লিয়ানা বুকস

বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭: প্রশ্ন ও সমাধান

পরীক্ষা হয়েছে ২৫ জুলাই ২০১৭। ১০০টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।

সময় ধরে পরীক্ষা দিন →

বাংলা

  1. ১. 'বড়ায়ি' কোন কাব্যের চরিত্র?
    • ক. মনসামঙ্গল
    • খ. চণ্ডীমঙ্গল
    • গ. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
    • ঘ. পদ্মাবতী
    উত্তর: গ. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
    ‘বড়ায়ি’ চরিত্রটি বড়ু চণ্ডীদাসের ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের। এই কাব্যের প্রধান দুই চরিত্র হলো কৃষ্ণ ও রাধা। এদের মাঝখানে আছেন বড়ায়ি, যিনি রাধার আত্মীয়া এবং কৃষ্ণ ও রাধার দূতী। তিনি দুজনের মিলন ঘটানোর চেষ্টা করেন বলে কাব্যের কাহিনিতে তাঁর ভূমিকা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আবার এই কাব্যটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসেও বিশেষ জায়গা দখল করে আছে, কারণ একে মধ্যযুগের প্রথম কাব্য বলা হয়। বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ বাঁকুড়ার এক গ্রাম থেকে এর পুঁথি আবিষ্কার করেন।
    মনে রাখুন:
    মনসামঙ্গলের চরিত্র: চাঁদ সওদাগর, বেহুলা, লখিন্দর।
    চণ্ডীমঙ্গলের চরিত্র: কালকেতু, ফুল্লরা, ধনপতি।
    শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের তিন প্রধান চরিত্র: কৃষ্ণ, রাধা ও বড়ায়ি।
  2. ২. আলাওল কোন রাজসভার কবি ছিলেন?
    • ক. মিথিলা
    • খ. নাটোর
    • গ. রোসাঙ্গ
    • ঘ. ত্রিপুরা
    উত্তর: গ. রোসাঙ্গ
    মধ্যযুগের কবি আলাওল আরাকানের রাজসভায় থাকতেন। আরাকানকে তখন বাংলায় ‘রোসাঙ্গ’ বা ‘রোসাং’ বলা হতো, তাই তাঁকে রোসাঙ্গ রাজসভার কবি বলা হয়। সেখানে বসেই তিনি মালিক মুহম্মদ জায়সীর হিন্দি কাব্য অবলম্বনে তাঁর শ্রেষ্ঠ কাব্য ‘পদ্মাবতী’ রচনা করেন। আরাকানের রাজসভা সে সময়ে বাংলা সাহিত্যচর্চার একটি বড় কেন্দ্র ছিল, যদিও রাজারা বাঙালি ছিলেন না। তাই মুসলমান কবিরা সেখানে উৎসাহ ও আশ্রয় পেয়েছিলেন।
    মনে রাখুন:
    আরাকান রাজসভার আরেকজন বিখ্যাত কবি দৌলত কাজী, যিনি ‘সতী ময়নামতী’ (লোরচন্দ্রানী) লিখেছেন।
    আলাওলের অন্য কাব্য ‘সয়ফুলমুলক বদিউজ্জামাল’ ও ‘সপ্তপয়কর’।
  3. ৩. কাকে বিদ্যাপতির ভাবশিষ্য বলা হয়?
    • ক. চণ্ডীদাস
    • খ. জ্ঞানদাস
    • গ. গোবিন্দদাস
    • ঘ. কৃষ্ণদাস
    উত্তর: গ. গোবিন্দদাস
    পদাবলির কবি গোবিন্দদাসকে বিদ্যাপতির ভাবশিষ্য বলা হয়। কারণ তাঁর কবিতার ভাব, ভাষা আর অলংকার বিদ্যাপতির পদের সঙ্গে খুব মিলে যায়। গোবিন্দদাস ব্রজবুলি ভাষায় পদ লিখেছেন, বিদ্যাপতিও এই ভাষাতেই লিখতেন। ব্রজবুলি মূলত মৈথিলি ও বাংলার মিশ্রণে গড়া একটি কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা। অন্যদিকে চণ্ডীদাসের পদ সহজ ও সরল বাংলায় লেখা, তাই তাঁকে বিদ্যাপতির শিষ্য বলা যায় না।
    মনে রাখুন:
    চণ্ডীদাস ও জ্ঞানদাস বাংলা ভাষায় পদ লিখেছেন, আর গোবিন্দদাস ও বিদ্যাপতি ব্রজবুলিতে।
    বিদ্যাপতি ছিলেন মিথিলার কবি।
  4. ৪. ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে বাংলা বিভাগ চালু হয় কত খ্রিষ্টাব্দে?
    • ক. ১৮০০
    • খ. ১৮০১
    • গ. ১৮০২
    • ঘ. ১৮১০
    উত্তর: খ. ১৮০১
    ইংরেজ কর্মচারীদের দেশীয় ভাষা শেখানোর জন্য লর্ড ওয়েলেসলি ১৮০০ সালে কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। কলেজ প্রতিষ্ঠার পরের বছর, অর্থাৎ ১৮০১ সালে, এখানে বাংলা বিভাগ চালু হয়। এই বিভাগের প্রথম অধ্যক্ষ ছিলেন উইলিয়াম কেরি। বাংলা গদ্য তখনো গড়ে ওঠেনি বললেই চলে, তাই পাঠ্যবইয়ের অভাব মেটাতে কলেজের পণ্ডিত ও মুনশিরা অনেক বই লিখেন। এভাবেই বাংলা গদ্যের বিকাশে কলেজটি বড় ভূমিকা রাখে।
    মনে রাখুন:
    রামরাম বসুর ‘রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র’ (১৮০১) এই কলেজের পাঠ্যবই হিসেবে লেখা।
    মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালংকারের ‘প্রবোধচন্দ্রিকা’ও এই কলেজের একটি উল্লেখযোগ্য বই।
  5. ৫. বাংলা ভাষার প্রথম দৈনিক পত্রিকা কোনটি?
    • ক. সমাচার দর্পণ
    • খ. সংবাদ প্রভাকর
    • গ. জ্ঞানান্বেষণ
    • ঘ. তত্ত্ববোধিনী
    উত্তর: খ. সংবাদ প্রভাকর
    বাংলা ভাষায় প্রথম দৈনিক পত্রিকা ‘সংবাদ প্রভাকর’। কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত এটি ১৮৩১ সালে সাপ্তাহিক হিসেবে প্রকাশ শুরু করেন। পরে ১৮৩৯ সালের ১৪ জুন এটি দৈনিক হিসেবে বের হতে থাকে। এ কারণেই একে বাংলা ভাষার প্রথম দৈনিক পত্রিকা বলা হয়। ‘সমাচার দর্পণ’ দৈনিক ছিল না, সেটি সাপ্তাহিক ছিল।
    মনে রাখুন:
    ‘সমাচার দর্পণ’ শ্রীরামপুর থেকে ১৮১৮ সালে প্রকাশিত প্রথম সাপ্তাহিক পত্রিকা।
    ‘বঙ্গদর্শন’ (১৮৭২) সম্পাদনা করেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
    ‘সবুজপত্র’ (১৯১৪) সম্পাদনা করেন প্রমথ চৌধুরী।
    ‘তত্ত্ববোধিনী’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন অক্ষয়কুমার দত্ত।
  6. ৬. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকা কত সালে প্রকাশিত হয়?
    • ক. ১৮৭১
    • খ. ১৮৭২
    • গ. ১৮৭৩
    • ঘ. ১৮৮৫
    উত্তর: খ. ১৮৭২
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৭২ সালে মাসিক সাহিত্যপত্র ‘বঙ্গদর্শন’ প্রকাশ করেন। এই পত্রিকাকে ঘিরে তখন একটি নতুন লেখকগোষ্ঠী গড়ে ওঠে এবং বাংলা সাহিত্যে নতুন প্রাণ আসে। এই পত্রিকাতেই তাঁর ‘বিষবৃক্ষ’, ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ প্রভৃতি উপন্যাস ধারাবাহিকভাবে বের হয়েছিল। পরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও নতুন পর্যায়ে ‘বঙ্গদর্শন’ সম্পাদনা করেছেন।
    মনে রাখুন:
    বঙ্কিমচন্দ্রের প্রথম বাংলা উপন্যাস ‘দুর্গেশনন্দিনী’ (১৮৬৫)।
    তাঁর রচিত ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাসে ‘বন্দে মাতরম’ গানটি আছে।
    তাঁকে ‘সাহিত্য সম্রাট’ বলা হয়।
  7. ৭. মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ ইংরেজিতে প্রথম অনুবাদ করেন কে?
    • ক. দীনবন্ধু মিত্র
    • খ. রাজনারায়ণ বসু
    • গ. সজনীকান্ত দাস
    • ঘ. ডি. এল. রায়
    উত্তর: খ. রাজনারায়ণ বসু
    প্রচলিত তথ্য অনুযায়ী মধুসূদনের বন্ধু রাজনারায়ণ বসু ‘মেঘনাদবধ কাব্য’-এর প্রথম ইংরেজি অনুবাদ করেন। তাঁকে লেখা চিঠিতেই মধুসূদন এ কাব্য নিয়ে অনেক কথা বলেছিলেন।
  8. ৮. 'মহাশ্মশান' মহাকাব্যের রচয়িতার নাম—
    • ক. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    • খ. বিহারীলাল চক্রবর্তী
    • গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • ঘ. কায়কোবাদ
    উত্তর: ঘ. কায়কোবাদ
    ‘মহাশ্মশান’ মহাকাব্যের রচয়িতা কায়কোবাদ। এই কাব্যে ১৭৬১ সালের পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের কাহিনি বলা হয়েছে, যেখানে মারাঠারা আহমদ শাহ আবদালির কাছে পরাজিত হয়। মহাশ্মশান তিন খণ্ডে ৬০টি সর্গে লেখা। আধুনিক বাংলা সাহিত্যে মুসলিম কবিদের মধ্যে তিনি প্রথম সার্থক মহাকাব্যকার হিসেবে পরিচিত। অন্য তিন কবিও বিখ্যাত, কিন্তু তাঁদের কেউ এই কাব্য লেখেননি। যেমন মধুসূদন লিখেছেন ‘মেঘনাদবধ কাব্য’, আর বিহারীলাল লিখেছেন ‘সারদামঙ্গল’।
    মনে রাখুন:
    কায়কোবাদের আসল নাম কাজেম আল কোরেশী।
    মধুসূদনের শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য ‘মেঘনাদবধ কাব্য’।
    মহাশ্মশান অবলম্বনে মুনীর চৌধুরী ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ নাটক লেখেন।
  9. ৯. কাজী নজরুল ইসলাম 'অগ্নি-বীণা' কাব্য কাকে উৎসর্গ করেন?
    • ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • খ. চিত্তরঞ্জন দাশ
    • গ. সুভাষচন্দ্র বসু
    • ঘ. বারীন্দ্রকুমার ঘোষ
    উত্তর: ঘ. বারীন্দ্রকুমার ঘোষ
    নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নি-বীণা’ ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। তিনি বইটি উৎসর্গ করেন বিপ্লবী নেতা বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে। বারীন্দ্রকুমার ব্রিটিশবিরোধী বিপ্লবী আন্দোলনের এক পরিচিত নেতা ছিলেন, আর নজরুলের কবিতাও ছিল সেই বিদ্রোহী চেতনায় ভরা। বইয়ের প্রথম কবিতা ‘প্রলয়োল্লাস’ আর বিখ্যাত ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটিও এই কাব্যের অন্তর্গত।
    মনে রাখুন:
    নজরুলের প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘ব্যথার দান’।
    তাঁর প্রথম উপন্যাস ‘বাঁধনহারা’।
    ‘বিদ্রোহী’ কবিতা প্রথম ছাপা হয় ‘বিজলী’ পত্রিকায়।
  10. ১০. কোনটি রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্প নয়?
    • ক. একরাত্রি
    • খ. দুরাশা
    • গ. দুরবস্থা
    • ঘ. মাস্টারমশাই
    উত্তর: গ. দুরবস্থা
    ‘একরাত্রি’, ‘দুরাশা’ ও ‘মাস্টারমশাই’ তিনটিই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প। ‘দুরবস্থা’ নামে তাঁর কোনো ছোটগল্প নেই, তাই এটিই উত্তর। বাংলা ছোটগল্পের জনক হিসেবে রবীন্দ্রনাথকেই ধরা হয়, আর তাঁর গল্পগুলো ‘গল্পগুচ্ছ’ সংকলনে আছে। এই নামগুলো আলাদা করে মনে রাখা দরকার, কারণ পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথের গল্পের নামের সঙ্গে মিল রেখে প্রায়ই একটি বানানো নাম বসিয়ে দেওয়া হয়।
    মনে রাখুন:
    রবীন্দ্রনাথের প্রথম ছোটগল্প ‘ভিখারিণী’ (১৮৭৪)।
    তাঁর অন্য বিখ্যাত গল্প ‘পোস্টমাস্টার’, ‘কাবুলিওয়ালা’, ‘ছুটি’।
  11. ১১. কোনটি শুদ্ধ?
    • ক. সত্তা
    • খ. সত্বা
    • গ. স্বতা
    • ঘ. সত্ত্বা
    উত্তর: ক. সত্তা
    ‘সত্তা’ শব্দের অর্থ অস্তিত্ব। শব্দটি এসেছে ‘সৎ’ থেকে, আর ‘ত’ ও ‘ত’ মিলে যুক্তবর্ণ ‘ত্ত’ হয়ে ‘সত্তা’ হয়। এখানে ‘ত্ব’ বসানো ভুল, অর্থাৎ সত্বা বা সত্ত্বা শুদ্ধ নয়। এই ভুলটি অনেকেই করেন, কারণ ‘ত্ত’ ও ‘ত্ব’ দেখতে কাছাকাছি মনে হয়। কিন্তু দুটি যুক্তবর্ণের মানে আলাদা শব্দ তৈরি করে, তাই এ দুটির পার্থক্য মনে রাখা জরুরি।
    মনে রাখুন:
    ‘সত্ত্ব’ (গুণ বা প্রাণী) ও ‘সত্তা’ (অস্তিত্ব) আলাদা শব্দ।
    উদাহরণ: জীবসত্ত্ব, সত্ত্বগুণ, ব্যক্তিসত্তা।
  12. ১২. কোনটি মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস?
    • ক. দুই সৈনিক
    • খ. ক্ষুধা ও আশা
    • গ. বীরাঙ্গনা সখিনা
    • ঘ. নির্জন মেঘ
    উত্তর: ক. দুই সৈনিক
    ‘দুই সৈনিক’ শওকত ওসমানের লেখা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। এতে মুক্তিযুদ্ধের সময়কার মানুষের জীবন ও সংকটের ছবি আছে। বাকি তিনটির মধ্যে ‘ক্ষুধা ও আশা’ ও ‘নির্জন মেঘ’ অন্য বিষয়ের লেখা আর ‘বীরাঙ্গনা সখিনা’ মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস হিসেবে পরিচিত নয়। তাই মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে লেখা বইগুলোর সঙ্গে লেখকের নাম মিলিয়ে মনে রাখা পরীক্ষায় কাজে লাগে।
    মনে রাখুন:
    শওকত ওসমানের মুক্তিযুদ্ধের অন্য লেখা ‘জাহান্নাম হইতে বিদায়’, ‘নেকড়ে অরণ্য’, ‘জলাঙ্গী’।
    তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস ‘ক্রীতদাসের হাসি’।
  13. ১৩. 'ভিখু' ও 'পাঁচী' চরিত্র দুটি পাওয়া যায় কার রচনায়?
    • ক. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    • খ. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    • গ. হুমায়ূন আহমেদ
    • ঘ. আলাউদ্দিন আল আজাদ
    উত্তর: খ. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    ‘ভিখু’ ও ‘পাঁচী’ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘প্রাগৈতিহাসিক’ গল্পের দুটি চরিত্র। গল্পে ডাকাত ভিখুর জীবন আর তার সঙ্গী পাঁচীর সম্পর্ক দেখানো হয়েছে, যা মানুষের আদিম প্রবৃত্তিকে সামনে আনে। গল্পের নামও সেই ইঙ্গিত দেয়, কারণ ‘প্রাগৈতিহাসিক’ মানে ইতিহাসেরও আগের যুগের। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যে সমাজের নিচুতলার মানুষ ও মনস্তত্ত্ব নিয়ে লিখেছেন।
    মনে রাখুন:
    মানিকের বিখ্যাত উপন্যাস ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ ও ‘পুতুলনাচের ইতিকথা’।
    তাঁর আসল নাম প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়।
  14. ১৪. নজরুলের কোন রচনাটি ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করে?
    • ক. অগ্নি-বীণা
    • খ. বিষের বাঁশী
    • গ. ব্যথার দান
    • ঘ. ছায়ানট
    উত্তর: খ. বিষের বাঁশী
    ‘বিষের বাঁশী’ কাব্যগ্রন্থটি ১৯২৪ সালে প্রকাশের পর ব্রিটিশ সরকার সেটি বাজেয়াপ্ত করে। কারণ এর কবিতায় ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে তীব্র বিদ্রোহের সুর ছিল। নজরুলের কয়েকটি বই এভাবে সরকারের রোষে পড়েছিল, কারণ তাঁর লেখা মানুষকে স্বাধীনতার জন্য জাগিয়ে তুলত। অন্য তিনটি বইয়ের মধ্যে ‘অগ্নি-বীণা’ ও ‘ছায়ানট’ কাব্যগ্রন্থ এবং ‘ব্যথার দান’ গল্পগ্রন্থ।
    মনে রাখুন:
    নজরুলের যেসব বই নিষিদ্ধ হয়েছিল: যুগবাণী, বিষের বাঁশী, ভাঙার গান, প্রলয় শিখা, চন্দ্রবিন্দু।
  15. ১৫. পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ অবলম্বনে রচিত নাটক কোনটি?
    • ক. যুদ্ধ
    • খ. বিদ্রোহী পান্না
    • গ. রক্তাক্ত প্রান্তর
    • ঘ. পরাক্রম
    উত্তর: গ. রক্তাক্ত প্রান্তর
    পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের ঘটনা নিয়ে মুনীর চৌধুরী ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ নাটক লিখেছেন। নাটকের কাহিনি তিনি কায়কোবাদের ‘মহাশ্মশান’ কাব্য থেকে নিয়েছেন। নাটকটি ১৯৬২ সালে প্রকাশিত হয়। যুদ্ধটি হয় ১৭৬১ সালে, যেখানে আহমদ শাহ আবদালি মারাঠাদের পরাজিত করেন। ইতিহাসের এই ঘটনা নিয়ে তাই কাব্য ও নাটক দুই ধরনের সাহিত্যই রচিত হয়েছে।
    মনে রাখুন:
    মুনীর চৌধুরীর বিখ্যাত নাটক ‘কবর’ ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে লেখা।
    তাঁর অন্য নাটক ‘চিঠি’ ও ‘দণ্ডকারণ্য’।
    তিনি ১৯৭১ সালে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের একজন।
  16. ১৬. কোনটি মুসলিম সাহিত্য-সমাজের মুখপত্র?
    • ক. আজাদ
    • খ. শিখা
    • গ. মোহাম্মদী
    • ঘ. সওগাত
    উত্তর: খ. শিখা
    ১৯২৬ সালে ঢাকায় ‘মুসলিম সাহিত্য-সমাজ’ গড়ে ওঠে এবং ১৯২৭ সালে এর মুখপত্র হিসেবে ‘শিখা’ পত্রিকা বের হয়। সমাজের লক্ষ্য ছিল বুদ্ধির মুক্তি, তাই পত্রিকার আদর্শ ছিল ‘জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব’। সংগঠনের সদস্যরা কুসংস্কার ও গোঁড়ামির বিরুদ্ধে যুক্তিবাদী চিন্তার প্রচার করতেন। ‘আজাদ’, ‘মোহাম্মদী’ ও ‘সওগাত’ অন্য ধরনের পত্রিকা, এগুলো এই সমাজের মুখপত্র নয়।
    মনে রাখুন:
    এই আন্দোলনকে ‘বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন’ বলা হয়।
    এর অন্যতম নেতা ছিলেন আবুল হুসেন ও কাজী আবদুল ওদুদ।
    ‘শিখা’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন আবুল ফজল।
  17. ১৭. রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন কত সালে?
    • ক. ১৯২২
    • খ. ১৯২৫
    • গ. ১৯২৬
    • ঘ. ১৯২৮
    উত্তর: গ. ১৯২৬
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯২৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৯২১ সালে, অর্থাৎ তাঁর আসার পাঁচ বছর আগে। সেই সফরে তিনি বক্তৃতাও দিয়েছিলেন। এই সফর এমন এক সময়ে ঘটে, যখন ঢাকায় মুসলিম সাহিত্য-সমাজের মতো প্রগতিশীল চিন্তার আন্দোলন সবে শুরু হয়েছে। তাই ঢাকার সাহিত্যিক পরিবেশের জন্য সফরটি গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
    মনে রাখুন:
    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য ছিলেন স্যার পি. জে. হার্টগ।
    বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সন ১৯২১।
  18. ১৮. 'খদ্যোত' শব্দের অর্থ—
    • ক. পাখি
    • খ. জোনাকি
    • গ. ক্রেতা
    • ঘ. চতুর
    উত্তর: খ. জোনাকি
    ‘খদ্যোত’ শব্দের অর্থ জোনাকি পোকা, যে অন্ধকারে নিজের শরীর থেকে আলো ছড়ায়। শব্দটি তৎসম, অর্থাৎ সংস্কৃত থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে এবং রূপ বদলায়নি। ভুল উত্তর হিসেবে দেওয়া অন্য শব্দগুলোর অর্থ আলাদা। যেমন ‘পাখি’ মানে বিহঙ্গ, ‘ক্রেতা’ মানে কিনে নেয় যে, আর ‘চতুর’ মানে চালাক। আমরা প্রায়ই ঝোপের ধারে রাতে জোনাকির মিটমিটে আলো দেখি, সেটিই খদ্যোতের আলো।
    মনে রাখুন:
    খদ্যোতের আরেক নাম ‘জোনাকি’ বা ‘দ্যুতিকীট’।
  19. ১৯. 'রাইফেল রোটি আওরাত' কোন ধরনের রচনা?
    • ক. ছোটগল্প
    • খ. নাটক
    • গ. উপন্যাস
    • ঘ. প্রবন্ধ
    উত্তর: গ. উপন্যাস
    ‘রাইফেল রোটি আওরাত’ আনোয়ার পাশার লেখা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। এখানে মুক্তিযুদ্ধের প্রথম দিকের অভিজ্ঞতা ও পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়েছে। বইটি ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয়। আনোয়ার পাশা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক ছিলেন। তাই তাঁর লেখায় শিক্ষিত মধ্যবিত্তের চোখে দেখা যুদ্ধের ছবি পাওয়া যায়।
    মনে রাখুন:
    আনোয়ার পাশা ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী হিসেবে প্রাণ হারান।
    এ দিনটি দেশে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস হিসেবে পালিত হয়।
  20. ২০. কোন বানানটি শুদ্ধ?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০২২
    • ক. স্বায়ত্ত্বশাসন
    • খ. স্বায়ত্তশাসন
    • গ. স্বায়ত্বশাসন
    • ঘ. সায়ত্ত্বশাসন
    উত্তর: খ. স্বায়ত্তশাসন
    ‘স্ব’ ও ‘আয়ত্ত’ মিলে ‘স্বায়ত্ত’ হয়, তাই ‘স্বায়ত্তশাসন’ বানানটি শুদ্ধ। এর অর্থ নিজের শাসন নিজের হাতে রাখা। অন্য বানানগুলোতে হয় ‘ত্ত্ব’ বসেছে, না হয় ‘স্ব’ বাদ গেছে, তাই ভুল। ‘আয়ত্ত’ শব্দের অর্থ নিজের অধিকারে থাকা, আর এর সঙ্গে ‘স্ব’ যোগ করলেই ‘স্বায়ত্ত’ পাওয়া যায়। এখানে স্ব-এর পর ‘আ’ এসে সন্ধির নিয়মে ‘স্বা’ হয়েছে।
    মনে রাখুন:
    ‘স্বায়ত্ত’ শব্দে ‘ত্ত’ হয়, ‘ত্ব’ হয় না।
    উদাহরণ: স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
  21. ২১. কোনটি 'প্রতীক্ষা' শব্দের প্রতিশব্দ?
    • ক. নির্বর্তক
    • খ. এন্তেজার
    • গ. বিলম্বন
    • ঘ. সমাপন্ন
    উত্তর: খ. এন্তেজার
    ‘প্রতীক্ষা’ মানে অপেক্ষা করা। ফারসি বা আরবি ‘এন্তেজার’ শব্দেরও একই অর্থ, তাই এটি প্রতীক্ষার প্রতিশব্দ। বাংলায় বিদেশি শব্দের সমার্থক রূপ প্রায়ই চোখে পড়ে, আর পরীক্ষায় তা চেনা জরুরি। বাকি শব্দগুলোর মানে আলাদা, যেমন বিলম্বন মানে দেরি করা, আর সমাপন্ন মানে শেষ হওয়া।
    মনে রাখুন:
    প্রতীক্ষার আরও প্রতিশব্দ অপেক্ষা, আশা।
  22. ২২. 'সে সকাল থেকেই খাই খাই করছে।'—এ বাক্যে 'খাই খাই' কোন ধরনের পদ?
    • ক. ক্রিয়াপদ
    • খ. ক্রিয়া বিশেষ্য
    • গ. দ্বিত্ব বিশেষণ
    • ঘ. ক্রিয়া বিশেষণ
    উত্তর: গ. দ্বিত্ব বিশেষণ
    ‘সে সকাল থেকেই খাই খাই করছে’ বাক্যে ‘খাই খাই’ খাওয়ার তীব্র ইচ্ছা বোঝাচ্ছে। একই ক্রিয়াপদকে দুবার বসিয়ে এভাবে বিশেষণ তৈরি হলে তাকে দ্বিত্ব বিশেষণ বলা হয়। এখানে শব্দটি কোনো কাজ ঘটার কথা বলছে না, বরং ব্যক্তির অবস্থা বা ভাব প্রকাশ করছে, তাই এটি ক্রিয়াপদ নয়। বাক্যের অসমাপিকা অংশ হিসেবে এটি কেবল বিশেষণের কাজ করছে।
    উদাহরণ:
    যায় যায় অবস্থা।
    কাঁদো কাঁদো চেহারা।
  23. ২৩. 'বাবা' শব্দ কোন ভাষা থেকে এসেছে?
    • ক. সংস্কৃত
    • খ. অসমিয়া
    • গ. হিন্দি
    • ঘ. তুর্কি
    উত্তর: ঘ. তুর্কি
    ‘বাবা’ শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। মুসলিম শাসনের সময় তুর্কিদের সঙ্গে এমন অনেক শব্দ আমাদের ভাষায় ঢোকে। তাই সব পুরোনো বিদেশি শব্দকে ফারসি ভাবা ঠিক নয়। ‘বাবা’ শব্দটি সংস্কৃত নয়, অথচ আমাদের এতই চেনা যে একে বিদেশি বলে মনেই হয় না।
    মনে রাখুন:
    তুর্কি শব্দ: চাকর, চাকু, বেগম, বাবুর্চি, দারোগা, কুলি, তোপ।
    ফারসি শব্দ: কারখানা, চশমা, দোকান।
  24. ২৪. কোনটি 'সূর্য' শব্দের সমার্থ শব্দ নয়?
    • ক. আফতাব
    • খ. বারীন্দ্র
    • গ. আদিত্য
    • ঘ. অর্ক
    উত্তর: খ. বারীন্দ্র
    আফতাব, আদিত্য ও অর্ক তিনটিই সূর্যের প্রতিশব্দ। এর মধ্যে ‘আফতাব’ ফারসি শব্দ, আর ‘আদিত্য’ ও ‘অর্ক’ সংস্কৃত থেকে এসেছে। কিন্তু ‘বারীন্দ্র’ মানে সমুদ্র বা জলের অধিপতি, তাই সূর্যের সমার্থক নয়। প্রশ্নে ‘নয়’ শব্দটি থাকায় আমাদের এমন শব্দটি খুঁজতে হয়েছে যার অর্থ সূর্যের সঙ্গে মেলে না।
    মনে রাখুন:
    সূর্যের আরও নাম রবি, ভানু, দিবাকর, ভাস্কর, মিহির, প্রভাকর।
  25. ২৫. 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' কাব্যনাট্যের রচয়িতা কে?
    • ক. বুদ্ধদেব বসু
    • খ. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    • গ. সৈয়দ শামসুল হক
    • ঘ. মুনীর চৌধুরী
    উত্তর: গ. সৈয়দ শামসুল হক
    ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যনাট্য, যা মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা। কাব্যনাট্য হলো কবিতার ছন্দে লেখা নাটক, অর্থাৎ এর সংলাপ গদ্যে নয়, পদ্যে রচিত হয়। সৈয়দ শামসুল হক কবি, নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক হিসেবে সমান পরিচিত। তাঁর এই নাটকে এক গ্রামের মানুষ যুদ্ধের আতঙ্কে বসবাস করছে, আর এই ভয়ের পরিবেশই নাটকের মূল বিষয়।
    মনে রাখুন:
    তাঁর অন্য কাব্যনাট্য ‘নূরলদীনের সারাজীবন’, ‘এখানে এখন’, ‘গণনায়ক’।
  26. ৭৮. 'পদ্মানদীর মাঝি' কী?
    • ক. একটি জীবনীগ্রন্থ
    • খ. একটি উপন্যাস
    • গ. একটি চলচ্চিত্র
    • ঘ. একটি নাটক
    উত্তর: খ. একটি উপন্যাস
    ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালজয়ী উপন্যাস, যা ১৯৩৬ সালে প্রকাশিত হয়। এতে পদ্মা তীরের জেলে সম্প্রদায়ের জীবন, কুবের, কপিলা ও হোসেন মিয়ার কাহিনি তুলে ধরা হয়েছে। কুবের একজন গরিব মাঝি, আর হোসেন মিয়া ময়নাদ্বীপে নতুন বসতি গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখান। উপন্যাসটি জীবনী, চলচ্চিত্র বা নাটক নয়, তবে পরে এ নামে চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে।
    মনে রাখুন:
    মানিকের আসল নাম প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়।
    তাঁর আরেক বিখ্যাত উপন্যাস ‘পুতুলনাচের ইতিকথা’।
  27. ৮৫. 'বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি, তাই আমি পৃথিবীর রূপ খুঁজিতে যাই না আর' কবিতার কবি কে?
    • ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • খ. জীবনানন্দ দাশ
    • গ. কাজী নজরুল ইসলাম
    • ঘ. বিষ্ণু দে
    উত্তর: খ. জীবনানন্দ দাশ
    ‘বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি, তাই আমি পৃথিবীর রূপ খুঁজিতে যাই না আর’ পঙ্ক্তিটি জীবনানন্দ দাশের ‘রূপসী বাংলা’ কাব্যের। এখানে কবি বাংলার প্রকৃতির সৌন্দর্যে এতটাই মুগ্ধ যে বিশ্বের অন্য কোথাও সৌন্দর্য খুঁজতে চান না। তাই এই প্রকৃতিপ্রেমী কবিকে ‘রূপসী বাংলার কবি’ বলা হয়। কাব্যটি কবির মৃত্যুর পরে প্রকাশিত হয়।
    মনে রাখুন:
    তাঁর অন্য কাব্য ‘ঝরা পালক’, ‘ধূসর পাণ্ডুলিপি’, ‘বনলতা সেন’, ‘মহাপৃথিবী’।
    জীবনানন্দ দাশকে ‘নির্জনতম কবি’ ও ‘চিত্ররূপময়তার কবি’ বলা হয়।

ইংরেজি

  1. ২৬. Which of these words is not correctly spelt?
    • ক. auspicious
    • খ. intellegent
    • গ. committee
    • ঘ. psychology
    উত্তর: খ. intellegent
    সঠিক বানান intelligent, যার অর্থ বুদ্ধিমান। প্রশ্নের intellegent বানানটিতে দ্বিতীয় ‘i’-এর জায়গায় ‘e’ বসেছে, তাই এটি ভুল। বাকি তিনটি বানান ঠিক আছে: auspicious (শুভ), committee (কমিটি) ও psychology (মনোবিজ্ঞান)। Intelligent শব্দটি intellect (বুদ্ধি) থেকে এসেছে, তাই বানান মনে রাখতে মূল শব্দটির কথা ভাবা ভালো।
    মনে রাখুন:
    Intelligent শব্দের শেষে ‘-ent’ থাকে, আর এর বিশেষ্য intelligence-এ ‘-ence’ থাকে।
    Committee বানানে m, t ও e তিনটিই দুবার করে আছে।
  2. ২৭. A word which can be interpreted in more than one way is—
    • ক. anachronistic
    • খ. confusing
    • গ. ambiguous
    • ঘ. foolish
    উত্তর: গ. ambiguous
    যে শব্দ বা কথাকে একাধিক উপায়ে ব্যাখ্যা করা যায়, তাকে ambiguous (দ্ব্যর্থক) বলে। অর্থাৎ শ্রোতা বা পাঠক একই কথা থেকে দুটি আলাদা মানে বুঝে নিতে পারেন। অন্য শব্দগুলোর অর্থ আলাদা: anachronistic মানে কালবিরোধী, অর্থাৎ ভুল সময়ে বসানো। Confusing মানে বিভ্রান্তিকর, আর foolish মানে বোকা।
    মনে রাখুন:
    Ambiguity মানে দ্ব্যর্থকতা বা অস্পষ্টতা।
    Ambiguous-এর বিপরীত শব্দ unambiguous বা clear (স্পষ্ট)।
  3. ২৮. 'To stick to one's gun' means—
    • ক. to be brave
    • খ. to be arrogant
    • গ. to stand near a gun
    • ঘ. to refuse to change one's position
    উত্তর: ঘ. to refuse to change one's position
    To stick to one’s guns idiom-এর অর্থ নিজের মত বা অবস্থানে অটল থাকা। অন্যরা আপত্তি করলেও বা চাপ দিলেও মানুষটি নিজের সিদ্ধান্ত বদলায় না। তাই refuse to change one’s position উত্তর। এখানে gun আক্ষরিক অর্থে বন্দুক নয়, এটি একটি রূপক প্রয়োগ। সেজন্য brave বা arrogant হওয়ার সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।
    উদাহরণ:
    He stuck to his guns despite the criticism.
    মনে রাখুন: প্রশ্নে one’s gun লেখা হলেও প্রচলিত রূপ guns।
  4. ২৯. Which part of speech is 'Book'?
    • ক. noun
    • খ. verb
    • গ. adjective
    • ঘ. both noun and verb
    উত্তর: ঘ. both noun and verb
    Book শব্দটি noun ও verb দুই রূপেই চলে। Noun হিসেবে এর মানে বই, আর verb হিসেবে মানে আসন বা টিকিট আগে থেকে নেওয়া। এভাবে একই বানানের শব্দ বাক্যে বসার জায়গা অনুযায়ী ভিন্ন part of speech হতে পারে। তাই both noun and verb সঠিক। শব্দটির পরিচয় ঠিক করতে বাক্যে এর কাজ দেখাই সবচেয়ে ভালো উপায়।
    উদাহরণ:
    This book is good. (noun)
    I booked a ticket. (verb)
    মনে রাখুন: Water, call, play-এর মতো আরও অনেক শব্দ noun ও verb দুটোই হয়।
  5. ৩০. Which of these sentences is correct?
    • ক. You would rather go yourself, had you?
    • খ. You would rather go yourself, had't you?
    • গ. You would rather go yourself, wouldn't you?
    • ঘ. You would rather go yourself, would you?
    উত্তর: গ. You would rather go yourself, wouldn't you?
    বাক্যের প্রথম অংশে would থাকায় tag-এও সেই auxiliary verb আসে। আর মূল বাক্যটি affirmative হওয়ায় tag হবে negative, অর্থাৎ wouldn’t you? তাই wouldn’t you সঠিক। Had’t বানানটিই ভুল, আর would you বা had you এখানে বসে না। কারণ would you হলে বাক্যটি affirmative থেকে affirmative tag পেত, যা নিয়মবিরুদ্ধ।
    মনে রাখুন:
    Affirmative বাক্যে negative tag, negative বাক্যে affirmative tag হয়।
    উদাহরণ: She can swim, can’t she?
  6. ৩১. I'd like to know —
    • ক. why did he leave?
    • খ. why he left.
    • গ. why have he left?
    • ঘ. why did he left.
    উত্তর: খ. why he left.
    I’d like to know-এর পরে যে প্রশ্নটি আসে তা বাক্যের অংশ হয়ে যায়, তাই সেখানে প্রশ্নের মতো inversion হয় না। ক্রমটি হয় wh-word + subject + verb, যেমন why he left। এই গঠনকে indirect question বলা যায়। Why did he, why have he ইত্যাদি তাই ভুল। আবার why did he left বাক্যে did-এর সঙ্গে past form left বসেছে, যা আরেকটি ভুল।
    উদাহরণ:
    I don’t know where she lives.
    মনে রাখুন: Direct প্রশ্নে auxiliary আগে আসে (Why did he leave?), কিন্তু indirect রূপে subject আগে আসে।
  7. ৩২. Which of these words rhymes with the word 'won'?
    • ক. zone
    • খ. done
    • গ. cone
    • ঘ. moan
    উত্তর: খ. done
    Won-এর উচ্চারণ ‘ওয়ান’ (/wʌn/), আর done-এর উচ্চারণ ‘ডান’ (/dʌn/)। দুটির শেষের ধ্বনি এক, তাই তারা rhyme করে। Zone, cone ও moan-এর স্বরধ্বনি আলাদা (/əʊ/), তাই এগুলো won-এর সঙ্গে মেলে না। এখানে বানান দেখে নয়, উচ্চারণ শুনে মেলাতে হয়। Won শব্দটি win ক্রিয়ার past form, আবার one-এর উচ্চারণও এক।
    মনে রাখুন:
    বানান আলাদা হলেও উচ্চারণ মিললে rhyme হয়।
    উদাহরণ: son, sun, none, run-ও won-এর সঙ্গে মেলে।
  8. ৩৩. I need — milk.
    • ক. a few
    • খ. a little
    • গ. a hot
    • ঘ. a lot
    উত্তর: খ. a little
    Milk একটি uncountable noun, তাই এর আগে a few বসে না, বসে a little। A little মানে অল্প পরিমাণ। A lot দিয়ে বাক্যটি কিছুটা মেলানো যেত না, কারণ a lot-এর পরে of থাকতে হয়, যেমন a lot of milk। আর A hot-এর পরে milk বসালে এই বাক্যের অর্থ ঠিক থাকে না। তাই a little সঠিক উত্তর।
    মনে রাখুন:
    Countable noun-এর আগে a few, uncountable noun-এর আগে a little।
    উদাহরণ: a few books, a little water।
  9. ৩৪. Which of these words is the odd-one out?
    • ক. ethereal
    • খ. spiritual
    • গ. impalpable
    • ঘ. concrete
    উত্তর: ঘ. concrete
    Ethereal (অপার্থিব), spiritual (আধ্যাত্মিক) ও impalpable (যা স্পর্শ করা যায় না) তিনটিই অস্পর্শনীয় বা অবস্তুগত ভাব বোঝায়। কিন্তু concrete মানে বাস্তব ও স্পর্শযোগ্য, তাই এটিই বাকি তিনটি থেকে আলাদা। Odd-one out প্রশ্নে আমাদের চারটি শব্দের মিল খুঁজে সেই মিলের বাইরের শব্দটি বেছে নিতে হয়।
    মনে রাখুন:
    Concrete-এর বিপরীত abstract (বিমূর্ত)।
    Concrete শব্দের আরেক অর্থ সিমেন্ট-বালির মিশ্রণ বা কংক্রিট।
  10. ৩৫. Choose the correct spelling :
    • ক. recomendation
    • খ. itinerary
    • গ. lartiary
    • ঘ. encomiam
    উত্তর: খ. itinerary
    Itinerary মানে ভ্রমণের পরিকল্পনা বা পথের তালিকা, আর এটিই একমাত্র সঠিক বানান। Recommendation-এ দুটি ‘m’ থাকে, তাই recomendation ভুল। বাকি দুটি, lartiary ও encomiam, অর্থহীন শব্দ। Encomium নামে একটি সঠিক শব্দ আছে, যার অর্থ প্রশংসা। কিন্তু প্রশ্নের encomiam বানানটি ঠিক নয়।
    মনে রাখুন:
    Recommend ও recommendation দুটোতেই mm।
    Itinerary শব্দের শেষে ‘-ary’।
  11. ৩৬. Which of these sentences is correct?
    • ক. The more he gets, more he wants
    • খ. More he gets, more he wants
    • গ. More he gets, the more he wants
    • ঘ. The more he gets, the more he wants
    উত্তর: ঘ. The more he gets, the more he wants
    দুটি comparative দিয়ে ‘যত… তত…’ ভাব বোঝাতে দুই অংশের শুরুতেই The বসে: The more…, the more…। এর প্রথম অংশে শর্ত বা কারণ থাকে এবং দ্বিতীয় অংশে তার ফল প্রকাশ পায়। তাই The more he gets, the more he wants সঠিক। কোনো একটি অংশে The বাদ গেলে গঠনটি অসম্পূর্ণ হয়ে যায়।
    উদাহরণ:
    The sooner, the better.
    The higher you climb, the colder it gets.
    মনে রাখুন: এই গঠনকে double comparative বলা হয়।
  12. ৩৭. He succeeded — the examination.
    • ক. to pass
    • খ. in passing
    • গ. to pass in
    • ঘ. by passing
    উত্তর: খ. in passing
    Succeed শব্দটির সঙ্গে সফল হওয়ার অর্থে in বসে, আর preposition in-এর পরে verb-ing হয়। তাই succeeded in passing সঠিক। To pass বসালে infinitive আসে, যা succeed-এর সঙ্গে এই অর্থে খাটে না। আবার by passing বসলে বাক্যের অর্থ কেমন বদলে যায়, কারণ সেটি উপায় বোঝায়, সফল হওয়া বোঝায় না।
    উদাহরণ:
    She succeeded in winning the prize.
    মনে রাখুন: Succeed in, fail in, insist on, depend on-এর মতো preposition-এর পরে verb-ing আসে।
  13. ৩৮. Mr. Khan — this factory in 1861.
    • ক. founded
    • খ. was found
    • গ. was founded
    • ঘ. has founded
    উত্তর: ক. founded
    Found মানে প্রতিষ্ঠা করা, এর past form founded। বাক্যে Mr. Khan কর্তা এবং this factory কর্ম, আর Mr. Khan কাজটি করেছেন, তাই active voice-এ founded বসবে। Was founded বসালে passive হতো, তখন কর্তা Mr. Khan আগে বসে এই বাক্য গঠন করা যেত না। আবার was found মানে খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল, যা এখানে অর্থ মেলায় না।
    মনে রাখুন:
    Find-এর past form found, কিন্তু found (প্রতিষ্ঠা করা)-এর past form founded।
    Founder মানে প্রতিষ্ঠাতা।
  14. ৩৯. Open the door, —?
    • ক. will you
    • খ. do you
    • গ. don't you
    • ঘ. haven't you
    উত্তর: ক. will you
    Imperative বা আদেশসূচক বাক্যের tag question সাধারণত will you? হয়। Open the door আদেশ, তাই শেষে will you বসে। Won’t you? বললে অনুরোধ বা আমন্ত্রণ বোঝায়। Do you, don’t you ও haven’t you এই বাক্যের সঙ্গে খাপ খায় না, কারণ মূল বাক্যে এমন কোনো auxiliary verb নেই।
    উদাহরণ:
    Close the window, will you?
    মনে রাখুন: Let’s দিয়ে শুরু হলে tag হয় shall we?
  15. ৪০. In a dictionary which of these words comes first?
    • ক. electrical
    • খ. electron
    • গ. electric
    • ঘ. electrify
    উত্তর: গ. electric
    অভিধানে শব্দ বর্ণানুক্রমে সাজানো থাকে। চারটি শব্দের প্রথম ৬টি অক্ষর electr একই, তাই এর পরের অক্ষর দেখতে হয়। Electric শব্দের এখানেই শেষ, তাই এটি সবচেয়ে ছোট এবং আগে আসে। তারপর আসে electrical, electrify এবং শেষে electron। তাই electric-ই প্রথম।
    মনে রাখুন:
    একই শুরুর শব্দে ছোট শব্দ আগে বসে।
    ক্রম হবে: electric, electrical, electrify, electron।
  16. ৪১. 'He has been studying in the same class for two years?' — Identify the tense :
    • ক. Present perfect tense
    • খ. Past perfect tense
    • গ. Present perfect continuous tense
    • ঘ. Present continuous tense
    উত্তর: গ. Present perfect continuous tense
    বাক্যে has been studying এবং for two years আছে। Has/have been + verb-ing + for/since গঠন হলে তা present perfect continuous tense। এটি এমন কাজ বোঝায় যা অতীতে শুরু হয়ে এখনো চলছে। এখানে দুই বছর আগে শুরু হওয়া পড়াশোনা এখনো চলছে, তাই এই tense সঠিক। Present perfect-এ কাজ শেষ হওয়ার ভাব থাকে, কিন্তু চলমান ভাব থাকে না।
    মনে রাখুন:
    Since বসে সময়ের শুরুর বিন্দুতে (since 2020), for বসে সময়ের পরিমাণে (for two years)।
  17. ৪২. The word 'homogeneous' means :আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৯
    • ক. of the same density
    • খ. of the same place
    • গ. of the same kind
    • ঘ. of the same race
    উত্তর: গ. of the same kind
    Homogeneous মানে সমজাতীয় বা একই ধরনের, তাই of the same kind সঠিক। শব্দটি এসেছে গ্রিক homos (একই) ও genos (জাতি বা ধরন) থেকে। এর বিপরীত শব্দ heterogeneous (বিজাতীয়)। অন্য অপশনগুলোও দেখতে কাছাকাছি, কিন্তু race বা density বললে অর্থ সংকীর্ণ হয়ে যায়।
    মনে রাখুন:
    Homo মানে একই, hetero মানে ভিন্ন।
    Homogeneity মানে সমরূপতা।
  18. ৪৩. 'Tom, Dick and Harry' means—
    • ক. three bosom friends
    • খ. an ordinary or a common man
    • গ. important persons in the society
    • ঘ. comic characters in a drama serial
    উত্তর: খ. an ordinary or a common man
    Tom, Dick and Harry idiom-এর অর্থ যে কোনো সাধারণ মানুষ। এটি বিশেষ কোনো লোককে বোঝায় না, বরং যে কেউ বা যাকে-তাকে বোঝায়। তাই an ordinary or a common man উত্তর। তিনটি নাম থাকলেও এটি তিনজন বন্ধুকে বোঝায় না, আবার নাট্যধারাবাহিকের চরিত্রও নয়। ইংরেজিতে অতি সাধারণ নাম বলেই এই তিনটি ব্যবহার হয়।
    উদাহরণ:
    He doesn’t invite every Tom, Dick and Harry to his house.
    মনে রাখুন: বাক্যে প্রায়ই every বা any-এর পরে এই idiom আসে।
  19. ৪৪. Identify the sentence with the correct punctuations :
    • ক. Wahid, my friend, is absent today
    • খ. Wahid my friend, is absent today
    • গ. Wahid my friend is absent today
    • ঘ. Wahid, my friend is absent today
    উত্তর: ক. Wahid, my friend, is absent today
    Wahid-এর পরে my friend হলো apposition, যা Wahid সম্পর্কে অতিরিক্ত পরিচয় দেয়। এমন অংশকে দুই পাশে কমা দিয়ে আলাদা করতে হয়, তাই Wahid, my friend, is absent today সঠিক। অন্য অপশনগুলোতে হয় একটি কমা বাদ পড়েছে, না হয় দুটিই বাদ গেছে। বাক্য থেকে apposition অংশটুকু সরিয়ে দিলেও বাক্যের অর্থ ঠিক থাকে।
    মনে রাখুন:
    Appositive শুরু ও শেষে দুটি কমা বসে।
    উদাহরণ: Dhaka, the capital of Bangladesh, is a big city.
  20. ৪৫. A synonym for 'resentment' is—আরও এসেছে: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পিটিআই ইন্সট্রাক্টর ২০১৬
    • ক. panic
    • খ. anger
    • গ. jealousy
    • ঘ. fear
    উত্তর: খ. anger
    Resentment মানে অসন্তোষ বা ক্ষোভ, যা রাগের কাছাকাছি অনুভূতি, তাই anger সঠিক। মনের ভেতর কোনো অন্যায় বা অপমানের কারণে যে জমে থাকা বিরক্তি আসে, সেটাই resentment। বাকি শব্দগুলোর অর্থ: panic মানে আতঙ্ক, jealousy মানে ঈর্ষা, fear মানে ভয়। Jealousy অন্যের সাফল্যে হয়, কিন্তু resentment হয় নিজের প্রতি অবিচারে।
    মনে রাখুন:
    Resent (ক্ষুব্ধ হওয়া) ক্রিয়া থেকে resentment।
    Resentment-এর আরও প্রতিশব্দ indignation, displeasure।
  21. ৪৬. The word 'handy' means—
    • ক. useful
    • খ. very small
    • গ. necessary
    • ঘ. very easy to carry
    উত্তর: ক. useful
    Handy মানে সুবিধাজনক বা কাজে লাগে এমন, তাই useful সবচেয়ে কাছের অর্থ। যে জিনিস হাতের কাছে রাখলে কাজ সহজ হয়, তাকেই handy বলা যায়। Very small বা very easy to carry এর পুরো অর্থ বোঝায় না, আর necessary মানে অত্যাবশ্যক। Handy জিনিস জরুরি নাও হতে পারে, কিন্তু সুবিধা দেয়।
    উদাহরণ:
    A torch is handy during a power cut.
    মনে রাখুন: Handy শব্দ hand (হাত) থেকে এসেছে।
  22. ৪৭. 'This book is — one I was seriously looking for.' — choose the correct article :
    • ক. an
    • খ. the
    • গ. a
    • ঘ. no article
    উত্তর: খ. the
    বাক্যে one-এর পরে I was seriously looking for অংশটি বসে একে নির্দিষ্ট করছে, অর্থাৎ কোন বইটি তা বলা হচ্ছে। শ্রোতা জানে কোন বইয়ের কথা হচ্ছে, তাই এখানে definite article the বসে। A বা an বসে অনির্দিষ্ট কোনো একটি জিনিস বোঝাতে, কিন্তু এখানে জিনিসটি নির্দিষ্ট। বাক্যটি no article দিয়েও গঠন করা যায় না।
    উদাহরণ:
    This is the pen I bought yesterday.
    মনে রাখুন: কোন জিনিস তা বর্ণনা করে নির্দিষ্ট করা হলে সাধারণত the বসে।
  23. ৪৮. Identify the appropriate conjunction : The common man is — rich — famous.
    • ক. but; and
    • খ. not only; but also
    • গ. either, or
    • ঘ. neither; nor
    উত্তর: ঘ. neither; nor
    বাক্যের অর্থ হলো সাধারণ মানুষটি ধনীও নয়, বিখ্যাতও নয়। দুটি নেতিবাচক গুণ একসঙ্গে বোঝাতে neither… nor ব্যবহার হয়। অন্য অপশনগুলোর মধ্যে either… or বোঝায় দুইয়ের একটি, আর not only… but also দুটি গুণ যোগ করে বলে। কিন্তু এখানে দুটিই নেই, তাই neither… nor ছাড়া আর কোনো অপশন বাক্যের অর্থ ঠিক রাখে না।
    মনে রাখুন:
    Neither… nor-এর সঙ্গে verb অর্থের দিক থেকে negative থাকে, তাই আলাদা not লাগে না।
    উদাহরণ: He is neither tall nor short.
  24. ৪৯. A man who writes about his own life writes—
    • ক. a chronicle
    • খ. a diary
    • গ. an autobiography
    • ঘ. a biography
    উত্তর: গ. an autobiography
    যে বই বা লেখায় একজন মানুষ নিজেই নিজের জীবনের কথা লেখে, তাকে autobiography (আত্মজীবনী) বলে। অন্যজনের লেখা জীবনকথা হলো biography (জীবনী)। আবার chronicle মানে ঘটনাপঞ্জি, আর diary মানে দিনলিপি, যা প্রতিদিনের কথা ধরে রাখে। তাই এখানে autobiography সঠিক।
    মনে রাখুন:
    Auto মানে নিজে, bio মানে জীবন, graphy মানে লেখা।
    উদাহরণ: ‘The Story of My Life’ হেলেন কেলারের আত্মজীবনী।
  25. ৫০. The correct passive form of the sentence 'We don't respect dishonest people' is —
    • ক. We are not respected by dishonest people.
    • খ. Dishonest people are not of our liking.
    • গ. Dishonest people are not respected by us.
    • ঘ. Dishonest people are not like us.
    উত্তর: গ. Dishonest people are not respected by us.
    Active বাক্যে কর্তা We, ক্রিয়া don’t respect এবং কর্ম dishonest people। Passive করতে কর্মকে কর্তার জায়গায় বসাই এবং আগের কর্তাকে by-এর পরে নিই, আর ক্রিয়াকে is/are + V3 রূপে লিখি। তাই Dishonest people are not respected by us সঠিক। বাকি অপশনগুলো মূল বাক্যের অর্থ ধরে রাখে না। যেমন We are not respected by dishonest people-এ কর্তা আর কর্ম উল্টে গিয়ে অর্থই বদলে গেছে।
    মনে রাখুন:
    Present indefinite negative-এর passive: object + is/are not + V3 + by + subject।
    উদাহরণ: She does not write letters. → Letters are not written by her.

গণিত

  1. ৫১. ২ − ৪ + ৮ − ১৬ + ............. ধারাটির প্রথম সাতটি পদের সমষ্টি কত?
    • ক. ৩০
    • খ. ৪০
    • গ. ৫২
    • ঘ. ৮৬
    উত্তর: ঘ. ৮৬
    এটি একটি গুণোত্তর ধারা, যেখানে প্রতিটি পদকে আগের পদ দিয়ে ভাগ করলে একই সংখ্যা পাওয়া যায়। ধারাটি 2 − 4 + 8 − 16 + …, এর প্রথম পদ a = 2 আর সাধারণ অনুপাত r = −4/2 = −2। সাতটি পদের যোগফল = a(1 − r^7)/(1 − r) = 2(1 + 128)/3 = 2 × 129/3 = 86। পদগুলো একে একে বসিয়ে যোগ করলেও একই ফল মেলে: 2 − 4 + 8 − 16 + 32 − 64 + 128 = 86।
    মনে রাখুন:
    |r| > 1 হলে সূত্র a(r^n − 1)/(r − 1) ব্যবহার করা সুবিধাজনক।
    গুণোত্তর ধারার n-তম পদ = ar^(n−1)।
  2. ৫২. বার্ষিক শতকরা কত হার সুদে ২০০০ টাকা ৩ বছরের সুদে-আসলে ২৩০০ টাকা হয়?
    • ক. ১৫%
    • খ. ১০%
    • গ. ৭.৫%
    • ঘ. ৫%
    উত্তর: ঘ. ৫%
    সরল সুদের হিসাবে আসল ও সুদ আলাদা করে ভাবতে হয়। সুদ-আসল 2300 টাকা এবং আসল 2000 টাকা, তাই সুদ I = 2300 − 2000 = 300 টাকা। সুদের সূত্র I = Pnr/100 থেকে সুদের হার r = I × 100/(P × n) = 300 × 100/(2000 × 3) = 5। তাই হার ৫%। যাচাই করলেও মেলে, কারণ 2000-এর ৫% = 100 টাকা, আর ৩ বছরে সুদ হয় 300 টাকা।
    মনে রাখুন:
    সরল সুদের সূত্র I = Pnr/100।
    সুদ-আসল A = P + I = P(1 + nr/100)।
  3. ৫৩. √১৫.৬৩২৩ = ?
    • ক. ৩.৮৫
    • খ. ৩.৯৫
    • গ. ৩.৭৫
    • ঘ. ৩.২৫
    উত্তর: খ. ৩.৯৫
    বর্গমূল ভাগ পদ্ধতিতে √15.6323 ≈ 3.954 হয়, যা দুই দশমিক স্থানে 3.95। যাচাই করে দেখি: 3.95 × 3.95 = 15.6025, যা 15.6323-এর খুব কাছে। অন্য অপশনগুলোর বর্গ অনেক দূরে, কারণ 3.85-এর বর্গ প্রায় 14.82, 3.75-এর বর্গ প্রায় 14.06 এবং 3.25-এর বর্গ প্রায় 10.56। দেখা যাচ্ছে, উত্তর এমন সংখ্যা হতে হবে যার বর্গ ১৫.৬-এর কাছাকাছি।
    মনে রাখুন:
    আনুমানিক বর্গমূল বের করতে কাছের পূর্ণ বর্গ, এখানে 16 = 4², ধরে নিয়ে অপশন বাছাই করা যায়।
    বর্গমূল সামান্য কমলে 4-এর কাছাকাছি, কিন্তু 4-এর চেয়ে ছোট হবে।
  4. ৫৪. একটি সংখ্যাকে ৬৪ দ্বারা ভাগ করলে ৬৩ অবশিষ্ট থাকে। কিন্তু ঐ সংখ্যাকে ৩২ দ্বারা ভাগ করলে কত অবশিষ্ট থাকবে?
    • ক. ৩২
    • খ. ৩১
    • গ. ৬২
    • ঘ. ২৯
    উত্তর: খ. ৩১
    সংখ্যাটি 64 দিয়ে ভাগ করলে ভাগশেষ 63, তাই সংখ্যাটি 64k + 63 আকারের। এখানে 64 হলো 32-এর দ্বিগুণ, তাই 64k অংশটি 32 দিয়েও নিঃশেষে ভাগ হয়। বাকি থাকে শুধু 63-কে 32 দিয়ে ভাগ করার ভাগশেষ, যা 63 = 32 × 1 + 31, অর্থাৎ 31। একটি সংখ্যা বসিয়ে যাচাই করি: k = 1 হলে সংখ্যা 127 এবং 127 = 32 × 3 + 31।
    মনে রাখুন:
    বড় ভাজক যদি ছোট ভাজকের গুণিতক হয়, তাহলে বড় ভাগশেষকে ছোট ভাজক দিয়ে ভাগ করলেই ছোট ভাগশেষ মেলে।
    ভাগশেষ সবসময় ভাজকের চেয়ে ছোট হয়।
  5. ৫৫. a + b = 6 এবং a − b = 2 হলে, ab = কত?
    • ক. 8
    • খ. 4
    • গ. 5
    • ঘ. 6
    উত্তর: ক. 8
    এখানে সূত্র কাজে লাগাব: 4ab = (a + b)² − (a − b)²। মান বসালে 4ab = 36 − 4 = 32, তাই ab = 8। বিকল্পভাবে সমীকরণ দুটি যোগ করলে 2a = 8, তাই a = 4, আর তখন b = 2। যাচাই করি: 4 + 2 = 6 এবং 4 − 2 = 2 মিলে যায়, আর ab = 4 × 2 = 8।
    মনে রাখুন:
    (a + b)² − (a − b)² = 4ab।
    (a + b)² + (a − b)² = 2(a² + b²)।
  6. ৫৬. তিনটি ক্রমিক সংখ্যার যোগফল ১২৩। ক্ষুদ্রতম সংখ্যা দুটির গুণফল কত?
    • ক. ১৬০০
    • খ. ১৬৫০
    • গ. ১৬৪০
    • ঘ. ১৬৮০
    উত্তর: গ. ১৬৪০
    তিনটি ক্রমিক সংখ্যা ধরি x − 1, x, x + 1। তাদের যোগফল 3x = 123, তাই x = 41। সংখ্যাগুলো 40, 41, 42। প্রশ্নে বলা হয়েছে ক্ষুদ্রতম সংখ্যা দুটির গুণফল, অর্থাৎ 40 ও 41-এর গুণফল চাই, যা 40 × 41 = 1640। যাচাই: 40 + 41 + 42 = 123, মিলে যায়।
    মনে রাখুন:
    ক্রমিক সংখ্যার মাঝেরটি গড়ের সমান।
    উদাহরণ: পাঁচটি ক্রমিক সংখ্যার যোগফল 5 × মাঝের সংখ্যা।
  7. ৫৭. সমকোণী ত্রিভুজের একটি কোণ ৬০° হলে অপর কোণটি কত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৪
    • ক. ৩০°
    • খ. ১২০°
    • গ. ৯০°
    • ঘ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: ক. ৩০°
    ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি 180°। সমকোণী ত্রিভুজে একটি কোণ 90°, তাই বাকি দুই কোণের সমষ্টি 180° − 90° = 90°। একটি কোণ 60° হলে অপর কোণটি 90° − 60° = 30°। অর্থাৎ ত্রিভুজের কোণ তিনটি 30°, 60° ও 90°, যা একটি বিশেষ ত্রিভুজ।
    মনে রাখুন:
    ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি সবসময় 180°।
    সমকোণী ত্রিভুজের অন্য দুটি কোণ পরস্পর পূরক কোণ।
  8. ৫৮. x + y = √7 এবং y = x − √3 হলে, xy এর মান কত?
    • ক. 3
    • খ. 4
    • গ. 2
    • ঘ. 1
    উত্তর: ঘ. 1
    y = x − √3 থেকে x − y = √3। এখন আমাদের হাতে x + y = √7 এবং x − y = √3 আছে। সূত্র অনুযায়ী 4xy = (x + y)² − (x − y)² = 7 − 3 = 4, তাই xy = 1। এই সূত্রে x ও y আলাদা করে বের করতে হয় না, তাই হিসাব ছোট হয়।
    মনে রাখুন:
    (x + y)² − (x − y)² = 4xy।
    (x + y)² = x² + 2xy + y²।
  9. ৫৯. 1/a = 3 − a হলে, a³ + 1/a³ = কত?
    • ক. 17
    • খ. 18
    • গ. 19
    • ঘ. 20
    উত্তর: খ. 18
    1/a = 3 − a সমীকরণের a-কে বাঁ দিকে সরিয়ে লিখলে a + 1/a = 3 পাই। এরপর ঘনের সূত্র কাজে লাগাই। a³ + 1/a³ = (a + 1/a)³ − 3(a + 1/a) = 27 − 9 = 18। এই সূত্রে a-এর মান আলাদা করে বের করতে হয় না।
    মনে রাখুন:
    a³ + 1/a³ = (a + 1/a)³ − 3(a + 1/a)।
    a² + 1/a² = (a + 1/a)² − 2।
  10. ৬০. ০.৩ এর ২০% সমান?
    • ক. 0.08
    • খ. 0.06
    • গ. 0.12
    • ঘ. 0.6
    উত্তর: খ. 0.06
    শতকরার হিসাবে 20% মানে 20/100। তাই 0.3-এর 20% = 0.3 × 20/100 = 0.06। আবার 20% মানে পাঁচ ভাগের এক ভাগ, তাই 0.3-কে 5 দিয়ে ভাগ করলেও 0.06 পাওয়া যায়। এভাবে মুখে মুখেও হিসাবটি করা যায়।
    মনে রাখুন:
    20% = 1/5, 25% = 1/4, 50% = 1/2।
    10% বের করতে দশমিক বিন্দু এক ঘর বাঁয়ে সরালেই হয়।
  11. ৬১. ৫১ কোন সংখ্যার ৬০%?
    • ক. ৮০
    • খ. ৮২
    • গ. ৮৪
    • ঘ. ৮৫
    উত্তর: ঘ. ৮৫
    ধরি সংখ্যাটি x। x-এর 60% = 51 থেকে x × 60/100 = 51, তাই x = 51 × 100/60 = 85। যাচাই করি: 85-এর 60% = 85 × 3/5 = 51, মিলে যায়। অর্থাৎ অংশের শতকরা মান জানলে পুরো সংখ্যা পেতে অংশটিকে শতকরা দিয়ে ভাগ করে ১০০ দিয়ে গুণ করতে হয়।
    মনে রাখুন:
    60% = 3/5, তাই 51-কে 3/5 দিয়ে ভাগ করলেই সংখ্যাটি মেলে।
    শতকরা সূত্র: অংশ = সংখ্যা × হার/100।
  12. ৬২. দুটি সংখ্যার গুণফল ২১৬ এবং তাদের ল.সা.গু. ৩৬, সংখ্যা দু'টির গ.সা.গু. কত?
    • ক. ৬
    • খ. ৯
    • গ. ১৮
    • ঘ. ১২
    উত্তর: ক. ৬
    দুটি সংখ্যার গুণফল তাদের গ.সা.গু. ও ল.সা.গু.-এর গুণফলের সমান। অর্থাৎ সংখ্যা দুটির গুণফল = গ.সা.গু. × ল.সা.গু.। তাই গ.সা.গু. = 216/36 = 6। যাচাই করা যায়: ৬ ও ৩৬ নিলে গুণফল ২১৬ আর ল.সা.গু. ৩৬ হয়, এবং ৬ উভয় সংখ্যাকে নিঃশেষে ভাগ করে।
    মনে রাখুন:
    দুটি সংখ্যার ক্ষেত্রেই এই সূত্র খাটে, তিন বা বেশি সংখ্যায় নয়।
    গ.সা.গু. সবসময় ল.সা.গু.-এর একটি গুণনীয়ক।
  13. ৬৩. চারটি সমানুপাতি রাশির প্রান্তীয় রাশিদ্বয়ের গুণফল ৪৮ হলে মধ্য রাশিদ্বয়ের গুণফল কত?
    • ক. ৮০
    • খ. ৪৮
    • গ. ৬০
    • ঘ. ৮৪
    উত্তর: খ. ৪৮
    চারটি রাশি a, b, c, d সমানুপাতিক হলে a : b = c : d, অর্থাৎ a/b = c/d। আড়াআড়ি গুণ করলে পাই ad = bc। এখানে a ও d প্রান্তীয় রাশি এবং b ও c মধ্য রাশি। প্রান্তীয় রাশি দুটির গুণফল 48 হলে মধ্য রাশি দুটির গুণফলও 48। তাই উত্তর 48।
    মনে রাখুন:
    সমানুপাতে প্রান্তীয় রাশির গুণফল মধ্য রাশির গুণফলের সমান।
    উদাহরণ: 2 : 3 = 4 : 6 হলে 2 × 6 = 3 × 4 = 12।
  14. ৬৪. ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলোর গড় কত?
    • ক. ৪৯৫০
    • খ. ৫০৫০
    • গ. ৫০০০
    • ঘ. ৫০.৫০
    উত্তর: ঘ. ৫০.৫০
    ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলোর গড় বের করতে প্রথমে যোগফল লাগে। ১ থেকে n পর্যন্ত যোগফল = n(n + 1)/2, তাই যোগফল = 100 × 101/2 = 5050। গড় = যোগফল ÷ সংখ্যার সংখ্যা = 5050/100 = 50.50। প্রথম ও শেষ সংখ্যার যোগফল 101, আর তার অর্ধেক 50.5, তাই একই ফল মেলে।
    মনে রাখুন:
    ১ থেকে n পর্যন্ত গড় (n + 1)/2।
    ৫০৫০ হলো যোগফল, গড় নয়।
  15. ৬৫. ১০০ টাকার ১০০% = কত টাকা?
    • ক. ৫০ টাকা
    • খ. ১০০ টাকা
    • গ. ২০০ টাকা
    • ঘ. ১০০০ টাকা
    উত্তর: খ. ১০০ টাকা
    কোনো সংখ্যার 100% মানে পুরো সংখ্যাটিই। তাই ১০০ টাকার ১০০% = 100 × 100/100 = ১০০ টাকা। শতকরা শব্দের অর্থ প্রতি শতে, অর্থাৎ একশো ভাগের কত ভাগ। একশো ভাগের একশো ভাগ নিলে কিছুই বাদ যায় না, তাই ফলটি মূল সংখ্যার সমান হয়।
    মনে রাখুন:
    100% মানে সম্পূর্ণ, 50% মানে অর্ধেক, 200% মানে দ্বিগুণ।
  16. ৬৬. কোন বৃত্তের ব্যাসার্ধ যদি ২০% কমে, উক্ত বৃত্তের ক্ষেত্রফল কত ভাগ কমবে?
    • ক. ১০%
    • খ. ৩৬%
    • গ. ২০%
    • ঘ. ৮০%
    উত্তর: খ. ৩৬%
    ধরি বৃত্তের ব্যাসার্ধ r, তাহলে ক্ষেত্রফল πr²। ব্যাসার্ধ 20% কমলে নতুন ব্যাসার্ধ হয় 0.8r, আর নতুন ক্ষেত্রফল π(0.8r)² = 0.64 × πr²। অর্থাৎ ক্ষেত্রফল কমে 100 − 64 = 36%। ক্ষেত্রফলের হিসাবে ব্যাসার্ধের বর্গ আসে বলে হ্রাসের হার ২০% না হয়ে বেশি হয়।
    মনে রাখুন:
    বর্গ আকারের রাশিতে শতকরা হ্রাস: −x − x + x²/100 = −20 − 20 + 4 = −36%।
    ব্যাসার্ধ 10% বাড়লে ক্ষেত্রফল 21% বাড়ে।
  17. ৬৭. ১ কিলোগ্রাম = কত পাউন্ড?
    • ক. ১২
    • খ. ০.২২
    • গ. ২.২
    • ঘ. ২.৪৯
    উত্তর: গ. ২.২
    কিলোগ্রাম ও পাউন্ড ওজন মাপার দুটি আলাদা একক। ১ কিলোগ্রামে প্রায় ২.২ পাউন্ড হয়, সঠিকভাবে ২.২০৪৬ পাউন্ড। তাই ২.২ ঠিক। অপশনের ০.২২ বা ১২ এই মানের ধারে কাছেও নেই। ২.৪৯ মানটিও সঠিক নয়, কারণ তা প্রকৃত মানের চেয়ে অনেক বড়।
    মনে রাখুন:
    ১ পাউন্ড প্রায় ০.৪৫ কিলোগ্রাম।
    ১ কিলোগ্রাম = ১০০০ গ্রাম।
  18. ৬৮. ১ নটিক্যাল মাইল = কত কিমি?
    • ক. ০.৬২১
    • খ. ১.৪৯২
    • গ. ১.৮৫২
    • ঘ. ২.২৫৪
    উত্তর: গ. ১.৮৫২
    নটিক্যাল মাইল সমুদ্রপথে দূরত্ব মাপার একক। ১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিলোমিটার (১,৮৫২ মিটার)। এটি স্থলের মাইল থেকে একটু বড়, যেখানে ১ মাইল প্রায় ১.৬০৯ কিলোমিটার। জাহাজ ও বিমানের গতিবেগ মাপার নট এককও এই নটিক্যাল মাইল থেকে আসে।
    মনে রাখুন:
    ১ নটিক্যাল মাইল প্রায় ১.১৫ স্থল মাইল।
    ১ নট মানে ঘণ্টায় ১ নটিক্যাল মাইল গতিবেগ।
  19. ৬৯. ১ ক্যারেট = কত গ্রাম?
    • ক. ৫ গ্রাম
    • খ. ১০ গ্রাম
    • গ. ১৮ গ্রাম
    • ঘ. ০.২ গ্রাম
    উত্তর: ঘ. ০.২ গ্রাম
    রত্ন মাপার একক ১ ক্যারেট = ২০০ মিলিগ্রাম বা ০.২ গ্রাম।
  20. ৭০. একটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ৬০% পরীক্ষার্থী পাস করেছে। যারা পাস করেনি তাদের ১৫ জন বিদেশে চলে গেল এবং ৪৫ জন ব্যবসা শুরু করল। কতজন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে?
    • ক. ১০০ জন
    • খ. ১৫০ জন
    • গ. ২০০ জন
    • ঘ. ৩০০ জন
    উত্তর: খ. ১৫০ জন
    প্রথমে দেখি কতজন পাস করেনি। ৬০% পাস করেছে, তাই যারা পাস করেনি তারা মোট পরীক্ষার্থীর 100 − 60 = 40%। এদের মধ্যে ১৫ জন বিদেশে গেছে ও ৪৫ জন ব্যবসা করছে, মোট ১৫ + ৪৫ = ৬০ জন। 40% = 60 হলে 100% = 60 × 100/40 = ১৫০ জন। যাচাই করা যায়: ১৫০-এর ৪০% = ৬০, আর ৬০% = ৯০ জন পাস।
    মনে রাখুন:
    শতকরা প্রশ্নে প্রথমে যে অংশের সংখ্যা জানা আছে, তার শতকরা মান বের করে নেওয়া ভালো।
  21. ৭১. একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের শীর্ষ কোণ ৮০° হলে অপর দুটি কোণের পরিমান কত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৪
    • ক. ৫০° ও ৫০°
    • খ. ৫৫° ও ৪৫°
    • গ. ৮০° ও ৬০°
    • ঘ. ৬০° ও ৬০°
    উত্তর: ক. ৫০° ও ৫০°
    সমদ্বিবাহু ত্রিভুজে শীর্ষ কোণের দুই পাশের ভূমিসংলগ্ন কোণ দুটি সমান। ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি 180°, আর শীর্ষ কোণ ৮০°। তাই বাকি দুই কোণের সমষ্টি 180° − 80° = 100°। কোণ দুটি সমান বলে প্রতিটি 100°/2 = 50°। যাচাই: 80° + 50° + 50° = 180°।
    মনে রাখুন:
    সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ভূমিসংলগ্ন কোণ দুটি সমান।
    সমবাহু ত্রিভুজের প্রতিটি কোণ 60°।

বিজ্ঞান

  1. ৭২. আইসোটোপ তৈরি হয় কোনটির তারতম্যের কারণে?
    • ক. ইলেকট্রন
    • খ. প্রোটন
    • গ. নিউট্রন
    • ঘ. কারণ অনাবিষ্কৃত
    উত্তর: গ. নিউট্রন
    আইসোটোপ (Isotope) হলো একই মৌলের এমন পরমাণু, যাদের প্রোটন সংখ্যা সমান, কিন্তু নিউট্রন সংখ্যা আলাদা। নিউট্রন বেশি বা কম হলে ভর সংখ্যা বদলে যায়, তাই আইসোটোপ তৈরি হয় নিউট্রনের তারতম্যে। মৌলের রাসায়নিক ধর্ম প্রোটন সংখ্যা ও ইলেকট্রনের বিন্যাসের উপর নির্ভর করে, তাই আইসোটোপগুলোর রাসায়নিক ধর্ম একই থাকে। ইলেকট্রন বা প্রোটনের তারতম্য হলে মৌলটিই অন্য মৌল হয়ে যেত।
    মনে রাখুন:
    হাইড্রোজেনের তিনটি আইসোটোপ প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম ও ট্রিটিয়াম, যাদের নিউট্রন সংখ্যা যথাক্রমে ০, ১ ও ২।
    কার্বনের একটি আইসোটোপ কার্বন-১৪ ।
  2. ৭৩. রোদে কাপড় শুকায় কোন প্রক্রিয়ায়?
    • ক. স্ফুটন
    • খ. বাষ্পীভবন
    • গ. ঊর্ধ্বপাতন
    • ঘ. ঘনীভবন
    উত্তর: খ. বাষ্পীভবন
    ভিজা কাপড় রোদে দিলে তাপে কাপড়ের পানি বাষ্প হয়ে বাতাসে মিশে যায়। তরল পানির এভাবে ধীরে ধীরে বাষ্প হওয়াকে বাষ্পীভবন (Evaporation) বলে। এটি যেকোনো তাপমাত্রায় ঘটে, কিন্তু তাপ ও বাতাস বেশি হলে দ্রুত ঘটে। এ কারণেই রোদ ও বাতাসের দিনে কাপড় তাড়াতাড়ি শুকায়।
    মনে রাখুন:
    স্ফুটনে পানি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় (১০০° সেলসিয়াস) ফুটে বাষ্প হয়।
    ঘনীভবনে বাষ্প ঠান্ডা হয়ে আবার তরল হয়।
    ঊর্ধ্বপাতনে কঠিন পদার্থ সরাসরি বাষ্প হয়, যেমন কর্পূর।
  3. ৭৪. নবায়নযোগ্য জ্বালানি কোনটি?
    • ক. পরমাণু শক্তি
    • খ. কয়লা
    • গ. পেট্রোল
    • ঘ. প্রাকৃতিক গ্যাস
    উত্তর: ক. পরমাণু শক্তি
    কয়লা, পেট্রোল ও প্রাকৃতিক গ্যাস জীবাশ্ম জ্বালানি, যা একবার ফুরালে আর ফেরে না। পরমাণু শক্তিকে অনেকে বিকল্প শক্তি হিসেবে এখানে উত্তর ধরেন, তবে এর কাঁচামাল ইউরেনিয়ামও সীমিত, তাই কঠোর অর্থে এটিও নবায়নযোগ্য নয়।
  4. ৭৫. ডায়াবেটিস রোগ সম্পর্কে যে তথ্যটি সঠিক নয় তা হলো–
    • ক. এ রোগে মানবদেহে কিডনী নষ্ট হয়
    • খ. চিনি জাতীয় খাবার বেশি খেলে এ রোগ হয়
    • গ. এ রোগ হলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়
    • ঘ. ইনসুলিনের অভাবে এ রোগ হয়
    উত্তর: খ. চিনি জাতীয় খাবার বেশি খেলে এ রোগ হয়
    ডায়াবেটিস (Diabetes) হয় অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন হরমোন কম তৈরি হলে, কিংবা শরীর তা ঠিকমতো কাজে লাগাতে না পারলে। তখন রক্তে গ্লুকোজ বেড়ে যায়। দীর্ঘদিন এমন চললে কিডনি, চোখ ও স্নায়ুর ক্ষতি হয়। শুধু চিনি জাতীয় খাবার বেশি খেলেই এই রোগ হয় না, তাই এ কথাটিই ভুল। তবে অতিরিক্ত ওজন ও কম পরিশ্রম রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
    মনে রাখুন:
    ইনসুলিন তৈরি হয় অগ্ন্যাশয়ের বিটা কোষে।
    ইনসুলিন আবিষ্কার করেন ব্যান্টিং ও বেস্ট (১৯২১ সালে)।
  5. ৯৯. ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম কী?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৫
    • ক. ব্যারোমিটার
    • খ. সিসমোগ্রাফ
    • গ. ম্যানোমিটার
    • ঘ. ট্র্যাপোমিটার
    উত্তর: খ. সিসমোগ্রাফ
    ভূমিকম্পের তীব্রতা ও কম্পন মাপার যন্ত্র সিসমোগ্রাফ (Seismograph)। এটি মাটির কম্পন কাগজে রেখাচিত্র হিসেবে এঁকে রাখে। অন্য যন্ত্রগুলো আলাদা কাজ করে। ব্যারোমিটার বায়ুর চাপ মাপে এবং ম্যানোমিটার গ্যাসের চাপ মাপে। ভূমিকম্প নিয়ে পড়াশোনার শাখাকে সিসমোলজি বলে।
    মনে রাখুন:
    ভূমিকম্পের শক্তি মাপার স্কেল রিখটার স্কেল।
    ভূমিকম্পের উৎসস্থল ভূগর্ভে, আর তার ঠিক উপরে ভূপৃষ্ঠের বিন্দুকে উপকেন্দ্র বলে।

বাংলাদেশ

  1. ৭৬. বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে জারি করা হয় ১৯৭১ সালের কত তারিখে?
    • ক. ২৬ মার্চ
    • খ. ০১ মার্চ
    • গ. ১০ এপ্রিল
    • ঘ. ১৭ এপ্রিল
    উত্তর: গ. ১০ এপ্রিল
    ১৯৭১ সালে মুজিবনগরে ১০ এপ্রিল স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে জারি করা হয়। এই ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও নতুন সরকারের বৈধতা আনুষ্ঠানিক রূপ পায়। ১৭ এপ্রিল মুজিবনগরের আম্রকাননে এটি পাঠ করে শপথ নেয় প্রথম সরকার। ২৬ মার্চ ছিল স্বাধীনতার ঘোষণার দিন, আর ১ মার্চ নয়, তাই অন্য তারিখগুলো এই প্রশ্নের উত্তর নয়।
    মনে রাখুন:
    ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়, ১৭ এপ্রিল শপথ গ্রহণ।
    একটি তারিখ আনুষ্ঠানিক জারি, আরেকটি শপথ, তাই দুটি আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
  2. ৭৭. বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১ কীসের নাম?
    • ক. উপগ্রহের
    • খ. নৌজাহাজের
    • গ. মহাকাশ যানের
    • ঘ. যুদ্ধ জাহাজের
    উত্তর: ক. উপগ্রহের
    বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১ বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহের নাম, যার সরকারি নাম বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১। এটি ফ্রান্সের থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেস নির্মাণ করে। উপগ্রহটি ভূস্থির কক্ষপথে থেকে টেলিযোগাযোগ ও সম্প্রচার সেবা দেয়। এর নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র গাজীপুর ও রাঙামাটির বেতবুনিয়ায় অবস্থিত। কোনো জাহাজ বা যুদ্ধজাহাজের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই।
    মনে রাখুন:
    উপগ্রহটির কক্ষপথ ১১৯.১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমায়।
    উৎক্ষেপণ হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা থেকে।
    হালনাগাদ: স্যাটেলাইটটি স্পেসএক্সের ফ্যালকন-৯ রকেটে ২০১৮ সালের ১১ মে (বাংলাদেশ সময় ১২ মে) উৎক্ষেপণ করা হয়।
  3. ৭৯. মুক্তিযোদ্ধা তারামন বিবি যুদ্ধ করেছেন কোন সেক্টরে?
    • ক. ৯ নং
    • খ. ৪ নং
    • গ. ৮ নং
    • ঘ. ১১ নং
    উত্তর: ঘ. ১১ নং
    বীরপ্রতীক তারামন বিবি মুক্তিযুদ্ধে ১১ নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করেন। তাঁর জন্ম কুড়িগ্রামের রাজীবপুরে। যুদ্ধে তিনি বন্দুক চালানো ও গোয়েন্দাগিরিসহ নানা কাজে অংশ নিয়েছিলেন। নারী মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে তিনি ও ডা. সিতারা বেগম বীরপ্রতীক খেতাব পান। এই সম্মান তাঁদের অসামান্য সাহসের স্বীকৃতি।
    মনে রাখুন:
    ১১ নম্বর সেক্টরের প্রধান ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান (পরে এম. আবু তাহের)।
    মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর ছিল মোট ১১টি।
  4. ৮০. ১৭ এপ্রিল তারিখ পালিত হয় কোন দিবস?
    • ক. জাতীয় শিশু দিবস
    • খ. বঙ্গবন্ধুর দেশে প্রত্যাবর্তন দিবস
    • গ. মুজিবনগর দিবস
    • ঘ. ভোক্তা অধিকার দিবস
    উত্তর: গ. মুজিবনগর দিবস
    ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে মুজিবনগর সরকার শপথ নেয়। এই কারণে দিনটি মুজিবনগর দিবস হিসেবে পালিত হয়। সেখানে এখন ‘মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ’ রয়েছে। শপথের সময় স্থানটির নাম রাখা হয় মুজিবনগর, আর এই সরকারই মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করে। অন্য দিবসগুলোর তারিখ আলাদা, তাই সেগুলো এই দিনে পড়ে না।
    মনে রাখুন:
    জাতীয় শিশু দিবস ১৭ মার্চ।
    বঙ্গবন্ধুর দেশে প্রত্যাবর্তন দিবস ১০ জানুয়ারি।
    বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস ১৫ মার্চ।
  5. ৮১. রাষ্ট্রপতিকে শপথ পাঠ করান কে?
    • ক. স্পিকার
    • খ. প্রধানমন্ত্রী
    • গ. অ্যাটর্নি জেনারেল
    • ঘ. প্রধান বিচারপতি
    উত্তর: ক. স্পিকার
    বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিকে শপথবাক্য পাঠ করান জাতীয় সংসদের স্পিকার। প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি। অর্থাৎ যিনি শপথ নেন এবং যিনি পড়ান, তাঁদের পদ আলাদা। প্রধান বিচারপতিকে রাষ্ট্রপতি শপথ পড়ান, আবার স্পিকার ও অন্য সদস্যদের শপথ নেওয়ার বিধানও আলাদা। তাই এ ধরনের প্রশ্নে কে কাকে শপথ পড়ান, তা আলাদা করে মনে রাখা ভালো।
    মনে রাখুন:
    সংবিধানের ১৪৮ নম্বর অনুচ্ছেদে শপথ বা ঘোষণার বিধান আছে।
    স্পিকার জাতীয় সংসদের সভাপতিত্ব করেন।
  6. ৮২. বাংলাদেশের চামড়া শিল্প নগরী কোথায় অবস্থিত?
    • ক. ধামরাই
    • খ. সাভার
    • গ. আশুলিয়া
    • ঘ. কামরাঙ্গীর চর
    উত্তর: খ. সাভার
    বাংলাদেশের চামড়া শিল্পনগরী সাভারের হেমায়েতপুরে গড়ে উঠেছে। আগে ঢাকার হাজারীবাগে ট্যানারিগুলো ছিল, কিন্তু পরিবেশ দূষণের কারণে সেগুলো সাভারে সরিয়ে নেওয়া হয়। বুড়িগঙ্গার তীরের হাজারীবাগের ট্যানারির বর্জ্য নদীর পানি দূষিত করছিল। তাই নতুন শিল্পনগরীতে বর্জ্য শোধনের ব্যবস্থা রাখার পরিকল্পনা হয়। অন্য অপশনগুলো এই কাজের জন্য পরিচিত নয়।
    মনে রাখুন:
    সাভার ঢাকা জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা।
    হাজারীবাগ ঢাকা শহরের একটি এলাকা।
  7. ৮৩. বাংলাদেশে বর্তমানে ইউনেস্কো ঘোষিত কয়টি বিশ্ব ঐতিহ্য রয়েছে?
    • ক. ৪টি
    • খ. ৩টি
    • গ. ৫টি
    • ঘ. ৬টি
    উত্তর: খ. ৩টি
    বাংলাদেশে ইউনেস্কো স্বীকৃত বিশ্ব ঐতিহ্য তিনটি: বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদ (মসজিদ শহর), নওগাঁর পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার এবং সুন্দরবন। এর মধ্যে সুন্দরবন একমাত্র প্রাকৃতিক ঐতিহ্য, বাকি দুটি সাংস্কৃতিক। বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় নাম ওঠে সংস্কৃতি বা প্রকৃতির কোনো অসাধারণ নিদর্শন থাকলে। তাই এই তিনটি স্থান পুরো বিশ্বের সম্পদ হিসেবে স্বীকৃত।
    মনে রাখুন:
    ষাট গম্বুজ মসজিদ ও পাহাড়পুর ১৯৮৫ সালে, সুন্দরবন ১৯৯৭ সালে তালিকাভুক্ত হয়।
    বাংলাদেশের প্রথম বিশ্ব ঐতিহ্য ঘোষিত হয় ১৯৮৫ সালে।
  8. ৮৪. বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন বিভাগের ছাত্রী ছিলেন?
    • ক. রাষ্ট্রবিজ্ঞান
    • খ. লোকপ্রশাসন
    • গ. ইংরেজি বিভাগ
    • ঘ. বাংলা বিভাগ
    উত্তর: ঘ. বাংলা বিভাগ
    শেখ হাসিনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে পড়াশোনা করেন। ছাত্রজীবনে তিনি রোকেয়া হলে থাকতেন ও ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এই সময় থেকেই তাঁর রাজনৈতিক জীবনের শুরু। তিনি রাষ্ট্রবিজ্ঞান, লোকপ্রশাসন বা ইংরেজি বিভাগের ছাত্রী ছিলেন না। প্রশ্নে তাঁকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বলা হয়েছে, কারণ তিনি আর এই পদে নেই।
    মনে রাখুন:
    তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ কন্যা।
    তিনি প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ১৯৯৬ থেকে ২০০১ এবং ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত।
  9. ৮৬. শেখ মুজিবুর রহমানের 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' প্রথম প্রকাশিত হয় কোন সালে?
    • ক. ২০১৪
    • খ. ২০১৩
    • গ. ২০১১
    • ঘ. ২০১২
    উত্তর: ঘ. ২০১২
    শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ ২০১২ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। এতে তাঁর শৈশব থেকে ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত জীবনের কথা আছে। বইটি তিনি কারাগারে বসে খাতায় লিখেছিলেন। পরে এই লেখা খাতা আকারে পাওয়া যায় এবং তা বই হিসেবে ছাপা হয়। তাই অপশনের অন্য বছরগুলো, ২০১১, ২০১৩ বা ২০১৪, ঠিক নয়।
    মনে রাখুন:
    তাঁর অন্য বই ‘কারাগারের রোজনামচা’ (২০১৭) ও ‘আমার দেখা নয়াচীন’ (২০২০)।
    বইটির ইংরেজি নাম ‘The Unfinished Memoirs’।
  10. ৮৭. মুজিবনগরের পূর্ব নাম ছিল–আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৪, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার ২০১৬
    • ক. আম্রকানন
    • খ. বৈদ্যনাথতলা
    • গ. মাথাভাঙ্গা
    • ঘ. পলাশডাঙ্গা
    উত্তর: খ. বৈদ্যনাথতলা
    মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরের আগের নাম ছিল বৈদ্যনাথতলা। ১৯৭১ সালের এপ্রিলে এখানে মুজিবনগর সরকার শপথ নেওয়ার পর স্থানটির নাম রাখা হয় মুজিবনগর। শপথ নেওয়া হয়েছিল একটি আম বাগানে, তাই একে আম্রকানন বলা হয়। অর্থাৎ আম্রকানন ছিল বাগানের নাম, জায়গাটির আগের নাম নয়। মুজিবনগর বাংলাদেশের প্রথম রাজধানী হিসেবে পরিচিত।
    মনে রাখুন:
    মুজিবনগর সরকারের শপথের দিন ১৭ এপ্রিল ১৯৭১।
    মুজিবনগর মেহেরপুর জেলার অন্তর্গত।
  11. ৮৮. বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংখ্যা কতটি?
    • ক. ৩০টি
    • খ. ৩৯টি
    • গ. ৪৫টি
    • ঘ. ৪০টি
    উত্তর: গ. ৪৫টি
    পরীক্ষার সময় সরকারি হিসেবে বাংলাদেশে ৪৫টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কথা বলা হতো। পরে ২০১৯ সালের গেজেটে সংখ্যাটি ৫০ করা হয়েছে, তাই তথ্যটি বদলেছে।
  12. ৮৯. শততম ক্রিকেট টেস্টে বাংলাদেশ মোট কত উইকেটে জিতেছে?
    • ক. ৫
    • খ. ৩
    • গ. ৪
    • ঘ. ৮
    উত্তর: গ. ৪
    ২০১৭ সালের মার্চে বাংলাদেশ তার শততম টেস্ট ম্যাচ খেলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। সেই ম্যাচে বাংলাদেশ ৪ উইকেটে জিতে। শততম টেস্টে জয় তাদের জন্য একটি স্মরণীয় অর্জন ছিল, কারণ এটি ছিল শ্রীলঙ্কার মাটিতে তাদের প্রথম টেস্ট জয়। তাই ৪ উইকেটই সঠিক উত্তর, অন্য সংখ্যাগুলো এই ম্যাচের ফল নয়।
    মনে রাখুন:
    বাংলাদেশ ২০০০ সালে টেস্ট মর্যাদা পায়, প্রথম টেস্ট ভারতের বিপক্ষে ঢাকায়।
    বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট জয় ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রামে।
  13. ৯০. বাংলাদেশের প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন নদী কোনটি?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৯, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার ২০১৬
    • ক. যমুনা
    • খ. মেঘনা
    • গ. কর্ণফুলী
    • ঘ. হালদা
    উত্তর: ঘ. হালদা
    হালদা নদী বাংলাদেশের একমাত্র জোয়ার-ভাটার প্রভাবযুক্ত প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র। এখানে রুই, কাতলা, মৃগেল প্রভৃতি কার্প জাতীয় মাছের ডিম সংগ্রহ হয়। প্রজননের মৌসুমে মা মাছ নদীতে ডিম ছাড়ে এবং জেলেরা সেই ডিম সংগ্রহ করে হ্যাচারিতে পাঠান। নদীটি কর্ণফুলী নদীতে মিশেছে। যমুনা বা মেঘনা এই কারণে পরিচিত নয়।
    মনে রাখুন:
    হালদা নদীর উৎস খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার বাদনাতলী পাহাড়, আর শেষ হয়েছে কর্ণফুলীতে।
    হালদা চট্টগ্রাম অঞ্চলের নদী।
  14. ১০০. বাংলাদেশের কোন বিজ্ঞানী পাটের জীবন রহস্য আবিষ্কার করেছেন?
    • ক. অধ্যাপক আবদুস সালাম
    • খ. ড. মতিন পাটোয়ারী
    • গ. ড. শমশের আলী
    • ঘ. ড. মাকসুদুল আলম
    উত্তর: ঘ. ড. মাকসুদুল আলম
    ড. মাকসুদুল আলম ২০১০ সালে পাটের জিনোম সিকোয়েন্স আবিষ্কার করেন। বাংলাদেশের এই বিজ্ঞানী যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে কর্মরত ছিলেন। এই আবিষ্কারের ফলে উন্নত জাতের পাট উৎপাদনের সুযোগ তৈরি হয়েছে, কারণ জিনোম জানা থাকলে পাটের রোগ ও ফলন নিয়ে গবেষণা সহজ হয়। অন্য অপশনের নামগুলো এই কাজের সঙ্গে যুক্ত নয়।
    মনে রাখুন:
    এ ছাড়া তিনি পাটের রোগের কারণ ছত্রাকের জিনোমও উন্মোচন করেছেন।
    পাটকে বলা হয় সোনালি আঁশ।

আন্তর্জাতিক

  1. ৯১. কানাডার বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নাম কী?
    • ক. ডোনাল্ড ট্রাম্প
    • খ. জন হাওয়ার্ড
    • গ. জুলিয়া গিলার্ড
    • ঘ. জাস্টিন ট্রুডো
    উত্তর: ঘ. জাস্টিন ট্রুডো
    ২০১৭ সালে কানাডার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন জাস্টিন ট্রুডো, যিনি ২০১৫ সাল থেকে এই পদে ছিলেন। তাই তিনিই সঠিক। বাকি অপশনের মধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি ছিলেন, জন হাওয়ার্ড অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী এবং জুলিয়া গিলার্ড অস্ট্রেলিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। জাস্টিন ট্রুডো কানাডার সাবেক প্রধানমন্ত্রী পিয়েরে ট্রুডোর ছেলে।
    মনে রাখুন:
    কানাডার রাজধানী অটোয়া।
    কানাডার সরকারপ্রধান প্রধানমন্ত্রী।
    হালনাগাদ: ২০২৫ সালের মার্চে মার্ক কার্নি কানাডার প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন।
  2. ৯২. 'আলেপ্পো' শহরটি কোথায় অবস্থিত?
    • ক. ইরাক
    • খ. ইরান
    • গ. জর্ডান
    • ঘ. সিরিয়া
    উত্তর: ঘ. সিরিয়া
    আলেপ্পো (Aleppo) সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাংশের একটি প্রাচীন ও বড় শহর। এটি আলেপ্পো গভর্নোরেটের রাজধানী। সিরিয়ার সবচেয়ে বড় শহরগুলোর একটি এটি, আর বাণিজ্যের জন্য আগে থেকেই পরিচিত ছিল। সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধের কারণে শহরটি অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শহরটি ইরাক, ইরান বা জর্ডানে অবস্থিত নয়।
    মনে রাখুন:
    সিরিয়ার রাজধানী দামেস্ক।
    আলেপ্পোর প্রাচীন শহর ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় আছে।
  3. ৯৩. গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ডের হেড অফিস কোথায়?
    • ক. ফিলিপাইন
    • খ. দক্ষিণ কোরিয়া
    • গ. সিঙ্গাপুর
    • ঘ. প্যারিস
    উত্তর: খ. দক্ষিণ কোরিয়া
    জাতিসংঘের জলবায়ু তহবিল গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ডের সদর দপ্তর দক্ষিণ কোরিয়ার ইনচনের সংদো শহরে।
  4. ৯৪. এ.ডি.বি (ব্যাংক) এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা কত?
    • ক. ৪৮
    • খ. ৫০
    • গ. ৬৭
    • ঘ. ৯২
    উত্তর: গ. ৬৭
    ২০১৭ সালে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (ADB) সদস্য সংখ্যা ছিল ৬৭, যার মধ্যে ৪৮টি এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের। ব্যাংকটি ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর ফিলিপাইনের ম্যানিলায়। এই ব্যাংক এশিয়ার উন্নয়নশীল দেশগুলোকে ঋণ ও কারিগরি সহায়তা দেয়। বাংলাদেশও এর সদস্য। প্রশ্নের অন্য অপশনগুলো তখনকার সদস্য সংখ্যা নয়।
    মনে রাখুন:
    এডিবির প্রথম সভাপতি ছিলেন তাকেশি ওয়াতানাবে।
    হালনাগাদ: পরে সদস্য বেড়ে এখন ৬৯টি।
  5. ৯৫. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ কত সালে শেষ হয়?
    • ক. ১৯১৪
    • খ. ১৯১৬
    • গ. ১৯৪৫
    • ঘ. ১৯১৮
    উত্তর: ঘ. ১৯১৮
    প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়েছিল ১৯১৪ সালে। ১৯১৮ সালের ১১ নভেম্বর জার্মানির সঙ্গে মিত্রশক্তির যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলে যুদ্ধ থেমে যায়। এর পরের বছর ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক শান্তি আসে। অপশনের ১৯১৪ হলো যুদ্ধ শুরুর সন, আর ১৯৪৫ হলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষের সন, তাই এগুলো ভুল।
    মনে রাখুন:
    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় ১৯৩৯ সালে, শেষ হয় ১৯৪৫ সালে।
    ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯১৯ সালে।
  6. ৯৬. আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় দেশ কোনটি?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৯
    • ক. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
    • খ. কানাডা
    • গ. চীন
    • ঘ. রাশিয়া
    উত্তর: ঘ. রাশিয়া
    আয়তনে রাশিয়া বিশ্বের সবচেয়ে বড় দেশ, যার আয়তন প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ বর্গকিলোমিটার। দ্বিতীয় কানাডা। রাশিয়া এশিয়া ও ইউরোপ দুই মহাদেশ জুড়ে বিস্তৃত, তাই এর বিশাল আয়তন সহজেই বোঝা যায়। অপশনের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও চীন আয়তনে বড় হলেও রাশিয়ার চেয়ে ছোট।
    মনে রাখুন:
    জনসংখ্যায় সবচেয়ে বড় দেশ ভারত ও চীন।
    আয়তনে সবচেয়ে ছোট দেশ ভ্যাটিকান সিটি।
  7. ৯৭. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নাম কী?
    • ক. হিলারি ক্লিনটন
    • খ. জেমস ম্যাটিস
    • গ. রায়ান জিনকে
    • ঘ. রেক্স টিলারসন
    উত্তর: গ. রায়ান জিনকে
    ২০১৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Secretary of the Interior) ছিলেন রায়ান জিনকে; টিলারসন ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও ম্যাটিস প্রতিরক্ষামন্ত্রী। পদটিতে এখন অন্য ব্যক্তি আছেন।
  8. ৯৮. ভারতের মোট রাজ্যের সংখ্যা কতটি?
    • ক. ২০টি
    • খ. ২৯টি
    • গ. ৩০টি
    • ঘ. ৩২টি
    উত্তর: খ. ২৯টি
    ২০১৪ সালের ২ জুন অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে আলাদা হয়ে তেলেঙ্গানা ভারতের ২৯তম রাজ্য হয়। তাই ২০১৭ সালে ভারতে রাজ্য ছিল ২৯টি। ভারত একটি যুক্তরাষ্ট্র, যেখানে রাজ্যের পাশাপাশি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলও আছে। তেলেঙ্গানার রাজধানী হায়দরাবাদ। রাজ্যের সংখ্যা তখন ৩০ বা ৩২ ছিল না, ২০ও ছিল না।
    মনে রাখুন:
    তেলেঙ্গানা ভারতের ২৯তম রাজ্য।
    হালনাগাদ: ২০১৯ সালে জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্য ভেঙে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করা হয়, ফলে এখন রাজ্য ২৮টি।

বাংলাদেশ রেলওয়ে: অন্যান্য পরীক্ষা

আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান

বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন