বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮। ৯৭টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →গণিত
- ১. বার্ষিক ৮% হার সুদে কত বছরে সুদ আসলের সমান হয়?
- ক. ৮ বছরে
- খ. ১০ বছরে
- গ. ১২½ বছরে
- ঘ. ১৬ বছরে
উত্তর: গ. ১২½ বছরে
সুদ আসলের সমান হওয়ার মানে হলো সুদ আর আসল একই পরিমাণ টাকা। ধরি আসল P টাকা, তাহলে সুদও P টাকা। সরল সুদের সূত্র অনুযায়ী I = P × r × n/100। এখানে I = P এবং r = 8 বসালে পাই P = P × 8 × n/100। দুই পাশ থেকে P কেটে দিলে 8n = 100 হয়, অর্থাৎ n = 12.5 বছর। লক্ষ করলে দেখা যায়, আসল কত টাকা সেটা এখানে কোনো ভূমিকাই রাখে না। আসল ১০০ টাকা হোক বা ১ লক্ষ টাকা, সময় একই লাগে, কারণ সুদের হার ও আসলের অনুপাতই এখানে নির্ধারক।
মনে রাখুন:
সুদ আসলের সমান হতে সময় লাগে 100 ÷ হার বছর। এখানে 100 ÷ 8 = 12.5 বছর।
হার 5% হলে সময় হতো 100 ÷ 5 = 20 বছর, আর হার 10% হলে 10 বছর।
সুদ-আসল (Amount) আসলের দ্বিগুণ হওয়ার সময়ও একই নিয়মে পাওয়া যায়, কারণ তখনও সুদ আসলের সমান থাকে। - ১৩. ৩, ৯ ও ৪ এর চতুর্থ সমানুপাতিক কত?
- ক. ১৬
- খ. ১২
- গ. ১৪
- ঘ. ৮
উত্তর: খ. ১২
a : b = c : x হলে x-কে a, b ও c-এর চতুর্থ সমানুপাতিক বলা হয়। এখানে 3 : 9 = 4 : x, তাই অনুপাতের মূল নিয়ম অনুযায়ী মধ্যপদ দুটির গুণফল আর প্রান্তপদ দুটির গুণফল সমান হবে। অর্থাৎ 3 × x = 9 × 4, বা 3x = 36, তাই x = 12। যাচাই করলেও মেলে, কারণ 3 : 9 = 1 : 3 এবং 4 : 12 = 1 : 3।
মনে রাখুন:
চতুর্থ সমানুপাতিক = (দ্বিতীয় × তৃতীয়) ÷ প্রথম। এখানে (9 × 4) ÷ 3 = 12।
তৃতীয় সমানুপাতিক: a : b = b : x হলে x = b² ÷ a।
মধ্যসমানুপাতিক: a : x = x : b হলে x = √(ab)। - ১৬. কোনটি মূলদ সংখ্যা?
- ক. √11
- খ. √6/3
- গ. √(8/7)
- ঘ. √27/√48
উত্তর: ঘ. √27/√48
মূলদ সংখ্যা (Rational Number) হলো যে সংখ্যাকে p/q আকারে লেখা যায়, যেখানে p ও q পূর্ণসংখ্যা এবং q ≠ 0। √27/√48 = (3√3)/(4√3) = 3/4, তাই এটি মূলদ। √11 এবং √6/3 অমূলদ, কারণ 11 ও 6 পূর্ণ বর্গ নয়। আর √(8/7) = √56/7 = 2√14/7, এখানেও 14 পূর্ণ বর্গ নয়, তাই এটিও অমূলদ।
মনে রাখুন:
যে সংখ্যার বর্গমূল পূর্ণ বর্গ নয়, সেটি সাধারণত অমূলদ।
মূলদ সংখ্যার দশমিক রূপ হয় সসীম, নয়তো অসীম আবর্তক।
অমূলদ সংখ্যার দশমিক রূপ অসীম ও অনাবর্তক, যেমন π ও √2। - ২২. ২ থেকে ৩০ পর্যন্ত কয়টি মৌলিক সংখ্যা আছে?
- ক. ১১টি
- খ. ১০টি
- গ. ৮টি
- ঘ. ৯টি
উত্তর: খ. ১০টি
মৌলিক সংখ্যা (Prime Number) হলো এমন সংখ্যা, যা ১ ও নিজেকে ছাড়া আর কোনো সংখ্যা দিয়ে নিঃশেষে ভাগ যায় না। ২ থেকে ৩০ পর্যন্ত এই সংখ্যাগুলো হলো 2, 3, 5, 7, 11, 13, 17, 19, 23, 29। এগুলো গুনলে পাওয়া যায় ১০টি। বাকি সংখ্যাগুলো যৌগিক, কারণ সেগুলো অন্তত একটি ছোট সংখ্যা দিয়ে ভাগ যায়, যেমন 9 কে 3 দিয়ে আর 25 কে 5 দিয়ে।
মনে রাখুন:
২ একমাত্র জোড় মৌলিক সংখ্যা। ১ মৌলিক সংখ্যা নয়।
১ থেকে ১০০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা আছে ২৫টি।
১ থেকে ১০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা 2, 3, 5, 7, এই ৪টি। - ৩২. যদি (x/3 + 1) = (x/4 + 1) হয়, তবে x এর মান কোনটি?
- ক. 3
- খ. 2
- গ. 1
- ঘ. 0
উত্তর: ঘ. 0
সমীকরণটি হলো x/3 + 1 = x/4 + 1। দুই পাশ থেকে 1 কেটে দিলে x/3 = x/4 থাকে। এবার দুই পাশে 12 দিয়ে গুণ করলে 4x = 3x হয়। দুই পাশ থেকে 3x বিয়োগ করলে x = 0 পাওয়া যায়। বসিয়ে দেখলেও মেলে, কারণ x = 0 হলে দুই পাশই 1 হয়, অর্থাৎ 0/3 + 1 = 1 এবং 0/4 + 1 = 1।
মনে রাখুন:
x/3 আর x/4 সমান হতে পারে কেবল তখনই, যখন x = 0।
সমীকরণের দুই পাশে একই সংখ্যা যোগ বা বিয়োগ করলে সমতা নষ্ট হয় না।
ভগ্নাংশ থাকলে হরগুলোর ল.সা.গু. দিয়ে গুণ করলে সমীকরণ সহজ হয়, এখানে ল.সা.গু. 12। - ৩৭. x = √3 + √2 হলে, x² + 1/x² = কত?
- ক. 0
- খ. 5
- গ. 10
- ঘ. 15
উত্তর: গ. 10
x = √3 + √2 হলে 1/x = 1/(√3 + √2) হয়। লব ও হরকে (√3 − √2) দিয়ে গুণ করলে 1/x = (√3 − √2)/{(√3)² − (√2)²} = √3 − √2, কারণ (√3)² − (√2)² = 3 − 2 = 1। তাই x + 1/x = (√3 + √2) + (√3 − √2) = 2√3। এবার x² + 1/x² = (x + 1/x)² − 2 = (2√3)² − 2 = 12 − 2 = 10।
মনে রাখুন:
x² + 1/x² = (x + 1/x)² − 2 সূত্রটি এ ধরনের প্রায় সব অঙ্কে কাজে লাগে।
x² + 1/x² = (x − 1/x)² + 2 সূত্রটিও একই ধরনের কাজে লাগে।
হরে বর্গমূল থাকলে অনুবন্ধী রাশি দিয়ে গুণ করে হরকে মূলদ করা যায়। - ৩৮. শতকরা বার্ষিক ৫ টাকা হার সুদে কত বছরে ১৭৫ টাকার সুদ ৮৭.৫০ টাকা হবে?
- ক. ৫ বছর
- খ. ৭ বছর
- গ. ৮ বছর
- ঘ. ১০ বছর
উত্তর: ঘ. ১০ বছর
সরল সুদের সূত্র I = P × r × n। এখানে I = 87.50, P = 175, r = 5/100। তাই 87.50 = 175 × 5/100 × n = 8.75n, অর্থাৎ n = 87.50 ÷ 8.75 = 10 বছর। এখানে 175 টাকার ১ বছরের সুদ 8.75 টাকা, আর মোট সুদ 87.50 টাকা হতে হলে ১০টি বছরের সুদ জোড়া লাগে।
মনে রাখুন:
সুদ আসলের অর্ধেক (87.50 = 175/2) আর হার 5%, তাই সময় = 50 ÷ 5 = 10 বছর। এভাবে মুখে মুখেও করা যায়।
সরল সুদের সূত্র থেকে সময় n = I ÷ (P × r)।
সরল সুদে সুদ বছর বছর একই থাকে, চক্রবৃদ্ধি সুদে তা বাড়তে থাকে। - ৩৯. কোনো বৃত্তের পরিধি 23 সেমি হলে এর ব্যাসার্ধ কত?
- ক. 2.33 সেমি
- খ. 3.66 সেমি
- গ. 7.32 সেমি
- ঘ. 11.5 সেমি
উত্তর: খ. 3.66 সেমি
বৃত্তের পরিধি = 2πr। এখানে 2πr = 23, তাই r = 23/(2π) = 23 × 7/(2 × 22) = 161/44 ≈ 3.66 সেমি। হিসাবটি করতে π-এর মান 22/7 ধরা হয়েছে। বাকি অপশনের মধ্যে 7.32 সেমি হলো ব্যাস, কারণ ব্যাস = 2 × ব্যাসার্ধ = 2 × 3.66 = 7.32। তাই ব্যাস আর ব্যাসার্ধ গুলিয়ে ফেললে 7.32 উত্তর হবে, যা ভুল।
মনে রাখুন:
π-এর মান প্রায় 22/7 বা 3.1416। ব্যাসার্ধ বের করতে পরিধিকে 2π দিয়ে ভাগ করতে হয়।
বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr²।
ব্যাস = 2r, আর পরিধি = πd, যেখানে d হলো ব্যাস। - ৪২. a³b²c³, a⁵b³c⁴ ও a⁴b³c² এর গ. সা. গু. কত?
- ক. a³b²c²
- খ. a³b³c³
- গ. a²b³c²
- ঘ. a³b²c³
উত্তর: ক. a³b²c²
বীজগণিতে একাধিক রাশির গ.সা.গু. (গরিষ্ঠ সাধারণ গুণনীয়ক) বের করতে প্রতিটি অক্ষরের সবচেয়ে ছোট ঘাত নিতে হয়। এখানে a-এর ঘাত 3, 5, 4, তাই ছোটটি 3। b-এর ঘাত 2, 3, 3, তাই ছোটটি 2। c-এর ঘাত 3, 4, 2, তাই ছোটটি 2। অতএব গ.সা.গু. = a³b²c²। এটি তিনটি রাশিরই উৎপাদক, কারণ প্রতিটি রাশিকে a³b²c² দিয়ে নিঃশেষে ভাগ করা যায়।
মনে রাখুন:
গ.সা.গু.-তে সবচেয়ে ছোট ঘাত, আর ল.সা.গু.-তে সবচেয়ে বড় ঘাত নিতে হয়।
এই তিনটি রাশির ল.সা.গু. হবে a⁵b³c⁴।
সংখ্যা থাকলে আগে সংখ্যাগুলোর গ.সা.গু. বের করে অক্ষরের অংশের সঙ্গে গুণ করতে হয়। - ৪৭. দুই অঙ্কবিশিষ্ট একটি সংখ্যার দশক স্থানীয় অঙ্ক একক স্থানীয় অঙ্কের তিনগুণ। অঙ্কদ্বয় স্থান বিনিময় করলে সংখ্যাটি কত হবে?
- ক. 11x
- খ. 13x
- গ. 30x
- ঘ. 31x
উত্তর: খ. 13x
একক স্থানীয় অঙ্ক x হলে প্রশ্ন অনুযায়ী দশক স্থানীয় অঙ্ক 3x। সংখ্যাটি 10 × 3x + x = 30x + x = 31x। অঙ্ক দুটি স্থান বদলালে দশক স্থানে x আর একক স্থানে 3x আসে, ফলে নতুন সংখ্যা 10 × x + 3x = 13x। অর্থাৎ স্থান বিনিময়ের পরে সংখ্যাটি 13x হবে।
মনে রাখুন:
দুই অঙ্কের সংখ্যা সবসময় 10 × (দশকের অঙ্ক) + (এককের অঙ্ক) আকারে লেখা হয়।
অঙ্কদ্বয় স্থান বিনিময় করলে নতুন সংখ্যা হয় 10 × (এককের অঙ্ক) + (দশকের অঙ্ক)।
অঙ্ক দুটির যোগফল ও পার্থক্য বসিয়েও এ ধরনের অঙ্ক সমাধান করা যায়। - ৫১. ১/২, ৩/৪, ৫/৬, ৫/১২ এদের গড় কত?
- ক. ৫/৪
- খ. ৫/২
- গ. ৫/৮
- ঘ. ৫/১৮
উত্তর: গ. ৫/৮
চারটি ভগ্নাংশের গড় = যোগফল ÷ 4। হর 12 করে নিলে 1/2 = 6/12, 3/4 = 9/12, 5/6 = 10/12 আর 5/12 একই থাকে, কারণ 2, 4, 6 ও 12-এর ল.সা.গু. 12। যোগফল = (6 + 9 + 10 + 5)/12 = 30/12 = 5/2। গড় = (5/2) ÷ 4 = 5/8। অপশনগুলোর মধ্যে মেলে কেবল ৫/৮, তাই সেটিই সঠিক উত্তর।
মনে রাখুন:
ভগ্নাংশ যোগের আগে সবগুলোর হর সমান করে নিতে হয়।
গড় = রাশিগুলোর যোগফল ÷ রাশির সংখ্যা।
ভগ্নাংশকে সংখ্যা দিয়ে ভাগ করা মানে ভগ্নাংশের হর ওই সংখ্যা দিয়ে গুণ করা। - ৬৯. sin 945° = কত?
- ক. 0
- খ. 1/2
- গ. −1/√2
- ঘ. √3/2
উত্তর: গ. −1/√2
বড় কোণের sin বের করতে 360° এর গুণিতক বাদ দিই। 945° − 720° = 225°, তাই sin 945° = sin 225°। 225° = 180° + 45°, আর তৃতীয় চতুর্ভাগে sin ঋণাত্মক, তাই sin 225° = −sin 45° = −1/√2। অপশনের মধ্যে −1/√2 মেলে কেবল C-তে। বাকি অপশনগুলো ধনাত্মক বা শূন্য, যা তৃতীয় চতুর্ভাগে sin-এর জন্য ঠিক নয়।
মনে রাখুন:
sin(180° + θ) = −sin θ।
sin 45° = 1/√2, sin 30° = 1/2, sin 60° = √3/2।
প্রথম চতুর্ভাগে সব অনুপাত ধনাত্মক, দ্বিতীয়তে শুধু sin, তৃতীয়তে শুধু tan, চতুর্থে শুধু cos ধনাত্মক। - ৭৯. কোনো ত্রিভুজের বাহুগুলোর অনুপাত নিচের কোনটি হলে একটি সমকোণী ত্রিভুজ অঙ্কন সম্ভব হবে?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৪
- ক. ৬:৫:৪
- খ. ১২:৮:৪
- গ. ৬:৪:৩
- ঘ. ৩:৪:৫
উত্তর: ঘ. ৩:৪:৫
সমকোণী ত্রিভুজে অতিভুজের বর্গ অপর দুই বাহুর বর্গের সমষ্টির সমান হয়, এটাই পিথাগোরাসের সূত্র। 3 : 4 : 5 নিয়ে দেখি, 5² = 25 এবং 3² + 4² = 9 + 16 = 25। তাই এই অনুপাতে সমকোণী ত্রিভুজ হয়। বাকিগুলো মেলে না, যেমন 6² + 5² = 61 কিন্তু 4² = 16। আবার 12 : 8 : 4 নিলে 8 + 4 = 12 হয়, যা ত্রিভুজের বাহুর শর্ত ভঙ্গ করে, কারণ দুই বাহুর যোগফল তৃতীয় বাহুর চেয়ে বড় হতে হয়।
মনে রাখুন:
3-4-5, 5-12-13 ও 8-15-17 হলো পরিচিত পিথাগোরীয় ত্রয়ী।
3-4-5-এর গুণিতক 6-8-10, 9-12-15-ও সমকোণী ত্রিভুজ তৈরি করে।
পিথাগোরাসের সূত্র: অতিভুজ² = লম্ব² + ভূমি²। - ৮০. x² + x − 20 এর উৎপাদকে বিশ্লেষণ কত হবে?
- ক. (x−5)(x−4)
- খ. (x+5)(x−4)
- গ. (x−5)(x+4)
- ঘ. (x+5)(x+4)
উত্তর: খ. (x+5)(x−4)
x² + x − 20 উৎপাদকে ভাঙতে এমন দুটি সংখ্যা খুঁজি, যাদের গুণফল −20 এবং যোগফল +1। সংখ্যা দুটি 5 ও −4। তাই x² + 5x − 4x − 20 = x(x + 5) − 4(x + 5) = (x + 5)(x − 4)। গুণ করে মিলিয়ে নিলেই দেখা যায় উত্তর সঠিক। বাকি অপশন যাচাই করলে দেখা যায়, যেমন (x − 5)(x − 4) = x² − 9x + 20, যা মূল রাশির সঙ্গে মেলে না।
মনে রাখুন:
গুণ করে মিলিয়ে নিই, (x + 5)(x − 4) = x² + x − 20।
x² + (a + b)x + ab = (x + a)(x + b)।
গুণফল ঋণাত্মক হলে সংখ্যা দুটির চিহ্ন বিপরীত হয়। - ৮৬. দুটি সংখ্যার অনুপাত ৫ : ৮। উভয়ের সাথে ২ যোগ করলে অনুপাতটি ২ : ৩ হয়। সংখ্যা দুটি কী কী?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) ২০২২
- ক. ৭ ও ১১
- খ. ১২ ও ১৮
- গ. ১০ ও ২৪
- ঘ. ১০ ও ১৬
উত্তর: ঘ. ১০ ও ১৬
সংখ্যা দুটি 5x ও 8x ধরি। 2 যোগ করলে (5x + 2)/(8x + 2) = 2/3। আড়াআড়ি গুণ করলে 3(5x + 2) = 2(8x + 2), অর্থাৎ 15x + 6 = 16x + 4, তাই x = 2। সংখ্যা দুটি 5 × 2 = 10 ও 8 × 2 = 16। যাচাই: 2 যোগ করলে 12 ও 18 হয়, আর 12/18 = 2/3।
মনে রাখুন:
অনুপাতের অঙ্কে সংখ্যাকে ‘ক্রমিক গুণিতক’ ধরে সমীকরণ বানানো সবচেয়ে সহজ।
অনুপাত a : b হলে সংখ্যা দুটিকে ax ও bx ধরা হয়।
অনুপাতের মান বদলায় না যদি উভয় পদকে একই সংখ্যা দিয়ে গুণ বা ভাগ করা হয়। - ৯৩. log₃(1/27) এর মান কোনটি?
- ক. −3
- খ. −2
- গ. 1
- ঘ. 1/3
উত্তর: ক. −3
লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী log_a(x) = y হলে a^y = x। এখানে 1/27 = 3⁻³, কারণ 27 = 3³। তাই log₃(1/27) = log₃(3⁻³) = −3 × log₃3 = −3। অর্থাৎ 3-কে −3 ঘাতে তুললে 1/27 পাওয়া যায়, তাই মান −3।
মনে রাখুন:
log_a(a) = 1 এবং log_a(1/x) = −log_a(x)।
log_a(1) = 0, যেকোনো ভিত্তির জন্য।
log_a(xy) = log_a(x) + log_a(y)। - ৯৪. ৩০ জন শ্রমিক ২০ দিনে যে কাজ সম্পন্ন করতে পারে সমান দক্ষতার ২০ জন শ্রমিক সে কাজ কতদিনে শেষ করতে পারবে?
- ক. ১৫
- খ. ২০
- গ. ২৫
- ঘ. ৩০
উত্তর: ঘ. ৩০
কাজের পরিমাণ একই থাকলে জনসংখ্যা আর দিনের গুণফল ধ্রুব থাকে। 30 জন শ্রমিক 20 দিনে কাজটি শেষ করলে মোট কাজ = 30 × 20 = 600 জন-দিন। তাই 20 জন শ্রমিকের সময় = 600 ÷ 20 = 30 দিন। অর্থাৎ শ্রমিক কমে এক-তৃতীয়াংশ কম হওয়ায় সময় বেড়ে দেড় গুণ হয়েছে।
মনে রাখুন:
লোক কমলে দিন বাড়ে। একে ব্যস্ত বা বিপরীত অনুপাত বলে।
মোট কাজ = জনসংখ্যা × দিন।
লোক বাড়লে দিন কমে।
আন্তর্জাতিক
- ২. কোন সংস্থা ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি দিয়েছে?
- ক. UNDP
- খ. UNICEF
- গ. UNCTAD
- ঘ. UNESCO
উত্তর: ঘ. UNESCO
২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে ইউনেস্কো (UNESCO), অর্থাৎ জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা। ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর প্যারিসে সংস্থাটির সাধারণ সম্মেলনে বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। ১৯৫২ সালে ভাষার দাবিতে ঢাকায় যাঁরা প্রাণ দিয়েছিলেন, তাঁদের স্মৃতিতে এই দিনটি বেছে নেওয়া হয়। মজার ব্যাপার হলো, পৃথিবীর অন্য কোনো জাতি ভাষার জন্য এমন আত্মত্যাগ করে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায় করেনি।
মনে রাখুন:
২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হচ্ছে।
ইউনেস্কোর সদর দপ্তর ফ্রান্সের প্যারিসে।
UNICEF শিশুদের কল্যাণে কাজ করে, UNDP উন্নয়ন কর্মসূচি দেখে, আর UNCTAD বাণিজ্য ও উন্নয়ন নিয়ে কাজ করে। - ৬. 'পোর্ট অব স্পেন' কোন দেশে অবস্থিত?
- ক. দক্ষিণ আমেরিকা
- খ. ত্রিনিদাদ ও টোবাগো
- গ. স্পেন
- ঘ. আলবেনিয়া
উত্তর: খ. ত্রিনিদাদ ও টোবাগো
‘পোর্ট অব স্পেন’ ক্যারিবীয় অঞ্চলের দ্বীপরাষ্ট্র ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর রাজধানী। নাম শুনে স্পেনের শহর মনে হলেও এর সঙ্গে স্পেন দেশের কোনো সম্পর্ক নেই। শহরটি ত্রিনিদাদ দ্বীপে অবস্থিত, আর দ্বীপটি দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের উত্তর-পূর্ব উপকূলের খুব কাছে। তবে অপশনে ‘দক্ষিণ আমেরিকা’ একটি মহাদেশের নাম, কোনো দেশের নাম নয়, তাই সেটি সঠিক উত্তর হতে পারে না।
মনে রাখুন:
ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর মুদ্রার নাম ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ডলার।
দেশটির মূল দুটি দ্বীপ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো।
দেশটি ক্যারিবীয় সাগরের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত। - ১১. বিশ্ব পরিবেশ দিবস কত তারিখে পালিত হয়?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৪, এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৯, প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ১৪৯১) ২০১৯ ও আরও ১টি
- ক. ৫ মে
- খ. ৫ জুন
- গ. ৫ জুলাই
- ঘ. ৫ আগস্ট
উত্তর: খ. ৫ জুন
প্রতিবছর ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়। ১৯৭২ সালে সুইডেনের স্টকহোমে জাতিসংঘের মানব পরিবেশ সম্মেলন হয়েছিল। সেই সম্মেলনের স্মরণেই দিনটি ঠিক করা হয়। ১৯৭৪ সালের ৫ জুন প্রথমবার দিবসটি বিশ্বজুড়ে পালিত হয়। প্রতিবছর দিবসটির একটি আলাদা প্রতিপাদ্য থাকে এবং একটি দেশ আয়োজকের দায়িত্ব নেয়।
মনে রাখুন:
পরিবেশ রক্ষার জন্য জাতিসংঘের যে সংস্থা কাজ করে, তার নাম UNEP, আর এর সদর দপ্তর কেনিয়ার নাইরোবিতে।
১৯৭২ সালের স্টকহোম সম্মেলনের মাধ্যমেই UNEP গঠনের পথ তৈরি হয়।
বিশ্ব পানি দিবস ২২ মার্চ, আর বিশ্ব বন দিবস ২১ মার্চ। - ২১. জাতিসংঘে আত্মপ্রকাশ করে কবে?
- ক. ২০ অক্টোবর ১৯৪৫
- খ. ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫
- গ. ২৬ অক্টোবর ১৯৪৫
- ঘ. ৩০ অক্টোবর ১৯৪৫
উত্তর: খ. ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫
১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকর হয় এবং ৫১টি সদস্যরাষ্ট্র নিয়ে জাতিসংঘ আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বশান্তি রক্ষার উদ্দেশ্যে এই সংস্থা গড়ে ওঠে। এজন্য প্রতিবছর ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ দিবস পালিত হয়। এর আগে ১৯৪৫ সালের জুন মাসে সান ফ্রান্সিসকো সম্মেলনে সনদ স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
মনে রাখুন:
সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে। এখন সদস্য ১৯৩টি দেশ।
১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ ১৩৬তম সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে যোগ দেয়।
জাতিসংঘের আগের সংস্থা ছিল লীগ অব নেশন্স। - ৩৪. ২০১৯ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট কোথায় হবে?
- ক. ভারত
- খ. যুক্তরাজ্য
- গ. পাকিস্তান
- ঘ. শ্রীলংকা
উত্তর: খ. যুক্তরাজ্য
২০১৯ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপ হয়েছিল যুক্তরাজ্যের ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে, ৩০ মে থেকে ১৪ জুলাই। এটি ছিল ক্রিকেট বিশ্বকাপের ১২তম আসর। ফাইনালে ইংল্যান্ড নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে সুপার ওভারের মাধ্যমে প্রথমবার বিশ্বকাপ জেতে। ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কায় এই আসর হয়নি, তাই বাকি অপশনগুলো ঠিক নয়।
মনে রাখুন:
পরের বিশ্বকাপ ২০২৩ সালে ভারতে হয়েছে।
ক্রিকেট বিশ্বকাপের প্রথম আসর হয় ১৯৭৫ সালে ইংল্যান্ডে।
২০১৯ সালের আসরে মোট ১০টি দল অংশ নেয়। - ৩৬. সার্কের সদর দপ্তর কোথায়?
- ক. কাঠমান্ডু
- খ. কলম্বো
- গ. নয়াদিল্লি
- ঘ. ঢাকা
উত্তর: ক. কাঠমান্ডু
সার্কের (SAARC) সদর দপ্তর নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে। ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকায় প্রথম শীর্ষ সম্মেলনে এই সংস্থার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। প্রস্তাবটি এনেছিলেন বাংলাদেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ২০০৭ সালে আফগানিস্তান যোগ দেওয়ায় সদস্যসংখ্যা হয় ৮। ঢাকা সার্কের প্রথম শীর্ষ সম্মেলনের স্থান হলেও সদর দপ্তর সেখানে নয়।
মনে রাখুন:
সার্কের সদস্য বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ ও আফগানিস্তান।
সার্কের পুরো নাম South Asian Association for Regional Cooperation।
সার্ক সচিবালয় কাঠমান্ডুতে স্থাপিত হয় ১৯৮৭ সালে। - ৪৩. কোনটি নিশীথ সূর্যের দেশ নামে পরিচিত?
- ক. ইতালী
- খ. কানাডা
- গ. চীন
- ঘ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. কোনোটিই নয়
নিশীথ সূর্যের দেশ বলা হয় ইউরোপের দেশ নরওয়েকে। এর উত্তর অংশ সুমেরু বৃত্তের ভেতরে পড়ে, তাই গ্রীষ্মকালে সেখানে মধ্যরাতেও সূর্য দেখা যায়। প্রশ্নের অপশনে নরওয়ে নেই। ইতালি, কানাডা বা চীন কোনোটিই এই নামে পরিচিত নয়, তাই সঠিক উত্তর ‘কোনোটিই নয়’।
মনে রাখুন:
কানাডাকে ম্যাপল পাতার দেশ বলা হয়।
জাপানকে বলা হয় উদীয়মান সূর্যের দেশ।
নরওয়ের রাজধানী অসলো। - ৫৬. যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্যের সংখ্যা কত?
- ক. ৩০টি
- খ. ৪০টি
- গ. ৫০টি
- ঘ. ৬০টি
উত্তর: গ. ৫০টি
যুক্তরাষ্ট্র একটি ফেডারেল প্রজাতন্ত্র, আর এতে মোট ৫০টি অঙ্গরাজ্য আছে। সবার শেষে ১৯৫৯ সালে আলাস্কা (জানুয়ারি) ও হাওয়াই (আগস্ট) যুক্ত হয়। ফলে হাওয়াই ৫০তম রাজ্য। এর আগে ৪৮টি রাজ্য ছিল। দেশটি ১৭৭৬ সালে স্বাধীনতার ঘোষণা দেয় এবং শুরুতে মাত্র ১৩টি উপনিবেশ নিয়ে যাত্রা করেছিল।
মনে রাখুন:
যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডি.সি. কোনো রাজ্যের অংশ নয়।
যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস ৪ জুলাই।
আয়তনে সবচেয়ে বড় রাজ্য আলাস্কা। - ৬২. যুক্তরাষ্ট্রকে 'স্ট্যাচু অব লিবার্টি' কোন দেশ উপহার দেয়?
- ক. যুক্তরাজ্য
- খ. কানাডা
- গ. চীন
- ঘ. ফ্রান্স
উত্তর: ঘ. ফ্রান্স
নিউ ইয়র্ক বন্দরে দাঁড়িয়ে থাকা স্ট্যাচু অব লিবার্টি যুক্তরাষ্ট্রকে উপহার দিয়েছিল ফ্রান্স। যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার শতবর্ষ উপলক্ষে বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে এটি দেওয়া হয় এবং ১৮৮৬ সালে স্থাপন করা হয়। ফরাসি ভাস্কর ফ্রেডেরিক অগুস্ত বার্থল্ডি মূর্তিটি তৈরি করেন। মূর্তিটি স্বাধীনতার প্রতীক, যা যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের কথা মনে করিয়ে দেয়।
মনে রাখুন:
মূর্তিটির ভেতরের কাঠামো করেছিলেন আইফেল টাওয়ারের নকশাকার গুস্তাভ আইফেল।
মূর্তিটি লিবার্টি দ্বীপে অবস্থিত।
ইউনেস্কো ১৯৮৪ সালে এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত করে। - ৬৩. পৃথিবীর সর্বৃহৎ পোশাক রপ্তানিকারক দেশ হচ্ছে—
- ক. ভিয়েতনাম
- খ. বাংলাদেশ
- গ. ভারত
- ঘ. চীন
উত্তর: ঘ. চীন
২০১৮ সালে বিশ্বের সবচেয়ে বড় পোশাক রপ্তানিকারক দেশ ছিল চীন। দেশটির কারখানা ও কাঁচামাল দুটিই বিশাল। বাংলাদেশ তখন চীনের পরেই ছিল, আর আমাদের মোট রপ্তানি আয়ের বেশির ভাগ আসে তৈরি পোশাক থেকে। ভিয়েতনাম ও ভারতও পোশাক রপ্তানি করে, তবে তাদের পরিমাণ চীনের অনেক নিচে।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮০ শতাংশের বেশি আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে।
পোশাক খাতের বেশির ভাগ শ্রমিক নারী।
বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের অধিকাংশ কারখানা ঢাকা, গাজীপুর ও চট্টগ্রামে।
হালনাগাদ: ২০২৬ সালেও চীন শীর্ষ রপ্তানিকারক আছে, আর বাংলাদেশ দ্বিতীয় বা তৃতীয় স্থানের লড়াইয়ে আছে। - ৮৫. টাইটানিক জাহাজ কোন মহাসাগরে নিমজ্জিত হয়?
- ক. আটলান্টিক মহাসাগর
- খ. প্রশান্ত মহাসাগর
- গ. ভারত মহাসাগর
- ঘ. লোহিত মহাসাগর
উত্তর: ক. আটলান্টিক মহাসাগর
আরএমএস টাইটানিক ১৯১২ সালের ১০ এপ্রিল ইংল্যান্ডের সাউদাম্পটন থেকে নিউ ইয়র্কের উদ্দেশে রওনা হয়। ১৫ এপ্রিল উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে একটি হিমশৈলের সঙ্গে ধাক্কা লেগে জাহাজটি ডুবে যায়। দেড় হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারায়। প্রশান্ত, ভারত বা লোহিত সাগরের সঙ্গে এই ঘটনার সম্পর্ক নেই, কারণ জাহাজের পথ ছিল ইউরোপ থেকে আমেরিকা।
মনে রাখুন:
তখন টাইটানিক ছিল বিশ্বের সবচেয়ে বড় যাত্রীবাহী জাহাজ।
জাহাজটি তৈরি হয়েছিল উত্তর আয়ারল্যান্ডের বেলফাস্টে।
ঘটনাটি জাহাজটির প্রথম যাত্রাতেই ঘটে।
বাংলা
- ৩. 'রক্তকরবী' নাটকটির রচয়িতা কে?
- ক. কাজী নজরুল ইসলাম
- খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গ. নূরুল মোমেন
- ঘ. আস্কার ইবনে শাইখ
উত্তর: খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
‘রক্তকরবী’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি রূপক বা সাংকেতিক নাটক। এর কাহিনি যক্ষপুরী নামের একটি কাল্পনিক নগরকে ঘিরে। সেখানে সোনার লোভে মানুষকে যন্ত্রের মতো খাটানো হয়। নন্দিনী নামের এক প্রাণবন্ত মেয়ে এসে সেই বদ্ধ জীবনে মুক্তির সুর আনে। নাটকটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়। ধনতান্ত্রিক সভ্যতার লোভ ও যান্ত্রিকতার বিরুদ্ধে কবির প্রতিবাদ এখানে সাংকেতিক ভঙ্গিতে ফুটে উঠেছে।
মনে রাখুন:
রবীন্দ্রনাথের অন্য নাটক: বিসর্জন, ডাকঘর, অচলায়তন, মুক্তধারা, চিরকুমার সভা, তাসের দেশ।
রূপক-সাংকেতিক নাটকের মধ্যে ডাকঘর, মুক্তধারা ও রক্তকরবী বিখ্যাত।
রবীন্দ্রনাথ ১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’র ইংরেজি অনুবাদের জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। - ৭. ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধান কোন শ্রেণির শব্দে অনুসৃত হয়?
- ক. দেশি
- খ. বিদেশি
- গ. তৎসম
- ঘ. খাঁটি বাংলা
উত্তর: গ. তৎসম
ণ-ত্ব বিধান ও ষ-ত্ব বিধান শুধু তৎসম শব্দের বানানে খাটে। তৎসম শব্দ হলো সংস্কৃত থেকে অবিকৃত অবস্থায় বাংলায় আসা শব্দ, যেমন ‘ঋণ’ ও ‘ভাষা’। এই শব্দগুলোর বানান সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম মেনে হয়। কিন্তু দেশি, তদ্ভব ও বিদেশি শব্দ সংস্কৃত নিয়মে তৈরি হয়নি। তাই এসব শব্দে এই নিয়ম চলে না এবং সাধারণত দন্ত্য ন ও দন্ত্য স ব্যবহার হয়।
উদাহরণ:
তৎসম: কৃষ্ণ, রামায়ণ, বিষয়, ভাষা।
বিদেশি ও দেশি: জানালা, সরকার, কান, সোনা।
মনে রাখুন: তদ্ভব শব্দ হলো সংস্কৃত থেকে রূপ বদলে আসা শব্দ, যেমন ‘কান’ (কর্ণ থেকে) ও ‘সোনা’ (সুবর্ণ থেকে)। এগুলোতেও ণ-ত্ব বিধান খাটে না। - ৮. 'কোথায় যাওয়া হচ্ছে?'– এটি কোন বাক্যের উদাহরণ?
- ক. ভাববাচ্য
- খ. কর্মবাচ্য
- গ. কর্তৃবাচ্য
- ঘ. কর্তৃকর্মবাচ্য
উত্তর: ক. ভাববাচ্য
‘কোথায় যাওয়া হচ্ছে?’ বাক্যটিতে কাজটি কে করছে সেটা মুখ্য নয়, বরং কাজটির ভাবটাই মুখ্য। এখানে ক্রিয়া ‘যাওয়া হচ্ছে’ কর্তার কথা না বলে কেবল যাওয়ার ঘটনাকে বোঝাচ্ছে। এমন বাক্যে কর্তা সাধারণত গৌণ হয়ে যায়, আর ক্রিয়া কর্মকেও আশ্রয় করে না। ক্রিয়ার ভাব প্রধান হয় বলে একে ভাববাচ্য (Impersonal Voice) বলে। ভাববাচ্যে ক্রিয়া সাধারণত অকর্মক হয়, অর্থাৎ বাক্যে কর্ম থাকে না।
উদাহরণ:
ভাববাচ্য: আমার যাওয়া হলো না। সেখানে থাকা যায় না।
কর্তৃবাচ্যে কর্তা প্রধান থাকে, যেমন: ‘সে বই পড়ে’।
কর্মবাচ্যে কর্ম প্রধান থাকে, যেমন: ‘বইটি পড়া হলো’।
মনে রাখুন: বাংলায় বাচ্য মোট চার প্রকার: কর্তৃবাচ্য, কর্মবাচ্য, ভাববাচ্য ও কর্মকর্তৃবাচ্য। - ১৭. বাংলা গদ্যের জনক কাকে বলা হয়?
- ক. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- খ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ঘ. কালীপ্রসন্ন সিংহ
উত্তর: খ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
বাংলা গদ্যের জনক বলা হয় ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে। তাঁর আগে বাংলা গদ্য ছিল এলোমেলো, কারণ তখন বাক্যে যতিচিহ্নের তেমন ব্যবহার ছিল না। তিনি বাক্যে যতিচিহ্ন বসিয়ে এবং শব্দ ও বাক্যকে সুশৃঙ্খলভাবে সাজিয়ে গদ্যকে সুন্দর ও সহজ রূপ দেন। তাই তাঁকে বাংলা গদ্যের প্রথম শিল্পীও বলা হয়। বঙ্কিমচন্দ্র গদ্যকে আরও সাহিত্যিক রূপ দিয়েছেন, তবে জনকের মর্যাদা বিদ্যাসাগরেরই।
মনে রাখুন:
তাঁর বিখ্যাত রচনা বেতাল পঞ্চবিংশতি, শকুন্তলা, সীতার বনবাস ও ভ্রান্তিবিলাস।
তিনি বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য বিখ্যাত সমাজ সংস্কারক ছিলেন, এ বিষয়ে আইন পাস হয় ১৮৫৬ সালে।
তাঁর লেখা ‘বর্ণপরিচয়’ বাংলা বর্ণমালা শেখার একটি বিখ্যাত বই। - ১৯. বাংলা কবিতার অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক কে?আরও এসেছে: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার ২০১৬
- ক. ভারতচন্দ্র রায়
- খ. বিহারীলাল চক্রবর্তী
- গ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
- ঘ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর: গ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
বাংলা কবিতায় অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত। অমিত্রাক্ষর মানে যে ছন্দে চরণের শেষে মিল থাকে না, কিন্তু ভাব এক চরণ থেকে পরের চরণে প্রবাহিত হয়। তিনি এই ছন্দ প্রথম ব্যবহার করেন ‘তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য’-এ, আর পূর্ণরূপে ব্যবহার করেন ‘মেঘনাদবধ কাব্য’-এ। এই কারণে তাঁকে আধুনিক বাংলা কবিতার পথিকৃৎ বলা হয়।
মনে রাখুন:
বাংলা ভাষায় সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতাও তাঁরই প্রবর্তন।
‘মেঘনাদবধ কাব্য’ বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য।
তাঁর অন্য রচনা: ব্রজাঙ্গনা কাব্য, বীরাঙ্গনা কাব্য, শর্মিষ্ঠা নাটক ও একেই কি বলে সভ্যতা। - ২০. কোনটির অর্থবাচকতা নেই কিন্তু অর্থদ্যোতকতা আছে?
- ক. উপসর্গ
- খ. সন্ধি
- গ. সমাস
- ঘ. কারক
উত্তর: ক. উপসর্গ
উপসর্গ (Prefix) এমন শব্দাংশ, যা নিজে স্বাধীনভাবে কোনো অর্থ প্রকাশ করে না। অর্থাৎ এর অর্থবাচকতা নেই। কিন্তু অন্য শব্দের আগে বসে সেই শব্দের অর্থকে বদলে দেয় বা নতুন শব্দ তৈরি করে, একে বলে অর্থদ্যোতকতা। যেমন ‘হার’ শব্দের আগে ‘প্র’ বসিয়ে হয় ‘প্রহার’, ‘বি’ বসিয়ে হয় ‘বিহার’। সন্ধি, সমাস ও কারক ব্যাকরণের আলাদা বিষয়, এদের বিশেষ এই দ্বৈত বৈশিষ্ট্য নেই।
মনে রাখুন:
সংস্কৃত উপসর্গ ২০টি, বাংলা উপসর্গ ২১টি, আর বিদেশি উপসর্গও আছে।
সংস্কৃত উপসর্গের উদাহরণ: প্র, পরা, অপ, সম্, নি, অব।
উপসর্গ শব্দের আগে বসে, আর প্রত্যয় শব্দের পরে বসে। - ২৭. ছন্দের জাদুকর বলা হয় কোন কবিকে?
- ক. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
- খ. কাজী নজরুল ইসলাম
- গ. মধুসূদন দত্ত
- ঘ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর: ক. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্তকে (১৮৮২-১৯২২) ছন্দের জাদুকর বলা হয়। তিনি বাংলা কবিতায় নানা নতুন ছন্দের ঝংকার এনেছিলেন। দেশি, আরবি ও ফারসি শব্দ দক্ষভাবে কাজে লাগিয়ে তিনি ভাষার সৌন্দর্য বাড়িয়েছেন। তাঁর কবিতা পড়লে সুর শোনা যায়। রবীন্দ্রনাথ, নজরুল ও মধুসূদনও ছন্দে দক্ষ ছিলেন, কিন্তু এই বিশেষ উপাধি সত্যেন্দ্রনাথেরই।
মনে রাখুন:
তাঁর কাব্যগ্রন্থ সবিতা, বেণু ও বীণা, কুহু ও কেকা এবং তুলির লিখন।
তাঁর বিখ্যাত কবিতা ‘পালকির গান’ ও ‘দূরের পাল্লা’।
নজরুল ইসলামকে বলা হয় বিদ্রোহী কবি। - ৩০. 'পটল তোলা' বাগধারাটির সঠিক অর্থ কোনটি?
- ক. পটল গাছ থেকে পটল তোলা
- খ. পটল খাওয়া
- গ. মারা যাওয়া
- ঘ. ফেল করা
উত্তর: গ. মারা যাওয়া
‘পটল তোলা’ বাগধারার অর্থ মারা যাওয়া বা অক্কা পাওয়া। পটল গাছ থেকে পটল তুলে ফেলার সঙ্গে এর আক্ষরিক কোনো সম্পর্ক নেই। বাগধারা (Idiom) হলো এমন শব্দগুচ্ছ, যা সাধারণ অর্থ ছাড়িয়ে একটি বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। তাই শব্দগুলোর আলাদা অর্থ ধরে বাগধারার মানে বের করা যায় না।
মনে রাখুন:
মারা যাওয়া বোঝায় এমন আরও কিছু বাগধারা হলো ‘ভবলীলা সাঙ্গ করা’ ও ‘চোখ বোজা’।
‘অক্কা পাওয়া’ বাগধারাতেও মারা যাওয়া বোঝায়।
বাগধারার আক্ষরিক অর্থ না ধরে প্রয়োগগত অর্থই মনে রাখতে হয়। - ৩৩. 'একাত্তরের ডায়েরী'কে লিখেছেন?আরও এসেছে: গণপূর্ত অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) ২০১৭
- ক. বেগম সুফিয়া কামাল
- খ. জাহানারা ইমাম
- গ. নীলিমা ইব্রাহিম
- ঘ. সেলিনা হোসেন
উত্তর: ক. বেগম সুফিয়া কামাল
‘একাত্তরের ডায়েরী’ লিখেছেন কবি সুফিয়া কামাল (১৯১১-১৯৯৯)। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি যা দেখেছেন, শুনেছেন ও অনুভব করেছেন, তা ডায়েরির আকারে লিখে রেখেছিলেন। জাহানারা ইমামের বিখ্যাত বইটির নাম ‘একাত্তরের দিনগুলি’। দুটি নাম প্রায় একই রকম শোনায়, তাই এ দুটিকে গুলিয়ে ফেললে চলবে না।
মনে রাখুন:
সুফিয়া কামালের কাব্যগ্রন্থ সাঁঝের মায়া, মায়া কাজল, উদাত্ত পৃথিবী ও মোর যাদুদের সমাধি পরে।
তিনি ‘সাঁঝের মায়া’ কাব্যের জন্য পরিচিত এবং তাঁকে ‘জননী সাহসিকা’ বলা হয়।
জাহানারা ইমাম ‘শহীদ জননী’ নামে পরিচিত। - ৪০. 'বাঁধনহারা' কাজী নজরুল ইসলামের কোন শ্রেণির রচনা?
- ক. উপন্যাস
- খ. ছোটগল্প
- গ. কাব্যগ্রন্থ
- ঘ. নাটক
উত্তর: ক. উপন্যাস
‘বাঁধনহারা’ কাজী নজরুল ইসলামের লেখা প্রথম উপন্যাস, যা ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়। এটি পত্রোপন্যাস, অর্থাৎ চরিত্রদের একে অপরকে লেখা চিঠির মাধ্যমে কাহিনি এগিয়ে যায়। তাই এটি উপন্যাসের শ্রেণিতে পড়ে, ছোটগল্প, কাব্যগ্রন্থ বা নাটক নয়। নজরুল কবি হিসেবে বেশি পরিচিত হলেও গদ্যেও তিনি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রচনা রেখে গেছেন।
মনে রাখুন:
নজরুলের অন্য দুটি উপন্যাস ‘মৃত্যুক্ষুধা’ ও ‘কুহেলিকা’।
তাঁর ছোটগল্পের বই ‘ব্যথার দান’ ও ‘রিক্তের বেদন’।
তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নিবীণা’, আর বিখ্যাত কবিতা ‘বিদ্রোহী’। - ৪১. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক কোনটি?
- ক. নবান্ন
- খ. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
- গ. ইবলিশ
- ঘ. কিত্তনখোলা
উত্তর: খ. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ সৈয়দ শামসুল হকের একটি কাব্যনাট্য, যার পটভূমি মুক্তিযুদ্ধ। কাব্যনাট্য হলো কবিতার ভাষায় লেখা নাটক। বাকি তিনটি নাটক অন্য বিষয়ে লেখা: ‘নবান্ন’ লিখেছেন বিজন ভট্টাচার্য, ‘ইবলিস’ মামুনুর রশীদ, আর ‘কীত্তনখোলা’ সেলিম আল দীন। এই নাটকগুলোতে গ্রামবাংলার সমাজ ও জীবনের কথা এসেছে, মুক্তিযুদ্ধের কাহিনি নয়।
মনে রাখুন:
সৈয়দ শামসুল হকের আরেকটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য ‘নূরলদীনের সারাজীবন’।
বিজন ভট্টাচার্যের ‘নবান্ন’ বাংলা গণনাট্য আন্দোলনের একটি বিখ্যাত নাটক।
সেলিম আল দীনের আরেকটি বিখ্যাত নাটক ‘কেরামতমঙ্গল’। - ৪৫. 'চোখের বালি' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
- ক. প্রমথ চৌধুরী
- খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গ. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- ঘ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
উত্তর: খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
‘চোখের বালি’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা উপন্যাস, যা ১৯০৩ সালে প্রকাশিত হয়। এতে বিনোদিনী, মহেন্দ্র, আশালতা ও বিহারীকে ঘিরে পারিবারিক সম্পর্কের জটিলতা তুলে ধরা হয়েছে। মানুষের মনের ভেতরের টানাপোড়েন এখানে গুরুত্ব পেয়েছে বলে এটিকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস বলা হয়। বঙ্কিমচন্দ্র ও শরৎচন্দ্রের উপন্যাসের সঙ্গে এর বিষয় ও ভঙ্গি আলাদা।
মনে রাখুন:
রবীন্দ্রনাথের অন্য উপন্যাস গোরা, ঘরে-বাইরে, যোগাযোগ ও শেষের কবিতা।
বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী, কপালকুণ্ডলা ও আনন্দমঠ।
শরৎচন্দ্রের উপন্যাস দেবদাস, শ্রীকান্ত ও পথের দাবী। - ৫২. 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো ২১শে ফেব্রুয়ারি' গানটির রচয়িতা কে?
- ক. আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
- খ. আব্দুল লতিফ
- গ. আবদুল আলিম
- ঘ. আলতাফ মাহমুদ
উত্তর: ক. আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানের কথা লিখেছেন আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী। ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে লেখা এই গানটি একুশের সবচেয়ে পরিচিত গান। এতে প্রথম সুর দিয়েছিলেন আব্দুল লতিফ, আর পরে আলতাফ মাহমুদের সুরে গানটি ব্যাপক পরিচিতি পায়। অর্থাৎ গানের রচয়িতা আর সুরকার আলাদা মানুষ, তাই প্রশ্নে রচয়িতা জানতে চাইলে গীতিকারের নামটিই উত্তর।
মনে রাখুন:
সুরকার আলতাফ মাহমুদ ১৯৭১ সালে শহীদ হন।
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী সাংবাদিক ও কলাম লেখক হিসেবেও পরিচিত।
ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে লেখা আরেকটি পরিচিত কবিতা মাহবুব উল আলম চৌধুরীর ‘কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’। - ৫৩. কোনটি বেগম রোকেয়ার রচনা?
- ক. আয়না
- খ. লালসালু
- গ. ভাষা ও সাহিত্য
- ঘ. অবরোধবাসিনী
উত্তর: ঘ. অবরোধবাসিনী
‘অবরোধবাসিনী’ বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের লেখা বই। তৎকালীন নারীদের অবরুদ্ধ জীবনের নানা ঘটনা এতে তুলে ধরা হয়েছে। বাকি অপশনের মধ্যে ‘আয়না’ আবুল মনসুর আহমদের গল্পগ্রন্থ, আর ‘লালসালু’ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস। ‘ভাষা ও সাহিত্য’ নামের বইটি রোকেয়ার নয়, এটি ভাষাবিজ্ঞানী ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর লেখা।
মনে রাখুন:
রোকেয়ার আরও লেখা মতিচূর, সুলতানার স্বপ্ন (Sultana's Dream) ও পদ্মরাগ।
নারী জাগরণে অবদানের জন্য তাঁকে নারী জাগরণের অগ্রদূত বলা হয়।
প্রতিবছর ৯ ডিসেম্বর তাঁর স্মরণে রোকেয়া দিবস পালিত হয়। - ৫৮. 'অনুরাগ' শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?
- ক. অনুভব
- খ. বিরাগ
- গ. বিবাদ
- ঘ. অভিমান
উত্তর: খ. বিরাগ
‘অনুরাগ’ মানে ভালোবাসা বা আসক্তি, আর এর বিপরীত শব্দ ‘বিরাগ’, যার মানে অনাসক্তি বা বিতৃষ্ণা। ‘অনুভব’ মানে উপলব্ধি, ‘বিবাদ’ মানে ঝগড়া, আর ‘অভিমান’ মানে মান করা। এই তিনটি শব্দের কোনোটিই ‘অনুরাগ’-এর ঠিক উল্টো ভাব প্রকাশ করে না।
মনে রাখুন:
‘রাগ’ মানে অনুরাগ বা লাল রং, আর ‘বি’ উপসর্গ বসিয়ে ‘বিরাগ’ হয়েছে।
আরও কিছু বিপরীত শব্দ: অনুকূল-প্রতিকূল, আদর-অনাদর।
বিপরীত শব্দ খুঁজতে সবসময় প্রথমে মূল শব্দের অর্থ নিশ্চিত করে নিতে হয়। - ৬৪. নিচের কোনটি পর্তুগিজ শব্দ?
- ক. চাবি
- খ. কুপন
- গ. তুরুপ
- ঘ. ডিপো
উত্তর: ক. চাবি
‘চাবি’ শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। পর্তুগিজ বণিকেরা ষোড়শ শতকে বাংলায় আসে। তাদের সঙ্গে আসা আরও অনেক শব্দ আজ আমাদের নিত্যদিনের ভাষার অংশ হয়ে গেছে। কুপন ও ডিপো ফরাসি শব্দ, আর তুরুপ এসেছে ওলন্দাজ ভাষা থেকে। এ কারণে বিদেশি শব্দের উৎস মনে রাখা পরীক্ষার জন্য জরুরি।
মনে রাখুন:
পর্তুগিজ শব্দ: আনারস, আলমারি, আলপিন, গির্জা, বালতি, পেরেক, বোতাম, পাউরুটি।
ওলন্দাজ শব্দ: ইস্কাপন, হরতন, রুইতন, তুরুপ।
ফরাসি শব্দ: কুপন, ডিপো, কার্তুজ, রেস্তোরাঁ। - ৬৬. কোনটি তদ্ভব শব্দ?
- ক. চন্দ্র
- খ. সূর্য
- গ. হাত
- ঘ. নক্ষত্র
উত্তর: গ. হাত
যে শব্দ সংস্কৃত থেকে প্রাকৃত ভাষার ভেতর দিয়ে বদলে বাংলায় এসেছে, তাকে তদ্ভব শব্দ বলে। ‘হাত’ এসেছে সংস্কৃত ‘হস্ত’ থেকে, তাই এটি তদ্ভব। ‘চন্দ্র’, ‘সূর্য’ ও ‘নক্ষত্র’ সংস্কৃত থেকে একই রূপে এসেছে, তাই এগুলো তৎসম। তৎসম শব্দ বদলায় না, আর তদ্ভব শব্দ বদলে যায়, এটাই দুটির মূল পার্থক্য।
উদাহরণ:
তদ্ভব: হাত (হস্ত), চাঁদ (চন্দ্র), মাছ (মৎস্য)।
তৎসম: চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র।
মনে রাখুন: তদ্ভব শব্দের আরও উদাহরণ: কান (কর্ণ), সোনা (সুবর্ণ), দুধ (দুগ্ধ)। - ৬৮. কোনটি বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ?
- ক. তেমাথা
- খ. চৌরাস্তা
- গ. দশানন
- ঘ. বিরানব্বই
উত্তর: গ. দশানন
যে সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ কোনোটিই প্রধান থাকে না, বরং তৃতীয় কোনো অর্থ বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস (Bahubrihi Compound) বলে। ‘দশ আনন যার’ এই ব্যাসবাক্যে ‘দশানন’ দিয়ে রাবণকে বোঝানো হয়, তাই এটি বহুব্রীহি। ‘তেমাথা’ ও ‘চৌরাস্তা’-য় সংখ্যাবাচক পূর্বপদ আছে এবং পুরো শব্দ সমাহার বোঝায়, তাই এগুলো দ্বিগু সমাস।
মনে রাখুন:
বহুব্রীহির আরেক উদাহরণ ‘নীলকণ্ঠ’ (নীল কণ্ঠ যার, অর্থাৎ শিব)।
আরও উদাহরণ: পীতাম্বর (পীত অম্বর যার, অর্থাৎ বিষ্ণু)।
দ্বিগু সমাসের উদাহরণ: ত্রিভুবন, পঞ্চবটী। - ৭০. কোন ভাষা থেকে বাংলা ভাষার উৎপত্তি?
- ক. শৌরসেনী প্রাকৃত
- খ. মাগধী প্রাকৃত
- গ. পৈশাচিক প্রাকৃত
- ঘ. অসমী
উত্তর: খ. মাগধী প্রাকৃত
পণ্ডিতদের বেশির ভাগের মতে, বাংলা ভাষার উৎপত্তি মাগধী প্রাকৃত থেকে। মাগধী প্রাকৃত থেকে মাগধী অপভ্রংশ জন্ম নেয়, আর পূর্ব ভারতে প্রচলিত সেই অপভ্রংশ থেকে কয়েক শতক পরে বাংলা, অসমিয়া ও ওড়িয়া ভাষা আলাদা হয়ে আসে। এই মত সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের। শৌরসেনী প্রাকৃত থেকে এসেছে পশ্চিম ভারতের ভাষাগুলো, আর অসমী তো বাংলারই সহোদর ভাষা, বাংলার উৎস নয়।
মনে রাখুন:
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা গৌড়ী প্রাকৃত থেকে এসেছে।
বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ।
চর্যাপদ আবিষ্কার করেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে। - ৮১. বাংলা ভাষার আদি গ্রন্থ কোনটি?
- ক. শূন্যপুরাণ
- খ. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
- গ. চর্যাপদ
- ঘ. বৈষ্ণব পদাবলী
উত্তর: গ. চর্যাপদ
চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন, তাই একে আদি গ্রন্থ বলা হয়। এতে বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের রচিত গান আছে। ১৯০৭ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে পুথিটি আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে তা প্রকাশিত হয়। বাকি তিনটি রচনা এর পরের যুগের, তাই এগুলোকে আদি নিদর্শন বলা যায় না।
মনে রাখুন:
‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ বড়ু চণ্ডীদাসের লেখা মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন।
চর্যাপদের কয়েকজন পদকর্তা লুইপা, কাহ্নপা ও ভুসুকুপা।
শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আবিষ্কার করেন বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ, ১৯০৯ সালে বাঁকুড়ার এক গ্রাম থেকে। - ৮২. 'মেমনসিংহ গীতিকা' সংগ্রহ করেছিলেন—
- ক. আশুতোষ ভট্টাচার্য
- খ. দীনেশচন্দ্র সেন
- গ. চন্দ্রকুমার দে
- ঘ. দক্ষিণারঞ্জন মিত্র
উত্তর: গ. চন্দ্রকুমার দে
‘মৈমনসিংহ গীতিকা’ সংগ্রহ করেছিলেন চন্দ্রকুমার দে। তিনি ময়মনসিংহ অঞ্চলের গ্রামে গ্রামে ঘুরে লোকের মুখে মুখে ফেরা পালাগুলো লিখে রেখেছিলেন। এগুলো সম্পাদনা করে প্রকাশ করেন দীনেশচন্দ্র সেন। প্রথম খণ্ড ১৯২৩ সালে ছাপা হয়। তাই সংগ্রহকারী আর সম্পাদক দুজন আলাদা মানুষ, আর প্রশ্নে ‘সংগ্রহ’ শব্দ থাকায় উত্তর চন্দ্রকুমার দে।
মনে রাখুন:
গীতিকার বিখ্যাত পালা মহুয়া, মলুয়া ও কমলা।
দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার ‘ঠাকুরমার ঝুলি’ সংকলন করেন।
গীতিকা হলো লোকমুখে প্রচলিত আখ্যানমূলক গান বা পালা। - ৮৮. 'আঠারো মাসে বছর' এ বাগধারাটির অর্থ হলো—
- ক. সময়ানুবর্তিতা
- খ. আলস্য
- গ. অকর্মণ্য
- ঘ. দীর্ঘসূত্রতা
উত্তর: ঘ. দীর্ঘসূত্রতা
‘আঠারো মাসে বছর’ বাগধারার অর্থ দীর্ঘসূত্রতা, অর্থাৎ কাজে অতিরিক্ত দেরি করা। এক বছরের কাজ করতে যে আঠারো মাস নেয়, তার কাজ কখনো সময়মতো হয় না, এই ভাব থেকে বাগধারাটি এসেছে। সময়ানুবর্তিতা এর উল্টো অর্থ, আর আলস্য বা অকর্মণ্যতা বাগধারাটির সঠিক ভাব প্রকাশ করে না।
মনে রাখুন:
‘কুমড়ো কাটা বটঠাকুর’ বাগধারার অর্থ অকর্মণ্য ব্যক্তি।
‘ঢাকের কাঠি’ বাগধারার অর্থ তোষামোদকারী।
দীর্ঘসূত্রতা মানে কাজ ফেলে রাখার অভ্যাস। - ৯১. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম কী?
- ক. ভানুসিংহ ঠাকুর
- খ. টেকচাঁদ ঠাকুর
- গ. হুতোম প্যাঁচা
- ঘ. বীরবল
উত্তর: ক. ভানুসিংহ ঠাকুর
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কিশোর বয়সে ‘ভানুসিংহ ঠাকুর’ ছদ্মনামে বৈষ্ণব পদাবলীর ধাঁচে পদ লিখেছিলেন। পরে সেগুলো ‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী’ নামে বই হয়ে ছাপা হয়। বাকি তিনটি অন্যদের ছদ্মনাম: টেকচাঁদ ঠাকুর প্যারীচাঁদ মিত্রের, হুতোম প্যাঁচা কালীপ্রসন্ন সিংহের এবং বীরবল প্রমথ চৌধুরীর।
মনে রাখুন:
প্যারীচাঁদ মিত্রের বিখ্যাত রচনা ‘আলালের ঘরের দুলাল’।
কালীপ্রসন্ন সিংহের বিখ্যাত রচনা ‘হুতোম প্যাঁচার নক্সা’।
প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদিত পত্রিকা ‘সবুজপত্র’। - ৯২. ক্রিয়ার মূল অংশকে কী বলে?
- ক. উপসর্গ
- খ. ধাতু
- গ. প্রত্যয়
- ঘ. বিভক্তি
উত্তর: খ. ধাতু
ক্রিয়াপদের যে মূল অংশকে আর ভাঙা যায় না এবং যার সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়ে ক্রিয়াপদ তৈরি হয়, তাকে ধাতু (Root) বলে। যেমন ‘করছি’ শব্দের মূল অংশ √কর। উপসর্গ শব্দের আগে বসে, প্রত্যয় শব্দের পরে বসে, আর বিভক্তি শব্দের শেষে যুক্ত হয়ে পদ গঠন করে। এই তিনটির কোনোটিই ক্রিয়ার মূল অংশ নয়।
মনে রাখুন:
ধাতু দুই প্রকার: মৌলিক ধাতু (√কর, √পড়) ও সাধিত ধাতু।
মৌলিক ধাতুকে আর বিশ্লেষণ করা যায় না, কিন্তু সাধিত ধাতু অন্য শব্দ বা ধাতু থেকে তৈরি হয়।
ধাতুর সঙ্গে ক্রিয়াবিভক্তি যুক্ত হয়ে ক্রিয়াপদ গঠিত হয়, যেমন কর + ছি = করছি। - ৯৬. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম প্রকাশিত বাংলা উপন্যাস কোনটি?
- ক. কপালকুণ্ডলা
- খ. সীতারাম
- গ. দুর্গেশনন্দিনী
- ঘ. দেবী চৌধুরাণী
উত্তর: গ. দুর্গেশনন্দিনী
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম বাংলা উপন্যাস ‘দুর্গেশনন্দিনী’, যা ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয়। এটিকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস বলা হয়। ‘কপালকুণ্ডলা’ (১৮৬৬), ‘দেবী চৌধুরাণী’ (১৮৮৪) এবং ‘সীতারাম’ (১৮৮৭) পরে লেখা। তাই প্রকাশের ক্রম মনে রাখলে এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজে বের করা যায়।
মনে রাখুন:
তাঁর প্রথম উপন্যাস আসলে ইংরেজিতে লেখা Rajmohan's Wife।
তাঁর অন্য বিখ্যাত উপন্যাস আনন্দমঠ (১৮৮২), যেখানে ‘বন্দে মাতরম’ গানটি আছে।
তিনি ‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকা সম্পাদনা করেন।
ইংরেজি
- ৪. Who wrote 'Saint Joan'?
- ক. Shakespeare
- খ. Wordsworth
- গ. George Bernard Shaw
- ঘ. Rudyard Kipling
উত্তর: গ. George Bernard Shaw
‘Saint Joan’ নাটকটির লেখক জর্জ বার্নার্ড শ (George Bernard Shaw)। ফ্রান্সের বীরাঙ্গনা জোয়ান অব আর্কের জীবন নিয়ে তিনি নাটকটি লেখেন ১৯২৩ সালে। এর পরের বছরগুলোতে, ১৯২৫ সালে, তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। বাকি লেখকদের মধ্যে Shakespeare ষোড়শ-সপ্তদশ শতকের নাট্যকার, Wordsworth রোমান্টিক কবি, আর Kipling মূলত গল্প ও উপন্যাসের জন্য পরিচিত, তাই এই নাটক তাঁদের কারও নয়।
মনে রাখুন:
শ-এর আরও বিখ্যাত নাটক Pygmalion, Man and Superman ও Arms and the Man।
Pygmalion-এর কাহিনি অবলম্বনেই পরে ‘My Fair Lady’ নামের বিখ্যাত মিউজিক্যাল তৈরি হয়।
Shaw ছিলেন আইরিশ বংশোদ্ভূত নাট্যকার। - ৯. Fill in the blank : A friend — need is a friend indeed.
- ক. in
- খ. at
- গ. for
- ঘ. of
উত্তর: ক. in
‘A friend in need is a friend indeed’ একটি পরিচিত ইংরেজি প্রবাদ। এর মানে, বিপদের সময় যে পাশে দাঁড়ায়, সে-ই আসল বন্ধু। শূন্যস্থানে in বসে, কারণ ‘in need’ বলতে অভাবের বা বিপদের সময় বোঝায়। At, for বা of বসালে বাক্যটি ব্যাকরণ ও অর্থ কোনোটিতেই ঠিক থাকে না। Indeed শব্দের অর্থ সত্যিকার, তাই প্রবাদটির পুরো ভাব হলো ‘বিপদে যে বন্ধু, সে-ই সত্যিকারের বন্ধু’।
মনে রাখুন:
বাংলা প্রবাদে এর কাছাকাছি কথা হলো ‘অসময়ের বন্ধুই প্রকৃত বন্ধু’।
আরেকটি বিখ্যাত প্রবাদ: A stitch in time saves nine, অর্থাৎ সময়মতো কাজ করলে পরে বড় ঝামেলা এড়ানো যায়।
Prepositions-এর প্রশ্নে এমন স্থির প্রবাদ ও বাক্যাংশ মুখস্থ রাখা ভালো। - ১০. Fill in the blank : 'It hurts when I walk. Please call— a doctor'.
- ক. out
- খ. for
- গ. in
- ঘ. of
উত্তর: গ. in
Call in একটি phrasal verb, যার অর্থ কাউকে ডেকে আনা বা খবর দিয়ে আনানো। ‘Call in a doctor’ বললে বোঝায় ডাক্তারকে ডেকে আনা। তাই বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায়, হাঁটতে গেলে ব্যথা লাগছে, দয়া করে একজন ডাক্তারকে ডেকে আনুন। Call out বসালে অর্থ হতো উচ্চস্বরে ডাকা, আর call of ও call for এখানে খাপ খায় না, কারণ ডাক্তারকে ডাকার অর্থ প্রকাশ পায় না।
মনে রাখুন:
Call for মানে দাবি করা বা প্রয়োজন হওয়া, যেমন ‘The situation calls for action’।
Call off মানে বাতিল করা, যেমন ‘The match was called off’।
Call up মানে ফোন করা বা ডেকে পাঠানো। - ১৪. Which one is a plural number?
- ক. basis
- খ. formula
- গ. arms
- ঘ. dwarf
উত্তর: গ. arms
Arms শব্দটি Arm-এর বহুবচন, অর্থ হাত বা বাহু। (Arms শব্দের আরেক অর্থ অস্ত্রশস্ত্র।) বাকি তিনটি শব্দ একবচন: basis-এর বহুবচন bases, formula-র বহুবচন formulas বা formulae, আর dwarf-এর বহুবচন dwarfs বা dwarves। এখানে একটু সতর্ক থাকতে হয়, কারণ basis শব্দের শেষে s আছে বলে অনেকে ভুল করে একে বহুবচন ভাবে। আসলে Latin ও Greek থেকে আসা কিছু শব্দের বহুবচন নিয়ম আলাদা।
মনে রাখুন:
শব্দের শেষে -s থাকলেই বহুবচন হয় না, যেমন physics ও news একবচন।
Greek-জাত শব্দের বহুবচন: crisis থেকে crises, analysis থেকে analyses।
Latin-জাত শব্দের বহুবচন: datum থেকে data, medium থেকে media। - ১৫. 'Tea is liked by common people'. This is an example of—
- ক. active voice
- খ. passive voice
- গ. quasi-passive voice
- ঘ. double passive voice
উত্তর: খ. passive voice
‘Tea is liked by common people’ বাক্যে কাজটি যিনি করেন তিনি (common people) শেষে by-এর পরে বসেছেন, আর কর্ম (tea) শুরুতে এসেছে। এভাবে লিখলে বাক্য Passive voice-এ থাকে। Active voice-এ কর্তা শুরুতে থাকে, তাই একে Active করলে হয় ‘Common people like tea’। Quasi-passive ও double passive নামে সাধারণ ব্যাকরণে আলাদা কোনো প্রচলিত ভাগ নেই, তাই ওই দুটি অপশন ভুল।
মনে রাখুন:
Present indefinite tense-এ Passive-এর কাঠামো হলো Subject + am/is/are + past participle + by + object।
Past indefinite tense-এ কাঠামো হলো Subject + was/were + past participle + by + object।
Voice পরিবর্তনে Active-এর কর্ম Passive-এর কর্তা হয়ে যায়। - ২৩. Which one of the following is a singular number?
- ক. geese
- খ. customs
- গ. poetry
- ঘ. spectacles
উত্তর: গ. poetry
Poetry শব্দের অর্থ কাব্য বা কবিতা। এটি একবচন (singular), কারণ এটি অগণনীয় বিশেষ্য, অর্থাৎ একে আমরা এক-দুই করে গুনতে পারি না। তাই এর বহুবচনও হয় না। বাকি তিনটি শব্দ বহুবচনে লেখা: geese হলো goose-এর, customs হলো custom-এর (এর আরেক অর্থ শুল্ক বিভাগ), আর spectacles হলো spectacle-এর বহুবচন, যার অর্থ চশমা।
মনে রাখুন:
Poetry, politics-এর মতো শব্দের শেষে s না থাকলেও একবচন ক্রিয়া বসে।
Spectacles, trousers ও scissors সবসময় বহুবচন রূপেই ব্যবহার হয়।
Goose-এর বহুবচন geese এবং tooth-এর বহুবচন teeth, এগুলো অনিয়মিত রূপ। - ২৪. What do you mean by the word 'Gesture'?
- ক. style
- খ. walking
- গ. body movement
- ঘ. talking
উত্তর: গ. body movement
Gesture শব্দের অর্থ ইঙ্গিত, অর্থাৎ হাত, মাথা বা শরীরের নড়াচড়ার মাধ্যমে মনের ভাব প্রকাশ। তাই কাছের অর্থ body movement। বাকি অপশনের অর্থ আলাদা: style মানে ধরন, walking মানে হাঁটা, আর talking মানে কথা বলা। কথা না বলেও আমরা মাথা নেড়ে সম্মতি জানাই বা হাত নেড়ে বিদায় জানাই, এগুলোই gesture।
উদাহরণ: He waved his hand as a gesture of farewell. (সে বিদায়ের ইঙ্গিত হিসেবে হাত নাড়ল।)
মনে রাখুন:
Gesture শব্দটি বিশেষ্য, আর এর কাছাকাছি শব্দ sign ও signal।
অন্য ধরনের অঙ্গভঙ্গি বোঝাতে posture শব্দের অর্থ দেহভঙ্গি বা দাঁড়ানোর ধরন। - ২৫. It has been raining— Sunday.
- ক. from
- খ. since
- গ. along
- ঘ. till
উত্তর: খ. since
কোনো নির্দিষ্ট সময়ের বিন্দু থেকে কাজ শুরু হয়ে এখনও চলছে বোঝাতে Present Perfect Continuous tense-এ since বসে। এখানে Sunday একটি নির্দিষ্ট সময়, তাই ‘since Sunday’ হবে। বাক্যের অর্থ, রবিবার থেকে বৃষ্টি হচ্ছে। From সাধারণত শুরুর বিন্দু বোঝালেও এই ধরনের বাক্যে এখনও চলছে এমন ভাব আনতে পারে না, আর along ও till এখানে অর্থের দিক থেকে মেলে না।
মনে রাখুন:
সময়ের পরিমাণ (দুই ঘণ্টা, তিন দিন) বোঝাতে for বসে, যেমন: It has been raining for two days।
নির্দিষ্ট সময়ের বিন্দু (সোমবার, ২০১০ সাল, সকাল ৮টা) বোঝাতে since বসে।
Since ও for-এর পরে সাধারণত Present Perfect বা Present Perfect Continuous tense আসে। - ২৬. Identify the word which is spelt incorrectly :
- ক. perseverance
- খ. possesion
- গ. liaison
- ঘ. committee
উত্তর: খ. possesion
সঠিক বানান possession (অর্থ দখল বা অধিকার)। শব্দটিতে দুই জায়গায় ‘ss’ আছে, অর্থাৎ বানান হবে poss-ess-ion। প্রশ্নের শব্দ possesion-এ একটি s কম থাকায় বানান ভুল। বাকি তিনটি বানান ঠিক: perseverance (অধ্যবসায়), liaison (যোগাযোগ), committee (কমিটি)।
মনে রাখুন:
Committee শব্দে m, t, e তিনটিই দুইবার করে আছে।
Success শব্দে c ও s দুটিই দুইবার করে আছে।
Occurrence বানানে c ও r দুইবার করে আছে, আর Necessary শব্দে c একবার ও s দুইবার আছে। - ২৮. What do we call a man who controls a game of football?আরও এসেছে: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পিটিআই ইন্সট্রাক্টর ২০১৬
- ক. goal-keeper
- খ. coach
- গ. captain
- ঘ. referee
উত্তর: ঘ. referee
ফুটবল খেলা যিনি নিয়ন্ত্রণ করেন, তাকে referee (রেফারি) বলে। তিনি মাঠে খেলার নিয়ম মানা হচ্ছে কি না দেখেন এবং কেউ নিয়ম ভাঙলে শাস্তি দেন। Goal-keeper গোলরক্ষক, যিনি গোল আটকান। Coach হলেন প্রশিক্ষক, যিনি খেলোয়াড়দের তৈরি করেন। আর captain হলেন দলের নেতা। এঁরা কেউই খেলা নিয়ন্ত্রণ করেন না।
মনে রাখুন:
ক্রিকেট, টেনিস ও ব্যাডমিন্টনে এই কাজ করেন umpire।
খেলার দর্শককে বলা হয় spectator।
খেলার মাঠকে বলে stadium বা ground। - ২৯. 'The programme was telecast live'. The word 'live' in the above sentence is a/an—
- ক. noun
- খ. adjective
- গ. verb
- ঘ. adverb
উত্তর: ঘ. adverb
‘The programme was telecast live’ বাক্যে live শব্দটি telecast ক্রিয়াটি কীভাবে ঘটল তা জানাচ্ছে, মানে সরাসরি সম্প্রচার। ক্রিয়ার বিশেষণ হিসেবে কাজ করে বলে এখানে live একটি adverb। তখন এর উচ্চারণ হয় ‘লাইভ’। এখানে live কোনো বিশেষ্যকে বর্ণনা করছে না, আর বাক্যে ক্রিয়াও নয়, তাই adjective, noun বা verb বলা যাবে না।
মনে রাখুন:
Live যখন বিশেষ্যের আগে বসে, যেমন ‘a live show’, তখন সেটি adjective।
Live যখন ক্রিয়া হিসেবে আসে, যেমন ‘I live in Dhaka’, তখন এর উচ্চারণ হয় ‘লিভ’।
Adverb সাধারণত ক্রিয়া, adjective বা অন্য adverb-কে বর্ণনা করে। - ৪৬. My friend holds — unique position.
- ক. a
- খ. an
- গ. the
- ঘ. no article required
উত্তর: ক. a
Article বসবে শব্দের উচ্চারণের প্রথম ধ্বনি দেখে, বানান দেখে নয়। Unique শব্দের উচ্চারণ শুরু হয় ‘ইউ’ (/juː/) ধ্বনিতে, যা ব্যঞ্জনধ্বনির মতো, তাই এর আগে a বসে, an নয়। শব্দটি স্বরবর্ণ u দিয়ে লেখা হলেও এখানে বানানের চেয়ে উচ্চারণই নিয়ম ঠিক করে। অর্থাৎ ‘a unique position’ ঠিক, আর ‘an unique position’ ভুল।
মনে রাখুন:
অনুরূপ উদাহরণ: a university, a European, a one-eyed man।
কিন্তু an hour, an honest man, কারণ এখানে h-এর উচ্চারণ হয় না।
উচ্চারণে স্বরধ্বনি দিয়ে শুরু হলে an বসে, যেমন an umbrella, an MP। - ৫০. Who wrote 'On his Blindness'?
- ক. Homer
- খ. John Milton
- গ. Shakespeare
- ঘ. P.B. Shelley
উত্তর: খ. John Milton
‘On His Blindness’ ইংরেজ কবি জন মিল্টনের (John Milton) একটি বিখ্যাত সনেট। অন্ধ হয়ে যাওয়ার পর কবি ঈশ্বরের সেবা করতে না পারার ব্যথা প্রকাশ করেছেন। শেষে তিনি এই বলে নিজেকে সান্ত্বনা দিয়েছেন যে যারা ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করে, তারাও ঈশ্বরের সেবা করে। Homer প্রাচীন গ্রিক মহাকাব্যের কবি, Shakespeare নাট্যকার এবং Shelley রোমান্টিক যুগের কবি, তাই এই সনেট তাঁদের লেখা নয়।
মনে রাখুন:
মিল্টনের বিখ্যাত মহাকাব্য Paradise Lost ও Paradise Regained।
Milton-এর আরেকটি নাট্যকাব্য Samson Agonistes।
সনেট (Sonnet) হলো ১৪ চরণের কবিতা। - ৫৫. Fill in the blank : "There are— parts of speech in English."
- ক. five
- খ. eight
- গ. seven
- ঘ. six
উত্তর: খ. eight
ইংরেজি ব্যাকরণে Parts of Speech আট প্রকার: Noun, Pronoun, Adjective, Verb, Adverb, Preposition, Conjunction ও Interjection। শব্দ বাক্যে যে কাজ করে, সেই অনুযায়ী এই ভাগ করা হয়। আটটির বেশি বা কমও কোনো কোনো বইয়ে পাওয়া যায়, তবে প্রচলিত পাঠ্যবইয়ে আটটিই ধরা হয়, তাই এখানে সঠিক উত্তর eight।
মনে রাখুন:
একই শব্দ বাক্যভেদে ভিন্ন Parts of Speech হতে পারে, যেমন ‘live’ কখনো adjective, কখনো adverb।
Noun নাম বোঝায়, আর Pronoun noun-এর বদলে বসে।
Verb কাজ বোঝায়, আর Adjective noun বা pronoun-এর গুণ বোঝায়। - ৫৭. Mark Twain was—
- ক. a English poet
- খ. an American novelist
- গ. a German poet
- ঘ. an Indian poet
উত্তর: খ. an American novelist
মার্ক টোয়েন (Mark Twain) ছিলেন একজন আমেরিকান ঔপন্যাসিক ও লেখক (১৮৩৫-১৯১০)। তাঁর আসল নাম স্যামুয়েল ল্যাংহর্ন ক্লিমেন্স। অপশন A-তে ‘a English’ ভুল, কারণ English স্বরধ্বনি দিয়ে শুরু হওয়ায় এর আগে an বসত। আর তিনি ইংরেজ বা জার্মান বা ভারতীয় কবি নন, তাই বাকি অপশনও ঠিক নয়।
মনে রাখুন:
তাঁর বিখ্যাত বই The Adventures of Tom Sawyer ও Adventures of Huckleberry Finn।
Mark Twain তাঁর ছদ্মনাম বা pen name, আসল নাম নয়।
প্রথম বইটির প্রকাশকাল ১৮৭৬ সাল। - ৫৯. Which one is the opposite word of 'cute'?
- ক. mute
- খ. fair
- গ. ugly
- ঘ. beautiful
উত্তর: গ. ugly
Cute মানে আকর্ষণীয় ও সুন্দর, বিশেষ করে ছোট বা আদুরে কিছুর ক্ষেত্রে এটি বেশি বলা হয়। এর বিপরীত শব্দ ugly, অর্থাৎ কুৎসিত। Mute মানে বোবা, fair মানে ন্যায্য বা ফর্সা, আর beautiful মানে সুন্দর, যা cute-এর কাছাকাছি অর্থের শব্দ। তাই এটি সমার্থক শব্দ, বিপরীত নয়।
মনে রাখুন:
Beautiful-এর বিপরীত শব্দও ugly।
Cute-এর সমার্থক শব্দ pretty ও lovely।
Mute শব্দের অর্থ বোবা, আর deaf শব্দের অর্থ বধির। - ৬১. Fill in the blank : He exported 500 – of jute.
- ক. bails
- খ. bells
- গ. baels
- ঘ. bales
উত্তর: ঘ. bales
Bale মানে পাট, তুলা বা কাপড়ের বড় গাঁট। বাক্যের অর্থ, সে ৫০০ গাঁট পাট রপ্তানি করেছে। পাঁচশো গাঁট বোঝাতে বহুবচন লাগে, তাই সঠিক শব্দ bales। Bail মানে জামিন, আর bell মানে ঘণ্টা। ‘baels’ বলে ইংরেজিতে কোনো শব্দ নেই।
মনে রাখুন:
Bale ও bail-এর উচ্চারণ একই, কিন্তু অর্থ সম্পূর্ণ আলাদা।
এমন একই উচ্চারণের কিন্তু ভিন্ন অর্থের শব্দকে Homophone বলে।
আরও উদাহরণ: sea ও see, right ও write। - ৭১. Give me a pen to write—.
- ক. with
- খ. in
- গ. to
- ঘ. for
উত্তর: ক. with
Pen দিয়ে লেখা হয়, তাই লেখার যন্ত্র বোঝাতে preposition with বসে। ‘Write with a pen’ মানে কলম দিয়ে লেখা। বাক্যের অর্থ, লেখার জন্য আমাকে একটি কলম দাও। In, to বা for বসালে এ অর্থ ঠিক ফোটে না, কারণ কলম এখানে লেখার উপকরণ, গন্তব্য বা উদ্দেশ্য নয়।
মনে রাখুন:
যন্ত্র বা উপকরণ বোঝাতে with, আর পরিবহনের মাধ্যম বোঝাতে by, যেমন by bus।
সুতরাং ‘write with a pen’, কিন্তু ‘go by train’।
By আবার Passive voice-এ কর্তা বোঝাতেও বসে। - ৭৩. Which of the following words is not plural?
- ক. boxes
- খ. physics
- গ. data
- ঘ. children
উত্তর: খ. physics
Physics মানে পদার্থবিদ্যা। শব্দটির শেষে s থাকলেও এটি একটি বিষয়ের নাম, তাই একবচন, এর বহুবচন নেই। Boxes হলো box-এর, data হলো datum-এর, আর children হলো child-এর বহুবচন। বাংলায় s দেখে বহুবচন ধরে নেওয়া তাই ভুল হয়। ইংরেজিতে এমন কিছু শব্দ আছে যা দেখতে বহুবচনের মতো, কিন্তু আসলে একবচন।
মনে রাখুন:
Mathematics, economics, news ও politics-ও একবচন, আর এদের সঙ্গে একবচন ক্রিয়া বসে।
Child-এর বহুবচন children এবং man-এর বহুবচন men, এগুলো অনিয়মিত রূপ।
Cattle ও police দেখতে একবচনের মতো, কিন্তু বহুবচন ক্রিয়া নেয়। - ৭৪. December 16 is a — for us.
- ক. green letter day
- খ. white letter day
- গ. orange letter day
- ঘ. red letter day
উত্তর: ঘ. red letter day
Red letter day মানে স্মরণীয় বা আনন্দের দিন। আগের দিনের পঞ্জিকায় ধর্মীয় উৎসব ও বিশেষ দিনগুলো লাল কালিতে ছাপা হতো, তা থেকেই বাগধারাটি এসেছে। আমাদের জন্য ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস, তাই এটি অবশ্যই স্মরণীয় দিন। Green, white বা orange letter day নামে ইংরেজিতে প্রচলিত কোনো বাগধারা নেই।
মনে রাখুন:
Black letter day মানে দুর্ভাগ্যের দিন।
Red letter day-এর সমার্থক হলো memorable day।
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকায় পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করে। - ৭৭. Fill in the blank : A stitch in time saves—.
- ক. five
- খ. many
- গ. a lot
- ঘ. nine
উত্তর: ঘ. nine
‘A stitch in time saves nine’ একটি প্রবাদ। সময়মতো একটি ফোঁড় দিলে ছেঁড়া বড় হওয়ার আগেই থামে এবং পরে নয়টি ফোঁড় দেওয়ার কষ্ট বাঁচে। তাই শূন্যস্থানে nine বসে। Five, many বা a lot বসালে প্রবাদটির পরিচিত রূপ নষ্ট হয়। বাংলায় এর অর্থ, সময়ের এক ফোঁড়, অসময়ের দশ ফোঁড়।
মনে রাখুন:
কাজ সময়ের কাজ সময়ে করার শিক্ষা এখানে দেওয়া হয়েছে।
আরেকটি প্রবাদ: A friend in need is a friend indeed।
আরেকটি প্রবাদ: Honesty is the best policy, যার অর্থ সততাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা। - ৭৮. Which one of the following words means the opposite of 'bold'?
- ক. modest
- খ. meek
- গ. mild
- ঘ. timid
উত্তর: ঘ. timid
Bold মানে সাহসী, আর এর বিপরীত শব্দ timid মানে ভীরু। Modest মানে বিনয়ী, meek মানে নম্র ও শান্ত, mild মানে মৃদু। এরা কেউই সাহসের সরাসরি বিপরীত নয়, কারণ নম্র বা বিনয়ী মানুষও সাহসী হতে পারেন। কিন্তু ভীরু মানুষ সাহসী হতে পারে না, তাই সরাসরি বিপরীত অর্থ timid-এরই।
মনে রাখুন:
Bold-এর সমার্থক শব্দ brave ও courageous।
Timid-এর সমার্থক শব্দ fearful ও shy।
Bold-এর আরেক অর্থ অকুতোভয়, আর এর বিশেষ্য রূপ boldness। - ৮৩. The study of religion is—আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৮৪৩৩) ২০১৯
- ক. Theology
- খ. Psychology
- গ. Philosophy
- ঘ. Astrology
উত্তর: ক. Theology
Theology মানে ধর্মতত্ত্ব, অর্থাৎ ধর্ম নিয়ে পড়াশোনা। শব্দটি Greek ‘theos’ (ঈশ্বর) থেকে এসেছে। Psychology মানে মনোবিজ্ঞান, Philosophy মানে দর্শন, আর Astrology মানে জ্যোতিষবিদ্যা। এই তিনটি বিষয় ধর্ম পাঠের চেয়ে আলাদা বিষয়।
মনে রাখুন:
Astronomy মানে জ্যোতির্বিজ্ঞান, যা Astrology থেকে আলাদা।
Sociology মানে সমাজবিজ্ঞান।
Biology মানে জীববিজ্ঞান, আর Geology মানে ভূবিজ্ঞান। - ৮৪. 'In black and white' means—
- ক. directly
- খ. in writing
- গ. verbally
- ঘ. in a simple way
উত্তর: খ. in writing
‘In black and white’ বাগধারার অর্থ লিখিতভাবে, কাগজে-কলমে। এর মূল কারণ, সাদা কাগজে কালো কালিতে লেখা থাকে। Directly মানে সরাসরি, verbally মানে মুখে মুখে। কথায় বলা আর লিখে রাখার মধ্যে পার্থক্য বোঝাতে আমরা এই বাগধারা ব্যবহার করি।
উদাহরণ: Please put your promise in black and white. (দয়া করে আপনার প্রতিশ্রুতি লিখিত আকারে দিন।)
মনে রাখুন: Verbal agreement মানে মৌখিক চুক্তি, আর written agreement মানে লিখিত চুক্তি। - ৮৯. The word 'Omnipotent' means—
- ক. almighty
- খ. important
- গ. feeble
- ঘ. very good
উত্তর: ক. almighty
Omnipotent মানে সর্বশক্তিমান, যার ক্ষমতা সীমাহীন। এর সমার্থক শব্দ almighty। Feeble মানে দুর্বল, তাই সেটি বিপরীত অর্থের শব্দ। Important মানে গুরুত্বপূর্ণ, আর very good মানে খুব ভালো। এ দুটির কোনোটিই অসীম ক্ষমতা বোঝায় না।
মনে রাখুন:
Omni- অর্থ সব। যেমন omniscient মানে সর্বজ্ঞ।
Omnipresent মানে সর্বত্র বিরাজমান।
Omnivorous মানে সর্বভুক, যেমন মানুষ ও ভালুক।
বাংলাদেশ
- ৫. বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপের নাম কী?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৫, এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৬
- ক. সন্দ্বীপ
- খ. মহেশখালী
- গ. সেন্টমার্টিন
- ঘ. হাতিয়া
উত্তর: গ. সেন্টমার্টিন
সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে, বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্ব অংশে নাফ নদীর মোহনার কাছে দ্বীপটি অবস্থিত। এর আয়তন খুবই ছোট, প্রায় ৮ বর্গকিলোমিটার। দ্বীপটিতে প্রচুর নারিকেল গাছ আছে বলে একে স্থানীয়ভাবে নারিকেল জিঞ্জিরা বলা হয়। প্রবাল (Coral) হলো সমুদ্রের ক্ষুদ্র প্রাণীর দেহাবশেষ থেকে গড়ে ওঠা শক্ত স্তর, যা উষ্ণ ও পরিষ্কার সমুদ্রের পানিতে জন্মে।
মনে রাখুন:
সন্দ্বীপ, মহেশখালী ও হাতিয়া নদীবাহিত পলি জমে গড়ে ওঠা দ্বীপ, প্রবাল দ্বীপ নয়।
বাংলাদেশের সবচেয়ে দক্ষিণের স্থলভাগ ছেঁড়াদিয়া, যা সেন্টমার্টিনের কাছেই।
সেন্টমার্টিনই বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ বলে এর জীববৈচিত্র্য খুব মূল্যবান। - ১২. মুজিবনগর কোন জেলায় অবস্থিত?
- ক. রাজশাহী
- খ. মেহেরপুর
- গ. ফরিদপুর
- ঘ. রংপুর
উত্তর: খ. মেহেরপুর
মুজিবনগর মেহেরপুর জেলায় অবস্থিত। মেহেরপুর খুলনা বিভাগের একটি জেলা। জায়গাটির আগের নাম ছিল বৈদ্যনাথতলা। ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল এখানকার ভবেরপাড়া গ্রামের আমবাগানে মুজিবনগর সরকার শপথ নেয়। এই সরকারকেই আমরা প্রবাসী সরকার বা অস্থায়ী সরকার বলি। বঙ্গবন্ধুর নামানুসারে বৈদ্যনাথতলার নাম বদলে রাখা হয় মুজিবনগর। সেদিন স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রও আনুষ্ঠানিকভাবে পাঠ করা হয়।
মনে রাখুন:
ওই সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান, উপ-রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, আর প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ। বঙ্গবন্ধু তখন পাকিস্তানের কারাগারে থাকায় সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল, আর শপথ নেয় ১৭ এপ্রিল। - ১৮. শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়—
- ক. ১৪ ডিসেম্বর
- খ. ২৬ ডিসেম্বর
- গ. ২৩ ডিসেম্বর
- ঘ. ২০ ডিসেম্বর
উত্তর: ক. ১৪ ডিসেম্বর
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ১০ থেকে ১৪ ডিসেম্বরের মধ্যে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও তাদের সহযোগীরা অনেক শিক্ষক, চিকিৎসক, সাংবাদিক ও লেখককে ধরে নিয়ে গিয়ে হত্যা করে। বিজয়ের ঠিক দুই দিন আগে, ১৪ ডিসেম্বর, সবচেয়ে বেশি বুদ্ধিজীবী হত্যা করা হয়, তাই এই দিনটি শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। উদ্দেশ্য ছিল দেশকে মেধাশূন্য করে দেওয়া, যাতে নতুন বাংলাদেশ মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে।
মনে রাখুন:
ঢাকার মিরপুর ও রায়েরবাজারে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতিসৌধ আছে।
১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস।
২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস, আর ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। - ৩১. 'শালবন বিহার' কোন জেলায় অবস্থিত?
- ক. কুমিল্লা
- খ. বগুড়া
- গ. চট্টগ্রাম
- ঘ. রাজশাহী
উত্তর: ক. কুমিল্লা
শালবন বিহার কুমিল্লা জেলার ময়নামতিতে অবস্থিত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার। এটি দেব রাজবংশের রাজা ভবদেবের সময়ে সপ্তম-অষ্টম শতকে গড়ে ওঠে বলে ধারণা করা হয়। তাই একে ভবদেব মহাবিহারও বলা হয়। কুমিল্লার ময়নামতি-লালমাই পাহাড়ি অঞ্চলে আরও অনেক প্রাচীন নিদর্শন পাওয়া গেছে, যা এ অঞ্চলের বৌদ্ধ ইতিহাসের সাক্ষী।
মনে রাখুন:
বগুড়ার মহাস্থানগড় ও নওগাঁর পাহাড়পুর বিহার (সোমপুর মহাবিহার) অন্য বিখ্যাত প্রত্নস্থান।
পাহাড়পুরের সোমপুর মহাবিহার ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় আছে।
ময়নামতির আরেকটি প্রত্নস্থান কোটিলা মুড়া। - ৪৮. শেখ মুজিবুর রহমান কোন তারিখে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৫
- ক. ১ জানুয়ারি ১৯৭২
- খ. ১০ জানুয়ারি ১৯৭২
- গ. ২৩ মার্চ ১৯৭২
- ঘ. ১৭ এপ্রিল ১৯৭২
উত্তর: খ. ১০ জানুয়ারি ১৯৭২
পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি লন্ডনে পৌঁছান। এরপর তিনি দিল্লি হয়ে ১০ জানুয়ারি ঢাকায় ফিরে আসেন। বিমানবন্দর থেকে তিনি সরাসরি তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) গিয়ে লাখো মানুষের সামনে বক্তৃতা দেন। এই কারণেই ১০ জানুয়ারি তাঁর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিন হিসেবে স্মরণীয়।
মনে রাখুন:
তাই ১০ জানুয়ারি ‘বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস’।
১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।
বঙ্গবন্ধু ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে গ্রেপ্তার হন এবং তাঁকে পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়া হয়। - ৪৯. 'শিখা চিরন্তন' কোথায় অবস্থিত?
- ক. ঢাকা সেনানিবাস
- খ. সোহরাওয়ার্দী উদ্যান
- গ. কালুরঘাট
- ঘ. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর: খ. সোহরাওয়ার্দী উদ্যান
‘শিখা চিরন্তন’ ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অবস্থিত। এই উদ্যানের যে জায়গায় ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন এবং ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল, তারই পাশে স্বাধীনতা স্তম্ভের সঙ্গে এই স্মারক। ‘চিরন্তন’ মানে চিরকালীন, তাই শিখা চিরন্তনের অর্থ চিরকাল জ্বলতে থাকা শিখা। মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মৃতি এভাবে সবসময় জাগিয়ে রাখা হয়েছে।
মনে রাখুন:
ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনীর শহীদদের জন্য আলাদা স্মারক আছে, যার নাম ‘শিখা অনির্বাণ’। নাম দুটি গুলিয়ে ফেললে চলবে না।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যান আগে রেসকোর্স ময়দান নামে পরিচিত ছিল।
সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের জন্য নির্মিত আরেকটি বড় স্মারক। - ৬০. বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ সন্তানের নাম কী?
- ক. শেখ কামাল
- খ. শেখ রাসেল
- গ. শেখ হাসিনা
- ঘ. শেখ রেহানা
উত্তর: খ. শেখ রাসেল
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ সন্তান শেখ রাসেল, যিনি ১৯৬৪ সালে জন্মেছিলেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকেরা পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে ছোট্ট রাসেলকেও হত্যা করে। তাঁর বড় দুই বোন শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা তখন বিদেশে থাকায় বেঁচে যান। অপশনের মধ্যে শেখ কামাল ছিলেন বঙ্গবন্ধুর বড় ছেলে, তাই কনিষ্ঠ নন।
মনে রাখুন:
বঙ্গবন্ধুর পাঁচ সন্তান: হাসিনা, কামাল, জামাল, রেহানা ও রাসেল।
বঙ্গবন্ধুর স্ত্রীর নাম শেখ ফজিলাতুননেছা মুজিব।
১৫ আগস্ট ১৯৭৫ সালের এই ঘটনা জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পরিচিত। - ৭৫. বাংলাদেশের কোন চলচ্চিত্রটি ২০১৬ সালের জন্য শ্রেষ্ঠ বলে মনোনীত হয়েছে?
- ক. অজ্ঞাতনামা
- খ. আয়নাবাজি
- গ. অস্তিত্ব
- ঘ. শঙ্খচিল
উত্তর: ক. অজ্ঞাতনামা
২০১৬ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ঘোষণা করা হয় ২০১৮ সালের এপ্রিলে। সেবার শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্বাচিত হয় তৌকীর আহমেদ পরিচালিত ‘অজ্ঞাতনামা’। সবচেয়ে বেশি শাখায় পুরস্কার পায় ‘আয়নাবাজি’। এই কারণে প্রশ্নে ‘শ্রেষ্ঠ’ শব্দটি দেখলে আমরা আয়নাবাজিকে ভুল করে বেছে নিতে পারি, অথচ সর্বাধিক পুরস্কার পাওয়া আর শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্বাচিত হওয়া এক জিনিস নয়।
মনে রাখুন:
১৯৭৫ সাল থেকে সরকার প্রতিবছর জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার দিয়ে আসছে।
‘আয়নাবাজি’ পরিচালনা করেন অমিতাভ রেজা চৌধুরী।
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করে তথ্য মন্ত্রণালয়। - ৮৭. বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট বাংলাদেশ-১ সফলভাবে কক্ষপথে যাত্রা করে—
- ক. ১০ মে ২০১৮
- খ. ১১ মে ২০১৮
- গ. ১২ মে ২০১৮
- ঘ. ১৩ মে ২০১৮
উত্তর: খ. ১১ মে ২০১৮
বাংলাদেশের প্রথম ভূ-স্থির যোগাযোগ উপগ্রহ ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’ ২০১৮ সালের ১১ মে (বাংলাদেশে ১২ মে ভোরে) যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে কক্ষপথে পাঠানো হয়। স্পেসএক্সের ফ্যালকন-৯ রকেট এটি বহন করে। এর ফলে বাংলাদেশ স্যাটেলাইটধারী ৫৭তম দেশ হয়। প্রশ্নে তারিখ ১১ মে, কারণ উৎক্ষেপণের স্থানীয় তারিখই ধরা হয়।
মনে রাখুন:
কক্ষপথে বাংলাদেশের জন্য নির্ধারিত স্থান ১১৯.১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশ।
উপগ্রহটি নিয়ন্ত্রণ হয় গাজীপুর ও বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র থেকে।
উপগ্রহ পরিচালনার দায়িত্বে বাংলাদেশ কমিউনিকেশনস স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (BCSCL)। - ৯৫. 'সাফারি পার্ক' কী জাতীয় পার্ক?
- ক. ফুলের বাগান
- খ. পাখি পালনের স্থান
- গ. বিরাট উদ্যান
- ঘ. জীবজন্তুর অভয়ারণ্য
উত্তর: ঘ. জীবজন্তুর অভয়ারণ্য
সাফারি পার্ক এমন এক ধরনের বনভূমি, যেখানে বন্য জীবজন্তু খোলা পরিবেশে ঘুরে বেড়ায় আর দর্শকেরা গাড়িতে চড়ে তাদের দেখেন। তাই একে জীবজন্তুর অভয়ারণ্য বলা যায়। ফুলের বাগান বা পাখি পালনের জায়গা এর অর্থ নয়। আর ‘বিরাট উদ্যান’ খুব সাধারণ বর্ণনা, জীবজন্তুর কথা সেখানে নেই, তাই সেটিও সঠিক উত্তর হতে পারে না।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশের প্রথম সাফারি পার্ক কক্সবাজারের চকরিয়ার ডুলাহাজারায়।
গাজীপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাফারি পার্কও আছে।
সাফারি শব্দটি এসেছে সোয়াহিলি ভাষা থেকে, যার অর্থ যাত্রা। - ৯৭. চাকমা উপজাতিরা প্রধানত কোন ধর্মাবলম্বী?
- ক. বৌদ্ধ ধর্ম
- খ. হিন্দু ধর্ম
- গ. খ্রিষ্ট ধর্ম
- ঘ. প্রকৃতিপূজারি
উত্তর: ক. বৌদ্ধ ধর্ম
চাকমারা বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় আদিবাসী জনগোষ্ঠী, আর তাদের বেশির ভাগই থেরবাদ বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী। পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় (রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান) তাদের বসবাস। বৌদ্ধ পূর্ণিমার পাশাপাশি তাদের প্রধান সামাজিক উৎসব বিজু। অন্য ধর্মের অনুসারীও থাকতে পারেন, তবে চাকমা সমাজের পরিচয় মূলত বৌদ্ধ ধর্মের সঙ্গেই জড়িত।
মনে রাখুন:
বিজু উৎসবে চৈত্র সংক্রান্তি ও নববর্ষ উদ্যাপন করা হয়।
মারমাদের নববর্ষ উৎসব সাংগ্রাই, আর ত্রিপুরাদের বৈসু।
পার্বত্য চট্টগ্রামের বড় তিনটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরা।
বিজ্ঞান
- ৩৫. মানুষের হৃৎপিণ্ডে কয়টি প্রকোষ্ঠ থাকে?
- ক. ২টি
- খ. ৩টি
- গ. ৪টি
- ঘ. অসংখ্য
উত্তর: গ. ৪টি
মানুষের হৃৎপিণ্ড চারটি প্রকোষ্ঠে বিভক্ত। ওপরের দুটিকে অলিন্দ (Atrium) বলে, নিচের দুটিকে নিলয় (Ventricle) বলে। ডান অলিন্দ ও ডান নিলয়ে অক্সিজেনবিহীন রক্ত থাকে, আর বাম অলিন্দ ও বাম নিলয়ে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত থাকে। মাঝখানের পর্দা এই দুই ধরনের রক্তকে মিশতে দেয় না। ফলে শরীরের জন্য বিশুদ্ধ রক্ত আলাদা থাকে।
মনে রাখুন:
ব্যাঙের হৃৎপিণ্ডে ৩টি প্রকোষ্ঠ থাকে, আর মাছের হৃৎপিণ্ডে থাকে ২টি।
মানুষের হৃৎপিণ্ড বুকের বাম দিকে একটু হেলে থাকে।
হৃৎপিণ্ডের ধমনি রক্ত বহন করে হৃৎপিণ্ড থেকে দেহে, আর শিরা রক্ত নিয়ে আসে দেহ থেকে হৃৎপিণ্ডে। ব্যতিক্রম ফুসফুসীয় ধমনি ও শিরা। - ৪৪. খাবার সোডার সংকেত কোনটি?
- ক. Na₂CO₃
- খ. NaHCO₃
- গ. HCl
- ঘ. ZnSO₄
উত্তর: খ. NaHCO₃
খাবার সোডার রাসায়নিক নাম সোডিয়াম বাইকার্বনেট, আর এর সংকেত NaHCO₃। কেক বা পাউরুটি ফোলাতে এটি ব্যবহার করা হয়, কারণ গরম করলে এটি কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস ছাড়ে এবং সেই গ্যাসের বুদবুদে খাবার ফুলে ওঠে। Na₂CO₃ হলো সোডিয়াম কার্বনেট, যাকে কাপড় কাচার সোডা বা সোডা অ্যাশ বলে। এ দুটির নাম ও সংকেত গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়।
মনে রাখুন:
HCl হাইড্রোক্লোরিক এসিড, আর ZnSO₄ জিংক সালফেট নামের লবণ।
খাবার লবণের সংকেত NaCl।
কস্টিক সোডার সংকেত NaOH। - ৫৪. এক অণু সালফিউরিক এসিডে কতটি পরমাণু আছে?
- ক. ৩
- খ. ৫
- গ. ৭
- ঘ. ৯
উত্তর: গ. ৭
সালফিউরিক এসিডের সংকেত H₂SO₄। এক অণুতে হাইড্রোজেন (H) পরমাণু 2টি, সালফার (S) পরমাণু 1টি এবং অক্সিজেন (O) পরমাণু 4টি থাকে। মোট পরমাণু 2 + 1 + 4 = 7টি। সংকেতে যে মৌলের পাশে কোনো সংখ্যা লেখা থাকে না, সেই মৌলের পরমাণু একটিই ধরতে হয়, যেমন এখানে সালফার।
মনে রাখুন:
সংকেতে মৌলের পাশে নিচের ছোট সংখ্যাই সেই মৌলের পরমাণুর সংখ্যা জানায়।
পানির সংকেত H₂O, তাই এক অণুতে 3টি পরমাণু থাকে।
কার্বন ডাই-অক্সাইডের সংকেত CO₂, তাই এক অণুতে 3টি পরমাণু থাকে। - ৬৫. ১৮ কেজি ভরের বস্তুর ওজন চাঁদে কত নিউটন হবে?
- ক. ১৯.৮
- খ. ২৯.৮
- গ. ৩৯.৮
- ঘ. ৮৯.৮
উত্তর: খ. ২৯.৮
কোনো বস্তুর ভর সবজায়গায় একই থাকে, কিন্তু ওজন বদলায়, কারণ ওজন = ভর × অভিকর্ষজ ত্বরণ। চাঁদে অভিকর্ষ পৃথিবীর প্রায় 1/6 ভাগ। তাই চাঁদে ওজন = 18 × (9.8/6) ≈ 29.4 নিউটন। অপশনের মধ্যে সবচেয়ে কাছের মান 29.8, তাই সেটি সঠিক উত্তর। বাকি অপশন হিসাব থেকে অনেক দূরে। পৃথিবীতে একই বস্তুর ওজন হতো 18 × 9.8 = 176.4 নিউটন।
মনে রাখুন:
ভর মাপা হয় কিলোগ্রামে, ওজন মাপা হয় নিউটনে।
চাঁদে ওজন পৃথিবীর প্রায় ছয় ভাগের এক ভাগ।
ভর স্কেলার রাশি, আর ওজন বল বলে ভেক্টর রাশি। - ৬৭. বিভিন্ন রোগ নিরাময়ে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
- ক. প্রোটন
- খ. ইলেকট্রন
- গ. নিউট্রন
- ঘ. আইসোটোপ
উত্তর: ঘ. আইসোটোপ
আইসোটোপ (Isotope) হলো একই মৌলের এমন পরমাণু, যাদের প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা আলাদা। এদের কিছু তেজস্ক্রিয়, আর সেই বিকিরণ চিকিৎসায় কাজে লাগে। যেমন কোবাল্ট-60 ক্যান্সার চিকিৎসায় এবং আয়োডিন-131 থাইরয়েড রোগ নিরাময়ে ব্যবহার হয়। প্রোটন, ইলেকট্রন ও নিউট্রন পরমাণুর মৌলিক কণা, কিন্তু রোগ নিরাময়ে সরাসরি এদের ব্যবহার হয় না।
মনে রাখুন:
কার্বন-14 দিয়ে প্রাচীন জিনিসের বয়স নির্ণয় করা হয়, আর ইউরেনিয়াম-235 পারমাণবিক চুল্লিতে জ্বালানি।
হাইড্রোজেনের তিনটি আইসোটোপ: প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম ও ট্রিটিয়াম।
আইসোটোপের রাসায়নিক ধর্ম এক, কিন্তু ভৌত ধর্ম আলাদা। - ৭২. ২৫০ মি.লি. আয়তনের পানির ওজন কত কেজি?
- ক. ২৫০
- খ. ০.২৫
- গ. ২.৫০
- ঘ. ২৫.০০
উত্তর: খ. ০.২৫
পানির ঘনত্ব প্রায় 1 গ্রাম প্রতি মিলিলিটার, অর্থাৎ 1000 মি.লি. (এক লিটার) পানির ওজন 1 কেজি। তাই 250 মি.লি. পানির ওজন 250/1000 = 0.25 কেজি, অর্থাৎ এক কেজির এক-চতুর্থাংশ। অপশনের ২৫০ আসলে গ্রাম হতো, কেজি নয়।
মনে রাখুন:
1 মি.লি. পানির ভর 1 গ্রাম, এবং এ হিসাব 4°C তাপমাত্রায় সবচেয়ে ঠিক।
1 কেজি = 1000 গ্রাম।
1 লিটার = 1000 মি.লি.। - ৭৬. কোন মৌলিক ধাতু সাধারণ তাপমাত্রায় তরল থাকে?
- ক. পারদ
- খ. লৌহ
- গ. সোডিয়াম
- ঘ. তামা
উত্তর: ক. পারদ
পারদ (Mercury, সংকেত Hg) একমাত্র ধাতু, যা সাধারণ তাপমাত্রায় তরল থাকে। তাই থার্মোমিটার ও ব্যারোমিটারে এটি ব্যবহার করা হয়। লোহা, সোডিয়াম ও তামা সাধারণ তাপমাত্রায় কঠিন। অন্য ধাতুর গলনাঙ্ক সাধারণত অনেক বেশি, কিন্তু পারদের গলনাঙ্ক প্রায় −39°C, তাই ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় এটি গলিত অবস্থাতেই থাকে।
মনে রাখুন:
অধাতু বা অধাতব মৌলের মধ্যে ব্রোমিন সাধারণ তাপমাত্রায় তরল।
পারদ বিষাক্ত, তাই এর ব্যবহার সতর্কতার সঙ্গে করতে হয়।
গ্যালিয়াম ও সিজিয়াম ধাতু ঘরের তাপমাত্রার কাছাকাছি, প্রায় 30°C তাপমাত্রায় গলে যায়। - ৯০. আলো প্রতি সেকেন্ডে ৩ লক্ষ কিলোমিটার যায়। ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ডে কত কোটি কিলোমিটার যাবে?
- ক. ১২
- খ. ১৩
- গ. ১৪
- ঘ. ১৫
উত্তর: ঘ. ১৫
আলো প্রতি সেকেন্ডে 3,00,000 কিমি যায়। 8 মিনিট 20 সেকেন্ড = 8 × 60 + 20 = 500 সেকেন্ড। তাই দূরত্ব = 500 × 3,00,000 = 15,00,00,000 কিমি, অর্থাৎ ১৫ কোটি কিমি। এখানে সময়কে আগে সেকেন্ডে রূপান্তর করা জরুরি, কারণ আলোর গতি সেকেন্ডের হিসাবে দেওয়া আছে।
মনে রাখুন:
সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে প্রায় এই সময়ই লাগে, তাই পৃথিবী ও সূর্যের গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিমি।
আলোর গতি প্রায় 3 × 10⁸ মিটার প্রতি সেকেন্ড।
দূরত্ব = গতি × সময়।
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিদ্যুৎ বিভাগ বিদ্যুৎ পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন