লিয়ানা বুকস

বিভিন্ন মন্ত্রণালয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২: প্রশ্ন ও সমাধান

পরীক্ষা হয়েছে ২২ মার্চ ২০২২। ৯৫টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।

সময় ধরে পরীক্ষা দিন →

গণিত

  1. ১. একই বৃত্তচাপের উপর দণ্ডায়মান বৃত্তস্থ কোণ 60° হলে কেন্দ্রস্থ কোণের পরিমাণ কত?
    • ক. 30°
    • খ. 60°
    • গ. 90°
    • ঘ. 120°
    উত্তর: ঘ. 120°
    একই চাপের ওপর দাঁড়ানো কেন্দ্রস্থ কোণ সব সময় বৃত্তস্থ কোণের দ্বিগুণ। এখানে বৃত্তস্থ কোণ ৬০°। অতএব কেন্দ্রস্থ কোণ = ২ × ৬০° = ১২০°। অর্থাৎ কেন্দ্র থেকে চাপের দুই প্রান্ত যুক্ত করলে যে কোণ হয়, পরিধির কোনো বিন্দু থেকে একই চাপের দুই প্রান্ত যুক্ত করলে তার অর্ধেক কোণ পাওয়া যায়। এই সম্পর্কটি জ্যামিতির একটি প্রসিদ্ধ উপপাদ্য, যা বৃত্তসংক্রান্ত অনেক অঙ্কে কাজে লাগে।
    মনে রাখুন:
    একই চাপের ওপর দাঁড়ানো সব বৃত্তস্থ কোণ সমান।
    অর্ধবৃত্তস্থ কোণ ৯০°।
    বৃত্তস্থ চতুর্ভুজের বিপরীত কোণদ্বয় সম্পূরক, অর্থাৎ যোগফল ১৮০°।
  2. ৩. x + y − 1 = 0 এবং 4x + 4y + 1 = 0 রেখাদ্বয়ের ছেদবিন্দুর স্থানাঙ্ক—
    • ক. (1,4)
    • খ. (4,1)
    • গ. (1,1)
    • ঘ. (∞,∞)
    উত্তর: ঘ. (∞,∞)
    রেখা দুটির সমীকরণ x + y − 1 = 0 এবং 4x + 4y + 1 = 0। দ্বিতীয়টিকে 4 দিয়ে ভাগ করলে x + y + 1/4 = 0। দুই সমীকরণেই x ও y-এর সহগ সমান, শুধু ধ্রুবক পদ আলাদা। এর মানে রেখা দুটি সমান্তরাল। সমান্তরাল রেখা কখনো কোনো সীমিত বিন্দুতে ছেদ করে না। সূত্রে ছেদবিন্দুর হর a₁b₂ − a₂b₁ = 1 × 4 − 4 × 1 = 0 হয়, তাই স্থানাঙ্ক অসীম, (∞, ∞)।
    মনে রাখুন: a₁/a₂ = b₁/b₂ ≠ c₁/c₂ হলে রেখা দুটি সমান্তরাল।
  3. ১১. বার্ষিক 5% সুদে 5000 টাকার 3 বছরের সুদাসল কত?
    • ক. 5500 টাকা
    • খ. 5600 টাকা
    • গ. 6000 টাকা
    • ঘ. 5750 টাকা
    উত্তর: ঘ. 5750 টাকা
    সরল সুদের সূত্র I = Pnr/100, যেখানে আসল P, সময় n বছর এবং সুদের হার r%। এখানে সুদ = 5000 × 3 × 5/100 = 750 টাকা। সুদাসল মানে আসল ও সুদের যোগফল। তাই সুদাসল = 5000 + 750 = 5750 টাকা। প্রশ্নে শুধু ‘সুদ’ চাওয়া হলে উত্তর হতো 750 টাকা, কিন্তু এখানে সুদাসল চাওয়ায় আসলটিও যোগ করতে হয়েছে।
    শর্টকাট: সুদাসল = আসল × (1 + nr/100) = 5000 × 1.15 = 5750।
    মনে রাখুন: সরল সুদে প্রতি বছরের সুদ সমান থাকে, চক্রবৃদ্ধি সুদে তা বাড়তে থাকে।
  4. ১৪. X-অক্ষের উপর অবস্থিত এবং Y-অক্ষ হতে 3 একক দূরে (ডানদিকে) কোন বিন্দুর স্থানাঙ্ক?
    • ক. (3,0)
    • খ. (3,3)
    • গ. (0,3)
    • ঘ. (x,3)
    উত্তর: ক. (3,0)
    স্থানাঙ্ক জ্যামিতিতে কোনো বিন্দুর অবস্থান (x, y) দিয়ে বোঝানো হয়, যেখানে x হলো Y-অক্ষ থেকে দূরত্ব আর y হলো X-অক্ষ থেকে দূরত্ব। X-অক্ষের ওপর কোনো বিন্দু থাকলে তার y-স্থানাঙ্ক শূন্য (0) হয়। আবার Y-অক্ষ থেকে ডানদিকে ৩ একক দূরে মানে x-স্থানাঙ্ক ৩। তাই বিন্দুটির স্থানাঙ্ক (3, 0)। স্থানাঙ্কে প্রতিটি বিন্দু দুটি সংখ্যার ক্রমজোড় দিয়ে প্রকাশ করা হয়, যার প্রথমটি ভুজ এবং দ্বিতীয়টি কোটি।
    মনে রাখুন:
    Y-অক্ষের ওপর কোনো বিন্দুর x-স্থানাঙ্ক 0।
    মূলবিন্দু (0, 0)।
    x = a রেখা Y-অক্ষের সমান্তরাল।
  5. ১৫. log₂(4√2) = ?
    • ক. 3/2
    • খ. 5/2
    • গ. 5/3
    • ঘ. 1/4
    উত্তর: খ. 5/2
    4√2-কে 2-এর ঘাত আকারে লিখলে লগারিদম বের করা সহজ হয়। 4 = 2² এবং √2 = 2^(1/2)। তাহলে 4√2 = 2² × 2^(1/2) = 2^(2 + 1/2) = 2^(5/2)। এখন log₂(2^(5/2)) = (5/2) × log₂2 = 5/2 × 1 = 5/2। সুতরাং log₂(4√2) = 5/2। লগারিদমের এই কৌশল সংখ্যাকে ঘাতরূপে প্রকাশ করার ওপর নির্ভর করে, তাই 4√2-এর মতো মিশ্র রাশি পেলে আগে ভিত্তির ঘাত ভেঙে নিতে হয়।
    মনে রাখুন:
    log_a(a) = 1।
    log(a^m) = m log a।
    একই ভিত্তির ঘাত গুণ করলে ঘাতগুলো যোগ হয়: a^m × a^n = a^(m+n)।
  6. ২৭. a² + 2ab − 2b − 1 বীজগাণিতিক রাশিটির একটি উৎপাদক—
    • ক. a + 1
    • খ. b + 1
    • গ. a − 2
    • ঘ. a − 1
    উত্তর: ঘ. a − 1
    রাশিটিকে এমনভাবে সাজাই, যাতে দুইটি অংশে একই উৎপাদক পাওয়া যায়। a² − 1 এবং 2ab − 2b আলাদা করে নিলে:
    a² + 2ab − 2b − 1 = (a² − 1) + 2b(a − 1)
    = (a + 1)(a − 1) + 2b(a − 1)
    = (a − 1)(a + 1 + 2b)
    তাই (a − 1) রাশিটির একটি উৎপাদক। যাচাই করতে a = 1 বসালে রাশিটির মান হয় 1 + 2b − 2b − 1 = 0, অর্থাৎ শূন্য আসে।
    শর্টকাট: কোনো রাশিতে a = 1 বসালে মান শূন্য হলে (a − 1) তার উৎপাদক হয় (উৎপাদক উপপাদ্য)।
  7. ২৯. একটি ঘনকের কর্ণের দৈর্ঘ্য 6√3m হলে ঘনকটির ধার কত মিটার?
    • ক. 6m
    • খ. 4m
    • গ. 3m
    • ঘ. 2√3m
    উত্তর: ক. 6m
    ঘনকের ধার a হলে তার একটি তলের কর্ণ √2·a এবং ঘনকের কর্ণ (এক কোণ থেকে বিপরীত কোণের দূরত্ব) হয় √3·a। এই সূত্রটি আয়তাকার ঘনবস্তুর ক্ষেত্রেও কাজে লাগে, যেখানে কর্ণ = √(l² + b² + h²)।
    এখানে √3·a = 6√3
    বা, a = 6√3 / √3 = 6
    তাই ঘনকটির ধার 6 m। যাচাই: ধার 6 হলে কর্ণ = 6√3, যা প্রশ্নের মানের সঙ্গে মেলে।
    মনে রাখুন:
    ঘনকের কর্ণ = √3 a।
    তলের কর্ণ = √2 a।
    আয়তন = a³।
    সমগ্র পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল = 6a²।
  8. ৪৩. a + ১/a = ৫ হলে, a/(a² + a + ১)-এর মান কত?
    • ক. ১
    • খ. ১/৫
    • গ. ১/৬
    • ঘ. ৫
    উত্তর: গ. ১/৬
    ভগ্নাংশের লব ও হর উভয়কে a দিয়ে ভাগ করে নিলে a-এর বদলে a + 1/a-এর রূপ পাওয়া যায়, আর সেটির মান আমাদের দেওয়া আছে।
    a/(a² + a + 1) = 1/(a + 1 + 1/a)
    = 1/(a + 1/a + 1)
    = 1/(5 + 1) = 1/6
    শর্টকাট: a + 1/a = k হলে a/(a² + a + 1) = 1/(k + 1), a/(a² − a + 1) = 1/(k − 1) এবং a/(a² + 1) = 1/k।
  9. ৪৪. দুইটি সংখ্যার যোগফল ৪০ এবং বিয়োগফল ২০ হলে, ছোট সংখ্যাটি বড় সংখ্যাটির কত গুণ?
    • ক. ১/৪
    • খ. ১/৩
    • গ. ১/৫
    • ঘ. ১/৬
    উত্তর: খ. ১/৩
    দুটি অজানা সংখ্যার যোগফল ও বিয়োগফল দেওয়া থাকলে সমীকরণ গড়ে নিলে সহজে উত্তর মেলে। বড় সংখ্যা x এবং ছোট সংখ্যা y ধরি।
    x + y = 40 এবং x − y = 20
    যোগ করে 2x = 60, তাই x = 30।
    তখন y = 40 − 30 = 10।
    ছোট সংখ্যা : বড় সংখ্যা = 10/30 = 1/3
    তাই ছোট সংখ্যাটি বড় সংখ্যার 1/3 গুণ।
    শর্টকাট: বড় সংখ্যা = (যোগফল + বিয়োগফল)/2 = 30, ছোট সংখ্যা = (যোগফল − বিয়োগফল)/2 = 10।
  10. ৪৫. (5x)⁰ × 5x⁰ = ?
    • ক. 25
    • খ. 0
    • গ. 1
    • ঘ. 5
    উত্তর: ঘ. 5
    যেকোনো অশূন্য রাশির ঘাত শূন্য হলে তার মান 1 হয়, অর্থাৎ a⁰ = 1 (a ≠ 0)। এখানে প্রথম অংশে পুরো (5x)-এর ঘাত 0, তাই (5x)⁰ = 1। দ্বিতীয় অংশে ঘাত শুধু x-এর ওপর, 5-এর ওপর নয়, তাই 5x⁰ = 5 × 1 = 5।
    গুণফল = 1 × 5 = 5।
    সতর্কতা: (5x)⁰ আর 5x⁰ দুটি আলাদা জিনিস। প্রথমটির মান 1, দ্বিতীয়টির মান 5।
    মনে রাখুন: ঘাতের সংখ্যা বন্ধনীর বাইরে থাকলে সেটি বন্ধনীর ভেতরের সবকিছুর ওপর কাজ করে, আর বন্ধনী না থাকলে শুধু তার ঠিক আগের রাশির ওপর কাজ করে।
  11. ৫৫. একটি চতুর্ভুজের সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্য 8 cm. এবং 5 cm. বাহুদ্বয়ের মধ্যবর্তী দূরত্ব 4 cm. হলে চতুর্ভুজটির ক্ষেত্রফল কত?
    • ক. 30 বর্গ সে.মি.
    • খ. 36 বর্গ সে.মি.
    • গ. 26 বর্গ সে.মি.
    • ঘ. 52 বর্গ সে.মি.
    উত্তর: গ. 26 বর্গ সে.মি.
    যে চতুর্ভুজের এক জোড়া বিপরীত বাহু সমান্তরাল, তাকে ট্রাপিজিয়াম (Trapezium) বলে। এর ক্ষেত্রফল বের করার সূত্র হলো সমান্তরাল বাহু দুইটির যোগফলের অর্ধেককে মধ্যবর্তী দূরত্ব বা উচ্চতা দিয়ে গুণ করা। এখানে সমান্তরাল বাহু দুইটি 8 cm ও 5 cm, আর তাদের মধ্যবর্তী দূরত্ব 4 cm।
    ক্ষেত্রফল = 1/2 × (8 + 5) × 4 বর্গ সে.মি.
    = 1/2 × 13 × 4 বর্গ সে.মি.
    = 26 বর্গ সে.মি.
    শর্টকাট: আগে 4-এর অর্ধেক 2 নিয়ে 13 × 2 = 26 করলে হিসাব সহজ হয়।
    মনে রাখুন:
    ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল = 1/2 × (সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের যোগফল) × উচ্চতা।
    সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল = ভূমি × উচ্চতা।
    অর্ধেক নিতে ভুলে গেলে 13 × 4 = 52 পাওয়া যায়, যা ভুল উত্তর।
  12. ৫৭. 4 জন সদস্যের একটি কমিটির প্রত্যেকেই সদস্য সংখ্যার 4 গুণ করে চাঁদা দিলে চাঁদার পরিমাণ কত?
    • ক. 16
    • খ. 64
    • গ. 256
    • ঘ. 512
    উত্তর: খ. 64
    প্রশ্নটি ধাপে ধাপে ভাবলেই সহজ হয়। কমিটিতে সদস্য ৪ জন। প্রত্যেকে সদস্য সংখ্যার ৪ গুণ চাঁদা দেন, অর্থাৎ একজনের চাঁদা 4 × 4 = 16 টাকা। সদস্য মোট ৪ জন, তাই সবার চাঁদা মিলিয়ে মোট চাঁদা হয়:
    4 × 16 = 64
    তাই চাঁদার পরিমাণ 64।
    আরেকভাবেও ভাবা যায়: 4 × 4 × 4 = 4³ = 64।
    মনে রাখুন:
    4² = 16, 4³ = 64, 4⁴ = 256।
    শুধু একজনের চাঁদা 16 ধরে থেমে গেলে অথবা 4⁴ = 256 ধরে নিলে উত্তর ভুল হবে।
    ঘাতের সূচক বাড়লে সংখ্যা কত দ্রুত বাড়ে, এই প্রশ্ন তারই একটি ছোট উদাহরণ।
  13. ৫৯. sinθ = cosθ হলে, θ-এর মান কত?
    • ক. θ = 30°
    • খ. θ = 45°
    • গ. θ = 60°
    • ঘ. θ = 90°
    উত্তর: খ. θ = 45°
    sinθ = cosθ হলে দুই পক্ষকে cosθ দিয়ে ভাগ করা যায়, তবে cosθ ≠ 0 হতে হবে। তাতে sinθ/cosθ = 1 পাওয়া যায়, অর্থাৎ tanθ = 1।
    আমরা জানি tan45° = 1, তাই θ = 45°।
    যাচাই: sin45° = cos45° = 1/√2, দুটি মান সমান।
    প্রশ্নের অপশনের মান বসিয়েও দেখা যায়। যেমন 30° কোণে sin30° = 1/2, কিন্তু cos30° = √3/2, তাই মেলে না।
    মনে রাখুন:
    0° থেকে 90°-এর মধ্যে sinθ আর cosθ শুধু 45° কোণেই সমান হয়।
    sin45° = cos45° = 1/√2 এবং tan45° = 1।
    পরিপূরক কোণের নিয়মে sin(90° − θ) = cosθ, তাই θ = 45° হলে দুই কোণ একই হয়ে যায়।
  14. ৬৫. ১ হতে ১৫ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যাগুলোর গড় কত?
    • ক. 9.625
    • খ. 7.135
    • গ. 6.833
    • ঘ. 6
    উত্তর: গ. 6.833
    মৌলিক সংখ্যা সেটিই, যা ১ ও নিজেকে ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দিয়ে নিঃশেষে বিভাজ্য নয়। ১ মৌলিক সংখ্যা নয়, কারণ ১ এর ভাজক মাত্র একটি। ১ থেকে ১৫ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা হলো ২, ৩, ৫, ৭, ১১ ও ১৩, মোট ৬টি।
    যোগফল = 2 + 3 + 5 + 7 + 11 + 13 = 41
    গড় = 41/6 = 6.833...
    অপশনগুলোর মধ্যে এই মানের সবচেয়ে কাছে আছে 6.833।
    মনে রাখুন:
    ২ হলো একমাত্র জোড় মৌলিক সংখ্যা।
    ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত মোট ২৫টি মৌলিক সংখ্যা আছে।
    গড় = সংখ্যাগুলোর যোগফল ÷ সংখ্যার পরিমাণ।
  15. ৬৭. একটি খুঁটির গোড়া থেকে 10 m দূরে কোনো বিন্দুতে খুঁটির শীর্ষের উন্নতি কোণ 60° হলে খুঁটির উচ্চতা কত?
    • ক. 10/√3
    • খ. √3/10
    • গ. 10√3
    • ঘ. 5√3
    উত্তর: গ. 10√3
    খুঁটি মাটির সঙ্গে সমকোণে থাকে, তাই খুঁটি, মাটি ও দৃষ্টিরেখা মিলে একটি সমকোণী ত্রিভুজ গঠিত হয়। খুঁটির গোড়া থেকে বিন্দুটির দূরত্ব 10 m হলো ত্রিভুজের ভূমি, আর উন্নতি কোণ 60°। খুঁটির উচ্চতা h ধরলে:
    tan60° = h/10
    বা, √3 = h/10
    বা, h = 10√3 m
    তাই খুঁটির উচ্চতা 10√3 মিটার।
    মনে রাখুন:
    tan30° = 1/√3, tan45° = 1, tan60° = √3।
    উন্নতি কোণ হলো চোখের সমরেখা থেকে ওপরের বস্তুর দিকে দৃষ্টিরেখার কোণ।
    উন্নতি কোণ 45° হলে উচ্চতা ও ভূমি সমান হয়।
    উন্নতি কোণের বিপরীত হলো অবনতি কোণ, যা চোখের সমরেখা থেকে নিচের বস্তুর দিকে মাপা হয়।
  16. ৬৯. একটি ত্রিভুজের তিনটি কোণের অনুপাত ১ : ১ : ২ হলে ত্রিভুজটির বৃহত্তম কোণের পরিমাণ কত?
    • ক. 45°
    • খ. 60°
    • গ. 70°
    • ঘ. 90°
    উত্তর: ঘ. 90°
    ত্রিভুজের তিন কোণের যোগফল সবসময় 180°। কোণ তিনটির অনুপাত ১ : ১ : ২ হলে সুবিধার জন্য কোণগুলো x, x ও 2x ধরা যায়। তাহলে:
    x + x + 2x = 180°
    বা, 4x = 180°
    বা, x = 45°
    বৃহত্তম কোণ = 2x = 2 × 45° = 90°।
    তাই ত্রিভুজটি সমকোণী সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ, যার কোণ তিনটি 45°, 45° ও 90°।
    শর্টকাট: অনুপাতের যোগফল ৪, তাই বড় কোণ = 180° × 2/4 = 90°।
    মনে রাখুন:
    সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের দুই সমান বাহুর বিপরীত কোণ দুইটি সমান।
    সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ সবচেয়ে বড় বাহু।
  17. ৭০. একজন মাঝি নৌকা বেয়ে স্রোতের প্রতিকূলে t₁ ঘণ্টায় x কি.মি. যেতে পারে। স্রোতের অনুকূলে একই দূরত্ব অতিক্রম করতে t₂ ঘণ্টা সময় লাগে। স্রোতের বেগ ঘণ্টায় কত কি.মি.?
    • ক. x(১/t₁ + ১/t₂)
    • খ. x(১/t₁ − ১/t₂)
    • গ. x/২ (১/t₁ + ১/t₂)
    • ঘ. x/২ (১/t₂ − ১/t₁)
    উত্তর: ঘ. x/২ (১/t₂ − ১/t₁)
    নৌকার নিজের বেগ u এবং স্রোতের বেগ v ধরি। স্রোতের অনুকূলে বেগ u + v, আর প্রতিকূলে u − v।
    অনুকূলে x কি.মি. যেতে t₂ ঘণ্টা লাগে, তাই u + v = x/t₂
    প্রতিকূলে x কি.মি. যেতে t₁ ঘণ্টা লাগে, তাই u − v = x/t₁
    বিয়োগ করে 2v = x/t₂ − x/t₁
    বা, v = (x/2)(1/t₂ − 1/t₁)
    মনে রাখুন: স্রোতের বেগ = (অনুকূলের বেগ − প্রতিকূলের বেগ)/2, আর নৌকার বেগ = (অনুকূলের বেগ + প্রতিকূলের বেগ)/2।
  18. ৭২. aᵖ = 16 হলে, p-এর মান—
    • ক. logₐp
    • খ. log₁₆
    • গ. logₐ16
    • ঘ. p¹⁶
    উত্তর: গ. logₐ16
    লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী a^x = b (a > 0, a ≠ 1) হলে x হলো b-এর a ভিত্তিক লগারিদম এবং লেখা হয় x = log_a b। এখানে a^p = 16 দেওয়া আছে, অর্থাৎ ভিত্তি a, ঘাত p আর ফল 16। তাই p = log_a 16।
    উদাহরণ:
    2^4 = 16 হলে log₂16 = 4।
    10^2 = 100 হলে log₁₀100 = 2।
    মনে রাখুন:
    ঘাতের রূপ ও লগারিদমের রূপ একই সম্পর্ক দুইভাবে প্রকাশ করে।
    লগারিদমের ভিত্তি সবসময় ধনাত্মক হয় এবং ভিত্তি 1 হতে পারে না।
    log_a a = 1 এবং log_a 1 = 0।
  19. ৭৩. যদি A + B = 90° হয় এবং tanA = ১/√৩ হয়, তবে B-এর মান কত?
    • ক. 60°
    • খ. 30°
    • গ. 45°
    • ঘ. 75°
    উত্তর: ক. 60°
    tanA = 1/√3 এবং আমরা জানি tan30° = 1/√3, তাই A = 30°। প্রশ্নে দেওয়া আছে A + B = 90°, অর্থাৎ কোণ দুইটি পরস্পর পরিপূরক। তাহলে:
    B = 90° − A = 90° − 30° = 60°।
    যাচাই: tanB = tan60° = √3 এবং cotA = cot30° = √3, দুটি সমান।
    মনে রাখুন:
    A + B = 90° হলে tanA = cotB, অর্থাৎ tan30° = cot60° = 1/√3।
    দুই পরিপূরক কোণের ক্ষেত্রে sin আর cos, tan আর cot পরস্পর বদলে যায়।
    30°, 45°, 60° কোণের tan মান যথাক্রমে 1/√3, 1, √3।
  20. ৮০. a² − b² এবং a² + b² রাশি দুইটির গ.সা.গু. কত?
    • ক. 1
    • খ. (a − b)
    • গ. (a + b)
    • ঘ. (a² − b²)(a² + b²)
    উত্তর: ক. 1
    দুই রাশির গ.সা.গু. বের করতে আগে উৎপাদকে ভাঙি। a² − b² = (a + b)(a − b), কিন্তু a² + b² কে বাস্তব সংখ্যার সহগে সরল উৎপাদকে ভাঙা যায় না। তাই a² − b²-এর উৎপাদক (a + b) বা (a − b) কোনোটিই a² + b²-এর উৎপাদক নয়। ফলে সাধারণ উৎপাদক থাকে শুধু 1, আর গ.সা.গু. 1।
    যাচাই: a = 2, b = 1 ধরলে রাশি দুইটি 3 ও 5, যাদের গ.সা.গু. 1।
    মনে রাখুন: ল.সা.গু. = (a² − b²)(a² + b²) = a⁴ − b⁴।
  21. ৮১. ফলের উপর x% ভ্যাট আরোপ করা হলে p টাকার ফলের ক্রয়মূল্য কত হবে?
    • ক. p + px/১০০০
    • খ. p + px/১০০
    • গ. p(১০০ + x)
    • ঘ. p + x
    উত্তর: খ. p + px/১০০
    ভ্যাট (VAT) বা মূল্য সংযোজন কর হলো পণ্য কেনাবেচার ওপর বসানো কর। x% ভ্যাট মানে প্রতি 100 টাকায় x টাকা বাড়তি দিতে হয়। তাই p টাকার ফলের ওপর ভ্যাট হবে p-এর x% = px/100 টাকা। ক্রেতাকে মূল দাম ও ভ্যাট মিলিয়ে দিতে হয়:
    ক্রয়মূল্য = p + px/100 = p(100 + x)/100।
    উদাহরণ: p = 200, x = 15 হলে ভ্যাট = 200 × 15/100 = 30 টাকা, তাই ক্রয়মূল্য = 200 + 30 = 230 টাকা।
    মনে রাখুন:
    ভ্যাটের পুরো নাম Value Added Tax।
    শতকরা মানে প্রতি শতে, তাই x% = x/100।
    ছাড় দিলে কমে, আর ভ্যাট দিলে দাম বাড়ে।
  22. ৮৪. ax − ab = a² রাশিটিতে x-এর মান কত?
    • ক. a − b
    • খ. ab
    • গ. a + b
    • ঘ. ১/(a+b)
    উত্তর: গ. a + b
    ax − ab = a² সমীকরণে x-এর মান বের করতে হবে। বাম পক্ষে a কমন নিলে:
    a(x − b) = a²
    উভয় পক্ষকে a দিয়ে ভাগ করলে (a ≠ 0) পাই x − b = a।
    তাই x = a + b।
    যাচাই: x = a + b বসালে ax − ab = a(a + b) − ab = a² + ab − ab = a², মিলে যায়।
    মনে রাখুন:
    সমীকরণ থেকে অজ্ঞাত রাশি বের করতে কমন গুণনীয়ক নেওয়া একটি কাজের কৌশল।
    দুই পক্ষকে শূন্য ছাড়া যেকোনো সংখ্যা দিয়ে ভাগ করা যায়।
    পক্ষান্তর করলে চিহ্ন বদলে যায়, যেমন − b ডান পক্ষে গেলে হয় + b।
  23. ৯৩. ০, ৩, ৮, ১৫, ২৪ ..... একটি প্যাটার্ন। এই প্যাটার্নে ব্যবহৃত রাশি নিম্নের কোনটি?
    • ক. 2x + 1
    • খ. x² − 1
    • গ. x² + 1
    • ঘ. 2x² − 1
    উত্তর: খ. x² − 1
    সংখ্যাগুলো ০, ৩, ৮, ১৫, ২৪। প্রতিটি সংখ্যার সঙ্গে ১ যোগ করলে পাই ১, ৪, ৯, ১৬, ২৫, অর্থাৎ ১², ২², ৩², ৪², ৫²। তাই n-তম পদ = n² − 1।
    যাচাই:
    n = 1 হলে 1² − 1 = 0
    n = 2 হলে 2² − 1 = 3
    n = 3 হলে 3² − 1 = 8
    n = 5 হলে 5² − 1 = 24
    অন্য রাশিগুলো n = 1 বসালে ০ দেয় না, তাই সেগুলো ভুল।
  24. ৯৫. cosθ = ১/২ হলে, cos(90° − θ)-এর মান কত?
    • ক. √3/2
    • খ. 0
    • গ. 1/2
    • ঘ. 1/√2
    উত্তর: ক. √3/2
    cosθ = 1/2 এবং আমরা জানি cos60° = 1/2, তাই θ = 60°।
    এখন পরিপূরক কোণের নিয়ম অনুযায়ী cos(90° − θ) = sinθ।
    তাই মান = sin60° = √3/2।
    শর্টকাট: cosθ = 1/2 হলে sinθ = √(1 − cos²θ) = √(1 − 1/4) = √3/2। কোণ বের করার দরকারই পড়ে না।
    মনে রাখুন:
    sin(90° − θ) = cosθ এবং cos(90° − θ) = sinθ।
    sin²θ + cos²θ = 1 সূত্রটি অনেক ত্রিকোণমিতির অঙ্কে কাজে লাগে।
    30°, 45°, 60° কোণের cos মান যথাক্রমে √3/2, 1/√2, 1/2।

বাংলাদেশ

  1. ২. প্রাচীন পুন্ড্রবর্ধন কোথায় অবস্থিত?
    • ক. পাহাড়পুর
    • খ. মহাস্থানগড়
    • গ. ময়নামতি
    • ঘ. সোনারগাঁও
    উত্তর: খ. মহাস্থানগড়
    প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন নগরী ছিল পুণ্ড্র জনপদের রাজধানী, আর আজকের বগুড়া জেলার মহাস্থানগড়ই সেই জায়গা। করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত এই দুর্গনগরীর ধ্বংসাবশেষ এখন বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন প্রত্নস্থল। এখানে প্রাপ্ত মহাস্থান ব্রাহ্মী লিপি বাংলাদেশের প্রাচীনতম লিখিত নিদর্শন বলে ধরা হয়। পুণ্ড্র বা পৌণ্ড্র জনপদ ছিল প্রাচীন বাংলার একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল, যার নাম থেকে ‘পুণ্ড্রবর্ধন’ নামটি এসেছে। মহাস্থানগড় ইউনেস্কোর বিশ্বঐতিহ্যের অস্থায়ী তালিকায় আছে।
    মনে রাখুন:
    পাহাড়পুর (নওগাঁ): সোমপুর মহাবিহার, পাল রাজা ধর্মপালের কীর্তি।
    ময়নামতি (কুমিল্লা): শালবন বিহার।
    সোনারগাঁও: সুলতানি ও মুঘল আমলের প্রাচীন রাজধানী।
  2. ২১. ১৩২০ মেগাওয়াট পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র মাননীয় প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করেন—
    • ক. ১৩ মার্চ ২০২১
    • খ. ২১ মার্চ ২০১৭
    • গ. ২০ মার্চ ২০১৯
    • ঘ. ২১ মার্চ ২০২২
    উত্তর: ঘ. ২১ মার্চ ২০২২
    পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় অবস্থিত। কয়লাভিত্তিক এই ১,৩২০ মেগাওয়াটের কেন্দ্রটি ২০২২ সালের ২১ মার্চ তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করেন। একই দিনে তিনি দেশের শতভাগ বিদ্যুতায়নের ঘোষণা দেন। কেন্দ্রটি বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ কোম্পানির প্রকল্প। প্রশ্নের অপশনগুলোতে শুধু সাল ও তারিখ আলাদা, তাই ২০২২ সালের ২১ মার্চ মনে রাখাই আসল। পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলায় পায়রা বন্দর এলাকার কাছে কেন্দ্রটি নির্মিত হয়েছে।
    মনে রাখুন:
    কেন্দ্রটি আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তিতে তৈরি।
    পায়রা সমুদ্রবন্দর কলাপাড়ার কাছে।
    মাতারবাড়ী (কক্সবাজার) আরেকটি বড় কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প।
  3. ২৪. 'আমার দেখা নয়াচীন' গ্রন্থের লেখক কে?
    • ক. শেখ মুজিবুর রহমান
    • খ. মাও সেতুং
    • গ. শি জিং পিং
    • ঘ. সিরাজুল ইসলাম
    উত্তর: ক. শেখ মুজিবুর রহমান
    ‘আমার দেখা নয়াচীন’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা ভ্রমণকাহিনি। তিনি ১৯৫২ সালে বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত শান্তি সম্মেলনে অংশ নিতে চীনে যান। সেই অভিজ্ঞতা থেকে বইটি লেখেন, যা তাঁর মৃত্যুর পর ২০২০ সালে প্রকাশিত হয়। মাও সেতুং বা শি জিং পিং চীনের নেতা হলেও এই বইয়ের লেখক নন, বরং বইটি চীনকে নিয়ে বাংলাদেশির লেখা বিবরণ। বইটিতে লেখক নতুন চীনের মানুষ, তাদের জীবনযাত্রা ও সমাজ গঠনের চেষ্টা সম্পর্কে নিজের দেখা ও ভাবনা সহজ ভাষায় তুলে ধরেছেন।
    মনে রাখুন:
    বঙ্গবন্ধুর অন্য গ্রন্থ: অসমাপ্ত আত্মজীবনী ও কারাগারের রোজনামচা।
    এই তিন বইয়ের মধ্যে ‘আমার দেখা নয়াচীন’ তৃতীয় প্রকাশিত গ্রন্থ।
  4. ৩০. 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী' কালজয়ী এ গানটির রচয়িতা কে?
    • ক. ফজল-এ-খোদা
    • খ. আব্দুল লতিফ
    • গ. আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
    • ঘ. আলতাফ মাহমুদ
    উত্তর: গ. আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
    ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানটির কথা লিখেছেন সাংবাদিক ও সাহিত্যিক আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পরপরই তিনি কবিতাটি লেখেন, পরে এটি গান হিসেবে জনপ্রিয় হয়। প্রথমে এতে সুর দিয়েছিলেন আব্দুল লতিফ, আর আজ যে সুরে আমরা গানটি শুনি তা আলতাফ মাহমুদের। তাই সুরকার আর গীতিকারের নাম গুলিয়ে ফেললে চলবে না। এই গান ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিতে প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসে সবচেয়ে বেশি গাওয়া হয়।
    মনে রাখুন:
    আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর বিখ্যাত উপন্যাস ‘চন্দ্রদ্বীপের উপাখ্যান’।
    গানটির প্রথম সুরকার আব্দুল লতিফ এবং বর্তমান সুরকার আলতাফ মাহমুদ।
  5. ৩২. ঢাকাকে প্রথম কখন বাংলার রাজধানী করা হয়?
    • ক. ১৫১০ সাল
    • খ. ১৫৮০ সাল
    • গ. ১৬০০ সাল
    • ঘ. ১৬১০ সাল
    উত্তর: ঘ. ১৬১০ সাল
    মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের আমলে বাংলার সুবাদার ইসলাম খান চিশতী ১৬১০ সালে রাজমহল থেকে রাজধানী সরিয়ে ঢাকায় আনেন। সম্রাটের নামে তিনি শহরটির নাম রাখেন জাহাঙ্গীরনগর। নদীবেষ্টিত ঢাকা পূর্ব বাংলার একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যকেন্দ্র ছিল।
    মনে রাখুন:
    ঢাকা মোট পাঁচবার রাজধানী হয়েছে: ১৬১০ সালে মুঘল সুবাদারের রাজধানী হিসেবে, ১৬৬০ সালে সুবাদার মীর জুমলার সময়ে, ১৯০৫ সালে পূর্ব বঙ্গ ও আসামের রাজধানী হিসেবে, ১৯৪৭ সালে পূর্ব পাকিস্তানের রাজধানী হিসেবে এবং ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের রাজধানী হিসেবে।
  6. ৩৩. 'আমার দেখা নয়াচীন' গ্রন্থের রচয়িতা—আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০২২
    • ক. খন্দকার মোহাম্মদ ইলিয়াস
    • খ. মওলানা ভাসানী
    • গ. তোফাজ্জল হোসেন
    • ঘ. শেখ মুজিবুর রহমান
    উত্তর: ঘ. শেখ মুজিবুর রহমান
    ‘আমার দেখা নয়াচীন’ বইটি লিখেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৫২ সালে চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত শান্তি সম্মেলনে তিনি যোগ দেন। সেই সফরে নতুন চীনকে দেখে তাঁর যে অভিজ্ঞতা হয়েছিল, তারই বিবরণ এই ভ্রমণকাহিনিতে আছে। বইটি অনেক পরে, ২০২০ সালে বাংলা একাডেমি প্রকাশ করে। তাই লেখকের ভ্রমণের সাল আর বই প্রকাশের সাল আলাদা করে মনে রাখা দরকার। বঙ্গবন্ধু ১৯৫২ সালের অক্টোবরে বেইজিংয়ে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের শান্তি সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন।
    মনে রাখুন:
    বঙ্গবন্ধুর অন্য দুটি বিখ্যাত গ্রন্থ: অসমাপ্ত আত্মজীবনী ও কারাগারের রোজনামচা।
  7. ৩৭. বাংলাদেশে সংবিধানের কোন সংশোধনীতে সংরক্ষিত মহিলা আসন ৪৫ থেকে বৃদ্ধি করে ৫০ করা হয়?
    • ক. সপ্তদশ সংশোধনী
    • খ. পঞ্চদশ সংশোধনী
    • গ. দ্বাদশ সংশোধনী
    • ঘ. নবম সংশোধনী
    উত্তর: খ. পঞ্চদশ সংশোধনী
    সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী পাস হয় ২০১১ সালে। এই সংশোধনীর একটি বিষয় ছিল সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সংখ্যা ৪৫ থেকে বাড়িয়ে ৫০ করা। তখন একই সঙ্গে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল হয় এবং ১৯৭২ সালের সংবিধানের মূলনীতিগুলো ফিরিয়ে আনা হয়। তাই এই সংশোধনীকে সংবিধানের একটি বড় পরিবর্তন বলা হয়। সংরক্ষিত আসনে নারী সদস্যরা নির্বাচিত হন সংসদের সাধারণ নির্বাচনে জয়ী দলগুলোর আসনসংখ্যার অনুপাতে।
    মনে রাখুন:
    চতুর্দশ সংশোধনীতে (২০০৪) সংরক্ষিত নারী আসন ৩০ থেকে বেড়ে ৪৫ হয়েছিল।
    সপ্তদশ সংশোধনীতে (২০১৮) ৫০টি সংরক্ষিত আসনের মেয়াদ আরও ২৫ বছর বাড়ানো হয়।
  8. ৪১. বর্তমানে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয়—
    • ক. ১৯২০ ডলার
    • খ. ২২২৭ ডলার
    • গ. ২৫৫৪ ডলার
    • ঘ. ২০২০ ডলার
    উত্তর: গ. ২৫৫৪ ডলার
    বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) প্রতি বছর মাথাপিছু আয় প্রকাশ করে। প্রশ্নটি ২০২২ সালের হওয়ায় তখনকার সর্বশেষ হিসাব ধরতে হবে। ২০২০-২১ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ২,৫৫৪ মার্কিন ডলার, আর দেওয়া অপশনগুলোর মধ্যে এটিই সেই সংখ্যা। ২,২২৭ ডলার ছিল তার আগের বছরের (২০১৯-২০) আয়। মাথাপিছু আয় বের করা হয় দেশের মোট জাতীয় আয়কে মোট জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করে। মাথাপিছু আয়ের হিসাবে প্রচলিত এককটি মার্কিন ডলার।
    হালনাগাদ: এই সংখ্যা সময়ের সঙ্গে বদলায়। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় প্রায় ২,৮২০ ডলার।
  9. ৫৩. বাকল্যান্ড বাঁধ কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
    • ক. শীতলক্ষ্যা
    • খ. সিন্ধু
    • গ. বুড়িগঙ্গা
    • ঘ. হোয়াংহো
    উত্তর: গ. বুড়িগঙ্গা
    বাকল্যান্ড বাঁধ ঢাকা শহরের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত। ১৮৬৪ সালে ঢাকা বিভাগের তৎকালীন কমিশনার চার্লস টমাস বাকল্যান্ডের নামে এটি নির্মিত হয়। নদীর ভাঙন ও বন্যা থেকে শহরকে রক্ষা করা ছিল এর উদ্দেশ্য। শীতলক্ষ্যা ঢাকার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া আরেকটি নদী, আর সিন্ধু ও হোয়াংহো বাংলাদেশের বাইরের নদী। ঢাকার বুড়িগঙ্গার তীরে এই বাঁধ এলাকায় আজও লোকজন বেড়াতে আসেন।
    মনে রাখুন:
    বুড়িগঙ্গা নদীর তীরেই ঢাকার সদরঘাট ও লালবাগ কেল্লা।
    সিন্ধু নদী পাকিস্তানে এবং হোয়াংহো চীনে অবস্থিত।
  10. ৬৪. বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে 'দোয়েল' কীসের নাম?
    • ক. উন্নত জাতের ধান
    • খ. উন্নত জাতের পাট
    • গ. উন্নত জাতের গম
    • ঘ. উন্নত জাতের চা
    উত্তর: গ. উন্নত জাতের গম
    ‘দোয়েল’ হলো বাংলাদেশে চাষ হওয়া একটি উন্নত জাতের গমের নাম। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) এ ধরনের নতুন নতুন জাত উদ্ভাবন করে, যাতে আমাদের দেশের আবহাওয়ায় ফলন ভালো হয়। ধান, পাট বা চায়ের জাতের নাম এটি নয়, কারণ ওই ফসলগুলোর উন্নত জাত অন্য নামে পরিচিত। কৃষি গবেষণার ফলে এমন উন্নত জাতের গমের ফলন স্থানীয় জাতের চেয়ে বেশি হয়।
    মনে রাখুন:
    উন্নত জাতের গমের আরও কয়েকটি নাম: কাঞ্চন, আকবর, বলাকা, সোনালিকা।
    ধানের জাতের নামের উদাহরণ: ইরাটম, ব্রি ধান।
    ধানের গবেষণা করে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI)।
    গম শীতকালীন বা রবি মৌসুমের ফসল।
    বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য ধান।
  11. ৭১. জাতিসংঘের সব দাপ্তরিক ভাষায় বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ বিষয়ক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয়—
    • ক. ০৪ মার্চ ২০২১
    • খ. ০৫ মার্চ ২০২১
    • গ. ০৬ মার্চ ২০২১
    • ঘ. ০৭ মার্চ ২০২১
    উত্তর: খ. ০৫ মার্চ ২০২১
    বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ নিয়ে একটি গ্রন্থ জাতিসংঘের ছয়টি দাপ্তরিক ভাষায় প্রকাশ করা হয়। জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা ছয়টি: ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ, আরবি, রুশ ও চীনা। বইটির মোড়ক উন্মোচন হয় ২০২১ সালের ৫ মার্চ। এর আগে ভাষণটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিও পেয়েছিল।
    মনে রাখুন:
    ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো ৭ মার্চের ভাষণকে Memory of the World International Register-এ অন্তর্ভুক্ত করে।
    ভাষণটি ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) দেওয়া হয়।
    ভাষণের বিখ্যাত অংশ: ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’
    জাতিসংঘের ছয়টি প্রধান অঙ্গের একটি নিরাপত্তা পরিষদ, যার স্থায়ী সদস্য পাঁচটি।
  12. ৮৬. বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার—
    • ক. জয়নুল আবেদীন
    • খ. কামরুল হাসান
    • গ. হাসেম খান
    • ঘ. হামিদুর রহমান
    উত্তর: খ. কামরুল হাসান
    বাংলাদেশের বর্তমান জাতীয় পতাকার নকশাকার শিল্পী কামরুল হাসান। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের জানুয়ারিতে পতাকাটি সবুজ জমিনে লাল বৃত্তের চূড়ান্ত রূপ পায়। আগে ১৯৭১ সালের মার্চে তৈরি পতাকায় লাল বৃত্তের ভেতরে বাংলাদেশের মানচিত্র ছিল, সেই নকশা করেছিলেন শিবনারায়ণ দাস। অন্য অপশনের শিল্পীরা বিখ্যাত হলেও পতাকার নকশার সঙ্গে তাঁদের নাম জড়িত নয়।
    মনে রাখুন:
    কামরুল হাসান ১৯৭১ সালে ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে’ পোস্টারটিও আঁকেন।
    জয়নুল আবেদিন দুর্ভিক্ষের চিত্র আঁকার জন্য এবং হামিদুর রহমান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নকশার জন্য পরিচিত।
    পতাকার সবুজ রং তারুণ্য ও সজীবতার এবং লাল বৃত্ত মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের রক্তের প্রতীক।
    পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত ১০ : ৬।
  13. ৯৪. গণঅভ্যুত্থান দিবস—
    • ক. ০৪ জানুয়ারি
    • খ. ২৪ ফেব্রুয়ারি
    • গ. ২৪ জানুয়ারি
    • ঘ. ০৪ ফেব্রুয়ারি
    উত্তর: গ. ২৪ জানুয়ারি
    ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে ২৪ জানুয়ারি ঢাকায় পুলিশের গুলিতে ছাত্র-জনতার অনেকে নিহত হয়, আর এই দিনে মতিউর রহমানসহ আরও কয়েকজন শহিদ হন। এ কারণে ২৪ জানুয়ারি ‘গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে পালিত হয়। এর আগে ২০ জানুয়ারি শহিদ হন ছাত্রনেতা আসাদুজ্জামান আসাদ। এসব মৃত্যুর পর আন্দোলন আরও তীব্র হয়ে ওঠে।
    মনে রাখুন:
    ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করা হয়।
    হালনাগাদ: ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে।
    ১৯৬৯ সালে ছাত্রসমাজ ১১ দফা দাবি পেশ করে।
    ১৯৬৯ সালের ২৫ মার্চ আইয়ুব খান ক্ষমতা ছাড়েন।

বাংলা

  1. ৪. একটি সার্থক বাক্যের বৈশিষ্ট্য বা লক্ষণ কয়টি?
    • ক. তিনটি
    • খ. চারটি
    • গ. পাঁচটি
    • ঘ. ছয়টি
    উত্তর: ক. তিনটি
    সার্থক বাক্য হতে তিনটি গুণ লাগে: আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা। আকাঙ্ক্ষা হলো বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করার জন্য পরের শব্দের প্রতি আগ্রহ। আসত্তি হলো শব্দগুলোর সঠিক ক্রমে সাজানো। যোগ্যতা হলো শব্দগুলোর অর্থগত সামঞ্জস্য। এই তিনটির যেকোনো একটি না থাকলে বাক্য সার্থক হয় না। কোনো একটি গুণ না থাকলে বাক্য অসম্পূর্ণ, দুর্বোধ্য বা অর্থহীন হয়ে যেতে পারে। তাই বাক্য রচনার সময় তিনটি গুণই মাথায় রাখতে হয়।
    মনে রাখুন:
    বাক্যের মূল দুই অংশ উদ্দেশ্য ও বিধেয়।
    গঠন অনুযায়ী বাক্য তিন প্রকার: সরল, জটিল ও যৌগিক।
  2. ৬. 'চর্যাপদ' আবিষ্কার করেন—
    • ক. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
    • খ. ড. নীহাররঞ্জন রায়
    • গ. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
    • ঘ. আর সি মজুমদার
    উত্তর: গ. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
    চর্যাপদ আবিষ্কার করেন মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। তিনি ১৯০৭ সালে নেপালের রাজগ্রন্থাগার থেকে পুঁথিটি পান। এর সম্পাদিত রূপ ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ থেকে প্রকাশিত হয়। বাকিদের সঙ্গে চর্যাপদের যোগ আছে, কিন্তু আবিষ্কারক তাঁরা নন। যেমন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ চর্যাপদ নিয়ে গবেষণা করেছেন। তিনি ভারতের পণ্ডিত ও সংস্কৃতজ্ঞ ছিলেন এবং এশিয়াটিক সোসাইটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। নেপালের গ্রন্থাগারে তিনি আরও কয়েকটি পুঁথিও খুঁজে পান।
    মনে রাখুন:
    চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন।
    এর মূল নাম ‘চর্যাচর্যবিনিশ্চয়’।
    নীহাররঞ্জন রায় ‘বাঙালীর ইতিহাস (আদিপর্ব)’ লিখেছেন।
  3. ৭. 'মেঘনাদবধ' কোন আঙ্গিকের সাহিত্যকর্ম?
    • ক. গীতিনাট্য
    • খ. মহাকাব্য
    • গ. নাটক
    • ঘ. উপন্যাস
    উত্তর: খ. মহাকাব্য
    ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য। এর রচয়িতা মাইকেল মধুসূদন দত্ত, প্রকাশ ১৮৬১ সালে। রামায়ণের কাহিনি থেকে নেওয়া এই কাব্য অমিত্রাক্ষর ছন্দে লেখা এবং এতে নয়টি সর্গ আছে। এর কেন্দ্রে রাবণপুত্র মেঘনাদের মৃত্যু, তাই এটি করুণ রসের মহাকাব্য। রামায়ণের কাহিনি থেকে মূল ঘটনা নিলেও মধুসূদন রাবণ ও মেঘনাদকে মহান চরিত্রে এঁকেছেন, ফলে কাব্যটি ঐতিহ্যের থেকে আলাদা এক নতুন ভাবনা পেয়েছে। কাব্যে রাম ও লক্ষ্মণ তুলনায় ম্লান। বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ এনেছিলেন তিনিই।
    মনে রাখুন:
    মধুসূদনের অন্যান্য রচনা: তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য, ব্রজাঙ্গনা, বীরাঙ্গনা, চতুর্দশপদী কবিতাবলী।
    তাঁর প্রথম নাটক শর্মিষ্ঠা।
  4. ৮. 'সমকাল' সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?
    • ক. সিকান্দার আবু জাফর
    • খ. আবুল ফজল
    • গ. মিজানুর রহমান শেলি
    • ঘ. তোয়াব খান
    উত্তর: ক. সিকান্দার আবু জাফর
    ‘সমকাল’ পত্রিকা ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত হয়। এর সম্পাদক ছিলেন কবি ও নাট্যকার সিকান্দার আবু জাফর। তিনি সাহিত্য-সংস্কৃতির এই পত্রিকার মাধ্যমে প্রগতিশীল চিন্তার প্রসার ঘটান। বাকি নামগুলোও সাহিত্য বা সাংবাদিকতার সঙ্গে জড়িত, তাই নাম ও পত্রিকার জোড়া মিলিয়ে মনে রাখা জরুরি। এই পত্রিকার লেখকগোষ্ঠীতে সেই সময়ের অনেক তরুণ কবি-সাহিত্যিক যুক্ত ছিলেন। সিকান্দার আবু জাফর নিজেও কবিতা লিখতেন, আর তাঁর কবিতা ও নাটক দুই ক্ষেত্রেই তিনি পরিচিত ছিলেন।
    মনে রাখুন:
    তাঁর বিখ্যাত নাটক ‘সিরাজউদ্দৌলা’।
    তোয়াব খান দৈনিক বাংলার পরিচিত সাংবাদিক ও সম্পাদক।
    আবুল ফজল ছিলেন কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক।
  5. ৯. 'জীবন আমার বোন' কোন ধরনের সাহিত্যকর্ম?
    • ক. নাটক
    • খ. প্রবন্ধ
    • গ. উপন্যাস
    • ঘ. কবিতা
    উত্তর: গ. উপন্যাস
    ‘জীবন আমার বোন’ কথাসাহিত্যিক মাহমুদুল হকের লেখা একটি উপন্যাস। এতে ১৯৭১ সালের মার্চ মাসের উত্তাল ঢাকা শহরের সমাজ ও রাজনীতির ছবি উঠে এসেছে, আর গল্পটি বলা হয়েছে খোকা নামের একটি চরিত্রের জবানিতে। তাই এটি নাটক, প্রবন্ধ বা কবিতা নয়, বরং উপন্যাস।
    মনে রাখুন: মাহমুদুল হকের আরও কয়েকটি উপন্যাস: কালো বরফ, খেলাঘর, অনুর পাঠশালা।
  6. ১৭. 'সাম্যবাদী' কবিতার কবি কে?
    • ক. সুকান্ত ভট্টাচার্য
    • খ. সমরেশ বসু
    • গ. কাজী নজরুল ইসলাম
    • ঘ. সুভাষ মুখোপাধ্যায়
    উত্তর: গ. কাজী নজরুল ইসলাম
    ‘সাম্যবাদী’ কবিতাগুচ্ছের কবি কাজী নজরুল ইসলাম। এতে সাম্য, মানুষ, ঈশ্বর, নারী, কুলি-মজুর ইত্যাদি কবিতা আছে। সব কবিতায় সব মানুষের সমান অধিকারের কথা বলা হয়েছে। এটি ১৯২৫ সালের শেষ দিকে প্রকাশিত। জাতি, ধর্ম বা শ্রেণির ভেদ ভুলে মানুষকে এক করার এই আহ্বানই নজরুলের সাম্যবাদী চেতনার পরিচয়। ‘সাম্যবাদী’ নজরুলের ‘সর্বহারা’ কাব্যের কবিতাগুচ্ছ হিসেবেও পরিচিত। এতে ‘মানুষ’ কবিতার বক্তব্য খুব বিখ্যাত, যেখানে কবি সব ধর্মের ঊর্ধ্বে মানুষকে স্থান দিয়েছেন।
    মনে রাখুন:
    নজরুলের অন্য কাব্য: অগ্নিবীণা, বিষের বাঁশী, সর্বহারা, ফণিমনসা।
    তাঁকে বিদ্রোহী কবি বলা হয়।
    সুকান্ত ভট্টাচার্যের কাব্য ছাড়পত্র।
  7. ১৯. ভাষার ক্ষুদ্রতম একক কোনটি?
    • ক. বর্ণ
    • খ. ধ্বনি
    • গ. অক্ষর
    • ঘ. শব্দ
    উত্তর: খ. ধ্বনি
    ভাষার সবচেয়ে ছোট একক হলো ধ্বনি (Sound)। আমরা মুখ দিয়ে যে আলাদা আলাদা আওয়াজ করি, সেগুলোই ধ্বনি। কয়েকটি ধ্বনি মিলে একটি শব্দ তৈরি হয়, আবার কয়েকটি শব্দ মিলে তৈরি হয় বাক্য। বাক্য তাই ভাষার সবচেয়ে বড় একক।
    বর্ণ আসলে ধ্বনির লিখিত রূপ। ধ্বনি আমরা শুনি, আর বর্ণ আমরা দেখি। তাই বর্ণ ভাষার ক্ষুদ্রতম একক নয়।
    মনে রাখুন:
    ভাষার একক ছোট থেকে বড় ক্রমে: ধ্বনি, শব্দ, বাক্য।
    ধ্বনি নিয়ে আলোচনা হয় ধ্বনিতত্ত্বে।
  8. ২০. 'তোহফা' কাব্যটি কে রচনা করেন?
    • ক. আলাওল
    • খ. সাবিরিদ খান
    • গ. কোরেশী মাগন ঠাকুর
    • ঘ. আব্দুল হাকিম
    উত্তর: ক. আলাওল
    ‘তোহফা’ কাব্যের রচয়িতা মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার কবি আলাওল। এটি ইউসুফ গদা-র ফারসি ‘তুহ্‌ফাতুন নেসায়েহ’ গ্রন্থের অনুবাদ। আলাওল আরও কয়েকটি বিখ্যাত কাব্যের রচয়িতা। বাকি তিনজনও মধ্যযুগের কবি, তাই কবি আর কাব্যের জোড়া মিলিয়ে মনে রাখা দরকার। আলাওল আরাকান রাজ্যের রাজসভায় কাজ করতেন। ফারসি ও হিন্দি কাব্য অনুবাদ করার জন্য তিনি বিখ্যাত, আর সেসব কাব্যে আরবি-ফারসি শব্দের প্রভাব স্পষ্ট।
    মনে রাখুন:
    পদ্মাবতী (জায়সীর হিন্দি ‘পদুমাবৎ’ থেকে)।
    সয়ফুল মুলুক-বদিউজ্জামাল।
    সপ্তপয়কর (নিজামীর ফারসি কাব্যের অনুবাদ)।
    সিকান্দারনামা।
    কোরেশী মাগন ঠাকুরের পৃষ্ঠপোষকতায় তিনি ‘পদ্মাবতী’ লেখেন।
  9. ২৬. 'মেমনসিংহ গীতিকা' কে সংগ্রহ করেন?
    • ক. সুকুমার সেন
    • খ. হীরালাল সেন
    • গ. দীনেশচন্দ্র সেন
    • ঘ. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
    উত্তর: গ. দীনেশচন্দ্র সেন
    ‘মৈমনসিংহ গীতিকা’ আসলে ময়মনসিংহ অঞ্চলের গ্রামেগঞ্জে মুখে মুখে প্রচলিত পালাগানের সংকলন। এই পালাগুলো গ্রাম ঘুরে ঘুরে প্রথমে সংগ্রহ করেন চন্দ্রকুমার দে। তবে সংগ্রহগুলো সম্পাদনা করে গ্রন্থ আকারে প্রকাশ করেন দীনেশচন্দ্র সেন, আর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯২৩ সালে এটি প্রথম বের হয়। চন্দ্রকুমার দের নাম এখানে অপশনে নেই, তাই দেওয়া চারজনের মধ্যে গীতিকার সংকলক ও সম্পাদক হিসেবে পরিচিত দীনেশচন্দ্র সেনই প্রশ্নের উদ্দিষ্ট উত্তর।
    মনে রাখুন:
    মৈমনসিংহ গীতিকার বিখ্যাত পালা: মহুয়া, মলুয়া, চন্দ্রাবতী, কমলা, দেওয়ানা মদিনা।
    সুকুমার সেন ও সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাসের গবেষক হিসেবে পরিচিত।
  10. ৩১. 'বন্দী শিবির থেকে' কাব্যগ্রন্থটির কবি—
    • ক. হাসান হাফিজুর রহমান
    • খ. শামসুর রাহমান
    • গ. আজিজুর রহমান
    • ঘ. জসীমউদ্দীন
    উত্তর: খ. শামসুর রাহমান
    ‘বন্দী শিবির থেকে’ কাব্যগ্রন্থটি কবি শামসুর রাহমানের লেখা। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর অধীনে থাকা ঢাকায় বন্দীর মতো দিন কাটিয়েছেন। সেই ভয়াল অভিজ্ঞতা থেকেই বইটির কবিতাগুলো লেখা, আর এটি প্রকাশিত হয় ১৯৭২ সালে। মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা এই কাব্যে আতঙ্ক, ক্ষোভ আর স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা একসঙ্গে ধরা পড়েছে।
    মনে রাখুন:
    শামসুর রাহমানের অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ: প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে (১৯৬০), রৌদ্র করোটিতে (১৯৬৩), বিধ্বস্ত নীলিমা, নিজ বাসভূমে, নিরালোকে দিব্যরথ।
    তাঁর বিখ্যাত কবিতা ‘স্বাধীনতা তুমি’।
  11. ৩৪. 'চর্যাপদ' কোথা থেকে আবিষ্কৃত হয়েছে?
    • ক. ভারত
    • খ. নেপাল
    • গ. বাংলাদেশ
    • ঘ. ভুটান
    উত্তর: খ. নেপাল
    বাংলা ভাষার সবচেয়ে পুরোনো নিদর্শন চর্যাপদ। এটি আবিষ্কার করেন মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে, নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে। ভারত, ভুটান বা বাংলাদেশে নয়, নেপালেই তালপাতায় লেখা পুথিটি পাওয়া গিয়েছিল। ১৯১৬ সালে ‘হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা’ নামে এটি প্রকাশিত হয়। পুঁথিটির মূল নাম ‘চর্যাচর্যবিনিশ্চয়’, আর এর সঙ্গে আরও কয়েকটি পুঁথিও একসঙ্গে ছাপা হয়েছিল। এ কারণে বইটির নামে ‘দোহা’ শব্দটিও জুড়ে আছে।
    মনে রাখুন:
    চর্যাপদের পদগুলো বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের রচনা, এগুলো পাল যুগে লেখা।
    চর্যার আদি কবি লুইপা।
  12. ৪৮. নিচের কোনটি সমাসজাত শব্দ?
    • ক. কালসাপ
    • খ. মচ্ছব
    • গ. পিপাসা
    • ঘ. তবলচি
    উত্তর: ক. কালসাপ
    সমাসজাত শব্দ বলতে সমাসের মাধ্যমে একাধিক পদ মিলে তৈরি হওয়া শব্দ বোঝায়। ‘কালসাপ’ শব্দে ‘কাল’ অর্থাৎ যম বা মৃত্যুর মতো ভয়ংকর সাপ বোঝানো হয়েছে, আর দুটি পদ মিলে একটি পদ হয়েছে, তাই এটি সমাসজাত।
    অন্য শব্দগুলো আলাদাভাবে তৈরি। ‘তবলচি’ শব্দটি তবলা শব্দের সঙ্গে ফারসি ‘চি’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে হয়েছে। ‘পিপাসা’ শব্দটি ধাতু ও প্রত্যয় যোগে তৈরি। ‘মচ্ছব’ শব্দটি সংস্কৃত ‘মহোৎসব’ শব্দের তদ্ভব রূপ।
    মনে রাখুন: সমাসে সাধারণত পদগুলোর মাঝের বিভক্তি লোপ পায়।
  13. ৪৯. বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস কোনটি?
    • ক. আলালের ঘরের দুলাল
    • খ. হুতোম প্যাঁচার নক্সা
    • গ. দুর্গেশনন্দিনী
    • ঘ. নৌকাডুবি
    উত্তর: গ. দুর্গেশনন্দিনী
    বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘দুর্গেশনন্দিনী’, যা ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত। এতে ঐতিহাসিক পটভূমিতে প্রেম ও রোমান্সের গল্প সুগঠিত কাহিনিতে বলা হয়েছে, তাই একে প্রথম সার্থক উপন্যাস বলা হয়। প্যারীচাঁদ মিত্রের ‘আলালের ঘরের দুলাল’ (১৮৫৮) বাংলা ভাষার প্রথম উপন্যাস হিসেবে ধরা হয়, তবে ঔপন্যাসিক গুণে এটি পরিপক্ব নয়। ‘দুর্গেশনন্দিনী’র কাহিনি জগৎসিংহ ও তিলোত্তমার প্রেমকে ঘিরে এবং এতে আয়েষা চরিত্রটিও বিখ্যাত।
    মনে রাখুন:
    কালীপ্রসন্ন সিংহের ‘হুতোম প্যাঁচার নকশা’ (১৮৬২) সমাজচিত্রধর্মী ব্যঙ্গরচনা, উপন্যাস নয়।
    রবীন্দ্রনাথের ‘নৌকাডুবি’ প্রকাশিত হয় ১৯০৬ সালে।
  14. ৫৪. 'ঐ দূর বনে সন্ধ্যা নামিছে ঘন আবিরের রাগে, অমনি করিয়া লুটাইয়া পড়িতে বড় সাধ আজ জাগে' বিখ্যাত এই পঙ্‌ক্তিদ্বয়ের রচয়িতা কে?
    • ক. বন্দে আলী মিয়া
    • খ. জসীমউদ্‌দীন
    • গ. গোলাম মোস্তফা
    • ঘ. কে জি মোস্তফা
    উত্তর: খ. জসীমউদ্‌দীন
    ‘ঐ দূর বনে সন্ধ্যা নামিছে ঘন আবিরের রাগে, অমনি করিয়া লুটাইয়া পড়িতে বড় সাধ আজ জাগে’ পঙ্‌ক্তি দুটি পল্লীকবি জসীমউদ্‌দীনের। এখানে সন্ধ্যার আবির-রাঙা আকাশ আর ঘন বনের ছবি আঁকা হয়েছে, আর সেই সৌন্দর্যের মাঝে নিজেকে লুটিয়ে দেওয়ার আকুলতা ফুটে উঠেছে। গ্রামবাংলার প্রকৃতির প্রতি এমন গভীর টান তাঁর কবিতার বড় বৈশিষ্ট্য। তাঁর কবিতায় লোকজ জীবনের সুর আছে, তাই তাঁকে পল্লীকবি বলা হয়। বন্দে আলী মিয়াও পল্লিজীবন নিয়ে লিখেছেন, তবে এই পঙ্‌ক্তি তাঁর নয়।
    মনে রাখুন:
    জসীমউদ্‌দীনের জন্ম ১৯০৩ সালে ফরিদপুরে, মৃত্যু ১৯৭৬ সালে।
    তাঁর কাব্য: রাখালী, নকশী কাঁথার মাঠ, সোজন বাদিয়ার ঘাট।
    ‘নকশী কাঁথার মাঠ’ কাব্যটি ইংরেজিসহ অন্য ভাষায়ও অনূদিত হয়েছে।
  15. ৫৮. 'বেতালপঞ্চবিংশতি' গ্রন্থের লেখক কে?
    • ক. উইলিয়াম কেরি
    • খ. মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
    • গ. প্যারীচাঁদ মিত্র
    • ঘ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উত্তর: ঘ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    ‘বেতালপঞ্চবিংশতি’ লিখেছেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত এই বইটি হিন্দি ভাষার বৈতালপচ্চীসী অবলম্বনে লেখা, আর এটিই তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ। বাংলা গদ্যে বিরামচিহ্ন ব্যবহারের সফল প্রয়োগও তিনি এখানে দেখিয়েছেন, তাই তাঁকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়। উইলিয়াম কেরি ও মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের লেখক, আর প্যারীচাঁদ মিত্র ‘আলালের ঘরের দুলাল’-এর লেখক। বাংলা গদ্যের বিকাশে কেরি ও মৃত্যুঞ্জয়ের গদ্য ছিল শুরুর ধাপ, আর বিদ্যাসাগরের হাতে তা সুশৃঙ্খল ও সুমধুর রূপ পায়।
    মনে রাখুন:
    বিদ্যাসাগরের অন্যান্য অনুবাদ: শকুন্তলা, সীতার বনবাস, ভ্রান্তিবিলাস।
    উইলিয়াম কেরির ‘কথোপকথন’ ও মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের ‘প্রবোধচন্দ্রিকা’ আগের যুগের গদ্যগ্রন্থ।
    বিদ্যাসাগরের জন্ম ১৮২০ সালে, মৃত্যু ১৮৯১ সালে।
    তাঁর উদ্যোগে ১৮৫৬ সালে বিধবা বিবাহ আইন পাশ হয়।
  16. ৬০. 'আনোয়ারা' উপন্যাসের লেখক কে?
    • ক. মীর মশাররফ হোসেন
    • খ. ইসমাইল হোসেন সিরাজী
    • গ. কাজী এমদাদুল হক
    • ঘ. মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    উত্তর: ঘ. মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    ‘আনোয়ারা’ উপন্যাসের লেখক মোহাম্মদ নজিবর রহমান। উপন্যাসটি ১৯১৪ সালে প্রকাশিত হয় এবং তখনকার মুসলিম পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। এতে পতিভক্ত নারী আনোয়ারার জীবনের কাহিনি বর্ণনা করা হয়েছে। উপন্যাসের নামটি নায়িকার নামে, আর এই বইটি তাঁকে মুসলিম সমাজে পরিচিত করে তোলে। অন্য অপশনের লেখকরাও বিখ্যাত, তবে তাঁদের প্রধান রচনা আলাদা। সরল ভাষা ও পারিবারিক কাহিনির কারণে এই উপন্যাস পাঠকের মন জয় করেছিল।
    মনে রাখুন:
    মীর মশাররফ হোসেনের বিখ্যাত রচনা ‘বিষাদ-সিন্ধু’।
    ইসমাইল হোসেন সিরাজীর কাব্য ‘অনল প্রবাহ’।
    কাজী ইমদাদুল হকের উপন্যাস ‘আবদুল্লাহ’।
    মোহাম্মদ নজিবর রহমানের আরেকটি উপন্যাস ‘গরিবের মেয়ে’।
  17. ৬১. বাংলা ছন্দ প্রধানত কত প্রকার?
    • ক. দুই
    • খ. তিন
    • গ. চার
    • ঘ. পাঁচ
    উত্তর: খ. তিন
    বাংলা ছন্দ প্রধানত তিন ধরনের। শব্দ উচ্চারণের নিয়ম আর ধ্বনির মাত্রা গোনার পদ্ধতির ওপর ভিত্তি করে এদের আলাদা করা হয়। এই তিনটি হলো অক্ষরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত ও স্বরবৃত্ত। অক্ষরবৃত্তে অক্ষর গুনে মাত্রা ধরা হয়, মাত্রাবৃত্তে প্রতিটি ধ্বনির নির্দিষ্ট মাত্রা থাকে, আর স্বরবৃত্তে প্রতিটি দলে এক মাত্রা ধরা হয়।
    মনে রাখুন:
    অক্ষরবৃত্তকে তানপ্রধান বা মিশ্রকলাবৃত্ত ছন্দও বলা হয়।
    মাত্রাবৃত্তের আরেক নাম ধ্বনিপ্রধান বা কলাবৃত্ত।
    স্বরবৃত্তের আরেক নাম দলবৃত্ত বা শ্বাসাঘাতপ্রধান ছন্দ, ছড়ায় এর ব্যবহার বেশি।
    বাংলা কবিতায় সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ছন্দ অক্ষরবৃত্ত।
    অক্ষরবৃত্তে পয়ার ছন্দের চরণ সাধারণত ৮ ও ৬ মাত্রার পর্বে ভাগ হয়।
    স্বরবৃত্তের উদাহরণ: ‘বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর, নদে এল বান’।
  18. ৬৩. কোনটি দেশি শব্দ?
    • ক. আলমারি
    • খ. ঢেঁকি
    • গ. রিক্শা
    • ঘ. সাইকেল
    উত্তর: খ. ঢেঁকি
    ‘ঢেঁকি’ বাংলা ভাষার নিজস্ব দেশি শব্দ, যা সংস্কৃত বা বিদেশি ভাষা থেকে আসেনি। কাগজ ফারসি, আনারস পর্তুগিজ এবং উকিল আরবি শব্দ, তাই বাকি তিনটি অপশন বিদেশি শব্দ। দেশি শব্দ সাধারণত আমাদের দৈনন্দিন জীবনের জিনিস বা কাজের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে।
    মনে রাখুন:
    দেশি শব্দ: কুলা, খড়, চিংড়ি, ঝোল, ডাব, ডিঙি, চুলা।
    আনারস পর্তুগিজ শব্দ, আর কাগজ ফারসি শব্দ।
  19. ৬৮. 'দুর্গম গিরি কান্তার মরু দুস্তর পারাবার' পঙ্‌ক্তিতে 'কান্তার' শব্দের অর্থ কী?
    • ক. রাস্তা
    • খ. নদী
    • গ. বনজঙ্গল
    • ঘ. আকাশ
    উত্তর: গ. বনজঙ্গল
    ‘কান্তার’ শব্দের অর্থ নিবিড় বা গভীর বনজঙ্গল। কবিতার পঙ্‌ক্তিতে কবি তিনটি বিপদের কথা বলছেন। প্রথমে গিরি, অর্থাৎ পাহাড়। তারপর কান্তার-মরু, অর্থাৎ বন ও মরুভূমি। শেষে পারাবার, অর্থাৎ সাগর। এই তিনটি বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যেতে হবে, পুরো লাইনটির ভাব এটাই। অন্য অপশনগুলো ভুল, কারণ কান্তার রাস্তা, নদী বা আকাশ বোঝায় না।
    মনে রাখুন:
    পঙ্‌ক্তিটি কাজী নজরুল ইসলামের ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ কবিতার, যা ‘সর্বহারা’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।
    ‘কাণ্ডারী’ শব্দের অর্থ নৌকার মাঝি বা নেতা।
    ‘দুস্তর’ মানে যা সহজে পার হওয়া যায় না।
    নজরুল ‘সর্বহারা’ কাব্যগ্রন্থ প্রকাশ করেন ১৯২৬ সালে।
    ‘গিরি’ মানে পাহাড় এবং ‘পারাবার’ মানে সাগর।
  20. ৭৮. কোন বানানটি শুদ্ধ?
    • ক. শ্রদ্ধাঞ্জলী
    • খ. চাকচক্য
    • গ. মোহনা
    • ঘ. যুবতী
    উত্তর: গ. মোহনা
    ‘মোহনা’ বানানটি শুদ্ধ, অর্থ নদী যেখানে সাগরে মেশে। অন্য অপশনের মধ্যে ‘শ্রদ্ধাঞ্জলী’ ভুল, কারণ বাংলা একাডেমির নিয়মে শব্দটির শেষে হ্রস্ব ই-কার হয় (শ্রদ্ধাঞ্জলি)। ‘চাকচক্য’ও ভুল, শুদ্ধ রূপ ‘চাকচিক্য’। বানানের প্রশ্নে এমন ছোট ছোট ই-কার ও ঈ-কারের ভুলই বেশি আসে। বানান শেখার সময় শব্দটির অর্থ ও গঠন জানা থাকলে ভুল কম হয়।
    মনে রাখুন:
    বাংলা একাডেমির নিয়মে তৎসম শব্দে ই-কার ও ঈ-কার দুই রকমই শুদ্ধ হওয়ার সুযোগ থাকলে হ্রস্ব ই-কার লেখা হয়, যেমন: অঞ্জলি, পদবি, ধরণি।
    নদী যেখানে সাগরে পড়ে, সেই জায়গাকে মোহনা বলে।
    মোহনার আরেক নাম নদীমুখ।
    আরও শুদ্ধ বানান: ধৈর্য, ব্যতীত, মুহূর্ত, উজ্জ্বল।
  21. ৭৯. কর্মজীবনে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন কে?
    • ক. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    • খ. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    • গ. সৈয়দ মুজতবা আলী
    • ঘ. আব্দুল ওদুদ
    উত্তর: ক. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৫৮ সালে যশোরে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন এবং কর্মজীবনের বেশিরভাগ সময় এই পদেই ছিলেন। চাকরি করতে করতেই তিনি উপন্যাস লিখেছেন। বাংলা উপন্যাসকে তিনি সার্থক রূপ দেন, তাই তাঁকে বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয়। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বা সৈয়দ মুজতবা আলী ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন না। বঙ্কিমচন্দ্র ১৮৩৮ সালে নৈহাটির কাঁঠালপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম দুজন স্নাতকের একজন ছিলেন।
    মনে রাখুন:
    বঙ্কিমের উপন্যাস: দুর্গেশনন্দিনী (১৮৬৫), কপালকুণ্ডলা, আনন্দমঠ (এখান থেকেই ‘বন্দে মাতরম’ গানটি)।
    তিনি ‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকা সম্পাদনা করেন।
    বঙ্কিমের মৃত্যু ১৮৯৪ সালে।
    তাঁর অন্যান্য উপন্যাস: বিষবৃক্ষ, কৃষ্ণকান্তের উইল, রাজসিংহ, সীতারাম।
  22. ৮৫. খ্যাতিমান সাহিত্যিক প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম কোনটি?
    • ক. নীললোহিত
    • খ. ভানুসিংহ
    • গ. বীরবল
    • ঘ. সব্যসাচী
    উত্তর: গ. বীরবল
    প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে ‘বীরবল’ ছদ্মনামে লিখতেন। তাঁর সম্পাদিত ‘সবুজপত্র’ পত্রিকা (১৯১৪) বাংলা গদ্যে চলিত ভাষা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখে। অন্য ছদ্মনামগুলো তাঁর নয়। ‘নীললোহিত’ ছদ্মনামে লিখেছেন সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এবং ‘ভানুসিংহ’ ছদ্মনামে লিখেছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। প্রমথ চৌধুরী ছিলেন ব্যারিস্টার, আর তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আত্মীয়ও ছিলেন। ‘বীরবল’ নামে তিনি বুদ্ধিদীপ্ত রম্যরচনা লিখতেন।
    মনে রাখুন:
    প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত গ্রন্থ: বীরবলের হালখাতা, চার-ইয়ারী কথা।
    ‘সবুজপত্র’-এর যুগ বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রতিষ্ঠার সময়।
    চলিত ভাষায় লেখা প্রবন্ধ ও গল্পে তাঁর ঝকঝকে, যুক্তিনিষ্ঠ ও রসিক ভঙ্গি ছিল বিশেষ বৈশিষ্ট্য।
    তাঁর রচনায় ব্যঙ্গ ও যুক্তির মিশ্রণ তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে।
  23. ৮৭. 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের ইংরেজি অনুবাদ করেন কে?
    • ক. জীবনানন্দ দাশ
    • খ. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
    • গ. হেমচন্দ্র
    • ঘ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    উত্তর: ঘ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    ‘গীতাঞ্জলি’ বাংলায় প্রকাশিত হয় ১৯১০ সালে। এর কিছু কবিতা এবং আরও কয়েকটি কাব্যের নির্বাচিত কবিতা মিলিয়ে রবীন্দ্রনাথ নিজেই ইংরেজিতে অনুবাদ করেন, যার নাম ‘Song Offerings’ বা ইংরেজি ‘Gitanjali’। ১৯১২ সালে লন্ডন থেকে বইটি প্রকাশিত হলে আইরিশ কবি ডব্লিউ. বি. ইয়েটস এর ভূমিকা লেখেন। এই বইয়ের জন্যই ১৯১৩ সালে রবীন্দ্রনাথ সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান।
    মনে রাখুন:
    রবীন্দ্রনাথ এশিয়া মহাদেশের প্রথম নোবেলজয়ী।
    তাঁর আরও অনূদিত ইংরেজি বই The Gardener ও Crescent Moon।
    অন্য অপশনের কবিরা গীতাঞ্জলির লেখক নন, তাই তাঁরা ইংরেজি অনুবাদক হতেও পারেন না।
    রবীন্দ্রনাথের জন্ম ১৮৬১ সালে, মৃত্যু ১৯৪১ সালে।
  24. ৮৯. 'সাপ' শব্দের সমার্থক শব্দ নয় কোনটি?
    • ক. অহি
    • খ. ফণী
    • গ. করভ
    • ঘ. নাগিনী
    উত্তর: গ. করভ
    বাংলা ভাষায় সাপের অনেকগুলো সমার্থক শব্দ আছে। সাপের সমার্থক শব্দ হলো সর্প, অহি, ফণী, নাগ, নাগিনী (মেয়ে সাপ) ও ভুজঙ্গ। কিন্তু ‘করভ’ শব্দের অর্থ হাতির বাচ্চা, তাই সেটি সাপের সমার্থক নয়। এ ধরনের প্রশ্নে বাকি তিনটি শব্দ সাপ বোঝায় কি না, তা মিলিয়ে নিলেই অমিল শব্দটি ধরা পড়ে। সমার্থক শব্দের প্রশ্নে অপশনের শব্দগুলো আলাদা আলাদা করে অর্থ মিলিয়ে নিলে সঠিক উত্তর পাওয়া যায়।
    মনে রাখুন:
    হাতির সমার্থক শব্দ: গজ, দ্বিপ, মাতঙ্গ, করী, হস্তী।
    ফণী শব্দ এসেছে ফণা থেকে, যা সাপের ছড়ানো মাথা।
    নাগ শব্দটি সাপ ছাড়াও হাতি অর্থে ব্যবহার হয়।
    সাপের আরও কয়েকটি নাম: ভুজগ, উরগ, বিষধর।
  25. ৯১. 'আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি' কবিতাটি কোন কবির লেখা?
    • ক. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
    • খ. আবুল ফজল
    • গ. শামসুর রাহমান
    • ঘ. আল মাহমুদ
    উত্তর: ক. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
    ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতা ও কাব্যগ্রন্থটি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর। তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার একজন গুরুত্বপূর্ণ কবি। শামসুর রাহমান ও আল মাহমুদ তাঁর সমসাময়িক কবি, তবে এই রচনা তাঁদের নয়। আবুল ফজল মূলত ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক, তাই কবিতার প্রশ্নে তাঁর নাম সহজেই বাদ দেওয়া যায়।
    মনে রাখুন:
    আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ: কখনো রং কখনো সুর, সাত নরী হার, বৃষ্টি ও সাহসী পুরুষের জন্য প্রার্থনা।
    আল মাহমুদের বিখ্যাত কাব্য ‘সোনালী কাবিন’।
    শামসুর রাহমানের কাব্য ‘বন্দী শিবির থেকে’।
    আবুল ফজলের উপন্যাস ‘চৌচির’ ও ‘রাঙা প্রভাত’।
    শামসুর রাহমানের কাব্য ‘রৌদ্র করোটিতে’।

ইংরেজি

  1. ৫. Choose the correct singular form :
    • ক. phenomenon
    • খ. phenomena
    • গ. henomeanas
    • ঘ. phenomeno
    উত্তর: ক. phenomenon
    ‘Phenomenon’ শব্দের অর্থ ঘটনা বা প্রপঞ্চ, আর এটি একবচন (singular)। এর বহুবচন (plural) হলো phenomena। অপশনগুলোর মধ্যে ‘phenomena’ বহুবচন এবং বাকি দুটি, অর্থাৎ ‘henomeanas’ ও ‘phenomeno’, বানান ভুল। শব্দটি গ্রিক থেকে এসেছে, তাই এর বহুবচন ইংরেজির সাধারণ নিয়মে -s যোগ করে হয় না। ইংরেজিতে একবচন ও বহুবচনের এমন বিশেষ নিয়ম পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। Phenomenon ও phenomena একসঙ্গে মনে রাখলে ভুল হওয়ার সুযোগ কমে।
    মনে রাখুন: গ্রিক বা ল্যাটিন থেকে আসা কিছু শব্দের একবচন-বহুবচন:
    criterion–criteria।
    datum–data।
    bacterium–bacteria।
    crisis–crises।
    analysis–analyses।
  2. ১০. If I had a pen, I (write) a letter. Here the right form of verb is—
    • ক. writing
    • খ. would write
    • গ. will wrote
    • ঘ. had written
    উত্তর: খ. would write
    If-অংশে past indefinite (had a pen) থাকলে মূল অংশের verb হয় ‘would + verb-এর base form’। এখানে ‘would write’ বসে: If I had a pen, I would write a letter। বাক্যটি বর্তমানের এমন কাল্পনিক অবস্থা বোঝায়, যা বাস্তবে সত্য নয়। অর্থাৎ আমার কলম নেই বলে আমি চিঠি লিখতে পারছি না। এই গঠনকে বলা হয় second conditional।
    উদাহরণ:
    If I were a bird, I would fly.
    মনে রাখুন: If-অংশে be verb-এর জায়গায় সব কর্তার সঙ্গে সাধারণত ‘were’ ব্যবহৃত হয়।
  3. ১২. Choose the correct option : The defeat in the final had an adverse — on them.
    • ক. affects
    • খ. effect
    • গ. affect
    • ঘ. effects
    উত্তর: খ. effect
    ‘Adverse effect’ মানে ক্ষতিকর বা বিরূপ প্রভাব। বাক্যে ‘an adverse’-এর পরে একটি বিশেষ্য দরকার, আর ‘effect’ হলো বিশেষ্য (প্রভাব)। ‘Affect’ সাধারণত verb, যার অর্থ প্রভাবিত করা। একবচন article ‘an’ থাকায় ‘effects’ও বসবে না। তাই শুদ্ধ বাক্য: The defeat in the final had an adverse effect on them। অর্থাৎ ফাইনালের পরাজয় তাদের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলেছিল।
    উদাহরণ:
    The rain affected the match. (verb)
    The rain had an effect on the match. (noun)
    মনে রাখুন: Affect = প্রভাবিত করা (verb), Effect = প্রভাব বা ফল (noun)।
  4. ১৬. Choose the correct conjunction to combine the sentences : We won the war. It cost us millions of lives.
    • ক. as if
    • খ. though
    • গ. until
    • ঘ. since
    উত্তর: খ. though
    দুটি বাক্য যুক্ত করতে এমন সংযোজক লাগে, যা বৈপরীত্য বোঝায়। আমরা যুদ্ধ জিতেছি, কিন্তু তাতে লাখ লাখ প্রাণ গেছে, এই বিপরীত ভাব ‘though’ (যদিও) দিয়ে প্রকাশ পায়। ফলে বাক্যটি হয়: Though we won the war, it cost us millions of lives। বাকি সংযোজকগুলো এখানে মেলে না। ‘As if’ তুলনা বোঝায়, ‘until’ সময়সীমা বোঝায় এবং ‘since’ কারণ বা সময় বোঝায়।
    উদাহরণ:
    Though he was ill, he came to school.
    মনে রাখুন: Though/although-এর সঙ্গে ‘but’ বসে না।
  5. ১৮. Find the correct indirect speech of— The teacher said to Alam, "Work regularly"
    • ক. The teacher advised Alam to work regularly
    • খ. The teacher said to Alam to work regularly
    • গ. The teacher told to Alam to working regularly
    • ঘ. The teacher said Alam to work regularly
    উত্তর: ক. The teacher advised Alam to work regularly
    Imperative বাক্য direct থেকে indirect করার সময় reporting verb ‘said to’ অনুরোধ বা পরামর্শের ভাবের ওপর নির্ভর করে বদলে যায়। উপদেশ বোঝালে ‘advised’, আদেশ হলে ‘ordered’, অনুরোধ হলে ‘requested’ হয়। এরপর inverted comma-র ভেতরের অংশ ‘to + verb’ হয়ে যায়। তাই: The teacher advised Alam to work regularly। বাকি অপশনগুলোতে ‘said to … to’, ‘told to Alam’ বা ‘said Alam to’ বসেছে, যা ব্যাকরণসম্মত নয়।
    উদাহরণ:
    He said to me, “Please help me.” → He requested me to help him.
    মনে রাখুন: Negative imperative হলে ‘not to + verb’ বসে।
  6. ২৮. Which one is the correct synonym of 'forecast'?
    • ক. tell
    • খ. assume
    • গ. predict
    • ঘ. bring out
    উত্তর: গ. predict
    Forecast শব্দের অর্থ পূর্বাভাস দেওয়া বা ভবিষ্যদ্বাণী করা। ঠিক একই অর্থে বলা যায় predict, যেমন: Experts forecast heavy rain / Experts predict heavy rain। অন্য অপশনগুলোর অর্থ আলাদা: tell মানে বলা, assume মানে ধরে নেওয়া বা অনুমান করা, আর bring out মানে প্রকাশ করা বা বের করে আনা। Assume ও predict কাছাকাছি মনে হলেও assume মানে প্রমাণ ছাড়াই কিছু সত্য ধরে নেওয়া।
    মনে রাখুন:
    Forecast-এর আরও কাছাকাছি শব্দ: foretell, prophesy, anticipate।
    Weather forecast মানে আবহাওয়ার পূর্বাভাস।
  7. ৩৬. Choose the right form of verb : I cannot help (do) it.
    • ক. done
    • খ. did
    • গ. too do
    • ঘ. doing
    উত্তর: ঘ. doing
    ইংরেজিতে ‘cannot help’ কাঠামোটির পরে verb-এর সঙ্গে ing যুক্ত হয়, অর্থাৎ gerund (Verb + ing) বসে। এর মানে ‘না করে পারি না’। তাই I cannot help doing it বাক্যটি শুদ্ধ। ‘done’ বা ‘did’ বসালে কাঠামোটি ভেঙে যায়, আর ‘too do’ তো কোনো ব্যাকরণসম্মত রূপই নয়। এই নিয়ম মনে রাখলে cannot help ছাড়াও can’t resist, avoid, enjoy, mind-এর মতো শব্দের পরে gerund বসানোর নিয়মও সহজে মনে আসে।
    উদাহরণ:
    I cannot help laughing at his joke.
    মনে রাখুন: একই অর্থে cannot but-এর পরে verb-এর প্রথম রূপ (V1) বসে, যেমন: I cannot but laugh।
  8. ৩৮. 'Man is mortal.' Its negative is—
    • ক. Man is immortal
    • খ. Man is not mortal
    • গ. No man is immortal
    • ঘ. Everyone is not mortal
    উত্তর: গ. No man is immortal
    ইংরেজিতে negative বাক্য করার একটি নিয়ম আছে: মূল বাক্যের অর্থ ঠিক রেখে বাক্যটিকে negative গঠনে লিখতে হবে। ‘Man is mortal’ বাক্যের অর্থ ‘মানুষ মরণশীল’। এর সঙ্গে সমান অর্থ হলো ‘No man is immortal’, কারণ কোনো মানুষ অমর নয় বললে মানুষ যে মরণশীল, সেটাই বোঝায়।
    অন্য অপশনগুলো ভুল কেন? ‘Man is immortal’ বাক্যটির অর্থ ঠিক উল্টো। ‘Man is not mortal’-এও অর্থ উল্টে যায়, আর ‘Everyone is not mortal’ বললে বোঝায় সবাই মরণশীল নয়।
    মনে রাখুন: Affirmative বাক্যের negative করতে প্রায়ই ‘No ... is’ বা ‘There is no ... who’ গঠন ব্যবহার করা হয়।
  9. ৪০. The idiom 'many moons ago' means—
    • ক. that day
    • খ. a long time after
    • গ. a very long time ago
    • ঘ. yesterday
    উত্তর: গ. a very long time ago
    Moon মানে চাঁদ, আর চাঁদ প্রায় প্রতি মাসে একবার করে ঘুরে আসে। সেই কারণেই ‘many moons ago’ বলতে বোঝায় অনেক মাস, অর্থাৎ অনেক অনেক দিন আগে। তাই এর অর্থ a very long time ago। বাক্যে ব্যবহার: I met him many moons ago।
    অন্য অপশনগুলোর অর্থ আলাদা। ‘That day’ মানে সেদিন, ‘a long time after’ মানে অনেক পরে, আর ‘yesterday’ মানে গতকাল।
    মনে রাখুন: একই ধরনের idiom: once in a blue moon মানে কালেভদ্রে বা খুব কম।
  10. ৪২. 'On the sly' means—
    • ক. secretly
    • খ. quickly
    • গ. smartly
    • ঘ. slowly
    উত্তর: ক. secretly
    ‘On the sly’ একটি idiom, যার অর্থ গোপনে বা লুকিয়ে, কাউকে না জানিয়ে। যেমন: He met her on the sly। অন্য অপশনগুলো এখানে মেলে না। Quickly মানে দ্রুত, smartly মানে চালাকির সঙ্গে বা পরিপাটিভাবে, আর slowly মানে ধীরে। Sly শব্দের নিজের অর্থ ধূর্ত বা চতুর, আর সেই ভাব থেকেই গোপনে কাজ করার অর্থ এসেছে।
    মনে রাখুন:
    On the sly-এর সমার্থক বাক্যাংশ: on the quiet, in secret।
    On the spot মানে তৎক্ষণাৎ, এটি এর সঙ্গে মিলিয়ে ফেলা চলবে না।
  11. ৪৬. Who wrote "Beauty is truth, truth beauty"?
    • ক. John Keats
    • খ. Shakespeare
    • গ. Byron
    • ঘ. Shelley
    উত্তর: ক. John Keats
    ‘Beauty is truth, truth beauty’ পঙ্‌ক্তিটি জন কিটসের (John Keats) বিখ্যাত কবিতা ‘Ode on a Grecian Urn’-এর শেষ অংশে আছে। কিটস ইংরেজি সাহিত্যের রোমান্টিক যুগের কবি। সৌন্দর্য ছিল তাঁর কবিতার প্রধান বিষয়, তাই তাঁকে ‘poet of beauty’ বলা হয়। তিনি মাত্র ২৫ বছর বেঁচেছিলেন। কবিতাটিতে একটি প্রাচীন গ্রিক পাত্রের গায়ে আঁকা ছবি দেখে কবির ভাবনা ফুটে উঠেছে, যেখানে সৌন্দর্য ও সত্য একাকার।
    মনে রাখুন:
    কিটসের অন্যান্য রচনা: Ode to a Nightingale, Endymion, Hyperion।
    বায়রনের বিখ্যাত রচনা Don Juan ও Childe Harold।
    শেলির রচনা Ode to the West Wind।
  12. ৪৭. Which one is the correct antonym for 'courageous'?
    • ক. cowardly
    • খ. brave
    • গ. strong
    • ঘ. valiant
    উত্তর: ক. cowardly
    Courageous মানে সাহসী বা নির্ভীক। এর উল্টো অর্থ ভীতু বা কাপুরুষ, আর সেটিই cowardly। অন্য তিনটি শব্দের অর্থ কাছাকাছি, তাই সেগুলো antonym নয়। Brave মানে সাহসী, valiant মানে বীর বা তেজস্বী, আর strong মানে শক্তিশালী। এখানে strong শব্দটি সাহসের সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও এটি দৈহিক শক্তি বোঝায়, ভীরুতার বিপরীত নয়। অর্থ মিলিয়ে নেওয়ার সময় মনে রাখতে হবে যে antonym মানে বিপরীত অর্থের শব্দ, কাছাকাছি অর্থের শব্দ নয়।
    মনে রাখুন:
    Courageous-এর synonym: brave, bold, fearless, valiant।
    Coward হলো noun (কাপুরুষ), cowardly হলো adjective।
  13. ৫০. Finds the word correctly spelt :
    • ক. faximili
    • খ. fachimile
    • গ. factsimile
    • ঘ. facsimile
    উত্তর: ঘ. facsimile
    ‘Facsimile’ শব্দের অর্থ হুবহু অনুলিপি বা প্রতিলিপি। এটি এসেছে ল্যাটিন fac simile, অর্থাৎ ‘similar করো’ থেকে। বানানটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো fac + simile আলাদা করে ভেবে নেওয়া, তাহলে মাঝখানে ‘c’ থাকে এবং ‘ts’ বা ‘ch’ আসে না। অন্য অপশনের faximili, fachimile ও factsimile ভুল বানান। অনুলিপি বোঝাতে আরও কিছু শব্দ হলো copy, duplicate ও replica। Facsimile শব্দটি সাধারণত লেখা, ছবি বা নথির হুবহু প্রতিলিপি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
    উদাহরণ:
    This is a facsimile of the original letter.
    মনে রাখুন: Fax শব্দটি facsimile-এরই সংক্ষিপ্ত রূপ।
  14. ৫২. Use a suitable preposition in the gap : I sincerely apologize — the enormous delay in delivery.
    • ক. to
    • খ. at
    • গ. for
    • ঘ. an
    উত্তর: গ. for
    ইংরেজিতে apologize শব্দের পরে কারণ বোঝাতে for বসে। অর্থাৎ ‘কোনো কিছুর জন্য দুঃখ প্রকাশ করা’ বোঝাতে apologize for something বলতে হয়। তাই বাক্যটি হবে: I sincerely apologize for the enormous delay in delivery। যার কাছে ক্ষমা চাওয়া হয়, তার আগে to বসে, কিন্তু এখানে delay হলো কারণ, ব্যক্তি নয়। এমন preposition-নির্ভর শব্দের তালিকা মুখস্থ করলে প্রশ্ন সহজ হয়, যেমন: apologize for, congratulate on, accuse of, blame for।
    উদাহরণ:
    I apologize to you for my mistake.
    মনে রাখুন: Apologize to (ব্যক্তি) + for (কারণ)।
  15. ৬২. Find the odd one/word out :
    • ক. and
    • খ. or
    • গ. since
    • ঘ. read
    উত্তর: ঘ. read
    প্রশ্নে চারটি শব্দের মধ্য থেকে যেটি বাকি তিনটির দলে পড়ে না, সেটি খুঁজে বের করতে হবে। And (এবং), or (অথবা) এবং since (যেহেতু) তিনটিই বাক্যের অংশ বা বাক্যকে জোড়া লাগানোর শব্দ, অর্থাৎ conjunction। কিন্তু read (পড়া) একটি verb, যা কাজ বোঝায়। তাই read-ই অন্য তিনটি থেকে আলাদা। এ ধরনের প্রশ্নে আগে প্রতিটি শব্দের পদ বা জাত চিনে নিতে হয়।
    মনে রাখুন:
    Conjunction-এর আরও উদাহরণ: but, because, although, if।
    Since শব্দটি preposition হিসেবেও ব্যবহার করা যায় (since morning), তবে এখানে conjunction ধরলেই odd one পাওয়া যায়।
  16. ৬৬. ‘Children have no respect for their elders nowadays’—Here ‘elders’ is used as a/an—
    • ক. verb
    • খ. noun
    • গ. pronoun
    • ঘ. adjective
    উত্তর: খ. noun
    বাক্যটিতে elders শব্দের পরে আর কোনো noun নেই। এখানে ‘their elders’ বলতে বয়সে বড় মানুষদের বোঝানো হয়েছে, যাদের কথা আলাদাভাবে বলা হচ্ছে। তাই শব্দটি এখানে noun, আর এটি ‘respect for’ কাঠামোর শেষে বসেছে। কিন্তু elder যদি অন্য noun-এর আগে বসত, যেমন ‘my elder brother’, তখন তা হতো adjective, কারণ তা brother শব্দের বিশেষণ।
    মনে রাখুন: একই শব্দ বাক্যে কী কাজ করছে তার ওপর নির্ভর করে পদ (Parts of Speech) বদলে যায়।
  17. ৭৫. An article is used before :
    • ক. noun
    • খ. pronoun
    • গ. preposition
    • ঘ. verb
    উত্তর: ক. noun
    ইংরেজিতে a, an ও the-কে article বলা হয়। এগুলো সবসময় noun-এর আগে বসে সেই noun-কে নির্দিষ্ট বা অনির্দিষ্ট করে। যেমন: a book, the sun। Noun-এর আগে কোনো adjective থাকলে article সেই adjective-এর আগেও বসতে পারে, যেমন: a good book, তবে তখনো adjective-টি noun-কেই বিশেষিত করে। Article কখনো pronoun, preposition বা verb-এর আগে বসে না।
    মনে রাখুন:
    a ব্যবহার হয় ব্যঞ্জনধ্বনির আগে, an ব্যবহার হয় স্বরধ্বনির আগে।
    a ও an হলো indefinite article, the হলো definite article।
  18. ৭৬. Identify the sentence : "That's really stunning."
    • ক. Imperative
    • খ. Interrogative
    • গ. Exclamatory
    • ঘ. Assertive
    উত্তর: ঘ. Assertive
    ইংরেজি বাক্য অর্থ অনুযায়ী চার ধরনের। এগুলো হলো assertive (বিবৃতিমূলক), interrogative (প্রশ্নবোধক), imperative (আদেশসূচক) ও exclamatory (বিস্ময়সূচক)। ‘That's really stunning.’ বাক্যে একটি জিনিসের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে এবং শেষে দাঁড়ি আছে, ফলে এটি বিবৃতি বা assertive বাক্য। Exclamatory বাক্য সাধারণত What বা How দিয়ে শুরু হয় ও শেষে বিস্ময়চিহ্ন (!) থাকে, যেমন: How stunning it is!
    মনে রাখুন:
    Assertive বাক্য affirmative বা negative দুই রকমই হতে পারে।
    Interrogative বাক্যের শেষে প্রশ্নচিহ্ন (?) বসে।
    Imperative বাক্যে সাধারণত আদেশ, অনুরোধ বা উপদেশ থাকে, যেমন: Open the door.
    Exclamatory বাক্যের আরেক উদাহরণ: What a beautiful day it is!
  19. ৭৭. Fill in the blank : He was — uniquely gifted teacher.
    • ক. an
    • খ. a
    • গ. the
    • ঘ. none
    উত্তর: খ. a
    Article a বসবে নাকি an, তা নির্ভর করে পরের শব্দের উচ্চারণের ওপর, বানানের ওপর নয়। এখানে পরের শব্দ uniquely-র শুরুতে u অক্ষর থাকলেও উচ্চারণ ‘ইউ’ (/juː/), যা ব্যঞ্জনধ্বনির মতো কাজ করে। তাই আগে a বসে: He was a uniquely gifted teacher। ‘the’ বসালে নির্দিষ্ট কোনো শিক্ষকের কথা বোঝাত, আর এখানে সেই ইঙ্গিত নেই।
    উদাহরণ:
    a university, a European, a unit
    an hour, an honest man (এখানে h-এর উচ্চারণ নেই)
    মনে রাখুন: Consonant sound-এর আগে a, vowel sound-এর আগে an।
    Vowel letter দিয়ে শুরু হলেও ‘one’ শব্দের উচ্চারণ ‘ওয়ান’, তাই বলি a one-eyed man।
    Letter-এর নামের উচ্চারণ স্বরধ্বনি দিয়ে শুরু হলে an বসে, যেমন an MBA।
  20. ৮২. The Romantic Age in English Literature began in—
    • ক. 1698
    • খ. 1898
    • গ. 1598
    • ঘ. 1798
    উত্তর: ঘ. 1798
    ইংরেজি সাহিত্যে Romantic Age (রোমান্টিক যুগ) শুরু হয় ১৭৯৮ সালে। ওই বছর উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ ও স্যামুয়েল টেলর কোলরিজের যৌথ কাব্যসংকলন ‘Lyrical Ballads’ প্রকাশিত হয়। এতে কবিতায় আবেগ ও প্রকৃতির প্রতি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি আসে। এই যুগ মোটামুটি ১৮৩২ সাল পর্যন্ত চলে। এর আগের যুগে যুক্তি ও নিয়মের ওপর জোর ছিল, আর রোমান্টিক কবিরা কল্পনা ও অনুভূতিকে বড় করে দেখলেন।
    মনে রাখুন:
    রোমান্টিক যুগের প্রধান কবি: ওয়ার্ডসওয়ার্থ, কোলরিজ, বায়রন, শেলি, কিটস।
    ওয়ার্ডসওয়ার্থের মতে, কবিতা হলো শক্তিশালী অনুভূতির স্বতঃস্ফূর্ত প্রবাহ।
    ওয়ার্ডসওয়ার্থের বিখ্যাত কবিতা ‘Daffodils’ এবং কিটসের ‘Ode to a Nightingale’।
    বায়রনের বিখ্যাত রচনা ‘Don Juan’।
  21. ৮৩. Choose the verb from the options :
    • ক. ton
    • খ. very
    • গ. great
    • ঘ. green
    উত্তর: ঘ. green
    কোন শব্দটি verb হিসেবে ব্যবহার করা যায়, সেটি দেখতে হবে। Green শব্দটি সাধারণত adjective (সবুজ), কিন্তু verb হিসেবেও ব্যবহার হয়, যার অর্থ সবুজ হয়ে ওঠা বা সবুজে ঢেকে যাওয়া। যেমন: The fields green after the rain। বাকি তিনটি শব্দ verb নয়: ton একটি noun (ওজনের একক), very একটি adverb/adjective (খুব) আর great একটি adjective (মহান)।
    মনে রাখুন:
    ইংরেজিতে অনেক শব্দ একাধিক পদের কাজ করে, যেমন: water, dry, empty।
    Dry শব্দটি adjective (শুকনো), আবার verb (শুকানো) হিসেবেও চলে।
    তাই শব্দটি বাক্যে কী কাজ করছে, তা দেখে পদ নির্ণয় করতে হয়।
  22. ৮৮. Choose the correct sentence :
    • ক. I cannot bear your separation
    • খ. I cannot bear separation to you
    • গ. I cannot bear separation from you
    • ঘ. I cannot bear your separate
    উত্তর: গ. I cannot bear separation from you
    ইংরেজিতে কিছু noun-এর সঙ্গে নির্দিষ্ট preposition বসে। Separation শব্দের পরে from ব্যবহৃত হয়, যেমন: separation from family। তাই শুদ্ধ বাক্য হলো I cannot bear separation from you। ‘separation to you’ ভুল preposition, আর ‘your separate’ বলতে গেলে ‘separate’ হয়ে যায় adjective বা verb, noun নয়, তাই ভুল। ‘I cannot bear your separation’ বাক্যটি অস্বাভাবিক ও অস্পষ্ট শোনায়, আর from দিয়ে সম্পর্কটি পরিষ্কার হয়।
    মনে রাখুন: Separate from, differ from, free from, absent from।
  23. ৯০. Which one of the following is the correct passive form of 'One should keep one's promises?'
    • ক. Promises should be kept
    • খ. Promises will be kept
    • গ. Promises can be kept
    • ঘ. Promises would be kept
    উত্তর: ক. Promises should be kept
    মূল বাক্যে should আছে, আর should একটি modal verb। Modal verb থাকা active বাক্যকে passive করার সূত্র হলো: object + modal + be + past participle (V3)। তাই ‘One should keep one’s promises’ হয়ে যায় ‘Promises should be kept’। সাধারণ subject ‘One’ এ ক্ষেত্রে বাদ যায়, কারণ কর্তা অনির্দিষ্ট। Will, can ও would বসালে অর্থ পাল্টে যায়।
    উদাহরণ:
    You must obey the rules. → The rules must be obeyed.
    মনে রাখুন: Modal verb-এর passive: can/could/may/might/should/must/will + be + V3।

আন্তর্জাতিক

  1. ১৩. বিশ্বের কোন দেশ তাদের জাতীয় সংগীতে পরিবর্তন এনেছে?
    • ক. ইংল্যান্ড
    • খ. চীন
    • গ. অস্ট্রেলিয়া
    • ঘ. কোরিয়া
    উত্তর: গ. অস্ট্রেলিয়া
    অস্ট্রেলিয়া ২০২১ সালের ১ জানুয়ারি থেকে তাদের জাতীয় সংগীত ‘অ্যাডভান্স অস্ট্রেলিয়া ফেয়ার’-এর একটি লাইন বদলায়। আগের লাইন ছিল ‘For we are young and free’, বদলে হয় ‘For we are one and free’। কারণ হলো দেশটির আদিবাসী জনগোষ্ঠীর প্রতি সম্মান জানিয়ে ‘young’-এর বদলে ‘one’ ব্যবহার করা। কারণ আদিবাসীরা হাজার হাজার বছর ধরে ওই ভূমিতে বাস করছে, তাই ‘তরুণ’ কথাটি তাঁদের জন্য ঠিক মানায় না। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন পরিবর্তনের ঘোষণা দেন।
    মনে রাখুন: অস্ট্রিয়া ২০১২ সালে এবং কানাডা ২০১৮ সালে তাদের জাতীয় সংগীতের কথায় লিঙ্গনিরপেক্ষ বা সমতাবাদী পরিবর্তন আনে।
  2. ২৩. বিখ্যাত 'ওয়াল স্ট্রিট' অবস্থিত—
    • ক. লন্ডনে
    • খ. টোকিওতে
    • গ. প্যারিসে
    • ঘ. নিউ ইয়র্কে
    উত্তর: ঘ. নিউ ইয়র্কে
    ওয়াল স্ট্রিট যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক শহরের ম্যানহাটন এলাকার একটি সড়ক। এটি বিশ্বের আর্থিক কেন্দ্র বলে পরিচিত। নিউ ইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ (NYSE) এই সড়কে অবস্থিত। তাই ওয়াল স্ট্রিট বলতে প্রায়ই মার্কিন শেয়ারবাজার বা আর্থিক খাতকেই বোঝানো হয়। লন্ডন, টোকিও আর প্যারিসেরও নিজস্ব আর্থিক এলাকা আছে, কিন্তু সেগুলোর নাম ওয়াল স্ট্রিট নয়। ওয়াল স্ট্রিট নামটি পরে এমন এক রূপক অর্থেও ব্যবহৃত হয়, যেখানে এটি মার্কিন অর্থনীতি ও বিনিয়োগকারীদের প্রতীক।
    মনে রাখুন:
    লন্ডনের আর্থিক এলাকা দ্য সিটি, ব্রিটিশ শেয়ারবাজার লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ।
    টোকিও স্টক এক্সচেঞ্জ জাপানে।
    প্যারিসে ইউরোনেক্সট।
  3. ২৫. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দাসপ্রথা রহিত করেন—
    • ক. রিচার্ড নিক্সন
    • খ. জর্জ ওয়াশিংটন
    • গ. অব্রাহাম লিংকন
    • ঘ. জন এফ কেনেডি
    উত্তর: গ. অব্রাহাম লিংকন
    যুক্তরাষ্ট্রে দাসপ্রথা বিলুপ্তির সঙ্গে সবচেয়ে বেশি জড়িয়ে আছেন দেশটির ১৬তম প্রেসিডেন্ট অব্রাহাম লিংকন। গৃহযুদ্ধের মধ্যে ১৮৬৩ সালের ১ জানুয়ারি তিনি মুক্তিঘোষণা (Emancipation Proclamation) জারি করেন, যাতে বিদ্রোহী অঙ্গরাজ্যগুলোর দাসদের মুক্ত বলে ঘোষণা করা হয়। পরে ১৮৬৫ সালে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে পুরো দেশে দাসপ্রথা আইনত নিষিদ্ধ হয়। অন্য প্রেসিডেন্টরা এই কাজের সঙ্গে যুক্ত নন। ওয়াশিংটন ছিলেন প্রথম প্রেসিডেন্ট, আর নিক্সন ও কেনেডি বিংশ শতাব্দীর প্রেসিডেন্ট।
    মনে রাখুন:
    ১৮৬৩ সালের ১৯ নভেম্বর গেটিসবার্গ বক্তৃতায় লিংকন গণতন্ত্রের বিখ্যাত সংজ্ঞা দেন: জনগণের, জনগণের দ্বারা ও জনগণের জন্য সরকার।
    ১৮৬৫ সালে একজন আততায়ীর গুলিতে তিনি নিহত হন।
  4. ৩৯. সিরডাপ (CIRDAP)-এর সদর দপ্তর কোথায়?
    • ক. দিল্লি
    • খ. ওয়াশিংটন
    • গ. ঢাকা
    • ঘ. ব্যাংকক
    উত্তর: গ. ঢাকা
    সিরডাপ (CIRDAP) হলো এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর গ্রামীণ উন্নয়নের জন্য গঠিত একটি আন্তঃসরকার সংস্থা। এর পূর্ণ নাম Centre on Integrated Rural Development for Asia and the Pacific। সংস্থাটির সদর দপ্তর ঢাকার চামেলী হাউসে, ভারতের দিল্লি কিংবা থাইল্যান্ডের ব্যাংককে নয়। ওয়াশিংটনেও এর কোনো সদর দপ্তর নেই।
    মনে রাখুন:
    সিরডাপ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৯ সালের ৬ জুলাই। এ কাজে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এবং ESCAP-এর উদ্যোগ ছিল।
    ঢাকায় সদর দপ্তর আছে এমন আরেকটি আন্তর্জাতিক সংস্থা বিমসটেক (BIMSTEC)।
  5. ৫১. উপমহাদেশ বিভক্তির সময় (১৯৪৭) ভারতবর্ষের ভাইসরয় কে ছিলেন?
    • ক. লর্ড কার্জন
    • খ. লর্ড ওয়েলিংটন
    • গ. লর্ড মাউন্টব্যাটেন
    • ঘ. লর্ড লিনলিথগো
    উত্তর: গ. লর্ড মাউন্টব্যাটেন
    ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারত দুই ভাগ হয়ে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি দেশ হয়। তখন ভাইসরয় ছিলেন লর্ড লুই মাউন্টব্যাটেন। তিনি ১৯৪৭ সালের মার্চে দায়িত্ব নেন এবং তিনিই ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয়। স্বাধীনতার পর কিছুদিন তিনি ভারতের গভর্নর জেনারেলও ছিলেন। বাকি তিনজনও ভারতের ইতিহাসে পরিচিত নাম, কিন্তু তাঁরা অন্য সময়ের শাসক। মাউন্টব্যাটেনের পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান এবং ১৫ আগস্ট ভারত স্বাধীন হয়।
    মনে রাখুন:
    ভারতের প্রথম ভাইসরয় লর্ড ক্যানিং (১৮৫৮)।
    লর্ড কার্জন ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ করেন।
    লর্ড লিনলিথগো ১৯৩৬ থেকে ১৯৪৩ পর্যন্ত ভাইসরয় ছিলেন।
  6. ৫৬. 'ল্যান্টাউ দ্বীপ' কোন সাগরে অবস্থিত?
    • ক. দক্ষিণ চীন সাগর
    • খ. জাভা সাগর
    • গ. জাপান সাগর
    • ঘ. শৈবাল সাগর
    উত্তর: ক. দক্ষিণ চীন সাগর
    ল্যান্টাউ (Lantau) দ্বীপ হংকংয়ের সবচেয়ে বড় দ্বীপ। হংকং চীনের দক্ষিণ উপকূলে অবস্থিত, তাই এই দ্বীপ দক্ষিণ চীন সাগরের মধ্যে পড়েছে। হংকং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও ল্যান্টাউ দ্বীপের লাগোয়া জায়গায় তৈরি হয়েছে। অন্য অপশনগুলোও সাগরেরই নাম, কিন্তু সেগুলো আলাদা এলাকায় অবস্থিত। সাগরের নাম আর তার তীরের দেশ বা দ্বীপকে একসঙ্গে মনে রাখলে এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজে দেওয়া যায়।
    মনে রাখুন:
    শৈবাল সাগর (Sargasso Sea) আটলান্টিক মহাসাগরের একটি অংশ।
    জাভা সাগর ইন্দোনেশিয়ায় এবং জাপান সাগর জাপান ও কোরীয় উপদ্বীপের মাঝখানে।
    দক্ষিণ চীন সাগরের তীরে চীন, ভিয়েতনাম, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া ও ব্রুনেইয়ের মতো দেশ আছে।
    ল্যান্টাউ দ্বীপে বিখ্যাত তিয়ান তান বুদ্ধমূর্তি (Big Buddha) আছে।
    হংকং একসময় ব্রিটিশ উপনিবেশ ছিল, ১৯৯৭ সালে এটি চীনের কাছে হস্তান্তরিত হয়।
  7. ৯২. নরওয়ের আইনসভার নাম কী?
    • ক. রিকসড্যাগ
    • খ. ফোকেটিং
    • গ. স্টরটিং
    • ঘ. নেসেট
    উত্তর: গ. স্টরটিং
    নরওয়ের আইনসভার নাম স্টরটিং (Storting)। এটি এককক্ষবিশিষ্ট সংসদ, আর নরওয়ের রাজধানী অসলোতে এর অবস্থান। অন্য অপশনগুলোও আইনসভার নাম, তবে অন্য দেশের। রিকসড্যাগ (Riksdag) সুইডেনের, ফোকেটিং (Folketing) ডেনমার্কের এবং নেসেট (Knesset) ইসরায়েলের। তাই দেশ ও সংসদের নাম একসঙ্গে মনে রাখা দরকার। নরওয়ে উত্তর ইউরোপের স্ক্যান্ডিনেভীয় অঞ্চলের একটি দেশ। ইউরোপের অনেক দেশে আইনসভার আলাদা নাম আছে, তাই দেশ ও সংসদ একসঙ্গে মুখস্থ রাখতে হয়।
    মনে রাখুন:
    আইসল্যান্ডের সংসদ আলথিং (Althing), বিশ্বের পুরোনো সংসদগুলোর একটি।
    জাপানের সংসদ ডায়েট, জার্মানির বুন্ডেসটাগ।
    ভারতের সংসদ লোকসভা ও রাজ্যসভা নিয়ে গঠিত।
    যুক্তরাজ্যের সংসদ পার্লামেন্ট, যুক্তরাষ্ট্রের সংসদ কংগ্রেস।
    বাংলাদেশের সংসদ জাতীয় সংসদ, যা এককক্ষবিশিষ্ট।

বিজ্ঞান

  1. ২২. অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঔষধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি ভ্যাকসিনের নাম—
    • ক. মর্ডানা
    • খ. কোভিশিল্ড
    • গ. কোভিভ্যাক্স
    • ঘ. আরভিভি ডিমার
    উত্তর: খ. কোভিশিল্ড
    অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটিশ-সুইডিশ ওষুধ কোম্পানি অ্যাস্ট্রাজেনেকা যৌথভাবে কোভিড-১৯ প্রতিরোধের যে টিকা তৈরি করে, তার মূল নাম AZD1222, পরে এটি Vaxzevria নামেও পরিচিত হয়। ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট এই একই টিকা বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন করে কোভিশিল্ড (Covishield) নামে। বাংলাদেশেও ২০২১ সালের জানুয়ারিতে এই টিকা দিয়েই গণটিকাদান শুরু হয়। মডার্না একটি আলাদা কোম্পানির এমআরএনএ টিকা, আর কোভ্যাক্স কোনো টিকার নাম নয়, এটি টিকা বিতরণের একটি আন্তর্জাতিক উদ্যোগ।
    মনে রাখুন:
    ফাইজার-বায়োএনটেক ও মডার্না এমআরএনএ (mRNA) প্রযুক্তির টিকা।
    ভারতের নিজস্ব টিকা কোভ্যাক্সিন (Covaxin), প্রস্তুতকারক ভারত বায়োটেক।
  2. ৩৫. পাটের জীবনরহস্য উন্মোচন করেন–আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) ২০১৯
    • ক. ফরিদুল আলম
    • খ. শহীদুল আলম
    • গ. মাকসুদুল আলম
    • ঘ. মিজানুর রহমান
    উত্তর: গ. মাকসুদুল আলম
    পাটের জীবনরহস্য উন্মোচন করেন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. মাকসুদুল আলম। ২০১০ সালে তাঁর নেতৃত্বে একটি গবেষক দল দেশি পাটের (Corchorus olitorius) জিনোম বিন্যাস শনাক্ত করে। জিনোম হলো কোনো জীবের সব জিনের সমষ্টি। এই আবিষ্কারের ফলে ভবিষ্যতে বেশি ফলনশীল ও রোগ-প্রতিরোধী পাটের জাত উদ্ভাবনের পথ খুলেছে। জিনোম জানা থাকলে বিজ্ঞানীরা পাটের আঁশের গুণ বাড়ানো এবং পাটের ক্ষতিকারক ছত্রাক দমনের উপায় খুঁজে পান।
    মনে রাখুন:
    ড. মাকসুদুল আলম এর আগে পেঁপে ও রাবারের জিনোমও উন্মোচন করেন।
    পাটের জীবনরহস্য উন্মোচনের কাজে তাঁর সঙ্গে ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের গবেষকরা।
    পাটকে বলা হয় সোনালি আঁশ।
  3. ৭৪. ইনসোমনিয়া কী ধরনের অসুখ?
    • ক. স্নায়ুরোগ
    • খ. চোখের রোগ
    • গ. নিদ্রাহীনতার রোগ
    • ঘ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: গ. নিদ্রাহীনতার রোগ
    ইনসোমনিয়া (Insomnia) হলো ঘুম না আসার রোগ, বাংলায় যাকে নিদ্রাহীনতা বলে। এ রোগে মানুষ ঘুমাতে গেলেও ঘুম আসে না, অথবা ঘুমিয়ে পড়লেও বারবার জেগে যায়। দিনের পর দিন এমন চললে মস্তিষ্ক ও দেহ ঠিকমতো বিশ্রাম পায় না, ফলে ক্লান্তি, মনোযোগের অভাব ও খিটখিটে মেজাজ দেখা দেয়। এটি স্নায়ুরোগ বা চোখের রোগ হিসেবে পরিচিত নয়।
    মনে রাখুন:
    সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সাধারণত দৈনিক ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম দরকার।
    অতিরিক্ত ঘুমের সমস্যাকে বলা হয় হাইপারসোমনিয়া।
    দুশ্চিন্তা, অতিরিক্ত চা-কফি ও ঘুমের অনিয়ম নিদ্রাহীনতার সাধারণ কারণ।

বিভিন্ন মন্ত্রণালয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা: সব বছর

বিভিন্ন মন্ত্রণালয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা: ২ বছরের প্রশ্ন আর বিষয়ভিত্তিক মানবণ্টন একসঙ্গে

বিভিন্ন মন্ত্রণালয়: অন্যান্য পরীক্ষা

আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান

বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন