পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯। ৯৯টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →বাংলা
- ১. 'ধূসর পাণ্ডুলিপি' কার রচনা?
- ক. জসীমউদ্দীন
- খ. ফররুখ আহমেদ
- গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ঘ. জীবনানন্দ দাশ
উত্তর: ঘ. জীবনানন্দ দাশ
‘ধূসর পাণ্ডুলিপি’ জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৩৬ সালে প্রকাশিত হয়। এই বইয়ে তাঁর নিজস্ব কাব্যভাষা ও নির্জন, বিষণ্ণ সুরটি ফুটে উঠতে শুরু করে। বাকি তিনজনের পরিচয় আলাদা: জসীমউদ্দীন ‘পল্লিকবি’, ফররুখ আহমদের বিখ্যাত কাব্য ‘সাত সাগরের মাঝি’, আর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘গীতাঞ্জলি’র কবি।
মনে রাখুন:
জীবনানন্দের অন্য কাব্য: ঝরা পালক, বনলতা সেন, মহাপৃথিবী, রূপসী বাংলা, সাতটি তারার তিমির।
জসীমউদ্দীনের কাব্য: নকশী কাঁথার মাঠ, সোজন বাদিয়ার ঘাট। - ৪. 'বিত্ত নাই বেসাত নাই'-এর রচয়িতা কে?
- ক. কামিনী রায়
- খ. ফজল শাহাবুদ্দীন
- গ. শহীদ কাদরী
- ঘ. আসাদ চৌধুরী
উত্তর: ঘ. আসাদ চৌধুরী
‘বিত্ত নাই বেসাত নাই’ কবি আসাদ চৌধুরীর রচনা। তিনি ষাটের দশকের একজন গুরুত্বপূর্ণ কবি, আর মুক্তিযুদ্ধ ও মানুষের জীবনসংগ্রামের কথা তাঁর কবিতায় এসেছে। অন্য অপশনগুলোর কবিদের পরিচয়ও আলাদা। কামিনী রায় ‘আলো ও ছায়া’র কবি, আর শহীদ কাদরী ‘তোমাকে অভিবাদন, প্রিয়তমা’র কবি। ফজল শাহাবুদ্দীনও আধুনিক বাংলা কবিতার একজন কবি।
মনে রাখুন: আসাদ চৌধুরীর আরেকটি কাব্য ‘তবক দেওয়া পান’। - ১২. 'সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত'—এই উক্তিটি কার?
- ক. প্রমথ চৌধুরী
- খ. মমতাজউদ্দীন আহমদ
- গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ঘ. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
উত্তর: ক. প্রমথ চৌধুরী
‘সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত’ উক্তিটি প্রমথ চৌধুরীর ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের। তিনি বলতে চেয়েছেন, শিক্ষা কেউ অন্যকে গিলিয়ে দিতে পারে না, নিজের চেষ্টাতেই মানুষ শিক্ষিত হয়। প্রমথ চৌধুরী ‘বীরবল’ ছদ্মনামে লিখতেন এবং ‘সবুজপত্র’ পত্রিকা সম্পাদনা করে চলিত ভাষার প্রচলনে বড় ভূমিকা রাখেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তও লেখক, কিন্তু এই উক্তি তাঁদের নয়।
মনে রাখুন:
তাঁর প্রবন্ধগ্রন্থ ‘বীরবলের হালখাতা’, ‘তেল-নুন-লকড়ি’।
‘সবুজপত্র’ প্রকাশিত হয় ১৯১৪ সালে। - ১৬. কোনটি তুর্কি শব্দ?
- ক. চিনি
- খ. রিক্সা
- গ. চা
- ঘ. দারোগা
উত্তর: ঘ. দারোগা
‘দারোগা’ শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। অন্য শব্দগুলো ভিন্ন উৎসের: চা চীনা ভাষা থেকে আসা শব্দ এবং রিক্সা জাপানি শব্দ। চিনি শব্দটিও চীনের সঙ্গে সম্পর্কিত। মুসলিম শাসনের সময় তুর্কি ভাষা থেকে আমাদের ভাষায় ঢুকে পড়া শব্দ প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর কাজের সঙ্গে জড়িত ছিল, দারোগা শব্দটিও এ ধরনের।
মনে রাখুন:
তুর্কি শব্দের উদাহরণ: চাকর, চাকু, বাবুর্চি, বেগম, তোপ, উজবুক, কুলি।
জাপানি শব্দের উদাহরণ: রিক্সা, সুনামি। - ২৫. 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে'-কার প্রার্থনা?
- ক. ঈশ্বরী পাটনী
- খ. মহুয়া
- গ. ভাঁড়ুদত্ত
- ঘ. চাঁদ সওদাগর
উত্তর: ক. ঈশ্বরী পাটনী
‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে’ পঙক্তিটি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্যের। কাব্যে দেবী অন্নপূর্ণা ছদ্মবেশে খেয়া পার হতে চান। মাঝি ঈশ্বরী পাটনী তাঁকে চিনতে না পারলেও তাঁর অসাধারণ রূপ দেখে বুঝতে পারেন, ইনি সাধারণ কেউ নন। দেবী বর চাইতে বললে গরিব পাটনী নিজের জন্য ধনসম্পদ চায়নি, চেয়েছে শুধু সন্তান যেন সুখে খেয়ে-পরে থাকে। তাই এটি তাঁর প্রার্থনা।
মনে রাখুন:
ভারতচন্দ্র মঙ্গলকাব্যের শেষ বড় কবি, ‘রায়গুণাকর’ তাঁর উপাধি।
অন্নদামঙ্গলের তিনটি খণ্ড: অন্নদামঙ্গল, বিদ্যাসুন্দর ও মানসিংহ। - ২৮. মুনির চৌধুরীর 'রক্তাক্ত প্রান্তর' নাটকের চরিত্র নয় কোনটি?
- ক. মারওয়ান
- খ. সুজাউদ্দৌলা
- গ. জোহরা
- ঘ. ইব্রাহীম কার্দি
উত্তর: ক. মারওয়ান
মুনীর চৌধুরীর ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ (১৭৬১) অবলম্বনে লেখা নাটক। এতে অযোধ্যার নবাব সুজাউদ্দৌলা, ইব্রাহীম কার্দি এবং জোহরা চরিত্র আছে। মারওয়ান নামে কোনো চরিত্র এই নাটকে নেই, তাই এটিই নাটকের চরিত্র নয়। নাটকটি তিনি ১৯৬২ সালে লেখেন, যা তাঁর প্রথম মঞ্চসফল নাটকগুলোর একটি।
মনে রাখুন:
মুনীর চৌধুরীর বিখ্যাত নাটক ‘কবর’, যেটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে জেলখানায় বসে লেখা।
আরও নাটক: চিঠি, দণ্ডকারণ্য, মুখরা রমণী বশীকরণ (শেক্সপিয়ারের The Taming of the Shrew-এর অনুবাদ)। - ২৯. একটি বাক্যের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় অংশ হলো—
- ক. ক্রিয়া
- খ. অব্যয়
- গ. বিশেষ্য
- ঘ. বিশেষণ
উত্তর: ক. ক্রিয়া
একটি বাক্য তখনই পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে, যখন তাতে বলা কথাটির কাজ বা অবস্থা জানা যায়। কাজ বা অবস্থা প্রকাশ করে ক্রিয়াপদ (Verb)। তাই বাক্য গঠনের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় অংশ ক্রিয়া। ‘সে যায়’ বা ‘বৃষ্টি পড়ে’-এর মতো ছোট বাক্যও ক্রিয়া ছাড়া গড়ে ওঠে না। অন্য পদগুলো ক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত হয়ে বাক্যকে আরও স্পষ্ট করে।
মনে রাখুন: বাংলায় ‘আমি ভালো’ ধরনের বাক্যে ক্রিয়া উহ্য থাকে, তবু বাক্যের গঠনে ক্রিয়াই মূল। - ৩৭. 'রত্ন > রতন' এখানে কোনটি ঘটেছে?
- ক. অসমীকরণ
- খ. স্বরসঙ্গতি
- গ. স্বরাগম
- ঘ. অপিনিহিতি
উত্তর: গ. স্বরাগম
‘রত্ন’ থেকে ‘রতন’ হওয়ার সময় যুক্তব্যঞ্জন ‘ত্ন’-এর মাঝখানে একটি স্বরধ্বনি (অ) এসে ঢুকেছে। উচ্চারণ সহজ করার জন্য এভাবে শব্দের মধ্যে নতুন স্বরধ্বনি আসাকে স্বরাগম (Epenthesis) বলে। শব্দের মাঝখানে আসে বলে একে মধ্য স্বরাগম, বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তিও বলা হয়। আমরা ‘রত্ন’ বলতে গিয়ে সহজে ‘রতন’ বলে ফেলি, কারণ যুক্তব্যঞ্জন একসঙ্গে উচ্চারণ করা কিছুটা কঠিন।
উদাহরণ:
ধর্ম > ধরম, স্বপ্ন > স্বপন, প্রীতি > পিরীতি।
মনে রাখুন: শব্দের শুরুতে স্বর এলে তাকে আদি স্বরাগম বলে, যেমন স্কুল > ইস্কুল। - ৪০. কোনটি তৎসম শব্দ নয়?
- ক. ভবন
- খ. ডিঙ্গা
- গ. চন্দ্র
- ঘ. সূর্য
উত্তর: খ. ডিঙ্গা
যে শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো রূপ না বদলে সরাসরি বাংলায় এসেছে, তাকে তৎসম শব্দ বলে। চন্দ্র, সূর্য ও ভবন তিনটিই সংস্কৃতের সেই রূপেই বাংলায় ব্যবহৃত হয়, তাই এগুলো তৎসম। ‘ডিঙ্গা’ (ছোট নৌকা) সংস্কৃত থেকে আসেনি, এটি দেশি শব্দ। এমন শব্দ বাংলার নিজস্ব, যার উৎস ঠিকভাবে বলা যায় না।
মনে রাখুন: তৎসম ছাড়া বাংলা শব্দভান্ডারের অন্য ভাগগুলো হলো অর্ধ-তৎসম (যেমন কৃষ্ণ > কেষ্ট), তদ্ভব (যেমন চন্দ্র > চাঁদ), দেশি ও বিদেশি। - ৪৪. কোনটি সংস্কৃত উপসর্গ?
- ক. অঘা
- খ. আব
- গ. পরা
- ঘ. অনা
উত্তর: গ. পরা
বাংলা ভাষায় উপসর্গ তিন ধরনের: বাংলা, সংস্কৃত (তৎসম) ও বিদেশি। প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অপি, অভি, উপ ও আ, এই ২০টি সংস্কৃত উপসর্গ। এর মধ্যে ‘পরা’ আছে, যেমন পরাজয়, পরাভব। বাকি তিনটি অঘা, আব ও অনা বাংলা উপসর্গ।
মনে রাখুন: খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি, যেমন অ, অনা, অঘা, আব, আড়, কু, নি, পাতি, স। - ৪৮. সৈয়দ শামসুল হকের উপন্যাস নয় কোনটি?
- ক. অনুপম দিন
- খ. দেয়ালের দেশ
- গ. খেলারাম খেলে যা
- ঘ. আমার যত গ্লানি
উত্তর: ঘ. আমার যত গ্লানি
‘অনুপম দিন’, ‘দেয়ালের দেশ’ ও ‘খেলারাম খেলে যা’ সৈয়দ শামসুল হকের উপন্যাস। মূল প্রশ্নে ‘নয়’ শব্দটি ছিল না, তবে তিনটি বিকল্প তাঁর হওয়ায় ‘নয়’ ধরেই উত্তর ‘আমার যত গ্লানি’। - ৫১. বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাহীন বর্ণ কয়টি?
- ক. ১০টি
- খ. ৮টি
- গ. ১১টি
- ঘ. ৯টি
উত্তর: ক. ১০টি
বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০টি বর্ণ। এর মধ্যে বেশির ভাগ বর্ণের মাথায় মাত্রা বা দাগ থাকে, যেমন ক, খ, ট। ৩২টি বর্ণে পূর্ণ মাত্রা থাকে, আর ৮টি বর্ণে থাকে অর্ধমাত্রা। বাকি ১০টি বর্ণে কোনো মাত্রা নেই, যেমন ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ এবং স্বরবর্ণের অ, ঋ ইত্যাদি। অর্থাৎ ৩২ + ৮ + ১০ = ৫০।
মনে রাখুন: ৫০টি বর্ণের মধ্যে ১১টি স্বরবর্ণ ও ৩৯টি ব্যঞ্জনবর্ণ। - ৬০. 'শূন্যপুরাণ' রচনা করেছেন—আরও এসেছে: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পিটিআই ইন্সট্রাক্টর ২০১৬
- ক. বিজয়গুপ্ত
- খ. চণ্ডীদাস
- গ. রামাই পণ্ডিত
- ঘ. শ্রীকর নন্দী
উত্তর: গ. রামাই পণ্ডিত
‘শূন্যপুরাণ’ রামাই পণ্ডিতের রচনা। এটি ধর্মঠাকুরের পূজার নিয়ম ও মাহাত্ম্য নিয়ে লেখা গ্রন্থ। এতে গদ্য ও পদ্য মিশে আছে, এমন মিশ্র রচনাকে চম্পুকাব্য বলা হয়। বাংলা সাহিত্যের আদিমধ্য যুগের এই গ্রন্থ নিয়ে পণ্ডিতদের মধ্যে মতভেদ আছে। অন্য কবিদের মধ্যে বিজয়গুপ্ত ‘মনসামঙ্গল’ লিখেছেন, চণ্ডীদাস ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’-এর কবি হিসেবে পরিচিত।
মনে রাখুন: শ্রীকর নন্দী মহাভারতের অনুবাদক হিসেবে পরিচিত। - ৬৭. 'ঠকচাচা' চরিত্রটি কোন উপন্যাসের?
- ক. ভানুমতি
- খ. গাজী মিয়ার বস্তানি
- গ. তেইশ নম্বর তৈলচিত্র
- ঘ. আলালের ঘরের দুলাল
উত্তর: ঘ. আলালের ঘরের দুলাল
‘ঠকচাচা’ চরিত্রটি প্যারীচাঁদ মিত্রের ‘আলালের ঘরের দুলাল’ উপন্যাসের। ঠকচাচা ধূর্ত ও চতুর, যে মতিলালের মতো ধনীর সন্তানদের মন্দ পথে চালিত করে। উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৮৫৮ সালে, ‘টেকচাঁদ ঠাকুর’ ছদ্মনামে। এটিকে সাধারণত বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস ধরা হয়। এর ভাষা ‘আলালী ভাষা’ নামে পরিচিত, কারণ তা কথ্য ভাষার কাছাকাছি।
মনে রাখুন: অন্য চরিত্র মতিলাল, বাঞ্ছারাম, বাবুরাম বাবু। - ৬৯. 'তপস্বী ও তরঙ্গিণী' নাটকটি কার রচনা?
- ক. শওকত ওসমান
- খ. মামুনুর রশীদ
- গ. বুদ্ধদেব বসু
- ঘ. সেলিম আল দীন
উত্তর: গ. বুদ্ধদেব বসু
‘তপস্বী ও তরঙ্গিণী’ বুদ্ধদেব বসুর নাটক। এটি পৌরাণিক কাহিনি ঋষ্যশৃঙ্গ মুনির গল্প নিয়ে লেখা, যেখানে সমাজ ও প্রকৃতির মধ্যে দ্বন্দ্ব প্রধান বিষয়। বুদ্ধদেব বসু কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক ও নাট্যকার, আর ‘কল্লোল’ যুগের লেখক হিসেবে তিনি বিখ্যাত। শওকত ওসমান, মামুনুর রশীদ ও সেলিম আল দীনও নাট্য বা সাহিত্যের লেখক, তবে এটি তাঁদের নাটক নয়।
মনে রাখুন:
বুদ্ধদেব বসুর আরও নাটক: কলকাতার ইলেক্ট্রা, প্রথম পার্থ, সত্যসন্ধ।
সেলিম আল দীনের নাটক: কিত্তনখোলা, কেরামতমঙ্গল, চাকা। - ৭০. আহসান হাবীবের প্রথম কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
- ক. ছায়াহরিণ
- খ. অরণ্যে নীলিমা
- গ. রাত্রিশেষ
- ঘ. পাখির বাসা
উত্তর: গ. রাত্রিশেষ
আহসান হাবীবের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘রাত্রিশেষ’, যা ১৯৪৭ সালে প্রকাশিত হয়। তিনি ত্রিশের দশকের পরের প্রজন্মের কবি, আর তাঁর কবিতায় গ্রামবাংলার ছবি ও মানুষের ব্যথা ফুটে ওঠে। ‘ছায়াহরিণ’, ‘সারা দুপুর’, ‘আশায় বসতি’ ও ‘মেঘ বলে চৈত্রে যাবো’ তাঁর অন্য কাব্য।
মনে রাখুন:
তিনি একজন সাংবাদিক ছিলেন এবং সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
বাংলা একাডেমি পুরস্কার তিনি পেয়েছেন। - ৭২. বাংলা ভাষার প্রাচীনতম শাখা কোনটি?
- ক. কাব্য
- খ. গল্প
- গ. নাটক
- ঘ. উপন্যাস
উত্তর: ক. কাব্য
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম শাখা কাব্য। বাংলা ভাষার সবচেয়ে পুরোনো নিদর্শন চর্যাপদ, যেটি পদ বা কবিতার সংকলন। অন্যদিকে গদ্যের চর্চা শুরু হয় অনেক পরে, উনিশ শতকের আগে বাংলা গদ্য সুসংগঠিত রূপ পায়নি। গল্প, নাটক ও উপন্যাস আধুনিক যুগের শাখা, এদের মধ্যে ছোটগল্প সবচেয়ে নবীন।
মনে রাখুন:
চর্যাপদ আবিষ্কার করেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে।
বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস ‘আলালের ঘরের দুলাল’। - ৭৭. বাংলা সাহিত্যে সনেট রচনার প্রবর্তক কে?
- ক. নবীনচন্দ্র সেন
- খ. হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
- গ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
- ঘ. বিহারীলাল চক্রবর্তী
উত্তর: গ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
বাংলা সাহিত্যে সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত। সনেট মূলত ইতালীয় কবিতার রূপ, যার চৌদ্দ চরণ থাকে। মধুসূদন প্রথম বাংলায় এর চর্চা শুরু করেন, এবং তাঁর প্রথম সনেট ‘কবি-মাতৃভাষা’। পরে ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’ নামে তাঁর সনেটের সংকলন প্রকাশিত হয়। নবীনচন্দ্র সেন, হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিহারীলাল চক্রবর্তী উনিশ শতকের কবি হলেও সনেটের প্রবর্তক নন।
মনে রাখুন:
মধুসূদনই বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক।
তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য ‘মেঘনাদবধ কাব্য’। - ৭৮. স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রভাবে রচিত উপন্যাস কোনটি?
- ক. আগুনের পরশমণি
- খ. যোগাযোগ
- গ. কুহক
- ঘ. নন্দিত নরকে
উত্তর: ক. আগুনের পরশমণি
মুক্তিযুদ্ধকে বিষয় করে লেখা হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস ‘আগুনের পরশমণি’। এখানে মুক্তিযুদ্ধের সময়কার একটি পরিবারের কাহিনি এসেছে, যেখানে বিপদের মধ্যেও মানুষের সাহস ও মূল্যবোধ ফুটে ওঠে। ‘যোগাযোগ’ রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস, যার বিষয় পারিবারিক সম্পর্ক। ‘নন্দিত নরকে’ হুমায়ূনের প্রথম উপন্যাস, কিন্তু তার বিষয় আলাদা।
মনে রাখুন: হুমায়ূন আহমেদের অন্যান্য মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনা ‘জোছনা ও জননীর গল্প’, ‘১৯৭১’, ‘শ্যামল ছায়া’। - ৮২. ভাষার মৌলিক অংশ কয়টি?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৫
- ক. চারটি
- খ. দুইটি
- গ. তিনটি
- ঘ. পাঁচটি
উত্তর: ক. চারটি
ভাষা বিশ্লেষণ করলে চারটি মৌলিক অংশ পাওয়া যায়: ধ্বনি, শব্দ, বাক্য ও অর্থ। ধ্বনি দিয়ে শব্দ গড়ে ওঠে, শব্দ মিলে বাক্য তৈরি হয়, আর বাক্যের মাধ্যমে আমরা অর্থ প্রকাশ করি। ব্যাকরণেও তাই চারটি ভাগ আছে: ধ্বনিতত্ত্ব, রূপতত্ত্ব বা শব্দতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব এবং অর্থতত্ত্ব। এই চারটি অংশ একসঙ্গে ভাষার পূর্ণ কাঠামো তৈরি করে।
মনে রাখুন:
ব্যাকরণ ভাষার নিয়ম ব্যাখ্যা করে, তবে ভাষা ব্যাকরণ থেকে আগে জন্মায়।
ধ্বনিতত্ত্বে ধ্বনি ও বর্ণ, রূপতত্ত্বে শব্দের গঠন নিয়ে আলোচনা হয়। - ৮৫. 'তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা'- কার রচনা?
- ক. সুফিয়া কামাল
- খ. শামসুর রাহমান
- গ. শওকত ওসমান
- ঘ. সিকান্দার আবু জাফর
উত্তর: খ. শামসুর রাহমান
‘তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতা’ শামসুর রাহমানের কবিতার চরণ। কবিতাটির নাম ‘তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা’। এতে স্বাধীনতার জন্য মানুষের ত্যাগ ও কষ্ট ফুটে উঠেছে, আর ‘শহীদ সাকিনা’, ‘শহীদ রফিক’ ইত্যাদি নাম এসেছে। শামসুর রাহমান বাংলাদেশের আধুনিক কবিতার শ্রেষ্ঠ কবিদের একজন।
মনে রাখুন:
তাঁর কাব্য: ‘বন্দী শিবির থেকে’, ‘রৌদ্র করোটিতে’, ‘বিধ্বস্ত নীলিমা’।
সুফিয়া কামাল ‘সাঁঝের মায়া’ ও ‘মায়া কাজল’-এর কবি। - ৯১. 'পরশুরাম' কার ছদ্মনাম?
- ক. দীনবন্ধু মিত্র
- খ. রাজশেখর বসু
- গ. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
- ঘ. গোবিন্দ দাস
উত্তর: খ. রাজশেখর বসু
‘পরশুরাম’ হলো রাজশেখর বসুর ছদ্মনাম। তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত ব্যঙ্গ-রসিক লেখক। ‘গড্ডলিকা’, ‘কজ্জলী’ ও ‘হনুমানের স্বপ্ন’ প্রভৃতি তাঁর রচনা। রাজশেখর বসু রসায়নবিদ এবং ‘চলন্তিকা’ অভিধানের সংকলকও ছিলেন। অন্য বিকল্পের নামগুলো তাঁদের নিজস্ব পরিচয়ে পরিচিত, ছদ্মনামে নয়।
মনে রাখুন:
মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর উপাধি ‘কবিকঙ্কণ’।
দীনবন্ধু মিত্রের বিখ্যাত নাটক ‘নীলদর্পণ’।
গোবিন্দচন্দ্র দাসের উপাধি ‘স্বভাব-কবি’। - ৯৭. মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে প্রথম মুসলমান কবি কে?
- ক. কায়কোবাদ
- খ. মীর মশাররফ হোসেন
- গ. আলাওল
- ঘ. শাহ মুহম্মদ সগীর
উত্তর: ঘ. শাহ মুহম্মদ সগীর
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলমান কবি শাহ মুহম্মদ সগীর। তিনি গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের সময়ে ‘ইউসুফ-জোলেখা’ কাব্য রচনা করেন, যেটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধরা হয়। আলাওল পরবর্তী কালের কবি, তিনি ‘পদ্মাবতী’র জন্য বিখ্যাত। কায়কোবাদ ও মীর মশাররফ হোসেন আধুনিক যুগের লেখক।
মনে রাখুন:
মধ্যযুগ ধরা হয় ১২০১ থেকে ১৮০০ সাল পর্যন্ত।
কায়কোবাদের মহাকাব্য ‘মহাশ্মশান’। - ৯৮. স্বরবর্ণ কতটি?
- ক. ১০টি
- খ. ১১টি
- গ. ৮টি
- ঘ. ৯টি
উত্তর: খ. ১১টি
বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০টি বর্ণ। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ১১টি: অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ। বাকি ৩৯টি ব্যঞ্জনবর্ণ, যাতে ক থেকে হ পর্যন্ত বর্ণ এবং ং, ঃ, ঁ প্রভৃতি রয়েছে। স্বরবর্ণ হলো সেই বর্ণ, যা উচ্চারণের সময় অন্য বর্ণের সাহায্য নেওয়ার দরকার হয় না। ১০টি বা ৯টি স্বরবর্ণের গণনা এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখুন:
স্বরবর্ণ ১১টি, ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি।
বাংলা একাডেমির প্রমিত বানানে এই গণনাই চালু।
ইংরেজি
- ২. She is named — her grandmother. Fill in the blank with :
- ক. about
- খ. according
- গ. after
- ঘ. to
উত্তর: গ. after
‘Named after’ একটি প্রচলিত গঠন, যার অর্থ কারও নামানুসারে নাম রাখা। তাই বাক্যটি হবে: She is named after her grandmother. মানে তার দাদির নামানুসারে তার নাম রাখা হয়েছে। Named about, named according বা named to ইংরেজিতে এই অর্থ প্রকাশ করে না। এখানে after শব্দটি অনুসরণ বা সাদৃশ্যের ভাব বোঝাচ্ছে।
মনে রাখুন:
After দিয়ে তৈরি আরও কিছু গঠন: take after (সদৃশ হওয়া), look after (যত্ন নেওয়া)।
Take after-এর উদাহরণ: He takes after his father. - ৫. He runs fast. Here the underlined word is —
- ক. an adverb
- খ. a noun
- গ. a pronoun
- ঘ. a verb
উত্তর: ক. an adverb
‘He runs fast’ বাক্যে fast শব্দটি runs ক্রিয়াকে বিশেষিত করে, অর্থাৎ সে কীভাবে দৌড়ায় তা জানায়। যে শব্দ ক্রিয়াকে বিশেষিত করে, তাকে বলে ক্রিয়া-বিশেষণ (Adverb)। তাই এখানে fast হলো adverb। কারণ এখানে fast কোনো noun বা pronoun-কে বর্ণনা করছে না, কোনো কাজও করছে না।
উদাহরণ:
He runs fast. (adverb) / This is a fast train. (adjective)
মনে রাখুন:
Fast, hard ও late শব্দগুলো adjective ও adverb উভয় রূপেই চলে।
Adverb প্রশ্নের উত্তর দেয়: কীভাবে, কখন, কোথায়। - ১৫. The correct translation of the sentence 'তাহারা আসিতে রাজি হইল না' is —
- ক. They did not agreed to come
- খ. They were not willful to come
- গ. They refused to come
- ঘ. They denied to come
উত্তর: গ. They refused to come
‘তাহারা আসিতে রাজি হইল না’ বাক্যের সঠিক অনুবাদ They refused to come। Refuse মানে প্রত্যাখ্যান করা বা রাজি না হওয়া, আর এর পরে to-যুক্ত verb বসে। অন্য অপশনে ভুল আছে: ‘did not agreed’ ব্যাকরণগতভাবে ভুল, কারণ did not-এর পর verb-এর মূল রূপ বসে। Willful মানে একগুঁয়ে, এখানে প্রযোজ্য নয়। Deny মানে অস্বীকার করা এবং এর পরে সাধারণত verb-এর ing রূপ বসে।
মনে রাখুন: deny doing, কিন্তু refuse to do। - ২১. Bangladesh has a good — in cricket. Choose the right expression for the gap.
- ক. prospective
- খ. prospect
- গ. prospectus
- ঘ. prosperous
উত্তর: খ. prospect
শূন্যস্থানের আগে good শব্দটি adjective হিসেবে আছে, আর adjective-এর পরে সাধারণত noun বসে, তাই এখানে noun prospect বসবে। Prospect মানে সম্ভাবনা, অর্থাৎ বাক্যটির অর্থ ক্রিকেটে বাংলাদেশের ভালো সম্ভাবনা আছে। বাকি তিনটি শব্দ এখানে ঠিক নয়: Prospective হলো adjective (সম্ভাব্য), prosperous adjective (সমৃদ্ধ), আর prospectus মানে প্রতিষ্ঠানের বিবরণপত্র।
মনে রাখুন:
Prospect শব্দটি বহুবচনে prospects রূপেও ‘ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা’ বোঝায়।
Prosperous-এর noun রূপ prosperity (সমৃদ্ধি)। - ২২. The plural of the word 'Agendum' is —
- ক. Agendas
- খ. Agendases
- গ. Agendums
- ঘ. Agenda
উত্তর: ঘ. Agenda
Agendum হলো ল্যাটিন থেকে আসা শব্দ, যার অর্থ আলোচ্যসূচির একটিমাত্র বিষয়। ল্যাটিন নিয়মে -um দিয়ে শেষ হওয়া এ ধরনের শব্দের বহুবচনে -um বদলে -a বসে, তাই এর বহুবচন Agenda। ইংরেজিতে Agenda এখন সাধারণত এক সঙ্গে সব আলোচ্যসূচি বোঝাতে একবচন শব্দ হিসেবেই ব্যবহার হয়, আর তার বহুবচন Agendas। কিন্তু Agendum-এর সরাসরি বহুবচন Agenda। Agendums বা Agendases ধরনের রূপ প্রমিত ইংরেজিতে চলে না।
মনে রাখুন: একই নিয়মে Datum-এর বহুবচন Data, Medium-এর বহুবচন Media, Bacterium-এর বহুবচন Bacteria। - ৪১. Find out the correct word from followings to fill in the blank of the sentence-He spent the entire afternoon — the phone.
- ক. at
- খ. with
- গ. on
- ঘ. in
উত্তর: গ. on
‘Spend time on the phone’ এভাবেই বলা হয়, অর্থাৎ ফোনে কথা বলে সময় কাটানো। ফোনে কথা বলা বোঝাতে ইংরেজিতে ‘on the phone’ বাক্যাংশটি ব্যবহার হয়। তাই বাক্যটি দাঁড়ায় He spent the entire afternoon on the phone, যার অর্থ তিনি সারা বিকেল ফোনে কথা বলে কাটালেন।
মনে রাখুন: একই ধাঁচের প্রয়োগ on the phone, on the internet, on the radio, on TV। - ৪২. To complete the sentence, 'Maruf likes orange, — he does not like apple.'
- ক. as
- খ. but
- গ. after
- ঘ. so
উত্তর: খ. but
বাক্যের প্রথম অংশে বলা হয়েছে, মারুফ কমলা পছন্দ করে। দ্বিতীয় অংশে সে আপেল পছন্দ করে না, অর্থাৎ ভাবটি বিপরীত। দুটি বিপরীত ভাবের বাক্যাংশ জুড়তে হয় ‘but’ দিয়ে, যা একটি বিরোধসূচক সংযোজক (Conjunction)। তাই বাক্যটি Maruf likes orange, but he does not like apple। As, after ও so এখানে অর্থ ঠিকভাবে প্রকাশ করে না।
মনে রাখুন: but-এর মতো বিরোধ বোঝায় yet, however, still; আর কারণ ও ফল বোঝায় so, therefore। - ৪৯. Find out the adjective of the word 'empire' form the following :
- ক. Imperial
- খ. Empiricist
- গ. Empirical
- ঘ. Emperialism
উত্তর: ক. Imperial
Empire শব্দের অর্থ সাম্রাজ্য, এটি একটি Noun। এর বিশেষণ (Adjective) Imperial, যার অর্থ সাম্রাজ্যসংক্রান্ত। বাকি বিকল্পগুলো অন্য অর্থের: Empiricist মানে অভিজ্ঞতাবাদী, Empirical মানে অভিজ্ঞতালব্ধ, আর Emperialism বানানটিই ভুল, সঠিক শব্দ Imperialism।
উদাহরণ:
The imperial palace was very large.
মনে রাখুন:
Emperor (সম্রাট) থেকেও Imperial বিশেষণ হয়, যেমন Imperial Court।
Imperialism মানে সাম্রাজ্যবাদ। - ৫০. Fill in the blank of following sentence : England is — European country.
- ক. the
- খ. no article
- গ. an
- ঘ. a
উত্তর: ঘ. a
England শব্দের পরে European country আছে। European শব্দের লিখিত রূপ স্বরবর্ণ E দিয়ে শুরু, কিন্তু উচ্চারণ হয় ‘ইউরোপীয়ান’, যেখানে প্রথম ধ্বনি ব্যঞ্জনের মতো ‘ইয়্’। Article কোনটি বসবে তা নির্ভর করে লেখার বর্ণের ওপর নয়, উচ্চারণের প্রথম ধ্বনির ওপর। ব্যঞ্জনধ্বনি দিয়ে শুরু হলে a বসে, তাই a European country।
উদাহরণ:
a university, a union, a one-eyed man।
an hour, an honest man (এখানে h নীরব, তাই স্বরধ্বনি)। - ৫৩. To complete the sentence 'He is always busy to find — his faults'.
- ক. by
- খ. for
- গ. in
- ঘ. out
উত্তর: ঘ. out
Find out একটি phrasal verb, যার অর্থ খুঁজে বের করা বা জানতে পারা। বাক্যটির অর্থ, সে সব সময় অন্যের দোষ খুঁজে বের করতে ব্যস্ত। তাই শূন্যস্থানে out বসে: He is always busy to find out his faults। ‘Find’-এর সঙ্গে by, for বা in বসালে এই অর্থ আসে না।
মনে রাখুন: Find fault with কথাটির অর্থও দোষ ধরা, যেমন She always finds fault with others। - ৫৫. The correct translation of the sentence 'সে কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে গেল' is —
- ক. He found himself at witts' end
- খ. He found himself at wit's end
- গ. He found himself at his wit's end
- ঘ. He found himself at his wits' end
উত্তর: ঘ. He found himself at his wits' end
ইংরেজি ভাষায় প্রচলিত বাক্যাংশ হলো ‘at one’s wits’ end’, যার অর্থ কী করবে ভেবে না পাওয়া বা হতবুদ্ধি হয়ে যাওয়া। এখানে wits শব্দটি বহুবচন, আর apostrophe থাকে শেষে। কোন সর্বনাম বসবে তা বাক্যের কর্তা ঠিক করে, তাই he-এর জন্য his বসে। এ কারণে সঠিক রূপ He found himself at his wits’ end। Wit’s ও witts’ রূপ প্রমিত ইংরেজিতে চলে না।
মনে রাখুন: একই অর্থে ‘at a loss’ কথাটিও ব্যবহার হয়। - ৫৬. Fill in the blanks of the following sentence. I found — old lady came to our house.
- ক. the
- খ. no article
- গ. a
- ঘ. an
উত্তর: ঘ. an
Article কোনটি বসবে, তা নির্ভর করে পরের শব্দের প্রথম ধ্বনির ওপর। স্বরধ্বনি দিয়ে উচ্চারণ শুরু হলে an বসে। Old শব্দটি ‘ওল্ড’ উচ্চারণে স্বরধ্বনি দিয়ে শুরু হয়, তাই an old lady। এখানে ‘lady’ নির্দিষ্ট কেউ নয়, বরং অজানা একজন, তাই the না বসে an বসেছে।
মনে রাখুন: a e i o u ধ্বনির শুরুর শব্দের আগে an বসে, যেমন an apple, an umbrella। - ৫৮. The professor — Australia amazed the students with her stories. Fill in the blank with—
- ক. in
- খ. at
- গ. from
- ঘ. of
উত্তর: গ. from
বাক্যটির অর্থ, অস্ট্রেলিয়া থেকে আসা অধ্যাপিকা তাঁর গল্প দিয়ে ছাত্রছাত্রীদের মুগ্ধ করলেন। কোনো ব্যক্তি কোন দেশ থেকে এসেছেন তা বোঝাতে preposition ‘from’ ব্যবহার হয়। তাই বাক্যটি হবে: The professor from Australia amazed the students with her stories. ‘Of’ দিয়ে কখনো কখনো সম্পর্ক বোঝানো যায়, কিন্তু আসার উৎস বোঝাতে from-ই স্বাভাবিক। In ও at স্থান বোঝায়, উৎস নয়।
উদাহরণ:
a student from Bangladesh, a guest from Japan।
মনে রাখুন: ‘from’ দিয়ে সাধারণত উৎস, উৎপত্তি বা শুরুর স্থান বোঝানো হয়। - ৬২. Which of the following is correct?
- ক. business
- খ. busyness
- গ. bussiness
- ঘ. buseness
উত্তর: ক. business
Business শব্দের সঠিক বানান b-u-s-i-n-e-s-s, যার অর্থ ব্যবসা বা বাণিজ্য। শব্দটি এসেছে busy (ব্যস্ত) থেকে, কিন্তু বানানে y বদলে i হয়েছে এবং ness যুক্ত হয়ে business তৈরি হয়েছে, মাঝে একটি i থাকে। Busyness শব্দের অস্তিত্ব আছে ঠিকই, তবে তা ব্যস্ততার অবস্থা বোঝায়। অন্য দুটি বানান, bussiness ও buseness, ভুল।
মনে রাখুন: Busy + ness = Business (ব্যবসা), আর ‘ব্যস্ততা’ বোঝাতে Busyness। - ৬৪. The room is untidy. Here 'untidy' means —
- ক. messy
- খ. mess
- গ. loose
- ঘ. tight
উত্তর: ক. messy
Untidy বিশেষণের অর্থ অগোছালো বা অপরিপাটি। ‘Messy’ শব্দটিরও অর্থ অগোছালো ও এলোমেলো, দুটিই Adjective। তাই room-এর বিশেষণ হিসেবে untidy-এর সমার্থক messy। বাকি শব্দগুলো মেলে না: Mess হলো Noun (বিশৃঙ্খল অবস্থা), loose মানে আলগা বা ঢিলা, আর tight মানে আঁটসাঁট।
উদাহরণ:
The room is untidy. = The room is messy.
মনে রাখুন: Untidy-এর বিপরীত শব্দ tidy বা neat। - ৬৫. I need some — . The correct answer is —
- ক. advices
- খ. advise
- গ. advises
- ঘ. advice
উত্তর: ঘ. advice
Advice (পরামর্শ) একটি uncountable noun, তাই এর বহুবচন হয় না। Advices বা a advice ভুল। Some শব্দ countable ও uncountable দুই ধরনের noun-এর সঙ্গে বসতে পারে, কিন্তু advice-এর রূপ একই থাকে। Advise একটি verb (পরামর্শ দেওয়া), তাই noun-এর জায়গায় বসে না। সঠিক বাক্য I need some advice।
মনে রাখুন: একটি পরামর্শ বোঝাতে a piece of advice বলতে হয়।
Uncountable আরও কিছু noun: information, furniture, luggage, knowledge। - ৬৬. The phrase 'put up with' means —
- ক. tolerate
- খ. hang up
- গ. write
- ঘ. postpone
উত্তর: ক. tolerate
‘Put up with’ একটি phrasal verb, যার অর্থ মেনে নেওয়া বা সহ্য করা। যেমন: I cannot put up with this noise। Hang up মানে ফোন রেখে দেওয়া, write মানে লেখা, আর postpone মানে স্থগিত বা মুলতবি রাখা। তাই সমার্থক শব্দ tolerate।
মনে রাখুন: Put off মানে স্থগিত করা, put out মানে নেভানো, আর put on মানে পরা। - ৬৮. Find out the correct sentence is indirect speech. He said to me, "What are you doing?"
- ক. He said what was to do.
- খ. He said about my doing.
- গ. He said to me what I am dong.
- ঘ. He asked me what I was doing.
উত্তর: ঘ. He asked me what I was doing.
প্রত্যক্ষ উক্তিতে প্রশ্ন থাকলে পরোক্ষ উক্তিতে said to বদলে asked হয়। প্রশ্ন wh-শব্দ দিয়ে শুরু হলে সেই শব্দই conjunction হিসেবে থাকে, আর বাক্যের গঠন সাধারণ বাক্যের মতো (subject + verb) হয়। Reporting verb অতীত হলে are doing বদলে was doing হয়, আর you বদলে I হয়। তাই He asked me what I was doing। অন্য বিকল্পগুলোর কাঠামো ঠিক নয়।
মনে রাখুন: প্রশ্নবোধক চিহ্ন পরোক্ষ উক্তিতে বসে না। - ৭৩. Which of the following words is not related to 'crying'?
- ক. lamenting
- খ. screaming
- গ. weeping
- ঘ. stinking
উত্তর: ঘ. stinking
Crying মানে কান্নাকাটি। Lamenting মানে বিলাপ করা, screaming মানে চিৎকার করে কাঁদা বা চেঁচানো, আর weeping মানে কান্না করা বা অশ্রু ফেলা। এগুলোর সবই কান্না বা দুঃখ প্রকাশের সঙ্গে সম্পর্কিত। কিন্তু stinking মানে দুর্গন্ধ ছড়ানো, যার সঙ্গে কান্নার কোনো সম্পর্ক নেই। তাই সম্পর্কহীন শব্দ stinking।
মনে রাখুন: Weep-এর অতীত রূপ wept, আর sob মানে ফুঁপিয়ে কাঁদা। - ৭৬. Find out the correct sentence :
- ক. She is sleeping since six hours.
- খ. She has been sleeping since six hours.
- গ. She is sleeping for six hours.
- ঘ. She has been sleeping for six hours.
উত্তর: ঘ. She has been sleeping for six hours.
কোনো কাজ অতীতে শুরু হয়ে এখনো চলছে বোঝাতে Present Perfect Continuous Tense ব্যবহার হয়, যার কাঠামো has/have been + verb-ing। সময়ের পরিমাণ বোঝাতে (যেমন six hours) সামনে for বসে, আর কখন থেকে শুরু (যেমন since six o’clock) বোঝাতে since বসে। তাই সঠিক বাক্য She has been sleeping for six hours। Since-এর পরে পরিমাণ বোঝানো ভুল।
উদাহরণ:
She has been sleeping since six o’clock।
He has been working for two years। - ৮৬. Who of the following is not a poet?
- ক. John Keats
- খ. Alfred Tennyson
- গ. William Wordsworth
- ঘ. Charles Dickens
উত্তর: ঘ. Charles Dickens
John Keats, Alfred Tennyson ও William Wordsworth তিনজনই ইংরেজ কবি। Keats ‘Ode to a Nightingale’ লিখেছেন, Tennyson ‘In Memoriam’ এবং Wordsworth ‘Daffodils’-এর জন্য বিখ্যাত। কিন্তু Charles Dickens (১৮১২–১৮৭০) মূলত ঔপন্যাসিক, কবি নন। তাঁর উপন্যাস ‘David Copperfield’, ‘Oliver Twist’ ও ‘A Tale of Two Cities’। প্রশ্নে ‘not a poet’ খুঁজতে বলা হয়েছে, তাই Dickens-ই উত্তর।
মনে রাখুন:
Wordsworth ও Keats রোমান্টিক যুগের কবি।
Dickens ভিক্টোরীয় যুগের ঔপন্যাসিক। - ৮৭. My father was furious when he learnt that I missed G.P.A 5.00. Here 'furious' is a/an —
- ক. verb
- খ. adverb
- গ. noun
- ঘ. adjective
উত্তর: ঘ. adjective
Furious শব্দের অর্থ ক্ষুব্ধ বা রাগান্বিত। বাক্যে My father was furious-এ ‘was’ একটি be-verb, তার পরে ‘furious’ বসেছে এবং এটি my father-এর অবস্থা বা গুণ বর্ণনা করছে। যে শব্দ noun বা pronoun-এর গুণ, অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করে, তাকে বিশেষণ (Adjective) বলে। তাই furious একটি adjective।
মনে রাখুন: Furious-এর Adverb furiously (ক্রুদ্ধভাবে), আর Noun fury (ক্রোধ)। - ৮৯. Find out the verb of the word 'invasion' from following :
- ক. invade
- খ. invincible
- গ. invisible
- ঘ. invite
উত্তর: ক. invade
Invasion মানে আক্রমণ বা হামলা। এটি একটি noun, আর এর verb রূপ invade, অর্থাৎ আক্রমণ করা। বাকি বিকল্পগুলোর মধ্যে Invincible ও invisible উভয়ই adjective, যার অর্থ যথাক্রমে অপরাজেয় ও অদৃশ্য। Invite একটি verb বটে, তবে তা invitation-এর verb, invasion-এর নয়।
উদাহরণ:
The army invaded the town.
মনে রাখুন:
Invader হলো আক্রমণকারী (noun)।
Invasive হলো এর adjective রূপ, মানে আক্রমণাত্মক বা অনুপ্রবেশকারী। - ৯৪. The drama 'Twelfth Night' was written by —
- ক. Ben Jonson
- খ. Christopher Marlowe
- গ. G.B. Shaw
- ঘ. William Shakespeare
উত্তর: ঘ. William Shakespeare
‘Twelfth Night’ উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত কমেডি নাটক। এর পুরো নাম ‘Twelfth Night, or What You Will’। কাহিনিতে জাহাজডুবির পরে ভায়োলা ও তার যমজ ভাই সেবাস্টিয়ান আলাদা হয়ে যায়, আর পরে ছদ্মবেশ নিয়ে নানা মজার ঘটনার মধ্য দিয়ে তারা আবার মিলিত হয়। শেক্সপিয়ার ‘Bard of Avon’ নামে পরিচিত।
মনে রাখুন:
অন্যান্য কমেডি: As You Like It, The Tempest, Much Ado About Nothing।
ট্র্যাজেডি: Hamlet, Macbeth, Othello, King Lear। - ৯৬. Who informed the police — the matter.
- ক. of
- খ. at
- গ. by
- ঘ. in
উত্তর: ক. of
Inform কথাটির সঙ্গে সাধারণত দুটি কাঠামো চলে: inform someone of something অথবা inform someone about something। এখানে ‘of’ বসলে বাক্য দাঁড়ায় Who informed the police of the matter, যার অর্থ ঘটনাটি কে পুলিশকে জানাল। অন্য prepositions (at, by, in) এখানে খাটে না।
মনে রাখুন: একই কাঠামোর আরও verb: remind of, convince of, accuse of, warn of।
গণিত
- ৩. (1/a + 1) ÷ (1 − 1/a²) = কত?
- ক. a/(a−1)
- খ. a(a−1)
- গ. a
- ঘ. a/(a+1)
উত্তর: ক. a/(a−1)
প্রথমে দুটি রাশিকে ভগ্নাংশে সাজাই: 1/a + 1 = (1 + a)/a, আর 1 − 1/a² = (a² − 1)/a²।
ভাগ করলে আমরা পাই: ((a + 1)/a) × (a²/(a² − 1)) = ((a + 1)/a) × (a²/((a − 1)(a + 1))) = a/(a − 1)।
এখানে (a + 1) কেটে যায় এবং a²/a থেকে a থাকে।
মনে রাখুন: a² − b² = (a + b)(a − b)। - ৭. log₂(1/8) এর মান কত?
- ক. −3
- খ. 1/2
- গ. 2
- ঘ. 3
উত্তর: ক. −3
লগারিদমের সূত্র অনুযায়ী log₂(1/8) বের করতে 1/8-কে 2-এর ঘাত হিসেবে লিখি: 1/8 = 2⁻³।
তাহলে log₂(2⁻³) = −3 × log₂2 = −3 × 1 = −3।
অর্থাৎ 2-কে −3 ঘাত দিলে 1/8 হয়।
মনে রাখুন: log(1/x) = −log x এবং log_a a = 1। - ১০. 1 + 5 + 9 + 13 + ... ধারাটির n তম পদ কত?
- ক. 3n−3
- খ. 4n−3
- গ. 4n+1
- ঘ. 4n−1
উত্তর: খ. 4n−3
সংখ্যাগুলো 1, 5, 9, 13, ... সমান্তর ধারা (Arithmetic Progression), কারণ প্রতিবার ৪ করে বাড়ছে। প্রথম পদ a = 1 এবং সাধারণ অন্তর d = 4।
n তম পদ = a + (n − 1)d = 1 + (n − 1) × 4 = 4n − 3।
যাচাই: n = 1 হলে 1 এবং n = 2 হলে 5, যা ধারার সঙ্গে মেলে।
মনে রাখুন: সমান্তর ধারার n তম পদের সূত্র a + (n − 1)d। - ১১. একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য প্রস্থের দ্বিগুণ। আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল ২০০ বর্গমিটার হলে উহার পরিসীমা কত?
- ক. ৮০ মিটার
- খ. ৯০ মিটার
- গ. ৬০ মিটার
- ঘ. ৭০ মিটার
উত্তর: গ. ৬০ মিটার
ধরি আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ x মিটার, তাহলে দৈর্ঘ্য 2x মিটার।
ক্ষেত্রফল = x × 2x = 2x² = 200, তাই x² = 100 এবং x = 10।
তাহলে প্রস্থ 10 মিটার ও দৈর্ঘ্য 20 মিটার।
পরিসীমা = 2(20 + 10) = 60 মিটার।
মনে রাখুন: আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা 2(দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) এবং ক্ষেত্রফল দৈর্ঘ্য × প্রস্থ। - ১৯. তিনটি ক্রমিক সংখ্যার গুণফল ২১০ হলে তাদের যোগফল হবে—
- ক. ২১
- খ. ২৮
- গ. ৩২
- ঘ. ১৮
উত্তর: ঘ. ১৮
তিনটি ক্রমিক সংখ্যার গুণফল ২১০। ২১০ = ২ × ৩ × ৫ × ৭, আর ৫ × ৬ × ৭ = ২১০। অর্থাৎ ৫, ৬ ও ৭ ক্রমিক সংখ্যা।
যোগফল = ৫ + ৬ + ৭ = ১৮।
মনে রাখুন: তিনটি ক্রমিক সংখ্যার গুণফলের ঘনমূল প্রায় মাঝের সংখ্যার কাছাকাছি হয়। এখানে ২১০-এর ঘনমূল প্রায় ৬। - ২৭. কোনটি সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র?
- ক. ১/২ (ভূমি × উচ্চতা)
- খ. দৈর্ঘ্য + প্রস্থ
- গ. ভূমি × উচ্চতা
- ঘ. ২ (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)
উত্তর: গ. ভূমি × উচ্চতা
সামান্তরিক (Parallelogram) এমন চতুর্ভুজ, যার বিপরীত বাহুগুলো পরস্পর সমান ও সমান্তরাল। একটি সামান্তরিককে কেটে সাজালে একটি আয়তক্ষেত্র তৈরি করা যায়, যার দৈর্ঘ্য সামান্তরিকের ভূমির সমান আর প্রস্থ উচ্চতার সমান। আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল দৈর্ঘ্য × প্রস্থ, তাই সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল = ভূমি × উচ্চতা। এখানে উচ্চতা মানে ভূমি থেকে বিপরীত বাহুর লম্ব দূরত্ব, পাশের হেলানো বাহুর দৈর্ঘ্য নয়।
মনে রাখুন:
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = ১/২ × ভূমি × উচ্চতা।
রম্বসের ক্ষেত্রফল = ১/২ × কর্ণ দুটির গুণফল।
ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল = ১/২ × সমান্তরাল বাহু দুটির যোগফল × উচ্চতা। - ৩১. P সংখ্যক সংখ্যার গড় x এবং Q সংখ্যক সংখ্যার গড় y হয় তবে মোট সংখ্যার গড় কত?
- ক. (Px+Qy)/PQ
- খ. (Px+Qy)/(P+Q)
- গ. (x+y)/(P+Q)
- ঘ. (x+y)/PQ
উত্তর: খ. (Px+Qy)/(P+Q)
গড় মানে মোট সমষ্টিকে সংখ্যার সংখ্যা দিয়ে ভাগ। P সংখ্যক সংখ্যার গড় x হলে তাদের যোগফল Px, আর Q সংখ্যক সংখ্যার গড় y হলে যোগফল Qy। দুই দলের মোট সংখ্যা P + Q এবং মোট যোগফল Px + Qy। তাই মিলিত গড় = (Px + Qy)/(P + Q)।
যাচাই: P = Q হলে গড় দাঁড়ায় (x + y)/2, যা দুই গড়ের মধ্যবর্তী মান, ঠিক যেমনটি হওয়া উচিত। - ৩২. x² + y² = xy হলে, (x + y)⁴ এর মান কত?
- ক. (x² + y²)²
- খ. 9x²y²
- গ. x²y²
- ঘ. xy
উত্তর: খ. 9x²y²
x² + y² = xy হলে (x + y)² = x² + y² + 2xy = xy + 2xy = 3xy। এখন দুই পাশের বর্গ করলে (x + y)⁴ = (3xy)² = 9x²y²।
মনে রাখুন: (a + b)⁴ = ((a + b)²)², তাই চতুর্থ ঘাতের প্রশ্নে আগে বর্গ বের করা সুবিধাজনক। - ৩৩. কোন সংখ্যার ২০%-এর সাথে ২৪ যোগ করলে যোগফল ঐ সংখ্যাটি হয়। সংখ্যাটি কত?
- ক. ৪০
- খ. ৪৮
- গ. ৩০
- ঘ. ৩৬
উত্তর: গ. ৩০
সংখ্যাটি x ধরি। প্রশ্নমতে x-এর ২০%-এর সঙ্গে ২৪ যোগ করলে x পাওয়া যায়, অর্থাৎ 0.2x + 24 = x। তাহলে 24 = x − 0.2x = 0.8x, আর x = 24/0.8 = 30।
যাচাই: ৩০-এর ২০% হলো ৬, আর ৬ + ২৪ = ৩০।
মনে রাখুন: এ ধরনের প্রশ্নে বাকি অংশ (এখানে ৮০%) যে মানের সমান, সেটি থেকে সরাসরি সংখ্যাটি পাওয়া যায়। - ৩৪. কোন সংখ্যার এক-চতুর্থাংশের সঙ্গে ২০ যোগ করলে যোগফল ১০০ হয়?
- ক. ১৬০
- খ. ২৪০
- গ. ৩৬০
- ঘ. ৩২০
উত্তর: ঘ. ৩২০
সংখ্যাটি x ধরি। শর্ত অনুযায়ী x/4 + 20 = 100। দুই পাশ থেকে ২০ বিয়োগ করলে x/4 = 80, তাই x = 80 × 4 = 320।
যাচাই: ৩২০-এর এক-চতুর্থাংশ ৮০, আর ৮০ + ২০ = ১০০।
মনে রাখুন: এক-চতুর্থাংশ মানে ৪ ভাগের ১ ভাগ, তাই পুরো সংখ্যা পেতে ৪ দিয়ে গুণ করতে হয়। - ৪৩. ৫ সেমি ব্যাসার্ধবিশিষ্ট বৃত্তের অন্তর্লিখিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল কত?
- ক. ৬০ বর্গ সেমি
- খ. ৭০ বর্গ সেমি
- গ. ৮০ বর্গ সেমি
- ঘ. ৫০ বর্গ সেমি
উত্তর: ঘ. ৫০ বর্গ সেমি
বৃত্তের মধ্যে বর্গ আঁকলে বর্গের কর্ণ বৃত্তের ব্যাসের সমান হয়। ব্যাসার্ধ ৫ সেমি হলে ব্যাস, অর্থাৎ বর্গের কর্ণ ১০ সেমি। বর্গের বাহু a হলে পিথাগোরাসের সূত্র অনুযায়ী a² + a² = 10², তাই 2a² = 100 এবং a² = 50।
বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল a², সুতরাং ক্ষেত্রফল ৫০ বর্গ সেমি।
মনে রাখুন: কর্ণ d হলে বর্গের ক্ষেত্রফল = d²/2, এখানে 100/2 = 50। - ৪৭. ১ কিলোগ্রাম কত পাউন্ডের সমান?
- ক. ২.২০ পাউন্ড
- খ. ১.৯৮ পাউন্ড
- গ. ২ পাউন্ড
- ঘ. ২.৩২ পাউন্ড
উত্তর: ক. ২.২০ পাউন্ড
১ কিলোগ্রামে ১০০০ গ্রাম, আর ১ পাউন্ড প্রায় ৪৫৩.৬ গ্রামের সমান। তাই ১ কিলোগ্রাম = 1000/453.6 ≈ 2.2046 পাউন্ড, যা প্রায় ২.২০ পাউন্ড। সুতরাং সবচেয়ে কাছের মান ২.২০ পাউন্ড।
মনে রাখুন:
১ পাউন্ড ≈ 0.4536 কিলোগ্রাম।
মোটামুটি হিসাবে কিলোগ্রামকে ২.২ দিয়ে গুণ করলেই পাউন্ড পাওয়া যায়। - ৫৯. $x+\frac1x=4$ হলে $\frac{x}{x^2+x-1}$ এর মান কত?
- ক. 1
- খ. 2
- গ. 3
- ঘ. কোনটিই নয়
উত্তর: ঘ. কোনটিই নয়
লব ও হরকে x দিয়ে ভাগ করলে রাশিটি হয় $\frac{1}{x+1-\frac1x}$। এখানে $x-\frac1x = \pm\sqrt{16-4} = \pm2\sqrt3$, তাই মান $\frac{1}{1\pm2\sqrt3}$, যা 1, 2 বা 3 নয়। - ৬৩. যদি P ও Q এর মান ধনাত্মক হয় এবং P > Q হয় তবে নিচের কোনটি সত্য?
- ক. 1/P<1/Q
- খ. 2−P>2−Q
- গ. 4−P>4−Q
- ঘ. 1/P>1/Q
উত্তর: ক. 1/P<1/Q
P ও Q ধনাত্মক এবং P > Q হলে উভয়কে P×Q দিয়ে ভাগ করা যায়, কারণ ধনাত্মক সংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে অসমতার দিক বদলায় না। তাতে 1/Q > 1/P পাওয়া যায়, অর্থাৎ 1/P < 1/Q। উদাহরণস্বরূপ P = 4, Q = 2 হলে 1/4 < 1/2। বাকি অসমতাগুলো ঠিক নয়, কারণ P > Q হলে 2 − P < 2 − Q এবং 4 − P < 4 − Q হয়।
মনে রাখুন: ঋণাত্মক সংখ্যা দিয়ে গুণ বা ভাগ করলে অসমতার দিক উল্টে যায়। - ৭৪. কোন লঘিষ্ঠ সংখ্যার সাথে ৩ যোগ করলে যোগফল ২৪, ৩৬ এবং ৪৮ দ্বারা বিভাজ্য হবে?
- ক. ১৪১
- খ. ৮১
- গ. ২৪৮
- ঘ. ১৭০
উত্তর: ক. ১৪১
সংখ্যাটির সঙ্গে ৩ যোগ করলে যোগফল ২৪, ৩৬ ও ৪৮ দিয়ে নিঃশেষে বিভাজ্য হবে। তাই যোগফল এই তিন সংখ্যার সাধারণ গুণিতক, আর ক্ষুদ্রতম সংখ্যা চাইলে ল.সা.গু. ধরতে হবে। ২৪ = 2³×3, ৩৬ = 2²×3², ৪৮ = 2⁴×3, তাই ল.সা.গু. = 2⁴×3² = 144। সংখ্যাটি 144 − 3 = 141।
যাচাই: ১৪১ + ৩ = ১৪৪, যা ২৪, ৩৬ ও ৪৮-এর গুণিতক।
মনে রাখুন: ল.সা.গু. বের করতে প্রতিটি মৌলিক উৎপাদকের সর্বোচ্চ ঘাত নিতে হয়। - ৭৫. x এর সাথে ১০ যোগ করলে যে সংখ্যাটি হয় তা থেকে ২০ বিয়োগ করলে হয় ২২। x এর মান কত?
- ক. ৫২
- খ. ১২
- গ. ৩২
- ঘ. ৪২
উত্তর: গ. ৩২
প্রশ্নমতে x-এর সঙ্গে ১০ যোগ করে ২০ বিয়োগ করলে ২২ হয়। অর্থাৎ x + 10 − 20 = 22, তাই x − 10 = 22। দুই পাশে ১০ যোগ করলে x = 32।
যাচাই: ৩২ + ১০ = ৪২, আর ৪২ − ২০ = ২২। - ৮০. ১৫ থেকে ৬৫ পর্যন্ত যে সকল মৌলিক সংখ্যার একক স্থানীয় অঙ্ক ৯ তাদের সমষ্টি কত?
- ক. ১৫৪
- খ. ১০৮
- গ. ১০৭
- ঘ. ১৩৮
উত্তর: গ. ১০৭
১৫ থেকে ৬৫-এর মধ্যে যেসব সংখ্যার এককের অঙ্ক ৯, সেগুলো হলো ১৯, ২৯, ৩৯, ৪৯, ৫৯। এর মধ্যে ৩৯ = ৩×১৩ এবং ৪৯ = ৭×৭, তাই এ দুটি মৌলিক নয়। ১৯, ২৯ ও ৫৯ মৌলিক। তাদের যোগফল 19 + 29 + 59 = 107।
মনে রাখুন: মৌলিক সংখ্যা হলো ১-এর চেয়ে বড় এমন সংখ্যা, যার উৎপাদক কেবল ১ ও সংখ্যাটি নিজে। ২ একমাত্র জোড় মৌলিক সংখ্যা। - ৯২. একটি ভগ্নাংশের লব ও হরের সমষ্টি ৮ এবং অন্তরফল ২। ভগ্নাংশটি কত?
- ক. ১/৯
- খ. ২/৯
- গ. ৫/৩
- ঘ. ৩/৫
উত্তর: গ. ৫/৩
ভগ্নাংশের লব x ও হর y ধরি। প্রশ্নমতে x + y = 8 এবং x − y = 2। যোগ করলে 2x = 10, তাই x = 5। তখন y = 8 − 5 = 3। ভগ্নাংশটি 5/3।
যাচাই: ৫ + ৩ = ৮ এবং ৫ − ৩ = ২, দুটি শর্তই মিলে যায়।
মনে রাখুন: যোগফল s ও অন্তরফল d জানা থাকলে বড় সংখ্যাটি (s + d)/2 এবং ছোটটি (s − d)/2। - ৯৩. ১ মণ কত কেজির সমান?
- ক. ৪৫
- খ. ৩৫.৮০
- গ. ৩৭.৩২
- ঘ. ৪০
উত্তর: গ. ৩৭.৩২
মণ আমাদের দেশে প্রচলিত পুরোনো ওজনের একক। ১ মণ = ৪০ সের, আর ১ সের প্রায় ০.৯৩৩ কিলোগ্রাম। তাই ১ মণ = 40 × 0.9331 ≈ 37.32 কিলোগ্রাম। সরকারিভাবে এখন মেট্রিক পদ্ধতি চালু, তবু চাষি ও ব্যবসায়ীরা মণ এখনো ব্যবহার করেন।
মনে রাখুন:
১ সের ≈ ৯৩৩ গ্রাম।
১ মণ = ৪০ সের, ১ ছটাক = প্রায় ৫৮ গ্রাম।
১ কিলোগ্রাম ≈ ১.০৭ সের। - ৯৫. দুইটি সংখ্যার অনুপাত ৫ : ৬ এবং তাদের গ.সা.গু. ৮ হলে, তাদের ল.সা.গু. কত?
- ক. ২৪০
- খ. ২৪৮
- গ. ২০০
- ঘ. ২২৮
উত্তর: ক. ২৪০
দুটি সংখ্যার অনুপাত ৫ : ৬ এবং গ.সা.গু. ৮ হলে সংখ্যা দুটি ৫×৮ = ৪০ এবং ৬×৮ = ৪৮। ৫ ও ৬ পরস্পর সহমৌলিক, তাই ল.সা.গু. = ৫×৬×৮ = ২৪০।
যাচাই: ৪০ × ৪৮ = ১৯২০, আর গ.সা.গু. × ল.সা.গু. = ৮ × ২৪০ = ১৯২০। দুটি সংখ্যার গুণফল তাদের গ.সা.গু. ও ল.সা.গু.-র গুণফলের সমান হয়। - ৯৯. ৫টি গরুর মূল্য ১৫টি ছাগলের মূল্যের সমান। একটি গরুর মূল্য ৬০০০ টাকা হলে একটি ছাগলের মূল্য কত?
- ক. ১৮০০
- খ. ২২০০
- গ. ১৫০০
- ঘ. ২০০০
উত্তর: ঘ. ২০০০
৫টি গরুর মূল্য ১৫টি ছাগলের মূল্যের সমান। একটি গরুর মূল্য ৬০০০ টাকা, তাই ৫টি গরুর মূল্য 5 × 6000 = 30000 টাকা। ১৫টি ছাগলের মূল্যও ৩০০০০ টাকা, তাই একটি ছাগলের মূল্য 30000 ÷ 15 = 2000 টাকা।
যাচাই: ১৫টি ছাগল × ২০০০ = ৩০০০০ টাকা।
কম্পিউটার ও আইসিটি
- ৬. Integrated Circuit (IC) তৈরিতে কোন দ্রব্যটি ব্যবহৃত হয়?
- ক. প্লাস্টিক
- খ. সিলিকন
- গ. তামা
- ঘ. লোহা
উত্তর: খ. সিলিকন
ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (Integrated Circuit, IC) তৈরি হয় ছোট একটি সিলিকনের টুকরার ওপর। সিলিকন অর্ধপরিবাহী (Semiconductor), অর্থাৎ বিশেষ ব্যবস্থায় এটি কখনো বিদ্যুৎ পরিবহন করে, কখনো করে না, আর এই গুণ দিয়েই ট্রানজিস্টর ও অন্য উপাদান তৈরি করা যায়। তাই এক টুকরা সিলিকনে হাজার হাজার উপাদান বসানো সম্ভব হয়। প্লাস্টিক, তামা বা লোহা এখানে মূল উপাদান নয়।
মনে রাখুন:
আইসি আবিষ্কারের কৃতিত্ব জ্যাক কিলবি ও রবার্ট নয়েসের।
সিলিকন বালু ও পাথরে প্রচুর পাওয়া যায়। - ৩০. কোনটি 'এপ্লিকেশন সফটওয়ার'?
- ক. Power Point
- খ. MS Windows-98
- গ. LINUX
- ঘ. MS-DOS
উত্তর: ক. Power Point
কম্পিউটার সফটওয়্যার প্রধানত দুই ধরনের। যেটি কম্পিউটারকে চালু রাখে এবং হার্ডওয়্যারকে পরিচালনা করে, সেটি সিস্টেম সফটওয়্যার (System Software)। আর যেটি আমাদের নির্দিষ্ট কাজ করে দেয়, সেটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Application Software)। পাওয়ার পয়েন্ট দিয়ে আমরা উপস্থাপনা বা স্লাইড তৈরি করি, তাই এটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার। উইন্ডোজ, লিনাক্স ও ডস হলো অপারেটিং সিস্টেম, যা সিস্টেম সফটওয়্যারের অংশ।
উদাহরণ:
অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার: MS Word, MS Excel, MS PowerPoint, ব্রাউজার।
সিস্টেম সফটওয়্যার: Windows, Linux, Unix, Android। - ৮৩. কম্পিউটার প্রিন্টার কী ধরনের ডিভাইস?
- ক. ইনপুট
- খ. মেমোরি
- গ. আউটপুট
- ঘ. স্টোরেজ
উত্তর: গ. আউটপুট
কম্পিউটারে কাজ করানোর জন্য যে ডিভাইস দিয়ে তথ্য দেওয়া হয়, তাকে ইনপুট ডিভাইস বলে, যেমন কীবোর্ড ও মাউস। প্রক্রিয়া শেষে ফল যে ডিভাইসে দেখা যায় বা পাওয়া যায়, তা আউটপুট ডিভাইস (Output Device)। প্রিন্টার কম্পিউটারের তথ্য কাগজে ছাপিয়ে দেয়, তাই এটি আউটপুট ডিভাইস।
মনে রাখুন:
আউটপুট ডিভাইস: মনিটর, স্পিকার, প্লটার, প্রজেক্টর।
ইনপুট ডিভাইস: কীবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার, জয়স্টিক।
বাংলাদেশ
- ৮. নিচের কোনটি বাংলাদেশের ছিটমহল?
- ক. তিন বিঘা করিডোর
- খ. রৌমারী
- গ. দহগ্রাম
- ঘ. জাফলং
উত্তর: গ. দহগ্রাম
ছিটমহল (Enclave) হলো এক দেশের সীমানার ভেতরে অন্য দেশের ভূখণ্ড। দহগ্রাম–আঙ্গরপোতা ছিল ভারতের ভেতরে বাংলাদেশের ছিটমহল, যা লালমনিরহাটের পাটগ্রামে। তিন বিঘা করিডোর দিয়ে এর সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের যোগাযোগ ছিল। রৌমারী কুড়িগ্রামের একটি উপজেলা, জাফলং সিলেটের পর্যটন এলাকা, আর তিন বিঘা করিডোর কোনো ছিটমহল নয়, এটি একটি সংযোগ পথ।
মনে রাখুন:
২০১৫ সালে ছিটমহল বিনিময়ে ভারতের ১১১টি ছিটমহল বাংলাদেশে এবং বাংলাদেশের ৫১টি ভারতে যায়।
তিন বিঘা করিডোর ১৯৯২ সালে বাংলাদেশের জন্য খুলে দেওয়া হয়।
হালনাগাদ: ছিটমহল বিনিময়ের পর এখন আর কোনো ছিটমহল নেই। - ১৩. বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের প্রধান সমন্বয়কারী সংস্থা কোনটি?
- ক. আইএফআইসি
- খ. আইবিআরডি
- গ. বিশ্বব্যাংক
- ঘ. এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক
উত্তর: গ. বিশ্বব্যাংক
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম (Bangladesh Development Forum) বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগীদের নিয়ে বসা একটি আলোচনা সভা, যার সমন্বয়ের প্রধান দায়িত্বে বিশ্বব্যাংক। ১৯৭৪ সালে এর শুরু ‘বাংলাদেশ এইড গ্রুপ’ নামে। এতে দাতা দেশ ও সংস্থাগুলো বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করে।
মনে রাখুন:
আইবিআরডি (IBRD) আসলে বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি অংশ।
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (ADB) সদর দপ্তর ফিলিপাইনের ম্যানিলায়। - ১৪. ‘সাফারি পার্ক, গাজীপুর’ কোথায় অবস্থিত?
- ক. গাজীপুর
- খ. কুমিল্লা
- গ. চট্টগ্রাম
- ঘ. রাজশাহী
উত্তর: ক. গাজীপুর
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলায়, ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের অংশে অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সাফারি পার্ক। এখানে সাধারণ চিড়িয়াখানার মতো খাঁচায় নয়, প্রাণীরা তুলনামূলক খোলা পরিবেশে ঘুরে বেড়ায় আর দর্শকরা গাড়িতে চড়ে তা দেখেন। প্রশ্নের নামেই গাজীপুরের কথা আছে, তাই পার্কটির অবস্থান গাজীপুরই।
মনে রাখুন:
দেশের প্রথম সাফারি পার্ক কক্সবাজারের ডুলাহাজারায়।
ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান শালবনের জন্য পরিচিত। - ২৩. স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রভাবে রচিত প্রথম চলচ্চিত্র কোনটি?
- ক. রক্তাক্ত বাংলা
- খ. আবার তোরা মানুষ হ
- গ. একাত্তরের যীশু
- ঘ. আগুনের পরশমণি
উত্তর: ক. রক্তাক্ত বাংলা
স্বাধীনতার পরপর ১৯৭২ সালে মমতাজ আলী পরিচালিত ‘রক্তাক্ত বাংলা’ মুক্তিযুদ্ধের প্রভাবে নির্মিত প্রথম দিকের চলচ্চিত্র হিসেবে স্বীকৃত। অন্য তিনটি অনেক পরে নির্মিত। - ২৬. মুক্তিযুদ্ধকালে ঢাকা কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?
- ক. ১১নং সেক্টর
- খ. ৫নং সেক্টর
- গ. ১নং সেক্টর
- ঘ. ২নং সেক্টর
উত্তর: ঘ. ২নং সেক্টর
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সুবিধার জন্য সারা বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। ঢাকা শহর পড়েছিল ২নং সেক্টরের মধ্যে। এই সেক্টরের এলাকার মধ্যে ছিল ঢাকা, কুমিল্লা জেলার একাংশ, আখাউড়া-ভৈরব রেললাইন এলাকা এবং ফরিদপুর ও নোয়াখালীর কিছু অংশ। প্রথমে এর অধিনায়ক ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ, পরে মেজর এ টি এম হায়দার তাঁর দায়িত্ব পান।
মনে রাখুন:
১নং সেক্টর: চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম।
৩নং সেক্টর: আখাউড়া-ভৈরব রেললাইনের পূর্ব দিকের এলাকা (সিলেটের একাংশসহ)।
৫নং সেক্টর: সিলেটের উত্তর-পশ্চিম এলাকা।
১০নং সেক্টর ছিল নৌ-কমান্ডোদের জন্য। - ৩৬. বাংলাদেশের দীর্ঘতম রেলসেতু কোনটি?
- ক. ব্রহ্মপুত্র সেতু
- খ. তিস্তা সেতু
- গ. ভৈরব সেতু
- ঘ. হার্ডিঞ্জ সেতু
উত্তর: ঘ. হার্ডিঞ্জ সেতু
পাবনার পাকশী আর কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার মাঝে পদ্মা নদীর ওপর ব্রিটিশ আমলে তৈরি হার্ডিঞ্জ সেতু (Hardinge Bridge) শুধু ট্রেন চলাচলের জন্য বানানো। প্রায় ১.৮ কিলোমিটার লম্বা এই সেতুটি ১৯১৫ সালে চালু হয়, আর এই পরীক্ষার সময় (২০১৯) এটিই ছিল দেশের দীর্ঘতম রেলসেতু। তখনকার ভারতের ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জের নামে এর নামকরণ করা হয়। বঙ্গবন্ধু যমুনা সেতুর ওপর দিয়েও রেললাইন আছে, তবে সেটি মূলত সড়ক ও রেল দুটোর বহুমুখী সেতু।
মনে রাখুন: ভৈরবে মেঘনা নদীর ওপর রেলসেতুর নাম শহীদ হাবিলদার আবদুল হালিম রেলসেতু।
হালনাগাদ: ২০২৫ সালের ১৮ মার্চ যমুনা নদীর ওপর প্রায় ৪.৮ কিলোমিটার লম্বা আলাদা যমুনা রেলসেতু চালু হয়েছে, এখন এটিই দেশের দীর্ঘতম রেলসেতু। - ৩৯. 'চন্দ্রদ্বীপ' কোন জেলার পূর্ব নাম?
- ক. বরিশাল
- খ. দিনাজপুর
- গ. যশোর
- ঘ. নোয়াখালী
উত্তর: ক. বরিশাল
বরিশাল অঞ্চলের পুরোনো নাম চন্দ্রদ্বীপ। মধ্যযুগে এখানে চন্দ্রদ্বীপ নামে একটি স্বাধীন রাজ্য ছিল, যার রাজা ছিলেন দনুজমর্দন দেব। ব্রিটিশ আমলে এ অঞ্চল প্রথমে বাকেরগঞ্জ জেলা নামে পরিচিত হয়, পরে বরিশাল নামটি প্রধান হয়ে ওঠে। মজার ব্যাপার হলো, বাংলা সাহিত্যে বরিশাল ‘ধান-নদী-খাল, এই তিনে বরিশাল’ বলে পরিচিত।
মনে রাখুন:
প্রাচীন জনপদের নামে: বরেন্দ্র (উত্তরাঞ্চল), সমতট (কুমিল্লা-নোয়াখালী), হরিকেল (সিলেট-চট্টগ্রাম অঞ্চল), বঙ্গ (দক্ষিণ-পূর্ব)। - ৫২. বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি কে ছিলেন?
- ক. লুই আই. কান
- খ. এফ. রহমান
- গ. এস. এম. সুলতান
- ঘ. জয়নুল আবেদিন
উত্তর: ক. লুই আই. কান
জাতীয় সংসদ ভবনের নকশা করেছেন বিখ্যাত স্থপতি লুই ইসাডোর কান (Louis Isadore Kahn)। তিনি এস্তোনিয়ায় জন্ম নেওয়া মার্কিন স্থপতি। ভবনের নির্মাণ ১৯৬১ সালে শুরু হয়, আর কাজ শেষ হয় ১৯৮২ সালে। মজার ব্যাপার হলো, কানের নকশায় আলোর ব্যবহার এই ভবনকে বিশ্বের অন্যতম সেরা স্থাপত্যের মর্যাদা দিয়েছে।
মনে রাখুন:
ভবনটি শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত।
এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ আইনসভা ভবন।
এর অন্য নাম ‘জাতীয় সংসদ ভবন’, যা মূল ভবন ও সংলগ্ন এলাকা মিলিয়ে গঠিত। - ৭১. বিশ্ববিখ্যাত 'গ্রান্ড ট্রাঙ্ক' রোডটি বাংলাদেশের কোন এলাকা থেকে শুরু হয়েছে?
- ক. যশোর জেলার ঝিকরগাছা
- খ. নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও
- গ. কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি
- ঘ. ঢাকা জেলার রামপুরা
উত্তর: খ. নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও
গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম প্রাচীন ও দীর্ঘ সড়ক। ষোড়শ শতকে শেরশাহ সুরি সড়কটির সংস্কার ও সম্প্রসারণ করেন, যা তখন ‘সড়ক-ই-আজম’ নামে পরিচিত ছিল। এর শুরু বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও থেকে। সেখান থেকে সড়কটি ভারতের ওপর দিয়ে পাকিস্তান হয়ে আফগানিস্তানের কাবুল পর্যন্ত গেছে। এর দৈর্ঘ্য আড়াই হাজার কিলোমিটারের কাছাকাছি।
মনে রাখুন:
অনেকের মতে সড়কটির মূল পথ আরও প্রাচীন, শেরশাহ তা নতুন করে সাজিয়েছিলেন।
সোনারগাঁও মধ্যযুগে বাংলার রাজধানী ছিল। - ৭৯. বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?
- ক. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- খ. ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
- গ. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- ঘ. তাজউদ্দীন আহমদ
উত্তর: ক. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তবে তিনি তখন পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি ছিলেন, তাই সরকারের কাজ চালান উপ-রাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম। প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ, আর অর্থমন্ত্রী ছিলেন ক্যাপ্টেন মনসুর আলী।
মনে রাখুন: স্বাধীনতার পর দেশে ফিরে ১৯৭২ সালের জানুয়ারিতে বঙ্গবন্ধু প্রধানমন্ত্রী হন, কারণ দেশে তখন সংসদীয় ব্যবস্থা চালু হয়। - ৮৪. বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার শপথ নেয় কোন তারিখে?
- ক. ১০ জানুয়ারি ১৯৭২
- খ. ১১ এপ্রিল ১৯৭১
- গ. ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
- ঘ. ২৬ মার্চ ১৯৭১
উত্তর: গ. ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়। কিন্তু সরকারের আনুষ্ঠানিক শপথ হয় ১৭ এপ্রিল, কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমার বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে। এই স্থানটির নাম পরে হয় মুজিবনগর। শপথ পড়ান অধ্যাপক ইউসুফ আলী। এ সময় স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রও পাঠ করা হয়।
মনে রাখুন:
রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান, উপ-রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ।
১৭ এপ্রিল এখন মুজিবনগর দিবস।
আন্তর্জাতিক
- ৯. নিশীথ সূর্যের দেশ কোনটি?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৪
- ক. সুইডেন
- খ. কানাডা
- গ. সুইজারল্যান্ড
- ঘ. নরওয়ে
উত্তর: ঘ. নরওয়ে
নরওয়েকে ‘নিশীথ সূর্যের দেশ’ (Land of the Midnight Sun) বলা হয়। দেশটির উত্তর অংশ উত্তর মেরু বৃত্তের ভেতরে পড়ে, তাই গ্রীষ্মকালে কয়েক সপ্তাহ মাঝরাতেও সূর্য দেখা যায়। সুইডেন ও ফিনল্যান্ডের উত্তরের কিছু এলাকাতেও এমন হয়, তবে নরওয়েই এই নামে সবচেয়ে বেশি পরিচিত।
মনে রাখুন:
নরওয়েকে ফিয়র্ডের দেশও বলা হয়।
কানাডা ম্যাপল পাতার দেশ নামে পরিচিত। - ২০. জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতেরেস কোন দেশের অধিবাসী?
- ক. পর্তুগাল
- খ. গাম্বিয়া
- গ. ফিজি
- ঘ. আর্জেন্টিনা
উত্তর: ক. পর্তুগাল
জাতিসংঘের নবম মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতেরেস পর্তুগালের নাগরিক। তিনি ১৯৯৫ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত পর্তুগালের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং ২০০৫ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘ শরণার্থী হাইকমিশনার (UNHCR) ছিলেন। ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি তিনি মহাসচিবের দায়িত্ব নেন।
মনে রাখুন: তাঁর আগের মহাসচিব ছিলেন দক্ষিণ কোরিয়ার বান কি-মুন।
হালনাগাদ: গুতেরেসের দ্বিতীয় মেয়াদ ২০২৬ সালের শেষে শেষ হওয়ার কথা। - ২৪. জাতিসংঘের সদর দপ্তর কোথায়?
- ক. লন্ডন
- খ. ইস্তানবুল
- গ. ওয়াশিংটন
- ঘ. নিউইয়র্ক
উত্তর: ঘ. নিউইয়র্ক
জাতিসংঘের (United Nations) সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে, ইস্ট নদীর তীরে। ১৯৪৫ সালের অক্টোবরে সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়, আর এই ভবনে কাজ শুরু হয় ১৯৫০-এর দশকের গোড়ায়। তবে সব কাজ শুধু নিউইয়র্কে হয় না। সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় জাতিসংঘের ইউরোপীয় কার্যালয় আছে।
মনে রাখুন:
জাতিসংঘের জন্ম ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর, তাই এই দিনটি জাতিসংঘ দিবস।
আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (ICJ) কেন্দ্র নেদারল্যান্ডসের হেগে, যা নিউইয়র্কে নয়।
সদস্য দেশ ১৯৩টি। - ৩৫. সুয়েজ খাল কোন দেশে অবস্থিত?
- ক. মিশর
- খ. ভারত
- গ. ইন্দোনেশিয়া
- ঘ. রাশিয়া
উত্তর: ক. মিশর
সুয়েজ খাল মিশরে অবস্থিত। এটি মানুষের তৈরি একটি জলপথ, যা লোহিত সাগর ও ভূমধ্যসাগরকে যুক্ত করেছে। ফলে ইউরোপ থেকে এশিয়ায় যেতে আফ্রিকা ঘুরে আসার প্রয়োজন পড়ে না, পথ অনেক ছোট হয়ে যায়। খালটি ১৮৬৯ সালের ১৭ নভেম্বর নৌ চলাচলের জন্য খোলা হয়। ১৯৫৬ সালে মিশরের প্রেসিডেন্ট জামাল আবদেল নাসের এটি জাতীয়করণ করেন।
মনে রাখুন:
খালের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৯৩ কিলোমিটার।
পানামা খাল আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে, সেটি মধ্য আমেরিকায়। - ৩৮. তুরস্কের মুদ্রার নাম কী?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৯
- ক. লিরা
- খ. দিরহাম
- গ. দিনার
- ঘ. ডলার
উত্তর: ক. লিরা
তুরস্কের মুদ্রার নাম লিরা (Lira)। অনেক দেশের মুদ্রার নামে মিল থাকে বলে নাম গুলিয়ে ফেলা সহজ। দিরহাম সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মরক্কোর মুদ্রা, দিনার ব্যবহার করে কুয়েত, ইরাক, জর্ডান, বাহরাইনের মতো দেশ, আর ডলার যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেক দেশের মুদ্রা।
মনে রাখুন:
লিরা: তুরস্ক (তুর্কি লিরা), লেবানন ও সিরিয়ার মুদ্রাও লিরা বা পাউন্ড নামে পরিচিত।
কুয়েতি দিনার বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান মুদ্রাগুলোর একটি। - ৪৫. আয়তনে বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম দেশ কোনটি?
- ক. সুদান
- খ. তুর্কমেনিস্তান
- গ. ইন্দোনেশিয়া
- ঘ. কাজাখস্তান
উত্তর: ঘ. কাজাখস্তান
মুসলিম প্রধান দেশগুলোর মধ্যে আয়তনে কাজাখস্তান সবচেয়ে বড়। মধ্য এশিয়ার এই দেশের আয়তন প্রায় ২৭ লাখ বর্গ কিলোমিটার। দেশটির জনসংখ্যার অধিকাংশ মুসলমান। প্রশ্নের অন্য দেশগুলোর মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার আয়তন প্রায় ১৯ লাখ বর্গ কিলোমিটার, সুদান প্রায় ১৮ লাখ ৬০ হাজার, আর তুর্কমেনিস্তান প্রায় ৪ লাখ ৯০ হাজার বর্গ কিলোমিটার। ফলে উত্তর কাজাখস্তানই।
মনে রাখুন: জনসংখ্যায় বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম দেশ ইন্দোনেশিয়া। - ৪৬. বিশ্ব পরিবেশ দিবস কোনটি?
- ক. ৫ জুন
- খ. ১৫ জুন
- গ. ৫ মে
- ঘ. ১৫ মে
উত্তর: ক. ৫ জুন
বিশ্ব পরিবেশ দিবস (World Environment Day) প্রতি বছর ৫ জুন পালিত হয়। ১৯৭২ সালের ৫ জুন সুইডেনের স্টকহোমে জাতিসংঘের মানব পরিবেশ সম্মেলন শুরু হয়। সেই দিনটিকে স্মরণ করে জাতিসংঘ দিবসটি ঘোষণা করে, আর ১৯৭৪ সাল থেকে এটি পালিত হচ্ছে। দিবসটির আয়োজনে নেতৃত্ব দেয় জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP), যার সদর দপ্তর কেনিয়ার নাইরোবিতে।
মনে রাখুন:
বিশ্ব পরিবেশ দিবস: ৫ জুন।
ধরিত্রী দিবস (Earth Day): ২২ এপ্রিল।
বিশ্ব ওজোন দিবস: ১৬ সেপ্টেম্বর। - ৫৭. 'লীগ অব নেশনস' কোন সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
- ক. ১৯২০
- খ. ১৯১৯
- গ. ১৯২২
- ঘ. ১৯২৪
উত্তর: ক. ১৯২০
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ভার্সাই চুক্তির ভিত্তিতে ১৯২০ সালের ১০ জানুয়ারি লীগ অব নেশনস প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদর দপ্তর ছিল জেনেভায়। - ৯০. ইন্টারপোল-এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
- ক. ভার্সাই
- খ. প্যারিস
- গ. লিওঁ
- ঘ. মার্সাই
উত্তর: গ. লিওঁ
ইন্টারপোল (International Criminal Police Organization) আন্তর্জাতিক অপরাধ দমনে বিভিন্ন দেশের পুলিশের সহযোগিতার সংগঠন। ১৯২৩ সালে এটি অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় প্রতিষ্ঠিত হয়। পরে সদর দপ্তর প্যারিসে সরানো হয়, আর ১৯৮৯ সাল থেকে এটি ফ্রান্সের লিওঁ শহরে অবস্থিত। তাই প্যারিসের নাম মনে এলেও এখনকার সদর দপ্তর লিওঁ। ভার্সাই ও মার্সাই ফ্রান্সের অন্য দুটি শহর, কিন্তু ইন্টারপোলের দপ্তর সেখানে নয়।
মনে রাখুন:
ইন্টারপোলের সদস্য দেশ প্রায় ১৯৫টি।
ইউরোপের পুলিশ সংস্থা ইউরোপোলের সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের হেগে।
বিজ্ঞান
- ১৭. লেবুর রসে যে এসিড থাকে তার নাম—
- ক. এসিটিক এসিড
- খ. ফলিক এসিড
- গ. নাইট্রিক এসিড
- ঘ. সাইট্রিক এসিড
উত্তর: ঘ. সাইট্রিক এসিড
লেবুর রসে সাইট্রিক অ্যাসিড (Citric Acid) থাকে, যার জন্য লেবুর স্বাদ টক। লেবু, কমলা, জাম্বুরার মতো ফলকে এ কারণেই সাইট্রাস ফল বলা হয়। লেবুতে ভিটামিন সি বা অ্যাসকরবিক অ্যাসিডও আছে। অন্য অ্যাসিডগুলো লেবুর প্রধান অ্যাসিড নয়: অ্যাসিটিক অ্যাসিড সিরকায় থাকে, ফলিক অ্যাসিড একটি ভিটামিন, আর নাইট্রিক অ্যাসিড একটি খনিজ অ্যাসিড।
মনে রাখুন:
সিরকায় আছে অ্যাসিটিক অ্যাসিড।
টকদইয়ে ল্যাকটিক অ্যাসিড, তেঁতুলে টারটারিক অ্যাসিড।
নাইট্রিক অ্যাসিড একটি খনিজ অ্যাসিড, ফলে থাকে না। - ১৮. কোন রং বেশি দূর থেকে দেখা যায়?
- ক. লাল
- খ. হলুদ
- গ. সাদা
- ঘ. কালো
উত্তর: ক. লাল
দৃশ্যমান আলোর বর্ণালীতে লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি। বেশি তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো বাতাসের কণায় কম বিক্ষিপ্ত হয়, তাই তা অনেক দূর পর্যন্ত পৌঁছে যায়। এ কারণে বিপদসংকেত বা ট্রাফিকের থামার বাতিতে লাল রং ব্যবহার করা হয়, যাতে দূর থেকেও চোখে পড়ে।
মনে রাখুন:
বেগুনি আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম, তাই তা সবচেয়ে বেশি বিক্ষিপ্ত হয়।
বর্ণালীর সাতটি রং: বেগুনি, নীল, আসমানি, সবুজ, হলুদ, কমলা, লাল। - ৫৪. কোন আলোকরশ্মি ত্বকে ভিটামিন 'ডি' তৈরিতে সাহায্য করে?
- ক. বিটা রশ্মি
- খ. আল্ট্রা ভায়োলেট রশ্মি
- গ. আলফা রশ্মি
- ঘ. এক্স রশ্মি
উত্তর: খ. আল্ট্রা ভায়োলেট রশ্মি
আমাদের ত্বক সূর্যের আলোর অতিবেগুনি রশ্মি (Ultraviolet Ray) থেকে ভিটামিন ডি তৈরি করে। এর মধ্যে UV-B রশ্মি ত্বকে পড়লে সেখানকার কোলেস্টেরল-জাতীয় একটি যৌগ ভিটামিন ডি-এ রূপান্তরিত হয়। আলফা, বিটা ও এক্স রশ্মি এ কাজ করে না। তাই সঠিক উত্তর অতিবেগুনি রশ্মি।
মনে রাখুন:
ভিটামিন ডি-এর অভাবে শিশুদের রিকেট (Rickets) ও বড়দের অস্টিওম্যালেসিয়া হয়।
অতিবেগুনি রশ্মির বড় অংশ ওজোন স্তরে শোষিত হয়। - ৬১. কোন মৌলিক পদার্থ পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি আছে?
- ক. অক্সিজেন
- খ. নাইট্রোজেন
- গ. হাইড্রোজেন
- ঘ. লৌহ
উত্তর: ক. অক্সিজেন
পৃথিবীর ভূত্বকের (Crust) ওজনের প্রায় ৪৬ ভাগই অক্সিজেন। এটি সিলিকেট খনিজের মধ্যে অন্য মৌল, বিশেষ করে সিলিকনের সঙ্গে যুক্ত অবস্থায় থাকে। তাই পরীক্ষার প্রশ্নে পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি মৌল বলতে অক্সিজেন ধরা হয়। অবশ্য পুরো পৃথিবী ধরলে ভরের হিসাবে সবচেয়ে বেশি লোহা, কারণ পৃথিবীর কেন্দ্র মূলত লোহা ও নিকেল দিয়ে গঠিত।
মনে রাখুন:
ভূত্বকে অক্সিজেনের পরে সিলিকন, তারপর অ্যালুমিনিয়াম।
মহাবিশ্বে সবচেয়ে বেশি মৌল হাইড্রোজেন।
বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি নাইট্রোজেন (প্রায় ৭৮%)। - ৮১. 'থিওরি অব রিলেটিভিটি'র প্রণেতা কে?
- ক. আইজ্যাক নিউটন
- খ. আদ্রে শাখারভ
- গ. আলবার্ট আইনস্টাইন
- ঘ. চার্লস ডারউইন
উত্তর: গ. আলবার্ট আইনস্টাইন
থিওরি অব রিলেটিভিটি বা আপেক্ষিকতার তত্ত্ব দিয়েছেন আলবার্ট আইনস্টাইন। নিউটন স্থান ও কালকে অপরিবর্তনীয় ধরেছিলেন। আইনস্টাইন দেখান, গতির সঙ্গে এগুলো বদলে যায়। তিনি ১৯০৫ সালে বিশেষ আপেক্ষিকতা এবং ১৯১৫ সালে সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব দেন। এই তত্ত্বের বিখ্যাত ফল E = mc², যা ভর ও শক্তির সম্পর্ক দেখায়।
মনে রাখুন:
১৯২১ সালে আইনস্টাইন নোবেল পুরস্কার পান আলোকতড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যার জন্য, আপেক্ষিকতার জন্য নয়।
নিউটন মহাকর্ষ ও গতির সূত্র দিয়েছেন। - ৮৮. মাশরুম এক ধরনের—
- ক. ফাঙ্গাস
- খ. অপুষ্পক উদ্ভিদ
- গ. পরজীবী উদ্ভিদ
- ঘ. অর্কিড
উত্তর: ক. ফাঙ্গাস
মাশরুম এক ধরনের ছত্রাক বা ফাঙ্গাস (Fungus)। ছত্রাকে ক্লোরোফিল থাকে না, তাই তারা সূর্যের আলো থেকে নিজের খাবার তৈরি করতে পারে না, বরং মৃত বা পচা জৈব পদার্থ থেকে খাদ্য শোষণ করে। প্রাণিজগৎ ও উদ্ভিদজগতের মতো ছত্রাকের আলাদা একটি রাজ্য আছে। অপুষ্পক উদ্ভিদ বলা ঠিক নয়, কারণ শ্রেণিবিন্যাসে মাশরুম উদ্ভিদ নয়।
মনে রাখুন:
খাদ্য উপযোগী মাশরুমে প্রোটিন ও ভিটামিন থাকে, তবে কিছু মাশরুম বিষাক্ত।
ইস্ট ও পেনিসিলিয়ামও ছত্রাক।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা: সব বছর
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়: অন্যান্য পরীক্ষা
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সুপারিনটেনডেন্ট নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৪
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সুপারিনটেনডেন্ট নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা/সহকারী কনস্যুলার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সাইফার অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১২
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিদ্যুৎ বিভাগ বিদ্যুৎ পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন