প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮। ৭৭টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →বাংলা
- ১. কোন বানানটি শুদ্ধ?
- ক. সমীচীন
- খ. সমিচীন
- গ. সমীচিন
- ঘ. সমিচিন
উত্তর: ক. সমীচীন
শুদ্ধ বানান ‘সমীচীন’। এই শব্দে ‘মী’ ও ‘চী’ দুটি অক্ষরেই দীর্ঘ ঈ-কার বসে, আর শেষে বসে দন্ত্য ‘ন’। শব্দটির অর্থ উচিত, যথাযথ বা যুক্তিসংগত। অনেকে ভাবেন এখানে মূর্ধন্য ‘ণ’ হবে, কিন্তু ণত্ব বিধান অনুযায়ী ঋ, র বা ষ-এর প্রভাব থাকলে তবেই ‘ন’ বদলে ‘ণ’ হয়। ‘সমীচীন’ শব্দে এমন কোনো বর্ণ নেই, তাই দন্ত্য ‘ন’ই থাকে। অন্য অপশনগুলোতে হ্রস্ব ই-কার বসিয়ে বানান ভুল করা হয়েছে।
উদাহরণ: এ সময়ে চুপ থাকাই সমীচীন।
মনে রাখুন:
‘-চীন’ অংশে দীর্ঘ ঈ-কার বসে এমন শব্দ: সমীচীন, প্রাচীন, অর্বাচীন।
ণত্ব বিধানের মূল কথা: ঋ, র বা ষ-এর পরে সাধারণত ‘ণ’ হয়, যেমন ঋণ, কারণ, ভূষণ। - ২. কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
- ক. সেদিন থেকে তিনি আর সেখানে যায় না।
- খ. তার কথা শুনে আমি আশ্চর্যান্বিত হলাম।
- গ. আপনি স্বপরিবারে আমন্ত্রিত।
- ঘ. তোমার পরশ্রীকাতরতায় আমি মুগ্ধ।
উত্তর: খ. তার কথা শুনে আমি আশ্চর্যান্বিত হলাম।
বাক্য শুদ্ধ কি না যাচাই করতে আমরা প্রথমে দেখি কর্তার সঙ্গে ক্রিয়ার মিল আছে কি না, তারপর দেখি শব্দের গঠন ও অর্থ ঠিক আছে কি না। প্রথম বাক্যে ‘তিনি’ সম্মানসূচক সর্বনাম, তাই ক্রিয়া হবে ‘যান’, ‘যায়’ নয়। তৃতীয় বাক্যের ‘স্বপরিবারে’ শব্দটি ভুল, শুদ্ধ রূপ ‘সপরিবারে’। চতুর্থ বাক্যে ‘পরশ্রীকাতরতা’ মানে অন্যের ভালো দেখে হিংসা করা। এমন দোষে কেউ মুগ্ধ হয় না, তাই অর্থের দিক থেকে বাক্যটি অসংগত। বাকি থাকল ‘তার কথা শুনে আমি আশ্চর্যান্বিত হলাম’ বাক্যটি, যা পরীক্ষার দৃষ্টিতে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ও শুদ্ধ বাক্য হিসেবে ধরা হয়।
মনে রাখুন:
সেদিন থেকে তিনি আর সেখানে যান না।
আপনি সপরিবারে আমন্ত্রিত।
‘স্ব’ মানে নিজ, আর ‘স’ মানে সহ, তাই ‘সপরিবারে’ মানে পরিবারসহ। - ৩. 'ফুল ফুটুক আর না ফুটুক আজ বসন্ত'— এ স্মরণীয় চরণটি কে লিখেছেন?
- ক. সিকান্দার আবু জাফর
- খ. সুকান্ত ভট্টাচার্য
- গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ঘ. সুভাষ মুখোপাধ্যায়
উত্তর: ঘ. সুভাষ মুখোপাধ্যায়
‘ফুল ফুটুক আর না ফুটুক আজ বসন্ত’ চরণটি কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের (১৯১৯–২০০৩)। তিনি পশ্চিমবঙ্গের একজন বিখ্যাত বাঙালি কবি। সহজ ভাষায় সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের কথা লেখার জন্য তিনি পরিচিত, আর এই চরণটি এখন প্রায় প্রবাদের মতো ব্যবহার করা হয়। অন্য অপশনের কবিরা অন্য কবিতার জন্য বিখ্যাত। সুকান্ত ভট্টাচার্যের পরিচয় ‘ছাড়পত্র’ কাব্যগ্রন্থে, আর সিকান্দার আবু জাফর ‘প্রসন্ন প্রহর’ ও ‘বৈশাখী রাত্রি’-র মতো কাব্য লিখেছেন।
মনে রাখুন:
সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘পদাতিক’ ও ‘ফুল ফুটুক’।
তিনি ১৯৯১ সালে জ্ঞানপীঠ পুরস্কার পেয়েছিলেন। - ৪. 'অহরহ' শব্দটির সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
- ক. অহ + রহ
- খ. অহ + রহ
- গ. অহো + রহ
- ঘ. অহঃ + অহ
উত্তর: ঘ. অহঃ + অহ
‘অহরহ’ শব্দটির সন্ধিবিচ্ছেদ অহঃ + অহ। এখানে প্রথম পদ ‘অহঃ’-এর শেষে বিসর্গ (ঃ) আছে। বিসর্গের সঙ্গে পরের স্বরধ্বনি বা ব্যঞ্জনধ্বনির মিলনকে বিসর্গ সন্ধি বলে। এই সন্ধিতে অহঃ-এর বিসর্গ ‘র’-এ বদলে যায়, তাই অহঃ + অহ = অহরহ। শব্দটির অর্থ দিনের পর দিন, সব সময়। অন্য অপশনগুলোতে বিসর্গ নেই, তাই সেগুলো শব্দটির সঠিক বিচ্ছেদ নয়।
মনে রাখুন:
অন্তঃ + স্থ = অন্তস্থ।
আবিঃ + কার = আবিষ্কার।
নিঃ + চয় = নিশ্চয় (বিসর্গ ‘শ’ হয়)। - ৫. 'মার্তণ্ড'-এর সমার্থক শব্দ কোনটি?
- ক. নিষ্ঠুর
- খ. সূর্য
- গ. কঠোর
- ঘ. সাধু
উত্তর: খ. সূর্য
‘মার্তণ্ড’ শব্দের অর্থ সূর্য। এটি সংস্কৃত থেকে আসা শব্দ এবং আকাশের সূর্যকেই বোঝায়। অন্য অপশনগুলোর অর্থ আলাদা: নিষ্ঠুর ও কঠোর কাছাকাছি অর্থের শব্দ, আর সাধু মানে সৎ ব্যক্তি। বাংলায় সূর্যের আরও অনেক সমার্থক শব্দ আছে, যেগুলো পরীক্ষায় বারবার আসে।
মনে রাখুন:
সূর্যের সমার্থক শব্দ: দিবাকর, ভানু, তপন, দিনমণি, মিহির, সবিতা, ভাস্কর, প্রভাকর, বিবস্বান।
মার্তণ্ড বানানে ‘র্ত’ ও ‘ণ্ড’ যুক্ত থাকে, এটাও মনে রাখা দরকার। - ৬. 'যা বিনা যত্নে উৎপন্ন হয়েছে'-এর বাক্য সংকোচন কী হবে?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৮৪৩৩) ২০১৯
- ক. অযত্নলব্ধ
- খ. অযত্নসম্ভূত
- গ. অযত্নজাত
- ঘ. অনায়াসলব্ধ
উত্তর: খ. অযত্নসম্ভূত
কয়েকটি শব্দ বা একটি বাক্যকে এক শব্দে প্রকাশ করার নাম বাক্য সংকোচন (Contraction of sentence)। ‘যা বিনা যত্নে উৎপন্ন হয়েছে’ কথাটির জন্য নির্ধারিত এক শব্দ অযত্নসম্ভূত। এখানে ‘সম্ভূত’ মানে জন্মানো বা উৎপন্ন হওয়া। তাই ‘অযত্নসম্ভূত’ মানে বিনা যত্নে জন্মানো। কিন্তু ‘অযত্নলব্ধ’ শব্দের অর্থ বিনা যত্নে লাভ করা বা পাওয়া, আর পাওয়া মানে জন্মানো বা উৎপন্ন হওয়া নয়। এই সূক্ষ্ম পার্থক্যের কারণেই অপশনটি এখানে খাটে না।
মনে রাখুন:
যা বিনা আয়াসে লাভ করা যায়: অনায়াসলভ্য।
যা বিনা যত্নে লাভ করা হয়েছে: অযত্নলব্ধ। - ৭. 'শিরে সংক্রান্তি' বাগধারার অর্থ কী?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৯
- ক. মাথায় ব্যথা
- খ. মাথায় গণ্ডগোল
- গ. আসন্ন বিপদ
- ঘ. অকল্যাণ
উত্তর: গ. আসন্ন বিপদ
‘শিরে সংক্রান্তি’ বাগধারাটির অর্থ আসন্ন বিপদ। সংক্রান্তি মানে মাসের শেষ দিন। আগের দিনের লোকেরা মাসের শেষ দিনে খাজনা বা দেনা শোধের তাগাদার ভয়ে থাকত। তাই মাথার ওপর সংক্রান্তি এসে পড়া মানে বিপদ একেবারে ঘনিয়ে আসা। অন্য অপশনের মাথাব্যথা বা গণ্ডগোল বাগধারাটির আসল অর্থ নয়।
উদাহরণ: পরীক্ষা শিরে সংক্রান্তি, অথচ সে এখনও বই খোলেনি।
মনে রাখুন: এ ধরনের আরও বাগধারা: মাথায় বজ্রাঘাত (হঠাৎ বিপদ), শিরে বজ্রাঘাত (চরম বিপদ)। - ৮. Corrigendum শব্দের অর্থ কী?
- ক. শুদ্ধিপত্র
- খ. পুনর্বিন্যাস
- গ. স্থাপত্যকলা
- ঘ. অনুরোধপত্র
উত্তর: ক. শুদ্ধিপত্র
Corrigendum শব্দের বাংলা পরিভাষা শুদ্ধিপত্র। কোনো ছাপা লেখায় ভুল থেকে গেলে সেই ভুল শুধরে নিয়ে যে পত্র আলাদাভাবে প্রকাশ করা হয়, তাকে শুদ্ধিপত্র বলে। শব্দটি এসেছে লাতিন ‘corrigere’ (সংশোধন করা) থেকে। এর বহুবচন Corrigenda। অন্য অপশনের অর্থ আলাদা: পুনর্বিন্যাস মানে নতুন করে সাজানো, স্থাপত্যকলা মানে Architecture, আর অনুরোধপত্র মানে Request letter।
মনে রাখুন:
Addendum মানে সংযোজনী বা পরিশিষ্ট (বহুবচন Addenda)।
Erratum মানে মুদ্রণ ভুল। - ৯. 'পদ্ধতি' শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
- ক. পদ + ধতি
- খ. পৎ + ধতি
- গ. পথ + ধতি
- ঘ. পদ + হতি
উত্তর: ঘ. পদ + হতি
‘পদ্ধতি’ শব্দটি পদ + হতি থেকে এসেছে। ব্যঞ্জনসন্ধির একটি নিয়ম হলো, ত বা দ-এর পরে ‘হ’ থাকলে ত বা দ-এর জায়গায় ‘দ’ আর ‘হ’-এর জায়গায় ‘ধ’ হয়। সেই নিয়মে পদ্ + হতি = পদ্ধতি। অন্য অপশনগুলো ভুল, কারণ সেগুলোর সঙ্গে নিয়মের ধ্বনিবদল মেলে না। ‘হতি’ শব্দের অর্থ আঘাত বা গতি, আর ‘পদ’ মানে পা। তাই পদ্ধতি শব্দের মূল ভাব পায়ের চলার পথ।
মনে রাখুন:
উৎ + হার = উদ্ধার।
উৎ + হত = উদ্ধত।
তৎ + হিত = তদ্ধিত। - ১০. 'হজযাত্রা' কোন সমাসের উদাহরণ?
- ক. তৃতীয়া তৎপুরুষ
- খ. চতুর্থী তৎপুরুষ
- গ. পঞ্চমী তৎপুরুষ
- ঘ. সপ্তমী তৎপুরুষ
উত্তর: খ. চতুর্থী তৎপুরুষ
‘হজযাত্রা’ শব্দের ব্যাসবাক্য হলো ‘হজের জন্য যাত্রা’। এখানে ‘জন্য’ বোঝাতে পূর্বপদে চতুর্থী বিভক্তির অর্থ আছে, আর ব্যাসবাক্যের সেই বিভক্তি সমাসে লোপ পেয়েছে। সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান থাকে বলে এটি তৎপুরুষ সমাস। বিভক্তি চতুর্থী হওয়ায় এর পুরো নাম চতুর্থী তৎপুরুষ (Dative Tatpurusha)। চতুর্থী বিভক্তির চিহ্ন কে, রে, জন্য।
উদাহরণ:
ছাত্রের জন্য আবাস = ছাত্রাবাস।
বিয়ের জন্য পাগল = বিয়েপাগল।
মনে রাখুন: তৃতীয়া তৎপুরুষের উদাহরণ হলো মায়ের দ্বারা কৃত = মাতৃকৃত, আর পঞ্চমী তৎপুরুষের উদাহরণ হলো বিদ্যা হতে ভ্রষ্ট = বিদ্যাভ্রষ্ট। - ১১. 'গাছ হতে ফলটি পড়ল'— কোন কারকে কোন বিভক্তি?
- ক. অপাদানে ষষ্ঠী
- খ. করণে সপ্তমী
- গ. অপাদানে পঞ্চমী
- ঘ. কর্মে দ্বিতীয়া
উত্তর: গ. অপাদানে পঞ্চমী
‘গাছ হতে ফলটি পড়ল’ বাক্যে ফল গাছ থেকে আলাদা হয়ে নিচে পড়েছে। কোনো কিছু যেখান থেকে খসে পড়ে, বিচ্ছিন্ন হয়, ভয় পায় বা শুরু হয়, সেই স্থান বা বিষয়কে অপাদান কারক বলে। এখানে ‘গাছ’ শব্দের পরে ‘হতে’ অনুসর্গ আছে, যা পঞ্চমী বিভক্তির চিহ্ন। তাই কারক অপাদান আর বিভক্তি পঞ্চমী, অর্থাৎ অপাদানে পঞ্চমী। অন্য অপশনের করণ বা কর্ম এখানে খাটে না, কারণ ফল কোনো যন্ত্র বা কাজের লক্ষ্য নয়, সে বিচ্ছিন্ন হওয়া বস্তু।
উদাহরণ:
পাপ হতে বিরত হও।
বাঘ দেখে ভয় পায়।
মনে রাখুন: পঞ্চমী বিভক্তির চিহ্ন হতে, থেকে, চেয়ে। - ১২. 'কবিকঙ্কন' কার উপাধি?
- ক. বিজয়গুপ্ত
- খ. দ্বিজ মাধব
- গ. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
- ঘ. মালাধর বসু
উত্তর: গ. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
‘কবিকঙ্কন’ উপাধিটি চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর (আনুমানিক ১৫৪০–১৬০০)। জমিদার রঘুনাথ রায়ের পুত্রের শিক্ষক থাকাকালে তিনি জমিদারের অনুরোধে চণ্ডীমঙ্গল কাব্য লেখেন। সেই কাব্যের জন্যই জমিদার তাঁকে এই উপাধি দেন। অন্য অপশনগুলোর কবিরা অন্য কাব্যের জন্য বিখ্যাত।
মনে রাখুন:
মুকুন্দরামের আরেক নাম ‘কবিকঙ্কণ’।
বিজয়গুপ্ত মনসামঙ্গলের কবি।
মালাধর বসু শ্রীকৃষ্ণবিজয় কাব্য লিখে ‘গুণরাজ খান’ উপাধি পেয়েছিলেন। - ১৩. 'অলীক' শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?
- ক. লৌকিক
- খ. বাস্তব
- গ. পরলৌকিক
- ঘ. অবাস্তব
উত্তর: খ. বাস্তব
‘অলীক’ শব্দের অর্থ মিথ্যা বা কাল্পনিক, অর্থাৎ যার কোনো অস্তিত্ব নেই। তাই এর বিপরীত শব্দ বাস্তব, মানে যা সত্যিই আছে। ‘অবাস্তব’ শব্দটি দেখে অনেকে বিপরীত ভাবতে পারেন, কিন্তু ‘অবাস্তব’ মানে যা বাস্তব নয়, ফলে এটি ‘অলীক’-এর কাছাকাছি অর্থের শব্দ। আর লৌকিক মানে সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রচলিত, পরলৌকিক মানে মৃত্যুর পরের জগৎ সম্পর্কিত। এই দুটির সঙ্গে ‘অলীক’-এর কোনো বিপরীত সম্পর্ক নেই।
মনে রাখুন:
‘অলীক’ শব্দের আরেক অর্থ কপাল বা ললাট।
অলীকের সমার্থক শব্দ: মিথ্যা, কাল্পনিক। - ১৪. 'ব্যাকরণ' শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
- ক. বি + আ + কৃ + অণ
- খ. বি + আ + √কৃ + অন
- গ. বি + অ + কৃ + অণ
- ঘ. বি + আ + ক + অণ
উত্তর: খ. বি + আ + √কৃ + অন
‘ব্যাকরণ’ শব্দটি বি + আ + √কৃ + অন প্রত্যয়ে গঠিত। এর মূল অর্থ ‘বিশেষভাবে বিশ্লেষণ করা’। ভাষাকে বিশ্লেষণ করে তার নিয়মগুলো দেখানো হয় বলেই এই শাস্ত্রকে ব্যাকরণ বলে। এখানে ‘বি’ ও ‘আ’ দুটি উপসর্গ, ‘√কৃ’ মূল ধাতু, আর ‘অন’ প্রত্যয়। ‘ক’ ধাতু বা ‘অণ’ প্রত্যয় দিয়ে গঠিত অপশনগুলো ঠিক নয়, কারণ শব্দের ধাতু কৃ।
মনে রাখুন:
√কৃ ধাতুর সঙ্গে ‘অন’ প্রত্যয় যোগ করলে ‘করণ’ হয়।
তার আগে ‘বি’ ও ‘আ’ উপসর্গ যোগ করলে হয় ব্যাকরণ।
সন্ধির নিয়মে বি + আ = ব্যা। - ১৫. Ordnance শব্দটির বাংলা প্রতিশব্দ কী?
- ক. অধ্যাদেশ
- খ. ক্রম
- গ. সমরাস্ত্র
- ঘ. আদেশ
উত্তর: গ. সমরাস্ত্র
Ordnance শব্দের বাংলা পরিভাষা সমরাস্ত্র, অর্থাৎ যুদ্ধে ব্যবহৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদ। বানানের সামান্য তফাতে শব্দটির অর্থ পুরো বদলে যায়, কারণ Ordinance বানানে অর্থ হয় অধ্যাদেশ। অধ্যাদেশ সংসদ না থাকলে বা অধিবেশন বন্ধ থাকলে রাষ্ট্রপতি জারি করেন এবং এর আইনের মতো শক্তি থাকে। তাই অধ্যাদেশ অপশনটি এখানে ভুল। আদেশ হলো Order-এর অর্থ।
মনে রাখুন:
Order মানে আদেশ।
Ordinance মানে অধ্যাদেশ।
Ordnance মানে সমরাস্ত্র। - ১৬. 'মুজিব-লেনিন-ইন্দিরা' কাব্যগ্রন্থের লেখক কে?
- ক. শওকত আলী
- খ. মহাদেব সাহা
- গ. নির্মলেন্দু গুণ
- ঘ. আসাদ চৌধুরী
উত্তর: গ. নির্মলেন্দু গুণ
‘মুজিব-লেনিন-ইন্দিরা’ কাব্যগ্রন্থটি কবি নির্মলেন্দু গুণের রচনা। তিনি বাংলাদেশের জনপ্রিয় কবিদের একজন। স্বাধীনতা ও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা তাঁর কবিতা অনেক পরিচিত। অন্য অপশনের নামগুলোও আমাদের সাহিত্যে পরিচিত, কিন্তু এই বইটি তাঁদের কারও নয়। বইটির নামে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে বিশ্বনেতাদের নাম পাশাপাশি আছে, এটি মনে রাখলে নামটি আর গুলিয়ে যাবে না।
মনে রাখুন:
নির্মলেন্দু গুণের বিখ্যাত কবিতা ‘স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো’।
তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘প্রেমাংশুর রক্ত চাই’। - ১৭. 'সুষ্ঠু' এ শব্দের বিশেষ্য রূপটি হলো -
- ক. সৌষ্ঠব
- খ. সুষ্ঠতা
- গ. সুষ্ঠ
- ঘ. সুষ্ঠব
উত্তর: ক. সৌষ্ঠব
'সুষ্ঠু' বিশেষণ; এর বিশেষ্য রূপ 'সৌষ্ঠব', অর্থ সুন্দর গঠন বা পারিপাট্য। - ১৮. 'মা' ছিল না বলে কেউ তার চুল বেঁধে দেয়নি। এটি একটি
- ক. জটিল বাক্য
- খ. যৌগিক বাক্য
- গ. সরল বাক্য
- ঘ. মিশ্র বাক্য
উত্তর: ক. জটিল বাক্য
এখানে 'মা ছিল না বলে' একটি আশ্রিত (কারণবাচক) খণ্ডবাক্য, যা প্রধান খণ্ডবাক্য 'কেউ তার চুল বেঁধে দেয়নি'-র ওপর নির্ভরশীল; তাই এটি জটিল বা মিশ্র বাক্য। - ১৯. বাংলা ভাষায় সমাসনিষ্পন্ন যে সব শব্দ সমস্যমান পদগুলোর অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ কোনো অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোকে বলে—
- ক. যৌগিক শব্দ
- খ. রূঢ় শব্দ
- গ. যোগরূঢ় শব্দ
- ঘ. সাধিত শব্দ
উত্তর: গ. যোগরূঢ় শব্দ
যেসব সমাসবদ্ধ শব্দ নিজের অংশগুলোর সাধারণ অর্থ না বুঝিয়ে বিশেষ কোনো অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোকে যোগরূঢ় শব্দ বলে। যেমন ‘পঙ্কজ’ শব্দের আক্ষরিক অর্থ পঙ্কে (কাদায়) জন্মায় যা। কিন্তু কাদায় আরও অনেক কিছু জন্মালেও শব্দটি শুধু পদ্মফুলকে বোঝায়। অর্থাৎ শব্দটি গঠনের দিক থেকে যৌগিক, কিন্তু অর্থের দিক থেকে রূঢ়, তাই নাম যোগরূঢ়। রূঢ় শব্দ আলাদা জিনিস, কারণ রূঢ় শব্দের অংশ ভেঙে অর্থ বের করা যায় না, যেমন হাতি, ঘোড়া।
মনে রাখুন:
যোগরূঢ় শব্দের উদাহরণ: সরোজ, জলধি, রাজপুত, মহাযাত্রা।
যৌগিক শব্দে অংশের অর্থই শব্দের অর্থ হয়, যেমন পাঠশালা। - ২০. Subconscious শব্দটির বাংলা পরিভাষা কোনটি?
- ক. চেতন
- খ. অবচেতন
- গ. অচেতন
- ঘ. অর্ধচেতন
উত্তর: খ. অবচেতন
Subconscious শব্দের বাংলা পরিভাষা অবচেতন। মনের যে অংশে আমাদের জানা-না-জানা নানা স্মৃতি ও অনুভূতি জমা থাকে এবং যা আমরা সবসময় টের পাই না, তাকে অবচেতন মন বলে। এখানে ‘অব’ উপসর্গের অর্থ নিচে বা অপ্রধান, তাই অবচেতন মানে চেতনার নিচের স্তর। চেতন মানে জাগ্রত অবস্থা, আর অচেতন মানে জ্ঞানহীন বা সংজ্ঞাহীন অবস্থা। এ কারণে অচেতন অপশনটি এখানে খাটে না।
মনে রাখুন:
Conscious মানে সচেতন বা চেতন।
Unconscious মানে অচেতন।
ইংরেজি
- ২১. What is the meaning of the word 'Stupendous'?
- ক. Awesome
- খ. Stupidity
- গ. Stipend
- ঘ. Foolishness
উত্তর: ক. Awesome
Stupendous মানে বিস্ময়কর, অর্থাৎ এত অসাধারণ বা বিশাল যে দেখে অবাক হতে হয়। তাই এর কাছাকাছি অর্থ Awesome। বাকি শব্দগুলো দেখতে প্রায় একই রকম হলেও অর্থ আলাদা: Stupidity মানে বোকামি, Stipend মানে বৃত্তি বা ভাতা, আর Foolishness মানে নির্বুদ্ধিতা। চেহারার মিল দেখে ভুল করা যাবে না।
উদাহরণ: The Taj Mahal is a stupendous work of art.
মনে রাখুন:
Stupendous-এর সমার্থক শব্দ: Marvelous, Astounding।
Stupefy ক্রিয়ার অর্থ হতবুদ্ধি করে দেওয়া। - ২২. Time trips— on rosy wings. Which prepositions is appropriate for the blank space of the sentence?
- ক. at
- খ. with
- গ. by
- ঘ. upon
উত্তর: গ. by
‘Trip by’ বলতে বোঝায় হালকা পায়ে পাশ দিয়ে চলে যাওয়া। লেখক সময়কে এমন একজন মানুষের মতো কল্পনা করেছেন, যে গোলাপি ডানায় ভর করে নিঃশব্দে আমাদের পাশ কাটিয়ে উড়ে যায়। তাই শূন্যস্থানে preposition হিসেবে by বসে। At, with বা upon বসালে ‘পাশ দিয়ে চলে যাওয়া’ ভাবটি আসে না।
উদাহরণ: Time trips by on rosy wings.
মনে রাখুন:
Go by ও pass by-ও এই অর্থে ব্যবহৃত হয়, যেমন Years went by.
Time flies কথাটির অর্থ সময় দ্রুত চলে যায়। - ২৩. Keats’ poems are instinct— patriotism. Fill in the blanks with appropriate word.
- ক. with
- খ. to
- গ. for
- ঘ. at
উত্তর: ক. with
‘Instinct’ শব্দটি বিশেষ্য হিসেবে ‘সহজাত প্রবৃত্তি’ বোঝায়। কিন্তু এখানে এটি বিশেষণ হিসেবে এসেছে এবং অর্থ হয় পরিপূর্ণ বা ভরপুর। এই অর্থে এর পরে সবসময় with বসে: instinct with। তাই বাক্যটি হবে Keats’ poems are instinct with patriotism, অর্থাৎ কিটসের কবিতা দেশপ্রেমে ভরপুর।
উদাহরণ: The poem is instinct with emotion.
মনে রাখুন: ‘instinct for’ বললে বিশেষ্য ধরে ‘কোনো কিছুর প্রতি সহজাত প্রবণতা’ বোঝায়, যেমন an instinct for survival. - ২৪. What is the meaning of the idiom— 'wear your heart on your sleeve'?
- ক. Stay in good mood
- খ. Being true of oneself
- গ. Allowing others to see one's feelings
- ঘ. Becoming open minded
উত্তর: গ. Allowing others to see one's feelings
‘Wear your heart on your sleeve’ বাগধারার অর্থ নিজের অনুভূতি অন্যদের সামনে খোলাখুলি দেখিয়ে দেওয়া, যেন মনের কথা জামার হাতায় লেখা থাকে। এই প্রবাদটি শেক্সপিয়রের ‘Othello’ নাটকে ব্যবহৃত হয়েছে বলে অনেকে মনে করেন, যেখানে ইয়াগো বলেছে, সে নিজের হৃদয় আস্তিনে পরবে। তাই Allowing others to see one’s feelings-ই সঠিক উত্তর। বাকি অপশনগুলো মেজাজ ভালো রাখা, সৎ থাকা বা উদার মনের কথা বলে, যা এই বাগধারার অর্থ নয়।
উদাহরণ: She wears her heart on her sleeve, so everyone knows when she is sad. - ২৫. The idiom 'make ends meet' means—
- ক. come to a close
- খ. have a happy ending
- গ. live within one's income
- ঘ. stretch to limit
উত্তর: গ. live within one's income
‘Make ends meet’ বাগধারার অর্থ নিজের আয়ের মধ্যে কোনোমতে সংসার চালানো। এখানে দুটি ‘end’ বলতে আয় আর ব্যয়কে বোঝানো হয়েছে। আয় যদি কম হয়, তবু ব্যয়কে আয়ের সঙ্গে মিলিয়ে সংসার চালিয়ে নিতে পারাই এই বাগধারার ভাব। তাই live within one’s income সঠিক উত্তর। অন্য অপশনগুলোতে শেষ হওয়া, সুখের পরিণতি বা সীমা ছাড়িয়ে যাওয়ার কথা আছে, যা এখানে খাটে না।
উদাহরণ: With his small salary he can hardly make ends meet.
মনে রাখুন: আয়ের চেয়ে বেশি খরচ করা বোঝাতে live beyond one’s means বলা হয়। - ২৬. What is the synonym of the word 'heckle'?
- ক. disrupt
- খ. slow
- গ. rude
- ঘ. busy
উত্তর: ক. disrupt
Heckle মানে সভায় বক্তার কথার মাঝে চিৎকার করে বা বিদ্রূপ করে তাঁকে উত্ত্যক্ত করা। এতে বক্তৃতার ধারা নষ্ট হয়ে যায়, তাই এর কাছাকাছি অর্থ Disrupt, অর্থাৎ বিঘ্ন ঘটানো। বাকি শব্দগুলোর সঙ্গে অর্থের মিল নেই: Slow মানে ধীর, Rude মানে অভদ্র, আর Busy মানে ব্যস্ত। Rude অপশনটি অনেকের কাছে কাছাকাছি মনে হতে পারে, তবে এটি একটি স্বভাবের বিশেষণ, কাজের বর্ণনা নয়।
উদাহরণ: The crowd heckled the speaker.
মনে রাখুন: Heckler মানে যে ব্যক্তি এভাবে বাধা দেয়। - ২৭. What is the meaning of the word 'protrude'?
- ক. to stick out from something
- খ. to produce something
- গ. to prevent something
- ঘ. to provide something
উত্তর: ক. to stick out from something
Protrude শব্দের অর্থ কোনো কিছু থেকে বাইরের দিকে বেরিয়ে থাকা, যেমন to stick out from something। শব্দটির মূলে আছে লাতিন ‘pro’ (সামনের দিকে) ও ‘trudere’ (ঠেলা), তাই অর্থ হলো সামনের দিকে ঠেলে বেরিয়ে আসা। বাকি অপশনগুলো দেখতে কিছুটা একই রকম হলেও অর্থ আলাদা: produce মানে উৎপাদন করা, prevent মানে বাধা দেওয়া, আর provide মানে সরবরাহ করা।
উদাহরণ: A nail protruded from the wall.
মনে রাখুন: Protrusion মানে বেরিয়ে থাকা অংশ। - ২৮. The sentence 'Who would have thought Shylock was so unkind' expresses :
- ক. hyperbole
- খ. integration
- গ. command
- ঘ. wonder
উত্তর: ঘ. wonder
‘Who would have thought Shylock was so unkind!’ বাক্যটি প্রশ্নের আকার নিলেও আসলে কোনো উত্তর চাইছে না। বক্তা শাইলকের নিষ্ঠুরতা দেখে অবাক হয়ে গেছেন, সেই বিস্ময় প্রকাশ করার জন্যই এমন প্রশ্নের ভঙ্গি। তাই বাক্যটি wonder, অর্থাৎ বিস্ময় প্রকাশ করছে। Command হতো আদেশ করলে, আর Hyperbole হলো অতিরঞ্জন, যা এখানে নেই।
মনে রাখুন:
যে প্রশ্নের উত্তর চাওয়া হয় না, তাকে Rhetorical question বলে।
Shylock শেক্সপিয়রের ‘The Merchant of Venice’ নাটকের সুদখোর চরিত্র। - ২৯. The verb form of 'necessity' is :
- ক. necessary
- খ. necessitate
- গ. necessarily
- ঘ. necessities
উত্তর: খ. necessitate
Necessity হলো বিশেষ্য (Noun), মানে আবশ্যকতা। এর ক্রিয়ার (Verb) রূপ necessitate, মানে কোনো কিছুকে আবশ্যক করে তোলা। বাকি অপশনগুলো অন্য শ্রেণির শব্দ: Necessary বিশেষণ (Adjective), Necessarily ক্রিয়াবিশেষণ (Adverb), আর Necessities হলো বিশেষ্যের বহুবচন। শব্দের শ্রেণি বদলালে শেষের অংশ বদলে যায়, তাই শেষ অংশ দেখলেই রূপ চেনা যায়।
উদাহরণ: The new law necessitates a change in our plan.
মনে রাখুন: ‘-ate’ প্রত্যয়ে ক্রিয়া হয় এমন শব্দ: activate, motivate, hesitate। - ৩০. Which sentence is correct?
- ক. You had better going there.
- খ. You had better go there.
- গ. You had better gone there.
- ঘ. You had better to be going there.
উত্তর: খ. You had better go there.
‘Had better’ একটি modal-জাতীয় গঠন, তাই এর পরে সবসময় verb-এর মূল রূপ (base form) বসে। এর পরে to বা -ing বসে না, আর past participle-ও বসে না। ‘Had better’-এর অর্থ ‘করা উচিত’ বা ‘করাই ভালো’। অতএব সঠিক বাক্য: You had better go there। অন্য অপশনে going, gone বা to be going বসানো হয়েছে, যা নিয়মবিরুদ্ধ।
উদাহরণ: You had better see a doctor.
মনে রাখুন:
Would rather-এর পরেও base verb বসে।
Can, may, must, should-এর পরেও base verb বসে। - ৩১. In English literature the word 'Limerick' refers to :
- ক. Lyrical poems of five lines
- খ. Irony poems of five lines
- গ. Funny poems of five lines
- ঘ. Elegy of five lines
উত্তর: গ. Funny poems of five lines
Limerick হলো পাঁচ লাইনের মজার বা কৌতুকপূর্ণ ছড়া, যার ছন্দ ও মিলের একটি নির্দিষ্ট ধাঁচ আছে। এর প্রথম, দ্বিতীয় ও পঞ্চম লাইনে মিল থাকে, আর তৃতীয় ও চতুর্থ লাইন ছোট হয়ে নিজেদের মধ্যে মিলে যায়। ইংরেজ কবি এডওয়ার্ড লিয়ার (Edward Lear) এই ধরনের ছড়া জনপ্রিয় করেন। তাই funny poems of five lines সঠিক। বাকি অপশনগুলো আলাদা ধরনের কবিতার বর্ণনা।
মনে রাখুন:
Elegy হলো শোককবিতা।
Lyric হলো গীতিকবিতা।
Irony মানে বিদ্রূপ বা শ্লেষ। - ৩২. He found the gold coin— the floor.
- ক. as he had cleaned
- খ. while he cleans
- গ. which he is cleaning
- ঘ. while cleaning
উত্তর: ঘ. while cleaning
একই কর্তা দুটি কাজ একসঙ্গে করলে প্রথম কাজটিকে ‘while + verb-ing’ দিয়ে লেখা যায়। এখানে কর্তা ‘He’ মেঝে পরিষ্কার করার সময় সোনার মুদ্রাটি পেয়েছে। তাই সঠিক রূপ: He found the gold coin while cleaning the floor। ‘Cleaning’-এর কর্তা আলাদা করে বলতে হয় না, কারণ সেটি আগের বাক্যের কর্তা He-ই। অন্য অপশনগুলোতে কাল বা বাক্যগঠনের গোলমাল আছে।
উদাহরণ: She hurt her leg while playing football.
মনে রাখুন: কর্তা আলাদা হলে while-এর পরে পূর্ণ বাক্য বসাতে হয়। - ৩৩. Find the synonym of the word 'dwindle' :
- ক. ascend
- খ. develop
- গ. grow
- ঘ. drop
উত্তর: ঘ. drop
Dwindle মানে ধীরে ধীরে কমে যাওয়া বা ক্ষীণ হয়ে আসা। তাই এর কাছাকাছি অর্থ Drop, অর্থাৎ হ্রাস পাওয়া। বাকি শব্দগুলোর অর্থ উল্টো বা আলাদা: Ascend মানে ওঠা, Develop মানে বিকশিত হওয়া, আর Grow মানে বাড়া। Dwindle-এর মূল ভাব হলো কমে যাওয়া, তাই যে শব্দগুলোতে বাড়ার ভাব আছে, সেগুলো বাদ যাবে।
মনে রাখুন:
Dwindle-এর সমার্থক শব্দ: Decrease, Diminish।
Dwindle-এর বিপরীত শব্দ: Increase। - ৩৪. 'Few and far between' means—
- ক. distant thing
- খ. in frequent
- গ. very few
- ঘ. in between
উত্তর: গ. very few
‘Few and far between’ বাগধারার অর্থ খুব কম বা কদাচিৎ পাওয়া যায় এমন। ‘Few’ মানে অল্প, আর ‘far between’ মানে বহু দূরে দূরে। অর্থাৎ যা সংখ্যায় অল্প এবং একটি থেকে আরেকটি অনেক দূরে থাকে, সেটি বিরল। তাই very few সঠিক উত্তর। Distant thing বা in between বললে শুধু দূরত্ব বা মাঝখান বোঝায়, বাগধারার আসল ভাব আসে না।
উদাহরণ: Honest leaders are few and far between.
মনে রাখুন: Rare ও scarce শব্দ দুটি এই অর্থের কাছাকাছি। - ৩৫. No spelling error occurs in :
- ক. ascientain
- খ. ascertane
- গ. ascertain
- ঘ. anciant
উত্তর: গ. ascertain
শুদ্ধ বানান Ascertain, অর্থ নিশ্চিত হওয়া বা খুঁজে বের করা। শব্দটি লাতিন ‘certus’ (নিশ্চিত) থেকে এসেছে, তাই ‘cert’ অংশটি বানানে মনে রাখা সহজ। এর শেষ অংশ ‘-tain’, যেমন certain শব্দেও আছে। অন্য অপশনগুলো ভুল বানান, যেমন ‘ascertane’-এ শেষ অংশ ভুল, আর ‘ascientain’-এ মাঝখানের অক্ষর বেশি।
উদাহরণ: Please ascertain the facts before you speak.
মনে রাখুন: ‘Ancient’ শব্দের শুদ্ধ বানান a-n-c-i-e-n-t, তাই ‘anciant’ ভুল। - ৩৬. What is the passive voice of the sentence— His conduct annoyed me.
- ক. I was being annoyed by his conduct
- খ. I was annoyed by his conduct
- গ. I was annoyed at his conduct
- ঘ. I had been annoyed on his conduct
উত্তর: গ. I was annoyed at his conduct
‘Annoy’ ক্রিয়াটি passive voice-এ সাধারণত by-এর বদলে at বা with নেয়। তাই ‘His conduct annoyed me’ বাক্যটির passive হবে I was annoyed at his conduct। অন্য অপশনগুলোর মধ্যে ‘was being annoyed’ গঠনে কালটি এখানে মানায় না, আর ‘had been annoyed on’-এ ভুল preposition আছে। অনুভূতি বোঝানো ক্রিয়ার passive-এ তাই preposition আলাদা করে মনে রাখতে হয়।
মনে রাখুন:
By-এর বদলে অন্য preposition নেয় এমন কিছু ক্রিয়া: surprise at, please with, interest in।
We are satisfied with the result. - ৩৭. Which one of the following is a masculine gender?
- ক. Stag
- খ. Doe
- গ. Roe
- ঘ. Vixen
উত্তর: ক. Stag
Stag মানে পুরুষ হরিণ, তাই এটি masculine gender। বাকি শব্দগুলো স্ত্রীবাচক: Doe হলো মাদি হরিণ, Roe হলো ছোট জাতের হরিণ, যার স্ত্রী-পুরুষ দুই রকমই হয়, আর Vixen মানে মাদি শিয়াল। অর্থাৎ চারটির মধ্যে একমাত্র Stag-ই পুরুষ বোঝায়। Gender-এর প্রশ্নে শব্দের জোড়া মনে রাখলে এমন প্রশ্ন সহজে মেলে।
মনে রাখুন:
Stag-এর স্ত্রীবাচক Hind।
Fox-এর স্ত্রীবাচক Vixen।
Buck-এর স্ত্রীবাচক Doe। - ৩৮. The main character in Paradise Lost Book I and Book II is :
- ক. God
- খ. Satan
- গ. Adam
- ঘ. Eve
উত্তর: খ. Satan
জন মিল্টনের ‘Paradise Lost’ মহাকাব্যের প্রথম ও দ্বিতীয় Book-এর প্রধান চরিত্র শয়তান (Satan)। ঈশ্বরের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে স্বর্গ থেকে বিতাড়িত হওয়ার পর সে নরকে নিজের সাথিদের নিয়ে আবার লড়াইয়ের পরিকল্পনা করে। সেই অংশেই তার সাহস, অহংকার ও নেতৃত্ব সবচেয়ে বেশি ফুটে ওঠে। আদম ও ইভ গল্পে আসে পরের দিকে, আর ঈশ্বর এই দুই Book-এ সরাসরি কেন্দ্রীয় চরিত্র নন।
মনে রাখুন:
Paradise Lost-এ মোট ১২টি Book আছে।
এটি blank verse-এ লেখা।
এর প্রথম প্রকাশ ১৬৬৭ সালে। - ৩৯. It is time he— his bad habits.আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৫
- ক. changes
- খ. changed
- গ. changing
- ঘ. change
উত্তর: খ. changed
‘It is time’-এর পরে কর্তা বসালে ক্রিয়ার past form হয়, যদিও সময়টা এখনকার। এতে বোঝায়, কাজটি করার সময় অনেক আগেই এসে গেছে, অথচ কাজটি এখনও হয়নি। তাই সঠিক রূপ: It is time he changed his bad habits। অন্য অপশনগুলোতে ক্রিয়ার রূপ এই নিয়ম মানে না।
উদাহরণ: It is time we left.
মনে রাখুন:
It is high time ও It is about time বললেও একই নিয়ম।
কর্তা না থাকলে it is time to change ব্যবহার হয়।
গণিত
- ৪০. বৃত্তের ব্যাস তিনগুণ বৃদ্ধি পেলে এর ক্ষেত্রফল কতগুণ বৃদ্ধি পাবে?
- ক. ৩ গুণ
- খ. ৬ গুণ
- গ. ৯ গুণ
- ঘ. ১২ গুণ
উত্তর: গ. ৯ গুণ
বৃত্তের ক্ষেত্রফলের সূত্রে ব্যাসার্ধ আছে, ব্যাস নেই। তাই প্রথমে মনে রাখা দরকার, ব্যাস সবসময় ব্যাসার্ধের দ্বিগুণ। ব্যাস তিনগুণ হলে ব্যাসার্ধও তিনগুণ হয়। ধরি আগের ব্যাসার্ধ r, তাহলে নতুন ব্যাসার্ধ 3r।
আগের ক্ষেত্রফল = πr², নতুন ক্ষেত্রফল = π(3r)² = 9πr²।
অতএব ক্ষেত্রফল 9 গুণ হয়। অনেকে ৩ গুণ উত্তর দিয়ে ভুল করেন, কারণ ক্ষেত্রফল দৈর্ঘ্যের বর্গের সমানুপাতিক, দৈর্ঘ্যের সমানুপাতিক নয়।
মনে রাখুন:
ব্যাসার্ধ n গুণ হলে ক্ষেত্রফল n² গুণ হয়।
পরিধি কিন্তু n গুণই হয়, কারণ পরিধি = 2πr। - ৪১. একটি চৌবাচ্চায় ১৯২০০ লিটার পানি ধরে। এর গভীরতা ২.৫৬ মিটার এবং প্রস্থ ২.৫ মিটার হলে, দৈর্ঘ্য কত?
- ক. ৪ মিটার
- খ. ৬ মিটার
- গ. ৩ মিটার
- ঘ. ১৮ মিটার
উত্তর: গ. ৩ মিটার
চৌবাচ্চায় কত পানি ধরে, সেটাই চৌবাচ্চার আয়তন। কিন্তু পানির মাপ লিটারে, আর দৈর্ঘ্য-প্রস্থ মিটারে দেওয়া, তাই আগে একক মেলাতে হবে। ১০০০ লিটার = ১ ঘনমিটার, অতএব ১৯২০০ লিটার = ১৯.২ ঘনমিটার।
আয়তন = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ × গভীরতা, অর্থাৎ ১৯.২ = দৈর্ঘ্য × ২.৫ × ২.৫৬ = দৈর্ঘ্য × ৬.৪।
তাহলে দৈর্ঘ্য = ১৯.২ ÷ ৬.৪ = ৩ মিটার।
যাচাই: ৩ × ২.৫ × ২.৫৬ = ১৯.২ ঘনমিটার, ঠিক মিলছে।
মনে রাখুন: ১ ঘনমিটার = ১০০০ লিটার, আর ১ ঘন সে.মি. = ১ মিলিলিটার। - ৪২. ১০ বছর পূর্বে পিতা-পুত্রের বয়সের অনুপাত ছিল ৪ : ১। ১০ বছর পর তাদের বয়সের অনুপাত হবে ২ : ১। তাদের বর্তমান বয়স কত?
- ক. ৫০ ও ২০ বছর
- খ. ৪৭ ও ২০ বছর
- গ. ৫৪ ও ২১ বছর
- ঘ. ৩৬ ও ২৫ বছর
উত্তর: ক. ৫০ ও ২০ বছর
বয়সের অঙ্কে আগে বোঝা দরকার, পিতা ও পুত্রের বয়সের পার্থক্য কখনো বদলায় না, সময় যতই যাক। ১০ বছর আগে পুত্রের বয়স x ও পিতার বয়স 4x ছিল। তাহলে ১০ বছর পরে, অর্থাৎ ২০ বছর সময় কেটে গেলে, পুত্রের বয়স x + 20 ও পিতার বয়স 4x + 20 হবে। তখন অনুপাত ২ : ১।
4x + 20 = 2(x + 20) ⇒ 4x + 20 = 2x + 40 ⇒ 2x = 20 ⇒ x = 10।
তাহলে ১০ বছর আগে পুত্রের বয়স ছিল ১০ ও পিতার ৪০। বর্তমানে পুত্রের বয়স ২০ ও পিতার বয়স ৫০ বছর।
যাচাই: ১০ বছর আগে ৪০ : ১০ = ৪ : ১, ১০ বছর পরে ৬০ : ৩০ = ২ : ১। - ৪৩. নিচের ভগ্নাংশগুলোর মধ্যে কোনটি বৃহত্তম?
- ক. ৫/৬
- খ. ৩/৮
- গ. ৭৫/১০০
- ঘ. ৮/১১
উত্তর: ক. ৫/৬
ভগ্নাংশ তুলনা করার একটি সহজ উপায় হলো সবগুলোকে দশমিকে বদলে ফেলা। তখন বড়-ছোট এক নজরেই বোঝা যায়।
৫/৬ = ০.৮৩৩, ৩/৮ = ০.৩৭৫, ৭৫/১০০ = ০.৭৫, ৮/১১ = ০.৭২৭।
সবচেয়ে বড় মান ০.৮৩৩, তাই বৃহত্তম ভগ্নাংশ ৫/৬।
আরেকটি উপায় হলো লব ও হরের পার্থক্য দেখা। যে ভগ্নাংশের লব হরের যত কাছাকাছি, সেটি ১-এর তত কাছে। এখানে ৫/৬-এর পার্থক্য ১, ৮/১১-এর পার্থক্য ৩, তাই ৫/৬ বড়।
মনে রাখুন: ৭৫/১০০ = ৩/৪ = ০.৭৫। - ৪৪. বার্ষিক ৪.৫ টাকা হার মুনাফায় কত টাকা বিনিয়োগে ৪ বছরে তা ৮২৬ টাকা হবে?
- ক. ৭২৫ টাকা
- খ. ৭০০ টাকা
- গ. ৭০২ টাকা
- ঘ. ৭২৬ টাকা
উত্তর: খ. ৭০০ টাকা
সরল মুনাফায় মূলধনের ওপর প্রতি বছর একই হারে মুনাফা যোগ হয়। বার্ষিক হার ৪.৫ টাকা মানে ১০০ টাকায় বছরে ৪.৫ টাকা মুনাফা। তাহলে ৪ বছরে ১০০ টাকার মুনাফা 4 × 4.5 = 18 টাকা। অর্থাৎ ১০০ টাকা ৪ বছরে মুনাফাসহ হয় ১১৮ টাকা।
তাহলে ১১৮ টাকা হয় ১০০ টাকা থেকে, ৮২৬ টাকা হবে 100 × 826 / 118 = 700 টাকা থেকে।
শর্টকাট: মিশ্রধন = P(1 + nr/100) থেকে P = 826 ÷ 1.18 = 700।
যাচাই: ৭০০ টাকার ৪ বছরের মুনাফা 700 × 4.5 × 4 / 100 = 126, আর 700 + 126 = 826।
মনে রাখুন: মুনাফা I = Pnr/100, মিশ্রধন = P + I। - ৪৬. একটি বাইসাইকেলের মূল্য ১০,০০০ টাকা। উহা ১০% বাট্টায় ক্রয় করা হলো। তিন মাস ব্যবহারের পর ক্রয়মূল্যের উপর ১৫% বাট্টায় বিক্রি করলে বিক্রয়মূল্য কত ছিল?
- ক. ৮৫০০ টাকা
- খ. ৭৬৫০ টাকা
- গ. ৭৫০০ টাকা
- ঘ. ৮০০০ টাকা
উত্তর: খ. ৭৬৫০ টাকা
বাট্টা মানে ছাড়। এখানে দুই ধাপে ছাড় দেওয়া হয়েছে, তাই ধাপে ধাপে হিসাব করতে হবে।
প্রথম ধাপে ১০% বাট্টায় ক্রয় করায় ক্রয়মূল্য = 10000 − 10000 × 10/100 = 10000 − 1000 = 9000 টাকা।
দ্বিতীয় ধাপে এই ক্রয়মূল্যের ওপর ১৫% বাট্টা দিয়ে বিক্রি করা হয়েছে। বাট্টা = 9000 × 15/100 = 1350 টাকা।
তাহলে বিক্রয়মূল্য = 9000 − 1350 = 7650 টাকা।
মনে রাখুন:
বাট্টা সবসময় আগের মূল্যের ওপরই ধরা হয়।
তাই ১০% ও ১৫% যোগ করে ২৫% ধরা ভুল, কারণ দ্বিতীয় বাট্টা ১০০০০ টাকার নয়, ৯০০০ টাকার ওপর। - ৪৭. একটি নল ১২ মিনিটে একটি খালি চৌবাচ্চা পূর্ণ করে। অপর একটি নল প্রতি মিনিটে ১৪ লিটার পানি বের করে দেয়। চৌবাচ্চাটি খালি থাকা অবস্থায় নল দুটি খুলে দিলে ৯৬ মিনিটে উহা পূর্ণ হয়। চৌবাচ্চাটিতে কত লিটার পানি ধরে?
- ক. ১৪৫ লিটার
- খ. ১৫৫ লিটার
- গ. ২০৮ লিটার
- ঘ. ১৯২ লিটার
উত্তর: ঘ. ১৯২ লিটার
চৌবাচ্চার অঙ্কে একটি নল ভরে আর অপর নল পানি বের করে দেয়, তাই দুটি একসঙ্গে খুললে ভরার হার থেকে বের হওয়ার হার বাদ যায়। ধরি চৌবাচ্চায় V লিটার পানি ধরে। প্রথম নল ১২ মিনিটে পূর্ণ করে, তাই প্রতি মিনিটে ভরে V/12 লিটার। দ্বিতীয় নল প্রতি মিনিটে 14 লিটার বের করে।
উভয় নল একসঙ্গে খুললে প্রতি মিনিটে ভরে V/12 − 14 লিটার, আর ৯৬ মিনিটে ভরে V।
তাহলে 96(V/12 − 14) = V ⇒ 8V − 1344 = V ⇒ 7V = 1344 ⇒ V = 192।
অতএব চৌবাচ্চায় ১৯২ লিটার পানি ধরে।
যাচাই: প্রথম নল প্রতি মিনিটে 192/12 = 16 লিটার ভরে, নিট ভরে 16 − 14 = 2 লিটার, আর 2 × 96 = 192। - ৪৮. একটি বইয়ের দৈর্ঘ্য ২৫ সে.মি. ও প্রস্থ ১৮ সে.মি.। বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা ২০০ এবং প্রতি পাতার পুরুত্ব ০.১ মি.মি. হলে, বইটির আয়তন কত?
- ক. ৪৫৫ ঘন সে.মি.
- খ. ৪৫০ ঘন সে.মি.
- গ. ৪৪০ ঘন সে.মি.
- ঘ. ২৫০ ঘন সে.মি.
উত্তর: খ. ৪৫০ ঘন সে.মি.
বইয়ের আয়তন বের করতে হলে দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও পুরুত্ব গুণ করতে হয়। কিন্তু এখানে একটি ফাঁদ আছে। বইয়ের ২০০ পৃষ্ঠা মানে ১০০টি পাতা, কারণ এক পাতার দুই পিঠে দুটি পৃষ্ঠা থাকে।
পুরুত্ব = 100 × 0.1 মি.মি. = 10 মি.মি. = 1 সে.মি.।
আয়তন = 25 × 18 × 1 = 450 ঘন সে.মি.।
অনেকে ২০০টি পাতা ধরে পুরুত্ব ২ সে.মি. ধরে ফেলেন, তখন ৯০০ ঘন সে.মি. আসে যা অপশনে নেই।
মনে রাখুন:
১ সে.মি. = ১০ মি.মি.।
পৃষ্ঠা সংখ্যা = পাতা সংখ্যার দ্বিগুণ। - ৪৯. একটি খাতা ৩৬ টাকায় বিক্রি করলে যত ক্ষতি হয়, ৭২ টাকা বিক্রি করলে তার দ্বিগুণ লাভ হয়। খাতাটির ক্রয়মূল্য কত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৭
- ক. ৪৫ টাকা
- খ. ৪৪ টাকা
- গ. ৪২ টাকা
- ঘ. ৪৮ টাকা
উত্তর: ঘ. ৪৮ টাকা
লাভ-ক্ষতির অঙ্কে ক্রয়মূল্যের সঙ্গে বিক্রয়মূল্য তুলনা করে লাভ বা ক্ষতি পাওয়া যায়। ধরি খাতাটির ক্রয়মূল্য x টাকা। ৩৬ টাকায় বিক্রি করলে ক্রয়মূল্যের চেয়ে কম পাওয়া যায়, তাই ক্ষতি x − 36। আর ৭২ টাকায় বিক্রি করলে বেশি পাওয়া যায়, তাই লাভ 72 − x।
শর্ত অনুযায়ী লাভ ক্ষতির দ্বিগুণ: 72 − x = 2(x − 36) ⇒ 72 − x = 2x − 72 ⇒ 3x = 144 ⇒ x = 48।
অতএব ক্রয়মূল্য ৪৮ টাকা।
যাচাই: ৩৬ টাকায় ক্ষতি ১২, ৭২ টাকায় লাভ ২৪, আর ২৪ = ২ × ১২। - ৫০. দুটি সংখ্যার ল.সা.গু. ৬০ এবং গ.সা.গু. ১০। একটি সংখ্যা অপর সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ হলে ছোট সংখ্যাটি কত?
- ক. ২০
- খ. ৩০
- গ. ১০
- ঘ. ৪০
উত্তর: ক. ২০
দুটি সংখ্যার একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক হলো, তাদের গুণফল সবসময় ল.সা.গু. ও গ.সা.গু.-এর গুণফলের সমান হয়। তাই সংখ্যা দুটির গুণফল = 60 × 10 = 600।
ধরি বড় সংখ্যা x, তাহলে ছোট সংখ্যা (2/3)x। তাই x × (2/3)x = 600 ⇒ x² = 900 ⇒ x = 30।
ছোট সংখ্যা = (2/3) × 30 = 20।
যাচাই: ২০ ও ৩০-এর গ.সা.গু. ১০ এবং ল.সা.গু. ৬০।
মনে রাখুন: দুটি সংখ্যার গুণফল = ল.সা.গু. × গ.সা.গু.। - ৫১. এক নটিক্যাল মাইল কত মিটার?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৬
- ক. ১৭৫০.১৮ মি.
- খ. ১৮৫৩.১৮ মি.
- গ. ১৬৫০.২০ মি.
- ঘ. ১৯৫৩.১৮ মি.
উত্তর: খ. ১৮৫৩.১৮ মি.
নটিক্যাল মাইল হলো সাগর ও আকাশপথে দূরত্ব মাপার একটি একক। পৃথিবীর অক্ষাংশের এক মিনিট কোণের দূরত্ব প্রায় এক নটিক্যাল মাইলের সমান। এর মান প্রায় ১৮৫৩ মিটার, অর্থাৎ ১.৮৫৩ কিলোমিটার। আন্তর্জাতিকভাবে নির্ধারিত সঠিক মান অবশ্য ১৮৫২ মিটার। পরীক্ষার অপশনে সবচেয়ে কাছের মান ১৮৫৩.১৮ মিটারই নিতে হয়।
মনে রাখুন:
নৌ-গতির একক নট (knot), ১ নট = প্রতি ঘণ্টায় ১ নটিক্যাল মাইল।
স্থলপথের এক মাইল প্রায় ১৬০৯ মিটার, তাই নটিক্যাল মাইল স্থলপথের মাইলের চেয়ে বড়। - ৫২. a − 1/a = 3 হলে a³ − 1/a³ এর মান কত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৪
- ক. 9
- খ. 18
- গ. 27
- ঘ. 36
উত্তর: ঘ. 36
এই অঙ্কে a − 1/a দেওয়া আছে, আর a³ − 1/a³ বের করতে হবে। দুটির মধ্যে ঘনের সম্পর্ক আছে। তাই দেওয়া সমীকরণকে ঘন করব।
(a − 1/a)³ = a³ − 1/a³ − 3·a·(1/a)·(a − 1/a)।
এখানে a·(1/a) = 1, তাই 27 = a³ − 1/a³ − 3 × 3 ⇒ a³ − 1/a³ = 27 + 9 = 36।
অর্থাৎ সূত্র: a³ − 1/a³ = (a − 1/a)³ + 3(a − 1/a) = 27 + 9 = 36।
মনে রাখুন: যোগের ক্ষেত্রে সূত্র a³ + 1/a³ = (a + 1/a)³ − 3(a + 1/a)। - ৫৩. x² − √5x + 1 = 0 হলে x² − 1/x² এর মান কত?
- ক. 1
- খ. √5
- গ. 3
- ঘ. 2√5
উত্তর: খ. √5
প্রথমে সমীকরণ x² − √5x + 1 = 0-কে x দিয়ে ভাগ করে নিই। তাহলে x − √5 + 1/x = 0, অর্থাৎ x + 1/x = √5।
এখন x − 1/x বের করতে বর্গের সম্পর্ক ব্যবহার করব: (x − 1/x)² = (x + 1/x)² − 4 = 5 − 4 = 1, তাই x − 1/x = ±1।
মূল দুটির বড়টির (x = (√5 + 1)/2) জন্য x − 1/x = 1 ধরলে x² − 1/x² = (x + 1/x)(x − 1/x) = √5 × 1 = √5।
সূত্র: x² − 1/x² = (x + 1/x)(x − 1/x)।
মনে রাখুন: ছোট মূলটি নিলে মান −√5 হতো, কিন্তু অপশনে −√5 নেই, তাই √5-ই উত্তর। - ৫৪. একটি প্রকৃত ভগ্নাংশের হর, লব অপেক্ষা ৪ বেশি। ভগ্নাংশটি বর্গ করলে যে ভগ্নাংশ পাওয়া যাবে তার হর, লব অপেক্ষা ৪০ বেশি। ভগ্নাংশটি কত?
- ক. ৭/১১
- খ. ৩/৭
- গ. ৯/১৩
- ঘ. ১/৫
উত্তর: খ. ৩/৭
প্রকৃত ভগ্নাংশ মানে যার লব হরের চেয়ে ছোট। ধরি ভগ্নাংশটির লব a, তাহলে হর a + 4। বর্গ করলে লব হয় a² আর হর হয় (a + 4)²।
শর্ত অনুযায়ী বর্গ করার পর হর − লব = 40, অর্থাৎ (a + 4)² − a² = 40।
(a + 4)² − a² = 8a + 16 = 40 ⇒ 8a = 24 ⇒ a = 3।
তাহলে ভগ্নাংশটি 3/7।
যাচাই: 7 − 3 = 4 এবং বর্গ করলে 9/49, আর 49 − 9 = 40।
মনে রাখুন: (a + b)² − a² = 2ab + b²। - ৫৫. a ও b দুটি ধনাত্মক সংখ্যা এবং ab/x = √a হলে x/√b = কত?
- ক. √a
- খ. √ab
- গ. √(a/b)
- ঘ. √(b/a)
উত্তর: খ. √ab
প্রথমে দেওয়া শর্ত ab/x = √a থেকে x বের করি। ক্রস গুণ করলে x = ab/√a। এখানে a = √a × √a, তাই a/√a = √a। অতএব x = b√a।
এখন x/√b = b√a/√b। আবার b/√b = √b, তাই x/√b = √b · √a = √(ab)।
অতএব উত্তর √ab।
যাচাই: a = 4, b = 9 নিলে ab/x = 36/x = 2 ⇒ x = 18, আর 18/3 = 6 = √36।
সূত্র: b/√b = √b। - ৫৭. √(x+3) = √x + √3 হলে x = কত?
- ক. 3
- খ. −3
- গ. 0
- ঘ. √3
উত্তর: গ. 0
বর্গমূলের সমীকরণ সমাধানের সবচেয়ে সহজ উপায় হলো দুই পক্ষকে বর্গ করা। √(x+3) = √x + √3 সমীকরণের উভয় পক্ষ বর্গ করলে ডান পক্ষে (a + b)² সূত্র খাটে:
x + 3 = x + 3 + 2√x·√3।
দুই পক্ষ থেকে x + 3 বাদ দিলে 2√3·√x = 0, অতএব x = 0।
যাচাই: √(0+3) = √3, আর √0 + √3 = √3, ঠিক মিলছে।
মনে রাখুন: সাধারণভাবে √(a+b) ≠ √a + √b। কেবল একটি রাশি শূন্য হলেই এই সমতা মেলে। - ৫৮. একটি সরলরেখার উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল ঐ সরলরেখার এক-চতুর্থাংশের উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফলের কত গুণ?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৬
- ক. ১৬
- খ. ৮
- গ. ৪
- ঘ. ২
উত্তর: ক. ১৬
একটি সরলরেখার দৈর্ঘ্য x হলে তার ওপর অঙ্কিত বর্গের বাহু x এবং ক্ষেত্রফল x²। সরলরেখার এক-চতুর্থাংশ মানে দৈর্ঘ্য x/4। এর ওপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল (x/4)² = x²/16।
অনুপাত = x² ÷ (x²/16) = 16।
অর্থাৎ বড় বর্গের ক্ষেত্রফল ছোট বর্গের ক্ষেত্রফলের ১৬ গুণ। বাহু ৪ গুণ হয়েছে বলে ক্ষেত্রফল ৪ গুণ নয়, ১৬ গুণ হয়েছে।
মনে রাখুন: বাহু n গুণ হলে ক্ষেত্রফল n² গুণ হয়। - ৫৯. log₂8 = কত?
- ক. 1
- খ. 2
- গ. 3
- ঘ. 4
উত্তর: গ. 3
লগারিদম আসলে ঘাতের উল্টো দিকের হিসাব। log₂8 মানে ২-কে কত ঘাত দিলে ৮ পাওয়া যায়। যেহেতু 2 × 2 × 2 = 8, অর্থাৎ 8 = 2³, তাই log₂8 = log₂2³ = 3·log₂2 = 3 × 1 = 3।
সূত্র: logₐaⁿ = n।
মনে রাখুন:
logₐa = 1।
logₐ1 = 0।
logₐ(mn) = logₐm + logₐn। - ৬০. 4^(x+1) = 32 হলে x = ?
- ক. 2/3
- খ. 3/5
- গ. 1/8
- ঘ. 3/2
উত্তর: ঘ. 3/2
সূচকের সমীকরণ সমাধানের মূল কৌশল হলো দুই পক্ষের ভিত্তি এক করা, কারণ ভিত্তি এক হলে ঘাত সমান হয়। এখানে 4 = 2² এবং 32 = 2⁵, তাই 4^(x+1) = (2²)^(x+1) = 2^(2x+2)।
সমীকরণ হয় 2^(2x+2) = 2⁵ ⇒ 2x + 2 = 5 ⇒ 2x = 3 ⇒ x = 3/2।
যাচাই: x = 3/2 হলে 4^(5/2) = (√4)⁵ = 2⁵ = 32।
মনে রাখুন: (aᵐ)ⁿ = aᵐⁿ। - ৭৫. একটি গাড়ির চাকা প্রতি মিনিটে ৯০ বার ঘুরলে ১.৫ সেকেন্ডে চাকাটি কত ডিগ্রী ঘুরে?
- ক. ১৮০°
- খ. ২৭০°
- গ. ৩৬০°
- ঘ. ৮১০°
উত্তর: ঘ. ৮১০°
প্রতি সেকেন্ডে ঘোরে ৯০/৬০ = ১.৫ বার, তাই ১.৫ সেকেন্ডে ২.২৫ বার। ডিগ্রিতে ২.২৫ × ৩৬০° = ৮১০°।
সাধারণ জ্ঞান
- ৪৫. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে কার্যকর বিভাগের সংখ্যা কতটি?
- ক. ১৯টি
- খ. ২১টি
- গ. ২০টি
- ঘ. ১৮টি
উত্তর: ক. ১৯টি
পরীক্ষার সময়ের তথ্য অনুযায়ী প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে ১৯টি সংস্থা/বিভাগ কার্যকর ছিল। সাংগঠনিক কাঠামো বদলালে এ সংখ্যা পরিবর্তিত হতে পারে।
বাংলাদেশ
- ৫৬. সেনাবাহিনীর কতজন সদস্য দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব ‘বীর উত্তম’ পদক প্রাপ্ত হয়েছেন?
- ক. ৬৮ জন
- খ. ৫০ জন
- গ. ৪৯ জন
- ঘ. ৫১ জন
উত্তর: গ. ৪৯ জন
মুক্তিযুদ্ধে মোট ৬৮ জন 'বীর উত্তম' খেতাব পান; এঁদের মধ্যে সেনাবাহিনীর সদস্য ছিলেন ৪৯ জন। তাই ৬৮ মোট সংখ্যা, প্রশ্নের উত্তর ৪৯। - ৬১. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব পালন করেন—
- ক. মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
- খ. মন্ত্রণালয়ের সচিব
- গ. মহামান্য রাষ্ট্রপতি
- ঘ. সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান
উত্তর: ক. মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশে সংসদীয় সরকারব্যবস্থা চালু আছে। এই ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের প্রধান হলেও সরকারের প্রধান নির্বাহী প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়সহ কিছু গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিজের হাতে রাখেন (২০১৮ সালে শেখ হাসিনা ছিলেন প্রধানমন্ত্রী)। সচিব হলেন মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক প্রধান, অর্থাৎ তিনি সরকারি কর্মকর্তা, নির্বাহী প্রধান নন। আর রাষ্ট্রপতি সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা শাসনক্ষমতা প্রয়োগ করে।
মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক প্রধান সচিব, আর রাজনৈতিক প্রধান মন্ত্রী। - ৬২. বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালিত হয়—
- ক. ১৯ জুলাই
- খ. ২১ জুলাই
- গ. ২১ নভেম্বর
- ঘ. ১ আগস্ট
উত্তর: গ. ২১ নভেম্বর
১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী একসঙ্গে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মিলিত আক্রমণ চালিয়েছিল। এই স্মরণে ২১ নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালিত হয়। এর আগে তিন বাহিনী আলাদা আলাদা দিনে নিজেদের দিবস পালন করত, পরে সব বাহিনীর জন্য একটি দিন ঠিক করা হয়। অন্য অপশনের ১৯ জুলাই, ২১ জুলাই ও ১ আগস্ট তারিখগুলো এই দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখুন:
সেনাবাহিনী দিবস ২৫ মার্চ।
নৌবাহিনী দিবস ১০ ডিসেম্বর।
বিমান বাহিনী দিবস ২৮ সেপ্টেম্বর। - ৬৩. বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধা দিবস পালিত হয়—
- ক. ২৬ মার্চ
- খ. ৭ মার্চ
- গ. ১ ডিসেম্বর
- ঘ. ১৬ ডিসেম্বর
উত্তর: গ. ১ ডিসেম্বর
১ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধা দিবস হিসেবে পালিত হয়। মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়া বীরদের সম্মান জানানোর জন্য এই দিনটি ঠিক করা হয়েছে। একই মাসে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিন আছে বলে অনেকে গুলিয়ে ফেলেন। অন্যদিকে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস, কারণ এই দিনে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করে। আর ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস, কারণ এই দিনে বাংলাদেশ স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়।
মনে রাখুন:
৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের দিন।
১৭ এপ্রিল মুজিবনগর দিবস। - ৬৪. বাংলাদেশ কোন অলিম্পিক গেমস-এ প্রথম অংশগ্রহণ করে?
- ক. লস এঞ্জেলস
- খ. আটলান্টা
- গ. মস্কো
- ঘ. মেক্সিকো সিটি
উত্তর: ক. লস এঞ্জেলস
বাংলাদেশ ১৯৮০ সালে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির সদস্য হয়। সেই বছরের অলিম্পিক হয়েছিল মস্কোয়, কিন্তু বহু দেশ তা বর্জন করায় বাংলাদেশ সেখানে অংশ নেয়নি। এরপর ১৯৮৪ সালে লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকে বাংলাদেশ প্রথম অংশ নেয়। তাই সদস্য হওয়া আর খেলায় নামা, এ দুটি ঘটনা এক বছরের নয়, এটি মনে রাখা দরকার।
মনে রাখুন:
আয়োজক শহর: মেক্সিকো সিটি ১৯৬৮, মস্কো ১৯৮০, লস অ্যাঞ্জেলেস ১৯৮৪, আটলান্টা ১৯৯৬।
বাংলাদেশ আইওসি-র সদস্য হয় ১৯৮০ সালে। - ৬৭. দেশের বৃহত্তম যুদ্ধ বিমানঘাঁটির নাম :
- ক. বিমান বাহিনী ঘাঁটি বাশার
- খ. বিমান বাহিনী ঘাঁটি মতিউর
- গ. বিমান বাহিনী ঘাঁটি বঙ্গবন্ধু
- ঘ. বিমান বাহিনী ঘাঁটি জহুরুল
উত্তর: গ. বিমান বাহিনী ঘাঁটি বঙ্গবন্ধু
২০১৮ সালে বাংলাদেশের বৃহত্তম যুদ্ধবিমান ঘাঁটি ছিল বিমান বাহিনী ঘাঁটি বঙ্গবন্ধু (BAF Base Bangabandhu)। পরে এই ঘাঁটির নাম পরিবর্তন করে বীরউত্তম এ কে খন্দকার ঘাঁটি রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর অন্য ঘাঁটিগুলোও সাধারণত কোনো বিশিষ্ট ব্যক্তির নামে নামকরণ করা, তাই অপশনগুলোতে এমন নাম দেখে গুলিয়ে ফেলা সহজ।
মনে রাখুন:
বীরউত্তম এ কে খন্দকার মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ বাহিনীর উপ-প্রধান ছিলেন।
বিমান বাহিনী দিবস ২৮ সেপ্টেম্বর। - ৬৮. চীন থেকে ক্রয়কৃত বাংলাদেশ নৌ বাহিনীর সাবমেরিন দুটির নাম—
- ক. দুর্জয় ও বিজয়
- খ. দুর্গম ও প্রত্যয়
- গ. ওসমান ও মধুমতি
- ঘ. নবযাত্রা ও জয়যাত্রা
উত্তর: ঘ. নবযাত্রা ও জয়যাত্রা
২০১৭ সালের ১২ মার্চ চীন থেকে কেনা দুটি সাবমেরিন বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে যুক্ত হয়। সাবমেরিন দুটির নাম ‘নবযাত্রা’ ও ‘জয়যাত্রা’। এই সাবমেরিন পাওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রথমবারের মতো সাবমেরিন-সক্ষমতা অর্জন করে। সাবমেরিন দুটি রাখা হয় কক্সবাজারের পেকুয়ায় নির্মিত সাবমেরিন ঘাঁটি বিএনএস শেখ হাসিনায়। অন্য অপশনে যে নামগুলো আছে, সেগুলো এই সাবমেরিনের নাম নয়।
মনে রাখুন:
‘দুর্জয়’, ‘বিজয়’, ‘ওসমান’ ও ‘মধুমতি’ বাংলাদেশ নৌবাহিনীর অন্য জাহাজের নাম।
সাবমেরিন দুটি চীনের মিং শ্রেণির (Ming class)। - ৭০. ঢাকা জেলা মুক্তিযুদ্ধের কততম সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
- ক. ১ নং সেক্টর
- খ. ২ নং সেক্টর
- গ. ৩ নং সেক্টর
- ঘ. ৪ নং সেক্টর
উত্তর: খ. ২ নং সেক্টর
মুক্তিযুদ্ধের সময় সুবিধামতো যুদ্ধ পরিচালনার জন্য বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। ঢাকা জেলা ও ঢাকা শহর প্রধানত ২ নম্বর সেক্টরের আওতায় পড়ত। এই সেক্টরের অধিনায়ক ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ, পরে মেজর এ টি এম হায়দার। ঢাকা জেলার কিছু অংশ অবশ্য ৩ নম্বর সেক্টরেও ছিল, তবে প্রধান দায়িত্ব ২ নম্বর সেক্টরের।
মনে রাখুন:
২ নম্বর সেক্টরের এলাকা: ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর ও নোয়াখালীর অংশ।
১ নম্বর সেক্টরের প্রথম অধিনায়ক ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান। - ৭১. শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত বেকার হোস্টেলের কত নম্বর কক্ষকে জাদুঘরে রূপান্তর করা হয়েছে?
- ক. ২৩
- খ. ২২
- গ. ২৫
- ঘ. ২৪
উত্তর: ঘ. ২৪
কলকাতার বেকার হোস্টেলের ২৪ নম্বর কক্ষটি (৩ তলায়) সেই কক্ষ, যেখানে ছাত্রজীবনে শেখ মুজিবুর রহমান থাকতেন। এই কক্ষটিকে এখন জাদুঘর হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়েছে, আর সেখানে তাঁর পড়ার টেবিল-চেয়ার, কাঠের আলমারি ও খাট রাখা আছে। হোস্টেলটি কলকাতার ইসলামিয়া কলেজের (বর্তমান মাওলানা আজাদ কলেজ) ছাত্রদের আবাসস্থল ছিল। এই কলেজ থেকে তিনি ১৯৪৭ সালে বিএ পাশ করেন।
মনে রাখুন: বেকার হোস্টেল কলকাতার স্মিথ লেনে অবস্থিত। - ৭২. কোন তারিখে শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উদযাপন করা হয়?
- ক. ১৭ মার্চ
- খ. ২৩ মার্চ
- গ. ১০ জানুয়ারি
- ঘ. ২৫ জানুয়ারি
উত্তর: গ. ১০ জানুয়ারি
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ শেষে পাকিস্তানের কারাগার থেকে ছাড়া পেয়ে শেখ মুজিবুর রহমান লন্ডন ও দিল্লি হয়ে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে আসেন। ঢাকায় পৌঁছে তিনি তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) বিশাল জনসমুদ্রে ভাষণ দেন। তাই ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস হিসেবে পালিত হয়।
মনে রাখুন:
১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন এবং জাতীয় শিশু দিবস।
তিনি ১২ জানুয়ারি ১৯৭২ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। - ৭৬. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রথম দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী কে ছিলেন?
- ক. শেখ মুজিবুর রহমান
- খ. ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
- গ. জেনারেল ওসমানী
- ঘ. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
উত্তর: ক. শেখ মুজিবুর রহমান
স্বাধীন বাংলাদেশে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রথম মন্ত্রী ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতির পদ ছেড়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে তিনি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিজের হাতে রাখেন। মুজিবনগর সরকারের সময় এই দায়িত্ব অবশ্য প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের ওপর ছিল। তাই প্রশ্নটিতে স্বাধীন বাংলাদেশের সরকারের কথা মনে রাখা দরকার।
মনে রাখুন:
মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন কর্নেল (পরে জেনারেল) এম এ জি ওসমানী।
মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি (ভারপ্রাপ্ত) ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম। - ৭৭. কোন সন থেকে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা বাহিনীতে অংশগ্রহণ করে আসছে?
- ক. 1988
- খ. 1991
- গ. 1995
- ঘ. 2001
উত্তর: ক. 1988
বাংলাদেশ ১৯৮৮ সালে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশ নেয়। প্রথম মিশনটি ছিল ইরান-ইরাক সামরিক পর্যবেক্ষক গ্রুপ, সংক্ষেপে UNIIMOG (United Nations Iran-Iraq Military Observer Group)। এরপর থেকে বাংলাদেশ ধারাবাহিকভাবে শান্তিরক্ষী পাঠিয়ে আসছে এবং বিশ্বে সবচেয়ে বেশি সেনা দেওয়া দেশগুলোর একটি। অন্য অপশনের ১৯৯১, ১৯৯৫ ও ২০০১ সাল অংশগ্রহণের প্রথম বছর নয়।
মনে রাখুন:
UNIIMOG মিশনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পর্যবেক্ষক দল পাঠানো হয়েছিল।
জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৫ সালে।
আন্তর্জাতিক
- ৬৫. ভুটান-এর আইনসভার নাম কী?
- ক. পার্লামেন্ট
- খ. অ্যাসেম্বলি
- গ. ডায়েট
- ঘ. সোগডু
উত্তর: ক. পার্লামেন্ট
ভুটানের আইনসভা দুই কক্ষবিশিষ্ট এবং এর নাম পার্লামেন্ট। এতে রাজা, উচ্চকক্ষ ন্যাশনাল কাউন্সিল এবং নিম্নকক্ষ ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি থাকে। ২০০৮ সালে ভুটানে রাজতন্ত্র থেকে সাংবিধানিক রাজতন্ত্রে রূপান্তর ঘটে, আর সেই বছরই প্রথম সংসদ নির্বাচন হয়। অ্যাসেম্বলি বা সোগডু অপশনগুলো আইনসভার সঠিক নাম নয়।
মনে রাখুন:
জাপানের আইনসভা ডায়েট (Diet)।
মালদ্বীপের আইনসভা মজলিস।
ভুটানের রাজা পরিচিত ‘ড্রুক গিয়ালপো’ নামে। - ৬৯. ‘The Modern State’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
- ক. Aristotle
- খ. Abraham Lincoln
- গ. R.M. MacIver
- ঘ. John F. Kennedy
উত্তর: গ. R.M. MacIver
‘The Modern State’ গ্রন্থটির লেখক স্কটল্যান্ডে জন্ম নেওয়া মার্কিন সমাজবিজ্ঞানী ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী আর. এম. ম্যাকআইভার (R. M. MacIver, ১৮৮২–১৯৭০)। বইটি রাষ্ট্রের স্বরূপ ও কাজ নিয়ে লেখা, এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ছাত্রদের কাছে বহুল পরিচিত। অ্যারিস্টটল ‘Politics’, আর আব্রাহাম লিঙ্কন ও জন এফ কেনেডি রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে পরিচিত, রাষ্ট্রবিজ্ঞানের এই বইয়ের লেখক হিসেবে নন।
মনে রাখুন:
ম্যাকআইভারের আরেকটি বিখ্যাত বই ‘The Web of Government’।
তাঁর আরেকটি পরিচিত বই ‘Community’। - ৭৩. 'Fire and Fury' বইটির রচয়িতা কে?
- ক. Hillary Clinton
- খ. Michael Wolff
- গ. Donald Trump
- ঘ. Barrack Obama
উত্তর: খ. Michael Wolff
‘Fire and Fury: Inside the Trump White House’ বইটির লেখক মার্কিন সাংবাদিক মাইকেল উলফ (Michael Wolff)। ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে প্রকাশিত এই বইয়ে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হোয়াইট হাউসের ভেতরের নানা ঘটনার বর্ণনা ছিল, তাই বইটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়। অন্য অপশনের নামগুলো মার্কিন রাজনীতির পরিচিত মুখ, কিন্তু তাঁরা এই বইয়ের লেখক নন।
মনে রাখুন:
বইটি ২০১৮ সালের শুরুর দিকের আলোচিত বইগুলোর একটি।
লেখক পেশায় সাংবাদিক ও লেখক। - ৭৪. ডোকলাম উপত্যকা কোন কোন দেশের সাথে সংযুক্ত?
- ক. ভারত-পাকিস্তান
- খ. ভারত-চীন
- গ. ভারত-ভুটান
- ঘ. ভারত-ভুটান-চীন
উত্তর: ঘ. ভারত-ভুটান-চীন
ডোকলাম (Doklam) হিমালয়ের একটি উপত্যকা, যা ভারত, ভুটান ও চীনের সীমান্ত যেখানে মিলেছে, সেই ত্রি-সংযোগস্থলের কাছে। এলাকাটিকে ভুটান নিজের ভূখণ্ড বলে দাবি করে, চীনও দাবি করে, আর ভারতের সিকিম রাজ্যের কাছে হওয়ায় ভারতও এতে জড়িয়ে পড়ে। তাই তিন দেশের সঙ্গেই ডোকলাম সংযুক্ত। ২০১৭ সালের জুনে চীন সেখানে সড়ক নির্মাণ শুরু করলে ভারত বাধা দেয়, ফলে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। উত্তেজনা প্রায় ৭৩ দিন চলার পর আগস্টে তা কমে আসে।
মনে রাখুন: ডোকলামকে চীন বলে ‘দোংলাং’।
কম্পিউটার ও আইসিটি
- ৬৬. রোবট সোফিয়ার নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের নাম :
- ক. আইএম রোবটিক্স ইউনিট
- খ. স্যাম রোবটিক্স
- গ. হ্যাঙ্ক রোবটিক্স
- ঘ. হানসন রোবটিক্স
উত্তর: ঘ. হানসন রোবটিক্স
মানুষের মতো দেখতে ও কথা বলতে পারা বিখ্যাত রোবট সোফিয়া তৈরি করেছে হংকংভিত্তিক কোম্পানি হ্যানসন রোবটিকস (Hanson Robotics)। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ডেভিড হ্যানসন। ২০১৭ সালে সৌদি আরব সোফিয়াকে নাগরিকত্ব দেয়, আর এ কারণেই সে সারা বিশ্বে আলোচিত হয়। কোনো রোবট এভাবে কোনো দেশের নাগরিকত্ব পাওয়ায় এটি আলাদা মনোযোগ পায়। অন্য অপশনের নামগুলো নির্মাতা প্রতিষ্ঠান নয়।
মনে রাখুন: সোফিয়া একটি মানবসদৃশ রোবট (Humanoid robot)।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়: অন্যান্য পরীক্ষা
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় (বেসামরিক) স্টোরম্যান নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জুনিয়র শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় স্টোরম্যান নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় উপ-সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিদ্যুৎ বিভাগ বিদ্যুৎ পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন