পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ২৫ অক্টোবর ২০১৯। ৯৯টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →গণিত
- ১. সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সঠিক সূত্র হচ্ছে—
- ক. ½ × ভূমি × উচ্চতা
- খ. ভূমি × উচ্চতা
- গ. দৈর্ঘ্য × প্রস্থ
- ঘ. 2 (দৈর্ঘ্য × উচ্চতা)
উত্তর: খ. ভূমি × উচ্চতা
সামান্তরিকের বিপরীত বাহুগুলো সমান্তরাল। একটি বাহুকে ভূমি ধরে তার বিপরীত বাহু থেকে ভূমির ওপর লম্ব টানলে সেই লম্বের দৈর্ঘ্যই উচ্চতা। সামান্তরিককে কেটে পুনরায় সাজালে একটি আয়তক্ষেত্র তৈরি হয়, যার ক্ষেত্রফল ভূমি × উচ্চতা। তাই সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল = ভূমি × উচ্চতা।
মনে রাখুন:
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = ½ × ভূমি × উচ্চতা।
আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ।
রম্বসের ক্ষেত্রফল = ½ × কর্ণদ্বয়ের গুণফল। - ৪. বাস্তব সংখ্যার সেট R গঠিত হয়–
- ক. {1, 2, 3, 3/2, 5, ...}
- খ. (−∞, ∞)
- গ. (Q∪Q̄)
- ঘ. {±1, ±2, ±3, ...}
উত্তর: গ. (Q∪Q̄)
যেসব সংখ্যাকে দুটি পূর্ণসংখ্যার ভাগ হিসেবে লেখা যায় (p/q, q ≠ 0), তারা মূলদ সংখ্যা। আর যেগুলো এভাবে লেখা যায় না, যেমন √2 ও π, তারা অমূলদ সংখ্যা। সকল মূলদ ও সকল অমূলদ সংখ্যা একসঙ্গে নিলে বাস্তব সংখ্যার সেট R পাওয়া যায়। অর্থাৎ R = Q ∪ Q̄। সংখ্যারেখার প্রতিটি বিন্দুই একটি বাস্তব সংখ্যা।
মনে রাখুন: R-কে (−∞, ∞) ব্যবধি আকারেও লেখা যায়, তবে প্রশ্নে সংখ্যাগুলো কী দিয়ে গঠিত জানতে চাওয়ায় মূলদ ও অমূলদের মিলনই এখানে সংজ্ঞা। - ৭. x² − 4x − 1 = 0 হলে, x − 1/x এর মান কত?
- ক. 4
- খ. 3
- গ. 2
- ঘ. 1
উত্তর: ক. 4
শর্ত হলো x² − 4x − 1 = 0। x ≠ 0 বলে সমীকরণের প্রতিটি পদকে x দিয়ে ভাগ করা যায়:
x − 4 − 1/x = 0
এখান থেকে x − 1/x = 4 পাই।
যাচাই: x² − 4x − 1 = 0 থেকে x = 2 ± √5। x = 2 + √5 হলে 1/x = √5 − 2 এবং x − 1/x = (2 + √5) − (√5 − 2) = 4, যা মিলে যায়। - ১১. x + y = 9 এবং x/y = 2 হলে x-এর মান কত?
- ক. 4
- খ. 5
- গ. 6
- ঘ. 7
উত্তর: গ. 6
x/y = 2 থেকে পাই x = 2y। এবার x + y = 9 সমীকরণে বসাই:
2y + y = 9
3y = 9
y = 3
তাহলে x = 2 × 3 = 6।
যাচাই: 6 + 3 = 9 এবং 6/3 = 2, দুটিই মিলে যায়। - ৩১. মৌলিক সংখ্যা শুরু হয়েছে—
- ক. 0
- খ. 1
- গ. 2
- ঘ. 3
উত্তর: গ. 2
মৌলিক সংখ্যা (Prime number) হলো এমন সংখ্যা, যা ১-এর চেয়ে বড় এবং যার ঠিক দুটি গুণনীয়ক আছে, ১ এবং নিজে। ১-এর গুণনীয়ক একটিই, তাই ১ মৌলিক নয়। ০ ও মৌলিক নয়। সবচেয়ে ছোট মৌলিক সংখ্যা ২, আর এটিই একমাত্র জোড় মৌলিক সংখ্যা। তাই তালিকা শুরু হয় ২ দিয়ে: 2, 3, 5, 7, 11, 13, ...
মনে রাখুন: ১ থেকে ১০০-এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা আছে ২৫টি। - ৩৮. স্বাভাবিক সংখ্যার সেট N গঠিত হয়–
- ক. {1, 2, 3, ...}
- খ. {0, 1, 2, 3, ...}
- গ. {1, 2, 3, 4, ... ∞}
- ঘ. {1, 2, 3, 4, 5}
উত্তর: ক. {1, 2, 3, ...}
স্বাভাবিক সংখ্যা (Natural number) হলো আমরা যে সংখ্যা দিয়ে গুনতে শুরু করি, অর্থাৎ ১, ২, ৩, ৪... এভাবে চলতে থাকে। তাই N = {1, 2, 3, ...}। এতে শূন্য নেই। শূন্যসহ সংখ্যাগুলোকে পূর্ণ সংখ্যা (Whole number) বলে, যার সেট {0, 1, 2, 3, ...}।
মনে রাখুন: Z হলো পূর্ণসংখ্যা, যেখানে ঋণাত্মক সংখ্যাও আছে, আর Q মূলদ সংখ্যা। অন্তর্ভুক্তির ক্রম হলো N ⊂ Z ⊂ Q ⊂ R। - ৪১. ০.০৭ এর ৩% = কত?
- ক. ২১%
- খ. .২১%
- গ. .০২১%
- ঘ. ২.১%
উত্তর: খ. .২১%
৩% মানে ৩/১০০। তাই ০.০৭-এর ৩% = ০.০৭ × ৩/১০০ = ০.০০২১। এবার শতাংশে লিখতে ১০০ দিয়ে গুণ করি: ০.০০২১ × ১০০ = ০.২১%, যা .২১%।
মনে রাখুন: কোনো দশমিককে শতাংশে বদলাতে ১০০ দিয়ে গুণ করতে হয়, অর্থাৎ দশমিক বিন্দু দুই ঘর ডানে সরাতে হয়। - ৪৫. একটি বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল 404.01 বর্গমিটার হলে প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য হবে—
- ক. 20.01
- খ. 20.11
- গ. 20.21
- ঘ. 20.1
উত্তর: ঘ. 20.1
বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = বাহুর দৈর্ঘ্যের বর্গ। তাই বাহু = √404.01। দশমিকের পরে দুই ঘর আছে, তাই বর্গমূলে এক ঘর দশমিক থাকবে। 20² = 400 এবং 20.1² = 404.01। অতএব বাহুর দৈর্ঘ্য 20.1 মিটার।
যাচাই: 20.1 × 20.1 = 404.01। - ৫১. f(x) = x³ + ax³ + 2x³ = 0 হলে, a এর মান কত?
- ক. 3
- খ. 1
- গ. 0
- ঘ. −3
উত্তর: ঘ. −3
প্রশ্নের ফাংশনটি f(x) = x³ + ax³ + 2x³। সব পদে x³ সাধারণ, তাই লিখতে পারি x³(1 + a + 2) = x³(a + 3)। এটি সব x-এর জন্য শূন্য হতে হলে a + 3 = 0 হওয়া দরকার। তাই a = −3।
যাচাই: a = −3 হলে x³ − 3x³ + 2x³ = 0। - ৫৯. জটিল সংখ্যার সেট ℂ গঠিত হয়—
- ক. {x + iy}
- খ. {x + iy : x, y ∈ R}
- গ. {2i, 3i, ...}
- ঘ. {i, ± 3i, 2}
উত্তর: খ. {x + iy : x, y ∈ R}
জটিল সংখ্যা (Complex number) হলো এমন সংখ্যা, যা x + iy আকারে লেখা যায়। এখানে x ও y বাস্তব সংখ্যা এবং i কাল্পনিক একক, যার মান √(−1)। শুধু x + iy লিখলে x, y কী ধরনের সংখ্যা, তা বোঝা যায় না, তাই সংজ্ঞায় x, y ∈ R বলা জরুরি। অতএব সেটটি {x + iy : x, y ∈ R}।
মনে রাখুন: i² = −1। x-কে বাস্তব অংশ আর y-কে কাল্পনিক অংশ বলে। - ৬৫. 6 জন সদস্যের সমিতির প্রত্যেকেই সদস্য সংখ্যার 6 গুণ চাঁদা দিলে মোট কত টাকা হবে?
- ক. 216
- খ. 125
- গ. 100
- ঘ. 64
উত্তর: ক. 216
সমিতিতে সদস্য আছেন ৬ জন, আর প্রত্যেকে সদস্য সংখ্যার ৬ গুণ, অর্থাৎ 6 × 6 = 36 টাকা করে চাঁদা দিয়েছেন। তাহলে ৬ জনের মোট চাঁদা হবে 36 × 6 = 216 টাকা।
অর্থাৎ মোট টাকা = 6 × 6 × 6 = 6³ = 216।
মনে রাখুন: একই সংখ্যা তিনবার গুণ করলে ঘনফল পাওয়া যায়। যেমন 5³ = 125, 4³ = 64। এই দুটি সংখ্যা এখানে ভুল উত্তর হিসেবে দেওয়া আছে। - ৬৮. কোনটি অমূলদ সংখ্যা?
- ক. 3.25/∛64
- খ. √7/∛9
- গ. 3/4
- ঘ. 1/2
উত্তর: খ. √7/∛9
যে সংখ্যাকে দুটি পূর্ণসংখ্যার অনুপাত p/q (q ≠ 0) হিসেবে লেখা যায় না, তাকে অমূলদ সংখ্যা (Irrational number) বলে। দশমিকে এমন সংখ্যা অসীম এবং অনাবৃত্ত হয়। প্রথম বিকল্পে ∛64 = 4, তাই 3.25/4 = 13/16, যা মূলদ। 3/4 ও 1/2 তো সরাসরি ভগ্নাংশ, কাজেই মূলদ। কিন্তু √7 ও ∛9 কোনোটিই পূর্ণবর্গ বা পূর্ণঘন নয়, তাই √7/∛9 ≈ 1.2719... অমূলদ।
মনে রাখুন: π ও √2 অমূলদ সংখ্যার পরিচিত উদাহরণ। - ৬৯. কোনটি মূলদ সংখ্যা?
- ক. √5
- খ. √7
- গ. √10
- ঘ. √4
উত্তর: ঘ. √4
যে সংখ্যাকে p/q আকারে লেখা যায় তাকে মূলদ সংখ্যা (Rational number) বলে। √5, √7 ও √10 -এর ভেতরের সংখ্যাগুলো পূর্ণবর্গ নয়, তাই এদের মান অসীম অনাবৃত্ত দশমিক, অর্থাৎ এরা অমূলদ। কিন্তু 4 একটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা, 2 × 2 = 4, ফলে √4 = 2 = 2/1, যা মূলদ।
মনে রাখুন: কোনো পূর্ণবর্গ সংখ্যার বর্গমূল সবসময় মূলদ হয়। যেমন √9 = 3, √16 = 4। - ৮১. একটি বহুভুজের বাহুর সংখ্যা ৬টি হলে, অন্তঃকোণসমূহের সমষ্টি হবে -
- ক. ৭ সমকোণ
- খ. ৬ সমকোণ
- গ. ৮ সমকোণ
- ঘ. ৯ সমকোণ
উত্তর: গ. ৮ সমকোণ
$n$ বাহুর বহুভুজের অন্তঃকোণের সমষ্টি $(2n - 4)$ সমকোণ; $n = 6$ হলে $(12 - 4) = 8$ সমকোণ। - ৮৫. শতকরা বার্ষিক 7 টাকা হার সরলসুদে 650 টাকার সুদ কত বছরে 273 টাকা হবে?
- ক. 1 বছর
- খ. 2 বছর
- গ. 3 বছর
- ঘ. 6 বছর
উত্তর: ঘ. 6 বছর
সরল সুদের সূত্রে সুদ I = (মূলধন P × হার r × সময় n) / 100। এখানে P = 650, r = 7 এবং I = 273, কাজেই n = (273 × 100)/(650 × 7) = 27300/4550 = 6 বছর। যাচাই: এক বছরে সুদ 650 × 7/100 = 45.5 টাকা, আর 45.5 × 6 = 273।
মনে রাখুন: সরল সুদে সুদ প্রতি বছর একই থাকে, কিন্তু চক্রবৃদ্ধি সুদে আগের সুদও মূলধনের সঙ্গে যোগ হয়। - ৯১. a² + 1/a² = 51 হলে a − 1/a এর মান কত?
- ক. ±3
- খ. ±5
- গ. ±7
- ঘ. ±9
উত্তর: গ. ±7
এখানে a² + 1/a² = 51 দেওয়া আছে। আমরা জানি (a − 1/a)² = a² − 2·a·(1/a) + 1/a² = a² + 1/a² − 2। মান বসালে (a − 1/a)² = 51 − 2 = 49। দুই পাশে বর্গমূল নিলে a − 1/a = ±7।
মনে রাখুন: একইভাবে (a + 1/a)² = a² + 1/a² + 2 = 53, তাই a + 1/a = ±√53। যোগ আর বিয়োগের মধ্যে চিহ্নের পার্থক্যটা খেয়াল রাখতে হবে।
ইংরেজি
- ২. The number of boys present in the function — satisfactory.
- ক. was
- খ. have
- গ. were
- ঘ. have been
উত্তর: ক. was
‘The number of’ বললে মূল বিষয় হলো সংখ্যা, যা একটিই। তাই ক্রিয়া একবচন হয়। বাক্যে অনুষ্ঠানে ছেলেদের উপস্থিতির সংখ্যা ‘সন্তোষজনক ছিল’ বলে অতীত কাল বোঝায়, তাই একবচন অতীত রূপ ‘was’ বসে। Have, were ও have been বহুবচন, তাই এখানে চলে না।
মনে রাখুন: A number of boys were present। এখানে ‘a number of’ মানে ‘অনেক’, তাই ক্রিয়া বহুবচন। - ৬. 'He heard her sing'. The passive voice of the sentence is—
- ক. She was heard to sing by him.
- খ. She was heard sing by him.
- গ. She is heard to sing.
- ঘ. She was heard to be sung.
উত্তর: ক. She was heard to sing by him.
He heard her sing বাক্যটি Active। ‘Hear’, ‘see’, ‘watch’ প্রভৃতি ক্রিয়ার পরে Active-এ শুধু base verb (sing) বসে। কিন্তু এগুলোকে Passive করলে base verb-এর আগে ‘to’ বসাতে হয়। তাই Passive হবে: She was heard to sing by him। Option B-তে ‘to’ নেই, আর অন্য দুটি বাক্যে কর্তা ও অর্থ বদলে গেছে।
উদাহরণ:
Active: They saw him go. Passive: He was seen to go by them। - ৮. He works hard. Here 'hard' is a/an—
- ক. noun
- খ. adjective
- গ. adverb
- ঘ. pronoun
উত্তর: গ. adverb
‘He works hard’ বাক্যে ‘hard’ ক্রিয়া ‘works’-কে বর্ণনা করছে, অর্থাৎ কীভাবে কাজ করে, সেটি বলছে। যে শব্দ ক্রিয়াকে বর্ণনা করে, সেটি ক্রিয়া-বিশেষণ (Adverb)। তাই এখানে hard একটি adverb।
মনে রাখুন: Hard শব্দটি adjective-ও হতে পারে। যেমন: It is a hard task। এখানে hard বিশেষ্য task-কে বিশেষিত করছে। আবার hardly একটি আলাদা adverb, যার মানে ‘খুব কমই’। - ১৯. Choose the correct one :
- ক. He asked me why did I go there.
- খ. He asked me why have you gone there.
- গ. He asked me why I had done it.
- ঘ. He asked me why I had do it.
উত্তর: গ. He asked me why I had done it.
Indirect speech-এর বাক্যে প্রশ্নবোধক শব্দ (why) থাকলেও প্রশ্নের মতো ক্রম থাকে না, বরং কর্তা আগে আসে। তাই ‘why did I go’ বা ‘why have you gone’ ঠিক নয়, বলতে হয় ‘why I had done it’-এর মতো ক্রমে। Reporting verb ‘asked’ অতীত, তাই ভেতরের ক্রিয়া Past Perfect হয়: had + past participle। ‘Had do’ ভুল, কারণ done-ই past participle। সুতরাং He asked me why I had done it সঠিক।
মনে রাখুন: Direct: He said to me, “Why did you do it?” → Indirect: He asked me why I had done it। - ২০. What is the synonym of 'hasten'?
- ক. hurry
- খ. hurried
- গ. hurrying
- ঘ. hasty
উত্তর: ক. hurry
‘Hasten’ মানে তাড়াতাড়ি করা বা দ্রুত যাওয়া, এর সমার্থক ক্রিয়া ‘hurry’। বাকি তিনটি শব্দের রূপ আলাদা: hurried হলো hurry-র অতীত রূপ, hurrying হলো -ing রূপ আর hasty একটি বিশেষণ (adjective), যার মানে হঠকারী বা তাড়াহুড়োর। প্রশ্নে ক্রিয়ার সমার্থক চাওয়া হয়েছে, তাই ক্রিয়ার মূল রূপ hurry-ই উত্তর।
উদাহরণ:
We must hasten to the station. = We must hurry to the station.
মনে রাখুন:
Hasten-এর অন্যান্য সমার্থক শব্দ rush, speed up ও accelerate।
Hasten-এর বিপরীত শব্দ delay।
Hasty (বিশেষণ) ও haste (বিশেষ্য) একই পরিবারের শব্দ। - ২৫. She spoke as though she (know) all.
- ক. had know
- খ. had known
- গ. know
- ঘ. knows
উত্তর: খ. had known
‘As though’ বা ‘as if’ দিয়ে তুলনা করলে বাস্তবের বিপরীত ভাব বোঝায়। মূল বাক্য অতীত কালের (spoke) হলে as though-এর পরের অংশে Past Perfect বসে: had + past participle। Know-এর past participle হলো known, তাই had known ঠিক। Option A-তে ‘had know’ ভুল রূপ।
উদাহরণ:
He talks as if he were the king। (বর্তমানে as if-এর পরে were বসে।)
He spoke as though he had seen it। (অতীতে had + p.p বসে।) - ২৭. 'Do or die' is a/an — sentence.
- ক. simple
- খ. complex
- গ. compound
- ঘ. interrogative
উত্তর: গ. compound
‘Do or die’ বাক্যটি আদেশসূচক, যার পূর্ণ রূপ ‘Do, or you will die’। এখানে ‘or’ একটি সংযোজক (Coordinating Conjunction), যা দুটি স্বাধীন অংশকে যুক্ত করেছে। দুটি স্বাধীন বাক্যাংশ সংযোজকে জুড়ে গেলে তাকে যৌগিক বাক্য (Compound Sentence) বলে।
মনে রাখুন:
Coordinating conjunction: and, but, or, so, yet, for, nor।
Complex বাক্যে একটি মূল ও এক বা একাধিক অধীন উপবাক্য থাকে, যেমন: I know that he is honest। - ৩৪. The plural form of 'phenomenon' is—
- ক. phenomenons
- খ. phenomena
- গ. phenomenas
- ঘ. phenomenos
উত্তর: খ. phenomena
Phenomenon শব্দটি গ্রিক ভাষা থেকে ইংরেজিতে এসেছে, তাই এর বহুবচন ইংরেজির সাধারণ নিয়মে (-s যোগ করে) হয় না। গ্রিক নিয়মে শেষের -on বদলে -a বসে, ফলে বহুবচন হয় phenomena। বাকি রূপগুলো ইংরেজিতে শুদ্ধ নয়, কারণ phenomenons, phenomenas বা phenomenos এই শব্দের স্বীকৃত বহুবচন নয়।
উদাহরণ:
Natural phenomena like rainbows and eclipses attract curious minds.
মনে রাখুন:
গ্রিক বা ল্যাটিন শব্দের বহুবচন: criterion → criteria, datum → data, bacterium → bacteria।
-is শেষ হওয়া শব্দের বহুবচনে -es হয়: crisis → crises, analysis → analyses, basis → bases। - ৩৯. The indirect speech of, He said, "You liar". is—
- ক. He said me a liar.
- খ. He called me liar.
- গ. He said me to go to a liar.
- ঘ. He called me a liar.
উত্তর: ঘ. He called me a liar.
Direct speech-এ কাউকে ‘You liar’ বলে সম্বোধন করা মানে তাকে মিথ্যাবাদী বলা। Indirect-এ এটি বোঝাতে ‘called’ ক্রিয়া বসে এবং liar-এর আগে article ‘a’ লাগে। তাই সঠিক রূপ He called me a liar। ‘Said’ দিয়ে বাক্য করলে অর্থ ঠিক থাকে না, আর liar একবচন গণনীয় বিশেষ্য বলে a ছাড়া বসানো যায় না।
উদাহরণ:
He said, “You fool.” → He called me a fool। - ৪০. My father went home last night. Here 'home' is a/an—
- ক. noun
- খ. adverb
- গ. preposition
- ঘ. pronoun
উত্তর: খ. adverb
‘Home’ শব্দটি সাধারণত বিশেষ্য (noun), যেমন ‘My home is in Dhaka’। কিন্তু ‘went home’ বাক্যে এটি ক্রিয়া ‘went’-কে বর্ণনা করছে, অর্থাৎ কোথায় গেল তা বলছে। ক্রিয়াকে যে শব্দ বিশেষিত করে, তাকে বলে ক্রিয়া-বিশেষণ (Adverb)। এখানে স্থান বোঝাচ্ছে বলে এটি স্থানবাচক ক্রিয়া-বিশেষণ (Adverb of place)। লক্ষ করার মতো ব্যাপার হলো, home-এর আগে ‘to’ বসানোর দরকার নেই, কারণ preposition ছাড়াই শব্দটি স্থান বুঝিয়ে দেয়।
উদাহরণ:
He went home. (adverb) / His home is in Dhaka. (noun)
মনে রাখুন: আরও স্থানবাচক adverb: here, there, abroad, upstairs, everywhere। - ৪৪. She aspires — a scientific career.
- ক. for
- খ. by
- গ. to
- ঘ. from
উত্তর: গ. to
‘Aspire’ ক্রিয়ার পরে সবসময় preposition ‘to’ বসে, যার অর্থ কিছু পাওয়ার জন্য ঐকান্তিক আকাঙ্ক্ষা করা। তাই She aspires to a scientific career সঠিক। অন্য prepositions এখানে বসানো ভুল।
উদাহরণ:
He aspires to be a doctor.
Aspire to something / aspire to do something।
মনে রাখুন: Aspiration শব্দটির পরেও to বা for বসে, যেমন aspiration for freedom। - ৫২. — than he left the place.
- ক. As soon as he saw the police
- খ. No sooner had he seen the police
- গ. No sooner he had see the police
- ঘ. As soon as he had seen the police
উত্তর: খ. No sooner had he seen the police
‘No sooner’ দিয়ে বাক্য শুরু হলে সাধারণ নিয়মে ক্রিয়ার আগে ‘had’ চলে আসে এবং কর্তা পরে বসে। এরপর ‘than’ আসে এবং তার পরে Past Indefinite বসে। তাই এখানে সঠিক রূপ: No sooner had he seen the police than he left the place। As soon as দিয়ে শুরু করলে ‘than’ বসে না।
উদাহরণ:
No sooner had I reached the station than the train left।
As soon as I reached the station, the train left। - ৫৭. Choose the correct sentence :
- ক. The pen belong to me.
- খ. The pen belongs for me.
- গ. The pen belongs to you.
- ঘ. The pen belonged by me.
উত্তর: গ. The pen belongs to you.
Belong ক্রিয়ার পরে সবসময় ‘to’ বসে, যার মানে কারও মালিকানাধীন হওয়া। ‘The pen’ তৃতীয় পুরুষ একবচন, তাই বর্তমান কালে ক্রিয়ায় -s যোগ হয়: belongs। সুতরাং The pen belongs to you সঠিক। A-তে belong একবচন কর্তার সঙ্গে ভুল, B-তে for ভুল, D-তে by ভুল।
মনে রাখুন: Belong to-এর অর্থ own নয়। ‘The pen belongs to me’ মানে কলমটি আমার। - ৫৮. 'আমি তাকে নাচতে দেখলাম'— Its english translation is—
- ক. I saw her danced.
- খ. I saw her to dance.
- গ. I saw her to dancing.
- ঘ. I saw her dance.
উত্তর: ঘ. I saw her dance.
See, hear, watch, feel, notice প্রভৃতি ক্রিয়ার পরে কর্ম এবং তারপর ক্রিয়ার base form বা -ing রূপ বসে, মাঝে ‘to’ বসে না। ‘সে নাচছিল’ পুরোটা দেখলে base form, আর নাচের একটি অংশ দেখলে -ing। প্রশ্নে বিকল্পগুলোর মধ্যে base form দেওয়া আছে, তাই I saw her dance সঠিক। ‘Danced’ বা ‘to dance’ বসানো ভুল।
উদাহরণ:
I saw him cross the road. (পুরোটা দেখেছি)
I saw him crossing the road. (পথ পার হওয়ার সময় দেখেছি) - ৬১. 'Come into question' means—
- ক. to become a matter for doubt
- খ. to be a matter for praise
- গ. to be a great event
- ঘ. to become a matter for writing
উত্তর: ক. to become a matter for doubt
‘Come into question’ idiom-টির অর্থ কোনো বিষয় নিয়ে সন্দেহ বা আলোচনার প্রশ্ন ওঠা। যেমন কারো সততা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে বলা হয় তা ‘comes into question’। তাই সঠিক অর্থ to become a matter for doubt। প্রশংসা, বড় ঘটনা বা লেখার বিষয় হওয়ার সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই।
উদাহরণ:
His honesty has come into question.
আরও idiom: call into question (প্রশ্ন তোলা), out of the question (অসম্ভব)। - ৬৪. What is the antonym of 'harmony'?
- ক. unharmony
- খ. dissharmony
- গ. non-harmony
- ঘ. disharmony
উত্তর: ঘ. disharmony
Harmony মানে সাদৃশ্য বা মিল। এর বিপরীত শব্দ হলো Disharmony, অর্থাৎ অমিল বা অসংগতি। এখানে উপসর্গ dis- যোগ হয়ে শব্দটির অর্থ উল্টে গেছে। বাকি তিনটি রূপ, যেমন unharmony বা non-harmony, ইংরেজিতে প্রচলিত শব্দ নয়। dissharmony বানানটিও ভুল, কারণ এতে s দুবার বসানো হয়েছে।
মনে রাখুন: dis- যোগে বিপরীত অর্থ তৈরির আরও উদাহরণ: agree - disagree, honest - dishonest, like - dislike। - ৭৫. Choose the correct sentence—
- ক. He likes jogged.
- খ. He likes to be jogg.
- গ. He likes jogging.
- ঘ. He likes to jogging.
উত্তর: গ. He likes jogging.
Like -এর পরে সাধারণত gerund (verb + ing) অথবা to-infinitive বসে। অর্থাৎ He likes jogging অথবা He likes to jog দুটোই শুদ্ধ। বিকল্পগুলোর মধ্যে He likes jogging সঠিক। ‘He likes jogged’-এ past form, ‘to be jogg’-এ ভুল শব্দরূপ এবং ‘to jogging’-এ to-এর পরে ing যোগ হয়েছে, তাই এগুলো ভুল।
মনে রাখুন: enjoy, mind, avoid, finish -এর পরে শুধু gerund বসে। যেমন: She enjoys singing। - ৭৯. His younger brother is a school boy. Here 'school' is a/an—
- ক. noun
- খ. adverb
- গ. adjective
- ঘ. pronoun
উত্তর: গ. adjective
‘His younger brother is a school boy’ বাক্যে boy হলো noun। এর আগে school শব্দটি বসে boy কেমন, তা বুঝিয়েছে। কোনো noun যখন অন্য noun-এর আগে বসে তার বিশেষণের কাজ করে, তখন সেই শব্দটি adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এখানে school boy মানে বিদ্যালয়ের ছেলে।
মনে রাখুন: শব্দের কাজ দেখেই তার parts of speech ঠিক হয়। যেমন: a gold ring, a stone wall এই দুই জায়গায় gold ও stone adjective-এর কাজ করছে। - ৮৭. Had I seen him there —
- ক. I would talk to him.
- খ. I would have talked to him.
- গ. I would talked to him.
- ঘ. I would have talk to him.
উত্তর: খ. I would have talked to him.
Had I seen him there — এটি Third conditional (অতীত অবাস্তব শর্ত)। সাধারণ রূপ হলো If I had seen him there, I would have talked to him। এখানে if বাদ দিয়ে had-কে সাবজেক্টের আগে বসানো হয়েছে, তাই বাক্যটি Had I seen him। এই ধরনের বাক্যে ফলাফল অংশে would have + past participle বসে। তাই সঠিক বাক্য হলো I would have talked to him।
মনে রাখুন: এই গঠনে if উহ্য থাকলে had আগে আসে। যেমন: Had she studied, she would have passed। - ৮৮. Choose the correct sentence :
- ক. Here comes the bus.
- খ. Here the bus comes.
- গ. Here the bus is come.
- ঘ. Here is the bus go.
উত্তর: ক. Here comes the bus.
Here, There ইত্যাদি স্থানবাচক ক্রিয়া-বিশেষণ দিয়ে বাক্য শুরু হলে সাধারণত verb আগে ও subject পরে বসে। তাই সঠিক বাক্য হলো Here comes the bus। ‘Here the bus comes’ এই গঠন সাধারণ ইংরেজিতে চলে না। আর ‘Here the bus is come’ এবং ‘Here is the bus go’ ব্যাকরণের দিক থেকেই ভুল।
উদাহরণ:
Here comes the sun.
There goes the bell. - ৮৯. Do not jeer — the girl.
- ক. at
- খ. for
- গ. by
- ঘ. from
উত্তর: ক. at
Jeer শব্দের অর্থ বিদ্রূপ বা উপহাস করা। এর সঙ্গে preposition at বসে: jeer at someone। তাই বাক্যটি দাঁড়ায় Do not jeer at the girl, অর্থাৎ মেয়েটিকে উপহাস কোরো না। অন্য preposition বসালে এই অর্থ আসে না।
মনে রাখুন: Laugh at, scoff at, mock at (mock-এর পরে at না দিলেও চলে) প্রায় একই ধরনের অর্থ প্রকাশ করে। - ৯২. 'Bring to book' means—
- ক. a book published
- খ. valueless book
- গ. to find a book
- ঘ. to rebuke
উত্তর: ঘ. to rebuke
Bring to book একটি ইংরেজি Idiom, যার মানে কারও কাজের জন্য কৈফিয়ত চাওয়া বা তাকে তিরস্কার করা, প্রয়োজনে শাস্তি দেওয়া। বিকল্পগুলোর মধ্যে To rebuke (তিরস্কার করা) অর্থের সবচেয়ে কাছাকাছি। শব্দের আক্ষরিক অর্থ ধরলে বইয়ের কথা মনে আসে, কিন্তু idiom-এর আসল অর্থ এখানে বইয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। তাই idiom মুখস্থ করার সময় পুরো অংশের অর্থ মনে রাখা দরকার।
উদাহরণ:
The officer was brought to book for the mistake.
মনে রাখুন:
Rebuke-এর কাছাকাছি শব্দ reprimand, scold, reproach।
Book সংক্রান্ত আরও idiom: by the book (নিয়মমাফিক), a closed book (দুর্বোধ্য বিষয়)। - ৯৫. I made the machine —.
- ক. to work
- খ. work
- গ. to working
- ঘ. worked
উত্তর: খ. work
Make শব্দটি causative verb (কাউকে কিছু করানো বোঝায়)। এর গঠন make + object + verb-এর base form, মাঝখানে to বসে না। তাই I made the machine work সঠিক। অর্থ হলো আমি যন্ত্রটি চালু করলাম। Passive-এ বললে to ফিরে আসে: The machine was made to work।
মনে রাখুন: let ও make -এর পর to ছাড়া base verb বসে। যেমন: She let me go। - ৯৮. Choose the word correctly spelt—
- ক. assumption
- খ. assumtion
- গ. assumpted
- ঘ. assuming
উত্তর: ক. assumption
শুদ্ধ বানান assumption। এটি Assume ক্রিয়া থেকে তৈরি Noun, যার অর্থ ধারণা বা অনুমান। Assume ক্রিয়ার noun রূপ তৈরির সময় শেষে -ption যুক্ত হয়, আর এতে p থাকে। Assumtion বানানে p বাদ গেছে বলে ভুল। Assumpted শব্দের কোনো প্রচলন নেই, আর assuming একটি -ing রূপ, ফলে প্রশ্নের মূল শব্দ হিসেবে এটি ঠিক নয়।
উদাহরণ:
It was only an assumption, not a fact.
মনে রাখুন: Consume - consumption, presume - presumption এভাবেও ক্রিয়ার noun রূপে p বসে। - ৯৯. What is the verb form of 'glad'?
- ক. glad
- খ. glader
- গ. gladding
- ঘ. gladden
উত্তর: ঘ. gladden
Glad একটি adjective, মানে খুশি। এর verb রূপ gladden, অর্থাৎ খুশি করা বা আনন্দ দেওয়া। বিশেষণ থেকে ক্রিয়া তৈরির একটি পদ্ধতি হলো শেষে -en যোগ করা, তাই glad থেকে gladden হয়। অন্য বিকল্পগুলোর মধ্যে glader বা gladding ইংরেজিতে প্রচলিত শব্দ নয়, আর glad নিজে verb নয়।
উদাহরণ:
The news gladdened her heart.
মনে রাখুন:
-en যোগে তৈরি আরও ক্রিয়া: wide - widen, sad - sadden, weak - weaken, deep - deepen।
আবার -ize বা -ify যোগেও ক্রিয়া হয়: simple - simplify, modern - modernize।
বাংলাদেশ
- ৩. 'বিরিশিরি' কোথায় অবস্থিত?
- ক. কিশোরগঞ্জ জেলায়
- খ. নেত্রকোণা জেলায়
- গ. শেরপুর জেলায়
- ঘ. সিলেট জেলায়
উত্তর: খ. নেত্রকোণা জেলায়
বিরিশিরি নেত্রকোণা জেলার দুর্গাপুর উপজেলায় সোমেশ্বরী নদীর তীরে অবস্থিত। কিশোরগঞ্জ, শেরপুর ও সিলেট জেলায় এর অবস্থান নয়। এখানকার প্রধান আকর্ষণ হলো গারো, হাজংসহ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষণের জন্য গড়ে ওঠা কালচারাল একাডেমি। এছাড়া এখানকার সাদা মাটির পাহাড় ও কমলা রানীর দিঘিও পর্যটকদের কাছে বিখ্যাত। এই এলাকা ভারতের মেঘালয় সীমান্তের কাছাকাছি।
মনে রাখুন:
নেত্রকোণা জেলার সঙ্গে ‘মৈমনসিংহ গীতিকা’র নাম জড়িয়ে আছে।
এর সংগ্রাহক চন্দ্রকুমার দে ছিলেন নেত্রকোণার মানুষ। - ৫. নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগের আলাদা করার বিষয় উল্লেখ আছে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে?
- ক. ২০নং অনুচ্ছেদ
- খ. ২১নং অনুচ্ছেদ
- গ. ২২নং অনুচ্ছেদ
- ঘ. ২৩নং অনুচ্ছেদ
উত্তর: গ. ২২নং অনুচ্ছেদ
বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগ রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি নিয়ে। এর ২২ অনুচ্ছেদে বলা আছে, রাষ্ট্র নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগকে পৃথক করার ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে। বাস্তবে এই পৃথকীকরণ কার্যকর হয় ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর।
মনে রাখুন:
২০ অনুচ্ছেদ: কর্ম হইতেছে অধিকার, কর্তব্য ও সম্মানের বিষয়।
২১ অনুচ্ছেদ: নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্য।
২৩ অনুচ্ছেদ: জাতীয় সংস্কৃতি। - ১৩. বঙ্গবন্ধু 'অস্থায়ী সংবিধান আদেশ' কবে ঘোষণা করেন?
- ক. ৪ নভেম্বর ১৯৭২
- খ. ১০ জানুয়ারি ১৯৭২
- গ. ১১ জানুয়ারি ১৯৭২
- ঘ. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
উত্তর: গ. ১১ জানুয়ারি ১৯৭২
১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে আসেন। পরদিন, ১১ জানুয়ারি, তিনি ‘অস্থায়ী সংবিধান আদেশ’ জারি করেন। এই আদেশে দেশে সংসদীয় ব্যবস্থার সরকার চালু হয় এবং বঙ্গবন্ধু রাষ্ট্রপতির পদ ছেড়ে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেন। ১০ জানুয়ারি তাঁর দেশে ফেরার তারিখ বলে অনেকে ওই দিনটির সঙ্গে ভুল করেন। আবার ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস বলে দিনটি পরিচিত, কিন্তু সংবিধান কার্যকর হওয়ার তারিখও ১৯৭২ সালের এই দিন।
মনে রাখুন:
গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হয় ৪ নভেম্বর ১৯৭২।
সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২।
বাংলাদেশে সংসদীয় সরকারব্যবস্থা চালু হয় ১৯৭২ সালের জানুয়ারিতে। - ১৬. বাংলাদেশের শীর্ষ দ্বিপক্ষীয় উন্নয়ন সহযোগী দেশ কোনটি?
- ক. যুক্তরাষ্ট্র
- খ. চীন
- গ. ভারত
- ঘ. জাপান
উত্তর: ঘ. জাপান
২০১৯ সালে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দ্বিপক্ষীয় (Bilateral) উন্নয়ন সহযোগী ছিল জাপান। দ্বিপক্ষীয় সহযোগী বলতে এমন দেশকে বোঝায়, যে সরাসরি নিজের নামে ঋণ ও অনুদান দেয়। এর বিপরীতে বিশ্বব্যাংক বা এডিবির মতো প্রতিষ্ঠানগুলো বহুপক্ষীয় সহযোগী। জাপান দীর্ঘদিন ধরে মাতারবাড়ি বন্দর ও বিদ্যুৎ প্রকল্প, মেট্রোরেল এবং বিভিন্ন অবকাঠামোতে অর্থায়ন করে আসছে।
মনে রাখুন: জাপানের সহায়তা সংস্থার নাম জাইকা (JICA)। - ১৮. ঈশা খাঁ কে ছিলেন?
- ক. দিল্লির বাদশাহ
- খ. বাংলার বারোভূঁইয়ার একজন
- গ. সুবেহ বাংলার শাসক
- ঘ. মুর্শিদাবাদের নবাব
উত্তর: খ. বাংলার বারোভূঁইয়ার একজন
ঈশা খাঁ ষোড়শ শতকের শেষ দিকে বাংলার বারো ভূঁইয়ার প্রধান ছিলেন। মুঘল সম্রাট আকবরের সময় বাংলার বহু জমিদার ও সামন্ত মুঘলদের বশ্যতা মানতে চাননি। এঁদের সম্মিলিত রূপই বারো ভূঁইয়া নামে পরিচিত। তিনি দিল্লির বাদশাহ বা মুর্শিদাবাদের নবাব ছিলেন না, তিনি ছিলেন আঞ্চলিক ভূস্বামীদের নেতা। ঈশা খাঁর রাজধানী ছিল সোনারগাঁও, আর তিনি ‘মসনদ-ই-আলা’ উপাধি পেয়েছিলেন।
মনে রাখুন:
বারো ভূঁইয়াদের মধ্যে প্রতাপাদিত্য (যশোর), কেদার রায় (বিক্রমপুর) ও কন্দর্পনারায়ণের নামও গুরুত্বপূর্ণ।
ঈশা খাঁ মুঘল সেনাপতি মানসিংহের বিরুদ্ধেও লড়াই করেছিলেন। - ৩৬. বাংলা সনের প্রবর্তক কে?
- ক. সম্রাট আকবর
- খ. নবাব আলীবর্দী খাঁ
- গ. লক্ষণ সেন
- ঘ. আবুল ফজল
উত্তর: ক. সম্রাট আকবর
বাংলা সন প্রবর্তনের কৃতিত্ব মুঘল সম্রাট আকবরের। হিজরি সন চান্দ্র বর্ষ অনুযায়ী চলে, তাই ঋতুর সঙ্গে মেলে না, ফলে ফসল তোলার সময় খাজনা আদায়ে সমস্যা হতো। এই অসুবিধা দূর করতে আকবর সৌর বর্ষ অনুযায়ী নতুন সন চালু করেন। সম্রাটের জ্যোতির্বিদ ফতেহউল্লাহ সিরাজী এর হিসাব তৈরি করেন। এটি ১৫৫৬ সালের ৫ নভেম্বর, অর্থাৎ আকবরের সিংহাসনে আরোহণের বছর থেকে গণনা শুরু ধরা হয়।
মনে রাখুন: বাংলা সন চালু হওয়ার পর একে আগে ‘ফসলি সন’ বা ‘সন’ বলা হতো, পরে এটি বঙ্গাব্দ নামে পরিচিত হয়। - ৪৭. বাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটারের মডেল কী ছিল?
- ক. IBM 360
- খ. IBM 1024
- গ. IBM 1620
- ঘ. IBM 2048
উত্তর: গ. IBM 1620
বাংলাদেশে প্রথম কম্পিউটার আসে ১৯৬৪ সালে, তখন দেশটি পূর্ব পাকিস্তান। কম্পিউটারটি ছিল আইবিএম ১৬২০ (IBM 1620) মডেলের, যা ঢাকায় পারমাণবিক শক্তি কেন্দ্রে (বর্তমান বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন) স্থাপিত হয়। গবেষণার হিসাব-নিকাশের কাজে এটি ব্যবহার করা হতো। বিকল্পে দেওয়া IBM 360, IBM 1024 ও IBM 2048 নামগুলো এই প্রসঙ্গে প্রথম কম্পিউটারের মডেল নয়।
মনে রাখুন:
১৯৬৪ সালে বসানো এই কম্পিউটার ছিল প্রধানত বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য, আজকের ব্যক্তিগত কম্পিউটারের মতো নয়।
আইবিএম (IBM) পুরো নাম International Business Machines। - ৪৮. বাক স্বাধীনতা, মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয় সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলে?
- ক. ৩৮ অনুচ্ছেদ
- খ. ৩৯ অনুচ্ছেদ
- গ. ৩৭ অনুচ্ছেদ
- ঘ. ৩৬ অনুচ্ছেদ
উত্তর: খ. ৩৯ অনুচ্ছেদ
বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকারগুলো লেখা আছে। এর ৩৯ অনুচ্ছেদে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। ৩৯(২)-এর (ক) দফায় প্রত্যেক নাগরিকের বাক্ ও ভাব-প্রকাশের স্বাধীনতা এবং (খ) দফায় সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতা রক্ষিত। প্রশ্নে বাক্স্বাধীনতা, মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে, আর এই তিনটিই এই একই অনুচ্ছেদের আওতায় পড়ে।
মনে রাখুন:
৩৬ অনুচ্ছেদ: চলাফেরার স্বাধীনতা।
৩৭ অনুচ্ছেদ: সমাবেশের স্বাধীনতা।
৩৮ অনুচ্ছেদ: সংগঠনের স্বাধীনতা।
৪০ অনুচ্ছেদ: পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।
৪১ অনুচ্ছেদ: ধর্মীয় স্বাধীনতা। - ৫৪. ঐতিহাসিক 'পানাম নগর' কোথায় অবস্থিত?
- ক. সোনারগাঁ-এ
- খ. ময়নামতিতে
- গ. মহাস্থানগড়ে
- ঘ. বৌদ্ধ বিহারে
উত্তর: ক. সোনারগাঁ-এ
পানাম নগর নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক নগর। মধ্যযুগে সোনারগাঁও বাংলার রাজধানী ছিল। পানাম নগরের রাস্তার দুপাশে সারি সারি পুরোনো দালান আছে, যেগুলো মূলত ঊনবিংশ শতকে ধনী হিন্দু ব্যবসায়ীরা তৈরি করেছিলেন। এই নগর ও সোনারগাঁওয়ের অন্যান্য স্থাপনা বাংলাদেশের প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যের অংশ।
মনে রাখুন:
ময়নামতি কুমিল্লায় অবস্থিত, এখানে বৌদ্ধ বিহার ও প্রত্নস্থান আছে।
মহাস্থানগড় বগুড়ায় অবস্থিত।
সোনারগাঁওয়ে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের জাদুঘরও আছে। - ৭৬. ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল বলতে কী বোঝেন?
- ক. কেওড়া বন
- খ. উপকূলীয় বন
- গ. শালবন
- ঘ. মানবসৃষ্ট বন
উত্তর: খ. উপকূলীয় বন
ম্যানগ্রোভ (Mangrove) হলো সমুদ্রের উপকূলের জোয়ার-ভাটা এলাকার লবণাক্ত কাদাময় মাটিতে জন্মানো বিশেষ ধরনের বন। এর গাছের শ্বাসমূল মাটি ফুঁড়ে ওপরে উঠে আসে। কেওড়া এই বনের একটি গাছ, পুরো বনের নাম নয়। শালবন কিন্তু উঁচু শুকনো ভূমির বন, আর মানবসৃষ্ট বন লাগানো হয় মানুষের হাতে।
মনে রাখুন:
সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন।
সুন্দরী, গেওয়া, গরান ও কেওড়া এই বনের গাছ।
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার উপকূলেও সৃজিত ম্যানগ্রোভ বন আছে। - ৭৭. মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় কোন তারিখে?
- ক. ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
- খ. ৭ এপ্রিল ১৯৭১
- গ. ১০ এপ্রিল ১৯৭১
- ঘ. ২৭ এপ্রিল ১৯৭১
উত্তর: গ. ১০ এপ্রিল ১৯৭১
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র অনুযায়ী মুজিবনগর সরকার (বাংলাদেশের প্রথম সরকার) গঠিত হয়। এরপর ১৭ এপ্রিল কুষ্টিয়ার মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে এই সরকারের শপথ হয় এবং জায়গাটির নাম রাখা হয় মুজিবনগর। অর্থাৎ সরকার গঠনের তারিখ ১০ এপ্রিল, আর শপথের তারিখ ১৭ এপ্রিল।
মনে রাখুন:
রাষ্ট্রপতি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (অনুপস্থিতিতে উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম)।
প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দীন আহমদ। - ৮৬. কান্তজীউ মন্দির কোন জেলায় অবস্থিত?
- ক. দিনাজপুর জেলায়
- খ. রংপুর জেলায়
- গ. বগুড়া জেলায়
- ঘ. রাজশাহী জেলায়
উত্তর: ক. দিনাজপুর জেলায়
কান্তজীউ মন্দির বা কান্তজির মন্দির দিনাজপুর জেলার কাহারোল উপজেলার সুন্দরপুর গ্রামে অবস্থিত। দিনাজপুরের মহারাজা প্রাণনাথ এর নির্মাণ শুরু করেন এবং তাঁর পালক পুত্র রামনাথ ১৭২২ সালে কাজ শেষ করেন। মন্দিরটি ইট ও পোড়ামাটির ফলকে সাজানো, তাতে রামায়ণ, মহাভারত ও সমকালীন সমাজজীবনের ছবি আছে। এটি তিন তলা এবং আকারে চৌকো।
মনে রাখুন: বাংলাদেশের টেরাকোটা বা পোড়ামাটির অলংকরণে সমৃদ্ধ মন্দিরগুলোর মধ্যে কান্তজীউ মন্দির সবচেয়ে সুন্দর বলে গণ্য হয়। - ৯৬. মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী কে ছিলেন?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৯, প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) ২০১৯, প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ২৫৯৪) ২০১৯
- ক. তাজউদ্দীন আহমদ
- খ. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- গ. এ. এইচ এম কামারুজ্জামান
- ঘ. ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
উত্তর: ঘ. ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত মুজিবনগর সরকারে ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী ছিলেন অর্থ, শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী। বাকি তিনজনের দায়িত্ব ছিল আলাদা। তাজউদ্দীন আহমদ ছিলেন প্রধানমন্ত্রী, আর সৈয়দ নজরুল ইসলাম ছিলেন উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি। এ এইচ এম কামারুজ্জামান ছিলেন স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী। সরকারের শপথ হয় ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায়, যে স্থান এরপর মুজিবনগর নামে পরিচিত হয়।
মনে রাখুন:
সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন কর্নেল (অব.) এম এ জি ওসমানী।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন রাষ্ট্রপতি।
বাংলা
- ৯. বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শন কোনটি?
- ক. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
- খ. মনসামঙ্গল
- গ. চণ্ডীমঙ্গল
- ঘ. চর্যাপদ
উত্তর: ঘ. চর্যাপদ
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন হলো চর্যাপদ। এটি বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের রচিত গান, যার সময় আনুমানিক দশম থেকে দ্বাদশ শতক। ১৯০৭ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এর পুথি আবিষ্কার করেন। ১৯১৬ সালে ‘হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা’ নামে এটি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ থেকে ছাপা হয়। শ্রীকৃষ্ণকীর্তন, মনসামঙ্গল ও চণ্ডীমঙ্গল মধ্যযুগের রচনা।
মনে রাখুন: চর্যাপদের কবিদের মধ্যে লুইপা, কাহ্নপা ও ভুসুকুপা বিখ্যাত। - ১০. বাংলাদেশে প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম চালু করে কোন প্রতিষ্ঠান?
- ক. এশিয়াটিক সোসাইটি
- খ. বাংলা একাডেমি
- গ. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
- ঘ. শিল্পকলা একাডেমি
উত্তর: খ. বাংলা একাডেমি
বাংলাদেশে সরকারি ও শিক্ষাক্ষেত্রে বাংলা বানান একরকম রাখার দায়িত্ব বাংলা একাডেমির। একাডেমি ১৯৯২ সালে ‘প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম’ প্রকাশ করে, যা পরে সংশোধিত হয়েছে। এটি চালুর আগে বানানের ক্ষেত্রে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯৩৬ সালের নিয়ম ও অন্যান্য রীতি প্রচলিত ছিল।
মনে রাখুন: বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর। এর বর্তমান ভবন ঢাকার বর্ধমান হাউসে। - ১২. 'প্রদোষে প্রাকৃতজন' উপন্যাসটির ঔপন্যাসিক কে?
- ক. শহীদুল্লা কায়সার
- খ. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
- গ. শওকত আলী
- ঘ. রিজিয়া রহমান
উত্তর: গ. শওকত আলী
‘প্রদোষে প্রাকৃতজন’ (১৯৮৪) উপন্যাসটি ঔপন্যাসিক শওকত আলীর লেখা। এতে বাংলার ইতিহাসের মধ্যযুগীয় পটভূমি এবং সাধারণ মানুষের, অর্থাৎ প্রাকৃতজনের জীবনসংগ্রাম ফুটে উঠেছে। ‘প্রদোষ’ মানে সন্ধ্যার ঠিক আগের সময়, আর ‘প্রাকৃতজন’ মানে সাধারণ মানুষ। উপন্যাসের নামটিতেই একটি যুগের শেষ লগ্নে সাধারণ মানুষের অবস্থা ধরা আছে। শওকত আলীর আরও পরিচিত উপন্যাস ‘যাত্রা’, ‘দক্ষিণায়নের দিন’, ‘ওয়ারিশ’, ‘উত্তরের খেপ’ ও ‘পিঙ্গল আকাশ’।
মনে রাখুন:
শহীদুল্লা কায়সারের বিখ্যাত উপন্যাস ‘সংশপ্তক’ ও ‘সারেং বউ’।
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর ‘লালসালু’ ও ‘চাঁদের অমাবস্যা’।
রিজিয়া রহমানের ‘বং থেকে বাংলা’। - ১৪. 'পুত্র'-এর সমার্থক শব্দ কী?
- ক. প্রসূন
- খ. আত্মজ
- গ. অদ্রি
- ঘ. বামা
উত্তর: খ. আত্মজ
‘পুত্র’ শব্দের সমার্থক শব্দ আত্মজ। এর আক্ষরিক অর্থ হলো যে নিজের শরীর থেকে জন্ম নিয়েছে। তনয়, সুত, নন্দন ও তনুজ শব্দগুলোও পুত্র অর্থে চলে। বাকি বিকল্পগুলোর অর্থ আলাদা: প্রসূন মানে ফুল, অদ্রি মানে পর্বত, আর বামা মানে নারী। তাই এগুলোর কোনোটিই পুত্রের সমার্থক নয়।
মনে রাখুন:
কন্যা বোঝাতে আত্মজা, তনয়া, সুতা ও নন্দিনী বলা হয়।
ফুলের সমার্থক শব্দ: কুসুম, পুষ্প, প্রসূন।
পর্বতের সমার্থক শব্দ: অদ্রি, গিরি, শৈল। - ২১. কোন বাগধারাটির অর্থ 'মারা যাওয়া'—
- ক. অক্কা পাওয়া
- খ. কেউকেটা
- গ. কান পাতলা
- ঘ. কেতাদুরস্ত
উত্তর: ক. অক্কা পাওয়া
‘অক্কা পাওয়া’ বাগধারার অর্থ মারা যাওয়া। এই বাগধারাটি আক্ষরিক অর্থে নয়, বিশেষ একটি ভাব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। অন্য বাগধারাগুলোর অর্থ আলাদা: ‘কেউকেটা’ মানে গণ্যমান্য বা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, ‘কান পাতলা’ মানে যে অন্যের কথায় সহজে বিশ্বাস করে আর ‘কেতাদুরস্ত’ মানে ফিটফাট বা সুবিন্যস্ত।
উদাহরণ:
বৃদ্ধ লোকটি গত রাতে অক্কা পেয়েছেন।
মনে রাখুন: মৃত্যু বোঝাতে আরও কিছু বাগধারা আছে, যেমন ‘চোখ বোজা’, ‘পটল তোলা’ ও ‘ইহলীলা সাঙ্গ করা’। - ২২. 'পুতুল নাচের ইতিকথা' উপন্যাসটি কার রচনা?
- ক. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
- খ. বুদ্ধদেব বসু
- গ. জহির রায়হান
- ঘ. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
উত্তর: ঘ. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
‘পুতুল নাচের ইতিকথা’ (১৯৩৬) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস। এতে গ্রামের ডাক্তার শশীর জীবন, তার প্রেম, দ্বিধা ও নিয়তির কাছে অসহায়তা ফুটে উঠেছে। মানুষ যেন পুতুল, আর অদৃশ্য কেউ সুতো ধরে তাকে নাচাচ্ছে, এই ভাবনা থেকেই উপন্যাসের নামকরণ। বিভূতিভূষণ, বুদ্ধদেব বসু ও জহির রায়হানও খ্যাতিমান লেখক, তবে এই উপন্যাস তাঁদের নয়। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্য দুটি বিখ্যাত উপন্যাস ‘পদ্মানদীর মাঝি’ ও ‘দিবারাত্রির কাব্য’।
মনে রাখুন:
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আসল নাম প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়।
বিভূতিভূষণের বিখ্যাত উপন্যাস ‘পথের পাঁচালী’।
জহির রায়হানের উপন্যাস ‘হাজার বছর ধরে’ ও ‘আরেক ফাল্গুন’। - ২৬. 'ধনধান্য পুষ্পভরা আমাদের এই বসুন্ধরা' গানটির রচয়িতা কে?
- ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. ডি. এল. রায়
- গ. অতুল প্রসাদ
- ঘ. আবদুল লতিফ
উত্তর: খ. ডি. এল. রায়
‘ধনধান্য পুষ্পভরা আমাদের এই বসুন্ধরা’ দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের (ডি. এল. রায়) লেখা দেশাত্মবোধক গান। তিনি নাটক, হাসির গান ও দেশের গানের জন্য বিখ্যাত। তাঁর আরও পরিচিত গান ‘বঙ্গ আমার জননী আমার’ এবং ‘যেদিন সুনীল জলধি হইতে’।
মনে রাখুন: তাঁর নাটক ‘সাজাহান’, ‘চন্দ্রগুপ্ত’ ও ‘মেবার পতন’। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দেশের গানের মধ্যে ‘আমার সোনার বাংলা’ আমাদের জাতীয় সংগীত। - ২৯. 'তৃষ্ণার্ত'-এর সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
- ক. তৃষ্ণা + আর্ত
- খ. তৃষ্ণা + ঋত
- গ. তৃষ্ণা + ঋষ্ট
- ঘ. তৃষ্ণা + রিত
উত্তর: খ. তৃষ্ণা + ঋত
সন্ধি বিচ্ছেদে ‘তৃষ্ণার্ত’ ভাঙলে পাই তৃষ্ণা + ঋত। এখানে তৃষ্ণা শব্দের শেষ আ-কার এবং পরের ঋত শব্দের শুরুতে ঋ আছে। অ বা আ-এর পরে ঋ থাকলে দুটি মিলে ‘অর্’ হয়। এভাবেই আ + ঋ = অর্, এবং শব্দটি দাঁড়ায় তৃষ্ণার্ত। ‘আর্ত’ নিজেই একটি শব্দ, তাই তৃষ্ণা + আর্ত বললে ‘আর্ত’ দুবার আসে, যা সন্ধির নিয়মে ঠিক নয়।
উদাহরণ:
শীত + ঋত = শীতার্ত
ক্ষুধা + ঋত = ক্ষুধার্ত
মনে রাখুন: এটি স্বরসন্ধির অংশ। - ৩০. 'বন্দী শিবির থেকে' কাব্যগ্রন্থের কবি কে?
- ক. শামসুর রাহমান
- খ. হাসান হাফিজুর রহমান
- গ. রফিক আজাদ
- ঘ. আল মাহমুদ
উত্তর: ক. শামসুর রাহমান
‘বন্দী শিবির থেকে’ (১৯৭২) মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা শামসুর রাহমানের কাব্যগ্রন্থ। যুদ্ধের সময় তিনি দেশেই ছিলেন, আর অবরুদ্ধ ঢাকার অভিজ্ঞতা এই কবিতাগুলোতে ফুটে উঠেছে। তাঁর বিখ্যাত কবিতা ‘তোমাকে পাওয়ার জন্য, হে স্বাধীনতা’।
মনে রাখুন:
শামসুর রাহমানের অন্য কাব্যগ্রন্থ: প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে (প্রথম কাব্য), রৌদ্র করোটিতে, বিধ্বস্ত নীলিমা, নিজ বাসভূমে।
আল মাহমুদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ: লোকলোকান্তর, সোনালী কাবিন। - ৩২. 'আশায় বসতি' কোন কবির রচনা?
- ক. ফররুখ আহমদ
- খ. আহসান হাবীব
- গ. আবুল হোসেন
- ঘ. সৈয়দ আলী আহসান
উত্তর: খ. আহসান হাবীব
‘আশায় বসতি’ (১৯৭৪) কবি আহসান হাবীবের কাব্যগ্রন্থ। বাকি তিনজন, অর্থাৎ ফররুখ আহমদ, আবুল হোসেন ও সৈয়দ আলী আহসানও খ্যাতিমান কবি, তবে এই কাব্য তাঁদের নয়। আহসান হাবীবের অন্য কাব্যগ্রন্থগুলো হলো রাত্রিশেষ, ছায়াহরিণ, সারা দুপুর, মেঘ বলে চৈত্রে যাবো ও দুই হাতে দুই আদিম পাথর। এঁদের মধ্যে প্রত্যেকের নিজস্ব বিখ্যাত বই আছে, তাই কাব্যের নামের সঙ্গে কবির নাম মিলিয়ে মনে রাখা ভালো।
মনে রাখুন:
ফররুখ আহমদ: সাত সাগরের মাঝি, সিরাজাম মুনীরা।
সৈয়দ আলী আহসান: অনেক আকাশ, একক সন্ধ্যায় বসন্ত।
আহসান হাবীবের ‘ছায়াহরিণ’ ও ‘সারা দুপুর’ আধুনিক বাংলা কবিতার পাঠকের কাছে পরিচিত। - ৩৫. কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে বাংলা বিভাগ খোলা হয় কোন সালে?
- ক. ১৮০১ খ্রি.
- খ. ১৮০২ খ্রি.
- গ. ১৮০৫ খ্রি.
- ঘ. ১৮১৫ খ্রি.
উত্তর: ক. ১৮০১ খ্রি.
কলকাতার ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ১৮০০ সালের ৪ মে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর উদ্দেশ্য ছিল ইংরেজ কর্মচারীদের দেশীয় ভাষা শেখানো। পরের বছর, ১৮০১ সালে, এখানে বাংলা বিভাগ খোলা হয় এবং এর প্রথম অধ্যক্ষ হন উইলিয়াম কেরি। এখানকার পণ্ডিতরা পাঠ্যবই লিখতে গিয়ে বাংলা গদ্যের বিকাশে বড় অবদান রাখেন।
মনে রাখুন: এই কলেজের পণ্ডিতদের মধ্যে রামরাম বসু (রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র) ও মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার (প্রবোধচন্দ্রিকা) বিখ্যাত। - ৩৭. 'যতকাল রবে পদ্মা মেঘনা গৌরী যমুনা বহমান/ ততকাল রবে কীর্তি তোমার শেখ মুজিবুর রহমান।' এই পঙ্ক্তির রচয়িতা কে?
- ক. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
- খ. শামসুর রাহমান
- গ. অন্নদাশঙ্কর রায়
- ঘ. নির্মলেন্দু গুণ
উত্তর: গ. অন্নদাশঙ্কর রায়
‘যতকাল রবে পদ্মা মেঘনা গৌরী যমুনা বহমান / ততকাল রবে কীর্তি তোমার শেখ মুজিবুর রহমান’ পঙ্ক্তি দুটি অন্নদাশঙ্কর রায়ের লেখা। তিনি বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ছড়ার ঢঙে এটি লেখেন। পঙ্ক্তি দুটির মূল কথা হলো, নদী যতদিন বইবে, বঙ্গবন্ধুর কীর্তিও ততদিন বেঁচে থাকবে।
মনে রাখুন: অন্নদাশঙ্কর রায় ভারতীয় বাঙালি লেখক। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস ‘সত্যাসত্য’ এবং ভ্রমণকাহিনি ‘পথে প্রবাসে’। - ৪২. কাজী নজরুল ইসলামের 'বিদ্রোহী' কবিতার মূল সুর হচ্ছে—
- ক. বিদ্রোহ ও বিপ্লবের আবেগ
- খ. স্বরাজ প্রতিষ্ঠা
- গ. প্রেম
- ঘ. প্রকৃতি বন্দনা
উত্তর: ক. বিদ্রোহ ও বিপ্লবের আবেগ
‘বিদ্রোহী’ কবিতা কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নিবীণা’ (১৯২২)-র মূল কবিতা। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় সাপ্তাহিক ‘বিজলী’ পত্রিকায়। কবিতায় তিনি সব অন্যায়, শৃঙ্খল ও পরাধীনতার বিরুদ্ধে নিজের তীব্র প্রতিবাদী সত্তাকে তুলে ধরেছেন। ‘আমি’ শব্দের বারবার ব্যবহার একে বিশেষ রূপ দিয়েছে। এই কবিতার জন্যই তিনি বিদ্রোহী কবি নামে পরিচিত হন।
মনে রাখুন: ‘বিদ্রোহী’ কবিতার ধ্রুবপদ ‘বল বীর, বল উন্নত মম শির’। - ৪৬. 'বনলতা সেন' কোন কবির কাব্যগ্রন্থের নাম?
- ক. বুদ্ধদেব বসু
- খ. অমিয় চক্রবর্তী
- গ. জীবনানন্দ দাশ
- ঘ. বিষ্ণু দে
উত্তর: গ. জীবনানন্দ দাশ
‘বনলতা সেন’ (১৯৪২) জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ। এই নামে বিখ্যাত একটি কবিতাও বইটিতে আছে, যার প্রথম লাইন ‘হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছি পৃথিবীর পথে’। বুদ্ধদেব বসু, অমিয় চক্রবর্তী ও বিষ্ণু দেও আধুনিক কবি, তবে এই কাব্যের রচয়িতা তাঁরা নন। জীবনানন্দ দাশের অন্য বিখ্যাত বইগুলো ঝরা পালক, ধূসর পাণ্ডুলিপি, রূপসী বাংলা ও মহাপৃথিবী।
মনে রাখুন:
জীবনানন্দকে ‘রূপসী বাংলার কবি’ বলা হয়, কারণ তিনি বাংলার প্রকৃতির কবি।
তাঁর অন্য একটি কাব্য ‘সাতটি তারার তিমির’। - ৪৯. কাশীরাম দাসের অনূদিত গ্রন্থ কোনটি?
- ক. রামায়ণ
- খ. মেঘদূত
- গ. মহাভারত
- ঘ. শকুন্তলা
উত্তর: গ. মহাভারত
কাশীরাম দাস মধ্যযুগের কবি, যিনি সংস্কৃত মহাভারতের কাহিনি বাংলা পয়ার ছন্দে লিখেছেন। এই বই বাঙালির ঘরে ঘরে খুব জনপ্রিয় হয়েছে। তাঁর আগে কবীন্দ্র পরমেশ্বর প্রথম মহাভারতের বাংলা অনুবাদ করেন। রামায়ণ বাংলায় অনুবাদ করেছেন কৃত্তিবাস ওঝা, তাই রামায়ণ এখানে সঠিক উত্তর নয়। মেঘদূত ও শকুন্তলাও কাশীরাম দাসের অনুবাদ নয়।
মনে রাখুন:
কৃত্তিবাস ওঝার রামায়ণ ‘শ্রীরাম পাঁচালী’ নামে পরিচিত।
কালিদাসের ‘মেঘদূত’ সংস্কৃত কাব্য এবং ‘অভিজ্ঞানশকুন্তলম্’ সংস্কৃত নাটক। - ৫৩. সপ্তদশ শতকের কবি আলাওলের প্রধান কাব্য কোনটি?
- ক. পদ্মাবতী
- খ. সয়ফুলমুলুক-বদিউজ্জামাল
- গ. সপ্তপয়কর
- ঘ. তোহফা
উত্তর: ক. পদ্মাবতী
সপ্তদশ শতকের মধ্যযুগীয় কবি আলাওল আরাকান রাজসভার কবি ছিলেন। তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত কাব্য ‘পদ্মাবতী’ (১৬৪৬), যা মালিক মুহম্মদ জায়সীর হিন্দি কাব্য ‘পদুমাবৎ’-এর অনুবাদ। তাঁর অন্য কাব্য ‘সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামাল’, ‘সপ্তপয়কর’ ও ‘তোহফা’ও গুরুত্বপূর্ণ, তবে ‘পদ্মাবতী’ তাঁকে সবচেয়ে বেশি খ্যাতি দিয়েছে। অনুবাদ হলেও এই কাব্যে আলাওল নিজের কবিত্বের ছাপ রেখেছেন, আর এতে আরবি-ফারসি শব্দও ব্যবহৃত হয়েছে।
মনে রাখুন:
আলাওলকে ‘আরাকান রাজসভার কবি’ বলা হয়।
‘সপ্তপয়কর’ ফারসি কবি নিজামির কাব্যের অনুবাদ। - ৫৫. 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' কাব্যনাট্যের বিষয় কী?
- ক. ভাষা আন্দোলন
- খ. মুক্তিযুদ্ধ
- গ. ছাত্র আন্দোলন
- ঘ. স্বৈরশাসন-বিরোধী আন্দোলন
উত্তর: খ. মুক্তিযুদ্ধ
‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ কবি সৈয়দ শামসুল হকের লেখা কাব্যনাট্য। মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে একটি গ্রামের মানুষের জীবন, ভয় ও প্রতিরোধের গল্প এতে বলা হয়েছে। এটি কাব্যের ভাষায় লেখা নাটক, তাই একে কাব্যনাট্য বলা হয়।
মনে রাখুন:
সৈয়দ শামসুল হকের অন্য কাব্যনাট্য: নূরলদীনের সারাজীবন, গণনায়ক, ঈর্ষা।
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অন্য নাটক: কী চাহ শঙ্খচিল (মমতাজউদ্দীন আহমদ), নরকে লাল গোলাপ (আলাউদ্দিন আল আজাদ)। - ৬২. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নোবেল পুরস্কার লাভ করেন—
- ক. ১৯১৩ খ্রি.
- খ. ১৯১২ খ্রি.
- গ. ১৯১৪ খ্রি.
- ঘ. ১৯২০ খ্রি.
উত্তর: ক. ১৯১৩ খ্রি.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। তিনি নিজের বাংলা গীতাঞ্জলি (১৯১০) থেকে বাছাই করা কবিতা ইংরেজিতে অনুবাদ করেছিলেন, সেই বইয়ের নাম Song Offerings (১৯১২)। কবি ডব্লিউ. বি. ইয়েটস এর ভূমিকা লিখে দেন। এই ইংরেজি বইয়ের জন্যই সুইডিশ অ্যাকাডেমি তাঁকে পুরস্কারটি দেয়।
মনে রাখুন:
রবীন্দ্রনাথ এশিয়ার প্রথম নোবেল বিজয়ী।
তাঁকে বাংলা ভাষার প্রথম এবং এখন পর্যন্ত একমাত্র সাহিত্যে নোবেলজয়ী বলা হয়।
১৯১২ সালে ছিল ইংরেজি বইটির প্রকাশ, পুরস্কার পাওয়ার সাল নয়। এই দুটি সাল গুলিয়ে ফেলা সহজ। - ৬৬. 'দারোগা' শব্দটি কোন ভাষার শব্দ?
- ক. জাপানি
- খ. তুর্কি
- গ. ফরাসি
- ঘ. গুজরাটি
উত্তর: খ. তুর্কি
‘দারোগা’ শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। মুসলিম শাসনের সময় তুর্কি সেনা ও প্রশাসনের সঙ্গে এমন অনেক শব্দ আমাদের ভাষায় ঢুকে পড়ে। দারোগা বলতে তখন থানা বা কোনো দপ্তরের প্রধানকে বোঝাত। তাই সব পুরোনো বিদেশি শব্দকে ফারসি ভাবা ঠিক নয়। জাপানি, ফরাসি ও গুজরাটি ভাষার শব্দগুলোর উৎস আলাদা।
মনে রাখুন:
তুর্কি শব্দ: উজবুক, চাকর, চাকু, তোপ, বাবা, লাশ, কুর্নিশ, বেগম, বন্দুক।
ফারসি শব্দ: কারখানা, চশমা, দোকান, বাজার। - ৭০. বাংলা কবিতায় অমিত্রাক্ষর ছন্দ ও সনেটের প্রবর্তন করেন—
- ক. রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
- খ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
- গ. ঈশ্বর গুপ্ত
- ঘ. ভারতচন্দ্র
উত্তর: খ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
বাংলা কবিতায় অমিত্রাক্ষর ছন্দ (Blank verse) এনেছিলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। এই ছন্দে চরণের শেষে মিল থাকে না, কিন্তু ভাবের প্রবাহ এক চরণ থেকে আরেক চরণে বয়ে যায়। তাঁর ‘তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য’ (১৮৬০) এই ছন্দে লেখা প্রথম কাব্য। এ ছাড়া তিনিই বাংলায় প্রথম সনেট (চতুর্দশপদী কবিতা) লেখেন।
মনে রাখুন:
তাঁর বিখ্যাত কাব্য: মেঘনাদবধ কাব্য, বীরাঙ্গনা কাব্য, ব্রজাঙ্গনা কাব্য।
চতুর্দশপদী কবিতাবলি তাঁর সনেট সংকলন।
মধুসূদন ১৮৪৩ সালে খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণ করেন।
রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঈশ্বর গুপ্ত তাঁর আগের যুগের কবি। - ৭২. ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধান কোন শ্রেণির শব্দে অনুসৃত হয়?
- ক. দেশি
- খ. বিদেশি
- গ. তৎসম
- ঘ. খাঁটি বাংলা
উত্তর: গ. তৎসম
ণ-ত্ব বিধান ও ষ-ত্ব বিধান হলো তৎসম (সংস্কৃত থেকে অবিকৃতভাবে আসা) শব্দে মূর্ধন্য ণ ও ষ কখন বসবে, তার নিয়ম। যেমন ঋ, র, ষ-এর পরে ‘ন’ থাকলে সাধারণত ‘ণ’ হয়, তাই তৃণ, বর্ণ, ভাষণ ইত্যাদি। দেশি, খাঁটি বাংলা ও বিদেশি শব্দে এই নিয়ম খাটে না। সেখানে দন্ত্য ন ও দন্ত্য স বসে, যেমন সোনা, কান, ইসলাম, স্টেশন।
মনে রাখুন: বিদেশি শব্দে সাধারণত ণ ও ষ ব্যবহার হয় না। যেমন ‘করণ’ তৎসম, কিন্তু ‘কারখানা’ ফারসি, তাই সেখানে ‘ন’ আছে। - ৮০. 'দেবদত্ত' কোন সমাস?
- ক. চতুর্থী তৎপুরুষ
- খ. প্রাদি তৎপুরুষ
- গ. পঞ্চমী তৎপুরুষ
- ঘ. তৃতীয়া তৎপুরুষ
উত্তর: ক. চতুর্থী তৎপুরুষ
‘দেবদত্ত’ সমাসটির ব্যাসবাক্য হলো ‘দেবকে দত্ত’। এখানে পূর্বপদ ‘দেব’-এর সঙ্গে থাকা চতুর্থী বিভক্তি (কে, জন্য, নিমিত্ত) লোপ পেয়েছে, তাই এটি চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস (Dative Tatpurusha)। তৎপুরুষ সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান থাকে। ‘দেবদত্ত’ একটি নামও হতে পারে, কিন্তু সমাসের ক্ষেত্রে ব্যাসবাক্য করলে চতুর্থী তৎপুরুষই হয়।
উদাহরণ:
গুরুকে ভক্তি = গুরুভক্তি
যজ্ঞের জন্য কাঠ = যজ্ঞকাষ্ঠ
মনে রাখুন: তৎপুরুষ সমাসে পরপদের অর্থই প্রধান থাকে, আর বহুব্রীহি সমাসে কোনো পদ নয়, তৃতীয় একটি অর্থ প্রধান হয়। - ৮২. Comparative শব্দটির পরিভাষা হলো —
- ক. সাম্যবাদ
- খ. খেসারত
- গ. তুলনামূলক
- ঘ. প্রতিযোগিতা
উত্তর: গ. তুলনামূলক
ইংরেজি Comparative শব্দটির বাংলা পরিভাষা হলো ‘তুলনামূলক’। শব্দটি এসেছে ‘তুলনা করা’ ধারণা থেকে, যেমন Comparative Literature মানে তুলনামূলক সাহিত্য। এই শব্দের আগে-পরে বাংলায় যে অন্য শব্দগুলো আছে, সেগুলো আসলে অন্য ইংরেজি শব্দের অর্থ: Communism মানে সাম্যবাদ, Compensation মানে খেসারত বা ক্ষতিপূরণ আর Competition মানে প্রতিযোগিতা। চারটি শব্দ দেখতে প্রায় একই রকম, তাই ভুল করা সহজ।
মনে রাখুন: Adjective-এর তিনটি Degree আছে: Positive, Comparative ও Superlative, যেমন good, better, best। - ৮৩. 'রাইফেল রোটি আওরাত' উপন্যাসের আখ্যানকেন্দ্র কোথায়?
- ক. বিশ্ববিদ্যালয়
- খ. পুলিশ লাইনস
- গ. সাভার
- ঘ. গাজীপুর
উত্তর: ক. বিশ্ববিদ্যালয়
আনোয়ার পাশার ‘রাইফেল রোটি আওরাত’ (১৯৭৩) মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা উপন্যাস। এর আখ্যান ঘুরেছে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ঘিরে, যেখানে পাকিস্তানি সেনারা নির্মম গণহত্যা চালায়। লেখক নিজেও সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী হন।
মনে রাখুন: নামটি এসেছে পাকিস্তানি ক্ষমতার তিনটি প্রতীক রাইফেল (অস্ত্র), রোটি (খাদ্য) ও আওরাত (নারী) থেকে। - ৮৪. কোন বানানটি শুদ্ধ?
- ক. সজ্ঞা
- খ. সংজ্ঞা
- গ. সংগা
- ঘ. সংঙ্গা
উত্তর: খ. সংজ্ঞা
শুদ্ধ বানান ‘সংজ্ঞা’। এটি তৎসম শব্দ, গঠন হলো সম্ + জ্ঞা। প্রথমে ‘ং’ (অনুস্বার) বসে, তারপর ‘জ্ঞ’ যুক্তবর্ণ আসে। শব্দটির অর্থ নাম, আখ্যা বা চেতনা, আবার কোনো বিষয়ের পরিচয় বা ব্যাখ্যা বোঝাতেও ‘সংজ্ঞা’ বলা হয়। অন্য বিকল্পগুলোর বানান ভুল, কারণ সেখানে ‘জ্ঞ’-এর জায়গায় ‘গ’ বা ‘ঙ্গ’ বসানো হয়েছে।
মনে রাখুন:
সংজ্ঞা-র মতো আরও শুদ্ধ বানান: সংগীত, সংগ্রাম, সংঘাত।
‘সংজ্ঞাহীন’ মানে অজ্ঞান বা চেতনা হারানো। - ৯০. গঠনগত দিক থেকে শব্দ কয়ভাগে বিভক্ত?
- ক. এক
- খ. দুই
- গ. তিন
- ঘ. চার
উত্তর: খ. দুই
গঠন বা নির্মাণের দিক থেকে বাংলা শব্দ দুই ভাগে বিভক্ত। যে শব্দকে ভাঙলে আর কোনো অর্থপূর্ণ অংশ পাওয়া যায় না, সেটি মৌলিক শব্দ (যেমন গোলাপ, নাক, লাল, তিন)। আর যে শব্দ প্রত্যয়, উপসর্গ বা সমাস দিয়ে তৈরি হয়, সেটি সাধিত শব্দ (যেমন চাওয়া, নির্মল, দেশবাসী)।
মনে রাখুন:
অর্থের দিক থেকে শব্দ তিন প্রকার: যৌগিক, রূঢ়ি ও যোগরূঢ়।
উৎপত্তির দিক থেকে পাঁচ প্রকার: তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি।
আন্তর্জাতিক
- ১৫. IDA বলতে কী বোঝেন?
- ক. International Development Authority
- খ. Industrial Development Authority
- গ. Inland Development Authority
- ঘ. International Development Association
উত্তর: ঘ. International Development Association
IDA-এর পূর্ণরূপ International Development Association। এটি বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি সংস্থা, যা ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বিশ্বের সবচেয়ে দরিদ্র দেশগুলোকে প্রায় সুদহীন বা খুব কম সুদে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ ও অনুদান দেওয়া এর কাজ। এ কারণে একে ‘নরম ঋণের জানালা’ (Soft Loan Window) বলা হয়। বাংলাদেশ এই সংস্থার একটি বড় ঋণগ্রহীতা। সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডি.সি.-তে।
মনে রাখুন: বিশ্বব্যাংক গ্রুপের অন্য সংস্থাগুলো হলো IBRD, IFC, MIGA ও ICSID। - ৫৬. মরিশাস দ্বীপপুঞ্জ কোন সাগরে অবস্থিত?
- ক. প্রশান্ত মহাসাগরে
- খ. আরব সাগরে
- গ. আটলান্টিক মহাসাগরে
- ঘ. ভারত মহাসাগরে
উত্তর: ঘ. ভারত মহাসাগরে
মরিশাস আফ্রিকার পূর্বে ভারত মহাসাগরের বুকে অবস্থিত একটি দ্বীপরাষ্ট্র। এর কাছাকাছি আছে মাদাগাস্কার ও রিইউনিয়ন দ্বীপ। প্রশান্ত মহাসাগর, আরব সাগর বা আটলান্টিক মহাসাগরে এর অবস্থান নয়। ভারত মহাসাগরের আরও কয়েকটি দ্বীপরাষ্ট্র হলো সেশেলস, কমোরোস ও মালদ্বীপ। মরিশাস ১৯৬৮ সালে ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা পায়।
মনে রাখুন:
মরিশাসের রাজধানী পোর্ট লুই।
দ্বীপটি এক সময় ডোডো পাখির বাসভূমি ছিল, যে পাখি এখন বিলুপ্ত। - ৬০. কুইবেক প্রদেশ কোন দেশের অংশ?
- ক. যুক্তরাজ্য
- খ. কানাডা
- গ. যুক্তরাষ্ট্র
- ঘ. ফ্রান্স
উত্তর: খ. কানাডা
কুইবেক (Quebec) উত্তর আমেরিকার দেশ কানাডার একটি প্রদেশ। আয়তনে এটি কানাডার সবচেয়ে বড় প্রদেশ। এখানকার বেশিরভাগ মানুষ ফরাসি ভাষায় কথা বলেন, তাই প্রদেশটির সরকারি ভাষা ফরাসি। এর বিখ্যাত শহর মন্ট্রিয়ল ও কুইবেক সিটি। যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র বা ফ্রান্সের সঙ্গে এর শাসনগত সম্পর্ক নেই, কেবল ফ্রান্সের সঙ্গে ভাষা ও সংস্কৃতির মিল আছে।
মনে রাখুন:
কানাডার রাজধানী অটোয়া।
কানাডার সরকারি ভাষা দুটি, ইংরেজি ও ফরাসি।
কুইবেক সিটি প্রদেশটির রাজধানী, আর মন্ট্রিয়ল এর সবচেয়ে বড় শহর। - ৬৭. জাপানের অতীত রাজধানীর নাম কী?
- ক. ওসাকা
- খ. হিরোশিমা
- গ. কিয়োটো
- ঘ. নাগাসাকি
উত্তর: গ. কিয়োটো
জাপানের প্রাচীন রাজধানী ছিল কিয়োটো (Kyoto)। ৭৯৪ সালে এখানে রাজধানী স্থাপিত হয়, তখন শহরের নাম ছিল হেইয়ান-কিয়ো। ১৮৬৮ সালে মেইজি পুনঃপ্রতিষ্ঠার পর সম্রাটের দরবার টোকিওতে সরে যায়, তখন থেকে টোকিও রাজধানী। অন্য তিনটি শহরের কোনোটিই কখনো জাপানের রাজধানী ছিল না। ওসাকা বড় বাণিজ্যিক শহর। আর হিরোশিমা ও নাগাসাকি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষে ১৯৪৫ সালে পারমাণবিক বোমার আঘাতে ধ্বংস হয়।
মনে রাখুন: কিয়োটোর আগে ৭১০ থেকে ৭৮৪ সাল পর্যন্ত নারা শহর ছিল জাপানের রাজধানী। - ৭৩. বিশ্বের সর্বাধিক দ্বীপ নিয়ে গঠিত রাষ্ট্র কোনটি?
- ক. ইন্দোনেশিয়া
- খ. ফিলিপাইন
- গ. মালদ্বীপ
- ঘ. জাপান
উত্তর: ক. ইন্দোনেশিয়া
বিশ্বের সবচেয়ে বেশি দ্বীপ নিয়ে গঠিত রাষ্ট্রের তালিকায় প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে ইন্দোনেশিয়া সবার ওপরে। দেশটিতে প্রায় সতেরো হাজারের বেশি দ্বীপ আছে। এর মধ্যে সুমাত্রা, জাভা, বোর্নিও (কালিমান্তান) ও পাপুয়ার অংশ বড় দ্বীপ। ফিলিপাইনে প্রায় সাত হাজার দ্বীপ, জাপানে প্রায় সাত হাজার এবং মালদ্বীপে প্রায় বারোশো দ্বীপ আছে।
মনে রাখুন:
ইন্দোনেশিয়া মুসলিম জনসংখ্যায় বিশ্বের বৃহত্তম দেশ।
অবশ্য দ্বীপের মোট সংখ্যায় সুইডেন সবার ওপরে বলে ধরা হয়, তবে এখানে সুইডেন বিকল্পে নেই। - ৭৮. European Union-এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
- ক. প্যারিসে
- খ. ব্রাসেলসে
- গ. রোমে
- ঘ. বার্লিনে
উত্তর: খ. ব্রাসেলসে
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (European Union) প্রধান প্রশাসনিক কেন্দ্র বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে। ইউরোপীয় কমিশন ও পরিষদের মতো গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা এখানেই কাজ করে। ইউনিয়নের বর্তমান নাম ১৯৯৩ সালে মাস্ট্রিখট চুক্তির মাধ্যমে চালু হয়। আগে এর নাম ছিল ইউরোপীয় অর্থনৈতিক সম্প্রদায়।
মনে রাখুন:
ইউরোপীয় সংসদের কাজ ফ্রান্সের স্ট্রাসবুর্গ ও ব্রাসেলসে ভাগ হয়ে চলে।
যুক্তরাজ্য ২০২০ সালে ইউনিয়ন ছেড়ে বেরিয়ে যায়, ফলে সদস্য দেশ এখন ২৭টি। - ৯৪. Spain-এর রাজধানীর নাম কী?
- ক. বার্সেলোনা
- খ. কর্ডোভা
- গ. গ্রানাডা
- ঘ. মাদ্রিদ
উত্তর: ঘ. মাদ্রিদ
স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদ (Madrid)। এটি দেশের মাঝামাঝি অবস্থিত এবং দেশের বৃহত্তম শহর। বার্সেলোনা স্পেনের বড় শহর ও কাতালোনিয়া অঞ্চলের কেন্দ্র, কিন্তু রাজধানী নয়। কর্ডোভা ও গ্রানাডা আন্দালুসিয়া অঞ্চলের ঐতিহাসিক শহর, যেখানে মুসলিম শাসনের স্থাপত্য আছে। অনেক সময় বড় বা বিখ্যাত শহরকে রাজধানী ভাবার ভুল হয়, এখানেও তা-ই ঘটার সম্ভাবনা আছে।
মনে রাখুন:
গ্রানাডার আলহামরা প্রাসাদ মুসলিম স্থাপত্যের বিখ্যাত নিদর্শন।
কর্ডোভার বড় মসজিদ (মেজকিতা) মুসলিম শাসনের স্মৃতি বহন করে।
বিজ্ঞান
- ১৭. সূর্যের নিকটতম গ্রহ কোনটি?
- ক. জুপিটার
- খ. ভেনাস
- গ. মার্কারি
- ঘ. নেপচুন
উত্তর: গ. মার্কারি
সৌরজগতে সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ বুধ, ইংরেজিতে মার্কারি (Mercury)। এটি সবচেয়ে ছোট গ্রহ এবং সূর্যকে একবার ঘুরে আসতে মাত্র প্রায় ৮৮ দিন সময় নেয়। তাই এটি সবচেয়ে দ্রুত প্রদক্ষিণকারী গ্রহও। বাকি গ্রহের মধ্যে ভেনাস (শুক্র) দ্বিতীয় নিকটতম, আর জুপিটার (বৃহস্পতি) ও নেপচুন (বরুণ) অনেক দূরে।
মনে রাখুন: সূর্য থেকে দূরত্বের ক্রম হলো বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস, নেপচুন। - ২৩. ডিমের সাদা অংশে থাকে–
- ক. ভিটামিন সি
- খ. অ্যালবুমিন
- গ. গ্লুকোজ
- ঘ. লিনোলিক এসিড
উত্তর: খ. অ্যালবুমিন
ডিমের সাদা অংশের প্রধান উপাদান প্রোটিন, যার নাম অ্যালবুমিন (Albumin)। এ কারণে সাদা অংশ গরম করলে সেদ্ধ হয়ে জমাট বাঁধে। ডিমের হলুদ অংশে চর্বি ও ভিটামিন বেশি থাকে। ভিটামিন সি ডিমে প্রায় থাকে না, আর গ্লুকোজ ও লিনোলিক এসিড সাদা অংশের বৈশিষ্ট্য নয়।
মনে রাখুন: ডিম প্রাণীজ আমিষের ভালো উৎস, তবে ভিটামিন সি-র জন্য আমাদের লেবু, আমলকী বা পেয়ারার মতো ফল খেতে হয়। - ২৪. কোন উপাদানের ঘাটতির কারণে ডায়াবেটিস রোগ হয়?
- ক. বিলিরুবিন
- খ. মেলানিন
- গ. ইনসুলিন
- ঘ. হিমোগ্লোবিন
উত্তর: গ. ইনসুলিন
আমাদের অগ্ন্যাশয়ের (Pancreas) আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স নামে কোষগুচ্ছের বিটা কোষ ইনসুলিন (Insulin) হরমোন তৈরি করে। এই হরমোন রক্তের গ্লুকোজকে কোষে ঢুকতে সাহায্য করে। ইনসুলিন কম তৈরি হলে বা কাজ না করলে গ্লুকোজ রক্তেই থেকে যায় এবং মূত্রের সঙ্গে বের হয়। এই অবস্থাকে ডায়াবেটিস মেলিটাস বলে।
মনে রাখুন: বিলিরুবিন পিত্তের রঞ্জক, মেলানিন ত্বকের রঙ ঠিক করে, আর হিমোগ্লোবিন রক্তে অক্সিজেন বহন করে। - ২৮. গাছের শারীরিক বৃদ্ধি হয় কোন সারে?
- ক. TSP
- খ. MP
- গ. SSP
- ঘ. Urea
উত্তর: ঘ. Urea
গাছের কাণ্ড ও পাতা বেড়ে ওঠা, অর্থাৎ শারীরিক (Vegetative) বৃদ্ধির জন্য সবচেয়ে বেশি দরকার নাইট্রোজেন। ইউরিয়া সারের প্রায় ৪৬ ভাগই নাইট্রোজেন, তাই এটি গাছকে সবুজ ও সতেজ করে। TSP ফসফরাসের সার, যা মূলের বৃদ্ধি, ফুল ও ফল ধরার জন্য বেশি কাজে লাগে। MP পটাশের সার, যা রোগ প্রতিরোধ ও ফলের গুণ বাড়ায়। SSP-ও ফসফরাসের সার।
মনে রাখুন: ইউরিয়াতে নাইট্রোজেন, TSP-তে ফসফরাস, MP-তে পটাশিয়াম থাকে। মাটিতে এই তিনটি উপাদানের নাম NPK। - ৩৩. দুধের বিশুদ্ধতা মাপা হয় কিসে?
- ক. ন্যানোমিটার
- খ. ল্যাকটোমিটার
- গ. ফ্যাদোমিটার
- ঘ. অলটিমিটার
উত্তর: খ. ল্যাকটোমিটার
ল্যাকটোমিটার (Lactometer) এমন একটি যন্ত্র, যা দুধের ঘনত্ব মেপে বিশুদ্ধতা বোঝাতে সাহায্য করে। দুধে পানি মেশালে ঘনত্ব কমে যায়, আর যন্ত্রটি সেই কমে যাওয়া ধরিয়ে দেয়। তাই এটি দিয়ে দুধ ভেজাল কি না বোঝা যায়।
মনে রাখুন:
ন্যানোমিটার ক্ষুদ্র দৈর্ঘ্যের একক (১ ন্যানোমিটার = ১০⁻⁹ মিটার)।
ফ্যাদোমিটার সমুদ্রের গভীরতা মাপে।
অলটিমিটার উচ্চতা মাপে।
হাইড্রোমিটার তরলের আপেক্ষিক ঘনত্ব মাপে। - ৪৩. হাঙর মাছের তেলে কোন ভিটামিন থাকে?
- ক. ভিটামিন E এবং D
- খ. ভিটামিন C এবং D
- গ. ভিটামিন A এবং D
- ঘ. ভিটামিন B এবং D
উত্তর: গ. ভিটামিন A এবং D
হাঙরের যকৃৎ বা লিভার থেকে যে তেল পাওয়া যায়, তাতে ভিটামিন A ও ভিটামিন D প্রচুর পরিমাণে থাকে। ভিটামিন A আমাদের চোখের জন্য খুব দরকারি, বিশেষ করে আলো-আঁধারে দেখার জন্য, আর এটি ত্বককেও সুস্থ রাখে। ভিটামিন D শরীরকে ক্যালসিয়াম শোষণে সাহায্য করে, ফলে হাড় ও দাঁত মজবুত হয়। কডলিভার তেলেও এই দুটি ভিটামিন পাওয়া যায়।
মনে রাখুন:
ভিটামিন A-র অভাবে রাতকানা রোগ হয়।
ভিটামিন D-র অভাবে শিশুদের রিকেটস রোগ হয়।
ভিটামিন C-র অভাবে স্কার্ভি এবং ভিটামিন E ত্বকের জন্য ভালো, এগুলো হাঙরের তেলের বৈশিষ্ট্য নয়। - ৫০. ইউরিয়া সারের প্রধান কাঁচামাল—
- ক. চুনাপাথর
- খ. খনিজ তেল
- গ. অ্যামোনিয়া
- ঘ. মিথেন গ্যাস
উত্তর: ঘ. মিথেন গ্যাস
ইউরিয়া (CO(NH₂)₂) সার কারখানায় প্রাকৃতিক গ্যাস, যার প্রধান উপাদান মিথেন (CH₄), মূল কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়। প্রথমে মিথেন থেকে হাইড্রোজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইড তৈরি হয়। হাইড্রোজেন বাতাসের নাইট্রোজেনের সঙ্গে মিশে অ্যামোনিয়া (NH₃) হয়। শেষে অ্যামোনিয়া ও কার্বন ডাই-অক্সাইড বিক্রিয়ায় ইউরিয়া পাওয়া যায়। অ্যামোনিয়া একটি মধ্যবর্তী পদার্থ, মূল কাঁচামাল নয়।
মনে রাখুন: বাংলাদেশে বেশিরভাগ ইউরিয়া সার কারখানা প্রাকৃতিক গ্যাসনির্ভর। - ৬৩. পেনিসিলিনের আবিষ্কর্তা কে?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৪
- ক. আলেকজান্ডার ফ্লেমিং
- খ. হিপোক্রেটিস
- গ. ইবনে সিনা
- ঘ. ইউক্লিড
উত্তর: ক. আলেকজান্ডার ফ্লেমিং
পেনিসিলিন (Penicillin) হলো প্রথম আবিষ্কৃত অ্যান্টিবায়োটিক। ১৯২৮ সালে স্কটল্যান্ডের জীবাণুবিজ্ঞানী আলেকজান্ডার ফ্লেমিং লক্ষ করেন, তাঁর পরীক্ষাগারে ফেলে রাখা একটি পাত্রে পেনিসিলিয়াম নামের ছত্রাক জন্মেছে এবং তার চারপাশে ব্যাকটেরিয়া বাড়তে পারছে না। এ থেকেই তিনি পদার্থটির জীবাণু ধ্বংসের ক্ষমতা বুঝতে পারেন।
মনে রাখুন:
পরে হাওয়ার্ড ফ্লোরি ও আর্নস্ট চেইন ওষুধ হিসেবে পেনিসিলিন তৈরির পথ দেখান।
এই তিনজন ১৯৪৫ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান।
হিপোক্রেটিসকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের জনক এবং ইউক্লিডকে জ্যামিতির জনক বলা হয়। - ৭৪. কোন অধাতু বিদ্যুৎ পরিবাহী?
- ক. ক্লোরিন
- খ. টাইটেনিয়াম
- গ. গ্রাফাইট
- ঘ. গ্যালিয়াম
উত্তর: গ. গ্রাফাইট
গ্রাফাইট (Graphite) কার্বনের একটি রূপ, তাই এটি অধাতু। তবু এর গঠনে প্রতিটি কার্বন পরমাণুর একটি করে মুক্ত ইলেকট্রন থাকে, আর সেই ইলেকট্রন স্তরে স্তরে সহজে চলাচল করতে পারে। এ জন্যই গ্রাফাইট বিদ্যুৎ পরিবহন করে। ক্লোরিন অধাতু, কিন্তু এটি বিদ্যুৎ পরিবহন করে না। টাইটেনিয়াম ও গ্যালিয়াম ধাতু।
মনে রাখুন:
কার্বনের আরেক রূপ হীরা বিদ্যুৎ পরিবহন করে না।
গ্রাফাইট পেনসিলের শিস ও ব্যাটারির ইলেকট্রোডে ব্যবহার হয়।
সাধারণত অধাতু বিদ্যুৎ পরিবহন করে না, গ্রাফাইট তার ব্যতিক্রম। - ৯৭. অ্যালুমিনিয়াম ফসফেটকে চলতি বাংলায় কী বলে?
- ক. চুন
- খ. ফিটকিরি
- গ. কস্টিক সোডা
- ঘ. বেকিং পাউডার
উত্তর: খ. ফিটকিরি
বিকল্পগুলোর মধ্যে অ্যালুমিনিয়ামের যৌগ কেবল ফিটকিরি, তাই খ উত্তর। তবে মনে রাখা দরকার, ফিটকিরি আসলে পটাশিয়াম অ্যালুমিনিয়াম সালফেট, যা পানি বিশুদ্ধ করতে ব্যবহৃত হয়।
কম্পিউটার ও আইসিটি
- ৭১. ক্যালকুলেটরের ডায়ালে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
- ক. আয়রন চিপ
- খ. কপার চিপ
- গ. কার্বন চিপ
- ঘ. সিলিকন চিপ
উত্তর: ঘ. সিলিকন চিপ
ক্যালকুলেটরের ভেতরে থাকে সিলিকন চিপ (Silicon chip)। সিলিকন একটি অর্ধপরিবাহী (Semiconductor) মৌল। এর ছোট একটি পাতের ওপর হাজার হাজার ট্রানজিস্টর বসিয়ে সমন্বিত বর্তনী (IC) তৈরি করা হয়। এই বর্তনীই হিসাব করে এবং ডায়ালে সংখ্যা ফুটিয়ে তোলে। ডিজিটাল ঘড়ি, কম্পিউটার ও মোবাইল ফোনের মূল অংশও সিলিকন চিপ দিয়ে তৈরি।
মনে রাখুন: যে এলাকায় সিলিকন চিপের কারখানা বেশি, যুক্তরাষ্ট্রে সেই এলাকার নাম সিলিকন ভ্যালি। - ৯৩. Bluetooth কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করে?
- ক. ম্যাগনেটিক
- খ. রেডিও তরঙ্গ
- গ. অপটিক্যাল
- ঘ. লেজার
উত্তর: খ. রেডিও তরঙ্গ
Bluetooth একটি ওয়্যারলেস প্রযুক্তি। এতে কম দূরত্বে (সাধারণত কয়েক মিটার থেকে প্রায় ১০০ মিটার) দুটি যন্ত্রের মধ্যে রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদান হয়। এর জন্য সাধারণত ২.৪ গিগাহার্টজ পরিসরের তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়। তাই ফোন, হেডফোন, কিবোর্ড একে অপরের সঙ্গে তার ছাড়াই যুক্ত হতে পারে। লেজার বা অপটিক্যাল পদ্ধতিতে সরাসরি দৃষ্টিরেখা লাগে, কিন্তু ব্লুটুথে তা লাগে না।
মনে রাখুন: টিভির রিমোট ইনফ্রারেড আলো ব্যবহার করে, কিন্তু ব্লুটুথ রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়: অন্যান্য পরীক্ষা
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৪
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সুপারিনটেনডেন্ট নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৪
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সুপারিনটেনডেন্ট নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা/সহকারী কনস্যুলার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সাইফার অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১২
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিদ্যুৎ বিভাগ বিদ্যুৎ পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন