জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮। ৯৩টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। শুধু সাধারণ অংশ। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →বিজ্ঞান
- ১. রক্তের কোন গ্রুপকে সর্বজনীন দাতা বলা হয়?
- ক. A
- খ. B
- গ. O
- ঘ. AB
উত্তর: গ. O
রক্তের গ্রুপ নির্ভর করে লোহিত রক্তকণিকার গায়ে থাকা অ্যান্টিজেন (Antigen) নামের বিশেষ পদার্থের ওপর। O গ্রুপের রক্তে A বা B কোনো অ্যান্টিজেনই থাকে না। তাই এই রক্ত অন্য যেকোনো গ্রুপের মানুষের শরীরে দিলে সাধারণত প্রতিক্রিয়া হয় না। এ কারণেই O গ্রুপকে সর্বজনীন দাতা (Universal donor) বলা হয়। অন্য গ্রুপের রক্তে এক বা দুই রকম অ্যান্টিজেন থাকে, ফলে গ্রহীতার শরীরের অ্যান্টিবডির সঙ্গে সেগুলোর বিক্রিয়া ঘটতে পারে।
মনে রাখুন:
AB গ্রুপের রক্তে দুই রকম অ্যান্টিজেনই আছে, কিন্তু প্লাজমায় কোনো অ্যান্টিবডি নেই। তাই AB গ্রুপ যেকোনো গ্রুপের রক্ত নিতে পারে এবং একে সর্বজনীন গ্রহীতা (Universal recipient) বলা হয়।
ABO রক্তগ্রুপ আবিষ্কার করেন কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার, ১৯০১ সালে।
A গ্রুপে A অ্যান্টিজেন, B গ্রুপে B অ্যান্টিজেন থাকে। - ৫. পাখির দ্বারা পুষ্পরেণু বহন করাকে বলে-
- ক. Autogamy
- খ. Ornithophily
- গ. Entomophily
- ঘ. Anemophily
উত্তর: খ. Ornithophily
ফুলের পরাগরেণু একটি ফুল থেকে আরেকটি ফুলে পৌঁছানোকে পরাগায়ন (Pollination) বলে। যে পরাগায়নে বাহক হিসেবে পাখি কাজ করে, তাকে বলা হয় অর্নিথোফিলি (Ornithophily)। ফুলের মধু খেতে এসে পাখির দেহে পরাগ লেগে যায় এবং অন্য ফুলে গেলে সেটি সেখানে পড়ে। শিমুলের মতো কিছু ফুলে এভাবে পাখি পরাগায়ন ঘটায়।
মনে রাখুন:
অটোগ্যামি (Autogamy) হলো একই ফুলের পরাগে নিজের গর্ভমুণ্ডে পরাগায়ন।
এন্টোমোফিলি (Entomophily) হলো পোকামাকড় দ্বারা এবং অ্যানিমোফিলি (Anemophily) হলো বাতাস দ্বারা পরাগায়ন।
হাইড্রোফিলি (Hydrophily) হলো পানির মাধ্যমে পরাগায়ন।
অন্য ফুলের পরাগে পরাগায়ন হলে তাকে পরপরাগায়ন বলে। - ৭. একজন সুস্থ ও প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের BMI কত হওয়া উচিত?
- ক. 15.00–18.40
- খ. 18.50–24.90
- গ. 25.00–29.90
- ঘ. 30.00–35.00
উত্তর: খ. 18.50–24.90
বডি মাস ইনডেক্স (BMI) দিয়ে বোঝা যায় একজন মানুষের উচ্চতার তুলনায় ওজন ঠিক আছে কি না। হিসাব করার নিয়ম হলো ওজন (কেজি) ÷ উচ্চতা² (মিটার)²। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য স্বাভাবিক বা সুস্থ মান ধরা হয় ১৮.৫ থেকে ২৪.৯, তাই এই ব্যাপ্তিটিই সঠিক। বাকি ব্যাপ্তিগুলো ওজন কম বা বেশি হওয়ার ইঙ্গিত দেয়।
উদাহরণ:
ওজন 60 কেজি ও উচ্চতা 1.6 মিটার হলে BMI = 60 ÷ (1.6 × 1.6) = 60 ÷ 2.56 ≈ 23.4, যা স্বাভাবিক।
মনে রাখুন:
১৮.৫-এর কম হলে ওজন কম।
২৫ থেকে ২৯.৯ হলে অতিরিক্ত ওজন।
৩০ বা তার বেশি হলে স্থূলতা।
এই সূচকের ধারণা দিয়েছিলেন বেলজিয়ামের গণিতবিদ অ্যাডলফ কুয়েটলেট। - ১৫. কোনটি বলের একক?
- ক. টন
- খ. নিউটন
- গ. জুল
- ঘ. প্যাসকেল
উত্তর: খ. নিউটন
বলের একক নিউটন (N)। নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র থেকে পাওয়া যায় বল = ভর × ত্বরণ, তাই 1 নিউটন হলো সেই বল, যা 1 কেজি ভরের বস্তুতে 1 m/s² ত্বরণ সৃষ্টি করে। এককটির নাম আইজাক নিউটনের নামে রাখা হয়েছে। টন, জুল ও প্যাসকেল অন্য রাশির একক, তাই এগুলো বলের একক নয়।
মনে রাখুন:
জুল (J) হলো কাজ ও শক্তির একক।
প্যাসকেল (Pa) হলো চাপের একক।
টন হলো ভরের একটি একক।
CGS পদ্ধতিতে বলের একক ডাইন, আর 1 N = 10⁵ ডাইন। - ২২. গলগণ্ড রোগ হয় কীসের অভাবে?
- ক. আয়োডিন
- খ. ভিটামিন এ
- গ. ভিটামিন বি₁₂
- ঘ. ভিটামিন সি
উত্তর: ক. আয়োডিন
আমাদের গলার সামনের দিকে থাইরয়েড গ্রন্থি (Thyroid gland) থাকে। এই গ্রন্থি থাইরক্সিন নামের হরমোন তৈরি করে, আর সেজন্য আয়োডিন লাগে। খাবারে আয়োডিন কম পড়লে গ্রন্থিটি ফুলে যায়, যার নাম গলগণ্ড (Goitre)। এ কারণে আয়োডিনযুক্ত লবণ খাওয়ার কথা বলা হয়। সাগরের মাছ ও সামুদ্রিক খাবারে আয়োডিন বেশি পাওয়া যায়।
মনে রাখুন:
ভিটামিন এ-র অভাবে রাতকানা,
ভিটামিন সি-র অভাবে স্কার্ভি,
ভিটামিন বি১২-এর অভাবে রক্তস্বল্পতা (পারনিশাস অ্যানিমিয়া) হয়।
ভিটামিন বি১-এর অভাবে বেরিবেরি এবং ভিটামিন ডি-র অভাবে রিকেট হয়। - ২৬. কোন বিজ্ঞানী রোগজীবাণু তত্ত্ব উদ্ভাবন করেন?
- ক. লুই পাস্তুর
- খ. এডিসন
- গ. ডারউইন
- ঘ. আইনস্টাইন
উত্তর: ক. লুই পাস্তুর
রোগ যে অণুজীব বা জীবাণু থেকে হয়, এই ধারণাকে রোগজীবাণু তত্ত্ব (Germ theory) বলে। ফরাসি বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর পরীক্ষা করে এটি প্রমাণ করেন। তিনিই জলাতঙ্ক ও অ্যানথ্রাক্সের টিকা তৈরি করেন এবং দুধের জীবাণু মারার পদ্ধতি পাস্তুরায়ন (Pasteurization) আবিষ্কার করেন। জলাতঙ্কের টিকা তিনি ১৮৮৫ সালে প্রথম মানুষের ওপর প্রয়োগ করেন।
মনে রাখুন:
ডারউইন বিবর্তনবাদ, এডিসন বৈদ্যুতিক বাতি আর আইনস্টাইন আপেক্ষিকতা তত্ত্বের জন্য বিখ্যাত।
রবার্ট কখ যক্ষ্মা ও কলেরার জীবাণু শনাক্ত করেন।
এডওয়ার্ড জেনার বসন্তের টিকা আবিষ্কার করেন। - ৫২. কোনটি শুষ্ক বরফের উপাদান?
- ক. H₂O
- খ. CO₂
- গ. NH₃
- ঘ. PH₃
উত্তর: খ. CO₂
কঠিন কার্বন ডাই-অক্সাইডকে (CO₂) শুষ্ক বরফ বা ড্রাই আইস (Dry ice) বলে। সাধারণ চাপে এটি গলে তরল হয় না, সরাসরি বাষ্প হয়ে যায়, এই ঘটনার নাম ঊর্ধ্বপাতন (Sublimation)। তাই এতে কোনো ভেজা ভাব থাকে না। আইসক্রিম ও খাবার ঠান্ডা রাখতে ড্রাই আইস ব্যবহার হয়। এর তাপমাত্রা প্রায় −78.5°C, যা সাধারণ বরফের চেয়ে অনেক কম।
মনে রাখুন:
H₂O পানি, NH₃ অ্যামোনিয়া আর PH₃ ফসফিন।
ঊর্ধ্বপাতনের আরেকটি উদাহরণ ন্যাপথালিন।
কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রিনহাউস গ্যাসের একটি। - ৬৩. কোনটি পানির স্ফুটনাঙ্ক তাপমাত্রা?
- ক. 80° F
- খ. 100° F
- গ. 180° F
- ঘ. 212° F
উত্তর: ঘ. 212° F
স্বাভাবিক বায়ুচাপে পানির স্ফুটনাঙ্ক সেলসিয়াস স্কেলে 100°C। সেলসিয়াসকে ফারেনহাইটে নেওয়ার সূত্র F = (9/5)C + 32। তাই F = (9/5) × 100 + 32 = 180 + 32 = 212°F। অন্য অপশনের 180° F হলো কেবল 100°C-এর ফারেনহাইট ব্যবধান, প্রকৃত তাপমাত্রা নয়।
মনে রাখুন:
বরফের গলনাঙ্ক 0°C বা 32°F।
কেলভিন স্কেলে পানির স্ফুটনাঙ্ক 373 K।
কেলভিন স্কেলে K = C + 273।
মানুষের শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা প্রায় 37°C। - ৭০. কচু শাক মূল্যবান যে উপাদানের জন্য-আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০২২
- ক. ভিটামিন এ
- খ. ভিটামিন সি
- গ. ক্যালসিয়াম
- ঘ. লৌহ
উত্তর: ঘ. লৌহ
কচুশাক লৌহ বা আয়রনে সমৃদ্ধ খাবার। শরীরে লোহিত রক্তকণিকার হিমোগ্লোবিন তৈরিতে লৌহ লাগে, তাই এই শাক রক্তস্বল্পতা দূর করতে সাহায্য করে। এতে ভিটামিন এ এবং ক্যালসিয়ামও আছে, কিন্তু প্রশ্নে যে উপাদানের জন্য কচুশাক বিশেষভাবে মূল্যবান, সেটি লৌহ।
মনে রাখুন:
কচুশাক ভালো করে সেদ্ধ করে খেতে হয়, নইলে গলা চুলকাতে পারে।
লৌহের অভাবে রক্তস্বল্পতা (অ্যানিমিয়া) হয়।
লৌহসমৃদ্ধ আরও কিছু খাবার: পালংশাক, কলিজা, ডাল। - ৮২. তামার সাথে কোন ধাতুর সংকরায়নে ব্রোঞ্জ উৎপন্ন হয়?
- ক. দস্তা
- খ. টিন
- গ. আয়রন
- ঘ. অ্যালুমিনিয়াম
উত্তর: খ. টিন
দুটি বা তার বেশি ধাতু মিশিয়ে তৈরি নতুন পদার্থকে সংকর ধাতু (Alloy) বলে। তামা (Cu) ও টিন (Sn) মিশিয়ে ব্রোঞ্জ তৈরি হয়, যা তামার চেয়ে শক্ত। কাঁসাও তামা ও টিনের সংকর, তবে এতে টিন তুলনামূলক বেশি। দস্তা, আয়রন বা অ্যালুমিনিয়ামের সঙ্গে তামা মিশিয়ে ব্রোঞ্জ হয় না, তাই সেগুলো সঠিক নয়।
মনে রাখুন:
তামা ও দস্তা (Zn) মিশিয়ে পিতল তৈরি হয়।
ব্রোঞ্জ দিয়ে মূর্তি, মুদ্রা ও পাত্র তৈরি হয়।
সংকর ধাতু সাধারণত মূল ধাতুর চেয়ে শক্ত হয়।
আন্তর্জাতিক
- ২. আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের সবচেয়ে বৃহৎ রাষ্ট্র কোনটি?
- ক. যুক্তরাষ্ট্র
- খ. কানাডা
- গ. রাশিয়া
- ঘ. চীন
উত্তর: গ. রাশিয়া
আয়তনের হিসাবে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দেশ রাশিয়া। এর আয়তন প্রায় ১ কোটি ৭১ লক্ষ বর্গকিলোমিটার, যা পৃথিবীর স্থলভাগের প্রায় এক-অষ্টমাংশ। দেশটির একটি অংশ ইউরোপে আর বড় অংশটি এশিয়ায় পড়েছে, তাই একে ইউরেশীয় দেশও বলা হয়। কানাডা, চীন বা যুক্তরাষ্ট্র আকারে বিশাল হলেও রাশিয়ার সমান নয়।
মনে রাখুন:
আয়তনে রাশিয়ার পরে দ্বিতীয় স্থানে কানাডা। এরপর চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান, যাদের আয়তন প্রায় কাছাকাছি।
জনসংখ্যায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় দেশ ভারত।
বাংলাদেশের আয়তন প্রায় ১ লক্ষ ৪৭ হাজার ৫৭০ বর্গকিলোমিটার।
আয়তনে বিশ্বের সবচেয়ে ছোট দেশ ভ্যাটিকান সিটি। - ১১. ২০১৫ সালে ইরানের সাথে মোট কয়টি দেশের পারমাণবিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে?
- ক. ৪টি
- খ. ৬টি
- গ. ৫টি
- ঘ. ৭টি
উত্তর: খ. ৬টি
২০১৫ সালের ১৪ জুলাই ভিয়েনায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে একটি চুক্তি হয়, যার পোশাকি নাম যৌথ ব্যাপক কর্মপরিকল্পনা (JCPOA)। ইরানের সঙ্গে এই চুক্তিতে ছয়টি বিশ্বশক্তি যুক্ত ছিল: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া, চীন ও জার্মানি। চুক্তির বিনিময়ে ইরান তার পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করতে রাজি হয় এবং তার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয়। তাই ইরানকে বাদ দিয়ে চুক্তিতে সই করা দেশের সংখ্যা ছয়।
মনে রাখুন: প্রথম পাঁচটি দেশ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য, তাই এই দলকে P5+1 বলা হয়।
জার্মানি নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য নয়, সে কারণেই তাকে আলাদা করে ‘+১’ বলা হয়।
হালনাগাদ: ২০১৮ সালের ৮ মে যুক্তরাষ্ট্র এই চুক্তি থেকে বেরিয়ে যায়। ২০২৫ সালের অক্টোবরে চুক্তির নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হয়েছে। - ১৬. জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিবের নাম কী?
- ক. অ্যান্টনিও গুতেরেস
- খ. কফি আনান
- গ. থেরেসা মে
- ঘ. জন ম্যানুয়েল সান্তোস
উত্তর: ক. অ্যান্টনিও গুতেরেস
২০১৮ সালে জাতিসংঘের মহাসচিব ছিলেন পর্তুগালের অ্যান্টনিও গুতেরেস। তিনি জাতিসংঘের নবম মহাসচিব এবং ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি দায়িত্ব নেন। এর আগে তিনি ২০০৫ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার ছিলেন এবং তার আগে পর্তুগালের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। থেরেসা মে ও সান্তোস কখনো মহাসচিব ছিলেন না, আর কফি আনান ছিলেন আগের একজন মহাসচিব।
মনে রাখুন: কফি আনান ঘানার নাগরিক এবং সপ্তম মহাসচিব ছিলেন। থেরেসা মে ছিলেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী এবং জুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস ছিলেন কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট।
জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব নরওয়ের ট্রিগভে লি, আর অষ্টম মহাসচিব দক্ষিণ কোরিয়ার বান কি মুন।
হালনাগাদ: গুতেরেসের দ্বিতীয় মেয়াদ ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হবে। - ৪৯. 'আইফেল টাওয়ার' কোন শহরে অবস্থিত?
- ক. লন্ডন
- খ. মিউনিখ
- গ. প্যারিস
- ঘ. মেলবোর্ন
উত্তর: গ. প্যারিস
আইফেল টাওয়ার ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে সিন নদীর তীরে অবস্থিত। প্রকৌশলী গুস্তাভ আইফেলের কোম্পানি ১৮৮৯ সালে প্যারিসের বিশ্বমেলার জন্য এটি তৈরি করে। এর উচ্চতা প্রায় ৩২৪ মিটার এবং এটি লোহার জালি দিয়ে গড়া। ফরাসি বিপ্লবের শতবর্ষ উপলক্ষে সেই মেলার আয়োজন করা হয়েছিল। লন্ডন, মিউনিখ বা মেলবোর্নে এটি নেই।
মনে রাখুন:
বিগ বেন লন্ডনে আর ব্র্যান্ডেনবুর্গ গেট বার্লিনে।
স্ট্যাচু অব লিবার্টি নিউইয়র্কে, কলোসিয়াম রোমে এবং তাজমহল আগ্রায়। - ৭৭. জাতিসংঘ কোন সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৪
- ক. ১৯৪১
- খ. ১৯৪৫
- গ. ১৯৪৮
- ঘ. ১৯৪৯
উত্তর: খ. ১৯৪৫
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর শান্তি রক্ষার জন্য জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়। সনদ স্বাক্ষর হয় ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন, আর ২৪ অক্টোবর সনদ কার্যকর হয়, যা জাতিসংঘ দিবস। সদর দপ্তর নিউইয়র্কে। তাই প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৪৫ ধরা হয়। অন্য সালগুলোতে এই সংস্থা চালু হয়নি।
মনে রাখুন:
জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থা ৬টি এবং সদস্য রাষ্ট্র ১৯৩টি।
বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে সদস্য হয়।
জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব ছিলেন নরওয়ের ট্রিগভে লি।
জাতিসংঘের আগের সংস্থার নাম ছিল লীগ অব নেশনস। - ৯২. কোন দেশকে 'নিশীথ সূর্যের দেশ' বলা হয়?
- ক. নরওয়ে
- খ. জাপান
- গ. কিউবা
- ঘ. কেনিয়া
উত্তর: ক. নরওয়ে
উত্তর ইউরোপের দেশ নরওয়েকে নিশীথ সূর্যের দেশ বলা হয়। উত্তর মেরুর কাছাকাছি হওয়ায় গ্রীষ্মকালে এখানে মধ্যরাতেও সূর্য দেখা যায়, কখনো কখনো সূর্য অস্তই যায় না। জাপান, কিউবা ও কেনিয়ার ভৌগোলিক অবস্থানে এমন ঘটনা ঘটে না।
মনে রাখুন:
জাপানকে বলা হয় উদীয়মান সূর্যের দেশ।
কিউবাকে বলা হয় চিনির দেশ বা চিনির বাটি।
আরও কিছু উপাধি: কানাডা মেপল পাতার দেশ, থাইল্যান্ড শ্বেত হাতির দেশ, ভুটান বজ্রপাতের দেশ, ফিনল্যান্ড হাজার হ্রদের দেশ। - ৯৩. 'সেভেন সিস্টার্স' কোন দেশে অবস্থিত?
- ক. মিয়ানমার
- খ. শ্রীলংকা
- গ. ভারত
- ঘ. মালদ্বীপ
উত্তর: গ. ভারত
ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্যকে একসঙ্গে সেভেন সিস্টার্স বা সাত বোন বলা হয়। রাজ্যগুলো হলো আসাম, অরুণাচল প্রদেশ, নাগাল্যান্ড, মণিপুর, মিজোরাম, ত্রিপুরা ও মেঘালয়। এর মধ্যে আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও মিজোরামের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্ত আছে। মিয়ানমার, শ্রীলংকা বা মালদ্বীপের সঙ্গে এই নামটির সম্পর্ক নেই।
মনে রাখুন:
অরুণাচল, নাগাল্যান্ড ও মণিপুরের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্ত নেই।
সিকিম রাজ্যটিকেও অনেক সময় এই অঞ্চলের সঙ্গে ধরা হয়।
পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গেও বাংলাদেশের দীর্ঘ সীমান্ত আছে।
বাংলা
- ৩. 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' নাটকের রচয়িতা কে?
- ক. সৈয়দ শামসুল হক
- খ. মুনীর চৌধুরী
- গ. মমতাজউদ্দীন আহমদ
- ঘ. জহির রায়হান
উত্তর: ক. সৈয়দ শামসুল হক
‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ নাটকটি সৈয়দ শামসুল হকের লেখা। এটি একটি কাব্যনাট্য, অর্থাৎ নাটকের সংলাপ এখানে কবিতার ছন্দে লেখা, আর এর পটভূমি মুক্তিযুদ্ধ। নাটকে দেখা যায়, যুদ্ধের সময় আতঙ্কের মধ্যে থাকা মানুষের কাছে প্রতিটি পায়ের শব্দ কত ভয়ের হয়ে ওঠে। সৈয়দ শামসুল হক একাধারে কবি, নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক ছিলেন। তাঁর জন্ম কুড়িগ্রামে।
মনে রাখুন:
সৈয়দ শামসুল হকের অন্যান্য নাটক: নূরলদীনের সারাজীবন, গণনায়ক, এখানে এখন।
মুনীর চৌধুরীর বিখ্যাত নাটক ‘কবর’ আর জহির রায়হানের বিখ্যাত উপন্যাস ‘আরেক ফাল্গুন’। - ৬. 'পদাবলি'র প্রথম কবি কে?
- ক. জ্ঞানদাস
- খ. চণ্ডীদাস
- গ. বিদ্যাপতি
- ঘ. শ্রীচৈতন্য
উত্তর: গ. বিদ্যাপতি
মধ্যযুগে রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমকে কেন্দ্র করে যে গীতিকবিতা লেখা হয়েছিল, তাকে বৈষ্ণব পদাবলি বলে। সাধারণভাবে এই ধারার আদি বা প্রথম কবি হিসেবে ধরা হয় বিদ্যাপতিকে। তিনি মিথিলার কবি ছিলেন এবং তাঁর পদ মৈথিলি ভাষায় লেখা। তাঁর পদের প্রভাবে পরে বাংলা ও মৈথিলি মেশানো ব্রজবুলি ভাষার জন্ম হয়। তাই তাঁকে মৈথিল কোকিলও বলা হয়।
মনে রাখুন:
বাংলা ভাষায় বৈষ্ণব পদাবলির আদি কবি চণ্ডীদাস। ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস।
জ্ঞানদাস ও গোবিন্দদাসও পদাবলির বিখ্যাত কবি।
গোবিন্দদাস বিদ্যাপতির ধারা অনুসরণ করেছিলেন। - ১০. 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থটি লিখেছেন—আরও এসেছে: গণপূর্ত অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) ২০১৭
- ক. জীবনানন্দ দাশ
- খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গ. কাজী নজরুল ইসলাম
- ঘ. শামসুর রাহমান
উত্তর: গ. কাজী নজরুল ইসলাম
‘অগ্নিবীণা’ কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। এতে ‘বিদ্রোহী’, ‘প্রলয়োল্লাস’ ও ‘আগমনী’র মতো কবিতা আছে। এই কাব্যে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে তাঁর তেজি সুর ধরা পড়েছে বলে তাঁকে বিদ্রোহী কবি বলা হয়। বইটি প্রকাশের পর ব্রিটিশ সরকার এটি বাজেয়াপ্ত করেছিল। জীবনানন্দ দাশ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও শামসুর রাহমান এই কাব্যের রচয়িতা নন।
মনে রাখুন: নজরুল বাংলাদেশের জাতীয় কবি। তাঁর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ: দোলনচাঁপা, বিষের বাঁশি, ছায়ানট।
তাঁর জন্ম পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়ায়। - ১৮. 'অমৃত' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ—
- ক. তিক্ত
- খ. গরল
- গ. মিষ্ট
- ঘ. বিস্বাদ
উত্তর: খ. গরল
‘অমৃত’ শব্দের অর্থ সুধা, যা খেলে মানুষ অমর হয় বলে বিশ্বাস করা হয়। এর বিপরীতে যে শব্দটি আসে, তা হলো গরল, অর্থাৎ বিষ। একটি প্রাণ বাঁচায়, অন্যটি প্রাণ নেয়। তাই দুটি শব্দের ভাব সম্পূর্ণ উল্টো।
মনে রাখুন: তিক্ত মানে তেতো, মিষ্ট মানে মিষ্টি আর বিস্বাদ মানে স্বাদহীন। এগুলো স্বাদের কথা বলে, তাই এগুলো ‘অমৃত’-এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না।
‘অমৃত’-এর সমার্থক শব্দ: সুধা, পীযূষ।
‘গরল’-এর সমার্থক শব্দ: বিষ, হলাহল। - ২১. কোনটি তৎসম শব্দ?
- ক. ঝিনুক
- খ. মলিতা
- গ. পত্র
- ঘ. চাঁদ
উত্তর: গ. পত্র
যে শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই সরাসরি বাংলায় এসেছে, তাকে তৎসম শব্দ বলে। ‘তৎসম’ কথার অর্থই ‘তার সমান’, অর্থাৎ সংস্কৃতের সমান। ‘পত্র’ সংস্কৃত শব্দ, বাংলায় একই রূপে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি তৎসম। বাকি শব্দগুলো সংস্কৃত থেকে সরাসরি আসেনি বা আকার বদলে এসেছে।
মনে রাখুন:
‘চাঁদ’ সংস্কৃত ‘চন্দ্র’ থেকে বদলে এসেছে, তাই এটি তদ্ভব শব্দ।
‘ঝিনুক’ খাঁটি দেশি শব্দ।
তৎসম শব্দের আরও উদাহরণ: সূর্য, পুষ্প, মাতা, জল।
তদ্ভব শব্দের উদাহরণ: হাত (হস্ত), কান (কর্ণ)। - ২৪. 'সাহচর্য' শব্দের শুদ্ধ গঠন কোনটি?
- ক. সাহ + চর + র্য
- খ. সহচর + য ফলা
- গ. সহচর + য
- ঘ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. সহচর + য
‘সাহচর্য’ শব্দটি এসেছে সহচর শব্দের সঙ্গে ষ্ণ্য (য) প্রত্যয় যোগ করে। প্রত্যয় যোগ হওয়ায় শব্দের প্রথম স্বর বৃদ্ধি পেয়ে সহ হয়ে যায় সাহ, তাই সহচর + য = সাহচর্য। অর্থ হলো সঙ্গ বা সান্নিধ্য। অন্য অপশনের ভাঙনে শব্দটির মূল অংশ বা প্রত্যয় ঠিকভাবে দেখানো হয়নি।
মনে রাখুন:
একইভাবে সুন্দর + য = সৌন্দর্য, মধুর + য = মাধুর্য।
আরও উদাহরণ: গম্ভীর + য = গাম্ভীর্য, ধীর + য = ধৈর্য। - ২৯. ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নাটক কোনটি?
- ক. কবর
- খ. কোকিলারা
- গ. আরেক ফাল্গুন
- ঘ. মুনতাসির ফ্যান্টাসি
উত্তর: ক. কবর
ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে লেখা সবচেয়ে বিখ্যাত নাটক ‘কবর’। মুনীর চৌধুরী ১৯৫৩ সালে কারাগারে বন্দি অবস্থায় নাটকটি লেখেন। ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারির শহিদদের কবর ঘিরে নাটকটির কাহিনি গড়ে উঠেছে। ভাষা আন্দোলনে অংশ নেওয়ার কারণে তিনি তখন জেলে ছিলেন। নাটকটি পরে একুশের অনুষ্ঠানে বারবার মঞ্চস্থ হয়েছে।
মনে রাখুন:
‘আরেক ফাল্গুন’ জহির রায়হানের লেখা ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাস।
‘কোকিলারা’ ও ‘মুনতাসির ফ্যান্টাসি’ ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নাটক নয়।
মুনীর চৌধুরীর অন্যান্য নাটক: রক্তাক্ত প্রান্তর, চিঠি। - ৩১. 'পদ্মরাগ' উপন্যাসটির রচয়িতা—
- ক. সুফিয়া কামাল
- খ. রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
- গ. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
- ঘ. সেলিনা হোসেন
উত্তর: খ. রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
‘পদ্মরাগ’ উপন্যাসটি বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের লেখা, যা ১৯২৪ সালে প্রকাশিত হয়। এতে নারীদের দুঃখ ও তাদের স্বাবলম্বী হয়ে ওঠার গল্প আছে। রোকেয়া নারী জাগরণের অগ্রদূত ছিলেন। তিনি বাঙালি মুসলিম নারীদের শিক্ষার জন্য কলকাতায় সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন।
মনে রাখুন:
রোকেয়ার অন্যান্য রচনা: ‘সুলতানার স্বপ্ন’ (ইংরেজি Sultana’s Dream), ‘অবরোধবাসিনী’ ও ‘মতিচূর’।
তাঁর জন্ম রংপুরের পায়রাবন্দ গ্রামে।
‘সুলতানার স্বপ্ন’-এ তিনি এমন এক কল্পিত দেশের কথা বলেছেন, যেখানে নারীরা দেশ চালায় আর পুরুষেরা ঘরে থাকে।
রোকেয়ার জন্মদিন ৯ ডিসেম্বর রোকেয়া দিবস হিসেবে পালিত হয়। - ৩৯. সত্য বই মিথ্যে বলবো না ।– এখানে 'বই'–
- ক. বিশেষ্য
- খ. উপসর্গ
- গ. অনুসর্গ
- ঘ. প্রত্যয়
উত্তর: গ. অনুসর্গ
যে অব্যয় শব্দ বিশেষ্য বা সর্বনামের পরে বসে বিভক্তির মতো কাজ করে, তাকে অনুসর্গ বলে। ‘সত্য বই মিথ্যে বলব না’ বাক্যে ‘বই’ শব্দটি ‘ছাড়া’ অর্থে বসেছে এবং স্বাধীন পদ হিসেবে অন্য শব্দের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করেছে, তাই এটি অনুসর্গ। এটি বিশেষ্য নয়, উপসর্গ বা প্রত্যয়ও নয়, কারণ উপসর্গ শব্দের আগে বসে নতুন শব্দ গড়ে আর প্রত্যয় শব্দের পরে যুক্ত হয়।
উদাহরণ:
দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহীতে?
আমার সনে চলো।
মনে রাখুন: আরও কিছু অনুসর্গ: দ্বারা, দিয়ে, কর্তৃক, জন্য, ছাড়া, মতো। - ৪০. বর্ণ কীসের প্রতীক?
- ক. ধ্বনি
- খ. শব্দ
- গ. অক্ষর
- ঘ. স্বরবর্ণ
উত্তর: ক. ধ্বনি
মুখ দিয়ে উচ্চারিত ধ্বনিকে যখন লেখার জন্য চিহ্নে প্রকাশ করা হয়, তখন সেই চিহ্নকে বর্ণ বলে। অর্থাৎ বর্ণ হলো ধ্বনির প্রতীক বা লিখিত রূপ। যেমন ‘ক’ বর্ণটি /ক/ ধ্বনির চিহ্ন। শব্দ বা অক্ষর বর্ণের সমান কিছু নয়, তাই সেগুলো সঠিক উত্তর নয়। আবার স্বরবর্ণ হলো বর্ণের একটি শ্রেণি মাত্র।
মনে রাখুন:
ভাষার ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি। অক্ষর বলতে এক নিঃশ্বাসে উচ্চারিত ধ্বনিগুচ্ছ বোঝায় আর শব্দ গড়ে ওঠে এক বা একাধিক ধ্বনি মিলে।
বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০টি বর্ণ আছে, যার মধ্যে স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি। - ৪৫. কোন বানানটি শুদ্ধ?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০২২
- ক. রুপায়ন
- খ. রূপায়ন
- গ. রূপায়ণ
- ঘ. রুপায়ণ
উত্তর: গ. রূপায়ণ
‘রূপায়ণ’ বানানটিই শুদ্ধ। তৎসম শব্দে ণ-ত্ব বিধান অনুযায়ী ‘র’-এর পরে স্বরবর্ণ, প-বর্গ বা য় ইত্যাদি ব্যবধানে থাকলে ‘ন’ বদলে ‘ণ’ হয়। এখানে রূপ + অয়ন = রূপায়ণ। অর্থ হলো কোনো কিছুকে রূপ বা আকার দেওয়া। অন্য তিনটি অপশনের মধ্যে রূপায়ন-এ ণ-ত্ব বিধান মানা হয়নি, আর বাকি দুটিতে রূপ শব্দের ঊ-কার হ্রস্ব হয়ে গেছে।
মনে রাখুন:
‘রুপায়ণ’ ভুল, কারণ রূপ শব্দে দীর্ঘ ঊ-কার (ূ) বসে।
ণ-ত্ব বিধানের আরও উদাহরণ: ভরণ, হরণ, শ্রবণ, কারণ। - ৫১. 'ঝাঁকের কৈ' বাগধারাটির অর্থ-
- ক. চালাক
- খ. একতাই বল
- গ. বর্ষার মাছ
- ঘ. একই স্বভাবের লোক
উত্তর: ঘ. একই স্বভাবের লোক
‘ঝাঁকের কৈ’ বাগধারার অর্থ একই দলের বা একই স্বভাবের লোক। ঝাঁকে ঝাঁকে চলা কৈ মাছ যেমন একসঙ্গে থাকে, তেমনি সমস্বভাবের মানুষ একই দলে মিশে যায়। এর অর্থ চালাক বা একতাই বল নয়, আর বর্ষার মাছ বললে শুধু মাছের কথা বোঝায়, বাগধারার ভাবটি আসে না।
মনে রাখুন: আরও কিছু বাগধারা:
অকাল কুষ্মাণ্ড (অপদার্থ)
আদায় কাঁচকলায় (শত্রুতা)
গোঁফ খেজুরে (অলস)
ডুমুরের ফুল (দুর্লভ বস্তু)
তাসের ঘর (ক্ষণস্থায়ী) - ৫৬. 'পেয়ারা' শব্দটি কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ?
- ক. পর্তুগিজ
- খ. গ্রিস
- গ. উর্দু
- ঘ. হিন্দি
উত্তর: ক. পর্তুগিজ
‘পেয়ারা’ শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। পর্তুগিজ বণিক ও মিশনারিরা ষোড়শ শতকে বাংলায় এলে তাদের সঙ্গে এমন অনেক শব্দ আমাদের ভাষায় ঢুকে পড়ে। ফলের নাম, ঘরের জিনিস ও খ্রিষ্টান ধর্মের কিছু শব্দ এভাবেই বাংলায় যুক্ত হয়েছে। গ্রিস বা উর্দু-হিন্দি থেকে এ শব্দ আসেনি।
মনে রাখুন:
পর্তুগিজ শব্দ: আনারস, আলপিন, বালতি, পাদরি, গামলা, পেরেক, বোতাম, জানালা, চাবি, আলমারি।
আরও পর্তুগিজ শব্দ: সাবান, ইস্ত্রি, পেঁপে, কামিজ, বারান্দা। - ৫৮. পাণিনি কে ছিলেন?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৪
- ক. ভাষাবিদ
- খ. ঋগ্বেদবিদ
- গ. বৈয়াকরণিক
- ঘ. ঔপন্যাসিক
উত্তর: গ. বৈয়াকরণিক
পাণিনি প্রাচীন ভারতের সংস্কৃত ভাষার বৈয়াকরণিক বা ব্যাকরণবিদ ছিলেন। তাঁর লেখা ‘অষ্টাধ্যায়ী’ গ্রন্থে সংস্কৃত ভাষার ব্যাকরণ নিয়মবদ্ধভাবে সাজানো হয়েছে। এটি এত নিখুঁত যে আজও ভাষাতত্ত্বে আলোচিত হয়। তিনি ভাষাবিদ হলেও প্রশ্নে সবচেয়ে সঠিক পরিচয় বৈয়াকরণিক। ঋগ্বেদবিদ বা ঔপন্যাসিক তিনি ছিলেন না।
মনে রাখুন:
ব্যাকরণশাস্ত্রে পাণিনি, কাত্যায়ন ও পতঞ্জলিকে একসঙ্গে ‘মুনিত্রয়’ বলা হয়।
কাত্যায়ন পাণিনির সূত্রের ওপর বার্তিক রচনা করেন।
পতঞ্জলি ‘মহাভাষ্য’ রচনা করেন। - ৬৪. কোন কবিকে 'বিদ্রোহী কবি' বলা হয়?
- ক. সুকান্ত ভট্টাচার্য
- খ. সুভাষ মুখোপাধ্যায়
- গ. হেলাল হাফিজ
- ঘ. কাজী নজরুল ইসলাম
উত্তর: ঘ. কাজী নজরুল ইসলাম
কাজী নজরুল ইসলামকে বিদ্রোহী কবি বলা হয়। তাঁর ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি ১৯২২ সালে ‘বিজলী’ পত্রিকায় প্রকাশ পায় এবং পরে ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যগ্রন্থে সংকলিত হয়। অন্যায় ও শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী সুর থাকায় এই কবিতা তাঁকে এই পরিচয় এনে দেয়। অন্য অপশনের কবিরা অন্য নামে পরিচিত।
মনে রাখুন:
সুকান্ত ভট্টাচার্য কিশোর কবি নামে পরিচিত।
জীবনানন্দ দাশ রূপসী বাংলার কবি।
নজরুলকে সাম্যের কবিও বলা হয়। - ৬৫. বাংলা গদ্য চলিত রীতি প্রবর্তক—
- ক. প্যারীচাঁদ মিত্র
- খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গ. প্রমথ চৌধুরী
- ঘ. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
উত্তর: গ. প্রমথ চৌধুরী
প্রথম দিকের বাংলা গদ্য সাধু ভাষায় লেখা হতো। প্রমথ চৌধুরী ‘বীরবল’ ছদ্মনামে লিখে ১৯১৪ সালে ‘সবুজপত্র’ পত্রিকা প্রকাশ করেন এবং এর মাধ্যমে চলিত রীতিকে সাহিত্যে প্রতিষ্ঠিত করেন। এ কারণে তাঁকেই চলিত রীতির প্রবর্তক বলা হয়। পরে রবীন্দ্রনাথও এই পত্রিকায় চলিত ভাষায় লিখে এই রীতিকে জনপ্রিয় করেন।
মনে রাখুন:
প্যারীচাঁদ মিত্র ‘আলালী ভাষা’ বা কথ্য ঘেঁষা ভাষার জন্য পরিচিত। তাঁর উপন্যাস ‘আলালের ঘরের দুলাল’।
প্রমথ চৌধুরীর রচনা: ‘বীরবলের হালখাতা’, ‘চার ইয়ারী কথা’। - ৬৬. বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রার বর্ণ কয়টি?আরও এসেছে: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) সহকারী ব্যবস্থাপক ২০১৮, প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ) ২০২২
- ক. ৭টি
- খ. ৮টি
- গ. ৯টি
- ঘ. ১০টি
উত্তর: খ. ৮টি
বাংলা বর্ণমালার বর্ণগুলো মাত্রার হিসাব অনুযায়ী তিন ভাগে ভাগ করা যায়। পূর্ণমাত্রার বর্ণ ৩২টি, অর্ধমাত্রার বর্ণ ৮টি এবং মাত্রাহীন বর্ণ ১০টি। এই হিসাবে মোট ৫০টি বর্ণ হয়। তাই অর্ধমাত্রার বর্ণের সংখ্যা ৮। এই বর্ণগুলোর মাথায় পুরো মাত্রা না দিয়ে অর্ধেক মাত্রা বসে, আর মাত্রাহীন বর্ণে কোনো মাত্রাই থাকে না।
মনে রাখুন:
অর্ধমাত্রার বর্ণ: ঋ, খ, গ, ণ, থ, ধ, প, শ।
মাত্রাহীন বর্ণ: এ, ঐ, ও, ঔ, ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ। - ৭১. 'ছন্দের যাদুকর' বলা হয়-
- ক. মাইকেল মধুসূদন দত্তকে
- খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে
- গ. শামসুর রাহমানকে
- ঘ. সত্যেন্দ্রনাথ দত্তকে
উত্তর: ঘ. সত্যেন্দ্রনাথ দত্তকে
কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্তকে ছন্দের যাদুকর বলা হয়। তিনি বাংলা কবিতায় নানা ধরনের ছন্দ ব্যবহারের নতুন নতুন পরীক্ষা করেন এবং শব্দের ধ্বনি ও ঝংকার দিয়ে কবিতাকে সুরেলা করে তোলেন। মাইকেল মধুসূদন দত্ত অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত, আর রবীন্দ্রনাথকে কবিগুরু বলা হয়।
মনে রাখুন:
তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘বেণু ও বীণা’ এবং ‘কুহু ও কেকা’।
আরও কাব্যগ্রন্থ: ‘ফুলের ফসল’, ‘তুলির লিখন’। - ৭৪. কোনটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত উপন্যাস?
- ক. দোলনচাঁপা
- খ. ঘরে-বাইরে
- গ. চিহ্ন
- ঘ. মৃত্যুক্ষুধা
উত্তর: ঘ. মৃত্যুক্ষুধা
‘মৃত্যুক্ষুধা’ কাজী নজরুল ইসলামের লেখা উপন্যাস, যা ১৯৩০ সালে প্রকাশিত হয়। নজরুলের তিনটি উপন্যাস: ‘বাঁধনহারা’, ‘মৃত্যুক্ষুধা’ ও ‘কুহেলিকা’। ‘চিহ্ন’ নামে কোনো উপন্যাস নজরুলের নয়, তাই তা বাদ যায়। আর ‘ঘরে-বাইরে’ রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস এবং ‘দোলনচাঁপা’ কাব্যগ্রন্থ হওয়ায় সেগুলোও উত্তর নয়।
মনে রাখুন:
‘দোলনচাঁপা’ তাঁর কাব্যগ্রন্থ, ‘ঘরে-বাইরে’ রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস।
‘বাঁধনহারা’ পত্রোপন্যাস, অর্থাৎ চিঠির আকারে লেখা।
নজরুলের গল্পগ্রন্থ: ব্যথার দান, রিক্তের বেদন। - ৭৮. কোন কবির সবচেয়ে বেশি চর্যাপদ পাওয়া গেছে?
- ক. লুইপা
- খ. কাহ্নপা
- গ. ভুসুকুপা
- ঘ. শবরপা
উত্তর: খ. কাহ্নপা
চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন, যা বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের রচিত। এর কবিদের মধ্যে কাহ্নপা সবচেয়ে বেশি পদ লিখেছেন, মোট ১৩টি। ভুসুকুপা ৮টি পদ লেখেন, আর লুইপা ও শবরপা লেখেন ২টি করে। তাই সংখ্যার বিচারে কাহ্নপা সবার আগে। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এর পুঁথি আবিষ্কার করেন।
মনে রাখুন:
লুইপা চর্যাপদের আদি কবি হিসেবে স্বীকৃত।
চর্যাপদের আসল নাম ‘চর্যাচর্যবিনিশ্চয়’।
১৯১৬ সালে বইটি প্রকাশিত হয়। - ৮০. সন্ধি বিচ্ছেদ করুন : নবান্নআরও এসেছে: গণপূর্ত অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) ২০১৭
- ক. নব + অন্ন
- খ. নবো + অন্ন
- গ. নবঃ + অন্ন
- ঘ. নব + ণ্য
উত্তর: ক. নব + অন্ন
স্বরবর্ণের সঙ্গে স্বরবর্ণের মিলনে যে সন্ধি হয়, তাকে স্বরসন্ধি বলে। ‘নবান্ন’ শব্দে নব-এর শেষে অ আর অন্ন-এর শুরুতে অ মিলে আ হয়েছে, তাই নব + অন্ন = নবান্ন। এখানে ‘নবো’ বা ‘নবঃ’ ধরলে সন্ধির নিয়ম মেলে না।
উদাহরণ:
পরীক্ষা = পরি + ঈক্ষা
মহেশ = মহা + ঈশ
মনে রাখুন: নবান্ন হলো নতুন ধানের অন্ন দিয়ে করা উৎসব। অ + অ মিলে আ হয়, যেমন: হিম + অচল = হিমাচল। - ৮৪. কোন শব্দটি খাঁটি বাংলা উপসর্গযোগে গঠিত?
- ক. প্রবাহ
- খ. খয়ের খাঁ
- গ. অজপাড়াগাঁ
- ঘ. বেআদব
উত্তর: গ. অজপাড়াগাঁ
বাংলা ভাষায় নিজস্ব উপসর্গ ২১টি, যেমন অ, অনা, অজ, আ, কু, নি, পাতি। ‘অজ’ উপসর্গটি মন্দ বা নিন্দা অর্থে বসে। তাই ‘অজপাড়াগাঁ’ মানে অতি পিছিয়ে থাকা গ্রাম। এ শব্দ খাঁটি বাংলা উপসর্গ দিয়ে গঠিত। খয়ের খাঁ কোনো উপসর্গযোগে গড়া শব্দ নয়, বরং একটি যুক্ত নাম।
মনে রাখুন:
‘প্রবাহ’-এর ‘প্র’ সংস্কৃত উপসর্গ এবং ‘বেআদব’-এর ‘বে’ ফারসি উপসর্গ।
খাঁটি বাংলা উপসর্গের কিছু শব্দ: পাতিহাঁস, ভরপেট, হাভাতে, আনকোরা।
সংস্কৃত উপসর্গ ২০টি। - ৮৬. 'যদি বৃষ্টি হয়, তবে বের হবো না'—এটি কোন ধরনের বাক্য?
- ক. সরল
- খ. জটিল
- গ. হ্যাঁ-বাচক
- ঘ. যৌগিক
উত্তর: খ. জটিল
যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য এবং এক বা একাধিক অপ্রধান খণ্ডবাক্য মিলে অর্থ প্রকাশ করে, তাকে জটিল বাক্য বলে। ‘যদি বৃষ্টি হয়’ অংশটি নিজে পুরো অর্থ দেয় না, এটি অপ্রধান খণ্ড। আর ‘বের হব না’ প্রধান খণ্ড। যদি-তবে এ ধরনের শর্তের সম্পর্ক জটিল বাক্যের লক্ষণ। সরল বাক্যে একটি মাত্র খণ্ডবাক্য থাকে।
মনে রাখুন:
যৌগিক বাক্যে একাধিক স্বাধীন বাক্য সংযোজক (ও, এবং, কিন্তু) দিয়ে যুক্ত থাকে।
সরল বাক্যে একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে।
হ্যাঁ-বাচক বাক্য অর্থের দিক থেকে ভাগ, গঠনের দিক থেকে নয়। - ৮৭. 'শেষের কবিতা' একটি—
- ক. উপন্যাস
- খ. কবিতা
- গ. নাটক
- ঘ. প্রবন্ধ
উত্তর: ক. উপন্যাস
‘শেষের কবিতা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা উপন্যাস, যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়। নাম ‘কবিতা’ হলেও এটি গদ্যে লেখা, তবে এর ভাষা কাব্যিক। অমিত ও লাবণ্যের প্রেমের গল্প এখানে বলা হয়েছে। বইটির নামে কবিতা থাকলেও এটি কবিতা, নাটক বা প্রবন্ধ নয়।
মনে রাখুন:
রবীন্দ্রনাথের অন্যান্য উপন্যাস: গোরা, চোখের বালি, ঘরে-বাইরে, চতুরঙ্গ।
‘গোরা’ ১৯১০ সালে এবং ‘ঘরে-বাইরে’ ১৯১৬ সালে প্রকাশিত।
রবীন্দ্রনাথ ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কার পান। - ৮৯. 'মনগড়া' কোন সমাস?
- ক. দ্বন্দ্ব
- খ. কর্মধারয়
- গ. তৎপুরুষ
- ঘ. বহুব্রীহি
উত্তর: গ. তৎপুরুষ
যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। ‘মনগড়া’ মানে মনের দ্বারা গড়া। এখানে পূর্বপদ ‘মন’-এর ‘দ্বারা’ বিভক্তি লোপ পেয়েছে, তাই এটি তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস। কর্মধারয়ে বিশেষ্য-বিশেষণের সম্পর্ক থাকে আর বহুব্রীহিতে অন্য কোনো অর্থ বোঝায়, যা এখানে নেই।
উদাহরণ:
ঢেঁকিছাঁটা = ঢেঁকিতে ছাঁটা
মধুমাখা = মধু দিয়ে মাখা
মনে রাখুন: তৎপুরুষ সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান, আর বহুব্রীহি সমাসে কোনো পদের অর্থ প্রধান থাকে না, বরং অন্য একটি অর্থ বোঝায়। - ৯১. সাধু ভাষায় কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
- ক. এখানে সে ফিরে আসেনি
- খ. সে আসিবে বলিয়া ভরসাও করিতেছি না
- গ. তিনি মূর্ছিত হয়ে পড়েছেন
- ঘ. তুমি তার কথা বিশ্বাস করো না
উত্তর: খ. সে আসিবে বলিয়া ভরসাও করিতেছি না
সাধু ভাষায় ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পূর্ণরূপে লেখা হয়, যেমন ‘করিতেছি’, ‘আসিবে’, ‘বলিয়া’। ‘সে আসিবে বলিয়া ভরসাও করিতেছি না’ বাক্যে আসিবে, বলিয়া ও করিতেছি পূর্ণ সাধু রূপে আছে। তাই এই বাক্যটি সাধু ভাষার উদাহরণ। অন্য বাক্যগুলো চলিত ভাষায় লেখা।
মনে রাখুন:
‘ফিরে আসেনি’, ‘পড়েছেন’ ও ‘বিশ্বাস করো’ চলিত ভাষার রূপ।
সাধু ভাষা ও চলিত ভাষার পার্থক্য মূলত ক্রিয়া ও সর্বনামের রূপে: করিতেছি ও করছি, তাহাকে ও তাকে।
গণিত
- ৪. কোন দুটি x² − x − 6 = 0 সমীকরণের মূল?
- ক. 2, 3
- খ. 2, −3
- গ. −2, 3
- ঘ. −2, −3
উত্তর: গ. −2, 3
সমীকরণটি x² − x − 6 = 0। মধ্যপদ ভেঙে লিখলে হয় x² − 3x + 2x − 6 = 0, অর্থাৎ x(x − 3) + 2(x − 3) = 0, তাই (x − 3)(x + 2) = 0। দুটি রাশির গুণফল শূন্য হলে অন্তত একটি রাশি শূন্য হতে হয়। এখান থেকে x = 3 অথবা x = −2। অন্য অপশনগুলো ঠিক নয়, কারণ সেগুলোর মান বসালে সমীকরণ মেলে না।
যাচাই: x = 3 হলে 9 − 3 − 6 = 0 মেলে। আবার x = −2 হলে 4 + 2 − 6 = 0 মেলে।
শর্টকাট: ax² + bx + c = 0 সমীকরণে মূল দুটির যোগফল = −b/a = 1 এবং গুণফল = c/a = −6। যে দুটি সংখ্যার যোগফল 1 আর গুণফল −6, তারা হলো −2 ও 3।
মনে রাখুন: দ্বিঘাত সমীকরণের সূত্র x = (−b ± √(b² − 4ac)) / 2a। এখানে b² − 4ac = 1 + 24 = 25, যা পূর্ণবর্গ, তাই মূল দুটি মূলদ সংখ্যা। - ৯. 9x² + 16y² এর সাথে কত যোগ করলে যোগফল পূর্ণবর্গ সংখ্যা হবে?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৫
- ক. 6xy
- খ. 12xy
- গ. 24xy
- ঘ. 144xy
উত্তর: গ. 24xy
পূর্ণবর্গ রাশি হলো (a + b)² = a² + 2ab + b² আকারের রাশি। এখানে 9x² = (3x)² এবং 16y² = (4y)², অর্থাৎ a = 3x, b = 4y। পূর্ণবর্গ হতে হলে মাঝের পদ 2ab = 2 · 3x · 4y = 24xy দরকার। তাই 24xy যোগ করলে যোগফল হবে 9x² + 24xy + 16y² = (3x + 4y)²। অন্য অপশনের যেকোনোটি যোগ করলে মাঝের পদটি 2ab-এর সমান হয় না, ফলে রাশিটি পূর্ণবর্গ হয় না।
শর্টকাট: দুটি বর্গপদ দেওয়া থাকলে তাদের মূলদুটির গুণফলের দ্বিগুণই হলো যোগ করার পদ।
মনে রাখুন: (a − b)² = a² − 2ab + b²। তাই −24xy যোগ করলেও রাশিটি পূর্ণবর্গ হতো, অর্থাৎ (3x − 4y)²। - ১৯. বার্ষিক শতকরা ৬ টাকা হারে সরল সুদে ৫২০০ টাকার ২ বছরের সুদ কত?
- ক. ৪৫০ টাকা
- খ. ৫২৪ টাকা
- গ. ৬০০ টাকা
- ঘ. ৬২৪ টাকা
উত্তর: ঘ. ৬২৪ টাকা
সরল সুদের সূত্র: সুদ = মূলধন × হার × সময় ÷ 100। এখানে মূলধন 5200 টাকা, হার 6% এবং সময় 2 বছর।
সুদ = 5200 × 6 × 2 ÷ 100 = 52 × 12 = 624 টাকা।
তাই দুই বছরে মোট সুদ হয় 624 টাকা। 450, 524 ও 600 টাকা হিসাবে মেলে না।
শর্টকাট: 5200-এর 1% হলো 52 টাকা। সুতরাং 12% (6% হারে 2 বছর) হবে 52 × 12 = 624 টাকা।
মনে রাখুন: সুদাসল = মূলধন + সুদ = 5200 + 624 = 5824 টাকা। - ২০. নিচের কোনটি সত্য?
- ক. sinθ·cosθ = ½ sin2θ
- খ. sinθ + cosθ = 1
- গ. sin(−θ) = sinθ
- ঘ. tanθ = cosθ/sinθ
উত্তর: ক. sinθ·cosθ = ½ sin2θ
আমরা জানি sin2θ = 2sinθcosθ। দুই পাশকে 2 দিয়ে ভাগ করলে পাই sinθcosθ = ½ sin2θ। তাই প্রথম সম্পর্কটি সত্য।
বাকি সম্পর্কগুলো কেন ভুল তা দেখা যাক:
θ = 90° হলে sinθ + cosθ = 1 + 0 = 1 হয়, কিন্তু θ = 45° নিলে তা √2 হয়, তাই সবসময় 1 নয়।
sin(−θ) = −sinθ, sinθ নয়।
tanθ = sinθ/cosθ, উল্টো নয়।
মনে রাখুন:
cos(−θ) = cosθ, অর্থাৎ cos জোড় ফাংশন আর sin ও tan বিজোড় ফাংশন।
sin²θ + cos²θ = 1 সব θ-এর জন্য সত্য।
cos2θ = cos²θ − sin²θ = 1 − 2sin²θ = 2cos²θ − 1। - ২৭. 20, 25, 30 ... 140 ধারাটিতে মোট কতগুলো পদ আছে?
- ক. ২৫টি
- খ. ২৪টি
- গ. ২৩টি
- ঘ. ২২টি
উত্তর: ক. ২৫টি
ধারাটি 20, 25, 30, ... এভাবে প্রতিবার 5 করে বাড়ছে, তাই এটি সমান্তর ধারা। প্রথম পদ a = 20, সাধারণ অন্তর d = 5 এবং শেষ পদ 140। n-তম পদের সূত্র a + (n − 1)d।
20 + (n − 1) × 5 = 140
(n − 1) × 5 = 120
n − 1 = 24, অতএব n = 25।
তাই ধারাটিতে মোট 25টি পদ আছে। 24 বা 23 নিলে শেষ পদ 140 মেলে না।
শর্টকাট: পদসংখ্যা = (শেষ পদ − প্রথম পদ) ÷ অন্তর + 1।
মনে রাখুন: সমান্তর ধারার যোগফল S = n/2 × (প্রথম পদ + শেষ পদ) = 25/2 × (20 + 140) = 2000। - ৪৮. শুভ্রর বর্তমান বয়স অভ্রর দ্বিগুণ। তিন বছর পূর্বে শুভ্রর বয়স অভ্রর বয়সের তিনগুণ ছিল। শুভ্রর বর্তমান বয়স কত?
- ক. 16 বছর
- খ. 14 বছর
- গ. 12 বছর
- ঘ. 6 বছর
উত্তর: গ. 12 বছর
ধরি, অভ্রর বর্তমান বয়স x বছর। তাহলে শুভ্রর বর্তমান বয়স 2x বছর। তিন বছর আগে অভ্রর বয়স ছিল x − 3 এবং শুভ্রর বয়স 2x − 3।
শর্ত অনুযায়ী, 2x − 3 = 3(x − 3)
2x − 3 = 3x − 9
x = 6
অতএব শুভ্রর বয়স 2 × 6 = 12 বছর।
যাচাই: তিন বছর আগে শুভ্র ছিল 9, অভ্র ছিল 3, আর 9 = 3 × 3 মেলে।
মনে রাখুন: বয়সের অঙ্কে বর্তমান বয়স ধরে সমীকরণ বানাতে হয়, আর অতীত বা ভবিষ্যতের কথা থাকলে সেই অনুযায়ী যোগ বা বিয়োগ করতে হয়। - ৫৭. কোন ভগ্নাংশটি ⅓ অপেক্ষা বড়?
- ক. (1/3)²
- খ. 1/0.03
- গ. 0.03
- ঘ. 0.30
উত্তর: খ. 1/0.03
তুলনার জন্য সবগুলোকে দশমিকে আনি: ⅓ ≈ 0.333। এবার (1/3)² = 1/9 ≈ 0.111, 1/0.03 = 100/3 ≈ 33.33, 0.03 এবং 0.30 = 0.3।
দেখা যাচ্ছে, 33.33 সংখ্যাটি 0.333-এর চেয়ে অনেক বড়, বাকি তিনটিই ⅓-এর চেয়ে ছোট। তাই 1/0.03 বড়।
মনে রাখুন:
কোনো সংখ্যাকে 1-এর চেয়ে ছোট দশমিক দিয়ে ভাগ করলে ভাগফল বড় হয়।
1-এর চেয়ে ছোট ধনাত্মক সংখ্যার বর্গ মূল সংখ্যার চেয়ে ছোট হয়, তাই (1/3)² < 1/3। - ৬০. যদি (x − 1)(x + 2) = 0 হয় তবে x = ?
- ক. −1 অথবা 2
- খ. 1 এবং 2
- গ. 1 অথবা −2
- ঘ. 1 এবং −2
উত্তর: গ. 1 অথবা −2
দুটি রাশির গুণফল শূন্য হলে অন্তত একটি রাশি শূন্য হতে হয়। তাই (x − 1)(x + 2) = 0 থেকে হয় x − 1 = 0, অর্থাৎ x = 1, অথবা x + 2 = 0, অর্থাৎ x = −2।
এখানে x একসঙ্গে দুটি মান নিতে পারে না, বরং একবারে একটি মান নেয়, তাই ‘এবং’ নয়, ‘অথবা’ ব্যবহার হয়। অন্য অপশনে −1 বা 2 ধরলে সমীকরণ মেলে না, কারণ (−1 − 1)(−1 + 2) = −2, শূন্য নয়।
যাচাই: x = 1 হলে (0)(3) = 0 এবং x = −2 হলে (−3)(0) = 0 মেলে।
মনে রাখুন: (x − a)(x − b) = 0 সমীকরণের মূল দুটি a ও b। - ৭২. সেট C হতে সেট B-এর একটি সম্পর্ক R হলে নিচের কোনটি সঠিক?
- ক. R⊂C
- খ. R⊂B
- গ. R⊂C×B
- ঘ. C×B⊂R
উত্তর: গ. R⊂C×B
দুটি সেট C ও B থেকে C × B নামে একটি ক্রমজোড়ের সেট তৈরি করা যায়, যার প্রতিটি উপাদান (c, b) আকারের, যেখানে c ∈ C এবং b ∈ B। C থেকে B-তে একটি সম্পর্ক R বলতে এই ক্রমজোড়গুলোর কিছু বাছাই করা অংশকে বোঝায়। তাই R হলো C × B-এর উপসেট, অর্থাৎ R ⊂ C × B। উল্টো লেখা C × B ⊂ R সবসময় সত্য নয়, কারণ সম্পর্কে সব ক্রমজোড় থাকতে হবে এমন কথা নেই।
মনে রাখুন:
R ⊂ C লিখলে R-কে C-এর উপাদানের সেট মনে হয়, যা ভুল, কারণ R-এর উপাদান ক্রমজোড়।
C-তে m সংখ্যক এবং B-তে n সংখ্যক উপাদান থাকলে C × B-এ mn সংখ্যক ক্রমজোড় থাকে। - ৭৬. log_x 4 = 2 হলে x এর মান কত?
- ক. 1
- খ. 2
- গ. 4
- ঘ. 10
উত্তর: খ. 2
লগের সংজ্ঞা অনুযায়ী log_x 4 = 2 মানে x² = 4। অতএব x = ±2। তবে লগের ভিত্তি (base) কখনো ঋণাত্মক হয় না এবং 1 হয় না। তাই x = 2।
যাচাই: log_2 4 = 2 কারণ 2² = 4।
শর্টকাট: log_a b = c হলে b = a^c।
মনে রাখুন: লগের ভিত্তি অবশ্যই ধনাত্মক হতে হয় এবং 1 হতে পারে না। আর log_a 1 = 0 এবং log_a a = 1। - ৮৫. (−3, 4) বিন্দুটি কোন চতুর্ভাগে অবস্থিত?
- ক. প্রথম
- খ. দ্বিতীয়
- গ. তৃতীয়
- ঘ. চতুর্থ
উত্তর: খ. দ্বিতীয়
স্থানাঙ্ক (x, y)-এ x ও y-এর ধনাত্মক-ঋণাত্মক চিহ্ন দেখে চতুর্ভাগ বোঝা যায়। প্রথম চতুর্ভাগে (+, +), দ্বিতীয়ে (−, +), তৃতীয়ে (−, −) এবং চতুর্থে (+, −)। (−3, 4)-এ x ঋণাত্মক এবং y ধনাত্মক, তাই বিন্দুটি দ্বিতীয় চতুর্ভাগে। প্রথম চতুর্ভাগে x ঋণাত্মক হতে পারে না, আর তৃতীয় বা চতুর্থে y-এর চিহ্ন মেলে না।
মনে রাখুন:
চতুর্ভাগগুলো ঘড়ির কাঁটার উল্টো দিকে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ ধরা হয়।
যে বিন্দুর y = 0, সেটি x-অক্ষের ওপর থাকে, কোনো চতুর্ভাগে নয়।
মূলবিন্দুর স্থানাঙ্ক (0, 0)। - ৯০. একটি দাবা খেলার প্রতিযোগিতায় ৩ জন প্রতিযোগীর প্রত্যেকে অন্য একজন খেলোয়াড়ের সাথে একবার মাত্র খেলবে। সর্বমোট কতগুলো খেলা অনুষ্ঠিত হবে?
- ক. 2 বার
- খ. 3 বার
- গ. 6 বার
- ঘ. 9 বার
উত্তর: খ. 3 বার
৩ জন খেলোয়াড়ের প্রত্যেকে অন্য প্রত্যেকের সঙ্গে একবার করে খেলবে। খেলা মানে ৩ জনের মধ্য থেকে ২ জন বাছাই। তাই সংখ্যা = 3C2 = (3 × 2)/(2 × 1) = 3। অন্য সংখ্যাগুলোতে হয় কম, নয়তো বেশি খেলা ধরা হয়েছে। যেমন 3 × 3 = 9 ধরলে একই খেলা দুবার গোনা হয়, কারণ A বনাম B আর B বনাম A একই খেলা।
যাচাই: খেলোয়াড় A, B, C হলে খেলা হবে AB, AC ও BC, মোট তিনটি।
মনে রাখুন: n জন খেলোয়াড় একে অপরের সঙ্গে একবার খেললে মোট খেলা nC2 = n(n − 1)/2। উদাহরণ: 5 জনে 5C2 = 10টি খেলা।
ইংরেজি
- ৮. Sohana is — European lady. Put an article in the blank :
- ক. a
- খ. the
- গ. an
- ঘ. no article
উত্তর: ক. a
Article বসানোর সময় বানান নয়, প্রথম ধ্বনির উচ্চারণ দেখতে হয়। European শব্দের শুরুটা লেখায় স্বরবর্ণ E দিয়ে হলেও উচ্চারণ হয় ‘ইউ-’ (yu), যা ব্যঞ্জনধ্বনির মতো। যার প্রথম ধ্বনি ব্যঞ্জনের মতো, তার আগে a বসে, আর an বসে স্বরধ্বনির আগে। তাই এখানে an নয়, a বসবে: Sohana is a European lady। আর the বা কোনো article না বসালে বাক্যটি ব্যাকরণের দিক থেকে অসম্পূর্ণ থাকে।
মনে রাখুন: একই কারণে a university, a user, a one-eyed man হয়। উল্টো দিকে a-এর বদলে an হয় an hour, an honest man-এ, কারণ এখানে h উচ্চারিত হয় না।
Silent h-যুক্ত আরও শব্দ: an heir, an honour। - ১৩. The camel is the— of the desert.
- ক. Hurdle
- খ. Friend
- গ. Ship
- ঘ. Guide
উত্তর: গ. Ship
উটকে বলা হয় মরুভূমির জাহাজ, কারণ জাহাজ যেমন সমুদ্র পাড়ি দেয়, উট তেমনি বালুর সাগর পার হয়ে মালপত্র ও মানুষ বহন করে। এর শরীরও মরুভূমির উপযোগী। কুঁজে চর্বি জমা থাকে, তাই উট অনেক দিন পানি না খেয়েও চলতে পারে। তাই বাক্যটি হবে: The camel is the ship of the desert। বাকি শব্দগুলোর অর্থ: Hurdle মানে বাধা, Friend মানে বন্ধু আর Guide মানে পথপ্রদর্শক।
মনে রাখুন: এমন আরও কিছু প্রচলিত বাক্য: The lion is the king of beasts। The dog is the friend of man। - ২৩. The indirect speech of the sentence Sally said to me, "Please get me a drink" is :—
- ক. Sally told me to get a drink for her.
- খ. Sally asked me to get her a drink.
- গ. Sally told me to get a drink.
- ঘ. Sally inquired me to have a drink for her.
উত্তর: খ. Sally asked me to get her a drink.
Direct speech-এ please বা অনুরোধ থাকলে indirect speech-এ said to বদলে asked বা requested হয়। এরপর object এবং to-infinitive বসে। তাই Sally said to me, “Please get me a drink” হয়ে যায়: Sally asked me to get her a drink। পানীয়টি Sally নিজের জন্য চেয়েছে, তাই me-এর জায়গায় her বসেছে।
বাকি অপশনের মধ্যে told আদেশ বোঝায়, অনুরোধের ভাব রাখে না। আর inquired মানে জিজ্ঞাসা করা, যা এই বাক্যে খাটে না।
মনে রাখুন:
আদেশ হলে ordered বা commanded, উপদেশ হলে advised, নিষেধ হলে forbade বসে।
Imperative বাক্যের indirect-এ সবসময় to-infinitive আসে। - ২৫. He has a cold bath every morning, —?
- ক. does he
- খ. doesn't he
- গ. did not
- ঘ. won't he
উত্তর: খ. doesn't he
Tag question বানানোর নিয়ম হলো, মূল বাক্য হ্যাঁ-বোধক হলে প্রশ্নাংশ হবে না-বোধক, আর auxiliary verb-এর সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহার করতে হবে। বাক্যটি present indefinite tense-এ এবং subject He। এখানে has হলো মূল ক্রিয়া, auxiliary নয়, তাই প্রশ্নাংশে does-এর না-বোধক সংক্ষিপ্ত রূপ doesn’t বসে। ফলে সঠিক রূপ: He has a cold bath every morning, doesn’t he? বাকি অপশনে হ্যাঁ-বোধক রূপ বা ভুল auxiliary আছে।
মনে রাখুন:
Tag question-এর subject সবসময় pronoun হয়।
Let’s দিয়ে শুরু হলে tag হয় shall we? আর অনুরোধসূচক imperative-এ will you? - ২৮. 'Kith and kin' means :
- ক. Close relation
- খ. Bosom friend
- গ. Blood relation
- ঘ. Good relation
উত্তর: গ. Blood relation
Kith and kin একটি idiom, যার মানে আত্মীয়স্বজন। এখানে kin হলো রক্তের সম্পর্কের আত্মীয়, আর kith মূলত বন্ধু ও পরিচিত লোক বোঝাত। তবে এখন পুরো বাক্যাংশটি আত্মীয়স্বজন বা blood relation অর্থেই চলে। এ কারণে প্রশ্নে এই অর্থই সঠিক ধরা হয়।
বাকি অপশনের অর্থ: Close relation মানে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক, Bosom friend মানে অন্তরঙ্গ বন্ধু আর Good relation মানে ভালো সম্পর্ক।
মনে রাখুন: এমন জোড়-শব্দের idiom: Bag and baggage মানে সর্বস্ব নিয়ে, Part and parcel মানে অবিচ্ছেদ্য অংশ, Odds and ends মানে খুচরো জিনিস। - ৩০. I have no prejudice— poetry.
- ক. with
- খ. by
- গ. of
- ঘ. against
উত্তর: ঘ. against
Prejudice (সংস্কার বা অযৌক্তিক বিরূপ ধারণা) শব্দটির সঙ্গে সাধারণত preposition against বসে, যখন কারো বা কিছুর বিরুদ্ধে আগেভাগে খারাপ ধারণা বোঝায়। তাই বাক্যটি হবে: I have no prejudice against poetry। With, by বা of এখানে অর্থ ঠিকমতো প্রকাশ করে না। এ ধরনের প্রশ্নে শব্দের সঙ্গে কোন preposition বসে, সেটাই মনে রাখতে হয়।
মনে রাখুন:
Prejudice in favour of বললে কারো পক্ষে পক্ষপাত বোঝায়।
আরও কিছু প্রয়োগ: fond of, angry with, interested in, afraid of। - ৩২. 'All For Love' is a :—
- ক. Poem
- খ. Drama
- গ. Short story
- ঘ. Novel
উত্তর: খ. Drama
‘All for Love’ নাটক। ইংরেজ লেখক জন ড্রাইডেন (John Dryden) ১৬৭৭ সালে এটি লেখেন। শেক্সপিয়ারের ‘অ্যান্টনি অ্যান্ড ক্লিওপেট্রা’ নাটকের কাহিনিকে নতুনভাবে বলা হয়েছে এখানে, আর এটি একটি ট্র্যাজেডি। ড্রাইডেন নিজেও ইংল্যান্ডের একজন বড় কবি ও সমালোচক ছিলেন।
মনে রাখুন:
Poem মানে কবিতা, Short story মানে ছোটগল্প আর Novel মানে উপন্যাস।
ড্রাইডেনের একটি বিখ্যাত ব্যঙ্গ কবিতা ‘Absalom and Achitophel’।
শেক্সপিয়ারের অ্যান্টনি অ্যান্ড ক্লিওপেট্রা-ও একটি ট্র্যাজেডি। - ৩৩. The translation of 'লোকটি ঘাস কাটিতেছে ও গরুটিকে খাওয়াইতেছে' is :—
- ক. The man cutting grass and eating the cow.
- খ. The man is cutting grass and feeding the cow.
- গ. The man is cutting grass and giving the cow.
- ঘ. The man is cutting and eating the cow.
উত্তর: খ. The man is cutting grass and feeding the cow.
বাংলা বাক্যটির ক্রিয়া ‘কাটিতেছে’ ও ‘খাওয়াইতেছে’ চলতি কাজ বোঝায়, তাই ইংরেজিতে present continuous tense হবে: is cutting ও feeding। ‘গরুকে খাওয়ানো’র অর্থ feed the cow, আর eating the cow মানে গরুটিকে খেয়ে ফেলা, যা এখানে ভুল। প্রথম অপশনে is নেই এবং cow-কে খাওয়ার কথা বলা হয়েছে, আর তৃতীয় অপশনে giving শব্দটি খাওয়ানোর অর্থ দেয় না। অতএব সঠিক অনুবাদ: The man is cutting grass and feeding the cow।
মনে রাখুন:
Feed মানে খাওয়ানো, আর eat মানে নিজে খাওয়া।
Present continuous-এর গঠন: subject + am/is/are + verb-এর সঙ্গে ing। - ৩৫. 'War and Peace' is a —
- ক. Drama
- খ. Fiction
- গ. Comedy
- ঘ. Short story
উত্তর: খ. Fiction
‘War and Peace’ রুশ লেখক লিও টলস্টয়ের (Leo Tolstoy) লেখা বিশাল উপন্যাস, যা ১৮৬৯ সালে সম্পূর্ণ আকারে প্রকাশিত হয়। নেপোলিয়নের রাশিয়া আক্রমণের সময়কার ঘটনা ও সাধারণ মানুষের জীবন এর বিষয়। উপন্যাস কাল্পনিক গল্প, তাই এটি Fiction। Drama হতে হলে লেখা সংলাপে ও মঞ্চের উপযোগী হতে হয়, আর Short story ছোট আকারের গল্প, তাই এখানে এ দুটি খাটে না।
মনে রাখুন:
টলস্টয়ের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস ‘Anna Karenina’।
Fiction মানে কাল্পনিক রচনা, আর Non-fiction মানে বাস্তব ঘটনা বা তথ্যনির্ভর রচনা। - ৩৮. His train arrived exactly—
- ক. at time
- খ. in time
- গ. on time
- ঘ. due time
উত্তর: গ. on time
On time মানে ঠিক সময়ে, অর্থাৎ নির্ধারিত সময়ের এক মিনিটও আগে বা পরে নয়। তাই ট্রেন যদি নির্ধারিত সময়ে আসে, তবে বলা হয়: His train arrived exactly on time। ‘Exactly’ শব্দটি এখানে সময়ের নিখুঁত মিল বোঝাচ্ছে, যা on time-এর অর্থের সঙ্গেই মানায়।
মনে রাখুন:
In time মানে সময় থাকতে বা সময়ের মধ্যে (যেমন: I reached in time to catch the train)। আর at time বা due time ধরনের প্রয়োগ এখানে প্রচলিত নয়।
In the end মানে শেষ পর্যন্ত, আর at the end of মানে কোনো কিছুর শেষ প্রান্তে। - ৪২. Write the correct one :
- ক. The bus has left before we reached the station.
- খ. The bus had left before we reached the station.
- গ. The bus will have left before we reached the station.
- ঘ. The bus will leave before we reached the station.
উত্তর: খ. The bus had left before we reached the station.
Before দিয়ে দুটি ঘটনার ক্রম বোঝালে আগে ঘটা কাজে past perfect (had + past participle) এবং পরে ঘটা কাজে past indefinite বসে। বাসটি আগে চলে গেছে, তারপর আমরা স্টেশনে পৌঁছেছি। তাই সঠিক বাক্য: The bus had left before we reached the station। অন্য বাক্যগুলোতে has left বা will have left-এর সঙ্গে past indefinite reached মেলে না, আর will leave ভবিষ্যৎ বোঝায়।
মনে রাখুন:
Past perfect-এর গঠন: had + verb-এর past participle।
After-এর পরে সাধারণত past perfect বসে। যেমন: After the bus had left, we reached the station। - ৪৩. Let him do the sum. The passive form of the sentence is :
- ক. Let the sum be done by him.
- খ. The sum done by him.
- গ. He finished the sum.
- ঘ. It was he who done the sum.
উত্তর: ক. Let the sum be done by him.
Let দিয়ে শুরু হওয়া বাক্যের passive-এ Let + object + be + past participle ব্যবহার হয়। এখানে object হলো the sum আর কর্তা him, তাই passive: Let the sum be done by him। কর্ম the sum বাক্যের শুরুতে চলে এসেছে, আর কর্তা by-এর পরে বসেছে। অন্য অপশনগুলোতে ক্রিয়াপদ ঠিকভাবে বসেনি।
মনে রাখুন:
Do-এর past participle done। তাই ‘The sum done by him’ বা ‘who done’ ব্যাকরণসম্মত নয়।
আরেকটি উদাহরণ: Open the door-এর passive হলো Let the door be opened। - ৪৭. Each of the boys gets a prize. Here 'each' is a —
- ক. Definite Pronoun
- খ. Relative Pronoun
- গ. Indefinite Pronoun
- ঘ. Distributive Pronoun
উত্তর: ঘ. Distributive Pronoun
Pronoun-এর যে শ্রেণি একটি দলের প্রতিটি সদস্যকে আলাদা আলাদাভাবে বোঝায়, তাকে Distributive Pronoun বলে। ‘Each of the boys gets a prize’ বাক্যে each বলতে সব ছেলেকে একসঙ্গে নয়, প্রত্যেককে আলাদাভাবে বোঝানো হয়েছে। Relative pronoun আগের বিশেষ্যের সঙ্গে দুটি বাক্য জোড়ে, যেমন who ও which, আর এখানে তেমন কিছু নেই।
উদাহরণ:
Each of the girls sang a song.
Either of the two will do.
মনে রাখুন:
Each, either ও neither এই শ্রেণির উদাহরণ।
Each, either ও neither-এর পরে verb একবচন হয়। - ৫৩. The antonym of 'fatal' is :—
- ক. Constructive
- খ. Calamitous
- গ. Deadly
- ঘ. Disgusting
উত্তর: ক. Constructive
Fatal মানে প্রাণঘাতী বা মারাত্মক। অপশনগুলোর মধ্যে Calamitous (বিপর্যয়কর) ও Deadly (প্রাণঘাতী) প্রায় একই অর্থের, তাই এরা সমার্থক। Disgusting মানে ঘৃণ্য, যার সঙ্গে fatal-এর সম্পর্ক নেই। এখানে Constructive (গঠনমূলক, যা ভালো কিছু তৈরি করে) বিপরীত ভাব প্রকাশ করে, কারণ fatal ধ্বংসের দিকে আর constructive গড়ার দিকে ইঙ্গিত করে।
মনে রাখুন:
Fatal-এর সমার্থক শব্দ lethal ও mortal।
Constructive-এর সমার্থক শব্দ helpful ও productive। - ৫৪. Choose the correct one —
- ক. He is caught of flattery
- খ. He is ill of flattery
- গ. He is sick of flattery
- ঘ. He is angry of flattery
উত্তর: গ. He is sick of flattery
Be sick of মানে কোনো কিছু নিয়ে বিরক্ত বা তিতিবিরক্ত হওয়া। তাই He is sick of flattery মানে সে তোষামোদে বিরক্ত। বাকি অপশনের সঙ্গে of বসানো সঠিক নয়: caught of, ill of ও angry of প্রচলিত প্রয়োগ নয়। (Angry-এর সঙ্গে সাধারণত with বা at বসে।) ‘Flattery’ শব্দের অর্থ তোষামোদ বা মিথ্যা প্রশংসা।
মনে রাখুন:
Be tired of, be fond of ও be afraid of এরকম আরও কিছু প্রয়োগ।
Be sick of মানে অনেক সময় একই জিনিস বারবার দেখে বা শুনে বিরক্ত হওয়া। - ৫৫. Zakia kept on talking. Here 'kept on' means —
- ক. maintain
- খ. continued
- গ. carried
- ঘ. take way
উত্তর: খ. continued
Keep on doing something মানে কোনো কাজ থামিয়ে না দিয়ে চালিয়ে যাওয়া, অর্থাৎ continue। তাই Zakia kept on talking মানে Zakia কথা বলেই যাচ্ছিল। কথা বন্ধ না করে চলতে থাকাই এখানে আসল ভাব।
বাকি অপশনের অর্থ: Maintain মানে বজায় রাখা আর carry মানে বহন করা। Take way কোনো প্রচলিত phrasal verb নয়।
মনে রাখুন: Keep on-এর মতো আরও কিছু phrasal verb: go on মানে চালিয়ে যাওয়া, carry on মানে চালিয়ে যাওয়া, give up মানে ছেড়ে দেওয়া। - ৬১. Slow and steady — the race.আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৯
- ক. has won
- খ. win
- গ. wins
- ঘ. conquer
উত্তর: গ. wins
And দিয়ে দুটি শব্দ জোড়া লাগালে সাধারণত বহুবচন বোঝায় এবং verb বহুবচনের হয়। তবে দুটি শব্দ যদি একই ব্যক্তি বা একই ধারণা প্রকাশ করে, তাহলে verb একবচন (singular) হয়। ‘Slow and steady’ এক ধারণা, অর্থাৎ ধীরে ও স্থির থাকা। Present indefinite tense-এ singular subject-এর সঙ্গে verb-এ s যোগ হয়, তাই wins। প্রবাদটি হলো: Slow and steady wins the race। Has won বসালে tense বদলে যায়, আর win বা conquer বহুবচন subject-এর সঙ্গে মানায়।
মনে রাখুন:
একই ব্যক্তি বোঝালে singular verb বসে। যেমন: The poet and novelist is dead।
Bread and butter is my favourite breakfast। - ৬২. Speech is silver, but silence is—
- ক. divine
- খ. simple
- গ. golden
- ঘ. enchanting
উত্তর: গ. golden
‘Speech is silver, but silence is golden’ একটি জনপ্রিয় প্রবাদ। এর অর্থ, কথা বলা মূল্যবান হলেও চুপ থাকা আরও মূল্যবান। অনেক সময় কম কথা বলাই বুদ্ধিমানের কাজ। রুপার চেয়ে সোনা বেশি দামি, তাই প্রবাদে silver-এর বিপরীতে golden শব্দটিই বসে।
মনে রাখুন:
Silver মানে রুপা আর golden মানে সোনালি বা সোনার মতো মূল্যবান।
আরও কিছু প্রবাদ: Honesty is the best policy (সততাই সর্বোত্তম পন্থা), Time and tide wait for none (সময় কারো জন্য অপেক্ষা করে না)। - ৬৭. Choose the correct spelling—
- ক. Anounce
- খ. Announce
- গ. Announcee
- ঘ. Anounc
উত্তর: খ. Announce
Announce শব্দের সঠিক বানান A-n-n-o-u-n-c-e, যার অর্থ ঘোষণা করা। এখানে শুরুতে দুটি n থাকে, কারণ শব্দটি এসেছে লাতিন ad- উপসর্গ ও nuntiare (সংবাদ দেওয়া) থেকে। বাকি অপশনে একটি n কম আছে বা শেষে বাড়তি e আছে, তাই সেগুলো ভুল।
মনে রাখুন:
Announcement (ঘোষণা) শব্দেও দুটি n থাকে। Pronounce শব্দে আবার একটি n থাকে, তাই সাবধান।
আরও কিছু সমগোত্রীয় শব্দ: announcer মানে ঘোষক, denounce মানে নিন্দা করা, renounce মানে ত্যাগ করা। - ৬৮. They— at least an hour ago.
- ক. might have arrived
- খ. ought to arrive
- গ. should arrive
- ঘ. must have arrived
উত্তর: ঘ. must have arrived
Must have + past participle ব্যবহার হয় যখন অতীতের কোনো ঘটনা সম্পর্কে নিশ্চিত অনুমান করা হয়। ‘at least an hour ago’ থেকে একটা জোরালো ধারণা পাওয়া যায় যে তারা অন্তত এক ঘণ্টা আগে পৌঁছে গেছে, তাই must have arrived বসে। Might have শুধু সম্ভাবনা বোঝায়, জোর কম থাকে।
মনে রাখুন:
Ought to এবং should arrive ভবিষ্যৎ বা বর্তমান বোঝায়, অতীত ঘটনা নয়।
অতীত সম্পর্কে অনুমানে: must have + past participle মানে নিশ্চিত অনুমান, may/might have + past participle মানে সম্ভাবনা, আর can’t have + past participle মানে অসম্ভব। - ৭৫. 'All at once' means :
- ক. suddenly
- খ. gradually
- গ. slowly
- ঘ. quickly
উত্তর: ক. suddenly
All at once মানে হঠাৎ করে বা এক মুহূর্তে। তাই এর সমার্থক শব্দ suddenly। এই বাক্যাংশে একই সঙ্গে সবাই মিলে বোঝানোর ভাবও থাকে, তবে অপশনগুলোর মধ্যে suddenly-ই কাছাকাছি। Gradually, slowly ও quickly কোনোটিই আকস্মিকতা বোঝায় না।
মনে রাখুন:
Gradually মানে ধীরে ধীরে, slowly মানে আস্তে আর quickly মানে দ্রুত। এগুলোর কোনোটিই হঠাৎ ঘটা ঘটনা বোঝায় না।
Suddenly-এর আরেকটি সমার্থক বাক্যাংশ all of a sudden। - ৭৯. — they met us nor we met them.
- ক. Nor
- খ. Neither
- গ. If
- ঘ. Either
উত্তর: খ. Neither
Neither … nor জোড়ায় দুটি বিষয়কেই নেতিবাচকভাবে বোঝানো হয়। বাক্যের মাঝখানে nor আছে, তাই শুরুতে neither বসবে: Neither they met us nor we met them। Nor শুরুতে বসালে আবার nor লাগবে না, আর if বা either এই অর্থ প্রকাশ করে না।
মনে রাখুন:
Either … or দিয়ে দুটির মধ্যে একটিকে বোঝায়, তাই সেটি এখানে খাটে না।
Neither … nor-এ দুটি অংশই নেতিবাচক, তাই এর সঙ্গে আর কোনো not বসে না। - ৮১. Write down the correct sentence :
- ক. Tell me why have you come here?
- খ. What time did you go to bed last night?
- গ. Why you are angry with me?
- ঘ. When you passed your Diploma Examination?
উত্তর: খ. What time did you go to bed last night?
Last night অতীত সময় বোঝায়, তাই প্রশ্নে past indefinite tense ব্যবহার হবে। Wh-question-এর গঠন: Wh-word + did + subject + verb-এর মূল রূপ। তাই সঠিক বাক্য: What time did you go to bed last night? এখানে did থাকায় main verb go মূল রূপেই থাকে, went হয় না।
বাকি অপশন ভুল: Tell me why have you come here-তে প্রশ্নের গঠন ঠিক নেই, সঠিক রূপ Tell me why you have come here। Why you are angry এবং When you passed-এও auxiliary verb আগে বসেনি।
মনে রাখুন: Wh-word-এর পরে auxiliary verb আগে এবং subject পরে বসে। কিন্তু কোনো বাক্যের ভেতরে প্রশ্ন বসলে (indirect question) subject আগে আসে, যেমন: I know where he lives। - ৮৮. When water— it transforms into ice.
- ক. would freeze
- খ. will freeze
- গ. freezes
- ঘ. frozen
উত্তর: গ. freezes
চিরন্তন সত্য বা বৈজ্ঞানিক সত্য বোঝাতে present indefinite tense ব্যবহার হয়। পানি জমে বরফ হওয়া একটি বৈজ্ঞানিক সত্য, তাই When water freezes, it transforms into ice। Would freeze শর্তসাপেক্ষ অনুমান বোঝায় আর frozen কেবল past participle, তাই ক্রিয়ার রূপ হিসেবে এখানে মেলে না।
মনে রাখুন:
When-যুক্ত অংশে সাধারণত future tense বসে না, তাই will freeze ভুল।
আরও বৈজ্ঞানিক সত্য: Water boils at 100°C। The sun rises in the east।
বাংলাদেশ
- ১২. 'কান্তজীউ মন্দির' কোন জেলায় অবস্থিত?
- ক. জয়পুরহাট
- খ. কুমিল্লা
- গ. রাঙ্গামাটি
- ঘ. দিনাজপুর
উত্তর: ঘ. দিনাজপুর
কান্তজীউ মন্দির দিনাজপুর জেলায় অবস্থিত। এটি পোড়ামাটির অলংকরণে সাজানো ইটের মন্দির। দিনাজপুর শহর থেকে প্রায় ১৯ কিলোমিটার উত্তরে কান্তনগর এলাকায় এটি দাঁড়িয়ে আছে। দিনাজপুরের মহারাজা প্রাণনাথ ১৭০৪ সালে এর নির্মাণ শুরু করেন। তাঁর দত্তকপুত্র রামনাথ ১৭২২ সালে কাজ শেষ করেন। মন্দিরটি আসলে তিনতলা ছিল, তবে ১৮৯৭ সালের ভূমিকম্পে এর চূড়ার অংশ ভেঙে যায়।
মনে রাখুন:
মন্দিরের গায়ে রামায়ণ, মহাভারত ও কৃষ্ণলীলার নানা দৃশ্য পোড়ামাটির ফলকে আঁকা আছে।
নওগাঁর পাহাড়পুরের সোমপুর মহাবিহার ও বাগেরহাটের ষাটগম্বুজ মসজিদ ইউনেস্কো স্বীকৃত বিশ্বঐতিহ্য স্থান। - ১৪. বাংলাদেশে স্থানীয় সরকারের সর্বনিম্ন স্তর কোনটি?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৯
- ক. উপজেলা পরিষদ
- খ. জেলা পরিষদ
- গ. পৌরসভা
- ঘ. ইউনিয়ন পরিষদ
উত্তর: ঘ. ইউনিয়ন পরিষদ
বাংলাদেশে গ্রামাঞ্চলের স্থানীয় সরকারের তিনটি স্তর আছে: ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদ। এর মধ্যে সবচেয়ে নিচের স্তর হলো ইউনিয়ন পরিষদ। জনগণ সরাসরি ভোট দিয়ে এর একজন চেয়ারম্যান এবং ওয়ার্ড অনুযায়ী সদস্যদের নির্বাচিত করে। কয়েকটি গ্রাম নিয়ে এক একটি ওয়ার্ড হয়। কয়েকটি ইউনিয়ন মিলে হয় একটি উপজেলা, আর কয়েকটি উপজেলা মিলে একটি জেলা।
মনে রাখুন:
ইউনিয়ন পরিষদে ১ জন চেয়ারম্যান, ৯ জন সাধারণ সদস্য এবং ৩ জন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য থাকেন।
শহরাঞ্চলে স্থানীয় সরকার হলো পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন। - ১৭. বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি কোন জেলায় অবস্থিত?
- ক. ফরিদপুর
- খ. সিলেট
- গ. রংপুর
- ঘ. দিনাজপুর
উত্তর: ঘ. দিনাজপুর
বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলায় অবস্থিত। ১৯৮৫ সালে ভূতাত্ত্বিক জরিপে এখানে কয়লার সন্ধান মেলে। এটি বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র চালু কয়লা খনি, যেখান থেকে মাটির নিচের ভূগর্ভস্থ পদ্ধতিতে কয়লা তোলা হয়। এই কয়লা কাছের বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ব্যবহার করা হয়। অন্য অপশনের ফরিদপুর, সিলেট ও রংপুরে এই খনি নেই, যদিও রংপুরে আলাদা একটি কয়লা ক্ষেত্র আছে।
মনে রাখুন:
জামালগঞ্জ (জয়পুরহাট), দীঘিপাড়া (দিনাজপুর) ও খালাশপীর (রংপুর) বাংলাদেশের অন্যান্য কয়লা ক্ষেত্র।
দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতেও কয়লার মজুত আছে। - ৩৪. 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' গানটির গীতিকার কে?আরও এসেছে: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার ২০১৬
- ক. আজাদ রহমান
- খ. আবদুল গাফফার চৌধুরী
- গ. আলতাফ মাহমুদ
- ঘ. আবু মোস্তফা কামাল
উত্তর: খ. আবদুল গাফফার চৌধুরী
‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানটির কথা লিখেছেন সাংবাদিক ও সাহিত্যিক আবদুল গাফফার চৌধুরী। ভাষা আন্দোলনের শহিদদের স্মরণে ১৯৫২ সালে লেখা এই গানটির বর্তমান জনপ্রিয় সুর করেছেন শহিদ আলতাফ মাহমুদ, যিনি মুক্তিযুদ্ধে শহিদ হন। এ কারণে প্রশ্নের উত্তর গীতিকারের নাম, সুরকারের নয়।
মনে রাখুন:
এটি একুশের সবচেয়ে বিখ্যাত গান এবং প্রতি বছর শহিদ মিনারে এই গান গেয়েই শ্রদ্ধা জানানো হয়।
আবদুল গাফফার চৌধুরী ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো’ গানের জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত। - ৩৬. বাংলাদেশের একমাত্র মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র কোনটি?
- ক. গোমতী নদী
- খ. রূপসা নদী
- গ. হালদা নদী
- ঘ. গড়াই নদী
উত্তর: গ. হালদা নদী
হালদা নদী চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চল থেকে নেমে এসে কর্ণফুলী নদীতে মিশেছে। এটি দেশের একমাত্র নদী, যেখানে প্রাকৃতিকভাবে রুই, কাতলা ও মৃগেল জাতীয় কার্পজাতীয় মাছ ডিম ছাড়ে। বর্ষার সময় বিশেষ এক জোয়ারের দিনে মা মাছেরা ডিম ছাড়ে, আর জেলেরা সেই ডিম সংগ্রহ করে হ্যাচারিতে ফোটায়। এ কারণে হালদাকে বাংলাদেশের মৎস্য প্রজননের প্রধান ক্ষেত্র বলা হয়।
মনে রাখুন:
হালদা নদী হাটহাজারী, রাউজান ও ফটিকছড়ি উপজেলার ওপর দিয়ে বয়ে গেছে।
অন্য অপশনের গোমতী, রূপসা ও গড়াই নদীতে এমন প্রাকৃতিক প্রজনন হয় না।
হালদার ডিম থেকে পাওয়া রেণু পোনা সারা দেশের মাছ চাষে ব্যবহার হয়। - ৪১. কত তারিখে বঙ্গবিভাগ রদ ঘোষণা করা হয়?
- ক. ৫ ডিসেম্বর ১৯১১
- খ. ১২ ডিসেম্বর ১৯১১
- গ. ১৬ ডিসেম্বর ১৯১১
- ঘ. ২০ ডিসেম্বর ১৯১১
উত্তর: খ. ১২ ডিসেম্বর ১৯১১
১৯০৫ সালে লর্ড কার্জন বঙ্গভঙ্গ করেন। হিন্দু সম্প্রদায়ের জোরালো আন্দোলনের মুখে ব্রিটিশ সরকার পিছু হটে। ১৯১১ সালের ১২ ডিসেম্বর দিল্লির দরবারে সম্রাট পঞ্চম জর্জ বঙ্গভঙ্গ রদের কথা ঘোষণা করেন। এই বছরই ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লিতে সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়। অন্য তারিখগুলো এই ঘোষণার দিন নয়।
মনে রাখুন:
১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর বঙ্গভঙ্গ কার্যকর হয় এবং ঢাকাকে রাজধানী করে পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ গঠিত হয়।
বঙ্গভঙ্গ রদের সময় ভারতের বড়লাট ছিলেন লর্ড হার্ডিঞ্জ।
১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় বাংলা আবার দুই ভাগ হয়। - ৪৪. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রথম প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
- ক. জনাব এ এইচ এম কামারুজ্জামান
- খ. ক্যাপ্টেন (অব.) এম মনসুর আলী
- গ. জনাব তাজউদ্দীন আহমেদ
- ঘ. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
উত্তর: গ. জনাব তাজউদ্দীন আহমেদ
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়। এই সরকার শপথ নেয় ১৭ এপ্রিল, মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় (পরে নাম হয় মুজিবনগর)। এই সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ। অন্য অপশনের তিনজনও এই সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন, তবে তাঁরা প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না।
মনে রাখুন:
অন্য মন্ত্রীরা ছিলেন ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামারুজ্জামান।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন খন্দকার মোশতাক আহমদ।
মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন কর্নেল (পরে জেনারেল) এম এ জি ওসমানী। - ৪৬. বাংলাদেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
- ক. কক্সবাজার
- খ. চট্টগ্রাম
- গ. খুলনা
- ঘ. পটুয়াখালী
উত্তর: ঘ. পটুয়াখালী
বাংলাদেশের তিনটি সমুদ্রবন্দর: চট্টগ্রাম, মোংলা ও পায়রা। চট্টগ্রাম সবচেয়ে বড় এবং মোংলা দ্বিতীয়। তৃতীয় সমুদ্রবন্দর পায়রা পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলায় রাবনাবাদ চ্যানেলের তীরে অবস্থিত। কক্সবাজার বা খুলনা জেলায় এই তিনটির কোনোটি নেই। মোংলা বন্দর বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত। এই বন্দরটি পশুর নদীর তীরে গড়ে উঠেছে।
মনে রাখুন:
চট্টগ্রাম বন্দর কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত।
কক্সবাজারের মাতারবাড়ীতে গভীর সমুদ্রবন্দর গড়ে তোলার কাজ হচ্ছে। - ৫০. বাংলাদেশের অস্ত্র কারখানা কোথায় অবস্থিত?
- ক. গাজীপুর
- খ. কালুরঘাট
- গ. টেকনাফ
- ঘ. বান্দরবান
উত্তর: ক. গাজীপুর
বাংলাদেশ অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরি (Bangladesh Ordnance Factory) গাজীপুরে অবস্থিত। এখানে সেনাবাহিনী ও অন্যান্য বাহিনীর জন্য অস্ত্র ও গোলাবারুদ তৈরি হয়। ১৯৭০ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। গাজীপুর ঢাকার উত্তরে অবস্থিত একটি শিল্পপ্রধান জেলা। কালুরঘাট, টেকনাফ ও বান্দরবানে এই কারখানা নেই।
মনে রাখুন:
গাজীপুরে ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাফারি পার্ক আছে। - ৫৯. বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবনের নাম কী?
- ক. বঙ্গভবন
- খ. রাষ্ট্রপতি ভবন
- গ. গণভবন
- ঘ. উত্তরাভবন
উত্তর: ক. বঙ্গভবন
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবনের নাম বঙ্গভবন। এটি ঢাকার দিলকুশা এলাকায় অবস্থিত। ব্রিটিশ আমলে এই ভবন বাংলার গভর্নরের বাসভবন ছিল এবং তখন তার নাম ছিল গভর্নর হাউস। গণভবন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও বাসভবন, রাষ্ট্রপতির নয়। আর ‘রাষ্ট্রপতি ভবন’ ও ‘উত্তরাভবন’ নামে বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতির বাসভবন নেই।
মনে রাখুন:
প্রধানমন্ত্রীর সরকারি কার্যালয় ও বাসভবন ঢাকার গণভবনে (পূর্বের নাম রাজপ্রাসাদ), আর ঢাকার শের-ই-বাংলা নগরে আছে জাতীয় সংসদ ভবন।
জাতীয় সংসদ ভবনের নকশাকার স্থপতি লুই কান। - ৬৯. রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ইউনিট-১ এর উৎপাদন ক্ষমতা কত?
- ক. 300 MW
- খ. 800 MW
- গ. 1000 MW
- ঘ. 1200 MW
উত্তর: ঘ. 1200 MW
পাবনার ঈশ্বরদীতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি হচ্ছে। এখানে দুটি ইউনিট, প্রতিটির উৎপাদন ক্ষমতা ১২০০ মেগাওয়াট (MW)। অর্থাৎ ইউনিট-১ এর ক্ষমতা 1200 MW, আর দুই ইউনিট মিলে মোট 2400 MW। রাশিয়া এই কেন্দ্র নির্মাণে সহায়তা করছে। অন্য অপশনের 300, 800 বা 1000 MW এই কেন্দ্রের ইউনিটের ক্ষমতা নয়।
মনে রাখুন:
এটি বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
কেন্দ্রটি পদ্মা নদীর তীরে অবস্থিত।
রিঅ্যাক্টরের ধরন VVER-1200, যা রুশ প্রযুক্তির। - ৭৩. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের মূলনীতি কয়টি?
- ক. ৪টি
- খ. ৫টি
- গ. ৮টি
- ঘ. ১০টি
উত্তর: ক. ৪টি
বাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতি চারটি: জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা। ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানে এই চারটি নীতি ছিল। সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে এই রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বর্ণিত আছে। অন্য অপশনের পাঁচ, আট বা দশ সংখ্যক নীতি মূল সংবিধানে ছিল না।
মনে রাখুন:
সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর কার্যকর হয়।
সংবিধানের প্রথম ভাগে প্রজাতন্ত্র, দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি এবং তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকার আছে। - ৮৩. 'উত্তরা গণভবন' কোন জেলায় অবস্থিত?
- ক. নাটোর
- খ. রাজশাহী
- গ. ময়মনসিংহ
- ঘ. পাবনা
উত্তর: ক. নাটোর
দিঘাপাতিয়া রাজবাড়ির অন্য নাম উত্তরা গণভবন। এটি নাটোর শহরের কাছে অবস্থিত, যা দিঘাপাতিয়ার রাজাদের প্রাসাদ ছিল। এটি উত্তরাঞ্চলের সরকারি বাসভবন হিসেবেও পরিচিত। এটি নাটোর শহর থেকে প্রায় আড়াই কিলোমিটার দূরে। তাই রাজশাহী, ময়মনসিংহ বা পাবনা নয়, নাটোরই এর সঠিক অবস্থান।
মনে রাখুন:
নাটোরের আরেকটি বিখ্যাত স্থাপনা নাটোর রাজবাড়ি।
নাটোর রাজবাড়ির সঙ্গে রানী ভবানীর নাম জড়িয়ে আছে। তিনি জমিদার হিসেবে জনহিতকর কাজের জন্য বিখ্যাত ছিলেন।
নাটোর বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের একটি জেলা।
কম্পিউটার ও আইসিটি
- ৩৭. ভিওআইপি (VOIP) এর পূর্ণরূপ কোনটি?
- ক. ভয়েস অন ইন্টারনেট প্রসেস
- খ. ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রসেস
- গ. ভয়েস অন ইন্টারনেট প্রটোকল
- ঘ. ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রটোকল
উত্তর: ঘ. ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রটোকল
VoIP-এর পূর্ণরূপ Voice over Internet Protocol। এই প্রযুক্তিতে কণ্ঠস্বরকে ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তর করে ইন্টারনেটের মাধ্যমে পাঠানো হয়, ফলে সাধারণ টেলিফোন লাইন ছাড়াই কম খরচে বিদেশে কথা বলা যায়। অন্য অপশনগুলোতে Process শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে, কিন্তু ঠিক শব্দটি Protocol।
মনে রাখুন:
Skype, WhatsApp কল, Messenger কল VoIP প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
Protocol মানে নিয়মকানুন, যার মাধ্যমে দুটি যন্ত্র একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করে।
IP-এর পূর্ণরূপ Internet Protocol।
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর: অন্যান্য পরীক্ষা
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিদ্যুৎ বিভাগ বিদ্যুৎ পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন