পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৪: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ৪ মার্চ ২০২৪। ৯৯টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →বাংলা
- ১. কোন জেলার ভাষারীতি পরবর্তীতে সাহিত্য সৃষ্টির মাধ্যম হিসেবে প্রসার লাভ করে?
- ক. খুলনা
- খ. নদীয়া
- গ. যশোহর
- ঘ. কুমিল্লা
উত্তর: খ. নদীয়া
বাংলা সাহিত্যে সাধু ভাষা একসময় লেখার ভাষা ছিল, কিন্তু এটি মুখের ভাষার থেকে আলাদা এক কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা। পরে মুখের ভাষার কাছাকাছি চলিত রীতি সাহিত্যে জায়গা করে নেয়। বর্তমান প্রমিত চলিত ভাষার ভিত্তি হলো কলকাতা ও নদীয়া অঞ্চলের শিষ্ট কথ্য ভাষা, যা রাঢ়ী উপভাষা থেকে এসেছে। তাই এই প্রশ্নের উত্তর নদীয়া।
মনে রাখুন: সাধু ভাষার প্রতিষ্ঠার সঙ্গে বিদ্যাসাগর এবং চলিত ভাষার প্রতিষ্ঠার সঙ্গে প্রমথ চৌধুরী জড়িত। - ২. 'চিলেকোঠার সেপাই' উপন্যাসের লেখক কে?
- ক. শওকত আলী
- খ. শওকত ওসমান
- গ. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
- ঘ. জহির রায়হান
উত্তর: গ. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
‘চিলেকোঠার সেপাই’ উপন্যাসের লেখক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস। এটি ১৯৮৭ সালে প্রকাশিত, আর ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের পটভূমিতে লেখা। উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র ওসমান ও হাড্ডি খিজির। শওকত ওসমান ও জহির রায়হান অন্য ঔপন্যাসিক।
মনে রাখুন:
ইলিয়াসের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস ‘খোয়াবনামা’ (১৯৯৬)।
‘খোয়াবনামা’-র পটভূমিতে তেভাগা আন্দোলন, সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ও ১৯৪৩ সালের মন্বন্তর রয়েছে। - ৩. মধ্যযুগের কাব্য কোনটি?
- ক. খোয়াবনামা
- খ. পদ্মাবতী
- গ. গৃহদাহ
- ঘ. মহাশ্মশান
উত্তর: খ. পদ্মাবতী
‘পদ্মাবতী’ মধ্যযুগের বাংলা কাব্য, যার রচয়িতা সৈয়দ আলাওল। এটি মালিক মুহম্মদ জায়সীর হিন্দি কাব্য ‘পদুমাবৎ’-এর বাংলা রূপান্তর। অন্য তিনটি আধুনিক যুগের রচনা: ‘খোয়াবনামা’ ও ‘গৃহদাহ’ উপন্যাস এবং ‘মহাশ্মশান’ মহাকাব্য।
মনে রাখুন:
আলাওলের অন্যান্য রচনা: সপ্তপয়কর, তোহফা, সিকান্দরনামা।
দৌলত কাজীর কাব্য ‘সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী’। - ৪. 'পিপাসিত' শব্দের বিশেষ্য রূপ—
- ক. পিপাসী
- খ. পিয়াসী
- গ. পিপাসা
- ঘ. পিপাসু
উত্তর: গ. পিপাসা
‘পিপাসিত’ একটি বিশেষণ পদ, যার অর্থ যে পিপাসা অনুভব করছে। এর বিশেষ্য রূপ ‘পিপাসা’। ‘পিপাসী’ ও ‘পিপাসু’ বিশেষণ রূপ, আর ‘পিয়াসী’ কাব্যিক শব্দ।
মনে রাখুন:
অনুরক্ত → অনুরাগ।
ঐচ্ছিক → ইচ্ছা।
প্রাকৃতিক → প্রকৃতি।
অনূদিত → অনুবাদ। - ৫. শুদ্ধ বানান কোনটি?
- ক. আশংকা
- খ. আসংকা
- গ. আশঙ্কা
- ঘ. আসঙ্কা
উত্তর: গ. আশঙ্কা
শুদ্ধ বানান ‘আশঙ্কা’। এই শব্দ সন্ধির ফলে তৈরি নয়, তাই ‘ঙ’ বদলে অনুস্বার (ং) বসে না। অথচ সন্ধির নিয়মে ‘ম্’ বদলে অনুস্বার হয়, যেমন অহম্ + কার = অহংকার।
মনে রাখুন:
সন্ধিজাত শব্দে ‘ং’ বসে: সংগীত, ভয়ংকর, শুভংকর।
সন্ধিজাত নয় এমন শব্দে ‘ঙ’ বসে: অঙ্ক, আতঙ্ক, শৃঙ্খলা, সঙ্গে। - ৬. 'কেঁচে গণ্ডূষ' বাগধারার অর্থ—
- ক. মূর্খ
- খ. আশায় নৈরাশ্য
- গ. নিতান্ত অলস
- ঘ. পুনরায় আরম্ভ
উত্তর: ঘ. পুনরায় আরম্ভ
‘কেঁচে গণ্ডূষ’ বাগধারার অর্থ পুনরায় আরম্ভ করা, অর্থাৎ কাজ প্রায় শেষ হয়ে আসার পরও আবার শুরু থেকে আরম্ভ করতে হওয়া। অন্য বাগধারাগুলোর অর্থ: গোবর গণেশ মানে মূর্খ, গুড়ে বালি মানে আশায় নৈরাশ্য আর গোঁফখেজুরে মানে নিতান্ত অলস।
মনে রাখুন: ‘গণ্ডূষ’ শব্দের অর্থ এক কুলি পানি। - ৭. 'কদাচার' কোন সমাস?
- ক. কর্মধারয়
- খ. তৎপুরুষ
- গ. বহুব্রীহি
- ঘ. অব্যয়ীভাব
উত্তর: ক. কর্মধারয়
‘কদাচার’ শব্দটি কর্মধারয় সমাস, যার ব্যাসবাক্য ‘কুৎসিত যে আচার’। কর্মধারয় সমাসে পূর্বপদ বিশেষণ হয়ে পরপদ বিশেষ্যকে বিশেষিত করে, আর পরপদের অর্থই প্রধান থাকে।
উদাহরণ:
নীলপদ্ম: নীল যে পদ্ম।
তুষারশুভ্র: তুষারের মতো শুভ্র।
জজসাহেব: জজ যে সাহেব। - ৮. কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাটক?
- ক. ঝিলিমিলি
- খ. রক্তকরবী
- গ. পথিক
- ঘ. কিন্নরী
উত্তর: খ. রক্তকরবী
‘রক্তকরবী’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি সাংকেতিক নাটক, যা ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়। নাটকের নাম আগে ‘যক্ষপুরী’ ছিল। এর প্রধান চরিত্র নন্দিনী, যে যক্ষপুরীর শোষণের মধ্যে প্রাণের কথা বলে। অন্য অপশনগুলো রবীন্দ্রনাথের নাটক হিসেবে পরিচিত নয়।
মনে রাখুন: রবীন্দ্রনাথের অন্যান্য সাংকেতিক নাটক: রাজা, ডাকঘর, অচলায়তন, মুক্তধারা। - ৯. মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রবর্তিত ছন্দ—
- ক. স্বরবৃত্ত
- খ. মাত্রাবৃত্ত
- গ. অমিত্রাক্ষর
- ঘ. পয়ার
উত্তর: গ. অমিত্রাক্ষর
মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ প্রবর্তন করেন। এ ছন্দে পঙ্ক্তির শেষে অন্ত্যমিল থাকে না এবং এক পঙ্ক্তির বক্তব্য পরের পঙ্ক্তিতে গড়িয়ে যায়। মূলত পয়ারের কাঠামো ভেঙে এই ছন্দ তৈরি হয়েছে, তাই একে প্রবহমান অক্ষরবৃত্তও বলা হয়।
মনে রাখুন: তাঁর ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ এই ছন্দেই রচিত। বাংলা সাহিত্যে সনেট প্রবর্তনও তাঁর কীর্তি। - ১০. 'বাতাস' শব্দের প্রতিশব্দ—
- ক. সমীরণ
- খ. অরুণ
- গ. অবনী
- ঘ. সলিল
উত্তর: ক. সমীরণ
‘বাতাস’ শব্দের একটি প্রতিশব্দ ‘সমীরণ’। বাতাসের আরও প্রতিশব্দ হলো অনিল, বায়ু, পবন, হাওয়া, মরুৎ। বাকিগুলোর অর্থ আলাদা: ‘অরুণ’ মানে সূর্য, ‘অবনী’ মানে পৃথিবী, আর ‘সলিল’ মানে পানি।
মনে রাখুন: পৃথিবীর প্রতিশব্দ: ধরণী, ধরা, বসুন্ধরা, মেদিনী। - ১১. 'সংস্কৃতি কথা' প্রবন্ধের লেখক কে?
- ক. কাজী মোতাহার হোসেন
- খ. মোতাহের হোসেন চৌধুরী
- গ. আহমেদ শরীফ
- ঘ. প্রমথ চৌধুরী
উত্তর: খ. মোতাহের হোসেন চৌধুরী
‘সংস্কৃতি কথা’ প্রবন্ধগ্রন্থটির লেখক মোতাহের হোসেন চৌধুরী। বইটি ১৯৫৮ সালে প্রকাশিত। এতে তিনি সংস্কৃতির লক্ষ্য মনুষ্যত্বের বিকাশ বলে মত দিয়েছেন।
মনে রাখুন:
তাঁর অন্য দুটি প্রবন্ধগ্রন্থ ‘সভ্যতা’ ও ‘সুখ’।
মোতাহের হোসেন চৌধুরী ‘বুদ্ধির মুক্তি’ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। - ১৩. কার ছদ্মনাম 'পরশুরাম'?
- ক. প্রমথ চৌধুরী
- খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গ. রাজশেখর বসু
- ঘ. প্রেমেন্দ্র মিত্র
উত্তর: গ. রাজশেখর বসু
‘পরশুরাম’ ছদ্মনামে লিখতেন রাজশেখর বসু, যিনি হাস্যরসাত্মক গল্পের জন্য বিখ্যাত। অন্য ছদ্মনামগুলো অন্য লেখকদের: প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম ‘বীরবল’, রবীন্দ্রনাথের ‘ভানুসিংহ ঠাকুর’ এবং প্রেমেন্দ্র মিত্রের ‘কৃত্তিবাস ভদ্র’।
মনে রাখুন: পরশুরামের একটি জনপ্রিয় গল্পের বই ‘গড্ডলিকা’। - ১৪. 'নন্দিত'-এর বিপরীত শব্দ কোনটি?
- ক. বিষণ্ণ
- খ. বিষাদ
- গ. বিগ্রহ
- ঘ. নিন্দিত
উত্তর: ঘ. নিন্দিত
‘নন্দিত’ মানে প্রশংসিত বা আনন্দিত। এর বিপরীত শব্দ ‘নিন্দিত’, অর্থাৎ যার নিন্দা করা হয়েছে। বাকি তিনটি শব্দের বিপরীত শব্দ আলাদা: ‘বিষণ্ণ’-এর বিপরীত ‘প্রসন্ন’, ‘বিষাদ’-এর বিপরীত ‘আনন্দ’ আর ‘বিগ্রহ’-এর বিপরীত ‘সন্ধি’।
মনে রাখুন: ‘বিগ্রহ’ শব্দের অর্থ যুদ্ধ বা দেবমূর্তি, আর ‘সন্ধি’ মানে মিলন বা চুক্তি। - ১৫. কোনটি শুদ্ধ শব্দ?
- ক. আপদমস্তক
- খ. আপাদমস্তক
- গ. আপদমস্ত
- ঘ. আপাদমস্ত
উত্তর: খ. আপাদমস্তক
শুদ্ধ শব্দ ‘আপাদমস্তক’, যার অর্থ পা থেকে মাথা পর্যন্ত। শব্দটি ‘আ + পাদ + মস্তক’ থেকে তৈরি, যেখানে ‘আ’ মানে থেকে এবং ‘পাদ’ মানে পা। তাই ‘আপাদ’ লিখতে হয়, ‘আপদ’ নয়, কারণ ‘আপদ’ শব্দের অর্থ বিপদ। শেষে শুদ্ধ ‘মস্তক’ বসে, ‘মস্ত’ নয়।
মনে রাখুন: আরও শুদ্ধ বানান: ভৌগোলিক, পারস্পরিক, ঔপনিবেশিক, অপরাহ্ণ, শ্মশান, স্বায়ত্তশাসন, মরুদ্যান। - ১৬. শিসধ্বনি কোনটি?
- ক. শ, স, ষ
- খ. ঙ, ঞ, ন
- গ. প, ফ, ব
- ঘ. য, র, ল
উত্তর: ক. শ, স, ষ
যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় মুখের ভেতরে বাতাস ঘষা খেয়ে শিসের মতো শব্দ তৈরি করে, তাদের শিসধ্বনি বা উষ্মধ্বনি বলে। বাংলা ভাষায় শ, ষ, স হলো এমন ধ্বনি। অন্য সারিগুলো আলাদা: ঙ, ঞ, ন নাসিক্য ধ্বনি; প, ফ, ব ওষ্ঠ্য ধ্বনি; আর য, র, ল অন্তঃস্থ ধ্বনি।
মনে রাখুন: নাসিক্য ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাস নাক দিয়ে বের হয়। - ১৭. 'আনারস' শব্দটি কোন ভাষা থেকে আগত?
- ক. আরবি
- খ. ফারসি
- গ. পর্তুগিজ
- ঘ. তুর্কি
উত্তর: গ. পর্তুগিজ
‘আনারস’ শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। ইউরোপীয়দের মধ্যে পর্তুগিজরাই প্রথম বাংলায় বাণিজ্য করতে আসে, আর তাদের সঙ্গে ফল, জিনিসপত্র ও ধর্মের বহু শব্দ আমাদের ভাষায় ঢুকে পড়ে।
মনে রাখুন:
পর্তুগিজ শব্দ: আলপিন, আলমারি, গির্জা, গুদাম, চাবি, পাউরুটি, পাদ্রি, বালতি।
আরবি শব্দ: আল্লাহ, হালাল, আদালত।
ফারসি শব্দ: চশমা, দোকান, কারখানা।
তুর্কি শব্দ: চাকর, চাকু, দারোগা। - ১৮. 'স্বাগত' শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
- ক. স + গত
- খ. স্ব + গত
- গ. সু + গত
- ঘ. সু + আগত
উত্তর: ঘ. সু + আগত
‘স্বাগত’ শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ ‘সু + আগত’। স্বরসন্ধির নিয়মে ‘উ’ বা ‘ঊ’-এর পরে ‘উ’ ছাড়া অন্য কোনো স্বর থাকলে ‘উ’ বদলে ব-ফলা হয়, আর পরের স্বর তার সঙ্গে যুক্ত হয়। তাই সু + আগত = স্বাগত। ‘স্ব + গত’ বা ‘স + গত’ ধরলে শব্দের অর্থ মেলে না।
উদাহরণ:
সু + অল্প = স্বল্প।
অনু + এষণ = অন্বেষণ। - ১৯. মধ্যযুগের সাহিত্যধারা কেমন ছিল?
- ক. ধর্মনির্ভর
- খ. গদ্যনির্ভর
- গ. রূপকথানির্ভর
- ঘ. কল্পনানির্ভর
উত্তর: ক. ধর্মনির্ভর
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য ছিল ধর্মনির্ভর। তখনকার কবিরা দেব-দেবীর কৃপা পাওয়ার আশায়, অথবা ধর্মীয় কাহিনি প্রচারের উদ্দেশ্যে কাব্য লিখতেন। তাই মঙ্গলকাব্য, বৈষ্ণব পদাবলি ও অনুবাদ সাহিত্যের মতো ধারাগুলোর কেন্দ্রে ছিল দেবতা, ধর্ম বা ধর্মীয় চরিত্র। এ যুগে গদ্যের চর্চা ছিল না বললেই চলে।
মনে রাখুন:
মধ্যযুগের সময়কাল ১২০১ থেকে ১৮০০ সাল পর্যন্ত ধরা হয়।
মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন শ্রীকৃষ্ণকীর্তন। - ২০. বাংলা গদ্যের জনক কে?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৪, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পিটিআই ইন্সট্রাক্টর (শিক্ষাবিজ্ঞানসহ) ২০১৯
- ক. উইলিয়াম কেরি
- খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- ঘ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
উত্তর: ঘ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে আগেই গদ্যচর্চা শুরু হয়েছিল, কিন্তু সেই গদ্যে শিল্পের ছাপ ছিল না। বিদ্যাসাগরই প্রথম বাংলা গদ্যকে ছন্দ, সৌন্দর্য ও পরিশীলিত রূপ দেন এবং বাক্যে যতিচিহ্ন ব্যবহার শুরু করেন।
মনে রাখুন:
উইলিয়াম কেরি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান ছিলেন।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয়। - ২১. 'সবুজপত্র' প্রকাশিত হয়—আরও এসেছে: গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) ২০১৮
- ক. ১৯০৯
- খ. ১৯১৪
- গ. ১৯১০
- ঘ. ১৯২১
উত্তর: খ. ১৯১৪
‘সবুজপত্র’ প্রকাশিত হয় ১৯১৪ সালে। প্রমথ চৌধুরী ছিলেন এর সম্পাদক। এই পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রতিষ্ঠা ঘটে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই পত্রিকাতেই চলিত রীতিতে লিখতে শুরু করেন।
মনে রাখুন: প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম ‘বীরবল’, আর তাঁর প্রবন্ধগ্রন্থ ‘বীরবলের হালখাতা’। - ২২. 'অগ্নিবীণা' কাব্যের প্রথম কবিতা কোনটি?
- ক. ধূমকেতু
- খ. বিদ্রোহী
- গ. অগ্রপথিক
- ঘ. প্রলয়োল্লাস
উত্তর: ঘ. প্রলয়োল্লাস
কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নিবীণা’ ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। এর প্রথম কবিতা ‘প্রলয়োল্লাস’। ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি এই গ্রন্থেরই আরেকটি বিখ্যাত কবিতা, কিন্তু সেটি প্রথম কবিতা নয়। নজরুল গ্রন্থটি বিপ্লবী বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে উৎসর্গ করেন।
মনে রাখুন: ‘অগ্নিবীণা’র আরও কবিতা: আগমনী, খেয়াপারের তরণী, মোহররম। - ২৩. বঙ্গবন্ধুকেন্দ্রিক একটি উপন্যাস—
- ক. জন্মভূমি
- খ. আগস্টের একরাত
- গ. একদা এক রাজ্যে
- ঘ. কী চাহ শঙ্খচিল
উত্তর: খ. আগস্টের একরাত
সেলিনা হোসেনের উপন্যাস ‘আগস্টের একরাত’ বঙ্গবন্ধুকে কেন্দ্র করে লেখা। এতে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের মর্মান্তিক ঘটনা, অর্থাৎ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার কাহিনি আছে। অপশনের অন্য নামগুলো এই বিষয়ের উপন্যাস নয়।
মনে রাখুন: সেলিনা হোসেনের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’। - ২৪. নিচের কোনটি রাজনৈতিক উপন্যাস?
- ক. পথের দাবী
- খ. কবি
- গ. পল্লীসমাজ
- ঘ. বাঁধনহারা
উত্তর: ক. পথের দাবী
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ একটি রাজনৈতিক উপন্যাস, যা ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়। এতে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের কাহিনি আছে এবং প্রধান চরিত্রের নাম সব্যসাচী। ব্রিটিশ সরকার উপন্যাসটিকে বাজেয়াপ্ত করেছিল। অন্য উপন্যাসগুলোর ধরন আলাদা, যেমন ‘পল্লীসমাজ’ গ্রামের সমাজচিত্র।
মনে রাখুন: ‘বাঁধনহারা’ কাজী নজরুল ইসলামের পত্রোপন্যাস। - ২৫. বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত মৌলিক স্বরধ্বনি কয়টি?
- ক. ৭টি
- খ. ৮টি
- গ. ৯টি
- ঘ. ১০টি
উত্তর: ক. ৭টি
বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি: অ, আ, ই, উ, এ, ও এবং অ্যা। ‘ঈ’, ‘ঊ’, ‘ঋ’, ‘ঐ’ ও ‘ঔ’ বর্ণ থাকলেও এগুলো উচ্চারণে আলাদা মৌলিক ধ্বনি তৈরি করে না, তাই মৌলিক স্বরধ্বনির তালিকায় আসে না।
মনে রাখুন: ‘ঐ’ ও ‘ঔ’ যৌগিক স্বরধ্বনি, অর্থাৎ দুটি স্বরধ্বনি মিলে তৈরি। - ২৬. বাংলা ভাষায় যতিচিহ্নের প্রচলন করেন কে?
- ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. প্যারীচাঁদ মিত্র
- গ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- ঘ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
উত্তর: ঘ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
বাংলা ভাষায় যতিচিহ্ন বা বিরামচিহ্নের প্রচলন করেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। তাঁর ‘বেতাল পঞ্চবিংশতি’ (১৮৪৭) গ্রন্থে প্রথম এগুলোর ব্যবহার দেখা যায়। যতিচিহ্নের ফলে পড়ার সময় কোথায় থামতে হবে তা বোঝা সহজ হয়।
মনে রাখুন:
প্যারীচাঁদ মিত্র ‘আলালের ঘরের দুলাল’ লিখে সহজ গদ্যের পথ দেখান।
বঙ্কিমচন্দ্রকে বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয়। - ৮১. নিম্নের কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক লিখিত উপন্যাস?
- ক. কপালকুণ্ডলা
- খ. শেষের কবিতা
- গ. কৃষ্ণকান্তের উইল
- ঘ. প্রেম ও ফুল
উত্তর: খ. শেষের কবিতা
‘শেষের কবিতা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা উপন্যাস। এটি ১৯২৯ সালে বই আকারে বের হয়। এর আগে ‘প্রবাসী’ পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে ছাপা হয়েছিল। উপন্যাসের প্রধান চরিত্র অমিত ও লাবণ্য, আর এর ভাষা ও প্রেমের ধারণা বেশ আধুনিক। বাকি তিনটি রবীন্দ্রনাথের রচনা নয়। ‘কপালকুণ্ডলা’ (১৮৬৬) ও ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ (১৮৭৮) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস।
মনে রাখুন:
রবীন্দ্রনাথের অন্য উপন্যাস: গোরা, ঘরে বাইরে, চার অধ্যায়, নৌকাডুবি, চোখের বালি, যোগাযোগ।
বঙ্কিমচন্দ্রের প্রথম বাংলা উপন্যাস ‘দুর্গেশনন্দিনী’ (১৮৬৫)। - ৮২. বাংলার চাষিদের ওপর ইংরেজদের অত্যাচার নিয়ে লিখিত নাটক কোনটি?
- ক. কৃষ্ণকুমারী
- খ. নীলদর্পণ
- গ. মায়াকানন
- ঘ. অমৃত কুম্ভের সন্ধানে
উত্তর: খ. নীলদর্পণ
দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ (১৮৬০) নাটকে ইংরেজ নীলকরদের হাতে বাংলার চাষিদের ওপর নির্যাতনের কাহিনি তুলে ধরা হয়েছে। নীলকররা কৃষকদের জোর করে নীল চাষে বাধ্য করত, আর রাজি না হলে চলত নির্মম অত্যাচার। নাটকের গোলকচন্দ্র বসু, নবীনমাধব, বিন্দুমাধব ও তোরাপ চরিত্রের মধ্য দিয়ে সেই অত্যাচার ফুটে উঠেছে। মাইকেল মধুসূদন দত্ত নাটকটি ইংরেজিতে ‘Indigo Planting Mirror’ নামে অনুবাদ করেন।
মনে রাখুন:
মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘কৃষ্ণকুমারী’ (১৮৬১) বাংলা ভাষার প্রথম ট্র্যাজেডি নাটক।
নীলদর্পণ নাটকটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়েছিল। - ৮৭. 'সোনালী কাবিন' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?
- ক. হাসান হাফিজুর রহমান
- খ. হুমায়ূন আজাদ
- গ. আল মাহমুদ
- ঘ. হুমায়ূন আহমেদ
উত্তর: গ. আল মাহমুদ
‘সোনালি কাবিন’ (১৯৭৩) কবি আল মাহমুদের সবচেয়ে বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। এতে গ্রামবাংলার লোকজ জীবন ও আত্মপরিচয়ের সন্ধান কবিতার ভাষায় ধরা পড়েছে। বইটির সনেটগুলো বিশেষভাবে আলোচিত। বাকি তিনজনের পরিচয়ও আলাদা। হুমায়ূন আজাদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অলৌকিক ইস্টিমার’, হাসান হাফিজুর রহমান ‘বিমুখ প্রান্তর’-এর কবি, আর হুমায়ূন আহমেদ মূলত কথাসাহিত্যিক।
মনে রাখুন:
আল মাহমুদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘লোক লোকান্তর’ (১৯৬৩)।
তাঁর অন্য কাব্যগ্রন্থ: কালের কলস, মায়াবী পর্দা দুলে ওঠো। - ৮৮. কোন শ্রেণির ভূমিতে ফসল জন্মায় না?
- ক. পতিত
- খ. অনুর্বর
- গ. বন্ধ্যা
- ঘ. ঊষর
উত্তর: ঘ. ঊষর
যে জমিতে ফসল জন্মায় না, সেই জমিকে বলা হয় ঊষর। এ ধরনের মাটিতে লবণ বা ক্ষারের পরিমাণ এত বেশি থাকে যে গাছ বাঁচতে পারে না। বাকি তিনটি শব্দের অর্থ আলাদা। যে জমি চাষ না করে ফেলে রাখা হয়েছে, সেটি পতিত। যে জমিতে ফসল ভালো হয় না, সেটি অনুর্বর। আর বন্ধ্যা শব্দটি সাধারণত সন্তান জন্মদানে অক্ষম নারী বোঝাতে ব্যবহার হয়।
মনে রাখুন:
উর্বর জমি মানে যেখানে প্রচুর ফসল ফলে।
উর্বর-এর বিপরীত শব্দ অনুর্বর বা ঊষর। - ৮৯. 'ছন্দের জাদুকর' কাকে বলা হয়?
- ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. সুকুমার রায়
- গ. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
- ঘ. কাজী নজরুল ইসলাম
উত্তর: গ. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
সত্যেন্দ্রনাথ দত্তকে ‘ছন্দের জাদুকর’ বলা হয়। তিনি বাংলা কবিতার ছন্দের নানা রূপ নিয়ে নিপুণভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন। শব্দের ধ্বনি ও ঝংকারকে কাজে লাগিয়ে তিনি যেসব কবিতা লিখেছেন, তাতে ছন্দ যেন নেচে ওঠে। ছন্দের এই দক্ষতার জন্যই তাঁকে অন্য কবিদের থেকে আলাদা করে চেনা যায়।
মনে রাখুন:
সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের কাব্যগ্রন্থ: সবিতা, বেণু ও বীণা, হোমশিখা, কুহু ও কেকা, তুলির লিখন।
অন্য উপাধি: কাজী নজরুল ইসলাম ‘বিদ্রোহী কবি’।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘বিশ্বকবি’।
বাংলাদেশ
- ১২. ঢাকার সর্বশেষ নবাব কে ছিলেন?
- ক. খাজা হাবিবুল্লাহ
- খ. খাজা নাজিমুদ্দিন
- গ. খাজা আব্দুল গনি
- ঘ. খাজা আতিকুল্লাহ
উত্তর: ক. খাজা হাবিবুল্লাহ
ঢাকার নবাব পরিবারের শেষ নবাব ছিলেন খাজা হাবিবুল্লাহ, যিনি নবাব সলিমুল্লাহর ছেলে। জমিদারি প্রথা বিলোপের পর নবাবি পদও শেষ হয়ে যায়। - ৭৭. কোন তারিখে শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রথম বাংলায় ভাষণ প্রদান করেন?
- ক. ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪
- খ. ২৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪
- গ. ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪
- ঘ. ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪
উত্তর: ঘ. ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দেন। এর আগে ওই বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। জাতিসংঘের মঞ্চে বাংলায় এটাই ছিল প্রথম বক্তৃতা। এর আগে তিনি ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশ পরিচালনা শুরু করেছিলেন।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য হয় ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪, ১৩৬তম সদস্য হিসেবে।
এ ভাষণের সময় তিনি প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। - ৭৮. সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে অনুযায়ী বাংলাদেশের নাগরিকগণ বাংলাদেশি বলে পরিচিত হবেন?
- ক. ৬(১)
- খ. ৬(২)
- গ. ৭
- ঘ. ৮
উত্তর: খ. ৬(২)
আমাদের সংবিধানের প্রথম ভাগে প্রজাতন্ত্রের মৌলিক পরিচয় দেওয়া আছে। এর ৬ নম্বর অনুচ্ছেদ নাগরিকত্ব নিয়ে। ৬(১) অনুচ্ছেদে বলা আছে, বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের মাধ্যমে নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে। আর ৬(২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, জনসাধারণ জাতি হিসেবে বাঙালি এবং নাগরিকেরা বাংলাদেশি বলে পরিচিত হবেন। তাই নাগরিকদের পরিচয়ের প্রশ্নে সঠিক উত্তর ৬(২)।
মনে রাখুন:
অনুচ্ছেদ ৩: রাষ্ট্রভাষা বাংলা।
অনুচ্ছেদ ৭: সংবিধানের প্রাধান্য।
অনুচ্ছেদ ৮: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
সংবিধানে মোট ১১টি ভাগ ও ১৫৩টি অনুচ্ছেদ আছে। - ৭৯. ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য প্রদত্ত ১ নম্বর খেতাব কোনটি?
- ক. বীরউত্তম
- খ. বীরশ্রেষ্ঠ
- গ. বীরপ্রতীক
- ঘ. বীরবিক্রম
উত্তর: খ. বীরশ্রেষ্ঠ
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব দেখানো যোদ্ধাদের সম্মানে চার স্তরের খেতাব দেওয়া হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ, যা ক্রমানুসারে ১ নম্বর। এটি পেয়েছেন মাত্র ৭ জন। খেতাবগুলো ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হয়। বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত সাতজনই যুদ্ধে শহীদ হয়েছেন।
মনে রাখুন:
খেতাবের ক্রম: বীরশ্রেষ্ঠ, বীরউত্তম, বীরবিক্রম, বীরপ্রতীক।
সংখ্যা: বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন, বীরউত্তম ৬৮ জন, বীরবিক্রম ১৭৫ জন, বীরপ্রতীক ৪২৬ জন।
বীরশ্রেষ্ঠ: মতিউর রহমান, মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর, হামিদুর রহমান, মুন্সী আবদুর রউফ, নূর মোহাম্মদ শেখ, মোস্তফা কামাল ও রুহুল আমিন। - ৮০. 'আমার দেখা নয়াচীন' বইটির লেখক কে?
- ক. শেখ মুজিবুর রহমান
- খ. মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
- গ. শের-ই বাংলা আবুল কাশেম ফজলুল হক
- ঘ. তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া
উত্তর: ক. শেখ মুজিবুর রহমান
‘আমার দেখা নয়াচীন’ বইটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা। ১৯৫২ সালে তিনি চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত শান্তি সম্মেলনে যোগ দিতে গিয়েছিলেন। সেই সফরে তিনি নতুন চীনের সমাজ ও মানুষের জীবন নিজের চোখে দেখেন, আর সেই অভিজ্ঞতা নিয়েই এ ভ্রমণকথা লেখা হয়। বইটি প্রকাশিত হয় ২০২০ সালে, বাংলা একাডেমি থেকে।
মনে রাখুন:
বঙ্গবন্ধুর অন্য দুটি গ্রন্থ ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ (২০১২) ও ‘কারাগারের রোজনামচা’ (২০১৭)।
এই দুটির পরে প্রকাশিত হয় ‘আমার দেখা নয়াচীন’। - ৮৩. বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয়ে মৎস্য উৎপাদনে ২০২২ সালে বিশ্বে কততম স্থান অধিকার করে?
- ক. ১ম
- খ. ২য়
- গ. ৩য়
- ঘ. ৪র্থ
উত্তর: গ. ৩য়
অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয় বলতে নদী, খাল, বিল, হাওর ও প্লাবনভূমির মতো প্রাকৃতিক জলাশয়কে বোঝায়। এসব জলাশয় থেকে মাছ ধরার হিসাবে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়, এমন তথ্য জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (FAO) প্রতিবেদনে এসেছে। নদীমাতৃক দেশ হওয়ায় মাছ আমাদের খাদ্য ও অর্থনীতির বড় অংশ, আর মাছের দেশ হিসেবে আমাদের বড় গর্ব ইলিশ।
মনে রাখুন:
ইলিশ বাংলাদেশের জাতীয় মাছ।
ইলিশ ২০১৭ সালে ভৌগোলিক নির্দেশক (GI) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
বিশ্বের অধিকাংশ ইলিশ উৎপাদিত হয় বাংলাদেশে। - ৮৪. বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণ করা হয় কোন নভোকাশ কেন্দ্র থেকে?
- ক. থেলিস এলেনিয়া
- খ. কেনেডি স্পেস সেন্টার
- গ. ওয়ালপ আইল্যান্ড ফ্লাইট ফ্যাসিলিটি
- ঘ. মোহাতে স্পেস এন্ড এয়ারপোর্ট
উত্তর: খ. কেনেডি স্পেস সেন্টার
‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’ উৎক্ষেপণ করা হয় যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে। স্পেসএক্সের ফ্যালকন-৯ রকেটে করে এটি মহাকাশে পাঠানো হয় ২০১৮ সালের ১১ মে স্থানীয় সময়, বাংলাদেশ সময় ১২ মে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ নিজস্ব ভূস্থির যোগাযোগ উপগ্রহ থাকা দেশগুলোর তালিকায় ঢুকে পড়ে। বাকি নামগুলো অন্য মহাকাশ কেন্দ্রের সঙ্গে জড়িত, তাই এ উৎক্ষেপণের সঙ্গে সেগুলো মেলে না।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশ মহাকাশে নিজস্ব স্যাটেলাইট পাঠানো ৫৭তম দেশ।
স্যাটেলাইটটি তৈরি করেছে ফ্রান্স-ইতালির থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেস।
ভূ-নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র গাজীপুর ও রাঙ্গামাটির বেতবুনিয়ায়। - ৮৬. ময়নামতি-শালবন বিহার কার কীর্তি?
- ক. শান্তিদেব
- খ. শ্রী আনন্দদেব
- গ. শ্রী ভবদেব
- ঘ. শ্রী বীরদেব
উত্তর: গ. শ্রী ভবদেব
কুমিল্লার ময়নামতি এলাকায় শালবন বিহার নামে একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহারের ধ্বংসাবশেষ আছে। সপ্তম-অষ্টম শতকে দেব বংশের রাজা শ্রী ভবদেব এটি নির্মাণ করেন। কাছাকাছি শাল-গজারি বন ছিল বলে জায়গাটির নাম হয় শালবন। সেখানে পাওয়া সিলমোহরে একে ‘ভবদেব মহাবিহার’ বলা হয়েছে। এই বিহারের চারদিকে সারি সারি ভিক্ষুদের কক্ষ ছিল, আর মাঝখানে ছিল মূল মন্দির।
মনে রাখুন:
নওগাঁর পাহাড়পুরের সোমপুর মহাবিহার নির্মাণ করেন পাল রাজা ধর্মপাল।
ময়নামতির প্রত্নস্থল কুমিল্লা জেলার কোটবাড়ি-লালমাই এলাকায় অবস্থিত। - ৯১. বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে প্রথম স্বীকৃতি প্রদানকারী দেশ কোনটি?
- ক. ভারত
- খ. ভুটান
- গ. শ্রীলঙ্কা
- ঘ. রাশিয়া
উত্তর: খ. ভুটান
বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে সবার আগে স্বীকৃতি দেয় ভুটান। তারিখটি ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর। এরপর একই দিনে ভারতও স্বীকৃতি দেয়। যুদ্ধ শেষ হওয়ার আগেই এই স্বীকৃতি মুক্তিযুদ্ধের মনোবল বাড়িয়েছিল। তাই ভারতের নাম দেখে প্রথম স্বীকৃতিদাতা ভেবে ভুল করা ঠিক নয়, কারণ ভুটান ভারতের আগে স্বীকৃতি দেয়।
মনে রাখুন:
স্বাধীনতার ঘোষণা: ২৬ মার্চ ১৯৭১।
বিজয় দিবস: ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১।
ইংরেজি
- ২৭. It is I who (go) to Chattogram next month.
- ক. am going
- খ. is going
- গ. are going
- ঘ. going
উত্তর: ক. am going
‘It is I who …’ গঠনে who একটি relative pronoun, যা আগের শব্দ I-কে নির্দেশ করে। তাই who-এর পরের verb তার antecedent I-এর person অনুযায়ী হয়। I-এর সঙ্গে ক্রিয়ার রূপ am। আবার ‘next month’ ভবিষ্যৎ বোঝায়, তবে নিকট ভবিষ্যতের পরিকল্পনা বোঝাতে Present Continuous (am going) ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ:
I am going to Dhaka tomorrow। - ২৮. The grass was dry and patchy. In this sentence 'patchy' is —
- ক. an adjective
- খ. an adverb
- গ. a noun
- ঘ. a verb
উত্তর: ক. an adjective
‘The grass was dry and patchy’ বাক্যে patchy শব্দটি grass নামের গুণ বা অবস্থা বলছে, অর্থাৎ ঘাসগুলো জায়গায় জায়গায় ছড়ানো। কোনো noun বা pronoun-এর গুণ বর্ণনা করলে সেই শব্দকে adjective বলে। ‘dry’ও একটি adjective, যার সঙ্গে ‘and’ দিয়ে patchy যুক্ত হয়েছে।
মনে রাখুন: -y প্রত্যয়যুক্ত অনেক শব্দ adjective হয়, যেমন rainy, windy, dusty। - ২৯. 'Fabulous' is a synonym of—
- ক. tiny
- খ. ordinary
- গ. awesome
- ঘ. trivial
উত্তর: গ. awesome
Fabulous মানে চমৎকার বা অসাধারণ। এর কাছাকাছি অর্থের শব্দ awesome। বাকি বিকল্পগুলো উল্টো ধরনের: tiny মানে অতি ক্ষুদ্র, ordinary মানে সাধারণ এবং trivial মানে তুচ্ছ।
মনে রাখুন: Fabulous-এর আরও কিছু synonym: wonderful, marvellous, splendid। - ৩০. Your shoes are bigger than —.
- ক. mine
- খ. my
- গ. me
- ঘ. I
উত্তর: ক. mine
তুলনা করার সময় দুই পাশের জিনিস একই ধরনের হতে হয়। এখানে ‘Your shoes’-এর সঙ্গে তুলনা হচ্ছে আমার জুতোর, তাই শেষে এমন শব্দ বসবে যা ‘my shoes’ বোঝায়, অর্থাৎ ‘mine’। ‘my’-এর পরে noun না থাকলে চলে না, আর ‘me’ বা ‘I’ ব্যক্তিকে বোঝায়, জুতো নয়।
উদাহরণ:
Her book is better than mine। - ৩১. She could scarcely complain—. The correct tag question is —
- ক. couldn't she?
- খ. could she?
- গ. can she?
- ঘ. can't she?
উত্তর: খ. could she?
Scarcely, hardly, seldom, rarely জাতীয় শব্দ আসলে নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে। বাক্যে এমন শব্দ থাকলে বাক্যটিকে negative ধরে নিতে হয়, ফলে tag question হয় positive। প্রধান বাক্যে could আছে, তাই tag হবে ‘could she?’
উদাহরণ: He hardly comes here, does he?
মনে রাখুন: Nothing, nobody, never থাকলেও tag positive হয়। - ৩২. The post of treasurer is — honorary position.
- ক. a
- খ. an
- গ. the
- ঘ. no article
উত্তর: খ. an
Article বসে শব্দের বানান দেখে নয়, প্রথম ধ্বনির উচ্চারণ দেখে। ‘honorary’ শব্দের h উচ্চারিত হয় না, শব্দটি শুরু হয় স্বরধ্বনির মতো (অনারারি), তাই এর আগে an বসে। ‘The post of treasurer is an honorary position’ শুদ্ধ। এখানে ‘honorary’ মানে সম্মানসূচক, যে পদে বেতন লাগে না।
মনে রাখুন: a hour নয়, an hour; an honest man; an heir। - ৩৩. Our ancestral house — 100 years ago.
- ক. is built
- খ. is build
- গ. was build
- ঘ. was built
উত্তর: ঘ. was built
বাক্যটিতে ‘100 years ago’ অতীতের নির্দিষ্ট সময় বোঝায়, তাই Past Indefinite Tense হবে। বাড়িটি নিজে তৈরি হয়নি, কেউ তৈরি করেছিল, তাই বাক্যটি passive। Past Indefinite-এর passive গঠন was/were + past participle, অর্থাৎ ‘was built’। ‘build’ হলো মূল রূপ, past participle নয়।
মনে রাখুন: build–built–built। - ৩৫. How long — married?
- ক. they are
- খ. they have been
- গ. have they been
- ঘ. are they
উত্তর: গ. have they been
‘How long’ দিয়ে কত সময় ধরে কিছু চলছে তা জানতে চাওয়া হয়। প্রশ্নবাচক বাক্যে auxiliary verb subject-এর আগে বসে। Present Perfect-এর প্রশ্নের গঠন How long + have/has + subject + past participle। তাই ‘How long have they been married?’ শুদ্ধ।
উদাহরণ:
How long has she lived here? - ৩৬. 'See eye to eye' means—
- ক. hating someone
- খ. agreeing with someone
- গ. loving someone
- ঘ. showing disagreement
উত্তর: খ. agreeing with someone
‘See eye to eye’ idiom-এর অর্থ কারও সঙ্গে একমত হওয়া। দুজন মানুষ কোনো বিষয়ে একই রকম ভাবলে তারা সেই বিষয়ে ‘see eye to eye’।
উদাহরণ:
I do not see eye to eye with him on this issue।
মনে রাখুন: বিপরীত অর্থ বোঝাতে ‘be at odds with’ ব্যবহার করা হয়। - ৩৭. The greater the demand, — the price.
- ক. the higher
- খ. higher
- গ. high
- ঘ. the high
উত্তর: ক. the higher
দুটি বিষয় একই সঙ্গে বাড়তে বা কমতে থাকলে ‘the + comparative, the + comparative’ গঠন ব্যবহার করা হয়। এখানে চাহিদা বাড়লে দাম বাড়ে, তাই দ্বিতীয় অংশেও ‘the higher’ বসবে। শুধু ‘higher’ বা ‘high’ লিখলে এই গঠন নষ্ট হয়।
উদাহরণ:
The more you read, the more you learn। - ৩৮. I smell something —.
- ক. burnt
- খ. is burning
- গ. burn
- ঘ. burning
উত্তর: ঘ. burning
Smell, see, hear ইত্যাদি ইন্দ্রিয়ের ক্রিয়ার পরে object থাকলে তার পর present participle (V-ing) বসিয়ে চলমান কাজ বোঝানো যায়। এখানে something এখনও পুড়ছে, তাই ‘burning’ বসে। ‘I smell something burning’ মানে কিছু একটা পোড়ার গন্ধ এখনই পাচ্ছি। ‘is burning’ বসালে বাক্যে দুটি finite verb হয়ে যায়।
উদাহরণ:
I heard someone singing। - ৩৯. She is studying — for her examination.
- ক. hard
- খ. hardly
- গ. tough
- ঘ. toughly
উত্তর: ক. hard
Study হলো ক্রিয়া, তাই ক্রিয়ার সঙ্গে অবস্থা বা ধরন জানাতে adverb লাগে। ‘Hard’ এখানে adverb, যার অর্থ কঠোর পরিশ্রম করে। ‘Hardly’ একটি আলাদা শব্দ, যার অর্থ প্রায় নয় বা কদাচিৎ। ‘Tough’ adjective এবং ‘toughly’ এখানে প্রচলিত নয়।
মনে রাখুন: Hard adjective ও adverb দুই কাজই করে, কিন্তু hardly-এর অর্থ আলাদা।
উদাহরণ:
He works hard। (কঠোর পরিশ্রম করে)
He hardly works। (প্রায় কাজই করে না) - ৪০. If I knew his address, I — to him.
- ক. would have written
- খ. would write
- গ. would be writing
- ঘ. will write
উত্তর: খ. would write
বাক্যের শুরুতে ‘If I knew’ আছে, অর্থাৎ বক্তা তার ঠিকানা জানে না, কেবল কল্পনা করছে। এই ধরনের অবাস্তব বা কাল্পনিক শর্ত বোঝাতে Second Conditional ব্যবহার হয়। গঠন হলো If + Past Indefinite, subject + would + verb-এর মূল রূপ। তাই উত্তর ‘would write’।
উদাহরণ:
If I had wings, I would fly।
মনে রাখুন: ‘would have written’ Third Conditional-এর, যেটি অতীতের অপূর্ণ শর্ত বোঝায়। - ৪১. He is deeply concerned — this issue.
- ক. at
- খ. in
- গ. across
- ঘ. about
উত্তর: ঘ. about
‘Concerned’ শব্দটি যখন কোনো বিষয়ে উদ্বেগ বা দুশ্চিন্তা বোঝায়, তখন এর পরে preposition হিসেবে about বসে। তাই ‘He is deeply concerned about this issue’ বাক্যের অর্থ দাঁড়ায়, সে এই বিষয়টি নিয়ে গভীরভাবে চিন্তিত। অন্য preposition বসালে বাক্যের অর্থই বদলে যায়। যেমন ‘concerned in’ মানে কোনো কাজ বা ঘটনায় জড়িত থাকা, আর ‘concerned with’ মানে কোনো বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত হওয়া।
উদাহরণ: Parents are concerned about their children’s safety.
মনে রাখুন:
Concerned about = উদ্বিগ্ন।
Concerned in = জড়িত।
Concerned with = সম্পর্কিত।
Solicitous about ও anxious about-ও প্রায় একই অর্থে ব্যবহার হয়। - ৪২. The news is — to be true.
- ক. so good
- খ. too good
- গ. good enough
- ঘ. enough good
উত্তর: খ. too good
‘too … to’ গঠনটি এমন অর্থ দেয় যে কোনো গুণ এত বেশি, যার ফলে কাজটি সম্ভব হয় না। ‘The news is too good to be true’ বাক্যের অর্থ, খবরটি এত ভালো যে তা সত্য বলে বিশ্বাস করা কঠিন। এখানে so good বসালে বাক্যটি অসম্পূর্ণ থাকে, কারণ so-এর সঙ্গে সাধারণত that-clause লাগে। আবার ‘enough good’ ব্যাকরণগতভাবেই ভুল, কারণ enough adjective-এর আগে নয়, পরে বসে। ‘good enough’ বলাই সঠিক, কিন্তু তাতে অর্থ মেলে না।
মনে রাখুন:
Too বেশি বোঝায় এবং অর্থটি নেতিবাচক হয়।
Enough পর্যাপ্ত বোঝায় এবং adjective-এর পরে বসে।
উদাহরণ: He is too weak to walk. (সে এত দুর্বল যে হাঁটতে পারে না।) - ৪৪. I have no preference — any of the candidates.
- ক. to
- খ. for
- গ. over
- ঘ. on
উত্তর: খ. for
Preference শব্দটির অর্থ কোনো কিছুর প্রতি পছন্দ বা ঝোঁক, আর এর পরে সাধারণত for বসে। তাই ‘I have no preference for any of the candidates’ বলতে বোঝায়, আমি কোনো প্রার্থীকেই বিশেষভাবে বেশি পছন্দ করি না। Noun হিসেবে preference-এর সঙ্গে for, কিন্তু verb হিসেবে prefer-এর সঙ্গে to বসে। এ পার্থক্যটি পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
উদাহরণ: She has a preference for tea over coffee.
মনে রাখুন:
Prefer A to B = B-এর চেয়ে A বেশি পছন্দ করা। যেমন: I prefer tea to coffee.
Prefer-এর পরে than বসে না।
Preference-এর পরে for এবং দুটির তুলনায় over বা to ব্যবহার করা যায়। - ৪৫. Which one is a common gender?
- ক. pencil
- খ. servant
- গ. fruit
- ঘ. bull
উত্তর: খ. servant
ইংরেজি ব্যাকরণে যে শব্দ পুরুষ ও নারী দুজনকেই বোঝাতে পারে, তাকে উভয়লিঙ্গ বা Common Gender বলে। Servant শব্দটি তেমনই, কারণ ভৃত্য পুরুষও হতে পারে, নারীও হতে পারে। অন্য শব্দগুলো ভিন্ন লিঙ্গের। Pencil ও fruit প্রাণহীন বস্তু, তাই এগুলো ক্লীবলিঙ্গ বা Neuter Gender। আর bull হলো পুরুষ গরু, তাই এটি পুংলিঙ্গ বা Masculine Gender।
মনে রাখুন:
Common Gender-এর আরও উদাহরণ: teacher, student, friend, cousin, child, parent, doctor।
Masculine ও Feminine জোড়া: bull–cow, king–queen, actor–actress।
প্রাণহীন বস্তু ও লিঙ্গহীন শব্দ Neuter Gender-এ পড়ে। - ৪৬. The antonym of 'harmony' is —
- ক. euphony
- খ. kinship
- গ. discord
- ঘ. accord
উত্তর: গ. discord
Harmony শব্দের অর্থ সম্প্রীতি, সংগতি বা মিল। এর বিপরীত শব্দ discord, যার অর্থ বিবাদ, অমিল বা অনৈক্য। অন্য অপশনগুলো বিপরীত অর্থ দেয় না। Accord শব্দটি harmony-র প্রায় সমার্থক, অর্থাৎ ঐকমত্য বা মিল। Euphony মানে মধুর ধ্বনি এবং kinship মানে আত্মীয়তা বা রক্তের সম্পর্ক, তাই এ দুটিও বিপরীত শব্দ নয়।
মনে রাখুন:
Harmony-র সমার্থক: accord, unity, concord।
Harmony-র বিপরীত: discord, conflict, dissension।
Cacophony মানে কর্কশ ধ্বনি, যা euphony-র বিপরীত। - ৪৭. 'Macbeth' was written by —
- ক. William Jonathan
- খ. Matthew Arnold
- গ. William Shakespeare
- ঘ. Ben Jonson
উত্তর: গ. William Shakespeare
‘Macbeth’ নাটকের রচয়িতা উইলিয়াম শেক্সপিয়র (১৫৬৪–১৬১৬)। এটি একটি ট্র্যাজেডি, যার পটভূমি স্কটল্যান্ড। রাজা হওয়ার লোভে ম্যাকবেথ রাজা ডানকানকে হত্যা করেন, আর শেষ পর্যন্ত নিজেরই পতন ঘটে। এ নাটকে লেডি ম্যাকবেথ ও তিন ডাইনির ভূমিকাও বিখ্যাত। শেক্সপিয়রকে ‘Bard of Avon’ বলা হয়, কারণ তিনি ইংল্যান্ডের স্ট্র্যাটফোর্ড-আপন-এভনে জন্মেছিলেন।
মনে রাখুন:
শেক্সপিয়রের চার বড় ট্র্যাজেডি: Hamlet, Othello, King Lear ও Macbeth।
অন্যান্য বিখ্যাত নাটক: Romeo and Juliet, The Tempest, The Merchant of Venice।
Ben Jonson ছিলেন শেক্সপিয়রের সমসাময়িক নাট্যকার, তাঁর বিখ্যাত নাটক ‘Volpone’। - ৪৮. Who is a modern poet?
- ক. John Donne
- খ. Philip Sidney
- গ. William Blake
- ঘ. Seamus Heaney
উত্তর: ঘ. Seamus Heaney
Seamus Heaney (১৯৩৯–২০১৩) আয়ারল্যান্ডের আধুনিক কবি। তিনি ১৯৯৫ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। তাঁর প্রথম বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘Death of a Naturalist’। গ্রামীণ জীবন ও আইরিশ ইতিহাস তাঁর কবিতার প্রধান বিষয়। বাকি তিনজন আধুনিক যুগের কবি নন। John Donne ও Philip Sidney ষোড়শ-সপ্তদশ শতকের কবি এবং William Blake অষ্টাদশ-উনিশ শতকের কবি।
মনে রাখুন:
John Donne ‘মেটাফিজিক্যাল’ কবিদের অন্যতম।
William Blake-এর বিখ্যাত কাব্য ‘Songs of Innocence and of Experience’।
Heaney নোবেল পান ১৯৯৫ সালে। - ৪৯. The animals living on grass are —
- ক. carnivorous
- খ. graminivorous
- গ. herbivorous
- ঘ. omnivorous
উত্তর: গ. herbivorous
যেসব প্রাণী ঘাস, পাতা ও অন্যান্য উদ্ভিদ খেয়ে বাঁচে, তাদের তৃণভোজী বা herbivorous বলে। গরু, ছাগল ও হরিণ এর উদাহরণ। এ প্রশ্নে herbivorous-ই প্রচলিত ও আদর্শ শব্দ। অন্য অপশনগুলো আলাদা অর্থ দেয়: carnivorous প্রাণী মাংস খায় এবং omnivorous প্রাণী মাংস ও উদ্ভিদ দুটোই খায়।
উদাহরণ: Cows and goats are herbivorous animals.
মনে রাখুন:
Carnivorous = মাংসাশী, যেমন বাঘ, সিংহ।
Omnivorous = সর্বভুক, যেমন মানুষ, ভালুক।
Graminivorous শব্দের অর্থ খুব নির্দিষ্টভাবে ঘাসভোজী, কিন্তু আধুনিক ইংরেজিতে শব্দটি প্রায় ব্যবহার হয় না। - ৫০. One coming to a foreign land to settle there is —
- ক. an immigrant
- খ. an emigrant
- গ. a foreigner
- ঘ. a native
উত্তর: ক. an immigrant
যে মানুষ অন্য দেশ থেকে এসে নতুন দেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করে, তাকে immigrant বলে। কিন্তু যে নিজের দেশ ছেড়ে অন্য দেশে চলে যায়, তাকে emigrant বলে। একই মানুষকে দুই দিক থেকে বর্ণনা করলে দুটি শব্দ পাওয়া যায়। Foreigner মানে বিদেশি, যে সাময়িকভাবে থাকতে পারে, আর native মানে স্থানীয় বাসিন্দা, তাই এ দুটি শব্দ প্রশ্নের অর্থের সঙ্গে মেলে না।
মনে রাখুন:
i দিয়ে শুরু immigrant মানে ভেতরে আসা (in)।
e দিয়ে শুরু emigrant মানে বেরিয়ে যাওয়া (exit)।
Migrant মানে যে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যায়। Expatriate মানে প্রবাসী। - ৫১. 'To take heart' means to —
- ক. fall in love
- খ. be dishearted
- গ. gain courage
- ঘ. be affected deeply
উত্তর: গ. gain courage
‘To take heart’ idiom-এর অর্থ সাহস বা ভরসা পাওয়া, অর্থাৎ gain courage। কঠিন বা হতাশার সময় কেউ নতুন করে আশা ও উদ্যম ফিরে পেলে তার সম্পর্কে এ কথা বলা হয়। Heart শব্দটি এখানে সাহস ও মনোবলের প্রতীক। অন্য অপশনগুলো মেলে না। ‘Fall in love’ মানে প্রেমে পড়া, ‘be dishearted’ মানে হতোদ্যম হওয়া, যা প্রায় উল্টো অর্থ, আর ‘be affected deeply’ মানে গভীরভাবে প্রভাবিত হওয়া।
উদাহরণ: Take heart, things will get better soon.
মনে রাখুন:
‘Lose heart’ ঠিক উল্টো, অর্থাৎ সাহস হারানো।
‘Take to heart’ মানে কোনো কথা মনে গভীরভাবে নেওয়া। - ৫২. Usually I go to office by car but today I (go) by bus.
- ক. go
- খ. going
- গ. are going
- ঘ. am going
উত্তর: ঘ. am going
বাক্যের প্রথম অংশে ‘usually’ শব্দটি অভ্যাসের কথা বলে, তাই সেখানে Present Indefinite Tense (I go) ব্যবহার হয়েছে। কিন্তু দ্বিতীয় অংশে ‘today’ বলছে এবারের ব্যতিক্রম, যা আজ ঘটছে। এ কারণে সেখানে Present Continuous Tense বসবে। Subject ‘I’ হওয়ায় সহায়ক ক্রিয়া হবে am, তাই সঠিক রূপ ‘am going’। ‘Are going’ বসে you, we ও they-এর সঙ্গে, আর শুধু ‘going’ বসালে বাক্যটি অসম্পূর্ণ থাকে।
উদাহরণ: He usually walks, but today he is driving.
মনে রাখুন:
I → am, he/she/it → is, you/we/they → are।
Usually, always, often অভ্যাস বোঝায়; today, now, at present চলমান কাজ বোঝায়। - ৬৫. The Padma abounds ______ Hilsha fish.
- ক. for
- খ. with
- গ. in
- ঘ. of
উত্তর: খ. with
Abound with মানে কোনো কিছুতে পরিপূর্ণ থাকা, তাই The Padma abounds with Hilsha fish শুদ্ধ। তবে abound in ও প্রায় একই অর্থে প্রচলিত, তাই গ বিকল্পটিও গ্রহণযোগ্য বলে অনেকে মনে করেন।
গণিত
- ৩৪. |4x - 3| < 1 অসমতাটির সমাধান কত?
- ক. x < 1
- খ. x < 3
- গ. x < ¾
- ঘ. x < 5/4
উত্তর: ক. x < 1
−1 < 4x − 3 < 1 থেকে 2 < 4x < 4, অর্থাৎ ½ < x < 1। পূর্ণ সমাধান ½ < x < 1 কোনো বিকল্পে নেই; এর ঊর্ধ্বসীমা x < 1 মেলে বলে ক উত্তর ধরা হয়েছে, যদিও বিকল্পটি অসম্পূর্ণ। - ৪৩. $\log_e\sqrt{x} + \log_e\sqrt[3]{x} + \log_e\sqrt[4]{x}$ = কত?
- ক. $(13/12)\log_e x$
- খ. $\log_e x$
- গ. $(1/2)\log_e x$
- ঘ. $\log_e\sqrt{x}$
উত্তর: ক. $(13/12)\log_e x$
প্রতিটি পদকে $\log_e x$ এর গুণিতক হিসেবে লিখলে যোগফল $(\frac{1}{2}+\frac{1}{3}+\frac{1}{4})\log_e x=\frac{6+4+3}{12}\log_e x=\frac{13}{12}\log_e x$। - ৫৩. একটি বৃত্তের পরিধি ৪৪ সে.মি. হলে বৃত্তটির ক্ষেত্রফল কত?
- ক. ১৭৬ বর্গ সে.মি.
- খ. ১৫৪ বর্গ সে.মি.
- গ. ১৪৫ বর্গ সে.মি.
- ঘ. ১৩২ বর্গ সে.মি.
উত্তর: খ. ১৫৪ বর্গ সে.মি.
বৃত্তের পরিধির সূত্র 2πr। প্রশ্নে পরিধি 44 সে.মি., তাই 2πr = 44 এবং r = 44/(2π) = 22/π। এখানে π = 22/7 ধরলে r = 22 × 7/22 = 7 সে.মি.। এবার ক্ষেত্রফলের সূত্র πr² বসালে পাই (22/7) × 7 × 7 = 22 × 7 = 154 বর্গ সে.মি.।
মনে রাখুন:
আগে পরিধি থেকে ব্যাসার্ধ বের করতে হয়, তারপর ক্ষেত্রফল।
পরিধি = 2πr, ক্ষেত্রফল = πr²।
ব্যাস d হলে ক্ষেত্রফল = πd²/4।
π-এর মান 22/7 বা 3.1416 ধরা হয়। - ৫৪. একটি ধারার nতম পদ Tn = 23 − 6n হলে এর 11তম পদ কত হবে?
- ক. −33
- খ. 33
- গ. −43
- ঘ. 43
উত্তর: গ. −43
ধারার n-তম পদ বা সাধারণ পদ দেওয়া থাকলে নির্দিষ্ট কোনো পদ বের করতে শুধু n-এর জায়গায় সেই সংখ্যাটি বসাতে হয়। এখানে Tn = 23 − 6n। এতে n = 11 বসালে T11 = 23 − 6 × 11 = 23 − 66 = −43। পদটি ঋণাত্মক হওয়ায় বোঝা যায়, ধারার পদগুলো ক্রমশ কমছে।
মনে রাখুন:
এ ধারার প্রথম পদ T1 = 23 − 6 = 17, দ্বিতীয় পদ T2 = 11, তৃতীয় পদ T3 = 5।
ক্রমিক পদের পার্থক্য সবসময় −6, তাই এটি সমান্তর ধারা।
সমান্তর ধারার n-তম পদ = a + (n − 1)d। - ৫৫. একটি স্কুলে ছাত্র-ছাত্রীর অনুপাত ৩ : ৪। ছাত্র অপেক্ষা ছাত্রী সংখ্যা ১২০ জন বেশি হলে সেই স্কুলে মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা কত জন?
- ক. ৮৪০ জন
- খ. ৪২০ জন
- গ. ৩৬০ জন
- ঘ. ১৬০ জন
উত্তর: ক. ৮৪০ জন
ছাত্র ও ছাত্রীর অনুপাত 3 : 4, তাই ছাত্র সংখ্যা 3x এবং ছাত্রী সংখ্যা 4x ধরি। ছাত্রী ছাত্রের চেয়ে 120 জন বেশি, অর্থাৎ 4x − 3x = 120, ফলে x = 120। মোট শিক্ষার্থী 3x + 4x = 7x = 7 × 120 = 840 জন। যাচাই করলে ছাত্র 360 জন ও ছাত্রী 480 জন, তাদের পার্থক্য 120 জন।
মনে রাখুন:
অনুপাতের প্রশ্নে সাধারণ গুণনীয়ক x ধরে সমীকরণ বানালে সহজে সমাধান হয়।
অনুপাতের অংশের ব্যবধান যত, প্রকৃত ব্যবধান তত গুণ x। - ৫৬. দুটি সংখ্যার গুণফল ১৫৩৬ এবং তাদের গ.সা.গু. ১৬ হলে, সংখ্যা দুটির ল.সা.গু. কত হবে?
- ক. ৪৮
- খ. ৬০
- গ. ৯৬
- ঘ. ১০৮
উত্তর: গ. ৯৬
দুটি সংখ্যার গুণফল তাদের গ.সা.গু. ও ল.সা.গু.-র গুণফলের সমান হয়। অর্থাৎ সংখ্যা দুটি a ও b হলে a × b = গ.সা.গু. × ল.সা.গু.। এখানে গুণফল 1536 এবং গ.সা.গু. 16, তাই ল.সা.গু. = 1536 ÷ 16 = 96। যাচাই করলে পাওয়া যায় 16 × 96 = 1536, যা প্রশ্নের গুণফলের সঙ্গে মেলে।
মনে রাখুন:
a × b = গ.সা.গু. × ল.সা.গু.।
গ.সা.গু. সবসময় ল.সা.গু.-র একটি গুণনীয়ক।
দুটি সংখ্যার একটি জানা থাকলে অপরটি বের করার জন্যও এ সূত্র কাজে লাগে। - ৫৭. a + b + c = 15, a² + b² + c² = 83 হলে ab + bc + ca = ?
- ক. 71
- খ. 61
- গ. 51
- ঘ. 41
উত্তর: ক. 71
সূত্র: (a + b + c)² = a² + b² + c² + 2(ab + bc + ca)। এখানে a + b + c = 15, তাই বাঁ দিক 225। আবার a² + b² + c² = 83। তাহলে 225 = 83 + 2(ab + bc + ca), অর্থাৎ 2(ab + bc + ca) = 142 এবং ab + bc + ca = 71।
মনে রাখুন: তিনটি চলকের বর্গের যোগফল ও যোগফল দেওয়া থাকলে এই সূত্রে সহজেই গুণফলের যোগফল মেলে। - ৫৮. সরল সুদে ৬৫০ টাকা ব্যাংকে গচ্ছিত রাখা হলো। ৫ বছর পর ৭৬৩.৭৫ টাকা পেলে সুদের হার কত?
- ক. ৩%
- খ. ৩.৫%
- গ. ৮%
- ঘ. ৮.৫%
উত্তর: খ. ৩.৫%
সরল সুদে আসল ও সুদ মিলে সুদাসল হয়। তাই সুদ = সুদাসল − আসল = 763.75 − 650 = 113.75 টাকা। সরল সুদের সূত্র I = Pnr/100 থেকে r = (I × 100)/(P × n) পাই। মান বসালে r = (113.75 × 100)/(650 × 5) = 11375/3250 = 3.5। অতএব সুদের হার ৩.৫%।
মনে রাখুন:
সুদাসল = আসল + সুদ।
সরল সুদে প্রতি বছরের সুদ সমান থাকে।
চক্রবৃদ্ধি সুদে প্রতি বছরের সুদ আসলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পরের বছরের আসল বাড়ায়। - ৫৯. যদি x + 1/x = 3 হয়, তাহলে x³ + 1/x³ = ?
- ক. 0
- খ. 18
- গ. 27
- ঘ. 9
উত্তর: খ. 18
এখানে x + 1/x-এর মান দেওয়া আছে, আর বের করতে হবে x³ + 1/x³। এ জন্য ঘন সূত্র ব্যবহার করি: x³ + 1/x³ = (x + 1/x)³ − 3(x + 1/x)। মান বসালে পাই 3³ − 3 × 3 = 27 − 9 = 18। সূত্রটি আসে (a + b)³ = a³ + b³ + 3ab(a + b) থেকে, যেখানে a = x ও b = 1/x ধরলে ab = 1 হয়।
মনে রাখুন:
x³ − 1/x³ = (x − 1/x)³ + 3(x − 1/x)।
x² + 1/x² = (x + 1/x)² − 2।
এই সূত্রগুলো বীজগণিতে বারবার কাজে লাগে। - ৬০. ∛27 + ⁴√625 + √4 + 1⁰ = ?
- ক. 11
- খ. 12
- গ. 13
- ঘ. 14
উত্তর: ক. 11
প্রতিটি রাশির মান আলাদাভাবে বের করে যোগ করলেই উত্তর মেলে। ∛27 = 3, কারণ 3³ = 27। ⁴√625 = 5, কারণ 5⁴ = 625। √4 = 2। আর যেকোনো অশূন্য সংখ্যার শূন্য ঘাতের মান 1, তাই 1⁰ = 1। সব যোগ করলে 3 + 5 + 2 + 1 = 11।
মনে রাখুন:
a⁰ = 1 (a ≠ 0)।
a^(1/n) = a-এর n-তম মূল।
ঘাত ও মূলের প্রশ্নে আগে প্রতিটি পদ সরল করে তারপর যোগ বা গুণ করা ভালো। - ৬১. একটি বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল ৩৬০০ বর্গমিটার। বর্গক্ষেত্রটির পরিসীমা কত মিটার?
- ক. ৬০০ মিটার
- খ. ৩০০ মিটার
- গ. ২০০ মিটার
- ঘ. ২৪০ মিটার
উত্তর: ঘ. ২৪০ মিটার
বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল হলো বাহুর বর্গ, তাই বাহু বের করতে ক্ষেত্রফলের বর্গমূল নিতে হয়। এখানে বাহু = √3600 = 60 মিটার। পরিসীমা হলো চার বাহুর যোগফল, অর্থাৎ 4 × 60 = 240 মিটার। পরিসীমা ও ক্ষেত্রফল গুলিয়ে ফেললে ৬০০ বা ৩০০-এর মতো ভুল উত্তর আসে, তাই আগে বাহু বের করে নেওয়া ভালো।
মনে রাখুন:
বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = 4a, ক্ষেত্রফল = a², কর্ণ = a√2।
আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = 2(দৈর্ঘ্য + প্রস্থ), ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ। - ৬২. ১ ঘণ্টা ১০ মিনিট ৭ ঘণ্টার কত অংশ?
- ক. ১/৪ অংশ
- খ. ১/৬ অংশ
- গ. ১/৫ অংশ
- ঘ. ১/৩ অংশ
উত্তর: খ. ১/৬ অংশ
দুটি রাশির তুলনা করতে হলে আগে দুটিকে একই এককে আনতে হয়। ১ ঘণ্টা ১০ মিনিট = 60 + 10 = 70 মিনিট, আর ৭ ঘণ্টা = 7 × 60 = 420 মিনিট। এবার প্রথম রাশিকে দ্বিতীয় রাশির ভগ্নাংশ হিসেবে লিখলে 70/420 পাই। সংখ্যা ও হরকে 70 দিয়ে ভাগ করলে ভগ্নাংশটি দাঁড়ায় 1/6।
মনে রাখুন:
১ ঘণ্টা = ৬০ মিনিট = ৩৬০০ সেকেন্ড।
‘কত অংশ’ প্রশ্নে ছোট রাশিকে বড় রাশি দিয়ে ভাগ করতে হয়।
ছোট একক (এখানে মিনিট) ধরে হিসাব করলে ভুল কম হয়। - ৬৩. বৃত্তস্থ চতুর্ভুজের বিপরীত কোণদ্বয়ের সমষ্টি কত?
- ক. ১৮০°
- খ. ১৯০°
- গ. ৩৬০°
- ঘ. ১৭০°
উত্তর: ক. ১৮০°
যে চতুর্ভুজের চারটি কৌণিক বিন্দুই একটি বৃত্তের ওপর থাকে, তাকে বৃত্তস্থ চতুর্ভুজ (Cyclic Quadrilateral) বলে। এর বিপরীত কোণ দুটির যোগফল সবসময় 180°। কারণ একই বৃত্তচাপের ওপর দাঁড়ানো কেন্দ্রস্থ কোণ ও বৃত্তস্থ কোণের সম্পর্ক থেকে দেখা যায়, দুই বিপরীত কোণ মিলে পুরো 360° কোণের অর্ধেক পূরণ করে।
মনে রাখুন:
বৃত্তস্থ চতুর্ভুজের চার কোণের যোগফল 360°, যেমন যেকোনো চতুর্ভুজের হয়।
এর একটি বাহু বাড়ালে যে বহিঃস্থ কোণ তৈরি হয়, তা বিপরীত অন্তঃস্থ কোণের সমান। - ৬৪. ১ + ৩ + ৩² + ৩³ + ৩⁴ + ... + n সংখ্যক পদের যোগফল কত?
- ক. 3ⁿ/২
- খ. (3ⁿ−১)/২
- গ. (3ⁿ+১)/২
- ঘ. 3n−১
উত্তর: খ. (3ⁿ−১)/২
ধারাটির পদগুলো 1, 3, 9, 27, 81, ... প্রতিটি পদ আগের পদের 3 গুণ। তাই এটি একটি গুণোত্তর ধারা (Geometric Series), যার প্রথম পদ a = 1 এবং সাধারণ অনুপাত r = 3। r > 1 হলে n সংখ্যক পদের যোগফলের সূত্র হলো Sn = a(rⁿ − 1)/(r − 1)। মান বসিয়ে পাই Sn = (3ⁿ − 1)/(3 − 1) = (3ⁿ − 1)/2।
যাচাই: n = 3 হলে পদগুলো 1 + 3 + 9 = 13, আর সূত্রে (27 − 1)/2 = 13, মিলে যায়।
মনে রাখুন: r < 1 হলে সূত্র হয় a(1 − rⁿ)/(1 − r), আর অসীম পদের যোগফল a/(1 − r) (যখন |r| < 1)। - ৬৬. P সংখ্যক সংখ্যার গড় M এবং Q সংখ্যক সংখ্যার গড় N হলে সবগুলো সংখ্যার গড় কত?
- ক. (M+N)/2
- খ. (PM+QN)/2
- গ. (PM+QN)/(P+Q)
- ঘ. (PM+QN)/(M+N)
উত্তর: গ. (PM+QN)/(P+Q)
গড় মানে মোট যোগফলকে সংখ্যার সংখ্যা দিয়ে ভাগ। P সংখ্যক সংখ্যার গড় M হলে তাদের যোগফল PM, আর Q সংখ্যক সংখ্যার গড় N হলে যোগফল QN। দুই দলের সব সংখ্যা মিলিয়ে মোট যোগফল PM + QN এবং মোট সংখ্যা P + Q। অতএব সবগুলো সংখ্যার গড় (PM + QN)/(P + Q)।
মনে রাখুন: একে ভারযুক্ত গড় (Weighted Mean) বলে। কোনো দলের সংখ্যা বেশি হলে গড়টি সেই দলের গড়ের কাছাকাছি থাকে। - ৬৭. logₑ√x + logₑ∛x + logₑ⁴√x = কত?
- ক. (13/12) logₑx
- খ. logₑx
- গ. (1/2) logₑx
- ঘ. logₑ√x
উত্তর: ক. (13/12) logₑx
লগারিদমের সূত্র অনুযায়ী যেকোনো মূলকে ঘাত আকারে লেখা যায়: √x = x^(1/2), ∛x = x^(1/3) এবং ⁴√x = x^(1/4)। আবার logₑ(xᵐ) = m·logₑx। তাই রাশিটি দাঁড়ায় (1/2 + 1/3 + 1/4) logₑx। হরের ল.সা.গু. 12 ধরে যোগ করলে 6/12 + 4/12 + 3/12 = 13/12, অর্থাৎ ফল (13/12) logₑx।
মনে রাখুন:
log(ab) = log a + log b
log(a/b) = log a − log b
log(aᵐ) = m log a
logₑ-কে স্বাভাবিক লগ (Natural log) বলে, যেখানে e ≈ 2.718। - ৬৮. যদি x² + 1 = √3x হয়, তাহলে x² + 1/x² = কত?
- ক. 2
- খ. 1
- গ. 0
- ঘ. 3
উত্তর: খ. 1
প্রদত্ত সমীকরণ x² + 1 = √3·x। উভয়পক্ষকে x দিয়ে ভাগ করলে পাই x + 1/x = √3। এবার (x + 1/x)² = x² + 2 + 1/x² সূত্র থেকে x² + 1/x² = (x + 1/x)² − 2 = (√3)² − 2 = 3 − 2 = 1।
মনে রাখুন:
x² + 1/x² = (x + 1/x)² − 2 = (x − 1/x)² + 2
x³ + 1/x³ = (x + 1/x)³ − 3(x + 1/x) - ৬৯. যদি b + 1/b = 4 হয়, তাহলে b/(b²+b+1) এর মান কত?
- ক. 25
- খ. 1/6
- গ. 1/5
- ঘ. 1/36
উত্তর: গ. 1/5
b + 1/b = 4 হলে উভয়পক্ষকে b দিয়ে গুণ করলে b² + 1 = 4b পাওয়া যায়। এখন ভগ্নাংশের হরে b² + b + 1 = (b² + 1) + b = 4b + b = 5b। তাই b/(b² + b + 1) = b/5b = 1/5।
মনে রাখুন: এ ধরনের প্রশ্নে লবের অংশ আলাদা করে হরের মধ্যে প্রদত্ত শর্ত বসানোই সহজ পথ। এখানে উল্টো ভগ্নাংশ ধরলেও কাজ হয়: (b² + b + 1)/b = b + 1 + 1/b = 5, তাই উত্তর 1/5। - ৭৫. ৬০ থেকে ৮০ এর মধ্যবর্তী বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যার অন্তর হবে—
- ক. ৮
- খ. ১২
- গ. ১৮
- ঘ. ১৩২
উত্তর: গ. ১৮
মৌলিক সংখ্যা হলো এমন সংখ্যা, যা ১ ও নিজেকে ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দিয়ে ভাগ যায় না। ৬০ থেকে ৮০-এর মধ্যে সংখ্যাগুলো একে একে যাচাই করলে মৌলিক সংখ্যা পাওয়া যায় ৬১, ৬৭, ৭১, ৭৩ ও ৭৯। এর ক্ষুদ্রতম ৬১ এবং বৃহত্তম ৭৯, তাই অন্তর 79 − 61 = 18।
মনে রাখুন:
২ একমাত্র জোড় মৌলিক সংখ্যা।
১ মৌলিকও নয়, যৌগিকও নয়।
১ থেকে ১০০-এর মধ্যে মোট ২৫টি মৌলিক সংখ্যা আছে। - ৭৬. দুটি ক্রমিক সংখ্যার বর্গের অন্তর ২৩ হলে সংখ্যাদ্বয় কত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৯
- ক. ১১, ১২
- খ. ১০, ১১
- গ. ১২, ১৩
- ঘ. ৯, ১০
উত্তর: ক. ১১, ১২
দুটি ক্রমিক সংখ্যা ধরি x ও x + 1। শর্ত অনুযায়ী (x + 1)² − x² = 23। বামপক্ষ ভাঙলে x² + 2x + 1 − x² = 2x + 1, তাই 2x + 1 = 23 এবং x = 11। সংখ্যা দুটি ১১ ও ১২।
মনে রাখুন: দুটি ক্রমিক সংখ্যার বর্গের অন্তর সবসময় সংখ্যা দুটির যোগফলের সমান। এখানে 11 + 12 = 23, তাই সোজাসুজি 23-কে দুই ক্রমিক সংখ্যার যোগফল ভেবে (11 ও 12) উত্তর পাওয়া যায়।
কম্পিউটার ও আইসিটি
- ৭০. কম্পিউটার ভাইরাস কী?
- ক. একটি ক্ষতিকারক জীবাণু
- খ. একটি ক্ষতিকারক সার্কিট
- গ. একটি ক্ষতিকারক ডিভাইস
- ঘ. একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম
উত্তর: ঘ. একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম
কম্পিউটার ভাইরাস (Computer Virus) জীবাণু নয়, এটি মানুষের লেখা একটি ক্ষতিকর প্রোগ্রাম। এটি নিজেকে অনুলিপি করে এক ফাইল থেকে অন্য ফাইলে, এক কম্পিউটার থেকে আরেক কম্পিউটারে ছড়ায় এবং ফাইল ও তথ্য নষ্ট করে। এর কোনো জৈব কোষ নেই, তাই একে জীবাণু বলা যায় না। সার্কিট বা ডিভাইস হলো হার্ডওয়্যার, কিন্তু ভাইরাস সম্পূর্ণ সফটওয়্যার।
মনে রাখুন:
ভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে অ্যান্টিভাইরাস (Antivirus) সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয় এবং তা নিয়মিত হালনাগাদ রাখতে হয়।
ওয়ার্ম (Worm) ও ট্রোজান হর্স (Trojan Horse) একই ধরনের ক্ষতিকর প্রোগ্রাম।
ব্রেইন (Brain) নামের ভাইরাসটিকে প্রথম পিসি ভাইরাস বলা হয়। - ৭১. GPRS-এর পূর্ণরূপ কী?
- ক. General Packet Radio Service
- খ. Global Protect Radiation Service
- গ. General Preference Radio Service
- ঘ. Global Packet Reminder Service
উত্তর: ক. General Packet Radio Service
GPRS-এর পূর্ণরূপ General Packet Radio Service। এটি মোবাইল ফোন নেটওয়ার্কে তথ্য পাঠানোর একটি ব্যবস্থা, যেখানে তথ্যকে ছোট ছোট প্যাকেটে ভেঙে পাঠানো হয়। এর ফলে ফোন করার জন্য লাইন আটকে না রেখেও মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়। দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) নেটওয়ার্কে এই ব্যবস্থা যোগ হওয়ায় একে অনেক সময় 2.5G বলা হয়। অন্য বিকল্পগুলো কোনো প্রচলিত প্রযুক্তির নাম নয়।
মনে রাখুন:
GSM-এর পূর্ণরূপ Global System for Mobile Communications।
GPS (Global Positioning System) অবস্থান জানার ব্যবস্থা, GPRS নয়। - ৭৩. ইন্টারনেটের জনক কে?
- ক. Charles Babbage
- খ. Vinton Gray Cerf
- গ. Vinton Grey
- ঘ. Bill Gates
উত্তর: খ. Vinton Gray Cerf
ইন্টারনেট এক দিনে তৈরি হয়নি, তবে এর মূল প্রযুক্তি TCP/IP প্রোটোকল ডিজাইন করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানী ভিন্টন গ্রে কার্ফ (Vinton Gray Cerf) এবং রবার্ট কান। এই প্রোটোকলের ওপর ভর করেই সারা পৃথিবীর কম্পিউটার একে অপরের সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে। এ কারণে ভিন্টন কার্ফকে ‘ইন্টারনেটের জনক’ বলা হয়। বাকিরা অন্য ক্ষেত্রের মানুষ: চার্লস ব্যাবেজকে কম্পিউটারের জনক বলা হয় আর বিল গেটস মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা।
মনে রাখুন:
ইন্টারনেটের পূর্বসূরি ARPANET ১৯৬৯ সালে চালু হয়।
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) তৈরি করেন টিম বার্নার্স-লি।
বিজ্ঞান
- ৭২. সাবান উৎপাদনে কারখানায় উপজাত হিসেবে কী উৎপন্ন হয়?
- ক. ফ্যাটি এসিড
- খ. ডিটারজেন্ট
- গ. গ্লিসারিন
- ঘ. সোডা
উত্তর: গ. গ্লিসারিন
সাবান হলো উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের সোডিয়াম বা পটাশিয়াম লবণ। কারখানায় তেল বা চর্বির সঙ্গে ক্ষার (সাধারণত NaOH) মিশিয়ে গরম করলে এ কাজ হয়। একে সাবানীকরণ (Saponification) বলে। বিক্রিয়ায় সাবানের সঙ্গে গ্লিসারিন (Glycerol) নামে একটি তরল পদার্থও তৈরি হয়, সেটিই উপজাত। বিক্রিয়াটিকে সংক্ষেপে লেখা যায়: তেল/চর্বি + NaOH → সাবান + গ্লিসারিন।
মনে রাখুন:
গ্লিসারিন প্রসাধনী, ওষুধ ও বিস্ফোরক (নাইট্রোগ্লিসারিন) তৈরিতে কাজে লাগে।
সাবানের দ্রবণে খাদ্য লবণ দিলে সাবান আলাদা হয়ে ভেসে ওঠে।
ডিটারজেন্ট সাবান থেকে আলাদা পদার্থ, এটি সাবানীকরণের উপজাত নয়। - ৭৪. পূর্ণবয়স্ক সুস্থ ব্যক্তির নাড়ীর গড় স্পন্দন প্রতি মিনিটে কত?
- ক. ৬৮
- খ. ৮০
- গ. ৭২
- ঘ. ৯০
উত্তর: গ. ৭২
বিশ্রামে থাকা সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের হৃৎস্পন্দন গড়ে প্রতি মিনিটে ৭২ বার হয়, আর নাড়ির স্পন্দনও একই হারে চলে। কারণ হৃৎপিণ্ড যতবার সংকুচিত হয়ে রক্ত পাম্প করে, ধমনিতে ততবারই ধাক্কা অনুভূত হয়। কবজির ধমনিতে আঙুল রেখে আমরা এ স্পন্দন গুনতে পারি। সাধারণ সীমা প্রতি মিনিটে ৬০ থেকে ১০০ বার।
মনে রাখুন:
প্রতি মিনিটে ৬০-এর কম হলে তাকে ব্র্যাডিকার্ডিয়া (Bradycardia) বলে।
১০০-র বেশি হলে তাকে ট্যাকিকার্ডিয়া (Tachycardia) বলে।
শিশুদের হৃৎস্পন্দনের হার বড়দের চেয়ে বেশি হয়।
ব্যায়ামের সময় বা উত্তেজনায় স্পন্দন বাড়ে। - ৮৫. রয়েল বেঙ্গল টাইগারের বৈজ্ঞানিক নাম কী?
- ক. Panthera tigress
- খ. Panthera tigris
- গ. Panthera tigris tigris
- ঘ. Panthera tigris altaica
উত্তর: গ. Panthera tigris tigris
বাঘ Panthera গণের একটি প্রজাতি, যার বৈজ্ঞানিক নাম Panthera tigris। এর বিভিন্ন উপপ্রজাতি আছে, আর রয়েল বেঙ্গল টাইগার হলো তার মধ্যে বেঙ্গল উপপ্রজাতি, যার বৈজ্ঞানিক নাম Panthera tigris tigris। তাই বিকল্পগুলোর মধ্যে এটিই সবচেয়ে নির্দিষ্ট ও সঠিক। Panthera tigris শুধু প্রজাতির নাম, উপপ্রজাতির নয়। Panthera tigris altaica সাইবেরীয় বাঘের নাম, আর Panthera tigress নামে কোনো প্রচলিত বৈজ্ঞানিক নাম নেই।
মনে রাখুন:
রয়েল বেঙ্গল টাইগার বাংলাদেশের জাতীয় পশু।
সুন্দরবন এই বাঘের প্রধান আবাসস্থল।
সিংহের বৈজ্ঞানিক নাম Panthera leo।
আন্তর্জাতিক
- ৯০. 'আন্তর্জাতিক নারী দিবস' কবে পালিত হয়?
- ক. ৭ জানুয়ারি
- খ. ৮ ফেব্রুয়ারি
- গ. ৮ মার্চ
- ঘ. ৮ এপ্রিল
উত্তর: গ. ৮ মার্চ
প্রতি বছর ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন করা হয়। এই দিনের শুরুর পেছনে আছে ১৯০৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে নারী শ্রমিকদের কাজের পরিবেশ ও ন্যায্য মজুরির দাবিতে আন্দোলন। ১৯১০ সালে ক্লারা জেটকিন দিবসটি পালনের প্রস্তাব দেন। জাতিসংঘ ১৯৭৫ সালে ৮ মার্চ দিবসটি পালন শুরু করে এবং পরে সদস্য দেশগুলোকে এটি পালনের আহ্বান জানায়। দিবসটি এখন নারীর অধিকার ও সমতার প্রতীক।
মনে রাখুন:
১৯৭৫ সালকে জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক নারী বর্ষ ঘোষণা করেছিল।
আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস ১ মে। - ৯২. কোনটি ভারতের 'সেভেন সিস্টার্সভুক্ত' রাজ্য নয়?
- ক. ত্রিপুরা
- খ. মিজোরাম
- গ. মণিপুর
- ঘ. কেরালা
উত্তর: ঘ. কেরালা
সেভেন সিস্টার্স বলতে ভারতের উত্তর-পূর্বের সাতটি রাজ্যকে বোঝায়, যেগুলো বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্ত ঘেঁষে আছে। রাজ্যগুলো হলো আসাম, অরুণাচল প্রদেশ, নাগাল্যান্ড, মণিপুর, মিজোরাম, ত্রিপুরা ও মেঘালয়। এগুলো ভারতের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে শিলিগুড়ি করিডর নামের একটি সরু স্থলপথে যুক্ত, যাকে চিকেন নেক বলা হয়। কেরালা ভারতের একেবারে দক্ষিণ প্রান্তের রাজ্য, তাই এটি তালিকায় পড়ে না।
মনে রাখুন:
ভারতের উত্তর-পূর্বের আরেকটি রাজ্য সিকিম সেভেন সিস্টার্সের অংশ নয়। - ৯৩. সুয়েজ খাল কোন দুটি সাগরকে যুক্ত করেছে?
- ক. লোহিত সাগর ও ভূমধ্যসাগর
- খ. ভূমধ্যসাগর ও আরব সাগর
- গ. লোহিত সাগর ও আরব সাগর
- ঘ. ভূমধ্যসাগর ও কাস্পিয়ান সাগর
উত্তর: ক. লোহিত সাগর ও ভূমধ্যসাগর
সুয়েজ খাল মিসরের মধ্য দিয়ে ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে যুক্ত করেছে। ফরাসি প্রকৌশলী ফার্দিনান্ড দ্য লেসেপস এর নকশা ও নির্মাণের নেতৃত্ব দেন, আর খালটি চালু হয় ১৮৬৯ সালে। এর ফলে ইউরোপ থেকে এশিয়ায় যেতে আফ্রিকা ঘুরে আসার প্রয়োজন পড়ে না, তাই সময় ও খরচ দুটোই অনেক কমে। ১৯৫৬ সালে মিসর খালটি জাতীয়করণ করে।
মনে রাখুন:
পানামা খাল আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে।
আরব সাগর ও লোহিত সাগর যুক্ত হয়েছে বাব-এল-মান্দেব প্রণালি দিয়ে। - ৯৪. ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের সদর দপ্তর কোথায়?
- ক. গ্রিস
- খ. ইন্দোনেশিয়া
- গ. সুইজারল্যান্ড
- ঘ. জার্মানি
উত্তর: ঘ. জার্মানি
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (Transparency International) দুর্নীতিবিরোধী একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা, যার সদর দপ্তর জার্মানির রাজধানী বার্লিনে। ১৯৯৩ সালে পিটার আইগেন এটি প্রতিষ্ঠা করেন। সংস্থাটি প্রতি বছর বিভিন্ন দেশের দুর্নীতি পরিস্থিতি নিয়ে ‘দুর্নীতি ধারণা সূচক’ (Corruption Perceptions Index) প্রকাশ করে। এই সূচকে দেশগুলোকে নম্বর দিয়ে সাজানো হয়, আর বেশি নম্বর মানে তুলনামূলক কম দুর্নীতি।
মনে রাখুন:
এর বাংলাদেশ শাখার নাম ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। - ৯৫. মাদার তেরেসা কোন দেশে জন্মগ্রহণ করেছিলেন?
- ক. আলবেনিয়া
- খ. মেসিডোনিয়া
- গ. সার্বিয়া
- ঘ. ইতালি
উত্তর: খ. মেসিডোনিয়া
মাদার তেরেসা ১৯১০ সালের ২৬ আগস্ট স্কোপিয়ে শহরে জন্মেছিলেন, যা এখন উত্তর মেসিডোনিয়ার রাজধানী। তাঁর পরিবার ছিল আলবেনীয় বংশোদ্ভূত, আর আসল নাম আনিয়েজে গনজা বোয়াজিউ। এ কারণে অনেকে আলবেনিয়াকে তাঁর জন্মদেশ ভাবে, কিন্তু জন্মস্থান মেসিডোনিয়ায়। তিনি ভারতের কলকাতায় ১৯৫০ সালে ‘মিশনারিজ অব চ্যারিটি’ গড়ে তোলেন এবং দরিদ্র ও অসুস্থ মানুষের সেবায় জীবন কাটান।
মনে রাখুন:
তিনি ১৯৭৯ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।
ভ্যাটিকান ২০১৬ সালে তাঁকে সাধুর মর্যাদা (Canonization) দেয়।
তিনি ১৯৯৭ সালে কলকাতায় মারা যান। - ৯৬. কোনটি ক্যারিবিয়ান রাষ্ট্র নয়?
- ক. ডোমিনিকা
- খ. জ্যামাইকা
- গ. পুয়ের্তোরিকো
- ঘ. বার্বাডোস
উত্তর: গ. পুয়ের্তোরিকো
পুয়ের্তোরিকো ক্যারিবীয় সাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপ হলেও এটি স্বাধীন রাষ্ট্র নয়। এটি যুক্তরাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত একটি স্বশাসিত অঞ্চল। এর অধিবাসীরা মার্কিন নাগরিক। অন্যদিকে ডোমিনিকা, জ্যামাইকা ও বার্বাডোস স্বাধীন ক্যারিবীয় রাষ্ট্র। জ্যামাইকা ১৯৬২ সালে এবং বার্বাডোস ১৯৬৬ সালে ব্রিটেন থেকে স্বাধীনতা পায়।
মনে রাখুন:
ডোমিনিকা আর ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র এক দেশ নয়।
ডোমিনিকা ছোট ক্যারিবীয় দ্বীপরাষ্ট্র।
পুয়ের্তোরিকোর রাজধানী সান হুয়ান। - ৯৭. জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব কে?
- ক. কুট ওয়াল্ড হেইম
- খ. ট্রাইগভ্যালি
- গ. উথান্ট
- ঘ. পেরেজ দ্যা কুয়েলার
উত্তর: খ. ট্রাইগভ্যালি
জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব ছিলেন নরওয়ের ট্রিগভে লি। তিনি ১৯৪৬ থেকে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। কুর্ট ওয়াল্ডহাইম, উ থান্ট ও পেরেজ দে কুয়েলার পরবর্তী সময়ের মহাসচিব, তাই তাঁরা প্রথম নন। জাতিসংঘের মহাসচিব সাধারণ পরিষদ নিয়োগ দেয়, তবে নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশ লাগে।
মনে রাখুন:
উ থান্ট (মিয়ানমার) প্রথম এশীয় মহাসচিব।
পরবর্তী মহাসচিবদের মধ্যে আছেন কফি আনান, বান কি মুন।
হালনাগাদ: বর্তমান মহাসচিব পর্তুগালের অ্যান্তোনিও গুতেরেস, যিনি নবম মহাসচিব এবং তাঁর মেয়াদ ২০২৬ সালের শেষে শেষ হবে। - ৯৮. 'গ্রিনপিস' কোন দেশের পরিবেশবাদী গ্রুপ?
- ক. নেদারল্যান্ডস
- খ. পোল্যান্ড
- গ. ফিনল্যান্ড
- ঘ. নিউজিল্যান্ড
উত্তর: ক. নেদারল্যান্ডস
গ্রিনপিস একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংগঠন, যার সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডামে। ১৯৭১ সালে কানাডার ভ্যাঙ্কুভার থেকে একদল কর্মী আলাস্কার আমচিতকা দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক পরীক্ষার বিরুদ্ধে প্রতিবাদে রওনা হয়েছিলেন। এভাবেই সংগঠনটির যাত্রা শুরু। তাই এর সঙ্গে নেদারল্যান্ডসের সম্পর্ক সদর দপ্তরের কারণে। বাকি দেশগুলোতে এর প্রধান কার্যালয় নেই।
মনে রাখুন:
গ্রিনপিসের জাহাজ ‘রেইনবো ওয়ারিয়র’ ১৯৮৫ সালে নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড বন্দরে ফরাসি গোয়েন্দাদের বোমায় ডুবে যায়।
গ্রিনপিস পারমাণবিক পরীক্ষা, তিমি শিকার ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালায়। - ৯৯. 'বান্দুং' শহরটি কোন দেশে অবস্থিত?
- ক. চীন
- খ. মালয়েশিয়া
- গ. ইন্দোনেশিয়া
- ঘ. নেপাল
উত্তর: গ. ইন্দোনেশিয়া
বান্দুং ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপের পশ্চিম জাভা প্রদেশের রাজধানী এবং দেশের অন্যতম বড় শহর। শহরটি ইতিহাসে বিখ্যাত ১৯৫৫ সালের বান্দুং সম্মেলনের জন্য। সেই সম্মেলনে এশিয়া ও আফ্রিকার ২৯টি দেশ অংশ নিয়েছিল। সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল উপনিবেশবাদের বিরোধিতা এবং নতুন স্বাধীন দেশগুলোর সহযোগিতা। এই সম্মেলনের আদর্শ থেকেই পরে জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের (Non-Aligned Movement) জন্ম হয়।
মনে রাখুন:
বান্দুং সম্মেলনের উদ্যোক্তাদের মধ্যে ছিলেন ইন্দোনেশিয়ার সুকর্ণ, ভারতের জওহরলাল নেহেরু ও মিসরের নাসের।
জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের প্রথম শীর্ষ সম্মেলন ১৯৬১ সালে বেলগ্রেডে হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা: সব বছর
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়: অন্যান্য পরীক্ষা
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সুপারিনটেনডেন্ট নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৪
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সুপারিনটেনডেন্ট নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা/সহকারী কনস্যুলার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সাইফার অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১২
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিদ্যুৎ বিভাগ বিদ্যুৎ পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন