বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২। ৯৫টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। শুধু সাধারণ অংশ। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →ইংরেজি
- ১. Which is grammatically correct sentence?
- ক. Our examination hold on Sunday next.
- খ. Our examination will hold on Sunday next.
- গ. Our examination is going to be held on Sunday next.
- ঘ. Our examination holds on Sunday next.
উত্তর: গ. Our examination is going to be held on Sunday next.
কোনো অনুষ্ঠান বা পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়া বোঝাতে passive voice ব্যবহার হয়, কারণ পরীক্ষা নিজে কিছু করে না, তাকে অনুষ্ঠিত করা হয়। ‘Our examination is going to be held on Sunday next’ বাক্যে passive আছে এবং নিকট ভবিষ্যতের পরিকল্পনা প্রকাশ পেয়েছে। তাই এটি শুদ্ধ। বাকি তিনটিতে verb ‘hold’ active রূপে আছে, যা ভুল। তাছাড়া প্রথম বাক্যে hold-এর সঙ্গে কোনো auxiliary নেই, আর ‘holds’ বা ‘will hold’ বললে examination নিজেই কিছু ধরে রাখছে বলে মনে হয়।
উদাহরণ:
The match will be held tomorrow.
The meeting was held yesterday.
মনে রাখুন: Passive-এ verb-এর গঠন be + past participle। - ৮. English translation of the sentence. 'সকাল থেকে মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে।' is—.
- ক. It is raining cats and dogs since morning.
- খ. It is raining cats and dogs from the morning.
- গ. It has been raining cats and dogs since morning.
- ঘ. It had been raining cats and dogs since morning.
উত্তর: গ. It has been raining cats and dogs since morning.
বাংলা বাক্যে ‘সকাল থেকে… হচ্ছে’ বলতে বোঝানো হয়েছে, বৃষ্টি সকালে শুরু হয়েছে এবং এখনো চলছে। ইংরেজিতে এমন কাজ বোঝাতে Present Perfect Continuous Tense (পুরাঘটমান বর্তমান) ব্যবহার করা হয়। এই কালের গঠন হলো has/have been + verb-ing, আর নির্দিষ্ট সময়ের শুরু বোঝাতে since বসে। তাই সঠিক বাক্য: It has been raining cats and dogs since morning। প্রথম দুটি বাক্যে Present Continuous-এর সঙ্গে since বা from ব্যবহার করা ভুল, আর শেষ বাক্যের had been দিয়ে অতীতের কথা বোঝায়।
মনে রাখুন:
Since বসে সময়ের নির্দিষ্ট বিন্দুর আগে (since morning, since 2010)।
For বসে সময়ের পরিমাণের আগে (for two hours)।
‘Raining cats and dogs’ একটি idiom, মানে মুষলধারে বৃষ্টি। - ১৬. I study hard ____ I should fail in the examination.
- ক. or
- খ. so that
- গ. lest
- ঘ. unless
উত্তর: গ. lest
বাক্যের মানে হলো: ‘আমি কঠোর পরিশ্রম করি, যাতে পরীক্ষায় অকৃতকার্য না হই’। এমন ভয় বা আশঙ্কা থেকে সতর্কতা বোঝাতে lest ব্যবহার করা হয়। Lest-এর অর্থেই ‘না’ আছে, তাই এর পরে আলাদা not বসে না। এর পরের clause-এ সাধারণত should + verb থাকে, ঠিক যেমন বাক্যটিতে আছে: I study hard lest I should fail. অন্য অপশনগুলো এখানে মানে মেলায় না: or মানে ‘নতুবা’, so that মানে ‘যাতে’ (ইতিবাচক উদ্দেশ্য) আর unless মানে ‘যদি না’।
মনে রাখুন: Lest দিয়ে সতর্কতার বাক্য গঠনের নিয়ম হলো, প্রথম অংশ ইতিবাচক হয়, আর lest-এর পরের অংশে should বা সরাসরি verb-এর মূল রূপ বসে। উদাহরণ:
Walk carefully lest you should fall. - ১৭. Which word is incorrectly spelt?
- ক. headache
- খ. miser
- গ. recommend
- ঘ. resteurant
উত্তর: ঘ. resteurant
Restaurant (রেস্তোরাঁ) শব্দটি ফরাসি শব্দ থেকে এসেছে। বানানটি মনে রাখার উপায় হলো, শব্দের মাঝখানে aur আছে (rest-aur-ant), eu নয়। তাই ‘resteurant’ ভুল বানান। বাকি তিনটি বানান শুদ্ধ: headache (মাথাব্যথা), miser (কৃপণ) ও recommend (সুপারিশ করা)। বানানের প্রশ্নে চেনা শব্দেও এমন ছোট ভুল লুকিয়ে থাকে।
মনে রাখুন: Recommend শব্দে c একটি, m দুটি (re-com-mend)।
প্রায় একই ভুল হয় এই শব্দগুলোতে: Restaurant, Necessary (c একটি, ss দুটি), Occurrence (cc ও rr দুটি করে)।
আরও ভুল হয় এমন বানান: Definitely, Separate, Accommodation (cc ও mm দুটি করে)। - ২০. — Omar Khayyam is seldom born.
- ক. Only
- খ. The
- গ. A
- ঘ. An
উত্তর: ঘ. An
কোনো বিখ্যাত ব্যক্তির নাম দিয়ে ‘তাঁর মতো একজন মানুষ’ বোঝাতে সেই নামের আগে a বা an বসে। এখানে বক্তব্য হলো, ‘ওমর খৈয়ামের মতো একজন মানুষ কদাচিৎ জন্মায়’। Omar শব্দটি স্বরধ্বনি (O) দিয়ে শুরু, তাই article হবে an। The বসালে একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে বোঝাত, কিন্তু একজন মানুষ বারবার জন্মানোর কথা এখানে ওঠে না।
উদাহরণ:
A Newton is born once in centuries.
An Einstein is rarely seen.
মনে রাখুন: Proper noun-এর আগে a/an বসলে মানে হয় ‘সেই ধরনের একজন’। - ২৩. Choose the correct sentence :
- ক. He is used to work hard.
- খ. He is used to working hard.
- গ. He used to working hard.
- ঘ. He has used to work hard.
উত্তর: খ. He is used to working hard.
Be used to মানে ‘কিছুতে অভ্যস্ত থাকা’, আর এর পরে verb-এর সঙ্গে ing যুক্ত হয়। তাই ‘সে কঠোর পরিশ্রম করতে অভ্যস্ত’ ইংরেজিতে হয়: He is used to working hard। প্রথম বাক্যে used to-এর পরে work ব্যবহার করা ভুল হয়েছে। তৃতীয় বাক্যে used to-এর আগে be নেই, আর working এসেছে, তাই এটিও ভুল। চতুর্থ বাক্যে has used to কোনো নিয়মে নেই।
মনে রাখুন:
Used to + verb (মূল রূপ) = অতীতের অভ্যাস। উদাহরণ: He used to play football. (আগে খেলত, এখন খেলে না)
Be used to + verb-ing = বর্তমানে অভ্যস্ত। উদাহরণ: She is used to getting up early. - ২৭. What is the meaning of 'at one's fingertips'?
- ক. to take revenge
- খ. matter of shame
- গ. complete knowledge
- ঘ. injured finger
উত্তর: গ. complete knowledge
‘At one’s fingertips’ বাগধারার মানে কোনো বিষয় এত ভালো জানা বা এত হাতের কাছে থাকা যে প্রয়োজনের সময় সঙ্গে সঙ্গে বলা বা ব্যবহার করা যায়। বাংলায় একে আমরা ‘নখদর্পণে থাকা’ বলি। তাই complete knowledge সঠিক। অন্য অপশনের অর্থ আলাদা: to take revenge মানে প্রতিশোধ নেওয়া, matter of shame মানে লজ্জার বিষয় আর injured finger মানে আহত আঙুল।
উদাহরণ:
The teacher has all the dates at his fingertips.
মনে রাখুন: একই ধরনের বাগধারা, At one’s wit’s end (দিশেহারা হওয়া), At a loss (কিংকর্তব্যবিমূঢ়)। - ৩০. The complex form of the sentence, 'But for your help, I could not prosper in life.' is—
- ক. Though you did not help I could prosper in life.
- খ. Though you helped me I could not prosper in life.
- গ. If you did not help me I could not prosper in life.
- ঘ. Without your help I could not prosper in life.
উত্তর: গ. If you did not help me I could not prosper in life.
Complex sentence-এ একটি মূল clause ও এক বা একাধিক আশ্রিত clause থাকে। ‘But for your help’ একটি Phrase, যার অর্থ ‘তোমার সাহায্য না পেলে’। একে clause-এ ভাঙতে If দিয়ে শর্তের clause গঠন করতে হয়: If you did not help me, I could not prosper in life। অপশন ঘ (Without your help…) একটি Simple sentence, কারণ এতে Without… phrase আছে, clause নেই। অপশন ক ও খ-এ Though (যদিও) বসেছে, যা অর্থ বদলে দেয়।
মনে রাখুন:
But for = Without = If it were not for।
উদাহরণ: But for the rain, we would have gone out. = If it had not rained, we would have gone out. - ৩২. Who does not belong to Romantic Period of English Literature?
- ক. William Wordsworth
- খ. John Keats
- গ. P.B. Shelley
- ঘ. William Shakespeare
উত্তর: ঘ. William Shakespeare
ইংরেজি সাহিত্যের রোমান্টিক যুগ (Romantic Period) আনুমানিক ১৭৯৮ থেকে ১৮৩২ সাল পর্যন্ত। কল্পনা, প্রকৃতিপ্রেম ও আবেগের প্রাধান্য ছিল এ যুগের কবিতার বৈশিষ্ট্য। ওয়ার্ডসওয়ার্থ, কিটস ও শেলি এই যুগের কবি। উইলিয়াম শেক্সপিয়র কিন্তু এলিজাবেথীয় যুগের (Elizabethan Age) নাট্যকার ও কবি, তাই তিনি এই তালিকার বাইরে।
মনে রাখুন:
রোমান্টিক যুগের অন্যান্য কবি: কোলরিজ, বায়রন, ব্লেক, স্কট।
১৭৯৮ সালে ওয়ার্ডসওয়ার্থ ও কোলরিজের ‘Lyrical Ballads’ প্রকাশের মাধ্যমে এ যুগের সূচনা ধরা হয়।
শেক্সপিয়রের নাটক: Hamlet, Othello, Macbeth, King Lear (চারটি মহান ট্র্যাজেডি)। - ৩৮. Black will take no other—.
- ক. cream
- খ. dirt
- গ. hue
- ঘ. form
উত্তর: গ. hue
‘Black will take no other hue’ প্রবাদটির বাংলা অর্থ ‘কয়লা ধুলেও ময়লা যায় না’। এখানে hue মানে রঙ। কালো রঙে অন্য কোনো রঙ ধরে না, তেমনি খারাপ স্বভাবের মানুষকে যত চেষ্টাই করা হোক, সে বদলায় না। অন্য শব্দগুলোর অর্থ: cream মানে সর (বা হালকা হলুদ রঙ), dirt মানে ময়লা আর form মানে আকৃতি, কোনোটিই এই প্রবাদের সঙ্গে খাপ খায় না।
মনে রাখুন:
Hue-এর সমার্থক শব্দ colour, shade, tint।
একই অর্থের আরেকটি প্রবাদ: A leopard cannot change its spots. - ৪০. Which of the following is not a verb?
- ক. threaten
- খ. worsen
- গ. flatter
- ঘ. bounden
উত্তর: ঘ. bounden
Threaten (হুমকি দেওয়া), worsen (আরও খারাপ করা বা হওয়া) ও flatter (তোষামোদ করা) তিনটিই verb। Bounden কিন্তু বর্তমানে verb হিসেবে ব্যবহার হয় না। এটি পুরোনো ইংরেজি ধরনের বিশেষণ, যার মানে ‘অবশ্যপালনীয়’, যেমন bounden duty (অবশ্য কর্তব্য)। শব্দের শেষে -en দেখে verb ধরে নিলে এখানে ভুল হয়।
মনে রাখুন:
Bind-এর past participle bound।
-en প্রত্যয় যোগ করে বিশেষণ থেকে verb তৈরি হয়: wide → widen, deep → deepen, short → shorten।
উদাহরণ: It is my bounden duty to help you.
উদাহরণ: The situation may worsen soon. He flatters his boss. - ৪৪. 'Frailty, thy name is woman.' Here 'Frailty' is—.
- ক. a symbol
- খ. a metaphor
- গ. a conceit
- ঘ. a personification
উত্তর: ঘ. a personification
‘Frailty, thy name is woman’ বাক্যটি শেক্সপিয়রের Hamlet নাটকের উক্তি। এখানে Frailty (দুর্বলতা) একটি ভাবধারণা, কিন্তু তাকে কাউকে সম্বোধন করে বলা হচ্ছে, যেন সে একজন জীবন্ত মানুষ। কোনো নিষ্প্রাণ বস্তু বা ধারণাকে মানুষের মতো আচরণ করানোকে অলংকারশাস্ত্রে Personification (মানবীকরণ) বলে। তাই উত্তর personification। Metaphor হলে একটি জিনিসের সঙ্গে অন্যটির সরাসরি তুলনা থাকত, আর symbol হলে সেটি কোনো বিমূর্ত ধারণার প্রতীক হতো।
উদাহরণ:
Death knocked at the door.
মনে রাখুন: Hamlet-এর আরেকটি বিখ্যাত উক্তি: ‘To be or not to be’। - ৪৬. 'Narcissism' means —.
- ক. arrogance
- খ. graceful
- গ. self-effacing
- ঘ. dignity
উত্তর: ক. arrogance
Narcissism শব্দের মানে অতিরিক্ত আত্মমুগ্ধতা বা নিজের রূপ-গুণ নিয়ে অহংকার। গ্রিক পুরাণের নার্সিসাস নামের যুবক পানিতে নিজের ছায়া দেখে মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিল, সেই গল্প থেকেই শব্দটির জন্ম। অপশনগুলোর মধ্যে arrogance (ঔদ্ধত্য, অহংকার) অর্থে সবচেয়ে কাছাকাছি। বাকিগুলোর অর্থ: graceful মানে মার্জিত বা সুন্দর, self-effacing মানে বিনয়ী, নিজেকে আড়ালে রাখে এমন, আর dignity মানে মর্যাদা। Narcissist হলো সেই ব্যক্তি, যে নিজেকে নিয়েই মুগ্ধ থাকে।
মনে রাখুন: Narcissism-এর বিপরীত অর্থের কাছাকাছি শব্দ humility (বিনয়), modesty (নম্রতা)।
Arrogance-এর মতোই haughtiness ও conceit শব্দও অহংকার বোঝায়।
Narcissus নামে একটি ফুলও আছে, বাংলায় যাকে নার্গিস বলা হয়। - ৫৮. 'Antonym of 'benign' is —.
- ক. beneficial
- খ. peaceful
- গ. blessed
- ঘ. malignant
উত্তর: ঘ. malignant
Benign মানে সদাশয়, অমায়িক, কিংবা চিকিৎসার ভাষায় ক্ষতিকর নয় এমন। এর বিপরীত শব্দ malignant, যার অর্থ ক্ষতিকর, বিদ্বেষপূর্ণ বা মারাত্মক। ক্যান্সারের ক্ষেত্রে malignant tumour মানে ছড়িয়ে পড়ে এমন বিপজ্জনক টিউমার। অন্য অপশনগুলো benign-এর কাছাকাছি অর্থ বহন করে: beneficial মানে উপকারী, peaceful মানে শান্তিপূর্ণ আর blessed মানে ধন্য।
মনে রাখুন:
Benign tumour = ক্ষতিহীন টিউমার, malignant tumour = ক্যান্সারজনিত টিউমার।
Benevolent মানে হিতৈষী, আর এর বিপরীত malevolent (অহিতকারী)।
আরও বিপরীত শব্দ: generous ↔ stingy, ancient ↔ modern।
Benign শব্দের মূল ল্যাটিন, আর এর অর্থ মূলত ভালো প্রকৃতির, তাই শব্দটি মানুষের স্বভাব বর্ণনায়ও চলে, যেমন: a benign smile (স্নেহভরা হাসি)। - ৬৮. Give me a pen to write —.
- ক. with
- খ. to
- গ. for
- ঘ. on
উত্তর: ক. with
Write ক্রিয়ার সঙ্গে ‘যা দিয়ে লেখা হয়’ বোঝাতে with বসে। এখানে কলম দিয়ে লেখা হবে, অর্থাৎ pen হলো লেখার যন্ত্র বা উপায়, তাই Give me a pen to write with। Preposition সাধারণত বাক্যের শেষ অংশে থেকে যায়, কারণ এটি to write-এর object (a pen)-এর সঙ্গে সম্পর্কিত। একইভাবে chair to sit on, house to live in।
উদাহরণ:
He has no pencil to write with.
She needs a friend to talk to.
মনে রাখুন: With বসে হাতিয়ার বা সঙ্গ বোঝালে, আর by বসে কর্তা বা মাধ্যম বোঝালে (written by Tagore, go by bus)। - ৬৯. A burnt child dreads the fire. Here 'burnt' is a/an—.
- ক. finite verb
- খ. gerund
- গ. present participle
- ঘ. past participle
উত্তর: ঘ. past participle
‘A burnt child dreads the fire’ বাক্যে burnt শব্দটি child (শিশু) নামের noun-এর বিশেষণের মতো কাজ করছে। এ কাজটি করা শব্দটি Burn ক্রিয়ার Past Participle (V3) রূপ, যার মানে ‘পুড়ে যাওয়া’। Finite verb হলে বাক্যে কর্তার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত ক্রিয়া হতো, কিন্তু এখানে ক্রিয়া dreads। Present participle হলে burning হতো, আর gerund-ও verb + ing রূপে আসে।
মনে রাখুন:
Past participle বিশেষণের মতো ব্যবহার হলে participial adjective বলা হয়। উদাহরণ: a broken window, a fallen leaf।
প্রবাদটির অর্থ: ঠেকে শিখলে মানুষ সাবধান হয়। - ৭০. The adjective form of the word 'people' is—.
- ক. popularity
- খ. popularly
- গ. popularize
- ঘ. populous
উত্তর: ঘ. populous
People (মানুষজন) শব্দের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত বিশেষণ হিসেবে অপশনগুলোর মধ্যে populous সবচেয়ে মানানসই, যার অর্থ ‘জনবহুল’ বা অনেক মানুষের বাস রয়েছে এমন (a populous city)। Popularity হলো noun (জনপ্রিয়তা), popularly হলো adverb (জনপ্রিয়ভাবে) আর popularize হলো verb (জনপ্রিয় করা)। তাই অপশনের মধ্যে একমাত্র adjective হলো populous। ইংরেজিতে -ous প্রত্যয় যোগে adjective তৈরি হয়: danger → dangerous, fame → famous।
মনে রাখুন:
Popular (adjective) = জনপ্রিয়।
Population (noun) = জনসংখ্যা।
Populate (verb) = বসতি স্থাপন করা।
উদাহরণ: Dhaka is one of the most populous cities in the world. - ৭৩. The verb form of the word 'milk' is—.
- ক. milky
- খ. milk
- গ. milker
- ঘ. milkshake
উত্তর: খ. milk
ইংরেজিতে অনেক শব্দ noun ও verb দুই রূপেই ব্যবহার হয়, বানানে কোনো পরিবর্তন হয় না। Milk শব্দটি noun হিসেবে মানে দুধ, আর verb হিসেবে মানে দুধ দোহন করা (to milk a cow)। কখনো এর ভাবার্থে সুবিধা আদায় করে নেওয়াও বোঝায়, যেমন to milk someone of money। Milky হলো adjective (দুধের মতো), আর milker হলো noun (দুধ দোহনকারী)।
উদাহরণ:
She milks the cow every morning.
মনে রাখুন: একই বানানে noun-verb শব্দের উদাহরণ: water, book, plant, hand, face।
Water শব্দের noun রূপ পানি, আর verb রূপ জল দেওয়া। - ৭৫. The problem is anything but easy. Here 'but' is a/an—.
- ক. preposition
- খ. adjective
- গ. conjunction
- ঘ. adverb
উত্তর: ক. preposition
The problem is anything but easy বাক্যে but শব্দটি ‘except’ (ছাড়া) অর্থে নয়, বরং ‘anything but’ মিলিয়ে ‘মোটেও নয়’ অর্থ দিচ্ছে। এখানে but-এর পরে easy নামের শব্দ বসেছে, যা তার object-এর মতো কাজ করে, ফলে but এখানে preposition। ‘Anything but easy’ মানে মোটেই সহজ নয়। অন্যদিকে but যখন দুটি clause বা বাক্যকে যুক্ত করে, তখন সেটি conjunction।
উদাহরণ:
Everyone but Rina came. (but = except, preposition)
He is poor but honest. (but = conjunction)
মনে রাখুন: Nothing but, all but, anything but এ রকম ছোট বাক্যাংশে but প্রায়ই preposition হিসেবে কাজ করে। - ৭৮. Look — the word in the dictionary.
- ক. after
- খ. up
- গ. into
- ঘ. for
উত্তর: খ. up
Dictionary-তে কোনো শব্দ খোঁজা বোঝাতে phrasal verb হলো look up, যার মানে অভিধান বা তালিকায় খুঁজে দেখা। তাই Look up the word in the dictionary। অন্য অপশনগুলোর অর্থ: look after মানে দেখাশোনা করা, look into মানে তদন্ত করা, আর look for মানে অনুসন্ধান করা বা খোঁজা।
উদাহরণ:
She looks after her sick mother.
The police are looking into the case.
মনে রাখুন: Look up to মানে শ্রদ্ধা করা, look down on মানে অবজ্ঞা করা, look out মানে সাবধান হওয়া। - ৮১. 'Paradise Lost' is —.
- ক. a satire
- খ. a tragedy
- গ. a ballad
- ঘ. an epic
উত্তর: ঘ. an epic
‘Paradise Lost’ (১৬৬৭) ইংরেজ কবি জন মিল্টনের লেখা একটি মহাকাব্য (Epic)। এটি blank verse-এ লেখা, মোট ১২টি খণ্ডে, আর কাহিনির বিষয় শয়তানের বিদ্রোহ এবং আদম-হাওয়ার স্বর্গ থেকে পতন। মিল্টন কাব্যের শুরুতে বলেছেন, তিনি ‘Justify the ways of God to men’ করতে চান। এটি ballad (লোকগাথা) নয়, satire (ব্যঙ্গ) নয় বা tragedy (নাটক)ও নয়।
মনে রাখুন:
মিল্টনের আরও রচনা: ‘Paradise Regained’, ‘Samson Agonistes’, ‘Lycidas’।
মিল্টন শেষজীবনে অন্ধ হয়ে গিয়েছিলেন।
‘Paradise Lost’ শুরু হয় ‘Of Man's first disobedience’ পঙ্ক্তি দিয়ে।
মহাকাব্যের আরেক উদাহরণ: হোমারের Iliad ও Odyssey। - ৮২. Choose the correct indirect speech of the sentence : My friend said to me, "Let's leave the place."
- ক. My friend proposed to me that they should leave the place.
- খ. My friend wished me that we might leave the place.
- গ. My friend suggested that I should leave the place.
- ঘ. My friend proposed to me that we should leave the place.
উত্তর: ঘ. My friend proposed to me that we should leave the place.
‘Let’s’ দিয়ে শুরু হওয়া উক্তি প্রস্তাব বোঝায়। Indirect speech-এ এ ধরনের বাক্যে reporting verb said to হয়ে যায় proposed to বা suggested, আর that যুক্ত হয়ে পরের clause-এ should বসে। Let us বা Let’s-এর মধ্যে বক্তা ও শ্রোতা উভয়ই আছে, তাই সর্বনাম হবে we। অতএব সঠিক রূপ: My friend proposed to me that we should leave the place। প্রথম অপশনে they বসানো ভুল, আর তৃতীয় অপশনে I বসানো ভুল, কারণ কাজটি দুজনের।
উদাহরণ:
He said to me, “Let us go.” → He proposed to me that we should go. - ৮৩. Choose the correct passive form of, 'Don't make a mistake about me.'
- ক. Let a mistake be not made about me.
- খ. A mistake is not made about me.
- গ. I should not be made a mistake.
- ঘ. Let not a mistake be made about me.
উত্তর: ঘ. Let not a mistake be made about me.
Imperative sentence-এ নিষেধ থাকলে (Don’t…) তার passive গঠিত হয় Let not + object + be + past participle দিয়ে। এখানে ‘Don’t make a mistake about me’-এর object হলো a mistake, তাই passive হবে: Let not a mistake be made about me। প্রথম অপশনে not ভুল জায়গায় (let a mistake be not made) বসেছে। দ্বিতীয় অপশন সাধারণ বর্তমান কালের passive, আদেশের অর্থ থাকেনি। তৃতীয় অপশনের গঠন ব্যাকরণসম্মত নয়।
উদাহরণ:
Do not open the door. → Let not the door be opened.
মনে রাখুন: Do + verb আদেশের বাক্যের passive-এ Let + object + be + V3। - ৮৯. Everyone — to prevent COVID-19.
- ক. vaccinates
- খ. should be vaccinated
- গ. should vaccinate
- ঘ. must vaccinate
উত্তর: খ. should be vaccinated
বাক্যটির অর্থ ‘প্রত্যেকের কোভিড-১৯ প্রতিরোধে টিকা নেওয়া উচিত’। টিকা মানুষ নেয় বা তাকে দেওয়া হয়, অর্থাৎ কর্তা (Everyone) এখানে কাজটি গ্রহণ করে, নিজে করে না। কর্তা যখন কাজের ফল ভোগ করে, তখন বাক্যটি passive voice (কর্মবাচ্য) হয়। উচিত বোঝাতে modal verb ‘should’ বসে, আর তারপর be ও ক্রিয়ার তৃতীয় রূপ আসে, তাই should be vaccinated। অন্য অপশনগুলো active, ফলে সেগুলোতে ‘প্রত্যেকে অন্যকে টিকা দেবে’ অর্থ দাঁড়ায়, যা বাক্যের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মেলে না।
উদাহরণ: Homework should be done on time.
মনে রাখুন:
Modal + be + V3 হলো modal-এর passive কাঠামো।
অন্য modal-এর passive: can be done, must be done, will be done, may be done। - ৯২. Choose the appropriate preposition : Seven government colleges are affiliated — the University of Dhaka.
- ক. for
- খ. with
- গ. under
- ঘ. in
উত্তর: খ. with
Affiliate ক্রিয়ার সঙ্গে সাধারণত with বা to বসে। কোনো কলেজ বা প্রতিষ্ঠান বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সংযুক্ত থাকলে বলা হয় affiliated with, তাই বাক্যটি হবে Seven government colleges are affiliated with the University of Dhaka। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সাতটি সরকারি কলেজ যুক্ত, এটাই বাক্যের অর্থ। For, under ও in এখানে affiliated-এর পরে স্বাভাবিকভাবে বসে না। Affiliation (নাম) শব্দের অর্থ অনুমোদন বা সংযুক্তি, আর affiliated college মানে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদনপ্রাপ্ত কলেজ।
উদাহরণ: This school is affiliated with the national board.
মনে রাখুন: কিছু বাঁধা preposition:
Associated with, connected with।
Married to, engaged to।
Interested in, proud of, familiar with।
আন্তর্জাতিক
- ২. UNHCR-এর সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
- ক. নিউ ইয়র্ক
- খ. রোম
- গ. জেনেভা
- ঘ. লন্ডন
উত্তর: গ. জেনেভা
UNHCR-এর পূর্ণরূপ United Nations High Commissioner for Refugees, জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর। ১৯৫০ সালের ১৪ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থার সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়। জাতিসংঘের সদর দপ্তর নিউইয়র্কে হলেও অনেক সংস্থার সদর দপ্তর জেনেভায়। তাই নিউইয়র্ক, রোম বা লন্ডন নয়, জেনেভাই উত্তর। এই সংস্থা শরণার্থীদের আশ্রয় ও নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করে। শরণার্থী (Refugee) বলতে সেই মানুষদের বোঝায়, যাঁরা যুদ্ধ, নির্যাতন বা বিপদের কারণে নিজের দেশ ছেড়ে অন্য দেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন। বাংলাদেশে বসবাসরত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিষয়েও এই সংস্থা কাজ করে।
মনে রাখুন:
UNHCR ১৯৫৪ ও ১৯৮১ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পায়।
WHO-এর সদর দপ্তরও জেনেভায়। - ১০. 'COP-26' অনুষ্ঠিত হয়েছে—
- ক. Glasgow
- খ. London
- গ. Paris
- ঘ. Hague
উত্তর: ক. Glasgow
জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক বার্ষিক সম্মেলনের নাম COP (Conference of the Parties), অর্থাৎ পক্ষসমূহের সম্মেলন। এর ২৬তম আসর বসেছিল ২০২১ সালের ৩১ অক্টোবর থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো শহরে। করোনার কারণে এক বছর পিছিয়ে এটি হয়েছিল, আর সম্মেলনে কয়লার ব্যবহার ধাপে ধাপে কমানোর কথা প্রথমবার চুক্তির ভাষায় আসে।
মনে রাখুন:
COP-21 (২০১৫) প্যারিসে, যেখানে প্যারিস চুক্তি হয়।
COP-27 (২০২২) মিসরের শারম আল-শেখে।
COP-28 (২০২৩) দুবাইয়ে।
COP-30 (২০২৫) ব্রাজিলের বেলেমে।
প্যারিস চুক্তির লক্ষ্য বৈশ্বিক উষ্ণতা শিল্পবিপ্লবের আগের তুলনায় 2°C-এর অনেক নিচে, সম্ভব হলে 1.5°C-এর মধ্যে রাখা। - ১১. জাতিসংঘ কোন বছর প্রতিষ্ঠিত হয়?
- ক. ১৯৪১ সালে
- খ. ১৯৪৫ সালে
- গ. ১৯৪৮ সালে
- ঘ. ১৯৪৯ সালে
উত্তর: খ. ১৯৪৫ সালে
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা দেখে বিশ্বে স্থায়ী শান্তি রক্ষার জন্য জাতিসংঘ (United Nations) গঠিত হয়। ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘের সনদ কার্যকর হয় এবং প্রতিষ্ঠাকালে এর সদস্য ছিল ৫১টি দেশ। এ কারণে প্রতিবছর ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ দিবস পালন করা হয়।
মনে রাখুন:
সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে।
বর্তমান সদস্যরাষ্ট্র ১৯৩টি।
দাপ্তরিক ভাষা ৬টি: ইংরেজি, ফরাসি, রুশ, চীনা, স্প্যানিশ ও আরবি।
বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হয়।
জাতিসংঘের পূর্বসূরি সংগঠন ছিল লীগ অব নেশনস (১৯২০)।
জাতিসংঘের প্রধান ছয়টি অঙ্গ: সাধারণ পরিষদ, নিরাপত্তা পরিষদ, অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ, ট্রাস্টিশিপ পরিষদ, আন্তর্জাতিক বিচারালয় ও সচিবালয়। - ৫৫. Who is the author of 'India Wins Freedom'?
- ক. Jawaharlal Nehru
- খ. Abul Kalam Azad
- গ. Muhammad Ali Jinnah
- ঘ. Liaquat Ali Khan
উত্তর: খ. Abul Kalam Azad
‘India Wins Freedom’ (১৯৫৯) মৌলানা আবুল কালাম আজাদের আত্মজীবনীমূলক বই। তিনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের একজন শীর্ষ নেতা ও স্বাধীন ভারতের প্রথম শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন। বইটিতে ভারত স্বাধীনতার আগের রাজনীতি, বিশেষ করে দেশবিভাগের পটভূমি তুলে ধরা হয়েছে। জওহরলাল নেহরুর বিখ্যাত বই ‘The Discovery of India’।
মনে রাখুন:
আজাদের জন্মদিন ১১ নভেম্বর ভারতে জাতীয় শিক্ষা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
জিন্নাহ ছিলেন মুসলিম লীগের নেতা এবং পাকিস্তানের প্রথম গভর্নর জেনারেল।
লিয়াকত আলী খান পাকিস্তানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী।
আজাদ ‘আল-হিলাল’ নামে একটি উর্দু পত্রিকা সম্পাদনা করতেন।
তিনি ১৯৫৮ সালে মারা যান। - ৮৮. বিশ্বকাপ ফুটবলে সবচেয়ে বেশি চ্যাম্পিয়ন হয়েছে কোন দেশ?
- ক. আর্জেন্টিনা
- খ. ব্রাজিল
- গ. ইতালি
- ঘ. ফ্রান্স
উত্তর: খ. ব্রাজিল
বিশ্বকাপ ফুটবলে এ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশিবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ব্রাজিল। তারা পাঁচবার শিরোপা জিতেছে: ১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৭০, ১৯৯৪ ও ২০০২ সালে। মজার ব্যাপার হলো, ব্রাজিলই একমাত্র দেশ, যারা প্রতিটি বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলেছে। ইতালি ও জার্মানি জিতেছে চারবার করে, আর আর্জেন্টিনা ২০২২ সালে তৃতীয় শিরোপা জেতে। ফ্রান্সের সাফল্য ১৯৯৮ ও ২০১৮ সালে।
মনে রাখুন:
প্রথম বিশ্বকাপ হয় ১৯৩০ সালে উরুগুয়েতে এবং প্রথম চ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ে।
ব্রাজিলের কিংবদন্তি পেলে তিনটি বিশ্বকাপ (১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৭০) জিতেছেন।
ইংল্যান্ড একবারই চ্যাম্পিয়ন হয়েছে, ১৯৬৬ সালে।
হালনাগাদ: ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেন আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা জেতে, কিন্তু ব্রাজিলের পাঁচ শিরোপার রেকর্ড এখনো সবচেয়ে বেশি। - ৯৫. WHO-এর সদর দপ্তর কোন শহরে অবস্থিত?
- ক. প্যারিস
- খ. টোকিও
- গ. জেনেভা
- ঘ. নিউইয়র্ক
উত্তর: গ. জেনেভা
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization, WHO) জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা, যা জনস্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করে। এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে। সংস্থাটির সংবিধান ১৯৪৮ সালের ৭ এপ্রিল কার্যকর হয়, তাই প্রতিবছর ৭ এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত হয়। জাতিসংঘের মূল সদর দপ্তর অবশ্য নিউইয়র্কে, কিন্তু অনেক বিশেষায়িত সংস্থা জেনেভায় কাজ করে।
মনে রাখুন:
বর্তমান মহাপরিচালক ইথিওপিয়ার টেড্রোস আধানম গেব্রেয়েসুস।
WHO-এর দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় আঞ্চলিক কার্যালয় ভারতের নয়াদিল্লিতে।
ইউনেস্কোর সদর দপ্তর প্যারিসে, আর ইউনিসেফের সদর দপ্তর নিউইয়র্কে।
আইএলও (ILO) এবং বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (WTO) সদর দপ্তরও জেনেভায়।
গণিত
- ৩. log₂8 + (3/2) log₃ ∛9 -এর মান—
- ক. 1
- খ. 2
- গ. 3
- ঘ. 4
উত্তর: ঘ. 4
প্রথমে প্রতিটি পদ আলাদাভাবে সরল করি। log₂8 = log₂2³ = 3 log₂2 = 3, কারণ log₂2 = 1।
পরের পদে ∛9 = 9^(1/3) = (3²)^(1/3) = 3^(2/3), তাই log₃ ∛9 = (2/3) log₃3 = 2/3।
এখন (3/2) × (2/3) = 1।
অতএব মান = 3 + 1 = 4।
শর্টকাট: যেকোনো সংখ্যার ঘাত নামিয়ে আনলে লগের হিসাব সহজ হয়। এখানে 8 = 2³ এবং 9 = 3² ভেবে নিলেই ঘাতগুলো সামনে চলে আসে।
মনে রাখুন:
log_a(a) = 1 এবং log(xⁿ) = n·log x।
log_a(a^n) = n। - ৪. কোন সংখ্যার পাঁচগুণের সাথে ২ যোগ করলে যোগফল ঐ সংখ্যার চারগুণ হতে ৮ বেশি হবে?
- ক. ৬
- খ. ৮
- গ. ১০
- ঘ. ১২
উত্তর: ক. ৬
সংখ্যাটি x ধরি। শর্ত অনুযায়ী পাঁচগুণের সঙ্গে ২ যোগ করলে হয় 5x + 2, আর চারগুণ থেকে ৮ বেশি হলে হয় 4x + 8। তাই 5x + 2 = 4x + 8।
এখন x-এর পদগুলো এক পাশে আনলে 5x − 4x = 8 − 2।
তাহলে x = 6।
যাচাই: পাঁচগুণ = 30, ২ যোগ করলে 32। আর চারগুণ = 24, ৮ বেশি হলে 32। দুদিকে মিলেছে।
শর্টকাট: দুই পক্ষের x-এর গুণকের ব্যবধান ১, আর ধ্রুবকের ব্যবধান ৮ − ২ = ৬। তাই x = 6।
মনে রাখুন: এ ধরনের সমস্যায় সংখ্যাকে x ধরে সমীকরণ গঠন করাই সহজ উপায়। - ১২. ABC ত্রিভুজের AB ও AC বাহুর মধ্যবিন্দুদ্বয় যথাক্রমে E ও F, EBCF চতুর্ভুজটি একটি—
- ক. আয়তক্ষেত্র
- খ. বর্গক্ষেত্র
- গ. রম্বস
- ঘ. ট্র্যাপিজিয়াম
উত্তর: ঘ. ট্র্যাপিজিয়াম
ত্রিভুজের দুই বাহুর মধ্যবিন্দু যোগ করলে যে রেখাংশ পাওয়া যায়, সেটি তৃতীয় বাহুর সমান্তরাল এবং তার অর্ধেক। এখানে E ও F যথাক্রমে AB ও AC-এর মধ্যবিন্দু, তাই EF ∥ BC এবং EF = ½BC। চতুর্ভুজ EBCF-এর একজোড়া বিপরীত বাহু (EF ও BC) সমান্তরাল, কিন্তু সমান নয়। যে চতুর্ভুজের কেবল একজোড়া বিপরীত বাহু সমান্তরাল, তাকে ট্র্যাপিজিয়াম বলে। অন্য তিনটি আকৃতিতে দুই জোড়া বিপরীত বাহুই সমান্তরাল হতে হয়, তাই সেগুলো এখানে হবে না।
মনে রাখুন:
মধ্যবিন্দু উপপাদ্য: দুই বাহুর মধ্যবিন্দুর সংযোজক রেখা তৃতীয় বাহুর সমান্তরাল ও অর্ধেক।
ট্র্যাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল = ½ × (সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের যোগফল) × উচ্চতা। - ১৩. √0.01 × √0.0001 = কত?
- ক. 0.001
- খ. 0.01
- গ. 0.1
- ঘ. 1.0
উত্তর: ক. 0.001
বর্গমূল বের করার সুবিধার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ভগ্নাংশে লিখি: 0.01 = 1/100 এবং 0.0001 = 1/10000। তাহলে √0.01 = 1/10 = 0.1 এবং √0.0001 = 1/100 = 0.01।
গুণফল = 0.1 × 0.01 = 0.001।
অন্যভাবেও করা যায়: √0.01 × √0.0001 = √(0.01 × 0.0001) = √0.000001 = 0.001।
মনে রাখুন:
দশমিকের পরে অঙ্কসংখ্যা জোড় হলে বর্গমূলে তার অর্ধেকসংখ্যক অঙ্ক থাকে।
√a × √b = √(ab) সূত্রটি এখানে কাজে লাগে।
0.1 × 0.1 = 0.01, তাই √0.01 = 0.1 যাচাই করলেও মেলে।
√(ab) = √a × √b সূত্রটি শুধু a ≥ 0 ও b ≥ 0 হলে খাটে। - ১৪. S = {x ∈ R : x একটি মৌলিক সংখ্যা এবং x² < 64} একটি সেট। নিচের কোনটি সঠিক?
- ক. S = {2, 3, 5, 7}
- খ. {2, 3, 4, 5, 7}
- গ. {2, 3, 5, 6, 7}
- ঘ. {1, 2, 3, 4, 5}
উত্তর: ক. S = {2, 3, 5, 7}
প্রথমে দেখতে হবে x-এর কোন মানগুলো শর্ত মানে। x² < 64 হলে |x| < 8, অর্থাৎ x ধনাত্মক হলে 8-এর ছোট। 8-এর ছোট মৌলিক সংখ্যা হলো 2, 3, 5 ও 7। যাচাই: 2² = 4, 3² = 9, 5² = 25, 7² = 49, সবই 64-এর ছোট। কিন্তু পরের মৌলিক সংখ্যা 11-এর বর্গ 121, যা 64-এর বড়। আর 4 ও 6 মৌলিক নয়, 1-ও মৌলিক সংখ্যা নয়। তাই S = {2, 3, 5, 7}।
মনে রাখুন:
মৌলিক সংখ্যা হলো এমন সংখ্যা, যার ঠিক দুটি গুণনীয়ক আছে, 1 ও সংখ্যাটি নিজে। তাই 1 মৌলিক নয়।
2 একমাত্র জোড় মৌলিক সংখ্যা। - ১৮. 9x² = 6x − 2 হলে, (81x⁴ + 4)/(9x²) এর মান—
- ক. −2
- খ. 0
- গ. 2
- ঘ. 3
উত্তর: খ. 0
প্রথমে প্রদত্ত শর্তকে সাজিয়ে লিখি: 9x² = 6x − 2 থেকে 9x² − 6x + 2 = 0।
এখন রাশিটির লবকে বর্গ আকারে লিখি: 81x⁴ = (9x²)² = (6x − 2)² = 36x² − 24x + 4।
তাহলে 81x⁴ + 4 = 36x² − 24x + 8 = 4(9x² − 6x + 2) = 4 × 0 = 0।
লব শূন্য এবং হর 9x² শূন্য নয়, তাই রাশিটির মান 0।
মনে রাখুন: শর্ত থেকে পাওয়া সমীকরণটি যদি শূন্যে পরিণত হয়, তাহলে লবকে সেই সমীকরণের আকারে ভাঙাই সবচেয়ে সহজ উপায়। - ২৬. একটি ঘনকের একটি ধারের দৈর্ঘ্য ৪ মিটার হলে, উহার তলগুলোর ক্ষেত্রফল—
- ক. ১৬ বর্গমিটার
- খ. ২৪ বর্গমিটার
- গ. ৯২ বর্গমিটার
- ঘ. ৯৬ বর্গমিটার
উত্তর: ঘ. ৯৬ বর্গমিটার
ঘনকের ছয়টি তল থাকে এবং প্রতিটি তল বর্গাকার। ধারের দৈর্ঘ্য a হলে একটি তলের ক্ষেত্রফল a²। ছয়টি তল সমান, তাই সমগ্র তলের ক্ষেত্রফল = 6a²।
এখানে a = 4 মিটার, সুতরাং ক্ষেত্রফল = 6 × 4² = 6 × 16 = 96 বর্গমিটার।
মনে রাখুন:
ঘনকের আয়তন = a³ = 64 ঘনমিটার।
ঘনকের কর্ণ = a√3।
ঘনকের ধার ১২টি, শীর্ষবিন্দু ৮টি, তল ৬টি।
একটি তলের ক্ষেত্রফল 16 বর্গমিটার, ওটি পুরো ঘনকের তলের ক্ষেত্রফল নয়।
ঘনকের সমগ্র তলের ক্ষেত্রফল বর্গ এককে আর আয়তন ঘন এককে মাপা হয়, তাই দুটিকে গুলিয়ে ফেলা চলবে না। - ২৮. দুইটি সংখ্যার অনুপাত ২ : ৩ এবং তাদের ল.সা.গু. ২৪। সংখ্যা দুইটির যোগফল কত?
- ক. ২০
- খ. ১৬
- গ. ১৮
- ঘ. ১৫
উত্তর: ক. ২০
অনুপাত ২ : ৩ হলে সংখ্যা দুটি ২x ও ৩x ধরি।
২ ও ৩-এর ল.সা.গু. ৬, তাই ২x ও ৩x-এর ল.সা.গু. = ৬x।
শর্ত অনুযায়ী ৬x = ২৪, তাহলে x = ৪।
সংখ্যা দুটি ২ × ৪ = ৮ এবং ৩ × ৪ = ১২।
যোগফল = ৮ + ১২ = ২০।
শর্টকাট: অনুপাতের যোগফল (২ + ৩ = ৫) × x, অর্থাৎ ৫ × ৪ = ২০।
মনে রাখুন: যে দুটি সংখ্যার অনুপাতের উৎপাদক পরস্পর সহমৌলিক, তাদের ল.সা.গু. = অনুপাতের গুণফল × সাধারণ উৎপাদক। - ৩৩. ax² + 4x + 3 = 0 সমীকরণটির মূলদ্বয় বাস্তব ও অসমান হলে, a এর মান যে ব্যবধিতে অবস্থিত তা হলো—
- ক. (−∞, 4/3)
- খ. (−∞, 3/4)
- গ. (4/3, ∞)
- ঘ. (3/4, ∞)
উত্তর: ক. (−∞, 4/3)
দ্বিঘাত সমীকরণ ax² + bx + c = 0-এর মূল বাস্তব ও অসমান হওয়ার শর্ত হলো নির্ণায়ক (Discriminant) b² − 4ac > 0।
এখানে a-এর সহগ a, b = 4, c = 3।
তাই 4² − 4·a·3 > 0, অর্থাৎ 16 − 12a > 0।
এ থেকে 12a < 16, ফলে a < 4/3।
a-এর মান তাই (−∞, 4/3) ব্যবধিতে থাকে।
মনে রাখুন:
Discriminant > 0 হলে মূল বাস্তব ও অসমান, = 0 হলে বাস্তব ও সমান, < 0 হলে মূল জটিল (অবাস্তব)।
মূলদ্বয়ের যোগফল = −b/a এবং গুণফল = c/a। - ৩৪. যে চতুর্ভুজের কর্ণদ্বয় পরস্পরকে সমকোণে সমদ্বিখণ্ডিত করে তা হলো—
- ক. সামান্তরিক
- খ. রম্বস
- গ. আয়তক্ষেত্র
- ঘ. ট্রাপিজিয়াম
উত্তর: খ. রম্বস
চতুর্ভুজের কর্ণ দুটি পরস্পরকে সমদ্বিখণ্ডিত করলে চতুর্ভুজটি সামান্তরিক হয়। কর্ণ দুটি সমকোণে ছেদ করলে সামান্তরিকের চারটি বাহুই সমান হয়ে যায়, আর তখন এটি রম্বস। আয়তক্ষেত্রের কর্ণ সমান হয় কিন্তু সাধারণত সমকোণে ছেদ করে না। সাধারণ সামান্তরিকের কর্ণ সমদ্বিখণ্ডিত হলেও লম্ব নয়। ট্র্যাপিজিয়ামের কর্ণ সাধারণত পরস্পরকে সমদ্বিখণ্ডিত করে না।
মনে রাখুন:
রম্বসের ক্ষেত্রফল = ½ × কর্ণ দুটির গুণফল।
বর্গ হলো এমন রম্বস, যার চারটি কোণই সমকোণ, তাই বর্গের কর্ণও সমান ও পরস্পর লম্ব। - ৩৫. ΔABC-এর AB ও BC বাহুর দৈর্ঘ্য 6 ও 8 একক। ∠A = 45°, ∠C = 75° হলে, ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল—
- ক. 8√3 বর্গএকক
- খ. 12√3 বর্গএকক
- গ. 24√3 বর্গএকক
- ঘ. 48√3 বর্গএকক
উত্তর: খ. 12√3 বর্গএকক
ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি 180°, তাই ∠B = 180° − (45° + 75°) = 60°।
AB ও BC বাহু দুটি ∠B-কে ঘিরে আছে, অর্থাৎ ∠B এ দুই বাহুর অন্তর্ভুক্ত কোণ।
ক্ষেত্রফল = ½ × AB × BC × sin B = ½ × 6 × 8 × sin 60° = 24 × (√3/2) = 12√3 বর্গএকক।
মনে রাখুন: দুই বাহু ও তাদের অন্তর্ভুক্ত কোণ জানা থাকলে ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = ½ab sin C।
sin 60° = √3/2, sin 45° = 1/√2, sin 30° = 1/2। - ৪২. যদি a^b = c, b^c = a এবং c^a = b হয় তবে নিচের কোনটি সঠিক?
- ক. abc = 0
- খ. bc = a
- গ. ab = 1/c
- ঘ. b² = ac
উত্তর: গ. ab = 1/c
প্রথম সমীকরণ a^b = c-তে a-এর জায়গায় b^c বসাই (কারণ b^c = a), তাহলে (b^c)^b = c, অর্থাৎ b^(bc) = c।
এবার এই c-কে তৃতীয় সমীকরণ c^a = b-তে বসাই: (b^(bc))^a = b, অর্থাৎ b^(abc) = b^1।
ভিত্তি একই (b ≠ 1), তাই ঘাত সমান: abc = 1।
এখন দুই পাশকে c দিয়ে ভাগ করলে ab = 1/c।
মনে রাখুন: সূচকের নিয়ম (a^m)^n = a^(mn), আর একই ভিত্তির সূচকীয় সমীকরণে ঘাত সমান করা যায়। - ৪৭. x + y + 3 = 0 রেখাটির ঢাল হবে—
- ক. −2
- খ. −1
- গ. 0
- ঘ. 1
উত্তর: খ. −1
সরলরেখার সমীকরণকে y = mx + c আকারে লিখলে m হয় ঢাল (Slope)।
x + y + 3 = 0 থেকে y = −x − 3।
এখানে x-এর সহগ −1, তাই ঢাল m = −1।
শর্টকাট: ax + by + c = 0 রেখার ঢাল = −a/b = −1/1 = −1।
মনে রাখুন:
ঢাল = tan θ (θ হলো রেখা ও x-অক্ষের ধনাত্মক দিকের মধ্যবর্তী কোণ)।
দুটি রেখা সমান্তরাল হলে ঢাল সমান, আর লম্ব হলে ঢালের গুণফল −1। - ৫০. a + b + c = 6 এবং ab + bc + ca = 11 হলে, a² + b² + c² = কত?
- ক. 12
- খ. 14
- গ. 9
- ঘ. 10
উত্তর: খ. 14
তিন চলকের বর্গের যোগফলের সূত্র: (a + b + c)² = a² + b² + c² + 2(ab + bc + ca)।
তাহলে a² + b² + c² = (a + b + c)² − 2(ab + bc + ca)।
মান বসিয়ে পাই 6² − 2 × 11 = 36 − 22 = 14।
মনে রাখুন: (a + b + c)² সূত্রটি ভেঙে লিখলে সরাসরি বর্গের যোগফল বের করা যায়, আলাদা করে a, b, c খুঁজতে হয় না। - ৬১. 1 + 6x − 7x²-এর উৎপাদক—
- ক. (1 − x)(1 − 7x)
- খ. (1 − x)(1 + 7x)
- গ. (1 + x)(1 − 7x)
- ঘ. (1 + x)(1 + 7x)
উত্তর: খ. (1 − x)(1 + 7x)
1 + 6x − 7x² রাশিকে x² যুক্ত পদ দিয়ে সাজিয়ে লিখি: −7x² + 6x + 1 = −(7x² − 6x − 1)।
এবার মধ্যপদ বিভাজন: 7x² − 6x − 1 = 7x² − 7x + x − 1 = 7x(x − 1) + 1(x − 1) = (x − 1)(7x + 1)।
তাহলে রাশিটি = −(x − 1)(7x + 1) = (1 − x)(1 + 7x)।
যাচাই: (1 − x)(1 + 7x) = 1 + 7x − x − 7x² = 1 + 6x − 7x²।
মনে রাখুন: ax² + bx + c-কে ভাঙতে ac গুণফল এবং b যোগফলের দুটি সংখ্যা খুঁজতে হয়। এখানে 7 × (−1) = −7 এবং −7 + 1 = −6। - ৬২. দুইটি সংখ্যার গুণফল ৬০ এবং ভাগফল ৩¾। সংখ্যা দুইটির যোগফল কত?
- ক. ২০
- খ. ২১¾
- গ. ১৯
- ঘ. ১৮
উত্তর: গ. ১৯
সংখ্যা দুটি x ও y ধরি, যেখানে x বড়।
গুণফল xy = 60 এবং ভাগফল x/y = 3¾ = 15/4।
দ্বিতীয় সমীকরণ থেকে x = 15y/4।
এটি প্রথমটিতে বসালে (15y/4) × y = 60, অর্থাৎ y² = 60 × 4/15 = 16, তাই y = 4।
তাহলে x = 15 × 4/4 = 15।
যোগফল = 15 + 4 = 19।
মনে রাখুন: ভাগফল ও গুণফল দেওয়া থাকলে x² = গুণফল × ভাগফল = 60 × 15/4 = 225, তাই x = 15। এটি দ্রুত উপায়। - ৬৩. x + y = 4, x − y = 2 হলে xy-এর মান—
- ক. 1
- খ. 2
- গ. 3
- ঘ. 4
উত্তর: গ. 3
x + y = 4 এবং x − y = 2 যোগ করলে 2x = 6, তাই x = 3।
বিয়োগ করলে 2y = 2, তাই y = 1।
xy = 3 × 1 = 3।
সূত্রেও করা যায়: 4xy = (x + y)² − (x − y)² = 16 − 4 = 12, তাই xy = 3।
মনে রাখুন: (x + y)² − (x − y)² = 4xy। এই সূত্রটি অনেক অঙ্কের সময় বাঁচায়। - ৬৫. একটি রাশি অপর একটি রাশির ১১৩⅓% হলে রাশিদ্বয়ের অনুপাত—
- ক. ১৫ : ১৭
- খ. ১৭ : ১৫
- গ. ১৭ : ১৯
- ঘ. ১৯ : ১৭
উত্তর: খ. ১৭ : ১৫
‘একটি রাশি অপর রাশির ১১৩⅓%’ মানে প্রথম রাশিটি দ্বিতীয় রাশির ১১৩⅓%। শতকরাকে ভগ্নাংশ করি: 113⅓% = 340/3 % = 340/300 = 17/15।
দ্বিতীয় রাশি 15k ধরলে প্রথম রাশি = 15k × 17/15 = 17k।
অতএব রাশিদ্বয়ের অনুপাত (প্রথম : দ্বিতীয়) = 17k : 15k = ১৭ : ১৫।
মনে রাখুন: ‘ক রাশি খ রাশির p%’ হলে ক : খ = p : 100। এখানে 113⅓ : 100 = 340 : 300 = ১৭ : ১৫। - ৬৭. ABC ত্রিভুজের BC বাহুকে E বিন্দু পর্যন্ত বাড়ানো হলো। ∠ACE = 100° এবং ∠ABC = 40° হলে ∠A = কত?
- ক. 0°
- খ. 60°
- গ. 70°
- ঘ. 80°
উত্তর: খ. 60°
ত্রিভুজের একটি বাহুকে বাড়ালে যে বহিঃস্থ কোণ তৈরি হয়, সেটি তার বিপরীত অন্তঃস্থ কোণ দুটির সমষ্টির সমান।
এখানে BC বাহুকে E পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে, তাই বহিঃস্থ কোণ ∠ACE = ∠A + ∠B।
100° = ∠A + 40°।
অতএব ∠A = 100° − 40° = 60°।
মনে রাখুন:
ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি 180°।
বহিঃস্থ কোণ + সংলগ্ন অন্তঃস্থ কোণ = 180°। এখানে ∠ACB = 180° − 100° = 80°, আর 60° + 40° + 80° = 180°, যা মেলে। - ৭১. 2sinθ = √3 হলে cot(π/2 − θ)-এর মান—
- ক. 1/√3
- খ. 2/√3
- গ. √3
- ঘ. 2
উত্তর: গ. √3
2sinθ = √3 থেকে sinθ = √3/2। এই মান পাওয়া যায় θ = 60° (বা π/3) কোণের জন্য।
পূরক কোণের নিয়মে cot(π/2 − θ) = cot(90° − θ) = tanθ।
tan60° = √3।
অতএব মান √3।
মনে রাখুন:
sin(90° − θ) = cosθ, cos(90° − θ) = sinθ, tan(90° − θ) = cotθ, cot(90° − θ) = tanθ।
30°, 45°, 60° কোণের tan মান যথাক্রমে 1/√3, 1, √3।
π radian = 180°, তাই π/2 = 90° এবং π/3 = 60°।
30° = π/6, 45° = π/4, 60° = π/3। - ৮৪. নিচের কোনটি বৃহত্তম ভগ্নাংশ?
- ক. 2/5
- খ. 2/3
- গ. 1/2
- ঘ. 1/3
উত্তর: খ. 2/3
ভগ্নাংশ তুলনার সহজ উপায় হলো লব সমান করা বা আড়গুণন করা। এখানে দুটি ভগ্নাংশের লব সমান হলে হর যার ছোট, ভগ্নাংশ তারই বড়। 2/5 ও 2/3-এর লব ২, এবং ৩ < ৫, তাই 2/3 বড়। 1/2 ও 1/3-এর লব ১, তাই 1/2 বড়। এখন 2/3 ও 1/2 তুলনায় আড়গুণন: 2 × 2 = 4 এবং 1 × 3 = 3, যেহেতু 4 > 3, তাই 2/3 > 1/2। দশমিকে 2/3 ≈ 0.667, 1/2 = 0.5, 2/5 = 0.4, 1/3 ≈ 0.333।
মনে রাখুন: a/b > c/d হলে ad > bc (b, d ধনাত্মক হলে)। - ৯১. একটি ক্রমিক সমানুপাতের ১ম ও ৩য় রাশি যথাক্রমে ৯ ও ১৬ হলে, মধ্যসমানুপাতী হবে—
- ক. ৯
- খ. ১২
- গ. ১৬
- ঘ. ১৮
উত্তর: খ. ১২
তিনটি রাশি a, b, c ক্রমিক সমানুপাতে থাকলে a : b = b : c হয়, আর এখানে b-কে a ও c-এর মধ্যসমানুপাতী (Mean Proportional) বলে। অনুপাত দুটি সমান বলে আড়াআড়ি গুণ করলে b² = ac পাওয়া যায়।
এখানে a = 9 ও c = 16, তাই b² = 9 × 16 = 144।
অতএব b = √144 = 12।
যাচাই: 9 : 12 = 3 : 4 এবং 12 : 16 = 3 : 4, অর্থাৎ দুটি অনুপাত সমান।
শর্টকাট: রাশি দুটি পূর্ণবর্গ হলে আলাদা করে বর্গমূল নিয়ে গুণ করলেই হয়, √9 × √16 = 3 × 4 = 12।
মনে রাখুন:
মধ্যসমানুপাতী = √(১ম রাশি × ৩য় রাশি), যা জ্যামিতিক গড়।
গাণিতিক গড় হলে (9 + 16)/2 = 12.5 হতো, তাই দুটি গড়কে গুলিয়ে ফেলা চলবে না।
ক্রমিক সমানুপাতে ১ম : ৩য় = (১ম : ২য়)², যেমন 9 : 16 = (3 : 4)²।
বাংলাদেশ
- ৫. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ বর্ণিত হয়েছে কত অনুচ্ছেদে?
- ক. অনুচ্ছেদ-৮
- খ. অনুচ্ছেদ-৯
- গ. অনুচ্ছেদ-১৩
- ঘ. অনুচ্ছেদ-১১
উত্তর: ক. অনুচ্ছেদ-৮
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগের নাম ‘রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি’। এই ভাগ শুরু হয়েছে ৮ নম্বর অনুচ্ছেদ দিয়ে, যেখানে রাষ্ট্র পরিচালনার চারটি মূলনীতি বলা আছে। অনুচ্ছেদ ৯, ১১ ও ১৩ অবশ্য একই ভাগের আলাদা বিষয়: ৯ নম্বরে জাতীয়তাবাদ, ১১ নম্বরে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার, আর ১৩ নম্বরে মালিকানার নীতি আছে।
মনে রাখুন:
অনুচ্ছেদ ৮-এর মূলনীতি চারটি: জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা (পঞ্চদশ সংশোধনীর পর ধর্মনিরপেক্ষতা ও ‘আল্লাহর উপর অবিচল আস্থা’ দুটোই আছে)।
সংবিধানে মোট ১১টি ভাগ, ১৫৩টি অনুচ্ছেদ ও ৭টি তফসিল আছে। - ১৯. মুজিবনগর সরকার কখন গঠিত হয়?
- ক. ১০ এপ্রিল ১৯৭১
- খ. ১০ এপ্রিল ১৯৭২
- গ. ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
- ঘ. ১৬ এপ্রিল ১৯৭০
উত্তর: ক. ১০ এপ্রিল ১৯৭১
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার (গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার) গঠিত হয়। সেদিনই ‘স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র’ জারি করা হয়, যাকে আমরা বাংলাদেশের অস্থায়ী সংবিধানও বলি। সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নেয় ১৭ এপ্রিল, কুষ্টিয়ার মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আমবাগানে। তাই ১৭ এপ্রিল গঠন নয়, শপথের তারিখ।
মনে রাখুন:
রাষ্ট্রপতি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (অনুপস্থিতিতে উপ-রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি)।
প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দীন আহমদ।
শপথ অনুষ্ঠানের স্থানের নতুন নাম মুজিবনগর।
ঘোষণাপত্র পাঠ করেন অধ্যাপক এম. ইউসুফ আলী।
মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাজধানী ছিল কলকাতা।
মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন কর্নেল এম. এ. জি. ওসমানী। - ২২. 'কারাগারের রোজনামচা' গ্রন্থটির প্রকাশক—
- ক. বাংলা একাডেমি
- খ. বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
- গ. শেখ মুজিবুর রহমান
- ঘ. কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ
উত্তর: ক. বাংলা একাডেমি
‘কারাগারের রোজনামচা’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কারাজীবনের দিনলিপি। ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৮ সালের মধ্যে কারাগারে বসে তিনি এটি লিখেছিলেন। তাঁর মৃত্যুর অনেক বছর পরে বাংলা একাডেমি ২০১৭ সালে বইটি প্রকাশ করে। বঙ্গবন্ধু নিজে বা কোনো রাজনৈতিক দল বইটির প্রকাশক নয়। দিনলিপি মানে প্রতিদিনের ঘটনা ও ভাবনার লিখিত বিবরণ।
মনে রাখুন:
বঙ্গবন্ধুর বই তিনটি: ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ (২০১২), ‘কারাগারের রোজনামচা’ (২০১৭) ও ‘আমার দেখা নয়াচীন’ (২০২০)। তিনটিই বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত।
‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বইটির ভূমিকা লেখেন শেখ হাসিনা।
‘রোজনামচা’ শব্দটি ফারসি, অর্থ দৈনিক হিসাবের খাতা বা দিনলিপি। - ২৪. ছয়দফা দাবি পেশ করা হয়—
- ক. ১৯৭০ সালে
- খ. ১৯৬৬ সালে
- গ. ১৯৬৫ সালে
- ঘ. ১৯৬৯ সালে
উত্তর: খ. ১৯৬৬ সালে
পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালির স্বায়ত্তশাসনের দাবি নিয়ে শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর জাতীয় সম্মেলনে ছয় দফা কর্মসূচি পেশ করেন। পরে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটি এটি অনুমোদন করে। ছয় দফাকে বাঙালির ‘মুক্তির সনদ’ বলা হয়, আর পরবর্তী গণ-আন্দোলনের পথ ধরেই ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থান এবং ১৯৭০-এর নির্বাচন আসে।
মনে রাখুন:
৭ জুন ১৯৬৬ ছয় দফা দিবস, যেদিন হরতালে পুলিশের গুলিতে অনেকে নিহত হন।
ছয় দফার ফলে পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা (১৯৬৮) দায়ের করে।
ছয় দফার মূল দাবি ছিল ফেডারেল সরকার ও সংসদীয় ব্যবস্থা, কেন্দ্রের হাতে শুধু প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র। - ৩৯. বাংলাদেশের জাতীয় বাজেট ২০২১-২২-এ মোট ব্যয় ধরা হয়েছে—
- ক. ৪,০৩,৬৮১ কোটি টাকা
- খ. ৫,০৩,৬৮১ কোটি টাকা
- গ. ৬,০৩,৬৮১ কোটি টাকা
- ঘ. ৬,৬৮,৩৮১ কোটি টাকা
উত্তর: গ. ৬,০৩,৬৮১ কোটি টাকা
২০২১-২২ অর্থবছরের জন্য অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ২০২১ সালের ৩ জুন জাতীয় সংসদে বাজেট পেশ করেন। এতে মোট ব্যয় ধরা হয় ৬,০৩,৬৮১ কোটি টাকা। এটি তখন পর্যন্ত বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাজেট ছিল। ঘাটতি ছিল ২,১৪,৬৮১ কোটি টাকা, যা মোট জিডিপির প্রায় ৬.২ শতাংশ। ঘাটতি পূরণের জন্য দেশি-বিদেশি ঋণ এবং অনুদানের ওপর ভরসা করা হয়েছিল।
মনে রাখুন:
বাজেটে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ধরা হয় ৭.২ শতাংশ।
বাংলাদেশে অর্থবছর ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন।
হালনাগাদ: ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট ছিল ৭,৯০,০০০ কোটি টাকার। - ৫৪. 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো' গানটির রচয়িতা কে?
- ক. ফজল-এ-খোদা
- খ. আলতাফ মাহমুদ
- গ. আবদুল গাফফার চৌধুরী
- ঘ. খান আতাউর রহমান
উত্তর: গ. আবদুল গাফফার চৌধুরী
‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’ গানটির কথা লিখেছেন সাংবাদিক ও সাহিত্যিক আবদুল গাফফার চৌধুরী। ভাষা আন্দোলনের পরের সময়ে লেখা এই গান একুশের চেতনার প্রতীক হয়ে আছে। প্রথম সুর করেছিলেন আবদুল লতিফ, আর বর্তমানে যে সুরে গানটি গাওয়া হয়, তা আলতাফ মাহমুদের।
মনে রাখুন:
আবদুল গাফফার চৌধুরী সাংবাদিক ও কলাম লেখক হিসেবেও পরিচিত ছিলেন।
আলতাফ মাহমুদ ১৯৭১ সালে শহীদ হন।
একুশের পটভূমিতে লেখা মুনীর চৌধুরীর বিখ্যাত নাটক ‘কবর’।
ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে। - ৫৯. বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কে?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৯
- ক. জয়নুল আবেদীন
- খ. কামরুল হাসান
- গ. হাসেম খান
- ঘ. হামিদুর রহমান
উত্তর: খ. কামরুল হাসান
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার রূপকার বা ডিজাইনার চিত্রশিল্পী কামরুল হাসান। পতাকার সবুজ জমিনের মাঝখানে লাল বৃত্ত আছে। ১৯৭১ সালের ২ মার্চ প্রথম যে পতাকা উত্তোলিত হয়েছিল, তাতে লাল বৃত্তের ভেতরে সোনালি রঙের মানচিত্র ছিল। পরে ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা হিসেবে মানচিত্রবিহীন রূপটি গৃহীত হয়।
অন্য বিকল্পের ব্যক্তিরাও বিখ্যাত, কিন্তু তাঁদের পরিচয় আলাদা। জয়নুল আবেদীন বাংলাদেশের প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী।
মনে রাখুন:
কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের নকশাকার হামিদুর রহমান।
জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন। - ৭২. 'আমার দেখা নয়াচীন' কোন ধরনের গ্রন্থ?
- ক. অর্থনীতিভিত্তিক
- খ. ভ্রমণকাহিনি
- গ. গল্পগ্রন্থ
- ঘ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. ভ্রমণকাহিনি
‘আমার দেখা নয়াচীন’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভ্রমণকাহিনি। ১৯৫২ সালে বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত শান্তি সম্মেলনে যোগ দিতে চীনে গিয়ে তিনি যা দেখেছিলেন, তারই বর্ণনা আছে এতে। বইটি বাংলা একাডেমি ২০২০ সালে প্রকাশ করে। বিপ্লবের পরের নতুন চীনকে বোঝাতেই ‘নয়াচীন’ নামটি ব্যবহার করা হয়েছে। ভ্রমণকাহিনি হলো ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা রচনা, আর আত্মজীবনী ও দিনলিপি থেকে এটি আলাদা।
মনে রাখুন:
বঙ্গবন্ধুর তিনটি বই: ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ (২০১২), ‘কারাগারের রোজনামচা’ (২০১৭) ও ‘আমার দেখা নয়াচীন’ (২০২০)।
তিনটিই মরণোত্তর প্রকাশিত।
বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনি: ‘দেশে বিদেশে’ (সৈয়দ মুজতবা আলী), ‘পথে প্রবাসে’ (অন্নদাশঙ্কর রায়)। - ৭৭. বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণ করার মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণকারী দেশের তালিকায় কততম দেশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে?
- ক. ৪৭তম
- খ. ৫৭তম
- গ. ৬৭তম
- ঘ. ৫১তম
উত্তর: খ. ৫৭তম
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ ২০১৮ সালের ১১ মে (বাংলাদেশ সময় ১২ মে) যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে স্পেসএক্সের ফ্যালকন-৯ রকেটে উৎক্ষেপণ করা হয়। এর ফলে বাংলাদেশ নিজস্ব স্যাটেলাইট থাকা বিশ্বের ৫৭তম দেশ হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়। স্যাটেলাইটটি ফ্রান্সের থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেস কোম্পানি তৈরি করেছিল।
মনে রাখুন:
কক্ষপথের অবস্থান ১১৯.১° পূর্ব দ্রাঘিমাংশে।
পরিচালনা করে বাংলাদেশ কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (BCSCL)।
স্যাটেলাইটের গ্রাউন্ড স্টেশন গাজীপুরের জয়দেবপুর ও রাঙামাটির বেতবুনিয়ায়।
স্যাটেলাইটটি Ku ও C ব্যান্ডে সংকেত পাঠায়।
স্যাটেলাইটের আয়ু প্রায় ১৫ বছর ধরা হয়।
স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের তালিকায় ক্রম মনে রাখতে ২০১৮ সাল ও ৫৭তম, এই দুটি তথ্য একসঙ্গে মুখস্থ করা ভালো। - ৮০. পদ্মা বহুমুখী সেতুর (মূল সেতুর) দৈর্ঘ্য কত?
- ক. ৬.০১ কি.মি.
- খ. ৬.১৯ কি.মি.
- গ. ৬.০৫ কি.মি.
- ঘ. ৬.১৫ কি.মি.
উত্তর: ঘ. ৬.১৫ কি.মি.
মুন্সীগঞ্জের মাওয়া ও শরীয়তপুরের জাজিরাকে যুক্ত করেছে পদ্মা বহুমুখী সেতু, যার মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার। এটি দুই স্তরের সেতু, যার ওপরে সড়ক আর নিচে রেলপথ। সেতুটিতে ৪১টি স্প্যান (প্রতিটি ১৫০ মিটার) এবং ৪২টি পিলার আছে। ২০২২ সালের ২৫ জুন এটি উদ্বোধন করা হয়।
মনে রাখুন:
সেতুর প্রস্থ ১৮.১০ মিটার।
এতে পাইল বসানো হয়েছে মাটির অনেক গভীরে, যা বিশ্বে অন্যতম গভীর।
মূল সেতু ও সংযোগ সড়কসহ প্রকল্পের মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৯.৩ কিলোমিটার।
পদ্মা সেতু চালুর ফলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলার সঙ্গে রাজধানীর সরাসরি যোগাযোগ সহজ হয়।
বাংলাদেশ নিজস্ব অর্থায়নে সেতুটি নির্মাণ করেছে। - ৯৩. বাংলা একাডেমি কোন সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
- ক. ১৯৫৫ খ্রি.
- খ. ১৩৫৫ বঙ্গাব্দ
- গ. ১৯৫২ খ্রি.
- ঘ. ১৩৫২ বঙ্গাব্দ
উত্তর: ক. ১৯৫৫ খ্রি.
ভাষা আন্দোলনের ফলে বাংলা ভাষার উন্নয়ন ও গবেষণার জন্য একটি প্রতিষ্ঠান গড়ার দাবি ওঠে, আর তার ফলেই ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠানটি ঢাকার বর্ধমান হাউসে যাত্রা শুরু করে, যা আগে পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন ছিল। এর অপর অপশনে খ্রিষ্টাব্দ ও বঙ্গাব্দের গোলমাল তৈরি করা হয়েছে।
মনে রাখুন:
বাংলা একাডেমি প্রতিবছর ফেব্রুয়ারিতে অমর একুশে গ্রন্থমেলা আয়োজন করে।
বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ১৯৬০ সাল থেকে দেওয়া হয়।
বাংলা একাডেমির ‘বাংলা একাডেমি আইন’ পাস হয় ২০১৩ সালে।
বাংলা
- ৬. কবি বিহারীলাল চক্রবর্তীকে 'ভোরের পাখি' বলেছেন—
- ক. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গ. কাজী নজরুল ইসলাম
- ঘ. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
উত্তর: খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
বিহারীলাল চক্রবর্তী বাংলা সাহিত্যে আধুনিক গীতিকবিতার প্রবর্তক। তাঁর আগে বাংলা কাব্যে বর্ণনা ও কাহিনির প্রাধান্য ছিল, আর তিনি কবির নিজের অনুভূতি ও আবেগকে কবিতার বিষয় করলেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে তাই ‘ভোরের পাখি’ বলেছেন, কারণ ভোরের পাখি যেমন দিনের আগে গান গেয়ে ওঠে, বিহারীলালও নতুন যুগের গীতিকবিতার সুর সবার আগে শুনিয়েছিলেন।
মনে রাখুন:
বিহারীলালের শ্রেষ্ঠ কাব্য ‘সারদামঙ্গল’।
তাঁর অন্যান্য কাব্য: ‘সঙ্গীত শতক’, ‘বঙ্গসুন্দরী’, ‘নিসর্গসন্দর্শন’, ‘বন্ধুবিয়োগ’, ‘প্রেমপ্রবাহিনী’।
রবীন্দ্রনাথ নিজেকে বিহারীলালের ভাবশিষ্য বলে মনে করতেন।
বিহারীলাল চক্রবর্তীর জন্ম ১৮৩৫ সালে, মৃত্যু ১৮৯৪ সালে। - ৭. সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন—
- ক. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
- খ. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
- গ. সুকান্ত ভট্টাচার্য
- ঘ. সমরেশ বসু
উত্তর: ক. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলায় কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগরদাঁড়ি গ্রাম। ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি এই গ্রামেই মাইকেল মধুসূদন দত্ত জন্মগ্রহণ করেন। দেশে-বিদেশে ঘুরলেও তিনি জন্মস্থানকে ভোলেননি, ‘কপোতাক্ষ নদ’ সনেটে তার ছাপ আছে। সেখানে প্রবাসে বসে নদীর জন্য তাঁর আকুলতা প্রকাশ পেয়েছে।
মনে রাখুন:
তিনি বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক এবং প্রথম সার্থক সনেট (চতুর্দশপদী কবিতা) রচয়িতা।
মহাকাব্য: ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ (১৮৬১)।
নাটক ও প্রহসন: ‘শর্মিষ্ঠা’, ‘কৃষ্ণকুমারী’, ‘একেই কি বলে সভ্যতা?’, ‘বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ’।
পত্রকাব্য: ‘বীরাঙ্গনা কাব্য’।
মধুসূদন ১৮৭৩ সালে কলকাতায় মারা যান।
কপোতাক্ষ নদ যশোর ও খুলনা অঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে গেছে। - ৯. 'অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর'– কাজী নজরুল ইসলামের কোন কবিতার চরণ?
- ক. নারী
- খ. সাম্যবাদী
- গ. মানুষ
- ঘ. সব্যসাচী
উত্তর: ক. নারী
‘অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর’ চরণটি কাজী নজরুল ইসলামের ‘নারী’ কবিতার। কবিতাটিতে তিনি বলেছেন, পৃথিবীর সব সৃষ্টি ও কল্যাণে নর ও নারী সমান অংশীদার। এই কবিতা তাঁর ‘সাম্যবাদী’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত, যা পরে ‘সঞ্চিতা’তেও সংকলিত হয়। ‘সাম্যবাদী’ একই সঙ্গে একটি কাব্যগ্রন্থ ও একটি কবিতারও নাম, কিন্তু এই চরণ সেই কবিতার নয়।
মনে রাখুন:
নজরুলের কাব্যগ্রন্থ: ‘অগ্নিবীণা’ (১৯২২), ‘বিষের বাঁশী’, ‘সর্বহারা’, ‘ফণি-মনসা’, ‘চক্রবাক’।
‘সঞ্চিতা’ তাঁর নির্বাচিত কবিতার সংকলন।
চরণটির আগের লাইনে আছে, ‘বিশ্বে যা-কিছু মহান সৃষ্টি চির-কল্যাণকর’।
নজরুলের জন্ম ১৮৯৯ সালে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে।
তিনি ১৯৭৬ সালে ঢাকায় মারা যান। - ১৫. সৈয়দ শামসুল হক রচিত নাটক—
- ক. সুবচন নির্বাসনে
- খ. রক্তাক্ত প্রান্তর
- গ. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
- ঘ. হাত হদাই
উত্তর: গ. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
সৈয়দ শামসুল হক কবি, ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার। মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে তাঁর কাব্যনাট্য ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ (১৯৭৬) বাংলা নাটকের একটি উল্লেখযোগ্য রচনা। বাকি তিনটি নাটক অন্য লেখকদের। ‘সুবচন নির্বাসনে’ আবদুল্লাহ আল-মামুনের, ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ মুনীর চৌধুরীর এবং ‘হাত হদাই’ সেলিম আল দীনের। সৈয়দ শামসুল হকের জন্ম ১৯৩৫ সালে কুড়িগ্রামে।
মনে রাখুন:
সৈয়দ শামসুল হকের অন্যান্য রচনা: ‘নূরলদীনের সারাজীবন’ (কাব্যনাট্য), ‘গণনায়ক’, ‘এখানে এখন’।
উপন্যাস: ‘খেলারাম খেলে যা’, ‘নীল দংশন’, ‘নিষিদ্ধ এইসব’।
‘নূরলদীনের সারাজীবন’ রংপুরের কৃষক বিদ্রোহের নেতা নূরলদীনকে নিয়ে লেখা।
মুনীর চৌধুরীর নাটক ‘কবর’ ও ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’। - ২১. মৌলিক স্বরধ্বনি কয়টি?
- ক. ৫টি
- খ. ৪টি
- গ. ৯টি
- ঘ. ৭টি
উত্তর: ঘ. ৭টি
বাংলা ভাষায় মূল স্বরধ্বনি বা মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি: অ, আ, ই, উ, এ, ও ও অ্যা। কণ্ঠের সুনির্দিষ্ট অবস্থান থেকে এগুলো সরাসরি উচ্চারিত হয়। আমরা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ লিখি ১১টি, কিন্তু ঋ, ঈ, ঊ, ঐ, ঔ-এর আলাদা মৌলিক উচ্চারণ নেই। যেমন ঈ-এর উচ্চারণ ই-এর মতোই।
মনে রাখুন:
বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১টি, ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি, মোট ৫০টি।
ধ্বনিমূলের বিচারে স্বরধ্বনি ৭টি।
যৌগিক স্বর (দুটি স্বরের মিলনে) ২৫টি ধরা হয়, যেমন ঐ (ও + ই), ঔ (ও + উ)। - ২৫. 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের রচয়িতা—
- ক. বড়ু চণ্ডীদাস
- খ. দ্বিজ চণ্ডীদাস
- গ. শ্রী চৈতন্যদেব
- ঘ. কাহ্নপা
উত্তর: ক. বড়ু চণ্ডীদাস
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’। ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ বাঁকুড়ার এক গ্রাম থেকে এর পুঁথি আবিষ্কার করেন। এর রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস। অন্যদিকে দ্বিজ চণ্ডীদাস ও দীন চণ্ডীদাস নামের অন্য কবিরা পদাবলি রচনা করেছিলেন, তাই এই কাব্যকে তাঁদের বলে ভুল করা চলবে না।
মনে রাখুন:
কাব্যটি রাধা-কৃষ্ণের প্রেমকাহিনি, এর তিনটি চরিত্র কৃষ্ণ, রাধা ও বড়াই।
চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন, আর কাহ্নপা চর্যাপদের একজন কবি।
১৯০৭ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন। - ২৯. 'সঞ্চিতা' কোন কবির কাব্য সংকলন?
- ক. কাজী নজরুল ইসলাম
- খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গ. মহাকবি কায়কোবাদ
- ঘ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
উত্তর: ক. কাজী নজরুল ইসলাম
‘সঞ্চিতা’ বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের নির্বাচিত কবিতা ও গানের সংকলন। তিনি এটি প্রকাশ করেন ১৯২৮ সালে এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেন। এতে ‘বিদ্রোহী’, ‘সাম্যবাদী’, ‘নারী’, ‘মানুষ’, ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’-এর মতো পরিচিত কবিতা আছে। নজরুলের নিজের বাছাই করা বলেই একে তাঁর প্রতিনিধিত্বমূলক সংকলন বলা হয়।
মনে রাখুন:
‘বিদ্রোহী’ কবিতা প্রথম প্রকাশিত হয় ‘বিজলী’ পত্রিকায় (১৯২২), আর কবিতাটি ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যের অন্তর্ভুক্ত।
নজরুলকে ১৯৭২ সালে ভারত থেকে এনে বাংলাদেশের জাতীয় কবির মর্যাদা দেওয়া হয়।
নজরুলের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নিবীণা’।
‘সঞ্চিতা’ শব্দের অর্থ সঞ্চয় করা বা সংগৃহীত জিনিস, তাই সংকলনের নাম হিসেবে এটি মানানসই। - ৩১. ভাষা আন্দোলনবিষয়ক উপন্যাস—
- ক. কবর
- খ. আরেক ফাল্গুন
- গ. জীবন ঘষে আগুন
- ঘ. হাঙর নদী গ্রেনেড
উত্তর: খ. আরেক ফাল্গুন
জহির রায়হান ‘আরেক ফাল্গুন’ (১৯৬৮) উপন্যাসে ভাষা আন্দোলনের পটভূমিকে নিয়ে এক দল তরুণ-তরুণীর জীবন দেখিয়েছেন। কাহিনি ১৯৫৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি উদযাপনের প্রস্তুতিকে ঘিরে আবর্তিত। ‘কবর’ ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে লেখা মুনীর চৌধুরীর একটি নাটক, কিন্তু উপন্যাস নয়। ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’ সেলিনা হোসেনের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
মনে রাখুন:
জহির রায়হানের অন্যান্য উপন্যাস: ‘হাজার বছর ধরে’, ‘বরফ গলা নদী’, ‘আর কতদিন’, ‘শেষ বিকেলের মেয়ে’, ‘তৃষ্ণা’।
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তাঁর প্রামাণ্যচিত্র ‘স্টপ জেনোসাইড’ (১৯৭১)।
‘আরেক ফাল্গুন’ নামের ‘ফাল্গুন’ বাংলা মাস, যে মাসে ২১ ফেব্রুয়ারি পড়ে।
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রফিক, সালাম, বরকত, জব্বারসহ আরও অনেকে শহিদ হন। - ৩৬. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয় কোনটি?
- ক. হাঙর নদী গ্রেনেড
- খ. স্টপ জেনোসাইড
- গ. শেষের কবিতা
- ঘ. জোছনা ও জননীর গল্প
উত্তর: গ. শেষের কবিতা
‘শেষের কবিতা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের (১৯২৯) প্রেম ও কাব্যিক ভাবনার উপন্যাস, যার নায়ক অমিত রায় আর নায়িকা লাবণ্য। এর সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের কোনো সম্পর্ক নেই, কারণ বইটি মুক্তিযুদ্ধের অনেক আগে লেখা। অন্য তিনটি রচনার বিষয় মুক্তিযুদ্ধ: সেলিনা হোসেনের ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’, জহির রায়হানের প্রামাণ্যচিত্র ‘স্টপ জেনোসাইড’ এবং হুমায়ূন আহমেদের ‘জোছনা ও জননীর গল্প’।
মনে রাখুন:
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আরও উপন্যাস: হুমায়ূন আহমেদের ‘আগুনের পরশমণি’, শওকত আলীর ‘যাত্রা’, আনিসুল হকের ‘মা’।
রবীন্দ্রনাথের অন্যান্য উপন্যাস: ‘গোরা’, ‘ঘরে বাইরে’, ‘চোখের বালি’। - ৪১. জহির রায়হানের 'আরেক ফাল্গুন' গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে—
- ক. মুক্তিযুদ্ধের কথা
- খ. বসন্তকালের কথা
- গ. শীতকালের কথা
- ঘ. ভাষা আন্দোলনের কথা
উত্তর: ঘ. ভাষা আন্দোলনের কথা
জহির রায়হানের ‘আরেক ফাল্গুন’ (১৯৬৮) উপন্যাসের কাহিনি ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে লেখা। ফাল্গুন মাসেই ২১ ফেব্রুয়ারি পড়ে, আর উপন্যাসের চরিত্ররা ১৯৫৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি পালনের প্রস্তুতি নেয়। নামে ‘ফাল্গুন’ থাকলেও এটি বসন্তকালের বর্ণনার বই নয়। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে জহির রায়হানের লেখা ‘আর কতদিন’ ও ‘স্টপ জেনোসাইড’-এর মতো কাজ আছে, কিন্তু আরেক ফাল্গুন সেগুলোর কোনোটি নয়।
মনে রাখুন:
জহির রায়হানের উপন্যাস: ‘হাজার বছর ধরে’ (১৯৬৪), ‘বরফ গলা নদী’, ‘শেষ বিকেলের মেয়ে’, ‘তৃষ্ণা’।
তিনি ‘জীবন থেকে নেয়া’ ও ‘কখনো আসেনি’ চলচ্চিত্রও পরিচালনা করেন। - ৪৫. 'হাঙর নদী গ্রেনেড' উপন্যাসটি লিখেছেন—
- ক. হুমায়ূন আহমেদ
- খ. শামসুর রাহমান
- গ. আমজাদ হোসেন
- ঘ. সেলিনা হোসেন
উত্তর: ঘ. সেলিনা হোসেন
‘হাঙর নদী গ্রেনেড’ (১৯৭৬) সেলিনা হোসেনের লেখা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। এর কাহিনি ১৯৭১ সালে একটি গ্রামের মানুষের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ নিয়ে। সেলিনা হোসেন বাংলাদেশের একজন প্রধান নারী ঔপন্যাসিক। হুমায়ূন আহমেদ কথাসাহিত্যিক এবং শামসুর রাহমান কবি, তাঁরা এই উপন্যাসের লেখক নন। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস পড়তে গেলে লেখকের নাম ও বইয়ের নাম একসঙ্গে মনে রাখা জরুরি।
মনে রাখুন:
সেলিনা হোসেনের অন্যান্য উপন্যাস: ‘নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি’, ‘যাপিত জীবন’, ‘পোকামাকড়ের ঘরবসতি’, ‘কাঁটাতারে প্রজাপতি’, ‘গায়ত্রী সন্ধ্যা’।
শামসুর রাহমান কবি, তাঁর কাব্যগ্রন্থ ‘বন্দী শিবির থেকে’, ‘রৌদ্র করোটিতে’।
সেলিনা হোসেন ১৯৪৭ সালে রাজশাহীতে জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার ও একুশে পদক পেয়েছেন। - ৪৮. কাজী নজরুল ইসলাম রচিত উপন্যাস নয় কোনটি?
- ক. মৃত্যুক্ষুধা
- খ. জীবন-ক্ষুধা
- গ. বাঁধনহারা
- ঘ. কুহেলিকা
উত্তর: খ. জীবন-ক্ষুধা
কাজী নজরুল ইসলামের তিনটি উপন্যাস: ‘বাঁধনহারা’ (১৯২৭, পত্রোপন্যাস), ‘মৃত্যুক্ষুধা’ (১৯৩০) ও ‘কুহেলিকা’ (১৯৩১)। ‘জীবন-ক্ষুধা’ নামের উপন্যাসটি তাঁর নয়, এটি আবুল মনসুর আহমদের রচনা। তাই নজরুল-রচিত নয় এমন নামটি হলো জীবন-ক্ষুধা। ‘ক্ষুধা’ শব্দ থাকায় ‘মৃত্যুক্ষুধা’র সঙ্গে নামটি গুলিয়ে যেতে পারে। ‘বাঁধনহারা’ পত্রের মাধ্যমে লেখা উপন্যাস, আর ‘মৃত্যুক্ষুধা’ গ্রামীণ জীবনের দরিদ্র মানুষের কাহিনি নিয়ে।
মনে রাখুন:
‘বাঁধনহারা’ বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক পত্রোপন্যাসগুলোর একটি।
নজরুলের গল্পগ্রন্থ: ‘ব্যথার দান’, ‘রিক্তের বেদন’, ‘শিউলিমালা’।
আবুল মনসুর আহমদের ব্যঙ্গগল্পগ্রন্থ ‘আয়না’ বেশ বিখ্যাত।
নজরুলের ‘কুহেলিকা’ উপন্যাসে বিপ্লবী রাজনীতির পটভূমি আছে।
নজরুলের জন্ম ১৮৯৯ সালে। - ৪৯. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত পত্রিকার নাম—
- ক. বাংলাবাজার
- খ. বঙ্গবাসী
- গ. সবুজপত্র
- ঘ. বঙ্গদর্শন
উত্তর: ঘ. বঙ্গদর্শন
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৭২ সালে ‘বঙ্গদর্শন’ নামে একটি মাসিক সাহিত্যপত্র প্রকাশ করে তার সম্পাদনা করেন। এই পত্রিকাকে কেন্দ্র করে বাংলা গদ্য, উপন্যাস ও প্রবন্ধে নতুন এক সাহিত্যচর্চা শুরু হয়। বঙ্কিমের ‘বিষবৃক্ষ’ ও ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’-এর মতো উপন্যাস ধারাবাহিকভাবে এতে বের হয়েছিল। অন্যদিকে ‘সবুজপত্র’ (১৯১৪) সম্পাদনা করেন প্রমথ চৌধুরী।
মনে রাখুন:
বঙ্কিমের প্রথম বাংলা উপন্যাস ‘দুর্গেশনন্দিনী’ (১৮৬৫)।
তাঁর ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাসের গান ‘বন্দে মাতরম’।
পরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘বঙ্গদর্শন’ (নবপর্যায়) সম্পাদনা করেন।
বঙ্কিমচন্দ্র জন্মেছিলেন ১৮৩৮ সালে নৈহাটির কাঁঠালপাড়ায়।
বঙ্গদর্শনের পরে সবুজপত্র সাহিত্যে নতুন গদ্যরীতি আনে। - ৫৩. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতৃপ্রদত্ত নাম—
- ক. হরিহর বন্দ্যোপাধ্যায়
- খ. রতন বন্দ্যোপাধ্যায়
- গ. প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়
- ঘ. জ্যোতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
উত্তর: গ. প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়
কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতৃপ্রদত্ত নাম প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়। ডাকনাম ছিল ‘মানিক’ এবং সেটিই পরে সাহিত্যিক নাম হয়ে যায়। তাঁর জন্ম ১৯০৮ সালে বিহারের দুমকায়, আর মৃত্যু ১৯৫৬ সালে কলকাতায়। প্রবোধকুমার সান্যাল নামে আরেকজন লেখক আছেন, তাই নাম দেখে বিভ্রান্ত হওয়া উচিত নয়।
মনে রাখুন:
তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস: ‘পদ্মানদীর মাঝি’, ‘পুতুলনাচের ইতিকথা’, ‘দিবারাত্রির কাব্য’, ‘জননী’, ‘শহরতলী’।
তাঁর গল্পগ্রন্থ ‘অতসীমামী ও অন্যান্য গল্প’ দিয়ে সাহিত্যজীবন শুরু।
‘পদ্মানদীর মাঝি’-র প্রধান চরিত্র কুবের ও কপিলা।
মানিকের প্রথম উপন্যাস ‘জননী’ (১৯৩৫)।
‘পদ্মানদীর মাঝি’ প্রকাশিত হয় ১৯৩৬ সালে। - ৫৬. মঙ্গলকাব্যের শেষ কবি—
- ক. দ্বিজ বংশীদাস
- খ. চন্দ্রাবতী
- গ. ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
- ঘ. কানাহরি দত্ত
উত্তর: গ. ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
মঙ্গলকাব্য মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি ধারা, যেখানে মনসা, চণ্ডী, ধর্মঠাকুর, অন্নদা প্রমুখ লৌকিক দেবদেবীর মাহাত্ম্য বর্ণনা করা হতো। অষ্টাদশ শতকের কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর ‘অন্নদামঙ্গল’ (১৭৫২) লিখে এই ধারার শেষ ও শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে পরিচিত হন। তাঁর পরে এই ধারা ম্লান হয়ে যায় এবং আধুনিক যুগের পথ তৈরি হয়। দ্বিজ বংশীদাস ও চন্দ্রাবতী মনসামঙ্গলের কবি, আর কানা হরিদত্তকে মনসামঙ্গলের আদি কবি ধরা হয়।
মনে রাখুন:
মুকুন্দ চক্রবর্তী চণ্ডীমঙ্গল ধারার শ্রেষ্ঠ কবি।
নদীয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্র ভারতচন্দ্রকে ‘রায়গুণাকর’ উপাধি দেন। - ৫৭. 'প্রাতরাশ' শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ—
- ক. প্রাত + রাশ
- খ. প্রাতঃ + রাশ
- গ. প্রাতঃ + আশ
- ঘ. প্রাত + আশ
উত্তর: গ. প্রাতঃ + আশ
প্রাতরাশ শব্দের অর্থ সকালের খাবার। শব্দটি এসেছে প্রাতঃ (সকাল) এবং আশ (আহার) থেকে। প্রাতঃ-এর শেষে বিসর্গ আছে, আর পরের অংশ ‘আশ’ স্বরধ্বনি দিয়ে শুরু। এ অবস্থায় বিসর্গ র-এ পরিণত হয় এবং ‘র’ পরবর্তী স্বরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যায়, ফলে প্রাতঃ + আশ = প্রাতরাশ।
উদাহরণ:
পুনঃ + আবৃত্তি = পুনরাবৃত্তি
অন্তঃ + আত্মা = অন্তরাত্মা
নিঃ + আশা = নিরাশা
মনে রাখুন: সন্ধি তিন প্রকার: স্বরসন্ধি, ব্যঞ্জনসন্ধি ও বিসর্গসন্ধি। এটি বিসর্গসন্ধির উদাহরণ।
আরও বিসর্গসন্ধি: মনঃ + কষ্ট = মনঃকষ্ট, অতঃ + এব = অতএব। - ৬০. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার রচিত কোন নাটকটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেন?
- ক. বিসর্জন
- খ. ডাকঘর
- গ. বসন্ত
- ঘ. অচলায়তন
উত্তর: গ. বসন্ত
১৯২৩ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর গীতিনাট্য ‘বসন্ত’ কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেন। নজরুলের তখন বিদ্রোহী কবি হিসেবে খ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছে। উৎসর্গে রবীন্দ্রনাথ নজরুলকে ‘কবি’ বলে সম্বোধন করেন। আবার নজরুলও তাঁর ‘সঞ্চিতা’ রবীন্দ্রনাথকে উৎসর্গ করেছিলেন, ফলে এই আদান-প্রদানের কথা পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ‘বসন্ত’ রবীন্দ্রনাথের গীতিনাট্য, যেখানে বসন্তের আগমন ও আনন্দ গানে গানে ফুটে উঠেছে।
মনে রাখুন:
রবীন্দ্রনাথের অন্য নাটক: ‘বিসর্জন’, ‘ডাকঘর’, ‘অচলায়তন’, ‘রক্তকরবী’, ‘রাজা’।
‘ডাকঘর’-এর প্রধান চরিত্র অমল।
নজরুলের সম্পাদিত পত্রিকা ‘ধূমকেতু’ (১৯২২)।
রবীন্দ্রনাথ ‘ধূমকেতু’ পত্রিকার জন্য আশীর্বাণী লিখেছিলেন।
উৎসর্গ মানে কোনো বই বা রচনা কাউকে সম্মানের সঙ্গে নিবেদন করা, আর এ ধরনের উৎসর্গ সাহিত্যিকদের পারস্পরিক শ্রদ্ধার প্রমাণ। - ৬৪. 'স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়'-এর রচয়িতা—
- ক. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
- খ. মধুসূদন দত্ত
- গ. রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
- ঘ. হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
উত্তর: গ. রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
‘স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায় রে, কে বাঁচিতে চায়’ পঙ্ক্তিটি রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পদ্মিনী উপাখ্যান’ (১৮৫৮) কাব্যের অংশ। এটি রাজপুত ইতিহাসের কাহিনি অবলম্বনে লেখা, আর কবিতায় পরাধীনতার বিরুদ্ধে প্রচণ্ড দেশপ্রেম প্রকাশ পেয়েছে। তাই রঙ্গলালকে দেশপ্রেম জাগানোর কবি বলা হয়।
মনে রাখুন:
রঙ্গলালের অন্যান্য কাব্য: ‘কর্মদেবী’, ‘শূরসুন্দরী’, ‘কাঞ্চীকাবেরী’।
‘পদ্মিনী উপাখ্যান’-এর কাহিনি জেমস টডের ‘Annals and Antiquities of Rajasthan’ থেকে নেওয়া।
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ছিলেন সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদক ও যুগসন্ধির কবি।
রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম ১৮২৭ সালে।
এই পঙ্ক্তিটি বাংলা সাহিত্যে দেশপ্রেমের এক বিখ্যাত উচ্চারণ হিসেবে আজও উদ্ধৃত হয়। - ৬৬. নুরুল মোমেন রচিত নাটক কোনটি?
- ক. নবান্ন
- খ. নেমেসিস
- গ. কৃষ্ণকুমারী
- ঘ. জমিদার দর্পণ
উত্তর: খ. নেমেসিস
নুরুল মোমেন ঢাকাকেন্দ্রিক আধুনিক বাংলা নাটকের একজন বিশিষ্ট নাট্যকার। তাঁর ‘নেমেসিস’ (১৯৪৮) নাটকে পঞ্চাশের মন্বন্তরের পটভূমিতে ক্ষুধা ও সমাজের নৃশংসতা ফুটে উঠেছে। বাকি নাটকগুলো অন্য লেখকের। ‘নবান্ন’ বিজন ভট্টাচার্যের, ‘কৃষ্ণকুমারী’ মাইকেল মধুসূদন দত্তের এবং ‘জমিদার দর্পণ’ মীর মশাররফ হোসেনের। নুরুল মোমেনের জন্ম ১৯০৮ সালে।
মনে রাখুন:
‘নবান্ন’ (১৯৪৪) ভারতীয় গণনাট্য সংঘের (IPTA) প্রযোজনায় পঞ্চাশের মন্বন্তর নিয়েই লেখা।
‘জমিদার দর্পণ’ প্রকাশিত হয় ১৮৭৩ সালে।
তাঁর আরেকটি নাটক ‘রূপান্তর’।
পঞ্চাশের মন্বন্তর ১৩৫০ বঙ্গাব্দ বা ১৯৪৩ সালে ঘটেছিল।
নাটকের নাম ‘নেমেসিস’ গ্রিক পুরাণের প্রতিশোধের দেবীর নাম থেকে নেওয়া, যা অন্যায়ের শাস্তি বোঝায়। - ৭৪. কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ—
- ক. বিদ্রোহী
- খ. অগ্নি-বীণা
- গ. বিষের বাঁশী
- ঘ. দোলন চাঁপা
উত্তর: খ. অগ্নি-বীণা
কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নিবীণা’ (১৯২২)। এতে ‘বিদ্রোহী’, ‘প্রলয়োল্লাস’, ‘কামাল পাশা’, ‘শাত-ইল-আরব’-এর মতো কবিতা আছে। ‘বিদ্রোহী’ একটি কবিতার নাম, কাব্যগ্রন্থ নয়। ‘দোলন চাঁপা’ ১৯২৩ সালে আর ‘বিষের বাঁশী’ ১৯২৪ সালে বের হয়েছিল। বই প্রকাশের পর নজরুল সারা বাংলায় বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হন। তাই কাব্যগ্রন্থের নাম আর কবিতার নাম মিলিয়ে ফেলা চলবে না।
মনে রাখুন:
নজরুলের প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘ব্যথার দান’ (১৯২২)।
প্রথম উপন্যাস ‘বাঁধনহারা’।
প্রথম প্রকাশিত কবিতা ‘মুক্তি’ (১৯১৯)।
নজরুল ‘অগ্নিবীণা’ উৎসর্গ করেন বিপ্লবী বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে।
ভারত সরকার ১৯৬০ সালে নজরুলকে পদ্মভূষণ দেয়।
বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৬ সালে তাঁকে একুশে পদক দেয়। - ৭৬. 'কাশবনের কন্যা' উপন্যাসের লেখক—
- ক. শামসুদ্দীন আবুল কালাম
- খ. আবুল কালাম শামসুদ্দীন
- গ. শওকত ওসমান
- ঘ. আবু ইসহাক
উত্তর: ক. শামসুদ্দীন আবুল কালাম
‘কাশবনের কন্যা’ (১৯৫৪) শামসুদ্দীন আবুল কালামের লেখা উপন্যাস। নামের মিল থাকায় এখানে ‘আবুল কালাম শামসুদ্দীন’ নামের বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে, কিন্তু তিনি অন্য একজন সাংবাদিক-লেখক। উপন্যাসের কাহিনি গ্রামীণ জীবনে ঘেরা, আর ভাষার সৌন্দর্য ও কাঠামো দেখে এটিকে তাঁর অন্যতম সেরা কাজ ধরা হয়। সাহিত্যিকের নামের ক্রম উল্টে গেলে লেখক বদলে যেতে পারে, তাই প্রশ্নে সতর্ক থাকতে হয়।
মনে রাখুন:
শামসুদ্দীন আবুল কালামের অন্যান্য উপন্যাস: ‘আলমনগরের উপকথা’, ‘জায়জঙ্গল’, ‘কাঞ্চনগ্রাম’।
আবু ইসহাকের উপন্যাস ‘সূর্য-দীঘল বাড়ী’ (১৯৫৫)।
শওকত ওসমানের উপন্যাস ‘ক্রীতদাসের হাসি’ (১৯৬২) ও ‘জননী’।
শওকত ওসমানের আসল নাম শেখ আজিজুর রহমান। - ৭৯. 'উপসর্গ' বসে শব্দের—
- ক. আগে
- খ. মাঝখানে
- গ. শেষে
- ঘ. আগে ও শেষে
উত্তর: ক. আগে
উপসর্গ হলো এমন শব্দাংশ, যার নিজস্ব অর্থ নেই কিন্তু অন্য শব্দের আগে বসে সেই শব্দের অর্থ বদলে দেয় বা নতুন অর্থ তৈরি করে। তাই উপসর্গ সবসময় শব্দের আগে বসে। শব্দের পরে যে অংশ বসে, তাকে প্রত্যয় বলে।
উদাহরণ:
প্র + গতি = প্রগতি
অ + কাজ = অকাজ
অপ + মান = অপমান
মনে রাখুন:
বাংলা উপসর্গ ২১টি।
তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ ২০টি।
বিদেশি উপসর্গ আরবি-ফারসি ও ইংরেজি থেকে আসে, যেমন হর-, বদ-, নিম-।
প্রত্যয় আবার দুই প্রকার: কৃৎ প্রত্যয় ও তদ্ধিত প্রত্যয়। - ৮৫. কোনটি শুদ্ধ বানান?
- ক. সমীচীন
- খ. সমিচিন
- গ. সমীচিন
- ঘ. সমিচীন
উত্তর: ক. সমীচীন
‘সমীচীন’ শব্দের অর্থ যুক্তিযুক্ত বা উচিত। শুদ্ধ বানানে ম ও চ দুটিতেই দীর্ঘ ঈ-কার থাকে। অপশনগুলোর বাকি বানানে ই/ঈ-এর গোলমাল আছে, তাই ভুল। যেসব তৎসম শব্দে দীর্ঘ ঈ-কার থাকে, সেগুলো আলাদা করে মুখস্থ রাখা ছাড়া উপায় নেই, কারণ উচ্চারণ শুনে ই/ঈ বোঝা যায় না। পরীক্ষায় ‘সমীচীন’-এর মতো শব্দ বানান যাচাইয়ে বারবার আসে।
মনে রাখুন: দীর্ঘ ঈ-কারযুক্ত শুদ্ধ বানান: পিপীলিকা, বিভীষিকা, কনীনিকা, নিশীথিনী, নিরীক্ষণ।
আর অশুদ্ধ বানান থেকে সাবধান: পিপিলিকা, বিভিষিকা, নিরিক্ষণ।
আরও শুদ্ধ বানান: ধূলি, কুটির, পরিষ্কার, অন্তঃপুর।
ঈ-কারের শব্দ আলাদা করে চিনতে সমজাতীয় শব্দ একসঙ্গে মুখস্থ করলে সুবিধা হয়। - ৮৬. দীনবন্ধু মিত্রের 'নীলদর্পণ' নাটকের বিষয়বস্তু কী?
- ক. নীল আয়না
- খ. জলদস্যুদের অত্যাচার
- গ. নীল সাগর
- ঘ. নীল চাষ ও নীলকরদের অত্যাচার
উত্তর: ঘ. নীল চাষ ও নীলকরদের অত্যাচার
দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ (১৮৬০) নাটকে ইংরেজ নীলকরদের হাতে বাংলার চাষিদের ওপর অকথ্য নির্যাতনের চিত্র আঁকা হয়েছে। নীল চাষ করতে চাষিদের বাধ্য করা হতো, না করলে নিষ্ঠুর শাস্তি দেওয়া হতো। সেই কাহিনিই নাটকের বিষয়। মাইকেল মধুসূদন দত্ত এটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেন (‘Nil Darpan’), যার প্রকাশক ছিলেন রেভারেন্ড জেমস লং, ফলে লংকে কারাদণ্ড ও জরিমানা দেওয়া হয়।
মনে রাখুন:
দীনবন্ধুর অন্যান্য রচনা: ‘সধবার একাদশী’, ‘জামাই বারিক’, ‘নবীন তপস্বিনী’, ‘লীলাবতী’।
নীল বিদ্রোহ হয়েছিল ১৮৫৯-৬০ সালে।
‘নীলদর্পণ’ ঢাকা থেকে প্রথম মুদ্রিত হয়েছিল।
দীনবন্ধু মিত্রের জন্ম নদীয়ার চৌবেড়িয়া গ্রামে। - ৮৭. 'বলাকা' কাব্য লিখেছেন—
- ক. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
- খ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ঘ. কাজী নজরুল ইসলাম
উত্তর: গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
‘বলাকা’ (১৯১৬) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ। এর মূল সুর হলো গতি, অর্থাৎ জীবন ও জগৎ সবসময় চলছে, থেমে থাকা মানে মৃত্যু। এজন্য ‘বলাকা’ কাব্যকে গতিবাদী কাব্য বলা হয়। কবিতাগুলোতে নতুন ধরনের মুক্তছন্দ (মুক্তক) ব্যবহার হয়েছে। অন্য অপশনের কবিরা এই কাব্যের রচয়িতা নন।
মনে রাখুন:
রবীন্দ্রনাথের অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ: ‘সোনার তরী’, ‘চিত্রা’, ‘কল্পনা’, ‘মানসী’, ‘গীতাঞ্জলি’।
তিনি ‘গীতাঞ্জলি’র ইংরেজি অনুবাদের জন্য ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কার পান।
তাঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্য ‘কবিকাহিনী’ (১৮৭৮)।
‘বলাকা’র নামকবিতায় বুনো হাঁসের উড়ে যাওয়ার ছবিতে গতির বন্দনা আছে।
‘বলাকা’ শব্দের অর্থ বক বা বুনো হাঁসের সারি। - ৯০. 'সংশপ্তক' গ্রন্থটি কার রচনা?
- ক. মুনীর চৌধুরী
- খ. শহীদুল্লা কায়সার
- গ. জহির রায়হান
- ঘ. শওকত ওসমান
উত্তর: খ. শহীদুল্লা কায়সার
‘সংশপ্তক’ (১৯৬৫) শহীদুল্লা কায়সারের মহাকাব্যিক উপন্যাস। এতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, মন্বন্তর ও দেশবিভাগের সময়কার সমাজ এবং রাজনৈতিক পরিবর্তন ফুটে উঠেছে। ‘সংশপ্তক’ শব্দের অর্থ যারা মৃত্যুপণ করে যুদ্ধ করে, অর্থাৎ যারা যুদ্ধ থেকে ফেরার পথ রাখে না। প্রশ্নের বাকি লেখকদের রচনা আলাদা: মুনীর চৌধুরীর ‘কবর’ একটি নাটক, জহির রায়হানের ‘হাজার বছর ধরে’ উপন্যাস এবং শওকত ওসমানের ‘ক্রীতদাসের হাসি’ উপন্যাস।
মনে রাখুন:
শহীদুল্লা কায়সারের আরেক উপন্যাস ‘সারেং বৌ’ (১৯৬২)।
তিনি পেশায় সাংবাদিক ছিলেন এবং ‘সংবাদ’ পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে বুদ্ধিজীবী হত্যার শিকার হয়ে তিনি শহীদ হন। - ৯৪. 'নির্জনতম কবি' বলে পরিচিত—
- ক. বিষ্ণু দে
- খ. বুদ্ধদেব বসু
- গ. জীবনানন্দ দাশ
- ঘ. অমিয় চক্রবর্তী
উত্তর: গ. জীবনানন্দ দাশ
বুদ্ধদেব বসু কবি জীবনানন্দ দাশকে ‘নির্জনতম কবি’ বলেছেন। জীবনানন্দ জীবদ্দশায় প্রচারের আলোয় কম এসেছেন, তাঁর কবিতায় নিঃসঙ্গতা, প্রকৃতি ও ইতিহাসচেতনা ছড়িয়ে আছে। কবির নিজস্ব নির্জন জগতের ছবি তাঁর কবিতায় বারবার ফিরে আসে বলেই এই নাম। বিষ্ণু দে, অমিয় চক্রবর্তী ও বুদ্ধদেব বসু তিরিশের দশকের অন্য কবি, কিন্তু এই বিশেষণ তাঁদের জন্য ব্যবহার করা হয় না।
মনে রাখুন:
জীবনানন্দের কাব্যগ্রন্থ: ‘ঝরা পালক’ (১৯২৭), ‘ধূসর পাণ্ডুলিপি’, ‘বনলতা সেন’, ‘মহাপৃথিবী’, ‘রূপসী বাংলা’।
‘রূপসী বাংলা’ তাঁর মৃত্যুর পরে প্রকাশিত।
তাঁকে ‘রূপসী বাংলার কবি’ এবং ‘ধূসরতার কবি’ও বলা হয়।
তিনি ১৮৯৯ সালে বরিশালে জন্মান এবং ১৯৫৪ সালে ট্রাম দুর্ঘটনায় মারা যান।
কম্পিউটার ও আইসিটি
- ৩৭. নিচের কোনটি অন্যগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়?
- ক. ফেসবুক
- খ. টুইটার
- গ. উইকিপিডিয়া
- ঘ. ইউটিউব
উত্তর: গ. উইকিপিডিয়া
ফেসবুক, টুইটার (বর্তমান নাম এক্স) ও ইউটিউব এমন প্ল্যাটফর্ম, যেখানে ব্যবহারকারীরা নিজেরা ছবি, লেখা বা ভিডিও দিয়ে পরস্পরের সঙ্গে সংযুক্ত হন। এগুলোকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম (Social media) ধরা হয়। উইকিপিডিয়া কিন্তু অন্য ধরনের। এটি মুক্ত অনলাইন বিশ্বকোষ, যেখানে মূলত জ্ঞানভিত্তিক নিবন্ধ লেখা ও সম্পাদনা করা হয়। তাই এই চারটির মধ্যে উইকিপিডিয়া বাকিগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখুন:
উইকিপিডিয়া চালু হয় ২০০১ সালে, প্রতিষ্ঠাতা জিমি ওয়েলস ও ল্যারি স্যাঙ্গার।
ইউটিউবের তিন প্রতিষ্ঠাতা চ্যাড হারলি, স্টিভ চেন ও জাভেদ করিম।
ফেসবুক চালু করেন মার্ক জাকারবার্গ (২০০৪)।
বিজ্ঞান
- ৪৩. রাতকানা রোগ হয় কোন ভিটামিনের অভাবে?
- ক. ভিটামিন-এ
- খ. ভিটামিন-সি
- গ. ভিটামিন-ডি
- ঘ. ভিটামিন-বি
উত্তর: ক. ভিটামিন-এ
আমাদের চোখের রেটিনায় আলো ধরার জন্য রোডপসিন নামের একটি রঞ্জক পদার্থ থাকে, যা তৈরি হতে ভিটামিন A লাগে। কম আলোতে দেখার জন্য এই রঞ্জকের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। ভিটামিন A-এর অভাব হলে রোডপসিন কম তৈরি হয়, ফলে সন্ধ্যার পর বা অন্ধকারে মানুষ ভালো দেখতে পায় না। এই অবস্থাকে রাতকানা (Night blindness) বলে। বাকি ভিটামিনের অভাবে অন্য রোগ হয়: ভিটামিন C-এর অভাবে স্কার্ভি, ভিটামিন D-এর অভাবে রিকেটস, ভিটামিন B₁-এর অভাবে বেরিবেরি।
মনে রাখুন:
ভিটামিন A-এর উৎস: গাজর, কলিজা, ডিম, মিষ্টি কুমড়া, লালশাক।
দীর্ঘদিন ভিটামিন A-এর অভাব হলে জেরোফথ্যালমিয়া নামের রোগ হয়। - ৫১. যে রক্তনালীর মাধ্যমে রক্ত হৃৎপিণ্ড থেকে দেহের বিভিন্ন অংশে বাহিত হয় তাকে বলে–
- ক. শিরা
- খ. ধমনী
- গ. কৈশিক জালিকা
- ঘ. উপশিরা
উত্তর: খ. ধমনী
আমাদের দেহে রক্ত চলাচলের জন্য তিন রকম রক্তনালী আছে: ধমনী, শিরা ও কৈশিকনালী। যে নালী হৃৎপিণ্ড থেকে রক্তকে দেহের বিভিন্ন অংশে নিয়ে যায়, তাকে ধমনী (Artery) বলে। ধমনির দেয়াল পুরু ও স্থিতিস্থাপক, কারণ হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত প্রবল চাপে বেরিয়ে আসে। এর বিপরীতে শিরা (Vein) দেহের বিভিন্ন অংশ থেকে রক্ত হৃৎপিণ্ডে ফিরিয়ে আনে। আর কৈশিকজালিকা ধমনী ও শিরার মাঝখানে অবস্থিত অতি সরু নালীর জাল।
মনে রাখুন:
ব্যতিক্রম: ফুসফুসীয় ধমনি অক্সিজেনবিহীন রক্ত বহন করে ফুসফুসে নেয়, আর ফুসফুসীয় শিরা অক্সিজেনযুক্ত রক্ত হৃৎপিণ্ডে ফেরায়।
দেহের বৃহত্তম ধমনি মহাধমনি বা অ্যাওর্টা। - ৫২. নিচের কোনটি গ্রিনহাউস গ্যাস নয়?
- ক. মিথেন
- খ. কার্বন ডাই-অক্সাইড
- গ. অক্সিজেন
- ঘ. নাইট্রাস অক্সাইড
উত্তর: গ. অক্সিজেন
গ্রিনহাউস গ্যাস হলো বায়ুমণ্ডলের সেই গ্যাস, যা পৃথিবীর ছাড়া তাপীয় অবলোহিত বিকিরণ শুষে রাখে এবং বায়ুমণ্ডলকে উষ্ণ করে। কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন ও নাইট্রাস অক্সাইড এই ধরনের গ্যাস। অক্সিজেন (O₂) দুই পরমাণুর সরল অণু, এটি অবলোহিত রশ্মি শোষণ করে না, তাই গ্রিনহাউস গ্যাস নয়। মজার ব্যাপার হলো, গ্রিনহাউস গ্যাস না থাকলে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা অনেক কম হতো, জীবনধারণ কঠিন হয়ে পড়ত।
মনে রাখুন:
অন্য গ্রিনহাউস গ্যাস: ওজোন, জলীয় বাষ্প, ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (CFC)।
গ্রিনহাউস প্রভাব বেশি হলে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বাড়ে।
ওজোন স্তর সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি আটকায়।
বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা: সব বছর
বিভিন্ন মন্ত্রণালয়: অন্যান্য পরীক্ষা
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয় উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয় সহকারী মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয় সহকারী প্রোগ্রামার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয় উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিদ্যুৎ বিভাগ বিদ্যুৎ পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর সহকারী প্রকৌশলী (পুর)/উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন