লিয়ানা বুকস

গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮: প্রশ্ন ও সমাধান

পরীক্ষা হয়েছে ২৫ জানুয়ারি ২০১৮। ৯৯টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।

সময় ধরে পরীক্ষা দিন →

ইংরেজি

  1. ১. The noun form of 'prosper' is—
    • ক. prosperity
    • খ. prosperous
    • গ. prosperously
    • ঘ. prosperousness
    উত্তর: ক. prosperity
    Prosper একটি verb, যার মানে সমৃদ্ধ হওয়া বা উন্নতি করা। এই verb থেকে তৈরি noun হলো prosperity, অর্থাৎ সমৃদ্ধি। অন্য বিকল্পগুলো আলাদা শ্রেণির শব্দ: prosperous হলো adjective (সমৃদ্ধশালী) আর prosperously হলো adverb (সমৃদ্ধভাবে)। Prosperousness শব্দটি অভিধানে পাওয়া গেলেও এটি চালু বা প্রচলিত রূপ নয়, তাই পরীক্ষায় prosperity-ই সঠিক noun।
    মনে রাখুন:
    অনেক adjective-এর শেষে -ity যোগ করে noun হয়, যেমন active থেকে activity, real থেকে reality, able থেকে ability।
    একই মূল শব্দের চারটি রূপ একসঙ্গে মুখস্থ করুন: prosper (verb), prosperity (noun), prosperous (adjective), prosperously (adverb)।
  2. ৪. The synonym of 'frustrate' is—
    • ক. improve
    • খ. thwart
    • গ. remove
    • ঘ. eradicate
    উত্তর: খ. thwart
    Frustrate মানে ব্যর্থ করে দেওয়া বা কোনো চেষ্টা পণ্ড করে দেওয়া। Thwart শব্দটিরও প্রায় একই অর্থ, অর্থাৎ কারও পরিকল্পনায় বাধা দিয়ে তা সফল হতে না দেওয়া। বাকি শব্দগুলোর অর্থ আলাদা: improve মানে উন্নত করা, remove মানে সরিয়ে ফেলা আর eradicate মানে সমূলে উৎপাটন করা। তাই বিকল্পগুলোর মধ্যে thwart-ই ঠিক। Frustrate শব্দটি আরও একটি অর্থে চলে, কাউকে হতাশ বা বিরক্ত করা, যেমন The delay frustrated him।
    মনে রাখুন:
    Frustrate-এর কাছাকাছি আরও কিছু শব্দ হলো foil ও baffle।
    Frustrate-এর noun হলো frustration (হতাশা), আর adjective হলো frustrated।
  3. ৬. He is an heir— the throne.
    • ক. to
    • খ. at
    • গ. towards
    • ঘ. upon
    উত্তর: ক. to
    Heir শব্দের সঙ্গে preposition ‘to’ বসে, কারণ উত্তরাধিকারী কোনো সম্পত্তি বা পদের দিকেই সম্পর্কিত থাকে। তাই বাক্যটি হবে He is an heir to the throne, অর্থাৎ সে সিংহাসনের উত্তরাধিকারী। Heir-এর পরে at, towards বা upon বসে না। সম্পত্তির অর্থে কখনো heir of-ও দেখা যায়, তবে পরীক্ষায় to-ই আসে।
    মনে রাখুন:
    Heir to the throne, heir to the property, এভাবেই ব্যবহার হয়।
    Heir apparent মানে যে উত্তরাধিকারী হওয়া একেবারে নিশ্চিত, আর heir presumptive মানে যার উত্তরাধিকার পাওয়ার সম্ভাবনা আছে, কিন্তু অন্য কেউ জন্মালে তা বদলে যেতে পারে।
    Heir শব্দের h উচ্চারিত হয় না, তাই উচ্চারণ ‘এয়ার’-এর মতো। এজন্য আগে an বসে।
  4. ১২. The passive form of the sentence 'His sudden death shocked me' is :
    • ক. I was shocked by his sudden death.
    • খ. I was shocked to his sudden death.
    • গ. I was shocked to know his sudden death.
    • ঘ. I was shocked at his sudden death.
    উত্তর: ঘ. I was shocked at his sudden death.
    Shock শব্দের পরে সাধারণত preposition ‘at’ বসে, কারণ কোনো ঘটনায় আঘাত পাওয়ার ভাব বোঝাতে এটি চলে। তাই ‘His sudden death shocked me’ বাক্যের passive হলো I was shocked at his sudden death। বাংলায় অর্থ দাঁড়ায়, তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে আমি আঘাত পেয়েছিলাম। Active বাক্যের object ‘me’ এখানে subject ‘I’ হয়েছে, আর verb হয়েছে was shocked। বাকি বিকল্পে to বা to know বসানো হয়েছে, যা এখানে ব্যবহার হয় না।
    মনে রাখুন:
    কিছু verb-এর passive-এ by-এর জায়গায় অন্য preposition বসে। যেমন surprised at, pleased with, interested in, known to।
    আরও কিছু: satisfied with, married to, disgusted with।
  5. ২৫. The word 'popularize' is—
    • ক. adjective
    • খ. verb
    • গ. noun
    • ঘ. adverb
    উত্তর: খ. verb
    Popular একটি adjective, মানে জনপ্রিয়। এর শেষে -ize যোগ করে popularize হয়, যার অর্থ জনপ্রিয় করে তোলা। এটি একটি verb, যেমন The writer popularized the story। Popularity হলো এর noun রূপ (জনপ্রিয়তা), আর popularization হলো ক্রিয়া থেকে তৈরি আরেকটি noun।
    মনে রাখুন:
    Adjective-এর শেষে -ize বা -ise যোগ করে অনেক verb হয়, যেমন modern থেকে modernize, central থেকে centralize, final থেকে finalize।
    আরও কিছু verb-সৃষ্টিকারী প্রত্যয়: -en (wide থেকে widen), -ify (pure থেকে purify), -ate (active থেকে activate)।
  6. ২৯. The verb form of 'memory' is—
    • ক. memorize
    • খ. memorable
    • গ. memorably
    • ঘ. memorily
    উত্তর: ক. memorize
    Memory মানে স্মৃতি, এটি একটি noun। এর verb রূপ memorize, অর্থাৎ মুখস্থ করা। Memorable হলো adjective (স্মরণীয়), আর memorably হলো adverb (স্মরণীয়ভাবে)। Memorily বলে ইংরেজিতে কোনো শব্দ নেই। ব্রিটিশ ইংরেজিতে memorise-ও লেখা হয়, তবে পরীক্ষায় memorize-ই বেশি আসে।
    মনে রাখুন:
    Noun বা adjective-এর শেষে -ize যোগ করে verb তৈরির আরও উদাহরণ: symbol থেকে symbolize, apology থেকে apologize, real থেকে realize।
    Memory-র মূল রূপের চারটি শব্দ একসঙ্গে মনে রাখুন: memory (noun), memorize (verb), memorable (adjective), memorably (adverb)।
  7. ৩১. My dream is to retire— a villa in Japan.
    • ক. with
    • খ. from
    • গ. to
    • ঘ. of
    উত্তর: গ. to
    Retire শব্দটি যখন অবসর নিয়ে কোনো জায়গায় গিয়ে থাকা বোঝায়, তখন তার পরে ‘to’ বসে। বাক্যের অর্থ, আমার স্বপ্ন অবসর নিয়ে জাপানের একটি ভিলায় চলে যাওয়া। এখানে বলা হচ্ছে কোথায় যাওয়া হবে, কোন কাজ থেকে অবসর নেওয়া হবে তা নয়, তাই from বসে না।
    মনে রাখুন:
    Retire from a job মানে চাকরি থেকে অবসর নেওয়া।
    Retire to a village মানে অবসর নিয়ে গ্রামে চলে যাওয়া। Retire to bed মানে শুতে যাওয়া।
    অর্থ অনুযায়ী retire from ও retire to-র আলাদা ব্যবহার আছে।
  8. ৩৪. Choose the correctly spelt word :
    • ক. leisure
    • খ. lesiure
    • গ. liesure
    • ঘ. leasure
    উত্তর: ক. leisure
    সঠিক বানান leisure, যার অর্থ অবসর। অন্য বিকল্পগুলো ভুল বানান, কারণ এখানে ei-এর ক্রমটি ঠিক রাখতে হয়। এই শব্দের adjective হলো leisurely (ধীরেসুস্থে করা)। সাধারণ নিয়ম হলো c ছাড়া অন্য অক্ষরের পরে ie বসে (believe), আর c-এর পরে ei বসে (receive), কিন্তু leisure এই নিয়মের ব্যতিক্রম।
    মনে রাখুন:
    ‘ei’ ও ‘ie’ নিয়ে বিভ্রান্তি আছে এমন আরও শব্দ হলো receive, believe, neighbour ও foreign।
    আরও কিছু সঠিক বানান: seize, weird, ceiling, conceive।
  9. ৩৬. Which is the correct spelling?
    • ক. pulitser
    • খ. pulitzer
    • গ. pulithzer
    • ঘ. pulitzher
    উত্তর: খ. pulitzer
    সঠিক বানান Pulitzer। এটি জোসেফ পুলিৎজারের নাম, যিনি হাঙ্গেরিতে জন্মে যুক্তরাষ্ট্রে বিখ্যাত সাংবাদিক ও সংবাদপত্র-প্রকাশক হয়েছিলেন। তাঁর নামে সাংবাদিকতা, সাহিত্য ও সংগীতে সেরা কাজের জন্য প্রতিবছর পুলিৎজার পুরস্কার দেওয়া হয়। নামের শেষে ‘zer’ থাকে, ‘ser’ বা ‘zher’ নয়, এটাই এই প্রশ্নের মূল ফাঁদ।
    মনে রাখুন:
    পুরস্কারটি ১৯১৭ সাল থেকে দেওয়া হচ্ছে এবং এটি পরিচালনা করে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়।
    জোসেফ পুলিৎজার ১৯১১ সালে মারা যান। তাঁর উইলের অর্থে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতা বিদ্যালয় এবং এই পুরস্কার চালু হয়।
  10. ৪০. — as fast as she could, she managed to arrive on time.
    • ক. Being driver
    • খ. Driver
    • গ. Having driving
    • ঘ. Driving
    উত্তর: ঘ. Driving
    বাক্যটির শুরুর অংশটি পুরো বাক্যের কর্তা (she)-এর কাজ বোঝাচ্ছে, তাই এখানে present participle বসবে। Driving as fast as she could মানে যতটা দ্রুত সম্ভব গাড়ি চালিয়ে। তাই বাক্যটি দাঁড়ায় Driving as fast as she could, she managed to arrive on time। Being driver বা Driver বসালে অর্থ মেলে না, আর Having driving ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
    মনে রাখুন:
    Participle দিয়ে শুরু হওয়া অংশের কর্তা এবং মূল বাক্যের কর্তা একই হতে হয়। না হলে সেটি dangling participle নামের ভুল হয়।
    ঠিক: Walking down the street, he saw an old friend।
  11. ৪১. What does the phrase 'give in' mean?
    • ক. complete
    • খ. surrender
    • গ. give away
    • ঘ. distribute
    উত্তর: খ. surrender
    Give in একটি phrasal verb, যার অর্থ হার মেনে নেওয়া বা আত্মসমর্পণ করা। যেমন, After hours of arguing, he finally gave in। তাই এর কাছাকাছি অর্থ surrender। Complete মানে সম্পন্ন করা, give away মানে বিলিয়ে দেওয়া আর distribute মানে বিতরণ করা।
    মনে রাখুন:
    Give up মানে ছেড়ে দেওয়া, আর give out মানে বিলি করা বা ফুরিয়ে যাওয়া।
    Give away মানে দান করে দেওয়া বা গোপন কথা ফাঁস করা, আর give back মানে ফেরত দেওয়া।
  12. ৪৮. 'Speed money' refers to—
    • ক. bribe
    • খ. black money
    • গ. hard-earned
    • ঘ. percentage of
    উত্তর: ক. bribe
    Speed money বলতে সেই অর্থ বোঝায়, যা কোনো সরকারি কর্মকর্তাকে দেওয়া হয় যাতে তিনি কাজ তাড়াতাড়ি করে দেন। বাংলায় একে ঘুষ বা উৎকোচ বলা হয়, ইংরেজিতে bribe। Black money মানে কালো টাকা, অর্থাৎ কর ফাঁকি দেওয়া অঘোষিত আয়। Hard-earned মানে কষ্টে উপার্জিত।
    মনে রাখুন:
    Bribe, kickback, graft ও speed money কাছাকাছি অর্থের শব্দ।
    Hush money মানে কাউকে চুপ থাকতে দেওয়া ঘুষ, আর blood money মানে হত্যার ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়া অর্থ।
  13. ৫০. Which one is correct?
    • ক. One of my sisters are a nurse.
    • খ. One of my sister is a nurse.
    • গ. One of my sisters is a nurse.
    • ঘ. One of my sister are a nurse.
    উত্তর: গ. One of my sisters is a nurse.
    ‘One of’-এর পরে বহুবচন noun বসে, কিন্তু verb হয় একবচন, কারণ এখানে আসল কর্তা ‘one’। তাই সঠিক বাক্য One of my sisters is a nurse। Sister একবচন বা are ব্যবহার করলে ভুল হবে, কারণ আমার একাধিক বোন আছে (my sisters) এবং তাদের একজনের কথাই বলা হচ্ছে (is)।
    মনে রাখুন:
    একই নিয়মে each of, either of, neither of-এর পরে বহুবচন noun বসে এবং verb একবচন হয়।
    A number of-এর পরে verb বহুবচন হয়, কিন্তু the number of-এর পরে একবচন।
  14. ৫১. Down with the tyrant! ‘down’ is a /an-
    • ক. verb
    • খ. adjective
    • গ. noun
    • ঘ. preposition
    উত্তর: ক. verb
    'Down with the tyrant!' একটি স্লোগান, যার অর্থ অত্যাচারীর পতন হোক বা অত্যাচারীকে উৎখাত করো। এখানে কোনো ক্রিয়া আলাদা করে লেখা নেই, আর down শব্দটিই উৎখাত করার কাজটি প্রকাশ করছে, তাই প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে একে verb ধরা হয়। এ ধরনের আদেশমূলক আবেগপূর্ণ বাক্যে ক্রিয়াটি উহ্য থাকে বলে অনেক ব্যাকরণ বই down-কে adverb-ও বলে, তবে adverb এখানে বিকল্প হিসেবে নেই।
    মনে রাখুন: down শব্দটি verb হিসেবেও বসে, যেমন They downed three enemy planes (ভূপাতিত করল)।
  15. ৫৬. 'Divulge' অর্থ—
    • ক. অল্প পরিমাণ
    • খ. প্রকাশ করা
    • গ. বেশি পরিমাণ
    • ঘ. ছড়িয়ে দেওয়া
    উত্তর: খ. প্রকাশ করা
    Divulge একটি verb, যার অর্থ কোনো গোপন কথা বা তথ্য ফাঁস করে দেওয়া, অর্থাৎ প্রকাশ করা। যেমন, He refused to divulge the secret। তাই বিকল্পের মধ্যে ‘প্রকাশ করা’ ঠিক। অন্য বিকল্পগুলো এই অর্থ বোঝায় না, ‘ছড়িয়ে দেওয়া’ কিছুটা কাছাকাছি মনে হলেও divulge-এ মূল কথা গোপন তথ্য জানিয়ে দেওয়া, কেবল ছড়িয়ে দেওয়া নয়।
    মনে রাখুন:
    Divulge-এর কাছাকাছি শব্দ reveal ও disclose।
    Divulge-এর বিপরীত শব্দ conceal (লুকানো)।
  16. ৫৮. The antonym of 'diligent' is—
    • ক. cheap
    • খ. simply
    • গ. indolent
    • ঘ. garrulous
    উত্তর: গ. indolent
    Diligent মানে পরিশ্রমী ও অধ্যবসায়ী, অর্থাৎ যে মন দিয়ে লেগে থেকে কাজ করে। এর বিপরীত অর্থের শব্দ indolent, মানে অলস বা কর্মবিমুখ। অন্য বিকল্পের অর্থ: cheap মানে সস্তা, simply মানে নিছক বা কেবল, garrulous মানে বাচাল। এগুলোর কোনোটিই পরিশ্রমের উল্টো অর্থ দেয় না।
    মনে রাখুন:
    Diligent-এর সমার্থক শব্দ industrious ও hardworking।
    Indolent-এর কাছাকাছি আরও শব্দ lazy, idle ও slothful।
  17. ৬৩. 'Bad blood' means—
    • ক. impure blood
    • খ. poisonous
    • গ. enmity
    • ঘ. friendship
    উত্তর: গ. enmity
    Bad blood একটি idiom, যার অর্থ দুজন মানুষ বা দলের মধ্যে পুরোনো শত্রুতা বা বিদ্বেষ। যেমন, There is bad blood between the two families। এর অর্থ খারাপ রক্ত নয়, তাই impure blood ঠিক নয়। সঠিক উত্তর enmity।
    মনে রাখুন:
    Blood-সংক্রান্ত আরেকটি idiom blue blood, যার মানে অভিজাত বংশ।
    In cold blood মানে নির্মমভাবে, আর blood is thicker than water মানে আত্মীয়তার বন্ধন বেশি শক্ত।
  18. ৬৭. They have— children.
    • ক. not
    • খ. nothing
    • গ. no
    • ঘ. none
    উত্তর: গ. no
    Have-এর পরে noun থাকলে বাক্যকে নেতিবাচক করার সহজ উপায় হলো noun-এর আগে ‘no’ বসানো। তাই They have no children, মানে তাদের কোনো সন্তান নেই। এটি They do not have any children বাক্যের সমান অর্থ দেয়। ‘Not’ বসালে verb-এর আগে বসতে হতো, ‘nothing’ ও ‘none’ এখানে বসে না, কারণ এ দুটি noun-এর জায়গা নেয়, noun-এর আগে বসে না।
    মনে রাখুন:
    None সাধারণত একা বসে, যেমন None of them came।
    No সবসময় noun-এর আগে বসে, যেমন no money, no time।
  19. ৬৯. A person who knows several foreign languages well is called—
    • ক. spokesman
    • খ. linguist
    • গ. geologist
    • ঘ. polyglot
    উত্তর: ঘ. polyglot
    যিনি অনেকগুলো ভাষা ভালোভাবে জানেন, তাঁকে polyglot বলে। Linguist হলেন ভাষাবিজ্ঞানী, যিনি ভাষার গঠন নিয়ে গবেষণা করেন। Spokesman মানে মুখপাত্র, আর geologist মানে ভূতাত্ত্বিক, যিনি পৃথিবীর শিলা ও গঠন নিয়ে পড়াশোনা করেন।
    মনে রাখুন:
    দুটি ভাষা জানলে bilingual, আর তিনটি ভাষা জানলে trilingual বলা হয়।
    একটি মাত্র ভাষা জানলে monolingual, আর অনেক ভাষা জানলে multilingual বা polyglot।
  20. ৭০. The adjective form of 'sympathy' is—
    • ক. sympathetically
    • খ. sympathetic
    • গ. sympathize
    • ঘ. sympathy
    উত্তর: খ. sympathetic
    Sympathy একটি noun, যার অর্থ সহানুভূতি। এর adjective হলো sympathetic, মানে সহানুভূতিশীল। Sympathetically হলো adverb (সহানুভূতির সঙ্গে) আর sympathize হলো verb (সহানুভূতি জানানো)।
    মনে রাখুন:
    Sympathy শব্দের চারটি রূপ: sympathy (noun), sympathize (verb), sympathetic (adjective), sympathetically (adverb)।
    Noun থেকে adjective হওয়ার আরও উদাহরণ: energy থেকে energetic, poet থেকে poetic, atom থেকে atomic।
  21. ৭৬. What kind of noun is 'committee'?
    • ক. abstract
    • খ. proper
    • গ. collective
    • ঘ. common
    উত্তর: গ. collective
    যে noun দিয়ে একটি গোষ্ঠী বা দলকে একসঙ্গে বোঝানো হয়, তাকে collective noun বলে। Committee মানে কোনো বিশেষ কাজের জন্য নির্বাচিত বা মনোনীত একদল মানুষ, তাই এটি collective noun। এর বিপরীতে proper noun বিশেষ নাম বোঝায় (Dhaka), আর abstract noun গুণ বা ভাব বোঝায় (honesty)।
    উদাহরণ:
    class, team, jury, army, crowd
    মনে রাখুন: গোষ্ঠীটিকে একক হিসেবে ভাবলে verb একবচন হয় (The committee has decided), আর সদস্যদের আলাদাভাবে ভাবলে বহুবচন হয়।
  22. ৮০. The passive form of the sentence 'Do not open the door' is—
    • ক. Let not the door be opened
    • খ. Let not the door open
    • গ. Let not the door be open
    • ঘ. Let not the door opened
    উত্তর: ক. Let not the door be opened
    Do not open the door একটি নেতিবাচক অনুজ্ঞা বাক্য (Imperative)। এর passive গঠনের নিয়ম Let + not + object + be + past participle। এখানে object হলো the door, আর open-এর past participle opened। তাই passive হবে Let not the door be opened। বাকি বিকল্পে be নেই বা participle ভুল, তাই সেগুলো ব্যাকরণসম্মত নয়।
    মনে রাখুন:
    আদেশ বাক্যের passive সাধারণত let দিয়ে শুরু হয়, যেমন Open the door → Let the door be opened।
    আরেকটি উদাহরণ: Do not tell a lie → Let not a lie be told।
  23. ৮৩. Which one is a noun?
    • ক. acceptable
    • খ. accepted
    • গ. acceptance
    • ঘ. acception
    উত্তর: গ. acceptance
    Accept একটি verb, যার অর্থ গ্রহণ করা। এর noun রূপ acceptance, মানে গ্রহণ বা স্বীকৃতি। Acceptable হলো adjective (গ্রহণযোগ্য), আর accepted হলো past participle বা adjective (গৃহীত)। Acception শব্দটি এখন চালু নয়, তাই noun হিসেবে acceptance-ই সঠিক।
    মনে রাখুন:
    -ance বা -ence দিয়ে শেষ হওয়া শব্দ সাধারণত noun, যেমন importance, difference, patience।
    Accept ও except গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়; except মানে ছাড়া বা বাদ দিয়ে।
  24. ৮৪. Put a correct word in the gap : Man is the— of his own fate.
    • ক. architecture
    • খ. architectural
    • গ. architect
    • ঘ. archer
    উত্তর: গ. architect
    Man is the architect of his own fate মানে মানুষ নিজের ভাগ্যের নিজেই নির্মাতা। Architect একটি noun, যার অর্থ স্থপতি, এখানে রূপক অর্থে নির্মাতা। বাক্যে ‘the’-এর পরে ‘of’ থাকায় এখানে এমন একটি noun লাগে যা ব্যক্তিকে বোঝায়। Architecture মানে স্থাপত্যবিদ্যা, architectural মানে স্থাপত্য-সংক্রান্ত, আর archer মানে তীরন্দাজ।
    মনে রাখুন:
    Fate শব্দের অর্থ ভাগ্য, আর fortune-ও প্রায় একই অর্থে ব্যবহৃত হয়।
    আরেকটি প্রবাদ: Fortune favours the brave।
  25. ৮৮. The phrase 'out of the woods' means—
    • ক. out of the way
    • খ. out of the bush
    • গ. out of the jungle
    • ঘ. free from difficulties
    উত্তর: ঘ. free from difficulties
    Out of the woods একটি idiom। বনের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসা মানে বিপদ বা ঝামেলা কাটিয়ে ওঠা। তাই অর্থ free from difficulties। যেমন, The patient is out of the woods now, মানে রোগী এখন বিপদমুক্ত। অন্য বিকল্পগুলো শাব্দিক অর্থের কাছাকাছি, কিন্তু idiom-এর অর্থ নয়।
    মনে রাখুন:
    Idiom-এর অর্থ কখনো শব্দ ধরে ধরে বিচার করা চলে না।
    আরও কিছু idiom: out of the blue (হঠাৎ), out of the question (অসম্ভব)।

বাংলা

  1. ২. 'সবুজপত্র' প্রকাশিত হয়—
    • ক. ১৯০৯
    • খ. ১৯১০
    • গ. ১৯১৪
    • ঘ. ১৯২১
    উত্তর: গ. ১৯১৪
    প্রমথ চৌধুরী ১৯১৪ সালে ‘সবুজপত্র’ নামে একটি মাসিক পত্রিকা প্রকাশ করেন। তিনি ‘বীরবল’ ছদ্মনামে লিখতেন। এই পত্রিকার মাধ্যমে তিনি সাধু ভাষার বদলে চলিত ভাষায় লেখার চর্চা শুরু করেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও এই পত্রিকায় চলিত ভাষায় লিখতে এগিয়ে আসেন, ফলে বাংলা গদ্যে চলিত রীতি দৃঢ়ভাবে জায়গা করে নেয়। এ কারণে সবুজপত্রকে বাংলা সাহিত্যের একটি নতুন যুগের সূচনাকারী পত্রিকা বলা হয়। পত্রিকাটির নামটাও যেন নতুন, তরুণ ও সতেজ চিন্তার প্রতীক।
    মনে রাখুন:
    ‘সবুজপত্র’ পত্রিকার সম্পাদক প্রমথ চৌধুরী, আর চলিত ভাষারীতির প্রবর্তকও তিনিই।
    প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম বীরবল। তাঁর বিখ্যাত বই ‘বীরবলের হালখাতা’, ‘চার-ইয়ারি কথা’ ও ‘তেল-নুন-লকড়ি’।
  2. ৩. গঠন অনুসারে বাক্য কত প্রকার?
    • ক. ২ প্রকার
    • খ. ৫ প্রকার
    • গ. ৩ প্রকার
    • ঘ. ৪ প্রকার
    উত্তর: গ. ৩ প্রকার
    বাক্যের গঠন বা রূপ দেখে বাক্যকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। এগুলো হলো সরল বাক্য (Simple), জটিল বাক্য (Complex) ও যৌগিক বাক্য (Compound)। যে বাক্যে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, সেটি সরল বাক্য। যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের সঙ্গে এক বা একাধিক অধীন খণ্ডবাক্য যুক্ত থাকে, সেটি জটিল বাক্য। আর যে বাক্যে দুই বা তার বেশি স্বাধীন বাক্য ‘এবং’, ‘কিন্তু’, ‘অথবা’ ইত্যাদি অব্যয় দিয়ে যুক্ত হয়, সেটি যৌগিক বাক্য।
    মনে রাখুন:
    অর্থ অনুসারে বাক্যের ভাগ আলাদা, যেমন বিবৃতিমূলক, প্রশ্নবোধক, অনুজ্ঞাসূচক ও আবেগসূচক। গঠন আর অর্থ অনুসারে ভাগ দুটিকে গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়।
    উদাহরণ:
    সরল: সে বই পড়ে।
    জটিল: যে পরিশ্রম করে, সে সফল হয়।
    যৌগিক: সে চেষ্টা করল, কিন্তু সফল হলো না।
  3. ৫. শুদ্ধ শব্দগুচ্ছ কোনটি?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ১৪৯১) ২০১৯
    • ক. গণনা, গণিকা, শোণিত
    • খ. গণণা, গনিকা, শোনিত
    • গ. গননা, গণিকা, শোনিত
    • ঘ. গণনা, গনিকা, শোণিত
    উত্তর: ক. গণনা, গণিকা, শোণিত
    বাংলা বানানে ণ-ত্ব বিধান বলে একটি নিয়ম আছে, যেমন ঋ, র বা ষ-এর পরে সাধারণত মূর্ধন্য ণ বসে (ঋণ, বর্ণ, ভূষণ)। এই নিয়মের বাইরেও কিছু তৎসম শব্দে স্বভাবতই মূর্ধন্য ণ বসে, যেমন গণনা, গণিকা ও শোণিত। এই তিনটি শব্দ একসঙ্গে দেওয়া থাকায় প্রথম গুচ্ছটিই শুদ্ধ। অন্য গুচ্ছগুলোতে কোথাও ‘গণণা’, কোথাও ‘গনিকা’, আবার কোথাও ‘শোনিত’ লেখা হয়েছে, যা ভুল।
    মনে রাখুন:
    স্বভাবে ণ হয় এমন শব্দ: বাণিজ্য, কল্যাণ, লবণ, মাণিক্য, চাণক্য, বিপণি, ভণিতা।
    তৎসম নয় এমন শব্দে (দেশি, তদ্ভব ও বিদেশি) সাধারণত দন্ত্য ন হয়, যেমন কান, সোনা, ইরান, কোরান।
  4. ৭. 'কবর' নাটক কোন পটভূমিতে রচিত?
    • ক. উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
    • খ. বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন
    • গ. বাষট্টির ছাত্র আন্দোলন
    • ঘ. একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ
    উত্তর: খ. বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন
    মুনীর চৌধুরী ‘কবর’ নাটকটি লিখেছেন ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে। ১৯৫৩ সালে তিনি রাজনৈতিক কারণে জেলে ছিলেন, তখনই নাটকটি লেখা হয়। একুশের শহীদদের স্মরণে সেবার জেলখানাতেই নাটকটি প্রথম মঞ্চস্থ হয়। এটি বাংলা ভাষা আন্দোলনকে নিয়ে লেখা প্রথম নাটকগুলোর একটি এবং একাঙ্ক নাটক, যা ১৯৬৬ সালে বই আকারে প্রকাশিত হয়। মুনীর চৌধুরী ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর শহীদ হন, তাই এই দিনটি শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস হিসেবে পালিত হয়।
    মনে রাখুন:
    মুনীর চৌধুরীর মৌলিক নাটক: কবর, রক্তাক্ত প্রান্তর, চিঠি, দণ্ডকারণ্য।
    তাঁর অনূদিত নাটক: কেউ কিছু বলতে পারে না, রূপার কৌটা, মুখরা রমণী বশীকরণ।
  5. ৯. মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে কোন ধর্মপ্রচারকের প্রভাব অপরিসীম?
    • ক. শ্রীচৈতন্যদেব
    • খ. শ্রীকৃষ্ণ
    • গ. আদিনাথ শিব
    • ঘ. মীননাথ
    উত্তর: ক. শ্রীচৈতন্যদেব
    শ্রীচৈতন্যদেব পঞ্চদশ শতকের শেষ দিকে (১৪৮৬ সালে) নদীয়ার নবদ্বীপে জন্মেছিলেন। তাঁর ছেলেবেলার নাম বিশ্বম্ভর, ডাকনাম নিমাই। তিনি বৈষ্ণব ধর্মের প্রচারক ছিলেন, আর তাঁর ভক্তিবাদের প্রভাবে মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে বৈষ্ণব পদাবলী ও জীবনীকাব্য রচনার ধারা জোরদার হয়। এ কারণেই মধ্যযুগের একটি পর্বকে চৈতন্যযুগ বলা হয়। শ্রীকৃষ্ণ বা শিব ধর্মপ্রচারক নন, তাঁরা দেব-দেবী, আর মীননাথ ও আদিনাথ নাথ সাহিত্যের সঙ্গে জড়িত।
    মনে রাখুন:
    চৈতন্যদেবের প্রথম জীবনীগ্রন্থ বৃন্দাবন দাসের ‘শ্রীচৈতন্যভাগবত’।
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ লিখেছেন ‘চৈতন্যচরিতামৃত’। জয়ানন্দ ও লোচন দাসও ‘চৈতন্যমঙ্গল’ নামে জীবনীকাব্য লিখেছেন।
  6. ১০. 'রবীন্দ্র'-এর সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) ২০১৯
    • ক. রবী + ঈন্দ্র
    • খ. রবী + ইন্দ্র
    • গ. রবি + ইন্দ্র
    • ঘ. রবি + ঈন্দ্র
    উত্তর: গ. রবি + ইন্দ্র
    ‘রবীন্দ্র’ শব্দটি দুটি শব্দের সন্ধিতে তৈরি, রবি + ইন্দ্র। এখানে প্রথম অংশের শেষে ই-কার আছে এবং পরের অংশের শুরুতে ‘ই’ আছে। এমন হলে দুটি মিলে দীর্ঘ ঈ-কার হয়, তাই রবি + ইন্দ্র = রবীন্দ্র। প্রথম শব্দটি ‘রবী’ নয়, ‘রবি’ (সূর্য), তাই অন্য বিকল্পগুলো ঠিক হয় না। ইন্দ্র শব্দের মানে দেবরাজ বা প্রধান, তাই রবীন্দ্র মানে সূর্যের রাজা, আর এভাবেই রবীন্দ্রনাথ নামটিও এসেছে। এটি স্বরসন্ধির একটি নিয়ম।
    উদাহরণ:
    অতি + ইত = অতীত
    পরি + ঈক্ষা = পরীক্ষা
    গিরি + ইন্দ্র = গিরীন্দ্র
    মনে রাখুন: অ-কার বা আ-কারের সঙ্গে অ বা আ মিললে আ হয়, যেমন হিম + আলয় = হিমালয়।
  7. ১৬. কোনটি মৌলিক স্বরধ্বনি?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৬
    • ক. ঔ
    • খ. ঐ
    • গ. ঈ
    • ঘ. অ্যা
    উত্তর: ঘ. অ্যা
    বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি: অ, আ, ই, উ, এ, ও এবং অ্যা। প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে ঔ ও ঐ যৌগিক স্বর বা দ্বিস্বর, কারণ ঔ = ও + উ আর ঐ = ও + ই, অর্থাৎ দুটি স্বর মিলে একটি ধ্বনি তৈরি হয়েছে। ঈ-এর উচ্চারণ ই-এর মতোই, তাই ধ্বনি হিসেবে এটি আলাদা মৌলিক স্বর নয়, শুধু লেখায় আলাদা বর্ণ। সুতরাং মৌলিক স্বরধ্বনি অ্যা।
    মনে রাখুন:
    লেখার বর্ণ হিসেবে স্বরবর্ণ ১১টি, কিন্তু মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি।
    জিহ্বার অবস্থান অনুযায়ী ই, এ, অ্যা হলো সম্মুখ স্বর, আ হলো মধ্য স্বর এবং উ, ও, অ হলো পশ্চাৎ স্বর।
  8. ১৮. 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যটি আবিষ্কৃত হয়—
    • ক. ১৯০৯
    • খ. ১৮০৯
    • গ. ১৯০৭
    • ঘ. ১৭০৯
    উত্তর: ক. ১৯০৯
    ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের পুঁথি ১৯০৯ সালে পাওয়া যায়। বাঁকুড়ার এক গৃহস্থের গোয়ালঘর থেকে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ এটি আবিষ্কার করেন। ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে কাব্যটি ছাপা হয়। কাব্যটি বড়ু চণ্ডীদাসের লেখা, যা মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন হিসেবে ধরা হয়। রাধা-কৃষ্ণের প্রেমকাহিনি নিয়ে লেখা এই কাব্য মোট ১৩টি খণ্ডে ভাগ করা, যেমন জন্মখণ্ড, তাম্বুলখণ্ড, দানখণ্ড ও নৌকাখণ্ড।
    মনে রাখুন:
    এর প্রধান তিন চরিত্র কৃষ্ণ, রাধা ও বড়াই।
    চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয় ১৯০৭ সালে, হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর হাতে নেপালের রাজগ্রন্থাগার থেকে। ১৯০৭ সালটি এই প্রশ্নের একটি ফাঁদ বিকল্প।
  9. ১৯. কোনটি নদীর সমার্থক নয়?
    • ক. সরিৎ
    • খ. তটিনী
    • গ. গাং
    • ঘ. পতিত পাবন
    উত্তর: ঘ. পতিত পাবন
    সরিৎ, তটিনী ও গাং তিনটিরই অর্থ নদী। ‘পতিতপাবন’ শব্দের অর্থ পাপীদের উদ্ধারকারী, অর্থাৎ ঈশ্বর বা ত্রাণকর্তা। শব্দটি এসেছে ‘পতিত’ (পাপী বা পড়ে যাওয়া) আর ‘পাবন’ (পবিত্রকারী) শব্দ দুটি থেকে। কাজেই এটি নদীর সমার্থক নয়। সমার্থক শব্দ চেনার সময় প্রতিটি বিকল্পের আলাদা অর্থ মনে করতে হয়, তাহলে ভিন্ন অর্থের শব্দটি সহজে ধরা পড়ে।
    মনে রাখুন:
    নদীর অন্য প্রতিশব্দ: স্রোতস্বিনী, তরঙ্গিণী, প্রবাহিনী, শৈবলিনী, কল্লোলিনী।
    গাং শব্দটি গাঙ নামেও বলা হয়, এটি নদী বোঝাতে আঞ্চলিক ও কাব্যিক ভাষায় চলে।
  10. ২৪. 'মনোযোগ' শব্দটি কোন সন্ধিতে গঠিত?
    • ক. নিপাতনে সিদ্ধ
    • খ. ব্যঞ্জনসন্ধি
    • গ. বিসর্গসন্ধি
    • ঘ. স্বরসন্ধি
    উত্তর: গ. বিসর্গসন্ধি
    ‘মনোযোগ’ শব্দের বিচ্ছেদ মনঃ + যোগ। প্রথম অংশের শেষে বিসর্গ (ঃ) আছে, যা পরের ধ্বনির প্রভাবে ‘ও’ বা ‘ো’ হয়ে যায়। বিসর্গের সঙ্গে স্বর বা ব্যঞ্জনের মিলনে যে সন্ধি হয়, তাকে বিসর্গসন্ধি বলে। নিয়মটি হলো, অ-কারের পরের বিসর্গের পরে বর্গের তৃতীয়, চতুর্থ বা পঞ্চম বর্ণ, কিংবা য, র, ল, ব, হ থাকলে বিসর্গ ‘ও’ হয়। এখানে বিসর্গের পরে ‘য’ আছে, তাই মনঃ + যোগ = মনোযোগ। সন্ধি তিন প্রকার: স্বরসন্ধি, ব্যঞ্জনসন্ধি ও বিসর্গসন্ধি।
    উদাহরণ:
    মনঃ + রম = মনোরম
    মনঃ + হর = মনোহর
    আশীঃ + বাদ = আশীর্বাদ
  11. ৩৫. 'হেড-মৌলভী' কোন কোন ভাষার শব্দযোগে গঠিত?
    • ক. ইংরেজি + ফারসি
    • খ. ইংরেজি + আরবি
    • গ. তুর্কি + আরবি
    • ঘ. ইংরেজি + পর্তুগিজ
    উত্তর: ক. ইংরেজি + ফারসি
    মিশ্র শব্দ হলো এমন শব্দ, যা দুটি ভিন্ন ভাষার শব্দ মিলিয়ে তৈরি। ‘হেড-মৌলভী’ শব্দে হেড ইংরেজি শব্দ, আর মৌলভী এসেছে আরবি থেকে ফারসির মাধ্যমে। তাই পরীক্ষার প্রচলিত উত্তর ইংরেজি + ফারসি। এই ধরনের শব্দকে সংকর বা মিশ্র শব্দও বলা হয়। শব্দ দুটি আলাদা করে চিনে নিলে প্রতিটি অংশের ভাষা বোঝা সহজ হয়।
    উদাহরণ:
    হেড-পণ্ডিত (ইংরেজি + তৎসম)
    ডাক্তার-খানা (ইংরেজি + ফারসি)
    রাজা-বাদশা (তৎসম + ফারসি)
    রেলগাড়ি (ইংরেজি + বাংলা)
  12. ৪২. মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক নাটক—
    • ক. সুবচন নির্বাসনে
    • খ. রক্তাক্ত প্রান্তর
    • গ. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
    • ঘ. নূরলদীনের সারাজীবন
    উত্তর: গ. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
    ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ সৈয়দ শামসুল হকের লেখা কাব্যনাট্য। এতে মুক্তিযুদ্ধের সময়ের ভয়, প্রতীক্ষা আর প্রতিরোধের ছবি আছে। অন্য বিকল্পগুলো আলাদা বিষয়ের: ‘নূরলদীনের সারাজীবন’ রংপুরের কৃষকবিদ্রোহের (১৭৮৩) কাহিনি এবং এটিও সৈয়দ শামসুল হকের লেখা। ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ পানিপথের যুদ্ধের কাহিনি নিয়ে মুনীর চৌধুরীর নাটক, আর ‘সুবচন নির্বাসনে’ আবদুল্লাহ আল-মামুনের নাটক।
    মনে রাখুন:
    মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আরও কিছু নাটক ‘কী চাহ শঙ্খচিল’ ও ‘নরকে লাল গোলাপ’।
    সৈয়দ শামসুল হক নাটকের পাশাপাশি কবিতা ও উপন্যাসেও বিখ্যাত, যেমন কাব্য ‘বৈশাখে রচিত পংক্তিমালা’।
  13. ৪৫. কাজী নজরুল ইসলামের রচনা নয় কোনটি?
    • ক. ছায়ানট
    • খ. চক্রবাক
    • গ. রুদ্রমঙ্গল
    • ঘ. বালুচর
    উত্তর: ঘ. বালুচর
    ‘ছায়ানট’ ও ‘চক্রবাক’ নজরুলের কাব্যগ্রন্থ, আর ‘রুদ্রমঙ্গল’ তাঁর প্রবন্ধগ্রন্থ। ‘বালুচর’ নজরুলের নয়, এটি জসীমউদ্দীনের কাব্যগ্রন্থ। তাই নজরুলের রচনা নয় বালুচর। জসীমউদ্দীনকে পল্লিকবি বলা হয়, কারণ তাঁর কবিতায় গ্রামবাংলার জীবন ধরা পড়েছে।
    মনে রাখুন:
    জসীমউদ্দীনের অন্য কাব্য: রাখালী, নকশী কাঁথার মাঠ, সোজন বাদিয়ার ঘাট।
    নজরুলের আরও কাব্যগ্রন্থ: অগ্নিবীণা, বিষের বাঁশি, ভাঙার গান, সর্বহারা, ফণিমনসা।
  14. ৪৭. ‘বার্ষিক’ শব্দটির সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় কোনটি?
    • ক. বর্ষ + ষিক
    • খ. ব + ষিক
    • গ. বরষ + ইক
    • ঘ. বর্ষা + ষিক
    উত্তর: ক. বর্ষ + ষিক
    ‘বার্ষিক’ শব্দটি এসেছে বর্ষ শব্দের সঙ্গে ‘ইক’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে। এই প্রত্যয় যুক্ত হলে শব্দের প্রথম স্বর বৃদ্ধি পায়, তাই বর্ষ হয়ে যায় বার্ষ, আর শেষে ইক বসে বার্ষিক। এখানে মূল শব্দ হলো বর্ষ, বর্ষা নয়। বিকল্পের ‘ষিক’ অংশে ষ আর ইক একসঙ্গে লেখা হয়েছে, কারণ বর্ষের ষ-এর সঙ্গে ইক জুড়ে গেছে।
    উদাহরণ:
    সাহিত্য + ইক = সাহিত্যিক
    বিজ্ঞান + ইক = বৈজ্ঞানিক
    সমুদ্র + ইক = সামুদ্রিক
    দিন + ইক = দৈনিক
    সপ্তাহ + ইক = সাপ্তাহিক
  15. ৫৭. 'সে নাকি আসবে না'— এ বাক্যে 'না' অব্যয়ের প্রয়োগ কী অর্থে হয়েছে?
    • ক. অনুমান অর্থে
    • খ. বিস্ময় অর্থে
    • গ. সম্ভাবনা অর্থে
    • ঘ. বিরক্তি অর্থে
    উত্তর: গ. সম্ভাবনা অর্থে
    ‘নাকি’ অব্যয়টি শোনা কথার ভিত্তিতে বক্তার সম্ভাবনা বা সংশয় প্রকাশ করে। ‘সে নাকি আসবে না’ বলতে বক্তা ঠিক জানেন না যে আসবে কি না, কেবল না আসার সম্ভাবনার কথা শুনেছেন। তাই পরীক্ষায় এর উত্তর সম্ভাবনা অর্থে ধরা হয়।
    মনে রাখুন:
    ‘নাকি’ কখনও প্রশ্নবোধক অর্থেও আসে, যেমন আমরা যাব, নাকি তারা আসবে?
    একই ‘না’ শব্দ নিষেধ অর্থেও বসে, যেমন যেও না।
  16. ৬৪. 'সংশয়' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
    • ক. প্রত্যয়
    • খ. নির্ভয়
    • গ. বিস্ময়
    • ঘ. দ্বিধা
    উত্তর: ক. প্রত্যয়
    ‘সংশয়’ মানে সন্দেহ, অর্থাৎ কোনো বিষয়ে মনে অনিশ্চয়তা। এর বিপরীত শব্দ ‘প্রত্যয়’, যার অর্থ দৃঢ় বিশ্বাস বা নিশ্চয়তা। ‘দ্বিধা’ সংশয়ের কাছাকাছি অর্থের শব্দ, তাই সেটি বিপরীত নয়। ‘নির্ভয়’ ও ‘বিস্ময়’ ভয় আর অবাক হওয়া বোঝায়, সন্দেহের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
    মনে রাখুন:
    সংশয়ের সমার্থক শব্দ সন্দেহ, দ্বিধা ও শঙ্কা।
    সংশয়ের বিপরীত হিসেবে বিশ্বাস ও নিশ্চয়তা শব্দও চলে।
  17. ৭১. 'প্রাগৈতিহাসিক' গল্পটি লিখেছেন—
    • ক. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    • খ. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    • গ. শওকত ওসমান
    • ঘ. জহির রায়হান
    উত্তর: ক. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    ‘প্রাগৈতিহাসিক’ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত ছোটগল্প। ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত এ গল্পে ভিখু ও পাঁচি নামে দুই চরিত্রের জীবনসংগ্রামের মধ্য দিয়ে মানুষের আদিম প্রবৃত্তি ফুটে উঠেছে। শরৎচন্দ্র, শওকত ওসমান ও জহির রায়হান অন্য ধারার লেখক। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আসল নাম প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়, ‘মানিক’ ছিল তাঁর ডাকনাম।
    মনে রাখুন:
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস পদ্মানদীর মাঝি ও পুতুলনাচের ইতিকথা।
    তাঁর আরেকটি উপন্যাস দিবারাত্রির কাব্য।
  18. ৭৭. 'পর্বত' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
    • ক. ক্ষিতিধর
    • খ. বিহগ
    • গ. বিশাল
    • ঘ. পাষাণ
    উত্তর: ক. ক্ষিতিধর
    ‘ক্ষিতিধর’ শব্দের অর্থ যে ক্ষিতি বা পৃথিবীকে ধারণ করে, অর্থাৎ পর্বত। তাই এটি পর্বতের সমার্থক। ‘বিহগ’ মানে পাখি, ‘বিশাল’ মানে বড়, আর ‘পাষাণ’ মানে পাথর, কাজেই এগুলো পর্বতের সমার্থক নয়। বাংলায় এমন অনেক সমার্থক শব্দ আছে, যার মূল অর্থ থেকেই কাজটা বোঝা যায়, যেমন ভূধর মানে যে ভূমিকে ধারণ করে।
    মনে রাখুন:
    পর্বতের অন্য প্রতিশব্দ: গিরি, অদ্রি, শৈল, ভূধর, অচল, নগ।
    পাখির প্রতিশব্দ বিহগ, বিহঙ্গ, খগ ও পক্ষী।
  19. ৮৯. নিচের কোনটি রূপক সমাসের উদাহরণ নয়?
    • ক. মোহনিদ্রা
    • খ. শোকানল
    • গ. মোমবাতি
    • ঘ. দিলদরিয়া
    উত্তর: গ. মোমবাতি
    মোহনিদ্রা (মোহ রূপ নিদ্রা) ও শোকানল (শোক রূপ অনল) রূপক কর্মধারয় সমাস, কারণ এক বস্তুকে অন্য বস্তুর রূপে কল্পনা করা হয়েছে। ‘মোমবাতি’ হলো মোম দিয়ে তৈরি বাতি, এখানে মাঝের ‘দিয়ে তৈরি’ অংশটি লোপ পেয়েছে। একে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় বলে। তাই রূপক সমাস নয় মোমবাতি।
    উদাহরণ:
    রূপক: ক্রোধানল (ক্রোধ রূপ অনল), মুখচন্দ্র (মুখ রূপ চন্দ্র)
    মধ্যপদলোপী: সিংহাসন (সিংহ-চিহ্নিত আসন), সাহিত্যসভা, সমাজসেবা
  20. ৯০. মুনীর চৌধুরী অনূদিত নাটক কোনটি?
    • ক. কবর
    • খ. চিঠি
    • গ. রক্তাক্ত প্রান্তর
    • ঘ. মুখরা রমণী বশীকরণ
    উত্তর: ঘ. মুখরা রমণী বশীকরণ
    ‘মুখরা রমণী বশীকরণ’ মুনীর চৌধুরীর অনূদিত নাটক, যা উইলিয়াম শেক্সপিয়রের The Taming of the Shrew-এর অনুবাদ। কবর, চিঠি ও রক্তাক্ত প্রান্তর তাঁর নিজের লেখা মৌলিক নাটক। মৌলিক নাটক মানে লেখক নিজে কাহিনি ও সংলাপ রচনা করেছেন, আর অনূদিত নাটক মানে অন্য ভাষার নাটক বাংলায় রূপান্তর করা।
    মনে রাখুন:
    তাঁর অন্য অনূদিত নাটক ‘কেউ কিছু বলতে পারে না’ ও ‘রূপার কৌটা’, শেষেরটি গলসওয়ার্দির The Silver Box-এর অনুবাদ।
    ‘কবর’ নাটকটি লেখা হয় ১৯৫৩ সালে জেলখানায়।
  21. ৯৩. কোন বাক্যটি সঠিক?
    • ক. মিঠুর কোনো ভৌগোলিক জ্ঞান নেই
    • খ. হিমালয় পর্বত দুর্লঙ্ঘণীয়
    • গ. গড্ডালিকা প্রবাহে গা ভাসিয়ো না
    • ঘ. স্বাক্ষর লোক মাত্রই শিক্ষিত নয়
    উত্তর: ক. মিঠুর কোনো ভৌগোলিক জ্ঞান নেই
    ‘মিঠুর কোনো ভৌগোলিক জ্ঞান নেই’ বাক্যটি শুদ্ধ। অন্য বিকল্পগুলোতে ভুল আছে: ‘দুর্লঙ্ঘণীয়’ নয়, শুদ্ধ রূপ ‘দুর্লঙ্ঘ্য’, ‘গড্ডালিকা’ নয়, শুদ্ধ ‘গড্ডলিকা’, আর ‘স্বাক্ষর’ নয়, শিক্ষার প্রসঙ্গে শুদ্ধ ‘সাক্ষর’। গড্ডলিকা মানে ভেড়ার পাল, তাই ‘গড্ডলিকা প্রবাহ’ বলতে চিন্তা না করে সবার পেছনে চলা বোঝায়।
    মনে রাখুন: স্বাক্ষর মানে দস্তখত, আর সাক্ষর মানে যে লিখতে-পড়তে জানে।
    নিরক্ষর মানে যে লিখতে-পড়তে জানে না।
  22. ৯৪. 'এ-যে আমাদের চেনা লোক'– 'চেনা' কোন পদ?
    • ক. বিশেষ্য
    • খ. অব্যয়
    • গ. ক্রিয়া
    • ঘ. বিশেষণ
    উত্তর: ঘ. বিশেষণ
    ‘চেনা’ শব্দটি এখানে ‘লোক’ নামের বিশেষ্য পদের গুণ বা অবস্থা বোঝাচ্ছে, অর্থাৎ কেমন লোক, না চেনা লোক। যে পদ বিশেষ্য বা সর্বনামের দোষ-গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা প্রকাশ করে, তাকে বিশেষণ বলে। তাই ‘চেনা’ এখানে বিশেষণ।
    মনে রাখুন:
    ‘চেনা’ আসলে ক্রিয়া থেকে তৈরি, তবু বাক্যে বিশেষ্যের আগে এসে বিশেষণের কাজ করছে।
    এমন আরও বিশেষণ: জানা কথা, পাকা আম, ভাঙা ঘর।
  23. ৯৫. কোনটি জসীমউদ্দীনের নাটক?
    • ক. রাখালী
    • খ. মাটির কান্না
    • গ. বেদের মেয়ে
    • ঘ. বোবা কাহিনী
    উত্তর: গ. বেদের মেয়ে
    ‘বেদের মেয়ে’ জসীমউদ্দীনের নাটক। ‘রাখালী’ ও ‘মাটির কান্না’ তাঁর কাব্য, আর ‘বোবা কাহিনী’ উপন্যাস। জসীমউদ্দীনকে পল্লিকবি বলা হয়, কারণ তাঁর লেখায় গ্রামবাংলার জীবন ধরা পড়েছে। বিখ্যাত ‘কবর’ কবিতাটি তাঁর ‘রাখালী’ কাব্যের অন্তর্ভুক্ত।
    মনে রাখুন:
    জসীমউদ্দীনের অন্য নাটক পদ্মাপার, মধুমালা ও পল্লীবধূ।
    তাঁর অন্য কাব্য নকশী কাঁথার মাঠ, সোজন বাদিয়ার ঘাট, ধানখেত ও বালুচর।
  24. ৯৮. কোনটি রাজহাঁসের ডাক?
    • ক. হ্রেষা
    • খ. বৃংহতি
    • গ. ক্রেকার
    • ঘ. কূজন
    উত্তর: গ. ক্রেকার
    রাজহাঁসের ডাককে ক্রেঙ্কার বলে। বিভিন্ন প্রাণীর ডাকের নামও আলাদা: ঘোড়ার ডাক হ্রেষা, হাতির ডাক বৃংহতি। ‘কূজন’ হলো পাখির মিষ্টি ডাক, যেমন কোকিলের কূজন। তাই বিকল্পগুলো থেকে রাজহাঁসের ডাক বাছতে ক্রেঙ্কার-ই ঠিক।
    মনে রাখুন:
    কোকিলের ডাক কুহু, ময়ূরের ডাক কেকা, বাঘের ডাক হুংকার।
    গরুর ডাক হাম্বা, আর বিড়ালের ডাক মিউ।

আন্তর্জাতিক

  1. ৮. টিকফা চুক্তির দুই পক্ষ হলো—
    • ক. ভারত-বাংলাদেশ
    • খ. নেপাল-বাংলাদেশ
    • গ. যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ
    • ঘ. যুক্তরাজ্য-বাংলাদেশ
    উত্তর: গ. যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ
    টিকফা (TICFA) পুরো নাম Trade and Investment Cooperation Forum Agreement। এটি যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বাড়ানোর একটি চুক্তি। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য-সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে আলোচনার জন্য এই ফোরাম তৈরি হয়েছে। ২০১৩ সালের নভেম্বর মাসে ওয়াশিংটনে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। যুক্তরাষ্ট্র আমাদের তৈরি পোশাকের একটি বড় রপ্তানি বাজার, তাই এই ধরনের আলোচনার কাঠামো বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
    মনে রাখুন:
    টিকফা আসলে কোনো মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নয়, এটি আলোচনার একটি কাঠামো।
    ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার বাণিজ্য চুক্তিগুলো আলাদা, আর যুক্তরাজ্য বা নেপালের সঙ্গে টিকফা নামে কোনো চুক্তি নেই।
  2. ৩৭. বিশ্বের প্রাচীনতম সংবাদ সংস্থা কোনটি?
    • ক. এএফপি
    • খ. বিবিসি
    • গ. এপি
    • ঘ. রয়টার
    উত্তর: ক. এএফপি
    ফ্রান্সের সংবাদ সংস্থা এএফপি (Agence France-Presse) বিশ্বের প্রাচীনতম। এর শুরু ১৮৩৫ সালে, চার্লস লুইস হ্যাভাসের প্রতিষ্ঠিত হ্যাভাস সংস্থা হিসেবে। যুক্তরাষ্ট্রের এপি (AP) এসেছে ১৮৪৬ সালে, আর ব্রিটেনের রয়টার্স ১৮৫১ সালে। বিবিসি (BBC) আসলে সংবাদ সংস্থা নয়, এটি একটি সম্প্রচার প্রতিষ্ঠান, তাই এই তালিকায় তার তুলনা চলে না।
    মনে রাখুন:
    তিনটি সংস্থার প্রতিষ্ঠার ক্রম এএফপি (১৮৩৫), এপি (১৮৪৬), তারপর রয়টার্স (১৮৫১)।
    হ্যাভাস সংস্থা ১৯৪৪ সালে নতুন নাম নিয়ে এএফপি হয়।
  3. ৪৯. 'হাউজ অব কমন্স' কোন দেশের পার্লামেন্ট?
    • ক. যুক্তরাষ্ট্র
    • খ. যুক্তরাজ্য
    • গ. ভারত
    • ঘ. অস্ট্রেলিয়া
    উত্তর: খ. যুক্তরাজ্য
    যুক্তরাজ্যের সংসদ (Parliament) দুটি কক্ষে ভাগ। নিম্নকক্ষের নাম হাউজ অব কমন্স (House of Commons), যার সদস্যরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন। উচ্চকক্ষ হাউজ অব লর্ডস। যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার নাম কংগ্রেস, আর ভারতের নিম্নকক্ষ লোকসভা। অস্ট্রেলিয়ার নিম্নকক্ষের নাম হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভস।
    মনে রাখুন:
    কানাডার নিম্নকক্ষের নামও হাউজ অব কমন্স।
    যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসের দুই কক্ষ সিনেট ও হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভস। বাংলাদেশের সংসদ জাতীয় সংসদ, যা এককক্ষবিশিষ্ট।
  4. ৬১. 'হামবুর্গ' কোন দেশের সমুদ্রবন্দর?
    • ক. যুক্তরাজ্য
    • খ. ফ্রান্স
    • গ. ইতালি
    • ঘ. জার্মানি
    উত্তর: ঘ. জার্মানি
    হামবুর্গ জার্মানির উত্তরে অবস্থিত একটি বড় সমুদ্রবন্দর, যা এলবে নদীর তীরে। এটি জার্মানির বৃহত্তম এবং ইউরোপের অন্যতম ব্যস্ত বন্দর। ফ্রান্সের বিখ্যাত বন্দর মার্সেই, ইতালির নেপলস ও জেনোয়া, আর যুক্তরাজ্যের সাউদাম্পটন ও লিভারপুল।
    মনে রাখুন:
    রটারডাম (নেদারল্যান্ডস) ইউরোপের বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর।
    জার্মানির আরও বন্দর ব্রেমেন ও কিল।
  5. ৬২. স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ কোনটি?
    • ক. ইতালি
    • খ. জার্মানি
    • গ. ডেনমার্ক
    • ঘ. মেসিডোনিয়া
    উত্তর: গ. ডেনমার্ক
    উত্তর ইউরোপের ডেনমার্ক, সুইডেন ও নরওয়ে মিলে স্ক্যান্ডিনেভিয়া নামে পরিচিত। এ তিন দেশের ভাষা ও সংস্কৃতি প্রায় এক রকম। অনেক সময় ফিনল্যান্ড ও আইসল্যান্ডকে যুক্ত করে নর্ডিক দেশ বলা হয়, তাই নর্ডিক ও স্ক্যান্ডিনেভিয়াকে এক ভাবা ঠিক নয়।
    মনে রাখুন:
    ইতালি ও জার্মানি স্ক্যান্ডিনেভিয়ার অংশ নয়, মেসিডোনিয়া আছে বলকান অঞ্চলে।
    ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেন, সুইডেনের স্টকহোম আর নরওয়ের অসলো।
  6. ৭৪. বিশ্বের সবচেয়ে বড় সংবিধান কোন দেশের?
    • ক. যুক্তরাষ্ট্র
    • খ. ভারত
    • গ. বাংলাদেশ
    • ঘ. অস্ট্রেলিয়া
    উত্তর: খ. ভারত
    ভারতের সংবিধান বিশ্বের সবচেয়ে বড় লিখিত সংবিধান। এতে বহু অনুচ্ছেদ, তফসিল ও সংশোধনী আছে, কারণ দেশটির আকার ও বৈচিত্র্য অনেক বড়। প্রথম গৃহীত হওয়ার সময় এতে ছিল ৩৯৫টি অনুচ্ছেদ, ২২টি ভাগ ও ৮টি তফসিল। ১৯৪৯ সালের ২৬ নভেম্বর এটি গৃহীত এবং ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি কার্যকর হয়।
    মনে রাখুন:
    যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান বিশ্বের প্রাচীনতম লিখিত সংবিধান।
    সবচেয়ে ছোট সংবিধান মোনাকোর বলে ধরা হয়।
    বাংলাদেশের সংবিধানে ১১টি ভাগ ও ১৫৩টি অনুচ্ছেদ আছে।
  7. ৭৫. 'ডং' কোন দেশের মুদ্রা?
    • ক. দক্ষিণ কোরিয়া
    • খ. ভিয়েতনাম
    • গ. চীন
    • ঘ. ভুটান
    উত্তর: খ. ভিয়েতনাম
    ডং (Dong) ভিয়েতনামের মুদ্রা। দক্ষিণ কোরিয়ার মুদ্রা ওন (Won), চীনের মুদ্রা ইউয়ান (Yuan), আর ভুটানের মুদ্রা গুলট্রাম (Ngultrum)। মুদ্রার নাম দেশের নামের সঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজ হয়।
    মনে রাখুন:
    জাপানের মুদ্রা ইয়েন, থাইল্যান্ডের মুদ্রা বাথ।
    মালয়েশিয়ার মুদ্রা রিংগিত, ইন্দোনেশিয়ার রুপিয়াহ, মিয়ানমারের কিয়াত।
  8. ৯১. ম্যাপল পাতার দেশ কোনটি?
    • ক. কানাডা
    • খ. থাইল্যান্ড
    • গ. নরওয়ে
    • ঘ. সুইজারল্যান্ড
    উত্তর: ক. কানাডা
    কানাডাকে ম্যাপল পাতার দেশ বলা হয়, কারণ ম্যাপল পাতা দেশটির জাতীয় প্রতীক এবং এটি তাদের পতাকায় আছে। কানাডার বর্তমান পতাকা ১৯৬৫ সালে গৃহীত হয়। দেশটির রাজধানী অটোয়া।
    মনে রাখুন:
    নরওয়ে: নিশীথ সূর্যের দেশ।
    থাইল্যান্ড: সাদা হাতির দেশ।
    সুইজারল্যান্ড: ইউরোপের ক্রীড়াভূমি।
    জাপান: উদীয়মান সূর্যের দেশ।
  9. ৯৭. মালয়েশিয়া কোন দেশের উপনিবেশ ছিল?
    • ক. পর্তুগিজ
    • খ. ফ্রান্স
    • গ. ব্রিটেন
    • ঘ. অস্ট্রেলিয়া
    উত্তর: গ. ব্রিটেন
    মালয়েশিয়া ব্রিটিশ উপনিবেশ ছিল এবং মালয় ১৯৫৭ সালের ৩১ আগস্ট স্বাধীনতা পায়। ১৯৬৩ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর সাবাহ, সারাওয়াক ও সিঙ্গাপুরকে নিয়ে মালয়েশিয়া নামে নতুন রাষ্ট্র গঠিত হয়, তবে সিঙ্গাপুর ১৯৬৫ সালে আলাদা হয়ে যায়। মালাক্কা অঞ্চল আগে পর্তুগিজ (১৫১১) ও পরে ওলন্দাজদের (১৬৪১) দখলে ছিল, পরে ব্রিটেন সেখানে কর্তৃত্ব পায়। সিঙ্গাপুর, ব্রুনাই ও মিয়ানমারও একসময় ব্রিটেনের অধীনে ছিল।
    মনে রাখুন:
    ইন্দোনেশিয়া ওলন্দাজদের (নেদারল্যান্ডস) এবং ফিলিপাইন প্রথমে স্পেনের ও পরে যুক্তরাষ্ট্রের অধীনে ছিল।

বাংলাদেশ

  1. ১১. বাংলাদেশের বীরত্বসূচক উপাধিগুলোর মধ্যে মর্যাদার দিক থেকে কোনটি দ্বিতীয়?
    • ক. বীরবিক্রম
    • খ. বীরশ্রেষ্ঠ
    • গ. বীরউত্তম
    • ঘ. বীরপ্রতীক
    উত্তর: গ. বীরউত্তম
    মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য চারটি খেতাব দেওয়া হয়েছে, আর মর্যাদার ক্রম হলো বীরশ্রেষ্ঠ, বীরউত্তম, বীরবিক্রম ও বীরপ্রতীক। সবার ওপরে বীরশ্রেষ্ঠ, তাই দ্বিতীয় স্থানে আছে বীরউত্তম। খেতাবগুলো ১৯৭৩ সালে সরকারি গেজেটের মাধ্যমে ঘোষণা করা হয়। বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব পাওয়া সাতজনের নামও পরীক্ষায় আসে, তাঁরা হলেন মুন্সি আবদুর রউফ, হামিদুর রহমান, নূর মোহাম্মদ শেখ, মোস্তফা কামাল, মতিউর রহমান, রুহুল আমিন ও মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর।
    মনে রাখুন:
    বীরশ্রেষ্ঠ পেয়েছেন ৭ জন।
    বীরউত্তম পেয়েছেন ৬৮ জন।
    বীরবিক্রম পেয়েছেন ১৭৫ জন।
    বীরপ্রতীক পেয়েছেন ৪২৬ জন।
  2. ১৫. ১৯৭১ সালের কত তারিখে মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়?
    • ক. ২৬ মার্চ ১৯৭১
    • খ. ১০ এপ্রিল ১৯৭১
    • গ. ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
    • ঘ. ২৭ এপ্রিল ১৯৭১
    উত্তর: খ. ১০ এপ্রিল ১৯৭১
    ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হয় এবং ওই দিনই স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয়। ১৭ এপ্রিল তখনকার কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে এই সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নেয় এবং জায়গাটির নাম রাখা হয় মুজিবনগর। প্রশ্নে সরকার গঠনের তারিখ চাওয়া হয়েছে, তাই উত্তর ১০ এপ্রিল। ১৭ এপ্রিল হলো শপথগ্রহণের দিন, আর ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণার দিন।
    মনে রাখুন:
    রাষ্ট্রপতি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
    উপরাষ্ট্রপতি (ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি): সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
    প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দীন আহমদ।
    সেনাবাহিনীর সর্বাধিনায়ক ছিলেন কর্নেল এম এ জি ওসমানী।
  3. ২২. পরী বিবি কে ছিলেন?
    • ক. আওরঙ্গজেবের কন্যা
    • খ. শায়েস্তা খানের কন্যা
    • গ. মুর্শিদকুলি খানের স্ত্রী
    • ঘ. শাহজাহানের কন্যা
    উত্তর: খ. শায়েস্তা খানের কন্যা
    পরী বিবি ছিলেন মুঘল সুবাদার শায়েস্তা খানের কন্যা, আসল নাম ইরান দুখত। তিনি সম্রাট আওরঙ্গজেবের পুত্র শাহজাদা আজমের বাগদত্তা ছিলেন, কিন্তু বিয়ের আগেই মারা যান। তাঁর সমাধি ঢাকার লালবাগ কেল্লার ভেতরে, যা পরী বিবির মাজার নামে পরিচিত। শায়েস্তা খান ছিলেন আওরঙ্গজেবের মামা ও ঢাকার সুবাদার, তাঁর আমলে ঢাকায় টাকায় আট মণ চাল পাওয়া যেত। মেয়ের মৃত্যুর পর তিনি কেল্লার কাজ বন্ধ করে দেন, ফলে লালবাগ কেল্লা অসমাপ্ত থেকে যায়।
    মনে রাখুন:
    লালবাগ কেল্লার নির্মাণ শুরু করেন শাহজাদা আজম ১৬৭৮ সালে। কেল্লার পুরোনো নাম কিল্লা আওরঙ্গবাদ।
    কেল্লার ভেতরে তিনটি স্থাপনা প্রধান: পরী বিবির সমাধি, দরবার হল ও লালবাগ শাহী মসজিদ।
  4. ২৩. মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কে ছিলেন?
    • ক. নুরুল আমিন
    • খ. অধ্যাপক আবদুল মতিন চৌধুরী
    • গ. বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
    • ঘ. অধ্যাপক ফজলুল হালিম চৌধুরী
    উত্তর: গ. বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
    মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী। তিনি আগে হাইকোর্টের বিচারপতি ছিলেন, তাই নামের আগে ‘বিচারপতি’ বলা হয়। ১৯৭১ সালে তিনি দেশের বাইরে গিয়ে বাংলাদেশের পক্ষে বিশ্ব জনমত গড়ার কাজে যুক্ত হন। ওই বছরের ২৫ মার্চ রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল ও ইকবাল হলে (বর্তমান জহুরুল হক হল) পাকিস্তানি বাহিনী হত্যাযজ্ঞ চালায়। পরে আবু সাঈদ চৌধুরী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতিও হন।
    মনে রাখুন:
    আবু সাঈদ চৌধুরী ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি হন।
    বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান।
  5. ২৬. বাংলাদেশের সংবিধান এ পর্যন্ত কতবার সংশোধন করা হয়েছে?
    • ক. ১৪ বার
    • খ. ১৭ বার
    • গ. ১৬ বার
    • ঘ. ১৩ বার
    উত্তর: গ. ১৬ বার
    পরীক্ষাটি হয়েছিল ২০১৮ সালের ২৫ জানুয়ারি। তখন পর্যন্ত বাংলাদেশের সংবিধান (Constitution) মোট ১৬ বার সংশোধন করা হয়েছিল। সর্বশেষ, অর্থাৎ ষোড়শ সংশোধনী পাস হয় ২০১৪ সালে, যার মাধ্যমে উচ্চ আদালতের বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা আবার সংসদের হাতে দেওয়া হয়েছিল। সংবিধানটি ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়। সংবিধান সংশোধনের জন্য সংসদের মোট সদস্যের অন্তত দুই-তৃতীয়াংশের ভোট লাগে।
    মনে রাখুন:
    প্রথম সংশোধনী (১৯৭৩): যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পথ খোলা হয়।
    চতুর্থ সংশোধনী (১৯৭৫): সংসদীয় ব্যবস্থার বদলে রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা চালু হয়।
    দ্বাদশ সংশোধনী (১৯৯১): আবার সংসদীয় ব্যবস্থা ফিরে আসে।
    ত্রয়োদশ সংশোধনী (১৯৯৬): তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা চালু হয়।
    পঞ্চদশ সংশোধনী (২০১১): তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করা হয়।
    হালনাগাদ: ২০১৮ সালের ৮ জুলাই সপ্তদশ সংশোধনী পাস হয়, এতে সংরক্ষিত নারী আসনের মেয়াদ আরও ২৫ বছর বাড়ানো হয়; ফলে এখন মোট সংশোধনী ১৭টি।
  6. ৩৯. কর্ণফুলী নদীর উৎপত্তিস্থল ভারতের কোন রাজ্যে?
    • ক. ত্রিপুরা
    • খ. মিজোরাম
    • গ. মণিপুর
    • ঘ. আসাম
    উত্তর: খ. মিজোরাম
    কর্ণফুলী নদী ভারতের মিজোরাম রাজ্যের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়েছে। সেখান থেকে এটি পার্বত্য চট্টগ্রামের ভেতর দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকে চট্টগ্রাম বন্দরের কাছে বঙ্গোপসাগরে মিশেছে। নদীটির বাংলাদেশ অংশের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৬১ কিলোমিটার। চট্টগ্রাম বন্দর এই নদীর তীরেই গড়ে উঠেছে, তাই নদীটি দেশের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
    মনে রাখুন:
    এই নদীর ওপর কাপ্তাই বাঁধ দিয়ে দেশের প্রথম ও একমাত্র বড় জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র গড়ে উঠেছে। বাঁধের কারণে তৈরি হয়েছে কাপ্তাই হ্রদ।
    কর্ণফুলীর উপনদী: হালদা, কাসালং, চেঙ্গী।
  7. ৫৩. 'দুবলার চর' কোথায় অবস্থিত?
    • ক. ভোলার মনপুরায়
    • খ. রামগতি উপজেলার দক্ষিণে
    • গ. সুন্দরবনের দক্ষিণ উপকূলে
    • ঘ. কুয়াকাটার দক্ষিণে
    উত্তর: গ. সুন্দরবনের দক্ষিণ উপকূলে
    দুবলার চর সুন্দরবনের দক্ষিণ উপকূলে বঙ্গোপসাগরের কাছে, বাগেরহাটের শরণখোলা অঞ্চলে। প্রতি বছর শীতকালে জেলেরা এখানে এসে সাময়িক ঘর তুলে মাছ ধরে এবং শুঁটকি শুকায়। এটি শুঁটকি উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত। ভোলার মনপুরা, রামগতি ও কুয়াকাটা অন্য এলাকা, তাই সেগুলো এই চরের অবস্থান নয়।
    মনে রাখুন:
    কার্তিকের পূর্ণিমায় এখানে রাস উৎসব ও মেলা হয়।
    সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন এবং ১৯৯৭ সালে এটি ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় ওঠে। এখানে রয়েল বেঙ্গল টাইগার আছে।
  8. ৬৫. বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের প্রথম নারী বিচারপতি কে?
    • ক. রাবেয়া ভূঞা
    • খ. তারামন বিবি
    • গ. নাজমুন আরা সুলতানা
    • ঘ. সুরাইয়া রহমান
    উত্তর: গ. নাজমুন আরা সুলতানা
    বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের প্রথম নারী বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা। তিনি হাইকোর্ট বিভাগের প্রথম নারী বিচারপতি হন, পরে ২০১১ সালে আপিল বিভাগেরও প্রথম নারী বিচারপতি হন। বিকল্পে নামটি ‘নাজমুন আরা সুলতানা’ ছাপা হলেও উত্তর তিনিই। অন্যদিকে তারামন বিবি বিচারপতি নন, তিনি মুক্তিযুদ্ধে বীরপ্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত নারী যোদ্ধা।
    মনে রাখুন:
    রাবেয়া ভূঞা হাইকোর্টের একজন নারী বিচারপতি ছিলেন।
    বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট দুই বিভাগে ভাগ: হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগ।
  9. ৮২. পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য কত মিটার?
    • ক. ৬১৫০ মিটার
    • খ. ৬২৫০ মিটার
    • গ. ৫৫৫০ মিটার
    • ঘ. ৬০০০ মিটার
    উত্তর: ক. ৬১৫০ মিটার
    পদ্মা বহুমুখী সেতুর মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬১৫০ মিটার, অর্থাৎ ৬.১৫ কিলোমিটার। প্রস্থ ১৮.১০ মিটার। সেতুটি দুই স্তরের, ওপরে সড়ক আর নিচে রেলপথ। ২০২২ সালের ২৫ জুন এটি যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়। এটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া ও শরীয়তপুরের জাজিরাকে যুক্ত করেছে এবং বাংলাদেশ নিজের অর্থেই এটি নির্মাণ করেছে।
    মনে রাখুন:
    সেতুটিতে ৪২টি পিলার ও ৪১টি স্প্যান আছে।
    নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান চীনের চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি।
  10. ৮৫. কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে?
    • ক. পঞ্চগড়
    • খ. সিলেট
    • গ. হবিগঞ্জ
    • ঘ. মৌলভীবাজার
    উত্তর: ঘ. মৌলভীবাজার
    বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান মৌলভীবাজার জেলায়। এ জেলার শ্রীমঙ্গলকে দেশের চায়ের রাজধানী বলা হয়। দ্বিতীয় স্থানে আছে হবিগঞ্জ, তারপর সিলেট। উত্তরের পঞ্চগড়ে সমতলে চা চাষ শুরু হয়েছে, কিন্তু সেখানে বাগানের সংখ্যা অনেক কম।
    মনে রাখুন:
    বাংলাদেশের প্রথম চা বাগান সিলেটের মালনীছড়া, ১৮৫৪ সালে।
    বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত।
  11. ৮৭. বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের উপর ভিত্তি করে নির্মিত চলচ্চিত্রের নাম—
    • ক. ভয়েস অব লিবার্টি
    • খ. দ্যা স্পিচ
    • গ. ওরা ১১ জন
    • ঘ. স্টপ জেনোসাইড
    উত্তর: গ. ওরা ১১ জন
    ‘ওরা ১১ জন’ মুক্তিযুদ্ধের ওপর নির্মিত প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, যা ১৯৭২ সালে মুক্তি পায়। পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম। ছবিতে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের অংশ দেখানো হয়েছে। প্রশ্নের বাকি তিনটি বিকল্প আলাদা ধরনের।
    মনে রাখুন:
    ‘স্টপ জেনোসাইড’ জহির রায়হানের তথ্যচিত্র।
    জহির রায়হানের বিখ্যাত চলচ্চিত্র ‘জীবন থেকে নেয়া’ (১৯৭০)। তিনি ১৯৭২ সালের ৩০ জানুয়ারি নিখোঁজ হন।
  12. ৯৯. জাতিসংঘের কততম সাধারণ অধিবেশনে শেখ মুজিবুর রহমান বাংলায় ভাষণ দিয়েছিলেন?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৯
    • ক. ২৯তম
    • খ. ১৯তম
    • গ. ৩৯তম
    • ঘ. ৩১তম
    উত্তর: ক. ২৯তম
    শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দেন। জাতিসংঘের মঞ্চে বাংলা ভাষায় এটি প্রথম ভাষণ। বাংলাদেশ ওই বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সদস্যপদ পায়, অর্থাৎ সদস্য হওয়ার মাত্র এক সপ্তাহ পরেই এই ভাষণ।
    মনে রাখুন:
    ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেসকো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে এবং ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে দিনটি বিশ্বব্যাপী পালিত হয়।

গণিত

  1. ১৩. কোনো ভগ্নাংশের লবের সাথে 7 যোগ করলে ভগ্নাংশটির মান 2 হয় এবং হর থেকে 2 বাদ দিলে ভগ্নাংশটির মান 1 হয়। ভগ্নাংশটি কত?
    • ক. 5/7
    • খ. 5/6
    • গ. 3/5
    • ঘ. 7/9
    উত্তর: গ. 3/5
    ভগ্নাংশটি x/y ধরি। শর্ত দুটি থেকে পাই (x + 7)/y = 2, অর্থাৎ x + 7 = 2y, আর x/(y − 2) = 1, অর্থাৎ x = y − 2।
    দ্বিতীয় সমীকরণ প্রথমটিতে বসালে y − 2 + 7 = 2y, তাই y = 5 এবং x = y − 2 = 3।
    ভগ্নাংশটি 3/5। যাচাই: (3 + 7)/5 = 10/5 = 2 এবং 3/(5 − 2) = 3/3 = 1, দুটিই মেলে।
    মনে রাখুন: ভগ্নাংশের শর্ত থেকে দুটি সমীকরণ বানালে দুই অজানা সংখ্যা বের করা যায়। উত্তর পাওয়ার পর মূল শর্তে বসিয়ে যাচাই করে নেওয়া ভালো অভ্যাস।
  2. ১৪. নিচের কোনটি সরলরেখার সমীকরণ নির্দেশ করে না?
    • ক. x = 0
    • খ. x + y = 1
    • গ. 3x + 4y = 3
    • ঘ. y = 1/x
    উত্তর: ঘ. y = 1/x
    যে সমীকরণে চলকের সর্বোচ্চ ঘাত এক, সেটিই সরলরেখার সমীকরণ। x = 0, x + y = 1 ও 3x + 4y = 3 তিনটিতেই x ও y-এর ঘাত ১, তাই এগুলো সরলরেখা। এর মধ্যে x = 0 হলো y-অক্ষ, যা একটি খাড়া সরলরেখা।
    y = 1/x লিখলে xy = 1 হয়। এতে x ও y গুণ হয়ে আছে, ফলে চলকের মিলিত ঘাত ২ হয়ে যায়। তাই এটি সরলরেখা নয়, বরং আয়তাকার অধিবৃত্ত (Hyperbola)।
    মনে রাখুন:
    ax + by + c = 0 আকারের সমীকরণ সবসময় সরলরেখা।
    y = mx + c আকারে m হলো ঢাল (Slope) এবং c হলো y-অক্ষের ছেদক।
  3. ১৭. ভূমির উপর লম্বভাবে দণ্ডায়মান একটি খুঁটি এক-তৃতীয়াংশ উচ্চতায় ভেঙ্গে গেল এবং ভাঙ্গা অংশ দণ্ডায়মান অংশের সাথে অবিচ্ছিন্ন থেকে খুঁটির শীর্ষবিন্দু ভূমি স্পর্শ করল। খুঁটির ভাঙ্গা অংশ কর্তৃক ভূমির সাথে উৎপন্ন কোণের পরিমাণ কত?
    • ক. 45°
    • খ. 30°
    • গ. 50°
    • ঘ. 60°
    উত্তর: খ. 30°
    খুঁটির মোট উচ্চতা x ধরি। এক-তৃতীয়াংশ উচ্চতায় ভাঙলে মাটিতে দাঁড়ানো অংশ x/3 এবং ভাঙা অংশ 2x/3। ভাঙা অংশের মাথা মাটি ছুঁলে একটি সমকোণী ত্রিভুজ তৈরি হয়, যার অতিভুজ ভাঙা অংশ আর লম্ব দাঁড়ানো অংশ। কোণ θ হলে sinθ = (x/3)/(2x/3) = 1/2, তাই θ = 30°। যাচাই: ভূমি = √((2x/3)² − (x/3)²) = x/√3, তাই tanθ = (x/3)/(x/√3) = 1/√3, যা tan30°-এর মান।
    মনে রাখুন:
    sin30° = 1/2, sin45° = 1/√2, sin60° = √3/2।
    cos30° = √3/2, tan30° = 1/√3, tan45° = 1।
  4. ২০. দুটি সংখ্যার ল.সা.গু. ও গ.সা.গু. যথাক্রমে ৬০ ও ১০। একটি সংখ্যা অপর সংখ্যার ২/৩ অংশ হলে ছোট সংখ্যাটি কত?
    • ক. ২০
    • খ. ১০
    • গ. ৩০
    • ঘ. ১৫
    উত্তর: ক. ২০
    দুটি সংখ্যার গুণফল তাদের ল.সা.গু. ও গ.সা.গু.-এর গুণফলের সমান। অর্থাৎ সংখ্যা দুটির গুণফল 60 × 10 = 600।
    একটি সংখ্যা অপরটির 2/3 অংশ হলে সংখ্যা দুটির অনুপাত 2 : 3, তাই সংখ্যা দুটি 2x ও 3x ধরি। তাহলে 2x × 3x = 6x² = 600, ফলে x² = 100 এবং x = 10। ছোট সংখ্যা 2x = 20 (বড়টি 30)।
    যাচাই: 20 ও 30-এর গ.সা.গু. 10 এবং ল.সা.গু. 60, শর্ত মেলে।
    মনে রাখুন: দুই সংখ্যার গুণফল = ল.সা.গু. × গ.সা.গু.। এই সূত্র তিন বা তার বেশি সংখ্যার ক্ষেত্রে খাটে না।
  5. ২১. কোনো রম্বসের একটি বাহু ও একটি কর্ণের দৈর্ঘ্য যথাক্রমে 13 cm ও 24cm; রম্বসটির অপর কর্ণের দৈর্ঘ্য কত?
    • ক. 10 cm
    • খ. 16 cm
    • গ. 5 cm
    • ঘ. 8 cm
    উত্তর: ক. 10 cm
    রম্বসের কর্ণদুটি পরস্পরকে সমকোণে সমদ্বিখণ্ডিত করে, ফলে কর্ণের অর্ধেক দুটি আর বাহু মিলে একটি সমকোণী ত্রিভুজ তৈরি হয়। 24 cm কর্ণের অর্ধেক 12 cm, বাহু 13 cm (অতিভুজ), তাই অপর কর্ণের অর্ধেক √(13² − 12²) = √(169 − 144) = √25 = 5 cm।
    অতএব অপর কর্ণ 2 × 5 = 10 cm।
    যাচাই: রম্বসের ক্ষেত্রফল = ½ × 24 × 10 = 120 cm²।
    মনে রাখুন:
    রম্বসের চার বাহু সমান, কিন্তু কোণ সমকোণ হওয়া জরুরি নয়।
    রম্বসের পরিসীমা = 4 × বাহু = 4 × 13 = 52 cm।
  6. ২৭. একটি আয়তক্ষেত্র ও একটি বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা পরস্পর সমান। যদি আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ তার দৈর্ঘ্যের অর্ধেক হয় তবে বর্গক্ষেত্র ও আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফলের অনুপাত কত?
    • ক. ৩:২
    • খ. ৬:৫
    • গ. ৮:৩
    • ঘ. ৯:৮
    উত্তর: ঘ. ৯:৮
    আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ x হলে দৈর্ঘ্য 2x। তার পরিসীমা 2(2x + x) = 6x এবং ক্ষেত্রফল 2x × x = 2x²। বর্গক্ষেত্রের পরিসীমাও 6x, তাই তার বাহু 6x/4 = 3x/2 এবং ক্ষেত্রফল (3x/2)² = 9x²/4।
    এখন অনুপাত = (9x²/4) : 2x² = 9/4 : 2 = 9 : 8।
    অর্থাৎ বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল আয়তক্ষেত্রের চেয়ে বেশি।
    মনে রাখুন:
    পরিসীমা সমান হলে সব আয়তক্ষেত্রের মধ্যে বর্গের ক্ষেত্রফলই সবচেয়ে বেশি হয়।
    আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = 2(দৈর্ঘ্য + প্রস্থ), বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = 4 × বাহু।
  7. ২৮. যদি 0 < x < 1 হয় তাহলে নিচের কোনটি অপর তিনটি হতে বড়?
    • ক. 1/x
    • খ. 1/x²
    • গ. x²
    • ঘ. x³
    উত্তর: খ. 1/x²
    0 < x < 1 হলে x একটি প্রকৃত ভগ্নাংশ। একটি উদাহরণ নিই x = 1/2: তাহলে 1/x = 2, 1/x² = 4, x² = 1/4, x³ = 1/8। এখানে 1/x² সবচেয়ে বড়।
    কারণ 1-এর চেয়ে ছোট ধনাত্মক সংখ্যার ঘাত বাড়ালে মান আরও ছোট হয়, আর উল্টো করলে মান তত বড় হয়। তাই 0 < x < 1 হলে 1/x² > 1/x > 1 > x > x² > x³।
    মনে রাখুন:
    প্রকৃত ভগ্নাংশের বর্গ মূল সংখ্যার চেয়ে ছোট হয়, যেমন (1/2)² = 1/4।
    আবার x > 1 হলে উল্টোটা ঘটে, তখন x² > x।
  8. ৩০. ⁵C₃ + ⁵C₄ = ?
    • ক. ¹⁰C₇
    • খ. ¹⁰C₄
    • গ. ⁶C₃
    • ঘ. ⁶C₄
    উত্তর: ঘ. ⁶C₄
    পাস্কালের সূত্র অনুযায়ী ⁿCᵣ + ⁿCᵣ₋₁ = ⁿ⁺¹Cᵣ। এখানে n = 5 এবং r = 4, তাই ⁵C₄ + ⁵C₃ = ⁶C₄।
    যাচাই: ⁵C₃ = 10, ⁵C₄ = 5, যোগফল 15; আর ⁶C₄ = 6!/(4! × 2!) = 15, মিলে যায়।
    অন্য বিকল্পগুলোর মান আলাদা: ¹⁰C₇ = 120, ¹⁰C₄ = 210 এবং ⁶C₃ = 20। তাই এগুলো সঠিক নয়।
    মনে রাখুন:
    ⁿCᵣ = ⁿCₙ₋ᵣ, যেমন ⁶C₄ = ⁶C₂ = 15।
    ⁿCᵣ = n!/(r! × (n − r)!)।
  9. ৩২. কোনো ধারার n তম পদ n.2ⁿ⁻¹ হলে ধারাটির প্রথম পাঁচটি পদের যোগফল কত?
    • ক. 129
    • খ. 152
    • গ. 98
    • ঘ. 106
    উত্তর: ক. 129
    n-তম পদ n·2ⁿ⁻¹ হলে প্রথম পাঁচটি পদ n-এর জায়গায় 1 থেকে 5 বসিয়ে পাওয়া যায়: 1·2⁰ = 1, 2·2¹ = 4, 3·2² = 12, 4·2³ = 32 এবং 5·2⁴ = 80।
    যোগফল = 1 + 4 + 12 + 32 + 80 = 129।
    যাচাই: এই ধারার প্রথম n পদের যোগফলের সূত্র (n − 1)·2ⁿ + 1। n = 5 বসালে 4 × 32 + 1 = 129, মিলে যায়।
    মনে রাখুন: ধারার সাধারণ পদ দেওয়া থাকলে n-এর জায়গায় ১, ২, ৩, … বসিয়ে প্রয়োজনীয় পদগুলো আগে লিখে নিলে ভুল কম হয়।
  10. ৩৩. 2^(6x)/2⁶ + 2⁶ = 64 1/64 হলে, x-এর মান কত?
    • ক. 1
    • খ. 2
    • গ. 4
    • ঘ. 0
    উত্তর: ঘ. 0
    প্রদত্ত সমীকরণ 2^(6x)/2⁶ + 2⁶ = 64 1/64, অর্থাৎ 2^(6x−6) + 64 = 64 + 1/64। দুই পাশ থেকে 64 বাদ দিলে 2^(6x−6) = 1/64 = 2⁻⁶।
    আমরা জানি, ভিত্তি সমান হলে ঘাতও সমান হয়। ঘাত সমান করে পাই 6x − 6 = −6, ফলে 6x = 0 এবং x = 0।
    যাচাই: x = 0 হলে 2⁰/2⁶ + 2⁶ = 1/64 + 64 = 64 1/64, শর্ত মেলে।
    মনে রাখুন: aᵐ/aⁿ = aᵐ⁻ⁿ এবং a⁻ⁿ = 1/aⁿ।
  11. ৪৩. এক ব্যক্তির বয়স তার তিন পুত্রের বয়সের সমষ্টির দ্বিগুণ। তাহলে পুত্রের গড় বয়স পিতার বয়সের কত অংশ?
    • ক. ১/২ অংশ
    • খ. ১/৩ অংশ
    • গ. ২/৩ অংশ
    • ঘ. ১/৬ অংশ
    উত্তর: ঘ. ১/৬ অংশ
    তিন পুত্রের বয়সের সমষ্টি 3x ধরি। পিতার বয়স তার দ্বিগুণ, অর্থাৎ 6x। তিন পুত্রের গড় বয়স 3x ÷ 3 = x।
    গড় বয়স ÷ পিতার বয়স = x/6x = 1/6।
    তাই পুত্রদের গড় বয়স পিতার বয়সের ১/৬ অংশ।
    যাচাই: ধরি পুত্রদের বয়স 4, 5, 6, যোগফল 15, পিতার বয়স 30, গড় 5 এবং 5/30 = 1/6।
    মনে রাখুন: গড় = রাশিগুলোর যোগফল ÷ রাশির সংখ্যা।
  12. ৪৪. (x−3)/(x−2) এর সাথে কত যোগ করলে যোগফল 1/(2−x) হবে?
    • ক. x−2
    • খ. x−3
    • গ. 1
    • ঘ. −1
    উত্তর: ঘ. −1
    দুটি রাশির যোগফলে 1/(2 − x) = −1/(x − 2)। ধরি, যে রাশিটি যোগ করতে হবে তা p। তাহলে p = −1/(x − 2) − (x − 3)/(x − 2) = (−1 − x + 3)/(x − 2) = (2 − x)/(x − 2) = −1।
    যাচাই: (x − 3)/(x − 2) − 1 = (x − 3 − x + 2)/(x − 2) = −1/(x − 2), মিলে যায়।
    মনে রাখুন: (2 − x) = −(x − 2), তাই 1/(2 − x) আর −1/(x − 2) সমান।
  13. ৫২. কালামের বাড়ি থেকে ডাকঘরে যাওয়ার পাঁচটি পথ আছে। সে কতভাবে বাড়ি থেকে ডাকঘরে গিয়ে আবার বাড়িতে ফিরে আসতে পারবে?
    • ক. ৬
    • খ. ১০
    • গ. ২৫
    • ঘ. ২০
    উত্তর: গ. ২৫
    বাড়ি থেকে ডাকঘরে যাওয়ার পথ আছে ৫টি। ফেরার সময়ও ৫টি পথের যেকোনোটি বেছে নেওয়া যায়, কারণ প্রশ্নে একই পথে ফিরতে হবে এমন কোনো শর্ত নেই। গুণের নিয়মে মোট উপায় 5 × 5 = 25।
    যদি শর্ত থাকত যে যাওয়ার পথে যেটি নিয়েছে ফেরার সময় সেটি নেবে না, তাহলে ফেরার পথ হতো 4টি এবং উত্তর হতো 5 × 4 = 20। বিকল্পের ২০ সেই ভুল হিসাবের ফাঁদ।
    মনে রাখুন: একটি কাজ m রকমে এবং তারপর আরেকটি কাজ n রকমে হলে, দুটি একসঙ্গে m × n রকমে হয়।
  14. ৫৪. কবীর সাহেব ৬.২৫% সরল সুদে কিছু পরিমাণ টাকা ব্যাংকে রেখে ১৬ বছর পর সুদে-আসলে ৫০০০০ টাকা ফেরৎ পেলেন। তিনি কত টাকা ব্যাংকে রেখেছিলেন?
    • ক. ৩০০০০
    • খ. ২৫০০০
    • গ. ৩৫০০০
    • ঘ. ২২০০০
    উত্তর: খ. ২৫০০০
    সরল সুদে সুদ-আসল = P(1 + nr/100), যেখানে n = 16 বছর এবং r = 6.25%। ধরি, আসল P। তাহলে 50000 = P(1 + 16 × 6.25/100) = P(1 + 1) = 2P।
    তাহলে P = 25000 টাকা।
    শর্টকাট: 16 × 6.25 = 100, তাই সুদ আসলের সমান, মানে সুদ-আসল মিলে আসলের দ্বিগুণ।
    মনে রাখুন:
    সরল সুদ I = Pnr/100।
    সুদ-আসল = আসল + সুদ।
  15. ৫৫. দুটি সংখ্যার গড় xy, একটি সংখ্যা x হলে অপরটি কত?
    • ক. y
    • খ. x(y+1)/2
    • গ. x(2y−1)
    • ঘ. x(y−2)
    উত্তর: গ. x(2y−1)
    দুটি সংখ্যার গড় xy হলে সংখ্যা দুটির যোগফল 2xy, কারণ গড় = যোগফল ÷ সংখ্যার সংখ্যা। একটি সংখ্যা x হলে অপর সংখ্যা 2xy − x = x(2y − 1)।
    যাচাই: y = 1 হলে সংখ্যা দুটি x ও x, গড় x = xy, মিলে যায়। আবার y = 2 হলে অপর সংখ্যা 3x, আর x ও 3x-এর গড় 2x = xy, তাও মেলে।
    মনে রাখুন: দুই সংখ্যার গড় জানা থাকলে যোগফল = গড় × 2, তারপর জানা সংখ্যাটি বাদ দিলেই অপরটি পাওয়া যায়।
  16. ৫৯. একটি ত্রিভুজের তিনটি কোণের অনুপাত 1 : 2 : 3 এবং ত্রিভুজটির বৃহত্তম বাহুর দৈর্ঘ্য 6 cm; ত্রিভুজটির ক্ষুদ্রতম বাহুর দৈর্ঘ্য কত?
    • ক. 3√3 cm
    • খ. 2 cm
    • গ. 3 cm
    • ঘ. 2√3 cm
    উত্তর: গ. 3 cm
    কোণের অনুপাত 1 : 2 : 3 এবং তিন কোণের যোগফল 180°। এক ভাগ 180° ÷ 6 = 30°, তাই কোণগুলো 30°, 60° ও 90°। এটি সমকোণী ত্রিভুজ, যার বৃহত্তম বাহু (অতিভুজ) 6 cm।
    30° কোণের বিপরীত বাহু ক্ষুদ্রতম, এবং তা অতিভুজের অর্ধেক। অতএব ক্ষুদ্রতম বাহু 6 ÷ 2 = 3 cm।
    যাচাই: তৃতীয় বাহু 3√3 cm, কারণ 3² + (3√3)² = 9 + 27 = 36 = 6²।
    মনে রাখুন: 30°-60°-90° ত্রিভুজের বাহুর অনুপাত 1 : √3 : 2।
  17. ৬০. 16x² − 8x + 9 = 0 সমীকরণটির মূলদ্বয়ের যোগফল কত?
    • ক. 3/4
    • খ. 1/2
    • গ. 144
    • ঘ. 9/16
    উত্তর: খ. 1/2
    ax² + bx + c = 0 সমীকরণের মূলদ্বয়ের যোগফল −b/a। এখানে a = 16, b = −8, তাই যোগফল = −(−8)/16 = 1/2।
    মূলদুটি বাস্তব না হলেও (এখানে বিচ্ছেদক b² − 4ac = 64 − 576 < 0) যোগফলের সূত্র একই থাকে, কারণ সূত্রটি কেবল সহগের ওপর নির্ভর করে।
    মনে রাখুন:
    মূলদ্বয়ের গুণফল c/a, এখানে 9/16।
    বিচ্ছেদক ঋণাত্মক হলে মূল দুটি জটিল সংখ্যা হয়।
  18. ৬৬. x এবং y এর গুণফল একটি নির্দিষ্ট সংখ্যা। x এর মান ৩৩⅓% বৃদ্ধি করা হলে গুণফল অপরিবর্তিত রাখতে y এর মান শতকরা কত ভাগ হ্রাস করতে হবে?
    • ক. ৩৩⅓%
    • খ. ২৫%
    • গ. ১০%
    • ঘ. ৩৫%
    উত্তর: খ. ২৫%
    x × y = ধ্রুবক। x বাড়ে 33⅓% = 1/3 অংশ, তাই নতুন x = x × 4/3। গুণফল ঠিক রাখতে y হবে y × 3/4।
    অর্থাৎ y কমে 1 − 3/4 = 1/4 অংশ, যা 25%।
    শর্টকাট: কোনো রাশি 1/n অংশ বাড়লে গুণফল ঠিক রাখতে অপর রাশি 1/(n + 1) অংশ কমে। এখানে n = 3, কমবে 1/4 = 25%।
    মনে রাখুন: বিকল্পের ৩৩⅓% সেই ভুল ধারণা থেকে আসে, যেখানে ভাবা হয় যতটা বাড়ে ততটাই কমবে।
  19. ৬৮. 27, −9, 3, −1 … অনুক্রমের পরবর্তী সংখ্যাটি কত?
    • ক. 1/3
    • খ. −1/3
    • গ. −3
    • ঘ. 1
    উত্তর: ক. 1/3
    ক্রমটির পদগুলো 27, −9, 3, −1। প্রতিটি পদকে আগের পদ দিয়ে ভাগ করলে পাই −9/27 = −1/3, 3/(−9) = −1/3, (−1)/3 = −1/3। অর্থাৎ এটি একটি গুণোত্তর ধারা, যার সাধারণ অনুপাত −1/3।
    পরবর্তী পদ = −1 × (−1/3) = 1/3।
    মনে রাখুন:
    গুণোত্তর ধারার সাধারণ অনুপাত r = দ্বিতীয় পদ ÷ প্রথম পদ, এবং n-তম পদ = arⁿ⁻¹।
    অনুপাত ঋণাত্মক হলে পদের চিহ্ন একবার ধনাত্মক, একবার ঋণাত্মক হয়।
  20. ৭২. x, y বাস্তব রাশি এবং f(x, y) = x²y², যদি h(x) = x² − 5 হয়, তবে f(2, h(3)) এর মান কত?
    • ক. 64
    • খ. 16
    • গ. 96
    • ঘ. 32
    উত্তর: ক. 64
    প্রথমে h(3) বের করি: h(x) = x² − 5, তাই h(3) = 3² − 5 = 9 − 5 = 4।
    এবার f(x, y) = x²y² সূত্রে x = 2 এবং y = h(3) = 4 বসাই: f(2, 4) = 2² × 4² = 4 × 16 = 64।
    মনে রাখুন: নেস্টেড ফাংশনে ভেতরের ফাংশনের মান আগে বের করে নিতে হয়। এখানে h(3) আগে, তারপর f।
  21. ৭৩. cosθ = ½(a + 1/a), a ≠ 0 হলে cos 2θ = কত?
    • ক. a² + 1/a²
    • খ. ½(a² + 1/a²)
    • গ. ¼(a² + 1/a²)
    • ঘ. 2(a² + 1/a²)
    উত্তর: খ. ½(a² + 1/a²)
    cos2θ-এর একটি সূত্র cos2θ = 2cos²θ − 1। cosθ = ½(a + 1/a) হলে cos²θ = ¼(a + 1/a)² = ¼(a² + 2 + 1/a²)।
    তাহলে cos2θ = 2 × ¼(a² + 2 + 1/a²) − 1 = ½(a² + 1/a²) + 1 − 1 = ½(a² + 1/a²)।
    মনে রাখুন:
    cos2θ-এর তিনটি রূপ হলো cos²θ − sin²θ, 2cos²θ − 1 এবং 1 − 2sin²θ।
    (a + b)² = a² + 2ab + b² সূত্রে এখানে a × (1/a) = 1 হওয়ায় মাঝের পদ 2 হয়েছে।
  22. ৭৮. x² − √3x + 1 = 0 হলে, x² + 1/x² এর মান কত?
    • ক. 0
    • খ. −1
    • গ. 1
    • ঘ. 3
    উত্তর: গ. 1
    x² − √3x + 1 = 0 সমীকরণকে x দিয়ে ভাগ করলে x − √3 + 1/x = 0, অর্থাৎ x + 1/x = √3।
    দুই পাশ বর্গ করলে x² + 2 + 1/x² = 3, তাই x² + 1/x² = 3 − 2 = 1।
    মনে রাখুন:
    (x + 1/x)² = x² + 1/x² + 2।
    তেমনি (x − 1/x)² = x² + 1/x² − 2।
    এই ধরনের প্রশ্নে সমীকরণ থেকে x + 1/x আগে বের করে নিলে হিসাব ছোট হয়ে যায়।
  23. ৮১. ১০০ টাকায় ২৫টি আম ক্রয় করে ১০০ টাকায় ২০টি বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ হবে?
    • ক. ২৫%
    • খ. ১৫%
    • গ. ১০%
    • ঘ. ২২%
    উত্তর: ক. ২৫%
    ১০০ টাকায় ২৫টি আম কিনলে প্রতিটির দাম 100 ÷ 25 = 4 টাকা। ১০০ টাকায় ২০টি বিক্রি করলে প্রতিটির দাম 100 ÷ 20 = 5 টাকা।
    প্রতিটিতে লাভ 5 − 4 = 1 টাকা। শতকরা লাভ = (1/4) × 100 = 25%।
    শর্টকাট: ক্রয়ের সংখ্যা বেশি, বিক্রয়ের সংখ্যা কম হলে লাভ % = (25 − 20)/20 × 100 = 25%।
    মনে রাখুন:
    শতকরা লাভ = (লাভ ÷ ক্রয়মূল্য) × 100।
    লাভ-ক্ষতির হিসাব সবসময় ক্রয়মূল্যের ওপর করা হয়, বিক্রয়মূল্যের ওপর নয়।
  24. ৯২. একটি বাক্সে 10টি নীল ও 15টি লাল মার্বেল আছে। যেমন খুশী টানলে প্রতিবার 2টি একই রঙের মার্বেল হওয়ার সম্ভাব্যতা—
    • ক. 1/2
    • খ. 1/3
    • গ. 1/4
    • ঘ. 1/5
    উত্তর: ক. 1/2
    মোট মার্বেল 10 + 15 = 25টি, দুটি বেছে নেওয়ার উপায় ²⁵C₂ = 25 × 24/2 = 300। দুটিই নীল হওয়ার উপায় ¹⁰C₂ = 45, দুটিই লাল হওয়ার উপায় ¹⁵C₂ = 105। এই দুটি ঘটনা একসঙ্গে ঘটতে পারে না, তাই উপায় দুটি যোগ করা যায়।
    সম্ভাব্যতা = (45 + 105)/300 = 150/300 = 1/2।
    মনে রাখুন:
    সম্ভাব্যতা = অনুকূল ঘটনার সংখ্যা ÷ মোট সম্ভাব্য ঘটনার সংখ্যা।
    ‘অথবা’ বোঝালে সম্ভাব্যতা যোগ হয়, আর ‘এবং’ বোঝালে সাধারণত গুণ হয়।
  25. ৯৬. (৪৮)^৫ ন্যূনতম কত দ্বারা গুণ করলে গুণফল একটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা হবে?
    • ক. ৩
    • খ. ২
    • গ. ৬
    • ঘ. ৮
    উত্তর: ক. ৩
    48 = 2⁴ × 3, তাই 48⁵ = 2²⁰ × 3⁵। পূর্ণবর্গ হতে হলে প্রতিটি মৌলিক উৎপাদকের ঘাত জোড় হতে হবে। 2²⁰-এর ঘাত জোড়, কিন্তু 3⁵-এর ঘাত বিজোড়।
    তাই ন্যূনতম 3 দিয়ে গুণ করলে 3⁶ হয় এবং গুণফল পূর্ণবর্গ হয়, তখন সংখ্যাটি (2¹⁰ × 3³)² আকারে লেখা যায়।
    মনে রাখুন: পূর্ণবর্গ সংখ্যার মৌলিক উৎপাদকগুলোর ঘাত সবসময় জোড় হয়। বিজোড় ঘাতের উৎপাদকগুলো একবার করে গুণ করলেই সংখ্যাটি পূর্ণবর্গ হয়।

বিজ্ঞান

  1. ৩৮. 'A Brief History of Time' গ্রন্থে বিগ ব্যাং বা মহাবিস্ফোরণ তত্ত্বটি ব্যাখ্যা দিয়েছেন—
    • ক. জি. ল্যামেটার
    • খ. স্টিফেন হকিং
    • গ. আগাস্টা বায়রন
    • ঘ. চার্লস ব্যাবেজ
    উত্তর: খ. স্টিফেন হকিং
    ‘A Brief History of Time’ বইটি লিখেছেন ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং। এই বইয়ে তিনি মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও বিগ ব্যাং (Big Bang) তত্ত্ব সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করেছেন। বইটি ১৯৮৮ সালে প্রকাশিত হয়। হকিং ব্ল্যাক হোল নিয়ে গবেষণার জন্যও বিখ্যাত ছিলেন এবং তিনি ২০১৮ সালে মারা যান। তত্ত্বের মূল প্রস্তাবক আর বইয়ের লেখক এক ব্যক্তি নন, এই পার্থক্যটাই প্রশ্নের ফাঁদ।
    মনে রাখুন:
    বিগ ব্যাং তত্ত্বের মূল প্রস্তাবক বেলজিয়ামের জর্জ লেমেত্রে (Lemaître), আর মহাবিশ্ব যে ক্রমাগত প্রসারিত হচ্ছে তার প্রমাণ দেন এডউইন হাবল।
    চার্লস ব্যাবেজকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়, আর আগাস্টা অ্যাডা বায়রন (অ্যাডা লাভলেস) প্রথম প্রোগ্রামার হিসেবে পরিচিত।
  2. ৪৬. কৃষিকাজের জন্য সবচেয়ে উপযোগী মাটি হলো—
    • ক. পলি মাটি
    • খ. বেলে মাটি
    • গ. এঁটেল মাটি
    • ঘ. দো-আঁশ মাটি
    উত্তর: ঘ. দো-আঁশ মাটি
    দো-আঁশ মাটিতে বালি, পলি ও এঁটেল মাটি সুষম অনুপাতে মেশানো থাকে। এই মাটি পানি ধরে রাখতে পারে, আবার বাড়তি পানি বের করেও দেয়, ফলে শিকড় বাতাস পায়। তাছাড়া এতে জৈব পদার্থ ও খনিজ পুষ্টি বেশি থাকে। তাই কৃষির জন্য সবচেয়ে ভালো মাটি দো-আঁশ।
    মনে রাখুন:
    বেলে মাটি পানি ধরে রাখতে পারে না, আর এঁটেল মাটিতে পানি জমে থাকে।
    বাংলাদেশের বেশির ভাগ জমি নদীবাহিত পলি মাটির, তাই এখানকার মাটি খুব উর্বর। মধুপুর ও বরেন্দ্র অঞ্চলের মাটি অবশ্য লালচে।
  3. ৭৯. ইউরিয়া সারের কাঁচামাল কী?
    • ক. নাইট্রোজেন গ্যাস
    • খ. মিথেন গ্যাস
    • গ. কার্বন ডাই-অক্সাইড
    • ঘ. এমোনিয়া
    উত্তর: খ. মিথেন গ্যাস
    বাংলাদেশের সার কারখানায় প্রাকৃতিক গ্যাস (মূলত মিথেন) থেকে ইউরিয়া সার তৈরি হয়। প্রথমে গ্যাস থেকে হাইড্রোজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইড আলাদা করা হয়। বাতাসের নাইট্রোজেনের সঙ্গে হাইড্রোজেন মিলিয়ে অ্যামোনিয়া (NH₃) তৈরি করা হয়। শেষে অ্যামোনিয়া আর কার্বন ডাই-অক্সাইড বিক্রিয়া করে ইউরিয়া দেয়। তাই মূল কাঁচামাল মিথেন গ্যাস, আর অ্যামোনিয়া মাঝের ধাপের পদার্থ।
    মনে রাখুন:
    ইউরিয়ায় নাইট্রোজেনের পরিমাণ প্রায় ৪৬%।
    বাংলাদেশের কয়েকটি ইউরিয়া সার কারখানা: ঘোড়াশাল-পলাশ, যমুনা সার কারখানা (জামালপুর), শাহজালাল সার কারখানা (সিলেট), কাফকো (চট্টগ্রাম)।

কম্পিউটার ও আইসিটি

  1. ৮৬. জাতীয় তথ্য বাতায়ন ওয়েবপোর্টাল কবে উদ্বোধন করা হয়?
    • ক. ২৬ মার্চ, ২০১৪
    • খ. ২৩ জুন, ২০১৪
    • গ. ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৫
    • ঘ. ২৩ জুন, ২০১৫
    উত্তর: খ. ২৩ জুন, ২০১৪
    জাতীয় তথ্য বাতায়ন (National Web Portal) বাংলাদেশ সরকারের সব দপ্তরের ওয়েবসাইটকে একটি কাঠামোর মধ্যে এনেছে। ঠিকানা www.bangladesh.gov.bd। এর মাধ্যমে নাগরিকেরা এক জায়গা থেকে সরকারি তথ্য ও সেবা পেতে পারেন। উদ্বোধনের তারিখ ২৩ জুন ২০১৪। ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ কর্মসূচির আওতায় বাতায়নের কাজ হয়েছে।
    মনে রাখুন:
    ২০০৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’-এর রূপকল্প ২০২১ ঘোষিত হয়।
    ২৩ জুন জাতিসংঘ ঘোষিত জনসেবা দিবস।

গণপূর্ত অধিদপ্তর: অন্যান্য পরীক্ষা

আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান

বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন