পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ১৩ জানুয়ারি ২০১৭। ১০০টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →বাংলা
- ১. 'চর্যাপদ' কোথা থেকে আবিষ্কার করা হয়?
- ক. শ্রীলঙ্কা
- খ. পশ্চিমবঙ্গ
- গ. ভুটান
- ঘ. নেপাল
উত্তর: ঘ. নেপাল
চর্যাপদ বাংলা ভাষার সবচেয়ে পুরোনো নিদর্শন। এটি বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের লেখা গান ও দোহার সংকলন। ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এর পুঁথি খুঁজে পান। পুঁথিটির নাম ছিল ‘চর্যাচর্যবিনিশ্চয়’। এরপর ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি ‘হাজার বছরের পুরান বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা’ নামে ছাপা হয়।
মনে রাখুন:
চর্যাপদের আদি কবি লুইপা।
সবচেয়ে বেশি পদ লিখেছেন কাহ্নপা।
পদকর্তা ২৩ জন, মতান্তরে ২৪ জন।
অন্য কয়েকজন পদকর্তা: শবরপা, ভুসুকুপা, কুক্কুরীপা।
প্রাচীন যুগের এই একমাত্র নিদর্শনের পরে মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ আবিষ্কার করেন বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ, ১৯০৯ সালে পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার এক গ্রামের গোয়ালঘর থেকে। - ২. খনার বচন কী সংক্রান্ত?
- ক. ব্যবসায়
- খ. কৃষি
- গ. রাজনীতি
- ঘ. শিল্প
উত্তর: খ. কৃষি
খনার বচন হলো ছোট ছোট ছড়ার মতো কথা, যার মধ্যে চাষবাস ও আবহাওয়া সম্পর্কে মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ধরা আছে। কোন সময়ে কোন ফসল বুনলে ভালো হয়, কোন গাছ কীভাবে লাগাতে হয়, কিংবা আকাশের লক্ষণ দেখে কী বোঝা যায়, এসব কথাই এখানে আছে। তাই এগুলো কৃষি সংক্রান্ত, ব্যবসা, রাজনীতি বা শিল্প সংক্রান্ত নয়।
উদাহরণ: কলা রুয়ে না কেটো পাত, তাতেই কাপড় তাতেই ভাত।
মনে রাখুন:
ডাক ও খনার বচনকে বাংলা সাহিত্যের আদি যুগের সৃষ্টি ধরা হয়।
এগুলো মুখে মুখে চলে এসেছে, তাই লিখিত আদি পুঁথি পাওয়া যায় না।
ডাকের বচনেও কৃষি ও গৃহস্থালির নানা উপদেশ আছে। - ৩. 'ব্রজবুলি' একটি–
- ক. কাব্য
- খ. নাটক
- গ. গীতিকা
- ঘ. ভাষা
উত্তর: ঘ. ভাষা
ব্রজবুলি কোনো কাব্য, নাটক বা গীতিকা নয়, এটি একটি কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা। বাংলা ও মৈথিলি ভাষার মিশ্রণে এই ভাষা তৈরি হয়েছিল এবং এটি মুখের ভাষা ছিল না, কেবল কবিতা লেখার কাজেই ব্যবহৃত হতো। বৈষ্ণব পদাবলীর অনেক পদ এই ভাষায় লেখা।
মনে রাখুন:
ব্রজবুলির প্রথম কবি বিদ্যাপতি।
পরে গোবিন্দদাস ও জ্ঞানদাসও এই ভাষায় পদ লিখেছেন।
রবীন্দ্রনাথ কিশোর বয়সে ‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী’ এই ভাষাতেই লিখেছিলেন।
গীতিকার বিখ্যাত উদাহরণ ‘ময়মনসিংহ গীতিকা’, যেটি সংগ্রহ করেছেন চন্দ্রকুমার দে। - ৪. 'মর্সিয়া' শব্দের উৎস ভাষা–
- ক. আরবি
- খ. ফারসি
- গ. উর্দু
- ঘ. তুর্কি
উত্তর: ক. আরবি
‘মর্সিয়া’ শব্দটি আরবি ভাষা থেকে এসেছে। কারবালার প্রান্তরে ইমাম হোসাইনের শহীদ হওয়ার শোকের কাহিনি নিয়ে লেখা বিষাদগীতিকে মর্সিয়া বলা হয়। এই ধারা আরবি-ফারসি সাহিত্য হয়ে আমাদের ভাষায় এসেছে। উর্দু সাহিত্যেও মর্সিয়ার বড় একটি ঐতিহ্য আছে, তবে শব্দটির মূল উৎস আরবি।
মনে রাখুন:
আরবি শব্দ: হালাল, হারাম, গোসল, আদালত, উকিল, কলম, নগদ, খাজনা, দলিল।
মর্সিয়া সাহিত্যের বিখ্যাত বাংলা গ্রন্থ মীর মশাররফ হোসেনের ‘বিষাদ-সিন্ধু’।
মীর মশাররফ হোসেনের আরেকটি পরিচিত রচনা নাটক ‘জমীদার দর্পণ’। - ৫. কোন গ্রন্থটি আলাওল রচিত?
- ক. তোহফা
- খ. নূরনামা
- গ. ইউসূফ-জোলেখা
- ঘ. মধুমালতী
উত্তর: ক. তোহফা
আলাওল সতেরো শতকের কবি, যিনি আরাকান রাজসভায় থেকে কাব্য লিখেছেন। ‘তোহফা’ তাঁর রচিত একটি কাব্য, যেটি ধর্মীয় ও নীতিকথামূলক বিষয় নিয়ে লেখা। বাকি তিনটি গ্রন্থ অন্য কবিদের। ‘ইউসুফ-জোলেখা’ শাহ মুহম্মদ সগীরের, ‘মধুমালতী’ মুহম্মদ কবীরের, আর ‘নূরনামা’ আবদুল হাকিমের রচনা। অনেকে ভুল করে নামের মিল দেখে এগুলোকে আলাওলের ভাবেন।
মনে রাখুন:
আলাওলের সবচেয়ে বিখ্যাত কাব্য ‘পদ্মাবতী’, যেটি মালিক মুহম্মদ জায়সীর হিন্দি কাব্য ‘পদুমাবৎ’ অবলম্বনে লেখা।
তাঁর অন্যান্য রচনা: সয়ফুলমুলুক-বদিউজ্জামাল, হপ্তপয়কর, সিকান্দারনামা। - ৬. 'বত্রিশ সিংহাসন'-এর রচয়িতা কে?
- ক. মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
- খ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- গ. রামরাম বসু
- ঘ. রাজীবলোচন মুখোপাধ্যায়
উত্তর: ক. মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
‘বত্রিশ সিংহাসন’ সংস্কৃত কাহিনি অবলম্বনে লেখা একটি গদ্যগ্রন্থ। এর লেখক মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার, যিনি কলকাতার ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিত ছিলেন। ১৮০০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই কলেজের পণ্ডিতদের হাতেই বাংলা গদ্যের প্রথম নিয়মিত চর্চা শুরু হয়। কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান ছিলেন উইলিয়াম কেরি।
মনে রাখুন:
মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের অন্য রচনা: হিতোপদেশ, রাজাবলি, প্রবোধচন্দ্রিকা।
রামরাম বসুর রচনা: রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র।
রাজীবলোচন মুখোপাধ্যায়ের রচনা: মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র রায়স্য চরিত্রং।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিত ছিলেন না, তিনি পরে বাংলা গদ্যকে সুন্দর ও সুশৃঙ্খল রূপ দেন। - ৭. বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষায় রচিত প্রথম গ্রন্থ–
- ক. নারীর মূল্য
- খ. রায়তের কথা
- গ. তেল নুন লাকড়ী
- ঘ. বীরবলের হালখাতা
উত্তর: ঘ. বীরবলের হালখাতা
প্রমথ চৌধুরী ‘বীরবল’ ছদ্মনামে লিখতেন এবং তিনিই বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষারীতির প্রবর্তক। তাঁর সম্পাদিত ‘সবুজপত্র’ পত্রিকা (১৯১৪) এই রীতিকে জনপ্রিয় করে তোলে। তাঁর প্রবন্ধগ্রন্থ ‘বীরবলের হালখাতা’ চলিত ভাষায় লেখা প্রথম গ্রন্থ হিসেবে ধরা হয়। সাধু ভাষার গাম্ভীর্য ছেড়ে মুখের ভাষায় সাহিত্য লেখা যায়, এই বিশ্বাস থেকেই তিনি এ কাজ করেছিলেন।
মনে রাখুন:
‘নারীর মূল্য’ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রবন্ধ।
‘রায়তের কথা’ প্রমথ চৌধুরীর রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক প্রবন্ধ।
প্রমথ চৌধুরীর গল্পগ্রন্থ ‘চার-ইয়ারী কথা’।
রবীন্দ্রনাথও পরে ‘সবুজপত্র’-এ লিখে চলিত রীতি গ্রহণ করেন। - ৮. 'পরশুরাম' কার ছদ্মনাম?
- ক. কালিপ্রসন্ন সিংহ
- খ. রাজশেখর বসু
- গ. সমরেশ বসু
- ঘ. বিমল ঘোষ
উত্তর: খ. রাজশেখর বসু
রাজশেখর বসু সাহিত্যে ‘পরশুরাম’ ছদ্মনামে লিখতেন। তিনি ব্যঙ্গ ও হাস্যরসাত্মক গল্পের জন্য বিখ্যাত। তাঁর গল্পগ্রন্থের মধ্যে ‘গড্ডলিকা’, ‘কজ্জলী’ ও ‘হনুমানের স্বপ্ন’ উল্লেখযোগ্য। পেশায় তিনি রসায়নবিদ ছিলেন, আবার ‘চলন্তিকা’ নামে একটি বাংলা অভিধানও রচনা করেছেন।
মনে রাখুন:
কালীপ্রসন্ন সিংহের ছদ্মনাম হুতোম পেঁচা। এই নামে তিনি ‘হুতোম প্যাঁচার নকশা’ লিখেছেন।
সমরেশ বসুর ছদ্মনাম কালকূট।
বিমল ঘোষের ছদ্মনাম মৌমাছি।
প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম বীরবল। - ৯. বাংলা কাব্যে 'ভোরের পাখি' বলা হয়–
- ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. কায়কোবাদ
- গ. বিহারীলাল চক্রবর্তী
- ঘ. মোহিতলাল মজুমদার
উত্তর: গ. বিহারীলাল চক্রবর্তী
বিহারীলাল চক্রবর্তী বাংলা গীতিকবিতার পথিকৃৎ। তাঁর কবিতায় প্রথম কবির নিজের অনুভূতি সহজ সুরে ফুটে ওঠে, তাই রবীন্দ্রনাথ তাঁকে ‘ভোরের পাখি’ বলেছেন। ভোরে যেমন পাখি সবার আগে ডেকে ওঠে, তেমনই আধুনিক গীতিকবিতার সুর তিনিই আগে ধরেছিলেন। রবীন্দ্রনাথ নিজেও তাঁর কবিতার দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত হয়েছিলেন।
মনে রাখুন:
বিহারীলালের সবচেয়ে বিখ্যাত কাব্য ‘সারদামঙ্গল’ (১৮৭৯)।
তাঁর অন্যান্য কাব্য: বঙ্গসুন্দরী, নিসর্গসন্দর্শন, সাধের আসন।
কায়কোবাদ ‘মহাশ্মশান’ মহাকাব্যের রচয়িতা। - ১০. 'তত্ত্ববোধিনী' পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?
- ক. রাজা রামমোহন রায়
- খ. প্রমথ চৌধুরী
- গ. অক্ষয়কুমার দত্ত
- ঘ. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
উত্তর: গ. অক্ষয়কুমার দত্ত
‘তত্ত্ববোধিনী’ পত্রিকা ১৮৪৩ সালে প্রকাশিত হয়। এর প্রকাশক ছিলেন দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর, আর প্রথম সম্পাদক ছিলেন অক্ষয়কুমার দত্ত। এই পত্রিকায় বিজ্ঞান, নীতি ও সমাজ নিয়ে যুক্তিনির্ভর লেখা ছাপা হতো, ফলে বাংলা গদ্য আরও পরিণত হয়। অক্ষয়কুমার দত্ত নিজেও সহজ ভাষায় বিজ্ঞানের বিষয় লিখে বাংলা গদ্যকে সমৃদ্ধ করেছেন।
মনে রাখুন:
রামমোহন রায়ের পত্রিকা ‘ব্রাহ্মণ সেবধি’ (১৮২১)।
প্রমথ চৌধুরীর পত্রিকা ‘সবুজপত্র’ (১৯১৪)।
বাংলা ভাষার প্রথম সংবাদপত্র ‘সমাচার দর্পণ’ (১৮১৮), সম্পাদক জোশুয়া মার্শম্যান। - ১১. কোনটি জসীমউদ্দীনের কাব্য নয়?
- ক. মানসী
- খ. মাটির কান্না
- গ. এক পয়সার বাঁশি
- ঘ. রাখালী
উত্তর: ক. মানসী
জসীমউদ্দীন পল্লিকবি নামে পরিচিত। তাঁর কাব্য ‘রাখালী’, ‘মাটির কান্না’ ও ‘নকশী কাঁথার মাঠ’। ‘এক পয়সার বাঁশি’ তাঁর শিশুতোষ রচনা। অন্যদিকে ‘মানসী’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ, তাই এটি জসীমউদ্দীনের রচনা নয়। পল্লিজীবনের সুখ-দুঃখ, মাঠ, নদী ও মানুষের কথা তাঁর কবিতার প্রধান বিষয়।
মনে রাখুন:
‘নকশী কাঁথার মাঠ’ ১৯২৯ সালে প্রকাশিত।
জসীমউদ্দীনের কাব্য ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’ এবং ‘বালুচর’।
তাঁর একমাত্র উপন্যাস ‘বোবা কাহিনী’।
তাঁর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ‘জীবনকথা’। - ১২. কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য কত বছর বয়সে মারা যান?
- ক. ১৮
- খ. ১৯
- গ. ২০
- ঘ. ২১
উত্তর: ঘ. ২১
সুকান্ত ভট্টাচার্য ১৯২৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৪৭ সালে যক্ষ্মা রোগে মারা যান। জন্ম ও মৃত্যুর সাল ধরে হিসাব করলে তাঁর বয়স হয় ২১ বছর। এত অল্প বয়সেই তিনি বাংলা কবিতায় নিজের জায়গা করে নিয়েছিলেন, তাই তাঁকে ‘কিশোর কবি’ বলা হয়। তিনি শ্রমজীবী মানুষ ও শোষিতের পক্ষে কবিতা লিখেছেন।
মনে রাখুন:
সুকান্তের কাব্য: ছাড়পত্র, ঘুম নেই, পূর্বাভাস, অভিযান ও হরতাল।
তাঁর বিখ্যাত কবিতা ‘রানার’ ও ‘হে মহাজীবন’ আমরা প্রায়ই পড়ি।
সুকান্তের ‘ছাড়পত্র’ কাব্যগ্রন্থটি তাঁর মৃত্যুর পরে ১৯৪৭ সালে প্রকাশিত হয়। - ১৩. কোন কাব্যগ্রন্থের জন্য রবীন্দ্রনাথ নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
- ক. সোনারতরী
- খ. বলাকা
- গ. গীতালি
- ঘ. গীতাঞ্জলি
উত্তর: ঘ. গীতাঞ্জলি
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যের ইংরেজি অনুবাদ ‘Song Offerings’-এর জন্য ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কার পান। ইংরেজি সংকলনের ভূমিকা লিখেছিলেন কবি ডব্লিউ. বি. ইয়েটস। এর মাধ্যমে তিনি প্রথম এশীয় হিসেবে নোবেল পুরস্কার পান। মজার ব্যাপার হলো, নোবেল পাওয়া বইটি মূল বাংলা ‘গীতাঞ্জলি’ থেকে একটু আলাদা, কারণ ইংরেজি সংকলনে অন্য কাব্য থেকেও কিছু কবিতা নেওয়া হয়েছিল।
মনে রাখুন:
মূল বাংলা ‘গীতাঞ্জলি’ প্রকাশিত হয় ১৯১০ সালে।
পুরস্কারটি সাহিত্য বিভাগে পাওয়া।
১৯১৫ সালে ব্রিটিশ সরকার তাঁকে ‘নাইট’ উপাধি দেয়, আর ১৯১৯ সালে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তিনি তা ত্যাগ করেন। - ১৪. বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস কোনটি?
- ক. দুর্গেশনন্দিনী
- খ. চোখের বালি
- গ. পথের দাবী
- ঘ. আলালের ঘরের দুলাল
উত্তর: ক. দুর্গেশনন্দিনী
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘দুর্গেশনন্দিনী’ (১৮৬৫) বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস। এর আগে প্যারীচাঁদ মিত্রের ‘আলালের ঘরের দুলাল’ (১৮৫৮) লেখা হলেও সেটিকে পুরোপুরি উপন্যাসের রূপ পাওয়া রচনা ধরা হয় না, কারণ এর কাহিনি ও চরিত্র তেমন পরিণত নয়। বঙ্কিমের হাতেই বাংলা উপন্যাস প্রথম গল্পের গাঁথুনি, চরিত্র ও ভাষার দিক থেকে সম্পূর্ণ রূপ পায়।
মনে রাখুন:
‘আলালের ঘরের দুলাল’ লেখা হয়েছিল ‘টেকচাঁদ ঠাকুর’ ছদ্মনামে।
‘চোখের বালি’ (১৯০৩) রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস।
‘পথের দাবী’ (১৯২৬) শরৎচন্দ্রের উপন্যাস।
বাংলা ভাষায় প্রথম মুদ্রিত উপন্যাসধর্মী গ্রন্থ হিসেবে হ্যানা ক্যাথারিন মুলেন্সের ‘ফুলমণি ও করুণার বিবরণ’ (১৮৫২)-এর নামও ধরা হয়। - ১৫. কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের রচনা?
- ক. শিশু ভোলানাথ
- খ. রুদ্রমঙ্গল
- গ. বালুচর
- ঘ. লীলাবতী
উত্তর: খ. রুদ্রমঙ্গল
‘রুদ্রমঙ্গল’ কাজী নজরুল ইসলামের প্রবন্ধগ্রন্থ। বাকি রচনাগুলো অন্য লেখকের। ‘শিশু ভোলানাথ’ রবীন্দ্রনাথের শিশুতোষ কবিতার বই, ‘বালুচর’ জসীমউদ্দীনের কাব্য, আর ‘লীলাবতী’ দীনবন্ধু মিত্রের নাটক। নজরুল কবিতার মতো প্রবন্ধেও দেশপ্রেম, স্বাধীনতা ও অন্যায়ের প্রতিবাদের কথা জোরালোভাবে লিখেছেন।
মনে রাখুন:
নজরুলের প্রবন্ধগ্রন্থ: যুগবাণী, দুর্দিনের যাত্রী, রাজবন্দীর জবানবন্দী ও রুদ্রমঙ্গল।
তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নিবীণা’ (১৯২২)।
তাঁর অন্যান্য কাব্য: বিষের বাঁশি, দোলনচাঁপা, সাম্যবাদী, সর্বহারা। - ১৬. শুদ্ধ বানান কোনটি?
- ক. মূর্ধন্য
- খ. মূর্ধণ
- গ. মুর্ধণ্য
- ঘ. মুর্ধন্য
উত্তর: ক. মূর্ধন্য
‘মূর্ধন্য’ শব্দটি এসেছে ‘মূর্ধা’ থেকে, যার অর্থ তালুর উপরের শক্ত অংশ বা মাথার তালু। জিবের ডগা উল্টে মূর্ধার কাছে নিয়ে গিয়ে যে ধ্বনি উচ্চারণ করা হয়, তাকে মূর্ধন্য ধ্বনি বলে। তাই বানানে ‘মূর্ধ’ দীর্ঘ ঊ-কার (ূ) দিয়ে লিখতে হয়, আর শেষে ‘ন্য’ হয়, ‘ণ’ হয় না।
মনে রাখুন:
ট, ঠ, ড, ঢ, ণ এই বর্ণগুলোকে মূর্ধন্য বর্ণ বলা হয়।
দীর্ঘ ঊ-কার দিয়ে লেখা আরও কিছু শব্দ: মূর্খ, মূর্ছা, মূর্তি। - ১৭. কোনটি নাসিক্য ধ্বনি?
- ক. জ
- খ. ম
- গ. ল
- ঘ. প
উত্তর: খ. ম
যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় মুখের সঙ্গে নাক দিয়েও বাতাস বের হয়, তাকে নাসিক্য ধ্বনি (Nasal sound) বলে। বাংলায় নাসিক্য ধ্বনি পাঁচটি: ঙ, ঞ, ণ, ন, ম। তাই দেওয়া বর্ণগুলোর মধ্যে ‘ম’ নাসিক্য ধ্বনি। ‘ম’ উচ্চারণের সময় দুই ঠোঁট একসঙ্গে লাগে, তাই একে ওষ্ঠ্য নাসিক্য ধ্বনিও বলা যায়।
মনে রাখুন:
জ, ল ও প নাসিক্য নয়।
জ ঘৃষ্ট ধ্বনি, ল পার্শ্বিক ধ্বনি এবং প স্পর্শ ধ্বনি।
নাসিক্য বর্ণ পাঁচটি, আর এগুলো ক-বর্গ থেকে প-বর্গের শেষ বর্ণ। - ১৮. ণত্ব ও ষত্ব বিধান ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত হয়?
- ক. ধ্বনিতত্ত্ব
- খ. শব্দতত্ত্ব
- গ. বাক্যতত্ত্ব
- ঘ. অর্থতত্ত্ব
উত্তর: ক. ধ্বনিতত্ত্ব
ব্যাকরণের যে অংশে ধ্বনি, বর্ণ এবং ধ্বনির পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা হয়, তাকে ধ্বনিতত্ত্ব (Phonology) বলে। ণত্ব ও ষত্ব বিধান বানান ও ধ্বনির নিয়ম নিয়ে কথা বলে, অর্থাৎ কোথায় মূর্ধন্য ‘ণ’ ও ‘ষ’ বসবে আর কোথায় দন্ত্য ‘ন’ ও ‘স’ বসবে তা বলে দেয়। তাই এগুলো এই অংশেই পড়ে।
মনে রাখুন:
বাংলা ব্যাকরণের চার অংশ: ধ্বনিতত্ত্ব, রূপতত্ত্ব (শব্দতত্ত্ব), বাক্যতত্ত্ব ও অর্থতত্ত্ব।
সন্ধিও ধ্বনিতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত।
শব্দ কীভাবে তৈরি হয়, যেমন সমাস, প্রত্যয় ও উপসর্গ, তা রূপতত্ত্বে আলোচিত হয়। - ১৯. কোনটি সঠিক?
- ক. চলাকালীন সময়ে
- খ. চলাকালের সময়ে
- গ. চলাকালে
- ঘ. চলাকালিন সময়ে
উত্তর: গ. চলাকালে
‘কালীন’ শব্দের অর্থই ‘সময়ের’। কাজেই ‘চলাকালীন’ বললে তার মধ্যে ‘চলার সময়ের’ কথাটি আগেই আছে। এরপর ‘সময়ে’ যোগ করলে একই কথা দুবার বলা হয়, যাকে বাহুল্য দোষ বলে। ‘চলাকালে’ শব্দে এ দোষ নেই, তাই এটি সঠিক। বাকি বিকল্পগুলোর কোনোটিতে বাহুল্য আছে, আবার কোনোটিতে বানান ভুল।
মনে রাখুন:
‘চলাকালীন’ লিখতে হলে ‘কালীন’-এর শেষে ঈ-কার (ী) দিতে হয়, তবে এর পরে আর ‘সময়’ না লিখলেই ভালো।
একই ধরনের বাহুল্য দোষ: সকল সদস্যগণ, সমস্ত ছাত্রবৃন্দ। - ২০. ‘মনীষা’ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ হলো–
- ক. মন + ঈষা
- খ. মন + ইসা
- গ. মনস + ঈষা
- ঘ. মনস + ইসা
উত্তর: গ. মনস + ঈষা
‘মনীষা’ শব্দটি সন্ধির সাধারণ নিয়মে হয় না, এটি নিপাতনে সিদ্ধ। এর ঠিক বিচ্ছেদ হলো মনস্ + ঈষা। নিয়মের বাইরে যেসব সন্ধি নিপাতনে হয়, সেগুলোর ফল মুখস্থ রাখতে হয়, কারণ সাধারণ নিয়ম দিয়ে তাদের ব্যাখ্যা করা যায় না। ‘মন’ ও ‘ঈষা’ মিলিয়ে সাধারণ নিয়মে ‘মনীষা’ পাওয়া যায় না, তাই প্রথম দুটি বিকল্প ঠিক নয়।
মনে রাখুন:
গো + পদ = গোষ্পদ
বন + পতি = বনস্পতি
বৃহৎ + পতি = বৃহস্পতি
পর + পর = পরস্পর - ২১. 'দোসরা' তারিখ জ্ঞাপক সংখ্যাটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
- ক. আরবি
- খ. ফারসি
- গ. উর্দু
- ঘ. হিন্দি
উত্তর: ঘ. হিন্দি
‘দোসরা’ শব্দটি হিন্দি ভাষা থেকে এসেছে। হিন্দিতে ‘দুসরা’ মানে দ্বিতীয়, আর মাসের দ্বিতীয় তারিখ বোঝাতে আমরা বাংলায় ‘দোসরা’ বলি। তারিখ বোঝানোর এ ধরনের আরও কয়েকটি শব্দ হিন্দি থেকে এসেছে। আমাদের ভাষায় আরবি, ফারসি, তুর্কি, হিন্দি ও ইংরেজিসহ আরও অনেক ভাষার শব্দ মিশে আছে।
মনে রাখুন:
তারিখ বোঝাতে হিন্দি শব্দ: দোসরা, তেসরা, চৌঠা।
হিন্দি থেকে আসা আরও কিছু শব্দ: পানি, বাচ্চা, চানাচুর, দাদা, নানা। - ২২. 'সচিব' কোন ধরনের শব্দ?
- ক. পারিভাষিক
- খ. মিশ্র
- গ. তৎসম
- ঘ. তদ্ভব
উত্তর: ক. পারিভাষিক
যে শব্দ কোনো বিদেশি শব্দের ঠিক অর্থ প্রকাশের জন্য নতুন করে তৈরি বা বেছে নেওয়া হয়, তাকে পারিভাষিক শব্দ (Technical term) বলে। ইংরেজি Secretary-এর বাংলা প্রতিশব্দ হিসেবে ‘সচিব’ এভাবেই প্রশাসনে ব্যবহৃত হয়। এ ধরনের শব্দ প্রশাসন, বিজ্ঞান ও আইনের মতো ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট অর্থ বোঝাতে কাজে লাগে।
মনে রাখুন:
‘সচিব’ মূলে সংস্কৃত শব্দ, কিন্তু এখানে ব্যবহারের দিক থেকে একে পারিভাষিক শব্দ ধরা হয়।
আরও পারিভাষিক শব্দ: বিশ্ববিদ্যালয় (University), উপাচার্য (Vice-Chancellor), অধিদপ্তর (Directorate)। - ২৩. 'সর্বভুক' শব্দের অর্থ কী?
- ক. বাতাস
- খ. আগুন
- গ. সমুদ্র
- ঘ. পৃথিবী
উত্তর: খ. আগুন
‘সর্বভুক’ শব্দের অর্থ হলো যা সবকিছু গ্রাস করে ফেলে। আগুন কাছে পাওয়া সবকিছুই পুড়িয়ে ফেলে, তাই আগুনকে সর্বভুক বলা হয়। শব্দটি ভাঙলে দাঁড়ায় ‘সর্ব’ (সব) এবং ‘ভুক’ (যে খায়), অর্থাৎ যে সব খায়। বাতাস, সমুদ্র বা পৃথিবী সবকিছু গ্রাস করে না, তাই ওই বিকল্পগুলো ঠিক নয়।
মনে রাখুন:
আগুনের সমার্থক শব্দ: অনল, বহ্নি, পাবক, হুতাশন।
বাতাসের সমার্থক শব্দ: অনিল, পবন, সমীরণ।
সমুদ্রের সমার্থক শব্দ: সাগর, সিন্ধু, জলধি, অর্ণব।
পৃথিবীর সমার্থক শব্দ: ধরণী, বসুধা, ক্ষিতি। - ২৪. 'নিদাঘ' শব্দে 'নি' উপসর্গটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- ক. বিশেষ
- খ. নিশ্চয়
- গ. আতিশয্য
- ঘ. সম্যক
উত্তর: গ. আতিশয্য
‘নিদাঘ’ শব্দের অর্থ গ্রীষ্মকাল বা প্রচণ্ড গরম। এখানে ‘নি’ উপসর্গ (Prefix) যোগ হয়ে ‘দাঘ’ বা দহনের ভাবকে খুব বাড়িয়ে দিয়েছে। তাই ‘নি’ এখানে আতিশয্য অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। উপসর্গ হলো এমন অব্যয়সূচক শব্দাংশ, যা অন্য শব্দের আগে বসে তার অর্থ বদলে দেয় বা নতুন অর্থ যোগ করে।
মনে রাখুন:
সংস্কৃত উপসর্গ ২০টি, বাংলা উপসর্গ ২১টি।
আ, সু, বি ও নি বাংলা ও সংস্কৃত দুই তালিকাতেই আছে।
সংস্কৃত উপসর্গের কয়েকটি: প্র, পরা, অপ, সম, অনু, অব। - ২৫. 'গিন্নী' কোন শ্রেণির শব্দ?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৫
- ক. খাঁটি বাংলা
- খ. দেশি
- গ. বিদেশি
- ঘ. অর্ধ-তৎসম
উত্তর: ঘ. অর্ধ-তৎসম
‘গিন্নী’ শব্দটি সংস্কৃত ‘গৃহিণী’ থেকে এসেছে, কিন্তু উচ্চারণে বদলে যাওয়ায় আসল রূপ হারিয়েছে। সংস্কৃত থেকে সামান্য বদলে আসা এ ধরনের শব্দকে অর্ধ-তৎসম বলে। আর সংস্কৃত শব্দ হুবহু বাংলায় এলে তাকে তৎসম বলে, যেমন সূর্য ও চন্দ্র।
মনে রাখুন:
অর্ধ-তৎসম শব্দের উদাহরণ: গিন্নি, ছেরাদ্দ, বোষ্টম, জ্যোছনা, কুচ্ছিত।
উৎপত্তি অনুসারে বাংলা শব্দ পাঁচ রকম: তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি। - ৮২. 'সুলতানার স্বপ্ন' কার রচনা?
- ক. জসীমউদ্দীন
- খ. কাজী নজরুল ইসলাম
- গ. বেগম সুফিয়া কামাল
- ঘ. বেগম রোকেয়া
উত্তর: ঘ. বেগম রোকেয়া
‘সুলতানার স্বপ্ন’ বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের লেখা। তিনি এটি ইংরেজিতে ‘Sultana’s Dream’ নামে লিখেছিলেন, পরে বাংলায় অনূদিত হয়। এই কল্পবিজ্ঞানধর্মী গল্পে তিনি এমন এক দেশের কথা বলেছেন, যেখানে নারীরা শাসন করে এবং পুরুষেরা অন্দরে থাকে। এর মধ্য দিয়ে তিনি সে সময়ের সমাজে নারীর অবস্থার ওপর তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গ করেছেন।
মনে রাখুন:
রোকেয়ার অন্য রচনা: মতিচুর, অবরোধবাসিনী ও পদ্মরাগ।
তিনি ১৮৮০ সালে রংপুরের পায়রাবন্দে জন্মেছিলেন এবং ১৯৩২ সালের ৯ ডিসেম্বর মারা যান। এ কারণে ৯ ডিসেম্বর রোকেয়া দিবস পালিত হয়।
১৯১১ সালে তিনি কলকাতায় সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন।
সুফিয়া কামালের বিখ্যাত রচনা ‘সাঁঝের মায়া’ ও ‘একাত্তরের ডায়েরী’।
ইংরেজি
- ২৬. Choose the correct word to complete the sentence : He sacrificed his life for the country. He is a/an—
- ক. interpreter
- খ. worker
- গ. martyr
- ঘ. patriot
উত্তর: গ. martyr
বাক্যটিতে বলা হয়েছে, লোকটি দেশের জন্য নিজের প্রাণ উৎসর্গ করেছেন। যে ব্যক্তি কোনো আদর্শ বা দেশের জন্য প্রাণ দেন, তাকে martyr (শহিদ) বলে। Patriot (দেশপ্রেমিক) দেশকে ভালোবাসে, কিন্তু সে দেশের জন্য প্রাণ দিয়েছে এমন নাও হতে পারে, তাই প্রাণ দেওয়ার ভাবটি martyr শব্দেই সবচেয়ে ভালোভাবে মেলে। Interpreter মানে দোভাষী আর worker মানে কর্মী।
মনে রাখুন:
Martyr-এর বানানে ‘rt’ থাকে।
Martyrdom মানে আত্মত্যাগ বা শহিদের মৃত্যু।
Patriotism মানে দেশপ্রেম।
উদাহরণ: The martyrs of 1952 gave their lives for the Bangla language. - ২৭. The synonym of 'Inception' is—
- ক. Elucidation
- খ. Complication
- গ. Commotion
- ঘ. Outset
উত্তর: ঘ. Outset
Inception মানে কোনো কিছুর শুরু বা আরম্ভ। এর কাছাকাছি অর্থের শব্দ Outset, যার অর্থও শুরু। যেমন: At the outset of the meeting, he welcomed everyone. বাকি শব্দগুলোর অর্থ একেবারে আলাদা: Elucidation মানে ব্যাখ্যা, Complication মানে জটিলতা, আর Commotion মানে হট্টগোল বা উত্তেজনা।
মনে রাখুন:
Inception-এর আরও সমার্থক শব্দ: beginning, start, commencement।
এর বিপরীত শব্দ: end, conclusion। - ২৮. 'Get over' means—
- ক. proceed
- খ. overcome
- গ. disclose
- ঘ. send
উত্তর: খ. overcome
Get over একটি phrasal verb। এর অর্থ কোনো অসুখ, দুঃখ বা সমস্যা কাটিয়ে ওঠা। Overcome শব্দেরও একই অর্থ, অর্থাৎ কোনো বাধা বা অসুবিধাকে জয় করা। বাকি বিকল্পগুলোর অর্থ আলাদা: proceed মানে এগিয়ে যাওয়া, disclose মানে প্রকাশ করা এবং send মানে পাঠানো।
উদাহরণ: He got over his illness quickly.
মনে রাখুন:
Get over-এর আরেকটি অর্থ recover from।
আরও কিছু phrasal verb: get on (এগিয়ে চলা), get up (ঘুম থেকে ওঠা), get along (মিলেমিশে চলা)। - ২৯. Choose the correct one :
- ক. Let Ruma and I go.
- খ. Let Ruma and mine go.
- গ. Let Ruma and me go.
- ঘ. Let Ruma and myself go.
উত্তর: গ. Let Ruma and me go.
Let-এর পরে যে pronoun বসে, সেটি সবসময় objective form হয়। কারণ Let-এর অর্থ ‘যেতে দাও’ বা ‘অনুমতি দাও’, আর যাকে অনুমতি দেওয়া হচ্ছে সে এখানে object। Ruma and me হলো objective form, তাই Let Ruma and me go বাক্যটি সঠিক। I হলো subject form, আর mine ও myself এখানে বসানো ঠিক নয়।
মনে রাখুন:
Let him go, let us try, let them come। এই বাক্যগুলোতেও him, us ও them objective form।
Let-এর পরে I, he, she, we বা they বসে না। - ৩০. In which sentence 'that' is used as a conjunction?
- ক. That is what I want.
- খ. What is that noise?
- গ. The evil that men do remains after them.
- ঘ. He works hard that he may succeed.
উত্তর: ঘ. He works hard that he may succeed.
Conjunction হলো এমন শব্দ, যা দুটি বাক্য বা বাক্যের দুটি অংশকে জুড়ে দেয়। ‘He works hard that he may succeed’ বাক্যে ‘that’ দুটি অংশকে যুক্ত করে উদ্দেশ্য বোঝাচ্ছে, তাই এটি conjunction। বাকি বাক্যগুলোতে that অন্য কাজ করছে। ‘That is what I want’-এ that একটি pronoun, ‘What is that noise?’-এ demonstrative adjective, আর ‘The evil that men do remains after them’-এ relative pronoun।
মনে রাখুন:
উদ্দেশ্য বোঝাতে that-এর আগে ‘so’ বসিয়ে ‘so that’ পড়লেও এই অর্থ ধরা পড়ে।
উদাহরণ: He said that he was ill. এখানেও that একটি conjunction। - ৩১. The synonym of 'mandatory' :
- ক. Obligatory
- খ. Secret
- গ. Decipher
- ঘ. Wise
উত্তর: ক. Obligatory
Mandatory মানে বাধ্যতামূলক, অর্থাৎ যা অবশ্যই করতে হয়। Obligatory শব্দের অর্থও একই, তাই এটি সমার্থক শব্দ। বাকি বিকল্পগুলোর অর্থ আলাদা: Secret মানে গোপন, decipher মানে সংকেতের অর্থ উদ্ধার করা, আর wise মানে বুদ্ধিমান।
উদাহরণ: Wearing a helmet is mandatory for motorcyclists.
মনে রাখুন:
Mandatory-এর বিপরীত শব্দ optional (ঐচ্ছিক)।
Mandatory-এর আরও সমার্থক শব্দ: compulsory, required। - ৩২. What is the meaning of the word 'perturb'?
- ক. pretend
- খ. tutor
- গ. agitate
- ঘ. repeat
উত্তর: গ. agitate
Perturb মানে কাউকে বিচলিত বা উদ্বিগ্ন করা। Agitate শব্দের অর্থও কাছাকাছি, মানে নাড়া দেওয়া বা অস্থির করা। বাকি বিকল্পগুলোর অর্থ আলাদা: pretend মানে ভান করা, tutor মানে গৃহশিক্ষক, আর repeat মানে পুনরাবৃত্তি করা।
উদাহরণ: The bad news perturbed her.
মনে রাখুন:
Perturb-এর সমার্থক: worry, disturb, upset।
বিপরীত শব্দ: calm বা soothe।
Perturbation হলো এর noun রূপ, অর্থ অস্থিরতা। - ৩৩. Who, which, what are—
- ক. Demonstrative pronoun
- খ. Relative pronoun
- গ. Reflexive pronoun
- ঘ. Indefinite pronoun
উত্তর: খ. Relative pronoun
Who, which ও what শব্দগুলো একটি বাক্যকে আরেকটি বাক্যের সঙ্গে সংযুক্ত করে এবং আগের কোনো noun-এর কথা ফিরিয়ে আনে। এই কাজ করে বলে এগুলোকে relative pronoun বলে। Demonstrative pronoun কোনো জিনিস আঙুল দিয়ে দেখায় (this, that), reflexive pronoun কাজের ফল কর্তার ওপরেই ফিরে আসে (himself), আর indefinite pronoun অনির্দিষ্ট কিছু বোঝায় (someone), তাই এগুলো উত্তর নয়।
উদাহরণ: The man who came here is my uncle.
মনে রাখুন:
প্রশ্নে ব্যবহার করলে এই শব্দগুলোই interrogative pronoun হয়, যেমন: Who are you?
Relative pronoun-এর আরও উদাহরণ: whom, whose, that। - ৩৪. The meaning of the word 'coherent' is—
- ক. clumsy
- খ. dislike
- গ. common
- ঘ. consistent
উত্তর: ঘ. consistent
Coherent মানে সঙ্গতিপূর্ণ, অর্থাৎ যার অংশগুলো পরস্পর মিলে যায় এবং যুক্তির দিক থেকে ঠিকঠাক সাজানো থাকে। Consistent শব্দের অর্থও একই, তাই এটিই উত্তর। বাকি বিকল্পগুলোর অর্থ আলাদা: clumsy মানে আনাড়ি, dislike মানে অপছন্দ, আর common মানে সাধারণ।
উদাহরণ: He gave a coherent account of the accident.
মনে রাখুন:
Coherent-এর বিপরীত শব্দ incoherent (অসংলগ্ন)।
Coherence হলো এর noun রূপ, অর্থ সংগতি। - ৩৫. Choose the correct one :
- ক. He is not only intelligent but also he is creative.
- খ. He is not only intelligent but also creative.
- গ. Not only he is intelligent but also creative.
- ঘ. He is not only intelligent but creative also.
উত্তর: খ. He is not only intelligent but also creative.
Not only … but also গঠনে দুই দিকেই একই ধরনের শব্দ বা অংশ বসাতে হয়, একে parallel structure বলে। এখানে intelligent ও creative দুটিই adjective, তাই ‘not only intelligent but also creative’ সঠিক। বাকি বাক্যগুলোতে হয় দুই দিকের গঠন মেলেনি, নয়তো ‘also’ ভুল জায়গায় বসেছে। যেমন প্রথম বাক্যে এক দিকে শুধু adjective আছে, অন্য দিকে পুরো একটি clause আছে।
মনে রাখুন:
Not only-কে বাক্যের শুরুতে বসালে inversion হয়, অর্থাৎ subject আর verb-এর জায়গা বদলে যায়।
উদাহরণ: Not only is he intelligent, but he is also creative. - ৩৬. Find out the noun from the following —
- ক. Wonderful
- খ. Wonderfully
- গ. Wondering
- ঘ. Wonder
উত্তর: ঘ. Wonder
Wonder শব্দের অর্থ বিস্ময়, তাই এটি noun। Wonderful হলো adjective (বিস্ময়কর), আর wonderfully হলো adverb (বিস্ময়করভাবে)। Wondering হলো verb Wonder-এর -ing রূপ। Wonder নিজেও verb হতে পারে, যেমন I wonder why he left, তবে প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে noun, আর বিকল্পগুলোর মধ্যে Wonder-ই noun হিসেবে সবচেয়ে মানানসই।
মনে রাখুন:
শব্দের শেষে -ful সাধারণত adjective এবং -ly সাধারণত adverb বোঝায়।
উদাহরণ: The Taj Mahal is a wonder of the world. - ৩৭. What is the antonym of the word 'Pale'?
- ক. Relax
- খ. Joyful
- গ. Clean
- ঘ. Zealous
উত্তর: খ. Joyful
Pale-এর একটি অর্থ ম্লান বা বিবর্ণ, যা বিষণ্ণ ভাবকেও বোঝায়। এর বিপরীত ভাব হলো উজ্জ্বল ও প্রফুল্ল, যা joyful (আনন্দিত) শব্দে আছে। বাকি বিকল্পগুলো মেলে না: relax মানে আরাম করা, clean মানে পরিষ্কার এবং zealous মানে উদ্যমী।
উদাহরণ: Her face turned pale with fear.
মনে রাখুন:
Pale-এর সমার্থক শব্দ: dim, faint, wan।
Pale ও pail উচ্চারণে এক হলেও pail মানে বালতি। - ৩৮. Who is the famous satirist in English literature?
- ক. Alexander Pope
- খ. William Wordsworth
- গ. Shakespeare
- ঘ. Jonathan Swift
উত্তর: ঘ. Jonathan Swift
Jonathan Swift ইংরেজি সাহিত্যে ব্যঙ্গরচনা (Satire) এর জন্য সবচেয়ে বিখ্যাত। ব্যঙ্গরচনা হলো এমন লেখা, যেখানে হাসির ছলে সমাজ বা রাজনীতির দোষ ধরা হয়। তাঁর ‘Gulliver’s Travels’ ও ‘A Modest Proposal’ সমাজ ও রাজনীতির ওপর তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গ করে লেখা। Alexander Pope-ও ব্যঙ্গকবি ছিলেন, তবে ‘famous satirist’ বললে সাধারণত Swift-কেই বোঝানো হয়।
মনে রাখুন:
Shakespeare নাট্যকার এবং Wordsworth রোমান্টিক কবি।
Pope-এর বিখ্যাত ব্যঙ্গকাব্য ‘The Rape of the Lock’।
Swift-এর ‘Gulliver’s Travels’ প্রকাশিত হয় ১৭২৬ সালে। - ৩৯. What kind of noun is 'man'?
- ক. Proper
- খ. Common
- গ. Collective
- ঘ. Material
উত্তর: খ. Common
Man বলতে যেকোনো পুরুষ মানুষকে বোঝায়, কোনো নির্দিষ্ট মানুষকে নয়। যে noun একই শ্রেণির সব প্রাণী বা বস্তুর নাম বোঝায়, তাকে common noun বলে। বিপরীতে কোনো একটি নির্দিষ্ট ব্যক্তি, স্থান বা বস্তুর নামকে proper noun বলে, যেমন Rahim বা Dhaka। তাই man proper noun নয়।
মনে রাখুন:
Collective noun দলকে বোঝায়, যেমন class, team।
Material noun উপাদান বোঝায়, যেমন gold, water।
Abstract noun গুণ বা ভাব বোঝায়, যেমন honesty, love। - ৪০. What is the meaning of 'White Elephant'?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৪, প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৪০২১) ২০১৯, প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ) ২০২২
- ক. An elephant of white colour
- খ. A very costly and troublesome possession
- গ. A black marketer
- ঘ. A hoarder
উত্তর: খ. A very costly and troublesome possession
White elephant একটি idiom। এর অর্থ এমন সম্পত্তি, যার পেছনে অনেক খরচ হয় কিন্তু লাভ খুব কম। প্রাচীন থাইল্যান্ডে (তখনকার নাম শ্যাম) সাদা হাতি রাজার পবিত্র সম্পদ ধরা হতো। কাউকে অপছন্দ করলে রাজা তাকে একটি সাদা হাতি উপহার দিতেন। হাতিটিকে কাজে লাগানো যেত না, অথচ তার যত্নে প্রচুর খরচ হতো, সেখান থেকেই এই কথাটি এসেছে।
মনে রাখুন:
Black marketer হলো কালোবাজারি এবং hoarder হলো মজুতদার।
উদাহরণ: The new stadium became a white elephant for the town. - ৪১. She was absent— her cold.
- ক. because of
- খ. because
- গ. in spite of
- ঘ. despite
উত্তর: ক. because of
Because of-এর পরে noun বা noun phrase বসে। এখানে ‘her cold’ একটি noun phrase, তাই ‘because of’ ঠিক। Because-এর পরে পূর্ণ বাক্য (subject + verb) বসতে হয়, যেমন because she had a cold। In spite of ও despite অর্থের দিক থেকে মেলে না, কারণ এগুলো বৈপরীত্য বোঝায়, অর্থাৎ ‘সত্ত্বেও’।
উদাহরণ: She was absent because of her cold.
মনে রাখুন:
Because of = on account of = due to।
Despite = in spite of, দুটির পরেই noun বা gerund বসে। - ৪২. Which one is adjective?
- ক. search
- খ. Production
- গ. Eligible
- ঘ. Enhance
উত্তর: গ. Eligible
Eligible মানে যোগ্য বা উপযুক্ত। এটি কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর গুণ বর্ণনা করে, তাই এটি adjective। অন্য বিকল্পগুলো আলাদা শ্রেণির শব্দ: search হলো noun বা verb, production হলো noun, আর enhance হলো verb (মানে বাড়ানো বা উন্নত করা)।
উদাহরণ: She is eligible for the scholarship.
মনে রাখুন:
Eligible-এর noun রূপ eligibility এবং বিপরীত শব্দ ineligible।
Production হলো produce verb থেকে তৈরি noun। - ৪৩. The meaning of 'yield' is —
- ক. produce
- খ. youth
- গ. controlled
- ঘ. refuse
উত্তর: ক. produce
Yield মানে উৎপাদন করা বা ফল দেওয়া। Produce শব্দেরও এই অর্থ আছে, তাই এটি সঠিক। বাকি বিকল্পগুলোর অর্থ আলাদা: youth মানে তারুণ্য, controlled মানে নিয়ন্ত্রিত, আর refuse মানে প্রত্যাখ্যান করা।
উদাহরণ: The land yields rice twice a year.
মনে রাখুন:
Yield-এর আরেক অর্থ নতি স্বীকার করা বা হার মানা, যেমন: He yielded to pressure।
Noun হিসেবে yield মানে ফলন বা উৎপাদনের পরিমাণ। - ৪৪. We sat— the teacher.
- ক. besides
- খ. beside
- গ. to
- ঘ. for
উত্তর: খ. beside
Beside মানে পাশে বা কাছে। ‘We sat beside the teacher’ বলতে বোঝায়, আমরা শিক্ষকের পাশে বসেছি। Besides-এর অর্থ ভিন্ন, এটি ‘ছাড়া’ বা ‘উপরন্তু’ বোঝায়। To ও for এখানে অর্থ মেলায় না। দুটি শব্দের বানান প্রায় এক বলে পরীক্ষায় এই ফাঁদে অনেকে পড়ে।
উদাহরণ: Besides English, she knows French.
মনে রাখুন:
Beside = by the side of।
Besides = in addition to। - ৪৫. Fortune— the brave.
- ক. will favour
- খ. favoured
- গ. had favoured
- ঘ. favours
উত্তর: ঘ. favours
‘Fortune favours the brave’ একটি পরিচিত প্রবাদ, যার অর্থ ভাগ্য সাহসীদের সহায় হয়। প্রবাদ বা চিরন্তন সত্য বোঝাতে Present Indefinite Tense ব্যবহার হয়। Fortune একটি singular subject, তাই ক্রিয়ার শেষে s বসে, অর্থাৎ favours। Will favour বা had favoured বসালে প্রবাদের স্বাভাবিক রূপ নষ্ট হয়।
মনে রাখুন:
Singular subject-এর সঙ্গে Present Indefinite-এ verb-এর শেষে s/es বসে।
আরও একটি প্রবাদ: Honesty is the best policy.
এমন সত্য বোঝাতেও Present Indefinite হয়, যেমন: The sun rises in the east. - ৪৬. Every one — Ruma wants milk in the tea.
- ক. except
- খ. exceptance
- গ. excepting
- ঘ. exception
উত্তর: ক. except
Except মানে ছাড়া বা ব্যতীত, আর এখানে এটি preposition হিসেবে বসেছে। ‘Everyone except Ruma wants milk in the tea’ বলতে বোঝায়, রুমা ছাড়া সবাই চায়ে দুধ চায়। Exceptance নামে কোনো শব্দ নেই, excepting-এর ব্যবহার বিরল, আর exception হলো noun।
মনে রাখুন:
Except শব্দ প্রায়ই all, every, no ও any-এর সঙ্গে আসে।
Except ও accept দেখতে প্রায় একই, কিন্তু accept মানে গ্রহণ করা।
উদাহরণ: All the students except Rahim came. - ৪৭. Now a days many villages are lit— electricity. Which is the correct proposition in the above blank?
- ক. with
- খ. by
- গ. from
- ঘ. on
উত্তর: খ. by
কোনো জিনিস কীসের মাধ্যমে আলোকিত হয়, তা বোঝাতে passive voice-এ সাধারণত by ব্যবহার হয়। ‘Villages are lit by electricity’ বলতে বোঝায়, বিদ্যুতের আলোয় গ্রামগুলো আলোকিত। এখানে বিদ্যুৎ আলো দেওয়ার উপায় বা মাধ্যম, তাই by সঠিক।
মনে রাখুন:
Light-এর Past Participle হলো lit বা lighted।
Passive voice-এ কর্তাকে বোঝাতে সাধারণত by বসে।
উদাহরণ: The room is lit by a lamp. - ৪৮. What is the meaning of the word 'Flimsy'?
- ক. filmy
- খ. Trifling
- গ. Sound
- ঘ. Failure
উত্তর: ক. filmy
Flimsy মানে পাতলা ও ঠুনকো, যা সহজে ভেঙে বা ছিঁড়ে যায়। Filmy শব্দের অর্থও পাতলা ও স্বচ্ছ, তাই এটিই কাছাকাছি। বাকি বিকল্পগুলো মেলে না: trifling মানে তুচ্ছ, sound মানে মজবুত এবং failure মানে ব্যর্থতা।
উদাহরণ: The flimsy shelter could not stand the storm.
মনে রাখুন:
Flimsy-এর বিপরীত শব্দ sturdy বা strong।
Flimsy excuse বলতে অগ্রহণযোগ্য ও দুর্বল অজুহাত বোঝায়। - ৪৯. The word 'discrimination' is closest to—
- ক. decision
- খ. preferences
- গ. distinctions
- ঘ. impressions
উত্তর: গ. distinctions
Discrimination মানে বৈষম্য বা পার্থক্য করা। Distinctions শব্দের অর্থ পার্থক্য, তাই এটি সবচেয়ে কাছাকাছি। বাকি বিকল্পগুলোর অর্থ আলাদা: decision মানে সিদ্ধান্ত, preferences মানে পছন্দ এবং impressions মানে ধারণা বা ছাপ।
উদাহরণ: There should be no discrimination on the basis of religion or sex.
মনে রাখুন:
Discrimination-এর সমার্থক bias ও prejudice।
Discriminate verb আর discriminatory adjective। - ৫০. 'Paediatric' is related to the treatment of —.
- ক. adults
- খ. children
- গ. old people
- ঘ. women
উত্তর: খ. children
Paediatric শব্দটি এসেছে গ্রিক ‘paidos’ (শিশু) থেকে। তাই paediatrics হলো চিকিৎসাবিজ্ঞানের সেই শাখা, যেখানে শিশুদের রোগ ও চিকিৎসা নিয়ে কাজ হয়। শিশু চিকিৎসককে paediatrician বলে। অনেক মেডিক্যাল শব্দের মতো এই শব্দেও গ্রিক ভাষার ছাপ আছে।
মনে রাখুন:
বৃদ্ধদের চিকিৎসার শাখাকে geriatrics বলে।
নারীদের স্বাস্থ্যের শাখাকে gynaecology বলে।
হৃদরোগের শাখাকে cardiology বলে।
গণিত
- ৫১. নিচের কোন ভগ্নাংশটি সবচেয়ে বড়?
- ক. ২/৩
- খ. ৩/৫
- গ. ৮/১১
- ঘ. ১৭/২৯
উত্তর: গ. ৮/১১
ভগ্নাংশ তুলনা করতে প্রতিটিকে দশমিকে লিখলে সুবিধা হয়। হিসাব করলে পাই: 2/3 ≈ 0.667, 3/5 = 0.6, 8/11 ≈ 0.727, 17/29 ≈ 0.586। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় 8/11।
শর্টকাট: দুটি ভগ্নাংশ a/b ও c/d-এর মধ্যে a×d ও b×c গুণ করে মিলিয়ে দেখা যায়। যে দিকের গুণফল বেশি, সেই দিকের ভগ্নাংশটি বড়। যেমন 2/3 ও 8/11 তুলনায় 2×11 = 22 এবং 3×8 = 24, তাই 8/11 বড়।
মনে রাখুন:
এই পদ্ধতিকে আড়গুণন বলা হয়।
সমহর ভগ্নাংশের মধ্যে যার লব বড়, সেটিই বড়।
সমলব ভগ্নাংশের মধ্যে যার হর ছোট, সেটিই বড়। - ৫২. কোনো কর্মকর্তা মাসিক ৩০,০০০ টাকা বেতনে ২০১২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি কাজে যোগ দিলেন। তিনি ঐ মাসে কত বেতন পাবেন?
- ক. ২৩০০০ টাকা
- খ. ২৪০০০.২০ টাকা
- গ. ২৩৭৯৩.১০ টাকা
- ঘ. ২৪৯১২ টাকা
উত্তর: গ. ২৩৭৯৩.১০ টাকা
এই অঙ্কে আগে দেখতে হবে ফেব্রুয়ারি মাসে কত দিন আছে। ২০১২ সাল অধিবর্ষ (Leap year), তাই ফেব্রুয়ারি মাস ২৯ দিনের। ৭ তারিখ থেকে ২৯ তারিখ পর্যন্ত কাজের দিন 29 - 7 + 1 = 23 দিন। এক দিনের বেতন 30000/29, অতএব মোট বেতন (30000/29) × 23 = 23793.10 টাকা (প্রায়)।
মনে রাখুন:
যে বছরকে ৪ দিয়ে ভাগ করা যায়, সেটি অধিবর্ষ।
শতাব্দীর বছরকে ৪০০ দিয়ে ভাগ করা যেতে হয়, তাই ১৯০০ অধিবর্ষ নয় কিন্তু ২০০০ অধিবর্ষ।
অধিবর্ষে ফেব্রুয়ারি ২৯ দিনের এবং বছর ৩৬৬ দিনের হয়। - ৫৩. ২০০ এর ১/২ % এর সাথে ১০০ যোগ করলে সংখ্যাটি কত হবে?
- ক. ১০১
- খ. ১৫০
- গ. ২০০
- ঘ. ২০১
উত্তর: ক. ১০১
প্রথমে ২০০-এর ১/২ % বের করি। ১/২ % মানে 0.5%, তাই 200 × (1/2)/100 = 1। তারপর এর সঙ্গে ১০০ যোগ করলে 1 + 100 = 101। এখানে সাবধান থাকতে হবে, কারণ অনেকে ১/২ %-কে অর্ধেক ধরে ভুল করে ১০০ বের করেন। কিন্তু শতকরা মানে ১০০ ভাগের এক ভাগ, তাই ১/২ % খুবই ছোট একটি অংশ।
মনে রাখুন:
১/২ % = 0.5% = 0.005।
২০০-এর ১% হলো ২, তাই অর্ধেক শতাংশ হলো ১। - ৫৪. (৬৪/৩৪৩)^(২/৩) এর সরল মান কত?
- ক. ৪/৭
- খ. ৭/৪
- গ. ১৬/৪৯
- ঘ. ১৬/৭
উত্তর: গ. ১৬/৪৯
এখানে ৬৪ ও ৩৪৩ দুটিই ঘন সংখ্যা। 64 = 4³ এবং 343 = 7³ লিখলে ভগ্নাংশটি দাঁড়ায় (4³/7³) = (4/7)³। তাহলে (64/343)^(2/3) = ((4/7)³)^(2/3) = (4/7)^(3 × 2/3) = (4/7)² = 16/49।
মনে রাখুন:
(a^m)^n = a^(mn), তাই ঘন সংখ্যার ওপর 2/3 ঘাত দিলে ঘন আর ঘনমূল কেটে যায়।
a^(1/3) মানে ঘনমূল, আর a^(2/3) মানে ঘনমূল নিয়ে তারপর বর্গ করা।
কয়েকটি ঘন সংখ্যা: 8, 27, 64, 125, 343। - ৫৫. একটি বর্গাকার বাগানের ক্ষেত্রফল ১ হেক্টর হলে বাগানটির পরিসীমা কত?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) ২০২২
- ক. ৫০০ মিটার
- খ. ৪০০ মিটার
- গ. ৩০০ মিটার
- ঘ. ২০০ মিটার
উত্তর: খ. ৪০০ মিটার
আগে ক্ষেত্রফলকে বর্গমিটারে বদলে নিতে হবে। ১ হেক্টর = ১০০০০ বর্গমিটার। বর্গাকার বাগানের বাহু x হলে x² = 10000, তাই x = 100 মিটার। পরিসীমা = 4 × 100 = 400 মিটার।
মনে রাখুন:
১ হেক্টর = ১০০ মিটার × ১০০ মিটার জমি।
১ হেক্টর = ১০০ আর (Are)।
১ হেক্টর প্রায় ২.৪৭ একর।
বর্গের পরিসীমা = 4 × বাহু এবং ক্ষেত্রফল = বাহু²। - ৫৬. (21×21 এর 21)/(21÷21×21) এর সরল মান হবে-
- ক. 441
- খ. 1
- গ. 0
- ঘ. 21
উত্তর: ক. 441
‘এর’ মানে গুণ এবং তা আগে করতে হয়: লব = 21 × (21×21) = 9261। হর = 21÷21×21 = 21, তাই মান = 9261/21 = 441। - ৫৭. √2 এবং √3 এর মধ্যবর্তী একটি মূলদ সংখ্যা হবে–
- ক. (√2+√3)/2
- খ. (√2·√3)/2
- গ. 1.8
- ঘ. 1.5
উত্তর: ঘ. 1.5
√2 ≈ 1.414 এবং √3 ≈ 1.732। এই দুই সংখ্যার মধ্যবর্তী মূলদ সংখ্যা খুঁজতে হবে, অর্থাৎ এমন সংখ্যা যা ভগ্নাংশ আকারে লেখা যায়। বিকল্পের (√2+√3)/2 ও (√2·√3)/2 দুটিই অমূলদ। 1.8 মূলদ হলেও এটি √3-এর চেয়ে বড়, তাই দুই সংখ্যার মধ্যে পড়ে না। কিন্তু 1.5 মূলদ এবং 1.414 < 1.5 < 1.732, তাই এটিই সঠিক।
মনে রাখুন:
দুটি ভিন্ন বাস্তব সংখ্যার মধ্যে সবসময় অসংখ্য মূলদ সংখ্যা থাকে।
অমূলদ সংখ্যার দশমিক ব্যাপ্তি অসীম ও অনাবৃত্ত, যেমন √2, √3, π। - ৫৮. x³ – px + 10 = 0-এর একটি সমাধান 2 হলে p-এর মান কত?
- ক. –2
- খ. –9
- গ. 9
- ঘ. 10
উত্তর: গ. 9
x = 2 সমীকরণের একটি সমাধান, তাই সমীকরণে x = 2 বসালে সমীকরণ মিলে যাবে। বসিয়ে পাই: 2³ - 2p + 10 = 0, অর্থাৎ 8 - 2p + 10 = 0। তাহলে 18 = 2p এবং p = 9।
যাচাই: p = 9 হলে x³ - 9x + 10 -এ x = 2 বসালে 8 - 18 + 10 = 0, মিলে যায়।
মনে রাখুন:
কোনো মান সমীকরণের সমাধান হলে সেটি বসিয়ে সমীকরণ সিদ্ধ করা যায়।
এটি উৎপাদক উপপাদ্যের (Factor theorem) সঙ্গে সম্পর্কিত: p(a) = 0 হলে (x - a) হলো p(x)-এর একটি উৎপাদক। - ৫৯. a + c > b হলে নিচের কোনটি সত্য?
- ক. a > b – c
- খ. a < b – c
- গ. a > b + c
- ঘ. a < b + c
উত্তর: ক. a > b – c
a + c > b অসমতার দুই পাশ থেকে c বিয়োগ করলে অসমতার দিক বদলায় না। তাই a + c - c > b - c, অর্থাৎ a > b - c। অসমতায় যোগ বা বিয়োগ করলে চিহ্ন একই থাকে, সেটি এখানে কাজে লেগেছে।
মনে রাখুন:
অসমতার দুই পাশে একই সংখ্যা যোগ বা বিয়োগ করা যায়।
ধনাত্মক সংখ্যা দিয়ে গুণ বা ভাগ করলেও চিহ্ন একই থাকে।
কিন্তু ঋণাত্মক সংখ্যা দিয়ে গুণ বা ভাগ করলে অসমতার চিহ্ন উল্টে যায়। - ৬০. f(x) = x² + 1/x + 1 এর অনুরূপ কোনটি?
- ক. f(1) = 1
- খ. f(0) = 1
- গ. f(–1) = 3
- ঘ. f(1) = 3
উত্তর: ঘ. f(1) = 3
ফাংশনে x-এর জায়গায় মান বসিয়ে ফাংশনের মান বের করতে হয়। f(x) = x² + 1/x + 1 ফাংশনে x = 1 বসালে f(1) = 1 + 1 + 1 = 3। x = 0 বসালে 1/x অসংজ্ঞায়িত হয়, তাই f(0) = 1 ঠিক নয়। আবার f(-1) = 1 - 1 + 1 = 1, যা ৩ নয়। তাই সঠিক বিকল্প f(1) = 3।
মনে রাখুন:
যেখানে হর শূন্য হয়, সেখানে ফাংশনের মান পাওয়া যায় না।
ফাংশনের ডোমেন হলো x-এর সেই সব মান, যাদের জন্য ফাংশনটি সংজ্ঞায়িত। - ৬১. একটি আয়তাকার ঘরের দৈর্ঘ্য বিস্তারের দেড়গুণ। এর ক্ষেত্রফল ২১৬ বর্গমিটার হলে, তার পরিসীমা কত?
- ক. ৩০ মিটার
- খ. ৬০ মিটার
- গ. ৪০ মিটার
- ঘ. ৫০ মিটার
উত্তর: খ. ৬০ মিটার
এই অঙ্কে প্রস্থকে x ধরে নিলে সহজ হয়। প্রস্থ x মিটার হলে দৈর্ঘ্য 1.5x মিটার। ক্ষেত্রফল x × 1.5x = 216, তাই 1.5x² = 216, অর্থাৎ x² = 144 এবং x = 12। দৈর্ঘ্য তাহলে 1.5 × 12 = 18 মিটার। পরিসীমা 2(12 + 18) = 60 মিটার।
মনে রাখুন:
আয়তের পরিসীমা = 2 × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)।
আয়তের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ।
আয়তের কর্ণ = √(দৈর্ঘ্য² + প্রস্থ²)। - ৬২. a + b = 9 m এবং ab = 18 m² হলে a – b এর মান কত?
- ক. 3m
- খ. –3m
- গ. ±3m
- ঘ. 6m
উত্তর: গ. ±3m
এখানে a + b ও ab জানা আছে, আর a - b বের করতে হবে। একটি জরুরি সূত্র ব্যবহার করি: (a - b)² = (a + b)² - 4ab। মান বসিয়ে পাই: 81 - 72 = 9। তাই a - b = ±3 m। a ও b যথাক্রমে 6 ও 3 হতে পারে, আবার 3 ও 6-ও হতে পারে, তাই a - b ধনাত্মক বা ঋণাত্মক দুই-ই হতে পারে।
মনে রাখুন:
(a - b)² = (a + b)² - 4ab।
(a + b)² = (a - b)² + 4ab।
এই দুটি সূত্র ধরে অনেক অঙ্ক দ্রুত হয়। - ৬৩. ত্রিভুজের তিন বাহুর দৈর্ঘ্য মিটারে দেওয়া হলো। কোন ক্ষেত্রে ত্রিভুজ অঙ্কন সম্ভব নয়?
- ক. ৬, ৭ ও ১১
- খ. ৩, ৮ ও ৮
- গ. ১৪, ১২ ও ২৮
- ঘ. ২০, ৮ ও ১৩
উত্তর: গ. ১৪, ১২ ও ২৮
তিনটি বাহু দিয়ে ত্রিভুজ আঁকা যায় তখনই, যখন যেকোনো দুই বাহুর যোগফল তৃতীয় বাহুর চেয়ে বড় হয়। ১৪, ১২ ও ২৮-এর ক্ষেত্রে 14 + 12 = 26, যা ২৮-এর চেয়ে ছোট। তাই এই তিন বাহু দিয়ে ত্রিভুজ আঁকা যায় না। অন্যগুলো মেলে: 6 + 7 > 11, 3 + 8 > 8, 8 + 13 > 20।
মনে রাখুন:
সবচেয়ে বড় বাহুর সঙ্গে বাকি দুই বাহুর যোগফল তুলনা করলেই হয়।
এটি ত্রিভুজের বাহু-অসমতা, যেখানে দুই বাহুর যোগফল তৃতীয় বাহুর চেয়ে বড় হতে হয়। - ৬৪. শতকরা বার্ষিক ৫ টাকা হার সুদে ৭২০ টাকার ২ বছর ৪ মাসের সুদ কত হবে?
- ক. ৮৩ টাকা
- খ. ৮৪ টাকা
- গ. ৮২ টাকা
- ঘ. ৯০ টাকা
উত্তর: খ. ৮৪ টাকা
সরল সুদ হিসাবের সূত্র I = P × n × r। এখানে P হলো আসল, n হলো বছর এবং r হলো সুদের হার। P = 720 টাকা, n = 2 বছর 4 মাস = 7/3 বছর এবং r = 5/100 = 1/20। তাহলে I = 720 × 7/3 × 1/20 = 84 টাকা।
মনে রাখুন:
মাসকে বছরে বদলাতে ১২ দিয়ে ভাগ করতে হয়, যেমন 4 মাস = 1/3 বছর।
সুদাসল = আসল + সুদ, এখানে 720 + 84 = 804 টাকা। - ৬৫. টাকায় ৩টি করে আম ক্রয় করে, টাকায় ২টি করে বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ হবে?
- ক. ৫০%
- খ. ৩৩%
- গ. ৩০%
- ঘ. ৩১%
উত্তর: ক. ৫০%
এই ধরনের অঙ্কে ক্রয় ও বিক্রয়ের সংখ্যার ল.সা.গু. ধরলে হিসাব সহজ হয়। ধরি, আমের সংখ্যা ৬টি (৩ ও ২-এর ল.সা.গু.)। ৬টি আম কিনতে লাগে 6/3 = 2 টাকা, আর বেচলে পাওয়া যায় 6/2 = 3 টাকা। লাভ 1 টাকা, তাই লাভের হার (1/2) × 100 = 50%।
শর্টকাট: টাকায় a টি কিনে b টি বেচলে (a > b) লাভ = (a - b)/b × 100%, এখানে (3 - 2)/2 × 100 = 50%।
মনে রাখুন:
লাভ ক্রয়মূল্যের ওপর শতকরা ধরা হয়, বিক্রয়মূল্যের ওপর নয়।
লাভের হার = (লাভ/ক্রয়মূল্য) × 100%। - ৬৬. ΔABC এর E ও F যথাক্রমে AB ও AC এর মধ্যবিন্দু হলে EF = কত?
- ক. ½(AB+AC)
- খ. ½AB
- গ. ½AC
- ঘ. ½BC
উত্তর: ঘ. ½BC
ত্রিভুজের দুই বাহুর মধ্যবিন্দুদ্বয়ের সংযোগকারী রেখাংশ তৃতীয় বাহুর সমান্তরাল এবং তার অর্ধেক হয়। এখানে E ও F যথাক্রমে AB ও AC-এর মধ্যবিন্দু, তাই EF || BC এবং EF = ½BC।
মনে রাখুন:
এই উপপাদ্যকে মধ্যবিন্দু উপপাদ্য (Midpoint theorem) বলে।
ত্রিভুজের তিন বাহুর মধ্যবিন্দু যোগ করলে যে ছোট ত্রিভুজ পাওয়া যায়, তার পরিসীমা মূল ত্রিভুজের পরিসীমার অর্ধেক।
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফলকে মধ্যমা ৬টি সমান ভাগে ভাগ করে। - ৬৭. a + 1/a = √3 হলে a³ + 1/a³ = কত?
- ক. 27
- খ. 9
- গ. 0
- ঘ. 3
উত্তর: গ. 0
a³ + 1/a³ বের করার একটি সহজ সূত্র আছে। সূত্রটি হলো a³ + 1/a³ = (a + 1/a)³ - 3(a + 1/a)। প্রশ্নে a + 1/a = √3 দেওয়া আছে, তাই এটি বসাই। (√3)³ = 3√3, আর 3(√3) = 3√3। অতএব 3√3 - 3√3 = 0।
মনে রাখুন:
a³ + 1/a³ = (a + 1/a)³ - 3(a + 1/a) সূত্রটি মুখস্থ রাখলে অঙ্ক দ্রুত হয়।
a² + 1/a² = (a + 1/a)² - 2।
a³ - 1/a³ = (a - 1/a)³ + 3(a - 1/a)। - ৬৮. loga + loga² + loga³ + ..... ধারাটির প্রথম 7টি পদের সমষ্টি কত?
- ক. 28 loga
- খ. 56 loga
- গ. 7 loga
- ঘ. 8 loga
উত্তর: ক. 28 loga
প্রতিটি পদের log থেকে ঘাত সামনে নামানো যায়। log a² = 2 log a এবং log a³ = 3 log a, এভাবে চললে ধারাটি হয় log a (1 + 2 + 3 + ... + 7)। ১ থেকে ৭ পর্যন্ত যোগফল 7 × 8/2 = 28। তাই ধারার যোগফল 28 log a।
মনে রাখুন:
log aⁿ = n log a।
১ থেকে n পর্যন্ত সংখ্যার যোগফল n(n+1)/2।
log(ab) = log a + log b এবং log(a/b) = log a - log b। - ৬৯. কোনো একটি ত্রিভুজের দুটি বাহু যথাক্রমে ৪ সে.মি. ও ৫ সেমি। তৃতীয় বাহুটির দৈর্ঘ্য কত সে.মি. হলে ত্রিভুজটি একটি সমকোণী ত্রিভুজ হবে?
- ক. ৩ সেমি
- খ. ৪ সেমি
- গ. ২ সেমি
- ঘ. ৫ সেমি
উত্তর: ক. ৩ সেমি
৪ সেমি ও ৫ সেমি দুটি বাহু দিয়ে সমকোণী ত্রিভুজ করতে হলে বড় বাহু ৫ সেমিকে অতিভুজ ধরা যায়। তখন পিথাগোরাসের সূত্র কাজ করে: অতিভুজ² = লম্ব² + ভূমি²। তৃতীয় বাহু = √(5² - 4²) = √(25 - 16) = √9 = 3 সেমি। এটি বিখ্যাত ৩-৪-৫ ত্রিভুজ।
মনে রাখুন:
অন্য পিথাগোরীয় ত্রয়ী ৫-১২-১৩ ও ৮-১৫-১৭।
সমকোণী ত্রিভুজের সবচেয়ে বড় বাহু হলো অতিভুজ, যেটি সমকোণের বিপরীতে থাকে।
বিজ্ঞান
- ৭০. দেহের প্রতিরক্ষণ ও আত্মরক্ষায় সাহায্য করে–
- ক. রক্তরস
- খ. শ্বেতকণিকা
- গ. অণুচক্রিকা
- ঘ. লোহিত কণিকা
উত্তর: খ. শ্বেতকণিকা
শ্বেতকণিকা (White blood cell) আমাদের দেহের প্রতিরক্ষা বাহিনী। এটি দেহে ঢোকা জীবাণুকে গিলে ফেলে ধ্বংস করে, এই প্রক্রিয়ার নাম ফ্যাগোসাইটোসিস (Phagocytosis)। এ ছাড়া এটি জীবাণুর বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি তৈরিতেও সাহায্য করে। রক্তরস শুধু বিভিন্ন পদার্থ বহন করে, তাই প্রতিরক্ষায় প্রধান ভূমিকা রাখে না।
মনে রাখুন:
লোহিত কণিকা অক্সিজেন বহন করে।
অণুচক্রিকা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে।
লোহিত কণিকায় হিমোগ্লোবিন নামে একটি প্রোটিন থাকে। - ৭১. স্কার্ভি রোগের প্রতিষেধক কোন ভিটামিন?
- ক. ভিটামিন–E
- খ. ভিটামিন–K
- গ. ভিটামিন–B
- ঘ. ভিটামিন–C
উত্তর: ঘ. ভিটামিন–C
ভিটামিন-সি-এর রাসায়নিক নাম অ্যাসকরবিক এসিড (Ascorbic acid)। এর অভাবে মাড়ি ফুলে রক্ত পড়ে, ক্ষত শুকাতে দেরি হয় এবং দেহে স্কার্ভি (Scurvy) রোগ হয়। লেবু, আমলকি, পেয়ারা ও কমলার মতো টক ফলে এটি প্রচুর পাওয়া যায়। তাই ভিটামিন-সি স্কার্ভির প্রতিষেধক।
মনে রাখুন:
ভিটামিন-কে-এর অভাবে রক্ত জমাট বাঁধতে দেরি হয়।
ভিটামিন-ই-এর অভাবে প্রজনন ক্ষমতা কমে।
ভিটামিন-এ-এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়।
ভিটামিন-ডি-এর অভাবে শিশুদের রিকেট রোগ হয়। - ৭২. নিচের কোনটি চৌম্বক পদার্থ?
- ক. পারদ
- খ. বিসমাথ
- গ. কোবাল্ট
- ঘ. অ্যান্টিমনি
উত্তর: গ. কোবাল্ট
যে পদার্থকে চুম্বক আকর্ষণ করে, তাকে চৌম্বক পদার্থ বলে। লোহা, নিকেল ও কোবাল্ট এ ধরনের পদার্থ। কোবাল্ট এদের মধ্যে অন্যতম, তাই এটি চৌম্বক। পারদ, বিসমাথ ও অ্যান্টিমনিকে চুম্বক সামান্য বিকর্ষণ করে, এদের বলে ডায়াচৌম্বক (Diamagnetic) পদার্থ।
মনে রাখুন:
লোহা, নিকেল ও কোবাল্টকে ফেরোচৌম্বক পদার্থ বলে।
অ্যালুমিনিয়ামের মতো কিছু পদার্থকে চুম্বক সামান্য আকর্ষণ করে, এদের বলে প্যারাচৌম্বক পদার্থ। - ৭৫. প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান নিচের কোনটি?
- ক. N₂ গ্যাস
- খ. H₂ গ্যাস
- গ. CH₄ গ্যাস
- ঘ. CH₃ গ্যাস
উত্তর: গ. CH₄ গ্যাস
প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় ৯০ ভাগের বেশি অংশই মিথেন (CH₄)। মিথেন সহজে জ্বলে এবং এর তাপ উৎপাদন ক্ষমতা বেশি, তাই এটি রান্না ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশেও গ্যাসক্ষেত্র থেকে পাওয়া গ্যাসে মিথেনের পরিমাণ বেশি।
মনে রাখুন:
CH₃ নামে স্থায়ী কোনো গ্যাস নেই, এটি কেবল একটি মূলক।
এলপিজি (LPG) মূলত প্রোপেন ও বিউটেনের মিশ্রণ।
মিথেনকে জলাভূমির গ্যাস বা মার্শ গ্যাসও বলে, কারণ এটি পচা জৈব পদার্থ থেকে তৈরি হয়।
কম্পিউটার ও আইসিটি
- ৭৩. প্রথম প্রজন্মের প্রথম কম্পিউটার কোনটি?
- ক. UNIVAC-1
- খ. IBM-705
- গ. IBM-650
- ঘ. IBM-702
উত্তর: ক. UNIVAC-1
প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার হতো। ইউনিভ্যাক-১ (UNIVAC-1) ১৯৫১ সালে প্রথম বাণিজ্যিক কম্পিউটার হিসেবে বিক্রি হয়, তাই প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার বলতে একে ধরা হয়। এই যন্ত্র আকারে বিশাল ছিল এবং তথ্য ইনপুট ও আউটপুটে পাঞ্চকার্ড ব্যবহার করত।
মনে রাখুন:
প্রথম প্রজন্মে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহৃত হয়।
দ্বিতীয় প্রজন্মে ট্রানজিস্টর ব্যবহৃত হয়।
তৃতীয় প্রজন্মে আইসি (IC) ব্যবহৃত হয়।
চতুর্থ প্রজন্মে মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহৃত হয়। - ৭৪. ইন্টারপ্রেটার হলো—
- ক. রেকর্ডিং যন্ত্র
- খ. বাদক যন্ত্র
- গ. অনুবাদক যন্ত্র
- ঘ. অনুবাদক প্রোগ্রাম
উত্তর: ঘ. অনুবাদক প্রোগ্রাম
কম্পিউটার সরাসরি মানুষের লেখা প্রোগ্রাম বোঝে না, তাকে মেশিন ভাষায় অনুবাদ করে নিতে হয়। যে প্রোগ্রাম এই অনুবাদ করে, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম (Translator) বলে। ইন্টারপ্রেটার (Interpreter) এমন একটি প্রোগ্রাম, যা সোর্স কোডকে এক লাইন করে মেশিন ভাষায় অনুবাদ করে এবং সঙ্গে সঙ্গে চালায়। তাই এটি কোনো যন্ত্র নয়, একটি প্রোগ্রাম।
মনে রাখুন:
অনুবাদক প্রোগ্রাম তিন রকম: অ্যাসেম্বলার, কম্পাইলার ও ইন্টারপ্রেটার।
অ্যাসেম্বলার অ্যাসেম্বলি ভাষাকে মেশিন ভাষায় বদলায়।
কম্পাইলার পুরো প্রোগ্রাম একবারে অনুবাদ করে।
বাংলাদেশ
- ৭৬. উত্তরা গণভবন কোথায় অবস্থিত?
- ক. রাজশাহী
- খ. নাটোর
- গ. দিনাজপুর
- ঘ. কুষ্টিয়া
উত্তর: খ. নাটোর
উত্তরা গণভবন নাটোর জেলার দিঘাপতিয়ায় অবস্থিত। এটি দিঘাপতিয়া রাজবংশের তৈরি একটি সুন্দর প্রাসাদ। স্বাধীনতার পরে এই ভবন সরকারি ব্যবহারে আসে এবং উত্তরাঞ্চলে সফরকালে রাষ্ট্রপ্রধানের থাকার বাড়ি হিসেবে কাজ করে। ভবনটির পাশেই আছে মনোরম বাগান ও পুকুর।
মনে রাখুন:
নাটোরের আরেকটি দর্শনীয় স্থান নাটোর রাজবাড়ি।
নাটোর রাজবাড়ির সঙ্গে রানী ভবানীর নাম জড়িয়ে আছে।
নাটোর অঞ্চলের আম ও কাঁচাগোল্লা বিখ্যাত। - ৭৭. লালন ফকিরের জন্মস্থান কোথায়?
- ক. কুষ্টিয়া
- খ. ঝিনাইদহ
- গ. মেহেরপুর
- ঘ. নদীয়া
উত্তর: খ. ঝিনাইদহ
লালন ফকির (লালন শাহ) বাউল সাধনার সবচেয়ে বিখ্যাত গুরু, যাঁকে বাউল সম্রাটও বলা হয়। প্রচলিত মত অনুযায়ী তিনি ১৭৭২ সালে ঝিনাইদহ জেলার হরিশপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। কুষ্টিয়ার কুমারখালীর ছেঁউড়িয়ায় তাঁর আখড়া ও সমাধি রয়েছে। এ নিয়ে অবশ্য মতভেদ আছে, কেউ কেউ কুমারখালীর ভাঁড়রা গ্রামকেও জন্মস্থান বলেন। তাই কুষ্টিয়াকে অনেকে জন্মস্থান ভাবলেও ঝিনাইদহই প্রচলিত উত্তর।
মনে রাখুন:
লালনের মৃত্যু ১৮৯০ সালে।
লালনের একটি বিখ্যাত গান ‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি’।
২০০৫ সালে ইউনেসকো বাংলাদেশের বাউল গানকে মানবজাতির মৌখিক ও অমূর্ত ঐতিহ্যের অন্যতম সেরা সৃষ্টি হিসেবে ঘোষণা করে।
অন্য বিখ্যাত মরমি গীতিকার: হাসন রাজা, পাগলা কানাই, শাহ আবদুল করিম। - ৭৮. সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান কোথায় অবস্থিত?
- ক. সুনামগঞ্জ
- খ. হবিগঞ্জ
- গ. কক্সবাজার
- ঘ. চট্টগ্রাম
উত্তর: খ. হবিগঞ্জ
সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার রঘুনন্দন পাহাড়ে অবস্থিত। এখানে সাতটি ছড়া বা ঝরনা আছে বলে এর নাম সাতছড়ি। উদ্যানটি ২০০৫ সালে জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষিত হয়। এটি সিলেট অঞ্চলের একটি বনভূমি, যেখানে নানা রকম বন্য প্রাণী ও পাখি দেখা যায়।
মনে রাখুন:
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান মৌলভীবাজারে।
নিঝুম দ্বীপ জাতীয় উদ্যান নোয়াখালীতে।
ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান গাজীপুরে এবং মধুপুর জাতীয় উদ্যান টাঙ্গাইলে।
হিমছড়ি জাতীয় উদ্যান কক্সবাজারে। - ৭৯. 'বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু' গ্রন্থটির লেখক কে?
- ক. মোনায়েম সরকার
- খ. এম. আর আখতার মুকুল
- গ. শওকত ওসমান
- ঘ. উপরের কেউ নন
উত্তর: ক. মোনায়েম সরকার
‘বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু’ গ্রন্থের লেখক মোনায়েম সরকার। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন ও বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে বই লিখেছেন। এম. আর আখতার মুকুল ও শওকত ওসমান অন্য ধারার লেখক, তাই বাকি বিকল্পগুলো এই গ্রন্থের লেখক নন। বঙ্গবন্ধু নিজেও লিখেছেন, আর তাঁর লেখা বইগুলো পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
মনে রাখুন:
বঙ্গবন্ধুর জন্ম ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ, গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায়।
তাঁর লেখা বই: অসমাপ্ত আত্মজীবনী (২০১২), কারাগারের রোজনামচা (২০১৭) ও আমার দেখা নয়াচীন (২০২০)।
এম. আর আখতার মুকুলের বিখ্যাত বই ‘আমি বিজয় দেখেছি’ এবং শওকত ওসমানের ‘ক্রীতদাসের হাসি’। - ৮০. পাটের জিন বিন্যাস কে আবিষ্কার করেন?
- ক. ড. হুমায়ুন আহমেদ
- খ. ড. রবার্ট গোল্ডস্মিথ
- গ. ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল
- ঘ. ড. মাকসুদুল আলম
উত্তর: ঘ. ড. মাকসুদুল আলম
ড. মাকসুদুল আলম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিজ্ঞানী, যাঁর নেতৃত্বে পাটের জিনোম (Genome) বা জিন বিন্যাসের রহস্য উন্মোচিত হয়। জিনোম হলো কোনো জীবের সব জিনের পূর্ণ তালিকা। ২০১০ সালে তিনি এই আবিষ্কারের ঘোষণা দেন। এর ফলে উন্নত জাতের পাট উদ্ভাবনের পথ খুলে গেছে এবং পাটের রোগ ও পোকার বিরুদ্ধে টেকসই জাত তৈরির সুযোগ বেড়েছে।
মনে রাখুন:
তিনি পাটের জীবনরহস্যের পাশাপাশি পেঁপের জিনোম এবং ছত্রাকের জিনোম নিয়েও কাজ করেছেন।
পাট বাংলাদেশের ‘সোনালি আঁশ’ নামে পরিচিত।
হুমায়ুন আহমেদ ও মুহম্মদ জাফর ইকবাল বিখ্যাত সাহিত্যিক, তাঁরা পাটের জিনোম আবিষ্কারক নন। - ৮১. বাংলাদেশের প্রথম EPZ কোথায় গড়ে উঠেছে?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৮৪৩৩) ২০১৯
- ক. নারায়ণগঞ্জ
- খ. খুলনা
- গ. চট্টগ্রাম
- ঘ. সাভার
উত্তর: গ. চট্টগ্রাম
রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (Export Processing Zone, EPZ) হলো এমন এলাকা, যেখানে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কারখানা বানাতে নানা সুবিধা দেওয়া হয় এবং সেখানে তৈরি পণ্য মূলত বিদেশে রপ্তানি হয়। বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড চট্টগ্রামের হালিশহরে গড়ে ওঠে। ১৯৮৩ সালে এর কার্যক্রম শুরু হয়। এভাবে বিদেশি বিনিয়োগ টানা ও রপ্তানি বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে।
মনে রাখুন:
ঢাকা ইপিজেড সাভারে অবস্থিত।
উত্তরা ইপিজেড নীলফামারীতে অবস্থিত।
বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (BEPZA) ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত।
অন্য ইপিজেড: মোংলা, ঈশ্বরদী, কুমিল্লা। - ৮৩. বাংলাদেশে প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় স্থাপিত হচ্ছে?
- ক. পাবনা
- খ. বগুড়া
- গ. কুষ্টিয়া
- ঘ. রাজশাহী
উত্তর: ক. পাবনা
বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুরে পদ্মা নদীর তীরে তৈরি হচ্ছে। এর মোট উৎপাদন ক্ষমতা ২৪০০ মেগাওয়াট, আর এটি রাশিয়ার সহায়তায় হচ্ছে। পারমাণবিক কেন্দ্রে ইউরেনিয়ামের পরমাণু ভাঙার (ফিশন) সময় যে তাপ তৈরি হয়, তা দিয়ে বাষ্প বানিয়ে টারবাইন ঘোরানো হয় এবং বিদ্যুৎ পাওয়া যায়।
মনে রাখুন:
কেন্দ্রে দুটি ইউনিট আছে এবং প্রতিটির ক্ষমতা ১২০০ মেগাওয়াট।
রাশিয়ার সংস্থা রোসাটম এই প্রকল্পে কাজ করছে।
প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হয় ২০১৩ সালে।
হালনাগাদ: ২০২৬ সালে রূপপুরের প্রথম ইউনিট চালুর চূড়ান্ত ধাপে পৌঁছেছে। - ৮৪. বাংলাদেশে কোথায় প্রথম তেলক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়?
- ক. কৈলাসটিলা
- খ. ফেঞ্চুগঞ্জ
- গ. হরিপুর
- ঘ. বাখরাবাদ
উত্তর: গ. হরিপুর
বাংলাদেশে প্রথম তেলক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় সিলেটের হরিপুরে ১৯৮৬ সালে, আর সেখান থেকে ১৯৮৭ সালে তেল উত্তোলন শুরু হয়। অন্য তিনটি বিকল্প তেলক্ষেত্র নয়, এগুলো গ্যাসক্ষেত্র।
মনে রাখুন:
কৈলাসটিলা ও ফেঞ্চুগঞ্জ সিলেটের গ্যাসক্ষেত্র।
বাখরাবাদ কুমিল্লার গ্যাসক্ষেত্র।
দেশের সবচেয়ে বড় গ্যাসক্ষেত্র তিতাস, যা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবস্থিত। - ৮৫. বাংলাদেশ ও বার্মার সীমান্ত নদী কোনটি?
- ক. সাঙ্গু
- খ. মাতামুহুরী
- গ. নাফ
- ঘ. কর্ণফুলী
উত্তর: গ. নাফ
নাফ নদী বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের (পূর্বে বার্মা) মধ্যে সীমানা তৈরি করেছে। এটি কক্সবাজারের দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্ত দিয়ে বঙ্গোপসাগরে গিয়ে পড়েছে। এই নদী কক্সবাজারকে আরাকান অঞ্চল থেকে আলাদা করেছে। নাফের তীরে বাংলাদেশের টেকনাফ উপজেলা এবং অন্য তীরে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য। তাই বাংলাদেশ ও বার্মার সীমান্ত নদী বলতে নাফকেই বোঝায়।
মনে রাখুন:
সাঙ্গু, মাতামুহুরী ও কর্ণফুলী বাংলাদেশের ভেতর দিয়েই প্রবাহিত।
কর্ণফুলী নদী পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে এসে চট্টগ্রামের পাশ দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে।
সেন্টমার্টিন দ্বীপ নাফ নদীর মোহনার কাছে অবস্থিত। - ৮৬. সিকিমের পর্বত থেকে বাংলাদেশের কোন নদীর উৎপত্তি হয়েছে?
- ক. মনু
- খ. ব্রহ্মপুত্র
- গ. করতোয়া
- ঘ. সুরমা
উত্তর: গ. করতোয়া
করতোয়া নদীর উৎপত্তি হিমালয়ের সিকিম অঞ্চলের পর্বতে। এটি জলপাইগুড়ির ভেতর দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকে বগুড়ার মহাস্থানগড়ের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে। প্রাচীন পুণ্ড্রনগরের সঙ্গে এই নদীর যোগ ছিল, কারণ পুণ্ড্রনগর ও মহাস্থানগড় একই এলাকায়। এক সময় এই নদী বেশ বড় ও গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
মনে রাখুন:
ব্রহ্মপুত্রের উৎপত্তি তিব্বতের হিমালয়ে।
সুরমা মণিপুরের পাহাড় থেকে এসেছে।
তিস্তা নদীর উৎপত্তিও সিকিম হিমালয়ে। - ৮৭. ম্যানগ্রোভ কী?
- ক. কেওড়া বন
- খ. উপকূলীয় বন
- গ. শালবন
- ঘ. চিরহরিৎ বন
উত্তর: খ. উপকূলীয় বন
ম্যানগ্রোভ (Mangrove) হলো উপকূলীয় অঞ্চলের এক ধরনের বন, যেখানে জোয়ারে লোনা পানি ঢোকে। এসব গাছের শ্বাসমূল মাটির ওপরে উঠে থাকে, কারণ কাদায় অক্সিজেনের অভাব থাকে। সুন্দরবন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন। তাই ম্যানগ্রোভের সংজ্ঞা হিসেবে ‘উপকূলীয় বন’ সঠিক।
মনে রাখুন:
কেওড়া ম্যানগ্রোভ বনের একটি গাছ, সম্পূর্ণ বন নয়।
সুন্দরবনের প্রধান গাছ সুন্দরী।
সুন্দরবনের অন্য কিছু গাছ: গরান, গেওয়া, কেওড়া, বাইন।
সুন্দরবন ১৯৯৭ সালে ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় যুক্ত হয়। - ৮৮. বরেন্দ্র জাদুঘর কোন জেলায়?
- ক. নওগাঁ
- খ. রাজশাহী
- গ. নাটোর
- ঘ. জয়পুরহাট
উত্তর: খ. রাজশাহী
বরেন্দ্র জাদুঘর রাজশাহী শহরে অবস্থিত। এটি ১৯১০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এখন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্ত্বাবধানে চলে। উত্তরবঙ্গের প্রাচীন মূর্তি, শিলালিপি ও পুঁথি এখানে সংরক্ষিত আছে। উত্তরবঙ্গের পুরোনো নাম বরেন্দ্র, সেখান থেকেই জাদুঘরের নাম এসেছে।
মনে রাখুন:
এটি দেশের প্রাচীনতম জাদুঘরগুলোর একটি।
ঢাকা জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯১৩ সালে, যেটি পরে জাতীয় জাদুঘরে রূপ নেয়।
নওগাঁর পাহাড়পুর ও বগুড়ার মহাস্থানগড়ের নিজস্ব জাদুঘর আছে।
আন্তর্জাতিক
- ৮৯. স্বর্ণ উৎপাদনে বিশ্বে শীর্ষস্থানীয় দেশ কোনটি?
- ক. চীন
- খ. শ্রীলংকা
- গ. ব্রাজিল
- ঘ. দক্ষিণ আফ্রিকা
উত্তর: ক. চীন
স্বর্ণ উৎপাদনে বিশ্বে সবচেয়ে এগিয়ে চীন। বছরে তারা প্রায় ৩৫০ থেকে ৪০০ টন সোনা তোলে। দক্ষিণ আফ্রিকা একসময় শীর্ষে ছিল, তবে এখন অনেক পিছিয়ে। শ্রীলংকা বা ব্রাজিল সোনা উৎপাদনে চীনের ধারেকাছেও নয়।
মনে রাখুন:
দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গ এলাকার সোনার খনি বিখ্যাত।
অস্ট্রেলিয়া ও রাশিয়াও বড় স্বর্ণ উৎপাদক দেশ।
হালনাগাদ: ২০২৬ সালেও চীন শীর্ষ স্বর্ণ উৎপাদক দেশগুলোর একটি। - ৯০. ২০১৯ সালে বিশ্বকাপ ক্রিকেট কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
- ক. ভারত
- খ. ইংল্যান্ড
- গ. শ্রীলংকা
- ঘ. অস্ট্রেলিয়া
উত্তর: খ. ইংল্যান্ড
২০১৯ সালের আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে অনুষ্ঠিত হয়। ওই আসরের ফাইনালে ইংল্যান্ড নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে প্রথমবার বিশ্বকাপ জেতে। ম্যাচটি সুপার ওভারেও সমতায় শেষ হয়েছিল, তাই বাউন্ডারির সংখ্যা গুনে বিজয়ী নির্ধারণ করা হয়। ফাইনালটি লন্ডনের লর্ডসে হয়েছিল।
মনে রাখুন:
২০২৩ সালের বিশ্বকাপ ভারতে হয়েছে, আর অস্ট্রেলিয়া সেবার চ্যাম্পিয়ন হয়।
২০১৫ সালের বিশ্বকাপ অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে হয়, চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া।
২০১১ সালের বিশ্বকাপ ভারত, শ্রীলংকা ও বাংলাদেশে হয়, চ্যাম্পিয়ন ভারত। - ৯১. হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারোতে প্রাপ্ত সভ্যতা ইতিহাসে কোন সভ্যতা হিসাবে পরিচিত?
- ক. ক্যালডীয় সভ্যতা
- খ. অ্যাসিরীয় সভ্যতা
- গ. সিন্ধু সভ্যতা
- ঘ. ইনকা সভ্যতা
উত্তর: গ. সিন্ধু সভ্যতা
হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারো সিন্ধু নদের অববাহিকায় পাওয়া দুটি প্রাচীন নগরের নাম। নদীর নাম থেকেই এই সভ্যতাকে সিন্ধু সভ্যতা (Indus Valley Civilization) বলা হয়। এটি খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ৩৩০০ থেকে ১৩০০ অব্দ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। এই দুই নগরের রাস্তা, ইটের ঘর ও নর্দমা-ব্যবস্থা দেখে বোঝা যায়, তারা পরিকল্পিত নগরে বাস করত।
মনে রাখুন:
ক্যালডীয় ও অ্যাসিরীয় সভ্যতা মেসোপটেমিয়ায় গড়ে ওঠে।
ইনকা সভ্যতা দক্ষিণ আমেরিকায় গড়ে ওঠে।
হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারো দুটিই এখন পাকিস্তানে অবস্থিত।
মহেঞ্জোদারোর বিখ্যাত নিদর্শন ‘বিরাট স্নানাগার’ (Great Bath)। - ৯২. কনফুসিয়াস কে?
- ক. দার্শনিক
- খ. চিকিৎসক
- গ. রাষ্ট্রনায়ক
- ঘ. বৈজ্ঞানিক
উত্তর: ক. দার্শনিক
কনফুসিয়াস প্রাচীন চীনের একজন বিখ্যাত দার্শনিক। তিনি খ্রিস্টপূর্ব ৫৫১ সালে জন্মেছিলেন। তাঁর শিক্ষার মূল কথা ছিল নীতি, সদাচার ও সমাজে পারস্পরিক সম্মান। তিনি রাষ্ট্রনায়ক, চিকিৎসক বা বৈজ্ঞানিক হিসেবে নয়, চিন্তাবিদ ও শিক্ষক হিসেবে বিখ্যাত।
মনে রাখুন:
তাঁর শিক্ষা নিয়েই কনফুসীয় ধর্ম বা দর্শন গড়ে ওঠে।
তাঁর কথাগুলো শিষ্যরা ‘অ্যানালেক্টস’ নামের গ্রন্থে সংকলিত করেন।
প্রাচীন চীনের আরেক দার্শনিক লাও জু, যিনি তাওবাদের প্রবর্তক। - ৯৩. তাহরির স্কোয়ার কোথায় অবস্থিত?
- ক. মিশর
- খ. তিউনিসিয়া
- গ. সিরিয়া
- ঘ. তুরস্ক
উত্তর: ক. মিশর
তাহরির স্কোয়ার মিশরের রাজধানী কায়রোর কেন্দ্রস্থলের একটি বিখ্যাত চত্বর। ২০১১ সালের গণআন্দোলনে এখানে লাখো মানুষ জড়ো হয়েছিল, এবং তারই ফলে প্রেসিডেন্ট হোসনি মোবারক ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন। ‘তাহরির’ শব্দের অর্থ মুক্তি বা স্বাধীনতা, আর এই নামটিই আন্দোলনের চেতনাকে ধরে রেখেছে।
মনে রাখুন:
তাকসিম স্কোয়ার তুরস্কের ইস্তাম্বুলে।
এই আন্দোলন ‘আরব বসন্ত’ নামে পরিচিত ঘটনার একটি অংশ। এর শুরু হয় তিউনিসিয়ায়।
মোবারক ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১১ সালে পদত্যাগ করেন। - ৯৪. শেখ সাদী কোন ভাষার কবি ছিলেন?
- ক. ফারসি
- খ. আরবি
- গ. ফরাসি
- ঘ. তুর্কি
উত্তর: ক. ফারসি
শেখ সাদী ছিলেন মধ্যযুগের একজন বিখ্যাত ফারসি কবি। তিনি ইরানের শিরাজ শহরে জন্মেছিলেন, তাই তাঁকে সাদী শিরাজীও বলা হয়। তাঁর রচিত ‘গুলিস্তাঁ’ ও ‘বুস্তাঁ’ গ্রন্থ অত্যন্ত বিখ্যাত। এই গ্রন্থ দুটিতে নীতিকথা ও জীবনের শিক্ষা সুন্দর গল্পে বলা হয়েছে।
মনে রাখুন:
‘গুলিস্তাঁ’ গদ্য ও পদ্য মিশিয়ে লেখা, আর ‘বুস্তাঁ’ পদ্যে লেখা।
হাফিজও শিরাজের বিখ্যাত ফারসি কবি।
জালালউদ্দিন রুমির বিখ্যাত গ্রন্থ ‘মসনবী’। - ৯৫. পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি সংখ্যক লোক কোন ভাষায় কথা বলে?
- ক. ইংরেজি
- খ. স্প্যানিশ
- গ. মান্দারিন
- ঘ. আরবি
উত্তর: ক. ইংরেজি
কোনো ভাষায় মোট কত মানুষ কথা বলে, মাতৃভাষা বা দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে মিলিয়ে হিসাব করলে ইংরেজি সবচেয়ে এগিয়ে। পৃথিবীর নানা দেশে ইংরেজি দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাই এর মোট ভাষাভাষী সবচেয়ে বেশি। প্রশ্নে ‘সবচেয়ে বেশি সংখ্যক লোক কথা বলে’ বলায় মোট ব্যবহারকারীর হিসাবই এখানে ধরা হয়েছে।
মনে রাখুন:
কেবল মাতৃভাষা হিসেবে ধরলে সবচেয়ে বেশি মানুষ মান্দারিন চীনা ভাষায় কথা বলে।
মাতৃভাষা হিসেবে স্প্যানিশ দ্বিতীয় স্থানে।
জাতিসংঘের ছয়টি দাপ্তরিক ভাষা: ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ, রুশ, চীনা ও আরবি। - ৯৬. টমাস আলভা এডিসন আবিষ্কার করেন–
- ক. বৈদ্যুতিক বাতি
- খ. ফনোগ্রাফ
- গ. সিনেমা প্রজেক্টর
- ঘ. উপরের সবকটি
উত্তর: ঘ. উপরের সবকটি
টমাস আলভা এডিসন একজন মার্কিন আবিষ্কারক। তিনি বৈদ্যুতিক বাতি, ফনোগ্রাফ এবং সিনেমা প্রজেক্টরের মতো যন্ত্র আবিষ্কার করেন, তাই এখানে তিনটিই ঠিক। তাঁর নামে এক হাজারের বেশি পেটেন্ট আছে। এডিসনের গবেষণাগার নিউ জার্সির মেনলো পার্কে ছিল, তাই তাঁকে ‘মেনলো পার্কের জাদুকর’ বলা হতো।
মনে রাখুন:
ফনোগ্রাফ শব্দ ধারণ ও পুনরায় বাজানোর যন্ত্র, যা তিনি ১৮৭৭ সালে তৈরি করেন।
কার্বন ফিলামেন্টের বাতি তিনি ১৮৭৯ সালে ব্যবহারযোগ্য রূপ দেন।
এডিসন ১৮৪৭ সালে জন্মেছিলেন এবং ১৯৩১ সালে মারা যান। - ৯৭. ফরাসি বিপ্লব সংঘটিত হয়–
- ক. ১৭৮৯
- খ. ১৭৯১
- গ. ১৭৯৫
- ঘ. ১৮০০
উত্তর: ক. ১৭৮৯
ফরাসি বিপ্লব শুরু হয় ১৭৮৯ সালে। ১৪ জুলাই প্যারিসের জনতা বাস্তিল দুর্গ দখল করে, যা এই বিপ্লবের প্রতীক। বিপ্লবের ফলে রাজতন্ত্র শেষ হয় এবং স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব এই তিন আদর্শ ছড়িয়ে পড়ে। সেই সময়ের রাজা ছিলেন ষোড়শ লুই, যাঁকে ১৭৯৩ সালে প্রাণদণ্ড দেওয়া হয়।
মনে রাখুন:
ফরাসি বিপ্লবের স্লোগান: স্বাধীনতা, সাম্য, ভ্রাতৃত্ব (Liberté, Égalité, Fraternité)।
১৭৮৯ সালেই ‘মানুষ ও নাগরিকের অধিকারের ঘোষণা’ গৃহীত হয়।
আমেরিকার স্বাধীনতার ঘোষণা ১৭৭৬ সালে এবং রুশ বিপ্লব ১৯১৭ সালে। - ৯৮. হাজার হ্রদের দেশ কোনটি?
- ক. নরওয়ে
- খ. ফিনল্যান্ড
- গ. ইন্দোনেশিয়া
- ঘ. জাপান
উত্তর: খ. ফিনল্যান্ড
ফিনল্যান্ডকে হাজার হ্রদের দেশ বলা হয়, কারণ এই দেশে প্রায় ১ লক্ষ ৮৮ হাজার হ্রদ আছে। হিমযুগে বরফ গলে ভূমির নিচু অংশে পানি জমে এই হ্রদগুলো তৈরি হয়েছিল। দেশটির রাজধানী হেলসিঙ্কি। নরওয়ে, ইন্দোনেশিয়া ও জাপানের এমন পরিচিতি নেই।
মনে রাখুন:
নরওয়ে ‘মধ্যরাতের সূর্যের দেশ’ নামেও পরিচিত।
জাপান ‘উদীয়মান সূর্যের দেশ’ নামে পরিচিত।
কানাডাকে ‘মেপল পাতার দেশ’ বলা হয়। - ৯৯. আফ্রিকাকে স্পেন থেকে আলাদা করেছে–
- ক. মালাক্কা প্রণালি
- খ. ফ্লোরিডা প্রণালি
- গ. জিব্রাল্টার প্রণালি
- ঘ. লোহিত সাগর
উত্তর: গ. জিব্রাল্টার প্রণালি
জিব্রাল্টার প্রণালি আফ্রিকা মহাদেশের মরক্কো ও ইউরোপের স্পেনকে আলাদা করেছে। এটি ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে যুক্ত করে। সবচেয়ে সরু জায়গায় এর প্রস্থ প্রায় ১৪ কিলোমিটার। লোহিত সাগর আফ্রিকাকে এশিয়া থেকে আলাদা করে, তাই এটি স্পেনের কথা বলে না।
মনে রাখুন:
মালাক্কা প্রণালি মালয় উপদ্বীপ ও ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রার মাঝে।
লোহিত সাগর আফ্রিকা ও এশিয়ার মধ্যে অবস্থিত।
ফ্লোরিডা প্রণালি আমেরিকার ফ্লোরিডা ও কিউবার মাঝে।
বসফরাস প্রণালি ইউরোপ ও এশিয়াকে আলাদা করেছে। - ১০০. গ্রিনিচ মানমন্দির কোন দেশে অবস্থিত?
- ক. জাপান
- খ. জার্মানি
- গ. যুক্তরাজ্য
- ঘ. রাশিয়া
উত্তর: গ. যুক্তরাজ্য
গ্রিনিচ মানমন্দির যুক্তরাজ্যের লন্ডনের কাছে গ্রিনিচে অবস্থিত। ১৬৭৫ সালে রাজা দ্বিতীয় চার্লসের আদেশে এটি তৈরি হয়। এই মানমন্দিরের ওপর দিয়ে যাওয়া রেখাকে ০° দ্রাঘিমা বা প্রধান মধ্যরেখা ধরা হয়। এই রেখা পৃথিবীকে পূর্ব ও পশ্চিম গোলার্ধে ভাগ করে।
মনে রাখুন:
গ্রিনিচ মান সময় (GMT) এই রেখা ধরে হিসাব করা হয়।
১৮৮৪ সালে আন্তর্জাতিক সম্মেলনে গ্রিনিচকে প্রধান মধ্যরেখা হিসেবে মেনে নেওয়া হয়।
বাংলাদেশের সময় গ্রিনিচ সময়ের চেয়ে ৬ ঘণ্টা এগিয়ে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়: অন্যান্য পরীক্ষা
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৪
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সুপারিনটেনডেন্ট নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৪
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সুপারিনটেনডেন্ট নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা/সহকারী কনস্যুলার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সাইফার অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১২
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিদ্যুৎ বিভাগ বিদ্যুৎ পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন