বিভিন্ন মন্ত্রণালয় উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ১৯ জুন ২০১৭। ১০১টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →বাংলা
- ১. ভাষাভাষী জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলা ভাষা পৃথিবীর কততম মাতৃভাষা?
- ক. নয়
- খ. আট
- গ. চার
- ঘ. ছয়
উত্তর: ঘ. ছয়
মাতৃভাষী জনসংখ্যার হিসাবে বাংলা পৃথিবীর প্রথম সারির ভাষাগুলোর একটি; পরীক্ষার সময়ের প্রচলিত হিসাবে একে ষষ্ঠ ধরা হতো। তবে বিভিন্ন জরিপে (যেমন Ethnologue) একে পঞ্চম বা সপ্তম হিসেবেও দেখানো হয়, আর এই অবস্থান সময়ের সঙ্গে বদলাতে পারে। - ২. 'চুলা' কোন ভাষার শব্দ?
- ক. কোল ভাষা
- খ. মুণ্ডারী ভাষা
- গ. তামিল ভাষা
- ঘ. ওলন্দাজ ভাষা
উত্তর: খ. মুণ্ডারী ভাষা
‘চুলা’ শব্দটি মুণ্ডারী ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে বলে ভাষাবিদেরা মনে করেন। বাংলার আদিম অধিবাসী কোল, মুণ্ডা ও সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর ভাষা অস্ট্রিক (অস্ট্রো-এশীয়) ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। এই ভাষাগুলো থেকে অনেক দৈনন্দিন শব্দ আমাদের ভাষায় ঢুকে পড়েছে, তাই রান্নাঘরের চুলার শিকড়ও বেশ পুরোনো। অন্যদিকে ওলন্দাজ (ডাচ) শব্দ এসেছে ইউরোপীয় বণিকদের সঙ্গে, বিশেষ করে তাস খেলার নাম হিসেবে।
মনে রাখুন:
মুণ্ডারী ভাষার শব্দ: চুলা, ঝিঙে, ঝোল।
কোল ভাষার শব্দ: কুড়ি (বিশ), কুলা।
ওলন্দাজ ভাষার শব্দ: ইস্কাবন, হরতন, রুইতন, তুরুপ।
পর্তুগিজ ভাষার শব্দ: আলমারি, বালতি, চাবি, পেরেক। - ৩. 'আমি এসেছি, কারণ তোমাকে নিয়ে যাব' বাক্যটি কোন ধরনের বাক্য?
- ক. সরল বাক্য
- খ. যৌগিক বাক্য
- গ. জটিল বাক্য
- ঘ. নির্দেশাত্মক বাক্য
উত্তর: গ. জটিল বাক্য
যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের সঙ্গে এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য যুক্ত থাকে, তাকে জটিল বাক্য (Complex Sentence) বলে। ‘আমি এসেছি, কারণ তোমাকে নিয়ে যাব’ বাক্যে ‘কারণ’ শব্দটি দুটি খণ্ডবাক্যকে জুড়ে দিয়েছে। প্রথম অংশ ‘আমি এসেছি’ এখানে কাজের কথা বলছে, আর দ্বিতীয় অংশ ‘তোমাকে নিয়ে যাব’ তার কারণ জানাচ্ছে। দ্বিতীয় অংশটি প্রথম অংশের ওপর নির্ভর করে অর্থ প্রকাশ করছে, তাই বাক্যটি জটিল। যৌগিক বাক্যে খণ্ডবাক্যগুলো স্বাধীন থাকে, এখানে তা নয়।
অন্য ধরনগুলো বুঝে নেওয়া সহজ। একটি কর্তা ও একটি সমাপিকা ক্রিয়া থাকলে সরল বাক্য হয়। আর দুই বা তার বেশি স্বাধীন বাক্য ‘এবং, কিন্তু, অথবা’ জাতীয় অব্যয় দিয়ে জুড়লে যৌগিক বাক্য হয়।
উদাহরণ:
সরল: পাখি উড়ে যায়।
যৌগিক: সে এল, কিন্তু কিছু বলল না।
জটিল: যে পরিশ্রম করে, সে সফল হয়।
মনে রাখুন: জটিল বাক্যে ‘যে-সে’, ‘যদি-তবে’, ‘যখন-তখন’ জাতীয় সাপেক্ষ সর্বনাম বা অব্যয় প্রায়ই থাকে। - ৪. 'কোলাকুলি' কোন সমাস?
- ক. ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি
- খ. অলুক বহুব্রীহি
- গ. মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি
- ঘ. ব্যতিহার বহুব্রীহি
উত্তর: ঘ. ব্যতিহার বহুব্রীহি
‘কোলাকুলি’ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো ‘কোলে কোলে যে মিলন’। এখানে একই ধরনের কাজ দুই পক্ষ পরস্পরের প্রতি করছে, অর্থাৎ কাজটি আদান-প্রদানমূলক। যে সমাসে এ রকম পারস্পরিক ক্রিয়া বোঝায় এবং সমস্তপদটি তৃতীয় কোনো অর্থ প্রকাশ করে, তাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি (Reciprocal Bahuvrihi) বলে। এ সমাসে সাধারণত একই শব্দ দুবার ব্যবহার হয়, আর আগের পদের শেষে ‘আ’ ও পরের পদের শেষে ‘ই’ যুক্ত হয়। বহুব্রীহি সমাসের সাধারণ নিয়মই হলো, সমস্তপদ কোনো পূর্বপদ বা পরপদের অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কিছু বোঝায়।
উদাহরণ:
হাতে হাতে যে লড়াই = হাতাহাতি।
কানে কানে যে কথা = কানাকানি।
লাঠিতে লাঠিতে যে যুদ্ধ = লাঠালাঠি।
মনে রাখুন: ব্যতিহার বহুব্রীহি চেনার সহজ উপায় হলো পরস্পর বোঝানো এবং ‘আ-ই’ যুক্ত রূপ, যেমন কোলাকুলি, মারামারি। - ৫. ইতিহাস বিষয়ে অভিজ্ঞ যিনি—আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০২২
- ক. ঐতিহাসিক
- খ. ইতিহাসবেত্তা
- গ. ইতিহাসবিদ
- ঘ. ইতিহাসবিজ্ঞ
উত্তর: খ. ইতিহাসবেত্তা
‘ইতিহাস বিষয়ে অভিজ্ঞ যিনি’ এই বাক্যাংশের এক কথায় প্রকাশ হলো ইতিহাসবেত্তা। ‘বেত্তা’ মানে যিনি জানেন, তাই ইতিহাসের গভীর জ্ঞান আছে এমন ব্যক্তিকে ইতিহাসবেত্তা বলা হয়। ‘ঐতিহাসিক’ শব্দটি সাধারণত যিনি ইতিহাস রচনা করেন তাঁর জন্য ব্যবহার হয়। আবার বিশেষণ হিসেবে এটি ইতিহাসে স্থান পাওয়ার মতো কিছু বোঝায়, যেমন ঐতিহাসিক ঘটনা। তাই অপশনে ঐতিহাসিক থাকলেও ‘অভিজ্ঞ’ ভাবটির জন্য ইতিহাসবেত্তাই ঠিক।
মনে রাখুন:
ইতিহাস জানেন যিনি = ইতিহাসবেত্তা।
বিজ্ঞান জানেন যিনি = বিজ্ঞানী।
শাস্ত্র জানেন যিনি = শাস্ত্রজ্ঞ।
আইন জানেন যিনি = আইনজ্ঞ।
সব জানেন যিনি = সর্বজ্ঞ। - ৬. 'ব্যাঙের আধুলি' বাগধারার অর্থ—
- ক. অসম্ভব ঘটনা
- খ. সামান্য সম্পদ
- গ. দুঃসাধ্য বস্তু
- ঘ. চক্ষুশূল
উত্তর: খ. সামান্য সম্পদ
‘ব্যাঙের আধুলি’ বাগধারাটির অর্থ অতি সামান্য সঞ্চয় বা সামান্য সম্পদ। ব্যাঙ ছোট্ট প্রাণী, সে কোথাও আধুলি জমিয়ে রাখলে তা কতই বা মূল্যবান হতে পারে? এই কৌতুক থেকেই বাগধারাটির জন্ম, আর এর মধ্যে কোনো জিনিসের তুচ্ছতার ইঙ্গিত আছে। আমরা কথাবার্তায় বলি, ‘এ তো ব্যাঙের আধুলি, এ দিয়ে কী হবে?’ অর্থাৎ যা আছে তা প্রায় কিছুই না। অন্য অপশনের ভাবগুলো ভিন্ন বাগধারায় প্রকাশ পায়, যেমন ‘দুঃসাধ্য বস্তু’ বোঝাতে বলা হয় সোনার হরিণ।
মনে রাখুন:
ব্যাঙের সর্দি = অসম্ভব ঘটনা।
চোখের বালি = চক্ষুশূল, অপ্রিয় ব্যক্তি।
সোনার হরিণ = দুষ্প্রাপ্য বস্তু।
ব্যাঙের ছাতা = হঠাৎ গজিয়ে ওঠা জিনিস। - ৭. 'সচেষ্ট' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ—
- ক. নীরস
- খ. সবল
- গ. নিশ্চেষ্ট
- ঘ. দুর্বল
উত্তর: গ. নিশ্চেষ্ট
‘সচেষ্ট’ শব্দের অর্থ চেষ্টা বা উদ্যোগ আছে এমন। এর উল্টো অবস্থা হলো যার কোনো চেষ্টা নেই, অর্থাৎ নিশ্চেষ্ট। ‘নিঃ’ উপসর্গটি অভাব বোঝায়, আর সন্ধির নিয়মে ‘নিঃ’ ও ‘চেষ্ট’ মিলে হয়েছে ‘নিশ্চেষ্ট’। তাই এর অর্থ চেষ্টাহীন বা নিষ্ক্রিয়। কাজেই সচেষ্টের বিপরীতার্থক শব্দ নিশ্চেষ্ট। অন্য অপশনগুলোর নিজস্ব বিপরীত শব্দ আছে, তাই সেগুলো এখানে মেলে না।
মনে রাখুন:
নীরস × সরস।
সবল × দুর্বল।
সচল × অচল।
সক্রিয় × নিষ্ক্রিয়।
সফল × বিফল। - ৮. 'চাতুর্য' শব্দের বিশেষণ—
- ক. চতুরতা
- খ. চতুরালি
- গ. চতুর
- ঘ. চৈতন্য
উত্তর: গ. চতুর
‘চাতুর্য’ শব্দটি বিশেষ্য, এর অর্থ চতুরতা বা চালাকি। কোনো বিশেষ্য থেকে বিশেষণ পেতে হলে সেই গুণের অধিকারী বোঝানো শব্দটি খুঁজতে হয়। ‘চাতুর্য’ গুণটি যার আছে, সে হলো চতুর। তাই ‘চাতুর্য’ শব্দের বিশেষণ ‘চতুর’। অপশনে থাকা ‘চতুরতা’ এবং ‘চতুরালি’ দুটিই আসলে বিশেষ্য, আর ‘চৈতন্য’ শব্দের অর্থ চেতনা, যার সঙ্গে চাতুর্যের সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখুন:
বিশেষ্য ও বিশেষণ জোড়া: সৌন্দর্য – সুন্দর, মাধুর্য – মধুর, গাম্ভীর্য – গম্ভীর, চাতুর্য – চতুর।
লক্ষ করুন, এই শব্দগুলোর বিশেষ্য রূপে ‘ষ্য’ বা ‘র্য’ থাকে, কিন্তু বিশেষণ রূপে তা থাকে না। - ৯. পরাশ্রয়ী বর্ণ কোনটি?
- ক. ম
- খ. ন
- গ. ং
- ঘ. ঞ
উত্তর: গ. ং
বাংলা ভাষার কিছু ধ্বনির চিহ্ন একা উচ্চারিত হয় না, উচ্চারণের জন্য তাদের কোনো বর্ণের ওপর নির্ভর করতে হয়। এদের পরাশ্রয়ী বর্ণ বলা হয়, কারণ এরা অন্যের আশ্রয় নেয়। অনুস্বার (ং), বিসর্গ (ঃ) এবং চন্দ্রবিন্দু (ঁ) এই দলের অন্তর্ভুক্ত। প্রশ্নের অপশনে একমাত্র ‘ং’ পরাশ্রয়ী বর্ণ।
অন্যদিকে ম, ন ও ঞ বর্ণ উচ্চারণের সময় নাক থেকেও বাতাস বের হয় বলে এগুলোকে নাসিক্য বর্ণ বলা হয়। এই বর্ণগুলো নিজেরাই পূর্ণ ব্যঞ্জনবর্ণ, তাই এরা পরাশ্রয়ী নয়।
মনে রাখুন:
পরাশ্রয়ী বর্ণ = ং, ঃ, ঁ।
নাসিক্য ব্যঞ্জন = ঙ, ঞ, ণ, ন, ম। - ১০. উপকারীর উপকার স্বীকার করে যে—এক কথায় প্রকাশ কোনটি?
- ক. উপকার স্বীকার
- খ. কৃতঘ্ন
- গ. অকৃতজ্ঞ
- ঘ. কৃতজ্ঞ
উত্তর: ঘ. কৃতজ্ঞ
‘উপকারীর উপকার স্বীকার করে যে’ বাক্যাংশটির এক কথায় প্রকাশ হলো কৃতজ্ঞ। ‘কৃত’ মানে করা হয়েছে এমন উপকার, আর ‘জ্ঞ’ মানে যে জানে। অর্থাৎ যে ব্যক্তি অন্যের করা উপকারের কথা মনে রাখে ও স্বীকার করে, সে কৃতজ্ঞ। এর ঠিক উল্টো ভাব প্রকাশ করে অকৃতজ্ঞ, যে উপকার স্বীকার করে না। আর যে উপকারীরই ক্ষতি করে, তাকে বলা হয় কৃতঘ্ন।
মনে রাখুন:
উপকারীর অপকার করে যে = কৃতঘ্ন।
উপকার স্বীকার করে না যে = অকৃতজ্ঞ।
কৃতজ্ঞতা = উপকারীর উপকার মনে রাখার ভাব।
যে নিজের কাজ নিজে করে না = অলস। - ১১. 'Campaign' শব্দটির পারিভাষিক শব্দ কী?
- ক. প্রচারাভিযান
- খ. প্রচারণা
- গ. প্রচার
- ঘ. প্রকাশনা
উত্তর: ক. প্রচারাভিযান
পারিভাষিক শব্দ বলতে এমন বাংলা প্রতিশব্দ বোঝায়, যা কোনো বিদেশি বা বিশেষ বিষয়ের শব্দের ঠিক ভাবটি প্রকাশ করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। ‘Campaign’ বলতে কোনো উদ্দেশ্যে সংগঠিতভাবে চালানো প্রচেষ্টা বা অভিযানকে বোঝায়, যেমন নির্বাচনী প্রচারণা বা সচেতনতামূলক অভিযান। এর পারিভাষিক শব্দ হলো প্রচারাভিযান। অন্য অপশনগুলোর ইংরেজি প্রতিশব্দ আলাদা। ‘প্রচার’ ও ‘প্রচারণা’ সাধারণভাবে Publicity বা Propaganda বোঝায়, আর ‘প্রকাশনা’ হলো Publication।
মনে রাখুন:
Campaign = প্রচারাভিযান।
Publication = প্রকাশনা।
Circulation = প্রচলন বা প্রচার সংখ্যা।
Bulletin = বিজ্ঞপ্তি।
Notification = প্রজ্ঞাপন। - ১২. কবি ভারতচন্দ্রকে 'রায়গুণাকর' উপাধি দিয়েছিলেন কে?
- ক. রঘুনাথ জমিদার
- খ. রাজা কৃষ্ণচন্দ্র
- গ. দ্বিজ চণ্ডীদাস
- ঘ. ময়ূরভট্ট
উত্তর: খ. রাজা কৃষ্ণচন্দ্র
নদীয়ার কৃষ্ণনগরের মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায় তাঁর সভাকবি ভারতচন্দ্রের কবিত্বে মুগ্ধ হয়ে তাঁকে ‘রায়গুণাকর’ উপাধি দিয়েছিলেন। এই সভাকবিই মহারাজার আদেশে ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্য রচনা করেন। এ কাব্যকে মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যধারার শেষ বড় নিদর্শন ধরা হয়, তাই ভারতচন্দ্রকে মধ্যযুগের শেষ কবিও বলা হয়। তাঁর মৃত্যুর পরই বাংলা সাহিত্যে আধুনিক যুগের সূচনা হয়।
অন্য অপশনের পরিচয়ও জেনে রাখা দরকার। রঘুনাথ ছিলেন জমিদার, যিনি মুকুন্দরামকে ‘কবিকঙ্কণ’ উপাধি দেন। আর ময়ূরভট্ট ধর্মমঙ্গলের আদি কবি হিসেবে পরিচিত।
মনে রাখুন:
ভারতচন্দ্র = রায়গুণাকর (উপাধিদাতা রাজা কৃষ্ণচন্দ্র)।
কাব্য: অন্নদামঙ্গল।
জীবনকাল: ১৭১২–১৭৬০।
মুকুন্দরাম চক্রবর্তী = কবিকঙ্কণ (কাব্য: চণ্ডীমঙ্গল)। - ১৩. 'মেঘনাদবধ' কাব্যের রচনাকাল—
- ক. ১৮৬১
- খ. ১৮৬৫
- গ. ১৮৬০
- ঘ. ১৮৭৩
উত্তর: ক. ১৮৬১
মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য। কবি এ কাব্যের কাহিনি নিয়েছেন বাল্মীকির রামায়ণ থেকে, তবে রাবণ ও মেঘনাদের প্রতি তাঁর সহানুভূতি বেশি থাকায় গল্পটি তিনি রামায়ণের চেয়ে অন্যভাবে সাজিয়েছেন। কাব্যটি ১৮৬১ সালে প্রকাশিত হয়। এটি নয়টি সর্গে বিভক্ত। এ কাব্যেই প্রথম বাংলায় অমিত্রাক্ষর ছন্দের ব্যবহার হয়, যেখানে ছত্রের শেষে মিল থাকে না। বাংলা ভাষায় এই ছন্দের প্রবর্তক মধুসূদন দত্ত।
মনে রাখুন:
চরিত্র: রাবণ, মেঘনাদ, রাম, লক্ষ্মণ, বিভীষণ, সীতা, প্রমীলা।
মধুসূদনের অন্য রচনা: তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য (১৮৬০), ব্রজাঙ্গনা কাব্য (১৮৬১), বীরাঙ্গনা কাব্য (১৮৬২)।
মধুসূদনের প্রথম বাংলা নাটক ‘শর্মিষ্ঠা’ (১৮৫৯)। - ১৪. রামায়ণের রচয়িতা কে?
- ক. বেদব্যাস
- খ. বাল্মীকি
- গ. বশিষ্ঠ
- ঘ. বিশ্বামিত্র
উত্তর: খ. বাল্মীকি
রামায়ণ প্রাচীন ভারতের একটি মহাকাব্য, যা সংস্কৃত ভাষায় রচিত। এর রচয়িতা মহর্ষি বাল্মীকি। প্রচলিত কাহিনি অনুযায়ী তিনি আগে রত্নাকর নামে এক দস্যু ছিলেন, পরে তপস্যার ফলে সাধু হয়ে ওঠেন এবং রামের কাহিনি কাব্যে লেখেন। এ কারণে রামায়ণকে সংস্কৃত ভাষার আদি মহাকাব্য বলা হয়।
অন্য মহাকাব্য মহাভারতের রচয়িতা কৃষ্ণদ্বৈপায়ন ব্যাসদেব, যাঁকে বেদব্যাসও বলা হয়। তিনি বেদকে চার ভাগে ভাগ করেছিলেন বলেই এই নাম। বশিষ্ঠ ও বিশ্বামিত্র রামায়ণের কাহিনিতে ঋষি হিসেবে আছেন, কিন্তু তাঁরা রচয়িতা নন।
মনে রাখুন:
রামায়ণ – বাল্মীকি।
মহাভারত – বেদব্যাস।
বাংলায় রামায়ণ অনুবাদ করেন মধ্যযুগের কবি কৃত্তিবাস ওঝা, আর মহাভারত অনুবাদ করেন কাশীরাম দাস। - ১৫. চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয়—
- ক. ১৮৯০
- খ. ১৯০২
- গ. ১৯০৭
- ঘ. ১৯১০
উত্তর: গ. ১৯০৭
চর্যাপদ বাংলা ভাষার সবচেয়ে প্রাচীন নিদর্শন। এটি বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের রচিত গান, যার ভাষা প্রাচীন বাংলা। ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার (Royal Library) থেকে এর পুঁথি আবিষ্কার করেন। পরে ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ‘হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা’ নামে এটি ছাপা হয়। চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নির্ভরযোগ্য নিদর্শন, তাই এই আবিষ্কারের সাল পরীক্ষায় বারবার আসে।
মনে রাখুন:
আবিষ্কার: ১৯০৭, নেপাল।
আবিষ্কারক: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।
প্রকাশ: ১৯১৬।
চর্যাপদের আদি কবি লুইপাদ।
চর্যাপদের সময়কাল আনুমানিক ৯৫০–১২০০ সাল ধরা হয়। - ১৬. 'প্রভাবতী সম্ভাষণ' কার রচনা?
- ক. দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- গ. রামমোহন রায়
- ঘ. দীনবন্ধু মিত্র
উত্তর: খ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
‘প্রভাবতী সম্ভাষণ’ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের (১৮২০–১৮৯১) রচনা। বন্ধু রাজকৃষ্ণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছোট্ট কন্যা প্রভাবতীর অকালমৃত্যুতে শোকাহত হয়ে তিনি এটি লেখেন। বাংলা গদ্যে যতিচিহ্নের (Punctuation) সার্থক ব্যবহার করে গদ্যকে সুশৃঙ্খল ও সুন্দর রূপ দেওয়ায় তাঁকে ‘বাংলা গদ্যের জনক’ বলা হয়।
অন্য অপশনের পরিচয়ও জানা দরকার। দীনবন্ধু মিত্র ‘নীলদর্পণ’ নাটকের জন্য বিখ্যাত, আর রামমোহন রায় ও দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ব্রাহ্ম আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
মনে রাখুন:
মৌলিক রচনা: প্রভাবতী সম্ভাষণ, ব্রজবিলাস, অতি অল্প হইল।
অনুবাদ বা রূপান্তর: বেতাল পঞ্চবিংশতি, শকুন্তলা, সীতার বনবাস, ভ্রান্তিবিলাস।
বিদ্যাসাগরের উদ্যোগে ১৮৫৬ সালে বিধবা বিবাহ আইন পাস হয়। - ১৭. মধ্যযুগের শেষ কবি কে?
- ক. আলাওল
- খ. ভারতচন্দ্র
- গ. মুকুন্দরাম
- ঘ. শ্যামানন্দ
উত্তর: খ. ভারতচন্দ্র
বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগ ধরা হয় আনুমানিক ১২০১ থেকে ১৮০০ সাল পর্যন্ত। এই যুগের একেবারে শেষ প্রান্তের কবি ছিলেন ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর। তিনি নদীয়ার মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন এবং ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্য লিখে খ্যাতি পান। তাঁর ভাষা মার্জিত ও ছন্দ নিখুঁত হওয়ায় তাঁকে ‘মধ্যযুগের শেষ কবি’ বলা হয়। তাঁর পরেই বাংলা সাহিত্যে আধুনিক যুগের সূচনা।
অন্য অপশনের কবিদেরও চিনে রাখা ভালো। আলাওল মুসলমান কবিদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ, তাঁর বিখ্যাত কাব্য ‘পদ্মাবতী’। মুকুন্দরাম চক্রবর্তী ‘চণ্ডীমঙ্গল’ লিখে ‘কবিকঙ্কণ’ উপাধি পান।
মনে রাখুন:
মধ্যযুগের শেষ কবি – ভারতচন্দ্র।
মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন – বড়ু চণ্ডীদাসের ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’।
মধ্যযুগের সময়কাল: ১২০১–১৮০০। - ১৮. 'আজ সৃষ্টি সুখের উল্লাসে' কবিতাটি কোন কাব্যের?
- ক. বিষের বাঁশী
- খ. ফণিমনসা
- গ. দোলনচাঁপা
- ঘ. ভাঙার গান
উত্তর: গ. দোলনচাঁপা
‘আজ সৃষ্টি সুখের উল্লাসে’ কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা। তাঁর প্রথম দিকের এই কবিতা ‘দোলন-চাঁপা’ কাব্যের অন্তর্ভুক্ত। এ কাব্যটি ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে নজরুলের প্রেম ও আবেগময় রূপের পরিচয় পাওয়া যায়, তাই এটি তাঁর বিদ্রোহী সত্তা থেকে কিছুটা আলাদা।
অন্য অপশনগুলোতে নজরুলের বিদ্রোহী ও সংগ্রামী সুর বেশি। ‘বিষের বাঁশী’ ও ‘ভাঙার গান’ ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের কবিতা সংকলন, আর ‘ফণিমনসা’-তেও তেজি প্রতিবাদী কবিতা রয়েছে।
মনে রাখুন:
অগ্নিবীণা (১৯২২): নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ, এতে ‘বিদ্রোহী’ কবিতা আছে।
দোলন-চাঁপা (১৯২৩)।
বিষের বাঁশী (১৯২৪): ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করে।
ভাঙার গান (১৯২৪)।
ফণিমনসা (১৯২৭)। - ১৯. 'পদ্মানদীর মাঝি' উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র—
- ক. শশী
- খ. হেরম্ব
- গ. কুবের
- ঘ. গণেশ
উত্তর: গ. কুবের
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পদ্মানদীর মাঝি’ উপন্যাসের কাহিনি গড়ে উঠেছে পদ্মা নদীর তীরের জেলে সমাজকে ঘিরে। উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র কুবের। সে একজন গরিব মাঝি। তার জীবনের সংগ্রাম, স্ত্রী মালা, শ্যালিকা কপিলা এবং হোসেন মিয়ার ময়নাদ্বীপের রহস্যময় স্বপ্ন গল্পটিকে এগিয়ে নিয়েছে।
উপন্যাসটি প্রথমে ১৯৩৪ সালে ‘পূর্বাশা’ পত্রিকায় ধারাবাহিক ছাপা হয়, পরে ১৯৩৬ সালে বই আকারে বের হয়। বাংলা সাহিত্যে এটি আঞ্চলিক জীবনের শ্রেষ্ঠ উপন্যাসগুলোর একটি।
মনে রাখুন:
অন্যান্য চরিত্র: গণেশ, ধনঞ্জয়, শীতলবাবু, হোসেন মিয়া।
শশী ডাক্তার ‘পুতুলনাচের ইতিকথা’র এবং হেরম্ব ‘দিবারাত্রির কাব্য’র চরিত্র, তাই এদের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা চলবে না।
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস ‘জননী’ (১৯৩৫)। - ২০. বাংলা গীতিকবিতার জনক কে?
- ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- গ. বিহারীলাল চক্রবর্তী
- ঘ. প্যারীচাঁদ মিত্র
উত্তর: গ. বিহারীলাল চক্রবর্তী
গীতিকবিতা (Lyric Poetry) হলো এমন কবিতা, যাতে কবি নিজের অনুভূতি, আবেগ ও ব্যক্তিগত ভাবনা সুরের মতো করে প্রকাশ করেন। বাংলা সাহিত্যে এ ধারার সূচনা করেন বিহারীলাল চক্রবর্তী। তাঁর ‘সারদামঙ্গল’ কাব্যে কবির মনের গভীর অনুভূতি আত্মগত সুরে ফুটে উঠেছে, তাই তাঁকে বাংলা গীতিকবিতার জনক বলা হয়। রবীন্দ্রনাথ তাঁকে ‘ভোরের পাখি’ নামে অভিহিত করেছিলেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই ধারাকে পূর্ণতা দেন, কিন্তু তিনি এর প্রথম পথিকৃৎ নন।
মনে রাখুন:
বিহারীলালের অন্য কাব্য: বঙ্গসুন্দরী, নিসর্গসন্দর্শন, সাধের আসন।
গদ্যের জনক – ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
ছোটগল্পের জনক – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
প্যারীচাঁদ মিত্র প্রথম উপন্যাস ‘আলালের ঘরের দুলাল’ লেখেন (১৮৫৮)। - ২১. 'বনফুলের' প্রকৃত নাম কী?
- ক. বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
- খ. প্রমথনাথ বিশী
- গ. প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
- ঘ. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
উত্তর: ক. বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
সাহিত্যিকরা অনেক সময় নিজের আসল নামের বদলে ছদ্মনামে লেখেন। ‘বনফুল’ ছদ্মনামটি কথাসাহিত্যিক ও কবি বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের। তিনি পেশায় চিকিৎসক ছিলেন, কিন্তু ছোটগল্প, উপন্যাস ও নাটক লিখেও পরিচিত হন। তাঁর লেখায় সরল ও প্রকৃতিঘেঁষা সুর আছে, যা ‘বনফুল’ নামের সঙ্গে মানিয়ে যায়। অন্য অপশনের নামগুলো আলাদা মানুষের। প্রমথনাথ বিশী ও প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় নিজ নামেই বিখ্যাত, আর শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় একসময় ‘অনিলা দেবী’ ছদ্মনামে লিখেছিলেন।
মনে রাখুন:
বনফুলের রচনা: জঙ্গম, স্থাবর, হাটে বাজারে।
প্রমথ চৌধুরী – বীরবল।
মোহিতলাল মজুমদার – সত্যসুন্দর দাস।
সমরেশ বসু – কালকূট। - ২২. 'গীতাঞ্জলি' কাব্যটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
- ক. ১৯১৩
- খ. ১৯১০
- গ. ১৯১২
- ঘ. ১৯১৫
উত্তর: খ. ১৯১০
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্য বাংলায় প্রকাশিত হয় ১৯১০ সালে। এতে ভক্তি ও আধ্যাত্মিকতার সুর প্রধান। পরে রবীন্দ্রনাথ নিজে এর কিছু কবিতা ইংরেজিতে অনুবাদ করেন, যা ‘Song Offerings’ নামে ১৯১২ সালে লন্ডন থেকে বের হয়। এই ইংরেজি সংস্করণের জন্যই তিনি ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। এভাবে তিনি প্রথম ভারতীয় ও প্রথম এশীয় নোবেলজয়ী হন।
এখানে একটি ফাঁদ আছে। নোবেল পাওয়ার সাল ১৯১৩ অপশনে আছে, কিন্তু প্রশ্নটি কাব্যের প্রকাশকাল নিয়ে, তাই উত্তর ১৯১০।
মনে রাখুন:
গীতাঞ্জলি (বাংলা): ১৯১০।
Song Offerings (ইংরেজি): ১৯১২।
নোবেল পুরস্কার: ১৯১৩।
রবীন্দ্রনাথের জন্ম ১৮৬১ সালে, মৃত্যু ১৯৪১ সালে। - ২৩. মুসলিম রেনেসাঁর কবি কে?
- ক. ফররুখ আহমদ
- খ. আহসান হাবীব
- গ. হাসান হাফিজুর রহমান
- ঘ. সৈয়দ আলী আহসান
উত্তর: ক. ফররুখ আহমদ
মুসলিম রেনেসাঁ বলতে বাংলা সাহিত্যে এমন এক ধারা বোঝায়, যেখানে মুসলিম ঐতিহ্য, ইতিহাস ও আদর্শকে কবিতায় নতুনভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এ ধারার প্রধান কবি ফররুখ আহমদ। তাঁর শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ ‘সাত সাগরের মাঝি’, যেখানে হতাশায় ডুবে থাকা জাতিকে নতুন জাগরণের ডাক দেওয়া হয়েছে। তিনি শিশুদের জন্য ‘পাখির বাসা’ নামে বই লিখে ১৯৬৬ সালে ইউনেস্কো পুরস্কার পান।
অন্য অপশনের কবিরা অন্য ধারার। আহসান হাবীব ও সৈয়দ আলী আহসান আধুনিক কবিতার কবি, আর হাসান হাফিজুর রহমান আধুনিক চেতনার কবি হিসেবে পরিচিত।
মনে রাখুন:
ফররুখ আহমদের অন্য বই: ‘সিরাজাম মুনীরা’, ‘হাতেম তায়ী’ (কাব্যনাট্য)।
মুসলিম রেনেসাঁ ধারার আরও কবি: কায়কোবাদ, ইসমাইল হোসেন সিরাজী। - ২৪. 'শাহনামা' গ্রন্থের রচয়িতা কে?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ১৪৯১) ২০১৯
- ক. ফেরদৌসী
- খ. সবুক্তগীন
- গ. জামী
- ঘ. রুমী
উত্তর: ক. ফেরদৌসী
‘শাহনামা’ ফারসি ভাষার একটি বিখ্যাত মহাকাব্য। এর রচয়িতা ইরানের মহাকবি ফেরদৌসী। তিনি প্রায় ৩০ বছর পরিশ্রম করে এই কাব্য রচনা করেন এবং গজনির সুলতান মাহমুদকে এটি উৎসর্গ করেন। এতে ইরানের রাজাদের ইতিহাস ও বীরগাথা বর্ণিত হয়েছে। ফেরদৌসীর শাহনামা ফারসি সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ সম্পদগুলোর একটি। বাংলায় ‘শাহনামা’ অনুবাদ করেছেন মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক এবং মনিরউদ্দীন ইউসুফ।
মনে রাখুন:
জামী – ‘ইউসুফ জোলেখা’ (ফারসি কবি)।
রুমী – ‘মসনবি’।
সাদী – ‘গুলিস্তাঁ’ ও ‘বোস্তাঁ’।
ওমর খৈয়াম – ‘রুবাইয়াত’।
সবুক্তগীন গজনি বংশের প্রতিষ্ঠাতা, কবি নন। - ২৫. পত্রের মূল অংশ কোনটি?
- ক. সম্বোধন
- খ. শিরোনাম
- গ. পত্রগর্ভ
- ঘ. ঠিকানা
উত্তর: গ. পত্রগর্ভ
চিঠি বা পত্রের কয়েকটি অংশ থাকে, যেমন সম্বোধন, মূল বক্তব্য, সমাপ্তি, স্বাক্ষর ও খামের ওপরের ঠিকানা। এর মধ্যে যে অংশে লেখক তাঁর আসল কথা বা পত্র লেখার উদ্দেশ্য জানান, সেই মূল অংশকে বলে পত্রগর্ভ (অন্তর্ভাগ)। চিঠির প্রাণ হলো এই পত্রগর্ভ, কারণ এখানেই প্রাপককে জানানোর মূল তথ্য থাকে।
অন্য অপশনগুলো পত্রের বাইরের কাঠামো। সম্বোধন হলো প্রাপককে ডাকার অংশ, আর শিরোনাম হলো খামের ওপর প্রাপকের নাম-ঠিকানা লেখা।
মনে রাখুন:
পত্রের দুই ভাগ হলো অন্তর্ভাগ (পত্রগর্ভ) ও বহির্ভাগ (শিরোনাম)।
সম্বোধন লেখা হয় পত্রগর্ভ শুরুর আগে, যেমন ‘শ্রদ্ধেয় স্যার’ বা ‘প্রিয় বন্ধু’। - ৮০. 'আবার আসিব ফিরে, ধানসিড়িটির তীরে এই বাংলায়'—পঙ্ক্তিটির রচয়িতা কে?
- ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. জীবনানন্দ দাশ
- গ. কাজী নজরুল ইসলাম
- ঘ. জসীমউদ্দীন
উত্তর: খ. জীবনানন্দ দাশ
‘আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে — এই বাংলায়’ পঙ্ক্তিটি জীবনানন্দ দাশের লেখা। কবিতাটির নাম ‘আবার আসিব ফিরে’, যা ‘রূপসী বাংলা’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। এতে কবি মৃত্যুর পরেও বাংলার নদী, মাঠ ও প্রকৃতির মাঝে ফিরে আসার গভীর ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। প্রকৃতি ও স্বদেশের প্রতি এই ভালোবাসার কারণে তাঁকে ‘রূপসী বাংলার কবি’ বলা হয়।
‘রূপসী বাংলা’ কাব্যের সব কবিতা সনেট। কবির জীবদ্দশায় বইটি ছাপা হয়নি, মৃত্যুর পর ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত হয়।
মনে রাখুন:
জীবনানন্দের অন্য কাব্য: ঝরা পালক (১৯২৭), ধূসর পাণ্ডুলিপি (১৯৩৬), বনলতা সেন (১৯৪২), মহাপৃথিবী (১৯৪৪)।
‘বনলতা সেন’ তাঁর সর্বাধিক পরিচিত কাব্যগ্রন্থ।
জীবনানন্দ দাশের জন্ম বরিশালে। - ৯৬. 'বনফুল' কার ছদ্মনাম?
- ক. বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
- খ. যতীন্দ্রমোহন বাগচী
- গ. প্রমথ চৌধুরী
- ঘ. মোহিতলাল মজুমদার
উত্তর: ক. বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
সাহিত্যিকরা অনেক সময় আসল নামের বদলে ছদ্মনামে লেখেন। ‘বনফুল’ ছদ্মনামটি কথাসাহিত্যিক ও কবি বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের। পেশায় তিনি চিকিৎসক ছিলেন, তবু ছোটগল্প, উপন্যাস ও নাটক লিখে বাংলা সাহিত্যে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছেন। তাঁর লেখায় সংক্ষিপ্ত ও ব্যঙ্গাত্মক ছোটগল্পের জন্য আলাদা খ্যাতি ছিল।
অন্য অপশনের পরিচয়ও জেনে রাখা ভালো। যতীন্দ্রমোহন বাগচী ‘দুঃখবাদের কবি’ নামে পরিচিত, প্রমথ চৌধুরী ‘বীরবল’ ছদ্মনামে লিখতেন এবং মোহিতলাল মজুমদার ‘সত্যসুন্দর দাস’ ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন।
মনে রাখুন:
অনিলা দেবী – শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
কালকূট – সমরেশ বসু।
বনফুলের রচনা: জঙ্গম, স্থাবর, হাটে বাজারে।
ইংরেজি
- ২৬. Cosmology deals with :
- ক. Creation of the universe
- খ. Origin of life
- গ. Cell formation
- ঘ. Origin of plants
উত্তর: ক. Creation of the universe
Cosmology (বিশ্বতত্ত্ব) শব্দটি এসেছে গ্রিক ‘kosmos’ (সুশৃঙ্খল বিশ্ব) থেকে। এই বিজ্ঞানের শাখা মহাবিশ্বের উৎপত্তি, গঠন, বিবর্তন ও পরিণতি নিয়ে আলোচনা করে। তাই প্রশ্নের উত্তর হলো Creation of the universe। বিগ ব্যাং তত্ত্ব কিংবা মহাবিশ্বের সম্প্রসারণের আলোচনাও এই শাখার আওতায় পড়ে।
অন্য অপশনগুলো ভিন্ন বিজ্ঞানের বিষয়। Origin of life নিয়ে জীববিজ্ঞানের একটি শাখা (Abiogenesis) আলোচনা করে, Cell formation কোষবিদ্যার (Cytology) বিষয় এবং Origin of plants উদ্ভিদবিজ্ঞানের (Botany) আওতায় পড়ে।
মনে রাখুন:
Cosmos = সুশৃঙ্খল বিশ্ব, আর এর বিপরীত Chaos = বিশৃঙ্খলা।
Astronomy = জ্যোতির্বিজ্ঞান।
Cosmetics (প্রসাধনী) শব্দটিও একই গ্রিক মূল থেকে এসেছে বলে মনে করা হয়। - ২৭. The verb form of the word 'act' is—
- ক. action
- খ. inaction
- গ. act
- ঘ. actor
উত্তর: গ. act
কিছু ইংরেজি শব্দ আছে যেগুলোর noun ও verb রূপ একই। ‘Act’ তার একটি। Noun হিসেবে এর অর্থ কাজ বা কর্ম, যেমন an act of kindness। আবার verb হিসেবে এর অর্থ কাজ করা বা অভিনয় করা, যেমন He acts well। তাই এর verb form-ও act। অন্য অপশনগুলো আলাদা শব্দ। Action হলো noun (কর্ম), Inaction হলো noun (নিষ্ক্রিয়তা), আর Actor হলো noun (অভিনেতা)।
উদাহরণ:
Noun: His act was brave.
Verb: Please act quickly.
মনে রাখুন:
আরও কয়েকটি শব্দ যাদের noun ও verb রূপ এক – love, work, play, hope, water।
Act-এর adjective রূপ active, আর adverb রূপ actively। - ২৮. The phrase 'over head and ears' means—
- ক. deeply
- খ. blindly
- গ. mostly
- ঘ. emotionally
উত্তর: ক. deeply
‘Over head and ears’ একটি ইংরেজি idiom, যার আক্ষরিক অর্থ মাথা ও কান পর্যন্ত ডুবে যাওয়া। কেউ পানিতে মাথা পর্যন্ত ডুবে গেলে তার আর কিছুই বাকি থাকে না। এই ভাব থেকেই idiom-টির অর্থ হয়েছে গভীরভাবে বা সম্পূর্ণরূপে জড়িয়ে যাওয়া। যেমন, He is over head and ears in debt, অর্থাৎ সে ঋণে আকণ্ঠ ডুবে আছে।
তাই এর কাছাকাছি অর্থ হলো deeply। অন্য অপশনগুলোর অর্থ আলাদা। Blindly মানে অন্ধভাবে, Mostly মানে প্রধানত আর Emotionally মানে আবেগের সঙ্গে।
মনে রাখুন:
Up to one’s neck – গভীরভাবে জড়িত।
Head over heels in love – প্রেমে পুরোপুরি মগ্ন।
In deep water – বিপদে পড়া। - ২৯. Which of the following sentences is correct?
- ক. This is an unique case.
- খ. This is unique case.
- গ. This is a unique case.
- ঘ. This is the most unique case.
উত্তর: গ. This is a unique case.
Article ‘a’ না ‘an’ বসবে, তা নির্ভর করে পরের শব্দের বানানের ওপর নয়, উচ্চারণের প্রথম ধ্বনির ওপর। ‘Unique’ শব্দটির বানান u দিয়ে শুরু হলেও উচ্চারণ ‘ইউনিক’, অর্থাৎ শুরুতে ব্যঞ্জন ধ্বনি /y/ শোনা যায়। এজন্য এর আগে ‘a’ বসে। সঠিক বাক্য তাই This is a unique case।
অন্য বাক্যগুলোর ভুল আছে। ‘An unique’ ভুল, কারণ শুরুর ধ্বনিটি স্বরধ্বনি নয়। ‘This is unique case’ বাক্যে article বাদ গেছে। আর ‘the most unique’ ভুল, কারণ unique মানে অদ্বিতীয়, তাকে আর তুলনা করা যায় না।
উদাহরণ:
a university, a European, a one-way ticket।
an hour, an honest man।
মনে রাখুন: এ নিয়মেই a useful book লিখতে হয়, an useful book নয়। - ৩০. The drama 'Macbeth' is written by—
- ক. G. B. Shaw
- খ. Ben Jonson
- গ. William Shakespeare
- ঘ. Harold Pinter
উত্তর: গ. William Shakespeare
‘Macbeth’ উইলিয়াম শেক্সপিয়রের লেখা একটি বিখ্যাত ট্র্যাজেডি নাটক। এতে স্কটল্যান্ডের সেনাপতি ম্যাকবেথ তিন ডাইনির ভবিষ্যদ্বাণী শুনে রাজা হওয়ার লোভে ডানকানকে হত্যা করেন, কিন্তু পরে অপরাধবোধ ও ভয়ে পতনের দিকে এগিয়ে যান। নাটকটি আনুমানিক ১৬০৬ সালের কাছাকাছি লেখা হয়েছে বলে ধরা হয়। শেক্সপিয়রকে ‘Bard of Avon’ বলা হয়, কারণ তিনি স্ট্র্যাটফোর্ড-আপন-অ্যাভনে জন্মেছিলেন।
অন্য অপশনের লেখকরাও নাট্যকার। জি. বি. শ ‘Pygmalion’ লিখেছেন, বেন জনসন ‘Volpone’ আর হ্যারল্ড পিন্টার ‘The Birthday Party’ লিখেছেন।
মনে রাখুন:
শেক্সপিয়রের চার মহান ট্র্যাজেডি – Hamlet, Othello, King Lear ও Macbeth।
শেক্সপিয়রের জীবনকাল: ১৫৬৪–১৬১৬। - ৩১. To fill up the blank in the sentence "One should do — duty", we need —.
- ক. his
- খ. her
- গ. the
- ঘ. one's
উত্তর: ঘ. one's
বাক্যটি হলো ‘One should do — duty’। এখানে কর্তা (subject) হলো সাধারণ অর্থে ‘one’, অর্থাৎ যেকোনো ব্যক্তি। ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম হলো, কর্তা ‘one’ হলে সম্বন্ধবাচক শব্দটিও ‘one’s’ হয়। এই ধরনের বাক্যে his বা her ব্যবহার করলে সবাইকে বোঝানো যায় না, আবার ‘the’ বসালে অর্থ অস্পষ্ট হয়ে পড়ে। তাই সঠিক বাক্য One should do one’s duty।
একই নিয়মে, One must respect one’s parents। এখানেও ‘one’ ও ‘one’s’ মিলিয়ে ব্যবহার করতে হয়।
মনে রাখুন: ইংরেজি ব্যাকরণের পরীক্ষায় one-এর পরে one’s জোড়াটিই সঠিক ধরা হয়, his বা her নয়। - ৩২. He started at day-break. Here the word 'day-break' means—
- ক. evening
- খ. morning
- গ. mid-day
- ঘ. night
উত্তর: খ. morning
‘Daybreak’ শব্দটি দুটি অংশ নিয়ে গঠিত, day (দিন) ও break (ভাঙা বা শুরু হওয়া)। রাতের অন্ধকার কেটে যখন দিনের আলো ফুটতে শুরু করে, সেই সময়টাকেই daybreak বলে। বাংলায় এর অর্থ ভোর বা প্রভাত। তাই He started at daybreak বাক্যের মানে সে ভোরবেলা রওনা দিয়েছিল। অন্য অপশনগুলোর অর্থ আলাদা। Evening মানে সন্ধ্যা, Mid-day মানে দুপুর আর Night মানে রাত।
মনে রাখুন:
Daybreak-এর সমার্থক শব্দ dawn, sunrise, first light।
বিপরীত শব্দ nightfall বা dusk (গোধূলি)।
Sunset = সূর্যাস্ত, noon = দুপুর। - ৩৩. Which of the following sentences is correct?
- ক. It is a must.
- খ. It is the must.
- গ. It is must.
- ঘ. It is an must.
উত্তর: ক. It is a must.
‘Must’ সাধারণত modal verb হিসেবে ব্যবহার হয়, যেমন You must go। কিন্তু এখানে ‘must’ ব্যবহার হয়েছে noun হিসেবে, যার অর্থ অপরিহার্য বা অবশ্য করণীয় বিষয়। Noun হওয়ায় এর আগে article বসাতে হয়। ‘Must’ শব্দটি ব্যঞ্জন ধ্বনি দিয়ে শুরু হয়েছে, তাই an নয় a বসবে। সঠিক বাক্য হলো It is a must (এটি অবশ্যই করা উচিত)।
অন্য বাক্যগুলোতে ভুল আছে। ‘The must’ এখানে প্রযোজ্য নয়, ‘It is must’ বাক্যে article নেই, আর ‘an must’ ভুল, কারণ an বসে স্বরধ্বনির আগে।
উদাহরণ:
Helmet is a must for riders.
A good dictionary is a must for students.
মনে রাখুন: Must-have, must-see জাতীয় শব্দেও একই ভাব থাকে, অর্থাৎ যা অবশ্যই থাকা বা দেখা দরকার। - ৩৪. She aspired — a business career. The right word in this gap will be :
- ক. to
- খ. for
- গ. by
- ঘ. from
উত্তর: ক. to
Verb-এর সঙ্গে কোন preposition বসবে, তা অনেক সময় মুখস্থ রাখতে হয়। ‘Aspire’ মানে আকাঙ্ক্ষা করা বা উচ্চাশা পোষণ করা। এই verb সাধারণত ‘to’ নিয়ে ব্যবহৃত হয়, যেমন aspire to something। তাই বাক্যটি হবে She aspired to a business career, অর্থাৎ সে ব্যবসায়িক ক্যারিয়ারের আকাঙ্ক্ষা করত। এর noun রূপ aspiration এবং বিশেষণ aspiring।
উদাহরণ: He aspires to become a doctor.
মনে রাখুন:
Aspire to, long for, yearn for, hanker after – সবগুলোরই অর্থ আকুল আকাঙ্ক্ষা, কিন্তু preposition আলাদা।
Aspirant মানে যে ব্যক্তি উচ্চাকাঙ্ক্ষা পোষণ করে। - ৩৫. The passive form of the sentence 'He saw me do it' is—
- ক. I was seen do it by him.
- খ. I was seen to do it by him.
- গ. I was seen doing it by him.
- ঘ. I was seen to doing it by him.
উত্তর: খ. I was seen to do it by him.
‘He saw me do it’ বাক্যে ‘see’ verb-এর পর object ‘me’ এবং ‘do’ আছে, যেটি to ছাড়া verb (bare infinitive)। Active voice-এ perception verb (see, hear, watch) এর পরে bare infinitive বসে। কিন্তু passive করার সময় নিয়ম বদলে যায়, তখন infinitive-এর আগে ‘to’ বসাতে হয়। তাই সঠিক passive form হলো I was seen to do it by him।
মজার ব্যাপার হলো, বাক্যে do-এর জায়গায় doing থাকলে (He saw me doing it) passive-এ আর to বসত না, তখন হতো I was seen doing it by him।
উদাহরণ:
Active: They heard him sing.
Passive: He was heard to sing.
মনে রাখুন: make ও let-এর ক্ষেত্রেও একই। Active: They made him work. Passive: He was made to work. - ৩৬. To complete the sentence "Mr Smith lives — 75, Ranking Street, Dhaka". we have to use —.
- ক. in
- খ. at
- গ. on
- ঘ. by
উত্তর: খ. at
Preposition at, on ও in-এর ব্যবহার ঠিকানার ধরন অনুযায়ী আলাদা। যখন বাড়ির নম্বরসহ নির্দিষ্ট ঠিকানা বলা হয়, তখন at বসে। যেমন, ‘lives at 75, Ranking Street’। রাস্তার নাম একা এলে (বাড়ির নম্বর ছাড়া) on বসে, যেমন He lives on Ranking Street। আর শহর বা দেশের নামের আগে in বসে, যেমন in Dhaka। এখানে বাড়ির নম্বর ৭৫ থাকায় সঠিক উত্তর at।
উদাহরণ:
She lives at 12 Park Road.
The shop is on Park Road.
He lives in London.
মনে রাখুন: নির্দিষ্ট ঠিকানার জন্য at, রাস্তার জন্য on, শহর বা দেশের জন্য in। - ৩৭. Joe is one of the boys who — on time. To complete this sentence we should use—
- ক. is
- খ. are
- গ. does
- ঘ. were
উত্তর: খ. are
‘One of the boys who …’ গঠনে relative pronoun ‘who’-এর antecedent (যে শব্দের জায়গায় who বসেছে) হলো ‘the boys’, আর boys হলো plural। কারণ কথাটির অর্থ হলো, কিছু ছেলে আছে যারা সময়মতো আসে, জো তাদেরই একজন। Antecedent plural হলে who-এর পরের verb-ও plural হয়। তাই এখানে ‘are’ বসবে। প্রশ্নের বাক্যটি হবে Joe is one of the boys who are on time।
সতর্কতা: বাক্যে ‘the only one of the boys who’ থাকলে antecedent হতো one, তখন verb হতো singular। যেমন, Joe is the only one of the boys who is on time।
মনে রাখুন:
‘one of the + plural noun + who’ এর পরে plural verb বসে।
‘the only one … who’ এর পরে singular verb বসে। - ৩৮. The verb form of the word 'survival' is—
- ক. service
- খ. serve
- গ. survey
- ঘ. survive
উত্তর: ঘ. survive
Survival শব্দের অর্থ টিকে থাকা বা বেঁচে থাকা। এটি noun। এর verb রূপ হলো survive, যার অর্থ কোনো বিপদ বা অসুবিধার পরেও জীবিত থাকা। যেমন, Only two passengers survived the crash। অনেক শব্দে verb-এর শেষে -al যুক্ত করে noun বানানো হয়, যেমন arrive – arrival, refuse – refusal। অন্য অপশনগুলোর অর্থ আলাদা। Service মানে সেবা, serve মানে সেবা করা বা পরিবেশন করা, আর survey মানে জরিপ।
মনে রাখুন:
Survivor হলো সেই ব্যক্তি যে বেঁচে যায়।
Surviving হলো বিশেষণ রূপ (জীবিত)।
Propose – proposal, approve – approval, deny – denial। - ৩৯. 'Never tell a lie' The passive form of this sentence is—
- ক. Let never be told a lie
- খ. Let not a lie never be told
- গ. Let a lie never be told
- ঘ. Let lie never be told
উত্তর: গ. Let a lie never be told
‘Never tell a lie’ একটি imperative বা আদেশমূলক বাক্য। আদেশ বা অনুরোধের বাক্যকে passive করতে হলে শুরুতে ‘Let’ বসিয়ে object-কে subject করা হয় এবং ‘be + past participle’ ব্যবহার করা হয়। এখানে object হলো ‘a lie’, তাই বাক্যটি হয় Let a lie never be told। ‘Never’ শব্দটি be-এর আগে বসে, কারণ এটি adverb।
অন্য অপশনগুলোতে ভুল আছে। প্রথমটিতে object নেই, দ্বিতীয়টিতে দুবার নেতিবাচক শব্দ আছে (not ও never), আর চতুর্থটিতে ‘a’ বাদ পড়েছে।
উদাহরণ:
Active: Open the door.
Passive: Let the door be opened.
Active: Do not tell lies.
Passive: Let lies not be told.
মনে রাখুন: Imperative sentence-এর passive করার আরেকটি রূপ হলো ‘You are requested to …’, তবে ‘Let’ রূপটি পরীক্ষায় বেশি আসে। - ৪০. He went home last night. Here the word 'home' is a/an —
- ক. noun
- খ. pronoun
- গ. adjective
- ঘ. adverb
উত্তর: ঘ. adverb
শব্দের শ্রেণি (parts of speech) নির্ভর করে বাক্যে শব্দটি কী কাজ করছে তার ওপর। ‘He went home last night’ বাক্যে ‘went’ হলো verb, আর ‘home’ বলছে কোথায় গিয়েছিল। অর্থাৎ home এখানে verb-কে modify করে স্থান বোঝাচ্ছে। যে শব্দ verb, adjective বা অন্য adverb-কে modify করে, সেটি adverb। তাই home এখানে adverb of place। অন্য বাক্যে home noun হতে পারে, যেমন Home is sweet, আবার adjective-ও হতে পারে, যেমন a home match।
মনে রাখুন:
Go home-এ আগে ‘to’ বসে না, কারণ home এখানে adverb।
‘go to school’-এ school noun বলে to বসে।
একই নিয়মে abroad, upstairs, downstairs adverb হিসেবে to ছাড়া বসে। - ৪১. The verb form of the word 'danger' is—আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৫
- ক. dangerous
- খ. endanger
- গ. dangering
- ঘ. undanger
উত্তর: খ. endanger
Danger শব্দের অর্থ বিপদ। এটি noun। এর সঙ্গে ‘en-’ উপসর্গ যোগ করলে verb তৈরি হয়, endanger, যার অর্থ বিপদে ফেলা বা ঝুঁকিতে ফেলা। যেমন, Smoking endangers your health। ‘En-’ উপসর্গের কাজ হলো noun বা adjective থেকে verb তৈরি করা। অন্য অপশনগুলো verb নয়। Dangerous হলো adjective (বিপজ্জনক), আর Dangering এবং Undanger ইংরেজিতে প্রচলিত শব্দই নয়।
উদাহরণ:
large – enlarge (বড় করা)।
rich – enrich (সমৃদ্ধ করা)।
courage – encourage (উৎসাহ দেওয়া)।
মনে রাখুন: Endangered species মানে বিলুপ্তির ঝুঁকিতে থাকা প্রজাতি। - ৪২. The English translation of the proverb, 'এক মাঘে শীত যায় না' is—
- ক. The winter does not have one Magh only
- খ. One swallow does not make a summer
- গ. One swallow does not make a winter
- ঘ. Winter does not go in Magh
উত্তর: খ. One swallow does not make a summer
বাংলা প্রবাদ ‘এক মাঘে শীত যায় না’ বলতে বোঝায়, একটি মাত্র লক্ষণ বা ঘটনা দেখে পুরো ফলাফল নিশ্চিত করা যায় না। প্রশ্নের অপশনের মধ্যে ইংরেজিতে এই ভাবের কাছাকাছি প্রবাদ হলো One swallow does not make a summer। একটা সোয়ালো পাখি দেখেই ধরে নেওয়া যায় না যে গ্রীষ্ম এসে গেছে, কারণ গ্রীষ্ম আসার আরও অনেক লক্ষণ লাগে।
অন্য অপশনের তৃতীয় বাক্যে summer-এর বদলে winter বলা হয়েছে, যা প্রবাদটির প্রচলিত রূপ নয়। প্রথম ও চতুর্থ বাক্য প্রবাদ হিসেবে কোথাও ব্যবহৃত হয় না।
মনে রাখুন:
A stitch in time saves nine – সময়ের এক ফোঁড়, অসময়ের দশ ফোঁড়।
All that glitters is not gold – চকচক করলেই সোনা হয় না। - ৪৩. 'I could not help laughing.' Here the sentence means —
- ক. আমি হাসতে বাধ্য হলাম
- খ. আমি তাকে হাসাতে বাধ্য হলাম
- গ. আমি না হাসতে বাধ্য হলাম
- ঘ. আমি তাকে না হাসাতে বাধ্য হলাম
উত্তর: ক. আমি হাসতে বাধ্য হলাম
‘Cannot help’ একটি গুরুত্বপূর্ণ idiom, যার পরে verb-এর সঙ্গে -ing যুক্ত রূপ (gerund) বসে। এর অর্থ না করে পারা যায় না বা বাধ্য হওয়া। ‘I could not help laughing’ বাক্যের সরল মানে হলো, আমি না হেসে পারলাম না, বা আমি হাসতে বাধ্য হলাম। এখানে ‘could not’ হলো ‘cannot’ এর অতীত রূপ।
অন্য অপশনগুলোর অর্থ ভুল। দ্বিতীয় ও চতুর্থটিতে ‘তাকে’ শব্দটি বাক্যে নেই, আর তৃতীয়টিতে ‘না হাসতে বাধ্য’ বলা হয়েছে যা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
উদাহরণ:
I cannot help thinking about him. (আমি তার কথা না ভেবে পারি না।)
মনে রাখুন: একই অর্থের গঠন – cannot but + verb, যেমন I cannot but laugh। - ৪৪. To complete the sentence 'Had I been there, — we have to use —.
- ক. I would support him
- খ. I would have supported him
- গ. I could support him
- ঘ. I shall have supported him
উত্তর: খ. I would have supported him
‘Had I been there’ বাক্যটি third conditional-এর একটি বিশেষ গঠন। সাধারণত ‘If I had been there’ বলা হয়, কিন্তু ‘if’ বাদ দিয়ে had-কে subject-এর আগে বসিয়েও একই অর্থ প্রকাশ করা যায় (inversion)। এটি অতীতের এমন কোনো অবস্থা বোঝায়, যা বাস্তবে ঘটেনি। এর ফল অংশে (result clause) লেখা হয় would have + past participle। তাই সঠিক বাক্য Had I been there, I would have supported him। অর্থ দাঁড়ায়, আমি সেখানে থাকলে তাকে সমর্থন করতাম, কিন্তু আমি তখন সেখানে ছিলাম না।
উদাহরণ: Had she studied, she would have passed.
মনে রাখুন:
Third conditional: If + had + p.p, would have + p.p।
Second conditional: If + past, would + verb।
First conditional: If + present, will + verb। - ৪৫. The boy was really lucky, —? To fill the gap we need—
- ক. did he?
- খ. didn't he?
- গ. was he?
- ঘ. wasn't he?
উত্তর: ঘ. wasn't he?
Tag question তৈরির নিয়ম হলো, মূল বাক্য affirmative বা হ্যাঁ-বাচক হলে tag negative হয়, আর মূল বাক্য negative হলে tag affirmative হয়। এখানে ‘The boy was really lucky’ হ্যাঁ-বাচক, তাই tag হবে negative। মূল বাক্যে verb ‘was’ (be verb) আছে বলে tag-এও সেটিকেই ব্যবহার করতে হয়, সঙ্গে ‘not’ যুক্ত করে সংক্ষেপ রূপ wasn’t। Subject ‘The boy’-এর জায়গায় সর্বনাম he বসে। সঠিক tag তাই wasn’t he?
উদাহরণ:
She is clever, isn’t she?
They were late, weren’t they?
He doesn’t smoke, does he?
মনে রাখুন: Imperative বাক্যের tag হয় will you? বা won’t you?, আর Let’s-এর tag হয় shall we? - ৪৬. The opposite word of 'demon' is —
- ক. God
- খ. Devil
- গ. Angel
- ঘ. Fairy
উত্তর: গ. Angel
Demon শব্দের অর্থ অপদেবতা বা শয়তান প্রকৃতির দুষ্ট আত্মা। এর বিপরীত শব্দ খুঁজতে হলে ভালো ও পবিত্র সত্তার কথা ভাবতে হয়। ‘Angel’ বলতে দেবদূত বা নিষ্পাপ, কল্যাণময় সত্তাকে বোঝায়, তাই demon-এর বিপরীত শব্দ angel। অন্য অপশনগুলো বিপরীত নয়। Devil বা শয়তান হলো প্রায় একই অর্থের শব্দ, God মানে ঈশ্বর বা সৃষ্টিকর্তা, আর Fairy মানে পরী, যা রূপকথার কল্পিত প্রাণী।
মনে রাখুন:
Demon – Angel।
Saint – Sinner (সাধু – পাপী)।
Giant – Dwarf (দৈত্য – বামন)।
Heaven – Hell (স্বর্গ – নরক)। - ৪৭. The students had free — to the Principal. Here the right word in the gap is —
- ক. excess
- খ. access
- গ. axcess
- ঘ. acxcess
উত্তর: খ. access
শূন্যস্থানের বাক্যটি হলো ‘The students had free — to the Principal’। এখানে অর্থ দাঁড়ায়, ছাত্ররা অধ্যক্ষের কাছে অবাধে যাওয়ার সুযোগ পেত। এই সুযোগ বা প্রবেশাধিকার বোঝাতে noun ‘access’ ব্যবহার হয়। বাক্যটি তাই The students had free access to the Principal। অন্য অপশনের ‘excess’ শব্দের অর্থ আধিক্য বা বাড়াবাড়ি, বানান কাছাকাছি হলেও অর্থ পুরো আলাদা। বাকি দুটি ইংরেজিতে অস্তিত্বহীন বানান।
উদাহরণ:
The public has access to the library.
He suffers from an excess of pride.
মনে রাখুন:
Access – প্রবেশাধিকার, Excess – আধিক্য।
Accept (গ্রহণ করা) ও except (ছাড়া) – এই জোড়াও একইভাবে গুলিয়ে ফেলা হয়। - ৪৮. What kind of noun is the word 'cattle'?
- ক. Proper
- খ. Common
- গ. Abstract
- ঘ. Collective
উত্তর: ঘ. Collective
Noun প্রধানত পাঁচ ধরনের, Proper, Common, Collective, Material ও Abstract। যে noun একই ধরনের একাধিক ব্যক্তি, প্রাণী বা বস্তুর সমষ্টিকে একটি নামে প্রকাশ করে, সেটি Collective noun। ‘Cattle’ বলতে গরু, মহিষ ইত্যাদি গবাদি পশুর সম্মিলিত দলকে বোঝায়। তাই cattle হলো collective noun। এটি plural হিসেবে ব্যবহার হয়, যেমন The cattle are grazing।
অন্য ধরনগুলো এভাবে চেনা যায়। Proper noun নির্দিষ্ট কারও নাম, যেমন Dhaka। Common noun একই জাতীয় সবার নাম, যেমন cow। Abstract noun গুণ বা অবস্থার নাম, যেমন honesty।
উদাহরণ:
Collective: army, team, jury, flock, herd।
Material: gold, water, milk। - ৪৯. To fill up the gap in the sentence. 'He had his hair —.' We should use —.
- ক. to cut
- খ. cutting
- গ. cut
- ঘ. to be cut
উত্তর: গ. cut
‘Have + object + past participle’ গঠনটি দিয়ে বোঝানো হয় যে কাজটি কর্তা নিজে করেননি, অন্য কাউকে দিয়ে করিয়েছেন। ‘He had his hair cut’ বাক্যের অর্থ সে চুল কাটিয়েছিল, অর্থাৎ নাপিতকে দিয়ে কাটিয়েছিল। এই গঠনে object (his hair)-এর পর verb-এর past participle বসে। ‘Cut’-এর past participle-ও cut, তাই উত্তর cut। সে নিজে চুল কাটলে বলা হতো He cut his hair। দুই বাক্যের অর্থ তাই ভিন্ন।
উদাহরণ:
I had my car repaired. (আমি গাড়ি মেরামত করিয়েছি।)
She had her house painted.
মনে রাখুন: Cut-cut-cut, put-put-put, hit-hit-hit – এই verb-গুলোর তিন রূপই একই। - ৫০. The word 'electrifying' means :
- ক. very exciting
- খ. electric fire
- গ. electric change
- ঘ. illuminating
উত্তর: ক. very exciting
‘Electrify’ verb-এর আক্ষরিক অর্থ বিদ্যুৎ দিয়ে চালিত করা বা বৈদ্যুতিক শক্তি সংযুক্ত করা। কিন্তু ‘electrifying’ বিশেষণ হিসেবে ব্যবহার হলে এর অর্থ হয় খুব উত্তেজনাপূর্ণ বা শিহরন জাগানো। যেমন, It was an electrifying performance, অর্থাৎ অভিনয়টি দর্শকদের শিহরিত করেছিল। বিদ্যুতের ঝাঁকুনির মতোই মানুষকে নাড়া দেয় বলে এই অর্থ এসেছে। তাই সঠিক উত্তর very exciting। অন্য অপশনগুলো বিভ্রান্তিকর। Illuminating মানে আলোকিত করা বা জ্ঞানদায়ক।
মনে রাখুন:
Thrilling, stirring ও stimulating শব্দগুলো একই অর্থের কাছাকাছি।
Electrify-এর noun রূপ electrification।
গণিত
- ৫১. যদি a + b = √5 এবং a − b = √3 হয়, তবে a² + b² = কত?
- ক. 4
- খ. 4√2
- গ. 6
- ঘ. √8
উত্তর: ক. 4
আমরা জানি, (a+b)² + (a−b)² = 2(a² + b²)। কারণ বর্গ খুললে ab-এর পদ দুটি পরস্পর কাটা যায় এবং a² আর b² দুবার করে থাকে।
এখানে a + b = √5, তাই (a+b)² = 5। আবার a − b = √3, তাই (a−b)² = 3।
সুতরাং 2(a² + b²) = 5 + 3 = 8, অর্থাৎ a² + b² = 4।
যাচাই: (a+b)² − (a−b)² = 5 − 3 = 2 = 4ab, তাই ab = 1/2। তখন a² + b² = (a+b)² − 2ab = 5 − 1 = 4, একই উত্তর পাওয়া যায়।
মনে রাখুন:
(a+b)² + (a−b)² = 2(a² + b²)।
(a+b)² − (a−b)² = 4ab।
এই দুটি সম্পর্ক জানা থাকলে a ও b আলাদা করে বের না করেই উত্তর পাওয়া যায়। - ৫২. A = {−1, 1, 2} এবং B = φ হলে, A ∩ B এর মান—
- ক. {−1, 1, 2}
- খ. {−1, 1, 2, φ}
- গ. φ
- ঘ. {−1, φ}
উত্তর: গ. φ
দুটি সেটের সাধারণ উপাদান নিয়ে যে সেট গঠিত হয়, তাকে সেট দুটির ছেদ (Intersection) বলে এবং লেখা হয় A ∩ B। এখানে B = φ, অর্থাৎ B একটি ফাঁকা সেট, যাতে কোনো উপাদানই নেই। তাই A-এর কোনো উপাদানই B-তে নেই। সাধারণ উপাদান না থাকায় ছেদ ফাঁকা সেট হবে, A ∩ B = φ।
আরও কিছু নিয়ম মনে রাখা যায়। যেকোনো সেট A-এর জন্য A ∩ φ = φ এবং A ∪ φ = A।
মনে রাখুন:
{φ} আর φ এক নয়। {φ} সেটে একটি উপাদান (ফাঁকা সেট) আছে, কিন্তু φ-তে কোনো উপাদান নেই।
A ∩ A = A এবং A ∪ A = A। - ৫৩. ⁿC_r + ⁿC_{r−1} এর সঠিক মান কোনটি?
- ক. ⁿC_{r+1}
- খ. ⁿ⁺¹C_r
- গ. ⁿ⁺¹C_{r+1}
- ঘ. ⁿ⁺¹C_{r−1}
উত্তর: খ. ⁿ⁺¹C_r
সমাবেশ বা কম্বিনেশনের (Combination) একটি গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হলো ⁿC_r + ⁿC_{r−1} = ⁿ⁺¹C_r। এটি পাসকালের ত্রিভুজের মূল নিয়ম, যেখানে একটি সংখ্যা তার ওপরের দুই সংখ্যার যোগফল।
প্রমাণের ছোট রূপ: ⁿC_r + ⁿC_{r−1} = n!/(r!(n−r)!) + n!/((r−1)!(n−r+1)!)। সাধারণ হর নিয়ে n! বের করলে পাই n!(n−r+1 + r)/(r!(n−r+1)!) = (n+1)!/(r!(n+1−r)!) = ⁿ⁺¹C_r।
সুতরাং উত্তর ⁿ⁺¹C_r।
মনে রাখুন:
ⁿC_r = ⁿC_{n−r}।
ⁿC₀ = ⁿCₙ = 1।
ⁿC_r = n!/(r!(n−r)!)। - ৫৪. $^nC_r + {^nC_{r-1}}$ এর সঠিক মান কোনটি?
- ক. $^nC_{r+1}$
- খ. $^{n+1}C_r$
- গ. $^{n+1}C_{r+1}$
- ঘ. $^{n+1}C_{r-1}$
উত্তর: খ. $^{n+1}C_r$
পাস্কালের সূত্র অনুযায়ী $^nC_r + {^nC_{r-1}} = {^{n+1}C_r}$। পাস্কালের ত্রিভুজে পাশাপাশি দুটি সংখ্যা যোগ করে নিচের সংখ্যাটি পাওয়ার নিয়মও এটিই। - ৫৫. ΔABC এর ∠A = 40°, ∠B = 70° হলে, ΔABC কী ধরনের ত্রিভুজ?
- ক. সমকোণী
- খ. স্থূলকোণী
- গ. সমদ্বিবাহু
- ঘ. সমবাহু
উত্তর: গ. সমদ্বিবাহু
ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি 180°। এখানে ∠A = 40° এবং ∠B = 70°, তাই ∠C = 180° − (40° + 70°) = 70°।
দেখা যাচ্ছে ∠B = ∠C = 70°। যে ত্রিভুজের দুটি কোণ সমান, তার ঐ কোণ দুটির বিপরীত বাহু দুটিও সমান হয়। অর্থাৎ AB = AC, তাই ত্রিভুজটি সমদ্বিবাহু।
তিনটি কোণই 90°-এর চেয়ে ছোট, তাই এটি সূক্ষ্মকোণীও, কিন্তু অপশনে সূক্ষ্মকোণী নেই, তাই সমদ্বিবাহুই উত্তর। কোনো কোণ 90° নয় বলে এটি সমকোণী নয়, আর কোনো কোণ 90°-এর বড় নয় বলে স্থূলকোণীও নয়।
মনে রাখুন:
দুটি কোণ সমান হলে সমদ্বিবাহু।
তিনটি কোণই 60° হলে সমবাহু।
একটি কোণ 90° হলে সমকোণী। - ৫৬. একটি আয়তাকার ঘরের প্রস্থ তার দৈর্ঘ্যের দুই-তৃতীয়াংশ। ঘরটির পরিসীমা ৪০ মিটার হলে, তার ক্ষেত্রফল কত?
- ক. ৩০ বর্গমিটার
- খ. ৯৬ বর্গমিটার
- গ. ৯২ বর্গমিটার
- ঘ. ৬৪ বর্গমিটার
উত্তর: খ. ৯৬ বর্গমিটার
ধরি, ঘরের দৈর্ঘ্য x মিটার। তাহলে প্রস্থ = x-এর দুই-তৃতীয়াংশ = 2x/3 মিটার।
আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = 2(দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) = 2(x + 2x/3) = 10x/3। প্রশ্নের শর্ত অনুযায়ী পরিসীমা ৪০ মিটার, তাই 10x/3 = 40, অর্থাৎ x = 12।
দৈর্ঘ্য ১২ মিটার এবং প্রস্থ ২x/৩ = ৮ মিটার। ক্ষেত্রফল = ১২ × ৮ = ৯৬ বর্গমিটার।
যাচাই: 2(12 + 8) = 40, তাই পরিসীমা মিলে যায়।
মনে রাখুন:
আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = 2(l + b), ক্ষেত্রফল = l × b।
কর্ণ = √(l² + b²)। - ৫৭. log_{3√2} (1/324) = কত?
- ক. 162√2
- খ. 1/(162√2)
- গ. 4
- ঘ. −4
উত্তর: ঘ. −4
প্রথমে 324-কে (3√2)-এর ঘাত হিসেবে প্রকাশ করি। (3√2)² = 9 × 2 = 18, আর (3√2)⁴ = 18² = 324। অর্থাৎ 324 = (3√2)⁴, তাই 1/324 = (3√2)⁻⁴।
লগারিদমের নিয়ম অনুযায়ী log_a(aᵐ) = m। তাই log_{3√2}(3√2)⁻⁴ = −4।
সুতরাং মান −4। এখানে সংখ্যাটি ভগ্নাংশ বলে ঘাত ঋণাত্মক হয়েছে।
মনে রাখুন:
log_a a = 1।
log_a(xᵐ) = m log_a x।
log_a(1/x) = −log_a x।
ভিত্তি আর সংখ্যা একই ঘাতের হলে সংখ্যাটিকে ভিত্তির ঘাত আকারে লিখলে সহজে সমাধান হয়। - ৫৮. একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের একটি কোণ ৯৬°। তাহলে ঐ ত্রিভুজের অপর একটি কোণের মান হবে—
- ক. ৪৮°
- খ. ৯৬°
- গ. ৮৪°
- ঘ. ৪২°
উত্তর: ঘ. ৪২°
ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি 180°। সমদ্বিবাহু ত্রিভুজে দুটি কোণ সমান থাকে। এখানে একটি কোণ ৯৬°, যা স্থূলকোণ (৯০°-এর চেয়ে বড়)। দুটি ৯৬° যোগ করলে ১৯২° হয়, যা ১৮০°-এর বেশি, তাই ৯৬° কোণটি সমান দুই কোণের একটি হতে পারে না। অর্থাৎ ৯৬° কোণটি শীর্ষকোণ, আর বাকি দুটি কোণ সমান।
অপর কোণ দুটির সমষ্টি = ১৮০° − ৯৬° = ৮৪°। সমান হওয়ায় প্রতিটি কোণ = ৮৪° ÷ ২ = ৪২°।
মনে রাখুন:
সমদ্বিবাহু ত্রিভুজে সমান কোণ দুটি সবসময় সূক্ষ্মকোণ হয়।
সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের স্থূলকোণ থাকলে সেটিই শীর্ষকোণ। - ৫৯. একটি জিনিস ৫৬ টাকায় বিক্রি করলে, জিনিসটির ক্রয়মূল্য যত টাকা, শতকরা তত টাকা লাভ হয়। জিনিসটির ক্রয়মূল্য কত?
- ক. ৪০ টাকা
- খ. ৩৬ টাকা
- গ. ৫০ টাকা
- ঘ. ৩২ টাকা
উত্তর: ক. ৪০ টাকা
ধরি, জিনিসটির ক্রয়মূল্য x টাকা। তাহলে লাভ শতকরা x টাকা, অর্থাৎ ১০০ টাকায় x টাকা লাভ হয়। তাই বিক্রয়মূল্য = x + x·x/100 = x(100 + x)/100।
প্রশ্ন অনুযায়ী এটি ৫৬ টাকা। অতএব x(100 + x) = 5600, অর্থাৎ x² + 100x − 5600 = 0।
উৎপাদকে ভাঙলে (x − 40)(x + 140) = 0। ক্রয়মূল্য ঋণাত্মক হতে পারে না, তাই x = 40।
যাচাই: ৪০ টাকার ওপর ৪০% লাভ = ১৬ টাকা, তাই বিক্রয়মূল্য ৪০ + ১৬ = ৫৬ টাকা।
মনে রাখুন:
লাভ = বিক্রয়মূল্য − ক্রয়মূল্য।
লাভের শতকরা হার = (লাভ ÷ ক্রয়মূল্য) × 100।
অপশন থেকে বসিয়ে দেখলেও উত্তর পাওয়া যায়, তাতে সময় কম লাগে। - ৬০. একটি বলপেন ৭ টাকা ও একটি পেন্সিল ৫ টাকা দরে রাজু কয়েকটি পেন্সিল ও বলপেন কিনল এবং এগুলোর মূল্য বাবদ ৩৮ টাকা পরিশোধ করল। সে কয়টি বলপেন কিনেছিল?
- ক. ৩টি
- খ. ২টি
- গ. ৪টি
- ঘ. ৫টি
উত্তর: গ. ৪টি
ধরি, বলপেন a টি এবং পেন্সিল b টি। তাহলে 7a + 5b = 38।
এখন a-এর সম্ভাব্য মান বসিয়ে দেখি। a = 4 হলে 7 × 4 = 28, বাকি 38 − 28 = 10 টাকা, যা 5 টাকার পেন্সিল 2 টি। a-এর অন্য মান, যেমন 0, 1, 2, 3 বা 5 বসালে অবশিষ্ট টাকা (38, 31, 24, 17, 3) 5 দিয়ে বিভাজ্য হয় না।
তাই একমাত্র সমাধান a = 4, b = 2। রাজু ৪ টি বলপেন কিনেছিল।
যাচাই: ৪ × ৭ + ২ × ৫ = ২৮ + ১০ = ৩৮।
মনে রাখুন:
দুই অজ্ঞাতযুক্ত এ ধরনের সমীকরণে পূর্ণসংখ্যার শর্ত থাকলে একটি করে মান বসিয়ে পরীক্ষা করাই সহজ উপায়।
অপশনের উত্তর থেকেও বসিয়ে যাচাই করা যায়। - ৬১. ABCD চতুর্ভুজের ∠A + ∠B + ∠C = 2∠D হলে, ∠D এর মান কত?
- ক. 90°
- খ. 120°
- গ. 135°
- ঘ. 45°
উত্তর: খ. 120°
যেকোনো চতুর্ভুজের চার কোণের সমষ্টি 360°। তাই ∠A + ∠B + ∠C + ∠D = 360°।
প্রশ্নে দেওয়া আছে ∠A + ∠B + ∠C = 2∠D। এটি সমীকরণে বসালে পাই 2∠D + ∠D = 360°, অর্থাৎ 3∠D = 360°।
সুতরাং ∠D = 120°।
যাচাই: তিন কোণের সমষ্টি 360° − 120° = 240°, যা 2 × 120° = 240°-এর সমান।
মনে রাখুন:
ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি 180°।
চতুর্ভুজের চার কোণের সমষ্টি 360°।
n বাহুবিশিষ্ট বহুভুজের কোণের সমষ্টি (2n − 4) সমকোণ। - ৬২. যদি x + y + 4 = x − y − 12 = 0 হয়, তবে 2x + y = কত?
- ক. 4
- খ. −8
- গ. −4
- ঘ. 0
উত্তর: ঘ. 0
প্রশ্নের শর্ত থেকে দুটি সমীকরণ পাওয়া যায়: x + y + 4 = 0 এবং x − y − 12 = 0। সরল করে লিখলে x + y = −4 এবং x − y = 12।
সমীকরণ দুটি যোগ করলে 2x = 8, তাই x = 4। প্রথম সমীকরণে বসালে 4 + y = −4, অর্থাৎ y = −8।
এখন 2x + y = 2 × 4 + (−8) = 8 − 8 = 0।
যাচাই: দ্বিতীয় সমীকরণে 4 − (−8) = 12, মিলে যায়।
মনে রাখুন:
দুই চলকের সমীকরণে যোগ বা বিয়োগ করে একটি চলক বাদ দেওয়াকে অপনয়ন পদ্ধতি বলে।
প্রতিস্থাপন পদ্ধতিতেও একই উত্তর পাওয়া যায়। - ৬৩. P, Q রাশি দুটির গড় A₁ এবং X, Y রাশি দুটির গড় A₂; তাহলে P, Q, X, Y রাশি চারটির গড় কত?
- ক. (A₁(P+Q) + A₂(X+Y))/4
- খ. (P+Q)/2 + (X+Y)/2
- গ. (A₁+A₂)/2
- ঘ. (A₁+A₂)/4
উত্তর: গ. (A₁+A₂)/2
গড় হলো রাশিগুলোর সমষ্টিকে রাশির সংখ্যা দিয়ে ভাগ করা। P ও Q-এর গড় A₁, তাই P + Q = 2A₁। আবার X ও Y-এর গড় A₂, তাই X + Y = 2A₂।
চারটি রাশির সমষ্টি = (P + Q) + (X + Y) = 2A₁ + 2A₂।
চারটি রাশির গড় = (2A₁ + 2A₂)/4 = (A₁ + A₂)/2।
এখানে লক্ষণীয় যে দুই দলের রাশির সংখ্যা সমান (দুটি করে), তাই মোট গড় সরাসরি দুই গড়ের গড়।
মনে রাখুন:
দুই দলের সংখ্যা আলাদা হলে ভারযুক্ত গড় বের করতে হয়, (n₁A₁ + n₂A₂)/(n₁ + n₂)।
গড় × রাশির সংখ্যা = রাশিগুলোর সমষ্টি। - ৬৪. A = {x : x মৌলিক সংখ্যা এবং x ≤ 5} হলে, P(A) এর সদস্য সংখ্যা কত?
- ক. 8
- খ. 5
- গ. 4
- ঘ. 3
উত্তর: ক. 8
প্রথমে সেট A লিখি। মৌলিক সংখ্যা হলো এমন সংখ্যা, যার ১ ও নিজেকে ছাড়া আর কোনো গুণনীয়ক নেই। ৫-এর সমান বা ছোট মৌলিক সংখ্যা ২, ৩ ও ৫। সুতরাং A = {2, 3, 5}।
পাওয়ার সেট P(A) হলো A-এর সব উপসেটের সেট। কোনো সেটে n সংখ্যক উপাদান থাকলে তার উপসেটের সংখ্যা 2ⁿ। এখানে n = 3, তাই P(A)-এর সদস্য সংখ্যা 2³ = 8।
উপসেটগুলো হলো φ, {2}, {3}, {5}, {2,3}, {2,5}, {3,5}, {2,3,5}।
মনে রাখুন:
প্রকৃত উপসেটের সংখ্যা 2ⁿ − 1 (সেটটি নিজে বাদে)।
১ মৌলিক সংখ্যা নয় এবং ২ একমাত্র জোড় মৌলিক সংখ্যা। - ৬৫. x/a + a = x/b + b হলে, x এর মান কত?
- ক. ab
- খ. a
- গ. b
- ঘ. a/b
উত্তর: ক. ab
সমীকরণ x/a + a = x/b + b। x-সংবলিত পদগুলো এক পাশে এবং বাকি পদগুলো অন্য পাশে আনি।
x/a − x/b = b − a, অর্থাৎ x(1/a − 1/b) = b − a।
1/a − 1/b = (b − a)/(ab), তাই x · (b − a)/(ab) = b − a।
উভয় পক্ষকে (b − a) দিয়ে ভাগ করলে (যেখানে a ≠ b) পাই x/(ab) = 1, অর্থাৎ x = ab।
যাচাই: a = 2, b = 3 ধরলে x = 6 হয়। বামপক্ষ = 6/2 + 2 = 5, ডানপক্ষ = 6/3 + 3 = 5, মিলে যায়।
মনে রাখুন:
এ ধরনের সমীকরণে সংখ্যা বসিয়ে যাচাই করলে ভুল ধরা পড়ে।
a = b হলে সমীকরণটি যেকোনো x-এর জন্য সত্য হয়। - ৬৬. একটি ট্রেন ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার বেগে চলে। ১০০ মিটার যেতে ট্রেনটির কত সময় লাগবে?
- ক. ৬০ সেকেন্ড
- খ. ১ সেকেন্ড
- গ. ৬ সেকেন্ড
- ঘ. ০.৬ সেকেন্ড
উত্তর: গ. ৬ সেকেন্ড
ট্রেনের বেগ ঘণ্টায় 60 কিলোমিটার। এক কিলোমিটারে 1000 মিটার, তাই 60 কিমি = 60000 মিটার। আবার এক ঘণ্টায় 3600 সেকেন্ড। সুতরাং বেগ = 60000/3600 = 50/3 মিটার প্রতি সেকেন্ড।
সময় = দূরত্ব ÷ বেগ = 100 ÷ (50/3) = 100 × 3/50 = 6 সেকেন্ড।
মনে রাখুন:
কিমি/ঘণ্টাকে মিটার/সেকেন্ডে বদলাতে 5/18 দিয়ে গুণ করতে হয়। এখানে 60 × 5/18 = 50/3।
মিটার/সেকেন্ডকে কিমি/ঘণ্টায় বদলাতে 18/5 দিয়ে গুণ করতে হয়।
সময় = দূরত্ব ÷ বেগ, বেগ = দূরত্ব ÷ সময়। - ৬৭. দুইটি সংখ্যার বিয়োগফল তাদের যোগফলের দুই-তৃতীয়াংশ। সংখ্যাদ্বয়ের অনুপাত নিচের কোনটি?
- ক. ২ : ৩
- খ. ৩ : ৮
- গ. ৫ : ১
- ঘ. ৩ : ৫
উত্তর: গ. ৫ : ১
ধরি, সংখ্যা দুটি x ও y, যেখানে x বড়। শর্ত অনুযায়ী x − y = (2/3)(x + y)।
উভয় পক্ষকে 3 দিয়ে গুণ করলে 3(x − y) = 2(x + y), অর্থাৎ 3x − 3y = 2x + 2y।
এ থেকে x = 5y, তাই x : y = 5 : 1।
যাচাই: x = 5, y = 1 ধরলে বিয়োগফল 4, যোগফল 6, আর 6-এর দুই-তৃতীয়াংশ 4, মিলে যায়।
মনে রাখুন: যোগ-বিয়োগের অনুপাত দেওয়া থাকলে যোজন-বিয়োজন (Componendo-Dividendo) সূত্র কাজে লাগে। (x + y)/(x − y) = 3/2 হলে x/y = (3 + 2)/(3 − 2) = 5/1। - ৬৮. x এর মান কত হলে, 72·3³ˣ⁻⁵ = 2³ হবে?
- ক. 3/5
- খ. 2
- গ. 5/3
- ঘ. 1
উত্তর: ঘ. 1
প্রথমে 72-কে মৌলিক উৎপাদকে ভাঙি: 72 = 8 × 9 = 2³ × 3²। তাই সমীকরণটি দাঁড়ায় 2³ × 3² × 3^(3x−5) = 2³।
উভয় পক্ষ থেকে 2³ কেটে দিলে পাই 3² × 3^(3x−5) = 1, অর্থাৎ 3^(3x−3) = 3⁰।
ভিত্তি সমান হলে ঘাতও সমান হয়, তাই 3x − 3 = 0 এবং x = 1।
যাচাই: x = 1 হলে 3^(3−5) = 3⁻² = 1/9, তাই 72 × 1/9 = 8 = 2³, মিলে যায়।
মনে রাখুন:
aᵐ × aⁿ = aᵐ⁺ⁿ।
a⁰ = 1।
a⁻ⁿ = 1/aⁿ। - ৬৯. ABC ত্রিভুজে AB = AC, BC এর সমান্তরাল EF রেখা AB ও AC কে যথাক্রমে E ও F বিন্দুতে ছেদ করেছে। ∠B = 48° হলে, ∠EAF + ∠AFE = কত?
- ক. 132°
- খ. 108°
- গ. 160°
- ঘ. 80°
উত্তর: ক. 132°
ΔABC-এ AB = AC, তাই সমান বাহুর বিপরীত কোণ সমান, অর্থাৎ ∠C = ∠B = 48°। অতএব ∠A = 180° − (48° + 48°) = 84°।
EF রেখা BC-এর সমান্তরাল, তাই অনুরূপ কোণ সমান হবে। ∠AEF = ∠ABC = 48° এবং ∠AFE = ∠ACB = 48°।
এখানে ∠EAF হলো ∠A, যার মান 84°। সুতরাং ∠EAF + ∠AFE = 84° + 48° = 132°।
মনে রাখুন:
সমান্তরাল রেখার ছেদকের ক্ষেত্রে অনুরূপ কোণ সমান।
ΔAEF-এও ∠AEF + ∠AFE + ∠EAF = 180°, তাই এই দুই কোণের যোগফল 180° − 48° = 132°।
সমদ্বিবাহু ত্রিভুজে সমান বাহুর বিপরীত কোণ সমান। - ৭০. m সংখ্যক পেন্সিলের দাম p টাকা হলে m টাকায় কয়টি পেন্সিল পাওয়া যাবে?
- ক. p টি
- খ. m²/p টি
- গ. m/p² টি
- ঘ. mp টি
উত্তর: খ. m²/p টি
m টি পেন্সিলের দাম p টাকা। তাহলে একটি পেন্সিলের দাম = p/m টাকা।
m টাকায় পেন্সিলের সংখ্যা = m ÷ (p/m) = m × m/p = m²/p।
দাম যত বাড়ে, একই টাকায় তত কম জিনিস পাওয়া যায়, তাই দাম ও সংখ্যা পরস্পর ব্যস্ত অনুপাতে থাকে।
যাচাই: m = 4, p = 8 ধরলে ৪ টি পেন্সিলের দাম ৮ টাকা, অর্থাৎ ১ টি ২ টাকা। ৪ টাকায় ২ টি পাওয়া যায়, আর সূত্র থেকে m²/p = 16/8 = 2, মিলে যায়।
মনে রাখুন:
টাকা ও জিনিসের সংখ্যার সম্পর্কে প্রথমে একক মান বের করা সবচেয়ে নিরাপদ।
একক মান = মোট দাম ÷ মোট সংখ্যা। - ৭১. $72\times75\times3^3\times4^4\times2^8$ কে ন্যূনতম কত দ্বারা গুণ করলে গুণফল একটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা হবে?
- ক. ৪
- খ. ৫
- গ. ২
- ঘ. ৩
উত্তর: গ. ২
মৌলিক উৎপাদকে ভাঙলে গুণফল = $2^{19}\times3^{6}\times5^{2}$। শুধু ২-এর ঘাত বিজোড়, তাই ২ দিয়ে গুণ করলেই সব ঘাত জোড় হয়ে পূর্ণবর্গ হবে। - ৮৭. ১০০০ মিলিয়নে কত টাকা হয়?
- ক. ১০০ কোটি
- খ. ১০ কোটি
- গ. ১০০ লক্ষ
- ঘ. ১০ লক্ষ
উত্তর: ক. ১০০ কোটি
আমাদের দেশে সংখ্যা গোনা হয় এক, দশ, শত, হাজার, অযুত বা দশ হাজার, লক্ষ, নিযুত বা দশ লক্ষ, কোটি, এই ক্রমে। আর আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে মিলিয়ন ও বিলিয়ন ব্যবহার হয়। এক মিলিয়ন = ১০ লক্ষ = ১০,০০,০০০।
১০০০ মিলিয়ন = ১০০০ × ১০,০০,০০০ = ১০০,০০,০০,০০০। এটি আমাদের হিসাবে ১০০ কোটি, কারণ ১ কোটি = ১,০০,০০,০০০। আবার ১০০০ মিলিয়নকে ১ বিলিয়নও বলা হয়।
সহজ হিসাবে: ১০০০ × ১০ লক্ষ = ১০,০০০ লক্ষ, আর ১০০ লক্ষে ১ কোটি হয়, তাই ১০,০০০ লক্ষ = ১০০ কোটি।
মনে রাখুন:
১ মিলিয়ন = ১০ লক্ষ।
১ বিলিয়ন = ১০০ কোটি।
১ ট্রিলিয়ন = ১ লক্ষ কোটি।
বিজ্ঞান
- ৭২. সমুদ্রের গভীরতা মাপক যন্ত্রের নাম কী?
- ক. ম্যানোমিটার
- খ. হাইড্রোমিটার
- গ. সনোমিটার
- ঘ. ফ্যাদোমিটার
উত্তর: ঘ. ফ্যাদোমিটার
সমুদ্রের গভীরতা মাপার যন্ত্রের নাম ফ্যাদোমিটার (Fathometer)। এটি শব্দতরঙ্গের প্রতিধ্বনি কাজে লাগায়। জাহাজ থেকে সমুদ্রের তলদেশে শব্দ পাঠানো হয়, তলদেশে ধাক্কা খেয়ে সেই শব্দ ফিরে আসে। যাওয়া-আসার সময় মেপে এবং পানিতে শব্দের গতি জানা থাকলে গভীরতা হিসাব করা যায়। এই পদ্ধতিকে সোনার (Sonar) প্রযুক্তিও বলে।
অন্য যন্ত্রগুলোর কাজ আলাদা। ম্যানোমিটার (Manometer) গ্যাসের চাপ মাপে, আর হাইড্রোমিটার (Hydrometer) তরলের আপেক্ষিক গুরুত্ব বা ঘনত্ব নির্ণয় করে।
মনে রাখুন:
ব্যারোমিটার – বায়ুমণ্ডলের চাপ।
ল্যাকটোমিটার – দুধের বিশুদ্ধতা।
সিসমোগ্রাফ – ভূমিকম্পের তীব্রতা।
থার্মোমিটার – তাপমাত্রা। - ৭৩. পৃথিবীর আহ্নিকগতির কারণে নিচের কোনটি হয়?
- ক. দিন-রাত্রি
- খ. ঋতু পরিবর্তন
- গ. ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস
- ঘ. খরা
উত্তর: ক. দিন-রাত্রি
পৃথিবী একই সঙ্গে দুটি গতিতে ঘোরে। একটি হলো নিজ অক্ষের চারদিকে ঘোরা, যাকে আহ্নিক গতি (Rotation) বলে। অন্যটি সূর্যের চারদিকে ঘোরা, যার নাম বার্ষিক গতি (Revolution)। আহ্নিক গতিতে পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে প্রায় ২৪ ঘণ্টায় একবার ঘোরে। ফলে একই সময়ে পৃথিবীর অর্ধেক অংশ সূর্যের আলো পায়, বাকি অর্ধেক অন্ধকারে থাকে। এভাবেই দিন ও রাত হয়।
অন্যদিকে ঋতু পরিবর্তন এবং দিন-রাতের হ্রাস-বৃদ্ধি হয় বার্ষিক গতির কারণে, কারণ পৃথিবীর অক্ষ কিছুটা হেলে থাকে। ঘূর্ণিঝড় ও খরা আবহাওয়ার ঘটনা, পৃথিবীর গতির সরাসরি ফল নয়।
মনে রাখুন:
আহ্নিক গতির ফলে সূর্য পূর্ব দিকে উঠে পশ্চিমে অস্ত যায় বলে মনে হয়।
বার্ষিক গতিতে সূর্যকে একবার ঘুরতে পৃথিবীর প্রায় ৩৬৫ দিন ৬ ঘণ্টা লাগে।
পৃথিবীর অক্ষ কক্ষতলের সঙ্গে প্রায় ২৩.৫° হেলে আছে। - ৭৪. কোন গ্যাসটি নিজে জ্বলে, কিন্তু দহনে সহায়তা করে না?
- ক. নাইট্রোজেন
- খ. হাইড্রোজেন
- গ. অক্সিজেন
- ঘ. কার্বন-ডাই-অক্সাইড
উত্তর: খ. হাইড্রোজেন
দহন বা পোড়ার জন্য জ্বালানি, অক্সিজেন ও তাপ লাগে। এই তিনের মধ্যে অক্সিজেন নিজে জ্বলে না, কিন্তু অন্য বস্তুকে জ্বলতে সাহায্য করে, তাই একে দহনে সহায়ক বলে। হাইড্রোজেন (Hydrogen) গ্যাসের ক্ষেত্রে ব্যাপারটি উল্টো। এটি নিজে বাতাসে বা অক্সিজেনে জ্বলে এবং পানি তৈরি করে, কিন্তু অন্য কিছুকে জ্বলতে সাহায্য করে না। জ্বলন্ত মোমবাতি হাইড্রোজেন ভরা পাত্রে ঢোকালে মোমবাতি নিভে যায়, আর গ্যাসটি ‘ফট’ শব্দে জ্বলে ওঠে।
নাইট্রোজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইড কোনোটিই জ্বলে না এবং দহনেও সাহায্য করে না। কার্বন ডাই-অক্সাইড আগুন নেভাতে ব্যবহার হয়।
মনে রাখুন:
হাইড্রোজেন সবচেয়ে হালকা গ্যাস।
হাইড্রোজেন আবিষ্কার করেন হেনরি ক্যাভেন্ডিশ।
অক্সিজেন আবিষ্কার করেন জোসেফ প্রিস্টলি। - ৭৫. অ্যালুমিনিয়াম সালফেট সাধারণভাবে কী নামে পরিচিত?
- ক. ন্যাপথলিন
- খ. ফিটকিরি
- গ. কর্পূর
- ঘ. গন্ধক
উত্তর: খ. ফিটকিরি
ফিটকিরি আমাদের পরিচিত একটি রাসায়নিক পদার্থ, যা পানি পরিশোধনে এবং কাটা জায়গায় রক্ত বন্ধ করতে ব্যবহার হয়। এর রাসায়নিক নাম পটাশিয়াম অ্যালুমিনিয়াম সালফেট, সংক্ষেপে পটাশ অ্যালাম। সংকেত K₂SO₄·Al₂(SO₄)₃·24H₂O। সাধারণ ভাষায় অ্যালুমিনিয়াম সালফেটের সঙ্গে এর নাম জড়িয়ে আছে, তাই অপশন থেকে ফিটকিরিই সঠিক উত্তর।
পানি পরিশোধনে ফিটকিরি কাজ করে এভাবে, এটি পানিতে ভাসমান ময়লার কণাকে জমাট বাঁধিয়ে তলায় বসিয়ে দেয়। পরে পরিষ্কার পানি আলাদা করা যায়।
অন্য অপশনগুলো আলাদা পদার্থ। ন্যাপথলিন ও কর্পূর উদ্বায়ী যৌগ, গন্ধক মৌল সালফার।
মনে রাখুন:
ন্যাপথলিন কাপড়ের পোকা তাড়াতে ব্যবহার হয়।
গন্ধকের রাসায়নিক প্রতীক S। - ১০০. ভিটামিন-'ই'-এর সবচেয়ে ভালো উৎস কী?
- ক. ডাব
- খ. ভোজ্য তেল
- গ. দুধ
- ঘ. শস্যদানা
উত্তর: খ. ভোজ্য তেল
ভিটামিন ই (টোকোফেরল) একটি চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন। এটি শরীরের কোষকে ক্ষতিকর মুক্ত মূলক থেকে রক্ষা করে এবং প্রজনন ক্ষমতা ঠিক রাখতে সাহায্য করে। উদ্ভিজ্জ ভোজ্য তেল, যেমন সূর্যমুখী, সয়াবিন ও গমের ভ্রূণের তেল, এই ভিটামিনের সবচেয়ে ভালো উৎস। এ ছাড়া বাদাম ও সবুজ শাকসবজিতেও কিছু পরিমাণে থাকে। এর অভাব হলে মানুষের বন্ধ্যাত্ব ও স্নায়ুর দুর্বলতা দেখা দিতে পারে।
অন্য অপশনগুলোতে অন্য পুষ্টি বেশি। ডাবে পটাশিয়াম ও ইলেকট্রোলাইট থাকে, দুধ প্রোটিন ও ক্যালসিয়ামের ভালো উৎস এবং শস্যদানায় শর্করা, আঁশ ও খনিজ লবণ থাকে।
মনে রাখুন:
ভিটামিন এ – রাতকানা রোগ।
ভিটামিন বি১ – বেরিবেরি।
ভিটামিন সি – স্কার্ভি।
ভিটামিন ডি – রিকেটস।
ভিটামিন কে – রক্ত জমাট বাঁধা। - ১০১. নিম্নোক্ত কোন ধাতু পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়?
- ক. লোহা
- খ. সিলিকন
- গ. পারদ
- ঘ. তামা
উত্তর: ক. লোহা
পৃথিবীর কেন্দ্রে একটি বিশাল লোহা ও নিকেলের কোর আছে। পুরো পৃথিবীকে একসঙ্গে ধরলে ভরের হিসাবে সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় লোহা, প্রায় ৩২ শতাংশ। তাই প্রশ্নের অপশন থেকে লোহাই সঠিক উত্তর। সিলিকন ধাতু নয়, এটি অর্ধধাতু বা ধাতুকল্প, আর পারদ ও তামা পৃথিবীতে অনেক কম পাওয়া যায়।
তবে বিষয়টি একটু সূক্ষ্ম। কেবল ভূত্বকের (Earth’s crust) কথা বললে সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় ধাতু হিসেবে অ্যালুমিনিয়াম, আর মৌল হিসেবে অক্সিজেন, তারপর সিলিকন।
মনে রাখুন:
ভূত্বকে ধাতু হিসেবে সবচেয়ে বেশি – অ্যালুমিনিয়াম (প্রায় ৮ শতাংশ)।
ভূত্বকে দ্বিতীয় ধাতু – লোহা।
ভূত্বকে মৌল হিসেবে প্রথম অক্সিজেন, দ্বিতীয় সিলিকন।
আন্তর্জাতিক
- ৭৬. গ্রীনিচ মানমন্দির কোথায় অবস্থিত?
- ক. যুক্তরাষ্ট্রে
- খ. সুইজারল্যান্ডে
- গ. গ্রিসে
- ঘ. যুক্তরাজ্যে
উত্তর: ঘ. যুক্তরাজ্যে
গ্রিনিচ মানমন্দির (Royal Observatory, Greenwich) যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনের উপকণ্ঠে টেমস নদীর তীরে অবস্থিত। এই মানমন্দিরের ওপর দিয়ে চলে যাওয়া কাল্পনিক রেখাকে 0° দ্রাঘিমা রেখা বা মূল মধ্যরেখা (Prime Meridian) ধরা হয়। এখান থেকেই পূর্ব ও পশ্চিমে দ্রাঘিমা গণনা শুরু হয়।
গ্রিনিচের সময়কে বলে গ্রিনিচ মান সময় (GMT)। বিশ্বের অন্য দেশের সময় এই সময়ের আগে বা পরে হিসাব করা হয়। বাংলাদেশের সময় GMT-র চেয়ে ৬ ঘণ্টা এগিয়ে।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশের স্থানীয় সময় = GMT + ৬ ঘণ্টা।
প্রতি ১৫° দ্রাঘিমায় সময়ের পার্থক্য ১ ঘণ্টা, আর ১° দ্রাঘিমায় ৪ মিনিট।
আন্তর্জাতিক তারিখরেখা প্রায় 180° দ্রাঘিমা বরাবর। - ৭৯. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?
- ক. জর্জ ওয়াশিংটন
- খ. জন এডামস্
- গ. টমাস জেফারসন
- ঘ. আব্রাহাম লিংকন
উত্তর: ক. জর্জ ওয়াশিংটন
যুক্তরাষ্ট্র ১৭৭৬ সালের ৪ জুলাই ব্রিটেন থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করে। স্বাধীনতা যুদ্ধে মার্কিন সেনাবাহিনীর সর্বাধিনায়ক ছিলেন জর্জ ওয়াশিংটন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৭৮৯ সালে তিনি প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন এবং ১৭৯৭ সাল পর্যন্ত দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর নামেই যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডি.সি. নামকরণ হয়েছে।
অন্য অপশনের ব্যক্তিরা পরবর্তী সময়ের প্রেসিডেন্ট। জন অ্যাডামস দ্বিতীয়, টমাস জেফারসন তৃতীয় এবং আব্রাহাম লিংকন ষোড়শ প্রেসিডেন্ট।
মনে রাখুন:
টমাস জেফারসন স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের মূল রচয়িতা।
আব্রাহাম লিংকন যুক্তরাষ্ট্রে দাসপ্রথা বিলোপ করেন।
লিংকনের সময়ে (১৮৬১–১৮৬৫) যুক্তরাষ্ট্রে গৃহযুদ্ধ হয়। - ৮৩. সার্কভুক্ত দেশের সংখ্যা কতটি?
- ক. ৮ টি
- খ. ৭ টি
- গ. ১০ টি
- ঘ. ৬ টি
উত্তর: ক. ৮ টি
দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা বা সার্ক (SAARC) গঠিত হয় ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকায়। সংস্থার প্রস্তাবক ছিলেন বাংলাদেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। প্রথমে সদস্য ছিল সাতটি দেশ, বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, ভুটান, পাকিস্তান, মালদ্বীপ ও শ্রীলঙ্কা। ২০০৭ সালে আফগানিস্তান অষ্টম সদস্য হিসেবে যোগ দেয়। তাই প্রশ্নের সময় (২০১৭ সাল) সার্কভুক্ত দেশের সংখ্যা ৮টি।
মনে রাখুন:
সার্কের সচিবালয় নেপালের কাঠমান্ডুতে।
সার্কের প্রথম মহাসচিব বাংলাদেশের আবুল আহসান।
২০১৬ সালে ইসলামাবাদে ১৯তম শীর্ষ সম্মেলনের কথা ছিল, কিন্তু তা স্থগিত হয়ে যায়। - ৮৪. ইউনেস্কো কত সালে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৪
- ক. ২০০১ সালে
- খ. ১৯৯৯ সালে
- গ. ২০০০ সালে
- ঘ. ১৯৯৮ সালে
উত্তর: খ. ১৯৯৯ সালে
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষার দাবিতে ঢাকায় ছাত্র-জনতা প্রাণ দেন। এই আত্মত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থা ইউনেস্কো (UNESCO) ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর প্যারিসে অনুষ্ঠিত সাধারণ সম্মেলনে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে। প্রস্তাবটি এনেছিল বাংলাদেশ, আর অন্য কয়েকটি দেশ সমর্থন করেছিল।
দিবসটি প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে পালিত হয় ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি। তাই ঘোষণা (১৯৯৯) এবং পালন (২০০০) সাল আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
মনে রাখুন:
কানাডা প্রবাসী রফিকুল ইসলাম ও আব্দুস সালাম ১৯৯৮ সালে জাতিসংঘের মহাসচিবকে চিঠি লিখে এই দিবসের প্রস্তাব তোলেন।
১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের সংবিধানে বাংলা রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি পায়। - ৮৫. ইতালির মুদ্রার নাম কী?
- ক. লিরা
- খ. পেসো
- গ. ডলার
- ঘ. ইউরো
উত্তর: ঘ. ইউরো
ইতালি ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) সদস্য দেশ। ১৯৯৯ সালে ইউরো চালু হওয়ার পর ২০০২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ইতালিতে ইউরো নোট ও মুদ্রা চালু হয়। এর আগে দেশটিতে লিরা (Lira) নামের মুদ্রা চলত। এখন লিরা ইতালির মুদ্রা নয়, তবে তুরস্কের মুদ্রার নামও লিরা। তাই ইতালির বর্তমান মুদ্রা ইউরো।
অন্য অপশনের পেসো ফিলিপাইন, মেক্সিকো ও কয়েকটি লাতিন আমেরিকান দেশে চলে, আর ডলার যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া প্রভৃতি দেশে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখুন:
ইউরোপের কয়েকটি দেশ ইউরো ব্যবহার করে না, যেমন যুক্তরাজ্য (পাউন্ড) ও সুইজারল্যান্ড (ফ্রাঙ্ক)।
ইতালির রাজধানী রোম। - ৯২. বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা কোন দেশের নাগরিক?
- ক. নাইজেরিয়ার
- খ. মরক্কোর
- গ. ইতালির
- ঘ. গ্রিসের
উত্তর: খ. মরক্কোর
ইবনে বতুতা (১৩০৪–১৩৬৮/৬৯) চৌদ্দ শতকের একজন বিখ্যাত মুসলিম পর্যটক। তাঁর জন্ম আফ্রিকা মহাদেশের উত্তর-পশ্চিম প্রান্তের দেশ মরক্কোর তাঞ্জিয়ারে। তিনি প্রায় ত্রিশ বছর ধরে আফ্রিকা, এশিয়া ও ইউরোপের বহু দেশ ঘুরেছেন। বাংলায়ও তিনি এসেছিলেন সুলতান ফখরুদ্দীন মুবারক শাহের শাসনামলে (আনুমানিক ১৩৪৬ সালে) এবং সিলেটে সাধক শাহজালালের সঙ্গে দেখা করেন। ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়ে তাঁর লেখা বইয়ের নাম ‘রিহলা’।
অন্য অপশনের ইতালির বিখ্যাত পর্যটক মার্কো পোলো। তিনি ত্রয়োদশ শতকে চীন ভ্রমণ করেন।
মনে রাখুন:
ফা-হিয়েন ও হিউয়েন সাং চীনা পর্যটক, তাঁরা ভারতবর্ষে এসেছিলেন।
ফা-হিয়েন এসেছিলেন গুপ্ত যুগে, আর হিউয়েন সাং এসেছিলেন সম্রাট হর্ষবর্ধনের সময়ে। - ৯৩. মহামতি অশোক কোন যুদ্ধের ভয়াবহতা দেখে বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন?
- ক. পানিপথের ১ম যুদ্ধের
- খ. কলিঙ্গ যুদ্ধের
- গ. বক্সারের যুদ্ধের
- ঘ. পলাশীর যুদ্ধের
উত্তর: খ. কলিঙ্গ যুদ্ধের
মৌর্য সম্রাট অশোক খ্রিস্টপূর্ব ২৬১ অব্দে কলিঙ্গ রাজ্য (বর্তমান ওডিশা অঞ্চল) আক্রমণ করেন। যুদ্ধে অশোক জয়ী হন, কিন্তু প্রায় এক লক্ষ মানুষ মারা যায় এবং বহু মানুষ বন্দি হয়। যুদ্ধক্ষেত্রের এই ভয়াবহ দৃশ্য দেখে অশোকের মন গভীরভাবে বদলে যায়। তিনি অস্ত্রের বদলে ধর্মের পথে বিজয়ের সিদ্ধান্ত নেন এবং বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেন। এরপর তিনি শিলালিপি ও স্তম্ভের মাধ্যমে অহিংসা ও শান্তির বাণী ছড়াতে থাকেন।
অন্য অপশনগুলো পরবর্তী ইতিহাসের যুদ্ধ। পানিপথের প্রথম যুদ্ধ (১৫২৬) মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার সঙ্গে জড়িত, পলাশীর যুদ্ধ (১৭৫৭) ও বক্সারের যুদ্ধ (১৭৬৪) ব্রিটিশ শাসনের ভিত গড়ে।
মনে রাখুন:
অশোক চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের নাতি এবং বিন্দুসারের পুত্র।
মৌর্য সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল পাটলিপুত্র। - ৯৭. ফিফা আয়োজিত ২০২২ সালের বিশ্বকাপ ফুটবল কোন দেশে অনুষ্ঠিত হবে?
- ক. কাতার
- খ. ইতালি
- গ. দক্ষিণ কোরিয়া
- ঘ. ব্রাজিল
উত্তর: ক. কাতার
ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল প্রতি চার বছর পরপর অনুষ্ঠিত হয়। ২০১০ সালে ফিফা ঘোষণা করে যে ২০২২ সালের বিশ্বকাপের আয়োজক হবে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতার। এটি ছিল ২২তম বিশ্বকাপ এবং আরব বিশ্বে প্রথমবারের মতো এই আসর বসে। প্রচণ্ড গরমের কারণে এবারই প্রথম বিশ্বকাপ গ্রীষ্মের বদলে শীতকালে (নভেম্বর–ডিসেম্বর ২০২২) অনুষ্ঠিত হয়।
অন্য দেশগুলো এই আসরের আয়োজক ছিল না। ইতালি ১৯৩৪ ও ১৯৯০ সালে, ব্রাজিল ১৯৫০ ও ২০১৪ সালে এবং দক্ষিণ কোরিয়া ২০০২ সালে (জাপানের সঙ্গে যৌথভাবে) আয়োজন করেছে।
মনে রাখুন:
২০১৪ বিশ্বকাপ: ব্রাজিল (চ্যাম্পিয়ন জার্মানি)।
২০১৮ বিশ্বকাপ: রাশিয়া (চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স)।
হালনাগাদ: ২০২২ সালের বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হয়, আর ২০২৬ সালের আসর যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো যৌথভাবে আয়োজন করছে। - ৯৯. 'Green Peace' কী?
- ক. জাতীয়তাবাদী সংগঠন
- খ. রাজনৈতিক সংগঠন
- গ. মানবতাবাদী সংগঠন
- ঘ. পরিবেশবাদী সংগঠন
উত্তর: ঘ. পরিবেশবাদী সংগঠন
গ্রিনপিস (Greenpeace) একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংগঠন। ১৯৭১ সালে কানাডায় কয়েকজন পরিবেশকর্মী পারমাণবিক পরীক্ষার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে সংগঠনটি গড়ে তোলেন। এখন এর সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডামে। সংগঠনটি জলবায়ু পরিবর্তন, বনধ্বংস, তিমি শিকার, সমুদ্রদূষণ ও পারমাণবিক অস্ত্র বন্ধের জন্য কাজ করে এবং আন্দোলনে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের পথ বেছে নেয়। এর নাম ‘Green’ (সবুজ, প্রকৃতির প্রতীক) ও ‘Peace’ (শান্তি) নিয়ে গঠিত।
অন্য অপশনগুলো ভুল। এটি কোনো জাতীয়তাবাদী, রাজনৈতিক বা মানবতাবাদী সংগঠন নয়।
মনে রাখুন:
অন্য পরিবেশ সংগঠন WWF (World Wide Fund for Nature), যার প্রতীক পান্ডা।
গ্রিনপিসের বিখ্যাত জাহাজের নাম Rainbow Warrior।
বাংলাদেশ
- ৭৭. 'আমি হিমালয় দেখিনি, কিন্তু শেখ মুজিবকে দেখেছি, ব্যক্তিত্ব ও সাহসিকতায় তিনি হিমালয়ের সমতুল্য'—উক্তিটি কার?
- ক. কর্নেল গাদ্দাফির
- খ. মার্শাল টিটোর
- গ. ফিদেল ক্যাস্ট্রোর
- ঘ. নেলসন ম্যান্ডেলার
উত্তর: গ. ফিদেল ক্যাস্ট্রোর
১৯৭৩ সালের সেপ্টেম্বরে আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (NAM) শীর্ষ সম্মেলন হয়। সেখানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যোগ দেন। সম্মেলনের এক পর্যায়ে কিউবার প্রেসিডেন্ট ফিদেল ক্যাস্ট্রো বঙ্গবন্ধুকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘আমি হিমালয় দেখিনি, কিন্তু শেখ মুজিবকে দেখেছি। ব্যক্তিত্ব ও সাহসিকতায় তিনি হিমালয়ের সমান।’ কথাটি বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিত্বের পরিচায়ক হিসেবে আজও বলা হয়।
মনে রাখুন:
বঙ্গবন্ধু ১৯৭৪ সালে ইসলামি শীর্ষ সম্মেলনে (লাহোর) যোগ দেন।
তিনি ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রথমবারের মতো বাংলায় ভাষণ দেন।
বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সদস্যপদ পায়। - ৭৮. ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জাতীয় পরিষদে মোট কয়টি আসনে জয়লাভ করেছিল?
- ক. ১৬০ টি
- খ. ১৬৭ টি
- গ. ১৭০ টি
- ঘ. ৩০০ টি
উত্তর: খ. ১৬৭ টি
১৯৭০ সালের ডিসেম্বরে পাকিস্তানে প্রথম সাধারণ নির্বাচন হয়। জাতীয় পরিষদে মোট আসন ছিল ৩১৩টি, এর মধ্যে ৩০০টি সাধারণ আর ১৩টি নারীদের জন্য সংরক্ষিত। পূর্ব পাকিস্তানের জন্য বরাদ্দ ছিল ১৬৯টি আসন (১৬২টি সাধারণ ও ৭টি সংরক্ষিত)। শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ এর মধ্যে ১৬০টি সাধারণ আসন এবং সাতটি সংরক্ষিত নারী আসন জিতে মোট ১৬৭টি আসন পায়। এভাবে দলটি পুরো জাতীয় পরিষদে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
তবু পাকিস্তানের সামরিক শাসকরা ক্ষমতা হস্তান্তর না করায় ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি তৈরি হয়।
মনে রাখুন:
জাতীয় পরিষদের ভোট হয় ৭ ডিসেম্বর ১৯৭০, প্রাদেশিক পরিষদের ভোট ১৭ ডিসেম্বর ১৯৭০।
প্রাদেশিক পরিষদে আওয়ামী লীগ ৩০০টির মধ্যে ২৮৮টি আসন পায়। - ৮১. 'কারাগারের রোজনামচা' গ্রন্থটির রচয়িতা কে?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৯
- ক. মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
- খ. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
- গ. শেখ মুজিবুর রহমান
- ঘ. শেরে-বাংলা এ. কে. ফজলুল হক
উত্তর: গ. শেখ মুজিবুর রহমান
‘কারাগারের রোজনামচা’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা। ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৮ সালের মধ্যে কারাগারে বন্দি থাকার সময় তিনি নিজের দৈনন্দিন কথা ও ভাবনা খাতায় লিখে রেখেছিলেন। সেই লেখাগুলোই পরে বই আকারে প্রকাশিত হয়। বাংলা একাডেমি ২০১৭ সালে বইটি প্রথম প্রকাশ করে। এতে ছয় দফা আন্দোলনের পর তাঁর কারাজীবনের নানা অভিজ্ঞতা ও রাজনৈতিক চিন্তার পরিচয় পাওয়া যায়।
বঙ্গবন্ধুর আরেকটি আত্মজীবনীমূলক বই ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’, যা ২০১২ সালে প্রকাশিত হয়।
মনে রাখুন:
অসমাপ্ত আত্মজীবনী (২০১২)।
কারাগারের রোজনামচা (২০১৭)।
আমার দেখা নয়াচীন (২০২০)। - ৮২. মুজিবনগর সরকার কত তারিখে শপথ গ্রহণ করে?
- ক. ১৭ মার্চ ১৯৭১
- খ. ১০ এপ্রিল ১৯৭১
- গ. ২৫ এপ্রিল ১৯৭১
- ঘ. ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
উত্তর: ঘ. ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হয়। কিন্তু এই সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হয় ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখে, কুষ্টিয়া জেলার (বর্তমান মেহেরপুর) বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে। সেদিনই স্থানটির নাম রাখা হয় মুজিবনগর। তাই এই সরকারকে মুজিবনগর সরকারও বলা হয়। শপথ পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী। প্রশ্নে ‘শপথ গ্রহণ’ চাওয়া হয়েছে, তাই উত্তর ১৭ এপ্রিল।
মনে রাখুন:
রাষ্ট্রপতি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (অনুপস্থিত)।
উপ-রাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দীন আহমদ।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী: খন্দকার মোশতাক আহমদ।
প্রধান সেনাপতি: কর্নেল (পরে জেনারেল) এম এ জি ওসমানী। - ৮৬. শান্তিতে অবদানের জন্য শেখ মুজিবুর রহমান কোন পদকটি পেয়েছিলেন?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৯
- ক. ফ্রিডম পদক
- খ. ম্যাগসেসে পদক
- গ. জওহরলাল নেহেরু পদক
- ঘ. জুলিও কুরী পদক
উত্তর: ঘ. জুলিও কুরী পদক
বিশ্ব শান্তি পরিষদ (World Peace Council) ১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘জুলিও কুরি’ শান্তি পদকে ভূষিত করে। পদকটি তাঁকে দেওয়া হয় বিশ্বশান্তি আন্দোলনে এবং বাঙালির মুক্তিসংগ্রামে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ। ১৯৭৩ সালের ২৩ মে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই পদক প্রদান করা হয়। পদকের নাম ফরাসি বিজ্ঞানী ফ্রেডেরিক জোলিও-কুরির নামে।
অন্য অপশনগুলোর পরিচয়ও আলাদা। ম্যাগসেসে পুরস্কার এশিয়ার সম্মানজনক পুরস্কার, আর জওহরলাল নেহেরু পুরস্কার ভারতের আন্তর্জাতিক সমঝোতা পুরস্কার।
মনে রাখুন:
জুলিও কুরি পদক: বিশ্ব শান্তি পরিষদ প্রদত্ত।
ম্যাগসেসে পুরস্কার ফিলিপাইনের সাবেক প্রেসিডেন্ট রামন ম্যাগসেসের নামে। - ৮৮. কর্ণফুলী নদীর উৎস ভারতের কোন রাজ্যে?
- ক. ত্রিপুরা
- খ. মিজোরাম
- গ. মণিপুর
- ঘ. মেঘালয়
উত্তর: খ. মিজোরাম
কর্ণফুলী বাংলাদেশের চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রধান নদী। এর উৎস ভারতের মিজোরাম রাজ্যের লুসাই পাহাড়ে। সেখান থেকে নদীটি বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামে ঢোকে এবং রাঙামাটি ও চট্টগ্রাম জেলা হয়ে বঙ্গোপসাগরে মিশেছে। এই নদীর মোহনার কাছেই দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম বন্দর অবস্থিত।
কর্ণফুলী নদীতে রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে বাঁধ দিয়ে কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র করা হয়েছে, যা বাংলাদেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র। এই বাঁধের ফলে সৃষ্টি হয়েছে কাপ্তাই হ্রদ, যা দেশের সবচেয়ে বড় কৃত্রিম হ্রদ।
মনে রাখুন:
হালদা নদী কর্ণফুলীর উপনদী।
কর্ণফুলী নদীর তীরে চট্টগ্রাম শহর।
কর্ণফুলী টানেল (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল) এই নদীর নিচ দিয়ে তৈরি। - ৮৯. বাংলাদেশ কোন দেশের সাথে শততম টেস্ট ক্রিকেট খেলেছে?
- ক. পাকিস্তান
- খ. অস্ট্রেলিয়া
- গ. শ্রীলঙ্কা
- ঘ. ভারত
উত্তর: গ. শ্রীলঙ্কা
বাংলাদেশ ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর ঢাকায় ভারতের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে। তারপর ২০১৭ সালের মার্চে বাংলাদেশ তাদের শততম টেস্ট ম্যাচ খেলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে, কলম্বোর পি. সারা ওভাল স্টেডিয়ামে (১৫–১৯ মার্চ)। ম্যাচটিতে বাংলাদেশ ৪ উইকেটে জয়ী হয়। টেস্ট মর্যাদা পাওয়ার ১৬ বছর ৪ মাসের মাথায় এই শততম টেস্ট খেলা হয়। তাই প্রশ্নের উত্তর শ্রীলঙ্কা।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশের টেস্ট মর্যাদা পাওয়া: ২০০০ সালে (১০ম টেস্ট দেশ)।
প্রথম টেস্ট জয়: ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রামে।
প্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক জয়: ১৯৯৯ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে। - ৯০. বাংলাদেশের একমাত্র মৎস্য প্রজননক্ষেত্র কোনটি?
- ক. কর্ণফুলী নদী
- খ. গোমতী নদী
- গ. রূপসা নদী
- ঘ. হালদা নদী
উত্তর: ঘ. হালদা নদী
হালদা নদী চট্টগ্রাম অঞ্চলের একটি নদী। খাগড়াছড়ির পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে এটি কর্ণফুলী নদীতে গিয়ে মিশেছে, তাই হালদাকে কর্ণফুলীর উপনদী বলা হয়। বাংলাদেশের মধ্যে একমাত্র এই নদীতেই প্রাকৃতিক উপায়ে রুই, কাতলা, মৃগেল প্রভৃতি কার্প জাতীয় মাছ ডিম ছাড়ে। চৈত্র-বৈশাখ মাসে অমাবস্যা বা পূর্ণিমার সময় বজ্রসহ বৃষ্টি হলে মা মাছেরা এখানে ডিম ছাড়ে, আর জেলেরা সেই ডিম সংগ্রহ করে পোনা তৈরি করেন। এজন্য একে দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননক্ষেত্র বলা হয়।
মনে রাখুন:
হালদা কর্ণফুলীর উপনদী।
এ নদীর মাছের ডিম সংগ্রহ বাংলাদেশে প্রজননক্ষেত্র ও পোনা উৎপাদনের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
হালনাগাদ: ২০২৫ সালে হালদা নদী ও এর তীরবর্তী এলাকাকে ‘হালদা নদী মৎস্য হেরিটেজ’ ঘোষণা করা হয়েছে। - ৯১. বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী নদী কোনটি?
- ক. জিঞ্জিরাম
- খ. নাফ
- গ. কপোতাক্ষ
- ঘ. ব্রহ্মপুত্র
উত্তর: খ. নাফ
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তে কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলা মিয়ানমারের (সাবেক বার্মা) সীমান্তে অবস্থিত। এই সীমান্তের একটি বড় অংশে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মাঝ দিয়ে বয়ে গেছে নাফ নদী। নদীটির উৎস মিয়ানমারের আরাকান পাহাড় এবং এটি বঙ্গোপসাগরে মিশেছে। নাফ নদীর দক্ষিণে টেকনাফ ও সেন্ট মার্টিন দ্বীপ অবস্থিত।
অন্য অপশনের নদীগুলো ভিন্ন। জিঞ্জিরাম ভারতের সীমান্ত ঘেঁষা অঞ্চলের নদী, কপোতাক্ষ যশোর-খুলনা অঞ্চলের নদী এবং ব্রহ্মপুত্র বাংলাদেশ ও ভারত জুড়ে প্রবাহিত।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশ–মিয়ানমার সীমান্ত প্রায় ২৭১ কিলোমিটার।
বাংলাদেশের সীমান্তের বেশির ভাগ ভারতের সঙ্গে।
নাফ নদীর মোহনায় শাহ পরীর দ্বীপ অবস্থিত। - ৯৪. বাংলাদেশের জাতীয় ফল কোনটি?
- ক. কাঁঠাল
- খ. আম
- গ. আনারস
- ঘ. লিচু
উত্তর: ক. কাঁঠাল
বাংলাদেশের জাতীয় ফল কাঁঠাল। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় আকারের ফলগুলোর একটি এবং দেশের সব অঞ্চলেই এর চাষ হয়। জাতীয় ফল ঘোষণার মধ্য দিয়ে দেশের নিজস্ব ঐতিহ্যবাহী উদ্ভিদ ও খাদ্যসম্পদকে মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। অপশনে থাকা আমও দেশের গুরুত্বপূর্ণ ফল, তবে আম গাছ জাতীয় বৃক্ষ, ফল নয়।
অন্য জাতীয় প্রতীকগুলোও একসঙ্গে মনে রাখা ভালো।
মনে রাখুন:
জাতীয় ফুল – শাপলা।
জাতীয় পাখি – দোয়েল।
জাতীয় পশু – রয়েল বেঙ্গল টাইগার।
জাতীয় মাছ – ইলিশ।
জাতীয় বৃক্ষ – আম গাছ। - ৯৫. বাংলা একাডেমির মূল ভবনের নাম কী ছিল?
- ক. চামেলী হাউস
- খ. আহসান মঞ্জিল
- গ. কার্জন হল
- ঘ. বর্ধমান হাউস
উত্তর: ঘ. বর্ধমান হাউস
বাংলা একাডেমি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের গবেষণা, সংরক্ষণ ও বিকাশের জন্য প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান। এর প্রতিষ্ঠা ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর। শুরুতে এটি ঢাকার বর্ধমান হাউসে কাজ শুরু করে। বর্ধমানের মহারাজার নামে পরিচিত এই ভবনটি আগে পূর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন হিসেবে ব্যবহৃত হতো। পরে এখানেই বাংলা একাডেমির মূল ভবন গড়ে ওঠে।
মনে রাখুন:
আহসান মঞ্জিল নওয়াব পরিবারের প্রাসাদ, এখন জাদুঘর।
কার্জন হল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে অবস্থিত ঐতিহাসিক ভবন।
প্রতি ফেব্রুয়ারিতে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে একুশে বইমেলা হয়। - ৯৮. বাংলাদেশের তৃতীয় সমুদ্রবন্দরের নাম কী?
- ক. কক্সবাজার
- খ. পায়রা
- গ. চালনা
- ঘ. কুতুবদিয়া
উত্তর: খ. পায়রা
বাংলাদেশে প্রথম সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম, দ্বিতীয়টি মোংলা (বাগেরহাট) এবং তৃতীয়টি পায়রা। পায়রা বন্দর পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার রাবনাবাদ নদীর তীরে অবস্থিত। ২০১৬ সালের ১৩ আগস্ট এটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরের ওপর চাপ কমানো এবং দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নের জন্য এই বন্দর গড়ে তোলা হয়েছে।
অন্য অপশনের কক্সবাজার ও কুতুবদিয়া দেশের সমুদ্রবন্দর নয়, কক্সবাজারে সমুদ্রসৈকত আছে এবং কুতুবদিয়া একটি দ্বীপ। চালনা মোংলা বন্দর এলাকারই অংশ, আলাদা সমুদ্রবন্দর নয়।
মনে রাখুন:
প্রথম সমুদ্রবন্দর – চট্টগ্রাম।
দ্বিতীয় সমুদ্রবন্দর – মোংলা।
তৃতীয় সমুদ্রবন্দর – পায়রা।
মাতারবাড়ীতে (কক্সবাজার) গভীর সমুদ্রবন্দর গড়ে তোলার প্রকল্প রয়েছে।
বিভিন্ন মন্ত্রণালয় উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা: সব বছর
বিভিন্ন মন্ত্রণালয়: অন্যান্য পরীক্ষা
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয় সহকারী মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয় সহকারী প্রোগ্রামার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিদ্যুৎ বিভাগ বিদ্যুৎ পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর সহকারী প্রকৌশলী (পুর)/উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন