বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯। ৯৫টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →বাংলাদেশ
- ১. মুক্তিযুদ্ধে 'ক্র্যাক প্লাটুন' কোন শহরে সক্রিয় ছিল?
- ক. চট্টগ্রাম
- খ. খুলনা
- গ. ঢাকা
- ঘ. বরিশাল
উত্তর: গ. ঢাকা
মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা শহরে পাকিস্তানি বাহিনীর ওপর গেরিলা আক্রমণ চালিয়েছিল ক্র্যাক প্লাটুন (Crack Platoon)। এটি ছিল একদল তরুণ মুক্তিযোদ্ধার দল। তাঁরা শহরের ভেতরে লুকিয়ে থেকে হঠাৎ আক্রমণ করে সরে যেতেন, একে বলে ‘হিট অ্যান্ড রান’ পদ্ধতি। ঢাকা শহর ছিল ২নং সেক্টরের অধীনে, তাই এই দলের কাজ সেক্টরের সঙ্গে জড়িত ছিল।
মনে রাখুন:
গেরিলা যুদ্ধ হলো ছোট দলে হঠাৎ আক্রমণ করে দ্রুত সরে যাওয়ার কৌশল।
ঢাকা শহর ও আশপাশের এলাকা ২নং সেক্টরের আওতায় ছিল, যার কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ। - ৬. বাংলাদেশের সাথে ভারতের সীমানা দৈর্ঘ্য কত?
- ক. ৭১৬ কিমি
- খ. ৪১৫৬ কিমি
- গ. ৩০১৫ কিমি
- ঘ. ৬৫১৪ কিমি
উত্তর: খ. ৪১৫৬ কিমি
বাংলাদেশের স্থলসীমান্তের প্রায় পুরোটাই ভারতের সঙ্গে। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্তের দৈর্ঘ্য ৪,১৫৬ কিলোমিটার। বাংলাদেশের আরেকটি মাত্র প্রতিবেশী দেশ আছে, সেটি মিয়ানমার। মিয়ানমারের সঙ্গে সীমান্ত তুলনায় অনেক ছোট, প্রায় ২৭১ কিলোমিটার। সুতরাং ভারতের সঙ্গে সীমান্তই বাংলাদেশের সবচেয়ে দীর্ঘ সীমান্ত।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশের স্থলসীমানা শুধু দুটি দেশের সঙ্গে, ভারত ও মিয়ানমার।
সীমান্ত পাহারা দেয় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। - ৭. স্বাধীনতা যুদ্ধে কত জনকে 'বীরশ্রেষ্ঠ' খেতাব দেওয়া হয়?
- ক. ৬৯ জন
- খ. ৭ জন
- গ. ১৭ জন
- ঘ. ৪২৬ জন
উত্তর: খ. ৭ জন
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য সাহসিকতার জন্য সরকার চার স্তরের বীরত্বসূচক খেতাব দিয়েছে। এর সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ। এই খেতাব পেয়েছেন মাত্র ৭ জন মুক্তিযোদ্ধা, তাঁরা সবাই শহীদ।
মনে রাখুন:
বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন, বীরউত্তম ৬৮ জন, বীরবিক্রম ১৭৫ জন, বীরপ্রতীক ৪২৬ জন।
বীরশ্রেষ্ঠ সাতজন হলেন মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল, মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর, মতিউর রহমান, হামিদুর রহমান, নূর মোহাম্মদ শেখ, রুহুল আমিন ও মুন্সি আবদুর রউফ। - ১২. সংবিধানের কোন ভাগে মূলনীতিসমূহ বর্ণিত হয়েছে?
- ক. ১ম
- খ. ২য়
- গ. ৩য়
- ঘ. ৫ম
উত্তর: খ. ২য়
বাংলাদেশের সংবিধান মোট ১১টি ভাগে সাজানো। এর দ্বিতীয় ভাগের নাম ‘রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি’, যা ৮ থেকে ২৫ অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে। ৮ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হলো জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা। অর্থাৎ মূলনীতিগুলো আছে দ্বিতীয় ভাগে।
মনে রাখুন:
প্রথম ভাগ: প্রজাতন্ত্র।
দ্বিতীয় ভাগ: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
তৃতীয় ভাগ: মৌলিক অধিকার (অনুচ্ছেদ ২৬-৪৭ক)।
পঞ্চম ভাগ: আইনসভা (সংসদ)। - ২১. কোনটি রামসার সাইট?
- ক. হাকালুকি হাওড়
- খ. সেন্টমার্টিন
- গ. টাঙ্গুয়ার হাওড়
- ঘ. মারজাও বাঁওড়
উত্তর: গ. টাঙ্গুয়ার হাওড়
রামসার সাইট (Ramsar Site) হলো আন্তর্জাতিক গুরুত্বের জলাভূমি, যা ১৯৭১ সালের রামসার কনভেনশনের আওতায় ঘোষণা করা হয়। ২০১৯-২০ সালে বাংলাদেশের রামসার সাইট ছিল দুটি: সুন্দরবন এবং সিলেট-সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওড়। অন্য বিকল্পগুলোর কোনোটিই তখন রামসার সাইট ছিল না। তাই এখানে টাঙ্গুয়ার হাওড়ই সঠিক উত্তর।
মনে রাখুন:
সুন্দরবন বাংলাদেশের প্রথম রামসার সাইট (২১ মে ১৯৯২)।
টাঙ্গুয়ার হাওড় দ্বিতীয় রামসার সাইট (৭ জুলাই ২০০০)। - ২৬. হালদা নদী কীসের জন্য বিখ্যাত?
- ক. মাতৃমৎস্য ভাণ্ডার
- খ. পর্যটন
- গ. রামসার সাইট
- ঘ. নদীবন্দর
উত্তর: ক. মাতৃমৎস্য ভাণ্ডার
হালদা নদী চট্টগ্রামের নদী। এটি দেশের প্রধান প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র, তাই একে মাতৃমৎস্য ভাণ্ডার বলা হয়। বছরের নির্দিষ্ট সময়ে, বিশেষ পরিবেশে রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালিবাউস জাতীয় কার্প মাছ এখানে প্রচুর ডিম ছাড়ে। এই ডিম সংগ্রহ করে দেশজুড়ে মাছের চাষ হয়।
মনে রাখুন: হালদা দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র জোয়ার-ভাটা প্রভাবিত নদী, যেখানে কার্প মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন হয়। - ২৮. বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতিদানকারী দেশ কোনটি?
- ক. ভারত
- খ. সোভিয়েত ইউনিয়ন
- গ. ভুটান
- ঘ. ব্রিটেন
উত্তর: গ. ভুটান
১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভুটান বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয়। একই দিনে ভারতও স্বীকৃতি জানায়, তবে ভুটানের ঘোষণা আগে আসায় ভারত দ্বিতীয় দেশ হিসেবে পরিচিত। অন্য রাষ্ট্রের কাছ থেকে স্বীকৃতি পাওয়া স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের পথচলার প্রথম ধাপ। সোভিয়েত ইউনিয়ন ও ব্রিটেন স্বীকৃতি দেয় আরও পরে, ১৯৭২ সালের শুরুতে।
মনে রাখুন:
সোভিয়েত ইউনিয়ন স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ২৪ জানুয়ারি।
যুক্তরাজ্য স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি।
ভুটান প্রথম, ভারত দ্বিতীয়। - ৩৫. কোনটি স্থানীয় সরকার?
- ক. উপজেলা পরিষদ
- খ. জেলা প্রশাসন
- গ. স্থানীয় সরকার বিভাগ
- ঘ. বন অধিদপ্তর
উত্তর: ক. উপজেলা পরিষদ
বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার (Local Government) হলো জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দিয়ে চালানো স্থানীয় শাসনব্যবস্থা। উপজেলা পরিষদ এমনই একটি নির্বাচিত প্রতিষ্ঠান। কিন্তু জেলা প্রশাসন ও বন অধিদপ্তর সরকারের প্রশাসনিক দপ্তর, আর স্থানীয় সরকার বিভাগ একটি মন্ত্রণালয়ের বিভাগ, এগুলো নির্বাচিত স্থানীয় সরকার নয়।
মনে রাখুন:
গ্রামাঞ্চলে স্থানীয় সরকার: ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদ।
শহরাঞ্চলে: পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন। - ৩৮. মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন?
- ক. তাজউদ্দীন আহমদ
- খ. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- গ. ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
- ঘ. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর: খ. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন, কিন্তু তখন তিনি পাকিস্তানের কারাগারে বন্দী ছিলেন। তাই উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী বা ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সুতরাং মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন তিনিই।
মনে রাখুন:
প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দীন আহমদ।
অর্থমন্ত্রী: ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী।
১৭ এপ্রিল ১৯৭১ মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় (মুজিবনগর) মন্ত্রিসভার শপথ হয়। - ৩৯. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ জেলা পর্যায়ে কোন কর্মকর্তার অধীনে কাজ করেন?
- ক. জেলা জজ
- খ. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
- গ. দায়রা জজ
- ঘ. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর: ঘ. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
জেলা প্রশাসনের প্রধান হলেন জেলা প্রশাসক (ডিসি), যিনি একই সঙ্গে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্ব পালন করেন। জেলায় যে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা (Executive Magistrate) কাজ করেন, তাঁরা এই জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনে থাকেন। বাকি পদগুলো বিচার বিভাগের অংশ। জেলা জজ, দায়রা জজ ও চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিচার বিভাগের কর্মকর্তা, নির্বাহী বিভাগের নন।
মনে রাখুন:
২০০৭ সালে বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক করা হয়েছে।
পৃথক হওয়ার পর বিচার বিভাগের ম্যাজিস্ট্রেটদের বলা হয় জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট। - ৪০. মুক্তিযুদ্ধে ২নং সেক্টরের কমান্ডার কে ছিলেন?
- ক. আবু ওসমান চৌধুরী
- খ. মেজর রফিকুল ইসলাম
- গ. মেজর খালেদ মোশাররফ
- ঘ. মেজর আবু তাহের
উত্তর: গ. মেজর খালেদ মোশাররফ
মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল, প্রতিটির জন্য একজন করে কমান্ডার ছিলেন। ২নং সেক্টরের আওতায় ছিল ঢাকা, কুমিল্লা ও নোয়াখালীর কিছু অংশ। এই সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ, আর পরে দায়িত্ব নেন মেজর এ টি এম হায়দার। বাকি তিনজন অন্য সেক্টরের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
মনে রাখুন:
১নং সেক্টর: মেজর রফিকুল ইসলাম।
৮নং সেক্টর: প্রথমে আবু ওসমান চৌধুরী।
১১নং সেক্টর: মেজর আবু তাহের। - ৫৩. ষাট গম্বুজ মসজিদ কোথায় অবস্থিত?
- ক. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
- খ. সিলেট
- গ. লালবাগ
- ঘ. বাগেরহাট
উত্তর: ঘ. বাগেরহাট
ষাট গম্বুজ মসজিদ বাগেরহাটে অবস্থিত। খান জাহান আলী পঞ্চদশ শতকে বাগেরহাট অঞ্চলে বহু স্থাপনা নির্মাণ করেন, এই মসজিদ তার মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত। নাম ষাট গম্বুজ হলেও এতে গম্বুজের সংখ্যা আরও বেশি। ইউনেস্কো ১৯৮৫ সালে এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান দিয়েছে। বাকি জায়গাগুলোর পরিচিতি আলাদা।
মনে রাখুন:
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ছোট সোনা মসজিদ।
ঢাকার লালবাগে লালবাগ কেল্লা। - ৭০. মহাস্থানগড় কীসের জন্য বিখ্যাত?
- ক. স্থলবন্দর
- খ. প্রাচীন পুরাকীর্তি
- গ. ব্যবসাকেন্দ্র
- ঘ. পাহাড়
উত্তর: খ. প্রাচীন পুরাকীর্তি
মহাস্থানগড় বগুড়া জেলায় করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম পুরাকীর্তির নিদর্শন। প্রাচীনকালে এর নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন, যা পুণ্ড্র জনপদের রাজধানী ছিল। মৌর্য যুগের ব্রাহ্মী লিপিতে লেখা শিলালিপিও এখানে পাওয়া গেছে। স্থলবন্দর, ব্যবসাকেন্দ্র বা পাহাড়ের জন্য এই স্থান বিখ্যাত নয়।
মনে রাখুন:
মহাস্থানগড়ে আরও আছে গোকুল মেধ, বৈরাগীর ভিটা, খোদার পাথর ভিটা।
মহাস্থানগড় বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১১ কিলোমিটার উত্তরে। - ৯১. অধ্যাদেশ কে জারি করেন?
- ক. মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
- খ. আইন মন্ত্রী
- গ. মহামান্য রাষ্ট্রপতি
- ঘ. মন্ত্রিপরিষদ সচিব
উত্তর: গ. মহামান্য রাষ্ট্রপতি
সংসদ অধিবেশনে না থাকলে বা সংসদ ভেঙে গেলে জরুরি প্রয়োজনে অধ্যাদেশ জারি করার ক্ষমতা সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির। প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে তিনি এটি জারি করেন। অধ্যাদেশের আইনের মতোই শক্তি থাকে, তবে পরবর্তী সংসদ বসার ত্রিশ দিনের মধ্যে একে সংসদে উপস্থাপন করতে হয়।
মনে রাখুন:
সংসদে ভোটের মাধ্যমে পাস হওয়া বিলে রাষ্ট্রপতি সম্মতি দিলে সেটি আইন হয়।
সংবিধানে ১১টি ভাগ আছে, আইনসভা পঞ্চম ভাগে।
ইংরেজি
- ২. Which one is an example of a positive degree?
- ক. more
- খ. much
- গ. less
- ঘ. last
উত্তর: খ. much
বিশেষণের (Adjective) তুলনার তিনটি স্তর আছে, যেমন Positive, Comparative ও Superlative। যে স্তরে কোনো তুলনা থাকে না এবং শব্দটি মূল রূপে থাকে, তাকে Positive degree বলে। Much হলো মূল রূপ, এর Comparative হলো more আর Superlative হলো most। বাকি তিনটি অপশন মূল রূপ নয়: more হলো much বা many-এর Comparative, less হলো little-এর Comparative, আর last হলো late-এর Superlative।
মনে রাখুন:
Good – better – best
Little – less – least
Late – later – latest (সময় বোঝাতে) / last (ক্রম বোঝাতে)। - ১০. 'The child shows the man, as morning shows the day' — Here the sentence contains—
- ক. Personification
- খ. Hyperbole
- গ. Simile
- ঘ. Allegory
উত্তর: গ. Simile
Simile (উপমা) হলো দুটি ভিন্ন জিনিসের মধ্যে as বা like ব্যবহার করে সরাসরি তুলনা। এই বাক্যে ‘as’ শব্দ দিয়ে শিশুর সঙ্গে মানুষের এবং সকালের সঙ্গে দিনের তুলনা করা হয়েছে, তাই এটি Simile। কবি Milton-এর ‘Paradise Regained’ কাব্যের এই পঙ্ক্তিটি বোঝায় যে শৈশবের স্বভাব দেখেই ভবিষ্যতের মানুষ বোঝা যায়।
মনে রাখুন:
Metaphor-এ as বা like থাকে না, যেমন: Life is a dream।
Personification-এ জড়বস্তুতে মানবগুণ আরোপ করা হয়।
Hyperbole হলো অতিরঞ্জন। - ১১. The word 'humiliation' means—
- ক. humane
- খ. modesty
- গ. humble
- ঘ. disgrace
উত্তর: ঘ. disgrace
Humiliation মানে অপমান বা অবমাননা, অর্থাৎ কাউকে সবার সামনে ছোট করা। তাই এর সবচেয়ে কাছের অর্থ disgrace, যার মানে অসম্মান বা লজ্জা। বাকি শব্দগুলোর অর্থ আলাদা। Humane মানে সহৃদয় বা দয়ালু, modesty মানে বিনয় বা শালীনতা, আর humble মানে নম্র। শব্দগুলো দেখতে কিছুটা একই রকম, তাই গুলিয়ে ফেলা সহজ।
উদাহরণ:
He could not bear the humiliation of defeat.
মনে রাখুন:
Humiliate (ক্রিয়া) মানে অপমান করা।
Humiliation-এর বিপরীত শব্দ হতে পারে honour বা glory। - ১৩. The teacher said, "Thank you, my boys." The indirect narration of the sentence is —.
- ক. The teacher said that thank you my boys.
- খ. The teacher told the boys and thanked them.
- গ. The teacher thanked the boys.
- ঘ. The boys were thanked by the teacher.
উত্তর: গ. The teacher thanked the boys.
প্রত্যক্ষ উক্তিতে (Direct speech) ধন্যবাদ জানানোর কথা থাকলে পরোক্ষ উক্তিতে (Indirect speech) ‘said’ বদলে ‘thanked’ বসে এবং thank you অংশ আর আলাদা থাকে না। শিক্ষক ছেলেদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন, তাই সঠিক রূপ: The teacher thanked the boys। অন্য অপশনে ‘thank you’ রেখে দেওয়া হয়েছে, নয়তো passive করা হয়েছে, যা ঠিক নয়।
উদাহরণ:
He said, “Good morning.” → He wished me good morning.
She said, “Thanks, Rina.” → She thanked Rina. - ১৬. Which one is a synonym of 'tranquil'?
- ক. sagacious
- খ. hostile
- গ. calm
- ঘ. angry
উত্তর: গ. calm
Tranquil মানে শান্ত, নির্মল বা প্রশান্ত। যেখানে কোনো গোলমাল বা উত্তেজনা থাকে না, সেই অবস্থাকে tranquil বলা যায়। এর সমার্থক শব্দ calm। বাকি শব্দগুলোর অর্থ আলাদা। Sagacious মানে বিজ্ঞ বা বুদ্ধিমান, hostile মানে বৈরী বা শত্রুভাবাপন্ন, আর angry মানে রাগান্বিত।
উদাহরণ:
The lake was tranquil in the early morning.
মনে রাখুন: Tranquil-এর বিপরীত শব্দ agitated বা turbulent (অশান্ত)। - ১৮. Choose the correct sentence :
- ক. He refrained to take any drastic action.
- খ. He refrained on taking any drastic action.
- গ. He refrained in taking any drastic action.
- ঘ. He refrained from taking any drastic action.
উত্তর: ঘ. He refrained from taking any drastic action.
Refrain একটি অকর্মক ক্রিয়া, যার সঙ্গে সবসময় preposition ‘from’ বসে। Refrain from doing something মানে কোনো কাজ করা থেকে নিজেকে বিরত রাখা। সুতরাং সঠিক বাক্য: He refrained from taking any drastic action।
উদাহরণ:
Please refrain from smoking.
He refrained from commenting.
মনে রাখুন: এ ধরনের verb-এর সঙ্গে from বসে: abstain from, desist from, prevent from। - ১৯. The phrase 'salt of the earth' means—
- ক. salty earth
- খ. worthy persons
- গ. evil persons
- ঘ. salted earth
উত্তর: খ. worthy persons
‘Salt of the earth’ একটি idiom। লবণ খাবারে স্বাদ আনে এবং জিনিসকে পচন থেকে রক্ষা করে, তাই সমাজে যাঁরা সৎ, ভালো ও নির্ভরযোগ্য, তাঁদের এই নামে ডাকা হয়। এর অর্থ worthy persons বা সমাজের সৎ ও মূল্যবান মানুষ। শব্দে শব্দে অনুবাদ (salty earth) ঠিক নয়।
উদাহরণ: Farmers are the salt of the earth.
মনে রাখুন: ‘Apple of discord’ মানে বিবাদের কারণ। - ২২. Fill in the with appropriate preposition : He unfortunately died — overtaking.
- ক. by
- খ. for
- গ. of
- ঘ. from
উত্তর: ঘ. from
মৃত্যুর কারণ বোঝাতে die-এর সঙ্গে of বা from দুটিই বসে। সাধারণত রোগ বা বার্ধক্যের ক্ষেত্রে of বসে। কিন্তু দুর্ঘটনা, অসাবধানতা বা অন্য কোনো বাইরের কারণ বোঝালে from বসে। এখানে overtaking-এর ফলে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে, তাই from বসে।
উদাহরণ:
He died of cancer.
She died from a wound.
মনে রাখুন: Die for মানে কোনো আদর্শের জন্য প্রাণ দেওয়া। - ২৩. She told that she (visit) London next month. Here the right form verb will be—
- ক. visited
- খ. will visit
- গ. had visited
- ঘ. would visit
উত্তর: ঘ. would visit
মূল বাক্যে ক্রিয়া ‘told’ অতীতকালের (Past tense)। পরোক্ষ উক্তিতে মূল ক্রিয়া অতীত হলে উপবাক্যে future-এর will বদলে would বসে। এখানে ‘next month’ ভবিষ্যৎ বোঝালেও কাল-নির্ধারণ হয় অতীতের দৃষ্টিকোণ থেকে, তাই সঠিক রূপ would visit।
উদাহরণ:
She said, “I will go.” → She said that she would go.
মনে রাখুন: এই নিয়মে will → would, can → could, shall → should। - ২৫. 'Apple of discord' means—
- ক. an attractive object
- খ. object of dispute
- গ. disagreement
- ঘ. a valuable object
উত্তর: খ. object of dispute
‘Apple of discord’ একটি idiom, যার উৎস গ্রিক পুরাণ। সেই গল্পে ‘সবচেয়ে সুন্দরীর জন্য’ লেখা একটি সোনার আপেলকে ঘিরে দেবীদের মধ্যে ঝগড়া বাধে, আর সেই ঝগড়ার পরিণতিতে ট্রয় যুদ্ধের সূচনা হয়। এ থেকেই বাক্যাংশটির অর্থ দাঁড়িয়েছে বিবাদের কারণ, অর্থাৎ object of dispute। ‘Attractive object’ বা ‘valuable object’ নামটি শুনে আকর্ষণীয় বা দামি জিনিস মনে হলেও আসল অর্থ তা নয়।
উদাহরণ:
The inherited land became an apple of discord among the brothers.
মনে রাখুন:
‘Achilles’ heel’ মানে দুর্বল স্থান।
‘Pandora’s box’ মানে বিপদের উৎস। - ৪৪. The soldiers were rewarded for their bravery. Which class of noun 'bravery' belongs to?
- ক. Collective
- খ. Material
- গ. Common
- ঘ. Abstract
উত্তর: ঘ. Abstract
Noun-এর কয়েকটি শ্রেণি আছে। Abstract noun হলো এমন noun, যা গুণ, অবস্থা বা ভাবের নাম বোঝায় এবং যাকে ছোঁয়া বা দেখা যায় না। ‘Bravery’ বলতে সাহসিকতা নামের একটি গুণ বোঝায়, তাই এটি Abstract noun। বাক্যটির অর্থ: সৈন্যরা সাহসিকতার জন্য পুরস্কৃত হয়েছিল। Collective noun কোনো দলকে বোঝায়, Material noun কোনো উপাদানকে বোঝায়, আর Common noun একই জাতীয় যেকোনো প্রাণী বা বস্তুকে বোঝায়। Bravery এর কোনোটিই নয়।
উদাহরণ:
Abstract: honesty, beauty, childhood, freedom.
Collective: army, team.
Material: gold, water. - ৫৫. What is the antonym of 'shabby'?
- ক. honesty
- খ. sober
- গ. new
- ঘ. hostile
উত্তর: গ. new
Shabby মানে জীর্ণ, ছেঁড়াখোঁড়া বা পুরোনো ও নোংরা অবস্থা। এর উল্টো অবস্থা হলো নতুন ও ঝকঝকে। অপশনের মধ্যে new-ই সবচেয়ে কাছের বিপরীত শব্দ। অন্যগুলোর অর্থ এখানে মেলে না। Honesty মানে সততা, sober মানে মিতাচারী বা শান্ত, আর hostile মানে বৈরী।
উদাহরণ:
He wore a shabby coat, but she bought a new one.
মনে রাখুন: Shabby-এর অন্য বিপরীত শব্দ smart বা neat। সমার্থক শব্দ worn, ragged। - ৫৬. Which of the following is an example of an indefinite pronoun?
- ক. such
- খ. this
- গ. any
- ঘ. either
উত্তর: গ. any
Indefinite pronoun হলো এমন pronoun, যা নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে না বুঝিয়ে অনির্দিষ্টভাবে বোঝায়। Any এই শ্রেণির pronoun। অন্য অপশনের this হলো demonstrative pronoun, আর either সাধারণত distributive pronoun হিসেবে গণ্য। Such সাধারণত adjective বা demonstrative হিসেবে কাজ করে।
উদাহরণ: Any of you can come.
মনে রাখুন: Indefinite pronoun-এর উদাহরণ: some, anyone, somebody, nobody, everyone, one, none। - ৬০. Fill up the gap with suitable 'adverb' : He works — quickly.
- ক. at
- খ. upon
- গ. very
- ঘ. out
উত্তর: গ. very
Adverb শুধু ক্রিয়াকেই নয়, adjective বা অন্য adverb-কেও modify করতে পারে। এখানে quickly নিজেই একটি adverb, আর very তার তীব্রতা বাড়িয়ে দেয়। He works very quickly মানে সে খুব দ্রুত কাজ করে। at, upon বা out বসালে বাক্য অর্থহীন হয়।
উদাহরণ: She runs very fast.
মনে রাখুন: Very, quite, too, so, rather এই শ্রেণির degree adverb। - ৬৬. The verb form of the word 'beauty' is—আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৭
- ক. beautiful
- খ. beautify
- গ. beautiness
- ঘ. beautifully
উত্তর: খ. beautify
শব্দের রূপান্তরে প্রত্যয় (Suffix) বসিয়ে এক পদ থেকে অন্য পদ গঠন করা হয়। Beauty হলো noun। এর সঙ্গে -ify যুক্ত করে ক্রিয়া (verb) beautify পাওয়া যায়, যার অর্থ সুন্দর করা। Beautiful হলো adjective আর beautifully হলো adverb।
উদাহরণ:
They beautified the garden.
মনে রাখুন: -ify দিয়ে verb হয়: simple → simplify, pure → purify, clear → clarify। - ৬৮. Which one of the following is correct?
- ক. His conduct admits no excuse.
- খ. His conduct admits of no excuse.
- গ. His conduct admits to no excuse.
- ঘ. His conduct admits on no excuse.
উত্তর: খ. His conduct admits of no excuse.
Admit of একটি phrasal verb, যার অর্থ কোনো কিছুর অবকাশ বা সুযোগ থাকা। His conduct admits of no excuse মানে তার আচরণের কোনো অজুহাতের সুযোগ নেই। এখানে ‘admits’ এর পরে preposition ‘of’ বসে। অন্য অপশনে to বা on বসালে বাক্যটি ভুল হয়, আর শুধু admits no excuse বললেও এই অর্থ ঠিকমতো আসে না।
উদাহরণ: The situation admits of no delay.
মনে রাখুন: Admit to মানে স্বীকার করা, যেমন: He admitted to the crime। - ৬৯. Who is called an optimist in the Victorian Age?
- ক. Arnold
- খ. Tennyson
- গ. Dickens
- ঘ. Browning
উত্তর: ঘ. Browning
ভিক্টোরীয় যুগের (Victorian Age) কবিদের মধ্যে ম্যাথিউ আর্নল্ড সংশয় ও বিষণ্নতার কবি হিসেবে নিরাশাবাদী গণ্য হন। রবার্ট ব্রাউনিংকে বলা হয় আশাবাদী কবি (Optimist), কারণ তাঁর কবিতায় ঈশ্বর ও জীবনের প্রতি দৃঢ় আস্থা প্রকাশ পায়। ‘Pippa Passes’ কাব্যের পঙ্ক্তি “God’s in his heaven – All’s right with the world” তাঁর এই আশাবাদের পরিচয়।
মনে রাখুন: ভিক্টোরীয় যুগের সময়কাল ১৮৩৭-১৯০১, রানি ভিক্টোরিয়ার শাসনকাল। - ৭২. The science of teaching is called—
- ক. Phonetics
- খ. Pedagogy
- গ. Ethics
- ঘ. Biology
উত্তর: খ. Pedagogy
Pedagogy (পেডাগজি) হলো শিক্ষাদানের বিজ্ঞান ও কলা, অর্থাৎ কীভাবে শেখানো হবে তার পদ্ধতিগত জ্ঞান। শব্দটি গ্রিক ‘paidagogos’ থেকে এসেছে, যার অর্থ শিশুর পথপ্রদর্শক। অন্য অপশনগুলো ভিন্ন বিষয়: phonetics হলো ধ্বনিবিজ্ঞান, ethics হলো নীতিশাস্ত্র, আর biology হলো জীববিজ্ঞান।
মনে রাখুন: Psychology মনের বিজ্ঞান, Sociology সমাজবিজ্ঞান। - ৭৩. Choose the correct spelling :
- ক. Aknowledgement
- খ. Acknoledgement
- গ. Aknowlegment
- ঘ. Acknowledgement
উত্তর: ঘ. Acknowledgement
Acknowledgement শব্দটির সঠিক বানান: A-c-k-n-o-w-l-e-d-g-e-m-e-n-t। শুরুতে ‘ack’ থাকে, অর্থাৎ c ও k দুটোই লিখতে হয়। এরপর মাঝখানে ‘ow’ ও ‘ledge’ আসে। মনে রাখার একটি উপায়: know + ledge, আর শুরুতে ac। অন্য বিকল্পগুলোতে c বা k বা w বাদ পড়েছে। ব্রিটিশ ইংরেজিতে acknowledgement এবং আমেরিকান ইংরেজিতে acknowledgment দুটি রূপই চলে।
মনে রাখুন: Acknowledge মানে স্বীকার করা বা কৃতজ্ঞতা জানানো। - ৭৬. Fill in the blank : No sooner had I seen the bird — it flew away.
- ক. than
- খ. when
- গ. after
- ঘ. just
উত্তর: ক. than
No sooner একটি নির্দিষ্ট গঠনের অংশ, যার সঙ্গে সবসময় than বসে। গঠনটি হলো: No sooner + had + subject + past participle + than + past tense। বাক্যের অর্থ: পাখিটিকে দেখামাত্র সেটি উড়ে গেল। when বা after বসালে গঠন ভুল হয়।
উদাহরণ: No sooner had he arrived than it began to rain.
মনে রাখুন: Hardly/Scarcely ... when গঠনও একই অর্থ দেয়, কিন্তু no sooner-এর সঙ্গে than ছাড়া অন্য কিছু বসে না। - ৮২. The most famous satirist in English literature is—
- ক. Jonathan Swift
- খ. Alexander Pope
- গ. Joseph Addison
- ঘ. Richard Steele
উত্তর: ক. Jonathan Swift
ইংরেজি সাহিত্যে ব্যঙ্গরচনা বা Satire-এর সবচেয়ে বিখ্যাত লেখক জোনাথন সুইফট (Jonathan Swift)। তাঁর ‘Gulliver’s Travels’ বইটি ভ্রমণকাহিনির আদলে লেখা হলেও আসলে সমকালীন রাজনীতি ও সমাজের তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গ। অ্যালেকজান্ডার পোপও ব্যঙ্গ লিখেছেন, কিন্তু সুইফটের মতো খ্যাতি পাননি। অ্যাডিসন ও স্টিল ‘The Spectator’ পত্রিকার প্রবন্ধের জন্য পরিচিত।
মনে রাখুন:
সুইফটের আরেকটি পরিচিত ব্যঙ্গরচনা ‘A Modest Proposal’।
সুইফট ইংরেজি সাহিত্যের অষ্টাদশ শতকের লেখক। - ৯৩. Complete the sentence : — went to Dhaka.
- ক. Not only I went but also my brother.
- খ. I not only but also my brother.
- গ. Not only I but also my brother.
- ঘ. I only but not my brother.
উত্তর: গ. Not only I but also my brother.
শূন্যস্থানসহ বাক্যটি হবে ‘— went to Dhaka’। Not only … but also ব্যবহার করলে not only-এর পরেই বিষয়বস্তু (Subject) আসে, কোনো ক্রিয়া নয়। তাই ঠিক গঠন হলো Not only I but also my brother went to Dhaka। প্রথম বিকল্পে went আগেই বসেছে, ফলে বাক্য ভেঙে যায়, আর বাকি বিকল্পগুলো ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ।
মনে রাখুন: এই গঠনে ক্রিয়া but also-এর পরের কর্তার (এখানে my brother) অনুযায়ী বসে। - ৯৪. What is the compound form of the sentence— 'She kept her promise'?
- ক. She made a promise to keep.
- খ. She made a promise so that she could keep it.
- গ. She not only made a promise but also kept it.
- ঘ. As she made a promise, she kept it.
উত্তর: গ. She not only made a promise but also kept it.
Compound sentence-এ একাধিক স্বাধীন বাক্যাংশ (Principal clause) coordinating conjunction দিয়ে যুক্ত থাকে। ‘She kept her promise’ একটি সরল বাক্য। এখানে কথা দেওয়া ও কথা রাখা দুটি কাজ ধরে ‘She not only made a promise but also kept it’ লিখলে দুটি clause সমান মর্যাদায় যুক্ত হয়, তাই এটি যৌগিক। ‘As she made a promise, she kept it’ একটি জটিল (Complex) বাক্য, কারণ as-যুক্ত অংশ অধীন clause।
মনে রাখুন: Coordinating conjunction-এর উদাহরণ: and, but, or, so, not only … but also।
গণিত
- ৩. দুই অঙ্কবিশিষ্ট একটি সংখ্যার একক স্থানীয় অঙ্ক a এবং দশক স্থানীয় অঙ্ক b হলে সংখ্যাটি হবে—
- ক. ba
- খ. b + a
- গ. 10ab
- ঘ. 10b + a
উত্তর: ঘ. 10b + a
দুই অঙ্কের সংখ্যায় দশক স্থানের অঙ্কের মান ১০ গুণ হয় আর একক স্থানের অঙ্কের মান যা আছে তাই থাকে। এখানে দশকের অঙ্ক b, তাই এর মান 10b। একক স্থানের অঙ্ক a, তাই এর মান a। সুতরাং সংখ্যাটি 10b + a। যেমন, দশকের ঘরে 4 আর এককের ঘরে 7 হলে সংখ্যাটি 10×4 + 7 = 47।
মনে রাখুন: ba লিখলে তা গুণফল বোঝায়, সংখ্যা নয়। অঙ্ক দুটি উল্টো করলে নতুন সংখ্যা হবে 10a + b। - ৯. a + b = 3, ab = 1 হলে a² − ab + b² = কত?
- ক. 5
- খ. 6
- গ. 10
- ঘ. 8
উত্তর: খ. 6
দ্বিঘাত রাশি a² − ab + b² সরাসরি দেওয়া আছে, কিন্তু আমরা a + b ও ab জানি। তাই (a+b)² এর সূত্র কাজে লাগাই। (a+b)² = a² + 2ab + b², তাই a² + b² = (a+b)² − 2ab = 9 − 2 = 7। এখন a² − ab + b² = 7 − 1 = 6।
সংক্ষেপে: a² − ab + b² = (a+b)² − 3ab = 9 − 3 = 6।
মনে রাখুন: a² + ab + b² = (a+b)² − ab = 9 − 1 = 8। - ১৫. যদি Q = {x : x, 9 এর গুণনীয়কসমূহ} হলে নিচের কোনটি সঠিক?
- ক. Q = {1,3,9}
- খ. Q = {1,3}
- গ. Q = {3,9}
- ঘ. Q = {3,9,18}
উত্তর: ক. Q = {1,3,9}
Q হলো x-এর সেট, যেখানে x সংখ্যাটি 9-এর গুণনীয়ক। অর্থাৎ যে সংখ্যা দিয়ে 9-কে নিঃশেষে ভাগ করা যায়, সেগুলোই Q-এর সদস্য। 9 ÷ 1, 9 ÷ 3 ও 9 ÷ 9 নিঃশেষে বিভাজ্য, কিন্তু 2, 4 বা 18 দিয়ে নয়। সুতরাং Q = {1, 3, 9}।
মনে রাখুন: গুণনীয়কের সংখ্যা কখনো সংখ্যার চেয়ে বড় হয় না, তাই 18 গুণনীয়ক নয়, বরং এটি 9-এর গুণিতক। - ১৭. log₂ (1/4) = কত?
- ক. 2
- খ. −2
- গ. 1/2
- ঘ. −1/2
উত্তর: খ. −2
লগারিদমের (Logarithm) সংজ্ঞা অনুযায়ী log₂ x = y মানে 2^y = x। এখানে 1/4 কে 2-এর ঘাত আকারে লিখি: 1/4 = 2⁻²। তাহলে log₂(2⁻²) = −2 × log₂2 = −2 × 1 = −2। যাচাই: 2⁻² = 1/4, ঠিক মিলছে।
মনে রাখুন: log_a a = 1, আর log_a(1/x) = −log_a x। - ২৪. নিচের কোনটি y-অক্ষের সমান্তরাল রেখা নির্দেশ করে?
- ক. x = 4
- খ. y = 4
- গ. x + y = 4
- ঘ. x − y = 4
উত্তর: ক. x = 4
স্থানাঙ্ক জ্যামিতিতে (Coordinate geometry) x = a আকারের সরলরেখা y-অক্ষের সমান্তরাল। কারণ এই রেখার প্রতিটি বিন্দুর x-স্থানাঙ্ক সবসময় a থাকে, আর শুধু y বদলায়। উল্টো দিকে y = b রেখা x-অক্ষের সমান্তরাল। সুতরাং x = 4 হলো y-অক্ষের সমান্তরাল রেখা।
মনে রাখুন: x + y = 4 ও x − y = 4 কোনো অক্ষেরই সমান্তরাল নয়, কারণ এদের ঢাল আছে। - ২৭. ঘড়িতে যখন 4 টা 30 বাজে তখন ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যে কত ডিগ্রি কোণ উৎপন্ন হয়?
- ক. 45°
- খ. 54°
- গ. 40°
- ঘ. 36°
উত্তর: ক. 45°
ঘড়ির কাঁটার কোণ বের করতে প্রথমে দুই কাঁটার অবস্থান দেখি। ঘড়ির পুরো বৃত্ত 360°, আর প্রতি ঘণ্টায় ঘণ্টার কাঁটা 30° সরে। 4:30-এ ঘণ্টার কাঁটা 4×30 + 15 = 135° স্থানে। মিনিটের কাঁটা 30 মিনিটে 6 নম্বরে, অর্থাৎ 180° স্থানে। তাই কোণ = 180° − 135° = 45°।
সূত্র: θ = |(11M − 60H)/2| = |(330 − 240)/2| = 45°।
মনে রাখুন: মিনিটের কাঁটা প্রতি মিনিটে 6° এবং ঘণ্টার কাঁটা প্রতি মিনিটে 0.5° সরে। - ৩০. কোন ক্ষুদ্রতম সংখ্যাকে ২, ৩, ৫, ৬ দ্বারা ভাগ করলে প্রতি ক্ষেত্রে ১ অবশিষ্ট থাকে?আরও এসেছে: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পিটিআই ইন্সট্রাক্টর ২০১৬
- ক. ২১
- খ. ৪১
- গ. ৩১
- ঘ. ৫১
উত্তর: গ. ৩১
যে সংখ্যাকে 2, 3, 5 ও 6 দিয়ে ভাগ করলে প্রতিবার 1 অবশিষ্ট থাকে, তা এই চার সংখ্যার ল.সা.গু.-এর গুণিতকের চেয়ে 1 বেশি। 2, 3, 5, 6-এর ল.সা.গু. = 30। ক্ষুদ্রতম সংখ্যা হবে 30 + 1 = 31। যাচাই: 31 ÷ 2, 3, 5 ও 6 করলে প্রতিবার ভাগশেষ 1 আসে।
মনে রাখুন: অবশিষ্ট একই হলে ল.সা.গু. + অবশিষ্ট, আর অবশিষ্ট ভিন্ন হলে অন্য কৌশল লাগে। - ৩২. cosec(90° − θ) = 2/√3 হলে tanθ = কত?
- ক. 2/3
- খ. 1/2
- গ. 5/4
- ঘ. 1/√3
উত্তর: ঘ. 1/√3
cosec(90° − θ) = secθ, কারণ পূরক কোণের ত্রিকোণমিতিক অনুপাতে cosec ও sec একে অপরের সঙ্গে বদলে যায়। তাই secθ = 2/√3। এখন sec²θ = 1 + tan²θ, তাই 4/3 = 1 + tan²θ, অর্থাৎ tan²θ = 1/3। এখান থেকে tanθ = 1/√3 (θ = 30°)।
মনে রাখুন: sin(90° − θ) = cosθ, tan(90° − θ) = cotθ। - ৩৪. 3x² − 16x − 12 রাশিটির উৎপাদক বিশ্লেষণ নিচের কোনটি?
- ক. (3x−2)(x+6)
- খ. (3x−2)(x−6)
- গ. (x−6)(3x+2)
- ঘ. 3(x−6)(x−2)
উত্তর: গ. (x−6)(3x+2)
উৎপাদক বিশ্লেষণে (Factorisation) 3x² − 16x − 12 কে ভেঙে লিখতে হয়। x²-এর সহগ ও ধ্রুবকের গুণফল 3 × (−12) = −36। এমন দুটি সংখ্যা চাই, যাদের গুণফল −36 এবং যোগফল −16, সেগুলো −18 ও +2। তাহলে 3x² − 18x + 2x − 12 = 3x(x − 6) + 2(x − 6) = (x − 6)(3x + 2)।
যাচাই: (x − 6)(3x + 2) = 3x² + 2x − 18x − 12 = 3x² − 16x − 12। - ৪৫. x − 11 < 4x + 1 হলে নিচের কোনটি সঠিক?
- ক. x > −4
- খ. x > 4
- গ. x < −4
- ঘ. x < 4
উত্তর: ক. x > −4
অসমতা সমাধানে অজানা রাশিগুলো একদিকে নিয়ে আসতে হয়। দেওয়া আছে x − 11 < 4x + 1। x ও সংখ্যাকে আলাদা করলে −11 − 1 < 4x − x, অর্থাৎ −12 < 3x। এবার 3 দিয়ে ভাগ করলে −4 < x, তাই x > −4।
মনে রাখুন: অসমতার দুই পাশে ঋণাত্মক সংখ্যা দিয়ে গুণ বা ভাগ করলে অসমতার চিহ্ন উল্টে যায়, কিন্তু ধনাত্মক সংখ্যায় উল্টায় না। - ৪৭. সুলেমান সাহেব ১৫০০০ টাকা ব্যাংকে জমা করে বছরে সুদ বাবদ ১২৭৫ টাকা আয় করে। বছরের সুদের হার কত?
- ক. ৮%
- খ. ৮.২৫%
- গ. ৮.৫%
- ঘ. ৮.৬%
উত্তর: গ. ৮.৫%
সরল সুদের সূত্র: সুদ I = আসল × হার × সময়। এখানে আসল 15000 টাকা, সময় 1 বছর, সুদ 1275 টাকা। হার r = (1275 × 100)/(15000 × 1) = 127500/15000 = 8.5%। যাচাই: 15000-এর 8.5% = 1275, ঠিক মিলছে।
মনে রাখুন: সুদাসল = আসল + সুদ। - ৪৯. ঢাকা ও সিলেটের দূরত্ব ৩০০ কিমি। ঢাকা থেকে ট্রেন সকাল ৬ টায় ছেড়ে ২ টায় সিলেটে পৌঁছে। ট্রেনের গতিবেগ কত?
- ক. ৩৭ কিমি/ঘণ্টা
- খ. ৩৭.৫ কিমি/ঘণ্টা
- গ. ৩৫ কিমি/ঘণ্টা
- ঘ. ৩৫.৭ কিমি/ঘণ্টা
উত্তর: খ. ৩৭.৫ কিমি/ঘণ্টা
গতিবেগ বের করার সূত্র: গতিবেগ = দূরত্ব ÷ সময়। ট্রেন সকাল 6টায় ছেড়ে দুপুর 2টায় পৌঁছেছে, অর্থাৎ ভ্রমণের সময় 8 ঘণ্টা। দূরত্ব 300 কিমি। তাই গতিবেগ = 300 ÷ 8 = 37.5 কিমি/ঘণ্টা।
মনে রাখুন: ২টা মানে ১৪:০০, তাই ৬টা থেকে ১৪টা পর্যন্ত ৮ ঘণ্টা হয়। - ৫১. একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের একটি কোণ ৯৬°। ঐ ত্রিভুজের অপর কোণটি কত? (ত্রিভুজের শীর্ষকোণ 96°)
- ক. 48°
- খ. 42°
- গ. 24°
- ঘ. 84°
উত্তর: খ. 42°
ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি 180°। সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের দুটি কোণ সমান থাকে। 96° কোণটি সমান কোণ দুটির কোনোটি হতে পারে না, কারণ তাহলে দুটি মিলে 192° হতো, যা 180°-এর বেশি। তাই 96° হলো শীর্ষকোণ আর বাকি দুটি ভূমিকোণ সমান। ধরি প্রতিটি x। 96° + 2x = 180°, তাই 2x = 84°, x = 42°।
মনে রাখুন: সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের সমান বাহুর বিপরীত কোণ দুটিও সমান। - ৫২. x² − 3x + 2 = 0 সমীকরণের মূল দুটি হবে —
- ক. অবাস্তব ও অসমান
- খ. বাস্তব ও সমান
- গ. বাস্তব ও অসমান
- ঘ. বাস্তব ও অমূলদ
উত্তর: গ. বাস্তব ও অসমান
দ্বিঘাত সমীকরণ ax² + bx + c = 0-এর নিশ্চায়ক D = b² − 4ac। এখানে a = 1, b = −3, c = 2, তাই D = 9 − 8 = 1। D ধনাত্মক হওয়ায় মূল দুটি বাস্তব ও অসমান। D পূর্ণবর্গ সংখ্যা হওয়ায় মূলগুলো মূলদও। আসলে সমীকরণটিকে (x − 1)(x − 2) = 0 লিখলে মূল 1 ও 2 পাওয়া যায়।
মনে রাখুন:
D > 0 হলে মূল বাস্তব ও অসমান।
D = 0 হলে বাস্তব ও সমান।
D < 0 হলে মূল অবাস্তব। - ৫৪. (xᵐ/xⁿ)^(1/mn) × (xⁿ/xˡ)^(1/nl) × (xˡ/xᵐ)^(1/lm) = কত?
- ক. xᵖ
- খ. xᵐ
- গ. xˡ
- ঘ. 1
উত্তর: ঘ. 1
গুণফলের প্রতিটি উৎপাদকে প্রথমে ঘাত ও মূল একত্র করি। (x^m/x^n)^(1/mn) = x^((m−n)/mn) = x^(1/n − 1/m)। একইভাবে দ্বিতীয়টি x^(1/l − 1/n) এবং তৃতীয়টি x^(1/m − 1/l)। গুণ করার সময় সূচকগুলো যোগ হয়: (1/n − 1/m) + (1/l − 1/n) + (1/m − 1/l) = 0। তাই ফল x⁰ = 1।
মনে রাখুন: যেকোনো অশূন্য সংখ্যার শূন্য ঘাত 1। - ৬৪. 3^(x+4) = 3·9^x হলে x = কত?
- ক. 2
- খ. 3
- গ. 4
- ঘ. 9
উত্তর: খ. 3
সূচকীয় সমীকরণ সমাধানে দুই পাশের ভিত্তি এক করতে হয়। 9 = 3², তাই 9^x = 3^(2x)। ডান পাশ হয় 3 × 3^(2x) = 3^(1+2x)। এখন ভিত্তি সমান, তাই সূচক সমান: x + 4 = 1 + 2x, তাই x = 3।
যাচাই: বাম পাশ 3⁷ = 2187, ডান পাশ 3 × 9³ = 3 × 729 = 2187, মিলে গেছে। - ৬৭. একটি ভগ্নাংশের লব ও হরের সমষ্টি ৭, এদের অন্তরফল ৩ হলে ভগ্নাংশটি হবে—
- ক. ৫/২
- খ. ৮/৩
- গ. ২/৫
- ঘ. ৩/৪
উত্তর: ক. ৫/২
ধরি ভগ্নাংশটির লব x এবং হর y। প্রশ্নমতে x + y = 7 এবং x − y = 3। দুটি সমীকরণ যোগ করলে 2x = 10, তাই x = 5। তখন y = 7 − 5 = 2। তাই ভগ্নাংশটি ৫/২। যাচাই: ৫ + ২ = ৭ এবং ৫ − ২ = ৩।
মনে রাখুন: দুটি অজ্ঞাতের দুটি সমীকরণ থাকলে যোগ বা বিয়োগ করে একটিকে বাদ দেওয়া যায়। - ৭১. রহিমের বেতন ৩০% বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্তমানে ১১০৫০ টাকা পায়। পূর্বে তার বেতন কত ছিল?
- ক. ৮৫০০
- খ. ৮০০০
- গ. ৮৮০০
- ঘ. ৮৩০০
উত্তর: ক. ৮৫০০
বেতন ৩০% বাড়ার পর এখনকার বেতন আগের বেতনের ১৩০%। ধরি আগের বেতন ছিল x টাকা। তাহলে x-এর 130% = 11050, অর্থাৎ x × 1.3 = 11050। এখান থেকে x = 11050 ÷ 1.3 = 8500। যাচাই: 8500-এর 30% = 2550, আর 8500 + 2550 = 11050।
মনে রাখুন: শতকরা বৃদ্ধির প্রশ্নে আসলকে 100% ধরে হিসাব করতে হয়। - ৭৮. x² − x − 2 এর একটি উৎপাদক—
- ক. x + 2
- খ. x − 3
- গ. x + 1
- ঘ. x − 1
উত্তর: গ. x + 1
উৎপাদক বিশ্লেষণে x² − x − 2 কে ভাঙতে হয়। এমন দুটি সংখ্যা চাই, যাদের গুণফল −2 এবং যোগফল −1। সংখ্যা দুটি −2 ও +1। তাই x² − 2x + x − 2 = x(x − 2) + 1(x − 2) = (x − 2)(x + 1)। অর্থাৎ একটি উৎপাদক x + 1।
যাচাই: x = −1 বসালে (−1)² + 1 − 2 = 0, তাই x + 1 উৎপাদক। - ৮৫. f(x) = (x+3)/(x−1) এর Domain কত?
- ক. {1}
- খ. R − {3/2}
- গ. R − {1, −1}
- ঘ. {x ∈ R : x ≠ 1}
উত্তর: ঘ. {x ∈ R : x ≠ 1}
যে x-এর জন্য ফাংশনের মান পাওয়া যায়, সেই সব x-এর সেটকে ডোমেন (Domain) বলে। f(x) = (x+3)/(x−1) একটি ভগ্নাংশ, আর হর শূন্য হলে ভগ্নাংশের মান অসংজ্ঞায়িত হয়। তাই x − 1 = 0, অর্থাৎ x = 1 বাদ দিতে হবে। বাকি সব বাস্তব সংখ্যার জন্য ফাংশনটি অর্থপূর্ণ, কাজেই ডোমেন = R − {1} = {x ∈ R : x ≠ 1}।
মনে রাখুন: x = −3 বসালে লব শূন্য হয়, কিন্তু তাতে ফাংশনের মান 0 হয় মাত্র, ডোমেন বাদ যায় না। বাদ যায় কেবল হর শূন্য করা মান। - ৯২. 0 ÷ 0 = কত?
- ক. 0
- খ. 1
- গ. অনির্ণেয়
- ঘ. 0.0
উত্তর: গ. অনির্ণেয়
কোনো সংখ্যাকে শূন্য দিয়ে ভাগ করা যায় না। আবার 0 ÷ 0 হলে কোনো একটি নির্দিষ্ট মান পাওয়া যায় না, কারণ 0 × যে কোনো সংখ্যা = 0 হয়। তাই যে কোনো সংখ্যাকেই ফল ধরা যায়, ফলে এর মান অনির্ণেয় (Indeterminate)।
মনে রাখুন: অনির্ণেয় রূপগুলো হলো 0/0, ∞/∞, 0 × ∞, ∞ − ∞, 1^∞, 0^0 ও ∞^0। - ৯৫. দুটি মুদ্রা একসাথে নিক্ষেপ করলে দুটিতে H আসার সম্ভাবনা কত?
- ক. 1/4
- খ. 1/2
- গ. 3/4
- ঘ. 1
উত্তর: ক. 1/4
দুটি মুদ্রা একসঙ্গে ছুড়লে চারটি সম্ভাব্য ফল হয়: HH, HT, TH, TT। এখানে দুটিতেই H আসে কেবল HH-এ, অর্থাৎ অনুকূল ফল ১টি। সম্ভাবনা = অনুকূল ফল ÷ মোট ফল = 1/4। একটি মুদ্রা হলে H আসার সম্ভাবনা 1/2, আর দুটি স্বাধীন ঘটনায় 1/2 × 1/2 = 1/4 পাওয়া যায়।
বাংলা
- ৪. বাংলা ভাষায় তৎসম উপসর্গ কয়টি?
- ক. ২০টি
- খ. ২১টি
- গ. ১৯টি
- ঘ. ২৩টি
উত্তর: ক. ২০টি
উপসর্গ (Prefix) হলো এমন শব্দাংশ, যা অন্য শব্দের আগে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে। বাংলা ভাষায় উপসর্গ তিন রকমের: খাঁটি বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। এর মধ্যে তৎসম উপসর্গ ২০টি। এগুলো সংস্কৃত থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে।
মনে রাখুন:
তৎসম উপসর্গ ২০টি: প্র, পরা, অপ, সম্, নি, অনু, অব, নির্, দুর্, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অভি, অতি, অপি, উপ, আ।
খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি। - ৫. নিচের কোনটি দেশি শব্দ নয়?
- ক. কুলা
- খ. ডাব
- গ. চুলা
- ঘ. চাবি
উত্তর: ঘ. চাবি
দেশি শব্দ হলো সেসব শব্দ, যেগুলো বাংলা ভাষার নিজস্ব। এগুলো সংস্কৃত বা কোনো বিদেশি ভাষা থেকে আসেনি। কুলা, ডাব ও চুলা এমনই শব্দ। কিন্তু ‘চাবি’ শব্দটি দেশি নয়, এটি এসেছে পর্তুগিজ ভাষা থেকে। পর্তুগিজ বণিকেরা এ দেশে এসে এমন অনেক শব্দ আমাদের ভাষায় রেখে গেছেন।
মনে রাখুন:
পর্তুগিজ শব্দ: আনারস, আলপিন, আলমারি, গির্জা, গুদাম, বালতি, পেয়ারা, কাজু।
দেশি শব্দের আরও উদাহরণ: ঢেঁকি, কুলা, ঝাঁটা, টেঁকি। - ৮. 'শিবরাত্রির সলতে' বাগধারাটির অর্থ—
- ক. আট প্রহর
- খ. জ্বলন্ত প্রমাণ
- গ. একমাত্র বংশধর
- ঘ. দীপশিখা
উত্তর: গ. একমাত্র বংশধর
‘শিবরাত্রির সলতে’ একটি বাগধারা। শিবরাত্রির দিন উপবাস ও পূজার জন্য ঘরে যে প্রদীপ জ্বালানো হয়, তার সলতেটি অত্যন্ত যত্নে রাখা হয়। সেই যত্ন থেকে বাগধারাটির অর্থ দাঁড়িয়েছে একমাত্র বংশধর বা বংশের একমাত্র সন্তান, যাকে ঘিরে পরিবারের সব আশা।
মনে রাখুন:
আট প্রহর = সারাক্ষণ।
জ্বলন্ত প্রমাণ = স্পষ্ট বা অকাট্য প্রমাণ।
দীপশিখা = প্রদীপের আলোর শিখা, যা বাগধারা নয়। - ১৪. 'চৈতন্য-ভাগবত' রচনা করেন কে?
- ক. বিদ্যাপতি
- খ. জ্ঞানদাস
- গ. বৃন্দাবন দাস
- ঘ. গোবিন্দ দাস
উত্তর: গ. বৃন্দাবন দাস
‘চৈতন্য-ভাগবত’ শ্রীচৈতন্যদেবের জীবন নিয়ে লেখা একটি জীবনীগ্রন্থ, যার রচয়িতা বৃন্দাবন দাস। চৈতন্যদেবের আবির্ভাবের পর বাংলা সাহিত্যে জীবনীসাহিত্য নামে একটি নতুন ধারার শুরু হয়, আর এই গ্রন্থটি সেই ধারার প্রথম দিকের কাজ। বাকি কবিরা অন্য ধরনের রচনার জন্য পরিচিত। বিদ্যাপতি, জ্ঞানদাস ও গোবিন্দ দাস বৈষ্ণব পদাবলির কবি।
মনে রাখুন:
চৈতন্যচরিতামৃত রচনা করেন কৃষ্ণদাস কবিরাজ।
চৈতন্যমঙ্গল রচনা করেন জয়ানন্দ ও লোচনদাস। - ২০. শুদ্ধ বানান কোনটি?
- ক. মূমূর্ষু
- খ. মুমূর্ষু
- গ. মুমুর্ষু
- ঘ. মূমুর্ষু
উত্তর: খ. মুমূর্ষু
শুদ্ধ বানান ‘মুমূর্ষু’। শব্দটি এসেছে সংস্কৃত ‘মৃ’ ধাতু থেকে, যার অর্থ মরতে ইচ্ছুক, অর্থাৎ মরণাপন্ন। এই বানানে প্রথম ‘মু’-তে হ্রস্ব উ-কার, দ্বিতীয় ‘মূ’-তে দীর্ঘ ঊ-কার এবং শেষে ‘র্ষু’ আছে। বানানের ক্রম মনে না থাকলে এই শব্দে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
মনে রাখুন:
ভুল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি এমন কয়েকটি শুদ্ধ বানান: ঊর্ধ্ব, মূর্ধন্য, পূর্বাহ্ণ, মনীষী। - ৩১. 'পথের দাবী' উপন্যাসের রচয়িতা—
- ক. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
- খ. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- গ. কাজী ইমদাদুল হক
- ঘ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
উত্তর: খ. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
‘পথের দাবী’ উপন্যাসের রচয়িতা শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। ১৯২৬ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে বিপ্লবী আন্দোলনের কথা আছে। এ কারণে ব্রিটিশ সরকার বইটি নিষিদ্ধ করে। উপন্যাসের প্রধান চরিত্র সব্যসাচী। বাকি লেখকদের পরিচয় আলাদা। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ‘পথের পাঁচালী’ লিখেছেন, আর বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ‘আনন্দমঠ’।
মনে রাখুন:
শরৎচন্দ্রের অন্য উপন্যাস: শ্রীকান্ত, চরিত্রহীন, দেবদাস, পল্লীসমাজ, গৃহদাহ।
বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাস: আনন্দমঠ, কপালকুণ্ডলা।
বিভূতিভূষণের উপন্যাস: পথের পাঁচালী। - ৩৩. মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত কাব্য কোনটি?
- ক. মানসী
- খ. বীরাঙ্গনা
- গ. চিন্তা তরঙ্গিনী
- ঘ. কালের শাসন
উত্তর: খ. বীরাঙ্গনা
‘বীরাঙ্গনা’ মাইকেল মধুসূদন দত্তের কাব্য। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য, অর্থাৎ চিঠির আকারে লেখা কাব্য। এতে ১১টি পত্র আছে, আর কাব্যটি অমিত্রাক্ষর ছন্দে লেখা। বাকি বিকল্পগুলো অন্য কবিদের রচনা। ‘মানসী’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্য।
মনে রাখুন:
মধুসূদনের অন্যান্য কাব্য: তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য, মেঘনাদবধ কাব্য, ব্রজাঙ্গনা, চতুর্দশপদী কবিতাবলী।
বাংলায় অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক মধুসূদন দত্ত। - ৪২. যুগসন্ধিক্ষণের কবি—
- ক. ভারতচন্দ্র
- খ. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
- গ. বিহারীলাল চক্রবর্তী
- ঘ. মধুসূদন দত্ত
উত্তর: খ. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে ‘যুগসন্ধিক্ষণের কবি’ বলা হয়। তাঁর সময়ে বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগ শেষ হয়ে আধুনিক যুগ শুরু হচ্ছিল, আর তাঁর কবিতায় দুই যুগেরই ছাপ পাওয়া যায়। তিনি ‘সংবাদ প্রভাকর’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। বাকি কবিদের পরিচয় আলাদা। ভারতচন্দ্র মধ্যযুগের শেষ বড় কবি, বিহারীলাল গীতিকবিতার কবি এবং মধুসূদন আধুনিক কাব্যের পথিকৃৎ।
মনে রাখুন:
ভারতচন্দ্র: রায়গুণাকর (মধ্যযুগের শেষ কবি)।
বিহারীলাল চক্রবর্তী: ভোরের পাখি।
মধুসূদন দত্ত: মাইকেল, আধুনিক বাংলা কাব্যের পথিকৃৎ। - ৪৬. 'পদ্মাবতী' কাব্যের রচয়িতা—
- ক. আলাওল
- খ. শাহ মুহম্মদ সগীর
- গ. মুহম্মদ কবীর
- ঘ. কাজী দৌলত
উত্তর: ক. আলাওল
‘পদ্মাবতী’ কাব্যের রচয়িতা আলাওল। তিনি আরাকান রাজসভার কবি ছিলেন। কাব্যটি সুফি কবি মালিক মুহম্মদ জায়সীর ‘পদুমাবৎ’ থেকে অনূদিত, আর মূল কাব্যটি আওয়াধি (পূর্ব হিন্দি) ভাষায় লেখা। এভাবে আলাওল মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্যে অনুবাদের একটি সমৃদ্ধ ধারা তৈরি করেছেন।
মনে রাখুন:
আলাওলের অন্যান্য কাব্য: সয়ফুলমুলুক-বদিউজ্জামাল, হপ্তপয়কর, সিকান্দরনামা, তোহফা।
শাহ মুহম্মদ সগীরের কাব্য: ইউসুফ-জোলেখা।
কাজী দৌলতের কাব্য: সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী। - ৫৭. কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ—
- ক. অগ্নিবীণা
- খ. ব্যথার দান
- গ. ফণিমনসা
- ঘ. রাজবন্দীর জবানবন্দী
উত্তর: খ. ব্যথার দান
কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ গল্পগ্রন্থ ‘ব্যথার দান’, যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। অন্যদিকে তাঁর প্রথম প্রকাশিত রচনা হলো গল্প ‘বাউণ্ডুলের আত্মকাহিনী’ (১৯১৯)। বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নিবীণা’ও ১৯২২ সালেই বের হয়, তবে ‘ব্যথার দান’ তার আগে প্রকাশিত। তাই প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বলতে ‘ব্যথার দান’-ই বোঝায়।
মনে রাখুন:
প্রথম উপন্যাস: বাঁধনহারা (১৯২৭)।
প্রথম কাব্যগ্রন্থ: অগ্নিবীণা।
‘রাজবন্দীর জবানবন্দী’ একটি প্রবন্ধ বা বিবৃতিমূলক রচনা। - ৫৯. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নোবেল পুরস্কার পান—
- ক. ১৯১৩ সালে
- খ. ১৯২০ সালে
- গ. ১৯২৩ সালে
- ঘ. ১৯২৪ সালে
উত্তর: ক. ১৯১৩ সালে
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যের কিছু কবিতার নিজের করা ইংরেজি অনুবাদ ‘Song Offerings’ (১৯১২) এই পুরস্কারের কারণ। বইটির ভূমিকা লিখেছিলেন কবি ডব্লিউ. বি. ইয়েটস। এই পুরস্কার পেয়ে রবীন্দ্রনাথ এশিয়ার প্রথম নোবেলজয়ী হন।
মনে রাখুন:
বাংলা ভাষায় লেখা ‘গীতাঞ্জলি’ প্রকাশিত হয় ১৯১০ সালে।
বাংলা ভাষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরই প্রথম নোবেলজয়ী। - ৬১. 'সবুজপত্র' পত্রিকার সম্পাদক কে?
- ক. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গ. প্রমথ চৌধুরী
- ঘ. কাজী নজরুল ইসলাম
উত্তর: গ. প্রমথ চৌধুরী
‘সবুজপত্র’ বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত মাসিক পত্রিকা, যার সম্পাদক ছিলেন প্রমথ চৌধুরী। তিনি ১৯১৪ সালে পত্রিকাটি প্রকাশ করেন। এই পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা গদ্যে চলিত ভাষার ব্যবহার ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে, তাই প্রমথ চৌধুরীকে চলিত রীতির প্রবর্তক বলা হয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই পত্রিকায় লিখেছেন ঠিকই, কিন্তু সম্পাদক ছিলেন না।
মনে রাখুন:
প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম বীরবল।
তাঁর বিখ্যাত বই ‘বীরবলের হালখাতা’। - ৬২. 'বিধ্বস্ত নীলিমা' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা—
- ক. আহসান হাবীব
- খ. শামসুর রাহমান
- গ. হাসান আজিজুল হক
- ঘ. আল মাহমুদ
উত্তর: খ. শামসুর রাহমান
‘বিধ্বস্ত নীলিমা’ কবি শামসুর রাহমানের কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৬৭ সালে প্রকাশিত হয়। তিনি বাংলাদেশের আধুনিক কবিতার একজন প্রধান কবি। বাকি নামগুলো অন্য লেখকদের। আহসান হাবীব ও আল মাহমুদ কবি, আর হাসান আজিজুল হক ছোটগল্পকার ও ঔপন্যাসিক।
মনে রাখুন:
শামসুর রাহমানের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে’।
তাঁর অন্যান্য কাব্য: রৌদ্র করোটিতে, নিজ বাসভূমে, নিরালোকে দিব্যরথ, বন্দী শিবির থেকে। - ৬৩. 'চাঁদ' এর সমার্থক শব্দ—
- ক. ভানু
- খ. নিশীথিনী
- গ. কোমলাকান্ত
- ঘ. রজনীকান্ত
উত্তর: ঘ. রজনীকান্ত
বাংলায় একই জিনিসের অনেক সমার্থক শব্দ থাকে। চাঁদেরও তেমন অনেক নাম আছে। ‘রজনীকান্ত’ শব্দের অর্থ রাতের প্রিয়, অর্থাৎ চাঁদ। অন্য বিকল্পগুলো আলাদা অর্থ প্রকাশ করে। ভানু মানে সূর্য, আর নিশীথিনী মানে রাত। কোমলাকান্ত চাঁদের কোনো পরিচিত নাম নয়।
মনে রাখুন:
চাঁদের সমার্থক: চন্দ্র, শশী, ইন্দু, সুধাংশু, সুধাকর, শশাঙ্ক, বিধু, সোম।
সূর্যের সমার্থক: রবি, ভানু, দিবাকর। - ৬৫. বাংলা সাহিত্যের আধুনিকতম শাখা কোনটি?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৪
- ক. ছোটগল্প
- খ. উপন্যাস
- গ. কবিতা
- ঘ. নাটক
উত্তর: ক. ছোটগল্প
বাংলা সাহিত্যের ধারাগুলোর মধ্যে ছোটগল্প সবচেয়ে নবীন। কবিতা সবচেয়ে প্রাচীন, আর উপন্যাস ও নাটক শুরু হয় উনিশ শতকে। ছোটগল্পের সূচনা হয় তারও পরে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বাংলা ছোটগল্পের জনক বলা হয়। তাঁর ‘পোস্টমাস্টার’ ও ‘কাবুলিওয়ালা’ এই ধারার বিখ্যাত গল্প। তাই আধুনিকতম শাখা হিসেবে ছোটগল্পকেই ধরা হয়।
মনে রাখুন:
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম শাখা কবিতা।
প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ। - ৭৪. 'পথে-প্রবাসে' গ্রন্থের রচয়িতা—
- ক. সৈয়দ মুজতবা আলী
- খ. অন্নদাশঙ্কর রায়
- গ. আবুল ফজল
- ঘ. জসীমউদ্দীন
উত্তর: খ. অন্নদাশঙ্কর রায়
‘পথে প্রবাসে’ একটি ভ্রমণকাহিনি। এর রচয়িতা অন্নদাশঙ্কর রায়, যিনি ইউরোপ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা সহজ ও সুন্দর গদ্যে লিখেছেন। অনেকে ভ্রমণকাহিনির কথা শুনলেই সৈয়দ মুজতবা আলীর নাম মনে করেন, কিন্তু এই বইটি তাঁর নয়।
মনে রাখুন:
সৈয়দ মুজতবা আলীর ভ্রমণকাহিনি: দেশে বিদেশে, জলে ডাঙায়।
জসীমউদ্দীনের ভ্রমণকাহিনি: চলে মুসাফির, হলদে পরীর দেশ।
আবুল ফজল একজন ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক। - ৭৫. মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
- ক. নিষিদ্ধ লোবান
- খ. নেকড়ে অরণ্য
- গ. রাত্রিশেষ
- ঘ. বন্দী শিবির থেকে
উত্তর: ঘ. বন্দী শিবির থেকে
‘বন্দী শিবির থেকে’ কবি শামসুর রাহমানের কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীর দখলে থাকা ঢাকায় কবি যে যন্ত্রণা ও অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গিয়েছেন, তা এই কাব্যে ধরা পড়েছে। তাই এটি মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা কাব্যগ্রন্থ। বাকিগুলোর মধ্যে ‘নেকড়ে অরণ্য’ শওকত ওসমানের উপন্যাস।
মনে রাখুন:
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক শওকত ওসমানের উপন্যাস ‘নেকড়ে অরণ্য’।
‘রাত্রিশেষ’ আহসান হাবীবের কাব্যগ্রন্থ। - ৭৭. কারাগারের রোজনামচা—
- ক. নাটক
- খ. উপন্যাস
- গ. কাব্য
- ঘ. দিনলিপি
উত্তর: ঘ. দিনলিপি
‘কারাগারের রোজনামচা’ একটি দিনলিপি (Diary)। রোজনামচা শব্দের অর্থ প্রতিদিনের ঘটনার লিখিত বিবরণ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৮ সালের মধ্যে কারাগারে বসে নিজের হাতে এটি লিখেছিলেন। বইটি ২০১৭ সালে বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত হয়। এটি নাটক, উপন্যাস বা কাব্য নয়।
মনে রাখুন:
বঙ্গবন্ধুর অন্যান্য গ্রন্থ: অসমাপ্ত আত্মজীবনী (২০১২), আমার দেখা নয়াচীন (২০২০)। - ৭৯. অমর একুশের প্রথম সাহিত্য সংকলন 'একুশে ফেব্রুয়ারি' সম্পাদনা করেন কে?
- ক. আবুল ফজল
- খ. মাহবুব উল আলম
- গ. হাসান হাফিজুর রহমান
- ঘ. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
উত্তর: গ. হাসান হাফিজুর রহমান
ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি নিয়ে প্রকাশিত প্রথম সাহিত্য সংকলনটির নাম ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’। ১৯৫৩ সালে এটি সম্পাদনা করেন কবি ও সাহিত্যিক হাসান হাফিজুর রহমান। সংকলনে কবিতা, গল্প ও প্রবন্ধের মাধ্যমে একুশের চেতনা ধরা হয়েছিল, তাই সে সময়ের সরকার একে বাজেয়াপ্ত করে। মজার ব্যাপার হলো, এই একটি সংকলনই পরে একুশকে ঘিরে সাহিত্যচর্চার ধারা তৈরি করে দেয়।
মনে রাখুন:
হাসান হাফিজুর রহমান কবি হিসেবে লিখেছেন ‘বিমুখ প্রান্তর’, ‘আর্ত শব্দাবলী’।
তিনি ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ: দলিলপত্র’ নামের ১৫ খণ্ডের বিশাল সংকলনেরও সম্পাদক ছিলেন। - ৮০. 'খয়ের খাঁ' বাগধারাটির অর্থ কী?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৯
- ক. দিনমজুর
- খ. তোষামোদকারী
- গ. দীনমজুর
- ঘ. গণ্যমান্য ব্যক্তি
উত্তর: খ. তোষামোদকারী
‘খয়ের খাঁ’ একটি বাগধারা (Idiom)। যে মানুষ নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য ক্ষমতাবান কারও মন জুগিয়ে চলে এবং সব কথায় সায় দেয়, তাকে এই বাগধারায় বোঝানো হয়। তাই এর অর্থ তোষামোদকারী। প্রথম ও তৃতীয় বিকল্পের শব্দ আসলে একই ধরনের, তাদের অর্থ গরিব শ্রমিক, যার সঙ্গে বাগধারার অর্থের কোনো মিল নেই। আবার ‘গণ্যমান্য ব্যক্তি’ বলতে সম্মানিত মানুষ বোঝায়, তোষামোদকারী মোটেই নয়।
মনে রাখুন: তোষামোদকারীর কাছাকাছি অর্থের শব্দ হলো চাটুকার, মোসাহেব ও স্তাবক। - ৮১. বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকবি—
- ক. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
- খ. কায়কোবাদ
- গ. আলাওল
- ঘ. মীর মশাররফ হোসেন
উত্তর: ক. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত। তিনি ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ লিখেছেন, যেটি বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক মহাকাব্য (Epic)। কাব্যটি অমিত্রাক্ষর ছন্দে লেখা, আর এতে ৯টি সর্গ আছে। রামায়ণের কাহিনি নিয়ে লিখলেও কবি রাবণ ও মেঘনাদকে নতুন ও মানবিক চোখে এঁকেছেন।
মনে রাখুন:
অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক মধুসূদন দত্ত।
কায়কোবাদের মহাকাব্য ‘মহাশ্মশান’ (পানিপথের যুদ্ধ নিয়ে)।
আলাওলের কাব্য ‘পদ্মাবতী’। - ৮৩. 'আমার যত কথা' গ্রন্থের লেখকের নাম—
- ক. হাসান হাফিজুর রহমান
- খ. গোলাম সারওয়ার
- গ. সেলিনা হোসেন
- ঘ. আবদুল গাফফার চৌধুরী
উত্তর: খ. গোলাম সারওয়ার
‘আমার যত কথা’ বইটি সাংবাদিক গোলাম সারওয়ারের লেখা। তিনি দীর্ঘদিন সাংবাদিকতা করেছেন এবং ‘দৈনিক সমকাল’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। বইয়ে তাঁর নিজের জীবনের কথা ও রাজনৈতিক-সামাজিক বিষয়ে লেখা সংযোজিত হয়েছে। বাকি তিনজন সাহিত্য ও সাংবাদিকতার জগতে পরিচিত হলেও এই বইটি তাঁদের নয়।
মনে রাখুন: আবদুল গাফফার চৌধুরী ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো’ গানের রচয়িতা হিসেবে সবচেয়ে পরিচিত। - ৮৪. 'ছায়া হরিণ' কাব্যগ্রন্থটি কার লেখা?
- ক. আহসান হাবীব
- খ. ফররুখ আহমেদ
- গ. সৈয়দ শামসুল হক
- ঘ. আল মাহমুদ
উত্তর: ক. আহসান হাবীব
‘ছায়া হরিণ’ কবি আহসান হাবীবের কাব্যগ্রন্থ। তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার একজন গুরুত্বপূর্ণ কবি, আর গ্রামবাংলার ছবি ও সহজ ভাষা তাঁর কবিতার বৈশিষ্ট্য। বাকি কবিদের কাব্যগ্রন্থের নাম আলাদা। ফররুখ আহমদের বিখ্যাত কাব্য ‘সাত সাগরের মাঝি’।
মনে রাখুন:
আহসান হাবীবের কাব্যগ্রন্থ: রাত্রিশেষ, ছায়া হরিণ, সারা দুপুর, আশায় বসতি, মেঘ বলে চৈত্রে যাবো।
ফররুখ আহমদের কাব্যগ্রন্থ: সাত সাগরের মাঝি, সিরাজাম মুনীরা, হাতেম তায়ী। - ৮৭. বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন—
- ক. চর্যাপদ
- খ. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য
- গ. বৈষ্ণব পদাবলী
- ঘ. মঙ্গলকাব্য
উত্তর: ক. চর্যাপদ
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ। এটি বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের রচিত সাধনসংগীত। ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে পুঁথিটি আবিষ্কার করেন। ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ ‘হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা’ নামে এটি প্রকাশ করে। শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন, তাই তা আদি নয়।
মনে রাখুন:
চর্যাপদের প্রথম কবি লুইপা।
আদি যুগের সময়কাল মোটামুটি ৬৫০ থেকে ১২০০ খ্রিষ্টাব্দ ধরা হয়। - ৯০. 'সুলতানার স্বপ্ন' লিখেছেন—
- ক. সুফিয়া কামাল
- খ. রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
- গ. জাহানারা ইমাম
- ঘ. সেলিনা হোসেন
উত্তর: খ. রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
‘সুলতানার স্বপ্ন’ বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের লেখা। এটি ইংরেজিতে লেখা একটি কল্পবিজ্ঞানধর্মী ব্যঙ্গরচনা (Sultana’s Dream), যেখানে নারীরা শাসন করে আর পুরুষেরা অন্দরে থাকে। এভাবে তিনি সমাজের উল্টো চেহারা দেখিয়ে নারীর অবরুদ্ধ জীবনের সমালোচনা করেছেন। মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত হিসেবে তিনি পরিচিত।
মনে রাখুন:
রোকেয়ার অন্যান্য রচনা: মতিচূর (প্রবন্ধ), পদ্মরাগ (উপন্যাস), অবরোধবাসিনী।
রোকেয়া সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল তাঁর প্রতিষ্ঠিত।
আন্তর্জাতিক
- ২৯. আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত কোন দেশে অবস্থিত?
- ক. ব্রিটেন
- খ. ইতালি
- গ. নেদারল্যান্ডস
- ঘ. পোল্যান্ড
উত্তর: গ. নেদারল্যান্ডস
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (International Criminal Court, সংক্ষেপে ICC) নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ শহরে অবস্থিত। রোম সনদ ১৯৯৮ সালের ১৭ জুলাই গৃহীত হয় এবং ২০০২ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়। এই আদালত গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ, যুদ্ধাপরাধ ও আগ্রাসনের অপরাধের বিচার করে।
মনে রাখুন:
ICC-এর বিচারক ১৮ জন।
জাতিসংঘের প্রধান বিচার অঙ্গ আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (ICJ)ও দ্য হেগে অবস্থিত, কিন্তু এটি আলাদা প্রতিষ্ঠান। - ৩৬. NATO-এর সদর দপ্তর কোথায়?
- ক. বেলজিয়াম
- খ. ফ্রান্স
- গ. জার্মানি
- ঘ. তুরস্ক
উত্তর: ক. বেলজিয়াম
উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা (North Atlantic Treaty Organization, NATO) ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে। সংস্থাটির সদর দপ্তর আগে অন্য শহরেও ছিল, পরে ১৯৬৭ সালে ব্রাসেলসে স্থানান্তরিত হয়।
মনে রাখুন: NATO একটি সামরিক জোট, যার সদস্য রাষ্ট্র আক্রান্ত হলে সবাই মিলে সাড়া দেয়।
হালনাগাদ: ২০১৯-২০ সালে সদস্য ছিল ২৯ ও ৩০টি দেশ। ফিনল্যান্ড (২০২৩) ও সুইডেন (২০২৪) যোগ দেওয়ায় এখন সদস্য ৩২টি। - ৪১. সুয়েজ খাল কোন দেশে?
- ক. তুরস্ক
- খ. পানামা
- গ. মিশর
- ঘ. ব্রাজিল
উত্তর: গ. মিশর
সুয়েজ খাল মিশরে অবস্থিত। এটি একটি কৃত্রিম খাল, যা ভূমধ্যসাগরকে লোহিত সাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। খালটি তৈরি হওয়ার ফলে ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যে চলাচলকারী জাহাজকে আর আফ্রিকা ঘুরে যেতে হয় না। খালটি ১৮৬৯ সালের ১৭ নভেম্বর নৌচলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়। ১৯৫৬ সালের ২৬ জুলাই মিশর খালটি জাতীয়করণ করে।
মনে রাখুন:
পানামা খাল প্রশান্ত ও আটলান্টিক মহাসাগরকে যুক্ত করেছে।
পানামা খাল পানামা দেশে অবস্থিত, মিশরে নয়। - ৪৩. নিচের কোনটি দ্বীপ দেশ?
- ক. নেপাল
- খ. লিবিয়া
- গ. আফগানিস্তান
- ঘ. শ্রীলংকা
উত্তর: ঘ. শ্রীলংকা
দ্বীপ দেশ (Island country) হলো এমন দেশ, যার চারদিক জল দিয়ে ঘেরা। শ্রীলঙ্কা ভারত মহাসাগরের একটি দ্বীপরাষ্ট্র। নেপাল ও আফগানিস্তান কোনো সমুদ্রের সঙ্গে যুক্ত নয়, এরা স্থলবেষ্টিত দেশ (Landlocked)। লিবিয়ার ভূমধ্যসাগরে উপকূল আছে, কিন্তু এটি মূল আফ্রিকা মহাদেশের অংশ, দ্বীপ নয়।
মনে রাখুন:
স্থলবেষ্টিত দেশ: নেপাল, ভুটান, আফগানিস্তান।
দ্বীপ দেশ: শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, জাপান। - ৪৮. নেপোলিয়ান বোনাপোর্ট কোন দেশের অধিবাসী ছিলেন?
- ক. ব্রিটেন
- খ. জার্মানি
- গ. ফ্রান্স
- ঘ. ইতালি
উত্তর: গ. ফ্রান্স
নেপোলিয়ান বোনাপার্ট ফ্রান্সের নাগরিক ছিলেন। ১৭৬৯ সালের ১৫ আগস্ট ভূমধ্যসাগরের কর্সিকা দ্বীপের আজাক্সিও শহরে তাঁর জন্ম হয়। দ্বীপটি সে সময় ফ্রান্সের অধীনে ছিল, তাই তাঁকে ফরাসি বলা হয়। তিনি ১৮০৪ সাল থেকে ফ্রান্সের সম্রাট হন এবং ১৮২১ সালে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসনে মারা যান।
মনে রাখুন:
১৮১৫ সালে ওয়াটারলুর যুদ্ধে তাঁর চূড়ান্ত পরাজয় হয়।
নেপোলিয়ানের আগে ১৭৮৯ সালে ফরাসি বিপ্লব ঘটে। - ৫০. ভেনিজুয়েলার রাজধানীর নাম কী?
- ক. রিও ডি জেনেরিও
- খ. রোম
- গ. মাদ্রিদ
- ঘ. কারাকাস
উত্তর: ঘ. কারাকাস
ভেনিজুয়েলা দক্ষিণ আমেরিকার একটি দেশ, আর এর রাজধানী কারাকাস (Caracas)। অন্য বিকল্পগুলো ভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্কিত। রোম ইতালির রাজধানী এবং মাদ্রিদ স্পেনের রাজধানী। রিও ডি জেনেরিও ব্রাজিলের একটি বিখ্যাত শহর, কিন্তু ব্রাজিলের রাজধানী ব্রাসিলিয়া।
মনে রাখুন:
ভেনিজুয়েলায় বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেলের মজুত আছে।
ভেনিজুয়েলা দক্ষিণ আমেরিকার উত্তর উপকূলে অবস্থিত। - ৮৬. কোন দেশটি নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য নয়?
- ক. জাপান
- খ. চীন
- গ. রাশিয়া
- ঘ. যুক্তরাজ্য
উত্তর: ক. জাপান
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে মোট ১৫টি সদস্য আছে, যার মধ্যে ৫টি স্থায়ী ও ১০টি অস্থায়ী। স্থায়ী সদস্য হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন। জাপান এই পাঁচের মধ্যে নেই, তাই জাপান স্থায়ী সদস্য নয়। জাপান অনেকবার অস্থায়ী সদস্য হয়েছে এবং স্থায়ী সদস্যপদ পাওয়ার জন্য চেষ্টা করছে।
মনে রাখুন:
স্থায়ী পাঁচ সদস্যের প্রত্যেকের ভেটো (Veto) ক্ষমতা আছে।
অস্থায়ী সদস্যদের মেয়াদ ২ বছর। - ৮৮. এশিয়ার দীর্ঘতম নদী কোনটি?
- ক. আমাজন
- খ. নীল
- গ. ইয়াংসি কিয়াং
- ঘ. যমুনা
উত্তর: গ. ইয়াংসি কিয়াং
এশিয়ার দীর্ঘতম নদী ইয়াংসি কিয়াং (Yangtze), যা চীনে অবস্থিত। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৬,৩০০ কিলোমিটার। আমাজন ও নীল নদ এশিয়া মহাদেশে নেই। আমাজন দক্ষিণ আমেরিকার নদী, আর নীল নদ আফ্রিকার। যমুনা বাংলাদেশের একটি নদী, কিন্তু দৈর্ঘ্যে এশিয়ার সেরা নয়।
মনে রাখুন:
নীল নদকে সাধারণত বিশ্বের দীর্ঘতম নদী ধরা হয়।
আমাজন পানির পরিমাণে বিশ্বের বৃহত্তম নদী। - ৮৯. কোন দেশটি এশিয়া মহাদেশে নয়?
- ক. আফগানিস্তান
- খ. ইন্দোনেশিয়া
- গ. ইরান
- ঘ. মিশর
উত্তর: ঘ. মিশর
মিশর আফ্রিকা মহাদেশের দেশ। এর বেশির ভাগ অংশ আফ্রিকায়, শুধু সিনাই উপদ্বীপ এশিয়ার অংশ। তবু দেশটিকে আফ্রিকার দেশই ধরা হয়। আফগানিস্তান, ইন্দোনেশিয়া ও ইরান তিনটিই এশিয়ার দেশ, তাই যে দেশটি এশিয়ায় নয়, সেটি মিশর।
মনে রাখুন:
সুয়েজ খাল মিশরে অবস্থিত, এটি ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে যুক্ত করে এবং এশিয়া-আফ্রিকার সীমানার কাছ দিয়ে গেছে।
ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপরাষ্ট্র।
কম্পিউটার ও আইসিটি
- ৩৭. ফেসবুক-এর জনক কে?
- ক. বিল গেটস
- খ. মার্ক জুকারবার্গ
- গ. মার্ক টোখেন
- ঘ. স্টিভ জবস
উত্তর: খ. মার্ক জুকারবার্গ
ফেসবুক (Facebook) নামের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটি ২০০৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি চালু করেন মার্ক জুকারবার্গ। তখন তিনি যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছিলেন। তাই তাঁকে ফেসবুকের জনক বলা হয়। বাকিরা অন্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত। বিল গেটস মাইক্রোসফটের এবং স্টিভ জবস অ্যাপলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা।
মনে রাখুন:
ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান এখন মেটা (Meta), যার অধীনে ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপও আছে। - ৫৮. WWW-এর পূর্ণরূপ কোনটি?
- ক. World Wide Work
- খ. Work Wait Web
- গ. World Way Work
- ঘ. World Wide Web
উত্তর: ঘ. World Wide Web
WWW-এর পূর্ণরূপ World Wide Web। এটি ইন্টারনেটের ওপর চলা পরস্পর যুক্ত ওয়েব পেজ ও তথ্যের এক বিশাল ব্যবস্থা। ১৯৮৯ সালে ব্রিটিশ বিজ্ঞানী টিম বার্নার্স-লি এর ধারণা দেন। অনেকে ওয়েব আর ইন্টারনেটকে এক মনে করেন, কিন্তু দুটি এক জিনিস নয়। ইন্টারনেট হলো কম্পিউটারের বিশাল নেটওয়ার্ক, আর ওয়েব সেই নেটওয়ার্কে চলা একটি সেবা।
মনে রাখুন:
ওয়েব পেজ দেখার সফটওয়্যারকে ব্রাউজার (Browser) বলে।
ওয়েব পেজ খোঁজার জন্য ব্যবহৃত হয় সার্চ ইঞ্জিন।
বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা: সব বছর
বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ: অন্যান্য পরীক্ষা
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয় উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয় সহকারী মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয় সহকারী প্রোগ্রামার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয় উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিদ্যুৎ বিভাগ বিদ্যুৎ পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর সহকারী প্রকৌশলী (পুর)/উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন