লিয়ানা বুকস

ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫: প্রশ্ন ও সমাধান

পরীক্ষা হয়েছে ১১ নভেম্বর ২০২৫। ১০৩টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।

সময় ধরে পরীক্ষা দিন →

ইংরেজি

  1. ১. The meeting was postponed — next Monday.
    • ক. with
    • খ. to
    • গ. on
    • ঘ. at
    উত্তর: খ. to
    কোনো কাজ যখন পরবর্তী একটি সময় পর্যন্ত স্থগিত রাখা হয়, তখন postpone-এর পরে preposition ‘to’ বা ‘until’ বসে। তাই বাক্যটি হবে: The meeting was postponed to next Monday, অর্থাৎ সভা আগামী সোমবার পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়া হলো। With এবং at এই অর্থে বসে না, আর on সাধারণত নির্দিষ্ট দিনের আগে বসলেও postpone-এর সঙ্গে ‘পিছিয়ে দেওয়া’র অর্থ আনতে to-ই ব্যবহার করা হয়।
    মনে রাখুন: Postpone মানে স্থগিত করা। Put off এবং defer শব্দ দুটিও প্রায় একই অর্থে ব্যবহার হয়।
  2. ৬. The students walked faster lest they — miss the class.
    • ক. had
    • খ. should
    • গ. could
    • ঘ. would
    উত্তর: খ. should
    Lest মানে ‘যাতে না হয়’ এবং এটি নিজেই নেতিবাচক অর্থ বহন করে। Lest বসলে এর পরের clause-এ সাধারণত should বসে, তারপর verb-এর base form আসে। তাই বাক্যটি হবে: The students walked faster lest they should miss the class। অর্থাৎ ছাত্ররা দ্রুত হাঁটছিল, যাতে ক্লাস মিস না হয়। Had, could বা would বসালে lest-এর এই গঠন ঠিক থাকে না।
    মনে রাখুন: Lest-এর সঙ্গে not বসানো যায় না। তাই lest they should not miss লেখা ভুল।
    উদাহরণ:
    Work hard lest you should fail।
  3. ১০. The dog swam —— the river.
    • ক. through
    • খ. round
    • গ. across
    • ঘ. into
    উত্তর: গ. across
    নদীর এপার থেকে ওপারে সাঁতার কেটে যাওয়া বোঝাতে ‘across’ বসে। Across মানে এক পাশ থেকে অন্য পাশ পর্যন্ত। তাই বাক্যটি হবে: The dog swam across the river। Through মানে কোনো কিছুর ভেতর দিয়ে, round মানে চারপাশে এবং into মানে ভেতরে প্রবেশ করা। কুকুরটি নদীর চারপাশে বা নদীর ভেতরে ঢোকার কথা বলা হয়নি, তাই এগুলো এখানে মানায় না।
    মনে রাখুন: Walk across the road, swim across the river, jump across the ditch, এসব ক্ষেত্রে across ব্যবহার হয়।
  4. ১৪. Which one is the correct passive sentence? He made me buy the book.
    • ক. I was made buying the book.
    • খ. I was made to buy the book.
    • গ. The book was bought by him.
    • ঘ. I was bought the book by him.
    উত্তর: খ. I was made to buy the book.
    ‘He made me buy the book’ বাক্যটিতে make শব্দের পরে to ছাড়া verb (buy) আছে। কিন্তু একে passive করলে make-এর পরে to যোগ হয়। তাই passive রূপ: I was made to buy the book (by him)। ‘Made buying’ ভুল, কারণ make-এর পর gerund বসে না। আবার ‘The book was bought by him’ বললে মূল অর্থ বদলে যায়, কারণ এখানে বাধ্য করার ভাবটি হারিয়ে যায়।
    মনে রাখুন: Active-এ make, see, hear, let-এর পর to ছাড়া verb থাকে, passive-এ কিন্তু make, see, hear-এর পর to আসে।
  5. ২১. He did not have much money to invest in his business; —— he became rich soon because of his honesty.
    • ক. therefore
    • খ. because
    • গ. that's why
    • ঘ. nevertheless
    উত্তর: ঘ. nevertheless
    বাক্যের প্রথম অংশে বলা হয়েছে, ব্যবসায় বিনিয়োগের জন্য তার বেশি টাকা ছিল না। দ্বিতীয় অংশে বলা হয়েছে, সততার কারণে সে দ্রুত ধনী হয়েছে। অর্থাৎ দ্বিতীয় অংশটি প্রথম অংশের উল্টো ফল দেখাচ্ছে। এই ধরনের বৈপরীত্য বোঝাতে nevertheless (তবুও, তথাপি) বসে। Therefore মানে সেজন্য, because মানে কারণ, আর that’s why মানে এ জন্যই। এগুলো কারণ-ফল সম্পর্ক বোঝায়, তাই এখানে খাটে না।
    মনে রাখুন: Nevertheless-এর সমার্থক শব্দ however, still, yet।
  6. ৩১. Which of the following sentences has a misplaced modifier?
    • ক. She almost drove her kids to school every day.
    • খ. She drove her kids to school almost every day.
    • গ. She drove almost every day to school.
    • ঘ. She drove her kids almost to school every day.
    উত্তর: ক. She almost drove her kids to school every day.
    Misplaced modifier হলো এমন শব্দ, যা বাক্যে ভুল জায়গায় বসে অর্থ বিভ্রান্ত করে। ‘She almost drove her kids to school every day’ বাক্যে almost শব্দটি drove-এর আগে বসেছে, ফলে মনে হয় সে গাড়ি চালানোর কাজটি প্রায় করেছে, কিন্তু আসলে করেনি। অথচ লেখকের উদ্দেশ্য ছিল প্রায় প্রতিদিন। তাই almost বসানো উচিত every day-এর ঠিক আগে: She drove her kids to school almost every day।
    মনে রাখুন: only, almost, just, nearly জাতীয় শব্দ যে শব্দকে বর্ণনা করে, তার ঠিক আগে বসাতে হয়।
  7. ৩৩. The sentence 'I wandered lonely as a cloud' is a—
    • ক. Simile
    • খ. hyperbole
    • গ. metaphor
    • ঘ. hyperbole
    উত্তর: ক. Simile
    দুটি আলাদা জিনিসের মধ্যে ‘like’ বা ‘as’ দিয়ে তুলনা করলে তাকে Simile (উপমা) বলে। ‘I wandered lonely as a cloud’ বাক্যে কবি নিজেকে মেঘের সঙ্গে as দিয়ে তুলনা করেছেন, তাই এটি simile। Metaphor-এ like বা as থাকে না, সরাসরি বলা হয় একটি জিনিস অন্যটি। আর Hyperbole হলো ইচ্ছাকৃত অতিরঞ্জন।
    মনে রাখুন: এই লাইনটি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থের বিখ্যাত কবিতা ‘Daffodils’ থেকে নেওয়া।
    উদাহরণ:
    Metaphor: Life is a journey।
    Simile: She is as brave as a lion।
  8. ৩৪. You — not go today.
    • ক. would rather
    • খ. would better
    • গ. had better
    • ঘ. had rather
    উত্তর: গ. had better
    ‘Had better’ দিয়ে উপদেশ বা সতর্কবার্তা বোঝানো হয়, অর্থাৎ ‘করাই ভালো’। ‘You had better not go today’ বাক্যের অর্থ আজ না যাওয়াই তোমার জন্য ভালো। Would rather-এর অর্থ বরং করতাম, তাই এখানে বসে না। Would better বা had rather ইংরেজিতে এই অর্থে ব্যবহার হয় না।
    মনে রাখুন: Had better-এর পরে সব সময় to ছাড়া verb বসে, আর নিষেধ বোঝাতে not বসে had better-এর পরে।
    উদাহরণ:
    We had better leave now।
  9. ৩৭. Francis Bacon is famous for his writing on —.
    • ক. dramas
    • খ. novels
    • গ. poetry
    • ঘ. essays
    উত্তর: ঘ. essays
    ফ্রান্সিস বেকন একজন ইংরেজ দার্শনিক ও রাষ্ট্রনায়ক। তিনি প্রবন্ধ (Essay) লিখে বিখ্যাত হন এবং তাঁকে ইংরেজি প্রবন্ধের জনক (Father of English Essay) বলা হয়। তাঁর বিখ্যাত প্রবন্ধ: Of Truth, Of Studies, Of Marriage and Single Life। নাটক, উপন্যাস বা কবিতার জন্য তিনি পরিচিত নন।
    মনে রাখুন:
    তাঁর প্রবন্ধ সংকলনের নাম ‘Essays’ (১৫৯৭)।
    তাঁর আরেকটি বিখ্যাত বই ‘Novum Organum’।
  10. ৩৯. They are thought to — (study) for three hours under the mango tree.
    • ক. study
    • খ. have studied
    • গ. have been studying
    • ঘ. studying
    উত্তর: গ. have been studying
    বাক্যে ‘for three hours’ আছে, যা একটানা চলতে থাকা কাজ বোঝায়, তাই Perfect Continuous রূপ লাগবে। ‘They are thought to...’ কাঠামোতে অতীতের চলমান কাজ বোঝাতে ‘to have been + verb-ing’ ব্যবহার হয়। অর্থাৎ বাক্যটি হবে: They are thought to have been studying for three hours under the mango tree। অন্য অপশনগুলো এই সময়কালের অর্থ দেয় না।
    মনে রাখুন: ‘since’ বা ‘for’ দিয়ে সময়ের পরিমাণ বোঝালে সাধারণত perfect continuous রূপ ব্যবহার হয়।
  11. ৪৬. Identify the correct sentence:
    • ক. Neither the chairman or the directors was present.
    • খ. Neither the chairman nor the directors were present.
    • গ. Neither the chairman nor the directors is present.
    • ঘ. Neither the directors nor the chairman were present.
    উত্তর: খ. Neither the chairman nor the directors were present.
    Neither…nor জোড়ে দুটি subject থাকলে verb সব সময় nor-এর পরের subject অনুযায়ী হয়, অর্থাৎ নিকটবর্তী subject-কে অনুসরণ করে। এখানে nor-এর পরে ‘directors’ বহুবচন, তাই verb হবে were। আবার neither-এর সঙ্গে সব সময় nor বসে, or বসে না, তাই প্রথম বাক্যটি ভুল। তৃতীয় বাক্যে ভুল verb is বসেছে। চতুর্থ বাক্যে chairman nor-এর পরে এসেছে বলে verb was হওয়া উচিত ছিল।
    মনে রাখুন: Either…or-এর ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য, verb হয় or-এর পরের subject অনুযায়ী।
    উদাহরণ:
    Either he or his brothers are guilty।
  12. ৫২. The teachers — student evaluations were the highest won an award.
    • ক. which
    • খ. whom
    • গ. whose
    • ঘ. who
    উত্তর: গ. whose
    বাক্যটি আসলে: The teachers whose student evaluations were the highest won an award। এখানে teachers-এর সঙ্গে সম্পর্কিত student evaluations, অর্থাৎ ‘যাদের শিক্ষার্থী-মূল্যায়ন’। মালিকানা বা সম্পর্ক বোঝাতে relative pronoun ‘whose’ বসে। Which শুধু বস্তুর জন্য, whom কর্মপদের জন্য এবং who কর্তার জন্য ব্যবহৃত হয়, তাই এগুলো এখানে মানায় না।
    মনে রাখুন: Whose মানুষ ও বস্তু দুই ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা যায়।
    উদাহরণ:
    The man whose car was stolen called the police।
  13. ৫৪. Which one is the correct superlative sentence?
    • ক. He is the most brilliant students in the class.
    • খ. He is most brilliant than all other students in the class.
    • গ. He is the more brilliant student in the class.
    • ঘ. He is one of the most brilliant students in the class.
    উত্তর: ঘ. He is one of the most brilliant students in the class.
    Superlative degree-তে সাধারণত ‘the + most/-est’ বসে এবং শেষে একবচন noun থাকে। ‘One of the most brilliant students’ গঠনে one of-এর পরে superlative ও plural noun বসে, তাই D শুদ্ধ। A-তে the most brilliant-এর পরে students plural ভুল। B-তে most-এর পরে than বসানো যায় না। C-তে ‘more’ comparative, superlative নয়।
    মনে রাখুন: ‘one of the’ এর পরে সবসময় plural noun বসে, কিন্তু verb একবচন হয়, যেমন: He is one of the best players।
  14. ৫৫. Identify the correct active form of the sentence: "He is believed to have cheated in the exam".
    • ক. People believed he cheated in the exam.
    • খ. People are believing he cheated in the exam.
    • গ. People had believed he cheated in the exam.
    • ঘ. People believe he has cheated in the exam.
    উত্তর: ঘ. People believe he has cheated in the exam.
    ‘He is believed to have cheated’ বাক্যটি Passive, এর Active রূপে ‘People’ কর্তা হয় এবং main verb Present Indefinite Tense-এ থাকে। Passive-এ ‘is believed’ থাকায় tense present। আবার ‘to have cheated’ মানে কাজটি আগেই ঘটে গেছে, তাই that-clause-এ Present Perfect বসে: People believe he has cheated in the exam। অন্য অপশনের tense মূল বাক্যের সঙ্গে মেলে না।
    মনে রাখুন: ‘It is believed that…’ কাঠামোকেও ‘He is believed to…’ রূপে বদলানো যায়।
  15. ৫৮. The teachers — student evaluations were the highest won an award.
    • ক. which
    • খ. whom
    • গ. whose
    • ঘ. who
    উত্তর: গ. whose
    বাক্যটি আসলে: The teachers whose student evaluations were the highest won an award। এখানে teachers-এর সঙ্গে সম্পর্কিত student evaluations, অর্থাৎ ‘যাদের শিক্ষার্থী-মূল্যায়ন’। মালিকানা বা সম্পর্ক বোঝাতে relative pronoun ‘whose’ বসে। Which শুধু বস্তুর জন্য, whom কর্মপদের জন্য এবং who কর্তার জন্য ব্যবহৃত হয়, তাই এগুলো এখানে মানায় না।
    মনে রাখুন: Whose মানুষ ও বস্তু দুই ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা যায়।
    উদাহরণ:
    The man whose car was stolen called the police।
  16. ৬০. Which one is the correct superlative sentence?
    • ক. He is the most brilliant students in the class.
    • খ. He is most brilliant than all other students in the class.
    • গ. He is the more brilliant student in the class.
    • ঘ. He is one of the most brilliant students in the class.
    উত্তর: ঘ. He is one of the most brilliant students in the class.
    Superlative degree-তে সাধারণত ‘the + most/-est’ বসে এবং শেষে একবচন noun থাকে। ‘One of the most brilliant students’ গঠনে one of-এর পরে superlative ও plural noun বসে, তাই D শুদ্ধ। A-তে the most brilliant-এর পরে students plural ভুল। B-তে most-এর পরে than বসানো যায় না। C-তে ‘more’ comparative, superlative নয়।
    মনে রাখুন: ‘one of the’ এর পরে সবসময় plural noun বসে, কিন্তু verb একবচন হয়, যেমন: He is one of the best players।
  17. ৬১. Identify the correct active form of the sentence: "He is believed to have cheated in the exam".
    • ক. People believed he cheated in the exam.
    • খ. People are believing he cheated in the exam.
    • গ. People had believed he cheated in the exam.
    • ঘ. People believe he has cheated in the exam.
    উত্তর: ঘ. People believe he has cheated in the exam.
    ‘He is believed to have cheated’ বাক্যটি Passive, এর Active রূপে ‘People’ কর্তা হয় এবং main verb Present Indefinite Tense-এ থাকে। Passive-এ ‘is believed’ থাকায় tense present। আবার ‘to have cheated’ মানে কাজটি আগেই ঘটে গেছে, তাই that-clause-এ Present Perfect বসে: People believe he has cheated in the exam। অন্য অপশনের tense মূল বাক্যের সঙ্গে মেলে না।
    মনে রাখুন: ‘It is believed that…’ কাঠামোকেও ‘He is believed to…’ রূপে বদলানো যায়।
  18. ৭৭. The noise level of Dhaka city has increased exponentially. Here the underlined word means—
    • ক. amazingly
    • খ. steadily
    • গ. rapidly
    • ঘ. shockingly
    উত্তর: গ. rapidly
    Exponentially শব্দের অর্থ দ্রুত বাড়তে থাকা, বিশেষ করে এমনভাবে যে বৃদ্ধির হার ক্রমেই বেড়ে চলে। তাই ‘increased exponentially’ মানে অতি দ্রুতগতিতে বেড়েছে, অর্থাৎ rapidly। Steadily মানে স্থির বা নিয়মিতভাবে, amazingly মানে বিস্ময়করভাবে এবং shockingly মানে চমকে দেওয়ার মতো। এগুলো বৃদ্ধির দ্রুততা বোঝায় না।
    মনে রাখুন: Exponent-এর বাংলা সূচক বা ঘাত। যেমন 2³-এ ঘাত 3।
  19. ৮০. Choose the correct synonym of 'transient'.
    • ক. loud
    • খ. bright
    • গ. temporary
    • ঘ. everlasting
    উত্তর: গ. temporary
    Transient শব্দের অর্থ ক্ষণস্থায়ী বা অস্থায়ী, তাই এর সমার্থক শব্দ temporary। অন্য অপশনগুলো অর্থের দিক থেকে মেলে না: loud মানে জোরালো, bright মানে উজ্জ্বল, আর everlasting মানে চিরস্থায়ী, যা transient-এর বিপরীত।
    মনে রাখুন:
    Transient-এর অন্যান্য সমার্থক শব্দ fleeting, momentary, brief।
    বিপরীত শব্দ permanent, lasting।
  20. ৮৩. "Through thick and thin" means—
    • ক. to make thick and thin
    • খ. of great density
    • গ. under all conditions
    • ঘ. to clear understanding
    উত্তর: গ. under all conditions
    ‘Through thick and thin’ idiom-এর অর্থ সব রকম অবস্থায়, ভালো-মন্দ সকল পরিস্থিতিতে। অর্থাৎ সুখে-দুঃখে কারও পাশে থাকা বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়। অন্য অপশনগুলো এর আক্ষরিক বা ভুল অর্থ।
    উদাহরণ:
    A true friend stays with you through thick and thin।
    মনে রাখুন:
    সমার্থক: in all circumstances।
    By and large = মোটের ওপর।
    In the long run = শেষ পর্যন্ত।
  21. ৮৪. We need not — (go) there any more.
    • ক. to go
    • খ. going
    • গ. go
    • ঘ. went
    উত্তর: গ. go
    Need শব্দটি modal verb হিসেবে নেতিবাচক বাক্যে ব্যবহার হলে (need not) এর পরে to ছাড়া verb-এর base form বসে। তাই ‘We need not go there any more’ শুদ্ধ। To go বা going বসালে modal-এর নিয়ম ভেঙে যায়, আর went অতীত রূপ, যা modal-এর পরে বসে না।
    মনে রাখুন: Need not = প্রয়োজন নেই। এই কাঠামো মূলত negative ও interrogative বাক্যে আসে।
    উদাহরণ:
    Need he go?
    You need not worry।
  22. ৮৬. Which one is the correct sentence?
    • ক. I will call you when I have time.
    • খ. I will call you when I will have time.
    • গ. I will call you when I am having time.
    • ঘ. None of the above.
    উত্তর: ক. I will call you when I have time.
    ভবিষ্যৎ সময়ের কথা বোঝালেও when দিয়ে শুরু হওয়া সময়বাচক clause-এ future tense বসে না, Present Indefinite Tense বসে। তাই ‘I will call you when I have time’ শুদ্ধ। ‘When I will have time’ এবং ‘when I am having time’ এই অর্থে ব্যবহার হয় না। আবার ‘None of the above’ বলার সুযোগ নেই, কারণ প্রথম বাক্যটি নিখুঁত।
    মনে রাখুন: until, as soon as, before, after, once-এর পরেও এই নিয়ম প্রযোজ্য।
    উদাহরণ:
    I will wait until he comes।
  23. ৮৮. I would have lent you my laptop if you — me.
    • ক. had asked
    • খ. would have asked
    • গ. could have asked
    • ঘ. could ask
    উত্তর: ক. had asked
    ‘I would have lent you my laptop’ অংশে would have + past participle আছে। এটি Third Conditional, যা অতীতের অবাস্তব শর্তের কথা বোঝায়, অর্থাৎ যা ঘটেনি তার কথা বলে। এই কাঠামোতে if-clause-এ Past Perfect (had + v₃) বসে, তাই ‘if you had asked me’ শুদ্ধ। Would have বা could have if-clause-এ বসে না।
    মনে রাখুন: Third Conditional: If + had + v₃, would have + v₃।
    উদাহরণ:
    If he had studied, he would have passed।
  24. ৮৯. A person who writes dictionaries is a—.আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) ২০১৯
    • ক. lexicographer
    • খ. curator
    • গ. philatelist
    • ঘ. oculist
    উত্তর: ক. lexicographer
    যিনি অভিধান রচনা করেন, তাঁকে lexicographer (অভিধানকার) বলে। বাকি শব্দগুলোর অর্থ আলাদা: curator হলেন জাদুঘর বা গ্যালারির তত্ত্বাবধায়ক, philatelist ডাকটিকিট সংগ্রাহক এবং oculist চক্ষু চিকিৎসক।
    মনে রাখুন:
    Lexicography = অভিধান রচনার বিদ্যা।
    Cartographer = মানচিত্র অঙ্কনকারী।
    Numismatist = মুদ্রা সংগ্রাহক।
  25. ৯২. Which word/phrase is the incorrect part of the sentence: Shahnaj had better to change her subject if she plans to be admitted to a good university.
    • ক. had
    • খ. to change
    • গ. if
    • ঘ. to be admitted
    উত্তর: খ. to change
    ‘Had better’ একটি modal-এর মতো ব্যবহৃত হয় এবং এর পরে সরাসরি verb-এর base form বসে, মাঝখানে to বসে না। তাই ‘had better to change’ ভুল এবং শুদ্ধ রূপ ‘had better change’। বাকি অংশগুলো ঠিক আছে: if দিয়ে শর্ত দেওয়া হয়েছে এবং plans-এর পর infinitive ‘to be admitted’ শুদ্ধ।
    মনে রাখুন: Had better-এর নেতিবাচক রূপ had better not।
    উদাহরণ:
    You had better not be late।
  26. ৯৪. Which word is the best antonym of 'compassionate'?
    • ক. Sympathetic
    • খ. indifferent
    • গ. empathetic
    • ঘ. benevolent
    উত্তর: খ. indifferent
    Compassionate মানে সহানুভূতিশীল, অর্থাৎ অন্যের কষ্টে ব্যথিত হয় এমন। এর বিপরীত শব্দ indifferent, অর্থাৎ উদাসীন বা যে অন্যের কষ্ট নিয়ে মাথা ঘামায় না। Sympathetic, empathetic ও benevolent তিনটির অর্থই সহানুভূতিশীল বা দয়ালু, তাই এগুলো synonym, antonym নয়।
    মনে রাখুন: Compassionate-এর আরও বিপরীত শব্দ callous, heartless, cruel।
  27. ৯৭. 'This is the go of the day.' Here the word 'go' is—
    • ক. a noun
    • খ. a verb
    • গ. an adjective
    • ঘ. an adverb
    উত্তর: ক. a noun
    ‘This is the go of the day’ বাক্যে ‘the’ article-এর ঠিক পরে ‘go’ বসেছে, আর article সব সময় noun বা noun-এর আগের বিশেষণের আগে বসে। এখানে go মানে চলতি ফ্যাশন বা হালের রীতি, যেমন ‘এটাই এখনকার চল’। তাই এখানে go একটি noun। সাধারণত go verb হলেও এখানে সেটি আলাদা ভূমিকা নিয়েছে।
    মনে রাখুন: একই শব্দ বাক্যে কোন ভূমিকা নিচ্ছে, তার ওপর নির্ভর করে সেটি noun, verb বা অন্য কিছু হবে।
    উদাহরণ:
    He is full of go। (এখানেও go noun, অর্থ প্রাণশক্তি)

গণিত

  1. ২. একটি সংখ্যার ৩০ শতাংশের ১৫ শতাংশ ১৮ হলে সংখ্যাটি কত?
    • ক. ৪০০
    • খ. ২০০
    • গ. ৩৬
    • ঘ. ৮১
    উত্তর: ক. ৪০০
    সংখ্যাটি x ধরি। প্রশ্ন অনুযায়ী x-এর ৩০ শতাংশের ১৫ শতাংশ ১৮। অর্থাৎ আগে x-এর ৩০% নিয়ে তারপর সেই ফলের ১৫% নিতে হবে।
    সুতরাং x × (30/100) × (15/100) = 18
    x = 18 × (100/30) × (100/15) = 400।
    যাচাই: 400-এর 30% = 120 এবং 120-এর 15% = 18। হিসাব মিলে গেল।
    মনে রাখুন: পরপর দুটি শতাংশ নিলে দুটি ভগ্নাংশ গুণ করতে হয়, যোগ করা যায় না। এখানে 30% ও 15% মিলে আসলে 4.5%।
  2. ১১. মুনাফা ১২% থেকে হ্রাস পেয়ে ৮% হলে কত টাকার বার্ষিক মুনাফা ৫০০ টাকা হ্রাস পাবে?
    • ক. ১৫০০০
    • খ. ১২০০০
    • গ. ১২৫০০
    • ঘ. ১৩৫০০
    উত্তর: গ. ১২৫০০
    মূলধন (Capital) x টাকা ধরি। মুনাফার হার ১২% থেকে ৮% হলে হার কমে ৪%। এই ৪% কমলে বছরে ৫০০ টাকা মুনাফা কমে যাচ্ছে।
    সুতরাং x-এর 4% = 500
    x = 500 × 100/4 = 12500 টাকা।
    যাচাই: 12500-এর 12% = 1500 এবং 8% = 1000। পার্থক্য 500, সঠিক।
    মনে রাখুন: বার্ষিক সরল মুনাফা = মূলধন × হার/100, তাই হারের পার্থক্যকে মূলধন দিয়ে গুণ করলেই মুনাফার পার্থক্য পাওয়া যায়।
  3. ২০. একজন ব্যাটসম্যান প্রথম তিনটি T-20 খেলায় যথাক্রমে ৮২, ৮৫ ও ৯২ রান করেন। চতুর্থ খেলায় কত রান করলে তার গড় রান হবে ৮৭?
    • ক. ৮৬
    • খ. ৮৯
    • গ. ৮৭
    • ঘ. ৮৮
    উত্তর: খ. ৮৯
    প্রথম তিন ম্যাচে মোট রান = 82 + 85 + 92 = 259।
    চার ম্যাচে গড় 87 হতে হলে মোট রান লাগবে 87 × 4 = 348।
    তাহলে চতুর্থ ম্যাচে করতে হবে 348 − 259 = 89 রান।
    শর্টকাট: প্রতিটি ম্যাচের রান ও লক্ষ্যমাত্রা গড়ের (87) পার্থক্য ধরে হিসাব করা যায়: (−5) + (−2) + 5 = −2, তাই চতুর্থ ম্যাচে 87 + 2 = 89।
    মনে রাখুন: গড় = মোট রান ÷ ম্যাচের সংখ্যা, তাই মোট রান = গড় × ম্যাচের সংখ্যা।
  4. ২২. ১০০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৯৪ জন বাংলায়, ৮০ জন গণিতে এবং ৭৫ জন উভয় বিষয়ে পাশ করে। কতজন শিক্ষার্থী এক বা উভয় বিষয়ে পাশ করে?
    • ক. ৮৭
    • খ. ৯২
    • গ. ৯৯
    • ঘ. ৯৪
    উত্তর: গ. ৯৯
    এখানে কেউ কেউ শুধু বাংলায়, কেউ শুধু গণিতে এবং কেউ দুটিতেই পাশ করেছে। Venn চিত্র করলে দেখা যায়:
    শুধু বাংলায় = 94 − 75 = 19
    শুধু গণিতে = 80 − 75 = 5
    উভয়ে = 75
    মোট = 19 + 5 + 75 = 99 জন।
    সূত্র দিয়েও মিলে: n(A ∪ B) = n(A) + n(B) − n(A ∩ B) = 94 + 80 − 75 = 99।
    মনে রাখুন: 100 জনের মধ্যে 99 জন পাশ করেছে, অর্থাৎ ফেল করেছে মাত্র 1 জন।
  5. ২৩. a² + 2a − 3 এবং a² − 2a − 3 এর গ.সা.গু. কত?
    • ক. 1
    • খ. a+1
    • গ. a−1
    • ঘ. 2
    উত্তর: ক. 1
    গ.সা.গু. বের করতে আগে রাশি দুটিকে উৎপাদকে ভাঙি।
    প্রথম রাশি: a² + 2a − 3 = (a + 3)(a − 1)
    দ্বিতীয় রাশি: a² − 2a − 3 = (a − 3)(a + 1)
    দুই রাশির উৎপাদক (a+3), (a−1), (a−3), (a+1) এর কোনোটিই মেলে না। তাই সাধারণ উৎপাদক নেই এবং গ.সা.গু. 1।
    মনে রাখুন: উৎপাদক ভাঙার সময় মধ্যপদ ভেঙে ভাগ করা যায়, যেমন a² + 2a − 3 = a² + 3a − a − 3।
  6. ২৫. যদি 2x = 2/x + 3 হয়, তবে 8x³ − 8/x³ = কত?
    • ক. 65
    • খ. 63
    • গ. 70
    • ঘ. 62
    উত্তর: খ. 63
    প্রশ্নের শর্ত 2x = 2/x + 3 থেকে 2x − 2/x = 3, অর্থাৎ x − 1/x = 3/2।
    ঘনের সূত্র: x³ − 1/x³ = (x − 1/x)³ + 3(x − 1/x) = 27/8 + 9/2 = 63/8।
    তাহলে 8x³ − 8/x³ = 8 × 63/8 = 63।
    মনে রাখুন: a³ − b³ = (a − b)³ + 3ab(a − b)। এখানে ab = x·(1/x) = 1, তাই সূত্রটি সহজ হয়ে গেছে।
  7. ২৬. দুটি সংখ্যার অনুপাত ৫ : ৬ এবং তাদের ল.সা.গু. ১২০। সংখ্যা দুটির গ.সা.গু. হবে—আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৪
    • ক. ৩
    • খ. ৫
    • গ. ৪
    • ঘ. ৬
    উত্তর: গ. ৪
    সংখ্যা দুটির অনুপাত 5 : 6 হলে সংখ্যা দুটি 5x ও 6x ধরা যায়। এদের গ.সা.গু. x, কারণ 5 ও 6 পরস্পর সহমৌলিক।
    ল.সা.গু. = 5 × 6 × x = 30x
    প্রশ্ন অনুযায়ী 30x = 120, তাই x = 4।
    সুতরাং গ.সা.গু. 4। সংখ্যা দুটি 20 ও 24; এদের ল.সা.গু. 120 এবং গ.সা.গু. 4।
    মনে রাখুন: দুটি সংখ্যার গুণফল = গ.সা.গু. × ল.সা.গু.। এখানে 20 × 24 = 480 = 4 × 120।
  8. ৪৮. টাকায় ৩টি করে আম ক্রয় করে টাকায় ২টি করে আম বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ হবে?
    • ক. ৫০%
    • খ. ৩৩%
    • গ. ৩০%
    • ঘ. ২০%
    উত্তর: ক. ৫০%
    টাকায় 3টি আম কিনলে প্রতিটি আমের ক্রয়মূল্য 1/3 টাকা। টাকায় 2টি আম বিক্রি করলে প্রতিটির বিক্রয়মূল্য 1/2 টাকা।
    প্রতিটিতে লাভ = 1/2 − 1/3 = 1/6 টাকা।
    শতকরা লাভ = (1/6) ÷ (1/3) × 100 = 50%।
    শর্টকাট: যত আম কিনে (3), তার চেয়ে কম বিক্রি করলে লাভ = (3 − 2)/2 × 100 = 50%।
    মনে রাখুন: লাভ-ক্ষতির শতকরা হিসাব সব সময় ক্রয়মূল্যের ওপর করা হয়।
  9. ৪৯. a^x = b, b^y = c এবং c^z = a হলে, xyz = ?
    • ক. 0
    • খ. 1
    • গ. 2
    • ঘ. 1/2
    উত্তর: খ. 1
    a^x = b এবং b^y = c হলে প্রথম সমীকরণ থেকে b-এর মান দ্বিতীয়টিতে বসিয়ে পাই (a^x)^y = c, অর্থাৎ a^(xy) = c। এখন c^z = a, তাই c-এর বদলে a^(xy) বসালে (a^(xy))^z = a, অর্থাৎ a^(xyz) = a^1।
    ভিত্তি সমান হলে ঘাতও সমান হয়, তাই xyz = 1।
    মনে রাখুন: (a^m)^n = a^(mn)। চক্রাকার ঘাত-সম্পর্কে পরপর বসিয়ে গেলে শেষে মূল রাশি ফিরে আসে এবং ঘাতগুলোর গুণফল 1 হয়।
  10. ৫১. একটি ল্যাপটপের বিক্রয়মূল্য ক্রয়মূল্যের ১/৪ অংশের সমান হলে, শতকরা কত ক্ষতি হলো?
    • ক. ২৫%
    • খ. ৫০%
    • গ. ৬০%
    • ঘ. ৭৫%
    উত্তর: ঘ. ৭৫%
    ক্রয়মূল্য x টাকা ধরি। বিক্রয়মূল্য ক্রয়মূল্যের 1/4 অংশ, অর্থাৎ x/4।
    ক্ষতি = x − x/4 = 3x/4
    শতকরা ক্ষতি = (3x/4) ÷ x × 100 = 75%।
    যাচাই: ক্রয়মূল্য 100 টাকা হলে বিক্রয়মূল্য 25 টাকা, ফলে ক্ষতি 75 টাকা। শতকরা ক্ষতি 75%।
    মনে রাখুন: ক্ষতি সব সময় ক্রয়মূল্যের ওপর শতকরা হিসাব করা হয়। বিক্রয়মূল্য ক্রয়মূল্যের কত অংশ জানলে ক্ষতি = (1 − অংশ) × 100%। এখানে (1 − 1/4) × 100 = 75।
  11. ৫৭. একটি ল্যাপটপের বিক্রয়মূল্য ক্রয়মূল্যের ১/৪ অংশের সমান হলে, শতকরা কত ক্ষতি হলো?
    • ক. ২৫%
    • খ. ৫০%
    • গ. ৬০%
    • ঘ. ৭৫%
    উত্তর: ঘ. ৭৫%
    ক্রয়মূল্য x টাকা ধরি। বিক্রয়মূল্য ক্রয়মূল্যের 1/4 অংশ, অর্থাৎ x/4।
    ক্ষতি = x − x/4 = 3x/4
    শতকরা ক্ষতি = (3x/4) ÷ x × 100 = 75%।
    যাচাই: ক্রয়মূল্য 100 টাকা হলে বিক্রয়মূল্য 25 টাকা, ফলে ক্ষতি 75 টাকা। শতকরা ক্ষতি 75%।
    মনে রাখুন: ক্ষতি সব সময় ক্রয়মূল্যের ওপর শতকরা হিসাব করা হয়। বিক্রয়মূল্য ক্রয়মূল্যের কত অংশ জানলে ক্ষতি = (1 − অংশ) × 100%। এখানে (1 − 1/4) × 100 = 75।
  12. ৬৫. কোন শর্তে log_m m = 1 হবে?
    • ক. m > 0
    • খ. m > 0, m ≠ 1
    • গ. m ≠ 1
    • ঘ. m ≠ 0, m > 1
    উত্তর: খ. m > 0, m ≠ 1
    লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী log_a b = c মানে a^c = b। এখানে ভিত্তি m হলে log_m m = 1, কারণ m^1 = m। কিন্তু লগারিদমের ভিত্তি ধনাত্মক হতে হবে এবং 1 হতে পারবে না, তাই শর্ত m > 0 এবং m ≠ 1।
    ভিত্তি 1 হলে 1 এর যেকোনো ঘাত 1 হয়, তাই কোনো সংখ্যার লগ নির্ণয় করা যায় না। আবার ভিত্তি ঋণাত্মক বা শূন্য হলেও লগ সংজ্ঞায়িত হয় না।
    মনে রাখুন:
    log_a 1 = 0।
    log_a a = 1 (a > 0, a ≠ 1)।
  13. ৭৫. ১টি সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজের দৈর্ঘ্য ১২ সে.মি. হলে, ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত বর্গ সে.মি. হবে?
    • ক. ৪৮
    • খ. ৫৬
    • গ. ৭২
    • ঘ. ৩৬
    উত্তর: ঘ. ৩৬
    সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজের সমান বাহু দুটি ধরি a। পিথাগোরাসের সূত্রে a² + a² = 12² = 144, তাই a² = 72।
    ক্ষেত্রফল = ½ × a × a = ½ × 72 = 36 বর্গ সে.মি.।
    শর্টকাট: অতিভুজ h হলে ক্ষেত্রফল = h²/4 = 144/4 = 36।
    মনে রাখুন: সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজের কোণ তিনটি 45°, 45° ও 90°। অতিভুজ = সমান বাহু × √2।
  14. ৭৬. ABC ত্রিভুজের AB = AC, ∠A = 40° হলে ∠B = কত?
    • ক. 40°
    • খ. 60°
    • গ. 70°
    • ঘ. 90°
    উত্তর: গ. 70°
    ত্রিভুজ ABC-তে AB = AC, তাই এটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ। সমদ্বিবাহু ত্রিভুজে সমান বাহুর বিপরীত কোণ দুটিও সমান, অর্থাৎ ∠B = ∠C।
    ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি 180°। ∠A + ∠B + ∠C = 180°
    40° + 2∠B = 180°, তাই 2∠B = 140° এবং ∠B = 70°।
    মনে রাখুন: সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের শীর্ষকোণ জানলে ভূমিকোণ = (180° − শীর্ষকোণ)/2।
  15. ৭৯. 2a² + 6a − 80 এর একটি উৎপাদক কোনটি?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৪
    • ক. 2(a−8)
    • খ. (a+5)
    • গ. (a+4)
    • ঘ. (a+8)
    উত্তর: ঘ. (a+8)
    প্রথমে সাধারণ উৎপাদক 2 বের করি: 2a² + 6a − 80 = 2(a² + 3a − 40)।
    এবার a² + 3a − 40 ভাঙতে হলে এমন দুটি সংখ্যা লাগে যাদের গুণফল −40 এবং যোগফল 3, সেগুলো 8 ও −5। তাই a² + 3a − 40 = (a + 8)(a − 5)।
    সুতরাং রাশিটি = 2(a + 8)(a − 5) এবং একটি উৎপাদক (a + 8)।
    মনে রাখুন: 2(a − 8) নয়, কারণ a = 8 বসালে রাশি শূন্য হয় না।
  16. ৮৫. (√3)^{x+1} = (∛3)^{2x−1} এর সমাধান কত?
    • ক. x = 5
    • খ. x = 4
    • গ. x = 7
    • ঘ. x = 6
    উত্তর: ক. x = 5
    √3 = 3^(1/2) এবং ∛3 = 3^(1/3)। সমীকরণটি দাঁড়ায়: 3^((x+1)/2) = 3^((2x−1)/3)।
    ভিত্তি সমান হলে ঘাতও সমান: (x+1)/2 = (2x−1)/3
    3(x+1) = 2(2x−1) → 3x + 3 = 4x − 2 → x = 5।
    যাচাই: x = 5 হলে বাম দিকে 3^((5+1)/2) = 3^3 এবং ডান দিকে 3^((10−1)/3) = 3^3। দুই দিক সমান।
    মনে রাখুন: মূলদ ঘাতে রূপান্তর: √a = a^(1/2), ∛a = a^(1/3)।
  17. ৯১. tanθ = 3/4 হলে, cosecθ = ?
    • ক. 5/3
    • খ. 3/5
    • গ. 4/3
    • ঘ. 5/4
    উত্তর: ক. 5/3
    tanθ = লম্ব/ভূমি = 3/4, তাই লম্ব = 3 এবং ভূমি = 4 ধরা যায়।
    পিথাগোরাস অনুযায়ী অতিভুজ = √(3² + 4²) = √25 = 5।
    sinθ = লম্ব/অতিভুজ = 3/5, তাই cosecθ = 1/sinθ = 5/3।
    মনে রাখুন:
    cosecθ = অতিভুজ/লম্ব।
    secθ = অতিভুজ/ভূমি।
    cotθ = ভূমি/লম্ব।
  18. ১০০. দুই অঙ্কবিশিষ্ট একটি সংখ্যার দশক স্থানীয় অঙ্ক একক স্থানীয় অঙ্ক x এর দ্বিগুণ। অঙ্কদ্বয় স্থান বিনিময় করলে সংখ্যাটি হবে—
    • ক. 10x–
    • খ. 12x
    • গ. 15x
    • ঘ. 21x
    উত্তর: খ. 12x
    একক স্থানীয় অঙ্ক x হলে দশক স্থানীয় অঙ্ক 2x। তাহলে সংখ্যাটি 10 × 2x + x = 21x।
    অঙ্ক দুটি স্থান বিনিময় করলে দশক স্থানে x এবং একক স্থানে 2x থাকবে।
    নতুন সংখ্যা = 10 × x + 2x = 12x।
    মনে রাখুন: দুই অঙ্কের সংখ্যায় দশক স্থানের অঙ্ক d এবং একক স্থানের অঙ্ক u হলে সংখ্যা 10d + u। স্থান বিনিময়ে সংখ্যা হয় 10u + d।

বিজ্ঞান

  1. ৩. রক্ত জমাট বাঁধানো কোনটির কাজ?
    • ক. লোহিত কণিকা
    • খ. শ্বেতকণিকা
    • গ. লসিকা
    • ঘ. অণুচক্রিকা
    উত্তর: ঘ. অণুচক্রিকা
    রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে অণুচক্রিকা (Platelet)। শরীর কেটে গেলে অণুচক্রিকা ক্ষতস্থানে জমা হয় এবং থ্রম্বোপ্লাস্টিন নামক উপাদান ছাড়ে। এর ফলে রক্তের ফাইব্রিনোজেন নামের প্রোটিন ফাইব্রিন সুতায় বদলে জাল তৈরি করে এবং রক্ত আটকে যায়। লোহিত কণিকা অক্সিজেন বহন করে, আর শ্বেতকণিকা জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করে। লসিকা রক্তজমাটের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
    মনে রাখুন:
    ডেঙ্গু জ্বরে অণুচক্রিকার সংখ্যা কমে যায়, তাই রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়ে।
    অণুচক্রিকা অস্থিমজ্জায় তৈরি হয় এবং এতে নিউক্লিয়াস থাকে না।
  2. ৮. ছোলা কোন শ্রেণির উদ্ভিদ?
    • ক. গুল্ম
    • খ. একবর্ষজীবী
    • গ. উপগুল্ম
    • ঘ. বীরুৎ
    উত্তর: ঘ. বীরুৎ
    যেসব উদ্ভিদের কাণ্ড নরম, সবুজ ও অকাষ্ঠল এবং উচ্চতা সাধারণত কম, তাদের বীরুৎ (Herb) বলে। ছোলা এমন একটি উদ্ভিদ, তাই এটি বীরুৎ। ‘একবর্ষজীবী’ হলো আয়ুষ্কালের ভিত্তিতে ভাগ, আর বীরুৎ, গুল্ম, বৃক্ষ হলো আকার ও কাণ্ডের প্রকৃতির ভিত্তিতে ভাগ। এখানে কাণ্ডের ধরন জানতে চাওয়া হয়েছে বলে উত্তর বীরুৎ।
    মনে রাখুন:
    বীরুৎ: ধান, গম, সরিষা, টমেটো, মুলা।
    গুল্ম: জবা, গোলাপ, লেবু।
    বৃক্ষ: আম, কাঁঠাল, শাল।
  3. ২৯. নাইট্রোজেন গ্যাস থেকে কোন সার প্রস্তুত করা হয়?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৪
    • ক. ইউরিয়া
    • খ. টিএসপি
    • গ. পটাশ
    • ঘ. জিংক
    উত্তর: ক. ইউরিয়া
    বাতাসের নাইট্রোজেন গ্যাসের সঙ্গে হাইড্রোজেনের বিক্রিয়ায় অ্যামোনিয়া (NH3) তৈরি হয়। এই পদ্ধতির নাম হ্যাবার-বশ প্রক্রিয়া। অ্যামোনিয়া ও কার্বন ডাই-অক্সাইড বিক্রিয়া করে ইউরিয়া সার (NH2-CO-NH2) পাওয়া যায়। তাই নাইট্রোজেন থেকে তৈরি সার ইউরিয়া। টিএসপির উপাদান ফসফরাস, পটাশের উপাদান পটাসিয়াম, আর জিংক একটি অণুখাদ্য।
    মনে রাখুন:
    ইউরিয়ায় প্রায় ৪৬% নাইট্রোজেন থাকে।
    সারের তিন প্রধান উপাদান নাইট্রোজেন, ফসফরাস ও পটাসিয়াম (NPK)।
  4. ৪৩. এন্ডোসকপি (Endoscopy)-তে প্রয়োগ করা হয়–
    • ক. আলোর প্রতিসরণ
    • খ. আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
    • গ. বৈদ্যুতিক তরঙ্গের নিঃসরণ
    • ঘ. আলোর আংশিক প্রতিসরণ
    উত্তর: খ. আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
    এন্ডোসকপিতে দুটি অপটিক্যাল ফাইবার নল শরীরের ভেতরে ঢোকানো হয়। একটি দিয়ে আলো ভেতরে পাঠানো হয় এবং অন্যটি দিয়ে ভেতরের প্রতিবিম্ব বাইরে আসে। ফাইবারের ভেতর দিয়ে আলো পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে বারবার প্রতিফলিত হয়ে অপর প্রান্তে পৌঁছায়। প্রতিসরণে আলো সীমানা পেরিয়ে বাইরে চলে যায়, তাই ফাইবারে আলো আটকে রাখতে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনই লাগে।
    মনে রাখুন:
    পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের শর্ত: আলো ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে যাবে এবং আপতন কোণ ক্রান্তি কোণের চেয়ে বেশি হবে।
    একই নীতিতে কাজ করে অপটিক্যাল ফাইবার ইন্টারনেট।
  5. ৭২. ক্যান্সারের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয় নিচের কোনটি?
    • ক. এম.আর.আই.
    • খ. এনজিওগ্রাফি
    • গ. কেমোথেরাপি
    • ঘ. আলট্রাসনোগ্রাফি
    উত্তর: গ. কেমোথেরাপি
    ক্যান্সার হলো কোষের অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধি। এর চিকিৎসায় ওষুধ দিয়ে ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করা হয়, এই পদ্ধতির নাম কেমোথেরাপি (Chemotherapy)। এমআরআই, এনজিওগ্রাফি ও আলট্রাসনোগ্রাফি হলো রোগ নির্ণয়ের পদ্ধতি, চিকিৎসা নয়। এমআরআই-এ চৌম্বকক্ষেত্র ও রেডিও তরঙ্গ দিয়ে দেহের ছবি তোলা হয়, আর এনজিওগ্রাফিতে রক্তনালির বাধা দেখা যায়।
    মনে রাখুন:
    ক্যান্সারের অন্য চিকিৎসা: রেডিওথেরাপি (বিকিরণ) ও অস্ত্রোপচার।
    আলট্রাসনোগ্রাফিতে শব্দোত্তর তরঙ্গ (Ultrasound) ব্যবহার হয়।
  6. ৮১. একজন স্বাভাবিক বয়স্ক লোকের স্পষ্ট দৃষ্টির ন্যূনতম দূরত্ব কত?
    • ক. ২৫ সে.মি.
    • খ. ৫ সে.মি.
    • গ. ১০ সে.মি.
    • ঘ. ৫০ সে.মি.
    উত্তর: ক. ২৫ সে.মি.
    সুস্থ চোখে কোনো বস্তুকে আরাম করে স্পষ্ট দেখার জন্য বস্তুটি চোখ থেকে অন্তত 25 cm দূরে থাকতে হয়। এই দূরত্বকে স্পষ্ট দৃষ্টির ন্যূনতম দূরত্ব বা নিকট বিন্দু বলে। এর চেয়ে কাছে আনলে ছবি ঝাপসা লাগে। স্পষ্ট দৃষ্টির সর্বোচ্চ দূরত্ব অসীম।
    মনে রাখুন:
    নিকট বিন্দু 25 cm-এর চেয়ে বেশি হলে দূরদৃষ্টি ত্রুটি হয়। এতে উত্তল লেন্সের চশমা লাগে।
    দূরবিন্দু কাছে চলে এলে হ্রস্বদৃষ্টি হয়। এতে অবতল লেন্স লাগে।
  7. ৯৫. নিচের কোনটি গ্রিনহাউজ গ্যাস নয়?
    • ক. মিথেন
    • খ. অক্সিজেন
    • গ. নাইট্রাস
    • ঘ. কার্বন ডাই অক্সাইড
    উত্তর: খ. অক্সিজেন
    গ্রিনহাউস গ্যাস (Greenhouse gas) বায়ুমণ্ডলে তাপ ধরে রাখে এবং পৃথিবীকে উষ্ণ রাখে। মিথেন (CH4), নাইট্রাস অক্সাইড (N2O) ও কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) এই শ্রেণির গ্যাস। অক্সিজেন (O2) তাপ আটকে রাখতে পারে না, তাই এটি গ্রিনহাউস গ্যাস নয়।
    মনে রাখুন:
    আরও গ্রিনহাউস গ্যাস: জলীয় বাষ্প, ওজোন ও সিএফসি।
    গ্রিনহাউস প্রভাব না থাকলে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা অনেক কম থাকত।

বাংলা

  1. ৪. বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি কে?
    • ক. বেগম সুফিয়া কামাল
    • খ. চন্দ্রাবতী
    • গ. বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    • ঘ. স্বর্ণকুমারী দেবী
    উত্তর: খ. চন্দ্রাবতী
    চন্দ্রাবতী বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি হিসেবে পরিচিত। তিনি ষোড়শ শতকের কবি এবং তাঁর জন্ম কিশোরগঞ্জে। তাঁর পিতা ছিলেন মনসামঙ্গলের বিখ্যাত কবি দ্বিজ বংশীদাস। পিতার নির্দেশে তিনি রামায়ণ রচনা করেন, যা ‘চন্দ্রাবতী রামায়ণ’ নামে পরিচিত। বেগম সুফিয়া কামাল, বেগম রোকেয়া ও স্বর্ণকুমারী দেবী আধুনিক যুগের লেখক, তাই প্রথম মহিলা কবির সম্মান তাঁদের নয়।
    মনে রাখুন:
    চন্দ্রাবতীর আরও দুটি রচনা: মলুয়া ও দস্যু কেনারামের পালা।
    বেগম সুফিয়া কামালের বিখ্যাত কাব্য ‘সাঁঝের মায়া’।
  2. ৫. গৌরচন্দ্রিকা শব্দের অর্থ কী?
    • ক. শুভ সূচনা
    • খ. প্রশংসা
    • গ. বন্দনা
    • ঘ. ভূমিকা
    উত্তর: ঘ. ভূমিকা
    ‘গৌরচন্দ্রিকা’ শব্দটির অর্থ ভূমিকা বা মূল কথায় আসার আগের প্রস্তুতি। মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলিতে কৃষ্ণলীলার পদ গাওয়ার আগে শ্রীচৈতন্য বা গৌরাঙ্গের বন্দনা-পদ গাওয়া হতো, তাকে বলা হতো গৌরচন্দ্রিকা। সেখান থেকেই শব্দটির ‘ভূমিকা’ অর্থ এসেছে। শুভ সূচনা, প্রশংসা বা বন্দনা এর মূল অর্থ নয়, কারণ বন্দনা ছিল ভূমিকার একটি অংশ মাত্র।
    মনে রাখুন:
    গড্ডলিকা প্রবাহ = অন্ধ অনুকরণ।
    গা ছাড়া ভাব = গুরুত্ব না দেওয়া।
    গোঁফ খেজুরে = অলস।
  3. ৯. রাজা রামমোহন রায় রচিত বাংলা ব্যাকরণ কোনটি?
    • ক. মাগধীয় ব্যাকরণ
    • খ. গৌড়ীয় ব্যাকরণ
    • গ. মাতৃভাষা ব্যাকরণ
    • ঘ. ভাষা প্রকাশ ব্যাকরণ
    উত্তর: খ. গৌড়ীয় ব্যাকরণ
    রাজা রামমোহন রায়ের লেখা বাংলা ব্যাকরণের নাম ‘গৌড়ীয় ব্যাকরণ’। এটি ১৮৩৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং কোনো বাঙালির লেখা প্রথম বাংলা ব্যাকরণ হিসেবে পরিচিত। রামমোহন ইংরেজি ভাষায়ও এই বিষয়ে একটি বই লিখেছিলেন, যার নাম ‘Grammar of the Bengali Language’। ‘মাগধীয়’, ‘মাতৃভাষা’ বা ‘ভাষা প্রকাশ’ নামে তাঁর কোনো ব্যাকরণ নেই।
    মনে রাখুন:
    বাংলা ভাষার প্রথম মুদ্রিত ব্যাকরণ লেখেন নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড (১৭৭৮), নাম ‘A Grammar of the Bengal Language’।
  4. ১৩. 'কবিকঙ্কন' কার উপাধি?
    • ক. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
    • খ. ভারতচন্দ্র
    • গ. আলাওল
    • ঘ. শাহ্ মুহম্মদ সগীর
    উত্তর: ক. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
    মুকুন্দরাম চক্রবর্তী মধ্যযুগের চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কবি। জমিদার রঘুনাথ রায় তাঁকে ‘কবিকঙ্কন’ উপাধি দেন। রঘুনাথের নির্দেশেই তিনি চণ্ডীমঙ্গল রচনা করেন। কাব্যে সাধারণ মানুষের দুঃখের বর্ণনা খুব সুন্দরভাবে এসেছে বলে তাঁকে ‘দুঃখবর্ণনার কবি’-ও বলা হয়। অন্য অপশনের কবিরা এই উপাধি পাননি।
    মনে রাখুন:
    ভারতচন্দ্র রায়ের উপাধি ‘রায়গুণাকর’।
    আলাওলের বিখ্যাত কাব্য ‘পদ্মাবতী’।
    শাহ্ মুহম্মদ সগীরের কাব্য ‘ইউসুফ-জুলেখা’।
  5. ১৬. 'তত্ত্ববোধিনী' পত্রিকার সম্পাদক কে?
    • ক. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
    • খ. অক্ষয়কুমার দত্ত
    • গ. প্যারীচাঁদ মিত্র
    • ঘ. বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
    উত্তর: খ. অক্ষয়কুমার দত্ত
    ‘তত্ত্ববোধিনী’ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন অক্ষয়কুমার দত্ত। মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৩৯ সালে তত্ত্ববোধিনী সভা প্রতিষ্ঠা করেন। সভার কাজকর্ম সদস্যদের জানাতে ১৮৪৩ সালে পত্রিকাটি প্রকাশিত হয়। পত্রিকাটি বাংলা গদ্যের বিকাশে অনেক অবদান রাখে। অক্ষয়কুমার দত্ত এই পত্রিকার মাধ্যমে বিজ্ঞান ও যুক্তিনির্ভর প্রবন্ধ লিখতেন।
    মনে রাখুন:
    ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ‘সংবাদ প্রভাকর’ পত্রিকার সম্পাদক।
    প্যারীচাঁদ মিত্র ‘মাসিক পত্রিকা’ প্রকাশ করেন।
  6. ২৭. কিণাঙ্ক শব্দটির অর্থ কী?
    • ক. ক্ষত
    • খ. আঁচিল
    • গ. কড়া
    • ঘ. রক্ত
    উত্তর: গ. কড়া
    ‘কিণাঙ্ক’ শব্দের অর্থ কড়া, অর্থাৎ ঘষা লেগে হাতে বা পায়ের চামড়ায় যে শক্ত দাগ পড়ে। শব্দটি সংস্কৃত থেকে এসেছে। অপশনের অন্য শব্দগুলোর অর্থ আলাদা: ক্ষত মানে কাটা বা আঘাতের জায়গা, আঁচিল মানে ত্বকের ওপর ছোট উঁচু দাগ এবং রক্ত মানে শোণিত। তাই এগুলো কিণাঙ্কের অর্থ নয়।
    মনে রাখুন:
    সারমেয় = কুকুর।
    কাদম্বিনী = মেঘমালা।
    শীকর = জলকণা।
    কুমুদ = শাপলা।
  7. ৩০. কোন রাজবংশের আমলে চর্যাপদ রচনা শুরু হয়?
    • ক. পাল
    • খ. মুঘল
    • গ. সেন
    • ঘ. গুপ্ত
    উত্তর: ক. পাল
    চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন। বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যরা এটি রচনা করেন পাল রাজবংশের সময়ে। পাল রাজারা ছিলেন বৌদ্ধ, তাই তাঁদের পৃষ্ঠপোষকতায় বৌদ্ধ সাধকরা সাধনসংগীত রচনা করতে পেরেছিলেন। পরে সেন বংশের আমলে ব্রাহ্মণ্য ধর্মের প্রভাব বাড়লে বৌদ্ধরা নেপালসহ অন্যান্য অঞ্চলে আশ্রয় নেন। গুপ্ত বা মুঘল আমলের সঙ্গে চর্যাপদের সময়কালের মিল নেই।
    মনে রাখুন:
    ১৯০৭ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল থেকে চর্যাপদের পুঁথি আবিষ্কার করেন।
    চর্যাপদের মূল পুঁথির নাম ‘চর্যাচর্যবিনিশ্চয়’।
  8. ৩২. 'মেঘনাদবধ কাব্য' কয় সর্গে বিভক্ত?
    • ক. ১১টি
    • খ. ১০টি
    • গ. ১২টি
    • ঘ. ৯টি
    উত্তর: ঘ. ৯টি
    ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ ৯টি সর্গে বিভক্ত। প্রথম সর্গের নাম ‘অভিষেক’ এবং শেষ সর্গের নাম ‘সংক্রিয়া’। মাইকেল মধুসূদন দত্ত রামায়ণের কাহিনি নিয়ে এই কাব্য লেখেন এবং এতে অমিত্রাক্ষর ছন্দ ব্যবহার করেন। কাব্যটি প্রকাশিত হয় ১৮৬১ সালে।
    মনে রাখুন: নয়টি সর্গ: অভিষেক, অস্ত্রলাভ, সমাগম, অশোকবন, উদ্যোগ, বধ, শক্তিনির্ভেদ, প্রেতপুরী ও সংক্রিয়া।
  9. ৩৫. বাংলা ভাষায় চলিত রীতির প্রবর্তক কে?
    • ক. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    • খ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    • গ. প্রমথ চৌধুরী
    • ঘ. রাজা রামমোহন রায়
    উত্তর: গ. প্রমথ চৌধুরী
    বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরী। তিনি ১৯১৪ সালে ‘সবুজপত্র’ পত্রিকা বের করে সাধু ভাষার বদলে চলিত ভাষায় লেখা শুরু করেন। লেখার সময় তিনি ‘বীরবল’ ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন, তাই তাঁর ভাষা ‘বীরবলী ভাষা’ নামে পরিচিত। পরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও চলিত রীতি গ্রহণ করেন।
    মনে রাখুন:
    সাধু রীতির প্রতিষ্ঠায় বিদ্যাসাগর ও বঙ্কিমচন্দ্রের অবদান উল্লেখযোগ্য।
    কথ্য ভাষায় লেখা প্রথম উপন্যাস ‘আলালের ঘরের দুলাল’।
  10. ৩৮. 'মহাশ্মশান' কার লেখা?
    • ক. কায়কোবাদ
    • খ. মীর মশাররফ হোসেন
    • গ. দীনবন্ধু মিত্র
    • ঘ. শহীদুল্লাহ্
    উত্তর: ক. কায়কোবাদ
    ‘মহাশ্মশান’ মহাকাব্যের রচয়িতা কায়কোবাদ। এটি ১৯০৪ সালে প্রকাশিত হয়। কাব্যটির কাহিনি পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ (১৭৬১) নিয়ে লেখা। কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ ব্যবহার করা হয়েছে এবং এর সর্গ সংখ্যা ৬০। মীর মশাররফ হোসেনের বিখ্যাত রচনা ‘বিষাদ-সিন্ধু’ আর দীনবন্ধু মিত্রের বিখ্যাত রচনা ‘নীলদর্পণ’।
    মনে রাখুন:
    কায়কোবাদের আসল নাম কাজেম আল কোরেশী।
    কাব্যটির চরিত্র: ইব্রাহিম কার্দি, জোহরা, আহমদ শাহ আবদালী প্রমুখ।
  11. ৪০. 'অষ্টরম্ভা' বাগধারাটির অর্থ কী?
    • ক. সম্পূর্ণ
    • খ. ফাঁকি
    • গ. অপদার্থ
    • ঘ. অলস
    উত্তর: খ. ফাঁকি
    ‘অষ্টরম্ভা’ বাগধারার অর্থ ফাঁকি বা কাজ না করে শুধু বাহ্যিক আড়ম্বর। অর্থাৎ ভেতরে কিছুই নেই, অথচ ভাব দেখানো হয়। ষোলোআনা মানে সম্পূর্ণ এবং অকাল কুষ্মাণ্ড মানে অপদার্থ, যা অন্য দুটি অপশনের অর্থ।
    মনে রাখুন:
    অকাল কুষ্মাণ্ড = অপদার্থ।
    অন্ধের যষ্টি = একমাত্র অবলম্বন।
    কচুবনের কালাচাঁদ = নগণ্য।
  12. ৪৫. কোন সন্ধি বিচ্ছেদটি নির্ভুল?
    • ক. দুঃ + ঘটনা = দুর্ঘটনা
    • খ. দূঃ + ঘটনা = দুর্ঘটনা
    • গ. দুর + ঘটনা = দুর্ঘটনা
    • ঘ. দূর + ঘটনা = দুর্ঘটনা
    উত্তর: ক. দুঃ + ঘটনা = দুর্ঘটনা
    সন্ধি বিচ্ছেদ মানে সন্ধি করা শব্দকে আবার আলাদা করা। দুর্ঘটনা শব্দের মূল রূপ দুঃ + ঘটনা। বিসর্গ সন্ধির নিয়মে বিসর্গের পরে বর্গের তৃতীয় বা চতুর্থ বর্ণ (এখানে ‘ঘ’) থাকলে বিসর্গ ‘র’ হয়, তাই দুঃ + ঘটনা = দুর্ঘটনা। বাকি অপশনের দূঃ, দুর বা দূর রূপে এই সন্ধি হয় না, কারণ উপসর্গটি হলো ‘দুঃ’।
    মনে রাখুন:
    দুঃ + গম = দুর্গম।
    নিঃ + ভয় = নির্ভয়।
    নিঃ + জন = নির্জন।
  13. ৫০. 'স্পেন বিজয় কাব্য'– কার লেখা?
    • ক. সৈয়দ মুজতবা আলী
    • খ. সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী
    • গ. আলাউদ্দিন আল আজাদ
    • ঘ. আল মাহমুদ
    উত্তর: খ. সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী
    ‘স্পেন বিজয় কাব্য’ রচনা করেছেন সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী। কাব্যটিতে স্পেনের রাজা রডরিকের বিরুদ্ধে মুসলিম সেনাপতি তারিক বিন জিয়াদের বিজয়ের কাহিনি আছে। এটি মহাকাব্যের ধাঁচে লেখা, তবে সমালোচকেরা একে পূর্ণাঙ্গ সার্থক মহাকাব্য মনে করেন না। সৈয়দ মুজতবা আলী, আলাউদ্দিন আল আজাদ ও আল মাহমুদ অন্য ধারার লেখক।
    মনে রাখুন:
    সিরাজীর আরেকটি বিখ্যাত রচনা ‘অনল প্রবাহ’।
    সৈয়দ মুজতবা আলী ‘দেশে বিদেশে’র লেখক এবং আল মাহমুদ ‘সোনালী কাবিন’-এর কবি।
  14. ৫৩. 'তুমি অধম তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন?'–এই বাক্যটির রচয়িতা কে?
    • ক. মীর মশাররফ হোসেন
    • খ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    • গ. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    • ঘ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    উত্তর: খ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    ‘তুমি অধম তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন?’ উক্তিটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘কপালকুণ্ডলা’ (১৮৬৬) উপন্যাসের। এই উপন্যাসের আরেকটি বিখ্যাত উক্তি ‘পথিক, তুমি পথ হারাইয়াছ?’। মীর মশাররফ হোসেন, শরৎচন্দ্র ও রবীন্দ্রনাথ অন্য ধারার লেখক, তাই উক্তিটি তাঁদের নয়।
    মনে রাখুন:
    বঙ্কিমের অন্যান্য উপন্যাস: দুর্গেশনন্দিনী, বিষবৃক্ষ, কৃষ্ণকান্তের উইল, আনন্দমঠ।
    ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাসে ‘বন্দে মাতরম’ গানটি আছে।
  15. ৫৬. 'স্পেন বিজয় কাব্য'– কার লেখা?
    • ক. সৈয়দ মুজতবা আলী
    • খ. সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী
    • গ. আলাউদ্দিন আল আজাদ
    • ঘ. আল মাহমুদ
    উত্তর: খ. সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী
    ‘স্পেন বিজয় কাব্য’ রচনা করেছেন সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী। কাব্যটিতে স্পেনের রাজা রডরিকের বিরুদ্ধে মুসলিম সেনাপতি তারিক বিন জিয়াদের বিজয়ের কাহিনি আছে। এটি মহাকাব্যের ধাঁচে লেখা, তবে সমালোচকেরা একে পূর্ণাঙ্গ সার্থক মহাকাব্য মনে করেন না। সৈয়দ মুজতবা আলী, আলাউদ্দিন আল আজাদ ও আল মাহমুদ অন্য ধারার লেখক।
    মনে রাখুন:
    সিরাজীর আরেকটি বিখ্যাত রচনা ‘অনল প্রবাহ’।
    সৈয়দ মুজতবা আলী ‘দেশে বিদেশে’র লেখক এবং আল মাহমুদ ‘সোনালী কাবিন’-এর কবি।
  16. ৫৯. 'তুমি অধম তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন?'–এই বাক্যটির রচয়িতা কে?
    • ক. মীর মশাররফ হোসেন
    • খ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    • গ. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    • ঘ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    উত্তর: খ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    ‘তুমি অধম তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন?’ উক্তিটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘কপালকুণ্ডলা’ (১৮৬৬) উপন্যাসের। এই উপন্যাসের আরেকটি বিখ্যাত উক্তি ‘পথিক, তুমি পথ হারাইয়াছ?’। মীর মশাররফ হোসেন, শরৎচন্দ্র ও রবীন্দ্রনাথ অন্য ধারার লেখক, তাই উক্তিটি তাঁদের নয়।
    মনে রাখুন:
    বঙ্কিমের অন্যান্য উপন্যাস: দুর্গেশনন্দিনী, বিষবৃক্ষ, কৃষ্ণকান্তের উইল, আনন্দমঠ।
    ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাসে ‘বন্দে মাতরম’ গানটি আছে।
  17. ৬২. মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘বীরাঙ্গনা কাব্য’-টি কী ধরনের?
    • ক. মহাকাব্য
    • খ. পত্রকাব্য
    • গ. গীতিকবিতা
    • ঘ. আখ্যানকাব্য
    উত্তর: খ. পত্রকাব্য
    ‘বীরাঙ্গনা কাব্য’ একটি পত্রকাব্য, অর্থাৎ চিঠির আকারে লেখা কাব্য। এতে পৌরাণিক নারীরা নিজেদের প্রিয়জনকে চিঠি লিখছেন। রোমান কবি ওভিডের ‘Heroides’ এর আদর্শে মাইকেল মধুসূদন দত্ত কাব্যটি লিখেছেন। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য। এটি মহাকাব্য নয়, কারণ এতে কোনো একটি বিশাল কাহিনি নেই, আর গীতিকবিতা বা আখ্যানকাব্যের গঠনও এর মতো নয়।
    মনে রাখুন:
    ওভিডের পত্রকাব্য ২১টি, কিন্তু মধুসূদন লিখেছিলেন ১১টি পত্র।
    উদাহরণ: দুষ্মন্তের প্রতি শকুন্তলা, দশরথের প্রতি কৈকেয়ী, সোমের প্রতি তারা।
  18. ৬৪. বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস কোনটি?
    • ক. আলালের ঘরের দুলাল
    • খ. হুতোম প্যাঁচার নকশা
    • গ. দুর্গেশনন্দিনী
    • ঘ. কৃষ্ণকুমারী
    উত্তর: গ. দুর্গেশনন্দিনী
    বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘দুর্গেশনন্দিনী’, যা ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয়। এটি ঐতিহাসিক রোমান্স, যাতে মুঘল-পাঠান যুদ্ধের পটভূমিতে জগৎসিংহ, তিলোত্তমা, আয়েশা প্রমুখ চরিত্রের কাহিনি আছে। ‘আলালের ঘরের দুলাল’-কে সার্থক উপন্যাস ধরা হয় না, কারণ তাতে উপন্যাসের গঠন ও কাহিনির বুনন পূর্ণ হয়নি।
    মনে রাখুন:
    প্যারীচাঁদ মিত্রের ‘আলালের ঘরের দুলাল’ (১৮৫৮) বাংলা ভাষার প্রথম উপন্যাস হিসেবে ধরা হয়।
    ‘হুতোম প্যাঁচার নকশা’ কালীপ্রসন্ন সিংহের রচনা।
    ‘কৃষ্ণকুমারী’ মধুসূদনের নাটক।
  19. ৬৬. কোন বানানটি শুদ্ধ?
    • ক. নিশিথিনী
    • খ. নীশিথিনী
    • গ. নিশীথিনী
    • ঘ. নিশিথিনি
    উত্তর: গ. নিশীথিনী
    শুদ্ধ বানান ‘নিশীথিনী’। শব্দটি এসেছে ‘নিশীথ’ থেকে, যার অর্থ মধ্যরাত। নিশীথ শব্দের ‘শী’ তে দীর্ঘ ঈ-কার বসে, আর স্ত্রীলিঙ্গ প্রত্যয় ‘ঈ’ থাকায় শেষে ‘নী’ লেখা হয়। অর্থাৎ নিশীথিনী মানে মধ্যরাত বা রাত্রি। নিশিথিনী, নীশিথিনী বা নিশিথিনি বানানে ঈ-কার বা ‘নী’ ঠিকমতো বসেনি বলে সেগুলো ভুল।
    মনে রাখুন: নিরীক্ষণ, নিপীড়িত, নীহারিকা, নির্নিমেষ, ন্যূনতম, এগুলো শুদ্ধ বানান।
  20. ৬৮. Ballad কী?
    • ক. লোকগীতি
    • খ. লোকগাথা
    • গ. গীতিকা
    • ঘ. গাথা
    উত্তর: গ. গীতিকা
    সাহিত্যের পরিভাষায় Ballad অর্থ গীতিকা, অর্থাৎ গানের ভঙ্গিতে লেখা বর্ণনামূলক কাহিনিকবিতা। এতে সাধারণত প্রেম, বীরত্ব বা বিয়োগান্ত ঘটনার কাহিনি থাকে এবং মুখে মুখে গাওয়ার মতো করে রচিত হয়। মৈমনসিংহ গীতিকা এর পরিচিত উদাহরণ। লোকগীতি, লোকগাথা বা গাথা শব্দের অর্থ আলাদা, তাই এগুলো Ballad-এর প্রচলিত পরিভাষা নয়।
    মনে রাখুন:
    Bankrupt = দেউলিয়া।
    Bureaucracy = আমলাতন্ত্র।
    Blockade = অবরোধ।
    Broker = দালাল।
  21. ৬৯. কোন বাগধারাটি স্বতন্ত্র অর্থ প্রকাশক?
    • ক. আদায়-কাঁচকলায়
    • খ. সাপে-নেউলে
    • গ. দা-কুমড়া
    • ঘ. সাতেও না পাঁচেও না
    উত্তর: ঘ. সাতেও না পাঁচেও না
    স্বতন্ত্র অর্থ প্রকাশক মানে বাকি তিনটির থেকে ভিন্ন অর্থের বাগধারা। আদায়-কাঁচকলায়, সাপে-নেউলে ও দা-কুমড়া, এই তিনটির অর্থ চরম শত্রুতা বা বিরোধ। কিন্তু ‘সাতেও না পাঁচেও না’ মানে কোনো ঝামেলায় না জড়ানো, অর্থাৎ নির্লিপ্ত থাকা। তাই এটিই আলাদা।
    মনে রাখুন:
    আদায়-কাঁচকলায় = চরম শত্রুতা।
    সাপে-নেউলে = চরম শত্রুতা।
    দা-কুমড়া = সম্পূর্ণ বিরোধ।
  22. ৭৩. যুগসন্ধিক্ষণের কবি কাকে বলা হয়?
    • ক. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    • খ. বিহারীলাল চক্রবর্তী
    • গ. কালীপ্রসন্ন সিংহ
    • ঘ. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
    উত্তর: ঘ. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
    ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের সন্ধিক্ষণে বাংলা কবিতা রচনা করেছেন। তাঁর কবিতায় মধ্যযুগের ভাব আর আধুনিক যুগের নতুন চেতনা, দুই-ই পাওয়া যায়। তাই তাঁকে ‘যুগসন্ধিক্ষণের কবি’ বলা হয়। বিদ্যাসাগর ও কালীপ্রসন্ন সিংহ মূলত গদ্যলেখক, আর বিহারীলাল চক্রবর্তী আধুনিক গীতিকবিতার সূচনাকারী কবি।
    মনে রাখুন:
    তিনি ‘সংবাদ প্রভাকর’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
    বিহারীলাল চক্রবর্তী ‘ভোরের পাখি’ নামে পরিচিত।
  23. ৭৪. শরৎচন্দ্রের কোন উপন্যাসটি বাজেয়াপ্ত হয়েছিল?
    • ক. পথের দাবী
    • খ. নিষ্কৃতি
    • গ. চরিত্রহীন
    • ঘ. দত্তা
    উত্তর: ক. পথের দাবী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ উপন্যাসটি ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করে। উপন্যাসে ব্রিটিশ উপনিবেশবাদের বিরুদ্ধে বিপ্লবী ভাবনা প্রকাশ পেয়েছে। এর প্রধান চরিত্র সব্যসাচী, যিনি বিপ্লবী নেতা। বইটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়। শরৎচন্দ্রের অন্য উপন্যাসগুলোতে এমন রাজনৈতিক বিপ্লবের কথা ছিল না, তাই সেগুলো বাজেয়াপ্ত হয়নি।
    মনে রাখুন:
    শরৎচন্দ্রের অন্যান্য উপন্যাস: চরিত্রহীন, দত্তা, দেবদাস, শ্রীকান্ত, পল্লীসমাজ।
    তাঁকে ‘অপরাজেয় কথাশিল্পী’ বলা হয়।
  24. ৮২. ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে কবে বাংলা বিভাগ খোলা হয়?
    • ক. ১৮০০ সালে
    • খ. ১৮০১ সালে
    • গ. ১৮০২ সালে
    • ঘ. ১৮০৪ সালে
    উত্তর: খ. ১৮০১ সালে
    ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮০০ সালের ৪ মে। ইংরেজ কর্মচারীদের দেশীয় ভাষা শেখানোর জন্য এই কলেজ গড়া হয়। ১৮০১ সালে সেখানে বাংলা বিভাগ খোলা হয় এবং এর প্রধান হন উইলিয়াম কেরি। এই কলেজের কারণে বাংলা গদ্যের বিকাশ ঘটেছে। কলেজ প্রতিষ্ঠার বছর ১৮০০, কিন্তু বাংলা বিভাগ খোলার বছর ১৮০১।
    মনে রাখুন:
    কলেজের পণ্ডিতদের মধ্যে রামরাম বসু ও মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার বিখ্যাত।
    রামরাম বসুর বই ‘রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র’ (১৮০১)।
  25. ৯৮. 'অপ' কী ধরনের উপসর্গ?
    • ক. বাংলা
    • খ. বিদেশি
    • গ. সংস্কৃত
    • ঘ. মিশ্র
    উত্তর: গ. সংস্কৃত
    ‘অপ’ একটি সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ। উপসর্গ হলো শব্দের আগে বসা এমন অংশ, যা নতুন শব্দ বানায় এবং অর্থ বদলে দেয়। ‘অপ’ নানা অর্থে বসে: বিপরীত অর্থে (অপমান, অপকার), খারাপ অর্থে (অপকর্ম, অপসংস্কৃতি), সরিয়ে নেওয়া বোঝাতে (অপসারণ, অপহরণ) এবং বিকৃত বোঝাতে (অপমৃত্যু)। এটি বাংলা ভাষার নিজস্ব বা বিদেশি উপসর্গ নয়।
    মনে রাখুন:
    সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ ২০টি।
    খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি, যেমন: অ, অনা, আড়, কু, নি।
  26. ১০২. 'উদাসীন পথিকের মনের কথা'– কোন জাতীয় রচনা?
    • ক. নাটক
    • খ. কাব্য
    • গ. আত্মজৈবনিক রচনা
    • ঘ. গীতিকবিতার সংকলন
    উত্তর: গ. আত্মজৈবনিক রচনা
    ‘উদাসীন পথিকের মনের কথা’ মীর মশাররফ হোসেনের আত্মজৈবনিক রচনা, অর্থাৎ নিজের জীবনের কথা নিয়ে লেখা বই। এটি ১৮৯০ সালে প্রকাশিত হয়। বইয়ে তিনি নিজের পারিবারিক জীবন ও সমকালীন সমাজ তুলে ধরেছেন। জমিদারি প্রথা এবং হিন্দু-মুসলমানের সম্পর্কের কথাও এতে আছে। এটি নাটক, কাব্য বা গীতিকবিতার সংকলন নয়।
    মনে রাখুন:
    মীর মশাররফ হোসেনের বিখ্যাত বই ‘বিষাদ সিন্ধু’ (১৮৮৫–১৮৯১)।
    তাঁর নাটক ‘জমীদার দর্পণ’।
  27. ১০৩. শর্বরী শব্দটির বিপরীত শব্দ কোনটি?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) ২০১৯
    • ক. দিবস
    • খ. সুন্দর
    • গ. শোভা
    • ঘ. রূপসী
    উত্তর: ক. দিবস
    শর্বরী শব্দের অর্থ রাত্রি বা রাত। তাই এর বিপরীত শব্দ দিবস, মানে দিন। সুন্দর, শোভা ও রূপসী শব্দের কোনোটিই রাতের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না, বরং এগুলো সৌন্দর্যের সঙ্গে সম্পর্কিত।
    মনে রাখুন:
    শর্বরীর সমার্থক শব্দ নিশা, রজনী, যামিনী।
    দিবসের সমার্থক শব্দ দিন, দিবা, অহ।

বাংলাদেশ

  1. ৭. বিনত বিবির মসজিদ অবস্থিত–
    • ক. নওগাঁয়
    • খ. নাটোরে
    • গ. পুঠিয়ায়
    • ঘ. ঢাকার নারিন্দায়
    উত্তর: ঘ. ঢাকার নারিন্দায়
    বিনত বিবির মসজিদ ঢাকার নারিন্দায় অবস্থিত। এটি মধ্যযুগের একটি মসজিদ, যা ১৪৫৭ সালে সুলতান নাসিরুদ্দিন মাহমুদ শাহের আমলে নির্মিত হয়। মুসাম্মাত বখত বিনত বিবি এটি তৈরি করান, তাই তাঁর নামেই মসজিদের নাম। ঢাকা শহরের সবচেয়ে পুরোনো মসজিদগুলোর একটি হিসেবে এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব অনেক। নওগাঁ, নাটোর বা পুঠিয়ায় এই নামের মসজিদ নেই।
    মনে রাখুন: ঢাকার আরেকটি প্রাচীন স্থাপনা লালবাগ কেল্লা, যা মুঘল আমলে তৈরি শুরু হয়েছিল।
  2. ১৭. বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'সরকারী কর্ম কমিশন' গঠনের উল্লেখ আছে?
    • ক. ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে
    • খ. ১৩৫ নং অনুচ্ছেদে
    • গ. ১৩৮ নং অনুচ্ছেদে
    • ঘ. ১৩৪ নং অনুচ্ছেদে
    উত্তর: ক. ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে
    বাংলাদেশের সংবিধানের নবম ভাগের নাম ‘বাংলাদেশের কর্মবিভাগ’। এই ভাগের দ্বিতীয় পরিচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের কথা আছে। এর ১৩৭ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, আইনের মাধ্যমে এক বা একাধিক সরকারি কর্ম কমিশন (Public Service Commission) গঠন করা যাবে। এই কমিশনের কাজ সরকারি চাকরিতে নিয়োগের জন্য পরীক্ষা নেওয়া ও সুপারিশ করা। ১৩৪, ১৩৫ ও ১৩৮ নম্বর অনুচ্ছেদ এ বিষয়ের নয়।
    মনে রাখুন: সংবিধানের ৭ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা আছে, প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ।
  3. ১৮. আলুটিলা প্রাকৃতিক গুহা কোথায় অবস্থিত?
    • ক. খাগড়াছড়ি জেলায়
    • খ. রাঙ্গামাটি জেলায়
    • গ. বান্দরবান জেলায়
    • ঘ. কক্সবাজার জেলায়
    উত্তর: ক. খাগড়াছড়ি জেলায়
    আলুটিলা প্রাকৃতিক গুহা খাগড়াছড়ি জেলায় অবস্থিত। খাগড়াছড়ি শহর থেকে প্রায় আট কিলোমিটার দূরে আলুটিলা পাহাড়ে গুহাটি আছে। গুহার ভেতরটা অন্ধকার, সরু ও পাথুরে, তাই এর ভেতর দিয়ে হেঁটে যেতে কিছুটা সময় লাগে। গুহার ভেতর একটি ঝিরির পানির ধারাও আছে। ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের কাছে এটি ‘মাতাই হাকর’ নামেও পরিচিত।
    মনে রাখুন: খাগড়াছড়ির আরও পর্যটন আকর্ষণ রিছাং ঝরনা ও তৈদুছড়া ঝরনা।
  4. ১৯. বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর ছিলেন–
    • ক. মোহাম্মদ ফরাশউদ্দিন
    • খ. ড. আতিউর রহমান
    • গ. এ.এন. হামিদুল্লাহ
    • ঘ. ফজলুর রহমান
    উত্তর: গ. এ.এন. হামিদুল্লাহ
    স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক কার্যক্রম শুরু করে। এর প্রথম গভর্নর ছিলেন এ.এন.এম. হামিদুল্লাহ। বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক (Central Bank), যার প্রধান দায়িত্ব মুদ্রানীতি নির্ধারণ ও টাকা ছাপানো। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধানকে গভর্নর বলা হয়। ড. আতিউর রহমান পরবর্তী সময়ের গভর্নর ছিলেন।
    মনে রাখুন:
    বাংলাদেশ ব্যাংকের সদর দপ্তর ঢাকার মতিঝিলে।
    গভর্নরের মেয়াদ ৪ বছর।
  5. ২৮. বাংলাদেশের কোন বিভাগটির সাথে ভারতের কোনো সীমান্ত নেই?
    • ক. রাজশাহী বিভাগ
    • খ. খুলনা বিভাগ
    • গ. চট্টগ্রাম বিভাগ
    • ঘ. বরিশাল বিভাগ
    উত্তর: ঘ. বরিশাল বিভাগ
    বাংলাদেশে বর্তমানে আটটি প্রশাসনিক বিভাগ আছে। এর মধ্যে রাজশাহী, খুলনা ও চট্টগ্রাম বিভাগের সঙ্গে ভারতের সীমান্ত আছে। কিন্তু বরিশাল বিভাগের জেলাগুলো দেশের দক্ষিণে, বঙ্গোপসাগরের পাশে অবস্থিত, তাই ভারতের সঙ্গে এর সীমান্ত নেই। ঢাকা বিভাগেরও ভারতের সঙ্গে সীমান্ত নেই, কিন্তু অপশনে ঢাকা না থাকায় সঠিক উত্তর বরিশাল।
    মনে রাখুন:
    বরিশাল বিভাগ ১৯৯৩ সালে গঠিত হয়।
    এর জেলা ৬টি, বৃহত্তম জেলা ভোলা।
  6. ৪১. 'Blue Economy' নিচের কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
    • ক. সমুদ্র ভ্রমণের সাথে
    • খ. সামুদ্রিক মাছের সাথে
    • গ. সমুদ্র গবেষণার সাথে
    • ঘ. সমুদ্রের সম্পদ নির্ভর অর্থনীতির সাথে
    উত্তর: ঘ. সমুদ্রের সম্পদ নির্ভর অর্থনীতির সাথে
    সমুদ্র অর্থনীতি বা নীল অর্থনীতি (Blue Economy) বলতে সমুদ্র ও সমুদ্রের সম্পদ টেকসইভাবে ব্যবহার করে অর্থনৈতিক উন্নয়ন বোঝায়। এর মধ্যে মাছ ধরা, সামুদ্রিক খনিজ, জাহাজ চলাচল, বন্দর, পর্যটন ও জ্বালানির মতো খাত পড়ে। তাই শুধু মাছ, ভ্রমণ বা গবেষণা বললে বিষয়টির পুরো অর্থ আসে না। ধারণাটি দেন অধ্যাপক গুন্টার পাউলি।
    মনে রাখুন: ২০১২ ও ২০১৪ সালে বঙ্গোপসাগরে মিয়ানমার ও ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধ মিটিয়ে বাংলাদেশ এই অর্থনীতির সুযোগ বাড়িয়েছে।
  7. ৪৭. কোন স্থানকে 'রাঙামাটির ছাদ' বলা হয়?
    • ক. হাজাছড়া ঝরনা
    • খ. সাজেক ভ্যালি
    • গ. যমচুগ বনবিহার
    • ঘ. পেদা টিংটিং
    উত্তর: খ. সাজেক ভ্যালি
    সাজেক ভ্যালি রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলায় অবস্থিত। এটি পাহাড়ের ওপর হওয়ায় এখান থেকে চারদিকের পাহাড় আর মেঘ দেখা যায়, তাই একে ‘রাঙামাটির ছাদ’ বলা হয়। সাজেকে লুসাই, পাংখোয়া ও ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের মানুষ বাস করে। অন্য অপশনগুলোর মধ্যে হাজাছড়া একটি ঝরনা এবং যমচুগ একটি বৌদ্ধ বিহার, এগুলো এই নামে পরিচিত নয়।
    মনে রাখুন: সাজেকের আরেক নাম ‘মেঘের রাজ্য’ বা ‘পাহাড়ের রানি’।
  8. ৬৩. মৌর্য ও গুপ্ত বংশের রাজধানী ছিল–
    • ক. মহাস্থানগড়
    • খ. গৌড়
    • গ. সোনারগাঁও
    • ঘ. ময়নামতি
    উত্তর: ক. মহাস্থানগড়
    মৌর্য সম্রাট অশোকের সময়ে বাংলা মৌর্য সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল। তখন এই অঞ্চলের প্রশাসনিক কেন্দ্র ছিল পুণ্ড্রনগর, যা আজকের বগুড়ার মহাস্থানগড়। গুপ্ত আমলেও পুণ্ড্রবর্ধন ভুক্তির কেন্দ্র ছিল এখানেই। গৌড় ও সোনারগাঁও পরবর্তী সময়ের রাজধানী, আর ময়নামতি দেব ও চন্দ্র বংশের কেন্দ্র।
    মনে রাখুন:
    মহাস্থানগড়ে বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগর-সভ্যতার নিদর্শন পাওয়া গেছে।
    এখানে প্রাপ্ত মহাস্থান ব্রাহ্মী লিপি মৌর্য যুগের।
  9. ৬৭. বাংলাদেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা হলেন–
    • ক. আইন সচিব
    • খ. অ্যাটর্নি জেনারেল
    • গ. আইনমন্ত্রী
    • ঘ. প্রধান বিচারপতি
    উত্তর: খ. অ্যাটর্নি জেনারেল
    বাংলাদেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল (Attorney General)। সংবিধানের ৬৪ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি তাঁকে নিয়োগ দেন। সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতা তাঁর থাকতে হয় এবং তিনি সরকারের পক্ষে আদালতে মামলা পরিচালনা করেন ও আইনি পরামর্শ দেন। আইন সচিব ও আইনমন্ত্রী প্রশাসনিক পদ, আর প্রধান বিচারপতি বিচার বিভাগের প্রধান।
    মনে রাখুন: অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতির ইচ্ছাকালীন সময় পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
  10. ৭১. আরডিএ (RDA = Rural Development Academy)-অবস্থিত–
    • ক. বগুড়া
    • খ. নওগাঁ
    • গ. সিরাজগঞ্জ
    • ঘ. কুমিল্লা
    উত্তর: ক. বগুড়া
    পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (RDA, Rural Development Academy) বগুড়ায় অবস্থিত। এটি গ্রামীণ উন্নয়ন নিয়ে প্রশিক্ষণ ও গবেষণা করে এবং ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। নাম কাছাকাছি হওয়ায় অনেকে এটিকে কুমিল্লার বার্ডের (BARD) সঙ্গে গুলিয়ে ফেলে, কিন্তু দুটি আলাদা প্রতিষ্ঠান।
    মনে রাখুন: বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (BARD) কুমিল্লার কোটবাড়িতে অবস্থিত। এটির প্রতিষ্ঠাতা ড. আখতার হামিদ খান।
  11. ৮৭. এশিয়ার সর্ববৃহৎ প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হলো–
    • ক. হালদা নদী
    • খ. হাইল হাওর
    • গ. চলন বিল
    • ঘ. হাকালুকি
    উত্তর: ক. হালদা নদী
    হালদা নদী এশিয়ার সর্ববৃহৎ প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র। নদীটির উৎস পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চলে। এর বিশেষত্ব হলো, রুই, কাতলা, মৃগেল প্রভৃতি কার্প জাতীয় মাছ এখানে প্রাকৃতিকভাবে ডিম ছাড়ে এবং সেই ডিম সংগ্রহ করে হ্যাচারিতে রেণু ফোটানো হয়। নদীটি কর্ণফুলী নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে। অপশনের হাইল হাওর, চলন বিল ও হাকালুকি অন্য ধরনের জলাভূমি, এগুলোর এই পরিচয় নেই।
    মনে রাখুন: ২০২০ সালে হালদাকে ‘মৎস্য হেরিটেজ’ ঘোষণা করা হয়।
  12. ৯০. বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের লোগো 'বলাকা' এর ডিজাইনার কে?
    • ক. হাশেম খান
    • খ. শামীম শিকদার
    • গ. নিতুন কুণ্ডু
    • ঘ. কামরুল হাসান
    উত্তর: ঘ. কামরুল হাসান
    বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের লোগো ‘বলাকা’ নকশা করেছেন শিল্পী কামরুল হাসান। বলাকা মানে উড়ন্ত বক বা পাখির সারি, যা আকাশে ওড়ার ভাব আনে। এই কামরুল হাসানই বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা ও জাতীয় মনোগ্রামের নকশায় যুক্ত ছিলেন। অন্য শিল্পীরা, যেমন হাশেম খান ও নিতুন কুণ্ডু, অন্য কাজের জন্য পরিচিত।
    মনে রাখুন:
    বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ১৯৭২ সালের ৪ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয়।
    কামরুল হাসান একাত্তরের বিখ্যাত পোস্টার ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে’ এঁকেছিলেন।
  13. ৯৬. বাংলাদেশে প্রথম ভ্যাট (VAT) চালু হয়–
    • ক. ১৯৯১ সালে
    • খ. ১৯৭২ সালে
    • গ. ১৯৯৬ সালে
    • ঘ. ১৯৮০ সালে
    উত্তর: ক. ১৯৯১ সালে
    মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট (VAT, Value Added Tax) বাংলাদেশে প্রথম চালু হয় ১৯৯১ সালের ১ জুলাই। এর আগে দেশে বিক্রয় কর (Sales Tax) নেওয়া হতো। বিক্রয় কর শুধু শেষ ধাপে বসত, কিন্তু ভ্যাট উৎপাদন ও বিতরণের প্রতিটি ধাপে যে মূল্য যোগ হয়, তার ওপর বসে। তাই কর ফাঁকি দেওয়া কঠিন হয় এবং সরকারের আয় বাড়ে।
    মনে রাখুন:
    ভ্যাটকে বাংলায় মূসক বলা হয়।
    এটি এখন সরকারের রাজস্ব আয়ের একটি প্রধান উৎস।

আন্তর্জাতিক

  1. ১২. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন–
    • ক. রবার্ট পোল
    • খ. উইনস্টন চার্চিল
    • গ. মার্গারেট থ্যাচার
    • ঘ. স্টারমার্ক
    উত্তর: খ. উইনস্টন চার্চিল
    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় ১৯৩৯ সালে এবং শেষ হয় ১৯৪৫ সালে। যুদ্ধের শুরুতে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন নেভিল চেম্বারলেইন। ১৯৪০ সালের মে মাসে তিনি পদত্যাগ করলে উইনস্টন চার্চিল প্রধানমন্ত্রী হন এবং যুদ্ধের বেশির ভাগ সময় এই দায়িত্ব পালন করেন। যুদ্ধের শেষে ১৯৪৫ সালে নির্বাচনে হেরে গেলে ক্লিমেন্ট অ্যাটলি প্রধানমন্ত্রী হন। রবার্ট পিল ও মার্গারেট থ্যাচার অন্য সময়ের প্রধানমন্ত্রী।
    মনে রাখুন: মার্গারেট থ্যাচার ব্রিটেনের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী (১৯৭৯–১৯৯০)।
  2. ১৫. কোন চুক্তির মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে?
    • ক. কিয়োটো চুক্তি
    • খ. গ্লাসগো চুক্তি
    • গ. ভিয়েনা চুক্তি
    • ঘ. ভার্সাই চুক্তি
    উত্তর: ঘ. ভার্সাই চুক্তি
    প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (১৯১৪–১৯১৮) শেষ হয় ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে। ১৯১৯ সালের ২৮ জুন ফ্রান্সের ভার্সাই প্রাসাদের হল অব মিররস-এ মিত্রশক্তি ও জার্মানির মধ্যে এই চুক্তি সই হয়। চুক্তির শর্ত জার্মানির জন্য খুব কঠোর ছিল, তাই পরে জার্মানিতে ক্ষোভ বাড়ে, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের একটি কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অন্য অপশনগুলোর সঙ্গে এই যুদ্ধের সম্পর্ক নেই।
    মনে রাখুন:
    কিয়োটো প্রটোকল জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে।
    গ্লাসগোতে ২০২১ সালে COP26 অনুষ্ঠিত হয়।
    ভিয়েনা কংগ্রেস হয় ১৮১৫ সালে নেপোলিয়নের পতনের পর।
  3. ২৪. জাতিসংঘের মহাসচিব Antonio Guterres-এর নাগরিকত্ব হলো–
    • ক. চেক প্রজাতন্ত্র
    • খ. ফরাসি
    • গ. পর্তুগাল
    • ঘ. রাশিয়া
    উত্তর: গ. পর্তুগাল
    অ্যান্তোনিও গুতেরেস (António Guterres) পর্তুগালের নাগরিক। তিনি জাতিসংঘের নবম মহাসচিব, দায়িত্ব নেন ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি। এর আগে তিনি পর্তুগালের প্রধানমন্ত্রী এবং জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার ছিলেন। চেক প্রজাতন্ত্র, ফ্রান্স বা রাশিয়ার সঙ্গে তাঁর নাগরিকত্বের সম্পর্ক নেই।
    মনে রাখুন:
    জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব ট্রিগভে লি, তিনি নরওয়ের নাগরিক।
    মহাসচিবের কার্যকাল ৫ বছর।
    জাতিসংঘের সদর দপ্তর নিউইয়র্কে।
  4. ৩৬. নিচের কোন দেশ থেকে আরব বসন্তের সূচনা হয়?
    • ক. টিউনিসিয়া
    • খ. লিবিয়া
    • গ. ইরাক
    • ঘ. সিরিয়া
    উত্তর: ক. টিউনিসিয়া
    আরব বসন্ত (Arab Spring) শুরু হয় টিউনিসিয়া থেকে। ২০১০ সালের ডিসেম্বরে মোহাম্মদ বুয়াজিজি নামের এক ফেরিওয়ালা পুলিশের অত্যাচারের প্রতিবাদে নিজের গায়ে আগুন দেন। এই ঘটনা থেকে সারা দেশে গণ-আন্দোলন ছড়ায় এবং ২০১১ সালের জানুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট বেন আলী দেশ ছেড়ে চলে যান। এরপর আন্দোলন মিসর, লিবিয়া, সিরিয়া প্রভৃতি দেশে ছড়িয়ে পড়ে।
    মনে রাখুন: টিউনিসিয়ার জাতীয় ফুল জুঁই, তাই এই আন্দোলনকে ‘জুঁই বিপ্লব’ও বলা হয়।
  5. ৪২. নিচের কোন দেশকে ইউরোপের রুটির ঝুড়ি বলা হয়?
    • ক. রাশিয়া
    • খ. ইউক্রেন
    • গ. বেলারুশ
    • ঘ. পোল্যান্ড
    উত্তর: খ. ইউক্রেন
    ইউক্রেনকে ইউরোপের রুটির ঝুড়ি (Breadbasket of Europe) বলা হয়। দেশটির মাটি খুব উর্বর, বিশেষ করে কালো মাটির বিস্তীর্ণ সমভূমিতে প্রচুর গম ও ভুট্টা জন্মে। ইউক্রেন পৃথিবীর বড় গম রপ্তানিকারক দেশগুলোর একটি, ফলে বিশ্ব খাদ্যবাজারে এর গুরুত্ব বেশি।
    মনে রাখুন: রাশিয়া ইউক্রেনে ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি সামরিক অভিযান শুরু করে, যার ফলে বিশ্বে গমের দাম বেড়ে যায়।
  6. ৭৮. লেনিনগ্রাদের বর্তমান নাম–
    • ক. বাকু
    • খ. রাশিয়া
    • গ. পেট্রোগ্রাদ
    • ঘ. সেন্ট পিটার্সবার্গ
    উত্তর: ঘ. সেন্ট পিটার্সবার্গ
    লেনিনগ্রাদের বর্তমান নাম সেন্ট পিটার্সবার্গ। শহরটি ১৭০৩ সালে সম্রাট পিটার দ্য গ্রেট প্রতিষ্ঠা করেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় এর নাম হয় পেট্রোগ্রাদ, ১৯২৪ সালে লেনিনের মৃত্যুর পর হয় লেনিনগ্রাদ এবং ১৯৯১ সালে আবার সেন্ট পিটার্সবার্গ নাম ফিরে আসে। রাশিয়া একটি দেশের নাম, শহরের নয়, আর বাকু আজারবাইজানের রাজধানী।
    মনে রাখুন:
    সেন্ট পিটার্সবার্গ রাশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর।
    বাকু আজারবাইজানের রাজধানী।
  7. ৯৩. নিচের কোনটি ইউরোপের দীর্ঘতম নদী?
    • ক. দানিয়ুব
    • খ. ভলগা
    • গ. টেমস
    • ঘ. রাইন
    উত্তর: খ. ভলগা
    ইউরোপের দীর্ঘতম নদী ভলগা, যার দৈর্ঘ্য প্রায় ৩,৫৩০ কিলোমিটার। এটি রাশিয়ার ভলদাই পাহাড় থেকে শুরু হয়ে কাস্পিয়ান সাগরে পড়েছে। এর পরে দীর্ঘ নদী দানিয়ুব, যা কৃষ্ণ সাগরে মিশেছে। রাইন নদী সুইস আল্পস থেকে উত্তর সাগরে গেছে।
    মনে রাখুন: টেমস ইংল্যান্ডের দীর্ঘতম নদী, যার তীরে লন্ডন শহর অবস্থিত।
  8. ৯৯. জাতিসংঘের কতটি দেশের ভেটো দেয়ার ক্ষমতা রয়েছে?
    • ক. ১৫টি দেশের
    • খ. সকল দেশের
    • গ. ৫টি স্থায়ী দেশের
    • ঘ. ২০টি দেশের
    উত্তর: গ. ৫টি স্থায়ী দেশের
    জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি স্থায়ী সদস্যদেশের ভেটো (Veto) দেওয়ার ক্ষমতা আছে। ভেটো একটি ল্যাটিন শব্দ, যার অর্থ ‘আমি নিষেধ করছি’। এই পাঁচটি দেশের যেকোনো একটি ভেটো দিলে পরিষদে প্রস্তাব পাস হয় না। বাকি সদস্যদেশের এই ক্ষমতা নেই।
    মনে রাখুন:
    পাঁচটি স্থায়ী সদস্য: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন।
    নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য ১৫টি, তার মধ্যে ১০টি অস্থায়ী।
  9. ১০১. একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বাধিক রানের অধিকারী হলেন–
    • ক. শচিন টেন্ডুলকার
    • খ. জ্যাক ক্যালিস
    • গ. সাঈদ আনোয়ার
    • ঘ. বিরাট কোহলি
    উত্তর: ক. শচিন টেন্ডুলকার
    একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে (ODI) সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড ভারতের শচিন টেন্ডুলকারের। তিনি ৪৬৩টি ম্যাচ খেলে মোট ১৮,৪২৬ রান করেছেন। বিরাট কোহলি এই তালিকায় তাঁর পরেই আছেন এবং শ্রীলঙ্কার কুমার সাঙ্গাকারা, রিকি পন্টিং প্রমুখও ওপরের দিকে আছেন। জ্যাক ক্যালিস ও সাঈদ আনোয়ার অনেক পেছনে।
    মনে রাখুন: শচিন টেন্ডুলকার ওয়ানডে ক্রিকেটে প্রথম দ্বিশতক (২০০ রান) করেন ২০১০ সালে।

কম্পিউটার ও আইসিটি

  1. ৪৪. কম্পিউটার-টু-কম্পিউটার তথ্য আদান-প্রদানের প্রযুক্তিকে বলা হয়–
    • ক. ই-মেইল
    • খ. ইন্টারকম
    • গ. ইন্টারনেট
    • ঘ. কমিউনিকেশন
    উত্তর: গ. ইন্টারনেট
    ইন্টারনেট (Internet) হলো পৃথিবীজুড়ে ছড়ানো অসংখ্য কম্পিউটার নেটওয়ার্কের পরস্পর সংযুক্ত রূপ, তাই একে নেটওয়ার্কের নেটওয়ার্ক বলা হয়। এর মাধ্যমে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদান করা যায়। ই-মেইল ইন্টারনেটের একটি সেবা মাত্র, প্রযুক্তি নয়। ইন্টারকম একই ভবনের মধ্যে যোগাযোগের যন্ত্র, আর কমিউনিকেশন যোগাযোগের সাধারণ নাম।
    মনে রাখুন:
    ইন্টারনেটের পূর্বসূরি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের ARPANET।
    World Wide Web (WWW) ইন্টারনেটের ওপর চলা একটি সেবা, যা টিম বার্নার্স-লি ১৯৮৯ সালে উদ্ভাবন করেন।
  2. ৭০. QR Code-এর পূর্ণরূপ হলো–
    • ক. Quality Response Code
    • খ. Quick Report Code
    • গ. Quick Response Code
    • ঘ. Quality Report Code
    উত্তর: গ. Quick Response Code
    QR Code-এর পূর্ণরূপ Quick Response Code। এটি একটি দ্বিমাত্রিক (2D) বারকোড, যা সাধারণ বারকোডের চেয়ে অনেক বেশি তথ্য ধরতে পারে। মোবাইল ক্যামেরা দিয়ে স্ক্যান করলেই লিংক, পেমেন্ট তথ্য বা লেখা দ্রুত পাওয়া যায়, তাই নাম ‘Quick Response’।
    মনে রাখুন:
    ১৯৯৪ সালে জাপানের Denso Wave কোম্পানি গাড়ির যন্ত্রাংশ শনাক্ত করতে এটি তৈরি করে।
    সাধারণ বারকোড এক দিকে (1D) তথ্য রাখে, QR Code রাখে দুই দিকে।

ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়): অন্যান্য পরীক্ষা

আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান

বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন