লিয়ানা বুকস

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সুপারিনটেনডেন্ট নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৪: প্রশ্ন ও সমাধান

পরীক্ষা হয়েছে ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪। ৯৯টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।

সময় ধরে পরীক্ষা দিন →

বাংলা

  1. ১. 'শয়ন' শব্দের প্রকৃতি-প্রত্যয় কোনটি?
    • ক. শৈ + অন
    • খ. √শী + অনট
    • গ. শে + অন
    • ঘ. শ + য়ন
    উত্তর: খ. √শী + অনট
    ‘শয়ন’ শব্দটি গঠিত হয়েছে √শী ধাতুর সঙ্গে অনট প্রত্যয় যোগ করে। ‘শী’ ধাতুর অর্থ শোয়া। অনট প্রত্যয়ের শেষের ‘ট’ ইৎ হিসেবে লোপ পায়, আর ‘অন’ ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হয়। তখন ধাতুর ঈ-কারের জায়গায় এ-কার হয় এবং তা ‘অয়’-এ বদলে গিয়ে শয়ন হয়। এভাবে ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় বসে যে শব্দ তৈরি হয়, তাকে কৃদন্ত শব্দ বলে।
    উদাহরণ:
    √নী + অনট = নয়ন
    √গম + অনট = গমন
    √শ্রু + অনট = শ্রবণ
    √কৃ + অনট = করণ
    মনে রাখুন: অনট প্রত্যয়যোগে ভাব বা কর্ম বোঝায় এমন বিশেষ্য তৈরি হয়।
  2. ৫. চর্যাপদের প্রথম পদের রচয়িতা কে?
    • ক. কাহ্নপা
    • খ. ভুসুকুপা
    • গ. লুইপা
    • ঘ. শবরপা
    উত্তর: গ. লুইপা
    চর্যাপদের প্রথম পদের রচয়িতা লুইপা। তাই তাঁকে চর্যাপদের আদি কবি ধরা হয়। প্রথম পদের শুরু ‘কাআ তরুবর পাঞ্চ বি ডাল’ দিয়ে, অর্থাৎ দেহ যেন একটি গাছ, যার পাঁচটি ডাল। লুইপার আরেকটি পদ ২৯ নম্বরে আছে। কাহ্নপা সবচেয়ে বেশি, ১৩টি পদ লিখেছেন, আর ভুসুকুপা লিখেছেন ৮টি।
    মনে রাখুন:
    চর্যাপদ আবিষ্কার করেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে, নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে।
    পুথিটি ১৯১৬ সালে ‘হাজার বছরের পুরান বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা’ নামে প্রকাশিত হয়।
  3. ৬. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস কোনটি?
    • ক. প্রদোষে প্রাকৃতজন
    • খ. রাইফেল রোটি আওরাত
    • গ. চিলেকোঠার সেপাই
    • ঘ. একদা এক রাজ্যে
    উত্তর: খ. রাইফেল রোটি আওরাত
    ‘রাইফেল রোটি আওরাত’ (১৯৭৩) মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লেখা উপন্যাস, যার লেখক আনোয়ার পাশা। তিনি ১৯৭১ সালের শেষ দিকে শহিদ বুদ্ধিজীবী হিসেবে প্রাণ দেন। বইটিকে মুক্তিযুদ্ধের প্রথম দিকের উপন্যাসের মধ্যে ধরা হয়। অন্য উপন্যাসগুলোর পটভূমি আলাদা। আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের ‘চিলেকোঠার সেপাই’ (১৯৮৭) ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান নিয়ে। শওকত আলীর ‘প্রদোষে প্রাকৃতজন’ (১৯৮৪) সেন আমল ও তুর্কি আক্রমণের সময় নিয়ে লেখা।
    মনে রাখুন: সৈয়দ শামসুল হকের ‘একদা এক রাজ্যে’ (১৯৬১) একটি কাব্যগ্রন্থ, উপন্যাস নয়।
  4. ১০. 'আমার সোনার বাংলা'– কবিতাটিতে সর্বমোট চরণ সংখ্যা কয়টি?
    • ক. ১০টি
    • খ. ১৫টি
    • গ. ২০টি
    • ঘ. ২৫টি
    উত্তর: ঘ. ২৫টি
    ‘আমার সোনার বাংলা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের সময় লেখেন। পুরো কবিতাটিতে মোট ২৫টি চরণ আছে। এর প্রথম ১০ চরণ আমাদের জাতীয় সংগীত হিসেবে গাওয়া হয়। গানটির সুরে বাউল গগন হরকরার গানের প্রভাব আছে। সময়ের সঙ্গে গানটি বাঙালির স্বদেশপ্রেমের প্রতীক হয়ে উঠেছে।
    মনে রাখুন:
    সংবিধানের ৪ অনুচ্ছেদে জাতীয় সংগীত ‘আমার সোনার বাংলা’-র কথা আছে।
    গানটি প্রথমবার গাওয়া হয় ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ মুজিবনগরে শপথ অনুষ্ঠানে।
    ভারতের জাতীয় সংগীত ‘জন গণ মন’-ও রবীন্দ্রনাথের রচনা।
  5. ১৯. কোনটি তৎসম উপসর্গ?
    • ক. অজ
    • খ. গর
    • গ. পরি
    • ঘ. অ
    উত্তর: গ. পরি
    বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গ তিন ধরনের: তৎসম বা সংস্কৃত, বাংলা এবং বিদেশি। সংস্কৃত থেকে আসা ২০টি উপসর্গকে তৎসম উপসর্গ বলে। এগুলো হলো প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অপি, উপ, অভি, আ। এগুলোর মধ্যে পরি আছে, তাই এটি তৎসম। অজ ও অ বাংলা উপসর্গ আর গর ফারসি উপসর্গ।
    উদাহরণ:
    পরি: পরিভ্রমণ, পরিবর্তন
    অজ: অজপাড়াগাঁ
    গর: গরমিল, গরহাজির
    মনে রাখুন: বাংলা উপসর্গ ২১টি, তৎসম উপসর্গ ২০টি।
  6. ২০. 'অযান্ত্রিক'-এর রচয়িতা কে?
    • ক. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    • খ. সুবোধ ঘোষ
    • গ. সমরেশ বসু
    • ঘ. নরেন্দ্র মিত্র
    উত্তর: খ. সুবোধ ঘোষ
    ‘অযান্ত্রিক’ সুবোধ ঘোষের লেখা বিখ্যাত ছোটগল্প। এতে একটি পুরোনো গাড়ির প্রতি চালকের মমতার কাহিনি আছে, যেখানে যন্ত্র আর মানুষের সম্পর্ক বিশেষ মাত্রা পেয়েছে। গল্পটি অবলম্বনে ঋত্বিক ঘটক ১৯৫৮ সালে ‘অযান্ত্রিক’ নামে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। বাকি লেখকদেরও আলাদা পরিচয় আছে। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ‘পদ্মা নদীর মাঝি’র লেখক, আর সমরেশ বসু ‘গঙ্গা’ উপন্যাসের জন্য পরিচিত।
    মনে রাখুন:
    সুবোধ ঘোষের অন্য গল্প ‘ফসিল’, ‘জতুগৃহ’।
    তাঁর উপন্যাসের মধ্যে ‘তিলাঞ্জলি’ বিখ্যাত।
  7. ২২. 'সমকাল' পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?
    • ক. সিকান্দার আবু জাফর
    • খ. ফররুখ আহমদ
    • গ. আহসান হাবীব
    • ঘ. শামসুর রাহমান
    উত্তর: ক. সিকান্দার আবু জাফর
    সিকান্দার আবু জাফর (১৯১৯–১৯৭৫) ১৯৫৭ সালে মাসিক ‘সমকাল’ পত্রিকা প্রকাশ করেন এবং এর সম্পাদক ছিলেন। তিনি একাধারে কবি, নাট্যকার ও সাংবাদিক। আধুনিক বাংলা সাহিত্যের নতুন লেখকদের জন্য ‘সমকাল’ ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ। অন্য তিন কবির পরিচয় ভিন্ন। ফররুখ আহমদ ‘সাত সাগরের মাঝি’র কবি, শামসুর রাহমান আধুনিক বাংলা কবিতার প্রধান কবিদের একজন।
    মনে রাখুন:
    সিকান্দার আবু জাফরের বিখ্যাত নাটক ‘সিরাজউদ্দৌলা’।
    তাঁর কাব্যগ্রন্থ ‘প্রসন্ন প্রহর’ ও ‘মালব কৌশিক’।
  8. ২৩. রাজশেখর বসুর ছদ্মনাম কী?
    • ক. বনফুল
    • খ. গাজী মিয়া
    • গ. নীললোহিত
    • ঘ. পরশুরাম
    উত্তর: ঘ. পরশুরাম
    রাজশেখর বসু (১৮৮০–১৯৬০) ‘পরশুরাম’ ছদ্মনামে ব্যঙ্গ ও কৌতুকের গল্প লিখতেন। তিনি পেশায় রসায়নবিদ ছিলেন এবং ‘চলন্তিকা’ (১৯৩৭) নামে বাংলা অভিধান সংকলন করেন। তাঁর গল্পের বইয়ের মধ্যে ‘গড্ডলিকা’ ও ‘কজ্জলী’ বিখ্যাত। বাকি তিনটি অপশন অন্য লেখকদের ছদ্মনাম, তাই রাজশেখর বসুর নামের সঙ্গে মেলে না।
    মনে রাখুন:
    বনফুল: বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
    গাজী মিয়া: মীর মশাররফ হোসেন
    নীললোহিত: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
  9. ২৬. কোন বাগধারাটির অর্থ ভিন্ন?
    • ক. অহিনকুল সম্বন্ধ
    • খ. আদায়-কাঁচকলায়
    • গ. ঢাকের কাঠি
    • ঘ. দা-কুমড়া
    উত্তর: গ. ঢাকের কাঠি
    অহি-নকুল সম্বন্ধ, আদায়-কাঁচকলায় ও দা-কুমড়া এই তিনটি বাগধারার অর্থ একই, অর্থাৎ ভীষণ শত্রুতা বা চরম অমিল। অহি মানে সাপ, নকুল মানে বেজি, আর সাপ ও বেজির সম্পর্ক শত্রুর মতো। অন্যদিকে ঢাকের কাঠি বাগধারাটির অর্থ তোষামোদকারী, যে সব সময় কারও পাশে থেকে প্রশংসা করে। তাই এটির অর্থ বাকি তিনটি থেকে ভিন্ন।
    মনে রাখুন:
    সুসময়ের বন্ধু অর্থে: বসন্তের কোকিল, দুধের মাছি, শরতের শিশির।
    ঢাকের কাঠি: তোষামোদকারী।
    অহি-নকুল, আদায়-কাঁচকলায়, দা-কুমড়া: চরম শত্রুতা।
  10. ৩০. পুঁথি সাহিত্যের লেখক কে?
    • ক. আব্দুল হাকিম
    • খ. সৈয়দ হামজা
    • গ. শাহ মুহম্মদ সগীর
    • ঘ. আলাওল
    উত্তর: খ. সৈয়দ হামজা
    বাংলা পুঁথি সাহিত্যের একটি ধারা হলো দোভাষী পুঁথি, যেখানে বাংলার সঙ্গে আরবি, ফারসি ও হিন্দি শব্দ মিশে থাকে। এই ধারার প্রধান কবি ফকির গরীবুল্লাহ ও সৈয়দ হামজা। সৈয়দ হামজা ‘আমীর হামজা’র শেষাংশ, ‘মধুমালতী’, ‘হাতেম তাই’ ও ‘জৈগুনের পুঁথি’ রচনা করেন। আব্দুল হাকিম, শাহ মুহম্মদ সগীর ও আলাওল মধ্যযুগের কবি, তাঁরা এই দোভাষী ধারার নন।
    মনে রাখুন:
    শাহ মুহম্মদ সগীরের কাব্য ‘ইউসুফ জোলেখা’।
    আলাওলের কাব্য ‘পদ্মাবতী’।
    আব্দুল হাকিমের কাব্য ‘নূরনামা’।
  11. ৩৩. 'শোকানল' শব্দের যথার্থ ব্যাসবাক্য কোনটি?
    • ক. শোকের অনল
    • খ. শোক রূপ অনল
    • গ. শোকের ন্যায় অনল
    • ঘ. শোক অনলের ন্যায়
    উত্তর: খ. শোক রূপ অনল
    ‘শোকানল’ শব্দের ব্যাসবাক্য ‘শোক রূপ অনল’। এখানে শোক ও অনল (আগুন) অভিন্ন বলে কল্পনা করা হয়েছে, অর্থাৎ শোককে আগুনের মতো না বলে সরাসরি আগুনই বলা হয়েছে। এ ধরনের সমাসকে রূপক কর্মধারয় সমাস (Metaphorical Karmadharaya) বলে। ব্যাসবাক্যে ‘রূপ’ শব্দটি বসে।
    উদাহরণ:
    ক্রোধ রূপ অনল = ক্রোধানল
    বিষাদ রূপ সিন্ধু = বিষাদসিন্ধু
    মন রূপ মাঝি = মনমাঝি
    মনে রাখুন: ‘ন্যায়’ বা ‘মতো’ বসলে সেটি উপমান বা উপমিত কর্মধারয়ের দিকে যায়, রূপক নয়।
  12. ৩৪. কোনটি রাজনৈতিক উপন্যাস?
    • ক. জাগরী
    • খ. আরণ্যক
    • গ. মালঞ্চ
    • ঘ. মনপুরাণ
    উত্তর: ক. জাগরী
    ‘জাগরী’ (১৯৪৬) সতীনাথ ভাদুড়ীর লেখা উপন্যাস। এতে ১৯৪২ সালের ভারত ছাড়ো আন্দোলনের পটভূমিতে একটি পরিবারের কারাজীবন ও রাজনৈতিক ঘাত-প্রতিঘাত ফুটে উঠেছে। তাই এটিকে রাজনৈতিক উপন্যাস বলা হয়। বাকি দুটি পরিচিত উপন্যাস ভিন্ন ধারার। রবীন্দ্রনাথের ‘মালঞ্চ’ পারিবারিক ও প্রেমের উপন্যাস, আর বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘আরণ্যক’ প্রকৃতিনির্ভর।
    মনে রাখুন:
    ‘জাগরী’ সতীনাথ ভাদুড়ীর প্রথম উপন্যাস।
  13. ৪১. লোকসাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন কোনটি?
    • ক. প্রবাদ
    • খ. লোকগীতি
    • গ. ছড়া
    • ঘ. ভাদু গান
    উত্তর: গ. ছড়া
    লোকসাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন ছড়া। মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়া ছোট ছোট ছন্দের রচনাকে ছড়া বলে। শিশুদের ঘুম পাড়ানো ও খেলার মধ্য দিয়ে যুগ যুগ ধরে ছড়া চলে এসেছে। ছড়ার ছন্দ সাধারণত স্বরবৃত্ত বা দলবৃত্ত, যাকে শ্বাসাঘাতপ্রধান ছন্দ বলা হয়। প্রবাদ, লোকগীতি ও ভাদু গানও লোকসাহিত্যের অংশ, কিন্তু প্রাচীনতম রূপের স্বীকৃতি ছড়াকেই দেওয়া হয়।
    মনে রাখুন:
    লোকসাহিত্যের অন্যান্য রূপ প্রবাদ, ধাঁধা, লোকগীতি ও গীতিকা।
    রবীন্দ্রনাথ ছড়াকে ‘মেয়েলি ছড়া’ নামে সংগ্রহ করেছিলেন।
  14. ৪৮. কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রাজনৈতিক উপন্যাস?
    • ক. গোরা
    • খ. শেষের কবিতা
    • গ. নৌকাডুবি
    • ঘ. চোখের বালি
    উত্তর: ক. গোরা
    রবীন্দ্রনাথের ‘গোরা’ (১৯১০) রাজনৈতিক উপন্যাস হিসেবে বিখ্যাত। এতে ভারতীয় জাতীয়তাবাদ, হিন্দু-ব্রাহ্ম বিতর্ক ও জাতিপরিচয়ের প্রশ্ন গুরুত্ব পেয়েছে। বাকি তিনটি উপন্যাসের ধরন আলাদা। ‘শেষের কবিতা’ রোমান্টিক, আর ‘নৌকাডুবি’ ও ‘চোখের বালি’ পারিবারিক ও মনস্তাত্ত্বিক। তাই রাজনৈতিক ধারার প্রশ্নে সবার আগে ‘গোরা’র নামই আসে।
    মনে রাখুন:
    রবীন্দ্রনাথের অন্য রাজনৈতিক উপন্যাস ‘ঘরে বাইরে’ (১৯১৬) ও ‘চার অধ্যায়’ (১৯৩৪)।
    ‘চোখের বালি’ (১৯০৩) বাংলা সাহিত্যের প্রথম মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস বলে পরিচিত।
  15. ৪৯. 'বলার ইচ্ছা'-এর একক্থায় প্রকাশ কোনটি?
    • ক. বিবমিষা
    • খ. বক্তব্য
    • গ. বিবক্ষা
    • ঘ. বিবিক্ষা
    উত্তর: গ. বিবক্ষা
    ‘বলার ইচ্ছা’ বোঝাতে এক কথায় বলা হয় বিবক্ষা। এটি সংস্কৃত বচ্ ধাতু থেকে এসেছে। ইচ্ছা বোঝাতে সংস্কৃতে সন্ প্রত্যয় যোগ হয়, আর সেভাবেই বচ্ থেকে বিবক্ষা তৈরি। বাকি অপশনের অর্থ আলাদা: বিবমিষা মানে বমি করার ইচ্ছা, বক্তব্য মানে বলার যোগ্য কথা, আর বিবিক্ষা মানে প্রবেশ করার ইচ্ছা।
    উদাহরণ:
    জানার ইচ্ছা = জিজ্ঞাসা
    খাওয়ার ইচ্ছা = বুভুক্ষা
    দেখার ইচ্ছা = দিদৃক্ষা
    জয়ের ইচ্ছা = জিগীষা
  16. ৫৮. কোন বানানটি প্রমিত?
    • ক. শুচিস্মিতা
    • খ. সুচিস্মিতা
    • গ. শুচিম্মিতা
    • ঘ. সুচিম্মিতা
    উত্তর: ক. শুচিস্মিতা
    প্রমিত বানান শুচিস্মিতা। শব্দটি শুচি (পবিত্র) ও স্মিতা (মৃদু হাসিযুক্ত) মিলে তৈরি। সংস্কৃত শব্দ শুচি লেখা হয় তালব্য শ-তে, তাই ‘সুচি’ ভুল। আর স্মিতা বানানে স-এর সঙ্গে ম যুক্ত থাকে, ম্মিতা লেখা ভুল। অর্থাৎ শব্দটির মূল গঠন বুঝলে বানানও সহজে মনে থাকে।
    মনে রাখুন: আরও কিছু প্রমিত বানান: জলোচ্ছ্বাস, জাজ্বল্যমান, স্বাচ্ছন্দ্য, স্বাতন্ত্র্য।
    উদাহরণ: শুচিতা, শুচিবায়ু (শ দিয়ে)।
  17. ৬৩. 'ক্ষুধার্ত' শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
    • ক. ক্ষুধা + আর্ত
    • খ. ক্ষুৎ + আর্ত
    • গ. ক্ষুৎ + ঋত
    • ঘ. ক্ষুধা + ঋত
    উত্তর: ঘ. ক্ষুধা + ঋত
    ‘ক্ষুধার্ত’ শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ ক্ষুধা + ঋত। স্বরসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী অ বা আ-এর পরে ঋ থাকলে দুটি মিলে ‘অর্’ বা ‘আর্’ হয়। ক্ষুধা-র শেষের আ আর ঋত-এর ঋ মিলে আর্ হওয়ায় ক্ষুধার্ত হয়েছে। ঋত অর্থ পীড়িত বা কাতর। তাই ক্ষুধা + আর্ত বা ক্ষুৎ + আর্ত ধরনের বিচ্ছেদ এখানে ঠিক নয়।
    উদাহরণ:
    তৃষ্ণা + ঋত = তৃষ্ণার্ত
    শীত + ঋত = শীতার্ত
    সপ্ত + ঋষি = সপ্তর্ষি
  18. ৬৭. কোন গ্রন্থটি মালাধর বসু অনূদিত?
    • ক. হংসদূত
    • খ. বিদ্যাসুন্দর
    • গ. নূরনামা
    • ঘ. ভাগবত
    উত্তর: ঘ. ভাগবত
    মালাধর বসু সংস্কৃত ‘ভাগবত’ পুরাণের দশম ও একাদশ স্কন্ধ বাংলায় অনুবাদ করেন। তাঁর এই অনুবাদের নাম ‘শ্রীকৃষ্ণবিজয়’, যা ১৪৭৩ থেকে ১৪৮০ সালের মধ্যে লেখা। গৌড়ের সুলতান তাঁকে ‘গুণরাজ খান’ উপাধি দেন। বাকি তিনটি গ্রন্থের রচয়িতা আলাদা।
    মনে রাখুন:
    হংসদূত – রূপ গোস্বামী
    নূরনামা – আব্দুল হাকিম
    বিদ্যাসুন্দর – সাবিরিদ খান
    ভাগবতের অনুবাদ বাংলা সাহিত্যে বৈষ্ণব ধারার সূচনায় ভূমিকা রাখে।
  19. ৬৯. বিদ্যাপতি কোন ভাষায় পদ রচনা করেন?
    • ক. সংস্কৃত
    • খ. ফারসি
    • গ. হিন্দি
    • ঘ. ব্রজবুলি
    উত্তর: ঘ. ব্রজবুলি
    বিদ্যাপতি মিথিলার কবি, তবে তাঁর পদাবলি বাংলায় ব্রজবুলি ভাষার পদ হিসেবে পরিচিত। ব্রজবুলি কোনো মুখের ভাষা নয়, মৈথিলি ও বাংলার মিশ্রণে তৈরি একটি কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা, যাতে বৈষ্ণব কবিরা রাধাকৃষ্ণ বিষয়ক পদ লিখেছেন। বিদ্যাপতিকে এই ধারার আদি কবি ধরা হয়।
    মনে রাখুন:
    বিদ্যাপতির গ্রন্থ ‘কীর্তিলতা’, ‘কীর্তিপতাকা’, ‘পুরুষপরীক্ষা’।
    তাঁকে ‘মৈথিল কোকিল’ বলা হয়।
  20. ৭৫. 'অতসী মামী' কোন ধরনের রচনা?
    • ক. উপন্যাস
    • খ. কবিতা
    • গ. নাটক
    • ঘ. ছোটগল্প
    উত্তর: ঘ. ছোটগল্প
    ‘অতসী মামী’ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছোটগল্প। তিনি বিজ্ঞানের ছাত্র থাকাকালে বন্ধুদের সঙ্গে বাজি ধরে এই গল্প লিখেছিলেন এবং এটি ‘বিচিত্রা’ পত্রিকায় ছাপা হয়। এভাবেই তাঁর সাহিত্যজীবনের শুরু। পরে তিনি উপন্যাস ও গল্প দুটিতেই বাংলা সাহিত্যে নিজের জায়গা পাকা করেন।
    মনে রাখুন:
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস: পদ্মা নদীর মাঝি, পুতুলনাচের ইতিকথা।
    অন্য গল্প: প্রাগৈতিহাসিক, সরীসৃপ।
  21. ৮০. 'কপালকুণ্ডলা' উপন্যাসের নায়কের নাম কী?
    • ক. জগৎসিংহ
    • খ. নবকুমার
    • গ. চন্দ্রশেখর
    • ঘ. প্রতাপ সিংহ
    উত্তর: খ. নবকুমার
    ‘কপালকুণ্ডলা’ (১৮৬৬) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রোমান্টিক উপন্যাস। এর নায়ক নবকুমার। সমুদ্রের ধারে কাপালিকের আশ্রয়ে লালিত কপালকুণ্ডলাকে নবকুমার বিয়ে করেন এবং নিজের গ্রামে নিয়ে আসেন। বাকি নামগুলো অন্য উপন্যাসের চরিত্র। জগৎসিংহ ‘দুর্গেশনন্দিনী’র নায়ক, আর চন্দ্রশেখর ও প্রতাপ ‘চন্দ্রশেখর’ উপন্যাসের চরিত্র।
    মনে রাখুন:
    বঙ্কিমের প্রথম বাংলা উপন্যাস ‘দুর্গেশনন্দিনী’ (১৮৬৫)।
    ‘কপালকুণ্ডলা’র অন্য চরিত্র: মতিবিবি, কাপালিক।
  22. ৮২. 'বাহরাম খান'-এর উপাধি কোনটি?
    • ক. কবিকঙ্কণ
    • খ. পরশুরাম
    • গ. দৌলত উজির
    • ঘ. নিজামী
    উত্তর: গ. দৌলত উজির
    বাহরাম খান মধ্যযুগের কবি, তাঁর উপাধি দৌলত উজির। তিনি ষোড়শ শতকে ‘লাইলী-মজনু’ কাব্য রচনা করেন। ফারসি কবি জামির কাব্যের অনুসরণে এটি লেখা। উপাধিগুলো এভাবে আলাদা: কবিকঙ্কণ মুকুন্দরামের, পরশুরাম রাজশেখর বসুর, নিজামী একজন ফারসি কবি। তাই দৌলত উজির কেবল বাহরাম খানের সঙ্গেই মেলে।
    মনে রাখুন:
    দৌলত উজির বাহরাম খানের আরেকটি কাব্য ‘জঙ্গনামা’ বা ‘মকুতুল হোসেন’।
  23. ৮৮. কবি আলাওলের 'পদ্মাবতী' কোন গ্রন্থ থেকে অনূদিত?
    • ক. মধুমালতী
    • খ. মৈনাসত
    • গ. পদুমাবৎ
    • ঘ. হপ্তপয়কর
    উত্তর: গ. পদুমাবৎ
    আলাওলের ‘পদ্মাবতী’ মালিক মুহম্মদ জায়সীর ‘পদুমাবৎ’ কাব্যের অনুবাদ। জায়সী কাব্যটি আওধি ভাষায় লিখেছিলেন, যা হিন্দির একটি রূপ। আলাওল সপ্তদশ শতকের মাঝামাঝি আরাকান রাজসভার প্রধানমন্ত্রী মাগন ঠাকুরের অনুরোধে এটি বাংলায় রূপান্তর করেন। কাহিনির কেন্দ্রে আছেন চিতোরের রানি পদ্মাবতী। বাকি অপশন অন্য কাব্য। ‘হপ্তপয়কর’ আসলে নিজামীর ফারসি কাব্য, যা আলাওল ‘সপ্তপয়কর’ নামে অনুবাদ করেন।
    মনে রাখুন:
    আলাওলের অন্য রচনা: সয়ফুল মুলুক বদিউজ্জামাল, সপ্তপয়কর, তোহফা, সিকান্দরনামা।
    আলাওলকে মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ কবি বলা হয়।
  24. ৯১. 'কথোপকথন'-এর রচয়িতা কে?
    • ক. রামমোহন রায়
    • খ. উইলিয়াম কেরি
    • গ. রামরাম বসু
    • ঘ. গোলকনাথ শর্মা
    উত্তর: খ. উইলিয়াম কেরি
    ‘কথোপকথন’ (১৮০১) উইলিয়াম কেরির লেখা বই। কেরি কলকাতার ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে বাংলা বিভাগের প্রধান ছিলেন। ইংরেজ কর্মচারীদের বাংলা শেখানোর জন্য তিনি দৈনন্দিন কথাবার্তার ঢঙে এই সংলাপ-গ্রন্থ লেখেন। এতে সেকালের সাধারণ মানুষের মুখের ভাষা ধরা পড়েছে।
    মনে রাখুন:
    কেরির অন্য গ্রন্থ ‘ইতিহাসমালা’ (১৮১২)।
    রামরাম বসুর ‘রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র’ বাংলা ভাষায় প্রথম মৌলিক গদ্য-গ্রন্থ হিসেবে গণ্য।
    ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রতিষ্ঠাকাল ১৮০০ সাল।
  25. ৯৩. 'রিকশা' শব্দটি কোন ভাষা থেকে আগত?
    • ক. জাপানি
    • খ. হিন্দি
    • গ. ফারসি
    • ঘ. মারাঠি
    উত্তর: ক. জাপানি
    ‘রিকশা’ শব্দটি জাপানি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। জাপানি ‘জিনরিকিশা’ শব্দের অর্থ মানুষ-টানা যান, সেখান থেকে ছোট হয়ে রিকশা। তাই এটি বাংলার বিদেশি শব্দের ভান্ডারে জাপানি শব্দ। হিন্দি, ফারসি বা মারাঠি ভাষার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
    মনে রাখুন:
    জাপানি শব্দ: রিকশা, হারিকিরি, ক্যারাটে, জুডো।
    চিনা শব্দ: চা, চিনি, লিচু।
  26. ৯৭. 'প্রফুল্ল'-এর বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
    • ক. বিযুক্ত
    • খ. বিমর্ষ
    • গ. বিষাদ
    • ঘ. কষ্ট
    উত্তর: খ. বিমর্ষ
    ‘প্রফুল্ল’ শব্দের অর্থ আনন্দিত ও হাসিখুশি। এর বিপরীত শব্দ বিমর্ষ, যার অর্থ মনমরা বা বিষণ্ন। ‘বিষাদ’ শব্দটি অর্থে বিপরীত হলেও তা বিশেষ্য, আর প্রফুল্ল বিশেষণ, তাই বিশেষণ প্রফুল্লের সঠিক বিপরীত শব্দ বিমর্ষ। বিযুক্ত মানে বিচ্ছিন্ন এবং কষ্ট মানে ব্যথা, এ দুটি অর্থের দিক থেকে প্রফুল্লের বিপরীত নয়।
    মনে রাখুন: হর্ষ-এর বিপরীত বিষাদ। হর্ষ আর প্রফুল্ল পরস্পরের সমার্থক।

ইংরেজি

  1. ২. The verb form of 'friend' is—আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৪
    • ক. enfriend
    • খ. friend
    • গ. disfriend
    • ঘ. befriend
    উত্তর: ঘ. befriend
    Friend একটি noun, যার অর্থ বন্ধু। এর verb রূপ হলো befriend, যার অর্থ বন্ধুর মতো আচরণ করা বা কারও পাশে দাঁড়ানো। Noun বা adjective-এর আগে be- যোগ করে অনেক verb তৈরি হয়। বাকি শব্দগুলো প্রচলিত verb রূপ নয়। ‘Enfriend’ ও ‘disfriend’ প্রচলিত শব্দ হিসেবে ধরা হয় না। আর ‘friend’ নিজে এখানে noun, যদিও আধুনিক ইংরেজিতে কখনো কখনো verb হিসেবেও এটি সীমিতভাবে ব্যবহার হয়।
    উদাহরণ: She befriended the new student.
    মনে রাখুন:
    be- দিয়ে তৈরি verb: befriend, belittle (ছোট করা), becalm (শান্ত করা)।
    en- দিয়ে তৈরি verb: enrich (সমৃদ্ধ করা), enlarge (বড় করা)।
  2. ৪. She has — asleep all the morning.
    • ক. lay
    • খ. lain
    • গ. laid
    • ঘ. lied
    উত্তর: খ. lain
    Has-এর পরে verb-এর past participle বসে। শুয়ে থাকা অর্থের verb হলো lie, যার রূপ: lie – lay – lain। তাই এখানে সঠিক শব্দ lain। Lay অর্থ কিছু রাখা, তার রূপ lay – laid – laid। আর lie অর্থ মিথ্যা বলা হলে রূপ হয় lie – lied – lied।
    মনে রাখুন: Lie (শোয়া) অকর্মক, তার পরে object বসে না। Lay (রাখা) সকর্মক, তার পরে object বসে। যেমন: She laid the book on the table.
  3. ৭. He spoke as if he — it.
    • ক. knew
    • খ. were know
    • গ. would know
    • ঘ. had known
    উত্তর: ঘ. had known
    As if বা as though দিয়ে এমন কিছু বোঝানো হয়, যা বাস্তব নয়, শুধু কল্পনা বা ভান। আগের অংশ Past Tense হলে as if-এর পরের অংশে সাধারণত Past Perfect বসে। এখানে ‘He spoke’ অতীত কালের, তাই as if-এর পরে had known বসেছে। অর্থাৎ সে এমনভাবে কথা বলল যেন সে ব্যাপারটা আগেই জানত।
    মনে রাখুন:
    আগের অংশ Present হলে as if-এর পরে Past বসে। যেমন: He talks as if he knew everything.
    I wish, if only-এর পরেও এভাবে Past form ব্যবহার হয়।
  4. ৮. I looked forward — your letter.
    • ক. to receive
    • খ. to have received
    • গ. to be received
    • ঘ. to receiving
    উত্তর: ঘ. to receiving
    Look forward to একটি phrasal verb, যার অর্থ আগ্রহের সঙ্গে অপেক্ষা করা। এখানকার to একটি preposition, infinitive-এর to নয়। আর preposition-এর পরে verb থাকলে সেই verb-এ -ing যোগ হয়। এজন্য সঠিক রূপ ‘looking forward to receiving’ ধরনের গঠন, অর্থাৎ ‘I looked forward to receiving your letter’। ‘to receive’ বা ‘to have received’ বসালে দুটি to পরপর আসত এবং ব্যাকরণ ভুল হতো।
    মনে রাখুন: যেসব প্রকাশের শেষে preposition to থাকে এবং তার পরে verb-ing আসে: look forward to, be used to, in addition to, object to, with a view to।
    উদাহরণ: We look forward to meeting you.
  5. ১৫. Which one is correct?
    • ক. Pen through the line
    • খ. Cut the line
    • গ. Strike the line
    • ঘ. Crop the line
    উত্তর: ক. Pen through the line
    ‘Pen through the line’ মানে লেখা লাইনের ওপর কলম চালিয়ে সেটি কেটে দেওয়া। সম্পাদনা বা প্রুফ দেখার সময় অপ্রয়োজনীয় অংশ কাটার নির্দেশ হিসেবে এটি ব্যবহার হয়। অন্য অপশনগুলো এ অর্থে স্বাভাবিক নয়। Cut the line-এর প্রচলিত অর্থ সারিতে সুযোগ বুঝে আগে দাঁড়ানো। Crop the line এই অর্থে স্বাভাবিক ইংরেজি নয়। Strike the line-এর সঙ্গে out যোগ করে (strike out) তবেই কেটে দেওয়া বোঝায়।
    মনে রাখুন:
    Strike out বা cross out দিয়েও কেটে দেওয়া বোঝানো হয়।
    উদাহরণ: Strike out the wrong word.
  6. ১৭. The phrase 'French leave' means—
    • ক. unlicensed leave
    • খ. authorized leave
    • গ. leave for visiting France
    • ঘ. leave for enjoyment
    উত্তর: ক. unlicensed leave
    French leave একটি idiom, যার অর্থ কাউকে না জানিয়ে বা অনুমতি ছাড়াই চলে যাওয়া। এই অর্থ প্রকাশ করে unlicensed leave, কারণ licence মানে অনুমতি আর unlicensed মানে অনুমতিহীন। Authorized leave মানে অনুমোদিত ছুটি, তাই তা উল্টো অর্থ দেয়। ফ্রান্সে বেড়াতে যাওয়ার সঙ্গে idiom-টির কোনো সম্পর্ক নেই, তাই leave for visiting France বা leave for enjoyment-ও ঠিক নয়।
    মনে রাখুন:
    Dutch courage মানে মদ খেয়ে পাওয়া সাহস।
    Dutch treat মানে নিজের খরচ নিজে বহন করা।
    উদাহরণ: He left the party by French leave.
  7. ২৫. He is — poetry.
    • ক. fond to read
    • খ. fond reading
    • গ. fond of reading
    • ঘ. fond with reading
    উত্তর: গ. fond of reading
    Fond of একটি প্রকাশ, যার অর্থ কিছুর প্রতি অনুরাগী বা আসক্ত হওয়া। Preposition of-এর পরে verb থাকলে তাতে -ing যোগ হয়, কারণ preposition-এর পরে gerund বসে। তাই সঠিক রূপ ‘He is fond of reading poetry’। বাকি তিনটিতে preposition বা verb-এর রূপ ভুল। Fond-এর পরে to বা with বসে না, আর infinitive ‘to read’ও এখানে বসে না।
    মনে রাখুন:
    Of-এর সঙ্গে ব্যবহৃত কিছু adjective: proud of, afraid of, capable of, tired of।
    এদের পরেও verb-ing বসে।
    উদাহরণ: She is afraid of flying.
  8. ৩১. Hurry spoils the —.আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৯
    • ক. work
    • খ. meeting
    • গ. curry
    • ঘ. fury
    উত্তর: গ. curry
    ‘Hurry spoils the curry’ একটি প্রচলিত proverb। এর মানে হলো, তাড়াহুড়ো করলে কাজ ঠিকমতো হয় না। রান্নার সময় তাড়াহুড়ো করলে যেমন তরকারি নষ্ট হতে পারে, তেমনি যেকোনো কাজে অতিরিক্ত তাড়া ক্ষতি করে। এ কারণে proverb-এর ছন্দ মিলিয়ে curry শব্দটিই এখানে বসে। বাকি শব্দের অর্থ: work (কাজ), meeting (সভা), fury (ক্রোধ)।
    মনে রাখুন:
    একই ভাবের আরেকটি proverb: Haste makes waste।
    উল্টো ভাবের proverb: Slow and steady wins the race।
  9. ৩৭. T.S. Eliot is a — poet.
    • ক. 17th century
    • খ. 18th century
    • গ. 19th century
    • ঘ. 20th century
    উত্তর: ঘ. 20th century
    টি. এস. এলিয়ট (T. S. Eliot) বিংশ শতাব্দীর কবি। তাঁর জন্ম ১৮৮৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রে, পরে তিনি ব্রিটিশ নাগরিক হন। ১৯২২ সালে প্রকাশিত ‘The Waste Land’ আধুনিক ইংরেজি কবিতার একটি মাইলফলক। ১৯৪৮ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। তাঁর কবিতা ও সমালোচনা বিংশ শতকের আধুনিকতাবাদী সাহিত্যের ধারাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে।
    মনে রাখুন:
    অন্য রচনা: The Love Song of J. Alfred Prufrock, Murder in the Cathedral, Four Quartets।
    এলিয়টের জন্ম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট লুইসে।
  10. ৩৮. The calendar is — the wall.
    • ক. hang on
    • খ. hung on
    • গ. hanged on
    • ঘ. hanged with
    উত্তর: খ. hung on
    Hang শব্দের দুটি অর্থ ও দুটি রূপ আছে। কিছু ঝুলিয়ে রাখা অর্থে রূপ হলো hang – hung – hung। ফাঁসি দেওয়া অর্থে রূপ hang – hanged – hanged। ক্যালেন্ডার দেয়ালে টাঙানো থাকে, তাই এখানে passive structure-এ hung ব্যবহার হয়। Preposition on দেয়ালের সঙ্গে সংযোগ বোঝায়। অর্থাৎ বাক্যটি ‘The calendar is hung on the wall’। ‘Hang on’ বসালে verb-এর রূপ ভুল হয়, আর hanged ফাঁসির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
    মনে রাখুন: Hanged শুধু মানুষের ফাঁসি বোঝাতে ব্যবহার হয়। যেমন: The murderer was hanged.
  11. ৪৩. The salesman said, "Thank you, Sir". The correct form of indirect speech is—
    • ক. The salesman thanked his customer.
    • খ. The salesman respectfully thanked the person spoken to.
    • গ. The salesman said that thank you sir.
    • ঘ. The salesman addressed the customer 'sir' and thanked him.
    উত্তর: ক. The salesman thanked his customer.
    Direct speech-এ ধন্যবাদ জানানো হলে indirect speech-এ said-এর জায়গায় thanked ব্যবহার হয়, আর ধন্যবাদের উক্তিটি আলাদা করে লেখা হয় না। ‘Sir’ সম্বোধনও বাদ যায় বা অন্যভাবে আসে। তাই The salesman said, “Thank you, Sir.” বাক্যের সঠিক indirect রূপ ‘The salesman thanked his customer’। অন্য অপশনে অযথা অর্থ যোগ হয়েছে অথবা said that-এর পর direct রূপ রয়ে গেছে, তাই সেগুলো সঠিক indirect speech নয়।
    মনে রাখুন:
    শুভেচ্ছা, ধন্যবাদ বা প্রার্থনা থাকলে reporting verb বদলে যায়।
    যেমন: wished, thanked, prayed, greeted।
    উদাহরণ: He said, “Good morning” = He greeted me.
  12. ৫১. Find out the correct spelling—
    • ক. Indescrition
    • খ. Indiscretion
    • গ. Indiscrition
    • ঘ. Indescretion
    উত্তর: খ. Indiscretion
    সঠিক বানান Indiscretion। শব্দটি in- (না) এবং discretion (বিবেচনা) থেকে গঠিত, তাই এর অর্থ অবিবেচনা বা হঠকারিতা। বিশেষণ রূপ indiscreet। অন্য অপশনগুলোতে বানান ভুল আছে। কোনোটিতে dis-এর জায়গায় des লেখা হয়েছে, আবার কোনোটিতে -cretion-এর জায়গায় -crition লেখা হয়েছে।
    মনে রাখুন:
    Discretion মানে বিবেচনাশক্তি বা স্বাধীন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা।
    Indiscretion তার বিপরীত, অর্থাৎ অবিবেচনাপ্রসূত কাজ।
    উদাহরণ: His indiscretion cost him the job.
  13. ৫৩. If I — you, — it.
    • ক. were, would do
    • খ. was, would do
    • গ. were, would have done
    • ঘ. was, would have done
    উত্তর: ক. were, would do
    এই বাক্যে বাস্তবে যা সম্ভব নয় তা কল্পনা করা হয়েছে, তাই এটি Second Conditional। এর গঠন: If + past simple, subject + would + verb-এর base form। If-অংশে সব person-এর সঙ্গে were বসে, I হলেও। সুতরাং ‘If I were you, I would do it’। Was বসালে সাধারণ কথায় চলে বটে, কিন্তু পরীক্ষার নিয়মে কল্পিত শর্তে were-ই শুদ্ধ। আর would have done তৃতীয় প্রকার শর্তের গঠন।
    মনে রাখুন:
    Third Conditional-এর গঠন If + past perfect, would have + past participle। অতীতের অপূর্ণ ইচ্ছা বোঝাতে সেটি ব্যবহার হয়।
    উদাহরণ: If I had known, I would have helped.
  14. ৫৫. Identify the underlined word : Walking is a good exercise.
    • ক. Noun
    • খ. Adjective
    • গ. Verb
    • ঘ. Adverb
    উত্তর: ক. Noun
    Walking শব্দটি verb walk-এর সঙ্গে -ing যুক্ত হয়ে তৈরি। এখানে এটি কাজ না বুঝিয়ে ক্রিয়াটির নামকেই বোঝাচ্ছে এবং বাক্যের subject হিসেবে বসেছে, অর্থাৎ ‘হাঁটা’ একটি ভালো ব্যায়াম। তাই এখানে Walking একটি noun, যাকে gerund বলে।
    মনে রাখুন:
    Gerund হলো verb + ing যা noun-এর কাজ করে।
    Participle হলো verb + ing যা adjective-এর কাজ করে। যেমন: a walking stick-এ walking একটি adjective-এর মতো।
    উদাহরণ: Swimming is good for health.
  15. ৬০. William Wordsworth is a poet of—
    • ক. beauty
    • খ. love
    • গ. hope
    • ঘ. nature
    উত্তর: ঘ. nature
    উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ (William Wordsworth) প্রকৃতির কবি। তিনি ও কোলরিজ মিলে ১৭৯৮ সালে ‘Lyrical Ballads’ প্রকাশ করেন, যা ইংরেজি সাহিত্যে রোম্যান্টিক যুগের সূচনা করে। তাঁর কবিতায় প্রকৃতির সৌন্দর্য ও মানুষের মনের সম্পর্ক ফুটে ওঠে। ১৮৪৩ সালে তিনি ইংল্যান্ডের Poet Laureate হন। ইংল্যান্ডের লেক ডিস্ট্রিক্টের প্রাকৃতিক পরিবেশ তাঁর কবিতার বড় অনুপ্রেরণা ছিল।
    মনে রাখুন:
    তাঁর বিখ্যাত কবিতা ‘Daffodils’ এবং দীর্ঘ কাব্য ‘The Prelude’।
    তাঁকে ‘Nature’s Poet’ বলা হয়।
  16. ৬১. Ill news — fast.
    • ক. ran
    • খ. runs
    • গ. run
    • ঘ. is running
    উত্তর: খ. runs
    ‘Ill news runs fast’ একটি প্রচলিত proverb, যার অর্থ খারাপ খবর খুব দ্রুত ছড়ায়। News শব্দটি দেখতে বহুবচনের মতো হলেও এটি uncountable noun এবং singular হিসেবে ধরা হয়। তাই verb হবে singular রূপ runs। এখানে ran বসলে অতীত কাল হয়ে যায়, আর is running ব্যবহারে প্রবাদের সাধারণ সত্য ভাবটি থাকে না।
    মনে রাখুন:
    আরও কিছু singular হিসেবে ব্যবহৃত শব্দ: news, mathematics, physics, politics।
    উদাহরণ: The news is good.
  17. ৬৪. The adjective form of the word 'width' is—
    • ক. wide
    • খ. wider
    • গ. widen
    • ঘ. none of them
    উত্তর: ক. wide
    Width একটি noun, যার অর্থ প্রস্থ। এর adjective রূপ wide, যার অর্থ প্রশস্ত। Wider হলো wide-এর comparative degree এবং widen একটি verb, যার অর্থ প্রশস্ত করা। তাই শুধু adjective রূপ চাইলে wide-ই উত্তর।
    মনে রাখুন:
    length – long
    depth – deep
    height – high
    weight – heavy
    উদাহরণ: The river is wide, its width is 200 metres.
  18. ৬৬. 'Sibling' is a — gender.
    • ক. neuter
    • খ. masculine
    • গ. feminine
    • ঘ. common
    উত্তর: ঘ. common
    Sibling শব্দের অর্থ ভাই অথবা বোন। শব্দটি পুরুষ বা নারী কাউকেই আলাদা করে নির্দেশ করে না, তাই এটি Common Gender। Neuter gender-এ নির্জীব বস্তু পড়ে, যেমন book। Masculine ও feminine আলাদা লিঙ্গ বোঝায়, যেমন brother ও sister। কিন্তু sibling ভাই-বোন দুজনের জন্যই সমানভাবে খাটে।
    মনে রাখুন:
    Common gender-এর আরও উদাহরণ: parent, child, student, teacher, friend, cousin।
    উদাহরণ: I have two siblings.
  19. ৭৩. It is high time we — our eating habit.আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৪, এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৪
    • ক. change
    • খ. have changed
    • গ. had changed
    • ঘ. changed
    উত্তর: ঘ. changed
    ‘It is high time’ বা ‘It is time’-এর পরে যে clause আসে, তার verb Past Indefinite হয়, কিন্তু অর্থ বর্তমান বা ভবিষ্যৎ। তাই এখানে changed বসেছে। অর্থাৎ আমাদের খাদ্যাভ্যাস বদলানোর সময় অনেক আগেই এসে গেছে। Change বা have changed বসালে এই বিশেষ গঠন ভেঙে যায়, আর had changed হলো Past Perfect, যা অতীতের আগের ঘটনা বোঝায়।
    মনে রাখুন:
    এই নিয়ম wish, as if ও would rather-এর পরেও খাটে।
    যেমন: I wish I knew the answer.
    উদাহরণ: It is high time you went to bed.
  20. ৭৬. What is the synonym of 'Precarious'?
    • ক. pre-condition
    • খ. prune
    • গ. hazardous
    • ঘ. incessant
    উত্তর: গ. hazardous
    Precarious একটি adjective, যার অর্থ অনিরাপদ, অনিশ্চিত বা বিপজ্জনক। এর সমার্থক শব্দ hazardous (ঝুঁকিপূর্ণ)। বাকি শব্দের অর্থ আলাদা: pre-condition মানে পূর্বশর্ত, prune মানে ডালপালা ছাঁটা, আর incessant মানে অবিরাম। তাই অর্থের দিক থেকে কেবল hazardous-ই precarious-এর কাছাকাছি।
    মনে রাখুন:
    Precarious-এর আরও কাছাকাছি শব্দ risky, dangerous, unsafe।
    বিপরীত শব্দ secure, stable।
    উদাহরণ: He lives in a precarious situation.
  21. ৮৫. Which of the following is correct?
    • ক. You, she and I were guilty.
    • খ. I, you and she were guilty.
    • গ. She, you and I was guilty.
    • ঘ. I, you and she was guilty.
    উত্তর: খ. I, you and she were guilty.
    একই বাক্যে ভিন্ন person থাকলে সাধারণত Second, Third, First ক্রমে বসে, যেমন You, he and I। কিন্তু দোষ, অপরাধ বা ভুল স্বীকারের ক্ষেত্রে ক্রম উল্টে First, Second, Third হয়। এখানে guilty শব্দ থাকায় সঠিক ক্রম I, you and she। আর একাধিক subject থাকায় verb বহুবচন were। তাই ‘She, you and I was guilty’ বা ‘I, you and she was guilty’ ভুল।
    মনে রাখুন:
    ভালো কাজের ক্ষেত্রে ক্রম: You, he and I।
    খারাপ কাজের ক্ষেত্রে: I, you and he।
    উদাহরণ: I, you and he are to blame.
  22. ৮৭. You had better — the work on time.
    • ক. done
    • খ. did
    • গ. do
    • ঘ. had done
    উত্তর: গ. do
    Had better একটি modal-এর মতো প্রকাশ, যা পরামর্শ বা সতর্কবার্তা বোঝায়। এর পরে to ছাড়া verb-এর base form বসে। তাই ‘You had better do the work on time’। অর্থাৎ ঠিক সময়ে কাজটা করে ফেলাই তোমার জন্য ভালো। Had done বা did বসালে গঠন ভুল হয়, আর done একা বসলে ক্রিয়ার পূর্ণ রূপ হয় না।
    মনে রাখুন:
    Had better-এর নেতিবাচক রূপ had better not + base verb।
    যেমন: You had better not be late.
    Would rather-এর পরেও base verb বসে।
  23. ৮৯. The synonym of 'panacea' is—
    • ক. remedy
    • খ. germ
    • গ. prevention
    • ঘ. injury
    উত্তর: ক. remedy
    Panacea শব্দের অর্থ সর্বরোগের ওষুধ বা এমন কোনো সমাধান, যা সব সমস্যা দূর করে। তাই এর কাছাকাছি অর্থ remedy (প্রতিকার)। বাকি শব্দগুলোর অর্থ আলাদা: germ মানে জীবাণু, prevention মানে প্রতিরোধ, আর injury মানে আঘাত। শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ থেকে, যার অর্থ ‘সব কিছু সারায় এমন’।
    মনে রাখুন:
    Panacea-এর আরও সমার্থক cure-all, elixir।
    উদাহরণ: There is no panacea for poverty.
  24. ৯২. He — the room just now.
    • ক. has left
    • খ. left
    • গ. was left
    • ঘ. had left
    উত্তর: খ. left
    Just now মানে একটু আগে, অর্থাৎ অতীতের একটি নির্দিষ্ট মুহূর্ত বোঝায়। নির্দিষ্ট অতীত সময়ের সঙ্গে Present Perfect বসে না, বসে Past Indefinite। তাই বাক্যটি হবে ‘He left the room just now’। Just একা থাকলে Present Perfect চলে, যেমন ‘He has just left the room’। Was left বসালে Passive হয়, আর had left হলো Past Perfect, যা এখানে অপ্রয়োজনীয়।
    মনে রাখুন: Just now, a moment ago, yesterday, last night জাতীয় শব্দের সঙ্গে সবসময় Past Indefinite।
  25. ৯৮. 'Very few playwrights are as renowned as Shakespeare.' Find out of correct comparative form of this statement :
    • ক. Shakespeare is more renowned than any other playwrights.
    • খ. Many other playwrights are more renowned than Shakespeare.
    • গ. Shakespeare is more renowned than very few playwrights.
    • ঘ. Shakespeare is more renowned than most other playwrights.
    উত্তর: ঘ. Shakespeare is more renowned than most other playwrights.
    ‘Very few playwrights are as renowned as Shakespeare’ বাক্যের অর্থ, শেক্সপিয়রের মতো বিখ্যাত নাট্যকার খুব কমই আছেন। অর্থাৎ বেশিরভাগ নাট্যকার তাঁর চেয়ে কম বিখ্যাত। Comparative degree-তে এটি হবে ‘Shakespeare is more renowned than most other playwrights’। Very few দিয়ে শুরু positive বাক্যকে comparative-এ বদলাতে most other + plural noun বসে। ‘Any other playwrights’ ভুল, কারণ any other-এর পরে singular noun বসে।
    মনে রাখুন: No other বা Few দিয়ে শুরু বাক্যে superlative-এর জন্য one of the most ব্যবহার হয়।

গণিত

  1. ৩. একজন ব্যাটসম্যান ২১টি বাউন্ডারি ও ওভার বাউন্ডারির মাধ্যমে ৯৬ রান করেন। তার বাউন্ডারির সংখ্যা কত?
    • ক. ১৫
    • খ. ১৬
    • গ. ৮১
    • ঘ. ১৮
    উত্তর: ক. ১৫
    ধরি, বাউন্ডারির সংখ্যা x। তাহলে ওভার বাউন্ডারির সংখ্যা 21 − x। বাউন্ডারিতে ৪ রান এবং ওভার বাউন্ডারিতে ৬ রান হয়, তাই 4x + 6(21 − x) = 96। এটি সরল করলে 126 − 2x = 96, অর্থাৎ 2x = 30 এবং x = 15। সুতরাং বাউন্ডারি ১৫টি আর ওভার বাউন্ডারি ৬টি।
    যাচাই: 15 × 4 = 60 এবং 6 × 6 = 36, মোট 96 রান।
    মনে রাখুন: এ ধরনের প্রশ্নে একটি রাশিকে x আর অন্যটিকে (মোট − x) ধরলে সমীকরণ সহজ হয়।
  2. ১১. log₁₀x = −1 হলে, x এর মান কত?
    • ক. 0.1
    • খ. 0.01
    • গ. 1/10000
    • ঘ. 0.001
    উত্তর: ক. 0.1
    লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী log₁₀x = −1 মানে 10⁻¹ = x। ঋণাত্মক ঘাত মানে সংখ্যাটির উল্টো রূপ নেওয়া, তাই 10⁻¹ = 1/10 = 0.1। অতএব x = 0.1।
    যাচাই: log₁₀ 0.1 = log₁₀ 10⁻¹ = −1।
    মনে রাখুন:
    log_a b = c হলে a^c = b।
    log₁₀ 1 = 0, log₁₀ 10 = 1, log₁₀ 100 = 2।
    আর log₁₀ 0.01 = −2, কারণ 0.01 = 10⁻²।
  3. ১২. যদি AB = BC = CA = 10 সে.মি. এবং AD ⊥ BC হয়, তবে AD = কত সে.মি.?
    • ক. 5√3
    • খ. 5√5
    • গ. 75
    • ঘ. 125
    উত্তর: ক. 5√3
    ত্রিভুজ ABC সমবাহু, কারণ তিন বাহুই 10 সে.মি.। সমবাহু ত্রিভুজের শীর্ষ A থেকে BC-এর ওপর টানা লম্ব AD ভূমিকে সমদ্বিখণ্ডিত করে। অতএব BD = BC/2 = 5 সে.মি.। সমকোণী ত্রিভুজ ABD-তে পিথাগোরাসের সূত্র অনুযায়ী AD² = AB² − BD² = 100 − 25 = 75, সুতরাং AD = 5√3 সে.মি.।
    মনে রাখুন:
    a বাহুবিশিষ্ট সমবাহু ত্রিভুজের উচ্চতা (√3/2)a এবং ক্ষেত্রফল (√3/4)a²।
    এখানে a = 10 হলে উচ্চতা 5√3।
    সমবাহু ত্রিভুজের প্রতিটি কোণ 60°।
  4. ১৬. ৫ + ৮ + ১১ + ১৪ ... ধারাটির কততম পদ ৩০২?
    • ক. ৬০তম
    • খ. ৭০তম
    • গ. ৯০তম
    • ঘ. ১০০তম
    উত্তর: ঘ. ১০০তম
    ধারাটির প্রথম পদ a = 5 এবং সাধারণ অন্তর d = 3 (8 − 5 = 3)। সমান্তর ধারার n তম পদের সূত্র হলো a + (n − 1)d। ধরি, 302 তম পদটি n তম। তাহলে 5 + (n − 1) × 3 = 302, অর্থাৎ 3(n − 1) = 297 এবং n − 1 = 99, তাই n = 100।
    যাচাই: 100 তম পদ = 5 + 99 × 3 = 302।
    মনে রাখুন: সমান্তর ধারার n পদের যোগফল S = n/2 [2a + (n − 1)d]।
  5. ২৪. r ব্যাসার্ধবিশিষ্ট একটি অর্ধবৃত্তের মধ্যে অন্তর্লিখিত করা যায় এরূপ সর্ববৃহৎ ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল কত?
    • ক. r²
    • খ. 2r²
    • গ. ½r²
    • ঘ. r³
    উত্তর: ক. r²
    অর্ধবৃত্তের ব্যাস হলো ত্রিভুজের ভূমি, যার দৈর্ঘ্য 2r। ত্রিভুজের শীর্ষবিন্দু বৃত্তচাপের যে বিন্দুতে থাকলে উচ্চতা সবচেয়ে বেশি হয়, সেটি অর্ধবৃত্তের সবচেয়ে উঁচু বিন্দু। তখন উচ্চতা r। ক্ষেত্রফল = ½ × ভূমি × উচ্চতা = ½ × 2r × r = r²।
    মনে রাখুন:
    অর্ধবৃত্তস্থ কোণ সমকোণ।
    তাই এই ত্রিভুজটি সমকোণী সমদ্বিবাহু, যার সমকোণ শীর্ষে।
    ভূমি স্থির থাকলে উচ্চতা যত বাড়ে, ত্রিভুজের ক্ষেত্রফলও তত বাড়ে।
  6. ২৯. যদি x² − y² = 16 এবং x + y > x − y হয়, তবে কোনটি x − y এর সমান হবে?
    • ক. 3
    • খ. 4
    • গ. 5
    • ঘ. 6
    উত্তর: ক. 3
    দেওয়া আছে x² − y² = 16, অর্থাৎ (x + y)(x − y) = 16। শর্ত অনুযায়ী x + y > x − y। দুই সংখ্যার গুণফল ধনাত্মক এবং বিকল্পগুলো ধনাত্মক হওয়ায় x − y ধনাত্মক। তখন x + y = 16/(x − y) > x − y থেকে (x − y)² < 16, অর্থাৎ x − y < 4। অপশনগুলোর মধ্যে শুধু 3 এই শর্ত মানে।
    যাচাই: x − y = 3 হলে x + y = 16/3, যা 3-এর চেয়ে বড়।
    মনে রাখুন: x² − y² = (x + y)(x − y) বীজগণিতের একটি মৌলিক সূত্র।
  7. ৪০. log_x (1/64) = −6 হলে, x এর মান কত?
    • ক. −2
    • খ. −1/2
    • গ. 1/2
    • ঘ. 2
    উত্তর: ঘ. 2
    লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী log_x(1/64) = −6 মানে x⁻⁶ = 1/64। ঋণাত্মক ঘাত উল্টো করে নিলে 1/x⁶ = 1/64, অর্থাৎ x⁶ = 64 = 2⁶। সমান ঘাত হওয়ায় x = 2। এখানে x = −2 নেওয়া যায় না, কারণ লগারিদমের ভিত্তি ঋণাত্মক হতে পারে না।
    মনে রাখুন:
    লগারিদমের ভিত্তি (base) ধনাত্মক এবং 1 ছাড়া হতে হয়।
    log_a b = c হলে a^c = b।
    যাচাই: 2⁻⁶ = 1/64।
  8. ৫৬. x = √2 + √3 হলে, x³ + 1/x³ এর মান কত?
    • ক. 6√2
    • খ. 18√3
    • গ. 9√2
    • ঘ. 8√2
    উত্তর: খ. 18√3
    x = √2 + √3 হলে 1/x = 1/(√2 + √3)। হর মূলদ করতে লব ও হরকে (√3 − √2) দিয়ে গুণ করি: 1/x = (√3 − √2)/((√3)² − (√2)²) = (√3 − √2)/(3 − 2) = √3 − √2। তাই x + 1/x = (√2 + √3) + (√3 − √2) = 2√3। এবার সূত্র: x³ + 1/x³ = (x + 1/x)³ − 3(x + 1/x) = (2√3)³ − 3 × 2√3 = 24√3 − 6√3 = 18√3।
    মনে রাখুন: (2√3)³ = 8 × 3√3 = 24√3।
  9. ৬৮. (∛3 × ∛4)^6 = কত?
    • ক. 12
    • খ. 48
    • গ. 36
    • ঘ. 144
    উত্তর: ঘ. 144
    ঘাত আকারে লিখলে ∛3 = 3^(1/3) এবং ∛4 = 4^(1/3)। সূত্র aᵐ × bᵐ = (ab)ᵐ ব্যবহার করে ∛3 × ∛4 = 12^(1/3)। এরপর ঘাতের ঘাত নিয়ে (12^(1/3))^6 = 12^(6/3) = 12² = 144।
    মনে রাখুন:
    (aᵐ)ⁿ = aᵐⁿ।
    এখানে 3^(6/3) × 4^(6/3) = 3² × 4² = 9 × 16 = 144, একই ফল।
    ঘাতের প্রশ্নে সব মূলকে ভগ্নাংশ-ঘাত আকারে লিখলে হিসাব সহজ হয়।
  10. ৭২. একটি সংখ্যার অর্ধেক তার এক-তৃতীয়াংশের চেয়ে ১৭ বেশি। সংখ্যাটি কত?
    • ক. ১০২
    • খ. ১০৪
    • গ. ১০৬
    • ঘ. ১০৮
    উত্তর: ক. ১০২
    সংখ্যাটি x ধরি। এর অর্ধেক x/2 এবং এক-তৃতীয়াংশ x/3। শর্ত অনুযায়ী অর্ধেক এক-তৃতীয়াংশের চেয়ে 17 বেশি, তাই x/2 − x/3 = 17। হরের ল.সা.গু. 6 ধরে বিয়োগ করলে 3x/6 − 2x/6 = x/6 = 17, অতএব x = 102।
    যাচাই: 102-এর অর্ধেক 51, এক-তৃতীয়াংশ 34, আর 51 − 34 = 17।
    মনে রাখুন: এ ধরনের প্রশ্নে অজানা সংখ্যাকে x ধরে শর্তটিকে সমীকরণে লিখলে সমাধান সহজ হয়।
  11. ৮৬. ৫৬ ফুট ব্যাসের একটি বৃত্তাকার ক্ষেত্রকে একই ক্ষেত্রফলের একটি বর্গক্ষেত্রে রূপান্তর করলে, বর্গক্ষেত্রের যেকোনো একদিকের দৈর্ঘ্য কত হবে?
    • ক. ২৮ ফুট
    • খ. ৩৬.৮ ফুট
    • গ. ৪৯.৬ ফুট
    • ঘ. ৪৬ ফুট
    উত্তর: গ. ৪৯.৬ ফুট
    বৃত্তের ব্যাস 56 ফুট হলে ব্যাসার্ধ r = 28 ফুট। ক্ষেত্রফল πr² = (22/7) × 28 × 28 = 22 × 4 × 28 = 2464 বর্গফুট। বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফলও সমান হবে, তাই বাহুর দৈর্ঘ্য √2464 ≈ 49.6 ফুট।
    মনে রাখুন:
    একই ক্ষেত্রফলের বৃত্ত ও বর্গের মধ্যে বৃত্তের পরিধি ছোট হয়।
    বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = a², তাই a = √ক্ষেত্রফল।
    যাচাই: 49.6 × 49.6 ≈ 2460, যা 2464-এর খুব কাছাকাছি।
  12. ৯০. ৮ জন লোক একটি কাজ ১২ দিনে করতে পারে। ২ জন লোক কমিয়ে দিলে কাজটি শেষ করতে শতকরা কত দিন বেশি লাগবে?
    • ক. ২৫%
    • খ. ৩৩⅓%
    • গ. ৫০%
    • ঘ. ৬৬⅔%
    উত্তর: খ. ৩৩⅓%
    কাজ একই থাকলে লোকসংখ্যা ও দিনের গুণফল সমান থাকে। 8 জন 12 দিনে কাজটি করলে মোট কাজ 8 × 12 = 96 জন-দিন। 2 জন কমে 6 জন হলে লাগবে 96/6 = 16 দিন। অর্থাৎ 16 − 12 = 4 দিন বেশি লাগে। শতকরা বৃদ্ধি (4/12) × 100 = 33⅓%।
    মনে রাখুন:
    লোক ও সময় বিপরীত সমানুপাতিক, অর্থাৎ লোক কমলে সময় বাড়ে।
    মোট কাজ = লোক × দিন।
  13. ৯৪. সমবৃত্তভূমিক সিলিন্ডারের ভূমির ব্যাসার্ধ 5 সে.মি. এবং উচ্চতা 12 সে.মি. হলে সিলিন্ডারের বক্রতলের ক্ষেত্রফল কত বর্গ সে.মি.?
    • ক. 10π
    • খ. 24π
    • গ. 60π
    • ঘ. 120π
    উত্তর: ঘ. 120π
    সমবৃত্তভূমিক সিলিন্ডারের বক্রতলের ক্ষেত্রফল 2πrh, যেখানে r ভূমির ব্যাসার্ধ আর h উচ্চতা। এখানে r = 5 ও h = 12, তাই ক্ষেত্রফল 2 × π × 5 × 12 = 120π বর্গ সে.মি.। সিলিন্ডারের বক্রতলকে কেটে সোজা করলে একটি আয়তক্ষেত্র পাওয়া যায়, যার দৈর্ঘ্য ভূমির পরিধি 2πr আর প্রস্থ উচ্চতা h।
    মনে রাখুন:
    সম্পূর্ণ তলের ক্ষেত্রফল = 2πr(r + h)
    আয়তন = πr²h
    বক্রতল মানে ওপর-নিচের দুই বৃত্ত বাদ দিয়ে শুধু পাশের তল।
  14. ৯৫. একটি কোণের দ্বিগুণ ৬০° হলে তার পূরক কোণ কত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৫
    • ক. ৩০°
    • খ. ১৫°
    • গ. ২০°
    • ঘ. ৬০°
    উত্তর: ঘ. ৬০°
    কোণটির দ্বিগুণ 60°, তাই কোণটি 60° ÷ 2 = 30°। দুটি কোণের যোগফল 90° হলে একটিকে অপরটির পূরক কোণ (Complementary Angle) বলে। সুতরাং 30°-এর পূরক কোণ 90° − 30° = 60°। এখানে খেয়াল রাখতে হবে, প্রশ্নে দেওয়া 60° মূল কোণ নয়, কোণের দ্বিগুণ।
    মনে রাখুন:
    যোগফল 180° হলে কোণ দুটি সম্পূরক (Supplementary)।
    পূরক কোণের যোগফল 90°।

বাংলাদেশ

  1. ৯. 'অগ্নিশ্বর' কোন ফসলের উন্নত জাত?
    • ক. ধান
    • খ. কলা
    • গ. পাট
    • ঘ. গম
    উত্তর: খ. কলা
    অগ্নিশ্বর উন্নত জাতের কলার নাম। বাংলাদেশে কলা একটি জনপ্রিয় ফল, আর কৃষি বিজ্ঞানীরা বেশি ফলন ও ভালো স্বাদের নানা জাত উদ্ভাবন করেছেন। বাকি তিনটি ফসল ধান, পাট ও গম, যেগুলোর জাতের নাম আলাদা। কলার আরও কিছু জাত হলো সবরি, সাগর, কানাইবাঁশি ও মেহেরসাগর।
    মনে রাখুন:
    কলা বছরজুড়ে পাওয়া যায় এবং এর কাঁচা ও পাকা দুই রূপই আমরা খাই।
    কলা একটি বহুবর্ষজীবী ভেষজ উদ্ভিদ, গাছ নয়।
  2. ১৩. গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের করমুক্ত আয়সীমা কত?
    • ক. ৩,৫০,০০০ টাকা
    • খ. ৪,০০,০০০ টাকা
    • গ. ৪,৫০,০০০ টাকা
    • ঘ. ৫,০০,০০০ টাকা
    উত্তর: ঘ. ৫,০০,০০০ টাকা
    আয়কর আইনে যে আয়ের ওপর কোনো কর দিতে হয় না, তাকে করমুক্ত আয়সীমা বলে। এই সীমা সবার জন্য এক নয়। সাধারণ করদাতার জন্য ৩,৫০,০০০ টাকা, নারী ও ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী করদাতার জন্য ৪,০০,০০০ টাকা এবং প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের করদাতার জন্য ৪,৭৫,০০০ টাকা। গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য এই সীমা সবচেয়ে বেশি, ৫,০০,০০০ টাকা।
    মনে রাখুন: সরকার প্রতি বছর বাজেটে এই সীমা বাড়াতে বা অপরিবর্তিত রাখতে পারে, তাই প্রশ্নের অর্থবছর দেখে উত্তর দিতে হয়।
  3. ৩৫. শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে রচিত যাত্রাপালার নাম কী?
    • ক. নিঃসঙ্গ সঙ্গী
    • খ. নিঃসঙ্গ লড়াই
    • গ. নিঃসঙ্গ রাত
    • ঘ. নিঃসঙ্গ রাত্রিবাস
    উত্তর: খ. নিঃসঙ্গ লড়াই
    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন নিয়ে যাত্রাপালা ‘নিঃসঙ্গ লড়াই’। এতে ২৫ মার্চের রাতে গ্রেফতারের পর পাকিস্তানের কারাগারে তাঁর বন্দিজীবনের কাহিনি তুলে ধরা হয়েছে। যাত্রা বাংলা লোকনাট্যের একটি জনপ্রিয় ধারা, যা মূলত খোলা মঞ্চে পরিবেশিত হয়। অন্য তিনটি নামে এমন কোনো পরিচিত যাত্রাপালা নেই।
    মনে রাখুন:
    বঙ্গবন্ধুকে ২৫ মার্চ ১৯৭১ রাতে গ্রেফতার করে পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়া হয়।
    তিনি ১০ জানুয়ারি ১৯৭২ স্বদেশে ফেরেন।
  4. ৩৬. নিচের কোনটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নয়?
    • ক. দুর্নীতি দমন কমিশন
    • খ. পাবলিক সার্ভিস কমিশন
    • গ. নির্বাচন কমিশন
    • ঘ. মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের দপ্তর
    উত্তর: ক. দুর্নীতি দমন কমিশন
    সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলতে সেসব প্রতিষ্ঠান বোঝায়, যাদের কথা সরাসরি সংবিধানে উল্লেখ আছে। দুর্নীতি দমন কমিশন গঠিত হয়েছে সংসদে পাস করা দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ দ্বারা। তাই এটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান, সাংবিধানিক নয়। বাকি তিনটির কথা সংবিধানের নির্দিষ্ট অনুচ্ছেদে আছে।
    মনে রাখুন:
    নির্বাচন কমিশন: অনুচ্ছেদ ১১৮
    মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক: অনুচ্ছেদ ১২৭
    সরকারি কর্ম কমিশন: অনুচ্ছেদ ১৩৭
    অ্যাটর্নি জেনারেল: অনুচ্ছেদ ৬৪
  5. ৩৯. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন কোনটি?
    • ক. সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩
    • খ. নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০
    • গ. সংবিধান
    • ঘ. সুপ্রিম কোর্ট
    উত্তর: গ. সংবিধান
    দেশের সর্বোচ্চ আইন সংবিধান। অন্য সব আইন সংবিধান মেনে তৈরি হয়। সংবিধানের ৭(২) অনুচ্ছেদে বলা আছে, সংবিধানের সঙ্গে কোনো আইন অসামঞ্জস্যপূর্ণ হলে সেই আইন যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ ততখানি বাতিল হবে। সাইবার নিরাপত্তা আইন বা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংসদের তৈরি সাধারণ আইন। সুপ্রিম কোর্ট একটি প্রতিষ্ঠান, কোনো আইন নয়।
    মনে রাখুন:
    সংবিধান গৃহীত হয় ৪ নভেম্বর ১৯৭২ এবং কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২।
    অনুচ্ছেদ ৭ সংবিধানের প্রাধান্য নিয়ে।
  6. ৪২. মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি কোন সালে স্বাক্ষরিত হয়?
    • ক. ১৯৭১
    • খ. ১৯৭২
    • গ. ১৯৭৩
    • ঘ. ১৯৭৪
    উত্তর: ঘ. ১৯৭৪
    মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৭৪ সালের ১৬ মে। এটি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্থলসীমান্ত নির্ধারণের চুক্তি। এতে ছিটমহল বিনিময়সহ সীমানার নানা বিষয় ছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী এতে সই করেন। চুক্তির বাস্তবায়ন পরে দীর্ঘদিন আটকে ছিল।
    মনে রাখুন:
    ২০১৫ সালের ৩১ জুলাই মধ্যরাতে দুই দেশ ছিটমহল বিনিময় কার্যকর করে।
    তখন ১১১টি ভারতীয় ছিটমহল বাংলাদেশে আসে এবং ৫১টি বাংলাদেশি ছিটমহল ভারতে যায়।
  7. ৪৭. 'পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ' কোন স্থানে গঠিত হয়?
    • ক. রোজ গার্ডেন, ঢাকা
    • খ. বলধা গার্ডেন, ঢাকা
    • গ. বর্ধমান হাউস, ঢাকা
    • ঘ. থিয়েটার রোড, কলকাতা
    উত্তর: ক. রোজ গার্ডেন, ঢাকা
    ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার টিকাটুলির রোজ গার্ডেনে একটি কর্মী সম্মেলনে ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ’ গঠিত হয়। মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী সভাপতি, শামসুল হক সাধারণ সম্পাদক এবং শেখ মুজিবুর রহমান যুগ্ম সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৫৫ সালে দলটি থেকে ‘মুসলিম’ শব্দ বাদ দিয়ে নাম হয় আওয়ামী লীগ, ফলে দলটি সব ধর্মের মানুষের জন্য খুলে যায়।
    মনে রাখুন:
    রোজ গার্ডেন ঢাকার টিকাটুলিতে অবস্থিত।
    দলটির প্রতিষ্ঠার সময় শেখ মুজিব জেলে ছিলেন।
  8. ৫২. বাংলাদেশের সংবিধানের কত নম্বর অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি সংসদ আহ্বান, স্থগিত ও ভেঙে দিতে পারেন?
    • ক. ৬৭ নং
    • খ. ৭০ নং
    • গ. ৭১ নং
    • ঘ. ৭২ নং
    উত্তর: ঘ. ৭২ নং
    সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সংসদ আহ্বান, স্থগিত (প্রোরোগ) ও ভেঙে দিতে পারেন। তিনি সংসদের প্রথম বৈঠকের সময় ও স্থানও ঠিক করেন। তবে বাস্তবে এসব কাজ তিনি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে করেন, কারণ আমাদের সরকারব্যবস্থা সংসদীয় এবং রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক প্রধান।
    মনে রাখুন:
    অনুচ্ছেদ ৭০: দলত্যাগ করলে সংসদ সদস্যপদ হারানো।
    অনুচ্ছেদ ৪৮: রাষ্ট্রপতি।
    অনুচ্ছেদ ৬৫: সংসদ প্রতিষ্ঠা।
  9. ৭০. ৭ আগস্ট ২০২৩ তারিখে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ১২ ডিসেম্বরকে কী দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়?
    • ক. ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস
    • খ. সোফিয়া দিবস
    • গ. স্মার্ট বাংলাদেশ দিবস
    • ঘ. জাতীয় তথ্য ও প্রযুক্তি দিবস
    উত্তর: গ. স্মার্ট বাংলাদেশ দিবস
    ২০২২ সালের ১২ ডিসেম্বর ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস’ উদ্যাপনের সময় সরকার ঘোষণা করে যে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ স্মার্ট বাংলাদেশে রূপ নেবে। এর পরের বছর, ৭ আগস্ট ২০২৩ তারিখের মন্ত্রিসভা বৈঠকে ১২ ডিসেম্বরকে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অর্থাৎ ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ ধারণাকে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’-এ উন্নীত করা হলো।
    মনে রাখুন:
    স্মার্ট বাংলাদেশের চারটি ভিত্তি হলো স্মার্ট নাগরিক, স্মার্ট অর্থনীতি, স্মার্ট সরকার ও স্মার্ট সমাজ।
    সোফিয়া একটি রোবটের নাম, কোনো দিবস নয়।
  10. ৭১. ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বৃহত্তম বাজার কোন দেশ?
    • ক. যুক্তরাজ্য
    • খ. যুক্তরাষ্ট্র
    • গ. ফ্রান্স
    • ঘ. জার্মানি
    উত্তর: খ. যুক্তরাষ্ট্র
    বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি বাজার যুক্তরাষ্ট্র। একক দেশ হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আমাদের রপ্তানি সবচেয়ে বেশি, আর জার্মানি ইউরোপের সবচেয়ে বড় বাজার। রপ্তানির বড় অংশই তৈরি পোশাক। যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সও বড় বাজার, তবে যুক্তরাষ্ট্রের পরে। সবচেয়ে বেশি পণ্য আমদানি হয় চীন থেকে।
    মনে রাখুন:
    বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশের বেশি আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে।
    ইউরোপীয় ইউনিয়ন সম্মিলিতভাবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি গন্তব্য।
  11. ৭৪. প্রাগৈতিহাসিক যুগে মানুষের অস্তিত্বরক্ষার সংগ্রামের সাথে নিচের কোন খেলাটির উৎপত্তির সম্পর্ক রয়েছে?
    • ক. দাড়িয়াবান্ধা
    • খ. ডাঙুলি
    • গ. কাবাডি
    • ঘ. গোল্লাছুট
    উত্তর: গ. কাবাডি
    মানুষ যখন বনে বাস করত, তখন শিকার ধরা আর শত্রুর আক্রমণ থেকে নিজেকে বাঁচানোই ছিল টিকে থাকার লড়াই। ধারণা করা হয়, এই সংগ্রামে দলবদ্ধ আক্রমণ ও আত্মরক্ষার কৌশল থেকেই কাবাডি খেলার জন্ম। তাই কাবাডির সঙ্গে অস্তিত্বরক্ষার সম্পর্ক সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ। ডাঙুলি, দাড়িয়াবান্ধা ও গোল্লাছুট আমাদের গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী খেলা হলেও এগুলোর সঙ্গে এমন যোগসূত্র করা হয় না।
    মনে রাখুন:
    কাবাডি বাংলাদেশের জাতীয় খেলা, যার আরেক নাম হা-ডু-ডু।
    এশিয়ান গেমসে কাবাডি ১৯৯০ সালে প্রথম অন্তর্ভুক্ত হয়।
  12. ৭৯. বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ কোনটি?
    • ক. জাতীয় সংসদ
    • খ. নির্বাচন কমিশন
    • গ. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
    • ঘ. রাষ্ট্রপতির কার্যালয়
    উত্তর: খ. নির্বাচন কমিশন
    বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। সংবিধানের ১১৯ অনুচ্ছেদে কমিশনের দায়িত্ব বলা আছে। এর মধ্যে আছে রাষ্ট্রপতি ও সংসদ সদস্য নির্বাচন পরিচালনা, নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ এবং ভোটার তালিকা তৈরি। রাষ্ট্রপতিকে সংসদ সদস্যরা নির্বাচন করেন, কিন্তু সেই নির্বাচন পরিচালনা করে নির্বাচন কমিশন। জাতীয় সংসদ বা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এ কাজ করে না।
    মনে রাখুন:
    রাষ্ট্রপতির মেয়াদ ৫ বছর।
    কেউ দুইবারের বেশি রাষ্ট্রপতি হতে পারেন না।
    নির্বাচন কমিশন গঠনের কথা অনুচ্ছেদ ১১৮-এ আছে।
  13. ৯৬. পরিবেশ রক্ষায় একটি দেশের কত শতাংশ বনভূমি প্রয়োজন?
    • ক. ১৫%
    • খ. ২০%
    • গ. ২৫%
    • ঘ. ৩০%
    উত্তর: গ. ২৫%
    পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বিশেষজ্ঞদের মতে কোনো দেশের মোট ভূমির অন্তত ২৫ শতাংশ বনভূমি থাকা দরকার। বন কার্বন ডাই-অক্সাইড শুষে নেয়, মাটি রক্ষা করে এবং বৃষ্টিপাতে সাহায্য করে। বাংলাদেশে বনভূমির অনুপাত এই আদর্শ হারের চেয়ে অনেক কম।
    মনে রাখুন:
    সুন্দরবন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন।
    সুন্দরবন ১৯৯৭ সালে ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় ঢোকে।
  14. ৯৯. পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের বিশেষজ্ঞ প্যানেলের সভাপতি কে ছিলেন?
    • ক. ড. মোহাম্মদ জাফর ইকবাল
    • খ. অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী
    • গ. অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী
    • ঘ. ড. মোহাম্মদ ইব্রাহীম
    উত্তর: গ. অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী
    পদ্মা বহুমুখী সেতুর পরিকল্পনা ও নকশা যাচাইয়ের জন্য একটি আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠিত হয়েছিল। এর সভাপতি ছিলেন বাংলাদেশের খ্যাতিমান প্রকৌশলী ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী। তিনি বুয়েটের অধ্যাপক ছিলেন এবং ২০২০ সালের ২৮ এপ্রিল মারা যান।
    মনে রাখুন:
    পদ্মা সেতু ২০২২ সালের ২৫ জুন উদ্বোধন করা হয়।
    সেতুটির দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।

বিজ্ঞান

  1. ১৪. রক্তনালিতে রক্ত জমাট না বাঁধার জন্য দায়ী কোনটি?
    • ক. হেপারিন
    • খ. হিস্টামিন
    • গ. হিমোগ্লোবিন
    • ঘ. লিম্ফোসাইট
    উত্তর: ক. হেপারিন
    রক্তনালির ভেতরে রক্ত সাধারণত জমাট বাঁধে না, কারণ রক্তে হেপারিন (Heparin) নামে একটি তন্তুনিরোধক বা অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট (Anticoagulant) পদার্থ থাকে। এটি মূলত বেসোফিল ও মাস্ট কোষ থেকে নিঃসৃত হয় এবং প্রোথ্রম্বিন থেকে থ্রম্বিন তৈরিতে বাধা দেয়। থ্রম্বিন তৈরি না হলে ফাইব্রিনোজেন ফাইব্রিনে বদলায় না, ফলে রক্ত জমাট বাঁধে না। হিস্টামিন প্রদাহের সঙ্গে জড়িত আর হিমোগ্লোবিন অক্সিজেন বহন করে।
    মনে রাখুন:
    ক্ষতস্থানে রক্ত জমাট বাঁধতে ভিটামিন K ও ক্যালসিয়াম সাহায্য করে।
    চিকিৎসায় রক্ত জমাট ঠেকাতে হেপারিন ইনজেকশন দেওয়া হয়।
  2. ১৮. বায়ুমণ্ডলের মোট শক্তির কত শতাংশ সূর্য থেকে আসে?
    • ক. ৯০ শতাংশ
    • খ. ৯৪ শতাংশ
    • গ. ৯৮ শতাংশ
    • ঘ. ৯৯.৯৭ শতাংশ
    উত্তর: ঘ. ৯৯.৯৭ শতাংশ
    পৃথিবীতে আমরা যত শক্তি ব্যবহার করি, তার প্রায় সবটাই আসে সূর্য থেকে, হিসাবে যা ৯৯.৯৭ শতাংশ। সূর্যের কেন্দ্রে হাইড্রোজেন পরমাণু একত্র হয়ে হিলিয়াম তৈরি করে (নিউক্লীয় ফিউশন), আর সেই বিপুল শক্তি আলো ও তাপ হয়ে মহাশূন্য পেরিয়ে পৃথিবীতে আসে। সূর্যের আলো পৃথিবীতে পৌঁছাতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড। বাকি শক্তি আসে ভূগর্ভের তাপ, জোয়ার-ভাটা ইত্যাদি অন্য উৎস থেকে।
    মনে রাখুন:
    গাছ সূর্যের আলো থেকে সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে খাদ্য তৈরি করে।
    কয়লা, তেল ও গ্যাস মূলত কোটি কোটি বছর আগের সৌরশক্তিরই সঞ্চিত রূপ।
  3. ২৭. বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি কোন গ্যাস বিদ্যমান?
    • ক. অক্সিজেন
    • খ. হিলিয়াম
    • গ. কার্বন ডাই-অক্সাইড
    • ঘ. নাইট্রোজেন
    উত্তর: ঘ. নাইট্রোজেন
    পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি আছে নাইট্রোজেন, প্রায় ৭৮ ভাগ। এর পরে আছে অক্সিজেন, প্রায় ২১ ভাগ, আর তারপর আর্গন। কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ মাত্র কয়েক শতাংশের ভগ্নাংশ, আর হিলিয়াম আরও কম। নাইট্রোজেন নিষ্ক্রিয় গ্যাস বলে বাতাসে সহজে বিক্রিয়া করে না, ফলে আমাদের শ্বাস নেওয়ার সময় অক্সিজেনের তীব্রতা কমে থাকে।
    মনে রাখুন:
    বাতাসের প্রায় ৯৯ ভাগই নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন।
    গাছ সরাসরি বাতাসের নাইট্রোজেন নিতে পারে না, কিছু ব্যাকটেরিয়া তাকে ব্যবহারযোগ্য যৌগে পরিণত করে।
  4. ৩২. প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান কী?
    • ক. ইথেন
    • খ. মিথেন
    • গ. নাইট্রোজেন
    • ঘ. অক্সিজেন
    উত্তর: খ. মিথেন
    প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন (Methane, CH₄), যা সাধারণত গ্যাসের অর্ধেকের বেশি, অনেক ক্ষেত্রে ৮০ শতাংশের ওপরে হয়। এর সঙ্গে অল্প পরিমাণে ইথেন, প্রোপেন ও বিউটেনও থাকে। বাংলাদেশের গ্যাসক্ষেত্রগুলোর গ্যাসে মিথেনের ভাগ বেশ বেশি হওয়ায় একে শুকনো গ্যাস বলা হয়। নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন এর প্রধান উপাদান নয়।
    মনে রাখুন:
    গ্যাসকে চাপ দিয়ে যানবাহনের জ্বালানি করা হলে তাকে সিএনজি (CNG) বলে।
    বাংলাদেশের প্রথম গ্যাসক্ষেত্র সিলেটের হরিপুর, আবিষ্কৃত হয় ১৯৫৫ সালে।
    মিথেন একটি গ্রিনহাউস গ্যাসও।
  5. ৪৪. স্ট্রিট ভাইরাস (Street Virus) কোন রোগের জীবাণুর নাম?
    • ক. টিটেনাস
    • খ. রেবিস
    • গ. হাম
    • ঘ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: খ. রেবিস
    জলাতঙ্ক (Rabies) রোগের জন্য দায়ী ভাইরাসের একটি রূপকে স্ট্রিট ভাইরাস (Street Virus) বলা হয়। প্রকৃতিতে কুকুর, শেয়াল, বাদুড়সহ নানা প্রাণীর দেহে যে বন্য ভাইরাস থাকে, তাকেই এই নাম দেওয়া হয়েছে। এ থেকেই বোঝা যায় এর সঙ্গে টিটেনাস (ব্যাকটেরিয়া থেকে হয়) বা হামের (অন্য ভাইরাস) কোনো সম্পর্ক নেই। আক্রান্ত প্রাণীর কামড় বা আঁচড় থেকে লালার মাধ্যমে ভাইরাস মানুষের দেহে ঢোকে এবং স্নায়ুতন্ত্রকে আক্রমণ করে।
    মনে রাখুন:
    জলাতঙ্কের টিকা আবিষ্কার করেন লুই পাস্তুর।
    গবেষণাগারে পরিবর্তিত ভাইরাসকে ফিক্সড ভাইরাস (Fixed Virus) বলে।
    একবার উপসর্গ দেখা দিলে রোগটি প্রায় সব ক্ষেত্রেই প্রাণঘাতী, তাই কামড়ের পরই টিকা নিতে হয়।
  6. ৫৯. সর্বোচ্চ গলনাঙ্কবিশিষ্ট ধাতু কোনটি?
    • ক. টাইটেনিয়াম
    • খ. প্ল্যাটিনাম
    • গ. টাংস্টেন
    • ঘ. জারকোনিয়াম
    উত্তর: গ. টাংস্টেন
    ধাতুদের মধ্যে টাংস্টেনের (Tungsten, W) গলনাঙ্ক সবচেয়ে বেশি, প্রায় 3422°C। এর তুলনায় প্ল্যাটিনামের গলনাঙ্ক প্রায় 1768°C, জারকোনিয়ামের প্রায় 1855°C আর টাইটেনিয়ামের প্রায় 1668°C, অর্থাৎ সবগুলোই অনেক কম। এই উচ্চ গলনাঙ্কের কারণেই বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্ট টাংস্টেন দিয়ে তৈরি হয়, কেননা এটি অতি উত্তপ্ত অবস্থাতেও গলে না।
    মনে রাখুন:
    গলনাঙ্ক সবচেয়ে কম ধাতু পারদ (Hg), যার গলনাঙ্ক প্রায় −39°C, তাই এটি স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তরল।
    টাংস্টেনের স্ফুটনাঙ্কও সব ধাতুর মধ্যে সর্বোচ্চ।
  7. ৬২. পৃথিবীতে একজন লোকের ভর ৭০ কেজি। চাঁদে মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ পৃথিবীর 1/6 গুণ। চাঁদে তার ভর কত কেজি?
    • ক. ১১৪.৩৩ কেজি
    • খ. ৭০ কেজি
    • গ. ১১.৬৭ কেজি
    • ঘ. ৪২০ কেজি
    উত্তর: খ. ৭০ কেজি
    ভর হলো বস্তুতে কতটা পদার্থ আছে তার পরিমাপ, যা পৃথিবী, চাঁদ বা মহাশূন্য, কোথাও বদলায় না। তাই চাঁদে গেলেও লোকটির ভর ৭০ কেজিই থাকবে। বদলায় ওজন, কারণ ওজন = ভর × অভিকর্ষজ ত্বরণ (W = mg)। চাঁদে ত্বরণ পৃথিবীর 1/6 অংশ, তাই ওজন হবে 70 × 9.8 / 6 ≈ 114.33 N, যা পৃথিবীর ওজনের মাত্র এক-ষষ্ঠাংশ।
    মনে রাখুন:
    ভর স্কেলার রাশি, একক kg।
    ওজন ভেক্টর রাশি, একক নিউটন (N)।
  8. ৬৫. নিচের কোনটি আমিষ জাতীয় খাদ্য হজমে সাহায্য করে?
    • ক. ট্রিপসিন
    • খ. লাইপেজ
    • গ. টায়ালিন
    • ঘ. অ্যামাইলেজ
    উত্তর: ক. ট্রিপসিন
    আমিষ বা প্রোটিন হজম করে প্রোটিয়েজ জাতীয় এনজাইম। ট্রিপসিন (Trypsin) এমনই একটি এনজাইম, যা অগ্ন্যাশয়ের রসে থাকে এবং ক্ষুদ্রান্ত্রে প্রোটিনকে ভেঙে ছোট অংশ করে। বাকি বিকল্পগুলো অন্য খাদ্য হজম করে: লাইপেজ (Lipase) স্নেহ বা চর্বিকে এবং টায়ালিন ও অ্যামাইলেজ শর্করা বা শ্বেতসারকে ভাঙে।
    মনে রাখুন:
    পাকস্থলীতে প্রোটিন হজম করে পেপসিন।
    লালায় থাকা টায়ালিন শ্বেতসারকে মল্টোজে পরিণত করে।
    স্নেহ পদার্থ হজমে লাইপেজ কাজ করে।
  9. ৭৭. গামা রশ্মির চার্জ কোনটি?
    • ক. ধনাত্মক
    • খ. ঋণাত্মক
    • গ. চার্জনিরপেক্ষ
    • ঘ. ধনাত্মক ও ঋণাত্মক উভয় ধরনের
    উত্তর: গ. চার্জনিরপেক্ষ
    গামা রশ্মি (Gamma Ray) আসলে ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের একটি তড়িৎচৌম্বকীয় তরঙ্গ, যা শক্তিশালী ফোটন দিয়ে গঠিত। ফোটনের কোনো চার্জ থাকে না, তাই গামা রশ্মি চার্জনিরপেক্ষ। এ কারণে তড়িৎ বা চৌম্বক ক্ষেত্র দিয়ে একে বাঁকানো যায় না। বিপরীতে আলফা কণা ধনাত্মক আর বিটা কণা ঋণাত্মক চার্জযুক্ত, তাই ক্ষেত্রে এরা বেঁকে যায়।
    মনে রাখুন:
    আলফা কণা হলো হিলিয়াম নিউক্লিয়াস, বিটা কণা হলো ইলেকট্রন।
    তিন রশ্মির মধ্যে গামা রশ্মির ভেদন ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি।
    আলফা রশ্মির আয়নায়ন ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি।
  10. ৮৩. কোনটি পৃথিবীর বিশাল আকৃতির শোধনাগার?
    • ক. বায়ু
    • খ. মাটি
    • গ. পানি
    • ঘ. গাছপালা
    উত্তর: খ. মাটি
    মাটির ওপর পড়া বৃষ্টির পানি যখন স্তরে স্তরে ভেতরে ঢোকে, তখন মাটির কণা তার ময়লা আটকে রাখে আর মাটির অণুজীব অনেক বর্জ্য পদার্থকে ভেঙে নিরীহ করে দেয়। এভাবে মাটি প্রকৃতির এক বিশাল ছাঁকনি বা শোধনাগারের কাজ করে। তাই মাটিকে এই নামে ডাকা হয়। বায়ু, পানি ও গাছপালাও পরিবেশ রক্ষায় ভূমিকা রাখে, কিন্তু এই বিশেষ নাম পায় মাটি।
    মনে রাখুন:
    ভূগর্ভস্থ পানি মাটির স্তরে ছেঁকে নিরাপদ হয় বলে নলকূপের পানি তুলনামূলক পরিষ্কার।
    গাছপালা বাতাস থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড নিয়ে অক্সিজেন ছাড়ে।

আন্তর্জাতিক

  1. ২১. কোন দেশ বাংলা ভাষাকে তাদের ২য় মাতৃভাষার মর্যাদা দিয়েছে?
    • ক. কানাডা
    • খ. সিয়েরা লিওন
    • গ. হাইতি
    • ঘ. মালি
    উত্তর: খ. সিয়েরা লিওন
    বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের অবদানের সম্মানে পশ্চিম আফ্রিকার দেশ সিয়েরা লিওন ২০০২ সালে বাংলা ভাষাকে বিশেষ মর্যাদা দেয় বলে প্রচলিত তথ্য। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী ভূমিকা কত সমাদৃত, সেটি তুলে ধরা হয়। বাকি তিনটি দেশ কানাডা, হাইতি ও মালি, যেগুলোর সঙ্গে এই বিশেষ মর্যাদার তথ্য যুক্ত নয়।
    মনে রাখুন:
    বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বহু বছর ধরে শীর্ষ অবদানকারী দেশগুলোর একটি।
    ২১ ফেব্রুয়ারি ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে ইউনেসকো ১৯৯৯ সালে স্বীকৃতি দেয়।
    দিবসটি প্রথম পালিত হয় ২০০০ সালে।
  2. ২৮. স্থলভাগের দিক দিয়ে পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম দেশ কোনটি?
    • ক. ভুটান
    • খ. মালদ্বীপ
    • গ. সিঙ্গাপুর
    • ঘ. ভ্যাটিকান সিটি
    উত্তর: ঘ. ভ্যাটিকান সিটি
    ভ্যাটিকান সিটি আয়তনের দিক থেকে পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট স্বাধীন রাষ্ট্র। এর আয়তন প্রায় ০.৪৪ বর্গকিলোমিটার, অর্থাৎ প্রায় ১১০ একর। এটি ইতালির রোম শহরের ভেতরে অবস্থিত। ১৯২৯ সালে ল্যাটেরান চুক্তির মাধ্যমে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে এর জন্ম হয়। রাষ্ট্রের প্রধান পোপ। বাকি দেশগুলো এর চেয়ে অনেক বড়: ভুটান, মালদ্বীপ ও সিঙ্গাপুর সবই বাস্তবে ভ্যাটিকানের চেয়ে বিশাল।
    মনে রাখুন:
    জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্যদের মধ্যে ক্ষুদ্রতম দেশ মোনাকো।
    ভ্যাটিকান জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র।
  3. ৪৫. সর্বপ্রথম কোন দেশে রাজনৈতিক দলের উদ্ভব ঘটে?
    • ক. ইংল্যান্ড
    • খ. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
    • গ. ফ্রান্স
    • ঘ. গ্রিস
    উত্তর: ক. ইংল্যান্ড
    আধুনিক অর্থে রাজনৈতিক দলের জন্ম ইংল্যান্ডে। সপ্তদশ শতকে রাজা ও পার্লামেন্টের ক্ষমতার টানাপোড়েনে টোরি ও হুইগ নামে দুটি গোষ্ঠী তৈরি হয়। টোরি গোষ্ঠী থেকেই পরে কনজারভেটিভ পার্টির জন্ম। হুইগরা পরে লিবারেল পার্টিতে রূপ নেয়। সংসদীয় গণতন্ত্রের সূতিকাগার ইংল্যান্ড, তাই দলীয় ব্যবস্থার শুরুও সেখানে। গ্রিসের প্রাচীন নগররাষ্ট্রে গণতন্ত্রের চর্চা ছিল ঠিকই, কিন্তু সেখানে আজকের মতো সংগঠিত রাজনৈতিক দল ছিল না।
    মনে রাখুন:
    ইংল্যান্ডের কনজারভেটিভ পার্টিকে ‘টোরি’ বলা হয়।
    যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম দলীয় ব্যবস্থা তৈরি হয় ফেডারেলিস্ট ও ডেমোক্র্যাটিক-রিপাবলিকানদের মধ্যে।
  4. ৪৬. বাংলাদেশ কোন সালে কমনওয়েলথ এর সদস্যপদ লাভ করে?
    • ক. ১৯৭২
    • খ. ১৯৭৩
    • গ. ১৯৭৪
    • ঘ. ১৯৭৫
    উত্তর: ক. ১৯৭২
    স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৮ এপ্রিল কমনওয়েলথের সদস্যপদ পায় এবং সংগঠনটির ৩২তম সদস্য হয়। কমনওয়েলথ মূলত সাবেক ব্রিটিশ উপনিবেশগুলোর একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। এর সদস্য দেশগুলো সমান মর্যাদায় পরস্পরের সঙ্গে সহযোগিতা করে। তাই স্বাধীনতার অল্প কিছুদিনের মধ্যেই, ১৯৭২ সালেই বাংলাদেশ এর সদস্য হয়।
    মনে রাখুন:
    এর সদর দপ্তর লন্ডনে।
    বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ পায়, আর কমনওয়েলথের সদস্যপদ পায় তার আগে।
  5. ৫৪. 'Voice of the people, is the voice of God'- উক্তিটি কার?
    • ক. হবস
    • খ. অস্টিন
    • গ. রুশো
    • ঘ. লক
    উত্তর: গ. রুশো
    ‘Voice of the people is the voice of God’ বাক্যটি ল্যাটিন প্রবাদ ‘Vox populi, vox Dei’-এর ইংরেজি রূপ। রাষ্ট্রচিন্তার প্রশ্নে এই ধারণা জাঁ জ্যাক রুশোর নামে পরিচিত। রুশো ‘সামাজিক চুক্তি’ (The Social Contract) গ্রন্থে সাধারণ ইচ্ছার (General Will) ওপর জোর দেন, অর্থাৎ জনগণের সম্মিলিত ইচ্ছাই রাষ্ট্রের শক্তি। হবস ও লকও সামাজিক চুক্তির তাত্ত্বিক, কিন্তু উক্তিটি তাঁদের নামে পরিচিত নয়।
    মনে রাখুন:
    হবসের গ্রন্থ ‘লেভিয়াথান’।
    লকের গ্রন্থ ‘টু ট্রিটিজেস অন গভর্নমেন্ট’।
    রুশোর বিখ্যাত উক্তি ‘Man is born free, but everywhere he is in chains’।
  6. ৫৭. হংকং চীনের সাথে একীভূত হয় কত সালে?
    • ক. ১৯৯৬
    • খ. ১৯৯৭
    • গ. ১৯৯৮
    • ঘ. ১৯৯৯
    উত্তর: খ. ১৯৯৭
    হংকং ১৯৯৭ সালের ১ জুলাই ব্রিটেনের কাছ থেকে চীনের কাছে ফিরে যায়। ১৯৮৪ সালে চীন ও ব্রিটেনের যৌথ ঘোষণার মাধ্যমে এই হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত হয়। হস্তান্তরের পর হংকং চীনের একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল হয় এবং ‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থা’ নীতিতে ২০৪৭ সাল পর্যন্ত স্বায়ত্তশাসন পাওয়ার কথা। এর ফলে সেখানকার আলাদা আইন ও অর্থব্যবস্থা বহাল থাকে।
    মনে রাখুন:
    ম্যাকাও পর্তুগালের কাছ থেকে চীনে ফেরে ১৯৯৯ সালের ২০ ডিসেম্বর।
    হংকং ১৮৪২ সালে নানকিং চুক্তিতে ব্রিটেনের অধীনে যায়।
  7. ৭৮. কোন চুক্তি অনুযায়ী European Economic Community (EEC) গঠিত হয়?
    • ক. ম্যাস্ট্রিট চুক্তি
    • খ. প্যারিস চুক্তি
    • গ. রোম চুক্তি
    • ঘ. জেনেভা চুক্তি
    উত্তর: গ. রোম চুক্তি
    ইউরোপীয় অর্থনৈতিক সম্প্রদায় (European Economic Community, EEC) গঠিত হয় রোম চুক্তির মাধ্যমে। চুক্তিটি ১৯৫৭ সালের ২৫ মার্চ ফ্রান্স, পশ্চিম জার্মানি, ইতালি, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস ও লুক্সেমবার্গ সই করে। এটি কার্যকর হয় ১৯৫৮ সালের ১ জানুয়ারি। এই সম্প্রদায়ই পরবর্তী সময়ে ধাপে ধাপে বড় হয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নে রূপ নেয়।
    মনে রাখুন:
    ম্যাস্ট্রিখট চুক্তি (১৯৯২) ইউরোপীয় ইউনিয়ন তৈরির ভিত্তি, যা ১৯৯৩ সালে কার্যকর হয়।
    প্যারিস চুক্তি (১৯৫১) দিয়ে ইউরোপীয় কয়লা ও ইস্পাত সম্প্রদায় (ECSC) গঠিত হয়।
  8. ৮১. বিশ্ব পরিবেশ দিবস কোনটি?
    • ক. ৫ জুন
    • খ. ৬ জুন
    • গ. ৭ জুন
    • ঘ. ৮ জুন
    উত্তর: ক. ৫ জুন
    প্রতি বছর ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়। ১৯৭২ সালে সুইডেনের স্টকহোমে জাতিসংঘের মানব পরিবেশ সম্মেলন শুরু হয় ৫ জুন। সেই স্মরণে জাতিসংঘ এই দিনটিকে পরিবেশ দিবস ঘোষণা করে। দিবসটি প্রথম পালিত হয় ১৯৭৪ সালে। প্রতি বছর দিবসটির জন্য একটি বিশেষ প্রতিপাদ্য ঠিক করা হয়।
    মনে রাখুন:
    ২২ এপ্রিল বসুন্ধরা দিবস (Earth Day) পালিত হয়।
    বিশ্ব পরিবেশ দিবসের আয়োজক সংস্থা জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP)।
  9. ৮৪. আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভূমিকায় সন্তুষ্ট হয়ে নিম্নের কোন দেশ তাদের একটি রাস্তার নাম দিয়েছে 'বাংলাদেশ রোড'?
    • ক. সিয়েরা লিওন
    • খ. সুদান
    • গ. আইভরিকোস্ট
    • ঘ. মালি
    উত্তর: গ. আইভরিকোস্ট
    জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভূমিকায় সন্তুষ্ট হয়ে পশ্চিম আফ্রিকার দেশ আইভরিকোস্ট ২০০৭ সালে একটি রাস্তার নাম রাখে ‘বাংলাদেশ রোড’। বাংলাদেশ শান্তিরক্ষা বাহিনীতে বহু বছর ধরে সবচেয়ে বেশি সৈন্য পাঠানো দেশগুলোর একটি। এই সম্মান বাংলাদেশি সৈনিকদের দক্ষতা ও আন্তরিক সেবার স্বীকৃতি।
    মনে রাখুন:
    আইভরিকোস্টে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনের নাম UNOCI।
    বাংলাদেশ প্রথম জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অংশ নেয় ১৯৮৮ সালে ইরান-ইরাকে (UNIIMOG)।

মানসিক দক্ষতা

  1. ৫০. সারিটি পূর্ণ করুন : ২৭, ৫, ২৫, ৮, ২৩, ১১, ২১, ...,
    • ক. ১৫, ২১
    • খ. ১৪, ১৯
    • গ. ১৬, ২৩
    • ঘ. ১২, ১৯
    উত্তর: খ. ১৪, ১৯
    সারিটি আসলে দুটি আলাদা ক্রমের মিশ্রণ। বিজোড় স্থানের সংখ্যাগুলো হলো 27, 25, 23, 21, ... অর্থাৎ প্রতিবার 2 করে কমছে। জোড় স্থানের সংখ্যাগুলো হলো 5, 8, 11, ... অর্থাৎ প্রতিবার 3 করে বাড়ছে। এখন সারির সপ্তম পদ 21 পর্যন্ত এসেছে, তাই অষ্টম পদ = 11 + 3 = 14 এবং নবম পদ = 21 − 2 = 19।
    মনে রাখুন: এমন সারিতে পদগুলোকে একটা বাদ দিয়ে দুই ভাগে সাজালে নিয়মটা সহজে চোখে পড়ে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সুপারিনটেনডেন্ট নিয়োগ পরীক্ষা: সব বছর

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সুপারিনটেনডেন্ট নিয়োগ পরীক্ষা: ২ বছরের প্রশ্ন আর বিষয়ভিত্তিক মানবণ্টন একসঙ্গে

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়: অন্যান্য পরীক্ষা

আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান

বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন