আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ২৯ জানুয়ারি ২০১৬। ৯৪টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →বাংলা
- ১. রূপসী বাংলার কবি কে?
- ক. জসীমউদদীন
- খ. জীবনানন্দ দাশ
- গ. শামসুর রাহমান
- ঘ. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
উত্তর: খ. জীবনানন্দ দাশ
‘রূপসী বাংলা’ জীবনানন্দ দাশের (১৮৯৯–১৯৫৪) বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। এই কবিতাগুলোতে তিনি বাংলার নদী, মাঠ, পাখি আর প্রকৃতির রূপ গভীর ভালোবাসায় এঁকেছেন, তাই তাঁকে ‘রূপসী বাংলার কবি’ বলা হয়। বইটি তিনি ১৯৩০-এর দশকে লিখলেও তাঁর মৃত্যুর পরে ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত হয়।
মনে রাখুন:
জীবনানন্দ দাশের অন্য কাব্যগ্রন্থ: ঝরা পালক, ধূসর পাণ্ডুলিপি, বনলতা সেন, মহাপৃথিবী।
জসীমউদদীনকে বলা হয় পল্লিকবি, তাঁর বিখ্যাত কাব্য ‘নকশী কাঁথার মাঠ’ ও ‘রাখালী’।
শামসুর রাহমানকে বলা হয় নাগরিক কবি।
সত্যেন্দ্রনাথ দত্তকে বলা হয় ছন্দের জাদুকর। - ২. 'শিষ্টাচার'-এর সমার্থক শব্দ কোনটি?
- ক. সংযম
- খ. সদাচার
- গ. সভ্যতা
- ঘ. সততা
উত্তর: খ. সদাচার
‘শিষ্টাচার’ শব্দের অর্থ ভদ্র ও মার্জিত আচরণ। শিষ্ট মানে ভদ্র বা মার্জিত, আর আচার মানে আচরণ। অর্থাৎ ভালো মানুষের মতো আচরণকেই শিষ্টাচার বলে। ‘সদাচার’ শব্দটিও একই অর্থ প্রকাশ করে, তাই সমার্থক শব্দ হিসেবে ‘সদাচার’-ই সবচেয়ে মানানসই।
বাকি শব্দগুলোর অর্থ আলাদা। সংযম মানে নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখা, সভ্যতা মানে সমাজ ও সংস্কৃতির উন্নত অবস্থা, আর সততা মানে সৎ থাকার গুণ।
মনে রাখুন:
শিষ্টাচারের আরও সমার্থক শব্দ: ভদ্রতা, সৌজন্য, শালীনতা।
শিষ্টাচারের বিপরীত শব্দ: অসভ্যতা, অশিষ্টতা। - ৩. বাংলা ভাষায় কয়টি যৌগিক স্বরবর্ণ রয়েছে?
- ক. ২টি
- খ. ৩টি
- গ. ৪টি
- ঘ. ৫টি
উত্তর: ক. ২টি
দুটি স্বরধ্বনি মিলে যখন একটি যুক্ত ধ্বনি তৈরি হয়, তখন তাকে যৌগিক স্বর বা সন্ধিস্বর (Diphthong) বলে। বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরবর্ণ দুটি, ঐ আর ঔ। বাকি স্বরবর্ণগুলো একটি করে স্বরধ্বনি প্রকাশ করে, তাই সেগুলোকে মৌলিক স্বর বলা হয়।
মনে রাখুন:
ঐ = অ + ই (যেমন: তৈল, দৈত্য)।
ঔ = অ + উ (যেমন: গৌরব, পৌষ)।
বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি, মোট ৫০টি বর্ণ। - ৪. 'ষ্ণ' যুক্তবর্ণটি ভাঙলে কোন দুটি বর্ণ পাওয়া যায়?
- ক. ষ + ম
- খ. ষ + ন
- গ. ষ + ণ
- ঘ. ষ + ঃ
উত্তর: গ. ষ + ণ
যুক্তবর্ণ (Conjunct) হলো একাধিক ব্যঞ্জনবর্ণের মিলনে তৈরি একটি রূপ। ‘ষ্ণ’ যুক্তবর্ণটিতে প্রথমে ষ এবং তার সঙ্গে ণ যুক্ত হয়েছে, তাই একে ভাঙলে পাওয়া যায় ষ্ + ণ। এই বর্ণ আমরা অনেক পরিচিত শব্দে দেখি।
উদাহরণ: কৃষ্ণ, বিষ্ণু, উষ্ণ, তৃষ্ণা।
মনে রাখুন:
ক্ষ = ক্ + ষ।
জ্ঞ = জ্ + ঞ।
হ্ম = হ্ + ম।
হ্ন = হ্ + ন।
হ্ণ = হ্ + ণ। - ৫. নিচের কোন শব্দটি অশুদ্ধ?
- ক. সুকেশী
- খ. সুকেশা
- গ. সুকেশীনী
- ঘ. সুকেশিনী
উত্তর: গ. সুকেশীনী
স্ত্রীবাচক শব্দ গঠনের সময় যার কেশ (চুল) সুন্দর, তার জন্য ‘সুকেশা’, ‘সুকেশী’ ও ‘সুকেশিনী’ রূপ চলে। কিন্তু ‘সুকেশীনী’ লেখা ভুল। কারণ ‘সুকেশী’ শব্দে আগেই ঈ-কার আছে, তার সঙ্গে আবার ‘-নী’ জুড়ে দিলে একই কাজ দুবার করা হয়ে যায়। ‘-ইনী’ যোগে স্ত্রীলিঙ্গ করলে ই-কার হ্রস্ব থাকে, তাই শুদ্ধ রূপ ‘সুকেশিনী’।
মনে রাখুন:
ইনী-প্রত্যয়ান্ত স্ত্রীবাচক শব্দে হ্রস্ব ই-কার হয়, যেমন: কমলিনী, মালিনী, কাঙালিনী।
ইনী-প্রত্যয়ান্ত শব্দের আরও উদাহরণ: হংসিনী, সিংহিনী, কুহকিনী। - ৬. 'আভরণ' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
- ক. সূর্য
- খ. পোষাক
- গ. রাত্র
- ঘ. অলংকার
উত্তর: ঘ. অলংকার
‘আভরণ’ শব্দের অর্থ গয়না বা সাজ, যা দিয়ে শরীর সাজানো হয়। তাই এর সমার্থক শব্দ ‘অলংকার’। অলংকার শব্দটিও গয়না ও ভূষণ অর্থে ব্যবহার করা হয়।
অন্য বিকল্পগুলো মেলে না। সূর্যের প্রতিশব্দ রবি, ভানু, দিবাকর, আর রাত্র মানে রাত। ‘পোশাক’ হলো পরার কাপড়, যা আভরণের ঠিক সমার্থক নয়।
মনে রাখুন:
আভরণের আরও সমার্থক শব্দ: গহনা, ভূষণ, প্রসাধন।
রাত্রির প্রতিশব্দ: নিশা, যামিনী, রজনী, শর্বরী। - ৭. 'ফুলমণি ও করুণার বিবরণ' গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
- ক. হ্যানা ক্যাথেরিন
- খ. উইলিয়াম কেরি
- গ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- ঘ. বিহারীলাল চক্রবর্তী
উত্তর: ক. হ্যানা ক্যাথেরিন
‘ফুলমণি ও করুণার বিবরণ’ বইটির লেখক হ্যানা ক্যাথেরিন ম্যালেন্স (Hannah Catherine Mullens)। এটি ১৮৫২ সালে প্রকাশিত হয়। একজন অবাঙালি লেখকের হাতে লেখা বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস হিসেবে বইটিকে ধরা হয়। এতে ফুলমণি ও করুণা নামে দুই নারীর জীবনের মধ্য দিয়ে খ্রিষ্টধর্মের শিক্ষা তুলে ধরা হয়েছে। তবে বাঙালি লেখকদের মধ্যে প্রথম উপন্যাস সাধারণত প্যারীচাঁদ মিত্রের ‘আলালের ঘরের দুলাল’ (১৮৫৮) বলে মানা হয়।
মনে রাখুন:
উইলিয়াম কেরির বই: কথোপকথন (১৮০১), ইতিহাসমালা (১৮১২)।
বিদ্যাসাগরের বই: বেতালপঞ্চবিংশতি, সীতার বনবাস, ভ্রান্তিবিলাস।
বিহারীলাল চক্রবর্তীর বই: সারদামঙ্গল, বঙ্গসুন্দরী। - ৮. ক্রিয়াপদের মূল অংশকে বলা হয়—
- ক. বিভক্তি
- খ. ধাতু
- গ. প্রত্যয়
- ঘ. কৃৎ
উত্তর: খ. ধাতু
ক্রিয়াপদের যে অংশটি আর ভাঙা যায় না এবং যেটি ক্রিয়ার মূল অর্থ বহন করে, তাকে ধাতু (Root) বা ক্রিয়াপ্রকৃতি বলে। ধাতুর সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়ে আমরা ক্রিয়াপদ পাই। ‘করছি’ ক্রিয়াপদে ‘কর্’ হলো ধাতু, আর ‘ছি’ হলো বিভক্তি।
মনে রাখুন:
বিভক্তি হলো সেই বর্ণ বা বর্ণগুচ্ছ, যা শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বাক্যে শব্দের সম্পর্ক বোঝায়।
ধাতুর সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়, তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে।
ধাতু দুই ধরনের: মৌলিক ধাতু (যেমন: কর্, পড়্, খা) এবং সাধিত ধাতু (যেমন: করা, পড়া)। - ৯. 'শেষের কবিতা' কোন ধরনের রচনা?
- ক. কবিতা
- খ. উপন্যাস
- গ. কাব্যনাট্য
- ঘ. গীতিনাট্য
উত্তর: খ. উপন্যাস
‘শেষের কবিতা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি উপন্যাস, যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়। নামে ‘কবিতা’ থাকলেও এটি কাব্যগ্রন্থ নয়। গদ্যে লেখা এই কাহিনির ভাষায় কাব্যের ছোঁয়া আছে বলে একে কাব্যধর্মী রোমান্টিক উপন্যাস বলা হয়। এর প্রধান চরিত্র অমিত ও লাবণ্য।
মনে রাখুন:
রবীন্দ্রনাথের অন্য উপন্যাস: চোখের বালি, গোরা, ঘরে বাইরে।
রবীন্দ্রনাথের গীতিনাট্য: বাল্মীকি প্রতিভা, মায়ার খেলা।
রবীন্দ্রনাথের কাব্যনাট্য: চিত্রাঙ্গদা, মালিনী। - ১০. নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
- ক. শারীরীক
- খ. শারিরীক
- গ. শারীরিক
- ঘ. শারিরিক
উত্তর: গ. শারীরিক
শুদ্ধ বানান হলো শারীরিক। ‘শরীর’ শব্দের সঙ্গে ‘ইক’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ‘শারীরিক’ গড়ে ওঠে। এই প্রত্যয় যোগের সময় শব্দের আদ্য স্বর ‘অ’ বদলে ‘আ’ হয়। ‘শরীর’ শব্দের শেষে দীর্ঘ ঈ-কার আছে, তাই নতুন শব্দেও দ্বিতীয় অক্ষর ‘রী’-তে দীর্ঘ ঈ-কার থাকে। শেষ অক্ষর ‘রিক’-এ ‘ইক’ প্রত্যয়ের কারণে হ্রস্ব ই-কার বসে। অন্য বানানগুলোতে এই দীর্ঘ ও হ্রস্ব ই-কারের স্থান উল্টে গেছে বা দুটোই একই রকম লেখা হয়েছে।
মনে রাখুন:
ইক প্রত্যয় যোগে আদ্য স্বরের এই পরিবর্তন আরও হয়: সমাজ → সামাজিক, ধর্ম → ধার্মিক, দিন → দৈনিক।
মানসিক, আর্থিক ও সামাজিক বানানেও শেষে হ্রস্ব ই-কার থাকে। - ১১. কোন কবিতার জন্য কাজী নজরুল ইসলাম কারাবরণ করেন?
- ক. বিদ্রোহী
- খ. প্রলয়োল্লাস
- গ. মুক্তি
- ঘ. আনন্দময়ীর আগমনে
উত্তর: ঘ. আনন্দময়ীর আগমনে
কাজী নজরুল ইসলাম ১৯২২ সালে নিজের সম্পাদিত ‘ধূমকেতু’ পত্রিকায় ‘আনন্দময়ীর আগমনে’ নামে একটি কবিতা লেখেন। কবিতাটিতে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ছিল, তাই সরকার তাঁকে রাজদ্রোহের অভিযোগে গ্রেপ্তার করে এবং তিনি কারাদণ্ড ভোগ করেন।
মজার ব্যাপার হলো, ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি তাঁকে সবচেয়ে বেশি খ্যাতি এনে দিলেও কারাবাসের কারণ সেটি ছিল না।
মনে রাখুন:
নজরুলের ‘প্রলয়শিখা’ কাব্যগ্রন্থটিও ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল।
‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যগ্রন্থে আছে।
নজরুলকে বলা হয় ‘বিদ্রোহী কবি’। - ১২. যে ব্যয় করতে কুণ্ঠাবোধ করে— একক কথায় প্রকাশ করলে হবে—
- ক. কৃপণ
- খ. ব্যয়কুণ্ঠ
- গ. মিতব্যয়ী
- ঘ. হিসেবী
উত্তর: খ. ব্যয়কুণ্ঠ
যে মানুষ খরচ করতে সংকোচ বা কুণ্ঠা বোধ করে, তাকে এক কথায় বলা হয় ব্যয়কুণ্ঠ। শব্দটির গঠনেই অর্থটি স্পষ্ট, কারণ ব্যয়ে কুণ্ঠিত যে, সে-ই ব্যয়কুণ্ঠ। ‘কৃপণ’ শব্দটিও কাছাকাছি অর্থ বোঝায়, তবে সেটি মূলত দান বা খরচ কিছুই করতে চায় না এমন মানুষকে বোঝায়।
মনে রাখুন:
যে পরিমিত খরচ করে, সে মিতব্যয়ী।
যে হিসাব করে চলে, সে হিসাবি।
যে খরচ করতে খুব অনিচ্ছুক, তার প্রতিশব্দ কৃপণ বা কঞ্জুস। - ১৩. শুদ্ধ বানান কোনটি?
- ক. সান্তনা
- খ. সান্ত্বনা
- গ. স্বান্তনা
- ঘ. সান্তোনা
উত্তর: খ. সান্ত্বনা
শুদ্ধ বানান হলো সান্ত্বনা। এটি সংস্কৃত থেকে আসা তৎসম শব্দ, আর এতে ন্ + ত্ + ব মিলে ‘ন্ত্ব’ যুক্তাক্ষর তৈরি হয়েছে। শুধু ‘ন্ত’ লিখলে শব্দের ‘ব’ অংশটি বাদ পড়ে যায়, আর সেটি ভুল। বানানটি মনে রাখার জন্য ‘সান্ত্ব’ অংশটি আলাদা করে মনে রাখা ভালো।
মনে রাখুন:
ত্ব যুক্ত আরও শুদ্ধ বানান: স্বত্ব, সত্ত্ব, মহত্ত্ব।
শাশ্বত বানানে শ্ব যুক্তবর্ণ থাকে। - ১৪. 'রিকশা' কোন ভাষার শব্দ?
- ক. জাপানি
- খ. চীনা
- গ. আরবি
- ঘ. তুর্কি
উত্তর: ক. জাপানি
‘রিকশা’ শব্দটি জাপানি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। জাপানি ‘জিনরিকিশা’ শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ থেকে এই শব্দের জন্ম। এর আক্ষরিক অর্থ মানুষের শক্তিতে চলা গাড়ি। অনেক সময় আমরা ভাবি এমন দৈনন্দিন শব্দ বুঝি দেশি, কিন্তু আসলে তা বিদেশি।
মনে রাখুন:
জাপানি শব্দ: হারিকিরি, জুডো, রিকশা।
চীনা শব্দ: চা, চিনি, লিচু।
তুর্কি শব্দ: বাবুর্চি, কুলি, বেগম।
আরবি শব্দ: খবর, কলম, উকিল। - ১৫. বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন পাওয়া যায়—
- ক. কোলকাতায়
- খ. ঢাকায়
- গ. ভুটানে
- ঘ. নেপালে
উত্তর: ঘ. নেপালে
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন হলো চর্যাপদ। ১৯০৭ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এর পুঁথি আবিষ্কার করেন। তাই এর নিদর্শন পাওয়া যায় নেপালে। ১৯১৬ সালে ‘বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ’ থেকে এটি বই আকারে প্রকাশিত হয়। চর্যাপদ বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের রচিত পদ, যাতে তাঁদের সাধনার কথা রূপকের আড়ালে বলা হয়েছে।
মনে রাখুন:
চর্যাপদের প্রথম পদকর্তা লুইপা।
সবচেয়ে বেশি পদ লিখেছেন কাহ্নপা।
পুঁথিতে সাড়ে ছেচল্লিশটি পদ পাওয়া গেছে।
চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন। - ১৬. 'ব্রজবুলি' ভাষার স্রষ্টা—
- ক. চণ্ডীদাস
- খ. বিদ্যাপতি
- গ. জ্ঞানদাস
- ঘ. গোবিন্দদাস
উত্তর: খ. বিদ্যাপতি
ব্রজবুলি মৈথিলী ও বাংলা ভাষার মিশ্রণে গড়ে ওঠা একটি কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা। বৈষ্ণব পদাবলীতে এই ভাষা ব্যবহারের পথিকৃৎ হিসেবে বিদ্যাপতিকে ধরা হয়, তাই তাঁকে এর স্রষ্টা বলা হয়। বিদ্যাপতি ছিলেন মিথিলার কবি। রাধা-কৃষ্ণের প্রেম নিয়ে লেখা তাঁর পদ বাংলার বৈষ্ণব কবিদের গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে।
পরে গোবিন্দদাস, জ্ঞানদাসসহ অন্য কবিরাও এই ভাষায় পদ লিখেছেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও কম বয়সে ব্রজবুলিতে ‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী’ রচনা করেছিলেন।
মনে রাখুন:
বিদ্যাপতিকে বলা হয় ‘মৈথিল কোকিল’।
চণ্ডীদাস বাংলা ভাষায় পদ লিখেছেন, ব্রজবুলিতে নয়। - ১৭. ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে বাংলা বিভাগ খোলা হয়—
- ক. ১৮০০ সালে
- খ. ১৮০১ সালে
- গ. ১৮০৫ সালে
- ঘ. ১৮১৫ সালে
উত্তর: খ. ১৮০১ সালে
ব্রিটিশ কর্মকর্তারা যেন এ দেশের ভাষা শিখে শাসনকাজ চালাতে পারেন, সেই উদ্দেশ্যে লর্ড ওয়েলেসলি ১৮০০ সালের ৪ মে কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। কলেজের বাংলা বিভাগ খোলা হয় এর পরের বছর, অর্থাৎ ১৮০১ সালে। বিভাগের প্রথম প্রধান ছিলেন উইলিয়াম কেরি। তিনি নিজে বাংলা ভাষা শিখে এ বিভাগে পড়াতেন এবং বাংলা গদ্যের পাঠ্যবই লেখানোর উদ্যোগ নেন।
মনে রাখুন:
এই কলেজের পণ্ডিতরা বাংলা গদ্য সাহিত্যের ভিত্তি তৈরিতে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন।
কেরির ‘কথোপকথন’ (১৮০১) ও রামরাম বসুর ‘রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র’ (১৮০১) এই কলেজের সময়ের বই। - ১৮. 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে' উক্তিটি কোন কাব্যের অন্তর্গত?
- ক. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের
- খ. চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের
- গ. মনসামঙ্গল কাব্যের
- ঘ. অন্নদামঙ্গল কাব্যের
উত্তর: ঘ. অন্নদামঙ্গল কাব্যের
‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে’ পঙ্ক্তিটি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্যের। কাব্যে দেবী অন্নপূর্ণা ছদ্মবেশে ঈশ্বরী পাটনীর নৌকায় নদী পার হন। দেবী তাঁকে বর চাইতে বললে পাটনী এই সামান্য কিন্তু আন্তরিক প্রার্থনাটি করেন। এই পঙ্ক্তি দিয়ে বাঙালি মায়ের সবচেয়ে সাধারণ ইচ্ছা, সন্তানের পেট ভরে খেতে পাওয়া, চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে।
মনে রাখুন:
ভারতচন্দ্র মঙ্গলকাব্য ধারার শেষ বড় কবি।
অন্নদামঙ্গল কাব্যের একটি অংশ বিদ্যাসুন্দর কাহিনি।
তিনি নদীয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন। - ১৯. বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে মুসলিম কবিদের উল্লেখযোগ্য অবদান—
- ক. পুঁথি সাহিত্য
- খ. মর্সিয়া সাহিত্য
- গ. রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান
- ঘ. অনুবাদ সাহিত্য
উত্তর: গ. রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান
মধ্যযুগে মুসলিম কবিদের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অবদান হলো রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান, অর্থাৎ প্রেমকাহিনি নিয়ে লেখা আখ্যানকাব্য। এই ধারার সূচনা করেন শাহ মুহম্মদ সগীর, যাঁর ‘ইউসুফ-জোলেখা’ বাংলা সাহিত্যের প্রথম রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান। এর আগে সাহিত্যে প্রধানত দেবদেবীর কথাই ছিল, আর এই কাব্যগুলোতে প্রথমবার মানুষের প্রেম মুখ্য হয়ে ওঠে।
মনে রাখুন:
মধ্যযুগের সময়কাল ১২০১ থেকে ১৮০০ সাল পর্যন্ত ধরা হয়।
এই ধারার আরেক কবি সৈয়দ আলাওল, যাঁর বিখ্যাত কাব্য ‘পদ্মাবতী’।
দৌলত কাজী লিখেছেন ‘সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী’। - ২০. 'নয়নচারা' কোন শ্রেণির রচনা?
- ক. উপন্যাস
- খ. কাব্য
- গ. গল্প
- ঘ. নাটক
উত্তর: গ. গল্প
‘নয়নচারা’ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর একটি গল্পগ্রন্থ, ১৯৫১ সালে প্রকাশিত। এটি তাঁর প্রথম গল্পগ্রন্থ। তিনি ছোটগল্প, উপন্যাস ও নাটক তিনটিই লিখেছেন, তাই নাম শুনে বইয়ের ধরন নিয়ে বিভ্রান্তি হতে পারে।
মনে রাখুন:
তাঁর উপন্যাস: লালসালু, চাঁদের অমাবস্যা, কাঁদো নদী কাঁদো।
তাঁর নাটক: বহিপীর, তরঙ্গভঙ্গ, সুড়ঙ্গ।
তাঁর আরেকটি গল্পগ্রন্থ: দুই তীর ও অন্যান্য গল্প। - ২১. কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ—
- ক. সিন্ধু হিন্দোল
- খ. চক্রবাক
- গ. বিষের বাঁশী
- ঘ. অগ্নি-বীণা
উত্তর: ঘ. অগ্নি-বীণা
কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নিবীণা’, যা ১৯২২ সালে বের হয়। এই বইয়েই তাঁর বিখ্যাত ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি আছে। বাকি তিনটি বই তাঁর পরবর্তী সময়ের রচনা। এই বইয়ের মাধ্যমেই তিনি বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠেন।
মনে রাখুন:
নজরুলের অন্য কাব্যগ্রন্থ: বিষের বাঁশী, সর্বহারা, ছায়ানট, সিন্ধু হিন্দোল, চক্রবাক।
তাঁর প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘ব্যথার দান’।
তাঁর প্রথম উপন্যাস ‘বাঁধনহারা’। - ২২. 'আটকপালে' বাগধারার অর্থ—
- ক. কারারুদ্ধ
- খ. হতভাগ্য
- গ. সৌভাগ্যবান
- ঘ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. হতভাগ্য
‘আটকপালে’ বাগধারার অর্থ হতভাগ্য, অর্থাৎ যার কপালে সুখ জোটে না। ‘আট’ বলতে এখানে বাধা বা আটকে থাকা বোঝানো হয়েছে, তাই ভাগ্যে সবকিছু আটকে যায় যার, সে-ই আটকপালে। বাগধারা (Idiom) বলতে সেই বিশেষ বাক্যাংশ বোঝায়, যার অর্থ শব্দগুলোর সরল অর্থ থেকে আলাদা।
মনে রাখুন:
এর বিপরীত বাগধারা ‘সোনার কপাল’ বা ‘কপাল ফেরা’, যার অর্থ সৌভাগ্য।
‘কপাল পোড়া’ বাগধারার অর্থও দুর্ভাগ্য। - ২৩. 'স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়'— চরণটি কার রচনা?
- ক. ঈশ্বরগুপ্ত
- খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গ. রঙ্গলাল
- ঘ. মধুসূদন দত্ত
উত্তর: গ. রঙ্গলাল
‘স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায় রে’ পঙ্ক্তিটি রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পদ্মিনী উপাখ্যান’ (১৮৫৮) কাব্যের অংশ। কাব্যটি রাজপুত বীরদের কাহিনি নিয়ে লেখা। এতে স্বাধীনতার জন্য প্রাণ দেওয়ার যে আকুলতা প্রকাশ পেয়েছে, তা দেশপ্রেমের এক প্রসিদ্ধ উচ্চারণ হয়ে আছে।
মনে রাখুন:
রঙ্গলালের অন্য কাব্য: কর্মদেবী, শূরসুন্দরী।
মধুসূদন দত্তের রচনা: মেঘনাদবধ কাব্য।
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ছিলেন ‘সংবাদ প্রভাকর’-এর সম্পাদক। - ৫৭. কবি সুফিয়া কামালের কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
- ক. রাখাল ছেলে
- খ. সূর্য প্রণাম
- গ. মায়া কাজল
- ঘ. সুলতানার স্বপ্ন
উত্তর: গ. মায়া কাজল
‘মায়া কাজল’ কবি সুফিয়া কামালের কাব্যগ্রন্থ। তাঁকে ‘জননী সাহসিকা’ নামে ডাকা হয়, কারণ তিনি নারী জাগরণ ও সামাজিক আন্দোলনে সামনে থেকে কাজ করেছেন। তিনি বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভানেত্রী ছিলেন।
মনে রাখুন:
সুফিয়া কামালের অন্য কাব্যগ্রন্থ: সাঁঝের মায়া, উদাত্ত পৃথিবী, মোর যাদুদের সমাধি।
‘সুলতানার স্বপ্ন’ বেগম রোকেয়ার রচনা।
‘রাখালী’ জসীমউদদীনের কাব্যগ্রন্থ।
ইংরেজি
- ২৪. Which of the following is correct?
- ক. He neither speaks English nor French
- খ. He speaks nor English or French
- গ. He speaks neither English nor French
- ঘ. Neither he speaks English nor French
উত্তর: গ. He speaks neither English nor French
‘neither … nor’ একটি জোড়া সংযোজক (Correlative conjunction)। এর দুই অংশের পরে একই ধরনের শব্দ বা অংশ বসাতে হয়, একে বলে parallel structure। ‘He speaks neither English nor French’ বাক্যে neither ও nor-এর পরে দুটি ভাষার নাম আছে, তাই এটি শুদ্ধ। বাক্যের অর্থ, সে ইংরেজি বা ফরাসি কোনোটিই বলতে পারে না।
অন্য বিকল্পগুলো ভুল। ‘He neither speaks English nor French’ বাক্যে neither-এর পরে verb আছে, কিন্তু nor-এর পরে noun আছে, ফলে দুই অংশ সমান হয়নি। ‘nor … or’ জোড়া হয় না। আর বাক্যের শুরুতে Neither বসালে subject ও verb-এর স্থান উল্টে যায় (Neither does he speak), তাই ‘Neither he speaks’ ভুল।
মনে রাখুন: neither-এর সঙ্গে সবসময় nor আসে, or নয়। আর either-এর সঙ্গে আসে or। - ২৫. Fill in the blank with the correct choice: 'How much did you— the book?
- ক. pay
- খ. paid
- গ. pay for
- ঘ. pay on
উত্তর: গ. pay for
প্রশ্নটি হলো কোনো জিনিসের দাম কত দেওয়া হয়েছে। দাম পরিশোধ করা বোঝাতে ‘pay’-এর পরে ‘for’ বসে, কারণ যে জিনিসের বিনিময়ে টাকা দেওয়া হয়, তার আগে for ব্যবহার করা হয়। তাই বাক্যটি হবে ‘How much did you pay for the book?’। আর ‘did’-এর পরে verb-এর মূল রূপ (pay) বসে, তাই paid ভুল। ‘pay on’ এখানে কোনো অর্থ দেয় না।
মনে রাখুন:
pay for the book (বইয়ের দাম দেওয়া), কিন্তু pay him (তাকে টাকা দেওয়া)।
pay for-এর পরে জিনিসের নাম বসে, আর pay-এর পরে সরাসরি ব্যক্তি বসে। - ২৬. Another word for 'prejudice' is—
- ক. fear
- খ. disease
- গ. loneliness
- ঘ. bigotry
উত্তর: ঘ. bigotry
Prejudice মানে পূর্বসংস্কার বা অন্ধ পক্ষপাত, অর্থাৎ কোনো কিছু ভালো করে না জেনেই তার বিরুদ্ধে মনোভাব তৈরি করা। এর কাছাকাছি অর্থ বহন করে bigotry, যার মানে গোঁড়ামি বা অন্য মতের প্রতি অসহিষ্ণুতা।
বাকি শব্দগুলোর অর্থ আলাদা: fear মানে ভয়, disease মানে রোগ এবং loneliness মানে একাকিত্ব।
মনে রাখুন:
Prejudice-এর আরও সমার্থক শব্দ: bias, partiality।
Prejudice-এর বিপরীত শব্দ: impartiality, fairness (নিরপেক্ষতা)। - ২৭. A review of the patient's eating habits showed that her diet was — in vitamin B.
- ক. lacking
- খ. absorb
- গ. overly
- ঘ. suffering
উত্তর: ক. lacking
বাক্যটির অর্থ, রোগীর খাদ্যাভ্যাস পর্যালোচনা করে দেখা গেল তার খাবারে ভিটামিন বি-এর ঘাটতি ছিল। ঘাটতি বোঝাতে ‘lacking in’ ব্যবহার করা হয়, তাই lacking-ই সঠিক।
বাকি শব্দগুলো বসে না। Absorb মানে শুষে নেওয়া, এটি verb এবং বাক্যের গঠনে মেলে না। Overly মানে অতিরিক্ত, ফলে অর্থ বদলে যায়। Suffering-এর পরে ‘from’ বসে, ‘in’ নয়।
মনে রাখুন:
lacking in = deficient in, অর্থাৎ কোনো কিছুর অভাব আছে এমন।
উদাহরণ: He is lacking in confidence. (তার আত্মবিশ্বাসের অভাব আছে।) - ২৮. The bus is the — expensive way to get around.
- ক. less
- খ. lesser
- গ. least
- ঘ. more
উত্তর: গ. least
‘the’-এর পরে সাধারণত adjective-এর superlative রূপ বসে, কারণ এটি অনেকের মধ্যে একটিকে আলাদা করে। ‘Less’ হলো ‘little’-এর comparative, আর এর superlative রূপ ‘least’। তাই বাক্যটি হবে ‘The bus is the least expensive way to get around’, যার অর্থ, বাস সবচেয়ে কম খরচের যাতায়াত। More বসালে এখানে ‘the’-এর পরে comparative হয়ে যেত, যা ঠিক নয়।
মনে রাখুন:
little → less → least।
good → better → best।
many/much → more → most। - ২৯. Which one is the subject in the sentence? To defrost this fridge takes ages.
- ক. fridge
- খ. to defrost
- গ. frost
- ঘ. to defrost the fridge
উত্তর: ঘ. to defrost the fridge
বাক্যে যে অংশ কাজটি করে বা যার সম্পর্কে কিছু বলা হয়, সেটিই subject। এখানে verb হলো ‘takes’। এর আগের পুরো অংশ ‘To defrost this fridge’ মিলে একটি infinitive phrase হিসেবে subject তৈরি করেছে। বাক্যটির অর্থ, এই ফ্রিজের বরফ গলাতে অনেক সময় লাগে। ‘fridge’ শুধু একটি শব্দ, পুরো subject নয়, আর ‘to defrost’ phrase-এর অসম্পূর্ণ অংশ।
মনে রাখুন:
infinitive phrase ও subject হতে পারে, শুধু noun নয়।
উদাহরণ: To err is human. (ভুল করা মানুষের ধর্ম।) - ৩০. We must buy the tickets next week. Here 'next week' is —
- ক. object
- খ. noun
- গ. adverbial
- ঘ. complement
উত্তর: গ. adverbial
‘next week’ বাক্যে কাজটি কখন ঘটবে তা জানায়, তাই এটি সময় বোঝানো একটি adverbial। ‘next week’ দেখতে noun phrase হলেও বাক্যে এর কাজ adverb-এর মতো, তাই একে adverbial বলা হয়। বাক্যে object হলো ‘the tickets’, কারণ কাজের ফল সেটির ওপরই পড়ছে।
মনে রাখুন: কখন, কোথায়, কীভাবে বোঝালে সেই অংশ সাধারণত adverbial।
উদাহরণ:
She came yesterday. (কখন)
He lives here. (কোথায়) - ৩১. The expression 'He is all but ruined' means—
- ক. He has everything
- খ. He is out of danger
- গ. He is nearly ruined
- ঘ. He ruined others than himself
উত্তর: গ. He is nearly ruined
‘all but’ একটি idiom, যার অর্থ প্রায় বা খুব কাছাকাছি (almost)। তাই ‘He is all but ruined’ বাক্যের অর্থ, সে প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে, যা nearly ruined-এর সমান। অনেক শিক্ষার্থী ভুল করে ‘all but’-কে ‘except’ ভেবে উল্টো অর্থ করে ফেলে।
উদাহরণ:
She all but fell. (সে প্রায় পড়ে গিয়েছিল।)
মনে রাখুন: ‘nothing but’ মানে কেবল বা শুধু, যেমন He is nothing but a fool. (সে নিছক একজন বোকা।) - ৩২. The phrase 'To embrace a habit' means—
- ক. to reject it
- খ. to eliminate it
- গ. to eagerly engage in it
- ঘ. be curious about it
উত্তর: গ. to eagerly engage in it
Embrace-এর আসল অর্থ আলিঙ্গন করা, কিন্তু ‘embrace a habit’ বাগ্ধারায় এর অর্থ আগ্রহের সঙ্গে কোনো অভ্যাস গ্রহণ করা। তাই সঠিক উত্তর ‘to eagerly engage in it’। অন্য বিকল্পগুলো উল্টো অর্থ দেয়: reject মানে প্রত্যাখ্যান করা এবং eliminate মানে দূর করা। আর ‘curious’ মানে কৌতূহলী, যা গ্রহণ করার অর্থ নয়।
মনে রাখুন:
embrace an idea মানে কোনো ধারণা খুশি মনে গ্রহণ করা।
embrace a cause মানে কোনো উদ্দেশ্যকে আন্তরিকভাবে সমর্থন করা। - ৩৩. Kim was written by—
- ক. Kipling
- খ. Forster
- গ. Conrad
- ঘ. Hardy
উত্তর: ক. Kipling
‘Kim’ উপন্যাসটির লেখক রুডইয়ার্ড কিপলিং (Rudyard Kipling)। এটি ১৯০১ সালে প্রকাশিত হয় এবং ব্রিটিশ ভারতের পটভূমিতে লেখা এক অনাথ বালকের কাহিনি। কিপলিং ১৯০৭ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। বাকি লেখকদের কেউ এই বইটি লেখেননি।
মনে রাখুন:
Kipling-এর আরেক বিখ্যাত বই: The Jungle Book।
E. M. Forster: A Passage to India।
Joseph Conrad: Heart of Darkness।
Thomas Hardy: Tess of the d'Urbervilles। - ৩৪. Which of the following is not true about Shakespeare?
- ক. Poet
- খ. Playwright
- গ. Novelist
- ঘ. Actor
উত্তর: গ. Novelist
উইলিয়াম শেক্সপিয়ার (William Shakespeare) ছিলেন নাট্যকার (Playwright), কবি (Poet) এবং মঞ্চের অভিনেতা (Actor)। তিনি ‘হ্যামলেট’, ‘ম্যাকবেথ’-এর মতো নাটক এবং ১৫৪টি সনেট লিখেছেন। কিন্তু তাঁর সময়ে উপন্যাস (Novel) নামের সাহিত্যধারা ইংরেজিতে তখনো গড়ে ওঠেনি, আর তিনিও কোনো উপন্যাস লেখেননি। তাই novelist পরিচয়টি তাঁর ক্ষেত্রে সত্য নয়।
মনে রাখুন:
শেক্সপিয়ারের চারটি মহান ট্র্যাজেডি: Hamlet, Othello, King Lear, Macbeth।
তিনি লন্ডনের গ্লোব থিয়েটারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
তাঁর জন্ম ও মৃত্যু স্ট্র্যাটফোর্ড-আপন-এভনে। - ৩৫. An elegy is a—
- ক. hymn
- খ. limerick
- গ. poem of lamentation
- ঘ. satire
উত্তর: গ. poem of lamentation
Elegy হলো শোকগাথা, অর্থাৎ কারও মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে লেখা কবিতা (poem of lamentation)। যেমন টেনিসনের ‘In Memoriam’ একটি বিখ্যাত elegy, যেটি তিনি বন্ধু আর্থার হ্যালামের মৃত্যুতে লিখেছিলেন।
বাকি শব্দগুলোর অর্থ আলাদা। Hymn মানে ঈশ্বরের স্তুতি-গান, limerick মানে পাঁচ লাইনের হাস্যরসাত্মক কবিতা, আর satire মানে ব্যঙ্গরচনা।
মনে রাখুন:
আরও বিখ্যাত elegy: মিল্টনের ‘Lycidas’, শেলির ‘Adonais’, টমাস গ্রের ‘Elegy Written in a Country Churchyard’।
Elegy মানে মূলত শোকের কবিতা, আর Ode মানে স্তুতিমূলক গীতিকবিতা। - ৩৬. Which of the following is chronologically in order?
- ক. Chaucer, Spenser, Shelley, Swinburne
- খ. Shakespeare, Chaucer, Eliot, Donne
- গ. Hughes, Eliot, Yeats, Auden
- ঘ. Hopkins, Browning, Wordsworth, Marvell
উত্তর: ক. Chaucer, Spenser, Shelley, Swinburne
সময়ের ক্রমে চসার (Chaucer) ১৪ শতকের, স্পেনসার (Spenser) ১৬ শতকের, শেলি (Shelley) ১৯ শতকের শুরুর এবং সুইনবার্ন (Swinburne) ১৯ শতকের শেষ ভাগের কবি। তাই এই ক্রমটিই ঠিক।
অন্য বিকল্পগুলোর ক্রম ঠিক নয়। দ্বিতীয় বিকল্পে শেক্সপিয়ার চসারের আগে বসেছে, অথচ চসার তাঁর অনেক আগের কবি। তৃতীয় বিকল্পে ইয়েটস (জন্ম ১৮৬৫) এলিয়টের (জন্ম ১৮৮৮) আগের কবি, কিন্তু সেখানে উল্টো বসেছে। চতুর্থ বিকল্পের ক্রমটি প্রায় উল্টো, কারণ মার্ভেল ১৭ শতকের কবি এবং ওয়ার্ডসওয়ার্থ ১৮ ও ১৯ শতকের।
মনে রাখুন:
Chaucer-কে ইংরেজি সাহিত্যের জনক বলা হয়, তাঁর বিখ্যাত বই ‘The Canterbury Tales’।
Spenser-এর বিখ্যাত কাব্য ‘The Faerie Queene’। - ৩৭. Ben Jonson introduced—
- ক. allegory
- খ. heroic drama
- গ. comedy of manners
- ঘ. comedy of humours
উত্তর: ঘ. comedy of humours
বেন জনসন (Ben Jonson) ‘Comedy of Humours’ নামের নাট্যধারা প্রবর্তন করেন। সেকালের চিকিৎসা-ধারণা অনুযায়ী মানুষের শরীরে চার ধরনের রস (humour) আছে। জনসন দেখিয়েছেন, এর কোনো একটির প্রাধান্যে চরিত্রের স্বভাব তৈরি হয়, আর সেই বাড়াবাড়িকে ব্যঙ্গ করেছেন।
মনে রাখুন:
তাঁর বিখ্যাত নাটক ‘Volpone’, ‘The Alchemist’ ও ‘Every Man in His Humour’।
Comedy of Manners-এর লেখক হিসেবে বিখ্যাত কংগ্রিভ ও ওয়াইচার্লি।
Heroic drama-এর সঙ্গে জড়িত নাম জন ড্রাইডেন। - ৩৮. A cliche is a—
- ক. a witty statement
- খ. a worn out statement
- গ. a false evidence
- ঘ. Irish humour
উত্তর: খ. a worn out statement
Cliché হলো এমন কথা বা বাক্যাংশ, যা এত বেশি ব্যবহৃত হয়েছে যে তার নতুনত্ব আর নেই। তাই একে worn out statement বা জীর্ণ উক্তি বলা হয়। শব্দটি ফরাসি ভাষা থেকে ইংরেজিতে এসেছে। অন্য বিকল্পগুলো এর অর্থ নয়: witty statement মানে রসাল বা চতুর উক্তি, আর false evidence মানে মিথ্যা প্রমাণ।
উদাহরণ:
As busy as a bee.
Time heals all wounds.
মনে রাখুন: ভালো লেখায় সাধারণত cliché এড়িয়ে চলা হয়। - ৩৯. What does 'apartheid' refer to?আরও এসেছে: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার ২০১৬
- ক. apart
- খ. distance
- গ. discrimination
- ঘ. dialogue
উত্তর: গ. discrimination
Apartheid দক্ষিণ আফ্রিকার আফ্রিকান্স ভাষার শব্দ, যার আক্ষরিক অর্থ ‘পৃথক থাকা’। দক্ষিণ আফ্রিকার শ্বেতাঙ্গ সরকার ১৯৪৮ সাল থেকে কৃষ্ণাঙ্গদের বিরুদ্ধে যে বর্ণবৈষম্যমূলক নীতি চালিয়েছিল, সেটিই এই নামে পরিচিত। তাই এর অর্থ discrimination বা বৈষম্য।
মনে রাখুন:
নেলসন ম্যান্ডেলা এই নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করেন এবং ২৭ বছর জেল খাটেন।
১৯৯৩ সালে তিনি শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।
১৯৯৪ সালে তিনি দেশের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতি হন। - ৪০. 'Renaissance' means the—
- ক. revival of learning
- খ. revival of human rights
- গ. revival of life
- ঘ. revival of medieval spirit
উত্তর: ক. revival of learning
Renaissance ফরাসি শব্দ, যার অর্থ পুনর্জন্ম। ইউরোপে ১৪ থেকে ১৭ শতকে প্রাচীন গ্রিক ও রোমান জ্ঞানচর্চা নতুন করে জেগে ওঠে। এই ঘটনাকেই বলা হয় Renaissance বা revival of learning (বিদ্যার পুনর্জাগরণ)। এ সময় মানুষ ধর্মের পাশাপাশি যুক্তি, বিজ্ঞান ও শিল্পকেও গুরুত্ব দিতে শুরু করে।
মনে রাখুন:
ইতালি ছিল এই আন্দোলনের সূচনাভূমি, এবং পেত্রার্ক ও দান্তে এর অগ্রদূত।
১৪৫৩ সালে কনস্টান্টিনোপলের পতনের পর গ্রিক পণ্ডিতরা ইতালিতে চলে এলে এই জাগরণ গতি পায়।
Renaissance-এর মূল ভাবনাকে বলা হয় Humanism (মানবতাবাদ)। - ৪১. Fill in the blanks: If he hadn't been so tired, he— asleep so quickly.
- ক. didn't fall
- খ. hadn't fallen
- গ. wouldn't fallen
- ঘ. wouldn't have fallen
উত্তর: ঘ. wouldn't have fallen
এটি Third conditional, যেখানে অতীতের একটি কাল্পনিক শর্ত নিয়ে কথা হয়। এর নিয়ম হলো If + Past Perfect (had + V3), তারপর would have + V3। শর্তাংশে ‘hadn't been’ থাকায় মূল অংশে ‘wouldn't have fallen’ হবে। বাক্যের অর্থ, সে যদি এত ক্লান্ত না থাকত, তাহলে এত তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়ত না। বাস্তবে সে ক্লান্ত ছিল এবং ঘুমিয়ে পড়েছিল।
উদাহরণ:
If I had studied, I would have passed.
মনে রাখুন:
Second conditional: If + Past Simple, would + V1।
First conditional: If + Present Simple, will + V1। - ৪২. What is the antonym of 'Apex'?
- ক. top
- খ. peak
- গ. base
- ঘ. pinnacle
উত্তর: গ. base
Apex মানে চূড়া বা সর্বোচ্চ বিন্দু। এর বিপরীত শব্দ ভিত্তি বা নিচের অংশ বোঝায় base। বাকি তিনটি শব্দ top, peak ও pinnacle প্রতিটিই চূড়া বোঝায়, তাই সেগুলো সমার্থক।
মনে রাখুন:
Apex-এর আরেক বিপরীত শব্দ Nadir (সর্বনিম্ন বিন্দু)।
Apex-এর সমার্থক শব্দ: summit, zenith, acme।
উদাহরণ: The apex of the triangle. (ত্রিভুজের শীর্ষবিন্দু।) - ৪৩. The word 'ecological' is related to—
- ক. atmosphere
- খ. pollution
- গ. environment
- ঘ. demography
উত্তর: গ. environment
Ecology হলো জীব ও তার পরিবেশের পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে বিজ্ঞান, তাই ecological শব্দটি environment বা পরিবেশের সঙ্গে সম্পর্কিত। যেমন ecological balance মানে প্রকৃতির ভারসাম্য। ইংরেজি শব্দটি এসেছে গ্রিক ‘oikos’ (ঘর) থেকে।
বাকি শব্দের অর্থ: atmosphere মানে বায়ুমণ্ডল, pollution মানে দূষণ আর demography মানে জনসংখ্যাতত্ত্ব। এগুলো পরিবেশের অংশবিশেষ হতে পারে, কিন্তু ecological শব্দের সবচেয়ে সরাসরি সম্পর্ক পরিবেশের সঙ্গে।
মনে রাখুন:
Ecosystem মানে কোনো অঞ্চলের জীব ও জড় উপাদানের সম্মিলিত ব্যবস্থা।
Ecology শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন জার্মান বিজ্ঞানী আর্নস্ট হেকেল। - ৪৪. Which spelling is correct?
- ক. layeing
- খ. lieing
- গ. lying
- ঘ. lahying
উত্তর: গ. lying
Lie ক্রিয়ার সঙ্গে ‘-ing’ যোগ করলে শেষের ‘ie’ বদলে ‘y’ হয়ে যায়, তাই শুদ্ধ রূপ lying। বাকি বানানগুলো ইংরেজিতে অস্তিত্বহীন। একই নিয়মে die থেকে dying এবং tie থেকে tying হয়।
মনে রাখুন:
Lie-এর দুটি অর্থ আছে: মিথ্যা বলা এবং শুয়ে থাকা, আর দুই ক্ষেত্রেই present participle হলো lying।
যে ক্রিয়ার শেষে ‘ie’ থাকে, সেখানে ing যোগে ie → y হয়। - ৪৫. 'Handy' is the synonym of—
- ক. comfortable
- খ. useful
- গ. convenient to use
- ঘ. necessary
উত্তর: খ. useful
Handy মানে কাজে লাগার মতো, সহজে হাতের কাছে পাওয়া যায় বা ব্যবহার করা যায় এমন। শব্দগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কাছের সমার্থক শব্দ useful (উপযোগী)।
বাকি শব্দের অর্থ: comfortable মানে আরামদায়ক, necessary মানে প্রয়োজনীয়। ‘convenient to use’ও অর্থের কাছাকাছি, কিন্তু প্রশ্নে একটিমাত্র শব্দ চাওয়া হয়েছে বলে useful-ই সবচেয়ে সরাসরি সমার্থক।
উদাহরণ:
A handy tool. (একটি কাজের যন্ত্র)
মনে রাখুন: Handy-এর বিপরীত শব্দ useless বা inconvenient। - ৪৬. Choose the right preposition: We shall refrain — doing it.
- ক. from
- খ. of
- গ. by
- ঘ. at
উত্তর: ক. from
Refrain একটি verb, যার অর্থ বিরত থাকা বা নিজেকে সংযত রাখা। এর পরে ‘from’ preposition বসে। তাই বাক্যটি হবে ‘We shall refrain from doing it’, যার অর্থ আমরা এটি করা থেকে বিরত থাকব।
মনে রাখুন:
Refrain from-এর পরে verb বসলে সেটির ‘-ing’ রূপ হয়, যেমন refrain from smoking।
একই অর্থে abstain from এবং desist from-ও ব্যবহৃত হয়। - ৪৭. Fill in the blank with the right word: — now follows is a party political broadcast.
- ক. What
- খ. There
- গ. It
- ঘ. If
উত্তর: ক. What
‘What’ এখানে সম্বন্ধবাচক সর্বনাম (relative pronoun), যার অর্থ ‘যা কিছু’। ‘What now follows’ মিলে বাক্যের subject হয়েছে, আর তারপর verb ‘is’ এসেছে। বাক্যটির অর্থ, এখন যা আসছে তা একটি রাজনৈতিক দলের প্রচারমূলক অনুষ্ঠান। অন্য বিকল্পগুলো বসালে বাক্য ব্যাকরণসম্মত হয় না। ‘There’ বা ‘It’ বসালে verb-এর আগে আরেকটি subject তৈরি হয়ে যায়, আর ‘If’ বসালে বাক্য অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
উদাহরণ:
What I need is rest. (আমার যা দরকার তা হলো বিশ্রাম।)
মনে রাখুন: What-clause পুরো বাক্যের subject বা object হতে পারে। - ৪৮. Which of the following is correct?
- ক. Sophocles tragedies are famous
- খ. Sophocles' tragedies are famous
- গ. Sophocles's tragedies are famous
- ঘ. The Sophocles tragedy is famous
উত্তর: খ. Sophocles' tragedies are famous
যে একবচন noun ‘s’ দিয়ে শেষ হয়, তার possessive রূপে সাধারণত শুধু apostrophe (’) বসানো হয়, বিশেষ করে গ্রিক নামের ক্ষেত্রে। তাই ‘Sophocles’ tragedies’ লেখা হয়। ‘Sophocles tragedies’ ভুল, কারণ apostrophe না থাকলে possessive বোঝায় না। আর ‘The Sophocles tragedy is famous’ বাক্যে মালিকানা বোঝানোর চিহ্ন নেই।
মনে রাখুন:
Sophocles ছিলেন প্রাচীন গ্রিক ট্র্যাজেডি লেখক, তাঁর বিখ্যাত নাটক ‘Oedipus Rex’ ও ‘Antigone’।
তিনি এসকাইলাস ও ইউরিপিডিসের সমসাময়িক ছিলেন।
বাংলাদেশ
- ৪৯. সর্বস্তরে নারীপুরুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করার কথা বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
- ক. ২৯(২)
- খ. ২৮(২)
- গ. ৩৯(১)
- ঘ. ৩৯(২)
উত্তর: খ. ২৮(২)
বাংলাদেশের সংবিধানের ২৮(২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারীরা পুরুষের সমান অধিকার লাভ করবেন। এটি সংবিধানের তৃতীয় ভাগের (মৌলিক অধিকার) অংশ। মৌলিক অধিকার বলতে সেই অধিকার বোঝায়, যা সংবিধান নাগরিকদের নিশ্চিত করে এবং যা আদালতের মাধ্যমে বলবৎ করা যায়।
মনে রাখুন:
২৮(১) অনুচ্ছেদে কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারীপুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে রাষ্ট্র কোনো নাগরিকের প্রতি বৈষম্য করবে না।
২৯(২) অনুচ্ছেদে সরকারি নিয়োগে ধর্ম, বর্ণ বা নারী-পুরুষ ভেদে বৈষম্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
৩৯ অনুচ্ছেদে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্স্বাধীনতার নিশ্চয়তা আছে। - ৫০. ময়মনসিংহ বিভাগ কয়টি জেলা নিয়ে গঠিত?
- ক. ৩টি
- খ. ৪টি
- গ. ৫টি
- ঘ. ৯টি
উত্তর: খ. ৪টি
২০১৫ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর ময়মনসিংহকে বাংলাদেশের অষ্টম বিভাগ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। আগে এটি ঢাকা বিভাগের অন্তর্ভুক্ত ছিল। নতুন বিভাগটিতে জেলা চারটি: ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর ও নেত্রকোণা। এই কারণে ঢাকা বিভাগের আয়তন ও জেলার সংখ্যা কমে গেছে।
মনে রাখুন:
বিভাগ হওয়ার পর বাংলাদেশে বিভাগ ৮টি এবং জেলা ৬৪টি।
এর আগে ২০১০ সালে রংপুর সপ্তম বিভাগ হিসেবে যুক্ত হয়েছিল।
বাকি বিভাগ: ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট। - ৫১. মানব উন্নয়ন সূচকে (HDI) বাংলাদেশের বর্তমান স্থান কত?
- ক. ১৫৫তম
- খ. ১৪৩তম
- গ. ১৪২তম
- ঘ. ১৩৯তম
উত্তর: গ. ১৪২তম
সংযুক্ত রাষ্ট্রসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP) প্রতি বছর মানব উন্নয়ন সূচক (Human Development Index) প্রকাশ করে। পরীক্ষার সময় (জানুয়ারি ২০১৬) সর্বশেষ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী ১৮৮টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৪২তম। এই সূচকে মূলত গড় আয়ু, শিক্ষা ও মাথাপিছু আয় বিবেচনা করা হয়। এই তিন ক্ষেত্রে অগ্রগতি যত বেশি, দেশের মান তত ওপরে ওঠে।
মনে রাখুন:
২০১৬ সালের প্রতিবেদনে বাংলাদেশ কিছুটা উন্নতি করে ১৩৯তম স্থানে ওঠে।
মানব উন্নয়ন সূচকের ধারণা দেন পাকিস্তানের অর্থনীতিবিদ মাহবুব উল হক।
হালনাগাদ: ২০২৫ সালের প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩০তম। - ৫২. বাংলাদেশে 'জাতীয় আয়কর দিবস' কোন তারিখে পালন করা হয়?
- ক. ১৫ জুন
- খ. ১২ জুলাই
- গ. ১৫ সেপ্টেম্বর
- ঘ. ১২ অক্টোবর
উত্তর: গ. ১৫ সেপ্টেম্বর
আয়কর দিবসের তারিখ সময়ের সঙ্গে বদলেছে। পরীক্ষার সময় (২০১৬ সালের জানুয়ারি) জাতীয় আয়কর দিবস পালিত হতো ১৫ সেপ্টেম্বর, তাই উত্তর ১৫ সেপ্টেম্বর। পরে এই তারিখ বদলে দেওয়া হয়। আয়কর হলো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের আয়ের ওপর সরকার যে কর আদায় করে, আর বাংলাদেশে এই কর আদায়ের দায়িত্ব জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (NBR)।
মনে রাখুন: কর হলো সরকারকে নাগরিকের দেওয়া অর্থ, যা দিয়ে সরকার রাষ্ট্রীয় সেবা ও উন্নয়নের কাজ চালায়।
হালনাগাদ: এখন জাতীয় আয়কর দিবস পালিত হয় ৩০ নভেম্বর। - ৫৩. ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় কোন নদী অবস্থিত?
- ক. গোমতী
- খ. তিতাস
- গ. যমুনা
- ঘ. পদ্মা
উত্তর: খ. তিতাস
তিতাস নদী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ওপর দিয়ে বয়ে গেছে। অদ্বৈত মল্লবর্মণের বিখ্যাত উপন্যাস ‘তিতাস একটি নদীর নাম’ এই নদীকে ঘিরেই লেখা। উপন্যাসে নদীর তীরের মালো সম্প্রদায়ের জেলেদের জীবন, দুঃখ ও সংগ্রামের কথা ফুটে উঠেছে। লেখক নিজেও এই জেলার মানুষ ছিলেন।
মনে রাখুন:
গোমতী নদী কুমিল্লা জেলায়।
যমুনা নদী সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল, জামালপুর প্রভৃতি জেলার পাশ দিয়ে গেছে।
পদ্মা নদী রাজবাড়ী, মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ প্রভৃতি জেলায় প্রবাহিত। - ৫৮. 'ইয়ং বেঙ্গল' আন্দোলনের প্রবক্তা কে ছিলেন?
- ক. উইলিয়াম কেরি
- খ. ডিরোজিও
- গ. প্যারীচাঁদ মিত্র
- ঘ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
উত্তর: খ. ডিরোজিও
উনিশ শতকের শুরুতে কলকাতার হিন্দু কলেজে হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও শিক্ষকতা করতেন। তিনি ছাত্রদের যুক্তি, মুক্তচিন্তা ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর শিক্ষা দেন। তাঁর অনুসারী এই নতুন চিন্তার তরুণরাই ‘ইয়ং বেঙ্গল’ নামে পরিচিত হন। এই আন্দোলনের সূচনা ১৮৩১ সালের কাছাকাছি সময়ে। ডিরোজিও ওই বছরই মাত্র ২২ বছর বয়সে কলেরায় মারা যান।
মনে রাখুন:
ডিরোজিও ছিলেন ইঙ্গ-ভারতীয় কবি ও শিক্ষক।
তাঁর অনুসারীদের মধ্যে রামতনু লাহিড়ী, রসিককৃষ্ণ মল্লিক ও দক্ষিণারঞ্জন মুখোপাধ্যায় পরিচিত।
তাঁর কাব্যগ্রন্থ ‘The Fakir of Jungheera’। - ৫৯. হার্ডিঞ্জ ব্রিজ কোন জেলায় অবস্থিত?
- ক. কুষ্টিয়া-পাবনা
- খ. কুষ্টিয়া-রাজশাহী
- গ. পাবনা-সিরাজগঞ্জ
- ঘ. পাবনা-নাটোর
উত্তর: ক. কুষ্টিয়া-পাবনা
হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পদ্মা (গঙ্গা) নদীর ওপর নির্মিত রেলসেতু। এটি পাবনা জেলার ঈশ্বরদী এবং কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা উপজেলাকে যুক্ত করেছে। সেতুটি ১৯১৫ সালে উদ্বোধন করা হয়। আমরা যদি জেলার নাম ধরে বলি, তাহলে সেতুটি কুষ্টিয়া ও পাবনা জেলাকে সংযুক্ত করেছে।
মনে রাখুন:
এই সেতুর নাম ভারতের তখনকার ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জের নামে রাখা হয়েছিল।
এর কাছেই পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত লালন শাহ সেতু। - ৬৪. রাষ্ট্রের উপাদান নয় কোনটি?
- ক. জনসমষ্টি
- খ. নির্দিষ্ট ভূখণ্ড
- গ. সামাজিক ন্যায়বিচার
- ঘ. সার্বভৌমত্ব
উত্তর: গ. সামাজিক ন্যায়বিচার
রাজনীতি বিজ্ঞানে রাষ্ট্রের চারটি উপাদান ধরা হয়: জনসমষ্টি, নির্দিষ্ট ভূখণ্ড, সরকার এবং সার্বভৌমত্ব (Sovereignty)। এগুলোর যেকোনো একটি না থাকলে সেটি পূর্ণ রাষ্ট্র হয় না। সামাজিক ন্যায়বিচার একটি আদর্শ বা লক্ষ্য, কিন্তু রাষ্ট্রের গঠনগত উপাদান নয়। রাষ্ট্র তার লক্ষ্য হিসেবে ন্যায়বিচারের চেষ্টা করতে পারে, কিন্তু ন্যায়বিচার ছাড়াও রাষ্ট্র টিকে থাকে।
মনে রাখুন:
সার্বভৌমত্ব দুই ধরনের, অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক।
সরকার হলো রাষ্ট্রের কার্যনির্বাহী যন্ত্র, আর সরকার বদলালেও রাষ্ট্র থেকে যায়। - ৬৫. 'ছিয়াত্তরের মন্বন্তর' নামক ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ কত সনে ঘটে?
- ক. বাংলা ১১৭৬ সনে
- খ. বাংলা ১২৯৬ সনে
- গ. বাংলা ১৩৭৬ সনে
- ঘ. বাংলা ১৪৭৬ সনে
উত্তর: ক. বাংলা ১১৭৬ সনে
১৭৭০ খ্রিষ্টাব্দে বাংলায় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ হয়, যা বাংলা সনের হিসাবে ১১৭৬ সালে ঘটে। তাই একে ‘ছিয়াত্তরের মন্বন্তর’ বলা হয়। ইংরেজি সন থেকে বাংলা সন সাধারণত ৫৯৩ বছর কম, সেই হিসাবে 1770 − 593 = 1177 হয়, তবে বাংলা সন শুরু হয় এপ্রিল মাসে। দুর্ভিক্ষ শুরু হয়েছিল ১৭৬৯-৭০ সালের দিকে, তাই ১১৭৬ ধরা হয়।
মনে রাখুন:
তখন বাংলায় দ্বৈত শাসন চলছিল, যা রবার্ট ক্লাইভ ১৭৬৫ সালে চালু করেন।
দুর্ভিক্ষে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ মারা যায়।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাসে এই দুর্ভিক্ষের পটভূমি আছে। - ৬৬. হাজী মোহাম্মদ মহসীনের বাড়ি কোথায়?
- ক. রাজশাহী
- খ. মুর্শিদাবাদ
- গ. হুগলী
- ঘ. মেদেনীপুর
উত্তর: গ. হুগলী
হাজী মোহাম্মদ মহসীন ১৭৩২ সালে হুগলী জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বোন মন্নুজান খানমের কাছ থেকে প্রচুর সম্পত্তি পান এবং সেই সম্পত্তির আয় দিয়ে ‘হাজী মহসীন ফান্ড’ গড়েন। এই ফান্ডের টাকায় শিক্ষা ও সমাজকল্যাণের কাজ চালানো হয়। তাঁর নামে হুগলী মহসীন কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়।
মনে রাখুন:
তিনি দানবীর হিসেবে পরিচিত।
১৮১২ সালে তিনি মারা যান। - ৬৮. মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় কবে?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৪
- ক. ২৫ মার্চ ১৯৭১
- খ. ১০ এপ্রিল ১৯৭১
- গ. ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
- ঘ. ৬ জুন ১৯৭১
উত্তর: খ. ১০ এপ্রিল ১৯৭১
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি বাহিনী গণহত্যা শুরু করলে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়। এরপর ১০ এপ্রিল গণপরিষদের নির্বাচিত সদস্যরা মিলে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র অনুমোদন করে সরকার গঠন করেন। এটিই মুজিবনগর সরকার। এই সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নেয় ১৭ এপ্রিল, মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায়।
মনে রাখুন:
ঐ স্থানের নাম পরে হয় মুজিবনগর।
সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান, উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, আর প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ। - ৬৯. বাংলাদেশের সাথে কয়টি দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৬
- ক. ২টি
- খ. ৩টি
- গ. ৫টি
- ঘ. ৮টি
উত্তর: ক. ২টি
বাংলাদেশের সঙ্গে স্থল সীমান্ত আছে মাত্র দুটি দেশের: ভারত ও মিয়ানমার। ভারতের সঙ্গে সীমান্ত পশ্চিম, উত্তর ও পূর্ব দিকে, আর মিয়ানমারের সঙ্গে সীমান্ত দক্ষিণ-পূর্ব দিকে। দক্ষিণে রয়েছে বঙ্গোপসাগর, যেখানে স্থল নয়, সমুদ্রসীমা আছে।
মনে রাখুন:
রাঙামাটি জেলা ভারত ও মিয়ানমার, দুই দেশের সঙ্গেই সীমান্ত ভাগ করেছে।
বাংলাদেশের সীমান্তের বেশির ভাগ অংশ ভারতের সঙ্গে, মিয়ানমারের সঙ্গে সীমান্ত তুলনায় অনেক ছোট। - ৯৩. KAFCO কোথায় অবস্থিত?
- ক. রংপুর
- খ. ঢাকা
- গ. খুলনা
- ঘ. চট্টগ্রাম
উত্তর: ঘ. চট্টগ্রাম
KAFCO-র পুরো নাম Karnaphuly Fertilizer Company Limited। এটি চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ারা উপজেলায় কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত একটি সার কারখানা। এখানে প্রধানত ইউরিয়া সার তৈরি হয় এবং এর বেশ কিছু সার বিদেশেও রপ্তানি হয়। কারখানাটি কর্ণফুলী নদীর মোহনার কাছে হওয়ায় সার পরিবহন ও রপ্তানিতে সুবিধা পায়।
মনে রাখুন:
কারখানাটি বাংলাদেশ ও জাপানের যৌথ বিনিয়োগে গড়ে ওঠে।
চট্টগ্রামে আরও সার কারখানা আছে, যেমন চট্টগ্রাম ইউরিয়া সার কারখানা (CUFL)।
আন্তর্জাতিক
- ৫৪. ২০১৫ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহীত টেকসই উন্নয়নের জন্য গৃহীত কর্মসূচি কোনটি?
- ক. এমডিজি
- খ. এসডিজি
- গ. সিপিডি
- ঘ. এনএলজি
উত্তর: খ. এসডিজি
২০১৫ সালে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য (Millennium Development Goals, MDG)-এর মেয়াদ শেষ হয়। তখন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে ২০৩০ এজেন্ডার অংশ হিসেবে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (Sustainable Development Goals, SDG) গ্রহণ করে। এতে ১৭টি লক্ষ্য আছে, আর এগুলো ২০১৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়। এসব লক্ষ্যের মধ্যে দারিদ্র্য দূর করা, ক্ষুধা মেটানো, মানসম্মত শিক্ষা, জলবায়ু রক্ষা ও লিঙ্গসমতা আছে।
মনে রাখুন:
MDG-তে লক্ষ্য ছিল ৮টি এবং মেয়াদ ছিল ২০০০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত।
SDG-র মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত। - ৫৫. বিশ্বের ১ম মহিলা প্রধানমন্ত্রী কে?
- ক. শ্রীমাভো বন্দরনায়েক
- খ. ইন্দিরা গান্ধী
- গ. মার্গারেট থেচার
- ঘ. সোনিয়া গান্ধী
উত্তর: ক. শ্রীমাভো বন্দরনায়েক
শ্রীমাভো বন্দরনায়েক শ্রীলঙ্কার (তখন সিলন) নেতা ছিলেন। ১৯৬০ সালে তিনি দেশটির প্রধানমন্ত্রী হন এবং বিশ্বের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইতিহাসে নাম লেখান। তাঁর স্বামী সলোমন বন্দরনায়েকও দেশটির প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তাঁর কন্যা চন্দ্রিকা কুমারাতুঙ্গা পরে শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি হন।
মনে রাখুন:
ভারতের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী (১৯৬৬)।
যুক্তরাজ্যের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার (১৯৭৯)।
মার্গারেট থ্যাচারকে ‘আয়রন লেডি’ বলা হয়। - ৫৬. যুক্তরাষ্ট্রে কত সালে দাসপ্রথা বিলুপ্ত হয়?
- ক. ১৮৬৩
- খ. ১৮৭২
- গ. ১৮৬৪
- ঘ. ১৮৬১
উত্তর: ক. ১৮৬৩
যুক্তরাষ্ট্রে দাসপ্রথার বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপটি নেন প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন। গৃহযুদ্ধের মধ্যে ১৮৬৩ সালের ১ জানুয়ারি তিনি মুক্তি ঘোষণা (Emancipation Proclamation) জারি করে বিদ্রোহী রাজ্যগুলোর ক্রীতদাসদের স্বাধীন ঘোষণা করেন। তাই প্রচলিত উত্তর ১৮৬৩। এই ঘোষণা গৃহযুদ্ধের চরিত্রও বদলে দেয়, কারণ এরপর যুদ্ধ দাসপ্রথা বিলোপেরও লড়াই হয়ে ওঠে।
মনে রাখুন:
সারা দেশে দাসপ্রথা আইনত বাতিল হয় ১৮৬৫ সালে, সংবিধানের ১৩তম সংশোধনীর মাধ্যমে।
যুক্তরাষ্ট্রের গৃহযুদ্ধ চলেছিল ১৮৬১ থেকে ১৮৬৫ সাল পর্যন্ত। - ৬০. ২০১৫ সালে 'World Food Prize' কে পেয়েছেন?
- ক. ফ্রাঙ্ক ভল্টার স্টেইনমেয়ার
- খ. শাইখ সিরাজ
- গ. কেনেথ কুইন
- ঘ. স্যার ফজলে হাসান আবেদ
উত্তর: ঘ. স্যার ফজলে হাসান আবেদ
বিশ্ব খাদ্য পুরস্কার (World Food Prize) কৃষি ও খাদ্য উৎপাদনে অবদানের জন্য দেওয়া হয়। নোবেলজয়ী কৃষিবিজ্ঞানী নরম্যান বরলগ এটি চালু করেন। ২০১৫ সালে বাংলাদেশের ব্র্যাক প্রতিষ্ঠাতা স্যার ফজলে হাসান আবেদ দারিদ্র্য ও ক্ষুধা কমানোর কাজের জন্য এ পুরস্কার পান।
মনে রাখুন:
ব্র্যাক প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭২ সালে।
ফজলে হাসান আবেদ ১৯৮০ সালে রামন ম্যাগসেসে পুরস্কারও পান।
হালনাগাদ: ২০২৫ সালে এই পুরস্কার পান ব্রাজিলের অণুজীববিজ্ঞানী মারিয়াঞ্জেলা হাংরিয়া। - ৬১. জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে অস্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র কত বছরের জন্য নির্বাচিত হয়?
- ক. ৫ বছর
- খ. ৩ বছর
- গ. ২ বছর
- ঘ. ১ বছর
উত্তর: গ. ২ বছর
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে মোট সদস্য ১৫টি। এর মধ্যে ৫টি স্থায়ী সদস্য, আর বাকি ১০টি অস্থায়ী সদস্য। অস্থায়ী সদস্যরা সাধারণ পরিষদের ভোটে ২ বছরের জন্য নির্বাচিত হন। প্রতি বছর ৫টি করে অস্থায়ী আসন শূন্য হয়, ফলে পরিষদ একসঙ্গে পুরোপুরি বদলে যায় না।
মনে রাখুন:
স্থায়ী সদস্য পাঁচটি দেশ হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন, এদের ভেটো (Veto) ক্ষমতা আছে।
বাংলাদেশ দুবার অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়েছে, ১৯৭৯–৮০ এবং ২০০০–০১ সালে। - ৬২. Schengen Area ভুক্ত দেশ নয় কোনটি?
- ক. ইতালি
- খ. ব্রিটেন
- গ. ডেনমার্ক
- ঘ. ফ্রান্স
উত্তর: খ. ব্রিটেন
শেনজেন এলাকা (Schengen Area) হলো ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের এমন একটি অঞ্চল, যেখানে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সীমান্ত পাসপোর্ট পরীক্ষা ছাড়াই পার হওয়া যায়। ইতালি, ফ্রান্স ও ডেনমার্ক এর সদস্য। কিন্তু ব্রিটেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য থাকাকালেও শেনজেনে যোগ দেয়নি, তাই সে শেনজেনভুক্ত নয়।
মনে রাখুন:
শেনজেন চুক্তি লুক্সেমবার্গের শেনজেন শহরে ১৯৮৫ সালে সই হয়।
আয়ারল্যান্ডও শেনজেনের বাইরে।
সুইজারল্যান্ড ও নরওয়ে ইইউ সদস্য না হয়েও শেনজেনভুক্ত। - ৬৩. রাশিয়ার পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষের নাম কী?
- ক. ডুমা
- খ. সোরা
- গ. ডায়েট
- ঘ. কংগ্রেস
উত্তর: ক. ডুমা
রাশিয়ার আইনসভার নাম ফেডারেল অ্যাসেম্বলি। এর দুটি কক্ষের মধ্যে নিম্নকক্ষের নাম স্টেট ডুমা (State Duma) এবং উচ্চকক্ষের নাম ফেডারেশন কাউন্সিল। দেশে দুই কক্ষবিশিষ্ট আইনসভাকে দ্বিকক্ষ আইনসভা (Bicameral legislature) বলে। বিকল্পগুলোর মধ্যে ডুমাই রাশিয়ার নিম্নকক্ষ।
মনে রাখুন:
জাপানের আইনসভার নাম ডায়েট।
যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার নাম কংগ্রেস।
ভারতের নিম্নকক্ষ লোকসভা এবং যুক্তরাজ্যের নিম্নকক্ষ হাউস অব কমন্স। - ৬৭. ন্যাটোভুক্ত মুসলিম দেশ কোনটি?
- ক. তুরস্ক
- খ. ইরান
- গ. ইরাক
- ঘ. কুয়েত
উত্তর: ক. তুরস্ক
ন্যাটো (NATO, North Atlantic Treaty Organization) ১৯৪৯ সালে গঠিত পশ্চিমা সামরিক জোট। এর সদস্যদের মধ্যে মুসলিমপ্রধান দেশ তুরস্ক ও আলবেনিয়া। দেওয়া বিকল্পগুলোর মধ্যে শুধু তুরস্কই ন্যাটোর সদস্য। ইরান, ইরাক ও কুয়েত ন্যাটোর সদস্য নয়।
মনে রাখুন:
তুরস্ক ১৯৫২ সালে ন্যাটোতে যোগ দেয়।
ন্যাটোর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে।
হালনাগাদ: ২০২৪ সালে সুইডেন যোগ দিলে সদস্য সংখ্যা দাঁড়ায় ৩২টি।
কম্পিউটার ও আইসিটি
- ৭০. ড্রোন কী?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৫
- ক. ক্ষেপণাস্ত্র
- খ. উপগ্রহ
- গ. চালকবিহীন বিমান
- ঘ. ঝড়
উত্তর: গ. চালকবিহীন বিমান
ড্রোন (Drone) হলো এমন আকাশযান, যাতে কোনো চালক বসেন না। এটি মাটি থেকে দূরনিয়ন্ত্রণে বা আগে থেকে ঠিক করা প্রোগ্রামে উড়ে। এতে ক্যামেরা ও বিভিন্ন সেন্সর থাকে, তাই এটি দিয়ে ছবি তোলা, নজরদারি এবং মালামাল পৌঁছানো যায়। সেজন্য এর বাংলা চালকবিহীন বিমান।
মনে রাখুন:
ড্রোনকে ইংরেজিতে UAV (Unmanned Aerial Vehicle) বলা হয়।
ড্রোন ক্ষেপণাস্ত্র নয়, কারণ এটি লক্ষ্যে আঘাত করে ধ্বংস হয় না, বরং ফিরে আসতে পারে।
কৃষিকাজে ফসলের ওপর ওষুধ ছিটাতেও ড্রোন ব্যবহার হয়। - ৯২. টাচস্ক্রিন মোবাইল ফোন আবিষ্কারক কে?
- ক. বিল গেটস
- খ. চার্লস ব্যাবেজ
- গ. স্টিভ জবস
- ঘ. জর্জ বুল
উত্তর: গ. স্টিভ জবস
টাচস্ক্রিন প্রযুক্তি একজন একক মানুষের আবিষ্কার নয়, তবে ২০০৭ সালে অ্যাপলের তৎকালীন প্রধান স্টিভ জবস আইফোন বাজারে এনে টাচস্ক্রিন মোবাইলকে সারা বিশ্বে জনপ্রিয় করেন। তাই দেওয়া বিকল্পগুলোর মধ্যে তাঁর নামই উত্তর।
মনে রাখুন:
বিল গেটস মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা।
চার্লস ব্যাবেজকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়।
জর্জ বুল বুলিয়ান বীজগণিতের জনক।
স্টিভ জবস অ্যাপলের সহপ্রতিষ্ঠাতাও ছিলেন।
গণিত
- ৭১. শূন্যস্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে? ২১২, ১৭৯, ১৪৬, ১১৩ — ।
- ক. ১৩
- খ. ৪৩
- গ. ৩৩
- ঘ. ৮০
উত্তর: ঘ. ৮০
সংখ্যাগুলোর পাশাপাশি পার্থক্য দেখি: 212 − 179 = 33, 179 − 146 = 33, 146 − 113 = 33। অর্থাৎ প্রতিবার ৩৩ কমছে। তাই পরের সংখ্যা 113 − 33 = 80।
যাচাই: 80 + 33 = 113, যা আগের সংখ্যার সঙ্গে মেলে।
মনে রাখুন:
সমান পার্থক্যের ধারাকে সমান্তর ধারা বলে, এখানে সাধারণ অন্তর −33।
সংখ্যা ধারার প্রশ্নে প্রথমে পাশাপাশি পার্থক্য দেখা সবচেয়ে সহজ উপায়। - ৭২. একটি স্কুলে প্যারেড করার সময় ছাত্রদের ১০, ১২ বা ১৬ সারিতে সাজানো হয়। ঐ স্কুলে ন্যূনতম কতজন ছাত্র আছে?
- ক. ১২০
- খ. ১৮০
- গ. ২২০
- ঘ. ২৪০
উত্তর: ঘ. ২৪০
ছাত্রদের ১০, ১২ বা ১৬ সারিতে সমানভাবে সাজানো যায়, অর্থাৎ ছাত্রসংখ্যা তিনটি সংখ্যারই গুণিতক। সবচেয়ে কম সংখ্যা পেতে ল.সা.গু. বের করতে হবে।
10 = 2 × 5, 12 = 2² × 3, 16 = 2⁴
ল.সা.গু. = 2⁴ × 3 × 5 = 240
যাচাই: 240 ÷ 10 = 24, 240 ÷ 12 = 20, 240 ÷ 16 = 15, তিনটিই নিঃশেষে ভাগ যায়। কিন্তু 120 ÷ 16 = 7.5, 180 ÷ 16 মেলে না, 220 ÷ 12 মেলে না, তাই ছোট সংখ্যাগুলো উত্তর নয়।
মনে রাখুন: ল.সা.গু. বের করতে প্রতিটি মৌলিক উৎপাদকের সবচেয়ে বড় ঘাত নিতে হয়। - ৭৩. রোমান M প্রতীকের অর্থ কোনটি?
- ক. ১০০০
- খ. ৫০০
- গ. ১৫০০
- ঘ. ১২০০
উত্তর: ক. ১০০০
রোমান সংখ্যায় ‘M’ মানে ১০০০। রোমান অক্ষরগুলোর মান হলো I = 1, V = 5, X = 10, L = 50, C = 100, D = 500, M = 1000। এই সাতটি অক্ষর মিলিয়েই রোমান সংখ্যা লেখা হয়। বিকল্পগুলোর মধ্যে ১০০০-ই M-এর মান, ৫০০ হলো D-এর মান।
মনে রাখুন:
একটি ছোট সংখ্যা বড় সংখ্যার ডানে বসলে যোগ হয় (VI = 6), আর বামে বসলে বিয়োগ হয় (IV = 4)।
উদাহরণ:
MM = 2000।
MCM = 1900।
XL = 40। - ৭৪. একটি ভগ্নাংশের লব ও হরের পার্থক্য ২ এবং সমষ্টি ১৬। ভগ্নাংশটি কত?
- ক. ৯/৮
- খ. ৯/৭
- গ. ৭/১১
- ঘ. ৩/১০
উত্তর: খ. ৯/৭
ধরি, ভগ্নাংশের লব x এবং হর y।
শর্ত অনুযায়ী x + y = 16 এবং x − y = 2।
যোগ করলে 2x = 18, তাই x = 9। তখন y = 16 − 9 = 7।
তাই ভগ্নাংশটি 9/7।
যাচাই: 9 + 7 = 16 এবং 9 − 7 = 2, দুটি শর্তই মেলে।
মনে রাখুন: বড় অংশ = (সমষ্টি + পার্থক্য) ÷ 2 = 18 ÷ 2 = 9, ছোট অংশ = (সমষ্টি − পার্থক্য) ÷ 2 = 7। যেকোনো দুটি সংখ্যার সমষ্টি ও পার্থক্য জানা থাকলে এই নিয়মে সংখ্যা দুটি বের করা যায়। - ৭৫. ৩৩⅓% এর সমান ভগ্নাংশ কত হবে?
- ক. ১০/৩
- খ. ৩/১০
- গ. ১/৩
- ঘ. ৩/৯
উত্তর: গ. ১/৩
শতকরা মানে শতকের হিসাব, তাই 33⅓% = (100/3) ÷ 100 = 100/300 = 1/3।
যাচাই: 1/3 = 0.3333… এবং 33⅓% = 33.33…%, দুটি একই।
মনে রাখুন:
66⅔% = 2/3
16⅔% = 1/6
12½% = 1/8
25% = 1/4
এই সাধারণ শতকরা মান মুখস্থ থাকলে হিসাব দ্রুত হয়। - ৭৬. ১০ জনে একটি কাজের অর্ধেক করতে পারে ৭ দিনে। ঐ কাজটি ৫ জনে করতে কতদিন সময় লাগবে?
- ক. ১৪ দিন
- খ. ২৮ দিন
- গ. ৩৫ দিন
- ঘ. ৪২ দিন
উত্তর: খ. ২৮ দিন
১০ জন মিলে কাজের অর্ধেক করে ৭ দিনে, তাই পুরো কাজ করতে তাদের লাগবে 7 × 2 = 14 দিন।
জনবল অর্ধেক হলে সময় দ্বিগুণ হয়, কারণ লোক ও দিন পরস্পর ব্যস্তানুপাতী। ৫ জন মানে ১০ জনের অর্ধেক, তাই সময় লাগবে 14 × 2 = 28 দিন।
শর্টকাট: মোট কাজ = 10 × 14 = 140 জন-দিন, তাই ৫ জনে 140 ÷ 5 = 28 দিন।
মনে রাখুন: লোকসংখ্যা বাড়লে কাজ শেষ হতে সময় কমে, লোক কমলে সময় বাড়ে। এ কারণে লোক × দিন সবসময় একই থাকে। - ৭৭. ৬০ মিটার দীর্ঘ রশিকে ৩ : ৭ : ১০ অনুপাতে ভাগ করলে দীর্ঘতম অংশটির দৈর্ঘ্য কত মিটার?
- ক. ৩০
- খ. ২০
- গ. ৪০
- ঘ. ১০
উত্তর: ক. ৩০
অনুপাতের মোট ভাগ = 3 + 7 + 10 = 20। রশির মোট দৈর্ঘ্য 60 মিটার, তাই প্রতি ভাগ 60 ÷ 20 = 3 মিটার।
দীর্ঘতম অংশ ১০ ভাগের, অর্থাৎ 10 × 3 = 30 মিটার।
বাকি দুই অংশ: 3 × 3 = 9 মিটার এবং 7 × 3 = 21 মিটার।
যাচাই: 9 + 21 + 30 = 60, তাই সঠিক।
মনে রাখুন: কোনো রাশিকে অনুপাতে ভাগ করতে প্রথমে অনুপাতের পদগুলোর যোগফল নিতে হয়, তারপর রাশিকে সেই যোগফল দিয়ে ভাগ করে প্রতি ভাগের মান বের করতে হয়। - ৭৮. যদি B = {x : x² = 9, 2x = 4} হয়, তবে B = ?
- ক. {}
- খ. {−3, 3}
- গ. {3, 2}
- ঘ. {−3, 3, 2}
উত্তর: ক. {}
এখানে সেট B-এর উপাদান x এমন হতে হবে, যা একই সঙ্গে দুটি শর্ত মানে। শর্ত দুটিতে কমা (,) থাকায় এর অর্থ ‘এবং’।
প্রথম শর্ত x² = 9 থেকে x = 3 অথবা x = −3।
দ্বিতীয় শর্ত 2x = 4 থেকে x = 2।
কোনো সংখ্যাই দুই শর্তে মেলে না, কারণ 2 সংখ্যাটি x² = 9 মানে না (2² = 4)। তাই B একটি ফাঁকা সেট, B = {}।
মনে রাখুন:
দুই শর্তের সাধারণ মান নিলে সেটি ছেদ (Intersection), আর যেকোনো একটি মানলেই নিলে সেটি সংযোগ (Union)।
ফাঁকা সেটকে ∅ চিহ্ন দিয়েও লেখা হয়। - ৭৯. একটি গাছের পাদদেশ থেকে কিছু দূরে একটি স্থানে গাছটির শীর্ষের উন্নতি কোণ ৩০°। গাছটি ১২ মিটার উঁচু হলে ঐ স্থানটি গাছটি হতে কত দূরে অবস্থিত?
- ক. ১২√৩ মিটার
- খ. ১০√৩ মিটার
- গ. ২০ মিটার
- ঘ. ৩০ মিটার
উত্তর: ক. ১২√৩ মিটার
গাছের উচ্চতা AB = 12 মিটার এবং উন্নতি কোণ ∠C = 30°। AC হলো গাছের গোড়া থেকে স্থানটির দূরত্ব, ধরি তা x।
tan 30° = AB/AC হওয়ায় 1/√3 = 12/x।
তাহলে x = 12√3 মিটার।
মনে রাখুন:
tan 30° = 1/√3, tan 45° = 1, tan 60° = √3।
উন্নতি কোণ হলো চোখের সমতল রেখার ওপরে কোনো বস্তুর দিকে তাকানোর সময় যে কোণ তৈরি হয়। - ৮০. ৯০° কোণের সম্পূরক কোণ কত ডিগ্রি?
- ক. ০°
- খ. ৯০°
- গ. ১৮০°
- ঘ. ২৭০°
উত্তর: খ. ৯০°
দুটি কোণের যোগফল 180° হলে একটি অপরটির সম্পূরক কোণ (Supplementary angle) হয়। তাই 90° কোণের সম্পূরক কোণ = 180° − 90° = 90°। অর্থাৎ এখানে কোণটি নিজেই নিজের সম্পূরক।
মনে রাখুন:
যোগফল 90° হলে কোণ দুটিকে পরস্পর পূরক কোণ (Complementary angle) বলা হয়।
90° কোণের পূরক কোণ 0°।
দুটি সম্পূরক কোণ একটি সরলরেখার ওপর পাশাপাশি বসতে পারে। - ৮১. ত্রিভুজের শীর্ষবিন্দু থেকে এর ভূমির উপর অঙ্কিত লম্বের দৈর্ঘ্যকে কী বলা হয়?
- ক. মধ্যমা
- খ. কর্ণ
- গ. উচ্চতা
- ঘ. অতিভুজ
উত্তর: গ. উচ্চতা
ত্রিভুজের শীর্ষবিন্দু থেকে বিপরীত বাহু বা ভূমির ওপর লম্ব টানলে ঐ লম্বের দৈর্ঘ্যকে উচ্চতা (Height) বলে। ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল বের করার সূত্র ½ × ভূমি × উচ্চতা, যেখানে এই উচ্চতাই কাজে লাগে।
মনে রাখুন:
শীর্ষবিন্দু থেকে বিপরীত বাহুর মধ্যবিন্দুর সংযোগকারী রেখাকে মধ্যমা বলে।
সমকোণী ত্রিভুজের সমকোণের বিপরীত বাহুকে অতিভুজ বলে।
কর্ণ শব্দটি চতুর্ভুজের বিপরীত কোণ দুটির সংযোগকারী রেখাকে বোঝায়। - ৮২. সমকোণী ত্রিভুজের বাহুগুলোর অনুপাত কোনটি?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ২৫৯৪) ২০১৯
- ক. ৬ : ৪ : ৩
- খ. ৬ : ৫ : ৩
- গ. ১২ : ৮ : ৮
- ঘ. ১৩ : ১২ : ৫
উত্তর: ঘ. ১৩ : ১২ : ৫
সমকোণী ত্রিভুজের তিন বাহু পিথাগোরাসের সূত্র মেনে চলে, অর্থাৎ অতিভুজের বর্গ = অন্য দুই বাহুর বর্গের সমষ্টি। দেখি 13 : 12 : 5 এই সূত্র মানে কি না:
12² + 5² = 144 + 25 = 169 = 13²
তাই এটি সমকোণী ত্রিভুজের বাহুর অনুপাত।
অন্য বিকল্পগুলো মেলে না। যেমন 6 : 4 : 3 নিলে 4² + 3² = 25, কিন্তু 6² = 36।
মনে রাখুন: এ ধরনের ত্রয়ীকে পিথাগোরীয় ত্রয়ী বলে, যেমন 3 : 4 : 5 এবং 5 : 12 : 13। - ৮৩. একটি বর্গাকার বাগানের ক্ষেত্রফল ১ হেক্টর। বাগানটির পরিসীমা কত মিটার?
- ক. ২০০
- খ. ৩০০
- গ. ৪০০
- ঘ. ৫০০
উত্তর: গ. ৪০০
1 হেক্টর = 10000 বর্গমিটার। বর্গাকার বাগানের ক্ষেত্রফল বাহুর বর্গ, তাই বাহু = √10000 = 100 মিটার।
পরিসীমা = 4 × 100 = 400 মিটার।
মনে রাখুন:
1 হেক্টর = 100 মিটার × 100 মিটার জমির ক্ষেত্রফল।
বর্গের পরিসীমা = 4 × বাহু, ক্ষেত্রফল = বাহু × বাহু।
1 হেক্টর = 100 আর। - ৮৪. ৫ সে.মি. ব্যাসার্ধের বৃত্তের কেন্দ্র হতে ৩ সে.মি. দূরত্বে অবস্থিত জ্যা এর দৈর্ঘ্য কত সে.মি.?
- ক. ৮ সে.মি.
- খ. ৯ সে.মি.
- গ. ১০ সে.মি.
- ঘ. ১২ সে.মি.
উত্তর: ক. ৮ সে.মি.
বৃত্তের কেন্দ্র থেকে জ্যা-এর ওপর টানা লম্ব জ্যা-কে সমান দুই ভাগে ভাগ করে। ধরি, কেন্দ্র O, জ্যা AB এবং লম্বের পাদবিন্দু C। তাহলে OA = 5, OC = 3।
সমকোণী ত্রিভুজ AOC-তে AC = √(5² − 3²) = √(25 − 9) = √16 = 4।
তাই জ্যা AB = 2 × 4 = 8 সে.মি.।
মনে রাখুন: ৩-৪-৫ একটি পরিচিত পিথাগোরীয় ত্রয়ী।
কেন্দ্র থেকে জ্যা-এর দূরত্ব যত কমে, জ্যা-এর দৈর্ঘ্য তত বাড়ে, আর কেন্দ্রের ওপর দিয়ে গেলে জ্যা ব্যাসে পরিণত হয়, এখানে ব্যাস 10 সে.মি.। - ৮৫. যদি a + b + c = 0 হয়, তবে a³ + b³ + c³ এর মান কত?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) ২০২২
- ক. ০
- খ. ১
- গ. 3abc
- ঘ. abc
উত্তর: গ. 3abc
a + b + c = 0 হলে a + b = −c। উভয় পাশে ঘন করলে (a + b)³ = −c³, অর্থাৎ a³ + b³ + 3ab(a + b) = −c³।
a + b-এর জায়গায় −c বসালে a³ + b³ − 3abc = −c³।
তাই a³ + b³ + c³ = 3abc।
উদাহরণ: a = 1, b = 2, c = −3 নিলে a + b + c = 0। তখন 1 + 8 − 27 = −18 এবং 3abc = 3 × 1 × 2 × (−3) = −18, দুটি একই।
মনে রাখুন: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত সূত্র, তাই মুখস্থ রাখলে সময় বাঁচে। - ৮৬. 2ⁿ ÷ 2ⁿ⁻¹ = কত?
- ক. ২
- খ. ২²
- গ. 2ⁿ
- ঘ. 2ⁿ⁺¹
উত্তর: ক. ২
একই ভিত্তির ঘাত ভাগ করতে ঘাতের বিয়োগ হয়: a^m ÷ a^n = a^(m−n)।
তাই 2ⁿ ÷ 2ⁿ⁻¹ = 2^(n − (n − 1)) = 2^1 = 2।
যাচাই: n = 3 নিলে 2³ ÷ 2² = 8 ÷ 4 = 2।
মনে রাখুন:
গুণ করলে ঘাতের যোগ হয়, a^m × a^n = a^(m+n)।
a⁰ = 1 (a ≠ 0)। - ৮৭. 3 cm, 4.5 cm, 5.5 cm বাহুবিশিষ্ট কোনো ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল কত?
- ক. ৮৭.৫
- খ. ৭.৫০
- গ. ৬.৭৫
- ঘ. ৭.৫৫
উত্তর: গ. ৬.৭৫
ত্রিভুজের তিন বাহু জানা থাকলে হেরনের সূত্রে ক্ষেত্রফল বের করা যায়। অর্ধ-পরিসীমা s = (3 + 4.5 + 5.5) ÷ 2 = 6.5।
s − a = 3.5, s − b = 2, s − c = 1।
ক্ষেত্রফল = √(6.5 × 3.5 × 2 × 1) = √45.5 ≈ 6.75 বর্গ সে.মি.।
যাচাই: 6.75² = 45.56, যা 45.5-এর খুব কাছে।
মনে রাখুন: হেরনের সূত্র: ক্ষেত্রফল = √{s(s − a)(s − b)(s − c)}, যেখানে s = (a + b + c) ÷ 2।
বিজ্ঞান
- ৮৮. পারমাণবিক বোমা তৈরি হয় কী ধাতু দিয়ে?
- ক. রেডিয়াম
- খ. ইউরেনিয়াম
- গ. সোডিয়াম
- ঘ. ক্যালসিয়াম
উত্তর: খ. ইউরেনিয়াম
পারমাণবিক বোমায় বিশেষ ধরনের ইউরেনিয়াম (U-235) ব্যবহার হয়। এর পরমাণুর নিউক্লিয়াস নিউট্রনের আঘাতে ভেঙে গিয়ে প্রচণ্ড শক্তি ছাড়ে, যাকে নিউক্লিয়ার ফিশন (Nuclear Fission) বলে। এই শক্তিই বিস্ফোরণ ঘটায়। রেডিয়াম তেজস্ক্রিয় ধাতু হলেও সাধারণত বোমা তৈরিতে ব্যবহার হয় না। সোডিয়াম ও ক্যালসিয়াম তেজস্ক্রিয় নয়।
মনে রাখুন:
১৯৪৫ সালে হিরোশিমায় ফেলা বোমায় ইউরেনিয়াম এবং নাগাসাকিতে ফেলা বোমায় প্লুটোনিয়াম ব্যবহার হয়েছিল।
বোমা দুটির নাম ছিল যথাক্রমে ‘লিটল বয়’ ও ‘ফ্যাট ম্যান’।
হাইড্রোজেন বোমা নিউক্লিয়ার ফিউশনের নীতিতে কাজ করে। - ৮৯. দুটি স্থানের মধ্যে দ্রাঘিমাংশের পার্থক্য ১° হলে সময়ের পার্থক্য কত?
- ক. ১ মিনিট
- খ. ২ মিনিট
- গ. ৩ মিনিট
- ঘ. ৪ মিনিট
উত্তর: ঘ. ৪ মিনিট
পৃথিবী ২৪ ঘণ্টায় ৩৬০° ঘোরে। তাই ১ ঘণ্টায় ঘোরে 360 ÷ 24 = 15°। অর্থাৎ ১৫° দ্রাঘিমার পার্থক্যে ১ ঘণ্টা বা ৬০ মিনিট সময়ের পার্থক্য হয়।
এ থেকে ১° দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য 60 ÷ 15 = 4 মিনিট।
মনে রাখুন:
গ্রিনিচের পূর্বদিকে সময় এগিয়ে থাকে, আর পশ্চিমে পিছিয়ে থাকে।
গ্রিনিচের মধ্যরেখাকে ০° দ্রাঘিমা ধরা হয়।
বাংলাদেশ গ্রিনিচের চেয়ে ৬ ঘণ্টা এগিয়ে। - ৯০. সবচেয়ে মূল্যবান ধাতু কী?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৫, এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০২২
- ক. প্লাটিনাম
- খ. ইউরেনিয়াম
- গ. সোনা
- ঘ. হীরক
উত্তর: ক. প্লাটিনাম
সোনা, রুপা ও প্লাটিনাম মূল্যবান ধাতু। প্লাটিনাম খুব দুর্লভ, সহজে মরিচা পড়ে না এবং শিল্পে অনেক কাজে লাগে, তাই প্রচলিত পাঠ্যধারায় একে সবচেয়ে মূল্যবান ধাতু বলা হয়। হীরা ধাতু নয়, এটি কার্বনের একটি রূপ। ইউরেনিয়ামও মূল্যবান ধাতু হিসেবে গণ্য নয়, বরং পারমাণবিক শক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
মজার ব্যাপার হলো, বাজারদর সময়ভেদে বদলায় এবং এখন সোনার দাম অনেক সময় প্লাটিনামের চেয়ে বেশি থাকে।
মনে রাখুন:
প্লাটিনামের প্রতীক Pt, সোনার প্রতীক Au, রুপার প্রতীক Ag।
প্লাটিনামকে বিশেষভাবে গাড়ির ক্যাটালিটিক কনভার্টারে ব্যবহার করা হয়। - ৯১. কোনটির কারণে মরিচ ঝাল লাগে?
- ক. ভিটামিন-এ
- খ. ক্যাপসিসিন
- গ. ভিটামিন-ডি
- ঘ. টারটারিক এসিড
উত্তর: খ. ক্যাপসিসিন
মরিচ ঝাল লাগে ক্যাপসাইসিন (Capsaicin) নামের একটি জৈব যৌগের কারণে। এটি জিহ্বা বা ত্বকের স্নায়ুকে উত্তেজিত করে, তাই আমরা জ্বালা বা ঝাল অনুভব করি। আসলে এটি স্বাদ নয়, ব্যথার অনুভূতি। অন্য বিকল্পগুলো এর কারণ নয়: ভিটামিন-এ ও ভিটামিন-ডি পুষ্টি উপাদান, আর টারটারিক এসিড টক স্বাদ দেয়।
মনে রাখুন:
ক্যাপসাইসিন মূলত মরিচের বীজ ও সাদা শিরার অংশে বেশি থাকে।
মরিচের ঝালের মাত্রা মাপা হয় স্কোভিল স্কেল দিয়ে।
ঝাল কমাতে দুধ বা দইয়ের মতো দুগ্ধজাত খাবার সাহায্য করে। - ৯৪. ক্যালসিয়ামের প্রধান উৎস কোনটি?
- ক. বাদাম
- খ. চুন
- গ. দুধ
- ঘ. সবকটি
উত্তর: গ. দুধ
খাদ্য হিসেবে ক্যালসিয়ামের সবচেয়ে ভালো ও প্রধান উৎস দুধ এবং দুগ্ধজাত খাবার। দুধ থেকে পাওয়া ক্যালসিয়াম হাড় ও দাঁত গড়তে সাহায্য করে। বাদামেও কিছু ক্যালসিয়াম আছে, কিন্তু তার পরিমাণ কম। চুন ক্যালসিয়ামের একটি যৌগ হলেও তা খাদ্য নয়, তাই ‘সবকটি’ বিকল্পটি ঠিক নয়।
মনে রাখুন:
ক্যালসিয়ামের অভাবে শিশুদের রিকেটস এবং বড়দের অস্টিওপোরোসিস রোগ হতে পারে।
শরীরে ক্যালসিয়াম শোষণে ভিটামিন-ডি সাহায্য করে।
ক্যালসিয়ামের প্রতীক Ca।
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিদ্যুৎ বিভাগ বিদ্যুৎ পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন