বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ২৫ মার্চ ২০১৬। ৯৬টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →গণিত
- ১. দুটি সংখ্যার অনুপাত ৫ : ৬। তাদের ল.সা.গু. ৩৬০ হলে সংখ্যা দুটি কী কী?
- ক. ৫০, ৬০
- খ. ৬০, ৭২
- গ. ৮৫, ৮৫
- ঘ. ৮০, ৮৮
উত্তর: খ. ৬০, ৭২
দুটি সংখ্যার অনুপাত ৫ : ৬ হলে সংখ্যা দুটিকে 5x ও 6x ধরা যায়, যেখানে x হলো তাদের সাধারণ গুণনীয়ক। ৫ ও ৬ পরস্পর সহমৌলিক, অর্থাৎ এদের মধ্যে ১ ছাড়া অন্য কোনো সাধারণ উৎপাদক নেই। তাই 5x ও 6x-এর ল.সা.গু. (LCM) হয় 5 × 6 × x = 30x।
প্রশ্নে ল.সা.গু. দেওয়া আছে ৩৬০, তাই 30x = 360 এবং x = 12। সংখ্যা দুটি হলো 5 × 12 = 60 এবং 6 × 12 = 72।
যাচাই করলেও মেলে। 60 ও 72-এর অনুপাত 5 : 6, আর এদের ল.সা.গু. 360। অন্য অপশনগুলো দেখলে বোঝা যায়, ৫০ ও ৬০-এর অনুপাত ৫ : ৬ হলেও ল.সা.গু. ৩০০, তাই সেটি চলে না।
মনে রাখুন:
অনুপাতে দেওয়া সংখ্যা দুটি সহমৌলিক হলে ল.সা.গু. = অনুপাতের দুই পদের গুণফল × x।
অনুপাতে দেওয়া সংখ্যা দুটির গ.সা.গু. = x।
দুটি সংখ্যার গুণফল = গ.সা.গু. × ল.সা.গু.। এখানে 60 × 72 = 12 × 360 = 4320। - ২. ৪০০-এর লগ ৪ হলে ভিত্তি কত?
- ক. ১০
- খ. e
- গ. ২
- ঘ. ২√৫
উত্তর: ঘ. ২√৫
লগের সংজ্ঞা অনুযায়ী log_a 400 = 4 মানে a⁴ = 400। অর্থাৎ ভিত্তি a এমন একটি সংখ্যা, যাকে চার বার গুণ করলে ৪০০ হয়।
এখন 400 = 20², আর 20 = (2√5)², কারণ (2√5)² = 4 × 5 = 20। তাই 400 = 20² = ((2√5)²)² = (2√5)⁴। সুতরাং ভিত্তি a = 2√5।
অন্য অপশন যাচাই করলে দেখা যায়, 10⁴ = 10000 এবং 2⁴ = 16, কোনোটিই ৪০০ নয়। আর e⁴ প্রায় 54.6, সেটিও ৪০০ নয়।
মনে রাখুন:
log_a N = x হলে a^x = N। লগের প্রশ্নকে এভাবে সূচকে বদলে নিলে হিসাব সহজ হয়।
যেকোনো ভিত্তির জন্য log_a a = 1 এবং log_a 1 = 0।
ভিত্তি 10 হলে সাধারণ লগ, আর ভিত্তি e হলে স্বাভাবিক লগ (Natural Logarithm) বলে। - ৩. x² − (p + q)x + pq = 0-এর সমাধান সেট কোনটি?
- ক. {p, q}
- খ. {p, −q}
- গ. {−p, −q}
- ঘ. {−p, q}
উত্তর: ক. {p, q}
দ্বিঘাত সমীকরণটিকে উৎপাদকে ভাঙলে পাই x² − (p + q)x + pq = (x − p)(x − q)। এটা বোঝা যায় গুণ করে মিলিয়ে দেখলে: (x − p)(x − q) = x² − qx − px + pq = x² − (p + q)x + pq।
দুটি উৎপাদকের গুণফল শূন্য হলে অন্তত একটি উৎপাদককে শূন্য হতে হয়। তাই x − p = 0 অথবা x − q = 0, অর্থাৎ x = p অথবা x = q। সমাধান সেট {p, q}।
বাকি অপশনের মধ্যে {p, −q} বা {−p, q} পেতে হলে সমীকরণের মাঝের পদে চিহ্ন আলাদা হতে হতো, আর {−p, −q} পেতে হলে মাঝের পদ হতো +(p + q)x।
মনে রাখুন:
x² − (মূলদ্বয়ের যোগফল)x + (মূলদ্বয়ের গুণফল) = 0 আকারের সমীকরণে মূল দুটি সরাসরি পাওয়া যায়।
ax² + bx + c = 0 সমীকরণে মূলদ্বয়ের যোগফল = −b/a এবং গুণফল = c/a। - ৪. যদি (২৫)^(২x+৩) = ৫^(৩x+৬) হয়, তবে x-এর মান কত?
- ক. ০
- খ. ১
- গ. ২
- ঘ. ৪
উত্তর: ক. ০
প্রশ্নের সমীকরণে দুই পাশের ভিত্তি আলাদা, তাই আগে বামপাশের ভিত্তি ২৫-কে ৫-এর ঘাত হিসেবে লিখি। 25 = 5², সুতরাং (25)^(2x+3) = (5²)^(2x+3) = 5^(2(2x+3)) = 5^(4x+6)।
এখন সমীকরণটি দাঁড়ায় 5^(4x+6) = 5^(3x+6)। ভিত্তি সমান হলে সূচকও সমান হতে হয়, তাই 4x + 6 = 3x + 6। এ থেকে 4x − 3x = 0, অর্থাৎ x = 0।
যাচাই করি: x = 0 বসালে বামপাশ 25³ = 15625 এবং ডানপাশ 5⁶ = 15625, দুই পাশ মিলে যায়।
মনে রাখুন:
সূচকীয় সমীকরণে আগে দুই পাশের ভিত্তি এক করে নিতে হয়, তারপর সূচক সমান করে সরল সমীকরণ সমাধান করতে হয়।
(a^m)^n = a^(mn)। a⁰ = 1 (a ≠ 0)। - ৫. কোনো সুষম বহুভুজের একটি অন্তঃকোণের পরিমাণ ১৩৫° হলে এর বাহুর সংখ্যা কত?
- ক. ৬
- খ. ৭
- গ. ৮
- ঘ. ৯
উত্তর: গ. ৮
সুষম বহুভুজের সব কোণ সমান, তাই একটি অন্তঃকোণ আর তার সংলগ্ন বহিঃকোণ মিলে একটি সরলকোণ হয়, অর্থাৎ 180°। এখানে অন্তঃকোণ 135° হলে বহিঃকোণ = 180° − 135° = 45°।
যেকোনো উত্তল বহুভুজের বাহুগুলো একই দিকে বাড়ালে সব বহিঃকোণের যোগফল সব সময় 360° হয়। সুষম বহুভুজের প্রতিটি বহিঃকোণ সমান, তাই বাহুর সংখ্যা = 360° ÷ 45° = 8। এটি সুষম অষ্টভুজ (Regular Octagon)।
মনে রাখুন:
n বাহুবিশিষ্ট সুষম বহুভুজের প্রতিটি বহিঃকোণ 360°/n এবং প্রতিটি অন্তঃকোণ 180° − 360°/n।
n বাহুবিশিষ্ট বহুভুজের অন্তঃকোণগুলোর যোগফল (2n − 4) সমকোণ, অর্থাৎ (n − 2) × 180°। অষ্টভুজের ক্ষেত্রে এটি 6 × 180° = 1080°, তাই একটি কোণ 1080° ÷ 8 = 135°। - ৬. কোনো ত্রিভুজের তিনটি বাহুকে একই ক্রমে বর্ধিত করলে উৎপন্ন বহিঃস্থ কোণ তিনটির মোট পরিমাণ হবে—
- ক. ২৪০°
- খ. ২৮০°
- গ. ২৯০°
- ঘ. ৩৬০°
উত্তর: ঘ. ৩৬০°
ত্রিভুজের প্রতিটি শীর্ষে অন্তঃকোণ আর বহিঃকোণ মিলে একটি সরলকোণ হয়, অর্থাৎ 180°। তিনটি শীর্ষে এই যোগফল 3 × 180° = 540°।
ত্রিভুজের তিনটি অন্তঃকোণের যোগফল 180°। তাই তিনটি বহিঃকোণের যোগফল = 540° − 180° = 360°।
মজার ব্যাপার হলো, শুধু ত্রিভুজ নয়, যেকোনো উত্তল বহুভুজের প্রতিটি শীর্ষে একটি করে বহিঃকোণ নিলে তাদের যোগফল সব সময়ই 360° হয়। কারণ একটি বিন্দুর চারপাশে সম্পূর্ণ ঘুরলে 360° হয়।
মনে রাখুন:
ত্রিভুজের একটি বহিঃকোণ তার বিপরীত দুটি অন্তঃকোণের যোগফলের সমান।
ত্রিভুজের তিন কোণের যোগফল 180°।
চতুর্ভুজের চার কোণের যোগফল 360°। - ৭. P = {a, b}, Q = {b, c}, R = {3, 4} হলে (P ∩ Q) ∪ R এর উপাদান সংখ্যা কত?
- ক. ২
- খ. ৩
- গ. ৪
- ঘ. ৫
উত্তর: খ. ৩
প্রথমে বন্ধনীর ভেতরের সেটটি বের করি। P = {a, b} এবং Q = {b, c}-এর সাধারণ উপাদান শুধু b, তাই ছেদ (Intersection) P ∩ Q = {b}।
এবার R = {3, 4}-এর সঙ্গে সংযোগ (Union) নিই। {b} ∪ {3, 4} = {b, 3, 4}। এতে উপাদান আছে ৩টি, তাই উত্তর ৩।
মনে রাখুন:
ছেদ (∩) শুধু সাধারণ উপাদানগুলো নেয়।
সংযোগ (∪) দুই সেটের সব উপাদান একবার করে নেয়, কোনো উপাদান দুবার গোনা হয় না।
উপাদানের সংখ্যার সূত্র: n(A ∪ B) = n(A) + n(B) − n(A ∩ B)।
দুটি সেটের কোনো সাধারণ উপাদান না থাকলে তাদের অশূন্য ছেদ নেই, এমন সেটকে ছেদহীন সেট (Disjoint Set) বলে। - ৮. প্রথম দশটি বিজোড় সংখ্যার যোগফল কত?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) ২০২২
- ক. ১০০
- খ. ৮১
- গ. ১০০০
- ঘ. ১০৯
উত্তর: ক. ১০০
প্রথম কয়েকটি বিজোড় সংখ্যার যোগফল দেখলে একটি সুন্দর নিয়ম ধরা পড়ে: 1 = 1², 1 + 3 = 4 = 2², 1 + 3 + 5 = 9 = 3², 1 + 3 + 5 + 7 = 16 = 4²। অর্থাৎ প্রথম n সংখ্যক বিজোড় সংখ্যার যোগফল n²।
এখানে n = 10, তাই প্রথম ১০টি বিজোড় সংখ্যার যোগফল 10² = 100।
সমান্তর ধারার সূত্রেও একই উত্তর আসে। ধারাটির প্রথম পদ 1, সাধারণ অন্তর 2 এবং দশম পদ 19, তাই যোগফল = (10/2)(1 + 19) = 5 × 20 = 100।
মনে রাখুন:
প্রথম n সংখ্যক জোড় সংখ্যার যোগফল n(n + 1)।
প্রথম n সংখ্যক স্বাভাবিক সংখ্যার যোগফল n(n + 1)/2।
প্রথম n সংখ্যক স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গের যোগফল n(n + 1)(2n + 1)/6। - ৯. ৫২টি তাসের একটি প্যাকেট হতে একটি তাস তোলা হলো। তাসটি টেক্কা হওয়ার সম্ভাবনা কত?
- ক. ১/৫২
- খ. ১/২৬
- গ. ৩/৫২
- ঘ. ১/১৩
উত্তর: ঘ. ১/১৩
সম্ভাবনা (Probability) = অনুকূল ফলাফলের সংখ্যা ÷ মোট সম্ভাব্য ফলাফলের সংখ্যা। একটি প্যাকেটে মোট তাস 52টি, আর টেক্কা আছে মোট চারটি, প্রতিটি রঙের একটি করে।
তাই টেক্কা ওঠার সম্ভাবনা = 4/52 = 1/13। বাকি অপশনের মধ্যে 1/52 হলো একটি নির্দিষ্ট তাস, যেমন শুধু হরতনের টেক্কা ওঠার সম্ভাবনা। আর 1/26 হতো মাত্র দুটি টেক্কা থাকলে।
মনে রাখুন:
৫২টি তাসে চারটি রঙ (ইস্কাপন, হরতন, রুইতন, চিড়িতন) থাকে, প্রতিটিতে ১৩টি করে তাস।
ছবিওয়ালা তাস (সাহেব, বিবি, গোলাম) থাকে ১২টি।
সম্ভাবনার মান সব সময় 0 থেকে 1-এর মধ্যে থাকে। নিশ্চিত ঘটনার সম্ভাবনা 1 এবং অসম্ভব ঘটনার সম্ভাবনা 0। - ১০. একটি সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য ৬ সে.মি. হলে এর ক্ষেত্রফল কত বর্গ সে.মি.?
- ক. ৩√৩
- খ. ৪√৩
- গ. ৬√৩
- ঘ. ৯√৩
উত্তর: ঘ. ৯√৩
সমবাহু ত্রিভুজের তিনটি বাহুই সমান। বাহু a হলে এর ক্ষেত্রফল = (√3/4)a²। এখানে a = 6, তাই ক্ষেত্রফল = (√3/4) × 36 = 9√3 বর্গ সে.মি.।
অন্যভাবেও করা যায়। শীর্ষ থেকে বিপরীত বাহুর ওপর লম্ব টানলে ভূমি দুই ভাগ হয়ে যায়। পীথাগোরাসের সূত্রে উচ্চতা = √(6² − 3²) = √27 = 3√3। তাহলে ক্ষেত্রফল = ½ × 6 × 3√3 = 9√3, একই উত্তর আসে।
মনে রাখুন:
সমবাহু ত্রিভুজের উচ্চতা (√3/2)a।
সমবাহু ত্রিভুজের পরিসীমা 3a।
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল সাধারণভাবে ½ × ভূমি × উচ্চতা। - ১১. sinA = ২/৩ হলে cosA = কত?
- ক. ৩/২
- খ. ১/৩
- গ. √৫/৩
- ঘ. ১/২
উত্তর: গ. √৫/৩
sinA = লম্ব ÷ অতিভুজ = 2/3। অর্থাৎ একটি সমকোণী ত্রিভুজে লম্ব 2 এবং অতিভুজ 3 ধরা যায়।
পীথাগোরাসের সূত্রে ভূমি = √(3² − 2²) = √(9 − 4) = √5। তাই cosA = ভূমি ÷ অতিভুজ = √5/3।
অন্যভাবেও করা যায়: sin²A + cos²A = 1 থেকে cos²A = 1 − 4/9 = 5/9, তাই cosA = √5/3। A সূক্ষ্মকোণ ধরলে cosA ধনাত্মক হয়।
মনে রাখুন:
sinA = লম্ব/অতিভুজ, cosA = ভূমি/অতিভুজ, tanA = লম্ব/ভূমি।
tanA = sinA/cosA। এখানে tanA = (2/3) ÷ (√5/3) = 2/√5।
অতিভুজ সবচেয়ে বড় বাহু বলে sinA ও cosA-এর মান কখনো 1-এর বেশি হয় না। তাই 3/2 উত্তর হতে পারে না। - ১২. যদি (a + 1/a)² = ৩ হয়, তবে a³ + 1/a³ এর মান কত?
- ক. ০
- খ. ১
- গ. ৩
- ঘ. ২৭
উত্তর: ক. ০
ধরি a + 1/a = s। শর্ত অনুযায়ী s² = 3।
ঘনের সূত্র অনুযায়ী s³ = a³ + 1/a³ + 3(a + 1/a)। এখান থেকে a³ + 1/a³ = s³ − 3s = s(s² − 3)। এখানে s² − 3 = 0, তাই a³ + 1/a³ = s × 0 = 0।
s-এর মান √3 বা −√3 যা-ই হোক, গুণফল শূন্য হয়, তাই উত্তর একই থাকে।
মনে রাখুন:
(a + 1/a)³ = a³ + 1/a³ + 3(a + 1/a)।
(a − 1/a)³ = a³ − 1/a³ − 3(a − 1/a)।
(a + 1/a)² = a² + 1/a² + 2, তাই a² + 1/a² = (a + 1/a)² − 2। এই সূত্রগুলো বীজগণিতের অনেক প্রশ্নে কাজে লাগে। - ১৩. একটি সেটের উপাদান সংখ্যা ৪ হলে তার পাওয়ার সেটের উপাদান সংখ্যা কত হবে?
- ক. ৪
- খ. ২০
- গ. ১৬
- ঘ. ২৪
উত্তর: গ. ১৬
n সংখ্যক উপাদানবিশিষ্ট সেটের উপসেট থাকে 2ⁿ টি। পাওয়ার সেট (Power Set) হলো ওই সেটের সবগুলো উপসেট নিয়ে গঠিত সেট, তাই এর উপাদান সংখ্যাও 2ⁿ।
এখানে n = 4, তাই পাওয়ার সেটের উপাদান সংখ্যা 2⁴ = 16। প্রতিটি উপাদানের জন্য দুটি পথ আছে, উপসেটে থাকা বা না থাকা। চারটি উপাদানের জন্য তাই 2 × 2 × 2 × 2 = 16 রকম বাছাই হয়।
মনে রাখুন:
ফাঁকা সেট এবং সেটটি নিজেও এর উপসেট, তাই এই দুটিও ১৬-এর মধ্যে ধরা আছে।
n উপাদানবিশিষ্ট সেটের প্রকৃত উপসেট থাকে 2ⁿ − 1 টি, কারণ সেটটি নিজে প্রকৃত উপসেট নয়।
উদাহরণ:
{a, b}-এর পাওয়ার সেট = {∅, {a}, {b}, {a, b}}, উপাদান 2² = 4টি। - ১৪. ১২৮, ৬৪, ৩২, ...... ধারাটির ৮ম পদ কোনটি?
- ক. ১
- খ. ০
- গ. ২
- ঘ. ১/২
উত্তর: ক. ১
ধারাটির প্রতিটি পদ আগের পদের অর্ধেক, অর্থাৎ পরপর দুই পদের অনুপাত সমান। তাই এটি একটি গুণোত্তর ধারা (Geometric Progression), যার প্রথম পদ a = 128 এবং সাধারণ অনুপাত r = 64/128 = 1/2।
গুণোত্তর ধারার n-তম পদ = a·rⁿ⁻¹। তাই ৮ম পদ = 128 × (1/2)⁷ = 128/128 = 1।
পদগুলো একে একে লিখে দেখলেও মেলে: 128, 64, 32, 16, 8, 4, 2, 1।
মনে রাখুন:
গুণোত্তর ধারার প্রথম n পদের যোগফল, যখন r < 1: a(1 − rⁿ)/(1 − r)।
সমান্তর ধারায় পরপর পদের পার্থক্য সমান থাকে, আর গুণোত্তর ধারায় পরপর পদের অনুপাত সমান থাকে। এভাবেই দুটিকে আলাদা করা যায়। - ১৫. উপাত্তসমূহের সর্বোচ্চ মান এবং সর্বনিম্ন মানের পার্থক্য কোনটি?
- ক. প্রচুরক
- খ. মধ্যমান
- গ. পরিসর
- ঘ. শ্রেণি ব্যবধান
উত্তর: গ. পরিসর
উপাত্তের সবচেয়ে বড় মান আর সবচেয়ে ছোট মানের পার্থক্যকে পরিসর (Range) বলে। পরিসর = সর্বোচ্চ মান − সর্বনিম্ন মান। উপাত্ত কতটা ছড়িয়ে আছে, তার সবচেয়ে সহজ মাপ এটিই।
অন্য অপশনগুলো আলাদা ধারণা। প্রচুরক (Mode) হলো যে মান সবচেয়ে বেশিবার আসে। মধ্যমা বা মধ্যক (Median) হলো উপাত্ত ছোট থেকে বড় ক্রমে সাজালে ঠিক মাঝের মান। আর শ্রেণি ব্যবধান হলো একটি শ্রেণির উচ্চসীমা ও নিম্নসীমার পার্থক্য।
মনে রাখুন:
কেন্দ্রীয় প্রবণতার তিনটি পরিমাপ: গড় (Mean), মধ্যক (Median) ও প্রচুরক (Mode)।
উপাত্ত 2, 5, 9, 12 হলে পরিসর = 12 − 2 = 10।
পরিসর, ভেদাঙ্ক ও পরিমিত বিচ্যুতি হলো উপাত্তের বিস্তার মাপার পদ্ধতি। - ১৬. কোনো একটি বাস্তব সংখ্যা a এর পরম মান |a| কে কোনটি প্রকাশ করে?
- ক. √a²
- খ. ±√a²
- গ. −√a²
- ঘ. ±a
উত্তর: ক. √a²
বাস্তব সংখ্যা a-এর পরমমান |a| হলো সংখ্যারেখায় শূন্য থেকে a-এর দূরত্ব, তাই এটি কখনো ঋণাত্মক হয় না। a ধনাত্মক হলে |a| = a, আর a ঋণাত্মক হলে |a| = −a।
বর্গ করে বর্গমূল নিলে ঠিক এই ফল পাওয়া যায়, কারণ √a² সব সময় অঋণাত্মক মান দেয়। যেমন a = −3 হলে √((−3)²) = √9 = 3 = |−3|। তাই |a| = √a²।
অপশন ±a-তে দুটি মান আসে, কিন্তু পরমমান সব সময় একটিমাত্র অঋণাত্মক সংখ্যা। −√a² সব সময় শূন্য বা ঋণাত্মক হয়, তাই সেটিও পরমমান হতে পারে না।
মনে রাখুন:
|a| ≥ 0 এবং |ab| = |a||b|।
|a| = |−a|।
|x| = k (k > 0) হলে x = k অথবা x = −k, দুটি মান পাওয়া যায়। - ১৭. যথাক্রমে x এবং y একক দৈর্ঘ্য ও প্রস্থবিশিষ্ট একটি আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা ৯৬ একক। যদি আয়তক্ষেত্রটির দৈর্ঘ্য প্রস্থের দ্বিগুণ হয়, তবে কোনটি সঠিক?
- ক. x + y = ২৪
- খ. x + y = ৪৮
- গ. x + y = ১২
- ঘ. ৪x + ২y = ৯৬
উত্তর: খ. x + y = ৪৮
আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = 2(দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) = 2(x + y)। পরিসীমা ৯৬ একক হলে 2(x + y) = 96, তাই x + y = 48।
আরও যাচাই করি। দৈর্ঘ্য প্রস্থের দ্বিগুণ হলে x = 2y, তাই 2y + y = 48 থেকে 3y = 48, y = 16 এবং x = 32। এতে x + y = 32 + 16 = 48-ই থাকে।
বাকি অপশনগুলো ঠিক নয়। x + y = 24 বা 12 হলে পরিসীমা হতো 48 বা 24। আর 4x + 2y = 96 হলে x = 32, y = 16 বসালে 128 + 32 = 160 হয়, ৯৬ হয় না।
মনে রাখুন:
আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা 2(l + b) এবং ক্ষেত্রফল l × b। এখানে ক্ষেত্রফল 32 × 16 = 512 বর্গ একক।
আয়তক্ষেত্রের কর্ণ = √(l² + b²)। - ১৮. y = x + ৩ এবং y = −x − ৩ রেখাদ্বয়ের ছেদবিন্দু কোনটি?
- ক. (−৩, ০)
- খ. (৩, ০)
- গ. (০, ৩)
- ঘ. (০, −৩)
উত্তর: ক. (−৩, ০)
দুটি রেখার ছেদবিন্দুতে x ও y-এর মান দুই সমীকরণেই এক থাকে, তাই দুই সমীকরণের y সমান করে লিখি: x + 3 = −x − 3।
এ থেকে 2x = −6, অর্থাৎ x = −3। তখন y = x + 3 = −3 + 3 = 0। ছেদবিন্দু (−3, 0)।
যাচাই করি। দ্বিতীয় সমীকরণে y = −(−3) − 3 = 3 − 3 = 0, মিলে যায়। বিন্দুটি x-অক্ষের ওপর, কারণ এর y-স্থানাঙ্ক শূন্য।
মনে রাখুন:
y = mx + c সরলরেখার ঢাল m এবং y-অক্ষের ছেদক c।
এখানে দুই রেখার ঢাল 1 ও −1। ঢালের গুণফল −1 হলে রেখা দুটি পরস্পর লম্ব হয়, তাই এরা লম্বভাবে ছেদ করেছে। - ১৯. 'ক' যে কাজ x দিনে করতে পারে 'খ' সে কাজ ৫x দিনে সম্পন্ন করে। একই সময়ে 'খ', 'ক'-এর কতগুণ কাজ করে?
- ক. ৫ গুণ
- খ. ১/৫ গুণ
- গ. ৫/২ গুণ
- ঘ. ২/৫ গুণ
উত্তর: খ. ১/৫ গুণ
'ক' কাজটি x দিনে করে, তাই ১ দিনে সে করে 1/x অংশ। 'খ' একই কাজ করে 5x দিনে, তাই ১ দিনে সে করে 1/(5x) অংশ।
একই সময়ে 'খ'-এর কাজ ÷ 'ক'-এর কাজ = (1/5x) ÷ (1/x) = (1/5x) × x = 1/5। অর্থাৎ 'খ' 'ক'-এর ১/৫ গুণ কাজ করে।
সংখ্যা বসিয়ে দেখি। x = 10 হলে 'ক' ১০ দিনে এবং 'খ' ৫০ দিনে কাজটি করে। ৫০ দিনে 'ক' কাজটি ৫ বার শেষ করবে, 'খ' করবে ১ বার। তাই অনুপাত ১ : ৫।
মনে রাখুন:
একই কাজ কম সময়ে যে করে, তার কর্মদক্ষতা বেশি। সময়ের অনুপাত আর কাজের হারের অনুপাত সব সময় উল্টো হয়।
কাজ ও সময়ের অঙ্কে পুরো কাজকে ১ ধরে নিলে সূত্র সহজ হয়। - ২০. একটি বর্গের কর্ণের দৈর্ঘ্য ৪√২ একক হলে ঐ বর্গের ক্ষেত্রফল কত বর্গ একক?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৬
- ক. ৪
- খ. ৮
- গ. ১২
- ঘ. ১৬
উত্তর: ঘ. ১৬
বর্গের বাহু a হলে কর্ণ a√2 হয়। কারণ কর্ণ আর দুটি বাহু মিলে একটি সমকোণী সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ গঠন করে, যেখানে কর্ণ হলো অতিভুজ এবং পীথাগোরাসের সূত্রে √(a² + a²) = a√2।
এখানে a√2 = 4√2, তাই a = 4। ক্ষেত্রফল = a² = 16 বর্গ একক।
সংক্ষেপে করার একটি পথও আছে: বর্গের ক্ষেত্রফল = কর্ণ² ÷ 2 = (4√2)² ÷ 2 = 32 ÷ 2 = 16।
মনে রাখুন:
বর্গের পরিসীমা 4a এবং ক্ষেত্রফল a²। এখানে পরিসীমা 16 একক।
আয়তক্ষেত্রের কর্ণ √(l² + b²), আর সমবাহু ত্রিভুজের উচ্চতা (√3/2)a। - ২১. পিতা ও ২ সন্তানের বয়সের গড় ৩৭ বছর। পিতা, মাতা ও ঐ ২ সন্তানের বয়সের গড় ৩৬ বছর। মাতার বয়স কত বছর?
- ক. ৩৩
- খ. ৩৮
- গ. ৩৫
- ঘ. ৩৬
উত্তর: ক. ৩৩
গড় আর সংখ্যার গুণফল থেকে সমষ্টি পাওয়া যায়। পিতা ও ২ সন্তান মিলে ৩ জন, তাদের বয়সের সমষ্টি = 3 × 37 = 111 বছর।
পিতা, মাতা ও ২ সন্তান মিলে ৪ জন, তাদের বয়সের সমষ্টি = 4 × 36 = 144 বছর। এই দুই সমষ্টির পার্থক্য শুধু মাতার বয়স, কারণ বাকি তিনজন দুই দলেই আছেন।
তাহলে মাতার বয়স = 144 − 111 = 33 বছর।
মনে রাখুন:
গড় = সমষ্টি ÷ সংখ্যা, তাই সমষ্টি = গড় × সংখ্যা।
গড়ের অঙ্কে আগে সমষ্টি বের করে নিলে বিয়োগ করেই নতুন সদস্যের মান পাওয়া যায়।
গড় কমে গেলে বুঝতে হবে নতুন সদস্যের মান আগের গড়ের চেয়ে কম। এখানে ৩৩ বছর, ৩৭-এর চেয়ে কম, তাই গড় ৩৭ থেকে নেমে ৩৬ হয়েছে। - ২২. (০.১৫×১০^p)/(০.৩×১০^q) = ৫×১০⁷ হলে p − q = কত?
- ক. ৬
- খ. ৭
- গ. ৮
- ঘ. ৯
উত্তর: গ. ৮
আগে সংখ্যাগুলো ভাগ করি: 0.15 ÷ 0.3 = 0.5। একই ভিত্তির সূচক ভাগে বিয়োগ হয়, তাই 10^p ÷ 10^q = 10^(p−q)। বামপাশ হলো 0.5 × 10^(p−q)।
সমীকরণটি দাঁড়ায় 0.5 × 10^(p−q) = 5 × 10⁷। দুই পাশকে 0.5 দিয়ে ভাগ করলে 10^(p−q) = 10 × 10⁷ = 10⁸। অতএব p − q = 8।
মনে রাখুন:
aᵐ ÷ aⁿ = a^(m−n) এবং aᵐ × aⁿ = a^(m+n)।
5 ÷ 0.5 = 10 এবং 10 = 10¹, তাই 10 × 10⁷ = 10⁸।
বৈজ্ঞানিক রীতিতে সংখ্যা লেখার সময় ভিত্তি 10-এর ঘাতের মান মিলিয়ে নিলে এ ধরনের অঙ্ক সহজ হয়। - ২৩. ১ বর্গমিটার = কত বর্গফুট?
- ক. ১০.৭৬
- খ. ৯.৭৬
- গ. ১০.১৮
- ঘ. ৯.১৮
উত্তর: ক. ১০.৭৬
১ মিটার প্রায় 3.28 ফুট। বর্গমিটার হলো দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ দুই দিকেই ১ মিটার, তাই 1 বর্গমিটার = 3.28 × 3.28 = 10.7584 বর্গফুট, যা প্রায় 10.76।
ক্ষেত্রফলের একক বদলাতে দৈর্ঘ্যের রূপান্তর গুণকের বর্গ নিতে হয়। শুধু 3.28 দিয়ে গুণ করলে ভুল উত্তর আসত, যেমন 9.76 বা 10.18 এই ধরনের মান ফাঁদ হিসেবে দেওয়া থাকে।
মনে রাখুন:
১ মিটার = 3.28 ফুট, ১ ইঞ্চি = 2.54 সে.মি., ১ ফুট = 12 ইঞ্চি।
১ বর্গফুট = 144 বর্গ ইঞ্চি।
১ একর = 100 শতাংশ এবং ১ শতাংশ = 435.6 বর্গফুট।
১ কাঠা = 720 বর্গফুট। - ২৪. ৫% বৃদ্ধিতে x-এর বর্ধিত মান কত?
- ক. x + x/৫০০
- খ. x×৫/১০০
- গ. x(১ + ১/২০)
- ঘ. x/২০
উত্তর: গ. x(১ + ১/২০)
৫% বৃদ্ধি মানে মূল মানের সঙ্গে তার ৫/১০০ অংশ যোগ হওয়া। তাই বর্ধিত মান = x + x × 5/100 = x + x/20।
এখান থেকে x-কে সাধারণ উৎপাদক করলে পাই x(1 + 1/20) = 21x/20। এটিই সঠিক রূপ। অপশন x×৫/১০০ বা x/২০ শুধু বৃদ্ধির পরিমাণ দেয়, বর্ধিত মান নয়। আর x + x/500 হলো ০.২% বৃদ্ধি।
মনে রাখুন:
p% বৃদ্ধি হলে নতুন মান = x(1 + p/100), আর p% হ্রাস হলে নতুন মান = x(1 − p/100)।
বৃদ্ধির পরিমাণ আর বর্ধিত মান আলাদা বিষয়। প্রশ্নে কোনটি চাওয়া হচ্ছে, তা দেখে নিতে হবে।
উদাহরণ:
x = 200 হলে ৫% বৃদ্ধিতে পরিমাণ 10 এবং বর্ধিত মান 210।
বাংলাদেশ
- ২৫. নোয়াখালী ও কুমিল্লা প্রাচীন বাংলার কোন জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
- ক. সমতট
- খ. বাংলা
- গ. চন্দ্রদ্বীপ
- ঘ. হরিকেল
উত্তর: ক. সমতট
প্রাচীন বাংলা একসময় বিভিন্ন জনপদে ভাগ করা ছিল, আর প্রতিটি জনপদ ছিল আলাদা আলাদা অঞ্চল। এর মধ্যে সমতট নামের জনপদটি ছিল বর্তমান কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল জুড়ে। তাই এই দুই জেলার প্রাচীন নাম হিসেবে সমতটই সঠিক।
বাকি অপশনগুলো অন্য অঞ্চলের নাম। হরিকেল ছিল পূর্ব বাংলার অন্য একটি জনপদ, আর চন্দ্রদ্বীপ বলতে বরিশাল অঞ্চলকে বোঝানো হতো।
মনে রাখুন:
হরিকেল জনপদ ছিল সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের কাছাকাছি।
চন্দ্রদ্বীপ বলতে বর্তমান বরিশাল অঞ্চলকে বোঝানো হতো।
বঙ্গ ছিল ঢাকা-ফরিদপুর অঞ্চলের প্রাচীন নাম।
পুণ্ড্র বা পুণ্ড্রবর্ধন জনপদ ছিল উত্তরবঙ্গে, বর্তমান বগুড়া ও তার আশপাশে। এর রাজধানী ছিল পুণ্ড্রনগর, যা এখন মহাস্থানগড় নামে পরিচিত। - ২৬. কোন মুঘল সম্রাট তার শাসনকালে বাংলায় প্রতিষ্ঠা লাভে ব্যর্থ হয়েছিলেন?
- ক. সম্রাট হুমায়ূন
- খ. সম্রাট আকবর
- গ. সম্রাট জাহাঙ্গীর
- ঘ. সম্রাট আওরঙ্গজেব
উত্তর: ক. সম্রাট হুমায়ূন
মুঘল সম্রাট হুমায়ূন ১৫৩৮ সালে গৌড় দখল করে বাংলার নাম দিয়েছিলেন জান্নাতাবাদ। কিন্তু একই সময়ে শের শাহের শক্তি বেড়ে যায়। চৌসার যুদ্ধ (১৫৩৯) ও কনৌজের যুদ্ধে (১৫৪০) হেরে হুমায়ূন ভারত ছেড়ে চলে যান। ফলে তিনি বাংলার ওপর নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারেননি।
পরে সম্রাট আকবরের সময় বাংলা মুঘল সাম্রাজ্যের অংশ হয়। জাহাঙ্গীরের আমলে বাংলায় মুঘল শাসন দৃঢ় হয় এবং আওরঙ্গজেবের সময়ও তা বজায় থাকে। তাই ওই তিনজনকে ব্যর্থ বলা যায় না।
মনে রাখুন:
হুমায়ূন মুঘল সাম্রাজ্যের দ্বিতীয় সম্রাট, তাঁর পিতা বাবর সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা।
শের শাহ ১৫৪০ সালে দিল্লির সিংহাসন দখল করেন। সোনারগাঁও থেকে সিন্ধু পর্যন্ত বিস্তৃত গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড সংস্কারের কৃতিত্ব তাঁর।
হুমায়ূন পরে ১৫৫৫ সালে দিল্লি ফিরে পান। - ২৭. বাংলায় '৭৬-এর মন্বন্তর'-এর সময়কাল—
- ক. ১৭৭০
- খ. ১৭৫২
- গ. ১৭৬৫
- ঘ. ১৭৬৯
উত্তর: ক. ১৭৭০
বাংলা ১১৭৬ সালে বাংলায় এক ভয়ংকর দুর্ভিক্ষ হয়, যা ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামে পরিচিত। খ্রিষ্টাব্দের হিসাবে সময়টা ১৭৭০ সাল।
সে সময় বাংলায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন চলছিল। কোম্পানি ১৭৬৫ সালে বাংলার দেওয়ানি পায়। এরপর বৃষ্টি কম হওয়ায় ফসল নষ্ট হয় এবং দুর্ভিক্ষে ১ কোটির মতো মানুষ প্রাণ হারায়, যা তখনকার জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ।
মনে রাখুন:
বাংলা সাল ও খ্রিষ্টাব্দের পার্থক্য ৫৯৩ বছর। বাংলা ১১৭৬ সাল শুরু হয় ১৭৬৯ সালের এপ্রিলে, তাই দুর্ভিক্ষটি ১৭৬৯-৭০ সালজুড়ে ঘটে এবং সাধারণভাবে ১৭৭০ সাল বলা হয়।
১৭৬৫ সালে ক্লাইভ মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের কাছ থেকে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি লাভ করেন।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'আনন্দমঠ' উপন্যাসে এই মন্বন্তরের পটভূমি আছে। - ২৮. বঙ্গভঙ্গের সুপারিশ করেন—
- ক. লর্ড কার্জন
- খ. লর্ড রিপন
- গ. লর্ড হার্ডিঞ্জ
- ঘ. লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন
উত্তর: ক. লর্ড কার্জন
ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জন ১৯০৫ সালে বাংলা প্রদেশকে দুই ভাগ করেন। প্রশাসনিক সুবিধার কথা বলা হলেও এর পেছনে ছিল হিন্দু-মুসলমান বিভাজন তৈরির কৌশল। এই ভাগকে বঙ্গভঙ্গ বলে।
বঙ্গভঙ্গের ফলে পূর্ব বাংলা ও আসাম নামে নতুন প্রদেশ হয়, যার রাজধানী ছিল ঢাকা। কলকাতার হিন্দু নেতারা এর তীব্র বিরোধিতা করেন এবং স্বদেশি আন্দোলন শুরু হয়। ১৯১১ সালে লর্ড হার্ডিঞ্জের সময় বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয়। লর্ড রিপনের সময় নয়, মাউন্ট ব্যাটেন ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগের সময়ের ভাইসরয়।
মনে রাখুন:
বঙ্গভঙ্গের পরে ঢাকা পূর্ব বাংলা ও আসাম প্রদেশের রাজধানী হয়।
১৯১১ সালে রদের সঙ্গে ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লিতে সরিয়ে নেওয়া হয়।
ঢাকার নবাব সলিমুল্লাহ বঙ্গভঙ্গকে সমর্থন করেছিলেন। এরপর ১৯০৬ সালে ঢাকায় মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়। - ২৯. ১৯৫৪ সালের পূর্বে বাংলার প্রাদেশিক নির্বাচনের ২১ দফায় ১ম দফা ছিল—
- ক. বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্র ভাষার স্বীকৃতি দেওয়া
- খ. সকল রাজবন্দীর মুক্তিদাবি
- গ. পূর্ব বাংলার বন্যা নিয়ন্ত্রণ
- ঘ. পশ্চিম পাকিস্তানের সম্পদের উপর বাংলার অধিকার প্রতিষ্ঠা
উত্তর: ক. বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্র ভাষার স্বীকৃতি দেওয়া
১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ২১ দফা কর্মসূচি দিয়ে ভোটে নামে। ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি তখন সবার মনে তাজা ছিল, তাই প্রথম দফাতেই দাবি করা হয় বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার। তাই রাজবন্দীর মুক্তি, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বা অন্য দাবিগুলো প্রথম দফা নয়, পরের দিকের দফা।
নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট বিপুল ভোটে জয়ী হয়, আর মুসলিম লীগ মাত্র কয়েকটি আসন পায়। ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলা রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা পায়।
মনে রাখুন:
যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়েছিল আওয়ামী মুসলিম লীগ, কৃষক শ্রমিক পার্টি, নেজামে ইসলাম ও গণতন্ত্রী দলকে নিয়ে।
যুক্তফ্রন্টের প্রধান নেতা ছিলেন এ কে ফজলুল হক, মওলানা ভাসানী ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
একুশ দফার একটি দফা ছিল লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী পূর্ব বাংলাকে পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন দেওয়া। - ৩০. ৬ দফা দাবি কোথায় উত্থাপিত হয়?
- ক. ঢাকা
- খ. লাহোর
- গ. ইসলামাবাদ
- ঘ. কাগমারী
উত্তর: খ. লাহোর
শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে লাহোরে বিরোধী দলগুলোর একটি জাতীয় সম্মেলনে ৬ দফা দাবি উত্থাপন করেন। সে সময় পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের প্রতি অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বৈষম্যের জবাবে এই দাবি তোলা হয়। সম্মেলনের আয়োজকরা দাবিটি আলোচ্যসূচিতে নিতে রাজি না হলে তিনি সম্মেলন ছেড়ে চলে আসেন।
৬ দফাকে তাই বাঙালির মুক্তির সনদ বলা হয়। পরে এটি আওয়ামী লীগের কর্মসূচিতে স্থান পায়।
মনে রাখুন:
৬ দফা ঘোষণার পর শেখ মুজিবকে গ্রেপ্তার করা হয়। ১৯৬৮ সালে তাঁকে প্রধান আসামি করে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দেওয়া হয়।
১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর তিনি মুক্তি পান এবং বঙ্গবন্ধু উপাধি পান।
৬ দফার ভিত্তিতেই আওয়ামী লীগ ১৯৭০ সালের নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল। - ৩১. প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের সদর দপ্তর ছিল—
- ক. ৮নং থিয়েটার রোড, কলকাতা
- খ. মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায়
- গ. নয়াদিল্লিতে
- ঘ. আগরতলায়
উত্তর: ক. ৮নং থিয়েটার রোড, কলকাতা
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় গঠিত প্রবাসী সরকার কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোড থেকে কার্যক্রম চালাত। এটিই ছিল সরকারের সদর দপ্তর।
সরকার গঠিত হয় ১০ এপ্রিল, আর শপথ নেয় ১৭ এপ্রিল। মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় (বর্তমান মুজিবনগর) শপথ অনুষ্ঠান হলেও পাকিস্তানি বাহিনীর হামলার ঝুঁকির কারণে সেখান থেকে সরকারি কাজ চালানো যায়নি। তাই সদর দপ্তর হয় কলকাতায়।
মনে রাখুন:
শপথ অনুষ্ঠানে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান, উপরাষ্ট্রপতি (ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি) সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ।
সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন কর্নেল এম এ জি ওসমানী। - ৩২. মধ্যপ্রাচ্যের মুসলমান দেশ সর্বপ্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়—
- ক. সৌদি আরব
- খ. ইরাক
- গ. কুয়েত
- ঘ. UAE
উত্তর: খ. ইরাক
স্বাধীনতার পরে বিভিন্ন দেশ একে একে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। মধ্যপ্রাচ্যের মুসলমান দেশগুলোর মধ্যে সবার আগে স্বীকৃতি দেয় ইরাক, ১৯৭২ সালের জুলাই মাসে।
সৌদি আরব স্বীকৃতি দেয় অনেক পরে, ১৯৭৫ সালে। তাই সৌদি আরব বা কুয়েত নয়, ইরাকই সবার আগে।
মনে রাখুন:
স্বাধীনতার পর ভারত ও ভুটান সবার আগে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়, ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর।
ইরাক ছিল মধ্যপ্রাচ্য ও আরব বিশ্বের প্রথম স্বীকৃতিদাতা দেশ।
বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ পায় এবং একই বছর ওআইসির সদস্য হয়। - ৩৩. মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি— গানটির প্রথম রেকর্ড করেন—
- ক. আব্দুল জব্বার
- খ. আপেল মাহমুদ
- গ. আবদুল হাদী
- ঘ. মাহমুদুন্নবী
উত্তর: খ. আপেল মাহমুদ
'মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি' গানের গীতিকার গোবিন্দ হালদার। গানটি মুক্তিযুদ্ধের সময় খুব জনপ্রিয় হয়। এর সুর দেন এবং গানটি প্রথম গেয়ে রেকর্ড করেন আপেল মাহমুদ। তাই প্রথম রেকর্ডের শিল্পী হিসেবে আপেল মাহমুদই সঠিক।
অন্য শিল্পীরাও মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশাত্মবোধক গান গেয়েছেন, কিন্তু এই গানটির প্রথম রেকর্ড আপেল মাহমুদের।
মনে রাখুন:
মুক্তিযুদ্ধের সময় এই গান মুক্তিকামী মানুষের মনে সাহস জুগিয়েছিল।
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে এসব গান প্রচারিত হতো।
'জয় বাংলা বাংলার জয়' গানটির রচয়িতা গাজী মাজহারুল আনোয়ার। - ৩৪. রোপা আমন কাটা হয়—
- ক. আষাঢ়-শ্রাবণে
- খ. ভাদ্র-আশ্বিনে
- গ. কার্তিক-অগ্রহায়ণে
- ঘ. অগ্রহায়ণ-পৌষে
উত্তর: ঘ. অগ্রহায়ণ-পৌষে
বাংলাদেশে ধানের তিনটি প্রধান মৌসুম আছে: আউশ, আমন ও বোরো। রোপা আমন বর্ষায় রোপণ করা হয় এবং পাকতে বেশি সময় নেয়। তাই এর ধান কাটা হয় শীতের শুরুতে, অগ্রহায়ণ-পৌষ মাসে।
আমন ধান আমাদের দেশে সবচেয়ে বেশি আবাদ হয়, তাই এটি দেশের খাদ্য জোগানে বড় ভূমিকা রাখে। আষাঢ়-শ্রাবণে আমন রোপণ হয়, কাটা হয় না। আর ভাদ্র-আশ্বিন ও কার্তিক-অগ্রহায়ণে নতুন ধান পাকতে শুরু করে মাত্র।
মনে রাখুন:
আউশ: বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠে বোনা হয়, শ্রাবণ-ভাদ্রে কাটা হয়।
আমন: শ্রাবণ-ভাদ্রে রোপণ করা হয়, অগ্রহায়ণ-পৌষে কাটা হয়।
বোরো: অগ্রহায়ণ-পৌষে রোপণ করা হয়, বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠে কাটা হয়।
আমন ধান কাটার পর নতুন ধান ওঠার উৎসবকে নবান্ন বলে। - ৩৫. বাংলাদেশের GDP-এর প্রধান খাত—
- ক. সেবাখাত
- খ. কৃষিখাত
- গ. শিল্পখাত
- ঘ. অন্যান্য
উত্তর: ক. সেবাখাত
কোনো দেশের জিডিপি (GDP) তিনটি প্রধান খাত থেকে আসে: কৃষি, শিল্প ও সেবা। বাংলাদেশে সেবা খাত জিডিপিতে সবচেয়ে বড় অবদান রাখে। ২০১৬ সালের হিসাবেও সেবা খাতের অংশ ছিল অর্ধেকের কাছাকাছি।
সেবা খাতের মধ্যে আছে ব্যবসা-বাণিজ্য, পরিবহন, ব্যাংক ও বিমা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবা। কৃষি খাত এখনো অনেক মানুষের কর্মসংস্থান দিলেও জিডিপিতে তার অংশ তুলনামূলক কম।
মনে রাখুন:
একসময় কৃষি ছিল সবচেয়ে বড় খাত, কিন্তু অর্থনীতি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেবা ও শিল্প খাতের অংশ বেড়েছে।
জিডিপির পূর্ণরূপ Gross Domestic Product, অর্থাৎ মোট দেশজ উৎপাদন।
কোনো দেশের অর্থনীতি কৃষি থেকে শিল্প ও সেবার দিকে সরে যাওয়াকে কাঠামোগত পরিবর্তন বলা হয়। - ৩৬. বাংলাদেশের প্রথম ঔষধ শিল্প পার্ক কোথায়?
- ক. মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায়
- খ. গাজীপুরের কালিয়াকৈরে
- গ. সাভারের কোনাবাড়ীতে
- ঘ. ময়মনসিংহের ভালুকায়
উত্তর: ক. মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায়
বাংলাদেশের প্রথম ঔষধ শিল্প পার্ক গড়ে উঠেছে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায়। সেখানে অ্যাক্টিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্ট (API) তৈরির জন্য আলাদা শিল্প এলাকা করা হয়েছে। API হলো ওষুধের মূল কার্যকর উপাদান, যাতে এই কাঁচামাল দেশেই উৎপাদন করা যায় এবং আমদানির ওপর নির্ভরতা কমে।
বাকি অপশনে যেসব জায়গার নাম আছে, সেগুলোও শিল্পের জন্য পরিচিত, কিন্তু ঔষধ শিল্প পার্কের জন্য নয়।
মনে রাখুন:
কালিয়াকৈরে আছে হাইটেক পার্ক, যা তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের জন্য তৈরি। এর নাম বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটি।
বাংলাদেশের ওষুধ শিল্পের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।
বাংলাদেশ ওষুধ উৎপাদনে প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং অনেক দেশে ওষুধ রপ্তানি করে। - ৩৯. সোনালী দেশ—
- ক. ভারত
- খ. শ্রীলংকা
- গ. পাকিস্তান
- ঘ. বাংলাদেশ
উত্তর: ঘ. বাংলাদেশ
বাংলাদেশকে সোনালি আঁশের দেশ বলা হয়, কারণ এখানে পাট প্রচুর উৎপন্ন হয়। পাটকে সোনালি আঁশ বলা হয়, কারণ এর রং সোনার মতো হলুদ আর একসময় এটি দেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য ছিল। এই কারণে 'সোনালী দেশ' বলতে বাংলাদেশকেই বোঝানো হয়।
বাংলাদেশের আরও কিছু পরিচিত নাম আছে।
মনে রাখুন:
নদীমাতৃক দেশ ও ভাটির দেশ নামেও বাংলাদেশকে ডাকা হয়।
বাংলাদেশের জাতীয় ফল কাঁঠাল, জাতীয় ফুল শাপলা।
জাতীয় পাখি দোয়েল, জাতীয় মাছ ইলিশ।
জাতীয় সংগীত 'আমার সোনার বাংলা'। - ৪১. বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার—
- ক. জয়নুল আবেদিন
- খ. কামরুল হাসান
- গ. হামিদুর রহমান
- ঘ. হাশেম খান
উত্তর: খ. কামরুল হাসান
বাংলাদেশের বর্তমান জাতীয় পতাকার নকশা করেন শিল্পী কামরুল হাসান। সবুজ জমিনে লাল বৃত্ত সংবলিত এই পতাকা ১৯৭২ সালে সরকারিভাবে গৃহীত হয়। সবুজ রং তারুণ্য ও প্রাণের প্রতীক, আর লাল বৃত্ত স্বাধীনতার জন্য রক্ত দেওয়া শহীদদের স্মরণ করায়।
মুক্তিযুদ্ধের সময় যে প্রথম পতাকা ওড়ানো হয়েছিল, তাতে লাল বৃত্তের মাঝখানে হলুদ রঙে বাংলাদেশের মানচিত্র ছিল। সেই পতাকার নকশা করেছিলেন শিব নারায়ণ দাস। বাকিদের পরিচয় আলাদা: জয়নুল আবেদিন বিখ্যাত চিত্রশিল্পী, হামিদুর রহমান শহীদ মিনারের স্থপতি।
মনে রাখুন:
শিল্পাচার্য উপাধি পেয়েছিলেন জয়নুল আবেদিন।
জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত 10 : 6।
বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকের (মনোগ্রাম) নকশা করেন কামরুল হাসান। - ৪৩. বাংলায় নববর্ষ ১লা বৈশাখ চালু করেন—
- ক. ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ
- খ. ইলিয়াস শাহ
- গ. সম্রাট আকবর
- ঘ. শের শাহ
উত্তর: গ. সম্রাট আকবর
বাংলা সন বা বঙ্গাব্দ চালু করেছিলেন মুঘল সম্রাট আকবর, এটাই প্রচলিত মত। তিনি কর আদায় সহজ করতে চাঁদের হিসাবের হিজরি সনের বদলে সৌর হিসাবে একটি নতুন সন চালু করেন, যাতে ফসল কাটার মৌসুমের সঙ্গে কর আদায়ের সময় মেলে। এই সনে বছরের প্রথম দিন হলো পহেলা বৈশাখ।
অন্য অপশনের সুলতানরা ছিলেন বাংলার স্বাধীন সুলতানি আমলের শাসক, আর শের শাহ ছিলেন আকবরের আগে দিল্লির সম্রাট।
মনে রাখুন:
বাংলা সন চালুর সময় ধরা হয় ১৫৫৬ সাল (৯৬৩ হিজরি), যখন আকবর সিংহাসনে বসেন।
বঙ্গাব্দ সংস্কার করে বর্তমান বাংলাদেশ সরকার ১৯৮৭ সালে, যার ফলে পহেলা বৈশাখ প্রতি বছর ১৪ এপ্রিল পড়ে।
বঙ্গাব্দ ও খ্রিষ্টাব্দের পার্থক্য ৫৯৩ বছর। - ৪৪. গ্রিনিচ মান সময়ের সঙ্গে আমাদের সময়ের পার্থক্য—
- ক. ৬ ঘণ্টা
- খ. ৮ ঘণ্টা
- গ. ১০ ঘণ্টা
- ঘ. ৫ ঘণ্টা
উত্তর: ক. ৬ ঘণ্টা
পৃথিবী নিজের অক্ষে ২৪ ঘণ্টায় ৩৬০° ঘোরে, তাই প্রতি ১৫° দ্রাঘিমায় সময়ের পার্থক্য হয় ১ ঘণ্টা। বাংলাদেশের প্রমাণ দ্রাঘিমা ৯০° পূর্ব, তাই 90 ÷ 15 = 6 ঘণ্টা।
গ্রিনিচ হলো ০° দ্রাঘিমা। এর পূর্ব দিকে সময় এগিয়ে থাকে, তাই বাংলাদেশের সময় গ্রিনিচ মান সময় (GMT)-এর ৬ ঘণ্টা আগে। লন্ডনে দুপুর ১২টা হলে বাংলাদেশে সন্ধ্যা ৬টা।
মনে রাখুন:
ভারতের প্রমাণ সময় GMT-এর সাড়ে ৫ ঘণ্টা আগে।
পাকিস্তানের সময় GMT-এর ৫ ঘণ্টা আগে। তাই ৫ ঘণ্টার অপশনটি পাকিস্তানের ক্ষেত্রে মেলে, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে নয়।
পূর্ব দিকে গেলে সময় বাড়ে এবং পশ্চিম দিকে গেলে সময় কমে। ১ ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্য সময়ের ব্যবধান ৪ মিনিট। - ৯২. NEC stands for—.
- ক. Non Economic Currency
- খ. National Economic Council
- গ. No Exchange Currency
- ঘ. Never Ending Crisis
উত্তর: খ. National Economic Council
NEC-এর পূর্ণরূপ National Economic Council, বাংলায় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ। এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী সংস্থা। অন্য অপশনের পূর্ণরূপগুলো অর্থহীন।
প্রধানমন্ত্রী এর চেয়ারপারসন। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (ADP) অনুমোদন করে।
মনে রাখুন:
NEC-এর নির্বাহী কমিটি একনেক (ECNEC), যেখানে প্রকল্প অনুমোদন হয়।
একনেকের পূর্ণরূপ Executive Committee of the National Economic Council।
পরিকল্পনা কমিশন সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা তৈরি করে।
আন্তর্জাতিক
- ৩৭. হোক্কাইডো দ্বীপটি কোথায়?
- ক. চীনে
- খ. জাপানে
- গ. ফিলিপাইনে
- ঘ. ইন্দোনেশিয়ায়
উত্তর: খ. জাপানে
হোক্কাইডো জাপানের উত্তরের দ্বীপ। জাপান চারটি প্রধান দ্বীপ নিয়ে গঠিত: হোনশু, হোক্কাইডো, শিকোকু ও কিউশু। এর মধ্যে হোনশু সবচেয়ে বড়, আর হোক্কাইডো আয়তনে দ্বিতীয়। শীতকালে প্রচুর তুষারপাতের জন্য হোক্কাইডো বিখ্যাত।
বাকি অপশনের দেশগুলো আলাদা দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে গঠিত, কিন্তু হোক্কাইডো নামের দ্বীপ সেখানে নেই।
মনে রাখুন:
জাপানের রাজধানী টোকিও অবস্থিত হোনশু দ্বীপে।
হোক্কাইডোর বড় শহর সাপ্পোরো।
জাপানকে বলা হয় উদীয়মান সূর্যের দেশ। - ৩৮. পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ—
- ক. আফ্রিকা
- খ. ইউরেশিয়া
- গ. এশিয়া
- ঘ. উত্তর আমেরিকা
উত্তর: গ. এশিয়া
পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মহাদেশ এশিয়া। এর আয়তন প্রায় সাড়ে চার কোটি বর্গকিলোমিটার, যা পৃথিবীর মোট স্থলভাগের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। জনসংখ্যার দিক থেকেও এশিয়া সবার ওপরে।
ইউরেশিয়া কোনো আলাদা মহাদেশ নয়। এটি ইউরোপ ও এশিয়াকে একসঙ্গে ডাকা একটি নাম, কারণ দুটি মহাদেশ একই বিশাল স্থলভাগে যুক্ত।
মনে রাখুন:
আয়তনে দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ আফ্রিকা।
তৃতীয় বৃহত্তম মহাদেশ উত্তর আমেরিকা।
ক্ষুদ্রতম মহাদেশ অস্ট্রেলিয়া (ওশেনিয়া)।
পৃথিবীর সাতটি মহাদেশ: এশিয়া, আফ্রিকা, উত্তর আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকা, ইউরোপ, অ্যান্টার্কটিকা ও অস্ট্রেলিয়া। - ৪০. বিশ্বের প্রাচীন সভ্যতার দেশ—
- ক. গ্রিস
- খ. মেসোপটেমিয়া
- গ. রোম
- ঘ. ভারত
উত্তর: খ. মেসোপটেমিয়া
পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতাগুলোর একটি মেসোপটেমিয়া সভ্যতা, যা টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর মাঝের উর্বর অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল। মেসোপটেমিয়া শব্দের অর্থ দুই নদীর মধ্যবর্তী ভূমি। এই এলাকা এখন ইরাকের অংশ।
এখানকার মানুষ প্রথমে লেখার পদ্ধতি তৈরি করে, যার নাম কিউনিফর্ম (Cuneiform) লিপি। গ্রিস, রোম ও ভারতের সভ্যতা এর পরে গড়ে ওঠে।
মনে রাখুন:
মিসরীয় সভ্যতা নীল নদের তীরে, সিন্ধু সভ্যতা সিন্ধু নদের তীরে এবং চীনা সভ্যতা হোয়াংহো নদীর তীরে গড়ে ওঠে।
মেসোপটেমিয়ার সুমেরীয়, ব্যাবিলনীয় ও অ্যাসিরীয় জাতি বিখ্যাত।
ব্যাবিলনের রাজা হামুরাবি ছিলেন প্রাচীন আইনসংহিতার জন্য বিখ্যাত। - ৪২. চন্দ্রে অবতরণকারী প্রথম মানুষ—
- ক. গ্যাগারিন
- খ. রিচার্ড এনড্রিন
- গ. জন প্লেন
- ঘ. নিল আর্মস্ট্রং
উত্তর: ঘ. নিল আর্মস্ট্রং
মানুষ প্রথম চাঁদে পা রাখে ১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই, আমেরিকার অ্যাপোলো-১১ অভিযানে। সেই মহাকাশযানের অধিনায়ক নিল আর্মস্ট্রং প্রথম পা রাখেন চাঁদের মাটিতে। কিছুক্ষণ পরে নামেন এডউইন (বাজ) অলড্রিন, অর্থাৎ অপশনে থাকা রিচার্ড এনড্রিন নন।
মজার ব্যাপার হলো, তাঁদের সঙ্গী মাইকেল কলিন্স কক্ষপথে থেকে মূল যানটি চালাচ্ছিলেন। চাঁদে নেমে আর্মস্ট্রং বলেছিলেন, এটি একজন মানুষের জন্য ছোট পদক্ষেপ, কিন্তু মানবজাতির জন্য বিরাট এক লাফ।
মনে রাখুন:
মহাকাশে প্রথম মানুষ ইউরি গাগারিন, ১৯৬১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের ভস্তক-১ যানে।
জন গ্লেন প্রথম আমেরিকান, যিনি পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করেন (১৯৬২)।
মহাকাশে প্রথম নারী ভ্যালেন্টিনা তেরেশকোভা (১৯৬৩)। - ৪৫. কোন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য অমর্ত্য সেন নোবেল পুরস্কার পান?
- ক. উন্নয়ন অর্থনীতি
- খ. কল্যাণ অর্থনীতি
- গ. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য তত্ত্ব
- ঘ. মজুরি তত্ত্ব
উত্তর: খ. কল্যাণ অর্থনীতি
অমর্ত্য সেন ১৯৯৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পান কল্যাণ অর্থনীতি (Welfare Economics) বিষয়ে অবদানের জন্য। এই শাখায় দেখা হয়, সমাজের মানুষের সুযোগ-সুবিধা ও কল্যাণ কীভাবে বাড়ানো যায়।
তিনি দুর্ভিক্ষ ও দারিদ্র্য নিয়েও গবেষণা করেন। তিনি দেখিয়েছেন, দুর্ভিক্ষ শুধু খাদ্যের অভাবে নয়, মানুষের খাদ্য কেনার সামর্থ্য না থাকার কারণেও হয়। এই ভাবনা তাঁর 'Poverty and Famines' বইয়ে আছে।
মনে রাখুন:
অমর্ত্য সেন ভারতীয় বাঙালি এবং তাঁর জন্ম শান্তিনিকেতনে।
তিনিই প্রথম এশীয় নোবেল অর্থনীতিবিদ। তাঁর আরেকটি বিখ্যাত বই 'Development as Freedom'।
২০০৬ সালে বাংলাদেশের ড. মুহাম্মদ ইউনূস নোবেল শান্তি পুরস্কার পান ক্ষুদ্রঋণের জন্য। - ৪৬. 'শ্বেত হস্তী'র দেশ—
- ক. থাইল্যান্ড
- খ. সিঙ্গাপুর
- গ. কাম্পুচিয়া
- ঘ. ইন্দোনেশিয়া
উত্তর: ক. থাইল্যান্ড
থাইল্যান্ডকে শ্বেত হস্তীর দেশ বলা হয়। সেখানে সাদা হাতিকে পবিত্র এবং রাজার সৌভাগ্যের প্রতীক মনে করা হয়। হাতি থাইল্যান্ডের জাতীয় প্রাণীও।
থাইল্যান্ডের পুরোনো নাম শ্যামদেশ (Siam), যা ১৯৩৯ সালে বদলে থাইল্যান্ড করা হয়। রাজধানী ব্যাংকক।
মনে রাখুন:
জাপানকে উদীয়মান সূর্যের দেশ বলা হয়।
কানাডাকে মেপল পাতার দেশ বলা হয়।
ভারতকে বলা হয় বহু ভাষা ও ধর্মের দেশ।
কাম্পুচিয়া হলো কম্বোডিয়ার আরেক নাম, আর সিঙ্গাপুর সিংহপুর নামেও পরিচিত। - ৪৭. আন্তর্জাতিক পরিবেশ দিবস—
- ক. ৫ মার্চ
- খ. ৪ এপ্রিল
- গ. ২১ এপ্রিল
- ঘ. ৫ জুন
উত্তর: ঘ. ৫ জুন
জাতিসংঘ ১৯৭২ সালে স্টকহোমে মানব পরিবেশ বিষয়ক সম্মেলন করে। ওই সম্মেলনের স্মরণে প্রতি বছর ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস (World Environment Day) পালন করা হয়। এই দিন পরিবেশ রক্ষার বিষয়ে মানুষকে সচেতন করা হয়।
ওই সম্মেলনের ফলেই জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) গঠিত হয়, যার সদর দপ্তর কেনিয়ার নাইরোবিতে। অন্য তারিখগুলো আলাদা দিবসের জন্য নির্ধারিত।
মনে রাখুন:
২২ এপ্রিল বসুন্ধরা দিবস (Earth Day)।
২২ মার্চ বিশ্ব পানি দিবস।
১৬ সেপ্টেম্বর বিশ্ব ওজোন দিবস। - ৪৮. শিল্পবিপ্লব কোন দেশে প্রথম শুরু হয়?
- ক. ইংল্যান্ড
- খ. জার্মানি
- গ. যুক্তরাষ্ট্র
- ঘ. ফ্রান্স
উত্তর: ক. ইংল্যান্ড
শিল্পবিপ্লব (Industrial Revolution) প্রথম শুরু হয় ইংল্যান্ডে, আনুমানিক ১৭৬০ সালের পর। বাষ্পীয় ইঞ্জিনের উন্নতির ফলে কারখানায় যন্ত্র দিয়ে দ্রুত পণ্য তৈরি শুরু হয়।
ইংল্যান্ডে কয়লা ও লোহা সহজে পাওয়া যেত এবং উপনিবেশ থেকে কাঁচামাল ও বাজার মিলত। তাই সেখানেই আগে শিল্পবিপ্লব ঘটে। জার্মানি, যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সে এটি পরে ছড়িয়ে পড়ে।
মনে রাখুন:
বাষ্পীয় ইঞ্জিন উন্নত করেন জেমস ওয়াট।
সুতা কাটার যন্ত্র স্পিনিং জেনি এবং কাপড় বোনার যন্ত্র পাওয়ার লুম এই সময়ের গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার।
শিল্পবিপ্লবের ফলে ইউরোপে শহর বাড়ে এবং শ্রমিক শ্রেণির উদ্ভব হয়।
বাংলা
- ৪৯. ভাষার ক্ষুদ্রতম একক কোনটি?
- ক. বর্ণ
- খ. পদ
- গ. অক্ষর
- ঘ. ধ্বনি
উত্তর: ঘ. ধ্বনি
ভাষার সবচেয়ে ছোট একক ধ্বনি (Sound)। আমরা মুখ দিয়ে যে আলাদা আলাদা আওয়াজ করি, সেগুলোই ধ্বনি। কয়েকটি ধ্বনি মিলে শব্দ তৈরি হয় আর কয়েকটি শব্দ মিলে বাক্য হয়।
বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ বা প্রতীক। ধ্বনি আমরা শুনি, আর বর্ণ আমরা দেখি। তাই বর্ণ ভাষার ক্ষুদ্রতম একক নয়। পদ হলো বাক্যে ব্যবহৃত শব্দ, সেটিও ধ্বনির চেয়ে বড়।
মনে রাখুন:
ভাষার একক ছোট থেকে বড় ক্রমে: ধ্বনি, শব্দ, বাক্য।
ধ্বনি নিয়ে আলোচনা হয় ধ্বনিতত্ত্বে।
বাংলা বর্ণমালায় ১১টি স্বরবর্ণ ও ৩৯টি ব্যঞ্জনবর্ণ আছে। - ৫০. কোন বানানটি শুদ্ধ নয়?
- ক. দারিদ্র্যতা
- খ. উপযোগিতা
- গ. রুগ্ণ
- ঘ. কাহিনি
উত্তর: ক. দারিদ্র্যতা
যে শব্দের ইতোমধ্যে ভাববাচক রূপ আছে, তার সঙ্গে আবার 'তা' প্রত্যয় যোগ করা ঠিক নয়। দরিদ্র শব্দের ভাববাচক রূপ 'দারিদ্র্য', যা দরিদ্র থাকার অবস্থা বোঝায়। তাই 'দারিদ্র্যতা' লিখলে একই ভাব দুবার আসে এবং বানান অশুদ্ধ হয়।
বাকি তিনটি শুদ্ধ। 'উপযোগী' শব্দের সঙ্গে 'তা' যুক্ত হয়ে 'উপযোগিতা' হয়েছে, কারণ উপযোগী বিশেষণ, তার ভাববাচক রূপ হিসেবে 'তা' বসানো চলে। 'রুগ্ণ' ও 'কাহিনি' বাংলা একাডেমির বানানরীতি অনুযায়ী শুদ্ধ।
মনে রাখুন:
একই অর্থ দুবার প্রকাশ পাওয়ায় কিছু অশুদ্ধ শব্দ: সৌন্দর্যতা, দৈন্যতা, ঐক্যতা, সখ্যতা।
এদের শুদ্ধ রূপ: সৌন্দর্য, দৈন্য, ঐক্য, সখ্য। - ৫১. 'রূপসী বাংলা'র কবি কে?
- ক. বুদ্ধদেব বসু
- খ. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
- গ. বিষ্ণু দে
- ঘ. জীবনানন্দ দাশ
উত্তর: ঘ. জীবনানন্দ দাশ
'রূপসী বাংলা' জীবনানন্দ দাশের সনেট-জাতীয় কবিতার সংকলন। এতে তিনি বাংলার নদী, মাঠ, ধান ও পাখির সৌন্দর্য ধরেছেন। 'আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে' এই বইয়েরই বিখ্যাত পঙ্ক্তি। কবি বেঁচে থাকতে বইটি প্রকাশ করেননি, মৃত্যুর পরে ১৯৫৭ সালে এটি বই আকারে বের হয়।
বাকি অপশনের কবিরাও আধুনিক বাংলা কবিতার পরিচিত নাম, কিন্তু এই কাব্যের রচয়িতা তাঁরা নন। বুদ্ধদেব বসু 'বন্দীর বন্দনা', সুধীন্দ্রনাথ দত্ত 'তন্বী' এবং বিষ্ণু দে 'উর্বশী ও আর্টেমিস' লিখেছেন।
মনে রাখুন:
জীবনানন্দ দাশের অন্য কাব্যগ্রন্থ: ঝরা পালক, ধূসর পাণ্ডুলিপি, বনলতা সেন, মহাপৃথিবী।
তাঁকে রূপসী বাংলার কবি বলা হয়।
তাঁর জন্ম বরিশালে (১৮৯৯) এবং মৃত্যু ১৯৫৪ সালে। - ৫২. কোনটি শুদ্ধ বানান?
- ক. নিশিথিনী
- খ. নীশিথিনী
- গ. নিশীথিনী
- ঘ. নিশিথিনি
উত্তর: গ. নিশীথিনী
শব্দটির মূল হলো 'নিশীথ', যার অর্থ গভীর রাত। এর সঙ্গে স্ত্রীলিঙ্গ বোঝাতে 'ইনী' যুক্ত হয়ে 'নিশীথিনী' হয়েছে, অর্থাৎ রাত্রি। তৎসম শব্দের বানান সংস্কৃত নিয়ম মেনে চলে, তাই মূল শব্দ 'নিশীথ'-এর বানান ঠিক রেখেই শব্দটি লিখতে হয়। এতে 'শী'-তে দীর্ঘ ঈ-কার থাকে।
এই ধরনের শব্দে ই-কার ও ঈ-কারের ভুলই পরীক্ষায় বেশি আসে। অন্য অপশনগুলোতে হয় দীর্ঘ ঈ-কার নেই, নয়তো শব্দের শেষের স্বর ভুল।
মনে রাখুন:
রাত্রির প্রতিশব্দ: রজনী, যামিনী, শর্বরী, নিশা, বিভাবরী।
নিশীথ, নিশীথিনী ও শশী শব্দের বানানে দীর্ঘ ঈ-কার থাকে। - ৫৩. 'ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী'-এর রচয়িতা কে?
- ক. ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়
- খ. চণ্ডীদাস
- গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ঘ. ভারতচন্দ্র
উত্তর: গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
'ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা। রবীন্দ্রনাথ কিশোর বয়সে ভানুসিংহ ছদ্মনামে এই পদগুলো লিখেছিলেন। এগুলো প্রথমে ভারতী পত্রিকায় ছাপা হয়, আর অনেকে এগুলোকে প্রাচীন কোনো কবির লেখা বলেই ভেবেছিল। ১৮৮৪ সালে বই আকারে প্রকাশিত হয়।
পদগুলো ব্রজবুলি ভাষায় লেখা, যা মৈথিলি ও বাংলার মিশ্রণে তৈরি কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা। ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় নামে কোনো কবি এর রচয়িতা নন, নামটি শুধু ছদ্মনামের সঙ্গে মিলেছে। চণ্ডীদাস ও ভারতচন্দ্র মধ্যযুগের কবি।
মনে রাখুন:
মধ্যযুগে বৈষ্ণব পদাবলীর অনেক কবিই ব্রজবুলিতে লিখতেন, যেমন বিদ্যাপতি ও গোবিন্দদাস।
রবীন্দ্রনাথ ১৯১৩ সালে 'গীতাঞ্জলি'র জন্য নোবেল পুরস্কার পান। - ৫৪. 'নেমেসিস' কোন জাতীয় রচনা?
- ক. কাব্য
- খ. নাটক
- গ. উপন্যাস
- ঘ. গীতি কবিতা
উত্তর: খ. নাটক
'নেমেসিস' নাটক। এটি লিখেছেন নুরুল মোমেন। সমাজজীবনের নানা সমস্যা নিয়ে লেখা এই নাটক তাঁর বিখ্যাত রচনাগুলোর একটি। তাই এটি কাব্য, উপন্যাস বা গীতি কবিতা নয়।
নুরুল মোমেন আধুনিক বাংলা নাটকের পথিকৃৎদের একজন। তাঁর নাটকে সমকালীন সমাজের বাস্তব ছবি ফুটে উঠেছে।
মনে রাখুন:
নুরুল মোমেনের অন্য নাটক: রূপান্তর, নয়া খান্দান, আলো ও ছায়া, যদি এমন হতো।
মুনীর চৌধুরীর 'কবর' বাংলা একাঙ্ক নাটকের বিখ্যাত দৃষ্টান্ত।
সিকান্দার আবু জাফরের 'সিরাজউদ্দৌলা' ঐতিহাসিক নাটক। - ৫৫. 'চতুরঙ্গ' গ্রন্থ কার রচিত?
- ক. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
- খ. দীনবন্ধু মিত্র
- গ. বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
- ঘ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর: ঘ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
'চতুরঙ্গ' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস। এটি প্রথমে সবুজপত্র পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে ছাপা হয়, পরে ১৯১৬ সালে বই আকারে বের হয়। এর প্রধান চরিত্র শচীশ, দামিনী, শ্রীবিলাস ও জ্যাঠামশাই। তাই তারাশঙ্কর, দীনবন্ধু মিত্র বা বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় এর রচয়িতা নন।
উপন্যাসটিতে ধর্ম, সমাজ ও ব্যক্তির জীবনের টানাপোড়েন নিয়ে ভাবনা আছে। এর কাঠামো চার ভাগে সাজানো, যা নামেও প্রতিফলিত।
মনে রাখুন:
রবীন্দ্রনাথের অন্য উপন্যাস: চোখের বালি, নৌকাডুবি, গোরা, ঘরে-বাইরে, যোগাযোগ, শেষের কবিতা।
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস গণদেবতা, আর দীনবন্ধু মিত্রের বিখ্যাত নাটক নীলদর্পণ।
সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন প্রমথ চৌধুরী। - ৫৬. 'সারমেয়' শব্দের অর্থ—
- ক. হরিণ
- খ. খরগোশ
- গ. কুকুর
- ঘ. সারস
উত্তর: গ. কুকুর
'সারমেয়' শব্দের অর্থ কুকুর। সংস্কৃত 'সরমা' নামে এক দেবকুকুরী ছিল, তার সন্তান বোঝাতে শব্দটি এসেছে। তাই সারমেয় মানে কুকুর, হরিণ বা খরগোশ নয়।
বাকিগুলোর অর্থ আলাদা। হরিণের প্রতিশব্দ মৃগ, খরগোশের প্রতিশব্দ শশক, আর সারস একটি পাখির নাম।
মনে রাখুন:
কুকুরের আরও প্রতিশব্দ: কুক্কুর, শ্বান, সারমেয়।
ঘোড়ার প্রতিশব্দ অশ্ব, ঘোটক, তুরগ।
হাতির প্রতিশব্দ হস্তী, গজ, করী। - ৫৭. বাংলা মৌলিক নাটকের যাত্রা শুরু হয় কোন নাট্যকারের হাতে?
- ক. মধুসূদন দত্ত
- খ. দীনবন্ধু মিত্র
- গ. গিরিশচন্দ্র ঘোষ
- ঘ. রামনারায়ণ তর্করত্ন
উত্তর: ঘ. রামনারায়ণ তর্করত্ন
আধুনিক বাংলা নাটকের শুরুটা হয় রামনারায়ণ তর্করত্নের হাতে। তিনি ১৮৫৪ সালে 'কুলীনকুলসর্বস্ব' লেখেন, যেটি সামাজিক সমস্যা, বিশেষ করে কুলীন প্রথার বহুবিবাহ নিয়ে লেখা প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাংলা মৌলিক নাটক বলে ধরা হয়।
অনেকে অবশ্য ১৮৫২ সালে তারাচরণ শিকদারের 'ভদ্রার্জুন'-কে প্রথম মৌলিক নাটক বলেন, কিন্তু সেটি এখানে অপশনে নেই। মধুসূদন ও দীনবন্ধু তাঁর পরের প্রজন্মের নাট্যকার।
মনে রাখুন:
মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম নাটক 'শর্মিষ্ঠা' (১৮৫৯), আর দীনবন্ধু মিত্রের বিখ্যাত নাটক 'নীলদর্পণ' (১৮৬০)।
রামনারায়ণ তর্করত্নের অন্য নাটক: নবনাটক, রত্নাবলী।
গিরিশচন্দ্র ঘোষ বাংলা পেশাদার মঞ্চের বিখ্যাত নাট্যকার। - ৫৮. বাংলা ভাষায় খাঁটি উপসর্গ কয়টি?
- ক. উনিশ
- খ. বিশ
- গ. একুশ
- ঘ. চৌত্রিশ
উত্তর: গ. একুশ
বাংলা ভাষায় উপসর্গ তিন রকমের: খাঁটি বাংলা, তৎসম (সংস্কৃত) ও বিদেশি। খাঁটি বাংলা উপসর্গ মোট ২১টি।
উপসর্গ হলো এমন অব্যয়, যা শব্দের আগে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে বা অর্থ বদলে দেয়।
মনে রাখুন:
খাঁটি বাংলা উপসর্গ: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, উন, কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।
সংস্কৃত উপসর্গ ২০টি, যেমন প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু।
বিদেশি উপসর্গ কয়েকটি, যেমন হর, ফি, বে। - ৫৯. 'অগ্নিবীণা' কাব্যের কবিতা সংখ্যা—
- ক. ১২
- খ. ১৪
- গ. ১৯
- ঘ. ১৭
উত্তর: ক. ১২
'অগ্নিবীণা' কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ, প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালে। এতে মোট ১২টি কবিতা আছে। তাই অপশনের মধ্যে ১২ সংখ্যাটিই সঠিক।
বইটি বিপ্লবী বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে উৎসর্গ করা হয়েছিল। এর কবিতাগুলোতে বিদ্রোহ ও জাগরণের সুর স্পষ্ট।
মনে রাখুন:
এর বিখ্যাত কবিতা: প্রলয়োল্লাস, বিদ্রোহী, কামাল পাশা, আনোয়ার, খেয়াপারের তরণী, কোরবানী, মোহররম।
'বিদ্রোহী' কবিতাটি নজরুলকে বিখ্যাত করে।
নজরুলের অন্য কাব্যগ্রন্থ: দোলনচাঁপা, বিষের বাঁশি, ছায়ানট। - ৬০. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম লেখা ছোটগল্প কোনটি?
- ক. ঘাটের কথা
- খ. ভিখারিনী
- গ. দেনা-পাওনা
- ঘ. সুভা
উত্তর: খ. ভিখারিনী
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম লেখা ছোটগল্প 'ভিখারিনী', যা ১৮৭৪ সালে 'জ্ঞানাঙ্কুর' পত্রিকায় ছাপা হয়। তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র তেরো বছর। পরের গল্পগুলো, যেমন 'ঘাটের কথা', 'দেনাপাওনা' ও 'সুভা', অনেক পরে লেখা।
অনেকে 'দেনাপাওনা'-কে তাঁর প্রথম সার্থক ছোটগল্প ধরেন। 'ভিখারিনী' প্রথম লেখা গল্প হলেও তাতে ছোটগল্পের পূর্ণ গঠন তখনো আসেনি।
মনে রাখুন:
রবীন্দ্রনাথকে বাংলা ছোটগল্পের জনক বলা হয়।
তাঁর অন্য গল্প: কাবুলিওয়ালা, পোস্টমাস্টার, ছুটি, সুভা, ক্ষুধিত পাষাণ।
তাঁর গল্পগুলো 'গল্পগুচ্ছ' নামে সংকলিত। - ৬১. 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় কত সালে?
- ক. ১৮৬৫
- খ. ১৮৮২
- গ. ১৮৯১
- ঘ. ১৮৭২
উত্তর: ঘ. ১৮৭২
'বঙ্গদর্শন' মাসিক সাহিত্য পত্রিকা, যা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় ১৮৭২ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। এই পত্রিকার মধ্য দিয়ে বঙ্কিম এক নতুন লেখকগোষ্ঠী গড়ে তোলেন এবং বাংলা গদ্যকে উন্নত করেন। এই পত্রিকাতেই তাঁর 'বিষবৃক্ষ' উপন্যাস ধারাবাহিকভাবে ছাপা হয়েছিল।
পরে রবীন্দ্রনাথও নতুন ধারায় এ পত্রিকা সম্পাদনা করেন। ১৮৬৫ সাল বঙ্কিমের প্রথম বাংলা উপন্যাসের সময়, আর ১৮৮২ সাল 'আনন্দমঠ'-এর সময়।
মনে রাখুন:
বঙ্কিমচন্দ্রের প্রথম বাংলা উপন্যাস 'দুর্গেশনন্দিনী' (১৮৬৫)।
তাঁর অন্য উপন্যাস: কপালকুণ্ডলা, কৃষ্ণকান্তের উইল, আনন্দমঠ।
'বন্দে মাতরম' গানটি আনন্দমঠ উপন্যাসের অংশ। - ৬২. 'বড়ায়ি' কোন কাব্যের চরিত্র?
- ক. চণ্ডীমঙ্গল
- খ. অন্নদামঙ্গল
- গ. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
- ঘ. মনসামঙ্গল
উত্তর: গ. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
'বড়ায়ি' বড়ু চণ্ডীদাসের 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের একটি চরিত্র। কাব্যে বড়ায়ি রাধা ও কৃষ্ণের মধ্যে প্রেমের দূতীর কাজ করেছে। এই কাব্যের প্রধান তিনটি চরিত্র রাধা, কৃষ্ণ ও বড়ায়ি।
'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' মধ্যযুগের প্রথম বাংলা কাব্য বলে ধরা হয়। এটি ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ আবিষ্কার করেন। বাকি তিনটি কাব্য, চণ্ডীমঙ্গল, অন্নদামঙ্গল ও মনসামঙ্গল, মঙ্গলকাব্যের ধারার রচনা।
মনে রাখুন:
কাব্যটি তেরোটি খণ্ডে ভাগ করা।
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদ। - ৬৩. কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
- ক. তিনি তোমার বিরুদ্ধে সাক্ষী দিলেন
- খ. তিনি তোমার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলেন
- গ. তিনি তোমার বিরুদ্ধে সাক্ষ দিলেন
- ঘ. তিনি তোমার বিরুদ্ধে স্বাক্ষ দিলেন
উত্তর: খ. তিনি তোমার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলেন
'সাক্ষ্য' অর্থ প্রমাণ বা সাক্ষীর জবানবন্দি, আর 'সাক্ষী' অর্থ যে ব্যক্তি সাক্ষ্য দেয়। তাই কাউকে 'সাক্ষ্য' দেওয়া হয়, 'সাক্ষী' দেওয়া হয় না। শুদ্ধ বাক্য: 'তিনি তোমার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলেন'।
বাকি রূপগুলো ভুল, কারণ 'সাক্ষ' বা 'স্বাক্ষ' নামে বাংলায় কোনো শুদ্ধ শব্দ নেই। 'সাক্ষী দিলেন' বাক্যে ব্যক্তিকে দেওয়ার কথা এসে যায়, অথচ দেওয়ার বস্তু হলো সাক্ষ্য।
মনে রাখুন:
'স্বাক্ষর' মানে নিজের নাম লেখা, এটি আলাদা শব্দ।
'সাক্ষর' মানে অক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন, অর্থাৎ যে লিখতে ও পড়তে জানে।
'সাক্ষী' হয় ব্যক্তি, আর 'সাক্ষ্য' হয় তার বক্তব্য বা প্রমাণ। - ৬৪. কোনটি 'যোগরূঢ়' শব্দের উদাহরণ?আরও এসেছে: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পিটিআই ইন্সট্রাক্টর (শিক্ষাবিজ্ঞানসহ) ২০১৯
- ক. জলদ
- খ. হস্তী
- গ. সন্দেশ
- ঘ. বাঁশি
উত্তর: ক. জলদ
যোগরূঢ় শব্দ হলো সেই শব্দ, যার প্রত্যয় বা সমাসের মূল অর্থ থাকলেও সে শুধু একটি বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। 'জলদ' শব্দের মূল অর্থ যে জল দেয়, কিন্তু এটি শুধু মেঘ বোঝায়। তাই এটি যোগরূঢ়।
গঠন অনুসারে শব্দ তিন রকম: যৌগিক, রূঢ়ি ও যোগরূঢ়। যৌগিক শব্দের অর্থ মূল অংশ থেকেই বোঝা যায়, যেমন গায়ক, পাচক। রূঢ়ি শব্দে মূল অর্থের সঙ্গে বর্তমান অর্থের সম্পর্ক হারিয়ে গেছে, যেমন সন্দেশ ও বাঁশি।
উদাহরণ:
যোগরূঢ় শব্দ: পঙ্কজ (পদ্ম), রাজপুত (জাতিবিশেষ), মহাযাত্রা (মৃত্যু), জলধি (সাগর)। - ৬৫. 'মা শিশুকে খাওয়াচ্ছেন'—বাক্যটিতে 'খাওয়াচ্ছেন' কোন ক্রিয়াপদের উদাহরণ?
- ক. ণিজন্ত
- খ. দ্বিকর্মক
- গ. ধন্যাত্মক
- ঘ. যৌগিক
উত্তর: ক. ণিজন্ত
যে ক্রিয়া একজনের প্রেরণা বা প্ররোচনায় অন্যজন সম্পন্ন করে, তাকে ণিজন্ত বা প্রযোজক ক্রিয়া বলে। 'মা শিশুকে খাওয়াচ্ছেন' বাক্যে মা শিশুকে খাওয়ানোর কাজে প্রেরণা দিচ্ছেন, তাই 'খাওয়াচ্ছেন' ণিজন্ত ক্রিয়া। এখানে মা প্রযোজক কর্তা এবং শিশু প্রযোজ্য কর্তা।
বাকি অপশনগুলো আলাদা ধারণা। দ্বিকর্মক ক্রিয়ার দুটি কর্ম থাকে। ধ্বন্যাত্মক ক্রিয়া কোনো ধ্বনির অনুকরণে তৈরি হয়। আর যৌগিক ক্রিয়া দুটি শব্দ মিলে গঠিত।
উদাহরণ:
খাওয়ানো, শোনানো, পড়ানো, দেখানো।
মূল ক্রিয়া থেকে ণিজন্ত রূপ: খাওয়া → খাওয়ানো, পড়া → পড়ানো। - ৬৬. 'নাজ্জামাই' শব্দের যথার্থ সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
- ক. নাতি + জামাই
- খ. নাত + জামাই
- গ. নাজ + জামাই
- ঘ. নাতিন + জামাই
উত্তর: খ. নাত + জামাই
'নাজ্জামাই' শব্দটি নাত + জামাই থেকে এসেছে। সন্ধির নিয়মে ত-এর পর জ থাকলে ত-এর জায়গায় জ হয়ে দ্বিত্ব 'জ্জ' তৈরি হয়। তাই নাত্ + জামাই = নাজ্জামাই।
অন্য অপশনগুলোতে 'নাতি' বা 'নাতিন' আছে, কিন্তু সন্ধির নিয়মে শব্দটির প্রথম অংশ 'নাত'-ই ধরা হয়।
উদাহরণ:
বিপদ + জাল = বিপজ্জাল, কুৎ + ঝটিকা = কুজ্ঝটিকা, সৎ + জন = সজ্জন।
উৎ + জ্বল = উজ্জ্বল। - ৬৭. 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে'— কোন কবির রচনা?
- ক. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
- খ. কানাহরি দত্ত
- গ. ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
- ঘ. আলাওল
উত্তর: গ. ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে' পঙ্ক্তিটি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যের। দেবী অন্নপূর্ণা ঈশ্বরী পাটনীকে বর চাইতে বললে সে এই প্রার্থনা জানায়। সাধারণ মানুষের সবচেয়ে বড় চাওয়া এখানে ফুটে উঠেছে।
মঙ্গলকাব্যের ধারার শেষ বড় কবি ভারতচন্দ্র। তাঁর উপাধি রায়গুণাকর। মুকুন্দরাম 'চণ্ডীমঙ্গল' লিখেছেন, আলাওল 'পদ্মাবতী', আর কানাহরি দত্ত মনসামঙ্গলের আদি কবি।
মনে রাখুন:
অন্নদামঙ্গল কাব্য ১৭৫২ সালে রচিত।
তাঁর অন্য রচনা: সত্যনারায়ণের পাঁচালি, রসমঞ্জরী।
মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর উপাধি কবিকঙ্কণ। - ৬৮. 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' কার রচিত গ্রন্থ?
- ক. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
- খ. বিহারীলাল চক্রবর্তী
- গ. অক্ষয় কুমার দত্ত
- ঘ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
উত্তর: ঘ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
'বেতালপঞ্চবিংশতি' ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের রচনা। এটি ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত হয় এবং হিন্দি 'বেতাল পচ্চীসী'র অনুবাদ। এই বইয়ে বাংলা গদ্যে বিরামচিহ্ন ব্যবহারের নিয়ম দেখা যায়। তাই বইটি বাংলা গদ্যের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ।
বাকি অপশনের লেখকদের পরিচয় আলাদা। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত কবি ও 'সংবাদ প্রভাকর'-এর সম্পাদক, বিহারীলাল চক্রবর্তী গীতিকবিতার কবি, আর অক্ষয় কুমার দত্ত 'চারুপাঠ'-এর লেখক।
মনে রাখুন:
বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়।
তাঁর অন্য রচনা: শকুন্তলা, সীতার বনবাস, ভ্রান্তিবিলাস, কথামালা, বোধোদয়, বর্ণপরিচয়। - ৬৯. লৌকিক কাহিনির প্রথম রচয়িতা—
- ক. আলাওল
- খ. কোরেশী মাগন ঠাকুর
- গ. দৌলত কাজী
- ঘ. সৈয়দ সুলতান
উত্তর: গ. দৌলত কাজী
মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার কবি দৌলত কাজী লৌকিক প্রেমকাহিনি রচনা করে বাংলা সাহিত্যে নতুন ধারা আনেন। মঙ্গলকাব্যের দেবদেবীর কাহিনির বদলে তিনি মানুষের প্রেমের গল্প লেখেন। তাই লৌকিক কাহিনির প্রথম রচয়িতা তিনিই।
তাঁর কাব্যের নাম 'সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী'। তিনি কাব্যটি শেষ করে যেতে পারেননি, পরে আলাওল তা সম্পূর্ণ করেন।
মনে রাখুন:
আলাওলের শ্রেষ্ঠ কাব্য 'পদ্মাবতী', যা মালিক মুহম্মদ জায়সীর হিন্দি কাব্যের অনুবাদ।
কোরেশী মাগন ঠাকুর আরাকান রাজসভার মন্ত্রী ও কবি, তাঁর কাব্য 'চন্দ্রাবতী'।
সৈয়দ সুলতানের বিখ্যাত রচনা 'নবীবংশ'। - ৭০. টি, টা, খানা, খানি ইত্যাদি—
- ক. পদাশ্রিত নির্দেশক
- খ. প্রকৃতি
- গ. বিভক্তি
- ঘ. উপসর্গ
উত্তর: ক. পদাশ্রিত নির্দেশক
টি, টা, খানা, খানি, গুলো ইত্যাদি এমন শব্দাংশ, যা কোনো শব্দের পরে বসে নির্দিষ্টতা বোঝায়। এগুলোকে নির্দেশক বলে, আর এগুলো আলাদা শব্দ নয়, কোনো পদকে আশ্রয় করে থাকে বলে এদের পদাশ্রিত নির্দেশক বলা হয়।
এগুলো বিভক্তি নয়, কারণ বিভক্তি পদের কারক বা বচন বোঝায়। আবার এরা প্রকৃতি বা উপসর্গও নয়।
উদাহরণ:
বইটি, ছেলেটা, কাপড়খানা, বইখানি।
মনে রাখুন: 'গুলো' ও 'গুলি' বহুবচন বোঝাতেও ব্যবহৃত হয়, যেমন বইগুলো। - ৭১. কাজী নজরুল ইসলাম রচিত কোনটি?
- ক. পদ্মরাগ
- খ. পদ্মগোখরা
- গ. পদ্মপুরাণ
- ঘ. পদ্মাবতী
উত্তর: খ. পদ্মগোখরা
'পদ্মগোখরা' কাজী নজরুল ইসলামের গল্প, যা তাঁর 'শিউলিমালা' গল্পগ্রন্থে আছে। তাই অপশনে নজরুলের রচনা এটিই।
বাকি অপশনগুলো অন্য লেখকের।
পদ্মরাগ বেগম রোকেয়ার উপন্যাস।
পদ্মাবতী আলাওলের কাব্য।
পদ্মপুরাণ মনসামঙ্গল ধারার একটি রচনা।
মনে রাখুন:
নজরুলের 'শিউলিমালা' গল্পগ্রন্থের অন্য গল্প: জিনের বাদশা, অগ্নিগিরি, শিউলিমালা।
নজরুলের উপন্যাস: বাঁধনহারা, মৃত্যুক্ষুধা, কুহেলিকা।
বেগম রোকেয়ার অন্য রচনা: মতিচূর, সুলতানার স্বপ্ন, অবরোধবাসিনী।
ইংরেজি
- ৭২. What is the meaning of 'diehard'?
- ক. A dead soul
- খ. A dead cow
- গ. A strong supporter
- ঘ. A weak supporter
উত্তর: গ. A strong supporter
Diehard মানে এমন মানুষ, যে কোনো মত, দল বা পক্ষকে শেষ পর্যন্ত আঁকড়ে ধরে থাকে, কখনো ছেড়ে দেয় না। তাই এর অর্থ strong supporter বা অটল সমর্থক। শব্দটি die ও hard মিলে তৈরি, অর্থাৎ যে মরার আগে হার মানে না।
বাকি অপশনের অর্থ: A dead soul মানে মৃত আত্মা, A dead cow মানে মৃত গরু, A weak supporter মানে দুর্বল সমর্থক। শেষ অপশনটি diehard-এর ঠিক উল্টো।
উদাহরণ:
He is a diehard fan of the national team.
মনে রাখুন: Diehard-এর কাছাকাছি শব্দ staunch, loyal ও committed, আর বিপরীত শব্দ fickle (চঞ্চলমতি)। - ৭৩. Which one of the following is an adverb?
- ক. Somebody
- খ. Something
- গ. Someone
- ঘ. Sometime
উত্তর: ঘ. Sometime
Sometime একটি adverb, যার অর্থ কোনো এক সময়ে বা ভবিষ্যতের অনির্দিষ্ট কোনো সময়ে। যেমন: We will meet sometime next week.
Somebody, something ও someone হলো pronoun, কারণ এরা কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর নামের বদলে বসে। Somebody ও someone মানে কোনো একজন, something মানে কোনো একটা জিনিস।
উদাহরণ:
Someone is at the door. (pronoun)
Come and see me sometime. (adverb)
মনে রাখুন:
Sometime মানে কোনো এক সময়ে, sometimes মানে মাঝে মাঝে, আর some time মানে কিছু সময়। তিনটির অর্থ আলাদা। - ৭৪. Who is an essayist?
- ক. J.S. Mill
- খ. Charles Dickens
- গ. Francis Bacon
- ঘ. W.H. Newman
উত্তর: গ. Francis Bacon
Essayist হলেন প্রবন্ধ লেখক। ফ্রান্সিস বেকন ইংরেজি সাহিত্যের প্রবন্ধের জনক, তাঁর 'Essays' বইটি বিখ্যাত। এতে ছোট ছোট প্রবন্ধে জীবনের নানা বিষয় নিয়ে সংক্ষিপ্ত ও যুক্তিপূর্ণ আলোচনা আছে।
বাকিদের পরিচয়: J. S. Mill দার্শনিক ও অর্থনীতিবিদ, তাঁর বিখ্যাত বই 'On Liberty'। Charles Dickens ঔপন্যাসিক (David Copperfield, Oliver Twist)। Newman ধর্মতাত্ত্বিক ও শিক্ষাবিষয়ক লেখক হিসেবে পরিচিত।
মনে রাখুন:
বেকনের বিখ্যাত উক্তি 'Knowledge is power'।
বেকনের অন্য রচনা: The Advancement of Learning, Novum Organum, New Atlantis।
Charles Lamb 'Essays of Elia'-র জন্য বিখ্যাত প্রাবন্ধিক। - ৭৫. Who is not a romantic poet?
- ক. P.B. Shelley
- খ. S.T Coleridge
- গ. John Keats
- ঘ. T.S. Eliot
উত্তর: ঘ. T.S. Eliot
Shelley, Coleridge ও Keats তিনজনই ইংরেজি সাহিত্যের রোমান্টিক যুগের (Romantic Age) কবি। রোমান্টিক কবিরা কল্পনা, প্রকৃতি ও আবেগকে প্রাধান্য দিতেন। কিন্তু T. S. Eliot বিংশ শতাব্দীর আধুনিক (Modernist) কবি।
তাঁর বিখ্যাত কবিতা The Waste Land (১৯২২) এবং তিনি ১৯৪৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। তাই তিনি রোমান্টিক কবি নন।
মনে রাখুন:
রোমান্টিক কবিদের মধ্যে আরও আছেন Wordsworth ও Byron।
Wordsworth ও Coleridge মিলে Lyrical Ballads (১৭৯৮) প্রকাশ করেন, যা রোমান্টিক যুগের সূচনা বলে ধরা হয়।
Eliot-এর অন্য লেখা: The Love Song of J. Alfred Prufrock, Murder in the Cathedral। - ৭৬. Which of the following dramas is not a tragedy?
- ক. Julius Caesar
- খ. The Tempest
- গ. Othello
- ঘ. King Lear
উত্তর: খ. The Tempest
The Tempest শেক্সপিয়রের একটি romance বা tragicomedy, এতে শেষে সব মিটমাট হয়ে যায় এবং কেউ সত্যিই ধ্বংস হয় না। অন্যদিকে Julius Caesar, Othello ও King Lear তিনটিই দুঃখজনক পরিণতির নাটক, অর্থাৎ tragedy। এ কারণে প্রশ্নের উত্তর The Tempest।
Tragedy-তে নায়কের পতন ও মৃত্যু ঘটে, আর comedy-তে সাধারণত মিলন ও আনন্দের মধ্যে শেষ হয়।
মনে রাখুন:
শেক্সপিয়রের চারটি বিখ্যাত tragedy: Hamlet, Othello, King Lear ও Macbeth।
The Tempest সাধারণত শেক্সপিয়রের শেষ দিকের পূর্ণাঙ্গ নাটকগুলোর একটি বলে ধরা হয়।
Julius Caesar রোমের ইতিহাসভিত্তিক নাটক। - ৭৭. What is an epic?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) ২০২২
- ক. A heroic depiction
- খ. A historical fiction
- গ. A long narrative poem
- ঘ. A collection of poems
উত্তর: গ. A long narrative poem
Epic হলো একটি দীর্ঘ কাহিনিমূলক কবিতা (long narrative poem), যাতে বীরদের কীর্তি ও জাতীয় ঐতিহ্যের কথা গম্ভীর ভাষায় বর্ণনা করা হয়। যেমন: Homer-এর Iliad ও Odyssey, Milton-এর Paradise Lost।
তাই 'A heroic depiction' শুধু বীরত্বের বর্ণনা, কিন্তু কবিতার ধরন বোঝায় না। A collection of poems বলতে সংকলন বোঝায়, আর historical fiction হলো ইতিহাসভিত্তিক গল্প।
মনে রাখুন:
Virgil-এর Aeneid-ও একটি বিখ্যাত epic।
ভারতীয় মহাকাব্য রামায়ণ ও মহাভারত।
বাংলায় মধুসূদন দত্তের 'মেঘনাদবধ কাব্য' একটি মহাকাব্য। - ৭৮. What is the sound made by a goat?
- ক. Hooting
- খ. Cooing
- গ. Squeaking
- ঘ. Bleating
উত্তর: ঘ. Bleating
ছাগলের ডাককে বলা হয় bleating। ভেড়ার ডাকও bleating। শব্দটি ক্রিয়া হিসেবে হয় bleat।
বাকি অপশনের অর্থ: Hooting হলো পেঁচার ডাক, Cooing হলো কবুতরের ডাক, Squeaking হলো ইঁদুরের চিঁ চিঁ ডাক।
মনে রাখুন:
বিড়ালের ডাক mew, কুকুরের bark, গরুর low, ঘোড়ার neigh।
সিংহের ডাক roar, হাতির ডাক trumpet, কাকের ডাক caw।
গাধার ডাক bray, ব্যাঙের ডাক croak। - ৭৯. Fill in the gap— Early rising is conducive — health.
- ক. for
- খ. to
- গ. of
- ঘ. on
উত্তর: খ. to
Conducive এমন একটি adjective, যার পরে সব সময় preposition 'to' বসে। Conducive to মানে সহায়ক বা অনুকূল। তাই Early rising is conducive to health.
বাংলা অর্থ: ভোরে ওঠা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। অন্য preposition, যেমন for বা of, এই adjective-এর সঙ্গে বসে না।
উদাহরণ:
A quiet place is conducive to study.
মনে রাখুন: কিছু adjective-এর পর সব সময় to বসে: prone to, subject to, used to, inclined to। - ৮০. Who is the writer of 'The Good Earth'?
- ক. Virginia Woolf
- খ. George Eliot
- গ. Pearl S. Buck
- ঘ. Leo Tolstoy
উত্তর: গ. Pearl S. Buck
'The Good Earth' উপন্যাসের লেখক Pearl S. Buck, একজন আমেরিকান লেখিকা। বইটি ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হয়। এতে চীনের এক কৃষক পরিবারের গল্প আছে। এর জন্য তিনি পুলিৎজার পুরস্কার পান এবং ১৯৩৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পান।
বাকিদের রচনা: Virginia Woolf-এর To the Lighthouse, George Eliot-এর Middlemarch, Leo Tolstoy-এর War and Peace।
মনে রাখুন:
George Eliot আসলে Mary Ann Evans নামের লেখিকার ছদ্মনাম।
Tolstoy-এর আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস Anna Karenina।
Virginia Woolf-এর অন্য বিখ্যাত উপন্যাস Mrs Dalloway। - ৮১. What is the meaning of 'Renaissance'?
- ক. The revival of learning
- খ. The revival of hard tasks
- গ. The revival of life
- ঘ. The revival of a new country
উত্তর: ক. The revival of learning
Renaissance শব্দটি এসেছে ফরাসি শব্দ থেকে, যার অর্থ পুনর্জন্ম। ইউরোপে চতুর্দশ থেকে সপ্তদশ শতকে প্রাচীন গ্রিক ও রোমান জ্ঞান নতুন করে চর্চা শুরু হয়। তাই এর অর্থ the revival of learning, বাংলায় বলা হয় নবজাগরণ।
এখানে কেবল জ্ঞান ও শিক্ষার পুনরুজ্জীবন বোঝায়। কঠিন কাজ, জীবন বা নতুন দেশের নয়। এই সময়ে মানুষ ধর্মের বাইরে মানবতা, বিজ্ঞান ও শিল্পের চর্চায় আগ্রহী হয়।
মনে রাখুন:
ইতালি ছিল রেনেসাঁর সূতিকাগার, আর দান্তে ও পেত্রার্কা সেই যুগের বিখ্যাত লেখক।
পেত্রার্কাকে মানবতাবাদের জনক বলা হয়।
১৪৫৩ সালে কনস্টান্টিনোপলের পতনের পর গ্রিক পণ্ডিতরা ইতালিতে চলে আসেন, যা রেনেসাঁকে এগিয়ে নেয়। - ৮২. What is the verb of 'Peace'?
- ক. Impeace
- খ. Peace-loving
- গ. Pacify
- ঘ. Peaceful
উত্তর: গ. Pacify
Peace একটি noun। এর verb রূপ pacify, যার অর্থ শান্ত করা বা শান্তি স্থাপন করা। অন্য অপশনে verb নেই, তাই pacify-ই সঠিক।
বাকি অপশন: Peaceful হলো adjective (শান্তিপূর্ণ), আর Peace-loving শান্তিপ্রিয়, সেটিও adjective। Impeace নামে কোনো শুদ্ধ শব্দ নেই।
উদাহরণ:
The police tried to pacify the angry crowd.
মনে রাখুন: আরও কিছু noun থেকে verb: beauty → beautify, class → classify, simple → simplify। - ৮৩. When one is pragmatic, he is being—
- ক. Wasteful
- খ. Productive
- গ. Practical
- ঘ. Spendthrift
উত্তর: গ. Practical
Pragmatic মানে বাস্তববাদী, অর্থাৎ যে ব্যক্তি আদর্শের চেয়ে বাস্তব অবস্থা দেখে কাজ করে। তাই এর কাছাকাছি অর্থ practical।
বাকি অপশন: Wasteful মানে অপচয়ী, Productive মানে উৎপাদনশীল, Spendthrift মানে অপব্যয়ী। এগুলোর কোনোটিই pragmatic-এর অর্থের কাছাকাছি নয়।
উদাহরণ:
She took a pragmatic approach to the problem.
মনে রাখুন: Pragmatic-এর বিপরীত শব্দ idealistic বা impractical। - ৮৪. A person who reads and thinks a lot is called—
- ক. Spiritual
- খ. Intellectual
- গ. Witty
- ঘ. Angry
উত্তর: খ. Intellectual
যে ব্যক্তি অনেক পড়াশোনা করে এবং গভীরভাবে চিন্তা করে, তাকে intellectual বলে, বাংলায় বুদ্ধিজীবী।
বাকি অপশন: Spiritual মানে আধ্যাত্মিক, Witty মানে রসবোধসম্পন্ন, Angry মানে রাগী।
উদাহরণ:
He is a well-known intellectual of the country.
মনে রাখুন:
Bibliophile মানে বইপ্রেমী।
Bookworm মানে যে সারাক্ষণ বই পড়ে।
Scholar মানে পণ্ডিত বা বিদ্বান। - ৮৫. I water the garden. The word 'water' is—
- ক. Noun
- খ. Verb
- গ. Pronoun
- ঘ. Adverb
উত্তর: খ. Verb
'I water the garden' বাক্যে water শব্দটি verb, কারণ এটি এখানে কাজ বোঝাচ্ছে। বাক্যের অর্থ আমি বাগানে পানি দিই। Subject 'I'-এর পরেই water বসেছে, আর এর পরে 'the garden' হলো object। কর্তা ও কর্মের মাঝখানে যে শব্দ কাজ বোঝায়, সেটিই verb।
Water সাধারণত noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এখানে noun নয়, কারণ এর আগে article বা adjective নেই এবং বাক্যে কাজ করার অর্থই প্রধান। তাই pronoun বা adverb তো নয়ই।
উদাহরণ:
Water is essential for life. (noun)
I water the plants every morning. (verb)
মনে রাখুন: একই শব্দ বাক্যে ভিন্ন কাজ করলে ভিন্ন parts of speech হয়। যেমন book, light, face noun ও verb দুই রূপেই ব্যবহৃত হয়। - ৮৬. 'Maiden Speech' means—আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৬
- ক. Final Speech
- খ. First Speech
- গ. Last Speech
- ঘ. Important Speech
উত্তর: খ. First Speech
Maiden speech মানে কোনো ব্যক্তির প্রথম বক্তৃতা, বিশেষ করে সংসদ সদস্য হিসেবে প্রথমবার সংসদে দেওয়া ভাষণ। Maiden শব্দের অর্থ এখানে প্রথম বা নতুন, অর্থাৎ আগে কখনো করা হয়নি এমন।
তাই Final বা Last নয়, আবার Important-ও নয়। প্রথম হওয়াই এখানে মূল কথা।
মনে রাখুন:
Maiden voyage মানে প্রথম সমুদ্রযাত্রা।
Maiden flight মানে প্রথম উড়ান।
Maiden over ক্রিকেটে এমন ওভার, যাতে কোনো রান হয়নি। - ৮৭. Which one is the plural number?
- ক. School
- খ. Oxen
- গ. Leaf
- ঘ. Mathematics
উত্তর: খ. Oxen
Oxen হলো ox-এর বহুবচন, কারণ ox একটি irregular noun, যার বহুবচনে -en যুক্ত হয়। সাধারণ noun-এর বহুবচনে s বা es যোগ হয়, কিন্তু কিছু noun এই নিয়ম মানে না।
বাকি শব্দ: School ও leaf একবচন (leaf-এর বহুবচন leaves), Mathematics দেখতে বহুবচনের মতো হলেও একবচন।
মনে রাখুন:
কিছু irregular plural: child → children, man → men, mouse → mice, foot → feet।
কিছু noun-এর একবচন ও বহুবচন একই: sheep, deer, fish।
Mathematics, news, physics দেখতে বহুবচনের মতো হলেও একবচন। - ৮৮. Fill in the gap: 'He is good — fishing.'
- ক. in
- খ. about
- গ. at
- ঘ. on
উত্তর: গ. at
কোনো কাজে দক্ষ বা পারদর্শী বোঝাতে good-এর পরে preposition 'at' বসে। তাই He is good at fishing. মানে সে মাছ ধরায় ভালো। In, about বা on এখানে বসে না।
এই নিয়মটি শুধু good-এর জন্য নয়, দক্ষতা বোঝায় এমন আরও কিছু adjective-এর পরেও at বসে।
উদাহরণ:
She is good at mathematics.
He is weak in English.
মনে রাখুন: Good at, bad at, clever at, quick at, expert at এসব প্রয়োগে at বসে। - ৮৯. Fill in the gap: John is as cunning as—.
- ক. lion
- খ. fox
- গ. hare
- ঘ. tiger
উত্তর: খ. fox
ইংরেজিতে fox ধূর্ততা বা চালাকির প্রতীক। তাই 'as cunning as a fox' একটি প্রচলিত তুলনা, অর্থ শেয়ালের মতো ধূর্ত। John-এর বিশেষণ cunning বোঝায় সে চালাক, তাই উত্তর fox।
বাকি প্রাণীর সঙ্গে প্রচলিত তুলনা অন্য রকম: as brave as a lion, as timid as a hare।
উদাহরণ:
As cunning as a fox.
মনে রাখুন:
as busy as a bee, as wise as an owl, as blind as a bat।
as stubborn as a mule, as slow as a snail, as proud as a peacock। - ৯০. Which one is present perfect tense?
- ক. I am reading
- খ. I have read
- গ. I read
- ঘ. I have been reading
উত্তর: খ. I have read
Present perfect tense-এর গঠন: Subject + have/has + verb-এর past participle। তাই I have read এই tense-এর বাক্য। এই tense কাজ শেষ হয়েছে, কিন্তু তার ফল এখনো বর্তমানে আছে বোঝায়।
বাকি অপশন: I am reading হলো present continuous, I read হলো simple present বা past, আর I have been reading হলো present perfect continuous।
মনে রাখুন:
Read-এর তিন রূপ read, read, read বানানে এক হলেও উচ্চারণ ভিন্ন।
Present perfect-এর সঙ্গে প্রায়ই ব্যবহৃত হয় just, already, yet, since, for।
Present perfect continuous-এর গঠন: have/has been + verb-ing। - ৯১. The word 'genocide' means—
- ক. mass grave
- খ. mass gathering
- গ. mass killing
- ঘ. mass attendance
উত্তর: গ. mass killing
Genocide শব্দটি genos (জাতি) আর -cide (হত্যা) থেকে এসেছে। এর অর্থ কোনো জাতি বা গোষ্ঠীকে ধ্বংসের উদ্দেশ্যে গণহত্যা। তাই এর অর্থ mass killing। শব্দটি ১৯৪৪ সালে পোলিশ আইনজীবী রাফায়েল লেমকিন তৈরি করেন।
বাকি অপশন: mass grave মানে গণকবর, mass gathering মানে গণজমায়েত, আর mass attendance মানে ব্যাপক উপস্থিতি।
মনে রাখুন:
১৯৭১ সালে বাংলাদেশে পাকিস্তানি বাহিনী গণহত্যা চালায়, আর ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস।
-cide দিয়ে শেষ আরও শব্দ: homicide (মানুষ হত্যা), suicide (আত্মহত্যা), regicide (রাজহত্যা)। - ৯৩. 'Justice delayed is justice denied.'— was stated by—
- ক. Shakespeare
- খ. Churchill
- গ. Gladstone
- ঘ. Disraeli
উত্তর: গ. Gladstone
'Justice delayed is justice denied' উক্তিটি সাধারণত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী William Gladstone-এর বলে ধরা হয়। এর অর্থ ন্যায়বিচারে দেরি হলে বিচার না পাওয়ারই সমান।
আজকাল বিচারব্যবস্থার ধীরগতি নিয়ে আলোচনায় এই উক্তি প্রায়ই ব্যবহৃত হয়। Shakespeare নাট্যকার, Churchill দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ের প্রধানমন্ত্রী, আর Disraeli ছিলেন Gladstone-এর প্রতিদ্বন্দ্বী।
মনে রাখুন:
Gladstone ভিক্টোরীয় যুগে চারবার ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন।
Gladstone ছিলেন লিবারেল দলের নেতা এবং Disraeli কনজারভেটিভ দলের। - ৯৪. A poem of fourteen line is called—.
- ক. Elegy
- খ. Ode
- গ. Sonnet
- ঘ. Ballad
উত্তর: গ. Sonnet
Sonnet হলো চৌদ্দ লাইনের কবিতা, বাংলায় চতুর্দশপদী কবিতা। Petrarchan sonnet-এর প্রথম আট লাইনকে octave আর শেষ ছয় লাইনকে sestet বলে।
বাকি অপশন: Elegy শোকগাথা, Ode কোনো বিষয় নিয়ে প্রশংসা-কবিতা, Ballad কাহিনিমূলক লোকগীতি। এগুলোর কোনোটির লাইনসংখ্যা চৌদ্দ বাঁধা নয়।
মনে রাখুন:
বাংলায় সনেট প্রথম লেখেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
Shakespeare-এর sonnet-এ তিনটি চার লাইনের স্তবক ও শেষে দুই লাইনের couplet থাকে।
Shakespeare মোট ১৫৪টি sonnet লিখেছেন। - ৯৫. 'The Merchant of Venice' is written by—
- ক. Shakespeare
- খ. Milton
- গ. John Webster
- ঘ. John Kyd
উত্তর: ক. Shakespeare
'The Merchant of Venice' উইলিয়াম শেক্সপিয়রের বিখ্যাত কমেডি। এর কাহিনিতে ভেনিসের ব্যবসায়ী অ্যান্তনিও আর সুদখোর শাইলকের চুক্তি এবং পোর্শিয়ার বুদ্ধি দিয়ে বিচারের বর্ণনা আছে। শাইলক চুক্তি অনুযায়ী অ্যান্তনিওর শরীর থেকে এক পাউন্ড মাংস দাবি করে।
বাকিদের রচনা আলাদা। Milton লিখেছেন Paradise Lost, John Webster লিখেছেন The Duchess of Malfi, আর Kyd লিখেছেন The Spanish Tragedy।
মনে রাখুন: শেক্সপিয়রের অন্য কমেডি: A Midsummer Night's Dream, Twelfth Night, As You Like It। - ৯৬. Identify the adjective of the word 'tax'.
- ক. Taxable
- খ. Taxation
- গ. Taxing
- ঘ. Taxability
উত্তর: ক. Taxable
Tax শব্দটি noun ও verb দুটোই হতে পারে। এর adjective হলো taxable, যার অর্থ করযোগ্য। যেমন: taxable income মানে করযোগ্য আয়।
বাকি অপশন: Taxation হলো noun (করারোপ), Taxability হলো noun (করযোগ্যতা), আর taxing মানে কষ্টকর বা ক্লান্তিকর, এটি adjective হলেও tax-এর সাধারণ adjective রূপ নয়।
উদাহরণ:
This income is taxable.
মনে রাখুন: -able দিয়ে শেষ adjective: payable, readable, reliable, sensible।
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা: সব বছর
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিদ্যুৎ বিভাগ বিদ্যুৎ পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন