বিভিন্ন মন্ত্রণালয় সহকারী মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ২০১৭। ৯৬টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →বাংলা
- ১. 'বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর নদে এলো বান'— কোন ছন্দে রচিত?
- ক. অক্ষরবৃত্ত
- খ. মাত্রাবৃত্ত
- গ. স্বরবৃত্ত
- ঘ. অমিত্রাক্ষর
উত্তর: গ. স্বরবৃত্ত
‘বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর নদে এলো বান’ লাইনটি পড়ার সময় আমরা প্রতিটি পর্বের শুরুতে একটু জোর দিই এবং দ্রুত তালে পড়ি। এভাবে শ্বাসাঘাত দিয়ে পড়া হয় যে ছন্দে, তার নাম স্বরবৃত্ত (Syllabic) ছন্দ। এই ছন্দে প্রতিটি দলকে (Syllable) এক মাত্রা ধরা হয় এবং প্রতিটি পর্বে সাধারণত চার মাত্রা থাকে। শব্দের শুরুতে প্রবল শ্বাসাঘাত পড়ে বলে এর গতি দ্রুত ও চঞ্চল হয়। ছড়া, লোকগান ও খুকুমণির ছড়ায় এই ছন্দ বেশি দেখা যায়, তাই একে ছড়ার ছন্দও বলা হয়।
মনে রাখুন:
স্বরবৃত্ত ছন্দের আরেক নাম দলবৃত্ত বা শ্বাসাঘাত প্রধান ছন্দ।
অক্ষরবৃত্ত ছন্দ গম্ভীর সুরে ধীরে পড়তে হয়, আর মাত্রাবৃত্ত ছন্দে যুক্তাক্ষরের দীর্ঘ উচ্চারণ থাকে।
অমিত্রাক্ষর কোনো আলাদা মাত্রাগণনার ছন্দ নয়, এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রবর্তিত অন্ত্যমিলহীন রীতি। - ২. 'সাত নরীর হার' কাব্যখানি কে লিখেছেন?
- ক. কামাল চৌধুরী
- খ. আসাদ চৌধুরী
- গ. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
- ঘ. আবু হেনা মোস্তফা কামাল
উত্তর: গ. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
‘সাত নরীর হার’ কাব্যগ্রন্থটি লিখেছেন কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ (১৯৩৪-২০০১)। এটি ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত তাঁর প্রথম দিকের গুরুত্বপূর্ণ কাব্যগ্রন্থ। তিনি পঞ্চাশের দশকের একজন প্রধান কবি, যাঁর কবিতায় মানুষের সংগ্রাম ও সময়ের ছবি ফুটে উঠেছে। পরীক্ষায় কবির নামের সঙ্গে বইয়ের নাম মেলানোর প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই কোন কবির কোন বই, তা আলাদা করে জানা দরকার। অন্য অপশনের কবিদের মধ্যে আসাদ চৌধুরী ও কামাল চৌধুরী সমকালীন কবি, আর আবু হেনা মোস্তফা কামাল ‘আপন যৌবন বৈরী’ কাব্যগ্রন্থের কবি।
মনে রাখুন:
আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ: কখনো রং কখনো সুর, কমলের চোখ, আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি। - ৩. 'হাজার বছর ধরে' উপন্যাসখানা কার রচনা?
- ক. আবদুল্লাহ আল-মুতী
- খ. জহির রায়হান
- গ. আমজাদ হোসেন
- ঘ. মুনীর চৌধুরী
উত্তর: খ. জহির রায়হান
‘হাজার বছর ধরে’ উপন্যাসটি লিখেছেন জহির রায়হান (১৯৩৫-১৯৭২)। এটি ১৯৬৪ সালে প্রকাশিত হয়। এতে গ্রামবাংলার মানুষের জীবনধারা, দারিদ্র্য আর সংস্কারের ছবি ফুটে উঠেছে। উপন্যাসের পটভূমি গ্রামীণ বাংলা, যেখানে কয়েকটি পরিবারের সুখ-দুঃখের মধ্য দিয়ে সাধারণ মানুষের টিকে থাকার লড়াই দেখানো হয়েছে। পরে জহির রায়হান নিজেই একজন বিখ্যাত চলচ্চিত্রকার হয়ে ওঠেন, তাই অনেকে তাঁকে লেখক ও চলচ্চিত্রকার দুই পরিচয়েই মনে রাখেন।
মনে রাখুন:
জহির রায়হানের অন্যান্য উপন্যাস: আরেক ফাল্গুন, বরফ গলা নদী, আর কত দিন, শেষ বিকেলের মেয়ে।
তাঁর পরিচালিত বিখ্যাত চলচ্চিত্র ‘জীবন থেকে নেয়া’ (১৯৭০) এবং প্রামাণ্যচিত্র ‘স্টপ জেনোসাইড’ (১৯৭১)। - ৪. 'Quota'-এর পরিভাষা কী?
- ক. উদ্ধৃতি-চিহ্ন
- খ. যথাংশ
- গ. প্রশ্ন
- ঘ. জাতি বিদ্বেষ
উত্তর: খ. যথাংশ
ইংরেজি Quota শব্দটির বাংলা পরিভাষা যথাংশ। কোনো সম্পদ বা সুযোগ ভাগ করার সময় যার জন্য যতটা নির্দিষ্ট অংশ ধরা হয়, তাকেই যথাংশ বা কোটা বলে। যেমন চাকরিতে নির্দিষ্ট শতাংশ পদ কোনো শ্রেণির জন্য সংরক্ষিত রাখা হলে সেটি একটি কোটা। অপশনের ‘উদ্ধৃতি-চিহ্ন’ আসলে Quotation mark-এর বাংলা। শব্দ দুটির বানান কাছাকাছি বলে অনেকে ভুল করেন। শব্দটি ল্যাটিন quota pars থেকে এসেছে, যার অর্থ কার ভাগে কতটুকু।
মনে রাখুন:
Quota = যথাংশ।
Quorum = কোরাম বা গণপূরক সংখ্যা।
Quotation = উদ্ধৃতি। - ৫. মীর মশাররফ হোসেন রচিত 'বিষাদ সিন্ধু' উপন্যাসের চরিত্র নয় কোনটি?
- ক. ইয়াজিদ
- খ. মারওয়ান
- গ. ইমাম হোসেন
- ঘ. ইব্রাহিম কার্ডি
উত্তর: ঘ. ইব্রাহিম কার্ডি
মীর মশাররফ হোসেনের ‘বিষাদ সিন্ধু’ কারবালার করুণ ঘটনা নিয়ে লেখা একটি উপাখ্যান। এতে এজিদ (ইয়াজিদ), মারওয়ান ও ইমাম হোসেনের মতো চরিত্র আছে। কিন্তু ইব্রাহিম কার্দি নামের চরিত্রটি এখানে নেই। তিনি মুনীর চৌধুরীর ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ নাটকের চরিত্র, যে নাটকে পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের কাহিনি তুলে ধরা হয়েছে। তাই বিষাদ সিন্ধুর চরিত্র নয়, এমন নাম খুঁজলে উত্তর হয় ইব্রাহিম কার্দি। মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যে মুসলমান লেখকদের মধ্যে প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক হিসেবে পরিচিত।
মনে রাখুন:
বিষাদ সিন্ধুর তিনটি পর্ব: মহরম পর্ব, উদ্ধার পর্ব ও এজিদ বধ পর্ব।
মীর মশাররফ হোসেনের অন্যান্য রচনা: জমিদার দর্পণ (নাটক) ও রত্নবতী (উপন্যাস)। - ৬. 'সবুজপত্র' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন—
- ক. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- খ. প্রমথ চৌধুরী
- গ. কাজী নজরুল ইসলাম
- ঘ. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
উত্তর: খ. প্রমথ চৌধুরী
‘সবুজপত্র’ পত্রিকা সম্পাদনা করেছিলেন প্রমথ চৌধুরী, যিনি ‘বীরবল’ ছদ্মনামেও লিখতেন। পত্রিকাটি ১৯১৪ সালে প্রকাশ শুরু করে। এর মাধ্যমে বাংলা গদ্যে সাধু ভাষার বদলে চলিত রীতির চর্চা জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও এই পত্রিকায় লিখে চলিত ভাষার পক্ষে সমর্থন জানান। প্রমথ চৌধুরীর লেখায় বুদ্ধির দীপ্তি ও ব্যঙ্গের ধার ছিল, আর তিনি ছোট ছোট বাক্যে কথ্য ভঙ্গিতে লিখতেন। তাই সবুজপত্র আধুনিক বাংলা গদ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ পত্রিকা হিসেবে ইতিহাসে স্থান পেয়েছে।
মনে রাখুন:
অন্যান্য পত্রিকা: ‘কল্লোল’ (দীনেশরঞ্জন দাশ), ‘শনিবারের চিঠি’ (সজনীকান্ত দাস), ‘সংবাদ প্রভাকর’ (ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত)।
প্রমথ চৌধুরীর গ্রন্থ: তেল-নুন-লকড়ি, চার-ইয়ারি কথা। - ৭. 'সূর্য' শব্দের সমার্থক শব্দ নয় নিচের কোনটি?
- ক. সুধাংশু
- খ. আদিত্য
- গ. ভাস্কর
- ঘ. মার্তণ্ড
উত্তর: ক. সুধাংশু
সূর্যের নানা নাম আছে, যেমন আদিত্য, ভাস্কর ও মার্তণ্ড। এই তিনটি শব্দই সূর্যকে বোঝায়। কিন্তু সুধাংশু শব্দের অর্থ চাঁদ। সুধা মানে অমৃত, আর অংশু মানে কিরণ, তাই সুধাংশু বলতে বোঝায় যার কিরণ অমৃতের মতো শীতল। সূর্যের কিরণ তো তপ্ত, ফলে এই শব্দ সূর্যে খাটে না। সুতরাং সূর্যের সমার্থক নয়, এমন শব্দ সুধাংশু। সমার্থক শব্দ মুখস্থ না করে শব্দের গঠন ও অর্থ ধরে বুঝে রাখলে এমন ফাঁদে পড়তে হয় না।
মনে রাখুন:
সূর্যের প্রতিশব্দ: রবি, দিবাকর, দিনমণি, অর্ক, প্রভাকর।
চাঁদের প্রতিশব্দ: চন্দ্র, শশী, বিধু, সুধাকর, শশাঙ্ক। - ৮. কারক কত প্রকার?
- ক. চার প্রকার
- খ. পাঁচ প্রকার
- গ. ছয় প্রকার
- ঘ. সাত প্রকার
উত্তর: গ. ছয় প্রকার
বাক্যের ক্রিয়াপদের সঙ্গে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের যে সম্পর্ক থাকে, তাকে কারক (Case) বলে। বাংলা ব্যাকরণে কারক ছয় প্রকার। ক্রিয়াকে কে, কী, কাকে, কীসে, কোথা থেকে, কোথায়, এই প্রশ্নগুলো করলে ছয়টি কারক আলাদা করে চেনা যায়। বিভক্তি সব সময় কারকের পরিচয় দেয় না, তাই আগে ক্রিয়াকে প্রশ্ন করে অর্থ বুঝতে হয়।
উদাহরণ:
‘রহিম বাগানে ফল পেড়ে ঝুড়িতে রাখল’: রহিম কর্তা, ফল কর্ম, বাগানে ও ঝুড়িতে অধিকরণ।
মনে রাখুন:
ছয় কারক: কর্তা, কর্ম, করণ, সম্প্রদান, অপাদান ও অধিকরণ।
সম্বন্ধ পদ কারক নয়, কারণ ক্রিয়ার সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক থাকে না। - ৯. নিচের শব্দগুলোর মধ্যে কোনটি অমিল?
- ক. অগ্নি
- খ. অনল
- গ. বেগম
- ঘ. পাবক
উত্তর: গ. বেগম
অগ্নি, অনল ও পাবক, এই তিনটি শব্দের অর্থ একই, সবকটিই আগুনকে বোঝায়। কিন্তু বেগম শব্দের অর্থ অভিজাত নারী বা রানি, আগুনের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। তাই অমিল শব্দ বেগম। মজার ব্যাপার হলো, উৎসের দিক থেকেও শব্দটি আলাদা। বেগম তুর্কি ভাষা থেকে এসেছে, আর অগ্নি, অনল ও পাবক এসেছে সংস্কৃত থেকে। অমিল শব্দ খোঁজার প্রশ্নে প্রথমে প্রতিটি শব্দের অর্থ মনে মনে লিখে নিলে কোনটি আলাদা, তা সহজেই ধরা পড়ে।
মনে রাখুন:
আগুনের প্রতিশব্দ: অগ্নি, অনল, পাবক, বহ্নি, হুতাশন, বৈশ্বানর।
তুর্কি শব্দ: বেগম, চাকর, দারোগা, বন্দুক। - ১০. কোন উপন্যাসটি বঙ্কিমচন্দ্র রচনা করেননি?
- ক. কপালকুণ্ডলা
- খ. মৃণালিনী
- গ. বিষবৃক্ষ
- ঘ. দেবদাস
উত্তর: ঘ. দেবদাস
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কপালকুণ্ডলা (১৮৬৬), মৃণালিনী (১৮৬৯) ও বিষবৃক্ষ (১৮৭৩) উপন্যাস লিখেছেন। কিন্তু দেবদাস তাঁর লেখা নয়, এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত প্রেমের উপন্যাস। এতে দেবদাস, পার্বতী ও চন্দ্রমুখী চরিত্র আছে। দুজনের নামের শেষেই ‘চট্টোপাধ্যায়’ থাকায় পরীক্ষায় এই বিভ্রান্তি তৈরির প্রশ্ন বারবার আসে। বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাসে ইতিহাস, প্রেম ও সমাজ উঠে এসেছে, আর শরৎচন্দ্রের লেখায় বেশি দেখা যায় সাধারণ মানুষের কষ্ট ও সামাজিক বাধার ছবি।
মনে রাখুন:
বঙ্কিমচন্দ্রের অন্যান্য উপন্যাস: দুর্গেশনন্দিনী (তাঁর প্রথম বাংলা উপন্যাস), আনন্দমঠ, কৃষ্ণকান্তের উইল।
শরৎচন্দ্রের অন্যান্য উপন্যাস: শ্রীকান্ত, পথের দাবী, গৃহদাহ। - ১১. যে উপকারীর উপকার করে, তাকে এককথায় বলে—
- ক. কৃতজ্ঞ
- খ. অকৃতজ্ঞ
- গ. কৃতঘ্ন
- ঘ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. কৃতজ্ঞ
যে মানুষ অন্যের করা উপকারের কথা মনে রাখে এবং তা স্বীকার করে, তাকে এককথায় কৃতজ্ঞ বলে। এর বিপরীত অকৃতজ্ঞ, অর্থাৎ যে উপকার ভুলে যায় বা স্বীকার করে না। আর কৃতঘ্ন বলতে বোঝায় এমন ব্যক্তিকে, যে উপকারীর উপকার স্বীকার তো করেই না, বরং তার ক্ষতি করে। এই তিনটি শব্দের পার্থক্য বাক্যের ভাব দেখে ধরতে হয়। প্রতিদিনের কথায় আমরা বলি ‘আমি আপনার কাছে কৃতজ্ঞ’, তখন উপকারের স্বীকৃতিই দিই।
মনে রাখুন:
উপকারীর অপকার করে যে, সে কৃতঘ্ন।
পরের উপকার করে যে, সে পরোপকারী।
যে উপকার ভোলে না, সে কৃতজ্ঞ। - ১২. কোনটি কাব্যনাট্য?
- ক. প্রায়শ্চিত্ত
- খ. নকশী কাঁথার মাঠ
- গ. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
- ঘ. চিত্রাঙ্গদা
উত্তর: গ. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
যে নাটক কবিতার ছন্দে বা কাব্যিক ভাষায় লেখা হয়, তাকে কাব্যনাট্য বলে। সৈয়দ শামসুল হকের ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ (১৯৭৬) এমনই একটি কাব্যনাট্য, যেখানে মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে একটি গ্রামের মানুষের ভয় ও আশার কথা কবিতার মতো ভাষায় বলা হয়েছে। বাকি অপশনের মধ্যে ‘প্রায়শ্চিত্ত’ ও ‘চিত্রাঙ্গদা’ রবীন্দ্রনাথের রচনা, আর ‘নকশী কাঁথার মাঠ’ জসীমউদ্দীনের আখ্যানকাব্য। কাব্যনাট্যে সংলাপ সাধারণ গদ্যে নয়, ছন্দময় পদ্যে বলা হয়, তাই এতে নাটকের নাট্যরস আর কবিতার সুর একসঙ্গে মেলে।
মনে রাখুন:
সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যনাট্য: নূরলদীনের সারাজীবন (১৯৮২), গণনায়ক, ঈর্ষা।
জসীমউদ্দীনের আখ্যানকাব্য: নকশী কাঁথার মাঠ, সোজন বাদিয়ার ঘাট। - ১৩. উপজাতীয় জীবনকাহিনি নিয়ে রচিত উপন্যাস কোনটি?
- ক. সংশপ্তক
- খ. কর্ণফুলী
- গ. যাপিত জীবন
- ঘ. খোয়াবনামা
উত্তর: খ. কর্ণফুলী
আলাউদ্দিন আল আজাদের ‘কর্ণফুলী’ উপন্যাসে পার্বত্য চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তীরের পাহাড়ি মানুষের জীবন তুলে ধরা হয়েছে। তাই উপজাতীয় জীবনকাহিনি নিয়ে লেখা উপন্যাস হিসেবে এটিকে ধরা হয়। অন্য অপশনগুলোর মধ্যে ‘সংশপ্তক’ শহীদুল্লা কায়সারের উপন্যাস, আর ‘খোয়াবনামা’ আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের লেখা ঐতিহাসিক পটভূমির উপন্যাস। আলাউদ্দিন আল আজাদ একাধারে কথাসাহিত্যিক ও কবি। প্রশ্নে ‘উপজাতীয় জীবন’ কথাটি দেখলে আমরা কর্ণফুলী নদী ও পার্বত্য অঞ্চলের কথা ভাবতে পারি।
মনে রাখুন:
আলাউদ্দিন আল আজাদের অন্যান্য উপন্যাস: তেইশ নম্বর তৈলচিত্র, শীতের শেষরাত বসন্তের প্রথমদিন। - ১৪. 'আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি' একটি—
- ক. উপন্যাস
- খ. কাব্যগ্রন্থ
- গ. নাটক
- ঘ. গল্পগ্রন্থ
উত্তর: খ. কাব্যগ্রন্থ
‘আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি’ আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর একটি কাব্যগ্রন্থ। নামে কিংবদন্তী ও ‘কথা বলছি’ থাকায় অনেকে একে উপন্যাস বা গদ্যের বই ভাবতে পারেন, কিন্তু এতে আছে কবিতা। পরীক্ষায় বইয়ের নাম দেখে সাহিত্যের ধরন চেনার প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই নাম দেখে অনুমান না করে কবির পরিচয় ধরে বইয়ের ধরন মনে রাখা ভালো। কবি ১৯৩৪ সালে জন্মেছিলেন এবং ২০০১ সালে মারা যান।
মনে রাখুন:
আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ: সাতনরীর হার (১৯৫৫), কখনো রং কখনো সুর (১৯৭০), কমলের চোখ (১৯৭৪)। - ১৫. 'বিলেতে সাড়ে সাতশ দিন'-এর রচয়িতা—
- ক. মুনীর চৌধুরী
- খ. মুহম্মদ আবদুল হাই
- গ. আবুল মনসুর আহমদ
- ঘ. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
উত্তর: খ. মুহম্মদ আবদুল হাই
‘বিলেতে সাড়ে সাতশ দিন’ ভ্রমণকাহিনিটি লিখেছেন মুহম্মদ আবদুল হাই (১৯১৯-১৯৬৯)। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ও ভাষাবিজ্ঞানী ছিলেন। বইটিতে বিলেতে কাটানো দিনগুলোর অভিজ্ঞতা সহজ ভাষায় বলা হয়েছে। ভ্রমণসাহিত্যের প্রশ্নে লেখক ও বইয়ের নাম মিলিয়ে মনে রাখা দরকার, কারণ অপশনে প্রায়ই অন্য ধরনের লেখকদের নাম মিশিয়ে দেওয়া হয়।
মনে রাখুন:
মুহম্মদ আবদুল হাইয়ের অন্য রচনা: ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব, সাহিত্য ও সংস্কৃতি।
অন্য অপশন: মুনীর চৌধুরী নাট্যকার, আবুল মনসুর আহমদ ব্যঙ্গ-রচনার লেখক, সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ঔপন্যাসিক। - ১৬. ফলাহার > ফলার হয়েছে, তাকে বলে—
- ক. অন্তর্হতি
- খ. ব্যঞ্জনচ্যুতি
- গ. ব্যঞ্জনবিকৃতি
- ঘ. বিষমীভবন
উত্তর: ক. অন্তর্হতি
কখনো কখনো শব্দের মাঝখান থেকে কোনো ধ্বনি খসে পড়ে, তখন শব্দটি ছোট হয়ে যায়। ফলাহার শব্দের মাঝের ‘হা’ অংশটি লোপ পেয়ে ফলার হয়েছে। শব্দের মাঝখানের এই ধ্বনিলোপকে অন্তর্হতি (Syncope) বলে। দ্রুত বলার সময় মাঝের ধ্বনি অনেক সময় আর শোনা যায় না, তাই লেখাতেও সেটি বাদ পড়ে যায়।
উদাহরণ:
ফাল্গুন > ফাগুন, ফলাহার > ফলার।
মনে রাখুন:
বিষমীভবন (Dissimilation) মানে একই ধরনের দুটি ধ্বনির একটি বদলে যাওয়া, যেমন লাল > নাল। - ১৭. কোনটি ঠিক?
- ক. রৌদ্র করোটিতে- ভ্রমণকাহিনি
- খ. রাইফেল রোটি আওরাত- নাটক
- গ. সোজন বাদিয়ার ঘাট- সিনেমা
- ঘ. ঘর মন জানালা- উপন্যাস
উত্তর: ঘ. ঘর মন জানালা- উপন্যাস
‘ঘর মন জানালা’ দিলারা হাশেমের লেখা উপন্যাস, যা ১৯৬৫ সালে প্রকাশিত হয়। তাই সঠিক জোড়া এটিই। বাকিগুলো ঠিক নয়। ‘রৌদ্র করোটিতে’ শামসুর রাহমানের কাব্যগ্রন্থ, ভ্রমণকাহিনি নয়। ‘রাইফেল রোটি আওরাত’ আনোয়ার পাশার উপন্যাস, নাটক নয়। ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’ জসীমউদ্দীনের আখ্যানকাব্য, সিনেমা নয়। সাহিত্যের শাখা চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো লেখকের নামের সঙ্গে বইটি মিলিয়ে নেওয়া। দিলারা হাশেম বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট নারী ঔপন্যাসিক, যাঁর লেখায় মধ্যবিত্ত নারীর মনের কথা ফুটে ওঠে।
মনে রাখুন:
দিলারা হাশেমের আরেকটি পরিচিত উপন্যাস ‘আমলকীর মৌ’।
আনোয়ার পাশা ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে শহিদ হন। - ১৮. 'কবিকঙ্কন' কার উপাধি?
- ক. বিজয়গুপ্ত
- খ. দ্বিজ মাধব
- গ. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
- ঘ. ভারতচন্দ্র
উত্তর: গ. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর উপাধি ‘কবিকঙ্কন’। তিনি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের কবি এবং চণ্ডীমঙ্গল কাব্য রচনা করেছেন। জমিদার রঘুনাথ রায় তাঁকে এই উপাধি দেন বলে জানা যায়। চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের অপর নাম অভয়ামঙ্গল। এতে কালকেতু ও ফুল্লরার কাহিনি এবং ধনপতি সদাগরের গল্প আছে। মুকুন্দরামের বর্ণনায় তখনকার সমাজ, পেশা, খাবার ও দারিদ্র্যের বাস্তব ছবি পাওয়া যায়, তাই তাঁকে মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ বাস্তববাদী কবি বলা হয়।
মনে রাখুন:
অন্য কবিদের উপাধি: ভারতচন্দ্র রায় ‘রায়গুণাকর’, ঘনরাম চক্রবর্তী ‘কবিরত্ন’।
বিজয়গুপ্ত মনসামঙ্গলের কবি। - ১৯. 'শাহনামা' বাংলায় অনুবাদ করেন—
- ক. এয়াকুব আলী চৌধুরী
- খ. মোজাম্মেল হক
- গ. সৈয়দ এমদাদ আলী
- ঘ. বীরবল
উত্তর: খ. মোজাম্মেল হক
ফারসি কবি ফেরদৌসীর মহাকাব্য ‘শাহনামা’ বাংলায় অনুবাদ করেন মোজাম্মেল হক। শাহনামায় পারস্যের প্রাচীন রাজা ও বীরদের কাহিনি বলা হয়েছে। এই অনুবাদের ফলে ফারসি না জানা বাঙালি পাঠকও ইরানের প্রাচীন বীরগাথা পড়তে পেরেছেন। মহাকাব্যটিতে প্রায় ষাট হাজার দ্বিপদী পঙ্ক্তি আছে, আর এর সবচেয়ে পরিচিত কাহিনি রুস্তম ও সোহরাবের। অপশনে থাকা ‘বীরবল’ প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম, তাই নামটি দেখে বিভ্রান্ত হওয়ার কারণ নেই।
মনে রাখুন:
ফেরদৌসী ফারসি সাহিত্যের কবি।
মোজাম্মেল হকের অন্যান্য রচনা: জাতীয় ফোয়ারা, কবি কাহিনী। - ২০. কোনটি উপন্যাস?
- ক. নীললোহিত
- খ. এইসব দিনরাত্রি
- গ. শবনম
- ঘ. নাম রেখেছি কোমল গান্ধার
উত্তর: গ. শবনম
‘শবনম’ সৈয়দ মুজতবা আলীর লেখা উপন্যাস। তিনি দেশ-বিদেশের অভিজ্ঞতায় ভরা রম্য ও ভ্রমণকাহিনির জন্যও বিখ্যাত, আর হাস্যরসাত্মক ভাষা তাঁর লেখার বড় বৈশিষ্ট্য। প্রশ্নের অপশনগুলোর মধ্যে ‘নীললোহিত’ আসলে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম, তাই এটি উপন্যাসের নাম হিসেবে সহজে বিভ্রান্ত করে। উপন্যাস চেনার সময় আমরা আগে লেখকের পরিচয় ও বইয়ের ধরন মিলিয়ে দেখি। মুজতবা আলী ভ্রমণ ও রম্যরচনার পাশাপাশি উপন্যাসও লিখেছেন।
মনে রাখুন:
সৈয়দ মুজতবা আলীর অন্যান্য রচনা: দেশে বিদেশে, অবিশ্বাস্য, চাচা কাহিনী। - ২১. কোন ধ্বনিটি ঘোষ?
- ক. চ
- খ. খ
- গ. প
- ঘ. দ
উত্তর: ঘ. দ
স্বরতন্ত্রী কাঁপিয়ে যে ধ্বনি উচ্চারণ করা হয়, তাকে ঘোষ ধ্বনি (Voiced) বলে। ব্যঞ্জনবর্ণের প্রতিটি বর্গের তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম ধ্বনি ঘোষ। এখানে চ প্রথম, খ দ্বিতীয় এবং প প্রথম ধ্বনি, তাই তিনটিই অঘোষ। আর দ হলো ত-বর্গের তৃতীয় ধ্বনি, অতএব ঘোষ। গলায় আঙুল রেখে ‘গ’ বললে কম্পন টের পাওয়া যায়, আর ‘ক’ বললে তেমন হয় না। এভাবে নিজে পরীক্ষা করলে বিষয়টি সহজে মনে থাকে।
মনে রাখুন:
অঘোষ ধ্বনি: ক খ, চ ছ, ট ঠ, ত থ, প ফ।
ঘোষ ধ্বনি: গ ঘ ঙ, জ ঝ ঞ, ড ঢ ণ, দ ধ ন, ব ভ ম। - ২২. বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম সাময়িক পত্রিকা—
- ক. দিগ্দর্শন
- খ. সমাচার দর্পণ
- গ. সংবাদ প্রভাকর
- ঘ. আজিজনেহার
উত্তর: ক. দিগ্দর্শন
শ্রীরামপুরের খ্রিস্টান মিশনারিরা ১৮১৮ সালে ‘দিগ্দর্শন’ নামে একটি মাসিক পত্রিকা বের করেন। এটিই বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম সাময়িকপত্র। এর সম্পাদক ছিলেন জন ক্লার্ক মার্শম্যান। একই বছর তাঁরা ‘সমাচার দর্পণ’ নামে সাপ্তাহিক পত্রিকাও প্রকাশ করেন, যেটিকে বাংলা ভাষার প্রথম সংবাদপত্র ধরা হয়। তাই প্রথম পত্রিকা কোনটি, এই প্রশ্নে সাময়িকপত্র ও সংবাদপত্রের পার্থক্য আলাদা করে দেখতে হয়। শ্রীরামপুর মিশনের ছাপাখানা তখন বাংলা মুদ্রণের কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল।
মনে রাখুন:
দিগ্দর্শন: প্রথম বাংলা সাময়িকপত্র (মাসিক)।
সমাচার দর্পণ: প্রথম বাংলা সংবাদপত্র (সাপ্তাহিক)।
সংবাদ প্রভাকর: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের পত্রিকা, পরে দৈনিক হয়।
ইংরেজি
- ২৩. Add question tag to the following sentence: He is not a liar, —
- ক. is he?
- খ. isn't he?
- গ. won't he?
- ঘ. doesn't he?
উত্তর: ক. is he?
Question tag বানানোর নিয়ম হলো, মূল বাক্য না-বোধক (Negative) হলে tag হ্যাঁ-বোধক (Affirmative) হয়, আর মূল বাক্য হ্যাঁ-বোধক হলে tag না-বোধক হয়। এখানে ‘He is not a liar’ না-বোধক বাক্য, তাই tag হবে হ্যাঁ-বোধক। বাক্যের auxiliary verb ‘is’ এবং subject ‘he’ নিয়ে tag দাঁড়ায় ‘is he?’। প্রশ্নবোধক অংশে ক্রিয়া আগে ও কর্তা পরে বসে। ‘isn’t he?’ বসালে দুই অংশই না-বোধক হয়ে যায়, যা ঠিক নয়।
উদাহরণ:
She is not late, is she?
They do not play, do they?
মনে রাখুন: Tag-এ সবসময় সর্বনাম বসে, নাম বা বিশেষ্য নয়। - ২৪. The king left — heir.
- ক. the
- খ. a
- গ. an
- ঘ. one
উত্তর: গ. an
Heir শব্দের শুরুর h উচ্চারিত হয় না, উচ্চারণ হয় ‘এয়ার’। তাই শব্দটির প্রথম ধ্বনি স্বরধ্বনির মতো শোনায়। Article বসানোর সময় বানান নয়, উচ্চারণ দেখতে হয়। স্বরধ্বনির আগে ‘an’ বসে, তাই এখানে an heir হবে। রাজা একজন উত্তরাধিকারী রেখে গেছেন, তাই এখানে indefinite article an ঠিক। Heir মানে ওয়ারিশ বা উত্তরাধিকারী।
উদাহরণ:
an hour, an honest man, an honour.
মনে রাখুন: উল্টোভাবে, বানানে স্বর কিন্তু উচ্চারণ ব্যঞ্জনের মতো হলে a বসে, যেমন a university, a European. - ২৫. 'Thank you very much'. In this sentence 'very' is—
- ক. Adjective
- খ. Noun
- গ. Pronoun
- ঘ. Adverb
উত্তর: ঘ. Adverb
‘Thank you very much’ বাক্যে much নিজেও একটি adverb, আর very তার ঠিক আগে বসে বোঝাচ্ছে ধন্যবাদ কতটা বেশি। যে শব্দ adjective, অন্য adverb বা verb-কে আরও বিশদ করে, তাকে adverb বলে। এখানে very অন্য একটি adverb (much)-কে modify করছে, তাই এটি adverb। ইংরেজিতে very, quite, too, so জাতীয় শব্দকে degree adverb বলে, কারণ এরা কাজ বা গুণ কতটা হচ্ছে তা মাপে।
উদাহরণ:
He runs very fast. (এখানে very, fast নামের adverb-কে modify করছে)
মনে রাখুন: Very যখন noun-এর আগে বসে ‘আসল’ অর্থ বোঝায়, তখন তা adjective, যেমন the very man. - ২৬. What is the plural of 'deer'?
- ক. Deer
- খ. Deers
- গ. Deerese
- ঘ. Deeres
উত্তর: ক. Deer
Deer শব্দটির singular ও plural রূপ একই, অর্থাৎ বহুবচনেও Deer-ই থাকে। তাই Deers বা অন্য কোনো রূপ ব্যবহার করা চলে না। বাক্যে একটি না একাধিক, তা বোঝা যায় সংখ্যা বা verb দেখে, যেমন ‘Two deer were grazing’। এই শব্দগুলো পুরোনো ইংরেজি থেকে এসেছে, যেখানে বহুবচনে বিশেষ প্রত্যয় লাগত না। তাই আধুনিক ইংরেজিতেও deer, sheep বা fish-এর বহুবচন একই রূপে লেখা হয়।
মনে রাখুন:
একই রকম singular-plural: sheep, fish, deer, swine, aircraft.
অনিয়মিত plural: man-men, child-children, foot-feet, mouse-mice. - ২৭. The patient will — soon.আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৪
- ক. come in
- খ. come round
- গ. come off
- ঘ. come by
উত্তর: খ. come round
Phrasal verb ‘come round’ মানে জ্ঞান ফেরা বা অসুস্থতা থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা। বাক্যটি বলছে রোগী শিগগিরই সুস্থ হবে, তাই come round বসে। অন্য অপশনগুলোর অর্থ আলাদা: come in মানে ভেতরে আসা, come off মানে সফল হওয়া বা খসে পড়া, আর come by মানে কিছু পেয়ে যাওয়া। এক verb-এর সঙ্গে আলাদা preposition বসালে অর্থ পুরো বদলে যায়, তাই phrasal verb বাক্যে ব্যবহার দেখে শেখা ভালো।
উদাহরণ:
He came round after the operation.
মনে রাখুন: Come across = হঠাৎ পাওয়া, come up with = উদ্ভাবন করা। - ২৮. 'Blue blood' means—আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৪
- ক. aristocratic birth
- খ. scoundrel
- গ. sound health
- ঘ. blood of king
উত্তর: ক. aristocratic birth
Blue blood একটি idiom, যার অর্থ অভিজাত বংশে জন্ম বা আভিজাত্য (Aristocratic birth)। বলা হয়, এটি স্পেনীয় বাক্যাংশ থেকে এসেছে, যেখানে অভিজাতদের ফর্সা চামড়ায় নীল শিরা দেখা যেত। অন্য অপশনগুলো এর অর্থের কাছাকাছি নয়: scoundrel মানে বদমাশ, sound health মানে ভালো স্বাস্থ্য, আর blood of king মানে রাজার রক্ত। Idiom-এর শব্দগুলো আলাদা করে পড়লে অর্থ বোঝা যায় না, পুরো শব্দগুচ্ছই একটি অর্থ বহন করে।
উদাহরণ:
He is proud of his blue blood.
মনে রাখুন: আভিজাত্য বোঝাতে আরও বলা হয় noble birth। - ২৯. The word 'Quorum' means—
- ক. number
- খ. required number
- গ. allowed number
- ঘ. additional number
উত্তর: খ. required number
Quorum হলো কোনো সভা বা সংসদে বৈধ সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য অন্তত যতজন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন, সেই সংখ্যা। অর্থাৎ এটি ন্যূনতম প্রয়োজনীয় সংখ্যা (Required number)। এই সংখ্যা না হলে সভা শুরু বা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায় না। ধরা যাক, কোনো সভায় কমপক্ষে ১০ জন সদস্য থাকা দরকার। সেখানে ৭ জন এলে কোরাম হয়নি বলা হবে। বাংলাদেশের সংসদে অধিবেশন চালাতে মোট সদস্যের এক-চতুর্থাংশ উপস্থিত থাকতে হয়।
মনে রাখুন:
Quorum-এর বাংলা পরিভাষা কোরাম বা গণপূরক সংখ্যা।
সংবিধানের ৭৫ অনুচ্ছেদে সংসদের কোরামের কথা আছে। - ৩০. What type of noun is 'kindness'?
- ক. Proper
- খ. Common
- গ. Abstract
- ঘ. Material
উত্তর: গ. Abstract
যে noun কোনো গুণ, অবস্থা বা ধারণার নাম বোঝায় এবং যাকে চোখে দেখা বা হাতে ধরা যায় না, তাকে Abstract noun বলে। Kindness মানে দয়া, এটি একটি গুণ, তাই এটি abstract noun। Proper noun বিশেষ নাম বোঝায়, Common noun সাধারণ জাতির নাম বোঝায়, আর Material noun পদার্থের নাম বোঝায়। Kind শব্দের শেষে -ness যোগ করে kindness হয়েছে, আর এই প্রত্যয় বহু abstract noun তৈরিতে ব্যবহার হয়।
উদাহরণ:
Honesty, freedom, childhood, poverty.
মনে রাখুন: Adjective থেকে abstract noun তৈরি হয়, যেমন kind-kindness, wise-wisdom. - ৩১. Try hard lest you — fail.
- ক. may
- খ. might
- গ. should
- ঘ. would
উত্তর: গ. should
Lest শব্দের অর্থ ‘পাছে’ বা ‘যাতে না হয়’। এই conjunction-এর পর সাধারণত should ব্যবহার করা হয়। তাই বাক্যটি হবে ‘Try hard lest you should fail’, অর্থাৎ ‘ভালো করে চেষ্টা করো, যাতে ব্যর্থ না হও’। Lest নিজেই না-বোধক অর্থ বহন করে, তাই পরে not বসাতে হয় না। এই শব্দ প্রায়ই সতর্ক করার অর্থে আসে।
উদাহরণ:
Work hard lest you should lose.
Walk carefully lest you should fall.
মনে রাখুন: Lest ব্যবহৃত বাক্যে আলাদা করে ‘not’ দিলে ভুল হয়। - ৩২. This is the go of the world. Here 'go' is a/an—
- ক. verb
- খ. noun
- গ. adverb
- ঘ. adjective
উত্তর: খ. noun
‘The go of the world’ অংশে go শব্দের আগে article ‘the’ আছে, আর পরে preposition ‘of’ আছে। Article-এর পর noun বসে, তাই এখানে go একটি noun, যার অর্থ রীতি বা চল। সাধারণত go ক্রিয়া, কিন্তু একই বানানের শব্দ বাক্যে বসার জায়গা অনুযায়ী noun বা verb হতে পারে। তাই article ও preposition দেখে পদ নির্ণয় করাই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায়।
উদাহরণ:
It is all the go. (এটাই এখনকার চল)
He is going. (এখানে go verb)
মনে রাখুন: একই শব্দ বাক্যে বসার জায়গা অনুযায়ী noun, verb বা adjective হতে পারে। - ৩৩. Which one of the following sentences is correct?
- ক. Dhaka is on Buriganga.
- খ. Dhaka is on a Buriganga.
- গ. Dhaka is on the Buriganga.
- ঘ. The Dhaka is on the Buriganga.
উত্তর: গ. Dhaka is on the Buriganga.
নদী, সাগর, পর্বতমালা ও দ্বীপপুঞ্জের নামের আগে ইংরেজিতে the বসে। Buriganga একটি নদী, তাই the Buriganga লিখতে হবে। কিন্তু শহরের নাম Dhaka-র আগে the বসে না। এই কারণে ‘Dhaka is on the Buriganga’ বাক্যটি শুদ্ধ। Dhaka-র আগে the বা a বসালে ভুল হয়, আবার Buriganga-র আগে the না থাকলেও ভুল।
উদাহরণ:
the Padma, the Himalayas, the Pacific, the Bay of Bengal, the Alps.
মনে রাখুন:
দেশ, শহর ও ব্যক্তির নামের আগে সাধারণত article বসে না।
একটি পাহাড়ের নামে the লাগে না, যেমন Mount Everest. - ৩৪. The noun of the word 'beautiful' is—আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৬
- ক. beautify
- খ. beauty
- গ. beautifully
- ঘ. beauteous
উত্তর: খ. beauty
Beautiful একটি adjective, যার অর্থ সুন্দর। এর noun রূপ beauty, অর্থাৎ সৌন্দর্য। Beautify একটি verb (সুন্দর করা), beautifully একটি adverb (সুন্দরভাবে), আর beauteous হলো adjective-এর একটি পুরোনো কাব্যিক রূপ, যা কবিতায় দেখা যায়। শব্দ রূপান্তরের প্রশ্নে আগে দেখতে হয় কোন পদ চাওয়া হয়েছে। এখানে noun চাওয়া হয়েছে, তাই উত্তর beauty।
উদাহরণ:
She is beautiful.
Her beauty is rare.
মনে রাখুন: beauty (noun), beautiful (adjective), beautifully (adverb), beautify (verb). - ৩৫. Which one is an example of superlative degree?
- ক. Least
- খ. Little
- গ. Less
- ঘ. Fewer
উত্তর: ক. Least
Little-এর comparative degree less এবং superlative degree least। সুতরাং superlative degree-এর উদাহরণ least, যার অর্থ সবচেয়ে কম। Little হলো positive degree, আর less হলো comparative degree। Fewer হলো few-এর comparative, যা গণনাযোগ্য বস্তুর ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়। Superlative degree তিন বা ততোধিক জিনিসের মধ্যে তুলনা বোঝায় এবং সাধারণত এর আগে the বসে। Comparative দুটি জিনিসের তুলনা করে এবং পরে than ব্যবহার করে।
উদাহরণ:
He has the least money among them.
মনে রাখুন: Little-less-least, few-fewer-fewest, much-more-most. - ৩৬. I have read the book— you lent me.
- ক. that
- খ. whom
- গ. whose
- ঘ. who
উত্তর: ক. that
বাক্যে antecedent হলো ‘the book’, অর্থাৎ একটি বস্তু। দুটি বাক্যকে জুড়ে দিতে relative pronoun বসে। এখানে ‘I have read the book’ আর ‘you lent me the book’ মিলে এক বাক্য হয়েছে, আর সংযোগের কাজটি করেছে that। Who ও whom ব্যক্তির ক্ষেত্রে বসে, আর whose অধিকার বোঝায়, তাই এখানে ঠিক নয়। That বস্তু ও ব্যক্তি দুই ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা যায়। তাই শুদ্ধ বাক্য হয়: I have read the book that you lent me.
মনে রাখুন:
Which প্রাণহীন বস্তুর ক্ষেত্রে বসে। এখানে which-ও ঠিক হতো, কিন্তু অপশনে নেই।
Who কর্তা হিসেবে ব্যক্তির জন্য, whom কর্ম হিসেবে ব্যক্তির জন্য বসে। - ৩৭. 'Flora' means—
- ক. elaborate decoration with flowers
- খ. all the flowers of an area
- গ. a garland of flowers
- ঘ. the plants of a particular area
উত্তর: ঘ. the plants of a particular area
Flora বলতে কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চল বা সময়ের সব উদ্ভিদকে বোঝায়, অর্থাৎ ‘the plants of a particular area’। এর পাশাপাশি Fauna বলতে সেই এলাকার প্রাণীকূল বোঝায়। কোনো জায়গার জীববৈচিত্র্য বোঝাতে এই দুটি শব্দ একসঙ্গে বলা হয়। অপশনগুলো ফুলের সাজ, ফুলের মালা বা সব ফুলের কথা বলছে, যা flora-র আসল অর্থ নয়। মজার ব্যাপার হলো, Flora নামটি রোমান পুরাণের ফুলের দেবীর নাম থেকে এসেছে।
উদাহরণ:
The flora and fauna of the Sundarbans are rich.
মনে রাখুন: Flora-র বাংলা উদ্ভিদকুল, Fauna-র বাংলা প্রাণিকুল। - ৩৮. Milk is— food.
- ক. nutritional
- খ. nutrient
- গ. nutritive
- ঘ. nutritious
উত্তর: ঘ. nutritious
‘Milk is nutritious food’ বাক্যে nutritious মানে পুষ্টিকর, অর্থাৎ যে খাবার শরীরকে পুষ্টি জোগায়। বাক্যে food noun-এর আগে adjective দরকার, তাই nutritious বসে। Nutrient একটি noun, অর্থাৎ পুষ্টি উপাদান, তাই এটি বসালে অর্থ ভুল হয়। Nutritional মানে পুষ্টি-সংক্রান্ত। Nutritive শব্দের অর্থ কাছাকাছি, তবে এটি বৈজ্ঞানিক আলোচনায় বেশি আসে, যেমন nutritive value, আর দৈনন্দিন কথায় খাবারকে পুষ্টিকর বলতে nutritious চলে।
উদাহরণ:
Fruits are nutritious.
মনে রাখুন: Nutrition (noun) = পুষ্টি, nutritionist = পুষ্টিবিদ। - ৩৯. One who is a specialist in heart and its diseases is—
- ক. a pharmacologist
- খ. an ophthalmologist
- গ. a cardiologist
- ঘ. a neurologist
উত্তর: গ. a cardiologist
যে চিকিৎসক হৃৎপিণ্ড ও তার রোগের বিশেষজ্ঞ, তাঁকে cardiologist বলে। Cardio শব্দাংশ গ্রিক ‘kardia’ (হৃদয়) থেকে এসেছে। অন্য অপশনগুলোর মধ্যে pharmacologist ওষুধ নিয়ে গবেষণা করেন, ophthalmologist চোখের বিশেষজ্ঞ, আর neurologist স্নায়ুতন্ত্রের রোগের বিশেষজ্ঞ। বিশেষজ্ঞের নামের প্রথম অংশ থেকে অঙ্গ আন্দাজ করা যায়, যেমন cardio মানে হৃদয়, neuro মানে স্নায়ু, আর ophthalmo মানে চোখ। এই কৌশলে অচেনা শব্দও চেনা সহজ হয়।
মনে রাখুন:
Dermatologist = চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ।
Orthopaedist = হাড়ের বিশেষজ্ঞ।
Paediatrician = শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ। - ৪০. The verb form of 'danger' is—
- ক. dangle
- খ. endanger
- গ. dangerous
- ঘ. dangerously
উত্তর: খ. endanger
Danger একটি noun, যার অর্থ বিপদ। এর আগে en- উপসর্গ যোগ করে verb তৈরি হয়, endanger অর্থাৎ বিপদে ফেলা। Dangle শব্দের অর্থ ঝুলে থাকা বা দোলানো, ফলে এর সঙ্গে সম্পর্ক নেই। Dangerous হলো adjective এবং dangerously হলো adverb। এই নিয়মে আরও শব্দ হয়: large থেকে enlarge, courage থেকে encourage, rich থেকে enrich।
উদাহরণ:
Pollution endangers our health.
মনে রাখুন: En- দিয়ে verb বানানো শব্দ: enable, enrich, endear, enlarge. - ৪১. Your conduct admits— no excuse.
- ক. of
- খ. to
- গ. into
- ঘ. at
উত্তর: ক. of
Admit of একটি phrasal verb, যার অর্থ কোনো কিছুর অবকাশ বা সুযোগ থাকা। ‘Your conduct admits of no excuse’ মানে ‘তোমার আচরণের কোনো অজুহাত চলে না’। এখানে admit-এর পর preposition of বসে, অন্য preposition বসালে অর্থ মেলে না। Admit শব্দটি একা বসলে ‘স্বীকার করা’ বা ‘ভর্তি করা’ বোঝায়, কিন্তু of-এর সঙ্গে এলে অর্থ বদলে যায়।
উদাহরণ:
The matter admits of no delay.
মনে রাখুন: Admit to = স্বীকার করা, admit into = ভেতরে ঢুকতে দেওয়া। ‘অবকাশ’ বোঝাতে of-ই ঠিক। - ৪২. The river has— its banks.
- ক. overflown
- খ. overflowed
- গ. overflew
- ঘ. overloaded
উত্তর: খ. overflowed
Present perfect tense-এ has বা have-এর পর verb-এর past participle বসে। Overflow একটি regular verb, তাই এর past participle হলো overflowed। ‘The river has overflowed its banks’ মানে নদী তার তীর ছাপিয়ে গেছে। Overflown ও overflew প্রচলিত রূপ নয়, আর overloaded মানে বোঝা চাপানো, তাই এটি অর্থে মেলে না। প্লাবনের প্রশ্নে সম্পর্কিত শব্দগুলোও জানা দরকার।
উদাহরণ:
The river has risen.
The river has overflowed.
মনে রাখুন: flood, overflow, inundate, submerge সবই প্লাবনের কাছাকাছি অর্থ দেয়। - ৪৩. A person who sells fruits and vegetables is—
- ক. a vegetableman
- খ. a vegetarian
- গ. a greengrocer
- ঘ. a hawker
উত্তর: গ. a greengrocer
যে ব্যক্তি ফল ও সবজি বিক্রি করে, তাকে greengrocer বলে। শব্দটি green আর grocer জুড়ে তৈরি, যা অর্থ বুঝতে সাহায্য করে। Grocer সাধারণ মুদি, আর greengrocer শাকসবজি ও ফল বিক্রি করে। Vegetarian হলো যে ব্যক্তি নিরামিষ খায়, আর hawker হলো যে ফেরি করে জিনিস বিক্রি করে। Vegetableman ইংরেজিতে চলে না। ইংরেজিতে পেশাজীবীর নাম প্রায়ই তাঁর বিক্রি করা পণ্য থেকে আসে।
মনে রাখুন:
Butcher = মাংস বিক্রেতা।
Baker = রুটি বিক্রেতা।
Florist = ফুল বিক্রেতা।
Stationer = কাগজ-কলম বিক্রেতা। - ৪৪. Which sentence is correct?
- ক. I do not know to swim
- খ. He told me a fool
- গ. A drowning man catches at a straw
- ঘ. He said me a lie
উত্তর: গ. A drowning man catches at a straw
‘A drowning man catches at a straw’ একটি প্রবাদ, অর্থাৎ বিপদে পড়লে মানুষ সামান্য আশ্রয়কেও আঁকড়ে ধরে। বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে শুদ্ধ। বাকি তিনটি শুদ্ধ নয়। ‘I do not know to swim’ ভুল, কারণ ‘কীভাবে’ বোঝাতে how দরকার, তাই হবে ‘I do not know how to swim’। ‘He told me a fool’ ভুল, এখানে ‘He called me a fool’ হবে। ‘He said me a lie’ ভুল, এখানে ‘He told me a lie’ হবে।
মনে রাখুন:
Tell-এর পর ব্যক্তি ও কথা থাকে (tell me a lie)।
Say-এর পর সরাসরি কথা বসে, ব্যক্তি নয় (say a word)।
Call-এর পর ব্যক্তি ও নাম বা বিশেষণ থাকে। - ৪৫. The car— by the side of the road.
- ক. has parked
- খ. was parked
- গ. parking
- ঘ. none
উত্তর: খ. was parked
গাড়িটি নিজে নিজে পার্ক করে না, কেউ তাকে পার্ক করেছে, তাই এখানে passive voice দরকার। Past passive গঠন হলো subject + was/were + verb-এর past participle। ‘The car was parked by the side of the road’ মানে ‘গাড়িটি রাস্তার পাশে রাখা ছিল’। Has parked হলে অর্থ দাঁড়ায় গাড়ি নিজে পার্ক করেছে, যা ঠিক নয়। Parking শব্দটি একা বাক্যের verb হতে পারে না, কারণ এর সঙ্গে auxiliary লাগে। এখানে কাজটি কে করেছে তা বলা হয়নি, শুধু গাড়ির অবস্থা জানানো হয়েছে, তাই passive স্বাভাবিক।
উদাহরণ:
The letter was written yesterday.
মনে রাখুন: Active ‘He parked the car’ থেকে passive ‘The car was parked by him’ হয়। - ৪৬. 'By fits and starts' means—
- ক. irregularly
- খ. carefully
- গ. regularly
- ঘ. attentively
উত্তর: ক. irregularly
‘By fits and starts’ idiom-টির অর্থ থেমে থেমে বা অনিয়মিতভাবে কাজ করা, অর্থাৎ irregularly। কেউ কিছুক্ষণ কাজ করে, আবার থেমে যায়, তখন এই অভিব্যক্তি ব্যবহার হয়। মজার ব্যাপার হলো, fit আর start দুটোই হঠাৎ শুরু ও থামার কথা বলে। বিপরীত অর্থ বোঝাতে regularly বা steadily বলা হয়। Carefully মানে সতর্কভাবে, আর attentively মানে মনোযোগের সঙ্গে।
উদাহরণ:
He studies by fits and starts.
মনে রাখুন: Off and on, now and then, once in a while সবই মাঝে মাঝে ঘটার অর্থ দেয়। - ৪৭. Which one is correct?
- ক. The old man was died yesterday.
- খ. The old man has died yesterday.
- গ. The old man died yesterday.
- ঘ. The old man had died yesterday.
উত্তর: গ. The old man died yesterday.
‘Yesterday’ অতীতের একটি নির্দিষ্ট সময় বোঝায়, তাই বাক্যটি Past indefinite tense-এ হবে। ‘The old man died yesterday’ শুদ্ধ বাক্য। ‘Was died’ ভুল, কারণ die অকর্মক ক্রিয়া, তার passive রূপ হয় না। ‘Has died yesterday’ ভুল, কারণ present perfect-এর সঙ্গে নির্দিষ্ট অতীত সময়ের শব্দ বসে না। ‘Had died yesterday’ ঠিক নয়, কারণ এখানে অতীতের আরেকটি ঘটনার সঙ্গে তুলনা নেই।
মনে রাখুন:
Yesterday, ago, last night থাকলে simple past বসে।
Present perfect-এর সঙ্গে since, for, already, just বসে।
গণিত
- ৪৮. কুসুমের আয় মুকুলের আয় অপেক্ষা ২৫% বেশি। মুকুলের আয় কুসুমের আয় অপেক্ষা কত % কম?
- ক. ২০%
- খ. ২৫%
- গ. ১০%
- ঘ. ১৫%
উত্তর: ক. ২০%
কুসুমের আয় মুকুলের আয়ের চেয়ে ২৫% বেশি। ধরি মুকুলের আয় 100 টাকা, তাহলে কুসুমের আয় 125 টাকা। এখন মুকুলের আয় কুসুমের চেয়ে কত কম, তা দেখতে হবে কুসুমের আয়কে ভিত্তি ধরে। পার্থক্য 125 − 100 = 25 টাকা। তাই কম = (25/125) × 100 = 20%।
শর্টকাট: কোনো রাশি a% বাড়লে মূল রাশি যত শতাংশ কমে, তার সূত্র a/(100 + a) × 100। এখানে 25/125 × 100 = 20%।
মনে রাখুন: বাড়ার শতাংশ আর কমার শতাংশ সমান হয় না, কারণ ভিত্তি বদলে যায়। - ৪৯. ৮ ÷ ০.১২৫ = কত?
- ক. ৬৪
- খ. ৬.৪
- গ. ৩২
- ঘ. ৩.২
উত্তর: ক. ৬৪
ভাজক দশমিক হলে তাকে ভগ্নাংশে লিখলে কাজ সহজ হয়। 0.125 = 125/1000 = 1/8। তাই 8 ÷ 0.125 = 8 ÷ (1/8) = 8 × 8 = 64।
যাচাই: 64 × 0.125 = 8, মিলে যায়। আরেক পথেও একই উত্তর আসে। লব ও হরকে 1000 দিয়ে গুণ করলে 8 ÷ 0.125 = 8000 ÷ 125 = 64।
মনে রাখুন:
0.125 হলো 1/8-এর দশমিক রূপ, তাই এর দ্বারা ভাগ করা মানে 8 দিয়ে গুণ করা।
8 ÷ 0.125 কখনও 32 হয় না, কারণ 32 × 0.125 = 4। - ৫০. দুই অঙ্কবিশিষ্ট একটি সংখ্যার দশক স্থানীয় অঙ্ক একক স্থানীয় অঙ্কের দ্বিগুণ। সংখ্যাটি অঙ্কদ্বয়ের সমষ্টির কত গুণ?
- ক. ৮ গুণ
- খ. ৭ গুণ
- গ. ৬ গুণ
- ঘ. ৫ গুণ
উত্তর: খ. ৭ গুণ
একক স্থানের অঙ্ক x হলে দশক স্থানের অঙ্ক হবে 2x। তাহলে সংখ্যা = 10 × 2x + x = 21x। অঙ্ক দুটির সমষ্টি = 2x + x = 3x। সংখ্যা ÷ সমষ্টি = 21x ÷ 3x = 7। অতএব সংখ্যাটি অঙ্কদ্বয়ের সমষ্টির ৭ গুণ।
উদাহরণ:
x = 3 নিলে সংখ্যা 63, অঙ্ক দুটির যোগফল 9, আর 63 = 7 × 9।
মনে রাখুন: দশক ও এককের অঙ্ক নিয়ে সংখ্যা লিখলে সংখ্যা = 10a + b হয়। - ৫১. দুটো সংখ্যার অনুপাত ৫ : ৮। উভয়ের সাথে ২ যোগ করলে অনুপাতটি ২ : ৩ হয়। সংখ্যা দুটি কত?
- ক. ৭ ও ১১
- খ. ১২ ও ১৮
- গ. ১০ ও ২৪
- ঘ. ১০ ও ১৬
উত্তর: ঘ. ১০ ও ১৬
সংখ্যা দুটি 5x ও 8x ধরি। প্রতিটির সঙ্গে 2 যোগ করলে অনুপাত হয় (5x + 2) : (8x + 2) = 2 : 3। আড়গুণন করলে 3(5x + 2) = 2(8x + 2), অর্থাৎ 15x + 6 = 16x + 4। তাই x = 2। সংখ্যা দুটি 10 ও 16।
যাচাই: (10 + 2) : (16 + 2) = 12 : 18 = 2 : 3।
মনে রাখুন: অপশন মিলিয়েও দ্রুত দেখা যায়, কারণ সংখ্যা দুটির অনুপাত 5 : 8 হতে হবে, আর 10 : 16 = 5 : 8। - ৫২. ভগ্নাংশগুলোর মধ্যে কোনটি সবচেয়ে বড়?
- ক. ২/৩
- খ. ১৩/১৫
- গ. ৪/৫
- ঘ. ২৩/৩০
উত্তর: খ. ১৩/১৫
ভগ্নাংশ তুলনা করতে সবগুলোর হর সমান করে নিতে হয়। হরগুলো ৩, ১৫, ৫ ও ৩০-এর ল.সা.গু. 30। তাই 2/3 = 20/30, 13/15 = 26/30, 4/5 = 24/30, আর 23/30 তো আছেই। লবগুলো 20, 26, 24 ও 23, এর মধ্যে সবচেয়ে বড় 26। তাই বৃহত্তম ভগ্নাংশ 13/15। দশমিকে বদলেও এটি দেখা যায়: 2/3 ≈ 0.667, 13/15 ≈ 0.867, 4/5 = 0.8, 23/30 ≈ 0.767।
মনে রাখুন: হর সমান থাকলে যার লব বড়, সেই ভগ্নাংশ বড়। হরের ল.সা.গু. সহজে না পেলে দশমিকে রূপান্তর করা যায়। - ৫৩. একটি কলম ২৫ টাকায় বিক্রয় করলে যে ক্ষতি হয়, ৩৫ টাকায় বিক্রয় করলে তত টাকা লাভ হয়, উহার ক্রয়মূল্য কত?
- ক. ২৮ টাকা
- খ. ৩০ টাকা
- গ. ৩২ টাকা
- ঘ. ৩৪ টাকা
উত্তর: খ. ৩০ টাকা
ধরি ক্রয়মূল্য x টাকা। 25 টাকায় বিক্রি করলে ক্ষতি x − 25, আর 35 টাকায় বিক্রি করলে লাভ 35 − x। প্রশ্নমতে ক্ষতি = লাভ, তাই x − 25 = 35 − x। সমাধান করলে 2x = 60, x = 30। অতএব ক্রয়মূল্য 30 টাকা।
শর্টকাট: ক্ষতি ও লাভ সমান হলে ক্রয়মূল্য দুই বিক্রয়মূল্যের গড় হয়। (25 + 35)/2 = 30।
যাচাই: ক্ষতি 5 টাকা, লাভ 5 টাকা, দুটিই সমান।
মনে রাখুন: দুই বিক্রয়মূল্যে ক্ষতি ও লাভ সমান হলে ক্রয়মূল্য ঠিক মাঝখানে থাকে। - ৫৪. নিচের কোনটি অমূলদ সংখ্যা?
- ক. √27/3
- খ. ∛125/5
- গ. ∜81/4
- ঘ. ⁵√32/8
উত্তর: ক. √27/3
যে সংখ্যাকে দুটি পূর্ণসংখ্যার ভগ্নাংশ হিসেবে লেখা যায় না, তাকে অমূলদ সংখ্যা (Irrational number) বলে। √27 = 3√3, তাই √27/3 = √3। √3-এর মান 1.7320508… এবং এটি অসীম অনাবৃত্ত দশমিক, তাই অমূলদ। বাকিগুলো যাচাই করা যায়: ∛125/5 = 5/5 = 1, ∜81/4 = 3/4, আর ⁵√32/8 = 2/8 = 1/4, সবই মূলদ। অর্থাৎ মূল বের করে পূর্ণ মান পেলে সংখ্যাটি মূলদ, আর না পেলে অমূলদ।
মনে রাখুন: √2, √3, √5 ও π অমূলদ সংখ্যার পরিচিত উদাহরণ। - ৫৫. কোনো বাগানের দৈর্ঘ্য ২০ মিটার ও প্রস্থ ১০ মিটার হলে ঐ বাগানের ক্ষেত্রফল কত বর্গমিটার?
- ক. ৩০
- খ. ২
- গ. ৩০০
- ঘ. ২০০
উত্তর: ঘ. ২০০
আয়তাকার ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ। এখানে দৈর্ঘ্য 20 মিটার এবং প্রস্থ 10 মিটার। তাই ক্ষেত্রফল = 20 × 10 = 200 বর্গমিটার। ক্ষেত্রফল বর্গ একক-এ প্রকাশ হয়, আর দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ মিটারে থাকলে ক্ষেত্রফল বর্গমিটারে আসে। 30 হলো দুই বাহুর যোগফল, তাই সেটি উত্তর নয়। প্রশ্নে কী চাওয়া হয়েছে, তা আগে ভালো করে পড়তে হয়।
মনে রাখুন: পরিসীমা = 2(দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) = 60 মিটার, আর ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ। দুটি আলাদা বিষয়। - ৫৬. চিনির মূল্য ২৫% বৃদ্ধি পাওয়ায় একটি পরিবার চিনি খাওয়া এমনভাবে কমালো যে চিনি বাবদ ব্যয় বৃদ্ধি পেল না। ঐ পরিবার চিনি খাওয়া বাবদ শতকরা কত কমালো?
- ক. ২২%
- খ. ২৫%
- গ. ২০%
- ঘ. ৩০%
উত্তর: গ. ২০%
ধরি আগে 100 টাকার চিনি কেনা হতো। দাম 25% বাড়ায় এখন একই চিনির দাম 125 টাকা। কিন্তু খরচ 100 টাকাই রাখতে হলে এখন 100 টাকায় আগের চিনির 100/125 অংশ কেনা যাবে। অর্থাৎ ব্যবহারের হার 80%। তাই কমাতে হবে 100 − 80 = 20%।
শর্টকাট: দাম a% বাড়লে খরচ ঠিক রাখতে ব্যবহার a/(100 + a) × 100 শতাংশ কমাতে হয়। এখানে 25/125 × 100 = 20%।
মনে রাখুন: কমার হার সবসময় বাড়ার হারের চেয়ে কম হয়, কারণ ভিত্তি বদলে যায়। - ৫৭. দুইটি ক্রমিক সংখ্যার বর্গের অন্তর ১৯৯ হলে ছোট সংখ্যাটি কত?
- ক. ৯৯
- খ. ৮৯
- গ. ৭৯
- ঘ. ৬৯
উত্তর: ক. ৯৯
ক্রমিক সংখ্যা দুটি x ও x + 1 ধরি। তাদের বর্গের অন্তর (x + 1)² − x² = 199। বর্গের অন্তরের সূত্রে এটি (x + 1 + x)(x + 1 − x) = 2x + 1। তাই 2x + 1 = 199 এবং x = 99। ছোট সংখ্যা 99, বড় সংখ্যা 100।
শর্টকাট: দুটি ক্রমিক সংখ্যার বর্গের অন্তর সবসময় সংখ্যা দুটির যোগফলের সমান। যোগফল 199, তাই সংখ্যা দুটি 99 ও 100।
মনে রাখুন: a² − b² = (a + b)(a − b)। - ৫৮. কোনো স্থানে যতজন লোক ছিল প্রত্যেকে তত পাঁচ টাকা করে চাঁদা দেয়ায় মোট ৪৫০০ টাকা আদায় হলো। এখানে লোকসংখ্যা কত?
- ক. ৭৫০
- খ. ৯০০
- গ. ৮০০
- ঘ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. কোনোটিই নয়
ধরি লোকসংখ্যা x জন। প্রত্যেকে x × 5 টাকা করে দিয়েছে, তাই মোট চাঁদা 5x × x = 5x²। প্রশ্নমতে 5x² = 4500, তাই x² = 900, অর্থাৎ x = 30। লোকসংখ্যা 30 জন, আর এটি অপশন ৭৫০, ৯০০ বা ৮০০-এর কোনোটির সঙ্গে মেলে না। তাই উত্তর ‘কোনোটিই নয়’।
যাচাই: 30 জনের প্রত্যেকে 150 টাকা করে দিলে 30 × 150 = 4500 টাকা।
মনে রাখুন: x = ±30 পাওয়া যায়, কিন্তু লোকসংখ্যা ঋণাত্মক হতে পারে না, তাই শুধু 30 গ্রহণযোগ্য। - ৫৯. পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি ৮৪ বছর। ১০ বছর পূর্বে তাদের বয়সের অনুপাত ৫ : ৩ ছিল। ১০ বছর পর এ অনুপাত কত হবে?
- ক. ২৯ : ১৯
- খ. ১৫ : ১১
- গ. ১৯ : ১৩
- ঘ. ১৯ : ১১
উত্তর: খ. ১৫ : ১১
বর্তমানে পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি 84 বছর। 10 বছর আগে দুজনের সমষ্টি ছিল 84 − 20 = 64 বছর। তখনকার অনুপাত 5 : 3, সুতরাং তখন পিতা ছিলেন 64 × 5/8 = 40 এবং পুত্র 24। এখন পিতা 50, পুত্র 34। 10 বছর পর হবে 60 ও 44। অনুপাত 60 : 44 = 15 : 11।
মনে রাখুন: দুজনের বয়সের পার্থক্য কখনও বদলায় না (এখানে 16 বছর), আর যোগফল ধরে অনুপাতের ভাগ করলে কাজ সহজ হয়। - ৬০. a − [a − {a − (a − 1)}] এর মান কত?
- ক. 1
- খ. a−1
- গ. a+1
- ঘ. −1
উত্তর: ক. 1
ভেতরের বন্ধনী থেকে শুরু করে বাইরের দিকে সরলীকরণ করতে হয়। সবচেয়ে ভেতরে (a − 1) আছে। তার আগে ঋণাত্মক চিহ্ন থাকায় a − (a − 1) = a − a + 1 = 1। তাই দ্বিতীয় বন্ধনীর ভেতরের মান 1, অর্থাৎ {a − (a − 1)} = 1। এরপর তৃতীয় বন্ধনীর ভেতরে [a − 1] পাওয়া যায়। সবশেষে a − [a − 1] = a − a + 1 = 1। অতএব পুরো রাশির মান 1।
মনে রাখুন: বন্ধনীর আগে ঋণাত্মক চিহ্ন থাকলে বন্ধনী খোলার সময় ভেতরের প্রতিটি পদের চিহ্ন উল্টে যায়।
সরলীকরণের ক্রম: প্রথম বন্ধনী ( ), দ্বিতীয় বন্ধনী { }, তৃতীয় বন্ধনী [ ]। - ৬১. x + 1/x = √3 হলে, x³ + 1/x³ এর মান কত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৪
- ক. 0
- খ. 6
- গ. 4
- ঘ. 2
উত্তর: ক. 0
ঘনের সূত্র অনুযায়ী x³ + 1/x³ = (x + 1/x)³ − 3(x + 1/x)। এখানে x + 1/x = √3, তাই (√3)³ = 3√3 এবং 3 × √3 = 3√3। অতএব মান = 3√3 − 3√3 = 0।
মনে রাখুন:
সূত্রটি এসেছে (a + b)³ = a³ + b³ + 3ab(a + b) থেকে, যেখানে ab = 1।
x² + 1/x² = (x + 1/x)² − 2 = 3 − 2 = 1। - ৬২. log₂√6 + log₂√(2/3) = কত?
- ক. 0
- খ. 2
- গ. 1
- ঘ. 3
উত্তর: গ. 1
লগের যোগ হলো গুণফলের লগ, অর্থাৎ log a + log b = log(ab)। তাই log₂√6 + log₂√(2/3) = log₂(√6 × √(2/3)) = log₂√(6 × 2/3) = log₂√4 = log₂ 2 = 1। কারণ √4 = 2 এবং log₂2 = 1। আরেকভাবে করলে (1/2) log₂6 + (1/2) log₂(2/3) = (1/2) log₂4 = (1/2) × 2 = 1 পাওয়া যায়।
মনে রাখুন:
log_a a = 1, log_a 1 = 0।
log_a(mn) = log_a m + log_a n।
log_a(m/n) = log_a m − log_a n। - ৬৩. যদি a, b বাস্তব সংখ্যা এবং a ≠ 0, b ≠ 0 হয়, তবে a^(2b⁰) + b^(2a⁰)-এর মান—
- ক. a+b
- খ. 2
- গ. 0
- ঘ. a²+b²
উত্তর: ঘ. a²+b²
যেকোনো অশূন্য সংখ্যার শূন্য ঘাত 1, অর্থাৎ a⁰ = 1 এবং b⁰ = 1। তাই a^(2b⁰) = a^(2×1) = a² এবং b^(2a⁰) = b^(2×1) = b²। যোগফল a² + b²। প্রশ্নে a ≠ 0 ও b ≠ 0 বলা আছে, তাই শূন্য ঘাতের নিয়মটি প্রযোজ্য। a বা b শূন্য হলে 0⁰-র মান অনির্ণেয় হয়ে যেত।
মনে রাখুন:
শূন্য ছাড়া যেকোনো সংখ্যার শূন্য ঘাত 1।
a^(−n) = 1/aⁿ। - ৬৪. x/y + y/x = 3 হলে, x²/y² + y²/x² এর মান কত?
- ক. 6
- খ. 7
- গ. 9
- ঘ. 10
উত্তর: খ. 7
ধরি x/y + y/x = 3। দুই পক্ষের বর্গ করলে (x/y)² + 2 × (x/y)(y/x) + (y/x)² = 9। যেহেতু (x/y)(y/x) = 1, তাই x²/y² + 2 + y²/x² = 9। সুতরাং x²/y² + y²/x² = 9 − 2 = 7। একই পদ্ধতিতে ঘনের সূত্র দিয়ে x³/y³ + y³/x³-এর মানও বের হয়: 3³ − 3 × 3 = 18।
মনে রাখুন: a + 1/a = k হলে a² + 1/a² = k² − 2। এখানে k = 3, তাই 9 − 2 = 7। - ৬৫. যদি (125)^(2x+3) = 5^(3x+6) হয়, তবে x = কত?
- ক. 0
- খ. 1
- গ. −1
- ঘ. 4
উত্তর: গ. −1
দুই পক্ষের ভিত্তি এক করতে হবে। 125 = 5³, তাই 125^(2x+3) = 5^(3(2x+3)) = 5^(6x+9)। প্রশ্নমতে 5^(6x+9) = 5^(3x+6)। ভিত্তি সমান হলে ঘাত সমান, তাই 6x + 9 = 3x + 6। এ থেকে 3x = −3, অর্থাৎ x = −1।
যাচাই: বাম পক্ষ 125^1 = 125 = 5³, ডান পক্ষ 5^(−3+6) = 5³।
মনে রাখুন: ঘাতযুক্ত সমীকরণে সম্ভব হলে দুই পক্ষে একই ভিত্তি আনতে হয়, তাহলে সমীকরণ সরল হয়ে যায়। - ৬৬. 5 + 8 + 11 + 14 + ... ধারার কোন পদ 302?
- ক. 100
- খ. 101
- গ. 102
- ঘ. 103
উত্তর: ক. 100
ধারাটি সমান্তর ধারা, কারণ প্রতিটি পদ আগেরটির চেয়ে 3 বেশি। প্রথম পদ a = 5, সাধারণ অন্তর d = 3। n-তম পদের সূত্র a + (n − 1)d। 302 = 5 + (n − 1) × 3 থেকে 297 = 3(n − 1), তাই n − 1 = 99 এবং n = 100। অতএব ধারার 100তম পদ 302।
মনে রাখুন:
সমান্তর ধারার n-তম পদ = a + (n − 1)d।
n পদের যোগফল = n/2 {2a + (n − 1)d}। - ৬৭. log_√3 81 = কত?
- ক. 4
- খ. 6
- গ. 9
- ঘ. 8
উত্তর: ঘ. 8
লগের সংজ্ঞা অনুযায়ী log_a b = x মানে a^x = b। এখানে ভিত্তি √3 এবং 81 = 3⁴। কিন্তু √3 = 3^(1/2), তাই 3⁴ = (3^(1/2))⁸ = (√3)⁸। অতএব log_√3 81 = 8।
শর্টকাট: log_(a^m) b^n = (n/m) log_a b। এখানে 4 ÷ (1/2) = 8।
যাচাই: (√3)² = 3, তাই (√3)⁸ = 3⁴ = 81।
মনে রাখুন: ভিত্তি কোনো সংখ্যার মূল হলে তাকে ঘাতে লিখে ফেলাই সবচেয়ে সহজ উপায়। - ৬৮. একটি সমকোণী ত্রিভুজের সমকোণ ছাড়া অন্য দুইটি কোণ-
- ক. সন্নিহিত কোণ
- খ. সরলকোণ
- গ. পূরক কোণ
- ঘ. সূক্ষ্মকোণ
উত্তর: ঘ. সূক্ষ্মকোণ
যেকোনো ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি 180°। সমকোণী ত্রিভুজে একটি কোণ 90°, তাই বাকি দুই কোণের সমষ্টি 180° − 90° = 90°। দুটি কোণের প্রতিটি ধনাত্মক এবং যোগফল 90°, তাই প্রতিটি 90°-এর ছোট। 90°-এর ছোট কোণকে সূক্ষ্মকোণ বলে। অপশনে ‘পূরক কোণ’ও আছে। দুই কোণের সমষ্টি 90° বলে তারা পরস্পরের পূরক বটে, কিন্তু প্রশ্নে প্রতিটি কোণের ধরন জানতে চাওয়া হয়েছে, আর তার উত্তর সূক্ষ্মকোণ।
মনে রাখুন:
সূক্ষ্মকোণ < 90°, সমকোণ = 90°, স্থূলকোণ > 90°।
সরলকোণ = 180°। - ৬৯. সমকোণী ত্রিভুজের বাহুগুলোর অনুপাত হবে—
- ক. 6:4:3
- খ. 6:5:4
- গ. 12:8:4
- ঘ. 13:12:5
উত্তর: ঘ. 13:12:5
সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজের বর্গ বাকি দুই বাহুর বর্গের সমষ্টির সমান (পিথাগোরাসের উপপাদ্য)। অপশনগুলো যাচাই করা যায়: 13² = 169 এবং 12² + 5² = 144 + 25 = 169। তাই 13 : 12 : 5 সমকোণী ত্রিভুজের বাহুর অনুপাত হতে পারে। 6 : 4 : 3 হলে 36 ≠ 16 + 9, আর 6 : 5 : 4 হলে 36 ≠ 25 + 16। 12 : 8 : 4 হলে 144 ≠ 64 + 16।
মনে রাখুন: পিথাগোরীয় ত্রয়ী: (3, 4, 5), (5, 12, 13), (8, 15, 17), (7, 24, 25)। - ৭০. একটি সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজের দৈর্ঘ্য ১০ সে. মি. হলে ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত?
- ক. ৫০ বর্গ সে.মি.
- খ. ২৫ বর্গ সে.মি.
- গ. ১০০ বর্গ সে.মি.
- ঘ. ৫ বর্গ সে.মি.
উত্তর: খ. ২৫ বর্গ সে.মি.
সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজের সমান বাহু দুটিকে a ধরি। পিথাগোরাসের সূত্রে a² + a² = 10², তাই 2a² = 100 এবং a² = 50। ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = ½ × ভূমি × উচ্চতা = ½ × a × a = ½a² = ½ × 50 = 25 বর্গ সে.মি.। এখানে সমান বাহুর দৈর্ঘ্য 5√2 সে.মি.।
শর্টকাট: সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ c হলে ক্ষেত্রফল c²/4। এখানে 100/4 = 25।
মনে রাখুন: অতিভুজকে কর্ণ ধরে বর্গ কল্পনা করলে বর্গের ক্ষেত্রফল 10²/2 = 50, আর ত্রিভুজটি তার অর্ধেক, তাই 25। - ৭১. কোনটি সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল?
- ক. ½ (ভূমি × উচ্চতা)
- খ. দৈর্ঘ্য × প্রস্থ
- গ. ½ (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)
- ঘ. ভূমি × উচ্চতা
উত্তর: ঘ. ভূমি × উচ্চতা
সামান্তরিকের (Parallelogram) বিপরীত বাহুগুলো সমান্তরাল। এর ক্ষেত্রফল ভূমি ও তার ওপর লম্ব উচ্চতার গুণফল, অর্থাৎ ক্ষেত্রফল = ভূমি × উচ্চতা। ½ (ভূমি × উচ্চতা) হলো ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল, আর দৈর্ঘ্য × প্রস্থ আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল। উচ্চতা বলতে ভূমির ওপর লম্ব দূরত্ব বোঝায়, হেলানো বাহুর দৈর্ঘ্য নয়। হেলানো বাহু উচ্চতার চেয়ে বড় হয়, তাই সূত্রে পাশের বাহু বসালে ভুল হয়।
মনে রাখুন:
রম্বস ও বর্গ সামান্তরিকের বিশেষ রূপ।
রম্বসের ক্ষেত্রফল = ½ × কর্ণ দুটির গুণফল। - ৭২. সূর্যের উন্নতি কোণ 60° হলে একটি গাছের ছায়ার দৈর্ঘ্য ১০ মিটার হয়। গাছটির উচ্চতা কত?
- ক. 17.32 মি.
- খ. 16.72 মি.
- গ. 17.52 মি.
- ঘ. 17.75 মি.
উত্তর: ক. 17.32 মি.
গাছ, ছায়া ও সূর্যরশ্মি মিলে একটি সমকোণী ত্রিভুজ তৈরি হয়। উন্নতি কোণ 60°, ছায়ার দৈর্ঘ্য (ভূমি) 10 মিটার এবং গাছের উচ্চতা h। সূত্র অনুসারে tan 60° = h/10। tan 60° = √3 = 1.732, তাই h = 10√3 = 17.32 মিটার। সূর্যের উন্নতি কোণ বেশি হলে ছায়া ছোট হয়, আর কোণ কম হলে ছায়া লম্বা হয়।
মনে রাখুন:
tan 30° = 1/√3, tan 45° = 1, tan 60° = √3।
উন্নতি কোণ 45° হলে গাছের উচ্চতা ও ছায়া সমান হয়।
বাংলাদেশ
- ৭৩. রাষ্ট্রপতি জারিকৃত আইনকে কী বলে?
- ক. আইন
- খ. সংবিধান
- গ. অধ্যাদেশ
- ঘ. বিল
উত্তর: গ. অধ্যাদেশ
সংসদ ভেঙে যাওয়া অবস্থায় বা অধিবেশন না থাকলে জরুরি প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি আইনের মতো ক্ষমতাসম্পন্ন যে আদেশ জারি করেন, তাকে অধ্যাদেশ (Ordinance) বলে। সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদে এই ক্ষমতার কথা আছে। জারির পর সংসদের পরবর্তী বৈঠকে অধ্যাদেশটি উপস্থাপন করতে হয়। সংসদ অনুমোদন করলে এটি স্থায়ী আইনে পরিণত হতে পারে, আর বিবেচনা না করলে নির্দিষ্ট সময় পরে বাতিল হয়ে যায়। তাই অধ্যাদেশ সাময়িক ব্যবস্থা।
মনে রাখুন:
অধ্যাদেশ দিয়ে সংবিধান সংশোধন করা যায় না।
বিল সংসদে পাস হলে এবং রাষ্ট্রপতি সম্মতি দিলে আইন হয়। - ৭৪. মুক্তিযুদ্ধের সময় বরিশাল কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?
- ক. ১নং সেক্টর
- খ. ৬নং সেক্টর
- গ. ৮নং সেক্টর
- ঘ. ৯নং সেক্টর
উত্তর: ঘ. ৯নং সেক্টর
মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। এর মধ্যে ৯নং সেক্টরের আওতায় ছিল বরিশাল ও পটুয়াখালী এবং খুলনার দক্ষিণাঞ্চল। এই সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর এম. এ. জলিল। পরে ডিসেম্বরের দিকে মেজর জয়নুল আবেদীন দায়িত্ব পান। এই এলাকায় নদীনালা বেশি, তাই নৌ-কমান্ডো তৎপরতাও চালানো হতো। সেক্টর ও এলাকা একসঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজ হয়।
মনে রাখুন:
১নং সেক্টর: চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম।
৬নং সেক্টর: রংপুর ও দিনাজপুরের অংশ।
৮নং সেক্টর: কুষ্টিয়া, যশোর ও খুলনার অংশ। - ৭৫. হাজংদের অধিবাস কোথায়?
- ক. ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা
- খ. কক্সবাজার ও রামু
- গ. রংপুর ও দিনাজপুর
- ঘ. সিলেট ও মনিপুর
উত্তর: ক. ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা
হাজং বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী। তারা বেশিরভাগ বাস করে ময়মনসিংহ বিভাগের নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ ও শেরপুর জেলায়। নেত্রকোনার কলমাকান্দা, দুর্গাপুর ও হালুয়াঘাট এলাকায় এদের বসতি বেশি। ধর্মের দিক থেকে হাজংরা সনাতন ধর্মাবলম্বী। ১৯৪০-এর দশকে কৃষকদের টংক আন্দোলনে হাজংদের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল। এ কারণে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রশ্নে বসতি ও ঐতিহাসিক ভূমিকা একসঙ্গে মনে রাখা ভালো।
মনে রাখুন:
গারো, হাজং, কোচ ও বর্মণ মূলত ময়মনসিংহ অঞ্চলের নৃগোষ্ঠী।
চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরা পার্বত্য চট্টগ্রামে থাকে।
টংক আন্দোলনের পরিচিত নাম রাসমণি হাজং। - ৭৬. শহিদ মিনারের স্থপতি কে ছিলেন?
- ক. হামিদুর রহমান
- খ. সৈয়দ আবদুল্লাহ খালেদ
- গ. আবদুর রাজ্জাক
- ঘ. শামীম সিকদার
উত্তর: ক. হামিদুর রহমান
ঢাকা মেডিকেল কলেজের কাছে ভাষা শহীদদের স্মৃতিতে যে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার আছে, তার স্থপতি হামিদুর রহমান। ১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ছাত্রজনতা প্রথমে একটি অস্থায়ী স্মৃতিস্তম্ভ গড়েছিল, যা পরে ভেঙে ফেলা হয়। পরে হামিদুর রহমানের নকশায় নতুন স্মৃতিসৌধ তৈরি হয়, যার স্তম্ভগুলো মা ও তাঁর সন্তানদের প্রতীক। এটি ১৯৬৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন করেন শহিদ বরকতের মা হাসিনা বেগম।
মনে রাখুন:
১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনী শহিদ মিনার ধ্বংস করে, স্বাধীনতার পর আবার নির্মাণ করা হয়।
২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। - ৭৭. বিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ অরণ্য কোথায়?
- ক. ব্রাজিল
- খ. যুক্তরাজ্য
- গ. কেনিয়া
- ঘ. বাংলাদেশ
উত্তর: ঘ. বাংলাদেশ
সুন্দরবন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ (Mangrove) বন, যা বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে বিস্তৃত। এর বড় অংশ বাংলাদেশে, খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলায়। বাংলাদেশের অংশের আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গকিলোমিটার। এখানে জোয়ার-ভাটার লোনা পানিতে সুন্দরী, গরান ও গেওয়া গাছ জন্মে। রয়েল বেঙ্গল টাইগারের আবাসস্থল হিসেবেও এই বন বিখ্যাত। ম্যানগ্রোভ বনের গাছের শ্বাসমূল কাদার ওপর খাড়া হয়ে জেগে থাকে এবং গাছকে শ্বাস নিতে সাহায্য করে। এ ধরনের বন ঝড় ও জলোচ্ছ্বাস থেকে উপকূলকে বাঁচায়।
মনে রাখুন:
১৯৯৭ সালে সুন্দরবন ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় যুক্ত হয়।
১৯৯২ সালে এটি রামসার সাইট ঘোষিত হয়। - ৮০. কোন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য বাংলাদেশ এমডিজি-২০১০ পুরস্কার পায়?
- ক. মাতৃমৃত্যুর হার হ্রাস
- খ. শিশুমৃত্যুর হার হ্রাস
- গ. জনসংখ্যার বৃদ্ধির হার হ্রাস
- ঘ. দারিদ্র্য বিমোচন
উত্তর: খ. শিশুমৃত্যুর হার হ্রাস
২০১০ সালে জাতিসংঘের সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য (MDG) অর্জনের স্বীকৃতিতে বাংলাদেশ পুরস্কার পায়। এই পুরস্কার শিশুমৃত্যুর হার কমানোর সাফল্যের জন্য, অর্থাৎ MDG-৪ লক্ষ্যে অগ্রগতির স্বীকৃতি হিসেবে দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিউইয়র্কে এই পুরস্কার গ্রহণ করেন। টিকাদান কর্মসূচি, ওরাল স্যালাইনের ব্যবহার ও স্বাস্থ্যকর্মীদের কাজের ফলে এই সাফল্য এসেছিল। পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুমৃত্যুর হার ১৯৯০ সালের তুলনায় অনেক কমেছে, তাই এটি বাংলাদেশের জন্য বড় অর্জন।
মনে রাখুন:
MDG-৪ হলো শিশুমৃত্যু হ্রাস।
MDG-৫ হলো মাতৃস্বাস্থ্যের উন্নতি।
MDG-১ হলো চরম দারিদ্র্য ও ক্ষুধা দূর করা। - ৮১. বাংলায় শিক্ষামূলক কার্টুন সিরিজ 'মীনা' কোন শিল্পীর সৃষ্টি?
- ক. তানভীর কবির
- খ. মোস্তফা মনোয়ার
- গ. রফিকুন্নবী
- ঘ. মৃণাল হক
উত্তর: খ. মোস্তফা মনোয়ার
‘মীনা’ কার্টুন সিরিজের মূল ভাবনা ও সৃষ্টিকর্তা হিসেবে বাংলাদেশের শিল্পী মোস্তফা মনোয়ারের নাম বলা হয়। মীনা একটি সাহসী ও বুদ্ধিমতী ছোট মেয়ে, যে গল্পের মধ্য দিয়ে মেয়েশিশুর শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অধিকারের কথা শেখায়। ইউনিসেফের সহায়তায় এটি দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশে প্রচারিত হয়। মীনার গল্পে মেয়েদের স্কুলে যাওয়া, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও পুষ্টি নিয়ে কথা বলা হয়। এতে গ্রামীণ জীবনের ছায়া আছে, তাই এ দেশের শিশুদের কাছে এটি জনপ্রিয় হয়েছে।
মনে রাখুন:
মীনার ভাই রাজু।
মীনার পোষা তোতা মিঠু। - ৯২. সুন্দরবন বাংলাদেশের কতটি জেলায় রয়েছে?
- ক. ৩টি
- খ. ৪টি
- গ. ৫টি
- ঘ. ৬টি
উত্তর: ক. ৩টি
সুন্দরবন বাংলাদেশের তিনটি জেলায় ছড়িয়ে আছে: খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট। সুন্দরবনকে আবার চারটি রেঞ্জে ভাগ করা হয়েছে: চাঁদপাই, শরণখোলা, খুলনা ও বুড়িগোয়ালিনী। রেঞ্জের সংখ্যা চার, কিন্তু জেলা তিনটি, এই পার্থক্য মনে রাখা দরকার। বনের নামটি এসেছে সুন্দরী গাছ থেকে, যদিও বনে গরান, গেওয়া ও কেওড়া গাছও প্রচুর। বনটি বাঘ, হরিণ ও নানা পাখির আবাস।
মনে রাখুন:
সুন্দরবনের প্রধান গাছ সুন্দরী।
১৯৯৭ সালে এটি বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় যুক্ত হয়। - ৯৬. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস 'নিষিদ্ধ লোবান'-এর রচয়িতা কে?
- ক. আনোয়ার পাশা
- খ. সৈয়দ শামসুল হক
- গ. শওকত ওসমান
- ঘ. সেলিনা হোসেন
উত্তর: খ. সৈয়দ শামসুল হক
‘নিষিদ্ধ লোবান’ মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা উপন্যাস, যার লেখক সৈয়দ শামসুল হক (জন্ম ১৯৩৫, কুড়িগ্রাম)। তিনি কবি, নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক হিসেবে বিখ্যাত। অন্য অপশনগুলোর মধ্যে আনোয়ার পাশা লিখেছেন ‘রাইফেল রোটি আওরাত’, শওকত ওসমান ‘জাহান্নাম হইতে বিদায়’, আর সেলিনা হোসেন ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’। লোবান এক ধরনের সুগন্ধি ধূপ, যা ধর্মীয় আচারে ব্যবহার হয়। নামের মধ্যেই যুদ্ধকালীন সময়ে স্বাভাবিক জীবনের ওপর নেমে আসা বিধিনিষেধের ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
মনে রাখুন:
সৈয়দ শামসুল হকের অন্যান্য রচনা: নীল দংশন, খেলারাম খেলে যা (উপন্যাস)।
তাঁর কাব্যনাট্য ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ও মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা।
আন্তর্জাতিক
- ৭৮. G-8 এর একমাত্র এশীয় দেশ কোনটি?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৫, এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৯
- ক. চীন
- খ. ভারত
- গ. জাপান
- ঘ. সিঙ্গাপুর
উত্তর: গ. জাপান
জি-৮ ছিল বিশ্বের আটটি শিল্পোন্নত দেশের জোট: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, কানাডা, জাপান ও রাশিয়া। এর মধ্যে এশিয়ার একমাত্র দেশ ছিল জাপান। রাশিয়ার একটি বড় অংশ এশিয়ায় পড়লেও সাধারণভাবে দেশটিকে ইউরোপীয় ধরা হয়। ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া দখলের পর রাশিয়ার সদস্যপদ স্থগিত করা হয় এবং গোষ্ঠীটি আবার জি-৭ নামে চলে। জি-৭-এও এশিয়ার একমাত্র সদস্য জাপান।
মনে রাখুন:
জি-৭-এর সদস্য: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, কানাডা ও জাপান।
চীন ও ভারত জি-৭ বা জি-৮-এর সদস্য নয়, তারা জি-২০-এর সদস্য। - ৮৫. নমপেন কোন দেশের রাজধানী?
- ক. লাওস
- খ. কম্বোডিয়া
- গ. থাইল্যান্ড
- ঘ. ভিয়েতনাম
উত্তর: খ. কম্বোডিয়া
নমপেন (Phnom Penh) কম্বোডিয়ার রাজধানী ও বৃহত্তম শহর। এটি মেকং, টনলে সাপ ও বাসাক নদীর সংযোগস্থলে অবস্থিত। অন্য দেশগুলোর রাজধানী আলাদা: লাওসের ভিয়েনতিয়েন, থাইল্যান্ডের ব্যাংকক এবং ভিয়েতনামের হ্যানয়। কম্বোডিয়ার সরকারি মুদ্রার নাম রিয়েল, আর প্রধান ভাষা খেমার। দেশটির বিখ্যাত পর্যটন কেন্দ্র আঙ্কর ওয়াট। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার রাজধানীগুলো পরীক্ষায় একসঙ্গে মনে রাখা সুবিধাজনক।
মনে রাখুন:
মিয়ানমারের রাজধানী নেপিদো।
ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা।
ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলা।
মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুর। - ৮৬. সালভাদর ডালি কে ছিলেন?
- ক. বিজ্ঞানী
- খ. লেখক
- গ. চিত্রশিল্পী
- ঘ. অভিনেতা
উত্তর: গ. চিত্রশিল্পী
সালভাদর ডালি (১৯০৪-১৯৮৯) স্পেনের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী। তিনি পরাবাস্তববাদ (Surrealism) আন্দোলনের একজন প্রধান শিল্পী। তাঁর আঁকা ‘দ্য পার্সিস্টেন্স অব মেমোরি’ ছবিটি গলে যাওয়া ঘড়ির জন্য বিশ্বখ্যাত। তাঁর ছবিতে স্বপ্নের মতো অদ্ভুত দৃশ্য ফুটে ওঠে, যা তাঁকে অন্য শিল্পীদের থেকে আলাদা করে। ডালি লেখক বা অভিনেতা হিসেবে পরিচিত নন, ছবিই ছিল তাঁর আসল পরিচয়।
মনে রাখুন:
পাবলো পিকাসো কিউবিজমের শিল্পী।
লিওনার্দো দা ভিঞ্চি ‘মোনালিসা’র শিল্পী।
স্পেনের বিখ্যাত শিল্পীদের মধ্যে ডালি, পিকাসো ও গোয়া আছেন। - ৮৭. কোন তিনজন দার্শনিককে Wise men of the old বলা হয়?
- ক. প্লেটো, এরিস্টটল, ম্যাকিয়াভেলি
- খ. সক্রেটিস, প্লেটো, অস্টিন
- গ. হবস, লক, রুশো
- ঘ. সক্রেটিস, প্লেটো, এরিস্টটল
উত্তর: ঘ. সক্রেটিস, প্লেটো, এরিস্টটল
প্রাচীন গ্রিসের তিন মহান দার্শনিক সক্রেটিস, প্লেটো ও এরিস্টটল। এঁদের মধ্যে গুরু-শিষ্যের সম্পর্ক ছিল। সক্রেটিসের ছাত্র প্লেটো, আর প্লেটোর ছাত্র এরিস্টটল। পশ্চিমা দর্শন, রাজনীতি ও বিজ্ঞানচিন্তার ভিত এঁদের হাতে তৈরি হয়েছে বলে এঁদের Wise men of the old বলা হয়। সক্রেটিস নিজে কিছু লেখেননি, তাঁর কথা প্লেটোর লেখায় এসেছে।
মনে রাখুন:
প্লেটো এথেন্সে ‘একাডেমি’ প্রতিষ্ঠা করেন এবং ‘দ্য রিপাবলিক’ লেখেন।
এরিস্টটল ‘লাইসিয়াম’ স্থাপন করেন, আলেকজান্ডারের শিক্ষক ছিলেন এবং তাঁকে ‘রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক’ বলা হয়।
ম্যাকিয়াভেলি ‘দ্য প্রিন্স’ লিখেছেন। - ৮৮. গ্রিনিচ মান মন্দির কোথায় অবস্থিত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৭
- ক. ফ্রান্স
- খ. যুক্তরাজ্য
- গ. জার্মানি
- ঘ. যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর: খ. যুক্তরাজ্য
গ্রিনিচ মান মন্দির, অর্থাৎ রয়্যাল অবজারভেটরি, লন্ডনের গ্রিনিচে অবস্থিত, যা যুক্তরাজ্যের অংশ। ১৬৭৫ সালে রাজা দ্বিতীয় চার্লসের নির্দেশে এটি নির্মাণ করা হয়। এর ওপর দিয়ে যাওয়া রেখাকে প্রধান মধ্যরেখা (Prime Meridian) ধরা হয়, যার দ্রাঘিমা 0°। ১৮৮৪ সালে আন্তর্জাতিক সম্মেলনে গ্রিনিচ মান সময় (GMT) সর্বজনীনভাবে গৃহীত হয়। পৃথিবীর প্রতি ১৫° দ্রাঘিমায় ১ ঘণ্টা সময়ের তফাত ধরা হয়। এই হিসাবের শুরু গ্রিনিচ থেকে, তাই পূর্ব দিকের দেশ বাংলাদেশ সময়ে এগিয়ে থাকে।
মনে রাখুন: GMT থেকে বাংলাদেশের সময় ৬ ঘণ্টা এগিয়ে, অর্থাৎ GMT+6। - ৮৯. 'মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোলস'-এর মোট লক্ষ্য কতটি?
- ক. ৫টি
- খ. ৬টি
- গ. ৮টি
- ঘ. ১০টি
উত্তর: গ. ৮টি
২০০০ সালে জাতিসংঘের সহস্রাব্দ সম্মেলনে বিশ্বনেতারা দারিদ্র্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ ইত্যাদি নিয়ে মোট ৮টি লক্ষ্য ঠিক করেন, যেগুলো মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোলস (MDG) নামে পরিচিত। এসব লক্ষ্য ২০১৫ সালের মধ্যে অর্জনের কথা ছিল। এরপর ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত মেয়াদে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (SDG) গ্রহণ করা হয়, যেখানে লক্ষ্য ১৭টি। MDG-র প্রথমটি চরম দারিদ্র্য ও ক্ষুধা নির্মূল, দ্বিতীয়টি সবার জন্য প্রাথমিক শিক্ষা, তৃতীয়টি নারী-পুরুষের সমতা। বাকিগুলো শিশুমৃত্যু, মাতৃস্বাস্থ্য, রোগ নিয়ন্ত্রণ, পরিবেশ ও বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব নিয়ে।
মনে রাখুন:
MDG: ৮টি লক্ষ্য, মেয়াদ ২০০০-২০১৫।
SDG: ১৭টি লক্ষ্য, মেয়াদ ২০১৬-২০৩০। - ৯০. বিখ্যাত ওয়াটারলু যুদ্ধক্ষেত্র কোথায় অবস্থিত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৭, এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৯
- ক. বেলজিয়াম
- খ. যুক্তরাজ্য
- গ. ফ্রান্স
- ঘ. জার্মানি
উত্তর: ক. বেলজিয়াম
১৮১৫ সালের ১৮ জুন ওয়াটারলুর বিখ্যাত যুদ্ধ হয়, যেখানে ব্রিটিশ সেনাপতি ডিউক অব ওয়েলিংটন এবং প্রুশীয় সেনাপতি ব্লুখারের মিলিত বাহিনী নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে পরাজিত করে। ওয়াটারলু এখনকার বেলজিয়ামে, রাজধানী ব্রাসেলসের কাছে। এই পরাজয়ের পর নেপোলিয়নকে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসনে পাঠানো হয়। ইংরেজিতে ‘to meet one’s Waterloo’ বাগধারার অর্থ চূড়ান্ত পরাজয় বরণ করা, যা এই যুদ্ধ থেকেই এসেছে।
মনে রাখুন:
নেপোলিয়নের প্রথম নির্বাসনের দ্বীপ এলবা, শেষ নির্বাসনের দ্বীপ সেন্ট হেলেনা।
যুদ্ধের জায়গা ফ্রান্স বা জার্মানি নয়, বেলজিয়াম। - ৯৩. পরিবেশ রক্ষাকারী জাতিসংঘের সংগঠন কোনটি?
- ক. UNICEF
- খ. UNEP
- গ. UNDP
- ঘ. UNESCO
উত্তর: খ. UNEP
UNEP-এর পূর্ণরূপ United Nations Environment Programme, বাংলায় জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি। ১৯৭২ সালে স্টকহোম সম্মেলনের পর এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদর দপ্তর কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে। পরিবেশ রক্ষা এবং টেকসই উন্নয়নের নীতি তৈরিতে এই সংস্থা কাজ করে। ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালন করা হয়, আর এই দিবসের আয়োজনে UNEP নেতৃত্ব দেয়।
মনে রাখুন:
UNICEF শিশুদের নিয়ে কাজ করে।
UNDP উন্নয়ন নিয়ে কাজ করে।
UNESCO শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি নিয়ে কাজ করে। - ৯৪. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় কোরিয়া নিচের কোন দেশের অধীনে ছিল?
- ক. যুক্তরাষ্ট্র
- খ. জাপান
- গ. চীন
- ঘ. রাশিয়া
উত্তর: খ. জাপান
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় কোরিয়া জাপানের শাসনের অধীনে ছিল। ১৯০৫ সালে জাপান কোরিয়াকে নিজের আশ্রিত রাজ্য বানায় এবং ১৯১০ সালে সম্পূর্ণ দখল করে নেয়। ১৯৪৫ সালে জাপানের পরাজয়ের পর কোরিয়া মুক্ত হয়। এরপর ৩৮ সমান্তরাল রেখা ধরে উত্তরে সোভিয়েত এবং দক্ষিণে মার্কিন প্রভাব তৈরি হয়, যা থেকে পরে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার ভাগ হয়। জাপানি শাসনের সময় কোরিয়ার ভাষা ও সংস্কৃতি দমন করা হয়েছিল।
মনে রাখুন:
কোরিয়ার মুক্তির তারিখ ১৫ আগস্ট ১৯৪৫।
কোরিয়ার ১৯৫০-৫৩ সালের যুদ্ধ ঠান্ডা যুদ্ধের এক বড় ঘটনা। - ৯৫. তৈল উৎপাদনে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান বিশ্বে কততম স্থানে?
- ক. দশম
- খ. প্রথম
- গ. পঞ্চম
- ঘ. তৃতীয়
উত্তর: খ. প্রথম
যুক্তরাষ্ট্র শেল তেলের বিপুল উৎপাদনের কারণে বিশ্বে সবচেয়ে বেশি অপরিশোধিত তেল উৎপাদনকারী দেশ হয়ে ওঠে। ফ্র্যাকিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে শেল শিলা থেকে তেল তোলার ফলে দেশটি এই অবস্থানে এসেছে। ২০১০-এর দশকে নতুন প্রযুক্তি আসার পর উৎপাদন দ্রুত বাড়ে। এর বড় অংশ আসে টেক্সাস ও নর্থ ডাকোটার শেল ক্ষেত্র থেকে। এ প্রশ্নে সাধারণত যুক্তরাষ্ট্রকে প্রথম ধরা হয়।
মনে রাখুন:
তেল উৎপাদনে শীর্ষ তিন দেশ যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও সৌদি আরব।
তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংগঠন OPEC-এর সদর দপ্তর ভিয়েনায়।
হালনাগাদ: ২০২৬ সালেও উৎপাদনে যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষে আছে বলে ধরা হয়।
বিজ্ঞান
- ৭৯. সবচেয়ে হালকা ধাতু কোনটি?
- ক. লিথিয়াম
- খ. ওসমিয়াম
- গ. কপার
- ঘ. তামা
উত্তর: ক. লিথিয়াম
লিথিয়াম (Li) সবচেয়ে হালকা ধাতু, যার ঘনত্ব প্রায় 0.53 g/cm³। এত হালকা যে এটি পানিতেও ভাসে। এর পরমাণু সংখ্যা 3 এবং এটি ক্ষার ধাতুর (Alkali metal) দলে পড়ে। ধাতুটি এত নরম যে ছুরি দিয়ে কাটা যায়। বাতাসের সংস্পর্শে এলে এর উজ্জ্বলতা ধীরে ধীরে কমে যায়, তাই একে তেলের নিচে রাখা হয়। মজার ব্যাপার হলো, মোবাইল ও ল্যাপটপের রিচার্জেবল ব্যাটারি লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি। অপশনের ওসমিয়াম (Os) বরং সবচেয়ে ভারী ধাতু, আর তামা ও কপার একই ধাতুর দুটি নাম।
মনে রাখুন:
সবচেয়ে ভারী ধাতু ওসমিয়াম, ঘনত্ব প্রায় 22.6 g/cm³।
কক্ষ তাপমাত্রায় তরল ধাতু পারদ।
সবচেয়ে হালকা মৌল হাইড্রোজেন। - ৮২. পৃথিবীর সবচেয়ে কাছের গ্রহ কোনটি?
- ক. শনি
- খ. শুক্র
- গ. মঙ্গল
- ঘ. বুধ
উত্তর: খ. শুক্র
সৌরজগতে শুক্র গ্রহ পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে আসে, তখন দূরত্ব প্রায় ৪ কোটি কিলোমিটার। এ কারণে পাঠ্যবইয়ে শুক্রকে পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ বলা হয়। শুক্র সূর্য থেকে দ্বিতীয় গ্রহ এবং ভোরে ও সন্ধ্যায় আকাশে খুব উজ্জ্বল দেখায়। তাই ভোরে একে শুকতারা এবং সন্ধ্যায় সন্ধ্যাতারা বলা হয়। শুক্র অন্য বেশিরভাগ গ্রহের উল্টো দিকে, পূর্ব থেকে পশ্চিমে নিজ অক্ষে ঘোরে।
মনে রাখুন:
সবচেয়ে উত্তপ্ত গ্রহ শুক্র।
আধুনিক গবেষণায় গড় দূরত্ব ধরলে বুধকে কাছের গ্রহ বলা হয়, কিন্তু পাঠ্যবইয়ের হিসাবে পরীক্ষায় শুক্রই উত্তর। - ৯১. পাখিপালন বিদ্যাকে কী বলে?
- ক. এপিকালচার
- খ. এভিকালচার
- গ. পোলট্রি
- ঘ. এথনোলজি
উত্তর: খ. এভিকালচার
পাখি পালনের বিদ্যা এভিকালচার (Aviculture)। ল্যাটিন avis মানে পাখি, আর culture মানে চাষ বা পালন। মনে রাখার সহজ উপায় হলো এভিয়েশনের সঙ্গে মিল। অন্যান্য পালনবিদ্যার নাম আলাদা: মৌমাছি পালনের নাম এপিকালচার (apis = মৌমাছি), মাছ চাষের নাম পিসিকালচার (piscis = মাছ) এবং রেশম চাষের নাম সেরিকালচার। পোলট্রি বলতে মূলত হাঁস-মুরগি পালনকে বোঝায়, আর এথনোলজি হলো মানবজাতির বিজ্ঞান।
মনে রাখুন:
হর্টিকালচার = বাগান চাষ।
ভারমিকালচার = কেঁচো পালন।
ফ্লোরিকালচার = ফুল চাষ।
কম্পিউটার ও আইসিটি
- ৮৩. নিচের কোনটি ইউটিলিটি সফটওয়্যার?
- ক. উইন্ডোজ
- খ. ওরাকল
- গ. এন্টি ভাইরাস
- ঘ. মাইক্রোসফট ওয়ার্ড
উত্তর: গ. এন্টি ভাইরাস
কম্পিউটারের কিছু সফটওয়্যার সরাসরি আমাদের বিশেষ কাজ করে না, বরং যন্ত্রকে সুস্থ ও নিরাপদ রাখতে সহায়তা করে। এগুলোকে ইউটিলিটি সফটওয়্যার (Utility Software) বলে। অ্যান্টি ভাইরাস ভাইরাস শনাক্ত ও দূর করে, তাই এটি ইউটিলিটি সফটওয়্যার। উইন্ডোজ হলো অপারেটিং সিস্টেম, ওরাকল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার, আর মাইক্রোসফট ওয়ার্ড অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
মনে রাখুন:
উইন্ডোজ, লিনাক্স ও অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম।
ডিস্ক ক্লিনআপ, ফাইল কম্প্রেসার ও ব্যাকআপ টুলও ইউটিলিটি সফটওয়্যারের উদাহরণ।
সফটওয়্যার তিন ভাগে ভাগ করা যায়: সিস্টেম, অ্যাপ্লিকেশন ও ইউটিলিটি। - ৮৪. ১ মেগাবাইট = কত কিলোবাইট?
- ক. ১০০০
- খ. ৬১২
- গ. ১০২৬
- ঘ. ১০২৪
উত্তর: ঘ. ১০২৪
কম্পিউটারে তথ্য মাপার একক বাইনারি পদ্ধতিতে চলে, যেখানে ভিত্তি ২। তাই ১ কিলোবাইট (KB) = ২¹⁰ = ১০২৪ বাইট। একইভাবে ১ মেগাবাইট (MB) = ১০২৪ কিলোবাইট। সাধারণ হিসাবে ১০০০ ধরা হয়, কিন্তু কম্পিউটার বিজ্ঞানে প্রচলিত হিসাব ১০২৪। যেমন একটি ফাইলের আকার ২ মেগাবাইট হলে সেটি ২ × ১০২৪ = ২০৪৮ কিলোবাইট।
মনে রাখুন:
১ বাইট = ৮ বিট।
১ KB = ১০২৪ বাইট, ১ MB = ১০২৪ KB।
১ GB = ১০২৪ MB, ১ TB = ১০২৪ GB।
বিভিন্ন মন্ত্রণালয়: অন্যান্য পরীক্ষা
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয় উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয় সহকারী প্রোগ্রামার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয় উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিদ্যুৎ বিভাগ বিদ্যুৎ পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর সহকারী প্রকৌশলী (পুর)/উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন