বিভিন্ন মন্ত্রণালয় উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ২৪ জুলাই ২০১৯। ৬২টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। শুধু সাধারণ অংশ। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →বাংলাদেশ
- ১. বঙ্গবন্ধু কখন স্বাধীন দেশে আগমন করেন?
- ক. ৭ জানুয়ারি ১৯৭২
- খ. ১০ জানুয়ারি ১৯৭২
- গ. ৭ মার্চ ১৯৭২
- ঘ. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
উত্তর: খ. ১০ জানুয়ারি ১৯৭২
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হলেও বঙ্গবন্ধু তখন পাকিস্তানের কারাগারে বন্দী ছিলেন। মুক্তি পেয়ে তিনি লন্ডন ও দিল্লি হয়ে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি ঢাকায় ফেরেন। বিমানবন্দর থেকে তিনি সরাসরি রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) যান এবং সেখানে লাখো মানুষের সামনে ভাষণ দেন। এ কারণে ১০ জানুয়ারি স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস।
মনে রাখুন:
দেশে ফিরে ১২ জানুয়ারি ১৯৭২ তিনি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেন।
৭ মার্চ ১৯৭১ রেসকোর্স ময়দানে তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণ। - ৩. ঈসা খাঁ নামের সাথে কোন স্থানটি জড়িত?
- ক. জঙ্গলবাড়ী
- খ. ময়নামতি
- গ. লাঙ্গলবন্দ
- ঘ. দুর্গাপুর
উত্তর: ক. জঙ্গলবাড়ী
ঈসা খাঁ ছিলেন বারো ভূঁইয়ার প্রধান। তিনি মুঘল সম্রাট আকবরের সেনাপতিদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ লড়াই করেন। কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত জঙ্গলবাড়ী তাঁর অন্যতম প্রধান ঘাঁটি ও দুর্গ ছিল। তাঁর প্রধান রাজধানী সোনারগাঁও। ময়নামতি কুমিল্লার বৌদ্ধ প্রত্নস্থান, যার সঙ্গে ঈসা খাঁর সম্পর্ক নেই।
মনে রাখুন:
ঈসা খাঁর উপাধি ‘মসনদ-ই-আলা’।
তাঁর পুত্র মূসা খাঁ।
ঈসা খাঁ ১৫৯৯ সালে মারা যান। - ৯. বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর কোন জেলায়?
- ক. কুড়িগ্রাম
- খ. যশোর
- গ. পঞ্চগড়
- ঘ. সিলেট
উত্তর: গ. পঞ্চগড়
বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলায় অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের স্থলবন্দর। এর অপর পাশে ভারতের ফুলবাড়ী। এই পথে ভারত এবং নেপাল-ভুটানের সঙ্গে বাণিজ্য চলে। বাকি জেলাগুলোর স্থলবন্দর অন্য নামে পরিচিত। কুড়িগ্রামে ভূরুঙ্গামারী, যশোরে বেনাপোল এবং সিলেটে তামাবিল স্থলবন্দর আছে।
মনে রাখুন:
বেনাপোল বাংলাদেশের সবচেয়ে ব্যস্ত স্থলবন্দর।
তেঁতুলিয়ায় বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরের বিন্দু। - ১৫. মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
- ক. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- খ. তাজউদ্দীন আহমদ
- গ. এম মনসুর আলী
- ঘ. এ এইচ এম কামারুজ্জামান
উত্তর: খ. তাজউদ্দীন আহমদ
মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ। রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তবে তিনি তখন পাকিস্তানের কারাগারে থাকায় উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অর্থমন্ত্রী ছিলেন এম মনসুর আলী এবং স্বরাষ্ট্র ও ত্রাণমন্ত্রী ছিলেন এ এইচ এম কামারুজ্জামান।
মনে রাখুন:
মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় ১০ এপ্রিল ১৯৭১।
শপথ নেয় ১৭ এপ্রিল ১৯৭১। - ২৯. বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সীমান্ত নদীর নাম কী?
- ক. হালদা
- খ. মাতামুহুরী
- গ. নাফ
- ঘ. গোমতী
উত্তর: গ. নাফ
বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে সীমানা নির্ধারণকারী নদীর নাম নাফ নদী। এটি নাইক্ষ্যংছড়ি, উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলার পাশ দিয়ে বয়ে গিয়ে বঙ্গোপসাগরে মিশেছে। নদীটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৫৬ কিলোমিটার। এর এক পারে বাংলাদেশের টেকনাফ, অন্য পারে মিয়ানমারের আরাকান অঞ্চল। বাকি তিনটি নদীর কোনোটিই সীমান্ত নদী নয়: হালদা চট্টগ্রামে, মাতামুহুরী কক্সবাজার অঞ্চলে এবং গোমতী কুমিল্লায় প্রবাহিত।
মনে রাখুন:
হালদা নদী দেশের একমাত্র জোয়ারভাটাযুক্ত মিঠাপানির মাছের প্রাকৃতিক প্রজননক্ষেত্র।
মাতামুহুরী নদীর উৎপত্তি বান্দরবানের পাহাড়ে।
বঙ্গোপসাগরে নাফ নদীর মোহনার কাছেই সেন্ট মার্টিন দ্বীপ অবস্থিত। - ৩০. কোনটি বাংলাদেশে প্রচলিত ব্যাংক নোট নয়?
- ক. ২ টাকা
- খ. ১০ টাকা
- গ. ১০০ টাকা
- ঘ. ৫০০ টাকা
উত্তর: ক. ২ টাকা
বাংলাদেশে ব্যাংক নোট ও সরকারি নোট দুই ধরনের নোট চালু আছে। ১০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত নোট বাংলাদেশ ব্যাংক ছাপায় ও এগুলোতে গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে, তাই এগুলো ব্যাংক নোট। ১, ২ ও ৫ টাকার নোট সরকার ছাপায়, সেখানে অর্থ সচিবের স্বাক্ষর থাকে। তাই ২ টাকাকে ব্যাংক নোট বলা যায় না।
মনে রাখুন:
ব্যাংক নোটে গভর্নরের স্বাক্ষর, সরকারি নোটে অর্থ সচিবের স্বাক্ষর।
বর্তমানে ১, ২ ও ৫ টাকা মূলত কয়েন হিসেবে চালু। - ৩২. নিচের কোনটি ইসিএ এলাকা?
- ক. চলন বিল
- খ. রামসাগর
- গ. টাঙ্গুয়ার হাওড়
- ঘ. লাউয়াছড়া
উত্তর: গ. টাঙ্গুয়ার হাওড়
পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের অধীনে যে এলাকার প্রতিবেশ ব্যবস্থা (ecosystem) সংকটাপন্ন, সরকার তাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা বা ECA (Ecologically Critical Area) ঘোষণা করে। সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওর এমনই একটি এলাকা। এটি রামসার সাইটও। লাউয়াছড়া একটি জাতীয় উদ্যান, আর চলন বিল ও রামসাগর ECA-র তালিকার বাইরে।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশে ECA হিসেবে ঘোষিত স্থান: সুন্দরবন, কক্সবাজারের টেকনাফ-সৈকত, সেন্ট মার্টিন দ্বীপ, সোনাদিয়া দ্বীপ, হাকালুকি হাওর। - ৩৫. কান্তজীউ মন্দির কোথায় অবস্থিত?
- ক. কুমিল্লা
- খ. রাজশাহী
- গ. খুলনা
- ঘ. দিনাজপুর
উত্তর: ঘ. দিনাজপুর
কান্তজীউ মন্দির দিনাজপুর শহর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার উত্তরে কাহারোল উপজেলার সুন্দরপুর গ্রামে অবস্থিত। এটি টেরাকোটা (পোড়ামাটির ফলক) শিল্পের জন্য বিখ্যাত। ১৭০৪ সালে মহারাজা প্রাণনাথ এর নির্মাণকাজ শুরু করেন, আর তাঁর পালকপুত্র রামনাথ ১৭২২ সালে শেষ করেন বলে মনে করা হয়। মন্দিরটি নবরত্ন ধাঁচে তৈরি।
মনে রাখুন:
দিনাজপুরের আরেক বিখ্যাত স্থান রামসাগর দিঘি।
বাংলাদেশের প্রাচীনতম মন্দির-স্থাপত্যে কান্তজীউ অন্যতম সেরা। - ৪০. বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর কোন বাহিনীর সদস্য ছিলেন?
- ক. পুলিশ
- খ. ইপিআর
- গ. সেনাবাহিনী
- ঘ. বিমান বাহিনী
উত্তর: গ. সেনাবাহিনী
বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর মুক্তিযুদ্ধে সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন ছিলেন। ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর যশোরের গদখালী এলাকায় শত্রুর সঙ্গে যুদ্ধে তিনি শহীদ হন। সাতজন বীরশ্রেষ্ঠের মধ্যে তিনজন, অর্থাৎ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর, সিপাহি হামিদুর রহমান ও সিপাহি মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল ছিলেন সেনাবাহিনীর সদস্য।
মনে রাখুন:
ইপিআরের সদস্য ছিলেন ল্যান্স নায়েক মুন্সী আব্দুর রউফ ও ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ।
নৌবাহিনীর সদস্য রুহুল আমিন এবং বিমানবাহিনীর সদস্য মতিউর রহমান। - ৬২. বাংলাদেশের সংবিধান কখন থেকে কার্যকর হয়?
- ক. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
- খ. ২৬ মার্চ ১৯৭২
- গ. ৪ নভেম্বর ১৯৭২
- ঘ. ২২ ডিসেম্বর ১৯৭২
উত্তর: ক. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২, অর্থাৎ বিজয় দিবসের প্রথম বার্ষিকীতে কার্যকর হয়। তাই এই দিন সংবিধান কার্যকরের তারিখ। ৪ নভেম্বর গৃহীত হওয়ার দিন, কার্যকরের দিন নয়।
মনে রাখুন:
আমাদের সংবিধান লিখিত। এর খসড়া কমিটির সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
মূল সংবিধানে ৪টি তফসিল ছিল, এখন তফসিল ৭টি।
বাংলা
- ২. 'ময়ূর' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
- ক. পিক
- খ. শিখী
- গ. বাজী
- ঘ. মকর
উত্তর: খ. শিখী
‘ময়ূর’ শব্দের সমার্থক শব্দ শিখী। ময়ূরের মাথায় শিখা বা চূড়া থাকে বলে এই নাম। এ ছাড়া কেকী, কলাপী ও বর্হী শব্দও ময়ূর বোঝায়। অন্য অপশনগুলোর অর্থ আলাদা। ‘পিক’ মানে কোকিল, ‘বাজী’ মানে ঘোড়া, আর ‘মকর’ মানে কুমির বা হাঙর জাতীয় জলজ প্রাণী।
মনে রাখুন:
কোকিলের সমার্থক শব্দ: পিক, কলকণ্ঠ, পরভৃত।
ঘোড়ার সমার্থক শব্দ: অশ্ব, ঘোটক, তুরগ। - ৪. 'তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা' কবিতাটির রচয়িতা কে?
- ক. শামসুর রাহমান
- খ. আবুল হাসান
- গ. নির্মলেন্দু গুণ
- ঘ. হেলাল হাফিজ
উত্তর: ক. শামসুর রাহমান
মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতাকে ঘিরে বিখ্যাত পঙক্তি ‘তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা, তোমাকে পাওয়ার জন্যে’ শামসুর রাহমানের রচনা। এটি তাঁর ‘বন্দী শিবির থেকে’ কাব্যের কবিতা। এই কবিতায় লক্ষ লক্ষ মানুষের আত্মত্যাগের কথা বলা হয়েছে। প্রশ্নের শিরোনাম লোকমুখে এই কবিতার প্রচলিত রূপ। নির্মলেন্দু গুণ ও হেলাল হাফিজ আরেক প্রজন্মের কবি।
মনে রাখুন:
শামসুর রাহমানের আরেকটি কবিতা ‘স্বাধীনতা তুমি’।
নির্মলেন্দু গুণের বিখ্যাত কবিতা ‘স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো’। - ৫. 'বাঘের ডাক'-কে এককথায় বলে—
- ক. নাদ
- খ. বৃংহিত
- গ. গর্জন
- ঘ. অজিন
উত্তর: গ. গর্জন
বাংলায় কিছু বাক্য বা বাক্যাংশকে এক শব্দে প্রকাশ করা যায়, একে বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ বলে। বাঘের ডাককে এক কথায় বলা হয় গর্জন। প্রাণীভেদে ডাকের জন্য বাংলায় আলাদা আলাদা শব্দ আছে। বিকল্পের ‘বৃংহিত’ শব্দের অর্থ হাতির ডাক, আর ‘অজিন’ মানে হরিণের চামড়া। ‘নাদ’ মানে সাধারণ ধ্বনি বা শব্দ।
মনে রাখুন:
হাতির ডাক: বৃংহণ বা বৃংহিত।
ঘোড়ার ডাক: হ্রেষা।
কোকিলের ডাক: কুহু।
সিংহের ডাক: হুংকার। - ১৯. অর্থ অনুসারে বাংলা শব্দসমূহকে কয় ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
- ক. দুই
- খ. তিন
- গ. চার
- ঘ. পাঁচ
উত্তর: খ. তিন
অর্থ অনুসারে বাংলা শব্দ তিন ভাগে ভাগ করা হয়: যৌগিক, রূঢ়ি ও যোগরূঢ়। যে শব্দ নিজের অংশগুলোর অর্থ থেকেই অর্থ প্রকাশ করে, সেটি যৌগিক, যেমন গায়ক। যে শব্দ অংশের অর্থ ছাড়িয়ে বিশেষ অর্থ বোঝায়, সেটি রূঢ়ি, যেমন সন্দেশ। আর যোগরূঢ় শব্দ অংশের অর্থ ও বিশেষ অর্থ দুটিই বহন করে, যেমন পঙ্কজ।
মনে রাখুন:
গঠন অনুসারে শব্দ দুই প্রকার: মৌলিক ও সাধিত।
উৎস অনুসারে পাঁচ প্রকার: তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি। - ২০. দেশি শব্দের উদাহরণ কোনটি?
- ক. গিন্নি
- খ. চন্দ্র
- গ. বৃক্ষ
- ঘ. ডাঁসা
উত্তর: ঘ. ডাঁসা
দেশি শব্দ হলো সেসব শব্দ, যেগুলো সংস্কৃত বা বিদেশি ভাষা থেকে আসেনি, এ দেশের মানুষের মুখেই জন্ম নিয়েছে। ‘ডাঁসা’ তেমনই একটি দেশি শব্দ। ‘চন্দ্র’ ও ‘বৃক্ষ’ সংস্কৃত থেকে অবিকৃতভাবে আসা তৎসম শব্দ। ‘গিন্নি’ শব্দটি ‘গৃহিণী’ থেকে বদলে তৈরি হয়েছে, তাই এটি অর্ধতৎসম।
মনে রাখুন:
দেশি শব্দ: টোপর, ডাব, ঢেঁকি, কুলা, পেট, ঝিঙে।
অর্ধতৎসম শব্দ: কেষ্ট, গিন্নি, বোষ্টম। - ২৭. 'জনৈক' শব্দের সন্ধি-বিচ্ছেদ হলো—
- ক. জন + এক
- খ. জন + ইক
- গ. জনে + এক
- ঘ. জন + ঈক
উত্তর: ক. জন + এক
‘জনৈক’ শব্দের সন্ধি-বিচ্ছেদ হলো জন + এক। এখানে ‘জন’-এর শেষ স্বর অ-কার এবং ‘এক’-এর প্রথম স্বর এ-কার। অ বা আ-এর পর এ বা ঐ আসলে দুটি মিলে ‘ঐ’-কার হয়। সেই ঐ-কার আগের ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ‘নৈ’ গঠন করে। এই নিয়মকে বৃদ্ধি স্বরসন্ধি বলে।
মনে রাখুন:
উদাহরণ: মত + ঐক্য = মতৈক্য, সদা + এব = সদৈব, মহা + ঐশ্বর্য = মহৈশ্বর্য।
একে স্বরসন্ধির বৃদ্ধি নিয়ম বলা হয়। - ৩১. মাইকেল মধুসূদন দত্ত কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?
- ক. যশোর
- খ. খুলনা
- গ. ফরিদপুর
- ঘ. রাজশাহী
উত্তর: ক. যশোর
মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁকে আধুনিক বাংলা কবিতার পথিকৃৎ বলা হয়। তিনি বাংলায় প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দ ও সনেট প্রবর্তন করেন। তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য ‘মেঘনাদবধ কাব্য’। ১৮৭৩ সালে কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়।
মনে রাখুন:
তাঁর অন্যান্য রচনা: তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য (প্রথম অমিত্রাক্ষর কাব্য), ব্রজাঙ্গনা কাব্য, বীরাঙ্গনা কাব্য।
তাঁর প্রথম নাটক শর্মিষ্ঠা। - ৩৪. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
- ক. ১৯১১
- খ. ১৯১২
- গ. ১৯১৩
- ঘ. ১৯১৪
উত্তর: গ. ১৯১৩
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’-র ইংরেজি অনুবাদ ‘Song Offerings’-এর জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। এর মাধ্যমে তিনি ইউরোপের বাইরের প্রথম নোবেল বিজয়ী হন, আর বাংলা ভাষার কবিদের মধ্যে তিনিই একমাত্র এই পুরস্কার পেয়েছেন। ১৯১১ সালে তাঁর রচিত ‘জনগণমন’ গানটি প্রথম গাওয়া হয়, কিন্তু নোবেল পুরস্কার সেই বছর নয়, ১৯১৩ সালেই আসে। ১৯১১ ও ১৯১২ সালের তারিখ দুটি তাই এই প্রশ্নে বিভ্রান্তি তৈরির জন্য দেওয়া।
মনে রাখুন:
অমর্ত্য সেন ১৯৯৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পান।
মুহম্মদ ইউনূস ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল পান।
রবীন্দ্রনাথের জন্ম ১৮৬১ সালে এবং মৃত্যু ১৯৪১ সালে। - ৩৭. বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ কয়টি?
- ক. ১০টি
- খ. ১১টি
- গ. ১২টি
- ঘ. ৩৯টি
উত্তর: খ. ১১টি
বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০টি বর্ণ আছে। এর মধ্যে স্বরবর্ণ (Vowel) ১১টি: অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ। বাকি ৩৯টি ব্যঞ্জনবর্ণ (Consonant)। অনেকে ৩৯ সংখ্যাটি দেখে ভুল করে সেটিকেই স্বরবর্ণের সংখ্যা ভাবে, কিন্তু ওটি ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা।
মনে রাখুন:
ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি, তার মধ্যে ক থেকে ম পর্যন্ত বর্গীয় বর্ণ ২৫টি।
স্বরবর্ণ ১১টি আর ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি মিলিয়ে ৫০টি। - ৩৯. বাংলাভাষা ও সাহিত্যের আদি নিদর্শন কী?
- ক. মহাভারত
- খ. শূন্যপুরাণ
- গ. চর্যাপদ
- ঘ. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
উত্তর: গ. চর্যাপদ
বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের সবচেয়ে পুরোনো নিদর্শন হলো চর্যাপদ। এটি বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের রচিত গান, যেখানে তাঁরা সাধনার কথা প্রতীকের আড়ালে বলেছেন। ১৯০৭ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এর পুথি আবিষ্কার করেন। বাকি তিনটি গ্রন্থ অনেক পরের: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন হিসেবে ধরা হয়।
মনে রাখুন:
চর্যাপদের পদকর্তাদের মধ্যে লুইপা, কাহ্নপা, ভুসুকুপা বিখ্যাত।
১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি ‘হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা’ নামে প্রকাশিত হয়।
চর্যাপদের ভাষাকে অনেকে ‘সন্ধ্যাভাষা’ বলেন। - ৪১. 'অবরোধবাসিনী' গ্রন্থটি কার রচনা?
- ক. সেলিনা হোসেন
- খ. বেগম রোকেয়া
- গ. কামিনী রায়
- ঘ. কুসুমকুমারী দাশ
উত্তর: খ. বেগম রোকেয়া
‘অবরোধবাসিনী’ বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের গদ্যগ্রন্থ। অবরোধ মানে আটকে রাখা। তৎকালীন মুসলমান নারীদের পর্দার নামে ঘরের ভেতর বন্দি জীবনের নানা ঘটনা তিনি এই বইয়ে ব্যঙ্গ ও বেদনা মিশিয়ে তুলে ধরেছেন। বইটি ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হয়। রোকেয়াকে বাংলার মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত বলা হয়। অন্য বিকল্পের লেখকদের মধ্যে সেলিনা হোসেন ঔপন্যাসিক, কামিনী রায় ও কুসুমকুমারী দাশ কবি।
মনে রাখুন:
রোকেয়ার অন্য গ্রন্থ: মতিচূর (প্রবন্ধ), সুলতানার স্বপ্ন (ইংরেজিতে Sultana’s Dream), পদ্মরাগ (উপন্যাস)।
তিনি কলকাতায় সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন।
তাঁর জন্ম রংপুরের পায়রাবন্দে, আর ৯ ডিসেম্বর রোকেয়া দিবস। - ৪২. 'আগুনের পরশমণি' উপন্যাসটির ঔপন্যাসিক কে?
- ক. রশীদ করীম
- খ. সৈয়দ শামসুল হক
- গ. হুমায়ূন আহমেদ
- ঘ. শওকত ওসমান
উত্তর: গ. হুমায়ূন আহমেদ
‘আগুনের পরশমণি’ হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস। এর পটভূমি মুক্তিযুদ্ধ। যুদ্ধের সময় ঢাকা শহরের একটি পরিবারের দিনগুলো, ভয়, আশা আর সাহসের গল্প এতে ফুটে উঠেছে। পরে এটি নিয়ে চলচ্চিত্রও তৈরি হয়।
মনে রাখুন:
হুমায়ূন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আরও রচনা: জোছনা ও জননীর গল্প, শ্যামল ছায়া, অনীল বাগচীর একদিন।
অন্য ঔপন্যাসিকদের কথা: রশীদ করীমের ‘উত্তম পুরুষ’, শওকত ওসমানের ‘ক্রীতদাসের হাসি’। - ৪৬. 'সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।' — কোন কবির রচনা?
- ক. রজনীকান্ত সেন
- খ. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
- গ. কামিনী রায়
- ঘ. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
উত্তর: গ. কামিনী রায়
‘সকলের তরে সকলে আমরা, প্রত্যেকে আমরা পরের তরে’ চরণটি কামিনী রায়ের ‘সুখ’ কবিতার। কবিতার মূল ভাব হলো, শুধু নিজের সুখের চিন্তা করলে সুখ মেলে না, অন্যের উপকার করেই মানুষ সত্যিকারের সুখ পায়। কামিনী রায় বাংলা সাহিত্যের একজন প্রধান নারী কবি। অন্য বিকল্পের কবিরাও আলাদা পরিচয়ে বিখ্যাত: রজনীকান্ত সেন ভক্তিমূলক গানের জন্য, দ্বিজেন্দ্রলাল রায় হাসির গান ও নাটকের জন্য এবং সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত ছন্দের কারুকাজের জন্য।
মনে রাখুন:
কামিনী রায়ের কাব্যগ্রন্থ: আলো ও ছায়া, নির্মাল্য, পৌরাণিকী।
তিনি ব্রিটিশ ভারতের প্রথম নারী অনার্স গ্র্যাজুয়েটদের একজন। - ৪৯. কোন বানানটি শুদ্ধ?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৬, এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৯
- ক. মুমুর্ষু
- খ. মুমুর্ষ
- গ. মূমূর্ষ
- ঘ. মুমূর্ষু
উত্তর: ঘ. মুমূর্ষু
শুদ্ধ বানান ‘মুমূর্ষু’। শব্দটি এসেছে সংস্কৃত ‘মৃ’ ধাতুর সন সম্প্রসারিত রূপ থেকে, অর্থ আসন্নমৃত্যু বা মরণাপন্ন। এর প্রথম দুটি অক্ষরে হ্রস্ব উ ও দীর্ঘ ঊ বসে (মু-মূ), মাঝে ‘র্ষ’ এবং শেষে হ্রস্ব উ-কার যুক্ত ‘ষু’ থাকে। অন্য বিকল্পগুলোতে হ্রস্ব-দীর্ঘ স্বরের ক্রম বা শেষের ‘উ’ ঠিক নেই, তাই বানান ভুল।
মনে রাখুন:
আরও শুদ্ধ বানান: পিপীলিকা, মনীষী, আকাঙ্ক্ষা, মূর্ধন্য, সমীচীন, স্বায়ত্তশাসন। - ৫০. দ্বিগু সমাসের উদাহরণ কোনটি?
- ক. ত্রিফলা
- খ. হরিণ-চপল
- গ. কালান্তর
- ঘ. গায়ে-হলুদ
উত্তর: ক. ত্রিফলা
দ্বিগু সমাসে পূর্বপদ সংখ্যাবাচক এবং পরপদ বিশেষ্য থাকে। এই সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দগুলো সমষ্টি বা সমাহার (Collection) বোঝায়। ‘ত্রিফলা’ শব্দের ত্রি (তিন) ফলের সমাহার, তাই এটি দ্বিগু সমাস। ‘হরিণ-চপল’ উপমিত সমাস, ‘কালান্তর’ নিত্য সমাস আর ‘গায়ে-হলুদ’ অলুক বা ব্যাসবাক্যহীন ধরনের সমাস, তাই এগুলো ঠিক নয়।
উদাহরণ:
ত্রিকাল, পঞ্চবটী, শতাব্দী, চৌরাস্তা, তেমাথা।
মনে রাখুন: সংখ্যাবাচক শব্দ থাকলেও সব সমাস দ্বিগু নয়। সমাহার অর্থ থাকা চাই। - ৫২. 'পল্লীকবি' কার উপাধি?
- ক. বন্দে আলী মিয়া
- খ. জসীমউদ্দীন
- গ. জীবনানন্দ দাশ
- ঘ. আহসান হাবীব
উত্তর: খ. জসীমউদ্দীন
জসীমউদ্দীন বাংলার গ্রাম, মাটি আর সাধারণ মানুষের সুখদুঃখ নিয়ে কবিতা লিখেছেন, তাই তাঁকে ‘পল্লীকবি’ বলা হয়। পল্লী মানে গ্রাম। তাঁর ‘নকশী কাঁথার মাঠ’ ও ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’ গীতিকাব্য দুটি খুব বিখ্যাত। জীবনানন্দ দাশ ‘রূপসী বাংলার কবি’ নামে পরিচিত, তাই তাঁর উপাধির সঙ্গে ‘পল্লীকবি’ গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়।
মনে রাখুন:
জসীমউদ্দীনের আরও রচনা: রাখালী, বালুচর, ধানখেত।
তাঁর জন্ম ফরিদপুরে।
আহসান হাবীব ও বন্দে আলী মিয়াও গ্রামবাংলার কবি, কিন্তু ‘পল্লীকবি’ উপাধি জসীমউদ্দীনের। - ৫৫. কাজী নজরুল ইসলামের 'নারী' কবিতাটি কোন কাব্যের অন্তর্গত?
- ক. সাম্যবাদী
- খ. অগ্নিবীণা
- গ. সর্বহারা
- ঘ. চক্রবাক
উত্তর: ক. সাম্যবাদী
নজরুলের ‘নারী’ কবিতাটি ‘সাম্যবাদী’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। সাম্য মানে সমতা, আর এই কাব্যে তিনি মানুষে মানুষে ভেদাভেদ মুছে ফেলার কথা বলেছেন। ‘নারী’ কবিতায় নারী ও পুরুষের সমান অধিকারের কথা আছে, যেমন ‘সাম্যের গান গাই, আমার চক্ষে পুরুষ রমণী কোনো ভেদাভেদ নাই’। এই কবিতারই আরেকটি বিখ্যাত চরণ: ‘বিশ্বে যা-কিছু মহান সৃষ্টি চির-কল্যাণকর, অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর’।
মনে রাখুন:
‘সাম্যবাদী’র অন্য কবিতা: মানুষ, ঈশ্বর, পাপ, চোর-ডাকাত, কুলি-মজুর।
‘অগ্নিবীণা’, ‘সর্বহারা’ ও ‘চক্রবাক’ নজরুলের অন্য কাব্যগ্রন্থ। - ৫৭. আলাওল কোন যুগের কবি?
- ক. প্রাচীন
- খ. মধ্য
- গ. আধুনিক
- ঘ. উত্তর-আধুনিক
উত্তর: খ. মধ্য
আলাওল সতেরো শতকের কবি। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ১২০১ থেকে ১৮০০ সালের কাছাকাছি সময়কে মধ্যযুগ ধরা হয়, তাই তিনি মধ্যযুগের কবি। তিনি আরাকান রাজসভার কবি ছিলেন এবং অনুবাদ কাব্যের ধারায় বিখ্যাত। তাঁর সবচেয়ে পরিচিত রচনা ‘পদ্মাবতী’, যা মালিক মুহম্মদ জায়সীর হিন্দি কাব্য ‘পদুমাবত’-এর অনুবাদ। আধুনিক যুগ শুরু হয় উনিশ শতকে, আর প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদ।
মনে রাখুন:
আলাওলের অন্য রচনা: সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামাল, হপ্তপয়কর, সিকান্দরনামা, তোহফা।
মধ্যযুগের আরও কবি: শাহ মুহম্মদ সগীর, দৌলত কাজী, কোরেশী মাগন ঠাকুর। - ৬০. কোন সালে কাজী নজরুল ইসলাম বাকরুদ্ধ হয়ে যান?
- ক. ১৯৪০
- খ. ১৯৩৯
- গ. ১৯৪১
- ঘ. ১৯৪২
উত্তর: ঘ. ১৯৪২
১৯৪২ সালে নজরুল ইসলাম এমন এক অজানা রোগে আক্রান্ত হন, যার ফলে তাঁর বাকশক্তি ও স্মৃতি লোপ পায়। এরপর তিনি দীর্ঘ বছর সৃজনশীল জীবন থেকে দূরে ছিলেন। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে ঢাকায় নিয়ে আসে এবং তিনি এখানকার নাগরিকত্ব পান।
মনে রাখুন:
নজরুল ২৯ আগস্ট ১৯৭৬ সালে ঢাকায় মারা যান। তাঁকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মসজিদের পাশে সমাহিত করা হয়।
তিনি বাংলাদেশের জাতীয় কবি।
আন্তর্জাতিক
- ৬. কোন দেশটি নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য?
- ক. জার্মানি
- খ. জাপান
- গ. ফ্রান্স
- ঘ. ব্রাজিল
উত্তর: গ. ফ্রান্স
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য পাঁচটি দেশ: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, চীন ও রাশিয়া। এরাই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিজয়ী পক্ষ এবং এদের প্রত্যেকের ভেটো ক্ষমতা আছে। অপশনের জার্মানি, জাপান ও ব্রাজিল স্থায়ী সদস্য নয়, যদিও তারা স্থায়ী সদস্যপদ চেয়ে আসছে।
মনে রাখুন:
নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য ১৫টি, অস্থায়ী সদস্য ১০টি।
অস্থায়ী সদস্য দুই বছরের জন্য নির্বাচিত হয়। - ১৭. নেলসন ম্যান্ডেলা কোন দেশের ছিলেন?
- ক. কেনিয়া
- খ. চীন
- গ. দক্ষিণ আফ্রিকা
- ঘ. জাম্বিয়া
উত্তর: গ. দক্ষিণ আফ্রিকা
নেলসন ম্যান্ডেলা (১৯১৮–২০১৩) দক্ষিণ আফ্রিকার মানুষ ছিলেন। সেখানে তখন বর্ণবৈষম্য (Apartheid) নামে এমন এক ব্যবস্থা চালু ছিল, যাতে শ্বেতাঙ্গ সংখ্যালঘু সরকার কৃষ্ণাঙ্গ মানুষদের সব অধিকার থেকে বঞ্চিত করত। এই ব্যবস্থার বিরুদ্ধে লড়াই করার অপরাধে তাঁকে দীর্ঘ ২৭ বছর কারাগারে কাটাতে হয়। মুক্তি পাওয়ার পর তিনি আলোচনার পথে বর্ণবৈষম্য অবসানের কাজে নামেন। ১৯৯৩ সালে তিনি তৎকালীন রাষ্ট্রপতি এফ ডব্লিউ ডি ক্লার্কের সঙ্গে যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান। পরের বছর, ১৯৯৪ সালের নির্বাচনে জিতে তিনি দেশের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতি হন। অন্য বিকল্পের দেশগুলো কেনিয়া, চীন ও জাম্বিয়ার সঙ্গে তাঁর পরিচয় জড়িত নয়।
মনে রাখুন:
তাঁর রাজনৈতিক দল আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস (ANC)।
তাঁর আত্মজীবনীর নাম ‘Long Walk to Freedom’।
তাঁর জন্মদিন ১৮ জুলাই এখন আন্তর্জাতিক ম্যান্ডেলা দিবস হিসেবে পালিত হয়। - ২২. মঙ্গোলিয়ার রাজধানী কোনটি?
- ক. তাসখন্দ
- খ. কারাকাস
- গ. উলানবাটোর
- ঘ. জাকার্তা
উত্তর: গ. উলানবাটোর
মঙ্গোলিয়ার রাজধানী উলানবাটোর (Ulaanbaatar)। এটি দেশটির সবচেয়ে বড় শহর এবং পৃথিবীর সবচেয়ে ঠান্ডা রাজধানীগুলোর একটি। দেশের প্রায় অর্ধেক মানুষ এই শহরেই বাস করে। অন্য বিকল্পের শহরগুলো অন্য দেশের রাজধানী: তাসখন্দ উজবেকিস্তানের, কারাকাস ভেনিজুয়েলার এবং জাকার্তা ইন্দোনেশিয়ার। এভাবে রাজধানী মেলাতে গেলে দেশের নামের সঙ্গে শহরের নাম একসঙ্গে মনে রাখা ভালো।
মনে রাখুন:
মঙ্গোলিয়া চীন ও রাশিয়ার মাঝখানে অবস্থিত স্থলবেষ্টিত (Landlocked) দেশ।
মঙ্গোলিয়ার মুদ্রার নাম তুগরিক।
উজবেকিস্তানের মুদ্রা সোম, ইন্দোনেশিয়ার মুদ্রা রুপিয়াহ। - ৩৬. কোন দেশটি BIMSTEC এর সদস্য নয়?
- ক. ভারত
- খ. বাংলাদেশ
- গ. থাইল্যান্ড
- ঘ. মালয়েশিয়া
উত্তর: ঘ. মালয়েশিয়া
BIMSTEC-এর পূর্ণরূপ Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation। এটি বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী ও কাছাকাছি দেশগুলোর একটি আঞ্চলিক সংগঠন। এর সদস্য সাতটি দেশ: বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান, থাইল্যান্ড ও মিয়ানমার। মালয়েশিয়া এই তালিকায় নেই, কারণ দেশটি বঙ্গোপসাগরের তীরে অবস্থিত নয় এবং সংগঠনটির সদস্যও নয়।
মনে রাখুন:
BIMSTEC প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৭ সালে, ব্যাংকক ঘোষণার মাধ্যমে।
সংস্থাটির সচিবালয় ঢাকায় অবস্থিত।
মালয়েশিয়া ASEAN-এর সদস্য। - ৩৮. OPEC-এর প্রধান কার্যালয় কোথায়?
- ক. জেনেভা
- খ. বার্ন
- গ. ভিয়েনা
- ঘ. তিউনিস
উত্তর: গ. ভিয়েনা
পেট্রোলিয়াম রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংগঠন OPEC (Organization of the Petroleum Exporting Countries) ১৯৬০ সালের সেপ্টেম্বরে বাগদাদ সম্মেলনে গঠিত হয়। এর প্রধান কার্যালয় অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায়। জেনেভা আর বার্ন সুইজারল্যান্ডের শহর, তাই সেগুলো এখানে ঠিক নয়। তিউনিস আফ্রিকার দেশ তিউনিসিয়ার রাজধানী।
মনে রাখুন:
OPEC-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ইরান, ইরাক, কুয়েত, সৌদি আরব ও ভেনেজুয়েলা।
জেনেভা সুইজারল্যান্ডে অবস্থিত অনেক আন্তর্জাতিক সংস্থার (যেমন WHO) কেন্দ্র। - ৪৩. জিব্রাল্টার সংলগ্ন দেশ কোনটি?
- ক. ইতালি
- খ. মরক্কো
- গ. স্পেন
- ঘ. গ্রিস
উত্তর: গ. স্পেন
জিব্রাল্টার একটি ছোট ব্রিটিশ অধিকৃত অঞ্চল, যা ইউরোপের ইবেরীয় উপদ্বীপের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত। এর স্থলসীমান্ত শুধু স্পেনের সঙ্গে, তাই জিব্রাল্টার সংলগ্ন দেশ স্পেন। প্রণালীর অপর পারে আফ্রিকার দেশ মরক্কো আছে, কিন্তু সেটি স্থলপথে সংলগ্ন নয়, সাগর দিয়ে বিচ্ছিন্ন।
মনে রাখুন:
জিব্রাল্টার প্রণালী ভূমধ্যসাগরকে আটলান্টিক মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে।
এই প্রণালী ইউরোপ ও আফ্রিকাকে আলাদা করেছে। - ৫৪. ইতালির মুদ্রার নাম কী?
- ক. পাউন্ড
- খ. ডলার
- গ. ইউরো
- ঘ. ফ্রাঙ্ক
উত্তর: গ. ইউরো
ইতালি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য এবং ইউরোজোনের অন্তর্ভুক্ত দেশ। ইউরোজোন বলতে ইউরোপের সেই দেশগুলোকে বোঝায়, যারা নিজেদের আলাদা মুদ্রা বাদ দিয়ে একই মুদ্রা ইউরো (Euro) ব্যবহার করে। ২০০২ সালে নগদ ইউরো চালু হওয়ার পর থেকে ইতালির মুদ্রা ইউরো। এর আগে দেশটির মুদ্রা ছিল লিরা। পাউন্ড, ডলার ও ফ্রাঙ্ক ইতালির মুদ্রা নয়।
মনে রাখুন:
পাউন্ড যুক্তরাজ্যের মুদ্রা, ডলার যুক্তরাষ্ট্রের।
ফ্রাঙ্ক আগে ফ্রান্সেও চলত, এখন কেবল সুইজারল্যান্ডের সুইস ফ্রাঙ্ক রয়ে গেছে।
ইউরোর প্রতীক €।
ইংরেজি
- ৭. I have a laptop computer. Here 'laptop' is a/an —.
- ক. noun
- খ. adverb
- গ. verb
- ঘ. adjective
উত্তর: ঘ. adjective
‘I have a laptop computer’ বাক্যে ‘computer’ শব্দটি মূল বিশেষ্য। আর তার আগে বসে ‘laptop’ শব্দটি computer কী ধরনের তা বোঝাচ্ছে। যখন একটি বিশেষ্য অন্য বিশেষ্যের আগে বসে তার বিশেষণের কাজ করে, তখন তাকে adjective হিসেবে ধরা হয়। তাই এখানে laptop শব্দটি adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
মনে রাখুন:
আরও উদাহরণ: a cricket bat, a school bag, a table lamp।
ব্যাকরণবিদরা একে noun adjunct বা attributive noun-ও বলেন। - ৮. Which of the following words is not plural?
- ক. feet
- খ. lice
- গ. news
- ঘ. men
উত্তর: গ. news
News শব্দটি দেখতে s দিয়ে শেষ হলেও এটি বহুবচন নয়, একবচন। এর সঙ্গে verb একবচনের হয়, যেমন: The news is true. বাকিগুলো বহুবচন। Feet হলো foot-এর বহুবচন, lice হলো louse-এর এবং men হলো man-এর বহুবচন। এগুলো নিয়মের বাইরের বহুবচন, কারণ এদের শেষে -s বা -es যুক্ত হয় না।
উদাহরণ:
The news is good.
মনে রাখুন: এ ধরনের আরও একবচন শব্দ: physics, mathematics, economics। - ১০. He insisted — my going there.আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৬, প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ) ২০২২
- ক. for
- খ. on
- গ. about
- ঘ. into
উত্তর: খ. on
Insist ক্রিয়ার সঙ্গে সাধারণত on অথবা upon বসে। Insist on মানে কোনো কিছুর জন্য জোর দেওয়া বা পীড়াপীড়ি করা। তাই বাক্যটি হবে He insisted on my going there, অর্থাৎ সেখানে আমার যাওয়ার জন্য তিনি পীড়াপীড়ি করলেন। Preposition-এর পরে gerund বা possessive বসে বলে my going ঠিক আছে।
মনে রাখুন: Insist on-এর পর সাধারণত noun বা gerund (verb+ing) আসে। উদাহরণ: She insisted on paying the bill। - ১১. Choose the correct spelling :
- ক. privilege
- খ. previlege
- গ. privilage
- ঘ. prevelege
উত্তর: ক. privilege
সঠিক বানান privilege, যার অর্থ বিশেষ সুযোগ বা বিশেষাধিকার। এ শব্দের বানানে সাধারণ ভুল হয় মাঝের স্বরবর্ণ নিয়ে। শব্দটি pri-vi-lege, যেখানে প্রথম ও দ্বিতীয় সিলেবলে i আছে এবং শেষ সিলেবল -lege। বাকি বিকল্পগুলোতে e বা a ভুলভাবে বসানো হয়েছে।
উদাহরণ:
Education is a right, not a privilege.
মনে রাখুন:
Privilege-এর বিশেষণ privileged (সুবিধাপ্রাপ্ত)।
একই ধরনের কঠিন বানান: knowledge, college। - ১২. I could not sleep — very tired.
- ক. though I was
- খ. despite
- গ. in spite of
- ঘ. although
উত্তর: ক. though I was
Despite ও in spite of-এর পরে সাধারণত noun বা gerund বসে, পুরো বাক্য বসে না। আবার although-এর পরে subject ও verb থাকতে হয়, কিন্তু অপশনে শুধু ‘although’ থাকায় তা খালি পড়ে থাকে। তাই সম্পূর্ণ খণ্ডবাক্যযুক্ত ‘though I was’ সঠিক। বাক্যটি দাঁড়ায় I could not sleep though I was very tired।
মনে রাখুন:
Despite/In spite of + noun বা gerund।
Although/Though + subject + verb।
উদাহরণ: In spite of being tired, I could not sleep। - ১৩. Choose the correct article : He is — MBBS.
- ক. a
- খ. the
- গ. an
- ঘ. no article
উত্তর: গ. an
A বা an কোনটি বসবে তা নির্ভর করে পরবর্তী শব্দের উচ্চারণের প্রথম ধ্বনির ওপর, বানানের প্রথম অক্ষরের ওপর নয়। MBBS শব্দটি পড়া হয় এম-বি-বি-এস। এর প্রথম অক্ষর M-এর উচ্চারণ ‘এম’ (em), যা স্বরধ্বনি দিয়ে শুরু। তাই এখানে an বসে: He is an MBBS।
মনে রাখুন:
উদাহরণ: an MP, an SI, an X-ray।
অন্যদিকে a university, a one-eyed man, কারণ এদের প্রথম ধ্বনি ব্যঞ্জনের মতো। - ১৪. 'Put up with' means —
- ক. patiently
- খ. complain
- গ. tolerate
- ঘ. hate
উত্তর: গ. tolerate
Put up with একটি phrasal verb, যার অর্থ সহ্য করা বা মেনে নেওয়া, বিশেষ করে যা অপ্রিয় বা বিরক্তিকর। অপশনের মধ্যে tolerate-এর অর্থও সহ্য করা, তাই এটি সঠিক। Complain মানে অভিযোগ করা, hate মানে ঘৃণা করা, আর patiently মানে ধৈর্য ধরে।
মনে রাখুন:
উদাহরণ: I can't put up with this noise। (এই শব্দ আমি সহ্য করতে পারছি না।)
আরও phrasal verb: put off (স্থগিত করা), put out (নেভানো)। - ২১. — among you are from class XII?
- ক. Who
- খ. Whose
- গ. Whom
- ঘ. Which
উত্তর: ক. Who
বাক্যটির অর্থ ‘তোমাদের মধ্যে কে কে দ্বাদশ শ্রেণির?’ এখানে মানুষের পরিচয় জানতে চাওয়া হচ্ছে, আর উত্তর subject হিসেবে বসবে, তাই subject-এর জায়গায় বসে interrogative pronoun who। Whose মানে কার (অধিকার বোঝায়), whom কর্মপদের জায়গায় বসে।
মনে রাখুন:
Who – subject রূপ, whom – object রূপ, whose – অধিকার বোঝায়।
Which সাধারণত সীমিত বা নির্দিষ্ট কয়েকটির মধ্য থেকে বাছাইয়ের সময় বসে। - ২৩. Medha wants to go shopping tomorrow. Here 'tomorrow' is a/an —
- ক. noun
- খ. verb
- গ. adjective
- ঘ. adverb
উত্তর: ঘ. adverb
‘Tomorrow’ শব্দটি এখানে কাজ ঘটার সময় জানাচ্ছে। Medha wants to go shopping tomorrow বাক্যে প্রশ্ন করা যায়, কখন যেতে চায়? উত্তর tomorrow। যে শব্দ ক্রিয়ার সময়, স্থান বা পদ্ধতি জানায়, তাকে adverb বলে। এখানে tomorrow সময় জানাচ্ছে, তাই এটি adverb of time।
মনে রাখুন:
Adverb of time: now, today, yesterday, soon, lately, tonight।
অন্য বাক্যে Tomorrow noun-ও হতে পারে, যেমন: Tomorrow is Sunday। - ২৪. Which of the following is used in the feminine form?
- ক. anger
- খ. time
- গ. moon
- ঘ. none
উত্তর: গ. moon
ইংরেজিতে কিছু জড় বা অমূর্ত বস্তুকে কবিতা বা বর্ণনায় মানুষের মতো কল্পনা করা হয়, একে personification বলে। সাধারণত কোমলতা, সৌন্দর্য, স্নেহ ও পবিত্রতা বোঝানো শব্দকে feminine ধরা হয়। এ কারণে moon, earth, nature, hope, liberty ও justice feminine gender হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই moon সঠিক উত্তর।
মনে রাখুন:
বিপরীতে sun, death, time, anger, winter সাধারণত masculine ধরা হয় (শক্তি ও কঠোরতা বোঝায় বলে)।
উদাহরণ: The moon hides her face behind the clouds। - ২৫. In order to improve farming methods, we need—
- ক. machine
- খ. machinery
- গ. a machinery
- ঘ. machineries
উত্তর: খ. machinery
Machinery শব্দের অর্থ যন্ত্রপাতি, অর্থাৎ অনেক যন্ত্রের সমষ্টি। এটি uncountable noun, তাই এর আগে a বা an বসে না এবং শেষে s যোগ করে plural-ও করা যায় না। এ কারণে a machinery ও machineries দুটোই ভুল। Machine শব্দটি countable noun, একটি যন্ত্র বোঝায়। এখানে কৃষির পদ্ধতি উন্নত করতে আমাদের একটি নয়, নানা রকম যন্ত্রপাতি দরকার, এই অর্থ বোঝাতে machinery-ই উপযুক্ত। সঠিক বাক্য: In order to improve farming methods, we need machinery.
মনে রাখুন:
Uncountable noun-এর উদাহরণ: furniture, luggage, equipment, information, advice, baggage।
এগুলো বোঝাতে একক সংখ্যা চাইলে piece of ব্যবহার করা হয়, যেমন a piece of furniture, a piece of advice। - ২৬. It is a quarter — ten.
- ক. before
- খ. to
- গ. from
- ঘ. at
উত্তর: খ. to
ঘড়ির সময় বলতে ইংরেজিতে past ও to ব্যবহার হয়। ঘণ্টার পরে মিনিট গেলে past বসে, আর পরের ঘণ্টা পূর্ণ হতে বাকি থাকলে to বসে। তাই ‘দশটা বাজতে পনেরো মিনিট বাকি’ হলো a quarter to ten, অর্থাৎ ৯টা ৪৫।
মনে রাখুন:
A quarter past ten মানে ১০টা ১৫।
Half past ten মানে ১০টা ৩০।
Ten to ten মানে ৯টা ৫০। - ২৮. The engineer insists on— good materials.
- ক. use
- খ. using
- গ. to use
- ঘ. the use
উত্তর: খ. using
‘Insist on’ একটি phrasal verb, যার অর্থ জোর দেওয়া বা দাবি করা। এখানে ‘on’ একটি preposition। English ব্যাকরণের নিয়ম হলো, preposition-এর ঠিক পরে কোনো ক্রিয়া বসাতে হলে সেটিকে gerund রূপে লিখতে হয়, অর্থাৎ verb-এর সঙ্গে ing যুক্ত করতে হয়। তাই use না হয়ে using বসবে। To use বা the use বসালে নিয়ম ভাঙে বলে সেগুলো এখানে চলে না। সঠিক বাক্য: The engineer insists on using good materials.
মনে রাখুন:
Preposition-এর পরে verb থাকলে সেটি সব সময় verb + ing হয়।
উদাহরণ: He is fond of reading novels.
উদাহরণ: She is good at singing.
উদাহরণ: They are tired of waiting. - ৩৩. If your sister —, Katrina would come.
- ক. invites
- খ. invited
- গ. inviting
- ঘ. were invited
উত্তর: খ. invited
এটি Conditional Sentence বা শর্তযুক্ত বাক্য। বাক্যের মূল অংশে ‘would come’ আছে, যা অবাস্তব বা অসম্ভাব্য শর্তের ফল বোঝায়। এ ধরনের বাক্যে if-খণ্ডে verb-এর Past Indefinite রূপ বসে। তাই If your sister invited, Katrina would come সঠিক। এখানে invited ক্রিয়াটি অতীতকালের রূপ, কিন্তু অর্থ বর্তমানের কাল্পনিক অবস্থা।
মনে রাখুন:
গঠন: If + past simple, subject + would + base verb।
উদাহরণ: If I were a bird, I would fly।
সম্ভাব্য শর্তে: If + present, will + base verb। - ৪৫. He and I — well.আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৪
- ক. are
- খ. am
- গ. was
- ঘ. is
উত্তর: ক. are
দুটি subject ‘and’ দিয়ে যুক্ত হলে মিলিত subject বহুবচন ধরা হয়, আর বহুবচন subject-এর সঙ্গে present tense-এ are বসে। He and I মিলিয়ে আমরা দুজন, তাই verb হবে are। Am শুধু I-এর সঙ্গে এবং is শুধু singular third person-এর সঙ্গে চলে, আর was past tense।
মনে রাখুন: He and I are well. অর্থাৎ, সে ও আমি ভালো আছি। - ৪৮. 'Moisture' is a — term.
- ক. mythological
- খ. legal
- গ. meteorological
- ঘ. political
উত্তর: গ. meteorological
Moisture মানে বাতাসে বা কোনো বস্তুতে থাকা জলীয় বাষ্প বা আর্দ্রতা। বায়ুমণ্ডলের আবহাওয়া নিয়ে যে বিজ্ঞান কাজ করে তার নাম আবহবিজ্ঞান (Meteorology), আর আর্দ্রতা তার একটি মূল বিষয়। তাই Moisture একটি meteorological term। এর সঙ্গে পুরাণ, আইন বা রাজনীতির কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখুন: আবহাওয়াবিদ্যার আরও পরিভাষা: Humidity (আর্দ্রতা), Precipitation (বৃষ্টিপাত), Barometer (বায়ুচাপ মাপার যন্ত্র)। - ৫৬. Munira ___ in Tokyo because her husband is posted there.
- ক. live
- খ. lives
- গ. lived
- ঘ. living
উত্তর: খ. lives
বাক্যটিতে ‘because her husband is posted’ অংশ present tense-এ আছে, তাই মূল বাক্যও present tense-এ হবে। কর্তা Munira একবচন তৃতীয় পুরুষ, সুতরাং verb-এ s বা es যোগ হয়, আর সঠিক রূপ lives। এটি একটি চলমান অবস্থার কথা বলছে, যা সাধারণ বর্তমানে (Present Indefinite) প্রকাশ পায়।
উদাহরণ:
She lives in Dhaka because her office is there.
মনে রাখুন: তৃতীয় পুরুষ একবচন কর্তার পরে present tense-এ verb-এর সঙ্গে s/es বসে। - ৫৮. 'A cock and bull story' means —আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৪, এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৯, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পিটিআই ইন্সট্রাক্টর (সাধারণ) ২০১৯
- ক. an animal story
- খ. a tragedy
- গ. a short story
- ঘ. a false story
উত্তর: ঘ. a false story
‘A cock and bull story’ একটি idiom, যার অর্থ আজগুবি, বিশ্বাসের অযোগ্য, বানানো গল্প, অর্থাৎ a false story। শব্দ দুটি দেখে এটিকে পশুর গল্প মনে হতে পারে, কিন্তু idiom-এর অর্থ শব্দে শব্দে বোঝা যায় না, তাই an animal story ঠিক নয়।
উদাহরণ:
His excuse for being late was just a cock and bull story.
মনে রাখুন: idiom-এর অর্থ আলাদা মুখস্থ করতে হয়। - ৫৯. Choose the correct sentence:
- ক. He was died of cholera.
- খ. He died of cholera.
- গ. He died from cholera.
- ঘ. He was died for cholera.
উত্তর: খ. He died of cholera.
‘Die’ একটি intransitive verb, অর্থাৎ এর কোনো কর্ম থাকে না। তাই এটি passive voice-এ যায় না, ‘was died’ ভুল। রোগে মারা যাওয়া বোঝাতে সাধারণত ‘die of’ ব্যবহার করা হয়, যেমন die of cholera, die of cancer। ‘for’ এখানে চলে না। ‘Die from’ কারণ বা আঘাত বোঝাতে বেশি ব্যবহৃত হয়, যেমন die from a wound।
উদাহরণ:
He died of cholera.
She died from injuries in the accident.
বিজ্ঞান
- ১৬. রংধনুতে কয়টি রং?
- ক. ৫টি
- খ. ৬টি
- গ. ৮টি
- ঘ. ৭টি
উত্তর: ঘ. ৭টি
সূর্যের সাদা আলো বৃষ্টির ফোঁটার ভেতর দিয়ে গেলে প্রতিসরণ ও অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের ফলে সাতটি রঙে ভেঙে যায়, তাই রংধনুতে সাতটি রং দেখা যায়। রংগুলো হলো বেগুনি, নীল, আসমানি, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল। এগুলো মনে রাখার সংক্ষিপ্ত রূপ ‘বেনীআসহকলা’।
মনে রাখুন:
রংধনুতে লাল রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি, বেগুনির সবচেয়ে কম।
রংধনু দেখতে হলে সূর্য পেছনে ও বৃষ্টি সামনে থাকা লাগে। - ১৮. SI পদ্ধতিতে ওজনের একক কোনটি?
- ক. নিউটন
- খ. কেজি
- গ. পাউন্ড
- ঘ. প্যাসকেল
উত্তর: ক. নিউটন
ওজন একটি বল। ভরের ওপর অভিকর্ষজ ত্বরণ কাজ করলে যে বল পাওয়া যায়, সেটিই ওজন (W = mg)। তাই ওজনের SI একক বলের একক নিউটন (N)। এখানে 1 N = 1 kg·m/s²। কেজি হলো ভরের SI একক। পাউন্ড ভরের একটি প্রচলিত একক, আর প্যাসকেল চাপের একক।
মনে রাখুন:
ভর সব স্থানে একই থাকে, কিন্তু ওজন স্থানভেদে বদলায়।
দৈনন্দিন জীবনে আমরা ‘ওজন’ বলতে কেজি ব্যবহার করলেও আসলে সেটি ভর। - ৪৪. পানযোগ্য পানির PH কত?
- ক. 7 to 8
- খ. 5 to 9
- গ. 6.5 to 8.5
- ঘ. 8 to 12
উত্তর: গ. 6.5 to 8.5
পানির pH হলো এর অম্লতা বা ক্ষারত্বের মাপ। বিশুদ্ধ পানির pH ৭, যা নিরপেক্ষ। তবে পানীয় জলের জন্য একটু ফাঁক রাখা হয়, কারণ প্রাকৃতিক পানিতে সামান্য দ্রবীভূত খনিজ থাকে। মার্কিন পরিবেশ সংস্থা EPA ও বাংলাদেশের মানেও পানযোগ্য পানির pH ৬.৫ থেকে ৮.৫ ধরা হয়। এর কম হলে পানি অম্লীয় হয়ে পাইপ ক্ষয় করে, আর বেশি হলে ক্ষারীয় হয়ে স্বাদ নষ্ট করে।
মনে রাখুন:
pH ৭-এর কম হলে অম্ল, বেশি হলে ক্ষার।
পরিসীমা ০ থেকে ১৪। - ৪৭. 6N ও 8N-এর দুটি বল পরস্পর 90° কোণে কাজ করছে, উহাদের লব্ধি বল কত হবে?
- ক. 7N
- খ. 9N
- গ. 10N
- ঘ. 11N
উত্তর: গ. 10N
দুটি বল পরস্পর সমকোণে কাজ করলে লব্ধি পাওয়া যায় পিথাগোরাসের সূত্রে। লব্ধি R = √(P² + Q² + 2PQ cosθ) সূত্রে θ = 90° হলে cos90° = 0 হয়, তাই R = √(P² + Q²)।
এখানে R = √(6² + 8²) = √(36 + 64) = √100 = 10 N।
মনে রাখুন: 6, 8, 10 একটি পিথাগোরীয় ত্রয়ী, যেমন 3, 4, 5 এর দ্বিগুণ। - ৫১. নিচের কোন উপাদান কাচের স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করে?
- ক. Silica
- খ. Magnesium
- গ. Sodium
- ঘ. Alumina
উত্তর: ক. Silica
কাচের প্রধান উপাদান সিলিকা (Silica), অর্থাৎ বালির মূল অংশ সিলিকন ডাই-অক্সাইড। বিশুদ্ধ সিলিকায় ধাতব অপদ্রব্য কম থাকে, তাই এর ভেতর দিয়ে আলো সহজে চলাচল করে এবং কাচ বেশি স্বচ্ছ হয়। সোডিয়াম গলনাঙ্ক কমায়, আর ম্যাগনেসিয়াম বা অ্যালুমিনা কাচকে শক্ত ও টেকসই করে, কিন্তু স্বচ্ছতা বাড়ানোর মূল কাজ সিলিকার।
মনে রাখুন:
সাধারণ কাচের উপাদান: বালি, সোডা অ্যাশ, চুনাপাথর।
কাচ কেলাসিত কঠিন নয়, একে অতিশীতলিত তরল বলা হয়। - ৫৩. উষ্ণতার জন্য দায়ী প্রধান গ্যাস কোনটি?
- ক. মিথেন
- খ. কার্বন ডাই-অক্সাইড
- গ. নাইট্রোজেন
- ঘ. ওজোন
উত্তর: খ. কার্বন ডাই-অক্সাইড
পৃথিবী গরম হয়ে ওঠার প্রধান কারণ গ্রিনহাউস প্রভাব (Greenhouse effect)। সূর্য থেকে আসা তাপ পৃথিবী থেকে ফিরে যেতে চাইলে বায়ুমণ্ডলের কিছু গ্যাস সেটি আটকে রাখে। জ্বালানি পোড়ানোর ফলে সবচেয়ে বেশি বাড়ছে কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), তাই উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী গ্যাস এটিই। মিথেনও তাপ আটকায়, তবে এর পরিমাণ অনেক কম।
মনে রাখুন:
আরও গ্রিনহাউস গ্যাস: মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, CFC, জলীয় বাষ্প।
নাইট্রোজেন গ্রিনহাউস গ্যাস নয়। - ৬১. আলোর চেয়ে শব্দের বেগ—
- ক. কম
- খ. বেশি
- গ. সমান
- ঘ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. কম
শব্দ চলতে মাধ্যম লাগে, সাধারণ তাপমাত্রায় বাতাসে এর বেগ প্রায় ৩৪০ মি/সে। আলো শূন্য মাধ্যমেও চলতে পারে এবং এর বেগ প্রায় 3 × 10^8 মি/সে। দুটি বেগের তুলনা করলে দেখা যায় আলোর বেগ শব্দের বেগের চেয়ে বহু গুণ বেশি। তাই শব্দের বেগ আলোর চেয়ে কম। মেঘের বিদ্যুৎ চমক আমরা আগে দেখি আর গর্জন পরে শুনি, এটিই তার প্রমাণ।
মনে রাখুন: শব্দের বেগ মাধ্যমভেদে বদলায়, কঠিনে সবচেয়ে বেশি, গ্যাসে সবচেয়ে কম।
বিভিন্ন মন্ত্রণালয় উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা: সব বছর
বিভিন্ন মন্ত্রণালয়: অন্যান্য পরীক্ষা
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয় সহকারী মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয় সহকারী প্রোগ্রামার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিদ্যুৎ বিভাগ বিদ্যুৎ পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর সহকারী প্রকৌশলী (পুর)/উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন