বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ৮ ডিসেম্বর ২০১৭। ৯৯টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →বাংলা
- ১. 'মা, তোর বদনখানি মলিন হলে আমি নয়ন জলে ভাসি'- চরণটির রচয়িতা—
- ক. জীবনানন্দ দাশ
- খ. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
- গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ঘ. কাজী নজরুল ইসলাম
উত্তর: গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
‘মা, তোর বদনখানি মলিন হলে আমি নয়ন জলে ভাসি’ পঙ্ক্তিটি ‘আমার সোনার বাংলা’ গানের অংশ। গানটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছেন এবং এতে সুরও তাঁরই দেওয়া। বঙ্গভঙ্গের সময় ১৯০৫ সালে এটি রচিত হয়। এখানে কবি দেশকে মায়ের মতো দেখেছেন, তাই মায়ের মলিন মুখ দেখে সন্তানের চোখে জল আসার কথা বলেছেন। অন্য তিনজন কবিও দেশাত্মবোধক গান লিখেছেন, কিন্তু এই গান তাঁদের কারও নয়।
মনে রাখুন:
১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার এই গানের প্রথম দশ লাইন বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে গ্রহণ করে।
নজরুলের লেখা ‘চল চল চল’ আমাদের রণসংগীত এবং দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের ‘ধনধান্য পুষ্পে ভরা’ একটি জনপ্রিয় দেশাত্মবোধক গান।
রবীন্দ্রনাথ ১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’র জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। তিনিই প্রথম এশীয় নোবেলজয়ী। - ৭. 'সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই'— পঙ্ক্তিটি কে রচনা করেছেন?
- ক. জ্ঞানদাস
- খ. আলাওল
- গ. গোবিন্দদাস
- ঘ. চণ্ডীদাস
উত্তর: ঘ. চণ্ডীদাস
‘সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই’ পঙ্ক্তিটি বড়ু চণ্ডীদাসের নয়, পদাবলির কবি চণ্ডীদাসের। মধ্যযুগের এই কবি রাধা-কৃষ্ণের প্রেম নিয়ে পদ লিখেছেন, আর এই পঙ্ক্তিতে মানবতাকে সবকিছুর ওপরে স্থান দিয়েছেন। বাংলা সাহিত্যে একাধিক চণ্ডীদাস ছিলেন, তাই পরীক্ষায় এই পার্থক্যটি বারবার আসে।
মনে রাখুন:
বড়ু চণ্ডীদাসের লেখা ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্য ১৯০৯ সালে বাঁকুড়ার এক গ্রাম থেকে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ আবিষ্কার করেন।
‘সুখের লাগিয়া এ ঘর বাঁধিনু অনলে পুড়িয়া গেল’ পদটি জ্ঞানদাসের।
আলাওল ‘পদ্মাবতী’ কাব্যের কবি। তিনি আরাকান রাজসভার কবি ছিলেন। - ১১. 'অবরোধবাসিনী' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
- ক. ইসমাইল হোসেন সিরাজী
- খ. নবাব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী
- গ. রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
- ঘ. মোহাম্মদ নজিবর রহমান
উত্তর: গ. রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
‘অবরোধবাসিনী’ বইটি ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হয়। এর লেখক বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন। সে সময় নারীদের অন্তঃপুরে আটকে রাখার প্রথা ছিল, আর এই বইয়ে সেই অবরুদ্ধ জীবনের কষ্ট ও লাঞ্ছনার ছোট ছোট ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। রোকেয়া নিজে নারীশিক্ষার জন্য আজীবন লড়েছেন, তাই তাঁকে নারী জাগরণের অগ্রদূত বলা হয়।
মনে রাখুন:
রোকেয়ার অন্য রচনা ‘মতিচূর’ (প্রবন্ধ), ‘সুলতানার স্বপ্ন’ (ইংরেজি নাম Sultana’s Dream) ও ‘পদ্মরাগ’ (উপন্যাস)।
তিনি ১৯১১ সালে কলকাতায় সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন।
তাঁর জন্ম রংপুরের পায়রাবন্দে, আর ৯ ডিসেম্বর রোকেয়া দিবস।
অন্য বিকল্পগুলোর লেখকের বইও মনে রাখুন: ইসমাইল হোসেন সিরাজীর ‘অনল প্রবাহ’, নবাব ফয়জুন্নেসার ‘রূপজালাল’ এবং মোহাম্মদ নজিবর রহমানের ‘আনোয়ারা’। - ১৩. 'কুয়াশার বুকে ভেসে একদিন আসিব এ কাঁঠাল ছায়ায়'— কে আসবেন?
- ক. গোবিন্দচন্দ্র দাস
- খ. জসীমউদ্দীন
- গ. সুফিয়া কামাল
- ঘ. জীবনানন্দ দাশ
উত্তর: ঘ. জীবনানন্দ দাশ
‘কুয়াশার বুকে ভেসে একদিন আসিব এ কাঁঠালছায়ায়’ পঙ্ক্তিটি জীবনানন্দ দাশের ‘রূপসী বাংলা’ কাব্যের একটি সনেট থেকে নেওয়া। কবি বলছেন, মৃত্যুর পর হয়তো তিনি শঙ্খচিল বা শালিকের বেশে আবার এই বাংলায় ফিরে আসবেন। বাংলার নদী, মাঠ আর গাছপালার প্রতি কবির গভীর টান এই পঙ্ক্তিতেই ধরা পড়েছে।
মনে রাখুন:
‘রূপসী বাংলা’ কবির মৃত্যুর পর ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত হয়। বাংলার প্রকৃতির এমন নিখুঁত ছবির জন্য তাঁকে ‘রূপসী বাংলার কবি’ বলা হয়।
তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘ঝরা পালক’ (১৯২৭) এবং বিখ্যাত কাব্য ‘বনলতা সেন’ (১৯৪২)।
জীবনানন্দ দাশের জন্ম বরিশালে। - ২২. 'সরস' শব্দের বিপরীত অর্থবোধক শব্দ কোনটি?
- ক. সুরস
- খ. বিরস
- গ. নীরস
- ঘ. সুরল
উত্তর: গ. নীরস
‘সরস’ শব্দের অর্থ রসযুক্ত। এর বিপরীত শব্দ নীরস, যার অর্থ রসহীন। নির্ উপসর্গটি অভাব বা অনুপস্থিতি বোঝায়, তাই নির্ + রস = নীরস। এখানে সন্ধির নিয়মে র-এর লোপ হয়ে আগের স্বরটি দীর্ঘ হয়েছে। বিরস শব্দটির অর্থ বিষণ্ণ বা অপ্রসন্ন, তাই এটি সরসের প্রচলিত বিপরীত শব্দ নয়।
মনে রাখুন:
সুরস মানে মধুর রস আছে এমন, আর সুরল বলে কোনো প্রচলিত শব্দ নেই।
বিপরীত শব্দের আরও উদাহরণ: সরল ও জটিল, সুখ ও দুঃখ। - ২৩. সেলিনা হোসেনের কোন গ্রন্থ অবলম্বনে চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে?
- ক. কাঁটাতারে প্রজাপতি
- খ. পোকামাকড়ের ঘরবসতি
- গ. কালকেতু ও ফুল্লরা
- ঘ. নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি
উত্তর: খ. পোকামাকড়ের ঘরবসতি
সেলিনা হোসেনের ‘পোকামাকড়ের ঘরবসতি’ উপন্যাস অবলম্বনে একই নামে চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে। এর পরিচালক আখতারুজ্জামান। ছবিটি মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে তৈরি এবং জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রসহ কয়েকটি বিভাগে পুরস্কার পায়। প্রশ্নের অন্য তিনটি নামও তাঁর লেখা গ্রন্থ, কিন্তু চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়েছে এই উপন্যাস নিয়ে।
মনে রাখুন:
সেলিনা হোসেনের আরও কয়েকটি উপন্যাস ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’, ‘কালকেতু ও ফুল্লরা’, ‘নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি’ ও ‘কাঁটাতারে প্রজাপতি’।
‘যাপিত জীবন’ ও ‘নীল ময়ূরের যৌবন’ও তাঁর পরিচিত উপন্যাস।
তাঁর জন্ম রাজশাহীতে। - ২৪. কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'বিদ্রোহী' কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
- ক. বিষের বাঁশী
- খ. অগ্নিবীণা
- গ. সর্বহারা
- ঘ. ছায়ানট
উত্তর: খ. অগ্নিবীণা
নজরুলের বিখ্যাত ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি ১৯২২ সালে ‘বিজলী’ পত্রিকায় প্রথম ছাপা হয়। পরে একই বছর এটি ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যে স্থান পায়। কবিতাটিতে কবি নিজেকে অন্যায় ও শোষণের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো এক অদম্য শক্তি হিসেবে তুলে ধরেছেন। প্রশ্নের অন্য কাব্যগ্রন্থগুলোতে এই কবিতাটি নেই।
মনে রাখুন:
অগ্নিবীণা নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
‘বিষের বাঁশী’ (১৯২৪), ‘ছায়ানট’ (১৯২৫) ও ‘সর্বহারা’ (১৯২৬) তাঁর অন্য কাব্যগ্রন্থ।
নজরুলের জন্ম ১৮৯৯ সালে পশ্চিমবঙ্গের চুরুলিয়ায়, আর ১৯৭২ সালে তিনি বাংলাদেশের জাতীয় কবির মর্যাদা পান। - ২৫. কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ কোনটি?
- ক. পদ্মপাতা
- খ. নীলপদ্ম
- গ. পদ্মনয়না
- ঘ. পদ্মপলাশ
উত্তর: খ. নীলপদ্ম
যে সমাসে পূর্বপদ বিশেষণ হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধান থাকে, তাকে কর্মধারয় সমাস (Appositional Compound) বলে। ‘নীলপদ্ম’ শব্দের ব্যাসবাক্য ‘নীল যে পদ্ম’। এখানে নীল বিশেষণ, পদ্ম বিশেষ্য এবং সমাসে পদ্মের অর্থই প্রধান। অন্য বিকল্পগুলোর সমাস আলাদা: ‘পদ্মপাতা’ (পদ্মের পাতা) ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস।
মনে রাখুন:
বাংলা সমাস ছয় প্রকার: দ্বন্দ্ব, কর্মধারয়, তৎপুরুষ, বহুব্রীহি, দ্বিগু ও অব্যয়ীভাব।
‘পদ্মনয়না’ (পদ্মের মতো নয়ন যার) বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ।
কর্মধারয়ের আরও উদাহরণ: কাঁচামিঠা, নীলাকাশ, মহাজন। - ২৯. কোন বাক্যে ধ্বন্যাত্মক শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে?
- ক. ঘন ঘন বৃষ্টি পড়ছে।
- খ. টিপ টিপ বৃষ্টি পড়ছে।
- গ. ফুলে ফুলে বৃষ্টি পড়ছে।
- ঘ. সারাদিন বৃষ্টি পড়ছে।
উত্তর: খ. টিপ টিপ বৃষ্টি পড়ছে।
যে শব্দ কোনো আওয়াজ বা ধ্বনির অনুকরণে তৈরি হয়, তাকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ (Onomatopoeia) বলে। ‘টিপ টিপ’ শব্দে ফোঁটা ফোঁটা বৃষ্টি পড়ার শব্দের অনুকরণ আছে, তাই বাক্যটিতে ধ্বন্যাত্মক শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে। ‘ঘন ঘন’ ও ‘ফুলে ফুলে’ শব্দ দুটি দ্বিরুক্ত শব্দ, কিন্তু কোনো ধ্বনির অনুকরণ নয়। ‘সারাদিন’ শব্দে তো কোনো পুনরাবৃত্তিই নেই।
উদাহরণ:
ঝমঝম, ঝিরঝির, কুহু কুহু, কলকল।
মনে রাখুন: ধ্বন্যাত্মক শব্দ সাধারণত দুবার বসে, যেমন কনকন, গমগম। কিন্তু দ্বিরুক্ত শব্দ মানেই ধ্বন্যাত্মক শব্দ নয়। - ৩৩. 'বাংলা গদ্যের জনক' বলা হয় কাকে?
- ক. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে
- খ. রাজা রামমোহন রায়কে
- গ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে
- ঘ. কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে
উত্তর: ক. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে
বাংলা গদ্যকে সুন্দর ও সুশৃঙ্খল রূপ দেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। তিনি বাক্যে শব্দ সাজানো, পদ-বিভাগ ও যতিচিহ্নের ব্যবহার ঠিক করে দেন, যার ফলে গদ্য সহজে পড়া যায়। তাই তাঁকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়। রামমোহন রায় এর আগে বাংলা গদ্যের চর্চা শুরু করেছিলেন, কিন্তু গদ্যকে শিল্পের রূপ দিয়েছেন বিদ্যাসাগরই।
মনে রাখুন:
বিদ্যাসাগরের কয়েকটি রচনা: ‘বেতাল পঞ্চবিংশতি’, ‘শকুন্তলা’, ‘সীতার বনবাস’, ‘ভ্রান্তিবিলাস’ ও ‘বর্ণপরিচয়’।
তাঁর উদ্যোগে ১৮৫৬ সালে বিধবা বিবাহ আইন পাস হয়।
বঙ্কিমচন্দ্রকে বলা হয় সাহিত্য সম্রাট, আর রবীন্দ্রনাথকে বিশ্বকবি। - ৩৯. কোন বাক্যে অনুরোধ বোঝানো হয়েছে?
- ক. তুমি ভাই আমার কাজটি করে দিও তো।
- খ. তুমি আমার কাজটি করে দেবে তো?
- গ. আমি জানি তুমি কাজটি করে দেবে।
- ঘ. কাজটি করে না দিলে দুঃখ পাব কিন্তু।
উত্তর: ক. তুমি ভাই আমার কাজটি করে দিও তো।
‘তুমি ভাই আমার কাজটি করে দিও তো’ বাক্যে ক্রিয়া ‘দিও’ অনুজ্ঞা ভাবে আছে এবং এতে নরম সুরে একটি অনুরোধ আছে। ‘ভাই’ সম্বোধন এবং ‘তো’ অব্যয়টি সেই বিনয়ী ভাবটিকে স্পষ্ট করেছে। অন্য বাক্যগুলোতে হয় প্রশ্ন, বিশ্বাস নয়তো মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে, অনুরোধ নয়।
মনে রাখুন:
ক্রিয়ার যে রূপে আদেশ, অনুরোধ বা উপদেশ বোঝায়, তাকে অনুজ্ঞা (Imperative mood) বলে।
বাংলায় ক্রিয়ার ভাব তিন প্রকার: নির্দেশক, অনুজ্ঞা ও সংকেতার্থ। - ৪৬. বাংলা ভাষায় আরবি থেকে আগত শব্দটি হচ্ছে—
- ক. বেগম
- খ. গোলাপ
- গ. খবর
- ঘ. বাগান
উত্তর: গ. খবর
‘খবর’ শব্দটি আরবি থেকে বাংলায় এসেছে। বাকি শব্দগুলো অন্য ভাষার: বেগম তুর্কি শব্দ, আর গোলাপ ও বাগান ফারসি শব্দ। বাংলা ভাষায় মুসলিম শাসনের সময় আরবি, ফারসি ও তুর্কি ভাষা থেকে বহু শব্দ ঢুকেছে, তাই শব্দগুলোর উৎস আলাদা করে মনে রাখা দরকার।
মনে রাখুন:
আরবি শব্দ: আদালত, কলম, কিতাব, মোক্তার, মহকুমা।
ফারসি শব্দ: কারখানা, চশমা, দোকান, বাগান, গোলাপ।
তুর্কি শব্দ: চাকর, দারোগা, কাঁচি, বন্দুক, বেগম।
পর্তুগিজ শব্দ: আলমারি, আনারস, চাবি, বালতি, পেয়ারা। - ৪৮. মীর মশাররফ হোসেন রচিত গ্রন্থ কোনটি?
- ক. বিষাদসিন্ধু
- খ. মহাশ্মশান
- গ. ভ্রান্তিবিলাস
- ঘ. কথোপকথন
উত্তর: ক. বিষাদসিন্ধু
‘বিষাদসিন্ধু’ মীর মশাররফ হোসেনের লেখা। এটি কারবালার করুণ কাহিনি নিয়ে ১৮৮৫-৯১ সালে তিন খণ্ডে রচিত গদ্য উপন্যাসের মতো এক মহাকাব্য। বাংলা মুসলিম সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ বই এটি। অন্য তিনটি বই অন্য লেখকদের, যদিও নামগুলো প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করে।
মনে রাখুন:
‘মহাশ্মশান’ কায়কোবাদের, ‘ভ্রান্তিবিলাস’ বিদ্যাসাগরের এবং ‘কথোপকথন’ উইলিয়াম কেরির লেখা।
মীর মশাররফ হোসেনের নাটক ‘জমিদার দর্পণ’ এবং আত্মজীবনীমূলক রচনা ‘আমার জীবনী’।
তিনি কুষ্টিয়ার কুমারখালীর মানুষ ছিলেন। - ৫৩. কোন শব্দটি শুদ্ধ বানানে লেখা হয়েছে?
- ক. দ্বন্দ
- খ. দন্দ্ব
- গ. দন্দ
- ঘ. দ্বন্দ্ব
উত্তর: ঘ. দ্বন্দ্ব
সঠিক বানান ‘দ্বন্দ্ব’, যার অর্থ কলহ বা বিরোধ। শব্দটির শুরুতে ‘দ্ব’ এবং শেষে ‘ন্দ্ব’ যুক্তবর্ণ আছে। এর সঙ্গে ‘দ্বন্দ্ব সমাস’ কথাটিও পরিচিত। দ্বন্দ্ব সমাসে সমান মর্যাদার পদ যুক্ত হয়, যেমন মা-বাবা বা ভাই-বোন।
মনে রাখুন:
ভুল বানান হয় সাধারণত যুক্তবর্ণের ক্রম উল্টে গেলে, যেমন ‘দন্দ্ব’।
যুক্তবর্ণ নিয়ে ভুল হয় এমন আরও কিছু শুদ্ধ বানান: উজ্জ্বল, সান্ত্বনা, ধ্বংস, বিদ্বান। - ৫৪. জাহানারা ইমাম রচিত ডায়েরিমূলক লেখা কোনটি?
- ক. দুর্দিনের দিনলিপি
- খ. একাত্তরের ডায়েরী
- গ. একাত্তরের স্মৃতি
- ঘ. একাত্তরের দিনগুলি
উত্তর: ঘ. একাত্তরের দিনগুলি
জাহানারা ইমামের ‘একাত্তরের দিনগুলি’ মুক্তিযুদ্ধের সময়ের দিনপঞ্জি। তিনি ১৯৭১ সালে ঢাকায় থেকে যে ঘটনাগুলো দেখেছেন এবং তাঁর পুত্র শহীদ রুমীর কথা এতে লিখেছেন। এজন্য একে ডায়েরি ধাঁচের স্মৃতিকথা বলা হয়। বইটি ১৯৮৬ সালে প্রকাশিত হয়। ‘একাত্তরের ডায়েরী’ নামটি শুনতে কাছাকাছি, কিন্তু সেটি অন্য লেখকের বই।
মনে রাখুন:
‘একাত্তরের ডায়েরী’ সুফিয়া কামালের লেখা।
জাহানারা ইমামকে ‘শহীদ জননী’ বলা হয়।
তাঁর ছেলে রুমীকে ১৯৭১ সালের আগস্ট মাসে পাকিস্তানি বাহিনী ধরে নিয়ে যায়, এরপর তিনি আর ফেরেননি। - ৫৫. কোনটি মধ্যযুগের রচনা?
- ক. সারদামঙ্গল
- খ. মনসামঙ্গল
- গ. কেরামতমঙ্গল
- ঘ. বৃক্ষমঙ্গল
উত্তর: খ. মনসামঙ্গল
‘মনসামঙ্গল’ বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য। এতে সাপের দেবী মনসার মাহাত্ম্য প্রচারের কাহিনি আছে, যার প্রধান চরিত্র চাঁদ সওদাগর ও বেহুলা-লখিন্দর। আদি কবি কানা হরিদত্ত। ‘সারদামঙ্গল’ বিহারীলাল চক্রবর্তীর আধুনিক যুগের গীতিকবিতা। নামের শেষে মঙ্গল থাকলেই কোনো রচনা মধ্যযুগের হয় না, এই কথাটি এখানে মনে রাখতে হবে।
মনে রাখুন:
মনসামঙ্গলের অন্য কবি বিজয় গুপ্ত, নারায়ণ দেব ও বিপ্রদাস পিপলাই।
মধ্যযুগের তিন প্রধান মঙ্গলকাব্য মনসামঙ্গল, চণ্ডীমঙ্গল ও ধর্মমঙ্গল। চণ্ডীমঙ্গলের শ্রেষ্ঠ কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তী এবং অন্নদামঙ্গলের কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।
‘কেরামতমঙ্গল’ সেলিম আল দীনের নাটক। - ৬২. বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসমূলক শিশুকিশোর রচনা কোনটি?
- ক. লাল নীল দীপাবলি
- খ. কত নদী সরোবর
- গ. ফুল পাখি সৌরভ
- ঘ. কথা অকথার কথা
উত্তর: ক. লাল নীল দীপাবলি
হুমায়ূন আজাদের ‘লাল নীল দীপাবলি’ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস নিয়ে লেখা কিশোরদের বই। ছোটদের জন্য সহজ ভাষায় লেখা এই বইয়ে বাংলা সাহিত্যের ধারাবাহিক পরিচয় আছে। বইটির পুরো নাম ‘লাল নীল দীপাবলি বা বাঙলা সাহিত্যের জীবনী’।
মনে রাখুন:
‘কতো নদী সরোবর বা বাঙলা ভাষার জীবনী’ বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও বিকাশ নিয়ে তাঁর অন্য একটি বই।
হুমায়ূন আজাদের আলোচিত গ্রন্থ ‘নারী’।
তিনি একাধারে কবি, ভাষাবিজ্ঞানী ও ঔপন্যাসিক ছিলেন। - ৬৩. ভাষা-আন্দোলনভিত্তিক 'কবর' গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
- ক. জসীমউদদীন
- খ. আহমদ ছফা
- গ. শওকত ওসমান
- ঘ. মুনীর চৌধুরী
উত্তর: ঘ. মুনীর চৌধুরী
‘কবর’ মুনীর চৌধুরীর একাঙ্ক নাটক। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে তিনি কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় এটি লেখেন, আর ১৯৫৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবসের অনুষ্ঠানে নাটকটি মঞ্চস্থ হয়। এটি ভাষা আন্দোলনভিত্তিক বাংলা সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ রচনা। জসীমউদ্দীন কবি, আহমদ ছফা প্রাবন্ধিক ও ঔপন্যাসিক এবং শওকত ওসমান কথাসাহিত্যিক, তাই নাটক হিসেবে ‘কবর’ তাঁদের নয়।
মনে রাখুন:
মুনীর চৌধুরীর অন্য নাটক ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ ও ‘চিঠি’।
১৯৭১ সালে তিনি শহীদ বুদ্ধিজীবী হিসেবে প্রাণ দেন। - ৬৬. কোনটি অব্যয় পদ?
- ক. শয়ন
- খ. মেধাবী
- গ. অথবা
- ঘ. তোমার
উত্তর: গ. অথবা
যে শব্দের রূপ বদলায় না এবং যাতে বিভক্তি বা বচন যুক্ত হয় না, তাকে অব্যয় (Indeclinable) বলে। ‘অথবা’ শব্দটি দুটি বাক্য বা পদকে যুক্ত করে, তাই এটি অব্যয়। শয়ন বিশেষ্য, মেধাবী বিশেষণ এবং তোমার সর্বনাম।
উদাহরণ:
আর, ও, কিন্তু, যদি, এবং, বা।
মনে রাখুন: বাংলা ভাষায় পদ পাঁচ প্রকার: বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, ক্রিয়া ও অব্যয়। - ৭০. 'ঘর' শব্দটির সমার্থক শব্দ কোনটি?
- ক. সদন
- খ. দহন
- গ. আপণ
- ঘ. রণ
উত্তর: ক. সদন
‘ঘর’ শব্দের সমার্থক শব্দ সদন, যার অর্থ বাসস্থান বা গৃহ। ‘দহন’ মানে পোড়ানো, ‘আপণ’ মানে দোকান এবং ‘রণ’ মানে যুদ্ধ। এগুলোর কোনোটির সঙ্গে ঘরের অর্থ মেলে না।
মনে রাখুন:
ঘরের আরও সমার্থক শব্দ গৃহ, আলয়, ভবন, নিলয়, আগার।
দোকানের সমার্থক শব্দ আপণ ও পণ্যশালা, আর যুদ্ধের সমার্থক শব্দ সমর ও সংগ্রাম। - ৭৫. প্রমিত চলিত রীতির বাক্য কোনটি?
- ক. খাইয়া দাইয়া শুয়ে পড়লাম।
- খ. খাইয়া দাইয়া শুইয়া পড়িলাম।
- গ. খেয়ে দেয়ে শুইয়া পড়লাম।
- ঘ. খেয়ে দেয়ে শুয়ে পড়লাম।
উত্তর: ঘ. খেয়ে দেয়ে শুয়ে পড়লাম।
প্রমিত চলিত রীতিতে ক্রিয়াপদের রূপ ছোট হয়, যেমন খেয়ে, দেয়ে, শুয়ে, পড়লাম। এখানে সব পদ চলিত রূপে আছে, তাই বাক্যটি শুদ্ধ। সাধু রীতিতে একই বাক্য হতো খাইয়া-দাইয়া শুইয়া পড়িলাম। বাকি বাক্যগুলোতে সাধু ও চলিত রূপ মিশে আছে, তাই সেগুলো কোনো রীতিতেই শুদ্ধ নয়।
মনে রাখুন:
একই বাক্যে সাধু ও চলিত মেশানো হলে গুরুচণ্ডালী দোষ হয়।
সাধু ও চলিত রীতির মূল পার্থক্য ক্রিয়াপদ ও সর্বনামে। যেমন করিয়া ও করে, তাহার ও তার। - ৭৯. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক শামসুর রাহমানের কাব্যগ্রন্থটি হলো—
- ক. বাংলাদেশ স্বপ্ন দেখে
- খ. বন্দী শিবির থেকে
- গ. দুঃসময়ের মুখোমুখি
- ঘ. গৃহযুদ্ধের আগে
উত্তর: খ. বন্দী শিবির থেকে
‘বন্দী শিবির থেকে’ শামসুর রাহমানের কাব্যগ্রন্থ, যা মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা। ১৯৭২ সালে প্রকাশিত এই বইয়ে যুদ্ধকালের অনুভূতি ও দেশপ্রেম উঠে এসেছে। কবি তখন ঢাকায় ছিলেন এবং যুদ্ধের সময়টা কাটিয়েছেন গৃহবন্দির মতো। বইয়ের নামটিই সেই বন্দিদশার ইঙ্গিত দেয়।
মনে রাখুন:
‘বাংলাদেশ স্বপ্ন দেখে’ তাঁর আরেকটি কাব্য এবং ‘গৃহযুদ্ধের আগে’ ও ‘দুঃসময়ের মুখোমুখি’ও তাঁর লেখা।
তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে’ (১৯৬০)।
‘স্বাধীনতা তুমি’ কবিতাটিও শামসুর রাহমানের লেখা। - ৮৫. ‘ষ্ণ’-যুক্তবর্ণটি কীভাবে গঠিত হয়েছে?
- ক. ষ্ + ণ
- খ. ষ্ + ঞ
- গ. ষ্ + ক্র
- ঘ. ষ্ + জ
উত্তর: ক. ষ্ + ণ
‘ষ্ণ’ যুক্তবর্ণটি ষ্ এবং ণ মিলে তৈরি, অর্থাৎ ষ্ + ণ = ষ্ণ। সংস্কৃত থেকে আসা এই যুক্তবর্ণ ‘কৃষ্ণ’ ও ‘বিষ্ণু’ শব্দে দেখা যায়। অন্য বিকল্পগুলোতে ণ-এর জায়গায় ঞ, ক্র বা জ আছে, যা ষ্ণ বর্ণটি গঠন করে না।
মনে রাখুন:
ক্ষ = ক্ + ষ এবং জ্ঞ = জ্ + ঞ।
উষ্ণ ও তৃষ্ণা শব্দেও ‘ষ্ণ’ আছে।
ষ্ট ও ষ্ঠ যুক্তবর্ণও ষ দিয়ে শুরু হয়, যেমন কষ্ট ও শ্রেষ্ঠ। - ৯২. চলিত গদ্য রীতির ধারা প্রবর্তন করে কোন পত্রিকা?
- ক. বঙ্গদর্শন
- খ. সবুজপত্র
- গ. নবজীবন
- ঘ. দিগদর্শন
উত্তর: খ. সবুজপত্র
‘সবুজপত্র’ পত্রিকা ১৯১৪ সালে প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়। এই পত্রিকায় রবীন্দ্রনাথ, প্রমথ চৌধুরী ও অন্যান্য লেখক সাধু ভাষা ছেড়ে চলিত ভাষায় লিখতে শুরু করেন, এভাবে বাংলা গদ্যে চলিত রীতি প্রতিষ্ঠা পায়। প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম ‘বীরবল’। এ কারণে চলিত রীতির আন্দোলনকে ‘বীরবলী রীতি’ও বলা হয়।
মনে রাখুন:
‘বঙ্গদর্শন’ সম্পাদনা করেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
‘দিগদর্শন’ বাংলা ভাষার প্রথম সাময়িকপত্র, যা ১৮১৮ সালে শ্রীরামপুর থেকে প্রকাশিত হয়।
‘নবজীবন’ও বঙ্কিমচন্দ্র-যুগের একটি পত্রিকা। - ৯৯. 'খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়'— মরমি গানটির রচয়িতা কে?
- ক. হাসন রাজা
- খ. পাগলা কানাই
- গ. দ্বিজ কানাই
- ঘ. লালন শাহ
উত্তর: ঘ. লালন শাহ
‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়’ গানটি লালন শাহের লেখা। এখানে খাঁচা হলো মানুষের দেহ, আর অচিন পাখি হলো আত্মা। ফকির লালন শাহ বাউল গানের শ্রেষ্ঠ রচয়িতাদের একজন। তাঁর গানে মানুষ, দেহ ও স্রষ্টার সম্পর্ক নিয়ে গভীর কথা আছে।
মনে রাখুন:
হাসন রাজার গান ‘লোকে বলে বলে রে, ঘর বাড়ি ভালা না আমার’, আর ‘সোনা বন্ধে আমারে দেওয়ানা বানাইল’।
লালন শাহ কুষ্টিয়ার ছেউড়িয়ায় বাস করতেন এবং সেখানেই তাঁর মাজার আছে।
লালনের গানকে লালনগীতি বা লালনসংগীত বলা হয়।
বাংলাদেশ
- ২. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
- ক. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- খ. জনাব তাজউদ্দীন আহমদ
- গ. ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী
- ঘ. জনাব এ এইচ এম কামারুজ্জামান
উত্তর: খ. জনাব তাজউদ্দীন আহমদ
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার (প্রবাসী সরকার) গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়। এই সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ। রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান তখন পাকিস্তানের কারাগারে বন্দী ছিলেন, তাই উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। প্রশ্নের অন্য নামগুলোও এই সরকারেরই মন্ত্রী, কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর পদ ছিল তাজউদ্দীনের।
মনে রাখুন:
১৭ এপ্রিল ১৯৭১ মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় (পরে নাম হয় মুজিবনগর) এই সরকার শপথ নেয়।
অর্থমন্ত্রী ছিলেন ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী এবং স্বরাষ্ট্র ও ত্রাণমন্ত্রী ছিলেন এ এইচ এম কামারুজ্জামান।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন খন্দকার মোশতাক আহমদ এবং মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন কর্নেল এম. এ. জি. ওসমানী। - ৩১. বাংলাদেশ তার শততম টেস্ট কোন দেশের বিপক্ষে জেতে?
- ক. শ্রীলংকা
- খ. ইংল্যান্ড
- গ. ভারত
- ঘ. পাকিস্তান
উত্তর: ক. শ্রীলংকা
২০১৭ সালের মার্চে কলম্বোয় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশ তাদের একশততম টেস্ট খেলে। সেই ম্যাচে বাংলাদেশ ৪ উইকেটে জেতে, যা বিদেশের মাটিতে দলের একটি বড় সাফল্য ছিল। তামিম ইকবাল ম্যাচসেরা হন। ভারত, ইংল্যান্ড ও পাকিস্তান এই একশততম টেস্টের প্রতিপক্ষ ছিল না।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশ ২০০০ সালে টেস্ট মর্যাদা পায় এবং ভারতের বিপক্ষে ঢাকায় প্রথম টেস্ট খেলে।
২০০৫ সালে চট্টগ্রামে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট জয় পায়।
বাংলাদেশ ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে হারিয়ে সবাইকে চমকে দিয়েছিল। - ৩২. 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী' গানটির প্রথম সুরকার কে?
- ক. আবদুল লতিফ
- খ. আলতাফ মাহমুদ
- গ. আজাদ রহমান
- ঘ. খন্দকার নূরুল আলম
উত্তর: ক. আবদুল লতিফ
‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানটির কথা লিখেছেন আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী। ১৯৫৩ সালে প্রথম এতে সুর দেন আবদুল লতিফ। পরে ১৯৬৯ সালে শহীদ আলতাফ মাহমুদ আরেকটি সুর দেন, যা এখন আমরা সাধারণত শুনি। তাই প্রশ্নে ‘প্রথম সুরকার’ কথাটি খেয়াল রাখা দরকার, কারণ আলতাফ মাহমুদের সুরটি পরের।
মনে রাখুন:
গানটির গীতিকার আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী।
আলতাফ মাহমুদ ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে নিহত হন। - ৩৫. বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি কোন জেলায় অবস্থিত?
- ক. সিলেট
- খ. রংপুর
- গ. দিনাজপুর
- ঘ. রাজশাহী
উত্তর: গ. দিনাজপুর
১৯৮৫ সালে দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলায় বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি আবিষ্কৃত হয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম কয়লা খনি, যেখান থেকে ২০০৫ সালে বাণিজ্যিকভাবে কয়লা উত্তোলন শুরু হয়। খনির কাছেই একটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে, যেটি এই কয়লায় চলে। প্রশ্নের বাকি জেলাগুলোতে এই খনি নেই।
মনে রাখুন:
কয়লার অন্য খনি দীঘিপাড়া (দিনাজপুর), ফুলবাড়ী (দিনাজপুর), খালাশপীর (রংপুর) ও জামালগঞ্জ (জয়পুরহাট)।
বাংলাদেশের একমাত্র কঠিন শিলা খনি মধ্যপাড়ায় (দিনাজপুর)। - ৩৭. উত্তরা গণভবন কোন জেলায় অবস্থিত?
- ক. পাবনা
- খ. সিরাজগঞ্জ
- গ. নাটোর
- ঘ. নওগাঁ
উত্তর: গ. নাটোর
উত্তরা গণভবন নাটোর শহরে অবস্থিত। এটি আগে দিঘাপতিয়ার রাজাদের প্রাসাদ ছিল। দেশ বিভাগের পর এটি সরকারি ভবনে রূপ নেয়, আর এখন এটি গণভবন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। নাটোর রাজশাহী বিভাগের একটি জেলা, আর এই শহরে একসময় রানি ভবানীর জমিদারি ছিল। প্রশ্নের অন্য জেলাগুলোতে উত্তরা গণভবন নেই।
মনে রাখুন:
নাটোর রানি ভবানীর কীর্তি ও নাটোর রাজবাড়ীর জন্য বিখ্যাত।
নাটোরের বিখ্যাত মিষ্টি ‘কাঁচাগোল্লা’।
পাবনা, সিরাজগঞ্জ ও নওগাঁও রাজশাহী অঞ্চলের পরিচিত জেলা, তাই এগুলোর সঙ্গে গুলিয়ে ফেললে চলবে না। - ৫২. বাংলাদেশের বর্তমান রাষ্ট্রপতির নাম কী?
- ক. জনাব আঃ হামিদ খান
- খ. এডভোকেট আঃ হামিদ
- গ. জনাব আঃ হাদিস
- ঘ. জনাব আঃ হামিদ, এমপি
উত্তর: খ. এডভোকেট আঃ হামিদ
পরীক্ষার সময়, অর্থাৎ ২০১৭ সালে, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন মো. আবদুল হামিদ। তিনি পেশায় আইনজীবী (এডভোকেট) ছিলেন এবং ২০১৩ সালে প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। তার আগে তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকার ছিলেন। তাঁর আগের রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান মৃত্যুবরণ করলে তিনি এই পদে আসেন। বিকল্পগুলোর অন্য নামগুলো তাঁর নামের বিকৃত রূপ, তাই ‘এডভোকেট আঃ হামিদ’ সঠিক।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন এবং তাঁর মেয়াদ পাঁচ বছর।
রাষ্ট্রপতি হতে হলে বয়স কমপক্ষে ৩৫ বছর হতে হয়।
হালনাগাদ: ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল মো. সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। - ৫৯. বাংলাদেশ জাতীয় টেস্ট ক্রিকেট দলের বর্তমান অধিনায়ক কে?
- ক. মুশফিকুর রহিম
- খ. মাশরাফি বিন মুর্তজা
- গ. তামিম ইকবাল
- ঘ. সাকিব আল হাসান
উত্তর: ক. মুশফিকুর রহিম
২০১৭ সালের ডিসেম্বরের শুরুতে, অর্থাৎ পরীক্ষার সময়, বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক ছিলেন মুশফিকুর রহিম। কয়েক দিন পরেই, ১০ ডিসেম্বর ২০১৭, সাকিব আল হাসানকে টেস্ট অধিনায়ক ঘোষণা করা হয়। অন্য নামগুলোও বাংলাদেশের বিখ্যাত ক্রিকেটার, কিন্তু প্রশ্নের সময় টেস্ট দলের অধিনায়ক ছিলেন মুশফিক। এই ধরনের প্রশ্নে সময়টা জানা জরুরি, কারণ অধিনায়ক বদলে যায়।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশ ২০০০ সালে টেস্ট মর্যাদা পায়।
মাশরাফি বিন মুর্তজা ওয়ানডে দলের অধিনায়ক ছিলেন।
হালনাগাদ: পরে অধিনায়ক বদল হয়েছে এবং নাজমুল হোসেন শান্ত বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক হয়েছেন। - ৬৮. বাংলাদেশের একমাত্র মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র কোথায় অবস্থিত?
- ক. সুরমা নদী
- খ. হালদা নদী
- গ. গোমতী নদী
- ঘ. কর্ণফুলী নদী
উত্তর: খ. হালদা নদী
হালদা নদী বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র। এখানে রুই, কাতলা ও মৃগেল মাছ প্রাকৃতিকভাবে ডিম ছাড়ে। নদীটি খাগড়াছড়ির পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে চট্টগ্রামের ভেতর দিয়ে বয়ে কর্ণফুলী নদীতে মিশেছে। প্রতি বছর বর্ষার শুরুতে মা মাছেরা এখানে ডিম ছাড়ে। জেলেরা সেই ডিম সংগ্রহ করে ফুটিয়ে রেণু বানান এবং দেশের বিভিন্ন জায়গার চাষিদের কাছে বিক্রি করেন।
মনে রাখুন:
হালদাকে বাংলাদেশের মৎস্য হেরিটেজ বলা হয়।
সুরমা, গোমতী ও কর্ণফুলীতে মাছ থাকলেও এগুলো হালদার মতো প্রাকৃতিক প্রজনন ক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত নয়। - ৭৩. বাঙালির বেঁচে থাকার সনদ ৬ দফা আন্দোলন কত সালে হয়েছিল?
- ক. ১৯৬৫ সালে
- খ. ১৯৬৬ সালে
- গ. ১৯৬৭ সালে
- ঘ. ১৯৬৯ সালে
উত্তর: খ. ১৯৬৬ সালে
১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলের এক সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান ছয় দফা দাবি পেশ করেন। পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের স্বায়ত্তশাসনের দাবিগুলোই ছিল এতে, তাই একে বাঙালির মুক্তির সনদ বলা হয়। ১৯৬৬ সালের ৭ জুন ছয় দফার দাবিতে সারা দেশে হরতাল পালিত হয়। অন্য সালগুলো ছয় দফার সঙ্গে মেলে না।
মনে রাখুন:
ছয় দফার পরেই আগরতলা মামলা (১৯৬৮) ও ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান ঘটে।
১৯৬৯ সালে শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি দেওয়া হয়।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিপুল ভোটে জয়ী হয়, আর ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। - ৮৩. ‘গজলডোবা বাঁধ’ বাংলাদেশের কোন নদীর উজানে অবস্থিত?
- ক. পদ্মা
- খ. মেঘনা
- গ. যমুনা
- ঘ. তিস্তা
উত্তর: ঘ. তিস্তা
গজলডোবা বাঁধ (Barrage) ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলায় তিস্তা নদীর ওপর অবস্থিত। বাংলাদেশ সীমান্তের কিছু উজানে ১৯৯৮ সালে এটি নির্মিত হয়। এর ফলে শুকনো মৌসুমে বাংলাদেশে তিস্তার পানি কমে যায় এবং কৃষি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তিস্তা সিকিমের হিমালয় থেকে উৎপন্ন হয়ে ভারত হয়ে বাংলাদেশে ঢুকেছে।
মনে রাখুন:
তিস্তার ওপর বাংলাদেশের নিজস্ব ব্যারাজ আছে লালমনিরহাটের ডালিয়ায়।
গঙ্গা নদীর ওপর ভারতের ফারাক্কা বাঁধ আছে, যা ১৯৭৫ সালে চালু হয় এবং বাংলাদেশে পানির প্রবাহ কমিয়ে দেয়। - ৯৪. মোট কতজন মহান মুক্তিযোদ্ধা বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত হয়েছেন?
- ক. ৬ জন
- খ. ৭ জন
- গ. ৮ জন
- ঘ. ৯ জন
উত্তর: খ. ৭ জন
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য সাহসিকতার জন্য সাতজন বীরকে সর্বোচ্চ সম্মান ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ উপাধি দেওয়া হয়। তাঁরা হলেন মতিউর রহমান, মোহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর, হামিদুর রহমান, মোস্তফা কামাল, মুন্সী আবদুর রউফ, নূর মোহাম্মদ শেখ ও রুহুল আমিন। এঁরা সবাই যুদ্ধে শহীদ হয়েছেন। সংখ্যাটি সাত, তাই ছয়, আট বা নয় নয়।
মনে রাখুন:
অন্য খেতাব হলো বীরউত্তম, বীরবিক্রম ও বীরপ্রতীক।
বীরউত্তম ৬৮ জন, বীরবিক্রম ১৭৫ জন এবং বীরপ্রতীক ৪২৬ জন।
বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে মতিউর রহমান বিমানবাহিনীর এবং রুহুল আমিন নৌবাহিনীর সদস্য ছিলেন। - ৯৭. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানে মোট কতটি তফসিল রয়েছে?
- ক. ৫টি
- খ. ৬টি
- গ. ৭টি
- ঘ. ৮টি
উত্তর: গ. ৭টি
বাংলাদেশের সংবিধানে এখন সাতটি তফসিল আছে। সংবিধান প্রথম গৃহীত হয় ১৯৭২ সালে এবং ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ থেকে কার্যকর হয়। পঞ্চদশ সংশোধনীর (২০১১) পরে পঞ্চম, ষষ্ঠ ও সপ্তম তফসিল যুক্ত হয়। এর আগে তফসিল ছিল চারটি, তাই পুরনো বইয়ে সংখ্যাটি ভিন্ন দেখা যেতে পারে।
মনে রাখুন:
সংবিধানে একটি প্রস্তাবনা, ১১টি ভাগ ও ১৫৩টি অনুচ্ছেদ আছে।
১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হয়।
ইংরেজি
- ৩. Find the antonym of 'superficial':
- ক. careless
- খ. indifferent
- গ. profound
- ঘ. sufficient
উত্তর: গ. profound
Superficial শব্দের অর্থ উপরিভাগের বা অগভীর, অর্থাৎ যা শুধু ওপরের দিক ছুঁয়ে যায়, ভেতর পর্যন্ত পৌঁছায় না। এর ঠিক উল্টো অর্থের শব্দ Profound, যার অর্থ গভীর। যেমন superficial knowledge মানে ভাসা ভাসা জ্ঞান, আর profound knowledge মানে গভীর জ্ঞান। বাকি শব্দগুলোর অর্থ আলাদা: Careless মানে অসাবধান, Indifferent মানে উদাসীন এবং Sufficient মানে যথেষ্ট।
মনে রাখুন:
Profound-এর সমার্থক শব্দ Deep ও Intense।
Superficial-এর সমার্থক শব্দ Shallow ও Cursory। - ৪. Find the correct indirect speech. He said, "I am well."
- ক. He said that I am well
- খ. He said that I was well
- গ. He said that he was well
- ঘ. He said that he is well
উত্তর: গ. He said that he was well
Direct speech থেকে Indirect speech করার সময় Reporting verb (said) অতীত কালের হলে Reported speech-এর verb-ও এক ধাপ অতীতে যায়। তাই am বদলে was হয়। এছাড়া উক্তির I বলতে বক্তা নিজেকেই বোঝান, অর্থাৎ He-কে, তাই I বদলে he বসে। এভাবে বাক্যটি হয় He said that he was well. অন্য বিকল্পগুলোতে হয় pronoun, নয়তো tense ঠিক নেই।
মনে রাখুন:
Present Indefinite → Past Indefinite, Past Indefinite → Past Perfect।
Reporting verb Present বা Future হলে Reported speech-এর tense বদলায় না, যেমন He says, "I am well" হলে He says that he is well। - ১৪. Choose the correct passive form of 'All his students like him.'
- ক. He is liked by all his students
- খ. He was liked by all his students
- গ. He has been liked by all his students
- ঘ. He is being liked by all his students
উত্তর: ক. He is liked by all his students
All his students like him বাক্যটি Present Indefinite Tense-এ আছে। এই tense-এর Passive-এর নিয়ম হলো Object + am/is/are + past participle + by + Subject। এখানে Object him বদলে he হয়ে subject-এর জায়গায় বসে, আর verb হয় is liked। তাই উত্তর হবে He is liked by all his students. অন্য বিকল্পগুলোতে tense বদলে গেছে: was liked Past, has been liked Present Perfect এবং is being liked Present Continuous Tense-এর রূপ।
মনে রাখুন:
Past Indefinite-এর Passive-এ was/were বসে।
Present Perfect-এর Passive-এ has/have been + past participle বসে।
Present Continuous-এর Passive-এ am/is/are being + past participle বসে। - ১৬. Fill in the blank with appropriate preposition : The discussion was deferred — the next meeting.
- ক. for
- খ. into
- গ. to
- ঘ. with
উত্তর: গ. to
Defer অর্থ পিছিয়ে দেওয়া বা মুলতবি রাখা। কোনো কাজ ভবিষ্যতের কোনো নির্দিষ্ট সময়ে পিছিয়ে নেওয়া বোঝালে defer to ব্যবহার হয়। তাই The discussion was deferred to the next meeting। বাক্যটির অর্থ আলোচনা পরের সভা পর্যন্ত মুলতবি রাখা হলো। অন্য preposition বসালে বাক্যের অর্থ মেলে না।
মনে রাখুন:
Defer to the elders বলতে বড়দের মতামতকে সম্মান করে মেনে নেওয়া বোঝায়।
Defer-এর সমার্থক শব্দ Postpone, Adjourn ও Put off। - ১৭. What is the plural form of 'it'?
- ক. Its
- খ. There
- গ. They
- ঘ. Those
উত্তর: গ. They
It একবচন, আর এর বহুবচন They। It প্রাণী বা বস্তুর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, আর They সেগুলোর একাধিক বোঝায়। অন্য বিকল্পগুলোও জানা দরকার: Its হলো It-এর possessive form, There হলো adverb, আর Those হলো That-এর বহুবচন।
মনে রাখুন:
I → We, He/She → They।
This → These, That → Those।
It’s মানে it is বা it has, আর its মানে ‘এর’। এ দুটি গুলিয়ে ফেললে ভুল হয়। - ১৯. 'To build castles in the air' means—
- ক. To work
- খ. To be a dreamer
- গ. To work selflessly
- ঘ. To make a fortune
উত্তর: খ. To be a dreamer
To build castles in the air বাগধারার অর্থ দিবাস্বপ্ন দেখা বা আকাশকুসুম কল্পনা করা, অর্থাৎ বাস্তবে সম্ভব নয় এমন স্বপ্ন দেখা। তাই যে এমন করে সে a dreamer। কাজ করা, নিঃস্বার্থভাবে কাজ করা বা ভাগ্য গড়া এই বাগধারার অর্থ নয়।
মনে রাখুন:
Castle in Spain-এরও একই অর্থ।
To burn the midnight oil মানে রাত জেগে পড়া বা কাজ করা।
To beat about the bush মানে ঘুরিয়ে কথা বলা। - ২০. Select the appropriate modal verb. Is it important that James — read the letter before I send it?
- ক. can
- খ. may
- গ. should
- ঘ. will
উত্তর: গ. should
It is important, It is necessary, It is essential-এর মতো বাক্যের পরে that-clause এলে সেখানে should + verb-এর base form বসে। এখানে বাক্যটি হবে Is it important that James should read the letter before I send it? কারণ এটি কোনো ঘটনার বর্ণনা নয়, বরং একটি প্রয়োজনীয়তার কথা। Can, may ও will এই অর্থ প্রকাশ করে না।
মনে রাখুন:
Suggest, insist ও demand-এর পরের that-clause-এও should বসে।
যেমন: It is necessary that he should come in time। - ২৬. Choose the simple sentence of 'Munir is a boy who is good.'
- ক. Munir is being a good boy.
- খ. Munir is not an ugly boy.
- গ. Munir has been a good boy.
- ঘ. Munir is a good boy.
উত্তর: ঘ. Munir is a good boy.
Complex বাক্যের relative clause (who is good) থেকে simple বাক্য বানাতে clause-টি বাদ দিয়ে adjective-টি noun-এর আগে বসানো হয়। তাই Munir is a boy who is good থেকে হয় Munir is a good boy। এই বাক্যে মাত্র একটি finite verb (is) আছে। বাকি বাক্যগুলোর tense বা অর্থ বদলে যায়: is being, has been বা not an ugly boy মূল বাক্যের অর্থ ঠিক রাখে না।
মনে রাখুন:
Simple sentence-এ একটিমাত্র finite verb থাকে।
Complex sentence-এ একটি principal clause ও এক বা একাধিক subordinate clause থাকে।
Compound sentence-এ দুটি স্বাধীন clause and, but বা or দিয়ে যুক্ত হয়। - ৩৪. Find the correct spelling :
- ক. Definetion
- খ. Defination
- গ. Definition
- ঘ. Difination
উত্তর: গ. Definition
সঠিক বানান Definition। এটি define ক্রিয়া থেকে এসেছে, যার অর্থ সংজ্ঞা দেওয়া। Definition শব্দের অর্থ সংজ্ঞা। বানান মনে রাখার উপায় হলো define-এর শেষের e বাদ গিয়ে ition যুক্ত হয়েছে। Definetion, Defination ও Difination এই তিনটি বানানই ভুল, কারণ এগুলোতে ধ্বনির সঙ্গে মিলিয়ে ভুল স্বরবর্ণ বসানো হয়েছে। বানানটি মনে রাখতে শব্দের মূল রূপ define-কে সামনে রাখা সবচেয়ে ভালো।
মনে রাখুন:
একই নিয়মে Decide → Decision এবং Divide → Division হয়।
Definite মানে সুনির্দিষ্ট, আর Definitely মানে অবশ্যই। - ৩৬. Select the correct sentence :
- ক. He has come home yesterday.
- খ. He came home yesterday.
- গ. He had come home yesterday.
- ঘ. He would come home yesterday.
উত্তর: খ. He came home yesterday.
বাক্যে yesterday-এর মতো অতীত সময়ের নির্দিষ্ট শব্দ থাকলে verb সাধারণত Past Indefinite Tense-এ হয়। তাই সঠিক বাক্য He came home yesterday। Present Perfect (has come) বা Future-in-the-past (would come) এখানে খাটে না। Past Perfect (had come) ব্যবহার করতে হলে আগে আরেকটি অতীত ঘটনার উল্লেখ থাকা দরকার, যা এখানে নেই।
মনে রাখুন:
Yesterday, ago, last night-এর সঙ্গে Present Perfect বসে না।
উদাহরণ: He went there two days ago।
Just, already ও yet-এর সঙ্গে সাধারণত Present Perfect বসে। - ৪০. Complete the sentence : If the sun didn't shine, fruits —
- ক. wouldn't ripen
- খ. did not ripen
- গ. will not ripen
- ঘ. has not ripen
উত্তর: ক. wouldn't ripen
এটি Second Conditional বাক্য। If-clause-এ Past Indefinite (didn’t shine) থাকলে main clause-এ would + verb-এর base form বসে। এখানে এর অর্থ সূর্য আলো না দিলে ফল পাকত না, অর্থাৎ বাস্তবে যা ঘটে না তার কল্পিত ফল। তাই উত্তর wouldn’t ripen।
মনে রাখুন:
If + Present Indefinite হলে main clause-এ will বসে, যেমন If it rains, I will stay home।
If + Past Perfect হলে main clause-এ would have + past participle বসে, যেমন If I had known, I would have come। - ৪১. Choose the appropriate tag : He can go to University by bus, — ?
- ক. won't he
- খ. must he
- গ. can't he
- ঘ. will he
উত্তর: গ. can't he
Tag question-এর নিয়ম হলো main sentence হ্যাঁ-বোধক হলে tag না-বোধক হয়, এবং helping verb-ই tag-এ বসে। এখানে He can go আছে, তাই tag হবে can’t he?, আর tag-এর subject pronoun (he) হয়। Must he বা will he এখানে খাটে না, কারণ মূল বাক্যের helping verb can।
মনে রাখুন:
Main sentence না-বোধক হলে tag হ্যাঁ-বোধক হয়, যেমন He cannot go, can he?
Imperative বাক্যে tag সাধারণত will you? হয়, যেমন Open the door, will you?
Let’s দিয়ে শুরু হলে tag হয় shall we? - ৪৫. William Wordsworth is pre-eminently—
- ক. a poet of humanism
- খ. a poet of love
- গ. a poet of liberty
- ঘ. a poet of nature
উত্তর: ঘ. a poet of nature
উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ (William Wordsworth) ইংরেজি রোমান্টিক যুগের প্রধান কবি। তাঁর কবিতায় প্রকৃতির নানা রূপ বারবার এসেছে, এবং তিনি প্রকৃতিকে মানুষের শিক্ষক ও বন্ধু মনে করতেন। সেজন্য তাঁকে ‘Poet of Nature’ বলা হয়। মানবতা, প্রেম বা স্বাধীনতার কবি বললে অন্যদের কথা বেশি মনে আসে, ওয়ার্ডসওয়ার্থের নয়।
মনে রাখুন:
ওয়ার্ডসওয়ার্থ ও কোলরিজের ‘Lyrical Ballads’ (১৭৯৮) রোমান্টিক যুগের সূচনা করে।
ওয়ার্ডসওয়ার্থের বিখ্যাত রচনা ‘The Prelude’, ‘Tintern Abbey’ এবং ‘I Wandered Lonely as a Cloud’ (যা Daffodils নামেও পরিচিত)।
তিনি ১৮৪৩ সালে ইংল্যান্ডের Poet Laureate হন। - ৫০. The word 'friendly' is a/an—
- ক. noun
- খ. adjective
- গ. adverb
- ঘ. verb
উত্তর: খ. adjective
Friendly শব্দটি Friend (noun) থেকে তৈরি হয়েছে এবং এটি একটি adjective, যার অর্থ বন্ধুসুলভ। শব্দের শেষে ly থাকলেই তা adverb হয় না। সাধারণ নিয়ম হলো, adjective-এর সঙ্গে ly যুক্ত হলে adverb হয়, কিন্তু noun-এর সঙ্গে ly যুক্ত হলে বেশির ভাগ সময় adjective হয়।
উদাহরণ:
Lovely, lonely, costly ও motherly শব্দগুলোও adjective।
মনে রাখুন: Friendly-কে adverb হিসেবে ব্যবহার করতে চাইলে বলতে হয় in a friendly way। - ৫৭. Which one is an imperative sentence?
- ক. Where do you live?
- খ. What a match!
- গ. Nothing will make him repent.
- ঘ. Open the door.
উত্তর: ঘ. Open the door.
যে বাক্যে আদেশ, অনুরোধ বা উপদেশ বোঝায়, তাকে Imperative Sentence বলে। এ ধরনের বাক্যে সাধারণত subject থাকে না, এবং verb দিয়েই বাক্য শুরু হয়। Open the door হলো দরজা খোলার আদেশ। বাকি বাক্যগুলোর মধ্যে Where do you live? প্রশ্ন, What a match! বিস্ময় আর Nothing will make him repent বর্ণনা।
উদাহরণ:
Please help me. Do not make noise.
মনে রাখুন: অর্থ অনুযায়ী বাক্য পাঁচ প্রকার: Assertive, Interrogative, Imperative, Optative ও Exclamatory। - ৫৮. The word 'expunge' means :
- ক. nationalise
- খ. purge
- গ. remove
- ঘ. inhale
উত্তর: গ. remove
Expunge ক্রিয়ার অর্থ মুছে ফেলা বা সম্পূর্ণ তুলে দেওয়া। এর কাছাকাছি অর্থ Remove। Nationalise মানে রাষ্ট্রায়ত্ত করা, Purge মানে শুদ্ধ করা বা অবাঞ্ছিত লোক সরানো, আর Inhale মানে শ্বাস নেওয়া। যেমন The error was expunged from the record বলতে বোঝায়, ভুলটি নথি থেকে মুছে ফেলা হয়েছে।
মনে রাখুন:
Expunge-এর সমার্থক Erase, Delete ও Obliterate।
Expunge-এর বিপরীত শব্দ Insert বা Add। - ৬০. Which of the following word can be used as both masculine and feminine?
- ক. actor
- খ. gander
- গ. spinster
- ঘ. spouse
উত্তর: ঘ. spouse
Spouse শব্দের অর্থ স্বামী বা স্ত্রী, অর্থাৎ বিবাহিত সঙ্গী। এটি পুরুষ ও নারী দুজনের ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা যায়, তাই এটি Common Gender-এর শব্দ। অন্য শব্দগুলোর লিঙ্গ নির্দিষ্ট: Actor পুরুষবাচক, Gander পুরুষ হাঁস এবং Spinster অবিবাহিত নারী।
মনে রাখুন:
Common gender-এর আরও উদাহরণ Student, Doctor, Teacher, Parent, Child, Friend।
Actor-এর স্ত্রীবাচক Actress, আর Gander-এর স্ত্রীবাচক Goose।
ইংরেজিতে লিঙ্গ চার প্রকার: Masculine, Feminine, Common ও Neuter। - ৬১. Select the right form of verb in the bracket: You ever (be) to London?
- ক. You ever been to London?
- খ. Have you ever been to London?
- গ. Have you had been to London?
- ঘ. Have you been to London?
উত্তর: খ. Have you ever been to London?
এখানে জানতে চাওয়া হচ্ছে জীবনে কখনো লন্ডনে যাওয়ার অভিজ্ঞতা আছে কি না। এমন অভিজ্ঞতার প্রশ্ন Present Perfect Tense-এ হয়। নিয়মটি হলো Have/Has + Subject + ever + past participle। বাক্যটি তাই Have you ever been to London? Had been বসালে Past Perfect হয়ে যায়, আর ever ছাড়া বাক্যটিতে অভিজ্ঞতার প্রশ্নটি ঠিক ফোটে না।
মনে রাখুন:
Ever প্রশ্নে এবং Never উত্তরে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ: I have never been to London।
Have been to মানে কোথাও গিয়ে ফিরে আসা, আর have gone to মানে সেখানে গিয়ে এখনো ফেরেনি। - ৬৪. Choose the correct option : After three months of investigations, the — the accident was still unclear.
- ক. cause of
- খ. reason of
- গ. demand for
- ঘ. because of
উত্তর: ক. cause of
‘দুর্ঘটনার কারণ’ বোঝাতে cause of ব্যবহৃত হয়, কারণ Cause-এর সঙ্গে of বসে। Reason-এর সঙ্গে for বসে, তাই reason of ভুল। Because of-এর পরে নাম-পদ বসে এবং Demand for অন্য অর্থ প্রকাশ করে, তাই শূন্যস্থানে এগুলো খাটে না। তাই বাক্যটি হবে ... the cause of the accident was still unclear।
মনে রাখুন:
The reason for his absence ঠিক, কিন্তু the reason of ভুল।
Cause and effect বলতে কারণ ও ফল বোঝায়। - ৬৫. Choose the correct word to fill in the gap. Tom looks rather—. What shall we do to cheer him up?
- ক. depressing
- খ. depressed
- গ. depressingly
- ঘ. depression
উত্তর: খ. depressed
Look-এর পরে adjective বসে, আর শূন্যস্থানের পরের বাক্য ‘তাকে খুশি করতে আমরা কী করব’ থেকে বোঝা যায় টমের মন খারাপ। তাই depressed বসে, যার অর্থ বিষণ্ণ। Depressing মানে যা অন্যকে বিষণ্ণ করে, আর depression একটি noun। Depressingly adverb, তাই look-এর পরে বসে না।
মনে রাখুন:
Tired, bored, surprised-এর মতো -ed adjective অনুভূতি বোঝায়, -ing adjective কারণ বোঝায়।
উদাহরণ: The film was boring, so I was bored। - ৬৯. ___ English are industrious.
- ক. An
- খ. The
- গ. A
- ঘ. None
উত্তর: খ. The
কোনো জাতির সবাইকে একসঙ্গে বোঝাতে জাতিবাচক শব্দের আগে The বসে। English শব্দটি এখানে ইংরেজ জাতিকে বোঝায়, তাই The English মানে ইংরেজ জাতি। বাক্যটি হলো The English are industrious। এখানে An বা A বসালে একজনকে বোঝাত, আর verb তাহলে are না হয়ে is হতো।
মনে রাখুন:
The Bengalis, The Chinese, The French-এর ক্ষেত্রেও একই নিয়ম।
The poor, the rich-এর মতো adjective-এর আগে The বসালে সেই শ্রেণির সবাইকে বোঝায়। - ৭২. They praised the honesty of the girl. Here the underlined word 'honesty' is a/an —.
- ক. material noun
- খ. abstract noun
- গ. common noun
- ঘ. proper noun
উত্তর: খ. abstract noun
বাক্যটিতে honesty শব্দটির নিচে দাগ আছে বলে ধরা যায়। Honesty কোনো গুণ বা ভাবের নাম, যা চোখে দেখা যায় না কিন্তু অনুভব করা যায়, তাই এটি Abstract Noun। সৎ থাকার গুণ বলে এর অর্থ সততা। Material noun হতো কোনো পদার্থের নাম, যেমন gold, আর common noun হতো একই জাতের সবার নাম, যেমন girl। Proper noun কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা স্থানের নাম।
উদাহরণ:
Honesty, beauty, love, courage, childhood।
মনে রাখুন: Adjective থেকে Abstract noun তৈরি হয়, যেমন honest → honesty, brave → bravery, wise → wisdom। - ৮০. Choose the correct option : Selim is absent because he — a cold.
- ক. is having
- খ. will have
- গ. have
- ঘ. has
উত্তর: ঘ. has
Selim তৃতীয় পুরুষ একবচন এবং ‘সর্দি আছে’ অবস্থা বোঝাতে Present Indefinite Tense লাগে। এই tense-এ তৃতীয় পুরুষ একবচনের সঙ্গে has বসে। Have ক্রিয়াটি অবস্থা বোঝালে সাধারণত continuous রূপে ব্যবহার হয় না, তাই is having ভুল। Will have ভবিষ্যৎ বোঝায়, আর have তৃতীয় পুরুষ একবচনের সঙ্গে বসে না।
মনে রাখুন:
Because বসলে তার আগের অংশে কারণ বোঝানো হয়।
I, we, you ও they-এর সঙ্গে have এবং he, she ও it-এর সঙ্গে has বসে।
উদাহরণ: He has a headache। She has two brothers। - ৮৪. The ‘Romantic Age’ in English Literature started with the publication of —
- ক. My Last Duchess
- খ. The Tempest
- গ. Lyrical Ballads
- ঘ. A Tale of Two Cities
উত্তর: গ. Lyrical Ballads
১৭৯৮ সালে ওয়ার্ডসওয়ার্থ ও কোলরিজের যৌথ কবিতা-সংকলন ‘Lyrical Ballads’ প্রকাশিত হয়। ইংরেজি সাহিত্যের রোমান্টিক যুগ (Romantic Age) এই বই দিয়েই শুরু হয় বলে ধরা হয়। এর ভূমিকায় প্রকৃতি ও সাধারণ মানুষের ভাষায় কবিতা লেখার কথা বলা আছে। অন্য বিকল্পগুলো অন্য যুগের রচনা, তাই সেগুলো দিয়ে এই যুগের সূচনা ধরা যায় না।
মনে রাখুন:
‘A Tale of Two Cities’ চার্লস ডিকেন্সের উপন্যাস এবং ‘The Tempest’ শেক্সপিয়রের নাটক।
‘My Last Duchess’ রবার্ট ব্রাউনিংয়ের কবিতা।
রোমান্টিক যুগের প্রধান কবিরা ওয়ার্ডসওয়ার্থ, কোলরিজ, বায়রন, শেলি ও কিটস।
আন্তর্জাতিক
- ৫. ILO-এর সদর দপ্তর কোথায়?
- ক. London
- খ. Berlin
- গ. Geneva
- ঘ. Paris
উত্তর: গ. Geneva
আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (International Labour Organization, ILO) ১৯১৯ সালে ভার্সাই চুক্তির পর প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়। ১৯৪৬ সালে এটি জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থায় পরিণত হয়। শ্রমিকের অধিকার, কাজের পরিবেশ ও ন্যায্য মজুরি নিয়ে কাজ করা এর প্রধান উদ্দেশ্য। সংস্থাটির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, এতে সরকার, মালিক ও শ্রমিক এই তিন পক্ষের প্রতিনিধি একসঙ্গে বসেন।
মনে রাখুন:
আইএলও ১৯৬৯ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পায়।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সদর দপ্তর লন্ডনে।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের সদর দপ্তর বার্লিনে।
ইউনেস্কোর সদর দপ্তর প্যারিসে। - ৬. ২০১৫ সালে ইরানের সাথে মোট কয়টি দেশের পারমাণবিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে?
- ক. ৪টি
- খ. ৫টি
- গ. ৬টি
- ঘ. ৭টি
উত্তর: গ. ৬টি
২০১৫ সালের ১৪ জুলাই অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যার পোশাকি নাম Joint Comprehensive Plan of Action (JCPOA)। ইরানের সঙ্গে এতে যুক্ত ছিল ছয়টি দেশ, যাদের বলা হয় পি৫+১: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া, চীন ও জার্মানি। প্রথম পাঁচটি দেশ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য, আর জার্মানি এদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিল। চুক্তির মূল কথা ছিল, ইরান তার পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত রাখবে এবং বিনিময়ে তার ওপর থেকে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হবে।
হালনাগাদ: ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্র এই চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসে। - ৮. নিচের কোন রাষ্ট্র নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য নয়?
- ক. যুক্তরাষ্ট্র
- খ. ফ্রান্স
- গ. চীন
- ঘ. জার্মানি
উত্তর: ঘ. জার্মানি
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের (Security Council) স্থায়ী সদস্য মোট পাঁচটি: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন। এদের প্রত্যেকের ভেটো (Veto) ক্ষমতা আছে, অর্থাৎ একজন স্থায়ী সদস্য না বললে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব পাস হয় না। জার্মানি অর্থনৈতিকভাবে অনেক শক্তিশালী হলেও স্থায়ী সদস্য নয়।
মনে রাখুন:
নিরাপত্তা পরিষদে মোট সদস্য ১৫ জন, অর্থাৎ ৫ জন স্থায়ী এবং ১০ জন অস্থায়ী সদস্য।
অস্থায়ী সদস্যরা দুই বছরের জন্য নির্বাচিত হন।
পরিষদের কেন্দ্র যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে। বাংলাদেশও দুইবার এর অস্থায়ী সদস্য হয়েছে। - ২৭. জাতিসংঘের কোন সংস্থা ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে মর্যাদা দিয়েছে?
- ক. UNICEF
- খ. WHO
- গ. ILO
- ঘ. UNESCO
উত্তর: ঘ. UNESCO
১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো (UNESCO) ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে। ২০০০ সাল থেকে দিবসটি বিশ্বব্যাপী পালিত হয়। ১৯৫২ সালে এই দিনে বাংলা ভাষার জন্য আমাদের ভাষাশহীদরা প্রাণ দিয়েছিলেন, তাই এই স্বীকৃতি বাঙালির জন্য খুব গর্বের। বাকি সংস্থাগুলোর কাজ আলাদা: ইউনিসেফ শিশুদের নিয়ে, ডব্লিউএইচও স্বাস্থ্য নিয়ে এবং আইএলও শ্রমিক নিয়ে কাজ করে।
মনে রাখুন:
প্রস্তাবটি আনেন কানাডায় বসবাসকারী বাঙালিরা, আর বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে প্রস্তাব পাঠানো হয়। এ ব্যাপারে রফিকুল ইসলামের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
২০০২ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদও দিবসটিকে স্বীকৃতি দেয়। - ৬৭. EU-এর পূর্ণরূপ কী?
- ক. European Union
- খ. European Understanding
- গ. English University
- ঘ. Evangalic University
উত্তর: ক. European Union
EU-এর পূর্ণরূপ European Union (ইউরোপীয় ইউনিয়ন)। ১৯৫৭ সালের রোম চুক্তির মাধ্যমে এই সংস্থার ভিত্তি তৈরি হয়। ১৯৯৩ সালের ১ নভেম্বর মাস্ট্রিখট চুক্তি কার্যকর হলে এটি বর্তমান নাম পায়। বিকল্পের বাকি নামগুলো এমন কোনো সংস্থার নাম নয়।
মনে রাখুন:
এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে এবং এর অভিন্ন মুদ্রা ইউরো।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন ২০১২ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পায়।
২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি যুক্তরাজ্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছেড়ে যায়, যা ব্রেক্সিট নামে পরিচিত। - ৭৪. Kyoto Protocol কোন দেশে স্বাক্ষরিত হয়?
- ক. ফিলিপিনসে
- খ. কোরিয়ায়
- গ. জাপানে
- ঘ. চীনে
উত্তর: গ. জাপানে
জলবায়ু পরিবর্তন ঠেকাতে গ্রিনহাউস গ্যাস কমানোর যে আন্তর্জাতিক চুক্তি হয়, সেটি কিয়োটো প্রটোকল (Kyoto Protocol)। এটি ১৯৯৭ সালের ডিসেম্বরে জাপানের কিয়োটো শহরে স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিটি কার্যকর হয় ২০০৫ সালে। নামেই শহরের পরিচয় আছে, তাই এই প্রশ্নে ভুল করার সুযোগ কম।
মনে রাখুন:
পরে ২০১৫ সালের প্যারিস জলবায়ু চুক্তি এই লক্ষ্যে আরও এগিয়ে যায়।
ওজোন স্তর রক্ষায় মন্ট্রিল প্রটোকল (১৯৮৭) করা হয়।
১৯৯২ সালে ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে বসুন্ধরা সম্মেলন (Earth Summit) হয়। - ৭৮. গ্রিনিচ টাইমের সাথে বাংলাদেশের সময়ের পার্থক্য কত?
- ক. ৪ ঘণ্টা
- খ. ৫ ঘণ্টা
- গ. ৬ ঘণ্টা
- ঘ. ৮ ঘণ্টা
উত্তর: গ. ৬ ঘণ্টা
পৃথিবী ২৪ ঘণ্টায় 360° ঘোরে, তাই প্রতি 15° দ্রাঘিমায় সময়ের পার্থক্য 1 ঘণ্টা, অর্থাৎ প্রতি ডিগ্রিতে 4 মিনিট। গ্রিনিচ 0° দ্রাঘিমায় আর বাংলাদেশের আদর্শ দ্রাঘিমা 90° পূর্বে। সময়ের পার্থক্য = 90 × 4 = 360 মিনিট = 6 ঘণ্টা। পূর্বে হওয়ায় বাংলাদেশের সময় গ্রিনিচের চেয়ে এগিয়ে।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশের আদর্শ সময় GMT+6।
যে স্থান যত পূর্বে, সেখানে সূর্য তত আগে ওঠে এবং সময় তত এগিয়ে থাকে।
গ্রিনিচ যুক্তরাজ্যে অবস্থিত এবং 0° দ্রাঘিমারেখা (মূল মধ্যরেখা) এর ওপর দিয়ে গেছে। - ৮৬. শতকরা হিসেবে সার্কভুক্ত কোন্ দেশে বনভূমির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি?
- ক. শ্রীলংকা
- খ. ভুটান
- গ. নেপাল
- ঘ. ভারত
উত্তর: খ. ভুটান
সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ভুটানের মোট ভূমির প্রায় ৭০ শতাংশের বেশি বনভূমি, যা অঞ্চলের মধ্যে সর্বোচ্চ। ভুটান সরকারের সংবিধানে অন্তত ৬০ শতাংশ ভূমি বনভূমি রাখার কথা লেখা আছে। এজন্য দেশটিকে কার্বন-নেগেটিভ বলা হয়, অর্থাৎ সেখানকার বন যতটা কার্বন ডাই-অক্সাইড ছাড়ে, তার চেয়ে বেশি শুষে নেয়।
মনে রাখুন:
নেপাল ও শ্রীলঙ্কায়ও বনভূমি তুলনামূলকভাবে বেশি, আর বাংলাদেশে বনভূমি ১০ থেকে ১৫ শতাংশের মধ্যে।
ভুটান হিমালয়ের কোলে অবস্থিত একটি স্থলবেষ্টিত দেশ। এর রাজধানী থিম্পু। - ৮৮. ‘Man of the match’ award is given to the best player in —
- ক. Soccer
- খ. Cricket
- গ. Hockey
- ঘ. Kabaddi
উত্তর: খ. Cricket
‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ (Man of the Match) পুরস্কার খেলার সেরা খেলোয়াড়কে দেওয়া হয়। এটি ক্রিকেট খেলার একটি বিশেষ পুরস্কার, যেখানে ম্যাচ শেষে সবচেয়ে ভালো খেলোয়াড় বেছে নেওয়া হয়। ফুটবল, হকি বা কাবাডিতে সেরা খেলোয়াড়ের জন্য এই নামে পুরস্কার দেওয়ার প্রচলন নেই।
মনে রাখুন:
পুরো সিরিজের সেরা খেলোয়াড়কে বলা হয় ‘ম্যান অব দ্য সিরিজ’ (Man of the Series)।
বিশ্বকাপ ফুটবলে সেরা খেলোয়াড় পান ‘গোল্ডেন বল’।
বাংলাদেশের জাতীয় খেলা কাবাডি, আর ক্রিকেট দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা। - ৮৯. লেবাননের রাজধানীর নাম কী?
- ক. বৈরুত
- খ. রিয়াদ
- গ. আম্মান
- ঘ. কায়রো
উত্তর: ক. বৈরুত
লেবাননের রাজধানী বৈরুত (Beirut), যা ভূমধ্যসাগরের তীরে অবস্থিত। দেশটি পশ্চিম এশিয়ায়, আর সরকারি ভাষা আরবি। বাকি শহরগুলো অন্য দেশের রাজধানী: রিয়াদ সৌদি আরবের, আম্মান জর্ডানের এবং কায়রো মিশরের। রাজধানী মনে রাখতে দেশ ও শহরের জোড়াগুলো একসঙ্গে মুখস্থ রাখা ভালো।
মনে রাখুন:
বৈরুত একসময় ‘প্রাচ্যের প্যারিস’ নামে পরিচিত ছিল।
সিরিয়ার রাজধানী দামেস্ক এবং ইরাকের রাজধানী বাগদাদ।
লেবাননের উত্তর ও পূর্ব দিকে সিরিয়া এবং দক্ষিণে ইসরায়েল রয়েছে। - ৯৬. জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিবের নাম কী?
- ক. থেরেসা মে
- খ. কফি আনান
- গ. জন ম্যানুয়েল সান্তোষ
- ঘ. অ্যান্টনিও গুতেরেস
উত্তর: ঘ. অ্যান্টনিও গুতেরেস
২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি পর্তুগালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনিও গুতেরেস জাতিসংঘের নবম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব নেন। এর আগে তিনি জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার (UNHCR) ছিলেন। তাঁর আগের মহাসচিব ছিলেন বান কি মুন। থেরেসা মে ছিলেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী, আর জুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট, তাই তাঁরা মহাসচিব নন।
মনে রাখুন:
কফি আনান সপ্তম মহাসচিব ছিলেন। তিনি ঘানার নাগরিক।
জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব ছিলেন নরওয়ের ট্রিগভে লি।
হালনাগাদ: ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি গুতেরেস দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব শুরু করেন।
গণিত
- ৯. একটি ত্রিদেশীয় ক্রিকেট খেলায় প্রত্যেকে অন্যদেশের সাথে একবার মাত্র খেলবে? মোট কয়টি খেলা অনুষ্ঠিত হবে?
- ক. ৭টি
- খ. ৫টি
- গ. ৩টি
- ঘ. ৮টি
উত্তর: গ. ৩টি
তিনটি দেশের প্রত্যেকে অন্য দেশের সঙ্গে একবার খেললে মোট খেলার সংখ্যা হবে তিন দেশ থেকে দুটি দেশ বেছে নেওয়ার উপায়ের সংখ্যা। অর্থাৎ 3C2 = 3!/(2!×1!) = 3। কারণ প্রতিটি খেলায় দুটি দল থাকে এবং কোন দুটি দল খেলবে, সেটাই আমরা এখানে গুনছি।
যাচাই: দেশ তিনটিকে X, Y, Z ধরলে খেলা হবে XY, XZ ও YZ, মোট ৩টি।
মনে রাখুন:
n সংখ্যক দল পরস্পরের সঙ্গে একবার করে খেললে মোট খেলা n(n-1)/2 টি।
দুবার করে খেললে মোট খেলা n(n-1) টি।
যেমন ৪টি দলে ৬টি, ৫টি দলে ১০টি এবং ৮টি দলে ২৮টি খেলা হয়। - ১৫. ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র কোনটি?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৪
- ক. ভূমি × উচ্চতা
- খ. (ভূমি × উচ্চতা)/২
- গ. (ভূমি × উচ্চতা)/৩
- ঘ. দৈর্ঘ্য × প্রস্থ
উত্তর: খ. (ভূমি × উচ্চতা)/২
ত্রিভুজ হলো একটি আয়তক্ষেত্রের অর্ধেক, কারণ আয়তক্ষেত্রকে কোনাকুনি কাটলে দুটি সমান ত্রিভুজ পাওয়া যায়। আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল ভূমি × উচ্চতা, তাই ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (ভূমি × উচ্চতা)/2। প্রথম বিকল্পে অর্ধেক করা হয়নি, আর শেষ বিকল্পটি আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফলের সূত্র।
মনে রাখুন:
আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ।
সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (√3/4) × বাহু²।
বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr²।
তিন বাহু a, b, c জানা থাকলে ক্ষেত্রফল = √{s(s-a)(s-b)(s-c)}, যেখানে s = (a+b+c)/2 (হেরনের সূত্র)। - ৩৮. (৫ + x) + ৪ = ৩(x + ১) হলে x-এর মান কত?
- ক. ৪
- খ. ৫
- গ. ২
- ঘ. ৩
উত্তর: ঘ. ৩
(5 + x) + 4 = 3(x + 1) থেকে বন্ধনী খুলে পাই 9 + x = 3x + 3। এখন x-এর পদগুলো এক পাশে এবং সংখ্যাগুলো অন্য পাশে এনে লিখি 9 − 3 = 3x − x, অর্থাৎ 6 = 2x। দুই পাশকে 2 দিয়ে ভাগ করলে x = 3।
যাচাই: বাম পাশ = (5 + 3) + 4 = 12 এবং ডান পাশ = 3 × 4 = 12, মিলে যায়।
মনে রাখুন: পক্ষান্তর করলে পদের চিহ্ন উল্টে যায়, যেমন +3 অন্য পাশে গিয়ে −3 হয়। - ৪২. (-৩, ৪) বিন্দুটি কোন চতুর্ভাগে অবস্থিত?
- ক. প্রথম
- খ. দ্বিতীয়
- গ. তৃতীয়
- ঘ. চতুর্থ
উত্তর: খ. দ্বিতীয়
স্থানাংক ব্যবস্থায় চারটি চতুর্ভাগ আছে। প্রথম চতুর্ভাগে x ও y দুটিই ধনাত্মক, দ্বিতীয় চতুর্ভাগে x ঋণাত্মক ও y ধনাত্মক, তৃতীয় চতুর্ভাগে দুটিই ঋণাত্মক এবং চতুর্থে x ধনাত্মক ও y ঋণাত্মক। (-3, 4) বিন্দুতে x ঋণাত্মক ও y ধনাত্মক, তাই এটি দ্বিতীয় চতুর্ভাগে।
মনে রাখুন:
চতুর্ভাগ গোনা হয় ঘড়ির কাঁটার উল্টো দিকে।
মূলবিন্দুর স্থানাংক (0, 0)।
কোনো অক্ষের ওপর থাকা বিন্দু, যেমন (0, 5) বা (4, 0), কোনো চতুর্ভাগেই পড়ে না। - ৪৪. লগারিদমের প্রবর্তক কে?
- ক. আইনস্টাইন
- খ. নিউটন
- গ. বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন
- ঘ. জন নেপিয়ার
উত্তর: ঘ. জন নেপিয়ার
লগারিদম (Logarithm) ধারণাটি ১৬১৪ সালে স্কটল্যান্ডের গণিতবিদ জন নেপিয়ার (John Napier) প্রথম প্রকাশ করেন। বড় সংখ্যার গুণ ও ভাগকে যোগ ও বিয়োগে নামিয়ে আনাই ছিল এর উদ্দেশ্য, ফলে জটিল হিসাব সহজ হয়। পরে ইংরেজ গণিতবিদ হেনরি ব্রিগস সাধারণ লগারিদম (১০ ভিত্তিক) চালু করেন। আইনস্টাইন, নিউটন ও ফ্রাঙ্কলিন অন্য ক্ষেত্রে বিখ্যাত, লগারিদমের সঙ্গে তাঁদের নাম জড়িত নয়।
মনে রাখুন:
ক্যালকুলেটর আসার আগে লগ-সারণি দিয়ে হিসাব করা হতো।
লগারিদমের মূল সূত্র log(ab) = log a + log b।
আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার তত্ত্বের জন্য এবং নিউটন মহাকর্ষ ও গতিসূত্রের জন্য বিখ্যাত। - ৪৭. x + y = ৬ এবং x − y = ৪ হলে xy এর মান কত?
- ক. ৪
- খ. ৫
- গ. ৬
- ঘ. ৩
উত্তর: খ. ৫
x + y = 6 এবং x − y = 4 যোগ করলে 2x = 10, অর্থাৎ x = 5। তখন y = 6 − 5 = 1। তাহলে xy = 5 × 1 = 5। বিয়োগ করেও একই ফল পাওয়া যায়: 2y = 2, তাই y = 1, যা মিলে যায়।
শর্টকাট: 4xy = (x + y)² − (x − y)² = 36 − 16 = 20, তাই xy = 5।
মনে রাখুন: (x + y)² = (x − y)² + 4xy, আর এই সূত্রটি অনেক অঙ্কে কাজে লাগে। - ৭১. বার্ষিক শতকরা ১০ টাকা হার সরলসুদে ৪৫০০ টাকার ৩ (তিন) বছরের সুদ কত?
- ক. ১৫০০ টাকা
- খ. ১৪৫০ টাকা
- গ. ১৬২০ টাকা
- ঘ. ১৩৫০ টাকা
উত্তর: ঘ. ১৩৫০ টাকা
সরল সুদের সূত্র: সুদ = মূলধন × হার × সময়। এখানে মূলধন 4500 টাকা, হার 10% এবং সময় 3 বছর। সুদ = 4500 × (10/100) × 3 = 1350 টাকা। হার শতকরা হলে তাকে 100 দিয়ে ভাগ করে নিতে হয়, নইলে ফল ভুল আসে।
মনে রাখুন:
সুদ-আসল = মূলধন + সুদ = 4500 + 1350 = 5850 টাকা।
সুদের হার বের করতে হলে r = (সুদ × 100)/(মূলধন × সময়) ব্যবহার করা যায়। - ৮১. কোনটি ছোট?
- ক. ৪/১৫
- খ. ২/১৭
- গ. ৩/১৯
- ঘ. ২/১৩
উত্তর: খ. ২/১৭
ভগ্নাংশগুলোর দশমিক মান বের করি: 4/15 ≈ 0.267, 2/17 ≈ 0.118, 3/19 ≈ 0.158 এবং 2/13 ≈ 0.154। এর মধ্যে 0.118 সবচেয়ে ছোট, তাই ছোট ভগ্নাংশ 2/17।
শর্টকাট: যেসব ভগ্নাংশের লব সমান, তাদের মধ্যে হর যত বড় হয় ভগ্নাংশ তত ছোট হয়। 2/13 ও 2/17 তুলনায় 2/17 ছোট, আর 2/17 অন্যগুলোর চেয়েও ছোট।
মনে রাখুন: হর সমান হলে যার লব বড়, ভগ্নাংশও তার বড়। আর দুটি ভগ্নাংশ তুলনায় আড়াআড়ি গুণ করেও (a/b ও c/d-এর জন্য ad ও bc) বড়-ছোট বোঝা যায়। - ৮২. পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি ৮০ বছর। পিতার বয়স পুত্রের বয়সের তিনগুণ হলে পিতার বয়স কত?
- ক. ৬০ বছর
- খ. ৬৪ বছর
- গ. ৫৬ বছর
- ঘ. ৫০ বছর
উত্তর: ক. ৬০ বছর
পুত্রের বয়স x বছর ধরলে পিতার বয়স 3x বছর। শর্তমতে x + 3x = 80, অর্থাৎ 4x = 80, তাই x = 20। তাহলে পিতার বয়স 3 × 20 = 60 বছর।
যাচাই: 60 + 20 = 80।
মনে রাখুন: বয়সের অঙ্কে অজানা বয়সকে x ধরে প্রশ্নের শর্ত অনুযায়ী সমীকরণ বানাতে হয়। এখানে অনুপাত 3 : 1 এবং মোট ভাগ 4 টি, তাই 80-কে 4 দিয়ে ভাগ করে একভাগ পাওয়া যায়। - ৯০. ৩x যদি ১৫ থেকে ৩(Three) বেশি হয়, তাহলে ৩x + ২ = কত?
- ক. ১৭
- খ. ১৮
- গ. ২০
- ঘ. ২১
উত্তর: গ. ২০
3x যদি 15 থেকে 3 বেশি হয়, তাহলে 3x = 15 + 3 = 18। অতএব 3x + 2 = 18 + 2 = 20। এখানে x-এর আলাদা মান বের না করেও উত্তর পাওয়া যায়, কারণ প্রশ্নে সরাসরি 3x-এর মানই লাগে।
মনে রাখুন:
যাচাইয়ের জন্য x-এর মান বের করলে x = 6 পাওয়া যায়, তখন 3 × 6 + 2 = 20, মিলে যায়।
‘বেশি’ কথাটি দেখলে যোগ এবং ‘কম’ কথাটি দেখলে বিয়োগ করতে হয়। - ৯৫. দুইটি সংখ্যার গুণফল ২৬৪। সংখ্যা দুটির ল. সা. গু. ১৩২ হলে গ. সা. গু. কত?
- ক. ২
- খ. ৩
- গ. ৪
- ঘ. ৬
উত্তর: ক. ২
দুটি সংখ্যার গুণফল তাদের গ.সা.গু. ও ল.সা.গু.-এর গুণফলের সমান। তাই গ.সা.গু. = গুণফল ÷ ল.সা.গু. = 264 ÷ 132 = 2।
যাচাই: সংখ্যা দুটি 2 ও 132 হলে গুণফল 264, গ.সা.গু. 2 এবং ল.সা.গু. 132, সব শর্ত মেলে।
মনে রাখুন:
দুই সংখ্যার ক্ষেত্রে এই সম্পর্কটি সবসময় সত্য।
তিনটি সংখ্যার ক্ষেত্রে এই সম্পর্ক খাটে না।
কম্পিউটার ও আইসিটি
- ১০. সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কোনটি?
- ক. ফেসবুক
- খ. ইউটিউব
- গ. মেসেঞ্জার
- ঘ. সবকয়টি
উত্তর: ঘ. সবকয়টি
যে মাধ্যম ব্যবহার করে মানুষ ইন্টারনেটের মধ্যে একে অপরের সঙ্গে বার্তা, ছবি ও ভিডিও আদান-প্রদান করতে পারে, তাকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (Social Media) বলে। ফেসবুক, ইউটিউব ও মেসেঞ্জার তিনটিই এই কাজ করে, তাই সবগুলোই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। এখানে একটিকে বেছে নিলে বাকি দুটিকে বাদ দেওয়া ভুল হতো, সে কারণেই ‘সবকয়টি’ সঠিক বিকল্প।
মনে রাখুন:
ফেসবুক ২০০৪ সালে মার্ক জাকারবার্গ চালু করেন।
ইউটিউব ২০০৫ সালে যাত্রা শুরু করে, মূলত ভিডিও দেখা ও শেয়ার করার জন্য।
টুইটার, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ ও লিংকডইনও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের উদাহরণ। - ১৮. যদি date ও time প্রদর্শন সিস্টেম ভুল হয় তাহলে আপনি সেটি পুনরায় সেট করার জন্য নিচের কোনটি ব্যবহার করবেন?
- ক. Control panel
- খ. Shift & Control
- গ. Calendar
- ঘ. Writes
উত্তর: ক. Control panel
কম্পিউটারে তারিখ ও সময় ভুল দেখালে তা ঠিক করতে আমরা Control Panel-এর Date and Time অপশন ব্যবহার করি। Control Panel দিয়ে কম্পিউটারের নানা সেটিং, যেমন ভাষা, সময়, প্রিন্টার ও প্রোগ্রাম ইনস্টল-আনইনস্টল পরিবর্তন করা যায়। এছাড়া টাস্কবারের ঘড়িতে ক্লিক করেও সময় বদলানো যায়। Calendar শুধু তারিখ দেখায়, সময় বা সিস্টেম সেটিং বদলায় না। Shift ও Control কেবল কিবোর্ডের বিশেষ কি, এগুলো দিয়ে সময় ঠিক করা যায় না।
মনে রাখুন:
Ctrl + C দিয়ে কপি, Ctrl + V দিয়ে পেস্ট, Ctrl + Z দিয়ে আগের কাজ ফিরিয়ে নেওয়া (Undo) এবং Ctrl + S দিয়ে সেভ করা হয়। - ৯৩. মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করার জন্য কোন ডিভাইসটি ব্যবহার করা হয়?
- ক. মডেম
- খ. নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড
- গ. হার্ড ডিক্ষ
- ঘ. রাউটার
উত্তর: ঘ. রাউটার
রাউটার (Router) এমন একটি ডিভাইস, যা বিভিন্ন নেটওয়ার্ককে যুক্ত করে এবং Wi-Fi-এর মাধ্যমে মোবাইল ফোনসহ অনেক ডিভাইসকে একসঙ্গে ইন্টারনেট সংযোগ দেয়। তাই মোবাইলে ইন্টারনেট চালাতে সাধারণত রাউটার ব্যবহার করা হয়। মডেম টেলিফোন বা কেবল লাইনের সংকেত কম্পিউটারের উপযোগী করে। হার্ড ডিস্ক তথ্য জমা রাখার ডিভাইস, ইন্টারনেট সংযোগের নয়।
মনে রাখুন:
নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড (NIC) কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কে যুক্ত করে।
মডেমের পুরো নাম Modulator-Demodulator।
বিজ্ঞান
- ১২. এক্স-রশ্মি আবিষ্কার করেন কে?
- ক. মেরী কুরি
- খ. রন্টজেন
- গ. নিউটন
- ঘ. স্টিভেনশন
উত্তর: খ. রন্টজেন
জার্মান বিজ্ঞানী উইলহেলম রন্টজেন ১৮৯৫ সালে এক্স-রশ্মি আবিষ্কার করেন। তখন এর প্রকৃতি জানা ছিল না, তাই অজানা বোঝাতে নাম দেওয়া হয় X-ray। এই আবিষ্কারের জন্য তিনি ১৯০১ সালে পদার্থবিজ্ঞানে প্রথম নোবেল পুরস্কার পান। এক্স-রশ্মি শরীরের নরম অংশ ভেদ করে যেতে পারে, কিন্তু হাড়ে আটকে যায়, তাই চিকিৎসায় ভাঙা হাড় দেখতে এর ব্যবহার হয়।
মনে রাখুন:
মেরি কুরি রেডিয়াম ও পোলোনিয়াম আবিষ্কার করেন এবং দুটি ভিন্ন বিষয়ে (পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন) নোবেল পান।
নিউটন মহাকর্ষ ও গতিসূত্রের জন্য বিখ্যাত।
স্টিফেনসন বাষ্পচালিত রেলইঞ্জিনের সঙ্গে জড়িত।
এক্স-রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য অতিবেগুনি রশ্মির চেয়েও কম। - ২১. ঈশ্বর কণা কোনটি?
- ক. হিগস বোসন
- খ. ফোটন
- গ. ইলেকট্রন
- ঘ. লেপটন
উত্তর: ক. হিগস বোসন
হিগস বোসন কণাকে বলা হয় ঈশ্বর কণা (God Particle)। ব্রিটিশ বিজ্ঞানী পিটার হিগস ১৯৬৪ সালে এই কণার ধারণা দেন, যা বস্তুকে ভর দেয়। কণাটির নামের দ্বিতীয় অংশ ভারতীয় বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসুর নামে। ২০১২ সালে সার্নের (CERN) বিজ্ঞানীরা এই কণার অস্তিত্ব নিশ্চিত করেন। ফোটন ও ইলেকট্রন সম্পূর্ণ আলাদা ধরনের কণা, তাই এগুলোকে ঈশ্বর কণা বলা হয় না।
মনে রাখুন:
ফোটন আলোর কণা এবং ইলেকট্রন ঋণাত্মক চার্জযুক্ত কণা। ১৮৯৭ সালে জে. জে. থমসন ইলেকট্রন আবিষ্কার করেন।
লেপটন পরিবারের সদস্য ইলেকট্রন, মিউয়ন ও টাউ কণা।
হিগস ও ফ্রাঁসোয়া এংলার্ট ২০১৩ সালে এই কাজের জন্য পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান। - ২৮. উদ্ভিদের বৃদ্ধি হয় নিচের কোনটির প্রভাবে?
- ক. পানির প্রভাবে
- খ. Urea সারের প্রভাবে
- গ. TSP সারের প্রভাবে
- ঘ. MP সারের প্রভাবে
উত্তর: খ. Urea সারের প্রভাবে
ইউরিয়া সারে প্রায় ৪৬ ভাগ নাইট্রোজেন থাকে। নাইট্রোজেন গাছের পাতা ও কাণ্ড বাড়তে সাহায্য করে এবং গাছকে সবুজ রাখে, তাই সবুজ পাতাসহ উদ্ভিদের বৃদ্ধিতে ইউরিয়া সারের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। মাটিতে নাইট্রোজেন কম থাকলে গাছের পাতা হলদে হয়ে যায় এবং বাড়ন্ত ধীর হয়। শুধু পানি গাছের বেঁচে থাকার জন্য দরকার, কিন্তু পুষ্টি জোগানোর কাজটি সারই করে।
মনে রাখুন:
টিএসপি (TSP) ফসফরাসের উৎস, যা শিকড় ও ফল-ফুল গঠনে কাজে লাগে।
এমপি (MP) পটাশিয়ামের উৎস, যা রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।
উদ্ভিদের প্রধান তিনটি সার উপাদান হলো নাইট্রোজেন, ফসফরাস ও পটাশিয়াম, যাদের সংক্ষেপে NPK বলা হয়। - ৩০. শব্দের তীব্রতা পরিমাপক একক কোনটি?
- ক. Hz
- খ. dB
- গ. Ωm⁻²
- ঘ. Ωm⁻¹
উত্তর: খ. dB
শব্দের তীব্রতা বা জোর পরিমাপের একক ডেসিবেল (decibel), সংক্ষেপে dB। এর নামকরণ করা হয়েছে টেলিফোনের আবিষ্কারক আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেলের নামে। কম্পাঙ্কের একক হার্জ (Hz), যা শব্দের তীক্ষ্ণতা বোঝায়। শব্দের জোর আর তীক্ষ্ণতা তাই এক জিনিস নয়, এ দুটি আলাদা বৈশিষ্ট্য।
মনে রাখুন:
সাধারণ কথাবার্তার শব্দ প্রায় ৬০ ডেসিবেল।
মানুষের কান সাধারণত ২০ হার্জ থেকে ২০০০০ হার্জ কম্পাঙ্কের শব্দ শুনতে পায়। একে শ্রাব্য সীমা বলে।
শব্দের তীব্রতার SI একক ওয়াট/মিটার² (W/m²)। - ৪৩. ম্যালেরিয়ার জীবাণু বহনকারী মশার নাম কী?
- ক. ইটিগোরিয়া
- খ. এনোফিলিস
- গ. কিউলেক্স
- ঘ. এডিস
উত্তর: খ. এনোফিলিস
ম্যালেরিয়া রোগের জীবাণু প্লাজমোডিয়াম (Plasmodium) নামের এক ধরনের প্রোটোজোয়া। স্ত্রী এনোফিলিস (Anopheles) মশা এই জীবাণু এক মানুষ থেকে আরেক মানুষে ছড়ায়। মজার ব্যাপার হলো, শুধু স্ত্রী মশাই রক্ত খায়, তাই বাহক শুধু স্ত্রী মশা। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে এবং সেই জ্বর নির্দিষ্ট সময় পরপর ফিরে আসে।
মনে রাখুন:
১৮৯৭ সালে রোনাল্ড রস প্রমাণ করেন যে এনোফিলিস মশাই ম্যালেরিয়া ছড়ায়, আর এ জন্য তিনি ১৯০২ সালে নোবেল পুরস্কার পান।
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া ছড়ায় এডিস মশা।
ফাইলেরিয়া ও জাপানি এনকেফালাইটিস ছড়ায় কিউলেক্স মশা। - ৪৯. 'g'-এর মান কোথায় সর্বাধিক?
- ক. ভূ-কেন্দ্রে
- খ. পাহাড়ের চূড়া
- গ. বিষুব অঞ্চলে
- ঘ. মেরু অঞ্চলে
উত্তর: ঘ. মেরু অঞ্চলে
পৃথিবী পুরোপুরি গোলাকার নয়, মেরু অঞ্চলে কিছুটা চাপা। তাই পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে মেরু অঞ্চলের দূরত্ব বিষুব অঞ্চলের চেয়ে কম। দূরত্ব কম হলে মহাকর্ষ বেশি হয়, আর সেই সঙ্গে পৃথিবীর ঘূর্ণনের প্রভাবও কমে যায়। এজন্য ভূপৃষ্ঠে g-এর মান মেরু অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি এবং বিষুব অঞ্চলে সবচেয়ে কম। পাহাড়ের চূড়ায় উঠলে কেন্দ্র থেকে দূরত্ব বাড়ে, তাই সেখানে g-এর মান কমে।
মনে রাখুন:
ভূকেন্দ্রে g-এর মান শূন্য, আর উঁচুতে উঠলে এর মান কমে।
ভূপৃষ্ঠে g-এর গড় মান প্রায় 9.8 m/s²।
চাঁদে g-এর মান পৃথিবীর প্রায় ছয় ভাগের এক ভাগ। - ৫১. কোনটি শব্দের (Sound) ক্ষেত্রে সত্য?
- ক. শব্দ তরল মাধ্যমে চলতে পারে না
- খ. শব্দ শূন্য মাধ্যমে চলতে পারে না
- গ. শব্দ কঠিন মাধ্যমে চলতে পারে না
- ঘ. উপরের সবকয়টি
উত্তর: খ. শব্দ শূন্য মাধ্যমে চলতে পারে না
শব্দ যান্ত্রিক তরঙ্গ, তাই চলার জন্য বায়ু, পানি বা কঠিন পদার্থের মতো কোনো মাধ্যম লাগে। শূন্যস্থানে কোনো মাধ্যম নেই বলে শব্দ সেখানে চলতে পারে না। চাঁদে বা মহাশূন্যে তাই কিছু শোনা যায় না। আলো এর ঠিক উল্টো, কারণ আলো তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ হওয়ায় শূন্যস্থানের মধ্য দিয়েও চলতে পারে।
মনে রাখুন:
শব্দের বেগ কঠিন মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি, তারপর তরলে এবং গ্যাসে সবচেয়ে কম।
বায়ুতে শব্দের বেগ প্রায় ৩৩০ মিটার/সেকেন্ড। তাপমাত্রা বাড়লে এই বেগ বাড়ে।
পানিতে শব্দের বেগ ১৪০০ মিটার/সেকেন্ডের বেশি। - ৫৬. এক মিটার সমান কত ইঞ্চি?
- ক. ৩৭.৩৭ ইঞ্চি
- খ. ৩৮.৩৭ ইঞ্চি
- গ. ৩৯.৩৭ ইঞ্চি
- ঘ. ৪০.৩৭ ইঞ্চি
উত্তর: গ. ৩৯.৩৭ ইঞ্চি
এক মিটার প্রায় 39.37 ইঞ্চির সমান। এক ইঞ্চি 2.54 সেন্টিমিটার, তাই 100 ÷ 2.54 ≈ 39.37। মিটার হলো দৈর্ঘ্যের SI একক। 37.37, 38.37 বা 40.37 এই মানগুলো হিসাবে মেলে না।
মনে রাখুন:
1 মিটার ≈ 3.28 ফুট, আর 1 কিলোমিটার ≈ 0.62 মাইল।
1 ফুট = 12 ইঞ্চি এবং 1 গজ = 3 ফুট।
1 মাইল ≈ 1.609 কিলোমিটার। - ৭৬. 'অতিবেগুনি' রশ্মির উৎস কী?
- ক. চন্দ্র
- খ. সূর্য
- গ. পৃথিবী
- ঘ. অন্যান্য গ্রহ
উত্তর: খ. সূর্য
অতিবেগুনি রশ্মি (Ultraviolet) সূর্যের আলোর সঙ্গে পৃথিবীতে আসে। এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য দৃশ্যমান বেগুনি আলোর চেয়ে কম। বেশি পরিমাণে গায়ে লাগলে চামড়ার ক্ষতি হয় এবং ক্যানসারের ঝুঁকিও বাড়ে। বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তর এই রশ্মির বড় অংশ শুষে নেয়। চাঁদ, পৃথিবী বা অন্য গ্রহ এর উৎস নয়।
মনে রাখুন:
ওজোন স্তর পৃথিবীকে এই ক্ষতিকর রশ্মি থেকে রক্ষা করে।
ওজোনের সংকেত O3, আর ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFC) গ্যাস এই স্তর ক্ষয় করে।
তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ক্রমে অতিবেগুনি রশ্মির পরে আসে এক্স-রশ্মি। - ৭৭. জন্মের পর হতে শিশুকে কত সময় পর্যন্ত কেবলমাত্র মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানো উচিত?
- ক. ৩ মাস পর্যন্ত
- খ. ৬ মাস পর্যন্ত
- গ. ৯ মাস পর্যন্ত
- ঘ. ১ বছর পর্যন্ত
উত্তর: খ. ৬ মাস পর্যন্ত
শিশুর জন্মের পর প্রথম ছয় মাস শুধু মায়ের বুকের দুধই যথেষ্ট, এমনকি পানিও দিতে হয় না। এই দুধে শিশুর দরকারি সব পুষ্টি এবং রোগ প্রতিরোধের উপাদান থাকে। ছয় মাস পূর্ণ হলে বুকের দুধের সঙ্গে ঘরে তৈরি নরম খাবার দেওয়া শুরু করতে হয়। তিন বা নয় মাস নয়, ছয় মাসই সঠিক সময়, কারণ এর আগে শিশুর হজমতন্ত্র অন্য খাবারের জন্য তৈরি হয় না।
মনে রাখুন:
জন্মের পর এক ঘণ্টার মধ্যে শিশুকে শালদুধ (Colostrum) খাওয়ানো উচিত।
ছয় মাসের পরও দুই বছর বা তার বেশি সময় পর্যন্ত বুকের দুধ চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। - ৮৭. একটি মর্টারের মধ্যে বাঁধাইয়ের উপাদান কোনটি?
- ক. বালি
- খ. সুরকী
- গ. সিমেন্ট
- ঘ. সব কয়টি
উত্তর: ঘ. সব কয়টি
মর্টার (Mortar) হলো বালু, সিমেন্ট বা চুন এবং পানি মিশিয়ে তৈরি মিশ্রণ, যা ইট বা পাথর জোড়া লাগানোর কাজে লাগে। এই মিশ্রণে সিমেন্ট বা চুন বাঁধনের কাজ করে, আর বালি ও সুরকি আয়তন বাড়ায় এবং মিশ্রণকে শক্ত রাখে। প্রশ্নের কাঠামো অনুযায়ী তিনটিই মর্টারের উপাদান।
মনে রাখুন:
সুরকি হলো পোড়া ইটের গুঁড়া।
কংক্রিটে সিমেন্ট ও বালুর সঙ্গে খোয়া (মোটা দানা) বা পাথরের টুকরা মেশানো হয়। মর্টারে এমন মোটা দানা থাকে না।
মর্টার ইটের গাঁথুনি ও প্লাস্টারের কাজে ব্যবহৃত হয়। - ৯১. WBC (White Blood Cell)-এর জীবন কতদিন?
- ক. ১ দিন
- খ. ৩০ দিন
- গ. ৬০ দিন
- ঘ. ৯০ দিন
উত্তর: ক. ১ দিন
শ্বেত রক্তকণিকা (White Blood Cell, WBC) আমাদের শরীরকে রোগজীবাণুর হাত থেকে রক্ষা করে। এই কণিকার কাজের চাপ বেশি হওয়ায় এরা খুব অল্প সময় বাঁচে। কোনো কোনো ধরনের শ্বেত কণিকা মাত্র কয়েক ঘণ্টা থেকে এক-দুই দিন বাঁচে, তাই দেওয়া বিকল্পগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কাছের উত্তর ১ দিন।
মনে রাখুন:
লোহিত রক্তকণিকার (RBC) আয়ু প্রায় ১২০ দিন।
শ্বেত রক্তকণিকা অস্থিমজ্জায় তৈরি হয়।
লোহিত কণিকার কাজ অক্সিজেন বহন করা, আর শ্বেত কণিকার কাজ জীবাণু ধ্বংস করা। - ৯৮. রংধনু সৃষ্টির বেলায় পানির কণাগুলো—
- ক. দর্পণের কাজ করে
- খ. প্রতিফলনের কাজ করে
- গ. প্রিজমের কাজ করে
- ঘ. লেন্সের কাজ করে
উত্তর: গ. প্রিজমের কাজ করে
বৃষ্টির পর বাতাসে ভাসমান ক্ষুদ্র পানির কণায় সূর্যের সাদা আলো পড়লে আলো প্রতিসরিত হয়ে ভেতরে ঢোকে, কণার ভেতরে একবার প্রতিফলিত হয় এবং আবার প্রতিসরিত হয়ে বেরিয়ে আসে। এই কাজটি প্রিজমের মতো, ফলে সাদা আলো সাত রঙে বিভক্ত হয়ে রংধনু তৈরি করে। এই রঙে ভাগ হওয়াকে আলোর বিচ্ছুরণ (Dispersion) বলে।
মনে রাখুন:
রংধনুর রঙ: বেগুনি, নীল, আসমানি, সবুজ, হলুদ, কমলা, লাল।
সূর্যকে পেছনে রেখে দাঁড়ালে রংধনু দেখা যায়।
প্রিজমের মধ্য দিয়ে আলো গেলে বেগুনি রঙ সবচেয়ে বেশি এবং লাল রঙ সবচেয়ে কম বেঁকে যায়।
বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা: সব বছর
বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা: ২ বছরের প্রশ্ন আর বিষয়ভিত্তিক মানবণ্টন একসঙ্গে
বিআরটিএ: অন্যান্য পরীক্ষা
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিদ্যুৎ বিভাগ বিদ্যুৎ পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন