লিয়ানা বুকস

বিভিন্ন মন্ত্রণালয় সহকারী প্রোগ্রামার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭: প্রশ্ন ও সমাধান

পরীক্ষা হয়েছে ১৭ এপ্রিল ২০১৭। ১০১টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।

সময় ধরে পরীক্ষা দিন →

বাংলা

  1. ১. নিম্নের কোনটি তৎসম শব্দ নয়?
    • ক. ভবন
    • খ. ধর্ম
    • গ. পাত্র
    • ঘ. চামার
    উত্তর: ঘ. চামার
    বাংলা ভাষার শব্দভান্ডারকে উৎস অনুযায়ী কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়। যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই বাংলায় এসেছে, সেগুলোকে তৎসম (সংস্কৃত) শব্দ বলে। ভবন, ধর্ম ও পাত্র ঠিক এমন শব্দ, তাই এগুলো তৎসম। কিন্তু ‘চামার’ শব্দটি সংস্কৃত ‘চর্মকার’ থেকে ধীরে ধীরে বদলে এই রূপ নিয়েছে। যে শব্দ সংস্কৃত থেকে এভাবে বদলে বাংলায় এসেছে, তাকে তদ্ভব (Derived) শব্দ বলে। তাই চামার তৎসম নয়।
    মনে রাখুন:
    তৎসম শব্দ: চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, মনুষ্য।
    তদ্ভব শব্দ: চাঁদ, সূয্যি, হাত, মাছ, কামার।
    অর্ধ-তৎসম শব্দ: সংস্কৃত শব্দের কিছুটা বদলে যাওয়া রূপ, যেমন কেষ্ট (কৃষ্ণ), জোছনা (জ্যোৎস্না)।
    বাংলা শব্দভান্ডারের পাঁচটি ভাগ: তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি।
  2. ২. প্রত্যেক ভাষারই মৌলিক অংশ কয়টি?
    • ক. চারটি
    • খ. পাঁচটি
    • গ. ছয়টি
    • ঘ. সাতটি
    উত্তর: ক. চারটি
    যেকোনো ভাষা বিশ্লেষণ করলে আমরা চারটি মৌলিক অংশ পাই। এগুলো হলো ধ্বনি, শব্দ, বাক্য ও অর্থ। ধ্বনি দিয়ে শব্দ তৈরি হয়, শব্দ সাজিয়ে বাক্য হয়, আর বাক্যের মধ্য দিয়ে আমরা অর্থ প্রকাশ করি। ব্যাকরণও এই চারটি অংশ নিয়েই আলোচনা করে, তাই ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয়ও চারটি।
    মনে রাখুন:
    ধ্বনিতত্ত্ব (Phonology): ধ্বনি নিয়ে আলোচনা।
    শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্ব (Morphology): শব্দ ও তার গঠন।
    বাক্যতত্ত্ব বা পদক্রম (Syntax): বাক্যের গঠন।
    অর্থতত্ত্ব (Semantics): শব্দ ও বাক্যের অর্থ।
    বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১টি ও ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি, মোট ৫০টি বর্ণ।
  3. ৩. কোনটি হাতির ডাক?
    • ক. হ্রেষা
    • খ. বৃংহিত
    • গ. ক্রেঙ্কার
    • ঘ. কুঞ্চন
    উত্তর: খ. বৃংহিত
    পশুপাখির ডাক বোঝাতে বাংলা ভাষায় আলাদা আলাদা শব্দ আছে। হাতির ডাককে বলা হয় বৃংহণ বা বৃংহিত। হাতি যখন গম্ভীর স্বরে শুঁড় তুলে ডাকে, তখন এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। অন্য অপশনগুলো হাতির ডাক নয়। হ্রেষা ঘোড়ার ডাক আর ক্রেঙ্কার রাজহাঁসের ডাক। কুঞ্চন শব্দের অর্থ কুঁচকানো বা সংকুচিত করা, এটি কোনো প্রাণীর ডাকই নয়।
    মনে রাখুন:
    ঘোড়ার ডাক: হ্রেষা।
    কুকুরের ডাক: বুক্কন।
    ময়ূরের ডাক: কেকা।
    কোকিলের ডাক: কুহু।
    সিংহের ডাক: গর্জন।
    গরুর ডাক: হাম্বা।
  4. ৪. বিদেশি উপসর্গ কোনটি?
    • ক. অনা
    • খ. আব
    • গ. গর
    • ঘ. অজ
    উত্তর: গ. গর
    উপসর্গ হলো এমন শব্দাংশ, যা অন্য শব্দের আগে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে বা অর্থের বদল ঘটায়। বাংলা ভাষায় উপসর্গ তিন ধরনের: তৎসম (সংস্কৃত), খাঁটি বাংলা এবং বিদেশি। অনা, আব ও অজ খাঁটি বাংলা উপসর্গ, যেমন অনাসৃষ্টি, আবছায়া, অজপাড়াগাঁ। আর ‘গর’ একটি বিদেশি (আরবি-ফারসি) উপসর্গ, যার অর্থ অভাব বা না। যেমন গরহাজির, গরমিল। তাই বিদেশি উপসর্গ হলো ‘গর’।
    মনে রাখুন:
    অন্য বিদেশি উপসর্গ: কার, দর, বদ, বে, নিম, হর, ফি।
    তৎসম উপসর্গ ২০টি, যেমন প্র, পরা, অপ, সম্, অনু, বি, অতি, অভি।
    খাঁটি বাংলা উপসর্গের উদাহরণ: অঘা (অঘাচণ্ডী), আড় (আড়চোখ), পাতি (পাতিহাঁস), ভর (ভরপেট)।
  5. ৫. কোনটি কন্যা'র সমার্থক নয়?
    • ক. আত্মজা
    • খ. স্বজা
    • গ. সুতা
    • ঘ. অংশু
    উত্তর: ঘ. অংশু
    কন্যা শব্দের অর্থ মেয়ে, অর্থাৎ নিজের সন্তান হিসেবে যে নারী জন্ম নিয়েছে। তাই আত্মজা, স্বজা, সুতা, তনয়া, দুহিতা ও নন্দিনী সবই কন্যার সমার্থক। কিন্তু ‘অংশু’ শব্দের অর্থ কিরণ বা আলোর রশ্মি, এর সঙ্গে কন্যার কোনো সম্পর্ক নেই। তাই অংশু কন্যার সমার্থক নয়।
    মনে রাখুন:
    অংশুর সমার্থক শব্দ: কিরণ, প্রভা, দীপ্তি, জ্যোতি, রশ্মি।
    পুত্র বোঝাতে আত্মজ, তনয়, সুত, নন্দন শব্দগুলো ব্যবহৃত হয়।
  6. ৬. কোন শব্দটি 'অমৃত' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ?
    • ক. মৃত
    • খ. গরল
    • গ. তিক্ত
    • ঘ. সরস
    উত্তর: খ. গরল
    অমৃত শব্দের অর্থ সুধা, যা পান করলে মৃত্যু হয় না বলে বিশ্বাস করা হয়। এর বিপরীত শব্দ হলো গরল, অর্থাৎ বিষ, কারণ যা পান করলে প্রাণ যায়, সেটিই অমৃতের ঠিক উল্টো। অন্য অপশনগুলো অমৃতের বিপরীত নয়। মৃত শব্দের বিপরীত জীবিত, তিক্ত শব্দের বিপরীত মধুর এবং সরস শব্দের বিপরীত নিরস।
    মনে রাখুন:
    গরলের সমার্থক শব্দ: বিষ, হলাহল, কালকূট।
    অমৃতের সমার্থক শব্দ: সুধা, পীযূষ, অমিয়।
  7. ৭. ধ্বনিতত্ত্বভেদে নিম্নের কোন শব্দটি অন্যগুলো থেকে আলাদা?
    • ক. জিহ্বা
    • খ. হাত
    • গ. তালু
    • ঘ. ঠোঁট
    উত্তর: খ. হাত
    ধ্বনিতত্ত্বে আমরা মুখের ভেতরের যেসব অঙ্গ দিয়ে ধ্বনি উচ্চারণ করি, সেগুলো নিয়ে আলোচনা করি। এসব অঙ্গকে বাগ্‌যন্ত্র বলে। জিহ্বা, তালু ও ঠোঁট এই বাগ্‌যন্ত্রের অংশ, এগুলোর সাহায্যে ধ্বনি তৈরি হয়। কিন্তু হাত দিয়ে আমরা কোনো ধ্বনি উচ্চারণ করি না। তাই হাত বাকি তিনটি থেকে আলাদা।
    মনে রাখুন:
    উচ্চারণের স্থান অনুযায়ী ধ্বনির নাম হয়।
    কণ্ঠ্য ধ্বনি: ক খ গ ঘ ঙ।
    তালব্য ধ্বনি: চ ছ জ ঝ ঞ।
    দন্ত্য ধ্বনি: ত থ দ ধ ন।
    ওষ্ঠ্য ধ্বনি: প ফ ব ভ ম।
  8. ৮. প্রথম প্রকৃত বাংলা উপন্যাস কোনটি?
    • ক. দুর্গেশনন্দিনী
    • খ. বিষবৃক্ষ
    • গ. কপালকুণ্ডলা
    • ঘ. রাজসিংহ
    উত্তর: ক. দুর্গেশনন্দিনী
    বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘দুর্গেশনন্দিনী’, যা ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয়। এর আগে প্যারীচাঁদ মিত্রের ‘আলালের ঘরের দুলাল’ (১৮৫৮) বের হয়েছিল, কিন্তু সেটিকে আধুনিক অর্থে পূর্ণাঙ্গ উপন্যাস বলা যায় না। তাই প্রথম সার্থক বা প্রকৃত উপন্যাসের মর্যাদা দুর্গেশনন্দিনীর।
    মনে রাখুন:
    বাংলা ভাষায় প্রথম ঐতিহাসিক রোমান্স হিসেবে দুর্গেশনন্দিনীকে ধরা হয়।
    বঙ্কিমের অন্য উপন্যাস: কপালকুণ্ডলা (১৮৬৬), বিষবৃক্ষ (১৮৭৩), আনন্দমঠ (১৮৮২), রাজসিংহ।
    ‘বন্দে মাতরম্’ গানটি আনন্দমঠ উপন্যাসের অংশ।
    বঙ্কিমের প্রথম উপন্যাস ইংরেজিতে লেখা ‘Rajmohan’s Wife’ (১৮৬৪)।
  9. ৯. "মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণতূর্য"— কোন কবিতার চরণ?
    • ক. বিদ্রোহী
    • খ. শাতিল আরব
    • গ. প্রলয়োল্লাস
    • ঘ. খেয়াপারের তরণী
    উত্তর: ক. বিদ্রোহী
    ‘মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণতূর্য’ চরণটি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত ‘বিদ্রোহী’ কবিতার অংশ। এখানে কবি নিজেকে একদিকে কোমল প্রেমিক এবং অন্যদিকে যোদ্ধা হিসেবে তুলে ধরেছেন। কবিতাটি ১৯২২ সালে ‘বিজলী’ পত্রিকায় প্রথম ছাপা হয় এবং পরে ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যে স্থান পায়। অপশনের বাকি কবিতাগুলোও নজরুলের লেখা এবং অগ্নিবীণারই অন্তর্গত, কিন্তু চরণটি এগুলোর কোনোটিতে নেই।
    মনে রাখুন:
    ‘অগ্নিবীণা’ নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
    ‘বিদ্রোহী’ কবিতার শুরু: ‘বল বীর— বল উন্নত মম শির!’
    নজরুল ১৮৯৯ সালে পশ্চিমবঙ্গের চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
    তিনি বাংলাদেশের জাতীয় কবি।
  10. ১০. মহাকবি আলাওল কোন যুগের কবি?
    • ক. প্রাচীন যুগ
    • খ. আদি মধ্যযুগ
    • গ. মধ্যযুগ
    • ঘ. আধুনিক যুগ
    উত্তর: গ. মধ্যযুগ
    বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে তিন যুগে ভাগ করা হয়: প্রাচীন যুগ (৬৫০-১২০০), মধ্যযুগ (১২০১-১৮০০) এবং আধুনিক যুগ (১৮০১ থেকে)। আলাওল (আনুমানিক ১৬০৭-১৬৮০) সপ্তদশ শতকের কবি, অর্থাৎ মধ্যযুগের। তিনি আরাকান রাজসভার কবি ছিলেন। তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত কাব্য ‘পদ্মাবতী’, যা মালিক মুহম্মদ জায়সীর হিন্দি কাব্য ‘পদুমাবৎ’-এর অনুবাদ। অপশনের ‘আদি মধ্যযুগ’ মধ্যযুগেরই একটি প্রথম অংশ, আলাওলের সময়ের সঙ্গে সেটি মেলে না।
    মনে রাখুন:
    আদি মধ্যযুগ বলা হয় ১২০১ থেকে ১৩৫০ সালকে, যার নিদর্শন ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’।
    আলাওলের অন্য রচনা: সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামাল, সপ্তপয়কর, তোহফা, সিকান্দারনামা।
    আরাকান রাজসভার আরেক কবি দৌলত কাজী, যাঁর কাব্য ‘সতীময়না ও লোরচন্দ্রাণী’।
  11. ১১. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কত বছর বয়সে 'বনফুল' প্রকাশিত হয়?
    • ক. চৌদ্দ বছর
    • খ. পনরো বছর
    • গ. ষোলো বছর
    • ঘ. সতেরো বছর
    উত্তর: ক. চৌদ্দ বছর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ সালে জন্মেছিলেন। তাঁর আখ্যানকাব্য ‘বনফুল’ প্রথম ‘জ্ঞানাঙ্কুর ও প্রতিবিম্ব’ পত্রিকায় ১৮৭৫ সালে ধারাবাহিকভাবে ছাপা হয়। তখন তাঁর বয়স ছিল চৌদ্দ বছর। কয়েক বছর পরে ১৮৮০ সালে এটি বই আকারে বের হয়। তাই প্রথম প্রকাশের হিসাবে কবির বয়স চৌদ্দ বছরই ধরা হয়, আর অপশনগুলোতেও এটিই আছে।
    মনে রাখুন:
    বনফুল রবীন্দ্রনাথের প্রথম প্রকাশিত দীর্ঘ কাব্য।
    বই আকারে তাঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্য ‘কবিকাহিনী’ (১৮৭৮)।
    ‘গীতাঞ্জলি’র ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কার পান।
  12. ১২. বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
    • ক. ১৯৬৫
    • খ. ১৯৫৫
    • গ. ১৯৪৫
    • ঘ. ১৯৭৫
    উত্তর: খ. ১৯৫৫
    বাংলা একাডেমি ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর ঢাকার বর্ধমান হাউসে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পর বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের গবেষণা এবং চর্চার জন্য একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠানের দাবি ওঠে, সেই দাবির ফলেই এর জন্ম। ১৯৫২ সাল ভাষা আন্দোলনের বছর, একাডেমি প্রতিষ্ঠার বছর নয়, এটা মনে রাখা দরকার।
    মনে রাখুন:
    প্রথম পরিচালক ছিলেন ড. মুহম্মদ এনামুল হক।
    প্রতি ফেব্রুয়ারিতে একাডেমি ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা’র আয়োজন করে।
    ১৯৭২ সালে এটি স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে পুনর্গঠিত হয়।
    একাডেমির জন্মের আগের ঠিকানা বর্ধমান হাউস।
  13. ১৩. 'বঙ্গদর্শন' সাহিত্য পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক কে ছিলেন?
    • ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • খ. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
    • গ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    • ঘ. প্রমথ চৌধুরী
    উত্তর: গ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    ‘বঙ্গদর্শন’ বাংলা সাহিত্যের একটি যুগান্তকারী মাসিক পত্রিকা। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এটি ১৮৭২ সালে প্রতিষ্ঠা করেন এবং প্রথম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এই পত্রিকাতেই তাঁর অনেক উপন্যাস ধারাবাহিকভাবে ছাপা হয়েছিল, যেমন ‘বিষবৃক্ষ’। পরে ১৯০১ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নবপর্যায়ের ‘বঙ্গদর্শন’ সম্পাদনা করেন এবং সেখানে তাঁর ‘চোখের বালি’ ধারাবাহিকভাবে বের হয়।
    মনে রাখুন:
    প্রমথ চৌধুরী সম্পাদনা করতেন ‘সবুজপত্র’ (১৯১৪) পত্রিকা।
    ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পাদনা করতেন ‘সংবাদ প্রভাকর’ (১৮৩১)।
  14. ১৪. 'মরণ রে, তুঁহুঁ মম শ্যাম সমান'–এটি কার লেখা?
    • ক. বিদ্যাপতি
    • খ. লালনশাহ
    • গ. কাজী নজরুল ইসলাম
    • ঘ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    উত্তর: ঘ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    ‘মরণ রে, তুঁহুঁ মম শ্যাম সমান’ পঙ্ক্তিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা। এটি তাঁর ‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী’র অন্তর্গত। তরুণ রবীন্দ্রনাথ বৈষ্ণব পদাবলীর অনুকরণে ব্রজবুলি ভাষায় এই পদগুলো লিখেছিলেন এবং ‘ভানুসিংহ’ ছদ্মনামে প্রকাশ করেছিলেন। এ কারণে অপশনে বিদ্যাপতির নাম দেখে বিভ্রান্ত হওয়া ঠিক নয়, কারণ বিদ্যাপতি নিজে মৈথিলি ভাষার কবি।
    মনে রাখুন:
    ব্রজবুলি মৈথিলি ও বাংলার মিশ্রণে তৈরি একটি কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা।
    বৈষ্ণব পদাবলীর প্রধান কবিরা: বিদ্যাপতি, চণ্ডীদাস, জ্ঞানদাস, গোবিন্দদাস।
    ‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী’ বই আকারে বের হয় ১৮৮৪ সালে।
  15. ১৫. নিচের কোনটি রূপক সমাসের উদাহরণ নয়?আরও এসেছে: গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) ২০১৮
    • ক. মোহনিদ্রা
    • খ. শোকানল
    • গ. মোমবাতি
    • ঘ. দিলদরিয়া
    উত্তর: গ. মোমবাতি
    কর্মধারয় সমাসের এক বিশেষ ধরনের নাম রূপক কর্মধারয়। এতে উপমেয় ও উপমান অভিন্ন বোঝায়, অর্থাৎ একটি জিনিসকে অন্যটির রূপ ধরে নেওয়া হয়। যেমন মোহ রূপ নিদ্রা = মোহনিদ্রা, শোক রূপ অনল = শোকানল এবং দিল রূপ দরিয়া = দিলদরিয়া। কিন্তু মোমবাতি শব্দের ব্যাসবাক্য ‘মোম দিয়ে তৈরি বাতি’। এখানে কোনো রূপক সম্পর্ক নেই, কেবল মাঝের পদ ‘দিয়ে তৈরি’ লোপ পেয়েছে। তাই এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয়, রূপক নয়।
    মনে রাখুন:
    বাংলা সমাস মূলত ছয় প্রকার: দ্বন্দ্ব, কর্মধারয়, তৎপুরুষ, বহুব্রীহি, দ্বিগু ও অব্যয়ীভাব।
    রূপক কর্মধারয়ের আরও উদাহরণ: মুখচন্দ্র, মনমাঝি।
    মধ্যপদলোপী কর্মধারয়ের আরেক উদাহরণ: সিংহাসন।
  16. ১৬. 'বীরবল' কার ছদ্মনাম?
    • ক. প্রমথ চৌধুরী
    • খ. বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
    • গ. প্যারীচাঁদ মিত্র
    • ঘ. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
    উত্তর: ক. প্রমথ চৌধুরী
    ‘বীরবল’ প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম। তিনি ‘সবুজপত্র’ পত্রিকা সম্পাদনার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষার রীতি প্রতিষ্ঠায় বড় ভূমিকা রাখেন। বীরবল নামে লেখা তাঁর ব্যঙ্গরসাত্মক প্রবন্ধগুলো বিখ্যাত। অপশনের অন্যদের ছদ্মনামও আলাদা: বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় লিখতেন ‘বনফুল’ নামে, আর প্যারীচাঁদ মিত্র লিখতেন ‘টেকচাঁদ ঠাকুর’ নামে।
    মনে রাখুন:
    ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে যুগসন্ধির কবি বলা হয়।
    প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত বই ‘বীরবলের হালখাতা’ ও ‘চার-ইয়ারি কথা’।
    অন্য ছদ্মনাম: কালীপ্রসন্ন সিংহ ‘হুতোম প্যাঁচা’, রবীন্দ্রনাথ ‘ভানুসিংহ’।
  17. ১৭. "রোগকে ঘৃণা করা যায়, রোগীকে কেন?" –একথা কে বলেছেন?
    • ক. জহির রায়হান
    • খ. আলমগীর কবির
    • গ. হুমায়ূন আহমেদ
    • ঘ. হুমায়ূন আজাদ
    উত্তর: গ. হুমায়ূন আহমেদ
    ‘রোগকে ঘৃণা করা যায়, রোগীকে কেন?’ কথাটি বহুল প্রচলিত একটি মানবিক উক্তি, যা জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক হুমায়ূন আহমেদের লেখায় পাওয়া যায়। এখানে বলা হচ্ছে, অসুখ খারাপ হতে পারে, কিন্তু অসুস্থ মানুষের প্রতি আমাদের সহানুভূতি থাকা উচিত। হুমায়ূন আহমেদ বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক। অপশনের অন্যরাও পরিচিত লেখক, তবে তাঁদের পরিচয় আলাদা। জহির রায়হান ‘হাজার বছর ধরে’র লেখক এবং চলচ্চিত্রকার, আর হুমায়ূন আজাদ ‘নারী’ বইয়ের লেখক।
    মনে রাখুন:
    হুমায়ূন আহমেদের কয়েকটি বিখ্যাত উপন্যাস: নন্দিত নরকে (১৯৭২), শঙ্খনীল কারাগার, কবি, বাদশা নামদার।
    তাঁর সৃষ্ট বিখ্যাত দুটি চরিত্র হিমু ও মিসির আলি।
  18. ১৮. 'কবর' কবিতাটি কোন কবির রচনা?
    • ক. অসীম সাহা
    • খ. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান
    • গ. জসীমউদ্দীন
    • ঘ. অমিয় চক্রবর্তী
    উত্তর: গ. জসীমউদ্দীন
    ‘কবর’ কবিতার রচয়িতা জসীমউদ্দীন, যাঁকে পল্লিকবি বলা হয়। কবিতাটি তাঁর ‘রাখালী’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। এতে এক বৃদ্ধ দাদা তাঁর নাতিকে নিজের মেয়ের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে হারানো মেয়ের স্মৃতি শোনান। কবিতাটি এত জনপ্রিয় হয়েছিল যে একসময় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যে স্থান পায়।
    মনে রাখুন:
    জসীমউদ্দীনের অন্য রচনা ‘নকশী কাঁথার মাঠ’ ও ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’।
    তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘রাখালী’ (১৯২৭)।
    কবিতাটির বিখ্যাত পঙ্ক্তি: ‘এইখানে তোর দাদির কবর ডালিম গাছের তলে’।
  19. ১৯. "আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি" -কে লিখেছেন?
    • ক. শেখ মুজিবুর রহমান
    • খ. শেখ হাসিনা
    • গ. কাজী নজরুল ইসলাম
    • ঘ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    উত্তর: ঘ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি’ গানটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা। ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের সময় স্বদেশি আন্দোলনের প্রেরণা থেকে তিনি গানটি লেখেন। স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে গানটির প্রথম দশ পঙ্ক্তি গ্রহণ করা হয়েছে। অপশনের অন্যরা এই গানের রচয়িতা নন, যদিও নজরুল বাংলাদেশের জাতীয় কবি।
    মনে রাখুন:
    জাতীয় সংগীত সংবিধানের ৪ অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে।
    জাতীয় সংগীতের সুরও রবীন্দ্রনাথের দেওয়া, আর জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম।
    ভারতের জাতীয় সংগীত ‘জনগণমন’-ও রবীন্দ্রনাথের লেখা।
  20. ২০. "বুকের রক্তে লিখেছি একটি নাম বাংলাদেশ" কোন কবি লিখেছেন?
    • ক. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান
    • খ. আসাদ চৌধুরী
    • গ. কামাল চৌধুরী
    • ঘ. আল মাহমুদ
    উত্তর: ক. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান
    ‘বুকের রক্তে লিখেছি একটি নাম বাংলাদেশ’ পঙ্ক্তিটি কবি মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানের লেখা। মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার আবেগ নিয়ে লেখা তাঁর কবিতাগুলো খুব পরিচিত। এসব কবিতায় দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগের কথা ফুটে ওঠে। তাঁর আরও জনপ্রিয় পঙ্ক্তি ‘আমার দেশের মাটির গন্ধে’ এবং ‘অশ্রু দিয়ে লেখা এ গান’। অপশনের অন্য তিনজনও আধুনিক বাংলা কবি, কিন্তু এই পঙ্ক্তি তাঁদের নয়।
    মনে রাখুন:
    আল মাহমুদ ‘সোনালী কাবিন’ (১৯৬৬) কাব্যের কবি।
    আসাদ চৌধুরী ‘তবক দেওয়া পান’ কাব্যের কবি।
  21. ২১. মঙ্গলকাব্যে কোন দেবীর কাহিনি আছে?
    • ক. লক্ষ্মীন্দর দেবী
    • খ. পদ্মাবতী দেবী
    • গ. মনসা দেবী
    • ঘ. বেহুলা ও চাঁদসুন্দর
    উত্তর: গ. মনসা দেবী
    মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে দেবদেবীর মাহাত্ম্য নিয়ে যেসব আখ্যানকাব্য লেখা হয়েছে, সেগুলোকে মঙ্গলকাব্য বলে। বিশ্বাস ছিল, এই কাব্য পড়লে বা শুনলে মঙ্গল হয়। এর প্রধান তিন ধারা হলো মনসামঙ্গল, চণ্ডীমঙ্গল ও ধর্মমঙ্গল। এখানে দেবী মনসার কাহিনি পাওয়া যায়, যার সঙ্গে বেহুলা-লখিন্দরের কাহিনি জড়িত। অপশনের লক্ষ্মীন্দর (লখিন্দর) কোনো দেবী নন, তিনি চাঁদ সওদাগরের পুত্র।
    মনে রাখুন:
    অন্যান্য মঙ্গলকাব্য: অন্নদামঙ্গল, শিবায়ন।
    মনসামঙ্গলের কবি: বিজয় গুপ্ত, বিপ্রদাস পিপিলাই, নারায়ণ দেব।
    চণ্ডীমঙ্গলের শ্রেষ্ঠ কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তী (কবিকঙ্কণ)।
    অন্নদামঙ্গলের কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।
  22. ২২. 'ঐ চাকরির আশা ছেড়েছি'— কোন অর্থ প্রকাশ পায়?
    • ক. মুক্ত করা
    • খ. ত্যাগ করা
    • গ. বিরাগ
    • ঘ. হতাশা
    উত্তর: ঘ. হতাশা
    ‘ঐ চাকরির আশা ছেড়েছি’ বাক্যে বক্তা বলছেন তিনি চাকরি পাওয়ার ভরসা ছেড়ে দিয়েছেন। যেখানে কোনো কিছু পাওয়ার আশাই থাকে না, সেখানে মনে যে ভাবের জন্ম হয়, তাকে হতাশা বলে। ‘ছাড়া’ ক্রিয়াটি বাংলায় নানা অর্থে ব্যবহৃত হয়, যেমন মুক্ত করা বা ত্যাগ করা। কিন্তু এই বাক্যে ‘আশা’ শব্দের সঙ্গে মিলে এটি হতাশার অর্থ দেয়।
    মনে রাখুন: একই ধাতু বাক্যভেদে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করতে পারে, তাই প্রসঙ্গ দেখে অর্থ ঠিক করতে হয়।
    উদাহরণ:
    পুলিশ আসামিকে ছেড়ে দিল। (মুক্তি দিল)
    ট্রেনটি স্টেশন ছেড়ে গেল। (ত্যাগ করল)
  23. ২৩. আবুল ফজলের 'রেখাচিত্র' কোন ধরনের রচনা?
    • ক. আত্মজীবনী
    • খ. ভ্রমণকাহিনি
    • গ. উপন্যাস
    • ঘ. কাব্য
    উত্তর: ক. আত্মজীবনী
    ‘রেখাচিত্র’ আবুল ফজলের আত্মজীবনীমূলক রচনা, যা ১৯৬৬ সালে প্রকাশিত হয়। এতে তিনি নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা ও স্মৃতি লিখেছেন। আবুল ফজল (১৯০৩-১৯৮৩) ‘বুদ্ধির মুক্তি’ আন্দোলনের একজন অগ্রণী লেখক ছিলেন। এই আন্দোলন ১৯২৬ সালে ঢাকায় ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’-কে ঘিরে গড়ে ওঠে এবং যুক্তি ও মুক্তচিন্তার কথা বলে।
    মনে রাখুন:
    তাঁর উপন্যাস: চৌচির, প্রদীপ ও পতঙ্গ, রাঙা প্রভাত।
    গল্পগ্রন্থ: মাটির পৃথিবী, মৃতের আত্মহত্যা।
    তাঁর দিনলিপির নাম ‘লেখকের রোজনামচা’।
  24. ২৪. 'বাংলার মুখ' কবিতাটি কোন কাব্যের অন্তর্গত?
    • ক. মহাপৃথিবী
    • খ. মাল্যদান
    • গ. রূপসী বাংলা
    • ঘ. ঝরাপালক
    উত্তর: গ. রূপসী বাংলা
    ‘বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি’ পঙ্ক্তিটি দিয়ে শুরু হওয়া এই কবিতা জীবনানন্দ দাশের ‘রূপসী বাংলা’ কাব্যের অন্তর্গত। বাংলার নদী, মাঠ ও প্রকৃতির সৌন্দর্য নিয়ে এই কাব্যের সনেটগুলো লেখা। তাই একে প্রকৃতির কাব্য বলা হয়। কাব্যটি কবির মৃত্যুর পর ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত হয়, যদিও এর কবিতাগুলো ১৯৩০-এর দশকে লেখা। অপশনের ‘মহাপৃথিবী’ ও ‘ঝরা পালক’-ও জীবনানন্দের কাব্য, কিন্তু এই কবিতা সেখানে নেই।
    মনে রাখুন:
    জীবনানন্দকে ‘রূপসী বাংলার কবি’ বলা হয়।
    তাঁর অন্য কাব্য: ঝরা পালক (১৯২৭, প্রথম কাব্য), ধূসর পাণ্ডুলিপি, বনলতা সেন, মহাপৃথিবী।
    জীবনানন্দের জন্ম বরিশালে, মৃত্যু ১৯৫৪ সালে ট্রাম দুর্ঘটনায়।
  25. ২৫. মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'বঙ্গভাষা' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
    • ক. স্বরবৃত্ত
    • খ. অক্ষরবৃত্ত
    • গ. মাত্রাবৃত্ত
    • ঘ. অমিত্রাক্ষর ছন্দ
    উত্তর: খ. অক্ষরবৃত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘বঙ্গভাষা’ একটি চতুর্দশপদী কবিতা বা সনেট। এর প্রতিটি চরণে ১৪ মাত্রা আছে এবং চরণ ভাগ হয়েছে ৮ ও ৬ মাত্রার দুটি পর্বে। এই বিন্যাস অক্ষরবৃত্ত ছন্দের বৈশিষ্ট্য। কবিতাটি মাতৃভাষার প্রতি কবির গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করেছে। অপশনের অমিত্রাক্ষর ছন্দ আলাদা কোনো ছন্দ-পদ্ধতি নয়। এটি অক্ষরবৃত্তের কাঠামোতেই চরণের শেষে মিল না রেখে ভাবের প্রয়োজনে যতি বসানোর রীতি, যা তিনি ‘মেঘনাদবধ কাব্য’-এ ব্যবহার করেন।
    মনে রাখুন:
    মধুসূদন বাংলা সাহিত্যে সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা এবং অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক।
    তাঁর অন্য রচনা: তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য (১৮৬০), চতুর্দশপদী কবিতাবলী (১৮৬৬), শর্মিষ্ঠা নাটক।
    বাংলা ছন্দ তিন প্রকার: অক্ষরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত ও স্বরবৃত্ত।
  26. ৮২. 'সূর্য-দীঘল বাড়ী' উপন্যাসের রচয়িতা ছিলেন—
    • ক. শওকত আলী
    • খ. শওকত ইসলাম
    • গ. আবু ইসহাক
    • ঘ. সৈয়দ শামসুল হক
    উত্তর: গ. আবু ইসহাক
    ‘সূর্য-দীঘল বাড়ী’ আবু ইসহাকের লেখা উপন্যাস, যা ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত হয়। এটি তাঁর প্রথম উপন্যাস এবং বাংলা সাহিত্যের একটি স্মরণীয় সৃষ্টি। এতে গ্রামের গরিব মানুষের জীবন, কুসংস্কার এবং মোড়ল-মোল্লাদের অত্যাচারের ছবি ফুটে উঠেছে। প্রধান চরিত্র জয়গুন, যে সংসার চালাতে লড়াই করে।
    মনে রাখুন:
    আবু ইসহাকের আরেকটি বিখ্যাত রচনা ‘পদ্মার পলিদ্বীপ’।
    আবু ইসহাক (১৯২৬-২০০৩) শরীয়তপুরে জন্মেছিলেন।
    সৈয়দ শামসুল হকের বিখ্যাত কাব্যনাটক ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’।

ইংরেজি

  1. ২৬. Fill in the gap with appropriate preposition : He was absent— the meeting.
    • ক. at
    • খ. in
    • গ. from
    • ঘ. on
    উত্তর: গ. from
    Absent শব্দটি adjective, আর কোনো জায়গা বা অনুষ্ঠান থেকে অনুপস্থিত বোঝাতে এর পরে preposition হিসেবে from বসে। তাই সঠিক বাক্য হলো He was absent from the meeting, যার অর্থ সে সভায় অনুপস্থিত ছিল। At, in বা on দিয়ে অনুপস্থিতি বোঝানো যায় না, কারণ এগুলো কোথাও থাকা বা অবস্থান বোঝায়, কোথাও না থাকা নয়।
    মনে রাখুন:
    Absent from-এর বিপরীত Present at/in।
    Absent-এর noun হলো absence।
    কিছু একই ধরনের adjective + preposition: free from, different from, far from।
    উদাহরণ:
    She was absent from school yesterday.
    His absence from the meeting was noticed.
  2. ২৭. There is no free access— the secretary's room.
    • ক. in
    • খ. at
    • গ. to
    • ঘ. of
    উত্তর: গ. to
    Access শব্দটির অর্থ প্রবেশের অধিকার বা সুযোগ। কোনো জায়গা বা বস্তুতে প্রবেশের অর্থে এর পরে সবসময় preposition to বসে। তাই বাক্যটি হবে There is no free access to the secretary's room, অর্থাৎ সচিবের কক্ষে অবাধ প্রবেশ নেই। In, at বা of বসালে Access-এর সঙ্গে স্বাভাবিক ইংরেজি হয় না।
    মনে রাখুন:
    Access to + noun: প্রবেশাধিকার।
    Access-এর verb রূপও আছে, যেমন access a file (কম্পিউটারে ফাইল খোলা)।
    উদাহরণ:
    Students have access to the library.
    Every child should have access to education.
  3. ২৮. What kind of sentence is the following one : How far is the train station?
    • ক. Assertive
    • খ. Optative
    • গ. Exclamatory
    • ঘ. Interrogative
    উত্তর: ঘ. Interrogative
    বাক্যের ধরন বুঝতে হলে দেখতে হয় বাক্যটি কী কাজ করছে। How far is the train station? বাক্যে আমরা স্টেশন কত দূরে তা জানতে চাইছি। যে বাক্য প্রশ্ন করে এবং শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন (?) বসে, তাকে Interrogative sentence বলে। How, what, where, when, why এ ধরনের শব্দ দিয়েও প্রশ্ন শুরু হতে পারে।
    মনে রাখুন:
    Assertive: বিবৃতি দেয়, যেমন He is a doctor.
    Optative: প্রার্থনা বা ইচ্ছা প্রকাশ করে, যেমন May you be happy.
    Exclamatory: আবেগ প্রকাশ করে, যেমন What a beautiful flower!
    Imperative: আদেশ বা অনুরোধ করে, যেমন Open the door.
  4. ২৯. The synonym of the word 'poor' is :
    • ক. Unfortunate
    • খ. Destitute
    • গ. Unlucky
    • ঘ. Poverty
    উত্তর: খ. Destitute
    Poor শব্দের অর্থ দরিদ্র বা অভাবগ্রস্ত। অপশনের মধ্যে Destitute মানে সর্বহারা, নিঃস্ব, যার কিছুই নেই, তাই এটি Poor-এর সবচেয়ে কাছের অর্থ। Unfortunate ও Unlucky দুর্ভাগ্য বোঝায়, ধনসম্পদের অভাব নয়, আর Poverty হলো noun, যার অর্থ দারিদ্র্য। সমার্থক শব্দ খুঁজতে হলে শব্দের জাত (Part of speech) মিলিয়ে নিতে হয়, তাই adjective Poor-এর সঙ্গে noun Poverty চলে না।
    মনে রাখুন:
    Poor-এর আরেক সমার্থক Needy, আর বিপরীত শব্দ Rich বা Wealthy।
    Destitute-এর আরও কাছের অর্থ Penniless।
  5. ৩০. Who is the author of 'Macbeth'?
    • ক. Jonathan Swift
    • খ. John Milton
    • গ. William Shakespeare
    • ঘ. Ben Jonson
    উত্তর: গ. William Shakespeare
    ‘Macbeth’ ইংরেজি সাহিত্যের একটি বিখ্যাত ট্র্যাজেডি নাটক, যার রচয়িতা William Shakespeare। এতে স্কটল্যান্ডের সেনাপতি ম্যাকবেথ উচ্চাকাঙ্ক্ষার বশে রাজা ডানক্যানকে হত্যা করে সিংহাসনে বসেন এবং শেষে নিজেও ধ্বংস হন। শেক্সপিয়রকে ‘Bard of Avon’ বলা হয়। অপশনের Jonathan Swift লিখেছিলেন ‘Gulliver’s Travels’ এবং John Milton লিখেছিলেন ‘Paradise Lost’।
    মনে রাখুন:
    শেক্সপিয়রের চার মহান ট্র্যাজেডি Hamlet, Othello, King Lear ও Macbeth।
    তাঁর জন্মস্থান Stratford-upon-Avon।
    তাঁর কমেডির উদাহরণ A Midsummer Night's Dream ও The Merchant of Venice।
  6. ৩১. Which one is a correct sentence?
    • ক. They had arrived before we left.
    • খ. They arrived before we had left.
    • গ. They have arrived before we had left.
    • ঘ. They arrived after we left.
    উত্তর: ক. They had arrived before we left.
    দুটি অতীত ঘটনার মধ্যে যেটি আগে ঘটেছে, সেটি Past Perfect Tense-এ লেখা হয়, আর পরে ঘটা ঘটনা Past Indefinite Tense-এ থাকে। They had arrived before we left বাক্যে পৌঁছানো আগে ঘটেছে, তাই had arrived এবং পরে আমরা রওনা দিয়েছি, তাই left, ফলে বাক্যটি শুদ্ধ। অন্য বাক্যগুলোতে tense-এর ক্রম উল্টে গেছে অথবা অর্থ ঠিক নেই। যেমন They have arrived before we had left বাক্যে present perfect-এর সঙ্গে অতীত সময়ের clause মেলানো ভুল।
    মনে রাখুন:
    Before ও after দিয়ে দুটি clause জুড়লে আগে ঘটা কাজে Past Perfect ব্যবহার করা ভালো।
    Past Perfect-এর গঠন: had + verb-এর past participle।
    উদাহরণ:
    The train had left before I reached the station.
    After he had finished his work, he went home.
  7. ৩২. Today is— than yesterday. Fill in the blank with—
    • ক. more sunny
    • খ. sunniest
    • গ. sunnier
    • ঘ. most sunny
    উত্তর: গ. sunnier
    Than শব্দ থাকলে সামনে adjective-এর comparative degree বসে, কারণ এখানে দুটি জিনিসের তুলনা করা হয়। Sunny শব্দের শেষে y থাকায় y বদলে i করে er যোগ করতে হয়, ফলে comparative হয় sunnier। বাক্যটি হবে Today is sunnier than yesterday। More sunny বা most sunny রূপ চলে না, কারণ ছোট শব্দে সাধারণত er/est যোগ হয়। আর sunniest শুধু তিন বা তার বেশি জিনিসের তুলনায় বসে।
    মনে রাখুন:
    Superlative রূপ sunniest, আর বড় শব্দে more/most ব্যবহার হয়, যেমন more beautiful।
    Consonant + y-এর শেষে এই নিয়ম খাটে: happy-happier-happiest, easy-easier-easiest।
    উদাহরণ:
    Rahim is taller than Karim.
  8. ৩৩. He has been studying— morning.
    • ক. from
    • খ. since
    • গ. for
    • ঘ. after
    উত্তর: খ. since
    Present Perfect Continuous Tense-এ কাজ কখন থেকে চলছে বোঝাতে since বা for ব্যবহার হয়। যদি নির্দিষ্ট সময়বিন্দু (Point of time) থাকে, যেমন সকাল, সোমবার বা ২০২০, তাহলে since বসে। আর সময়ের পরিমাণ (Period) থাকলে for বসে, যেমন for two hours। Morning একটি সময়বিন্দু, তাই এখানে since হবে। From বা after দিয়ে এই tense-এ চলমান কাজের শুরুর সময় বোঝানো হয় না।
    মনে রাখুন: Present Perfect Continuous-এর গঠন has/have + been + verb-এর সঙ্গে ing।
    উদাহরণ:
    He has been studying since morning.
    He has been studying for five hours.
    She has been living here since 2015.
  9. ৩৪. An adjective modifies—
    • ক. a noun
    • খ. a verb
    • গ. an adverb
    • ঘ. none of the above
    উত্তর: ক. a noun
    Adjective হলো এমন শব্দ, যা noun বা pronoun-এর গুণ, অবস্থা, সংখ্যা বা পরিমাণ জানায়। যেমন a tall boy বাক্যে tall শব্দটি boy নামের noun-কে বর্ণনা করছে। অন্যদিকে verb, adjective বা অন্য adverb-কে modify করে adverb। তাই adjective modify করে a noun।
    মনে রাখুন:
    Adjective বসে noun-এর আগে অথবা linking verb-এর পরে।
    Adverb যেমন quickly, very ইত্যাদি verb, adjective বা অন্য adverb সম্পর্কে তথ্য দেয়।
    উদাহরণ:
    She is a beautiful girl. (beautiful, girl-এর গুণ বলছে)
    He runs fast. (fast, runs-কে modify করছে)
  10. ৩৫. Children are wiser than their elders. Here 'wiser' is—
    • ক. in superlative degree
    • খ. in positive degree
    • গ. in comparative degree
    • ঘ. not in any degree
    উত্তর: গ. in comparative degree
    দুটি জিনিস বা ব্যক্তির মধ্যে তুলনা করতে comparative degree ব্যবহার হয়। এই বাক্যে ‘Children’ ও ‘their elders’ তুলনা করা হয়েছে, আর than শব্দ আছে, তাই wiser comparative degree। Wise-এর তিনটি রূপ হলো positive wise, comparative wiser এবং superlative wisest। Positive degree-তে কোনো তুলনা থাকে না, আর superlative সবার মধ্যে সেরা বোঝায়।
    মনে রাখুন:
    Than থাকলে প্রায় সবসময় comparative degree হয়।
    Positive degree-এ as…as বা so…as গঠন প্রায়ই দেখা যায়।
    উদাহরণ:
    Rahim is as tall as Karim. (Positive)
    Rahim is taller than Karim. (Comparative)
    Rahim is the tallest boy in the class. (Superlative)
  11. ৩৬. I found him guilty. Here 'guilty' is—
    • ক. an object
    • খ. a complement
    • গ. a subject
    • ঘ. a predicate
    উত্তর: খ. a complement
    কোনো বাক্যে object থাকার পরেও যদি অর্থ সম্পূর্ণ করতে আরেকটি শব্দের দরকার হয়, তাহলে সেই শব্দকে complement বলে। I found him guilty বাক্যে ‘him’ হলো object। কিন্তু শুধু ‘I found him’ বললে অর্থ অসম্পূর্ণ থাকে। ‘guilty’ শব্দটি তার সম্পর্কে তথ্য দিয়ে অর্থ পূর্ণ করে, তাই এটি object complement। এটি subject নয়, কারণ subject হলো ‘I’, আর এটি object-ও নয়, কারণ object হলো ‘him’।
    মনে রাখুন: Complement সাধারণত object বা subject সম্পর্কে বাড়তি তথ্য দেয়।
    উদাহরণ:
    They elected him captain. (captain = object complement)
    He is a doctor. (doctor = subject complement)
  12. ৩৭. He was helping me. The correct passive form is :
    • ক. I was helped by him.
    • খ. I had been helped by him.
    • গ. I have been helped by him.
    • ঘ. I was being helped by him.
    উত্তর: ঘ. I was being helped by him.
    বাক্যটি Past Continuous Tense-এ আছে (was helping)। এর passive গঠন হলো object + was/were + being + verb-এর past participle + by + subject। তাই He was helping me বাক্যটি passive-এ হবে I was being helped by him। অন্য অপশনগুলোতে tense বদলে গেছে। যেমন I was helped by him হলো Past Indefinite-এর passive, আর I had been helped by him হলো Past Perfect-এর passive।
    মনে রাখুন:
    Active Past Continuous-এর passive-এ was/were-এর পরে being আসে।
    Present Continuous-এর passive হলো am/is/are + being + past participle।
    উদাহরণ:
    They were building a house. → A house was being built by them.
    She is writing a letter. → A letter is being written by her.
  13. ৩৮. Give me— milk. Fill in the blank with—
    • ক. the little
    • খ. little
    • গ. a little
    • ঘ. a few
    উত্তর: গ. a little
    Milk একটি uncountable noun, তাই এর আগে few বসে না। ‘সামান্য কিছু’ অর্থ বোঝাতে a little বসে, কিন্তু শুধু little বললে ‘প্রায় নেই’ অর্থ আসে। তাই সঠিক বাক্য Give me a little milk, কারণ আমরা অল্প হলেও কিছুটা দুধ চাইছি। ‘the little’ বসালে নির্দিষ্ট ও সামান্য পরিমাণ বোঝায় এবং এই বাক্যে অর্থ মেলে না।
    মনে রাখুন:
    A little + uncountable noun: কিছু আছে।
    Little + uncountable noun: প্রায় নেই।
    A few + countable noun: কয়েকটি আছে।
    Few + countable noun: প্রায় নেই।
  14. ৩৯. Which one is an incorrect sentence?
    • ক. I watched him eat
    • খ. I watched him eating
    • গ. I watched how he ate
    • ঘ. I watched him to eat.
    উত্তর: ঘ. I watched him to eat.
    Watch, see, hear, feel এই ধরনের perception verb-এর পরে object আসার পর bare infinitive (to ছাড়া verb) অথবা present participle (verb+ing) বসে। তাই I watched him eat এবং I watched him eating দুটোই শুদ্ধ। I watched how he ate-ও শুদ্ধ, কারণ এখানে how দিয়ে আলাদা একটি clause তৈরি হয়েছে। কিন্তু I watched him to eat ভুল, কারণ এখানে to-সহ infinitive ব্যবহার করা হয়েছে।
    মনে রাখুন:
    Eat (bare infinitive) বোঝায় পুরো কাজটি দেখা, আর eating বোঝায় কাজ চলার সময় দেখা।
    উদাহরণ:
    I saw him cross the road.
    I saw him crossing the road.
    We heard her sing.
  15. ৪০. Which one is wrongly spelt?
    • ক. ladies
    • খ. monkies
    • গ. potatoes
    • ঘ. pianos
    উত্তর: খ. monkies
    যে noun-এর শেষে ‘consonant + y’ থাকে, সেখানে y বদলে i করে es যোগ করে plural হয়, যেমন lady-ladies। কিন্তু ‘vowel + y’ থাকলে শুধু s যোগ হয়। Monkey-এর শেষে ey আছে, যেখানে y-এর আগে vowel e আছে, তাই plural হয় monkeys, monkies ভুল বানান। Potato-potatoes এবং piano-pianos দুটিই শুদ্ধ।
    মনে রাখুন:
    Boy-boys, day-days, key-keys।
    Consonant + y: city-cities, baby-babies।
    Piano, photo ও radio শুধু s নেয়, কিন্তু potato, tomato, hero es নেয়।
  16. ৪১. Put the correct article in the gap : The Meghna falls into— Bay of Bengal.
    • ক. the
    • খ. a
    • গ. an
    • ঘ. no article
    উত্তর: ক. the
    নদী, সাগর, উপসাগর ও মহাসাগরের নামের আগে সাধারণত the বসে। যেমন the Meghna, the Padma, the Bay of Bengal, the Pacific Ocean। এই কারণে The Meghna falls into the Bay of Bengal বাক্যে gap-এ the বসবে। A বা an বসে অনির্দিষ্ট একটি জিনিস বোঝাতে, কিন্তু বঙ্গোপসাগর একটিই এবং সবার জানা, তাই এখানে a বা an চলে না।
    মনে রাখুন:
    কোনো দেশ বা শহরের আগে সাধারণত the বসে না, যেমন Bangladesh, Dhaka।
    পর্বতমালার আগেও the বসে, যেমন the Himalayas।
    উদাহরণ:
    The Padma is a big river.
    The Pacific Ocean is the largest ocean.
  17. ৪২. Fill in the gap to complete the sentence : I shall — the sum before the teacher comes.
    • ক. have done
    • খ. done
    • গ. be doing
    • ঘ. do
    উত্তর: ক. have done
    বাক্যে ‘before the teacher comes’ দেখে বোঝা যায় ভবিষ্যতের কোনো নির্দিষ্ট সময়ের আগে কাজটি শেষ হয়ে যাবে। এটি Future Perfect Tense-এর ধরন, যার গঠন shall/will have + verb-এর past participle। তাই I shall have done the sum before the teacher comes সঠিক। আর done একা বসালে ক্রিয়ার গঠন অসম্পূর্ণ থাকে, be doing বসালে চলমান কাজ বোঝায়, যা এখানে প্রয়োজন নয়।
    মনে রাখুন:
    Future Perfect-এ প্রায়ই by the time বা before-এর মতো শব্দ থাকে।
    Subject I বা we হলে shall এবং বাকিদের জন্য will ব্যবহারের পুরোনো নিয়ম আছে।
    উদাহরণ:
    He will have finished the work by 5 p.m.
    We shall have reached home before it rains.
  18. ৪৩. Choose the meaning of 'White elephant' :
    • ক. an elephant of white colour
    • খ. very costly or troublesome
    • গ. precious
    • ঘ. very big
    উত্তর: খ. very costly or troublesome
    White elephant একটি idiom, যার আক্ষরিক অর্থ সাদা হাতি নয়। এর ভাবার্থ এমন কোনো জিনিস, যা পোষা বা রাখা অনেক ব্যয়বহুল, কিন্তু কাজে লাগে না, অর্থাৎ very costly or troublesome। প্রাচীন থাইল্যান্ডে সাদা হাতি পবিত্র মানা হতো, আর রাজা তা উপহার দিলে গ্রহীতা তার খরচ চালাতে গিয়ে সর্বস্বান্ত হতো। তাই idiom-এর অর্থ আক্ষরিক না ধরে ভাবার্থ দিয়ে বুঝতে হয়।
    মনে রাখুন: অনেক idiom-এর আক্ষরিক অর্থ আর প্রকৃত অর্থ আলাদা হয়।
    উদাহরণ:
    The huge unused stadium became a white elephant.
    Idiom: Black sheep মানে পরিবারের কুলাঙ্গার, Red tape মানে দাপ্তরিক জটিলতা।
  19. ৪৪. 'To be or not to be...' is taken from :
    • ক. Macbeth
    • খ. King Lear
    • গ. Hamlet
    • ঘ. Othello
    উত্তর: গ. Hamlet
    ‘To be or not to be, that is the question’ উক্তিটি শেক্সপিয়রের ট্র্যাজেডি Hamlet-এর তৃতীয় অঙ্কের প্রথম দৃশ্যের (Act III, Scene I) বিখ্যাত soliloquy, যেখানে ডেনমার্কের রাজকুমার Hamlet বেঁচে থাকা ও মরে যাওয়া নিয়ে ভাবেন। অপশনের Macbeth, King Lear ও Othello-ও শেক্সপিয়রের ট্র্যাজেডি, কিন্তু এই উক্তি সেগুলোর নয়।
    মনে রাখুন:
    Soliloquy হলো একা মঞ্চে চরিত্রের মনের ভাবনা জোরে বলা।
    Hamlet-এর পটভূমি ডেনমার্কের Elsinore দুর্গ।
    Othello-র নায়ক ভেনিসের এক মুর সেনাপতি, আর King Lear-এ বৃদ্ধ রাজার তিন মেয়ের কাহিনি আছে।
  20. ৪৫. What is the plural of 'sheep'?
    • ক. sheepes
    • খ. sheeps
    • গ. sheep
    • ঘ. sheepses
    উত্তর: গ. sheep
    English-এ কিছু noun-এর singular ও plural রূপ একই থাকে, sheep তাদের একটি। একটি sheep বা অনেক sheep, দুটিই sheep। তাই sheepes, sheeps বা sheepses ভুল, কারণ এই শব্দে plural বোঝাতে কোনো s বা es যোগ হয় না। বাক্য দেখে বুঝতে হয় এক না একাধিক, যেমন The sheep is grazing এবং The sheep are grazing।
    মনে রাখুন:
    Sheep, deer, fish, series, species এই শব্দগুলোর plural অপরিবর্তিত থাকে।
    আবার man-men, child-children, tooth-teeth অনিয়মিত plural।
  21. ৪৬. 'Excuse me' is usually used to—
    • ক. seek permission
    • খ. get pardon
    • গ. draw attention
    • ঘ. ask question
    উত্তর: গ. draw attention
    Excuse me একটি ভদ্রতাসূচক শব্দগুচ্ছ। অপরিচিত কারও দৃষ্টি আকর্ষণ করতে বা কথা বলতে চাইলে আমরা Excuse me বলে শুরু করি। যেমন রাস্তায় কাউকে ঠিকানা জিজ্ঞেস করার সময়। তাই এর সাধারণ ব্যবহার মনোযোগ আকর্ষণ করা (draw attention)। কখনো কখনো ভিড়ের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় পথ চাইতেও এটি বলা হয়।
    মনে রাখুন: ভুলের জন্য ক্ষমা চাইতে সাধারণত Sorry বা I beg your pardon বলা হয়।
    উদাহরণ:
    Excuse me, could you tell me the way to the station?
    Excuse me, may I come in?
  22. ৪৭. Having— me he has married again.
    • ক. forget
    • খ. forgetting
    • গ. forgotten
    • ঘ. been forgot
    উত্তর: গ. forgotten
    Having-এর পরে verb-এর past participle রূপ বসে। এটি Perfect Participle গঠন করে (having + past participle), যা একটি কাজ আগে সম্পন্ন হওয়া বোঝায়। Forget-এর past participle forgotten, তাই বাক্যটি হবে Having forgotten me he has married again। Forgetting বসালে present participle হয় এবং ‘আগে ঘটে গেছে’ ভাবটি আসে না। আর forgot হলো past tense, past participle নয়।
    মনে রাখুন: Forget-forgot-forgotten।
    উদাহরণ:
    Having finished the work, he went home.
    Having seen the film, we left the hall.
  23. ৪৮. 'A farewell to Arms' is a novel by—
    • ক. Thomas Hardy
    • খ. Charles Dickens
    • গ. Ernest Hemingway
    • ঘ. D. H. Lawrence
    উত্তর: গ. Ernest Hemingway
    ‘A Farewell to Arms’ উপন্যাসটি আমেরিকান লেখক Ernest Hemingway রচনা করেন, যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পটভূমিতে এক আমেরিকান অ্যাম্বুলেন্স চালক ও নার্সের প্রেমকাহিনি এতে আছে। অপশনের Thomas Hardy, Charles Dickens ও D. H. Lawrence ইংরেজ ঔপন্যাসিক, তাঁদের নামে অন্য বই বিখ্যাত।
    মনে রাখুন:
    Hemingway-র আরেক বিখ্যাত বই ‘The Old Man and the Sea’, যার জন্য তিনি ১৯৫৪ সালে নোবেল পুরস্কার পান।
    তাঁর আরেকটি উপন্যাস ‘For Whom the Bell Tolls’।
    Thomas Hardy লিখেছেন ‘Tess of the d'Urbervilles’, Dickens লিখেছেন ‘Oliver Twist’।
  24. ৪৯. Fill in the blank : No one can— that he is clever.
    • ক. defy
    • খ. deny
    • গ. admire
    • ঘ. denounce
    উত্তর: খ. deny
    বাক্যটি হলো No one can deny that he is clever, অর্থাৎ কেউ অস্বীকার করতে পারে না যে সে চালাক। Deny মানে অস্বীকার করা, তাই এখানে সঠিক শব্দ। অন্য শব্দগুলোর অর্থ আলাদা: defy মানে প্রকাশ্যে অমান্য বা চ্যালেঞ্জ করা, admire মানে প্রশংসা করা, আর denounce মানে প্রকাশ্যে নিন্দা করা। এগুলো বসালে বাক্যের অর্থ ঠিক থাকে না।
    মনে রাখুন:
    Deny-এর noun denial।
    Deny-এর বিপরীত শব্দ admit বা confirm।
    উদাহরণ:
    He denied the charge.
    The soldier defied the order.
  25. ৫০. The antonym of the word 'discreet' is :
    • ক. undiscreet
    • খ. nondiscreet
    • গ. indiscreet
    • ঘ. discreetless
    উত্তর: গ. indiscreet
    Discreet মানে বিচক্ষণ বা সতর্ক, যে কথা ও কাজে সাবধান। এর বিপরীত শব্দ হলো indiscreet, যার অর্থ অবিবেচক বা অসতর্ক। Prefix in- যোগ হয়ে এই বিপরীত অর্থ তৈরি হয়েছে। অন্য অপশনগুলো প্রচলিত শব্দ নয়, তাই নিয়ম মেনে বিপরীত শব্দ বানাতে হলে সঠিক prefix জানা দরকার।
    মনে রাখুন:
    Discreet (সতর্ক) ও discrete (পৃথক) বানান ও অর্থ দুটিই আলাদা।
    Discreet-এর noun discretion।
    Prefix in-, im-, un-, dis- দিয়ে অনেক শব্দের বিপরীত বানানো হয়, যেমন active-inactive, possible-impossible।

গণিত

  1. ৫১. একটি সংখ্যা অপর একটি সংখ্যার ২/৩ গুণ। সংখ্যা দুটির সমষ্টি 100 হলে, সংখ্যা দুটি হবে—
    • ক. 50, 40
    • খ. 60, 50
    • গ. 60, 40
    • ঘ. 70, 60
    উত্তর: গ. 60, 40
    ছোট সংখ্যাটি x এবং বড় সংখ্যাটি y ধরি। শর্ত অনুযায়ী x = 2y/3 এবং x + y = 100। প্রথম সমীকরণ বসালে 2y/3 + y = 100, অর্থাৎ 5y/3 = 100, তাই y = 60। তখন x = 100 − 60 = 40। সংখ্যা দুটি 60 ও 40, যাদের যোগফল 100 এবং 40 = 60 এর 2/3 অংশ।
    মনে রাখুন: একটি সংখ্যা অন্যটির 2/3 অংশ হলে সংখ্যা দুটির অনুপাত 2 : 3, তাই 100-কে 2 : 3 অনুপাতে ভাগ করলেও 40 ও 60 পাওয়া যায়।
    শর্টকাট: 100 × 2/5 = 40 এবং 100 × 3/5 = 60।
  2. ৫২. কোন সংখ্যা হ্রাস পেলে ৩/৮ হবে?
    • ক. ২৫/৪২
    • খ. ৫/৪২
    • গ. ২৫/২৪
    • ঘ. ১৫/৪২
    উত্তর: ক. ২৫/৪২
    প্রশ্নে কত অংশ হ্রাস পাবে তা উল্লেখ নেই, তাই প্রদত্ত তথ্য থেকে উত্তর যাচাই করা যায় না। বিকল্পগুলোর মধ্যে ২৫/৪২ (≈ ০.৬০) সবচেয়ে বড় এবং ৩/৮-এর (০.৩৭৫) চেয়ে বড়, তাই হ্রাস পেয়ে ৩/৮ হতে পারে; প্রচলিত উত্তর এটিই।
  3. ৫৩. ∛5 সংখ্যাটি কী সংখ্যা?
    • ক. একটি মৌলিক সংখ্যা
    • খ. একটি পূর্ণ সংখ্যা
    • গ. একটি মূলদ সংখ্যা
    • ঘ. একটি অমূলদ সংখ্যা
    উত্তর: ঘ. একটি অমূলদ সংখ্যা
    যে সংখ্যাকে দুটি পূর্ণসংখ্যার ভগ্নাংশ আকারে লেখা যায়, তাকে মূলদ সংখ্যা (Rational number) বলে। আর যা এভাবে লেখা যায় না, তা অমূলদ সংখ্যা (Irrational number)। কোনো পূর্ণসংখ্যা যদি পূর্ণঘন না হয়, তাহলে তার ঘনমূল অমূলদ হয়। 5 পূর্ণঘন নয়, কারণ 1³ = 1 এবং 2³ = 8, 5 এর মাঝে পড়ে। তাই ∛5 একটি অমূলদ সংখ্যা। এর মান প্রায় 1.71, যা দশমিকের পর অসীম পর্যন্ত চলতে থাকে এবং কোনো অংশ বারবার ফিরে আসে না। ∛5 মৌলিক সংখ্যা বা পূর্ণ সংখ্যাও নয়, কারণ এটি 1 ও 2 এর মাঝের একটি মান।
    মনে রাখুন:
    √2, √3, π সবই অমূলদ সংখ্যা।
    মূলদ সংখ্যার দশমিক রূপ সসীম বা আবৃত্ত হয়, যেমন 0.5 বা 0.333…।
  4. ৫৪. কোন সংখ্যাটি বৃহত্তম?
    • ক. ০.৩
    • খ. √০.৩
    • গ. ১/৩
    • ঘ. ২/৫
    উত্তর: খ. √০.৩
    চারটি সংখ্যাকে দশমিকে রূপান্তর করে তুলনা করি। 0.3 = 0.30, 1/3 ≈ 0.333, 2/5 = 0.40। আর √0.3 এর মান প্রায় 0.5477, কারণ 0.5477² ≈ 0.3। এই চারটির মধ্যে 0.5477 সবচেয়ে বড়। তাই বৃহত্তম সংখ্যা √0.3।
    মনে রাখুন:
    1 এর চেয়ে ছোট ধনাত্মক সংখ্যার বর্গমূল মূল সংখ্যার চেয়ে বড় হয়। যেমন √0.25 = 0.5 > 0.25।
    1 এর চেয়ে বড় সংখ্যার বেলায় উল্টো হয়, বর্গমূল ছোট হয়। যেমন √4 = 2 < 4।
    ভগ্নাংশ তুলনার সহজ উপায় হলো সব সংখ্যাকে দশমিকে বদলে নেওয়া।
  5. ৫৫. ৪০০ জন লোকের একটি দলের ৩৭৫ জন ইংরেজি ও ২০০ জন বাংলায় কথা বলতে পারে। কতজন উভয় ভাষায় কথা বলতে পারে?
    • ক. 175
    • খ. 25
    • গ. 200
    • ঘ. 75
    উত্তর: ক. 175
    ধরি দলের প্রত্যেকে অন্তত একটি ভাষা জানে। ইংরেজি জানে 375 জন এবং বাংলা জানে 200 জন, এ দুটি যোগ করলে 575 হয়। মোট লোক আছে 400 জন, তাই যাদের দুবার গোনা হয়েছে, তারা উভয় ভাষা জানে।
    উভয় ভাষা জানে = 375 + 200 − 400 = 175 জন।
    শর্টকাট: (A ∪ B) = A + B − (A ∩ B), তাই A ∩ B = A + B − (A ∪ B)।
    যাচাই: শুধু ইংরেজি জানে 375 − 175 = 200 জন, শুধু বাংলা জানে 200 − 175 = 25 জন, উভয় 175 জন। যোগ করলে 200 + 25 + 175 = 400।
  6. ৫৬. 1, 2, 3, 4, ... n পর্যন্ত স্বাভাবিক সংখ্যার যোগফল কত?
    • ক. n²
    • খ. n(n+1)/2
    • গ. n(2n+1)/2
    • ঘ. {n(n+1)/2}²
    উত্তর: খ. n(n+1)/2
    1 থেকে n পর্যন্ত স্বাভাবিক সংখ্যার যোগফল বের করার সূত্র n(n+1)/2। এটি বোঝার সহজ উপায়: যোগফলকে একবার সামনে থেকে আর একবার পেছন থেকে লিখে যোগ করলে প্রতি জোড়ার যোগফল n+1 হয়, জোড়া থাকে n টি। তাই দ্বিগুণ যোগফল n(n+1), সুতরাং যোগফল n(n+1)/2। যেমন n = 10 হলে 10 × 11/2 = 55, যা 1 + 2 + … + 10 এর যোগফল।
    মনে রাখুন:
    প্রথম n টি স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গের যোগফল n(n+1)(2n+1)/6।
    ঘনের যোগফল {n(n+1)/2}²।
    প্রথম n টি বিজোড় সংখ্যার যোগফল n²।
  7. ৫৭. শতকরা বার্ষিক ৫ টাকা হার সুদে কত বছরে ১৭৫ টাকার সুদ ৮৭.৫০ টাকা হবে?
    • ক. ৬ বছর
    • খ. ৮ বছর
    • গ. ১০ বছর
    • ঘ. ১২ বছর
    উত্তর: গ. ১০ বছর
    সরল সুদের সূত্র: সুদ I = Pnr/100, যেখানে P হলো আসল, n সময় এবং r সুদের হার। এখানে P = 175, r = 5, I = 87.50।
    87.50 = (175 × n × 5)/100
    n = (87.50 × 100)/(175 × 5) = 8750/875 = 10
    তাই সময় 10 বছর।
    যাচাই: 175 টাকার বার্ষিক সুদ 175 × 5/100 = 8.75 টাকা, আর 8.75 × 10 = 87.50।
    মনে রাখুন:
    সুদাসল = আসল + সুদ।
    সময় n = (I × 100)/(P × r), আসল P = (I × 100)/(n × r)।
  8. ৫৮. ৫ টাকায় ৮টা করে কলা বিক্রয় করলে ২৫% ক্ষতি হয়। প্রতি ডজন কলার ক্রয়মূল্য কত?
    • ক. ১৫ টাকা
    • খ. ১০ টাকা
    • গ. ১২ টাকা
    • ঘ. ১৬ টাকা
    উত্তর: খ. ১০ টাকা
    ৫ টাকায় ৮টি কলা বিক্রি করলে ২৫% ক্ষতি হয়, মানে বিক্রয়মূল্য ক্রয়মূল্যের 75%। ক্রয়মূল্য ধরি C হলে 0.75 × C = 5, তাই C = 5/0.75 = 20/3 টাকা। এটি ৮টি কলার ক্রয়মূল্য।
    ১টির ক্রয়মূল্য = (20/3)/8 = 5/6 টাকা।
    এক ডজন (১২টি) এর ক্রয়মূল্য = 12 × 5/6 = 10 টাকা।
    মনে রাখুন:
    ক্ষতি হলে ক্রয়মূল্য = বিক্রয়মূল্য × 100/(100 − ক্ষতির হার)।
    লাভ হলে ক্রয়মূল্য = বিক্রয়মূল্য × 100/(100 + লাভের হার)।
    ক্ষতি বা লাভ সবসময় ক্রয়মূল্যের ওপর ধরা হয়।
  9. ৫৯. দুই অঙ্কবিশিষ্ট একটি সংখ্যার এককের অঙ্ক দশকের অঙ্ক অপেক্ষা ৩ বেশি। সংখ্যাটি এর অঙ্কদ্বয়ের সমষ্টির ৩ গুণ অপেক্ষা ৪ বেশি। সংখ্যাটি কত?
    • ক. ৪১
    • খ. ৩৬
    • গ. ২৫
    • ঘ. ১৪
    উত্তর: গ. ২৫
    দশকের অঙ্ক k হলে একক অঙ্ক k + 3। সংখ্যাটি 10k + (k + 3) = 11k + 3। অঙ্কদ্বয়ের সমষ্টি k + k + 3 = 2k + 3। শর্ত অনুযায়ী
    11k + 3 = 3(2k + 3) + 4
    11k + 3 = 6k + 13
    5k = 10, k = 2।
    তাই সংখ্যাটি 25। যাচাই: 5 − 2 = 3, আবার 3 × 7 + 4 = 25।
    মনে রাখুন:
    দুই অঙ্কের সংখ্যা = 10 × দশকের অঙ্ক + এককের অঙ্ক।
    অপশনগুলো বসিয়ে যাচাই করলেও দ্রুত উত্তর পাওয়া যায়।
  10. ৬০. log₅(∛5)(√5) = কত?
    • ক. 1
    • খ. 1/5
    • গ. 5/6
    • ঘ. 6/5
    উত্তর: গ. 5/6
    প্রশ্নটি log₅ { (∛5) × (√5) }। ∛5 = 5^(1/3) এবং √5 = 5^(1/2)। গুণ করলে ঘাত যোগ হয়: 5^(1/3 + 1/2) = 5^(5/6)।
    তাহলে log₅ 5^(5/6) = 5/6 × log₅ 5 = 5/6।
    মনে রাখুন:
    log_a a = 1 এবং log_a (m^n) = n log_a m।
    log_a (mn) = log_a m + log_a n।
    আর a^m × a^n = a^(m+n)।
  11. ৬১. ধানে চাল ও তুষের অনুপাত ৭ : ৩ হলে, এতে শতকরা কী পরিমাণ চাল আছে?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৪
    • ক. 70%
    • খ. 60%
    • গ. 30%
    • ঘ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: ক. 70%
    চাল ও তুষের অনুপাত 7 : 3 হলে মোট অংশ 7 + 3 = 10। এর মধ্যে চাল 7 অংশ। তাই চালের শতকরা পরিমাণ (7/10) × 100 = 70%।
    তুষের পরিমাণ (3/10) × 100 = 30%, আর 70% + 30% = 100%, তাই হিসাব ঠিক আছে।
    মনে রাখুন: a : b অনুপাতে প্রথম রাশির শতকরা অংশ = a/(a + b) × 100।
    অনুপাতের প্রশ্নে মোট অংশ আগে বের করে নিলে সহজ হয়।
  12. ৬২. $[\{1-(1-1/P)\}^{-1} \div (1-1/P)^{-1}]$ = কত?
    • ক. 1
    • খ. -1
    • গ. 1/P
    • ঘ. (P-1)
    উত্তর: ঘ. (P-1)
    $\{1 - (1 - \frac1P)\}^{-1} = (\frac1P)^{-1} = P$ এবং $(1 - \frac1P)^{-1} = \frac{P}{P-1}$। তাই ভাগফল $P \div \frac{P}{P-1} = P - 1$।
  13. ৬৩. (a³+b³)/(a+b)-কে (a⁴+b⁴+a²b²)/(a³−b³) দিয়ে ভাগ করলে ভাগফল কত হবে?
    • ক. a+b
    • খ. a−b
    • গ. a²+b²
    • ঘ. a²−b²
    উত্তর: খ. a−b
    ভাগফল বের করতে প্রথম ভগ্নাংশকে দ্বিতীয় ভগ্নাংশ দিয়ে ভাগ করতে হবে। সূত্র ধরে ভাঙি:
    a⁴ + a²b² + b⁴ = (a² + ab + b²)(a² − ab + b²) এবং a³ − b³ = (a − b)(a² + ab + b²)।
    দ্বিতীয় ভগ্নাংশ = (a² − ab + b²)/(a − b)।
    প্রথম ভগ্নাংশ (a³ + b³)/(a + b) = a² − ab + b²।
    ভাগফল = (a² − ab + b²) × (a − b)/(a² − ab + b²) = a − b।
    মনে রাখুন:
    a⁴ + a²b² + b⁴ কে দুই উৎপাদকে ভাঙার এই সূত্রটি প্রায়ই কাজে লাগে।
    a³ + b³ = (a + b)(a² − ab + b²) এবং a³ − b³ = (a − b)(a² + ab + b²)।
  14. ৬৪. ln₅125 + ln₂8 = কত?
    • ক. 8
    • খ. 125
    • গ. 5
    • ঘ. 6
    উত্তর: ঘ. 6
    এখানে ln₅ বলতে ভিত্তি ৫-এর লগারিদম বোঝানো হয়েছে, অর্থাৎ log₅। 125 = 5³, তাই log₅ 125 = log₅ 5³ = 3। আবার 8 = 2³, তাই log₂ 8 = 3। দুটি যোগ করলে 3 + 3 = 6।
    মনে রাখুন:
    log_a a^n = n। ভিত্তি আর সংখ্যা একই সংখ্যার ঘাত হলে লগারিদম সহজেই পাওয়া যায়।
    log_a 1 = 0 এবং log_a a = 1।
    প্রাকৃতিক লগারিদম ln সাধারণত ভিত্তি e ধরে লেখা হয়, তাই ভিত্তিসহ ln দেখলে প্রসঙ্গ খেয়াল করতে হয়।
  15. ৬৫. x² + y² = 185, x − y = 3 এর একটি সমাধান হবে—
    • ক. (7, 4)
    • খ. (9, 6)
    • গ. (10, 7)
    • ঘ. (11, 8)
    উত্তর: ঘ. (11, 8)
    শর্ত দুটি: x² + y² = 185 এবং x − y = 3। অপশনের জোড়াগুলো দেখি। (7, 4): 7 − 4 = 3 কিন্তু 49 + 16 = 65, মেলে না। (9, 6): 81 + 36 = 117, মেলে না। (10, 7): 100 + 49 = 149, মেলে না। (11, 8): 11 − 8 = 3 এবং 121 + 64 = 185, দুটি শর্তই মেলে।
    বীজগণিতের পথেও করা যায়: x = y + 3 বসালে y² + 3y − 88 = 0, অর্থাৎ (y + 11)(y − 8) = 0, যার ধনাত্মক মূল y = 8।
    তখন x = 11। অন্য মূল y = −11 থেকে (−8, −11) জোড়া পাওয়া যায়, কিন্তু সেটি অপশনে নেই।
    মনে রাখুন: দুটি সমীকরণের একটি রৈখিক হলে তার একটি চলক অন্যটির মাধ্যমে বসিয়ে দ্বিঘাত সমীকরণ বানানো যায়।
  16. ৬৬. x² + 4y² + 8x − 16y + 16 এর সাথে কত যোগ করলে যোগফল পূর্ণবর্গ হবে?
    • ক. −4xy
    • খ. 4xy
    • গ. −2xy
    • ঘ. 2xy
    উত্তর: ক. −4xy
    রাশিটিকে (x − 2y + 4)² এর সঙ্গে মেলাই। (x − 2y + 4)² = x² + 4y² + 16 − 4xy + 8x − 16y। দেওয়া রাশি x² + 4y² + 8x − 16y + 16, যা এর থেকে 4xy বেশি। অর্থাৎ রাশি = (x − 2y + 4)² + 4xy।
    তাই পূর্ণবর্গ বানাতে −4xy যোগ করতে হবে।
    মনে রাখুন:
    (a + b + c)² = a² + b² + c² + 2ab + 2bc + 2ca।
    (a − b)² = a² − 2ab + b²।
    পূর্ণবর্গ বানাতে হলে মাঝের গুণফলের পদগুলো লক্ষ করতে হয়।
  17. ৬৭. 1−1+1−1+... এর ধারাটির (2n+1) পদের সমষ্টি হবে?
    • ক. −1
    • খ. 1
    • গ. 0
    • ঘ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: খ. 1
    ধারাটি 1 − 1 + 1 − 1 + ...। এখানে প্রথম পদ a = 1 এবং সাধারণ অনুপাত r = −1। বিজোড় সংখ্যক পদ নিলে শেষ পদ +1 হয়, ফলে জোড়ায় জোড়ায় (1 − 1) = 0 হয়ে যায় এবং একটি 1 বাকি থাকে।
    সূত্রে: S = a(1 − rⁿ)/(1 − r), n = 2n + 1 বসালে S = (1 − (−1)^(2n+1))/2 = (1 + 1)/2 = 1।
    মনে রাখুন:
    জোড় সংখ্যক পদের যোগফল 0।
    গুণোত্তর ধারার সূত্র S = a(1 − rⁿ)/(1 − r), যখন r ≠ 1।
    উদাহরণ: প্রথম ৩টি পদ 1 − 1 + 1 = 1।
  18. ৬৮. (3.2ⁿ − 4.2ⁿ⁻²)/(2ⁿ − 2ⁿ⁺¹) = কত?
    • ক. 2ⁿ⁺¹
    • খ. 2ⁿ⁻¹
    • গ. −2
    • ঘ. 4
    উত্তর: গ. −2
    লব ও হরের সবকিছু 2ⁿ এর মাধ্যমে প্রকাশ করি। 4·2ⁿ⁻² = 2²·2ⁿ⁻² = 2ⁿ। লব = 3·2ⁿ − 2ⁿ = 2·2ⁿ। হর = 2ⁿ − 2ⁿ⁺¹ = 2ⁿ − 2·2ⁿ = −2ⁿ।
    ভাগফল = 2·2ⁿ/(−2ⁿ) = −2।
    মনে রাখুন:
    aᵐ⁺ⁿ = aᵐ·aⁿ এবং aᵐ⁻ⁿ = aᵐ/aⁿ।
    সূচকের প্রশ্নে সব পদকে একই ভিত্তির ঘাত বানিয়ে নিলে কাটাকাটি সহজ হয়।
  19. ৬৯. $\frac{3 \cdot 2^n - 4 \cdot 2^{n-2}}{2^n - 2^{n+1}}$ = কত?
    • ক. $2^{n+1}$
    • খ. $2^{n-1}$
    • গ. -2
    • ঘ. 4
    উত্তর: গ. -2
    লব $= 3 \cdot 2^n - 2^n = 2 \cdot 2^n$ এবং হর $= 2^n - 2 \cdot 2^n = -2^n$। তাই মান $\frac{2 \cdot 2^n}{-2^n} = -2$।
  20. ৭০. $2x^2 - 5xy + 2y^2$ এর একটি উৎপাদক হবে-
    • ক. 2y-x
    • খ. x-2y
    • গ. 2(x-y)
    • ঘ. x-3y
    উত্তর: খ. x-2y
    মধ্যপদ ভেঙে লিখলে $2x^2 - 4xy - xy + 2y^2 = 2x(x - 2y) - y(x - 2y) = (2x - y)(x - 2y)$। তাই একটি উৎপাদক x − 2y।
  21. ৭১. x > y এবং z < 0 হলে, কোন শর্তটি সঠিক হবে?
    • ক. xz > yz
    • খ. x/z > y/z
    • গ. z/x < z/y
    • ঘ. xz < yz
    উত্তর: ঘ. xz < yz
    অসমতার দুই পাশে ঋণাত্মক সংখ্যা গুণ করলে অসমতার দিক উল্টে যায়। x > y হলে z < 0 দিয়ে গুণ করে পাই xz < yz। যেমন x = 3, y = 2, z = −1 নিলে xz = −3 এবং yz = −2, তাই −3 < −2।
    ভাগেও একই নিয়ম, তাই x/z < y/z। অর্থাৎ A ও B ভুল।
    অপশন C-ও সব ক্ষেত্রে সত্য নয়। উপরের মান বসালে z/x = −1/3 এবং z/y = −1/2, কিন্তু −1/3 > −1/2।
    মনে রাখুন: ঋণাত্মক সংখ্যা দিয়ে গুণ বা ভাগ করলে অসমতার চিহ্ন উল্টে যায়।
    ধনাত্মক সংখ্যা দিয়ে গুণ বা ভাগ করলে চিহ্ন বদলায় না।
  22. ৭২. একটি সুষম বহুভুজের প্রত্যেকটি বহিঃস্থ কোণের পরিমাণ 30° হলে বহুভুজটির বাহুর সংখ্যা কত?
    • ক. 18 টি
    • খ. 16 টি
    • গ. 12 টি
    • ঘ. 8 টি
    উত্তর: গ. 12 টি
    যেকোনো সুষম বহুভুজের বহিঃস্থ কোণগুলোর সমষ্টি সবসময় 360°। সুষম হলে প্রতিটি বহিঃস্থ কোণ সমান, তাই বাহুর সংখ্যা n = 360°/বহিঃস্থ কোণ = 360°/30° = 12।
    মনে রাখুন:
    অন্তঃস্থ কোণ = 180° − বহিঃস্থ কোণ = 150°।
    বহুভুজের অন্তঃস্থ কোণের সমষ্টি (n − 2) × 180°।
    12 বাহুবিশিষ্ট বহুভুজের নাম দ্বাদশভুজ।
  23. ৭৩. 4a ব্যাসবিশিষ্ট বৃত্তের ক্ষেত্রফল 4a ভূমিবিশিষ্ট আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফলের সমান হলে আয়তক্ষেত্রের উচ্চতা কত?
    • ক. πa
    • খ. πa²
    • গ. 2πa
    • ঘ. 2πa²
    উত্তর: ক. πa
    বৃত্তের ব্যাস 4a হলে ব্যাসার্ধ r = 2a। বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr² = π(2a)² = 4πa²। আয়তক্ষেত্রের ভূমি 4a এবং উচ্চতা h হলে ক্ষেত্রফল 4a × h। দুই ক্ষেত্রফল সমান, তাই
    4a × h = 4πa²
    h = πa।
    মনে রাখুন:
    আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ, আর বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr²।
    বৃত্তের পরিধি = 2πr।
    ব্যাস দেওয়া থাকলে আগে ব্যাসার্ধ বের করে নিতে হয়।
  24. ৭৪. ABC ত্রিভুজে ∠B = 6x ডিগ্রি, ∠C = 5x ডিগ্রি, ∠A = y ডিগ্রি এবং 6∠A = 7∠B হলে, y এর মান হবে—
    • ক. 90
    • খ. 80
    • গ. 70
    • ঘ. 60
    উত্তর: গ. 70
    ∠A = y, ∠B = 6x, ∠C = 5x। 6∠A = 7∠B থেকে 6y = 7 × 6x, অর্থাৎ y = 7x।
    ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি 180°, তাই 7x + 6x + 5x = 180°, অর্থাৎ 18x = 180°, x = 10।
    তখন y = 7 × 10 = 70।
    যাচাই: ∠B = 60°, ∠C = 50°, ∠A = 70°; যোগফল 180° এবং 6 × 70 = 420 = 7 × 60।
    মনে রাখুন: ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি 180°, আর বহিঃস্থ কোণ তার দূরবর্তী দুই অন্তঃস্থ কোণের সমষ্টির সমান।
  25. ৭৫. a বাহুবিশিষ্ট ঘনকের কর্ণের দৈর্ঘ্য কত?
    • ক. √2a² একক
    • খ. √3a একক
    • গ. √2a একক
    • ঘ. √3a² একক
    উত্তর: খ. √3a একক
    a বাহুর ঘনকের একটি তলের কর্ণ √(a² + a²) = √2·a। ঘনকের কর্ণ বা দেহকর্ণ ওই তলের কর্ণ ও একটি বাহু নিয়ে গঠিত সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ, তাই দেহকর্ণ = √(2a² + a²) = √3·a একক। √2a² ও √3a² দুটিই ভুল, কারণ দৈর্ঘ্যের একক একক, বর্গএকক নয়। আর √2a হলো তলকর্ণ।
    মনে রাখুন:
    ঘনকের ক্ষেত্রফল 6a² এবং আয়তন a³।
    আয়তঘনের কর্ণ = √(l² + b² + h²)।
  26. ৭৬. একটি বৃত্তের ব্যাস যদি r থেকে বৃদ্ধি করে (r + n) করা হলে তার ক্ষেত্রফল দ্বিগুণ হয়, তবে r এর মান কত?
    • ক. (√2+1)n
    • খ. (√2−1)n
    • গ. √2n+n
    • ঘ. √2n+1
    উত্তর: ক. (√2+1)n
    ব্যাস r থেকে r + n হলে ক্ষেত্রফল দ্বিগুণ হয়। বৃত্তের ক্ষেত্রফল ব্যাসের বর্গের সমানুপাতিক, তাই
    (r + n)² = 2r²
    r + n = √2·r
    n = (√2 − 1)r
    r = n/(√2 − 1) = n(√2 + 1)/((√2)² − 1) = (√2 + 1)n।
    মনে রাখুন:
    ক্ষেত্রফল দ্বিগুণ করতে ব্যাস √2 গুণ করতে হয়।
    হর মূলদীকরণে (a − b)(a + b) = a² − b² সূত্র কাজে লাগে।
  27. ৯০. ১-১০০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা কয়টি?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৬, প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ২৮১৫) ২০১৯
    • ক. ২৩টি
    • খ. ২৫টি
    • গ. ২৭টি
    • ঘ. ২৯টি
    উত্তর: খ. ২৫টি
    মৌলিক সংখ্যা হলো এমন সংখ্যা, যার ঠিক দুটি উৎপাদক আছে: 1 ও নিজে। 1 থেকে 100 এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা:
    2, 3, 5, 7, 11, 13, 17, 19, 23, 29, 31, 37, 41, 43, 47, 53, 59, 61, 67, 71, 73, 79, 83, 89, 97।
    গুনে পাই মোট 25টি।
    মনে রাখুন:
    2 একমাত্র জোড় মৌলিক সংখ্যা, আর 1 মৌলিক সংখ্যা নয়।
    1 থেকে 50 এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা 15টি।
    যে দুটি মৌলিক সংখ্যার পার্থক্য 2, তাদের যমজ মৌলিক বলে, যেমন (3, 5) ও (11, 13)।
  28. ৯১. তিনটি ক্রমিক সংখ্যার যোগফল ১২৩। ক্ষুদ্রতম সংখ্যা দুইটির গুণফল কত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৫
    • ক. ৯০০
    • খ. ১৬০০
    • গ. ১৬৪০
    • ঘ. ১৬৮০
    উত্তর: গ. ১৬৪০
    তিনটি ক্রমিক সংখ্যা x, x + 1, x + 2 ধরি। যোগফল 3x + 3 = 123, তাই 3x = 120 এবং x = 40। সংখ্যা তিনটি 40, 41, 42। ছোট দুটি সংখ্যার গুণফল 40 × 41 = 1640।
    শর্টকাট: তিনটি ক্রমিক সংখ্যার যোগফলকে 3 দিয়ে ভাগ করলে মাঝের সংখ্যা পাওয়া যায়, এখানে 123/3 = 41।
    মনে রাখুন: ক্ষুদ্রতম দুটি সংখ্যা 40 ও 41, বৃহত্তম 42। প্রশ্নে কোন দুটি সংখ্যার গুণফল চাওয়া হচ্ছে তা খেয়াল করা দরকার।
  29. ৯২. নিচের কোনটি মৌলিক সংখ্যা?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৬
    • ক. ৯১
    • খ. ৮৭
    • গ. ৬৩
    • ঘ. ৫৯
    উত্তর: ঘ. ৫৯
    কোনো সংখ্যা মৌলিক কি না, তা যাচাই করতে ছোট মৌলিক সংখ্যা দিয়ে ভাগ করে দেখি। 91 = 7 × 13, 87 = 3 × 29 (অঙ্কের যোগফল 15, তাই 3 দিয়ে বিভাজ্য), 63 = 9 × 7। কিন্তু 59 কে 2, 3, 5, 7 কোনোটি দিয়ে ভাগ করা যায় না, আর √59 প্রায় 7.7, তাই এর বেশি যাচাই লাগে না। 59 মৌলিক।
    মনে রাখুন:
    n মৌলিক কি না দেখতে √n পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা দিয়ে ভাগ করাই যথেষ্ট।
    3 দিয়ে বিভাজ্যতার নিয়ম: অঙ্কগুলোর যোগফল 3 দিয়ে বিভাজ্য হলে সংখ্যাটিও বিভাজ্য।
  30. ৯৩. একটি বৃত্তের ব্যাস তিন গুণ বৃদ্ধি পেলে ক্ষেত্রফল কতগুণ বৃদ্ধি পাবে?
    • ক. ৩ গুণ
    • খ. ৬ গুণ
    • গ. ৯ গুণ
    • ঘ. ১২ গুণ
    উত্তর: গ. ৯ গুণ
    বৃত্তের ক্ষেত্রফল πr² = π(d/2)², অর্থাৎ ব্যাসের বর্গের সমানুপাতিক। ব্যাস 3 গুণ হলে ক্ষেত্রফল 3² = 9 গুণ হয়। যেমন ব্যাস 2 হলে ক্ষেত্রফল π, ব্যাস 6 হলে ক্ষেত্রফল 9π। তাই ক্ষেত্রফল 3 গুণ বা 6 গুণ হয় না।
    মনে রাখুন:
    ব্যাসার্ধ k গুণ হলে ক্ষেত্রফল k² গুণ হয়, আর পরিধি k গুণ হয়।
    ক্ষেত্রফল দ্বিগুণ করতে ব্যাস √2 গুণ করতে হয়।

বাংলাদেশ

  1. ৭৭. বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কে?
    • ক. হামিদুর রহমান
    • খ. জয়নুল আবেদীন
    • গ. কামরুল হাসান
    • ঘ. হাসেম খান
    উত্তর: গ. কামরুল হাসান
    বাংলাদেশের বর্তমান জাতীয় পতাকার নকশা করেন শিল্পী কামরুল হাসান, যিনি ‘পটুয়া কামরুল হাসান’ নামে পরিচিত। স্বাধীনতার আগে পতাকায় মানচিত্র ছিল, কিন্তু স্বাধীনতার পরে সরকারি পতাকা হিসেবে মানচিত্রবিহীন নকশা গৃহীত হয়। এতে গাঢ় সবুজ জমির মাঝখানে লাল বৃত্ত আছে। সবুজ রং প্রকৃতির সজীবতা এবং লাল বৃত্ত স্বাধীনতার জন্য আত্মত্যাগের প্রতীক।
    মনে রাখুন:
    পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত 10 : 6।
    কামরুল হাসান ‘তিন কন্যা’ ও ‘নাইওর’ চিত্রকর্মের জন্যও বিখ্যাত।
    ১৯৭১ সালে তাঁর আঁকা পোস্টার ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে’ বিখ্যাত।
    শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষের ছবির জন্য পরিচিত।
  2. ৭৮. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ভাস্কর্য 'স্বাধীনতার সংগ্রাম' কোথায় স্থাপিত?
    • ক. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
    • খ. খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়
    • গ. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
    • ঘ. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
    উত্তর: ঘ. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
    মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি নিয়ে নির্মিত ভাস্কর্য ‘স্বাধীনতা সংগ্রাম’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে স্থাপিত। এটি ১৯৯৯ সালে উদ্বোধন করা হয়, আর এর ভাস্কর শামীম সিকদার। এতে মুক্তিযোদ্ধাদের সংগ্রামী রূপ ফুটে উঠেছে। দেশের অন্য বিশ্ববিদ্যালয়েও মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য আছে, কিন্তু এই নির্দিষ্ট ভাস্কর্যটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।
    মনে রাখুন:
    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে আছে ‘সংশপ্তক’।
    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আছে ‘স্মরণ’ ভাস্কর্য।
    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আরও আছে ‘অপরাজেয় বাংলা’, যার ভাস্কর সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ।
  3. ৭৯. মুজিবনগরে কোন তারিখে স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল?
    • ক. ২৬ মার্চ, ১৯৭১
    • খ. ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
    • গ. ৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১
    • ঘ. ১০ নভেম্বর, ১৯৭১
    উত্তর: খ. ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
    ২৬ মার্চ ১৯৭১ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষ থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়। এরপর ১০ এপ্রিল ১৯৭১ আওয়ামী লীগের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা মিলে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র গ্রহণ করেন এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার গঠন করেন। আনুষ্ঠানিক শপথ হয় ১৭ এপ্রিল তখনকার কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায়, যা পরে মুজিবনগর নামে পরিচিত হয়। তাই প্রশ্নের অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক তারিখ ১০ এপ্রিল।
    মনে রাখুন:
    মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু, উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ।
    মুজিবনগর সরকারকে প্রবাসী সরকারও বলা হয়।
    দেশ স্বাধীন হয় ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১।
  4. ৮১. বাংলাদেশের সংবিধানের অভিভাবক কে?
    • ক. রাষ্ট্রপতি
    • খ. সুপ্রিম কোর্ট
    • গ. স্পিকার
    • ঘ. আইন মন্ত্রণালয়
    উত্তর: খ. সুপ্রিম কোর্ট
    আমাদের সংবিধানের মূল রক্ষক বলা হয় সুপ্রিম কোর্টকে। কারণ সংবিধানের সঙ্গে কোনো আইন বা সরকারি সিদ্ধান্ত সাংঘর্ষিক হলে সুপ্রিম কোর্ট তা বাতিল ঘোষণা করতে পারে। সুপ্রিম কোর্টের দুটি বিভাগ আছে: হাইকোর্ট বিভাগ এবং আপিল বিভাগ। সংবিধানের ৯৪ অনুচ্ছেদে সুপ্রিম কোর্ট গঠনের কথা বলা আছে। সংবিধান নিজেও প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন, এটি ৭ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে।
    মনে রাখুন:
    প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি।
    হাইকোর্ট বিভাগ ১০২ অনুচ্ছেদের অধীনে রিট এখতিয়ার প্রয়োগ করে।
    সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
  5. ৮৩. ২০১৬ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমানের কততম শাহাদাত বার্ষিকী?
    • ক. ৪০তম
    • খ. ৪১তম
    • গ. ৪২তম
    • ঘ. ৪৩তম
    উত্তর: খ. ৪১তম
    ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। হত্যাকাণ্ডের এক বছর পর, ১৯৭৬ সালের ১৫ আগস্ট ছিল প্রথম শাহাদাতবার্ষিকী। সেই হিসাবে ২০১৬ সালে হবে ২০১৬ − ১৯৭৫ = ৪১তম বার্ষিকী। এভাবে বছরের পার্থক্য বের করলেই কততম বার্ষিকী, তা পাওয়া যায়।
    মনে রাখুন:
    ২০১৬ সালে দিনটি জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালিত হয়েছিল।
    বঙ্গবন্ধুর জন্ম ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায়।
    বার্ষিকীর হিসাবে (বর্তমান বছর − ঘটনার বছর) সূত্র কাজে লাগে।
  6. ৮৪. কোন বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশের অভিষেক ঘটে?
    • ক. ৫ম
    • খ. ৬ষ্ঠ
    • গ. ৭ম
    • ঘ. ৮ম
    উত্তর: গ. ৭ম
    বাংলাদেশ ১৯৯৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সপ্তম ক্রিকেট বিশ্বকাপে প্রথমবার অংশ নেয়। ১৯৯৭ সালে আইসিসি ট্রফি জিতে দলটি এই সুযোগ পায়। তখন দলের অধিনায়ক ছিলেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। ওই আসরে বাংলাদেশ পাকিস্তান ও স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে সবার নজর কাড়ে।
    মনে রাখুন:
    বাংলাদেশ ২০০০ সালে টেস্ট মর্যাদা পায়।
    প্রথম টেস্ট খেলে ২০০০ সালে ভারতের বিপক্ষে ঢাকায়।
    ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপ জেতে অস্ট্রেলিয়া।
  7. ৮৫. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে অনুচ্ছেদ সংখ্যা কয়টি?
    • ক. ১৫২টি
    • খ. ১৫৩টি
    • গ. ১৫৪টি
    • ঘ. ১৫৫টি
    উত্তর: খ. ১৫৩টি
    বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ আছে। এটি ১১টি ভাগে বিভক্ত এবং এর সঙ্গে প্রস্তাবনা ও সাতটি তফসিল আছে। সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গৃহীত হয় এবং কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে। তাই পরীক্ষায় অনুচ্ছেদের সংখ্যা জানতে চাইলে ১৫৩ লিখতে হবে।
    মনে রাখুন:
    সংবিধানের প্রথম ভাগ প্রজাতন্ত্র, আর দ্বিতীয় ভাগ রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
    সংবিধান লিখিত এবং এটি বাংলা ভাষায় রচিত।
    সংবিধানের ৪ অনুচ্ছেদে জাতীয় সংগীত, জাতীয় পতাকা ও জাতীয় প্রতীকের কথা আছে।
  8. ৯৪. ঢাকার বিখ্যাত তারা মসজিদ কে তৈরি করেছিলেন?
    • ক. শায়েস্তা খান
    • খ. নওয়াব সলিমুল্লাহ
    • গ. মির্জা আহমদ খান
    • ঘ. মির্জা গোলাম পীর
    উত্তর: ঘ. মির্জা গোলাম পীর
    ঢাকার আরমানিটোলায় অবস্থিত তারা মসজিদের নির্মাতা হিসেবে মির্জা গোলাম পীরের নাম প্রচলিত। মসজিদের গম্বুজ ও দেয়ালে সাদা মোজাইকের ওপর ছোট ছোট নীল তারার নকশা আছে, এ কারণে এর নাম তারা মসজিদ। পরে ঢাকার ব্যবসায়ী আলী জান বেপারী এর সংস্কার ও সৌন্দর্যবর্ধন করেন। অপশনের শায়েস্তা খান ও নওয়াব সলিমুল্লাহ ঢাকার অন্য ঐতিহাসিক কাজের সঙ্গে জড়িত।
    মনে রাখুন:
    তারা মসজিদ তিন গম্বুজবিশিষ্ট।
    ঢাকার জাতীয় মসজিদের নাম বায়তুল মোকাররম।
    লালবাগের খান মুহাম্মদ মৃধা মসজিদ ১৭০৪ সালে নির্মিত।
    নওয়াব সলিমুল্লাহ ১৯০৬ সালে ঢাকায় মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন।
  9. ৯৫. বাংলাদেশ ব্যাংকের সম্মুখস্থ শাপলা চত্বরের স্থপতি কে?
    • ক. আবুল হোসেন
    • খ. আজিজুল জলিল পাশা
    • গ. মৃণাল হক
    • ঘ. মইনুল হোসেন
    উত্তর: খ. আজিজুল জলিল পাশা
    মতিঝিলের বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনের শাপলা চত্বরের নকশা করেন স্থপতি আজিজুল জলিল পাশা। বিশাল শাপলা ফুলের আকৃতির এই ভাস্কর্য ঢাকার বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলের মাঝখানে অবস্থিত। শাপলা বাংলাদেশের জাতীয় ফুল।
    মনে রাখুন:
    জাতীয় ফুল শাপলা, জাতীয় ফল কাঁঠাল, জাতীয় পাখি দোয়েল ও জাতীয় মাছ ইলিশ।
    জাতীয় পশু রয়েল বেঙ্গল টাইগার।
    বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
  10. ৯৬. 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' কার আত্মকথা?
    • ক. শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
    • খ. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
    • গ. শেখ মুজিবুর রহমান
    • ঘ. মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
    উত্তর: গ. শেখ মুজিবুর রহমান
    ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা বই। ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সালের মধ্যে কারাগারে থাকার সময় তিনি খাতায় এটি লিখেছিলেন। বইটি ২০১২ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। এতে তাঁর শৈশব থেকে রাজনৈতিক জীবনের শুরুর দিকের ঘটনা আছে। অপশনের অন্য নেতারা বাংলার রাজনীতিতে বিখ্যাত হলেও এই বইটি তাঁদের লেখা নয়।
    মনে রাখুন:
    তাঁর আরও দুটি বই ‘কারাগারের রোজনামচা’ ও ‘আমার দেখা নয়াচীন’।
    তাঁর জন্ম ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ।
    তিনি ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে ঐতিহাসিক ভাষণ দেন।

আন্তর্জাতিক

  1. ৮০. কোন তারিখে আন্তর্জাতিক পরিবেশ দিবস পালিত হয়?
    • ক. ৫ জুলাই
    • খ. ২১ মার্চ
    • গ. ৫ জুন
    • ঘ. ২১ জুন
    উত্তর: গ. ৫ জুন
    প্রতিবছর ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়। ১৯৭২ সালে জাতিসংঘ সুইডেনের স্টকহোমে মানব পরিবেশ সম্মেলন (Conference on the Human Environment) আয়োজন করে। ওই সম্মেলনের সূচনা দিনকে স্মরণ করেই দিবসটি ঠিক করা হয়, আর ১৯৭৪ সাল থেকে এটি পালন শুরু হয়। জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) এর নেতৃত্ব দেয়।
    মনে রাখুন:
    ২১ মার্চ বিশ্ব বন দিবস, আর ২২ মার্চ বিশ্ব পানি দিবস।
    ১৬ সেপ্টেম্বর বিশ্ব ওজোন দিবস।
    ৫ জুলাই ও ২১ জুন অপশনে থাকলেও এ দুই তারিখ পরিবেশ দিবস নয়।
  2. ৮৬. সার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়—
    • ক. ১৯৮২ সালে
    • খ. ১৯৮৫ সালে
    • গ. ১৯৮৪ সালে
    • ঘ. ১৯৮৩ সালে
    উত্তর: খ. ১৯৮৫ সালে
    দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (SAARC) আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকায় প্রথম শীর্ষ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর ধারণা দেন বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। সংস্থার সচিবালয় নেপালের কাঠমান্ডুতে। সদস্য ৮টি দেশ, যার মধ্যে আফগানিস্তান ২০০৭ সালে যোগ দেয়। অপশনের ১৯৮২, ১৯৮৩ ও ১৯৮৪ সাল প্রতিষ্ঠার বছর নয়।
    মনে রাখুন:
    সার্কের প্রথম মহাসচিব ছিলেন বাংলাদেশের আবুল আহসান।
    প্রথম শীর্ষ সম্মেলনের সভাপতি ছিলেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।
    সার্ক দিবস ৮ ডিসেম্বর।
  3. ৮৭. IMF-এর সদর দপ্তর অবস্থিত—
    • ক. ওয়াশিংটন ডিসি
    • খ. জেনেভা
    • গ. রোম
    • ঘ. নিউইয়র্ক
    উত্তর: ক. ওয়াশিংটন ডিসি
    আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (International Monetary Fund বা IMF) সদস্য দেশগুলোর অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় কাজ করে। এর সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে। ১৯৪৪ সালের ব্রেটন উডস সম্মেলনের সিদ্ধান্তে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক গড়ে ওঠে, আর বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে দুটির সদস্য হয়।
    মনে রাখুন:
    জেনেভায় ILO, WHO, WMO ও WIPO।
    রোমে FAO, IFAD ও WFP।
    নিউইয়র্কে জাতিসংঘ, UNICEF ও UNDP।
    বিশ্বব্যাংকের সদর দপ্তরও ওয়াশিংটন ডিসিতে।
  4. ৮৮. জাপানের পার্লামেন্টের নাম কী?
    • ক. সিনেট
    • খ. ডায়েট
    • গ. কংগ্রেস
    • ঘ. নেসেট
    উত্তর: খ. ডায়েট
    জাপানের আইনসভা বা পার্লামেন্টের নাম ‘ডায়েট’ (Diet)। এটি দ্বিকক্ষবিশিষ্ট; নিম্নকক্ষের নাম হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস এবং উচ্চকক্ষের নাম হাউস অব কাউন্সিলরস। দেশের সম্রাট রাষ্ট্রের প্রতীক হলেও প্রকৃত ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর হাতে। অপশনের সিনেট, কংগ্রেস ও নেসেট অন্য দেশের আইনসভার নাম।
    মনে রাখুন:
    যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্ট কংগ্রেস, যার দুটি কক্ষ সিনেট ও হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস।
    ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেট।
    ভারতের পার্লামেন্টের দুই কক্ষ লোকসভা ও রাজ্যসভা।
    বাংলাদেশের পার্লামেন্ট জাতীয় সংসদ, যা এককক্ষবিশিষ্ট।
  5. ৮৯. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোন প্রেসিডেন্ট ১২ বছর ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলেন?
    • ক. জেমস মনরো
    • খ. হ্যারি এস ট্রুম্যান
    • গ. ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট
    • ঘ. তথ্যগুলো সঠিক নয়
    উত্তর: গ. ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট
    ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ৩২তম প্রেসিডেন্ট। তিনি ১৯৩৩ সাল থেকে ১৯৪৫ সালে মৃত্যু পর্যন্ত চারবার নির্বাচিত হয়ে প্রায় ১২ বছর ক্ষমতায় ছিলেন। এটি মার্কিন ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ মেয়াদ। পরে সংবিধানের ২২তম সংশোধনীতে বলা হয়, কেউ দুই মেয়াদের বেশি প্রেসিডেন্ট হতে পারবেন না।
    মনে রাখুন:
    জেমস মনরো ৮ বছর এবং হ্যারি ট্রুম্যান প্রায় ৮ বছরের কাছাকাছি সময় দায়িত্ব পালন করেন।
    রুজভেল্টের সময় যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যোগ দেয়।
    ‘নিউ ডিল’ নামের অর্থনৈতিক কর্মসূচি তাঁর সময়ের।

বিজ্ঞান

  1. ৯৭. ডায়াবেটিস রোগ সম্পর্কে যে তথ্য সঠিক নয়—
    • ক. এ রোগ মানবদেহে কিডনি নষ্ট করে
    • খ. চিনি জাতীয় খাবার খেলে
    • গ. এ রোগ হলে গ্লুকোজের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়
    • ঘ. ইনসুলিনের অভাবে এ রোগ হয়
    উত্তর: খ. চিনি জাতীয় খাবার খেলে
    ডায়াবেটিস মেলিটাস হলো এমন একটি রোগ, যাতে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে যায়। অগ্ন্যাশয় (Pancreas) থেকে ইনসুলিন নামের হরমোন নিঃসৃত হয়, যা রক্তের গ্লুকোজ কোষে প্রবেশ করিয়ে মাত্রা ঠিক রাখে। ইনসুলিন কম তৈরি হলে বা ঠিকমতো কাজ না করলে ডায়াবেটিস হয়। দীর্ঘদিন চললে কিডনি, চোখ ও স্নায়ুর ক্ষতি হয়।
    কেবল মিষ্টি বা চিনি জাতীয় খাবার খেলেই এই রোগ হয়, কথাটি ঠিক নয়। তবে রোগী হলে এসব খাবার কম খেতে হয়।
    মনে রাখুন:
    ইনসুলিন আবিষ্কার করেন ব্যান্টিং ও বেস্ট।
    ইনসুলিন তৈরি হয় অগ্ন্যাশয়ের লাঙ্গারহ্যান্সের দ্বীপপুঞ্জে।
    বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস ১৪ নভেম্বর।
  2. ৯৮. আমাদের খাদ্য তালিকায় কমপক্ষে কতভাগ প্রাণিজ আমিষ থাকা দরকার?
    • ক. ২৫ ভাগ
    • খ. ২০ ভাগ
    • গ. ১৫ ভাগ
    • ঘ. ১০ ভাগ
    উত্তর: খ. ২০ ভাগ
    আমিষ আমাদের শরীর গঠন ও ক্ষয় পূরণে সাহায্য করে। আমিষ দুই উৎস থেকে আসে: প্রাণিজ (মাছ, মাংস, ডিম, দুধ) ও উদ্ভিজ্জ (ডাল, বাদাম)। প্রাণিজ আমিষে শরীরের প্রয়োজনীয় সব অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে, তাই এটি উন্নত মানের। আমাদের মোট আমিষের অন্তত ২০ ভাগ প্রাণিজ উৎস থেকে নেওয়া উচিত বলে প্রশ্নের প্রচলিত উত্তর ধরা হয়।
    মনে রাখুন:
    আমিষের অভাবে শিশুদের কোয়াশিয়রকর রোগ হয়।
    আমিষ তৈরি হয় অ্যামিনো অ্যাসিড দিয়ে।
    প্রতি গ্রাম আমিষ থেকে প্রায় ৪ কিলোক্যালরি শক্তি পাওয়া যায়।
  3. ৯৯. মানুষের হৃৎপিণ্ডে কতটি প্রকোষ্ঠ থাকে?
    • ক. ২টি
    • খ. ৪টি
    • গ. ৬টি
    • ঘ. ৮টি
    উত্তর: খ. ৪টি
    মানুষের হৃৎপিণ্ড চারটি প্রকোষ্ঠে (Chamber) বিভক্ত। উপরের দুটি প্রকোষ্ঠ ডান ও বাম অলিন্দ (Atrium), আর নিচের দুটি ডান ও বাম নিলয় (Ventricle)। অলিন্দ রক্ত গ্রহণ করে এবং নিলয় রক্ত পাম্প করে শরীরে ছড়িয়ে দেয়। নিলয়ের দেয়াল পুরু, কারণ তাকে বেশি জোরে রক্ত ঠেলতে হয়।
    মনে রাখুন:
    ব্যাঙের হৃৎপিণ্ডে তিনটি প্রকোষ্ঠ থাকে।
    মাছের হৃৎপিণ্ডে দুটি প্রকোষ্ঠ থাকে।
    পাখির হৃৎপিণ্ডেও চারটি প্রকোষ্ঠ আছে।
    বাম নিলয়ের দেয়াল সবচেয়ে পুরু।
  4. ১০০. চিপসের প্যাকেটে কোন গ্যাস ব্যবহৃত হয়?
    • ক. অক্সিজেন
    • খ. কার্বন ডাই-অক্সাইড
    • গ. নাইট্রোজেন
    • ঘ. জলীয়বাষ্প
    উত্তর: গ. নাইট্রোজেন
    চিপসের প্যাকেটে নাইট্রোজেন গ্যাস ভরা থাকে। নাইট্রোজেন একটি নিষ্ক্রিয় প্রকৃতির গ্যাস, তাই এটি চিপসের সঙ্গে বিক্রিয়া করে না। বাতাসের অক্সিজেন ও জলীয়বাষ্প থাকলে চিপস নরম হয়ে যেত এবং তেল বাতাসের সংস্পর্শে গন্ধ ছাড়ত। নাইট্রোজেন এসব ঠেকায়, ফলে চিপস মচমচে থাকে। গ্যাসটি প্যাকেটকে ফুলিয়েও রাখে, যাতে চিপস গুঁড়িয়ে না যায়। অক্সিজেন বা জলীয়বাষ্প ভরলে খাবার নষ্ট হতো, আর কার্বন ডাই-অক্সাইড এখানে সাধারণ ব্যবহার নয়।
    মনে রাখুন:
    বাতাসের প্রায় ৭৮ ভাগই নাইট্রোজেন।
    নাইট্রোজেন গন্ধহীন ও বর্ণহীন গ্যাস।
    অক্সিজেন বাতাসের প্রায় ২১ ভাগ।
  5. ১০১. বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ-
    • ক. কম হয়
    • খ. খুব কম হয়
    • গ. একই হয়
    • ঘ. বেশি হয়
    উত্তর: গ. একই হয়
    প্রচলিত রোধকযুক্ত রেগুলেটরে পাখার গতি কমালে বাড়তি শক্তি রেগুলেটরে তাপ হিসেবে খরচ হয়, তাই মোট বিদ্যুৎ খরচ প্রায় একই থাকে। আধুনিক ইলেকট্রনিক রেগুলেটরে অবশ্য কম গতিতে খরচ কিছুটা কমে।

বিভিন্ন মন্ত্রণালয়: অন্যান্য পরীক্ষা

আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান

বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন