লিয়ানা বুকস

বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮: প্রশ্ন ও সমাধান

পরীক্ষা হয়েছে ৪ অক্টোবর ২০১৮। ৯৭টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।

সময় ধরে পরীক্ষা দিন →

বাংলা

  1. ১. আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের প্রথম উপন্যাস কোনটি?
    • ক. খোয়াবনামা
    • খ. অন্য ঘরে অন্য স্বর
    • গ. দোজখের ওম
    • ঘ. চিলেকোঠার সেপাই
    উত্তর: ঘ. চিলেকোঠার সেপাই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস (১৯৪৩–১৯৯৭) বাংলা কথাসাহিত্যের একজন বিখ্যাত লেখক। তাঁর প্রথম উপন্যাস ‘চিলেকোঠার সেপাই’, যেটি ১৯৮৭ সালে প্রকাশিত হয়। এই উপন্যাসে ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের সময়কার ঢাকা শহরের মানুষের জীবন ধরা পড়েছে। অন্য তিনটি বিকল্পের মধ্যে ‘খোয়াবনামা’ তাঁর উপন্যাস হলেও সেটি প্রথম নয়, আর বাকি দুটি উপন্যাসই নয়, সেগুলো গল্পের বই।
    মনে রাখুন:
    তাঁর দ্বিতীয় ও শেষ উপন্যাস ‘খোয়াবনামা’ (১৯৯৬)।
    ‘অন্য ঘরে অন্য স্বর’ (১৯৭৬) ও ‘দোজখের ওম’ (১৯৮৯) তাঁর ছোটগল্পের বই।
    তিনি ১৯৯৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
  2. ২. ভাষা আন্দোলন নিয়ে রচিত প্রথম কবিতা কোনটি?
    • ক. আমার ভায়ের রক্তে রাঙানো
    • খ. কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি
    • গ. স্মৃতির মিনার
    • ঘ. বর্ণমালা আমার দুঃখিনী বর্ণমালা
    উত্তর: খ. কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি
    ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে মাহবুব-উল আলম চৌধুরী ‘কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’ কবিতাটি লেখেন। এটিকেই ভাষা আন্দোলন নিয়ে রচিত প্রথম কবিতা বলা হয়। অনেকে গানের কথা শুনে ‘আমার ভায়ের রক্তে রাঙানো’-কে প্রথম রচনা ভেবে ভুল করেন, কিন্তু ওটি একটি গান, কবিতা নয়।
    মনে রাখুন:
    ভাষা আন্দোলনের অমর গান ‘আমার ভায়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ লিখেছেন আবদুল গাফফার চৌধুরী।
    এ গানের জনপ্রিয় সুর দিয়েছেন আলতাফ মাহমুদ।
    ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে মুনীর চৌধুরীর নাটক ‘কবর’ (১৯৫৩) লেখা হয়।
    ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে।
  3. ৩. কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা?
    • ক. গীতালি
    • খ. মরীচিকা
    • গ. কনকাঞ্জলি
    • ঘ. হোমশিখা
    উত্তর: ক. গীতালি
    ‘গীতালি’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি কাব্যগ্রন্থ, যেটি ১৯১৪ সালে প্রকাশিত হয়। এতে ভক্তি ও জীবনের নানা অনুভূতির গান আছে। বাকি তিনটি নামও বাংলা সাহিত্যের পরিচিত বই, কিন্তু সেগুলো রবীন্দ্রনাথের লেখা নয়।
    মনে রাখুন:
    রবীন্দ্রনাথের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘কবিকাহিনী’ (১৮৭৮)।
    দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ ‘বনফুল’ (১৮৮০)।
    ‘মানসী’ (১৮৯০) ও ‘সোনার তরী’ (১৮৯৪) তাঁর পরিচিত কাব্যগ্রন্থ।
    ‘গীতাঞ্জলি’-র ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কার পান।
  4. ৬. সমষ্টিবাচক বিশেষ্যপদ কোনটি?
    • ক. খাতা
    • খ. সভা
    • গ. পাখি
    • ঘ. ঢাকা
    উত্তর: খ. সভা
    যে বিশেষ্য একসঙ্গে অনেক ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টি বোঝায়, তাকে সমষ্টিবাচক বিশেষ্য (Collective Noun) বলে। ‘সভা’ বলতে অনেক মানুষের জমায়েত বোঝায়, তাই এটি সমষ্টিবাচক। ‘খাতা’ ও ‘পাখি’ একেকটি জাতির সাধারণ নাম, তাই এগুলো জাতিবাচক বিশেষ্য। আর ‘ঢাকা’ একটি নির্দিষ্ট স্থানের নাম, তাই এটি নামবাচক বিশেষ্য।
    উদাহরণ:
    জনতা, সমিতি, বহর, ঝাঁক, দল।
    মনে রাখুন:
    নামবাচক বিশেষ্য: রবীন্দ্রনাথ, পদ্মা।
    বস্তুবাচক বিশেষ্য: সোনা, দুধ।
    ভাববাচক বিশেষ্য: সততা, দয়া।
  5. ১৯. পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ অবলম্বনে রচিত নাটক কোনটি?
    • ক. রক্তাক্ত প্রান্তর
    • খ. পরাক্রম
    • গ. বিদ্রোহী পদ্মা
    • ঘ. নীল দর্পণ
    উত্তর: ক. রক্তাক্ত প্রান্তর
    মুনীর চৌধুরীর ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ নাটকের বিষয় ১৭৬১ সালের পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ। এই যুদ্ধে আহমদ শাহ আবদালির কাছে মারাঠারা পরাজিত হয়। নাটকটি কায়কোবাদের ‘মহাশ্মশান’ মহাকাব্য অবলম্বনে লেখা। অন্য বিকল্পগুলোর মধ্যে ‘নীল দর্পণ’ দীনবন্ধু মিত্রের নাটক, যেটি নীলকরদের অত্যাচার নিয়ে লেখা।
    মনে রাখুন:
    মুনীর চৌধুরীর বিখ্যাত নাটক ‘কবর’ ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে লেখা।
    ‘মহাশ্মশান’ কাব্যটি কায়কোবাদ লিখেছেন, প্রকাশিত হয় ১৯০৪ সালে।
    ‘নীল দর্পণ’ প্রকাশিত হয় ১৮৬০ সালে।
  6. ৩০. 'যুগসন্ধিক্ষণের কবি' হিসেবে পরিচিত কে?
    • ক. বিহারীলাল চক্রবর্তী
    • খ. নবীনচন্দ্র সেন
    • গ. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
    • ঘ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    উত্তর: গ. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
    ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত (১৮১২–১৮৫৯) ‘যুগসন্ধিক্ষণের কবি’ নামে পরিচিত। তাঁর সময়ে বাংলা সাহিত্যে মধ্যযুগের ধারা শেষ হয়ে আধুনিক যুগ শুরু হচ্ছিল। তাঁর কবিতায় পুরোনো রীতির সঙ্গে নতুন নাগরিক বিষয়ও মিশে ছিল। তিনি ‘সংবাদ প্রভাকর’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন, যেটি ১৮৩১ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
    মনে রাখুন:
    কাজী নজরুল ইসলাম = বিদ্রোহী কবি।
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত = অমিত্রাক্ষর ছন্দ ও বাংলা সনেটের প্রবর্তক।
    কায়কোবাদ = ‘মহাশ্মশান’ মহাকাব্যের কবি।
    বিহারীলাল চক্রবর্তী = বাংলা গীতিকবিতার ‘ভোরের পাখি’।
  7. ৩৫. 'পদ্মাবতী' কাব্যের রচয়িতা কে?
    • ক. সৈয়দ সুলতান
    • খ. আলাওল
    • গ. বিদ্যাপতি
    • ঘ. সাবিরিদ খাঁ
    উত্তর: খ. আলাওল
    ‘পদ্মাবতী’ কাব্যের রচয়িতা আলাওল। তিনি মধ্যযুগের কবি এবং আরাকান রাজসভার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। কাব্যটি ১৬৫১ সালে মালিক মুহম্মদ জায়সীর হিন্দি (আওধি ভাষার) কাব্য ‘পদুমাবৎ’ অবলম্বনে লেখা। আরাকানের মন্ত্রী মাগন ঠাকুরের পৃষ্ঠপোষকতায় তিনি এ কাব্য লেখেন। আলাওলের আরেকটি পরিচিত কাব্য ‘সয়ফুলমূলক বদিউজ্জামাল’।
    মনে রাখুন:
    সৈয়দ সুলতানের বিখ্যাত রচনা ‘নবীবংশ’।
    আলাওলের আরও কাব্য: ‘সপ্তপয়কর’, ‘তোহফা’ ও ‘সিকান্দরনামা’।
    সাবিরিদ খাঁ লিখেছেন ‘বিদ্যাসুন্দর’।
  8. ৪০. মুনীর চৌধুরীর 'কবর' নাটকের পটভূমি—
    • ক. ৫২ এর ভাষা আন্দোলন
    • খ. মুক্তিযুদ্ধ
    • গ. পলাশীর যুদ্ধ
    • ঘ. পানিপথের যুদ্ধ
    উত্তর: ক. ৫২ এর ভাষা আন্দোলন
    মুনীর চৌধুরীর ‘কবর’ নাটকের পটভূমি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন। এটি ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম নাটক। মুনীর চৌধুরী জেলে বন্দি থাকার সময় রণেশ দাশগুপ্তের অনুরোধে নাটকটি লেখেন। নাটকটি ১৯৫৩ সালে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রথম মঞ্চস্থ হয়। মজার ব্যাপার হলো, এই নাটকে কোনো নারী চরিত্র নেই।
    মনে রাখুন:
    ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ তাঁর আরেকটি বিখ্যাত নাটক, যার পটভূমি পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ।
    মুনীর চৌধুরী ১৯৭১ সালে শহীদ বুদ্ধিজীবী হিসেবে নিহত হন।
  9. ৪১. বাংলা সাহিত্যের প্রথম আধুনিক উপন্যাস কোনটি?
    • ক. বিষবৃক্ষ
    • খ. রাজসিংহ
    • গ. কপালকুণ্ডলা
    • ঘ. দুর্গেশনন্দিনী
    উত্তর: ঘ. দুর্গেশনন্দিনী
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘দুর্গেশনন্দিনী’ (১৮৬৫) বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ও আধুনিক উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃত। এর পরের বছর ১৮৬৬ সালে ‘কপালকুণ্ডলা’ প্রকাশিত হয়। অন্য দুটি উপন্যাসও বঙ্কিমের, তবে সেগুলো পরে লেখা: ‘বিষবৃক্ষ’ (১৮৭৩) ও ‘রাজসিংহ’ (১৮৮২)।
    মনে রাখুন:
    বাংলা ভাষার প্রথম উপন্যাস নিয়ে ভিন্ন মত আছে, কিন্তু প্রথম সার্থক উপন্যাস হিসেবে ‘দুর্গেশনন্দিনী’কেই ধরা হয়।
    বঙ্কিমের ‘আনন্দমঠ’ (১৮৮২) উপন্যাসেই ‘বন্দে মাতরম’ গানটি আছে।
    তাঁর সম্পাদিত পত্রিকা ‘বঙ্গদর্শন’ (১৮৭২)।
  10. ৫০. 'ধনধান্য পুষ্পভরা, আমাদের এই বসুন্ধরা'—গানের রচয়িতা কে?
    • ক. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
    • খ. অতুল মুখোপাধ্যায়
    • গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • ঘ. কাজী নজরুল ইসলাম
    উত্তর: ক. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
    ‘ধনধান্য পুষ্পভরা, আমাদের এই বসুন্ধরা’ গানটি দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের লেখা। তিনি কবি ও নাট্যকার ছিলেন এবং গানটি তাঁর ‘সাজাহান’ নাটকে ব্যবহার করা হয়েছে। এই গানে দেশমাতৃকার সৌন্দর্যের বর্ণনা আছে। রবীন্দ্রনাথ বা নজরুলের লেখা এটি নয়।
    মনে রাখুন:
    দ্বিজেন্দ্রলালের আরেকটি বিখ্যাত গান ‘বঙ্গ আমার, জননী আমার’।
    তাঁর অন্যান্য নাটক: ‘চন্দ্রগুপ্ত’, ‘নূরজাহান’, ‘মেবার পতন’।
    হাস্যরসাত্মক গানের জন্যও তিনি পরিচিত, তাঁর গানের সংকলন ‘হাসির গান’।
  11. ৫১. 'মুসলিম সাহিত্য সমাজ' প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল কোন সালে?
    • ক. ১৯১৯
    • খ. ১৯৪৭
    • গ. ১৯২৬
    • ঘ. ১৯৩৫
    উত্তর: গ. ১৯২৬
    মুসলিম সাহিত্য সমাজ ১৯২৬ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়। এই সংগঠন ‘বুদ্ধির মুক্তি’ আন্দোলনের জন্য পরিচিত, যেখানে কুসংস্কারের বদলে যুক্তি ও মুক্তচিন্তার চর্চা করা হতো। এর মুখপত্র ছিল ‘শিখা’ পত্রিকা, যা ১৯২৭ থেকে ১৯৩১ সাল পর্যন্ত প্রকাশিত হয়। এই কারণে সংগঠনটির আন্দোলনকে ‘শিখা গোষ্ঠী’র আন্দোলনও বলা হয়।
    মনে রাখুন:
    সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে আবুল হুসেন, কাজী আবদুল ওদুদ ও কাজী মোতাহার হোসেনের নাম উল্লেখযোগ্য।
    এ আন্দোলনের মূল স্লোগান ছিল ‘জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব’।
  12. ৫২. 'যে ভিক্ষা চায় তাকে দান কর' এটি কোন বাক্যের উদাহরণ?
    • ক. যৌগিক বাক্য
    • খ. খন্ড বাক্য
    • গ. সরল বাক্য
    • ঘ. জটিল বাক্য
    উত্তর: ঘ. জটিল বাক্য
    যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের সঙ্গে এক বা একাধিক অপ্রধান খণ্ডবাক্য যুক্ত থাকে, তাকে জটিল বাক্য (Complex Sentence) বলে। ‘যে ভিক্ষা চায়’ একটি অপ্রধান খণ্ডবাক্য, আর ‘তাকে দান কর’ প্রধান খণ্ডবাক্য। দুটি অংশ ‘যে–তাকে’ সাপেক্ষ সর্বনামে যুক্ত, তাই বাক্যটি জটিল। এখানে দুটি অংশই স্বাধীন নয় বলে এটিকে যৌগিক বাক্য বলা যাবে না।
    মনে রাখুন:
    একটিমাত্র ক্রিয়া থাকলে সরল বাক্য, আর ‘এবং, কিন্তু, অথবা’ দিয়ে সমান মর্যাদার বাক্য জুড়লে যৌগিক বাক্য হয়।
    জটিল বাক্যে সাধারণত যে–সে, যেমন–তেমন, যদি–তবে জাতীয় সাপেক্ষ শব্দ থাকে।
    উদাহরণ: যদি বৃষ্টি হয়, তবে খেলা হবে না।
  13. ৫৩. কোনটি শুদ্ধ?
    • ক. দারিদ্র্য
    • খ. দারীদ্র্য
    • গ. দারিদ্রতা
    • ঘ. দারিদ্র্যতা
    উত্তর: ক. দারিদ্র্য
    প্রমিত বানান অনুযায়ী শুদ্ধ রূপটি ‘দারিদ্র্য’। শব্দটি এসেছে ‘দরিদ্র’ থেকে, আর এর মধ্যে ভাব বা অবস্থার অর্থ আগে থেকেই আছে। ‘দারিদ্র্যতা’ ও ‘দরিদ্রতা’-র মতো রূপে একই অর্থ দুইবার প্রকাশ পায়, তাই এগুলো অশুদ্ধ ধরা হয়। ‘দারীদ্র্য’-এ ‘রি’-র জায়গায় ‘রী’ লেখা হয়েছে, যা ভুল।
    মনে রাখুন:
    একই ধরনের দ্বিরুক্ত ভুল: সৌন্দর্য শব্দে ‘তা’ যোগ করে সৌন্দর্যতা লেখা ঠিক নয়।
    শুদ্ধ শব্দ: মাধুর্য, ঐশ্বর্য, বৈচিত্র্য।
    অশুদ্ধ রূপ: ঐশ্বর্যতা, মাধুর্যতা।
  14. ৫৫. 'আগুন' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
    • ক. ভাতি
    • খ. অনল
    • গ. অংশু
    • ঘ. জ্যোতি
    উত্তর: খ. অনল
    ‘আগুন’ শব্দের সমার্থক শব্দ অনল। এর আরও সমার্থক শব্দ হলো বহ্নি, পাবক, হুতাশন ও দহন। বাকি তিনটি শব্দ ভাতি, অংশু ও জ্যোতি কিরণ বা আলোর সমার্থক শব্দ, তাই এগুলো আগুনের প্রতিশব্দ নয়।
    মনে রাখুন:
    সূর্যের সমার্থক শব্দ ভানু, রবি, দিবাকর, ভাস্কর।
    জলের সমার্থক শব্দ বারি, নীর, সলিল।
    একই ধরনের প্রশ্নে সমার্থক শব্দ আর আলাদা অর্থের শব্দ গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়।
  15. ৫৮. 'অলক' শব্দের অর্থ কী?
    • ক. দুল
    • খ. ফুল
    • গ. কুল
    • ঘ. চুল
    উত্তর: ঘ. চুল
    ‘অলক’ শব্দের অর্থ চুল, বিশেষ করে কপালের ওপর পড়া কোঁকড়ানো চুল। এর সমার্থক শব্দ কেশ, চিকুর, কুন্তল ও কেশদাম। অন্য বিকল্পগুলো আলাদা শব্দ: দুল মানে কানের গহনা, ফুল মানে পুষ্প, আর কুল মানে বংশ বা তীর।
    মনে রাখুন:
    অলকা নামের স্থানটি কুবেরের নগরী, তাই ‘অলক’ আর ‘অলকা’ এক নয়।
    চুলের অন্যান্য প্রতিশব্দ: বেণি, কবরী, কেশর।
  16. ৬২. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস 'শ্যামল ছায়া'র রচয়িতা কে?
    • ক. হুমায়ূন আহমেদ
    • খ. আবু ইসহাক
    • গ. আনোয়ার পাশা
    • ঘ. সেলিনা হোসেন
    উত্তর: ক. হুমায়ূন আহমেদ
    ‘শ্যামল ছায়া’ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস, যার লেখক হুমায়ূন আহমেদ। উপন্যাসটি একটি চলচ্চিত্রেও রূপ পেয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তাঁর আরও কয়েকটি উপন্যাস হলো ‘জোছনা ও জননীর গল্প’, ‘আগুনের পরশমণি’ ও ‘অনিল বাগচীর একদিন’।
    মনে রাখুন:
    ‘আগুনের পরশমণি’ চলচ্চিত্রের জন্য তিনি জাতীয় পুরস্কারও পেয়েছেন।
    হুমায়ূন আহমেদের প্রথম উপন্যাস ‘নন্দিত নরকে’ (১৯৭২)।
    মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আরও উপন্যাস: সেলিনা হোসেনের ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’, আনোয়ার পাশার ‘রাইফেল রোটি আওরাত’।
  17. ৬৩. কোনটি বাঙালির মুক্তি চেতনায় উজ্জীবনমূলক নাটক?
    • ক. নূরলদীনের সারাজীবন
    • খ. রক্তাক্ত প্রান্তর
    • গ. শর্মিষ্ঠা
    • ঘ. একেই কি বলে সভ্যতা
    উত্তর: ক. নূরলদীনের সারাজীবন
    সৈয়দ শামসুল হকের ‘নূরলদীনের সারাজীবন’ একটি কাব্যনাট্য, যা ১৭৮৩ সালের রংপুর কৃষক বিদ্রোহের নেতা নূরলদীনকে নিয়ে লেখা। এতে বাঙালির স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা ও মুক্তির চেতনা প্রবলভাবে ফুটে উঠেছে। নাটকটি রংপুরের আঞ্চলিক ভাষায় এবং পয়ার ছন্দে রচিত। অন্য বিকল্পগুলোর বিষয় আলাদা, তাই এগুলো এই পরিচয়ে মেলে না।
    মনে রাখুন:
    শর্মিষ্ঠা = মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম নাটক।
    রক্তাক্ত প্রান্তর = মুনীর চৌধুরীর নাটক।
    একেই কি বলে সভ্যতা = মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রহসন।
    সৈয়দ শামসুল হকের আরেকটি পরিচিত নাটক ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’।
  18. ৬৭. কোনটি তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ?
    • ক. রাঙাআলু
    • খ. রসরঙ্গ
    • গ. ভাঙাগড়া
    • ঘ. বঙ্গভঙ্গ
    উত্তর: ঘ. বঙ্গভঙ্গ
    তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় এবং পরপদের অর্থই প্রধান থাকে। ‘বঙ্গভঙ্গ’ শব্দের ব্যাসবাক্য ‘বঙ্গের ভঙ্গ’, যেখানে ষষ্ঠী বিভক্তি লোপ পেয়েছে, তাই এটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস। বাকি শব্দগুলো আলাদা সমাস: রাঙাআলু কর্মধারয়, ভাঙাগড়া দ্বন্দ্ব এবং রসরঙ্গ দ্বন্দ্ব।
    উদাহরণ:
    রাজার পুত্র = রাজপুত্র।
    মনে রাখুন:
    কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণ মিলে একটি পদ হয়, যেমন রাঙা যে আলু = রাঙাআলু।
    দ্বন্দ্ব সমাসে দুটি পদেরই অর্থ প্রধান থাকে, যেমন ভাঙা ও গড়া = ভাঙাগড়া।
  19. ৭১. 'কবিতা' পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?
    • ক. বিষ্ণু দে
    • খ. কাজী নজরুল ইসলাম
    • গ. বুদ্ধদেব বসু
    • ঘ. হুমায়ুন কবির
    উত্তর: গ. বুদ্ধদেব বসু
    ‘কবিতা’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন বুদ্ধদেব বসু। তিনি ১৯৩৫ সালে এটি শুরু করেন, আর এটি বাংলা কবিতা ও কবিতা-সমালোচনার একটি প্রধান পত্রিকা হিসেবে পরিচিত হয়। তাঁর সম্পাদিত আরেকটি পত্রিকার নাম ‘প্রগতি’। নজরুল ‘ধূমকেতু’ সম্পাদনা করেছিলেন, ‘কবিতা’ নয়।
    মনে রাখুন:
    বুদ্ধদেব বসুর বিখ্যাত কবিতার বই ‘বন্দির বন্দনা’ ও ‘কঙ্কাবতী’।
    হুমায়ূন কবির সম্পাদনা করেছিলেন ‘চতুরঙ্গ’ পত্রিকা।
    বুদ্ধদেব বসু ১৯০৮ সালে জন্মেছিলেন এবং ১৯৭৪ সালে মারা যান।
  20. ৭৪. বাংলা ভাষায় রচিত সবচেয়ে প্রাচীন গ্রন্থ কোনটি?
    • ক. মহাভারত
    • খ. রামায়ণ
    • গ. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
    • ঘ. চর্যাপদ
    উত্তর: ঘ. চর্যাপদ
    বাংলা ভাষার সবচেয়ে প্রাচীন নিদর্শন চর্যাপদ। ১৯০৭ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এর পুঁথি আবিষ্কার করেন, আর ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি ‘হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা’ নামে বই আকারে বের হয়। অন্য বিকল্পগুলোর মধ্যে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন, আর মহাভারত ও রামায়ণ মধ্যযুগে অনূদিত।
    মনে রাখুন:
    চর্যাপদের পদকর্তাদের মধ্যে লুইপা, কাহ্নপা ও ভুসুকুপা বিখ্যাত।
    লুইপা চর্যাপদের আদি কবি, আর কাহ্নপার পদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
    বাংলা রামায়ণের অনুবাদক কৃত্তিবাস ওঝা।
    চর্যাপদের ভাষাকে বলা হয় প্রাচীন বাংলা।
  21. ৭৫. কোনটি প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দ?
    • ক. বিলাতি
    • খ. বিরতি
    • গ. বিফল
    • ঘ. বিকাল
    উত্তর: খ. বিরতি
    ‘বিরতি’ শব্দটি গঠিত হয়েছে বি + রম্ + তি দিয়ে, যেখানে ‘তি’ একটি কৃৎ প্রত্যয়, তাই এটি প্রত্যয়যোগে গঠিত। ‘বিফল’ (বি + ফল) ও ‘বিকাল’ (বি + কাল) উপসর্গযোগে গঠিত। ‘বিলাতি’ শব্দটি বিদেশি ‘বিলায়েত’ থেকে এসেছে, আর এর শুরুর ‘বি’ কোনো উপসর্গ নয়।
    মনে রাখুন:
    প্রত্যয় শব্দের শেষে বসে, আর উপসর্গ শব্দের আগে বসে।
    ধাতুর সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে, যেমন চল্ + অন্ত = চলন্ত।
    শব্দের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে, যেমন ঢাকা + ই = ঢাকাই।
  22. ৮২. কোনটি পর্তুগিজ শব্দ?
    • ক. চাকু
    • খ. ছুরি
    • গ. চামচ
    • ঘ. আলপিন
    উত্তর: ঘ. আলপিন
    ‘আলপিন’ পর্তুগিজ ভাষা থেকে আসা শব্দ। পর্তুগিজরা বাংলায় ব্যবসা করতে এসে অনেক শব্দ রেখে গেছে। বাকি শব্দগুলোর উৎস আলাদা: ‘চাকু’ তুর্কি শব্দ, ‘চামচ’ ফারসি শব্দ, আর ‘ছুরি’ বাংলা ভাষায় বহুদিন ধরে প্রচলিত শব্দ।
    মনে রাখুন:
    পর্তুগিজ শব্দ: আনারস, আলমারি, গির্জা, গুদাম, চাবি, বালতি, পাউরুটি।
    আরও কিছু পর্তুগিজ শব্দ: জানালা, বোতাম, পেরেক, সাবান।
  23. ৮৩. সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য কোন পদে বেশি দেখা যায়?আরও এসেছে: বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসার (জেনারেল) ২০২২
    • ক. বিশেষ্য ও ক্রিয়া
    • খ. বিশেষণ ও ক্রিয়া
    • গ. বিশেষ্য ও বিশেষণ পদে
    • ঘ. ক্রিয়া ও সর্বনাম
    উত্তর: ঘ. ক্রিয়া ও সর্বনাম
    সাধু ও চলিত ভাষার প্রধান পার্থক্য ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদে দেখা যায়। যেমন সাধু ভাষায় ‘করিতেছে, তাহারা, তাহাকে’, আর চলিত ভাষায় সেগুলো হয় ‘করছে, তারা, তাকে’। বিশেষ্য ও বিশেষণে এত বড় পার্থক্য সাধারণত দেখা যায় না।
    উদাহরণ:
    সাধু: তিনি বাড়ি যাইতেছেন।
    চলিত: তিনি বাড়ি যাচ্ছেন।
    মনে রাখুন:
    সাধু ভাষায় প্রমথ চৌধুরীর ‘সবুজপত্র’ (১৯১৪) পত্রিকা চলিত ভাষার প্রচারে বড় ভূমিকা রাখে।
    সাধু ভাষা গুরুগম্ভীর, চলিত ভাষা সহজ ও মুখের ভাষার কাছাকাছি।
  24. ৮৫. 'যে আপনার রং লুকায়' তাকে এককথায় বলে—
    • ক. ভূতপূর্ব
    • খ. ফুলেল
    • গ. অদৃশ্য
    • ঘ. বর্ণচোরা
    উত্তর: ঘ. বর্ণচোরা
    ‘যে আপনার রং লুকায়’ বাক্যাংশের এককথায় প্রকাশ বর্ণচোরা। যেমন বর্ণচোরা আম, যার পাকা অবস্থাতেও রং সবুজ থাকে। অন্য বিকল্পগুলোর অর্থ আলাদা: ভূতপূর্ব মানে যা আগে ছিল, ফুলেল মানে ফুলের গন্ধযুক্ত, আর অদৃশ্য মানে যা দেখা যায় না।
    মনে রাখুন:
    বর্ণচোরা ব্যক্তি বলতে যে নিজের আসল পরিচয় গোপন করে, তাকেও বোঝায়।
    যা আগে কখনো ঘটেনি তা অভূতপূর্ব।
    যে কম কথা বলে সে মিতভাষী।
  25. ৮৭. 'গিন্নি' কোন শ্রেণির শব্দ?
    • ক. অর্ধ-তৎসম
    • খ. খাঁটি বাংলা
    • গ. দেশি
    • ঘ. বিদেশি
    উত্তর: ক. অর্ধ-তৎসম
    যেসব শব্দ সংস্কৃত থেকে সামান্য বদলে বাংলায় এসেছে, সেগুলোকে অর্ধ-তৎসম শব্দ বলে। ‘গিন্নি’ এসেছে সংস্কৃত ‘গৃহিণী’ থেকে, তাই এটি অর্ধ-তৎসম। এটি বিদেশি বা দেশি শব্দ নয়, আর প্রাকৃতের পথে পরিবর্তিত খাঁটি তদ্ভব শব্দও নয়।
    মনে রাখুন:
    অর্ধ-তৎসম শব্দ: জ্যোছনা (জ্যোৎস্না), বোষ্টম (বৈষ্ণব), কুচ্ছিত (কুৎসিত), ছেরাদ্ধ (শ্রাদ্ধ)।
    তৎসম শব্দ সংস্কৃত থেকে অবিকৃত আসে, যেমন চন্দ্র।
    তদ্ভব শব্দ সংস্কৃত থেকে প্রাকৃতের মাধ্যমে বদলে এসেছে, যেমন চাঁদ।
  26. ৮৮. 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তনকাব্য'-এর রচয়িতা কে?
    • ক. বড়ু চণ্ডীদাস
    • খ. বৃন্দাবন দাস
    • গ. কাহ্নপা
    • ঘ. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
    উত্তর: ক. বড়ু চণ্ডীদাস
    ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস। এটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন, যার পুঁথি বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ বাঁকুড়ার এক গ্রাম থেকে উদ্ধার করেন। কাব্যটির প্রধান তিন চরিত্র কৃষ্ণ, রাধা ও বড়াই। কাব্যটি ১৩টি খণ্ডে বিভক্ত।
    মনে রাখুন:
    পুঁথিটি আবিষ্কৃত হয় ১৯০৯ সালে এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশিত হয়।
    মুকুন্দরাম চক্রবর্তী ‘চণ্ডীমঙ্গল’ কাব্যের কবি।
    কাহ্নপা চর্যাপদের কবি।
    বৃন্দাবন দাস ‘চৈতন্যভাগবত’ লিখেছেন।
  27. ৯১. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম বাংলা উপন্যাস কোনটি?
    • ক. দুর্গেশনন্দিনী
    • খ. সীতারাম
    • গ. বিষবৃক্ষ
    • ঘ. আনন্দমঠ
    উত্তর: ক. দুর্গেশনন্দিনী
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম বাংলা উপন্যাস ‘দুর্গেশনন্দিনী’, যেটি ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয়। এর পরে বের হয় কপালকুণ্ডলা (১৮৬৬), বিষবৃক্ষ (১৮৭৩), আনন্দমঠ (১৮৮২) ও সীতারাম (১৮৮৭)। ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাসে ‘বন্দে মাতরম’ গানটি আছে।
    মনে রাখুন:
    বঙ্কিমের প্রথম উপন্যাস আসলে ইংরেজিতে লেখা ‘Rajmohan’s Wife’, কিন্তু বাংলায় প্রথম ‘দুর্গেশনন্দিনী’।
    তাঁর আরও উপন্যাস: ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ (১৮৭৮) ও ‘দেবী চৌধুরানী’ (১৮৮৪)।

ইংরেজি

  1. ৪. Which one of the following is written by William Shakespeare?
    • ক. Sons and Lovers
    • খ. Pride and Prejudice
    • গ. Man and Superman
    • ঘ. Romeo and Juliet
    উত্তর: ঘ. Romeo and Juliet
    Romeo and Juliet উইলিয়াম শেক্সপিয়রের লেখা একটি বিখ্যাত ট্র্যাজেডি (Tragedy) নাটক। এতে দুই শত্রু পরিবারের দুই তরুণ-তরুণীর ভালোবাসা ও করুণ পরিণতি দেখানো হয়েছে। বাকি বইগুলো অন্য লেখকের: Sons and Lovers লিখেছেন ডি. এইচ. লরেন্স, Pride and Prejudice লিখেছেন জেন অস্টিন এবং Man and Superman লিখেছেন জর্জ বার্নার্ড শ।
    মনে রাখুন:
    শেক্সপিয়রের চার বিখ্যাত ট্র্যাজেডি হলো Hamlet, Othello, King Lear ও Macbeth।
    তাঁর বিখ্যাত কমেডি (Comedy): A Midsummer Night’s Dream, As You Like It, The Merchant of Venice।
    শেক্সপিয়র ১৫৬৪ সালে জন্মেছিলেন এবং ১৬১৬ সালে মারা যান।
  2. ৯. Fill in the blank with appropriate preposition : Jobs are hard to come — these days.
    • ক. by
    • খ. with
    • গ. to
    • ঘ. from
    উত্তর: ক. by
    Come by একটি phrasal verb, যার অর্থ কোনো কিছু পাওয়া বা জোগাড় করা। তাই বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায়, আজকাল চাকরি পাওয়া কঠিন (Jobs are hard to come by these days)। অন্য preposition বসালে এই অর্থ আসে না, কারণ come with, come to বা come from আলাদা অর্থ প্রকাশ করে।
    মনে রাখুন:
    Come across মানে হঠাৎ দেখা পাওয়া।
    Come up with মানে কোনো ধারণা বের করা।
    Come from মানে কোনো জায়গা থেকে আসা।
    উদাহরণ: Good friends are hard to come by.
  3. ১০. The word 'massacre' is :
    • ক. both noun and verb
    • খ. adjective
    • গ. noun
    • ঘ. verb
    উত্তর: ক. both noun and verb
    Massacre শব্দটি noun এবং verb দুই রূপেই ব্যবহৃত হয়। Noun হিসেবে এর অর্থ নির্মম গণহত্যা, যেমন: The massacre shocked the world। আর verb হিসেবে এর অর্থ নির্মমভাবে অনেক মানুষকে হত্যা করা, যেমন: The soldiers massacred the villagers। এই কারণে শুধু noun বা শুধু verb বলা ঠিক নয়, আর শব্দটি কখনো adjective হিসেবে ব্যবহার হয় না।
    মনে রাখুন:
    Massacre শব্দটি এসেছে ফরাসি ভাষা থেকে।
    এর কাছাকাছি অর্থের শব্দ: slaughter, carnage, genocide।
    Genocide বলতে কোনো জাতি বা গোষ্ঠীকে পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করাকে বোঝায়।
  4. ১১. The boat — in the padma.
    • ক. sank
    • খ. sunk
    • গ. drowned
    • ঘ. sink
    উত্তর: ক. sank
    Sink শব্দটি irregular verb, যার তিনটি রূপ হলো sink, sank, sunk। বাক্যে নৌকা ডুবে যাওয়ার কথা অতীতকালে বলা হচ্ছে এবং আগে কোনো helping verb নেই, তাই past form sank বসবে: The boat sank in the Padma। Sunk বসাতে হলে আগে has, have বা had লাগত। Drowned শব্দটি সাধারণত প্রাণী বা মানুষ পানিতে ডুবে মরার ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়, নৌকার জন্য নয়।
    মনে রাখুন:
    sink – sank – sunk; drink – drank – drunk।
    swim – swam – swum; ring – rang – rung।
    উদাহরণ: The man drowned in the river.
  5. ১৪. Which word is similar to 'contract'?
    • ক. arrangement
    • খ. management
    • গ. settlement
    • ঘ. agreement
    উত্তর: ঘ. agreement
    Contract শব্দের অর্থ চুক্তি, আর Agreement শব্দের অর্থও চুক্তি বা সম্মতি, তাই এ দুটি সমার্থক। অন্য শব্দগুলোর অর্থ আলাদা: Arrangement মানে বিন্যাস বা আয়োজন, Management মানে ব্যবস্থাপনা এবং Settlement মানে নিষ্পত্তি বা মীমাংসা।
    মনে রাখুন:
    Contract শব্দটি verb হলে এর অর্থ সংকুচিত হওয়া, যেমন: Metals contract when cooled।
    সংকুচিত হওয়ার অর্থে Contract-এর বিপরীত শব্দ Expand।
    চুক্তির অর্থে আরও কিছু সমার্থক শব্দ: pact, treaty, deal।
  6. ১৭. 'It has been raining hard all day.' This is an example of—
    • ক. present indefinite tense
    • খ. present perfect continuous tense
    • গ. present continuous tense
    • ঘ. present perfect tense
    উত্তর: খ. present perfect continuous tense
    ‘It has been raining hard all day’ বাক্যে has been raining আছে, যা Present Perfect Continuous Tense-এর গঠন। এর structure হলো Subject + has/have + been + verb-ing। অতীতে শুরু হওয়া কাজ এখনো চলছে বোঝাতে এই tense ব্যবহার হয়, আর এখানে all day সেই সময়কাল দেখাচ্ছে। Present Perfect Tense হলে শুধু has/have + past participle থাকত, কোনো been বা verb-ing থাকত না।
    উদাহরণ:
    She has been reading for two hours.
    মনে রাখুন: এই tense-এ সাধারণত since (কখন থেকে) ও for (কতক্ষণ ধরে) ব্যবহার হয়।
  7. ২০. What is the superlative degree of 'bad'?
    • ক. worse
    • খ. best
    • গ. worst
    • ঘ. least
    উত্তর: গ. worst
    Bad শব্দের তিনটি degree হলো Bad (positive), Worse (comparative) এবং Worst (superlative)। তাই superlative degree হলো worst। Best হলো Good-এর superlative আর Least হলো Little-এর superlative। Worse হলো comparative, তাই সেটিও এখানে সঠিক নয়।
    মনে রাখুন:
    Good – Better – Best; Little – Less – Least; Much/Many – More – Most।
    Old – Older – Oldest (বয়স), আবার Old – Elder – Eldest (পরিবারের সদস্যের ক্ষেত্রে)।
    Late – Later – Latest (সময়), আবার Late – Latter – Last (ক্রম)।
  8. ২৪. 'Nobody believes a liar.' The correct passive form of the above sentence is :
    • ক. A liar is never believed by anyone.
    • খ. A liar should not be believed by anybody.
    • গ. A liar is not believed by anybody.
    • ঘ. A liar is believed by nobody.
    উত্তর: গ. A liar is not believed by anybody.
    ‘Nobody’ যুক্ত বাক্য negative অর্থ দেয়, তাই passive করার সময় not বসিয়ে by-এর পরে anybody ব্যবহার করা হয়। Active-এর Nobody believes a liar থেকে তাই হয় A liar is not believed by anybody। অন্য বিকল্পে A liar is believed by nobody ব্যাকরণগতভাবে সম্ভব হলেও এটি প্রচলিত নিয়মে সঠিক রূপ নয়, আর never বা should যোগ করলে অর্থ বদলে যায়।
    Present indefinite tense-এর passive-এর structure: Object + is/am/are + (not) + past participle + by + subject।
    মনে রাখুন: Nobody, no one, none থাকলে passive-এ সাধারণত not + anybody/anyone বসে।
  9. ২৬. We saw them — to university.
    • ক. to go
    • খ. both
    • গ. go
    • ঘ. going
    উত্তর: ঘ. going
    See, hear, watch ও feel-এর মতো ইন্দ্রিয়বাচক verb-এর পর object বসলে সেই কাজকে চলমান অবস্থায় দেখানোর জন্য verb-ing ব্যবহার করা যায়। তাই We saw them going to university বাক্যটি সঠিক। অর্থ হলো, আমরা তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে দেখলাম। To go বসালে বাক্যটি এই গঠনে ভুল হয়ে যায়।
    মনে রাখুন:
    কাজটি পুরোপুরি শেষ হওয়া বোঝাতে bare infinitive (We saw them go) বসানোও চলে, তবে এখানে বিকল্পে ing-যুক্ত রূপটিই প্রশ্নের উদ্দেশ্য।
    উদাহরণ:
    I heard the birds singing.
    He watched the children playing.
  10. ২৮. Choose the correct question tag to complete the sentence below : 'You have detected the problem already,—?'
    • ক. have you
    • খ. didn't you
    • গ. isn't it
    • ঘ. haven't you
    উত্তর: ঘ. haven't you
    Question tag বানানোর নিয়ম হলো, বাক্য positive হলে tag negative হয় এবং বাক্যের auxiliary verb-ই tag-এ আসে। এখানে বাক্যে have detected আছে, অর্থাৎ auxiliary verb ‘have’, আর বাক্যটি positive। তাই tag হবে haven't you? Did বা is ব্যবহার করলে auxiliary মেলে না, আবার শুধু have you হলে negative অংশ থাকে না।
    উদাহরণ:
    She is a doctor, isn't she?
    They don't know, do they?
    মনে রাখুন:
    I am-এর tag হয় aren't I?
    Let's-এর tag হয় shall we?
    Nobody বা everybody থাকলে tag-এ সাধারণত they বসে।
  11. ২৯. Identify the correct sentence :
    • ক. She prefers dancing to singing.
    • খ. She prefers to dance than to sing.
    • গ. She prefers dancing more than singing.
    • ঘ. She prefers dance to sing.
    উত্তর: ক. She prefers dancing to singing.
    Prefer দিয়ে দুটি কাজের তুলনা করলে দুই জায়গাতেই verb-ing বসে এবং মাঝখানে to থাকে: prefers dancing to singing। Prefer-এর সঙ্গে than বা more than ব্যবহার করা যায় না। তাছাড়া দুটি infinitive দিয়ে তুলনা করতে হলে rather than ব্যবহার করতে হয়, যেমন: She prefers to dance rather than sing। বিকল্প D-তে She prefers dance to sing ব্যাকরণসম্মত নয়।
    উদাহরণ:
    I prefer tea to coffee.
    মনে রাখুন: Prefer-এর পরে preposition হিসেবে সবসময় to আসে, than নয়।
  12. ৪২. Which one does not mean the opposite of 'old'?
    • ক. new
    • খ. recent
    • গ. young
    • ঘ. different
    উত্তর: ঘ. different
    Old শব্দের বিপরীত বোঝাতে new (নতুন), recent (সাম্প্রতিক) ও young (তরুণ) ব্যবহার করা যায়। কিন্তু different মানে ভিন্ন বা আলাদা, যার সঙ্গে পুরোনো বা নতুনের সরাসরি কোনো বিপরীত সম্পর্ক নেই। তাই different এখানে বিপরীত শব্দ নয়। প্রশ্নটি তাই ‘কোনটি opposite নয়’ খুঁজতে বলছে।
    মনে রাখুন:
    Old-এর আরেকটি বিপরীত শব্দ modern।
    Old-এর সমার্থক শব্দ aged, elderly ও ancient।
    Different-এর সমার্থক শব্দ distinct ও unlike।
  13. ৪৩. I am looking forward — her.আরও এসেছে: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পিটিআই ইন্সট্রাক্টর ২০১৬
    • ক. to see
    • খ. for seeing
    • গ. to seeing
    • ঘ. seeing
    উত্তর: গ. to seeing
    Look forward to-এর মধ্যকার to এখানে infinitive-এর অংশ নয়, বরং একটি preposition। আর preposition-এর পর verb বসলে সেই verb-এর সঙ্গে ing যুক্ত হয়। তাই সঠিক রূপ looking forward to seeing। অর্থ হলো, আমি তাঁকে দেখার অপেক্ষায় আছি। To see বা for seeing বসালে বাক্যটি ব্যাকরণসম্মত থাকে না।
    উদাহরণ:
    We are looking forward to meeting you.
    মনে রাখুন:
    একই রকম to-যুক্ত অভিব্যক্তি: be used to, object to, be accustomed to। এদের পরেও verb-ing বসে।
  14. ৪৬. Which one is a conjunction?
    • ক. very
    • খ. for
    • গ. up
    • ঘ. or
    উত্তর: ঘ. or
    Conjunction হলো সেই শব্দ, যা দুটি শব্দ, বাক্যাংশ বা বাক্যকে যুক্ত করে। বিকল্পগুলোর মধ্যে or এমন একটি যোগ করার শব্দ, যেমন: Work or you will fail। Very একটি adverb, আর up একটি preposition বা adverb।
    মনে রাখুন:
    for সাধারণত preposition, যদিও কারণ বোঝাতে এটি conjunction হিসেবেও আসে (FANBOYS: for, and, nor, but, or, yet, so)।
    অধীন বাক্য যুক্ত করে এমন conjunction-এর উদাহরণ: because, although, if, when।
    উদাহরণ: He is poor but honest.
  15. ৪৭. What is the meaning of the word 'viva voce'?
    • ক. Examination
    • খ. A spoken examination
    • গ. Face to face
    • ঘ. Interview
    উত্তর: খ. A spoken examination
    Viva voce একটি ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ, যার আক্ষরিক অর্থ ‘জীবন্ত কণ্ঠে’। ইংরেজিতে এটি মৌখিক পরীক্ষা (A spoken examination) বোঝায়। Interview ও Face to face অর্থের কাছাকাছি মনে হলেও শব্দগুচ্ছটির নির্দিষ্ট অর্থ মৌখিক পরীক্ষা, যেটি সাধারণত লিখিত পরীক্ষার পরে নেওয়া হয়।
    মনে রাখুন:
    সংক্ষেপে একে viva-ও বলা হয়।
    অন্যান্য ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ: bona fide (সরল বিশ্বাসে), alma mater (নিজের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান), status quo (বিদ্যমান অবস্থা), vice versa (উল্টোভাবে)।
  16. ৫৬. A speech delivered without preparation is called—
    • ক. verbose
    • খ. maiden
    • গ. straight forward
    • ঘ. extempore
    উত্তর: ঘ. extempore
    পূর্বপ্রস্তুতি ছাড়া হঠাৎ দেওয়া বক্তৃতাকে extempore speech বলে। এ কথাটি ল্যাটিন ex tempore থেকে এসেছে, যার অর্থ তখনকার সময় অনুযায়ী বা তাৎক্ষণিক। অন্য বিকল্পগুলোর অর্থ আলাদা: Verbose মানে বাগাড়ম্বরপূর্ণ, Maiden মানে প্রথম, আর Straightforward মানে সোজাসাপ্টা।
    উদাহরণ:
    He gave an extempore speech at the party.
    মনে রাখুন:
    Maiden speech বলতে কারও প্রথম বক্তৃতা বোঝায়, যেমন সংসদে নতুন সদস্যের প্রথম ভাষণ।
    Extempore-এর কাছাকাছি অর্থের শব্দ impromptu।
  17. ৬৪. Noun form of the word 'beautiful' is :
    • ক. beautifully
    • খ. beauty
    • গ. beautify
    • ঘ. beauteous
    উত্তর: খ. beauty
    Beautiful একটি adjective, আর এর noun form beauty, যার অর্থ সৌন্দর্য। Beautifully হলো adverb, Beautify হলো verb (সুন্দর করা), আর Beauteous হলো adjective-এর আরেক রূপ। তাই noun চাইলে এখানে beauty-ই একমাত্র সঠিক বিকল্প।
    মনে রাখুন:
    Beautiful – Beauty – Beautify – Beautifully, এই চারটি রূপ একসঙ্গে মনে রাখলে word-form প্রশ্নের উত্তর সহজ হয়।
    একইভাবে Strong থেকে Strength এবং Wise থেকে Wisdom হয়।
  18. ৭২. The verb form of 'television' is :
    • ক. telesight
    • খ. televisioned
    • গ. televise
    • ঘ. telesite
    উত্তর: গ. televise
    Television একটি noun, আর এর verb form televise, যার অর্থ টেলিভিশনের মাধ্যমে সম্প্রচার করা। যেমন: The match will be televised live। Televisioned নামে কোনো প্রচলিত শব্দ নেই, আর telesight বা telesite-ও ইংরেজি শব্দ নয়।
    মনে রাখুন:
    একই ধরনের noun থেকে verb: advertisement → advertise, decision → decide।
    Television শব্দটি এসেছে গ্রিক tele (দূর) ও ল্যাটিন vision (দেখা) থেকে।
    বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ১৯৬৪ সালে যাত্রা শুরু করে।
  19. ৭৩. What type of sentence 'Work or you will fail' is?
    • ক. a complex sentence
    • খ. a compound sentence
    • গ. an optative sentence
    • ঘ. a simple sentence
    উত্তর: খ. a compound sentence
    Work or you will fail বাক্যে দুটি স্বাধীন clause আছে, যেগুলো or দিয়ে যুক্ত হয়েছে: Work এবং you will fail। আর দুই বা ততোধিক স্বাধীন clause কোনো coordinating conjunction দিয়ে যুক্ত হলে তাকে compound sentence বলে। তাই বাক্যটি compound। এখানে কোনো dependent clause নেই বলে এটি complex নয়।
    মনে রাখুন:
    Coordinating conjunction হলো and, but, or, so, yet, for, nor।
    উদাহরণ: He is poor but honest.
    Simple sentence-এ একটিমাত্র independent clause থাকে।
  20. ৭৬. A person who always doubts is called a/an :
    • ক. anarchist
    • খ. stoic
    • গ. skeptic
    • ঘ. pessimist
    উত্তর: গ. skeptic
    যে ব্যক্তি সবকিছুতে সন্দেহ করে, তাকে skeptic বা সংশয়বাদী বলে। বাকি শব্দগুলোর অর্থ আলাদা: Anarchist মানে নৈরাজ্যবাদী, Stoic মানে যে সুখ-দুঃখে বিচলিত হয় না, আর Pessimist মানে নৈরাশ্যবাদী, যে সবসময় খারাপটাই আশা করে।
    মনে রাখুন:
    Skeptic শব্দের আরেক বানান sceptic, যা ব্রিটিশ ইংরেজিতে চলে।
    যে ঈশ্বরে বিশ্বাস করে না সে atheist, আর যে ঈশ্বর আছেন কি নেই তা জানা সম্ভব নয় বলে মনে করে সে agnostic।
    যে মানুষকে ঘৃণা করে সে misanthrope।
  21. ৭৭. 'Pass away' means—আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) ২০১৯, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পিটিআই ইন্সট্রাক্টর (শিক্ষাবিজ্ঞানসহ) ২০১৯
    • ক. fall
    • খ. die
    • গ. disappear
    • ঘ. erase
    উত্তর: খ. die
    Pass away একটি phrasal verb, যার অর্থ মারা যাওয়া, অর্থাৎ die-এর ভদ্র রূপ। কারও মৃত্যুর খবর নরমভাবে বলতে আমরা এটি ব্যবহার করি, যেমন: His grandfather passed away last year। অন্য বিকল্পগুলোর অর্থ আলাদা: Fall মানে পতিত হওয়া, Disappear মানে অদৃশ্য হওয়া এবং Erase মানে মুছে ফেলা।
    মনে রাখুন:
    Pass out মানে অজ্ঞান হওয়া।
    Pass on মানে হস্তান্তর করা।
    Pass by মানে পাশ দিয়ে চলে যাওয়া।
  22. ৭৯. The issue will be discussed—.
    • ক. with details
    • খ. by details
    • গ. in details
    • ঘ. in detail
    উত্তর: ঘ. in detail
    ‘বিস্তারিত’ বোঝাতে ইংরেজিতে সঠিক phrase হলো in detail, যেখানে detail শব্দটি একবচন। তাই বাক্যটি হবে The issue will be discussed in detail। With details, by details বা in details এমন ব্যবহার সাধারণ ইংরেজিতে চলে না।
    মনে রাখুন:
    একই রকম phrase: in brief, in short, in general।
    উদাহরণ: The teacher explained the rule in detail.
    At length বলতেও দীর্ঘভাবে বা বিস্তারিতভাবে বোঝায়।
  23. ৮৪. Which one of these words is not correctly spelt?
    • ক. pronounciation
    • খ. spontaneous
    • গ. humorous
    • ঘ. mysterious
    উত্তর: ক. pronounciation
    Pronunciation শব্দের বানান লক্ষ করার মতো, কারণ verb pronounce থেকে noun হলে বানানে ‘ou’ বদলে ‘u’ হয়। তাই pronounciation ভুল বানান, সঠিক বানান pronunciation। বাকি শব্দগুলোর বানান ঠিক আছে: spontaneous, humorous, mysterious।
    মনে রাখুন:
    Pronounce (verb) → Pronunciation (noun), মাঝের ‘ou’ বাদ যায়।
    আরও যে বানান ভুল হয়: Separate (Seperate নয়), Occurrence (দুটি c ও দুটি r)।
  24. ৯২. Which one of the following phrases means 'to tolerate'?
    • ক. put up with
    • খ. put down to
    • গ. put of
    • ঘ. put up
    উত্তর: ক. put up with
    Put up with একটি phrasal verb, যার অর্থ সহ্য করা। যেমন: I cannot put up with this noise। বাকি বিকল্পগুলো ভিন্ন অর্থ দেয়: Put up মানে স্থাপন করা বা থাকতে দেওয়া, আর Put down to মানে কোনো কিছুর কারণ হিসেবে ধরা। ‘Put of’ ইংরেজিতে অর্থপূর্ণ phrase নয়।
    মনে রাখুন:
    Put off মানে স্থগিত করা।
    Put out মানে নিভিয়ে ফেলা।
    ‘সহ্য করা’ অর্থে আরও কয়েকটি শব্দ: bear, endure, tolerate।
  25. ৯৪. The word 'edible' is related to—.
    • ক. computing
    • খ. dress
    • গ. food
    • ঘ. entertainment
    উত্তর: গ. food
    Edible শব্দের অর্থ ভোজ্য বা খাওয়ার উপযোগী, তাই এটি খাদ্যের (food) সঙ্গে সম্পর্কিত। যেমন: edible oil মানে খাওয়ার তেল। এর বিপরীত শব্দ inedible। Computing, dress বা entertainment-এর সঙ্গে শব্দটির কোনো সম্পর্ক নেই।
    মনে রাখুন:
    Eatable শব্দটিও প্রায় একই অর্থ দেয়।
    যা পান করার উপযোগী তাকে potable বলে।

বিজ্ঞান

  1. ৫. প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান হচ্ছে—
    • ক. নাইট্রোজেন
    • খ. কার্বন মনোক্সাইড
    • গ. মিথেন
    • ঘ. হাইড্রোজেন
    উত্তর: গ. মিথেন
    প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন (CH₄)। সাধারণত গ্যাসের বড় অংশই মিথেন, সঙ্গে সামান্য ইথেন, প্রোপেন ও বিউটেনও থাকে। আমাদের দেশের গ্যাসক্ষেত্রগুলোর গ্যাসে মিথেনের পরিমাণ প্রায় ৯৫ থেকে ৯৯ শতাংশ, তাই এই গ্যাসকে বেশ বিশুদ্ধ বলা হয়। নাইট্রোজেন, কার্বন মনোক্সাইড বা হাইড্রোজেন এতে প্রধান উপাদান হিসেবে থাকে না।
    মনে রাখুন:
    মিথেনকে জলাভূমির গ্যাস বা মার্শ গ্যাসও বলে, কারণ পচা জৈব পদার্থ থেকে এটি তৈরি হয়।
    বাংলাদেশের প্রথম গ্যাসক্ষেত্র সিলেটের হরিপুর, ১৯৫৫ সালে আবিষ্কৃত হয়।
    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় ১৯৬২ সালে।
    সিএনজি (CNG) মূলত সংকুচিত মিথেন, আর এলপিজি (LPG) তৈরি হয় প্রোপেন ও বিউটেন দিয়ে।
  2. ৭. মানুষের চামড়ার রং নিয়ন্ত্রণ করে কোনটি?
    • ক. ডিএনএ
    • খ. আরএনএ
    • গ. সেন্টোমেয়ার
    • ঘ. নিউক্লিয়াস
    উত্তর: ক. ডিএনএ
    আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষের নিউক্লিয়াসে ডিএনএ (DNA) থাকে, আর এটিই বংশগত বৈশিষ্ট্যের তথ্য বহন করে। চামড়ার রং কেমন হবে তা জিনের মাধ্যমে ঠিক হয়, আর জিন তো ডিএনএ-র অংশ। মেলানিন (Melanin) নামের রঞ্জক পদার্থ সরাসরি রং তৈরি করে, কিন্তু কতটা মেলানিন তৈরি হবে তার নির্দেশ আসে ডিএনএ থেকে। প্রশ্নের বিকল্পগুলোর মধ্যে তাই ডিএনএ-ই সঠিক। বাকি বিকল্পগুলোর মধ্যে আরএনএ প্রোটিন তৈরিতে সাহায্য করে, সেন্ট্রোমিয়ার ক্রোমোজোমের একটি অংশ, আর নিউক্লিয়াস কোষের নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র।
    মনে রাখুন:
    ডিএনএ-র পুরো নাম ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড (Deoxyribonucleic Acid)।
    মেলানিন তৈরি করে ত্বকের মেলানোসাইট (Melanocyte) কোষ।
    ওয়াটসন ও ক্রিক ১৯৫৩ সালে ডিএনএ-র দ্বিসর্পিল গঠন আবিষ্কার করেন।
  3. ৩৮. ভিটামিন 'সি'-এর অভাবে কোন ধরনের রোগ হয়?
    • ক. রিকেট
    • খ. বেরিবেরি
    • গ. রাতকানা
    • ঘ. স্কার্ভি
    উত্তর: ঘ. স্কার্ভি
    ভিটামিন সি-এর রাসায়নিক নাম অ্যাসকরবিক অ্যাসিড (Ascorbic Acid)। এই ভিটামিন শরীরের কোষ জোড়া দেওয়া ও ক্ষত সারাতে সাহায্য করে। এর অভাব হলে স্কার্ভি (Scurvy) রোগ হয়, ফলে মাড়ি ফুলে যায় ও রক্ত পড়ে, শরীর দুর্বল হয় এবং ক্ষত সারতে দেরি হয়। লেবু, কমলা, আমলকী ও পেয়ারায় এই ভিটামিন প্রচুর থাকে।
    মনে রাখুন:
    ভিটামিন ডি-এর অভাবে রিকেট।
    ভিটামিন বি১-এর অভাবে বেরিবেরি।
    ভিটামিন এ-এর অভাবে রাতকানা।
    ভিটামিন সি পানিতে দ্রবণীয়।
  4. ৪৫. চা ও কফিতে যে পদার্থটি শরীরকে চাঙ্গা করে তার নাম কী?
    • ক. টলুইন
    • খ. গ্লুকোজ
    • গ. ক্যাফেইন
    • ঘ. টেনিন
    উত্তর: গ. ক্যাফেইন
    চা ও কফির মধ্যে ক্যাফেইন (Caffeine) নামে একটি উদ্দীপক পদার্থ থাকে। এটি আমাদের কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকে উত্তেজিত করে, ফলে ঘুম ঘুম ভাব কমে এবং শরীর চাঙ্গা লাগে। তবে বেশি পরিমাণে খেলে ঘুমের সমস্যা ও হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়ার মতো ক্ষতি হতে পারে।
    মনে রাখুন:
    চায়ে ট্যানিন নামের একটি পদার্থও থাকে, যা চায়ের স্বাদ ও রং আনে, কিন্তু চাঙ্গা করার কাজটি ক্যাফেইনের।
    ক্যাফেইন একটি অ্যালকালয়েড (Alkaloid)।
    কোলা পানীয় ও কোকোতেও ক্যাফেইন থাকে।
  5. ৭৮. CO₂-এর আণবিক ভর কত?
    • ক. ৩৩
    • খ. ৪৪
    • গ. ১২
    • ঘ. ২২
    উত্তর: খ. ৪৪
    কোনো অণুর আণবিক ভর বের করতে তার সব পরমাণুর পারমাণবিক ভর যোগ করতে হয়। কার্বনের পারমাণবিক ভর 12 এবং অক্সিজেনের 16। CO₂-তে ১টি কার্বন ও ২টি অক্সিজেন আছে, তাই আণবিক ভর 12 + 2 × 16 = 44। বিকল্পে থাকা 12 শুধু কার্বনের ভর।
    মনে রাখুন:
    H₂O-র আণবিক ভর 18, আর CO-এর আণবিক ভর 28।
    CH₄-এর আণবিক ভর 16।
    আণবিক ভর = সব পরমাণুর পারমাণবিক ভরের যোগফল।
  6. ৮৬. 9.8 N ওজনের কোনো বস্তুর চন্দ্রে ওজন কত?
    • ক. 19.6 N
    • খ. 16 N
    • গ. 7.8 N
    • ঘ. 1.63N
    উত্তর: ঘ. 1.63N
    ওজন = ভর × অভিকর্ষজ ত্বরণ, আর চাঁদে অভিকর্ষজ ত্বরণ পৃথিবীর প্রায় ছয় ভাগের এক ভাগ। তাই পৃথিবীতে 9.8 N ওজনের বস্তু চাঁদে ওজন হবে 9.8 / 6 = 1.63 N। লক্ষ করুন, বস্তুর ভর কিন্তু বদলায় না, শুধু ওজন বদলায়।
    মনে রাখুন:
    চাঁদে g প্রায় 1.63 m/s², আর পৃথিবীতে g প্রায় 9.8 m/s²।
    ওজনের একক নিউটন (N), আর ভরের একক কিলোগ্রাম (kg)।
    পৃথিবীতে মেরুতে g সবচেয়ে বেশি, নিরক্ষরেখায় সবচেয়ে কম।
  7. ৯০. দাঁত ও হাড় গঠনের জন্য নিচের কোন ভিটামিনটি প্রয়োজন?
    • ক. 'সি'
    • খ. 'ডি'
    • গ. 'এ'
    • ঘ. 'বি'
    উত্তর: খ. 'ডি'
    ভিটামিন ডি শরীরকে খাবার থেকে ক্যালসিয়াম শোষণ করতে সাহায্য করে। ক্যালসিয়াম আবার হাড় ও দাঁতের প্রধান উপাদান, তাই এদের মজবুত রাখতে ভিটামিন ডি প্রয়োজন। এর অভাবে শিশুদের রিকেট হয়, আর বড়দের হাড় নরম হয়ে যায়। সূর্যের আলোতে ত্বকে ভিটামিন ডি তৈরি হয়।
    মনে রাখুন:
    তাই ভিটামিন ডি-কে সানশাইন ভিটামিনও বলে।
    ডিমের কুসুম ও মাছের যকৃতের তেলেও ভিটামিন ডি থাকে।
    ভিটামিন সি-র অভাবে স্কার্ভি, ভিটামিন এ-এর অভাবে রাতকানা হয়।

আন্তর্জাতিক

  1. ৮. ২০২২ সালের বিশ্বকাপ ফুটবল কোন দেশে অনুষ্ঠিত হবে?
    • ক. ব্রাজিল
    • খ. জাপান
    • গ. কুয়েত
    • ঘ. কাতার
    উত্তর: ঘ. কাতার
    ২০২২ সালের ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল কাতারে অনুষ্ঠিত হয়, এটি ছিল ২২তম আসর। মজার ব্যাপার হলো, মধ্যপ্রাচ্যের কোনো দেশে এটাই প্রথম বিশ্বকাপ। আবার প্রচণ্ড গরমের কারণে এই আসর হয়েছিল সাধারণ সময়ের বদলে নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে। ব্রাজিল, জাপান বা কুয়েত এই আসরের আয়োজক ছিল না।
    মনে রাখুন:
    ২০১৮ সালের আসর হয়েছিল রাশিয়ায়, চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স।
    ২০২৬ সালের আসর যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে হওয়ার কথা ছিল।
    ২০৩০ সালের আসর হবে স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কোতে।
    হালনাগাদ: কাতার বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন ছিল আর্জেন্টিনা।
  2. ২৭. মালয়েশিয়ার প্রথম প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
    • ক. আব্দুল্লাহ আহমদ বাদাবি
    • খ. মাহাথির বিন মোহাম্মদ
    • গ. টেংকু আব্দুল রহমান পুত্র আল হাজ
    • ঘ. টুন আব্দুল রাজ্জাক আল হোসেন
    উত্তর: গ. টেংকু আব্দুল রহমান পুত্র আল হাজ
    টেংকু আবদুল রহমান ১৯৫৭ সালে মালয়া স্বাধীন হওয়ার পর দেশটির প্রথম প্রধানমন্ত্রী হন, এবং পরে ১৯৬৩ সালে মালয়েশিয়া গঠনের পরও তিনি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। তাঁকে মালয়েশিয়ার স্বাধীনতার জনক বলা হয়। তিনি ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা বা ওআইসির (OIC) প্রথম মহাসচিবও ছিলেন। অন্যরা পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন: মাহাথির মোহাম্মদ চতুর্থ ও সপ্তম, আবদুল্লাহ আহমদ বাদাবি পঞ্চম এবং আবদুল রাজ্জাক দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী।
    মনে রাখুন:
    মালয়েশিয়ার স্বাধীনতা দিবস ৩১ আগস্ট (১৯৫৭)।
    মাহাথির মোহাম্মদ ২২ বছরের বেশি সময় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং ২০১৮ সালে আবার ফিরে আসেন।
    হালনাগাদ: মালয়েশিয়ার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম।
  3. ৩২. 'পক প্রণালী' কোন দুটি দেশকে পৃথক করেছে?
    • ক. ভারত ও পাকিস্তান
    • খ. মরক্কো ও স্পেন
    • গ. ইরাক ও ওমান
    • ঘ. ভারত ও শ্রীলংকা
    উত্তর: ঘ. ভারত ও শ্রীলংকা
    পক প্রণালী (Palk Strait) ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্য ও শ্রীলংকার মধ্যে অবস্থিত। এর উত্তর-পূর্বে বঙ্গোপসাগর, আর দক্ষিণ-পশ্চিমে পক উপসাগর। অন্যদিকে জিব্রাল্টার প্রণালী স্পেন ও মরক্কোকে পৃথক করেছে এবং আটলান্টিক মহাসাগর ও ভূমধ্যসাগরকে যুক্ত করেছে।
    মনে রাখুন:
    ভারত ও শ্রীলংকার মধ্যে আরেকটি সংযোগস্থলের নাম আদমের সেতু বা রামসেতু।
    পক প্রণালীর নাম এসেছে মাদ্রাজের গভর্নর রবার্ট পকের নাম থেকে।
    হরমুজ প্রণালী ইরান ও ওমানকে পৃথক করেছে।
    বেরিং প্রণালী রাশিয়া ও আলাস্কাকে পৃথক করেছে।
  4. ৩৬. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ কবে শুরু হয়?
    • ক. ১৯৪৭ সালের ২৩ জুন
    • খ. ১৯১৫ সালের ১৫ মার্চ
    • গ. ১৯১৪ সালের ২৮ জুলাই
    • ঘ. ১৯১৮ সালের ১১ নভেম্বর
    উত্তর: গ. ১৯১৪ সালের ২৮ জুলাই
    প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় ১৯১৪ সালের ২৮ জুলাই। ২৮ জুন সারাজেভোতে এক সার্ব যুবক গাভরিলো প্রিন্সিপের গুলিতে অস্ট্রিয়ার যুবরাজ ফ্রানৎস ফার্ডিনান্ড নিহত হন। এর এক মাস পর অস্ট্রিয়া সার্বিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে, আর সেখান থেকেই বিশ্বযুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে। যুদ্ধ শেষ হয় ১৯১৮ সালের ১১ নভেম্বর যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে। ১৯৪৭ সালের ২৩ জুনের সঙ্গে এই যুদ্ধের কোনো সম্পর্ক নেই।
    মনে রাখুন:
    যুদ্ধের পর ১৯১৯ সালে ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
    এই যুদ্ধের দুই পক্ষ ছিল মিত্রশক্তি ও কেন্দ্রীয় শক্তি।
    ১৯২০ সালে জাতিপুঞ্জ (League of Nations) গঠিত হয়।
  5. ৪৮. 'India Wins Freedom' গ্রন্থটির লেখক কে?
    • ক. জওহর লাল নেহেরু
    • খ. মাওলানা মুহাম্মদ আলী
    • গ. সৈয়দ আমীর আলী
    • ঘ. মওলানা আবুল কালাম আজাদ
    উত্তর: ঘ. মওলানা আবুল কালাম আজাদ
    ‘India Wins Freedom’ বইয়ের লেখক মওলানা আবুল কালাম আজাদ। তিনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের নেতা এবং স্বাধীন ভারতের প্রথম শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন। বইটিতে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের শেষ পর্বের ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। এটি তাঁর মৃত্যুর পর ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত হয়।
    মনে রাখুন:
    জওহরলাল নেহেরুর বিখ্যাত বই ‘The Discovery of India’ ও ‘Glimpses of World History’।
    আজাদ ‘আল-হিলাল’ পত্রিকা সম্পাদনা করেছিলেন।
    তাঁর জন্মদিন ১১ নভেম্বর ভারতে জাতীয় শিক্ষা দিবস।
  6. ৫৯. ফরাসি বিপ্লব কোন সালে সংঘটিত হয়?
    • ক. ১৭৭৮
    • খ. ১৭৯০
    • গ. ১৭৮৯
    • ঘ. ১৭৯০
    উত্তর: গ. ১৭৮৯
    ফরাসি বিপ্লব ১৭৮৯ সালে শুরু হয়, যেটি ১৭৯৯ সাল পর্যন্ত চলেছিল। ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই ক্ষুব্ধ জনতা প্যারিসের ব্যাস্টিল দুর্গ ভেঙে ফেলে, আর এই ঘটনাকে বিপ্লবের শুরু ধরা হয়। এই বিপ্লবের মূল স্লোগান ছিল স্বাধীনতা (Liberty), সাম্য (Equality) ও ভ্রাতৃত্ব (Fraternity)। এ কারণেই পরীক্ষায় ১৭৮৯-ই সঠিক বছর, আশপাশের অন্য বছরগুলো নয়।
    মনে রাখুন:
    বিপ্লব চলাকালে রাজা ষোড়শ লুই ও রানি মারি অঁতোয়ানেতকে গিলোটিনে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয় (১৭৯৩)।
    ১৭৮৯ সালেই ‘মানুষ ও নাগরিকের অধিকারের ঘোষণা’ গৃহীত হয়।
    বিপ্লবের শেষে নেপোলিয়ন ক্ষমতা নেন (১৭৯৯)।
  7. ৬৯. Asian Development Bank (ADB)-এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
    • ক. ব্যাংকক
    • খ. কুয়ালালামপুর
    • গ. টোকিও
    • ঘ. ম্যানিলা
    উত্তর: ঘ. ম্যানিলা
    এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (Asian Development Bank – ADB) ১৯৬৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর কাজ শুরু করে এবং এর সদর দপ্তর ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় অবস্থিত। এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের উন্নয়নে ঋণ ও কারিগরি সহায়তা দেওয়াই এর কাজ। ব্যাংকক, কুয়ালালামপুর বা টোকিওতে এর সদর দপ্তর নয়।
    মনে রাখুন:
    ADB-র প্রতিষ্ঠার তারিখ ২২ আগস্ট ১৯৬৬।
    এর প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন জাপানের তাকেশি ওয়াতানাবে, আর ADB-র প্রেসিডেন্ট সাধারণত জাপানি হন।
    বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে ADB-র সদস্য হয়।
    বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে।
  8. ৯৭. প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও কিম জং উনের মধ্যে ২০১৮ সালের কত তারিখে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়?
    • ক. ২৮ মে
    • খ. ২৫ জুন
    • গ. ১২ জুন
    • ঘ. ১৮ জুন
    উত্তর: গ. ১২ জুন
    ডোনাল্ড ট্রাম্প ও কিম জং উনের প্রথম বৈঠক ২০১৮ সালের ১২ জুন সিঙ্গাপুরের সেন্টোসা দ্বীপে অনুষ্ঠিত হয়। এটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের কোনো বর্তমান প্রেসিডেন্ট ও উত্তর কোরিয়ার নেতার মধ্যে প্রথম বৈঠক। পরে ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভিয়েতনামের হ্যানয়ে তাঁদের দ্বিতীয় বৈঠক হয়।
    মনে রাখুন:
    উত্তর কোরিয়ার পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ ছিল আলোচনার মূল বিষয়।
    ২০১৯ সালের জুনে দুই কোরিয়ার সীমান্তের পানমুনজমে তাঁদের তৃতীয় সাক্ষাৎ হয়।

বাংলাদেশ

  1. ১২. সম্প্রতি দুটি বড় গ্যাসক্ষেত্র বাংলাদেশের কোন জেলায় আবিষ্কৃত হয়েছে?
    • ক. ভোলা
    • খ. চট্টগ্রাম
    • গ. সিলেট
    • ঘ. কুমিল্লা
    উত্তর: ক. ভোলা
    সাম্প্রতিক সময়ে ভোলায় একের পর এক গ্যাসের মজুদ পাওয়া গেছে, তাই ভোলাকে এখন দেশের গ্যাস-সম্ভাবনাময় জেলা বলা হয়। ২০১৭ সালে ভোলা সদরে ‘ভোলা নর্থ’ গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়, এবং পরে ইলিশা-১ কূপেও গ্যাস মেলে। ভোলা বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দ্বীপজেলা। সিলেট ও চট্টগ্রামে আগে থেকেই গ্যাসক্ষেত্র থাকলেও এই প্রশ্নে সাম্প্রতিক নতুন আবিষ্কারের কথা বলা হচ্ছে, যা ভোলার সঙ্গে মেলে।
    মনে রাখুন:
    ভোলার আরেকটি গ্যাসক্ষেত্র শাহবাজপুর।
    বাংলাদেশের প্রথম গ্যাসক্ষেত্র সিলেটের হরিপুর (১৯৫৫)।
    তিতাস গ্যাসক্ষেত্র ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবস্থিত।
  2. ১৬. বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ কীসের নাম?
    • ক. যুদ্ধ বিমান
    • খ. কৃত্রিম উপগ্রহ
    • গ. নৌ জাহাজ
    • ঘ. যুদ্ধ জাহাজ
    উত্তর: খ. কৃত্রিম উপগ্রহ
    বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ বাংলাদেশের প্রথম যোগাযোগ কৃত্রিম উপগ্রহ (Communication Satellite)। এটি ২০১৮ সালের ১২ মে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে মহাকাশে পাঠানো হয়। এর ফলে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট ক্লাবের ৫৭তম দেশ হিসেবে যুক্ত হয়েছে। টেলিযোগাযোগ ও সম্প্রচার সেবার জন্য এটি ব্যবহৃত হয়। তাই এটি যুদ্ধবিমান বা জাহাজ নয়, একটি উপগ্রহ।
    মনে রাখুন:
    উপগ্রহটি স্পেসএক্সের ফ্যালকন-৯ রকেটে করে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল।
    এটি তৈরি করেছে ফ্রান্সের থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেস।
    উপগ্রহটির কক্ষপথের অবস্থান ১১৯.১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে।
    দেশে এর দুটি গ্রাউন্ড স্টেশন গাজীপুর ও রাঙামাটির বেতবুনিয়ায়।
  3. ১৮. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কোন সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?আরও এসেছে: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার ২০১৫
    • ক. ১৯২২ সালে
    • খ. ১৯২৩ সালে
    • গ. ১৯২০ সালে
    • ঘ. ১৯২১ সালে
    উত্তর: ঘ. ১৯২১ সালে
    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯২১ সালের ১ জুলাই যাত্রা শুরু করে। এর আগে ১৯১২ সালে নাথান কমিশন গঠিত হয়, আর তাদের সুপারিশ অনুযায়ী এই বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে ওঠে। শুরুতে তিনটি আবাসিক হল, তিনটি অনুষদ এবং প্রায় ৮৭৭ জন শিক্ষার্থী ছিল। তাই ১৯২০ বা ১৯২২ নয়, ১৯২১ সালই সঠিক।
    মনে রাখুন:
    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য ছিলেন স্যার পি. জে. হার্টগ।
    শুরুর তিনটি হল: সলিমুল্লাহ মুসলিম হল, ঢাকা হল (বর্তমানে শহীদুল্লাহ হল) ও জগন্নাথ হল।
    শুরুর তিনটি অনুষদ: কলা, বিজ্ঞান ও আইন।
  4. ৩১. 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' বইটির প্রচ্ছদ শিল্পী কে?
    • ক. সমরজিৎ রায় চৌধুরী
    • খ. কাইয়ুম চৌধুরী
    • গ. তারিক সুজাত
    • ঘ. সমর মজুমদার
    উত্তর: ঘ. সমর মজুমদার
    ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা আত্মজীবনী। বইটি প্রকাশ করেছে দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড (ইউপিএল), আর এর প্রচ্ছদ করেছেন সমর মজুমদার। বইটি ২০১২ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। কাইয়ুম চৌধুরী ও সমরজিৎ রায় চৌধুরীও বাংলাদেশের নামকরা শিল্পী, কিন্তু এই বইয়ের প্রচ্ছদ তাঁদের নয়।
    মনে রাখুন:
    বঙ্গবন্ধু জেলে বসে খাতায় এই লেখা লিখেছিলেন। খাতাগুলো পরে তাঁর স্ত্রী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের কাছ থেকে পাওয়া যায়।
    তাঁর আরও দুটি বই ‘কারাগারের রোজনামচা’ (২০১৭) ও ‘আমার দেখা নয়াচীন’ (২০২০)।
  5. ৩৪. স্থানীয় সরকারের সর্বনিম্ন পর্যায়ের স্তরের নাম কী?
    • ক. জেলা পরিষদ
    • খ. ইউনিয়ন পরিষদ
    • গ. উপজেলা পরিষদ
    • ঘ. সিটি কর্পোরেশন
    উত্তর: খ. ইউনিয়ন পরিষদ
    বাংলাদেশে গ্রামাঞ্চলের স্থানীয় সরকার তিন স্তরের: ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদ। এর মধ্যে সবচেয়ে নিচের স্তর ইউনিয়ন পরিষদ, যেখানে ইউনিয়নের জনগণ সরাসরি ভোট দিয়ে চেয়ারম্যান ও সদস্য নির্বাচন করে। শহরাঞ্চলে স্থানীয় সরকার দুই স্তরের, অর্থাৎ পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন।
    মনে রাখুন:
    ইউনিয়ন পরিষদ ৯টি ওয়ার্ডে বিভক্ত।
    পরিষদে একজন চেয়ারম্যান, ৯ জন সাধারণ সদস্য এবং ৩টি সংরক্ষিত আসনে মহিলা সদস্য থাকেন।
    সংবিধানের ৫৯ ও ৬০ অনুচ্ছেদে স্থানীয় শাসনের কথা বলা আছে।
  6. ৩৯. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের শাসনতন্ত্র কবে গৃহীত ও পাশ হয়?
    • ক. ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল
    • খ. ১৯৭২ সালের ১২ এপ্রিল
    • গ. ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর
    • ঘ. ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর
    উত্তর: ঘ. ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর
    বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়। এর খসড়া ১২ অক্টোবর উত্থাপিত হয়েছিল। তবে সংবিধান কার্যকর হয় একই বছরের ১৬ ডিসেম্বর, অর্থাৎ বিজয় দিবসে। তাই গৃহীত হওয়ার তারিখ আর কার্যকর হওয়ার তারিখ দুটি আলাদা, আর প্রশ্নে গৃহীত হওয়ার তারিখ চাওয়া হয়েছে।
    মনে রাখুন:
    সংবিধানের প্রণেতা ও সংবিধান-খসড়া কমিটির সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
    মূল সংবিধানে ১১টি ভাগ, ১৫৩টি অনুচ্ছেদ ও ৪টি তফসিল ছিল।
    সংবিধান কার্যকর হওয়ার দিন ১৬ ডিসেম্বর প্রতিবছর বিজয় দিবস হিসেবে পালিত হয়।
  7. ৬০. ঐতিহাসিক 'ছয়দফা' আনুষ্ঠানিকভাবে কোথায় ঘোষণা করা হয়?
    • ক. লাহোর
    • খ. রাওয়ালপিন্ডি
    • গ. ঢাকা
    • ঘ. করাচি
    উত্তর: ক. লাহোর
    শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর জাতীয় সম্মেলনে ছয় দফা প্রস্তাব উত্থাপন করেন। পরে ২৩ মার্চ ১৯৬৬ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচার করা হয়। ছয় দফাকে তাই বাঙালির মুক্তির সনদ বলা হয়, কারণ এর মূল দাবি ছিল পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন।
    মনে রাখুন:
    ছয় দফায় কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে শুধু প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র বিষয় রাখার দাবি ছিল।
    ছয় দফা আন্দোলনের পথ ধরেই ১৯৬৮ সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা হয় এবং ১৯৬৯ সালে ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান ঘটে।
  8. ৯৬. বাংলাদেশে বর্তমানে কী পরিমাণ প্রাকৃতিক গ্যাস মজুদ আছে?
    • ক. ১৮ ট্রিলিয়ন ঘনফুট
    • খ. ১২ ট্রিলিয়ন ঘনফুট
    • গ. ২ ট্রিলিয়ন ঘনফুট
    • ঘ. ১৫ ট্রিলিয়ন ঘনফুট
    উত্তর: খ. ১২ ট্রিলিয়ন ঘনফুট
    পরীক্ষার সময়কার হিসাবে বাংলাদেশের অবশিষ্ট উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের মজুদ প্রায় ১২ ট্রিলিয়ন ঘনফুট ধরা হতো। উত্তোলন ও নতুন আবিষ্কারের ফলে এই সংখ্যা সময়ের সঙ্গে বদলায়।

গণিত

  1. ১৩. a = 2c, a/b = c/d এবং d = 3 হলে, b = কত?
    • ক. 5
    • খ. 6
    • গ. 3
    • ঘ. 4
    উত্তর: খ. 6
    প্রশ্নে a = 2c দেওয়া আছে এবং a/b = c/d সমীকরণটিও আছে। a-এর জায়গায় 2c বসালে পাই 2c/b = c/d। এবার দুই পাশ থেকে c কেটে দিলে 2/b = 1/d হয়। আড়গুণন করলে b = 2d। d = 3 হলে b = 2 × 3 = 6।
    যাচাই: a = 2c হলে c = 1 ধরে a = 2, তাহলে a/b = 2/6 = 1/3 এবং c/d = 1/3, দুই পাশ মিলে যায়।
    মনে রাখুন: অনুপাত-সমানুপাত অঙ্কে সাধারণ উৎপাদক কেটে দিলে হিসাব ছোট হয়ে আসে।
    a/b = c/d হলে ad = bc, এটিই আড়গুণনের নিয়ম।
  2. ১৫. একটি কলম নির্মাতা ২০% লাভে এবং খুচরা বিক্রেতা ২০% লাভে বিক্রি করে। যদি কলমের নির্মাণ ব্যয় ১০০ টাকা হয় তবে খুচরা মূল্য কত?
    • ক. ১৪৪ টাকা
    • খ. ১৪৮ টাকা
    • গ. ১৪০ টাকা
    • ঘ. ১৬৪ টাকা
    উত্তর: ক. ১৪৪ টাকা
    নির্মাতা ২০% লাভে খুচরা বিক্রেতার কাছে বিক্রি করে, তাই বিক্রেতার ক্রয়মূল্য 100 + 20 = 120 টাকা। এবার খুচরা বিক্রেতা এর ওপর ২০% লাভ করে, অর্থাৎ 120 × 20/100 = 24 টাকা। তাহলে খুচরা মূল্য 120 + 24 = 144 টাকা।
    শর্টকাট: 100 × 1.2 × 1.2 = 144।
    মনে রাখুন:
    লক্ষ করুন, দুই ধাপের ২০% লাভ যোগ করে ৪০% বলা ভুল, কারণ দ্বিতীয় লাভ নতুন মূল্যের ওপর হিসাব হয়।
    তাই মোট লাভ ৪৪%।
    লাভ = বিক্রয়মূল্য – ক্রয়মূল্য, আর লাভের হার = (লাভ/ক্রয়মূল্য) × 100%।
  3. ২১. ১/২, ২/৩, ৩/৪, .... অনুক্রমটির সাধারণ পদ কোনটি?
    • ক. (n−1)/(n+1)
    • খ. 2n/(n+1)
    • গ. 1/n
    • ঘ. n/(n+1)
    উত্তর: ঘ. n/(n+1)
    অনুক্রমের পদগুলো লক্ষ করি: প্রথম পদ 1/2, দ্বিতীয় পদ 2/3, তৃতীয় পদ 3/4। দেখা যাচ্ছে, লব সবসময় পদের ক্রমিক নম্বরের সমান এবং হর তার চেয়ে ১ বেশি। তাই n-তম পদ n/(n+1)। অন্য বিকল্পে প্রথম পদ মেলে না, যেমন (n−1)/(n+1) থেকে n = 1 হলে পাওয়া যায় 0।
    যাচাই: n = 1 হলে 1/2, n = 2 হলে 2/3, n = 3 হলে 3/4, মিলে যায়।
    মনে রাখুন: 1, 4, 9, … অনুক্রমের সাধারণ পদ n²; 2, 4, 6, … অনুক্রমের সাধারণ পদ 2n।
  4. ২২. ৭ সেমি ব্যাসার্ধবিশিষ্ট বৃত্তের অন্তর্নিহিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল কত?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) ২০২২
    • ক. ১৯৬ বর্গসেমি
    • খ. ১৪৬ বর্গসেমি
    • গ. ৯৮ বর্গসেমি
    • ঘ. ৮৯ বর্গসেমি
    উত্তর: গ. ৯৮ বর্গসেমি
    বৃত্তের ভেতরে বর্গক্ষেত্র আঁকলে বর্গের কর্ণটি বৃত্তের ব্যাসের সমান হয়। ব্যাসার্ধ 7 সেমি হলে ব্যাস 14 সেমি, অর্থাৎ বর্গের কর্ণ 14 সেমি। বর্গের ক্ষেত্রফল = কর্ণ²/2 = 196/2 = 98 বর্গসেমি। 196 হলো কর্ণের বর্গ, ক্ষেত্রফল নয়, তাই ওটি ভুল উত্তর।
    শর্টকাট: ব্যাসার্ধ r হলে অন্তর্লিখিত বর্গের ক্ষেত্রফল 2r²। এখানে 2 × 49 = 98।
    মনে রাখুন:
    বর্গের কর্ণ = বাহু × √2।
    বর্গের ক্ষেত্রফল = বাহু² = কর্ণ²/2।
  5. ২৩. log_x(1/27) = 3 হলে, x-এর মান কত?
    • ক. −1/3
    • খ. −3
    • গ. 1/3
    • ঘ. 3
    উত্তর: গ. 1/3
    log_x(1/27) = 3 মানে x³ = 1/27। 1/27 কে লিখি (1/3)³। তাহলে x³ = (1/3)³, তাই x = 1/3। ঋণাত্মক মান নিলে যেমন x = −3 বসালে (−3)³ = −27 হয়, যা 1/27 নয়।
    মনে রাখুন:
    log_a b = c হলে a^c = b।
    ভিত্তি (base) সবসময় ধনাত্মক ও 1 নয় এমন হতে হয়, তাই ঋণাত্মক মান এখানে গ্রহণযোগ্য নয়।
    log_a a = 1 এবং log_a 1 = 0।
  6. ৩৩. ১ থেকে ১০ এর মধ্যে কতটি সংখ্যাকে দুইটি বর্গের সমষ্টিরূপে প্রকাশ করা যায়?
    • ক. ৪টি
    • খ. ৫টি
    • গ. ২টি
    • ঘ. ৩টি
    উত্তর: ক. ৪টি
    ১ থেকে ১০-এর মধ্যে যে সংখ্যাগুলোকে দুটি ধনাত্মক পূর্ণসংখ্যার বর্গের যোগফল হিসেবে লেখা যায়, সেগুলো খুঁজে বের করি। প্রথমে ছোট বর্গগুলো লিখি: 1, 4, 9। এদের জোড়ায় যোগ করলে পাই 1² + 1² = 2, 2² + 1² = 5, 2² + 2² = 8 এবং 3² + 1² = 10। অন্য সংখ্যাগুলো এভাবে লেখা যায় না। তাই এমন সংখ্যা ৪টি।
    মনে রাখুন:
    এখানে বর্গ দুটিই ধনাত্মক পূর্ণসংখ্যার, শূন্যকে ধরা হয়নি।
    শূন্য ধরলে 1, 4, 9-ও গণ্য হতো, তখন উত্তর বদলে যেত।
  7. ৩৭. a⁻³ = 0.2 হলে, a¹² = কত?
    • ক. 125
    • খ. 625
    • গ. 5
    • ঘ. 25
    উত্তর: খ. 625
    a⁻³ = 0.2 = 1/5 হলে 1/a³ = 1/5, তাই a³ = 5। এখন a¹² কে a³-এর ঘাতে লিখি: a¹² = (a³)⁴ = 5⁴ = 625। অন্য বিকল্পগুলো ভুল, কারণ a³ = 5 হলে a¹² শুধু 5 বা 25 হতে পারে না।
    মনে রাখুন:
    (a^m)^n = a^(mn)।
    ঘাত বদলে সুবিধামতো ভাগ করে নিলে হিসাব সহজ হয়।
    a⁻ⁿ = 1/aⁿ, আর a⁰ = 1।
  8. ৪৪. একটি দেয়াল ৮০ ফুট উঁচু। একটি মইয়ের তলদেশ মাটিতে দেয়াল থেকে ৯ ফুট দূরে রাখা হয়েছে। উপরে মইটি দেয়ালের ছাদ ছুঁয়ে আছে। মইটি কত ফুট লম্বা?
    • ক. ৪৪ ফুট
    • খ. ৮৩ ফুট
    • গ. ৮৯ ফুট
    • ঘ. ৮১ ফুট
    উত্তর: ঘ. ৮১ ফুট
    দেয়াল, মাটি ও মই মিলে একটি সমকোণী ত্রিভুজ তৈরি হয়, যার লম্ব 80 ফুট, ভূমি 9 ফুট এবং মইটি অতিভুজ। পীথাগোরাসের সূত্র অনুযায়ী মইয়ের দৈর্ঘ্য² = 80² + 9² = 6400 + 81 = 6481। তাহলে মইয়ের দৈর্ঘ্য √6481, যা প্রায় 80.5 ফুট। বিকল্পগুলোর মধ্যে এর সবচেয়ে কাছের মান 81 ফুট, তাই 81 ফুটই উত্তর।
    মনে রাখুন:
    পীথাগোরাসের সূত্র: অতিভুজ² = লম্ব² + ভূমি²।
    পরিচিত পীথাগোরীয় ত্রয়ী: (3, 4, 5), (5, 12, 13), (8, 15, 17), (9, 40, 41)।
  9. ৪৯. কোনো ত্রিভুজের তিনটি কোণের অনুপাত 1:2:3, ত্রিভুজটির বৃহত্তম বাহু ও ক্ষুদ্রতম বাহুর অনুপাত কত?
    • ক. 3:2
    • খ. 4:3
    • গ. 3:1
    • ঘ. 2:1
    উত্তর: ঘ. 2:1
    ত্রিভুজের তিন কোণের অনুপাত 1:2:3 হলে কোণ তিনটি x, 2x ও 3x ধরি। ত্রিভুজের তিন কোণের যোগফল 180° বলে 6x = 180°, তাই x = 30°। অর্থাৎ কোণ তিনটি 30°, 60° ও 90°। সাইন সূত্র অনুযায়ী বাহুগুলোর অনুপাত তাদের বিপরীত কোণের সাইনের অনুপাতের সমান, তাই sin30° : sin60° : sin90° = 1/2 : √3/2 : 1 = 1 : √3 : 2। সবচেয়ে বড় ও ছোট বাহুর অনুপাত তাই 2:1।
    মনে রাখুন:
    30°–60°–90° ত্রিভুজের বাহুর অনুপাত সবসময় 1 : √3 : 2।
    বৃহত্তম বাহু সবসময় বৃহত্তম কোণের বিপরীতে থাকে।
  10. ৫৪. ১০০৮ সংখ্যাটির কয়টি ভাজক আছে?
    • ক. ২৬
    • খ. ২৫
    • গ. ৩০
    • ঘ. ২৮
    উত্তর: গ. ৩০
    ১০০৮-কে মৌলিক উৎপাদকে ভাঙি: 1008 = 2⁴ × 3² × 7। কোনো সংখ্যার ভাজকসংখ্যা বের করতে প্রতিটি মৌলিক উৎপাদকের ঘাতের সঙ্গে ১ যোগ করে সেগুলো গুণ করা হয়। তাই ভাজক সংখ্যা (4+1)(2+1)(1+1) = 5 × 3 × 2 = 30।
    উদাহরণ: 12 = 2² × 3 হলে ভাজকসংখ্যা (2+1)(1+1) = 6, ভাজকগুলো 1, 2, 3, 4, 6, 12।
    মনে রাখুন: ভাজকসংখ্যা বের করার সূত্র শুধু মৌলিক উৎপাদকের ঘাতের ওপর নির্ভর করে।
  11. ৫৭. x² + 1/x² এর নিম্নোক্ত কোন মানের জন্য x³ − 1/x³ = 0 হবে?
    • ক. 2
    • খ. −2
    • গ. 0
    • ঘ. 1
    উত্তর: ক. 2
    x³ − 1/x³ = 0 হলে x³ = 1/x³, অর্থাৎ x⁶ = 1। এবার বিশ্লেষণ করি: x³ − 1/x³ = (x − 1/x)(x² + 1 + 1/x²)। বাস্তব সংখ্যার ক্ষেত্রে x² + 1 + 1/x² কখনও শূন্য হয় না, কারণ x² + 1/x² অন্তত 2। তাই x − 1/x = 0, অর্থাৎ x = 1/x। এখন x² + 1/x² = (x − 1/x)² + 2 = 0 + 2 = 2। সরাসরি x = 1 বা x = −1 বসালেও 1 + 1 = 2 পাওয়া যায়।
    মনে রাখুন:
    x² + 1/x² = (x − 1/x)² + 2।
    x² + 1/x² = (x + 1/x)² − 2।
  12. ৬১. কোন লঘিষ্ঠ সংখ্যার সাথে ৩ যোগ করলে যোগফল ২৪, ৩৬, ৪৮ দ্বারা বিভাজ্য হবে?
    • ক. ১৪১
    • খ. ৮৯
    • গ. ২৪৮
    • ঘ. ১৭০
    উত্তর: ক. ১৪১
    কোনো সংখ্যার সঙ্গে 3 যোগ করে যোগফল ২৪, ৩৬ ও ৪৮ দিয়ে বিভাজ্য হলে যোগফলটি এই তিনের সাধারণ গুণিতক হবে। লঘিষ্ঠ সংখ্যা চাইলে যোগফল হবে সবচেয়ে ছোট সাধারণ গুণিতক, অর্থাৎ ল.সা.গু.। 24 = 2³ × 3, 36 = 2² × 3², 48 = 2⁴ × 3, তাই ল.সা.গু. = 2⁴ × 3² = 144। সংখ্যাটি তাহলে 144 − 3 = 141।
    যাচাই: 141 + 3 = 144, আর 144 ÷ 24 = 6, 144 ÷ 36 = 4, 144 ÷ 48 = 3।
    মনে রাখুন: ল.সা.গু. বের করতে প্রতিটি মৌলিক উৎপাদকের বৃহত্তম ঘাত নিতে হয়।
  13. ৬৫. দু'টি সংখ্যার গড় xy; একটি সংখ্যা x হলে অপরটি কত?
    • ক. 2xy − x
    • খ. xy − x
    • গ. y
    • ঘ. 2y
    উত্তর: ক. 2xy − x
    দুটি সংখ্যার গড় xy হলে সংখ্যা দুটির যোগফল 2 × xy = 2xy। একটি সংখ্যা x হলে অপর সংখ্যাটি হবে যোগফল থেকে x বাদ দিয়ে, অর্থাৎ 2xy − x।
    যাচাই: x = 2, y = 3 হলে গড় 6, যোগফল 12। একটি সংখ্যা 2 হলে অপরটি 10। সূত্রে 2 × 2 × 3 − 2 = 10, মিলে যায়।
    মনে রাখুন: গড় = যোগফল ÷ সংখ্যার পরিমাণ, তাই যোগফল = গড় × সংখ্যার পরিমাণ।
  14. ৬৬. নিচের কোন একটি বড়?
    • ক. মিটার
    • খ. ডেসিমিটার
    • গ. হেক্টোমিটার
    • ঘ. ডেকামিটার
    উত্তর: গ. হেক্টোমিটার
    দৈর্ঘ্যের এককগুলো মিটারের হিসাবে সাজাই: ডেসিমিটার = 0.1 মিটার, মিটার = 1 মিটার, ডেকামিটার = 10 মিটার, হেক্টোমিটার = 100 মিটার। এখানে সবচেয়ে বড় একক হেক্টোমিটার।
    মনে রাখুন:
    মিলি < সেন্টি < ডেসি < মিটার < ডেকা < হেক্টো < কিলো।
    1 কিলোমিটার = 1000 মিটার, আর 1 সেন্টিমিটার = 0.01 মিটার।
  15. ৬৮. একটি সংখ্যার অর্ধেক তার এক-তৃতীয়াংশের চেয়ে ১৭ বেশি। সংখ্যাটি কত?
    • ক. ১০২
    • খ. ২০৮
    • গ. ৬২
    • ঘ. ৮৪
    উত্তর: ক. ১০২
    সংখ্যাটি x ধরি। প্রশ্ন অনুযায়ী সংখ্যাটির অর্ধেক তার এক-তৃতীয়াংশের চেয়ে ১৭ বেশি, তাই x/2 = x/3 + 17, অর্থাৎ x/2 − x/3 = 17। বামপক্ষ x/6, তাই x/6 = 17 এবং x = 17 × 6 = 102।
    যাচাই: 102-এর অর্ধেক 51, আর এক-তৃতীয়াংশ 34, ব্যবধান 17, মিলে যায়।
    মনে রাখুন: ভগ্নাংশের সমীকরণে হরগুলোর ল.সা.গু. (এখানে 6) দিয়ে গুণ করলে হিসাব সহজ হয়।
  16. ৮০. কোন পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর ৮০% গণিত এবং ৭০% বাংলায় পাশ করল। যদি উভয় বিষয়ে ৬০% পাশ করে থাকে তবে উভয় বিষয়ে শতকরা কতজন ফেল করল?
    • ক. ৮%
    • খ. ১০%
    • গ. ১৫%
    • ঘ. ১২%
    উত্তর: খ. ১০%
    গণিতে পাস 80%, বাংলায় পাস 70% এবং উভয় বিষয়ে পাস 60%। অন্তত একটি বিষয়ে পাস করা পরীক্ষার্থী 80 + 70 − 60 = 90%। তাই উভয় বিষয়ে ফেল করেছে 100 − 90 = 10%।
    যাচাই: শুধু গণিতে পাস 20%, শুধু বাংলায় পাস 10%, উভয়ে পাস 60%, তাহলে মোট পাস 90% এবং ফেল 10%।
    মনে রাখুন: সূত্র n(A ∪ B) = n(A) + n(B) − n(A ∩ B)।
  17. ৮১. একটি রম্বসের দুইটি কর্ণের দৈর্ঘ্য ৮ সেমি ও ৬ সেমি হলে, এর ক্ষেত্রফল কত বর্গ সেমি?
    • ক. 24
    • খ. 48
    • গ. 60
    • ঘ. 14
    উত্তর: ক. 24
    রম্বসের কর্ণ দুটি পরস্পরকে সমকোণে সমদ্বিখণ্ডিত করে, আর ক্ষেত্রফল = (১/২) × কর্ণ দুটির গুণফল। তাই ক্ষেত্রফল = (1/2) × 8 × 6 = 24 বর্গসেমি। বিকল্পে থাকা 48 হলো কর্ণ দুটির গুণফল, ক্ষেত্রফল নয়।
    মনে রাখুন:
    একই সূত্র ঘুড়ি আকৃতির (Kite) চতুর্ভুজের জন্যও খাটে।
    এখানে অর্ধেক কর্ণ 4 ও 3, তাই রম্বসের বাহু √(16 + 9) = 5 সেমি এবং পরিসীমা 20 সেমি।
  18. ৮৯. একটি ত্রিভুজের বাহুগুলোর অনুপাত 1 : 1 : √2 এবং বৃহত্তম কোণ 90° হলে ক্ষুদ্রতম কোণের মান কত?
    • ক. 60°
    • খ. 75°
    • গ. 30°
    • ঘ. 45°
    উত্তর: ঘ. 45°
    বাহুর অনুপাত 1 : 1 : √2 হলে দুটি বাহু সমান, আর (√2)² = 1² + 1², অর্থাৎ পীথাগোরাসের সূত্র মেলে। তাই ত্রিভুজটি সমকোণী সমদ্বিবাহু, যার বৃহত্তম কোণ 90°। অপর দুই কোণ সমান, আর তাদের যোগফল 90°, তাই প্রতিটি 45°। ক্ষুদ্রতম কোণ 45°।
    মনে রাখুন:
    45°–45°–90° ত্রিভুজের বাহুর অনুপাত 1 : 1 : √2।
    30°–60°–90° ত্রিভুজের বাহুর অনুপাত 1 : √3 : 2।
  19. ৯৩. একটি সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজের সমান বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্য 10 একক হলে ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত বর্গএকক?
    • ক. 50
    • খ. 49
    • গ. 100
    • ঘ. 81
    উত্তর: ক. 50
    সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজের সমান দুই বাহুই সমকোণ তৈরি করে, তাই একটি বাহু ভূমি আর অন্যটি উচ্চতা। ক্ষেত্রফল = (1/2) × ভূমি × উচ্চতা = (1/2) × 10 × 10 = 50 বর্গএকক। বিকল্পে থাকা 100 হলো ভূমি ও উচ্চতার গুণফল, তার অর্ধেক নিতে ভুলে গেলে এ উত্তর আসে।
    মনে রাখুন:
    সমান বাহু a হলে ক্ষেত্রফল a²/2।
    এখানে অতিভুজ 10√2 একক।
  20. ৯৫. ১০০ মিটার লম্বা একটি ট্রেন ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার যায়। রাস্তার পাশের একটি খুঁটিকে ট্রেনটি কত সময়ে অতিক্রম করবে?
    • ক. ৬ সেকেন্ড
    • খ. ১৬ সেকেন্ড
    • গ. ১০ সেকেন্ড
    • ঘ. ২৬ সেকেন্ড
    উত্তর: ক. ৬ সেকেন্ড
    ট্রেনের গতিবেগ ঘণ্টায় 60 কিমি = 60000/3600 = 50/3 মিটার/সেকেন্ড। খুঁটি পার হতে ট্রেনকে নিজের দৈর্ঘ্যের সমান 100 মিটার দূরত্ব যেতে হয়। তাই সময় = 100 ÷ (50/3) = 6 সেকেন্ড।
    শর্টকাট: কিমি/ঘণ্টাকে 5/18 দিয়ে গুণ করলে মিটার/সেকেন্ড হয়।
    মনে রাখুন:
    খুঁটি বা মানুষকে পার হতে ট্রেনের দৈর্ঘ্য পরিমাণ পথ লাগে।
    প্ল্যাটফর্ম পার হতে ট্রেন ও প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্যের যোগফল পরিমাণ পথ লাগে।

কম্পিউটার ও আইসিটি

  1. ২৫. বাংলাদেশ বর্তমানে Internet-এর কোন যুগে আছে?
    • ক. 4G
    • খ. 5G
    • গ. 2G
    • ঘ. 3G
    উত্তর: ক. 4G
    ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে 4G (চতুর্থ প্রজন্ম) সেবা চালু হয়। তাই পরীক্ষার সময় দেশ ইন্টারনেটের 4G যুগেই ছিল। এ থেকে বোঝা যায়, মোবাইল নেটওয়ার্কের প্রতিটি প্রজন্ম (Generation) আগেরটির চেয়ে দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান করে। এই কারণে 2G-তে শুধু কথা ও সংক্ষিপ্ত বার্তা চললেও 4G-তে ভিডিও দেখা ও ভিডিও কল করা সহজ হয়েছে।
    মনে রাখুন:
    বাংলাদেশে 3G চালু হয় ২০১৩ সালে।
    2G মূলত কথা বলা ও এসএমএস পাঠানোর জন্য ছিল।
    হালনাগাদ: ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে রবি ও গ্রামীণফোন বাণিজ্যিকভাবে 5G সেবা চালু করেছে।

সাধারণ জ্ঞান

  1. ৭০. বাংলাদেশের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত কত?
    • ক. ২৩০০ মিমি
    • খ. ১৭০০ মিমি
    • গ. ২৪০০ মিমি
    • ঘ. ২১০০ মিমি
    উত্তর: ক. ২৩০০ মিমি
    বাংলাদেশে বছরে গড়ে প্রায় ২২০০ থেকে ২৩০০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়, যার বেশিরভাগ হয় বর্ষাকালে। বিকল্পগুলোর মধ্যে ২৩০০ মিমি সবচেয়ে কাছের।

বাংলাদেশ রেলওয়ে: অন্যান্য পরীক্ষা

আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান

বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন