প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ৩ নভেম্বর ২০১৭। ৯৯টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →ইংরেজি
- ১. Which of the following is not the synonym of 'friendly'?
- ক. amicable
- খ. intimate
- গ. hostile
- ঘ. close
উত্তর: গ. hostile
Friendly মানে বন্ধুত্বপূর্ণ বা সৌহার্দ্যপূর্ণ, অর্থাৎ যে মানুষ বা আচরণ অন্যের সঙ্গে সহজে মিশতে পারে। Amicable (সৌহার্দ্যপূর্ণ), intimate (ঘনিষ্ঠ) আর close (কাছের, ঘনিষ্ঠ) তিনটি শব্দই এর কাছাকাছি অর্থ বোঝায়। কিন্তু Hostile মানে শত্রুভাবাপন্ন, অর্থাৎ এটি friendly-এর ঠিক উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। প্রশ্নে বলা হয়েছে সমার্থক নয় এমন শব্দটি বেছে নিতে হবে, তাই উত্তর হলো hostile।
মনে রাখুন:
Friendly-এর আরও সমার্থক শব্দ: cordial, genial, affable।
Friendly-এর বিপরীত শব্দ: hostile, unfriendly, antagonistic।
Hostility শব্দের অর্থ শত্রুতা। - ২. To complete the sentence: This is an exception — the rule, we need.
- ক. to
- খ. for
- গ. on
- ঘ. at
উত্তর: ক. to
কোনো নিয়মের ব্যতিক্রম বোঝাতে আমরা exception to the rule বলি। Exception শব্দটির পরে সব সময় preposition হিসেবে to বসে, for, on বা at বসে না। প্রশ্নের বাক্যটি তাই This is an exception to the rule, we need হবে। ইংরেজিতে কিছু noun-এর সঙ্গে নির্দিষ্ট preposition বসে, এটি সেই নিয়মেরই একটি উদাহরণ।
উদাহরণ:
This is an exception to the rule.
Every rule has an exception.
মনে রাখুন:
Exception to, reason for, cause of, solution to, key to।
Exception শব্দের সঙ্গে take exception to মানে আপত্তি করা। - ৩. The verb form of the word 'danger' is —আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০২২
- ক. indanger
- খ. endanger
- গ. andanger
- ঘ. misdanger
উত্তর: খ. endanger
Danger একটি noun, যার অর্থ বিপদ। এর আগে en- উপসর্গ (Prefix) যোগ করলে endanger হয়, যার অর্থ বিপদে ফেলা, আর এটি একটি verb। Indanger, andanger বা misdanger নামে ইংরেজিতে কোনো শব্দই নেই। ইংরেজিতে এভাবে অনেক noun বা adjective-এর আগে en- বা em- বসিয়ে verb তৈরি করা হয়।
উদাহরণ: Pollution can endanger our health.
মনে রাখুন:
en- যোগ করে verb তৈরি হয় এমন আরও শব্দ: enable, enrich, enlarge, encourage।
Danger-এর adjective রূপ dangerous, অর্থাৎ বিপজ্জনক। - ৪. Fill up the blank of the following sentence : My mother gave me — one-taka note.
- ক. a
- খ. an
- গ. the
- ঘ. no article
উত্তর: ক. a
আমরা a বা an বসাই শব্দের বানানের প্রথম অক্ষর দেখে নয়, বরং উচ্চারণের প্রথম ধ্বনি দেখে। One শব্দটির উচ্চারণ ‘ওয়ান’, অর্থাৎ শুরুতে ‘ওয়’ ধ্বনি আছে, যা ব্যঞ্জনধ্বনির মতো কাজ করে। তাই এর আগে an নয়, a বসে, আর বাক্যটি হয় My mother gave me a one-taka note। এখানে the বসানো যায় না, কারণ কোনো নির্দিষ্ট নোটের কথা বলা হয়নি।
মনে রাখুন:
স্বরধ্বনি দিয়ে উচ্চারণ শুরু হলে an বসে, যেমন an hour, an honest man।
ব্যঞ্জনধ্বনি দিয়ে উচ্চারণ শুরু হলে a বসে, যেমন a university, a European, a one-eyed man। - ৫. The synonym of 'active' is —
- ক. mature
- খ. passive
- গ. busy
- ঘ. averse
উত্তর: গ. busy
Active মানে সক্রিয়, অর্থাৎ যে কাজে ব্যস্ত বা তৎপর থাকে। এই কারণে এর কাছাকাছি অর্থের শব্দ busy। অন্য শব্দগুলোর অর্থ আলাদা: Mature মানে পরিণত বা পরিপক্ব, Passive মানে নিষ্ক্রিয় (এটি active-এর বিপরীত শব্দ), আর Averse মানে বিমুখ বা অনিচ্ছুক।
মনে রাখুন:
Active-এর আরও সমার্থক শব্দ: energetic, lively, dynamic, agile।
Active-এর বিপরীত শব্দ: passive, inactive, idle, sluggish। - ৬. The opposite word of 'violence' is —
- ক. discord
- খ. harmony
- গ. sympathy
- ঘ. conflict
উত্তর: খ. harmony
Violence মানে সহিংসতা বা হিংস্রতা। এর উল্টো ভাব হলো শান্তি ও সম্প্রীতি, যা বোঝায় harmony শব্দটি, অর্থাৎ মিল বা সমন্বয়। বাকি শব্দগুলোর অর্থ আলাদা: Discord মানে অমিল বা ঝগড়া, Sympathy মানে সহানুভূতি, আর Conflict মানে সংঘাত, যা বরং violence-এর কাছাকাছি। তাই বিপরীত শব্দ হিসেবে একমাত্র harmony-ই মেলে।
মনে রাখুন:
Violence-এর সমার্থক শব্দ: brutality, ferocity, force।
Violence-এর বিপরীত শব্দ: peace, gentleness, harmony।
Violent শব্দটি adjective, অর্থাৎ হিংস্র বা প্রচণ্ড। - ৭. To complete the sentence 'Call — a doctor', we need —
- ক. for
- খ. at
- গ. in
- ঘ. by
উত্তর: গ. in
ডাক্তারকে ডেকে আনা বোঝাতে call in a doctor বলা হয়, কারণ call in মানে কাউকে সাহায্যের জন্য ডেকে আনা। অন্য preposition-গুলো এখানে বসলে অর্থ বদলে যায়। Call at মানে কোথাও অল্প সময়ের জন্য যাওয়া, call by মানে যাওয়ার পথে দেখা করে যাওয়া, আর call for মানে কিছু দাবি করা বা চাওয়া। এ ধরনের verb আর preposition মিলিয়ে তৈরি শব্দগুচ্ছকে Phrasal Verb বলে।
উদাহরণ:
Call in the police.
Call for help.
Call at his house.
মনে রাখুন: Call off মানে বাতিল করা, call up মানে ফোন করা বা ডেকে পাঠানো। - ৮. The adjective form of the word 'agree' is —
- ক. agree
- খ. disagree
- গ. agreement
- ঘ. agreeable
উত্তর: ঘ. agreeable
Agree একটি verb, যার অর্থ একমত হওয়া। এর adjective রূপ agreeable, অর্থাৎ সম্মত বা মনোরম। Agreement হলো noun, যার অর্থ চুক্তি বা ঐক্য, আর disagree হলো agree-এর বিপরীত অর্থের verb। তাই চারটি অপশনের মধ্যে কেবল agreeable-ই adjective।
মনে রাখুন:
এই ধরনের আরও রূপান্তর: comfort (noun) থেকে comfortable (adjective), reason থেকে reasonable, enjoy থেকে enjoyable।
Agree-এর noun রূপ agreement। - ৯. In the sentence 'copying is prohibited in the examination.' 'Copying' is a/an—
- ক. noun
- খ. adjective
- গ. adverb
- ঘ. verb
উত্তর: ক. noun
Copying শব্দটি এসেছে copy ক্রিয়া থেকে। তবে এই বাক্যে এটি is prohibited-এর কর্তা হিসেবে বসেছে, অর্থাৎ এটি এখানে একটি নামের মতো কাজ করছে। যে verb-এর সঙ্গে -ing যোগ হয়ে noun-এর মতো কাজ করে, তাকে Gerund বলে। তাই এখানে Copying একটি noun, বাক্যটির অর্থ পরীক্ষায় নকল করা নিষিদ্ধ।
উদাহরণ: Swimming is a good exercise.
মনে রাখুন:
Gerund আর Present Participle দেখতে একই, কিন্তু Gerund noun-এর মতো কাজ করে।
Present Participle বিশেষণের মতো কাজ করে বা continuous tense তৈরি করে, যেমন a running horse। - ১০. To complete the sentence 'I was there that time' we need—
- ক. in
- খ. at
- গ. by
- ঘ. on
উত্তর: খ. at
নির্দিষ্ট সময়ের বিন্দু বোঝাতে at বসে, তাই ‘সেই সময়ে’ বোঝাতে at that time বলা হয়। অর্থাৎ বাক্যটি হবে I was there at that time। In বা on এখানে ঠিক নয়, কারণ সেগুলো যথাক্রমে বড় সময়কাল এবং নির্দিষ্ট দিনের আগে বসে। By বসলে অর্থ দাঁড়ায় ‘ওই সময়ের মধ্যে’, যা এখানে মানায় না।
মনে রাখুন:
ঘড়ির সময় ও মুহূর্তের আগে at বসে: at 5 o'clock, at noon, at night।
দিন ও তারিখের আগে on বসে: on Friday, on 21 February।
মাস, ঋতু ও বছরের আগে in বসে: in July, in winter, in 2017। - ১১. The drama 'Macbeth' was written by—আরও এসেছে: গণপূর্ত অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) ২০১৭
- ক. G.B. Shaw
- খ. William Shakespeare
- গ. Ben Jonson
- ঘ. Christopher Marlowe
উত্তর: খ. William Shakespeare
Macbeth নাটকটির রচয়িতা উইলিয়াম শেক্সপিয়র (William Shakespeare)। এটি তাঁর বিখ্যাত চারটি ট্র্যাজেডির একটি, যেখানে ক্ষমতার লোভ একজন বীরকে কীভাবে ধ্বংস করে তা দেখানো হয়েছে। শেক্সপিয়রকে অনেকে Bard of Avon নামেও ডাকেন, কারণ তাঁর জন্ম ইংল্যান্ডের স্ট্রাটফোর্ড-আপন-অ্যাভনে। অন্য লেখকদের মধ্যে বেন জনসন ও ক্রিস্টোফার মার্লো শেক্সপিয়রের সমসাময়িক নাট্যকার ছিলেন, কিন্তু Macbeth তাঁদের লেখা নয়।
মনে রাখুন:
শেক্সপিয়রের চার ট্র্যাজেডি: Hamlet, Othello, King Lear, Macbeth।
বার্নার্ড শ (G.B. Shaw) লিখেছেন Pygmalion ও Man and Superman।
মার্লোর বিখ্যাত নাটক Doctor Faustus। - ১২. Who of the following is not a poet?
- ক. William Wordsworth
- খ. Charles Dickens
- গ. John Keats
- ঘ. Alfred Tennyson
উত্তর: খ. Charles Dickens
Charles Dickens ছিলেন একজন ঔপন্যাসিক, কবি নন। ভিক্টোরীয় যুগের এই লেখকের বিখ্যাত উপন্যাস David Copperfield, Oliver Twist ও A Tale of Two Cities। অন্যদিকে Wordsworth, Keats ও Tennyson তিনজনই ইংরেজি সাহিত্যের নামকরা কবি। প্রশ্নে কবি নয় এমন ব্যক্তিকে খুঁজতে বলা হয়েছে, তাই উত্তর Dickens।
মনে রাখুন:
Wordsworth রোমান্টিক যুগের প্রকৃতিপ্রেমী কবি, তাঁর বিখ্যাত কবিতা Daffodils।
Keats লিখেছেন Ode to a Nightingale, আর Tennyson লিখেছেন In Memoriam।
Dickens-এর আরও উপন্যাস: Great Expectations, Hard Times। - ১৩. Which of the following words is not related to crying?
- ক. weeping
- খ. stinking
- গ. lamenting
- ঘ. screaming
উত্তর: খ. stinking
Weeping মানে কাঁদা, lamenting মানে বিলাপ করা বা শোক প্রকাশ করা, আর screaming মানে ভয় বা কষ্টে চিৎকার করে ওঠা। তিনটি শব্দেই কান্না বা আর্তনাদের ভাব আছে। কিন্তু Stinking মানে দুর্গন্ধ ছড়ানো, যার সঙ্গে কান্নার কোনো সম্পর্ক নেই। তাই প্রশ্নের উত্তর stinking।
মনে রাখুন:
কান্না বোঝায় এমন আরও শব্দ: sob (ফুঁপিয়ে কাঁদা), wail (বিলাপ করা), whimper (কাতরভাবে কাঁদা)।
Stink-এর সমার্থক শব্দ smell, reek। - ১৫. The phrase 'out and out' means—
- ক. thoroughly
- খ. not at all
- গ. at the end
- ঘ. always
উত্তর: ক. thoroughly
Out and out একটি idiom, যার অর্থ সম্পূর্ণরূপে বা আগাগোড়া, অর্থাৎ thoroughly। যেমন an out and out liar মানে আপাদমস্তক মিথ্যাবাদী। অন্য অর্থগুলো আলাদা শব্দগুচ্ছের: Not at all মানে মোটেই না, At the end মানে শেষে বা অবশেষে, আর Always মানে সর্বদা। এগুলো out and out-এর অর্থের সঙ্গে মেলে না।
উদাহরণ: He is an out and out gentleman.
মনে রাখুন:
Out and out-এর আরও সমার্থক শব্দ: completely, utterly, totally।
Out of the blue মানে হঠাৎ বা অপ্রত্যাশিতভাবে। - ১৬. People from all walks of life all ended the meaning. The underlined words is a/an— (underlined: walks)
- ক. adjective
- খ. verb
- গ. noun
- ঘ. adverb
উত্তর: গ. noun
বাক্যে all walks of life একটি পরিচিত শব্দগুচ্ছ, যার অর্থ সমাজের সব স্তর বা পেশা। এখানে all হলো determiner, আর of শব্দটি preposition। Determiner-এর পরে এবং preposition-এর আগে যে শব্দ বসে, সে সাধারণত noun হয়। তাই walks এখানে noun, অর্থাৎ পেশা বা স্তর। বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায় সমাজের সব স্তরের মানুষ।
মনে রাখুন:
Walk শব্দটি verb হিসেবেও ব্যবহার হয়, যেমন He walks daily, কিন্তু এই বাক্যে এটি noun।
একই অর্থে people from all walks of life বা people of all classes বলা যায়। - ১৭. The word 'solar' is related to—আরও এসেছে: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পিটিআই ইন্সট্রাক্টর (শিক্ষাবিজ্ঞানসহ) ২০১৯
- ক. earth
- খ. moon
- গ. star
- ঘ. sun
উত্তর: ঘ. sun
Solar শব্দটি লাতিন sol থেকে এসেছে, যার অর্থ সূর্য। তাই solar মানে সৌর বা সূর্যসংক্রান্ত। যেমন solar energy মানে সৌরশক্তি, আর solar system মানে সৌরজগৎ। Earth, moon বা star এর কোনোটির সঙ্গে solar শব্দটি সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখুন:
Lunar মানে চন্দ্রসংক্রান্ত (moon-এর সঙ্গে সম্পর্কিত)।
Stellar মানে নক্ষত্রসংক্রান্ত (star-এর সঙ্গে সম্পর্কিত)।
Terrestrial মানে পৃথিবীসংক্রান্ত। - ১৮. Oncology means a doctor who treats—
- ক. kidney diseases
- খ. stomach diseases
- গ. cancer
- ঘ. brain diseases
উত্তর: গ. cancer
Oncology হলো চিকিৎসাবিজ্ঞানের সেই শাখা, যেখানে ক্যানসার ও টিউমারের কারণ, নির্ণয় ও চিকিৎসা নিয়ে কাজ হয়। এই শাখার চিকিৎসককে বলা হয় oncologist। প্রশ্নে doctor-এর কথা বলা থাকলেও বিষয়টি cancer, তাই অন্য অঙ্গের রোগের শাখাগুলো এখানে মেলে না।
মনে রাখুন:
Cardiology হলো হৃদরোগ বিষয়ক শাখা, Nephrology কিডনি বিষয়ক শাখা।
Neurology স্নায়ুতন্ত্র ও মস্তিষ্ক বিষয়ক শাখা।
Gastroenterology পরিপাকতন্ত্র বা পেটের রোগ বিষয়ক শাখা। - ১৯. Find out the correct sentence :
- ক. It is raining since four days.
- খ. It has been raining for four days.
- গ. It is raining for four days.
- ঘ. It has been raining since four days.
উত্তর: খ. It has been raining for four days.
কাজটি অতীতে শুরু হয়ে এখনও চলছে, তাই এখানে Present Perfect Continuous Tense বসে (has been raining)। সময়ের পরিমাণ, যেমন four days, বোঝাতে for বসে। অন্যদিকে নির্দিষ্ট শুরুর সময় বোঝাতে since বসে। তাই It has been raining for four days সঠিক বাক্য। Since four days বলা ভুল, কারণ four days একটি সময়ের পরিমাণ। আবার It is raining since বা for বলা ভুল, কারণ চলমান কাজের সঙ্গে সময়কাল বোঝাতে Present Continuous নয়, Present Perfect Continuous বসে।
উদাহরণ:
He has been ill for a week.
He has been ill since Monday.
মনে রাখুন: Since-এর পরে বসে সময়ের বিন্দু, যেমন since 2010, since morning। For-এর পরে বসে সময়ের দৈর্ঘ্য, যেমন for two years। - ২০. The correct translation of the sentence 'সে কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে গেল' is—
- ক. He found himself at his witt's end
- খ. He found himself at his wits' end
- গ. He found himself at witts' end
- ঘ. He found himself at wit's end
উত্তর: খ. He found himself at his wits' end
‘কিংকর্তব্যবিমূঢ়’ অর্থাৎ কী করা উচিত বুঝতে না পারা অবস্থাকে ইংরেজিতে বলে at one's wits' end। এখানে wit মানে বুদ্ধি, আর শব্দটি বহুবচন wits হয়ে এর শেষে apostrophe বসে (wits')। সঙ্গে one's-এর জায়গায় সর্বনাম (his) থাকতে হয়। তাই সঠিক রূপ at his wits' end। বাকি অপশনগুলোতে wit বা wits-এর বানান ও apostrophe-র ব্যবহার ঠিক নেই।
উদাহরণ: After the loss, he was at his wits' end.
মনে রাখুন: Wit শব্দের অর্থ বুদ্ধি বা রসবোধ। Wits শব্দটি মানসিক ক্ষমতা বোঝায়। - ২১. Choose the correct sentence :
- ক. The woman did a suicide.
- খ. The woman committed suicide.
- গ. The woman has done suicide.
- ঘ. The woman got a suicide.
উত্তর: খ. The woman committed suicide.
Suicide শব্দের সঙ্গে verb হিসেবে commit বসে, তাই committed suicide একটি নির্ধারিত collocation। Do, get বা have এখানে ব্যবহার করা যায় না, কারণ ইংরেজিতে কিছু শব্দের সঙ্গে কেবল নির্দিষ্ট verb-ই মানায়। Crime বা offence-এর ক্ষেত্রেও একই নিয়মে commit বসে।
উদাহরণ:
He committed a crime.
The woman committed suicide.
মনে রাখুন:
কিছু শব্দের সঙ্গে নির্দিষ্ট verb বসে, যেমন make a decision, take a bath, tell a lie।
Commit-এর noun রূপ commitment। - ২২. Which of the following is a singular number?
- ক. cliffs
- খ. index
- গ. crises
- ঘ. mice
উত্তর: খ. index
Index একটি singular বা একবচন শব্দ, যার plural হলো indexes বা indices। বাকি তিনটি শব্দ plural: cliffs-এর singular cliff, crises-এর singular crisis, আর mice-এর singular mouse। অর্থাৎ প্রশ্নে বলা হয়েছে একবচন শব্দ খুঁজে বের করতে, আর সেটি কেবল index-ই।
মনে রাখুন:
যেসব শব্দের শেষে -is আছে, সেগুলোর plural হয় -es দিয়ে, যেমন crisis থেকে crises, basis থেকে bases।
আরও কিছু অনিয়মিত plural: mouse থেকে mice, tooth থেকে teeth। - ২৩. Find out the feminine gender :
- ক. Tutor
- খ. Duck
- গ. Bachelor
- ঘ. Prince
উত্তর: খ. Duck
Duck শব্দটি স্ত্রীবাচক, কারণ পুংবাচক রূপ হলো drake। Tutor শব্দটি Common Gender, কারণ শিক্ষক পুরুষ বা নারী যে কেউ হতে পারে। Bachelor ও Prince পুংবাচক, এদের স্ত্রীবাচক রূপ যথাক্রমে spinster ও princess। তাই প্রশ্নের উত্তর duck।
মনে রাখুন:
Drake-এর স্ত্রীবাচক duck, Gander-এর স্ত্রীবাচক goose।
Cock-এর স্ত্রীবাচক hen।
Common Gender-এর আরও উদাহরণ: student, teacher, parent, child। - ২৪. Choose the word correctly spelt :
- ক. Cellulor
- খ. Cellular
- গ. Cellolur
- ঘ. Cellolor
উত্তর: খ. Cellular
Cellular শব্দের অর্থ কোষ-সংক্রান্ত বা কোষবিশিষ্ট। এটি cell থেকে এসেছে, আর শেষে -ular বসে। যেমন cellular phone মানে মোবাইল ফোন। অন্য তিনটি বানান, যেমন Cellulor, Cellolur ও Cellolor, সবই ভুল।
মনে রাখুন:
আরও কিছু শব্দ যাদের শেষে -ular আছে: regular, popular, circular।
Cell শব্দের অর্থ কোষ। - ২৫. In the sense of dead body, we may use the word—
- ক. Corps
- খ. Corpse
- গ. Crops
- ঘ. Cropse
উত্তর: খ. Corpse
Corpse মানে মৃতদেহ বা লাশ। বানানের কারণে কয়েকটি শব্দ মিলিয়ে ফেলা সহজ। Corps (উচ্চারণ ‘কোর’) মানে সামরিক বাহিনীর একটি ইউনিট বা দল, আর Crops মানে ফসল। Cropse নামে কোনো শব্দই নেই। তাই মৃতদেহ বোঝাতে সঠিক শব্দ corpse।
মনে রাখুন:
Corps-এর শেষের p ও s উচ্চারিত হয় না, কিন্তু Corpse-এর s উচ্চারিত হয়।
Corpse-এর সমার্থক শব্দ dead body, cadaver। - ২৬. Which of the following is a correct sentence?
- ক. One of my friends are a lawyer.
- খ. One of my friends is a lawyer.
- গ. One of my friend is a lawyer.
- ঘ. One of my friends are lawyer.
উত্তর: খ. One of my friends is a lawyer.
One of-এর পরে সব সময় plural noun বসে, কিন্তু verb হয় singular, কারণ আসল কর্তা one, অর্থাৎ একজন। তাই One of my friends is a lawyer সঠিক। Friends-এর বদলে friend বসানো ভুল, আর are বসানোও ভুল। এছাড়া lawyer একটি গণনাযোগ্য noun, তাই এর আগে article a দরকার।
মনে রাখুন:
Each of, either of ও neither of-এর পরেও verb singular হয়।
উদাহরণ: Each of the boys has a book.
বাংলা
- ১৪. প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুসারে নিচের কোন শব্দজোড়ের বানান শুদ্ধ?
- ক. পিপীলিকা, নির্নিমেষ
- খ. পিপিলিকা, নির্নিমেস
- গ. পিপীলিকা, নির্ণিমেষ
- ঘ. পিপিলিকা, নির্নিমেশ
উত্তর: ক. পিপীলিকা, নির্নিমেষ
শুদ্ধ বানান ‘পিপীলিকা’ (প-এ দীর্ঘ ঈ) এবং ‘নির্নিমেষ’ (দন্ত্য ন ও মূর্ধন্য ষ)। - ৭৭. 'লেজে খেলানো' বাগধারাটির অর্থ কী?
- ক. ভয়ংকর কিছু করা
- খ. সতর্কতার সাথে কাজ করা
- গ. গুরুত্বহীন কর্ম
- ঘ. বশীভূত করে রাখা
উত্তর: ঘ. বশীভূত করে রাখা
‘লেজে খেলানো’ বাগধারাটির অর্থ বশীভূত করে রাখা বা নিজের ইচ্ছামতো চালানো। যে মানুষকে কেউ নিজের বশে এনে ঘুরিয়ে বেড়ায়, তার ক্ষেত্রে এটি বলা হয়। বাগধারার অর্থ কখনও শব্দগুলোর সাধারণ অর্থ থেকে বোঝা যায় না, তাই ‘ভয়ংকর কিছু করা’ বা ‘গুরুত্বহীন কর্ম’ ধরে নেওয়া ঠিক নয়।
উদাহরণ: সে বন্ধুকে লেজে খেলাচ্ছে।
মনে রাখুন:
বাগধারা (Idiom) শব্দের সাধারণ অর্থে ব্যবহার না হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে।
লেজ গুটিয়ে পালানো বাগধারাটি ভয় পেয়ে সরে যাওয়া বোঝায়। - ৭৮. 'টপ্পা' কী?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৯
- ক. বিশেষ ধরনের নৃত্য
- খ. বিশেষ ধরনের গান
- গ. বিশেষ ধরনের বাদ্যযন্ত্র
- ঘ. বিশেষ ধরনের পোশাক
উত্তর: খ. বিশেষ ধরনের গান
টপ্পা এক ধরনের গান, যা মূলত হিন্দুস্তানি সংগীত থেকে এসেছে এবং এর উৎস পাঞ্জাবের লোকগান। বাংলায় একে ছোট ছোট সুরের টানে প্রেমের ভাব প্রকাশের গান হিসেবে গাওয়া হতো। বাংলা টপ্পার জনক হিসেবে নিধুবাবু বা রামনিধি গুপ্তকে ধরা হয়। তাই এটি নৃত্য, বাদ্যযন্ত্র বা পোশাক নয়, বরং একটি বিশেষ ধরনের গান।
মনে রাখুন:
রামনিধি গুপ্তের টপ্পাগানের সংকলনের নাম ‘গীতরত্ন’।
নিধুবাবু নামেই তিনি বেশি পরিচিত। - ৭৯. বাংলা লিপির উদ্ভব হয়েছে কোন প্রাচীন লিপি থেকে?
- ক. সংস্কৃত লিপি
- খ. চীনা লিপি
- গ. আরবি লিপি
- ঘ. ব্রাহ্মী লিপি
উত্তর: ঘ. ব্রাহ্মী লিপি
প্রাচীন ভারতে দুটি লিপি চালু ছিল, ব্রাহ্মী ও খরোষ্ঠী। এর মধ্যে ব্রাহ্মী লিপি থেকে ভারতের বেশিরভাগ লিপি জন্ম নিয়েছে। ব্রাহ্মী লিপির পূর্বাঞ্চলীয় ধারার কুটিল রূপ থেকে ক্রমে বাংলা লিপির উদ্ভব হয়েছে। সংস্কৃত কোনো লিপির নাম নয়, বরং একটি ভাষা, যা সাধারণত দেবনাগরী লিপিতে লেখা হয়। চীনা বা আরবি লিপির সঙ্গে বাংলা লিপির কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখুন:
খরোষ্ঠী লিপি লেখা হতো ডান থেকে বাঁয়ে, আর ব্রাহ্মী লিপি লেখা হতো বাঁ থেকে ডানে।
সম্রাট অশোকের শিলালিপিতে ব্রাহ্মী লিপি ব্যবহার হয়েছে। - ৮০. কোন শব্দটি ইংরেজি ভাষা থেকে আগত?
- ক. আইন
- খ. দাখিল
- গ. এজেন্ট
- ঘ. মুচলেকা
উত্তর: গ. এজেন্ট
‘এজেন্ট’ শব্দটি ইংরেজি Agent থেকে বাংলায় এসেছে। অন্য তিনটি শব্দ ইংরেজি নয়: ‘আইন’ ও ‘দাখিল’ আরবি শব্দ, আর ‘মুচলেকা’ তুর্কি শব্দ। ইংরেজদের শাসনের সময় প্রশাসন, শিক্ষা ও ব্যবসার সঙ্গে সঙ্গে এমন অনেক ইংরেজি শব্দ আমাদের ভাষায় এসে মিশে গেছে।
মনে রাখুন:
ইংরেজি শব্দ: ব্যাংক, কলেজ, টেবিল, চেয়ার।
তুর্কি শব্দ: বাবুর্চি, দারোগা, চাকর।
আরবি শব্দ: আদালত, কিতাব, আইন। - ৮১. চর্যাপদের আবিষ্কারক কে?
- ক. ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
- খ. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
- গ. ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
- ঘ. ডক্টর সুকুমার সেন
উত্তর: খ. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
চর্যাপদ বাংলা ভাষার সবচেয়ে প্রাচীন নিদর্শন। ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এর পুথি আবিষ্কার করেন। পরে ১৯১৬ সালে এটি ‘হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা’ নামে প্রকাশিত হয়। চর্যাপদ রচিত হয়েছিল বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের হাতে।
মনে রাখুন:
চর্যাপদের পদকর্তাদের মধ্যে লুইপা, কাহ্নপা ও ভুসুকুপা বিখ্যাত।
লুইপা চর্যাপদের আদি কবি হিসেবে পরিচিত।
চর্যাপদের সময়কাল বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ। - ৮২. মধ্যযুগের প্রথম কবি কে?
- ক. চণ্ডীদাস
- খ. বিদ্যাপতি
- গ. দৌলত কাজী
- ঘ. বড়ু চণ্ডীদাস
উত্তর: ঘ. বড়ু চণ্ডীদাস
মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন বড়ু চণ্ডীদাসের ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্য। এটি রাধা-কৃষ্ণের প্রেমকাহিনি নিয়ে লেখা। কাব্যটির প্রধান তিন চরিত্র কৃষ্ণ, রাধা ও বড়াই। বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ ১৯০৯ সালে বাঁকুড়ার এক গ্রামের গোয়ালঘর থেকে এর পুথি আবিষ্কার করেন, আর ১৯১৬ সালে এটি প্রকাশিত হয়।
মনে রাখুন:
‘চণ্ডীদাস’ নামে আরও কবি ছিলেন (যেমন দ্বিজ চণ্ডীদাস), কিন্তু শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস।
বিদ্যাপতি ছিলেন মৈথিলি ভাষার কবি।
বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগ ১২০১ থেকে ১৮০০ সাল পর্যন্ত ধরা হয়। - ৮৩. কোন জোড়টি 'ঊর্মি' শব্দের সমার্থক?
- ক. তরঙ্গ, তুঙ্গ
- খ. ঢেউ, পৃথীশ
- গ. কল্লোল, মনোজ
- ঘ. বীচি, হিল্লোল
উত্তর: ঘ. বীচি, হিল্লোল
ঊর্মি মানে ঢেউ বা তরঙ্গ। তাই ঊর্মির সমার্থক শব্দ বীচি, হিল্লোল, কল্লোল, তরঙ্গ ও লহরী। দেওয়া জোড়গুলোর মধ্যে ‘বীচি, হিল্লোল’ দুটিই ঊর্মির সমার্থক। অন্য জোড়গুলোতে একটি শব্দ মেলে, অন্যটি মেলে না: তুঙ্গ মানে উঁচু, পৃথীশ মানে রাজা আর মনোজ মানে কামদেব। তাই ঠিক জোড় একটিই।
মনে রাখুন:
সমুদ্র বা জলের ঢেউ বোঝাতে এই শব্দগুলো ব্যবহার হয়।
লহরী শব্দটিও ঢেউ বোঝায়। - ৮৪. জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্য কোনটি?
- ক. রূপসী বাংলা
- খ. ঝরাপালক
- গ. ধূসর পাণ্ডুলিপি
- ঘ. বনলতা সেন
উত্তর: খ. ঝরাপালক
জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘ঝরাপালক’, যা ১৯২৮ সালে প্রকাশিত হয়। এতে নজরুল ও মোহিতলালের প্রভাব দেখা যায়। পরে তিনি নিজস্ব সুরে লিখতে শুরু করেন, আর ‘ধূসর পাণ্ডুলিপি’ থেকেই তাঁর আসল কবিস্বর ধরা পড়ে।
মনে রাখুন:
তাঁর অন্যান্য কাব্য: ধূসর পাণ্ডুলিপি (১৯৩৬), বনলতা সেন (১৯৪২), মহাপৃথিবী, রূপসী বাংলা।
‘রূপসী বাংলা’ তাঁর মৃত্যুর পরে প্রকাশিত হয়।
জীবনানন্দ দাশ রূপসী বাংলার কবি নামে পরিচিত। - ৮৫. 'ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী'র রচয়িতা কে?
- ক. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
- খ. ঈশ্বরগুপ্ত
- গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ঘ. বিদ্যাপতি
উত্তর: গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কিশোর বয়সে ‘ভানুসিংহ’ ছদ্মনামে বৈষ্ণব পদাবলীর অনুকরণে কিছু পদ লেখেন। এগুলো একসঙ্গে ‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী’ নামে ১৮৮৪ সালে প্রকাশিত হয়। এতে তিনি প্রাচীন ব্রজবুলি ভাষা ব্যবহার করেছেন। তাই এই পদাবলীর রচয়িতা মাইকেল মধুসূদন, ঈশ্বর গুপ্ত বা বিদ্যাপতি নন, রবীন্দ্রনাথ।
মনে রাখুন:
বিদ্যাপতি ছিলেন মৈথিলি ভাষার বিখ্যাত বৈষ্ণব পদকর্তা।
ব্রজবুলি বাংলা ও মৈথিলি মেশানো একটি কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা। - ৮৬. বাংলা সাহিত্যে মধ্যযুগের শেষ কবি কে?
- ক. ভারতচন্দ্র রায়
- খ. বিজয়গুপ্ত
- গ. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
- ঘ. কানা হরিদত্ত
উত্তর: ক. ভারতচন্দ্র রায়
ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরকে মধ্যযুগের শেষ কবি বলা হয়। তাঁর শ্রেষ্ঠ কাব্য ‘অন্নদামঙ্গল’। তিনি নদিয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন। ১৭৬০ সালে তাঁর মৃত্যুর পর মধ্যযুগের সমাপ্তি ধরা হয়। এরপর ঈশ্বর গুপ্তকে যুগসন্ধির কবি ধরে আধুনিক যুগের সূচনা হয়।
মনে রাখুন:
ভারতচন্দ্রকে প্রথম নাগরিক কবি বলা হয়।
রাজা কৃষ্ণচন্দ্র তাঁকে ‘রায়গুণাকর’ উপাধি দেন।
‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্যের একটি অংশ ‘বিদ্যাসুন্দর’। - ৮৭. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মৌলিক গ্রন্থ কোনটি?
- ক. বেতালপঞ্চবিংশতি
- খ. সীতার বনবাস
- গ. অতি অল্প হইল
- ঘ. শকুন্তলা
উত্তর: গ. অতি অল্প হইল
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বেশিরভাগ বই অনুবাদ বা সংকলন। যেমন ‘বেতালপঞ্চবিংশতি’ হিন্দি থেকে, ‘শকুন্তলা’ কালিদাসের সংস্কৃত নাটক থেকে আর ‘সীতার বনবাস’ বাল্মীকির রামায়ণ থেকে নেওয়া। কিন্তু ‘অতি অল্প হইল’ তাঁর মৌলিক রচনা, যা ১৮৭৩ সালে ছদ্মনামে প্রকাশিত হয়।
মনে রাখুন:
এটি একটি ব্যঙ্গরচনা, যেখানে তিনি নিজের মত তুলে ধরেছেন।
তাঁর আরও কয়েকটি মৌলিক রচনা: প্রভাবতী সম্ভাষণ, ব্রজবিলাস, বিদ্যাসাগরচরিত। - ৮৮. বাংলা ভাষার প্রথম ঔপন্যাসিক কে?
- ক. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- ঘ. প্যারীচাঁদ মিত্র
উত্তর: ঘ. প্যারীচাঁদ মিত্র
প্যারীচাঁদ মিত্র বাংলা ভাষার প্রথম ঔপন্যাসিক হিসেবে স্বীকৃত। তাঁর ‘আলালের ঘরের দুলাল’ বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস। তিনি ‘টেকচাঁদ ঠাকুর’ ছদ্মনামে লিখতেন। প্রথমে বইটি ‘মাসিক পত্রিকা’য় প্রকাশিত হয়, পরে ১৮৫৮ সালে বই আকারে বের হয়। বঙ্কিমচন্দ্রের প্রথম বাংলা উপন্যাস ‘দুর্গেশনন্দিনী’ (১৮৬৫) এর পরে আসে।
মনে রাখুন:
‘আলালের ঘরের দুলাল’ কথ্য ভাষায় লেখা, এটি পরে ‘আলালি ভাষা’ নামে পরিচিত হয়।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে সাহিত্যসম্রাট বলা হয়। - ৮৯. সমরেশ বসুর ছদ্মনাম কোনটি?
- ক. কালকূট
- খ. অনিলা দেবী
- গ. মজলুম আদিব
- ঘ. মৈনাক
উত্তর: ক. কালকূট
সমরেশ বসু ‘কালকূট’ ছদ্মনামেও লিখতেন। এই নামে তাঁর বিখ্যাত রচনা ‘অমৃতকুম্ভের সন্ধানে’। অন্য ছদ্মনামগুলো অন্যদের: ‘অনিলা দেবী’ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের, আর ‘মজলুম আদিব’ শামসুর রাহমানের।
মনে রাখুন:
সমরেশ বসুর আরেকটি পরিচিত উপন্যাস ‘গঙ্গা’।
তাঁর আরও দুটি উপন্যাস ‘বিবর’ ও ‘প্রজাপতি’। - ৯০. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কোন গ্রন্থটি সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল?
- ক. শ্রীকান্ত
- খ. গৃহদাহ
- গ. পথের দাবী
- ঘ. শেষ প্রশ্ন
উত্তর: গ. পথের দাবী
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে বিপ্লবের কথা আছে। বইটি বই আকারে প্রকাশিত হওয়ার পর ব্রিটিশ সরকার এটিকে নিষিদ্ধ করে এবং বাজেয়াপ্ত করে। সরকার ভয় পেয়েছিল যে বইটি পড়ে মানুষ স্বাধীনতার আন্দোলনে উৎসাহ পাবে। তাঁর ‘শ্রীকান্ত’, ‘গৃহদাহ’ ও ‘শেষ প্রশ্ন’ বাজেয়াপ্ত হয়নি।
মনে রাখুন:
‘পথের দাবী’-র নায়ক সব্যসাচী।
‘শ্রীকান্ত’ চার পর্বে লেখা।
শরৎচন্দ্র অপরাজেয় কথাশিল্পী নামে পরিচিত। - ৯১. 'শেষের কবিতা' কোন ধরনের রচনা?
- ক. নাটক
- খ. উপন্যাস
- গ. ছোটগল্প
- ঘ. কবিতা
উত্তর: খ. উপন্যাস
‘শেষের কবিতা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি উপন্যাস। এতে অমিত ও লাবণ্যের প্রেমকাহিনি কবিতার মতো ভাষায় বলা হয়েছে, তাই একে কাব্যধর্মী উপন্যাস বলা হয়। এটি প্রথমে ‘প্রবাসী’ পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। নামে ‘কবিতা’ থাকলেও এটি কবিতার বই নয়।
মনে রাখুন:
রবীন্দ্রনাথের অন্য কয়েকটি উপন্যাস: গোরা, ঘরে বাইরে, চোখের বালি।
‘শেষের কবিতা’র প্রধান চরিত্র অমিত রায় ও লাবণ্য। - ৯২. 'জঙ্গম'-এর বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
- ক. অরণ্য
- খ. পর্বত
- গ. সমুদ্র
- ঘ. স্থাবর
উত্তর: ঘ. স্থাবর
‘জঙ্গম’ মানে চলনশীল বা গতিশীল। এর বিপরীত অবস্থা স্থির বা অচল, যাকে বলে ‘স্থাবর’। তাই জঙ্গমের বিপরীতার্থক শব্দ স্থাবর। বিকল্পের বাকি শব্দগুলো (অরণ্য, পর্বত, সমুদ্র) জঙ্গমের বিপরীত নয়।
মনে রাখুন:
জঙ্গম সম্পত্তি মানে টাকাপয়সা বা অন্য সরানো যায় এমন সম্পদ।
স্থাবর সম্পত্তি মানে জমি-বাড়ি।
জঙ্গমের আরেক অর্থ চলনশীল প্রাণী। - ৯৩. 'অক্ষির সমীপে'-এর সংক্ষেপণ হলো—
- ক. সমক্ষ
- খ. প্রত্যক্ষ
- গ. নিরপেক্ষ
- ঘ. পরোক্ষ
উত্তর: ক. সমক্ষ
‘অক্ষির সমীপে’ অর্থাৎ চোখের কাছে বা সামনে বোঝাতে ‘সমক্ষ’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়। একাধিক শব্দের বদলে এক শব্দ ব্যবহার করে বাক্যকে ছোট করার এই প্রক্রিয়ার নাম বাক্য সংকোচন বা বাক্য সংক্ষেপণ। এখানে ‘অক্ষি’ শব্দটি পদের শেষে বসে সমক্ষ, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষের মতো শব্দ গঠন করে।
মনে রাখুন:
অক্ষির সম্মুখে = প্রত্যক্ষ।
অক্ষির অগোচরে = পরোক্ষ।
নিরপেক্ষ শব্দের অর্থ পক্ষপাতহীন। - ৯৪. কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা উপন্যাস?
- ক. চক্রবাক
- খ. মৃত্যুক্ষুধা
- গ. আলেয়া
- ঘ. সাম্যবাদী
উত্তর: খ. মৃত্যুক্ষুধা
কাজী নজরুল ইসলামের তিনটি উপন্যাস ‘বাঁধনহারা’, ‘মৃত্যুক্ষুধা’ ও ‘কুহেলিকা’। বিকল্পগুলোর মধ্যে ‘মৃত্যুক্ষুধা’ তাঁর উপন্যাস। ‘চক্রবাক’ ও ‘সাম্যবাদী’ কবিতার বই, আর ‘আলেয়া’ একটি গীতিনাট্য। তাই চারটি বইয়ের মধ্যে কেবল ‘মৃত্যুক্ষুধা’-ই উপন্যাস।
মনে রাখুন:
‘বাঁধনহারা’ পত্র-উপন্যাস।
নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নিবীণা’ (১৯২২)।
তাঁর বিখ্যাত কবিতা ‘বিদ্রোহী’। - ৯৫. প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত সাময়িকপত্র কোনটি?
- ক. ভারতী
- খ. যুগান্তর
- গ. সবুজপত্র
- ঘ. সওগাত
উত্তর: গ. সবুজপত্র
প্রমথ চৌধুরী ১৯১৪ সালে ‘সবুজপত্র’ পত্রিকা সম্পাদনা করেন। এই পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষার রীতি জনপ্রিয় হয়। তাঁর ছদ্মনাম ‘বীরবল’। রবীন্দ্রনাথও এই পত্রিকায় লিখেছেন, আর তাঁর ‘বলাকা’র অনেক কবিতা এখানে ছাপা হয়েছিল।
মনে রাখুন:
‘সওগাত’ সম্পাদনা করেছিলেন মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন।
‘ভারতী’ ঠাকুর পরিবারের পত্রিকা।
‘যুগান্তর’ বিপ্লবীদের মুখপত্র। - ৯৬. 'Annexe' শব্দের বাংলা পরিভাষা কোনটি?
- ক. গ্রন্থপঞ্জি
- খ. নির্ঘণ্ট
- গ. ক্রোড়পত্র
- ঘ. পরিশিষ্ট
উত্তর: গ. ক্রোড়পত্র
ইংরেজি Annexe শব্দের একটি বাংলা পরিভাষা ক্রোড়পত্র। এর অর্থ মূল দলিল বা লেখার সঙ্গে সংযুক্ত অতিরিক্ত অংশ। অন্যান্য বিকল্পের অর্থ আলাদা: গ্রন্থপঞ্জি (Bibliography) মানে ব্যবহৃত বইয়ের তালিকা আর নির্ঘণ্ট (Index) মানে শব্দসূচি।
মনে রাখুন:
Appendix-এর বাংলা পরিশিষ্ট।
Bibliography-র বাংলা গ্রন্থপঞ্জি।
Index-এর বাংলা নির্ঘণ্ট। - ৯৭. রামায়ণের অনুবাদক নয় কে?
- ক. কবীন্দ্র পরমেশ্বর
- খ. কৃত্তিবাস
- গ. নিত্যানন্দ আচার্য
- ঘ. চন্দ্রাবতী
উত্তর: ক. কবীন্দ্র পরমেশ্বর
কবীন্দ্র পরমেশ্বর মহাভারতের অনুবাদক, রামায়ণের নন। কৃত্তিবাস ওঝা, নিত্যানন্দ আচার্য (অদ্ভুতাচার্য) ও চন্দ্রাবতী বাংলা রামায়ণ রচনা করেছেন। এদের মধ্যে কৃত্তিবাসের ‘শ্রীরাম পাঁচালী’ সবচেয়ে বিখ্যাত। চন্দ্রাবতী মধ্যযুগের এমন একজন কবি, যিনি নারী হয়ে রামায়ণ লিখেছেন।
মনে রাখুন:
মহাভারতের অন্য অনুবাদক সঞ্জয়, শ্রীকর নন্দী ও কাশীরাম দাস।
কবীন্দ্র পরমেশ্বর চট্টগ্রামের শাসক পরাগল খানের পৃষ্ঠপোষকতায় মহাভারত অনুবাদ করেন। - ৯৮. আরাকান রাজসভার কবি ছিলেন—
- ক. দৌলত উজির বাহরাম খান
- খ. দোনাগাজী
- গ. আলাওল
- ঘ. ফকির গরীবুল্লাহ
উত্তর: গ. আলাওল
আরাকানের রাজসভার কবিদের মধ্যে আলাওল সবচেয়ে বিখ্যাত। তিনি আরাকানের রাজা থিরিথুধম্মার সভাকবি ছিলেন। তাঁর শ্রেষ্ঠ কাব্য ‘পদ্মাবতী’, যা মালিক মুহম্মদ জায়সীর হিন্দি কাব্য ‘পদুমাবত’-এর অনুবাদ। চার বিকল্পের মধ্যে আলাওলই আরাকানের রাজসভার কবি হিসেবে সবচেয়ে বেশি পরিচিত।
মনে রাখুন:
আরাকান রাজসভার প্রথম বাঙালি কবি দৌলত কাজী, যিনি লিখেছেন ‘সতী ময়নামতী’ (লোর-চন্দ্রানী)।
দৌলত কাজীর অসমাপ্ত কাব্য আলাওল শেষ করেন।
দৌলত উজির বাহরাম খানের বিখ্যাত কাব্য ‘লাইলী মজনু’। - ৯৯. মুক্তিযুদ্ধকেন্দ্রিক উপন্যাস নয় কোনটি?
- ক. যাত্রা
- খ. দুই সৈনিক
- গ. রাইফেল রোটি আওরাত
- ঘ. নীল ময়ূরের যৌবন
উত্তর: ঘ. নীল ময়ূরের যৌবন
‘নীল ময়ূরের যৌবন’ সেলিনা হোসেনের একটি উপন্যাস, কিন্তু এটি মুক্তিযুদ্ধকেন্দ্রিক নয়। অন্য তিনটি বই মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লেখা: ‘যাত্রা’, ‘দুই সৈনিক’ ও ‘রাইফেল রোটি আওরাত’। তাই প্রশ্নে যে উপন্যাসটি মুক্তিযুদ্ধকেন্দ্রিক নয় বলে জানতে চাওয়া হয়েছে, তা ‘নীল ময়ূরের যৌবন’।
মনে রাখুন:
সেলিনা হোসেনের মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’ ও ‘গায়ত্রী সন্ধ্যা’।
‘রাইফেল রোটি আওরাত’ আনোয়ার পাশার লেখা।
আন্তর্জাতিক
- ২৭. জাতিসংঘের নবম মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস কত তারিখ থেকে দায়িত্ব পালন করছেন?
- ক. ১ জানুয়ারি ২০১৭
- খ. ১০ জানুয়ারি ২০১৭
- গ. ২৩ জানুয়ারি ২০১৭
- ঘ. ২৬ জানুয়ারি ২০১৭
উত্তর: ক. ১ জানুয়ারি ২০১৭
পর্তুগালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী অ্যান্তোনিও গুতেরেস জাতিসংঘের নবম মহাসচিব (Secretary-General) হিসেবে ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি দায়িত্ব নেন। ২০১৬ সালের অক্টোবরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ তাঁকে মহাসচিব হিসেবে অনুমোদন দিয়েছিল। তিনি আগের মহাসচিব বান কি মুনের স্থলাভিষিক্ত হন। মহাসচিব সাধারণ পরিষদ নিয়োগ দেয়, তবে নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশ লাগে।
মনে রাখুন:
গুতেরেস এর আগে জাতিসংঘ শরণার্থী হাইকমিশনের (UNHCR) প্রধান ছিলেন।
জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব ছিলেন ট্রিগভে লি।
মহাসচিবের মেয়াদ সাধারণত পাঁচ বছর। - ২৮. কিউবার নেতা ফিদেল ক্যাস্ত্রো কত তারিখে মারা যান?
- ক. ২৫ নভেম্বর ২০১৬
- খ. ২৬ ডিসেম্বর ২০১৬
- গ. ২৯ নভেম্বর ২০১৬
- ঘ. ৩০ ডিসেম্বর ২০১৬
উত্তর: ক. ২৫ নভেম্বর ২০১৬
কিউবার বিপ্লবী নেতা ফিদেল ক্যাস্ত্রো ২০১৬ সালের ২৫ নভেম্বর ৯০ বছর বয়সে মারা যান। তিনি ১৯৫৯ সালের বিপ্লবের মাধ্যমে কিউবার ক্ষমতায় আসেন এবং দীর্ঘদিন দেশটি শাসন করেন। শোকের দিনগুলোর পর ২০১৬ সালের ৪ ডিসেম্বর সান্টিয়াগো দ্য কিউবায় তাঁর ভস্ম সমাহিত করা হয়। মৃত্যুর আগেই তিনি অসুস্থতার কারণে ক্ষমতা ছেড়ে দিয়েছিলেন।
মনে রাখুন:
ফিদেলের পর কিউবার ক্ষমতায় আসেন তাঁর ভাই রাউল ক্যাস্ত্রো।
কিউবার রাজধানী হাভানা।
বিপ্লবের আরেক নেতা ছিলেন আর্নেস্তো চে গুয়েভারা। - ২৯. জাতিসংঘের কার্যকরী ভাষা দুটি হলো—
- ক. ইংরেজি ও চীনা
- খ. ইংরেজি ও রুশ
- গ. ইংরেজি ও স্প্যানিশ
- ঘ. ইংরেজি ও ফরাসি
উত্তর: ঘ. ইংরেজি ও ফরাসি
জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা (Official Language) মোট ছয়টি: আরবি, চীনা, ইংরেজি, ফরাসি, রুশ ও স্প্যানিশ। কিন্তু সচিবালয়ের কার্যকরী ভাষা (Working Language) মাত্র দুটি, ইংরেজি ও ফরাসি। জাতিসংঘের সচিবালয়ের দৈনন্দিন কাজ এ দুই ভাষাতেই চলে। তাই চীনা, রুশ বা স্প্যানিশ দাপ্তরিক ভাষা হলেও কার্যকরী ভাষা নয়।
মনে রাখুন:
দাপ্তরিক ও কার্যকরী ভাষা এক নয়। দাপ্তরিক ভাষা ছয়টি, আর কার্যকরী ভাষা দুটি।
আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (ICJ) দাপ্তরিক ভাষাও ইংরেজি ও ফরাসি।
জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষার তালিকায় বাংলা নেই। - ৩৪. জুলিয়াস সীজার কেন বিখ্যাত?
- ক. রোমান সম্রাট হিসেবে
- খ. বর্ণবাদ বিরোধী হিসেবে
- গ. ব্রিটেনের রাজা হিসেবে
- ঘ. আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হিসেবে
উত্তর: ক. রোমান সম্রাট হিসেবে
জুলিয়াস সীজার (Julius Caesar) প্রাচীন রোমের বিখ্যাত সেনাপতি ও রাজনীতিবিদ ছিলেন। তিনি ক্ষমতা দখল করে রোমের একনায়ক (Dictator) হন, আর তাঁর মৃত্যুর পর রোম প্রজাতন্ত্র ধীরে ধীরে সাম্রাজ্যে পরিণত হয়। তাই বিকল্পগুলোর মধ্যে রোমান শাসক হিসেবেই তিনি পরিচিত। ৪৪ খ্রিষ্টপূর্বাব্দের ১৫ মার্চ ব্রুটাস ও ক্যাসিয়াসসহ একদল সিনেটর তাঁকে হত্যা করেন।
মনে রাখুন:
রোমের প্রথম সম্রাট ছিলেন সীজারের দত্তকপুত্র অক্টেভিয়ান, যিনি অগাস্টাস নামে পরিচিত।
সীজারের বিখ্যাত উক্তি ‘Veni, vidi, vici’, অর্থাৎ এলাম, দেখলাম, জয় করলাম।
শেক্সপিয়র তাঁকে নিয়ে Julius Caesar নাটক লিখেছেন। - ৩৭. রেড ইন্ডিয়ান কারা?
- ক. ইন্ডিয়ার আদি অধিবাসী
- খ. আমেরিকায় আগত ভারতবাসী
- গ. আমেরিকার আদি অধিবাসী
- ঘ. সবকয়টি
উত্তর: গ. আমেরিকার আদি অধিবাসী
আমেরিকার আদি অধিবাসীদের রেড ইন্ডিয়ান (Red Indian) বলা হয়। ১৪৯২ সালে ক্রিস্টোফার কলম্বাস আমেরিকার বাহামা দ্বীপপুঞ্জে পৌঁছে ভেবেছিলেন তিনি ভারতে এসেছেন। সেই ভুলের কারণে সেখানকার মানুষদের ‘ইন্ডিয়ান’ নাম দেওয়া হয়। তাই এঁরা ভারতের আদি অধিবাসী নন, কিংবা আমেরিকায় আসা ভারতীয়ও নন।
মনে রাখুন:
ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জকে একসঙ্গে ওয়েস্ট ইন্ডিজ বলা হয়, এর নামও কলম্বাসের একই ভুল থেকে এসেছে।
কলম্বাস ছিলেন ইতালির জেনোয়ার নাবিক, কিন্তু অভিযান করেছিলেন স্পেনের সহায়তায়। - ৩৯. UNDP'র সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
- ক. জেনেভা
- খ. ওয়াশিংটন
- গ. রোম
- ঘ. নিউইয়র্ক
উত্তর: ঘ. নিউইয়র্ক
জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি, ইংরেজিতে United Nations Development Programme (UNDP), উন্নয়নশীল দেশগুলোকে দারিদ্র্য কমাতে ও উন্নয়নের কাজে সাহায্য করে। এর সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে। সংস্থাটি ১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিবছর মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন (Human Development Report) প্রকাশ করে এই সংস্থাটিই।
মনে রাখুন:
জেনেভায় সদর দপ্তর আছে WHO ও ILO-র।
রোমে আছে FAO।
নিউইয়র্কে UNDP-র মতোই UNICEF-এর সদর দপ্তর।
প্যারিসে আছে UNESCO। - ৪০. 'র্যাডক্লিফ লাইন' কোন দুটি দেশের চিহ্নিত সীমারেখা?
- ক. জার্মানি-ফ্রান্স
- খ. ভারত-পাকিস্তান
- গ. ভারত-চীন
- ঘ. উত্তর কোরিয়া-দক্ষিণ কোরিয়া
উত্তর: খ. ভারত-পাকিস্তান
১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ শাসনের অবসানে ভারত ভাগ হলে ভারত ও পাকিস্তানের সীমানা ঠিক করার দায়িত্ব পান ব্রিটিশ আইনজীবী স্যার সিরিল র্যাডক্লিফ। তাঁর নামেই সীমানাটির নাম র্যাডক্লিফ লাইন। ১৯৪৭ সালের ১৭ আগস্ট এই সীমারেখা ঘোষণা করা হয়। এই রেখাই পরে পূর্ব পাকিস্তান ও বর্তমান বাংলাদেশের সীমানার ভিত্তি হয়।
মনে রাখুন:
ভারত-চীন সীমানার নাম ম্যাকমোহন লাইন।
উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার সীমানা ৩৮ ডিগ্রি অক্ষাংশ বরাবর।
পাকিস্তান-আফগানিস্তানের সীমানার নাম ডুরান্ড লাইন। - ৪১. ভারতের কোন শহরকে WiFi শহর বলা হয়?
- ক. দিল্লি
- খ. কলকাতা
- গ. বেঙ্গালুরু
- ঘ. জয়পুর
উত্তর: গ. বেঙ্গালুরু
ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের রাজধানী বেঙ্গালুরু (ব্যাঙ্গালুরু) তথ্যপ্রযুক্তির জন্য বিখ্যাত, তাই এই শহরকে Wi-Fi শহর বলা হয়। এখানে অনেক বড় বড় সফটওয়্যার ও আইটি কোম্পানি আছে। এ কারণে শহরটিকে ভারতের সিলিকন ভ্যালিও বলা হয়।
মনে রাখুন:
Wi-Fi (Wireless Fidelity) বেতার প্রযুক্তি, যা তার ছাড়া ইন্টারনেট সংযোগ দেয়।
বেঙ্গালুরু কর্ণাটকের রাজধানী, আর দিল্লি ভারতের রাজধানী। - ৪৬. 'মংডু' কোন দুটি দেশের সীমান্ত এলাকা?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৭
- ক. বাংলাদেশ-মিয়ানমার
- খ. বাংলাদেশ-ভারত
- গ. মিয়ানমার-চীন
- ঘ. ভারত-মিয়ানমার
উত্তর: ক. বাংলাদেশ-মিয়ানমার
মংডু মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের একটি শহর। এটি বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার টেকনাফের ঠিক ওপারে, মাঝখানে নাফ নদী। তাই এটিকে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সীমান্ত এলাকা বলা হয়। রোহিঙ্গা সংকটের খবরেও এই এলাকার নাম বারবার আসে।
মনে রাখুন:
নাফ নদী বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে সীমানা তৈরি করেছে।
টেকনাফ বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের উপজেলা।
সেন্ট মার্টিন দ্বীপ টেকনাফেরই অংশ।
বাংলাদেশ
- ৩০. নীলগিরি পাহাড় কোথায় অবস্থিত?
- ক. সিলেট
- খ. বান্দরবান
- গ. রাঙ্গামাটি
- ঘ. টেকনাফ
উত্তর: খ. বান্দরবান
নীলগিরি পাহাড় বান্দরবান জেলায় অবস্থিত। এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২,২০০ ফুট উঁচু, তাই এখানে প্রায়ই মেঘ এসে ঘিরে ধরে। পাহাড়ের চূড়ায় একটি পর্যটন কেন্দ্র আছে, যেখান থেকে চারপাশের মেঘ ও পাহাড় দেখা যায়। বান্দরবান পার্বত্য চট্টগ্রামের তিনটি পার্বত্য জেলার একটি, আর এখানেই দেশের বেশ কিছু উঁচু পাহাড় ও ঝরনা আছে।
মনে রাখুন:
বান্দরবানের আরও কয়েকটি আকর্ষণ: নীলাচল, বগা লেক, নাফাখুম ঝরনা।
পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা: রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান। - ৩১. তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী কে ছিলেন?
- ক. সুমিত্রা দেবী
- খ. তারামন বিবি
- গ. ইলা মিত্র
- ঘ. মহাশ্বেতা দেবী
উত্তর: গ. ইলা মিত্র
ইলা মিত্র ছিলেন তেভাগা আন্দোলনের (Tebhaga Movement) নেত্রী। বর্গাচাষিরা ফসলের দুই-তৃতীয়াংশ নিজেদের জন্য দাবি করেছিলেন, আর তেভাগা মানে তিন ভাগ করা, অর্থাৎ ফসলের তিন ভাগের দুই ভাগ চাষির, এক ভাগ জমির মালিকের। এই দাবি ফ্লাউড কমিশনের সুপারিশের সঙ্গেও মিলে যায়। আন্দোলনটি ১৯৪৬-৪৭ সালে ছড়িয়ে পড়ে। ইলা মিত্র রাজশাহীর নাচোলের সাঁওতাল কৃষকদের সংগঠিত করেছিলেন, তাই তাঁকে নাচোলের রানি বলা হয়।
মনে রাখুন:
ইলা মিত্র ‘নাচোল বিদ্রোহ’-এর জন্য বিখ্যাত।
পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে ভয়াবহ নির্যাতন করেছিল।
তেভাগার অর্থ তিন ভাগের দুই ভাগ চাষির প্রাপ্য। - ৩২. বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদের নাম কী?
- ক. পুন্ড্র
- খ. রূপনগর
- গ. গৌড়
- ঘ. হরিকেল
উত্তর: ক. পুন্ড্র
বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন জনপদ পুন্ড্র (Pundra)। এর রাজধানী ছিল পুন্ড্রনগর বা পুন্ড্রবর্ধন, যা আজকের বগুড়ার মহাস্থানগড়। জনপদটি বর্তমান বগুড়া, রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত ছিল। প্রাচীন বাংলায় এমন আরও অনেক জনপদ ছিল, যেগুলো পরে ধীরে ধীরে এক হয়ে বাংলা নামে পরিচিত হয়।
মনে রাখুন:
হরিকেল ছিল বর্তমান সিলেট, চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা অঞ্চলে।
গৌড় ছিল উত্তর ও মধ্যবঙ্গের জনপদ।
প্রাচীন বাংলার আরও কয়েকটি জনপদ: বঙ্গ, সমতট, বরেন্দ্র। - ৩৩. 'হাড়িভাঙ্গা' নাম কোন ফলের?
- ক. কলা
- খ. পেঁপে
- গ. আম
- ঘ. লিচু
উত্তর: গ. আম
‘হাড়িভাঙ্গা’ আমের একটি জাত। রংপুরের মিঠাপুকুরের হাড়িভাঙা গ্রামে এই আম জন্মে, তাই এর এই নাম। আমটি আঁশবিহীন এবং খুব মিষ্টি বলে বিখ্যাত। এটি রংপুর অঞ্চলের একটি পরিচিত পরিচয়, যেমন রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি ও ল্যাংড়া আম বিখ্যাত।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশের আরও কয়েকটি বিখ্যাত আম: ল্যাংড়া, ফজলি, গোপালভোগ, হিমসাগর।
আম বাংলাদেশের জাতীয় ফল নয়, জাতীয় ফল কাঁঠাল। আমগাছ জাতীয় বৃক্ষ। - ৩৫. 'মনপুরা-৭০' কী?
- ক. একটি উপজেলা
- খ. একটি চিত্রকর্ম
- গ. একটি উপন্যাস
- ঘ. একটি নদীবন্দর
উত্তর: খ. একটি চিত্রকর্ম
‘মনপুরা-৭০’ শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের আঁকা একটি বিখ্যাত চিত্রকর্ম। ১৯৭০ সালের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে ভোলার মনপুরা দ্বীপ যে কঠিন বিপর্যয়ে পড়েছিল, ছবিটিতে সেই বিষয় ফুটে উঠেছে। এই ছবিতে প্রকৃতির নির্মমতা আর মানুষের অসহায়তা একসঙ্গে ধরা পড়েছে। তাই উপজেলা, উপন্যাস বা নদীবন্দর নয়, এটি একটি চিত্রকর্ম।
মনে রাখুন:
জয়নুল আবেদিনের আরও কাজ: দুর্ভিক্ষ-চিত্রমালা (১৯৪৩), সংগ্রাম, সাঁওতাল রমণী।
তিনি শিল্পাচার্য নামে পরিচিত।
তিনি ঢাকা আর্ট ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা (১৯৪৮)। - ৩৮. 'Stop Genocide' (স্টপ জেনোসাইড) প্রামাণ্যচিত্রটির নির্মাতা কে?
- ক. চাষী নজরুল ইসলাম
- খ. জহির রায়হান
- গ. খান আতাউর রহমান
- ঘ. তারেক মাসুদ
উত্তর: খ. জহির রায়হান
‘স্টপ জেনোসাইড’ মুক্তিযুদ্ধের ওপর ১৯৭১ সালে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র। এর নির্মাতা চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান। তিনি পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যা বিশ্ববাসীকে জানানোর জন্য ছবিটি বানান। এটি মুক্তিযুদ্ধের সময় বিদেশে জনমত গড়ে তুলতে বড় ভূমিকা রেখেছিল।
মনে রাখুন:
জহির রায়হানের আরেকটি পরিচিত ছবি ‘জীবন থেকে নেয়া’ (১৯৭০)।
তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস ‘আরেক ফাল্গুন’।
১৯৭২ সালের ৩০ জানুয়ারি তিনি নিখোঁজ হন। - ৪২. প্রান্তিক হ্রদ কোন জেলায় অবস্থিত?
- ক. রাঙামাটি
- খ. খাগড়াছড়ি
- গ. বান্দরবান
- ঘ. সিলেট
উত্তর: গ. বান্দরবান
প্রান্তিক হ্রদ বান্দরবান জেলায় অবস্থিত। এটি বান্দরবানের একটি মনোরম কৃত্রিম হ্রদ, যা এখন একটি পর্যটন কেন্দ্র। পাহাড়ে ঘেরা এই জায়গায় ঘুরতে প্রতিবছর অনেক পর্যটক আসেন।
মনে রাখুন:
পার্বত্য চট্টগ্রামের বিখ্যাত কৃত্রিম হ্রদ কাপ্তাই, যা রাঙামাটিতে অবস্থিত।
কর্ণফুলী নদীতে বাঁধ দিয়ে কাপ্তাই হ্রদ তৈরি করা হয়েছে।
কাপ্তাই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় কৃত্রিম হ্রদ। - ৪৩. বিখ্যাত চিত্রকর্ম 'তিন কন্যা'-এর চিত্রকর কে?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৭
- ক. জয়নুল আবেদীন
- খ. কামরুল হাসান
- গ. এস.এম. সুলতান
- ঘ. রফিকুন্নবী
উত্তর: খ. কামরুল হাসান
‘তিন কন্যা’ শিল্পী কামরুল হাসানের বিখ্যাত চিত্রকর্ম। তিনি বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকের নকশাও তৈরি করেছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় আঁকা ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে’ পোস্টারটিও তাঁর কাজ। তাঁকে পটুয়া কামরুল হাসান নামেও ডাকা হয়।
মনে রাখুন:
এস.এম. সুলতানের বিখ্যাত ছবির মধ্যে আছে ‘চরদখল’।
রফিকুন্নবী ‘টোকাই’ কার্টুন চরিত্রের স্রষ্টা।
জয়নুল আবেদিনের বিখ্যাত ছবি ‘মনপুরা-৭০’। - ৪৪. পরিকল্পনা কমিশনের গৃহীত পদক্ষেপ অনুযায়ী সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা কোন মেয়াদে হবে?
- ক. ২০১৫-২০১৮
- খ. ২০১৬-২০২০
- গ. ২০১৭-২০২১
- ঘ. ২০১৮-২০২২
উত্তর: খ. ২০১৬-২০২০
সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল, অর্থাৎ ২০১৫-১৬ অর্থবছর থেকে ২০১৯-২০ অর্থবছর পর্যন্ত। বাংলাদেশের পরিকল্পনা কমিশন এই পরিকল্পনা তৈরি করে। এর কাজ হলো দেশের উন্নয়নের লক্ষ্য ও পথ ঠিক করা।
মনে রাখুন:
সপ্তম পরিকল্পনার ঠিক আগে ষষ্ঠ পরিকল্পনা ছিল ২০১১-২০১৫ সালে।
অষ্টম পরিকল্পনা ২০২১-২০২৫ সালের জন্য।
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ১৯৭৩-৭৮ সালের জন্য। - ৪৫. ম্যানগ্রোভ কী?
- ক. কেওড়া বন
- খ. উপকূলীয় বন
- গ. শালবন
- ঘ. চিরহরিৎ বন
উত্তর: খ. উপকূলীয় বন
ম্যানগ্রোভ (Mangrove) হলো সমুদ্র উপকূলে জোয়ার-ভাটার অঞ্চলে গজানো বিশেষ ধরনের বন, অর্থাৎ উপকূলীয় বন। জোয়ারে এর মাটি লোনা পানিতে ডুবে যায়, আবার ভাটায় পানি নেমে যায়। এই কারণে এখানকার গাছগুলোর শ্বাসমূল থাকে। কেওড়া এই বনের একটি গাছ, তাই কেওড়া বন বললে পুরো বনের পরিচয় দেওয়া হয় না। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন বাংলাদেশের সুন্দরবন।
মনে রাখুন:
সুন্দরবনের প্রধান গাছ সুন্দরী, গেওয়া ও কেওড়া।
শালবন আর্দ্র পাতাঝরা বনভূমি, ম্যানগ্রোভ নয়।
কক্সবাজারের চকরিয়া সুন্দরবনও একটি ম্যানগ্রোভ বন। - ৪৭. উত্তরা গণভবন কোথায় অবস্থিত?
- ক. রাজশাহী
- খ. নওগাঁ
- গ. বগুড়া
- ঘ. নাটোর
উত্তর: ঘ. নাটোর
উত্তরা গণভবন নাটোর জেলার দিঘাপতিয়ায় অবস্থিত। এই প্রাসাদটি দিঘাপতিয়ার রাজপরিবারের তৈরি। পরে এটি গভর্নর হাউস হিসেবে ব্যবহৃত হয়, আর স্বাধীনতার পর এর নাম হয় উত্তরা গণভবন। এটি এখন প্রধানমন্ত্রীর উত্তরবঙ্গের সরকারি ভবন হিসেবে পরিচিত।
মনে রাখুন:
নাটোরের আরেকটি পরিচিত স্থান রাণী ভবানীর রাজবাড়ি।
ঢাকার গণভবন প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন।
ঢাকার বঙ্গভবন রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন। - ৪৮. বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অংশে মৌলিক অধিকার দেওয়া আছে?
- ক. দ্বিতীয় ভাগে
- খ. তৃতীয় ভাগে
- গ. চতুর্থ ভাগে
- ঘ. নবম ভাগে
উত্তর: খ. তৃতীয় ভাগে
বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকার (Fundamental Rights) বর্ণিত হয়েছে, যা ২৬ থেকে ৪৭ক অনুচ্ছেদ পর্যন্ত বিস্তৃত। এখানে আইনের দৃষ্টিতে সমতা, জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার, চলাফেরা ও বাক্স্বাধীনতার মতো অধিকার আছে। সংবিধানে মোট ১১টি ভাগ আছে।
মনে রাখুন:
দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি (অনুচ্ছেদ ৮-২৫)।
চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগ।
প্রথম ভাগে প্রজাতন্ত্র (অনুচ্ছেদ ১-৭ক)। - ৪৯. বাংলাদেশের বর্তমান সরকার প্রধান কে?
- ক. রাষ্ট্রপতি
- খ. প্রধানমন্ত্রী
- গ. স্পিকার
- ঘ. প্রধান বিচারপতি
উত্তর: খ. প্রধানমন্ত্রী
আমাদের দেশে সংসদীয় সরকার পদ্ধতি চালু আছে। এই পদ্ধতিতে রাষ্ট্রপতি হলেন রাষ্ট্রপ্রধান, আর সরকারের প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি মন্ত্রিসভার নেতৃত্ব দেন এবং দেশ পরিচালনার আসল দায়িত্ব পালন করেন। সংবিধানের ৫৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার হাতে থাকে।
মনে রাখুন:
জাতীয় সংসদ পরিচালনা করেন স্পিকার।
প্রধান বিচারপতি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান।
রাষ্ট্রপতিকে নির্বাচন করেন সংসদ সদস্যরা। - ৫০. সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন?
- ক. ৮৪
- খ. ৯৩
- গ. ৬৫
- ঘ. ১৪১
উত্তর: খ. ৯৩
সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ ভাঙা থাকলে বা অধিবেশন না চললে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ (Ordinance) জারি করতে পারেন। এই অধ্যাদেশের আইনের মতোই শক্তি থাকে। তবে পরবর্তী সংসদ অধিবেশনে একে অনুমোদন করিয়ে নিতে হয়। অনুমোদন না হলে এটি বাতিল হয়ে যায়।
মনে রাখুন:
অনুচ্ছেদ ৬৫: সংসদ প্রতিষ্ঠা।
অনুচ্ছেদ ১৪১ক: জরুরি অবস্থা ঘোষণা।
অনুচ্ছেদ ৪৮: রাষ্ট্রপতি। - ৫১. জাতীয় সংসদের মূল নকশা কে তৈরি করেন?
- ক. লুই আই কান
- খ. জন স্টুয়ার্ট
- গ. মাজহারুল ইসলাম
- ঘ. জয়নুল আবেদিন
উত্তর: ক. লুই আই কান
জাতীয় সংসদ ভবনের নকশা করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত স্থপতি লুই আই কান (Louis I. Kahn)। ঢাকার শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত ভবনটি ইট, কংক্রিট ও আলোর ব্যবহার এবং বিশাল জ্যামিতিক আকারের জন্য বিশ্বখ্যাত। কান ছাড়া বাকি ব্যক্তিরা এই ভবনের মূল নকশাকার নন।
মনে রাখুন:
সংসদ ভবন নির্মাণের কাজ ১৯৮২ সালে শেষ হয়, আর কানের মৃত্যু হয়েছিল ১৯৭৪ সালে।
কান ভারতের আহমেদাবাদের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্টেরও নকশা করেছিলেন।
জয়নুল আবেদিন ছিলেন চিত্রশিল্পী।
বিজ্ঞান
- ৩৬. গ্রিনহাউস ইফেক্টের ফলে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্ব ক্ষতি কী হবে?
- ক. বৃষ্টিপাত হবে না
- খ. নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
- গ. মেঘ-রৌদ্রের লুকোচুরি হবে না
- ঘ. সাইক্লোন হবে
উত্তর: খ. নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়লে মেরু অঞ্চলের বরফ গলে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বাড়ে। বাংলাদেশের বেশিরভাগ ভূমি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে খুব সামান্য উঁচু, তাই সমুদ্রের পানি বাড়লে নিম্নভূমি, বিশেষ করে উপকূলের বড় অংশ, তলিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়ে। এর সঙ্গে লোনা পানি ঢুকে ফসল ও সুপেয় পানি নষ্ট করে। এ কারণে গ্রিনহাউস ইফেক্টের সবচেয়ে বড় ক্ষতি হলো নিম্নভূমির নিমজ্জন।
মনে রাখুন:
গ্রিনহাউস গ্যাসের মধ্যে প্রধান হলো কার্বন ডাই-অক্সাইড ও মিথেন।
বায়ুমণ্ডলে ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFC) ও নাইট্রাস অক্সাইডও গ্রিনহাউস গ্যাস।
গ্রিনহাউস ইফেক্টের ফলে সৃষ্ট এই তাপমাত্রা বৃদ্ধিকে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন (Global Warming) বলে। - ৫২. রক্তের লোহিত কণিকার কাজ—
- ক. অক্সিজেন বহন করা
- খ. নাইট্রোজেন বহন করা
- গ. কার্বন ডাই-অক্সাইড বহন করা
- ঘ. রোগ প্রতিরোধ করা
উত্তর: ক. অক্সিজেন বহন করা
আমাদের রক্তে লোহিত রক্তকণিকা (Red Blood Cell) থাকে, যার ভেতরে হিমোগ্লোবিন নামের লাল রঙের প্রোটিন আছে। হিমোগ্লোবিন ফুসফুস থেকে অক্সিজেন নিয়ে সারা শরীরে পৌঁছে দেয়। তাই লোহিত কণিকার প্রধান কাজ অক্সিজেন বহন করা। লোহিত কণিকা তৈরি হয় অস্থিমজ্জায়, আর শরীরে হিমোগ্লোবিনের অভাব হলে রক্তশূন্যতা (Anaemia) দেখা দেয়।
মনে রাখুন:
শ্বেত রক্তকণিকা জীবাণু ধ্বংস করে রোগ প্রতিরোধ করে।
অণুচক্রিকা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে।
হিমোগ্লোবিনে আয়রন বা লোহা থাকে, তাই এর রং লাল। - ৫৩. কোনটি উচ্চ রক্তচাপের জন্য দায়ী?
- ক. থাইরয়েড গ্রন্থি
- খ. পিটুইটারী গ্রন্থি
- গ. অ্যাড্রেনালিন গ্রন্থি
- ঘ. অগ্ন্যাশয়
উত্তর: গ. অ্যাড্রেনালিন গ্রন্থি
অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি (Adrenal Gland) থেকে অ্যাড্রেনালিন নামের হরমোন নিঃসৃত হয়। ভয় বা উত্তেজনার সময় এই হরমোন হৃৎস্পন্দন বাড়ায় এবং রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়। এই গ্রন্থি দুটি আমাদের দুই কিডনির ঠিক ওপরে বসে থাকে। তাই উচ্চ রক্তচাপের সঙ্গে অ্যাড্রেনাল গ্রন্থির সম্পর্ক আছে।
মনে রাখুন:
থাইরয়েড গ্রন্থি থাইরক্সিন হরমোন তৈরি করে, যা বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে।
অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত হয়।
পিটুইটারি গ্রন্থিকে অন্য সব গ্রন্থির নিয়ন্ত্রক বলা হয়। - ৫৪. দুধে বিদ্যমান শর্করা কোনটি?
- ক. ল্যাকটোজ
- খ. গ্যালাকটোজ
- গ. ফ্রুকটোজ
- ঘ. এলাকটোজ
উত্তর: ক. ল্যাকটোজ
দুধে যে শর্করা (Carbohydrate) থাকে, তার নাম ল্যাকটোজ (Lactose)। একে দুধ-শর্করাও বলে। ল্যাকটোজ ভেঙে গ্লুকোজ ও গ্যালাকটোজ তৈরি হয়। গ্যালাকটোজ আর ফ্রুকটোজ দুটোই সরল শর্করা, তবে দুধের শর্করা এই দুটির কোনোটি নয়, বরং দুটি সরল শর্করা মিলে তৈরি ল্যাকটোজ। এলাকটোজ নামে কোনো শর্করা নেই।
মনে রাখুন:
ফ্রুকটোজ ফল ও মধুতে থাকে, তাই এটি ফল-শর্করা।
আখের চিনির নাম সুক্রোজ, যা গ্লুকোজ ও ফ্রুকটোজ মিলে তৈরি।
মল্টোজ বা মাল্ট-শর্করা দুটি গ্লুকোজ মিলে তৈরি। - ৭০. সকালে রংধনু সৃষ্টির কারণ—
- ক. বায়ুস্তর
- খ. ধূলিকণা
- গ. বায়ুমণ্ডল
- ঘ. বৃষ্টির কণা
উত্তর: ঘ. বৃষ্টির কণা
আকাশে ভেসে থাকা বৃষ্টির ছোট ছোট পানিকণার মধ্য দিয়ে সূর্যের আলো গেলে প্রতিসরণ, অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ও আবার প্রতিসরণ হয়। এতে সাদা আলো সাতটি রঙে ভেঙে যায়, আর আমরা তা ধনুকের আকারে দেখি। এটিই রংধনু। বায়ুস্তর, ধূলিকণা বা বায়ুমণ্ডল সরাসরি এর কারণ নয়, কারণ পানিকণা ছাড়া আলো এভাবে ভাঙে না।
মনে রাখুন:
রংধনু দেখতে সূর্য আমাদের পেছনে আর বৃষ্টি সামনে থাকতে হয়।
রংধনুর সাত রঙ: বেগুনি, নীল, আসমানি, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল।
সাদা আলো ভেঙে সাত রঙ হওয়ার ঘটনাকে বিচ্ছুরণ (Dispersion) বলে। - ৭১. শব্দের উৎপত্তির কারণ—
- ক. শব্দ তরঙ্গ
- খ. প্রতিধ্বনি
- গ. বস্তুর কম্পন
- ঘ. বস্তুর তাপমাত্রা
উত্তর: গ. বস্তুর কম্পন
কোনো বস্তুতে আঘাত করলে বা টান দিলে তা দ্রুত কাঁপতে থাকে। এই কম্পন চারপাশের বায়ুকে কাঁপিয়ে তরঙ্গ তৈরি করে, আর তরঙ্গ কানে পৌঁছালে আমরা শব্দ শুনি। তাই কম্পন ছাড়া শব্দ সৃষ্টি হয় না। শব্দ তরঙ্গ হলো কম্পনের ফল, কিন্তু উৎপত্তির মূল কারণ বস্তুর কম্পন।
মনে রাখুন:
শব্দ চলার জন্য মাধ্যম লাগে, তাই শূন্যস্থানে শব্দ চলতে পারে না।
প্রতিধ্বনি হলো শব্দের প্রতিফলনের ফল, যা শুনতে অন্তত প্রায় ১৭ মিটার দূরে প্রতিফলক লাগে।
শব্দ একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ।
গণিত
- ৫৫. যে ত্রিভুজের দুইটি কোণের পরিমাপ ৩০° ও ৬০° সেটি কোন ধরনের ত্রিভুজ?
- ক. সমবাহু
- খ. সমদ্বিবাহু
- গ. সূক্ষ্মকোণী
- ঘ. সমকোণী
উত্তর: ঘ. সমকোণী
ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি 180°। দুটি কোণ 30° ও 60° হলে তৃতীয় কোণ = 180° − (30° + 60°) = 90°। যে ত্রিভুজের একটি কোণ 90°, সেটি সমকোণী ত্রিভুজ। এখানে কোনো দুটি বাহু সমান নয় এবং কোনো কোণ 90°-এর বেশি নয়, তাই এটি সমবাহু বা সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ হতে পারে না।
মনে রাখুন:
30°-60°-90° ত্রিভুজে বাহুগুলোর অনুপাত 1 : √3 : 2।
সূক্ষ্মকোণী ত্রিভুজের তিনটি কোণই 90°-এর চেয়ে ছোট। - ৫৬. একটি সংখ্যার অর্ধেক তার এক-তৃতীয়াংশের চেয়ে ১৭ বেশি। সংখ্যাটি কত?
- ক. ১০২
- খ. ১০৪
- গ. ১০৬
- ঘ. ১০৮
উত্তর: ক. ১০২
ধরি সংখ্যাটি x। শর্ত অনুযায়ী সংখ্যার অর্ধেক, অর্থাৎ x/2, তার এক-তৃতীয়াংশ x/3-এর চেয়ে 17 বেশি। তাই x/2 − x/3 = 17।
অর্থাৎ (3x − 2x)/6 = 17, বা x/6 = 17।
তাহলে x = 17 × 6 = 102।
যাচাই: 102-এর অর্ধেক 51, এক-তৃতীয়াংশ 34, আর 51 − 34 = 17।
মনে রাখুন: ভগ্নাংশযুক্ত সমীকরণে হরগুলোর ল.সা.গু. দিয়ে গুণ করলে সমীকরণ সহজ হয়, এখানে ল.সা.গু. 6। - ৫৭. কোন ভগ্নাংশটি ক্ষুদ্রতম?
- ক. ১১/১৪
- খ. ৫/৬
- গ. ১২/১৫
- ঘ. ১৭/২১
উত্তর: ক. ১১/১৪
ভগ্নাংশগুলোর মান দশমিকে লিখলে তুলনা সহজ হয়: 11/14 ≈ 0.786, 5/6 ≈ 0.833, 12/15 = 0.8, 17/21 ≈ 0.810। সবচেয়ে ছোট মান 0.786, তাই ক্ষুদ্রতম ভগ্নাংশ 11/14।
শর্টকাট: হর সমান করে (ল.সা.গু. 210) লব তুলনা করা যায়: 11/14 = 165/210, 5/6 = 175/210, 12/15 = 168/210, 17/21 = 170/210। লবগুলো 165, 175, 168, 170, এর মধ্যে সবচেয়ে ছোট 165, তাই 11/14।
মনে রাখুন: হর সমান হলে যার লব বড়, ভগ্নাংশটিও বড়। - ৫৮. কতজন শিশুর মধ্যে কোনো ফল না ভেঙে ১১৫টি কমলা এবং ১৩৫টি কলা ভাগ করে দেওয়া যায়?
- ক. ৫
- খ. ১০
- গ. ১২
- ঘ. ১৫
উত্তর: ক. ৫
কোনো ফল না ভেঙে সবাইকে সমান ভাগ দিতে হলে শিশুর সংখ্যা দিয়ে ১১৫ ও ১৩৫ দুটিই নিঃশেষে ভাগ হতে হবে। অর্থাৎ শিশুর সংখ্যা দুই সংখ্যার একটি সাধারণ গুণনীয়ক।
115 = 5 × 23 এবং 135 = 5 × 27, তাই গ.সা.গু. = 5।
বিকল্পের মধ্যে 10, 12 ও 15 কোনোটিই 115-কে নিঃশেষে ভাগ করে না, কেবল 5 করে। তাই শিশু 5 জন।
যাচাই: প্রত্যেক শিশু পাবে 23টি কমলা ও 27টি কলা।
মনে রাখুন: সমান ভাগ করার প্রশ্নে সাধারণত গ.সা.গু. বের করতে হয়। - ৫৯. পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়সের সমষ্টি ৭০ বছর। সাত বছর আগে তাদের বয়সের অনুপাত ছিল ৬ : ১। ৫ বছর পরে তাদের বয়সের অনুপাত কত হবে?
- ক. ৩ : ১
- খ. ৪ : ১
- গ. ৫ : ২
- ঘ. ৭ : ২
উত্তর: ক. ৩ : ১
বর্তমান বয়সের সমষ্টি 70, তাই সাত বছর আগে পিতা ও পুত্র দুজনের বয়স 7 করে কমে সমষ্টি ছিল 70 − 14 = 56। অনুপাত 6 : 1 হলে ভাগসংখ্যা 7, তাই পুত্রের বয়স ছিল 56/7 = 8 এবং পিতার 48।
বর্তমানে পিতা 55 ও পুত্র 15, যাচাই: 55 + 15 = 70।
পাঁচ বছর পরে পিতা 60 ও পুত্র 20, অনুপাত 60 : 20 = 3 : 1।
মনে রাখুন: বয়সের অঙ্কে দুজনের বয়সের পার্থক্য সবসময় একই থাকে, এখানে 40 বছর। - ৬০. যে সমকোণী ত্রিভুজের সূক্ষ্ম কোণদ্বয়ের অন্তর ৮°, তার ক্ষুদ্রতম কোণ কত ডিগ্রি?
- ক. ৩৮°
- খ. ৩৯°
- গ. ৪০°
- ঘ. ৪১°
উত্তর: ঘ. ৪১°
সমকোণী ত্রিভুজের একটি কোণ 90°, আর তিন কোণের সমষ্টি 180°। তাই বাকি দুই সূক্ষ্মকোণের সমষ্টি 90°। ক্ষুদ্রতম কোণ x হলে অন্যটি x + 8°।
তাহলে x + (x + 8°) = 90°, অর্থাৎ 2x = 82°, তাই x = 41°।
যাচাই: 41° + 49° + 90° = 180°।
মনে রাখুন: সমকোণী ত্রিভুজের দুটি সূক্ষ্মকোণ পরস্পর পূরক কোণ। - ৬১. ২ − ৫ − ১২ − ১৯ ... ধারাটির ১২তম পদ—
- ক. −৬০
- খ. −৬৫
- গ. −৭০
- ঘ. −৭৫
উত্তর: ঘ. −৭৫
ধারাটি সমান্তর ধারা (Arithmetic Progression), কারণ পদগুলোর পার্থক্য সবসময় সমান: প্রথম পদ a = 2, সাধারণ অন্তর d = −5 − 2 = −7। পরের পদগুলোর অন্তরও −7, যেমন −12 − (−5) = −7।
n-তম পদ = a + (n − 1)d।
12-তম পদ = 2 + 11 × (−7) = 2 − 77 = −75।
মনে রাখুন: সাধারণ অন্তর ঋণাত্মক হলে ধারার পদগুলো ক্রমশ কমতে থাকে। - ৬২. ০, ১, ২, ৩ দ্বারা গঠিত চার অঙ্কের বৃহত্তম সংখ্যার এবং ক্ষুদ্রতম সংখ্যার বিয়োগফল কত?
- ক. ২৪৪৭
- খ. ২৩৪৭
- গ. ২২০৭
- ঘ. ২১৮৭
উত্তর: ঘ. ২১৮৭
০, ১, ২, ৩ অঙ্ক দিয়ে চার অঙ্কের বৃহত্তম সংখ্যা বানাতে বড় অঙ্কগুলো আগে বসাতে হয়: 3210। ক্ষুদ্রতম সংখ্যা বানানোর সময় খেয়াল রাখতে হয়, যেন প্রথম অঙ্ক 0 না হয়, কারণ তাহলে সংখ্যাটি তিন অঙ্কের হয়ে যায়। তাই ক্ষুদ্রতম সংখ্যা 1023।
বিয়োগফল = 3210 − 1023 = 2187।
মনে রাখুন: ক্ষুদ্রতম সংখ্যায় প্রথমে সবচেয়ে ছোট অশূন্য অঙ্ক 1, তারপর 0, 2, 3 বসে। - ৬৩. টাকায় ৩টি করে বই কিনে ২টি করে বিক্রি করলে শতকরা কত লাভ হবে?
- ক. ২০%
- খ. ৩০%
- গ. ৪০%
- ঘ. ৫০%
উত্তর: ঘ. ৫০%
টাকায় ৩টি করে কিনলে একটির ক্রয়মূল্য 1/3 টাকা। টাকায় ২টি করে বেচলে একটির বিক্রয়মূল্য 1/2 টাকা।
লাভ = 1/2 − 1/3 = 1/6 টাকা।
লাভের হার = (1/6) ÷ (1/3) × 100% = 50%।
শর্টকাট: কেনার সংখ্যা 3 ও বেচার সংখ্যা 2 হলে লাভ = (3 − 2)/2 × 100% = 50%।
মনে রাখুন: লাভ-ক্ষতি সবসময় ক্রয়মূল্যের ওপর হিসাব করা হয়। - ৬৪. যে চতুর্ভুজের কোণগুলোর পরিমাপের অনুপাত ১ : ২ : ২ : ৩ তার বৃহত্তম কোণের পরিমাণ—
- ক. ১২০°
- খ. ১২৫°
- গ. ১৩০°
- ঘ. ১৩৫°
উত্তর: ঘ. ১৩৫°
চতুর্ভুজের চার কোণের সমষ্টি 360°। অনুপাতের যোগফল 1 + 2 + 2 + 3 = 8, তাই প্রতিটি ভাগ 360°/8 = 45°।
বৃহত্তম কোণ = 360° × 3/8 = 135°।
যাচাই: কোণগুলো 45°, 90°, 90°, 135°, যোগফল 360°।
মনে রাখুন: যেকোনো বহুভুজের n সংখ্যক বাহু থাকলে কোণের সমষ্টি (n − 2) × 180°, চতুর্ভুজের জন্য 2 × 180° = 360°। - ৬৫. একটি পাত্রে দুধের ও পানির অনুপাত ৫ : ১। দুধের পরিমাণ পানির পরিমাণ হতে ৮ লিটার বেশি। পানির পরিমাণ কত?
- ক. ২ লিটার
- খ. ৪ লিটার
- গ. ৬ লিটার
- ঘ. ৮ লিটার
উত্তর: ক. ২ লিটার
দুধ ও পানির অনুপাত ৫ : ১, তাই দুধ 5x ও পানি x লিটার ধরা যায়। প্রশ্নে বলা হয়েছে দুধ পানির চেয়ে 8 লিটার বেশি।
পার্থক্য 5x − x = 4x = 8, তাই x = 2।
অতএব পানির পরিমাণ 2 লিটার (এবং দুধ 10 লিটার)।
যাচাই: 10 − 2 = 8 লিটার এবং অনুপাত 10 : 2 = 5 : 1।
মনে রাখুন: অনুপাতের অঙ্কে অজানা একটি গুণক x ধরলে সমাধান সহজ হয়। - ৬৬. ৩, ৪, ৯ এর চতুর্থ সমানুপাতিক কোনটি?
- ক. ৬
- খ. ৮
- গ. ১০
- ঘ. ১২
উত্তর: ঘ. ১২
a : b = c : d হলে d-কে a, b, c-এর চতুর্থ সমানুপাতিক বলে। এখানে 3 : 4 = 9 : x।
আন্তঃগুণফল: 3x = 4 × 9 = 36, তাই x = 12।
যাচাই: 3 : 4 = 9 : 12, কারণ দুটোর মানই 3/4।
মনে রাখুন: তিনটি সংখ্যা a, b, c-এর চতুর্থ সমানুপাতিক = (b × c)/a। আর a : b = b : c হলে b হলো a ও c-এর মধ্যসমানুপাতিক। - ৬৭. অপু, দীপু, নিপু একটি কাজ যথাক্রমে ৬, ১০, ১৫ দিনে করতে পারে। একত্রে তারা কাজটি কত দিনে করতে পারবে?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৪০২১) ২০১৯
- ক. ১২ দিন
- খ. ৯ দিন
- গ. ৬ দিন
- ঘ. ৩ দিন
উত্তর: ঘ. ৩ দিন
তিনজনের এক দিনের কাজ যোগ করলে মিলিত গতি পাওয়া যায়, কারণ যে একটি কাজ ৬ দিনে করে সে এক দিনে কাজের 1/6 অংশ করে। তাই 1/6 + 1/10 + 1/15 = (5 + 3 + 2)/30 = 10/30 = 1/3।
অর্থাৎ একত্রে তারা এক দিনে কাজের 1/3 অংশ করে, তাই পুরো কাজ করতে লাগবে 3 দিন।
মনে রাখুন: একজন একটি কাজ n দিনে করলে এক দিনে সে 1/n অংশ করে। - ৬৮. ৬০ এবং ৮০ এর মধ্যবর্তী বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যা দুইটির অন্তর কত?
- ক. ০২
- খ. ১৪
- গ. ১৬
- ঘ. ১৮
উত্তর: ঘ. ১৮
৬০ ও ৮০-এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো 61, 67, 71, 73, 79। এর মধ্যে বৃহত্তম 79 এবং ক্ষুদ্রতম 61।
অন্তর = 79 − 61 = 18।
মনে রাখুন:
যে সংখ্যা 1 ও নিজেকে ছাড়া আর কোনো সংখ্যা দিয়ে নিঃশেষে বিভাজ্য নয়, তাকে মৌলিক সংখ্যা বলে।
১ থেকে ১০০-এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা ২৫টি। - ৬৯. একটি ক্লাসের ৩০ জন ছাত্রের মধ্যে ১৮ জন ফুটবল খেলে, ১৪ জন ক্রিকেট খেলে, ৫ জন কোনোটিই খেলে না। কতজন উভয় খেলাই খেলে?
- ক. ৩ জন
- খ. ৫ জন
- গ. ৭ জন
- ঘ. ৯ জন
উত্তর: গ. ৭ জন
তিনটি দল আছে: ফুটবল, ক্রিকেট ও কোনোটিই নয়। যারা অন্তত একটি খেলা খেলে, তাদের সংখ্যা 30 − 5 = 25।
সংযুক্ত সূত্র: 25 = 18 + 14 − উভয়, তাই উভয় = 32 − 25 = 7।
অতএব 7 জন উভয় খেলা খেলে।
যাচাই: শুধু ফুটবল 18 − 7 = 11, শুধু ক্রিকেট 14 − 7 = 7, উভয় 7, কোনোটিই নয় 5, মোট 11 + 7 + 7 + 5 = 30।
মনে রাখুন: n(A ∪ B) = n(A) + n(B) − n(A ∩ B)। - ৭২. একটি সংখ্যা ৩০১ হতে যত বড়, ৩৮১ হতে তত ছোট। সংখ্যাটি কত?
- ক. ৩৪০
- খ. ৩৪১
- গ. ৩৪২
- ঘ. ৩৪৩
উত্তর: খ. ৩৪১
সংখ্যাটি 301 থেকে যত বড়, 381 থেকে তত ছোট, অর্থাৎ এটি দুই সংখ্যার ঠিক মাঝখানে। মাঝের সংখ্যা হলো গড়।
(301 + 381)/2 = 682/2 = 341।
যাচাই: 341 − 301 = 40 এবং 381 − 341 = 40।
মনে রাখুন: দুটি সংখ্যা থেকে সমান দূরত্বে থাকা সংখ্যাটি তাদের গাণিতিক গড়। - ৭৩. কোনটি মৌলিক সংখ্যা?
- ক. ৪৯
- খ. ৫১
- গ. ৫৭
- ঘ. ৫৯
উত্তর: ঘ. ৫৯
যে সংখ্যার ১ ও নিজেকে ছাড়া আর কোনো গুণনীয়ক নেই, সেটি মৌলিক সংখ্যা (Prime Number)। এখানে 49 = 7 × 7, 51 = 3 × 17, 57 = 3 × 19, তাই এগুলো যৌগিক সংখ্যা। কিন্তু 59 কে 2, 3, 5 বা 7 কোনোটি দিয়েই ভাগ করা যায় না, তাই 59 মৌলিক। এখানে 7 পর্যন্ত যাচাই করাই যথেষ্ট, কারণ 8² = 64, যা 59-এর চেয়ে বড়।
মনে রাখুন:
2 একমাত্র জোড় মৌলিক সংখ্যা।
1 মৌলিকও নয়, যৌগিকও নয়। - ৭৪. খোকনের মাসিক আয়ের ও ব্যয়ের অনুপাত ২০ : ১৫ হলে, তার মাসিক সঞ্চয় তার আয়ের শতকরা কত অংশে?
- ক. ১৫%
- খ. ২০%
- গ. ২৫%
- ঘ. ৩০%
উত্তর: গ. ২৫%
আয় 20x ও ব্যয় 15x ধরলে সঞ্চয় = 20x − 15x = 5x।
আয়ের কত অংশ সঞ্চয়: (5x/20x) × 100% = 25%।
অনুপাতটি 4 : 3-এর সমান, কারণ 20 : 15 = 4 : 3। তাই আয় 4 ভাগ ধরলে ব্যয় 3 ভাগ আর সঞ্চয় 1 ভাগ, অর্থাৎ আয়ের 1/4 অংশ।
মনে রাখুন: সঞ্চয় = আয় − ব্যয়। - ৭৫. তিনটি ক্রমিক সংখ্যার গুণফল ১২০; তাদের সমষ্টি কত?
- ক. ১৪
- খ. ১৫
- গ. ১৬
- ঘ. ১৭
উত্তর: খ. ১৫
তিনটি ক্রমিক সংখ্যার মাঝেরটি x হলে সংখ্যা তিনটি (x − 1), x ও (x + 1)। 120-এর কাছাকাছি ঘনফল 125, অর্থাৎ 5³, তাই মাঝের সংখ্যা 5-এর কাছাকাছি হবে।
যাচাই: 4 × 5 × 6 = 120, তাই সংখ্যা তিনটি 4, 5, 6।
সমষ্টি = 4 + 5 + 6 = 15।
শর্টকাট: ক্রমিক তিন সংখ্যার সমষ্টি = মাঝের সংখ্যা × 3 = 5 × 3 = 15। - ৭৬. দুইটি ক্রমিক সংখ্যার বর্গের অন্তর ১৯৯ হলে, ছোট সংখ্যাটি কত?
- ক. ৯৯
- খ. ৯৮
- গ. ১০০
- ঘ. ১০১
উত্তর: ক. ৯৯
দুই ক্রমিক সংখ্যা n ও n + 1 ধরলে বর্গের অন্তর = (n + 1)² − n² = 2n + 1।
2n + 1 = 199 হলে 2n = 198, তাই n = 99।
যাচাই: 100² − 99² = 10000 − 9801 = 199।
শর্টকাট: ক্রমিক সংখ্যার বর্গের অন্তর সংখ্যা দুটির যোগফলের সমান, 99 + 100 = 199।
মনে রাখুন: a² − b² = (a + b)(a − b), আর ক্রমিক সংখ্যার ক্ষেত্রে a − b = 1।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়: অন্যান্য পরীক্ষা
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিদ্যুৎ বিভাগ বিদ্যুৎ পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন