লিয়ানা বুকস

বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮: প্রশ্ন ও সমাধান

পরীক্ষা হয়েছে ৫ মার্চ ২০১৮। ৯৮টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।

সময় ধরে পরীক্ষা দিন →

ইংরেজি

  1. ১. Identify the correctly spelt word :
    • ক. advarsity
    • খ. adversity
    • গ. advercity
    • ঘ. adverseity
    উত্তর: খ. adversity
    সঠিক বানান Adversity (দুর্দশা বা প্রতিকূল অবস্থা)। শব্দটি ল্যাটিন adversus থেকে এসেছে, যার অর্থ ‘বিরুদ্ধে’। তাই শব্দের মাঝখানে ver এবং শেষে -sity লিখতে হয়। বাকি তিনটি বানানে হয় ver-এর জায়গায় var বা cer লেখা হয়েছে, নয়তো বাড়তি e বসানো হয়েছে, ফলে সেগুলো ভুল।
    মনে রাখুন:
    Adversity-এর বিশেষণ Adverse (প্রতিকূল), যেমন: adverse weather।
    Adversary মানে প্রতিপক্ষ বা শত্রু, আর Advertise-এ ver থাকলেও এর অর্থ বিজ্ঞাপন দেওয়া।
    একই ধরনের বানান: University, Diversity, Prosperity, Majority।
  2. ৪. The word 'impoverish' is a/an—
    • ক. noun
    • খ. verb
    • গ. adjective
    • ঘ. adverb
    উত্তর: খ. verb
    Impoverish শব্দের অর্থ দরিদ্র করা বা নিঃস্ব করে দেওয়া। কাউকে বা কিছুকে কোনো অবস্থায় ফেলার কাজ বোঝায় বলে এটি ক্রিয়া (Verb)। এর পরে সরাসরি কর্ম (object) বসে, যেমন: The war impoverished the country। এখানে war কাজটি করেছে এবং country হলো যার ওপর কাজটি ঘটেছে।
    মনে রাখুন:
    Impoverished হলো বিশেষণ (নিঃস্ব) আর Impoverishment হলো বিশেষ্য (দরিদ্রতা)।
    একই ধরনের গঠনের ক্রিয়া: Enrich (সমৃদ্ধ করা), Endanger (বিপদে ফেলা)।
    বিপরীত ভাব বোঝাতে Enrich ব্যবহার করা হয়, যেমন: Trade enriched the nation.
  3. ৬. Which of the following words means nearly the opposite of 'shrewd'?
    • ক. cunning
    • খ. crafty
    • গ. stupid
    • ঘ. sagacious
    উত্তর: গ. stupid
    Shrewd মানে বুদ্ধিমান ও সূক্ষ্ম বিচারক্ষমতাসম্পন্ন, ফলে যে সহজে ঠকে না। এর বিপরীত হলো Stupid, অর্থাৎ নির্বোধ। Cunning ও Crafty অর্থ ধূর্ত বা চতুর, আর Sagacious অর্থ বিজ্ঞ বা প্রাজ্ঞ। এই তিনটি শব্দ Shrewd-এর কাছাকাছি অর্থ বহন করে, তাই এগুলো বিপরীত শব্দ হতে পারে না।
    মনে রাখুন:
    Shrewd-এর সমার্থক শব্দ: Astute, Clever, Sharp।
    বিপরীত শব্দ হিসেবে Naive (সরলমতি) বা Foolish-ও আসতে পারে।
    Stupid-এর সমার্থক শব্দ Dull ও Foolish।
  4. ১২. He was deaf— all our requests for help.
    • ক. at
    • খ. to
    • গ. with
    • ঘ. on
    উত্তর: খ. to
    Deaf to মানে কোনো কিছু শুনেও গ্রাহ্য না করা। এখানে ‘deaf’ বলতে কানে শোনার অক্ষমতা বোঝানো হয়নি, বোঝানো হয়েছে কথায় কান না দেওয়া। তাই বাক্যটি দাঁড়ায়: He was deaf to all our requests for help, অর্থাৎ সাহায্যের জন্য আমাদের সব অনুরোধেই সে কান দেয়নি।
    মনে রাখুন:
    একই ধরনের গঠন: Blind to (দেখেও না দেখা) এবং Dead to (সাড়াহীন)।
    উদাহরণ: He turned a deaf ear to our advice।
    Deaf to-এর মতো আরও কিছু: Indifferent to, Sensitive to।
  5. ২৫. The idiom 'a snake in the grass' means—আরও এসেছে: গণপূর্ত অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) ২০১৭
    • ক. a sleeping snake
    • খ. a dead snake
    • গ. a hidden enemy
    • ঘ. a harmless person
    উত্তর: গ. a hidden enemy
    A snake in the grass বাগধারাটির অর্থ লুকিয়ে থাকা শত্রু বা বন্ধুর ছদ্মবেশে ক্ষতিকারী ব্যক্তি। ঘাসের ভেতর সাপ যেমন চোখে পড়ে না কিন্তু হঠাৎ কামড় দিতে পারে, তেমনি এই মানুষও বাইরে থেকে বোঝা যায় না। তাই ঘুমন্ত সাপ বা মরা সাপ, কিংবা নিরীহ লোক, এসব অর্থে বাগধারাটি ব্যবহার হয় না।
    উদাহরণ:
    Beware of him; he is a snake in the grass.
    মনে রাখুন:
    একই ধরনের অর্থের আরেকটি বাগধারা: A wolf in sheep’s clothing (ভেড়ার চামড়ায় নেকড়ে, অর্থাৎ ছদ্মবেশী শত্রু)।
  6. ২৯. Some day scientists will— find a cure for cancer.
    • ক. have
    • খ. be able to
    • গ. have to
    • ঘ. sure to
    উত্তর: খ. be able to
    Will-এর পরে একটি ক্রিয়ার মূল রূপ বসে, কিন্তু ‘সক্ষম হবে’ বোঝাতে will be able to ব্যবহার করতে হয়। তাই বাক্যটি হলো: Some day scientists will be able to find a cure for cancer। অন্য বিকল্পগুলো মানে মেলে না। Will have to find মানে ‘খুঁজে বের করতে বাধ্য হবে’, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়। আর Sure to সরাসরি will-এর পরে বসলে বাক্যে ক্রিয়ার গঠন ঠিক থাকে না।
    মনে রাখুন:
    Will can বলা যায় না, কারণ দুটি modal verb পাশাপাশি বসে না। তার বদলে will be able to হয়।
    একইভাবে must-এর ভবিষ্যৎ রূপ will have to।
  7. ৩১. The letter— a year ago.
    • ক. is written
    • খ. was written
    • গ. wrote
    • ঘ. has written
    উত্তর: খ. was written
    ‘A year ago’ অতীত সময় বোঝায়, তাই Past Indefinite Tense ব্যবহার হবে। আবার চিঠি নিজে লেখে না, কেউ লেখে, তাই এখানে Passive Voice দরকার। সঠিক বাক্য: The letter was written a year ago। Is written বর্তমান কালের রূপ, wrote কর্তৃবাচ্যের রূপ এবং has written present perfect, তাই এগুলোর কোনোটিই এখানে খাটে না।
    মনে রাখুন:
    Past Indefinite-এর Passive গঠন: was/were + verb-এর past participle।
    Present Indefinite-এর Passive গঠন: am/is/are + past participle।
    উদাহরণ: The book was written by him।
  8. ৩৪. The expression 'a stone's throw' means—
    • ক. very near
    • খ. an unkind person
    • গ. we throw a stone whenever we find it
    • ঘ. close-fisted
    উত্তর: ক. very near
    A stone’s throw বাগধারাটি খুব কাছের দূরত্ব বোঝায়। একটি পাথর ছুড়লে যতদূর যায়, ততটুকু দূরত্বের কথা বলা হয়। তাই বাগধারাটি আক্ষরিক অর্থে পাথর ছোড়া নয়, বরং ‘হাতের নাগালের মধ্যে’ বোঝায়। অন্য বিকল্পগুলোর কোনোটির এই অর্থ নেই, যেমন close-fisted মানে কৃপণ।
    উদাহরণ:
    His house is a stone’s throw from the school.
    মনে রাখুন:
    দূরত্ব বোঝানোর আরেকটি বাগধারা: At arm’s length (হাত বাড়ালেই যতদূর, অর্থাৎ দূরত্ব বজায় রেখে)।
  9. ৩৬. A person who is able to do many different things is called—
    • ক. exceptional
    • খ. talented
    • গ. brilliant
    • ঘ. versatile
    উত্তর: ঘ. versatile
    যে ব্যক্তি অনেক ধরনের কাজ করতে পারে, তাকে Versatile বলে, অর্থাৎ বহুমুখী প্রতিভাসম্পন্ন। বাকি শব্দগুলোর অর্থ আলাদা: Exceptional মানে অসাধারণ, Talented মানে প্রতিভাবান আর Brilliant মানে মেধাবী বা উজ্জ্বল। এই তিনটি শব্দে গুণ বোঝানো হয়, কিন্তু অনেক রকম কাজে পারদর্শিতার ভাবটি Versatile-এই আছে।
    মনে রাখুন:
    Versatile-এর বিশেষ্য Versatility (বহুমুখিতা)।
    উদাহরণ: He is a versatile actor।
    Versatile-এর সমার্থক শব্দ Adaptable বা Many-sided।
  10. ৪০. I— him yesterday.
    • ক. met
    • খ. have met
    • গ. had met
    • ঘ. would meet
    উত্তর: ক. met
    ‘Yesterday’ অতীত সময় বোঝায়, তাই Past Indefinite Tense হবে এবং meet-এর past form met বসবে: I met him yesterday। Have met বা had met এখানে ব্যবহার করা যায় না, কারণ নির্দিষ্ট অতীত সময় থাকলে Present Perfect বা Past Perfect ঠিক বসে না। আর would meet ভবিষ্যৎ-অতীতের ভাব বোঝায়, তাই এটিও ঠিক নয়।
    মনে রাখুন:
    গতকাল বা গত বছরের মতো নির্দিষ্ট অতীত সময়ের সঙ্গে Present Perfect (have met) বসে না।
    Meet-এর রূপ: meet - met - met।
    উদাহরণ: I have never met him।
  11. ৪১. Refugees should receive— treatment.
    • ক. humanly
    • খ. humane
    • গ. human
    • ঘ. humanish
    উত্তর: খ. humane
    Treatment শব্দটি বিশেষ্য, তাই এর আগে বিশেষণ বসবে। Humane মানে দয়ালু ও মানবিক, আর শরণার্থীদের (refugees) সঙ্গে মানবিক আচরণই প্রত্যাশিত: Refugees should receive humane treatment। Humanly ক্রিয়াবিশেষণ, তাই বিশেষ্যের আগে বসে না। Human মানে মানুষ সংক্রান্ত, এখানে ‘দয়ার্দ্র’ অর্থ আসে না। আর humanish বলে ইংরেজিতে প্রচলিত শব্দ নেই।
    মনে রাখুন:
    Humane-এর বিপরীত Inhumane (নিষ্ঠুর)।
    Human মানে মানুষ বা মানবীয়।
    Humanity মানে মানবতা বা মানবজাতি।
  12. ৪৮. Choose the correct sentence :
    • ক. The sceneries of Chittagong are better than Dhaka.
    • খ. The sceneries of Chittagong are better than that of Dhaka.
    • গ. The scenery of Chittagong is better than that of Dhaka.
    • ঘ. The scenery of Chittagong is better than Dhaka.
    উত্তর: গ. The scenery of Chittagong is better than that of Dhaka.
    তুলনায় একই ধরনের জিনিসের সঙ্গে জিনিস মেলাতে হয়। এখানে চট্টগ্রামের scenery-এর সঙ্গে ঢাকার scenery তুলনা করা হচ্ছে, তাই than-এর পরে that of Dhaka বসে। আবার scenery একটি uncountable noun, তাই sceneries ভুল এবং ক্রিয়া is হবে। সঠিক বাক্য: The scenery of Chittagong is better than that of Dhaka। Than Dhaka লিখলে ‘দৃশ্য’-এর সঙ্গে ‘শহর’-এর তুলনা হয়, যা ভুল।
    মনে রাখুন:
    Scenery-র মতো furniture, information, advice ইত্যাদিও uncountable।
    এই ধরনের তুলনায় that of একবচনের জন্য এবং those of বহুবচনের জন্য বসে।
    উদাহরণ: The climate of Sylhet is cooler than that of Dhaka।
  13. ৫০. Select the word that has the same meaning as 'stubborn' :
    • ক. obdurate
    • খ. docile
    • গ. impertinent
    • ঘ. intractable
    উত্তর: ক. obdurate
    Stubborn মানে একগুঁয়ে বা জেদি, আর Obdurate শব্দের অর্থও একগুঁয়ে, যে নিজের মত বদলাতে চায় না। Intractable মানে যাকে সামলানো কঠিন, তাই এটি কাছাকাছি হলেও Obdurate-ই সবচেয়ে নিকটতম।
    মনে রাখুন:
    Docile মানে বাধ্য (বিপরীত) এবং Impertinent মানে ঔদ্ধত্যপূর্ণ।
    Stubborn-এর আরও সমার্থক শব্দ: Obstinate, Headstrong।
    বিপরীত শব্দ: Flexible, Yielding।
  14. ৫১. Children— to respect their parents.
    • ক. should
    • খ. need
    • গ. must
    • ঘ. ought
    উত্তর: ঘ. ought
    বাক্যে শূন্যস্থানের পরে to আছে। Ought-এর সঙ্গে সবসময় to বসে: Children ought to respect their parents। Should-এর পরে to বসে না, আর must-এর পরেও to বসে না। এই শব্দগুলোর পরে শুধু ক্রিয়ার মূল রূপ আসে। ফলে to-সহ বাক্যে ought-ই সবচেয়ে মানানসই।
    মনে রাখুন:
    Ought to মানে উচিত, প্রায় should-এর সমার্থক।
    উদাহরণ: You ought to see a doctor।
    Ought to-এর নেতিবাচক রূপ: ought not to।
  15. ৫৬. How many lines does a sonnet have?
    • ক. seven
    • খ. fourteen
    • গ. twelve
    • ঘ. ten
    উত্তর: খ. fourteen
    Sonnet হলো ১৪ লাইনের কবিতা, বাংলায় চতুর্দশপদী কবিতা। এর দুটি প্রধান ধরন আছে: Petrarchan (৮ + ৬ লাইন) ও Shakespearean (৪ + ৪ + ৪ + ২ লাইন)। প্রথম ধরনের নাম এসেছে ইতালীয় কবি পেত্রার্ক থেকে, আর দ্বিতীয়টি ইংরেজ নাট্যকার শেক্সপিয়ারের নামে পরিচিত। তাই sonnet-এর লাইন সংখ্যা সাত, বারো বা দশ নয়, চৌদ্দ।
    মনে রাখুন:
    বাংলায় প্রথম চতুর্দশপদী কবিতা লেখেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
    শেক্সপিয়ারের সনেটের সংখ্যা ১৫৪টি।
    মধুসূদনের চতুর্দশপদী কবিতাবলি ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত হয়।
  16. ৬১. Engineers are still trying to successfully— the power of sunlight for efficient production of electricity.
    • ক. harness
    • খ. control
    • গ. generate
    • ঘ. regulate
    উত্তর: ক. harness
    Harness মানে প্রকৃতির শক্তিকে কাজে লাগানো, যেমন সৌরশক্তি বা নদীর স্রোতকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার করা। তাই সূর্যের আলোর শক্তিকে কাজে লাগানোর বাক্যে Harness সবচেয়ে মানানসই। Control মানে নিয়ন্ত্রণ, Generate মানে উৎপাদন আর Regulate মানে নিয়মের অধীনে আনা। সূর্যের আলোকে নিয়ন্ত্রণ বা নিয়মিত করা যায় না, বরং তার শক্তিকে ব্যবহার করা যায়।
    উদাহরণ:
    We can harness wind power to produce electricity.
    মনে রাখুন:
    Harness-এর আরেকটি অর্থ ঘোড়ার সাজ বা লাগাম।
    Generate সাধারণত বিদ্যুৎ বা তাপ তৈরি করা বোঝায়, তাই power generation মানে বিদ্যুৎ উৎপাদন।
  17. ৬৫. The plural of 'analysis' is—
    • ক. analyses
    • খ. analysies
    • গ. analysess
    • ঘ. analysis
    উত্তর: ক. analyses
    Analysis শব্দের বহুবচন Analyses। -is দিয়ে শেষ হওয়া কিছু গ্রিক শব্দের বহুবচনে -is বদলে -es হয়, আর এই es-এর উচ্চারণ ‘ঈজ’-এর মতো। তাই analysies বা analysess নামে ইংরেজিতে কোনো শব্দ নেই। আবার analysis রূপটি একবচন, তাই বহুবচনে সেটি একই থাকে না।
    মনে রাখুন:
    Crisis → Crises, Basis → Bases, Thesis → Theses।
    Oasis → Oases, Hypothesis → Hypotheses, Axis → Axes।
    কিছু শব্দ আবার ব্যতিক্রম, যেমন Metropolis-এর বহুবচন Metropolises।
  18. ৬৭. I— for Chittagong by train.
    • ক. set away
    • খ. set up
    • গ. set down
    • ঘ. set off
    উত্তর: ঘ. set off
    Set off মানে যাত্রা শুরু করা। তাই বাক্যটি: I set off for Chittagong by train, অর্থাৎ আমি ট্রেনে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা দিলাম। Set up মানে প্রতিষ্ঠা করা এবং set down মানে নামিয়ে রাখা, এগুলো এখানে অর্থ দেয় না। Set away এই অর্থে প্রচলিত নয়।
    মনে রাখুন:
    Set out-ও যাত্রা শুরু বোঝায়।
    Set up মানে প্রতিষ্ঠা করা, যেমন: They set up a school।
    Set off মানে বিস্ফোরণ ঘটানো বা কিছু শুরু করাও হতে পারে, যেমন: set off fireworks।
  19. ৬৮. You knew everything, —
    • ক. did you?
    • খ. didn't you?
    • গ. were you?
    • ঘ. haven't you?
    উত্তর: খ. didn't you?
    মূল বাক্য ইতিবাচক (You knew everything) এবং অতীত কালে, তাই question tag নেতিবাচক হবে এবং অতীতের সহায়ক ক্রিয়া did ব্যবহার করবে: You knew everything, didn’t you? বাকি tag-গুলো মেলে না। Did you? ইতিবাচক tag, যা ইতিবাচক বাক্যের পরে বসে না। Were you? ও haven’t you? অন্য কাল বা অন্য ক্রিয়ার সঙ্গে খাটে।
    মনে রাখুন:
    ইতিবাচক বাক্যে negative tag এবং নেতিবাচক বাক্যে positive tag বসে।
    উদাহরণ: She does not smoke, does she?
    Past Indefinite-এ tag বসাতে did ব্যবহার হয়, আর Present Indefinite-এ do বা does।
  20. ৭৪. We need as— people as possible.
    • ক. many
    • খ. much
    • গ. most
    • ঘ. enough
    উত্তর: ক. many
    ‘As ... as possible’ গঠনে people গণনাযোগ্য বিশেষ্য, তাই many বসে: We need as many people as possible। Much অগণনীয় বিশেষ্যের সঙ্গে বসে, যেমন water বা money। আবার most ও enough এই গঠনে ব্যবহার হয় না, কারণ as-এর পরে যে শব্দ আসে তা পরিমাণ বোঝাতে হয়, আর সেটি হবে many অথবা much।
    মনে রাখুন:
    গণনাযোগ্যের জন্য many/few এবং অগণনীয়ের জন্য much/little।
    উদাহরণ: Drink as much water as possible।
    গণনাযোগ্য বিশেষ্য মানে যাদের এক, দুই করে গোনা যায়, যেমন book, student।
  21. ৭৮. Did you see her— towards you?
    • ক. to come
    • খ. coming
    • গ. was coming
    • ঘ. came
    উত্তর: খ. coming
    See, hear, watch ইত্যাদি ক্রিয়ার পরে object এলে কাজটি চলমান অবস্থায় দেখা বোঝাতে verb-এর -ing রূপ বসে। তাই সঠিক বাক্য: Did you see her coming towards you? এখানে ‘তাকে আসতে দেখলে কি?’ বোঝানো হয়েছে, আসার সময়টুকু ধরে। To come বা came এখানে ব্যাকরণের গঠন ঠিক রাখে না, আর was coming-এর আগে সহায়ক ক্রিয়া Did থাকায় সেটিও বসে না।
    মনে রাখুন:
    পুরো কাজটি শেষ হতে দেখলে bare infinitive বসে, যেমন I saw him cross the road।
    উদাহরণ: I heard her singing (গান চলছিল) বনাম I heard her sing (পুরো গানটি শুনলাম)।
  22. ৮১. Choose the correct indirect speech: He said, "Man is mortal."
    • ক. He said man is mortal.
    • খ. He told that man had been mortal.
    • গ. He said that man was mortal.
    • ঘ. He said that man is mortal.
    উত্তর: ঘ. He said that man is mortal.
    যে বাক্য চিরন্তন সত্য প্রকাশ করে, তার indirect speech করার সময় tense বদলায় না, যদিও reporting verb অতীত হয়। তাই Man is mortal সেভাবেই থাকে: He said that man is mortal। অন্য বিকল্পগুলো ভুল, কারণ was বা had been বসালে সত্যটির স্থায়ী ভাব নষ্ট হয়। আর told that গঠনটি ব্যাকরণের দিক থেকে ঠিক নয়, কারণ told-এর পরে একজন শ্রোতার নাম বা সর্বনাম লাগে।
    মনে রাখুন:
    Man is mortal-এর মতো প্রবাদ, বৈজ্ঞানিক সত্য ও ভৌগোলিক তথ্যেও এই নিয়ম খাটে।
    উদাহরণ: The teacher said that the earth moves round the sun.
    Say-এর পরে শ্রোতা থাকলে say to, আর tell-এর সঙ্গে সরাসরি শ্রোতা বসে।
  23. ৮২. A disease that cannot be cured is called a/an—
    • ক. incurable disease
    • খ. uncurable disease
    • গ. incorrigible disease
    • ঘ. discurable disease
    উত্তর: ক. incurable disease
    যে রোগ সারানো যায় না, তাকে বলা হয় Incurable disease। In- উপসর্গ দিয়ে curable-এর বিপরীত শব্দ হয় incurable। Uncurable ও discurable নামে ইংরেজিতে প্রচলিত শব্দ নেই। Incorrigible মানে যাকে সংশোধন করা যায় না, ব্যক্তির স্বভাবের জন্য ব্যবহৃত হয়, রোগের জন্য নয়।
    উদাহরণ:
    Cancer was once an incurable disease.
    মনে রাখুন:
    Curable মানে নিরাময়যোগ্য।
    Incorrigible-এর উদাহরণ: He is an incorrigible liar।
    Incurable যেমন রোগ বোঝায়, তেমনি Incurable optimist মানে যে মানুষ কখনো আশা ছাড়ে না।
  24. ৮৪. The sparrows were—.
    • ক. chattering
    • খ. chirping
    • গ. screaming
    • ঘ. cooing
    উত্তর: খ. chirping
    চড়ুই পাখির ডাকের জন্য Chirp বা Chirping ব্যবহার করা হয়, অর্থাৎ কিচিরমিচির করা। Cooing কবুতরের ডাক, Screaming চিৎকার করা আর Chattering সাধারণত বানর বা মানুষের বকবকের জন্য। ছোট পাখির মিষ্টি ডাকের জন্য chirp শব্দটি সবচেয়ে মানানসই।
    মনে রাখুন:
    কাকের ডাক caw, ব্যাঙের ডাক croak, মুরগির ডাক cluck।
    কোকিলের ডাক coo বা sing, সিংহের ডাক roar।
    Sparrow মানে চড়ুই পাখি।
  25. ৮৭. What is the correct passive form of the sentence below?—'Do it.'
    • ক. Let it be done.
    • খ. It is ordered to be done.
    • গ. Let us do it.
    • ঘ. It is to be done.
    উত্তর: ক. Let it be done.
    আদেশসূচক বাক্যকে Passive করতে Let + object + be + past participle ব্যবহার করা হয়। তাই Do it এর Passive হলো Let it be done। অন্য বিকল্পগুলোর মধ্যে Let us do it কর্তৃবাচ্য ‘চলুন আমরা এটা করি’ বোঝায়, তাই তা Passive নয়। বাকি দুটি বাক্য আদেশের ভাব ঠিকভাবে প্রকাশ করে না।
    উদাহরণ:
    Open the door → Let the door be opened.
    Write a letter → Let a letter be written.
    মনে রাখুন:
    Negative আদেশে Let + object + not be + past participle বা Do not let ... be ... ব্যবহার হয়।

বাংলা

  1. ২. 'সিরাজাম্ মুনীরা' কার কাব্যগ্রন্থের নাম?
    • ক. ফররুখ আহমদ
    • খ. সৈয়দ আলী আহসান
    • গ. হাসান হাফিজুর রহমান
    • ঘ. শামসুর রাহমান
    উত্তর: ক. ফররুখ আহমদ
    ‘সিরাজাম মুনীরা’ কবি ফররুখ আহমদের কাব্যগ্রন্থ। তাঁকে মুসলিম রেনেসাঁর কবি বলা হয়, কারণ তাঁর কবিতায় ইসলামি ঐতিহ্য আর নতুন জাগরণের সুর বারবার ফিরে এসেছে। বইটির নামের অর্থ ‘উজ্জ্বল প্রদীপ’, আর এতে মহানবী (স.)-কে নিয়ে লেখা কবিতা আছে। বাকি তিন কবির কেউই এই বইয়ের রচয়িতা নন।
    মনে রাখুন:
    ফররুখ আহমদের অন্য কাব্য: সাত সাগরের মাঝি (১৯৪৪), হাতেম তায়ী, নৌফেল ও হাতেম, মুহূর্তের কবিতা।
    শিশুতোষ গ্রন্থ: পাখির বাসা।
    তিনি ১৯১৮ সালে যশোরে জন্মেছিলেন এবং ১৯৭৪ সালে মারা যান।
  2. ৩. মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক নাটক কোনটি?
    • ক. সুবচন নির্বাসনে
    • খ. রক্তাক্ত প্রান্তর
    • গ. নূরলদীনের সারাজীবন
    • ঘ. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
    উত্তর: ঘ. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
    ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ সৈয়দ শামসুল হকের লেখা মুক্তিযুদ্ধের পটভূমির কাব্যনাটক। এতে যুদ্ধের সময়ের আতঙ্ক আর প্রতীক্ষার ছবি ফুটে উঠেছে। তাঁর আরেকটি কাব্যনাটক ‘নূরলদীনের সারাজীবন’ রচিত হয়েছে রংপুরের কৃষক বিদ্রোহের ইতিহাস নিয়ে, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নয়। আবার ‘সুবচন নির্বাসনে’ ও ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ অন্য বিষয়ের নাটক, তাই মুক্তিযুদ্ধের নাটক হিসেবে এ দুটি সঠিক নয়।
    মনে রাখুন:
    ‘সুবচন নির্বাসনে’ আবদুল্লাহ আল মামুনের নাটক।
    ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ মুনীর চৌধুরীর নাটক, যার বিষয় পানিপথের যুদ্ধ।
    ‘নূরলদীনের সারাজীবন’ রংপুরের কৃষক নেতা নূরলদীনের বিদ্রোহ নিয়ে লেখা।
    সৈয়দ শামসুল হকের আরও একটি পরিচিত রচনা ‘খেলারাম খেলে যা’।
  3. ৫. কোন ধরনের শব্দে 'ণ' এবং 'ষ' ব্যবহৃত হয়?
    • ক. দেশি শব্দ
    • খ. তৎসম শব্দ
    • গ. অর্ধ-তৎসম শব্দ
    • ঘ. বিদেশি শব্দ
    উত্তর: খ. তৎসম শব্দ
    ‘ণ’ ও ‘ষ’ সংস্কৃত ভাষার বর্ণ। তাই এই দুটি বর্ণ সংস্কৃত থেকে সরাসরি আসা তৎসম শব্দেই ব্যবহৃত হয়, যেমন কারণ, ভূষণ, বিষয়। দেশি ও বিদেশি শব্দে ‘ণ’ ও ‘ষ’-এর প্রয়োজন হয় না। সেখানে আমরা ‘ন’ এবং ‘স’ বা ‘শ’ লিখি, যেমন সোনা, কান, ইস্টিশন। অর্ধ-তৎসম শব্দ হলো তৎসম শব্দের একটু বদলে যাওয়া রূপ, যেমন কৃষ্ণ থেকে কেষ্ট।
    মনে রাখুন:
    বিদেশি শব্দে ‘ণ’ ও ‘ষ’ ব্যবহার করা হয় না, যেমন কুরআন, সরকার (সরকার শব্দে ‘স’)।
    তৎসম শব্দের উদাহরণ: সূর্য, চন্দ্র, ধর্ম, কর্ণ।
    বাংলা শব্দভান্ডারকে প্রধানত তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দে ভাগ করা হয়।
  4. ৭. বাংলা সাহিত্যে 'বিদ্রোহী কবি'র উপাধি কে পেয়েছেন?
    • ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • খ. সুভাষ মুখোপাধ্যায়
    • গ. কাজী নজরুল ইসলাম
    • ঘ. সুকান্ত ভট্টাচার্য
    উত্তর: গ. কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম ‘বিদ্রোহী কবি’ নামে পরিচিত। ব্রিটিশ শাসন, শোষণ ও সমাজের অন্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁর কলম ছিল আপসহীন। তাঁর ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যের (১৯২২) ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি এই পরিচয়ের সবচেয়ে বড় কারণ। অন্য তিন কবিরও আলাদা পরিচিতি আছে, কিন্তু ‘বিদ্রোহী’ বিশেষণটি নজরুলের সঙ্গেই জড়িয়ে আছে।
    মনে রাখুন:
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্বকবি।
    সুভাষ মুখোপাধ্যায় পদাতিকের কবি।
    সুকান্ত ভট্টাচার্য কিশোর কবি।
    নজরুলের অন্য কাব্য: দোলনচাঁপা, বিষের বাঁশি, সর্বহারা। বাংলাদেশের জাতীয় কবিও তিনি।
  5. ৯. 'কল্লোল' পত্রিকা কত সালে প্রকাশিত হয়?
    • ক. ১৯২৩
    • খ. ১৯৩২
    • গ. ১৯৩৩
    • ঘ. ১৯৩০
    উত্তর: ক. ১৯২৩
    ‘কল্লোল’ পত্রিকা প্রকাশিত হয় ১৯২৩ সালে। দীনেশরঞ্জন দাশ এটি সম্পাদনা করতেন। এই পত্রিকাকে ঘিরে রবীন্দ্রনাথের প্রভাব থেকে বেরিয়ে আসতে চাওয়া আধুনিক লেখকদের একটি দল তৈরি হয়েছিল, যাঁদের ‘কল্লোল যুগ’ বলা হয়। এই সময়ে বাংলা সাহিত্যে নতুন ভাব, নতুন ভাষা ও সমাজবাস্তবতার ছাপ স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
    মনে রাখুন:
    এই যুগের উল্লেখযোগ্য কবি-লেখকদের মধ্যে জীবনানন্দ দাশ, বুদ্ধদেব বসু ও অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত পড়েন।
    আধুনিক যুগের অন্য পত্রিকা: কালিকলম (১৯২৬), প্রগতি (১৯২৭), কবিতা (১৯৩৫)।
  6. ১০. 'সে নাকি আসবে না' এ বাক্যে 'না' অব্যয়ের প্রয়োগ কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
    • ক. অনুমান অর্থে
    • খ. বিস্ময় অর্থে
    • গ. সম্ভাবনা অর্থে
    • ঘ. বিরক্তি অর্থে
    উত্তর: গ. সম্ভাবনা অর্থে
    ‘সে নাকি আসবে না’ বাক্যে ‘না’ কোনো বিস্ময় বা বিরক্তি প্রকাশ করছে না। বক্তা এখানে কেবল একটা সম্ভাবনার কথা জানাচ্ছেন, অর্থাৎ সে হয়তো আসবে না। ‘নাকি’ শব্দটি শোনা কথা বা সংশয় বোঝায়, তাই বাক্যে নিশ্চয়তা নেই, আছে সম্ভাবনার ভাব। অনুমান বলতে সাধারণত যুক্তি ধরে কিছু ভেবে নেওয়া বোঝায়, কিন্তু এখানে সেরকম কিছু নেই।
    মনে রাখুন:
    ‘না’ অব্যয় নিষেধ, অনুমতি, প্রশ্ন, বিস্ময় ইত্যাদি নানা অর্থে বসতে পারে। অর্থটি ধরতে বাক্যের ভাব দেখতে হয়।
    উদাহরণ: ‘যাবে না?’ প্রশ্ন বোঝায়, আর ‘যেয়ো না’ নিষেধ বোঝায়।
  7. ১৬. বাংলা স্বরবর্ণে স্বরধ্বনিমূল কয়টি?
    • ক. দুটি
    • খ. চারটি
    • গ. ছয়টি
    • ঘ. সাতটি
    উত্তর: ঘ. সাতটি
    বাংলা ভাষায় স্বরধ্বনিমূল (Vowel phoneme) সাতটি: ই, এ, অ্যা, আ, অ, ও, উ। বর্ণমালায় স্বরবর্ণ আছে ১১টি, কিন্তু উচ্চারণের হিসাবে মূল স্বরধ্বনি সাতটিই। বাকিগুলো বর্ণ হিসেবে লেখা হলেও আলাদা মূল ধ্বনি নয়। যেমন ঈ ও ই-এর ধ্বনি একই এবং ঊ ও উ-এর ধ্বনিও একই।
    মনে রাখুন:
    ঐ ও ঔ যৌগিক স্বর, কারণ একটি করে আলাদা ধ্বনি নয়, দুটি স্বরের মিলিত রূপ।
    ঐ = ও + ই, ঔ = ও + উ।
    ঋ আসলে স্বর নয়, এর উচ্চারণ ‘রি’-এর মতো।
  8. ১৮. 'পুতুল নাচের ইতিকথা' উপন্যাসটি কার রচনা?
    • ক. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    • খ. তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়
    • গ. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    • ঘ. বুদ্ধদেব বসু
    উত্তর: গ. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    ‘পুতুল নাচের ইতিকথা’ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস, প্রকাশিত হয় ১৯৩৬ সালে। এতে মানুষ যেন নিয়তির হাতে পুতুলের মতো নাচে, এই ভাবনা ধরা পড়েছে। উপন্যাসের কেন্দ্রে আছে গ্রামের ডাক্তার শশী, যে গ্রামের জীবন আর শহরের হাতছানির মধ্যে দোটানায় পড়ে। বাকি তিন লেখকের কেউ এই বইটি লেখেননি।
    মনে রাখুন:
    মানিকের অন্য উপন্যাস: পদ্মানদীর মাঝি, দিবারাত্রির কাব্য, জননী।
    ছোটগল্প: প্রাগৈতিহাসিক, সরীসৃপ, হলুদপোড়া।
    মানিকের আসল নাম প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়।
  9. ১৯. 'অগ্নি'র সমার্থক বা প্রতিশব্দ কোনটি?
    • ক. পাবক
    • খ. দিবা
    • গ. অনিল
    • ঘ. সমীরণ
    উত্তর: ক. পাবক
    ‘অগ্নি’র সমার্থক শব্দ আগুন, অনল, পাবক, বহ্নি, হুতাশন। তাই পাবক সঠিক উত্তর। বাকি শব্দগুলোর অর্থ আলাদা: দিবা মানে দিন, অনিল ও সমীরণ মানে বাতাস। দেখতে এগুলো কাছাকাছি লাগলেও অর্থ মেলে না, তাই প্রতিশব্দ বাছার সময় অর্থ ভালো করে মিলিয়ে নিতে হয়।
    মনে রাখুন:
    অনিল ও সমীরণ একই অর্থের দুটি শব্দ, দুটিই বায়ুর প্রতিশব্দ। বায়ুর আরও প্রতিশব্দ: পবন, বাতাস।
    সূর্যের প্রতিশব্দ: রবি, ভানু, দিবাকর।
  10. ২৪. 'কবর' নাটক কোন পটভূমিতে রচিত?
    • ক. উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
    • খ. বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন
    • গ. বাষট্টির ছাত্র আন্দোলন
    • ঘ. একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ
    উত্তর: খ. বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন
    মুনীর চৌধুরীর ‘কবর’ নাটকের পটভূমি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন। ভাষা আন্দোলনে শহীদদের কবরকে ঘিরে নাটকটি গড়ে উঠেছে। মুনীর চৌধুরী ১৯৫৩ সালে কারাগারে থাকার সময় এটি লেখেন, আর ওই বছরই ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে রাজবন্দিরা এটি মঞ্চস্থ করেন। ভাষা আন্দোলনকে নিয়ে লেখা নাটকগুলোর মধ্যে এটি সবচেয়ে বিখ্যাত।
    মনে রাখুন:
    মুনীর চৌধুরীর অন্য নাটক: রক্তাক্ত প্রান্তর, চিঠি, দণ্ডকারণ্য।
    ‘কবর’ এক অঙ্কের নাটক।
    মুনীর চৌধুরী ১৯৭১ সালে শহিদ বুদ্ধিজীবী হিসেবে প্রাণ দেন।
  11. ৩৫. 'রবীন্দ্র'-এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
    • ক. রবী + ঈন্দ্র
    • খ. রবী + ইন্দ্র
    • গ. রবি + ইন্দ্র
    • ঘ. রবি + ঈন্দ্র
    উত্তর: গ. রবি + ইন্দ্র
    ‘রবীন্দ্র’ শব্দটি রবি + ইন্দ্র দিয়ে গঠিত। ই-কারের পরে ই-কার এলে দুটি মিলে দীর্ঘ ঈ-কার হয়। এটি স্বরসন্ধির একটি নিয়ম। রবি শব্দের শেষে ই-কার আছে, আর ইন্দ্র শব্দের শুরুতে স্বরবর্ণ ‘ই’ আছে, এই দুটি মিলে ‘রবীন্দ্র’ হয়। বিচ্ছেদে মূল দুটি শব্দের বানান ঠিক রাখতে হয়, তাই ‘রবী’ বা ‘ঈন্দ্র’ লেখা ভুল।
    উদাহরণ:
    অতি + ইত = অতীত
    গিরি + ইন্দ্র = গিরীন্দ্র
    মনে রাখুন:
    স্বরসন্ধির আরও কিছু নিয়ম: অ + অ = আ, যেমন দেব + অলয় = দেবালয়।
  12. ৪২. 'লালসালু' উপন্যাসটি কার রচনা?
    • ক. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    • খ. সত্যেন সেন
    • গ. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    • ঘ. সৈয়দ শামসুল হক
    উত্তর: গ. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    ‘লালসালু’ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর প্রথম উপন্যাস, প্রকাশিত ১৯৪৮ সালে। এতে মজিদ নামের এক ভণ্ড মাজার-ব্যবসায়ীর কাহিনির মধ্য দিয়ে ধর্মের নামে প্রতারণা ও সামাজিক কুসংস্কার তুলে ধরা হয়েছে। মজিদ একটি পুরোনো কবরকে মাজার বলে প্রচার করে গ্রামের মানুষের ভক্তি ও ভয় কাজে লাগায়। এই উপন্যাসের কাহিনি পরে চলচ্চিত্রেও রূপ পেয়েছে।
    মনে রাখুন:
    তাঁর অন্য দুই উপন্যাস চাঁদের অমাবস্যা ও কাঁদো নদী কাঁদো।
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ছোটগল্পও লিখেছেন, যেমন ‘নয়নচারা’।
    ‘বহিপীর’ তাঁর বিখ্যাত নাটক।
  13. ৪৫. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস কোনটি?
    • ক. রজনী
    • খ. বাঁধনহারা
    • গ. দেবদাস
    • ঘ. গোরা
    উত্তর: ঘ. গোরা
    ‘গোরা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস, প্রকাশিত হয় ১৯১০ সালে। এতে ধর্ম, জাতীয়তাবোধ ও মানবতার প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা আছে। বাকি তিনটি অন্য লেখকের: রজনী বঙ্কিমচন্দ্রের, বাঁধনহারা নজরুলের আর দেবদাস শরৎচন্দ্রের। নজরুলের ‘বাঁধনহারা’ চিঠির আকারে লেখা একটি উপন্যাস, আর শরৎচন্দ্রের ‘দেবদাস’-এ এক ব্যর্থ প্রেমিকের কাহিনি আছে।
    মনে রাখুন:
    রবীন্দ্রনাথের অন্য উপন্যাস: চোখের বালি, ঘরে-বাইরে, চতুরঙ্গ, যোগাযোগ।
    ‘চোখের বালি’ (১৯০৩) বাংলা সাহিত্যের প্রথম মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস হিসেবে পরিচিত।
  14. ৪৭. 'আনারস' শব্দটি কোন ভাষা থেকে আগত?
    • ক. ফারসি
    • খ. ফরাসি
    • গ. পর্তুগিজ
    • ঘ. আরবি
    উত্তর: গ. পর্তুগিজ
    ‘আনারস’ শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। পর্তুগিজরা যখন বাংলায় ব্যবসা করতে আসে, তখন তাদের সঙ্গে এমন বহু শব্দ এসে আমাদের ভাষায় মিশে যায়। ফারসি ও আরবি শব্দ এসেছে মুসলিম শাসনের সময়ে, আর ফরাসি শব্দ এসেছে ফ্রান্সের সঙ্গে সম্পর্কের সূত্রে। আনারসের সঙ্গে সেসব ভাষার সম্পর্ক নেই।
    মনে রাখুন:
    পর্তুগিজ শব্দ: আলপিন, আলমারি, গির্জা, গুদাম, চাবি, পাউরুটি, বালতি।
    আরও পর্তুগিজ শব্দ: কামরা, তোয়ালে, বোতাম।
    ফরাসি শব্দ: কার্তুজ, বুর্জোয়া, রেস্তোরাঁ।
  15. ৫৪. গঠন অনুসারে বাক্য কত প্রকার?
    • ক. ২ প্রকার
    • খ. ৫ প্রকার
    • গ. ৩ প্রকার
    • ঘ. ৪ প্রকার
    উত্তর: গ. ৩ প্রকার
    গঠন অনুসারে বাক্য তিন প্রকার: সরল, জটিল ও যৌগিক। সরল বাক্যে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে। জটিল বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য ও এক বা একাধিক অধীন খণ্ডবাক্য থাকে। আর যৌগিক বাক্যে দুই বা ততোধিক স্বাধীন বাক্য সংযোজক অব্যয়ে যুক্ত হয়। ‘দুই’, ‘চার’ বা ‘পাঁচ’ প্রকার বলা ভুল।
    উদাহরণ:
    সরল: সে বই পড়ে।
    জটিল: যে পরিশ্রম করে, সে সফল হয়।
    যৌগিক: সে গরিব, কিন্তু সৎ।
    মনে রাখুন:
    অর্থ অনুসারে বাক্য আবার বিবৃতিমূলক, প্রশ্নবোধক, অনুজ্ঞাসূচক, ইচ্ছাসূচক, প্রার্থনাসূচক ইত্যাদি প্রকার।
  16. ৫৫. 'আকাশ-কুসুম' বাগধারাটিতে বোঝায়—
    • ক. অপদার্থ
    • খ. অবিশ্বাস্য ঘটনা
    • গ. অসম্ভব কল্পনা
    • ঘ. অদর্শনীয়
    উত্তর: গ. অসম্ভব কল্পনা
    ‘আকাশ-কুসুম’ বাগধারার অর্থ অসম্ভব কল্পনা। আকাশে ফুল ফোটে না, তাই এমন কিছু ভাবা বাস্তবে সম্ভব নয়। এই শব্দের কাছাকাছি অর্থ আছে ‘সোনার পাথরবাটি’ বাগধারার। বাকি বিকল্পগুলো অন্য বাগধারার অর্থ: অপদার্থ হলো অকাল কুষ্মাণ্ডের অর্থ আর অবিশ্বাস্য ঘটনা হলো আষাঢ়ে গল্পের অর্থ।
    মনে রাখুন:
    অকাল কুষ্মাণ্ড = অপদার্থ
    আষাঢ়ে গল্প = অবিশ্বাস্য গল্প
    সোনার পাথরবাটি = অসম্ভব বস্তু
    অমাবস্যার চাঁদ = দুর্লভ বস্তু
  17. ৬২. 'Null and void' এর বাংলা পরিভাষা কী?
    • ক. বাতিল
    • খ. পালাবদল
    • গ. মামুলি
    • ঘ. নিরপেক্ষ
    উত্তর: ক. বাতিল
    ‘Null and void’ আইনের ভাষায় বাতিল বা অকার্যকর বোঝায়। যেমন কোনো চুক্তি আইনের চোখে অবৈধ হলে তাকে null and void বলা হয়। বাকি বিকল্পগুলোর কোনোটির এই অর্থ নেই: পালাবদল মানে পরিবর্তন, মামুলি মানে সাধারণ আর নিরপেক্ষ মানে পক্ষপাতহীন।
    মনে রাখুন:
    Null মানে আইনগতভাবে বাতিল, void মানে ফাঁকা বা অসার।
    উদাহরণ: The contract was declared null and void.
    আইনের ভাষার আরও কিছু পরিভাষা: Bail (জামিন), Plaintiff (বাদী), Defendant (বিবাদী)।
  18. ৬৯. কোনটি জসীমউদ্দীনের নাটক?
    • ক. রাখালী
    • খ. মাটির কান্না
    • গ. বেদের মেয়ে
    • ঘ. বোবা কাহিনী
    উত্তর: গ. বেদের মেয়ে
    ‘বেদের মেয়ে’ কবি জসীমউদ্দীনের লেখা নাটক। তাঁর অন্য নাটক পদ্মাপাড়, মধুমালা ও পল্লীবধূ। ‘রাখালী’ ও ‘মাটির কান্না’ তাঁর কাব্যগ্রন্থ আর ‘বোবা কাহিনী’ তাঁর উপন্যাস। এই কারণে নাটকের প্রশ্নে বাকি তিনটি বিকল্প বাদ যায়। তাঁর লেখা মূলত গ্রামবাংলার মানুষ ও প্রকৃতিকে নিয়ে, তাই তাঁকে পল্লিকবি বলা হয়।
    মনে রাখুন:
    জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত কাব্য: নকশী কাঁথার মাঠ, সোজন বাদিয়ার ঘাট।
    ‘রাখালী’ তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
    ‘কবর’ কবিতাটি তাঁর বিখ্যাত রচনা।
  19. ৭১. 'একটি ধানের শিষের উপরে একটি শিশির বিন্দু'— পঙ্ক্তিটির রচয়িতা কে?
    • ক. দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • গ. জীবনানন্দ দাশ
    • ঘ. কাজী নজরুল ইসলাম
    উত্তর: খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    ‘একটি ধানের শিষের উপরে একটি শিশিরবিন্দু’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পঙ্ক্তি হিসেবে পরিচিত। প্রকৃতির ছোট একটি দৃশ্যের মধ্য দিয়ে সৌন্দর্যের ভাব এখানে প্রকাশ পেয়েছে। রবীন্দ্রনাথের লেখায় প্রকৃতি বারবার ফিরে এসেছে, আর ছোট জিনিসের ভেতর বড় সৌন্দর্য খুঁজে পাওয়া তাঁর কবিতার একটি বৈশিষ্ট্য। জীবনানন্দ দাশ ও নজরুল ইসলামও প্রকৃতির কবি, তবে এই পঙ্ক্তি তাঁদের নয়।
    মনে রাখুন:
    রবীন্দ্রনাথ ১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’র ইংরেজি অনুবাদের জন্য সাহিত্যে নোবেল পান।
    তিনি এশিয়ার প্রথম নোবেলজয়ী।
  20. ৭৫. নিচের কোনটি রূপক সমাসের উদাহরণ নয়?
    • ক. মোহনিদ্রা
    • খ. শোকানল
    • গ. মোমবাতি
    • ঘ. দিলদরিয়া
    উত্তর: গ. মোমবাতি
    মোমবাতি শব্দটির বিশ্লেষণ: মোম দিয়ে তৈরি বাতি। মাঝের পদ ‘দিয়ে তৈরি’ লোপ পেয়েছে, তাই এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস, রূপক নয়। বাকিগুলো রূপক কর্মধারয়: মোহরূপ নিদ্রা, শোকরূপ অনল, দিলরূপ দরিয়া। এই তিনটিতে দুটি পদ অভেদ বা এক বলে ধরা হয়েছে, যেমন মোহকে নিদ্রার সঙ্গে এক করে দেখা হয়েছে।
    মনে রাখুন:
    রূপক কর্মধারয়ে উপমেয় ও উপমান অভেদ বোঝায়, যেমন মনমাঝি।
    আরও উদাহরণ: মুখচন্দ্র = মুখরূপ চন্দ্র; বিষাদসিন্ধু = বিষাদরূপ সিন্ধু।
    মধ্যপদলোপী কর্মধারয়ের আরও উদাহরণ: সিংহাসন = সিংহচিহ্নিত আসন।
  21. ৮৮. 'এ যে আমাদের চেনা লোক'— চেনা কোন পদ?
    • ক. বিশেষ্য
    • খ. অব্যয়
    • গ. ক্রিয়া
    • ঘ. বিশেষণ
    উত্তর: ঘ. বিশেষণ
    ‘চেনা লোক’ কথাটিতে ‘চেনা’ শব্দটি ‘লোক’ নামের বিশেষ্যকে বর্ণনা করছে, অর্থাৎ কেমন লোক তা জানাচ্ছে। যে শব্দ অন্য পদের গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে, তাকে বিশেষণ বলে। তাই এখানে ‘চেনা’ বিশেষণ পদ। যদিও ‘চেনা’ মূলত ক্রিয়া ‘চেনা’ থেকে এসেছে, বাক্যে তার কাজ ক্রিয়ার নয়, বিশেষণের।
    উদাহরণ:
    চলন্ত গাড়ি, পড়া বই।
    মনে রাখুন:
    পদের ভূমিকা বাক্যে তার কাজ দেখে ঠিক করতে হয়। একই শব্দ কখনো ক্রিয়া, কখনো বিশেষণ হতে পারে।
    বিশেষণ দুই ধরনের: নাম বিশেষণ ও ভাব বিশেষণ।
  22. ৮৯. 'স্বাধীনতা তুমি রবীন্দ্রনাথের অজর কবিতা, অবিনাশী গান। স্বাধীনতা তুমি—।'– কবিতাটির কবি কে?
    • ক. শামসুর রাহমান
    • খ. আল মাহমুদ
    • গ. শহীদ কাদরী
    • ঘ. নির্মলেন্দু গুণ
    উত্তর: ক. শামসুর রাহমান
    ‘স্বাধীনতা তুমি’ কবিতাটি শামসুর রাহমানের। এই কবিতায় স্বাধীনতাকে রবীন্দ্রনাথের অজর কবিতা ও অবিনাশী গানের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে, অর্থাৎ স্বাধীনতার মূল্য এবং তার সৌন্দর্য মহৎ সৃষ্টির মতোই চিরস্থায়ী। শামসুর রাহমানকে আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং স্বাধীনতার পক্ষের কণ্ঠস্বর বলা হয়।
    মনে রাখুন:
    তাঁর আরেকটি বিখ্যাত কবিতা ‘তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা’।
    তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে’ (১৯৬০)।
    অন্য কাব্য: বন্দী শিবির থেকে, রৌদ্র করোটিতে।
  23. ৯২. বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শন কোনটি?
    • ক. মহাভারত
    • খ. চর্যাপদ
    • গ. রামায়ণ
    • ঘ. জঙ্গনামা
    উত্তর: খ. চর্যাপদ
    চর্যাপদ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের সবচেয়ে প্রাচীন নিদর্শন। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এর পুঁথি আবিষ্কার করেন। ১৯১৬ সালে এটি প্রকাশিত হয়। মহাভারত ও রামায়ণ সংস্কৃত মহাকাব্য, পরে বাংলায় অনূদিত হয়েছে, আর জঙ্গনামা মধ্যযুগের রচনা। তাই প্রাচীন যুগের নিদর্শন হিসেবে চর্যাপদই সঠিক।
    মনে রাখুন:
    চর্যাপদ রচিত হয়েছে বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের হাতে।
    বাংলা ভাষার অনূদিত রামায়ণ কৃত্তিবাস ওঝা লিখেছেন, আর মহাভারত কাশীরাম দাস লিখেছেন।
    চর্যাপদের কবিদের মধ্যে লুইপা, কাহ্নপা ও ভুসুকুপা উল্লেখযোগ্য।
  24. ৯৩. 'প্রচলিত' শব্দটি কোন প্রত্যয়যোগে গঠিত?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ২৮১৫) ২০১৯
    • ক. ইত প্রত্যয়
    • খ. ই প্রত্যয়
    • গ. ঈয় প্রত্যয়
    • ঘ. তা প্রত্যয়
    উত্তর: ক. ইত প্রত্যয়
    ‘প্রচলিত’ শব্দটি প্র + চল্ + ইত দিয়ে গঠিত। এখানে ইত প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। প্রত্যয় হলো এমন বর্ণ বা বর্ণগুচ্ছ, যা ধাতু বা শব্দের শেষে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে। চল্ ধাতুর সঙ্গে ইত যোগ করে ‘চলিত’ শব্দ হয়, আর উপসর্গ ‘প্র’ বসে ‘প্রচলিত’ গড়ে ওঠে।
    উদাহরণ:
    গম + ইত = গমিত
    ফল + ইত = ফলিত
    মনে রাখুন:
    ইত প্রত্যয় যুক্ত হলে সাধারণত বিশেষণ শব্দ তৈরি হয়।
    প্র একটি উপসর্গ, যার অর্থ অতিশয় বা সম্মুখে।
  25. ৯৪. 'নীললোহিত' কোন লেখকের ছদ্মনাম?
    • ক. সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    • খ. সমরেশ বসু
    • গ. প্রমথ চৌধুরী
    • ঘ. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    উত্তর: ক. সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    ‘নীললোহিত’ সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম। বাকিদের ছদ্মনাম: সমরেশ বসুর কালকূট, প্রমথ চৌধুরীর বীরবল আর শরৎচন্দ্রের অনিলা দেবী। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় অনেকগুলো ছদ্মনামে লিখেছেন। তার মধ্যে নীললোহিত নামের এক চরিত্রকে নিয়ে লেখা তাঁর গল্প-উপন্যাস বিখ্যাত।
    মনে রাখুন:
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস ‘সেই সময়’ ও ‘পূর্ব-পশ্চিম’।
    তিনি ‘কৃত্তিবাস’ পত্রিকা প্রতিষ্ঠা করেন।
    তাঁর আরেক ছদ্মনাম সনাতন পাঠক।
  26. ৯৭. 'অলীক'-এর বিপরীত শব্দ কোনটি?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৬, প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) ২০১৯
    • ক. গরল
    • খ. অনুরাগ
    • গ. সরল
    • ঘ. সত্য
    উত্তর: ঘ. সত্য
    ‘অলীক’ মানে মিথ্যা বা অসত্য, তাই এর বিপরীত শব্দ সত্য। গরল মানে বিষ, অনুরাগ মানে ভালোবাসা আর সরল মানে সহজ বা অকপট, এগুলো বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। বিপরীত শব্দ বাছার সময় আগে শব্দের মূল অর্থ জানতে হয়, তারপর তার উল্টো অর্থের শব্দ খুঁজতে হয়।
    মনে রাখুন:
    গরলের বিপরীত অমৃত, অনুরাগের বিপরীত বিরাগ।
    সরলের বিপরীত জটিল বা কুটিল।
    অলীকের সমার্থক শব্দ: মিথ্যা, কাল্পনিক।

গণিত

  1. ৮. ৪ : ২৫ এর দ্বিগুণানুপাত কত?
    • ক. ৮ : ৫০
    • খ. ২ : ৫
    • গ. ১৬ : ৬২৫
    • ঘ. ৮ : ২৫
    উত্তর: গ. ১৬ : ৬২৫
    দ্বিগুণানুপাত মানে অনুপাতের দুই পদেরই বর্গ নেওয়া। তাই ৪ : ২৫-এর দ্বিগুণানুপাত হবে ৪² : ২৫² = ১৬ : ৬২৫। অন্য বিকল্পগুলোতে হয় পদ দুটিকে দ্বিগুণ করা হয়েছে, নয়তো বর্গমূল নেওয়া হয়েছে, তাই সেগুলো দ্বিগুণানুপাত নয়।
    মনে রাখুন:
    ত্রিগুণানুপাতে ঘন নিতে হয়, যেমন ২ : ৩-এর ত্রিগুণানুপাত ৮ : ২৭।
    উপদ্বিগুণানুপাতে বর্গমূল নিতে হয়, যেমন ৪ : ২৫-এর উপদ্বিগুণানুপাত ২ : ৫।
    উপত্রিগুণানুপাতে ঘনমূল নিতে হয়।
  2. ১১. ১০ মিলিমিটার = ?
    • ক. ১ ডেসিমিটার
    • খ. ১ সেন্টিমিটার
    • গ. ১ মিটার
    • ঘ. ১ কিলোমিটার
    উত্তর: খ. ১ সেন্টিমিটার
    মেট্রিক পদ্ধতিতে ১০ মিলিমিটারে হয় ১ সেন্টিমিটার। আবার ১০ সেন্টিমিটারে ১ ডেসিমিটার, ১০ ডেসিমিটারে ১ মিটার এবং ১০০০ মিটারে ১ কিলোমিটার হয়। এই পদ্ধতির সুবিধা হলো, সব এককই ১০-এর ঘাত ধরে একটি থেকে অন্যটিতে যায়, ফলে হিসাব সহজ হয়।
    মনে রাখুন:
    ১ মিটার = ১০০ সেন্টিমিটার = ১০০০ মিলিমিটার।
    ১ কিলোমিটার = ১০০০ মিটার।
    দৈর্ঘ্যের ক্ষুদ্রতম একক হিসেবে মাইক্রোমিটার ও ন্যানোমিটারও ব্যবহার হয়, যা মিলিমিটারের চেয়ে অনেক ছোট।
  3. ১৫. ৯/১০ = ২৭/ক হলে ক-এর মান কত?
    • ক. ১০
    • খ. ৩০
    • গ. ৬০
    • ঘ. ৯০
    উত্তর: খ. ৩০
    সমানুপাতের নিয়মে আড়গুণন করলে ৯ × ক = ১০ × ২৭ হয়। তাই ক = 270/9 = 30। যাচাই করে দেখা যায়, 9/10 = 27/30 = 0.9, অর্থাৎ দুই পাশ মিলে যায়। আরেকভাবেও ভাবা যায়: ৯ থেকে ২৭ পেতে ৩ দিয়ে গুণ করতে হয়েছে, তাই হর ১০-কেও ৩ দিয়ে গুণ করলে ৩০ হয়।
    মনে রাখুন:
    a/b = c/d হলে সবসময় ad = bc হয়।
    সমানুপাতে বাইরের দুই রাশির গুণফল ভেতরের দুই রাশির গুণফলের সমান।
  4. ২২. x⁴ ÷ x⁶ × x² এর মান কত?
    • ক. 1
    • খ. x
    • গ. x²
    • ঘ. 1/x
    উত্তর: ক. 1
    একই ভিত্তির ঘাত গুণ করলে সূচক যোগ হয় এবং ভাগ করলে সূচক বিয়োগ হয়। এখানে x⁴ ÷ x⁶ × x² = x^(4−6+2) = x⁰ = 1। প্রথমে x⁴ ÷ x⁶ করলে পাই x^(−2) বা 1/x²। তারপর তাকে x² দিয়ে গুণ করলে 1/x² × x² = 1 হয়। দুইভাবেই একই উত্তর আসে।
    মনে রাখুন:
    x ≠ 0 হলে যেকোনো সংখ্যার শূন্য ঘাত 1।
    aᵐ × aⁿ = aᵐ⁺ⁿ এবং aᵐ ÷ aⁿ = aᵐ⁻ⁿ।
    a⁻ⁿ = 1/aⁿ।
  5. ২৩. পাঁচ অঙ্কের ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি হতে চার অঙ্কের বৃহত্তম সংখ্যা বিয়োগ করলে বিয়োগফল কত হবে?
    • ক. ৯০
    • খ. ১০
    • গ. ১
    • ঘ. −১
    উত্তর: গ. ১
    পাঁচ অঙ্কের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা ১০০০০ এবং চার অঙ্কের বৃহত্তম সংখ্যা ৯৯৯৯। প্রশ্নে বলা হয়েছে, পাঁচ অঙ্কের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা থেকে চার অঙ্কের বৃহত্তম সংখ্যা বিয়োগ করতে হবে। তাই বিয়োগফল: 10000 − 9999 = 1। এই দুটি সংখ্যা পাশাপাশি থাকে, তাই ফল সবসময় ১-ই হয়।
    মনে রাখুন:
    n অঙ্কের বৃহত্তম সংখ্যার সঙ্গে ১ যোগ করলে (n+১) অঙ্কের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা পাওয়া যায়।
    যেমন দুই অঙ্কের বৃহত্তম ৯৯, তার সঙ্গে ১ যোগ করলে তিন অঙ্কের ক্ষুদ্রতম ১০০।
    n অঙ্কের বৃহত্তম সংখ্যা = 10ⁿ − 1।
  6. ২৬. sin²φ + cos²φ = ?
    • ক. −1
    • খ. 1
    • গ. 2
    • ঘ. −2
    উত্তর: খ. 1
    ত্রিকোণমিতির মৌলিক অভেদ অনুযায়ী যেকোনো কোণের জন্য sin²φ + cos²φ = 1। এটি পিথাগোরাসের উপপাদ্য থেকে আসে। সমকোণী ত্রিভুজে লম্ব² + ভূমি² = অতিভুজ², আর উভয় পক্ষকে অতিভুজের বর্গ দিয়ে ভাগ করলে (লম্ব/অতিভুজ)² + (ভূমি/অতিভুজ)² = 1 হয়, যা ঠিক sin²φ + cos²φ = 1। এই মান কখনো ঋণাত্মক বা ২ হয় না।
    মনে রাখুন:
    1 + tan²φ = sec²φ।
    1 + cot²φ = cosec²φ।
    sin φ-এর মান −১ থেকে ১-এর মধ্যে থাকে।
  7. ৩৭. x + y + z = 0 হলে ⅓(x³ + y³ + z³)-এর মান কত?
    • ক. 3xyz
    • খ. −3xyz
    • গ. −xyz
    • ঘ. xyz
    উত্তর: ঘ. xyz
    x³ + y³ + z³ − 3xyz = (x + y + z)(x² + y² + z² − xy − yz − zx) সূত্রে x + y + z = 0 হলে ডান পাশে একটি গুণনীয়ক শূন্য হওয়ায় সবটা শূন্য হয়। তাই x³ + y³ + z³ − 3xyz = 0, অর্থাৎ x³ + y³ + z³ = 3xyz। সুতরাং 1/3 × (x³ + y³ + z³) = 1/3 × 3xyz = xyz।
    মনে রাখুন:
    x + y + z = 0 হলে x³ + y³ + z³ = 3xyz।
    বিপরীতভাবে, x³ + y³ + z³ = 3xyz হলে x + y + z = 0 অথবা x = y = z হতে পারে।
    a³ + b³ = (a + b)(a² − ab + b²)।
  8. ৩৯. ১২ জন লোক একটি কাজ ২০ দিনে শেষ করতে পারে। ২০ জন লোক উক্ত কাজ কত দিনে শেষ করতে পারবে?
    • ক. ২০ দিনে
    • খ. ১২ দিনে
    • গ. ২৪ দিনে
    • ঘ. ১০ দিনে
    উত্তর: খ. ১২ দিনে
    ১২ জন লোকের কাজ করতে ২০ দিন লাগলে মোট কাজ 12 × 20 = 240 জন-দিন। এই কাজ ২০ জন করলে লাগবে 240 ÷ 20 = 12 দিন। লোক বাড়লে কাজটি আরও দ্রুত শেষ হয়, তাই দিন কমে যাওয়াই স্বাভাবিক। এখানে ১২ দিন এসেছে, যা ২০ দিনের চেয়ে কম।
    মনে রাখুন:
    লোক বাড়লে দিন কমে, তাই এটি ব্যস্ত সমানুপাত। লোক × দিন সবসময় সমান থাকে।
    সূত্র: M₁D₁ = M₂D₂।
  9. ৪৯. aᵇ = bᵃ, a = 2b, a ≠ 0, b ≠ 0 হলে (a, b) = ?
    • ক. (2, 4)
    • খ. (4, 2)
    • গ. (4, 8)
    • ঘ. (8, 4)
    উত্তর: খ. (4, 2)
    a = 2b বসিয়ে পাই (2b)ᵇ = b²ᵇ, অর্থাৎ 2ᵇ · bᵇ = (bᵇ)²। উভয়পক্ষকে bᵇ দিয়ে ভাগ করলে 2ᵇ = bᵇ হয়। দুই পাশে সূচক একই b, তাই ভিত্তি দুটিও সমান হতে হবে, অর্থাৎ b = 2। তখন a = 2b = 4। অতএব (a, b) = (4, 2)।
    যাচাই: 4² = 16 এবং 2⁴ = 16, দুই পাশ মেলে।
    মনে রাখুন: aᵇ = bᵃ শর্তে 2⁴ = 4² সমান, কিন্তু a = 2b শর্ত থাকায় বড় সংখ্যাটি a হবে, তাই (4, 2) নেওয়া হয়েছে।
  10. ৫৯. কোন সংখ্যাকে ৪ ও ৬ দ্বারা ভাগ করলে প্রতিক্ষেত্রে ভাগশেষ ২ থাকে?
    • ক. ৮
    • খ. ১০
    • গ. ১২
    • ঘ. ১৪
    উত্তর: ঘ. ১৪
    ৪ ও ৬ দিয়ে ভাগ করলে একই ভাগশেষ ২ থাকলে সংখ্যাটি হবে ৪ ও ৬-এর ল.সা.গু. ১২-এর গুণিতক থেকে ২ বেশি। অর্থাৎ 12k + 2। k = 1 হলে 14। যাচাই: 14 ÷ 4 = 3 ভাগশেষ 2 এবং 14 ÷ 6 = 2 ভাগশেষ 2। বাকি সংখ্যাগুলো এই শর্ত মেলাতে পারে না, যেমন ১০ ÷ ৪ করলে ভাগশেষ ২ হলেও ১০ ÷ ৬ করলে ভাগশেষ ৪ হয়, আর ৮ ÷ ৬ করলে ভাগশেষ ২ হলেও ৮ ÷ ৪ করলে ভাগশেষ ০ হয়।
    মনে রাখুন:
    ভাগশেষ একই হলে সংখ্যা = ল.সা.গু. × k + ভাগশেষ।
    ৪ ও ৬-এর ল.সা.গু. ১২।
    পরের সংখ্যা হবে 12 × 2 + 2 = 26।
  11. ৬৩. x + 1/x = 2 হলে x/(x²−x+1) এর মান কত?
    • ক. 1
    • খ. 2
    • গ. 3
    • ঘ. 4
    উত্তর: ক. 1
    x + 1/x = 2 হলে উভয়পক্ষকে x দিয়ে গুণ করলে x² + 1 = 2x হয়, অর্থাৎ (x − 1)² = 0, তাই x = 1। এখন x/(x² − x + 1) = 1/(1 − 1 + 1) = 1। এই কাজ আরও সহজে সম্ভব, কারণ লব ও হরকে x দিয়ে ভাগ করলে হর হয় x − 1 + 1/x, যেখানে x + 1/x = 2 বসালে হরের মান হয় 1।
    শর্টকাট:
    লব ও হরকে x দিয়ে ভাগ করলে 1/(x − 1 + 1/x) = 1/(2 − 1) = 1।
    মনে রাখুন: x + 1/x = 2 হলে x = 1 হয়, কারণ x + 1/x ≥ 2 শুধু x = 1-এ সমতা পায় (x > 0 হলে)।
  12. ৭২. এমন একটি ধনাত্মক সংখ্যা নির্ণয় করুন যা তার বর্গের থেকে ১২ কম—
    • ক. ৩
    • খ. ৬
    • গ. ৪
    • ঘ. ১২
    উত্তর: গ. ৪
    ধরি সংখ্যাটি x। শর্ত অনুযায়ী সংখ্যাটি তার বর্গের চেয়ে ১২ কম, অর্থাৎ x = x² − 12, বা x² − x − 12 = 0। এটিকে ভাঙলে (x − 4)(x + 3) = 0, তাই x = 4 বা −3। সংখ্যাটি ধনাত্মক, তাই x = 4।
    যাচাই:
    4² − 12 = 16 − 12 = 4।
    মনে রাখুন: দ্বিঘাত সমীকরণে সাধারণত দুটি মান আসে। প্রশ্নের শর্ত (ধনাত্মক) দেখে একটি বাছাই করতে হয়।
  13. ৭৩. টাকায় ৩টি ক্রয় করে টাকায় ২টি করে বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ হবে?
    • ক. ৩০%
    • খ. ১৫%
    • গ. ৫০%
    • ঘ. ৬০%
    উত্তর: গ. ৫০%
    টাকায় ৩টি কিনলে একটির দাম ১/৩ টাকা। টাকায় ২টি বিক্রি করলে একটির দাম ১/২ টাকা। তাহলে প্রতিটিতে লাভ হয় 1/2 − 1/3 = 1/6 টাকা। লাভের হার = (1/6) ÷ (1/3) × 100 = 50%। লাভ হিসাব করা হয় ক্রয়মূল্যের ওপর ভিত্তি করে, তাই ভাগ করতে হয় ক্রয়মূল্য ১/৩ দিয়ে।
    শর্টকাট:
    ক্রয় ৩টি ও বিক্রয় ২টি হলে লাভ (3 − 2)/2 × 100 = 50%।
    মনে রাখুন: শতকরা লাভ = (লাভ ÷ ক্রয়মূল্য) × 100।
  14. ৮০. ১৩ সেমি, ১২ সেমি ও ৫ সেমি বাহুবিশিষ্ট ত্রিভুজটি—
    • ক. সমবাহু
    • খ. সমদ্বিবাহু
    • গ. সমকোণী
    • ঘ. সূক্ষ্মকোণী
    উত্তর: গ. সমকোণী
    ত্রিভুজের বাহু ১৩, ১২ ও ৫। বড় বাহুর বর্গ 13² = 169, আর অন্য দুই বাহুর বর্গের যোগ 12² + 5² = 144 + 25 = 169। দুটি সমান, তাই পিথাগোরাসের সূত্রে ত্রিভুজটি সমকোণী। এখানে ১৩ সেমি বাহুটি অতিভুজ। তিনটি বাহুর দৈর্ঘ্য আলাদা, তাই ত্রিভুজটি সমবাহু বা সমদ্বিবাহু নয়।
    মনে রাখুন:
    (৫, ১২, ১৩) একটি পিথাগোরীয় ত্রয়ী। আরও দুটি: (৩, ৪, ৫) ও (৮, ১৫, ১৭)।
    বড় বাহুর বর্গ অন্য দুই বাহুর বর্গের যোগের চেয়ে ছোট হলে ত্রিভুজ সূক্ষ্মকোণী, আর বড় হলে স্থূলকোণী হয়।
  15. ৮৩. ০.১ × ০.১ × ০.১ = ?
    • ক. ১
    • খ. ০.০১
    • গ. ০.০০১
    • ঘ. ০.০০০১
    উত্তর: গ. ০.০০১
    ০.১ হলো 1/10। তাই 0.1 × 0.1 × 0.1 = 1/10 × 1/10 × 1/10 = 1/1000 = 0.001। দশমিক সংখ্যা গুণ করার সহজ উপায় হলো, প্রথমে দশমিক চিহ্ন বাদ দিয়ে 1 × 1 × 1 = 1 হিসাব করা। তারপর তিনটি সংখ্যার দশমিকের পরের অঙ্ক যোগ করে ১ + ১ + ১ = ৩ অঙ্ক বসানো।
    মনে রাখুন:
    দশমিকের পরে অঙ্কসংখ্যা গুণের সময় যোগ হয়: ১ + ১ + ১ = ৩ অঙ্ক।
    (0.1)² = 0.01, (0.1)³ = 0.001, (0.1)⁴ = 0.0001।
    দশমিক সংখ্যাকে 10-এর ঘাত দিয়ে গুণ করলে দশমিক চিহ্ন ডানে সরে।
  16. ৮৬. দুটি সংখ্যার ল.সা.গু. ও গ.সা.গু. যথাক্রমে ৯০ ও ১৫। একটি সংখ্যা ৪৫ হলে অপরটি কত?
    • ক. ৩০
    • খ. ৩৬
    • গ. ৬০
    • ঘ. ৭৫
    উত্তর: ক. ৩০
    দুটি সংখ্যার গুণফল তাদের ল.সা.গু. ও গ.সা.গু.-র গুণফলের সমান। তাই 45 × অপর সংখ্যা = 90 × 15 = 1350, অর্থাৎ অপর সংখ্যা = 1350 ÷ 45 = 30। যাচাই করে দেখা যায়: ৪৫ ও ৩০-এর গ.সা.গু. ১৫ এবং ল.সা.গু. ৯০। দুটিই প্রশ্নের শর্তের সঙ্গে মিলে যায়।
    মনে রাখুন:
    a × b = ল.সা.গু. × গ.সা.গু.।
    দুটি সংখ্যা দিলে এই সূত্রে তৃতীয়টি বের করা যায়।
    গ.সা.গু. সবসময় ল.সা.গু.-এর উৎপাদক হয়, এখানে ১৫, ৯০-এর উৎপাদক।
  17. ৯০. log₂16 এর মান কত?
    • ক. 5
    • খ. 3
    • গ. 4
    • ঘ. 1/4
    উত্তর: গ. 4
    log₂16 মানে ২-কে কত ঘাত করলে ১৬ হয়। যেহেতু 2⁴ = 16, তাই log₂16 = 4। লগারিদমের সংজ্ঞা এমন: logₐ x = n হলে aⁿ = x। এখানে ভিত্তি ২ এবং ফল ১৬, তাই ঘাত বা সূচক ৪। বিকল্পে 2³ = 8 এবং 2⁵ = 32, দুটিই ১৬ নয়।
    মনে রাখুন:
    logₐ(aⁿ) = n।
    log_a 1 = 0 এবং log_a a = 1।
    log(m × n) = log m + log n।
  18. ৯৬. x² + y² + z² = 2, x + y + z = 2 হলে 2(xy + yz + zx) এর মান কত?
    • ক. 0
    • খ. 1
    • গ. 2
    • ঘ. 3
    উত্তর: গ. 2
    (x + y + z)² = x² + y² + z² + 2(xy + yz + zx) সূত্রে, 2(xy + yz + zx) = (x + y + z)² − (x² + y² + z²) = 2² − 2 = 2। এখানে x + y + z = 2 এবং x² + y² + z² = 2 দেওয়া আছে, তাই সরাসরি সূত্রে বসিয়ে উত্তর পাওয়া যায়।
    মনে রাখুন:
    তিন চলকের বর্গের যোগফলের এই অভেদটি বহুবার আসে।
    (a + b)² = a² + 2ab + b² এর সম্প্রসারিত রূপই এই সূত্র।
    xy + yz + zx = ((x + y + z)² − (x² + y² + z²)) / 2।
  19. ৯৮. বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত—
    • ক. 22/7
    • খ. 1/3
    • গ. 22/9
    • ঘ. 9/22
    উত্তর: ক. 22/7
    বৃত্তের পরিধি = 2πr এবং ব্যাস = 2r, তাই পরিধি : ব্যাস = 2πr / 2r = π। π-এর আসন্ন মান 22/7 (প্রায় ৩.১৪)। বৃত্ত যত বড়ই হোক, তার পরিধিকে ব্যাস দিয়ে ভাগ করলে সবসময় এই একই মান পাওয়া যায়।
    মনে রাখুন:
    π একটি অমূলদ সংখ্যা, 22/7 এর একটি আসন্ন মান।
    π-এর মান দশমিকে 3.14159…, যা কখনো শেষ হয় না।
    বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr²।

আন্তর্জাতিক

  1. ১৩. ২০১৭ সালে পদার্থবিদ্যায় তিনজন বিজ্ঞানী নোবেল পুরস্কার পান। তাঁরা কোন দেশের অধিবাসী?
    • ক. যুক্তরাজ্য
    • খ. যুক্তরাষ্ট্র
    • গ. জার্মানি
    • ঘ. সুইডেন
    উত্তর: খ. যুক্তরাষ্ট্র
    ২০১৭ সালের পদার্থবিদ্যার নোবেল পান রাইনার ভাইস, ব্যারি ব্যারিশ ও কিপ থর্ন। মহাকর্ষীয় তরঙ্গ (Gravitational Wave) শনাক্ত করার প্রকল্প লাইগো (LIGO)-তে তাঁদের অবদানের জন্য এই সম্মান। তিনজনই যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। ভাইস জন্মেছিলেন জার্মানির বার্লিনে, তবে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব নিয়েছিলেন। তাই জার্মানি নয়, যুক্তরাষ্ট্রই সঠিক উত্তর।
    মনে রাখুন:
    মহাকর্ষীয় তরঙ্গের কথা আইনস্টাইন তাঁর আপেক্ষিকতার সাধারণ তত্ত্বে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, প্রায় এক শতাব্দী পর ২০১৫ সালে তা সরাসরি ধরা পড়ে।
    ব্ল্যাক হোলের দুটি সংঘর্ষ থেকে আসা তরঙ্গ লাইগো শনাক্ত করেছিল।
  2. ১৪. সুয়েজ খাল কোন দেশে অবস্থিত?
    • ক. সৌদি আরব
    • খ. কুয়েত
    • গ. তুরস্ক
    • ঘ. মিশর
    উত্তর: ঘ. মিশর
    সুয়েজ খাল মিশরে অবস্থিত। এটি ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে যুক্ত করেছে, ফলে ইউরোপ থেকে এশিয়ায় যেতে জাহাজকে আর আফ্রিকা ঘুরে যেতে হয় না। খালটি ১৮৬৯ সালে চালু হয় এবং ১৯৫৬ সালে মিশর একে জাতীয়করণ করে। তখন প্রেসিডেন্ট ছিলেন গামাল আবদেল নাসের। এই ঘটনার পরেই সুয়েজ সংকট শুরু হয়।
    মনে রাখুন:
    সুয়েজ খাল এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশকে আলাদা করেছে।
    খালটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১৯৩ কিলোমিটার।
    পানামা খাল আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে, সেটি ১৯১৪ সালে চালু হয়।
  3. ২০. ২২তম বিশ্বকাপ ফুটবল কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৭
    • ক. রাশিয়া
    • খ. কাতার
    • গ. চীন
    • ঘ. স্পেন
    উত্তর: খ. কাতার
    ২২তম ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল অনুষ্ঠিত হবে ২০২২ সালে কাতারে। এটি মধ্যপ্রাচ্যের প্রথম বিশ্বকাপ। এর আগের ২১তম আসর (২০১৮) হয়েছে রাশিয়ায়। বিশ্বকাপ প্রতি চার বছর পরপর হয় এবং সাধারণত জুন-জুলাই মাসে হয়। কিন্তু কাতারের গরমের কারণে ২০২২ সালের আসর হয়েছিল নভেম্বর-ডিসেম্বরে, যা ব্যতিক্রম।
    মনে রাখুন:
    ২০১৮ সালের বিশ্বকাপ জিতেছিল ফ্রান্স।
    ২০১৪ সালে ব্রাজিলে বিশ্বকাপ হয়েছিল, চ্যাম্পিয়ন ছিল জার্মানি।
    হালনাগাদ: ২০২২ সালের আসরে আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ২৩তম আসর ২০২৬ সালে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
  4. ২৭. বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের প্রস্তাব পেশ করেন জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের কততম অধিবেশনে?
    • ক. ৭০তম
    • খ. ৭১তম
    • গ. ৭২তম
    • ঘ. ৭৩তম
    উত্তর: গ. ৭২তম
    ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭২তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের জন্য পাঁচ দফা প্রস্তাব পেশ করেন। তিনি মিয়ানমারে সহিংসতা বন্ধ, রাখাইনে জাতিসংঘের তথ্যানুসন্ধান দল পাঠানো এবং রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনের কথা বলেছিলেন। সেই সময় বাংলাদেশে লাখ লাখ রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছিল, তাই বিষয়টি আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলে ধরা জরুরি ছিল।
    মনে রাখুন:
    বাংলা ভাষায় বঙ্গবন্ধুই প্রথম জাতিসংঘে ভাষণ দেন, ১৯৭৪ সালে ২৯তম অধিবেশনে।
    জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন প্রতি বছর সেপ্টেম্বরে শুরু হয়।
  5. ২৮. ভারতের জাতীয় সংগীতের রচয়িতা কে?
    • ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • খ. তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়
    • গ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    • ঘ. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    উত্তর: ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    ভারতের জাতীয় সংগীত ‘জন গণ মন’ রচনা করেছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তিনি এটি ১৯১১ সালে লিখেছিলেন, আর ১৯৫০ সালের ২৪ জানুয়ারি এটি জাতীয় সংগীত হিসেবে গৃহীত হয়। বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত ‘আমার সোনার বাংলা’-ও তাঁরই রচনা। অর্থাৎ একই কবির লেখা গান দুটি আলাদা দেশের জাতীয় সংগীত।
    মনে রাখুন:
    ভারতের জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’ লিখেছেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, যা তাঁর ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাসে আছে।
    তারাশংকর ও বিভূতিভূষণ কথাসাহিত্যিক, তাঁরা জাতীয় সংগীত লেখেননি।
  6. ৫২. রোহিঙ্গা ইস্যুতে কোন দেশের আন্তর্জাতিক গণ-আদালতের রায়ে মিয়ানমারকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে?
    • ক. ইন্দোনেশিয়া
    • খ. মালয়েশিয়া
    • গ. বাংলাদেশ
    • ঘ. যুক্তরাজ্য
    উত্তর: খ. মালয়েশিয়া
    ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে স্থায়ী গণ-ট্রাইব্যুনাল (Permanent Peoples’ Tribunal) রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন নিয়ে শুনানি করে। রায়ে মিয়ানমারকে গণহত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। গণ-আদালত আন্তর্জাতিক আদালতের মতো সরকারি বিচারালয় নয়, তাই এর রায়ের আইনি বাধ্যবাধকতা নেই। তবে এই রায় মানবাধিকারের পক্ষে একটি শক্ত নৈতিক অবস্থান তৈরি করে।
    মনে রাখুন:
    রোহিঙ্গা বিষয়ে গাম্বিয়া ২০১৯ সালে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (ICJ) মামলা করে।
    আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের হেগে।
  7. ৫৩. সিপাহী বিদ্রোহের নেতা কে ছিলেন?
    • ক. চিত্তরঞ্জন দাশ
    • খ. সুভাষচন্দ্র বসু
    • গ. মঙ্গল পান্ডে
    • ঘ. তিতুমীর
    উত্তর: গ. মঙ্গল পান্ডে
    ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের সূচনা করেন মঙ্গল পান্ডে। তিনি ব্যারাকপুরে ব্রিটিশ অফিসারকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। এর পর বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে উত্তর ও মধ্য ভারতে। বাকি তিনজনের কেউ এর নেতৃত্বে ছিলেন না: তিতুমীর ১৮৩১ সালে বাঁশের কেল্লা গড়ে লড়েছিলেন, আর চিত্তরঞ্জন দাশ ও সুভাষচন্দ্র বসু বিংশ শতকের স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতা।
    মনে রাখুন:
    এই বিদ্রোহকে অনেকে ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম বলেন।
    এর ফলে ১৮৫৮ সালে কোম্পানির শাসন শেষ হয়ে ব্রিটিশ রানির শাসন শুরু হয়।
  8. ৫৭. জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতির মেয়াদ কত দিন?
    • ক. ৩০ দিন
    • খ. ৬০ দিন
    • গ. ১২০ দিন
    • ঘ. ১৮০ দিন
    উত্তর: ক. ৩০ দিন
    জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতির পদ প্রতি মাসে একজন করে সদস্যরাষ্ট্রের ওপর পড়ে। অর্থাৎ মেয়াদ এক মাস বা ৩০ দিন। সদস্যদের ইংরেজি নামের বর্ণানুক্রম ধরে পালাক্রমে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়। তাই প্রতি মাসে একটি করে নতুন দেশ সভাপতি হয়, আর ৬০, ১২০ বা ১৮০ দিনের মতো দীর্ঘ মেয়াদ নেই।
    মনে রাখুন:
    নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য ১৫টি: ৫টি স্থায়ী ও ১০টি অস্থায়ী।
    স্থায়ী সদস্য: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন।
    জাতিসংঘের সদর দপ্তর নিউইয়র্কে।
  9. ৭০. নোবেল পুরস্কার প্রবর্তন করা হয় কত সালে?
    • ক. ১৯০৫ সালে
    • খ. ১৮৮৬ সালে
    • গ. ১৯০১ সালে
    • ঘ. ১৯০২ সালে
    উত্তর: গ. ১৯০১ সালে
    সুইডিশ বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেল ১৮৯৫ সালে উইল করে তাঁর সম্পদ থেকে পুরস্কার দেওয়ার ব্যবস্থা করে যান। তিনি ডিনামাইট আবিষ্কার করেছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পরে, ১৯০১ সাল থেকে এই পুরস্কার দেওয়া শুরু হয়। বাকি সালগুলো এই ঘটনার সঙ্গে মেলে না, যেমন ১৮৯৫ সালের আগে উইলই করা হয়নি, তাই ১৮৮৬ সাল এই ঘটনার সঙ্গে খাপ খায় না।
    মনে রাখুন:
    নোবেল পুরস্কার ছয়টি বিভাগে দেওয়া হয়: পদার্থ, রসায়ন, চিকিৎসা, সাহিত্য, শান্তি ও অর্থনীতি। অর্থনীতিতে পুরস্কার শুরু হয় ১৯৬৯ সালে।
    প্রতিবছর ১০ ডিসেম্বর, নোবেলের মৃত্যুদিবসে, পুরস্কার দেওয়া হয়।
  10. ৯৫. উড়ন্ত ট্যাক্সি প্রথম কোন শহরে যাত্রা শুরু করে?
    • ক. প্যারিস
    • খ. দুবাই
    • গ. নিউইয়র্ক
    • ঘ. টোকিও
    উত্তর: খ. দুবাই
    উড়ন্ত ট্যাক্সির পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইতে হয়। জার্মান কোম্পানি ভলোকপ্টার যানটি তৈরি করেছিল। উদ্দেশ্য ছিল শহরের যানজট কমানো। তাই অন্য শহরগুলোর নাম থাকলেও পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন সবার আগে হয় দুবাইতে।
    মনে রাখুন:
    যানটি চালকবিহীন ছিল।
    এটি দুজন যাত্রী বহন করতে পারে।
    দুবাইয়ের রোড অ্যান্ড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (RTA) এই উদ্যোগের সঙ্গে জড়িত ছিল।

বাংলাদেশ

  1. ১৭. বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী ১ম আফ্রিকান দেশ কোনটি?
    • ক. সুদান
    • খ. সেনেগাল
    • গ. মিশর
    • ঘ. ঘানা
    উত্তর: খ. সেনেগাল
    স্বাধীনতার পর আফ্রিকার দেশগুলোর মধ্যে সেনেগাল সবার আগে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়, ১৯৭২ সালের শুরুর দিকে। এর আগে এশিয়ার ভুটান ও ভারত স্বীকৃতি দিয়েছিল। তাই প্রশ্নে ‘প্রথম আফ্রিকান দেশ’ বলতে সেনেগালকেই বোঝানো হয়েছে। বাকি তিন দেশ সবার আগে স্বীকৃতিদাতা আফ্রিকান দেশ ছিল না।
    মনে রাখুন:
    বাংলাদেশকে সবার আগে স্বীকৃতি দেয় ভুটান (৬ ডিসেম্বর ১৯৭১), এরপর ভারত।
    বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সদস্য হয়।
  2. ২১. 'কারাগারের রোজনামচা' গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
    • ক. সৈয়দ শামসুল হক
    • খ. সেলিনা হোসেন
    • গ. শেখ মুজিবুর রহমান
    • ঘ. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন
    উত্তর: গ. শেখ মুজিবুর রহমান
    ‘কারাগারের রোজনামচা’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা। জেলে থাকার সময়ে তিনি যে দিনলিপি লিখেছিলেন, সেখান থেকেই এই বই। রোজনামচা মানে দৈনন্দিন হিসাব বা দিনলিপি। ২০১৭ সালে বাংলা একাডেমি এটি প্রকাশ করে। বাকি তিনজন লেখক সৈয়দ শামসুল হক, সেলিনা হোসেন ও সৈয়দ আনোয়ার হোসেনের কেউ এই বইয়ের লেখক নন।
    মনে রাখুন:
    তাঁর অন্য গ্রন্থ: অসমাপ্ত আত্মজীবনী (২০১২), আমার দেখা নয়াচীন।
    আত্মজীবনীটিও বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত হয়।
  3. ৩০. বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌপথ কত নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল?
    • ক. ৪ নম্বর
    • খ. ৭ নম্বর
    • গ. ১১ নম্বর
    • ঘ. ১০ নম্বর
    উত্তর: ঘ. ১০ নম্বর
    মুক্তিযুদ্ধে সমুদ্র ও নদীপথের যুদ্ধের জন্য আলাদা একটি সেক্টর ছিল, সেটি ১০ নম্বর সেক্টর। এর কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকা বা নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিল না। নৌ-কমান্ডোরা বিভিন্ন সেক্টরের সঙ্গে মিলে বন্দর ও জাহাজে অভিযান চালাত। ১৯৭১ সালের আগস্ট মাসে চট্টগ্রাম, মংলা, চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জ বন্দরের জাহাজে তাদের অভিযান ‘অপারেশন জ্যাকপট’ নামে পরিচিত।
    মনে রাখুন:
    ১১ নম্বর সেক্টর ছিল ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল অঞ্চল।
    মুক্তিযুদ্ধে মোট সেক্টর ছিল ১১টি।
    ৪ নম্বর সেক্টর সিলেটের একাংশ এবং ৭ নম্বর সেক্টর রাজশাহী-দিনাজপুর অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল।
  4. ৩২. বাংলাদেশ থেকে পণ্য রপ্তানিতে শীর্ষদেশ কোনটি?
    • ক. ভারত
    • খ. চীন
    • গ. যুক্তরাজ্য
    • ঘ. যুক্তরাষ্ট্র
    উত্তর: ঘ. যুক্তরাষ্ট্র
    বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশ প্রধানত তৈরি পোশাক রপ্তানি করে, আর এই পণ্যের বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ভারত বা চীনে বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি তুলনায় অনেক কম, বরং ওই দুটি দেশ থেকে বাংলাদেশ বেশি পণ্য আমদানি করে।
    মনে রাখুন:
    রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশের বেশি আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে।
    বাংলাদেশের বড় আমদানি উৎস দেশ চীন ও ভারত।
    দেশের অন্য প্রধান রপ্তানি পণ্য: পাট ও পাটজাত দ্রব্য, চামড়া, হিমায়িত খাদ্য।
  5. ৪৩. পদ্মা সেতুর ১ম স্প্যান বসানোর দিন সেতু দৃশ্যমান হয় কোন তারিখে?
    • ক. ১ অক্টোবর ২০১৭
    • খ. ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭
    • গ. ২ অক্টোবর ২০১৭
    • ঘ. ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭
    উত্তর: খ. ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭
    পদ্মা সেতুর প্রথম স্প্যান বসানো হয় ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর। স্প্যান হলো পায়ারের ওপরের সেতুর অংশ। প্রথম স্প্যানটি ৩৭ ও ৩৮ নম্বর পায়ারের ওপর বসানোর পর সেতুর কাঠামো প্রথমবার চোখে পড়ে। প্রতিটি স্প্যান প্রায় ১৫০ মিটার লম্বা। এই তারিখের কাছাকাছি অন্য তারিখগুলো ঘটনার সঙ্গে মেলে না, তাই ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭-ই ঠিক।
    মনে রাখুন:
    পদ্মা সেতু মুন্সীগঞ্জের মাওয়া ও শরীয়তপুরের জাজিরাকে যুক্ত করেছে।
    সেতুটির দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
    এটি ২০২২ সালের ২৫ জুন যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়।
  6. ৪৪. ঢাকাকে সর্বপ্রথম রাজধানী ঘোষণা করা হয় কোন সালে?
    • ক. ১৭৬০
    • খ. ১৬১০
    • গ. ১৯০৫
    • ঘ. ১৬৭৮
    উত্তর: খ. ১৬১০
    মুঘল সুবাদার ইসলাম খান ১৬১০ সালে ঢাকাকে বাংলার রাজধানী ঘোষণা করেন। তখন এর নাম রাখা হয় জাহাঙ্গীরনগর, সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামে। এর আগে বাংলার রাজধানী ছিল রাজমহল। তাই ঢাকাকে সর্বপ্রথম রাজধানী ঘোষণার সাল ১৬১০, বাকি সালগুলো অন্য ঘটনার সঙ্গে জড়িত।
    মনে রাখুন:
    ঢাকা কয়েক দফায় রাজধানী হয়েছে: ১৬১০, ১৬৬০ (মীর জুমলার সময়), ১৯০৫ (বঙ্গভঙ্গের পর পূর্ববঙ্গ ও আসামের রাজধানী), ১৯৪৭ (পূর্ব পাকিস্তান) এবং ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের রাজধানী।
    ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ ১৯১১ সালে রদ হয়।
  7. ৬৪. বাংলাদেশের সংবিধানের অভিভাবক কে?
    • ক. রাষ্ট্রপতি
    • খ. সুপ্রীম কোর্ট
    • গ. প্রধানমন্ত্রী
    • ঘ. স্পীকার
    উত্তর: খ. সুপ্রীম কোর্ট
    বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টকে সংবিধানের অভিভাবক বলা হয়। সংবিধান দেশের সর্বোচ্চ আইন (৭ অনুচ্ছেদ), তাই সংবিধানের সঙ্গে অসংগত কোনো আইন বাতিল হয়। এই সিদ্ধান্ত নেয় সুপ্রিম কোর্ট। সংবিধানের ব্যাখ্যাও সুপ্রিম কোর্টই করে। রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের প্রধান, প্রধানমন্ত্রী সরকারের প্রধান এবং স্পিকার সংসদের সভাপতিত্ব করেন, তাই এই তিনজন সংবিধানের অভিভাবক নন।
    মনে রাখুন:
    সুপ্রিম কোর্টের দুটি বিভাগ: হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগ।
    সুপ্রিম কোর্ট সংক্রান্ত বিধান সংবিধানের ৬ষ্ঠ ভাগে (বিচার বিভাগ) আছে।
    সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন।
  8. ৬৬. কোন জেলার প্রাচীন নাম 'চন্দ্রদ্বীপ'?
    • ক. বরিশাল
    • খ. পটুয়াখালী
    • গ. ঝালকাঠি
    • ঘ. বরগুনা
    উত্তর: ক. বরিশাল
    বরিশাল অঞ্চলের প্রাচীন নাম চন্দ্রদ্বীপ। পরে এটি বাকলা নামেও পরিচিত ছিল এবং ব্রিটিশ আমলে বাকেরগঞ্জ নামে প্রশাসনিক জেলা ছিল। তাই বরিশাল জেলা বলতে প্রাচীন চন্দ্রদ্বীপের মূল এলাকাই বোঝানো হয়। পটুয়াখালী, ঝালকাঠি ও বরগুনা পরবর্তীকালে বরিশাল অঞ্চল থেকেই ভাগ হয়ে আলাদা জেলা হয়েছে।
    মনে রাখুন:
    বরিশালকে ‘বাংলার ভেনিস’ বলা হয়।
    বরিশাল বিভাগ ১৯৯৩ সালে গঠিত হয়।
    বরিশাল বিভাগে মোট ছয়টি জেলা আছে: বরিশাল, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, পটুয়াখালী, বরগুনা ও ভোলা।
  9. ৭৬. মহাস্থানগড় মৌর্য আমলে কী নামে পরিচিত ছিল?
    • ক. পানাম নগর
    • খ. পুণ্ড্রনগর
    • গ. পাতুয়া
    • ঘ. ভাসু বিহার
    উত্তর: খ. পুণ্ড্রনগর
    বগুড়ার মহাস্থানগড় প্রাচীনকালে পুণ্ড্রনগর বা পুণ্ড্রবর্ধন নামে পরিচিত ছিল। এটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগর-কেন্দ্রগুলোর একটি এবং মৌর্য আমলেও এর অস্তিত্ব ছিল, তার প্রমাণ এখানে পাওয়া ব্রাহ্মী অক্ষরের শিলালিপি। বাকি তিনটি নাম আলাদা জায়গার: পানাম নগর সোনারগাঁওয়ে, ভাসু বিহার মহাস্থানের কাছে বৌদ্ধ বিহার, আর পাতুয়া এই নগরের নাম নয়।
    মনে রাখুন:
    মহাস্থানগড় করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
    পাহাড়পুরের সোমপুর মহাবিহার নওগাঁয় অবস্থিত এবং এটি ইউনেসকো স্বীকৃত বিশ্ব ঐতিহ্য।
    পানাম নগর নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে।
  10. ৭৯. বাংলাদেশের জাতীয় টি-২০ ক্রিকেটের বর্তমান অধিনায়ক কে?
    • ক. সাকিব আল হাসান
    • খ. মাশরাফি বিন মুর্তজা
    • গ. তামিম ইকবাল
    • ঘ. মুশফিকুর রহিম
    উত্তর: ক. সাকিব আল হাসান
    পরীক্ষার সময় (২০১৮) সাকিব আল হাসান বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক ছিলেন, তাই প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে সাকিবই যথাযথ। তিনি ছিলেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারদের একজন। মাশরাফি বিন মুর্তজা তখন ওয়ানডে অধিনায়ক ছিলেন, আর বাকি দুজনের মধ্যে কেউ ওই সময়ে এই দায়িত্বে ছিলেন না।
    মনে রাখুন:
    ২০১৮ সালে এশিয়া কাপে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা।
    অলরাউন্ডার বলতে যিনি ব্যাটিং ও বোলিং দুটিতেই দক্ষ, তাঁকে বোঝায়।
    হালনাগাদ: পরবর্তী সময়ে টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব অন্যদের হাতে গেছে, তাই বর্তমান অধিনায়ক জানতে সর্বশেষ তথ্য দেখে নিতে হবে।
  11. ৯১. কোন দেশের সংবিধানে ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ রয়েছে?
    • ক. নেপাল
    • খ. ভারত
    • গ. কানাডা
    • ঘ. বাংলাদেশ
    উত্তর: ঘ. বাংলাদেশ
    বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ আছে। এর সঙ্গে আছে একটি প্রস্তাবনা এবং ১১টি ভাগ। ভারতের সংবিধান ৪৪৮ অনুচ্ছেদের এবং নেপালের ৩০৮ অনুচ্ছেদের। ভারত ও নেপালের সংবিধান অনেক বড়, আর কানাডার সংবিধান কোনো একক লিখিত দলিল নয়। তাই ১৫৩ অনুচ্ছেদ বলতে কেবল বাংলাদেশের সংবিধানকে বোঝানো হয়।
    মনে রাখুন:
    বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর কার্যকর হয়।
    সংবিধান গৃহীত হয় ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর।
    সংবিধানের প্রস্তাবনার পরে প্রথম ভাগে প্রজাতন্ত্র নিয়ে বলা আছে।

বিজ্ঞান

  1. ৩৩. ইউরিয়া সার থেকে উদ্ভিদ কোন খাদ্য গ্রহণ করে?
    • ক. অক্সিজেন
    • খ. কার্বন ডাইঅক্সাইড
    • গ. সালফার
    • ঘ. নাইট্রোজেন
    উত্তর: ঘ. নাইট্রোজেন
    ইউরিয়ার রাসায়নিক সংকেত CO(NH₂)₂ এবং এতে প্রায় ৪৬ শতাংশ নাইট্রোজেন থাকে। উদ্ভিদ বাতাস থেকে সরাসরি নাইট্রোজেন নিতে পারে না, তাই ইউরিয়া সার মাটিতে দিলে এটি থেকে নাইট্রোজেন পায়। নাইট্রোজেন পাতা সবুজ করতে এবং গাছের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইড গাছ প্রধানত বাতাস থেকে নেয়, আর সালফার ইউরিয়ার উপাদান নয়।
    মনে রাখুন:
    টিএসপি সারে ফসফরাস এবং এমওপি সারে পটাশিয়াম থাকে।
    গাছের তিনটি প্রধান পুষ্টি উপাদান: নাইট্রোজেন, ফসফরাস ও পটাশিয়াম।
    ফসফরাস শিকড় ও ফুল-ফলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
  2. ৩৮. যে গ্রহের তাপমাত্রা তুলনামূলকভাবে বেশি—
    • ক. বুধ
    • খ. মঙ্গল
    • গ. পৃথিবী
    • ঘ. শুক্র
    উত্তর: ঘ. শুক্র
    সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ বুধ, কিন্তু সবচেয়ে বেশি উত্তপ্ত গ্রহ শুক্র। শুক্রের বায়ুমণ্ডল ঘন কার্বন ডাইঅক্সাইডে ভরা, যা তাপ আটকে রেখে প্রবল গ্রিনহাউস প্রভাব তৈরি করে। তাই শুক্রের পৃষ্ঠের তাপমাত্রা প্রায় ৪৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বুধের বায়ুমণ্ডল প্রায় নেই বললেই চলে, ফলে সূর্যের দিকের অংশ গরম হলেও তাপ ধরে রাখা যায় না।
    মনে রাখুন:
    শুক্রকে ভোরের তারা ও সন্ধ্যাতারাও বলা হয়।
    শুক্র গ্রহ অন্য বেশির ভাগ গ্রহের উল্টো দিকে ঘোরে।
    সবচেয়ে বড় গ্রহ বৃহস্পতি।
  3. ৪৬. স্যাকারিন প্রস্তুত করা হয়—
    • ক. বেনজিন হতে
    • খ. ফেনল হতে
    • গ. কয়লা হতে
    • ঘ. টলুইন হতে
    উত্তর: ঘ. টলুইন হতে
    স্যাকারিন একটি কৃত্রিম মিষ্টি পদার্থ, যা আলকাতরার উপাদান টলুইন থেকে তৈরি। এটি চিনির চেয়ে কয়েকশ গুণ বেশি মিষ্টি, কিন্তু এতে কোনো খাদ্যগুণ নেই। তাই ডায়াবেটিসের রোগীরা চিনির বদলে এটি ব্যবহার করে থাকেন। বেনজিন ও ফেনল আলকাতরার অন্য উপাদান হলেও স্যাকারিনের সরাসরি কাঁচামাল টলুইন।
    মনে রাখুন:
    স্যাকারিনে কোনো ক্যালরি পাওয়া যায় না।
    আরেকটি কৃত্রিম মিষ্টি পদার্থ অ্যাসপারটেম।
    স্যাকারিন প্রথম আবিষ্কৃত হয় ১৮৭৯ সালে।
  4. ৫৮. কোন ধাতু স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তরল থাকে?
    • ক. তামা
    • খ. লোহা
    • গ. পারদ
    • ঘ. হীরা
    উত্তর: গ. পারদ
    পারদ (Mercury) একমাত্র ধাতু, যা সাধারণ তাপমাত্রায় তরল থাকে। তামা, লোহা ও হীরা কঠিন। এছাড়া হীরা ধাতু নয়, এটি কার্বনের একটি রূপ। পারদের গলনাঙ্ক খুব কম, প্রায় −৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, তাই ঘরের তাপমাত্রায় এটি গলিত অবস্থায় থাকে।
    মনে রাখুন:
    পারদ থার্মোমিটার ও ব্যারোমিটারে ব্যবহৃত হয়।
    ব্রোমিন একমাত্র তরল অধাতু।
    পারদের রাসায়নিক সংকেত Hg।
  5. ৬০. সংকর ধাতু পিতলের উপাদান—
    • ক. তামা ও নিকেল
    • খ. তামা ও দস্তা
    • গ. তামা ও সীসা
    • ঘ. তামা ও টিন
    উত্তর: খ. তামা ও দস্তা
    পিতল একটি সংকর ধাতু, যা তামা ও দস্তা (জিংক) মিশিয়ে তৈরি করা হয়। তামার সঙ্গে টিন মিশিয়ে তৈরি হয় ব্রোঞ্জ। অর্থাৎ পিতল ও ব্রোঞ্জের পার্থক্য হলো, একটিতে দস্তা থাকে এবং অন্যটিতে টিন থাকে। নিকেল বা সীসা পিতলের উপাদান নয়।
    মনে রাখুন:
    সংকর ধাতু সাধারণত মূল ধাতুর চেয়ে শক্ত হয়।
    স্টিল তৈরি হয় লোহা ও কার্বন মিশিয়ে।
    সোল্ডার বা ঝালাইয়ের ধাতু তৈরি হয় সীসা ও টিন মিশিয়ে।
  6. ৭৭. মাছ কোনটির সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায়?
    • ক. ত্বকের সাহায্যে
    • খ. ফুসফুসের সাহায্যে
    • গ. ফুলকার সাহায্যে
    • ঘ. গিলের সাহায্যে
    উত্তর: গ. ফুলকার সাহায্যে
    মাছ ফুলকার (Gill) সাহায্যে শ্বাস নেয়। পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন ফুলকার মধ্য দিয়ে রক্তে যায় এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড বেরিয়ে আসে। বেশির ভাগ মাছ ত্বক বা ফুসফুস দিয়ে নয়, প্রধানত ফুলকা দিয়েই শ্বাস নেয়। ‘গিল’ ফুলকার ইংরেজি নাম, তাই এটি আলাদা কোনো অঙ্গ নয়।
    মনে রাখুন:
    কৈ, শিং, মাগুরের মতো কিছু মাছ ফুলকার সঙ্গে অতিরিক্ত শ্বাস অঙ্গ ব্যবহার করে, আর ফুসফুসমাছ ফুসফুস দিয়ে শ্বাস নিতে পারে।
    ব্যাঙ ত্বক ও ফুসফুস, দুটি দিয়েই শ্বাস নেয়।
    তিমি ও ডলফিন মাছ নয়, তারা স্তন্যপায়ী এবং ফুসফুস দিয়ে শ্বাস নেয়।
  7. ৮৫. জৈব এসিড হলো—
    • ক. নাইট্রিক এসিড
    • খ. হাইড্রোক্লোরিক এসিড
    • গ. সালফিউরিক এসিড
    • ঘ. এসিটিক এসিড
    উত্তর: ঘ. এসিটিক এসিড
    অ্যাসিটিক অ্যাসিড (CH₃COOH) একটি জৈব অ্যাসিড, কারণ এতে কার্বক্সিল মূলক (−COOH) আছে। এটি ভিনেগারে থাকে। নাইট্রিক, হাইড্রোক্লোরিক ও সালফিউরিক অ্যাসিড খনিজ বা অজৈব অ্যাসিড, কারণ এগুলো খনিজ পদার্থ থেকে পাওয়া যায় এবং এদের গঠনে কার্বক্সিল মূলক নেই। জৈব অ্যাসিড সাধারণত প্রাণী বা উদ্ভিদ থেকে পাওয়া যায়।
    মনে রাখুন:
    জৈব অ্যাসিড: ফরমিক (পিঁপড়ার কামড়), সাইট্রিক (লেবু), ল্যাকটিক (দই)।
    অজৈব অ্যাসিডের সংকেত: HNO₃, HCl, H₂SO₄।
    জৈব অ্যাসিডে কার্বন থাকে এবং তাতে −COOH মূলক থাকে, যেমন HCOOH।

বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর: অন্যান্য পরীক্ষা

আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান

বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন