে আসেন। - ৭১. 'শিখা অনির্বাণ' কোথায় অবস্থিত?
- ক. সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে
- খ. মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে
- গ. ঢাকা সেনানিবাসে
- ঘ. মুজিবনগরে
উত্তর: গ. ঢাকা সেনানিবাসে
‘শিখা অনির্বাণ’ ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত, যা স্বাধীনতার বীর শহীদদের স্মরণে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে স্থাপিত। আর ‘শিখা চিরন্তন’ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে, যেখানে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন। দুটির নাম ও জায়গা প্রায়ই গুলিয়ে যায়, তাই আলাদা করে মনে রাখা দরকার।
মনে রাখুন:
মুজিবনগরে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল প্রথম সরকার শপথ নেয়।
মিরপুরে বুদ্ধিজীবী কবরস্থান আছে।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল। - ৭২. বাংলাদেশের নদের সংখ্যা কয়টি?
- ক. ১ টি
- খ. ২ টি
- গ. ৩ টি
- ঘ. ৪ টি
উত্তর: ঘ. ৪ টি
বাংলাদেশের নদীর মধ্যে যেগুলোর নাম পুরুষবাচক, সেগুলোকে নদ বলা হয়। প্রচলিত তালিকা অনুযায়ী প্রধান নদ ৪টি, যেমন ব্রহ্মপুত্র, কপোতাক্ষ ও আড়িয়াল খাঁ। বাকি অধিকাংশই নদী। প্রশ্নে সংখ্যা চাওয়া হয়েছে, তাই ১, ২ বা ৩ নয়, ৪টিই পাঠ্য তালিকার সংখ্যা।
মনে রাখুন:
ব্রহ্মপুত্র বাংলাদেশের সবচেয়ে পরিচিত নদ, আর কপোতাক্ষ মাইকেল মধুসূদন দত্তের কবিতার জন্য বিখ্যাত।
নদ পুরুষবাচক শব্দ, আর নদী স্ত্রীবাচক। - ৭৩. কোন তারিখে বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকরী হয়?
- ক. ২৬ মার্চ ১৯৭২
- খ. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
- গ. ২৬ মার্চ ১৯৭১
- ঘ. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
উত্তর: খ. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
বাংলাদেশের সংবিধান গণপরিষদে ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গৃহীত হয় এবং একই বছরের ১৬ ডিসেম্বর, বিজয় দিবসের প্রথম বার্ষিকীতে কার্যকর হয়। এই সংবিধান লিখিত এবং এতে মূল প্রস্তাবনাসহ ১১টি ভাগ ছিল। ২৬ মার্চ ১৯৭১ হলো স্বাধীনতা ঘোষণার দিন, আর ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ বিজয় দিবস, দুটির কোনোটিই সংবিধান কার্যকরের দিন নয়।
মনে রাখুন:
৪ নভেম্বর ১৯৭২: সংবিধান গৃহীত হয়।
১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২: সংবিধান কার্যকর হয়।
১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১: দেশ স্বাধীন হয়।
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
আন্তর্জাতিক
- ৫৫. স্বর্ণের খনির জন্য বিখ্যাত স্থান কোনটি?
- ক. টোকিও
- খ. দুবাই
- গ. জোহানেসবার্গ
- ঘ. সৌদি আরব
উত্তর: গ. জোহানেসবার্গ
দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গ শহর পৃথিবীর অন্যতম বিখ্যাত স্বর্ণখনি এলাকা। এর আশপাশের উইটওয়াটার্সর্যান্ড (Witwatersrand) অঞ্চলে বিশ্বের বিপুল স্বর্ণ পাওয়া গেছে, তাই শহরটিকে ‘স্বর্ণের শহর’ বলা হয়। ১৮৮৬ সালে এখানে স্বর্ণ আবিষ্কারের পর থেকে শহরটি দ্রুত বড় হতে থাকে। দেওয়া বাকি শহরগুলোর পরিচয় অন্য রকম, কোনোটিই স্বর্ণের খনির জন্য পরিচিত নয়।
মনে রাখুন:
সৌদি আরব তেল রপ্তানির জন্য বিখ্যাত। টোকিও জাপানের রাজধানী এবং দুবাই বাণিজ্য ও পর্যটনের শহর।
দক্ষিণ আফ্রিকা হীরা ও প্লাটিনামের জন্যও বিখ্যাত। - ৫৮. WHO এর সদর দপ্তর কোন শহরে অবস্থিত?
- ক. নিউইয়র্ক
- খ. জেনেভা
- গ. ভিয়েনা
- ঘ. অসলো
উত্তর: খ. জেনেভা
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization বা WHO) জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা। এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে। সংস্থাটি ১৯৪৮ সালের ৭ এপ্রিল কাজ শুরু করে, আর সেই কারণে ৭ এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস হিসেবে পালিত হয়। নিউইয়র্ক জাতিসংঘের সদর দপ্তর, ভিয়েনা আর অসলোতে WHO-র প্রধান কার্যালয় নেই।
মনে রাখুন:
জাতিসংঘের সদর দপ্তর নিউইয়র্কে এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (IAEA) সদর দপ্তর ভিয়েনায়।
আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO), বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) ও রেড ক্রসের সদর দপ্তরও জেনেভায়।
WHO-র আঞ্চলিক কার্যালয়ের মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের কার্যালয় নয়াদিল্লিতে। - ৬১. সার্ক (SAARC) সচিবালয় কোন শহরে অবস্থিত?
- ক. ঢাকা
- খ. ইসলামাবাদ
- গ. নয়াদিল্লী
- ঘ. কাঠমান্ডু
উত্তর: ঘ. কাঠমান্ডু
সার্ক (South Asian Association for Regional Cooperation) দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর আঞ্চলিক সংগঠন। এর সচিবালয় নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অবস্থিত। ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকায় সংগঠনটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে, তখন সদস্য ছিল ৭টি এবং ২০০৭ সালে আফগানিস্তান যুক্ত হয়ে ৮টি হয়। সংগঠনের জন্ম ঢাকায় হলেও সচিবালয় ঢাকা, ইসলামাবাদ বা নয়াদিল্লিতে নয়।
মনে রাখুন:
সার্কের প্রস্তাবক ছিলেন বাংলাদেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।
সার্ক সচিবালয় ১৯৮৭ সালে কাঠমান্ডুতে স্থাপিত হয়।
সার্কের সদস্য দেশ: বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ ও আফগানিস্তান। - ৬২. জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে কোন দিনটির স্বীকৃতি দেয়?
- ক. ১ জানুয়ারি
- খ. ১১ জানুয়ারি
- গ. ৮ মার্চ
- ঘ. ৫ অক্টোবর
উত্তর: গ. ৮ মার্চ
প্রতিবছর ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালিত হয়, আর ১৯৭৭ সালে জাতিসংঘ এই দিনটিকে স্বীকৃতি দেয়। নারীর অধিকার, সমতা ও অবদানকে সম্মান জানানোই এই দিনের লক্ষ্য। ১৯১০ সালে ক্লারা জেটকিন আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালনের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। এর পেছনে নারী শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনের ইতিহাস আছে।
মনে রাখুন:
৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস।
নারীর ক্ষমতায়ন ও সমতা এই দিনের মূল বার্তা। - ৬৫. লোহিত সাগর ও সুয়েজখাল এশিয়াকে বিচ্ছিন্ন করেছে কোন মহাদেশ থেকে?
- ক. আফ্রিকা
- খ. ইউরোপ
- গ. অস্ট্রেলিয়া
- ঘ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. আফ্রিকা
সুয়েজ খাল কৃত্রিম জলপথ, যা ভূমধ্যসাগরকে লোহিত সাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। এই খাল ও লোহিত সাগর একসঙ্গে এশিয়া মহাদেশকে আফ্রিকা থেকে আলাদা করেছে, আর মিসরের সিনাই উপদ্বীপ এখানে দুই মহাদেশের মাঝখানে। এশিয়ার সঙ্গে ইউরোপ বা অস্ট্রেলিয়ার সীমারেখা এ জলপথ দিয়ে নির্ধারিত হয় না।
মনে রাখুন:
সুয়েজ খাল ১৮৬৯ সালে খুলে দেওয়া হয়, এর ফলে ইউরোপ থেকে এশিয়ায় যেতে আফ্রিকা ঘুরে আসতে হয় না।
সুয়েজ খাল মিসরে অবস্থিত।
পানামা খাল প্রশান্ত ও আটলান্টিক মহাসাগরকে যুক্ত করেছে। - ৭৪. বিশ্বব্যাংকের প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
- ক. ওয়াশিংটন
- খ. নিউইয়র্ক
- গ. ফিলিপাইন
- ঘ. রোম
উত্তর: ক. ওয়াশিংটন
বিশ্বব্যাংক (World Bank) ১৯৪৪ সালের ব্রেটন উডস সম্মেলনে গঠিত হয় এবং ১৯৪৬ সালে কাজ শুরু করে। এর প্রধান কার্যালয় যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডি.সি.-তে। ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় আছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB)। নিউইয়র্ক জাতিসংঘের সদর দপ্তরের শহর, আর রোমে কৃষি ও খাদ্যসংস্থা (FAO)-র কার্যালয়।
মনে রাখুন:
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF)-এর সদর দপ্তরও ওয়াশিংটন ডি.সি.-তে।
ব্রেটন উডস সম্মেলন ১৯৪৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ারে হয়েছিল।
বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে বিশ্বব্যাংকের সদস্য হয়।
কম্পিউটার ও আইসিটি
- ৫৬. CD-ROM এর পূর্ণরূপ কী?
- ক. Computer Disc Run Only Memory
- খ. Computer Drive Read Only Memory
- গ. Computer Disc Read Only Memory
- ঘ. Computer Drive Run Only Memory
উত্তর: গ. Computer Disc Read Only Memory
CD-ROM-এর আসল পূর্ণরূপ Compact Disc Read Only Memory। এতে তথ্য একবার লিখে রাখা হয় এবং পরে শুধু পড়া যায়, নতুন করে লেখা যায় না, তাই একে Read Only Memory বলে। কম্পিউটারের ডিস্ক-জাতীয় মাধ্যম হওয়ায় দেওয়া অপশনগুলোর মধ্যে Disc ও Read Only Memory আছে এমন গঠনটিই এর সবচেয়ে কাছাকাছি।
মনে রাখুন:
CD-ROM-এ সাধারণত ৭০০ মেগাবাইট (MB) পর্যন্ত তথ্য ধরে।
ROM (Read Only Memory) স্থায়ী মেমোরি, বিদ্যুৎ চলে গেলেও তথ্য থেকে যায়।
RAM (Random Access Memory) অস্থায়ী মেমোরি, বিদ্যুৎ গেলে তথ্য মুছে যায়।
DVD-র ধারণক্ষমতা সাধারণত ৪.৭ গিগাবাইট।
ব্যাংকিং ও অর্থনীতি
- ৬৪. বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি ঔষধ রপ্তানি হয় কোন দেশে?
- ক. যুক্তরাজ্য
- খ. যুক্তরাষ্ট্র
- গ. জাপান
- ঘ. মিয়ানমার
উত্তর: ঘ. মিয়ানমার
পরীক্ষার সময়ে (২০১৬) বাংলাদেশের ঔষধ রপ্তানির সবচেয়ে বড় গন্তব্য ছিল মিয়ানমার। রপ্তানির গন্তব্যের এই ক্রম সময়ের সঙ্গে বদলাতে পারে।
বাংলা
- ৬৮. সনেটের প্রথম ভাগে কত লাইন হয়?
- ক. ১৪
- খ. ১২
- গ. ১০
- ঘ. ৮
উত্তর: ঘ. ৮
সনেট (Sonnet) ১৪ লাইনের একটি কবিতা, যা দুই ভাগে বিভক্ত। প্রথম ভাগের ৮ লাইনকে অষ্টক (Octave) এবং দ্বিতীয় ভাগের ৬ লাইনকে ষটক (Sestet) বলে। তাই প্রশ্নের উত্তর ৮, কারণ ১৪ হলো সনেটের মোট লাইন। বাংলা ভাষায় সনেটের প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত, তিনি একে ‘চতুর্দশপদী কবিতা’ নাম দেন।
মনে রাখুন:
মধুসূদনের চতুর্দশপদী কবিতাবলি ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত হয়।
পেত্রার্কীয় সনেটে অষ্টক ও ষটক থাকে।
শেক্সপিয়রীয় সনেটে তিনটি চার লাইনের স্তবক ও শেষে দুই লাইনের জোড়া থাকে। - ৬৯. কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন কোনটি?
- ক. ২৫ বৈশাখ ১২৬৮ বঙ্গাব্দ
- খ. ২৫ বৈশাখ ১২৯৮ বঙ্গাব্দ
- গ. ২৫ বৈশাখ ১২৭৬ বঙ্গাব্দ
- ঘ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. ২৫ বৈশাখ ১২৬৮ বঙ্গাব্দ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ, ইংরেজি তারিখে ১৮৬১ সালের ৭ মে। কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং মাতা সারদা দেবী। ১২৯৮ বা ১২৭৬ সালে তাঁর জন্ম হয়নি, এগুলো ভিন্ন সাল।
মনে রাখুন:
তিনি ১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’র ইংরেজি অনুবাদ Song Offerings-এর জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান।
এশিয়ার মধ্যে তিনিই প্রথম নোবেল বিজয়ী।
তাঁর মৃত্যু ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২ শ্রাবণ ১৩৪৮)। - ৭৬. নিচের শব্দগুলোর মধ্যে কোনটি দেশি শব্দ নয়?
- ক. কুলা
- খ. ডাব
- গ. চুলা
- ঘ. চাবি
উত্তর: ঘ. চাবি
বাংলা ভাষার শব্দভান্ডারে দেশি শব্দ হলো সেগুলো, যা এই ভূখণ্ডের আদিম অধিবাসীদের ভাষা থেকে এসেছে, যেমন কুলা, চুলা, ডাব। কিন্তু ‘চাবি’ শব্দটি পর্তুগিজ (chave) ভাষা থেকে আসা বিদেশি শব্দ, তাই এটি দেশি নয়। পর্তুগিজ বণিকেরা ষোড়শ শতকে বাংলায় এসেছিল, তাদের সঙ্গে এমন অনেক শব্দ আমাদের ভাষায় ঢুকে পড়ে।
মনে রাখুন:
পর্তুগিজ শব্দ: আনারস, আলপিন, আলমারি, বালতি, পাউরুটি, চাবি।
দেশি শব্দ: কুলা, চুলা, ডাব, ঢোল, ঝোল। - ৭৭. বিভক্তিহীন নামপদকে বলা হয়—আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০২২
- ক. সাধিত শব্দ
- খ. প্রাতিপদিক
- গ. নাম শব্দ
- ঘ. ক্রিয়া
উত্তর: খ. প্রাতিপদিক
যে নামশব্দের সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত হয়নি, সেই বিভক্তিহীন নামশব্দকে প্রাতিপদিক (Nominal base) বলে। যেমন হাত, বই, কলম। এগুলোর সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হলে ‘হাতে’, ‘বইকে’ ইত্যাদি পদ হয়। সাধিত শব্দ আসলে প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে তৈরি শব্দ, নাম শব্দ বলতে সাধারণ নাম বোঝায়, আর ক্রিয়া কাজ বোঝায়, তাই এগুলো উত্তর নয়।
মনে রাখুন:
বিভক্তি যুক্ত হওয়ার পরেই শব্দ বাক্যে পদ হিসেবে ব্যবহারের উপযোগী হয়।
ধাতুর সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হলে ক্রিয়াপদ হয়।
শব্দ ও পদ আলাদা, বিভক্তিযুক্ত শব্দই পদ। - ৭৮. 'গুরুচণ্ডালী' দোষমুক্ত শব্দ কোনটি?
- ক. শবপোড়া
- খ. শবদাহ
- গ. মড়াদাহ
- ঘ. শবমড়া
উত্তর: খ. শবদাহ
গুরুচণ্ডালী দোষ হলো একই বাক্যে বা শব্দে তৎসম (গুরু) শব্দের সঙ্গে দেশি বা অতৎসম (চণ্ডাল) শব্দ মিলিয়ে ফেলা। ‘শবদাহ’ শব্দে ‘শব’ ও ‘দাহ’ দুটিই তৎসম, তাই এতে দোষ নেই। ‘শবপোড়া’, ‘মড়াদাহ’ ও ‘শবমড়া’ শব্দে তৎসম ও দেশি শব্দ মিশে গেছে, ফলে দোষ ঘটেছে।
মনে রাখুন:
গুরুচণ্ডালী দোষ এড়াতে তৎসমের সঙ্গে তৎসম এবং দেশির সঙ্গে দেশি শব্দ ব্যবহার করতে হয়।
তৎসম শব্দ সংস্কৃত থেকে অবিকৃত আসা শব্দ। - ৭৯. কোন বাক্যে 'মাথা' শব্দটি বুদ্ধি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- ক. তিনিই সমাজের মাথা
- খ. মাথা খাটিয়ে কাজ করবে
- গ. লজ্জায় আমার মাথা কাটা গেল
- ঘ. মাথা নেই তার মাথা ব্যথা
উত্তর: খ. মাথা খাটিয়ে কাজ করবে
বাংলায় ‘মাথা’ শব্দটি বাক্যভেদে বিভিন্ন অর্থ দেয়। ‘মাথা খাটিয়ে কাজ করবে’ বাক্যে এর অর্থ বুদ্ধি, কারণ মাথা খাটানো মানে বুদ্ধি প্রয়োগ করা। ‘তিনিই সমাজের মাথা’ বাক্যে অর্থ প্রধান বা নেতা, ‘লজ্জায় মাথা কাটা গেল’ বাক্যে অর্থ সম্মানহানি, আর ‘মাথা নেই তার মাথা ব্যথা’ বাক্যে এটি শরীরের অঙ্গ বা দুশ্চিন্তার অর্থে এসেছে।
মনে রাখুন:
মাথা খাটানো মানে বুদ্ধি প্রয়োগ করা।
মাথা ঘামানো মানে গভীরভাবে চিন্তা করা।
মাথা তোলা মানে মর্যাদা নিয়ে দাঁড়ানো।
একই শব্দ বিভিন্ন বাক্যে ভিন্ন অর্থ দিলে তাকে বাগধারা বা প্রবাদের মতো ধরে বাক্য থেকে অর্থ বুঝে নিতে হয়। - ৮০. 'অর্বাচীন' শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?
- ক. নবীন
- খ. নির্বাচিত
- গ. প্রাচীন
- ঘ. বোকা
উত্তর: গ. প্রাচীন
‘অর্বাচীন’ শব্দের মূল অর্থ নবীন, আধুনিক বা হালের। এর বিপরীত শব্দ ‘প্রাচীন’, অর্থাৎ পুরোনো বা সেকেলে। ‘নবীন’ বিপরীত নয়, বরং অর্বাচীনের প্রায় সমার্থক। ‘বোকা’ অর্বাচীনের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। আর ‘নির্বাচিত’ শব্দটির সঙ্গে অর্থের কোনো সম্পর্কই নেই, তাই এটি বিপরীত শব্দ নয়।
মনে রাখুন:
‘অর্বাচীন’ কথাটি অনেক সময় নির্বোধ বা অপরিণামদর্শী অর্থেও বসে, যেমন ‘অর্বাচীনের মতো কথা’। তখন এর বিপরীত শব্দ প্রাজ্ঞ বা বিজ্ঞ।
সমার্থক শব্দ: নবীন, আধুনিক। - ৮১. নিচের কোন শব্দটি 'চিকুর' শব্দের সমার্থক নয়?
- ক. চুল
- খ. কুন্তল
- গ. কেশ
- ঘ. কর
উত্তর: ঘ. কর
চিকুর শব্দের অর্থ চুল, তাই চুল, কুন্তল ও কেশ তিনটিই এর সমার্থক শব্দ। কিন্তু ‘কর’ শব্দের অর্থ হাত, রাজস্ব বা খাজনা, চুল নয়। এজন্য ‘কর’ চিকুরের সমার্থক নয়। প্রশ্নে ‘সমার্থক নয়’ কোনটি তা চাওয়া হয়েছে, তাই আমাদের সেই শব্দটি বেছে নিতে হবে যার অর্থ আলাদা।
মনে রাখুন:
চুলের অন্যান্য সমার্থক শব্দ অলক, কচ।
হাতের সমার্থক শব্দ কর, পাণি, হস্ত, বাহু।
একটি শব্দের একাধিক অর্থ থাকতে পারে, যেমন ‘কর’ মানে হাত এবং খাজনা দুটিই। - ৮২. 'যে জমিতে ফসল জন্মায় না' একক কথায়—
- ক. পতিত
- খ. অনুর্বর
- গ. উষর
- ঘ. বন্ধ্যা
উত্তর: গ. উষর
যে জমিতে ফসল জন্মায় না, তাকে একক কথায় ‘উষর’ বলে। ‘পতিত’ মানে চাষ না করে ফেলে রাখা জমি, ‘অনুর্বর’ মানে যা উর্বর নয়, আর ‘বন্ধ্যা’ সাধারণত সন্তান জন্ম দিতে অক্ষম নারী বা জমির ক্ষেত্রেও ব্যবহৃত হয়। তবে জমির ক্ষেত্রে বাক্যের একক কথা হিসেবে ‘উষর’ই প্রচলিত।
মনে রাখুন:
যে জমিতে বছরে একবার ফসল ফলে তাকে এক-ফসলি জমি বলে।
যে জমিতে ফসল ভালো জন্মায় তাকে উর্বর বলে।
উর্বর-এর বিপরীত শব্দ উষর। - ৮৩. 'অপমান' শব্দের 'অপ' উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়?
- ক. বিপরীত
- খ. নিকৃষ্ট
- গ. বিকৃত
- ঘ. অভাব
উত্তর: ক. বিপরীত
যেসব অর্থহীন শব্দাংশ অন্য শব্দের আগে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে বা অর্থ বদলে দেয়, তাদের উপসর্গ (Prefix) বলে। ‘অপমান’ শব্দে ‘অপ’ একটি সংস্কৃত উপসর্গ, যা এখানে বিপরীত অর্থে বসেছে, কারণ অপমান মানে সম্মানের উল্টো। একইভাবে অপকার মানে উপকারের উল্টো। একই ‘অপ’ উপসর্গ অন্য শব্দে নিকৃষ্ট বা দূরে অর্থ দেয়, তাই বাক্যের অর্থ দেখে ঠিক করতে হয়।
মনে রাখুন:
অপ = বিপরীত: অপমান, অপকার।
অপ = নিকৃষ্ট: অপকর্ম, অপসংস্কৃতি।
অপ = দূরে: অপসারণ, অপহরণ।
সংস্কৃত উপসর্গ মোট ২০টি। - ৮৪. 'চর্যাপদ' প্রথম কোথা থেকে প্রকাশিত হয়?
- ক. বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ
- খ. শ্রীরামপুর মিশন
- গ. এশিয়াটিক সোসাইটি
- ঘ. ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ
উত্তর: ক. বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ
চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে পুঁথিটি সংগ্রহ করেন এবং ১৯১৬ সালে কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ থেকে ‘হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা’ নামে প্রকাশ করেন। তাই প্রথম প্রকাশক বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ। শ্রীরামপুর মিশন ও ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ উনিশ শতকের গোড়ার দিকে বাংলা গদ্য বইয়ের প্রকাশ ও চর্চার সঙ্গে যুক্ত, চর্যাপদের সঙ্গে নয়।
মনে রাখুন:
চর্যাপদের পদকর্তাদের মধ্যে লুইপা প্রথম ও কাহ্নপা সবচেয়ে বেশি পদের রচয়িতা।
চর্যাপদ বৌদ্ধ সহজিয়াদের সাধনসংগীত।
এর ভাষাকে অনেকে ‘সন্ধ্যা ভাষা’ বা ‘সান্ধ্য ভাষা’ বলেন। - ৮৫. 'খনার বচন' বেশিরভাগ কী নিয়ে?
- ক. ব্যবসা
- খ. কৃষি
- গ. শিল্প
- ঘ. ধর্ম
উত্তর: খ. কৃষি
খনার বচন বাংলা ভাষার প্রাচীন ছড়াজাতীয় রচনা, যা মূলত কৃষি ও আবহাওয়া নিয়ে। কোন ফসল কবে বুনতে হবে, কোন সময় বৃষ্টি হবে, এসব উপদেশ ছোট ছোট ছড়ায় বলা আছে। সাধারণ মানুষের কাজে লাগার জন্য এগুলো মুখে মুখে ছড়িয়েছে। বিষয় কৃষি বলেই চাষিদের কাছে এই বচন এতটা জনপ্রিয়।
মনে রাখুন:
খনার বচন ও ডাকের বচন বাংলার প্রাচীনতম লোকসাহিত্যের অংশ, আর এই দুটির বিষয়ই কৃষি।
বচনগুলো সাধারণত দুই বা চার লাইনের ছড়ার মতো।
খনা নামে এক বিদুষী নারীকে এই বচনের রচয়িতা হিসেবে মনে করা হয়। - ৮৬. মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্য রচনায় কোন মুসলিম শাসকের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে?
- ক. নাসির উদ্দীন শাহ
- খ. মুর্শিদ কুলি খাঁ
- গ. শাহ সুজা
- ঘ. আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
উত্তর: ঘ. আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
মধ্যযুগের বাংলায় সুলতানি আমলে সংস্কৃত রামায়ণ-মহাভারত বাংলায় অনুবাদ শুরু হয়। এই অনুবাদের পেছনে আলাউদ্দিন হুসেন শাহ সহ গৌড়ের সুলতানদের পৃষ্ঠপোষকতা ছিল, তাঁর সময়ে বাংলা সাহিত্য বিশেষভাবে বিকশিত হয়। তাই সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহের ভূমিকা এখানে সবচেয়ে বেশি উল্লেখযোগ্য। মুর্শিদ কুলি খাঁ ও শাহ সুজা পরবর্তী মুঘল যুগের শাসক, আর অনুবাদ সাহিত্যের সূচনা তাঁদের আগের সুলতানি আমলে।
মনে রাখুন:
আরও পৃষ্ঠপোষক ছিলেন রুকনউদ্দীন বরবক শাহ ও নাসিরউদ্দীন নসরত শাহ।
মালাধর বসু ‘শ্রীকৃষ্ণবিজয়’ রচনা করেন রুকনউদ্দীন বরবক শাহের সময়ে।
কবীন্দ্র পরমেশ্বর ও শ্রীকর নন্দী মহাভারতের অনুবাদ করেন। - ৮৭. 'ইউসুফ জুলেখা' কাব্য কোন কবির রচনা?
- ক. শাহ মুহম্মদ সগীর
- খ. আলাওল
- গ. সৈয়দ সুলতান
- ঘ. মুহম্মদ কবীর
উত্তর: ক. শাহ মুহম্মদ সগীর
‘ইউসুফ জুলেখা’ কাব্যের রচয়িতা শাহ মুহম্মদ সগীর। তিনি গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের সময়ের কবি, এবং তাঁর এই কাব্যটিকে মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবির রচনা বলা হয়। কাব্যে নবী ইউসুফ ও জুলেখার প্রণয়কাহিনি আছে। আলাওল, সৈয়দ সুলতান ও মুহম্মদ কবীরের রচনা আলাদা, তাই এই কাব্যের সঙ্গে তাঁদের নাম গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়।
মনে রাখুন:
পদ্মাবতী আলাওলের এবং নবীবংশ সৈয়দ সুলতানের রচনা।
মুহম্মদ কবীরের বিখ্যাত কাব্য ‘মধুমালতী’।
শাহ মুহম্মদ সগীর বাংলা সাহিত্যের প্রথম রোমান্টিক প্রণয়কাব্যের রচয়িতা হিসেবেও পরিচিত। - ৮৮. বিদ্যাপতি কোন ভাষায় তাঁর পদগুলো রচনা করেন?
- ক. সান্ধ্য ভাষা
- খ. মৈথিলি ভাষা
- গ. ব্রজবুলি ভাষা
- ঘ. অহমিয়া ভাষা
উত্তর: খ. মৈথিলি ভাষা
বিদ্যাপতি মিথিলার কবি ছিলেন, তাই তিনি মৈথিলি ভাষায় তাঁর পদ রচনা করেন। তাঁর রাধা-কৃষ্ণ বিষয়ক পদগুলো বাংলা সাহিত্যেও গভীর প্রভাব ফেলেছে। ব্রজবুলি ভাষা বাংলা ও মৈথিলির মিশ্রণে পরে গড়ে ওঠে, যার সঙ্গে তাঁর পদের মিল আছে। কিন্তু বিদ্যাপতির নিজের ভাষা মৈথিলি। সান্ধ্য ভাষা চর্যাপদের ভাষা এবং অহমিয়া আসামের ভাষা, এই দুটির কোনোটিই তাঁর পদের ভাষা নয়।
মনে রাখুন:
বিদ্যাপতিকে ‘মৈথিল কোকিল’ বলা হয়।
বিদ্যাপতিকে ‘অভিনব জয়দেব’ও বলা হয়।
চণ্ডীদাস বাংলা ভাষায় রাধা-কৃষ্ণের পদ লেখেন, আর বিদ্যাপতির পদের সঙ্গে তাঁর পদ প্রায়ই তুলনা করা হয়। - ৮৯. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী কোন মঙ্গল কাব্যধারার কবি?
- ক. চণ্ডীমঙ্গল
- খ. মনসামঙ্গল
- গ. ধর্মমঙ্গল
- ঘ. অন্নদামঙ্গল
উত্তর: ক. চণ্ডীমঙ্গল
মুকুন্দরাম চক্রবর্তী ষোড়শ শতকের কবি এবং তাঁর রচনা ‘অভয়ামঙ্গল’ বা ‘চণ্ডীমঙ্গল’, যেখানে দেবী চণ্ডীর মাহাত্ম্য বর্ণনা আছে। তাই তিনি চণ্ডীমঙ্গল ধারার কবি। তাঁকে ‘কবিকঙ্কণ’ উপাধি দেওয়া হয়। মনসামঙ্গল ও ধর্মমঙ্গল আলাদা দুটি ধারা, আর অন্নদামঙ্গল ভারতচন্দ্রের রচনা।
মনে রাখুন:
অন্নদামঙ্গলের কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর এবং মনসামঙ্গলের বিখ্যাত কবি বিজয় গুপ্ত ও নারায়ণ দেব।
চণ্ডীমঙ্গলের কাহিনিতে কালকেতু ও ফুল্লরার গল্প আছে।
ধর্মমঙ্গলের কবিদের মধ্যে ঘনরাম চক্রবর্তী প্রসিদ্ধ। - ৯০. 'মর্সিয়া' কী?
- ক. আগমনী গীতি
- খ. শোকগীতি
- গ. ধর্মগীতি
- ঘ. পল্লীগীতি
উত্তর: খ. শোকগীতি
মর্সিয়া আরবি শব্দ, যার অর্থ শোক। কারবালার যুদ্ধে ইমাম হোসেনের মৃত্যুর বেদনা নিয়ে যে শোকগাথা লেখা হয়, তাকে মর্সিয়া বলে। বাংলা সাহিত্যে এই ধারার কবিদের মধ্যে আছেন দৌলত উজির বাহরাম খান ও শেখ ফয়জুল্লাহ। মর্সিয়া মূলত শোকগীতি, তাই আনন্দের গান, ধর্মীয় সংগীত বা গ্রামের গান নয়।
মনে রাখুন:
আগমনী গীতি দেবী দুর্গার আগমনকে ঘিরে রচিত।
মীর মশাররফ হোসেনের ‘বিষাদ-সিন্ধু’ কারবালার কাহিনির গদ্য রূপ।
মর্সিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত শব্দ ‘মহরম’। - ৯১. 'চেষ্টায় সুসিদ্ধ করে জীবনের আশা'—বাক্যটি কার রচনা?
- ক. আলাওল
- খ. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
- গ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
- ঘ. শাহাদৎ হোসেন
উত্তর: খ. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
‘চেষ্টায় সুসিদ্ধ করে জীবনের আশা’ লাইনটি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের রচনা হিসেবে পরিচিত। তিনি প্রাচীন ও আধুনিক যুগের সন্ধিক্ষণের কবি, তাই তাঁকে যুগসন্ধির কবি বলা হয়। তাঁর রচনায় সমাজের হাস্যরস ও ব্যঙ্গ ফুটে ওঠে। আলাওল মধ্যযুগের কবি, আর মাইকেল মধুসূদন দত্তের কাব্যরীতি সম্পূর্ণ ভিন্ন, তাই তাঁদের নাম এখানে বসে না।
মনে রাখুন:
তিনি ‘সংবাদ প্রভাকর’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১৮১২ সালে জন্মেছিলেন এবং ১৮৫৯ সালে মারা যান।
তাঁকে যুগসন্ধির কবি বলা হয়। - ৯২. বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক—
- ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. সত্যেন্দ্র নাথ দত্ত
- গ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
- ঘ. কাদের নওয়াজ
উত্তর: গ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত। এই ছন্দে চরণের শেষে মিল থাকে না, কিন্তু ভাব বা অর্থ এক চরণ থেকে পরের চরণে প্রবাহিত হয়। তিনি এর ব্যবহার করেন ‘তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য’ ও ‘মেঘনাদবধ কাব্য’-তে। রবীন্দ্রনাথ ও সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত অন্য ছন্দের ক্ষেত্রে পরিচিত, তাই এই ছন্দের সঙ্গে তাঁদের নাম আসে না।
মনে রাখুন:
বাংলা কাব্যে মুক্তক ছন্দের প্রবর্তক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
‘মেঘনাদবধ কাব্য’ ১৮৬১ সালে প্রকাশিত হয়।
মধুসূদন বাংলা সনেটেরও প্রবর্তক। - ৯৩. কোনটি 'বিষাদ-সিন্ধু' উপন্যাসের চরিত্র নয়?
- ক. জয়নব
- খ. কাসেম
- গ. হোসেন
- ঘ. কুবের
উত্তর: ঘ. কুবের
‘বিষাদ-সিন্ধু’ মীর মশাররফ হোসেনের বিখ্যাত উপন্যাস, যেখানে কারবালার বিষাদময় কাহিনি আছে। এর চরিত্রের মধ্যে আছে জয়নব, কাসেম ও হোসেন। কিন্তু ‘কুবের’ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র। তাই এটি বিষাদ-সিন্ধুর চরিত্র নয়।
মনে রাখুন:
‘পদ্মা নদীর মাঝি’র আরও চরিত্র হোসেন মিয়া, কপিলা ও রাসু।
মীর মশাররফ হোসেনের আরও রচনা ‘জমীদার দর্পণ’ নাটক।
বিষাদ-সিন্ধু তিনটি পর্বে প্রকাশিত হয়: মহররম পর্ব, উদ্ধার পর্ব ও এজিদ বধ পর্ব। - ৯৪. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম সন কোনটি?
- ক. ১৮৩৮ খ্রি.
- খ. ১৮৩৬ খ্রি.
- গ. ১৮৩৭ খ্রি.
- ঘ. ১৮৩৯ খ্রি.
উত্তর: ক. ১৮৩৮ খ্রি.
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৩৮ সালের ২৬ জুন পশ্চিমবঙ্গের নৈহাটির কাঁঠালপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক এবং তাঁর প্রথম বাংলা উপন্যাস ‘দুর্গেশনন্দিনী’ (১৮৬৫)। বাকি অপশনগুলোর সাল ১৮৩৬, ১৮৩৭ ও ১৮৩৯, কোনোটিই তাঁর জন্মবছর নয়।
মনে রাখুন:
তাঁকে ‘সাহিত্য সম্রাট’ বলা হয়, আর তিনি ১৮৯৪ সালে মারা যান।
তাঁর আরও উপন্যাস ‘কপালকুণ্ডলা’ (১৮৬৬) ও ‘আনন্দমঠ’ (১৮৮২)।
তিনি ১৮৭২ সালে ‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকা প্রকাশ করেন। - ৯৫. কোন গ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত নয়?
- ক. ঘুম নেই
- খ. রাশিয়ার চিঠি
- গ. যোগাযোগ
- ঘ. রক্ত করবী
উত্তর: ক. ঘুম নেই
‘ঘুম নেই’ কাব্যগ্রন্থটি কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নয়। বাকি তিনটি রবীন্দ্রনাথের রচনা: ‘রাশিয়ার চিঠি’ ভ্রমণ-সাহিত্য, ‘যোগাযোগ’ উপন্যাস আর ‘রক্তকরবী’ সাংকেতিক নাটক। রবীন্দ্রনাথ কবিতা, গান, নাটক, উপন্যাস ও ভ্রমণকাহিনিসহ সাহিত্যের প্রায় সব শাখায় লিখেছেন, তাই তাঁর রচনার তালিকা বড়। কিন্তু সুকান্ত ভট্টাচার্য মাত্র একুশ বছর বয়সে মারা যান এবং তাঁর ‘ঘুম নেই’ তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়। এই দুই লেখকের রচনার নাম গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়।
মনে রাখুন:
সুকান্ত ভট্টাচার্যের অন্যান্য কাব্য ‘ছাড়পত্র’ ও ‘পূর্বাভাস’, আর তাঁকে ‘কিশোর কবি’ বলা হয়।
‘রক্তকরবী’ ১৯২৬ সালে প্রকাশিত।
‘যোগাযোগ’ ১৯২৯ সালের উপন্যাস। - ৯৬. কোন সাহিত্যিক 'ব্যাঙাচি' ছদ্মনামে লিখতেন?
- ক. বুদ্ধদেব বসু
- খ. জীবনানন্দ দাশ
- গ. কাজী নজরুল ইসলাম
- ঘ. অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
উত্তর: গ. কাজী নজরুল ইসলাম
কাজী নজরুল ইসলাম বিভিন্ন ছদ্মনামে লিখতেন, তার মধ্যে একটি ‘ব্যাঙাচি’। তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত। বুদ্ধদেব বসু, জীবনানন্দ দাশ ও অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত এই নামে লিখতেন না। ছদ্মনাম মানে লেখক যে নামে নিজের আসল নামের বদলে লেখেন। প্রশ্নে চার জনের নাম একসঙ্গে দেওয়া থাকলে আমাদের মনে রাখতে হবে, ‘ব্যাঙাচি’ ছদ্মনামটি নজরুলের।
মনে রাখুন:
অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত ও বুদ্ধদেব বসু ‘কল্লোল’ যুগের লেখক।
নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নিবীণা’ (১৯২২), আর তাঁর পত্রিকা ‘ধূমকেতু’।
নজরুলের বিখ্যাত কবিতা ‘বিদ্রোহী’ ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। - ৯৭. 'ছুনিয়া আমার আর্কেডিয়া' গ্রন্থের রচয়িতা—
- ক. আল মাহমুদ
- খ. নির্মলেন্দু গুণ
- গ. সৈয়দ শামসুল হক
- ঘ. রফিক আজাদ
উত্তর: ঘ. রফিক আজাদ
‘ছুনিয়া আমার আর্কেডিয়া’ কবি রফিক আজাদের কাব্যগ্রন্থ হিসেবে পরিচিত। তিনি ষাটের দশকের শক্তিশালী কবি। প্রকাশের বছর নিয়ে অনিশ্চয়তা আছে, তবে রচয়িতা হিসেবে তাঁর নামই প্রচলিত। আল মাহমুদ, নির্মলেন্দু গুণ ও সৈয়দ শামসুল হকের বিখ্যাত রচনার নাম আলাদা, তাই অন্য নাম বসানো ঠিক নয়।
মনে রাখুন:
‘সোনালী কাবিন’ আল মাহমুদের এবং ‘প্রেমাংশুর রক্ত চাই’ নির্মলেন্দু গুণের কাব্য।
রফিক আজাদের বিখ্যাত একটি কবিতা ‘ভাত দে হারামজাদা’।
রফিক আজাদের আরও কাব্য ‘অসম্ভবের পায়ে’। - ৯৮. 'কালো বরফ' রচনা করেন—
- ক. শহীদুল জহির
- খ. আহমদ ছফা
- গ. মাহমুদুল হক
- ঘ. সেলিনা হোসেন
উত্তর: গ. মাহমুদুল হক
‘কালো বরফ’ উপন্যাসের লেখক মাহমুদুল হক, যিনি বাংলাদেশের উপন্যাসিকদের মধ্যে বিশিষ্ট। তাঁর আরও পরিচিত উপন্যাস ‘খেলাঘর’ ও ‘জীবন আমার বোন’। শহীদুল জহির, আহমদ ছফা ও সেলিনা হোসেন প্রত্যেকেই আলাদা উপন্যাসের জন্য পরিচিত। প্রশ্নে লেখক চাওয়া হয়েছে, তাই বইয়ের নামের সঙ্গে সঠিক লেখকের নাম মিলিয়ে মনে রাখা দরকার।
মনে রাখুন:
‘হাঙর নদী গ্রেনেড’ সেলিনা হোসেনের এবং ‘ওঙ্কার’ আহমদ ছফার উপন্যাস।
শহীদুল জহিরের পরিচিত উপন্যাস ‘সে রাতে পূর্ণিমা ছিল’। - ৯৯. 'হাত-হদাই' একটি—
- ক. কাব্যগ্রন্থ
- খ. উপন্যাস
- গ. গল্পগ্রন্থ
- ঘ. নাটক
উত্তর: ঘ. নাটক
‘হাত-হদাই’ নাটকটি সেলিম আল দীনের রচনা। নোয়াখালীর আঞ্চলিক ভাষা ও লোকজীবন নিয়ে লেখা এই নাটকের নামের অর্থ সাত-সওদা বা হাট-বাজার করা। সেলিম আল দীন বাংলা নাটকে নিজস্ব ‘মঞ্চ-কথন’ রীতি গড়ে তুলেছেন। এটি নাটক, তাই কাব্যগ্রন্থ, উপন্যাস বা গল্পগ্রন্থ নয়।
মনে রাখুন:
তাঁর আরও নাটক ‘কিত্তনখোলা’ ও ‘চাকা’।
সেলিম আল দীনের আরও পরিচিত নাটক ‘কেরামতমঙ্গল’।
তিনি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান নাট্যকার। - ১০০. 'একাত্তরের ডায়েরী' কার লেখা?
- ক. জাহানারা ইমাম
- খ. সুফিয়া কামাল
- গ. শওকত আলী
- ঘ. আবু ইসহাক
উত্তর: খ. সুফিয়া কামাল
‘একাত্তরের ডায়েরী’ কবি সুফিয়া কামালের লেখা, যেখানে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তাঁর দিনলিপির অভিজ্ঞতা আছে। আর জাহানারা ইমামের বিখ্যাত বই ‘একাত্তরের দিনগুলি’, নামের মিল থাকায় দুটিকে প্রায়ই গুলিয়ে ফেলা হয়। শওকত আলী ও আবু ইসহাক কথাসাহিত্যিক, এই ডায়েরির লেখক নন।
মনে রাখুন:
সুফিয়া কামালকে ‘জননী সাহসিকা’ বলা হয়, তিনি মহিলা পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভানেত্রী।
তাঁর প্রথম কাব্য ‘সাঁঝের মায়া’।
জাহানারা ইমামকে ‘শহীদ জননী’ বলা হয়।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়: অন্যান্য পরীক্ষা
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিদ্যুৎ বিভাগ বিদ্যুৎ পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন